বিকাশে গ্রামীণফোনের মাঠকর্মীদের ইন্সেন্টিভ

দেশব্যাপী ডিস্ট্রিবিউটর ফিল্ড ফোর্সের ইন্সেন্টিভ সরাসরি বিকাশ অ্যাকাউন্টে প্রদান করবে গ্রামীণফোন। এ লক্ষ্যে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বিকাশের ‘ডিসবার্সমেন্ট সলিউশন’-এর মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে অর্থ বিতরণ আরও দ্রুত, নিরাপদ, স্বচ্ছ ও কার্যকর হবে। সুবিধাভোগীরা তাৎক্ষণিকভাবে অর্থ গ্রহণ করে ক্যাশ আউটসহ বিকাশের বিভিন্ন আর্থিক সেবা ব্যবহার করতে পারবেন।

বিকাশে গ্রামীণফোনের মাঠকর্মীদের ইন্সেন্টিভ
৮ জুন, ২০২৬ ১৭:৪৩  

দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিকম অপারেটর গ্রামীণফোন দেশব্যাপী তাদের ডিস্ট্রিবিউটর ফিল্ড ফোর্সের ইন্সেন্টিভ সরাসরি বিকাশ অ্যাকাউন্টে প্রদান করবে। এর ফলে মাঠপর্যায়ে আর্থিক ব্যবস্থাপনা আরও সহজ, স্বচ্ছ ও নিরাপদ হবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠান দুটি।

৮ জুন, সোমবার পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সম্প্রতি রাজধানীর জিপি হাউসে গ্রামীণফোন ও বিকাশের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান, চিফ প্রোডাক্ট অফিসার সোলায়মান আলম, সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ শরীফ মাহমুদ খান এবং ডিস্ট্রিবিউশন বিভাগের প্রধান শেখ ইফতেখার আহমেদ। বিকাশের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন চিফ কমার্শিয়াল অফিসার আলী আহম্মেদ, বিজনেস সেলস বিভাগের প্রধান মাসরুর চৌধুরী এবং টেলিকম পেমেন্টস বিভাগের ইভিপি ও প্রধান শাফায়াতুল ইসলাম খান।

চুক্তির আওতায় গ্রামীণফোন তাদের দেশব্যাপী মাঠকর্মীদের ইন্সেন্টিভ বিতরণে বিকাশের ‘ডিসবার্সমেন্ট সলিউশন’ ব্যবহার করবে। এর মাধ্যমে ইন্সেন্টিভের অর্থ সরাসরি সুবিধাভোগীদের বিকাশ অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে। ফলে অর্থ বিতরণ প্রক্রিয়া দ্রুত, নিরাপদ ও কার্যকর হওয়ার পাশাপাশি পরিচালনগত জটিলতাও কমবে।

এ সেবার আওতায় সুবিধাভোগীরা দেশের যেকোনো প্রান্তে থাকা বিকাশ এজেন্ট পয়েন্ট বা এটিএম বুথ থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন। এছাড়া বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের পেমেন্ট, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানির বিল পরিশোধ, সেন্ড মানি, মোবাইল রিচার্জ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি সেবার ফি পরিশোধ, সঞ্চয়, ঋণ, রেমিট্যান্স গ্রহণ, ই-টিকেটিং এবং অনুদান প্রদানের মতো সেবাও গ্রহণ করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠান দুটির কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ মাঠপর্যায়ের আর্থিক লেনদেনকে আরও ডিজিটাল, দক্ষ ও সুবিধাজনক করে তুলবে।

//ডিবিটেক/ পিআর/ ইকে//