<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
     xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
     xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
     xmlns:admin="http://webns.net/mvcb/"
     xmlns:rdf="http://www.w3.org/1999/02/22-rdf-syntax-ns#"
     xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
     xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/">
<channel>
<title>Digi Bangla &#45; : হেলথটেক</title>
<link>https://digibanglatech.news/rss/category/হেলথটেক</link>
<description>Digi Bangla &#45; : হেলথটেক</description>
<dc:language>en</dc:language>
<dc:rights>নিবন্ধন নং &#45; ২৩৩ &amp;lt;br /&amp;gt;প্রকাশক: সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক &amp;lt;/br&amp;gt;  নির্বাহী সম্পাদক: এস এম ইমদাদুল হক &amp;lt;/br&amp;gt; সম্পাদকীয় কার্যালয়: সড়ক ২৯, বাড়ি ২/ই (গুলশান লেক প্যালেস), সি&#45;২, গুলশান&#45;১, ঢাকা&#45;১২১২, বাংলাদেশ।  &amp;lt;/br&amp;gt;ফোন: ০৯৬৩৯&#45;৩৩৩৫৫৫, ইমেইল: press@digibanglatech.news   &amp;lt;/br&amp;gt; © স্বত্ব ডিজিটাল বাংলা মিডিয়া লিমিটেড ২০১৯&#45;২০২৬</dc:rights>

<item>
<title>ইউএপিতে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস উদযাপিত: গুণীজনদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান</title>
<link>https://digibanglatech.news/191064</link>
<guid>https://digibanglatech.news/191064</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,0,0&quot;&gt;“Empowering Pharmacists for Healthier Futures” প্রতিপাদ্যে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে (ইউএপি) বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস ২০২৬ উদযাপিত।&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,1,0&quot;&gt;স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ডিজিডিএ মহাপরিচালক, ইউজিসি ও বিএসি সদস্য এবং ঢাবির দুই এমেরিটাস অধ্যাপকসহ শীর্ষ ফার্মাসিস্টদের সম্মাননা প্রদান।&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,2,0&quot;&gt;প্রধান অতিথির বক্তব্যে দক্ষ ও নৈতিকতাসম্পন্ন ফার্মাসিস্ট তৈরির মাধ্যমে স্বাস্থ্যখাতকে আধু ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6ab7f6e9f12b5.jpg" length="112567" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 26 Sep 2026 19:47:32 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস ২০২৬, ইউএপি স্কুল অব ফার্মেসি, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া, ডিজিডিএ মহাপরিচালক, এমেরিটাস অধ্যাপক চৌধুরী মাহমুদ হাসান, এমেরিটাস অধ্যাপক আবদুর রশীদ, ফার্মেসি শিক্ষা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7"><b data-path-to-node="7" data-index-in-node="15">ঢাকা:</b> জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা ও জনস্বাস্থ্যে ফার্মাসিস্টদের অপরিহার্য অবদানকে স্বীকৃতি প্রদান এবং পেশাগত উৎকর্ষকে সম্মান জানানোর মধ্য দিয়ে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক (ইউএপি)-এর স্কুল অব ফার্মেসির উদ্যোগে উদযাপিত হয়েছে ‘বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস ২০২৬’। ২৬ সেপ্টেম্বর, শনিবার ইউএপি অডিটোরিয়ামে “Empowering Pharmacists for Healthier Futures” (সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য ফার্মাসিস্টদের ক্ষমতায়ন) প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বর্ণাঢ্য আয়োজনে দিবসটি পালিত হয়।</p>
<p data-path-to-node="7">শিক্ষা ও গবেষণা ক্ষেত্রে অবদানের জন্য সম্মাননা দেওয়া হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের এমেরিটাস অধ্যাপক ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান, এমেরিটাস অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রশীদ, ইউএপির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. সোহেল রানা এবং ঢাবির ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সেলিম রেজাকে।</p>
<p data-path-to-node="7">নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে সম্মাননা গ্রহণ করেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (ডিজিডিএ) মহাপরিচালক মোহা. আলমগীর হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আসলাম হোসেন, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের (বিএসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মো. শাহ আমরান এবং বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের (পিসিবি) সচিব মুহাম্মদ মাহবুবুল হক।</p>
<p data-path-to-node="8">অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সেলিম রেজা এবং ইউএপির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান কে. এম. মোজিবুল হক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউএপির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6ab7f6eb15808.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="12">সকালে বর্ণাঢ্য র‍্যালির মাধ্যমে দিবসের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। ইউএপি ফার্মেসি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. জেবুন নাহারের স্বাগত বক্তব্য এবং স্কুল অব ফার্মেসির ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহরিয়ারের প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিবেদন উপস্থাপনের পর অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ গুণীজন সংবর্ধনা। দেশের স্বাস্থ্য ও ফার্মেসি শিক্ষার বিকাশ, গবেষণা, নেতৃত্ব এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থায় অসামান্য অবদানের জন্য নীতিনির্ধারক ও শিক্ষাবিদদের এই সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="12">প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, "চিকিৎসা ব্যবস্থার গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং ওষুধের যৌক্তিক ব্যবহারে ফার্মাসিস্টদের পেশাগত দায়িত্ব অপরিসীম। দেশের সাধারণ মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবাকে কার্যকর, নিরাপদ ও জনবান্ধব করতে হলে ক্লিনিক্যাল ও হসপিটাল ফার্মাসিস্টদের ভূমিকাকে জাতীয় নীতিমালায় আরও সম্প্রসারিত করতে হবে।"</p>
<p data-path-to-node="13">সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া বলেন, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার ক্রমবর্ধমান জটিল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জ্ঞাননির্ভর, দক্ষ ও সর্বোচ্চ নৈতিকতাসম্পন্ন ফার্মাসিস্ট গড়ে তোলার বিকল্প নেই। তিনি ফার্মাসিউটিক্যাল গবেষণা ও আন্তর্জাতিক মানের গ্র্যাজুয়েট তৈরিতে ইউএপির নিরবচ্ছিন্ন অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, শিক্ষক ও বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p data-path-to-node="14">/<strong>/ডিবিটেক/ ইউএইচএইচপি/এসএমই/এমআইএসটি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হামের জটিলতায় দেশীয় উদ্ভাবনী অক্সিজেন প্রযুক্তি: বাঁচল হাজারো শিশুর প্রাণ</title>
<link>https://digibanglatech.news/191003</link>
<guid>https://digibanglatech.news/191003</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,0,0&quot;&gt;হাম-পরবর্তী নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের ফুসফুসের চিকিৎসায় আইসিডিডিআর,বি-র ১৫০ টাকার বোতলভিত্তিক দেশীয় অক্সিজেন পদ্ধতির ভূয়সী প্রশংসা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,1,0&quot;&gt;বনানীর কড়াইল মাঠে দ্বিতীয় ধাপের ক্যাম্পেইন উদ্বোধন; বাদ পড়া ৩৪ লাখ শিশুকে আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,2,0&quot;&gt;পূর্ববর্তী দীর্ঘসূত্রতায় হামে এক হাজার শিশুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ; সংকট সামাল দিতে জরুরি প্রয়োজনে সংরক্ষিত থাকছে ১০ লা ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6ab75949114e6.jpg" length="483425" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 26 Sep 2026 10:44:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>চিকিৎসা প্রযুক্তি, দেশীয় অক্সিজেন উদ্ভাবন, আইসিডিডিআরবি, হামের টিকা ক্যাম্পেইন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, শিশু নিউমোনিয়া চিকিৎসা, কড়াইল খেলার মাঠ, স্বাস্থ্যসেবা প্রযুক্তি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7">হাম-পরবর্তী নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের জীবন রক্ষায় সাশ্রয়ী দেশীয় উদ্ভাবন এবং যুগান্তকারী চিকিৎসা প্রযুক্তির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। ২৬ সেপ্টেম্বর, শনিবার রাজধানীর বনানীর কড়াইল টিএনটি খেলার মাঠে দেশব্যাপী দ্বিতীয় ধাপে হামের টিকাদান ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা তুলে ধরেন।</p>
<p data-path-to-node="8">স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, চরম অপুষ্টির শিকার শিশুরা হামে আক্রান্ত হওয়ার পর নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে তাদের ফুসফুস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জটিল এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি)-র চিকিৎসকদের উদ্ভাবিত মাত্র ১৫০ টাকা খরচে পানির বোতলে কৃত্রিম বাবল-সিপ্যাপ (Bubble CPAP) প্রযুক্তির অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা হাজার হাজার শিশুর জীবন রক্ষায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। চিকিৎসা প্রযুক্তির এই দেশীয় সফল প্রয়োগকে অত্যন্ত কার্যকর মডেল হিসেবে উল্লেখ করে তিনি সংশ্লিষ্ট গবেষক ও চিকিৎসকদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।</p>
<p data-path-to-node="8"> পাশাপাশি কোভিড মহামারিসহ যেকোনো জাতীয় স্বাস্থ্যঝুঁকিতে দেশের চিকিৎসকদের আত্মত্যাগ উন্নত বিশ্বের তুলনায় মৃত্যুর হার বহুলাংশে কমাতে সক্ষম হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।</p>
<p data-path-to-node="9">অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, ২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দীর্ঘ চার বছরের বেশি সময় ধরে টিকাদান কর্মসূচিতে গাফিলতি এবং ওপেন টেন্ডারের নামে ভ্যাকসিন আমদানিতে বিলম্বের কারণে দেশে প্রায় এক কোটি ৮৫ লাখ শিশুর মধ্যে আনুমানিক এক হাজার শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছে। এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত প্রাণহানিকে রাষ্ট্রীয় লজ্জা ও গভীর বেদনাদায়ক হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।</p>
<p data-path-to-node="10">মন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর চলতি বছরের ৫ এপ্রিল থেকে তিন ধাপে কার্যকর টিকাদান কার্যক্রম শুরু করে। ২০ এপ্রিল থেকে পরিচালিত বৃহৎ অভিযানে ইতিমধ্যে এক কোটি ৮৫ লাখ শিশুকে সফলভাবে টিকার আওতায় আনা হয়েছে। এই ধারাবাহিকতায় প্রথম দফায় বাদ পড়া আরও ৩৪ লাখ শিশুকে সুরক্ষিত করতে দ্বিতীয় ধাপের এই বিশেষ ক্যাম্পেইন শুরু হলো। ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লক্ষ্য করে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এই টিকাদান কার্যক্রম চলবে। এছাড়া যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি ও নিয়মিত টিকাদানের ধারাবাহিকতা রক্ষার স্বার্থে সরকারের কাছে অতিরিক্ত ১০ লাখ ডোজ টিকা সংরক্ষিত রয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="11">/<strong>/ডিবিটেক/জেএনআর/ এসএমপি/বিটুপি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে &amp;apos;বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস ২০২৬&amp;apos; উদযাপিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/190868</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190868</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,0,0&quot;&gt;মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে ফার্মেসি স্কুলের দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজন&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,1,0&quot;&gt;সেমিনারে ন্যানোরোবোটিক্স ও বায়োইকুইভ্যালেন্স নিশ্চিতে কারিকুলাম ট্রানজিশনের তাগিদ&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,2,0&quot;&gt;জেনোটাইপিং, বিটিইবি/ডিপ্লোমা-লেভেল রিসার্চ কোয়ালিটি এবং আন্তর্জাতিক ড্রাগ পলিসি চালুর আহ্বান&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6ab52f713bc07.jpg" length="97513" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 24 Sep 2026 17:08:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, ফার্মেসি স্কুল, বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস ২০২৬, ফার্মা অলিম্পিয়াড, ফার্মেসি কাউন্সিল, ডিজিডিএ, ইউজিসি, এসিআই হেলথকেয়ার, রেনাটা পিএলসি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="8"><b data-path-to-node="8" data-index-in-node="0">ঢাকা, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর):</b> আধুনিক ন্যানোরোবোটিক্স প্রয়োগ, প্রেসিশন মেডিসিন, বায়োইকুইভ্যালেন্স টেস্টিং স্ট্যান্ডার্ড এবং বায়ো-ফার্মাসিউটিক্যাল ইনোভেশনের ওপর গুরুত্বারোপ করে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ফার্মেসি আজ বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে 'বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস ২০২৬' উদযাপন করেছে। এ উপলক্ষে ফার্মা অলিম্পিয়াড, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, ভিডিও ও পোস্টার প্রদর্শনী এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="9">আন্তর্জাতিক ফার্মাসিউটিক্যাল ফেডারেশন (এফআইপি) নির্ধারিত "স্বাস্থ্যকর ভবিষ্যতের জন্য ফার্মাসিস্টদের ক্ষমতায়ন" (Empowering pharmacists for healthier futures) প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে প্রতি বছরের মতো এবারও ২৫ সেপ্টেম্বর বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে। এর একদিন আগেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উদযাপনের সূচনা করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="10">এ উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আসলাম হোসেন বলেন, ফার্মাসিস্টদের আরও বেশি রোগী-কেন্দ্রিক সেবা ও টেক্সটাইল/বায়ো-মেডিকেল ইন্টিগ্রেশনের দিকে মনোযোগী হতে হবে।</p>
<p data-path-to-node="11">অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শারমিন্দ নিল উৎপল। তিনি বলেন, পেশার ক্ষমতায়নের জন্য কারিকুলামের আধুনিকায়ন, নতুন ক্যারিয়ার পথ উন্মোচন এবং গবেষণা সক্ষমতাকে প্রকৃত কর্মদক্ষতায় রূপান্তর করতে একাডেমিিয়া, শিল্প খাত ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জরুরি। তিনি বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলকে নিবন্ধকরণ, গ্রেডিং ও কারিকুলামের একটি বিশ্বমানের নীতিমালা তৈরি করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরকে (ডিজিডিএ) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী ড্রাগ লাইসেন্সিং ও মার্কেট সারভেইল্যান্স নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।</p>
<p data-path-to-node="12">ডিজিডিএ মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. আলমগীর হোসেন বলেন, স্থানীয় বাজারে সরবরাহ করা ওষুধেও রপ্তানি পণ্যের মতো বায়োইকুইভ্যালেন্স বজায় রাখা উচিত, যাতে রোগীরা নিশ্চিন্তে ব্র্যান্ড ও জেনেরিক ওষুধের মধ্যে বিকল্প বেছে নিতে পারেন।</p>
<p data-path-to-node="13">অনুষ্ঠানে এসিআই হেলথকেয়ার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এম মহিবুজ্জামান বলেন, প্রতিযোগিতামূলক দেশের 'ইকোনমিক্স অব স্কেল'-এর সুবিধার কারণে বাংলাদেশে এক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট (এপিআই) উৎপাদন অবকাঠামো গড়ে তোলা চ্যালেঞ্জিং। রেনাটা পিএলসির স্ট্র্যাটেজিক প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট প্রধান কুদসীকায়সার শাহবাজ শেখ বলেন, সরকার কর্তৃক এপিআই উৎপাদনে প্রণোদনা দেওয়া প্রয়োজন এবং শিক্ষার্থীদের সফট স্কিল উন্নয়নের পাশাপাশি বৈশ্বিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে গবেষণার ব্যবধান কমাতে হবে।</p>
<p data-path-to-node="14">অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর আরশাদ এম চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম পুনর্গঠনের ওপর জোর দেন এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কোষীয় স্তরে ওষুধ প্রয়োগে ন্যানোরোবোটের আধুনিক ব্যবহারের বিষয়টি তুলে ধরেন।</p>
<p data-path-to-node="15" style="text-align: center;">/<strong>/<span style="color: rgb(52, 73, 94);">ডিবিটেক</span>/<span style="color: rgb(52, 73, 94);">এফএফপি</span>/<span style="color: rgb(52, 73, 94);">এসএমই</span>/<span style="color: rgb(52, 73, 94);">সিপিএম</span>/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এআই&#45;ভিত্তিক হেলথ কেয়ার চালুর মহাপরিকল্পনা</title>
<link>https://digibanglatech.news/190776</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190776</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,0,0&quot;&gt;নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও গেটস ফাউন্ডেশন সিইও মার্ক সুজম্যানের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,1,0&quot;&gt;জনস্বাস্থ্য, শিশুস্বাস্থ্য, টিকাদান কর্মসূচি এবং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে আলোচনা&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,2,0&quot;&gt;১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, থানা-জেলা পর্যায়ে সেবা সম্প্রসারণ ও এআই-ভিত্তিক হেলথ কেয়ার চালুর রূপরেখা&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6ab410ab9d6d0.jpg" length="86238" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 23 Sep 2026 19:18:29 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>তারেক রহমান, গেটস ফাউন্ডেশন, মার্ক সুজম্যান, নিউইয়র্ক, জনস্বাস্থ্য, ডিজিটাল হেলথ কেয়ার, এআই স্বাস্থ্যসেবা, ভ্যাকসিন, বাংলাদেশ সরকার</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="8">এআই-চালিত মেডিকেল ট্রায়াজ, বায়োমেট্রিক পেশেন্ট ট্র্যাকিং এবং বিশ্বমানের প্রিভেন্টিভ হেলথ কেয়ার আর্কিটেকচার গড়ে তোলার অংশ হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মার্ক সুজম্যান। নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর আবাসস্থল হোটেলে এ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p data-path-to-node="9">বৈঠকে বাংলাদেশের সামগ্রিক জনস্বাস্থ্য, শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষা, সাশ্রয়ী মূল্যে ভ্যাকসিন সংগ্রহ, জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির পরিধি বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="10">এ সময় দেশের থানা ও জেলা পর্যায়ে অত্যাধুনিক প্রান্তিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ ও তাঁদের বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ প্রদান, প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীদের আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং দেশজুড়ে এআই-সমন্বিত ডিজিটাল পাবলিক হেলথ কেয়ার সিস্টেম (DPHCS) গড়ে তোলার মহাপরিকল্পনা নিয়ে দুই নেতার মধ্যে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়।</p>
<p data-path-to-node="11">/<strong>/ডিবিটেক/এমএইচএইচ/এসএমই/এমআইএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নোবিপ্রবিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কর্মশালা</title>
<link>https://digibanglatech.news/190568</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190568</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;জমে থাকা পানি অপসারণে গুরুত্ব&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;এডিসের প্রজননস্থল ধ্বংসের আহ্বান&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;নিয়মিত হল পরিবেশ পর্যবেক্ষণের পরামর্শ&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6ab146a98e5a2.jpg" length="122870" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 21 Sep 2026 16:03:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>নোবিপ্রবি, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, এডিস মশা, স্বাস্থ্য সচেতনতা, আবাসিক হল, পরিবেশ পর্যবেক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা, হেলথটেক, জনস্বাস্থ্য</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>এডিস মশার প্রজননস্থল শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং আবাসিক হলের পরিবেশ নিয়মিত পর্যবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ডেঙ্গু প্রতিরোধবিষয়ক সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p>
<p>২১ সেপ্টেম্বর, সোমবার দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জুলাই শহীদ স্মৃতি ছাত্রী হলের ডাইনিং রুমে হল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. গোলাম রব্বানী। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. হাসান উদ্দীন এবং প্রক্টর প্রফেসর এ এফ এম আরিফুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন হলের প্রভোস্ট ড. নাহিদ সুলতানা।</p>
<p>কর্মশালায় আবাসিক পরিবেশকে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা, জমে থাকা পানি অপসারণ, এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংস এবং হলের আশপাশ পর্যবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।</p>
<p>হলের প্রভোস্ট ড. নাহিদ সুলতানা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিনটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন—পরিচ্ছন্নতা ও জমে থাকা পানি অপসারণ, হলের পরিবেশ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি।</p>
<p>তিনি বলেন, শুধু হল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব নয়; শিক্ষার্থীদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। নিয়মিত পরিবেশ পর্যবেক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে এডিস মশার প্রজননস্থল নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6ab14654c50aa.jpg" alt=""></p>
<p>উপাচার্য প্রফেসর ড. গোলাম রব্বানী বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় হলের ভেতরের পাশাপাশি আশপাশের আগাছা পরিষ্কার এবং এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে। জাতীয় পর্যায়ের ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচির সঙ্গে এ ধরনের উদ্যোগ সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।</p>
<p>উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম তরুণদের মধ্যে ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ ঘর, আঙিনা ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানান।</p>
<p>কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. হাসান উদ্দীন বলেন, “প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম। আমাদের সচেতনতাই পারে আমাদের সুস্থ রাখতে।” তিনি ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।</p>
<p>কর্মশালায় জুলাই শহীদ স্মৃতি ছাত্রী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/সামিয়া হোসেন মুনিয়া/এমআইএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশজুড়ে তিন মাসব্যাপী ডিজিটাল ডেঙ্গু সচেতনতা ক্যাম্পেইন শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/190509</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190509</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,0,0&quot;&gt;এডিস মশার প্রজনন রোধ ও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে দেশজুড়ে তিন মাসব্যাপী বিশেষ ‘ডিজিটাল সচেতনতা ক্যাম্পেইন’ শুরু।&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,1,0&quot;&gt;প্রশাসনিক উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তিগত সচেতনতা বৃদ্ধিতে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান।&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,2,0&quot;&gt;সৃজনশীল কনটেন্ট, রিলস ও ইনফোগ্রাফিকের মাধ্যমে ডেঙ্গুর লক্ষণ ও জমা পানি পরিষ্কারের তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ।&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6ab0e214a6b4b.jpg" length="120590" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 21 Sep 2026 10:52:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ডিজিটাল ডেঙ্গু ক্যাম্পেইন, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, এডিস মশা প্রতিরোধ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ডেঙ্গু সচেতনতা, ঢাকা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="6">এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে দেশব্যাপী তিন মাসব্যাপী বিশেষ ‘ডিজিটাল সচেতনতা ক্যাম্পেইন’ শুরু হয়েছে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচালিত এই ইভেন্টে সাধারণ নাগরিকের পাশাপাশি তরুণ সমাজ ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।</p>
<p data-path-to-node="7">সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) প্রদত্ত এক বার্তায় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, কেবল প্রশাসনিক উদ্যোগ কিংবা কীটনাশক ছিটিয়ে ডেঙ্গু শতভাগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়; এর জন্য প্রতিটি মানুষের ব্যক্তিগত এবং সামাজিক সচেতনতা সমান জরুরি। আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্যবিদ ড. মুহিত উল্লেখ করেন যে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিশাল প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে সময়োপযোগী তথ্য প্রচারের মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব।</p>
<p data-path-to-node="8">স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিশেষ করে তরুণ সমাজ, কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের সচেতনতামূলক ভিডিও, রিলস, স্টোরি ও পোস্ট তৈরির মাধ্যমে এই জাতীয় উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার নির্দেশ দেন। ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আহ্বানে সাড়া দিয়ে বহু কনটেন্ট ক্রিয়েটর এই প্রচারণায় যুক্ত হয়েছেন।</p>
<p data-path-to-node="9">আগামী তিন মাসজুড়ে এই বিশেষ ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের অধীনে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, পাত্রে জমে থাকা পানি পরিষ্কার করা, ডেঙ্গুর প্রাথমিক লক্ষণ চেনা এবং আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার জরুরি বার্তাগুলো ভার্চুয়াল পরিসরে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। নাগরিকদের নিজ নিজ বসতবাড়ি ও কর্মক্ষেত্র পরিচ্ছন্ন রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।                          /<strong>/ডিবিটেক/বিটিএন/এসএমই/এমআইএসটি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>উন্নত চিকিৎসা প্রযুক্তি দেশে আনা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী</title>
<link>https://digibanglatech.news/190412</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190412</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,0,0&quot;&gt;দেশে বিশ্বমানের আধুনিক চিকিৎসাসেবা প্রদানে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,1,0&quot;&gt;পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমের (পিসিওএস) কারণে দেশে বন্ধ্যাত্ব বাড়ছে, দেশে ৮ থেকে ১০ শতাংশ নারী এতে আক্রান্ত&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,2,0&quot;&gt;বন্ধ্যাত্ব দূরীকরণে চীনসহ উন্নত দেশগুলোর সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও চিকিৎসাসেবা দ্রুত দেশে আনার উদ্যোগ&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aafab4439384.jpg" length="300672" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 20 Sep 2026 11:05:59 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন, উন্নত চিকিৎসা প্রযুক্তি, ঢাকা মেডিকেল, পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম, পিসিওএস, বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসা, ঢাকা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="6">দেশের হাসপাতালগুলোতে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেডিকেল কলেজে আয়োজিত 'পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (পিসিওএস) সচেতনতা সপ্তাহ' উপলক্ষে এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।</p>
<p data-path-to-node="7">স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, নারীদের হরমোনজনিত ও বিপাকীয় জটিলতা ‘পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম’-এর কারণে দেশে বন্ধ্যাত্বের হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। সেমিনারের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতি ১০০ জন নারীর মধ্যে ৮ থেকে ১০ জন এই সমস্যায় ভুগছেন। বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশে আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তির সহায়তায় আক্রান্ত নারীদের সন্তান ধারণের কার্যকর সুযোগ তৈরি হয়েছে।</p>
<div class="attachment-container search-images"><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><single-image _nghost-ng-c1432618083="" data-is-interactive="false" class="spark-licensed-center-host luminous-layout ng-star-inserted" data-image-attachment-index="0"><!----><!----><!----><!----><!----><!----></single-image><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></div>
<p data-path-to-node="9">তিনি আরও জানান, উন্নত ও আধুনিক চিকিৎসার সুযোগ তৈরি করতে দ্রুতই চীনসহ প্রযুক্তিসমৃদ্ধ দেশগুলো থেকে আধুনিক চিকিৎসাপ্রযুক্তি দেশে আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও সমন্বয় শুরু হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা দেশের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ইটিও/বিপিও/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>করাচিতে ডিজিটাল স্বাস্থ্য সম্মেলনে তানহা</title>
<link>https://digibanglatech.news/190357</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190357</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;নিউরোচেক প্রো দিয়ে এডিএইচডি-অটিজম মূল্যায়নে ডিজিটাল পথ&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;করাচিতে স্নায়ুবিকাশজনিত রোগ নির্ণয়ে প্রযুক্তির সম্ভাবনা তুলে ধরেন&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;টেলিহেলথে প্রযুক্তির সঙ্গে চিকিৎসকের সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aaec8833eb37.jpg" length="104150" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 19 Sep 2026 16:39:21 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>তানহা তাবাসসুম, নিউরোচেক প্রো, ডিজিটাল স্বাস্থ্য, টেলিহেলথ, হেলথটেক, এডিএইচডি, অটিজম, পাকিস্তান, হেলথ এশিয়া ২০২৬</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<ul></ul>
<p>যুক্তরাজ্যভিত্তিক ডিজিটাল স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান নিউরোচেক প্রো-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী তানহা তাবাসসুম পাকিস্তানের করাচিতে অনুষ্ঠিত হেলথ এশিয়া ২০২৬-এর চতুর্থ আন্তর্জাতিক ডিজিটাল স্বাস্থ্য সম্মেলনে আন্তর্জাতিক বক্তা হিসেবে অংশ নিয়ে টেলিহেলথ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে স্নায়ুবিকাশজনিত রোগ নির্ণয়ে অপেক্ষার সময় কমানোর সম্ভাবনা তুলে ধরেছেন।</p>
<p>১০ থেকে ১২ সেপ্টেম্বর করাচি এক্সপো সেন্টারে অনুষ্ঠিত ২৩তম হেলথ এশিয়া আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ও সম্মেলনের অংশ হিসেবে ‘ডিজিটাল উদ্ভাবনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার রূপান্তর’ প্রতিপাদ্যে চতুর্থ আন্তর্জাতিক ডিজিটাল স্বাস্থ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পাকিস্তান সেন্টার ফর ডিজিটাল হেলথ, দেশটির ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসেস, রেগুলেশনস অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন মন্ত্রণালয় এবং হেলথ এশিয়ার সহযোগিতায় আয়োজিত এ সম্মেলনে ডিজিটাল স্বাস্থ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, টেলিহেলথ ও উদীয়মান প্রযুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।</p>
<p>২৩তম হেলথ এশিয়া পাকিস্তানের বৃহত্তম বার্ষিক স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা শিল্পভিত্তিক আয়োজনগুলোর একটি। এবারের তিন দিনের আয়োজনে ২৪টির বেশি দেশের অংশগ্রহণে ৪০০-এর বেশি স্বাস্থ্যসেবা ব্র্যান্ড এবং ৬৫০-এর বেশি প্রদর্শনী বুথ ছিল। উদ্বোধন করেন পাকিস্তানের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসেস, রেগুলেশনস অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশনবিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী সৈয়দ মুস্তফা কামাল।</p>
<p>সম্মেলনে তানহা তাবাসসুম তাঁর প্রতিষ্ঠিত নিউরোচেক প্রোকে কেন্দ্র করে ডিজিটালভাবে এডিএইচডি ও অটিজম মূল্যায়নের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল—রোগ নির্ণয়ের দীর্ঘ অপেক্ষাকে শুধু রোগীর অসুবিধা হিসেবে না দেখে এমন একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থার সক্ষমতার ঘাটতি হিসেবে দেখা প্রয়োজন, যা বর্তমান চাহিদার ব্যাপকতার জন্য তৈরি হয়নি।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6aaec884ee634.jpg" alt=""></p>
<p>তানহা তাবাসসুম বলেন, রোগী যেন প্রাথমিক পর্যায়ের তথ্য ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়া স্বাধীনভাবে শুরু করতে পারেন এবং চিকিৎসক যেন সংগঠিত তথ্য হাতে নিয়ে সরাসরি ক্লিনিক্যাল মূল্যায়নে যেতে পারেন—নিউরোচেক প্রো সেই ব্যবধান কমানোর লক্ষ্যেই কাজ করছে।</p>
<p>নিউরোচেক প্রোর নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী, প্ল্যাটফর্মটি এডিএইচডি, অটিজম এবং উভয় বৈশিষ্ট্যের সমন্বিত উপস্থাপনার জন্য ডিজিটাল স্ক্রিনিং ও ক্লিনিক্যাল মূল্যায়নের পথ তৈরি করেছে। বিনামূল্যের প্রাথমিক স্ক্রিনিং থেকে শুরু করে স্বনির্দেশিত মূল্যায়ন এবং নিবন্ধিত চিকিৎসকের ভিডিও পরামর্শের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক নির্ণয়—তিন ধাপে সেবাটি সাজানো হয়েছে।</p>
<p>প্ল্যাটফর্মটির ‘Explore’ ধাপে বিভিন্ন বৈধতাপ্রাপ্ত স্ক্রিনিং উপকরণ ব্যবহার করা হয়। এরপর ‘Understand’ ধাপে বিস্তারিত স্বনির্দেশিত মূল্যায়ন এবং ‘Confirm’ ধাপে যুক্তরাজ্যে নিবন্ধিত চিকিৎসক বা নার্সের সরাসরি ভিডিও পরামর্শের মাধ্যমে ক্লিনিক্যাল মূল্যায়ন করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, চূড়ান্ত মূল্যায়নে চিকিৎসকের পর্যালোচনা ও আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন দেওয়া হয়।</p>
<p>নিউরোচেক প্রো আরও জানিয়েছে, তাদের ক্লিনিক্যাল মূল্যায়নে নিবন্ধিত চিকিৎসক ও নার্স যুক্ত থাকেন এবং ব্যবহৃত মূল্যায়ন উপকরণগুলো প্রমাণভিত্তিক ও NICE-সংশ্লিষ্ট নির্দেশনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। শিশুদের জন্যও এডিএইচডি, অটিজম ও সমন্বিত মূল্যায়নের ব্যবস্থা রয়েছে।</p>
<p>তানহা তাবাসসুমের নেতৃত্বাধীন প্রতিষ্ঠানটির প্রযুক্তিগত কাঠামোয় চিকিৎসা ও প্রযুক্তির সমন্বয়ও গুরুত্বপূর্ণ। নিউরোচেক প্রোর সহ-প্রতিষ্ঠাতা আরশাদ আহমেদ তথ্যবিজ্ঞান, মেশিন লার্নিং ও এমএলওপিএসে ১৫ বছরের বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রযুক্তি নেতা। অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা চিকিৎসক ডা. দীনেশ কান্নান স্নায়ুবিকাশজনিত রোগ, এডিএইচডি ও অটিজম মূল্যায়নে বিশেষজ্ঞ।</p>
<p>প্রতিষ্ঠানটির উপদেষ্টা ডা. জাকিউদ্দিন আহমেদ টেলিমেডিসিন ও ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবায় দীর্ঘদিন কাজ করছেন। নিউরোচেক প্রোর তথ্য অনুযায়ী, তিনি ১৯৯৮ সাল থেকে পাকিস্তান ও আশপাশের অঞ্চলে ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কাজ করছেন এবং বর্তমানে সৌদি আরব ও বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারত্ব বিস্তারে পরামর্শ দিচ্ছেন।</p>
<p>করাচির সম্মেলনে পাকিস্তানের সরকারি কর্মকর্তা, বেসরকারি ও উন্নয়ন খাতের প্রতিনিধি এবং স্বাস্থ্যসেবা নেতাদের অংশগ্রহণে একটি গোলটেবিল বৈঠকেও তানহা তাবাসসুম অংশ নেন। সেখানে পাকিস্তানে স্নায়ুবিকাশজনিত রোগের নির্ণয় ও ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থার অগ্রগতি নিয়ে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এত বড় স্বাস্থ্যসেবা ব্যবধান কোনো একটি প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম একা পূরণ করতে পারে না; প্রযুক্তি সুযোগের পরিধি বাড়াতে পারে, কিন্তু কার্যকর পরিবর্তনের জন্য চিকিৎসক, স্বাস্থ্যপ্রতিষ্ঠান, নীতিনির্ধারক ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।</p>
<p>তানহা বলেন, পাকিস্তানের চিকিৎসক সম্প্রদায়ের সঙ্গে আলোচনায় তিনি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে কি না—এই প্রশ্নের চেয়ে কীভাবে চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিচার-বিবেচনা অক্ষুণ্ন রেখে প্রযুক্তিকে কার্যকরভাবে যুক্ত করা যায়, সে বিষয়েই বেশি গুরুত্ব দেখেছেন।</p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা টেলিমেডিসিনকে দূরত্বকে বিবেচনায় রেখে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার একটি পদ্ধতি হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছে। এর মধ্যে রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা, রোগ প্রতিরোধ, গবেষণা এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।</p>
<p>ডব্লিউএইচও বলছে, টেলিমেডিসিন স্বাস্থ্যসেবার আওতা বাড়াতে এবং দূরবর্তী জনগোষ্ঠীর কাছে সেবা পৌঁছাতে সহায়তা করতে পারে। তবে কার্যকর টেলিমেডিসিন ব্যবস্থার জন্য অবকাঠামো, নীতিমালা, সুশাসন, বিনিয়োগ, প্রশিক্ষিত জনবল এবং তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।</p>
<p>২০২৫ সালের একটি নীতিগত বিশ্লেষণে ডব্লিউএইচও টেলিমেডিসিনকে বৃহত্তর টেলিহেলথ ব্যবস্থার একটি অংশ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে। টেলিহেলথের পরিসরে দূরবর্তী রোগনির্ণয়, স্বাস্থ্যশিক্ষা, রোগীর দূরবর্তী পর্যবেক্ষণ এবং প্রশাসনিক ডিজিটাল সেবাও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।</p>
<p>দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের জন্যও ডিজিটাল স্বাস্থ্য এখন স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী করার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ডব্লিউএইচওর ২০২৬ সালের আঞ্চলিক আলোচনায় টেলিমেডিসিন, ডিজিটাল জনস্বাস্থ্য অবকাঠামো, রোগ নজরদারি, সরবরাহ ব্যবস্থাপনা ও তথ্যনির্ভর স্বাস্থ্য পরিচালনাকে ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6aaec88651119.jpg" alt=""></p>
<p>এই বৃহত্তর প্রবণতার মধ্যে নিউরোচেক প্রোর মডেলটি মূলত একটি নির্দিষ্ট সমস্যা—স্নায়ুবিকাশজনিত রোগের মূল্যায়নে দীর্ঘ অপেক্ষা ও তথ্য সংগ্রহের জটিলতা—প্রযুক্তির মাধ্যমে পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে বর্তমানে বিনামূল্যের প্রাথমিক স্ক্রিনিং, স্বনির্দেশিত মূল্যায়ন এবং চিকিৎসক-নির্ভর ভিডিও মূল্যায়নের সমন্বিত ব্যবস্থা দেখানো হয়েছে।</p>
<p>তবে ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের সঙ্গে ক্লিনিক্যাল নিরাপত্তা, তথ্যের গোপনীয়তা, তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো এবং নিয়ন্ত্রক কাঠামোর প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ। নিউরোচেক প্রো জানিয়েছে, তাদের ক্লিনিক্যাল তথ্য এনক্রিপ্টেড অবস্থায় সংরক্ষণ ও স্থানান্তর করা হয়, যুক্তরাজ্যে AWS London অবকাঠামোয় তথ্য রাখা হয় এবং ব্যবহারকারীর স্পষ্ট সম্মতি ছাড়া তথ্য শেয়ার না করার নীতি অনুসরণ করা হয়।</p>
<p>করাচিতে নিজের প্রথম পাকিস্তান সফরের অভিজ্ঞতা নিয়ে তানহা তাবাসসুম আয়োজক ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। বিশেষভাবে ড. জাকিউদ্দিন আহমেদকে আমন্ত্রণ ও পুরো সফরে আতিথেয়তার জন্য ধন্যবাদ জানান তিনি। তাঁর মতে, করাচির এই অভিজ্ঞতা দক্ষিণ এশিয়ায় প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবা বিস্তারের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন যোগাযোগের ক্ষেত্র তৈরি করেছে।</p>
<p>তানহা তাবাসসুম বাংলাদেশের বিশিষ্ট কূটনীতিক আবিদা ইসলামের পুত্রবধূ। আবিদা ইসলাম বাংলাদেশ সরকারের ক্যারিয়ার কূটনীতিক হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়া ও মেক্সিকোয় রাষ্ট্রদূত এবং যুক্তরাজ্যে হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।</p>
<p>নিউরোচেক প্রোর ওয়েবসাইটে তানহা তাবাসসুমকে প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শীর্ষ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জটিল আর্থিক অপরাধ তদন্তের অভিজ্ঞতা, বোর্ড ও ট্রাস্টি পর্যায়ের দায়িত্ব এবং কৌশলগত নেতৃত্বের অভিজ্ঞতাকে তিনি স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি উদ্যোগে কাজে লাগাচ্ছেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/আইিইচএসআইসি/বিপিও/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নিনমাসে প্রথম পেডিয়াট্রিক নিউক্লিয়ার মেডিসিন প্রশিক্ষণ</title>
<link>https://digibanglatech.news/190002</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190002</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;শিশুদের রোগ নির্ণয়ে নিউক্লিয়ার মেডিসিন প্রযুক্তির গুরুত্ব&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;HIDA, DMSA ও Meckel’s scan নিয়ে প্রশিক্ষণ&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;ব্রেইন পারফিউশন পরীক্ষায় মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা নির্ণয়&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aaa478b9020a.jpg" length="120674" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 16 Sep 2026 11:39:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>পেডিয়াট্রিক নিউক্লিয়ার মেডিসিন, নিনমাস, বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, নিউক্লিয়ার মেডিসিন, শিশু চিকিৎসা, HIDA scan, DMSA renal scan, ব্রেইন পারফিউশন, SPECT-CT</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>শিশুদের জটিল রোগ নির্ণয়ে </span><strong><span>নিউক্লিয়ার মেডিসিনের আধুনিক প্রযুক্তি</span></strong><span> ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেস (নিনমাস)-এ প্রথমবারের মতো পেডিয়াট্রিক নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে শিশুদের বিলিয়ারি অ্যাট্রেসিয়া, কিডনি ও অন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা নির্ণয়ের পাশাপাশি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা মূল্যায়নে ব্রেইন পারফিউশন পরীক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাজধানীর নিনমাসের কামাল উদ্দিন আহমেদ অডিটরিয়ামে ‘Inauguration of Training Programme on Pediatric Nuclear Medicine: Scintigraphy, SPECT-CT and Clinical Practice’ শীর্ষক এ প্রশিক্ষণ ও বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। নিউক্লিয়ার মেডিসিন, পেডিয়াট্রিকসহ বিভিন্ন বিভাগের মোট ১৮ জন প্রশিক্ষণার্থী এতে অংশ নেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ডা. নাসরিন সুলতানা। তিনি শিশুদের চিকিৎসায় নিউক্লিয়ার মেডিসিনের প্রয়োজনীয়তা ও ব্যবহারিক গুরুত্ব তুলে ধরেন। বিশেষ করে শিশুদের </span><strong><span>বিলিয়ারি অ্যাট্রেসিয়া শনাক্তে HIDA scan, DTPA ও DMSA renal scan, অন্ত্রের রক্তক্ষরণ শনাক্তে Meckel’s scan এবং মস্তিষ্কের রক্তপ্রবাহ ও কার্যক্ষমতা মূল্যায়নে brain perfusion test</span></strong><span> ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নিনমাসের পরিচালক ও বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ কে এম ফজলুল বারী।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. এ কে এম ফজলুল বারী বলেন, নিনমাসের নিয়মিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এবারই প্রথম পেডিয়াট্রিক নিউক্লিয়ার মেডিসিনের ওপর এ ধরনের প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। নিউক্লিয়ার মেডিসিন একটি বহুমাত্রিক চিকিৎসাবিজ্ঞান, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখার রোগী ও চিকিৎসকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তিনি বলেন, বাংলাদেশের নিম্নআয়ের মানুষের চিকিৎসাসেবা সহজলভ্য করতে বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসকদের মধ্যে সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিউক্লিয়ার মেডিসিনের বিভিন্ন প্রযুক্তির পাশাপাশি আল্ট্রাসনোগ্রাম, ডপলার, ইলাস্টোগ্রাফি ও পিইটি-সিটি (PET-CT) রোগ নির্ণয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অধ্যাপক ফজলুল বারী আরও জানান, নিনমাসের থাইরয়েড বিভাগে প্রায় ১১ হাজার থাইরয়েড ক্যান্সার রোগী নিয়মিত চিকিৎসা নিচ্ছেন।</span></p>
<p>অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ডা. মো. রোকুনজ্জামান, চেয়ারম্যান, পেডিয়াট্রিক গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ও নিউট্রিশন; অধ্যাপক ডা. হেলেনা বেগম, পেডিয়াট্রিক হেমাটোলজি ও অনকোলজি; অধ্যাপক ডা. গালমা জাহান, পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজি; এবং সহকারী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ বদরুল আলম।<br>/<strong>/ডিবিটেক/পিকেপি/এসএমই/এমআইএসটি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এআই অ্যাপে স্বাস্থ্যসেবা দেবেন কর্মীরা</title>
<link>https://digibanglatech.news/189927</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189927</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী পাবেন এআইচালিত ডিজিটাল অ্যাপ&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;বাড়ি বাড়ি প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পরামর্শ&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;নগর স্বাস্থ্যসেবা আসছে জাতীয় স্বাস্থ্য কাঠামোয়&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa955f7804ff.jpg" length="80764" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 15 Sep 2026 16:28:17 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>এআই স্বাস্থ্যসেবা, ডিজিটাল স্বাস্থ্য, নগর স্বাস্থ্যসেবা, কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মী, স্বাস্থ্য প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, এম এ মুহিত, ডায়াগনস্টিক কিট, বাংলাদেশ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>আধুনিক ডায়াগনস্টিক কিট ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-চালিত ডিজিটাল অ্যাপের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পরামর্শ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। এ লক্ষ্যে নতুন এক লাখ ‘কমিউনিটি হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিং’ কর্মী নিয়োগ করে তাঁদের প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>১৫ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে নাগরিক সমাজ সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত টেকসই যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য এবং অধিকারবিষয়ক জাতীয় পরামর্শ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এ পরিকল্পনার কথা জানান।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তিনি বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান নগরায়ণের বাস্তবতায় নগর স্বাস্থ্যসেবাকে জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নগর স্বাস্থ্যসেবাকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মূল কাঠামোর আওতায় এনে একটি পূর্ণাঙ্গ ও টেকসই স্বাস্থ্যসেবা কাঠামো গড়ে তোলার কাজ চলছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>ড. এম এ মুহিত বলেন, স্বাধীনতার পর দেশে শহুরে জনসংখ্যা ছিল ১০ শতাংশেরও কম। সে সময় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূল মনোযোগ ছিল গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দিকে। বর্তমানে দেশের প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষ শহরে বসবাস করছে। ২০৫০ সালের মধ্যে এ হার ৫০ শতাংশে পৌঁছাবে। ফলে নগর স্বাস্থ্যসেবাকে জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বাইরে রেখে টেকসই স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার সুযোগ নেই।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তিনি বলেন, “আমরা শুধু আজকের জন্য স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ছি না, আগামী দিনের কথাও ভাবছি। তাই নগর স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূল ধারার অন্তর্ভুক্ত করার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বাস্তবতার নিরিখে।”</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>প্রতিমন্ত্রী জানান, এতদিন নগর স্বাস্থ্যসেবা মূলত সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছিল। বিদ্যমান ব্যবস্থার নমনীয়তা ও ইতিবাচক দিকগুলো বিবেচনায় নিয়ে এখন সরকারের অধীনে একটি পূর্ণাঙ্গ ও টেকসই কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>নতুন কাঠামোয় স্বাস্থ্যসেবা অধিদফতর ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতর যৌথভাবে নগর স্বাস্থ্যসেবা পরিচালনায় ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের দায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে জানান তিনি।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা আরও বিস্তৃত করতে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বর্তমানে কর্মরত প্রায় ৪০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মীর সঙ্গে নতুন এক লাখ কর্মীকে একই কাঠামোর আওতায় এনে সমন্বিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>এই নতুন ‘কমিউনিটি হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিং’ কর্মীদের হাতে আধুনিক ডায়াগনস্টিক কিট ও এআইচালিত ডিজিটাল অ্যাপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর এই ব্যবস্থার মাধ্যমে তাঁরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরামর্শ দিতে পারবেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>নগরের নিম্ন আয়ের কর্মজীবী মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সান্ধ্যকালীন ক্লিনিক চালুর বিষয়টিও সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে বলে জানান ড. মুহিত।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>একই সঙ্গে নগরের ভাসমান জনগোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধী নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনতে নির্দিষ্ট ওয়ার্ডভিত্তিক ক্যাচমেন্ট এরিয়া নির্ধারণের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি ইউনিটের আওতায় ৫০ হাজার থেকে এক লাখ জনগোষ্ঠীকে রাখা হবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>নগর স্বাস্থ্যসেবার নতুন রূপরেখা দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) দ্রুত চূড়ান্ত করার তাগিদ দেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে এমন একটি জনবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে, যা আগামী ২০ থেকে ৩০ বছর দেশের মানুষের প্রয়োজন অনুযায়ী স্বাস্থ্যসেবা দিতে পারবে।</span></p>
<p>আইপাস বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ও সিএসও ফোরামের আহ্বায়ক ডা. সায়েদ রুবাইয়েতের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব এ কে এম বেঞ্জামিন রিয়াজী এবং পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মহাপরিচালক জিনাত রেহানা।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এমভিও/এসএমই/এমআইএসটি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল হাজিরায় স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি নজরদারি</title>
<link>https://digibanglatech.news/189769</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189769</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,0,0&quot;&gt;ডিজিটাল ডাটাবেজের মাধ্যমে প্রত্যন্ত উপজেলার চিকিৎসক ও নার্সদের উপস্থিতি সরাসরি মনিটরিং&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,1,0&quot;&gt;ডিজিটাল হাজিরায় অনুপস্থিতদের শনাক্ত করে দ্রুত কারণ দর্শানোর নোটিশ জারির নির্দেশ&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,2,0&quot;&gt;নাগরিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে নিয়মিত নজরদারির সিদ্ধান্ত ঘোষণা&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa7b1af8dfc3.jpg" length="517733" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 14 Sep 2026 12:56:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, অনলাইন মনিটরিং, বায়োমেট্রিক হাজিরা, স্বাস্থ্যসেবা প্রযুক্তি, সরদার মো সাখাওয়াত হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগ, ই-গভর্ন্যান্স</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="5">ডিজিটাল হাজিরা নেটওয়ার্ক ও রিয়েল-টাইম কেন্দ্রীয় নজরদারি ব্যবস্থার মাধ্যমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কর্মস্থলে উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="6">১৪ সেপ্টেম্বর, সোমবার ঢাকায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিজ কার্যালয় থেকে ডিজিটাল হাজিরা সিস্টেমের ড্যাশবোর্ড ব্যবহার করে বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের উপস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।</p>
<p data-path-to-node="7">তদারকিকালে তিনি কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী, নরসিংদীর বেলাবো ও রায়পুরা, লালমনিরহাটের আদিতমারী, বান্দরবানের লামা এবং সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডিজিটাল হাজিরা ডাটাবেজ ও লাইভ লগ পর্যবেক্ষণ করেন।</p>
<p data-path-to-node="8">ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড পর্যালোচনার সময় কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের অনুপস্থিতির কারিগরি রেকর্ড মন্ত্রীর নজরে আসে। এ বিষয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি যোগাযোগ করেন। অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক রেকর্ডের ভিত্তিতে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।</p>
<p data-path-to-node="9">স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, "স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কর্মস্থলে উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণ যাতে নিজ নিজ এলাকার স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান থেকে প্রয়োজনীয় সেবা পায়, তা নিশ্চিত করতে উপস্থিতি মনিটরিং আরও জোরদার করা হবে।" তিনি জানান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতে এখন থেকে নিয়মিত নিজ কার্যালয়ের মনিটরিং ড্যাশবোর্ড থেকে দেশের বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের বায়োমেট্রিক ও ডিজিটাল উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে।</p>
<p data-path-to-node="10">এ সময় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব এ কে এম বেনজামিন রিয়াজী উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তারা জানান, ডিজিটাল ট্র্যাকিং জোরদার হলে মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে গতি আসবে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ডিএএস/এসই/ইআইসি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গর্ভকালীন পুষ্টি ক্যাম্পেইন শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/189852</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189852</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;দুই দিনব্যাপী দেশব্যাপী পুষ্টি সচেতনতা কর্মসূচি শুরু&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;২২ হাজার সেবাদানকারী গর্ভবতী মায়েদের পরামর্শ দেবেন&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;১৬১ উপজেলায় চলবে সচেতনতামূলক কার্যক্রম&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa8d088da7c4.jpg" length="142320" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 13 Sep 2026 22:59:02 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>গর্ভকালীন পুষ্টি, মাতৃস্বাস্থ্য, শিশু পুষ্টি, এসএমসি, ফুলকেয়ার, প্রসবপূর্ব সেবা, পুষ্টি সচেতনতা, স্বাস্থ্যসেবা, বরিশাল</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>গর্ভকালীন পুষ্টি ও প্রসবপূর্ব সেবা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে দেশব্যাপী দুই দিনব্যাপী ‘গর্ভকালীন পুষ্টি ক্যাম্পেইন ২০২৬’ শুরু করেছে সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানি (এসএমসি)। কর্মসূচির আওতায় প্রায় ২২ হাজার ব্লু-স্টার, গ্রিন-স্টার ও গোল্ড-স্টার সেবাদানকারী, মাঠকর্মী এবং নেটওয়ার্কের বাইরের সেবাদানকারীরা গর্ভবতী মায়েদের পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি পুষ্টি-সম্পূরক বিতরণ করবেন।</p>
<p>১৩ সেপ্টেম্বর, রবিবার বিকেল ৩টায় বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের শিকদার বাড়ির প্রাঙ্গণে গর্ভবতী মায়েদের নিয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।</p>
<p>দুই দিনব্যাপী এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন এসএমসি ও এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের (এসএমসি ইএল) চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ। অনুষ্ঠানে এসএমসি ও এসএমসি ইএলের পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক সিদ্দিকুর রহমান চৌধুরী ও ডা. জহির উদ্দিন আহমেদ, এসএমসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও তছলিম উদ্দিন খান এবং এসএমসি ইএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েফ নাসির উপস্থিত ছিলেন। এসএমসির প্রধান কার্যালয়, আঞ্চলিক কার্যালয় ও মাঠপর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে অতিথিরা মা সমাবেশে আসা গর্ভবতী মায়েদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে তাদের মধ্যে এসএমসির ১৫ ধরনের ভিটামিন ও খনিজসমৃদ্ধ বহুমাত্রিক ক্ষুদ্রপুষ্টি-সম্পূরক ‘ফুলকেয়ার’ বিতরণ করা হয়।</p>
<p>কর্মসূচির আওতায় এসএমসির প্রায় ২২ হাজার ব্লু-স্টার, গ্রিন-স্টার ও গোল্ড-স্টার সেবাদানকারী, মাঠপর্যায়ের কর্মী এবং নেটওয়ার্কের বাইরে থাকা সেবাদানকারীরা গর্ভকালীন সেবা, পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা এবং নিয়মিত প্রসবপূর্ব সেবা গ্রহণের বিষয়ে গর্ভবতী মায়েদের পরামর্শ দেবেন। একই সঙ্গে ‘ফুলকেয়ার’ বিতরণ করা হবে।</p>
<p>এ ছাড়া ১৬১টি উপজেলায় এসএমসির কমিউনিটি মোবিলাইজেশন কর্মসূচির মাধ্যমে গর্ভকালীন সেবা ও নিয়মিত প্রসবপূর্ব সেবা গ্রহণে সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম পরিচালিত হবে।</p>
<p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ফারুক আহমেদ বলেন, “একটি সুস্থ প্রজন্ম গড়ে ওঠার ভিত্তি তৈরি হয় একজন সুস্থ মায়ের মাধ্যমে। তাই মাতৃস্বাস্থ্য ও শিশু পুষ্টিতে বিনিয়োগ শুধু একজন মায়ের সুস্থতা নিশ্চিত করে না, বরং আগামী দিনের একটি সুস্থ ও সক্ষম প্রজন্ম গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”</p>
<p>সিদ্দিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো গর্ভবতী মায়েদের প্রসবপূর্ব সেবার আওতায় নিয়ে আসা এবং সঠিক পুষ্টি সম্পর্কে সচেতন করা। সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা চাই প্রতিটি গর্ভবতী মা প্রয়োজনীয় পরিচর্যা ও পুষ্টির সুযোগ পান।”</p>
<p>ডা. জহির উদ্দিন আহমেদ বলেন, “মাতৃপুষ্টির ঘাটতি মোকাবেলায় আমাদের সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি গর্ভবতী মায়েদের জন্য মানসম্মত পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং তা সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করে তুলতে হবে।”<br>/<strong>/ডিবিটেক/এমএসটিএইচ/এটি/এনএপি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্বাস্থ্যসেবায় ডিজিটাল প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/189738</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189738</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,0,0&quot;&gt;ডিজিটাল হেলথ ট্র্যাকিং, মলিকিউলার ল্যাব ও হেলথটেক উদ্ভাবনে সরকারের বড় বরাদ্দ&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,1,0&quot;&gt;গবেষণা বাণিজ্যিকীকরণ এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় সাশ্রয়ী প্রযুক্তি পৌঁছানোর তাগিদ&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,2,0&quot;&gt;নিরাপদ ডেটা আর্কিটেকচার, রোগ প্রতিরোধ ও কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা চালুর সুপারিশ&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa7657f1149c.jpg" length="95939" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 13 Sep 2026 15:10:43 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>স্বাস্থ্য প্রযুক্তি উদ্ভাবন, ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬, ডিজিটাল হেলথ সিস্টেম, ডা. জোবাইদা রহমান, ডা. এম এ মুহিত, মলিকিউলার ল্যাব, ড্রাগ ট্র্যাকিং, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা, হেলথটেক বাংলাদেশ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="6">ডিজিটাল হেলথ সিস্টেম, ওষুধ ট্র্যাকিং আর্কিটেকচার, মলিকিউলার গবেষণা এবং সমন্বিত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের প্রতিটি নাগরিকের কাছে আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও সরকারের নীতিনির্ধারকরা।</p>
<p data-path-to-node="7">১৩ সেপ্টেম্বর, রবিবার রাজধানীর নভোথিয়েটারে 'বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬'-এর অংশ হিসেবে আয়োজিত ‘Health Innovation for All: Expanding Access to Affordable and Quality Healthcare’ শীর্ষক প্লেনারি অধিবেশনে তারা এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। স্বাস্থ্যসেবা খাতের সামগ্রিক রূপান্তরে উন্নত বায়োমেডিক্যাল গবেষণা, ক্লাউডভিত্তিক রোগী ব্যবস্থাপনা এবং প্রযুক্তির বাণিজ্যিকীকরণের ওপর বক্তারা গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p data-path-to-node="8">অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জোবাইদা রহমান বলেন, "স্বাস্থ্যসেবায় উদ্ভাবনকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে। দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য সাশ্রয়ী, মানসম্মত ও সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য খাতে উদ্ভাবন, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং সমন্বিত সেবা কার্যক্রম জোরদার করা জরুরি।" তিনি উল্লেখ করেন, "স্বাস্থ্যসেবা কোনো বিশেষ সুবিধা নয়; এটি প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার। আয়, অবস্থান বা সামাজিক মর্যাদার ভিত্তিতে স্বাস্থ্যসেবায় বৈষম্য থাকা উচিত নয়। দেশের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে শহর পর্যন্ত সবার জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে।"</p>
<p data-path-to-node="9">চিকিৎসা প্রযুক্তির অগ্রাধিকার তুলে ধরে ডা. জোবাইদা রহমান বলেন, "বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার অগ্রগতি ও সক্ষমতা নিয়ে আমরা গর্বিত। তবে স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর করতে হলে শুধু রোগের চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে রোগ প্রতিরোধ ও প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণের ওপর অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ, প্রতিরোধই চিকিৎসার চেয়ে উত্তম। সচেতনতা বৃদ্ধি, টিকাদান কর্মসূচি, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে অনেক জটিল রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।" তিনি আরও বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ যাতে চিকিৎসার জন্য দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে বাধ্য না হন, সে জন্য মানুষের বাড়ির কাছাকাছি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে হৃদরোগ, ক্যান্সার ও ডায়াবেটিসের মতো অসংক্রামক ব্যাধির বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতা প্রয়োজন। ডায়াবেটিসের আন্তর্জাতিক প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাকে জাতীয় নেটওয়ার্কে যুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6aa765805e002.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="10">তিনি আরও বলেন, মাতৃস্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রি-একল্যাম্পসিয়া ও গর্ভকালীন জটিলতা নিরসনে কমিউনিটি পর্যায় থেকে বিশেষায়িত হাসপাতাল পর্যন্ত ডিজিটাল রেফারেল ও নিয়মিত ফলোআপ কাঠামো থাকা দরকার। রক্তসেবা প্রসঙ্গে তিনি জানান, রক্ত সংগ্রহ, স্ক্রিনিং, পরিবহন ও প্লাজমা ফ্র্যাকশনেশনের জাতীয় আধুনিক ফ্রেমওয়ার্ক জরুরি। ডা. জোবাইদা রহমান বলেন, "উদ্ভাবন মানেই সবসময় ব্যয়বহুল যন্ত্র বা অ্যাপ্লিকেশন নয়; বাস্তব স্বাস্থ্য সমস্যার কার্যকর সমাধানই মূল বিষয়। এজন্য গবেষণা, প্রযুক্তি, নীতিমালা ও প্রয়োগের মধ্যে সুষম যোগসূত্র তৈরি করতে হবে।"</p>
<p data-path-to-node="11">বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত জানান, সরকার স্বাস্থ্য খাতে প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান ও গবেষণার সক্ষমতা বাড়াতে বড় ধরনের তহবিল বরাদ্দ করছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, "ভ্যাকসিন গবেষণা, রোগ প্রতিরোধ ও মলিকিউলার গবেষণার সক্ষমতা বাড়াতে সরকারি উদ্যোগে একটি বৃহৎ আধুনিক মলিকিউলার ল্যাব স্থাপনের কার্যক্রম দ্রুত গতিতে চলছে।" এছাড়া বিদেশে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের দেশীয় গবেষণায় যুক্ত করা হবে।</p>
<p data-path-to-node="12">হাসপাতাল অটোমেশন ও সরবরাহ শৃঙ্খল নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "রোগীর সিরিয়াল ব্যবস্থাপনা, অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট এবং ওষুধ ট্র্যাকিং ও ট্রেসিং প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিটি ডোজের সঠিক বণ্টন মনিটর করা সম্ভব।" তিনি আরও জানান, ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা ও শক্তিশালী ডেটা আর্কিটেকচার নিশ্চিত করে একটি সর্বজনীন ‘ডিজিটাল হেলথ প্ল্যাটফর্ম’ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলকে পুনর্গঠন ও ক্লিনিক্যাল গবেষণার জন্য পৃথক তহবিল গঠনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6aa7658192f44.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="13">বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন প্লেনারি সেশনে বলেন, "‘Innovate to Market’ ধারণাকে সামনে রেখে উদ্ভাবনকে কেবল গবেষণাগারে না রেখে বাণিজ্যিকীকরণ করতে হবে। এজন্য জাতীয় পর্যায়ে ‘ইনোভেশন হাব’ গড়ে তোলা হচ্ছে যা গবেষক, উদ্যোক্তা ও শিল্পের মধ্যে সরাসরি কারিগরি সংযোগ ঘটাবে।"</p>
<p data-path-to-node="14">সেশনটি সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। কি-নোট স্পিকার ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান।</p>
<p data-path-to-node="16">অধিবেশনে প্যানেল আলোচক হিসেবে যুক্ত ছিলেন ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের (ডিজিডিএ) মহাপরিচালক মো. আলমগীর হোসাইন, আইসিডিডিআর,বি-এর নির্বাহী পরিচালক ডা. তাহমীদ আহমেদ, টিএমএসএস-এর ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর-২ ডা. মো. মতিউর রহমান, বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি এম মোসাদ্দেক হোসাইন, ইউনাইটেড হেলথকেয়ারের ডিরেক্টর অব মেডিকেল সার্ভিসেস ডা. আজহারুল ইসলাম খান এবং এসকেজেন-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ডা. সাদাফ সাজ সিদ্দিকী। প্রযুক্তি, গবেষণা ও সরকারি নীতিমালার কার্যকর মেলবন্ধনে একটি মানবিক স্বাস্থ্য পরিকাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানান সংশ্লিষ্টরা।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এমএএম/এসএমই/এফওইবি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আল্ট্রাসনোগ্রাফির আধুনিক প্রযুক্তিতে চিকিৎসা সেবার নতুন দিগন্ত</title>
<link>https://digibanglatech.news/189498</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189498</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,0,0&quot;&gt;&lt;span&gt;আধুনিক রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার নিখুঁত ফলাফলে আল্ট্রাসনোগ্রাফি প্রযুক্তির একাডেমিক উৎকর্ষ ও নিরবচ্ছিন্ন প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন বিএমইউ উপাচার্য&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,1,0&quot;&gt;&lt;span&gt;‘আল্ট্রাসাউন্ড ফার্স্ট,&lt;/span&gt;&lt;span&gt; আল্ট্রাসাউন্ড লাস্ট’ প্রতিপাদ্যে বাংলাদেশ সোসাইটি অব আল্ট্রাসনোগ্রাফির ৩৮তম জাতীয় কনফারেন্স ও আন্তর্জাতিক ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছে&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,2,0&quot;&gt;&lt;span&gt;দেশি-বিদেশি দুই শতাধিক সনোলজিস্টের অংশগ ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa4244729126.jpg" length="145331" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 11 Sep 2026 12:55:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>আল্ট্রাসনোগ্রাফি, মেডিকেল ইমেজিং, বায়োমেডিকেল ডায়াগনস্টিক, বিএমইউ, এফ এম সিদ্দিকী, নাজমুল হোসেন, রায়হান হোসেন, ফজলুল বারী, আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="13"><b data-path-to-node="13" data-index-in-node="0">ঢাকা:</b> আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে দ্রুত ও নির্ভুল রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তির উৎকর্ষ, ডিজিটাল ইমেজিং ও বায়োমেডিকেল প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শুক্রবার রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ‘আল্ট্রাসাউন্ড ফার্স্ট, আল্ট্রাসাউন্ড লাস্ট’ স্লোগান নিয়ে বাংলাদেশ সোসাইটি অব আল্ট্রাসনোগ্রাফির (বিএসইউ) ৩৮তম জাতীয় কনফারেন্স ও আন্তর্জাতিক ওয়ার্কশপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ অভিমত ব্যক্ত করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="14">অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সোসাইটি অব আল্ট্রাসনোগ্রাফির সভাপতি অধ্যাপক ডা. রায়হান হোসেন। উদ্বোধনী আনুষ্ঠানিকতা শেষে আধুনিক বায়োমেডিকেল ইমেজিং নিয়ে বিশেষ বৈজ্ঞানিক অধিবেশন পরিচালিত হয়। পাশাপাশি ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন ফর আল্ট্রাসাউন্ড ইন মেডিসিন অ্যান্ড বায়োলজি এবং এশিয়ান ফেডারেশন ফর আল্ট্রাসাউন্ড ইন মেডিসিন অ্যান্ড বায়োলজির সক্রিয় অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক কারিগরি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p data-path-to-node="15">প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেন, আধুনিক ডায়াগনস্টিক মেডিসিনে ডিজিটাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি একটি অপরিহার্য বায়োমেডিকেল প্রযুক্তি। তিনি উল্লেখ করেন, রোগীদের নিখুঁত সেবা প্রদানে চিকিৎসকদের নিরবচ্ছিন্ন সফটওয়্যার ও ডিভাইস প্রশিক্ষণ এবং একাডেমিক উৎকর্ষ বজায় রাখা জরুরি। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের গবেষণালব্ধ জ্ঞান দেশীয় চিকিৎসক, বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদদের মেডিকেল ইমেজিং সিস্টেমে আরও সমৃদ্ধ করবে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6aa424480fad1.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="16">সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. রায়হান হোসেন জানান, ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশে নিরাপদ আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তি প্রসারে কাজ করছে বিএসইউ। বর্তমানে দেশের ৬টি বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে চিকিৎসকদের আধুনিক মেশিনারিজ পরিচালনার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তিনি চিকিৎসা সেবার আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে উচ্চতর একাডেমিক ও প্রকৌশলগত কোর্স চালুর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।</p>
<p data-path-to-node="17">সোসাইটির সহ-সভাপতি ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেসের (নিনমাস) পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ. কে. এম. ফজলুল বারী জানান, এই বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে দেশের দুই শতাধিক সনোলজিস্ট ছাড়াও ভিয়েতনাম, পাকিস্তান, ভারত ও শ্রীলঙ্কার বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী ও চিকিৎসকরা অংশ নেন।</p>
<p data-path-to-node="19">অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এম এ করীম, বিএসইউর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক ডা. ফওজিয়া মোসলেম, ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন ফর আল্ট্রাসাউন্ড ইন মেডিসিন অ্যান্ড বায়োলজির শিক্ষা পরিচালক অধ্যাপক ডা. কানু গোপাল বালা, বিএসইউর সহ-সভাপতি অধ্যাপক জেসমিন আরা হক এবং মহাসচিব অধ্যাপক ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ ডা. মো. আব্দুর রশীদ।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ বিপিএম/ এসএসআর/এমআইএসটি/</strong>/</p>
<h3 data-path-to-node="22"></h3>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিভাগীয় শহরে হবে FBI&#45;মানের DNA ল্যাব</title>
<link>https://digibanglatech.news/189252</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189252</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;প্রতিটি বিভাগীয় শহরে আন্তর্জাতিক মানের FBI-স্ট্যান্ডার্ড DNA ল্যাব হবে&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;হত্যা, ধর্ষণ ও অজ্ঞাত মরদেহ শনাক্তে দ্রুত আলামত পরীক্ষা হবে&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;সিস্টিক ফাইব্রোসিস চিকিৎসায় আধুনিক স্টেম সেল থেরাপি চালু হয়েছে&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa10f0601fb4.jpg" length="94155" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 09 Sep 2026 12:48:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>FBI স্ট্যান্ডার্ড DNA ল্যাব, ডিএনএ ল্যাব, স্বাস্থ্যসেবা, সিস্টিক ফাইব্রোসিস, স্টেম সেল থেরাপি, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, স্বাস্থ্য বাজেট, চিকিৎসা গবেষণা, এ জেড এম জাহিদ হোসেন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><strong><span>ঢাকা, ৯ সেপ্টেম্বর, বুধবার:</span></strong><span> দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে এফবিআই (FBI) স্ট্যান্ডার্ডের ডিএনএ ল্যাব চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। এসব ল্যাবে হত্যা, ধর্ষণ ও অজ্ঞাত মরদেহ শনাক্তকরণের মতো জটিল মামলার আলামত দ্রুত ও নির্ভুলভাবে পরীক্ষা করা সম্ভব হবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে ‘বিশ্ব সিস্টিক ফাইব্রোসিস দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা)।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে এফবিআই (FBI) স্ট্যান্ডার্ডের ডিএনএ ল্যাব চালু করা হবে। এর মাধ্যমে আঞ্চলিক পর্যায়েই হত্যা, ধর্ষণ কিংবা অজ্ঞাত মরদেহ শনাক্তকরণের মতো জটিল মামলার নির্ভুল আলামত পরীক্ষা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তিনি বলেন, যে কোনো অসুস্থ মানুষকে সেবা প্রদান করা সরকারের মৌলিক দায়িত্ব। অর্থের অভাবে কারও শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবা বন্ধ হয়ে যাবে, বর্তমান সরকার তা বিশ্বাস করে না। সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে, যেখানে সমাজের প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>মন্ত্রী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরে এই শিশু হাসপাতালের যাত্রা শুরু হয়েছিল, যা পর্যায়ক্রমে সেবার পরিধি বাড়িয়ে আজ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ শিশু হাসপাতালের রূপ পরিগ্রহ করেছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>শিশু হাসপাতালে বিরল এই রোগের আধুনিক ‘স্টেম সেল থেরাপি’ কার্যক্রম চালু করায় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মের পর স্বাস্থ্য খাতে এবারই সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনে বিএনপি কোনো গতানুগতিক ইশতেহার দেয়নি; বরং দীর্ঘ গবেষণা ও সময়ের সমন্বয় ঘটিয়ে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিটি দফা প্রণয়ন করা হয়েছে।</span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6aa10f049132e.jpg" alt=""></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বাস্থ্য খাতে বর্তমান সরকারের বাজেট বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে গবেষণার ওপর অধিকতর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তিনি গবেষণা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনে এই ইনস্টিটিউট আরও ভূমিকা রাখবে বলে আশাপ্রকাশ করেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিশেষজ্ঞরা জানান, বিশ্বের ৯৬টি দেশে বর্তমানে আনুমানিক দুই লাখ মানুষ প্রাণঘাতী ‘সিস্টিক ফাইব্রোসিস’ (সিএফ) রোগে আক্রান্ত হলেও তাদের মাত্র ৫৯ শতাংশের রোগ নির্ণয় সম্ভব হয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>উদ্বেগের বিষয় হলো, জীবন রক্ষাকারী আধুনিক ‘ইটিআই’ (ETI) চিকিৎসার সুযোগ পাচ্ছেন মোট রোগীর মাত্র ২৭ শতাংশ। রোগ শনাক্ত না হওয়া ব্যক্তিদের বড় একটি অংশই বসবাস করছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>রোগ নির্ণয়ের অপ্রতুলতা এবং ব্যয়বহুল চিকিৎসার সুযোগ সীমিত থাকায় এসব অঞ্চলের আক্রান্ত ব্যক্তিরা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে রয়েছেন বলে বিশেষজ্ঞরা জানান।</span></p>
<p>এ ছাড়া বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, গবেষক, কর্মকর্তা এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ আরএইচআর/এসএমই/এফওইএইচ/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চিকিৎসায় বিশ্বমানের প্রযুক্তি ব্যবহারের তাগিদ</title>
<link>https://digibanglatech.news/189192</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189192</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,0,0&quot;&gt;আন্তর্জাতিক মানের বিশ্বমানের ফিজিওথেরাপিস্ট গড়ার আহ্বান মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেনের&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,1,0&quot;&gt;সার্বিক চিকিৎসাসেবায় সমন্বিত ভূমিকা ও আধুনিক প্রযুক্তি অভিযোজনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,2,0&quot;&gt;সকল হাসপাতালে ফিজিওথেরাপি বিভাগ চালু ও দ্রুত নিয়োগ নিশ্চিতের দাবি উত্থাপন&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa021c066d0b.jpg" length="109591" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 08 Sep 2026 16:55:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ফিজিওথেরাপি দিবস ২০২৬, প্যাব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, ফিজিওথেরাপিস্ট, স্বাস্থ্যসেবা, স্ট্রোক প্রতিরোধ, জাতীয় প্রেস ক্লাব, ঢাকা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="6">দেশের সাধারণ মানুষকে উন্নত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ফিজিওথেরাপিস্ট গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। ৮ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে ফিজিওথেরাপিস্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (প্যাব) আয়োজিত ‘বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।</p>
<p data-path-to-node="7">প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বিক চিকিৎসা ব্যবস্থাকে বিশ্বমানে উন্নীত করতে হলে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে তা দক্ষতার সঙ্গে রপ্ত করতে হবে। স্বাস্থ্যসেবা কেবল চিকিৎসককেন্দ্রিক নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, “নার্স, ফিজিওথেরাপিস্ট, ফার্মাসিস্ট, টেকনোলজিস্ট ও রোগীর পরিবারের সমন্বিত প্রচেষ্টাই চিকিৎসার মূল ভিত্তি। প্রতিটি বিভাগ একে অপরের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ না করলে রোগীদের প্রকৃত ও কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রদান করা সম্ভব নয়।”</p>
<p data-path-to-node="7">এ সময় তিনি সমন্বিত প্রশাসনিক উদ্যোগ ও গণমাধ্যমের সচেতনতামূলক ভূমিকার তাগিদ দেন।</p>
<p data-path-to-node="8">অনুষ্ঠানে বক্তারা বৈশ্বিক স্বাস্থ্যঝুঁকির তথ্য তুলে ধরে জানান, বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ, যার মাধ্যমে প্রতি বছর প্রায় ২ কোটি ৫ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এসব মৃত্যুর ৮৫ শতাংশই হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকে এবং ৭৫ শতাংশ নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে হয়। সঠিক সচেতনতা ও সমন্বিত চিকিৎসা পেলে প্রায় সব ধরণের স্ট্রোক প্রতিরোধ করা সম্ভব বলে তারা মত প্রকাশ করেন।</p>
<p data-path-to-node="9">প্যাব-এর সভাপতি কামরুজ্জামান কল্লোলের সভাপতিত্বে সভায় পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দেশের প্রতিটি সরকারি হাসপাতালে দ্রুত ফিজিওথেরাপি বিভাগ চালু ও পদে কর্মী নিয়োগের দাবি জানানো হয়। অনুষ্ঠানে বিএনপির পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক সহ-সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল কবির লাবু, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. নুরুজ্জামান খান এবং সোসাইটি অব নিউরোলজিস্ট বাংলাদেশের সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. নাজমুল হুদা বিপ্লব বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/আরএইচপিও/এসএমই/এফওই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চলতি বছরের শেষে দেশেই হবে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট</title>
<link>https://digibanglatech.news/189001</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189001</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;8,0,0&quot;&gt;চলতি বছরের শেষ বা আগামী বছরের শুরুতে টেকসই লিভার ট্রান্সপ্লান্ট চালু&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;8,1,0&quot;&gt;ন্যাশনাল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে ৩৯ কোটি টাকার আধুনিক সরঞ্জাম সংযোজন&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;8,2,0&quot;&gt;দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসার অনুদান ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a9e022e08352.jpg" length="78803" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 22:20:19 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, অনলাইন, লিভার ট্রান্সপ্লান্ট, গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল, চিকিৎসা প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য খাত, এমপি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="12">বাংলাদেশে লিভার প্রতিস্থাপনের নতুন অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে। চলতি বছরের শেষ নাগাদ অথবা আগামী বছরের শুরুতেই দেশে টেকসইভাবে লিভার ট্রান্সপ্লান্টের উন্নত প্রযুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।</p>
<p data-path-to-node="13">৬ সেপ্টেম্বর, রবিবার জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরার কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ বিধির আওতায় উত্থাপিত জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন নোটিশের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান। প্রতিমন্ত্রী জানান, ন্যাশনাল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে স্থায়ী ও টেকসই লিভার ট্রান্সপ্লান্ট প্রযুক্তি চালুর লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ৩৯ কোটি টাকার প্রয়োজনীয় আধুনিক সরঞ্জাম ক্রয় সম্পন্ন হয়েছে। ইতোমধ্যে পাঁচ ধরনের বায়োমেডিকেল প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি হাসপাতালে এসে পৌঁছেছে এবং আরও ১০ ধরনের প্রযুক্তি চলতি সেপ্টেম্বরের মধ্যেই এসে পৌঁছাবে। এসব প্রযুক্তি স্থাপন এবং সংশ্লিষ্ট টিমকে প্রস্তুত করতে আরও প্রায় দুই মাস সময় লাগবে।</p>
<p data-path-to-node="15">নোটিশের জবাবে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, লিভার ও কিডনিসহ জটিল রোগের আধুনিক চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হওয়ায় অনেক পরিবার বিপর্যয়কর স্বাস্থ্য ব্যয়ের মুখে পড়ে। সরকার চিকিৎসায় মানুষের নিজস্ব পকেট থেকে ব্যয় বা ‘আউট অব পকেট এক্সপেন্ডিচার’ কমিয়ে আনতে কাজ করছে। একই সঙ্গে দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসার জন্য অনুদান ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করা হয়েছে। কৌশলগত ক্রয় বা ‘স্ট্র্যাটেজিক পারচেজিং’ এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলের মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়াই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।<br>/<strong>/ডিবিটেক/টিডিসিও/এমএসআই/সিএমএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্বাস্থ্যপ্রযুক্তিতে পরিবেশ বান্ধব ‘ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ পেল ল্যাবএইড</title>
<link>https://digibanglatech.news/188928</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188928</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;8,0,0&quot;&gt;টেকসই পরিবেশ ও সুশাসনের স্বীকৃতি হিসেবে ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড লাভ করল ল্যাবএইড&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;8,1,0&quot;&gt;দেশের প্রথম লিড গোল্ড ও জেসিআই সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানটি পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিতে অনন্য&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;8,2,0&quot;&gt;গ্লোবাল ব্র্যান্ডস, গোল্ডেন ব্রিজ, সিইও ইনসাইটস ও ফোর্বসের মতো বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে পুরস্কৃত&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a9d294aee000.jpg" length="78503" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 10:51:10 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, অনলাইন, হেলথটেক, ল্যাবএইড, লিড গোল্ড, ইএসজি অ্যাওয়ার্ড, পরিবেশবান্ধব হাসপাতাল</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="12">পরিবেশবান্ধব চিকিৎসাসেবা, টেকসই উন্নয়ন এবং স্বচ্ছ সুশাসনের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণের স্বীকৃতি হিসেবে সম্মানজনক ‘ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টার।</p>
<p data-path-to-node="13">জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থা ‘গ্লোবাল কমপ্যাক্ট নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ’ এবং ‘ইএসজি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ’-এর যৌথ আয়োজনে ৫ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার ইউএন গ্লোবাল কম্প্যাক্ট অনুষ্ঠানে ল্যাবএইড গ্রুপের পক্ষে এই পুরস্কার গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাকিফ শামীম। তার হাতে সম্মাননা পদক তুলে দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস (Nicolas Weeks)। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। হাসপাতালটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, শক্তি সাশ্রয়ী প্রকৌশল নকশা এবং আন্তর্জাতিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা মানদণ্ড মেনে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা রাখছে।</p>
<p data-path-to-node="14">ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল গ্রিন এনভায়রনমেন্টাল প্রযুক্তি বাস্তবায়নের ফলে দেশের প্রথম হাসপাতাল হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ ‘লিড গোল্ড (LEED Gold)’ সার্টিফিকেশন অর্জন করেছে। একই সঙ্গে রোগীর নিরাপত্তা ও উন্নত প্রযুক্তির বৈশ্বিক মান নিশ্চিত করে এটি আন্তর্জাতিক ‘জেসিআই (JCI)’ অ্যাক্রেডিটেশন অর্জন করেছে।</p>
<p data-path-to-node="16">বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাকিফ শামীম এবং হাসপাতালটি এর আগেও অসংখ্য আন্তর্জাতিক সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। এটি ২০২২ সালে গ্লোবাল ব্র্যান্ডস ম্যাগাজিন থেকে ‘বেস্ট ক্যান্সার অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি হসপিটাল’ এবং ‘মোস্ট অ্যাডভান্সড হসপিটাল ফর ক্যান্সার ট্রিটমেন্ট’ পুরস্কারের পাশাপাশি সাকিফ শামীমের ‘মোস্ট প্রমিজিং লিডার’ খেতাব অর্জন নিশ্চিত করে। এছাড়াও ২০২২ সালে হেলথকেয়ার সার্ভিসে উদ্ভাবনের জন্য গোল্ডেন ব্রিজ অ্যাওয়ার্ড, সিইও ইনসাইটস থেকে শীর্ষ ১০ পথপ্রদর্শক ব্যবসায়িক নেতার স্বীকৃতি এবং এশিয়ার প্রভাবশালী এশিয়াওয়ান গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে। ২০২৩ সালে আন্তর্জাতিক প্রভাবশালী ফোর্বস ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে স্থান পান সাকিফ শামীম। এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের স্মার্ট হেলথটেক খাতে টেকসই ও সবুজ প্রযুক্তির গুরুত্বকে বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এসএসপি/এমআইএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফার্মাসিউটিক্যাল গবেষণায় এনএসইউ&#45;বেক্সিমকো অংশীদারত্ব</title>
<link>https://digibanglatech.news/188955</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188955</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;ফার্মাসিউটিক্যাল গবেষণা ও উদ্ভাবনে সহযোগিতা বাড়াচ্ছে এনএসইউ-বেক্সিমকো&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;এমফার্ম শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও থিসিসে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে বেক্সিমকো&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;আধুনিক উৎপাদন, গবেষণা ও মান নিয়ন্ত্রণ সুবিধা পরিদর্শন এনএসইউ প্রতিনিধিদলের&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a9d574c4072a.jpg" length="72823" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 00:05:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ফার্মাসিউটিক্যাল গবেষণা, এনএসইউ, বেক্সিমকো ফার্মা, ওষুধশিল্প, এমফার্ম থিসিস, গবেষণা ও উদ্ভাবন, শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতা, দক্ষ জনবল, প্রযুক্তি ও উৎপাদন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<h2><span></span></h2>
<p class="isSelectedEnd"><span>ফার্মাসিউটিক্যাল খাতে গবেষণা, উদ্ভাবন ও শিল্পভিত্তিক দক্ষ জনবল তৈরিতে সহযোগিতা আরও বাড়াচ্ছে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (এনএসইউ) ফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্সেস বিভাগ ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি। বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে গবেষণাভিত্তিক অংশীদারত্বের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাস্তব শিল্পপরিবেশে কাজের সুযোগ তৈরির পাশাপাশি ওষুধশিল্পের প্রয়োজনের সঙ্গে একাডেমিক গবেষণাকে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>গত বছর এ বিষয়ে দুই প্রতিষ্ঠান একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করে। এর আওতায় এনএসইউর নির্বাচিত এমফার্ম শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও থিসিস সম্পন্ন করতে আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি বেক্সিমকো ফার্মার আধুনিক গবেষণাসুবিধা ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। শিল্প খাতের প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষার্থীরা এসব গবেষণা পরিচালনা করছেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>টঙ্গীতে বেক্সিমকো ফার্মার কারখানায় দুই শিক্ষার্থীর এমফার্ম থিসিস প্রকল্প বৃহস্পতিবার  আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়া হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী এবং বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) রাব্বুর রেজা।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে গবেষণা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা আরও জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। সংশ্লিষ্টরা বলেন, শিক্ষার্থীদের গবেষণার সুযোগ এবং বাস্তব শিল্পপরিবেশে কাজের অভিজ্ঞতা দেওয়ার মাধ্যমে ভবিষ্যতের দক্ষ জনবল তৈরিতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।</span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6a9d574b4b1d5.jpg" alt=""></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>এ সময় অধ্যাপক আবদুল হান্নানের নেতৃত্বে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বেক্সিমকো ফার্মার টঙ্গী কারখানা পরিদর্শন করে। প্রতিনিধিদলটি কারখানার আধুনিক উৎপাদনব্যবস্থা, মান নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া এবং বিভিন্ন উৎপাদনসুবিধা ঘুরে দেখে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>বেক্সিমকো ফার্মার গবেষণাসুবিধা ব্যবহারের সুযোগ এনএসইউর শিক্ষার্থীদের একদিকে বাস্তব শিল্পপ্রক্রিয়া ও আধুনিক উৎপাদনব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা দিচ্ছে, অন্যদিকে তাদের গবেষণার ফলাফলকে দেশের ওষুধশিল্পের প্রয়োজনের সঙ্গে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি করছে।</span></p>
<p>দুই প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, দেশের ওষুধশিল্পের জন্য দক্ষ জনবল তৈরির পাশাপাশি গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে। বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের পক্ষ থেকে বলা হয়, তরুণ গবেষকদের সুযোগ তৈরি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে শিল্প খাতের সম্পর্ক আরও জোরদারের মাধ্যমে বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল খাতের অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখতে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করছে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ আইএইচএম/এমএসআই/এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিরল রোগে শাবানা, জরুরি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন</title>
<link>https://digibanglatech.news/188887</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188887</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;মুখের রক্তনালীর বিরল টিউমারে আক্রান্ত ১২ বছরের শাবানা&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;প্রায় ৮ সেন্টিমিটার টিউমারে জরুরি অস্ত্রোপচারের পরামর্শ চিকিৎসকদের&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;পরিবারের মাসিক আয় ৬ হাজার, চিকিৎসায় প্রয়োজন প্রায় ১ লাখ ৩২ হাজার টাকা&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a9c48b663e62.jpg" length="75395" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 05 Sep 2026 15:52:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>শাবানা, রক্তনালীর টিউমার, হেমাঙ্গিওমা, ভাস্কুলার ম্যালফরমেশন, ম্যাক্সিলোফেসিয়াল লেশন, চিকিৎসা সহায়তা, বিএমইউ, অস্ত্রোপচার, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>১২ বছরের ছোট্ট শাবানার এখন স্কুলে যাওয়ার বয়স। সহপাঠীদের সঙ্গে দুরন্ত শৈশবে মেতে থাকার কথা তার। কিন্তু বিরল ও জটিল এক রোগে আক্রান্ত হয়ে বিছানায় শুয়ে চিকিৎসার অপেক্ষায় রয়েছে সে। মুখের ডানপাশে জন্মগতভাবে তৈরি হওয়া রক্তনালীর একটি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি সময়ের সঙ্গে বড় হয়ে এখন তার জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করেছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় রোগটির নাম </span><strong><span>‘ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সফট টিস্যু লেশন/হেমাঙ্গিওমা’—রক্তনালীর ভাস্কুলার ম্যালফরমেশন বা টিউমার</span></strong><span>। চিকিৎসকদের রিপোর্ট অনুযায়ী, জন্মের পর থেকেই শাবানার ডান গালের ভেতরে নীলাভ রঙের একটি ছোট পিণ্ড বা অস্বাভাবিকতা ছিল। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেটি অস্বাভাবিকভাবে বিস্তৃত হয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>সম্প্রতি বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগে করা সিটি অ্যানজিওগ্রাম পরীক্ষায় দেখা গেছে, টিউমারটি প্রায় </span><strong><span>৭ দশমিক ০ সেমি × ৮ দশমিক ১৩ সেমি × ৩ দশমিক ৩০ সেমি</span></strong><span> আয়তনের বড় পিণ্ডে পরিণত হয়েছে। এটি ডান গাল ও মাড়ির </span><strong><span>জিঞ্জিভোবাক্কাল মিউকোসা</span></strong><span> থেকে ডান ঠোঁট এবং মাথার খুলির গভীর অংশ </span><strong><span>ইনফ্রাটেম্পোরাল ফোসা</span></strong><span> পর্যন্ত বিস্তৃত।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>পরীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, মুখের প্রধান রক্তনালী </span><strong><span>ফেসিয়াল আর্টারি</span></strong><span> টিউমারের ভেতরে প্রবেশ করেছে এবং সেখান থেকে টিউমারটি রক্ত সরবরাহ পাচ্ছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি বিভাগের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত পর্যবেক্ষণে মুখের বিকৃতি রোধ এবং সম্ভাব্য বড় ধরনের রক্তক্ষরণের ঝুঁকি এড়াতে জরুরি ভিত্তিতে জটিল অস্ত্রোপচারের প্রয়োজনের কথা বলা হয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যালয়ের রোগীকল্যাণ সমিতির হিসাব অনুযায়ী, অপারেশন চার্জ ও আনুষঙ্গিক ওষুধ-পথ্য বাবদ প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় </span><strong><span>১ লাখ ৩২ হাজার টাকা</span></strong><span>। পরবর্তী ফলোআপ ও পুনর্বাসনসহ চিকিৎসার মোট ব্যয় আরও বাড়তে পারে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>কিন্তু এই ব্যয় বহনের সামর্থ্য নেই শাবানার পরিবারের।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>শাবানার বাবা শাহেদ মল্লিক পেশায় অটোরিকশাচালক ছিলেন। সম্প্রতি ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে তিনি পক্ষাঘাতগ্রস্ত অবস্থায় শয্যাশায়ী। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষটি কর্মক্ষমতা হারানোর পর পরিবারটি চরম আর্থিক সংকটে পড়ে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>বর্তমানে শাবানার মা নাজমা আক্তার বাসাবাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করে কোনোমতে সংসার চালাচ্ছেন। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের পারগেণ্ডারিয়া এলাকায় চার সদস্যের পরিবারটির মাসিক আয় মাত্র </span><strong><span>৬ হাজার টাকা</span></strong><span>। এই সামান্য আয়ে পক্ষাঘাতগ্রস্ত স্বামীর ওষুধের খরচ এবং পরিবারের খাবার জোগাড় করাই কঠিন। এর মধ্যে মেয়ের ব্যয়বহুল অস্ত্রোপচারের খরচ বহন করা পরিবারের পক্ষে প্রায় অসম্ভব।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অসহায় মা নাজমা আক্তার কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, “মেয়েটার মুখের ফোলা বাড়ছে, ডাক্তাররা দ্রুত অপারেশনের কথা বলছেন। কিন্তু আমরা তো ওষুধ কেনার টাকাই জোগাড় করতে পারি না। সমাজের হৃদয়বান মানুষেরা একটু দয়া না করলে আমার মেয়েটাকে হয়তো আর বাঁচানো যাবে না।”</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>শাবানার পরিবার জানিয়েছে, তাদের কোনো ব্যাংক বা বিকাশ অ্যাকাউন্ট নেই। মেয়ের চিকিৎসায় সহায়তা করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা পরিবারের নিজস্ব নগদ নম্বরে অর্থ পাঠাতে পারবেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><strong><span>সহায়তা পাঠানোর ঠিকানা</span></strong></p>
<ul data-spread="false">
<li><strong><span>ব্যক্তিগত নগদ (Nagad) নম্বর:</span></strong><span> </span><code dir="ltr"><span>01984-297040</span></code></li>
<li><strong><span>রোগীর বর্তমান ঠিকানা:</span></strong><span> পারগেণ্ডারিয়া (কেরানীগঞ্জ পার্ক সংলগ্ন), দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, ঢাকা।</span></li>
</ul>
<p class="isSelectedEnd"><span>শাবানার জরুরি চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সমাজের সামর্থ্যবান ও হৃদয়বান মানুষের সহযোগিতা চেয়েছে তার পরিবার। সামান্য আর্থিক সহায়তাও এই শিশুটির চিকিৎসা শুরু এবং স্বাভাবিক জীবনে ফেরার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।</span></p>
<p><span>/<strong>/ডিবিটেক/ নাফিসা আঞ্জিুম/এসএমই/এমআইএস/</strong>/</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পিএমওএস চিকিৎসায় সমন্বিত পদ্ধতির কর্মশালা</title>
<link>https://digibanglatech.news/188810</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188810</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul data-start=&quot;318&quot; data-end=&quot;493&quot;&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;go2eve&quot; data-start=&quot;318&quot; data-end=&quot;372&quot;&gt;পিএমওএসের হরমোন, বিপাক ও প্রজননগত দিক নিয়ে আলোচনা&lt;span aria-hidden=&quot;true&quot; class=&quot;PDq2pG_selectionAnchor&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;1d4gmkd&quot; data-start=&quot;373&quot; data-end=&quot;434&quot;&gt;রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় আধুনিক পদ্ধতি উপস্থাপন&lt;/li&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;1xukreh&quot; data-start=&quot;435&quot; data-end=&quot;493&quot;&gt;অংশ নেন দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a9bb8553c388.jpg" length="118099" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 04 Sep 2026 20:36:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>পিএমওএস, পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম, এন্ডোক্রাইন, হরমোন, বিপাক, প্রজনন স্বাস্থ্য, চিকিৎসা কর্মশালা, বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটি, চিকিৎসা বিজ্ঞান</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="808" data-end="1119" class="PDq2pG_selectionAnchorContainer">পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (পিএমওএস) একটি জটিল হরমোন, বিপাক ও প্রজননজনিত সমস্যা। এ রোগের চিকিৎসায় সমন্বিত ও আধুনিক পদ্ধতি নিয়ে রাজধানী ঢাকায় দিনব্যাপী বৈজ্ঞানিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটির (বিইএস) পিএমওএস টাস্কফোর্সের উদ্যোগে বিশ্ব পিএমওএস সচেতনতা মাস উপলক্ষে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।<span aria-hidden="true" class="PDq2pG_selectionAnchor"></span></p>
<p data-start="1121" data-end="1440">রাজধানীর হোটেল হলিডে ইন-এ ‘পিএমওএস: এ কমপ্রিহেনসিভ অ্যাপ্রোচ টু এ কমপ্লেক্স এন্ডোক্রাইন, মেটাবলিক অ্যান্ড রিপ্রোডাক্টিভ ডিসঅর্ডার’ শীর্ষক কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট, গাইনি ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ, প্রজনন বিশেষজ্ঞসহ বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসকরা অংশ নেন।</p>
<p data-start="1442" data-end="1570">কর্মশালার উদ্বোধনী পর্বে স্বাগত বক্তব্য দেন বিআরডিএম ও প্রধান পৃষ্ঠপোষক, বিইএসের পরিচালক (একাডেমিক) অধ্যাপক ডা. মো. ফারুক পাঠান।</p>
<p data-start="1572" data-end="1784">দিনব্যাপী কর্মশালায় মোট পাঁচটি বিশেষ বৈজ্ঞানিক সেশনে বিভিন্ন বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন এবং বিশেষজ্ঞদের নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এসব সেশনে পিএমওএসের বিভিন্ন দিক, রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।</p>
<p data-start="1786" data-end="2224">কর্মশালায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিইএসের সভাপতি ও বারডেমের সহযোগী অধ্যাপক এবং বিভাগীয় প্রধান ডা. ফারিয়া আখতার, বিএমইউর সহকারী অধ্যাপক ও বিইএসের পিএমওএস টাস্কফোর্সের কো-অর্ডিনেটর ডা. মারুফা মোস্তারী, ঢাকা মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ও বিইএসের কোষাধ্যক্ষ ডা. মর্জিনা শরিফুজ্জামান, বিএমইউর সহযোগী অধ্যাপক ও বিইএসের সভাপতি-মনোনীত ডা. শাহজাদা সেলিম এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ও বিইএসের সাধারণ সম্পাদক ডা. এম জাইউদ্দীন।</p>
<p data-start="2226" data-end="2561">এ ছাড়া আলোচনায় অংশ নেন দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের একাধিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। তাঁদের মধ্যে ছিলেন অধ্যাপক মো. ফিরোজ আমীন, অধ্যাপক সুলতানা মারুফা শাকিন, অধ্যাপক মো. আজিজুল হক, ডা. এস এম মহিউদ্দিন, ডা. নাজমুল কবীর কুরেশী, ডা. আহমেদ সালাম মীর, অধ্যাপক রেজাউল করিম কাজাল, ডা. ফৌজিয়া আনোয়ার, অধ্যাপক মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান এবং ডা. নাজমা আক্তার।</p>
<p data-start="2226" data-end="2561">৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলা কর্মশালায় বিভিন্ন কেস প্রেজেন্টেশন, ইন্টারঅ্যাকটিভ কুইজ এবং সনদপত্র বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডা. আরজুমুন নেছা ও ডা. আহমেদ ইকবাল বিন রওনক। সমাপনী বক্তব্য দেন অধ্যাপক মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান।<br>/<strong>/ডিবিটেক/বিএনও/এসএমই/এমআইএস/</strong>/</p>
<p data-start="2819" data-end="2865"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইইউবিএটি ও ইউনিকো হসপিটালসের মধ্যে ৩ চুক্তি স্বাক্ষর</title>
<link>https://digibanglatech.news/188510</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188510</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,0,0&quot;&gt;নার্সিং শিক্ষার্থীদের ক্লিনিক্যাল প্লেসমেন্ট, ইন্টার্নশিপ ও বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের স্বাস্থ্যসেবায় ৩টি চুক্তি সই&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,1,0&quot;&gt;৪ বছর মেয়াদি ব্যাচেলর ইন নার্সিং শিক্ষার্থীদের ইউনিকো হসপিটালে বাস্তবসম্মত ক্লিনিক্যাল রোটেশন ও ৬ মাসের ইন্টার্নশিপ&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,2,0&quot;&gt;আইইউবিএটির শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও পরিবারের জন্য বিশেষ কর্পোরেট স্বাস্থ্যসেবা &lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a970330196b7.jpg" length="380807" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 01 Sep 2026 00:54:40 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>আইইউবিএটি, কলেজ অব নার্সিং, ইউনিকো হসপিটালস পিএলসি, ক্লিনিক্যাল প্লেসমেন্ট, নার্সিং ইন্টার্নশিপ, স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি, বাংলাদেশ নার্সিং কাউন্সিল, কর্পোরেট হেলথকেয়ার, ড. আবদুর রব</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7">নার্সিং শিক্ষার্থীদের উচ্চতর ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণ, গ্র্যাজুয়েটদের কাঠামোবদ্ধ ইন্টার্নশিপ এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের জন্য বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা নিশ্চিত করতে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি)-এর কলেজ অব নার্সিং এবং ঢাকার ইউনিকো হসপিটালস পিএলসির মধ্যে তিনটি কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ৩১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে এক অনুষ্ঠানে এসব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।</p>
<p data-path-to-node="8">চুক্তিগুলোতে আইইউবিএটির পক্ষে উপাচার্য প্রফেসর ড. আবদুর রব এবং ইউনিকো হসপিটালস পিএলসির পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আদ্রা কুরিয়েন স্বাক্ষর করেন। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন নীতিনির্ধারক ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p data-path-to-node="9">প্রথম সমঝোতা স্মারকের আওতায় আইইউবিএটির চার বছর মেয়াদি ব্যাচেলর ইন নার্সিং প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের মানদণ্ড অনুযায়ী ইউনিকো হসপিটালে ক্লিনিক্যাল রোটেশনে অংশ নেবেন। এর মাধ্যমে তারা মেডিসিন, সার্জারি, পেডিয়াট্রিকস, অবস্টেট্রিকস অ্যান্ড গাইনোকোলজি ও কমিউনিটি হেলথ বিভাগে রোগীর সেবা ও ওয়ার্ড ব্যবস্থাপনার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন।</p>
<p data-path-to-node="10">দ্বিতীয় সমঝোতা স্মারকের অধীনে নার্সিং প্রোগ্রামের গ্র্যাজুয়েটরা ইউনিকো হসপিটালে ছয় মাস মেয়াদি পেশাগত ও ক্লিনিক্যাল ইন্টার্নশিপের সুযোগ পাবেন এবং সফলভাবে সম্পন্ন করার পর আনুষ্ঠানিক সনদপত্র লাভ করবেন। তৃতীয় সেবা চুক্তির (সার্ভিস অ্যাগ্রিমেন্ট) মাধ্যমে আইইউবিএটির শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অ্যালামনাই, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের পরিবারের যোগ্য সদস্যরা ইউনিকো হসপিটালে বিশেষ কর্পোরেট ডিসকাউন্টে চিকিৎসকের পরামর্শ, জরুরি সেবা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।</p>
<p data-path-to-node="12">আইইউবিএটির উপাচার্য প্রফেসর ড. আবদুর রব এবং ইউনিকো হসপিটালসের সিইও আদ্রা কুরিয়েন এই সহযোগিতাকে একাডেমিক ও স্বাস্থ্যসেবা শিল্পের বাস্তব সংযোগ হিসেবে অভিহিত করেন, যা দক্ষ ও মানবিক নার্সিং পেশাজীবী তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ এসএমই/এমএসআই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশে প্রথম রোবোটিক সার্জারির মাইলফলক</title>
<link>https://digibanglatech.news/188416</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188416</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul data-start=&quot;705&quot; data-end=&quot;878&quot;&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;1npsal&quot; data-start=&quot;705&quot; data-end=&quot;758&quot;&gt;ইউনাইটেড হেলথকেয়ারে প্রথম নিয়মিত রোবোটিক সার্জারি&lt;span aria-hidden=&quot;true&quot; class=&quot;PDq2pG_selectionAnchor&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;1sl2z47&quot; data-start=&quot;759&quot; data-end=&quot;810&quot;&gt;টুমাই রোবটের থ্রিডি ভিশন ও ৩৬০ ডিগ্রি নিয়ন্ত্রণ&lt;/li&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;635awq&quot; data-start=&quot;811&quot; data-end=&quot;878&quot;&gt;কার্ডিয়াক, নিউরো, ইউরোলজি ও গাইনোকোলজিতে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a95e08ebd4fb.jpg" length="92981" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 31 Aug 2026 19:25:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>রোবোটিক সার্জারি, ইউনাইটেড হেলথকেয়ার, মেডবট টুমাই, বাংলাদেশে রোবোটিক সার্জারি, স্বাস্থ্য প্রযুক্তি, এআই চিকিৎসা, আধুনিক চিকিৎসা, ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি, হেলথটেক</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের চিকিৎসা খাতে রোবোটিক সার্জারির আনুষ্ঠানিক যাত্রায় নতুন মাইলফলক তৈরি হয়েছে। রাজধানীর মাদানী অ্যাভিনিউয়ের ইউনাইটেড সিটিতে অবস্থিত ইউনাইটেড হেলথকেয়ারে প্রথমবারের মতো রোবোটিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সফলভাবে দুটি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, এটি বাংলাদেশে প্রথম রোবোটিক সার্জারি কার্যক্রম। ৩১ আগস্ট সম্পন্ন হওয়া এই দুই অস্ত্রোপচারে ব্যবহার করা হয়েছে অত্যাধুনিক মেডবট টুমাই এন্ডোস্কোপিক সার্জিক্যাল রোবট, যা উচ্চ-সংজ্ঞার ত্রিমাত্রিক দৃশ্যায়ন এবং রোবোটিক যন্ত্রের সূক্ষ্ম নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে চিকিৎসকদের জটিল অস্ত্রোপচারে বাড়তি নির্ভুলতা দেওয়ার সুযোগ তৈরি করে।</p>
<p>প্রথম অস্ত্রোপচারটি ছিল পিত্তথলির পাথর অপসারণের জন্য রোবোটিক কোলেসিস্টেকটমি। ইউনাইটেড হেলথকেয়ারের তথ্য অনুযায়ী, অধ্যাপক ডা. রফিকুস সালেহীন ৩৪ বছর বয়সী এক পুরুষ রোগীর এই অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেন। একই দিনে অধ্যাপক ডা. সামছাদ জাহান (শেলী) জরায়ু থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে আক্রান্ত ৪৫ বছর বয়সী এক নারীর রোবোটিক হিস্টেরেকটমি করেন। তবে প্রথম রোগীর বয়স নিয়ে প্রকাশিত সংবাদসূত্রে পার্থক্য রয়েছে; দ্য ডেইলি স্টার ৫৭ বছর বয়স উল্লেখ করেছে।</p>
<p><strong>কেন গুরুত্বপূর্ণ এই প্রযুক্তি</strong></p>
<p>রোবোটিক সার্জারি মূলত চিকিৎসকের বিকল্প নয়; বরং চিকিৎসকের হাতের সূক্ষ্মতা, দৃশ্যমানতা ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা বাড়ানোর একটি প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা। রোবোটিক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে চিকিৎসক কনসোল থেকে অস্ত্রোপচারের যন্ত্র নিয়ন্ত্রণ করেন। টুমাই ব্যবস্থায় উচ্চ-সংজ্ঞার ত্রিমাত্রিক ছবি এবং বহু-জয়েন্টযুক্ত রোবোটিক যন্ত্র ব্যবহারের ফলে শরীরের সংকীর্ণ ও জটিল অ্যানাটমিক্যাল স্থানে কাজ করার সক্ষমতা বাড়ে। সাম্প্রতিক একটি পদ্ধতিগত পর্যালোচনায় টুমাই ব্যবস্থার ত্রিমাত্রিক দৃশ্যায়ন, কবজির মতো নমনীয় যন্ত্র এবং একাধিক মাত্রায় যন্ত্র নড়াচড়ার সক্ষমতাকে এর গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।</p>
<p>ইউনাইটেড হেলথকেয়ারের চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, রোবোটিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ছোট কাটাছেঁড়া করে অস্ত্রোপচার, রক্তক্ষরণ কমানো, আশপাশের টিস্যুর ক্ষতি কমানো এবং অস্ত্রোপচারের পর রোগীর দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হয়। তবে এসব সুবিধা রোগী, অস্ত্রোপচারের ধরন, চিকিৎসকের দক্ষতা এবং সামগ্রিক চিকিৎসাব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে; রোবোটিক সার্জারি নিজে থেকেই সব ক্ষেত্রে দ্রুত বা কম জটিল পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করে না।</p>
<p><strong>৩৬০ ডিগ্রি নড়াচড়া থেকে ত্রিমাত্রিক দৃশ্যায়ন</strong></p>
<p>রোবোটিক সার্জারির অন্যতম বড় প্রযুক্তিগত সুবিধা হলো চিকিৎসকের নিয়ন্ত্রণাধীন ক্ষুদ্র যন্ত্রের বহু-দিকের নড়াচড়া। ইউনাইটেড হেলথকেয়ার জানিয়েছে, তাদের ব্যবহৃত রোবোটিক আর্ম সংকীর্ণ ও জটিল স্থানে কাজ করতে সক্ষম। অন্যদিকে টুমাই প্ল্যাটফর্ম নিয়ে প্রকাশিত বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনায় যন্ত্রগুলোর বহু-জয়েন্টযুক্ত নড়াচড়া এবং উচ্চ-সংজ্ঞার ত্রিমাত্রিক দৃশ্যায়নের সক্ষমতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।</p>
<p>ফলে প্রচলিত ল্যাপারোস্কোপিক অস্ত্রোপচারের তুলনায় কিছু জটিল প্রক্রিয়ায় চিকিৎসকের জন্য সূক্ষ্ম টিস্যু বিচ্ছিন্নকরণ ও পুনর্গঠনের কাজ আরও নিয়ন্ত্রিতভাবে করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে শরীরের এমন অংশে, যেখানে সীমিত জায়গার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালি বা অঙ্গের আশপাশে কাজ করতে হয়, সেখানে এই প্রযুক্তির সম্ভাবনা গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6a95e08dca87c.jpg" alt=""></p>
<p><strong>টুমাই রোবট: বাংলাদেশে নতুন, বিশ্বে দ্রুত সম্প্রসারিত</strong></p>
<p>বাংলাদেশে টুমাই রোবটের ব্যবহার নতুন হলেও প্রযুক্তিটি আন্তর্জাতিকভাবে দ্রুত বিস্তৃত হচ্ছে। মেডবটের তথ্য অনুযায়ী, টুমাই একটি বহু-আর্ম ল্যাপারোস্কোপিক সার্জিক্যাল রোবট এবং প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন দেশে এর ব্যবহার সম্প্রসারণ করছে। ২০২৬ সালে টুমাই ব্যবস্থাকে ব্যবহার করে আন্তঃদেশীয় টেলিসার্জারির ঘটনাও ঘোষণা করেছে মেডবট।</p>
<p>২০২৬ সালের জুলাইয়ে প্রকাশিত একটি পদ্ধতিগত পর্যালোচনায় মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত টুমাই-ভিত্তিক সাধারণ সার্জারির আটটি গবেষণা বিশ্লেষণ করা হয়। গবেষণাটিতে মোট ৪১৬ রোগীর তথ্য বিবেচনা করা হলেও লেখকেরা উল্লেখ করেছেন, প্রাথমিক গবেষণাগুলোর অধিকাংশই চীনে পরিচালিত এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রমাণ এখনো সীমিত। ফলে বাংলাদেশের মতো নতুন বাজারে প্রযুক্তিটি সম্প্রসারণের সঙ্গে প্রশিক্ষণ, রোগী নির্বাচন, নিরাপত্তা প্রোটোকল এবং দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল পর্যবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।</p>
<p><strong>শুধু যন্ত্র নয়, প্রয়োজন দক্ষ জনবল</strong></p>
<p>রোবোটিক সার্জারি চালুর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্তগুলোর একটি হলো প্রশিক্ষিত সার্জন, অ্যানেসথেশিয়া দল, নার্স, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ও প্রযুক্তিগত সহায়তাকর্মীর সমন্বিত সক্ষমতা। ইউনাইটেড হেলথকেয়ার জানিয়েছে, দুটি অস্ত্রোপচারই একটি বহুবিষয়ক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দলের সহযোগিতায় সম্পন্ন হয়েছে।</p>
<p>এ কারণে বাংলাদেশে রোবোটিক সার্জারির বিস্তারের ক্ষেত্রে শুধু রোবট আমদানি বা স্থাপন করাই যথেষ্ট হবে না। সার্জন প্রশিক্ষণ, সিমুলেশনভিত্তিক শিক্ষা, যন্ত্রের রক্ষণাবেক্ষণ, মাননিয়ন্ত্রণ, রোগী নিরাপত্তা এবং অস্ত্রোপচার-পরবর্তী ফলাফল পর্যবেক্ষণের একটি পূর্ণাঙ্গ কাঠামো প্রয়োজন হবে।</p>
<p><strong>চিকিৎসার পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা</strong></p>
<p>অধ্যাপক ডা. সামছাদ জাহান (শেলী) জানিয়েছেন, রোবোটিক সার্জারি কার্যক্রম ভবিষ্যতে কার্ডিয়াক সার্জারি, নিউরোসার্জারি, ইউরোলজি, জেনারেল সার্জারি, গাইনোকোলজি ও থোরাসিক সার্জারিতে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। হাসপাতালটির বর্তমান সেবাতালিকাতেও সাধারণ সার্জারি, গাইনোকোলজি, কার্ডিয়াক সার্জারিসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত চিকিৎসা বিভাগ রয়েছে।</p>
<p>এই সম্প্রসারণের লক্ষ্য শুধু প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানো নয়; উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়া রোগীর সংখ্যা কমানো এবং দেশের ভেতরেই জটিল চিকিৎসা সেবা দেওয়ার সক্ষমতা তৈরি করাও এর অন্যতম উদ্দেশ্য।</p>
<p><strong>স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির নতুন প্রতিযোগিতা</strong></p>
<p>ইউনাইটেড হেলথকেয়ারের এই উদ্যোগ বাংলাদেশের বেসরকারি স্বাস্থ্য খাতে উন্নত সার্জিক্যাল প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের নতুন প্রতিযোগিতার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামোয় উন্নত ডায়াগনস্টিক ও সার্জিক্যাল প্রযুক্তির পাশাপাশি রোবোটিক সার্জারি প্ল্যাটফর্ম যুক্ত হয়েছে।</p>
