অনলাইনে নারী ও শিশুর সুরক্ষায় প্রযুক্তি আইনি সুবিধার সমন্বিত উদ্যেগ গ্রহণের আহ্বান

অনলাইনে নারী ও শিশুর সুরক্ষায় প্রযুক্তি আইনি সুবিধার সমন্বিত উদ্যেগ গ্রহণের আহ্বান
১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:১০  
১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২৩:৫৪  

নারী ও শিশুকে অনলাইনে সুরক্ষিত রাখতে সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগে একক প্লাটফর্ম থেকে সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। দেশে বিদ্যমান আইনি প্রতিবন্ধকতা ও সমন্বয়ের ঘাটতি তুলে ধরে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রযুক্তি ভিত্তিক সহিংসতা রোধে প্রযুক্তি দিয়েই মোকাবেলা করতে হবে। এজন্য মেয়ে ও শিশুদের জন্য স্বতন্ত্র্য সাইবার ইউনিট গঠন, অভিযোগ গ্রহণের স্বংক্রিয় পদ্ধতি চালু, ভুক্তভোগীর ব্যবহৃত ডিভাইসের আলামত সংগ্রহ ও ফরেনসিক সহজীকরণ, আইনের প্রয়োগ এবং সচেতনতাতেও সবিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন তারা।  
 
নারী ও শিশুকে অনলাইনে সুরক্ষিত রাখতে করণীয় নিয়ে অনুষ্ঠিত “নারী ও প্রযুক্তি: অনলাইন সহিংসতা নিরসন ও আইনি সুরক্ষায় করণীয়” শীর্ষক  মতবিনিময় সভায় এসব সুপারিশ করা হয়। ১৭ ডিসেম্বর, ডিইলি স্টার ভবনের আজিজুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত সভায় আইনজীবী, গবেষক, শিক্ষাবিদ, মানবাধিকার কর্মী, অংশীজন এবং অনলাইন ভিত্তিক ও প্রযুক্তিগত নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ ও সুরক্ষায় কর্মরত নারী ও শিশুর প্রতি অনলাইন সহিংসতা প্রতিরোধ- সিএসডব্লিসি প্লাটফর্মের সদস্যরা অংশ নেন।

সভায় অনলাইন সহিংসতার অভিজ্ঞতা ও আইনি সহায়তা প্রাপ্তির বাস্তব চিত্র তুলে ধরেন ভুক্তভোগী ও অংশগ্রহণকারীরা।

মতবিনিময় সভায় বলা হয়, প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে অনলাইনে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার ঝুঁকি। অভিযোগ প্রক্রিয়া ও আইনি জটিলতার কারণে অনেক ভুক্তভোগী এখনও নীরব। 

এই প্রেক্ষাপটে অনলাইন সহিংসতা প্রতিরোধ ও আইনি সুরক্ষায় করণীয় বিষয়ে সভায় একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন ব্লাস্ট জেষ্ঠ্য গবেষণা কর্মকর্তা মনীষা বিশ্বাস, উপস্থাপনায় তিনি জানান, দেশে ৮ কোটির বেশি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৭৮ শতাংশ নারী প্রযুক্তিগত যৌন হয়রানির শিকার হলেও অধিকাংশই অভিযোগ প্রক্রিয়া না জানার কারণে আইনি পদক্ষেপ নেন না। 

আইআইডি সিইও সায়ীদ আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট ব্যারিস্টার প্রিয়া আহসান চৌধুরী; ব্যারিস্টার হামিদুল মেসবাহ, দি ডেইলি স্টারের সিনিয়র সাব-এডিটর নাজীবা বাশার, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নোভা আহমেদ, ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের উপ-পুলিশ কমিশনার ফারহানা ইয়াসমিন, ১০৯–এর ইনচার্জ ও কর্মসূচি কর্মকর্তা রাইসুল ইসলাম, সাইবার টিন প্রতিষ্ঠাতা ‍শিশু শান্তি নোবেল জয়ী সাদাত রহমান, সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি ও ডিজিবাংলাটেক নির্বাহী সম্পাদক এস এম ইমদাদুল হক,অ্যাডভোকেট ফাহমিদা আক্তার প্রমুখ। 

