বেগম জিয়ার টেক-বিপ্লব: সাবমেরিন ক্যাবল থেকে রাবার ড্যামের ইতিকথা

বেগম জিয়ার টেক-বিপ্লব: সাবমেরিন ক্যাবল থেকে রাবার ড্যামের ইতিকথা
৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৪:০০  
৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৫:০৭  

বাংলাদেশের উন্নয়ন ইতিহাসে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সংযোজন কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং তা ছিল দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার ফসল। বেগম খালেদা জিয়ার প্রধানমন্ত্রিত্বের সময়কাল (১৯৯১-৯৬ এবং ২০০১-০৬) ছিল বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি ও বিজ্ঞানচর্চায় এক সন্ধিক্ষণ। তার শাসনামলেই কৃষিতে প্রকৌশল ও প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়। ১৯৯৫ সালে কক্সবাজার জেলার বাকখালি নদীর ওপর রাবার ড্যাম স্থাপন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি বাঁক বদলের ঘটনা।

একইভাবে আইসিটিকে থ্রাস্ট সেক্টর হিসেবে ঘোষণা করা, সাবমেরিন ক্যাবল সিমিউই-৪ এ যুক্ত হওয়া, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, রাষ্ট্রীয় মোবাইল কোম্পানি টেলিটক গঠন, দেশের প্রথম হাই-টেক পার্কের জন্য গাজীপুরের কালিয়াকৈরে জায়াগা দেয়ার কাজটিও তার শাসনামলেই হয়েছিলো। আজকের বঙ্গন্ধু নভোথিয়েটার ও বিজ্ঞান জাদুঘরও বেগম খালদা জিয়ার অবদান। এভাবেই  স্মৃতির জানালা খুললে নব্বইয়ের দশক আর দুই হাজার সালের শুরুর দিকটা চোখের সামনে ভেসে ওঠে। বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামল ছিল মূলত বাংলাদেশের একটি 'ট্রানজিশন পিরিয়ড'—এনালগ থেকে ডিজিটালের পথে পা বাড়ানোর সময়। একজন সংবাদকর্মী হিসেবে আমি দেখেছি, কীভাবে প্রতিটি সেক্টরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ছোঁয়া দিয়ে একটি আধুনিক রাষ্ট্রকাঠামো গড়ার চেষ্টা করা হয়েছে। আজ আমরা যে ‘ডিজিটাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’ দেখি, তার ভিত্তি ছিল ২০০২ সালের আইসিটি নীতিমালা। একইভাবে ভোটার তালিকা হালনাগাদ ও স্বচ্ছ ব্যালট বক্সের ব্যবহারের পাশাপাশি নির্বাচনী তথ্য ব্যবস্থাপনায় কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয়। এভাবেই  বিশেষ করে নব্বইয়ের দশকের শুরুতে এবং একবিংশ শতাব্দীর প্রারম্ভে তাঁর নেওয়া কিছু সাহসী সিদ্ধান্ত স্বনির্ভর বাংলাদেশের শক্তিশালী ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিল।


সাবমেরিন ক্যাবল ও ইন্টারনেটের মহাবিপ্লব
আজ আমরা যে উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবহার করছি, তার সূচনা হয়েছিল ২০০৬ সালের ২১ মে। বেগম জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকার অত্যন্ত দূরদর্শিতার সাথে বাংলাদেশকে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক সাবমেরিন ক্যাবল কনসোর্টিয়ামে (SEA-ME-WE 4) যুক্ত করে। এর মাধ্যমেই বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তির বিশ্বমহাসড়কে প্রবেশ করে, যা ছিল জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ার সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। মনে পড়ে- ২০০৬ সালের সেই দিনটির কথা, যখন কক্সবাজারে সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশনের উদ্বোধন হলো। অনেক সমালোচক তখন বলেছিলেন এই বিশাল বিনিয়োগ অপচয়। কিন্তু আজ যখন দেখি ফ্রিল্যান্সিং করে আমাদের তরুণরা বিলিয়ন ডলার আয় করছে, তখন স্পষ্ট বোঝা যায় সেই সিদ্ধান্তটি কতটা সময়োপযোগী ছিল।  আমার মনে পড়ে ২০০৩ সালের একটি সংবাদ সম্মেলনের কথা। সেখানে বেগম জিয়া বলেছিলেন, ‘আমাদের তরুণদের হাত আজ মাটির লাঙল থেকে কম্পিউটারের কি-বোর্ডে চলে এসেছে, এটাই বড় সার্থকতা।’সেই সময়ে তাঁর সরকার সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তা ছিল মূলত একটি ‘ল্যান্ডলকড’ দেশকে বিশ্বের ডেটা হাইওয়ের সাথে জুড়ে দেওয়া।


