কলকারখানা অধিদপ্তরের বৈঠকে যায়নি গ্রামীণফোন
১৮০ কর্মীকে কর্মহীন রাখা এবং কারণ না দেখিয়েই কার্মী ছাঁটাই বিষয়ে গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ এবং গ্রামীণফোন এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের নেতাদের তলব করেছিলো কলকারখানা অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার পুরান পল্টনের অধিদপ্তরের অফিসে ইউনিয়ন নেতার হাজি হলেও এই বৈঠকে যায়নি গ্রামীণফোনের কোনো কর্মকর্তা বা প্রতিনিধি। ফলে শেষ পর্যন্ত ভন্ডুল হয়েছে বৈঠকের আয়োজন।
তবে সদস্যদের নিয়ে গ্রামীণফোন এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের পক্ষে আলোচনায় যোগ দিতে সেখানে হাজির হন জিপিইইউ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফজলুল হক, জেনারেল সেক্রেটারি মিয়া মাসুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাতুজ আলী কাদেরী ও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য তানভীর তিমির।
বিবাদী পক্ষ বৈঠকে না আসায় বৈঠক করতে পারেননি কারখানা অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেপুটি মহাপরিদর্শক শামসুল আলম।
এদিকে বৈঠক কলকারখানা অধিদপ্তরের ডাকা পূর্ব নির্ধারিত মিটিং এর সময় গ্রামীণফোন এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন এর নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ কর্মীরা শ্রম ভবনের সামনে লিফলেট বিতরন করেন, মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
এসময় জানানো হয়, গতমাসের ২৬ অক্টোবর এই বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তবে জিপি ব্যবস্থাপনা পর্ষদ সময় বাড়ানোর আবেদন করে পর দিনই ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক মিয়া মাসুদকে এক মেইলে বরখাস্ত করে। এর পর ২৬ নভেম্বর নতুন করে বৈঠকের তারিখ দেয়া হলেও সেই বৈঠকে উপস্থিত না হওয়াকে গ্রামীণফোন আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছে বলে দাবি আন্দোলনকারীদের।