প্রশাসন থেকে প্রথম প্রেস সচিব নিয়োগ বাতিলের দাবি বিসিএস ইনফরমেশন এসোসিয়েশনের
চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই সময়ে তথ্য-উপাত্তকে যখন ‘খনিজ’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে; ডিজিটাল মহাসরকে সার্বভৌমত্ব ও সুরক্ষায় ফ্যাক্টচেক ও ডিবাং হয়ে উঠেছে প্রধান ঢাল- তখন বাস্তবিক এই জ্ঞান ও দক্ষতা যেনো ধূলায় লুটালো মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর কনস্যুলেট জেনারেল অফিস এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই মিশনে প্রথম প্রেস সচিব নিয়োগের ক্ষেত্রে। ‘চার্টার অব ডিউটিজ’ না মেনেই এই পদে চার বছরের জন্য নিয়োগ দেয়া হলো প্রশাসন ক্যাডারের দুই কর্মকর্তাকে।
১৬ নভেম্বর, রবিবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এ ধরনের একটি নিয়োগ ও পদন্নতির চিঠির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বিসিএস ইনফরমেশন অ্যাসোসিয়েশন।
১৭ নভেম্বর, সোমবার, অ্যাসোসিয়েশন সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলী সরকার এবং মহাসচিব মো. মামুন অর রশিদ স্বাক্ষরিত প্রতিবাদলিপিতে দ্রুততম সময়ে এই নিয়োগ বাতিল করতে কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহের প্রেস উইংয়ের প্রথম সচিব (প্রেস) পদে দীর্ঘ সময় ধরে বিসিএস (তথ্য-সাধারণ) ক্যাডার কর্মকর্তাদের পদায়ন করা হচ্ছে। গত ১৩ জানুয়ারি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এই পদে আবেদন আহ্বান করে যে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে, সেখানেও শর্ত হিসেবে গণমাধ্যম ও গণসংযোগের কাজে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। অথচ এই শর্ত ভঙ্গ করে যে দুইজনকে ওই পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে তাদের একজনও এই অভিজ্ঞতা সম্পন্ন নন। দুবাই কনস্যুলেটে যাকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে তিনি বর্তমানে সিনিয়র সহকারি সচিব হিসেবে স্বাস্থ্যম শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগে কর্মরত। অপরজন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োজিত।
ফলে ‘পেশাদরিত্বকে বিকশিত হওয়ার পথে প্রতিবন্ধক ও বৈষম্য সৃষ্টিকারী’ এ ধরনের নিয়োগ নিয়ে খাত সংশ্লিষ্টরাও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। প্রযুক্তিবিদরা মনে করেন, সরকারি নিয়োগ ও পদন্নতিতে পদ ভিত্তিক যোগ্য ব্যক্তি নির্বাচনে অটোমেশনে আনা দরকার। তাহলে প্রশাসনকে এ ধরনের বিড়ম্বনা ও কৌতুকময় অবস্থার মুখোমুখি হতে হবে না।
ডিবিটেক/আইএইচ







