সামাজিক কল্যাণে এআই ব্যবহারে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী সমাধান আহ্বান

গ্রামীণফোনের দ্বিতীয় এআই প্রতিযোগিতা ‘ফিউচারমেকার্স’ শুরু

  • গ্রামীণফোন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের বাস্তব সমস্যা সমাধানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক আইডিয়া প্রতিযোগিতা ‘ফিউচারমেকার্স’-এর দ্বিতীয় আসর শুরু করেছে।
  • স্টেম ও নন-স্টেম ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীরা ছয়টি প্রধান সামাজিক ও কারিগরি ক্ষেত্রে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত দলগত বা এককভাবে আবেদন করতে পারবেন।
  • বিজয়ীরা আর্থিক পুরস্কারের পাশাপাশি প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের

গ্রামীণফোনের দ্বিতীয় এআই প্রতিযোগিতা ‘ফিউচারমেকার্স’ শুরু
২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:০৮  

বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ উদ্ভাবকদের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক প্রযুক্তিগত আইডিয়া প্রতিযোগিতা ‘ফিউচারমেকার্স’-এর দ্বিতীয় আসর আয়োজনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে টেলিযোগাযোগ খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। বাস্তব জীবনের বিভিন্ন সংকট নিরসনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রকৌশলগত প্রযুক্তির প্রয়োগ ঘটিয়ে টেকসই সমাধান উদ্ভাবনের লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার জিপি সূত্র জানায়, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত (স্টেম) এবং নন-স্টেমসহ সকল একাডেমিক শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত এ প্রতিযোগিতাটি এ বছর ‘সামাজিক কল্যাণে এআই’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পরিচালিত হচ্ছে। তরুণ সমাজকে নৈতিক, সৃজনশীল ও দায়িত্বশীলভাবে ডিপ টেকনোলজি ব্যবহারে উৎসাহিত করাই এই প্ল্যাটফর্মের মূল লক্ষ্য।

প্রতিযোগিতার এবারের আসরে সমাজ ও প্রযুক্তির মেলবন্ধনে ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে: ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি ও শিক্ষা; স্বাস্থ্যসেবা ও মানসিক সুস্থতা; প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ; লিঙ্গ সমতা ও অন্তর্ভুক্তি; পরিবেশগত ভারসাম্য ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা; এবং সাইবার নিরাপত্তা, সার্বিক সুরক্ষা ও ডেটা গোপনীয়তা।

আগ্রহী শিক্ষার্থীরা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবারের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈধ পরিচয়পত্র ব্যবহারের মাধ্যমে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় আবেদন করতে পারবেন। শিক্ষার্থীরা এককভাবে অথবা সর্বোচ্চ তিনজনের দলে বিভক্ত হয়ে এতে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। শিল্পখাত বিশেষজ্ঞ, প্রযুক্তিভিত্তিক স্টার্টআপ প্রতিনিধি এবং গ্রামীণফোনের অভ্যন্তরীণ টেকনিক্যাল বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত বিচারকমণ্ডলী প্রস্তাবিত প্রজেক্টগুলো মূল্যায়ন করবেন। নির্বাচিত উদ্ভাবকরা পরবর্তীতে ‘কনসেপ্ট পিচ’ ও বিশেষজ্ঞদের সরাসরি নির্দেশনায় পরিচালিত ‘ইগনিশন চেম্বার’-এ যোগ দিয়ে নিজেদের এআই মডেল ও ব্যবসায়িক ধারণাগুলো আরও পরিমার্জিত করার সুযোগ পাবেন। চূড়ান্ত পর্বে গালা ইভেন্টে উদ্ভাবনী সমাধানগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদর্শন করা হবে। প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা নির্ধারিত আর্থিক পুরস্কারের পাশাপাশি গ্রামীণফোনের বিভিন্ন ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রামে সরাসরি যুক্ত হওয়ার অগ্রাধিকার পাবেন।

গ্রামীণফোনের চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার (সিএইচআরও) সৈয়দা তাহিয়া হোসেন বলেন, “এআই যেভাবে আমাদের শেখা, সৃষ্টি, উদ্ভাবন এবং সমস্যা সমাধানের পদ্ধতিকে ক্রমেই পরিবর্তন করছে, তাতে এ প্রযুক্তিকে বুঝে কার্যকরভাবে ব্যবহার করার সক্ষমতা আজকের ডিজিটাল অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফিউচারমেকার্স এবং এ বছরের প্রতিপাদ্য 'সামাজিক কল্যাণে এআই'-এর মাধ্যমে আমরা তরুণদের কেবল এআই ব্যবহারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না রেখে, বাস্তব সমস্যার সমাধান ও ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টির লক্ষ্যে কীভাবে দায়িত্বশীলভাবে এটি প্রয়োগ করা যায়, তা খুঁজে বের করতে অনুপ্রাণিত করতে চাই।”

//ডিবিটেক/এমআরজিপিআর /এমএসআই//