ইক্যাব নির্বাচন স্থগিত

ইক্যাব নির্বাচন স্থগিত
১৪ মে, ২০২৫ ১৫:০০  
১৪ মে, ২০২৫ ২২:৫০  

ভোটগ্রহণের ১৭ দিন বাকি থাকতেই স্থগিত করা হলো ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের সংগঠন ই কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ বাংলাদেশের (ইক্যাব) ২০২৫২৭ মেয়াদী দ্বি বার্ষিক গতি নির্বাচন। বিষয়টি ভোটার ও প্রার্থীদের কছে আচমকা বজ্র্যপাত বলে দেখা হচ্ছে।

বুধবার নির্বাচন বোর্ডের তরফদার সোহেল রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে অনিবার্য কারণে ভোটের কার্যক্রম স্থগিতের ঘোষণা দেয়া হয়। নোটিশে মোট সদস্য শাহাদাত হোসেন স্বাক্ষর করলেও সরকারি কাজে বাইরে থাকায় অপর সদস্য মো রেজাউল করিমের স্বাক্ষর স্থান ফাঁকা রয়েছে। 

আগামী ৩১ মে এই ভোট অনুষ্ঠানের কথা ছিল। ভোটকে সামনে রেখে দুইটি প্যানেলের দেয়া হয়। ১১ সদস্যের যদি নির্বাহী কমিটির পরিচালক হতে দুই প্যানেলের ২২ জন সদস্য ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে ভোটে প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ৩৬ জন। মোট ২৮৪২ সদস্যের মধ্যে এবার ভোটার হয়েছেন ৫০২ জন। 

ই-ক্যাবের প্রশাসক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় ডিজিটাল সেলের উপসচিব মুহাম্মদ সাঈদ আলী বলেন, ‘আমাদের সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে ছিল; কিন্তু আজ নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। এর আগে ই-ক্যাবের কয়েকজন সদস্য ভোটার হতে না পারায় ও নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা কম থাকার অজুহাতে নির্বাচন পেছানোর আবেদন করেছিলেন। আমরা সে আবেদন আমলে নিইনি, কারণ তাদের সংখ্যা ছিল খুবই কম। কিন্তু তারা পরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে নির্বাচন স্থগিতের আবেদন করেন। আমরা নতুন তারিখ ঘোষণা করে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করব।’

ভোট হাঠাৎ স্থগিত হওয়া নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ট্রেড বডির নির্বাচনগুলো নিয়ে ছেলেখেলা করছে। ব্যবসা বাণিজ্যের অবস্থা শোচনীয়। কোনো রিপ্রেজেন্টসন নাই। আর ওনারা নির্বাচনগুলোও ঠিক করে করতে পারছে না। কিন্তু রাজনীতিবিদ পিছন থেকে কলকাঠি নাড়ছেন নির্বাচন না হওয়া বা পিছানোর জন্য। কেউবা মনে করছেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে কোন ট্রেডবডির নির্বাচন হলে সেখানে বিনিয়োগ ফল আনবে না। আর কোন কিছুতে তারাহুরো করলে জামা পাল্টানো ধরা পরে যাবে। তাই, জাতীয় নির্বাচনের আগে কোন ট্রেডবডির নির্বাচন না হওয়ার পক্ষে মত কারো কারো।