ইভ্যালি: সেবার নামে প্রতারণা
সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে মহামারী করোনা ভাইরাস। বাংলাদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। দেশে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না অাসলেও প্রায় সারাদেশই লক ডাউন। মানুষ খুব বেশি প্রয়ােজন না হলে ঘরের বাহিরে বের হচ্ছে না। এই মহামারি মোকাবেলায় এগিয়ে এসেছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলাে। অনলাইনে অর্ডার করার অল্প সময়ে মধ্যে পণ্য পৌঁছে দিচ্ছে গ্রাহকের বাসায় খুবই সাবধানতার সাথে।
তবে এক দিনে পণ্য গ্রাহককের ঘরে পৌঁছে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির বিরুদ্ধে। অনেক গ্রাহকেরই অভিযোগ অর্ডার দেয়ার পরেও পণ্য হাতে পাননি তারা।
করোনা পরিস্থিতিতে নিত্যপণ্য গ্রাহকের ঘরে পৌঁছে দিতে চালু করা হয় ইভ্যালি এক্সপ্রেস শপ। নতুন সেবা গ্রহণে ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিজ্ঞাপনও দেয় ই-ভ্যালি। বিজ্ঞাপনে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয় গ্রাহক অর্ডার দেয়ার ১ দিনের মধ্যেই পণ্যে বুঝে পাবেন।
এমন বিজ্ঞাপন দেখে গত ২০ মার্চ নিত্যপণ্য অর্ডার করেন ঢাকার গ্রীনরোডের বাসিন্দা আতিকুর রহমান। তিনি ডিজিবাংলাকে জানান, প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে আগে নানা অভিযোগ শুনেছি, অর্ডার নিয়ে দেরি করে পণ্য দেয়। যেহেতু এখন দেশের পরিস্থিতি ভালো না তাই ভাবলাম এই মহামারীতে এমনটা করবে না। দেখলাম, তারা নতুন একটি সার্ভিস চালু করেছে। কিন্ত না, তারা সেবার নামে প্রতারণা করছে। আমি ১৬ দিন আগে পণ্য অর্ডার করেছি, তাও নিত্যপণ্য। কেউ প্রতিদিনের বাজারের জন্য ১৬ দিন অপেক্ষা করে নাকি?
তার মতো একই অভিযোগ করেছেন পলাশ আহমেদ নামে এক ক্রেতা। তিনি জানান, গত মাসের ২৫ তারিখ পণ্য অর্ডার করেও এখনো পণ্য পাননি তিনি। বললেন, পণ্য অর্ডার করে বিপাকে পরেছি ভাই।
আতিকুর রহমান ও পলাশের মতো অনেক ভুক্তভোগী ইভ্যালির ফেসবুক পেজে অভিযোগ করছেন এক্সপ্রেস শপের অর্ডার নিয়ে।
অভিযোগ উঠেছে, ইভ্যালির লোভনীয় অফারে আকৃষ্ট হয়ে অনেকেই প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। কেউ কেউ প্রি-অর্ডারের টাকা ফেরত নিয়েও শঙ্কায় রয়েছেন।
এ বিষয়ে ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেলের সঙ্গে ফোনে বার বার যোগাযোগ করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।