১৩ জুন সবচেয়ে বেশি বেভুল ছিলেন দেশের উবার যাত্রীরা

২১ এপ্রিল, ২০২৪ ১৯:৫৫  

গত এক বছরে মে ও জুন মাসে বাংলাদেশের মানুষ সবচেয়ে বেশি জিনিসপত্র ভুলে ফেলে রেখে গেছেন। বেশিরভাগ জিনিসপত্র ফেলে রেখে আসার ঘটনাটি ঘটেছে সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে। আর গত বছর বাংলাদেশজুড়ে যাত্রীদের ভুলে যাওয়া জিনিসের তালিকায় প্রথম দুটি স্থানে ছিল পোশাক ও ছাতা।

তালিকায় এর পরেই ছিল ওয়ালেট, বালিশ এবং হেডফোন। বাংলাদেশিরা উবারে এরকম সাধারণ জিনিসপত্র যেমন ভুলে ফেলে রেখে গেছেন, স্পিকারের মতো অপ্রত্যাশিত জিনিসও তেমনি ভুলে রেখে গেছেন।

রবিবার প্রকাশিত রাইডশেয়ারিং অ্যাপ উবারের লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড ইনডেক্স-এর ৮ম সংস্করণে এমনটাই জানানো হয়েছে।

গাড়িতে ভুলে রেখে যাওয়া তথ্যের একটি স্ন্যাপশট ইনডেক্স অনুযায়ী, উবার যাত্রীদের যেসব জিনিস সবচেয়ে বেশি ভুলে ফেলে রেখে গেছেন পোশাক। এরপরই রয়েছে ছাতা, ওয়ালেট, নেক-পিলো, হেডফোন ও স্পিকার।

যে শহরগুলোতে যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি জিনিস হারিয়েছেন তার মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা। এরপরের স্থানগুলো যথাক্রমে চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও বরিশাল।  

বছরের যে দিনগুলোতে যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি সংখ্যক জিনিস ভুলে রেখে গেছেন তার মধ্যে রয়েছে ১৩ মে, ২০২৩। এ ছাড়া ৯ জুন এবং ১৬ জুন, ২০২৩ বেশি ভুল করেছেন যাত্রীরা।

সপ্তাহের যে ৩ দিনে সবচেয়ে বেশি জিনিস হারিয়েছে— সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার। এ ছাড়া শনিবার ও রবিবারও রয়েছে।

দিনের যে সময়ে যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি জিনিস ফেলে রেখে যান, তার সময় হিসেবে রাত আটটা। এরপরই সন্ধ্যা ৭টা ও রাত ৯টায় বেশি জিনিস ফেলে রেখে গেছেন।

এ নিয়ে উবার বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড নাশিদ ফেরদৌস কামাল বলেছেন, “যাত্রীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য উবারের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ট্রিপের সময় যাত্রীদের ফেলে যাওয়া জিনিস নিরাপদে তাদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়াও এর অন্তর্ভুক্ত। হারানো জিনিস খুঁজে পেতে উবারের কিছু ইন-অ্যাপ অপশন আছে। এ ব্যাপারে যাত্রীদের জানানোর জন্য লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড ইনডেক্স একটি চমৎকার শিক্ষণীয় উপায়। যাত্রীদের আমরা জানাতে চাই যে, রাইডের সময় তারা কিছু ভুলে ফেলে গেলে তাদের সাহায্য করার জন্য আমরা প্রস্তুত।”