ইউজিসি চেয়ারম্যানের আহ্বান
সামাজিক সংকট নিরসনে মানবিক ও প্রযুক্তি গবেষণার সমন্বয় চায় ইউজিসি
- অসহিষ্ণুতা ও সহিংসতা মোকাবিলায় বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও মানবিক গবেষণার জোর তাগিদ
- গবেষণার মূল লক্ষ্য ব্যক্তিগত প্রচার নয়, সমাজের সুনির্দিষ্ট সমস্যার সমাধান
- মানসম্পন্ন গবেষণা প্রকল্পে বিশ্ববিদ্যালয় নির্বিশেষে সরাসরি অর্থায়নের ঘোষণা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির পাশাপাশি মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণাকে কাজে লাগিয়ে দেশে উগ্রবাদ, অসহিষ্ণুতা, সহিংসতা ও সামাজিক বিভাজনের মতো জটিল সংকট মোকাবিলার আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘সহিংস উগ্রবাদ মোকাবিলায় মানবকেন্দ্রিক ও প্রমাণভিত্তিক নীতি’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ইউজিসি চেয়ারম্যান ড. মামুন আহমেদ বলেন, গবেষণার লক্ষ্য কেবল সাইটেশন বাড়ানো বা ব্যক্তিগত প্রোফাইল সমৃদ্ধ করা নয়; বরং প্রযুক্তিগত জ্ঞানের সমন্বয়ে মানুষের জীবন ও সমাজের বাস্তব চ্যালেঞ্জ মেটাতে পারলেই গবেষণার সার্থকতা মিলবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন না রেখে বিজ্ঞান, মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞানের গবেষকদের একযোগে কাজ করার তাগিদ দেন তিনি।
ক্যাম্পাস ও শ্রেণিকক্ষে বিভিন্ন বিশ্বাস ও সামাজিক পটভূমির শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংলাপের পরিবেশ তৈরির ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, এমন চর্চা শিক্ষার্থীদের মানবিক, বিজ্ঞানমনস্ক ও যুক্তিবাদী হিসেবে গড়ে তুলবে। তরুণ গবেষকদের উদ্দেশ্যে তিনি আশ্বাস দেন যে, প্রকল্পের মান ও সক্ষমতা থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আকার নির্বিশেষে ইউজিসি অর্থায়নে প্রস্তুত।
ইউজিসির বাস্তবায়নাধীন হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের একটি উপপ্রকল্পের আওতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি পলিসি ল্যাব এবং বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগ যৌথভাবে এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করে।
উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আবু সায়েম এবং মূল বক্তা ছিলেন যুক্তরাজ্যের লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. গর্ডন ক্লাব। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের ডিআইজি মোহাম্মদ মুসলিম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামান, অধ্যাপক ড. কাজী নুরুল ইসলাম এবং বিইউপি-র উপ-উপাচার্য মেজর জেনারেল (অব.) ড. নাঈম আশফাক চৌধুরী। বক্তব্য দেন প্রকল্পের গবেষণা পরিচালক ড. মো. দিদারুল ইসলাম।
//ডিবিটেক/এমজেআরপি/এসএমই/এমআইএসটি//