টেলিযোগাযোগ খাতের উদারীকরণ
দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে জনপরিসরে বেতার যোগাযোগ ছড়িয়ে দিতে মোবাইল ফোনের একচেটিয়া বাজার ভেঙে সাধারণ মানুষের হাতে ফোন পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়াটা শুরু হয়েছিলো নব্বইয়ের দশকে। বেগম খালেদা জিয়ার ২০০১-০৬ মেয়াদে তা পূর্ণতা পায়। ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর বিটিটিবি বি-মোবাইল থেকে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড গঠন করা হয়। এর পর থেকেই বেসরকারি অপারেটরদের প্রতিযোগিতামূলক বাজারে সুযোগ সৃষ্টি হয়। ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসে। তৎকালীন বিটিটিবি-কে (বর্তমানে বিটিসিএল) এনালগ এক্সচেঞ্জ থেকে ডিজিটাল এক্সচেঞ্জে রূপান্তর করা হয়। বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে বিজ্ঞানের প্রতি এই বিশেষ গুরুত্ব প্রদান কেবল প্রযুক্তিগত উন্নয়ন নয়, বরং একটি পুরো প্রজন্মকে আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলার স্বপ্ন দেখিয়েছিল। ইতিহাসের পাতায় তাঁর এই উদ্যোগগুলো জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার মাইলফলক হিসেবেই গণ্য হবে।

আইটি সেক্টরকে ‘থ্রাস্ট সেক্টর’ ঘোষণা : কলমের বদলে কম্পিউটার 
২০০১ পরবর্তী মেয়াদে আইটি সেক্টরকে 'থ্রাস্ট সেক্টর' হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ওই সময়ে হার্ডওয়্যার সহজলভ্য করতে শুল্ক কাঠামো পুনর্গঠন করা হয়, যার ফলে মধ্যবিত্তের নাগালে আসে কম্পিউটার। এটি ছিল একটি প্রজন্মকে 'ডিজিটাল লিটারেট' করার প্রথম ধাপ। অপরদিকে একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ার লক্ষ্যে বিশেষায়িত শিক্ষার গুরুত্ব উপলব্ধি করেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর শাসনামলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কাজ ত্বরান্বিত হয়। বিশেষ করে জেলা পর্যায়ে বিজ্ঞান শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে তাঁর সরকার ব্যাপক ভূমিকা রাখে। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে বেগম জিয়া প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করেন। কিন্তু তাঁর আসল দূরদর্শিতা ছিল প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (S&T Universities) উচ্চশিক্ষায় বিপ্লব ঘটাতে তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কাজ ত্বরান্বিত করেন। মাধ্যমিক পর্যায়ে কম্পিউটার শিক্ষাকে পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করার সাহসী পদক্ষেপ তাঁর আমলেই নেওয়া হয়। কম্পিউটার শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি ২০০১-০৬ মেয়াদে মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে বিশেষ বৃত্তি এবং মেধাবীদের জন্য ল্যাপটপ প্রদানের ধারা শুরু হয়। তার সময়ে দশম শ্রেণী পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা এবং উপবৃত্তি চালু করা ছিল বিশ্বের কাছে একটি মডেল। এর ফলে শিক্ষিত নারীরা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের সুযোগ পান, যা পরোক্ষভাবে আইটি সেক্টরে নারী অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে।একইভাবে বিসিক (BSCIC) এর মাধ্যমে নারীদের বিজ্ঞান ও কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়ে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়।

এছাড়াও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে ঢাকার বিজয় সরণিতে ২০০৪ সালের ২৫শে সেপ্টেম্বর স্থাপিত হয় অত্যাধুনিক ‘ভাসানী নভোথিয়েটার’ (যা পরবর্তীতে নাম পরিবর্তন হয়)। মহাকাশ বিজ্ঞান চর্চায় এটি ছিল তৎকালীন সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম আধুনিক স্থাপনা। এছাড়া জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরকে আধুনিকায়ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয় তাঁর সময়েই। এর আগে ২০০২ সালে প্রথম বারের মতো একটি সমন্বিত ‘জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নীতিমালা’ প্রণয়ন করা হয়। এছাড়া গাজীপুরের কালিয়াকৈরে দেশের প্রথম হাই-টেক পার্কের প্রাথমিক পরিকল্পনা ও জমি বরাদ্দের কাজ তাঁর সরকারের আমলেই গতি পায়।

শিল্প ও অর্থনীতি: রপ্তানিমুখী প্রযুক্তায়ন
বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানি খাত হিসেবে তৈরি পোশাক শিল্পের আধুনিকায়নে এই খাতে অত্যাধুনিক কম্পিউটারাইজড ডিজাইন ও প্রোডাকশন সিস্টেম আমদানিতে শুল্ক সুবিধা প্রদান করা হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাইরে কুমিল্লা, ঈশ্বরদী ও উত্তরা ইপিজেড প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পায়নকে বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়।

