আগামী ১৫ দিনে শতভাগ গবাদিপশুকে টিকাদানের ঘোষণা মন্ত্রীর 

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বিকল্প বীজতলা ও টিকা

  • বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের পাঁচ জেলার কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ধানবীজ ও চারা বিতরণ করা হবে
  • খুরা রোগ প্রতিরোধে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সব গবাদিপশুকে টিকার আওতায় আনা হচ্ছে
  • কৃষকদের সুবিধার্থে ফসল সংরক্ষণের জন্য সারাদেশে দুই হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন করা হবে

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বিকল্প বীজতলা ও টিকা
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১২  

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের পাঁচ জেলার কৃষকদের ধান বীজ ও চারা দেওয়া হবে এবং ১৫ দিনের মধ্যে শতভাগ গবাদি পশুকে টিকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। মন্ত্রী চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজলার দোহাজারীতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষী ও খামারীদের মাঝে ধান বীজ ও উপকরণ বিতরণ এবং গবাদি পশুকে টিকা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

১৭ জুলাই, শুক্রবার এই কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মো. বয়জার রহমান, চট্টগ্রাম বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

মন্ত্রী বলেন, “চলমান বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমন ধানের বীজতলা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইউনিয়ন ও ব্লক পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ করে বীজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাদের জমি এখনও পানির নিচে রয়েছে, তাদের জন্য বিকল্প বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। বন্যার পর সবচেয়ে বড় ঝুঁকি খুরা রোগ, তাই আজ থেকেই ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে।”

পাশাপাশি গোখাদ্যের সংকট মোকাবিলায় প্রথম ধাপে ৩৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং মৎস্যচাষীদের পুনর্বাসনে মাঠ পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণে জরিপ চলছে। কৃষক যাতে উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণ করতে পারেন, সে জন্য সারা দেশে পর্যায়ক্রমে প্রায় দুই হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
//ডিবিটেক/ জেডএইচএস/এসএমই//