<p>এর ফলে দেশের রোগীদের জন্য উন্নত চিকিৎসার বিকল্প বাড়তে পারে। একই সঙ্গে চিকিৎসা খাতে প্রযুক্তিনির্ভর বিনিয়োগ, বিশেষায়িত চিকিৎসক তৈরি এবং মেডিকেল প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনায় দক্ষ জনবল গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তাও বাড়বে।</p>
<p><strong>বিদেশমুখী চিকিৎসা কমানোর সম্ভাবনা</strong></p>
<p>বাংলাদেশে রোবোটিক সার্জারির বিস্তার হলে বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগীদের একটি অংশ দেশে চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ পেতে পারেন। তবে এই সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ দিতে হলে প্রযুক্তির প্রাপ্যতার পাশাপাশি চিকিৎসার ব্যয়, বীমা কাভারেজ, প্রশিক্ষিত চিকিৎসক, রোগীর নিরাপত্তা এবং দীর্ঘমেয়াদি ক্লিনিক্যাল ফলাফল নিশ্চিত করতে হবে।</p>
<p>রোবোটিক সার্জারি তাই শুধু একটি নতুন যন্ত্রের সংযোজন নয়; এটি বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার প্রযুক্তিগত রূপান্তরের একটি সম্ভাব্য ধাপ। ইউনাইটেড হেলথকেয়ারে প্রথম দুটি অস্ত্রোপচার সেই যাত্রার সূচনা করেছে। এখন মূল চ্যালেঞ্জ হবে এই প্রযুক্তিকে নিরাপদ, দক্ষ, সাশ্রয়ী এবং টেকসইভাবে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ ডিএমও/এনএপি/এমআইএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এক দশক পর বাজারে পেবল: কেমন হলো &amp;apos;টাইম ২&amp;apos; স্মার্টওয়াচ?</title>
<link>https://digibanglatech.news/187985</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187985</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a8fdd6a1aaad.jpg" length="259207" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 29 Aug 2026 16:58:20 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">প্রযুক্তি বিশ্বের বাজার যখন অ্যাপল, স্যামসাং কিংবা গুগলের তৈরি জটিল ও বহুমুখী স্মার্টওয়াচে সয়লাব, ঠিক তখনই প্রায় এক দশকের বিরতি শেষে বাজারে ফিরল পেবল। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা এরিক মিগিকোভস্কি এবার নিয়ে এসেছেন ‘পেবল টাইম ২’, যা মূলত কবজিতে আস্ত একটি কম্পিউটার বসানোর পরিবর্তে স্মার্টফোনের একটি সহজ ও কার্যকর সহযোগী ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম এনগ্যাজেটের পর্যালোচনায় ১০-এর মধ্যে ৮.৯ নম্বর পাওয়া এই স্মার্টওয়াচটি অপ্রয়োজনীয় ফিচারের জটলা এড়িয়ে কেবল নোটিফিকেশন পড়া, গান নিয়ন্ত্রণ এবং আবহাওয়া দেখার মতো মৌলিক কাজগুলো দক্ষতার সাথে পরিচালনা করতে পারে।</span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x_6a8fdd79dffd2.jpg" alt="" style="display: block; margin-left: auto; margin-right: auto;"></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিজাইন ও ডিসপ্লে</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">পেবল টাইম ২ গ্যাজেটটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ১.৫ ইঞ্চির ৬৪ রঙের একটি ‘অলওয়েজ-অন’ ই-পেপার টাচস্ক্রিন ডিসপ্লে, যার সুরক্ষায় রয়েছে গরিলা গ্লাস। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">সিএনসি প্রযুক্তিতে তৈরি এর স্টেইনলেস স্টিলের বডি এবং ধারালো বোতামগুলো ডিভাইসটিকে বেশ মজবুত ও প্রিমিয়াম রূপ দিয়েছে। প্রখর সূর্যের আলোতেও এই ই-পেপার ডিসপ্লে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে দেখা যায়। ঘড়িটিতে ২২ মিলিমিটারের যেকোনো সাধারণ স্ট্র্যাপ বা ফিতা ব্যবহার করার সুবিধা রয়েছে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">উন্নত পারফরম্যান্স ও দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">ঘড়িটিতে সাধারণ মানের প্রসেসর ব্যবহার করা হলেও এর ‘পেবলওএস’ সফটওয়্যারটি হালকা হওয়ায় পারফরম্যান্সে কোনো ধরনের ল্যাগ বা ধীরগতি দেখা যায় না। এর ভেতরের ১৮৫ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি সাধারণ ব্যবহারে অনায়াসে ৯ দিন এবং চার্জ সাশ্রয়ী মোডে প্রায় ২০ দিন পর্যন্ত ব্যাকআপ দিতে সক্ষম। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">ভ্রমণের সুবিধার্থে চার্জ দেওয়ার জন্য এতে দেওয়া হয়েছে বিশেষ ইউএসবি-সি অ্যাডাপ্টার। এ ছাড়া এটি দিয়ে সাধারণ শারীরিক ব্যায়াম, হৃদস্পন্দন, হাঁটার ধাপ এবং ঘুমের হিসাবও রাখা যায়।</span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x_6a8fdd879e70d.jpg" alt="" style="display: block; margin-left: auto; margin-right: auto;"></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">ওপেন সোর্স সফটওয়্যার ও দাম</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">সম্পূর্ণ ওপেন সোর্স সফটওয়্যারে পরিচালিত এই স্মার্টওয়াচে ব্যবহারের জন্য হাজার হাজার থার্ড-পার্টি ওয়াচফেস ও অ্যাপ রয়েছে। তবে স্টপওয়াচ বা টাইমারের মতো কিছু প্রাথমিক ফিচারের জন্য ব্যবহারকারীকে অ্যাপ স্টোর থেকে থার্ড-পার্টি অ্যাপ ডাউনলোড করে নিতে হয়। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">আন্তর্জাতিক বাজারে ২২৫ মার্কিন ডলারে বিক্রি হওয়া এই গ্যাজেটটি সবার জন্য না হলেও, যারা জটিল প্রযুক্তির বদলে একটি দীর্ঘস্থায়ী ও সহজ স্মার্টওয়াচ খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি হতে পারে চমৎকার একটি সমাধান।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি</span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের দশম গ্রেড ও ২৪ ঘণ্টা সেবার দাবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/188068</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188068</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,0,0&quot;&gt;মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের ১১তম থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীতকরণ এবং ২৪ ঘণ্টা ডায়াগনস্টিক সেবার দাবি&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,1,0&quot;&gt;প্রায় ৫০ হাজার প্রশিক্ষিত জনবলের বিপরীতে সরকারি চাকরিতে কর্মরত মাত্র ৮ হাজার টেকনোলজিস্ট&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,2,0&quot;&gt;বায়োমেডিকেল যন্ত্রপাতির সচলতা বৃদ্ধি ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা আধুনিকায়নের আহ্বান&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a909267184eb.jpg" length="46590" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 27 Aug 2026 21:59:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>মেডিকেল টেকনোলজি, রেডিওলজি ও ইমেজিং, ডায়াগনস্টিক সেবা, বায়োমেডিকেল প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য প্রকৌশল, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম, কারিগরি জনবল, ল্যাবরেটরি প্রযুক্তি, পদোন্নতি ও গ্রেড</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7">মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করা, জরুরি ভিত্তিতে নতুন কারিগরি পদ সৃষ্টি ও নিয়োগ প্রদান এবং সরকারি রোগ নির্ণয় বিভাগগুলোতে ২৪ ঘণ্টা পরীক্ষা-নিরীক্ষা সেবা চালুর জোর দাবি জানিয়েছে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ)। ২৭ আগস্ট, ২০২৬ বৃহস্পতিবার রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং টেকনোলজিস্টদের সংগঠনের সপ্তম সম্মেলন উপলক্ষে দেওয়া এক বিশেষ বিবৃতিতে এ দাবি জানান এনডিএফের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন।</p>
<p data-path-to-node="8">বিবৃতিতে বলা হয়, আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে রোগ নির্ণয় ও স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থার প্রধান কারিগরি চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছেন মেডিকেল টেকনোলজিস্টরা। বর্তমানে দেশে প্রায় অর্ধলক্ষ মেডিকেল টেকনোলজিস্ট উচ্চতর প্রশিক্ষণ ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শেষ করলেও সরকারি স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামোতে কর্মরত আছেন মাত্র প্রায় আট হাজার। ফলে একদিকে এই খাতে উচ্চপ্রশিক্ষিত দক্ষ জনবলের মাঝে বেকারত্ব বাড়ছে, অন্যদিকে সরকারি হাসপাতালগুলোতে স্বল্প খরচে আধুনিক ল্যাবরেটরি ও ইমেজিং সেবা প্রদানের সার্বিক সক্ষমতা ব্যাহত হচ্ছে।</p>
<p data-path-to-node="9">এনডিএফ উল্লেখ করেছে, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের পাশাপাশি সরকারি প্রতিষ্ঠানের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করতে বায়োমেডিকেল প্রযুক্তিতে দক্ষ কারিগরি জনবল নিয়োগ দেওয়া অপরিহার্য। বিশেষ করে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা ও রোগ নির্ণয় বিভাগের সেবা বিরতিহীনভাবে ২৪ ঘণ্টা চালু রাখতে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় কারিগরি পদ সৃষ্টি করতে হবে।</p>
<p data-path-to-node="11">বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, দীর্ঘদিন নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থবির থাকায় বহু পদ শূন্য হয়ে পড়েছে এবং দক্ষ অপারেটরের অভাবে বিভিন্ন হাসপাতালে উন্নত বায়োমেডিকেল যন্ত্রপাতি সচল রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে রোগ নির্ণয় সেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এসব সংকট দূরীকরণে অন্যান্য ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের ন্যায় মেডিকেল টেকনোলজিস্টদেরও ১১তম থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করা, সুস্পষ্ট ক্যারিয়ার পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যব্যবস্থার কার্যকর উন্নয়নে মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের আরও প্রযুক্তিগত দক্ষতা, পেশাগত নৈতিকতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ ডিএমও/ এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চিকিৎসকদের পেশাগত জীবনে মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানাল এনডিএফ</title>
<link>https://digibanglatech.news/187770</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187770</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;strong&gt;&#039;সিরাতুন্নবী (সা.)-এর গুরুত্ব&#039; শীর্ষক আলোচনা সভায় চিকিৎসাসেবার মাধ্যমে মানবিক আচরণ ও দায়িত্বশীলতার তাগিদ&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a8c9000258e2.jpg" length="489514" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 24 Aug 2026 20:39:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>চিকিৎসক, এনডিএফ, সিরাতুন্নবী, সেবা, সততা, আদর্শ, মানবিকতা, সমাজ, প্রযুক্তি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="11" id="p-rc_401ca58de5f324cb-27"><span data-path-to-node="11,0">চিকিৎসকদের পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সততা, দয়া ও সেবামূলক শিক্ষা ধারণ করার আহ্বান জানিয়েছেন ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের (এনডিএফ) ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নেতৃবৃন্দরা</span><span data-path-to-node="11,1"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c2282120608="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c2282120608="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="11,2">। সোমবার (২৪ আগস্ট ২০২৬) দুপুরে এনডিএফ ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে আয়োজিত ‘সিরাতুন্নবী (সা.)-এর গুরুত্ব’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এ আহ্বান জানান</span><span data-path-to-node="11,4">।</span><sources-carousel-inline ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER" _nghost-ng-c3062569485=""> <source-inline-chip _ngcontent-ng-c3062569485="" _nghost-ng-c1826364007="" class="ng-star-inserted"><!----><!----><!----><!----><!----></source-inline-chip><!----><!----><!----></sources-carousel-inline></p>
<p data-path-to-node="12" id="p-rc_401ca58de5f324cb-28"><span data-path-to-node="12,0">‘রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জীবন ও আমাদের জন্য তাঁর আদর্শ’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই সভায় চিকিৎস সেবাকে কেবল পেশা নয়, বরং মানুষের জীবন ও কল্যাণের সঙ্গে সম্পৃক্ত এক মহান দায়িত্ব হিসেবে চিহ্নিত করা হয়</span><span data-path-to-node="12,1"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c2282120608="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c2282120608="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="12,2">। রোগীর আর্থিক ও সামাজিক অবস্থান বিবেচনা না করে সবার সঙ্গে সমান আচরণ ও সহমর্মিতা প্রদর্শনের ওপর জোর দেন বক্তারা</span><span data-path-to-node="12,3"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c2282120608="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c2282120608="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="12,4">।</span><sources-carousel-inline ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER" _nghost-ng-c3062569485=""> <source-inline-chip _ngcontent-ng-c3062569485="" _nghost-ng-c1826364007="" class="ng-star-inserted"><!----><!----><!----><!----><!----></source-inline-chip><!----><!----><!----></sources-carousel-inline></p>
<p data-path-to-node="13" id="p-rc_401ca58de5f324cb-29"><span data-path-to-node="13,0">আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম</span><span data-path-to-node="13,1"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c2282120608="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c2282120608="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="13,2">। তিনি বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন থেকে সততা, দায়িত্ববোধ ও ভালোবাসার শিক্ষা নিয়ে পেশাগত জীবনে তা বাস্তবায়ন করা জরুরি</span><span data-path-to-node="13,3"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c2282120608="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c2282120608="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="13,4">। চিকিৎসকদের নৈতিক অবস্থান দৃঢ় হলে সেবার মানও বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে</span><span data-path-to-node="13,5"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c2282120608="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c2282120608="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="13,6">।</span><sources-carousel-inline ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER" _nghost-ng-c3062569485=""> <source-inline-chip _ngcontent-ng-c3062569485="" _nghost-ng-c1826364007="" class="ng-star-inserted"><!----><!----><!----><!----><!----></source-inline-chip><!----><!----><!----></sources-carousel-inline></p>
<p data-path-to-node="15">এনডিএফ ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি ডা. মোহাম্মদ মারুফ শাহরিয়ারের সভাপতিত্বে সভায় সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ ও চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন<br>/<strong>/ডিবিটেক/ডিপিও/এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ক্যানসার রোগীদের বিনামূল্যে ‘সেকেন্ড ওপিনিয়ন’</title>
<link>https://digibanglatech.news/187620</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187620</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;strong&gt;হায়দরাবাদের বিশেষায়িত এ কেন্দ্রে অঙ্গভিত্তিক আধুনিক ক্যানসার চিকিৎসা ও রোবোটিক সার্জারির সুযোগ&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a8aa970443aa.jpg" length="83376" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 23 Aug 2026 12:04:19 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>স্টার ক্যানসার সেন্টার, বিনামূল্যে সেকেন্ড ওপিনিয়ন, ক্যানসার চিকিৎসা, স্টার হসপিটালস হায়দরাবাদ, ডা. বিপিন গোয়েল, রোবোটিক সার্জারি, ভারতের ক্যানসার চিকিৎসা, ক্যানসার সেবা, অনকোলজি বিভাগ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="15">বাংলাদেশি ক্যানসার রোগী ও তাদের পরিবারের চিকিৎসা পরিকল্পনাকে আরও নির্ভুল এবং সহজ করতে বিনামূল্যে ‘সেকেন্ড ওপিনিয়ন’ বা দ্বিতীয় চিকিৎসা-পরামর্শ সেবা চালু করেছে ভারতের হায়দরাবাদভিত্তিক স্টার ক্যানসার সেন্টার (STAR Cancer Centre)। এই উদ্যোগের মাধ্যমে রোগীরা ভারতে যাওয়ার আগেই অভিজ্ঞ ক্যানসার বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে বিস্তারিত চিকিৎসা-নির্দেশনা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।</p>
<p data-path-to-node="16">ভারতে ক্যানসার চিকিৎসার অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান স্টার হসপিটালস-এর অনকোলজি বিভাগ জানিয়েছে, বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ১ লাখ ৬৭ হাজার থেকে ১ লাখ ৮৭ হাজার নতুন ক্যানসার রোগী শনাক্ত হন। বিশেষ করে স্তন, ফুসফুস, জরায়ুমুখ, খাদ্যনালি ও পরিপাকতন্ত্রের ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে সঠিক সময়ে উপযুক্ত চিকিৎসা নির্ধারণ করা অত্যন্ত জরুরি।</p>
<p data-path-to-node="18">স্টার হসপিটালস-এর জ্যেষ্ঠ পরামর্শক ও সার্জিক্যাল অনকোলজি প্রধান ডা. বিপিন গোয়েল বলেন, "ক্যানসার শনাক্ত হওয়ার পর মানসিকভাবে বিপর্যস্ত রোগীদের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া বেশ কঠিন হয়। চিকিৎসার শুরুতেই একটি অভিজ্ঞ বোর্ড থেকে দ্বিতীয় মতামত নিলে রোগীর আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং অপ্রয়োজনীয় চিকিৎসা এড়ানো সম্ভব হয়।"</p>
<p data-path-to-node="19">প্রতিষ্ঠানটির চিকিৎসা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে রোগীদের বিদেশ ভ্রমণ পরিকল্পনা, সম্ভাব্য চিকিৎসা ব্যয়, ভিসা সহায়তা এবং হাসপাতালে থাকার সময়কাল নির্ধারণে সহায়তা দেওয়া হবে। ট্রুবিম লিনিয়ার অ্যাক্সিলারেটর, ডিজিটাল PET-CT, রোবোটিক সার্জারি এবং CAR-T সেল থেরাপির মতো সর্বাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন এই সেন্টারে সেবা পেতে রোগীরা তাদের ওয়েবসাইট (<response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><a _ngcontent-ng-c409461588="" target="_blank" rel="noopener" externallink="" _nghost-ng-c2818970238="" jslog="197247;track:generic_click,impression,attention;BardVeMetadataKey:[[&quot;r_619dbd373d15faa5&quot;,&quot;c_5ae5111a4fde7ef2&quot;,null,&quot;rc_cb09c1966c7cf2c4&quot;,null,null,&quot;bn&quot;,null,1,null,null,1,0]]" href="http://www.starhospitals.in" class="ng-star-inserted" data-hveid="0" decode-data-ved="1" data-ved="0CAAQ_4QMahgKEwjdrrXK5rWWAxUAAAAAHQAAAAAQ-AY">www.starhospitals.in</a><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><link-block _nghost-ng-c409461588="" class="ng-star-inserted"><!----></link-block><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element>) এর মাধ্যমে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন।</p>
<p data-path-to-node="21">/<strong>/ডিবিটেক/এমএওয়াইপি/এমআইএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তি গ্রহণ জরুরি’: ডা. জাহিদ</title>
<link>https://digibanglatech.news/187582</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187582</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;7,0,0&quot;&gt;জনগণের স্বাস্থ্য অধিকার ও স্বাস্থ্যে বাজেট বরাদ্দে কোনো আপস করা হবে না বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. জাহিদ হোসেন।&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;7,1,0&quot;&gt;আধুনিক সুপার-স্পেশালাইজেশন ও এআই প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে স্বাস্থ্যখাতকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;7,2,0&quot;&gt;আন্তর্জাতিক নি সামিটে চিকিৎসকদের বিশেষ ফেলোশিপ প্রদান এবং ‘Save your knees’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a89dd418ea2c.jpg" length="93608" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 22 Aug 2026 20:33:32 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, স্বাস্থ্যসেবা বাজেট, আন্তর্জাতিক নি সামিট, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা স্বাস্থ্যসেবা, ফেলোশিপ প্রদান, জরুরি চিকিৎসা, ঢাকা আর্থ্রোপ্লাস্টি সোসাইটি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="15">জনগণের স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় সরকার কোনো ধরনের আপস করবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। সবার জন্য বিনামূল্যে প্রাথমিক ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা এবং সাশ্রয়ী মূল্যে বিশেষায়িত চিকিৎসা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম মূল অঙ্গীকার বলে মন্তব্য করেন তিনি।</p>
<p data-path-to-node="16">রাজধানী ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ঢাকা আর্থ্রোপ্লাস্টি সোসাইটির সহযোগিতায় ‘বাংলাদেশ আর্থ্রোস্কোপি এন্ড আর্থ্রোপ্লাস্টি একাডেমি’ কর্তৃক আয়োজিত ‘2nd Dhaka International Knee Summit 2026’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ারুল হক।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x_6a89dd42e7333.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="18">স্বাস্থ্যখাতের আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, দক্ষতা এবং আধুনিক জ্ঞানের সমন্বয় ঘটিয়ে চিকিৎসাসেবার বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো কার্যকরভাবে মোকাবিলা করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সুপার-স্পেশালাইজেশন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) যুগে স্বাস্থ্য প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে না চললে ক্রমবর্ধমান চাহিদা সামাল দেওয়া কঠিন হবে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকল বিশেষজ্ঞ দলকে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।</p>
<p data-path-to-node="19">বাজেট বরাদ্দ প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে জাতীয় বাজেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ নিশ্চিত করেছে, যা দেশের ইতিহাসে এক অনন্য রেকর্ড। তবে তিনি এই বাজেট তহবিলের সর্বোচ্চ, মানসম্মত ও দক্ষ ব্যবহারের ওপর জোর দেন।</p>
<p data-path-to-node="22">অনুষ্ঠানে ঢাকা আর্থ্রোপ্লাস্টি সোসাইটির পক্ষ থেকে ছয়জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে ফেলোশিপ প্রদান করা হয় এবং ‘Save your knees’ শীর্ষক একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। বাংলাদেশ আর্থ্রোপ্লাস্টি সোসাইটির সভাপতি ডা. এম. আলীর সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ড্যাবের মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিলসহ বিশিষ্ট চিকিৎসকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/আরএইচপি/এমআইএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জাতীয় ই&#45;স্বাস্থ্য প্ল্যাটফর্ম চালুর উদ্যোগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/187550</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187550</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;7,0,0&quot;&gt;সমন্বিত ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়তে ‘ন্যাশনাল ই-হেলth প্ল্যাটফর্ম’ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;7,1,0&quot;&gt;তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়।&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;7,2,0&quot;&gt;তথ্যের নিরাপত্তা, গোপনীয়তা এবং সহজে ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a89a9b931895.jpg" length="472370" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 22 Aug 2026 17:53:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, জাকারিয়া স্বপন, পাইলট প্রকল্প, সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ডেটা সিকিউরিটি, ডিজিটাল হেলথ, সারদার মো. সাখাওয়াত হোসেন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="15">দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবাকে একটি আধুনিক ও সমন্বিত ডিজিটাল কাঠামোর আওতায় আনতে ‘ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম’ চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। প্রাথমিকভাবে দেশের নির্দিষ্ট কয়েকটি জেলায় পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে এর কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>
<p data-path-to-node="16">শনিবার (২২ আগস্ট) তেজগাঁওয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বাস্থ্য খাতে সমন্বিত তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে প্রস্তাবিত ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের কারিগরি রূপরেখা, পরিচালনা পদ্ধতি এবং চিকিৎসা ব্যবস্থায় এর প্রায়োগিক নানা দিক তুলে ধরে এক বিস্তারিত উপস্থাপনা দেন প্রকৌশলী জাকারিয়া স্বপন।</p>
<p data-path-to-node="18">সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশ দেন, পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা, সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ, ব্যয় ও কার্যকারিতা পর্যালোচনা করে পর্যায়ক্রমে সারা দেশে প্ল্যাটফর্মটির পরিধি বাড়াতে হবে। তিনি বলেন, “সমন্বিত এই ব্যবস্থা এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ সহজে এর সুফল পান এবং চিকিৎসাসেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া আরও সহজ হয়।” বিশেষ করে রোগীদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্যের নিরাপদ সংরক্ষণ ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা এবং এটি যেন ব্যবহারযোগ্য ও দীর্ঘমেয়াদে পরিচালনাযোগ্য হয়, সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন তিনি।</p>
<p data-path-to-node="21">উক্ত সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এমপি, প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এমপি, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার ও ড. শাকিরুল ইসলাম খান, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/পিবিএন/এমএসআই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৫ শতাধিক মানুষ পেলেন ফ্রি চিকিৎসা সেবা</title>
<link>https://digibanglatech.news/186230</link>
<guid>https://digibanglatech.news/186230</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,0,0&quot;&gt;ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার নবীনগরে বিশিষ্ট সমাজসেবক বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়ার স্মরণে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,1,0&quot;&gt;বিটঘরের গুড়িগ্রাম পশ্চিম পাড়ায় আয়োজিত এই ক্যাম্পে ৫ শতাধিক প্রান্তিক মানুষ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা লাভ করেন&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,2,0&quot;&gt;আল খলিল ডায়াগনস্টিক হাসপাতালের সহযোগিতায় দেশের বেশ কয়েকজন প্রখ্যাত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দিনব্যাপী এই সেবা প্রদান করেন&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি রোগীদে ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a75b9b9de541.jpg" length="128458" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 07 Aug 2026 15:56:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>নবীনগর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, বীর মুক্তিযোদ্ধা আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া, আল খলিল ডায়াগনস্টিক হাসপাতাল, বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া স্বাস্থ্যসেবা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="6">ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষানুরাগী, স্বর্ণপদক প্রাপ্ত ও বিশিষ্ট সমাজসেবক বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়ার স্মরণে ফ্রি-মেডিকেল ক্যাম্প, বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শে বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ করা হয়েছে। এই মানবিক আয়োজনে স্থানীয় ও উপজেলার ৫ শতাধিক সাধারণ মানুষ বিনামূল্যে উন্নত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন। ৭ আগস্ট (শুক্রবার) ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার নবীনগর উপজেলার বিটঘরের গুড়িগ্রাম পশ্চিম পাড়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়ার নিজ বাড়িতে দিনব্যাপী এই ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="7">আল খলিল ডায়াগনস্টিক হাসপাতালের কারিগরি ও সার্বিক সহযোগিতায় এই মেডিকেল ক্যাম্পে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করেন দেশবরেণ্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা। সেবা প্রদানকারীদের মধ্যে ছিলেন—ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. মোস্তাফিজুর রহমান, শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. তামান্না মাহজাবীন, ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. মো. রহমত উল্লাহ ভূইয়া, সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. কে এম সাকিব, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. নূর ইসরাত, মহিলাদের ব্রেস্ট স্পেশালিস্ট ডা. তানজিনা ভূইয়া, স্ত্রী ও গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. ডালিয়া আক্তার, মেডিসিন ও নিউরোলজি বিশেষজ্ঞ ডা. কামরুল হাসান অনিক এবং ডা. তারানা ভূইয়া রূপা।</p>
<p data-path-to-node="8">ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পটির সার্বিক সমন্বয় ও আয়োজনে সরাসরি সহযোগিতা করেন মরহুম আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়ার সহধর্মিণী মিসেস সানজিদা আরিফ। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রত্যন্ত অঞ্চলে এমন নামী-দামী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে ফ্রি ক্যাম্প ও বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণের উদ্যোগ প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অত্যন্ত প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছে।</p>
<p data-path-to-node="9">/<strong>/ডিবিটেক/এসআইআর/এমআইএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্মার্টওয়াচ নাকি ফিটনেস ব্যান্ড: আপনার জন্য কোনটি কেনা সঠিক?</title>
<link>https://digibanglatech.news/185808</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185808</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a70488bad289.jpg" length="127960" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 06 Aug 2026 09:46:58 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">আধুনিক প্রযুক্তির যুগে হাতের কবজিতে সময় দেখার অভ্যাস বহু আগেই বদলে গেছে। এখন সময় কেবল টিকটিক করে বয়ে চলার হিসাব দেয় না, বরং শরীরের যত্ন নেওয়া থেকে শুরু করে দৈনন্দিন নানা কাজের আপডেটও পৌঁছে দেয় হাতের কাছে। বাজারে পা রাখতেই ক্রেতাদের মনে যে প্রশ্নটি সবচেয়ে বেশি উঁকি দেয়, তা হলো একটি স্মার্টঘড়ি কেনা ভালো নাকি সাধারণ ফিটনেস ব্যান্ড দিয়ে শুরু করা উচিত। বাহ্যিক রূপ আর কাজের ধরনে কিছুটা মিল থাকলেও এই দুই প্রযুক্তির ভেতরে রয়েছে বেশ কিছু মৌলিক পার্থক্য। নিজের জীবনযাত্রার সঙ্গে মানানসই গ্যাজেটটি বেছে নিতে হলে এই তফাতগুলো পরিষ্কারভাবে বুঝে নেওয়া জরুরি।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">ফিটনেস ব্যান্ডের মূল কাজ ও বৈশিষ্ট্য</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">যারা মূলত স্বাস্থ্য সচেতন এবং শারীরিক বিভিন্ন কার্যক্রমের সঠিক হিসাব রাখতে চান, তাদের জন্য ফিটনেস ব্যান্ড অত্যন্ত চমৎকার একটি মাধ্যম। আকারে ছোট ও ওজনে হালকা হওয়ায় এগুলো সারাদিন হাতে পরে থাকা খুবই আরামদায়ক। সাধারণত এতে প্রতিদিনের হাঁটার হিসাব, ঘুম ও হৃদস্পন্দনের গতি মাপা এবং ক্যালরি খরচের মতো মৌলিক স্বাস্থ্য ফিচারগুলো বেশি প্রাধান্য পায়। এর ব্যাটারির স্থায়িত্বও বেশ দীর্ঘ হয়ে থাকে, ফলে বারবার চার্জ দেওয়ার ঝামেলা পোহাতে হয় না। যারা ভারী কোনো কাজের পরিবর্তে কেবল শরীরচর্চা ও শারীরিক সুস্থতার ছোট্ট একটি পরিমাপক চাচ্ছেন, তাদের প্রথম পছন্দ হতে পারে এই ডিভাইস।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">স্মার্টওয়াচের বহুমুখী ব্যবহার ও সুবিধা</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">অন্যদিকে স্মার্টওয়াচ হলো একটি ছোটখাটো মুঠোফোনের প্রতিরূপ, যা কবজিতে রেখেই নানা ধরনের ডিজিটাল কাজের সুবিধা পাওয়া যায়। এতে বড় ও রঙিন পর্দার উপস্থিতি শুধু সময় বা স্বাস্থ্য ডেটা দেখাতেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং সরাসরি কল রিসিভ করা, খুদে বার্তা পড়া বা বিভিন্ন অ্যাপের নোটিফিকেশন দেখার সুযোগ করে দেয়। এর আধুনিক সংস্করণগুলোতে জিপিএস প্রযুক্তি, গান শোনার সুবিধা এবং বিভিন্ন খেলাধুলা বা শরীরচর্চার আলাদা মোড যুক্ত থাকে। যারা কাজের মাঝে সবসময় সচল থাকতে চান এবং হাতের ঘড়িটিকেই একটি ছোট কম্পিউটার হিসেবে ব্যবহার করতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি বেশ উপযোগী।</span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x_6a7048aa6c066.jpg" alt=""></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">কোনটির ব্যাটারি ও স্থায়িত্ব কেমন</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">ডিভাইস দুটি বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাটারির স্থায়িত্ব একটি বড় প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। ফিটনেস ব্যান্ডে যেহেতু বড় কোনো পর্দার ব্যবহার থাকে না এবং প্রসেসরও তুলনামূলক হালকা হয়, তাই এর চার্জ টেকে অনেক দিন। একবার পূর্ণ চার্জ দিলে একটি ব্যান্ড অনায়াসে এক থেকে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">এর বিপরীতে স্মার্টওয়াচে উন্নত প্রযুক্তির ডিসপ্লে এবং নানা ধরনের ব্যাকগ্রাউন্ড ফিচার চালু থাকায় ব্যবহারের ধরনের উপর নির্ভর করে চার্জ সাধারণত একদিন থেকে সর্বোচ্চ এক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হয়। যাদের বারবার চার্জ দেওয়ার ঝামেলা পছন্দ নয়, তারা সাধারণত ব্যান্ডের দিকেই বেশি ঝুঁকে থাকেন।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">আপনার জন্য কোনটা কেনা সঠিক হবে</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">শেষ পর্যন্ত কোন গ্যাজেটটি কেনা উচিত তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে ব্যক্তির নিজস্ব প্রয়োজন ও জীবনযাত্রার ওপর। আপনি যদি শুধু দৌড়ঝাঁপ, হাঁটাচলা এবং ঘুমের সময়কার স্বাস্থ্যগত হিসাব ট্র্যাক করতে চান, তবে একটি সাধারণ ও সাশ্রয়ী ফিটনেস ব্যান্ডই আপনার জন্য যথেষ্ট। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">আর যদি আপনার পেশাদার জীবনকে গতিশীল রাখতে এবং ফোনের বেশিরভাগ নোটিফিকেশন হাতের কাছেই পেতে একটি স্টাইলিশ ও স্মার্ট ডিভাইস প্রয়োজন হয়, তবে বাজেট বাড়িয়ে একটি ভালো মানের স্মার্টওয়াচ বেছে নেওয়াই শ্রেয়। নিজের দৈনন্দিন রুটিন ও পছন্দের কথা মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নিলে তবেই সঠিক গ্যাজেট কেনার আনন্দ পাওয়া সম্ভব।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি</span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সাভারে প্রস্তুত ‘হেলথ ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট’ দ্রুত চালুর ঘোষণা স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর</title>
<link>https://digibanglatech.news/185931</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185931</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a71b86e61b3a.jpg" length="93380" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 04 Aug 2026 14:01:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>হেলথ ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট, নিপসম, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্স, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা প্রশিক্ষণ, জনস্বাস্থ্য গবেষণা, ইউএইচএফপিও, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div _ngcontent-ng-c2667121974="" class="container">
<div _ngcontent-ng-c10149407="" inline-copy-host="" class="markdown markdown-main-panel enable-luminous-fast-follows enable-updated-hr-color md-content tutor-markdown-rendering" id="model-response-message-contentr_809b55212278eee1" aria-busy="false" aria-live="polite" dir="ltr">
<p data-path-to-node="1">উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্য প্রশাসকদের ব্যবস্থাপনাগত দক্ষতা বাড়াতে সাভারে প্রস্তুত থাকা 'হেলথ ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট' দ্রুত চালু করার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। একইসাথে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাওয়ার অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানকে (নিপসম) মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের ম্যানেজমেন্ট ট্রেনিং দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার মহাখালীর নিপসম অডিটরিয়ামে রাজস্ব খাতে পরিচালিত গবেষণা কার্যক্রমের ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান।</p>
<p data-path-to-node="2">অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি চিকিৎসা সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার ওপর। তিনি উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সকে পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্যা সমাধানের মূল ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে দেশের সকল ৩০ ও ৫০ শয্যার উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সগুলোকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্তের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।</p>
<p data-path-to-node="3">মাঠপর্যায়ের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. মুহিত আফসোস প্রকাশ করে বলেন, অতীতে সঠিক বিনিয়োগ না হওয়া, উপযুক্ত জনবল পদায়নে ব্যর্থতা এবং সাপ্লাই-লজিস্টিকসে অবহেলার কারণে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছিল।</p>
<p data-path-to-node="4">নিপসমের গবেষণার বস্তুনিষ্ঠতার প্রশংসা করে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কেবল জাতীয় পর্যায়ে নয়, প্রতিদিন সংগৃহীত বিশাল পরিমাণ ডেটা ব্যবহার করে উপজেলা পর্যায় থেকেই স্থানীয় স্বাস্থ্য পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। এই লক্ষ্যে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের (ইউএইচএফপিও) জন্য অনলাইনে বা জুমে ডেটা ব্যবহারের কৌশল শেখানোর ওয়ার্কশপ আয়োজনের আহ্বান জানান।</p>
<p data-path-to-node="5">চিকিৎসা খাতে নতুন গবেষক তৈরির তাগিদ দিয়ে মন্ত্রী পাবলিক মেডিক্যাল কলেজগুলোর আন্ডারগ্রাজুয়েট শিক্ষার্থীদের গবেষণায় আগ্রহী করে তুলতে নিপসমকে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতিভাবান মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের বাছাই করে ৩ থেকে ৬ মাসের মেন্টরিং দেওয়ার প্রস্তাব করেন।</p>
<p data-path-to-node="6">প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে শুধু ডাক্তার পদায়ন করলেই সমস্যার সমাধান হবে না, প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা চিকিৎসকদের সঠিক প্রফেশনাল ম্যানেজমেন্ট ট্রেনিং নিশ্চিত করা জরুরি। অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি এই ধরনের দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগগুলোকে সরকার অগ্রাধিকার দেবে বলে তিনি জানান।</p>
<p data-path-to-node="7">নিপসমের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসরিন সুলতানার সভাপতিত্বে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদ, ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ, মহাসচিব ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিলসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও নিপসমের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p data-path-to-node="29">/<strong>/ডিবিটেক/এমএমআর/এমএসআই/</strong>/</p>
</div>
<message-content _ngcontent-ng-c2667121974="" _nghost-ng-c10149407="" id="message-content-id-r_809b55212278eee1" class="ng-star-inserted"></message-content><!----></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হাম ভাইরাসে জিনগত পরিবর্তন ঘটেনি: আইসিডিডিআর’বি</title>
<link>https://digibanglatech.news/185737</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185737</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,0,0&quot;&gt;গবেষণায় টিকার সুরক্ষা এড়ানোর জিনগত প্রমাণ মেলেনি&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,1,0&quot;&gt;ছড়ানো ভাইরাসটি বৈশ্বিক বি৩ জিনোটাইপের অন্তর্ভুক্ত&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,2,0&quot;&gt;শিশুদের সুরক্ষায় সব টিকার ডোজ পূর্ণ করার আহ্বান&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a6f746988faa.jpg" length="271224" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 02 Aug 2026 19:47:21 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>হাম, ভাইরাস, টিকা, আইসিডিডিআর’বি, জিনোম, সিকোয়েন্স, মিউটেশন, গবেষণা, স্বাস্থ্য</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="6"><b data-path-to-node="6" data-index-in-node="0">২ আগস্ট, রবিবার:</b> দেশে হামের সাম্প্রতিক প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষাপটে ভাইরাসের কোনো জিনগত পরিবর্তন ঘটেছে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর’বি)। প্রতিষ্ঠানটির অনুসন্ধানের প্রাথমিক ফলাফলে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়া হাম ভাইরাসে এমন কোনো জিনগত পরিবর্তনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি, যা বর্তমানে ব্যবহৃত টিকার সুরক্ষা এড়িয়ে যেতে পারে।</p>
<p data-path-to-node="7">স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১৫ মার্চ থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত দেশে ১ লাখ ২২ হাজার ৭৬৩ জন সন্দেহভাজন এবং পরীক্ষাগারে নিশ্চিত ১৫ হাজার ২৭২ জন হাম রোগীর তথ্য নথিভুক্ত হয়েছে। একই সময়ে হামজনিত সন্দেহে ৭২১টি এবং পরীক্ষায় নিশ্চিত ৯৫টি মৃত্যু রেকর্ড করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="8">এই প্রাদুর্ভাবের মধ্যে আইসিডিডিআর’বি এবং বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের গবেষকরা ২০২৬ সালের ২০ এপ্রিল থেকে ২১ মে পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১৪ বছরের কম বয়সী ৩৪১ জন শিশুকে নিয়ে একটি অনুসন্ধান চালান। পরীক্ষাগারে ৩২৪ জন শিশুর হাম নিশ্চিত হয়, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ছিল তিন থেকে আট মাস বয়সী শিশুরা। এই বয়সী ১৪১ জন শিশুর মধ্যে ১৩৭ জনের শরীরেই হাম শনাক্ত হয়।</p>
<p data-path-to-node="9">গবেষণায় বয়স ও টিকা নেওয়ার বিচারে ৩৪১ জন শিশুকে চারটি দলে ভাগ করা হয়:</p>
<ul>
<li data-path-to-node="10,0,0"><b data-path-to-node="10,0,0" data-index-in-node="0">৯ মাসের কম বয়সী (টিকার বয়স হয়নি):</b> ১৪৬ জন শিশুর মধ্যে ১৪২ জন (৯৭.৩%) পজিটিভ।</li>
<li data-path-to-node="10,1,0"><b data-path-to-node="10,1,0" data-index-in-node="0">টিকার বয়স হলেও ১ ডোজও না পাওয়া:</b> ১২৬ জন শিশুর মধ্যে ১২২ জন (৯৭%) পজিটিভ।</li>
<li data-path-to-node="10,2,0"><b data-path-to-node="10,2,0" data-index-in-node="0">১ ডোজ পাওয়া:</b> ৪৮ জন শিশুর মধ্যে ৪৪ জন (৯২%) পজিটিভ।</li>
<li data-path-to-node="10,3,0"><b data-path-to-node="10,3,0" data-index-in-node="0">সুপারিশকৃত ২ ডোজ পাওয়া:</b> ২১ জন শিশুর মধ্যে ১৬ জন (৭৬%) পজিটিভ।</li>
</ul>
<p data-path-to-node="11">গবেষকেরা স্পষ্ট করেছেন যে, টিকার সুরক্ষা না থাকা শিশুদের মধ্যে আক্রান্তের হার ৯৭ শতাংশ থেকে কমে দুই ডোজ পাওয়া শিশুদের ক্ষেত্রে ৭৬ শতাংশ হওয়া প্রমাণ করে টিকা এখনও সুরক্ষা দিচ্ছে। তবে এটি হাসপাতালভিত্তিক অনুসন্ধান হওয়ায় জনসংখ্যা পর্যায়ে টিকার সামগ্রিক কার্যকারিতা নির্ধারণে আরও বড় গবেষণার প্রয়োজন।</p>
<p data-path-to-node="12">জিনগত বিশ্লেষণে জানা যায়, বর্তমানে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসটি বি৩ জিনোটাইপের (সাবক্লেড বি৩) অন্তর্ভুক্ত, যা বিশ্বের অন্যান্য দেশের প্রাদুর্ভাবেও পাওয়া গেছে। আইসিডিডিআর’বি এবং আইইডিসিআর যৌথভাবে ৫৫টি পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ করে ভাইরাসের এইচ (H) প্রোটিনে ৪টি মিউটেশন শনাক্ত করেছে। তবে ভাইরাসটি এখনো একক সেরোটাইপ হওয়ায় প্রচলিত টিকা কার্যকর রয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="13">গবেষণার বিষয়ে আইসিডিডিআর’বির সংক্রামক রোগ বিভাগের ভাইরোলজি ল্যাবরেটরির সহযোগী বিজ্ঞানী ডা. নূরজাহান মালিহা বলেন, “এই প্রাদুর্ভাবের ব্যাপকতা দেখে টিকা এখনো কার্যকর কি না, তা নিয়ে মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। আমাদের অনুসন্ধানে ভাইরাসটি টিকার সুরক্ষা এড়িয়ে যাচ্ছে, এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। দুই ডোজ টিকা পাওয়া শিশুদের মধ্যে পরীক্ষায় পজিটিভ হওয়ার হার কম ছিল। তবে হাসপাতালভিত্তিক এই অনুসন্ধান দিয়ে জনসংখ্যা পর্যায়ে টিকার কার্যকারিতার হার নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।” ২ ডোজ পাওয়ার পরও আক্রান্ত হওয়ার পেছনে অ্যান্টিবডি কমে যাওয়া, অপুষ্টি বা ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যগত কারণ থাকতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x_6a6f740c0994b.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="14">আইসিডিডিআর’বির সংক্রামক রোগ বিভাগের জ্যেষ্ঠ পরিচালক ড. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, “হাম প্রতিরোধ এবং গুরুতর অসুস্থতার ঝুঁকি কমাতে টিকাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। একইসঙ্গে জাতীয় পর্যায়ে টিকাদানের হার তুলনামূলকভাবে বেশি বলে জানানো হলেও এই প্রাদুর্ভাব এত বড় হলো কেন, সেটিও আমাদের বুঝতে হবে।”</p>
<p data-path-to-node="15">প্রতিষ্ঠানটির ভাইরোলজি ল্যাবরেটরির সহকারী বিজ্ঞানী ড. কামরুন নাহার বলেন, “শিশুরা কেন টিকা নিতে পারছে না এবং জাতীয় পর্যায়ে টিকাদানের যে হার জানানো হচ্ছে, তার আড়ালে কোনো কোনো এলাকায় রোগ প্রতিরোধক্ষমতার বড় ঘাটতি রয়েছে কি না, তা আমাদের নির্ধারণ করতে হবে। এসব গবেষণার তথ্য বাংলাদেশকে টিকাদান কৌশল আরও কার্যকর করতে এবং ভবিষ্যৎ প্রাদুর্ভাবে শিশুদের আরও ভালোভাবে সুরক্ষা দিতে সহায়তা করবে।”</p>
<p data-path-to-node="16">আইসিডিডিআর’বির নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ বলেন, “এই প্রাথমিক ফলাফল কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে। একই সঙ্গে এটি দেখিয়েছে যে, আমাদের আরও অনেক কিছু জানা প্রয়োজন। টিকা নেওয়া কিছু শিশু কেন আক্রান্ত হয়েছে, গুরুতর অসুস্থতা ও মৃত্যুর পেছনে কোন বিষয়গুলো কাজ করছে, অপুষ্টি সুরক্ষাকে কীভাবে প্রভাবিত করতে পারে এবং শিশুরা কখন মায়ের কাছ থেকে পাওয়া অ্যান্টিবডি হারায়, তা অনুসন্ধানে আইসিডিডিআর’বি আরও বিস্তৃত গবেষণা কার্যক্রম হাতে নিচ্ছে।”</p>
<p data-path-to-node="18">বর্তমানে আইসিডিডিআর’বি ৪টি বিভাগীয় হাসপাতালে ক্লিনিক্যাল কোহর্ট গবেষণা, জিনোমিক নজরদারি, জিংক ব্যবহারের পাইলট গবেষণা এবং ক্যমিউনিটিভিত্তিক অনুসন্ধান শুরু করেছে। গবেষকরা অভিভাবকদের কোনো বিলম্ব না করে শিশুদের হাম-রুবেলা (এমআর) টিকার সব ডোজ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ <a href="https://www.icddrb.org/press-releases/no-proof-of-genetic-changes-in-measles-viruses-in-bangladesh-capable-of-reducing-vaccine-protection-02-08-2026?fbclid=IwY2xjawTcUT1leHRuA2FlbQIxMQBicmlkETFsVjFWZmJZYm84d2p5NkQ3c3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHl5rQWXVdcLaeX5QDxC_5vjraTtsdKfDBai2O7Wh0Q640-lvQLLoNW8GFpN1_aem_QPbWApeBC2yzQkxDdozUzQ" target="_blank" rel="noopener">আইসিডিডিআর’বি</a>/এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>শাওমি স্মার্ট ব্যান্ড ১০ প্রো: স্টাইল ও কার্যক্ষমতার অনন্য মেলবন্ধন</title>
<link>https://digibanglatech.news/185445</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185445</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a6afad256199.jpg" length="59966" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 01 Aug 2026 19:59:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span style="font-size: 14pt;">আজকাল স্মার্ট পরিধানযোগ্য প্রযুক্তি বা গ্যাজেটের দুনিয়ায় স্মার্ট ব্যান্ডের চাহিদা তুঙ্গে। সুস্থতার হিসাব রাখা আর ফ্যাশনের অনন্য অনুভূতির খোঁজে প্রযুক্তিপ্রেমীদের হৃদস্পন্দন বাড়াতে বাজারে এসেছে 'শাওমি স্মার্ট ব্যান্ড ১০ প্রো'। আন্তর্জাতিক নানা প্রযুক্তি পর্যালোচনা সাময়িকী ও বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ থেকে দেখা যাচ্ছে, নতুন এই গ্যাজেটটি কেবল সময় দেখার ঘড়ি নয়, বরং সাধারণ ব্যবহারকারী থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য সচেতনদের জীবনযাত্রায় এনে দিয়েছে এক নতুন মাত্রা।</span></p>
<p><strong><span style="font-size: 14pt;">নজরকাড়া ডিজাইন ও চমকপ্রদ ডিসপ্লে</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">প্রথম দর্শনেই এই ব্যান্ডের প্রিমিয়াম গড়ন যে কারও নজর কাড়বে। ধাতব ফিনিশিংয়ের ছোঁয়া এর ডিজাইনে এনেছে এক ধ্রুপদি ও অভিজাত আবহ। আগের সংস্করণগুলোর তুলনায় এবার স্ক্রিনের আয়তন ও উজ্জ্বলতা দুটোই বাড়ানো হয়েছে। এর দারুণ অ্যামোলেড প্যানেলে উচ্চ রিফ্রেশ রেট থাকার কারণে ডিসপ্লে ছোঁয়ার অভিজ্ঞতা বেশ মসৃণ। তীব্র রোদ কিংবা ঘরের ভেতরের আলো—যেকোনো পরিবেশেই স্ক্রিনের লেখা ও ছবি স্পষ্ট দেখা যায়। এছাড়া স্ট্র্যাপের বৈচিত্র্যময় নকশা এবং সহজে বদলে ফেলার সুবিধা ফ্যাশনসচেতন ব্যবহারকারীদের বাড়তি আনন্দ দেবে।</span></p>
<p><strong><span style="font-size: 14pt;">ফিটনেস ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নির্ভুল নজরদারি</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">ফিটনেসপ্রেমীদের জন্য শাওমি এই ব্যান্ডটিতে যুক্ত করেছে একাধিক উন্নত প্রযুক্তি। সার্বক্ষণিক হৃদস্পন্দন পরিমাপ, রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বা এসপিওটু পর্যবেক্ষণ এবং ঘুমের নানাবিধ ধাপ বিশ্লেষণের সুবিধা রয়েছে এতে। দেড় শতাধিক স্পোর্টস মোড থাকায় হাঁটা, দৌড়ানো, সাঁতার কাটা থেকে শুরু করে যেকোনো শারীরিক কসরতের সঠিক হিসাব রাখা সহজ হয়। এতে থাকা বিল্ট-ইন জিপিএস ব্যবস্থার কারণে স্মার্টফোন সাথে না রেখেও ঘরের বাইরে দৌড় বা সাইক্লিংয়ের নিখুঁত রুট ট্র্যাকিং করা সম্ভব হয়, যা এই বাজেটের ব্যান্ডের জন্য বড় এক মাইলফলক।</span></p>
<p><span style="font-size: 14pt;"><img src="https://i02.appmifile.com/mi-com-product/fly-birds/xiaomi-smart-band-10-pro/pc/2031-7282.jpg" width="1200" height="670" alt=""></span></p>
<p><strong><span style="font-size: 14pt;">দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ও স্বাচ্ছন্দ্যময় অভিজ্ঞতা</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">স্মার্ট ব্যান্ডের কার্যকারিতার মূল পরীক্ষা হয় এর ব্যাটারি লাইফে। সাধারণ ব্যবহারে একবার পূর্ণ চার্জ দিলে এটি টানা কয়েকদিন অনায়াসে চলে যায়। দ্রুত চার্জিং প্রযুক্তির বদৌলতে খুব অল্প সময়েই এর চার্জ সম্পন্ন করা সম্ভব। প্রতিদিনের বিভিন্ন নোটিফিকেশন পাওয়া, বার্তা দেখা বা মিউজিক নিয়ন্ত্রণের মতো কাজগুলো এতে বেশ সাবলীলভাবে করা যায়। এর অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারের সময় কোনো ধরনের স্থবিরতা লক্ষ্য করা যায় না, যা ব্যবহারকারীকে এক স্বাচ্ছন্দ্যময় অনুভূতি উপহার দেয়।</span></p>
<p><strong><span style="font-size: 14pt;">বাজেটের নিরিখে মানদণ্ড</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">যেসব ব্যবহারকারী একটি পূর্ণাঙ্গ স্মার্টওয়াচের মূল সুবিধা চান, কিন্তু হাতের কবজিতে হালকা ও আরামদায়ক অভিজ্ঞতা পছন্দ করেন, তাদের জন্য এই গ্যাজেটটি চমৎকার পছন্দ। বাজার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, নামীদামী অন্যান্য ব্র্যান্ডের ব্যয়বহুল স্মার্টওয়াচের তুলনায় এটি অনেক বেশি সাশ্রয়ী। ফলে দামের সাথে ফিচারের নিখুঁত ভারসাম্য রেখে এটি প্রযুক্তির বাজারে একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে।</span></p>
<p><span style="font-size: 14pt;">সব মিলিয়ে, আকর্ষণীয় নকশা, সময়োপযোগী ফিচার এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ব্যাকআপের সুবাদে শাওমি স্মার্ট ব্যান্ড ১০ প্রো বর্তমান বাজারে বেশ পরিপক্ব এক দাবিদার। নিজের জীবনযাত্রাকে আরও সুসংগঠিত ও স্বাস্থ্যসম্মত করতে হাতের কবজিতে এই ছোট ব্যান্ডটি হতে পারে এক বিশ্বস্ত সঙ্গী।</span></p>
<p><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি</span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বার্ন ইনস্টিটিউটে চালু হলো বহির্বিভাগের ই&#45;টিকিটিং সেবা</title>
<link>https://digibanglatech.news/185594</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185594</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;7,0,1,0,0&quot;&gt;বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ডিজিটালি ই-টিকিটিং ব্যবস্থার সূচনা&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;7,0,1,1,0&quot;&gt;এককালীন অনলাইনে নিবন্ধনেই সংরক্ষিত থাকবে রোগীর পুরো চিকিৎসার ইতিহাস&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;7,0,1,2,0&quot;&gt;স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ও উপদেষ্টা ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার কর্তৃক উদ্বোধন&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a6d93e5b189f.jpg" length="527933" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 01 Aug 2026 11:03:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বার্ন ইনস্টিটিউট, ই-টিকিটিং, ওপিডি সেবা, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার, অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, অনলাইন নিবন্ধন, স্বাস্থ্যসেবা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="17">সরকারি হাসপাতালে বহির্বিভাগের (ওপিডি) সেবাপ্রাপ্তি সহজ ও হয়রানিমুক্ত করতে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনুষ্ঠানিকভাবে ই-টিকিটিং সিস্টেম চালু করা হয়েছে। শনিবার (১ আগস্ট) প্রতিষ্ঠানের বহির্বিভাগের রোগীদের জন্য আধুনিক এই ডিজিটাল পদ্ধতির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার।</p>
<p data-path-to-node="18">বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নাসির উদ্দীনের বিশেষ উদ্যোগে এই জনবান্ধব ব্যবস্থাটি বাস্তবায়িত হলো। আগে চিকিৎসা সেবা নেওয়ার জন্য রোগীদের খুব ভোরে এসে দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে টিকিট সংগ্রহ করতে হতো। ই-টিকিটিং চালু হওয়ায় টিকিট কাটার সেই দীর্ঘ ভোগান্তি ও অপেক্ষার সময় শতভাগে নেমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>
<p data-path-to-node="19">নতুন এই ব্যবস্থার মূল সুবিধা হলো, রোগীকে কেবল একবারই অনলাইনে নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) সম্পন্ন করতে হবে। একবার তথ্য ইনপুট দিলে রোগীর যাবতীয় স্বাস্থ্য রেকর্ড ও পূর্ববর্তী হাসপাতাল পরিদর্শনের ইতিহাস সিস্টেমে নিরাপদে সংরক্ষিত থাকবে। পরবর্তী চিকিৎসার সময়ে বারবার নতুন করে তথ্য দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। ফলে চিকিৎসকরাও সহজে রোগীর আগের হিস্ট্রি দেখে দ্রুত ও নির্ভুল চিকিৎসা প্রদান করতে পারবেন, যা সরকারি স্বাস্থ্যসেবায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।</p>
<p data-path-to-node="19">/<strong>/ডিবিটেক/এটিএন/এসএমআই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশে হেপাটাইটিস চিকিৎসা উন্নত হলে কমবে বৈদেশিক মুদ্রা অপচয়</title>
<link>https://digibanglatech.news/185256</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185256</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;8,0,0&quot;&gt;ঢাকায় গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সোসাইটি আয়োজিত বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবসের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;8,1,0&quot;&gt;ফ্যাটি লিভার নিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও গর্ভবতী নারীদের স্ক্রিনিংয়ের গুরুত্বারোপ&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;8,2,0&quot;&gt;মানোন্নয়নে বিএমইউতে অধ্যাপক সাইমন টেইলর রবিনসনের মতো আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞের সম্পৃক্ততা&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a6887921f88d.jpg" length="130811" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 28 Jul 2026 15:44:28 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>হেপাটাইটিস বি, বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ফ্যাটি লিভার, চিকিৎসা প্রযুক্তি, আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ, গর্ভবতী নারী স্ক্রিনিং, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, বৈদেশিক মুদ্রা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="14">দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি জানান, দেশেই যদি হেপাটাইটিস বি-এর আধুনিক ও উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা যায়, তবে রোগীদের বিদেশমুখী হওয়ার প্রবণতা কমবে, চিকিৎসা খরচ সাশ্রয় হবে এবং দেশের মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা রক্ষা পাবে।</p>
<p data-path-to-node="14">২৮ জুলাই, মঙ্গলবার ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যায়লে (বিএমইউ) বাংলাদেশ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সোসাইটি আয়োজিত 'বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস' উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য 'Elimination for everyone, Everywhere, Right now'।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x_6a6887deab58f.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="15">বক্তব্যে মন্ত্রী দেশের একটি বড় অংশ ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত হওয়ার কথা উল্লেখ করে কার্বোহাইড্রেট গ্রহণের বিষয়ে সতর্ক করেন এবং এ সংক্রান্ত জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান। গর্ভবতী নারীদের জন্য হেপাটাইটিস বি স্ক্রিনিং বাধ্যতামূলক করার দাবির বিষয়ে একমত পোষণ করে তিনি তা বাস্তবায়নে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্যের ইম্পিরিয়াল কলেজ লন্ডনের হেপাটোলজির এমিরিটাস অধ্যাপক সাইমন টেইলর রবিনসন মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। বিএমইউ-তে এই প্রখ্যাত শিক্ষাবিদের সম্পৃক্ততাকে ইতিবাচক আখ্যা দিয়ে অন্যান্য মেডিকেল কলেজগুলোকেও চিকিৎসা শিক্ষার মানোন্নয়নে বিদেশি ও আঞ্চলিক বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করার পরামর্শ দেন মন্ত্রী।</p>
<p data-path-to-node="17">বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের চিফ কনসালটেন্ট অধ্যাপক ডা. মো. সামসুল আরফিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী, জাতীয় অধ্যাপক ও সোসাইটির সভাপতি (অবৈতনিক) অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান, বিএমইউ-এর উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম এবং উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদসহ শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ আরএইচ/এনএএম/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশীয় ভেন্টিলেটরে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতার আশ্বাস</title>
<link>https://digibanglatech.news/185235</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185235</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;দেশীয় ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো মেশিনে সহায়তা&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;মান যাচাই ও উৎপাদনে সরকারি সহযোগিতা&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;স্বাস্থ্যপ্রযুক্তিতে আমদানিনির্ভরতা কমানোর লক্ষ্য&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a6866dbbc965.jpg" length="380241" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 28 Jul 2026 13:03:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>দেশীয় প্রযুক্তি, ভেন্টিলেটর, হাই-ফ্লো অক্সিজেন, স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি, চিকিৎসা যন্ত্র, গবেষণা, উদ্ভাবন, প্রধানমন্ত্রী, উৎপাদন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশীয় প্রযুক্তিতে উদ্ভাবিত ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিনের গবেষণা, মান যাচাই, উৎপাদন এবং বাজারজাতকরণে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনকে এগিয়ে নিতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেবে।</p>
<p>২৮ জুলাই, মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এক সভায় প্রধানমন্ত্রী এ আশ্বাস দেন।</p>
<p>সভায় দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি দুটি চিকিৎসা যন্ত্রের কার্যকারিতা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, সম্ভাব্য ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করেন সংশ্লিষ্ট উদ্ভাবক ও গবেষকরা।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, "স্বাস্থ্যসেবায় আধুনিক প্রযুক্তির বিকাশে সরকার গবেষণা ও উদ্ভাবনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, মান যাচাই এবং উৎপাদনের ক্ষেত্রে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করবে।"</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x_6a68dfed4ac10.jpg" alt=""></p>
<p>তিনি আরও বলেন, দেশীয় উদ্ভাবনকে শিল্পপর্যায়ে নিয়ে যেতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব, গবেষণা বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তি বাণিজ্যিকীকরণকে আরও জোরদার করতে হবে।</p>
<p>সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) প্রো-ভিসি ড. মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চিকিৎসক সহযোগী অধ্যাপক ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ এবং প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-১ ডা. মামুন শিবলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।</p>
<p>সভায় উপস্থিত বিশেষজ্ঞরা জানান, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিন সফলভাবে উৎপাদন ও হাসপাতালে ব্যবহার শুরু হলে বিদেশি চিকিৎসা সরঞ্জামের ওপর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। একই সঙ্গে চিকিৎসা ব্যয় হ্রাস, দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্য খাতে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং দেশীয় মেডিকেল প্রযুক্তি শিল্পের বিকাশে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।</p>
<p>বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশে মেডিকেল ডিভাইস উৎপাদন শিল্প, স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি গবেষণা এবং প্রযুক্তিভিত্তিক স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে আরও শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে দেশীয় চিকিৎসা যন্ত্র আন্তর্জাতিক বাজারেও রপ্তানির সুযোগ তৈরি হতে পারে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ ইটিও/ এমএসআই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্যামসাং গ্যালাক্সি ওয়াচ ৯: ডিজাইনে সামান্য পরিবর্তন, পারফরম্যান্সে বড় লাফ</title>
<link>https://digibanglatech.news/185044</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185044</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a65fabc5d0d2.jpg" length="66406" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 27 Jul 2026 19:57:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্যামসাং আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করেছে তাদের জনপ্রিয় স্মার্টওয়াচ সিরিজের নতুন সংস্করণ 'গ্যালাক্সি ওয়াচ ৯'। ডিজাইন বা বাইরের চেহারায় বড় ধরনের পরিবর্তন না আনলেও অভ্যন্তরীণ গতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ব্যবহার এবং স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ প্রযুক্তিতে উল্লেখযোগ্য আধুনিকায়ন আনা হয়েছে এই ডিভাইসে। প্রাত্যহিক ব্যবহারের স্বাচ্ছন্দ্য এবং পারফরম্যান্স বাড়াতে এটি প্রযুক্তিপ্রেমীদের নজর কাড়ছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ডিজাইন ও পরার স্বাচ্ছন্দ্য</strong><br>স্যামসাং গ্যালাক্সি ওয়াচ ৯ মডেলটি আগের সংস্করণের মতোই গোলাকার ও কিছুটা বর্গাকার মিশ্রিত নকশায় পাওয়া যাচ্ছে। ব্যবহারকারীর কবজির পরিমাপ অনুযায়ী এটি ৪০ মিলিমিটার এবং ৪৪ মিলিমিটার- এই দুটি আকারে বাজারজাত করা হচ্ছে। ওয়াচটির অ্যালুমিনিয়াম কেসিং পূর্বের তুলনায় কিছুটা হালকা করা হয়েছে, যার ফলে সারাদিন পরে থাকলেও কবজিতে বাড়তি অস্বস্তি অনুভব হয় না। এছাড়া এর নতুন ফ্লোরোইলাস্টোমার বেল্ট বা স্ট্র্যাপে বায়ু চলাচলের বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা ঘাম জমে থাকা প্রতিরোধ করে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>নতুন শক্তিশালী প্রসেসর ও ব্যাটারি</strong><br>স্মার্টওয়াচটির ভেতরে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে এর চিপসেটে। এবার স্যামসাং নিজেদের তৈরি চিপের বদলে কোয়ালকমের 'স্ন্যাপড্রাগন ওয়্যার এলিট' প্রসেসর ব্যবহার করেছে। এর ফলে অ্যাপ চালু করা, মেন্যু স্ক্রল করা বা বিভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাজগুলো আগের চেয়ে অনেক বেশি দ্রুত সম্পন্ন হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">একই সাথে ছোট অর্থাৎ ৪০ মিলিমিটার মডেলে ব্যাটারির সক্ষমতা প্রায় ২০ শতাংশ বাড়িয়ে ৩৯০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার করা হয়েছে, যা আগে ছিল ৩২৫ মিলিঅ্যাম্পিয়ার। তবে ৪৪ মিলিমিটার মডেলেও ব্যাটারি কিছুটা বাড়িয়ে ৪৪৫ মিলিঅ্যাম্পিয়ার করা হয়েছে। শক্তিশালী প্রসেসরের কাজের দক্ষতার কারণে ডিভাইসটি এক চার্জে তুলনামূলক বেশি সময় সচল থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>স্বাস্থ্য সেবা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা</strong><br>গুগলের ওয়্যার অপারেটিং সিস্টেম ৭ ও স্যামসাংয়ের নিজস্ব ইন্টারফেসের সমন্বয়ে তৈরি এই ঘড়িতে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ফিচারগুলোকে আরও নিখুঁত করা হয়েছে। এতে থাকা 'ভাইটালস' ফিচারটি টানা সাত দিন ধরে হৃদস্পন্দন, ত্বকের তাপমাত্রা, রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা ও শ্বাস-প্রশ্বাসের হার পর্যবেক্ষণ করে ব্যবহারকারীর একটি সাধারণ সুস্থতার মানদণ্ড তৈরি করে। শারীরিক স্বাভাবিকতায় কোনো ব্যতিক্রম দেখা দিলে তা দ্রুত সংকেতের মাধ্যমে সতর্ক করে দেয়। এছাড়া ফিটনেস ইনডেক্স ও ডেইলি কার্ডিও ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারী তার ব্যায়ামের সঠিক মাত্রা পরিমাপ করতে পারবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ব্যবহারে গুগলের ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট 'জেমিনাই' যুক্ত করা হয়েছে, যা মাত্র কবজি উঁচিয়ে কথা বললেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে উত্তর দিতে পারে। সব মিলিয়ে নতুন ডিজাইন নিয়ে আসার বদলে আগের ত্রুটিগুলো শুধরে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ডিভাইস উপহার দিয়েছে স্যামসাং।</p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong>ডিবিটেক/বিএমটি</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পরীক্ষায় দেশের অধিকাংশ টুথপেস্টে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত</title>
<link>https://digibanglatech.news/185094</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185094</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5&quot;&gt;৩৪টি ব্র্যান্ডের টুথপেস্টের ২৬টিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি শনাক্ত করেছে এসডো&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5&quot;&gt;ল্যাবে উন্নত এফটিআইআর স্পেকট্রোস্কোপি প্রযুক্তি ব্যবহারে পরীক্ষা পরিচালিত হয়&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5&quot;&gt;শিশুদের চার ধরনের টুথপেস্টেও বিপজ্জনক প্লাস্টিক কণা উদ্ধার&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a665d6a8122c.jpg" length="79397" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 26 Jul 2026 20:18:36 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>মাইক্রোপ্লাস্টিক, টুথপেস্ট, এসডো, স্পেকট্রোস্কোপি, ল্যাব পরীক্ষা, প্রযুক্তি, পরিবেশবিজ্ঞান, স্বাস্থ্যঝুঁকি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ, তথ্যপ্রযুক্তি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="8">দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতেই ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা সংস্থা এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো) এক বছরব্যাপী পরিচালিত প্রযুক্তিভিত্তিক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এই উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ করেছে।</p>
<p data-path-to-node="9">সংস্থাটি জানায়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের ‘এনভায়রনমেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ইকোটক্সিকোলজি ল্যাবরেটরিতে’ আধুনিক স্টিরিওমাইক্রোস্কোপি ও ফুরিয়ার ট্রান্সফর্ম ইনফ্রারেড (এফটিআইআর) স্পেকট্রোস্কোপি প্রযুক্তি ব্যবহার করে নমুনাগুলো বিশ্লেষণ করা হয়। রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬ রাজধানীতে নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ২ হাজার ৭৬০ জন ভোক্তার ওপর পরিচালিত জরিপসহ এই গবেষণার ফল প্রকাশ করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="10">প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায়, পরীক্ষা করা ২৫টি দেশীয় টুথপেস্টের মধ্যে ২২টিতে ক্ষতিকর কণা মিলেছে। এছাড়া থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের আমদানিকৃত নমুনা এবং শিশুদের জন্য তৈরি ছয়টি টুথপেস্টের চারটিতেই এই প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি মিলেছে। প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে সর্বনিম্ন ২০টি থেকে সর্বোচ্চ ৩২০টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা ধরা পড়েছে। সবচেয়ে বেশি ৩২০টি কণা পাওয়া গেছে ‘মেডিপ্লাস ফ্লুরাইড জেল’-এ।</p>
<p data-path-to-node="11">তালিকায় অন্যান্য ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে ক্লোজ আপ রেড হট (১৬০টি), ক্লোজ আপ মেন্থল ফ্রেশ (১৬০টি), কোডোমো আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলা স্ট্রবেরি (১৪০টি), সিগন্যাল গ্রিন টি (১২০টি), পেপসোডেন্ট অ্যাডভান্স সল্ট (১০০টি), হিমালয়া কমপ্লিট কেয়ার (১০০টি) এবং সেনসোডাইন ফ্রেশ মিন্টে (৮০টি) কণা শনাক্ত হয়েছে। শিশুদের টুথপেস্টের মধ্যে কোডোমো আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলায় ১৪০টি, মেরিল বেবি স্ট্রবেরিতে ৬০টি, মেরিল বেবি অরেঞ্জে ৪০টি এবং পেপসোডেন্ট কিড অরেঞ্জে ২০টি প্লাস্টিক কণা ধরা পড়ে।</p>
<p data-path-to-node="13">তবে গবেষণার প্রযুক্তিগত পরীক্ষায় জেনফ্রেশ, প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো), ক্লোজ আপ রেড হট জিংক ফ্রেশ টেকনোলজি এবং আমদানি করা কোডোমো অরেঞ্জ টুথপেস্টে কোনো শনাক্তযোগ্য মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ ডিপিও/ইডিপি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশের আইসিইউতে ওষুধ&#45;প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার ঝুঁকি উদ্বেগজনক</title>
<link>https://digibanglatech.news/185008</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185008</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,0,0&quot;&gt;ঢাকার বিশেষায়িত হাসপাতালে দুই গবেষণায় গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়ার ভয়াবহ চিত্র&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,1,0&quot;&gt;এনআইসিইউতে সংক্রমণ প্রতিরোধ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ৮৬% পর্যন্ত মৃত্যুহার কমানো সম্ভব&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,2,0&quot;&gt;হাত ধোয়া ও অ্যান্টিবায়োটিকের যৌক্তিক ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a65aa5a5a62c.jpg" length="58464" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 25 Jul 2026 22:34:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>আইসিডিডিআর, বি, আইসিইউ, এনআইসিইউ, ব্যাকটেরিয়া, অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স, সংক্রমণ, মৃত্যুহার, গবেষণা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="9">দেশের হাসপাতালগুলোর নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) সহজে চিকিৎসা করা যায় না এমন ওষুধ-প্রতিরোধী (ড্রাগ-রেজিস্ট্যান্ট) ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ঝুঁকি উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি)-এর দুটি পৃথক গবেষণায় দেখা গেছে, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সময় জীবাণুমুক্ত থাকা রোগীদের অর্ধেকেরও বেশি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন। আরও আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, কালচার পরীক্ষায় এই ভয়াবহ সংক্রমণের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া আক্রান্ত রোগীদের ৯০ শতাংশেরই মৃত্যু হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="10">আন্তর্জাতিক দুটি মর্যাদাপূর্ণ সাময়িকী 'মাইক্রোবায়োলজি স্পেকট্রাম' এবং 'অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স অ্যান্ড ইনফেকশন কন্ট্রোল'-এ প্রকাশিত সাম্প্রতিক গবেষণার তথ্য সামনে এনে এই উদ্বেগের কথা জানিয়েছে সংস্থাটি। ২৫ জুলাই গবেষণার তথ্য প্রকাশ্যে আসে।</p>
<p data-path-to-node="11">ঢাকার একটি বিশেষায়িত সরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভর্তি থাকা ৩৭৩ জন গুরুতর অসুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক রোগী এবং এনআইসিইউতে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভর্তি থাকা ৩৬৩ জন নবজাতকের তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষণা দুটি চালানো হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি)-এর অর্থায়নে এই অনুসন্ধানে চারটি প্রধান গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া—এশেরিশিয়া কোলাই, ক্লেবসিয়েলা নিউমোনিয়ে, অ্যাসিনেটোব্যাক্টার বাউমানি এবং সিউডোমোনাস অ্যারুজিনোসা-এর ওপর মূল নজর দেওয়া হয়।</p>
<p data-path-to-node="12">ফলাফলে দেখা যায়, আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ৪৮.৫ শতাংশ রোগীর অন্ত্রে এই চিকিৎসা-কঠিন ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি ছিল। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, ভর্তির সময় মুক্ত থাকা ১৯৮ জন রোগীর মধ্যে ১০৫ জন (৫৩ শতাংশ) আইসিইউ চলাকালীন নতুন করে সংক্রমিত হন। সীমিত অবকাঠামো, অতিরিক্ত রোগীর চাপ এবং হাসপাতাল-সম্পর্কিত নোসোকোমিয়াল ইনফেকশন এই ভয়াবহ মৃত্যুহারের অন্যতম প্রধান কারণ বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।</p>
<p data-path-to-node="13">তবে সমন্বিত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা যে জীবন বাঁচাতে পারে তার প্রমাণ মিলেছে দ্বিতীয় গবেষণায়। ডব্লিউএইচও (WHO)-এর নির্দেশিকা অনুযায়ী এনআইসিইউতে সাত মাস সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা (IPC) জোরদার করায় প্রতি ১০০ জন ভর্তি রোগীর মধ্যে রক্তপ্রবাহের সংক্রমণ ২৮ জন থেকে কমে মাত্র ৪ জনে নেমে আসে (৮৬ শতাংশ হ্রাস)। একই সাথে নবজাতকের মৃত্যুহার প্রতি ১০০ জনে ২৬ জন থেকে কমে মাত্র ৪ জনে দাঁড়িয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="15">গবেষণার প্রধান লেখক আইসিডিডিআর,বি-এর সহকারী বিজ্ঞানী ড. গাজী মো. সালাহউদ্দীন মামুন এবং সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ জানান, হোল-জিনোম সিকোয়েন্সিং ও ল্যাব পরীক্ষায় স্পষ্ট হয়েছে যে, হাসপাতাল থেকে নীরবে ছড়ানো জীবাণুই প্রাণঘাতী হয়ে ওঠে। তারা স্পষ্ট করে বলেন, নিয়মিত হাত ধোয়া, হাসপাতালের পরিবেশ জীবাণুমুক্ত রাখা, অ্যান্টিবায়োটিকের সঠিক ও যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারলে এই মৃত্যু ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব।<br>/<strong>/ডিবিটেক/বিটিও/ইডিপি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আলেচিত ‘অটোনমিক নিউরোপ্যাথি’র চিকিৎসা কী?</title>
<link>https://digibanglatech.news/184873</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184873</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,0,0&quot;&gt;অটোনমিক নিউরোপ্যাথির কারণে হঠাৎ অচেতন হওয়ার উপসর্গ&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,1,0&quot;&gt;অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস ও হৃদরোগসহ বহুমুখী স্বাস্থ্য জটিলতা&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,2,0&quot;&gt;দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজনে দায়িত্ব পালনে অক্ষমতা&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a63945720ee8.jpg" length="97653" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 24 Jul 2026 18:36:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>রাষ্ট্রপতি, সাহাবুদ্দিন, পদত্যাগ, অটোনমিক, নিউরোপ্যাথি, স্নায়ু, ডায়াবেটিস, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="9">সদ্য পদত্যাগ করা রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্রে উল্লেখিত শারীরিক সমস্যাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে জটিল স্নায়ুবিক রোগ ‘অটোনমিক নিউরোপ্যাথি’। পদত্যাগপত্রে তিনি জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তার শরীরে এই রোগ শনাক্ত হয়েছে। যার ফলে তিনি মাঝে মাঝেই ক্ষণিকের জন্য অচেতন বা জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। এই শারীরিক অক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজনের কারণে তার পক্ষে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা আর সম্ভব হচ্ছে না।</p>
<p data-path-to-node="10">২৪ জুলাই, শুক্রবার রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর চিকিৎসাবিজ্ঞানে অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় এসেছে।</p>
<p data-path-to-node="11">চিকিৎসাবিজ্ঞানে অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি হলো শরীরের ভেতরের স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুগুলোর এক ধরনের ক্ষতি বা অবক্ষয়জনিত রোগ। আমাদের অজান্তেই শরীরের যেসব কাজ অনবরত চলছে—যেমন হৃৎস্পন্দন, রক্তচাপ, হজমপ্রক্রিয়া এবং মূত্রথলি নিয়ন্ত্রণ—সেসব নিয়ন্ত্রণ করে এই অটোনোমিক স্নায়ুতন্ত্র। ক্ষতিগ্রস্ত স্নায়ুর ওপর নির্ভর করে রোগের লক্ষণ ভিন্ন হতে পারে; যেমন—শোয়া বা বসা থেকে হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, অস্বাভাবিক হৃদস্পন্দন, অতিরিক্ত বা কম ঘাম হওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া এবং মূত্রথলির নিয়ন্ত্রণ হারানোর মতো উপসর্গ।</p>
<p data-path-to-node="12">বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রোগের সবচেয়ে সাধারণ কারণ দীর্ঘদিন অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস। এ ছাড়া কিছু অটোইমিউন রোগ, অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবন, কেমোথেরাপি, গুলেন-ব্যারি সিনড্রোম কিংবা নির্দিষ্ট কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াতেও এটি হতে পারে। গ্রিন লাইফ মেডিকেল কলেজের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের প্রধান তানজিনা হোসেন জানান, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এর স্থায়ী নিরাময় নেই। তবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা, ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়ানো, পর্যাপ্ত পানি পান, বিশেষ ব্যায়াম এবং জীবনযাত্রায় পরিবর্তনের মাধ্যমে উপসর্গগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ এমভিপি/ইডিপি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চীনা প্রযুক্তিতে রাজশাহীতে বিশ্বমানের হৃদরোগ সেবার তাগিদ</title>
<link>https://digibanglatech.news/184886</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184886</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,0,0&quot;&gt;শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,1,0&quot;&gt;কোর্ট-নাটোর রোড থেকে হার্ট ফাউন্ডেশনের সংযোগ সড়ক প্রশস্ত করার বিশেষ প্রকল্প&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,2,0&quot;&gt;ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের দ্বিতীয় পর্যায়ের উন্নয়নে সরকারি অনুদানের আশ্বাস&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a63f754ed88c.jpg" length="111566" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 24 Jul 2026 15:38:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ভূমিমন্ত্রী, মিজানুর রহমান মিনু, চীন, প্রযুক্তি, হৃদরোগ, রাজশাহী, স্বাস্থ্য, হার্ট ফাউন্ডেশন, চিকিৎসা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="9">চীনের অত্যাধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে রাজশাহীতে বিশ্বমানের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, এমপি। তিনি বলেছেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রদান করেছে এবং স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারের পূর্ণ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। চীনের ফুওয়াই ইউনান কার্ডিওভাসকুলার হাসপাতালের শিশু হৃদরোগ বিভাগ ও ঢাকা জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এর যৌথ উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী এই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p data-path-to-node="10">২৪ জুলাই, শুক্রবার রাজশাহী ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে ৩ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিশু শিক্ষার্থীদের হৃদরোগ সনাক্তকরণ ও চিকিৎসা কার্যক্রমের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p data-path-to-node="11">চীনের সাথে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করে ভূমিমন্ত্রী বলেন, "সাবেক প্রধানমন্ত্রী শহীদ জিয়াউর রহমান চীনের সাথে বন্ধুত্বের সূচনা করেছিলেন এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের মাধ্যমে এই সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।" অবকাঠামোগত উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে প্রধান অতিথি জানান, কোর্ট-নাটোর রোড থেকে হার্ট ফাউন্ডেশনে আসার সংযোগ সড়কটি প্রশস্ত করার জন্য একটি বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হবে এবং এ বিষয়ে তিনি রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন ও আরডিএ-কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন। এ ছাড়া ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের দ্বিতীয় পর্যায়ের উন্নয়নের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বিশেষ অনুদান বরাদ্দের আশ্বাস দেন মন্ত্রী।</p>
<p data-path-to-node="13">রাজশাহী ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. আব্দুল মান্নান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চীনের ফুওয়াই ইউনান কার্ডিওভাসকুলার হসপিটালের ডেপুটি ডাইরেক্টর ইনচার্জ ও বিশেষজ্ঞ দলের টিম লিডার লু-জিয়াং, বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. মো. আতাউল হক, চীফ কনসালটেন্ট প্রফেসর ডা. মো. রইছ উদ্দিন, সহসভাপতি মো. হাসেন আলী ও মো. মাকসুদুল করিম সম্রাটসহ চিকিৎসক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ একেএল/ইডিপি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এআইনির্ভর ‘হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট&amp;apos; আনলো স্যামসাং</title>
<link>https://digibanglatech.news/184636</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184636</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a6060d4198c4.jpg" length="51927" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 22 Jul 2026 20:19:17 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা আরও সহজ ও সমন্বিত করতে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সহকারী ‘হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট’ উন্মোচন করেছে স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স। এটি প্রতিষ্ঠানটির জনপ্রিয় অ্যাপ 'স্যামসাং হেলথ'-এর মধ্যে সরাসরি যুক্ত থাকা একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্ভিস, যা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচিত ব্যবহারকারীদের জন্য বেটা সংস্করণে চালু করা হয়েছে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">স্বাস্থ্যের ৫টি প্রধান সূচকের সমন্বয়</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">স্যামসাং হেলথ অ্যাপের পাঁচটি মূল স্তম্ভ—ঘুম, শারীরিক কর্মকাণ্ড (অ্যাক্টিভিটি), পুষ্টি, মানসিক স্বাস্থ্য (মাইন্ডফুলনেস) এবং শরীরের গুরুত্বপূর্ণ পরিমাপ বা ভাইটালস (যেমন হৃদস্পন্দন বা রক্তচাপ)—থেকে তথ্য সংগ্রহ করে কাজ করবে এই হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট। সংগৃহীত ডেটা বিশ্লেষণ করে এই এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্যবহারকারীকে সহজ ও কার্যকর পরামর্শ দেবে এবং স্বাস্থ্যগত বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যকার পারস্পরিক প্রভাব ব্যাখ্যা করবে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও কোচের পরামর্শ</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">এআই-এর দেওয়া সুপারিশ ও পর্যবেক্ষণগুলো যাতে নির্ভুল এবং নির্ভরযোগ্য হয়, সে জন্য পরামর্শগুলো অভিজ্ঞ চিকিৎসক এবং সার্টিফাইড হেলথ কোচদের সমন্বয়ে গঠিত দল দ্বারা যাচাই বা ভ্যালিডেট করা হয়েছে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কাস্টোমাইজেশন</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">স্যামসাং জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের ওজন নিয়ন্ত্রণসহ জীবনযাত্রার অভ্যাসে ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য 'কোচিং' সুবিধা দেওয়া হবে। এছাড়া এতে স্যামসাংয়ের 'পার্সোনাল ডেটা ইঞ্জিন' যুক্ত করা হবে, যা ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন ক্যালেন্ডার সূচি বা অভ্যাসের কথা মাথায় রেখে অতি-ব্যক্তিগতকৃত (পার্সোনালাইজড) ও সময়োপযোগী পরামর্শ প্রদান করবে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">এক বিবৃতিতে স্যামসাংয়ের ডিজিটাল হেলথ টিমের শীর্ষ কর্মকর্তা ড. হন পাক জানান, প্রতিদিনের স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ সহজ করা এবং যেকোনো স্বাস্থ্য ঝুঁকি বা পরিবর্তন প্রাথমিক পর্যায়েই চিহ্নিত করার লক্ষ্যেই এই প্রযুক্তি চালু করা হয়েছে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি    ।   সূত্র: <a href="https://www.gsmarena.com/samsung_unveils_aipowered_health_assistant-news-73818.php" target="_blank" rel="noopener">জিএসএম এরিনা</a></span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>উপজেলা হাসপাতাল ১০১ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে</title>
<link>https://digibanglatech.news/184363</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184363</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul data-path-to-node=&quot;5&quot;&gt;
&lt;li&gt;
&lt;p data-path-to-node=&quot;5,2,0&quot;&gt;জন্মগত ত্রুটি দূরীকরণে বিনামূল্যে অস্ত্রোপচার&lt;/p&gt;
&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a5c666db3737.jpg" length="107769" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 18 Jul 2026 23:40:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>স্বাস্থ্যসেবা, হাসপাতাল, শয্যা, ডিজিটালাইজড, অস্ত্রোপচার, শিশু, নবজাতক, সচেতনতা, কল সেন্টার</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="9">স্বাস্থ্যসেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে দেশের প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার কাজ শুরু করেছে সরকার। বিভাগীয় পর্যায়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং হাসপাতালের সব কার্যক্রম ডিজিটালাইজড করার পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে। বিনামূল্যে অস্ত্রোপচার কর্মসূচির উদ্বোধনের পর সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের কল সেন্টারেরও উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসন ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p data-path-to-node="10">১৮ জুলাই, শনিবার রাজধানীর সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে ঠোঁট ও তালুকাটা শিশুদের জন্য বিনামূল্যে বিশেষ অস্ত্রোপচার কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জাবিউল্লাহ এসব কথা বলেন।</p>
<p data-path-to-node="12">অনুষ্ঠানে জানানো হয়, দেশে প্রতিবছর প্রায় পাঁচ হাজার শিশু জন্মগতভাবে ঠোঁটকাটা ও তালুকাটা সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে জন্মায়। এসব শিশুকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে বিনামূল্যে বিশেষ অস্ত্রোপচার কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসমাইল জাবিউল্লাহ বলেন, "বিশ্বব্যাপী প্রতি ৫০০ থেকে ৬০০ নবজাতকের মধ্যে একজন ঠোঁট বা তালুকাটা সমস্যাসহ জন্মগ্রহণ করে। বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় পাঁচ হাজার শিশু এ ধরনের জন্মগত সমস্যার মুখোমুখি হয়। একটি সফল অস্ত্রোপচার শুধু একটি মুখ নয়, বরং একটি পুরো জীবন বদলে দিতে পারে।" তিনি জন্মগত এ ধরনের ত্রুটি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং সময়মতো অস্ত্রোপচার নিশ্চিত করতে সরকারের সমন্বিত উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ করেসপন্ডেন্ট/ইডিপি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিআরইউতে বিনামূল্যে ডেন্টাল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/184300</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184300</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;ডেন্টাল কেয়ারের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের স্বল্প খরচে আধুনিক দাঁতের চিকিৎসা নিশ্চিতের আশ্বাস&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a5b597145b75.jpg" length="95004" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 18 Jul 2026 15:46:31 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ডিআরইউ, ডেন্টাল, সাংবাদিক, স্বাস্থ্যসেবা, বিএনপি, সংসদসদস্য, চিকিৎসা, সচেতনতা, ঢাকা, অপতথ্য, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি, ফেরদৌসী আহমেদ মিস্টি, ডিআরইউ, ডেন্টাল ক্যাম্প, সাংবাদিক, স্বাস্থ্যসেবা, মাইনুল হাসান সোহেল, ঢাকা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="19">কেউ যাতে অপতথ্য ছড়াতে না পারে, সে দিকে সবাইকে সজাগ দৃষ্টি ও খেয়াল রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি। তিনি প্রত্যেকে যার যার অবস্থান থেকে সঠিক কাজটি করার মাধ্যমে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।</p>
<p data-path-to-node="19">ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) ভবনের শফিকুল কবির মিলনায়তনে ডিআরইউ সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য আয়োজিত এক বিনামূল্যে ডেন্টাল ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই আহ্বান জানান। মেডিপ্লাস ডেন্টাল হেলথ এবং ডক্টর মির্জাস ডেন্টাল কেয়ারের সার্বিক সহযোগিতায় এই স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="20">১৮ জুলাই, শনিবার সকালে সেগুনবাগিচায় ডিআরইউ কার্যালয়ে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি দেশের সার্বিক উন্নয়নে ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সাংবাদিকদের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন।</p>
<p data-path-to-node="21">অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি বলেন, "অপতথ্য কেউ যাতে ছড়াতে না পারে, সে দিকে সবাইকে খেয়াল রাখার অনুরোধ থাকবে। আমরা প্রত্যেকে যার যার অবস্থান থেকে ঠিক কাজটি করলেই বাংলাদেশ সুন্দর হবে। আমি দেশের জন্য কিছু করতে চাই। আপনাদের সহযোগিতা চাই। সবার আগে বাংলাদেশ। দেশকে সুন্দর জায়গায় নিয়ে যেতে পারেন সাংবাদিকরা। আপনাদের ভূমিকার প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। ডিআরইউ সব সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এই সংগঠনের সদস্যদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা দরকার। আমরা সহযোগিতা করবো।"</p>
<p data-path-to-node="22">বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডা. মির্জা মহিবুল হাছান বলেন, "সদস্যরা চেম্বারে যাবেন, চিকিৎসা পাবেন। দাঁতের চিকিৎসা ব্যয়বহুল হলেও অল্প খরচে ভালো চিকিৎসা দেওয়া হবে। রাত ৮টা থেকে ১১টার মধ্যে চলে আসবেন।"</p>
<p data-path-to-node="22">ডিআরইউর সাবেক সভাপতি এম শফিকুল করিম সাবু বলেন, "বিদেশে ইন্স্যুরেন্স থাকায় চিকিৎসা নিশ্চয়তা রয়েছে। বাংলাদেশে দাঁতের চিকিৎসা ব্যয়বহুল হলেও চিকিৎসার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। সুস্থ থাকার জন্য দাঁতের যত্ন নিতে হবে।"</p>
<p data-path-to-node="22">ডিআরইউ’র সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, "আমাদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। আমরা সদস্যদের স্বাস্থ্যসেবায় ডিআরইউ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। সারা বছরই চিকিৎসা সংক্রান্ত নানা ধরনের প্রোগ্রাম নেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আজ দাঁতের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।"</p>
<p data-path-to-node="23">ডিআরইউ’র সহ-সভাপতি মেহ্দী আজাদ মাসুমের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কল্যাণ সম্পাদক রফিক মৃধা। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ডিআরইউ’র যুগ্ম সম্পাদক মো: জাফর ইকবাল, অর্থ সম্পাদক নিয়াজ মাহমুদ সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম জসিম, স্থায়ী সদস্য মাহবুব জুয়েল এবং বিএনপি ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য মোজাম্মেল হোসেন সেলিম। </p>
<p data-path-to-node="23">অনুষ্ঠানে ডিআরইউ কার্যনির্বাহী কমিটির নারী বিষয়ক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস পান্না, তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাহমুদ সোহেল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. মনোয়ার হোসেন, আপ্যায়ন সম্পাদক আমিনুল হক ভূঁইয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য আলী আজম, মাহফুজ সাদি ও সুমন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ ডিআরপি/এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল স্বাস্থ্য সেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ই&#45;কার্ড</title>
<link>https://digibanglatech.news/184162</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184162</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,0,0&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 10pt;&quot;&gt;দেশের স্বাস্থ্য সেবা আধুনিক করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন চালু করা হচ্ছে।&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,1,0&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 10pt;&quot;&gt;স্বাস্থ্যব্যবস্থার আমূল সংস্কারে এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা শক্তিশালী করতে ডিজিটাল রোডম্যাপ বাস্তবায়নে কাজ চলছে।&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,2,0&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 10pt;&quot;&gt;সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে সবার জন্য মানসম্মত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a5925cf3c4a9.jpg" length="82045" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 18:41:59 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি, এআই, ই-কার্ড, চিকিৎসা, ডিজিটাল, সেবা, রূপরেখা, বিএমএ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="9">দেশের স্বাস্থ্য সেবাকে আধুনিক, সমন্বিত ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ই-হেলথ কার্ড এবং ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন চালুর মাধ্যমে নতুন রূপরেখা বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে সরকার। প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবাকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যব্যবস্থার আমূল সংস্কারে ডিজিটাল রোডম্যাপ বাস্তবায়নে কাজ চলছে। ই-হেলথ কার্ড এখন বাস্তবায়নের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="10">১৬ জুলাই, বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত এসব কথা বলেন।</p>
<p data-path-to-node="11">ডা. এম এ মুহিত বলেন, “দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে নতুনভাবে সাজাতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। এর মধ্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা শক্তিশালী করা, স্বাস্থ্য সেবার প্রতিটি ধাপে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে চিকিৎসা সেবার সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। স্বাস্থ্য খাতের এই রূপান্তর হঠাৎ করে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্ত নয়। গত দেড় থেকে দুই বছর ধরে দেশের ভেতরে ও বাইরে থাকা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ায় এই পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার ও ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ’ শীর্ষক নীতিপত্রেও এসব উদ্যোগের প্রতিফলন রয়েছে।”</p>
<p data-path-to-node="11">প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির ফলে স্বাস্থ্য সেবার ধরনও দ্রুত বদলে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সবার জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে সরকারি প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এবং একাডেমিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।” সেমিনারে স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ডা. মোহাম্মদ এনামুল হক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীমসহ স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p data-path-to-node="12">/<strong>/ডিবিটেক/ আরবিও/এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নারী স্বাস্থ্যসেবায় ডিজিটাল অ্যাপ ও ১ লাখ নতুন কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা</title>
<link>https://digibanglatech.news/183918</link>
<guid>https://digibanglatech.news/183918</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p data-path-to-node=&quot;8&quot;&gt;নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যানসার স্ক্রিনিং জোরদার করতে নতুন ডিজিটাল অ্যাপ চালুর গুরুত্বারোপ এবং তৃণমূল পর্যায়ে ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a560d6a390c8.jpg" length="279360" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 14 Jul 2026 14:20:44 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>নারী স্বাস্থ্যসেবা, জরায়ুমুখ ক্যানসার, স্তন ক্যানসার স্ক্রিনিং, ডিজিটাল স্বাস্থ্য অ্যাপ, কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মী, ড. এম এ মুহিত, ড. জিয়া হায়দার, জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল।</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশে নারী স্বাস্থ্যসেবা আরও কার্যকর ও সহজলভ্য করতে ডিজিটাল স্বাস্থ্য অ্যাপ চালু, মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং তরুণ চিকিৎসকদের আন্তর্জাতিক উচ্চতর প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, নারী স্বাস্থ্যকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার স্বাস্থ্যব্যবস্থার সংস্কার ও আধুনিকায়নে কাজ করছে এবং জনগণের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।</p>
<p>মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘হার হেলথ বাংলাদেশ: নারীদের স্বাস্থ্য ও কল্যাণ ত্বরান্বিতকরণ, জাতীয় মাতৃস্বাস্থ্য এবং জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যানসার কর্মসূচি শক্তিশালীকরণ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। </p>
<p>বাংলাদেশ সরকার ও ইউরোপীয় ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে এবং জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (UNFPA) সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।</p>
<p>সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা) শাহ ইমাম আলী রেজা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসনিম, জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল বাংলাদেশের প্রতিনিধি ক্যাথরিন ব্রিন ক্যামকংসহ স্বাস্থ্য খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা।</p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, কর্মসূচির ‘ডিজিটাল স্বাস্থ্য ও উদ্ভাবন’ অংশটি বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ উদ্যোগের আওতায় রোগী ও স্বাস্থ্যসেবাদানকারীদের জন্য পৃথক ইন্টারফেস সমৃদ্ধ একটি দ্বিমুখী ডিজিটাল অ্যাপ তৈরি করা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের তথ্য দ্রুত ও নির্ভুলভাবে সংগ্রহের পাশাপাশি রোগীরা স্বাস্থ্য পরীক্ষা-সংক্রান্ত পরবর্তী তারিখের স্মারক, প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং স্বাস্থ্যসচেতনতামূলক তথ্য নিয়মিতভাবে পাবেন।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, স্তন ক্যানসার ও ফিস্টুলা শনাক্তকরণে মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে তরুণ সার্জনদের জন্য অস্ত্রোপচার-সংক্রান্ত উচ্চতর প্রশিক্ষণ এবং চিকিৎসকদের জন্য ক্যানসার চিকিৎসাবিষয়ক বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি। এ ছাড়া, ইউরোপের বিভিন্ন চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের তরুণ চিকিৎসকদের জন্য স্বল্পমেয়াদি আন্তর্জাতিক ফেলোশিপ চালুর উদ্যোগ নেওয়ারও তাগিদ দেন প্রতিমন্ত্রী।</p>
<p>সেমিনারে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. জিয়া হায়দার তৃণমূল পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা পুনর্গঠনের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বর্তমানে মাঠপর্যায়ে কর্মরত তিন ধরনের স্বাস্থ্যকর্মীকে একীভূত করে ‘কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মী’ নামে একটি সমন্বিত কাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। নতুন এক লাখ নিয়োগসহ দেশে মোট এক লাখ ৪০ হাজারের বেশি কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মী প্রতি দুই মাসে অন্তত একবার প্রতিটি পরিবার পরিদর্শন করবেন। এর মাধ্যমে জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যান্সারের স্ক্রিনিংসহ বিভিন্ন প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা তৃণমূল পর্যায়ে আরও কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/জেএনএন/এসএমআই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল নজরদারিতে ভেজাল ওষুধে জিরো টলারেন্স</title>
<link>https://digibanglatech.news/183847</link>
<guid>https://digibanglatech.news/183847</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;126t0ll&quot; data-start=&quot;121&quot; data-end=&quot;155&quot;&gt;ভেজাল ওষুধে শূন্য সহনশীলতা নীতি।&lt;span aria-hidden=&quot;true&quot; class=&quot;PDq2pG_selectionAnchor&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;2sj60m&quot; data-start=&quot;156&quot; data-end=&quot;200&quot;&gt;প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ও গোয়েন্দা অভিযান।&lt;/li&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;19qzkou&quot; data-start=&quot;201&quot; data-end=&quot;238&quot;&gt;আধুনিক ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা জোরদার।&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a5506340b606.jpg" length="73765" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 13 Jul 2026 17:37:36 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ভেজাল ওষুধ, ডিজিডিএ, ওষুধের মান নিয়ন্ত্রণ, ডিজিটাল নজরদারি, মোবাইল কোর্ট, আধুনিক ল্যাবরেটরি, গোয়েন্দা তথ্য, জনস্বাস্থ্য, ওষুধ নিরাপত্তা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="613" data-end="945">জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, ওষুধের মান নিয়ন্ত্রণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি জোরদারে বাজার থেকে সব ধরনের ভেজাল, নকল ও নিম্নমানের ওষুধ উৎপাদন ও বিপণন সম্পূর্ণ বন্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ (শূন্য সহনশীলতা) নীতি গ্রহণ করেছে সরকার। এ অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় দেশজুড়ে সমন্বিত সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়েছে।<span aria-hidden="true"></span></p>
<p data-start="947" data-end="1118">সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।</p>
<p data-start="1120" data-end="1391">স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, নকল ও ভেজাল ওষুধের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ রোধে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ) অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। নিয়মিত দেশব্যাপী মোবাইল কোর্ট পরিচালনার পাশাপাশি ফার্মেসি, ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় নিবিড় পরিদর্শন চালানো হচ্ছে।</p>
<p data-start="1393" data-end="1662">তিনি জানান, বাজার থেকে নিয়মিত ওষুধের নমুনা সংগ্রহ করে সরকারি আধুনিক মান নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষাগারে গুণগত মান যাচাই করা হচ্ছে। পরীক্ষায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা মান বিচ্যুতি ধরা পড়লেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।</p>
<p data-start="1664" data-end="2057">মন্ত্রী আরও বলেন, এবার শুধু প্রচলিত তদারকির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষায়িত ইউনিট এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে মাঠপর্যায়ে ধারাবাহিক বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। দুর্গম এলাকায় গড়ে ওঠা অবৈধ ও অননুমোদিত ওষুধ উৎপাদন কারখানাগুলোকেও কঠোর নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।</p>
<p data-start="2059" data-end="2362">অভিযানের অগ্রগতি তুলে ধরে তিনি জানান, ধারাবাহিক তৎপরতায় ইতোমধ্যে বিপুল পরিমাণ নকল, ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। এ অপরাধে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের জরিমানা আদায়, লাইসেন্স সাময়িক স্থগিত বা স্থায়ীভাবে বাতিল এবং নিয়মিত মামলা দায়েরসহ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।</p>
<p data-start="2364" data-end="2651">সরকার শুধু অভিযানেই সীমাবদ্ধ থাকছে না উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভেজাল ওষুধ প্রতিরোধে দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে মাঠপর্যায়ের নিয়মিত তদারকি আরও বাড়ানো হয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে আসল ও নকল ওষুধ চেনাতে দেশব্যাপী জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।</p>
<p data-start="2653" data-end="2976">এ ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা, সরবরাহ চেইন ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে চিহ্নিত করে ঝুঁকিভিত্তিক নজরদারি (Risk-based Surveillance) আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, আধুনিক প্রযুক্তি, মান নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষাগার, গোয়েন্দা তথ্য এবং সমন্বিত আইন প্রয়োগের মাধ্যমে ওষুধের নিরাপত্তা নিশ্চিত হলে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।</p>
<p data-start="2978" data-end="3010"><strong>//ডিবিটেক/ বিএনএন/ এসএমআই</strong>//</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তি, জনবল ও অবকাঠামোয় বড় বিনিয়োগ: বিদেশমুখী চিকিৎসা কমানোর প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর</title>
<link>https://digibanglatech.news/183649</link>
<guid>https://digibanglatech.news/183649</guid>
<description><![CDATA[ &lt;h3 data-section-id=&quot;b3c1j6&quot; data-start=&quot;112&quot; data-end=&quot;236&quot;&gt;&lt;span role=&quot;text&quot; style=&quot;font-size: 10pt;&quot;&gt;৫ হাজার চিকিৎসক, ১ লাখ হেলথ কেয়ারার নিয়োগ, হাসপাতালের সৌরবিদ্যুৎ, নিরাপত্তা ও ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a52bb7d68c05.jpg" length="617684" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 11 Jul 2026 14:54:33 +0600</pubDate>
<dc:creator>Senior Staff Correspondent</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="287" data-end="508">দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে প্রযুক্তিনির্ভর, আধুনিক ও জনবান্ধব করে চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখিতা কমাতে বর্তমান মেডিকেল শিক্ষার্থী ও ইন্টার্ন চিকিৎসকরাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>
<p data-start="510" data-end="784">তিনি বলেন, সরকার স্বাস্থ্যখাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন, জনবল বৃদ্ধি, হাসপাতালের অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করে দেশের মানুষের জন্য একটি কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে।</p>
<p data-start="786" data-end="917">শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<h2 data-section-id="11im5at" data-start="919" data-end="952"><span style="font-size: 14pt;">চিকিৎসকদের মানবিক হওয়ার আহ্বান</span></h2>
<p data-start="954" data-end="1036">চিকিৎসক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন,</p>
<blockquote data-start="1038" data-end="1195">
<p data-start="1040" data-end="1195">"আপনারা প্রতিদিন মানুষের আনন্দ-বেদনার অংশীদার হন। চিকিৎসক কিংবা চিকিৎসক হওয়ার জন্য অধ্যয়নরত প্রত্যেকেই মানুষের কাছে সুস্থ জীবনের রক্ষক হিসেবে বিবেচিত।"</p>
</blockquote>
<p data-start="1197" data-end="1207">তিনি বলেন,</p>
<blockquote data-start="1209" data-end="1404">
<p data-start="1211" data-end="1404">"চিকিৎসকই প্রকৃত অর্থে মানুষের বিপদের বন্ধু। একজন চিকিৎসকের আন্তরিক আচরণ ও সঠিক পরামর্শ অনেক সময় ওষুধের মতোই কার্যকর হয়ে ওঠে। তাই পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি মানবিক গুণাবলিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।"</p>
</blockquote>
<h2 data-section-id="1039ayx" data-start="1406" data-end="1447"><span style="font-size: 12pt;">প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যব্যবস্থায় জোর</span></h2>
<p data-start="1449" data-end="1583">প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর করতে সরকার সারাদেশে এক লাখ হেলথ কেয়ারার নিয়োগের কার্যক্রম শুরু করেছে।</p>
<p data-start="1585" data-end="1816">এর মধ্যে ৮০ শতাংশ নারী হেলথ কেয়ারার পরিবারভিত্তিক স্বাস্থ্যপরামর্শ, মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুর বিকাশ, পুষ্টি, টিকাদান, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, কিডনি রোগ এবং ক্যানসারসহ বিভিন্ন বিষয়ে জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেবেন।</p>
<p data-start="1818" data-end="1828">তিনি বলেন,</p>
<blockquote data-start="1830" data-end="1951">
<p data-start="1832" data-end="1951">"Prevention is better than cure। আগাম স্বাস্থ্যপরামর্শ নিশ্চিত করা গেলে বহু রোগ শুরুতেই নিয়ন্ত্রণ বা নিরাময় সম্ভব।"</p>
</blockquote>
<h2 data-section-id="4fbyoz" data-start="1953" data-end="1977"><span style="font-size: 12pt;">৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ</span></h2>
<p data-start="1979" data-end="2108">স্বাস্থ্যসেবার জনবল সংকট নিরসনে সরকার ইতোমধ্যে ৫ হাজার এমবিবিএস চিকিৎসক নিয়োগের কার্যক্রম শুরু করেছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।</p>
<p data-start="2110" data-end="2248">এছাড়া চিকিৎসক, নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, ফার্মাসিস্ট, মিডওয়াইফ এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য পেশাজীবীর শূন্যপদ দ্রুত পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p>
<h2 data-section-id="xmsuc2" data-start="2250" data-end="2286"><span style="font-size: 12pt;">হাসপাতালের নিরাপত্তায় আনসার সদস্য</span></h2>
<p data-start="2288" data-end="2423">স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ জন করে আনসার সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p>
<p data-start="2425" data-end="2528">তিনি বলেন, চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।</p>
<h2 data-section-id="15br1jq" data-start="2530" data-end="2570"><span style="font-size: 12pt;">স্বাস্থ্যখাতে ইতিহাসের সর্বোচ্চ বাজেট</span></h2>
<p data-start="2572" data-end="2680">প্রধানমন্ত্রী জানান, শিক্ষাখাতের পর এবারই দেশের ইতিহাসে স্বাস্থ্যখাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p data-start="2682" data-end="2801">চলতি অর্থবছরে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১.০২ শতাংশ।</p>
<p data-start="2803" data-end="2911">আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।</p>
<h2 data-section-id="18zb8qx" data-start="2913" data-end="2941"><span style="font-size: 12pt;">চিকিৎসা ব্যয় কমাতে কর ছাড়</span></h2>
<p data-start="2943" data-end="3189">চিকিৎসা ব্যয় কমাতে সরকার ডায়ালাইসিস ফিল্টার, হার্টের স্টেন্ট, হার্টের ভাল্ব, পেসমেকার, অক্সিজেনেটর, পেরিফেরাল ভাসকুলার স্টেন্ট, রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি অ্যাবলেশন ফাইবার, চোখের লেন্স এবং ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু কাঁচামালের ওপর ভ্যাট ও কর কমিয়েছে।</p>
<p data-start="3191" data-end="3253">কিছু ক্ষেত্রে এসব পণ্যের ওপর কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে।</p>
<h2 data-section-id="1p81pjn" data-start="3255" data-end="3288"><span style="font-size: 12pt;">উপজেলা হাসপাতাল হবে ১০১ শয্যার</span></h2>
<p data-start="3290" data-end="3403">প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের সব উপজেলায় বিদ্যমান ৩১ ও ৫১ শয্যার হাসপাতাল পর্যায়ক্রমে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে।</p>
<p data-start="3405" data-end="3531">এছাড়া নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সব সরকারি হাসপাতালের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ (সোলার পাওয়ার) ব্যবস্থা স্থাপন করা হবে।</p>
<h2 data-section-id="uzjbsi" data-start="3533" data-end="3567"><span style="font-size: 14pt;">পাঁচটি শিশু হাসপাতাল চালু হচ্ছে</span></h2>
<p data-start="3569" data-end="3739">শিশুস্বাস্থ্য সেবা বিকেন্দ্রীকরণের অংশ হিসেবে বরিশাল ও রাজশাহীতে নির্মিত ২০০ শয্যার শিশু হাসপাতালসহ মোট পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p>
<p data-start="3741" data-end="3818">এর ফলে রাজধানীর বাইরে উন্নত শিশুচিকিৎসা সহজলভ্য হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।</p>
<h2 data-section-id="hsmkdn" data-start="3820" data-end="3860"><span style="font-size: 12pt;">মেডিক্যাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব</span></h2>
<p data-start="3862" data-end="3977">প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নের সঙ্গে বিজ্ঞানসম্মত মেডিক্যাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সরাসরি সম্পৃক্ত।</p>
<p data-start="3979" data-end="4094">তিনি হাসপাতালগুলো পরিচ্ছন্ন রাখা এবং মেডিক্যাল বর্জ্য নিরাপদভাবে অপসারণে সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত উদ্যোগ কামনা করেন।</p>
<p data-start="3979" data-end="4094">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/ডিএম/ইকে/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গর্ভকালীন এন্ডোক্রাইন রোগে আধুনিক চিকিৎসায় জোর</title>
<link>https://digibanglatech.news/183459</link>
