বিজ্ঞান ও প্রকৌশল শিক্ষায় দুই দেশের শিক্ষার্থীদের পারমাণবিক ও প্রযুক্তিগত মেলবন্ধন
পিইউএসটিতে বাংলাদেশ-রাশিয়া যৌথ পারমাণবিক ও প্রযুক্তি আড্ডা
- পিইউএসটিতে বাংলাদেশি ও ২০ জন রুশ শিক্ষার্থীর প্রযুক্তি ও সাংস্কৃতিক চা আড্ডা অনুষ্ঠিত
- পারমাণবিক শক্তি, বিজ্ঞান ও শিক্ষা সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে ফলপ্রসূ মতবিনিময়
- যৌথ ভাষা শেখা, ক্যাম্পাস পরিদর্শন ও আন্তর্জাতিক সম্প্রীতি জোরদারে বিশেষ জোর
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পিইউএসটি) কনভেনশন সেন্টারে 'ব্রিজিং বর্ডার্স: বাংলাদেশ ও রাশিয়ার পারমাণবিক শক্তির চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা' শীর্ষক এক সাংস্কৃতিক চা আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়। পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং পারমাণবিক তথ্যকেন্দ্র, ঈশ্বরদী যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে রাশিয়া থেকে আসা ২০ জন শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মো. আশিক হায়দার ও মো. আহসান হাবিব।
৬ আগস্ট, রবিবার সকালে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে সঞ্চালকরা অতিথিদের পরিচয় করিয়ে দেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মো. শামীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান এবং জেএসসি অ্যাটমস্ট্রয়এক্সপোর্টের বাংলাদেশ শাখার মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের আনাস্তাসিয়া বাজেনোভা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন এবং সহ-সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. শামীম রেজা।
অতিথিরা তাদের স্বাগত বক্তব্যে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী বিনিময়, সাংস্কৃতিক যোগাযোগ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। এরপর একটি প্রাণবন্ত ভাষা বিনিময় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বাংলাদেশি ও রুশ শিক্ষার্থীরা একে অপরের ভাষার শব্দ ও বাক্য শেখার মাধ্যমে সংস্কৃতির আদান-প্রদান করেন। পরবর্তীতে দুই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়ন, বিশেষ করে পারমাণবিক শক্তি খাতের সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল চা চক্রের আড্ডা, যেখানে শিক্ষার্থীরা দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা ও ধারণা বিনিময় করেন। পরে রুশ শিক্ষার্থীরা পিইউএসটির ক্যাম্পাস ঘুরে দেখেন এবং শিক্ষা পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা নেন। দলীয় আলোকচিত্র গ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে। আয়োজকদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ পারমাণবিক শক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে নতুন দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার পথ খুলে দেবে।
//ডিবিটেক/আরকেঈসি/এসএমই/এমআইএস//





