গ্লোবাল স্কলার্স অলিম্পিয়াড এর গ্রান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত
শিশু-কিশোরদের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা, বিশ্লেষণী চিন্তা, যুক্তিবোধ এবং সৃজনশীলতা বিকাশে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো “গ্লোবাল স্কলার্স অলিম্পিয়াড (Global Scholars Olympiad)” । ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি- বাংলাদেশ (আইইউবি) ক্যাম্পাসে ১৭ জানুয়ারি, শনিবার অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী এই অলিম্পিয়াডে অংশ নিয়েছে হাজারো শিক্ষার্থী।
স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্প ও আইইউবি’র কম্পিউটার বিজ্ঞান অনুষদের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত অলিম্পিয়াডে তিনটি বয়সভিত্তিক ক্যাটাগরিতে বিজ্ঞান, গণিত, প্রযুক্তি, পরিবেশ, সাধারণ জ্ঞান ও ব্রেইন গেম—এই ৬টি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে।
অলিম্পিয়াডকে কেন্দ্র করে সারা বিশ্বে পরিচালিত হয় অনলাইন রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম, প্রস্তুতিমূলক অনলাইন কুইজ প্র্যাকটিস, আধুনিক মক টেস্ট সফটওয়্যার এবং একাধিক একাডেমিক গাইডলাইন সেশন। শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই নিজেদের প্রস্তুতি যাচাই ও উন্নতির সুযোগ পায়, যা এই অলিম্পিয়াডকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তোলে।
আয়োজক সূত্রে প্রকাশ, অনলাইন প্রিলিমিনারি ও সেকেন্ডারি পরীক্ষার মাধ্যমে সেরা শিক্ষার্থীদের বাছাই করে চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়। নির্বাচিত ফাইনালিস্টদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় গ্লোবাল স্কলার্স অলিম্পিয়াডের গ্র্যান্ড ফিনালে, যেখানে শিক্ষার্থীরা সরাসরি পরীক্ষার মাধ্যমে নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রাখে।
চূড়ান্ত পর্ব শেষে প্রতিটি ক্যাটাগরিতে প্রতিটি বিষয়ের জন্য গোল্ড, সিলভার ও ব্রোঞ্জ মেডেল প্রদান করা হয়। এভাবে
আয়োজনটিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাইবেজ এর ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং গ্লোবাল স্কলার্স অলিম্পিয়াড যুক্তরাষ্ট্র কান্ট্রি ডিরেক্টর মোহাম্মাদ মাহদী উজ জামান, তিনি বলেন- “গ্লোবাল স্কলার্স অলিম্পিয়াড শিশু-কিশোরদের জন্য একটি সময়োপযোগী একাডেমিক উদ্যোগ। এখানে তারা বিভিন্ন বিষয়ের উপর নিজেদের জ্ঞান ও চিন্তাশক্তি যাচাই করার সুযোগ পাচ্ছে, যা তাদের ভবিষ্যতের পড়াশোনা ও ব্যক্তিগত উন্নয়নে সহায়ক হবে। আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের যুক্ত করার এই প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়। আমি বিশ্বাস করি, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত পরিসরে শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করবে।”
আয়োজনটি সম্পর্কে স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্প এর প্রেসিডেন্ট আরিফুল হাসান অপু বলেন - “বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে শিক্ষার্থীরা এক মঞ্চে—বাংলাদেশে এসে—নিজেদের মেধা যাচাই করার সুযোগ পাবে। এখানে তারা শুধু সেরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতাই করবে না, বরং বৈচিত্র্যের উদযাপন, বাংলাদেশের আতিথেয়তার অভিজ্ঞতা এবং আজীবন মনে রাখার মতো বৈশ্বিক বন্ধুত্ব গড়ে তোলার সুযোগ পাবে। এটি শুধু একটি অলিম্পিয়াড নয়—এটি জ্ঞান, সংস্কৃতি ও অনুপ্রেরণার একটি বৈশ্বিক মিলনমেলা।”
ডিবিটেক/এআইও/ইকে







