রাজনৈতিক-সামাজিক অগ্রগতির জন্য গণমাধ্যমের স্বচ্ছতা জরুরি
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও জনগণের চেতনা গঠনে স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম অপরিহার্যতা ব্যক্ত করে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, একটি আধুনিক রাষ্ট্রে গণমাধ্যমের প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি এবং স্বচ্ছতা দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত জরুরি।
১১ মার্চ, বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন আয়োজিত ইফতার মাহফিলে এমন তাগিদ দেন মন্ত্রী।
তথ্যমন্ত্রী ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি আন্দোলন ও সংগ্রামে গণমাধ্যম মানুষের মনোজগত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। মহান ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় গণমাধ্যম জনগণের চেতনা জাগ্রত করে রাষ্ট্রের সংস্কার ও স্বাধীনতা রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।
তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যম শুধু তথ্য পরিবেশনই করে না, এটি দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি, গণতান্ত্রিক চেতনা এবং জনগণের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম থাকলে জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয় এবং সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি পায়।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকার এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্রকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা এবং দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
গণতান্ত্রিক চর্চাকে প্রাতিষ্ঠানিক অবস্থায় রূপ দেয়ার আহ্বান জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, কোনো মব কালচার গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয় না। গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় গণমাধ্যমের শক্তিশালী ভূমিকা অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ ও মহিলা বিষয়কমন্ত্রী ডা. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান,জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ গোলাম পরোয়ার প্রমুখ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, উপ-প্রেস সচিব জাহিদুর রহমান রনি, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহিন, মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম,সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই সিকদার, ডিইউজের সহ-সভাপতি রাশেদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ খানসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও সাংবাদিকরা।
ডিবিটেক/বিএমও/ইকে