সভায় ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেটিক্স এন্ড ডেভেলাপম্যান্ট (আইআইডি) এর প্রধান নির্বাহী পরিচালক সাইদ আহমেদ বলেন, জুলাইয়ের গণঅভুথ্যানের পরবর্তী সময়ে আঁকা গ্রাফিতি গুলোকে পর্যবেক্ষণ করলে দেখতে পারব সেখানে সকলের সমান অধিকার, সাম্য, সুরক্ষা নিয়ে নানান চিত্র ফুটে উঠেছে, যার থেকে আমরা অনেকটা সরে এসেছি। রাষ্ট্র যন্ত্রে নারীদের সুরক্ষার জন্য আইন ও নানান ব্যবস্থা থাকলেও আমরা দেখতে পায় আইনগুলো সবসময় কিছুগোষ্ঠীকে সুবিধা প্রদানের জন্য কাজ করে আসছে। নারীদের ক্ষমতায়ন এবং অনলাইনে সুরক্ষা প্রদানের জন্য নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশসমূহে অগ্রাধিকার দেয়া জরুরী। সেই সাথে নারীর অধিকার সংক্রান্ত আলাপে সকলকে অন্তর্ভুক্ত করা জরুরী যাতে সমঃস্বরে নারীদের নিরাপত্তার দাবী জোরদার হয়।

সাইবার সহিংসতা সম্পর্কিত আইন এবং এর প্রয়োগের বিষয়ে  Cyber Support for Women and Children-CSWC এর উপদেষ্টা ব্যারিস্টার প্রিয়া আহসান চৌধুরী বলেন, আমাদের দেশে ভুক্তভোগীদের নিজেদেরকেই অনেক ক্ষেত্রে কেস ম্যানেজ করতে হয়, যা তাদের আইনি আশ্রয় নিতে নিরুৎসাহিত করে। এ প্রেক্ষাপটে মামলা দায়েরকারী সংশ্লিষ্টদের জন্য জেন্ডার সংবেদনশীলতা ও শিশু অধিকার বিষয়ক পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ থাকা জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশের প্রচলিত অনেক আইন এখনো উপনিবেশিক চিন্তা-ভাবনার প্রতিফলন বহন করে, যার ফলে আইনের অপব্যবহার ঘটছে। ডিজিটাল অধিকার বিষয়ে দক্ষতার পাশাপাশি সাইবার সহিংসতা সংক্রান্ত মামলার বিচারকারী আদালতগুলোকেও নারী ও শিশুদের অধিকার সম্পর্কে অধিক সংবেদনশীল হতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। নারী কিংবা সামগ্রিকভাবে ভুক্তভোগী-কেন্দ্রিক আইনি সহায়তা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল ফরেনসিক সাক্ষ্যকে বাধ্যতামূলক করার ওপর গুরুত্বারোপ করার পাশাপাশি বিভাগীয় পর্যায়ে ডিজিটাল ফরেনসিক সেল গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি। এছাড়া এসব মামলায় একটি কার্যকর ভিকটিম ও সাক্ষী সুরক্ষা ব্যবস্থাপনা চালু করার ওপরও তিনি জোর দেন।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নোভা আহমেদ  বলেন, সাইবার সহিংসতার কথা যখন বলি তখন প্রথমে মাথায় আসে কেন এটা নিয়ে এত চিন্তা করছি।  তার একটা কারণ হলো এটি দ্রুত  ছড়িয়ে যায় এবং একে  কখনো মুছে ফেলা যায়না।  আমাদের দেশে সাইবার সহিংসতার ক্ষেত্রে নারীদের চরিত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করার প্রবণতা এখনো গভীরভাবে বিদ্যমান। ‘মি টু’ আন্দোলনে বাংলাদেশি নারীদের অংশগ্রহণ তুলনামূলকভাবে কম হওয়ার পেছনেও এই ভয় কাজ করেছে—যে কথা বললেই তাদের চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলা হবে। বাস্তব জীবনে যেভাবে নারীদের দোষারোপ করা হয়, সেই একই চিত্র ডিজিটাল জগতেও প্রতিফলিত হচ্ছে। এর ফলে নারীরা নিরাপদভাবে অনলাইন পরিসরে বিচরণ করতে পারছে না। যদিও সাইবার সহিংসতার প্রতিকার ও সমাধানের পথ রয়েছে, সেগুলোর ব্যাপক প্রচার ও সহজ প্রবেশাধিকার এখনো নিশ্চিত হয়নি। প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণার অভিজ্ঞতা থেকে আমি দেখেছি, কীভাবে ধীরে ধীরে নারীদের প্রযুক্তি থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে—আর এর মাধ্যমে তাদের সম্ভাবনাগুলোকেও সীমিত করে ফেলা হচ্ছে। তাই প্রযুক্তি-সংক্রান্ত আইন ও নীতিমালাকে সময়োপযোগী ও বারবার পর্যালোচনার মাধ্যমে সংস্কার করার দিকে বিশেষ মনোযোগ দেওয়ার জন্য আমি জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি।


