অনলাইন সংবাদ পোর্টালের জন্য আসছে নতুন নীতিমালা

অনলাইন সংবাদ পোর্টালের জন্য আসছে নতুন নীতিমালা
৭ জুন, ২০২৬ ১৭:৫২  

অনলাইন সংবাদ পোর্টালের নিবন্ধন ও পরিচালনা কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল, জবাবদিহিমূলক ও আধুনিক করতে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। জাতীয় সংসদে এ তথ্য জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। এছাড়াও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের পক্ষে সরকারি দলের সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে ঢাকা থেকে ৫৮৫টি দৈনিক পত্রিকা, ৩৬৩টি সাপ্তাহিক পত্রিকা এবং ২৯৬টি মাসিক পত্রিকা প্রকাশিত হয়। এর মধ্যে মিডিয়া তালিকাভুক্ত দৈনিক ২৮৮টি, সাপ্তাহিক ৫৬টি ও মাসিক ২৩টি পত্রিকা সর্বাধিক প্রকাশিত হয়।

৭ জুন, রবিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় তথা প্রথম বাজেট অধিবেশনে জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমের দ্রুত সম্প্রসারণের প্রেক্ষাপটে অনলাইন সংবাদ পোর্টালের নিবন্ধন ও পরিচালনা ব্যবস্থা আরও কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ করছে।

তিনি জানান, বর্তমান গণমাধ্যম বাস্তবতায় অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য একটি সুস্পষ্ট নীতিগত কাঠামো প্রয়োজন, যাতে সংবাদ প্রকাশ, পরিচালনা, জবাবদিহি এবং পেশাগত মানদণ্ড আরও শক্তিশালী করা যায়। 

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দুর্বল প্রকাশনা রেকর্ড থাকা জেলা ভিত্তিক সংবাদপত্রগুলোকে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদফতরের (ডিএফপি) তালিকায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়টিও সরকার পর্যালোচনা করছে। সংশ্লিষ্ট সংবাদপত্রগুলো যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তালিকাভুক্ত হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, “আমরা পরীক্ষা করে দেখছি, ওই সংবাদপত্রগুলো যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে তালিকাভুক্ত হয়েছিল কি না। কোনো ধরনের অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে একই অধিবেশনে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান সংবাদমাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কথিত ভুল, বিভ্রান্তিকর ও যাচাইবিহীন তথ্য ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন নীতিমালায় ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমের নিবন্ধন, তথ্য যাচাই, প্রকাশনার মান, স্বচ্ছতা এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মের জবাবদিহি নিশ্চিত করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে। একই সঙ্গে ভুয়া খবর, মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিং ও নীতিগত কাঠামো আরও শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি হবে।

//ডিবিটেক/বিটি/ এমআই//