বিটিআরসি’র ওএসএস সেবায় সন্তুষ্টির হার ‘এক্সিলেন্ট’

বিটিআরসি’র ওএসএস সেবায় সন্তুষ্টির হার ‘এক্সিলেন্ট’
৪ জুন, ২০২৬ ১০:১৩  
৪ জুন, ২০২৬ ১৪:২১  

 লাইসেন্স, স্পেকট্রাম, প্রকৌশল, আর্থিক কিংবা এনফোর্সমেন্ট—টেলিযোগাযোগ খাতসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সেবা এখন এক ছাতার নিচে দিচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি)। আগারগাঁওয়ে কমিশনের নিজস্ব ভবনের নিচতলায় স্থাপিত সাতটি ওয়ান স্টপ সার্ভিস (ওএসএস) বুথ থেকে প্রতিদিন সেবা নিচ্ছেন বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার। চালুর ১০ মাসে প্রতিটির পারফরম্যান্স মূল্যায়নই ‘এক্সিলেন্ট’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। প্রশাসন ও এনফোর্সমেন্ট অ্যান্ড ইন্সপেকশন বিভাগের গড় রেটিং ৫-এর মধ্যে পূর্ণ ৫.০০, আর অন্যান্য বিভাগের রেটিং ৪.৭১ থেকে ৪.৮৬-এর মধ্যে রয়েছে।

বিটিআরসির তথ্যমতে, ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালুর মূল লক্ষ্য হলো সেবা গ্রহণ প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত করা, তথ্য ও সেবা সহজলভ্য করা, বিভিন্ন বিভাগে আলাদা যোগাযোগের ঝামেলা কমানো এবং সেবা প্রদানের দক্ষতা বৃদ্ধি করা। একই সঙ্গে গ্রাহকদের মতামত (ফিডব্যাক) গ্রহণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগও রাখা হয়েছে।

ওএসএসের পরিসংখ্যান বলছে, সেবা চালুর প্রথম দশ মাসে সেবাগ্রহীতাদের সন্তুষ্টির হার বেশ উচ্চ। স্পেকট্রাম ম্যানেজমেন্ট বিভাগে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৮২৬ জন দর্শনার্থী সেবা নিয়েছেন। প্রকৌশল ও অপারেশন বিভাগে সেবা নিয়েছেন ১ হাজার ৬৪৪ জন এবং ফাইন্যান্স অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিং অধিদপ্তরে ১ হাজার ৩৭৪ জন।

ফিডব্যাক সংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে অর্থ, হিসাব ও রাজস্ব বিভাগ, যেখানে ২৬০টি মতামত জমা পড়েছে। স্পেকট্রাম ম্যানেজমেন্ট বিভাগে ১৬৭টি এবং সিস্টেমস অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগে ১৩০টি ফিডব্যাক পাওয়া গেছে।

এদিকে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত মেলায় সরকারি সেবাদাতাদের মধ্যে বিটিআরসির এই উদ্যোগটি বিশেষভাবে দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। সেখানে সেবা নিতে আসা বেশ কয়েকজন গ্রাহক ও উদ্যোক্তারা জানান, মোবাইল অ্যাপভিত্তিক অনলাইন-অফলাইন সমন্বিত ব্যবস্থা এবং আবেদন ট্র্যাকিং সুবিধা যুক্ত করা হলে ওএসএস আরও কার্যকর ও ব্যবহারবান্ধব হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডিজিটাল সেবার যুগে নিয়ন্ত্রক সংস্থার এই ধরনের সমন্বিত সেবা ব্যবস্থা লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তাদের সময় ও ব্যয় কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে সেবাকে আরও আধুনিক ও স্বচ্ছ করতে মোবাইল অ্যাপ, রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং এবং স্বয়ংক্রিয় নোটিফিকেশন ব্যবস্থা যুক্ত করার দাবি জোরালো হচ্ছে।

/ডিবিটেক/আইএইচ/এমইউআইএম/