ডিস্ট্রিবিউটরদের অতিরিক্ত ৪ শতাংশ ছাড় দেবে উৎপাদকেরাঃ ডিসি মাসুদ 

সহিংস নয়, অহিংস আন্দোলন চলবে

সহিংস নয়, অহিংস আন্দোলন চলবে
৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ০০:০০  
৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৮:৪৩  

খুচরা মোবাইল ব্যবসায়ীরা যেন শো রুমের চেয়ে কম দামে মোবাইলফোন বিক্রি করতে পারেন, এজন্য উৎপাদনকারীরা ডিস্ট্রিবিউটরদের বাড়তি ৩ থেকে ৪ শতাংশ ডিসকাউন্ট দেবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম। আন্দোলনকারী ব্যবসায়ীদের সঙ্গে রাজধানীর মোতালেব প্লাজায় ৪ জানুয়ারি, রবিবার মোবাইল ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এমনটাই জানান তিনি।

তবে এই আশ্বাসে ভরসা না রেখে সংঘর্ষে আটক ব্যক্তিদের মুক্তির দাবিতে উপস্থিত কয়েকজন দাবি তোলেন। একইসঙ্গে দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন নেতারা। মার্কেটের সামনে থেকে ডিসি মাসুদ চলে যাওয়ার পর সেখানে একজন নেতা ঘোষণা দেন, আপনারা সহিংস আন্দোলন করবেন না। অহিংস আন্দোলন করবেন। আন্দোলন চলমান থাকবে। 

এর আগে বৈঠক শেষে ডিসি মাসুদ আলম জানান, সহকারি অ্যাডভাইজার মহোদয়ের সঙ্গে আমি কথা বলেছি। উনি জানিয়েছেন, ব্যবসায়ীদের দেয়া কথা অনুযায়ী, এনইআইআর চালুর ৩ মাসে কোনো ফোন ব্ল্যাকলিস্ট হবে না। চালুর আগের সব স্টক লট বৈধ হবে। এছাড়া উৎপাদনকারীরা ডিস্ট্রিবিউটরদের বাড়তি ৩ থেকে ৪ শতাংশ ডিসকাউন্ট দেবে, যাতে শো রুমের চেয়ে কমে তারা ফোন বিক্রি করতে পারেন। আর শুল্কের যে বিষয়টা ওরা তো আগেই বলে দিয়েছে যে শুল্ক কমানো হবে। ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো হয়েছে। তো এইটা মনে হয় অনেকের মধ্যে ভুল বোঝা বুঝি আছে। 

মোতালেব প্লাজায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে আন্দোলনকারীদের তিনি আরও বলেন, আপনাদের রাস্তা অবরোধ আন্দোলনে করতে গিয়ে কিছু পুলিশের সাথে ধাস্তাধস্তি ও ইট পাটকেল নিক্ষেপ হইছে। এতে পুলিশের অনেকে আহত হইছে। পুলিশের লাঠিচার্জে আপনাদেরও অনেকে আহত হইছে। এখন এটাতে আট নয় জন বা ১১ জন ধরা হয়েছে। এটার ব্যাপারে আমার এখনো কোন সিদ্ধান্ত পাই নাই। আমি স্যারদের সাথে কথা বলব। আমি আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে স্যারদের রিকোয়েস্ট করবো। তারপরে এটা স্যাররা যেটা ভালো মনে করে সেটা বলব। আমি আমার তরফ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

এর আগে এনইআইআর চালুর বিরোধিতাসহ বিভিন্ন দাবিতে দেশব্যাপী শাটডাউনের মধ্যে রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও ফার্মগেট মোড় অবরোধ করেন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এছাড়াও তাদের ওপর টিয়ারশেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেডও নিক্ষেপ করা হয়। এ ঘটনায় ২০ জন আহত হন। আটক করা হয় ১২ জনকে।

ডিবিটেক/আইএইচ/ইকে