আইপিওর আগে স্পেসএক্সের মুনাফা প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার

আইপিওর আগে স্পেসএক্সের মুনাফা প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার
৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১০:৪৪  

ইলন মাস্কের মহাকাশপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স গত বছর প্রায় ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মুনাফা করেছে। একই সময়ে কোম্পানিটির মোট আয় ছিল আনুমানিক ১৫ থেকে ১৬ বিলিয়ন ডলার। খবর রয়টার্স।

কোম্পানির আর্থিক ফলাফল সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্র রয়টার্সকে বিষয়টি জানিয়েছে। এই তথ্য স্পেসএক্সের আর্থিক সক্ষমতা সম্পর্কে নতুন ধারণা দিল, যখন প্রতিষ্ঠানটি চলতি বছরই শেয়ারবাজারে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে।

সূত্রগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, স্পেসএক্সের সর্বশেষ আর্থিক অবস্থার ভিত্তিতে কিছু বিনিয়োগ ব্যাংক ধারণা করছে, আইপিওর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি ৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূলধন তুলতে পারে এবং এর বাজারমূল্য ১ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি হতে পারে। স্পেসএক্সের এই আর্থিক তথ্য আগে প্রকাশিত হয়নি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এই মুনাফা মূলত সুদ, কর, অবচয় ও অবসায়ন-পূর্ব আয়ের হিসাবে গণনা করা হয়েছে। কোম্পানিটির স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংকই আয়ের প্রধান উৎস, যা মোট আয়ের প্রায় ৫০ থেকে ৮০ শতাংশ জোগান দিচ্ছে। ২০১৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৯ হাজার ৫০০ স্টারলিংক স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে স্পেসএক্স বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্যাটেলাইট অপারেটরে পরিণত হয়েছে। এই সেবার গ্রাহকসংখ্যা ছাড়িয়েছে ৯০ লাখ।

স্টারলিংক ও সংশ্লিষ্ট সরকারি ও প্রতিরক্ষা চুক্তি থেকে আসা আয় দিয়েই স্পেসএক্স তাদের পরবর্তী প্রজন্মের রকেট স্টারশিপ উন্নয়নে বিনিয়োগ করছে। এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি সরাসরি মোবাইল ফোনে স্যাটেলাইট সংযোগ দেওয়ার বাজারে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ইকোস্টার থেকে প্রায় ১৯ বিলিয়ন ডলারের বেতার স্পেকট্রাম অধিকার কিনেছে।

সূত্র জানায়, ইলন মাস্কের ৫৫তম জন্মদিনের কাছাকাছি সময়ে, আগামী ২৮ জুনের দিকে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় আইপিওগুলোর একটি আয়োজনের পরিকল্পনা করছে স্পেসএক্স। একই সঙ্গে মাস্কের আরেক প্রতিষ্ঠান এক্সএআইয়ের সঙ্গে সম্ভাব্য একীভূতকরণ নিয়েও আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

ডিবিটেক/বিএমটি