স্মরণ
কামরুল ইসলাম সিদ্দিকের কর্মজীবন পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভূক্ত ও গবেষণা সেল গঠনের দাবি
গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের রূপকার, ক্ষণজন্মা কামরুল ইসলাম সিদ্দিক- এর জীবন ও কর্ম পাঠ্য সূচিতে অন্তর্ভূক্তির পাশাপাশি তার প্রতিষ্ঠিত স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে একটি গবেষণা সেল গঠনের তাগিদ দিলেন তার দীর্ঘ দিনের অনুজ সহকর্মী, বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির বোর্ড সদস্য ও ভারপ্রাপ্ত কোষাধ্যক্ষ প্রকৌশলী শহিদুল হাসান।
২০ জানুয়ারি, বহুমাত্রিক চিন্তা চেতনার এই প্রবাদ পুরুষের ৮১তম জন্মদিনে এই দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, ওনার মতো সুদূর প্রসারী ভিশনারি লোকের বড্ড প্রয়োজন ছিলো আজ। তবে তা আর সম্ভব নয়। অবশ্য তিনি যে কনসেপ্ট দিয়ে গেছেন। সেগুলো এখন বাস্তবায়িত হচ্ছে। ৭৭ সাল থেকে আমি তাঁর সঙ্গে একসাথে কাজ শুরু করি। তিনি বলতেন, গ্রামের উন্নয়ন ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। এজন্য তিনি শুরুতে গ্রাম-শহরের পরিবহন ও বাজার অবকাঠামো উন্নয়নে মনোনিবেশ করেছিলেন। বাজারগুলোতে গড়ে তুলেন গ্রোথ সেন্টার। গণপূর্ত, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডেও তিনি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
‘তিনি যখন গ্রেটার ঢাকা সাসটেইনেবল আরবান ট্রান্সপোর্ট প্রকল্পের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তখন দেয়া তার পরিকল্পনা অনুযায়ী আজ ম্যাস র্যাপিড ট্রাঞ্জিট তৈরি করে উড়াল সেতু, মেট্রোরেল ও পাতাল রেল এর কাজ চলছে। অথচ তখন কেউ বুঝতে পারেনি। কিন্তু এখন সেটি বাস্তবায়িত হচ্ছে’- যোগ করেন প্রকৌশলী শহিদুল হাসান।
যুক্তি টেনে তিনি বলেন, আমি মনে করি গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. ইউনূস যে নোবেল পদক পেয়েছেন তার সঙ্গে এলজিইডি এবং কামরুল ইসলাম সিদ্দিক সমান অংশীদার। কেননা, গ্রামীণ বাজার ব্যবস্থা ও গ্রোথ সেন্টার না হলে মাইক্রোক্রেডিট এর বিকাশ ও নারীর কর্মসংস্থান সম্ভব হতো না।
শহীদুল ইসলাম আরও বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং বহুমাত্রিক কর্মগুণের পরও স্যারের মরোণত্তর স্বীকৃতি হিসেবে ‘স্বাধীনতা পদক’ না পাওয়া মেনে নেয়া যায় না। বিগত সরকারের সময় এটা না হলেও আগামী সরকার অবশ্যই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেবে বলে আমার বিশ্বাস। আমি আশা করবো এলজিইডি যেন এখনই এই প্রক্রিয়া আবারও শুরু করে।
ডিবিটেক/এমইউএম/ ইকে



