তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাটাগরিতে টেক জায়ান্ট ওয়ালটন পেল সম্মানজনক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি
এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডসে ওয়ালটনের হ্যাটট্রিক
- এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডসের চতুর্থ সংস্করণে তিনটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত হয়েছে শীর্ষ সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটন
- সাশ্রয়ী ক্লিন এনার্জি, জলবায়ু-পরিবেশ এবং সবচেয়ে টেকসই ইলেকট্রনিক পণ্য প্রস্তুতকারী হিসেবে এই স্বীকৃতি
- টেকসই নেট জিরো ইনিশিয়েটিভ ও পরিবেশবান্ধব সবুজ প্রযুক্তির জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হয়
বাংলাদেশের শিল্প উৎপাদন ও প্রযুক্তি খাতে পরিবেশবান্ধব এবং টেকসই প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারে অসামান্য অবদান রেখে চলেছে দেশীয় টেক জায়ান্ট ও সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটন। জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা SDG অর্জনে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার এবং কার্বন নিঃসরণ হ্রাসমুখী উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।
১৮ জুলাই, শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে ওয়ালটনকে তিনটি পৃথক ক্যাটাগরিতে ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ প্রদান করা হয়।
টেকসই নেট জিরো ইনিশিয়েটিভ এবং এনার্জি ইফিশিয়েন্সি প্রোগ্রামের জন্য সাশ্রয়ী ও ক্লিন এনার্জি ক্যাটাগরিতে ওয়ালটন এই পুরস্কার অর্জন করে। পাশাপাশি উৎপাদন প্রক্রিয়ায় টেকসই সবুজ প্রযুক্তি ব্যবহার এবং জলবায়ু সুরক্ষায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জলবায়ু ও পরিবেশ ক্যাটাগরি এবং বর্ষসেরা সবচেয়ে টেকসই ইলেকট্রনিক পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতেও কোম্পানিটিকে পুরস্কৃত করা হয়।
ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর বা AMD মো. ইউসুফ আলী, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন, শাহজালাল হোসেন লিমন, তানভীর আঞ্জুম ও প্রতীক কুমার মদক, চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, ইএইচএস অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি বিভাগের প্রধান মো. মোস্তাফিজুর রহমান রাজু প্রমুখ পুরস্কারগুলো গ্রহণ করেন। পুরস্কারপ্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় ওয়ালটন হাই-টেকের AMD মো. ইউসুফ আলী বলেন, "তিন ক্যাটাগরিতে ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ অর্জন করায় ওয়ালটন পরিবার আনন্দিত ও গর্বিত। ওয়ালটনকে মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।"
সাসটেইনেবল ব্র্যান্ড ইনিশিয়েটিভ ও বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের সহযোগিতায় এবং বাংলাদেশ ইনোভেশন কনক্লেভের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ১৯টি ক্যাটাগরিতে ৫৯টি টেকসই উদ্যোগকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানের পূর্বে একই ভেন্যুতে সাসটেইনাবিলিটি সামিট ২০২৬-এর ৪র্থ সংস্করণ অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বা BSEC-এর চেয়ারম্যান মাসুদ খান। সামিটে ভার্চুয়াল সেশনে যৌথ বক্তব্য রাখেন Kellogg School of Management-এর প্রফেসর ইমেরিটাস ফিলিপ কটলার এবং কানাডার রেসইন্ট সাসটেইনেবিলিটি ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট ড. খালিদ হাসান।
এছাড়া হিন্দুস্তান ইউনিলিভার ফাউন্ডেশন-এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ড. শ্রামন ঝা কি-নোট বক্তব্য প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ -এর প্রফেসর ড. মেলিতা মেহজাবীন, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের সিইও মোহাম্মদ ইকবাল চৌধুরী, এসএমসি এন্টারপ্রাইজের এমডি সায়েফ নাসির, গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান, এসিআই লজিস্টিকসের এমডি সাব্বির হাসান নাসির, বিজিএমইএ-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট বিদ্যা অমৃত খান, ডিবিএল গ্রুপের মোহাম্মদ জাহিদুল্লাহ, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের এমডি নুজহাত আনোয়ার, ব্র্যাকের সিনিয়র ডিরেক্টর কে এ এম মোরশেদ এবং প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নুরুন্নবী অংশ নেন।
আয়োজনটির উদ্বোধনী বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরিফুল ইসলাম বলেন, "টেকসইতা এখন আর বছরে একবার আলোচনা করে ফেলে রাখার মতো কোনো ধারণা নয়—এটি এমন একটি চর্চা, যা প্রতিটি ব্র্যান্ড ও প্রতিষ্ঠানের মূল সত্তায় প্রোথিত হওয়া প্রয়োজন।"
//ডিবিটেক/ করেসপন্ডেন্ট/ইডিপি//





