প্রকৌশল ও প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষায় তরুণদের অবদান রাখার আহ্বান নীতিনির্ধারকদের
ডিটিআইয়ের গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন, কারিগরি দক্ষতায় গুরুত্বারোপ
- ২০২৬ সালের গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে ১৫০ জন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারকে সনদ, ২০ জনকে গোল্ড মেডেল ও বিশেষ অ্যাওয়ার্ড প্রদান
- কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড কাজে লাগিয়ে বৈশ্বিক প্রযুক্তির বাজারে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির ওপর জোর বিটিইবি চেয়ারম্যানের
- উদ্ভাবনী শিক্ষা ও ডিজিটাল রূপান্তরের মাধ্যমে জেন-জি প্রজন্মের উপযোগী প্রকৌশল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
<
দেশের প্রকৌশল ও কারিগরি শিক্ষা খাতের তরুণ গ্র্যাজুয়েটদের সাফল্য উদযাপনে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ড্যাফোডিল টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট (ডিটিআই) গ্র্যাজুয়েশন উদযাপন ২০২৬’। ৫ সেপ্টেম্বর, শনিবার রাজধানীর ড্যাফোডিল প্লাজার ৭১ মিলনায়তনে আয়োজিত এই সমাবর্তনে শিক্ষার্থীদের অর্জিত প্রযুক্তিগত জ্ঞান দেশ ও দশের কল্যাণে প্রয়োগের আহ্বান জানান সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকরা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অতিরিক্ত সচিব ফরিদা ইয়াসমিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের (বিটিইবি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন, বিটিইবির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রকৌশলী মো. আবুল কালাম আজাদ এবং ড্যাফোডিল পরিবারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিটিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোয়াজ্জেম হোসেন রুবেল। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন শিল্পখাত ও প্রশিক্ষণ সমন্বয় বিষয়ক পরিচালক প্রকৌশলী মো. আলাউদ্দিন এবং ড্যাফোডিল পরিবারের বিটিইবি অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের নির্বাহী পরিচালক রথীন্দ্র নাথ দাস।
অনুষ্ঠানে ১৫০ জন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়। মেধা তালিকার শীর্ষে থাকা ২০ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে গোল্ড মেডেল, একজনকে চেয়ারম্যান অ্যাওয়ার্ড এবং দুজনকে সফল অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফরিদা ইয়াসমিন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা সমাপ্তির পর বাস্তব জীবনের প্রযুক্তিক্ষেত্রে এই শিক্ষার সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। অর্জিত জ্ঞান কাজে না লাগালে তা সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার অপচয় বলে গণ্য হবে। দেশকে ভালোবেসে কারিগরি দক্ষতার মাধ্যমে আধুনিক সমাজ বিনির্মাণে অবদান রাখতে হবে। কারিগরি ও প্রযুক্তিগত শিক্ষার শক্তিতে চীন কীভাবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সফল হয়েছে, সেই উদাহরণ তুলে ধরেন তিনি।
বিটিইবি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন বলেন, আগামীর বিশ্ব টিকে থাকবে দক্ষতার শক্তিতে। বর্তমানে দেশীয় শিল্পের পাশাপাশি জাপানসহ আন্তর্জাতিক তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রকৌশল বাজারে বিপুল পরিমাণ দক্ষ টেকনিক্যাল জনবলের ঘাটতি রয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যার ৬৫ শতাংশই কর্মক্ষম তরুণ জনগোষ্ঠী (ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড); আধুনিক কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এই মানবসম্পদকে কাজে লাগিয়ে বৈশ্বিক চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।
ড্যাফোডিল পরিবারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান জানান, প্রতিষ্ঠানটি প্রযুক্তি ও শিক্ষায় উদ্ভাবনকে অনুঘটক হিসেবে বিবেচনা করে সম্পূর্ণ একাডেমিক ব্যবস্থার ডিজিটাল রূপান্তর সম্পন্ন করেছে। জেন-জি (Gen-Z) প্রজন্মের প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের উপযোগী একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ আধুনিক লার্নিং ইকোসিস্টেম গড়ে তুলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের আর্থ-সামাজিক চাহিদা পূরণে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে যাচ্ছে।
//ডিবিটেক/এমএএইচকে/ এসএমই/এমআইএসটি//





