শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার আহ্বান জানালেন প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী
প্রযুক্তি মাধ্যমে সময় কাটানোর অনেক মাধ্যম বা সুযোগ থাকলেও বই পড়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। একইসঙ্গে ভবিষ্যত প্রজন্মকে অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল হিসেবে গড়ে তুলতে হলে শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতির কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। বলেছেন, বিদেশী ভাষা বা সংস্কৃতির আগ্রাসন থেকে আমরা প্রযুক্তি ব্যবহারকারীরা প্রভাবিত না হই। বাংলা দিয়ে যেনো আমরা বিশ্বের প্রযুক্তিকে প্রভাবিত করতে পারি। এজন্য‘প্রযুক্তির উন্নয়ন বাংলার বিশ্বায়ন’ স্লোগানে বাংলাকে আরো সমৃদ্ধ করতে আইসিটি বিভাগ ১৬টি টুল তৈরি করছে।
রোবট বা এআই সৃজনশীল কাজ করতে পারবে না উল্লেখ করে তরুণদের সঙ্গীত ও সাহিত্যে উৎসাহিত করে গড়ে তোলার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন পলক।
বুধবার অমর একুশে গ্রন্থমেলায় এশরার লতিফ লিখিত ঐতিহাসিক উপন্যাস নক্ষত্র নূপুর বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
প্রকৃতি ও জীবনের শিক্ষা দিয়েই আমি আমার রাজনৈতিক জীবন চালানোর চেষ্টা করি। -পলক
তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, রাজনৈতিক স্বাধীনতাকে টেকসেই করতে অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রাম সফল করা। জাতির পিতার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের অর্থনৈতিক মুক্তির দিশা দিয়েছেন। আমরা প্রযুক্তি নির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশ পেয়েছি। এখন আমরা মর্যাদাপূর্ণ মধ্যম আয়ের উন্নয়নশীল বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে বিশ্বের কাছে পরিচয় দিতে পারি।
তবে বঙ্গবন্ধু তার দূরদর্শীতা দিয়ে বলেছিলেন, রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রামকে যদি টেকসই করতে হয় তাহলে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের প্রয়োজন। এই সংস্কৃতিক বিপ্লব কতটুকু দরকার সমসাময়িক বিশ্বে আমরা তা দেখছি, কীভাবে সিরিয়া, আফগানস্তান, পাকিস্তান ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। কারণ সমাজটাকে তারা প্রগতিশীল, অসাম্প্রদায়িক, উদার গণতান্ত্রিক একটি সাংস্কৃতিক বিপ্লব সফল করতে পারেনি। অথচ, মালোয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যে অনেক এগিয়ে গেছে- যোগ করেন পলক।
প্রসঙ্গত, এআই ব্যবহার করে লেখক নিজেই এঁকেছেন নক্ষত্র নূপুর বইয়ের প্রচ্ছদ।







