রাবিতে ‘এআই’ বিষয়ক কর্মশালায় ওস্তাদ সিইও ও রাকসু জিএস

এআই ভবিষ্যৎ গঠনের হাতিয়ার; সৃজনশীল চিন্তাশক্তি বাড়ায়

এআই ভবিষ্যৎ গঠনের হাতিয়ার; সৃজনশীল চিন্তাশক্তি বাড়ায়
২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪০  

‘লার্ন, ইউজ অ্যান্ড সেভ দ্য ফিউচার’ প্রতিপাদ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) তথ্য ও গবেষণা বিভাগের উদ্যোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) অনুষ্ঠিত হলো বিশেষ কর্মশালা। ২৩ জানুয়ারি, শুক্রবার বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪র্থ বিজ্ঞান ভবনের ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় শিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে মৌলক ধারণা দিয়ে এর ব্যাবহারিক প্রয়োগ ও ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির সঙ্গে আলোচনা করা হয়। 

“ওয়ার্কশপ অন এআই ফর স্টুডেন্টস” শীর্ষক এই কর্মশালায় প্রশিক্ষক ছিলেন ওস্তাদ অনলাইন প্লাটফর্মের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সিওও শৌরভ বড়ুয়া। প্রশিক্ষণ শুরুর আগে তিনি বলেন, ‘বিশ্বে এআই ছাড়া জীবন কল্পনা করা যায় না। বর্তমানে প্রায় সব ধরনের কাজেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়ছে। চ্যাটজিপিটি-এর মাধ্যমে ছবি তৈরি, প্রেজেন্টেশন প্রস্তুত, স্প্রেডশিট ব্যবস্থাপনা সহ নানা কাজ খুব সহজে করা যাচ্ছে। শিক্ষার্থীরা যদি সঠিকভাবে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জন করে, তাহলে তারা ভবিষ্যতে নিজ নিজ ক্ষেত্রে আরও দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠতে পারবে। এর মাধ্যমে সমস্যা সমাধান ও সৃজনশীল চিন্তাশক্তি বৃদ্ধি করা সম্ভব।’

এসময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) এ জি এস সালমান সাব্বির বলেন, বর্তমান বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শুধু একটি প্রযুক্তি নয়, বরং এটি ভবিষ্যৎ গঠনের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই এআই সম্পর্কে দক্ষ হয়ে উঠতে হবে, যাতে তারা আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক বি. এম. নাজমুছ সাকিব বলেন, ‘চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক এক নতুন যুগের সূচনা করেছে। এ বাস্তবতায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের যুগোপযোগী ও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাকসু তথ্য ও গবেষণা বিভাগের উদ্যোগে আজকের এই প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ডিবিটেক/আরএসবি/ইএমডি