কাদের গণি চৌধুরী
আইসিটি’র দুর্নীতির নথি পোড়াতে সচিবালয়ে আগুন
আইসিটি খাতের দুর্নীতির নথিপত্র পুড়িয়ে ফেলতে সচিবালয়ে আগুন দেয়া হয়েছিলো এবং সেগুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী। সরকার এখনই উদ্যোগ নিলে তা উদ্ধার করা খুব বেশি কষ্ট সাধ্য নয় বলেও মন্তব্য তার।
১৬ আগস্ট, শনিবার বিকালে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (আইইবি) সেমিনার হলে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক ৩৬ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে 'জুলাই ডকুমেন্টারি' প্রদর্শন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এমনটাই জানিয়েছেন এই পেশাজীবি নেতা।
বক্তব্যে কাদের গনি চৌধুরী বলেছেন, গত ১৫ বছরের দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাত ছিলো একটি লুটের খাত। এই খাতে ২৫ হাজার কোটি টাকার লুট হয়েছে। ২১টি প্রকল্পে ভয়াবহ দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। ডিজিটাল ও স্মার্ট করণের নামে বিগত সময়ে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। এই দুর্নীতিতে বেসিস এর কিছু কিছু লোক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে জড়িত ছিলো। হাসিনা পুত্র জয় ও পলক মিলে এই দুর্নীতি করেছে। তাই এ খাতের লুটপাটের শ্বেতপত্র দাবি করছি।
তিনি বলেছেন, এসব দুর্নীতি উৎপাটন করে একটি মানবিক বাংলাদেশের জন্যই ছাত্র-জনতা জীবন দিয়েছে। গত ১৬ বছর ধরে জীবন দিয়েছে হাজারো মানুষ। চব্বিশে জন্ম হয়েছে উজ্জ্বল স্বাধনীতা; দ্বিতীয় বিজয়। এটা মানুষের মধ্যে আলো জ্বেলেছে। প্রত্যাশা বাড়িয়েছে। আমরা এমন একটি কল্যাণরাষ্ট্র চাই, যেখানে সকল নাগরিক সম অধিকার ভোগ করবেন। এক ব্যক্তি ইচ্ছায় নয়; জনগণের ইচ্ছায় চলবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক ডেপুটি মেয়র আব্দুস সালাম, এবি পার্টির যুগ্ম সম্পাদক নাসরিন সুলতানা মিলি, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান, টেকসল টেকনোলজিস বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিনার্জি ইন্টারফেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রওশন কামাল জেমস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বেসিস ৩৬শে জুলাই উদযাপন কমিটির আয়োজনে সংস্কার, স্বচ্ছতা ও সততা স্লোগানে অনুষ্ঠানে এই বাণিজ্যিক সংগঠনটির জন্য ৬ দফা ঘোষণা পত্র পাঠ করা হয়। ঘোষণাপত্রে বেসিসকে দখলদারমুক্ত করার অঙ্গীকারের পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা দাবি করা হয়েছে। একইসঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থাকার শপথ করে শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের অভিপ্রায় রয়েছে। এছাড়াও বেসিস সংস্কারের ঘোষণায় সদস্যপদ নিরীক্ষা, আর্থিক নিরীক্ষা এবং সাংবিধানিক সংস্কারের কথা বলা হয়েছে।







