সচিবালয় নির্দেশমালা মেনে গণপূর্তের নতুন শাখায় সিসি ক্যামেরা স্থাপনের সিদ্ধান্ত

ডি-নথি নম্বর ব্যবহার ও পিসিতে সংরক্ষিত তথ্যের নিরাপত্তায় কঠোর নির্দেশ

  • গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সব শাখায় ডিজিটাল নথি নম্বর বাধ্যতামূলক করা হয়েছে
  • দাপ্তরিক গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার স্বার্থে উপযুক্ত স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে

ডি-নথি নম্বর ব্যবহার ও পিসিতে সংরক্ষিত তথ্যের নিরাপত্তায় কঠোর নির্দেশ
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১০:৩৯  

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দাপ্তরিক কাজে গতিশীলতা ও আধুনিকায়ন আনয়নের লক্ষ্যে সব শাখা ও অধিশাখার নথিতে সচিবালয় নির্দেশমালা-২০২৪ অনুযায়ী ডিজিটাল নথি (ডি-নথি) নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন সব দপ্তর ও সংস্থাকেও এই ডিজিটাল নথি নম্বর ব্যবহারের কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দাপ্তরিক কাজের গোপনীয়তা এবং কম্পিউটারে সংরক্ষিত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

নথির নিরাপত্তার স্বার্থে নতুন শাখায় উপযুক্ত স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য ইতোমধ্যে নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত ই/এম বিভাগ-৪-এ চিঠি পাঠানো হয়েছে এবং দ্রুত সমন্বয় করে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

জানাগেছে, এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তটি গত ২৫ জুন, বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম।

সভায় দাপ্তরিক ব্যবস্থাপনার বিষয়ে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নথির তত্ত্বাবধানকারী হিসেবে নথি ও পত্র আদান-প্রদানসহ সব কার্যক্রম পরিচালনা করবেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা। তার নেতৃত্বেই নথি-পত্র আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে মুভমেন্ট রেজিস্টার বাধ্যতামূলকভাবে ব্যবহার করতে হবে। আদালতে মূল নথি পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রশাসনিক কর্মকর্তা নথির একটি ছায়ালিপি সংরক্ষণ করবেন এবং আদালত থেকে যথাসময়ে মূল নথি ফেরত আনার ব্যবস্থা নেবেন। এ ছাড়া সিসি ক্যামেরার মনিটরিং জোরদার করে মাসিক ফুটেজ সিডিতে সংরক্ষণ করতে হবে।

পাশাপাশি সব দপ্তর ও সংস্থায় মন্ত্রণালয় থেকে অডিট টিম পাঠাতে হবে এবং অডিট নিষ্পত্তির লক্ষ্যে অতিরিক্ত সচিব প্রতি ২০ দিনে একটি ক্রস প্রোগ্রাম গ্রহণ করবেন।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাজে কাগজের নথির পরিবর্তে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে নথি ব্যবস্থাপনা বা 'ডি-নথি' (D-Nothi) সিস্টেম চালু রয়েছে। সরকারি 'সচিবালয় নির্দেশমালা' অনুযায়ী নির্দিষ্ট ২২-ডিজিটের ডিজিটাল নথি নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা ডাক ব্যবস্থাপনা ও দ্রুত ফাইল নিষ্পত্তিতে সহায়ক। বর্তমানে ডি-নথি সিস্টেমের মাধ্যমে ৭ হাজারেরও বেশি সরকারি অফিস, ২.৫ লক্ষেরও বেশি ব্যবহারকারী, ৩০ কোটিরও বেশি সিদ্ধান্ত এবং ৫ কোটিেরও বেশি সুবিধাভোগীকে সেবা প্রদান করা হয়েছে। 
//ডিবিটেক/ ডিপিওসি/এসএমই//