প্রথমবারের মতো পিকেআই ড্রিল করলো সিসিএ

২৩ নভেম্বর, ২০২৩ ১৯:০৩  

প্রথমবারের মতো রাজধানীর আইসিটি টাওয়ারের বিসিসি সম্মেলনের কক্ষে প্রথম বারের মতো অনুষ্ঠিত হলো পিকেআই ড্রিল । ড্রিলে ব্যক্তিগত মৌলিক তথ্যপরিকাঠামো ব্যবহারের পরিবর্তে পাবলিক কী ইনফাস্ট্রাক্চার (পিকেআই) ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সাইবার দুনিয়ার প্রতিষ্ঠান এবং নিজের ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষায় নেয়া বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কেও আলোকপাত করা হয়।

কন্ট্রোলার অফ সার্টিফাইং অথরিটিজ (সিসিএ)-এর কার্যালয়ের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর ২০২৩) অনুষ্ঠিত ড্রিলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন দপ্তর সংস্থার প্রধানসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃ, সিসিএ কার্যালয়ের লাইসেন্সপ্রাপ্ত সার্টিফাইং কর্তৃপক্ষের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সরকার ঘোষিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো (Critical Information Infrastructure) দেখভালকারী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্রে আইসিটি সচিব মোঃ সামসুল আরেফিন বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে স্মার্ট বাংলাদেশের ভিত্তি স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট গভর্নমেন্ট, স্মার্ট ইকোনমি এবং স্মার্ট সোসাইটি বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, আইন ও প্রযুক্তিগত অবকাঠামো তৈরি এবং তা বাস্তবায়নের জন্য চলমান বিশ্ব ব্যবস্থার সাথে মিল রেখে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে। সরকার প্রতিশ্রুত স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নের পরিক্রমায় দেশে ই-কমার্সসহ বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমে পরিচালিত সেবাসমূহে ব্যক্তির পরিচিতি ও তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করায় সাইবার আক্রমণের ঝুঁকি প্রশমন ও সাইবার জালিয়াতি প্রতিরোধ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সিসিএ এর নিয়ন্ত্রক এ. টি. এম জিয়াউল ইসলাম সভাপতির বক্তব্যে জানান, ডিজিটাল স্বাক্ষর ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের জনগণের অনলাইন তথ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই পিকেআই ড্রিলের উদ্দেশ্য। পিকেআই ড্রিল আয়োজনকে বাংলাদেশে ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর/ডিজিটাল স্বাক্ষরের প্রসারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ড্রিল নিয়ে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ডিজিটাল/ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর ব্যবহার করে তথ্যের অবিকৃত আদান-প্রদান (Integrity), তথ্য প্রদানকারী ও গ্রহণকারীর পরিচিতি প্রতিপাদন (Authentication & Non-Repudiation), তথ্যের গোপনীয়তা (Confidentiality) নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাইবার জালিয়াতি ও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

তবে ড্রিলে মোট কতজন অংশ নিয়েছেন, তাদের মূল্যায়ণ কিংবা কী কী বিষয়ের ওপর ড্রিল হয়েছে তা জানা যায়নি।