<guid>https://digibanglatech.news/183459</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul data-start=&quot;176&quot; data-end=&quot;254&quot;&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;4mhig9&quot; data-start=&quot;176&quot; data-end=&quot;202&quot; style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;এন্ডোক্রাইন রোগে সচেতনতা&lt;span aria-hidden=&quot;true&quot; class=&quot;PDq2pG_selectionAnchor&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;dnxgx0&quot; data-start=&quot;203&quot; data-end=&quot;230&quot; style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;আধুনিক চিকিৎসা নির্দেশিকা&lt;/li&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;gg48gb&quot; data-start=&quot;231&quot; data-end=&quot;254&quot; style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;জ্ঞান বিনিময়ে সেমিনার&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a4ff236abbc1.jpg" length="102629" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 09 Jul 2026 15:11:03 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>এন্ডোক্রাইনোলজি, গর্ভকালীন ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, প্রিসিশন মেডিসিন, ক্লিনিক্যাল গাইডলাইন, মেডিকেল এডুকেশন, নারী স্বাস্থ্য, চিকিৎসা গবেষণা, বাংলাদেশ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="568" data-end="964">গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, অ্যাড্রিনালসহ বিভিন্ন এন্ডোক্রাইন রোগের আধুনিক ব্যবস্থাপনা এবং চিকিৎসকদের সর্বশেষ বৈজ্ঞানিক জ্ঞান সমৃদ্ধ করতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘প্রেগন্যান্সি অ্যান্ড কমন এন্ডোক্রাইন ডিসওর্ডার’ শীর্ষক বৈজ্ঞানিক সেমিনার। বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটির (বিইএস) উইমেনস হেলথ টাস্ক ফোর্সের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে বৈজ্ঞানিক অংশীদার ছিল পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি।<span aria-hidden="true"></span></p>
<p data-start="966" data-end="1315">অনুষ্ঠানে দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ এবং বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট, স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ, মেডিসিন বিশেষজ্ঞসহ বিভিন্ন শাখার চিকিৎসকেরা অংশ নেন। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল এভিডেন্স-বেইজড মেডিসিন (Evidence-based Medicine), হালনাগাদ ক্লিনিক্যাল গাইডলাইন এবং রোগীকেন্দ্রিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা।</p>
<p data-start="1317" data-end="1736">সেমিনারে গর্ভকালীন ডায়াবেটিস, অ্যাড্রিনাল ইনসাফিসিয়েন্সি, থাইরয়েড ম্যালিগন্যান্সির ইতিহাস থাকা নারীদের চিকিৎসা, প্রোল্যাকটিনোমা, পলিএন্ডোক্রাইন মেটাবলিক ওভারিয়ান সিনড্রোম (PMOS) এবং গ্রেভস ডিজিজ-এর মতো জটিল বিষয় নিয়ে সাম্প্রতিক গবেষণা, কেসভিত্তিক চিকিৎসা এবং আন্তর্জাতিক নির্দেশনা তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় প্রিসিশন মেডিসিন এবং বহুবিভাগীয় সমন্বিত চিকিৎসা এখন ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।</p>
<p data-start="1738" data-end="1986">প্রধান অতিথি অধ্যাপক ডা. মালিহা রশিদ বলেন, গর্ভাবস্থায় এন্ডোক্রাইন রোগ শুধু মায়ের নয়, অনাগত শিশুর সুস্থ বিকাশের ওপরও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। তাই প্রসূতি ও এন্ডোক্রাইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বিত চিকিৎসা এবং নিয়মিত বৈজ্ঞানিক প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।</p>
<p data-start="1988" data-end="2292">বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক অধ্যাপক ডা. মো. ফারুক পাঠান বলেন, চিকিৎসাবিজ্ঞানে নিয়মিত নতুন গবেষণা, ক্লিনিক্যাল তথ্য এবং চিকিৎসা নির্দেশিকা যুক্ত হচ্ছে। এসব তথ্য চিকিৎসকদের কাছে পৌঁছে দিতে ধারাবাহিক কনটিনিউয়িং মেডিকেল এডুকেশন (CME) এবং বৈজ্ঞানিক সেমিনার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।</p>
<p data-start="2294" data-end="2613">সোসাইটির সভাপতি ডা. ফারিয়া আফসানা বলেন, এন্ডোক্রাইন রোগের চিকিৎসায় মাল্টিডিসিপ্লিনারি কেয়ার মডেল এখন অপরিহার্য। অন্যদিকে, উইমেনস হেলথ টাস্ক ফোর্সের কনভেনর অধ্যাপক ডা. তানজিনা হোসেন বলেন, সময়মতো রোগ শনাক্তকরণ, সঠিক চিকিৎসা এবং আন্তর্জাতিক মানের নির্দেশনা অনুসরণ করলে মা ও নবজাতকের জটিলতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।</p>
<p data-start="2615" data-end="2949">স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, ডিজিটাল ক্লিনিক্যাল ডিসিশন সাপোর্ট সিস্টেম (CDSS), ইলেকট্রনিক হেলথ রেকর্ড (EHR), টেলিমেডিসিন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং ডেটা-নির্ভর ক্লিনিক্যাল গাইডলাইন ভবিষ্যতে গর্ভকালীন এন্ডোক্রাইন রোগের দ্রুত শনাক্তকরণ, চিকিৎসা পরিকল্পনা এবং রোগী পর্যবেক্ষণকে আরও কার্যকর করে তুলতে পারে।</p>
<p data-start="2951" data-end="2983"><strong data-start="2951" data-end="2983">//ডিবিটেক/ ডিএমও/ ইকেএস//</strong></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘আলো ক্লিনিক’ মডেল সম্প্রসারণের কথা ভাবছে সরকার</title>
<link>https://digibanglatech.news/183421</link>
<guid>https://digibanglatech.news/183421</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,0,0&quot;&gt;সুবিধাবঞ্চিত নগরবাসীর প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিতে ‘আলো ক্লিনিক’ মডেল সম্প্রসারণের উদ্যোগ।&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,1,0&quot;&gt;মেটারনাল ও চাইল্ড কেয়ারে সফল ২০২১ সাল থেকে চলা এশিয়ার এই মডেল।&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,2,0&quot;&gt;ডিজিএইচএস (DGHS) ও ইউনিসেফের কর্মশালায় ডিজিটাল স্বাস্থ্য অবকাঠামো শক্তিশালীকরণের তাগিদ।&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a4fc5247cf4f.jpg" length="395732" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 09 Jul 2026 13:28:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>আলো ক্লিনিক, ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ইউনিসেফ, সুইডেন দূতাবাস, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, নগর স্বাস্থ্য, সাশ্রয়ী চিকিৎসা, ডায়াগনস্টিকস</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="9">শহরাঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত শিশু, নারী এবং ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করতে ‘আলো ক্লিনিক’ মডেলের সম্ভাব্য সম্প্রসারণের বিষয়টি সক্রিয়ভাবে পর্যালোচনা করছে সরকার। ৯ জুলাই, বৃহস্পতিবার <span> রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে</span> স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (DGHS) এবং আলো ক্লিনিক আয়োজিত এক জাতীয় কর্মশালায় এই তথ্য জানানো হয়। দেশের নগর স্বাস্থ্য খাতের ভবিষ্যৎ রূপরেখা নির্ধারণে এই উদ্যোগের তথ্য-প্রমাণভিত্তিক ফলাফল, বাস্তবায়ন কৌশল এবং শিক্ষণীয় দিকগুলো বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="10">স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সুইডেন দূতাবাস, ইউনিসেফ (UNICEF) এবং পার্টনারস ইন হেলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (PHD)-এর যৌথ সহযোগিতায় এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এর মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল শহুরে জনসংখ্যার ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্যগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা, যেখানে এখনও অনেকের কাছে সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসা সেবা অধরা।</p>
<p data-path-to-node="11">সুইডিশ সরকারের আর্থিক সহায়তায় এবং বাংলাদেশ সরকারের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ২০২১ সাল থেকে ‘আলো ক্লিনিক’ মডেলটি পরিচালনা করে আসছে ইউনিসেফ। বর্তমানে ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, গাজীপুর এবং নারায়ণগঞ্জে ছয়টি ক্লিনিক জাতীয় এসেনশিয়াল সার্ভিসেস প্যাকেজের (ESP++) আওতায় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে, সমন্বিত এবং শতভাগ ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে। ক্লিনিকগুলো প্রতিদিন গড়ে ১৬৮ জন রোগীকে মাতৃত্বকালীন, নবজাতক ও শিশু যত্ন, টিকাদান, পুষ্টি স্ক্রিনিং, প্যাথলজিক্যাল ডায়াগনস্টিকস এবং সাধারণ চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে।</p>
<p data-path-to-node="12">আয়োজনে আরবান হেলথ অ্যান্ড ডেমোগ্রাফিক সার্ভিল্যান্স সিস্টেমের (UHDSS) তথ্যে দেখা যায়, এই মডেলের কারণে সেবাপ্রাপ্ত এলাকায় প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবের হার বেড়েছে এবং নবজাতক ও অনূর্ধ্ব-পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। এর কার্যকারিতা বিবেচনা করে সরকার ইউনিসেফকে এই মডেলটি দেশব্যাপী সম্প্রসারণের জন্য একটি ধারণাপত্র (কনসেপ্ট নোট) তৈরির অনুরোধ জানিয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="13">প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী <span>স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল </span>জোর দিয়ে বলেন, আর্থিক সক্ষমতা বা অবস্থান বিবেচনা না করে সকল নাগরিকের জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করা বর্তমান প্রশাসনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। তিনি আরও জানান, সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর আধুনিকায়ন করা হচ্ছে যাতে নাগরিকদের বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে না হয়।</p>
<p>সব মানুষের জন্য টেকসই স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, বিপুল অর্থ খরচ করে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে আস্থার প্রতীক হিসেবে গড়ে তোলা হবে।</p>
<p>বিশেষ উদ্যোগের কথা জানিয়ে সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় তৃণমূলের হাসপাতালগুলোতে (উপজেলা, জেলা এবং জেলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল) কিডনি ডায়ালাইসিস ব্যবস্থা চালু ও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। দুর্গম এলাকার রোগীদের দ্রুত উন্নত চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য সর্বোচ্চসংখ্যক অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।</p>
<p>তিনি বলেন, শহরের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে যেভাবে আলো ক্লিনিক মানসম্মত সেবা পৌঁছে দিচ্ছে, তা সত্যিই অনুকরণীয়। আলো ক্লিনিক কীভাবে সফলভাবে কার্যক্রম চালাচ্ছে, তা থেকে বাস্তব অভিজ্ঞতা নিতে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই আমি নিজে তাদের একটি ক্লিনিক পরিদর্শন করব। সিটি করপোরেশনের কাছ থেকে আমরা যে ১৯২টি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের দায়িত্ব নিয়েছি, সেখানে এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো হবে।</p>
<p data-path-to-node="14">কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ইউনিসেফ বাংলাদেশের হেলথ চিফ ড. মালালাই আহমেদজাই এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) প্রতিনিধি ড. আহমেদ জামশেদ মোহাম্মদসহ পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।</p>
<p data-path-to-node="15">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/ জেএনএন/ এমআই/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের মর্যাদার দাবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/183250</link>
<guid>https://digibanglatech.news/183250</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li class=&quot;font-claude-response-body whitespace-normal break-words pl-2&quot;&gt;আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থায় রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা পরিকল্পনায় প্রযুক্তি-নির্ভর মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের ভূমিকা ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে&lt;/li&gt;
&lt;li class=&quot;font-claude-response-body whitespace-normal break-words pl-2&quot;&gt;স্বাধীনতার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে ২০১৮ সালে টেকনিশিয়ান পদবি পরিবর্তন হলেও এখনো গঠিত হয়নি পেশাগত কাউন্সিল&lt;/li&gt;
&lt;li class=&quot;font-claude-response-body whitespace-normal break-words pl-2&quot;&gt;ফরাসি সামরিক চিকিৎসক  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a4de12b98232.jpg" length="51917" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 07 Jul 2026 18:33:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ডিকেল টেকনোলজিস্ট, বিশ্ব মেডিকেল টেকনোলজিস্ট দিবস, বিএমটিএ, ডমিনিক জঁ লারে, ট্রাইএজ সিস্টেম, অ্যালাইড হেলথ শিক্ষা বোর্ড, স্বাস্থ্যসেবা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="font-claude-response-body break-words whitespace-normal">আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান ও স্বাস্থ্যপ্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের পেশাগত মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল টেকনোলজিস্ট অ্যালায়েন্স (বিএমটিএ)। বিশ্ব মেডিকেল টেকনোলজিস্ট দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দেওয়া এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানায়, রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা পরিকল্পনা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ল্যাবরেটরি, রেডিওলজি, ফিজিওথেরাপি, ডেন্টাল ও ফার্মেসিসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি খাতে কর্মরত টেকনোলজিস্টরা নিরলসভাবে অবদান রেখে চলেছেন।</p>
<p class="font-claude-response-body break-words whitespace-normal">দিবসটিতে  চিকিৎসক, নার্স ও ফার্মাসিস্টদের মতো তাদেরও ন্যায্য মর্যাদা, পেশাগত স্বীকৃতি ও ক্যারিয়ার উন্নয়নের পথ সুগম করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান বিএমটিএ মহাসচিব মো. শামীম শাহ।</p>
<p class="font-claude-response-body break-words whitespace-normal">বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর ৮ জুলাই দিনটি বেছে নেওয়া হয়েছে ফরাসি সামরিক শল্যচিকিৎসক ডা. ডমিনিক জঁ লারের (Dominique Jean Larrey) জন্মদিনকে ঘিরে, যিনি ১৭৬৬ সালের এই দিনে ফ্রান্সের পিরেনিজ পার্বত্য অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন। নেপোলিয়ন বোনাপার্টের সেনাবাহিনীতে প্রধান শল্যচিকিৎসক হিসেবে কর্মরত অবস্থায় তিনি প্রথম দ্রুতগতির ‘ফ্লাইং অ্যাম্বুলেন্স’ চালু করেন এবং আহতদের র‍্যাংক বা জাতীয়তা নয়, বরং আঘাতের তীব্রতা অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়ার যে পদ্ধতি প্রবর্তন করেন, তা-ই আজকের আধুনিক ট্রাইএজ সিস্টেমের ভিত্তি। এই অবদানের জন্য তাকে ‘আধুনিক সামরিক চিকিৎসাশাস্ত্রের জনক’ ও ‘জরুরি চিকিৎসাসেবার জনক’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ বছর ৮ জুলাই তার জন্মের ২৬০তম বার্ষিকী।</p>
<p class="font-claude-response-body break-words whitespace-normal">বিএমটিএ জানায়, স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫৩ বছর পর ২০১৮ সালে সরকারি গেজেটের মাধ্যমে টেকনিশিয়ান পদবি বাতিল করে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদবি চালু করা হয়। তবে ডাক্তার, নার্স ও ফার্মাসিস্টদের মতো পেশাগত কাউন্সিল প্রতিষ্ঠার বারবার আবেদন সত্ত্বেও তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি বলে অভিযোগ সংগঠনের। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রি অর্জনের পরও পদোন্নতির সুযোগ না থাকার বিষয়টিও তুলে ধরা হয় বাণীতে। সংগঠনটির দাবি, সরকার অ্যালাইড হেলথ প্রফেশনাল শিক্ষা বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নিলেও তা এখনো কার্যকর হয়নি, যা লাখো টেকনোলজিস্টের পেশাগত ভবিষ্যতের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। বর্তমানে ল্যাবরেটরি টেকনোলজি, ডেন্টাল টেকনোলজি, ফিজিওথেরাপি টেকনোলজি, রেডিওলজি টেকনোলজি ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার টেকনোলজিসহ পুরো মেডিকেল টেকনোলজি বিভাগ দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় রোগ নির্ণয়ে চিকিৎসকদের সহায়তা করে যাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে দক্ষ মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের ডাক্তার-নার্সদের মতো সম্মান ও কাঠামোগত স্বীকৃতি দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে স্বাস্থ্য প্রশাসনের কাছে বিএমটিএ।</p>
<p class="font-claude-response-body break-words whitespace-normal">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/বিএমএন/ইকে/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্বাস্থ্যকর জীবনধারায় জোর দিল আইইবি, প্রকৌশলীদের জন্য ‘হেলথ অ্যান্ড ওয়েলনেস সেমিনার’ অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/182997</link>
<guid>https://digibanglatech.news/182997</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p data-start=&quot;519&quot; data-end=&quot;864&quot; class=&quot;PDq2pG_selectionAnchorContainer&quot;&gt;প্রকৌশলীদের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সুস্থ জীবনযাপনের গুরুত্ব তুলে ধরতে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) সদর দফতরে ‘Health &amp;amp; Wellness Seminar-2026’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম, মানসিক সুস্থতা এবং জীবনধারাগত পরিবর্তনের মাধ্যমে অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।&lt;span aria-hidden=&quot;true&quot; class=&quot;PDq2pG_selectionAnchor&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a4a977ed6241.jpg" length="99969" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 05 Jul 2026 19:40:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>আইইবি, Health &amp; Wellness Seminar 2026, স্বাস্থ্য সচেতনতা, প্রকৌশলী, পুষ্টি, ব্যায়াম, সুস্থ জীবনধারা, ড. মজিবুল হক, অসংক্রামক রোগ, স্বাস্থ্য</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="889" data-end="1170">প্রকৌশলীদের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি সুস্থ কর্মজীবন নিশ্চিত করতে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) সদর দফতরের উদ্যোগে ‘Health &amp; Wellness Seminar-2026: The Science of Lifelong Health: Nutrition and Lifestyle’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।<span aria-hidden="true"></span></p>
<p data-start="1172" data-end="1345">৫ জুলাই, রবিবার বিকেলে আইইবির পুরাতন ভবনের সেমিনার কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইইবির প্রেসিডেন্ট ও রাজউকের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম (রিজু)।</p>
<p data-start="1347" data-end="1629">সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে মানুষের খাদ্যাভ্যাসে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে ফাস্টফুড ও চিনিযুক্ত কোমল পানীয়ের প্রতি নির্ভরতা বাড়ছে, যা ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, স্থূলতা এবং কিডনি রোগের মতো দীর্ঘমেয়াদি অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।</p>
<p data-start="1631" data-end="1961">তিনি বলেন, “সুস্থ শরীর ছাড়া ব্যক্তি, পরিবার কিংবা রাষ্ট্রের উন্নয়ন সম্ভব নয়। একজন প্রকৌশলীর দায়িত্ব শুধু অবকাঠামো নির্মাণে সীমাবদ্ধ নয়; দেশের উন্নয়নের প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই দীর্ঘমেয়াদি কর্মক্ষমতা ধরে রাখতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যসম্মত জীবনধারা অনুসরণের বিকল্প নেই।”</p>
<p data-start="1963" data-end="2090">অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন আইইবির সম্মানী সহকারী সাধারণ সম্পাদক (প্রশাসন ও অর্থ) প্রকৌশলী মুহাম্মদ আহসানুল রাসেল।</p>
<p data-start="2092" data-end="2418">তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই আইইবি প্রকৌশলীদের পেশাগত দক্ষতা, প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও নেতৃত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। বর্তমানে দেশের ১৮টি কেন্দ্র, ৩৪টি উপকেন্দ্র এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পরিচালিত ১৪টি ওভারসিজ চ্যাপ্টারের মাধ্যমে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, সেমিনার ও পেশাগত উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।</p>
<p data-start="2420" data-end="2633">তিনি আরও বলেন, “দক্ষ ও দায়িত্বশীল প্রকৌশলী গড়ে তুলতে শুধু প্রযুক্তিগত জ্ঞান নয়, শারীরিক ও মানসিক সুস্থতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। সেই ভাবনা থেকেই এবার প্রথমবারের মতো স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে।”</p>
<h3 data-section-id="1si7nl1" data-start="2635" data-end="2668"><span role="text">অসুস্থ জীবনধারাই বড় ঝুঁকি</span></h3>
<p data-start="2670" data-end="2940">সেমিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের Biologics–Quantum Cellular Medicine (QCM)-এর মেডিকেল কনসালট্যান্ট ও ক্লিনিক্যাল রিসার্চ ম্যানেজার এবং Washington University of Science and Technology-এর ইন্টিগ্রেটিভ মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মজিবুল হক।</p>
<p data-start="2942" data-end="3047">তিনি বলেন, সুস্বাস্থ্য শুধু রোগমুক্ত থাকার নাম নয়; বরং শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক সুস্থতার সমন্বিত অবস্থা।</p>
<p data-start="3049" data-end="3294">বর্তমানে বিশ্বজুড়ে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ক্যানসার এবং মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা দ্রুত বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব অসংক্রামক রোগের বড় অংশই সঠিক খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনধারা অনুসরণের মাধ্যমে প্রতিরোধ করা সম্ভব।</p>
<h3 data-section-id="15nhnvq" data-start="3296" data-end="3336"><span role="text">ফাস্টিং, ব্যায়াম ও ঘুমের গুরুত্ব</span></h3>
<p data-start="3338" data-end="3553">মূল প্রবন্ধে তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর জীবনযাত্রার কারণে মানুষের শারীরিক পরিশ্রম কমে গেছে। একই সঙ্গে অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত মানসিক চাপ এবং পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠছে।</p>
<p data-start="3555" data-end="3852">তিনি জানান, বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, উপযুক্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে সঠিক নিয়মে ফাস্টিং (উপবাস) বিপাকীয় কার্যক্রম উন্নত করতে, ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে এবং দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতা বজায় রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এটি অবশ্যই ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসকের পরামর্শ বিবেচনায় অনুসরণ করা উচিত।</p>
<p data-start="3854" data-end="4055">ড. মজিবুল হক বলেন, প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা, দৌড়ানো, সাইকেল চালানো কিংবা অন্য কোনো শারীরিক ব্যায়াম হৃদ্‌যন্ত্র সুস্থ রাখতে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে, ওজন কমাতে এবং মানসিক চাপ হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রাখে।</p>
<p data-start="4057" data-end="4267">তিনি আরও বলেন, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন গড়ে সাত থেকে আট ঘণ্টা মানসম্মত ঘুম প্রয়োজন। পর্যাপ্ত ঘুম স্মৃতিশক্তি, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা, মানসিক ভারসাম্য এবং শরীরের কোষ পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।</p>
<p data-start="4269" data-end="4448">সেমিনারে অংশগ্রহণকারী প্রকৌশলীরা স্বাস্থ্যকর জীবনধারা, পুষ্টি, ব্যায়াম এবং কর্মব্যস্ত জীবনে সুস্থ থাকার বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেন। প্রশ্নোত্তর পর্বে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।</p>
<p data-start="4450" data-end="4686">অনুষ্ঠানের সমাপনীতে আইইবির ভাইস-প্রেসিডেন্ট (এসঅ্যান্ডডব্লিউ) প্রকৌশলী নিয়াজ উদ্দিন ভূঁইয়া গবেষণাভিত্তিক উপস্থাপনার জন্য মূল বক্তাকে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের স্বাস্থ্যসচেতনতামূলক আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।</p>
<p data-start="4450" data-end="4686">/<em><span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এসএফ/এমআই/</strong></span></em>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঘরে বসেই প্রযুক্তিনির্ভর চিকিৎসাসেবা পাবেন সাংবাদিক ও তাদের পরিবার</title>
<link>https://digibanglatech.news/182920</link>
<guid>https://digibanglatech.news/182920</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;span data-path-to-node=&quot;5,0&quot;&gt;ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) এবং &lt;span data-path-to-node=&quot;7,0&quot;&gt;মেডএআই &lt;/span&gt; বাংলাদেশ লিমিটেড (MedAI)-এর মধ্যে সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করার লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে&lt;/span&gt;&lt;span data-path-to-node=&quot;5,1&quot;&gt;&lt;span&gt;&lt;response-element class=&quot;&quot; ng-version=&quot;0.0.0-PLACEHOLDER&quot;&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!---- ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a49fa69a8640.jpg" length="92399" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 03 Jul 2026 00:00:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, মেডএআই বাংলাদেশ, ডিআরইউ সমঝোতা স্মারক, মাইনুল হাসান সোহেল, আবু সালেহ আকন, ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা, সাংবাদিকদের চিকিৎসাসেবা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7" id="p-rc_b8c14d90dae02958-98"><span data-path-to-node="7,0">ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) এবং স্বাস্থ্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেডএআই বাংলাদেশ লিমিটেড (MedAI)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে</span><span data-path-to-node="7,1"><span><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c3705940327="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c3705940327="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="7,2">। এর মাধ্যমে <span data-path-to-node="8,0"> সাংবাদিকদের ব্যস্ত কর্মজীবনে প্রযুক্তিনির্ভর, সহজ ও দ্রুত মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে</span><span data-path-to-node="8,2">। চুক্তির শর্ত ও সুবিধা অনুযায়ী, ডিআরইউ-এর নিবন্ধিত সদস্য এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা ঘরে বসেই মেডএআই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে দেশের খ্যাতনামা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ ও বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন</span><span data-path-to-node="8,3"><span><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c3705940327="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c3705940327="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="8,4">।</span></span></p>
<p data-path-to-node="7"><span data-path-to-node="7,2">২ জুলাই, বৃহস্পতিবার ডিআরইউ-এর শফিকুল কবির মিলনায়তনে এক আনুষ্ঠানিক সভার মাধ্যমে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়</span><span data-path-to-node="7,3"><span><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c3705940327="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c3705940327="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="7,4">। ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়</span><span data-path-to-node="7,5"><span><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c3705940327="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c3705940327="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="7,6">। এসময় <span data-path-to-node="7,2"><span data-path-to-node="8,4"> বক্তারা জানান, এই আধুনিক উদ্যোগটি সাংবাদিকদের সময় ও চিকিৎসাজনিত ব্যয় সাশ্রয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে</span><span data-path-to-node="8,5"><span><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c3705940327="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c3705940327="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="8,6">।</span></span></span><sources-carousel-inline ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER" _nghost-ng-c1156849253=""><source-inline-chip _ngcontent-ng-c1156849253="" _nghost-ng-c1119523287="" class="ng-star-inserted"><!----><!----><!----><!----><!----></source-inline-chip><!----><!----><!----></sources-carousel-inline></p>
<p data-path-to-node="9" id="p-rc_b8c14d90dae02958-100"><span data-path-to-node="9,0">সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন বলেন, “আমরা আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি করলাম। তবে আমাদের দোয়া থাকবে, চিকিৎসকের কাছে যেন যেতে না হয়। সুস্থতা আল্লাহর সবচেয়ে বড় নেয়ামত। সবাই সুস্থ থাকুন, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন এবং স্বাস্থ্য সচেতন জীবনযাপন করুন।”</span><span data-path-to-node="9,1"><span><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c3705940327="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c3705940327="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="9,2"> অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল জানান, সদস্যদের কল্যাণে নতুন নতুন আধুনিক সেবা যুক্ত করার ধারাবাহিকতায় এই সমঝোতা স্মারকটি ডিআরইউর জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন</span><span data-path-to-node="9,3"><span><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c3705940327="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c3705940327="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="9,4">।</span><sources-carousel-inline ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER" _nghost-ng-c1156849253=""> <source-inline-chip _ngcontent-ng-c1156849253="" _nghost-ng-c1119523287="" class="ng-star-inserted"><!----><!----><!----><!----><!----></source-inline-chip><!----><!----><!----></sources-carousel-inline></p>
<p data-path-to-node="10" id="p-rc_b8c14d90dae02958-101"><span data-path-to-node="10,0">অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ডিআরইউর সহ-সভাপতি মেহ্দী আজাদ মাসুম, মেডএআই বাংলাদেশের ক্লিনিক্যাল টিমের হেড ডা. সুমাইয়া তাসনীম খান এবং হেড অব অপারেশন সুস্মিতা সাহা</span><span data-path-to-node="10,1"><span><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c3705940327="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c3705940327="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="10,2">। এ সময় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ডিআরইউ'র অর্থ সম্পাদক নিয়াজ মাহমুদ সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক এমএম জসিম, দপ্তর সম্পাদক রাশিম মোল্লা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মিজান চৌধুরী, কল্যাণ সম্পাদক রফিক মৃধা, কার্যনির্বাহী সদস্য সুমন চৌধুরীসহ মেডএআই'র ইন-হাউজ ডক্টর জাকিয়া ফারহানা এবং বিজনেস এক্সিকিউটিভ মেহেদী হাসান উপস্থিত ছিলেন</span><span data-path-to-node="10,3"><span><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c3705940327="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c3705940327="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="10,4">।</span><sources-carousel-inline ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER" _nghost-ng-c1156849253=""> </sources-carousel-inline></p>
<p data-path-to-node="10"><span data-path-to-node="10,4">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/আরএম/ইকে/</strong></span>/</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৩৮ জেলায় নেই আইসিইউ, লাখে ক্রিটিক্যাল কেয়ার বেড ১.৭টি: ডা. জোবায়দা রহমান</title>
<link>https://digibanglatech.news/182551</link>
<guid>https://digibanglatech.news/182551</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p data-start=&quot;328&quot; data-end=&quot;639&quot; class=&quot;PDq2pG_selectionAnchorContainer&quot;&gt;বাংলাদেশে ক্রিটিক্যাল কেয়ার বা নিবিড় পরিচর্যা সেবার ঘাটতি উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি ডা. জোবায়দা রহমান। তিনি জানান, দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৩৮টিতে কোনো আইসিইউ নেই এবং প্রতি এক লাখ মানুষের জন্য ক্রিটিক্যাল কেয়ার বেড রয়েছে মাত্র ১.৭টি।&lt;span aria-hidden=&quot;true&quot; class=&quot;PDq2pG_selectionAnchor&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a44f1b09999d.jpg" length="97724" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 01 Jul 2026 14:54:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ক্রিটিক্যাল কেয়ার, আইসিইউ সংকট, ডা. জোবায়দা রহমান, বিএসসিসিএম, নিবিড় পরিচর্যা, স্বাস্থ্যসেবা, বাংলাদেশ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="703" data-end="893">দেশে নিবিড় পরিচর্যা (ক্রিটিক্যাল কেয়ার) সেবার ভয়াবহ সংকটের চিত্র তুলে ধরে দ্রুত জেলা পর্যায়ে আইসিইউ সুবিধা সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি ডা. জোবায়দা রহমান।</p>
<p data-start="895" data-end="1335">১ জুলাই, বুধবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশ সোসাইটি অব ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিন (বিএসসিসিএম) আয়োজিত জাতীয় সম্মেলন ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে প্রতি এক লাখ মানুষের জন্য ক্রিটিক্যাল কেয়ার বেড রয়েছে মাত্র ১.৭টি এবং সাধারণ হাসপাতালের শয্যা রয়েছে মাত্র ৯টি। এছাড়া ৬৪ জেলার মধ্যে ৩৮টি জেলায় কোনো আইসিইউ নেই। দেশের মোট ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশই রাজধানী ঢাকায় কেন্দ্রীভূত।</p>
<p data-start="1337" data-end="1583">সীমিত অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও চিকিৎসকদের আন্তরিকতার প্রশংসা করে ডা. জোবায়দা রহমান বলেন, “সুষ্ঠু ব্যবস্থার অভাব থাকা সত্ত্বেও আমাদের চিকিৎসক ভাই-বোনেরা দিনরাত পরিশ্রম করে রোগীদের সুস্থ করে তুলছেন এবং অনেক পরিবারের আশার আলো বাঁচিয়ে রাখছেন।”</p>
<p data-start="1585" data-end="1881">তিনি বলেন, দেশের ৬৮ থেকে ৭০ শতাংশ মানুষ গ্রামে বসবাস করলেও অধিকাংশ ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট বড় শহরের হাসপাতালে সীমাবদ্ধ। ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের নবজাতক, অন্তঃসত্ত্বা মা, নিউমোনিয়া বা স্ট্রোকে আক্রান্ত বয়স্ক ব্যক্তি এবং সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত রোগীরা সময়মতো নিবিড় পরিচর্যা না পাওয়ায় প্রাণ হারাচ্ছেন।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x_6a44f1b594d30.jpg" alt=""></p>
<p data-start="1883" data-end="2141">ডা. জোবায়দা রহমান আরও বলেন, শুধু আইসিইউ শয্যার ঘাটতিই নয়, দেশে অ্যানেসথেটিস্ট, কার্ডিওলজিস্ট, নিউরোলজিস্টসহ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, দক্ষ নার্স এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামেরও তীব্র সংকট রয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।</p>
<p data-start="2143" data-end="2447">তিনি উন্নত অ্যাম্বুলেন্স সেবার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করে বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে তাৎক্ষণিক আইসিইউ সেবা দেওয়া সম্ভব না হলেও আধুনিক লাইফ সাপোর্টসমৃদ্ধ অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে রোগীদের দ্রুত জেলা সদর হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। এজন্য প্রতিটি জেলা সদর হাসপাতালে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট গড়ে তোলা জরুরি।</p>
<p data-start="2449" data-end="2813">অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রতিটি বিশেষায়িত বিভাগকে সময়ের প্রয়োজন অনুযায়ী বিকশিত হওয়ার সুযোগ দিতে হবে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ২০০৪ সালে দেশে বিভিন্ন বিশেষায়িত চিকিৎসা কোর্স চালুর সিদ্ধান্তের ফলে আজ পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরি হয়েছে, যা কোভিড-১৯ মহামারির সময় দেশের স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।</p>
<p data-start="2815" data-end="3155">তিনি জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময় বাংলাদেশে প্রথম ক্রিটিক্যাল কেয়ার কোর্স চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের মেও ক্লিনিক, সিডিসি আটলান্টা এবং জনস হপকিন্সসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত হাসপাতাল পরিদর্শনের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে দেশে নার্সিং, জরুরি বিভাগ এবং ক্রিটিক্যাল কেয়ার ব্যবস্থার উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়া হয়।</p>
<p data-start="3157" data-end="3338">সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, অ্যানেসথেসিওলজি ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়; বরং পরিপূরক। সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সব বিশেষায়িত বিভাগের মধ্যে সহযোগিতা প্রয়োজন।</p>
<p data-start="3340" data-end="3746">অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, স্বাস্থ্য সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফএম সিদ্দিকী, বিএসসিসিএমের সভাপতি অধ্যাপক ডা. আরিফ আহসান, সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. জাফর ইকবাল, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ, মহাসচিব ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিলসহ স্বাস্থ্যখাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p data-start="2568" data-end="3163">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এনএন/ইকে/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ত্রিপুরার মেডিকেল কলেজে ক্লাস নিতে দেখা গেল সাবেক এমপি ডা. প্রাণ গোপাল দত্তকে</title>
<link>https://digibanglatech.news/182044</link>
<guid>https://digibanglatech.news/182044</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্তকে ভারতের ত্রিপুরার একটি মেডিকেল কলেজে ক্লাস নিতে দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কলেজের প্রকাশিত ভিডিও সামনে আসার পর বিষয়টি আলোচনায় আসে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a3fbb4970421.jpg" length="281133" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 27 Jun 2026 13:00:54 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>রাজনীতি, চিকিৎসা, শিক্ষা, ভারত, বাংলাদেশ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরার একটি মেডিকেল কলেজে পাঠদান করতে দেখা গেছে বাংলাদেশের সাবেক সংসদ সদস্য ও চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্তকে।</p>
<p>সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত ভিডিওতে তাকে আধুনিক শ্রেণিকক্ষে ডিজিটাল বোর্ড ব্যবহার করে নাক-কান-গলা (ইএনটি) বিষয়ে পাঠদান করতে দেখা যায়। ভিডিও প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।</p>
<p>তবে তিনি কতদিন ধরে ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত আছেন কিংবা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো শিক্ষকতা বা বিশেষজ্ঞ দায়িত্বে রয়েছেন কি না—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।</p>
<p>ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত বাংলাদেশের চিকিৎসা অঙ্গনের পরিচিত একটি নাম। তিনি নাক-কান-গলা রোগ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। এছাড়া তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বর্তমান বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) সাবেক উপাচার্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।</p>
<p>চিকিৎসা ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০১২ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন। পরবর্তীতে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।</p>
<p>২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতার মতো তিনিও প্রকাশ্যে কম দেখা যাচ্ছিলেন। এ সময় তার অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা ছিল। সম্প্রতি প্রকাশিত ভিডিওর পর তিনি ভারতে অবস্থান করছেন—এমন আলোচনা নতুন করে সামনে আসে।<br>/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/ডিএম/ইকে/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্মার্টওয়াচ&#45;স্মার্ট রিংয়ের দিন শেষ? এবার কপালে পরার হেলথ গ্যাজেট ‘টেম্পল’!</title>
<link>https://digibanglatech.news/181982</link>
<guid>https://digibanglatech.news/181982</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;পরিধানযোগ্য বা ওয়্যারেবল হেলথ গ্যাজেটের দুনিয়ায় বড় ধরনের বিপ্লব নিয়ে এসেছে নতুন ডিভাইস ‘টেম্পল’। প্রচলিত স্মার্টওয়াচ বা স্মার্ট রিংয়ের মতো এটি হাত বা আঙুলে নয়, পরতে হয় কপালের পাশে টেম্পল অঞ্চলে। ভারতের শীর্ষস্থানীয় উদ্যোক্তা ও জোম্যাটোর সাবেক সহ-প্রতিষ্ঠাতা দীপিন্দর গয়ালের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘কন্টিনিউ রিসার্চ’ এটি তৈরি করেছে। ডিভাইসটির মূল লক্ষ্য মস্তিষ্কের রক্তপ্রবাহ (সিবিএফ) বিশ্লেষণের মাধ্যমে বার্ধক্য প্রক্রিয়াকে ট্র্যাক করা এবং দীর্ঘায়ু নিশ্চিত করা। ‘গ্র্যাভিটি এজিং হাইপোথিসিস’ তত্ত্বের ও ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a3f630f36f95.jpg" length="39443" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 27 Jun 2026 00:00:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>temple wearable device, deepinder goyal continue research, cerebral blood flow longevity, gravity aging hypothesis, healthtech brain tracker, brain aging wearable</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="9">ফিটনেস ট্র্যাকার ও স্মার্টওয়াচ কবজিতে, স্মার্ট রিং আঙুলে কিংবা স্মার্ট ভেস্ট বুকে—স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণকারী পরিধানযোগ্য (ওয়্যারেবল) গ্যাজেটের জগতে এতদিন এটাই ছিল চেনা চিত্র। তবে ‘টেম্পল’ (Temple) নামের একটি নতুন ডিভাইস প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যবিজ্ঞান মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে ভিন্ন এক কারণে। এটি হাতে বা আঙুলে নয়, পরতে হয় মানুষের কপালের পাশের রগ বা টেম্পল অঞ্চলে।</p>
<p data-path-to-node="10">ভারতের বিখ্যাত প্রযুক্তি উদ্যোক্তা, ইন্টারনালের প্রতিষ্ঠাতা এবং জোম্যাটোর সাবেক সহ-প্রতিষ্ঠাতা দীপিন্দর গয়ালের প্রস্তাবিত এই ডিভাইসের লক্ষ্য প্রচলিত ওয়্যারেবল ডিভাইসগুলোর মতো শুধু হৃদস্পন্দন বা দৈনন্দিন শারীরিক কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করা নয়। বরং সরাসরি মস্তিষ্কের রক্তপ্রবাহ বিশ্লেষণের মাধ্যমে মানুষের সার্বিক স্বাস্থ্য এবং বার্ধক্য (Aging) প্রক্রিয়া সম্পর্কে রিয়েল-টাইম তথ্য দেওয়াই এর মূল উদ্দেশ্য।</p>
<h4 data-path-to-node="11"><b data-path-to-node="11" data-index-in-node="0">কী এই ‘গ্র্যাভিটি এজিং হাইপোথিসিস’?</b></h4>
<p data-path-to-node="12">দীপিন্দর গয়ালের নিজস্ব গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘কন্টিনিউ রিসার্চ’-এর উদ্ভাবিত ‘গ্র্যাভিটি এজিং হাইপোথিসিস’ তত্ত্ব অনুযায়ী, একজন মানুষ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৬ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে বা বসে কাটান। দীর্ঘসময় ধরে মহাকর্ষের (গ্র্যাভিটি) প্রভাবে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ সামান্য কমে যেতে পারে, যা কয়েক দশক ধরে জমতে জমতে মানুষের বার্ধক্য প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।</p>
<p data-path-to-node="13">এই তত্ত্বের কেন্দ্রে রয়েছে মস্তিষ্কের দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ—হাইপোথ্যালামাস ও ব্রেইনস্টেম। শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, হরমোন নিঃসরণ, হৃদস্পন্দন, শ্বাস-প্রশ্বাস, রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং প্রদাহ নিয়ন্ত্রণের মতো ভাইটাল কাজ পরিচালনা করে এই অংশগুলো। কন্টিনিউ রিসার্চের দাবি, দীর্ঘমেয়াদে রক্তপ্রবাহের সামান্য ঘাটতিও এসব অঞ্চলের কার্যকারিতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে মানুষের দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়ার ওপর।</p>
<p data-path-to-node="14">মস্তিষ্ক মানুষের শরীরের মোট ওজনের মাত্র ২ শতাংশ হলেও এটি শরীরের মোট শক্তির প্রায় ২০ শতাংশ ব্যবহার করে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ ২০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। এ কারণেই কন্টিনিউ রিসার্চ ‘সেরিব্রাল ব্লাড ফ্লো’ (CBF) বা মস্তিষ্কের রক্তপ্রবাহকে দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্যের অন্যতম প্রধান সূচক হিসেবে বিবেচনা করছে।</p>
<h4 data-path-to-node="15"><b data-path-to-node="15" data-index-in-node="0">যেভাবে কাজ করে ‘টেম্পল’</b></h4>
<p data-path-to-node="16">যেখানে সাধারণ স্মার্টওয়াচ বা রিং মূলত হৃদস্পন্দন ও ঘুম পর্যবেক্ষণ করে, সেখানে ‘টেম্পল’ সরাসরি মাথার টেম্পল অঞ্চল থেকে নিখুঁত শারীরবৃত্তীয় সংকেত সংগ্রহ করে। পরে সেই ডেটা প্রসেস করে স্মার্টফোন অ্যাপের মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে মস্তিষ্কের রক্তপ্রবাহ সম্পর্কিত বিশ্লেষণ দেখায়।</p>
<p data-path-to-node="17">ডিভাইসটিতে ‘এনট্রপি’ (Entropy) নামে একটি নতুন অভিনব বায়োমার্কার ব্যবহার করা হয়েছে। এটি শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনায় কতটুকু শক্তি ব্যয় হচ্ছে, তার একটি রিয়েল-টাইম সূচক হিসেবে কাজ করে। এর স্কোরটি ১ থেকে ২৫০-এর মধ্যে ওঠানামা করে এবং ব্যবহারকারীর শারীরবৃত্তীয় তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পরামর্শও দিয়ে থাকে।</p>
<h4 data-path-to-node="18"><b data-path-to-node="18" data-index-in-node="0">বিজ্ঞানীদের সংশয় ও বিতর্ক</b></h4>
<p data-path-to-node="19">তবে এই ডিভাইস ও সংশ্লিষ্ট তত্ত্ব নিয়ে স্নায়ুবিজ্ঞানী ও চিকিৎসকদের একাংশের মধ্যে তীব্র বিতর্ক রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের শরীরে ‘সেরিব্রাল অটোরিলেশন’ নামক এমন স্বয়ংক্রিয় জৈবিক ব্যবস্থা রয়েছে, যা মানুষের বসা বা দাঁড়ানো—যেকোনো শারীরিক ভঙ্গি পরিবর্তনের পরও মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহকে শতভাগ স্থিতিশীল রাখে। ফলে মহাকর্ষকে বার্ধক্যের প্রধান কারণ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে আরও বিস্তৃত ক্লিনিক্যাল গবেষণা ও পিয়ার-রিভিউড বৈজ্ঞানিক প্রমাণের প্রয়োজন।</p>
<p data-path-to-node="20"><b data-path-to-node="20" data-index-in-node="0">বর্তমান অবস্থা:</b> প্রাথমিকভাবে মাত্র ১০০টি ‘টেম্পল’ ডিভাইস তৈরি করা হয়েছে। তবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে এগুলো এখনই বাজারে ছাড়া হচ্ছে না। পরীক্ষামূলক পর্যায়ে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় গবেষক, চিকিৎসক, অ্যাথলেট এবং স্বাস্থ্যসচেতন ব্যক্তিদের ট্রায়ালের জন্য ডিভাইসটি দেওয়া হচ্ছে।</p>
<p data-path-to-node="20">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/আরআই/এমআই/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভিটামিন এ ক্যাম্পেইনে স্মার্ট তদারকি, ১৯০৫ কেন্দ্র প্রস্তুত</title>
<link>https://digibanglatech.news/181892</link>
<guid>https://digibanglatech.news/181892</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২৬ উপলক্ষে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ১ হাজার ৯০৫টি কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ে তদারকি, মোবাইল সেবা এবং বাড়তি সময়সীমার মাধ্যমে কভারেজ বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a3e59fb1b835.jpg" length="93036" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 26 Jun 2026 00:00:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন, ডিএনসিসি, শিশু স্বাস্থ্য, জনস্বাস্থ্য, মোবাইল স্বাস্থ্যসেবা, বাংলাদেশ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>আগামী ২৮ জুন সারা দেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। এ উপলক্ষে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় শিশুদের কাছে সেবা পৌঁছে দিতে বিস্তৃত মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, কর্মসূচি বাস্তবায়নে ৫৪টি স্থায়ী এবং ১ হাজার ৮৫১টি অস্থায়ী কেন্দ্রসহ মোট ১ হাজার ৯০৫টি কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে দুজন করে মোট ৩ হাজার ৮১০ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>কার্যক্রমের মান ও কভারেজ নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে ১৮৩ জন প্রথম সারির এবং ১০৩ জন দ্বিতীয় সারির সুপারভাইজার নিয়োজিত থাকবেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে সুবিধাবঞ্চিত ও চলমান জনগোষ্ঠীর শিশুদের ওপর। বস্তি এলাকা, বাস টার্মিনাল ও রেলস্টেশনসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানকারী শিশুদের সেবার আওতায় আনতে চারটি অ্যাম্বুলেন্সভিত্তিক মোবাইল টিম মোতায়েন করা হবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>ক্যাম্পেইনের দিনসহ পরবর্তী চার দিন মোবাইল সেবার মাধ্যমে ভিটামিন ‘এ’ কার্যক্রম চলবে। পাশাপাশি কর্মজীবী অভিভাবকদের কথা বিবেচনায় স্থায়ী কেন্দ্রগুলোতে সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সেবা চালু রাখা হবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>ডিএনসিসির মতে, সম্প্রসারিত সময়সূচি ও মোবাইলভিত্তিক সেবা ব্যবস্থার মাধ্যমে শিশুদের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং ভিটামিন এ কভারেজ উন্নত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।</span></p>
<p><span>/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/বিবিটি/এমইউআইএম/</strong></span>/</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডেন্টাল টেকনোলজিস্টদের স্বাধীন প্রাইভেট প্র্যাকটিসের সুযোগ বাতিল করল আপিল বিভাগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/181694</link>
<guid>https://digibanglatech.news/181694</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;ডিপ্লোমাধারী ডেন্টাল টেকনোলজিস্টদের স্বাধীন প্রাইভেট প্র্যাকটিসের সুযোগ বাতিল করেছে আপিল বিভাগ। এখন তারা শুধু নিবন্ধিত ডেন্টাল সার্জনদের অধীনে সহকারী হিসেবে কাজ করতে পারবেন।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_686170e7cf4ea.jpg" length="124447" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 24 Jun 2026 20:20:03 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>মেটা ট্যাগ: ডেন্টাল টেকনোলজিস্ট প্রাইভেট প্র্যাকটিস, আপিল বিভাগের রায়, বিএমডিসি আপিল, ডেন্টাল অ্যাসিস্ট্যান্ট আইন, ডেন্টাল চিকিৎসা নীতি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডিপ্লোমাধারী ডেন্টাল অ্যাসিস্ট্যান্ট বা ডেন্টাল টেকনোলজিস্টদের স্বাধীনভাবে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করার সুযোগ দিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বাতিল করেছে আপিল বিভাগ। এর ফলে এখন থেকে ডেন্টাল টেকনোলজিস্টরা শুধু নিবন্ধিত ডেন্টাল সার্জনদের অধীনে সহকারী হিসেবে কাজ করতে পারবেন। নিজস্ব চেম্বার খুলে স্বাধীনভাবে রোগী দেখা বা ব্যবস্থাপত্র দেওয়ার সুযোগ থাকছে না।</p>
<p>বুধবার (২৪ জুন) বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি)-এর করা আপিল মঞ্জুর করে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।</p>
<p>শুনানিতে বিএমডিসির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান খান ও কাজী এরশাদুল হক। ডেন্টাল চিকিৎসকদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আহসানুল করিম ও আনোয়ার হোসেন। রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শিশির মনির ও সায়েদা নাসরিন।</p>
<p>আদালতের নথি অনুযায়ী, ১৯৮৭ সালে চালু হওয়া তিন বছর মেয়াদি এবং পরবর্তীতে ২০১৩ সালে এক বছরের ইন্টার্নশিপসহ চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল টেকনোলজি (ডেন্টাল) ডিগ্রিধারীদের পেশাগত স্বীকৃতি এবং রোগী দেখা ও ওষুধ ব্যবস্থাপত্র দেওয়ার অনুমতি চেয়ে ২০১৬ সালে একটি রিট আবেদন করা হয়।</p>
<p>বাংলাদেশ ডেন্টাল পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল হোসেন ওই রিট আবেদন করেন। একই বছরের ১৩ জুন হাইকোর্ট রুল জারি করে শুনানি শেষে রিটকারীদের পক্ষে রায় দেন।</p>
<p>হাইকোর্টের ওই রায়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সুপারিশের ভিত্তিতে ডেন্টাল টেকনোলজিস্টদের কাজের ১০টি ক্ষেত্র নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ছিল দাঁতের প্রাথমিক চিকিৎসা, স্থানীয় অ্যানেসথেশিয়া প্রয়োগ করে দাঁত তোলা, ওষুধ দেওয়া, স্কেলিং-পলিশিং, ফিলিং, রুট ক্যানেল ড্রেসিং এবং অ্যান্টিবায়োটিক ও ব্যথানাশকসহ কিছু ওষুধ প্রেসক্রাইব করার বিষয়।</p>
<p>তবে হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে বিএমডিসি আপিল করে। বুধবার আপিল বিভাগ সেই আপিল মঞ্জুর করে হাইকোর্টের রায় বাতিল করেন।</p>
<p>ডেন্টাল চিকিৎসকদের আইনজীবী আনোয়ার হোসেন বলেন, ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল ডেন্টিস্ট্রি কোর্সের মূল কাঠামো অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা ডেন্টাল সার্জনদের সহকারী হিসেবে কাজের জন্য প্রশিক্ষণ নেন। পরবর্তীতে তারা স্বাধীন প্রাইভেট প্র্যাকটিসের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন এবং হাইকোর্ট তাদের পক্ষে রায় দিয়েছিলেন।</p>
<p>তিনি বলেন, আপিল বিভাগের সিদ্ধান্তের পর ডেন্টাল টেকনোলজিস্টরা আর স্বাধীনভাবে রোগী দেখতে পারবেন না বা নিজস্ব চেম্বার পরিচালনা করতে পারবেন না। তারা নিবন্ধিত ডেন্টাল সার্জনদের অধীনে সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে তাদের কাজের পরিধি নিয়ে নতুন কোনো আবেদন করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে।</p>
<p>//<strong>ডিবিটেক/বিটিটু/ইকে</strong>//</p>
<p></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এসবিএসি ব্যাংক ও চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনালের চুক্তি সই</title>
<link>https://digibanglatech.news/181616</link>
<guid>https://digibanglatech.news/181616</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;এসবিএসি ব্যাংক পিএলসি-এর অ্যাকাউন্ট হোল্ডার ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য দেশ-বিদেশে মানসম্মত চিকিৎসা সহজলভ্য করতে ‘চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনাল’-এর সাথে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a3bbd3812c7c.jpg" length="69946" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 24 Jun 2026 15:19:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords> এসবিএসি ব্যাংক, চুক্তি, চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনাল, বৈদেশিক স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা, ডিজিটাল ব্যাংকিং এসবিএসি, চিকিৎসা প্যাকেজ ছাড়</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr">এসবিএসি ব্যাংক পিএলসি-এর অ্যাকাউন্ট হোল্ডার, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য করার লক্ষ্যে ‘চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনাল’-এর সাথে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।</p>
<p dir="ltr">চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনালের চিফ অপারেটিং অফিসার মুনতাসির মাহমুদ এবং এসবিএসি ব্যাংকের হেড অব ডিজিটাল ব্যাংকিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিভিশন মোহাম্মদ শফিউল আজম নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।</p>
<p dir="ltr">চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এসবিএসি ব্যাংকের হেড অব ট্রানজেকশন ব্যাংকিং অ্যান্ড এজেন্ট ব্যাংকিং মোঃ ফিরোজ চৌধুরীসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p dir="ltr">​এই চুক্তির আওতায় এসবিএসি ব্যাংকের গ্রাহক ও কর্মীরা বিভিন্ন চিকিৎসা প্যাকেজে বিশেষ ছাড় পাবেন। এর পাশাপাশি দেশের বাইরে উন্নত চিকিৎসাসেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন রকম সহযোগিতামূলক ও সমন্বিত সেবা উপভোগ করতে পারবেন। এই উদ্যোগের ফলে রোগীদের দেশ-বিদেশে চিকিৎসাজাত্রার প্রতিটি ধাপ আরও সহজ, নির্ভরযোগ্য ও ঝামেলামুক্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠান দুটি।</p>
<p dir="ltr">চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনাল এই চুক্তির মাধ্যমে বিশ্বস্ত হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের সাথে রোগীদের সরাসরি সংযুক্ত করার অঙ্গীকার আরও জোরদার করল। </p>
<p dir="ltr">​/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/কেআইবি/ইকে/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফিটবিট এয়ার: ডিসপ্লেবিহীন ট্র্যাকারের দুনিয়ায় গুগলের নতুন চমক</title>
<link>https://digibanglatech.news/181275</link>
<guid>https://digibanglatech.news/181275</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a38e0f4e7275.jpg" length="282533" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 24 Jun 2026 09:15:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সম্প্রতি গুগল তাদের নতুন স্ক্রিনবিহীন (ডিসপ্লেলেস) পরিধানযোগ্য ডিভাইস ‘ফিটবিট এয়ার’ বাজারে এনেছে। গ্যাজেট বিশেষজ্ঞ চেরিলিন লো ডিভাইসটিকে ১০-এর মধ্যে ৮.৮ রেটিং দিয়েছেন। এটিকে মূলত এই ক্যাটাগরির শীর্ষ ব্র্যান্ড ‘হুপ’-এর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। চলুন দেখে নেয়া যাক, কী আছে এই গ্যাজেটটিতে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>হার্ডওয়্যার ও ডিজাইন</strong><br>ফিটবিট এয়ার মূলত গুগলের ‘ইন্সপায়ার ৩’ ট্র্যাকারের একটি ডিসপ্লেবিহীন ও পাতলা সংস্করণ। এটি ওজনে অত্যন্ত হালকা (মাত্র ৫.২ গ্রাম) এবং ছোট ক্যাপসুলের মতো আকৃতির।</p>
<p style="text-align: justify;">    ডিজাইন: এর ওপরে গুগলের লোগো এবং নিচে নিখুঁত সেন্সর প্যানেল রয়েছে। এতে কোনো স্ক্রিন নেই, তাই সব ধরনের তথ্য স্মার্টফোনের মাধ্যমে দেখতে হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">    কন্ট্রোল: ডিভাইসে মাত্র দুটি জোরে ট্যাপ করে অ্যালার্ম বন্ধ করা বা ব্যাটারির স্থিতি (এলইডি লাইটের মাধ্যমে) দেখা যায়। এতে একটি ভাইব্রেশন মোটর আছে, যা ‘স্মার্ট অ্যালার্ম’ ফিচারের সাহায্যে আপনার ঘুমের হালকা স্তরে মৃদু কম্পনের মাধ্যমে জাগিয়ে তোলে।</p>
<p style="text-align: justify;">    ব্যান্ড বা স্ট্র্যাপ: গুগল এর জন্য বিভিন্ন ধরনের আরামদায়ক ব্যান্ড তৈরি করেছে (যেমন: বাস্কেটবল তারকা স্টিফ কারি এডিশন)। এগুলো খুব সহজেই অদলবদল করা যায়।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ব্যাটারি লাইফ ও চার্জিং</strong><br>    স্থায়িত্ব: গুগলের দাবি অনুযায়ী এটি এক চার্জে প্রায় ৭ দিন চলে। তবে প্রতিযোগিতার বাজারে এটি ‘হুপ’-এর ১৪ দিনের ব্যাকআপের তুলনায় অর্ধেক।</p>
<p style="text-align: justify;">    চার্জিং গতি: এর চার্জিং গতি অত্যন্ত চমৎকার। মাত্র ২ মিনিটে এটি বিপদসীমা (২০%-এর নিচে) থেকে চার্জ হয়ে যায় এবং মাত্র ৫ মিনিটের চার্জে ব্যাটারি ৩৬% থেকে ৫৮%-এ পৌঁছায়।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>গুগল হেলথ অ্যাপ ও জেমিনি-চালিত এআই কোচ</strong><br>ফিটবিট এয়ারের মূল চালিকাশক্তি হলো এর নতুন গুগল হেলথ অ্যাপ (যা পুরনো গুগল ফিট ও ফিটবিট অ্যাপের জায়গা নিচ্ছে) এবং গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ‘জেমিনি’ দ্বারা পরিচালিত একটি অল-ইন-ওয়ান ‘এআই কোচ’।</p>
<p style="text-align: justify;">    সহজ ইন্টারফেস: অ্যাপের হোম পেজে একটি চমৎকার সোয়াইপযোগ্য ড্যাশবোর্ড রয়েছে, যেখানে স্টেপ কাউন্ট, হার্ট রেট, ক্যালোরি এবং ঘুমের ডেটা খুব সুন্দরভাবে দেখা যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">    সহজ ট্র্যাকিং: সাধারণ অ্যাপের মতো জটিল মেনুতে না গিয়ে এআই কোচকে সরাসরি মেসেজ বা ভয়েস কমান্ড দিয়ে খাবার বা ব্যায়ামের ডেটা লগ করা যায়। যেমন: আপনি কোনো খাবারের পুষ্টিগুণ বা নিউট্রিশন লেবেলের ছবি তুলে কোচকে বললেই সে সেটি আপনার ডায়েটে যুক্ত করে দেবে। এমনকি ব্যায়ামের ভঙ্গির ছবি তুলে দিলে সেটি সঠিক হচ্ছে কি না, তা-ও এআই বিশ্লেষণ করতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">    ত্রুটি বা গ্লিচ: এআই কোচটি এখনো শতভাগ নিখুঁত নয়। কখনো কখনো ব্যবহারকারী সাধারণ ব্যায়াম করলেও সেটি ‘হাঁটাহাঁটি’ হিসেবে ভুলভাবে রেকর্ড করে। স্পীচ-টু-টেক্সট (কণ্ঠস্বর থেকে লেখা) ইঞ্জিনটি মাঝে মাঝে আটকে যায়। এছাড়া মাঝেমধ্যে কোনো ক্ষতিকর কথা না বললেও এটি ভুলবশত ‘নিরাপত্তা নীতি লঙ্ঘন’-এর মেসেজ দেখায়।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>চিকিৎসা ও মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সতর্কতা</strong><br>মেডিকেল অ্যাডভাইস বা চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে গুগল এই এআই-কে তৈরি করেনি। তবে এটি যেকোনো স্বাস্থ্যগত সিন্ড্রোম (যেমন: গিলিয়ান-বারে সিন্ড্রোম) সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিতে পারে। ব্যবহারকারীর খাদ্যাভ্যাস বা বডি ইমেজ (শরীর নিয়ে হীনম্মন্যতা) সংক্রান্ত বিষয়ে যেন এআই কোনো ক্ষতিকর পরামর্শ না দেয়, সেজন্য গুগল চিকিৎসকদের নিয়ে এটিকে কঠোরভাবে ‘স্ট্রেস-টেস্ট’ করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>এক নজরে ভালো ও মন্দ দিক:</strong><br>        ইতিবাচক দিক: অত্যন্ত হালকা ও বহুমুখী হার্ডওয়্যার, দারুণ দ্রুতগতির চার্জিং ব্যবস্থা, এবং সহজ ও তথ্যবহুল নতুন গুগল হেলথ অ্যাপ।</p>
<p style="text-align: justify;">        নেতিবাচক দিক: হুপ-এর তুলনায় ব্যাটারি লাইফ কম (৭ দিন), এবং এর এআই ফিচারগুলো এখনো কিছুটা ত্রুটিপূর্ণ বা গ্লিচ-যুক্ত।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>মূল্য ও বাজার প্রতিযোগিতা</strong><br>যেখানে হুপ ব্যবহার করতে হলে প্রতি বছর ২০০ থেকে ৩৬০ ডলারের চড়া সাবস্ক্রিপশন ফি দিতে হয়, সেখানে ফিটবিট এয়ারের হার্ডওয়্যারের দাম মাত্র ১০০ মার্কিন ডলার। এর বেসিক এআই কোচ ও গুগল হেলথ অ্যাপের বেশিরভাগ ফিচারই একদম ফ্রি, আর প্রিমিয়াম প্ল্যানের জন্য মাসে খরচ হবে মাত্র ১০ ডলার। কম খরচ এবং গুগলের শক্তিশালী সফটওয়্যারের কারণে স্ক্রিনহীন ফিটনেস ট্র্যাকারের বাজারে এটি একটি গেম-চেঞ্জার হতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong>ডিবিটেক/বিএমটি   ।   সূত্র: <a href="https://www.engadget.com/2180910/fitbit-air-review-google-health-ai-coach-testing/" target="_blank" rel="noopener">এনগ্যাজেট</a></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসায় প্রশিক্ষণ পেলেন বিএমইউর ২৬৯ চিকিৎসক</title>
<link>https://digibanglatech.news/181384</link>
<guid>https://digibanglatech.news/181384</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p data-start=&quot;251&quot; data-end=&quot;501&quot;&gt;রোগীদের চিকিৎসাব্যয় কমানো এবং বিজ্ঞানভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৬৯ জন ফ্যাকাল্টি ও সিনিয়র চিকিৎসককে ‘ইভিডেন্স বেসড মেডিসিন’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। আইকিউএসির উদ্যোগে ১০টি ব্যাচে এ প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a39945532124.jpg" length="467268" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 22 Jun 2026 17:10:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, বিএমইউ, ইভিডেন্স বেসড মেডিসিন, চিকিৎসা প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা, চিকিৎসাব্যয়, আইকিউএসি, গবেষণা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="744" data-end="1031">রোগীদের চিকিৎসাব্যয় কমানো এবং বিজ্ঞানভিত্তিক সঠিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) বিভিন্ন বিভাগের ২৬৯ জন ফ্যাকাল্টি সদস্য ও সিনিয়র চিকিৎসককে ‘ইভিডেন্স বেসড মেডিসিন’ বা প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসাবিদ্যা বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p data-start="1033" data-end="1295">বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) উদ্যোগে ১০টি ব্যাচে এ প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়। ২২ জুন, সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে ১০ম ব্যাচের তিন দিনব্যাপী কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।</p>
<p data-start="1297" data-end="1567">প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতির চর্চা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় বিএমইউতে প্রথমবারের মতো ‘ওয়ার্ল্ড ইভিডেন্স-বেইসড হেলথকেয়ার ডে’ উদযাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে ‘এভিডেন্স অ্যাম্বাসেডর’ খেতাবও অর্জন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।</p>
<p data-start="1569" data-end="1755">তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের পিকো ফ্রেমওয়ার্ক, মেডিক্যাল অডিটের গুরুত্ব এবং ক্লিনিক্যাল অডিট সাইকেলসহ আধুনিক ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়।</p>
<p data-start="1757" data-end="2035">সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, গবেষণা, চিকিৎসাসেবা এবং শিক্ষা কার্যক্রমের প্রতিটি স্তরে প্রমাণভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে একটি দক্ষ, স্বচ্ছ ও ন্যায্য স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। এর মাধ্যমে চিকিৎসাব্যয় কমানোর পাশাপাশি দেশের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নও সম্ভব হবে।</p>
<p data-start="2037" data-end="2390">অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ক্লিনিক্যাল চিকিৎসা ব্যবস্থায় প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসাবিদ্যার গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। রোগীর চাহিদা, মতামত ও অধিকার বিবেচনায় নিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে এই পদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। চিকিৎসা শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের ক্ষেত্রেও এর বিকল্প নেই।</p>
<p data-start="2392" data-end="2710">আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক নুরুন নাহার খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক মুজিবুর রহমান হাওলাদার এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক নাহরীন আখতার। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ দীনে মুজাহিদ ফারুক ওসমানী।</p>
<p data-start="2712" data-end="2938">বিশেষজ্ঞরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের প্রশিক্ষণ চিকিৎসকদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর ফলে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার প্রতি আস্থাও আরও সুদৃঢ় হবে।</p>
<p data-start="2940" data-end="2970">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/জেডএন/ইকে/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ক্যান্সারে থেমে গেছে পথ, থামেনি অরপার স্বপ্ন</title>
<link>https://digibanglatech.news/180210</link>
<guid>https://digibanglatech.news/180210</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;একিউট লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত ২২ বছর বয়সী কলেজছাত্রী অরপা দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকদের মতে, তার জীবন বাঁচাতে দ্রুত বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট প্রয়োজন। সীমিত আয়ের পরিবার এখন সমাজের সহায়তার দিকে তাকিয়ে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a2ea37e8d466.jpg" length="97334" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 14 Jun 2026 00:00:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>২২ বছর বয়সে কলেজ ছেড়ে হাসপাতালের বিছানায়; জীবন বাঁচাতে জরুরি বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>যে বয়সে বন্ধুদের সঙ্গে ক্লাস, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আর নতুন স্বপ্নে দিন কাটার কথা, সেই বয়সেই হাসপাতালের কেবিন আর চিকিৎসার কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়ছে অরপা। মাত্র ২২ বছর বয়সে কলেজছাত্রী অরপার জীবনে নেমে এসেছে একিউট লিউকেমিয়া—রক্ত ও অস্থিমজ্জাজনিত একটি জটিল ক্যান্সার।</p>
<p>পরিবারের সদস্যরা জানান, অরপার স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা শেষ করে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর। কিন্তু অসুস্থতা তার সেই পথকে থামিয়ে দিয়েছে। তবুও থামেনি তার আশা—সুস্থ হয়ে আবার কলেজে ফিরতে চায় সে।</p>
<p>অরপার বাবা ও মা—দুজনই বেসরকারি চাকরিজীবী। সীমিত আয়ের সংসারে মেয়ের চিকিৎসা চালিয়ে যেতে গিয়ে তারা দীর্ঘদিন ধরে লড়াই করে যাচ্ছেন। নিয়মিত কেমোথেরাপি ও চিকিৎসা চললেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ব্যয় বেড়েছে কয়েকগুণ।</p>
<p>পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, চিকিৎসকরা এখন দ্রুত বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট করার পরামর্শ দিয়েছেন। কারণ রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে উন্নত চিকিৎসা অব্যাহত রাখা জরুরি। তবে এই চিকিৎসা ব্যয়বহুল হওয়ায় পরিবারটি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে।</p>
<p>সন্তানের চিকিৎসার জন্য সঞ্চয় শেষ হয়েছে, ধার-দেনাও বেড়েছে। এখন আর একা এই চিকিৎসার ব্যয় বহন করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন অরপার বাবা-মা।</p>
<p>চিকিৎসকদের আশঙ্কা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দ্রুত শুরু করা না গেলে অরপার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হতে পারে।</p>
<p>এমন পরিস্থিতিতে সমাজের সহানুভূতিশীল ও সামর্থ্যবান মানুষের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন পরিবারটি। তাদের একটাই প্রত্যাশা—অরপা আবার সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরুক, ফিরে যাক তার কলেজে।</p>
<p><strong>সহায়তার জন্য যোগাযোগ ও অনুদান তথ্য:</strong><br>মো. হাফিযুর রাহমান খান (পিতা)<br>হিসাব নম্বর: ০২০০০১২৮২০৬৪৬<br>অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, আইসিডিডিআরবি শাখা, ঢাকা নর্থ জোন<br>মোবাইল: ০১৮৩৩৯৩৩৪৪০</p>
<p>/<strong>/ডিবিটেক/এমজে/ইকে/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১৪ জুন জেলা পর্যায়ে আরও ১০ হাসপাতালে আইসিইউ চালু হচ্ছে</title>
<link>https://digibanglatech.news/180117</link>
<guid>https://digibanglatech.news/180117</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;দেশের ১০টি জেলা সদর হাসপাতালে নতুন আইসিইউ চালু করা হচ্ছে। পেডিয়াট্রিক ভেন্টিলেটর, অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর এবং প্রয়োজনীয় জনবলসহ এসব ইউনিট জেলা পর্যায়ে উন্নত জরুরি ও নিবিড় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করবে। এর ফলে জটিল রোগীদের রাজধানীমুখী হওয়ার প্রয়োজন কমবে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a2d8f9db4299.jpg" length="72429" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 13 Jun 2026 20:13:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>জরুরি রেসপন্স ও মহামারি প্রস্তুতি প্রকল্পের আওতায় দেশের ১০টি জেলা সদর হাসপাতালে নতুন আইসিইউ চালু হচ্ছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন উদ্বোধন করবেন এসব ইউনিট।</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে জেলা পর্যায়ে আরও শক্তিশালী করতে ১০টি জেলা সদর হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হচ্ছে ১৪ জুন, রবিবার। জরুরি রেসপন্স ও মহামারি প্রস্তুতি (ইআরপিপি) প্রকল্পের আওতায় এসব আইসিইউ স্থাপন করা হয়েছে। </p>
<p>যেসব হাসপাতালে নতুন আইসিইউ চালু হচ্ছে সেগুলো হলো— মুন্সীগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল, টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল, সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতাল, গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, চুয়াডাঙ্গা জেলা হাসপাতাল, নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতাল, যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, শেরপুর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতাল, মাদারীপুর জেলা হাসপাতাল এবং বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল।</p>
<p>স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি আইসিইউতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পেডিয়াট্রিক ভেন্টিলেটর ও অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর। পাশাপাশি এসব ইউনিট পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জনবলও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন আইসিইউগুলো চালুর ফলে জেলা পর্যায়ে শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক জটিল রোগীদের জন্য উন্নতমানের জরুরি ও নিবিড় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। বিশেষ করে সংকটাপন্ন রোগীদের চিকিৎসার জন্য রাজধানী বা বিভাগীয় শহরের বড় হাসপাতালে স্থানান্তরের প্রয়োজন অনেকাংশে কমে আসবে।</p>
<p>স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন নতুন আইসিইউগুলোর কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। সূত্রমতে, রবিার সকাল ১০টায় নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে প্রধান উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে দেশের বাকি নয়টি হাসপাতাল ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকবে।</p>
<p>স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, জেলা পর্যায়ে আইসিইউ সেবার সম্প্রসারণ দেশের স্বাস্থ্য অবকাঠামোকে আরও কার্যকর করবে। একই সঙ্গে জরুরি চিকিৎসা, মহামারি মোকাবিলা এবং সংকটাপন্ন রোগীদের সেবাদানে স্থানীয় হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।</p>
<p>তাদের মতে, এই উদ্যোগের ফলে উন্নত ‘ক্রিটিক্যাল কেয়ার’ সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে এবং রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় ও ভোগান্তিও কমবে।</p>
<p><strong></strong>/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/জেজেডি/একে/</strong></span>/<br><br></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মহাখালীতে পরিবহন শ্রমিকদের জন্য ডিএমপির পাক্ষিক হেলথ ক্যাম্পে ব্যাপক সাড়া</title>
<link>https://digibanglatech.news/180038</link>
<guid>https://digibanglatech.news/180038</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p data-path-to-node=&quot;6&quot;&gt;মহাখালী বাস টার্মিনালে গণপরিবহন চালক ও সহকারীদের জন্য বিনামূল্যে &#039;পাক্ষিক হেলথ ক্যাম্প&#039; আয়োজন করেছে ডিএমপির ট্রাফিক গুলশান বিভাগ। শনিবার সকালে এর উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান। ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সহযোগিতায় পরিচালিত এই ক্যাম্পে আগত চালকদের সিংহভাগই কোমর-পায়ে ব্যথা এবং চোখের সমস্যায় ভুগছেন বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a2d0f015ac27.jpg" length="85593" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 13 Jun 2026 13:49:54 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>মহাখালীতে বাস চালক ও সহকারীদের জন্য ডিএমপির বিশেষ পাক্ষিক হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত। ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকদের বিনামূল্যে সেবা ও পরামর্শ।</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div _ngcontent-ng-c2345861977="" class="container">
<div _ngcontent-ng-c877151854="" inline-copy-host="" class="markdown markdown-main-panel stronger enable-updated-hr-color" id="model-response-message-contentr_c8372b41902b00cb" aria-live="polite" aria-busy="false" dir="ltr">
<p data-path-to-node="1">তীব্র রোদে নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করা গণপরিবহনের চালক ও সহকারীদের (হেল্পার) শারীরিক সুস্থতা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে রাজধানীর মহাখালীতে এক বিশেষ ‘পাক্ষিক হেলথ ক্যাম্প’-এর আয়োজন করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।</p>
<p data-path-to-node="1">১৩ জুন, শনিবার মহাখালী বাস টার্মিনালের মূল প্রবেশদ্বারের সামনে ডিএমপির ট্রাফিক গুলশান বিভাগের আন্তরিক উদ্যোগে সকাল ১০টা থেকে এই জনকল্যাণমুখী চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যা বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলে। এই বিশেষ ক্যাম্পে অভিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে পরিবহন শ্রমিকদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, জরুরি ওষুধ এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিষয়ক গাইডলাইন বা পরামর্শ প্রদান করছে স্বনামধন্য ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল।</p>
<p data-path-to-node="2">সকালে মহাখালী টার্মিনাল প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই পাক্ষিক হেলথ ক্যাম্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান। উদ্বোধনী পর্বে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ডিএমপি ট্রাফিক গুলশান বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সড়কে দুর্ঘটনা হ্রাস এবং গণপরিবহন খাতকে নিরাপদ করতে চালক ও সহকারীদের নিয়মিত চোখ ও শারীরিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। তাদের নিয়মতান্ত্রিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই নিয়মিত পাক্ষিক হেলথ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="3">ক্যাম্পের সার্বিক পরিস্থিতি ও রোগীর চাপ নিয়ে ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট সাইফুল ইসলাম জানান, উদ্বোধনের পর থেকেই পরিবহন শ্রমিকদের মাঝে এই ক্যাম্প নিয়ে ব্যাপক সাড়া ও উৎসাহ পাওয়া যাচ্ছে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে ৪০ জনেরও বেশি রোগীকে নিখরচায় দেখেছি এবং তাদের শারীরিক লক্ষণ অনুযায়ী বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছি।</p>
<p data-path-to-node="4">তিনি দীর্ঘ সময় গাড়ি চালানোর কারণে পরিবহন শ্রমিকদের তৈরি হওয়া বিভিন্ন পেশাগত শারীরিক সমস্যার কথা উল্লেখ করে আরও বলেন, “আমাদের কাছে চিকিৎসা নিতে আসা চালক ও সহকারীদের মধ্যে অধিকাংশেরই দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার কারণে কোমর, হাত ও পায়ের দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার (মাস্কুলোস্কেলিটাল পেইন) সমস্যা দেখা গেছে। এছাড়া একটানা ধুলোবালি ও রোদে গাড়ি চালানোর ফলে অনেকের মধ্যেই চোখে কম দেখা কিংবা চোখের দীর্ঘমেয়াদী জটিলতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।” আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে ট্রাফিক পুলিশের কর্মকর্তারা মহাখালী রুটের সকল চালক ও সহকারীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ক্যাম্পে উপস্থিত হয়ে এই বিনামূল্যে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ও চক্ষু পরীক্ষা গ্রহণের জন্য বিনীত আহ্বান জানিয়েছেন।</p>
<p data-path-to-node="8">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক//বিএন/ইকে/</strong></span>/</p>
</div>
<message-content _ngcontent-ng-c2345861977="" _nghost-ng-c877151854="" id="message-content-id-r_c8372b41902b00cb" class="ng-star-inserted"></message-content><!----></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৬ নবজাতকের মৃত্যু: রাজধানীর আদ্&#45;দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করল সরকার</title>
<link>https://digibanglatech.news/179764</link>
<guid>https://digibanglatech.news/179764</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p data-path-to-node=&quot;10,0,0&quot;&gt;অবহেলা ও অক্সিজেন স্বল্পতায় ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শোকজের জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a2a952e78797.jpg" length="90766" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 11 Jun 2026 16:00:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>৬ নবজাতকের মৃত্যু: আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div _ngcontent-ng-c2529416269="" inline-copy-host="" class="markdown markdown-main-panel enable-updated-hr-color" id="model-response-message-contentr_b288b3742686b883" aria-live="polite" aria-busy="false" dir="ltr">
<p data-path-to-node="2">ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করেছে সরকার। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দেওয়া কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশের জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।</p>
<p data-path-to-node="3">১১ জুন, বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পক্ষে হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহের পরিচালক ডা. আবুল হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="4">আদেশে উল্লেখ করা হয়, গত ২৭ মে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে একই ওয়ার্ডে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত একটি তদন্ত কমিটি বিষয়টি খতিয়ে দেখে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে নবজাতকদের ওয়ার্ডে অক্সিজেনের স্বল্পতা এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলাকে এই মৃত্যুর মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="5">এরই পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালটির লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না—তা জানতে চেয়ে একটি শোকজ নোটিশ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নোটিশের জবাব দেওয়ার জন্য প্রথমে ৭২ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেওয়া হলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত ৪৮ ঘণ্টা সময় চেয়ে আবেদন করে। পরে গত ৯ জুন, মঙ্গলবার শোকজ নোটিশের লিখিত জবাব দাখিল করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে তাদের দেওয়া ব্যাখ্যা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে সন্তোষজনক মনে হয়নি। ফলে ‘দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮২’ এর ১১(২) (খ) ধারা অনুযায়ী হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="6">তবে সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশের ১২ ধারা অনুযায়ী, লাইসেন্স বাতিলের এই আদেশ জারির পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করার জন্য সরকারের কাছে আপিল বা আবেদন করার সুযোগ পাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।</p>
<p data-path-to-node="6">এরআগে <span>সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে </span><span>প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী </span>ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেছিলেন, যে দায়ী হিসেবে শনাক্ত হবে তাকে শাস্তির আওতায় আনা হবে। যদি প্রতিষ্ঠান এই ৬ শিশু মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত থাকে তাহলে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর যদি প্রতিষ্ঠানের কোনো কর্মচারীর গাফলতির জন্য ঘটনাটি ঘটে; তাহলে তার বিরুদ্ধেও দেশের প্রচলিত আইনে যে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা আছে। সে অনুযায়ীই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>
<p data-path-to-node="8">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এসআই/ ইকে/</strong></span>/</p>
<p data-path-to-node="12"></p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে মিরপুর ডেল্টা মেডিকেল কলেজে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বিক্ষোভ ও কর্মবিরতি</title>
<link>https://digibanglatech.news/179649</link>
<guid>https://digibanglatech.news/179649</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ২০ হাজার টাকার পরিবর্তে ১৫ হাজার টাকা ভাতা দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার মিরপুর ডেল্টা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ করছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা। বর্তমান ভাতা ২০ হাজারে উন্নীত করা, অবৈতনিকদের ৫ হাজার টাকা ফিক্সড করা, অন-ডিউটি ডক্টরস রুমের আধুনিকায়ন ও নিরাপদ কর্মপরিবেশসহ চার দফা দাবিতে এই আন্দোলন চলছে। দাবি না মানলে আগামীকাল থেকে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a29a3966f406.jpg" length="90381" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 10 Jun 2026 20:49:17 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>মিরপুর ডেল্টা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সরকারি নিয়ম অমান্য করে ইন্টার্নদের কম ভাতা দেওয়ার অভিযোগ। ২০ হাজার টাকা ভাতা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশসহ ৪ দফা দাবিতে চিকিৎসকদের বিক্ষোভ ও কর্মবিরতি।</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div _ngcontent-ng-c2973730042="" inline-copy-host="" class="markdown markdown-main-panel enable-updated-hr-color" id="model-response-message-contentr_30086518410eb01e" aria-live="polite" aria-busy="false" dir="ltr">
<p data-path-to-node="1">দেশের সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাসিক ভাতা ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হলেও সরকারের সেই প্রজ্ঞাপন ও সিদ্ধান্ত অমান্য করার অভিযোগ উঠেছে রাজধানীর মিরপুরের ডেল্টা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিরুদ্ধে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিয়ম বহির্ভূতভাবে ইন্টার্নদের মাত্র ১৫ হাজার টাকা ভাতা প্রদান করায় এর প্রতিবাদে এবং চার দফা দাবিতে ১০ জুন, বুধবার হাসপাতালের সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন ভুক্তভোগী চিকিৎসকেরা।</p>
<p data-path-to-node="1">সকালে হাসপাতালের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা, যা চারপাশের সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে এক বিশাল মানববন্ধনে রূপ নেয়। এই কর্মসূচিতে হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের পাশাপাশি ডেল্টা মেডিকেল কলেজের বিভিন্ন ব্যাচের সাধারণ শিক্ষার্থীরাও সংহতি প্রকাশ করে অংশ নেন এবং হাসপাতাল প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বৈষম্যমূলক অভিযোগ তুলে ধরেন।</p>
<p data-path-to-node="2">মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হাসপাতালের রোগীদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে তারা দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের ন্যায্য ও আইনি দাবিগুলো অমীমাংসিত রেখে দেওয়ায় তা কাজের মান এবং চিকিৎসকদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর চরম নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। দাবি আদায়ের লক্ষ্যে গত ৭ জুন থেকেই হাসপাতালের পরিচালনা পর্ষদ ও মূল প্রশাসনকে লিখিতভাবে অবহিত করে অনির্দিষ্টকালের জন্য শান্তিপূর্ণ কর্মবিরতি পালন করা হচ্ছিল। কিন্তু বিগত তিন দিনেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সমস্যা সমাধানে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ বা আন্তরিকতা দেখায়নি, যার প্রেক্ষিতে আজ তারা রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন।</p>
<p data-path-to-node="3">বিক্ষুব্ধ চিকিৎসকেরা দাবি করেন, সরকারি পে-স্কেল ও প্রজ্ঞাপনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ইন্টার্নদের বর্তমান মাসিক ভাতা ১৫ হাজার টাকা থেকে বৃদ্ধি করে অবিলম্বে ২০ হাজার টাকা করতে হবে। একই সাথে একই হাসপাতালে যারা বর্তমানে সম্পূর্ণ অবৈতনিক (নন-পেইড) হিসেবে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন, মানবিক ও পেশাদার দিক বিবেচনা করে তাদের জন্য ন্যূনতম পাঁচ হাজার টাকা মাসিক ভাতার স্থায়ী ব্যবস্থা করতে হবে। এ ছাড়া প্রতি মাসের প্রথম ৭ কর্মদিবসের মধ্যে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বকেয়া এবং নিয়মিত বেতন-ভাতা পরিশোধ নিশ্চিত করার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা করার জোর দাবি জানান তাঁরা।</p>
<p data-path-to-node="4">আন্দোলনরত চিকিৎসকেরা হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ সুযোগ-সুবিধার তীব্র সংকট তুলে ধরে বলেন, অন-ডিউটি ইন্টার্নদের জন্য নির্ধারিত কক্ষে পর্যাপ্ত জায়গা, ব্যক্তিগত লকার ও বিশ্রামের জন্য প্রয়োজনীয় বেডের কোনো ব্যবস্থা নেই। তারা অবিলম্বে চিকিৎসকদের কক্ষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং পুরুষ ইন্টার্নদের কক্ষটি দ্রুত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) করার দাবি জানান। একই সঙ্গে ডিউটি চলাকালীন চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও শারীরিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত চিকিৎসাসামগ্রী ও প্রয়োজনীয় সিকিউরিটি গার্ডের ব্যবস্থা করার দাবি তোলা হয়। ইন্টার্নরা অভিযোগ করেন, এর আগেও বেতন বৃদ্ধি নিয়ে আন্দোলন করা হলে তৎকালীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নানা ভয়-ভীতি দেখিয়ে এবং বিভিন্ন ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে জোরপূর্বক আন্দোলনকে দমিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু এবার ন্যায্য অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা ঘরে ফিরবেন না। দাবি আদায়ের পরবর্তী কর্মসূচি সম্পর্কে আলটিমেটাম দিয়ে তাঁরা বলেন, যদি অবিলম্বে এই যৌক্তিক চার দফা দাবি-অর্থাৎ বেতন কাঠামো পুনর্বিবেচনা, নিয়মিত বেতন প্রদান, কক্ষের সুযোগ- সুবিধা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা না হয়, তবে আগামীকাল থেকে আরও কঠোর ও সর্বাত্মক কর্মসূচির ডাক দেওয়া হবে।</p>
<p data-path-to-node="4">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এমভি/ইকে/</strong></span>/</p>
<p data-path-to-node="4"></p>
<p data-path-to-node="4"></p>
<p data-path-to-node="8"></p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিশেষ শ্রেণির চলচ্চিত্র পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের কার্যকর মাধ্যম: কর্মশালায় বক্তারা</title>
<link>https://digibanglatech.news/179592</link>
<guid>https://digibanglatech.news/179592</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;পেশাভিত্তিক চলচ্চিত্রে সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে জ্ঞান স্থানান্তরের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের প্রত্যয় নিয়ে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও বিসিটিআইয়ের যৌথ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানান, চিকিৎসা ও শিক্ষার মতো পেশাগত খাতে দক্ষতা বাড়াতে এবং জ্ঞানভিত্তিক আর্কাইভ তৈরিতে বিশেষায়িত চলচ্চিত্র কার্যকর ভূমিকা রাখবে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a292e8656e2e.jpg" length="108558" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 10 Jun 2026 13:30:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>পেশাভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাণে সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে দক্ষতা উন্নয়নের সম্ভাবনা নিয়ে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে (NICVD) বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত।</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পেশাভিত্তিক বা বিশেষ শ্রেণির চলচ্চিত্র নির্মাণে সৃজনশীলতা ও আধুনিক প্রযুক্তির নিখুঁত সমন্বয় ঘটাতে পারলে জ্ঞান স্থানান্তরের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে, যা চিকিৎসাসহ বিভিন্ন পেশাগত ক্ষেত্রে দক্ষতা উন্নয়নের অন্যতম কার্যকর মাধ্যমে পরিণত হতে পারে। যদিও এর নির্মাণে নীতিগত ও কারিগরি কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তবুও আন্তঃবিভাগীয় সহযোগিতা, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং নীতিমালা সংস্কারের মাধ্যমে এই খাতের ব্যাপক সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো সম্ভব। </p>
<p>১০ জুন, বুধবার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল (NICVD) এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (BCTI)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত “বিশেষ শ্রেণির চলচ্চিত্র নির্মাণ, প্রদর্শন এবং এর মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে পেশাদারিত্ব বৃদ্ধি, সমস্যা ও সম্ভাবনা” শীর্ষক এক অনন্য কর্মশালায় দেশের শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ ও চলচ্চিত্র গবেষকেরা এসব কথা বলেন। জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)-এর গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক মো. আল আমিন রাকিব।</p>
<p><br>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্রাটেজি, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞানচর্চার এই যুগে বিশেষায়িত চলচ্চিত্র দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এ ধরনের সময়োপযোগী উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের চিকিৎসা, শিক্ষা ও গণমাধ্যম খাতের মধ্যে আরও গভীর ও কার্যকর সহযোগিতা গড়ে উঠবে। জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবদুল ওয়াদুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে বক্তারা পেশাভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাণে সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তির মেলবন্ধনের ওপর বিশেষ জোর দেন।</p>
<p>কর্মশালার উন্মুক্ত আলোচনা ও প্যানেল সেশনে আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী আবুল কালাম মোহাম্মদ শামসুদ্দিন, বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা ও পরিচালক ডা. বুলবুল বিশ্বাস, ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (আইইউবি) মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ইমরান ফেরদৌস, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের কার্ডিওলজি বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মোহাম্মদ উল্লাহ ফিরোজ এবং বিসিটিআইয়ের উপপরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ মোকছেদ হোসেন। আলোচকেরা উল্লেখ করেন, বিশেষ শ্রেণির চলচ্চিত্র কেবল তাৎক্ষণিক প্রশিক্ষণের মাধ্যম নয়, বরং এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী জ্ঞানভিত্তিক আর্কাইভ গড়ে তোলার অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মূল্যবান সম্পদ হয়ে থাকবে। বিশেষ করে চিকিৎসা ও চলচ্চিত্র—এই দুই ভিন্ন ক্ষেত্রের সমন্বয়ে নির্মিত বিশেষায়িত চলচ্চিত্র ভবিষ্যতের চিকিৎসা প্রশিক্ষণ ও গবেষণার আবহকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করে তুলতে পারে, যা দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. আবদুল ওয়াদুদ চৌধুরী বলেন, হৃদরোগ চিকিৎসাসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত ক্ষেত্রে দক্ষতা উন্নয়ন, গবেষণা এবং পারস্পরিক জ্ঞান বিনিময়ের জন্য বিশেষ শ্রেণির চলচ্চিত্র অত্যন্ত যুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে পারে। এই উদ্যোগ দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবা ও পেশাগত প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার গুণগত উন্নয়নে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে। কর্মশালার শেষ পর্বে অনুষ্ঠিত প্রাণবন্ত মুক্ত আলোচনায় দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের ডাক্তার, শিক্ষার্থীবৃন্দ, গবেষক, তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।</p>
<p>উপস্থিত অংশগ্রহণকারীরা বাংলাদেশে বিশেষ শ্রেণির চলচ্চিত্র নির্মাণ ও প্রদর্শনের পথ সুগম করতে একটি সুনির্দিষ্ট জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন, প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর আধুনিকায়ন এবং বিভিন্ন খাতের মধ্যে আন্তঃবিভাগীয় সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।</p>
<p>/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এমআই/ইকে/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হার্টের রিংয়ের নতুন দাম কার্যকর, হাসপাতালগুলোকে নির্দেশ ঔষধ প্রশাসনের</title>
<link>https://digibanglatech.news/179493</link>
<guid>https://digibanglatech.news/179493</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর হৃদরোগ চিকিৎসায় ব্যবহৃত বিভিন্ন কোরোনারি স্টেন্টের নতুন সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করেছে। হাসপাতালগুলোকে নতুন মূল্য তালিকা প্রদর্শন, এমআরপি অনুসরণ এবং পৃথক ক্যাশমেমো প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। &lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a281cc8a02b1.jpg" length="105347" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 16:02:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>হার্টের রিং বা কোরোনারি স্টেন্টের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। হাসপাতালগুলোকে এমআরপি অনুযায়ী বিক্রি ও মূল্য তালিকা প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><strong></strong> হৃদরোগ চিকিৎসায় ব্যবহৃত কোরোনারি স্টেন্ট বা হার্টের রিংয়ের নতুন মূল্য কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের স্টেন্টের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।</p>
<p>নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী অ্যালেক্স প্লাস, অ্যালেক্স ও আবারিস স্টেন্টের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৭ হাজার টাকা। কোরোফ্লেক্স আইএসএআর নিও ৫২ হাজার টাকা এবং কোরোফ্লেক্স আইএসএআর ও আমাজনিয়া স্যার ৫০ হাজার টাকা।</p>
<p>ম্যাগমা স্টেন্টের মূল্য ৩০ হাজার টাকা, সুনা স্টেন্ট ডেলিভারি সিস্টেম ১৪ হাজার টাকা, সিআরই ৮ স্টেন্ট ৫০ হাজার টাকা এবং অ্যাভান্ট-গার্ড ১৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।</p>
<p>ডাইরেক্ট-স্টেন্ট সিরো-সিরোলিমাস ইলিউটিং কোরোনারি স্টেন্ট, সেলোসিয়া আচ্ছাদিত স্টেন্ট এবং সিলিন আচ্ছাদিত স্টেন্টের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬২ হাজার টাকা করে। ওর্সিরো স্টেন্টের দাম ৬০ হাজার টাকা এবং ওর্সিরো মিশনের দাম ৬৫ হাজার টাকা।</p>
<p>এছাড়া প্রো-কাইনেটিক এনার্জি ২০ হাজার টাকা, আইট্রিক্স র‍্যাপামাইসিন ৩৬ হাজার টাকা, আর্থোস পিকো ১৫ হাজার টাকা, আল্টিমাস্টার টেনসেই ৬৫ হাজার টাকা, এবলুমিনাস ডিইএস প্লাস ৬০ হাজার টাকা, এক্সলিমাস ৫৫ হাজার টাকা এবং এক্সপ্লোসন স্টেন্টের মূল্য ৪৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।</p>
<p>৯ জুন, মঙ্গলবার ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহ. আলমগীর হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের গঠিত বিশেষজ্ঞ পরামর্শক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ট্যাক্স, ভ্যাট, বিভিন্ন চার্জ, কমিশন এবং কোম্পানির যৌক্তিক মুনাফা বিবেচনায় নিয়ে আমদানিকৃত বিভিন্ন কোরোনারি স্টেন্টের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বিষয়টি বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সব আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।</p>
<p>এতে আরও বলা হয়, গত ১৩ মে অনুষ্ঠিত পরামর্শক কমিটির সপ্তম সভায় কিছু প্রতিষ্ঠানের মূল্য পুনর্বিবেচনার আবেদন পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর হাসপাতালগুলোর জন্য কয়েকটি নির্দেশনাও জারি করেছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, স্টেন্টের হালনাগাদ মূল্য তালিকা হাসপাতালের নোটিশ বোর্ডে দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। অনুমোদিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য অনুসরণ করে ক্রয়-বিক্রয় নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনো চিকিৎসা প্যাকেজের সঙ্গে স্টেন্টের মূল্য অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না।</p>
<p>এছাড়া স্টেন্টের নাম, সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য এবং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করে পৃথক ক্যাশমেমো প্রদান করতে হবে। ব্যবহৃত স্টেন্টের প্যাকেটও রোগীকে সরবরাহ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>অধিদপ্তর জানিয়েছে, কার্ডিয়াক চিকিৎসা প্রদানকারী সব হাসপাতালকে অনুমোদিত মূল্য তালিকা ও নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।</p>
<p>/<strong><span style="text-decoration: underline;">/ডিবিটেক/এমআই/এমইউএম</span>/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আমদানি নির্ভরতা কমাতে দেশেই তৈরি হবে বিদ্যুচ্চালিত বিশেষায়িত অ্যাম্বুলেন্স</title>
<link>https://digibanglatech.news/179057</link>
<guid>https://digibanglatech.news/179057</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a24194049fe8.jpg" length="99446" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 06 Jun 2026 18:00:10 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>দেশীয় প্রযুক্তিতে ইলেকট্রিক অ্যাম্বুলেন্স, বুয়েটের অ্যাম্বুলেন্স নকশা, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সভা, মায়েদের জন্য বিশেষায়িত অ্যাম্বুলেন্স, সোলার পাওয়ার অ্যাম্বুলেন্স, বাংলাদেশে তৈরি বৈদ্যুতিক গাড়ি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div _ngcontent-ng-c1433319275="" class="container">
<div _ngcontent-ng-c1789272294="" inline-copy-host="" class="markdown markdown-main-panel stronger enable-updated-hr-color" id="model-response-message-contentr_5067194cb0fa95d4" aria-live="polite" aria-busy="false" dir="ltr">
<p data-path-to-node="2">দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব করতে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে বিদ্যুচ্চালিত ও বিশেষায়িত অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আজ ৬ জুন (শনিবার) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জন্য দেশীয় প্রযুক্তিতে অ্যাম্বুলেন্স তৈরিসংক্রান্ত সভা’ অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে দুপুর ২টায় রাজধানীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সরকারের এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের কথা জানান।</p>
<p data-path-to-node="3">বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং চিকিৎসা খাতে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে গ্রাম থেকে রাজধানী পর্যন্ত একটি নিরবচ্ছিন্ন তিন স্তরের চিকিৎসাসেবা নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর কারিগরি সহযোগিতায় এবং সরকারের সরাসরি তত্ত্বাবধানে এই বিশেষায়িত অ্যাম্বুলেন্সের প্রোটোটাইপ বা প্রাথমিক মডেল তৈরি করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ৭৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হলেও প্রোটোটাইপ নির্মাণ, পরীক্ষা, জনবল ও পরামর্শক ফি অন্তর্ভুক্ত করে তা এক কোটি টাকায় উন্নীত করা হবে।</p>
<p data-path-to-node="4">স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, গ্রামীণ অঞ্চলের সাধারণ রোগী এবং বিশেষ করে অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের দ্রুত ও নিরাপদ যাতায়াতের কথা বিবেচনা করে বুয়েট দুই ধরনের সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক (ইভি) অ্যাম্বুলেন্সের নকশা তৈরি করবে। এর মধ্যে প্রথম ধরনটি হবে চার চাকার ইভি অ্যাম্বুলেন্স, যা কোনো ডিজেল বা পেট্রোল ছাড়াই চলবে এবং রোগীদের গ্রাম থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসবে। দ্বিতীয় ধরনের অ্যাম্বুলেন্সটি ব্যবহার করা হবে উপজেলা থেকে জেলা সদর কিংবা জরুরি প্রয়োজনে রাজধানীতে রোগী স্থানান্তরের জন্য, যেখানে উন্নত অক্সিজেন ব্যবস্থার পাশাপাশি আপদকালীন ব্যাকআপ হিসেবে ছোট পরিসরে সৌরশক্তির (সোলার সিস্টেম) ব্যবস্থা থাকবে।</p>
<p data-path-to-node="5">সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, বুয়েট এই অ্যাম্বুলেন্সের নকশা ও কারিগরি দিক চূড়ান্ত করার পর তা দেশের স্থানীয় গাড়ি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে হস্তান্তর করা হবে। দেশীয় অটোমোবাইল কোম্পানিগুলো এই নকশা অনুযায়ী বাণিজ্যিক উৎপাদন শেষে একটি সাশ্রয়ী মূল্য নির্ধারণ করে সরাসরি সরকারের কাছে এই অ্যাম্বুলেন্সগুলো বিক্রি করবে। পরীক্ষামূলকভাবে একটি উপজেলায় এই কার্যক্রম চালুর পর এর সফলতার ওপর ভিত্তি করে আগামী বছর থেকে দেশজুড়ে মেড-ইন-বাংলাদেশ বৈদ্যুতিক অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।</p>
<p data-path-to-node="9"><strong>/</strong>/<strong>ডিবিটেক/ আইএইচ/ এমইউএম/</strong>/</p>
</div>
<message-content _ngcontent-ng-c1433319275="" _nghost-ng-c1789272294="" id="message-content-id-r_5067194cb0fa95d4" class="ng-star-inserted"></message-content><!----></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জলবায়ু স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর বিনিয়োগ বাড়ানোর দাবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/179049</link>
<guid>https://digibanglatech.news/179049</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a240d1a217bd.jpg" length="102593" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 06 Jun 2026 13:06:21 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>Climate Health Financing Bangladesh, Climate Resilient Healthcare, Health Budget Bangladesh 2026, Climate Change and Public Health, Digital Health Infrastructure, Climate Adaptation Funding, Bangladesh Climate Budget</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাড়তে থাকা স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যব্যবস্থা, রোগ নজরদারি, তথ্যভিত্তিক গবেষণা এবং জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামোয় বিনিয়োগ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন নীতিনির্ধারক, গবেষক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেছেন, জলবায়ুজনিত রোগ, মাতৃস্বাস্থ্য সংকট, নিরাপদ পানির অভাব এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ মোকাবিলায় ডিজিটাল স্বাস্থ্য প্রযুক্তি, ডেটা অ্যানালিটিক্স, আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা এবং আধুনিক স্বাস্থ্য অবকাঠামো এখন সময়ের অপরিহার্য চাহিদা। অথচ দেশের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের মোট বাজেটের মধ্যে জলবায়ু-সংশ্লিষ্ট বরাদ্দের অংশ ২০২১-২২ অর্থবছরের ২.৭৪ শতাংশ থেকে কমে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১.৯৭ শতাংশে নেমে এসেছে।</p>
<p>২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট ঘোষণার প্রাক্কালে সেন্টার ফর পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (সিপিআরডি), HEKS/EPER এবং সুশীলনের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত “বাংলাদেশে জলবায়ু-সহনশীল স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও স্বাস্থ্য অর্থায়ন” শীর্ষক এক উচ্চপর্যায়ের নীতিসংলাপে এ আহ্বান জানানো হয়। ঢাকার ব্র্যাক সেন্টার ইনে ৬ জুন, শনিবার এ সংলাপে জলবায়ু ও স্বাস্থ্য বিষয়ক সাম্প্রতিক গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করা হয়।</p>
<p>অনুষ্ঠানে সিপিআরডি পরিচালিত দুটি গবেষণার ফলাফল তুলে ধরা হয়। গবেষণা দুটি হলো— “উপকূলীয় অঞ্চলের নারী ও কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্যের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মূল্যায়ন” এবং “বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে জলবায়ু অর্থায়ন: নীতিগত অঙ্গীকার ও আর্থিক বাস্তবতা”।</p>
<p>প্রথম গবেষণাটি উপস্থাপন করেন সোহানুর রহমান ও মো. শাহাদাত হোসেন। গবেষণায় দেখা যায়, দারিদ্র্য, নিরাপদ পানির সংকট এবং জলবায়ুজনিত দুর্যোগের কারণে উপকূলীয় অঞ্চলের নারীরা গুরুতর প্রজনন ও মাতৃস্বাস্থ্য সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। গবেষণায় অংশ নেওয়া প্রায় অর্ধেক নারী অনিয়মিত মাসিক, তীব্র ব্যথা, মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণের মতো সমস্যার কথা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে গর্ভপাত, প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়া, সংক্রমণ, প্রসবোত্তর রক্তক্ষরণ এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যথাসহ বিভিন্ন জটিলতার বিষয়ও উঠে এসেছে। অংশগ্রহণকারী ৮২.৫ শতাংশ নারী জানিয়েছেন, নিরাপদ পানি ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসম্মত উপকরণের সীমিত প্রাপ্যতা এসব সমস্যাকে আরও তীব্র করেছে। গবেষণায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারীর মধ্যে পেলভিক ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজ (PID)-এর লক্ষণ এবং বিভিন্ন গাইনোকোলজিক্যাল সংক্রমণের প্রমাণও পাওয়া গেছে।</p>
<p>দ্বিতীয় গবেষণাটি উপস্থাপন করেন সিপিআরডির প্রোগ্রাম ম্যানেজার সুমাইয়া বিনতে আনোয়ার। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জলবায়ু নীতিমালায় স্বাস্থ্য খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হলেও সেই প্রতিশ্রুতি এখনো পর্যাপ্ত অর্থায়নে প্রতিফলিত হয়নি। গবেষণায় দেখা যায়, জাতীয় জলবায়ু বাজেটে স্বাস্থ্য খাতের অংশ FY ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রায় ২.৫ শতাংশ থাকলেও FY ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা কমে ১.৫ শতাংশে নেমে এসেছে।</p>
<p>গবেষণায় আরও উঠে আসে যে, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড (BCCTF)-এর মোট অর্থায়নের এক শতাংশেরও কম স্বাস্থ্য-সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে বরাদ্দ হয়েছে। ২০২৪ সাল পর্যন্ত BCCTF-এর আওতায় অর্থায়নপ্রাপ্ত ৮৭৭টি প্রকল্পের মধ্যে মাত্র তিনটি স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়েছে।</p>
<p>গবেষণায় জলবায়ু-স্বাস্থ্য অর্থায়নের কয়েকটি কাঠামোগত দুর্বলতাও চিহ্নিত করা হয়েছে। যদিও জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (NAP) ২০২৩-২০৫০ স্বাস্থ্যকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযোজন অগ্রাধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং স্বাস্থ্য জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (HNAP) অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে জলবায়ু-সহনশীল স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রায় ১.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন হবে, তবুও বিদ্যমান অর্থায়ন এখনো মূলত প্রকল্পনির্ভর।</p>
<p>গবেষণায় দেখা যায়, জলবায়ু-স্বাস্থ্য ব্যয়ের ৬০ শতাংশের বেশি উন্নয়ন প্রকল্পে কেন্দ্রীভূত। অন্যদিকে রোগ নজরদারি, জরুরি প্রস্তুতি, স্বাস্থ্যকর্মীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি, জলবায়ু-স্বাস্থ্য গবেষণা, ডিজিটাল ডেটা সিস্টেম এবং দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যব্যবস্থার সহনশীলতা গড়ে তোলার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো পর্যাপ্ত গুরুত্ব পাচ্ছে না।</p>
<p>নীতিসংলাপ সঞ্চালনা করেন সিপিআরডির প্রধান নির্বাহী মো. শামসুদ্দোহা। তিনি বলেন, জলবায়ু অর্থায়ন এখনো একটি অস্পষ্ট ক্ষেত্র। বৈশ্বিক পর্যায়ে অধিক মনোযোগ ও অর্থায়ন আকর্ষণ করতে হলে শক্তিশালী পরিমাণগত প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে। পাশাপাশি জলবায়ু-স্বাস্থ্য আলোচনাকে শুধু নিরাপদ পানীয় জলের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সব ক্ষেত্রে মানসম্মত পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার দিকে নজর দিতে হবে।</p>
<p>অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের উপসচিব ড. শাহ আবদুল সাদী বলেন, আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়ন আহরণের জন্য একটি শক্তিশালী ‘ক্লাইমেট র্যাশনাল’ প্রতিষ্ঠা জরুরি। তিনি জলবায়ু বাজেট ট্যাগিং ব্যবস্থায় সুস্পষ্ট সংজ্ঞা, খাতভিত্তিক মালিকানা, সম্পদ আহরণ এবং ঝুঁকি সূচক উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে জলবায়ু-স্বাস্থ্য বাজেটিং প্রক্রিয়ায় নাগরিক সমাজ, শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে তৃতীয় পক্ষীয় যাচাই ব্যবস্থা চালুর সুপারিশ করেন।</p>
<p>স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড হেলথ প্রমোশন ইউনিট (CCHPU)-এর পরিচালক ও কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. মো. ইকবাল কবির বলেন, বিশ্বব্যাপী মোট জলবায়ু অর্থায়নের মাত্র ৫ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে আসে। এটি প্রমাণ করে যে জলবায়ু-স্বাস্থ্য এখনো বৈশ্বিক পর্যায়ে অবহেলিত একটি ক্ষেত্র। তিনি বলেন, তথ্য-উপাত্তের ঘাটতি শক্তিশালী অর্থায়ন প্রস্তাব তৈরি এবং তথ্যভিত্তিক নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।</p>
<p>অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও জাতিসংঘ অনুবিভাগ প্রধান এ কে এম সোহেল আহমেদ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি এখনো উন্নয়ন পরিকল্পনায় পুরোপুরি মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি। তিনি উপকূলীয় অঞ্চলের পাশাপাশি দেশের অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাতেও গবেষণা সম্প্রসারণ, তথ্য উৎপাদন এবং জলবায়ু সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে দ্রুত তথ্যপ্রাপ্তি ও সমন্বয় বাড়াতে একটি ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।</p>
<p>সংলাপ শেষে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্য জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনার (HNAP) অগ্রাধিকারসমূহকে জাতীয় বাজেটে শক্তিশালীভাবে অন্তর্ভুক্ত করা, জলবায়ু বাজেট ট্র্যাকিং ব্যবস্থা উন্নত করা, রোগ নজরদারি ও প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমে পুনরাবৃত্ত অর্থায়ন বৃদ্ধি, ডিজিটাল স্বাস্থ্য অবকাঠামো ও প্রযুক্তিনির্ভর অভিযোজন ব্যবস্থায় বিনিয়োগ বাড়ানো এবং স্বাস্থ্যখাত-নেতৃত্বাধীন অভিযোজন উদ্যোগের জন্য দেশীয় জলবায়ু অর্থায়নে অধিক প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা।</p>
<p><strong>/</strong>/<strong>ডিবিটেক/এসআই/এমআই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগ ও গবেষণাভিত্তিক নীতিনির্ধারণে জোর</title>
<link>https://digibanglatech.news/178828</link>
<guid>https://digibanglatech.news/178828</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a21523666456.jpg" length="94976" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 04 Jun 2026 14:41:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে আয়োজিত স্বাস্থ্য বাজেট সংলাপে বক্তারা স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কার্যকর বাজেট ব্যবস্থাপনা এবং গবেষণাভিত্তিক নীতিনির্ধারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাব্য সংস্কার নিয়ে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক (ইউএপি)-এ অনুষ্ঠিত এক সংলাপে স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং গবেষণাভিত্তিক নীতিনির্ধারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বক্তারা। ৪ জুন, বৃহস্পতিবার ইউএপির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ (বিওটি) কনফারেন্স রুমে ‘বাংলাদেশ স্বাস্থ্য বাজেট সংলাপ: অগ্রাধিকার, ঘাটতি ও করণীয়’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনার আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, একটি সুস্থ ও উৎপাদনশীল জাতি গঠনে স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিকল্প নেই। তিনি কার্যকর বাজেট ব্যবস্থাপনা, গবেষণা এবং তথ্য-উপাত্তভিত্তিক নীতিনির্ধারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে সবার জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারি সম্পদের দক্ষ ব্যবহার এবং একটি ন্যায়সঙ্গত ও সমন্বিত স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানান।</p>
<p>বিশেষ অতিথি ইউএপি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান কে. এম. মুজিবুল হক জাতীয় উন্নয়নে স্বাস্থ্যখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি একাডেমিয়া, সরকার, শিল্পখাত ও উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।</p>
<p>ইউএপির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া স্বাস্থ্যখাতে পর্যাপ্ত অর্থায়ন, সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় এবং বরাদ্দকৃত সম্পদের দক্ষ ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি গবেষণাভিত্তিক নীতি প্রণয়ন ও ধারাবাহিক নীতিগত সংলাপকে স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী করার অন্যতম উপায় হিসেবে উল্লেখ করেন।</p>
<p>মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. রুমানা হক। তিনি স্বাস্থ্যখাতের অর্থায়ন কাঠামো, বাজেট বরাদ্দ, বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা এবং সেবার মান ও প্রাপ্যতা বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় নীতিগত সংস্কারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।</p>
<p>আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মো. সেলিম রেজা, স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. লিয়াকত আলী, হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালের চেয়ারম্যান ড. এম. এইচ. চৌধুরী লেলিন, ইনস্টিটিউট অব হেলথ ইকোনমিক্সের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ, ইউএপির স্কুল অব ফার্মেসির ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহরিয়ার, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. শামসাদ আহমেদ এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অতিরিক্ত কর কমিশনার ড. নুরুল আমিন নাহিদ।</p>
