দ্বিপাক্ষিক মৈত্রী জোরদারে সেমিনারে গুরুত্বারোপ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর
চীনের প্রযুক্তিতে চার কোটি যুবকের কর্মসংস্থান
- চীনের আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশে বিশাল কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব
- জাতীয় স্বার্থে চীনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করার পাশাপাশি বিশ্ব দরবারে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতির আহ্বান
সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ এবং যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টির স্বার্থেই চীনের প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত বাস্তবসম্মত ও প্রয়োজনীয়। চীন এখন এক বিশাল অর্থনৈতিক শক্তি। তাদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যে ম্যাজিক্যাল উন্নয়ন ঘটেছে, তার সুবিধা বাংলাদেশ নিতে পারলে আমরা অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবো। ২০ কোটি মানুষের এই দেশে প্রায় ৪ কোটি বেকার যুবকের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে চীনের প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ অত্যন্ত জরুরি।
১৮ জুলাই, শনিবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সমিতি’ আয়োজিত এক সেমিনারে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এক নতুন মাত্রা পেয়েছিল এবং পরে খালেদা জিয়ার শাসনামলে তা আরও সুদৃঢ় হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ–চীন সম্পর্ক কেবল রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নয়; শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য, প্রযুক্তি এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রেও এর বিস্তৃতি ঘটেছে।”
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি ভারত, ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গেও ভারসাম্যপূর্ণ ও পারস্পরিক স্বার্থভিত্তিক সম্পর্ক বজায় রাখা প্রয়োজন।”
বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সমিতির সভাপতি নাজমুল হক নান্নুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
//ডিবিটেক/ এইচএমসি/এসএমই//





