অমরত্বের বিপদে টেক মোগল
ব্রায়ান জনসন। প্রায় অর্ধ বিলিয়ন ডলারের মালিক এই প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ৪৬ বছর বয়সে নিজের তারুণ্য ধরে রাখার জন্য 'ব্লুপ্রিন্ট স্ট্যাক’ অনুসরণ করে শরীরের বয়সকে থামিয়ে দেয়ার মিশনে নেমেছিলেন। গত কয়েক বছর ধরেই মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার খরচ করছেন তিনি। তবে জীবনের ৪৭তম বছরে এসে আর বসন্ত ধরে রাখতে পারেনিন তিনি।
‘মায়ের দুধের’ দ্বিতীয় বিকল্প হিসেবে একজন শিশু দাতার কাছ থেকে সংগ্রহ করা চর্বি মুখে ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করতে গিয়ে হোঁচট খেয়েছেন। ইনজেকশন নেওয়ার ৩০ মিনিট পরই তার দল বুঝতে পারে কিছু এটা ভুল হয়ে গেছে। কারণ সে সময় তার চোখ ও মুখ মারাত্মকভাবে ফুলে যেতে শুরু করেছিল। শুধু তাই নয়, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আরও খারাপের দিকে যায়। কিছু সময়ের জন্য তিনি দৃষ্টিশক্তিও হারিয়েছিলেন।
নিজের সেই কিম্ভুতকিমাকার ছবিগুলো ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন ব্রায়ান জনসন। সেখানে পোস্টে জনসন এটাও জানিয়েছেন, ঘটনার সাত দিন পর তার মুখ পুরোপুরিভাবে আবারও আগের মতোই হয়ে গেছে।
তবে এই অভিজ্ঞতার ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জনসন জানান, বয়স কমানোর প্রজেক্ট ব্লুপ্রিন্টের একটি পুরো বিষয়টিকে একটি বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতা হিসেবে বর্ণনা করেছেন জনসন। তিনি জানান, বয়স কমানোর প্রজেক্ট ব্লুপ্রিন্টের একটি পর্যায়ে তার ক্যালরি গ্রহণের মাত্রা অনেক কমে গিয়েছিল। ফলে তার শরীর থেকে প্রচুর চর্বি ঝরে যায়। তৃতীয় ছবিটিতে মূলত সেই অবস্থাটিই দেখা গেছে। কিন্তু পরবর্তীতে চর্বির ঘাটতি পূরণের জন্য তিনি একটি শিশুর শরীর থেকে সংগ্রহ করা চর্বি নিজের মুখে ইনজেকশন করেছিলেন। এই চর্বি থেকেই অ্যালার্জির মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।







