ঢাাবির বিভিন্ন গ্রুপে গুজব-অপতথ্য ছড়ানোর অভিযোগ ছাত্রদল ভিপিপ্রার্থীর
ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংসদসহ অন্যান্য বিভিন্ন ফেসবুক ও অনলাইন গ্রুপ গুলোতে গুজব ও অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রদলের ভিপিপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান। এসব গুজবের বিরুদ্ধে সত্য লিখে পোস্ট করলে তা ডিলেট করে ফেলা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমি গতকাল বলেছি, আমার সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক চাইলে ডাকসুতে প্রার্থী হতে পারতেন। কারণ তারা বর্তমান ছাত্র। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও পরিবেশের আকাঙ্ক্ষা ও চাহিদা অনুযায়ী যাদেরকে দেওয়ার চাহিদা ছিল, তারা তাদেরকে দিয়েছেন। সেখানে ভোটাভুটির মাধ্যমে। পরে দেখলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গ্রুপে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হলো, আমি নাকি বলেছি, ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ইচ্ছা করলেই ভিপি জিএস হতে পারবে। অর্থাৎ ভোট ছাড়াই। এটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রোপাগান্ডা, এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা উদ্বিগ্ন, শঙ্কিত। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপতথ্য দিয়ে যা করছে, ইচ্ছা করলেও আমরা সে নোংরামি করতে পারব না। নোংরামির বিরুদ্ধে আমরা যে পোস্ট দিচ্ছি (অনলাইন গ্রুপে), সেগুলো ডিলিট করে দেওয়া হচ্ছে। প্রকাশ করা হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয়কে কঠোরভাবে এ বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত জানাতে হবে।’
২২ আগস্ট, শুক্রবার ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ হলে জুমার নামাজ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন আবিদুল ইসলাম খান। এসবের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
আবিদুল ইসলাম খান বলেন, অপতথ্য ও মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে প্রপাগান্ডা বাহিনী, এগুলো বন্ধ করতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানেন, ৫ আগস্টের পর প্রতি ক্যাম্পাসে কারা প্রপাগান্ডা ছড়িয়েছে। কারা বিভিন্ন সংগঠনগুলোকে রাজনীতি নিষিদ্ধের নামে ‘মব’ তৈরি করেছে? আপনারা এগুলো বিচার বিশ্লেষণ করবেন।
তিনি বলেন, ‘বিহাইন্ড দ্য সিন থেকে ফটোকার্ড বানাচ্ছেন, এগুলো পুরোটাই বিকৃত মস্তিস্কের চিন্তা-ভাবনা। এগুলো থেকে বেরিয়ে আসেন। সুস্থ কোনো মানুষ এ অপপ্রচারে লিপ্ত হতে পারে না।’
এসব প্রোপাগান্ডার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তিনি নির্বাচনের পরিবেশ দেখছেন না বলেও জানান।



