পরিবেশ দূষণ বিষয়ক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একগুচ্ছ নির্দেশনা
হর্ন নিয়ন্ত্রণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের কথা ভাবছে সরকার
- ট্রাফিক এআই ক্যামেরার মতো হর্ন নিয়ন্ত্রণেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের পরিকল্পনা
- ঢাকা থেকে ফিটনেসবিহীন ও পরিবেশ দূষণকারী যানবাহন অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- রাজধানীতে দ্রুততম সময়ে আরও ৫০টি পয়েন্টে অটোমেটিক ট্রাফিক লাইট চালু হবে
ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত এআই ক্যামেরার মতো হর্ন নিয়ন্ত্রণেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি কীভাবে ব্যবহার করা যায় তা নিয়ে ভাবছে সরকার। একই সাথে রাজধানীর সড়ক থেকে ফিটনেসবিহীন, মেয়াদোত্তীর্ণ এবং পরিবেশ দূষণকারী বাস, ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহন দ্রুত অপসারণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এ ছাড়া রাজধানীতে আরও অন্তত ৫০টি পয়েন্টে অটোমেটিক ট্রাফিক লাইট সিস্টেম দ্রুততম সময়ের মধ্যে চালু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বৈঠক সূত্রে প্রকাশ, বায়ু ও শব্দ দূষণ প্রতিরোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে, ইটভাটার কারণে সৃষ্ট বায়ু দূষণ রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। পরিবেশবান্ধব বিকল্প প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইট উৎপাদনের ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।
এই উচ্চপর্যায়ের পরিবেশ দূষণ বিষয়ক বৈঠকটি ২০২৬ সালের ১৮ জুলাই, শনিবার সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রাজধানী ঢাকায় যানবাহনের হর্নের অতিরিক্ত ব্যবহার কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সে বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আরও কঠোর ভূমিকা পালনের নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, "রাজধানীর সড়ক থেকে ফিটনেসবিহীন, মেয়াদোত্তীর্ণ এবং পরিবেশ দূষণকারী যানবাহন দ্রুত অপসারণ করতে হবে।" পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, "বায়ু ও শব্দ দূষণ রোধে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ইটভাটার বিকল্প পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ওপর আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।"
বৈঠকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিসুর রহমানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
//ডিবিটেক/ এসএইচ/এমএসআই//