সামরিক ও প্রতিরক্ষা: আধুনিক সমরশক্তির সূচনা
দেশে চতুর্থ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান মিগ ২৯ যুক্ত করে প্রতিরক্ষা খাতে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ সাধনে বেগম জিয়ার ভূমিকা ছিল অনন্য।বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে আধুনিক করতে ১৯৯৯-২০০০ পরবর্তী সময়ে তাঁর সরকার রাশিয়ান MiG-29 এবং আধুনিক রাডার সিস্টেম সংযোজন করে আকাশসীমা সুরক্ষায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনে। নৌবাহিনীতে মিসাইল ফ্রিগেট ও অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজ সংযোজনের মাধ্যমে 'ব্লু ইকোনমি' ও সমুদ্রসীমা রক্ষার সক্ষমতা বাড়ানো হয়। জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বাড়াতে সেনাবাহিনীর যোগাযোগ ও লজিস্টিক শাখায় বিশ্বমানের প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়।

কৃষি-প্রকৌশলে নীরব বিপ্লব
বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে কৃষিতে সবচেয়ে বড় প্রকৌশলগত চমক ছিল ‘রাবার ড্যাম’ (Rubber Dam) প্রযুক্তির সফল প্রবর্তন। এটি ছিল এমন এক পরিবেশবান্ধব উদ্ভাবন, যা শুষ্ক মৌসুমে খরস্রোতা নদীর পানিকে আটকে রেখে মরুপ্রায় জমিকে শস্য-শ্যামল করে তুলেছিল। বিশেষ করে কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এই রাবার ড্যাম স্থাপনের মাধ্যমে হাজার হাজার হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা হয়, যা ছিল কৃষি প্রকৌশলবিদ্যার এক অনন্য মাইলফলক। তার শাসনামলে, ১৯৯৫ সালে প্রধান প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম নদীর তলদেশে বায়ুভর্তি বিশাল রাবার টিউব ব্যবহার করে বর্ষার পানি ধরে রাখা এবং শুষ্ক মৌসুমে তা সেচের কাজে ব্যবহারের এই পদ্ধতি বাংলাদেশের কৃষিতে গেম-চেঞ্জার হিসেবে প্রমাণিত হয়।
ওইসময় তৎকালীন এলজিইডি ভবনে বসে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম সিদ্দিক একবার বলেছিলেন, ‘ম্যাডাম (বেগম জিয়া) আমাকে বলেছেন এমন কিছু করতে যা গ্রামের মানুষের পকেটে সরাসরি টাকা পৌঁছে দেবে।’ সেই প্রেরণা থেকেই তিনি রাবার ড্যাম আর গ্রামীণ অবকাঠামোর এই বিশাল কর্মযজ্ঞ হাতে নিয়েছিলেন। 

এভাবেই নিরবে বেগম খালেদা জিয়ার সরকার কৃষিকে শিল্প হিসেবে গণ্য করে কৃষি যান্ত্রিকীকরণে বিপ্লব ঘটায়। পাওয়ার টিলার, সেচ পাম্প এবং আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদানের ফলে লাঙলের জায়গায় কম্পিউটারের মতো সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতির ছোঁয়া লাগে। তাঁর সময়েই বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)-কে আধুনিকায়ন করা হয় এবং বিজ্ঞানীদের অক্লান্ত পরিশ্রমে উচ্চফলনশীল ও প্রতিকূলতা সহিষ্ণু জাত উদ্ভাবনে রেকর্ড সাফল্য আসে। মূলত, কৃষি গবেষণায় বিশেষ বরাদ্দ এবং প্রযুক্তির সহজলভ্যতার মাধ্যমেই বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো খাদ্যে স্বনির্ভরতা অর্জনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছিল। 

বেগম খালেদা জিয়ার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ভাবনা কোনো নির্দিষ্ট প্রকল্প কেন্দ্রিক ছিল না, বরং তা ছিল একটি দীর্ঘমেয়াদী রূপকল্প। কৃষি- শিক্ষা থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা—প্রতিটি স্তরে প্রযুক্তির যে বীজ তিনি রোপণ করেছিলেন, আজকের উন্নয়নশীল বাংলাদেশ সেই মহীরুহেরই ফল। ইতিহাস তাঁকে একজন আপসহীন নেত্রী হিসেবেই কেবল মনে রাখবে না, সেই সাথে আধুনিক ও বিজ্ঞানমনস্ক বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা হিসেবেও তাঁর নাম অক্ষয় হয়ে থাকবে। 


এস এম ইমদাদুল হকঃ নির্বাহী সম্পাদক, ডিজিবাংলাটেকডটনউজ


দ্রষ্টব্য: অভিমত-এ প্রকাশিত পুরো মতামত লেখকের নিজের। এর সঙ্গে ডিজিটাল বাংলা মিডিয়া কর্তৃপক্ষের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। বহুমতের প্রতিফলন গণমাধ্যমের অন্যতম সূচক হিসেবে নীতিগত কোনো সম্পাদনা ছাড়াই এই লেখা প্রকাশ করা হয়। এতে কেউ সংক্ষুব্ধ বা উত্তেজিত হলে তা তার একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়।