<p>বক্তারা বলেন, স্বাস্থ্যখাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য গবেষণালব্ধ তথ্যের ব্যবহার, জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী সংস্থা ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা জরুরি। তারা মনে করেন, গবেষণাভিত্তিক জ্ঞান ও মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার সমন্বয় দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও কার্যকর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জনবান্ধব করে তুলতে পারে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী, উন্নয়নকর্মী এবং বিভিন্ন খাতের অংশীজনরা অংশ নেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এসএইচপি/এমইউএম/</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চট্টগ্রামে এআই ও বায়োমেট্রিক্স প্রযুক্তিসমৃদ্ধ থ্রি তেসলা এমআরআই মেশিন চালু</title>
<link>https://digibanglatech.news/178739</link>
<guid>https://digibanglatech.news/178739</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a20360fb9aec.jpg" length="104186" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 03 Jun 2026 17:11:55 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>চট্টগ্রামে চালু হলো এআই প্রযুক্তিসমৃদ্ধ থ্রি তেসলা এমআরআই মেশিন, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আধুনিক স্বাস্থ্য প্রযুক্তি সংযোজন, ৩-৪ মিনিটে এমআরআই পরীক্ষা সম্ভব, চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যসেবায় নতুন প্রযুক্তি, ম্যাগনেটম লুমিনা প্রো এডিশন এমআরআই উদ্বোধন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যসেবায় যুক্ত হলো অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও বায়োমেট্রিক্স প্রযুক্তিসমৃদ্ধ ১৮০ চ্যানেলের ‘ম্যাগনেটম লুমিনা প্রো এডিশন’ থ্রি তেসলা এমআরআই মেশিন। নগরের পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড–এর চট্টগ্রাম শাখায় ৩ জুন, বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে এ মেশিন চালু করা হয়।</p>
<p>মেশিনটির উদ্বোধন করেন ডা. শাহাদাত হোসেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, মানুষের জীবনযাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে জটিল ও নতুন ধরনের রোগের প্রকোপ বাড়ছে। এসব রোগের কার্যকর চিকিৎসার জন্য নির্ভুল রোগ নির্ণয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর চিকিৎসা সরঞ্জাম রোগ শনাক্তকরণকে আরও দ্রুত, সহজ ও নির্ভরযোগ্য করে তুলেছে।</p>
<p>তিনি বলেন, অত্যাধুনিক থ্রি তেসলা এমআরআই প্রযুক্তি জটিল রোগ নির্ণয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং রোগীরা উন্নতমানের চিকিৎসাসেবা পাবেন। চট্টগ্রাম দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র উল্লেখ করে মেয়র বলেন, এ নগরীর মানুষের জন্য আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।</p>
<p>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, নতুন এমআরআই মেশিনের মাধ্যমে মাত্র ৩ থেকে ৪ মিনিটে মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের এমআরআই পরীক্ষা সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এছাড়া শরীরের অন্যান্য অঙ্গের এমআরআই পরীক্ষাও আগের তুলনায় কম সময়ে করা যাবে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামবাসীর সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে আরও আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা প্রযুক্তি সংযোজন করা হবে।</p>
<p>পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড–এর চট্টগ্রাম শাখার সিনিয়র ব্যবস্থাপক ওয়ালী আশরাফ খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন কর্মকর্তা, কনসালট্যান্ট ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>/ডিবিটেক/এসআই/ইকে/</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালে ফিজিওথেরাপিস্ট পদ সৃষ্টির ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর</title>
<link>https://digibanglatech.news/178774</link>
<guid>https://digibanglatech.news/178774</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a2067353a03a.jpg" length="75144" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 03 Jun 2026 16:40:58 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালে ফিজিওথেরাপিস্ট পদ সৃষ্টির ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর। গ্রামীণ চিকিৎসা জোরদারে প্রতিটি হাসপাতালে নারী ও পুরুষ ফিজিওথেরাপিস্ট পদ থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। উপজেলা হাসপাতালগুলোকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div _ngcontent-ng-c1631244202="" inline-copy-host="" class="markdown markdown-main-panel enable-updated-hr-color" id="model-response-message-contentr_833217268e9ab756" aria-live="polite" aria-busy="false" dir="ltr">
<p data-path-to-node="1">দেশের গ্রামীণ চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করতে প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালে একজন করে নারী ও একজন করে পুরুষ ফিজিওথেরাপিস্ট পদ সৃষ্টি করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। ৩ জুন, বুধবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব সভাকক্ষে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান।</p>
<p data-path-to-node="2">সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে এক মহাপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের ৪৯২টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে পর্যায়ক্রমে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে এবং বাকি ৮টি উপজেলায় ইতিমধ্যে ১০০ শয্যার হাসপাতাল বিদ্যমান রয়েছে। যেসব এলাকায় হাসপাতালের অবকাঠামো দুর্বল বা নতুন ভবনের প্রয়োজন, সেখানে দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ করা হবে। তিনি আরও যোগ করেন, “হাসপাতালগুলোকে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার কার্যক্রম নতুনভাবে সম্পন্ন করার জন্য আজকে থেকেই আমরা কাজ শুরু করছি। এই উন্নয়ন প্রকল্পের সুষ্ঠু বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ এবং আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য প্রতিটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নিয়ে একটি সমন্বিত মিটিংয়ের মাধ্যমে দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।”</p>
<p data-path-to-node="3">দেশের শিশু ও নারীদের বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বেশ কিছু বড় প্রকল্পের ঘোষণা দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, দেশের পাঁচটি বিভাগীয় শহরে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট অত্যাধুনিক শিশু বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ করা হচ্ছে, যা আগামী ছয় মাসের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে। এসব হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত জনবল ও সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকবে। এছাড়া, চীন ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে (China-Bangladesh Joint Venture) দেশের ৫টি বড় শহরে বিশেষায়িত আরও ৫টি হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। সম্পূর্ণ আধুনিক ডিজাইনে তৈরি হতে যাওয়া এই হাসপাতালগুলো শুধুমাত্র নারী ও মহিলাদের চিকিৎসার জন্য উৎসর্গীকৃত থাকবে এবং এর মোট শয্যা সংখ্যা হবে এক হাজার।</p>
<p data-path-to-node="4">বিগত সরকারগুলোর অনিয়ম ও দুর্নীতির সমালোচনা করে স্বাস্থ্য খাতকে সম্পূর্ণ ঢেলে সাজানোর ওপর জোর দেন সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, “ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত অমানবিক পরিবেশে জীবনযাপন করছেন। বিগত ১৭ বছরের দুর্নীতি ও চরম অবহেলার কারণে দেশের স্বাস্থ্য খাতে দৃশ্যমান কোনো টেকসই কাজ হয়নি। আমরা সেই পুরোনো দুর্নীতির বৃত্ত থেকে বেরিয়ে একটি সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত স্বাস্থ্যসেবা খাত তথা একটি বৈষম্যহীন দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম, চিকিৎসক এবং চিকিৎসা সেবকদের আবাসন সংকট দূর করার লক্ষ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা বা তারও বেশি ব্যয়ে নতুন বহুতল আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে বলেও তিনি সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করেন।</p>
<p data-path-to-node="5"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এমডিভি/ইকে/</strong></span></em></p>
<p data-path-to-node="8,1,0"></p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডেঙ্গুর চিকিৎসায় বেসরকারি হাসপাতালে ৮০% পর্যন্ত ছাড়ের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর</title>
<link>https://digibanglatech.news/178592</link>
<guid>https://digibanglatech.news/178592</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;২ জুন সচিবালয়ে ডেঙ্গু বিষয়ক সভা শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষায় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। আগামী শনিবার থেকে শুরু হবে দেশব্যাপী সচেতনতা অভিযান।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a1e846358ae4.jpg" length="85519" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 02 Jun 2026 12:25:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ডেঙ্গুর চিকিৎসায় বেসরকারি হাসপাতালে ৮০% পর্যন্ত ছাড়ের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডেঙ্গু আক্রান্ত সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় সাধ্যের মধ্যে নিয়ে আসতে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোকে বিশেষ ছাড় দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত। তিনি বলেছেন, ডেঙ্গু রোগীদের বিভিন্ন রোগনির্ণয় পরীক্ষার (ডায়াগনস্টিক) খরচে সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিতে হবে। </p>
<p>মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, চিকিৎসা ও গাইডলাইন বিষয়ক এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এই ঘোষণা দেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ডেঙ্গু রোগীদের আর্থিক চাপ কমাতে বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।</p>
<p>প্রস্তাবনা অনুযায়ী, কোনো রোগীর পরীক্ষার খরচ ১০ হাজার টাকা হলে, সেখানে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত ছাড় দেওয়ার বিষয়টি জোরালো বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। তবে হেমোরেজিক ডেঙ্গুসহ অন্যান্য জটিল রোগীদের চিকিৎসার খরচ চিকিৎসকদের পরামর্শ ও পরিস্থিতি অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। বর্তমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত দেশে অল্প কয়েকজন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে। সরকারের লক্ষ্য ডেঙ্গুর সংক্রমণ শূন্যের কোঠায় রাখা। তবে আগাম পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয় বলে প্রতিদিনের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।এবারের ডেঙ্গু মৌসুমে মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি ও নজরদারিতে আইসিটির ব্যবহার এবং সমন্বয় জোরদার করা হচ্ছে। দেশের সব বিভাগীয় কমিশনার, সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত ভার্চ্যুয়াল বৈঠক চলছে এবং দ্রুতই উপজেলা পর্যায়েও এই সমন্বয় সভা করা হবে।</p>
<p>পাশাপাশি চিকিৎসকদের আধুনিক গাইডলাইনভিত্তিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। গত কয়েক বছর ধরে ডেঙ্গুজনিত মৃত্যুর ‘ডেথ রিভিউ’ নিয়মিত করার কথা থাকলেও তা কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় হয়নি স্বীকার করে মন্ত্রী বলেন, এবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার সক্ষমতা বাড়িয়ে নিয়মিত তথ্য বিশ্লেষণের বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মশা নিধনে ব্যবহৃত কীটনাশকের কার্যকারিতা ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিত করা হলেও মাঠপর্যায়ে স্প্রে কার্যক্রমে কিছু অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে, যা কঠোর তদারকির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।</p>
<p>ডেঙ্গু প্রতিরোধকে একটি সামাজিক লড়াই হিসেবে আখ্যায়িত করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, আগামী শনিবার থেকে দেশব্যাপী বিশেষ সচেতনতামূলক মেগা কর্মসূচি শুরু হবে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনসহ দেশের সব বিভাগীয় ও জেলা শহরে একযোগে র‍্যালি, মাইকিং, উঠান বৈঠক, কমিউনিটি সভা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। আগামী তিন মাস দেশব্যাপী এই সচেতনতামূলক আন্দোলন চলমান থাকবে। উক্ত সভায় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী, স্বাস্থ্যসচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাড়াও বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিন, বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/ডিপিও/এমইউআই/</strong></span></em> </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>উবারের আদলে আসছে জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স নেটওয়ার্ক</title>
<link>https://digibanglatech.news/178219</link>
<guid>https://digibanglatech.news/178219</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a1953d457e55.jpg" length="105685" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 29 May 2026 00:00:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স পুল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। উবারের আদলে অ্যাপভিত্তিক জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সেবা, ভাড়া নিয়ন্ত্রণ, ট্র্যাকিং ও কেন্দ্রীয় কল সেন্টার চালুর পরিকল্পনা করছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ।</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় জরুরি মুহূর্তে অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়া, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, দালালচক্রের দৌরাত্ম্য ও সমন্বয়হীনতার দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধানে ‘জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স পুল ও জরুরি সেবা নেটওয়ার্ক’ গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রাথমিক পর্যায়ে পরিকল্পনার কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ।</p>
<p>সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সগুলোকে একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আওতায় এনে অ্যাপ বা কল সেন্টারের মাধ্যমে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স ডাকার ব্যবস্থা করা হবে। পরিকল্পনাটি অনেকটা রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ‘উবার’-এর আদলে হতে পারে। একই সঙ্গে ভাড়া নির্ধারণ, রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং এবং জরুরি সেবার সমন্বিত নেটওয়ার্ক তৈরির বিষয়েও কাজ চলছে।</p>
<p>স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এ খাতে প্রাথমিকভাবে ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দের সুপারিশ করা হয়েছে। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গাইডলাইন প্রণয়ন, সেবার পরিধি নির্ধারণ, রক্ষণাবেক্ষণ কাঠামো তৈরি, অ্যাম্বুলেন্স ট্র্যাকিং সিস্টেম চালু এবং বিদ্যমান স্বাস্থ্য হেল্পলাইন ১৬২৬৩-কে কার্যকর করার প্রস্তাব রয়েছে। শুরুতে রাজধানী ঢাকায় পাইলট প্রকল্প চালুর চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।</p>
<p>প্রসঙ্গত, ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের স্বাস্থ্যসেবা অংশে জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স পুল গঠনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। সেখানে বলা হয়, সময়মতো অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে যেন কোনো জীবন ঝরে না যায়, সে লক্ষ্যেই প্রযুক্তিনির্ভর জরুরি চিকিৎসাসেবা চালু করা হবে।</p>
<p>এ প্রতিশ্রুতির আলোকে গত ২৩ মে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে অতিরিক্ত সচিব (হাসপাতাল) মো. খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে একটি প্রাথমিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সগুলোকে কীভাবে একই নেটওয়ার্কে আনা যায় এবং কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালনার কাঠামো কী হতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হয়।</p>
<p>স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের বিশ্বস্ত সূত্র বলছে, থাকলেও কেন্দ্রীয় সমন্বয়ের অভাবে অনেক সময় জরুরি রোগীরা সময়মতো সেবা পান না। এক এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স খালি থাকলেও অন্য এলাকায় রোগীকে দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হয়। এই বাধা দূর করতে অ্যাপ কিংবা কল সেন্টারের মাধ্যমে নিকটস্থ অ্যাম্বুলেন্স শনাক্ত করে রোগীর কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা করছে সরকার। একই সঙ্গে এমআইএসভিত্তিক ব্যবস্থার মাধ্যমেও রোগী, হাসপাতাল ও অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে দ্রুত সমন্বয় করা হবে।</p>
<p>এ বিষয়ে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (হাসপাতাল অনুবিভাগ) মো. খোরশেদ আলম জানান, জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স পুল এখনো প্রাথমিক পরিকল্পনা পর্যায়ে রয়েছে। এই পরিকল্পনার অধীনে অ্যাপভিত্তিক কিংবা কল সেন্টারনির্ভর একটি সিস্টেম নিয়ে ভাবা হচ্ছে, যেখানে উবারের মতো সহজে অ্যাম্বুলেন্স ডাকা যাবে। পাশাপাশি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ, ট্র্যাকিং ব্যবস্থা ও সেবার মান নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ হবে।</p>
<p>স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ জানিয়েছে, জাতীয় নেটওয়ার্ক চালু হলে সরকার কিলোমিটারভিত্তিক নির্দিষ্ট ভাড়া নির্ধারণ করতে পারে। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর আদলে একটি কেন্দ্রীয় কল সেন্টার চালুর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। পরবর্তী পর্যায়ে বিআরটিএ, পুলিশ, সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, অ্যাম্বুলেন্স মালিক ও চালকসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে বড় পরিসরে বৈঠক করা হবে।</p>
<p>তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে পরিচালিত বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স খাতে গড়ে ওঠা সিন্ডিকেট নতুন এই ব্যবস্থার পথে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। তারপরও জনস্বার্থে কার্যকর ও প্রযুক্তিনির্ভর জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার বিষয়ে আশাবাদী সরকার।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>/ডিবিটেক/ জেএনও/ ইকে/</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, ইউনাইটেড মেডিকেলে বিশেষায়িত ইউনিট চালু</title>
<link>https://digibanglatech.news/178198</link>
<guid>https://digibanglatech.news/178198</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a187d4932512.jpg" length="421979" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 28 May 2026 17:37:19 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বাংলাদেশে হাম পরিস্থিতি, measles outbreak Bangladesh, শিশু মৃত্যু, United Medical College Hospital, হাম আক্রান্ত শিশু, স্বাস্থ্য অধিদফতর রিপোর্ট, measles symptoms Bangladesh</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশে চলমান হাম পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আক্রান্ত হয়েছে ৮৭৭টি শিশু। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
<p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু না হলেও হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪৭৭টি শিশুর। অন্যদিকে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছে আরও ৮৮ শিশু। সব মিলিয়ে এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে মোট ৫৬৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।</p>
<p>এমন পরিস্থিতিতে রাজধানীর মাদানী অ্যাভিনিউয়ের সাঁতারকুলে অবস্থিত ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হসপিটাল হাম আক্রান্ত শিশুদের জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসাব্যবস্থা চালু করেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংক্রমণ বিস্তার রোধ এবং অন্যান্য রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক মানের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ প্রটোকল অনুসরণ করা হচ্ছে।</p>
<p>অল্প সময়ের মধ্যে হাসপাতালটি হাম রোগীদের জন্য পৃথক আইসোলেশন ইউনিট, জরুরি ট্রায়াজ ব্যবস্থা, পৃথক এনআইসিইউ ও পিআইসিইউ জোন এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চালু করেছে। একই সঙ্গে রোগীদের চলাচলের জন্য পৃথক ব্যবস্থা, পিপিই ব্যবহার এবং নিয়মিত জীবাণুমুক্তকরণ কার্যক্রমের মাধ্যমে নিরাপদ চিকিৎসা পরিবেশ নিশ্চিত করা হচ্ছে।</p>
<p>হাসপাতাল সূত্র জানায়, দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অনেক রোগীকেই ওয়ার্ড খরচে কেবিন সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি জরুরি সেবা, ভেন্টিলেশন সাপোর্ট এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যয়ের ক্ষেত্রেও বিশেষ ছাড় দেওয়া হচ্ছে। গুরুতর রোগীদের জন্য রাখা হয়েছে ওয়ান-টু-ওয়ান নার্সিং সাপোর্ট ও সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা।</p>
<p>এ পর্যন্ত এই বিশেষ ব্যবস্থাপনার আওতায় ১৬ জন হাম রোগীর চিকিৎসা সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।</p>
<p>ইউনাইটেড হেলথকেয়ারের মেডিকেল সার্ভিসেস ডিরেক্টর ডা. আজহারুল ইসলাম খান বলেন, “বাংলাদেশে হাম পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্য খাতের সমন্বিত উদ্যোগ এখন সময়ের দাবি। কার্যকর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ, সাশ্রয়ী চিকিৎসা, দ্রুত সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারে এই সংকট আরও কার্যকরভাবে মোকাবিলা করতে।”</p>
<p>তিনি আরও বলেন, প্রতিটি শিশুর সময়মতো চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার রয়েছে এবং এমন জাতীয় সংকটের সময়ে স্বাস্থ্যসেবা হয়ে ওঠে সবার যৌথ দায়িত্ব।</p>
<p>সংকটকালীন এই পরিস্থিতির মধ্যেও ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হসপিটাল তাদের জরুরি ও ক্রিটিক্যাল চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিক রেখেছে। অভিজ্ঞ চিকিৎসক, আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি এবং সমন্বিত সেবার মাধ্যমে হাসপাতালটি নিরাপদ ও সহজলভ্য চিকিৎসা নিশ্চিত করতে কাজ করছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>/ডিবিটেক/এসআই/ইকে/</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সিপিআর দিলে মৃত্যুঝুঁকি কমে ২–৩ গুণ</title>
<link>https://digibanglatech.news/177556</link>
<guid>https://digibanglatech.news/177556</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a111c5b23db2.jpg" length="105754" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 22 May 2026 22:19:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>হঠাৎ কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের পর দ্রুত সিপিআর প্রয়োগ করতে পারলে মৃত্যুঝুঁকি দুই থেকে তিন গুণ পর্যন্ত কমানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা। তারা বলেছেন, হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর প্রতি মিনিটে রোগীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা প্রায় ১০ শতাংশ করে কমে যায়।</p>
<p>জীবন রক্ষাকারী জরুরি চিকিৎসা বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে রাজধানীর ধানমন্ডিতে সিমেক হেলথ ফাউন্ডেশনের একাডেমিক ভবনে ২১ মে, শুক্রবার বেসিক লাইফ সাপোর্ট (বিএলএস) সিপিআর প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের হাতে-কলমে সিপিআর প্রয়োগের বিভিন্ন কৌশল শেখানো হয়। মে মাসের ব্যাচে ২০ জন প্রশিক্ষণার্থী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন।</p>
<p>কর্মশালাটি পরিচালনা করেন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. গোলাম মোর্শেদ এবং সিমেক হেলথের রেসিডেন্ট মেডিক্যাল অফিসার ডা. নীলাঞ্জনা রায়।</p>
<p>অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিমেক হেলথের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিমেক হেলথ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান। এ সময় সিমেক হেলথের ডিরেক্টর ও ফাউন্ডেশনের কোষাধ্যক্ষ মো. মইনুল ইসলাম বলেন, পরিবার ও কর্মস্থলে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সিপিআরের মতো জীবন রক্ষাকারী প্রশিক্ষণ সবার জানা প্রয়োজন।</p>
<p>সমাপনী বক্তব্যে সিমেক হেলথ ফাউন্ডেশনের সভাপতি শহীদ সালাম ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</p>
<p>চিকিৎসকদের মতে, দেশে হঠাৎ কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের ঘটনা বাড়ছে। হাসপাতালে নেওয়ার আগ পর্যন্ত সঠিকভাবে সিপিআর প্রয়োগ করতে পারলে রোগীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।</p>
<p>অনুষ্ঠানে আগ্রহীদের সিপিআর প্রশিক্ষণে অংশ নিতে সিমেক হেলথের হটলাইন নম্বর ০১৩২৫৭৭৫৭৫৭ এবং ০১৭১৭৭৫৭৫৯৩-এ যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়।</p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/বিএমও/এমইউএম </strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ল্যাবএইডে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট সেন্টার</title>
<link>https://digibanglatech.news/177424</link>
<guid>https://digibanglatech.news/177424</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a0f2df3bd2d9.jpg" length="93328" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 21 May 2026 19:08:32 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div _ngcontent-ng-c3839496545="" class="container">
<div _ngcontent-ng-c1891568400="" inline-copy-host="" class="markdown markdown-main-panel enable-updated-hr-color" id="model-response-message-contentr_936f784755737c06" aria-live="polite" aria-busy="false" dir="ltr">
<p data-path-to-node="1">বাংলাদেশের চিকিৎসা খাতে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও ক্যানসার নিরাময় সেবার পরিধি বাড়াতে উন্নত বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন (বিএমটি) অ্যান্ড সেল থেরাপির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছে ল্যাবএইড ক্যানসার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টার। ২১ মে, বৃহস্পতিবার হাসপাতালে দেশের অনকোলজি ও হেমাটোলজি চিকিৎসাকে বিশ্বমানে উন্নীত করার লক্ষ্যে এই উন্নত মেডিকেল উইং চালু করা হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="2">উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাকিফ শামিম। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যান চিকিৎসক এ এম শামিম, পরিচালক মাস্তুরা ফারজানা মোহনা, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা চিকিৎসক সুচিত কুমার দাস এবং প্রধান ব্যবসায়িক কর্মকর্তা মাসুদ আহমেদ। সাকিফ শামিম জানান, বৈশ্বিক মানদণ্ড ও আধুনিক প্রযুক্তি দেশের ক্যানসার চিকিৎসা খাতে যুক্ত করতে ল্যাবএইড প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই অত্যাধুনিক থেরাপি সেন্টারটি জাতীয় স্বাস্থ্যসেবায় এক বড় ডিজিটাল ও কারিগরি সংযোজন।</p>
<p data-path-to-node="3">অনুষ্ঠানে সেন্টারের অবকাঠামোগত ও প্রযুক্তিগত সুবিধা নিয়ে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন অধ্যাপক চিকিৎসক মো. সালাহউদ্দীন শাহ। তিনি জানান, দেশের মাটিতেই বিশ্বমানের বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট সুবিধা পাওয়ায় এখন থেকে জটিল রক্তরোগ ও ক্যানসার আক্রান্ত রোগীদের উন্নত চিকিৎসা আরও সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য হবে। </p>
<div>অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালটির হেমাটোলজি ডিপার্টমেন্টের চিকিৎসকবৃন্দ, যার মধ্যে অন্যতম প্রফেসর ডাক্তার আলমগীর কবির, প্রফেসর ডাক্তার মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল ডা. মাসুমা আহমেদ সালসাবিল, ডা. মাফরুহা আক্তার ছাড়াও অন্যান্য বিভাগের চিকিৎসকবৃন্দ।</div>
<div></div>
<div>অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এই নতুন বিএমটি সেন্টারে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক মানের হেপা-ফিল্টারযুক্ত আইসোলেশন কেবিন এবং স্বয়ংক্রিয় অটোলোগাস ও অ্যালোজেনিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট সুবিধা রাখা হয়েছে। এছাড়া এখানে উন্নত ল্যাব টেস্টের জন্য ফ্লো সাইটোমেট্রি, ফিশ (FISH) এবং মলিকুলার টেস্টিংয়ের মতো অত্যাধুনিক ডায়াগনস্টিক প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে; যা লিউকেমিয়া, লিম্ফোমা ও মাল্টিপল মায়লোমায় আক্রান্ত রোগীদের জন্য চব্বিশ ঘণ্টা জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করবে।</div>
<div></div>
<div>সূত্রমতে, ল্যাবএইডের নতুন চালু হওয়া উন্নত বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট (বিএমটি) ও কোষ চিকিৎসা কেন্দ্রে রোগীদের জন্য বৈশ্বিক মানদণ্ডের জটিল সব আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটানো হয়েছে, যা দেশের ক্যানসার ও রক্তরোগ চিকিৎসায় নতুন মাত্রা যোগ করবে। ক্যানসার আক্রান্ত রোগীদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সাধারণ মানুষের চেয়ে অনেক কম থাকায় এই সেন্টারে তৈরি করা হয়েছে সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত ও বিশেষ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রিত আলাদা কেবিন ব্লক। এর পাশাপাশি বাতাস থেকে অতিক্ষুদ্র ধূলিকণা ও ক্ষতিকর জীবাণু শতভাগ ছেঁকে নেওয়ার জন্য প্রতিটি কেবিনে আন্তর্জাতিক মানের হেপা-ফিল্টারযুক্ত আইসোলেশন ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছে।
<p data-path-to-node="2">এই সেন্টারে রোগীর রক্ত উৎপাদনকারী ত্রুটিপূর্ণ অস্থিমজ্জা পরিবর্তনের জন্য আধুনিক দুই ধরনের প্রতিস্থাপন ব্যবস্থাপনাই সচল রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রোগীর নিজের শরীর থেকে সুস্থ কোষ নিয়ে প্রতিস্থাপন করার প্রক্রিয়াকে অটোলোগাস এবং অন্য কোনো উপযুক্ত দাতার শরীর থেকে সুস্থ কোষ নিয়ে প্রতিস্থাপন করার প্রযুক্তিকে অ্যালোজেনিক সেবা বলা হচ্ছে। পুরো চিকিৎসা প্রক্রিয়াটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকছে রক্তরোগ, ক্যানসার ও প্রতিস্থাপন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত একটি দক্ষ যৌথ মাল্টিডিসিপ্লিনারি চিকিৎসক দল।</p>
<p data-path-to-node="3">রোগীর ব্লাড ক্যানসার বা রক্তের শ্বেতকণিকা ও মজ্জার বিভিন্ন জটিল ক্যানসার নিখুঁতভাবে শনাক্ত করতে সেন্টারে আনা হয়েছে বিশ্বমানের কিছু ডায়াগনস্টিক প্রযুক্তি। এর মধ্যে লেজার রশ্মির সাহায্যে রক্ত ও কোষের অস্বাভাবিকতা পরীক্ষার জন্য ফ্লো সাইটোমেট্রি ও ফিশ এবং ক্যানসারের জিনগত গঠন ও ডিএনএ-র রূপ বদল ধরার জন্য সাইটোজেনেটিক্স ও মলিকুলার টেস্টিংয়ের মতো উন্নত ল্যাব সুবিধা অন্যতম।</p>
</div>
<p data-path-to-node="4"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>//ডিবিটেক/এসআর/ইকে//</strong></span></em></p>
</div>
<message-content _ngcontent-ng-c3839496545="" _nghost-ng-c1891568400="" id="message-content-id-r_936f784755737c06" class="ng-star-inserted"></message-content><!----></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আধুনিক আইসিইউ চালু করল ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ</title>
<link>https://digibanglatech.news/177088</link>
<guid>https://digibanglatech.news/177088</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a0c6e9ed2dae.jpg" length="107278" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 19 May 2026 20:01:48 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>চিকিৎসা শিক্ষায় ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে অত্যাধুনিক ১৫ শয্যার ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) চালু করেছে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ। একই সঙ্গে এমবিবিএস ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p>
<p>১৯ মে, মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকার মহাখালীতে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জমকালো আয়োজনে নতুন আইসিইউ ইউনিট উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে প্রতিষ্ঠানের এক যুগ পূর্তির উদ্বোধনও ঘোষণা করেন।</p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ চিকিৎসা শিক্ষা ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। নতুন ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট দেশের জরুরি চিকিৎসাসেবা আরও শক্তিশালী করবে। তিনি নবাগত শিক্ষার্থীদের মানবিক ও দক্ষ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান। “এমবিবিএস + হিউম্যানিটি = ডাক্তার” স্লোগান নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি আরও এগিয়ে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।</p>
<p>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আশরাফ উদ্দিন বকুল, অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অধ্যাপক ডা. নাদিম আহমেদ, ইঞ্জিনিয়ার দিলীপ কুমার পাল এবং অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার পাল।</p>
<p>অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রীতি চক্রবর্ত্তী।</p>
<p>স্বাগত বক্তব্যে ডাঃ আশীষ কুমার চক্রবর্ত্তী বলেন, এক যুগের পথচলায় প্রতিষ্ঠানটি আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষা ও প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা ও শিক্ষা নিশ্চিত করতে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের পক্ষে বক্তব্য দেন অধ্যাপক ডাঃ একেএম খালেকুজ্জামান দীপু। তিনি বলেন, আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>নবাগত শিক্ষার্থীদের পক্ষে অনুভূতি প্রকাশ করেন এমবিবিএস প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আয়মান আক্তার এবং বিদেশি শিক্ষার্থী শিফা দ্বীন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ইন্টার্ন চিকিৎসক, নার্সিং অনুষদের সদস্য, হাসপাতালের কর্মকর্তাসহ গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শান্তা জাহান এবং প্রধান সমন্বয়ক ছিলেন সি. এফ. জামান।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ইএইচটি/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ওষুধ নীতি নির্ধারণের তাগিদ</title>
<link>https://digibanglatech.news/176742</link>
<guid>https://digibanglatech.news/176742</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a091486b0073.jpg" length="84510" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 17 May 2026 06:00:32 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>গত ১৩ মে প্রকাশিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ‘হেলথ অ্যান্ড মরবিডিটি স্ট্যাটাস সার্ভে-২০২৫’ অনুযায়ী দেশে শীর্ষ ১০টি রোগের তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে উচ্চ রক্তচাপ। আর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টেকসই অর্থায়নের অভাবে সবার জন্য বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহের সরকারি সিদ্ধান্ত পুরোপুরি বাস্তবায়ন না করতে পারায় বাড়ছে উচ্চ রক্তচাপের প্রকোপ। এমন বাস্তবতায় উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ঔষধ নীতি নির্ধারণে গুরুত্বারোপ করেছেন  বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ডা. এফ. এম. সিদ্দিকী।</p>
<p>বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস উপলক্ষে ১৬ মে, শনিবার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের লেকচার হলে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে তিনি বলেছেন, উচ্চ রক্তচাপে হার্ট, কিডনি, মস্তিষ্ক, রক্তনালী ও চোখসহ বিভিন্ন অঙ্গের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। অর্থাৎ উচ্চ রক্তচাপ এসব অঙ্গের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এ অবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ঔষধ নীতি নির্ধারণ করা জরুরি।</p>
<p>ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্সের উদ্যোগে আয়োজিত এই সেমিনারে নীরব ঘাতক উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে চিকিৎসা, ওষুধ সরবরাহ, বাজেট বৃদ্ধি ও বহুমুখী সমন্বিত উদ্যোগের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।</p>
<p>আলোচনায় প্রথান বক্তা হিসেবে বিএমইউ উপাচার্য বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রায় ২১ থেকে ২৩ শতাংশ মানুষ হাইপারটেনশনে ভুগছেন, তবে এর মধ্যে মাত্র ১৪ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী কার্যকারিতাসম্পন্ন ওষুধ ব্যবহারের পাশাপাশি দেশের ড্রাগ পলিসি আরও উন্নত করার করতে হবে।’</p>
<p>উপাচার্য বলেন, ‘উচ্চ রক্তচাপ হার্ট, কিডনী, ব্রেইন, রক্তনালী, চোখসহ পাঁচটি অর্গানের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। নীরব ঘাতক উচ্চ রক্তচাপ হৃদরোগ, স্ট্রোকসহ মানুষের স্বাস্থ্য ঝুঁকির বড় কারণ। আজকের সেমিনার উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে হেলথ কেয়ার পলিসিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।’</p>
<p>বিএমইউর প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের হেলথ সার্ভিস ডিভিশনের অতিরিক্ত সচিব মোমেনা মনি, প্রো-ভিসি (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার প্রমূখ। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, গবেষক এবং পাবলিক হেলথ বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>সেমিনারে অতিরিক্ত সচিব মোমেনা মনি বলেন, উচ্চ রক্তচাপ মানুষের উপর একটি সংকট তৈরি করেছে। এটা শুধু রোগীর ব্যক্তিগত বিষয় নয়। বর্তমানে ৩০ থেকে ৭৯ বছর বয়সে ২৮ শতাংশ মানুষ বা আড়াই কোটি মানুষ উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন। তরুণদের মধ্যেও রোগটি ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকে মারা যাচ্ছে। কিশোর কিশোরীরা প্রি হাইপার টেনশনে ভুগছে। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা, মানসিক চাপ ও তামাক ব্যবহার তরুণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে। উচ্চ রক্তচাপ সমস্যা এখন মানুষের স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।  </p>
<p>অধ্যাপক নাহরীন আখতার বলেন, ‘নগরায়ন ধুমপান, বায়ুদুষণ, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভাস, মানসিক চাপ, শারীরিক পরিশ্রম কমে যাওয়া ইত্যাদি উচ্চ রক্তচাপের কারণ। এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে হলে বহুমুখী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।’</p>
<p>হেল্থ সার্ভিস ডিভিশনের যুগ্ম সচিব মামুনুর রশিদ বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গ্লোবাল রিপোর্ট অন হাইপারটেনশন ২০২৫ অনুযায়ী, আক্রান্ত মানুষের একটি বড় অংশ এখনও তাদের রোগ সম্পর্কে সচেতন নয়। তাই জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনগণকে শিক্ষিত করা অত্যন্ত জরুরি।’  </p>
<p>অধ্যাপক জাকির হোসেন বলেন, ‘দেশে ৩০ থেকে ৭৯ বছর বয়সীদের মধ্যে প্রায় ৩৩ শতাংশ মানুষ হাইপারটেনশনে আক্রান্ত এবং আক্রান্তদের মধ্যে ৪৪ শতাংশ এখনও শনাক্ত হয়নি। এছাড়া দেশের মোট স্বাস্থ্য বাজেটের একটি সীমিত অংশ এনসিডি খাতে বরাদ্দ থাকায় প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করার প্রয়োজন রয়েছে।’</p>
<p>এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের (ইডিসিএল) ডিজিএম মোহাম্মদ রিয়াদ আরেফিন বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এনসিডি ওষুধ ক্রয়ের বাজেট না থাকায় কিছু সময় ওষুধ সরবরাহ বন্ধ ছিল, যা পরবর্তীতে পুনরায় চালু হয়েছে। কাঁচামাল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয় বলে আগাম চাহিদা জানা থাকায় সরবরাহ নিশ্চিত করা সহজ হয়।</p>
<p>ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন ও রিসার্চ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, এনসিডি কর্নারের মাধ্যমে দেশের ৩১০টি উপজেলায় গ্রামীণ জনগণকে সেবা দেওয়া হচ্ছে। রোগীদের ওষুধ সরবরাহের সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।</p>
<p>ইডিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ এ সামাদ মৃধা বলেন, সরকারের ওষুধের মোট চাহিদার বড় একটি অংশ ইডিসিএল সরবরাহ করে থাকে। ডলারের দাম বৃদ্ধি সত্ত্বেও ইডিসিএল ৪৮টি ওষুধের দাম কমিয়েছে। এটা ছিল একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয়। ওষুধের দাম বৃদ্ধির প্রধান কারণ ছিল একটি বিশেষ সিন্ডিকেট যা ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। রোগীসহ সাধারণ মানুষকে স্বল্প ও সুলভ মূল্যে ওষুধ সরবরাহ করতে ইডিসিএল অঙ্গীকারবদ্ধ।</p>
<p>আর সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘উচ্চ রক্তচাপ শুধু হৃদরোগ বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায় না, এটি ধীরে ধীরে শরীরের রক্তনালীর স্বাভাবিক কার্যকারিতা নষ্ট করে বিভিন্ন জটিলতা সৃষ্টি করে। তিনি জানান, গবেষণায় দেখা গেছে, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ পুরুষদের মধ্যে ইরেক্টাইল ডিসফাংশনের মতো সমস্যার কারণ হতে পারে, যা ভবিষ্যৎ হৃদরোগের আগাম সতর্কসংকেত।’</p>
<p>অধ্যাপক আজাদ বলেন, ‘নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, ধূমপান বর্জন এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করতে হবে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ওষুধের দাম কমানো যেমন জরুরি একই সাথে যে ধরণের ওষুধ উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে অধিক কার্যকর সেটা বিবেচনায় নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করতে হবে।’</p>
<p>উদ্বোধনী বক্তা ছিলেন ডিপার্টমেন্ট অফ পাবলিক হেল্থ এন্ড ইনফরমেটিক্সের চেয়ারম্যান ও প্রিভেন্টিভ এন্ড সোশ্যাল মেডিসিনের ডীন অধ্যাপক ডা. মো. আতিকুল হক। </p>
<p>সেমিনারের অংশ হিসেবে ‘হাইপারটেনশন প্রিভেনশন ইন বাংলাদেশ: ইমাজিং চ্যালেঞ্জেস এন্ড ফিউচার ডাইরেকশন’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উম্মোচন করা হয়।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিএম/এমআই</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশে শীর্ষ রোগ উচ্চ রক্তচাপ, বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহের তাগিদ</title>
<link>https://digibanglatech.news/176550</link>
<guid>https://digibanglatech.news/176550</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a04cd4b3e0fd.jpg" length="93658" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 14 May 2026 02:14:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বাজেট বরাদ্দ ও ওষুধ সরবরাহ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, টেকসই অর্থায়নের অভাবে সবার জন্য বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহের সরকারি সিদ্ধান্ত পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না, ফলে দেশে উচ্চ রক্তচাপের প্রকোপ বাড়ছে।</p>
<p>১৩ মে, বুধবার রাজধানীর বিএমএ ভবনে বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে অগ্রাধিকার: বাংলাদেশ প্রেক্ষিত’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ দাবি জানানো হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা, গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটের সহযোগিতায়।</p>
<p>অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো পরিচালিত ‘হেলথ অ্যান্ড মরবিডিটি স্ট্যাটাস সার্ভে-২০২৫’ অনুযায়ী দেশে শীর্ষ ১০ রোগের তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে উচ্চ রক্তচাপ। এছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা–এর ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে দেশে হৃদরোগজনিত অসুস্থতায় মারা যাওয়া ২ লাখ ৮৩ হাজার ৮০০ মানুষের মধ্যে ৫২ শতাংশ মৃত্যুর জন্য দায়ী ছিল উচ্চ রক্তচাপ।</p>
<p>বক্তারা বলেন, বর্তমানে দেশে মোট মৃত্যুর ৭১ শতাংশ ঘটে অসংক্রামক রোগে, যার অন্যতম কারণ উচ্চ রক্তচাপ। তৃণমূল পর্যায়ে বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হলেও পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ না থাকায় সব কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।</p>
<p>স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক ড. মো. এনামুল হক বলেন, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে শুধু বাজেট বাড়ালেই হবে না, বরাদ্দের কার্যকর বাস্তবায়নও নিশ্চিত করতে হবে।</p>
<p>কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. খোরশেদ আলম বলেন, সরকার তৃণমূল পর্যায়ে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ সরবরাহ অব্যাহত রাখতে কাজ করছে।</p>
<p>জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, সবার জন্য বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে উচ্চ রক্তচাপজনিত রোগ ও মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথ–এর অধ্যাপক ডা. মলয় কান্তি মৃধা, চ্যানেল ২৪–এর নির্বাহী পরিচালক জহিরুল আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়–এর স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. শাফিউন নাহিন শিমুলসহ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। তারা জনসচেতনতা বৃদ্ধি, গবেষণাভিত্তিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা এবং টেকসই অর্থায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসআই/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশকে ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ পোলিও টিকা দিল সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন</title>
<link>https://digibanglatech.news/176425</link>
<guid>https://digibanglatech.news/176425</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a040ead0e54e.jpg" length="91450" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 16:20:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div data-turn-id-container="request-699c32b0-d8dc-8322-86d0-93a26012850c-6" data-is-intersecting="true">
<section dir="auto" data-turn-id="request-699c32b0-d8dc-8322-86d0-93a26012850c-6" data-turn-id-container="request-699c32b0-d8dc-8322-86d0-93a26012850c-6" data-testid="conversation-turn-26" data-scroll-anchor="false" data-turn="assistant">
<div>
<div data-message-author-role="assistant" data-message-id="13c48398-eeea-4669-abd2-be8161eff2aa" dir="auto" data-message-model-slug="gpt-5-5" data-turn-start-message="true" tabindex="0">
<p data-start="69" data-end="245">বাংলাদেশ সরকারের টিকাদান কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ পোলিও টিকা অনুদান দিয়েছে চীনের দাতব্য প্রদিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন। অনুদান হিসেবে দেওয়া টিকাটি হলো ডব্লিউএইচও অনুমোদিত ‘পোলিওমাইলাইটিস ভ্যাকসিন (ভেরো সেল, ইনঅ্যাকটিভেটেড সাবিন স্ট্রেইন)’ বা এসআইপিভি। মোট ৭৬ হাজার ভায়ালে ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে।</p>
<p data-start="247" data-end="381">১৩ মে, বুধবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই টিকা হস্তান্তর করা হয়। </p>
<p data-start="573" data-end="670">অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টিকা গ্রহণ করেন সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। টিকা গ্রহণের পর তিনি সাংবাদিকদের জানান, <span>আজকে চীনা কোম্পানি সিনোভ্যাক চায়না সরকারের এনড্রোসমেন্টসহ ৭৬ হাজার ৬১৬ ভায়াল, যা ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮০ ডোজের সমপরিমাণ ভ্যাকসিন হাতে পেয়েছি। আমাদের হাতেও পর্যাপ্ত পরিমাণে ভ্যাকসিন রয়েছে। আমরা পোলিও ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু করব। এটাতে কোনো অসুবিধা হবে না। আমরা অ্যান্টির্যাবিস টিকাও দেওয়া শুরু করছি। একটা রোগীও এই ভ্যাকসিনের বাইরে থাকবো না। প্রতিটা ভ্যাকসিন এখন চলছে। ভিটামিন এ ক্যাপসুলটা একটু শর্ট আছে। জুন নাগাদ আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন-এ পেয়ে যাবো। পূর্ব নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী আমরা বছরে দুইবার ভিটামিন-এ দেবো। এই সেক্টরে কোনো ঘাটতি রাখা যাবে না। </span></p>
<p>মন্ত্রী বলেন, যেসব বাচ্চারা টিকার আওতায় আসেনি তাদেরকে খুঁজে খুঁজে আমরা টিকা দেব। আমাদের রুটিন ইপিআই চলমান রয়েছে। টিকা নিয়ে কি ভুল করেছে সেটা খোঁজার আগে আমাদের মায়ের বুক ভরা রাখতে হবে। আমরা এটাই চেষ্টা করছি৷  </p>
<p>টিকা নিয়ে অব্যবস্থাপনা যারা করেছে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করবেন কিনা, এমন প্রশ্ন উত্তরে মন্ত্রী বলেন, তদন্ত করবো না সেটা বলিনি। এখন আমার সংকটকাল অতিক্রম করছি। এই ক্রাইসিসটা শেষ হলেই আমরা কেন্দ্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেব। </p>
<p data-start="573" data-end="670"> এ সময় বাংলাদেশে চীনা দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সিনোভ্যাক বায়োটেক লিমিটেড-এর উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p data-start="808" data-end="942" data-is-last-node="" data-is-only-node="">স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই অনুদান দেশের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে সহায়তা করবে।</p>
</div>
</div>
<div><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএইচ/এমইউএম</strong></span></em></div>
<div>
<div></div>
</div>
</section>
<div></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রাষ্ট্রপতির হার্টে ব্লক শনাক্ত, সফলভাবে বসানো হয়েছে রিং</title>
<link>https://digibanglatech.news/176388</link>
<guid>https://digibanglatech.news/176388</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a004a8b7f856.jpg" length="57879" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 04:53:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<article>
<p>যুক্তরাজ্যে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা চলাকালে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের হৃদযন্ত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্লক শনাক্ত হওয়ায় জরুরিভিত্তিতে সফলভাবে এনজিওপ্লাস্টি ও স্টেন্ট (রিং) স্থাপন করা হয়েছে।</p>
<p>যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত চিকিৎসক কর্নেল ডা. এ কে এম ফয়জুল হক বঙ্গভবনের প্রেস উইংকে এ তথ্য জানান।</p>
<article>
<p>বর্তমানে রাষ্ট্রপতির শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ও সন্তোষজনক রয়েছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব (সচিব) মো. সরওয়ার আলম।</p>
<p>ডা. এ কে এম ফয়জুল হক জানান, আজ দুপুরে যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজে অবস্থিত রয়াল প্যাপওয়ার্থ হাসপাতালে ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডা. স্টিফেন হোলির তত্ত্বাবধানে রাষ্ট্রপতির এনজিওগ্রাম সম্পন্ন হয়।</p>
<article>পরীক্ষাকালে হৃদযন্ত্রে উল্লেখযোগ্য একটি ব্লক ধরা পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে এনজিওপ্লাস্টি করা হয় এবং একটি স্টেন্ট (রিং) স্থাপন করা হয়।
<p>বর্তমানে রাষ্ট্রপতি হাসপাতালের চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।</p>
</article>
<article>
<p>রাষ্ট্রপতি তার দ্রুত আরোগ্যের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেছেন।</p>
<p>রাষ্ট্রপতি ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হসপিটালে ওপেন হার্ট সার্জারি করান।</p>
</article>
<article>পরবর্তীতে হৃদযন্ত্র-সংক্রান্ত জটিলতার চিকিৎসার অংশ হিসেবে তিনি ক্যামব্রিজের রয়াল প্যাপওয়ার্থ হাসপাতালে ফলো-আপ চিকিৎসা গ্রহণ করে আসছেন।
<p>বিশ্বমানের হৃদরোগ চিকিৎসা ও গবেষণার জন্য সুপরিচিত রয়াল প্যাপওয়ার্থ হাসপাতাল বিশ্বে প্রথম সফল হার্ট ট্রান্সপ্লান্ট সম্পন্নকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম হিসেবে স্বীকৃত।</p>
<p>রাষ্ট্রপতি গত ৯ মে ফলো-আপ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার উদ্দেশ্যে লন্ডনের পথে ঢাকা ত্যাগ করেন। চিকিৎসা শেষে আগামী ১৮ মে তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিএন/ইকে</strong></span></em></p>
</article>
</article>
</article>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>তামাকপণ্যের দাম বাড়িয়ে মৃত্যুঝুঁকি কমানোর দাবি চিকিৎসকদের</title>
<link>https://digibanglatech.news/176258</link>
<guid>https://digibanglatech.news/176258</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a0284c103c64.jpg" length="87787" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 11 May 2026 20:19:31 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="qMYqUG_convSearchResultHighlightRoot">
<div class="" data-turn-id-container="request-69a86e61-a1cc-8320-a19e-1369c27bdbeb-2" data-is-intersecting="true">
<div class="relative w-full overflow-visible">
<section class="text-token-text-primary w-full focus:outline-none [--shadow-height:45px] has-data-writing-block:pointer-events-none has-data-writing-block:-mt-(--shadow-height) has-data-writing-block:pt-(--shadow-height) [&amp;:has([data-writing-block])&gt;*]:pointer-events-auto R6Vx5W_threadScrollVars scroll-mb-[calc(var(--scroll-root-safe-area-inset-bottom,0px)+var(--thread-response-height))] scroll-mt-[calc(var(--header-height)+min(200px,max(70px,20svh)))]" dir="auto" data-turn-id="request-69a86e61-a1cc-8320-a19e-1369c27bdbeb-2" data-turn-id-container="request-69a86e61-a1cc-8320-a19e-1369c27bdbeb-2" data-testid="conversation-turn-46" data-scroll-anchor="false" data-turn="assistant">
<div class="text-base my-auto mx-auto pb-10 [--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-xs,calc(var(--spacing)*4))] @w-sm/main:[--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-sm,calc(var(--spacing)*6))] @w-lg/main:[--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-lg,calc(var(--spacing)*16))] px-(--thread-content-margin)">
<div class="[--thread-content-max-width:40rem] @w-lg/main:[--thread-content-max-width:48rem] mx-auto max-w-(--thread-content-max-width) flex-1 group/turn-messages focus-visible:outline-hidden relative flex w-full min-w-0 flex-col agent-turn">
<div class="flex max-w-full flex-col gap-4 grow">
<div data-message-author-role="assistant" data-message-id="e58730de-752c-4d83-9ea9-a44e16bf132e" dir="auto" data-message-model-slug="gpt-5-5" class="min-h-8 text-message relative flex w-full flex-col items-end gap-2 text-start break-words whitespace-normal outline-none keyboard-focused:focus-ring [.text-message+&amp;]:mt-1" data-turn-start-message="true" tabindex="0">
<div class="flex w-full flex-col gap-1 empty:hidden">
<div class="markdown prose dark:prose-invert wrap-break-word w-full dark markdown-new-styling">
<p data-start="63" data-end="358">দেশে অসংক্রামক রোগ ও তামাকজনিত মৃত্যুর হার কমাতে আসন্ন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে তামাকপণ্যের কার্যকর দাম বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, কার্যকর কর ও মূল্য বৃদ্ধি করা হলে একদিকে ধূমপান কমবে, অন্যদিকে সরকারের রাজস্ব আয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।</p>
<p data-start="360" data-end="639">১১ মে, সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ইউনাইটেড ফোরাম অ্যাগেইনস্ট টোব্যাকো ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ আয়োজিত ‘অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমাতে তামাকপণ্যের কার্যকর দাম বৃদ্ধি: চিকিৎসকদের বাজেট প্রস্তাবনা ২০২৬–২৭’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরা হয়।</p>
<p data-start="641" data-end="1100">সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) অধ্যাপক মো. ইউনুছুর রহমান। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. মুশতাক হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সাফিউন নাহিন শিমুল এবং জাতীয় বক্ষব্যাধী ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন তামাক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির সমন্বয়ক ডা. অরুনা সরকার।</p>
<p data-start="1102" data-end="1528">সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বাংলাদেশে প্রতিবছর মোট মৃত্যুর প্রায় ৭১ শতাংশ ঘটে অসংক্রামক রোগে এবং প্রায় ১৪ শতাংশ মৃত্যু তামাকজনিত কারণে হয়। বর্তমানে দেশে প্রায় ৩ কোটি ৭৮ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করে। প্রতি বছর প্রায় ২ লাখ মানুষ তামাকজনিত রোগে অকালমৃত্যুর শিকার হন। এছাড়া তামাক ব্যবহারের কারণে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ বছরে প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যা তামাক খাত থেকে সরকারের অর্জিত রাজস্বের দ্বিগুণেরও বেশি।</p>
<p data-start="1530" data-end="1812">চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে প্রস্তাব করা হয়, নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সিগারেট একত্রিত করে ১০ শলাকার প্যাকেটের খুচরা মূল্য ১০০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি প্রতি প্যাকেটে ৪ টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপ এবং উচ্চ ও প্রিমিয়াম স্তরের সিগারেটের দাম যথাক্রমে ১৫০ ও ২০০ টাকা নির্ধারণের দাবি জানানো হয়।</p>
<p data-start="1814" data-end="2152">অধ্যাপক সাফিউন নাহিন শিমুল বলেন, দেশের বর্তমান তামাক কর কাঠামো অত্যন্ত জটিল এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় অকার্যকর। চার স্তরের মূল্যব্যবস্থা থাকায় ধূমপায়ীরা সহজেই কমদামি স্তরে চলে যেতে পারেন, ফলে তামাক ব্যবহার কমছে না। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম স্তরের দামের পার্থক্য কম হওয়ায় তরুণ ও নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে ধূমপান নিরুৎসাহিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।</p>
<p data-start="2154" data-end="2457">জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, প্রস্তাবিত কর ও মূল্য সংস্কার বাস্তবায়ন হলে তামাকপণ্যের ব্যবহার কমবে এবং সরকারের রাজস্ব আয় ৮৫ হাজার কোটি টাকার বেশি হতে পারে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা বেশি। এই অতিরিক্ত অর্থ স্বাস্থ্যখাত সংস্কার ও অসংক্রামক রোগ মোকাবেলায় ব্যয় করা সম্ভব হবে।</p>
<p data-start="2459" data-end="2789" data-is-last-node="" data-is-only-node="">সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক মো. ইউনুছুর রহমান বলেন, তামাকপণ্যে কার্যকর করারোপ বিশ্বব্যাপী তামাক নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। দাম বাড়ানো হলে প্রায় ৫ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপান থেকে বিরত থাকতে উৎসাহিত হবে। এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে প্রায় ১ লাখ ৮৫ হাজার ৪০৮ প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩৩৫ তরুণের অকাল মৃত্যু প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।</p>
<p data-start="2459" data-end="2789" data-is-last-node="" data-is-only-node=""><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/জেএনও/ইকে</strong></span></em></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="z-0 flex min-h-[46px] justify-start"></div>
<div class="mt-3 w-full empty:hidden">
<div class="text-center"></div>
</div>
</div>
</div>
</section>
<div class="contents"></div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে প্রথমবারের মতো নিজস্ব এডিস লার্ভা জরিপ শুরু ডিএসসিসির</title>
<link>https://digibanglatech.news/176022</link>
<guid>https://digibanglatech.news/176022</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a0053a132526.jpg" length="105961" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 14:45:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রাজধানীতে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রথমবারের মতো নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ‘প্রাক-বর্ষা এডিস মশার লার্ভা জরিপ’ শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। জরিপে আধুনিক প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সূচক ব্যবহার করে রাজধানীর সম্ভাব্য ডেঙ্গু হটস্পট শনাক্ত করা হবে।</p>
<p>১০ মে, রবিবার,সকালে নগর ভবনের বুড়িগঙ্গা হলে জরিপ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মোঃ আবদুস সালাম।</p>
<p>ডিএসসিসি সূত্রে জানা গেছে, সংস্থাটির ৭৫টি ওয়ার্ডের প্রতিটি থেকে ৩০টি করে মোট ২ হাজার ২৫০টি বাড়িকে নমুনা হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। সম্পূর্ণ দৈবচয়ন ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পরিচালিত এ জরিপ ১২ দিনব্যাপী চলবে।</p>
<p>জরিপে ডিএসসিসি ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার মোট ৩৬ জন মাঠকর্মী অংশ নিচ্ছেন। তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণে নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে ব্যবহার করা হচ্ছে আধুনিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘কবো টুলবক্স’ (KoboToolbox)।</p>
<p>জরিপ শেষে ব্রেটো ইনডেক্স (বিআই), হাউস ইনডেক্স (এইচআই), কন্টেইনার ইনডেক্স (সিআই) এবং পিউপা ইনডেক্স (পিআই) এর মাধ্যমে ফলাফল বিশ্লেষণ করা হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব সূচকের মাধ্যমে কোন এলাকায় এডিস মশার ঘনত্ব বেশি এবং কোথায় ডেঙ্গু বিস্তারের ঝুঁকি রয়েছে তা নির্ধারণ করা সহজ হবে। ফলে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ডেঙ্গুর সম্ভাব্য হটস্পট চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।</p>
<p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রশাসক মোঃ আবদুস সালাম বলেন, “ডেঙ্গু এখন জনজীবনের জন্য বড় হুমকি। নাগরিকদের এই ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে কার্যকর ও বিজ্ঞানসম্মত পদক্ষেপ নেওয়ার লক্ষ্যেই আমরা প্রথম নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এই জরিপ পরিচালনা করছি। রোগের উৎপত্তিস্থল বা সোর্স সঠিকভাবে শনাক্ত করা গেলে প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ার আগেই তা অঙ্কুরেই বিনষ্ট করা সম্ভব হবে।”</p>
<p>মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সতর্ক করে তিনি বলেন, “এটি মানুষের জীবন-মরণের প্রশ্ন। কোনো এলাকায় না গিয়ে মনগড়া রিপোর্ট দেওয়া হবে মানুষের জীবন নিয়ে খেলার শামিল। অর্পিত দায়িত্বে অবহেলা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।”</p>
<p>উদ্বোধনের পর প্রশাসক ফুলবাড়িয়া মোড়স্থ কেন্দ্রীয় পশু হাসপাতালে জরিপ কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। সেখানে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে জমে থাকা পানি, বর্জ্য এবং মশার লার্ভা পাওয়ায় তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন।</p>
<p>তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং লার্ভা ধ্বংসে ওষুধ ছিটানোর ব্যবস্থা করা হয়।</p>
<p>ডিএসসিসি জানিয়েছে, জরিপ চলাকালে যেসব স্থানে লার্ভা বা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ পাওয়া যাবে, সেখানে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রমও চালানো হবে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আরআরএস/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জাপানকে বাংলাদেশে বিশেষায়িত ক্যান্সার হাসপাতাল স্থাপনের অনুরোধ জামায়াত আমিরের</title>
<link>https://digibanglatech.news/175858</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175858</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_69fed34945491.jpg" length="80853" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 08 May 2026 21:25:31 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>
<p>জাপানকে বাংলাদেশে বিশেষায়িত ক্যান্সার হাসপাতাল স্থাপনের জন্য অনুরোধ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।</p>
</div>
<div>
<p>৮ মে, শুক্রবার জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাইস মিনিস্টার শিমাদা তোমোকির সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ অনুরোধ জানান। জাপানের স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে এই বৈঠক হয়। এ সময় জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<div>
<p>জামায়াতের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিকতা, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের শুরুতেই মাননীয় ভাইস মিনিস্টার শিমাদা তোমোকি ডা. শফিকুর রহমানকে বাংলাদেশে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হয়ে জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা মনোনীত হওয়ায় আন্তরিক অভিনন্দন জানান।</p>
</div>
<div>
<p>বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধিসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় ও বহুমাত্রিক করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা বিশেষভাবে বাংলাদেশে বিশেষায়িত ক্যান্সার হাসপাতাল স্থাপনের জন্য জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাইস মিনিস্টারকে অনুরোধ করেন।</p>
<div class="col-lg-8 col-12">
<div id="contentDetails">
<div>
<p>আলোচনায় জাপানের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, সামাজিক উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করা হয়। একই সঙ্গে জাপান বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় ভবিষ্যতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করে।</p>
</div>
<div>
<p>এ সময় ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশে জাপানের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।</p>
</div>
<div>
<p>তিনি বিশেষ করে অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপানের অবদানের কথা উল্লেখ করে ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।</p>
</div>
<div>
<p>বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন এবং বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান।</p>
</div>
</div>
<div class="row MarginTop20 d-print-none">
<div class="col-sm-12">
<div class="CommentBg">
<div class="fb-comments" data-href="https://barta24.com/details/politics/320014" data-width="" data-numposts="3"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/পিআর/ইকে</strong></span></em></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="d-flex justify-content-center mb-3">
<div class="mb-3">
<div id="div-gpt-ad-1581913334128-0" data-google-query-id="CIX215TIq5QDFXCuYwYdMIYK2Q"></div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আয়ের ৩৫ শতাংশ চিকিৎসায় ব্যয় করছে দরিদ্র পরিবার</title>
<link>https://digibanglatech.news/175862</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175862</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;strong&gt;ওষুধ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষায় যাচ্ছে সবচেয়ে বেশি খরচ&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_69fed97b61c65.jpg" length="103533" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 08 May 2026 12:53:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান-এর এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে উচ্চ চিকিৎসা ব্যয়ের কারণে ৬৫ শতাংশ স্বাস্থ্যসেবা চাহিদা অপূর্ণ থেকে যাচ্ছে। চিকিৎসা ব্যয়ের বড় অংশই যাচ্ছে ওষুধ ও বিভিন্ন স্বাস্থ্য পরীক্ষায়। একই সঙ্গে দরিদ্র জনগোষ্ঠী চিকিৎসা ব্যয়ের চাপে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।</p>
<p>‘দেশে অপূর্ণ থাকা স্বাস্থ্যসেবা চাহিদা এবং ব্যক্তিগত চিকিৎসা ব্যয়ের গতিশীলতা পুনর্বিবেচনা’ শীর্ষক এ গবেষণা পরিচালনা করেছে বিআইডিএসের জনসংখ্যা অধ্যয়ন বিভাগ। গবেষণায় ২০২২ সালের গৃহস্থালি আয় ও ব্যয় জরিপের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। এতে ১৪ হাজার ৪০০টি পরিবার এবং ৬২ হাজার ৩৮৭ জন ব্যক্তির তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়।</p>
<p>গবেষণার সারসংক্ষেপে বলা হয়, দেশের মোট জনসংখ্যার ২২ শতাংশ মানুষ প্রতি মাসে অন্তত একবার চিকিৎসার প্রয়োজন অনুভব করেন। তবে এর মধ্যে ১৫ শতাংশ মানুষ প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ৬৫ শতাংশই গ্রহণ করতে পারেন না। গ্রামীণ এলাকায় অপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা চাহিদার হার বেশি। গ্রামে এ হার ৬৮ শতাংশ, যেখানে শহরে তা ৫৯ শতাংশ।</p>
<p>২০২৪ সালের তথ্য যুক্ত করে গবেষণায় বলা হয়েছে, দেশে মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের ৭৯ শতাংশই ব্যক্তিকে নিজের পকেট থেকে বহন করতে হয়। অর্থের অভাবে এখনো বিপুলসংখ্যক মানুষ প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।</p>
<p>জেলা ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা গ্রহণে সবচেয়ে পিছিয়ে নড়াইল। এ জেলায় ৮১ শতাংশ মানুষ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চাহিদা পূরণ করতে পারেন না। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে হবিগঞ্জ, যেখানে এ হার ৮০ শতাংশ। অন্যদিকে সবচেয়ে কম অপূর্ণ স্বাস্থ্য চাহিদা রয়েছে ফেনী জেলায়, যেখানে এ হার ১৮ শতাংশ।</p>
<p>গত ৭ মে, বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এই গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি পরিবার গড়ে প্রতি মাসে চিকিৎসায় ব্যয় করে ৩ হাজার ৪৫৪ টাকা, যা মোট পারিবারিক ব্যয়ের প্রায় ১১ শতাংশ। এ ব্যয়ের সবচেয়ে বড় অংশ যায় ওষুধ এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষায়।</p>
<p>সরকারি প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যসেবা তুলনামূলক সমভাবে বণ্টিত হলেও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সেবা গ্রহণ মূলত উচ্চ আয়ের মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। যদিও ধনী মানুষের মোট চিকিৎসা ব্যয় বেশি, তবে দরিদ্র পরিবারের ওপর আর্থিক চাপ তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। দরিদ্র পরিবারগুলো তাদের মোট আয়ের প্রায় ৩৫ শতাংশ চিকিৎসায় ব্যয় করে, যেখানে ধনীদের ক্ষেত্রে এ হার মাত্র ৫ শতাংশ।</p>
<p>গবেষণায় হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের ব্যয়ের খাতও তুলে ধরা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, মোট ব্যয়ের ২৬ শতাংশ যায় ওষুধে। অস্ত্রোপচারে ব্যয় হয় ২৩ শতাংশ, রোগ নির্ণয় ও পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ১৭ শতাংশ, শয্যা ভাড়ায় ১৬ শতাংশ, অন্যান্য খাতে ৭ শতাংশ এবং যাতায়াতে ৬ শতাংশ। চিকিৎসকের ফি বাবদ ব্যয় হয় মোট খরচের মাত্র ৫ শতাংশ।</p>
<p>গবেষণায় দেশের স্বাস্থ্য খাতে বড় ধরনের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, অসুস্থতা এখন দেশের মানুষের দরিদ্র হয়ে পড়ার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, কারণ চিকিৎসার অধিকাংশ ব্যয় তাদের নিজেদের বহন করতে হয়।</p>
<p>গবেষকরা মনে করেন, সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে কার্যকর ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা গেলে বড় হাসপাতালের ওপর নির্ভরতা কমবে এবং মানুষের ব্যক্তিগত চিকিৎসা ব্যয়ের চাপও হ্রাস পাবে। একই সঙ্গে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিবি/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় বৈজ্ঞানিক প্রস্তুতি জোরদারের আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/175718</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175718</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_69fb2230a9549.jpg" length="103657" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 05 May 2026 20:13:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div dir="auto" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div data-ad-rendering-role="story_message" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="x1l90r2v x1iorvi4 x1g0dm76 xpdmqnj" data-ad-comet-preview="message" data-ad-preview="message">
<div class="x78zum5 xdt5ytf xz62fqu x16ldp7u">
<div class="xu06os2 x1ok221b">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto">
<section class="text-token-text-primary w-full focus:outline-none [--shadow-height:45px] has-data-writing-block:pointer-events-none has-data-writing-block:-mt-(--shadow-height) has-data-writing-block:pt-(--shadow-height) [&amp;:has([data-writing-block])&gt;*]:pointer-events-auto [content-visibility:auto] supports-[content-visibility:auto]:[contain-intrinsic-size:auto_100lvh] R6Vx5W_threadScrollVars scroll-mb-[calc(var(--scroll-root-safe-area-inset-bottom,0px)+var(--thread-response-height))] scroll-mt-[calc(var(--header-height)+min(200px,max(70px,20svh)))]" dir="auto" data-turn-id="request-69a71ba7-a36c-8321-bf42-ebc48c50f073-3" data-testid="conversation-turn-112" data-scroll-anchor="false" data-turn="assistant">
<div class="text-base my-auto mx-auto pb-10 [--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-xs,calc(var(--spacing)*4))] @w-sm/main:[--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-sm,calc(var(--spacing)*6))] @w-lg/main:[--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-lg,calc(var(--spacing)*16))] px-(--thread-content-margin)">
<div class="[--thread-content-max-width:40rem] @w-lg/main:[--thread-content-max-width:48rem] mx-auto max-w-(--thread-content-max-width) flex-1 group/turn-messages focus-visible:outline-hidden relative flex w-full min-w-0 flex-col agent-turn">
<div class="flex max-w-full flex-col gap-4 grow">
<div data-message-author-role="assistant" data-message-id="9dc042fa-093c-426e-b5b5-040cf9b8b189" data-turn-start-message="true" dir="auto" data-message-model-slug="gpt-5-3" class="min-h-8 text-message relative flex w-full flex-col items-end gap-2 text-start break-words whitespace-normal outline-none keyboard-focused:focus-ring [.text-message+&amp;]:mt-1" tabindex="0">
<div class="flex w-full flex-col gap-1 empty:hidden">
<div class="markdown prose dark:prose-invert w-full wrap-break-word light markdown-new-styling">
<p data-start="102" data-end="375">দেশে সাম্প্রতিক সময়ে হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় তা মোকাবিলায় সমন্বিত বৈজ্ঞানিক উদ্যোগ ও জাতীয় প্রস্তুতি জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এ লক্ষ্যে রাজধানীর সাভারে এক সেমিনারে গবেষণা, ল্যাবরেটরি সক্ষমতা, টিকাদান কর্মসূচি ও জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।</p>
<p data-start="377" data-end="715">৫ মে, মঙ্গলবার <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">সাভার</span></span>-এ অবস্থিত <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়</span></span>-এর সিনেট হলে অনুষ্ঠিত “ইনসাইটস ফ্রম রিসেন্ট মিজলস আউটব্রেক ইন বাংলাদেশ: স্ট্রেংদেনিং সায়েন্টিফিক রেসপন্স অ্যান্ড ন্যাশনাল প্রিপেয়ার্ডনেস” শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করে <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">বাংলাদেশ সোসাইটি অব মাইক্রোবায়োলজিস্টস</span></span> এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ।</p>
<p data-start="717" data-end="1043">সেমিনারে বক্তারা বলেন, দেশে সাম্প্রতিক সময়ে হামে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা ও মৃত্যুহার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত শনাক্তকরণ, কার্যকর চিকিৎসা, টিকাদানের পরিধি বাড়ানো এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যৎ সংক্রামক রোগ মোকাবিলায় জাতীয় প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x_69fb2221d4d75.jpg" alt=""></p>
<p data-start="1045" data-end="1317">প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ফিরদৌসী কাদরী, ভাইরোলজিস্ট ডা. খন্দকার মাহবুবা জামিল এবং শিশুস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. সঞ্জয় কুমার দে। তারা হামের বিস্তার, ল্যাবরেটরি নির্ণয় পদ্ধতি, টিকাদানে ঘাটতি এবং শিশুদের ওপর এর প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।</p>
<p data-start="1319" data-end="1565">অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) ড. এম মাহমুদুর রহমান, জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. মাহরুহী সাত্তার এবং <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">বাংলাদেশ সোসাইটি অব মাইক্রোবায়োলজিস্টস</span></span>-এর সভাপতি ড. মো. লতিফুল বারী।</p>
<p data-start="1567" data-end="1848">বক্তারা বলেন, হামের মতো প্রতিরোধযোগ্য রোগের পুনরুত্থান একটি সতর্কবার্তা, যা স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুর্বলতা ও টিকাদান কাভারেজের ঘাটতির ইঙ্গিত দেয়। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় গবেষণা কার্যক্রম জোরদার, উন্নত ল্যাবরেটরি সুবিধা নিশ্চিত এবং জাতীয় পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর জোর দেন তারা।</p>
<p data-start="1850" data-end="2102">সেমিনারে আরও উল্লেখ করা হয়, কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা না গেলে ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রাদুর্ভাব আরও বিস্তৃত হতে পারে। এজন্য সরকার, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং স্বাস্থ্যসেবাদাতাদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।</p>
<p data-start="2104" data-end="2268" data-is-last-node="" data-is-only-node="">বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়োপযোগী বৈজ্ঞানিক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব এবং ভবিষ্যৎ মহামারি ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশকে আরও প্রস্তুত করা যাবে।</p>
<p data-start="2104" data-end="2268" data-is-last-node="" data-is-only-node=""><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমআইএ/এমইউআইএম</strong></span></em></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="z-0 flex min-h-[46px] justify-start"></div>
<div class="mt-3 w-full empty:hidden">
<div class="text-center"></div>
</div>
</div>
</div>
</section>
<div aria-hidden="true" class="pointer-events-none -mt-px h-px translate-y-[calc(var(--scroll-root-safe-area-inset-bottom)-14*var(--spacing))]"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিশ্ব অ্যাজমা দিবস ২০২৬: প্রতিটি রোগীর জন্য ইনহেলার নিশ্চিতের আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/175649</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175649</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news" length="4096" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 03 May 2026 15:51:31 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div _ngcontent-ng-c715347843="" class="container">
<div _ngcontent-ng-c411533729="" inline-copy-host="" class="markdown markdown-main-panel enable-updated-hr-color" id="model-response-message-contentr_b65a958740a431a8" aria-live="polite" aria-busy="false" dir="ltr">
<p data-path-to-node="2">সঠিক ও নিয়মিত চিকিৎসার মাধ্যমে অ্যাজমা বা হাঁপানি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব এবং এর মূল সমাধান হলো ইনহেলার ব্যবহার। ৩ মে, রবিবার বিশ্ব অ্যাজমা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকার রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগ আয়োজিত এক বৈজ্ঞানিক সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা এ কথা বলেন। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— 'অ্যাজমা আক্রান্ত প্রত্যেক রোগীর জন্য ইনহেলার নিশ্চিত করা জরুরি'।</p>
<p data-path-to-node="3">সেমিনারে মূল প্রবন্ধে এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও কো-অর্ডিনেটর  ডা. এস এম আবদুল্লাহ আল মামুন ও এইচডিইউ বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. জাফর ইকবাল জানান, জলবায়ু পরিবর্তন ও ক্রমবর্ধমান বায়ুদূষণ বিশ্বব্যাপী অ্যাজমা রোগীর সংখ্যা ও রোগের তীব্রতা বৃদ্ধির প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাতাসে ক্ষতিকর ধূলিকণা, ধোঁয়া ও রাসায়নিক দূষণের প্রভাবে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা প্রকট হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং সবার জন্য কার্যকর ও উন্নত চিকিৎসা পদ্ধতি সহজলভ্য করা অত্যন্ত জরুরি।</p>
<p data-path-to-node="4">অনুষ্ঠানে বিএমআরসি-র পরিচালক ডা. কাজী সাইফুদ্দীন বেননূর বলেন, একজন সুস্থ মানুষ প্রতি তিন সেকেন্ডে সহজে শ্বাস নিলেও অ্যাজমা আক্রান্তদের জন্য তা অত্যন্ত কষ্টকর। অন্যদিকে, এভারকেয়ার হসপিটালের গ্রুপ মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. আরিফ মাহমুদ উল্লেখ করেন যে, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি রোগ হলেও সঠিক ব্যবস্থাপনায় ঝুঁকি কমানো সম্ভব। সেমিনারের আগে সচেতনতামূলক র‍্যালি এবং ইনহেলেশনাল টেকনিক বিষয়ক একটি কর্মশালাও অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p data-path-to-node="5">অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডা. জিয়াউল হক এবং প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডা. জাফর ইকবাল। অ্যারিস্টোফার্মার সার্বিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই সভায় স্বাস্থ্য খাতের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিশেষজ্ঞরা রোগীদের নিয়মিত ইনহেলার ব্যবহারের অভ্যাস নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।  এর আগে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি, অক্সিজেন থেরাপি ও ইনহেলেশনাল টেকনিক বিষয়ক কর্মশালা ও সার্টিফিকেট প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p data-path-to-node="5"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএ/ইকে</strong></span></em></p>
</div>
<message-content _ngcontent-ng-c715347843="" _nghost-ng-c411533729="" id="message-content-id-r_b65a958740a431a8" class="ng-star-inserted"></message-content><!----></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্বাস্থ্য কার্ড চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার: ফকির মাহবুব আনাম</title>
<link>https://digibanglatech.news/175645</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175645</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news" length="4096" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 02 May 2026 21:51:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div dir="auto" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div data-ad-rendering-role="story_message" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="x1l90r2v x1iorvi4 x1g0dm76 xpdmqnj" data-ad-comet-preview="message" data-ad-preview="message">
<div class="x78zum5 xdt5ytf xz62fqu x16ldp7u">
<div class="xu06os2 x1ok221b">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto">টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার অরণখোলা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে বিনামূল্যে জন্মগত ঠোঁট ও তালুকাটা রোগের চিকিৎসা পেলেন স্থানীয়রা। অনুষ্ঠানে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেয়ার পাশাপাশি আগত রোগীদের মাঝে ওষুধ বিতরণ করা হয়।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">এই স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্পের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রীর সহধর্মিনী ডা. রেশমা আনাম।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">২ মে, শনিবার চাইল্ড হেলথ অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই স্বাস্থ্য ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জুবায়ের হোসেন, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। ক্যাম্পের আয়োজন করেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর মানবাধিকারবিষয়ক সহসম্পাদক ডা. আসলামুল ইসলাম রুদ্র।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের পর সরকারের স্বাস্থ্য কার্ড চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন—স্বাস্থ্যসেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে। এজন্য সংশ্লিষ্টদের মানুষের কাছে গিয়ে কাজ করতে হবে। সবার জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে দেশের হাসপাতালগুলোর ওপর বিশেষ নজরদারি জোরদার করা হবে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">অনুষ্ঠানের পূর্বে মন্ত্রী মধুপুর উপজেলার আউশনারা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।</div>
<div dir="auto"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/জেইউ/ইকে</strong></span></em></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1n2onr6">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1n2onr6">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="x1n2onr6">
<div class="x1n2onr6">
<div class="x6ikm8r x10wlt62 x10l6tqk"></div>
<div class="x6ikm8r x10wlt62 x10l6tqk"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x6ikm8r x10wlt62"></div>
</div>
</div>
<div>
<div class="x8gbvx8 x80vd3b x1q0q8m5 xso031l x8cjs6t x13fuv20 x178xt8z x78zum5 x1q0g3np x1qughib xz9dl7a xpdmqnj xsag5q8 x1onr9mi">
<div class="x6s0dn4 x78zum5 x1nhvcw1"></div>
<div class="x78zum5 x13a6bvl"></div>
</div>
</div>
<div>
<div class="xabvvm4 xeyy32k x1ia1hqs x1a2w583 x6ikm8r x10wlt62" data-visualcompletion="ignore-dynamic">
<div>
<div>
<div>
<div class="xbmvrgn x1diwwjn">
<div class="x9f619 x1ja2u2z x78zum5 x2lah0s x1n2onr6 x1qughib x1qjc9v5 xozqiw3 x1q0g3np xyri2b x1c1uobl xjkvuk6 x1iorvi4 x11lt19s xe9ewy2 x4cne27 xifccgj">
<div class="x9f619 x1n2onr6 x1ja2u2z x78zum5 xdt5ytf x193iq5w xeuugli x1r8uery x1iyjqo2 xs83m0k x14vy60q xyiysdx x10b6aqq x1yrsyyn"></div>
<div class="x9f619 x1n2onr6 x1ja2u2z x78zum5 xdt5ytf x193iq5w xeuugli x1r8uery x1iyjqo2 xs83m0k x14vy60q xyiysdx x10b6aqq x1yrsyyn"></div>
<div class="x9f619 x1n2onr6 x1ja2u2z x78zum5 xdt5ytf x193iq5w xeuugli x1r8uery x1iyjqo2 xs83m0k x14vy60q xyiysdx x10b6aqq x1yrsyyn"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="html-div xdj266r xat24cr xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1diwwjn xbmvrgn"></div>
<div class="x1n2onr6 x1ja2u2z x9f619 x78zum5 xdt5ytf x2lah0s x193iq5w x1xmf6yo x1e56ztr">
<div class="x9f619 x1n2onr6 x1ja2u2z x78zum5 xdt5ytf x1iyjqo2 x2lwn1j">
<div class="x9f619 x1n2onr6 x1ja2u2z x78zum5 xdt5ytf x2lah0s x193iq5w x1g0dm76 xpdmqnj">
<div>
<div>
<div class="x78zum5 x1q0g3np x1a2a7pz x1n2onr6">
<div class="xqcrz7y x1c9tyrk xeusxvb x1pahc9y x1ertn4p x1lliihq xbelrpt xr9ek0c x1n2onr6"></div>
<div class="x1r8uery x1iyjqo2 x6ikm8r x10wlt62 xyri2b"><form class="x1ed109x x1n2onr6 xmjcpbm x1xn7y0n x1uxb8k9 x1vmbcc8 x16xm01d x972fbf x10w94by x1qhh985 x14e42zd x78zum5 x1iyjqo2 x13a6bvl" role="presentation">
<div class="xh8yej3">
<div class="x78zum5 x13a6bvl">
<div class="xi81zsa xo1l8bm xlyipyv xuxw1ft x49crj4 x1ed109x xdl72j9 x1iyjqo2 xs83m0k x6prxxf x6ikm8r x10wlt62 x1y1aw1k xpdmqnj xwib8y2 x1g0dm76" data-visualcompletion="ignore">
<div class="xb57i2i x1q594ok x5lxg6s x78zum5 xdt5ytf x6ikm8r x1ja2u2z x1pq812k x1rohswg xfk6m8 x1yqm8si xjx87ck xx8ngbg xwo3gff x1n2onr6 x1oyok0e x1odjw0f x3d5gib">
<div class="x78zum5 xdt5ytf x1iyjqo2 x1n2onr6">
<div class="x1n2onr6">
<div aria-label="Comment as Digi Bangla" class="xzsf02u x1a2a7pz x1n2onr6 x14wi4xw notranslate" contenteditable="true" role="textbox" spellcheck="true" aria-placeholder="Comment as Digi Bangla" data-lexical-editor="true" tabindex="0">
<p class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak" dir="auto"></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</form></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডেনমার্কের প্রযুক্তিতে দেশে আধুনিক ইনসুলিন কার্ট্রিজ উৎপাদন শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/175454</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175454</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69f09eb712155.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 28 Apr 2026 17:01:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশে আধুনিক ইনসুলিন কার্ট্রিজ (পেনফিল) স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের ঘোষণা দিয়েছে এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড এবং নভো নরডিস্ক বাংলাদেশ। ডেনমার্ক থেকে প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে এই চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন বাস্তবায়িত হয়েছে।</p>
<p>“সাবাশ বাংলাদেশ: ডেনমার্ক থেকে প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত আধুনিক ইনসুলিনের প্রাপ্যতা বৃদ্ধি” শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টরা এটিকে দেশে উচ্চমানের ডায়াবেটিস চিকিৎসা সহজলভ্য করা এবং বায়োলজিক ওষুধ উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন।</p>
<p>বাংলাদেশে ইনসুলিন সরবরাহে অগ্রণী প্রতিষ্ঠান নভো নরডিস্ক বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে নভোমিক্স ও নভোর্যাপিডসহ আধুনিক ইনসুলিন ডেনমার্ক থেকে আমদানি করে আসছে। নতুন ব্যবস্থার আওতায় এখন একই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এসব ইনসুলিন কার্ট্রিজ বাংলাদেশেই উৎপাদন করা হবে। এতে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ইনসুলিনের প্রাপ্যতা বাড়বে এবং তুলনামূলকভাবে কম খরচে পাওয়া যাবে।</p>
<p>প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে প্রিমিক্স ও দ্রুত কার্যকর আধুনিক ইনসুলিন কার্ট্রিজ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী প্রযুক্তি ও উৎপাদন প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তৈরি হবে। দেশে উৎপাদিত প্রতিটি ব্যাচের গুণগত মান ডেনমার্ক-এ যাচাই করা হবে, যাতে নভো নরডিস্ক-এর বৈশ্বিক মান বজায় থাকে।</p>
<p>স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, এই উদ্যোগ দেশের উন্নত বায়োফার্মাসিউটিক্যাল উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর অগ্রগতিকে তুলে ধরে। এটি জীবনরক্ষাকারী ওষুধের নিরবচ্ছিন্ন প্রাপ্যতা নিশ্চিত করবে এবং স্বাস্থ্যখাতে স্বনির্ভরতা অর্জনে সহায়তা করবে।</p>
<p>ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. শামীম হায়দার বলেন, জীবনরক্ষাকারী ওষুধের ক্ষেত্রে গুণমান, নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অংশীদারিত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে ইনসুলিনের মতো জটিল বায়োলজিক ওষুধে।</p>
<p>বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনমার্ক-এর রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার বলেন, এই উদ্যোগ দেখায় কীভাবে ডেনিশ উদ্ভাবন মানসম্মত ডায়াবেটিস চিকিৎসা সহজলভ্য করতে পারে এবং দেশের বায়োম্যানুফ্যাকচারিং সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।</p>
<p>নভো নরডিস্ক বাংলাদেশ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. রিয়াদ মামুন প্রধানি জানান, স্থানীয় উৎপাদন অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আধুনিক ইনসুলিনের প্রাপ্যতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে নভোমিক্স ও নভোর্যাপিড ইনসুলিনের দাম ১৮ শতাংশ কমানো হচ্ছে।</p>
<p>ট্রান্সকম লিমিটেড-এর গ্রুপ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সিমিন রহমান বলেন, এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালসের মাধ্যমে বাংলাদেশে নভো নরডিস্ক-এর প্রথম আধুনিক পেনফিল ইনসুলিন কার্ট্রিজ উৎপাদন শুরু হওয়া দেশের জন্য গর্বের মুহূর্ত।</p>
<p>বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখের বেশি মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৪৫ সালের মধ্যে এই সংখ্যা প্রায় ২ কোটি ২০ লাখে পৌঁছাতে পারে। ফলে নির্ভরযোগ্য ও মানসম্মত চিকিৎসার প্রয়োজন আরও বাড়ছে।</p>
<p>নভো নরডিস্ক ১৯৫৭ সাল থেকে বাংলাদেশে ইনসুলিন সরবরাহ করছে। প্রতিষ্ঠানটি ২০১২ সাল থেকে দেশে হিউম্যান ইনসুলিন ভায়াল উৎপাদন করছে, যা বৈশ্বিক উৎপাদন ব্যবস্থার অংশ হিসেবে বিদেশেও রপ্তানি করা হয়।</p>
<p>অন্যদিকে এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, যা ট্রান্সকম গ্রুপ-এর মালিকানাধীন, ১৯৯০ সাল থেকে উচ্চমানের ওষুধ উৎপাদন করে আসছে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/কেআইবি/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশের অধিকাংশ মানুষ হরমোন জনিত রোগে আক্রান্ত  সুচিকিৎসা নিশ্চিতে এন্ড্রোক্রাইন ইন্সটিটিউটের দাবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/175185</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175185</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69ed62c97e68c.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 25 Apr 2026 19:57:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি মানুষ কোন না কোন হরমোন জনিত রোগে আক্রান্ত। অথচ বেশিরভাগ মানুষই এসব রোগ সম্পর্কে সচেতন নয়। তবে এই চিকিৎসা কার্যক্রমে সামগ্রিক সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত হাসপাতাল অথবা এন্ড্রোক্রাইন ইন্সটিটিউট করা প্রয়োজন। চিকিৎসকরা জানালেন, বাংলাদেশে হরমোনজনিত স্বাস্থ্য সমস্যা নীরবে মহামারির আকার ধারণ করছে। বর্তমানে দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষ কোনো না কোনো হরমোনজনিত সমস্যায় ভুগছেন। তবে এসমর্কে সঠিক জ্ঞান ও সচেতনতা না থাকায় অধিকাংশ মানুষই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয় না। তাদের ভাষায়, হরমোন জনিত রোগ নীরব ঘাতক। এর কারণে স্থূলতা, দূর্বলতা, পুরুষালী ও মেয়েলী নানান সমস্যা এমনকি বন্ধ্যাত্ব ও যৌন সমস্যার নানা রোগের উপসর্গ দেখা যায়। </p>
<p>২৫ এপ্রিল, শনিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি ও অ্যাসোসিয়েশন অব ক্লিনিক্যাল এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট অ্যান্ড ডায়াবেটোলজিস্ট অব বাংলাদেশ (এসেডবি) আয়োজিত সাংবাদিকদের জন্য থাইরয়েড হরমোন পরীক্ষা ও মুক্ত আলোচনায় এমন অভিমত ব্যক্ত করলেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।  </p>
<p>মুক্ত আলোচনার প্রধান অতিথি ও এসেডবি এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. ফরিদ উদ্দিন বলেন, দেশে অন্তত ৫ কোটি মানুষ থাইরয়েড ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রাথমিক অবস্থায় সনাক্ত করা গেলে এবং সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ মারাত্মক ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। সেজন্য জনসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে পারিবারিক ও সামাজিক বোঝা দূর করতে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।</p>
<p>ডা. মো. ফরিদ উদ্দিন আরো বলেন, হরমোন জনিত প্রায় সব রোগের চিকিৎসা বাংলাদেশে রয়েছে। বিশেষকরে  প্রতিটি সরকারি হাসপাতালে ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও হরমোন জনিত রোগের চিকিৎসা হচ্ছে। তবে এই চিকিৎসা কার্যক্রমে সামগ্রিক সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত হাসপাতাল অথবা এন্ড্রোক্রাইন ইন্সটিটিউট করা প্রয়োজন বলে মত এই বিশেষজ্ঞের। এ ব্যাপারে সরকারের সদিচ্ছা প্রয়োজন বলেও মনে করেন তিনি। </p>
<p><br>অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন জানান, অধিকাংশ হরমোনজনিত রোগই প্রতিরোধযোগ্য। নিয়মিত ব্যায়াম, সুষম খাদ্য গ্রহণ, পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এই ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। </p>
<p>অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা বলেন, সচেতনতা তৈরী সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে ৫০ শতাংশ ক্ষেত্রে এই ধরনের রোগ প্রতিরোধ সম্ভব। তারা জানান, মূলত জীবনযাত্রার অনিয়ম, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং শারীরিক পরিশ্রমের অভাবই এই সংকটের প্রধান কারণ। এ ছাড়া পরিবেশগত প্রভাব যেমন প্লাস্টিকের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার, আধুনিক প্রযুক্তির বিকিরণে হরমোন জনিত সমস্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। </p>
<p>ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আবু সালেহ আকন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজের এন্ডোক্রাইনোলজি ও মেটাবলিজম বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. ইন্দ্রজিৎ প্রসাদ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এ কে এম আমিনুল ইসলাম,রেনাটা পিএলসির হেড অব মার্কেটিং (ডার্মা পোর্টফোলিও) মো. খায়রুল ইসলাম, ডিআরইউ’র সহ-সভাপতি মেহ্দী আজাদ মাসুম, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. জাফর ইকবাল, অর্থ সম্পাদক নিয়াজ মাহমুদ সোহেল প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যনির্বাহী সদস্য ও চ্যানেল আইয়ের স্টাফ রিপোর্টার আকতার হোসেন ।</p>
<p>এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ডিআরইউর দপ্তর সম্পাদক রাশিম মোল্লা, নারী বিষয়ক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস পান্না, ক্রীড়া সম্পাদক ওমর ফারুক রুবেল, কার্যনির্বাহী সদস্য আলী আজম, মাহফুজ সাদি, সুমন চৌধুরী ও মাজাহারুল ইসলাম। </p>
<p>প্রসঙ্গত, ডিআরইউ সদস্যদ্যের হরমোন পরীক্ষা অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতা করেছে রেনাটা পিএলসি।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এনএ/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিএমইউ&#45;তে জয়েন্ট সার্জারি ক্লিনিক চালুর উদ্যোগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/174167</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174167</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69e085ed9090e.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 16 Apr 2026 00:00:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>বাংলাদেশে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন চীনের কালচারাল কাউন্সিলর মি. লি. শারপেন ও থার্ড সচিব মি. ঝু ইয়ং। ১৫ এপ্রিল, </span><span>বুধবার বিএমইউ ভিসি’র কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে </span><span>চীনের কুনমিং মেডিকেল ইউনিভার্সিটির সহায়তায় বিএমইউতে জয়েন্ট সার্জারি ক্লিনিক চালুর উদ্যোগসহ উচ্চতর মেডিকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিষয়ক গবেষণা ও সর্বাধুনিক চিকিৎসাসেবাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। </span></p>
<p><span>শিগগিরই এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর (এমওইউ) হতে পারে বলে জানিয়েছে সূত্র।</span></p>
<p><span>বৈঠকসূত্রে প্রকাশ, চীনের কুনমিং মেডিকেল ইউনিভার্সিটির ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ চারজন সম্মানিত ফ্যাকাল্টি চলতি মাসেই বিএমইউতে আসবেন এবং তারা ইউরোলজির বিষয়ে বিভিন্ন জটিল অপারেশন, চিকিৎসাসেবার বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান, অভিজ্ঞতা বিনিময়সহ মূল্যবান জ্ঞান বিতরণ ও শিক্ষা দান করবেন।</span></p>
<p><span>সাক্ষাৎকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, ইউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. সাইফুল ইসলাম, অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুস সালাম, সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মাহবুবুল ইসলাম খন্দকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</span></p>
<p><span>এদিকে একই দিন বিএমইউ ভিসির কার্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রমাণভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা দিবস উপলক্ষে গত বছর অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে প্রদত্ত বক্তব্যের জন্য আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ব্রায়ান অ্যাঙ্গাসকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়েছে। </span></p>
<p><span>অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেলের (আইকিউএসি) পরিচালক অধ্যাপক ডা. নুরুন নাহার খানম আয়োজকদের পক্ষ থেকে অধ্যাপক ব্রায়ান অ্যাঙ্গাসকে একটি প্রশংসাপত্র প্রদান করেন। <br>এ সময় আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ডা. দীনে মুজাহিদ মো. ফারুক ওসমানী, সহযোগী অধ্যাপক ডা. আবুল ওবাইদা উপস্থিত ছিলেন।</span></p>
<p><span>অধ্যাপক ব্রায়ান অ্যাঙ্গাস যুক্তরাজ্যেও ইউনিভার্সিটি অফ অক্সফোর্ডের সংক্রামক রোগ বিভাগের রিডার এবং মেডিকেল এডুকেশনের প্রফেসর অব প্র্যাকটিস হিসেবে কর্মরত। তিনি অক্সফোর্ড সেন্টার ফর ক্লিনিক্যাল ট্রপিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড গ্লোবাল হেলথের পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। </span></p>
<p><span>১৯৯৩ সালে নাফিল্ড ডিপার্টমেন্ট অব ক্লিনিক্যাল মেডিসিনে যোগদানের পর তিনি থাইল্যান্ড ও ঘানায় গুরুতর ম্যালেরিয়া ও মেলিওইডোসিস নিয়ে গবেষণা করেন।</span></p>
<p><span>বর্তমানে তাঁর গবেষণার মূল ক্ষেত্র ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ও ভ্যাকসিন উন্নয়ন, বিশেষ করে কোভিড-১৯, ম্যালেরিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা, এইচআইভি, ক্রনিক ফ্যাটিগ সিনড্রোম এবং এন্টারিক জ্বর নিয়ে। তিনি মেডিসিনের ক্লিনিক্যাল টিউটর এবং সম্মানসূচক সিনিয়র ক্লিনিক্যাল সায়েন্টিস্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। </span></p>
<p><span>বিএমইউর এ ধরনের উদ্যোগ ও আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ ভবিষ্যতে শিক্ষা ও গবেষণায় আরও নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নববর্ষ উপলক্ষ্যে এসবিপির হাম সচেতনতা ও স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/174087</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174087</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69df95bcd0f46.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 15 Apr 2026 19:44:15 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নববর্ষ উপলক্ষ্যে হাম সচেতনা ও ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্পেইন পরিচালনা করেছে সোসাইটি অব বাংলাদেশি ফার্মাসিস্ট (এসবিপি) নামের একটি সংগঠন।  রাজধানীর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মাজার কমপ্লেক্স, ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবর ও  বসুন্ধরা রেসিডেন্সিয়াল এলাকায় একাধিক বুথ স্থাপন করে সাধারণ মানুষের মধ্যে সেবা প্রদান করা হয়।</p>
<p>১৫ এপ্রিল,বুধবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p>
<p>ক্যাম্পেইনের আওতায় ফ্রি ব্লাড প্রেসার চেকআপ, ফ্রি ব্লাড গ্লুকোজ টেস্ট, হাম রোগ সম্পর্কে সচেতনতামূলক পরামর্শ এবং ওষুধের নিরাপদ ব্যবহার ও স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে ফার্মাসিস্টরা দিকনির্দেশনা দেন।</p>
<p><br>সংগঠনটি বলছে, ‘এই কার্যক্রমটি  প্রধানমন্ত্রী  তারেক রহমান ঘোষিত উন্নত স্বাস্থ্যব্যবস্থা গঠনের অঙ্গীকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ও সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের একটি বাস্তব পদক্ষেপ। পাশাপাশি বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ও বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউরোলজি বিভাগের প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম দিকনির্দেশনায় অনুপ্রাণিত। এই কার্যক্রমে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইস্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে, যা তরুণ সমাজের জনস্বাস্থ্য বিষয়ক দায়িত্বশীল ভূমিকার একটি শক্তিশালী উদাহরণ হিসেবে প্রতিফলিত হয়েছে।’</p>
<p>সোসাইটি অব বাংলাদেশি ফার্মাসিস্ট (এসবিপি) আহ্বায়ক মোহাম্মদ জাকারিয়া হোসেন বলেন, ‘একটি আধুনিক ও কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে ফার্মাসিস্টদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। আজকের এই উদ্যোগ তারই একটি বাস্তব প্রতিফলন, যেখানে জনসচেতনতা, প্রতিরোধ এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা একসাথে কাজ করছে।’</p>
<p>সোসাইটি অব বাংলাদেশি ফার্মাসিস্ট (এসবিপি) ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম দেশব্যাপী আরও বিস্তৃত আকারে পরিচালনা করার পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এএইচটি/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এআই শক্তিতে আত্মপ্রকাশ করলো ল্যাবএইড ইনসুরটেক</title>
<link>https://digibanglatech.news/174056</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174056</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69df4ceff1e8a.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 15 Apr 2026 13:36:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের বীমা খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জগতে পা রাখল স্বাস্থ্য খাতের বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ল্যাবএইড গ্রুপ। চালু করলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর (এআই) ই- কেওয়াইসি এবং সমন্বিত ইনসুরটেক প্লাটফর্ম- ল্যাবএইট ইনসুরটেক কোম্পানি লিমিটেড।</p>
<p>১৫ এপ্রিল, বুধবার রাজধানীর গ্রিনরোডে স্থাপিত ল্যাব এইড ক্যান্সার হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় নতুন এই পথচলার উদ্বোধন করেন ল্যাব এইড গ্রুপের ডিএমডি শফিক শামিম। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবেও এই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি। </p>
<p>এসময় ল্যাবএইড গ্রুপ চেয়ারম্যান ডা. সুচরিতা আহমেদ, ল্যাবএইড ইনসুরটেক পরিচালক প্রকৌশলী মাসতুরা ফারজানা মোহনা, এফবিসিসিআই সাবে পরিচালক মোঃ মেহেদী আলী এবং ল্যাবএইড সেন্ট্রাল হাসপাতাল ও সুপার স্পেসালিটি সেন্টারের সিনিয়র কনসালটেন্ট অধ্যাপক এহতেশামুল হক উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, নতুন এই প্ল্যাটফর্মটি স্বাস্থ্য, জীবন, মোটর, ট্রাভেলসহ বিভিন্ন বীমা সেবাকে একটি স্মার্ট ডিজিটাল সমাধানের আওতায় এনেছে। দ্রুত ক্লেইম সেটেলমেন্ট, AI-driven fraud detection এবং ২৪/৭ কাস্টমার সাপোর্টের মতো আধুনিক সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে। </p>
<p>প্রতিষ্ঠানটি মনে করছে, তাদের এই উদ্যোগ বাংলাদেশের ডিজিটাল বীমা খাতে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে এবং ভবিষ্যতের আর্থিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এএইচ/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এলিট গ্রাহককে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যসেবা দেবে রবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/173844</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173844</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69dcc31c54e02.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 13 Apr 2026 12:19:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><!--StartFragment --></p>
<p>নিজেদের এলিট গ্রাহকদের জন্য আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যসেবা সহজতর করতে চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনাল-এর সঙ্গে একটি দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারক সই করেছে রবি আজিয়েটা। এই চুক্তির মাধ্যমে রবি এলিট গ্রাহক ও কর্মীরা ভারত, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর এবং দুবাইসহ শীর্ষ আন্তর্জাতিক গন্তব্যে উন্নত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। একই সঙ্গে তারা বিশেষ ছাড় ও দ্রুততর সেবা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। </p>
<p>১৩ এপ্রিল, সোমবার রবি জানিয়েছে, চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে রবির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ম্যানিক লাল দাস, মো. সানজিদ হোসেন, সাব্বির আহমেদ এবং তানভীর আলম চৌধুরী। চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনাল-এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন মুনতাসির মাহমুদ ও বাদশা মোড়ল।</p>
<p>চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনাল-এর চিফ অপারেটিং অফিসার মুনতাসির মাহমুদ বলেন, চিকিৎসা সেবাকে কোনো আন্তর্জাতিক সীমানায় সীমাবদ্ধ রাখা যায় না। এই সহযোগিতার মাধ্যমে রবি এলিট গ্রাহকরা সহজেই দেশের বাইরে চিকিৎসা সেবা নিতে পারবেন। রবি’র বিপুল গ্রাহকভিত্তি এখন আন্তর্জাতিক চিকিৎসা যাত্রায় একটি বিশ্বস্ত সহযোগী পাবে।</p>
<p>রবির জেনারেল ম্যানেজার তানভীর আলম বলেন, রবি সবসময় সেবার মানোন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশের বাইরে উন্নত চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করা সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিজ্ঞপ্তি/ ইকে</strong></span></em></p>
<p><!--EndFragment --></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঢাকায় তৈরি হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক ডিএনএ ল্যাবরেটরী</title>
<link>https://digibanglatech.news/173780</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173780</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69dbd54c3f48f.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 12 Apr 2026 19:25:15 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div _ngcontent-ng-c2439404967="" inline-copy-host="" class="markdown markdown-main-panel enable-updated-hr-color" id="model-response-message-contentr_48b5897901e69f20" aria-live="polite" aria-busy="false" dir="ltr">
<p data-path-to-node="2">রাজধানীর আড়াই কোটি মানুষের ডিএনএ পরীক্ষার ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে ঢাকায় একটি আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক ডিএনএ ল্যাবরেটরী স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেন। ১২ এপ্রিল, রবিবার আগারগাঁওয়ে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সে ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবরেটরী উপদেষ্টা পরিষদের সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই পরিকল্পনার কথা জানান।</p>
<p data-path-to-node="2">মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, বিভাগীয় পর্যায়ের বিদ্যমান ডিএনএ স্ক্রিনিং ল্যাবগুলোকে পর্যায়ক্রমে দ্রুত স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রোফাইলিং ল্যাবে উন্নীত করা হবে।</p>
<p data-path-to-node="3">সভায় মন্ত্রী বর্তমান ল্যাবরেটরীর কারিগরি সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে বলেন, ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবের যন্ত্রপাতি ১৫ বছরের অধিক পুরনো হওয়ায় এর কার্যকারিতা হ্রাস পেয়েছে। নমুনার বিশুদ্ধতা ও নির্ভুল রিপোর্ট নিশ্চিত করতে অবিলম্বে নতুন ও আধুনিক মেশিন স্থাপন করা জরুরি। এছাড়া সকল ফরেনসিক ডিএনএ রিপোর্ট এবং নমুনার তথ্য একটি সমন্বিত ডাটাবেজের আওতায় আনতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ডিএনএ ল্যাবরেটরী ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরকে বিশেষ নির্দেশনা দেন তিনি।</p>
<p data-path-to-node="4">প্রসঙ্গত, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে ২০০৬ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দেশের প্রথম ন্যাশনাল ফরেনসিক ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবরেটরী প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও বরিশালসহ দেশের ৮টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই স্ক্রিনিং সুবিধা চালু রয়েছে। সভায় ডিএনএ আইন ও বিধি সংশোধন, দক্ষ জনবল নিয়োগ এবং নমুনা পরীক্ষার ফি নির্ধারণসহ ল্যাব আধুনিকায়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="4">অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশু বিষয়ক সচিব ইয়াসমিন পারভীন এনডিসি এবং ডিএনএ ল্যাবরেটরী ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শবনম মোস্তারীসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p data-path-to-node="4"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমআরআই/এমইউআইএম</strong></span></em></p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জেলা পর্যায়ে চালু হচ্ছে ১০ শয্যার আইসিইউ</title>
<link>https://digibanglatech.news/173728</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173728</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69db40c394a56.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 12 Apr 2026 00:51:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>মেডিকেল শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও নৈতিকতায় ভালো ডাক্তার হিসেবে তৈরি করতে হবে। আর এ ক্ষেত্রে বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলো সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।</span></p>
<p><span>বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএমসিএ) বার্ষিক সম্মেলন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ১১ এপ্রিল, শনিবার  রাত ৯ টায় রাজধানীর ক্রাউন প্লাজা হোটেলে বিপিএমসিএ অনুষ্ঠান হয়। <br></span></p>
<p><span>করোনা মহামারিকালে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে বিভিন্ন জেলায় স্থাপিত ও পরবর্তীতে মেয়াদ শেষ হওয়া ১০ শয্যার নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র ইউনিটগুলো (আইসিইউ) আগামী সপ্তাহ থেকে পুনরায় চালু করা হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। </span></p>
<p><span>মন্ত্রী বলেন, </span><span>‘</span><span>করোনাকালে জেলা পর্যায়ে ১০ শয্যার নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) ইউনিট চালু করা হয়েছিল। তবে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে তা বন্ধ হয়ে যায়। আমরা আগামী সপ্তাহ থেকে তা পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।</span><span>’</span></p>
<p><span>মেডিকেল শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, মানুষ বাঁচাতে হলে ভালো ভালো ডাক্তার বানাতে হবে। এ ব্যাপারে মোটিভেশন চালাতে হবে বেসরকারি মেডিকেল খাতকে। মেডিকেল শিক্ষার্থীদের নিয়মিত কাউন্সেলিং করতে হবে, যেন তারা চাপের মুখে হতাশায় না ভোগে। </span></p>
<p><span>শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষায় গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, </span><span>‘</span><span>দেশের স্বাস্থ্যখাতে বেসরকারি খাতের অবদান অনস্বীকার্য। আমাদের প্রত্যাশা আপনারা আপনাদের দায়িত্ব মানবিকতা ও সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতার সাথে পালন করবেন। রোগীরা ডাক্তারকে সৃষ্টিকর্তার পরে সবচেয়ে বেশি আস্থার স্থানে থাকেন। তাই মেডিকেল এথিকসকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিতে হবে।</span><span>’</span><span></span></p>
<p><span>মন্ত্রী বলেন, </span><span>‘</span><span>আমরা স্বাস্থ্য শিক্ষার আধুনিকায়নের উপায় খুঁজছি। শিক্ষার্থীরা যেন ভালো শিক্ষা পায় কিন্তু অতিরিক্ত চাপ অনুভব না করে সেটাও নিশ্চিত করা হবে।</span><span>’</span><span> এ সময় তিনি মেডিকেল শিক্ষার্থীদের অধিক হারে আত্মহত্যা প্রবণতার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন।</span></p>
<p><span>মেডিকেল শিক্ষায় ঋণের দাবি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, </span><span>‘</span><span>বিশ্বের নানা দেশে এই ব্যবস্থা রয়েছে। আমরা এ বিষয়ে ইতিবাচক, কিন্তু আমাদের আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করতে হবে। একইসঙ্গে রিকোভারির বিষয়টিও ভাবতে হবে। আমি এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলবো।</span><span>’</span></p>
<p><span>মন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশের হামের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে আগামী ২০ এপ্রিল সারা দেশে টিকা প্রদান করা হবে। এ ক্ষেত্রে ডাক্তাররা যথেষ্ট ত্যাগ ও ধৈর্য নিয়ে রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। করোনাকালে তারা রোগীদের জন্য অসামান্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন।  </span></p>
<p><span>অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে উষ্ণ সংবর্ধনা ও ফুলেল শুভেচ্ছা দেওয়া হয়। বিপিএমসিএর সভাপতি ডা. শেখ মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন, বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. মোহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ মেডিকেল এডুকেশন অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের রেজিষ্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. হুমায়ুন কবির তালুকদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ডা. নাদিম আহম্মদ। </span></p>
<p><span>অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিপিএমসিএ'র সাধরণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, সহ সভাপতি মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন, সহ-সভাপতি ডা. মোস্তাফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ আব্দুস সবুর, ইউনিভার্সল মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান প্রীতি চক্রবর্তী।</span></p>