দি ডেইলি স্টার এর সিনিয়র সাব-এডিটর (নিউজ) হিসেবে কর্মরত নাজীবা বাশার  বলেন, আইন থাকা আর সেই আইন কার্যকর হওয়া এক বিষয় নয়। ভুক্তভোগীরা পুলিশের কাছে গেলে অনেক সময় উল্টো প্রশ্ন ও দায় চাপানোর শিকার হন। তাই আমাদের প্রয়োজন সহানুভূতিশীল বিচারক, দায়িত্বশীল আইনজীবী এবং সংবেদনশীল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। একই সঙ্গে নতুন নতুন সহিংসতার মাধ্যম সামনে আসছে—একজন সাংবাদিক হিসেবে আমি তা প্রত্যক্ষ করছি। সমাজ যখন যৌন আকাঙ্ক্ষাকে নেতিবাচকভাবে দেখে, তখন ‘পবিত্রতা’ নারীর মূল্যায়নের মানদণ্ড হয়ে ওঠে। অথচ ধর্ষণ কোনো যৌন বিষয় নয়; এটি ক্ষমতা ও আধিপত্যের বহিঃপ্রকাশ। এই বাস্তবতা আমাদের ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি যৌনশিক্ষার প্রয়োজনীয়তাকেই আরও জোরালো করে তোলে।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার হামিদুল মেজবাহ বলেন, ফরেনসিক সাক্ষ্য সংরক্ষনের জন্য থানাতে মোবাইল ফোন বা ব্যক্তিগত ডিভাইস জমা দিতে হয় যা ভুক্তভোগীকে আরোও অনুৎসাহিত করে মামলা করার ক্ষেত্রে। সেই সাথে আমাদের যথাযথ ডাটা নাই যে কতজন সামাজিক যোগযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে এবং কতজন নারী পুলিশ কর্মকর্তা আছেন যা প্রযুক্তি সম্পর্কে সচেতন। আমার মনে হয় প্রযুক্তিগত সমস্যাকে প্রযু্ক্তি দিয়ে সমাধান করা উচিত। এবং প্রযুক্তিগত সহিংসতা সংক্রান্ত আইনগুলোকে পরিবর্তন করে শাস্তির ক্ষেত্রকে জরিমানা ভিত্তিক করা গেলে ভুক্তভোগীরা দ্রুত সহায়তা পেতে পারে।  


প্রযুক্তি উদ্ভুত লিঙ্গ ভিত্তিক সহিংসতার ঘটনায় ভুক্তভোগীকে সুরক্ষা প্রদানে সরকারের কি ভূমিকা থাকতে পারে, সে বিষয়ে শারমিন খান, লিগ্যাল কনসালটেন্ট (আইনি পরামর্শক), ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর নট-ফর-প্রফিট ল (ICNL), বলেন, আমাদের আইনটি  একটি অধ্যাদেশ যা সম্প্রতি প্রনীত হয়েছে, তবে অনেকেই এটি নিয়ে সচেতন না আবার এটি এখনো অধ্যাদেশ নতুন ভাবে সরকার হলে এটি বহাল থাকবে কি-না সেটিও অনিশ্চিত। এ আইনটিকে বাস্তবায়নের জন্য প্রযুক্তিগত অবকাঠামো উন্নয়ন করা দরকার। সেই সাথে সরকারের সাথে কাজ করার জন্য নিজ উদ্যেগে তাদের সাথে সংযুক্ত হওয়া জরুরী। এ ঘটনাগুলো প্রতিহত করার জন্য প্রশাসেনের দক্ষতা বৃদ্ধি করার জরুরী এবং যোগযোগের স্বার্থে ইন্টারএক্টিভ আ্যাপ তৈরী করা দরকার। এছাড়াও সাক্ষ্য-প্রমান সংরক্ষন করার জন্য একটি গাইডলাইন তৈরী করা দরকার। 


নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে জাতীয় হেল্পলাইন সেন্টারের হেল্পলাইন ইনচার্জ রাইসুল ইসলাম বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতার জন্য সরকারী এবং বেসরকারী সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের গুরুত্ব অনেক বেশি।বর্তমানে ১০৯ এর জরুরী হেল্পলাইন সেবাই ভুক্তভোগীদের চাহিদার ধরনগুলো পরিবর্তন হচ্ছে এবং এখন সাইবার সংক্রান্ত ঘটনা আসছে আমাদের কাছে। তাই সম্প্রতি আমরা আলাদা একটি সাইবার ইউনিট তৈরীর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি, এবং যার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় আমাদের সহায়তা পৌছাতে পারব বলে আমরা মনে করছি।


ঢাকা ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের উপ-পুলিশ কমিশনার মোছাঃ মাকসুদা আক্তার বলেন, সাইবার সংক্রান্ত মামলা আসলে কোন সাব-ইনসপ্কেটর পাওয়া যায়না কারণ তারা এ ব্যপারে কোন ধরনের প্রশিক্ষণ পান না। যারা পান তাদের পোস্টিং সব জায়গাতে থাকেনা। এ ধরনের ভুক্তভোগীদের জন্যে মনো-সামাজিক সেবা প্রদান করার দরকার এবং যদি পুলিশের কাছে আসতে ভুক্তভোগীর ভয় পান তাহলে কিশোর-কিশোরীদের জন্য প্রতিটি বিদ্যালয়ে হেল্পডেস্ক স্থাপন করা প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন।  


মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা প্রান্তিক নারীদের ডিজিটাল ক্ষেত্রে অংশগ্রহনের পাশাপাশি তাদেরকে সুরক্ষিত অনলাইন ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন করা, জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের অনলাইনে হয়রানির তীব্রতা এবং সেবার অপ্রতুলতা, হেল্পলাইনের পাশাপাশি আন্ত-সরকারী সেবা প্রদানকারী সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করা, পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইটগুলোতে শিশুর প্রবেশাধিকারকে সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা, পাঠ্যক্রমে ডিজিটাল স্বাক্ষরতা এবং শিক্ষকদেরও এ ব্যপারে সচেতন করা, এই ধরনের ঘটনাগুলোতে তড়িত সহায়তা পেতে আ্যপ তৈরী করা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে আরো দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি করার উপর জোর আরোপ করেন। 

এসময় সাইবার অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের সহ সভাপতি ইমদাদুল হক আইনের চেয়ে প্রযুক্তি দিয়েই অনলাইন সহিংসতা মোকাবেলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ৯৯৯ এর মতো কলসেন্টারকে যান্ত্রীকীকরণ করা দরকার। এতে করে কোনো মেয়ে অনলােইনে অভিযোগ করতে ইতস্ত হবে না। এবং এসব ক্ষেত্রে যোগাযোগের নম্বর এনক্রিপ্টেড থাকা উচিত। একইসঙ্গে একাধিক প্লাটফর্মকে একটি অ্যাপের মাধ্যমে এনে এই সেবা দেয় যেতে পারে। এক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বয় সবচেয়ে বেশি জরুরী।  

মতবিনিময় সভার শেষ পর্যায়ে সমাপনি বক্তব্যে ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেটিক্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইআইডি) এর নির্বাহী পরিচালক সাইদ আহমেদ প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিতে বলেন, ভুক্তভোগীর বোঝা কমাতে হবে এবং এটি করার জন্য প্যারালিগ্যাল সহায়তা দরকার। ২৪ ঘন্টার মধ্যে ভুক্তভোগীকে সহায়তা প্রদানের জন্য। সকল সরকারী বেসরকারী সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করা এবং একে প্রান্তিক নারী বান্ধব করা এবং আইনের সাথে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের একসাথে বসাটা খুব জরুরী। রাস্ট্রের উদ্যেগের ক্ষেত্রে বাজেট, প্রশিক্ষণ্ এবং  সহায়তা বৃদ্ধি করা এবং সহানুভুতিশীল মনোভাব বৃদ্ধি করার কথা বলেন।
ডিবিটেক/এআই/ইকে