আমার এখন আর কোনো দুশ্চিন্তা নেই : প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজ যে তরুণ উদ্ভাবকেরা পুরস্কৃত হলো তা দেখে আমার এখন আর কোনো দুশ্চিন্তা নেই। আমি খুশী, ডিজিটাল বাংলাদেশের সৈনিকরা প্রস্তুত হয়েছে। এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সৈনিকরা আজ তৈরি হচ্ছে। এজন্য জয় ও পলককে ধন্যবাদ জানাই।
রবিবার পঞ্চম ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস উপলক্ষে প্রথম জাতীয় পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমনভাবে নিজের পরিতৃপ্তির কথা জানান সরকার প্রধান।
প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে আইসিটি জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে ব্যক্তি ও দলীয় ক্যাটাগরিতে ২৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির হাতে পুরস্কার তুলে দেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
গণভবন প্রান্ত থেকে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের হল অব ফেমে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধানন্ত্রী বলেন, তরুণ ও শিশুদের আমরা যত বেশি তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট করতে পারবো দেশে ততোই সোনার বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে যাবে।
শেখ হাসিনা বলেন, “আজকে বাংলাদেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। অর্থাৎ রূপকল্প ২০২১ এর যে চিন্তা চেতনাগুলো ছিল, লক্ষ্যগুলো ছিল সে লক্ষ্যটা আমরা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের ভবিষ্যতে এগিয়ে যেতে হবে। আর সেই ভবিষ্যতের জন্য আমাদের যারা নতুন প্রজন্ম, তাদেরকেও প্রস্তুতি নিতে হবে।”
পুরস্কারজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি আরো বলেন, “আমার মনটা ভরে গেল… ২০৪১ সালের বাংলাদেশ উন্নত, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হবে; যাদের দিয়ে সেই বাংলাদেশটা হবে, আজকে এই পুরস্কার দেওয়ার মধ্য দিয়ে… তাদের মেধা বিকাশের একটা সুযোগ হল, আমার এখন আর কোনো দুশ্চিন্তা নাই।”
আইসিটি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব এনএম জিয়াউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস।
বক্তব্য শেষে শেখ হাসিনা ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট শেখ জামাল সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক, চট্টগ্রাম’; ‘বঙ্গবন্ধু স্মৃতি অঙ্গন ও আইটি বিজনেস সেন্টার, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্ক, সিলেট’; ‘শেখ কামাল আইটি ইনকিউবেশন অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’ এবং দুই হাজার ৬০০ ইউনিয়নে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকটিভিটি; ইনফো সরকার (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্প উদ্বোধন করেন।