বাংলাদেশকে অনুরোধের ৪৫ শতাংশ তথ্য দিয়েছে ফেসবুক
অনুরোধের ৪৫ শতাংশ তথ্য বাংলাদেশ সরকারকে দিয়েছে ফেসবুক। গত বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ১৭৯টি অনুরোধের মাধ্যমে মোট ২৯৮টি আইডি সম্পর্কে তথ্য চেয়েছিলো বাংলাদেশ সরকার। এরমধ্যে ৯৫ শতাংশই ছিলো জরুরী অনুরোধ। আর ৮৪ শতাংশ অনুরোধ করা হয়েছিলো আইনি প্রক্রিয়ায়।
এসব আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৪১ শতাংশ আইনি প্রক্রিয়ার আবেদনে সরকারকে তথ্য দেয় ফেসবুক। একইসঙ্গে ৫০ শতাংশ জরুরি আবেদনেরও তথ্য দেওয়া হয়। সবমিলে গড়ে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় ৪৫ শতাংশ ক্ষেত্রে সরকারকে তথ্য দেয় ফেসবুক।
ফেসবুকের সর্বশেষ কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড এনফর্সমেন্ট প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ জায়ান্টটি।
প্রতিবেদনের তুলনামূলক চিত্রে দেখা গেছে, ২০১৩ সালের ফেসবুকের কাছে প্রথম তথ্য চেয়ে একটি আবেদন করে বাংলাদেশ সরকার। তবে ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত বাংলাদেশকে কোনো রকম তথ্য দেয়নি ফেসবুক। সে বছরের জুলাই থেকে বাংলাদেশকে তথ্য দেওয়া শুরু করে। ওইসময়ে মোট আবেদনের প্রায় ১৬ শতাংশ তথ্য বাংলাদেশকে দেয় ফেসবুক।
একইসঙ্গে ২০১৯ সালের শেষ ভাগে ১৬টি আবেদনের মাধ্যমে ১৬টি আইডি সম্পর্কিত তথ্যাদি ‘সংরক্ষণ’ করে রাখার জন্য ফেসবুকের কাছে আবেদন করে বাংলাদেশ।
অন্যদিকে, ২০১৯ সালের শেষ ছয় মাসে ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামে পোস্ট হওয়া বিভিন্ন কনটেন্টের মধ্যে আত্মঘাত অথবা আত্মহত্যামূলক হতে পারে এমন ৪০ শতাংশ কনটেন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে ফেসবুক। অবশ্য কোনো ব্যবহারকারী অভিযোগ করার আগেই ৮৯ শতাংশ অনাকাঙ্ক্ষিত কনটেন্ট ফেসবুক চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকারের পক্ষ থেকে তথ্য চেয়ে আবেদন করার তুলনামূলক চিত্রে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।