বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটিতে প্রত্যাঘাত তেহরানের

অ্যানিমেশন ভিডিও প্রকাশে সামরিক প্রতিশোধের বার্তা ইরানের

  • দক্ষিণ ইরানের সিরিক কাউন্টিতে একটি বিয়েবাড়িতে মার্কিন হামলায় পাঁচজন নিহত ও ৬৩ জন আহতের দাবি করেছে তেহরান।
  • মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি জানানোর পাশাপাশি প্রযুক্তিভিত্তিক অ্যানিমেশন ভিডিওর মাধ্যমে সম্ভাব্য ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রত্যাঘাতের প্রচার চালায় ইরান।
  • জবাবে আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত, জর্ডান এবং ইরাকে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরান ও আইআরজিসি পাল্টা আঘাত হেনেছে।

অ্যানিমেশন ভিডিও প্রকাশে সামরিক প্রতিশোধের বার্তা ইরানের
২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:৩৫  

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ও প্রযুক্তিভিত্তিক মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ তীব্র আকার ধারণ করেছে। দক্ষিণ ইরানের সিরিক কাউন্টিতে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগের পর কম্পিউটার জেনারেটেড অ্যানিমেশন ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে পরবর্তী সামরিক হামলার বার্তা দিয়েছে ইরান। একই সঙ্গে আরব অঞ্চলের পাঁচটি দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রযুক্তির সমন্বয়ে পাল্টা আঘাত হানার দাবি করেছে দেশটি।

২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার ভোরে কুহেস্তাক শহরের একটি বাড়িতে এ হামলা চালানো হয় বলে জানান ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। হামলায় একটি শিশুসহ পাঁচজন নিহত এবং আরও অন্তত ৬৩ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করে তেহরান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইরান প্রযুক্তিভিত্তিক ভিজ্যুয়াল সিমুলেশন ও সামরিক অ্যানিমেশন ব্যবহার করে কৌশলগত সামরিক টার্গেটগুলোতে প্রতিশোধমূলক আঘাতের প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি প্রদর্শন করে।https://x.com/PresstvExtra/status/2095028680946798755?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E2095028680946798755%7Ctwgr%5Ef451e02dc73efce99a82cf90e500234ebcc2a0d6%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.jagonews24.com%2Finternational%2Fnews%2F1153275

ইরানের আধা সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সির কারিগরি ও মাঠপর্যায়ের বরাতে জানা যায়, কুহেস্তাক ছাড়াও দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের কৌশলগত বন্দর ও সামরিক নজরদারি এলাকাগুলোতে বিস্ফোরণ ঘটে। এসব এলাকার মধ্যে রয়েছে সামুদ্রিক ও রাডার অবকাঠামোসমৃদ্ধ কোনারাক, কৌশলগত বন্দর আব্বাস এবং হরমুজ প্রণালির গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক পয়েন্ট কেশম দ্বীপ।

বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করার জবাবে ইরানের নিয়মিত সেনাবাহিনী এবং ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) উন্নত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও স্বয়ংক্রিয় ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্মিলিত প্রত্যাঘাত চালিয়েছে বলে জানানো হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে দাবি করা হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত, জর্ডান এবং ইরাকে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও সংশ্লিষ্ট রাডার কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করে এই প্রতিশোধমূলক হামলা পরিচালনা করা হয়েছে। পুরো ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার এবং আকাশসীমা নজরদারিতে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থা জারি রয়েছে।
//ডিবিটেক/তাসনিম নিউজ/এসএমই//