<p><span>এসময় বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ এসোসিয়েশন (বিপিএমসিএ)'র কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, সাধারণ সদস্য ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। পরে দেশের পর্যায়ের শিল্পীদের পরিবেশনায় মনমুগ্ধকর সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।</span></p>
<p><span>বার্ষিক সম্মেলন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আগে বিকালে বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ এসোসিয়েশন (বিপিএমসিএ)'র ১৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়।</span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ইএইচ/আর/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিচার না হলে চিকিৎসকদের দেশব্যাপী কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি</title>
<link>https://digibanglatech.news/173683</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173683</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69da7dfbed8fe.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 11 Apr 2026 16:00:02 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull"><span>ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে </span>চিকিৎসকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে নতুন করে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছে ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটি।<span> হামলার ঘটনায় ঘোষিত চার দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। </span></p>
<div></div>
<p><span>১১ এপ্রিল, শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষে </span>ঢামেক হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্লকের সামনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।</p>
<p><span>ব্রিফিংয়ে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা সরকার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে চারটি দাবি উত্থাপন করেন। সরকারের কাছে তাদের দাবি, দ্রুত দোষীদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জড়িত দুষ্কৃতিকারীদের চিহ্নিত করে নাম-পরিচয় প্রকাশসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।</span></p>
<p><span>ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক নাবিল বিন কাশেম</span><span> বলেন, গত বুধবার (৮ এপ্রিল) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়ধারী কয়েকজন উচ্ছৃঙ্খল শিক্ষার্থী কর্তব্যরত চিকিৎসকদের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলা চালায় এবং ‘মব’ তৈরি করে। এ ঘটনায় হাসপাতাল এলাকায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।</span></p>
<p><span>ঘটনার পর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। একই সঙ্গে ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটির উদ্যোগে ঢামেকের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা ৪৮ ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করেন।  </span><span>কর্মবিরতি শেষে শনিবার হাসপাতাল প্রাঙ্গণে চিকিৎসকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা এবং হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়।</span></p>
<p><span>বিক্ষোভ শেষে তদন্ত কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটির চার দফা দাবির অধিকাংশই তাদের সুপারিশমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।</span></p>
<p><span>চিকিৎসকরা আরও জানান, একই দিনে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা সারাদেশে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।</span></p>
<p><span>তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দাবি পূরণ না হলে দেশব্যাপী সব ইন্টার্ন চিকিৎসক আরও কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবেন।  </span></p>
<p class="alignfull">প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, তদন্ত কমিটির সুপারিশমালায় ইন্টার্ন চিকিৎসকদের চার দফা দাবির অধিকাংশের প্রতিফলন ঘটেছে। তবে এখন মূল দাবি হলো, ভিডিও ফুটেজ ও তথ্যের ভিত্তিতে হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে অভিযুক্তদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমে এর পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।</p>
<p class="alignfull"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমটিও/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশে ৮০৩০ জন  ডাউন সিনড্রোম ব্যক্তি শনাক্ত</title>
<link>https://digibanglatech.news/173345</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173345</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d6eb3dc7f30.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 08 Apr 2026 16:57:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশে স্নায়ু বিকাশজনিত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মধ্যে ৮ হাজার ৩০ জনই ডাউন সিনড্রোমে আক্রান্ত।</p>
<p>৮ এপ্রিল, বুধবার ১৩তম জাতীয় ও ২১তম বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবস-২০২৬ উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে এমন তথ্য দিয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ।</p>
<p>‘একসাথে পথ চলি-নিঃসঙ্গতা দূর করি’ প্রতিপাদ্যে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় নিউরো ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট।  দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীর ইস্কাটনে সমাজকল্যাণ ভবন অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত  আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে ডাউন সিনড্রোমে আক্রান্ত শিশুর ক্রোমোজোম-এর ব্যবস্থাপনা ও করণীয় নিয়ে বক্তব্য উপস্থাপনা করেন বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের শিশু নিউরোসায়েন্স বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডাক্তার আব্বাস উদ্দিন খান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এনডিডি সুরক্ষা ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুছাম্মৎ শাহীনা আক্তার।</p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ সচিব  ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু কিশোর ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি সরকার অত্যন্ত আন্তরিক। বিপুল জনগোষ্ঠীর এ দেশে অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়েও সরকার ডাউন সিনড্রোমে আক্রান্ত শিশুর কিশোর ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সবরকম সাহায্য সহযোগিতা করে যাচ্ছে।</p>
<p>তিনি বলেন, আমাদের দেশে ১২ ধরনের প্রতিবন্ধিতা আছে। ডাউন সিনড্রোম প্রতিবন্ধিতা তার মধ্যে একটি। আমাদের দেশে ৪ ধরনের স্নায়ু বিকাশজনিত প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সংখ্যা ৪ লাখ ৫২ হাজার। এর মধ্যে ৮ হাজার ৩০ জন ডাউন সিনড্রোম ব্যক্তি শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও খেলাধুলায় ডাউন সিনড্রোম শিশুরা বেশি পারদর্শী হয়। সেবাযত্ন দিয়ে গড়ে তুলতে পারলে ডাউন সিনড্রোম শিশু ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষও সমাজের মূল স্রোতোধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এনএইচটি/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>তিন দিনে লক্ষ্যমাত্রার ১৯ শতাংশ শিশুকে হামের টিকা দিয়েছে সরকার</title>
<link>https://digibanglatech.news/173262</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173262</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_695bf392a7c4a.jpg" length="48770" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 08 Apr 2026 10:05:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশব্যাপী হামের প্রার্দুভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার গত ৫ এপ্রিল থেকে ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় হামের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে। এ কর্মসূচিতে গত ৩ দিনে ২ লাখ ২৮ হাজার ৪১৫ জন, যা লক্ষ্যমাত্রার ১৯ শতাংশ শিশুকে টিকা দিয়েছে সরকার।</p>
<p>৮ এপ্রিল, বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এ তথ্য জানা গেছে।</p>
<p>প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, আগামী ২২ এপ্রিল পর্যন্ত ছয় বিভাগের ৩০ জেলায় ১২ লাখ ৩ হাজার ২৬৭ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এর মধ্যে গত তিন দিনে ২ লাখ ২৮ হাজার ৪১৫ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। যার মাধ্যমে লক্ষ্যমাত্রার ১৯ শতাংশ শিশুদের টিকা কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭ এপ্রিল ৮৭ হাজার ১১ জন শিশু টিকা গ্রহণ করেছে।</p>
<p>ছয় বিভাগে ৩০ উপজেলাগুলো হলো- রাজশাহীর গোদাগাড়ী, ঢাকার নবাবগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, সদর ও শ্রীনগর, ঝালকাঠির নলছিটি, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, সদর ও ফুলপুর, চাঁদপুরের হাইমচর ও সদর, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ, পাবনার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া, নওগাঁর পোরশা, গাজীপুর সদর, নেত্রকোনার আটপাড়া, শরীয়তপুরের জাজিরা, বরগুনা সদর, মাদারীপুর সদর, কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ, ভোলাগঞ্জ, সদর, নাটোর সদর, এবং যশোর সদর।</p>
<p>এদিকে আগামী ১২ এপ্রিল ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন, ময়মনসিংহ সিটি, বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় হামের টিকা কার্যক্রম শুরু হবে। ৩ মে থেকে দেশব্যাপী এই টিকা কার্যক্রম শুরু হবে।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিএইচই/এমইউআইএম</strong></span></em></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রাণীর টিকা কার্ড চালুর প্রস্তাব, জোর ‘ওয়ান হেলথ’ উদ্যোগে</title>
<link>https://digibanglatech.news/173217</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173217</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d533cf691f9.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 07 Apr 2026 18:42:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="flex flex-col text-sm pb-25">
<section class="text-token-text-primary w-full focus:outline-none [--shadow-height:45px] has-data-writing-block:pointer-events-none has-data-writing-block:-mt-(--shadow-height) has-data-writing-block:pt-(--shadow-height) [&amp;:has([data-writing-block])&gt;*]:pointer-events-auto scroll-mt-[calc(var(--header-height)+min(200px,max(70px,20svh)))]" dir="auto" data-turn-id="request-69a71ba7-a36c-8321-bf42-ebc48c50f073-0" data-testid="conversation-turn-30" data-scroll-anchor="true" data-turn="assistant">
<div class="text-base my-auto mx-auto pb-10 [--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-xs,calc(var(--spacing)*4))] @w-sm/main:[--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-sm,calc(var(--spacing)*6))] @w-lg/main:[--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-lg,calc(var(--spacing)*16))] px-(--thread-content-margin)">
<div class="[--thread-content-max-width:40rem] @w-lg/main:[--thread-content-max-width:48rem] mx-auto max-w-(--thread-content-max-width) flex-1 group/turn-messages focus-visible:outline-hidden relative flex w-full min-w-0 flex-col agent-turn">
<div class="flex max-w-full flex-col gap-4 grow">
<div data-message-author-role="assistant" data-message-id="1976570b-3688-4932-91a3-6fe82d6438f5" data-turn-start-message="true" dir="auto" data-message-model-slug="gpt-5-3" class="min-h-8 text-message relative flex w-full flex-col items-end gap-2 text-start break-words whitespace-normal outline-none keyboard-focused:focus-ring [.text-message+&amp;]:mt-1" tabindex="0">
<div class="flex w-full flex-col gap-1 empty:hidden">
<div class="markdown prose dark:prose-invert w-full wrap-break-word light markdown-new-styling">
<p data-start="64" data-end="383">প্রাণীর স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী করা, জীবিকা সুরক্ষা এবং জুনোটিক রোগের ঝুঁকি কমাতে দেশে প্রথমবারের মতো প্রাণীর জন্য টিকা কার্ড চালুর প্রস্তাব দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস</span></span> উপলক্ষে ‘Together for Health: Stand with Science’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এক কর্মসূচিতে এ প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।</p>
<p data-start="385" data-end="672">রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনের যৌথ উদ্যোগ নেয় <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">আইসিডিডিআর,বি</span></span> এবং <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর</span></span>। অনুষ্ঠানে ‘Guidance for Effective Vaccination Management for Livestock, Poultry and Pets in Bangladesh’ শীর্ষক নির্দেশিকার চূড়ান্ত ধাপ উপস্থাপন করা হয়।</p>
<p data-start="674" data-end="914">প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের (প্রশাসন) পরিচালক <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">বয়জার রহমান</span></span> বলেন, দেশে প্রাণীর টিকা উৎপাদন সক্ষমতা বর্তমানে প্রায় ১০ শতাংশে সীমাবদ্ধ। টিকাদান ব্যবস্থা শক্তিশালী না হলে প্রাণিসম্পদ খাত তার পূর্ণ সম্ভাবনায় পৌঁছাতে পারবে না।</p>
<p data-start="916" data-end="1101">দেশের প্রাণিসম্পদ ও পোলট্রি খাত জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও টিকাদানের হার এখনও কম। তথ্য অনুযায়ী, গ্রামের কৃষকদের মাত্র প্রায় ২০ শতাংশ নিয়মিতভাবে তাদের প্রাণীদের টিকা দেন।</p>
<p data-start="1103" data-end="1405">বিশেষজ্ঞরা জানান, মানুষের জন্য সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি সফল হলেও প্রাণীর জন্য এখনো সমন্বিত জাতীয় টিকাদান ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। সচেতনতার অভাব, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ, শীতলীকরণ ব্যবস্থার দুর্বলতা, টিকার অনিয়মিত সরবরাহ এবং প্রশিক্ষিত ভেটেরিনারি জনবলের ঘাটতি—এসব কারণে কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।</p>
<p data-start="1407" data-end="1639">‘ওয়ান হেলথ’ ধারণার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তারা বলেন, প্রাণীর টিকাদান শুধু প্রাণীর স্বাস্থ্য নয়, পরিবেশ, খাদ্যনিরাপত্তা এবং জনস্বাস্থ্যের সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত। দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ সংক্রামক রোগই জুনোটিক হওয়ায় বিষয়টির গুরুত্ব আরও বেড়েছে।</p>
<p data-start="1641" data-end="1878">এই প্রেক্ষাপটে গবাদিপশু, পোলট্রি ও পোষা প্রাণীর জন্য একটি কাঠামোবদ্ধ টিকাদান ব্যবস্থার অংশ হিসেবে টিকা কার্ড চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে প্রাণীর পরিচিতি, টিকাদানের ইতিহাস ও সময়সূচি সংরক্ষণ থাকবে, যা নজরদারি ও সমন্বয়কে আরও কার্যকর করবে।</p>
<p data-start="1880" data-end="2107"><span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">ডা. সুকান্ত চৌধুরী</span></span>, বিজ্ঞানী, আইসিডিডিআর,বি বলেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কৃষকরা সহজেই টিকাদান ট্র্যাক করতে পারবেন, কাভারেজ বাড়বে এবং রোগ প্রতিরোধ আরও জোরদার হবে। এতে প্রাণীর মৃত্যুহার কমে উৎপাদনশীলতা বাড়বে।</p>
<p data-start="2109" data-end="2316">সভায় অংশগ্রহণকারীরা জানান, টিকাদান ব্যবস্থা শক্তিশালী হলে রোগের বোঝা ও অর্থনৈতিক ক্ষতি কমবে, কৃষকের আয় বাড়বে এবং খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। পাশাপাশি অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলাতেও সহায়ক হবে।</p>
<p data-start="2318" data-end="2542" data-is-last-node="" data-is-only-node="">গোলটেবিল আলোচনা শেষে অংশগ্রহণকারীরা একটি সমন্বিত ও প্রমাণভিত্তিক প্রাণী টিকাদান ব্যবস্থা বাস্তবায়নে সম্মিলিত অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন, যা ‘ওয়ান হেলথ’ উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষ ও প্রাণীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>
<p data-start="2318" data-end="2542" data-is-last-node="" data-is-only-node=""><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএ/এমইউআইএম</strong></span></em></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="z-0 flex min-h-[46px] justify-start"></div>
<div class="mt-3 w-full empty:hidden">
<div class="text-center"></div>
</div>
</div>
</div>
</section>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিএমইউ&#45;এ যোগ দিলেন নতুন ভিসি অধ্যাপক এফ এম সিদ্দিকী</title>
<link>https://digibanglatech.news/173089</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173089</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d4031c5a836.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 06 Apr 2026 18:02:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।  প্রথম কর্মদিবসে ব্যস্ত সময় পার করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন নতুন উপাচার্য। ৬ এপ্রিল, সোমবার দিনের শুরুতে তার কার্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। </p>
<p>এসময় সদ্য সাবেক (অস্থায়ী) উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>নবনিযুক্ত উপাচার্য বলেন, ‘আজকের দিনটি আমার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমার দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের যেমন সুনাম আছে, তেমনি নানা সমস্যাও রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধান করে গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে।”</p>
<p>তিনি আরও বলেন, “যার যে দায়িত্ব, সেটি যথাযথভাবে পালন করলেই বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাবে। প্রত্যেককে নিজের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হয়ে সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে হবে।”</p>
<p>সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম তার বক্তব্যে নতুন উপাচার্যের নেতৃত্বে চিকিৎসা শিক্ষা, সেবা ও গবেষণায় বিশ্ববিদ্যালয় আরও এগিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</p>
<p>প্রথম কর্মদিবসে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, রেজিস্ট্রার, ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, কোর্স ডিরেক্টর, মেডিকেল অফিসার ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথকভাবে মতবিনিময় করেন। বিভাগীয় চেয়ারম্যানদের তিনি নির্দেশনা দেন— প্রতি মাসে বিভাগীয় কাজের অগ্রগতি মূল্যায়ন করতে হবে এবং বিদ্যমান জনবল সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগাতে হবে।</p>
<p>মেডিকেল অফিসারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “চিকিৎসাসেবার মূল ভিত্তি আপনারাই। রোগীদের প্রতি আচরণে চিকিৎসকদের মনোভাব প্রতিফলিত হয়। ব্যক্তিগত সমস্যা যাই থাকুক, রোগীদের হাসিমুখে সেবা দিতে হবে।”</p>
<p>কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনার থেকে উপাচার্য— সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও শৃঙ্খলার সঙ্গে পালন করতে হবে। সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করলে ছয় মাসের মধ্যেই দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</p>
<p>দিনের এক পর্যায়ে উপাচার্য বহির্বিভাগে রোগীদের সেবা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং কেবিন ব্লকে চিকিৎসাধীন একটি সফল কিডনি প্রতিস্থাপন রোগীর খোঁজখবর নেন।</p>
<p>প্রসঙ্গত, গত ৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকীকে চার বছরের জন্য বিএমইউর উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ৫ এপ্রিল, রবিবার বিকেলে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। </p>
<p>অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী ১৯৮২ সালে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি এফসিপিএস (মেডিসিন) ডিগ্রিধারী এবং দীর্ঘ কর্মজীবনে ঢাকা মেডিকেল কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া আইইডিসিআর-এও তিনি অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।</p>
<p>গবেষণা ও একাডেমিক ক্ষেত্রে তার রয়েছে উল্লেখযোগ্য অবদান। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে তার শতাধিক গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। চিকিৎসা শিক্ষা, ক্লিনিক্যাল সেবা ও গবেষণায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বর্তমানে বিএমইউর নেতৃত্বে নতুন দায়িত্ব পালন শুরু করলেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমএআর/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৩ মে থেকে দেশজুড়ে হামের টিকা ক্যাম্পেইন</title>
<link>https://digibanglatech.news/172982</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172982</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d2abb5dd80a.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 05 Apr 2026 20:37:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull"><span>ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), ও গ্যাভি, দ্যা ভ্যাকসিন অ্যালায়ন্সের সহায়তায় বাংলাদেশ সরকার জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে। ৫ এপ্রিল রবিবার থেকে এই টিকা ক্যাম্পেইন শুরু হয়। প্রথমে, সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়স পর্যন্ত ১২ লাখের বেশি শিশুকে সুরক্ষিত করার লক্ষ্যে এই কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। পরবর্তীতে, ধাপে ধাপে এই টিকাদান কর্মসূচি সারা দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশন ও বাকি জেলাগুলোতে সম্প্রসারণ করা হবে।  </span></p>
<p class="alignfull"><span>স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “বর্তমানে দেশে হাম রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এত বড় কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহযোগিতা প্রদান এবং দ্রুত টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য ইউনিসেফের রিপ্রেজেন্টেটিভ মিস রানা ফ্লাওয়ার্সকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে গ্যাভি এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকেও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।” </span></p>
<p class="alignfull"><span>জরুরি এই টিকাদান কর্মসূচিতে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় টিকা না পাওয়া এবং গুরুতর অসুস্থতা ও জটিলতা হওয়ার ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। ঢাকা ও কক্সবাজারে ঘনবসতিপূর্ণ ও উচ্চ ঝুঁকির এলাকাগুলোতে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিশুকে টিকার আওতায় আনতে কঠোর প্রচেষ্টা চালানো হবে। </span></p>
<div class="viewport jw_article_body">
<p class="alignfull"><span>দ্রুত টিকাদান এবং রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় জোরালো পদক্ষেপ না নেওয়া হলে সংক্রমণ বাড়তে থাকবে, তাতে স্বাস্থ্য সেবা খাতের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হবে এবং শিশু স্বাস্থ্যের গুরুতর অবনতির ঝুঁকি তৈরি করবে। এই জরুরি টিকাদান কর্মসূচি নিয়মিত টিকাদান প্রচেষ্টার সম্পূরক হিসেবে কাজ করবে এবং এটি হলো টিকাদানের লক্ষ্য পূরণ, স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী এবং ভবিষ্যতে সংক্রমণ প্রতিরোধের সক্ষমতা তৈরির একটি বৃহত্তর কৌশলের অংশবিশেষ।  </span></p>
<p class="alignfull"><span>বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, “শিশুদের সুস্থভাবে বেঁচে থাকার ক্ষেত্রে টিকা একটি মৌলিক উপাদান। বাংলাদেশজুড়ে হামের সংক্রমণ বৃদ্ধিতে হাজার হাজার শিশু, বিশেষ করে ছোট শিশু ও সবচেয়ে অসহায় অবস্থায় থাকা শিশুরা গুরুতর ঝুঁকির মুখে পড়ায় ইউনিসেফ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এভাবে সংক্রমণ ফিরে আসাটা গুরুতর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার ঘাটতির (ইমিউনিটি গ্যাপ) দিকটি তুলে ধরছে, বিশেষ করে যেসব শিশুরা একেবারেই কোনও টিকা পায়নি (জিরো-ডোজ) অথবা টিকার আংশিক ডোজ পেয়েছে এমন শিশুদের ক্ষেত্রে। পাশাপাশি নয় মাসের কম বয়সী শিশু যারা এখনও নিয়মিত টিকাদানের জন্য উপযুক্ত নয়, তাদেরও সংক্রমিত হওয়ার বিষয়টা বিশেষভাবে উদ্বেগজনক।” </span></p>
<p class="alignfull"><span>রানা ফ্লাওয়ার্স আরও বলেন, “যেসব পরিবার তাদের প্রিয়জনদের হারিয়েছে, তাদের প্রতি আমরা গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি এবং বাংলাদেশ সরকার এই জরুরি টিকাদান কার্যক্রম নিয়ে যে প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছে তাতে সহায়তা প্রদান করছি। সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে সংক্রমণের এই ফিরে আসাটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। প্রতিটি শিশু যেন টিকার আওতায় আসে, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার ঘাটতি পূরণ করা যায় এবং এই প্রতিরোধযোগ্য রোগ থেকে বাংলাদেশের শিশুদের সুরক্ষিত রাখতে ইউনিসেফ সরকার ও অংশীজনদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।” </span></p>
<p class="alignfull"><span>বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচ) প্রতিনিধি ডা. আহমেদ জামশিদ মোহামেদ বলেন, “সুনির্দিষ্ট ও সময়োচিত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রশংসা করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।” তিনি বলেন, “দেশজুড়ে সংক্রমণ দেখা দেওয়ার পর উচ্চ ঝুঁকির এলাকাগুলোর ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যে গৃহীত এই টিকাদান কর্মসূচি আরও শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ঠেকানো এবং এই প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পেছনে যে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার (ইমিউনিটি গ্যাপ) ঘাটতি রয়েছে তা দূর করতে সহায়তা করবে। হাম-রুবেলার টিকা নিরাপদ ও কার্যকর এবং তা বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি শিশুকে সুরক্ষিত করেছে— দ্রুত সংক্রমিত হওয়া এই রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এটাই আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার।” </span></p>
<p class="alignfull"><span>ডা. আহমেদ জামশিদ মোহামেদ আরও বলেন, “বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সব বাবা-মা ও অভিভাবকদের (কেয়ারগিভার) প্রতি তাদের সন্তানদের নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে টিকা দেবার জন্য আহ্বান জানাচ্ছে এবং বাংলাদেশজুড়ে প্রতিটি শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বাংলাদেশ সরকার ও অংশীজনদের সহায়তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে।” </span></p>
<p class="alignfull"><span>বাংলাদেশে গ্যাভি, দ্য ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্সের সিনিয়র কান্ট্রি ম্যানেজার ডির্ক গেহল বলেন, “এই প্রাদুর্ভাবে শিশুদের প্রাণহানি একটি মর্মান্তিক বিষয়কে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে যে, রোগপ্রতিরোধে ঘাটতি থাকলে হাম দ্রুতই প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফের সঙ্গে যৌথভাবে গ্যাভি ইতিমধ্যে দেশে থাকা হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে সহায়তা করছে। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আমাদের সর্বোচ্চ কার্যকর উপায়ে একসঙ্গে কাজ করা এখন অত্যন্ত জরুরি।” </span></p>
<p class="alignfull"><span>ইউনিসেফ বলছে, বাংলাদেশে উচ্চ হারে শিশুদের টিকাদানের একটি সফল ইতিহাস রয়েছে। কিন্তু সামান্য বিঘ্নও, সময়ের সাথে সাথে পর্যায়ক্রমে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার বড় ঘাটতি (ইমিউনিটি গ্যাপ) দেখা দেওয়ার কারণ হতে পারে। বর্তমানে যেভাবে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে তা সাধারণত কোনো একক কারণে নয়, বরং এ ধরনের ঘাটতিগুলোর সামগ্রিক ফলাফল। টিকা সংগ্রহের প্রধান সংস্থা হিসেবে ইউনিসেফ সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে, যাতে সময়মতো মানসম্মত টিকা পাওয়াটা নিশ্চিত করা যায় এবং চাহিদা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে সরবরাহ দ্রুততর করা যায়। </span></p>
<p class="alignfull"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমএআর/ইকে</strong></span></em></p>
</div>
<div class="btGoogleNews"></div>
<div class="BT_inner_A1_C2 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">
<div id="BT_inner_A1_C2" data-google-query-id="CMjKwOGs15MDFdiOZgIdbJg3qQ"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হাম&#45;রুবেলায় আক্রান্তদের ৮২% শিশু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী</title>
<link>https://digibanglatech.news/172796</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172796</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d0e7bf4bc1f.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 04 Apr 2026 13:28:30 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশে হাম-রুবেলায় আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ৮২ শতাংশই ছয় মাস থেকে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রোববার থেকে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে।</p>
<p> ৪ এপ্রিল, শনিবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।</p>
<p>স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের কিছু এলাকায় হাম রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে, যা বিশেষ করে ছোট শিশুদের ওপর বেশি প্রভাব ফেলছে। এ কারণে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে—তারা আগে টিকা নিয়ে থাকুক বা না থাকুক।</p>
<p>তিনি জানান, টিকাদান কার্যক্রম ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ৩০টি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় শুরু হয়ে পরে তা সারাদেশে বিস্তৃত হবে। আগামী ২১ মে, পবিত্র ঈদুল আজহার আগেই কর্মসূচি শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।</p>
<p>মন্ত্রী আশ্বস্ত করে বলেন, ব্যবহৃত টিকা নিরাপদ ও কার্যকর। সময়মতো টিকা প্রদান করা গেলে হাম একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ হিসেবে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।</p>
<p>তিনি অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান, নির্ধারিত কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে এসে টিকা নিশ্চিত করতে এবং গুজবে কান না দিয়ে সঠিক তথ্য অনুসরণ করতে। পাশাপাশি গণমাধ্যম ও স্থানীয় নেতৃত্বকে সচেতনতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।</p>
<p>স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, যেসব শিশু জ্বর বা অসুস্থতায় ভুগছে, তারা সুস্থ হওয়ার পর টিকা নেবে। এছাড়া হাম আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হবে, যা জটিলতা কমাতে সহায়ক।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিতসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/বিএনও/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১৯ দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে ৯৪ শিশুর মৃত্যু : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর</title>
<link>https://digibanglatech.news/172723</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172723</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69cfcb1251a77.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 03 Apr 2026 17:13:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>গত ১৯ দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে সারা দেশে ৯৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে । তবে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত হামের কারণে ৯ শিশুর মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে ৭১১ জন শিশুর শরীরে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে।</p>
<p>আজ (শুক্রবার) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এ ছাড়া দেশের বর্তমান হাম পরিস্থিতির সার্বিক চিত্রও বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরা হয়। </p>
<p>এতে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হাম সন্দেহে ৫ হাজার ৭৯২ জন শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় ৭৭১ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী পাওয়া গেছে ঢাকা বিভাগে। এই বিভাগে মোট ৩১৮ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে।</p>
<p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৯৪৭টি শিশু বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪২ জনের শরীরে হাম শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১৮ জন ঢাকা বিভাগের। এই ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ বিভাগে নতুন কোনো হাম আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়নি।</p>
<p>বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে রাজশাহী বিভাগে। এ ছাড়া খুলনা ও সিলেট বিভাগে ৫ জন করে এবং চট্টগ্রামে ৪ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ১ জন করে আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।</p>
<p>এদিকে <span>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে বলা হয়েছে, শিশুদের মধ্যে হামজনিত নিউমোনিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় আপদকালীন সময়ে নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসা সেবা ও হামের ভ্যাকসিন প্রদানের সুবিধার্থে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও অধিদপ্তরাধীন সব স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সর্বস্তরের চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি (অর্জিত ছুটি ও নৈমিত্তিক ছুটি) এতদ্বারা স্থগিত/বাতিল করা হলো।</span></p>
<p>স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের জীবাণু শরীরে প্রবেশের পর লক্ষণ<span> প্রকাশ পেতে কমপক্ষে ১০-১৪ দিন সময় লাগে।</span> তাই, কার মাধ্যমে এবং কখন ভাইরাসের সংক্রমণ হয়েছে তা বোঝা কঠিন। হামের প্রাথমিক উপসর্গগুলো হলো, সর্দি, কাশি, তীব্র জ্বর (১০৩-১০৫°F), চোখ লাল হয়ে যাওয়া ও চোখ দিয়ে পানি পড়া এবং গালের ভেতরে ছোট সাদা দাগ বা কপ্লিক স্পটের আবির্ভাব। এ উপসর্গগুলো সাধারণত ৪-৭ দিন স্থায়ী হয়।</p>
<p>হামের সবচেয়ে দৃশ্যমান লক্ষণ হলো ত্বকে লাল ফুসকুড়ি (র‍্যাশ)। র‍্যাশ সাধারণত সংক্রমণের ৭-১৮ দিন পরে শুরু হয়, প্রথমে মুখ ও গলার উপরের অংশে দেখা যায়। এটি প্রায় ৩ দিনের মধ্যে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে, শেষ পর্যন্ত হাত ও পা পর্যন্ত পৌঁছে যায়। র‍্যাশ সাধারণত ৫-৬ দিন স্থায়ী হয়, তারপর ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায়।</p>
<p>অধিকাংশ হাম আক্রান্ত রোগী রোগের সূচনা থেকে ৭-১০ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠে এবং শরীরে আজীবন রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয় এবং দ্বিতীয়বার হামে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। হাম ভাইরাস সংক্রমণের পর মানবদেহ মূলত হিমাগ্লুটিনিন (H) প্রোটিনের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি করে এবং এ অ্যান্টিবডিই পরবর্তী সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিএইচই/এমইউআইএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালে নতুন বহির্বিভাগ ইউনিট উদ্বোধন</title>
<link>https://digibanglatech.news/172599</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172599</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69ce6bfb6a1f9.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 02 Apr 2026 15:21:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" align="center" style="text-align: left;"><span>রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে নতুন একটি বহির্বিভাগ (আউটপেশেন্ট) চিকিৎসা ইউনিটের উদ্বোধন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, এমপি। দেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি হাসপাতালটিতে এই বহির্বিভাগ ইউনিটটি নির্মাণ করেছে।<u></u><u></u></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: left;"><span>২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার হাসপাতাল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে এটি উদ্বোধন করা হয়। এ সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের বোর্ড চেয়ারম্যান ডা. এ কে এম আজিজুল হক, হাসপাতালটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মাহবুবুল হক, আইসিডিডিআর’বি’র নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিদ আহমেদসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বেক্সিমকো ফার্মার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।<u></u><u></u></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: left;"><span>নতুন বহির্বিভাগ ইউনিটটি চিকিৎসা সেবার পরিধি বাড়াবে, বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত রোগীদের সেবাপ্রাপ্তি আরও সহজ করবে।<u></u><u></u></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: left;"><span>বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের বোর্ড চেয়ারম্যান ডা. এ কে এম আজিজুল হক বেক্সিমকো ফার্মার এই সিএসআর উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতে অবকাঠামো উন্নয়ন ও সেবার সক্ষমতা বাড়াতে বেসরকারি খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।<u></u><u></u></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: left;"><span>বেক্সিমকো ফার্মার প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা রাব্বুর রেজা বলেন, ‘একটি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের এসব উদ্যোগ সিএসআর কর্মসূচির অংশ হিসেবে জনস্বাস্থ্য চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে, বিশেষ করে জাতীয় সংকটের সময়ে এটা খুবই জরুরি।’<u></u><u></u></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: left;"><span>বর্তমানে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। শিশুদের মধ্যে হঠাৎ করেই সংক্রমণ বেড়ে যাওয়া এবং সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বেশ কয়েকজন শিশু মৃত্যুর ঘটনায় গুরুতর জনস্বাস্থ্য উদ্বেগ তৈরি করেছে। সেই পরিস্থিতিতে কোম্পানিটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে ৩টি ভেন্টিলেটর হস্তান্তর করেছে।</span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: left;"><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/ইএ/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রত্যাহার হচ্ছে ই&#45;সিগারেটের ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা?</title>
<link>https://digibanglatech.news/172429</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172429</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_683ae3429432d.jpg" length="84320" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 01 Apr 2026 00:03:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p> তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ সংশোধনের মাধ্যমে দেশে ই-সিগারেট উৎপাদন ও বিক্রির ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র।</p>
<p>সংশ্লিষ্ট সূত্রে , অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনায় গঠিত সংসদীয় বিশেষ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। সেই অনুযায়ী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একটি খসড়া প্রণয়ন করেছে, যা শিগগিরই লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগে পাঠানো হবে।</p>
<p>এ বিষয়ে বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন (বেন্ডস্টা) বলছে, এটি নিষেধাজ্ঞা থেকে নিয়ন্ত্রণভিত্তিক নীতিতে যাওয়ার একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ। সংগঠনটির সভাপতি সুমন জামান বলেন, দেশে ই-সিগারেটের ব্যবহার বন্ধ হয়নি; বরং অবৈধভাবে বাজারে প্রবেশ করছে। সুনির্দিষ্ট আইন ও মনিটরিং থাকলে এই খাত থেকে সরকার রাজস্ব আয় করতে পারবে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, তরুণদের সুরক্ষায় সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে কার্যকর নিয়ন্ত্রণই বেশি ফলপ্রসূ। বয়স যাচাই, লাইসেন্সভিত্তিক বিক্রয়, বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণ এবং কঠোর তদারকির মাধ্যমে অপ্রাপ্তবয়স্কদের প্রবেশ রোধ করা সম্ভব।</p>
<p>বিশ্লেষকদের মতে, সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা বাজারকে অদৃশ্য করে দিয়ে কালোবাজার তৈরির ঝুঁকি বাড়ায়, যেখানে কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না। ফলে পণ্য অনিয়ন্ত্রিতভাবে তরুণদের হাতে পৌঁছাতে পারে। এ বাস্তবতায়, নিয়ন্ত্রিত কাঠামো জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বাজার ব্যবস্থাপনায় তুলনামূলকভাবে কার্যকর হতে পারে।</p>
<p><br>এদিকে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে ই-সিগারেট বা ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম (ENDS) ধূমপান ত্যাগে সহায়ক একটি পদ্ধতি হিসেবে আলোচিত হচ্ছে। যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য নির্দেশিকা এবং বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, নিকোটিনযুক্ত ই-সিগারেট অনেক ক্ষেত্রে ধূমপান ছাড়তে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।</p>
<p>তবে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, যে কোনো নীতিমালা প্রণয়নে তরুণদের সুরক্ষা, আসক্তি নিয়ন্ত্রণ এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি—এই তিনটি বিষয়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/ডিএইচই/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হাম&#45;নিউমোনিয়ায় শিশুমৃত্যু রোধে ‘বাবল সিপ্যাপ’ সম্প্রসারণের উদ্যোগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/172391</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172391</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69cbfad38dc09.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 31 Mar 2026 22:19:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশে সাম্প্রতিক হামের প্রাদুর্ভাব ও এর আনুষঙ্গিক নিউমোনিয়াজনিত শিশুমৃত্যু রোধে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে আইসিডিডিআর,বি।  এক্ষেত্রে আইসিডিডিআর,বি উদ্ভাবিত সাশ্রয়ী ‘বাবল সিপ্যাপ’ প্রযুক্তি দেশব্যাপী সম্প্রসারণে নির্দেশনা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। </p>
<div class="news-paragraph">
<p>৩১ মার্চ, মঙ্গলবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রীর সঙ্গে মন্ত্রণালয়ে তার অফিস কক্ষে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই নির্দেশনা দেয়া হয়। বৈঠকে আইসিডিডিআর,বি-র নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ, সিনিয়র সায়েন্টিস্ট ড. জুবায়ের চিশতী এবং শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. মাহবুবুল হক উপস্থিত ছিলেন।  <span class="description description-y">এসময় </span> বর্তমানে আক্রান্তদের মধ্যে ৬ মাস থেকে ৩ বছর বয়সী শিশুদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি এবং হাসপাতালে ভর্তি হওয়া হাম আক্রান্তদের প্রায় ৩০ শতাংশ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে বলে মন্ত্রীকে অবহিত করেন <span class="description description-y"><span id="main-descirption" class="description description-y">আইসিডিডিআর,বি’র নির্বাহী পরিচালক</span></span>।</p>
<div class="news-paragraph"><span id="main-descirption" class="description description-y">বৈঠকে আইসিডিডিআর,বির পক্ষ থেকে বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় উদ্ভাবনী ও সাশ্রয়ী ‘বাবল সিপ্যাপ’ প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রস্তাব দেয়া হয়, যা শিশুদের শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতা কমাতে অত্যন্ত কার্যকর। তাই </span> এই সংকট উত্তরণে আইসিডিডিআর,বি’র নিজস্ব উদ্ভাবন ‘বাবল সিপ্যাপ’ ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।</div>
<div class="news-paragraph">
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x_69cbfad2c9502.jpg" alt=""></p>
<p>গবেষণায় দেখা গেছে, এ প্রযুক্তি প্রচলিত মেকানিক্যাল ভেন্টিলেটরের তুলনায় অনেক বেশি সাশ্রয়ী। প্রতিটি ইউনিট তৈরিতে খরচ হয় প্রায় ৩০০ টাকা। আন্তর্জাতিক চিকিৎসা সাময়িকী দ্য ল্যানসেটে প্রকাশিত গবেষণা অনুযায়ী, এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সুপারিশকৃত সাধারণ অক্সিজেন পদ্ধতির চেয়েও বেশি কার্যকরভাবে শিশুর জীবন রক্ষা করতে সক্ষম। </p>
<p>আইসিডিডিআর,বির প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।  মন্ত্রীর মতোই জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষা ও শিশুমৃত্যু কমাতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।</p>
<p>এদিকে দুপুরে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘বাবল সিপ্যাপ’ প্রযুক্তি দেশের ৩০টিরও বেশি সরকারি হাসপাতালের পরিচালক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অংশগ্রহণে এক সভা হয়। এতে ড. জুবায়ের চিশতী ‘বাবল সিপ্যাপ’র বৈজ্ঞানিক কার্যকারিতা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে অধ্যাপক ডা. মো. মাহবুবুল হক এবং অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে এ প্রযুক্তির সফল ব্যবহার ও জীবনরক্ষাকারী দিক তুলে ধরেন।</p>
<p>এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে আইসিডিডিআর,বি কারিগরি সহায়তা ও প্রশিক্ষণ দেবে। মন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ২ এপ্রিল থেকে শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে অধ্যাপক মাহবুবুলের তত্ত্বাবধানে প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ শুরু হবে। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. আবু হোসাইন মো. মইনুল আহসান এ কার্যক্রম সমন্বয় করবেন।</p>
<div class="news-paragraph"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong><span class="description description-y">ডিবিটেক/এসএম/ইকে</span></strong></span></em></div>
<div class="adv-img text-center marginTopBottom20 hidden-print"></div>
</div>
<span id="main-descirption" class="description description-y"></span></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এআই এর ব্যবহার দেখানো হলো আন্তর্জাতিক হার্ট ফেলিউর কনফারেন্সের পি&#45;কনফারেন্স</title>
<link>https://digibanglatech.news/172141</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172141</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69c94699794fd.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 29 Mar 2026 17:35:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি ব্যবহারে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেলো </span><span>রাজধানীতে অনুষ্ঠিত প্রথম ইন্টারন্যাশনাল হার্ট ফেলিউর কনফারেন্সের পি-কনফারেন্স কর্মশালায়। বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটির সহযোগিতায় বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের হার্ট ফেইলিউর বিভাগ আয়োজনে  রাজধানীর বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে </span><span>২৯ মার্চ, রবিবার বিএমইউ শুরু হয় দুই দিনব্যাপী সম্মেলন। সম্মেলনে এআই বেইজড মেডিক্যাল ম্যানেজমেন্ট, কার্ডিয়াক এমআরআই, এবং এন্ডোমায়োকার্ডিয়াল বায়োপসি প্রযুক্তির ওপর বিস্তারিত আলোচনা হয়। </span></p>
<p><span>চিকিৎসা বিজ্ঞানের আধুনিক উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে হৃদরোগীদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের উদ্বোধনীতে বক্তব্য রাখেন বিএমইউর ভাইস-চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম। বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের ৫০৭ নম্বর কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রারম্ভিক সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন কার্ডিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সফিউদ্দিন। </span></p>
<p>চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় এআই-এর ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত প্রবন্ধ পাঠ করেন মালয়েশিয়ার ডিজিটাল হেলথ বিশেষজ্ঞ ডা. সুলতান কাভেরি। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন এভারকেয়ার হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. মোঃ আতাহার আলী।</p>
<p><span>কর্মশালায় বক্তারা জানিয়েছেন, এআই প্রযুক্তি হার্ট ফেইলিউর রোগী দ্রুত শনাক্তকরণ, সঠিক নির্ণয় এবং ঝুঁকি নির্ধারণে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি, কার্ডিয়াক এমআরআই হৃদযন্ত্রের গঠন ও কার্যকারিতা নির্ভুলভাবে মূল্যায়নে ব্যবহৃত হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এআই এবং আধুনিক ইমেজিং প্রযুক্তির সমন্বয়ে দেশে হৃদরোগ চিকিৎসায় ব্যাপক পরিবর্তন আসবে।</span></p>
<p><span>প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ভাইস-চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম বলেন, ‘এই ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় একটি নতুন প্রযুক্তিনির্ভর যুগের সূচনা করেছে।’</span></p>
<p>দিনের দ্বিতীয় ভাগে কার্ডিয়াক এমআরআই বিষয়ক সেশনে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ডা. মনজুর মাহমুদ এবং ভাইস-চেয়ারের দায়িত্ব পালন করেন সহযোগী অধ্যাপক ডা. জাফর ইকবাল জামালী। এ সময় প্যানেলিস্ট হিসেবে আলোচনায় অংশ নেন সুইজারল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি হসপিটাল জুরিচের অধ্যাপক ডা. রোবার্ট মানকা, বিএমইউর হার্ট ফেইলিউর ডিভিশনের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. দীনে মুজাহীদ মোঃ ফারুক ওসমানী এবং সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সাহিদুল হক। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান হাওলাদার এবং নিওন্যাটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ আব্দুল মান্নানসহ খ্যাতিমান হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা।</p>
<p><span>অনুষ্ঠানে প্রযুক্তির সুফল ও সম্ভাবনা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন এবং নতুন যুগের সূচনার ওপরে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হয়েছে।</span></p>
<p><span>এ সময় প্রযুক্তির সুফল ও সম্ভাবনা নিয়ে বল হয়, এআই টুলগুলো দ্রুত বৃহৎ ডেটাসেট বিশ্লেষণ করতে সক্ষম, যা বিশেষত জটিল পরিস্থিতিতে চিকিৎসকদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে। কার্ডিয়াক এমআরআই উচ্চ রেজোলিউশনের, নন-ইনভেসিভ ইমেজিং প্রদান করে, যা হার্ট ফেইলিউর রোগীদের নির্ভুলভাবে শনাক্ত করতে সাহায্য করে এবং এতে কোনো রেডিয়েশন এক্সপোজার নেই।</span></p>
<p><span>অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন নিয়ে বলা হয়, এই প্রযুক্তিগুলোর সফল বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশকে অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং নিয়ন্ত্রক কাঠামোতে বিনিয়োগ করতে হবে। ওয়ার্কশপে বক্তারা উল্লেখ করেছেন যে, উন্নত কার্ডিয়াক ইমেজিং সেন্টার স্থাপন, এমআরআই-সামঞ্জস্যপূর্ণ সফটওয়্যার ও এআই টুলের প্রাপ্যতা, এবং স্থানীয় জনগণের জন্য সঠিক প্রশিক্ষণ প্রয়োজন।</span></p>
<p><span>নতুন যুগের সূচনার বিষয়ে বলা হয়, এই ওয়ার্কশপটি প্রযুক্তিনির্ভর কার্ডিওলজি চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। এআই এবং কার্ডিয়াক এমআরআইর সমন্বয় হার্ট ফেইলিউর নির্ণয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আনতে সহায়তা করবে এবং রোগীদের চিকিৎসায় নতুন পথ প্রশস্ত করবে।</span></p>
<p><span>বাংলাদেশে এ ধরনের প্রযুক্তির সফল বাস্তবায়ন দেশের কার্ডিওভাসকুলার চিকিৎসার মান এবং রোগীর ফলাফলকে ব্যাপকভাবে উন্নত করতে সক্ষম হবে। </span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমআই/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রাজধানীতে ডার্মাটোলজি ফাউন্ডেশনের ২৫তম ব্যাচের প্রশিক্ষণ শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/171870</link>
<guid>https://digibanglatech.news/171870</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69c65b0f2571c.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 27 Mar 2026 12:25:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>রাজধানীর পান্থপথে  '</span>ডার্মাটোলজি ফাউন্ডেশন<span> অফ বাংলাদেশ' আয়োজিত “ফান্ডামেন্টাল ট্রেনিং অন </span>ডার্মাটোলজি<span>” কোর্সের ২৫তম ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে বিশেষজ্ঞ মেন্টরদের মাধ্যমে স্কিন অ্যাসেসমেন্ট, লেজার ট্রিটমেন্ট, মাইক্রোনিডলিং, পিআরপি এবং কেমিক্যাল পিল বিষয়ে প্রশিক্ষণার্থীদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। </span></p>
<p><span>২৭ মার্চ, শুক্রবার  সকালে পান্থপথের এনা শাকুর এমারাতে অরোরা স্কিন এন্ড এয়েস্থেটিকস মিলনায়তনে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। </span></p>
<p data-path-to-node="5">অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অরোরা স্কিন এন্ড এয়েস্থেটিকস-এর কর্ণধার অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আফজালুল করিম। বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর আমিনুল ইসলাম, প্রফেসর এম এ আব্দুল ওহাব, ডা. সাব্বির হোসেন, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস-এর এ এন এম হুমায়ুন কবির এবং ‘আমরা নারী’ ও ‘আমরা নারী রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সমন্বয়কারী এম এম জাহিদুর রহমান বিপ্লব।</p>
<div class="advertisement my-2 text-center">
<p data-path-to-node="6">প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আফজালুল করিম বলেন, মানবদেহের সবচেয়ে বড় অঙ্গ হলো ত্বক, যা আমাদের শরীরকে বাহ্যিক পরিবেশের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে। স্কিন এন্ড এয়েস্থেটিকসের গুরুত্ব এখানেই, যেখানে রোগ নিরাময়ের পাশাপাশি ত্বকের সার্বিক যত্ন ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির বিষয়টি সমানভাবে কাজ করে। সঠিক ও বিশেষায়িত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে চর্মরোগের চিকিৎসা সেবা আরও কার্যকর ও রোগীবান্ধব হয়ে উঠবে।</p>
<div class="google-auto-placed ap_container">
<p data-path-to-node="7">বক্তারা তাদের আলোচনায় আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় ত্বকের গুরুত্ব ও এ বিষয়ে চিকিৎসকদের বিশেষায়িত প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তারা বলেন, যথাযথ দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশের চর্মরোগ চিকিৎসা সেবাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা সম্ভব। </p>
<p data-path-to-node="7"><span>প্রসঙ্গত, ত্বক, চুল, নখ ও যৌনরোগের চিকিৎসায় ২০১৩ সাল থেকে দক্ষ ডার্মাটোলজিস্ট, নিউট্রিশনিস্ট ও প্লাস্টিক সার্জনের সমন্বয়ে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ভিটিলিগো সার্জারিতে 'Non-cultured melanocyte transfer surgery' চালুর মাধ্যমে চিকিৎসা ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে অরোরা স্কিন এন্ড এয়েস্থেটিকস। </span></p>
<p data-path-to-node="7"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এনএ/এমইউএম</strong></span></em></p>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সফল কিডনি প্রতিস্থাপন</title>
<link>https://digibanglatech.news/171785</link>
<guid>https://digibanglatech.news/171785</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69c4fa401f5cc.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 26 Mar 2026 00:20:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়-এ সফলভাবে একটি কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। অস্ত্রোপচারের পর রোগীর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল থাকায় তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। </p>
<p>বিশ্ববিদ্যালয়ের নেফ্রোলজি বিভাগের তত্ত্বাবধানে ভর্তি রোগীর অস্ত্রোপচারটি ইউরোলজি বিভাগ সম্পন্ন করে। ডোনার থেকে কিডনি অপসারণ দলের নেতৃত্ব দেন অধ্যাপক ডা. তৌহিদ মো. সাইফুল ইসলাম দিপু এবং প্রতিস্থাপন সার্জারি পরিচালনা করেন অধ্যাপক ডা. এ কে এম খুরশিদুল আলম ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম। </p>
<p>রোগী দীর্ঘদিন ধরে কিডনি রোগে ভুগছিলেন এবং সম্পূর্ণভাবে ডায়ালাইসিস-নির্ভর ছিলেন। চিকিৎসা ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে পড়লে পরিবারের উদ্যোগে তাকে চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২ মার্চ কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়। </p>
<p>অস্ত্রোপচারে রোগীর মা কিডনি দান করেন। সফল সার্জারির পর মা ও সন্তান উভয়েই সুস্থ রয়েছেন এবং ২৫ মার্চ হাসপাতাল ত্যাগ করেন। <br><br>চিকিৎসকরা জানান, দেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের হার এখনো প্রয়োজনের তুলনায় কম হলেও দক্ষ জনবল ও আধুনিক চিকিৎসা সক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ধরনের সফলতা ভবিষ্যতে দেশে উন্নত চিকিৎসা বিস্তারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/সিআই/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভিডিও কলেই হাজিরা খাতা তলব স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর</title>
<link>https://digibanglatech.news/171591</link>
<guid>https://digibanglatech.news/171591</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69c252543ccd0.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 24 Mar 2026 13:09:29 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>এবার সিলেটের আরও একটি হাসপাতালে আকস্মিক উপস্থিত হলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তবে সশরীরে নয়, ঢাকায় সচিবালয় থেকে সরাসরি ভিডিও কলের মাধ্যমে তিনি হাসপাতালের কার্যক্রম তদারকি করেন। </p>
<p>২৪ মার্চ, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের খোঁজখবর নেন।</p>
<p>ভিডিও কলের শুরুতেই প্রতিমন্ত্রী আউটডোরে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি রোগীদের কাছে সেবার মান এবং সরকারি ওষুধ ঠিকমতো পাচ্ছেন কি না, সে বিষয়ে জানতে চান। এরপর তিনি হাসপাতালে দায়িত্বরত চিকিৎসকদের খোঁজ করেন এবং সরাসরি ভিডিওতে হাসপাতালের হাজিরা খাতা দেখতে চান। খাতায় কাদের স্বাক্ষর আছে এবং কারা কর্মস্থলে উপস্থিত আছেন, তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।</p>
<p>চিকিৎসকদের উপস্থিতি এবং রোগীদের সন্তুষ্টির কথা জানতে পেরে প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দেশের প্রতিটি নাগরিকের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে আমরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছি।" তিনি চিকিৎসকদের সেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করার এবং রোগীদের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে 'সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ' গড়তে অগ্রণী ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x_69c252609e16f.jpg" alt=""></p>
<p>এর আগে গতকাল সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে সিলেটের সীমান্তবর্তী জকিগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালেও একইভাবে ভিডিও কলে হাজির হন ড. এম এ মুহিত। ঈদের ছুটিতে তৃণমূলের চিকিৎসাসেবা সচল রয়েছে কি না, তা দেখতেই তার এই ঝটিকা তদারকি। সেখানে কর্মরত চারজন চিকিৎসকের মধ্যে একজনকে অনুপস্থিত পেয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন।</p>
<p>ভিডিও কলে জরুরি বিভাগের নার্স ও সাধারণ রোগীদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, "আপনারা দুর্গম এলাকায় মানুষের একমাত্র ভরসা। আপনাদের ত্যাগের কথা সরকার জানে।" তিনি তৃণমূলের মানুষের জন্য বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য 'হেলথ কার্ড' নিশ্চিত করার মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতকে আমূল বদলে দেওয়ার রোডম্যাপের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএইচ/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>উপজেলা হাসপাতালে প্রতিমন্ত্রীর আকস্মিক ভিডিও কলে মিলল যে চিত্র</title>
<link>https://digibanglatech.news/171504</link>
<guid>https://digibanglatech.news/171504</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69c116c2ef52a.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 23 Mar 2026 13:33:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ঈদের ছুটির দিনে চিকিৎসাসেবার বাস্তব চিত্র দেখতে ২৩ মার্চ, সোমবার হঠাৎই ভিডিও কলে জকিগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে খোঁজ নিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।</p>
<p><!--StartFragment -->দুপুর সোয়া ১২টার দিকে সিরাজগঞ্জ থেকে তিনি সরাসরি সংযুক্ত হয়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে ইনডোর পর্যন্ত চিকিৎসা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। চিকিৎসা কেমন চলছে—এমনটা দেখতে হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে ইনডোর সব জায়গায় কথা বললেন প্রতিমন্ত্রী।</p>
<p>তবে এ দিন ডিউটি থাকা চারজনের মধ্যে একজনকেও উপস্থিত পাননি ভিডিও কলে। এ সময় তিনি নার্স ও রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং চিকিৎসকদের অনুপস্থিতির বিষয়ে খোঁজ নেওয়ার নির্দেশ দেন।</p>
<p>অবশ্য ঈদের ছুটিতে পরিবার ছেড়ে যারা তখন চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত ছিলেন তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রমের খোঁজ নেন ড. এম এ মুহিত।এ সময় তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা ভিডিও কলের মাধ্যমে ঘুরে দেখাতে বলেন প্রতিমন্ত্রী। </p>
<p>চিকিৎসকদের মনোবল বাড়াতে তিনি বলেন, ‘আপনারা এই দুর্গম এলাকায় মানুষের ভরসা। আপনাদের ত্যাগের কথা সরকার জানে।’ তবে অনুপস্থিত চিকিৎসকের বিষয়ে তিনি খোঁজখবর নেওয়ার নির্দেশ দেন।<br>ভিডিও কলের মাধ্যমে প্রতিমন্ত্রী কথা বলেন জরুরি বিভাগের নার্স ও সাধারণ রোগীদের সঙ্গেও। তৃণমূলের মানুষ যেন সঠিক সময়ে সেবা পায়, সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেন তিনি।</p>
<p>এ সময় প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকার ইতিমধ্যেই প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে বিশ্বমানের করার জন্য একটি যুগান্তকারী রোডম্যাপ চূড়ান্ত করেছে। প্রতিটি নাগরিকের জন্য ‘হেলথ কার্ড’ চালু করার মাধ্যমে সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকারও তুলে ধরেন তিনি।</p>
<p>এই ভিডিও কলে ঈদের ছুপিতে তৃণমূল পর্যায়ে চিকিৎসক সংকটের চ্যালেঞ্জ প্রতিভাত হলেও প্রতিমন্ত্রীর আকস্মিক নজরদারি স্বাস্থ্যসেবার জবাবদিহিতা বাড়াতে পারে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, সামগ্রিকভাবে, এই ভিডিও কল শুধু প্রতীকী পদক্ষেপ নয়, বরং স্বাস্থ্যসেবার তৃণমূল বাস্তবতা তুলে ধরেছে। এটি ভবিষ্যতে চিকিৎসক উপস্থিতি ও সেবার মান নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক চাপ বাড়াতে পারে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিএইচই/এমইউএম</strong></span></em></p>
<p></p>
<p><!--EndFragment --></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বন্ধেও বিএমইউ&#45;তে চলছে এক্সরে&#45;সিটিস্ক্যান</title>
<link>https://digibanglatech.news/171185</link>
<guid>https://digibanglatech.news/171185</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69bbca82d059a.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 19 Mar 2026 13:06:21 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পবিত্র ঈদ উল ফিতরের ছুটির মাঝেও ১৯ মার্চ, বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বহির্বিভাগে ৬ শত ৮৫ জন রোগীকে চিকিৎসাসেবা দয়া হয়েছে। বহির্বিভাগ ১ ও  বহির্বিভাগ ২-এ সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এই সেবা দেয়া হয়। একই সাথে রোগীদের প্রয়োজনীয় পরীক্ষানিরীক্ষা সেবাও প্রদান করা হয়।</p>
<p>জানাগেছে, বেসিক সাইন্স ও প্যারাক্লিনিক্যাল সায়েন্স অনুষদভুক্ত বিভিন্ন বিভাগের উদ্যোগে রোগীদেরকে এই পরীক্ষানিরীক্ষা সেবা দেয়া হয়। বন্ধের দিনগুলোতে রেডিওলজি এন্ড ইমেজিং বিভাগের উদ্যোগে চালু রয়েছে এক্সরে এবং সিটিস্ক্যান পরীক্ষার সুবিধা। বন্ধের দিনগুলোতে হাসপাতালের ইনডোর ও জরুরি বিভাগও প্রচলিত নিয়মে খোলা রয়েছে। </p>
<p> এদিন বহির্বিভাগের চিকিৎসাসেবাসহ টেস্টসমূহের সেবা কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইরতেকা রহমান, উপ-পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. মোহাম্মদ আবু নাছের, সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল) মোঃ মাহবুবুল হক সরকার প্রমুখ।  </p>
<p>পরিদর্শন শষে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইরতেকা রহমান জানিয়েছেন, বহির্বিভাগে রোগীদেরকে পরামর্শসহ চিকিৎসাসেবা প্রদানসহ পরবর্তীতে রোগীদের টেস্টসমূহ সম্পন্ন করার এই মহতী কার্যক্রমে বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ এবং রবিবার ২২ মার্চ চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ প্রায় ৫শত জন অংশগহণ করছেন। এছাড়াও হাসপাতালের ইনডোর ও জরুরি বিভাগের সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে চিকিৎসক, নার্সসহ প্রায় ৫শত জনবল দায়িত্ব পালন করছেন। আগামী ২২ মার্চ রবিবারও বহির্বিভাগ খোলা থাকবে। </p>
<p>এদিকে পবিত্র ঈদ উল ফিতর ২০২৬-এর ঈদের জামাত ঈদের দিন সকাল ৮টায় বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে। </p>
<p>আনন্দ ভাগাভাগির বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসবের খুশির ঈদের দিনে রোগীদের জন্য উন্নতমানের খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। </p>
<p>আর পবিত্র ঈদুল ফিতর পরবর্তী ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হবে মঙ্গলবার ২৪ মার্চ সকাল ৮টা ৩০মিনিট থেকে সকাল ১০টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এবং ওই দিনই (২৪ মার্চ ২০২৬) প্রচলিত নিয়মে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসসমূহ খোলা থাকবে। </p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/পিএম/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্ট্রোক ইন্টারভেনশন প্রশিক্ষণের জন্য ইউনিভার্সিটি অব ডান্ডির স্বীকৃতি পেল বিএমইউ</title>
<link>https://digibanglatech.news/171018</link>
<guid>https://digibanglatech.news/171018</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69b93f15a87b4.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 17 Mar 2026 16:47:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>এন্ডোভাসকুলার স্ট্রোক ট্রিটমেন্ট (EVT) এবং ক্যারোটিড আর্টারি স্টেন্টিং (CAS) প্রতিষ্ঠার জন্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন ফর ইন্টারভেনশনাল স্ট্রোক ট্রিটমেন্ট (WIST)-এর যোগ্যতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) ।</p>
<p>ইউনিভার্সিটি অব ডান্ডির ইমেজ গাইডেড থেরাপি রিসার্চ ফ্যাসিলিটি (IGTRF)-এর পরিচালক অধ্যাপক আইরিস কিউ. গ্রুনওয়াল্ড ২০২৬ সালের ১৩ মার্চ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে পাঠানো এক ইমেইলে এ তথ্য জানান। এই স্বীকৃতি যৌথভাবে WIST এবং ইউনিভার্সিটি অব ডান্ডির IGTRF প্রদান করেছে।</p>
<p>এই স্বীকৃতি ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে অধ্যাপক আইরিস কিউ. গ্রুনওয়াল্ড এবং ডা. পল গাইলার কর্তৃক BMU-এর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের ক্যাথ ল্যাব পরিদর্শনের ভিত্তিতে প্রদান করা হয়েছে। ইউনিভার্সিটি অব ডান্ডি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে BMU-এর ৬ জন অংশগ্রহণকারীর জন্য ৯ দিনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে। পুরো স্বীকৃতি প্রক্রিয়াটি লন্ডনের কুইন মেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আমিন ইসলাম সমন্বয় করছেন।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/পিডি/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১৯ মার্চ ও ২২ মার্চও খোলা থাকবে বিএমইউ বহির্বিভাগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/170784</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170784</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69b6899b91041.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 15 Mar 2026 16:02:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পবিত্র ঈদ উল ফিতরের ছুটির মাঝে রোগীদের সুবিধার্থে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) এর বহির্বিভাগ আগামী ১৯ মার্চ বৃহস্পতিবার এবং ২২ মার্চ রবিবার খোলা থাকবে। ওই দুই দিন রোগীরা সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বহির্বিভাগ থেকে চিকিৎসক এর পরামর্শ সেবা নিতে পারবেন।</p>
<p>সেবা চালু রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে ইতিমধ্যে পরিচালক (হাসপাতাল) মহোদয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে।</p>
<p>১৫ মার্চ, রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, ১৯ মার্চ ও ২২ মার্চ ছাড়া ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত বহির্বিভাগ বন্ধ থাকবে। বন্ধের দিনগুলোতে হাসপাতালের ইনডোর ও জরুরি বিভাগ প্রচলিত নিয়মে খোলা থাকেবে। তবে ক্লাসসমূহ, অফিস, বৈকালিক স্পেশালাইজড কনসালটেশন সার্ভিস, সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের কনসালটেশন সার্ভিস, পিসিআর ল্যাব বন্ধ থাকবে।</p>
<p>ঈদের বন্ধ শেষে মঙ্গলবার ২৪ মার্চ প্রচলিত নিয়েমে খোলা থাকবে এবং পবিত্র ঈদ উল ফিতর পরবর্তী ঈদ পুনর্মিলনী ২০২৬ ওই দিনই সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। </p>
<p> <span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এসএআর/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কিডনী রোগ সচেতনতামূলক র‌্যালি, সেমিনার অনুষ্ঠিত </title>
<link>https://digibanglatech.news/170436</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170436</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69b25e7ccd939.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 12 Mar 2026 12:35:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>“সুস্থ কিডনি সকলের তরে, মানুষের যত্নে বাঁচাও ধরণীরে”  প্রতিপাদ্যে ১২ মার্চ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় বিএমইউ এর বি ব্লকের সামনের বটতলা থেকে বিশ্ব কিডনী দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কিডনী রোগ সচেতনতামূলক র‌্যালি বের হয়েছে। র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন অংশ প্রদক্ষিণ করে। র্যালির পর সেমিনারের মধ্য দিয়ে শেষ হয় বাংলাদেশ রেনাল এ্যাসোসিয়েশনের তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠান।</p>
<p>সকারে র‌্যালি উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ রেনাল এ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম। এতে বাংলাদেশ রেনাল এ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সচিব ডা. মোঃ ফরহাদ হাসান চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ ডা. মোঃ আব্দুল মুকীত, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মোঃ রেজাউল আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. শাহনেওয়াজ দেওয়ান, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মেজবাহ উদ্দিন নোমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>র‌্যালি শেষে শহীদ ডা. মিল্টন হলে অনুষ্ঠিত সেমিনারে কিডনী রোগ প্রতিরোধমূলক সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ ও স্ক্রিনিং সম্প্রসারণ, প্রাথমিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় কিডনী সেবাকে অন্তর্ভুক্ত ও শক্তিশালী করা, কিডনী প্রতিস্থাপন সম্পর্কে গণসচেতনতা বৃদ্ধি, মরণোত্তর কিডনী প্রতিস্থাপন সফল করার আহ্বান জানানো হয়।</p>
<p>বক্তারা আরো বলেন, বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ঘোষিত সার্বজনীন স্বাস্থ্য চিকিৎসা বাস্তবায়িত হলে কিডনী রোগ প্রতিরোধ, দ্রুত শনাক্তকরণ ও চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসবে। কারণ কিডনী রোগ দীর্ঘ দিন নীরবে বৃদ্ধি পায় এবং সময়মতো পরীক্ষা ও চিকিৎসা না পাওয়ায় এ রোগ জটিল আকার ধারণ করে।     </p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x_69b25e77cc561.jpg" alt=""></p>
<p>কিডনি দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত র‌্যালিপূর্বক সমাবেশে বক্তারা কিডনী রোগ প্রতিরোধের উপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, কিডনি রোগের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হলেও রোগ নির্ণয় ব্যয় নামমাত্র। তাই রোগ নির্ণয়ে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। একটি পরিবারে কিডনি চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল চিকিৎসা। এই ব্যায়ভার শুধু ব্যক্তি রোগীর উপর নয় অথবা রোগীর পরিবারের উপরও নয়, বরং এই চিকিৎসা সাপোর্ট দেওয়া সমগ্র জাতির জন্য, সরকারের জন্য একটি অত্যন্ত দূরহ কাজ। সুতরাং চিকিৎসক হিসেবে, আমাদের স্বাস্থ্য সেবার অভিভাবক হিসেবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে অবশ্যই কিডনি রোগে প্রতিকারের ব্যাপারে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। একটা আশার বিষয় হচ্ছে কিডনি রোগের চিকিৎসা যতটা ব্যয়বহুল কিডনি রোগ নির্ধারণ কিন্তু ততই সহজ একটি প্রক্রিয়া। শুধুমাত্র একটি প্রস্রাবের পরীক্ষার মাধ্যমে একজন কিডনি রোগী শনাক্ত করতে অনেকখানি সক্ষম। আমরা যদি প্রতিটি ইউনিয়ন সাব সেন্টার, উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্স, সদর হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ, ডায়াবেটিক কেয়ার সেন্টারগুলোতে এই তথ্য এবং আবেদিক পেলোতে এই তথ্য এবং এই প্রযুক্তিটাকে পৌঁছে দিতে পারি তাহলে কিডনী রোগ সনাক্ত অনেকটাই সহজসাধ্য হয়ে দাঁড়াবে। কিডনি রোগের প্রতিকারও সক্ষমতার ভেতরে চলে আসবে। এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে, “সুস্থ কিডনি সকলের তরে, মানুষের যতেœ বাঁচাও ধরণীরে।” </p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ রেনাল এ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, বলেন, নীরবঘাতক কিডনী রোগের প্রতিরোধে জনসচেতনা সৃষ্টির বিকল্প নাই। কিডনী রোগ প্রতিরোধে ভেজাল খাবার খাওয়া যাবে না। ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।</p>
<p><br>অন্য বক্তারা বলেন, ২০১৯ সালে প্রকাশিত ৮টি স্টাডির উপর একটি সিস্টেমিক রিভিউ এর মতে বাংলাদেশে কিডনি রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ২২.৪৮ শতাংশ। ১৭ কোটি মানুষের এই দেশে এই তথ্যকে সঠিক ধরে নিলে কিডনি রোগীর সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি ৮২ লক্ষ এবং দ্রুত হারে এ সংখ্যা বাড়ছে। এই রোগে প্রতি বছর ৩০ থেকে ৪০ হাজার রোগীর কিডনি বিকল হচ্ছে। নতুন রোগীদের প্রায় ৮০ শতাংশ রোগী প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অভাবে অথবা বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরণ করছে। বর্তমানে এই রোগে মৃত্যুর স্থান অষ্টম এবং ২০৪০ সাল নাগাদ কিডনি রোগ মৃত্যুর কারণ হিসেবে পঞ্চম স্থান দখল করবে, যা মানুষের সুস্থ জীবন ও জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। </p>
<p>এর আগে ৮ মার্চ বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় বিএমইউ এর বি ব্লকের সামনের বটতলায় বিশ্ব কিডনি দিবস ২০২৬ এর প্রাক্কালে কিডনি রোগ সচেতনতামূলক ভ্রাম্যমান ছাদখোলা গাড়ির শুভ উদ্বোধন করা হয়। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ শুরুতেই কিডনি রোগ চিহ্নিত না হলে রোগীর জন্য অনেক বড় ক্ষতি বলে মন্তব্য করেন। এছাড়া ১১ মার্চ শের-ই-বাংলা নগরস্থ ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ কিডনী ডিজিস এ্যান্ড ইউরোলজি এর অডিটোরিয়ামে কিডনী রোগ বিষয়ে জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমএনআই/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কিডনি রোগের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হলেও রোগ নির্ণয় ব্যয় নামমাত্র মূল্যে</title>
<link>https://digibanglatech.news/170389</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170389</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69b19c4b649ea.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 11 Mar 2026 16:46:17 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ রেনাল এ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে বিশ্ব কিডনী দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  ১১ মার্চ, বুধবার, শের-ই-বাংলা নগরস্থ ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ কিডনী ডিজিস এ্যান্ড ইউরোলজি এর অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ রেনাল এ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম।</p>
<p>আলোচনা সভায় ড্যাবের সম্মানিত মহাসচিব ডা. মোঃ জহিরুল ইসলাম শাকিল, নিটোরের সম্মানিত পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোঃ আব্দুল কেনান, ড্যাবের সম্মানিত কোষাধ্যক্ষ ডা. মোঃ মেহেদী হাসান, ড্যাবের সম্মানিত সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব ডা. একেএম খালেকুজ্জামান দিপু, বিশিষ্ট কিডনী রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. হারুন অর রশীদ, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মেজবাহ উদ্দিন নোমান, বাংলাদেশ রেনাল এ্যাসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ ডা. মোঃ আব্দুল মুকীত, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মোঃ রেজাউল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ রেনাল এ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. শাহনেওয়াজ দেওয়ান। </p>
<p>কিডনি দিবসকে সামনে রেখে আজকের অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কিডনি রোগের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হলেও রোগ নির্ণয় ব্যয় নামমাত্র। তাই রোগ নির্ণয়ে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। একটি পরিবারে কিডনি চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল চিকিৎসা। এই ব্যায়ভার শুধু ব্যক্তি রোগীর উপর নয় অথবা রোগীর পরিবারের উপরও নয়, বরং এই চিকিৎসা সাপোর্ট দেওয়া সমগ্র জাতির জন্য, সরকারের জন্য একটি অত্যন্ত দূরহ কাজ। সুতরাং চিকিৎসক হিসেবে, আমাদের স্বাস্থ্য সেবার অভিভাবক হিসেবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে অবশ্যই কিডনি রোগে প্রতিকারের ব্যাপারে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। একটা আশার বিষয় হচ্ছে কিডনি রোগের চিকিৎসা যতটা ব্যয়বহুল কিডনি রোগ নির্ধারণ কিন্তু ততই সহজ একটি প্রক্রিয়া। শুধুমাত্র একটি প্রস্রাবের পরীক্ষার মাধ্যমে একজন কিডনি রোগী শনাক্ত করতে অনেকখানি সক্ষম। আমরা যদি প্রতিটি ইউনিয়ন সাব সেন্টার, উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্স, সদর হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ, ডায়াবেটিক কেয়ার সেন্টারগুলোতে এই তথ্য এবং আবেদিক পেলোতে এই তথ্য এবং এই প্রযুক্তিটাকে পৌঁছে দিতে পারি তাহলে কিডনী রোগ সনাক্ত অনেকটাই সহজসাধ্য হয়ে দাঁড়াবে। কিডনি রোগের প্রতিকারও সক্ষমতার ভেতরে চলে আসবে। এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে, “সুস্থ কিডনি সকলের তরে, মানুষের যত্নে বাঁচাও ধরণীরে।” </p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ রেনাল এ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, বলেন, নীরবঘাতক কিডনী রোগের প্রতিরোধে জনসচেতনা সৃষ্টির বিকল্প নাই। কিডনী রোগ প্রতিরোধে ভেজাল খাবার খাওয়া যাবে না। ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।</p>
<p>তারা বলেন, ২০১৯ সালে প্রকাশিত ৮টি স্টাডির উপর একটি সিস্টেমিক রিভিউ এর মতে বাংলাদেশে কিডনি রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ২২.৪৮ শতাংশ। ১৭ কোটি মানুষের এই দেশে এই তথ্যকে সঠিক ধরে নিলে কিডনি রোগীর সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি ৮২ লক্ষ এবং দ্রুত হারে এ সংখ্যা বাড়ছে। এই রোগে প্রতি বছর ৩০ থেকে ৪০ হাজার রোগীর কিডনি বিকল হচ্ছে। নতুন রোগীদের প্রায় ৮০ শতাংশ রোগী প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অভাবে অথবা বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরণ করছে। বর্তমানে এই রোগে মৃত্যুর স্থান অষ্টম এবং ২০৪০ সাল নাগাদ কিডনি রোগ মৃত্যুর কারণ হিসেবে পঞ্চম স্থান দখল করবে, যা মানুষের সুস্থ জীবন ও জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। </p>
<p>উল্লেখ্য এর আগে ৮ মার্চ ২০২৬ইং তারিখে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় বিএমইউ (সাবেক পিজি হাসপাতাল) এর বি ব্লকের সম্মুখ প্রাঙ্গন বটতলায় বিশ্ব কিডনি দিবস ২০২৬ এর প্রাক্কালে কিডনি রোগ সচেতনতামূলক ভ্রাম্যমান ছাদখোলা গাড়ির শুভ উদ্বোধন করা হয়। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ শুরুতেই কিডনি রোগ চিহ্নিত না হলে রোগীর জন্য অনেক বড় ক্ষতি বলে মন্তব্য করেন। </p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমএনআই/এমইউএম </strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>শুরুতেই কিডনি রোগ চিহ্নিত না হলে অনেক বড় ক্ষতি: বক্তারা</title>
<link>https://digibanglatech.news/169994</link>
<guid>https://digibanglatech.news/169994</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;strong&gt;কিডনী রোগ সচেতনতামূলক ভ্রাম্যমান ছাদখোলা গাড়ির শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69ad3c94f0517.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 08 Mar 2026 13:08:51 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>শুরুতেই কিডনি রোগ চিহ্নিত না হলে রোগীর জন্য অনেক বড় ক্ষতি বলে মন্তব্য করেছন কিডনি বিশেষজ্ঞরা। ৮ মার্চ, রবিবার বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ-সাবেক পিজি হাসপাতাল) এর বি ব্লক প্রাঙ্গনের বটতলায় বিশ্ব কিডনি দিবস ২০২৬ এর প্রাক্কালে কিডনি রোগ সচেতনতামূলক ভ্রাম্যমান ছাদখোলা গাড়ির শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই সতর্ক বার্তা দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা।  </p>
<p>বক্তারা জানান, ২০১৯ সালে প্রকাশিত ৮টি স্টাডির উপর একটি সিস্টেমিক রিভিউ এর মতে বাংলাদেশে কিডনি রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ২২.৪৮ শতাংশ। ১৭ কোটি মানুষের এই দেশে এই তথ্যকে সঠিক ধরে নিলে কিডনি রোগীর সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি ৮২ লক্ষ এবং দ্রুত হারে এ সংখ্যা বাড়ছে। বিভিন্ন গবেষণা অনুযায়ী গত ১ দশকে কিডনি রোগীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এই মহামারিতে প্রতি বছর ৩০ থেকে ৪০ হাজার রোগীর কিডনি বিকল হচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার যে ক্ষমতা, সে অনুযায়ী এই নতুন রোগীদের ১৫ থেকে ২০ শতাংশ রোগীকে ট্রান্সপ্লান্ট, ডায়ালাইসিস এবং অন্যান্য চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হচ্ছে। তার মানে প্রায় ৮০ শতাংশ রোগী প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অভাবে অথবা বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরণ করছে। শুধু যে বাংলাদেশে এই  কিডনি রোগের সংখ্যা বাড়ছে তা নয়, সারা পৃথিবীব্যাপী বর্তমানে ৮৫ কোটির বেশি মানুষ কিডনি রোগে ভুগছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, দুই যুগ আগে মানুষের মৃত্যুর কারণ হিসেবে কিডনি রোগ ছিল ২৭তম স্থানে। বর্তমানে এটির স্থান অষ্টম এবং ২০৪০ সাল নাগাদ কিডনি রোগ মৃত্যুর কারণ হিসেবে পঞ্চম স্থান দখল করবে, যা মোটে কাম্য নয়।</p>
<p>কিডনি দিবসকে সামনে রেখে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ রেনাল এ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম। এসময় বাংলাদেশ রেনাল এ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম আহ্বায়ক ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মেজবাহ উদ্দিন নোমান, ডা. শাহনেওয়াজ দেওয়ান, সদস্য সচিব ডা. মোঃ ফরহাদ হাসান চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ ডা. মোঃ আব্দুল মুকীত, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মোঃ রেজাউল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>বাংলাদেশ রেনাল এ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, বলেন, কিডনি নীরবঘাতক। উপসর্গ দেখার আগেই কিডনির নিয়মিত পরীক্ষা করানো উচিত। কিডনী রোগের চিকিৎসা যেমন ডায়ালাইসিস, ট্রান্সপ্ল্যান্ট অনেক ব্যয়বহুল। একটি পরিবারে কিডনি চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল চিকিৎসা। তাই শুরুতেই কিডনী রোগ চিহ্নিত করা উচিত। কিডনি রোগ শুরুতে চিহ্নিত করা গেলে এ রোগ নিরাময়, নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। কিডনি রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। কিডনি রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনা সৃষ্টির বিকল্প নাই। সে কারণেই আজকে কিডনি রোগ সচেতনতামূলক ভ্রাম্যমান ছাদখোলা গাড়ির শুভ উদ্বোধন করা হলো। কিডনী রোগ প্রতিরোধে ভেজাল খাবার খাওয়া যাবে না। ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।</p>
<p>সদস্য সচিব ডা. মোঃ ফরহাদ হাসান চৌধুরী বলেন, গত এক দশকে কিডনি রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দিগুণ হয়েছে। কিডনি রোগের উপসর্গ নিয়ে যখন রোগী চিকিৎসকের কাছে যান তখন তার কিডনী তিন ভাগের এক ভাগ অকার্যকর হয়ে যায়। তখন রোগ নিরাময়, নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে। তাই বছরে একবার হলেও কিডনী রোগের পরীক্ষা করা উচিত। ইউরিন আর ই, ক্রিয়েটিনিন এর মতো সাধারণ পরীক্ষা ২ শত থেকে ৩ শত টাকা খরচ করলেই কিডনীতে সমস্যা আছে কিনা তা জানা যায়। জনগণকে এই বিষয়ে সচেতন হতে হবে।</p>
<p>অন্য বক্তারা বলেন, কিডনি মানব দেহের অতি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। আমাদের শরীরে বিপাকের মাধ্যমে যে ময়লা ও দূষিত পদার্থ তৈরি হয় তা কিডনির মাধ্যমে প্রস্রাবের সাহায্যে বের হয়ে যায়। কিডনিকে সুস্থ রাখা এবং কিডনি রোগীদের জন্য সাহায্য ও সমর্থনের আর্শীবাদ নিয়ে ২০০৬ সাল থেকে ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অফ নেফ্রলজি (আইএসএন) এবং ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন ফর কিডনি ফাউন্ডেশন (আইএফকেএফ) এর যৌথ উদ্যোগে সারা পৃথিবীব্যাপী মার্চ মাসের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার কিডনি দিবস পালিত হয়। এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে, “সুস্থ কিডনি সকলের তরে, মানুষের যত্নে বাঁচাও ধরণীরে।” </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমএনআই/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মেডিকেল কেয়ার ক্যাটাগরিতে ‘গ্লোবাল স্টার ওমেন লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন ডা. হাসনা হোসেন আখী</title>
<link>https://digibanglatech.news/170060</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170060</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69adae8d60863.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 07 Mar 2026 23:15:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>নারী স্বাস্থ্য রক্ষা এবং বিশেষত পিসিওএস (PCOS) ও বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ডা. হাসনা হোসেন আখী-কে মর্যাদাপূর্ণ ‘গ্লোবাল স্টার ওমেন লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ প্রদান করা হয়েছে। <br><br>আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে গ্লোবাল স্টার কমিউনিকেশনের আয়োজনে মেডিকেল কেয়ার ক্যাটাগরিতে বিশেষ অবদানের জন্য ডা. হাসনা হোসেন আখীর হাতে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। ৭</div>
<div></div>
<div> মার্চ, শনিবার রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।<br><br>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম। সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গ্লোবাল স্টার কমিউনিকেশনের উপদেষ্টা ড. হামিদা খানম।<br><br>ডা. হাসনা হোসেন আখী দীর্ঘদিন ধরে নারীদের জটিল স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে বন্ধ্যাত্ব (Infertility) ও পিসিওএস সমস্যায় আক্রান্ত অসংখ্য দম্পতির জীবনে তিনি আশার আলো হয়ে উঠেছেন। কেবল চিকিৎসাগত দক্ষতাই নয়, বরং রোগীদের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা, ধৈর্য এবং সহমর্মিতা তাঁকে একজন মানবিক চিকিৎসক হিসেবে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।<br><br>তিনি ‘পিসিওএস সাপোর্ট ফোরাম’-এর প্রতিষ্ঠাতা, যেখানে বর্তমানে প্রায় ৫৫ হাজার সদস্য যুক্ত রয়েছেন। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তিনি নারীদের বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যায় সঠিক পরামর্শ, সচেতনতা এবং মানসিক সাহস জুগিয়ে নিরলস সেবা প্রদান করে যাচ্ছেন।<br><br>পুরস্কার গ্রহণের পর ডা. হাসনা হোসেন আখী বলেন, “এই স্বীকৃতি আমার দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিল। আমি সবসময় চেয়েছি নারীরা যেন বিশেষ স্বাস্থ্য সমস্যাগুলোতে সচেতন হয় এবং সঠিক চিকিৎসা পায়। এই সম্মাননা আমাকে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে সেবা দেওয়ার প্রেরণা জোগাবে।”</div>
<div><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/জিআর/এমইউএম</strong></span></em></div>
<div></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশে জনসংখ্যার ১১.৪ শতাংশ থ্যালাসেমিয়ার বাহক: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী</title>
<link>https://digibanglatech.news/169938</link>
<guid>https://digibanglatech.news/169938</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69ac6e7298ed1.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 07 Mar 2026 19:29:19 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull">দেশের মোট জনসংখ্যার ১১ দশমিক চার শতাংশ বা দুই কোটিরও বেশি মানুষ থ্যালাসেমিয়ার বাহক বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন। তিনি বলেছেন, “থ্যালাসেমিয়ার চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এ রোগে আক্রান্তদের মধ্যে ৯০ শতাংশই চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে সক্ষম নন। আমরা যদি পূর্বে থেকেই সতর্কতা অবলম্বন করতে পারি তাহলে থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশেই কমাতে পারি।”</p>
<p class="alignfull">৭ মার্চ, শনিবার ঢাকার গ্রীন রোডের তাহের ভবনে বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির (বিটিএস) প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। </p>
<div class="bT_inner_A1_C1 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">
<div id="BT_inner_A1_C1"></div>
</div>
</div>
<p class="alignfull">ফারজানা শারমীন বলেন, “বংশগত রোগ থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণে সর্বস্তরের জনসাধারণের মাঝে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি।” বিটিএস সমিতির কর্ণধারদের উদ্দেশে করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এ রোগ নিয়ন্ত্রণে কী ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ, নীতিগত উদ্যোগ ও চিকিৎসা সহায়তা প্রয়োজন সে সংক্রান্ত ডকুমেন্টস প্রস্তুত করে আপনারা সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। বাংলাদেশে আর কোনও শিশু যেন থ্যালাসেমিয়া রোগ নিয়ে জন্মগ্রহণ না করে তার জন্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় পদক্ষেপ নেবে।”</p>
<div class="BT_inner_A1_C2 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">
<div id="BT_inner_A1_C2"></div>
</div>
</div>
<p class="alignfull">তিনি আরও বলেন, “আমাদের সমাজে যারা থ্যালাসেমিয়া যোদ্ধা রয়েছে তাদের প্রতি যদি আমরা সঠিকভাবে যত্নবান হতে পারি, তাহলে তারা আমাদের সমাজের জন্য সম্পদ হয়ে গড়ে উঠতে পারে। এ জন্য কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। থ্যালাসেমিয়া যোদ্ধাদের জন্য আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি মানসিক সহায়তাও তাদের সঠিকভাবে বেঁচে থাকার জন্য জরুরি।”</p>
<p class="alignfull">মূল অনুষ্ঠানের শুরুতে দু’জন থ্যালাসেমিয়া যোদ্ধা নওশীন তানজীম এবং লুবাবা তাসনীম তাদের জীবনযুদ্ধের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এছাড়া অনুভূতি ব্যক্ত করেন দু’জন থ্যালাসেমিয়া যোদ্ধার অভিভাবক। তারা থ্যালাসেমিয়ার জন্য হিমোগ্লোবিন ইলেক্ট্রোফোরেসিস টেস্ট বিনামূল্যে করার প্রস্তাব করেন এবং একটি বিশেষায়িত থ্যালাসেমিয়া হাসপাতাল প্রতিষ্ঠাসহ থ্যালাসেমিয়া রোগ সম্পর্কে গণসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সরকারিভাবে উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান।</p>
<p class="alignfull"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ইএইচএম/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘ই&#45;হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর</title>
<link>https://digibanglatech.news/169629</link>
<guid>https://digibanglatech.news/169629</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69a875e245330.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 04 Mar 2026 15:44:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>জনগণের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ৪ মার্চ, বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে স্বাস্থ্য মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন তিনি।</p>
<p>বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী ই-হেলথ কার্ড চালুর কাজ শুরু করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে যথাযথ নির্দেশনা দিয়েছেন। সরকারের নীতি হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে হবে। এই ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে আরও সক্রিয় হওয়ার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।</p>
<div class="d-flex justify-content-center d-print-none mb-2 dynamic-inner-ad" id="dynamic-ad8_316034"></div>
<p>এদিন বৈঠকে সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার পরিত্যক্ত ভবনগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে এনে স্বাস্থ্যকেন্দ্র করার বিষয়ে আলোচনা হয়। এ বিষয়ে অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, শুধুমাত্র এলজিইডি’র পরিত্যক্ত ভবন বা বিল্ডিং রয়েছে ১৭০টি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সরকারি ও তার অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার এরকম পরিত্যক্ত ভবন বা বিল্ডিং যেগুলো রয়েছে, সেগুলো ক্লিনিক ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এই ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।</p>
<p>দুর্গম এলাকায় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসকদের যাওয়ার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীতাগাদা দিয়েছেন বলে অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানিয়েছেন।</p>
<div class="in-content-card">
<div class="row">
<div class="col-lg-8 m-auto">
<p>সভায় দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়। এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে প্রতিবছর ৩৪ লাখ নবজাতক জন্মগ্রহণ করে। এ নিয়ে বৈঠকে আলোচনার বিষয়ে অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, প্রতিবছর নবজাতক জন্মের যে পরিসংখ্যান দেয়া হয়, বৈঠকে সেটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে মন্ত্রণালয়কে তৎপর হতে বলা হয়েছে।</p>
<p>এছাড়াও বৈঠকে বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী (৮০ শতাংশ নারী এবং ২০ শতাংশ পুরুষ) নিয়োগ ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শূন্য পদে চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয়েও আলোচনা হয়। সেই সঙ্গে দুর্গম এলাকার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকরা যেন ঠিকমতো যাতায়াত করেন সেজন্য প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে তাগাদা দিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।</p>
<p>এদিন বৈঠকে অন্যদের মধ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিতসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/এমইউএম</strong></span></em></p>
<p></p>
<div class="in-content-card">
<div class="row">
<div class="col-lg-8 m-auto"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সাইদুল ইসলাম খোকন সভাপতি, মোঃ সোহরাব হোসেন সাধারণ সম্পাদক</title>
<link>https://digibanglatech.news/169556</link>
<guid>https://digibanglatech.news/169556</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69a7e21d39170.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 04 Mar 2026 11:42:08 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) এর ২৫ সদস্য বিশিষ্ট মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট এ্যাসোসিয়েশন গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটির সভাপতি হলেন চীফ মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট এ কে এম সাইদুল ইসলাম (খোকন) ও সাধারণ সম্পাদক হলেন সিনিয়র মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট মোঃ সোহরাব হোসেন।</p>
<p>বিএমইউর প্রক্টর ডা. শেখ ফরহাদের  ৩ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানা যায়। </p>
<p>নবগঠিত কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি হলেন মোঃ সফিকুর রহমান (সুমন)। সহ-সভাপতি হলেন মোঃ মতিউর রহমান, মোঃ রফিকুল ইসলাম। সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন মোঃ আব্দুল মোমিন সরকার। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন মোঃ সাইফুল্লাহ খালেদ, মোঃ নেছার উদ্দিন।</p>
<p>এছাড়াও সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন মোঃ ওবায়দুর রহমান (নীরব)। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন মোঃ শাহ আলম। অর্থ সম্পাদক হলেন মোঃ লোকমান হাকিম (হিমেল)। সহ-অর্থ সম্পাদক হলেন মোঃ আরিফুর রহমান। দপ্তর সম্পাদক মোঃ আব্দুস সালাম, সহ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ মারুফ ভূঁইয়া। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হলেন মোঃ এম এম সুমন। ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হলেন মোঃ জাহিদুল ইসলাম। শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন।</p>
<p>সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোঃ মাসুদ মিয়া, সহ-সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোঃ ইব্রাহীম খলিল সুমন। মহিলা বিষয়ক সম্পাদক তাহমিনা তাহের (তানিয়া), সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মোছাঃ জান্নাতুল ফেরদৌস। কার্যনির্বাহী সদস্য হলেন মোছাঃ আফরোজা খাতুন, মোঃ আব্দুল হাই, মোঃ আরিফুল ইসলাম ও মোঃ নজরুল ইসলাম। </p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/পিকে/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঢাকার আইসিইউতে ওষুধ প্রতিরোধী ‘সুপারবাগ’</title>
<link>https://digibanglatech.news/169517</link>
<guid>https://digibanglatech.news/169517</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69a7859937f50.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 04 Mar 2026 00:00:54 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ওষুধ প্রতিরোধী ছত্রাক ‘ক্যানডিডা অরিস’ ছড়িয়ে পড়ার তথ্য দিয়ে আইসিডিডিআর’বি বলছে, এ ‘সুপারবাগ’ শুধু নবজাতকের আইসিইউতে সীমাবদ্ধ নেই; প্রাপ্তবয়স্ক গুরুতর রোগীদের মধ্যেও সংক্রমণ ঘটাচ্ছে। </p>
<p>ঢাকার একটি সরকারি ও একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে পরিচালিত গবেষণায় পাওয়া ফলের ভিত্তিতে ৩ মার্চ, মঙ্গলবার এসব তথ্য দেয় আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্রের (আইসিডিডিআরবি)।</p>
<p>আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক সাময়িকী মাইক্রোবায়োলজি স্পেকট্রাম এ গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। </p>
<p>হজে নিরাময়যোগ্য নয় এমন ওষুধ প্রতিরোধী ছত্রাক ‘ক্যানডিডা অরিস’ গবেষকদের ভাষায় ‘সুপারবাগ’ হিসেবে পরিচিত। </p>
<p>প্রতিবেদনের ফলাফল থেকে জানা যায়, এই তথাকথিত ‘সুপারবাগ’ এতদিন শুধু নবজাতকের আইসিইউতেই (এনআইসিইউ) দেখা যেত। কিন্তু এখন গুরুতর অসুস্থ প্রাপ্তবয়ষ্ক রোগীদের মধ্যেও এটি সংক্রমণ ঘটাচ্ছে। এতে হাসপাতালে সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকি আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আগের গবেষণায় এনআইসিইউতে এ ছত্রাকের বিস্তার দেখা গেলেও, নতুন গবেষণায় দেখা যাচ্ছে এ সমস্যা আরও বিস্তৃত এবং অন্যান্য আইসিইউতেও এ ছত্রাক প্রভাব বিস্তার করছে।</p>
<div class="col-md-9 col-lg-9">
<div class="row">
<div class="col-md-9 col-lg-9">
<div class="desktopDetailBody innerAdDiv">
<p>চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে, ‘ক্যানডিডা অরিস’ কোনো উপসর্গ ছাড়াই ত্বকে অবস্থান (কলোনাইজেশন) করতে পারে। তবে কিছু ক্ষেত্রে এটি রক্তে প্রবেশ করে মারাত্মক সংক্রমণ ঘটায়। গুরুতর অসুস্থ রোগী এবং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল তাদের ক্ষেত্রে এ ছত্রাক বেশি ক্ষতিকর। এছাড়া, প্রায় সব ধরনের সি. অরিস সাধারণত ব্যবহৃত অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী হওয়ায় এর চিকিৎসা বেশ কঠিন। এসব কারণে বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যসেবা কর্তৃপক্ষ ক্যানডিডা অরিসকে গুরুতর স্বাস্থ্যগত হুমকি হিসাবে বিবেচনা করছে।</p>
<p>আইসিডিডিআরবি সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মাইক্রোবায়োলজি স্পেক্ট্রাম জার্নালে প্রকাশিত এ গবেষণা ঢাকার একটি সরকারি এবং একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে পরিচালিত হয়েছে। সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)-এর সহযোগিতায় এতে কারিগরি সহায়তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি)। ২০২১ সালের আগস্ট থেকে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৩৭২ জন আইসিইউ রোগীকে এই গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।</p>
<p>প্রতিবেদনে বলা হয় রোগীদের আইসিইউতে ভর্তির পরপরই এবং পরবর্তীতে সেখানে তাদের অবস্থানকালীন সময়ে তাদের ত্বকে ‘ক্যানডিডা অরিস’ রয়েছে কিনা বা রক্তে সংক্রমণ হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করা হয়। ত্বক ও রক্তের নমুনা পরীক্ষাগারে বিশ্লেষণ করা হয় এবং সন্দেহজনক নমুনাগুলো ভিটেক-২ পদ্ধতিতে নিশ্চিত করা হয়।</p>
<p>গবেষণায় দেখা গেছে, আইসিইউতে থাকার কোনো একপর্যায়ে প্রায় ৭ শতাংশ রোগীর শরীরে সি. অরিস পাওয়া গেছে। লক্ষণীয় বিষয় হলো, এই রোগীদের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি আইসিইউতে থাকার সময়ই ছত্রাকে সংক্রমিত হয়েছেন, যা থেকে বোঝা যায় যে এই সংক্রমণ মূলত হাসপাতাল থেকেই ছড়িয়ে পড়ছে।</p>
<p>আরও দেখা যায়, সরকারি হাসপাতালে এই হার বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় বেশি। সরকারি হাসপাতালে প্রায় ১৩ শতাংশ রোগী আইসিইউতে থাকার সময় সি. অরিসে আক্রান্ত হয়েছেন, যেখানে বেসরকারি হাসপাতালে এই হার ছিল প্রায় ৪ শতাংশ। এর মাধ্যমে এই দুটি হাসপাতালে সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার পার্থক্যের বিষয়টিও উঠে এসেছে। আন্তর্জাতিক গবেষণার সঙ্গে তুলনা করলে, ঢাকার আইসিইউগুলোতে পাওয়া এই হার তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। কানাডা ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো উচ্চ-আয়ের দেশগুলোতে পরিচালিত গবেষণায় সাধারণত শূন্য দশমিক ৫ শতাংশেরও কম হারে এই ছত্রাকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।</p>
<p>যেসব রোগীর শরীরে সি. অরিস পাওয়া গেছে, তারা গুরুতর অসুস্থ ছিলেন, আইসিইউতে দীর্ঘদিন অবস্থান করেছেন এবং তাদের জন্য মেকানিক্যাল ভেন্টিলেশন বা সেন্ট্রাল ও ইউরিনারি ক্যাথেটারের মতো ইনভেসিভ চিকিৎসাপদ্ধতির প্রয়োজন হয়েছে। এসব পদ্ধতি অনেক সময় জীবনরক্ষাকারী হলেও, যথাযথ পরিচ্ছন্নতা ও জীবাণুনাশের ব্যবস্থা না থাকলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।</p>
<p>ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় দেখা গেছে, সব সি. অরিস জীবাণু ফ্লুকোনাজলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী এবং একটি বাদে প্রায় সব জীবাণুই ভরিকোনাজলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী, অর্থাৎ জীবাণু ধ্বংসে কাজ করছে না। এগুলো সাধারণত প্রথম ও দ্বিতীয় সারির অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়। আবার কিছু জীবাণু একাধিক ওষুধের বিরুদ্ধে অকার্যকর ছিল। এতে এসব সংক্রমণের চিকিৎসা ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ে। এ বিষয়টি অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ ব্যবহারে উন্নত দিকনির্দেশনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে।</p>
<p>আইসিডিডিআরবির ইনফেকশাস ডিজিজেস ডিভিশনের এএমআর রিসার্চ ইউনিটের প্রধান এবং এ গবেষণার প্রধান গবেষক ড. ফাহমিদা চৌধুরী বলেন, ‘এই গবেষণা স্পষ্টভাবে দেখাচ্ছে যে ক্যানডিডা অরিস শুধু গুরুতর অসুস্থ নবজাতকদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি সব ধরনের আইসিইউ পরিবেশের জন্যই একটি বড় হুমকি। আমরা হাসপাতালের ভেতরেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার সুস্পষ্ট প্রমাণ পেয়েছি এবং সচরাচর ব্যবহৃত অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধের বিরুদ্ধে উচ্চমাত্রার প্রতিরোধ দেখতে পাচ্ছি। তাই সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করা, নজরদারি উন্নত করা এবং চিকিৎসা আরও সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনা করা এখন অত্যন্ত জরুরি।’</p>
<p>নির্বাচিত কিছু নমুনার জিনগত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আইসিইউগুলোতে পাওয়া সি. অরিস মূলত দক্ষিণ এশীয় ধরনভুক্ত। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, এই ছত্রাক এখন এ অঞ্চলে স্থায়ীভাবে অবস্থান করছে। এটি বাইরের দেশ থেকে আসা কোনো বিচ্ছিন্ন সমস্যা নয়।</p>
<p>গবেষকরা হাসপাতালের বিভিন্ন স্থান নিয়মিত ও যথাযথভাবে ক্লোরিনভিত্তিক কার্যকর জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করা, স্বাস্থ্যকর্মীদের সঠিকভাবে হাত ধোয়ার অভ্যাস নিশ্চিত করা এবং উচ্চঝুঁকিপূর্ণ ইউনিটগুলোতে নিয়মিত স্ক্রিনিং চালুর সুপারিশ করেছেন, যাতে সংক্রমিত বা জীবাণু বহনকারী রোগীদের দ্রুত শনাক্ত করা যায়। পাশাপাশি, অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধের সংযত ও যুক্তিসঙ্গত ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপরও তারা গুরুত্ব দিয়েছেন, যাতে কার্যকর চিকিৎসার সীমিত বিকল্পগুলো দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়। গবেষকরা আরও উল্লেখ করেছেন, ঢাকা শহর ও সারা দেশে সমস্যাটির বিস্তৃতি ভালোভাবে বোঝার জন্য আরও বেশি হাসপাতালে বড় পরিসরের গবেষণা প্রয়োজন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এনএ/ইকে</strong></span></em></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="DContentAdd ignore-print">
<div class="sq-add d-flex justify-content-center">
<div id="div-gpt-ad-9827360-1" data-google-query-id="CPHd6aiFhZMDFZ2Z2AUdjmoM5g"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ওয়েবসাইটে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/169261</link>
<guid>https://digibanglatech.news/169261</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69a47e38904da.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 01 Mar 2026 20:58:40 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কোর্সসমূহে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।  ১ মার্চ, রবিবার রাতে এ ফল প্রকাশ করা হয়। <span style="color: rgb(186, 55, 42);"><strong><a href="https://digibanglatech.news/admin/bnmc.teletalk.com.bd" target="_blank" rel="noopener" style="color: rgb(186, 55, 42);">এই ওয়েবসাইটের</a></strong></span> মাধ্যমে এ ফলাফল দেখা যাবে।</p>
<p>নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের অধীন ৪ বছর মেয়াদি বিএসসি ইন নার্সিং, ৩ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারি এবং ৩ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি কোর্সের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>এই পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সরকারি নার্সিং ও মিডওয়াইফারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে (কোড অনুযায়ী) ভর্তির জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হলো। অবশিষ্ট উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মেধাক্রম ও কোটার ভিত্তিতে অপেক্ষমাণ তালিকা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।</p>
<p>বিস্তারিত ফলাফল bnmc.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। এ ছাড়া ভর্তির তারিখ ও বিস্তারিত নির্দেশনা পরবর্তীতে www.bnmc.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এফএ/ইকে</strong></span></em></p>
<div id="div-gpt-ad-1767257330649-0" data-google-query-id="CJ3FvLyi_5IDFRtGnQkdxaIdDQ"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্বাস্থ্য ক্যাডারে ফার্মাসিস্ট অন্তর্ভুক্তি&#45;নিয়োগসহ ৬ দাবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/168911</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168911</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69a05138ef9bf.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 26 Feb 2026 17:57:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="flex flex-col text-sm pb-25">
<article class="text-token-text-primary w-full focus:outline-none [--shadow-height:45px] has-data-writing-block:pointer-events-none has-data-writing-block:-mt-(--shadow-height) has-data-writing-block:pt-(--shadow-height) [&amp;:has([data-writing-block])&gt;*]:pointer-events-auto scroll-mt-[calc(var(--header-height)+min(200px,max(70px,20svh)))]" dir="auto" data-turn-id="request-WEB:1e0c4ad0-35ce-4484-a3aa-6eebdba2eaed-2" data-testid="conversation-turn-6" data-scroll-anchor="true" data-turn="assistant" tabindex="-1">
<div class="text-base my-auto mx-auto pb-10 [--thread-content-margin:--spacing(4)] @w-sm/main:[--thread-content-margin:--spacing(6)] @w-lg/main:[--thread-content-margin:--spacing(16)] px-(--thread-content-margin)">
<div class="[--thread-content-max-width:40rem] @w-lg/main:[--thread-content-max-width:48rem] mx-auto max-w-(--thread-content-max-width) flex-1 group/turn-messages focus-visible:outline-hidden relative flex w-full min-w-0 flex-col agent-turn" tabindex="-1">
<div class="flex max-w-full flex-col grow">
<div data-message-author-role="assistant" data-message-id="11ba9409-d63f-4f47-a398-97d029d625ed" dir="auto" data-message-model-slug="gpt-5-2" class="min-h-8 text-message relative flex w-full flex-col items-end gap-2 text-start break-words whitespace-normal [.text-message+&amp;]:mt-1">
<div class="flex w-full flex-col gap-1 empty:hidden first:pt-[1px]">
<div class="markdown prose dark:prose-invert w-full wrap-break-word dark markdown-new-styling">
<p data-start="0" data-end="368">এন্টিবায়োটিকসহ সব ধরনের ওষুধের যৌক্তিক ও নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যখাতে ফার্মাসিস্টদের অন্তর্ভুক্তি ও পেশাগত মানোন্নয়নের দাবিতে ৬ দফা প্রস্তাব উত্থাপন করেছে <span>বাংলাদেশ ফার্মাসিস্ট ফোরাম (বিপিএফ)</span>। বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী <span>সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনে </span>এর সঙ্গে বৈঠকে সংগঠনের নেতারা এ দাবিগুলো তুলে ধরেন।</p>
<p data-start="370" data-end="593">বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি<span> মো. আজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মেহেদী হাসান তানভীর, সিনিয়র সহসভাপতি এস এম আনোয়ার মাজিদ তারেক, প্রচার সম্পাদক মো. মমিনুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতা</span>রা।</p>
<p data-start="595" data-end="1216">সংগঠনটির দাবির মধ্যে রয়েছে—সকল সরকারি হাসপাতালে হসপিটাল ও ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি সেবা চালু করে গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্ট নিয়োগ, বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে ফার্মাসিস্ট অন্তর্ভুক্তি, স্বতন্ত্র ফার্মেসি পরিদপ্তর গঠন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ফার্ম ডি প্রোগ্রাম চালু ও বি ফার্ম থেকে পর্যায়ক্রমে রূপান্তর, সরকারি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ‘ফার্মাসিস্ট’ ও ‘ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট’ পদবির সুনির্দিষ্ট ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">Directorate General of Drug Administration</span></span> (ডিজিডিএ)-এর ড্রাগ সুপার পদে শুধুমাত্র গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্ট নিয়োগের পাশাপাশি <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">Pharmacy Council of Bangladesh</span></span>-এর নিবন্ধনবিহীন ব্যক্তিদের অবৈধ ফার্মেসি প্র্যাক্টিস বন্ধ করা।</p>
<p data-start="1218" data-end="1778">সভাপতি মো. আজিবুর রহমান বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী প্রতি ১০ হাজার জনগোষ্ঠীর জন্য অন্তত একজন ফার্মাসিস্ট প্রয়োজন এবং উন্নত বিশ্বে প্রতি ২০ শয্যার বিপরীতে একজন ফার্মাসিস্ট নিয়োগ স্বীকৃত মানদণ্ড। অথচ দেশের অধিকাংশ সরকারি হাসপাতালে গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্টের কোনো পদ নেই, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগজনক। তিনি জানান, দেশে বর্তমানে প্রায় ২৫ হাজার নিবন্ধিত গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্ট এবং শিক্ষারতসহ প্রায় ৩৫ হাজার ফার্মাসিস্ট রয়েছেন, যারা ওষুধ শিল্প, গবেষণা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় ভূমিকা রাখলেও জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় তাদের যথাযথ অন্তর্ভুক্তি হয়নি।</p>
<p data-start="1780" data-end="1956" data-is-last-node="" data-is-only-node="">সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মেহেদী হাসান তানভীর বলেন, অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স, ড্রাগ ইন্টারঅ্যাকশন ও চিকিৎসাজনিত ঝুঁকি কমাতে হাসপাতালভিত্তিক ফার্মাসিস্ট নিয়োগ এখন সময়ের দাবি।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="z-0 flex min-h-[46px] justify-start"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এনএ/ইকে</strong></span></em></div>
<div class="mt-3 w-full empty:hidden">
<div class="text-center"></div>
</div>
</div>
</div>
</article>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঢামেক আইডিএসের নতুন সভাপতি ডা. ফয়সাল, সম্পাদক ডা. নাবিল</title>
<link>https://digibanglatech.news/168602</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168602</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_699d37650eb3e.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 24 Feb 2026 00:30:42 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটির (আইডিএস) নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ডা. মোস্তফা আমীর ফয়সাল, আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ডা. নাবিল বিন কাশেম।</span></p>
<p>সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও ছয় সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে সহ-সভাপতি পদে ডা. আব্দুল্লাহ আল মারুফ, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে ডা. আশরাফ সিদ্দিকী, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ডা. সৈকত আহমেদ ও অর্থ সম্পাদক পদে ডা. এ মতিন নির্বাচিত হয়েছেন।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x_699d37e6bca29.jpg" alt=""></p>
<p><span>২২ ফেব্রুয়ারি, রবিবার ইন্টার্ন চিকিৎসকদের প্রত্যক্ষ ভোটে তারা নির্বাচিত হন। নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তীতে আলোচনার মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করবেন নতুন কমিটির নির্বাচিত নেতৃবৃন্দ।</span></p>
<p><span>নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, ২৩২ জন ইন্টার্ন চিকিৎসকের মধ্যে ১৬৯ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। সে হিসাবে এই নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৭২.৮ ভাগ।</span></p>
<p><span>প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা প্রথমবারের মতো প্রত্যক্ষ ভোটে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করেন। এর মধ্য দিয়ে ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটি (আইডিএস) নামে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটির ইন্টার্ন চিকিৎসকদের নতুন সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়।</span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমভিও/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কর্মকর্তাদের সঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী&#45;প্রতিমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়</title>
<link>https://digibanglatech.news/167994</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167994</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69960200de416.jpg" length="79250" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 18 Feb 2026 15:16:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<article>
<p>নতুন সরকারের প্রথম কার্যদিবসেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত। মুহিত একইসঙ্গে ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রীও। </p>
<p>১৮ ফেব্রুয়ারি, বুধবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে সচিবালয়ের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ভবনে প্রবেশ করেন তারা।</p>
<p>স্বাস্থ্য মন্ত্রী তার কক্ষে বসে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর মন্ত্রী স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ঘুরে দেখেন।<span>এ সময় স্বাস্থ্য সচিব সাইদুর রহমানসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</span></p>
<p>স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে নতুন স্বাস্থ্য মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএম/ইকে</strong></span></em></p>
</article>
<div ad-position="desktop-details-section-5" class="ads mb-2 d-flex justify-content-center ad-728x90" ad-id="69">
<div class="desktop-ads">
<div>
<div id="gpt-ad-desktop-details-section-5-69-0" data-google-query-id="CNPihdfS45IDFVPfoAIdE4IGbA"></div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের শেয়ারে লক&#45;ইন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত</title>
<link>https://digibanglatech.news/167893</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167893</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69950acb8d44c.jpg" length="138348" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 17 Feb 2026 18:42:37 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p> পুঁজিবাজারে তালিকাভূত্ত ঔষধ শিল্প খাতের প্রতিষ্ঠান এশিয়া‌টিক ল্যাবরেটরি‌জ লিমিটেডের উদ্যোক্তা, পরিচালক ও প্লেসমেন্ট শেয়ারহোল্ডাদের (প্রসপেক্টাসে উল্লেখিত ১৮৩ জন/প্রতিষ্ঠান) কাছে থাকা শেয়ারের ‘লক-ইন’ এর বিষয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলন করা অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার করতে না পারায় এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>১৭ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার বিএসইসি’র চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিদর্শন প্রতিবেদনের সুপারিশ, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি।</p>
<p>নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিদ্যমান লক-ইন অবমুক্তির তারিখ থেকে পরবর্তী ৩ বছর বা প্রস্তাবিত ৩২ তলাবিশিষ্ট বিল্ডিংয়ের নির্মাণকাজের সমাপ্তি ও বাণিজ্যিক ব্যবহার চালু করার (রাজউকের অকুপেন্সি সার্টিফিকেটসহ) মধ্যে যেটি পরে সম্পন্ন হবে ততদিন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির কোনো শেয়ার বিক্রি করা যাবে না। </p>
<p> বিএসইসি জানিয়েছে, ২০২২ সালের ৩১ আগস্ট অনুষ্ঠিত ৮৩৭তম কমিশন সভায় এশিয়া‌টিক ল্যাবরেটরি‌জ লিমিটেডের ৯৫ কোটি টাকা প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের মাধ্যমে উত্তোলন করার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।</p>
<p>এই আইপিও’র মাধ্যমে ৯৫ কোটি টাকা পুঁজি উত্তোলন করে কোম্পানিটি ব্যবসায় সম্প্রসারণ (যন্ত্রপাতি ক্রয় ও ইনস্টলেশন), ফ্যাক্টরি ভবন নির্মাণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং ইস্যু ব্যবস্থাপনা খরচ খাতে ব্যয় করবে মর্মে কোম্পানিটির প্রসপেক্টাসে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু কোম্পানিটি এখন পর্যন্ত আইপিও’র মাধ্যমে উত্তোলন করা অর্থ বা আইপিও ফান্ডের ব্যবহার সম্পন্ন করতে পারেনি বলে জানিয়েছে বিএসইসি।</p>
<p>নিয়ন্ত্রক সংস্থা থেকে জানানো হয়েছে, আইপিও ফান্ডের ব্যবহার সম্পন্ন না করেই প্রকল্প মূল্যায়ন, সম্ভাব্যতা যাচাই ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন (রাজউক কর্তৃক বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদন, পরিবেশগত ছাড়পত্র ইত্যাদি) ব্যতিরেকে এবং পূর্বঅভিজ্ঞতা ও দক্ষতা ছাড়াই কোম্পানিটি ২০১৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর ৩২ তলাবিশিষ্ট বিল্ডিং নির্মাণের উচ্চাভিলাসী পরিকল্পনা সম্পর্কিত প্রাইস সেনসিটিভ ইনফরমেশন প্রকাশ করে।</p>
<p>৩২ তলাবিশিষ্ট বিল্ডিং নির্মাণ তথা রিয়েল এস্টেট/হোটেল ব্যবসায় যুক্ত হওয়ার বিষয়টিও কোম্পানিটির সংঘস্মারকের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ না। এ বিষয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে পরিদর্শন পরিচালিত হয় এবং ওই পরিদর্শন প্রতিবেদনেও উপরোল্লিখিত অসংগতি উদঘাটিত হয় বলে জানিয়েছে বিএসইসি।</p>
<p>এদিকে ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ ও তথ্যপ্রকাশকারীর সুরক্ষা প্রদান) বিধিমালা, ২০২৬’ এর খসড়া কমিশন সভায় অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অনুমোদিত খসড়াটি জনমত যাচাইয়ের জন্য জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় ও কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশের সিদ্ধান্ত হয়েছে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএমইএইচ/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশে প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে নিপাহর মতো আরেক ভাইরাস</title>
<link>https://digibanglatech.news/166666</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166666</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_698714c4a4e43.jpg" length="117392" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 07 Feb 2026 12:32:48 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৩ সালের মার্চের মধ্যে জ্বর, বমি, মাথাব্যথা, ক্লান্তি, অতিরিক্ত লালা নিঃসরণ এবং স্নায়ুবিক (নিউরোলজিক) সমস্যা নিয়ে পাঁচজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন।  তাদের এই অসুস্থতাকে প্রাথমিকভাবে নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বলে ধারণা করা হয়েছিল। তবে বিজ্ঞানীরা এখন সতর্ক করছেন যে, আসলে তাদের ওই অসুস্থতার কারণ ছিল বাদুড়বাহিত অন্য একটি প্রাণঘাতী ভাইরাস।  </p>
<p>‘ইমার্জিং ইনফেকশাস ডিজিজেস’ জার্নালের বরাত দিয়ে দ্য ইন্ডেপেন্ডেন্ট পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে প্রকাশ, আক্রান্ত পাঁচজন রোগীই কাঁচা খেজুরের রস পান করেছিলেন। এই রস বাদুড়েরও অত্যন্ত প্রিয়, যা বাংলাদেশে নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণের প্রধান বাহক হিসেবে পরিচিত। তবে পরীক্ষায় তাদের সবারই নিপাহ ভাইরাসের ফলাফল নেগেটিভ আসে। </p>
<p>কয়েক সপ্তাহের মধ্যে রোগীদের হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হলেও তাদের মধ্যে তিনজন দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি, বিভ্রান্তি এবং শ্বাসকষ্টসহ হাঁটাচলায় সমস্যার কথা জানান। এর মধ্যে একজনের স্বাস্থ্যের অবনতি হয় এবং স্নায়ুবিক জটিলতার কারণে ২০২৪ সালে মৃত্যু হয়।</p>
<p>ফলে যেসব এলাকায় কাঁচা খেজুরের রস পান করা হয়, সেসব স্থানে শ্বাসতন্ত্রের রোগের চিকিৎসায় নিপাহ এবং পিআরভিসহ অন্যান্য বাদুড়বাহিত ভাইরাসের পরীক্ষার পাশাপাশি বিশেষ নজরদারির আহ্বান জানিয়েছেন গবেষকরা।</p>
<p>কেননা, গবেষণার পর বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হন, ওই রোগীরা আসলে টেরোপাইন অর্থোরিওভাইরাসে (PRV) আক্রান্ত ছিলেন, যা বাদুড়বাহিত আরও একটি রোগ। আর নিপাহ, হেনড্রা, মারবার্গ এবং সার্স-এর মতো অসংখ্য প্রাণঘাতী জুনোটিক ভাইরাসের বাহক হিসেবে বাদুড় ও র‌্যাবিট দীর্ঘদিন ধরেই পরিচিত। </p>
<p>অবশ্য, প্রতিবেশী অন্যান্য দেশে পিআরভি সংক্রমণের ঘটনাগুলো সাধারণত মৃদু প্রকৃতির হলেও বাংলাদেশে শনাক্ত হওয়া নতুন এই রোগীগুলোর ক্ষেত্রে তেমনটি দেখা যায়নি। </p>
<p>‘ইমার্জিং ইনফেকশাস ডিজিজেস’ জার্নালে প্রকাশিত ওই গবেষণায় বিজ্ঞানীরা লিখেছেন, “শনাক্ত হওয়া পাঁচজন রোগীর সবার মধ্যেই তীব্র শ্বাসকষ্ট এবং স্নায়বিক উপসর্গ ছিল। অথচ মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং ভিয়েতনামে পিআরভি সংক্রমণ ছিল তুলনামূলক মৃদু শ্বাসযন্ত্রের রোগের মতো।”</p>
<p>এই গবেষণার অন্যতম লেখক নিশ্চয় মিশ্র বলেন, “আমাদের এই ফলাফল প্রমাণ করে যে, কাঁচা খেজুরের রস পানের স্বাস্থ্যঝুঁকি কেবল নিপাহ ভাইরাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।”</p>
<p>ডা. মিশ্র আরও বলেন, “এটি বাদুড়বাহিত নতুন ভাইরাস শনাক্ত করার পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি কমাতে বিস্তৃত নজরদারি কর্মসূচির গুরুত্বকেও তুলে ধরছে।”</p>
<p>গবেষকরা পদ্মা নদী অববাহিকার ওই পাঁচ রোগীর আশপাশ থেকে ধরা পড়া বাদুড়ের মধ্যেও জিনগতভাবে একই ধরনের পিআরভি শনাক্ত করেছেন।</p>
<p>গবেষণার আরেক লেখক আরিফুল ইসলাম বলেন, “আমরা এখন বাদুড় থেকে মানুষ এবং গৃহপালিত পশুর মধ্যে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়া এবং পদ্মা অববাহিকার জনপদগুলোতে বাদুড়বাহিত নতুন ভাইরাসগুলোর সামগ্রিক বাস্তুসংস্থান বোঝার চেষ্টা করছি।” </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিপিএন/ইকে|</strong></span></em></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্বাস্থ্যব্যবস্থা সংস্কারের অগ্রাধিকার নির্ধারণের দাবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/166667</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166667</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_698719040bb71.jpg" length="82451" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 06 Feb 2026 16:50:59 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<article>
<p>সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জনে স্বাস্থ্যব্যবস্থা সংস্কারের অগ্রাধিকার নির্ধারণের দাবি করেছেন একটি নীতিনির্ধারণী সংলাপের বক্তারা। সংলাপে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার উদাহরণ হিসেবে থাইল্যান্ডের ইউনিভার্সাল কভারেজ স্কিমের কথা উল্লেখ করে জানানো হয়, যেখানে ধারাবাহিক রাজনৈতিক অঙ্গীকারের ফলে ব্যক্তিগত পকেট থেকে স্বাস্থ্য ব্যয় প্রায় ৫০ শতাংশ থেকে কমে প্রায় ১০ শতাংশে নেমে এসেছে। এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে স্বাস্থ্য সংস্কারকে জাতীয় নীতিগত অগ্রাধিকারে রাখার জন্য শক্তিশালী স্বাস্থ্য-অ্যাডভোকেসি, আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় ও টেকসই রাজনৈতিক মনোযোগের আহ্বানের জানান বক্তারা। </p>
<p>রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে ৫ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার ‘প্রায়োরিটি হেলথ রিফর্ম অ্যাকশন এজেন্ডা : বাংলাদেশ রোড টু ইউনিভার্সাল হেলথ কভারেজ’ শীর্ষক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<article>
<p>ইউনিসেফ ও বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সহযোগিতায় সংলাপটি পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) ও ইউএইচসি ফোরামের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>সংলাপে রাজনৈতিক দল, একাডেমিয়া, সরকার, সুশীল সমাজ, উন্নয়ন সহযোগী ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।</p>
<article>
<p>আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সৃষ্ট নীতিগত সুযোগকে কাজে লাগিয়ে উদীয়মান সংস্কার সম্মতিকে বাস্তবায়নযোগ্য কর্মপন্থায় রূপান্তর করা।</p>
</article>
<p>পেশাজীবীদের পক্ষ থেকে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মহাসচিব ডা. জাহিরুল ইসলাম শাকিল বলেন, আমরা বারবার বলি স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাবে কিন্তু বাস্তবে অনেক মানুষ এখনো উপজেলা বা ইউনিয়ন পর্যায়েও সেবা পাচ্ছেন না।</p>
</article>
<article>স্পষ্ট সুপারিশ থাকা সত্ত্বেও স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব বাস্তবায়িত হয়নি।
<p>ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের (এনডিএফ) সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. এ কে এম ওয়ালিউল্লাহ বলেন, আমরা এখানে একে অপরের প্রতিপক্ষ নই। যে-ই ক্ষমতায় আসুক না কেন, পেশাজীবী হিসেবে আমাদের সবাইকে একে অপরকে সহায়তা ও গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাত সংস্কারে এগিয়ে আসতে হবে।</p>
<p>স্বাস্থ্যসেবার গুণগত মান ও চিকিৎসা শিক্ষা প্রসঙ্গে বিএনপির পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মহসিন জিল্লুর বলেন, ভুল চিকিৎসা এখন আমাদের দেশে ভয়াবহভাবে সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে।</p>
<article>সমস্যার উৎসস্থলে হস্তক্ষেপ করা জরুরি এবং এমন চিকিৎসক তৈরি করতে হবে যারা রোগীদের সঙ্গে অন্যায় করবেন না।
<p>বাংলাদেশ পাবলিক হেলথ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. সৈয়দ উমর বলেন, স্বাস্থ্য কেবল চিকিৎসামূলক বিষয় নয়। প্রতিরোধমূলক, উন্নয়নমূলক, চিকিৎসামূলক ও পুনর্বাসন– এই চারটি উপাদান পরস্পর সম্পর্কযুক্ত হলেও আমাদের ব্যবস্থা এখনো অতিমাত্রায় চিকিৎসা-কেন্দ্রিক।</p>
<p>বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি প্রতীক ইজাজ বলেন, স্বাস্থ্য খাতে দলীয় রাজনীতি অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করেছে। যদি ধারাবাহিক সরকারগুলো প্রত্যেকে অন্তত একটি সূচকে উন্নতি করত, তাহলে আজ আমরা এ অবস্থায় থাকতাম না।</p>
</article>
<article>
<p>সংলাপের সমাপনী বক্তব্যে পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ও ইউএইচসি ফোরামের আহ্বায়ক হোসাইন জিল্লুর রহমান রোগীকেন্দ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন, যা কেবল চিকিৎসা নয়, প্রতিরোধ ও সামগ্রিক সুস্থতাকেও গুরুত্ব দেবে, বিশেষত নতুন সরকারের প্রেক্ষাপটে। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য ফলাফল কেবল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নয়, বরং অর্থ, পরিকল্পনা ও প্রশাসনসহ অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের ওপরও নির্ভরশীল।</p>
<p>ইউনিয়ন পর্যায়ে বিশেষ করে মাতৃত্ব ও প্রসবসেবায় দুর্বলতার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, বিপর্যয়কর স্বাস্থ্য ব্যয় যেকোনো পরিবারকে দারিদ্র্যসীমার নিচে ঠেলে দিতে পারে, যা শুধু সুস্থতা নয়, উৎপাদনশীলতা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকেও প্রভাবিত করে। অথচ স্বাস্থ্য এখনো রাজনৈতিক অগ্রাধিকার হিসেবে যথাযথ গুরুত্ব পায়নি।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিপিএন/ইকে</strong></span></em></p>
<p></p>
</article>
</article>
<div ad-position="desktop-details-section-6" class="ads mb-2 d-flex justify-content-center ad-300x250" ad-id="87">
<div class="desktop-ads">
<div>
<div id="gpt-ad-desktop-details-section-6-87-0" data-google-query-id="CLrThrSZx5IDFbvQPAIdlo0u-w"></div>
</div>
</div>
</div>
</article>
<div ad-position="desktop-details-section-5" class="ads mb-2 d-flex justify-content-center ad-728x90" ad-id="69">
<div class="desktop-ads">
<div>
<div id="gpt-ad-desktop-details-section-5-69-0" data-google-query-id="CL-UhrSZx5IDFXGDYwYd9GAsQg"></div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রোবায়োটিক গবেষণা সহায়তায়  কুখ্যাত এপস্টেইন ফাইলে আইসিডিডিআর’বি</title>
<link>https://digibanglatech.news/166102</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166102</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_698043003f332.jpg" length="69810" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 02 Feb 2026 00:24:19 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="block-full_richtext">
<p data-block-key="3bv97">যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের প্রকাশিত বহুল আলোচিত এপস্টেইন ফাইলে রয়েছে বাংলাদেশের নামও। সেখানে স্থান পাওয়া একটি ই-মেইলে প্রকাশ হয়েছে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গবেষণাপ্রতিষ্ঠান আইসিডিডিআরবির নাম।</p>
<p data-block-key="3bv97">আইসিডিডিআরবিকে বাংলাদেশে একটি ‘অতি সুপরিচিত প্রতিষ্ঠান’ উল্লেখ করে ওই ই-মেইলটিতে প্রতিষ্ঠানটিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রোবায়োটিক গবেষণায় বিনিয়োগের একটি প্রস্তাবের কথা বলা হয়েছে। কুখ্যাত মার্কিন ধনকুবের জেফরি এপস্টেইনকে তার এক ঘনিষ্ঠ সহযোগীর পক্ষ থেকে ২০১৪ সালের ১৭ এপ্রিল ই-মেইলটি পাঠানো হয়।</p>
</div>
<div class="block-full_richtext">
<p data-block-key="5arme">প্রকাশিত নথি অনুযায়ী, ই-মেইলটির বিষয় ছিল ‘আন্ত্রিক জীবাণুবিদ্যা-আইসিডিডিআরবি’। </p>
<p data-block-key="5arme">ই-মেইলে প্রস্তাব করা হয়, বাংলাদেশে আইসিডিডিআরবিকে কেন্দ্র করে একটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বে গবেষণা উদ্যোগ গড়ে তোলা যেতে পারে, যেখানে তুলনামূলক কম বিনিয়োগে ভবিষ্যতে উৎপাদিত যেকোনো প্রোবায়োটিক বা সংশ্লিষ্ট পণ্যের মুনাফা থেকে ৩ শতাংশ নিশ্চিত লাভ পাওয়ার সুযোগ থাকবে।</p>
<div class="block-full_richtext">
<p data-block-key="blc7g">ই-মেইলে আরও বলা হয়, আইসিডিডিআরবি একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানের মর্যাদাপ্রাপ্ত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ৫০১(সি)(৩) কাঠামোর আওতায় এ ধরনের বিনিয়োগ করছাড়ের সুবিধাও পেতে পারে। প্রস্তাবদাতা এটিকে ‘১০ বছরের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং এমন একটি অংশীদারত্বকে ‘বড় সাফল্য’ হিসেবে আখ্যা দেন।</p>
<p data-block-key="bpelc">এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথিতে পরে পাওয়া যায় ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই একটি ‘আইমেসেজ’ কথোপকথন, যা এপস্টেইনের নিজস্ব যোগাযোগ বৃত্তের মধ্যেই হয়েছিল। সেখানে এক অজ্ঞাতনামা সহযোগী এপস্টেইনকে প্রশ্ন করেন, ‘বাংলাদেশে তুমি কী চেষ্টা করেছিলে? আমার মনে নেই।’ জবাবে এপস্টেইন লেখেন, ‘আমি একবার চেষ্টা করেছিলাম, মনে আছে—বাংলাদেশে সাহায্য করার জন্য, কলেরা ইত্যাদি নিয়ে। পরে কোটি টাকা জড়াল, কিন্তু ফলাফল ছিল ভয়াবহ—সবই খারাপ।’  </p>
<p data-block-key="bpelc"><span>এ ছাড়া এপস্টেইন ফাইলে অন্তর্ভুক্ত আরেকটি ই-মেইলে দেখা যায়, এপস্টেইনের এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী বাংলাদেশ ও ভারতে ভ্রমণ করেছিলেন। যদিও ওই সফরের নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বা কার্যক্রম সম্পর্কে নথিতে বিস্তারিত উল্লেখ নেই।</span></p>
<p data-block-key="bpelc"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এপিএন/ইকে</strong></span></em></p>
</div>
<div class="flex justify-center">
<div class="w-[300px] h-[250px] overflow-hidden bg-gray-50">
<div class="w-full h-full" id="gpt-ad-In_Article_3-ajpslzezlamso_content_3_1770012346590" data-ad-id="In_Article_3" data-slot-id="gpt-ad-In_Article_3-ajpslzezlamso_content_3_1770012346590" data-google-query-id="CJDc1-mRupIDFVCgrAIdInUczA"></div>
</div>
</div>
</div>
<div class="flex justify-center">
<div class="w-[300px] h-[250px] overflow-hidden bg-gray-50">
<div class="w-full h-full" id="gpt-ad-In_Article_2-ajpslzezlamso_content_2_1770012346590" data-ad-id="In_Article_2" data-slot-id="gpt-ad-In_Article_2-ajpslzezlamso_content_2_1770012346590" data-google-query-id="CO_I1-mRupIDFTuPrAIdrfUNiw"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে ভোক্তা সচেতনতা জরুরি’</title>
<link>https://digibanglatech.news/166058</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166058</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_697f945fb2cc7.jpg" length="108811" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 01 Feb 2026 15:59:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>
<p>নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অভাব এবং প্রক্রিয়াজাত খাদ্যে নির্ভরতা বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশে উচ্চরক্তচাপসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও চর্বিযুক্ত খাবার উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। এ বিষয়ে ভোক্তাদের সচেতনতা তৈরিতে ফ্রন্ট অফ প্যাকেজ লেবেলিং ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। <br> <br>১ ফেব্রুয়ারি, রবিবার গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটর (জিএইচএআই) এর সহযোগিতায়, গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) আয়োজিত ওয়েবিনারে এমনটা জানান বক্তারা। জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ‘নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করি, সুস্থ সবল জীবন গড়ি’ প্রত্যয়ে অনুষ্ঠিত হয় ‘অসংক্রমাক রোগ মোকাবেলায় নিরাপদ খাদ্য এবং আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এই ওয়েবিনারটি।</p>
<p>ওয়েবিনারে জানানো হয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে, দেশে প্রতিবছর প্রায় পাঁচ লাখ ৭০ হাজার ২৬৩ জন মানুষ অসংক্রামক রোগে প্রাণ হারায়। গ্লোবাল বারডেন অফ ডিজিজ ২০২১ অনুযায়ী, অতিরিক্ত সোডিয়াম, ট্রান্সফ্যাটযুক্ত খাবার ও চিনিযুক্ত কোমল পানীয় প্রভৃতি অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে অসংক্রামক রোগে বছরে প্রায় ২৭ হাজার ৩৮৭ জন মারা যায়। তবে অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে সরকারের আর্থিক বরাদ্দ খুবই অপ্রতুল, স্বাস্থ্য বাজেটের মাত্র ৪ দশমিক ২ শতাংশ।</p>
<div>
<p>ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউটের ইপিডেমিওলজি অ্যান্ড রিসার্চ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, ‘জনগণের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপসহ অন্যান্য অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমাতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা এবং প্রক্রিয়াজাত খাদ্যে নির্ভরতা কমিয়ে আনা বিশেষভাবে জরুরি।’</p>
<p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের সাবেক ডিরেক্টর অধ্যাপক ড. নাজমা শাহীন বলেন, ‘অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও ট্রান্সফ্যাটের মতো স্বাস্থ্যহানিকর খাদ্য উপাদানের পরিমাণ সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে ফ্রন্ট-অফ-প্যাক লেবেলিং ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। এটি দেশে উচ্চ রক্তচাপসহ অন্যান্য অসংক্রামক রোগের প্রকোপ কমাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।’</p>
<p>বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ- এর সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শোয়েব বলেন, ‘প্রক্রিয়াজাত খাবার গ্রহণের স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে ভোক্তাদের বিশেষভাবে সচেতন করতে সহজবোধ্য উপায়ে ফ্রন্ট-অফ-প্যাক লেবেলিং ব্যবস্থা চালু করতে সরকার কাজ করছে, আশা করি দ্রুতই এটা বাস্তাবায়ন করতে পারবো।’ </p>
<p>জিএইচএআই-এর বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড মুহাম্মাদ রূহুল কুদ্দুস বলেন, ‘উচ্চ রক্তচাপের মতো অসংক্রামক রোগ মোকাবেলায় সচেতনতার পাশাপাশি টেকসই অর্থায়ন নিশ্চিত করা প্রয়োজন।’</p>
<p>ওয়েবিনারে আলোচক হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন ডেইলি টাইমস অফ বাংলাদেশ এর হেড অফ অনলাইন (বাংলা) মো. মনির হোসেন লিটন। প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের এর সভাপতিত্বে ওয়েবিনারটি সঞ্চালনা করেন প্রজ্ঞা’র প্রোগ্রাম অফিসার সামিহা বিনতে কামাল। প্রিন্ট, টেলিভিশন এবং অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ এই ওয়েবিনারে অংশ নেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিএমও/ইকে</strong></span></em></p>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাসেবার ফি ও চার্জ পরিশোধ এখন অনলাইনে</title>
<link>https://digibanglatech.news/165610</link>
<guid>https://digibanglatech.news/165610</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_697a65f607d69.jpg" length="91008" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 28 Jan 2026 17:40:30 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ)  এখন থেকে চিকিৎসাসেবার বিল ও বিভিন্ন ধরনের ফি অনলাইনে পরিশোধ করা যাবে।  বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক লেনদেন ব্যবস্থাকে নগদবিহীন ও আধুনিক করতে জাতীয় পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ‘এক পে’ যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে শিক্ষার্থী, রোগী ও সেবাগ্রহীতাদের ব্যাংক বুথে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে অর্থ পরিশোধের প্রয়োজন উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।</p>
<p>২৮ জানুয়ারি, বুধবার বিএমইউ’র শহীদ ডা. মিল্টন হলে প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এর উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) প্রোগ্রামের মধ্যে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়।  এই উদ্যোগের মাধ্যমে যেকোনো সময় ও যেকোনো স্থান থেকে মোবাইল ব্যাংকিং, ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড, ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও ই-ওয়ালেট ব্যবহার করে বিল ও ফি পরিশোধ করা যাবে। একপে প্ল্যাটফর্ম এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করবে।</p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে কাগজবিহীন ও স্বয়ংক্রিয় করতে ডিজিটালাইজেশনের কোনো বিকল্প নেই। একপে চালুর মাধ্যমে রোগীদের ভোগান্তি কমবে এবং সেবাপ্রদান আরও দ্রুত ও কার্যকর হবে। তিনি ডেটা ইন্টারঅপারেবিলিটির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য ব্যবস্থাপনার জন্য একটি কাঠামোবদ্ধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন, যা গবেষণা ও উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। </p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে বিএমইউ’র ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম বলেন, রোগীদের উন্নত ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান অগ্রাধিকার। এটুআই’র সহায়তায় বিএমইউ’র আর্থিক ব্যবস্থাপনা আরও স্বচ্ছ ও আধুনিক হবে এবং এই উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে আমরা যৌথভাবে কাজ করে যাব।</p>
<p>এটুআই প্রকল্প পরিচালক মোহা. আব্দুর রফিক বলেন, একপে গেটওয়ে ব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেবা</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x_697a65ef068d5.jpg" alt=""></p>
<p>সমূহ আরও সহজে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাবে। এটি নগদবিহীন ও জনবান্ধব বাংলাদেশ গড়ার পথে একটি কার্যকর পদক্ষেপ, যা রোগীদের সময়, খরচ ও ভোগান্তি কমাবে।</p>
<p>এটুআই’র হেড অব প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট আব্দুল্লাহ আল ফাহিম বলেন, নতুন এই ব্যবস্থার ফলে সেবাগ্রহীতা ও শিক্ষার্থীদের আর নির্দিষ্ট সময়ে ব্যাংকে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে বিল পরিশোধ করতে হবে না। এখন তারা ঘরে বসেই বা যেকোনো স্থান থেকে নিরাপদ ডিজিটাল মাধ্যমে চিকিৎসাসেবার ফি ও বিভিন্ন চার্জ পরিশোধ করতে পারবেন। এতে সময় সাশ্রয়ের পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় ভিড় ও হয়রানি কমবে। একই সঙ্গে হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ আর্থিক লেনদেন ব্যবস্থাপনা আরও সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ হবে, যা সেবাপ্রদান প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করবে।</p>
<p>আয়োজকরা জানান, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে একটি কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই উদ্যোগের মাধ্যমে রোগীদের সময়, খরচ ও ভোগান্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং চিকিৎসাসেবায় প্রবেশাধিকার আরও সহজ হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক ও সমন্বিত করা সম্ভব হবে। দীর্ঘমেয়াদে এই ব্যবস্থা একটি জনবান্ধব, দক্ষ ও টেকসই স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক নাহরীন আখতার,  হেড অব কমিউনিকেশন্স মোহাম্মদ সফিউল আযম, কনসালটেন্ট (একপে) মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, প্রোগ্রাম ইমপ্লিমেন্টেশন অফিসার উছেন অংসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় প্রধান ও চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমএম/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঢাকার বাইরে ৭ বিভাগে ২০০ শয্যার মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের অনুমোদন</title>
<link>https://digibanglatech.news/165354</link>
<guid>https://digibanglatech.news/165354</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_69778141b6717.jpg" length="76242" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 26 Jan 2026 11:59:21 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবা বিস্তারের লক্ষ্যে সরকার ঢাকার বাইরে আরও সাতটি বিভাগে ২০০ শয্যা করে সাতটি মাদকাসক্ত নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র চালুর প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. হাসান মারুফ বলেছেন, দেশে মাদক ব্যবহার এখন আর কিছু বিচ্ছিন্ন মানুষের সমস্যা নয়, এটি একটি বিস্তৃত জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক সংকটে পরিণত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মাদকবিরোধী লড়াইকে একটি সামাজিক যুদ্ধ হিসেবে দেখতে হবে এবং পরিবার থেকেই এর প্রতিরোধ নিশ্চিত করতে হবে। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে ঢাকার বাইরে আরও সাতটি বিভাগে ২০০ শয্যা করে সাতটি মাদকাসক্ত নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র চালুর প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। </p>
<div>
<div id="gpt-passback1"></div>
</div>
<p>বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৫ জানুয়ারি, রবিবার অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে মাদক অপব্যবহারকারী ব্যক্তিদের সংখ্যা, ধরণ ও সংশ্লিষ্ট কারণসমূহ’ শীর্ষক জাতীয় গবেষণার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।</p>
<p>হাসান মারুফ জানান, বর্তমান সময় ও বাস্তবতা হলো দেশের মানুষ ক্রমেই মাদকাসক্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এটি ভাবার সুযোগ নেই যে, মাদক সমস্যা কেবল কিছু নির্দিষ্ট মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তিনি বলেন, সামাজিক অবক্ষয়, মানসিক চাপ ও ভুল সঙ্গের কারণে কিশোর ও তরুণরা খুব সহজেই মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। এই বাস্তবতা অস্বীকার করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে।</p>
<p>ডিএনসি মহাপরিচালক বলেন, শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। সমাজের সব স্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি শক্তিশালী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তিনি আরও বলেন, পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন—সবাইকে একসঙ্গে দায়িত্ব নিতে হবে। পরিবার থেকেই যদি প্রতিরোধ শুরু না হয়, তাহলে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ একা কার্যকর হবে না।</p>
<p>মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবার ঘাটতির কথা উল্লেখ করে মো. হাসান মারুফ জানান, এই সংকট মোকাবিলায় ঢাকার বাইরে আরও সাতটি বিভাগে ২০০ শয্যা করে সাতটি মাদকাসক্ত নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপনের প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে বর্তমান সরকার। এই কেন্দ্রগুলো চালু হলে বিভাগীয় পর্যায়ে চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবার সুযোগ বাড়বে এবং মাদকাসক্তদের সমাজে পুনঃঅন্তর্ভুক্তির পথ সহজ হবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম বলেন, মাদক প্রতিরোধে রাজনৈতিক কমিটমেন্ট এবং আরও গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, এটা ভাবার কোনো কারণ নেই যে, কিছুসংখ্যক খারাপ মানুষই শুধু মাদকাসক্ত এবং আমরা বা আমাদের সন্তানেরা নিরাপদ। প্রকৃতপক্ষে আমরা সবাই এবং আমাদের সন্তানরাও মাদকাসক্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে আছি। এই ঝুঁকি মোকাবিলায় ব্যক্তি বা একটি প্রতিষ্ঠান নয়, সমাজের সব স্তরের মানুষকে সচেতন হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।</p>
<p>এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার তার বক্তব্যে বলেন, মাদক সমস্যার সমাধানে শুধু সরবরাহ বন্ধ করলেই হবে না, একই সঙ্গে চাহিদাও কমাতে হবে। বিশেষ করে শিশুরা ও তরুণরা জীবনকে ঠিকভাবে বুঝে ওঠার আগেই মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।</p>
<p>তিনি বলেন, এই শিশু ও তরুণ সমাজকে মাদক সেবনের ভয়াবহ ক্ষতি থেকে রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রকাশিত গবেষণার ফলে জানানো হয়, বর্তমানে দেশে আনুমানিক ৮২ লাখ মানুষ কোনো না কোনো ধরনের অবৈধ মাদক ব্যবহার করছে, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪.৮৮ শতাংশ। এই গবেষণায় সিগারেট সেবনকে মাদক ব্যবহার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।</p>
<p>গবেষণায় উঠে আসে, মাদক ব্যবহার এখন শুধু আইনশৃঙ্খলার বিষয় নয়, এটি একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা। বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রতিরোধের পাশাপাশি চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং সমাজে পুনঃঅন্তর্ভুক্তির ওপর সমান গুরুত্ব না দিলে এই সংকট আরও গভীর হবে।</p>
<p>গবেষকেরা মনে করছেন, গবেষণার এই ফল এবং প্রস্তাবিত পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলো বাস্তবায়িত হলে জাতীয় পর্যায়ে কার্যকর ও বাস্তবভিত্তিক মাদক নিয়ন্ত্রণ নীতি গ্রহণে সহায়ক হবে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এবিএন/ ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রথম মাইগ্রেশনে এমবিবিএস&#45;বিডিএসে ভর্তির সুযোগ পেলেন ১০২ শিক্ষার্থী</title>
<link>https://digibanglatech.news/165290</link>
<guid>https://digibanglatech.news/165290</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_69770052f1375.jpg" length="89520" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 26 Jan 2026 00:50:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সারাদেশের সরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সে প্রথম দফার মাইগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। একই সঙ্গে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে শূন্য আসনে প্রাথমিকভাবে ১০২ জন শিক্ষার্থীকে ভর্তির জন্য মনোনীত করা হয়েছে।</p>
<p>স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. মো. মহিউদ্দিন মাতুব্বর স্বাক্ষরিত ২৫ জানুয়ারি, রবিবার জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভর্তি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলের ভিত্তিতে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের অনলাইনে পূরণ করা মাইগ্রেশন ফরমের তথ্য ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রথম দফার মাইগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। মেধাক্রম, শিক্ষার্থীর পছন্দক্রম এবং কলেজে আসন শূন্যতার ভিত্তিতে বিভিন্ন মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে শিক্ষার্থীদের নির্ধারণ করা হয়েছে।</p>
<p>মাইগ্রেশনে সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীদের আগামী ২৬ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বর্তমান ভর্তিকৃত কলেজের অধ্যক্ষের দপ্তরে যোগাযোগ করে বদলি–সংক্রান্ত সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেউ মাইগ্রেশন সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে উভয় কলেজ থেকেই তার ছাত্রত্ব বাতিল বলে গণ্য হবে।</p>
<p>এ ছাড়া অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে যেসব শিক্ষার্থী প্রাথমিকভাবে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁদেরও একই সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল কলেজ বা ইউনিটের অধ্যক্ষের দপ্তরে যোগাযোগ করে ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>ভর্তির সময় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের নেতৃত্বে গঠিত স্থানীয় ভর্তি কমিটি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত মূল সনদপত্র যাচাই করবে এবং মেডিকেল বোর্ড স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করবে। ভর্তির ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিফতরের পূর্বে প্রকাশিত ভর্তি বিজ্ঞপ্তির অন্যান্য শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে।</p>
<p>অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তির সময় যেসব কাগজপত্র জমা দিতে হবে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র, এইচএসসি সমমান পরীক্ষার মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড,এসএসসি ও এইচএসসি সমমান পরীক্ষার একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও নম্বরপত্র, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার পাশের মূল সনদ ও প্রশংসাপত্র, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কর্তৃক প্রদত্ত নাগরিক সনদ এবং সদ্য তোলা চার কপি সত্যায়িত পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।</p>
<p>পার্বত্য জেলার উপজাতীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে চিফ ও জেলা প্রশাসকের সনদ এবং অ-উপজাতীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সার্কেল চিফ বা জেলা প্রশাসকের সনদ জমা দিতে হবে। অন্যান্য জেলার উপজাতীয় প্রার্থীদের জন্য গোত্র প্রধান ও সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের সনদ বাধ্যতামূলক।</p>
<p>মাইগ্রেশন ও অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইট (www.dgme.gov.bd) এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের ওয়েবসাইটে (www.dghs.gov.bd) পাওয়া যাবে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/ডিএম/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নবজাতক ও পেডিয়াট্রিক ক্রিটিক্যাল কেয়ারের বৈজ্ঞানিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত&#45;</title>
<link>https://digibanglatech.news/165185</link>
<guid>https://digibanglatech.news/165185</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_69759b0f04468.jpg" length="132056" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 25 Jan 2026 00:25:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রাজধানীর মহাখালীস্থ ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং বাংলাদেশ একাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক ও নিওনেটাল ক্রিটিক্যাল কেয়ার এর যৌথ আয়োজনে দুই দিন ব্যাপী বৈজ্ঞানিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৪ জানুয়ারি, শনিবার মেডিকেল কলেজের অডিটোরিয়ামে শেষ হওয়া এই কর্মশালায় সারাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে অর্ধশতাধিক চিকিৎসক।</p>
<p>কর্মশালায় পেডিয়াট্রিক ক্রিটিক্যাল কেয়ার, নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের জটিল শিশুরোগে আক্রান্ত মুমূর্ষু  শিশু ও নবজাতকদের আধুনিক চিকিৎসায় করণীয় বিষয় নিয়ে আলোকপাত করা হয়। সারাদেশের মারাত্মক অসুস্থ শিশু সহ সদ্য ভূমিষ্ট হওয়া অপরিপক্ক শিশু, ডায়াবেটিক ও উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত মায়েদের শিশু সহ ঝুঁকিপূর্ণ নবজাতক ও শিশুদের তাৎক্ষণিক জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা দেয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন ট্রেনিংপ্রাপ্ত চিকিৎসকরা।</p>
<p>নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ এবং ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিফ কনসালটেন্ট অধ্যাপক ডাঃ মোঃ মনির হোসেনের সার্বিক তত্বাবধানে এই কর্মশালায় প্রশিক্ষণ দেন -অধ্যাপক ডাঃ মাহফুজা শিরীণ, অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আব্দুল মান্নান, অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ আল মামুন, ডা. মোঃ নুরুল আখতার হাসান বিপুল, ডাঃ আবু তালহা, ডা: মোহাম্মদ মশিউর রহমান রিপন, ডা: মোহাম্মদ আক্তার হোসেন মাসুদ এবং ডা: নুরুন নাহার সহ দেশ বরেণ্য ৯ জন শিশু ক্রিটিক্যাল কেয়ার ও নবজাতক বিশেষজ্ঞ।</p>
<p>কর্মশালার সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন হাসপাতালের নার্সিং কোর্ডিনেটর ফারজানা আজাদ। </p>
<p>ওয়ার্কশপে সমাপনী বক্তব্য রাখেন ও সারাদেশ থেকে আগত শিশুরোগ চিকিৎসকদের “সার্টিফিকেট অব এটেনডেন্স” প্রদান করেন ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাঃ আশীষ কুমার চক্রবর্ত্তী। কর্মশালার সহযোগী ছিলো ফিশার এন্ড প্যাকেল হেলথকেয়ার। আয়োজকরা প্রত্যাশা করছেন, এই প্রশিক্ষণ সামগ্রিকভাবে দেশের শিশুমৃত্যুর হার আরও কমে যাবে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ইএইচটি/এমইউএম</strong></span></em> </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ধানমন্ডিতে দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ স্পেশালাইজড ডেন্টাল হাসপাতালের যাত্রা শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/165066</link>
<guid>https://digibanglatech.news/165066</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_69743dc0eee68.jpg" length="115337" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 24 Jan 2026 00:34:40 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="rtejustify">রাজধানীর ধানমন্ডি-২ নম্বরে যাত্রা শুরু করলো দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ স্পেশালাইজড ডেন্টাল হাসপাতাল হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে অ্যাডভান্সড ডেন্টাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল (এডিএম) হাসপাতাল।  </p>
<p class="rtejustify">হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, ২৪ ঘণ্টা জরুরি সেবা, ইনডোর-আউটডোর ও আইসিইউ সুবিধাসহ হাসপাতালটিতে শতাধিক চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞ কনসালট্যান্টের সমন্বয়ে মুখের ক্যানসার, টিউমার, চোয়ালের সব ধরনের অস্ত্রোপচার, আঁকাবাঁকা দাঁত, এন্ডোডন্টিকস ও শিশুদের দন্তরোগসহ মুখ ও দাঁতের যাবতীয় রোগের চিকিৎসা দেওয়া হবে।</p>
<p class="rtejustify"> রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ২৩ জানুয়ারি, শুক্রবার হাসপাতালটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমএইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শাহীনুল আলম। এসময় হাসপাতালের সংক্রমণ প্রতিরোধ বা ইনফেকশন কন্ট্রোলের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, 'ডেন্টালের এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। এরকম হাই টেক ডেন্টাল হাসপাতাল বাংলাদেশের রোগীদের জন্য একটি আশীর্বাদ। আমাদের বেশির ভাগ হাসপাতালেই প্রচুর ইনফেকশন হয়। এই সংক্রমণ কমাতে হলে আমাদের খুব সতকর্তার সাথে প্রাকটিস করতে হবে।'</p>
<div class="hide-for-print mb-20 text-center ">
<div id="dfp-ad-tbs_lb_ban_art_02-wrapper" class="dfp-tag-wrapper"></div>
</div>
<p class="rtejustify">অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুশ দূতাবাসে অ্যাম্বাসির ডিরেক্টর অভ হাউজ ক্লেভনয় আলেকজান্দ্রা আলেকজান্দ্রাভোনা। তিনি আশ্বাস বলেন, রাশিয়া ও বাংলাদেশ যৌথভাবে এডিএম হাসপাতালকে নিয়ে কাজ করবে। প্রশিক্ষণের জন্য রাশিয়ার দরজা উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথাও জানান তিনি।</p>
<p class="rtejustify">বিএমইউ-এর প্রো-ভিসি অধ্যাপক ডা. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, 'এই হাসপাতালের মাধ্যমে বাংলাদেশের ডেন্টিস্ট্রি বহির্বিশ্বে নতুন করে পরিচিতি পাবে।' </p>
<p class="rtejustify">হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মোস্তাফিজ প্রতিষ্ঠানটিকে বিশ্বের একটি রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ভাইস চেয়ারম্যান ও সাপ্পোরো ডেন্টালের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নূরুল আমিন বলেন, এই হাসপাতালের সেবা ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।</p>
<p class="rtejustify">অনুষ্ঠানে হাসপাতালের আধুনিক প্রযুক্তি ও বিভিন্ন পরিষেবার বিষয় তুলে ধরেন এডিএম হাসপাতালের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. গোলাম মহীউদ্দীন চৌধুরী।</p>
<p class="rtejustify">অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের কনসালট্যান্টরা তাদের চিকিৎসা পদ্ধতি ও সেবার ওপর সায়েন্টিফিক প্রেজেন্টেশন দেন। </p>
<p class="rtejustify"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিএসটিএন/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সর্বজনীন হেলথ কভারেজের পথ প্রশস্ত করবে</title>
<link>https://digibanglatech.news/164850</link>
<guid>https://digibanglatech.news/164850</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_69719f39120f8.jpg" length="91305" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 22 Jan 2026 00:00:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সংস্কারের মাধ্যমে সর্বজনীন হেলথ কভারেজের পথ প্রশস্ত করতে হবে। একইসঙ্গে স্বাস্থ্য খাতে সংস্কার নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রাখতে হবে। ইউনিসেফের সহায়তায় বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) ও ইউএইচসি ফোরামের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সংলাপে এমন পরামর্শ উঠে আসে খাত সংশ্লিষ্টদের কণ্ঠে। </p>
<p>বৈঠকে আইন ও বিধি গুরুত্বপূর্ণ হলেও এর কার্যকর বাস্তবায়ন, প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ববোধ এবং শক্ত রাজনৈতিক অঙ্গীকারের মাধ্যমে প্রকৃত পরিবর্তন আসবে বলে মন্তব্য করেন বক্তারা।</p>
<p>রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ২১ জানুয়ারি, বুধবার পিএইচসি খসড়া আইন নিয়ে একটি উচ্চ-স্তরের নীতি সংলাপে পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, স্বাস্থ্য খাতে সংস্কার নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রাখতে হবে। অগ্রগতি হলেও পিএইচসি সংস্কারের সফল বাস্তবায়নের জন্য আরও জোরালো উদ্যোগ দরকার। তিনি বলেন, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা (পিএইচসি) সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হলেও সফল বাস্তবায়নের জন্য আরও অব্যাহত অ্যাডভোকেসি এবং সংশোধন প্রয়োজন।</p>
<div>
<p>ব্র্যাকের সিনিয়র পরিচালক আকরাম হোসেন বলেন, “স্বাস্থ্যকে একটি মৌলিক রাজনৈতিক অঙ্গীকারে পরিণত করতে হবে। সব রাজনৈতিক দলকে স্বাস্থ্য খাতকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে হবে। ২০ কোটি মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হলে বিকেন্দ্রীকরণের কোনো বিকল্প নেই এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে হবে। স্বাস্থ্যখাতে সেবার বিস্তার ও মান—এই দুটিকে একসঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে।”</p>
<p>তিনি বর্তমানে হেলথকেয়ার ব্যবস্থাকে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই মনে করেন না। এছাড়া জনগণের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবাকে মানের দিক থেকে সমমান করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।</p>
<div>
<p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রোমানা হক বলেন, “প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার পরিধি ও কাঠামো সুস্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা জরুরি। উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বাড়ানো হলেও ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কাঠামোতে কতজন চিকিৎসক থাকবেন এবং স্বাস্থ্যসেবা টিমে কারা থাকবেন—এ বিষয়ে এখনো স্পষ্ট নির্দেশনা নেই।” তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সুসংজ্ঞায়িত মডেল নির্ধারণ না হলে বিক্ষিপ্ত উদ্যোগ দিয়ে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না। কোন সেবাকে প্রাইমারি হেলথকেয়ার বলা হবে, কোনটিকে নয়—এ বিষয়েও স্পষ্টতা নেই, যা সংস্কার প্রক্রিয়া ধীর করছে।</p>
</div>
<div>
<p>অবসটেট্রিক্যাল অ্যান্ড গাইনিকলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশের (ওজিএসবি) সাবেক সভাপতি রওশন আরা বেগম বলেন, “দেশে বর্তমানে ৯–১০ হাজার প্রশিক্ষিত মিডওয়াইফ কর্মহীন অবস্থায় রয়েছে। তাদের যথাযথভাবে কাজে লাগালে মাতৃস্বাস্থ্য সেবায় বড় অগ্রগতি সম্ভব। স্বাস্থ্যখাত এগিয়ে নিতে হলে মাতৃস্বাস্থ্যকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।”</p>
</div>
</div>
<p>পিপিআরসির পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা (পিএইচসি) সংস্কারের সফল বাস্তবায়নের জন্য আরও জোরালো উদ্যোগ দরকার। সভায় অংশগ্রহণকারীরা বলেন, খসড়া পিএইচসি আইন দেশের স্বাস্থ্য সংস্কারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, যা স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ভিত্তি হিসেবে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পুনঃকেন্দ্রীভূত করার ভূমিকা নিশ্চিত করে। তারা বলেন, যদিও এই খসড়াটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখিয়েছে, তবে এটি আরও কার্যকরীভাবে বাস্তবায়নের জন্য নিয়মিত অ্যাডভোকেসি এবং সংশোধনের প্রয়োজন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ইকে/এমইউ/</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৫ দাবিতে ক্লিনিক্যাল বায়োকেমিস্টদের সংবাদ সম্মেলন</title>
<link>https://digibanglatech.news/164743</link>
<guid>https://digibanglatech.news/164743</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_697082925b4bc.jpg" length="95075" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 21 Jan 2026 12:02:03 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্যাথলজি রিপোর্ট স্বাক্ষরের অধিকার পুনর্বহাল ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে কম্পিটেন্সি-বেজড পলিসি প্রণয়নসহ ৫ দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ক্লিনিক্যাল বায়োকেমিস্টদের সংগঠন বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ক্লিনিক্যাল বায়োকেমিস্টস (বিক্যাব)। বাকি ৩ দাবির মধ্যে রয়েছে নতুন করে জারি করা নির্দেশনার ৫ নম্বর ইস্যু অবিলম্বে বাতিল অথবা সংশোধন, স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশন কর্তৃক গৃহীত প্রস্তাবনায় অ্যালাইড হেলথ কাউন্সিল এর সাথে ক্লিনিক্যাল বায়োকেমিস্টদের কাউন্সিল গঠন এবং পেশাগত বৈষম্য পরিহার করে রোগী নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যখাতের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেয়া।</p>
<p>২১ জানুয়ারি, বুধবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি বেশ করা হয়। সংগঠনটির <span>আহ্বায়ক মো. মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে </span> শীর্ষ পর্যায়ের নেতা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p><span>সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর  প্রফেসর ড. হোসাইন উদ্দিন শেখর। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সোহেল আহমেদ এবং ও প্রফেসর ড. ইয়ারুল কবির</span></p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি হেলথের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) কর্তৃক গত ৫ জানুয়ারি তারিখে জারিকৃত প্যাথলজি ল্যাব সংক্রান্ত জরুরি নির্দেশনায় বলা হয়েছে- ‘রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকগণকে বিএমডিসি রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্রাজুয়েট হতে হবে।’ বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ক্লিনিক্যাল বায়োকেমিস্ট (BACB) গভীর উদ্বেগের সাথে এর প্রতিবাদ জানাচ্ছে।</p>
<p>তারা বলেন, এই নির্দেশনাটি বৈষম্যমূলক, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, অযৌক্তিক এবং বিজ্ঞানভিত্তিক ল্যাবরেটরি বাস্তবতার পরিপন্থি। স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের বিশেষায়িত ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ল্যাবরেটরিগুলোতে হিস্টোপ্যাথলোজিস্ট, হেমাটোলোজিস্ট, মাইক্রোবায়োলোজিস্ট, ক্লিনিক্যাল প্যাথলোজিস্ট এবং মেডিক্যাল/ক্লিনিক্যাল বায়োকেমিস্ট- গণ তাঁদের নিজ নিজ বিশেষজ্ঞক্ষেত্র অনুযায়ী পরীক্ষার রিপোর্টে স্বাক্ষর করে আসছেন। এটি একটি দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত জাতীয় চর্চা এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পেশাগত মানদণ্ড।</p>
<p>তারা আরও বলেন, ইউরোপ, আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য এমনকি আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ও শ্রীলঙ্কায় চিকিৎসকদের পাশাপাশি বায়োকেমিস্ট ও ল্যাব বিশেষজ্ঞরা রিপোর্টে স্বাক্ষর করে থাকেন। অনেক ক্ষেত্রে মেডিকেল গ্রাজুয়েটদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রদানকারী শিক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু উক্ত নির্দেশনার মাধ্যমে এই দক্ষ ও অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের কার্যত অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে-যা সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক ও পেশাগত মর্যাদাহানিকর।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/জেএনএন/ ইকে</strong></span></em></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিএমইউতে প্রথম  রিজনাল অ্যানেস্থেসিয়া বিষয়ক ক্যাডেভার কর্মশালা অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/164708</link>
<guid>https://digibanglatech.news/164708</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_697028122a674.jpg" length="91709" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 20 Jan 2026 17:12:59 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) অনুষ্ঠিত হলো রিজনাল অ্যানেস্থেসিয়া বিষয়ক ক্যাডেভার ওয়ার্কশপ। বিশ্ববিদ্যালয়ের এ্যানেসথেশিয়া, এনালজেশিয়া অ্যান্ড ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিন বিভাগের পেইন মেডিসিন ডিভিশনের উদ্যোগে  ২০ জানুয়ারি, মঙ্গলবার এ কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। </p>
<p>কেবিন ব্লকের ৮ম তলায় অবস্থিত পেইন স্কিল অ্যান্ড পাস্টিনেশন ল্যাবে আধুনিক ও নিরাপদ অস্ত্রোপচার পদ্ধতিতে বাস্তবভিত্তিক এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মোট ২০ জন চিকিৎসক। আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষক হিসেবে এতে অংশগ্রহণ করেন ইউরোপিয়ান সোসাইটি অব রিজনাল অ্যানেস্থেসিয়ার ক্যাডেভার ওয়ার্কশপের প্রধান প্রফেসর পল কেসলার। তিনি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী চিকিৎসকদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেন।</p>
<p>কর্মশালায় চিকিৎসকদের রিজনাল অ্যানেস্থেসিয়া প্রয়োগ, ব্যথা ব্যবস্থাপনা, আল্ট্রাসাউন্ড গাইডেড পদ্ধতি ও নিডলিং টেকনিক বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এতে  অংশগ্রহণকারীরা মৃতদেহ (ক্যাডেভার)-এর ওপর সরাসরি অনুশীলনের মাধ্যমে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।</p>
<p>বিশেষজ্ঞরা জানান, রিজনাল অ্যানেস্থেসিয়ার মাধ্যমে রোগীকে সম্পূর্ণ অজ্ঞান না করেই শরীরের নির্দিষ্ট অংশে অস্ত্রোপচার করা সম্ভব, যা রোগীর জন্য তুলনামূলকভাবে নিরাপদ এবং অপারেশন পরবর্তী জটিলতা কমাতে সহায়ক। অপারেশনের সময় ও পরবর্তী ব্যথা ব্যবস্থাপনায় এই পদ্ধতি আধুনিক সার্জারির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত।</p>
<p>কর্মশালায় আরও জানানো হয়, ভবিষ্যতে বিএমইউতে এ ধরনের ক্যাডেভারভিত্তিক ওয়ার্কশপ বছরে অন্তত দুইবার আয়োজন করা হবে। আজকের এই আয়োজন বিএমইউ’র পেইন স্কিল অ্যান্ড পাস্টিনেশন ল্যাবকে ইউরোপিয়ান সোসাইটি অব রিজনাল অ্যানেস্থেসিয়ার অ্যাক্রেডিটেশন অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।</p>
<p>মানব মৃতদেহ ব্যবহার করে পরিচালিত এই প্রশিক্ষণে শারীরবৃত্তীয় গঠন, স্নায়ু ও পেশীর অবস্থান এবং ক্লিনিক্যাল প্রয়োগ সম্পর্কে বাস্তব অনুশীলনের সুযোগ তৈরি হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ক্যাডেভারভিত্তিক প্রশিক্ষণ চিকিৎসকদের আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি রোগীসেবার মানোন্নয়ন এবং জটিলতা হ্রাসে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।</p>
<p>বিএমইউ’র আইসিটি ডিরেক্টর ও অ্যানেসথেশিওলজিস্ট অধ্যাপক ডা. একেএম আখতারুজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম। এছাড়া বক্তব্য দেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার এবং এভারকেয়ার হাসপাতালের অ্যানেসথেশিওলজিস্ট ডা. লুৎফুল আজিজ।</p>
<p>ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম বলেন, এ ধরনের বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স এবং হাসপাতালজনিত সংক্রমণ প্রতিরোধে আরও সতর্ক ও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/বিএসএম/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ওসমানী হাসপাতালে  ইন্টার্নদের কর্মবিরতি</title>
<link>https://digibanglatech.news/164305</link>
<guid>https://digibanglatech.news/164305</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_696b75327de2d.jpg" length="109334" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 17 Jan 2026 15:40:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুলে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও স্টাফদের সঙ্গে রোগীর স্বজনদের তর্ক, ভাঙচুর ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে হাসপাতালে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এই ঘটনায় ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতি পালন করছেন। ইতিমধ্যেই  তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।</p>
<p>শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল থেকে নিরাপদ কর্মস্থলের দাবিতে এবং হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনার দাবিতে তারা হাসপাতালে আগত রোগীদের কোনো সেবা দিচ্ছেন না। তবে হাসপাতালটির মেডিক্যাল অফিসার, রেজিস্ট্রার ও সহকারী রেজিস্ট্রারসহ অন্যান্য দায়িত্বরত চিকিৎসকেরা রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।<br><br>ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দাবি, কর্মস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা কর্মবিরতি চালিয়ে যাবেন।<br><br>ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ) ডা. মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘হাসপাতালে যে ঘটনা ঘটেছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা ইতোমধ্যে ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠকে আছি।<br><br>তিনি আরও বলেন, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতির কারণে রোগীসেবায় কোনো বড় ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হয়নি।</p>
<p>এর আগে ১৬ জানুয়ারি, শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে হাসপাতালের চতুর্থ তলার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এই হামলার ঘটনা ঘটে।</p>
<p>হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রোগীর স্বজনরা চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুলে প্রথমে নার্স ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে তারা ওয়ার্ডের ভেতরে ভাঙচুর শুরু করেন এবং শিক্ষানবিশ চিকিৎসকসহ দায়িত্বরতদের ওপর হামলা চালান। হামলায় এক নারী শিক্ষানবিশ চিকিৎসককে হেনস্তা করা হয় এবং ওয়ার্ডে দায়িত্বরত কয়েকজন কর্মী মারধরের শিকার হন। ঘটনার খবর পেয়ে দায়িত্বরত শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত এক নারীসহ তিনজনকে আটক করেন। পরে ডাক্তার ও স্টাফরা মিলে রোগীর স্বজনসহ তিনজনকে বেধড়ক পেটান। পুলিশ পরে গভীর রাতে তাদের আটক করে নিয়ে যায়। বর্তমানে তারা নগরের অন্য একটা প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।</p>
<p>বিষয়টি নিয়ে হাসপাতালের উপপরিচালক মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, হামলার ঘটনায় নিরাপত্তা ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা রাত থেকেই কর্মবিরতি পালন করছেন। হামলার বিষয়ে মামলা করা হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের অগ্রাধিকার। এ ছাড়া, হাসপাতাল এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে আমরা প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।</p>
<p>এ ব্যাপারে সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম (মিডিয়া) বলেন, রোগীর স্বজনদের সঙ্গে হাসপাতালের শিক্ষানবিশ চিকিৎসক ও স্টাফদের মধ্যে তর্ক এবং মারামারির ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশের কয়েকটি দল হাসপাতালে যায়। হামলার ঘটনায় কয়েকজন আটক আছেন। হাসপাতাল এলাকায় নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখতে পুলিশ তৎপর আছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসভি/ ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রথম ডিএনএ হেলথ হ্যাকাথনে সিলেটের সেরা ‘নিউরোনারচার&amp;apos;</title>
<link>https://digibanglatech.news/164320</link>
<guid>https://digibanglatech.news/164320</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_696b9db837c16.jpg" length="115340" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 17 Jan 2026 10:34:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr"><span>প্রাথমিক বাছাইয়ের পর সিলেট বিভাগ দিয়ে  শুরু হলো স্বাস্থ্য বিষয়ক উদ্ভাবনী প্রতযোগিতা ডিএনএ হ্যাক ফর হ্যাকাথন ২০২৬। </span><span>চিকিৎসা ও প্রযুক্তির অভিনব মেলবন্ধনে শুরু হওয়া প্রথম এই হ্যাকাথনে অটিজম চিকিৎসায় এআই-ভিত্তিক সলিউশন দিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ‘নিউরোনারচার’ (NeuroNurture)। এছাড়াও প্রান্তিক পর্যায়ে মিডওয়াইফদের প্রশিক্ষণে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফাস্ট রানার-আপ হয়েছে ‘টিম স্টার’ (Team Star)। আর </span><span> জীবন রক্ষায় আইসিইউ বেড ও জরুরি ওষুধের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে একটি লাইভ লজিস্টিক অ্যাপ তৈরি করে সেকেন্ড রানার-আপ হয়েছে ‘মেডিলিঙ্ক’ (MediLink)।</span></p>
<p dir="ltr"><span>নির্বাচনের পর বাকি সাতটি বিভাগের প্রতিযোগিতা শেষে আসছে জুনে বিজয়ী এই তিনটি </span><span>তিনটি দলই  ঢাকায় অনুষ্ঠেয় ন্যাশনাল গ্র্যান্ড ফিনালেতে লড়বে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। </span></p>
<p>এর আগে<b></b> সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে ১৬ জানুয়ারি, শুক্রবার অনুষ্ঠিত বিভাগীয় হ্যাকাথনে সিলেটের বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা তুলে বিশ্ববিদ্যালয়ের<span> অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. জিয়াউর রহমান চৌধুরী। এসময় তিনি বলেন, “আমাদের মেডিকেল কলেজগুলোতে গবেষণা ও শিক্ষার ক্ষেত্রে কিছু কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তবে বিএমডিসি (BMDC) এ বিষয়ে সময়োপযোগী পদক্ষেপ নিয়েছে। বর্তমানে ডব্লিউডিওএমএস (WDOMS) স্বীকৃতির প্রচেষ্টা চলছে, যা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে ইউএসএমএলই (USMLE)-এর মতো আন্তর্জাতিক সুযোগ এনে দেবে।” </span></p>
<p><span>তবে তিনি প্রাতিষ্ঠানিক স্বায়ত্তশাসন, গবেষণা সহায়তা ও ডিজিটাল এথিক্সের ঘাটতিগুলো চিহ্নিত করে বলেন, এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলার মাধ্যমেই টেকসই উদ্ভাবন সম্ভব। প্যানেল আলোচনার শেষে সকল বক্তা একমত হন যে, ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যখাত রক্ষায় চিকিৎসা, প্রযুক্তি, অর্থনীতি ও নীতিনির্ধারণের সমন্বিত আন্তঃখাতভিত্তিক (intersectorial) উদ্যোগই একমাত্র কার্যকর পথ।</span><b></b></p>
<p dir="ltr"><span>আয়োজকদের পক্ষ থেকে ডিএনএ হেলথ কমিউনিকেশনের প্রতিষ্ঠাতা এসএমও নাওয়েদ বলেন, “এই হ্যাকথন মেডিকেল শিক্ষার্থীদের জন্য এমন এক সুযোগ তৈরি করল, যেখানে তারা প্রকৌশল ও ব্যবসায় শিক্ষার শিক্ষার্থীদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে পারছে।”</span></p>
<p dir="ltr"><span>মেডিকেল শিক্ষার গণ্ডি পেরিয়ে এক নতুন দিগন্তের সূচনা উল্লেখ করে তিনি ‘দেশে চলমান সমস্ত স্বাস্থ্য গবেষণার তথ্য সংরক্ষণের জন্য একটি ‘সেন্ট্রাল ডেটা রিপোজিটরি’ বা কেন্দ্রীয় তথ্যভান্ডার তৈরির জোরালো দাবি জানান। এতে করে হেলথকেয়ার এআই টুল তৈরিতে স্থানীয় মেধার এই উদ্ভাবনগুলো জাতীয় সম্পদে পরিণত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন নাওয়েদ। </span><b></b></p>
<p dir="ltr"><span>অপরদিকে ডিজিএইচএস/এমআইএস-এর সিনিয়র কনসালটেন্ট এবং ন্যাশনাল আইসিটি অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী মুহাম্মদ আসিফ আতিক বলেন, </span><span>“ডিএনএ হ্যাক ফর হেলথ একটি অসাধারণ সফল উদ্যোগ, আলহামদুলিল্লাহ। মেডিকেল ডোমেইনে এটিই প্রথম আয়োজন হিসেবে অংশগ্রহণকারীদের উপস্থিতি ছিল সত্যিই প্রশংসনীয়। প্রযুক্তির সংযোজন থেকে শুরু করে চিন্তাধারা এবং দিকনির্দেশনা—সব মিলিয়ে পুরো আয়োজনটি ছিল এক কথায় অনবদ্য।”</span><b></b></p>
<p dir="ltr"><span>সিলেটে জ্বলে ওঠা এই উদ্ভাবনের মশাল খুব দ্রুতই ছড়িয়ে পড়বে সারা দেশে। ডিএনএ হেলথ কমিউনিকেশন ঘোষণা করেছে , চলতি বছর দেশের প্রতিটি বিভাগীয় মেডিকেল কলেজে এই হ্যাকথন অনুষ্ঠিত হবে। তবে আয়োজন শুধু প্রযুক্তিতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না; স্বাস্থ্য সচেতনতা ও মানসিক প্রশান্তির লক্ষ্যে বছরজুড়ে থাকবে ওয়াকথন, ম্যারাথন, আর্ট ও ফটোগ্রাফি এক্সজিবিশন এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য বিশেষ স্ট্যান্ডআপ কমেডি শো। প্রযুক্তি ও সংস্কৃতির এই মেলবন্ধনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাত দেখবে এক নতুন ভোরের স্বপ্ন।</span></p>
<p dir="ltr"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এনওবি/এইএমও</strong></span></em></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ই&#45;লগ বুক চালু করল বিএমইউ</title>
<link>https://digibanglatech.news/164076</link>
<guid>https://digibanglatech.news/164076</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_6968808b0eb7e.jpg" length="85915" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 15 Jan 2026 00:52:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>স্নাতকোত্তর রেসিডেন্সি প্রোগ্রামে পরীক্ষামূলকভাবে ই-লগ বুক কার্যক্রম চালু করেছে বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি (বিএমইউ)। প্রাথমিকভাবে পাঁচটি বিভাগকে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে। বিভাগগুলো হলো মেডিসিন, জেনারেল সার্জারি, অ্যানেসথেসিয়া অ্যান্ড অ্যানালজেসিয়া ও ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিন, রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং এবং হেপাটোলজি (লিভার) বিভাগ।</p>
<p>ডিজিটাল নথি বা সফটওয়্যারভিত্তিক এই রেকর্ড সিস্টেমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, দৈনিক কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত তথ্য এবং শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানসংক্রান্ত তথ্য ইলেকট্রনিকভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এই উদ্যোগ আবাসিক প্রোগ্রামকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করণের মাধ্যমে উচ্চতর চিকিৎসা শিক্ষায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আধুনিক ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।</p>
<p>বিএমইউর প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) কার্যালয়ে ১৪ জানুয়ারি, বুধবার অনুষ্ঠিত এক সভায় এই প্রত্যাশার কথা জানানো হয়। সভায় জানানো হয়, খুব শিগগিরই বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগে ই-লগ বুক চালু করা হবে। এ লক্ষ্যে বিএমইউর আইসিটি অফিস জোরালোভাবে কাজ করে যাচ্ছে। </p>
<p>সভায় জানানো হয়, ই-লগ বুক ব্যবস্থায় কাগজ হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি কম, দীর্ঘ সময় ধরে তথ্য সংরক্ষণ সম্ভব এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তথ্য বিশ্লেষণ ও রিপোর্ট তৈরি সহজ হয়। এতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ দ্রুত ও কার্যকর হয়, পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়ে। একই সঙ্গে এটি পরিবেশবান্ধব, কারণ কাগজের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।</p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে বিএমইউর ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম বলেন, “বিশ্ব প্রেক্ষাপটে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উচ্চতর শিক্ষা কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে হবে। অটোমেশনের এই যুগে উচ্চতর চিকিৎসা শিক্ষায় ই-লগ বুক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”</p>
<p>তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় ই-গভর্ন্যান্সের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। সেই বাস্তবতায় দেশের স্বার্থে বিএমইউতে ই-লগ বুক কার্যক্রমকে পূর্ণমাত্রায় সফল করতে হবে।”</p>
<p>সভায় রেসিডেন্সি প্রোগ্রামকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা, চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে সব বিভাগে ই-লগ বুক চালু করা, এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা ও কারিগরি জটিলতা নিরসনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।</p>
<p>সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মোঃ আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম, আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ডা. একেএম আখতারুজ্জামান, ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ নাজমুল হাসান, সহকারী অধ্যাপক ডা. খালেদ মাহবুব মুর্শেদসহ সংশ্লিষ্টরা।</p>
<p>বিএমইউ প্রশাসনের মতে, ই-লগ বুক চালুর মাধ্যমে রেসিডেন্সি প্রোগ্রামের মানোন্নয়ন, প্রশিক্ষণ মূল্যায়নের স্বচ্ছতা এবং আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষার সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানের সমন্বয় সম্ভব হবে। পর্যায়ক্রমে সব বিভাগে এ ব্যবস্থা চালু হলে উচ্চতর চিকিৎসা শিক্ষায় একটি কাঠামোগত পরিবর্তন আসবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিপিএস/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অচিরেই দেশে চালু হচ্ছে লিভার ট্রান্সপ্লান্টসহ বিশ্বমানের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি চিকিৎসাসেবা</title>
<link>https://digibanglatech.news/163697</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163697</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_6963da4dd655e.jpg" length="112491" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 11 Jan 2026 10:13:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সোসাইটির ৩১তম বার্ষিক সম্মেলনে রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ ১০ জানুয়ারি (শনিবার) অনুষ্ঠিত হলো বৈজ্ঞানিক সেমিনার ও প্রি-কনফারেন্স। সম্মেলনে লিভার ট্রান্সপ্লান্টেশন, প্যানক্রিয়াটিক স্টোনের আধুনিক চিকিৎসাসহ দেশে গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি চিকিৎসায় যুগান্তকারী অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।এসময় জানানো হয়, দেশে গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। অচিরেই লিভার ট্রান্সপ্লান্টেশনসহ একাধিক বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা চালু করা হবে।</p>
<div>
<p>সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ. কে. আজাদ খান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিজনিত রোগ বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা। এসব রোগের উন্নত চিকিৎসাসেবা জেলা ও উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত সম্প্রসারণ করতে হবে। পাশাপাশি এ খাতে প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।’</p>
<p>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম বলেন, ‘গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ও লিভার রোগের চিকিৎসায় নির্ভুল রোগ নির্ণয়, আধুনিক চিকিৎসা, প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসা, প্রশিক্ষণ এবং ক্লিনিক্যাল অডিট নিশ্চিত করা জরুরি।’</p>
<p> বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান,  স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক (মেডিক্যাল এডুকেশন) অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন এবং ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. ফজিলা-তুন-নেছা মালিক।</p>
<p>এ সময় বাংলাদেশ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম মোহছেন, সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক ডা. দেওয়ান সাইফুদ্দিন আহমেদসহ সোসাইটির সদস্য এবং দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>এর আগে ৯ জানুয়ারি (শুক্রবার) সন্ধ্যায় রাজধানীর বিজয় স্মরণীতে মিলিটারি মিউজিয়াম এম্ফিথিয়েটারের একটি রেস্টুরেন্টে সম্মেলন উপলক্ষে প্রি-কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেন, ‘বাংলাদেশে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট কার্যক্রম অবশ্যই সফল করতে হবে। দেশের মানুষের জন্য এই সেবা নিশ্চিত করা জরুরি। সরকার এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।’</p>
<p>তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিবেশী দেশসহ বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার প্রয়োজন যেন না হয়, সে লক্ষ্যেই চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়নে কাজ করতে হবে। চিকিৎসা ক্ষেত্রে অগ্রগতির মাধ্যমে দেশকে সম্মান ও মর্যাদার জায়গায় নিয়ে যেতে চিকিৎসক সমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।’</p>
<p>সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, লিভার সিরোসিসসহ লিভারের শেষ পর্যায়ের রোগে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য দেশে লিভার প্রতিস্থাপন সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে লিভার প্রতিস্থাপনের অবকাঠামো উন্নয়নে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে।</p>
<p>এ ছাড়া প্যানক্রিয়াটিক স্টোনের আধুনিক চিকিৎসা চালু হওয়ায় জটিল অস্ত্রোপচার ছাড়াই বহু রোগী দেশেই চিকিৎসা নিতে পারবেন। পাশাপাশি এন্ডোস্কপিক আল্ট্রাসাউন্ড, ক্যানসারের অঙ্গসংরক্ষণকারী আধুনিক চিকিৎসা, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ভাসকুলার ইন্টারভেনশন এবং ইআরসিপি প্রশিক্ষণের জন্য সিমুলেটর ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>বক্তারা বলেন, দেশে পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রয়েছেন। আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি ও নিয়মিত প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়ানো গেলে গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ও লিভার রোগের চিকিৎসায় বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে পারবে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিএমও/ইকে</strong></span></em></p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্যাকেটজাত খাবারে চিনি, লবণ ও ট্রান্সফ্যাটের তথ্য বাধ্যতামূলক করার আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/163555</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163555</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_696262f868087.jpg" length="92791" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 10 Jan 2026 16:12:03 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশে ৭০ শতাংশ মৃত্যুর জন্য অসংক্রামক রোগ দায়ী। তাই প্যাকেটজাত খাবারের মোড়কে চিনি, লবণ ও ট্রান্সফ্যাটের তথ্য দেওয়া বাধ্যতামূলক করে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দ্রুত ফ্রন্ট–অব–প্যাকেজ লেবেলিং ব্যবস্থা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। </p>
<p>১০ জানুয়ারি (শনিবার ) রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ফ্রন্ট অব প্যাকেজ লেবেলিং (এফওপিএল): আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও করণীয়’ শীর্ষক পরামর্শক সভায় এ এই দাবি করা হয়। সেন্টার ফর ল অ্যান্ড পলিসি অ্যাফেয়ার্স (সিএলপিএ), আর্ক ফাউন্ডেশন ও পাবলিক হেলথ ল ইয়ার্স নেটওয়ার্ক যৌথভাবে এই সভার আয়োজন করে।</p>
<p><br>বিশেষজ্ঞরা বলেন, অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও ট্রান্সফ্যাট গ্রহণ অসংক্রামক রোগ সৃষ্টির অন্যতম কারণ। দেশের ৯৭ শতাংশ মানুষ প্রতি সপ্তাহে প্যাকেটজাত খাবার গ্রহণ করে। অথচ সুস্পষ্ট পুষ্টি তথ্যের অভাবে জনগণ গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে। বছরে প্রায় ৬৪ লাখ মানুষ চিকিৎসা ব্যয়ে দারিদ্র্যের মুখে পড়ছে।</p>
<p>বক্তারা জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নির্দেশিত ‘ফ্রন্ট-অফ-প্যাকেজ লেবেলিং’ (এফওপিএল) ব্যবস্থা চালু করা জরুরি। এর মাধ্যমে মোড়কের সামনের অংশে ক্ষতিকর উপাদানের মাত্রা ও সতর্কতা নিশ্চিত করা হয়। এটি ভোক্তাদের স্বাস্থ্যকর খাদ্য বেছে নিতে সহায়তা করে এবং কোম্পানিগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনে।</p>
<p>বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, স্পষ্ট লেবেল না থাকায় বিশেষ করে শিশুরা বিভ্রান্তিকর বিপণনের শিকার হচ্ছে। কার্বনেটেড পানীয় ও জুসের মোড়কে স্বাস্থ্য সতর্কতার অনুপস্থিতি আন্তর্জাতিক মানের পরিপন্থী। তাঁরা স্বার্থান্বেষী মহলের প্রভাবমুক্ত থেকে দ্রুত বিজ্ঞানভিত্তিক এফওপিএল ব্যবস্থা বাস্তবায়নের দাবি জানান।</p>
<p>সভায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. শোয়েব, বিএসটিআইয়ের উপপরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, জিএইচএআই-এর কান্ট্রি লিড অ্যাডভোকেট মো. রুহুল কুদ্দুস, বিএসএমএমইউ-এর জনস্বাস্থ্য বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আতিকুল হক এবং আর্ক ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক রুমানা হক প্রমুখ বক্তব্য দেন।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/জেএনইউ/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>তামাক আইনে ই&#45;সিগরেট ও ইমার্জিং টোব্যাকো অন্তর্ভূক্তিতে স্বাগত জানিয়েছে আহছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম</title>
<link>https://digibanglatech.news/163124</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163124</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_695ce4a489c01.jpg" length="99867" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 06 Jan 2026 13:31:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ই-সিগারেট ও হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্টস (HTP) সহ বিভিন্ন ইমার্জিং টোব্যাকো প্রোডাক্ট নিষিদ্ধ করে  ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-কে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ঐতিহাসিক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছে আহছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং।</p>
<p>জনকল্যাণমুখী এই অধ্যাদেশ জারি করায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি। </p>
<p>৬ জানুয়ারি, মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর শ্যামলীতে ঢাকা আহছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টর আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ফোরামের সদস্যরা সরকারের এই সাহসী উদ্যোগকে অভিনন্দন জানায়।</p>
<p>অনুষ্ঠানে তরুণ বক্তারা বলেন, তামাক ব্যবহার ক্যান্সারসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের অন্যতম প্রধান ঝুঁকিপ্রবণ কারণ। বাংলাদেশে প্রতিবছর তামাকজনিত রোগে এক লাখ ত্রিশ হাজারেরও বেশি মানুষের অকাল মৃত্যু ঘটে। এই প্রেক্ষাপটে বিদ্যমান আইনকে আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে সংশোধিত অধ্যাদেশে ই-সিগারেট ও হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্টস (HTP) সহ বিভিন্ন ইমার্জিং টোব্যাকো প্রোডাক্ট নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং নিকোটিন পাউচকে প্রথমবারের মতো তামাকজাত দ্রব্যের সংজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে, যা দেশের তরুণসহ সকল জনগোষ্ঠীকে তামাকের ক্ষতি থেকে সুরক্ষা দেবে।</p>
<p>বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, দেশের প্রায় ৪৮ শতাংশ তরুণ প্রজন্ম। এর মধ্যে ৯.২ শতাংশ তরুণ তামাক ব্যবহার করে। এই অধ্যাদেশ বাস্তবায়িত হলে ই-সিগারেটের ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে তরুণরা, হ্রাস পাবে তামাক ব্যবহার এবং তামাকজনিত অকাল মৃত্যুর হার কমে আসবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবায় সরকারি ব্যয় সাশ্রয় হবে এবং কমবে পরিবেশগত ক্ষতিও।</p>
<p>নতুন অধ্যাদেশে পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে সকল প্রকার তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ, তামাকের বিজ্ঞাপন ও প্রদর্শন নিষিদ্ধকরণ এবং প্যাকেটে ৭৫ শতাংশ সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা সংযোজনের মতো উদ্যোগকে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেন বক্তারা।</p>
<p>এ সময় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে ফোরামের তরুণ সদস্যরা দাবি জানায়, আগামী নির্বাচিত সরকার দ্রুত এই অধ্যাদেশটিকে আইনে পরিণত করবে এবং জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে সিগারেটের খুচরা শলাকা বিক্রয় নিষিদ্ধসহ তামাক কোম্পানির প্রভাব নিয়ন্ত্রণ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল (এফসিটিসি) পূর্ণ বাস্তবায়নে উদ্যোগী হবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে আহছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং-এর কো-অর্ডিনেটর মারজানা মুনতাহার সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তাসনিম হাসান আবির, খাদিজাতুল কুবরা, বায়েজিদ হোসেনসহ ইয়ুথ ফোরামের অন্যান্য সদস্যরা।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিএমও/একে   </strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্যাথলজিক্যাল ল্যাবের রিপোর্টে ই&#45;স্বাক্ষর আর চলবে না</title>
<link>https://digibanglatech.news/163057</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163057</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_695bf392a7c4a.jpg" length="48770" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 05 Jan 2026 19:23:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে।</p>
<p>৫ জানুয়ারি (সোমবার) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে।</p>
<p>নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে।<br>আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না।</p>
<p>রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক।</p>
<p>একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এএইচ/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কাঠামোগত ও বৈজ্ঞানিক সংকটে মার্চে ভোগাবে ‘কিউলেক্স’</title>
<link>https://digibanglatech.news/162791</link>
<guid>https://digibanglatech.news/162791</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_69590592d751d.jpg" length="113331" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 03 Jan 2026 15:04:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রাজধানী ঢাকায় ডেঙ্গুবাহী এডিস মশার সংখ্যা কিছুটা কমলেও ‘কিউলেক্স’ মশার সংখ্যা আগামী মার্চ মাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন কীটতত্ব বিশেষজ্ঞরা। <span>কাঠামোগত ও বৈজ্ঞানিক সংকটের কারণে নতুন প্রজাতির মশার এই প্রাদুর্ভাবে</span> রাজধানীবাসীকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হবে বলেও মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। </p>
<p>৩ জানুয়ারি, শনিবার ডিআরইউতে ঢাকা ইউটিলিটি রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডুরা) আয়োজিত ‘মশার উপদ্রব ও নাগরিক ভোগান্তি’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এমন সতর্ক বার্তা দিলেন আলোচকরা। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে ডুরার কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা নতুন সাতজন সদস্যকে বরণ এবং টেলিভিশন ও পত্রিকার সেবা খাতের তিনজন সাংবাদিককে সদস্যপদ দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয় এই অনুষ্ঠানেই। নতুন সদস্যদের মধ্যে বরণ করে নেওয়া হয়– বাংলা ট্রিবিউনের আতিক হাসান শুভ, একুশে টেলিভিশনের ইমন চৌধুরী, বাসসের রহমান নাযীদ, কালবেলার শাহ নেওয়াজ সুমন, এটিএন নিউজের শেখর আজাদ, বাংলানিউজ২৪-এর মিরাজ মাহবুব ইফতি ও দৈনিক নয়াদিগন্তের জিলানী মিলটনকে।</p>
<p><span>এর আগে ডুরার সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান মোল্লার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক, কীটতত্ত্ববিদ ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. কবিরুল বাশার বলেন, কিউলেক্সের উত্থান ও এডিসের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন– দুটিই প্রমাণ করে যে ঢাকার মশা সমস্যা আর মৌসুমি নয়; এটি একটি কাঠামোগত ও বৈজ্ঞানিক সংকট। বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য উপেক্ষা করলে তার মূল্য দিতে হবে মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য দিয়ে। তবে একটি অস্বস্তিকর সত্য স্বীকার করতেই হয়– নাগরিক অংশগ্রহণ ছাড়া ঢাকাকে মশামুক্ত করা অসম্ভব। </span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x_69590592048ea.jpg" alt=""></p>
<p>তিনি আরও বলেন, প্রশাসন তার দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারে না, আবার নাগরিক উদাসীনতাও সমানভাবে দায়ী। বাড়ির ছাদে জমে থাকা পানি, অব্যবহৃত পাত্র, খোলা পানির ট্যাংক– এসব ছোট অবহেলাই বড় বিপর্যয়ের জন্ম দেয়। বর্তমানে এডিস মশা কমলেও কিউলেক্স বাড়ছে এবং আগামী মার্চ মাসে এটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে যাবে। আমি দৃঢ়তার সঙ্গে বলছি, এই ভোগান্তি নগরবাসীকে পোহাতে হবে। তাই এখনই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও নাগরিকদের সচেতন হওয়া জরুরি।</p>
<p><span>ডুরার সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অপর আলোচক </span>পরিকল্পনাবিদ ড. মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, মশার সমস্যা থেকে সাময়িক নয়, স্থায়ী মুক্তি প্রয়োজন। অপরিকল্পিত নগরায়ন, বাসস্থান, ড্রেনেজ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এই সমস্যার মূল অন্তরায়। পরিকল্পনাহীনভাবে কাজ শুরু করলে পরবর্তী কোনো উদ্যোগই কাঙ্ক্ষিত ফল দেবে না। পাশাপাশি জনসচেতনতা বাধ্যতামূলক; এটি ছাড়া কোনো উদ্যোগই কার্যকর হবে না। </p>
<p>তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে <span>ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. নিশাত পারভীন </span>বলেন, ডেঙ্গু বা মশার উপদ্রব কমাতে সিটি কর্পোরেশনের একক উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসস্থান ও আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং সচেতন হতে হবে। আমরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করছি, তবে নাগরিকদের অংশগ্রহণ ছাড়া সফলতা সম্ভব নয়। সবাই মিলে চেষ্টা করলে মশামুক্ত ঢাকার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা সম্ভব।</p>
<p>অপরদিকে মশা নিধনে গৃহীত উদ্যোগের কথা তুলে ধরে ডিএনসিসির সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. সাদমান সাকিব বলেন, আমরা ওয়ার্ডভিত্তিক ওষুধ ছিটানো ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে নিয়মিত কাজ করছি। মৌসুম অনুযায়ী কার্যক্রমের গতি নির্ধারণ করা হয়। সামনে কিউলেক্স মশা বাড়তে পারে– এ বিষয়টি বিবেচনায় রেখে এক মাসব্যাপী বিশেষ কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>মশায় ভোগান্তির শিকার ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, মশা কী ভয়াবহ প্রভাব ফেলতে পারে তার বাস্তব উদাহরণ আমি নিজেই। কয়েক বছর আগে চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার পর আগের মতো শারীরিক সক্ষমতা আর ফিরে পাইনি। এখন দুই মিনিট হাঁটলেই থেমে যেতে হয়। তাই ডেঙ্গু হোক বা কিউলেক্স– সব ধরনের মশা নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্টদের গুরুত্ব সহকারে কাজ করতে হবে, নইলে জনভোগান্তি কমবে না।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিপিও/ইএইচ</strong></span></em></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রোগীদের ডাটাসমূহের সংরক্ষণাগার হতে পারে গবেষণার অফুরন্ত ভান্ডার : বিএমইউ ভিসি</title>
<link>https://digibanglatech.news/162209</link>
<guid>https://digibanglatech.news/162209</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6951713e86394.jpg" length="103085" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 28 Dec 2025 17:04:03 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) পি.এইচ.ডি প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত রিসার্চ গ্রান্টপ্রাপ্ত গবেষকদের গবেষণার অগ্রগতি নিয়ে ২৮ ডিসেম্বর, রবিবার একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। </p>
<p>বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএমইউয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম। </p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, পিএইচডি প্রোগ্রাম বিএমইউয়ের আলোকবর্তিকা। পিএইচডি গবেষকদের গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাকিং অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। </p>
<p>তিনি বলেন, পিএইচডি গবেষকদের গবেষণা থেকে এমন কিছু পাওয়া সম্ভব যা কপি রাইট, প্যাটেন্ট রাইটের মত বিষয় হতে পারে যা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের এবং বাংলাদেশের নিজস্ব সম্পদ হিসেবে গণ্য হবে। </p>
<p>তিনি বলেন, পিএইচডি প্রোগ্রামের গবেষকদের গবেষণা থেকে অর্জিত ফলাফলের প্রভাব জাতীয় নীতি নির্ধারণী পর্যায় এমনকি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও প্রতিফলিত হতে পারে। সেক্ষেত্রে গবেষণার বিষয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে রোগীর সংখ্যা পৃথিবীর অনেক দেশের মোট জনসংখ্যার চাইতে বেশি।  </p>
<p>ডা. শাহিনুল আলম আরও বলেন, তাই এ সকল রোগীদের ডাটাসমূহের সংরক্ষণাগার হতে পারে গবেষণার অফুরন্ত ভান্ডার। বিএমইউ এর গবেষণা বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিকভাবে অবদান রাখবে সেটাই প্রত্যাশিত।  </p>
<p>বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, বিএমইউ এর বর্তমান প্রশাসন গবেষণা কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় ফান্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিতভাবে সব ধরণের সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।  </p>
<p>বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার বলেন, গবেষণার মাধ্যমে নব নব বিষয় আবিষ্কার হবে সেটাই কাম্য। গবেষণার বিষয় যেনো এমনভাবে নির্বাচন করা হয় যা রোগীদের জন্য, দেশের জন্য কাজে লাগে।</p>
<p>সভায় বিএমইউয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ, সার্জারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. ইব্রাহীম সিদ্দিক, বেসিক সাইন্স ও প্যারাক্লিনিক্যাল সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী, শিশু অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. আতিয়ার রহমান, প্রিভেনটিভ এন্ড সোশ্যাল মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. আতিকুল হক, ডেন্টাল অনুষদের ডিন ডা. সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্ত, মেডিক্যাল টেকনোলজি অনুষদের ডিন ডা. এম আবু হেনা চৌধুরী, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, প্রক্টর ডা. শেখ ফরহাদ, ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুস শাকুর, মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. সোহেল মাহমুদ আরাফাত প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>সভায় বিএমইউর বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট গাইডবৃন্দ অংশগ্রহণ করে মূল্যবান মতামত প্রদান করেন। </p>
<p>অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিএমইউয়ের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ডা. সাইফ উদ্দিন নিসার আহমেদ।  <br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিএস/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ই&#45;সিগারেট নিষিদ্ধ ও ইন্টারনেটে প্রচার বন্ধের প্রস্তাব অনুমোদন</title>
<link>https://digibanglatech.news/161866</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161866</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_694c9a6d78e81.jpg" length="53398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 24 Dec 2025 22:59:31 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ই-সিগারেট নিষিদ্ধের প্রস্তাবসহ নিকোটিন পাউচ-কে ‘তামাকজাত দ্রব্য’-এর সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত করে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ।</p>
<p> নতুন আইনে ইমার্জিং টোব্যাকো প্রডাক্টস, যেমন-ই-সিগারেট (e-cigarette) বা ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম (ENDS), হিটেড টোব্যাকো প্রডাক্ট (HTP) ইত্যাদির ব্যবহার, উৎপাদন ও বিপণন নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়াও পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহণে ধূমপানের পাশাপাশি সকল প্রকার তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান (Designated Smoking Area-DSA) রাখার বিধান সরকারের নির্দেশনার শর্তাধীন করা হয়েছে।</p>
<p>২৪ ডিসেম্বর, বুধবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদন হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ।</p>
<p>মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তামাক ব্যবহার ক্যান্সারসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। তামাক ব্যবহারজনিত রোগে বাংলাদেশে প্রতি বছর এক লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষের অকাল মৃত্যু ঘটে।</p>
<p>মন্ত্রণালয় জানায়, দেশে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বিদ্যমান ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫’ আরও শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রস্তাবিত ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ আজ অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদিত হয়েছে। অধ্যাদেশ জারির লক্ষে অবিলম্বে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং গ্রহণ করতে হবে।</p>
<p>ভেটিং সম্পন্ন হলে ধূমপানে ‘পাবলিক প্লেস’ ও ‘পাবলিক পরিবহন’-এর সংজ্ঞা ও অধিক্ষেত্র আরও সম্প্রসারিত হবে। একইসঙ্গে বিক্রয়স্থলে তামাকজাত দ্রব্যের প্রদর্শনসহ ইন্টারনেট বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে তামাকজাত দ্রব্যের সব প্রকার বিজ্ঞাপন, প্রচার ও প্রসার নিষিদ্ধ হবে।</p>
<p>পাশাপাশি তামাকজাত দ্রব্যের প্যাকেটের গায়ে বিদ্যমান ৫০ শতাংশের পরিবর্তে ৭৫ শতাংশ এলাকা জুড়ে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সতর্কবাণী মুদ্রণের বাধ্যবাধকতা আরোপ হবে। <br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিএম/ইক</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আদ্&#45;দ্বীন মেডিকেল কলেজে থ্রিডি অ্যানিমেশন মনিটর উদ্বোধন</title>
<link>https://digibanglatech.news/161682</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161682</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_694a59705e518.jpg" length="87917" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 23 Dec 2025 13:57:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>
<p>রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজে স্থাপিত হলো ডিজিটাল থ্রিডি অ্যানিমেশন মনিটর। ২৩ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার সকালে কলেজের এনাটমি বিভাগে এই অ্যানিমেশন মনিটর উদ্বোধন করা হয়। </p>
<p>এসময় জানানো হয়, এই মনিটরটির মাধ্যমে টেক্সটবুককে থ্রিডি অ্যানিমেশন, ভিডিও এবং ইন্টারঅ্যাক্টিভ টুলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছে সহজবোধ্য করে তোলা হবে। থ্রিডি অ্যানিমেশন মনিটরে মানুষের শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ, রক্ত সঞ্চালন, বা জটিল সার্জারি প্রক্রিয়াগুলো থ্রিডিতে দেখানো সম্ভব, যা বইয়ের ছবি বা সাধারণ ভিডিওর চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর। তাই এটি ভবিষ্যত চিকিৎসকদের শিক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। </p>
<p>অনুষ্ঠানে-আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ও নার্সিংসমূহের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাহিদ ইয়াসমিন, আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মাহমুদা হাসান, এনাটমি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এ. বি. এম ওমর ফারুক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।</p>
<div>
<p>বক্তারা বলেন, মেডিকেল শিক্ষার মানোন্নয়নে এবং এনাটমি বা জটিল রোগ-ব্যাধি বোঝাতে থ্রিডি অ্যানিমেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। টেক্সটবুককে থ্রিডি অ্যানিমেশন-এ রূপান্তর করে কঠিন বিষয়গুলোকে জীবন্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলা, যা ছাত্রদের বুঝতে সাহায্য করে এবং শেখার আগ্রহ বাড়ায়। নতুন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি শক্তিশালী প্রশিক্ষণ টুল।</p>
<p>এসময় মেডিকেল কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ এবং এনাটমি বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিএম/ইক</strong></span></em></p>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নিকডুতে এক মাসে ৫ কিডনি প্রতিস্থাপন</title>
<link>https://digibanglatech.news/161654</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161654</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6949fb0551ae6.jpg" length="92500" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 23 Dec 2025 00:00:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজিতে (নিকডু) গত এক মাসে প্রায় পাঁচটি কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। এ নিয়ে ৪৪টি কিডনি প্রতিস্থাপন সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন হয়। হাসপাতালটিতে এখন প্রতিনিয়ত ৬টি ওটিতে শৈল চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বহিঃবিভাগে প্রতিদিন প্রায় দেড় সহস্রাধিক রোগী নিয়মিত চিকিৎসা নিচ্ছেন।</p>
<div>
<p>২২ নভেম্বর, সোমবার নিকডু’র অডিটোরিয়ামে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক সমিতির জার্নাল ও গঠনতন্ত্রের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়। এ সময় সদ্য উচ্চতর ডিগ্রি প্রাপ্ত ২০ জন চিকিৎসক এবং পদোন্নতি পাওয়া ৪২ জন চিকিৎসকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।সদ্য উত্তীর্ণ (জানুয়ারি-জুলাই সেশন ২০২৫) পোস্ট গ্রাজুয়েট চিকিৎসকদের ও সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। </p>
<p>অনুষ্ঠানের শুরুতে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের সঙ্গে ভারতের আধিপত্যবাদ বিরোধী আন্দোলনে শহীদ শরিফ ওসমান হাদি ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। </p>
<div>
<p>শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহরিয়ার মো. কবির হাসানের (পল্লব) সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক ডা. মশিউর আরেফিন রুবেল।</p>
<p>অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আলফাজ সানি, শিক্ষক সমিতির কোষাধ্যক্ষ সহযোগী অধ্যাপক ডা. শাহনেওয়াজ দেওয়ান, ইউরোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. মো শওকত আলম ,নেফ্রলজি বিভাগের অধ্যাপক প্রফেসর আ ন ম এহসানুল করিম, ট্রান্সপার্ট ইউরোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. ফজল নাসের, শিশু ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. ফয়সাল ইসলাম, শিশু নেফ্রলজি বিভাগের বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. কবির আলম, অ্যানেসথেসিয়া বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. তানভীর আলম, রেডিওলজি বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. তাহমিনা ইসলাম ও মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মোরশেদ আলম।</p>
<p>বক্তারা জানান, নিকডু প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে শিক্ষকদের কোনো প্লাটফর্ম ছিল না, এখন তা হয়েছে। শিক্ষকরা প্রশাসনকে সহযোগিতা করবেন এবং প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।</p>
<p> নিকডু পরিচালক অধ্যাপক ডা. আলফাজ সানি বলেন, নিকডু ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে। আগের নিকডু আর নেই, এখন নিকডু এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের কিডনি সংক্রান্ত অনন্য প্রতিষ্ঠান হবে নিকডু। নিকডু’র রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। অস্ত্রোপচারের সংখ্যা এবং সেবার মান বেড়েছে। কিডনি ইনস্টিটিউট আগামীতে পথপ্রদর্শক হবে।</p>
<p>শিক্ষক সমিতির সভাপতি ডা. মশিউর আরেফিন রুবেল বলেন, ভবিষ্যতে নিকডুকে একটি আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা থাকবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা থাকলে নিকডু অতি দ্রুত সেন্টার অব এক্সিলেন্সিতে পরিণত হবে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিআর/ইক</strong></span></em></p>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নভো নরডিস্ক ও আরোগ্য লিমিটেডের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি</title>
<link>https://digibanglatech.news/161198</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161198</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_69440ced154c6.jpg" length="87081" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 18 Dec 2025 17:18:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal"><a name="m_-3944030304763236886__Hlk216960573" rel="noreferrer"></a></p>
<p class="MsoNormal">ডিজিটাল চ্যানেলের মাধ্যমে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সেবা সহজ ও সুবিধাজনক করতে নভো একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে নরডিস্ক ফার্মা পিভিটি লিমিটেড এবং আরোগ্য লিমিটেড। পাশাপাশি, এ চুক্তির ফলে রোগীদের জন্য ডিজিটাল মাধ্যমে নভো নরডিস্কের আসল পণ্য পাওয়া আরও সহজ হবে।</p>
<p class="MsoNormal"><span>এই অংশীদারিত্বের আওতায়, ঢাকা শহরের ভেতরে নভো<i> </i>নরডিস্কের পণ্যের অনলাইন অর্ডার ও ডেলিভারি সেবা প্রদান করবে আরোগ্য। ডেলিভারির ক্ষেত্রে কোল্ড-চেইন ব্যবস্থার মানদণ্ডকে যথাযথভাবে অনুসরণ করা হবে। পাশাপাশি, পণ্যের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে কিউআর কোডযুক্ত নির্দেশিকা দেওয়া হবে। প্রযুক্তি ও সহজলভ্যতাকে একত্রিত করে এই উদ্যোগ পণ্যের যথাযথ মান নিশ্চিতের পাশাপাশি দেশে রোগী-কেন্দ্রিক উদ্ভাবনে একটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span>অনুষ্ঠানে নভো নরডিস্কের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মোহাম্মদ রিয়াদ মামুন প্রধানী এবং ক্লিনিক্যাল, মেডিক্যাল ও রেগুলেটরি বিভাগের পরিচালক ডা. মাহবুবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। আরোগ্য লিমিটেডের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রোজিনা মজুমদার এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও </span><span lang="BN">সিএসও<span> </span></span><span>ইয়াওয়ার মেহবুব উপস্থিত ছিলেন।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span>ঁ</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ত্বকের যত্নে বাংলাদেশে ‘ডার্মাস্ক্যান এআই স্কিন অ্যানালাইজার’!</title>
<link>https://digibanglatech.news/161146</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161146</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_69435f5403d6c.jpg" length="74268" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 18 Dec 2025 00:05:34 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<p>ত্বকের যত্নে এর ধরন ও উপযোগিতায় নজর দিয়ে বাংলাদেশে বিজ্ঞানভিত্তিক স্কিন কেয়ার ‘ডার্মাস্ক্যান এআই স্কিন অ্যানালাইজার’ চালু করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় স্কিন কেয়ার ব্র্যান্ড বায়োজিন কসমেসিউটিক্যালস। </p>
<p>প্রতিষ্ঠানটি বলছে, এই এআইভিত্তিক প্রযুক্তির মাধ্যমে এখন ঘরে বসেই মোবাইল ফোন ব্যবহার করে জানা যাবে ত্বকের খুঁটিনাটি সব সমস্যা। ডার্মাস্ক্যান এআই স্কিন অ্যানালাইজার ব্যবহার করে পাওয়া যাবে ত্বকের ধরন ও বয়স, পোরসের অবস্থা, ব্রণ, ত্বকের তৈলাক্ততা, রিঙ্কলস, হাইড্রেশন লেভেলসহ বিস্তারিত বিশ্লেষণ ও পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট। একই সঙ্গে রিপোর্ট অনুযায়ী ব্যক্তিগত স্কিন কেয়ার প্রোডাক্টের সঠিক সাজেশন পাওয়া যাবে। এজন্য <span> প্রথমে বায়োজিন কসমেসিউটিক্যালসের অফিশিয়াল </span><a href="https://www.bioxin.com/" target="_blank" rel="noopener">ওয়েবসাইট</a><span><a href="https://www.bioxin.com/" target="_blank" rel="noopener"> </a>এ ভিজিট করতে হবে। এরপর সাইটের বাঁ পাশে নিচে থাকা ‘Skin Analyzer’ অপশনে ক্লিক করে চশমা বা মেকআপ সরিয়ে নির্দিষ্ট নিয়মে মুখের ছবি তুললেই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে পাওয়া যাবে পূর্ণাঙ্গ স্কিন রিপোর্ট। রিপোর্টের পাশেই থাকবে উপযুক্ত প্রোডাক্টের সাজেশন এবং এক ক্লিকেই সেখান থেকে প্রোডাক্ট অর্ডারের সুবিধা। অথবা সরাসরি ভিজিট করা যাবে এই </span><a target="_blank" href="https://www.bioxin.com/skin-analyzer" rel="noopener">লিংকে</a><span>।</span></p>
<p><span>বায়োজিন কসমেসিউটিক্যালসের সিইও ও প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ জাহিদুল হক জানান, অনলাইন ভিত্তিক এই সেবা চালু করায় </span>এখন আর বন্ধুদের পরামর্শ, সোশ্যাল মিডিয়ার গাইডলাইন কিংবা অনুমানের ওপর নির্ভর করে স্কিন কেয়ার করার প্রয়োজন নেই। দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে, যেকোনো সময় ডার্মাস্ক্যান এআই স্কিন অ্যানালাইজারের মাধ্যমে ত্বকের সমস্যার নির্ভরযোগ্য ও বিজ্ঞানসম্মত সমাধান জানা যাবে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x_69435ea0e0591.jpg" alt=""></p>
<p>রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস কালচারাল সেন্টারে অবস্থিত বায়োজিন কসমেসিউটিক্যালসের প্রধান কার্যালয়ে গত ১৪ ডিসেম্বর এই স্কিন কেয়ার প্রযুক্তির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা সাহা মিম ছাড়াও দেশের স্কিন কেয়ার ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সারদের মধ্যে শাম্মা রুশাফি অবন্তী (শ্যামাশ্যাডোজ), সানজিদা ইসলাম সায়মা এবং ফারজানা ইসলাম (মেক-ইট-আপ বাই ফারজানা) উপস্থিত ছিলেন।</p>
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>প্রতিষ্ঠানটির জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশনস) জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘বায়োজিনে আমাদের লক্ষ্য সব সময়ই নিরাপদ, কার্যকর ও ফলপ্রসূ স্কিন কেয়ার সেবা দেওয়া। এআই অ্যানালাইজার প্রযুক্তি ও সৌন্দর্যের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি করেছে, যা গ্রাহকদের জন্য একটি স্মার্ট ও আধুনিক সমাধান।’</p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/পিএও/আইকে</strong></em></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রুটিন টিকাদানে আন্তঃমন্ত্রণালয় ডাটা ইন্টারঅপারেবিলিটি প্ল্যাটফর্ম চালুর উদ্যোগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/160781</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160781</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_693eedcb6f184.jpg" length="104840" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 14 Dec 2025 20:03:29 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সরকারের রুটিন টিকাদান ব্যবস্থা আরও কার্যকর, সমন্বিত ও টেকসই করতে আন্তঃমন্ত্রণালয় ডাটা ইন্টারঅপারেবিলিটি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে একটি সমন্বিত ডাটা এক্সচেঞ্জ প্ল্যাটফর্ম বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) টিকাপ্রদান সিস্টেমকে প্রাথমিক ইউজ কেস হিসেবে ব্যবহার করা হবে।</p>
<p>১৪ ডিসেম্বর, রবিবার ঢাকার একটি হোটেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নেতৃত্বে, এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই), আইসিটি বিভাগ ও ইউএনডিপি বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী সভায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের   সংস্কার ও সমন্বয় শাখার সচিব জাহেদা পারভীন এ ঘোষণা দেন।</p>
<p>এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি স্ট্র্যাটেজিক কমিটি এবং কারিগরি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ইপিআই সিস্টেম বাস্তবায়নের সময় অর্জিত অভিজ্ঞতা ও চ্যালেঞ্জ ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ের ইন্টারঅপারেবল সিস্টেম গঠনের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হবে।</p>
<p>শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন, “বর্তমানে জন্মনিবন্ধন, সিভিল রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস (সিআরভিএস), ইপিআই, শিক্ষা ও পরিচয়পত্র সংক্রান্ত বিভিন্ন দপ্তরে নাগরিকের তথ্য থাকলেও সেগুলো পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত নয়। ফলে একই তথ্য বারবার জমা দিতে হয়, যা সময় ও সম্পদের অপচয় ঘটায় এবং সেবার মানে প্রভাব ফেলে। সমন্বিত ডাটা এক্সচেঞ্জ প্ল্যাটফর্ম চালু হলে একবার সংগৃহীত তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংশ্লিষ্ট সব সিস্টেমে ব্যবহার করা যাবে। এর মাধ্যমে জন্মের সময় সংগৃহীত তথ্য টিকাদান, শিক্ষা ভর্তি, পরিচয়পত্র ও পাসপোর্টসহ বিভিন্ন সেবায় ধারাবাহিকভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে। এই তথ্যভিত্তিক সমন্বয়ের ফলে বিভিন্ন দপ্তর তাদের পরিকল্পনা ও লক্ষ্য নির্ধারণে নির্ভুল উপাত্ত পাবে। পাশাপাশি টিকার চাহিদা পূর্বাভাস, রিয়েল-টাইম তথ্য হালনাগাদ এবং যোগ্য শিশু-কিশোরদের সব টিকার আওতায় আনা সহজ হবে। নাগরিকদের তথ্য প্রদানের ঝামেলা কমবে এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও দক্ষ হবে।”</p>
<p>জাহেদা পারভীন বলেন, “জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ ২০২৫ অনুযায়ী ইন্টারঅপারেবিলিটির ক্ষেত্রে সমন্বয়ের দায়িত্ব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের। সেক্ষেত্রে আইসিটি বিভাগ উদ্যোগ নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে অন্তর্ভুক্ত করলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সকল ধরণে সহযোগিতা করা হবে। জন্মনিবন্ধন নম্বর এবং এনআইডি সিস্টেমের মধ্যে সমন্বয় করা যেন দুই ক্ষেত্রেই একই ধরণের তথ্য সংরক্ষণের মাধ্যমে নাগরিকদের ইউনিক আইডি নিশ্চিত করা যায়। এক্ষেত্রে সচিব, সমন্বয় ও সংস্কার, মন্ত্রিপরিষদ এর নেতৃত্বে একটি কমিটি হবে এবং সচিব, আইসিটি বিভাগের এর নেতৃত্বে একটি কমিটি হবে। বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডিজিটাল আর্কিটেকচার এর ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট আইনের অভাবে এটি প্রতিটি দপ্তরে বাস্তবায়নে যে অসফলতা হয়েছিল, জাতীয় তথ্য ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এর মাধ্যমে সেটি দূর করা সম্ভব। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের সরকারি তথ্য আদান–প্রদানে ইন্টারঅপারেবিলিটি নিশ্চিত হবে এবং নাগরিকসেবায় একটি নতুন মানদণ্ড স্থাপিত হবে।”</p>
<p>সভায় পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আশরাফী আহমদ, আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন উইং) মোঃ মামুনুর রশীদ ভূঞা; এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মোহা: আব্দুর রফিক; যুগ্ম প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. কামরুল হাসান ও যুগ্ম প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মোঃ রশিদুল মান্নাফ কবীর; আইসিটি বিভাগের যুগ্ম সচিব (ডিজিটাল গভর্ন্যান্স ও সিকিউরিটি উইং) মো. মজিবর রহমান; স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (এমআইএস) ডা. আবু আহাম্মদ আল মামুন; এটুআই-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট লিড আব্দুল্লাহ আল ফাহিম, ডাটা ও রিসার্চ ক্লাস্টার হেড আনোয়ারুল আরিফ খান ও ইন্টারন্যাশনাল প্রজেক্ট ম্যানেজার মাহা আবু এমিয়ার উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমজেইউ/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পোশাক শ্রমিকদের জন্য ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা আনছে নুভিস্তা, বিজিএমইএ ও অলওয়েল</title>
<link>https://digibanglatech.news/160431</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160431</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_693a7d519f880.jpg" length="103562" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 11 Dec 2025 09:14:21 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" align="justify"><span>দেশের তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও মানসিক সহায়তার সুযোগ বাড়াতে একটি ডিজিটাল হাসপাতাল প্রকল্প শুরু হচ্ছে। নুভিস্তা ফার্মা পিএলসি</span><span>, </span><span>বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন </span><span>(</span><span>বিজিএমইএ</span><span>) </span><span>এবং অলওয়েল বিডি লিমিটেড যৌথভাবে এই উদ্যোগ বাস্তাবায়ন করবে। </span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" align="justify"><span>নুভিস্তা ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম রাব্বুর রেজা</span><span>, </span><span>অলওয়েলের চেয়ারম্যান মোজাহেদুল হক আবুল হাসানাত এবং বিজিএমইএর সিনিয়র সহসভাপতি ইনামুল হক খান ১০ ডিসেম্বর, বুধবার এ সম্পর্কিত সমঝোতা স্মারকে সই করেন।</span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" align="justify"><span>ডিজিটাল হাসপাতাল প্রকল্পের অংশ হিসেবে নুভিস্তা ফার্মা শ্রমিকদের</span><span>, </span><span>বিশেষ করে নারী শ্রমিকদের জন্য সময়োপযোগী স্ত্রীরোগ</span><span>, </span><span>প্রজনন স্বাস্থ্য ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে একটি কাঠামোগত রেফারেল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলবে। বাংলাদেশের বিভিন্ন শিল্প</span><span>-</span><span>কারখানার কর্মীদের জন্য প্রমাণভিত্তিক ও সমতাভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা বিস্তারে প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারকে এই সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করবে বলে জানানো হয়।</span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" align="justify"><span>নুভিস্তা ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালক </span><span>(</span><span>এমডি</span><span>) </span><span>এস এম রাব্বুর রেজা বলেন</span><span>, ‘</span><span>প্রতি শ্রমিকেরই মানসম্মত ও সময়মতো স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার আছে। এই সহযোগিতা আমাদেরকে বিশেষ করে নারী শ্রমিকদের কাছে প্রয়োজনীয় শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে।</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">’</span></span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" align="justify"><span>ডিজিটাল হাসপাতাল প্ল্যাটফর্মটি পরিচালনা করবে অলওয়েল বিডি লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি ২৪ ঘণ্টা পরামর্শ</span><span>, </span><span>নিরাপদ ই-এইচআর ব্যবস্থাপনা</span><span>, </span><span>প্রয়োজনীয় ফলো</span><span>-</span><span>আপ ও কারখানার ভেতর সচেতনতামূলক কর্যক্রম পরিচালনা করবে।</span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" align="justify"><span>অলওয়েলের চেয়ারম্যান মোজাহেদুল হক আবুল হাসানাত বলেন</span><span>, ‘</span><span>আমাদের লক্ষ্য যে কোনো সময়</span><span>, </span><span>যেকোনো স্থান থেকে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। আরএমজি কারখানায় আমাদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম যুক্ত হওয়ার ফলে শ্রমিকরা চিকিৎসা নিতে যে প্রচলিত বাধায় পড়েন</span><span>, </span><span>তা কমে আসবে এবং একটি রেসপন্সিভ স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে উঠবে।</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">’</span></span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" align="justify"><span>বিজিএমইএ কারখানাগুলোর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা</span><span>, </span><span>মানবসম্পদ ও কমপ্লায়েন্স টিমকে সহায়তা করা এবং শ্রমিকদের সঙ্গে কার্যকরভাবে যোগাযোগের দায়িত্ব পালন করবে।</span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" align="justify"><span>বিজিএমইএর সিনিয়র সহসভাপতি ইনামুল হক খান বলেন</span><span>, ‘</span><span>শ্রমিক কল্যাণে উদ্ভাবনী ও কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা আনতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কারখানার ভেতরেই ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া হলে অপ্রয়োজনীয় অবহেলা বা অনিরাময়িত সমস্যা কমবে এবং শ্রমিকদের সামগ্রিক সুস্থতা বাড়বে।</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">’</span></span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" align="justify"><span>প্রকল্পের প্রথম ধাপে নির্বাচিত কারখানার পাঁচ হাজার শ্রমিক যুক্ত হবে এবং তিন মাসের মধ্যে এ সংখ্যা বাড়িয়ে দশ হাজারে নেওয়া হবে। অংশগ্রহণকারী শ্রমিকরা এক বছরের জন্য ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা পাবেন। ভবিষ্যতে প্রকল্পটি আরও সম্প্রসারণ করা হবে কর্মপরিধি ও ফলাফল মূল্যায়নের ভিত্তিতে।</span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" align="justify"><span>সমঝোতা অনুযায়ী</span><span>, </span><span>তিন প্রতিষ্ঠানই ত্রৈমাসিক অগ্রগতি প্রতিবেদন</span><span>, </span><span>তথ্যের গোপনীয়তা নিশ্চিতকরণ</span><span>, </span><span>সেবার মান ও প্রকল্পের সম্প্রসারণযোগ্যতা</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">—</span></span><span>সবকিছু যৌথভাবে তদারকি করবে।</span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" align="justify"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এএফএমএ/মিইউএম</strong></span></em></p>
