মানসম্মত ফিজিওথেরাপিস্ট তৈরির আহ্বান সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর

চিকিৎসায় বিশ্বমানের প্রযুক্তি ব্যবহারের তাগিদ

  • আন্তর্জাতিক মানের বিশ্বমানের ফিজিওথেরাপিস্ট গড়ার আহ্বান মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেনের
  • সার্বিক চিকিৎসাসেবায় সমন্বিত ভূমিকা ও আধুনিক প্রযুক্তি অভিযোজনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ
  • সকল হাসপাতালে ফিজিওথেরাপি বিভাগ চালু ও দ্রুত নিয়োগ নিশ্চিতের দাবি উত্থাপন

চিকিৎসায় বিশ্বমানের প্রযুক্তি ব্যবহারের তাগিদ
৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৫৫  

দেশের সাধারণ মানুষকে উন্নত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ফিজিওথেরাপিস্ট গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। ৮ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে ফিজিওথেরাপিস্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (প্যাব) আয়োজিত ‘বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বিক চিকিৎসা ব্যবস্থাকে বিশ্বমানে উন্নীত করতে হলে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে তা দক্ষতার সঙ্গে রপ্ত করতে হবে। স্বাস্থ্যসেবা কেবল চিকিৎসককেন্দ্রিক নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, “নার্স, ফিজিওথেরাপিস্ট, ফার্মাসিস্ট, টেকনোলজিস্ট ও রোগীর পরিবারের সমন্বিত প্রচেষ্টাই চিকিৎসার মূল ভিত্তি। প্রতিটি বিভাগ একে অপরের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ না করলে রোগীদের প্রকৃত ও কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রদান করা সম্ভব নয়।”

এ সময় তিনি সমন্বিত প্রশাসনিক উদ্যোগ ও গণমাধ্যমের সচেতনতামূলক ভূমিকার তাগিদ দেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বৈশ্বিক স্বাস্থ্যঝুঁকির তথ্য তুলে ধরে জানান, বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ, যার মাধ্যমে প্রতি বছর প্রায় ২ কোটি ৫ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এসব মৃত্যুর ৮৫ শতাংশই হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকে এবং ৭৫ শতাংশ নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে হয়। সঠিক সচেতনতা ও সমন্বিত চিকিৎসা পেলে প্রায় সব ধরণের স্ট্রোক প্রতিরোধ করা সম্ভব বলে তারা মত প্রকাশ করেন।

প্যাব-এর সভাপতি কামরুজ্জামান কল্লোলের সভাপতিত্বে সভায় পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দেশের প্রতিটি সরকারি হাসপাতালে দ্রুত ফিজিওথেরাপি বিভাগ চালু ও পদে কর্মী নিয়োগের দাবি জানানো হয়। অনুষ্ঠানে বিএনপির পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক সহ-সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল কবির লাবু, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. নুরুজ্জামান খান এবং সোসাইটি অব নিউরোলজিস্ট বাংলাদেশের সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. নাজমুল হুদা বিপ্লব বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
//ডিবিটেক/আরএইচপিও/এসএমই/এফওই//