না ফেরার দেশে বেগম জিয়া: শোকে বিহ্বল ভার্চুয়াল আকাশ
হাসপাতালে টানা ৩৭ দিনের মতো নিবঢ় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় না ফেরার দেশে চলে গেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি প্রধান বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর মৃত্যুর খবর প্রকাশ হবার পর থেকেই শোকে বিহ্বল ভার্চুয়াল আকাশ।
বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ভোর ৫টা ৩০ মিনিটের একটি পোস্ট নাড়িয়ে দেয় সবাইকে। সেখানে শুভ সকাল বাংলাদেশ ফটো কার্ডে নিরন্তর দোআ প্রার্থনা করে জানানো হয়, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ সকাল ৬টায় ফজরের ঠিক পরে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আমরা তার রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং সকলের নিকট তার বিদেহী আত্মার জন্য দোয়া চাচ্ছি।’
এর পর থেকেই সবার কণ্ঠেই একটি বার্তা ‘মহাকালের সমাপ্তি’; ‘বাংলাদেশের রাজনীতির অন্যতম নক্ষত্রের পতন’।
তাঁর মৃত্যুতে সোশ্যাল মিডিয়ায় লাল ও কালো জমিনে শোকের বার্তা ও অনন্ত শান্তির প্রার্থনা করছেন নেটিজেনরা। দিনের শুরুতেই অনলাইন পোর্টালগুল ‘র হোম পেইজ জুড়ে তাকে নিয়েই সংবাদ। ইউটিউব সহ অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমে টেলিভিশনসহ অন্যান্য মিডিয়ায় শুরু হয় তাঁকে নিয়ে সংবাদের লাইভ সম্প্রচার।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন ‘মা, মাটি ও মানুষের নেত্রী’ হিসেবে পরিচিত বেগম খালেদা জিয়া। দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসনের এই প্রয়াণের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনীতিতে বিশিষ্ট একজন নেত্রীর উপস্থিতির অবসান ঘটলো।
তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়ে ডুকরে কাঁদছে দেশবাসী। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
প্রাপ্ত তথ্য মতে, দেশনেত্রী হয়ে খ্যাত সাবেক তিন বারের এই প্রধানমন্ত্রীকে রাজসিক বিদায় জানাতে জরুরি বৈঠক ডেকেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান। সাত দিনের শোক পালন করা হবে দলের পক্ষ থেকে। বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে জানাজা শেষে সংসদ ভবন এলাকার পাশে অবস্থিত জিয়া উদ্যানে তার স্বামী ও বাংলাদেশের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে খালেদা জিয়াকে দাফন করা হতে পারে।
গত ২৩ নভেম্বর সবশেষ চিকিৎসার জন্য বেগম খালেদা জিয়াকে নেয়া হয় রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে। সেখানেই ভোরে তাঁর মৃত্যুর খবর প্রকাশ করেন চিকিৎসক দলের প্রধান ডাঃ শাহাবুদ্দিন তালুকদার। এরপর থেকেই ফের হাসপাতালের সামনে ভিড় করতে শুরু করেন নেতাকর্মীরা।
ডিবিটেক/আইএইচ







