ইন্টারনেট ছাড়াই ভাব আদান প্রদান ও দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে উদ্যোগ
স্কুলে জাপানি ভাষা চালুর সেমিনার
- বিদ্যালয় স্তরে জাপানি ভাষা
- উচ্চ পর্যায়ের দক্ষতার চাহিদা
- স্মার্ট ক্লাসরুমে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম
প্রযুক্তি দূর করেছে ভাষার প্রতিবন্ধকতা। তবে ইন্টারনেট সংযোগের বাইরেও যেন প্রযুক্তির দেশে জাপানের স্থানীয় ভাষায় ভাব-আদান প্রদান এবং তাদের কাছ থেকে দক্ষতা অর্জন করা যায় সেলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের জাপানিজ ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড কালচার বিভাগে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে প্রাণবন্ত করতে স্মার্ট ক্লাসরুমে চলছে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম। দুর্যোগের মুহূর্তে ঘরে বসেই ভার্চুয়াল ক্লাসে অংশ নেয়ার সুযোগ রয়েছে। এই সেমিনারের ফলাফল সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে এবং বাংলাদেশে হাইস্কুল স্তরে জাপানি ভাষা চালু করার প্রক্রিয়াটিকে ত্বরান্বিত করতে জালটাব পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
১৭ জুলাই, শুক্রবার “ইন্ট্রোডিউসিং জাপানিজ ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যাট স্কুল লেভেল ইন বাংলাদেশ” শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করে জাপানিজ ল্যাঙ্গুয়েজ টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (জালটাব)।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধকার ছিলেন জালটাব সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনসারুল আলম এবং আলোচক ছিলেন জাপান ফাউন্ডেশনের অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র বিশেষজ্ঞ কেই শিরাই, যিনি জাপান থেকে জুমে যুক্ত হন। হাইস্কুল স্তরে বেশ কয়েকটি ভাষা চালু করার সরকারি নীতিটির প্রশংসা করে অধ্যাপক ড. আলম প্রথম ধাপে কোনো ব্যর্থতা ছাড়াই জাপানি ভাষা চালু করার ওপর জোর দেন। তিনি আরও বলেন, "বাংলাদেশের যুবকদের মধ্যে জাপানি ভাষা দক্ষতার একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং উচ্চ-স্তরের চাহিদা রয়েছে।" অধ্যাপক আলম উল্লেখ করেন যে, জাপান ফাউন্ডেশন এবং জালটাব প্রশিক্ষণ পরিচালনা, শিক্ষণ সামগ্রী তৈরি এবং প্রয়োজনীয় জরিপ ও গবেষণা চালানোসহ সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত। জাপান ফাউন্ডেশনের বিশেষজ্ঞ কেই শিরাই বাংলাদেশ সরকার এবং জালটাব উভয়ের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। তিনি অন্যান্য দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর উদাহরণ বিবেচনা করার পরামর্শও দেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে জাপান ফাউন্ডেশনের বিশেষজ্ঞ তোমোইউকি ফুকুই, জালটাব সাধারণ সম্পাদক কুনিয়াকি ওকাবায়াশি উপস্থিত ছিলেন। হিরোশিমা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর একাডেমিক প্র্যাকটিস অ্যান্ড রিসোর্সেসের টিচিং ফেলো আহমেদুল আজম এবং জাপানের আইচি ইউনিভার্সিটি অব এডুকেশনের গ্র্যাজুয়েট স্কুল অব এডুকেশনের পিএইচডি শিক্ষার্থী তারেক রহমান অনলাইনে যুক্ত হন। তাদের অভিজ্ঞতা থেকে আহমেদুল আজম এবং তারেক রহমান উভয়ই স্কুল পর্যায়ে জাপানি ভাষা চালুর উদ্যোগকে সমর্থন করেন।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং জুয়াবের শিক্ষক ফজিলাতুন নেসা শিউলি উল্লেখ করেন, ভাষা শিক্ষকদের চাকরির নিরাপত্তা এবং বেতন অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। সেমিনারের শেষে কুনিয়াকি ওকাবায়াশি প্রস্তাব করেন যে জালটাবের একটি দল সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করতে পারে।
//ডিবিটেক/ করেসপন্ডেন্ট/ইডিপি//





