ধানমন্ডি অফিসে প্রথম অফিস করলেন ই-ক্যাব নতুন প্রশাসক

ধানমন্ডি অফিসে প্রথম অফিস করলেন ই-ক্যাব নতুন প্রশাসক
২২ অক্টোবর, ২০২৫ ২৩:১৩  
২৩ অক্টোবর, ২০২৫ ০১:২৩  

দায়িত্বপ্রাপ্তির পর এক মাসের মাথায় ধানমন্ডির ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) অফিসে প্রথম অফিস করলেন নতুন প্রশাসক ড. সাইফ উদ্দিন আহম্মদ।  ২২ অক্টোবর, বুধবার সচিবালয়ের বদলে সরাসরি ই-ক্যাব অফিসে বসেই সংগঠনটির কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের সঙ্গে অফিস করেন বাণিজ্যমন্ত্রণালয়ের এই যুগ্মসচিব। 

সেখানে তাকে স্বাগত জানান, ই-ক্যাব অ্যাসিসটেন্ট জেনারেল এস এম ইকরামুল হক। এসময় দুই ডেপুটি ম্যানেজার শাহাদাত হোসেন ও শাখওয়াত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।  প্রথম দিনেই ই-ক্যাব সচিবালয়ের কর্মীদের সঙ্গে পরিচয় পর্ব শেষে প্রত্যেককে স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্নের নির্দেশনা দেন তিনি। 

জানাগেছে, গত ২৮ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব পেলেও এতোদিন সচিবালয় থেকেই ই-ক্যাবের বিভিন্ন প্রকল্প সহ দাফতরিক নানা কাজের দেখভাল করছিলেন ড, সাইফ। আগের প্রশাসক সাঈদ আলীর মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া এবং নির্বাচন অনুষ্ঠানে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ থাকার মধ্যে দায়িত্ব গ্রহণ করায় নির্বাচনের বাঁশিতে এখনও ফুঁ দিতে পারেননি এই প্রশাসক। 

এমন পরিস্থিতির উত্তরণে ই-ক্যাব সদস্যদের একটি গ্রুপ নতুন প্রশাসককে ফুল দিয়ে অভিবাদন জানিয়েছে। এসময় তারা স্বচ্ছ ভোটার তালিকা প্রনয়ণ এবং আদালত সংক্রান্ত বিষয় দ্রুত সমাধান করে দ্রুত নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রশাসককে তাগিদ দিয়েছেন।

এছাড়াও নতুন মেম্বারশিপ বাড়ানোর পদক্ষেপ গ্রহণ, এয়ারপোর্টের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা করে সহায়তা প্রদান,  বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান আয়োজন, আগের কমিটির চালু করা ইসলামি ব্যাংকের কার্ডের লিমিট বাড়ানো, মেম্বারশিপ কার্ড প্রদান, ই-কমার্স পলিসি হালনাগাদ করা, সরকার থেকে বিভিন্ন নতুন প্রজেক্ট নেয়া এবং সেগুলো ট্রান্সপারেন্টলি সদস্যদের কল্যাণে কাজে লাগানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

এর আগে গত ৩১ মে ই-ক্যাব নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও ১৪ মে এক চিঠিতে নির্বাচন স্থগিত করে ই-ক্যাবের নির্বাচন বোর্ড। এরপর ভোট গ্রহণের তিন দিন আগে ২২ জুলাই ই-ক্যাবের সংক্ষুব্ধ একজন সদস্যে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ভোট গ্রহণ কার্যক্রম স্থগিত করেন হাইকোর্ট। এর পর থেকে বিষয়টি ঝুলে আছে। তবে এর আগে দুইটি পূর্ণ প্যানেলে বিভক্ত হয়ে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের ২০২৫-২৭ কার্যনির্বাহী কমিটির  নির্বাচনে ৩৬ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হন। এর মধ্যে ‘টিম ইউনাইটেড’ ও ‘টিম টাইগার’ নামের দুটি প্যানেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২২ প্রার্থী।