৮ জানুয়ারি তিন দিনের ষষ্ঠ আহকাব ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো শুরু 

৮ জানুয়ারি তিন দিনের ষষ্ঠ আহকাব ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো শুরু 
৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ০০:২২  

প্রাণিস্বাস্থ্য ও মৎস্য খাতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, প্রযুক্তি বিনিময় এবং বিনিয়োগ সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড সংলগ্ন ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) বসছে আন্তর্জাতিক প্রাণিস্বাস্থ্য প্রদর্শনী। 

অ্যানিমেল হেলথ কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আহকাব) এর আয়াজনে ‘ষষ্ঠ আহকাব আন্তর্জাতিক এক্সপো’-তে অংশ নেবে ১৪টি দেশের ২২০টি কোম্পানি। থাকছে ১২৮টি দেশি-বিদেশি স্টল।

প্রদর্শনীতে আধুনিক ভ্যাকসিন, ওষুধ, ফিড সলিউশন, ডায়াগনস্টিক ও নতুন প্রযুক্তি প্রদর্শন করা হবে। পাশাপাশি প্রাণিস্বাস্থ্য, টেকসই উন্নয়ন ও বৈশ্বিক বাণিজ্য বিষয়ে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে সেমিনার হবে। এই প্রদর্শনী কৃষক, পশু চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞ, কৃষি উদ্যোক্তা ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে সংযোগ তৈরির একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন আয়োজকেরা।

 আয়োজন নিয়ে  ৫ জানুয়ারি (সোমবার) জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৮ জানুয়ারি বেলা ৩টায় এক্সপোর উদ্বোধন করা হবে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করবেন।

সংবাদ সম্মেলনে আহকাবের সভাপতি সায়েম উল হক, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, সহসভাপতি ডা. আব্দুস সবুর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ সরোয়ার জাহান, ট্রেজারার ডা. মো. মোজাম্মেল হক খান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ রাশেদুল জাকির এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিষয়ক সংগঠনের সভাপতি মুন্না রায়হানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

আহকাবের সভাপতি সায়েমুল হক বলেন, ২০০৩ সালে ১৮টি প্রতিষ্ঠান নিয়ে আহকাবের যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে সংগঠনটির তালিকাভুক্ত সদস্য সংখ্যা প্রায় ৮০০ এবং এর মধ্যে ৪০০-এর বেশি সদস্য সক্রিয়ভাবে কার্যক্রমে যুক্ত। আহকাবের প্রায় অধিকাংশ সদস্যই এবারের মেলায় অংশ নেবে।

সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রতি দুই বছর পরপর আয়োজিত এ মেলা দেশের প্রাণিস্বাস্থ্য উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলো এখানে তাদের পণ্যের প্রচারণা চালানোর পাশাপাশি বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন বিনিময়ের সুযোগ পাচ্ছে।

ট্রেজারার ডা. মো. মোজাম্মেল হক বলেন, প্রাণিস্বাস্থ্য ও জাতীয় উন্নয়নের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। সুস্থ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে, গ্রামীণ অর্থনীতি ও জীবিকাকে শক্তিশালী করে এবং দারিদ্র্য হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি সুস্থ পোষা প্রাণি মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতেও অবদান রাখে।

ডিবিটেক/এএইচ/ইকে