টোকিও অলিম্পিকে প্রযুক্তির ম্যাজিক

২২ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৮:৫৮  
সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণে জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে রোববার (২২ ডিসেম্বর) উন্মুক্ত করা হলো টোকিও নিউ ন্যাশনাল স্টেডিয়াম। সব অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যাবহার করে নির্মাণ করা এ স্টেডিয়ামেই অলিম্পিক আসরের উদ্ধোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। স্টেডিয়ামে প্রবেশের আগে দর্শনার্থীদের অভিবাদন জানাবে রোবট। ৬০ হাজার সাধারণ আসনসহ সবমিলিয়ে ৬৮ হাজার লোকের ধারণক্ষমতা রয়েছে স্টেডিয়ামটির।  এসব ছাড়াও প্রতিটি খেলার স্পট ও স্টেডিয়ামে ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যাধুনিক সব প্রযুক্তি। যা দেখে পুরো বিশ্ব সত্যি চমকে যাবে। এতে ব্যবহার করা হয়েছে হাইব্রিড ব্রডকাস্ট সিস্টেম, সর্বশেষ আবহাওয়া নিয়ন্ত্রক প্রযুক্তি, সংবেদনশীল উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন এইট কে এইচডি ক্যামেরা। শুধু তাই নয় বিরূপ আবহাওয়ায় পাল্টে যাবে স্টেডিয়ামের দৃশ্যপটও! অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর এ স্টেডিয়ামটিতে একসাথে বেশ কয়েকটি খেলা উপভোগ করতে পারবেন দর্শকরা। স্টেডিয়ামের ভেতরে প্রবেশ করতে না পারা দর্শকদের জন্য বাইরে থাকবে অত্যাধুনিক এইচডি কোয়ালিটির অসংখ্য এলইডি পর্দা। অলিম্পিকের চিত্র ধারণেও থাকছে বিশ্বের সবচেয়ে লেটেস্ট মডেলের ক্যামেরা। জাপানি প্রযুক্তির ৩২ থেকে ৪০ মেগাপিক্সেল পর্যন্ত হবে এসবের ক্ষমতা। টোকিও ২০২০ অলিম্পিকের সবচেয়ে বড় চমক হচ্ছে এইট কে প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তিতেই খেলা সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। মিলবে সম্পূর্ণ এইচডি কোয়ালিটি ভিডিও। এখানে হাইব্রিড ব্রডকাস্ট সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। ফেসবুক বা টুইটারে সরাসরি কমেন্টস ও টুইট করতে পারবেন দর্শনার্থী। বিগ সাইট ইন্টারন্যাশনাল ব্রডকাস্ট সেন্টার থেকে সারা পৃথিবীতে এ খেলা সম্প্রচারের আয়োজন করা হচ্ছে। প্রতিটি খেলার স্কোর ও বিস্তারিত তথ্য স্পষ্টভাবে স্ক্রিনে দেখতে পাবেন। প্রতিটি ইভেন্টেই সর্বনিন্ম ৩২ মেগাপিক্সেল ক্ষমতা সম্পন্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। আর ক্যামেরাটি অনেক বেশি সংবেদনশীল। সাধারণ ক্যামেরা থেকে এসব ১৬ গুণ প্রখর হবে। এছাড়া সাইন- ল্যাংগুয়েজ নামে নতুন প্রযুক্তি থাকছে যাতে বোবাদের জন্য রয়েছে স্বয়ংক্রিয় সাইন-ল্যাংগুয়েজ। থাকছে ইনস্ট্যান্ট ট্রান্সলেট সিস্টেম। স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাৎক্ষণিক অনুবাদ করতে পারে এমন ডিভাইস ব্যবহার করা হচ্ছে। আরো থাকছে উন্নত মানের মানি ট্রান্সফার সিস্টেম।