<p class="MsoNormal" align="justify"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন ভেদরগঞ্জের  ১১শ বাত রোগী </title>
<link>https://digibanglatech.news/160197</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160197</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_69344d972d608.jpg" length="123464" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 06 Dec 2025 17:38:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রফেসর নজরুল রিউমাটোলজি ফাউন্ডেশন অ্যান্ড রিসার্চ (পিএনআরএফআর) ট্রাস্টের উদ্যোগে ঢাকার বাইরের ১১শতাধিক অসহায় মানুষকে চিকিৎসকদের ব্যবস্থাপত্র ও রোগ অনুযায়ী প্রত্যেককে বিনামূল্যে বিভিন্ন ধরনের ওষুধও দেয়া হয়েছে।</p>
<p>বিনামূল্যের নিয়মিত হেলথ ক্যাম্পের অংশ হিসেবে ৫ডিসেম্বর, শুক্রবার শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জের  শহীদ সিরাজ সিকদার ডিগ্রি কলেজের হেলথ ক্যাম্প এই সেবা দেয়া হয়। </p>
<p>বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের কাউন্সিলর ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. মাহমুদ হোসেনের সৌজন্যে হেলথ ক্যাম্প পরিচালনা করেন পিএনআরএফআর ট্রাস্টের চেয়ারম্যান বাতরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক  ডা. মো. নজরুল ইসলাম, ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ডা. নীরা ফেরদৌস। সঙ্গে রিউমাটোলজিস্ট ডা. বুদ্ধদেব সরকার সহ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ জন চিকিৎসক।</p>
<p>এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন-ট্রাস্টের সেক্রেটারি ড. পিযুষ বিশ্বাস, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নুরুল ইসলাম খোকন, জুবায়ের আহমেদ, মো. বুরহান উদ্দিন, মো. সামিউল হক, বোরহান উদ্দিন, কাজি মনজুর সাকলায়েনসহ মর্ডান ওয়ান স্টপ আথ্রাইটিস কেয়ার এন্ড রিসার্চ সেন্টার (এমওএসিএন্ডআরসি) এর স্টাফরা।</p>
<p>৩৪ জনের মেডিকেল টিম সফলতার সঙ্গে এবং স্থানীয়দের সহযোগিতায় সকাল থেকে রাত অবধি হেলথ ক্যাম্প পরিচালনা করা হয়।</p>
<p>পিএনআরএফআরের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠার পর থেকেই আমরা বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার চেষ্টা করছি। ভবিষ্যতে ট্রাস্টের মাধ্যমে আরও বিস্তৃতভাবে এই ধরনের কার্যক্রম বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, আমরা শুধু বাত রোগীদের চিকিৎসায় সহায়তা দিচ্ছি না, অন্যান্য দূরারোগ্য রোগীদের জন্য এককালীন চিকিৎসা সহায়তা, গরিব মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান, উত্তরবঙ্গে অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস চালু, শীতবস্ত্র বিতরণ ও বন্যার্তদের সহায়তাও করছি। যারা আমাদের এই কাজে সহযোগিতা করছেন, তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।</p>
<p>ক্যাম্পে উপস্থিত চিকিৎসকরা বাত ব্যথা এবং অন্যান্য বাতজনিত রোগ সম্পর্কে রোগীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেন। এছাড়া তারা বাত রোগের প্রাথমিক লক্ষণ ও চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কেও রোগীদের অবহিত করেন।</p>
<p>হেলথ ক্যাম্প শেষে শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. মাহমুদ হোসেন বলেন, এমন সুনির্দিষ্ট রোগ নিয়ে দিনভর ১১শ মানুষকে নিরবিচ্ছিন্নভাবে সেবা দেয়ার ঘটনা বিরল। এটা আমাদের এলাকার জন্য ইতিহাস। আমরা এর জন্য ট্রাস্ট্রের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিইউ/আইএইচ</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের কাজে যোগদানের নির্দেশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/160164</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160164</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6932dc74f2a31.jpg" length="65086" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 05 Dec 2025 14:22:17 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>চলমান কর্মসূচি প্রত্যাহার করে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের কাজে যোগদানের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। ৫ ডিসেম্বর, শুক্রবার মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রগুলোতে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা গত কয়েকদিন ধরে দশম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবি আদায়ে কর্মবিরতিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন। এতে জরুরি স্বাস্থ্য সেবা ব্যাহত হচ্ছে এবং সেবাপ্রার্থী সাধারণ মানুষ অবর্ণনীয় কষ্ট ও দুর্ভোগের স্বীকার হচ্ছেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় মানুষের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সেবা প্রাপ্তিতে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় সেবা গ্রহীতাদের নিকট দুঃখ প্রকাশ করছে।</p>
<p>টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের দাবির বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। দীর্ঘদিনের পুরোনো দশম গ্রেড প্রদানের দাবির বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সব কর্মকাণ্ড ইতিবাচকভাবে সম্পন্ন করে সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহকে অবহিত করেছে। এই দাবি বাস্তবায়নে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মনোভাবও ইতিবাচক এবং তারা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যেহেতু এটি দীর্ঘদিনের সমস্যা, কাজেই তা সমাধানের জন্য সরকারকে প্রয়োজনীয় সময় দিতে হবে।</p>
<p>আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিরা সচিবের সঙ্গে আলোচনায় এ বিষয়ের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত হয়েছেন। অথচ একটা ইতিবাচক সমাধানের পথে অগ্রসরমান বিষয়ে তারা পরবর্তীতে দাবি আদায়ের নামে রোগীদের জিম্মি করে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন, যা স্বাস্থ্য সেবার মতো মহান পেশায় নিয়োজিত সেবাপ্রদানকারীর নিকট কোনোভাবেই কাম্য নয়।</p>
<p>এ অবস্থায় সরকারের সব পক্ষের ইতিবাচক মনোভাব, উদ্যোগ ও কর্মকাণ্ড চলমান থাকার পরও কর্মবিরতির নামে রোগীদের সেবাবঞ্চিত করার পথ পরিত্যাগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি অবিলম্বে কাজে যোগদানের জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টসহ সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যথায় এ ধরনের অত্যাবশ্যকীয় সেবা বন্ধের মতো জনস্বার্থ-বিরোধী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/পিআর/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিএমইউতে স্ট্রাকচার্ড ক্লিনিক্যাল অ্যাসেসমেন্ট বিষয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/160145</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160145</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6931a642538b9.jpg" length="101366" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 04 Dec 2025 17:18:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div dir="auto" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div data-ad-rendering-role="story_message" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="x1l90r2v x1iorvi4 x1g0dm76 xpdmqnj" data-ad-comet-preview="message" data-ad-preview="message" id="_r_3ke_">
<div class="x78zum5 xdt5ytf xz62fqu x16ldp7u">
<div class="xu06os2 x1ok221b">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a"></div>
<div>
<div dir="auto">বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির (বিএমইউ) এর ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগে অনুষ্ঠিত হলো ‘স্ট্রাকচার্ড ক্লিনিক্যাল অ্যাসেসমেন্ট (Workshop on Structured Clinical Assessment (SCA)’ বিষয়ক কর্মশালা।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">৪ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার কর্মশালার উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মোঃ শাহিনুল আলম।</div>
</div>
<div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">উদ্বোধনী বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. মোঃ শাহিনুল আলম বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন, মূল্যায়ন পদ্ধতির আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের বিশেষজ্ঞ তৈরির ক্ষেত্রে এসসিএ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ। এটি শিক্ষার্থীদের ক্লিনিক্যাল দক্ষতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এবং রোগী-কেন্দ্রিক সেবার মান নিরূপণে বৈজ্ঞানিক ও নির্ভরযোগ্য নির্দেশনা প্রদান করবে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div>
<div dir="auto">অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোঃ আকরাম হোসেন। তিনি বলেন, বিএমইউ দক্ষ, নীতিনিষ্ঠ এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন অনকোলজি বিশেষজ্ঞ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আধুনিক মূল্যায়ন পদ্ধতি সেই প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করবে।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">কর্মশালার ফ্যাকাল্টি সেশন পরিচালনা করেন প্রফেসর তাহমিনা বেগম, কাউন্সিলর ও পরিচালক, ডিপার্টমেন্ট অব মেডিক্যাল এডুকেশন, বিসিপিএস, ডা. মোঃ রাসেল আহমেদ, সহকারী অধ্যাপক, মেডিক্যাল এডুকেশন, পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স, বিএমইউ। দিনব্যাপী এ কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা এসসিএ এর দর্শন, স্টেশন ডেভেলপমেন্ট, মূল্যায়ন রুব্রিক, অবজেক্টিভ স্কোরিং এবং ফিডব্যাক ব্যবস্থা নিয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div>
<div dir="auto">কর্মশালায় বিএমইউ এর ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঢাকা সিএমএইচ ক্যান্সার সেন্টার, ঢাকা মেডিকেল কলেজের রেডিওথেরাপি বিভাগসহ দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ক্লিনিক্যাল অনকোলজি, রেডিয়েশন অনকোলজি ও মেডিক্যাল অনকোলজি বিভাগের শিক্ষকগণ অংশগ্রহণ করেন।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">অংশগ্রহণকারীরা গ্রুপভিত্তিক স্টেশন ডিজাইন, স্কোরিং পদ্ধতি ও ফিডব্যাক মেকানিজম নিয়ে কার্যকর গ্রুপওয়ার্ক সম্পাদন করেন। কর্মশালাটি আয়োজিত হয় ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগের উদ্যোগে, যা বিএমইউতে উচ্চমানের স্নাতকোত্তর শিক্ষা ও দক্ষ বিশেষজ্ঞ তৈরির চলমান প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করবে।</div>
<div dir="auto"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এফএস/ইকে</strong></span></em></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে মধ্যরাতের পর লন্ডনে নেয়া হচ্ছে খালেদা জিয়া&#45;কে</title>
<link>https://digibanglatech.news/160121</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160121</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_693151b90f6fc.jpg" length="57020" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 04 Dec 2025 15:05:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>চিকিৎসক ও লণ্ডনে থাকা পুত্র তারেক রহমানের সঙ্গে তিন দফা ভার্চুয়াল বৈঠক শেষে সেখানেই একটি হাসাপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর বসুন্ধরার <span>এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে আজ মধ্যরাতের পর যে কোনো সময় যুক্তরাজ্যে নিয়ে যাওয়া হবে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া-কে। এজন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান লন্ডন থেকে ঢাকায় আসছেন। অপরদিকে তাকে বহনের জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠাচ্ছে কাতার।</span></p>
<p>খালেদা জিয়ার সর্বশেষ শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে৪ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার বেলা তিনটায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের বাইরে <span>তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন </span>সাংবাদিকদের বলেছেন, <span>বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং আপোষহীন নেত্রী খালেদা জিয়াকে ‘সঙ্কটাপন্ন’ অবস্থায় আজ মধ্যরাতের পর লন্ডনে নেওয়া হবে। </span> </p>
<p>ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সর্বসমম্মত সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমরা ইনশাআল্লাহ কাতার এয়ার লাইন্সেন্সের মাধ্যমে আজকে মধ্যরাতের পর বা আগামীকাল সকালে উনাকে (খালেদা জিয়াকে) লন্ডনে নিয়ে যাবো। সেখানে নির্ধারিত একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হবে। দেশ ও দেশের বাইরের বেশ কিছু চিকিৎসক উনার সঙ্গে যাবেন।</p>
<p>তিনি দেশবাসীর কাছে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চেয়েছেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং খালেদা জিয়ার পরিবার থেকে সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি। ঢাকাস্থ বিভিন্ন দূতাবাসকেও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।</p>
<p>খালেদা জিয়ার সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শের বাইরে কোনো অবস্থাতেই দল বা পরিবার কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না। এজন্য গতকাল তিনবার ভার্চুয়াল মিটিং হয়েছে। বিদেশী ডাক্তাররা ফিজিক্যালি উনাকে দেখেছেন। মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা সবার সঙ্গে আলোচনা করে আমরা এখন অনেক অনেক আশাবাদী। </p>
<p>সূত্রমতে, <span>যুক্তরাজ্য থেকে ঢাকায় আসা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রিচার্ড বেলে ছাড়াও সফরে তার পুত্রবধূ সৈয়দা শামিলা রহমান, চিকিৎসক আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসাইন, উপদেষ্টা ডঃ মোহাম্মাদ আনামুল হক চৌধুরী, চিকিৎসক ফখরুদ্দিন মোহাম্মদ সিদ্দিকী, শাহাবুদ্দিন তালুকদার, নুরুদ্দিন আহমাদ, জাফর ইকবাল, মোহাম্মদ আল মামুন, এসএসএফ সদস্য হাসান শাহরিয়ার ইকবাল ও সৈয়দ শামী মাহফুজ, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সহকারি আব্দুল হাই মল্লিক, ব্যক্তিগত সহকারি সচিব মাসুদুর রহমান এবং গৃহকর্মী ফাতেমা বেগম ও রূপা সিকদার সঙ্গে যাচ্ছেন।   </span></p>
<p><span>গত ১২ দিন ধরে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সূত্র মতে, খালেদা জিয়ার ফুসফুসে সংক্রমণের কারণে যে জটিলতা তৈরি হয়েছিল, সেটা কিছুটা উন্নতির দিকে। তবে হৃদ্‌যন্ত্রে জটিলতা রয়েছে। বাকি সমস্যাগুলো অনেকটাই অপরিবর্তিত।</span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ইকে/ওআর</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিএমইউতে ‘এ আই: উদ্ভাবন এবং ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা’ বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/160116</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160116</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6931361826cd5.jpg" length="101521" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 04 Dec 2025 10:21:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) ‘এ আই: উদ্ভাবন এবং ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা (Al: Innovations and Future Direction)’ বিষয়ে ডিসেম্বর, বুধবার একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। </span>সেমিনারে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এআই এর ভূমিকা, সম্ভাবনা, অগ্রগতি, উন্নয়ন, এআই উদ্ভাবনে গবেষণার অগ্রাধিকার, সহযোগিতামূলক পথ চিহ্নিতকরণ, ভবিষ্যৎ গবেষণার ক্ষেত্র, প্রযুক্তি-সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা গঠনের রূপরেখাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়।</p>
<p>সেমিনারে অতিথি ও প্রধান বক্তা ছিলেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ পাকিস্তানের কমস্যাটস ইউনিভার্সিটি ইসলামাবাদের একাডেমিক অ্যাডমিনিস্ট্র্রেটর ও তমঘা-ই-ইমতিয়াজ পুরস্কারে ভূষিত ডা. হাম্মাদ ওমর। সেমিনারে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এআই এর ভূমিকা, সম্ভাবনা, অগ্রগতি, উন্নয়ন, এআই উদ্ভাবনে গবেষণার অগ্রাধিকার, সহযোগিতামূলক পথ চিহ্নিতকরণ, ভবিষ্যৎ গবেষণার ক্ষেত্র, প্রযুক্তি-সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা গঠনের রূপরেখাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়।</p>
<p>অনুষ্ঠানে এআই গবেষক ও প্রযুক্তি উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ ডা. হাম্মাদ ওমর (তমঘা-ই-ইমতিয়াজ) বিশ্বব্যাপী চিকিৎসা গবেষণা, বায়োমেডিক্যাল ডেটা বিশ্লেষণ, রোগ-নির্ণয়ের স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি এবং জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় এআই-এর দ্রুত অগ্রগতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।</p>
<p>তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন আর ভবিষ্যৎ নয়; এটি বর্তমানের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে নতুন স্তরে উন্নীত করার শক্তিশালী মাধ্যম। বাংলাদেশে এর প্রয়োগ বাড়াতে গবেষণা সহযোগিতা ও নীতি-সমন্বয় জরুরি। চিকিৎসা-শিক্ষা, গবেষণা ও রোগীসেবায় এআই-সমর্থিত প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করা সময়েরই দাবি। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যমান জনবলের উন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মানবসম্পদ তৈরি, সম্পদের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে এআই প্রযুক্তি কাজে লাগানোর বিরাট সুযোগ রয়েছে। অনুষ্ঠানে তিনি অংশগ্রহণকারী ফ্যাকাল্টি ও রেসিডেন্টদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।</p>
<p>আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স (এআই) ব্যবহারের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবাখাতের উন্নয়নে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) দেশে নেতৃত্ব দেবে এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম বলেন, মেডিকেল সেক্টরের বা স্বাস্থ্যখাতের সবক্ষেত্রেই এআই অবদান রাখতে পারে। এআই এর ব্যবহারের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবাখাতের উন্নয়নে বাংলাদেশে বিএমইউ নেতৃত্ব দেবে এটাই কাম্য। বিএমইউতে রোগীর সংখ্যা অনেক, প্রচুর ডাটা রয়েছে। যার মাধ্যমে প্রচুর গবেষণার সুযোগ রয়েছে। বিএমইউর সম্পদকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে স্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষণা, চিকিৎসাসেবা ও উচ্চতর মেডিকেল শিক্ষায় প্রধান নেতৃত্ব দেয়া সম্ভব। দেশের প্রথম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে সে লক্ষ্য পূরণে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কাজ করতে হবে। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বিশেষজ্ঞদের পারস্পরিক সহযোগিতা এই লক্ষ্যে পৌঁছানোকে সহজতর করবে। আজকের উদ্যোগও তারই অংশ।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x_6931361650c4e.jpg" alt=""></p>
<p>বিএমইউর উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, এআই একটি প্রযুক্তি। এআই বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় জ্ঞান আহরণ করা জরুরি। অনকোলজি, রেডিওলজিসহ বিভিন্ন বিষয়ে এআই প্রযুক্তির গুরুত্ব অপরিসীম। আগেভাগে রোগ নির্ণয়, দ্রুত নির্ভুল রোগ নির্ণয়ে এআই অবদান রাখতে পারে। তাই এই বিষয়ে চিকিৎসকদেরও প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা থাকা আবশ্যক।</p>
<p>অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. শামীম আহমেদ, সার্জারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. ইব্রাহীম সিদ্দিক, প্রিভেনটিভ অ্যান্ড সোশ্যাল মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. আতিকুল হক, পিএইচডি।</p>
<p>সেমিনারে অন্য বক্তারা বলেন, দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতামূলক কাজের মাধ্যমে বিএমইউকে এইআই প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ করার সুযোগ রয়েছে। এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্রুততা ও নির্ভুলতার সাথে জটিল রোগসমূহ শনাক্তকরণ সম্ভব।</p>
<p>সেমিনারে দেশীয় গবেষকদের জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্য ডেটা ম্যানেজমেন্ট ও রোগ-ব্যবস্থাপনা, চিকিৎসা গবেষণায় মেশিন-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম, রোবোটিক সাপোর্টসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়। তারা এআই এর সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে আঞ্চলিক-আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p>অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পাবলিক হেলথ ইনফরমেটিকস বিভাগের ডা. ফারজানা ইসলাম ও ডা. এসএম শহীদুল হক রাহাত। অনুষ্ঠানে নিউনেটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল মান্নান, পাবলিক হেলথ ইনফরমেটিকস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. রাসেল আহমেদসহ বিভাগের শিক্ষক, রেসিডেন্টরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এফএস/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশ অর্থোপেডিক সোসাইটির ৩৮তম বার্ষিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/160000</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160000</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_692d787913b3a.jpg" length="104095" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 01 Dec 2025 10:14:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ অর্থোপেডিক সোসাইটির ২ দিনব্যাপী ৩৮তম  বার্ষিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলন (এ্যানুয়াল সাইন্টিফিক কংগ্রেস) অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিযুক্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মোঃ সায়েদুর রহমান বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত সচিব মোঃ সাইদুর রহমান, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ) এর প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম, ড্যাব এর মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল। সভাপতিত্ব করেন নিটোর এর পরিচালক ও বাংলাদেশ অর্থোপেডিক সোসাইটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা.  মোঃ আবুল কেনান। </p>
<p>সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ৩০ নভেম্বর সন্ধ্যায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ডা. ওয়াকিল আহমেদ, ডা. এরফানুল সিদ্দিকী, ডা. শাহ মোহাম্মদ আমান উল্লাহ। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ডা. মিজানুর রহমান। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় বিএমইউ এর প্রক্টর অর্থোপেডিশিয়ান ডা. শেখ ফরহাদ প্রমুখসহ দেড় হাজারেরও বেশি অর্থোপেডিক সার্জনবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।   </p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. মোঃ সায়েদুর রহমান বলেন, দেশের ১৮ কোটি মানুষ চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তির জন্য দেশের চিকিৎসকদের প্রতি তাকিয়ে থাকেন। দেশের জনগণ ও রোগীদের প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে সরকার সমগ্র স্বাস্থ্যবস্থাকে কল্যাণমুখী রূপান্তরে কাজ করছে। যার লক্ষ্য দেশের সকল মানুষ যেনো তার প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসাসেবা পান। বর্তমান স্বাস্থ্যব্যবস্থা দেশের সকল জনগণ ও রোগীর ন্যায্যতা নিশ্চিত করছে না। তাই সেদিকে সরকার যেমন নজর দিয়েছে, চিকিৎসকদেরও এ বিষয়ে চিন্তা-ভাবনার দায় রয়েছে। কি করলে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় রোগীদের চাহিদা পূরণ হবে সেটা তো আর সাধারণ মানুষ, রোগীরা করতে পারবেন না। নীতিনির্ধারকদের উপর প্রভাব ফেলাসহ এই বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে অবদান রাখতে পারবেন বিজ্ঞজনেরা, সম্মিলিতভাবে চিকিৎসকরা। একটি আইসিইউ প্রাপ্তির জন্য, রেডিওথেরাপি সেবা প্রাপ্তির জন্য, সঠিক চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তির জন্য, প্রয়োজনীয় ওষুধের জন্য রোগীদের কত অপেক্ষা, কত হাহাকার সেটা চিকিৎসকদেরই অনুধাবন করতে হবে। সাধারণ রোগীদের জন্য, দরিদ্র মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকরণে কি কি করা যায় সে বিষয়ে আমাদের সকলেরই বিশেষ করে চিকিৎসকদের দায় রয়েছে। যা আমি একজন চিকিৎসক হিসেবে অনুধাবন করি। তিনি তার বক্তব্যে স্বাস্থ্যসেবা যেনো বাণিজ্যের কাছে আত্মসমর্পণ না করে সেদিকেও দৃষ্টি দেয়ার আহ্বান জানান। এছাড়া তিনি তার বক্তব্যে জুলাই আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসায় অবদান রাখার জন্য দেশের অর্থোপেডিক সার্জনবৃন্দ ও চক্ষু রোগ চিকিৎসকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।     </p>
<p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অর্থোপেডিক সোসাইটির মেম্বার সেক্রেটারি (সদস্য সচিব) ডা. এরফানুল সিদ্দিকী বলেন, বাংলাদেশ অর্থোপেডিক সোসাইটি কনফারেন্স ২০২৫-এ ফ্যাকাল্টি, সিনিয়র ও তরুণ সার্জনবৃন্দ,  ১৪ জন বিদেশি বিশেষজ্ঞসহ মোট ১ হাজার ৫ শত ৭৫ জন অংশগ্রহণ করেছেন। সম্মেলনে ২০২টি বৈজ্ঞানিক পেপার উপস্থাপন করা হয়, ৩০টি উচ্চমানের বৈজ্ঞানিক সেশন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনটি দেশের অর্থোপেডিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠেছে। গুরুত্বপূর্ণ এই কনফারেন্সের মূল লক্ষ্য হলো এমন একটি জ্ঞান বিনিময়ের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা, যেখানে উদ্ভাবন ও অভিজ্ঞতার মিলন ঘটবে, আন্তর্জাতিক অগ্রগতি বাংলাদেশের স্থানীয় প্রেক্ষাপটের সঙ্গে সংযুক্ত হবে এবং যেখানে নতুন ধারণা বাস্তব চর্চায় রূপ নেবে। অস্থি-সংক্রান্ত চিকিৎসা বিজ্ঞানে প্রতিনিয়ত অগ্রগতি হচ্ছে- ট্রমা কেয়ার, আর্থ্রোপ্লাস্টি, স্পাইন সার্জারি, অঙ্কোলজি, স্পোর্টস মেডিসিন, পেডিয়াট্রিক অর্থোপেডিকস এবং রিহ্যাবিলিটেশনের উন্নতি প্রতিদিনের চিকিৎসা পদ্ধতিকে বদলে দিচ্ছে। তাই বাংলাদেশকে এই বৈশ্বিক অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে হবে। সে ক্ষেত্রে এই সম্মেলন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।  </p>
<p>ডা. এরফানুল সিদ্দিকী বলেন, বাংলাদেশের অর্থোপেডিক সার্জনদের জন্য এই সম্মেলন অসাধারণ শিক্ষামূলক সুযোগ এনে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের অভিজ্ঞতা, গবেষণা উপস্থাপন, আধুনিক সার্জিকাল কৌশল এবং আন্তঃক্রিয়ামূলক আলোচনার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা তাদের ক্লিনিক্যাল জ্ঞান, সার্জিকাল দক্ষতা এবং ডিসিশন মেকিং আরও উন্নত করতে পারবেন। একই সঙ্গে সহযোগিতা, পরামর্শ এবং দীর্ঘমেয়াদি একাডেমিক সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগও তৈরি হবে। একই সাথে এই সম্মেলনের প্রকৃত উপকারভোগী হবেন বাংলাদেশের রোগীরা। উন্নত সার্জিক্যাল পদ্ধতি, উন্নত পেরি-অপারেটিভ কেয়ার এবং চিকিৎসা পরবর্তী পুনর্বাসন সমস্যার গভীরতর বোঝাপড়া রোগীদের আরও নিরাপদ, কার্যকর এবং মানবিক সেবা নিশ্চিত করবে। রোগীর দ্রুত আরোগ্য, কম জটিলতা এবং উন্নত ফাংশনাল আউটকামই এই সম্মেলনের চূড়ান্ত লক্ষ্য। তাই এই কনফারেন্স শুধু একটি একাডেমিক অনুষ্ঠান নয় বরং এটি উৎকর্ষের প্রতি একটি প্রতিশ্রুতি, অগ্রগতির উদযাপন এবং একটি সুস্থ বাংলাদেশের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। </p>
<p>কনফারেন্সে বিশেষ অতিথিরা বলেন, বাংলাদেশে বিষয়ভিত্তিক যে কয়টি বিষয় চিকিৎসা বিজ্ঞানে অগ্রগতি লাভ করেছে তার মধ্যে অন্যতম হলো অর্থোপেডিক। দেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন ও স্বাধীনতা পরবর্তী অনেক যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা দিয়েছেন দেশের অর্থোপেডিক সার্জনবৃন্দ। বর্তমান সময়েও অর্থোপেডিক চিকিৎসকগণ রোগীদের সেবায় অসামান্য অবদান রেখে চলছেন। বর্তমান ও আগামী দিনে দেশের রোগীদের প্রয়োজনেই অর্থোপেডিক বিষয়ের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধ নিশ্চিত করার মাধ্যমে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/পিএস/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশজুড়ে ২ ঘণ্টার কর্মবিরতিতে  মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা</title>
<link>https://digibanglatech.news/159946</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159946</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_692bd0b8d860f.jpg" length="125708" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 30 Nov 2025 10:07:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দশম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারকে বেধে দেয়া চার দিনের আলটিমেটাম শেষে ৩০ নভেম্বর, রবিবার সকাল থেকে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি, বিশেষায়িত হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে একযোগে কর্মবিরতি শুরু করেছে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা। </p>
<p>সকালে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন এন্ড রেফারেল সেন্টার, ঢাকা নিউরো সাইন্স হাসপাতাল, ন্যাশনাল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, মিটফোর্ড হসপিটাল,ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটাল  এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের কর্মবিরতি পালন করতে দেখা গেছে। </p>
<p>কর্মবিরতি পালনের সময় মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট দশম গ্রেড বাস্তবায়ন পরিষদের সমন্বয়কারী মো. রিপন শিকদার জানিয়েছেন, সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মবিরতি <span> ১১টা পর্যন্ত </span>পালন করা হবে। পরে ৩ ডিসেম্বর তারিখে আধাবেলা (সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত) কর্মবিরতি এবং ৪ ডিসেম্বর পূর্ণ শাটডাউনে যাবে তারা।</p>
<p>এর আগে গত ২৫ নভেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এক সপ্তাহের কর্মসূচির রোডম্যাপ ঘোষণা করেছিলেন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট দশম গ্রেড বাস্তবায়ন পরিষদ।</p>
<p>পরিষদের সমন্বয়কারী ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের (এম-ট্যাব) মহাসচিব মো. বিপ্লবুজ্জামান বিপ্লব ওইদিন লিখিত বক্তব্যে জানিয়েছিলেন, এসব কর্মসূচির পরেও সরকার যদি মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের ন্যায্য অধিকার ১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন না করে তাহলে লাগাতার কমপ্লিট শাটডাউন শুরু হবে।</p>
<p>সেই আহ্বান অনুযায়ী, রবিবার সকালে রাজধানীর বাইরে কুষ্টিয়া, ফরিদপুরসহ জেলায় জেলায় হাসাপাতালগুলোতেও কর্মবিরতি পালন করে মানবন্ধন করছেন টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এফএস/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জাতীয় ফিজিওথেরাপি অলিম্পিয়াড ২০২৫ বিজয়ী যারা</title>
<link>https://digibanglatech.news/159907</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159907</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_692a5e6a65cd7.jpg" length="123489" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 29 Nov 2025 00:04:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ফিজিওথেরাপি নিয়ে অধ্যয়রনত শিক্ষার্থীদের সংগঠন বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (বাপসু) আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘জাতীয় ফিজিওথেরাপি অলিম্পিয়াড ২০২৫’-এ   চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন বাংলাদেশ হেলথ প্রফেশনস ইনস্টিটিউশনের শিক্ষার্থী আনিকা ইয়াসমিন। ফার্স্ট রানার্স-আপ জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপের শিক্ষার্থী তানজিনা জানা অনু এবং সেকেন্ড রানার্স-আপ রাদিয়া ইসলাম মেধা।</p>
<p>প্রতিযোগিতায় তিনজনই সমান নম্বর পেলেও অলিম্পয়াডে সময়ে এগিয়ে থাকার ভিত্তিতে ফল ঘোষণা করা হয়। ১৫ সেকেন্ড আগে উত্তর করে চ্যাম্পিয়ন পেয়েছে ১০ হাজার, আর এক সেকেন্ডের ব্যাবধানে প্রথম রানার্সআপ ৫ হাজার এবং দ্বিতীয় রান্সআপকে দেয়া হয় ৩ হাজার টাকার একটি ডামি চেক। </p>
<p>এছাড়াও প্রতিযোগিতায় যথাক্রমে ৪র্থ স্থানকারী আঞ্জুমান আকিয়াত  ৫ম মরিয়ম তাসনিম, ৬ষ্ঠ রেদ্বওয়ান হোসাইন রাফি, ৭ম হাসানুর রাকিব, ৮ম  লামিয়া সুলতানা, ৯ম আব্দুল্লাহ আল রায়হান, ১০ম মেহেরীন আক্তার লিপিসহ সব প্রতিযোগিকেই দেয়া হয় ক্রেস্ট ও সনদ।  </p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x_692a5e25b582d.jpg" alt=""></p>
<p>রাজধানীর ড্যাফোডিল হেলথ ইনস্টিটিউটে ২৮ নভেম্বর, শুক্রবার বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (BPSU) আয়োজিত এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। দেশের বিভিন্ন কলেজ ও প্রতিষ্ঠানের মেধাবী ফিজিওথেরাপি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এই অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p>
<p>অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি স্টুডেন্টস ইউনিয়নের (বাপসু) সভাপতি আশিকুর রহমান। এ সময় দেশের স্বনামধন্য ফিজিওথেরাপিস্ট ও পেশাজীবীরা শিক্ষার্থীদের জন্য দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। </p>
<p>উপস্থিত ছিলেন স্টেট কলেজ অব হেলথ সায়েন্সেসের ফিজিওথেরাপি বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, ন্যাশনাল ফিজিওথেরাপি ফোরামের সভাপতি এস. এম. কামাল হোসেন, মেফেয়ার ওয়েলনেস ক্লিনিক লিমিটেডের ইন-চার্জ ও কনসালটেন্ট মো. মুরাদ হোসেন মেহেদী, বিপিএর সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান, বাপসুর সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাত হোসেন তৌহিদ, ফিজিওথেরাপি স্টুডেন্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জাহের রাহাত।</p>
<p>অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ‘এই অলিম্পিয়াড দেশের ফিজিওথেরাপি শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও পেশাগত আত্মবিশ্বাস বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতের পেশাজীবী তৈরিতে এ ধরনের আয়োজন বড় অবদান রাখে।’</p>
<p>অলিম্পিয়াডটি তিনটি ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম রাউন্ডে সেরা ৪০ জনের মধ্য থেকে ২০ জন নির্বাচিত হন। দ্বিতীয় রাউন্ড ‘লেস অপশন মোর পয়েন্টস’-এ ১০ জন প্রতিযোগী বাছাই হন। শেষ ধাপ র‌্যাপিড ফায়ার রাউন্ডে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স-আপ নির্ধারিত হয়।</p>
<div class="ContentDetails page-break ContentDetailsundefined" id="contentDetails">
<div>
<p>আগামী বছর আরও বৃহৎ পরিসরে জাতীয় পর্যায়ের এই অলিম্পিয়াড আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (বাপসু)।</p>
<div class="pb-2 news-content" id="contentDetails">
<p><span>অলিম্পিয়াডের ভেন্যু স্পন্সর ও এক্সপার্ট প্যানেল ছিল ড্যাফোডিল হেলথ ইনস্টিটিউট। পৃষ্ঠপোষকতা করেছে ভিশন ফিজিওথেরাপি সেন্টার। বিশেষ সহযোগিতায় ছিল হলি কেয়ার। আবাসন সহযোগিতায় ছিল নিরিবিলি গার্লস’ হোস্টেল ও বিসমিল্লাহ বয়েজ’ হোস্টেল।</span></p>
</div>
</div>
</div>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এফএস/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নরসিংদীতে এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প</title>
<link>https://digibanglatech.news/159899</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159899</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_692997b56e21d.jpg" length="103802" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 28 Nov 2025 18:39:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>নরসিংদীতে শিশু হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবার লক্ষ্যে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প করেছে</span>জে সিআই স্বীকৃত হাসপাতাল এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা। </p>
<p class="pf0"><span class="cf0">২৮ ও ২৯ নভেম্বর নরসিংদী জেলার বেলাবো </span><span class="cf0">উপজেলার</span><span class="cf0"><span> </span></span>ভাটেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই ক্যাম্পে শতাধিক শিশুকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। ক্যাম্পের নেতৃত্ব দেন এভারকেয়ার হসপিটালস বাংলাদেশ (ঢাকা ও চট্টগ্রাম)-এর শিশু হৃদরোগ বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা, সিনিয়র কনসালটেন্ট ও কো-অর্ডিনেটর ডা. তাহেরা নাজরীন। তিনি শিশুরোগীদের আউটডোর সেবা প্রদান ছাড়াও ২ডি ও কালার ডপলার ইকোকার্ডিওগ্রাফি করেন।</p>
<p class="pf0"><span class="cf0">এছাড়া, এভারকেয়ার হসপিটালসের কার্ডিওথোরাসিক অ্যান্ড ভাস্কুলার সার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. সোহেল আহমেদ সার্জারিসংশ্লিষ্ট রোগীদের সেবা প্রদান করেন।</span></p>
<p class="pf0"><span class="cf0">উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী জেলার সিভিল সার্জন ডা. সৈয়দ আমিরুল হক। এছাড়া রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. খান নূরউদ্দিন মো. জাহাঙ্গীর, বেলাবো উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান আবু তারেক মো. আ. আল হোসাইন প্রমুখ।</span></p>
<p>এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা দেশের সর্বস্তরের মানুষের জন্য সাধ্যের মধ্যে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। সেই প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত এ মেডিকেল ক্যাম্পে শিশুদের বিনামূল্যে ইকোকার্ডিওগ্রাফি পরীক্ষা, রোগ নির্ণয়, ডাক্তারের পরামর্শ, ভর্তি-পূর্ব সহায়তা এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার করার সুযোগ দেওয়া হয়। হাসপাতালের শিশু হৃদরোগ বিভাগ জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুদের জন্য বিনামূল্যে ডিভাইস, বেলুনসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ দিয়ে থাকে।</p>
<p>ক্লিনিক্যাল ও ইন্টারভেনশনাল পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজিস্ট ডা. তাহেরা নাজরীন বলেন, “বিশ্বে প্রতি এক হাজার শিশুর মধ্যে ৮ থেকে ১২ জন জন্মগত হৃদরোগ নিয়ে জন্মায়। আমাদের দেশে এই রোগের চিকিৎসা এখনো প্রয়োজনের তুলনায় কম। এভারকেয়ার হসপিটালের শিশু হৃদরোগ বিভাগ সর্বস্তরের শিশুদের জন্য অবিরাম চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের আমরা বিনামূল্যে বিশ্বমানের সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। এই মানবিক উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানাই।”</p>
<p><strong>ডিবিটেক/ডিএম/ইকে</strong></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইসিডিডিআর,বি’র ৬৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/159892</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159892</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_69288ed17acbd.jpg" length="100132" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 27 Nov 2025 21:28:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull">আইসিডিডিআর,বি-র ৬৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে ‘দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে পুষ্টি গবেষণার অর্ধ-শতাব্দীর যাত্রা’ শীর্ষক একটি বিশেষ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। কয়েক দশকজুড়ে বাংলাদেশে বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন ও জনস্বাস্থ্যে প্রভাবের যাত্রাকে তুলে ধরতে এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়।</p>
<p class="alignfull">২৭ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার আইসিডিডিআর,বি–র মহাখালীর সাসাকাওয়া মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে কূটনীতিক, গবেষক, অ্যালামনাই, উন্নয়ন সহযোগী এবং আইসিডিডিআর,বি–র কর্মী আইসিডিডিআর,বি-র জীবনরক্ষাকারী গবেষণার দীর্ঘ পথচলাকে সম্মান জানান।</p>
<p class="alignfull">সবার প্রতি স্বাগতম জানিয়ে আইসিডিডিআর,বি-র নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ আইসিডিডিআর,বি-র দীর্ঘদিনের সহযোগী দাতা, অ্যালামনাই, করপোরেট প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও অংশীদারদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।</p>
<p class="alignfull">তিনি বলেন, “আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গবেষণাপত্র প্রকাশ নয়; বরং সেসব গবেষণার ফল বাস্তবে প্রয়োগের মাধ্যমে মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলা। এসব প্রভাব তৈরি সম্ভব হয়েছে আমাদের বিজ্ঞানী, ল্যাব, হাসপাতাল ও মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের নিষ্ঠা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগী প্রতিষ্ঠান ও দাতা দেশগুলোর সমর্থনের পাশাপাশি স্থানীয় দাতাগোষ্ঠী, শিল্প, ব্যবসা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ক্রমবর্ধমান অবদানের মাধ্যমে।”</p>
<div class="viewport jw_article_body">
<p class="alignfull">ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসনের অনুপস্থিতিতে তার বক্তব্য পাঠ করেন দূতাবাসের সিনিয়র হেলথ স্পেশালিস্ট সুস্মিতা খান।</p>
<p class="alignfull">বার্তায় উল্লেখ করা হয়, ১৯৭৯ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র আইসিডিডিআর,বি-র পাশে আছে এবং এই অংশীদারত্ব গবেষণার অগ্রগতি, বৈশ্বিক নীতি প্রণয়ন এবং বাংলাদেশ ছাড়িয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে।</p>
<p class="alignfull">বিবৃতিতে ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন রোগতত্ত্ব নজরদারি, প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধ ও টিকা গবেষণায় আইসিডিডিআর,বি-র অবদানের প্রশংসা করে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অ্যামেরিকা ফার্স্ট গ্লোবাল হেলথ স্ট্র্যাটেজি’র অধীনে প্রতিষ্ঠানটির প্রতি সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।</p>
<p class="alignfull">অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি, বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং, আইসিডিডিআর,বি-র বিশ্বমানের গবেষণা এবং সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীকে সেবা প্রদানের অনন্য সমন্বয়ের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, কানাডার সঙ্গে আইসিডিডিআর,বি-র দীর্ঘ অংশীদারত্ব কানাডার জন্য জাতীয় গৌরব।</p>
<p class="alignfull">তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের কোনও ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়ের স্বাস্থ্য সমস্যা আজকের পৃথিবীতে কানাডা ও বিশ্বের অন্য দেশগুলোর জন্যও প্রাসঙ্গিক।” শক্তিশালী জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা ছাড়া অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষা ধরে রাখা সম্ভব নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।</p>
<p class="alignfull">অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন জনস হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথের জর্জ জি. গ্রাহাম প্রফেসর অব ইনফ্যান্ট অ্যান্ড চাইল্ড নিউট্রিশন অধ্যাপক কিথ পি. ওয়েস্ট জুনিয়র। ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের সময় বাংলাদেশে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়, এবং তিনি বাংলাদেশ, নেপাল ও ইন্দোনেশিয়া জুড়ে পাঁচ দশকের গবেষণার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন—যা অনুপুস্টির ঘাটতি, মাতৃ পুষ্টি এবং শিশুর বেঁচে থাকার বিষয়ে বিশ্বব্যাপী গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।</p>
<p class="alignfull">অধ্যাপক ওয়েস্ট বাংলাদেশে পরিচালিত তার গবেষণা প্রকল্প ‘জীবিত’ সহ একাধিক গবেষণার ফলাফলের ভিত্তিতে বলেন, গর্ভধারণের আগেই নারীদের পুষ্টির উন্নয়ন সুস্থ গর্ভাবস্থা ও নবজাতকের ভালো শারীরিক অবস্থার জন্য অত্যন্ত জরুরী। বাংলাদেশে ‘জীবিত’ ট্রায়াল থেকে প্রাপ্ত সাম্প্রতিক প্রমাণের উপর ভিত্তি করে অধ্যাপক ওয়েস্ট উল্লেখ করেছেন যে, যেসব নারীরা গর্ভধারণের আগে এমএমএস শুরু করেন, তাদের গর্ভাবস্থা শুরু হওয়ার পরেই সাপ্লিমেন্টেশন শুরু করা মহিলাদের তুলনায় প্রাথমিক গর্ভপাতের হার প্রায় ৩০ শতাংশ হ্রাস পায়।</p>
<p class="alignfull">তিনি উল্লেখ করেন, যেসব প্রেক্ষাপটে অনুপুস্টির ঘাটতি ব্যাপকভাবে রয়ে গেছে, সেখানে প্রাথমিক পুষ্টি সহায়তা গর্ভাবস্থার ফলাফল উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।</p>
<p class="alignfull">অনুষ্ঠানে প্রফেসর ওয়েস্ট তার ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে বাংলাদেশের প্রথম সংস্করণের মানচিত্র, ওরাল রিহাইড্রেশন সলিউশন (ওআরএস) প্রস্তুতের একটি প্রাথমিক পরিমাপযন্ত্র এবং কয়েকটি ঐতিহাসিক বই স্মারক হিসেবে ড. তাহমিদ আহমেদকে উপহার দেন।</p>
<p class="alignfull">দুই দিনব্যাপী কর্মসূচির মাধ্যমে এই বছর আইসিডিডিআর,বি-র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়।</p>
<p class="alignfull">বুধবার  প্রথম দিনে আয়োজন করা হয় আনন্দমেলা, যেখানে বিভাগীয় প্রদর্শনী ও বিভিন্ন স্টলে কর্মীরা কারুশিল্প, পোশাক, খাদ্যসামগ্রী প্রদর্শন করেন এবং গবেষণা দলগুলো নিজেদের গবেষণার প্রভাব ও উদ্ভাবন উপস্থাপন করেন। প্রথম দিনের উদযাপনটি আইসিডিডিার,বি-র কর্মীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়। ২৭ নভেম্বরের সেমিনারের মধ্য দিয়ে উদযাপন অব্যাহত থাকে, যার মাধ্যমে আইসিডিডিআর,বি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ও দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্ব আবারও তুলে ধরা হয়।</p>
<p class="alignfull">প্রতিষ্ঠার ৬৫তম বছরেও আইসিডিডিআর,বি বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য অঙ্গনে প্রতিনিয়ত অবদান রেখে চলেছে। সম্প্রতি টাইম-এর ‘বেস্ট ইনভেনশনস’ তালিকায় সামাজিক প্রভাব সৃষ্টিকারী উদ্ভাবনের জন্য স্বীকৃতি পাওয়া এবং টাইম হেলথ ১০০ তালিকায় নির্বাহী পরিচালকের অন্তর্ভুক্তি তার প্রমাণ।</p>
<p class="alignfull">এই উদযাপন প্রমাণ করেছে যে প্রমাণনির্ভর গবেষণা অগ্রগতি, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের মানুষের জীবনের মানোন্নয়নে আইসিডিডিআর,বি চির প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।</p>
<p class="alignfull"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিটি/ইকে</strong></span></em></p>
</div>
<div class="btGoogleNews"></div>
<div class="BT_inner_A1_C2 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">
<div id="BT_inner_A1_C2" data-google-query-id="CJqBtKrxkpEDFRurZgIdGokduQ"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>তামাক বিরোধী জোটের মিডিয়া ফেলোশিপ পেলেন সারাবাংলার তুহিন </title>
<link>https://digibanglatech.news/159834</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159834</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_692729c3155c2.jpg" length="83140" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 26 Nov 2025 19:30:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রযুক্তির কল্যাণে বিভিন্ন সুগন্ধিযুক্ত করে তামাক ফিরেছে ই-সিগরেটে। ফ্যাশনের ট্রেন্ডেও যুক্ত হয়ে আকর্ষণ করছে  তরুণদের। আর ঘুণপোকার মতো কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে তারুণ্যের শক্তি। এমন বিষয় নিয়ে ‘ফ্লেভার আসক্তিতে তরুণ-তরুণীরা, জনস্বাস্থ্যে ঝুঁকি বাড়াচ্ছে সুগন্ধি সিগারেট’ শিরোনামে ডিজিটাল বাংলা মিডিয়া পরিবারের অনলাইন নিউজ পোর্টাল সারাবাংলা ডটনেট-এ প্রকাশিত সংবাদের জন্য বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটের মিডিয়া ফেলোশিপ পেয়েছেন অনলাইন পত্রিকাটির সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট এমদাদুল হক তুহিন। একইসঙ্গে আঞ্চলিক ক্যাটাগরিতে ফেলোশিপ পেয়েছেন ঢাকা ট্রিবিউন ও বাংলা ট্রিবিউনের খুলনার প্রতিনিধি মো. হেদায়েৎ হোসেন মোল্লা। </p>
<p>২৬ নভেম্বর  (বুধবার) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট ও ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট এর যৌথ উদ্যোগে ‘আইনের সীমাবদ্ধতা: সুযোগ নিচ্ছে তামাক কোম্পানি’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের প্রাপ্ত বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়। এতে ‘ফ্লেভার আসক্তিতে তরুণ-তরুণীরা, জনস্বাস্থ্যে ঝুঁকি বাড়াচ্ছে সুগন্ধি সিগারেট’ শীর্ষক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের প্রাপ্ত তথ্য ও সুপারিশ পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তুলে ধরেন সারাবাংলা’র সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট এমদাদুল হক তুহিন।  ‘চটকদার বিজ্ঞাপনে সিগারেট বিক্রি বাড়াচ্ছে কোম্পানিগুলো’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রাপ্ত বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন ঢাকা ট্রিবিউন ও বাংলা ট্রিবিউনের খুলনার প্রতিনিধি মো. হেদায়েৎ হোসেন মোল্লা। পরে প্রতিবেদন দুটির উপর বিস্তারিত আলোচনা করেন আলোচকরা।</p>
<p>সারাবাংলা ডটনেটে প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দেখা যায়, তরুণদেরকে আকৃষ্ট করতে তামাক কোম্পানিগুলো সকল মূল্যস্তরেই বিভিন্ন ফ্লেভারের সিগারেট বাজারে এনেছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণ সিগারেটের মতোই এই ফ্লেভারযুক্ত সিগারেট শ্বাসতন্ত্রের ক্যান্সারের একটি বড় কারণ। এই সিগারেটে ব্যবহৃত সিনথেটিক মেনথল ফুসফুসের অ্যালার্জি, টনসিল ফোলাসহ দীর্ঘস্থায়ী অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজের সম্ভাবনা বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া, এসকল সিগারেটে ব্যবহৃত আপেল, স্ট্রবেরি ও চকলেট স্বাদের সুগন্ধি শীতল অনুভূতি জাগানোর কারণে আরও গভীরভাবে শ্বাস নিতে উৎসাহিত করে। ফলে শরীরে বিষাক্ত রাসায়নিক ও আলকাতরা বেশি পরিমাণে প্রবেশ করে। বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিশেষ করে নারীদের মধ্যে এই সিগারেটের জনপ্রিয়তা বাড়ছে যা খুবই উদ্বেগজনক। প্রতিবেদনের সুপারিশে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালী করার প্রক্রিয়ায় ফ্লেভার সিগারেটকে সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধের বিধান যুক্ত করা জরুরি বলে অবহিত করা হয়। </p>
<p>অপর প্রতিবেদনে উঠে আসে, বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া দৃর্বল হওয়ায় বহুজাতিক সিগারেট কোম্পানিগুলো শিক্ষার্থী ও তরুণদের টার্গেট করে চটকদার বিজ্ঞাপন প্রচার করছে। দেখা যায়, ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত, ৩৪ মাসে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে খুলনায় মাত্র ৫০টি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়েছে এবং জরিমানা করা হয়েছে মাত্র ৬১ জনকে। অথচ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩১ মাসে ৮০১ জনকে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে। </p>
<p>অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বিদ্যমান তামাক নিয়ণ্ত্রণ আইনের দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে বহুজাতিক সিগারেট কোম্পানিগুলো নিত্যনতুন কৌশলে তাদের পণ্যের প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া, বিভ্রান্তিকর তথ্যের মাধ্যমে তামাকের কর বৃদ্ধি ও তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত ও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। গবেষণায় দেখা গেছে, বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ভঙ্গেও বেপরোয়া বহুজাতিক তামাক কোম্পানিগুলো। তাই, কার্যকর তামাক নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান আইনকে শক্তিশালী করা জরুরি।</p>
<p>বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটের দফতর বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দা অনন্যা রহমানের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়কারী হেলাল আহমেদ । অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী এবং নীতি বিশ্লেষক সৈয়দ মাহবুবুল আলম তাহিন, এইড ফাউন্ডেশন প্রকল্প পরিচালক শাগুফতা সুলতানা, টিসিআরসি এর সদস্য সচিব মো. বজলুর রহমান। এছাড়াও বক্তব্য প্রদান করেন নাটাব এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক ফিরোজ আহমেদ, মানসের প্রকল্প সমন্বয়কারী উম্মে জান্নাত , ডাস্ এর সিনিয়র  প্রোগ্রাম অফিসার মোয়াজ্জেম হোসেন, বিইআর এর সিনিয়র প্রজেক্ট অ্যান্ড কমিউনিকেশন অফিসার ইব্রাহীম খলিল এবং অর্ধশতাধিক গণমাধ্যমকর্মী। </p>
<p>পেশাগত জীবনে এমদাদুল হক তুহিন ‘ডিআরইউ বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড’ ও ‘পিআইবি-এটুআই মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন। চলতি বছরে কাতারে অনুষ্ঠিত  সপ্তাহব্যাপী আম উৎসবে বাংলাদেশ দূতাবাসের সম্মাননাও পেয়েছেন তিনি। তুহিন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) স্থায়ী সদস্য। তিনি বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরামের (বিএজেএফ) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক  ও বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরামের (বিআইজেএফ) সদস্য। <br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>সারাবাংলা/ইএইচটি/মুইম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৩০ নভেম্বর থেকে টেকনোলজিস্ট&#45;ফার্মাসিস্টদের কর্মবিরতি</title>
<link>https://digibanglatech.news/159804</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159804</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6925eb33b1129.jpg" length="88304" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 25 Nov 2025 20:50:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span> চার দিনের মধ্যে দশম গ্রেড বাস্তবায়নের না করলে ৩ ডিসেম্বর অর্ধ দিবস ও ৪ ডিসেম্বর থেকে কমপ্লিট শাটডাউন চলবে। মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা। এর আগে সরকারের পক্ষ থেকে আল্টিমেটামকে গুরুত্ব না দিলে আগামী ৩০ নভেম্বর, রবিবার থেকে দেশের সকল সরকারি বেসরকারি, বিশেষায়িত হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে একযোগে কর্মবিরতি শুরু করবেন। </span></p>
<p><span>২৫ নভেম্বর মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে মেডিকেল টেকনোলজিস্টের ফার্মাসিস্ট ১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন পরিষদের সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। </span></p>
<p><span>পরিষদের সমন্বয়ক ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের (এম-ট্যাব) মহাসচিব মো. বিপ্লবুজ্জামান বিপ্লব জানান, ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে সারাদেশের স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ এবং স্মারক লিপি প্রদান করা হবে।</span></p>
<p><span>সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বৈষম্যবিরোধী মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট পরিষদের মহাসচিব মো. রিপন শিকদার বলেন, স্বাস্থ্যসেবা একটি টিম ওয়ার্ক, যার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ তত্ত্বাবধানে চিকিৎসক ও নার্সদের পাশাপাশি মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টগণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন। রোগীদের সেবাদানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো রোগ নির্ণয় (এক্স-রে, সিটি স্ক্যান, এমআরআই, রক্ত পরীক্ষা, ক্যানসার প্রতিরোধে রেডিওথেরাপী, ফিজিওথেরাপি, ডেন্টাল)। এতে সর্বাত্মক ভূমিকা রাখেন মেডিকেল টেকনোলজিস্টরা। অন্যদিকে ফার্মাসিস্টরা মেডিসিন স্টোরের দায়িত্ব, ঔষধের চাহিদাপত্র প্রস্তুতকরণ, সংরক্ষণ, মান নিয়ন্ত্রণ, বিতরণসহ ইত্যাদি দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন। এ পেশায় বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত এ পেশায় সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি, বরং অবহেলিত রয়েছে বছরের পর বছর।</span></p>
<p><span>তিনি আরও বলেন, নানাবিধ বৈষম্য আর বঞ্চনায় জর্জরিত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট পেশার দুর্ভাগ্যজনক অধ্যায় তিন দশকেও ১০ম গ্রেডের পদমর্যাদা বাস্তবায়িত না হওয়া। স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সময়েই এ পেশার পথচলা শুরু হলেও ১৯৮৯ সাল পরবর্তী মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পেশাজীবীদের ১০ম গ্রেড পদমর্যাদার দাবিটি অব্যাহতভাবে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও মন্ত্রণালয়ে বারংবার উপস্থাপিত হয়ে আসছে। কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে আন্দোলন, সংগ্রাম, সহায়ক কর্মসূচি পালন, দাপ্তরিক চিঠি চালাচালি, আবেদন, সর্বোপরি জনপ্রশাসন বিধি শাখার সমস্ত চাহিদা পূরণ করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছার অভাব, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও নানাবিধ উদ্দেশ্যে মন্ত্রণালয় অবিরতভাবে কোয়ারী দেওয়ার মাধ্যমে সময়ক্ষেপণ ও জটিলতাই তৈরি করেছে।</span></p>
<p><span>তিনি বলেন, ১৯৯৪ সাল হতে ২০২৫ পর্যন্ত সুদীর্ঘ ৩১ বছর এই জাতি ১০ম গ্রেড পদমর্যাদার জন্য সংগ্রাম করে আসছে। ডিপ্লোমা মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের সকল গ্রুপকে ২য় শ্রেণীর গেজেটেড এবং বেতন ১০ম গ্রেড উন্নীত করণের বিবেচনার জন্য ২০০৩ সালে প্রশাসনিক উন্নয়নসংক্রান্ত সচিব কমিটিতে উপস্থাপন হলেও আজ পর্যন্ত দাবিটি বাস্তবায়ন হয়নি।</span></p>
<p><span>‘অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের ১০ম গ্রেড পদমর্যাদার দাবি পুনরায় আলোচনায় এসেছে। সর্বশেষ গত বছর একাধিকবার ১০ম গ্রেডের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়। তার পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে গত ১ জানুয়ারি স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব বরাবর ১০ম গ্রেড প্রদানসংক্রান্ত প্রস্তাবনা প্রেরণ করেন।’</span></p>
<p><span>তিনি আরও বলেন, ‘১৯৯৪ সালে উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও সমমানের পদে কর্মরত ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমাধারীদের ২য় শ্রেণির পদমর্যাদাসহ ১০ম গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে। ২০১৭ সালে নার্সিং ডিপ্লোমাধারীদের ২য় শ্রেণির পদমর্যাদাসহ বেতন ১০ম গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে। ২০১৮ সালে কৃষি ডিপ্লোমাধারীকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে। আমরা সরকারের সদয় সু-দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যে একই সমযোগ্যতা সম্পন্নকারীদের ১০ম গ্রেড প্রদান করা হলেও সমযোগ্যতা সম্পন্ন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার, ডিপ্লোমা নার্স, ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের ন্যায় সম-ডিপ্লোমা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদেরকেও ১০ম গ্রেডে উন্নীত করার জোর দাবি জানাচ্ছি।’</span></p>
<p><span>রিপন শিকদার বলেন, ‘আমরা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাশা করি, সরকার আমাদের যৌক্তিক দীর্ঘদিনের ন্যায্য অধিকার ১০ম গ্রেড এর সরকারি আদেশ জারির মাধ্যমে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এবং ফার্মাসিস্টদের দীর্ঘ ৩১ বছরের বৈষম্যের পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে আন্দোলনের পথে ঠেলে দেওয়া থেকে বিরত থাকবেন। অন্যথায় আগামী সপ্তাহ থেকে আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি এবং কর্মবিরতির মতো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হচ্ছি।’</span></p>
<p><span>সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ মেডিকেল টেকনোলজিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমটিএ) সভাপতি খাজা মাইনুদ্দীন মঞ্জু, বৈষম্যবিরোধী মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট পরিষদের সভাপতি আব্দুস সামাদ, বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি গাজী মো. সাইফুল্লাহ, এমট্যাবের সভাপতি একেএম মুসা আল লিটন, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ফোরামের সভাপতি মো. সোহেল রানা, ডিপ্লোমা ফার্মাসি অ্যাসোসিয়েশন (ডিফ্যাব) সদস্য সচিব মো. নাজমুল হুদা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমভি/মুইম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভূমিকম্পের চেয়েও আতঙ্কের অ্যান্টিবায়োটিকের অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক ব্যবহার</title>
<link>https://digibanglatech.news/159718</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159718</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_69235539c67aa.jpg" length="134322" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 23 Nov 2025 19:40:30 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, দেশে সম্প্রতি ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্প নিয়ে মানুষের মনে আতঙ্ক থাকলেও এর চেয়েও বড় ও স্থায়ী ঝুঁকি তৈরি করছে অ্যান্টিবায়োটিকের অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক ব্যবহার। ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি একবারে ঘটে শেষ হয়ে যায়; কিন্তু অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও ঝুঁকির মুখে ফেলে।</p>
<p>২৩ নভেম্বর রবিবার রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে বিশ্ব অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স সচেতনতা সপ্তাহ–২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত মাল্টি-সেক্টোরাল ওয়ান হেলথ এএমআর সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।</p>
<p>মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, অ্যান্টিবায়োটিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার এখন দেশের স্বাস্থ্য, প্রাণিসম্পদ, মৎস্য এমনকি কৃষি খাতেও গুরুতর সংকট সৃষ্টি করছে। এ পরিস্থিতিতে প্রিভেন্টিভ প্র্যাকটিস, ওয়ান হেলথ সহযোগিতা এবং শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা ছাড়া অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) মোকাবিলা সম্ভব নয়। তাই অবিলম্বে সমন্বিত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন।</p>
<p>তিনি বলেন, সেমিনারে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের হার এরই মধ্যে ৯৪ শতাংশে পৌঁছেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এছাড়া পোলট্রি খাতে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের হার ৭৬.৯ শতাংশ, যা সরাসরি মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর প্রভাব ফেলছে।<br>উপদেষ্টা বলেন, ‘গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে আজও ইনজেকশন দিলে ডাক্তার ভালো, অ্যান্টিবায়োটিক লিখলে ডাক্তার সেরা’—এ ধারণা প্রচলিত। এমনকি জ্বর না কমলেই বাবা-মায়েরা বাচ্চাদের জন্য অ্যান্টিবায়োটিক দাবি করেন। এমনকি ১১ মাস বয়সী শিশুও রেজিস্ট্যান্ট হয়ে যাচ্ছে—যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।</p>
<p>উপদেষ্টা আরও বলেন, শুধু মানুষের স্বাস্থ্যের কথা ভাবলে হবে না। আমাদের অ্যানিমল, ফরেস্ট ও ওয়াইল্ড লাইফ হেলথ—সবকিছুই সুরক্ষা দিতে হবে। খাদ্য, প্রাণী ও মানুষের স্বাস্থ্য একে অন্যের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। এ কারণেই ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সব প্রাণীতে যেভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার হচ্ছে—ওয়ান হেলথ অ্যাপ্রোচ ছাড়া সমাধান নেই।</p>
<p>তিনি বলেন, খাদ্য নিরাপদ না হলে মানুষের স্বাস্থ্য কখনোই নিরাপদ থাকবে না। এজন্য জনসাধারণের মধ্যে এমন দাবি জোরালো করতে হবে- ‘অ্যান্টিবায়োটিক-ফ্রি মুরগি চাই, অ্যান্টিবায়োটিক-ফ্রি মাছ চাই’। নিরাপদ খাদ্য নিয়ে সামাজিক চাপ ও সচেতনতা তৈরি করাই রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলার অন্যতম কার্যকর উপায়।</p>
<p>সম্প্রতি ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত জলবায়ু সম্মেলনের অভিজ্ঞতার উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, গ্লোবাল ওয়ার্মিং যত তীব্র হচ্ছে, নতুন রোগের প্রকোপ ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের ঝুঁকিও তত বাড়ছে।</p>
<p>জলবায়ু পরিবর্তন ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স- দুটি বৈশ্বিক সংকট পরস্পর গভীরভাবে সম্পর্কিত বলে তিনি উল্লেখ করেন এবং বলেন, এই দুটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হলে আমাদের সমন্বিত ও সুপরিকল্পিত উদ্যোগ প্রয়োজন।</p>
<p>এসময় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, প্রাণিসম্পদ ও পোলট্রি খামারি এবং সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/জিএন/মুইম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ জনের মৃত্যু</title>
<link>https://digibanglatech.news/159627</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159627</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_691f04fbdf22a.jpg" length="42772" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 20 Nov 2025 17:10:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বুধবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত (একদিনে) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৪৫ জন।</p>
<p>২০ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p>
<p>এতে বলা হয়েছে, গত একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৭৪৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১২৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৮৯ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ১৫৪ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১১৬ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১২৭ জন, খুলনা বিভাগে ৩২ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে), ময়মনসিংহ বিভাগে ৫৩ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে), রাজশাহী বিভাগে ৪৮ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) এবং সিলেট বিভাগে ১ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন। </p>
<p>এদিকে গত একদিনে সারা দেশে ৬৯৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৫ হাজার ২৬৭ জন।</p>
<p>এ বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সবমিলিয়ে ৮৮ হাজার ৪৫৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৩৫৩ জনের।</p>
<p>প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুবরণ করেছেন ৫৭৫ জন। এর আগে ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয় এবং ওই বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন। </p>
<p><em><span><strong>ডিবিটেক/ডিপি/ইক</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মানবদেহে অঙ্গ&#45;প্রত্যঙ্গ সংযোজন অধ্যাদেশের গেজেট জারি</title>
<link>https://digibanglatech.news/159616</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159616</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_691ed39eabdbb.jpg" length="96878" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 20 Nov 2025 13:39:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন, ১৯৯৯ রহিত করে  ‘মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর গেজেট জারি করেছে সরকার। 'মানবদেহে সংযোজনের জন্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও এর আইনানুগ ব্যবহার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এই অধ্যাদেশ' বলে উল্লেখ করা হয়েছে  ১৯ নভেম্বর, বুধবার জারি করা গেজেটে।  </p>
<p>এতে বলা হয়েছে, মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন ও প্রতিস্থাপনের জন্য আগের আইনের বিধান অপ্রতুল। মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন ও প্রতিস্থাপন সহজীকরণ, ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহার রোধ এবং অবৈধ পাচার রোধ করতে আগের আইন রহিত করে একটি যুগোপযোগী অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা সমীচীন। সেজন্য সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি এই অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করলেন।</p>
<p>এর আগে গত ১৭ জুলাই প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের ৩৪তম বৈঠকে ‘মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন অধ্যাদেশ, ২০২৫’- এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস এতে সভাপতিত্ব করেন।</p>
<p>সেদিন রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ব্রিফিংয়ে বলেন, অনেকের কিডনি ড্যামেজ হয়, অনেকে চোখে দেখতে পান না, কর্ণিয়া সংযোজন হলে অন্ধত্ব দূর করা যায়, এসব বিষয়ে বাংলাদেশের যে আইন ছিল সেটা অনেকদিন থেকে আপডেট হয়নি। </p>
<p>তিনি বলেন, নতুন এই অধ্যাদেশের ফলে অঙ্গ প্রতিস্থাপনটা খুব সহজ হবে। আগে যেমন ছিল অঙ্গ প্রতিস্থাপনের জন্য খুবই কাছের যেমন ভাই, বোন, বাবা-মা থেকে নিতে পারতেন, এখন এটাকে একটু সম্প্রসারণ করা হয়েছে। </p>
<p>অঙ্গ দান করার ক্ষেত্রে নতুন করে কাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, আগে যেমন ভাতিজা, ভাগিনা তারা অঙ্গ দান করতে পারতেন না। এখন তাদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, মানে পরিধি বাড়ানো হয়েছে।</p>
<p>এ অধ্যাদেশের বিষয়ে প্রেস সচিব আরও বলেন, এর ফলে আমরা মনে করি বাংলাদেশের অনেককেই এখন কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্টের জন্য আর বিদেশে যাওয়া লাগবে না। বাংলাদেশের হাসপাতালগুলোও এই সার্ভিস দিতে পারবে। আমরা মনে করি এটা বাংলাদেশের জন্য যুগান্তকারী আইন। <br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিপি/ইক</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চিকিৎসক ও মেডিকেল টেকনিশয়ানদের রোবটিক সার্জারি প্রশিক্ষণে গুরুত্বারোপ</title>
<link>https://digibanglatech.news/159523</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159523</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_691b61f561db3.jpg" length="105412" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 17 Nov 2025 22:57:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রযুক্তির যুগে  উন্নত চিকিৎসাসেবায় বিরাট অবদান রাখতে সক্ষম রোবটিক সার্জারি। তবে রোবটের মাধ্যমে সেবা পেতে চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট জনবলের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা জরুরি। তাহলেই রোবট থেকে রোগীরা কাঙ্খিত সুফল পাবেন।</p>
<p>১৭ নভেম্বর সোমবার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) এ ব্লক অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘দ্য রোল অব রোবটিকস ইন সার্জারি’ বিষয়ক ইউনিভার্সিটি সেন্ট্রাল সেমিনারের এসব কথা তুলে ধরা হয়।</p>
<p>এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কি কি উপায়ে দেশের মানুষের চিকিৎসা সেবা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা যায়, এই প্রযুক্তির সুবিধা, অসুবিধা, দেশে এর বাস্তবতা ইত্যাদির নিরিখে সেমিনারটির আয়োজন করে সেন্ট্রাল সেমিনার সাব কমিটি।</p>
<p>সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএমইউর ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম বলেছেন, ‘বাংলাদেশে রোবটিক সার্জারি চালু করা একটি স্বপ্ন। আর শিক্ষক, চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এর সফল বাস্তবায়ন সম্ভব। তবে এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের আগে নিজেদেরকে বিশেষ করে সার্জারি সেবার বিষয়ে দক্ষতাসহ সার্জারি সেবা কি অবস্থায় রয়েছে, আমরা কি অবস্থায় আছি, তার সঠিক অবস্থা জানা, মূল্যায়ন, সঠিক বিবেচনার মাধ্যমেই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। এই সময়ের চিকিৎসা পেশার একাডেমিক লিডারগণ তাদের সঠিক নেতৃত্বের মাধ্যমে বিএমইউতে রোবটিক সার্জারি চালু করতে সক্ষম হবেন এমন প্রত্যাশা করি।’</p>
<p>বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, সার্জারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. ইব্রাহীম সিদ্দিক।</p>
<p>দেশের রোবোটিক সার্জারি নতুন হলেও বিশ্বে নয় জানিয়ে সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা বলেন, বিশ্বের তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের চিকিৎসাসেবাকে এগিয়ে নিতে হলে রোবটিক সার্জারি চালু সময়ের দাবি।</p>
<p>তারা বলেন, প্রযুক্তির বিকাশের এই যুগে রোবটিক সার্জারিকে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। উন্নত চিকিৎসাসেবায় রোবটিক সার্জারি বিরাট অবদান রাখতে পারে। তবে এ জন্য সবচাইতে বেশি প্রয়োজন যথাযথ প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। তবে রোবটের মাধ্যমে যতই উন্নত সেবা নিশ্চিত করা যাক, চিকিৎসককে এবং সংশ্লিষ্ট জনবলকে প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও জ্ঞান অবশ্যই অর্জন করতে হবে। তবেই রোবট থেকে কাক্ষিত সুফল রোগীরা পাবেন।</p>
<p>সেমিনারে বিএমইউর জেনারেল সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ফারুক ইশতিয়াক ‘রোবটিক সার্জারি: আওয়ার পারসপেক্টিভ’ বিষয়ে এবং কলোরেক্টাল সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. কৃষ্ণ পদ সাহা ‘দি রোল অব রোবটিকস ইন সার্জারি’ বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।</p>
<p>তারা জানান, রোবোটিক সার্জারির সুবিধা হলো, ছোট ছিদ্র দিয়ে অপারেশন সম্পন্ন করা, জটিলতা কম হয়, রোগী দ্রুত তার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারে, রক্তপাত কম হয়, অপারেশন পরবর্তী ব্যথা কম ইত্যাদি। সার্জনের সুবিধাসমূহ হলো প্রতি মুহূর্তের ত্রিমাত্রিক ছবি দেখে জটিল সার্জারির পদক্ষেপ নেয়া সহজতর হয়, মানুষের হাতের থেকে রোবটের সাহায্যে নড়াচড়া সহজ এবং বেশি নিরাপদ, হাত কাঁপা সম্পূর্ণ পরিহার করা যায়, আরামদায়ক চেয়ারে বসেই সার্জন দীর্ঘ সময় অপারেশন করতে পারেন, অন্য স্থান থেকে একজন অভিজ্ঞ সার্জন শিক্ষানবিশ সার্জনকে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিতে পারেন বা সার্জারি সম্পন্ন করতে পারেন। রোবোটিক যন্ত্র ভেঙে যাওয়া বা নষ্ট হবার সম্ভাবনা খুবই কম, সার্জন যদি কোনো ধরনের অর্থোপেডিক সমস্যায় পড়েন, প্রেগন্যান্ট হন,  আবার অতি ওজনের রোগীদের জন্যও রোবোটিক সার্জারি খুবই সাহায্যকারী।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমভি/ইক</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অনতিবিলম্বে ১০ম গ্রেড বাস্তবায়িত না হলে কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি টেকনোলজিস্টদের</title>
<link>https://digibanglatech.news/159476</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159476</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6919e98d75190.jpg" length="104347" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 16 Nov 2025 18:11:54 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দশম গ্রেড বাস্তবায়নে বিলম্ব হলে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে যেতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা। তারা বলেছেন, ‘এটাই আমাদের শেষ ধৈর্য। আর কোনো আশ্বাস নয়, এবার সরাসরি সিদ্ধান্ত চাই। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যদি ১০ম গ্রেড নিয়ে নতুন করে ফাইলওয়ার্কিং বা কোনো জটিলতা সৃষ্টি করা হয়, তাহলে সারাদেশে টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে যেতে বাধ্য হবেন।’’</p>
<p>সরকারের প্রতি জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ন্যায্য দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের জোর আহ্বান জানিয়ে তারা আরও বলেছেন, ‘স্বাস্থ্যসেবা বন্ধ হলে এর দায়ভার সরকারের ওপরই বর্তাবে।’</p>
<p>১৬ নভেম্বর, রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ফোরামের (এমটিএফ) মানববন্ধনে এসব কথা বলেন বক্তারা। এমটিএফ সভাপতি সোহেল রানার সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি রিপন শিকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, সিনিয়র সহ সভাপতি মিয়া মো. গোলাম মাওলা, সোহেল হাওলাদার, রফিকুল ইসলাম, মো. জহুরুল ইসলাম, সালেহীন আবেদীন তানীম, মাসুম রেজা, তৌহিদ পাটোয়ারী, মোজাম্মেল রাসেল ও আব্দুল কারিম রাজসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।</p>
<p>আন্দোলনকারীরা বলেছেন, গত তিন দশকের বেশি সময় ধরে টেকনোলজিস্টরা ন্যায্য গ্রেড পাওয়ার জন্য আন্দোলন করে আসছেন। করোনা মহামারি, ডেঙ্গু বা নিপাহ ভাইরাসসহ বিভিন্ন সংকটে জনগণের জীবন রক্ষায় তাঁরা সামনের সারির কর্মী হিসেবে কাজ করলেও এখনো ১০ম গ্রেড না পাওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।</p>
<p>এই অবস্থাকে সুস্পষ্ট বৈষম্য অভিহিত করে তারা বলেন, একই যোগ্যতাসম্পন্ন অন্যান্য ডিপ্লোমাধারী পেশাজীবীরা ১০ম গ্রেড পেলেও স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম মূল ভরসা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা বছরের পর বছর এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত।</p>
<p>গত বছরে আন্দোলনের মুখে বৈষম্যবিরোধী জাতীয় মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট পরিষদের চাপের পর স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম ঘোষণা দিয়েছিলেন যে ১০ম গ্রেড দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে। সেই আশ্বাসের প্রতি সম্মান দেখিয়েই এতদিন কর্মসূচি থেকে বিরত ছিলেন তারা। </p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমভি/মুইম</strong></em></span></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডেঙ্গুতে ১ দিনে আরও ৫ জনের মৃত্যু</title>
<link>https://digibanglatech.news/159470</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159470</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6919d4af50639.jpg" length="34063" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 16 Nov 2025 17:51:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>শনিবার সকাল ৮টা থেকে রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত (২৪ ঘণ্টা/১দিনে) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে তিন জনই ঢাকায়। ডেুঙ্গুতে মৃত্যুবরণকারী ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজন এবং ময়মনসিংহ বিভাগের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজন। আর অপরজনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়। এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ১৩৯ জন।</p>
<p>রবিবার (১৬ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p>
<p>এতে বলা হয়েছে, গত একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১,১৩৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১৮১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৪১ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ২৪৬ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১৮২ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১১৮ জন, খুলনা বিভাগে ১১৯ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে), ময়মনসিংহ বিভাগে ৯৬ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে), রাজশাহী বিভাগে ৪৬ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে), রংপুর বিভাগে ৯ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) এবং সিলেট বিভাগে একজন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন। </p>
<p>এদিকে গত একদিনে সারা দেশে ১,১৯৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪৪২ জন।</p>
<p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, জানুয়ারি থেকে আজকের দিন পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৮৪ হাজার ৯৯৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বছরের এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৩৩৬ জনের। আর  চলতি মাসের ১৬ দিনে ডেঙ্গুতে ৫৮ জনের মৃত্যু হলো।</p>
<p>অক্টোবরে ডেঙ্গু পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত সেপ্টেম্বরে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ১৫ হাজার ৮৬৬ রোগী। অক্টোবরে সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ৫২০ জনে। অর্থাৎ এক মাসে ডেঙ্গু রোগী বেড়েছে ৪২ শতাংশ। </p>
<p>প্রসঙ্গত, ২০০০ সালে ঢাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। ওই বছর ৫ হাজার ৫৫১ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। এর মধ্যে মারা যান ৯৩ জন। ঘটনাটি সাধারণ মানুষের কাছে নতুন ছিল। ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত ও মারা যান ২০২৩ সালে। সে বছর আক্রান্ত হয়েছিলেন তিন লাখের বেশি মানুষ। মারা যান ১ হাজার ৭০৫ জন। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুবরণ করেছেন ৫৭৫ জন। এর আগে ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয় এবং ওই বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এইচডি/ইক</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রামেক হাসপাতালে এআরটি সেন্টার উদ্বোধন</title>
<link>https://digibanglatech.news/159443</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159443</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6918c0f96706b.jpg" length="89990" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 15 Nov 2025 23:06:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>অবশেষে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চালু হলো অ্যান্টি রেট্রোভাইরাল থেরাপি (এআরটি) সেন্টার। ১৫ নভেম্বর, শনিবার এআরটি সেন্টার উদ্বোধন করেন রামেক হাসপাতালের বহির্বিভাগে পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এএফএম শামীম আহম্মেদ।</p>
<p>রামেক হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা জানান, এখন থেকে এই সেন্টারে এইচআইভি পজিটিভ রোগীদের বিনামূল্যে পরীক্ষা ও চিকিৎসা প্রদান করা হবে। এতে করে এইচআইভি পজিটিভ রোগীদের বগুড়ার শজিমেক গিয়ে চিকিৎসা নিতে হবে না। রামেকের এই সেন্টার থেকে তারা ওষুধ পাবে। এআরটি সেন্টারের ফোকাল পার্সন হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ডা. ইবরাহীম মো. শরফ।</p>
<p>সূত্রমতে, রামেক হাসপাতালের আইটডোরে এইচটিসি সেন্টারে এইচআইভির জীবাণু পরীক্ষা করা হয়। তবে ওষুধের ব্যবস্থা নেই। রাজশাহী বিভাগে অন্য সব জেলায় পজিটিভ হওয়া রোগীদের চিকিৎসা নিতে হয় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) থেকে। সেখানে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ দেওয়া হয়। </p>
<p>প্রসঙ্গত, এক দশক আগে ২০১৫ সালের ১৩ আগস্ট রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের বহির্বিভাগে এইচআইভি-এইডস রোগের চিকিৎসার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে এইডস সেবাকেন্দ্র উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীন হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা। তখন জানানো হয়েছিলো, কনফিডেন্ট অ্যাপ্রোচ টু এইডস প্রিভেনশন (ক্যাপ) পরিচালিত এ কেন্দ্রে এইডস রোগের পরীক্ষাসহ সেবা পাবেন রোগীরা। সম্পূর্ণ বিনামূল্যেই সেবা মিলবে। এতোদিন মূলত রামেক হাসপাতালে শুধু এইচআইভি টেস্ট ও কাউন্সেলিং করা হতো। তবে পর্যাপ্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা না থাকায় পর্যাপ্ত চিকিৎসার ও ওষুধের জন্য রাজশাহীর রোগীদের বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শজিমেক) যেতে হতো। তাই পরিস্থিতি বিবেচনায় এইচআইভি আক্রান্তদের জন্য রামেক হাসপাতালে ট্রিটমেন্ট সেন্টার চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়।</p>
<p><br>এদিকে  চলতি বছরের ১০ মাসে নতুন ২৮ জনের শরীরে এইচআইভি ভাইরাস শনাক্ত হয় এই সেন্টারে একই সময়ে এইডসে আক্রান্ত একজনের মৃত্যু হয়। সম্প্রতি রাজশাহীতে সমকামী সম্পর্কের মাধ্যমে এইচআইভি সংক্রমণ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। এই অবস্থায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা বাড়াতে গুরুত্ব আরোপের পাশাপাশি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ট্রিটমেন্ট সেন্টার চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়।</p>
<p>রামেকের এইচআইভি টেস্টিং অ্যান্ড কাউন্সেলিং (এইচটিসি) সেন্টার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ থেকে চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত ১২ হাজার ৪৬৪ নমুনা পরীক্ষায় এইচআইভি পজিটিভ হয়েছে ৯৩ জন। এর মধ্যে ২৫ জন পুরুষ, ২ জন নারী ও ১ জন তৃতীয় লিঙ্গের। একই সময়ে এইচআইভিতে মারা গেছেন আটজন। আক্রান্তদের অধিকাংশের বয়স ২০ থেকে ৩৫ বছর। এখানে প্রতিদিন গড়ে ১০ থেকে ১৫ জন পরীক্ষা করাতে আসেন। যাদের পজিটিভ রিপোর্ট আসে তাদের কাউন্সেলিং করা হয়। বলা হয়, ‘এইচআইভি সম্পূর্ণ নিরাময় না হলেও নিয়ন্ত্রণ করা যায়। অর্থাৎ নিয়মিত চিকিৎসা এবং ওষুধ সেবনে আক্রান্তরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।’</p>
<p>সংশ্লিষ্টরা জানান, এর আগে ২০১৯ সালে রামেক হাসপাতালে এইচআইভি পরীক্ষা শুরু হয়। প্রথম বছর ৭৭ জনের নমুনায় কারো দেহে ভাইরাস শনাক্ত হয়নি। ২০২০ সালে দুই জন পজিটিভ হন। এরপর ২০২১ সালে ৮ জন, ২০২২ সালে ৮ জন, ২০২৩ সালে ২৪ জন, ২০২৪ সালে ২৭ জন ও ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ২৮ জনের শরীরে ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।</p>
<p>তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৪ সালে আক্রান্ত ২৭ জনের ১৬ জনই সমকামীতার মাধ্যমে সংক্রমিত হয়েছেন। এরমধ্যে যৌনকর্মীর মাধ্যমে ১০ এবং রক্তের মাধ্যমে একজন সংক্রমিত হয়েছেন। চলতি বছর অক্টোবর পর্যন্ত শনাক্ত ২৮ জনের ১৭ জন সমকামী সম্পর্কের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়েছেন। এছাড়া যৌনকর্মীর মাধ্যমে ১০ ও রক্তের মাধ্যমে একজন সংক্রমিত হয়েছেন।</p>
<p>রামেক হাসপাতালের এইচটিসি সেন্টারের কাউন্সেলর রেজাউল করিম বলেন, নমুনা পরীক্ষায় এইচআইভি পজিটিভ শনাক্তের পর অনেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। কেউ কেউ আত্মহত্যার কথাও ভাবেন। তাদের কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে মানসিকভাবে দৃঢ় থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।<br><em><strong>ডিবিটেক/বানি/ডিপি</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশে নিউমোনিয়ায় মৃত্যুর ৫২ শতাংশই  নবজাতক!</title>
<link>https://digibanglatech.news/159311</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159311</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6913f67c6ca19.jpg" length="46174" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 12 Nov 2025 00:53:03 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশে শিশুমৃত্যুর অন্যতম কারণ নিউমোনিয়া। প্রতিবছর প্রায় ১৪ লাখ শিশু এতে আক্রান্ত হয়। এর মধ্যে প্রায় ২৪ হাজার শিশু প্রাণ হারায়, অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে ৬৬ জন পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু নিউমোনিয়ায় মারা যায়। আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্রের (আইসিডিডিআর,বি) গবেষণা বলছে, নবজাতক পর্যায়ে নিউমোনিয়ায় শিশুমৃত্যুর হার ৫২ শতাংশ। এরমধ্যে এক মাস থেকে এক বছরের বয়সী শিশু ৩২ শতাংশ এবং এক থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে ১৬ শতাংশ।</p>
<p>শিশু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০১৭ সালে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে নিউমোনিয়ায় মৃত্যুহার ছিল ৮ শতাংশ, যা ২০২২ সালের জরিপেও ৭.৪ শতাংশের আশপাশে। আইসিডিডিআর,বির জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী মোহাম্মদ জোবায়ের চিশতি জানান, অপুষ্টিতে থাকা শিশুদের নিউমোনিয়ায় মৃত্যুর ঝুঁকি ১৫ গুণ। তাই প্রতিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পালস অক্সিমিটার থাকা বাধ্যতামূলক করা উচিত।</p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, শিশু চিকিৎসায় হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ১০টি মৌলিক সুবিধা থাকা উচিত। তবে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য সুবিধা জরিপ ২০১৭ অনুযায়ী, দেশে মাত্র ৫ শতাংশ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এই সুবিধাগুলো রয়েছে। বাকি ৯৫ শতাংশ কেন্দ্রেই নেই প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, ওষুধ বা প্রশিক্ষিত কর্মী।</p>
<p>আইসিডিডিআর,বি আরও জানিয়েছে, নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুর ৫২ শতাংশ মারা যাচ্ছে বাড়িতে, কোনো চিকিৎসা না পেয়ে। বাড়িতে চিকিৎসা নিয়েও মারা যাচ্ছে ৩ শতাংশ, আর হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা নিয়েও মারা যাচ্ছে ৪৫ শতাংশ শিশু। দেশে নিউমোনিয়ার সংক্রমণ কোন জীবাণুর মাধ্যমে হচ্ছে, তার ৫০ শতাংশ কারণ এখনও অজানা।</p>
<p>এমন বাস্তবতায় ‘সুস্থ সূচনা, আশার ভবিষ্য ‘ প্রতিপাদ্যে ১২ নভেম্বর, বুধবার পালিত হতে যাচ্ছে বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবস।  দিবসটি উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান শিশুদের নিউমোনিয়া প্রতিরোধ ও চিকিৎসা-সংক্রান্ত সচেতনতা বাড়ানোর নানা কর্মসূচি নিয়েছে।</p>
<p>দিবসটি সামনে রেখে চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সমীর কুমার সাহা জানিয়েছেন, সংক্রমণ ভাইরাসের মাধ্যমে, না ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে তা জানার উদ্যোগ নেই। নিউমোনিয়া প্রতিরোধে সংক্রমণের কারণ জানা জরুরি। এছাড়াও বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. কামরুজ্জামান কামরুল জানান, শিশুদের জন্মের প্রথম ছয় মাস কেবল বুকের দুধ খাওয়ানো নিউমোনিয়া প্রতিরোধের বড় হাতিয়ার।</p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/টিআর/ইক</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এনআইসিইউতে ‘ফাঙ্গাল সুপারবাগ’ নিয়ে উদ্বেগ আইসিডিডিআরবি’র</title>
<link>https://digibanglatech.news/159222</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159222</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6910f2d738b7d.jpg" length="74649" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 10 Nov 2025 00:12:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="block-full_richtext">
<p data-block-key="3rian">দেশের হাসপাতালে নবজাতকদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (এনআইসিইউ) ক্যান্ডিডা অরিস নামের একধরনের সম্ভাব্য প্রাণঘাতী ছত্রাক (ফাঙ্গাস) ছড়িয়ে পড়ছে বলে এক গবেষণায় জানা গেছে। ‘অরিস’ জাতের ছত্রাকটি একাধিক অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে ওঠায় একে ‘অতি জরুরি অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স হুমকি’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এটি প্রতিরোধে বাড়তি সতর্কতা এবং পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট গবেষকেরা। </p>
<p class="alignfull">মাক্রোবায়োলজি স্পেকট্রাম জার্নালে প্রকাশিত আইসিডিডিআর,বি-র এক গবেষণার বরাত দিয়ে ৯ নভেম্বর, রবিবার এ তথ্য জানায় আইসিডিডিআরবি। </p>
</div>
<div class="block-full_richtext">
<p data-block-key="7mt1u">হাসপাতাল সূত্রে ঘটা সংক্রমণ (এইচএআই) এখন বিশ্বজুড়ে জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি বড় উদ্বেগের কারণ। এসব সংক্রমণের জন্য দায়ী রোগজীবাণু বা পরজীবীর একটি হচ্ছে ক্যান্ডিডা অরিস নামের ছত্রাক। ‘ক্যান্ডিডা’ গণের আওতায় অরিসসহ বিভিন্ন ধরনের ছত্রাক রয়েছে। সাম্প্রতিককালে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে ছত্রাক সংক্রমণের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে দেখা দিয়েছে ক্যান্ডিডা অরিস।</p>
<div class="block-full_richtext">
<p data-block-key="aug0o">আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি) পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যান্ডিডা অরিস দেশের নবজাতকদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রগুলোতে ছড়িয়ে পড়ছে। আইসিডিডিআরবি এবং সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) যৌথ উদ্যোগে চালানো হয়েছে গবেষণাটি। এতে অর্থায়ন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ জনস্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি)। একাধিক অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ প্রতিরোধী হওয়ায় অরিস ছত্রাককে সিডিসিই ২০১৯ সালে ‘অতি জরুরি অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স হুমকি’ হিসেবে ঘোষণা করেছিল।</p>
<div class="text-lg lg:text-[19px] leading-[1.7] text-[#000000] mb-8 story-details">
<div class="block-full_richtext">
<p data-block-key="er31b">২০২১ সালের আগস্ট থেকে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঢাকার একটি সরকারি ও একটি বেসরকারি হাসপাতালের এনআইসিইউতে ভর্তি থাকা ৩৭৪টি নবজাতকের ওপর ওপরের গবেষণাটি পরিচালিত হয়। দেখা যায়, ৩২টি (৯ শতাংশ) নবজাতক ত্বকে ক্যান্ডিডা অরিস বহন করছিল। একজনের রক্তেও সংক্রমণ প্রবেশ করে। এদের মধ্যে ১৪টি নবজাতক হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সময়ই ছত্রাকে আক্রান্ত ছিল। আর ১৮টি নবজাতক সংক্রমিত হয় ভর্তি হওয়ার পর। আক্রান্ত ৩২টি নবজাতকের মধ্যে রক্তে সংক্রমিতসহ ৭টি নবজাতকের মৃত্যু ঘটে। গবেষকেরা বলছেন, এই ফল ইঙ্গিত দেয়, এনআইসিইউর ভেতরেই প্রায়শ ছত্রাকটির সংক্রমণ ঘটছে।</p>
<p data-block-key="dsu04">আইসিডিডিআরবির আরেকটি সাম্প্রতিক গবেষণায়ও দেখা গেছে, এর আওতায় পর্যবেক্ষণ করা রোগীদের কেউই হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে স্থানীয়ভাবে ক্যান্ডিডা অরিসে আক্রান্ত হয়নি। </p>
<p data-block-key="dn7ic">নতুন গবেষণায় সংগৃহীত ছত্রাকের নমুনার ৮২ শতাংশই ফ্লুকোনাজোল নামের একটি ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী ছিল। অর্থাৎ নির্দিষ্ট এই ছত্রাকের চিকিৎসায় ওষুধটির কার্যকারিতা বিভিন্ন মাত্রায় কমে যেতে পারে। অথচ ক্যান্ডিডা অরিসের বিরুদ্ধে ফ্লুকোনাজোল প্রথম সারির ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p data-block-key="52aq0">বিশেষজ্ঞরা বলেন, এমআরএসের মতো ‘সুপারবাগ’ (অতি প্রাণঘাতী জীবাণু) কোনো ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে ওঠার অর্থ দীর্ঘ মেয়াদে ওষুধটি কার্যত পুরোপুরি অকার্যকর হয়ে পড়া। আর ক্যান্ডিডা অরিসকে আইসিডিডিআরবির বিশেষজ্ঞ ফাহমিদা চৌধুরী ‘সুপারবাগ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।</p>
<p data-block-key="9duro">গবেষণায় দেখা গেছে, সংক্রমিত নবজাতকদের ৮১ শতাংশেরই জন্ম হয়েছে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে। গবেষকদের মতে, সিজারিয়ান পদ্ধতিতে ডেলিভারির পর নবজাতক তুলনামূলকভাবে দীর্ঘ সময় হাসপাতালে অবস্থান করায় এই ছত্রাকের সংস্পর্শে আসার ঝুঁকি বেড়ে যায়।</p>
<p data-block-key="fmo6o">আইসিডিডিআরবি থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ক্যান্ডিডা অরিস এমন এক ধরনের ছত্রাক, যা মানুষের ত্বকে কোনো লক্ষণ ছাড়াই অবস্থান করতে এবং দীর্ঘ সময় টিকে থাকতে পারে। প্রায় ১০ শতাংশ ক্ষেত্রে এই অবস্থান সংক্রমণে রূপ নেয়; বিশেষ করে যখন এটি রক্তের মতো জীবাণুমুক্ত অংশে প্রবেশ করে এবং রোগটিকে অত্যন্ত প্রাণঘাতী করে তোলে।</p>
<p data-block-key="cbhoj">গবেষণায় দেখা গেছে, অনুন্নত ও স্বল্পোন্নত দেশে ক্যান্ডিডা অরিসজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মৃত্যুহার প্রায় ৭০ শতাংশ। দুর্বল রোগ প্রতিরোধক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি, গুরুতর অসুস্থ রোগী এবং অপরিণত নবজাতকেরা এই সংক্রমণের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ।</p>
<p data-block-key="2b8d2">আইসিডিডিআরবির সহযোগী বিজ্ঞানী ও সংক্রামক রোগ বিভাগের এএমআর গবেষণা শাখার প্রধান ফাহমিদা চৌধুরী বলেন, ‘এই গবেষণা নবজাতকদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ঝুঁকিপূর্ণ বাচ্চাদের মধ্যে সুপারবাগ সংক্রমণের গুরুতর প্রমাণ দিয়েছে। প্রশাসনিক ও নীতিগতভাবে প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার গবেষণাটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় প্রথম ধাপ।’</p>
<div class="viewport jw_article_body"></div>
<p data-block-key="3as4h">সংশ্লিষ্ট গবেষকেরা সুপারিশ হিসেবে হাসপাতালের যন্ত্রপাতি ও ব্যবহার্য সামগ্রী ক্লোরিনভিত্তিক জীবাণুনাশক দিয়ে নিয়মিত পরিষ্কার করা এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের হাত ধোয়ার অভ্যাস উন্নত করার তাগিদ দিয়েছেন। একই সঙ্গে এনআইসিইউতে ক্যান্ডিডা অরিস সংক্রমণের ওপর ধারাবাহিকভাবে নজরদারি চালিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন তাঁরা। এতে আক্রান্ত নবজাতকদের দ্রুত শনাক্ত এবং আলাদা করে যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে।</p>
<p data-block-key="3as4h"><strong>ডিবিটেক/এপি/ইক</strong></p>
</div>
</div>
<div class="flex justify-center mb-[18px]">
<div class="hidden justify-center md:flex w-[728px] min-h-[90px] mt-3">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_47508" data-id="pw_47508_1" lazyload="true">
<div id="container_pw_47508_1">
<div id="pw_47508_1">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_47528" data-id="pw_47528_92" lazyload="true">
<div id="container_pw_47528_92">
<div id="pw_47528_92">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_47796" data-id="pw_47796_87" lazyload="true">
<div id="container_pw_47796_87">
<div id="pw_47796_87">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_47805" data-id="pw_47805_14" lazyload="true">
<div id="container_pw_47805_14">
<div id="pw_47805_14">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_47827" data-id="pw_47827_11" lazyload="true">
<div id="container_pw_47827_11">
<div id="pw_47827_11"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="flex justify-center">
<div class="w-[300px] h-[250px] overflow-hidden bg-gray-50">
<div class="w-full h-full" id="gpt-ad-In_Article_3-ajpwysjr0thjb_content_3_1762715295361" data-ad-id="In_Article_3" data-slot-id="gpt-ad-In_Article_3-ajpwysjr0thjb_content_3_1762715295361" data-google-query-id="CJXJpJni5ZADFd6l2AUdHhsI7g"></div>
</div>
</div>
</div>
<div class="flex justify-center">
<div class="w-[300px] h-[250px] overflow-hidden bg-gray-50">
<div class="w-full h-full" id="gpt-ad-In_Article_2-ajpwysjr0thjb_content_2_1762715295361" data-ad-id="In_Article_2" data-slot-id="gpt-ad-In_Article_2-ajpwysjr0thjb_content_2_1762715295361" data-google-query-id="CI6vpJni5ZADFY-i2AUdWDMaPQ"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চট্টগ্রামে স্তন ক্যান্সার শনাক্ত ১২ জনের মধ্যে ৪ জনের অস্ত্রপচার</title>
<link>https://digibanglatech.news/158967</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158967</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_69064d66ecf52.jpg" length="111718" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 01 Nov 2025 21:12:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>স্তন ক্যান্সার সচেতনতার অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সহায়তায় সাড়ে ৭০০ নারীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।মাসব্যাপী কর্মসূচির আওতায় বেসরকারি হাসপাতাল সিএসসিআর এবং পোস্ট গ্র্যাজুয়েট র্সাজন একাডেমিয়া (পিজিএস) তাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এ সময়ে বেসরকারি হাসপাতালটি ৪৫১ নারীকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়েছে এবং এদের মধ্যে ১২ জনের মধ্যে স্তন ক্যান্সার শনাক্ত হয়েছে। এ নারীদের মধ্যে চারজনের অস্ত্রোপচার হয়েছে।</p>
<article>
<p>শনিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে নগরের একটি রেস্টুরেন্টে স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাসের সমাপনী উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।</p>
<p>তিনি জানান,স্তন ক্যান্সারের সচেতনতা বাড়াতে মাসব্যাপি এ আয়োজন করে বেসরকারি বিশেষায়িত চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠান সিএসসিআর এবং স্নাতকোত্তর সার্জিক্যাল শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান পিজিএস একাডেমিয়া। এতে সহযোগীতা করে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। </p>
<p> চসিক মেয়র বলেন, বিশ্বে প্রতি ৮ জন নারীর মধ্যে ১ জন স্তন ক্যান্সারে আক্রান্তের ঝুঁকিতে থাকে। প্রাথমিক অবস্থায় স্তন ক্যান্সার সনাক্ত করা গেলে নিরাময়ের হার ৯৫ থেকে শতভাগ। বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থা রক্ষণশীল হওয়ার কারণে অধিকাংশ নারীই তাদের স্তনের সমস্যা কাউকে জানান দিতে চান না। পুরো সমাজকে এ জন্য সচেতনতার আওতায় আনতে হবে।</p>
<p>স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে দৃষ্টিভঙ্গি ও মানসিকতা পরিবর্তনের জন্য সচেতনতার বিষয়ে সকলকে ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, স্তন ক্যান্সারের চিকিৎসা নির্ভর করে রোগটি শরীরের আর কোনো অঙ্গে ছড়িয়েছে কি-না। দেরীতে বা শেষ পর্যায়ে এ রোগ শনাক্ত হলে তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। তাছাড়া ঝুঁকি এবং চিকিৎসা অত্যন্ত জটিল ও ব্যয়বহুল। পরিবারের আর্থিক অবস্থা কিংবা নারীর প্রতি পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গি এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। সেজন্য পুরুষদেরও এক্ষেত্রে অত্যন্ত সহানুভূতিশীল এবং দৃষ্টিভঙ্গি ও মানসিকতা পরিবর্তনের জন্য সচেতনতার বিষয়ে সকলকে ভূমিকা পালন করতে হবে।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে পিজিএস একাডেমিয়ার চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দকার এ কে আজাদ বলেন, চট্টগ্রামে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানা না থাকলেও এ সময়ে ৪৫১ জনকে দেখে ১২ জনের শনাক্ত হওয়া উদ্বেগের বিষয়। সিএসসিআর এর পক্ষ থেকে বলা হয়, তাদের অভিজ্ঞ শল্য চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে বিনামূল্যে রোগীদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, ৫০ শতাংশ ছাড়ে গুরুত্বপূর্ণ রোগ নিরূপণের পরীক্ষা করানো হয়েছে।</p>
<div id="contentDetails">
<p>সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিএসসিআর এর চেয়ারম্যান ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ইমাম হোসেন রানা, অধ্যাপক মো. মনজুরুল ইসলাম. ডা. এস এম তারেক, ডা. একরামুল হক, ডা. কাজী আইনুল হক, চট্টগ্রাম মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাকেরা বেগম, সহকারী অধ্যাপক সায়েরা বানু শিউলী।</p>
</div>
<div class="DContentAdd3 ignore-print">
<div class="sq-add d-flex justify-content-center">
<div id="div-gpt-ad-9827360-3" data-google-query-id="CLu0g5vE0ZADFSWNrAIdXJYnJA"></div>
</div>
</div>
</article>
<div ad-position="desktop-details-section-5" class="ad-728">
<div class="ads mb-2 d-flex justify-content-center ad-728x90" ad-id="69">
<div class="desktop-ads">
<div class="adunitContainer">
<div class="adBox" id="DD-T3" data-google-query-id="CPHA1dTD0ZADFe1ynQkd_9YSbg"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="DContentAdd ignore-print">
<div class="sq-add d-flex justify-content-center">
<div id="div-gpt-ad-9827360-1" data-google-query-id="CLm0g5vE0ZADFSWNrAIdXJYnJA"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ক্যানসার স্ক্রিনিং কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক করার দাবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/158932</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158932</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_6904d5f543d4e.jpg" length="73754" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 31 Oct 2025 17:30:31 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ক্যানসার স্ক্রিনিং কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক করার দাবি জানিয়েছেন ক্যানসার বিশেষজ্ঞরা। ৩১ অক্টোবর, শুক্রবার রাজধানীর একটি হোটেলে অনকোলোজি ক্লাব আয়োজিত দুদিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল ক্যানসার কংগ্রেস’ কনফারেন্সের সমাপনী দিনে বক্তারা এ কথা বলেন। </p>
<p>আয়োজনের দ্বিতীয় দিনে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ডা. এ এফ এম কামাল উদ্দিন। তার গবেষণায় বিশ্বের ক্যানসার পরিস্থিতি ছাড়াও উঠে এসেছে দেশের ক্যানসার চিকিৎসার অপ্রতুলতা সব দিক। এখনই সতর্ক না হলে আগামী দিনে ক্যানসার কতটা ভয়াবহ আকার ধারণ করবে তাও তুলে ধরেন তিনি।</p>
<p>এসময় ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ডা. এ এফ এম কামাল উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের মতো স্বল্পোন্নত দেশে ক্যানসার রোগীর তুলনায় রেডিও থেরাপি মেশিন খুবই কম। সারা দেশে ১ লাখ ৮৪ হাজার ক্যানসার রোগীর জন্য ২০৯টা রেডিও থেরাপি মেশিন লাগবে। সেখানে দেশে আছে মাত্র ২৯টি। যা দিয়ে বিপুলসংখ্যক রোগীর চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব নয়। ফলে সঠিক চিকিৎসা ও অপ্রতুল রেডিও থেরাপি মেশিনের অভাবে মৃত্যুর হার বেশি। ফলে ক্যান্সারে মৃত্যুর হার কমাতে প্রয়োজনীয় মেশিনের পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও সিলেটের মতো বিভাগীয় শহরেও মেশিন স্থাপন জরুরি।</p>
<div>
<p>ব্রিফিং এ ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ডা. এম সাইফুল হক বলেন, ক্যানসার রোগীর মৃত্যু হার কমাতে সবার আগে প্রয়োজন সরকারের সঠিক পলিসি ও পরিকল্পনা। ক্যানসার চিকিৎসা যেহেতু ব্যয়বহুল সেক্ষেত্রে সরকারের উচিত হবে ইনিশিয়াল ইনভেস্টের কথা চিন্তা না করে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা। ক্যান্সারের জন্য সবার আগে জরুরি জনসচেতনতা।</p>
<p>এসময় এবারের আয়োজনের সদস্য সচিব ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন বলেন, ক্যানসার যুদ্ধ জয় করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে, বিশেষ করে সাংবাদিকদের সামনে থেকে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।</p>
<p>সম্মেলনের অনুষ্ঠানে অনকোলজি ক্লাব বাংলাদেশ ও ক্যানসার কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. এম এ হাই বলেন, বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল বিশ্বে ক্যানসার রোগীর ক্রমবর্ধমান সংখ্যা আশঙ্কাজনক। দেশে বর্তমানে বিপুল জনগোষ্ঠী এই রোগে আক্রান্ত, যার অধিকাংশই চিকিৎসার আওতার বাইরে।</p>
<p>দেশে ক্যানসার চিকিৎসার আধুনিকায়নে মানসম্পন্ন ও দক্ষ জনবল তৈরি করাই ক্লাবের মূল উদ্দেশ্য জানিয়ে ডা. হাই বলেন, ক্যানসার জয় করতে এবং দেশের ক্রমবর্ধমান ক্যানসার রোগী ও তাদের পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।</p>
<p>অ্যাকাডেমিক পার্টনার হিসেবে যুক্ত রয়েছে—ইতালির বলোনিয়া ইউনিভার্সিটি, সিংহেলথ সিঙ্গাপুর এবং গ্লোবাল হেলথ ক্যাটালিস্ট।</p>
<p>এছাড়া উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্যের রয়েল মডার্ন হাসপাতাল, সেন্টবার্থোলোমিউ’স হাসপাতাল, কেএইচসিসি এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং অ্যাকাডেমি, হুইপস ক্রস ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাষ্ট্রের ইউপিএমসি হিলম্যান ক্যানসার সেন্টার, ইউনিভার্সিটি অব পিটসবার্গ স্কুল অব মেডিসিন, পেনসিলভানিয়াইউনিভার্সিটিসহ বিশ্বের অন্যান্য খ্যাতনামা ক্যানসার হাসপাতালের চিকিৎসকও গবেষকরা।</p>
<p>অনকোলজি ক্লাব বাংলাদেশ ও ক্যানসার কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. এম এ হাই এবং জেনারেল সেক্রেটারি ডা. এ এম এম শরীফুল আলমের নেতৃত্বে দেশের ক্যানসার বিশেষজ্ঞ, বিজ্ঞানী ও গবেষকরা অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন অ্যাকাডেমিক সেশনে।</p>
<p>এবারের কনফারেন্সে বিশ্বের ১৬টি দেশের ৩১ জন খ্যাতনামা ক্যানসার বিশেষজ্ঞসহ মোট ১ হাজার ২০০ জন ক্যানসার বিশেষজ্ঞ, ক্যানসার সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী ও গবেষক অংশগ্রহণ করেন।</p>
</div>
<div></div>
<div class="BT_inner_A1_C2 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">
<div id="BT_inner_A1_C2" data-google-query-id="CIn49NbfzpADFaomgwMdZqE7DA"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশ মেডিকেলে অনালাইন টিকিট কাটা শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/158861</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158861</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_690203ff690a9.jpg" length="336861" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 29 Oct 2025 16:10:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>টিকিট কাটা ও ডাক্তার দেখাতে গিয়ে রোগীদের দীর্ঘ লাইনের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এ ভোগান্তি এড়াতে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) বহির্বিভাগে অনলাইন টিকেটিং সেবা চালু হয়েছে। রোগীরা বিএমইউর bmu.ac.bd ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে পেমেন্ট সম্পন্ন করে টিকিট প্রিন্ট করে নির্দিষ্ট সময়ে চিকিৎসক দেখিয়ে পরামর্শ নিতে পারবেন।</p>
<p>২৯ অক্টোবর, বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে বিএমইউ ও পূবালী ব্যাংকের অনলাইন পেমেন্ট চুক্তির মাধ্যমে ঘরে বসেই  বিএমইউর বহির্বিভাগের টিকিট কাটার সৃযোগ পূর্ণতা পেলো। এতে হাসপাতালে এসে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার অবসান হবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে বিএমইউর ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম বলেন, অনলাইন টিকিট সিস্টেম দেশের প্রয়োজনে চালু করা হয়েছে। যে কোনো দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা সবসময় জনগণকেন্দ্রিক হয়। শিক্ষা ও গবেষণা দেশের মানুষের জন্যই হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে দেশের মানুষের জন্য। আমরা অনেকদিন থেকে ভাবছিলাম রোগীদের যেন দীর্ঘ অপেক্ষা করতে না হয়। অনলাইন টিকেটিং সিস্টেম দীর্ঘ অপেক্ষা ও ভোগান্তি কমাবে। এই পদ্ধতিতে রোগীরা তাদের চাহিদামতো সময়ে চিকিৎসক দেখাতে পারবেন। সময়ের ব্যবধানে সবকিছু অনলাইন সিস্টেমে হবে।</p>
<p>অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম বলেন, ওয়েটিং টাইমটাকে চেম্বার বা হাসপাতাল থেকে বাসায় নিয়ে যেতে চাই। হাসপাতালে অপেক্ষা করা লাগবে না। তবে এই কার্যক্রমে শুরুর দিকে কিছুটা সমস্যা হতে পারে। তা ওভারকাম করার জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।</p>
<p>এ জন্য সাংবাদিক, গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।। তিনি বলেন, আপনারা ইতিবাচকভাবে তুলে ধরলে বিএমইউর এই প্রচেষ্টা অবশ্যই সাফল্য পাবে। প্রায় সব রোগীই বিএমইউর চিকিৎসাসেবায় সন্তুষ্ট। কিন্তু দীর্ঘলাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কাটা, ডাক্তার দেখাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা তাদের কষ্ট দেয়। সেই কষ্ট দূর করতেই আজকের এই উদ্যোগ।</p>
<p>বিএমইউর রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলামের সঞ্চালানায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, প্রক্টর ডা. শেখ ফরহাদ, আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ কে এম আখতারুজ্জামান, পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অ্যাপে শিশুরোগ শনাক্ত, চিকিৎসা ও ফলোআপ</title>
<link>https://digibanglatech.news/158810</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158810</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_6900a23fd1d9d.jpg" length="101592" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 28 Oct 2025 11:01:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>এবার দেশের শিশুদের রোগ ব্যবস্থাপনায় নির্ভুলতা, সময় ও খরচ কমাতে তৈরি হলো ‘আইএমসিআই অ্যাপ’। অ্যাপটি স্বাস্থ্য অধিদফতর, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং সেভ দ্য চিলড্রেন বাংলাদেশ যৌথভাবে তৈরি করেছে।</p>
<p>এটি দেশের জাতীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম: ডিএইচআইএস-২, ওপেন এসআরপি, ওপেনএমআরসি-এর সঙ্গে সংযুক্ত। </p>
<p>বরিশাল জেলায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে বাস্তবায়িত এই অ্যাপটি মাঠপর্যায়ে শিশুরোগ নির্ণয়, চিকিৎসা ও রেফারেল প্রক্রিয়া দ্রুত ও নির্ভুল করেছে বলে জানিয়েছে মাঠ পর্যায়ের দায়িত্বরতরা। </p>
<p>রাজধানীর স্বাস্থ্য অধিদফতরের কনফারেন্স রুমে ২৭ অক্টোবর, সোমবার অনুষ্ঠিত এক ন্যাশনাল ডিজেমিনেশন অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও সেভ দ্য চিলড্রেন বাংলাদেশ যৌথভাবে গবেষণার অভিজ্ঞতা ও ফলাফল উপস্থাপন করে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি, ডিজিটাল হেলথ বিশেষজ্ঞ এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা অ্যাপের কার্যকারিতা, মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও সারাদেশে এর সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।</p>
<p>গবেষণায় দেখা গেছে, পাইলট পর্যায়ে বরিশাল জেলায় অ্যাপটির ব্যবহার শিশুসেবায় ডিজিটাল পরিবর্তনের সফল দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। অ্যাপের নির্দেশনা অনুসরণ করায় রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা পরিকল্পনায় ভুল উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। সংগৃহীত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে সিস্টেমে জমা পড়ায় হাতে লেখা প্রতিবেদনের ঝামেলা দূর হয়েছে। একইসঙ্গে ইউনিয়ন থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত ড্যাশবোর্ডভিত্তিক তথ্য ব্যবহার করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হয়েছে এবং হাতেকলমে কাজ কমায় সময় ও খরচ উভয়ই সাশ্রয় হয়েছে, সেবার মান বেড়েছে। এ ছাড়া দুর্গম এলাকার শিশুর ফলোআপ ও স্বাস্থ্যফল পর্যবেক্ষণ সহজ হওয়ায় জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পেয়েছে।</p>
<p>সেভ দ্য চিলড্রেনের গবেষণা দল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক শফিউন এন শিমুল অ্যাপ ব্যবহারের অভিজ্ঞতা উপস্থাপন করেন। তারা বলেন, আইএমসিআই অ্যাপ রোগীর তথ্য ট্র্যাকিং, মনিটরিং ও জবাবদিহিতা বাড়ায়, বিশেষত গ্রাম ও দুর্গম এলাকায়।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান। তিনি বলেন, প্রতি বছরই অনেক শিশু এমন সব কারণে মারা যায়, যা প্রতিরোধযোগ্য। এই অ্যাপের মাধ্যমে সময়মতো রোগ শনাক্ত, সঠিক চিকিৎসা, নির্ণয়, রেফারেল এবং ওষুধ প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এটি সারাদেশে বাস্তবায়িত হলে দেশের সব শিশু এর সুফল পাবে।</p>
<p>সেভ দ্য চিলড্রেনকে ধন্যবাদ জানিয়ে এই ধরনের যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশে শিশু মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।</p>
<p>স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর বলেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশই শিশু। আমাদের ২০৩০ সালের লক্ষ্য হলো সবার জন্য স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সেই লক্ষ্য অর্জনে তৃণমূল পর্যায়ে সেবার সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি। আইএমসিআই অ্যাপটি সারাদেশে বিস্তৃতভাবে বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। এই অ্যাপটির বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে সিএইচসিপি, স্যাকমো এবং সংশ্লিষ্ট সকল স্বাস্থ্যকর্মীর সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে। </p>
<p>সেভ দ্য চিলড্রেন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর সুমন সেনগুপ্ত বলেন, আইএমসিআই অ্যাপের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও উন্নত করার সম্ভাবনা রয়েছে। এই অ্যাপটি রোগের প্রাথমিক শনাক্তকরণ, চিকিৎসা এবং রেফারেল প্রক্রিয়ায় কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। সেভ দ্য চিলড্রেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের সার্বিক সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞ এবং আমরা এই বাস্তবায়ন গবেষণা থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে সচেষ্ট আছি।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, একই ধরনের উদ্যোগে আরও অর্থায়নের জন্য আমরা দাতাদের কাছে আবেদন করব। বরিশাল বিভাগে এই অ্যাপের বাস্তবায়ন সম্ভব করায় এবং সফলভাবে তা প্রয়োগে সহযোগিতার জন্য আমরা সেভ দ্য চিলড্রেন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গর্বিত ও কৃতজ্ঞ।</p>
<p>সমাপনীতে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও সেভ দ্য চিলড্রেন সারাদেশে মানসম্মত শিশুসেবা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল উদ্ভাবন সম্প্রসারণে একসঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। তারা জানায়, ‘সমন্বিত শিশুরোগ ব্যবস্থাপনা অ্যাপ’ বাংলাদেশের জাতীয় আইএমসিআই গাইডলাইন অনুযায়ী তৈরি একটি ডিজিটাল টুল, যা ০–৫ বছর বয়সী শিশুদের সাধারণ রোগ: নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, অপুষ্টি, জ্বর, কানের সংক্রমণ ইত্যাদির শ্রেণিবিন্যাস, চিকিৎসা ও রেফারেলে স্বাস্থ্যকর্মীদের সহায়তা করে।</p>
<p>গবেষণা বলছে, এই ডিজিটাল রূপান্তর শুধু শিশুসেবা নয়, বাংলাদেশের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও দক্ষ ও তথ্যনির্ভর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রাণঘাতী জেনেটিক রোগের চিকিৎসায় নতুন দিগন্তে বেক্সিমকো ফার্মা</title>
<link>https://digibanglatech.news/158694</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158694</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68fc6679e0276.jpg" length="73580" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 25 Oct 2025 11:56:34 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সিস্টিক ফাইব্রোসিস একটি বিরল কিন্তু প্রাণঘাতী জেনেটিক রোগ। এ রোগে আক্রান্ত রোগীদের গড় আয়ু খুব কম। বিশ্বজুড়ে আনুমানিক ১ লাখ ৮৯ হাজার মানুষ এই রোগে ভুগছেন। এর মধ্যে মাত্র ৬০ শতাংশ রোগীর রোগ নির্ণয় হয় এবং চিকিৎসা প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা মাত্র ২৭ শতাংশ।</p>
