নিকডুতে এক মাসে ৫ কিডনি প্রতিস্থাপন
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজিতে (নিকডু) গত এক মাসে প্রায় পাঁচটি কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। এ নিয়ে ৪৪টি কিডনি প্রতিস্থাপন সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন হয়। হাসপাতালটিতে এখন প্রতিনিয়ত ৬টি ওটিতে শৈল চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বহিঃবিভাগে প্রতিদিন প্রায় দেড় সহস্রাধিক রোগী নিয়মিত চিকিৎসা নিচ্ছেন।
২২ নভেম্বর, সোমবার নিকডু’র অডিটোরিয়ামে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক সমিতির জার্নাল ও গঠনতন্ত্রের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়। এ সময় সদ্য উচ্চতর ডিগ্রি প্রাপ্ত ২০ জন চিকিৎসক এবং পদোন্নতি পাওয়া ৪২ জন চিকিৎসকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।সদ্য উত্তীর্ণ (জানুয়ারি-জুলাই সেশন ২০২৫) পোস্ট গ্রাজুয়েট চিকিৎসকদের ও সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের সঙ্গে ভারতের আধিপত্যবাদ বিরোধী আন্দোলনে শহীদ শরিফ ওসমান হাদি ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়।
শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহরিয়ার মো. কবির হাসানের (পল্লব) সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক ডা. মশিউর আরেফিন রুবেল।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আলফাজ সানি, শিক্ষক সমিতির কোষাধ্যক্ষ সহযোগী অধ্যাপক ডা. শাহনেওয়াজ দেওয়ান, ইউরোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. মো শওকত আলম ,নেফ্রলজি বিভাগের অধ্যাপক প্রফেসর আ ন ম এহসানুল করিম, ট্রান্সপার্ট ইউরোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. ফজল নাসের, শিশু ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. ফয়সাল ইসলাম, শিশু নেফ্রলজি বিভাগের বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. কবির আলম, অ্যানেসথেসিয়া বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. তানভীর আলম, রেডিওলজি বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. তাহমিনা ইসলাম ও মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মোরশেদ আলম।
বক্তারা জানান, নিকডু প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে শিক্ষকদের কোনো প্লাটফর্ম ছিল না, এখন তা হয়েছে। শিক্ষকরা প্রশাসনকে সহযোগিতা করবেন এবং প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।
নিকডু পরিচালক অধ্যাপক ডা. আলফাজ সানি বলেন, নিকডু ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে। আগের নিকডু আর নেই, এখন নিকডু এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের কিডনি সংক্রান্ত অনন্য প্রতিষ্ঠান হবে নিকডু। নিকডু’র রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। অস্ত্রোপচারের সংখ্যা এবং সেবার মান বেড়েছে। কিডনি ইনস্টিটিউট আগামীতে পথপ্রদর্শক হবে।
শিক্ষক সমিতির সভাপতি ডা. মশিউর আরেফিন রুবেল বলেন, ভবিষ্যতে নিকডুকে একটি আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা থাকবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা থাকলে নিকডু অতি দ্রুত সেন্টার অব এক্সিলেন্সিতে পরিণত হবে।
ডিবিটেক/ডিআর/ইক







