৫ দিনে অবৈধ সনাক্ত ২ লাখ ৮ হাজার ৪টি ফোন

৭ অক্টোবর, ২০২১ ১১:১৫  
ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেমের ৩ মাসের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শেষে গত ১ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছিলো এনইআই আর বাস্তবায়নের কাজ। এই কার্যক্রম চলার সময়ে গত ৫ দিনে নতুন করে নিবন্ধিত হয়েছে মোট ৫ লাখ ৮৭ হাজার ৭৫৭টি হ্যান্ডসেট। এর মধ্যে বৈধতা পেয়েছে ৩ লাখ ৭৯ হাজার ৭৫৭টি হ্যান্ডসেট। অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৪টি ফোন। শুরু থেকেই ফোনের বৈধতা না থাকলে বিক্রেতার কাছে ফেরত দিয়ে বৈধ ফোন সংগ্রহের পরামর্শ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। অবৈধ সনাক্ত ফোনের সংযোগ একের পর এক বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে জানিয়ে বিটিআরসির স্পেকট্রাম ব্যবস্থাপনা বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শহিদুল আলম জানিয়েছেন, অবৈধ মেসেজ যাওয়া ফোন যদি কোনও মোবাইল বিক্রেতা ফেরত না নেন, বদলে না দেন বা টাকা ফেরত না দেন তবে বিটিআরসির কল সেন্টারে (১০০ নম্বরে) ফোন দিয়ে জানাতে পারেন। বিটিআরসি এই বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেবে। এদিকে বৃহস্পতিবার বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে রাজধানীর বেশ কয়েকটি শপিং মলের দোকানে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা অনিবন্ধিত ফোন ফেরত নিতে চিঠি বিতরণ করেছে বিটিআরসি। ওই চিঠি হাতে পেয়ে দোকানীরা তা মানবে বলেও সম্মতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিটিআরসির উপ-পরিচালক জাকির হোসেন খান। বিটিআরসির তথ্য অনুসারে, কেউ নতুন মোবাইল ফোন দিয়ে সেলুলার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করলে, ফোনটি নিবন্ধিত কিনা তা জানিয়ে তাকে বার্তা পাঠানো হবে। সেই বার্তায় যদি মোবাইল ফোনটি অনিবন্ধিত বলে জানানো হয়, তবে তাদেরকে বিটিআরসি neir.btrc.gov.bd তে গিয়ে ফর্ম পূরণ করে নিবন্ধন করার পরামর্শ দিয়েছে। হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের জন্য অন্যান্য তথ্যের পাশাপাশি ফোনের বিক্রয় রসিদ ও ব্যবহারকারীর পাসপোর্ট নম্বর প্রয়োজন হবে বলে বিটিআরসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তারা আরও জানান, নতুন মোবাইল কেনা ব্যক্তিরা KYD (স্পেস) ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বর লিখে 16002 নম্বরে পাঠিয়ে দিলেই মোবাইলটি নিবন্ধিত কিনা তা জানতে পারবেন। আইএমইআই নম্বর বক্সে লেখা থাকে। এ ছাড়া, *#06# ডায়াল করেও আইএমইআই নম্বর জানা যায়। বিদেশ থেকে দেশে আসার সময় একজন ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য ৮টি হ্যান্ডসেট আনতে পারেন। এর মধ্যে ২টি ফোন শুল্ক ছাড়া আনার অনুমতি আছে। চলতি মাস থেকে যারা গ্রাহকদের কাছে অনিবন্ধিত হ্যান্ডসেট বিক্রি করবেন, তাদের অবশ্যই ক্রেতাকে টাকা ফেরত দিতে হবে। তা না হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।