টেলিটকের কারিগরি সহায়তায় 

প্রকাশের পর অনলাইনেও মিলবে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল

প্রকাশের পর অনলাইনেও মিলবে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল
১০ জুলাই, ২০২৫ ০১:২৮  
১০ জুলাই, ২০২৫ ১২:৪৪  

আজ ১০ জুলাই’, বৃহস্পতিবার দেশব্যাপী মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড- এর ১১টি শিক্ষা বোর্ড (ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ মাদ্রাসা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড)- এর এস.এস.সি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৫- এর ফলাফল প্রকাশ হতে যাচ্ছে। দেশজুড়ে চলছে বৃষ্টি। প্লাবিত হয়েছে কোনো কোনো অঞ্চল। এর মধ্যে ঘরে বসেই বরাবরের মতো ফলাফল পাওয়ার সুযোগ করেছে শিক্ষাবোর্ড।

এই কাজে কারিগরি সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রিয় মোবাইল অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড। তাদের মাধ্যমেই শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডসমূহের ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং SMS এর মাধ্যমে তাদের ফলাফল জানতে পারবে।

ফলাফল জানতে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইট (www.educationboardresults.gov.bd) এবং নিজ নিজ বোর্ডের ওয়েবসাইটে গিয়ে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফলাফল দেখতে পারবে। এছাড়া মোবাইল ফোনে এসএমএস করে ফল জানা যাবে। এজন্য মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখতে হবে: SSC <স্পেস> বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> পরীক্ষার সাল। তারপর ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। উদাহরণস্বরূপ: SSC DHA 123456 2025।

এছাড়া শিক্ষার্থীরা নিজেদের স্কুল বা প্রতিষ্ঠানে গিয়েও ফলাফল জানতে পারবে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানে গিয়ে নির্ভুলভাবে ফলাফল জানা সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি।

ফল প্রকাশের পর যদি কোনো শিক্ষার্থী তার প্রাপ্ত ফলাফল নিয়ে অসন্তুষ্ট থাকে, তবে সে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবে। আগামীকাল শুক্রবার (১১ জুলাই) সকাল থেকে এ আবেদন গ্রহণ শুরু হবে এবং তা চলবে ১৭ জুলাই পর্যন্ত। শুধুমাত্র টেলিটক সিম ব্যবহার করে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে। এজন্য প্রতিটি বিষয়ের জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ টাকা। মোবাইলে টাইপ করতে হবে: RSC <স্পেস> বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> বিষয় কোড এবং পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। একাধিক বিষয়ের কোড হলে কমা দিয়ে আলাদা করতে হবে।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ১০ এপ্রিল এবং শেষ হয় ১৩ মে। এ বছর মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৯ লাখ ২৮ হাজার ৯৭০ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৬১ হাজার ২৩১ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩৯ জন। পরীক্ষার প্রথম দিন অনুপস্থিত ছিল ২৬ হাজার ৯২৮ জন, যা পরে আরও বেড়ে যায়। সব মিলিয়ে প্রায় ১৯ লাখ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির জানিয়েছেন, ফলাফল প্রস্তুত ও যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, ফলাফলের প্রক্রিয়াটি পুরোপুরি সফটওয়্যারনির্ভর, ফলে নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে ভুল হওয়ার সুযোগ নেই। তবে কেউ যদি সন্তুষ্ট না হন, তাহলে নিয়ম অনুযায়ী পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবে।