১ সেপ্টেম্বর থেকে ফের ডিজিটাল ব্যাংকের আবেদন গ্রহণ

১ সেপ্টেম্বর থেকে ফের ডিজিটাল ব্যাংকের আবেদন গ্রহণ
২৬ আগষ্ট, ২০২৫ ০০:০৭  
২৬ আগষ্ট, ২০২৫ ০৩:৪৩  

ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন দ্বিগুণের বেশি বাড়িয়ে ৩০০ কোটি টাকা করার পর দুই বছর পর ফের ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপানের আবেদন করার সুযোগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের পর্যন্ত বিশেষায়িত এ ব্যাংকের জন্য আবেদন গ্রহণ করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 

২৫ অক্টোবর, সোমবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ফেইসবুক পেইজে এ বিষয়ক ঘোষণা দেওয়া হয়।

সূত্রমতে, আগে যারা আবেদন করেছিলো তাদেরকে আবারো আবেদন করতে হবে। আর আবেদন করতে অফেরযোগ্য পাঁচ লাখ টাকা ফি দিতে হবে। প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র দেওয়া না হলে আবেদন বাতিল করা হবে। অস্থায়ী ভাবে ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন প্রাপ্তদের কার্যক্রম শুরু করতে না পারায় বাণিজ্যিক লাইসেন্স নেওয়ার জন্য নতুন করে আবেদন করতে হবে।  পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধি ছাড়া ডিজিটাল ব্যাংকের আগের নীতমালা অনুযায়ীই আবেদন করতে হবে। ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স প্রদান করা হবে ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইনের আওতায়। আর পেমেন্ট সার্ভিস পরিচালিত হবে ২০১৪ সালের বাংলাদেশ পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেম রেগুলেশনের অধীনে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, ডিজিটাল ব্যাংক পরিচালনার জন্য প্রধান কার্যালয় থাকবে। নিজস্ব কোনো শাখা বা উপশাখা, এটিএম, সিডিএম অথবা সিআরএমও থাকবে না। সব সেবাই হবে অ্যাপ–নির্ভর। সেবা নিতে গ্রাহকেরা অন্য ব্যাংকের এটিএম, এজেন্টসহ নানা সেবা ব্যবহার করতে পারলেও ডিজিটাল ব্যাংক কোনো ঋণপত্র (এলসি) খুলতে পারবে না। বড় ও মাঝারি শিল্পেও কোনো ঋণ দেওয়া যাবে না। শুধু ছোট ঋণ দিতে পারবে।  অনুমোদন পাওয়ার পাঁচ বছরের মধ্যে প্রতিটি ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবনা (আইপিও) আনতে হবে। আইপিওর পরিমাণ অবশ্যই উদ্যোক্তাদের প্রাথমিক বিনিয়োগের ন্যূনতম সমান হতে হবে।