<p>ইতিমধ্যেই এই রোগের চিকিৎসায় একটি যুগান্তকারী ওষুধ হিসেবে নাম লেখিয়েছে মার্কিন প্রতিষ্ঠান ভার্টেক্স ফার্মাসিউটিক্যালস উদ্ভাবিত ‘ট্রিকাফটা’ (Trikafta)। ওষুধটিতে ইলেক্সাকাফটার, টেজাকাফটার ও আইভাকাফটার এই তিনটি উপাদান একসঙ্গে ব্যবহার করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ‘ট্রিকাফটা’ সেবনে রোগীর আয়ু ও জীবনমান উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায়। তবে এই ওষুধের দাম অত্যন্ত বেশি হওয়ায় বিশ্বের খুব কম সংখ্যক রোগীই এই চিকিৎসার ব্যয় বহনে সক্ষম।</p>
<p>এই প্রেক্ষাপটে, সিস্টিক ফাইব্রোসিসে আক্রান্ত শিশুদের মায়েরা বেক্সিমকো ফার্মার উৎপাদিত ট্রিকাফটা-এর জেনেরিক কপি ট্রিকো (Triko) রোগীদের হাতে পৌঁছে দিতে ‘কমিউনিটি পরিচালিত বায়ারস ক্লাব’ চালু করেছেন। তারা ২৩ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে অনুষ্ঠিত নর্থ আমেরিকান সিস্টিক ফাইব্রোসিস কনফারেন্সে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন।</p>
<p>ঘোষণায় জানানো হয়, বেক্সিমকো ফার্মার তৈরি ট্রিকো–এর মাধ্যমে চিকিৎসা ব্যয় হবে বছরে শিশু প্রতি মাত্র ৬ হাজার ৩৭৫ ডলার, যেখানে মার্কিন কোম্পানিটির তৈরি ট্রিকাফটার খরচ বছরে ৩ লাখ ৭০ হাজার ডলার। অর্থাৎ, ট্রিকাফটার দামে একজন শিশুর চিকিৎসার সমান খরচে ট্রিকো দিয়ে ৫৮ জন শিশুর চিকিৎসা সম্ভব হবে। ওষুধটি ২০২৬ সালের এপ্রিল নাগাদ সরবরাহ করা যাবে বলে জানানো হয়।</p>
<p>সম্মেলনে ‘রাইট টু ব্রিদ’ গ্লোবাল ক্যাম্পেইনের নেত্রী, যুক্তরাজ্য ভিত্তিক ‘জাস্ট ট্রিটমেন্ট’-এর মুখ্য সমন্বয়ক এবং সিস্টিক  ফাইব্রোসিসে আক্রান্ত এক শিশুর মা গেইল প্লেজার বলেন, ‘আজ একটি ঐতিহাসিক দিন, যার জন্য সারা বিশ্বের সিস্টিক ফাইব্রোসিস রোগী ও তাদের পরিবার অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল। আমরা দেখেছি, অনেক শিশু চিকিৎসার অভাবে প্রাণ হারিয়েছে, অথচ চিকিৎসার ব্যয় পুরোপুরি নাগালের বাইরে। আজ সেই দুঃসহ অবস্থার পরিবর্তন হতে যাচ্ছে। এটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক যে, ভুক্তভোগী রোগী ও সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সর্বতো উদ্যোগের ফলে বিলিয়ন ডলার কর্পোরেশনের সকল অসহযোগিতা এবং বাধা অতিক্রম করে এরকম একটি দুরূহ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হয়েছে।’</p>
<p>বেক্সিমকো ফার্মার ট্রিকো–এর মাধ্যমে চিকিৎসা ব্যয় প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য বছরে ১২ হাজার ৭৫০ মার্কিন ডলার ও শিশুদের জন্য ৬ হাজার ৩৭৫ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ট্রিকাফটার দামের তুলনায় বহু গুণ কম। একই সঙ্গে ট্রিকোর একটি উপাদান আইভাকাফটার-এর জেনেরিক সংস্করণ হিসেবে ‘বেক্সডেকো’ নামে আরেকটি ওষুধ বাজারে আনছে বেক্সিমকো। এর দাম হবে প্রতি ট্যাবলেট মাত্র ৫ ডলার।</p>
<p>বেক্সিমকো ফার্মার প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) রাব্বুর রেজা বলেন, ‘বেক্সিমকো ফার্মা সবসময় নিত্য-নতুন ওষুধসহ ব্যয়বহুল চিকিৎসার রোগীদের জন্য সুলভ মূল্যে প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে বদ্ধ পরিকর। আমাদের লক্ষ্য শুধু ওষুধ তৈরি নয়, বরং মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। সিস্টিক ফাইব্রোসিসের মতো বিরল রোগের চিকিৎসা খুবই সীমিত এবং তা এতটাই ব্যয়বহুল যা বেশিরভাগ রোগীর সামর্থ্যের বাইরে। আমাদের তৈরি সাশ্রয়ী মূল্যের ট্রিকো সেই ব্যবধান ঘোচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’</p>
<p>মালয়েশিয়াভিত্তিক গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি সংস্থা থার্ড ওয়ার্ল্ড নেটওয়ার্ক (টিডাব্লিউএন), যুক্তরাজ্যের রোগীদের সংগঠন ‘জাস্ট ট্রিটমেন্ট’ এবং বিশ্বব্যাপী ‘রাইট টু ব্রিদ’ ক্যাম্পেইনের অনুরোধে অসহায় সিস্টিক ফাইব্রোসিস রোগীদের সাহায্যার্থে, একান্ত মানবিক বিবেচনায় বেক্সিমকো ফার্মা এই ওষুধ তৈরির উদ্যোগ নেয়।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টাইফয়েড টিকা সম্পূর্ণ ‘নিরাপদ ও হালাল’</title>
<link>https://digibanglatech.news/158667</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158667</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68fa2cd2e378b.jpg" length="87008" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 23 Oct 2025 15:25:56 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>টাইফয়েড টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত এবং সৌদি আরব হালাল সেন্টার কর্তৃক হালাল হিসেবে প্রত্যয়িত বলে একটি সভা থেকে জানানো হয়েছে। ২৩ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ইপিআই, ইউনিসেফ বাংলাদেশ এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের যৌথ আয়োজনে টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচির সাফল্য এবং শক্তিশালীকরণের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত সভায় এ কথা বলা হয়।</p>
<p><br>সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী) অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান। তিনি বলেন, বিশ্ব বিখ্যাত সাইন্টিস্টদের দ্বারা স্বীকৃত এবং সমস্ত বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় এ টিকাটি মান নির্ধারিত ও কার্যকারিতায় পরীক্ষিত। ইতোমধ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে টিকাটি ব্যবহৃত হয়েছে, যা নিরাপদ ও কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে। আমাদের উচিত প্রতিটি শিশুকে টাইফয়েড টিকা দেওয়া।</p>
<p>অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর, ইউনিসেফ বাংলাদেশের ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ দীপিকা শর্মা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার টিম লিড (আইভিডি) ডা. সুধির যশি প্রমুখ।</p>
<p>সভায় টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচির অগ্রগতি এবং শক্তিশালীকরণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ উপস্থাপন করেন ইপিআই অ্যান্ড সারভিলেন্স উপ পরিচালক ডা. মোহাম্মদ শাহরিয়ার সাজ্জাদ।</p>
<p>সভা থেকে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার টিকাদান কর্মসূচিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণে টিকাদান কার্যক্রমের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাফল্য বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ‘টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৫’ এর আওতায় নয় মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী সব শিশুকে টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি) প্রদান করছে।</p>
<p>এ ক্যাম্পেইনের আওতায় মাদ্রাসা, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত সব ছাত্র-ছাত্রী (প্লে/নার্সারি, কিন্ডারগার্টেন থেকে ৯ম শ্রেণি/সমমান শ্রেণি পর্যন্ত) এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাইরে থাকা কমিউনিটির নয় মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সীসহ প্রায় চার কোটি ৯০ লাখ শিশুকে এক ডোজ টিসিভি (টিসিভি) টিকা দেওয়ার লক্ষ্য মাত্রা ঠিক করা হয়। তবে, ডিএইচআইএস২ মাইক্রোপ্ল্যান অনুযায়ী লক্ষ্যমাত্রা ৪৩,৭৯৬,৪৫৩ হয়েছে। গত ১২ অক্টোবর ২০২৫ থেকে এ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে যা ১৩ নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত চলমান থাকবে। অদ্যাবধি ১ কোটি ৫০ লাখ ৫৪ হাজার ৬৫ জন শিশুকে এ টিকা প্রদান করা হয়েছে।</p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী প্রায় ৯০ লাখ মানুষ টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয় এবং তাদের মধ্যে এক লাখ ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে। গ্লোবাল বারডেন অব ডিজিজ ২০২১ সালের হিসাব অনুযায়ী, ওই বছর বাংলাদেশে টাইফয়েড জ্বরে চার লাখ ৭৮ হাজার জন আক্রান্ত হয়েছিল এবং আট হাজার মৃত্যু ঘটেছিল। এদের মধ্যে ৬৮ শতাংশই ছিল শিশু। বাংলাদেশে নয় মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুরাই টাইফয়েড জ্বরে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে।</p>
<p>সমীক্ষা অনুযায়ী ২০২১ সালে বাংলাদেশে আট হাজার মানুষ টাইফয়েড জ্বরে মৃত্যুবরণ করেছে, তার মধ্যে প্রায় ছয় হাজার জন ১৫ বছরের কম বয়সী শিশু। দূষিত পানি ও অস্বাস্থ্যকর খাবারের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া, এ রোগের কারণ Salmonella Typhi ব্যাকটেরিয়া। অনেক ক্ষেত্রেই চিকিৎসা বিলম্ব বা ওষুধ প্রতিরোধী জীবাণুর কারণে রোগটি জটিল হয়ে পড়ে। অথচ একটি মাত্র টিকা একজন মানুষকে দীর্ঘমেয়াদে এ বিপজ্জনক রোগের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারে।</p>
<p>সাম্প্রতিক সময়ে এ টিকা নিয়ে কিছু কিছু স্থানে বিভ্রান্তি দেখা যাচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন টিকা নিলে শিশু অসুস্থ হয়ে পড়বে, জ্বর হবে বা অন্য কোনো জটিলতা দেখা দেবে। আবার কেউ কেউ জানতে চাইছেন, এ টিকা কতটা নিরাপদ, কারা নিতে পারবে, এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী, আগে নেওয়া টিকার সঙ্গে কোনো সংঘাত আছে কি না, কিংবা এটি কি কোভিড বা অন্য টিকার সঙ্গে একসাথে নেওয়া যায় কি না।</p>
<p>বিশেষজ্ঞদের মতে এসব শঙ্কা বা প্রশ্নের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। টাইফয়েড টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত এবং সৌদি আরব হালাল সেন্টার কর্তৃক হালাল হিসেবে প্রত্যয়িত হয়েছে। এটি শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং টাইফয়েড জ্বরের গুরুতর জটিলতা থেকে সুরক্ষা দেয়, এটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি এবং টাইফয়েডের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। বাংলাদেশ ৭ম দেশ হিসেবে (লাইবেরিয়া, মালাউই, নেপাল, পাকিস্তান, সামোয়া এবং জিম্বাবুয়ে) টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে। বাংলাদেশের সব সরকারি টিকাদান কেন্দ্র, কমিউনিটি ক্লিনিক, স্কুলভিত্তিক টিকাদান ক্যাম্প এবং শহর ও গ্রামীণ এলাকার নির্ধারিত অস্থায়ী টিকা বুথে প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীরা এ টিকা প্রদান করছেন। প্রতিটি টিকাদান স্থানে প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ও টিকা সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। টাইফয়েড টিকা শুধু একটি ইনজেকশন নয়, এটি একটি সুরক্ষা, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিরাপদ রাখার অঙ্গীকার। তাই আমাদের যার যার অবস্থান থেকে এ ক্যাম্পেইন সফল করতে এগিয়ে আসতে হবে, সচেতনতা ও সঠিক তথ্য প্রচার করার মাধ্যমে আমাদের সন্তানদের সুরক্ষিত রাখতে হবে।</p>
<p>সভায় বিষয়ভিত্তিক প্রেজেন্টেশন তুলে ধরেন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ও গ্যাভি সিএসও স্টিয়ারিং কমিটির চেয়ার ডা. নিজাম উদ্দিন আহমেদ এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের হেলথ ম্যানেজার ডা. রিয়াদ মাহমুদ। সভা সঞ্চালনা ও স্বাগত বক্তব্য দেন ইউনিসেফ বাংলাদেশ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশন পরিচালিত প্রকল্পের পলিসি অ্যাডভাইজার অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম।</p>
<p>বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ডাঃ মোঃ আবু জাফর, ইউনিসেফ বাংলাদেশের ডেপুটি রিপ্রেসেনটিটিভ  দীপিকা শর্মা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আইভিডি টিম লিড, ডাঃ সুধির যশি। সভায় টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচীর আগ্রগতি এবং শক্তিশালীকরণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ উপস্থাপন করেন ইপিআই অ্যান্ড সারভিলেন্স উপ পরিচালক ডাঃ মোহাম্মদ শাহরিয়ার সাজ্জাদ।</p>
<p>তিনি জানান,  বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ‘টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৫’ এর আওতায় ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী সকল শিশুকে টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (TCV) প্রদান করছে। এই ক্যাম্পেইনের আওতায় মাদ্রাসা, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত সকল ছাত্র-ছাত্রী (প্লে/নার্সারি, কিন্ডারগার্টেন থেকে ৯ম শ্রেণি/সমমান শ্রেণি পর্যন্ত) এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাইরে থাকা কমিউনিটির ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সীসহ প্রায় ৪ কোটি ৯০ লাখ শিশুকে লক্ষ্য এক ডোজ টিসিভি (TCV) টিকা প্রদান লক্ষ্য মাত্রা ঠিক করা হয় । তবে,  DHIS2 মাইক্রোপ্ল্যান অনুযায়ী লক্ষ্যমাত্রা ৪৩,৭৯৬,৪৫৩  হয়েছে। গত ১২ অক্টোবর ২০২৫ থেকে এ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে যা ১৩ নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত চলমান থাকবে। অদ্যাবধি ১ কোটি ৫০ লাখ ৫৪ হাজার ৬৫ জন শিশুকে এ টিকা প্রদান করা হয়েছে।</p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী প্রায় ৯০ লক্ষ মানুষ টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয় এবং তাদের মধ্যে ১ লক্ষ ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে। গ্লোবাল বারডেন অব ডিজিজ (Global Burden of Disease) ২০২১ সালের হিসাব অনুযায়ী, ঐ বছর বাংলাদেশে টাইফয়েড জ্বরে ৪,৭৮,০০০ জন আক্রান্ত হয়েছিল এবং ৮,০০০ জনের মৃত্যু ঘটেছিল। এদের মধ্যে ৬৮% ছিল শিশু। বাংলাদেশে ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সি শিশুরাই টাইফয়েড জ্বরে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে। সমীক্ষা অনুযায়ী ২০২১ সালে বাংলাদেশে ৮০০০ মানুষ টাইফয়েড জ্বরে মৃত্যুবরণ করেছে, তার মধ্যে প্রায় ৬০০০ জন ১৫ বছরের কম বয়সি শিশু। দূষিত পানি ও অস্বাস্থ্যকর খাবারের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া, এই রোগের কারণ Salmonella Typhi ব্যাকটেরিয়া। অনেক ক্ষেত্রেই চিকিৎসা বিলম্ব বা ওষুধ প্রতিরোধী জীবাণুর কারণে রোগটি জটিল হয়ে পড়ে। অথচ একটি মাত্র টিকা একজন মানুষকে দীর্ঘমেয়াদে এই বিপজ্জনক রোগের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারে। </p>
<p>তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই টিকা নিয়ে কিছু কিছু স্থানে বিভ্রান্তি দেখা যাচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন টিকা নিলে শিশু অসুস্থ হয়ে পড়বে, জ্বর হবে বা অন্য কোনো জটিলতা দেখা দেবে। আবার কেউ কেউ জানতে চাইছেন, এই টিকা কতটা নিরাপদ, কারা নিতে পারবে, এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী, আগে নেওয়া টিকার সঙ্গে কোনো সংঘাত আছে কি না, কিংবা এটি কি কোভিড বা অন্য টিকার সঙ্গে একসাথে নেওয়া যায় কি না।</p>
<p>বিশেষজ্ঞদের মতে এসব শঙ্কা বা প্রশ্নের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। টাইফয়েড টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) অনুমোদিত এবং সৌদি আরব হালাল সেন্টার কর্তৃক হালাল হিসেবে প্রত্যয়িত হয়েছে । এটি শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং টাইফয়েড জ্বরের গুরুতর জটিলতা থেকে সুরক্ষা দেয় এবং এটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি এবং টাইফয়েডের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। </p>
<p>বাংলাদেশ ৭ম দেশ হিসেবে (লাইবেরিয়া, মালাউই, নেপাল, পাকিস্তান, সামোয়া এবং জিম্বাবুয়ে) টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচী শুরু করেছে। বাংলাদেশে সকল সরকারি টিকাদান কেন্দ্র, কমিউনিটি ক্লিনিক, স্কুলভিত্তিক টিকাদান ক্যাম্প এবং শহর ও গ্রামীণ এলাকার নির্ধারিত অস্থায়ী টিকা বুথে প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীরা এই টিকা প্রদান করছেন। প্রতিটি টিকাদান স্থানে প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ও টিকা সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। টাইফয়েড টিকা শুধু একটি ইনজেকশন নয়—এটি একটি সুরক্ষা, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিরাপদ রাখার অঙ্গীকার। তাই আমাদের যার যার অবস্থান থেকে এই ক্যাম্পেইন সফল করতে এগিয়ে আসতে হবে, সচেতনতা ও সঠিক তথ্য প্রচার করার মাধ্যমে আমাদের সন্তানদের সুরক্ষিত রাখতে হবে।</p>
<p>বাংলাদেশ সরকারের টিকা কর্মসূচির মাধ্যমে ইতিমধ্যে পোলিও ও ধনুষ্টঙ্কার নির্মূল, হেপাটাইটিস নিয়ন্ত্রণ, এবং সম্প্রতি ৯৩% HPV টিকা কভারেজ অর্জিত হয়েছে। ইপিআই কার্যক্রমের মাধ্যমে ১১টি এন্টিজেন, ১০টি রোগের (যক্ষ্মা, ডিফথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস-বি, হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি, নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া, পোলিও মাইলাইটস, হাম, রুবেলা ও টিটানাস) টিকা প্রদান করা হয়। বর্তমানে জরায়ু ক্যান্সার প্রতিরোধের জন্য এইচপিভি (HPV) টিকা যুক্ত করা হয়েছে এবং ১২ তম এন্টিজেন হিসেবে টিসিভি (TCV) যুক্ত হয়েছে।</p>
<p>তবে টিকাদান কার্যক্রমের সার্বিক সম্প্রসারণে কিছু চ্যালেঞ্জ এখনও বিদ্যমান। টিকাদান কার্যক্রমে বরাদ্দকৃত জনবলের প্রায় ৪০% পদ এখনও শূন্য, যার মধ্যে স্বাস্থ্য সহকারী (HA), সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক (AHI), স্বাস্থ্য পরিদর্শক (HI), ইপিআই টেকনিশিয়ান/পর্যবেক্ষকসহ ইপিআই সদর দপ্তরের ৪৩% পদও শূন্য। । ৪০ জেলায় টিকাদান কর্মী নিয়োগ এখনও সম্পন্ন হয়নি। জেলা পর্যায়ে কোল্ড চেইন টেকনিশিয়ানের পদে শূন্যতার হার ৫৩%। বাজেট বরাদ্দে দেরি এবং ৫ম HPNSP অনুমোদনের বিলম্ব টিকা ক্রয়, পরিবহন ও বিতরণে বাধা সৃষ্টি করছে, যার ফলে জেলা পর্যায়ে কখনও কখনও টিকার ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। ভৌগোলিক অবস্থানের ভিত্তিতে টিকাদান কেন্দ্র ও কর্মীদের সুষ্ঠু বণ্টন না থাকায় দুর্গম ও উচ্চঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পর্যাপ্ত টিকাদান কেন্দ্র ও কর্মীর অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। নগর এলাকায় কার্যকর টিকাদান কৌশল ও পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় সেখানে কর্মসূচির ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। এছাড়া জনসংখ্যা নির্ভুলভাবে নির্ধারণ না হওয়ায় টিকাদানের লক্ষ্য নির্ধারণে অসামঞ্জস্যতা তৈরি হচ্ছে এবং টিকা বরাদ্দে জটিলতা দেখা দিচ্ছে। পর্যবেক্ষণ ও প্রত্যক্ষ তদারকির অভাবের কারণে টিকার অপচয়, টিকা না পাওয়া শিশু এবং ঝরে পড়া শিশুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। গ্রামাঞ্চলে টিকাদানকারী ও জনগণের মধ্যে আন্তঃব্যক্তিক যোগাযোগ (IPC) সীমিত, আর শহরাঞ্চলে এ ধরনের যোগাযোগ কার্যত অনুপস্থিত।</p>
<p>জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে টিকাদান কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করতে সরকারের উচিত অবিলম্বে শূন্যপদে নিয়োগ সম্পন্ন করা, সিটি কর্পোরেশন এলাকায় নিজস্ব টিকাদান কর্মী নিয়োগ করা, বাজেট বরাদ্দ ও বিতরণ দ্রুত নিশ্চিত করা। ভ্যাকসিন সরবরাহ ও সরকারি বাজেটের আওতায় কোল্ড চেইন রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি, জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য লক্ষ্যভিত্তিক (tailor-made) প্রচারণা চালানো এবং দুর্গম এলাকায় টিকাদান কার্যক্রম জোরদারে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।</p>
<p>এছাড়া EPI/MIS/DGHS-এর উচিত বাজেট বরাদ্দের মাধ্যমে ইউনিসেফ-সহায়তাপ্রাপ্ত সকল ডিজিটাল উদ্ভাবন যেমন E-Tracker, VaxEPI, eVLMIS এবং GIS ভিত্তিক অনলাইন মাইক্রোপ্ল্যানিং সিস্টেম সম্প্রসারণ ও টেকসইভাবে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, পর্যবেক্ষণ ও মনিটরিং কার্যক্রম নিশ্চিত করা হলে ইপিআই কর্মসূচি আরও কার্যকর ও স্থিস্তিস্থাপক হবে। এছাড়া, সরকারি, বেসরকারি সংস্থা, এনজিও এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করার মাধ্যমে (বিশেষ করে শহরের টিকাদান কর্মসূচীতে) টিকা কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়নে বাবস্থা গ্রহণ করতে হবে।</p>
<p>টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করতে বর্তমান সরকার টিকা কার্যক্রমের জন্য ১,৪০০ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ করেছে এবং ইতোমধ্যে ২৪ জেলায় টিকাদান কর্মী নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। বিদ্যমান টিকার ঘাটতি আগামী নভেম্বরের মধ্যে সমাধান হয়ে যাবে, ফলে সারাদেশে টিকাদান কার্যক্রম আরও নির্বিঘ্নভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ই&#45;সিগারেট নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ দাবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/158631</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158631</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f921670bdf2.jpg" length="113129" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 22 Oct 2025 18:24:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>তামাক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন তথা এফসিটিসি বাস্তবায়নে শিশু-কিশোরদের সুরক্ষায় ই-সিগারেট নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণসহ  ৬টি নীতিগত সুপারিশ করেছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। বরাবরের মতো সব পাবলিক স্থান ও গণপরিবহনে ধূমপানের নির্ধারিত স্থান বাতিল; বিক্রয়কেন্দ্রে তামাকপণ্যের প্রদর্শন নিষিদ্ধ; তামাক কোম্পানির সামাজিক দায়বদ্ধতা কার্যক্রম নিষিদ্ধ; তামাকপণ্যের খুচরা ও খোলা বিক্রয় বন্ধ; সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবার্তার আকার ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৯০ শতাংশ করার বিষয়ে জোরালো দাবি তুলেছেন তারা। </p>
<p>২২ অক্টোবর বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ আয়োজিত ‘অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও তরুণদের সুরক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা: তরুণ চিকিৎসকদের করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে এই দাবি গুলো উপস্থাপন করা হয়। <br>সেমিনারে উপস্থাপিত মূল প্রবন্ধে ডা. ফারজানা রহমান মুনমুন তুলে ধরেন, গ্লোবাল ইয়ুথ টোব্যাকো সার্ভে (২০১৩) অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১৩-১৫ বছর বয়সী ছেলেদের ৯.২ শতাংশ এবং মেয়েদের ২.৮ শতাংশ ধূমপান করে। একই বয়সী ছেলেদের ৬.২ শতাংশ ও মেয়েদের ২.৯ শতাংশ ধোঁয়াবিহীন তামাক ব্যবহার করে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫৯ শতাংশ পাবলিক স্থানে এবং ৩১.১ শতাংশ বাড়িতে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হন।</p>
<p>সেখানে বলা হয়, বিশ্বজুড়ে কিশোরদের মধ্যে তামাক ও ই-সিগারেট ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে। তামাক কোম্পানিগুলো তরুণদের লক্ষ্য করে ডিজিটাল মাধ্যমে আগ্রাসী বিপণন চালাচ্ছে, যা এই বৃদ্ধি অব্যাহত রেখেছে। তাই তরুণদের সুরক্ষায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রস্তাবিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশোধনী দ্রুত পাস করতে হবে।</p>
<p>সেমিনারে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের বাংলাদেশ হাইপারটেনশন কন্ট্রোল ইনিশিয়েটিভ কর্মসূচির অতিরিক্ত পরিচালক ডা. মাহফুজুর রহমান বলেন, তামাকের ধোঁয়া শুধু ধূমপায়ীকেই নয়—আশপাশের মানুষকেও গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। পরোক্ষ ধূমপান শিশু, নারী ও বৃদ্ধদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। দেশে ১৫ বছরের নিচে ৬১ হাজারেরও বেশি শিশু পরোক্ষ ধূমপানের কারণে বিভিন্ন রোগে ভুগছে। এ বিপদ থেকে সুরক্ষা পেতে পাবলিক প্লেস ও পরিবহন থেকে ‘ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান (ডিএসএ)’ বাতিল করা জরুরি।</p>
<p>তিনি বলেন, পাশাপাশি বিক্রয়স্থলে তামাকপণ্যের প্রদর্শন বন্ধ করতে হবে, যেন শিশু-কিশোররা এসব দেখে তামাকের প্রতি আকৃষ্ট না হয়। এছাড়া তামাক কোম্পানির তথাকথিত সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) কর্মসূচি নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন। কারণ এসব কার্যক্রম তরুণদের প্রলুব্ধ করে। অধূমপায়ী ও তরুণদের সুরক্ষায় বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন দ্রুত সংশোধন করা এখন সময়ের দাবি।</p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের যুগোপযোগী সংশোধন করা জরুরি বলে মন্তব্য করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। তিনি বলেন, তামাক এমন এক নীরব ঘাতক, যা শুধু ফুসফুস নয়—হৃদযন্ত্র ও মস্তিষ্ককেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। প্রতিদিন শত শত মানুষ অকালমৃত্যুর শিকার হচ্ছে তামাকজনিত রোগে, যা আমাদের মানবসম্পদ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বড় অন্তরায়। তাই জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন যুগোপযোগীভাবে সংশোধন করা জরুরি। ফলে বিষয়টি নিয়ে আমি সংশ্লিষ্ট দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করবো, যেন আইনটি দ্রুত সংশোধন হয়।</p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. খন্দকার আব্দুল আউয়াল রিজভী বলেন, হৃদরোগ, স্ট্রোক ও শ্বাসতন্ত্রের দীর্ঘমেয়াদি রোগসহ নানা অসংক্রামক রোগের অন্যতম কারণ তামাক। বর্তমানে দেশে প্রায় ৩ কোটি ৭৮ লাখ মানুষ তামাক ব্যবহার করেন এবং প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৪ জন পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হন। প্রতিবছর তামাকজনিত কারণে এক লাখ ৬১ হাজারেরও বেশি মানুষ অকালে মারা যায়। তরুণ প্রজন্মকে এ বিপদ থেকে রক্ষায় প্রস্তাবিত আইন সংশোধনী দ্রুত পাস করা জরুরি।</p>
<p>প্ল্যাটফর্ম ডক্টরস ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি ডা. রামিসা ফারিহার উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্বস্বাস্থ্য অনুবিভাগ) শেখ মোমেনা মনি, ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের মহাপরিচালক (যুগ্মসচিব) আখতারউজ-জামান; ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের তামাক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির উপদেষ্টা নাইমুল আজম খান, প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর ডা. অরুনা সরকার এবং সিনিয়র কমিউনিকেশন অফিসার আবু জাফরসহ তামাকবিরোধী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এমবিবিএস ভর্তিতে জিপিএ কমানোর দাবি শিক্ষার্থী ও বিপিএমসিএ’র</title>
<link>https://digibanglatech.news/158614</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158614</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f8c1c78033b.jpg" length="85595" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 22 Oct 2025 13:36:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় এসএসসি ও এইচএসসিতে প্রাপ্ত জিপিএ</span><span>’</span><span>র প্রভাব নিয়ে বিপাকে পড়ার শঙ্কায় রয়েছেন লাখো ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী। এবার এইচএসসি</span><span>’</span><span>র ফলাফল বিপর্যয়ের কারণে কাঙ্ক্ষিত জিপিএ না পাওয়ায় মেডিকেলে ভর্তির স্বপ্ন ভঙ্গের আশংকা করছেন অনেক শিক্ষার্থী। ফলে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তিতে এসএসসি ও এইচএসসির জিপিএ কমানোসহ শর্ত শিথিলের দাবি জানিয়েছে তারা। শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ এসোসিয়েশনও (বিপিএমসিএ) মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ ৯ এর পরিবর্তে ৮ করার দাবি জানিয়েছেন। </span></p>
<p><span>স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর এর তথ্য অনুযায়ী, এমবিবিএস কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রার্থীকে অবশ্যই বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি/</span><span>‘</span><span>ও</span><span>’</span><span> লেভেল/সমমান এবং এইচএসসি/</span><span>‘</span><span>এ</span><span>’</span><span> লেভেল/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। দুটি পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৯ হতে হবে। এইচএসসি/</span><span>‘</span><span>এ</span><span>’</span><span> লেভেল/সমমান পরীক্ষায় জীববিজ্ঞানে ন্যূনতম গ্রেড পয়েন্ট ৪ থাকতে হবে।</span></p>
<p><span>২০২৫ সালের এইচএসসি</span><span>’</span><span>র প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, দেশের ৯টি সাধারণ ও কারিগরি এবং মাদ্রাসা বোর্ড মিলিয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫৮ দশমিক ৮৩। ২০২৪ সালে পাসের হার ছিল ৭৭ দশমিক ৭৮। সেই হিসাবে এবার পাসের হার কমেছে ১৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ পয়েন্ট। এছাড়া এবার সারা দেশে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন। গত বছর, অর্থাৎ ২০২৪ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ জন। সেই হিসাবে এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৭৬ হাজার ৮১৪ জন।</span></p>
<p><span>ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তরপত্র যথাযথ মূল্যায়ন, শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ও হিসাববিজ্ঞান পরীক্ষায় খারাপ ফল এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাবে ফলাফলে বিপর্যয় হয়েছে। ২০০৪ সালের পর এই প্রথম এইচএসসিতে পাসের হার কম। এরপর ২০০৫ সাল থেকেই পাসের হার বাড়তে শুরু করে।</span></p>
<p><span>মেডিকেল ভর্তিচ্ছুরা বলছেন, চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিপর্য়য়ের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার আবেদনে জিপিএ</span><span>’</span><span>র শর্ত এবং স্কোরের ক্ষেত্রে তারা পিছিয়ে পড়বেন বলে আশঙ্কা করছেন। মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় মোট জিপিএ ৯ রাখায় অনেকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না। ফলে প্রাইভেট মেডিকেলে পড়ার সুযোগও থাকবে না। সুতরাং মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষায় জিপিএ জিপিএ ৯ এর পরিবর্তে ৮ করা হলে অধিকসংখ্যক শিক্ষার্থী আবেদন করার সুযোগ পাবেন।</span></p>
<p><span>এছাড়া জীববিজ্ঞানের ন্যূনতম গ্রেড পয়েন্ট ৪ বাতিলসহ ভর্তি পরীক্ষার ক্ষেত্রে জিপিএ</span><span>’</span><span>র স্কোর কমিয়ে লিখিত বা এমসিকিউ পরীক্ষার ভিত্তিতে মূল্যায়নে গুরুত্ব দেয়ার দাবি তুলেছেন তারা।</span></p>
<p><span>এদিকে চলতি বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয়ে দেশের শিক্ষা পরিস্থিতির এক গভীর সংকট উত্তরনে মেডিকেলে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের দাবির সাথে একত্বতা জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ এসোসিয়েশন (বিপিএমসিএ)। গত ১৯ অক্টোবর মেডিকেল ভর্তিতে জিপিএ ৯ এর পরিবর্তে ৮ নির্ধারনের দাবি জানিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বরাবর বিপিএমসিএ</span><span>’</span><span>র সভাপতি ডা. শেখ মহিউদ্দিন এবং সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন স্বাক্ষরিত লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন।</span></p>
<p><span>লিখিত আবেদনে বিপিএমসিএ উল্লেখ করেন, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ এসোসিয়েশনের তথ্যনুযায়ী ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় ১ লাখ ৪ হাজার ৪৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬০ হাজার ৯৫ জন উত্তীর্ণ হয়। এদের মধ্যে ৩৭ টি সরকারি মেডিকেল কলেজের ৫ হাজার ৩৮০ আসনে ভর্তি সম্পন্ন হলেও ৬৭ টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ৬২৯৫ আসনের মধ্যে ৪৬৭ টি আসন শূন্য ছিল। বিশ্লেষকদের মতে এবারে এইচএসসি পরীক্ষায় গত বছরের চেয়ে ৭৬ হাজার ৮১৪ জন জিপিএ ৫.০০ এর সংখ্যা কম হওয়ায় চলতি ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার শর্ত অনুযায়ী এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান দুইটি পরীক্ষায় জিপিএ ৯.০০ শর্ত নির্ধারিত হলে সেই শর্ত পূরণ করতে পারবে আনুমানিক গতবারের থেকে অর্ধেক সংখ্যক প্রার্থী। যার ফলে ৬৭ টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে প্রায় ১ হাজারের বেশী আসন শূন্য থাকবে। ফলশ্রুতিতে বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলো মারাত্মক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হবে এবং দেশের চিকিৎসা শিক্ষায় ধ্বংস নেমে আসবে।</span></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সব সরকারি হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা স্বাস্থ্য পরীক্ষা চালুর দাবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/158451</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158451</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f31990837d3.jpg" length="110999" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 18 Oct 2025 00:56:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার, কার্যকর ব্যবস্থাপনা এবং রোগীদের দ্রুত রোগনির্ণয় ও সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশের সব সরকারি হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ব্যবস্থা চালু রাখার দাবি জানিয়েছে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ফোরাম (এমটিএফ)। </p>
<p>রাজধানীর মহাখালীতে সরকারি ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি) মিলনায়তনে ১৭ অক্টোবর, শুক্রবার অনুষ্ঠিত ‘জুলাই আকাঙ্ক্ষা ও স্বাস্থ্যখাত সংস্কার’ শীর্ষক সেমিনারে এই দাবি তুলেছেন বক্তারা। </p>
<p>এমটিএফের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. সোহেল রানার সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের (এনডিএফ) কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম, প্রধান বক্তা ছিলেন ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামান।</p>
<p>অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সমাজকর্মী মিজানুর রহমান খান, জুলাই যোদ্ধা রেজাউল করিম শাকিল, ডা. শফিকুল ইসলাম জুয়েল, বৈষম্যবিরোধী জাতীয় মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট পরিষদের সিনিয়র সহসভাপতি মিয়া মু. গোলাম মাওলা, এমটিএফ মহাসচিব রিপন সিকদার প্রমুখ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এমটিএফ দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম এবং সঞ্চালনা করেন মু. সোহেল হাওলাদার।</p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, চিকিৎসা সরঞ্জামের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে নির্ভুল রোগ নির্ণয়ে বড় ভূমিকা রাখেন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, প্যাথলোজিস্ট ও টেকনিশিয়ানরা। সরকারিভাবে পদ সৃষ্টি করে নিয়মিত নিয়োগ দিতে পারলে মেডিকেল টেকনোলজি শিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থী বাড়বে।</p>
<p>প্রধান বক্তা ডা. এসএম খালিদুজ্জামান বলেন, চিকিৎসক ও নার্সদের পাশাপাশি স্বাস্থ্যখাতে মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের ভূমিকা অন্যতম। অথচ আমরা ক্যান্সার হাসপাতালে গিয়ে দেখেছি সেখানে চিকিৎসক ও নার্স থাকলেও টেকনোলজিস্ট এর অভাবে ১০টি মেশিনের মধ্যে ৭-৮টি অব্যবহৃত থাকে। আমার মনে হয়, দেশজুড়ে মেডিকেল টেকনোলজিস্টের যে সংখ্যা থাকার কথা তার এখনো ৫০ শতাংশ এখনো নিয়োগ করা হয়নি। এর মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এজন্য স্বাস্থ্য বিভাগকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা ধরে মেডিকেল জনবলের টিমওয়ার্ক নিশ্চিত হলে সেবা গ্রহীতারা সহজে সেবা পাবে। </p>
<p>সেমিনারে বক্তারা আরও বলেন, সরকারি হাসপাতালে তিন শিফটে সেবা দেওয়া হলেও বহির্বিভাগ এক শিফটে চালু থাকায় সেবা গ্রহীতাদের সময় ও কর্মঘণ্টা নষ্ট হয়। বাকি দুই শিফটে ভবন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার যন্ত্রপাতি অব্যবহৃত থাকে। এতে অনেক রি-এজেন্ট মেয়াদোত্তীর্ণের ঝুঁকিতে পড়ে। ইভিনিং ও নাইট শিফটে পরীক্ষার ব্যবস্থা না থাকায় রোগীরা বাধ্য হয়ে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ওপর নির্ভর করেন।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x_68f31a0707f14.jpg" alt=""></p>
<p>বক্তারা বলেন, সব স্তরে তিন শিফটে স্বাস্থ্যসেবা চালু হলে একই ভবন ও যন্ত্রপাতির সর্বোচ্চ ব্যবহার সম্ভব হবে। রোগীরা সুবিধামতো সময়ে পরীক্ষা করাতে পারবেন। এতে প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয় সহজ হয়ে চিকিৎসা ব্যয় ও ঝুঁকি দুটোই কমবে।</p>
<p>বক্তারা আরও বলেন, সরকারি হাসপাতালে স্বল্প জনবল থাকার কারণে পরীক্ষার কোয়ালিটি কন্ট্রোল করা সম্ভব হয় না, ফলে ল্যাবরিপোর্টে ফলাফলের পার্থক্য দেখা যায়। খরচ কমিয়ে সেবা বাড়ানো এবং রাজস্ব আয়ের অন্যতম মাধ্যম হতে পারে রোগ নির্ণয় বিভাগে সেবার সময় বৃদ্ধি। কিন্তু দক্ষ জনবল সরকারি খাতে সুযোগ না পেয়ে বেসরকারি খাতে কাজ করছে।</p>
<p>বক্তাদের মতে, তিন শিফটে পরীক্ষার ব্যবস্থা চালু হলে সরকারি সেবার মান ও গতি বাড়বে, রাজস্ব আয় বাড়বে এবং সরকারি খাতে ভর্তুকি কমবে। এজন্য দ্রুত প্যাথলজিস্ট, ডিপ্লোমা ও বিএসসি মেডিকেল টেকনোলজিস্টসহ চিকিৎসা সহায়ক জনবলের পদ সৃষ্টি ও নিয়োগদান জরুরি। একইসঙ্গে মেডিকেল টেকনোলজি কাউন্সিল গঠন, জব রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা এবং পরিদপ্তর গঠন করে ক্ষেত্রটির যথাযথ তদারকি ও মান নিয়ন্ত্রণের দাবি জানান তারা।</p>
<p>এছাড়াও <span>মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের মুক্তির দাবি ১০ম গ্রেড নিয়ে আলোচনা হয়, ফোরাম সভাপতি মো. সোহেল রানা বলেন, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের সম্মুখ যোদ্ধা মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের নিয়োগ ছাড়া এই জাতির চিকিৎসা সেবায় কখনোই উন্নতি সম্ভব নয়। তিনি আরো আশ্বাস দিয়ে বলেন, ইনশাআল্লাহ এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলেই মেডিকেল টেকনোলজিস্ট জাতি মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ফোরাম (MTF) এর মাধ্যমে তাদের ন্যায্য অধিকার দশম গ্রেড পাবে ।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল উদ্ভাবনে স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ও প্রতিরোধে গ্রামীণ হেলথটেকের আলোচনা</title>
<link>https://digibanglatech.news/158374</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158374</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68ef87246ac41.jpg" length="131513" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 15 Oct 2025 15:37:42 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি ও সময়মতো শনাক্তের গুরুত্ব তুলে ধরতে অক্টোবর মাসকে বিশ্বব্যাপী পালন করা হয় ব্রেস্ট ক্যান্সার সচেতনতা মাস হিসেবে। স্তন ক্যান্সার সফলভাবে মোকাবেলা করার মূল চাবিকাঠি হলো এর প্রাথমিক শনাক্তকরণ, সচেতনতা এবং যথাযথ চিকিৎসা। </p>
<p>দেশে প্রতি বছর স্তন ক্যান্সারে মারা যান প্রায় ৭ হাজার এবং আক্রান্ত হন প্রায় ১৩ হাজার নারী। এজন্য সচেতনতা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। সেই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় সুখীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে আলোচনা সভা। </p>
<p>আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন জনস হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অফ পাবলিক হেলথের আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিভাগের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং সিনিয়র ফ্যাকাল্টি ডা. হালিদা হানুম আক্তার; সেন্টার ফর ক্যান্সার কেয়ার ফাউন্ডেশন (সিসিসিএফ)। তিনি প্রাথমিক শনাক্তকরণ এর গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। </p>
<p>জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. আবু জামিল ফয়সাল জীবনযাপন, খাদ্যাভ্যাস এবং তামাক জাতীয় অন্যান্য পণ্য পরিহারে উৎসাহিত করেন। </p>
<p>বাংলাদেশ স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিউনিটি মেডিসিনের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. শাহানাজ চৌধুরী কমিউনিটি বিষয়ক সচেতনতা এবং ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব আরোপ করেন। আলোচনাটি সফলভাবে সঞ্চালনা করেন গ্রামীণ হেলথটেক লিমিটেডের ক্লিনিক্যাল ম্যানেজার, ডা. হোসেন আল-আমিন।</p>
<p>স্বাগত বক্তব্য দেন কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সমাপনী বক্তব্য রেখেছেন আহমেদ আরমান সিদ্দিকী, সিইও (জিএইচএল)।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইন্টারনেটের পর টিভি সম্প্রচার বন্ধের কথা বলেছিলেন সালমান এফ রহমান</title>
<link>https://digibanglatech.news/158280</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158280</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68ec4ddf43e39.jpg" length="95216" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 12 Oct 2025 11:55:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull">দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে জাতীয় টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি। ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী প্রায় পাঁচ কোটি শিশুকে বিনামূল্যে ইনজেকটেবল টাইফয়েড টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ১২ অক্টোবর, রবিবার সকাল থেকে শুরু হয় এই কর্মসূচি। </p>
<p class="alignfull">সকাল ৯টা ২০ মিনিটে রাজধানীর আজিমপুরে স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানা কেন্দ্রে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম আনুষ্ঠানিকভাবে সারা দেশে টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।</p>
<div class="viewport jw_article_body">
<p class="alignfull">প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেন, টাইফয়েডে এখনও আমাদের শিশুদের মৃত্যু হয়। এটা আমাদের লজ্জা। আমরা ডায়রিয়া, রাতকানার মতো রোগ নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হয়েছি। এবার টাইফয়েড প্রতিরোধেও সফল হবো।</p>
<div class="BT_inner_A1_C2 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, টাইফয়েড এমন একটি রোগ, যা সচেতনতা ও টিকাদানের মাধ্যমে সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। যত বেশি শিশু টিকার আওতায় আসবে, ততই হাসপাতালের ওপর চাপ কমবে।</div>
</div>
<p class="alignfull">তিনি আরও বলেন, আমাদের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার পথে এই কর্মসূচি একটি বড় পদক্ষেপ।</p>
<p class="alignfull">অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ। তিনি বলেন, টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন শুধু একটি স্বাস্থ্য প্রকল্প নয়– এটি বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। বিশেষ করে নিম্নআয়ের পরিবারের শিশুদের জন্য এই উদ্যোগ একটি বড় পরিবর্তন আনবে।</p>
<p class="alignfull">স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, জন্মসনদ না থাকলেও কোনও শিশু বাদ যাবে না। সব শিশুকে টিকার আওতায় আনাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।</p>
<p class="alignfull">এই কর্মসূচিতে ব্যবহৃত টিকাটি সরবরাহ করেছে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট, আর সরকারের পক্ষ থেকে তা পেয়েছে আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন সহায়তা সংস্থা গ্যাভির সহায়তায়।</p>
</div>
<div class="btGoogleNews"></div>
<p class="alignfull"> </p>
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_33781" data-id="pw_33781_1" lazyload="true">
<div id="container_pw_33781_1">
<div id="pw_33781_1" data-google-query-id="CIuB2Kv6n5ADFXekZgIdcXQjaQ">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_45485" data-id="pw_45485_1" lazyload="true">
<div id="container_pw_45485_1">
<div id="pw_45485_1" data-google-query-id="CImF5az6n5ADFZoCgwMd8_onQQ">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_45531" data-id="pw_45531_1" lazyload="true">
<div id="container_pw_45531_1">
<div id="pw_45531_1" data-google-query-id="CPD-5a36n5ADFX8jgwMdvmk2Ng">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_45563" data-id="pw_45563_1" lazyload="true">
<div id="container_pw_45563_1">
<div id="pw_45563_1" data-google-query-id="CNT-wK_6n5ADFYQjcgodqXMRPA">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_36483" data-id="pw_36483_1" lazyload="true">
<div id="container_pw_36483_1">
<div id="pw_36483_1" data-google-query-id="CK-AvbD6n5ADFTOfrAIdJNE2Og">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_37831" data-id="pw_37831_1" lazyload="true">
<div id="container_pw_37831_1">
<div id="pw_37831_1">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_38058" data-id="pw_38058_1" lazyload="true">
<div id="container_pw_38058_1">
<div id="pw_38058_1">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_38103" data-id="pw_38103_1" lazyload="true">
<div id="container_pw_38103_1">
<div id="pw_38103_1">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_38178" data-id="pw_38178_1" lazyload="true">
<div id="container_pw_38178_1">
<div id="pw_38178_1">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_35778" data-id="pw_35778_1" lazyload="true">
<div id="container_pw_35778_1">
<div id="pw_35778_1">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_36481" data-id="pw_36481_1" lazyload="true">
<div id="container_pw_36481_1">
<div id="pw_36481_1">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_47782" data-id="pw_47782_1" lazyload="true">
<div id="container_pw_47782_1">
<div id="pw_47782_1">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_47833" data-id="pw_47833_1" lazyload="true">
<div id="container_pw_47833_1">
<div id="pw_47833_1" data-google-query-id="CIDrn7X6n5ADFVOl2AUdZqUPiQ"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>খুমেক হাসপাতালে ছবি তুলতে অনুমতির শর্তে সাংবাদিকদের আপত্তি</title>
<link>https://digibanglatech.news/158251</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158251</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68eb1d8ca3195.jpg" length="60442" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 12 Oct 2025 00:16:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull">খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে ছবি তোলা ও সাক্ষাৎকার গ্রহণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ছবি তুলতে এবং সাক্ষাৎকার নিতে হলে অবশ্যই পরিচালকের কাছ থেকে লিখিত অনুমতি নিতে হবে বলে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টিতে ঘোর আপত্তি ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা। </p>
<p class="alignfull">এই আদেশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং সুষ্ঠু, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার প্রতি একপ্রকার হুমকি উল্লেখ করে বিবৃতি দিয়েছে খুলনার সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এই আদেশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।</p>
<p class="alignfull">নেতৃবৃন্দ পৃথক বিবৃতিতে বলেছেন, এ আদেশ শুধু সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করবে না, বরং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের প্রবাহও বাধাগ্রস্ত করবে, যা একটি গণতান্ত্রিক সমাজে একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। </p>
<p class="alignfull">তারা আরও বলেন, জনগণের সেবার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম গণমাধ্যমের নজরদারির বাইরে রাখার এই উদ্যোগ গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। গণমাধ্যম শুধু তথ্য প্রচারের মাধ্যম নয়, এটি জনস্বার্থ রক্ষার শক্তিশালী হাতিয়ার। চিকিৎসাসেবা, ব্যবস্থাপনা ও দায়বদ্ধতার প্রশ্নে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ সীমিত করা জনগণের তথ্য জানার সাংবিধানিক অধিকারকে ক্ষুণ্ন করবে।</p>
<p class="alignfull">বিবৃতিদাতারা হলেন, পেশাজীবী সাংবাদিক সুরক্ষা মঞ্চ খুলনার আহ্বায়ক এস এম হাবিব ও সদস্যসচিব মো. হেদায়েৎ হোসেন মোল্লা, খুলনা টিভি রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোস্তফা জামাল পপলু, সাধারণ সম্পাদক রকিবুল ইসলাম মতি, খুলনা টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আজিজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজালাল মোল্লা মিলন ও খুলনা ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (কেসিআরএ) সভাপতি সুমন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আহমদ মুসা রঞ্জু।</p>
<p class="alignfull">গত ৯ অক্টোবর খুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. কাজী মো. আইনুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা জারি করা হয়। <span>১১ অক্টোবর, শনিবার বিষয়টি জানাজানি হয়।</span></p>
<article class="my-5">
<p>ওই অফিস আদেশে বলা হয়েছে, পরিচালকের অনুমতি ছাড়া কিছু মিডিয়াকর্মী হাসপাতালের ভেতরে রোগীদের ছবি তুলছেন, যা কাম্য নয়। এতে রোগী এবং চিকিৎসক উভয়ই হয়রানির শিকার হচ্ছেন। হাসপাতালে রোগীদের স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ৫০০ শয্যার জায়গায় দৈনিক ২ হাজার রোগী চিকিৎসাসেবা নেয়। <span>এখানে সাংবাদিকদের আনাগোনায় স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা ব্যাহত ও কালক্ষেপণ হচ্ছে।  </span>এমতাবস্থায় পরবর্তী সময়ে কোনো মিডিয়া ব্যক্তি পরিচালকের লিখিত অনুমতি ছাড়া হাসপাতালের ইনডোর বা আউটডোরে ছবি তোলা বা কারোর সাক্ষাৎকার নিতে পারবেন না।</p>
</article>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্য ভ্রমণ ব্যবস্থাপনায় একাট্টা উইকেয়ার ও থনবুরি হাসপাতাল</title>
<link>https://digibanglatech.news/158224</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158224</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68e94c0b319f5.jpg" length="85347" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 10 Oct 2025 19:10:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্য ভ্রমণ ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলাদেশের রোগীদের জন্য সহজলভ্য ও বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে একসঙ্গে কাজ করবে উইকেয়ার এবং থনবুরি বামরুংমুয়াং হাসপাতাল। </p>
<p>১০ অক্টোবর, শুক্রবার রাজধানীর লেকশোর হাইটস হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘উইকেয়ার উপস্থাপনায়: বাংলাদেশের জন্য থনবুরি বামরুংমুয়াং হাসপাতালের সেবার দৃষ্টিভঙ্গি’ সেমিনারে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
<p>অনুষ্ঠানে উইকেয়ার ঘোষণা করে,  ভবিষ্যতে তারা আরও আন্তর্জাতিক হাসপাতালের সঙ্গে সহযোগিতা গড়ে তুলবে এবং ২০২৮ সালের মধ্যে নিজস্ব ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা অ্যাপ চালু করবে।</p>
<p>উপস্থাপনায় উইকেয়ার তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে। যার মাধ্যমে একটি আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্য ভ্রমণ ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলাদেশের রোগীরা আরও সহজে এবং সাশ্রয়ী মূল্যে বিদেশে উন্নত চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারবেন।</p>
<p>থনবুরি বামরুংমুয়াং হাসপাতালও বাংলাদেশের জন্য তাদের সেবার দৃষ্টিভঙ্গি, আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা ও মানবিক যত্নের অঙ্গীকার তুলে ধরে।</p>
<p>অনুষ্ঠানের শুরুতেই উইকেয়ার ও থনবুরি বামরুংমুয়াং হাসপাতালের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এসময় উইকেয়ারের চেয়ারম্যান ফাতেমা তুজ জোহরা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ইমন উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>থনবুরি বামরুংমুয়াং হাসপাতালের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. পিতাকপল বুনইয়ামালিক, বিপণন ও ব্যবসা উন্নয়ন পরিচালক কার্নরাওয়ি বাওনথানাতাত, সিনিয়র হাড়বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ড. প্রাচ কামলাংসিনসার্ম, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ড. তান সুওয়াতনাভিরোজ এবং আন্তর্জাতিক বিপণন সমন্বয়কারী (বাংলাদেশ) মালোবিকা রহমান।</p>
<p>থনবুরি বামরুংমুয়াং হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ড. পিতাকপল বুন্যমালিক বলেন, ‘থাইল্যান্ড বহুদিন ধরেই বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ চিকিৎসা পর্যটন গন্তব্য হিসেবে স্বীকৃত। উচ্চমানের চিকিৎসা সেবা, আধুনিক প্রযুক্তি, এবং বিশ্ববিখ্যাত আতিথেয়তার জন্য সারা পৃথিবীতে বিশ্বাসযোগ্য নাম।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘থনবুরি বামরুংমুয়াং হাসপাতাল গর্বের সঙ্গে থাইল্যান্ডের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি হাসপাতালগুলোর সারিতে দাঁড়িয়ে আছে—যেখানে রয়েছে চিকিৎসা উৎকর্ষ, আধুনিক উদ্ভাবন, এবং ব্যক্তিকেন্দ্রিক যত্নের এক অসাধারণ সমন্বয়। আমাদের হাসপাতাল তুলনামূলকভাবে নতুন এবং এটি পরিচালনা করছেন একদল তরুণ, অভিজ্ঞ ব্যবস্থাপনা দল—যারা রোগীকেন্দ্রিক সেবা, স্বচ্ছতা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে কেন্দ্র করে এক নতুন প্রজন্মের চিকিৎসা নেতৃত্ব গড়ে তুলছেন।’</p>
<p>তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বৈশ্বিক মানদণ্ডের চিকিৎসা সেবা প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ—যেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, উন্নতমানের অবকাঠামো এবং সহানুভূতিশীল নার্সিং টিম একসঙ্গে কাজ করে। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্বাস্থ্য সংস্থা ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা ঢাকা ও ব্যাংককের মধ্যে এক সেতুবন্ধন তৈরি করতে চাই। যাতে বাংলাদেশের রোগীরা সহজেই আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বে ভরপুর, বিশ্বমানের থাই স্বাস্থ্যসেবার নির্ভরযোগ্য সুযোগ পেতে পারেন।’</p>
<p>অনুষ্ঠানে থনবুরি বামরুংমুয়াং হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নেওয়া কয়েকজন রোগী তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। যারা সরাসরি উপস্থিত হতে পারেননি, তাদের বক্তব্য ভিডিওর মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয়। বক্তারা তুলে ধরেন, কীভাবে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে এবং বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগীদের জন্য প্রক্রিয়াটিকে আরও সহজ করছে।</p>
<p>সেমিনারে অতিথিদের জন্য আয়োজন করা হয় লটারির মাধ্যমে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান, যেখানে নির্বাচিত অতিথিরা পেয়ে যান থনবুরি বামরুংমুয়াং হাসপাতালের বিশেষ স্বাস্থ্য প্যাকেজ, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল পূর্ণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা প্যাকেজ, ফু সফু সের জন্য সিটি লো ডোজ পরীক্ষা এবং হৃদপিণ্ডের ক্যালসিয়াম স্কোর পরীক্ষা।</p>
<p></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টিকাদান কর্মসূচিতে বড় চ্যালেঞ্জ ‘জনবল সংকট’</title>
<link>https://digibanglatech.news/158195</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158195</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68e7ddef3662a.jpg" length="87337" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 09 Oct 2025 17:08:43 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশে টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) জনস্বাস্থ্যের এক বৈশ্বিক সাফল্য হিসেবে স্বীকৃত হলেও জনবল ঘাটতি, বাজেট বিলম্ব ও নগর এলাকায় দুর্বল বাস্তবায়ন এখন বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। এছাড়াও জনসচেতনতা বাড়ানোর জন্য লক্ষ্যভিত্তিক প্রচারণা চালানো এবং দুর্গম এলাকায় টিকাদান কার্যক্রম জোরদারে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ; ইপিআই/এমআইএস/ডিজিএইচএস এর উচিত বাজেট বরাদ্দের মাধ্যমে ইউনিসেফ-সহায়তাপ্রাপ্ত সব ডিজিটাল উদ্ভাবন যেমন ই-ট্র্যাকার, VaxEPI, eVLMIS এবং GIS ভিত্তিক অনলাইন মাইক্রোপ্ল্যানিং সিস্টেম সম্প্রসারণ ও টেকসইভাবে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। </p>
<p>৯ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে ‘বাংলাদেশে টিকা কার্যক্রমের সাফল্য, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং করণীয়’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এই তাগিদ দেয়া হয়। </p>
<p>প্রেস কনফারেন্সে বলা হয়, আগামী ১২ অক্টোবর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত দেশব্যাপী টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। এতে ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী প্রায় ৫ কোটি শিশুকে টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি) দেওয়া হবে। তবে টিকাদান কর্মসূচিতে এখনো বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। দেশের টিকাদান প্রকল্পে বরাদ্দকৃত জনবলের প্রায় ৪০ শতাংশ পদ শূন্য, যার মধ্যে স্বাস্থ্য সহকারী, পরিদর্শক, ইপিআই টেকনিশিয়ানসহ সদর দপ্তরের ৪৩ শতাংশ পদও পূরণ হয়নি। জেলা পর্যায়ে কোল্ড চেইন টেকনিশিয়ানের পদে শূন্যতার হার ৫৩ শতাংশ।</p>
<p>সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই)-এর সহায়তায় এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের যৌথ অ্যাডভোকেসি প্রোজেক্টের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত উদ্যোগ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. নিজাম উদ্দিন আহমেদ এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের হেলথ ম্যানেজার ডা. রিয়াদ মাহমুদ। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের চিফ (হেলথ) ডা. চন্দ্র শেখর সোলোমন।  </p>
<p>অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রকল্পের পলিসি অ্যাডভাইজার অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম।</p>
<p>প্রেস কনফারেন্সে জানানো হয়, গত দুই দশকে পাঁচ কোটিরও বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে, যা প্রতি বছর প্রায় ৯৪ হাজার শিশুর মৃত্যু প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়েছে। টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে ৫ বছরের নিচে শিশু মৃত্যুহার ৮১.৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। গত দুই দশকে ৫ কোটিরও বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে, যা প্রতি বছর প্রায় ৯৪ হাজার শিশুর জীবন বাঁচাতে সহায়তা করছে। টিকায় বিনিয়োগকৃত প্রতি ১ ডলারে ২৫.৪ ডলার রিটার্ন পাওয়া যায় — যা প্রমাণ করে টিকা স্বাস্থ্য ও উন্নয়নের অন্যতম সেরা বিনিয়োগ।</p>
<p>সভায় আরও জানানো হয়, টিকাদান কার্যক্রমের নির্বিঘ্ন বাস্তবায়নে সরকার ১,৪০০ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ দিয়েছে। এরই মধ্যে ২৪ জেলায় নতুন টিকাদান কর্মী নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে এবং ইউনিসেফের সহায়তায় আগামী নভেম্বরের মধ্যে টিকার ঘাটতি সমস্যা সমাধান হবে। </p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় নিয়ে উদ্বেগ; ডিজিটালি তথ্য সংগ্রহের পরামর্শ</title>
<link>https://digibanglatech.news/158161</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158161</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68e712be3908a.jpg" length="101369" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 08 Oct 2025 20:41:31 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>খোদ রাজধানীতেই রয়েছে টিকা’র পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বিষয়ক উদ্বেগ। এছাড়াও ঢাকার অধিকাংশ কওমি মাদ্রাসাতেই নেই ‘ফার্স্ট এইড কিট’। ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোতে কিটবক্স থাকলেও নিকটসস্থ হাসপাতালের সঙ্গে অনেত স্কুলেরই নেই কোনো অংশীদারিত্বের সহযোগিতা চুক্তি। </p>
<p>ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল ও কওমি মাদ্রাসা নির্বিশেষে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে ভ্যাকসিন গ্রহনের ক্ষেত্রে এমন ব্যত্যয় ও সংশয় খুঁজে পেয়েছেন গবেষকরা।  ঢাকা সিটি কর্পোরেশনে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের কৌশলগত অংশীদারিত্বে পরিচালিত জরিপ থেকে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ সরকারের ইপিইআই কর্মসূচির আওতায় আগামী ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি) কার্যক্রমকে আরো জোরদার করার লক্ষ্যে প্রথম বারের মতো এই গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।</p>
<p>এ নিয়ে আয়োজিত সভায় সরকারের টিভিসি কার্যক্রম সফল করতে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল ও কওমি মাদ্রাসার বাবস্থাপনা কমিটি ও অভিভাবকদের অনুমোদনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। গবেষণার পর্যালোচনা শেষে একইসঙ্গে টিকাদানের ক্ষেত্রে অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ চিহ্নিত করে সে অনুযায়ী বাবস্থা গ্রহণ করা এবং যদি কোন গুজব দেখা দেয় সে ক্ষেত্রে তা দূরীকরণে বাবস্থা নেয়ার পাশাপাশি টিকাদান কার্যক্রমের রেকর্ড ও কভারেজ ডিজিটালি সংরক্ষণ এবং যাদের জন্ম নিবন্ধন নেই তাদের ক্ষেত্রে কাগজে সংরক্ষণ করতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। </p>
<p>রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে  ৮ অক্টোবর, বুধবার স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের কৌশলগত অংশীদারিত্বে পরিচালিত গবেষণাটি প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেন গ্যাভী সিএসও’র চেয়ার এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডাঃ নিজাম উদ্দীন আহম্মেদ। এছাড়াও টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৫ সম্পর্কে উপস্থাপন করেন ইপিআই অ্যান্ড সারভিলেন্স মেডিকেল অফিসার  ডাঃ রাজিব সরকার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন   স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (জনস্বাস্থ্য অনুবিভাগ) এ. টি. এম. সাইফুল ইসলাম। </p>
<p>উক্ত অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সেবা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ( পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডাঃ শেখ ছাইদুল হক, পরিচালক (এমআইএস) ডাঃ আবু আহম্মদ আল মামুন, প্রাক্তন লাইন ডিরেক্টর, ইপিআই ডাঃ এস এম আবদুল্লাহ আল মুরাদ, প্রাক্তন প্রোগ্রাম ম্যানেজার (ইপিআই) ডাঃ আবুল ফজল মোঃ সাহাবুদ্দিন খান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এনপিও ডাঃ চিরঞ্জিত দাস, বাংলাদেশ সিএসও কোয়ালিসন ফর হেল্‌থ অ্যান্ড ইমুনাইজেশনের ভাইস চেয়ার ও অপরাজেয় বাংলা’র নির্বাহী পরিচালক ওয়াহিদা বানু  এবং ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল, কওমি মাদ্রাসা এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশন পরিচালিত গবেষণা প্রকল্পের পলিসি অ্যাডভাইজার অধ্যাপক ড. মোঃ রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত গবেষণা প্রতিবেদনে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোর স্বাস্থ্য ও টিকাদান পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অধিকাংশ স্কুলে ফার্স্ট এইড বক্স আছে এবং কিছু স্কুল নিকটস্থ হাসপাতালের সঙ্গে MOU রয়েছে। কিছু স্কুলে পূর্ণকালীন ডাক্তার ও শিশু মনোবিজ্ঞানী আছে এবং ডেন্টাল ও চোখের পরীক্ষা ক্যাম্পও আয়োজন করা হয়। অধিকাংশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে ভ্যাকসিন গ্রহনের ক্ষেত্রে এক ধরণের হেজিটেনসি পরিলক্ষিত হয়। বিশেষ করে ভ্যাকসিনের নিরাপত্তা, মান ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং অনেকেই প্রাইভেট হাসপাতালে ভ্যাকসিন নিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। তাছাড়া কোন কোন স্কুলে স্থান সংকুলান, অনুমোদনের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক জটিলতা, সচেতনতার অভাব এবং সীমিত প্রচারণার কারণে টিসিভি ক্যাম্পেইনের দৃশ্যমানতা গবেষণার সময়ে কম পরিলক্ষিত হয়েছে। শিক্ষক ও স্কুল বাবস্থাপনা কমিটি টিসিভি সম্পর্কিত প্রশিক্ষণ পাননি। অনুরূপ সরকারি বা NGO ভ্যাকসিনেটররা অনুমোদন ছাড়া স্কুলে প্রবেশ করতে পারে না যা টিকা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ। স্কুল বাবস্থাপনা কমিটি শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং শিক্ষার্থীর কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন তবে অভিভাবকদের অনমোদন ছাড়া টিকা গ্রহনের মত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।</p>
<p>অধিকাংশ কওমি মাদ্রাসাগুলোতে স্বাস্থ্য ও টিকাদান কার্যক্রম খুবই সীমিত। শিক্ষার্থীদের শারিয়াহ অনুযায়ী শারীরিক পরিচ্ছন্নতা শিখানো হয়, কিন্তু ভ্যাকসিন সচেতনতা তুলনামুলকভাবে কম। ফার্স্ট এইড কিট অধিকাংশ মাদ্রাসায় নেই, এবং অসুস্থ হলে জরুরী প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের নিকটস্থ ফার্মেসি, ক্লিনিক বা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিছু মাদ্রাসায় সাধারণ স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে কখনও কখনও ক্যাম্প পরিচালিত হয়, তবে টিকাদান ক্যাম্পেইনে  (Covid-19, HPV ছাড়া) অভিজ্ঞতা খুবই কম। টিসিভি (টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন) কার্যক্রম চালাতে কওমি মাদ্রাসা বাবস্থাপনা কমিটি ও শিক্ষকের অনুমোদন প্রয়োজন, তবে মাদ্রাসাগুলোতে টিকা বিষয়ে তথ্য ও প্রচারণার দৃশ্যমানতা খুবই কম। শিক্ষক ও বাবস্থাপনা কমিটি ভ্যাকসিনের মান, নিরাপত্তা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন। কখনও কখনও টিকা সম্পর্কে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের উপস্থিতিও লক্ষ্য করা যায়। এছাড়া মাদ্রাসায় টিকাদানে অনলাইনে নিবন্ধনের সুযোগ খুবই সীমিত। ছেলে মাদ্রাসায় নারী ভ্যাকসিনেটর এবং মেয়ে মাদ্রাসায় পুরুষ ভ্যাকসিনেটর কাজ করার অনুমোদন নেই। ছোট মাদ্রাসায় টিকাদান কার্যক্রমের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা ও সুবিধা কম, অনুমোদন নেওয়া দীর্ঘ প্রক্রিয়া, এবং সরকারের যথাযত কতৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ কম থাকায় টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনার অন্যতম চ্যালেঞ্জ। এছাড়া মাদ্রাসা নিজস্ব বাবস্থাপনায় পরিচালিত হয় এবং অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ তুলনামুলকভাবে সীমিত এবং নিয়মিত অভিভাবক সভা হয় না সেটিও টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনার থেকে একটি ইউনিক সিচুয়েশন।<br>অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গবেষণাটিতে মিক্সড মেথড ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ এবং প্রক্রিয়াজাত করা হয়েছে। এই সমীক্ষায় ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল এবং কওমি মাদ্রাসা উভয় প্রতিষ্ঠানের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। স্কুল ও মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং পরিচালনা কমিটির সাথে সম্মুখ সাক্ষাৎকার এবং Key Informant Interview (KII) তথ্য নেওয়া হয়েছে। এছাড়া শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং পরিচালনা কমিটির সঙ্গে Focus Group Discussion (FGD) এবং অংশগ্রহণমূলক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ এবং যাচাই বাছাই করা হয়েছে।</p>
<p>গবেষণায় সেকেন্ডারি উৎস হিসেবে স্কুল ও মাদ্রাসার নথি, জাতীয় EPI নির্দেশিকা, WHO/Gavi (2025) প্রতিবেদন, ব্রিটিশ কাউন্সিল ও কওমি বোর্ডের নথি, DGHS/BBS তথ্য এবং প্রতিষ্ঠানের রেকর্ড পর্যালোচনা করা হয়েছে। এতে প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো, ভর্তি, সামাজিক প্রতিবন্ধকতা (যেমন টিকা সম্পর্কিত অবস্থান), প্রশাসন, সংযুক্তি, সুবিধা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। তথ্যের যথার্থতা ও নৈতিক মানদণ্ড নিশ্চিত করতে একাধিক উৎস থেকে যাচাই করা হয়েছে, অংশগ্রহণকারীদের সম্মতি নেয়া হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিএনসিসি থেকে ১৩ লাখ শিশু পাবে টাইফয়েড টিকা</title>
<link>https://digibanglatech.news/158153</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158153</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68e65d2af234b.jpg" length="105639" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 08 Oct 2025 13:04:54 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৫ উপলক্ষ্যে প্রায় ১৩ লাখ শিশুকে টাইফয়েডের টিকা দেবে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)।</p>
<p>৮ অক্টোবর,  বুধবার রাজধানীর গুলশান নগর ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী জানান, টাইফয়েড জ্বর প্রতিরোধে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১০টি অঞ্চলে আগামী ১২ অক্টোবর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত মাসব্যাপী মোট ১৮ কর্মদিবসে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।</p>
<p>তিনি বলেন, ২১৮১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৭,৬০,৭৯০ জন ছাত্রছাত্রী ও কমিউনিটির প্রায় ৫,৩৩,২৭৯ জন শিশুসহ মোট ১২,৯৪,০৬৯ জন শিশুকে টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে। ৯ থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী সব শিশু এবং প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি/সমমান পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে এক ডোজ টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে।</p>
<p><span>ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, ১২ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মোট ১০ দিন টিকা দেওয়া হবে (শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত)। ১৩ অক্টোবর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত স্থায়ী ইপিআই টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে মোট ১৮ দিন টিকা দেওয়া হবে (শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত)।</span></p>
<p>এ ছাড়া ১ নভেম্বর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত স্যাটেলাইট, আউটরিচ ইপিআই কেন্দ্রগুলোতে টিকা দেওয়া হবে (শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত)। প্রতিটি টিমে দুইজন টিকাদান কর্মী ও তিনজন ভলান্টিয়ার কাজ করবে। ক্যাম্পেইনের সেশন প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত চলবে (শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত)।</p>
<p>ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী বলেন, ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি ঢাকা মোহাম্মদপুরের রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জন্মসনদ ছাড়াও দেয়া হবে টাইফয়েড টিকা</title>
<link>https://digibanglatech.news/158104</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158104</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68e4c1b95bca2.jpg" length="101014" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 07 Oct 2025 12:30:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>টাইফয়েড জ্বর থেকে শিশুদের সুরক্ষিত রাখতে ১২ অক্টোবর থেকে সারাদেশে এই টিকাদান শুরু হবে। এটি প্রথমে স্কুল-মাদরাসায়, পরে কমিউনিটিতে এবং বস্তি এলাকায় চলবে। ৫ কোটি শিশুকে এই টিকা দেওয়ার টার্গেট। ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম যেকোনো শিশু এই টিকা দিতে পারবে। এরইমধ্যে দেশজুড়ে প্রায় দুই কোটি নিবন্ধন করেছেন। বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকদের মাধ্যমে <a href="https://www.vaxepi.gov.bd/registration/tcv" target="_blank" rel="noopener">অনাইনে </a>নিবন্ধন করা ছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়ায় লিংক ছড়িয়ে দিয়ে নিবন্ধন করতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। তবে নিবন্ধনের সময় জন্ম সনদ যেন বাধা না হয় সে জন্য টিকাদানের সময় আসলে নিবন্ধনহীন শিশুকেও টিকা দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। </p>
<p>৭ অক্টোবর, মঙ্গলবার শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৫ এর জাতীয় অ্যাডভোকেসি সভায় এই তথ্য জানানো হয়। </p>
<p>অনুষ্ঠানে ‘এখনও টাইফয়েডে শিশু মারা যায়, এটি আমাদের লজ্জার’ মন্তব্য করেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূর জাহান বেগম বলেছেন, ডায়রিয়া, রাতকানা রোগসহ অনেক রোগ আমরা প্রতিরোধ করেছি। অথচ, টাইফয়েডে এখনও দেশের শিশু মারা যায়, অঙ্গহানি হয়। আমরা অনেক পথ পার হয়ে এসেছি। এখনও এই টাইফয়েডে মৃত্যু আমাদের জন্য লজ্জার৷ কারণ, এটা তো প্রিভেন্টিভ রোগ। </p>
<p>‘নানাভাবে ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণ করলাম আমরা। অথচ, ৭০ ভাগ শিশু টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়ে মারা যায় বা অঙ্গহানি হয়। এই কর্মসূচির মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু হলো, আশা করি, আমরা আমাদের সন্তানদের রক্ষা করতে পারবো। ইপিআই এর সাফল্য আছে টিকাদানে, এতেও সাফল্য আসবে ইনশাআল্লাহ’-যোগ করেন তিনি।</p>
<p>এজন্য প্রচার প্রচারণার ওপর গুরুত্বারোপ করে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা  বলেন, আমার ঘরে আমি এটির কোনো লক্ষ্মণ পাইনি। নাতি নাতনি আছে, কাজের লোকেরও বাচ্চা আছে। কেউ বললো না। তার মানে আমরা সব ঘরে পৌঁছাতে পারিনি। আমাদের নৈতিক দায়িত্ব একটি শিশুও যাতে বাদ না যায়। জন্ম সনদ থাকুক না থাকুক, সবাইকে সুযোগ দিতে হবে। প্রচার প্রচারণা আরও বাড়াতে হবে।</p>
<p>তিনি বলেন, টাইফয়েডের এই টিকার জন্য রেজিষ্ট্রেশন যেন জটিল না হয়। প্রত্যেকের ঘরের কাজের মানুষও যাতে বাদ না যায়।</p>
<p>স্বাস্থ্যের বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) অধ্যাপক ডা সায়েদুর রহমান বলেন, স্বাস্থ্য খাতে আমাদের সবচেয়ে সফল কর্মসূচি টিকাদান কর্মসূচি। টাইফয়েডও হয়তো রেগুলার টিকাদান কর্মসূচিতে ঢুকবে৷ আমরা টিকাদানে সক্ষম জনশক্তি বাড়াতে চাই। এজন্য মেডিকেল কলেজ ও নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থী এবং ইন্টার্নদের সংযুক্ত করা যেতে পারে।</p>
<p>স্বাস্থ্য সচিব মো. সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে এতে আরও আলোচনা করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা মো. আবু জাফর, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনস্বাস্থ্য অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ টি এম সাইফুল ইসলাম, এনজিও ব্যুরোর মহাপরিচালক দাউদ মিয়া এবং সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, ইউনিসেফের দীপিকা শর্মা ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রাজেশ নরওয়ানসহ বিদেশি প্রতিনিধি, দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের টিকাদান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।</p>
<p>পুরো প্রক্রিয়াতে সহযোগিতা করছেন, গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (গাভি)</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>শহরে প্রাইমারী হেলথ কেয়ার অনেক দুর্বলঃ স্বাস্থ্য সচিব</title>
<link>https://digibanglatech.news/158072</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158072</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68e3a994c7966.jpg" length="102334" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 06 Oct 2025 17:16:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সাংবাদিকদের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে পৃথক কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপনের পাশাপাশি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় বা যেকোনো সরকারি হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তি করে গণমাধ্যম কর্মীদের স্বাস্থ্য সেবা দেওয়ার দাবি জানিয়েছে সাংবাদিকদের সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ)। </p>
<p>৬ অক্টোবর, সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ডিআরইউ মিলনায়তনে সংগঠনের সদস্যদের জন্য আয়োজিত চক্ষু শিবির ও ডায়াবেটিস ক্যাম্প উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এই দাবি করা হয়। লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা আইডিয়াল ও লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা জিজেন্ডস এর সহযোগিতায় এই ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। ক্যাম্পে ডিআরইউর সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যদের চক্ষু ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা, চাইল্ডহুড ক্যান্সার ও মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতার পাশাপাশি বিনামূল্যে ঔষধ ও চশমা বিতরণ এবং চোখের ছানি রোগী শনাক্ত করে পরবর্তীতে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন করার অঙ্গিকার করেন।</p>
<p>জবাবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য সচিব মো. সাইদুর রহমান বলেন, আমরা আরবানে (শহরে) স্বাস্থ্য সেবা দিতে পারি না। অনেক দুর্বল প্রাইমারী হেলথ কেয়ার। আমরা গণপূর্তের কাছে কিছু জমি চেয়েছি, চেষ্টা করবো সেগুলো কাটিয়ে উঠার জন্য।  </p>
<p>সাংবাদিকদের দাবির জবাবে তিনি বলেন, আপনারা বলেছেন আমার ক্ষমতা অনেক। আমি ক্ষমতা মনে করিনা, এটি দায়িত্ব। আমরা দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট হবো, ইনশাআল্লাহ। কিছু দাবিপূরণের কথাও এসেছে। আপনারা নিবন্ধন করলে আমাদের অনুদান দেওয়া সহজ। আর বাকি বিষয়গুলো প্রক্রিয়া অনুযায়ী আসলে আমরা বিবেচনা করবো। এসময় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন লায়ন্স ক্লাবের সহায়তায় এই প্রোগ্রামের প্রশংসা করে স্বাস্থ্য সচিব বলেন, এনজিওগুলোর দেশের চিকিৎসা সেবায় ভালো ভূমিকা রাখার সুযোগ আছে। দেশের এত বড় জনগোষ্ঠীকে একা সরকারের সব কিছু করার সুযোগ বা সক্ষমতা নেই। এজন্য এনজিওগুলো এখানে কাজ করতে পারে। আমরা ইতিমধ্যে এগুলোর প্রমাণ পেয়েছি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের চিকিৎসায় আমরা এনজিওগুলোর সহায়তা পেয়েছি। তিনি বলেন, আমার অনেক কিছু আছে, কিন্তু সুস্থতা নেই, কেউ দেখবে না। নিজের সুস্থতার জন্য নিজেকেই সচেতন থাকতে হবে। খাদ্যাভ্যাস ঠিক রাখতে হবে। সাইদুর রহমান বলেন, অবস্থানের কারণে অহংবোধ করা ঠিক নয়, এটা তকদিরের বিষয়। সুখটা নিজের কাছে, অনেকে বিপুল বিত্তশালী হয়েও সুখী নয়, আবার অনেকে কোনো রকম জীবন যাপন করেও তৃপ্ত এবং সুখী। </p>
<p>সভাপতির বক্তব্য ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন বলেন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির দুই হাজার সদস্যর সংগঠন। এ সংগঠনের সদস্যদের বিনামূল্যে পরীক্ষা, ঔষধ ও চশমা বিতরণে লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা আইডিয়াল ও লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা জিজেন্ডসকে আন্তরিক ধন্যবাদ। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের যেমন দায়িত্ববোধ আছে তেমনি শরীরের প্রতি সচেতনও হতে হবে। আমরা সবাই সচেতন হলে অনেক রোগ থেকে বাচঁতে পারবো। </p>
<p>ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, সাংবাদিকদের জন্য চক্ষু চিকিৎসা প্রয়োজনীয়তা অনেক।  সাংবাদিকরা দীর্ঘ সময় ধরে কম্পিউটার, মোবাইল ও ক্যামেরার সামনে কাজ করতে হয়। এর ফলে চোখের ক্লান্তি, ঝাপসা দেখা, চোখ জ্বালা, মাথাব্যথা এমনকি দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের মতো সমস্যা ক্রমেই বাড়ছে। সদস্যদের সমস্যার কথা চিন্তা করেই অতীতের ন্যায় এবারও বিনামূল্যে চক্ষু ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা, চাইল্ডহুড ক্যান্সার ও মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতার পাশাপাশি বিনামূল্যে ঔষধ ও চশমা বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এটা অব্যাহত থাকবে। </p>
<p>ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আবু সালেহ আকন এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কল্যাণ সম্পাদক রফিক মৃধা। এছাড়াও আরো বক্তব্য রাখেন, লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা আইডিয়াল এর পরিচালক নওজাত সারওয়াত ইসলাম, লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা জিজেন্ডস এর প্রেসিডেন্ট মো রিয়াসাত ইসলাম, ডিআরইউ’র সাবেক সহ-সভাপতি আজমল হক হেলাল, সিনিয়র সদস্য সুকুমার সরকার এবং আসিফ শওকত কল্লোল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউ কার্যনির্বাহী কমিটির নারী সম্পাদক রোজিনা রোজী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক এমদাদুল হক খান, কার্যনির্বাহী সদস্য মো. জুনায়েদ হোসাইন (জুনায়েদ শিশির)।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশে পক্ষাঘাতে আক্রান্ত আড়াই লাখ</title>
<link>https://digibanglatech.news/158078</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158078</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68e3ae1388cf1.jpg" length="129816" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 06 Oct 2025 16:55:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>বিশ্বে ১ কোটি ৮০ লাখের বেশি মানুষ সেরিব্রাল পালসি আক্রান্ত। বাংলাদেশে এ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় দুই লাখ ৫০ হাজার। </span>বিশ্ব সেরিব্রাল পালসি দিবস উপলক্ষ্যে ৬ সেপ্টেম্বর, সোমবার ঢাকার সাভারে পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্র- সিআরপিতে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় এ তথ্য তুলে ধরা হয়। </p>
<p>আলোচনা অনুষ্ঠানে আইসিডিডিআর,বির এমেরিটাস বিজ্ঞানী ডা. জেনা হামাদানি, সিআরপি শিশু বিভাগের প্রধান হোসনে আরা পারভীন, সিনিয়র কনসালটেন্ট মোহাম্মদ ইউসুফ, উইলিয়াম অ্যান্ড মেরি টেইলর স্কুলের অধ্যক্ষ মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ আল জুবায়ের প্রমুখ বক্তব্য দেন।</p>
<p>বক্তব্যে এমেরিটাস বিজ্ঞানী ডা. জেনা হামাদানি বলেন, “অনেকে মনে করেন, এটি সৃষ্টিকর্তার দেওয়া এক ধরনের শাস্তি। কিন্তু এটা ঠিক নয়। প্রতিটি মানুষের মধ্যে আলাদা কিছু গুণ, মেধা থাকে। সবাই এক নয়। প্রতিবন্ধী শিশুরাও কিন্তু কোনো না কোনোভাবে মেধাবী। তাদের সক্ষমতা আছে, ক্ষমতা আছে; তবে আমাদের মতো নয়— একটু ভিন্নভাবে।”</p>
<p>তিনি আরো বলেন, “আমাদের সবার মাঝেই কমবেশি ডিসঅ্যাবিলিটি আছে। তাদেরকে সমান চোখে দেখতে হবে। তাদের সমাজের মূল অংশের সঙ্গে মানিয়ে চলার জন্য প্রয়োজনীয় পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে।”</p>
<p>এর আগে ‘অন্যন্য ও ঐক্যবদ্ধ’ স্লোগানে দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে সিআরপির শিশু বিভাগ এবং উইলিয়াম অ্যান্ড মেরি টেইলর স্কুলের শিশুদের অংশগ্রহণে শোভাযাত্রা করা হয়।</p>
<p>সেরিব্রাল পালসি একটি স্নায়বিক ব্যাধি যা নড়াচড়া, পেশীর স্বর এবং ভঙ্গিমাকে প্রভাবিত করে। এটি সাধারণত জন্মের আগে বা জন্মের সময় বিকাশমান মস্তিষ্কের ক্ষতির কারণে হয়। এই অবস্থার ফলে বিভিন্ন শারীরিক চ্যালেঞ্জ এবং নড়াচড়া সমন্বয় করতে অসুবিধা হতে পারে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি মোকাবিলায় এনআইওএইচ ও রোশ বাংলাদেশের আয়োজনে গোলটেবিল বৈঠক</title>
<link>https://digibanglatech.news/157920</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157920</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68dbd69ea56ba.jpg" length="88645" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 30 Sep 2025 09:09:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিশ্ব রেটিনা দিবস ২০২৫ উপলক্ষে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল (এনআইওএইচ) এবং রোশ বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে ‘ব্রিজিং পলিসি, টাস্ক শিফটিং অ্যান্ড ইনোভেশন: ট্যাকলিং ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠক আয়োজন করেছে। খাত সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অংশগ্রহণে এ আলোচনা অনুষ্ঠান ২৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>অংশীজনদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নীতি-নির্ধারক, স্বাস্থ্যসেবা বিশেষজ্ঞ, আন্তর্জাতিক এনজিও ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিগণ। এ সময় তারা বাংলাদেশে ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি (ডিআর) মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করেন।  </p>
<p>ডায়াবেটিস রোগের সাথে প্রত্যক্ষভাবে সম্পৃক্ত ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি রোগটি বাংলাদেশের মানুষের অন্ধত্বের অন্যতম প্রধান কারণ। রোগটি খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে এটি বর্তমান সময়ে একটি জনস্বাস্থ্য সমস্যায় রূপ নিয়েছে। এ রোগ নিয়ে জনসচেতনতা, রোগ নির্ণয় কর্মসূচি, স্বাস্থ্যখাতের প্রস্তুতি ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে রোগ শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা সেবার পরিসর সীমিত রয়ে গেছে। এ প্রেক্ষাপটে, গোলটেবিল বৈঠকে স্ক্রিনিং, রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে বিদ্যমান যে দূর্বলতাগুলো রয়েছে, তা চিহ্নিত করা এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে একটি সমন্বিত জাতীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।  </p>
<p>এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও নীতিনির্ধারকগণ; স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) সদস্যবৃন্দ, এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।    </p>
<p>এছাড়াও, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক, জ্যেষ্ঠ চক্ষু বিশেষজ্ঞবৃন্দ, রেটিনা বিশেষজ্ঞ, অপথালমোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ভিট্রিও-রেটিনা সোসাইটি, বারডেম ও বিএডিএস -এর প্রতিনিধিগণ এ গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।</p>
<p>*জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. জানে আলম মৃধা তার উপস্থাপনায় বলেন,* “ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির সফল ও কার্যকর স্ক্রিনিং প্রোগ্রামের জন্য বিভিন্ন খাতের অংশগ্রহণে একটি কার্যকর ওয়ার্কিং কমিটি গঠন অত্যন্ত জরুরি।”</p>
<p>বেসরকারি খাত, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা এবং এনজিও: অর্বিস ইন্টারন্যাশনাল, হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল, দ্য ফ্রেড হলোস ফাউন্ডেশন, সাইটসেভার্স বাংলাদেশ, গুড পিপল ইন্টারন্যাশনাল এবং রোশ বাংলাদেশের নিজস্ব বাণিজ্যিক, মার্কেট অ্যাকসেস ও নীতিনির্ধারণী দলও আলোচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মানুষের মৃত্যুর তৃতীয় বৃহত্তম কারণ ফুসফুস রোগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/157894</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157894</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68da8b7634ffa.jpg" length="117819" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 29 Sep 2025 15:37:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) বিশ্ব ফুসফুস দিবস-২০২৫ পালিত হয়েছে। ২৯ সেপ্টেম্বর, সোমবার বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে দিবসটি উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও বৈজ্ঞানিক সেমিনারের যৌথভাবে আযোজন করে বিএমইউ’র বক্ষব্যাধি বিভাগ ও চেস্ট এন্ড হার্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।</p>
<p>দিনব্যাপী আয়োজনের মধ্যে সকাল সাড়ে আটটায় বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেবিন ব্লক থেকে সচেতনমূলক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়ে সারা ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে গিয়ে শেষ হয়। বৈজ্ঞানিক সেমিনারটি বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের অডিটোরিয়ামে ১০ টায় অনুষ্ঠিত হয়। </p>
<p>বৈজ্ঞানিক সেমিনারটিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মোঃ আবুল কালাম আজাদ।</p>
<p>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহ্ রীন  আখতার, চেষ্ট এন্ড হার্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি ও ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের মহাসচিব সহযোগী অধ্যাপক  ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল,  বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ, জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোঃ দেলোয়ার হোসেন,পরিচালক ( হাসপাতাল) ব্রিগেঃ জেনাঃ আবু নোমান মোহাম্মদ মোছলেহ উদ্দীন, বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ডা. শেখ ফরহাদ, বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) সহযোগী অধ্যাপক ডা. এরফানুল হক সিদ্দিকী,  সহকারী প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপ ডা. মোঃ  আদনান হাসান মাসুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেসপিরিটোরি মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ।</p>
<p>বৈজ্ঞানিক সেমিনারটি সঞ্চলনা করেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেসপিরিটোরি মেডিসিন বিভাগের ফেইজ-বি রেসিডেন্ট তাজকিয়া তাসনিম আহম্মেদ ও পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন রেসপিরিটোরি মেডিসিন বিভাগের ফেইজ-বি রেসিডেন্ট ডা. কবিরুল আহমেদ।</p>
<p>অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেসপিরিটোরি মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. সম্প্রীতি ইসলাম। বৈজ্ঞানিক সেমিনার ও শোভাযাত্রাসহ পুরো কর্মসূচির সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেসপিরিটোরি মেডিসিন বিভাগের ফেস-বি রেসিডেন্ট ডা. মীজানুর রহমান ভূঞা।</p>
<p>বৈজ্ঞানিক সেমিনারে প্যানেল অব এক্সপার্ট হিসেব উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. ফেরদৌস-উর রহমান,  চেস্ট এন্ড হার্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের থোরাসিক সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. আনোয়ারুল আনাম কিবরিয়া ও বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেসপিরিটোরি মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. রাজাশিষ চক্রবর্তী।</p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন,  আমাদের দেশে পালমোনারি হাইপারটেনশন চিকিৎসায় নতুন আপডেট ড্রাগ ব্যবহার করা যাবে। তবে নতুন ড্রাগ ব্যবহারের পূর্বেই আমাদের জানতে হবে কি মাত্রায় প্রয়োগ করতে হবে। পালমোনারি হাইপারটেশনের আধুনিক চিকিৎসার সুবিধা-অসুবিধা, চিকিৎসা ব্যয় এবং আমাদের দেশের আর্থসামাজিক ব্যবস্থায় এর ব্যবহার বিষয়ে আলোচনা করেন তিনি।</p>
<p>চেষ্ট এন্ড হার্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি ও ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মহাসচিব সহযোগী ডা. মোঃ জহিরুল ইসলাম শাকিল বলেন, সারা বিশ্বের মানুষের মৃত্যুর ৫টি প্রধান কারণের ৪টি প্রধান কারণই হল রেসপিরিটোরি জনিত। এছাড়াও তিনি বলেন, যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, এজমা, সিওপিডি’র উপর চিকিৎসকদের জন্য নতুন গাইডলাইন প্রনোয়নের কাজ করছে চেস্ট এন্ড হার্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।</p>
<p>বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেসপিরিটোরি মেডিসিন বিভাগের মেডিক্যাল অফিসার ডা. মানাল মিজানুর রহমান তার ‘ডিপার্টমেন্ট অব রেসপিরিটোরি মেডিসিন- হাইলাইটস এন্ড হরিজন’ শীর্ষক নিবন্ধে বলেন, সারা বিশ্বের ৩০% মানুষ বক্ষব্যাধি রোগে আক্রান্ত, সারাবিশ্বে মানুষের মৃত্যুর তৃতীয় বৃহৎ কারণ সিওপিডি। তিনি আরো যোগ করেন গত ৯ বছরের মধ্যে মাত্র ৩১ দিন সারা বিশ্বের বায়ু দূষণমুক্ত ছিল। তিণি বলেন, বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেসপিরিটোরি মেডিসিন বিভাগে বিভিন্ন ক্লিনিক চালু করা হয়েছে। বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি- ব্লকের -১৫১২ কক্ষে প্রতি শনিবার বেলা ১১:০০টা থেকে  দুপুর ১২:০০টা পর্যন্ত স্লিপ ও পালমোনারি হাইপারটেনশন ক্লিনিক, সোমবার একই কক্ষে একই সময়ে ডিফিউজ প্যারেনকাউমাল লাঙ ডিজিজ (ডিপিএলডি) ও প্রতি  বুধবার একই কক্ষে ডিফিকাল্ট অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ ক্লিনিকের মাধ্যমে রোগীদের সেবা প্রদান করা হয়ে থাকে। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেসপিরিটোরি বিভাগ প্রতিনিয়িত রেফারেল গ্রহণ করে অতিদ্রুত চিকিৎসা প্রদান অব্যাহত রেখেছে। চলতি বছর সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যতগুলো রেফারেল পেয়েছে তাদের পরিসংখ্যান মোট রেফারেলের ২৭% সার্জারি, ২১.৩% কার্ডিওলজি, ১৯.৪% নেফ্রোলজি ১৬.৬% জেনারেল ইমার্জেন্সি ৭.১% আইসিইউ , ৫.২% ইন্টারনাল মেডিসিন , ১.৯% হেপাটোলজি ও ১.৪%অন্যান্য। </p>
<p>বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেস-বি রেসডেন্ট ডা. মোঃ মনিরুজ্জামান ও ডা. মেহনাজ আজিজ হোমা ‘ব্রেথিং ইন্টু দ্যা  ফিউচার: লেটেস্ট এডভান্সেস  ইন রেসপিরিটোরি’ শীর্ষক নিবন্ধে  পালমোনারি হাইপারটেশন, ডিপিএলডি, যক্ষা, এজমা, সারকয়ডোসিস এর আধুনিক চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা করেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি নিয়ে গোলটেবিল বৈঠক</title>
<link>https://digibanglatech.news/157863</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157863</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d93b545a3b2.jpg" length="88645" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 28 Sep 2025 18:44:03 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিশ্ব রেটিনা দিবস ২০২৫ উপলক্ষে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল (এনআইওএইচ) এবং রোশ বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো ‘ব্রিজিং পলিসি, টাস্ক শিফটিং অ্যান্ড ইনোভেশন: ট্যাকলিং ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক। খাত সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অংশগ্রহণে এ আলোচনা অনুষ্ঠান ২৮ সেপ্টেম্বর, রবিবার ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>অংশীজনদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নীতি-নির্ধারক, স্বাস্থ্যসেবা বিশেষজ্ঞ, আন্তর্জাতিক এনজিও ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিগণ। এ সময় তারা বাংলাদেশে ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি (ডিআর) মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করেন।  </p>
<p>ডায়াবেটিস রোগের সাথে প্রত্যক্ষভাবে সম্পৃক্ত ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি রোগটি বাংলাদেশের মানুষের অন্ধত্বের অন্যতম প্রধান কারণ। রোগটি খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে এটি বর্তমান সময়ে একটি জনস্বাস্থ্য সমস্যায় রূপ নিয়েছে। এ রোগ নিয়ে জনসচেতনতা, রোগ নির্ণয় কর্মসূচি, স্বাস্থ্যখাতের প্রস্তুতি ও সংশ্লিষ্ট  বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে রোগ শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা সেবার পরিসর সীমিত রয়ে গেছে। এ প্রেক্ষাপটে, গোলটেবিল বৈঠকে স্ক্রিনিং, রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে বিদ্যমান যে দূর্বলতাগুলো রয়েছে, তা চিহ্নিত করা এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে একটি সমন্বিত জাতীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।  </p>
<p>এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও নীতিনির্ধারকগণ; স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) সদস্যবৃন্দ, এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।    </p>
<p>এছাড়াও, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক, জ্যেষ্ঠ চক্ষু বিশেষজ্ঞবৃন্দ, রেটিনা বিশেষজ্ঞ, অপথালমোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ভিট্রিও-রেটিনা সোসাইটি, বারডেম ও বিএডিএস -এর প্রতিনিধিগণ এ গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।</p>
<p>বেসরকারি খাত, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা এবং এনজিও: অর্বিস ইন্টারন্যাশনাল, হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল, দ্য ফ্রেড হলোস ফাউন্ডেশন, সাইটসেভার্স বাংলাদেশ, গুড পিপল ইন্টারন্যাশনাল এবং রোশ বাংলাদেশের নিজস্ব বাণিজ্যিক, মার্কেট অ্যাকসেস ও নীতিনির্ধারণী দলও আলোচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে ব্যাকটেরিয়া</title>
<link>https://digibanglatech.news/157815</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157815</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d7d372e07f7.jpg" length="131728" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 27 Sep 2025 15:07:43 +0600</pubDate>
<dc:creator>গ্লোবাল টেক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে ব্যথানাশক ওষুধ তৈরির এক অভিনব পদ্ধতি বাতলে দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তারা একটি সাধারণ ব্যাকটেরিয়া ইশেরিকিয়া কোলাই বা ই. কোলাইকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মাধ্যমে এমনভাবে পরিবর্তন করেছেন, যাতে এটি প্লাস্টিকজাত এক উপাদান খেয়ে তা হজম করে দৈনন্দিন ব্যবহৃত ব্যথানাশক ওষুধ উৎপাদন করতে পারে। (সূত্র: বিবিসি)</p>
<p>এই গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন ইউনিভার্সিটি অব এডিনবার্গ-এর কেমিক্যাল বায়োটেকনোলজির অধ্যাপক স্টিফেন ওয়ালেস। তিনি বলেছেন, ই. কোলাই-কে এই ধরনের পরীক্ষায় প্রথমেই বেছে নেওয়া হয়। কারণ এটি দীর্ঘদিন ধরে বায়োটেকনোলজি গবেষণায় পরীক্ষিত একটি ওয়ার্কহর্স বা প্রধান সহকারী জীবাণু। </p>
<p>অধ্যাপক ওয়ালেস এর আগে একই ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার করে প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে ভ্যানিলা ফ্লেভার এবং পয়ঃনালার চর্বিজমা (ফ্যাটবার্গ) থেকে পারফিউম তৈরি করার সফলতা পান।</p>
<p>তার এই সফলতা বিষয়ে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অ্যাডাম ফেইস্ট বলেছেন, অন্যান্য জীবাণুর সঙ্গে কাজ করার পর বুঝি ই. কোলাই কতটা সহজ, টেকসই এবং কার্যকর। এটি নানা ধরনের খাদ্য উপাদানে বেড়ে উঠতে পারে। সহজে সংরক্ষণ করা যায়। আবার পূণর্জীবিত করাও যায়।</p>
<p>জিনকো বায়োওয়ার্কস-এর সিনিয়র ডিরেক্টর সিনথিয়া কলিন্স বলেছেন, বর্তমানে বড় পরিসরে উৎপাদনের জন্য অনেক জীবাণু ব্যবহার করা গেলেও, ই. কোলাই এখনো একটি ভালো বিকল্প, বিশেষ করে যদি উৎপাদিত বস্তুটি এর জন্য উপযোগী হয়।</p>
<p>‘এই ব্যাকটেরিয়া দিয়ে অনেক কিছু উৎপাদন সম্ভব, এমনকি যদি উৎপাদন প্রক্রিয়ায় বিষাক্ত উপাদান তৈরি হয়, তাহলেও ইঞ্জিনিয়ারিং করে সেগুলো সহনীয় করা যায়’- যোগ করেন তিনি।</p>
<p>খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই উদ্ভাবন দেখিয়ে দেয় কীভাবে জীববিজ্ঞানের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণকারী প্লাস্টিককেও ভবিষ্যতে মূল্যবান ওষুধে রূপান্তর করা যেতে পারে। ই. কোলাই সেই রূপান্তরের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। </p>
<p>প্রসঙ্গত, ই. কোলাই মূলত মানুষের অন্ত্রে পাওয়া একটি সাধারণ ব্যাকটেরিয়া। যদিও এর কিছু ধরন মানুষের অসুস্থতার কারণ হতে পারে, কিন্তু অ-প্যাথোজেনিক বা নিরাপদ কিছু স্ট্রেইন দীর্ঘদিন ধরে গবেষণাগারে ও শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই ব্যাকটেরিয়াটি শিল্পে জৈবিক কারখানা হিসেবে কাজ করে। উদাহরণস্বরূপ, এটি ব্যবহার করে ইনসুলিন তৈরি করা হয়, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যাবশ্যক। এছাড়াও জ্বালানি ও দ্রাবক তৈরির নানা রাসায়নিকও তৈরি করা হয় এটির মাধ্যমে।</p>
<p>১৮৮৫ সালে জার্মান শিশু চিকিৎসক থিওডর ইশেরিখ প্রথম এই ব্যাকটেরিয়াটি আলাদা করেন। এরপর গবেষণায় দেখা যায়, এটি দ্রুত বেড়ে ওঠে, সহজে পরীক্ষাগারে চাষ করা যায় এবং জেনেটিকভাবে সহজে পরিবর্তন করা যায়। এরপর ১৯৪০-এর দশকে ই. কোলাই-এর মাধ্যমেই আবিষ্কৃত হয় ব্যাকটেরিয়ার ‘জেনেটিক রিকম্বিনেশন’ বা জেন বিনিময়, যা বিপ্লব ঘটায় জীববিজ্ঞানে।</p>
<p>১৯৭০-এর দশকে এটিই প্রথম জীব যা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মাধ্যমে পরিবর্তন করা হয়। ১৯৭৮ সালে ই. কোলাই ব্যবহার করে প্রথম কৃত্রিম মানব ইনসুলিন তৈরি হয়। আর ১৯৯৭ সালে এটিই প্রথম দিকের জীব যার পুরো জিনোম সিকোয়েন্স করা হয়।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টেকনিক্যাল মোড়ে বিআইএইচএস নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন</title>
<link>https://digibanglatech.news/157811</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157811</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d7c8b683dd9.jpg" length="126417" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 27 Sep 2025 14:21:15 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>স্থায়ী ক্যাম্পাস ফিরিয়ে দেওয়া এবং শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব হেলথ সায়েন্সেস (বিআইএইচএস) নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। প্রায় তিন মাস ধরে ক্লাস বন্ধ থাকা, অপর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা এবং অন্য একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ক্যাম্পাস নিয়ে বিরোধের কারণে শিক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন।</span><br><br><span>রাজধানীর টেকনিক্যাল মোড়ে ২৭ সেপ্টেম্বর, শনিবার সকাল ৯টার দিকেশিক্ষার্থীরা এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তারা তাদের শিক্ষাজীবন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।</span><br><br><span>আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, ভর্তির সময় যে আধুনিক ক্যাম্পাস ও ক্লাসরুমের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তার কিছুই এখন অবশিষ্ট নেই। প্রায় তিন মাস ধরে তাদের ক্লাস ও সকল প্রকার অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে। আন্দোলনকারী এক শিক্ষার্থী অমিত চন্দ্র বলেন, "ক্যাম্পাসে তালা ঝুলছে, আমরা ভেতরে ঢুকতে পারছি না। আমাদের ল্যাব, টিচার্স রুম— একজন নার্সিং শিক্ষার্থীর জন্য যা যা প্রয়োজন, তার কিছুই এখন নেই।"</span><br><br><span>শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, ক্যাম্পাসের মধ্যেই থাকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেস (বিইউএইচএস)-এর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের বিরোধ চলছে। কয়েক দিন ধরে বিইউএইচএস-এর শিক্ষার্থীরা তাদের এবং শিক্ষকদের ক্যাম্পাসে অবরুদ্ধ করে রেখেছে বলেও অভিযোগ তোলেন তারা।</span><br><br><span>ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা আরও জানান, সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য তারা বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির (বারডেম) মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম. কে. সাইফুদ্দিন এবং বিআইএইচএস জেনারেল হাসপাতালের মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দেখা করেছেন। এমনকি তারা বিষয়টি দেশের বর্তমান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খানের নজরে এনেছেন বলেও দাবি করেন। শিক্ষার্থীরা বলেন, "সবাই আমাদের শুধু প্রতিশ্রুতিই দিচ্ছেন, কিন্তু কোনো স্থায়ী সমাধান পাচ্ছি না।"</span><br><br><span>শিক্ষার্থীরা তাদের কাছে থাকা দলিলের কথা উল্লেখ করে বলেন, ক্যাম্পাসের জমির ৫০ শতাংশের মালিকানা তাদের প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা সত্ত্বেও তারা সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "কর্তৃপক্ষ ठोस পদক্ষেপ না নিলে আমাদের পক্ষে এই সংকট থেকে বের হওয়া সম্ভব নয়।"</span><br><br><span>প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী অমর ফারুক বলেন, “আমাদের স্থায়ী ক্যাম্পাস থেকে আমাদেরকে অসম্মানজনকভাবে বের করে দেওয়া হয়েছে। এটি আমাদের স্থায়ী ক্যাম্পাস, কিন্তু এখন আমরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারছি না। আমরা অনতিবিলম্বে আমাদের ক্যাম্পাস ফিরিয়ে চাই; নতুবা আমরা কঠোর আন্দোলনের পথে যাব।”</span><br><br><span>দীর্ঘদিন ধরে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তারা অবিলম্বে একটি কার্যকরী ও স্থায়ী সমাধান এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরে পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নাবিলার সঙ্গে ভিট বাংলাদেশের চুক্তি সই</title>
<link>https://digibanglatech.news/157812</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157812</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d7cb590962a.jpg" length="85174" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 27 Sep 2025 10:30:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>স্বাস্থ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানব ত্বকের স্বাস্থ্য উন্নয়নে বিশেষ সল্যুশন প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ভিট বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাসুমা রহমান নাবিলা। রাজধানীর গুলশান-১ এ অবস্থিত রেকিট বেনকিজার (বাংলাদেশ) পিএলসি এর প্রধান কার্যালয়ে এ চুক্তি সম্পাদিত হয়।</p>
<p>২৭ সেপ্টেম্বর, শনিবার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভিট, ডেপিলেশান ক্যাটাগরি লিডার হিসেবে বিগত ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশে স্কিন হাইজিন সচেতনতা বৃদ্ধিতে ও ব্যবসার প্রসার ঘটাতে ভিট বাংলাদেশ এর সকল কার্যক্রমের অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করবেন অভিনেত্রী মাসুমা রহমান নাবিলা।</p>
<p>চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রেকিট বেনকিজার-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ভিশাল গুপ্তা, সিনিয়র মার্কেটিং ম্যানেজার সালাহউদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র ব্র্যান্ড ম্যানেজার নিশাত তামান্না মৌ এবং উপস্থিত ছিলেন মাসুমা রহমান নাবিলা ও রেকিটের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা।</p>
<p>চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মাসুমা রহমান নাবিলা বলেন, “বিশ্বের অন্যতম বিশ্বস্ত ও জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের সাথে কাজ করতে পারাটা বেশ সৌভাগ্যের। ভিট ২৫ বছরেও বেশী সময় ধরে বাংলাদেশের হাজারো নারীদের আত্মবিশ্বাসী হওয়ার এবং এগিয়ে যাওয়ার জন্য যে কাজ করে যাচ্ছে, তা সত্যিই প্রশংসানীও। এই মহৎ উদ্যোগে আমি ভিট -এর সঙ্গী হতে পেরে অনেক আনন্দিত”।  </p>
<p>অনুষ্ঠানে রেকিটের সিনিয়র মার্কেটিং ম্যানেজার সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “আমাদের এই পথচলায় নাবিলাকে পেয়ে আমরা আনন্দিত। ভিট বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি সফলতার সহিত সমাজের জন্য ইতিবাচক কাজ করে যাচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি ভিট অ্যাম্বাসেডরের সাথে এই কাজের পরিধি আমরা আরও বিস্তৃত করতে পারবো।”</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো সিইএবি&#45;সিসিআরটিবি আন্তর্জাতিক ক্যান্সার সম্মেলন ২০২৫</title>
<link>https://digibanglatech.news/157846</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157846</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d89beb7c0ac.jpg" length="117440" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 26 Sep 2025 08:24:15 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; text-justify: inter-ideograph;"><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush;">ইউনেস্কোর পার্টিসিপেশন প্রোগ্রাম ২০২৪–২৫-এর আওতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি বিভাগ এবং ক্যান্সার কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ ট্রাস্ট বাংলাদেশের (সিসিআরটিবি) যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো সিইএবি-সিসিআরটিবি আন্তর্জাতিক ক্যান্সার সম্মেলন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টেট হলে ২৫ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত সম্মেলনে দেশের এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ, গবেষক, চিকিৎসক, নীতিনির্ধারক, তরুণ নেতৃবৃন্দ এবং কর্মীরা অংশ নেন। </span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; text-justify: inter-ideograph;"><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush;">সম্মেলনে </span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush;">বাংলাদেশে ক্যান্সার শিক্ষা, জনসচেতনতা, প্রতিরোধ এবং চিকিৎসা ব্যবস্থায় বিদ্যমান ঘাটতি পূরণ করা। সম্মেলনে প্রিসিশন অনকোলজি, স্বাস্থ্যনীতি, জনসচেতনতা এবং তরুণদের সম্পৃক্ততা নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।<o:p></o:p></span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush;"><br>আলোচনার বিষয়বস্তুতে ছিলো ক্যান্সার জিনোমিকস, বায়োমার্কার আবিষ্কার, এইচপিভি ভ্যাকসিনেশন, ক্যান্সার প্রতিরোধ এবং ইন্টিগ্রেটিভ অনকোলজি। সম্মেলনের প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ড. সায়েদুর রহমান। </span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; text-justify: inter-ideograph;"><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush;">এছাড়া দেশি-বিদেশি খ্যাতনামা অনকোলজিস্ট ও গবেষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এমেরিটাস প্রফেসর স্যার ওয়াল্টার বডমার, অঙ্কলজি ক্লাবের সভাপতি প্রফেসর এম. এ. হাই, বিএমইউ’র অঙ্কলজি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. সৈয়দ মো. আকরাম হোসেন, সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের ড. জাবেদ ইকবাল, ডিউক-এনইউএস মেডিকেল স্কুলের ড. রেনজো গুইন্তো, এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শরীফ আখতারুজ্জামান ও সহযোগী অধ্যাপক মুশতাক ইবনে আয়ূব।<o:p></o:p></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে  বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস ২০২৫ উদযাপন</title>
<link>https://digibanglatech.news/157767</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157767</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d52553f01dd.jpg" length="124606" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 25 Sep 2025 14:38:51 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস ২০২৫ উদযাপন করেছে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি (বিইউ) । বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের উদ্যোগে দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে ছিল র‌্যালি, আলোচনা সভা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ইন্টারেক্টিভ সেশন এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম।</p>
<p>এ বছর দিবসটির আন্তর্জাতিক প্রতিপাদ্য ছিল— “Think Health, Think Pharmacist”। দিবস উদযাপনের মূল লক্ষ্য ছিল জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালীকরণে ফার্মাসিস্টদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরা।</p>
<p>আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দক্ষ ও নৈতিক ফার্মাসিস্টরা শুধু ওষুধ ব্যবস্থাপনাতেই সীমাবদ্ধ নন; তাঁরা স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়ন, গবেষণা এবং প্রতিরোধমূলক পরিচর্যাতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। বক্তারা আরো উল্লেখ করেন, স্বাস্থ্যসেবার টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা অপরিহার্য। তাই নীতি প্রণয়ন থেকে শুরু করে সম্প্রদায়ভিত্তিক স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধিতেও তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।</p>
<p>আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি ফার্মেসি বিভাগের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এস. এম. আব্দুর রহমান, ফ্যাকাল্টি অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ইকোনমিক্স-এর ডীন অধ্যাপক ড. মো: তাজুল ইসলাম, ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ এবং ছাত্র কল্যাণ উপদেষ্টা রুবাইয়াত সাইমুম চৌধুরী প্রমুখ।</p>
<p>শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত জনসম্পৃক্ত কার্যক্রমে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি পুনরায় ঘোষণা করে যে প্রতিষ্ঠানটি দক্ষ, নৈতিক ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ফার্মাসিস্ট তৈরিতে অঙ্গীকারবদ্ধ।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আর্মড ফোর্সেস ইনস্টিটিউট প্যাথলজিতে ‘ফ্লো সাইটোমেট্রি’ কর্মশালা</title>
<link>https://digibanglatech.news/157591</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157591</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68ce4359c8cf8.jpg" length="117404" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 20 Sep 2025 09:23:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আর্মড ফোর্সেস ইনস্টিটিউট প্যাথলজিতে ‘ফ্লো সাইটোমেট্রি’ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।হেমাটোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশের পৃষ্ঠপোষকতায় রক্তরোগ বিশেষজ্ঞদের জন্য অভিজ্ঞ শিক্ষক ও কারিগরি বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে ১৯ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, দেশি-বিদেশি বিজ্ঞ হেমাটোলজিস্ট সরাসরি এবং ভিডিও টেলি-কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে ‘ফ্লো সাইটোমেট্রির’ মৌলিক ধারণা, বি-সেল লিম্ফোমা ও একাধিক লিম্ফোমার নির্ণয়, অ্যাকিউট লিউকেমিয়া নির্ণয়, অ্যাকিউট লিউকেমিয়া নির্ণয়ের চ্যালেঞ্জ এবং এমআরডির নীতি ও সাম্প্রতিক অগ্রগতি বিষয়ে আলোচনা করেন।</p>
<p>রক্তের ক্যানসার একটি প্রাণঘাতী রোগ। আমাদের দেশে এ ধরনের রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এ ধরনের রোগের চিকিৎসা কেবল কঠিনই নয়, বরং রোগ নির্ণয় করাও চ্যালেঞ্জিং।</p>
<p>রক্তের ক্যানসার প্রাথমিকভাবে নির্ণয়ের পরে তার সঠিক প্রকৃতি নির্ধারণে ‘ফ্লো সাইটোমেট্রি’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এএফআইপি এ পদ্ধতি অবলম্বনের ক্ষেত্রে অন্যতম পথিকৃৎ প্রতিষ্ঠান।</p>
<p>কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আর্মড ফোর্সেস ইনস্টিটিউট অব প্যাথলজি কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল নিশাত জুবাইদা। <span>এ ছাড়াও হেমাটোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট, এএফআইপির ডেপুটি কমান্ড্যান্ট এবং হেমাটোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, হেমাটোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক, আর্মি মেডিক্যাল কোরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান হতে ১১৬ জন রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ উপস্থিত ছিলেন।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সোনালী লাইফ&#45;মিলভিকের চুক্তি: গ্রাহকরা পাবেন ডিজিটাল স্বাস্থ্য সেবা</title>
<link>https://digibanglatech.news/157469</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157469</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68c84dd4db5d9.jpg" length="88321" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 15 Sep 2025 19:33:30 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>‎পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশের চতুর্থ প্রজন্মের জীবন বিমা কোম্পানি সোনালী লাইফ ইন্সুরেন্সের বিমা গ্রাহকরা এখন থেকে ডিজিটাল স্বাস্থ্য সেবা পাবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন কোম্পানির ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম।</p>
<p>তিনি বলেন, “ডিজিটাল জীবন বিমার পাশাপাশি ডিজিটাল স্বাস্থ্য সেবা দেওয়া হবে সোনালী লাইফ ইন্সুরেন্স গ্রাহকদের।”</p>
<p>১৫ সেপ্টেম্বর সোমবার সোনালী লাইফ ইন্সুরেন্স ও টেলি মেডিসিন সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান মিলভিক বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সোনালী লাইফের প্রধান কার্যালয়ে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>‎স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সোনালী লাইফের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন সোনালী লাইফের ভারপ্রাপ্ত মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, মিলভিক বাংলাদেশের পক্ষে কান্ট্রি ম্যানেজার মো. শিহাব উদ্দীন।</p>
<p>এ সময় উপস্থিত ছিলেন সোনালী লাইফের পরিচালক শেখ মোহাম্মদ ড্যানিয়েল, সিওও মোহাম্মদ মঞ্জুর মোর্শেদ, সিআইও হাসিব রেজা, এএমডি এমদাদুল হক সাহিল, মিলভিকের কান্ট্রি লিড (ফাইন্যান্স) রিয়াজ মোস্তফা, ইসরাত মোস্তফা সহ সোনালী লাইফের অন্যান্য কর্মকর্তা- কর্মচারীরা।</p>
<div id="content-details">
<p>‎এই চুক্তির আওতায় সোনালী লাইফের গ্রাহক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মিলভিক বাংলাদেশ এর টেলিমেডিসিন সেবা গ্রহণ করতে পারবে এবং মিলভিক বাংলাদেশ, সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স এর পরিকল্পসমূহ মিলভিকের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দ্রুত ও সহজলভ্য উপায়ে তার গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিবে।</p>
<p>সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ভারপ্রাপ্ত মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, “গ্রাহককেন্দ্রিক সেবা প্রদানের লক্ষ্যেই আমাদের এই উদ্যোগ। টেলিমেডিসিন সেবা যুক্ত হওয়ায় আমাদের গ্রাহকরা স্বাস্থ্য সেবা ও বিমা সুবিধা একই সঙ্গে সহজেই পাবেন।এটি সোনালী লাইফের ডিজিটাল রূপান্তরের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”</p>
<p>‎মিলভিক বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার মো. শিহাব উদ্দীন বলেন, “সোনালী লাইফের সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এর মাধ্যমে গ্রাহকেরা শুধু মানসম্মত স্বাস্থ্য সেবাই পাবেন না, বরং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আরো দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য বিমা সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।”</p>
<div class="adv-img text-center d-print-none"></div>
<p></p>
</div>
<div class="adv-img text-center d-print-none">
<div id="div-gpt-ad-2189815-8" class="text-center" data-google-query-id="CKyPm8Sl248DFXnJPAIdYYwpeA"></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গ্লোব বায়োটেকের বঙ্গভ্যাক্স টিকার মার্কিন প্যাটেন্ট অর্জন</title>
<link>https://digibanglatech.news/157424</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157424</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68c69886558fc.jpg" length="98203" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 14 Sep 2025 13:27:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের ওষুধশিল্পে নতুন অধ্যায় রচিত হলো। দেশীয় প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক আবিষ্কৃত কোভিড-১৯ টিকা ‘বঙ্গভ্যাক্স’ পেয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্যাটেন্ট (মেধাস্বত্ব)। স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনো টিকা বা ওষুধ উদ্ভাবন যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্যাটেন্ট স্বীকৃতি পেল।</p>
<p> ১৪ সেপ্টেম্বর, রবিবার বেলা ১২টায় রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় প্রতিষ্ঠানটি। গ্লোব বায়োটেকের মতে, প্যাটেন্টের এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে। দেশীয়ভাবে টিকা উৎপাদন হলে কম খরচে জনগণকে সাশ্রয়ী ও কার্যকর ভ্যাকসিন সরবরাহ সম্ভব হবে।</p>
<p>একই সঙ্গে বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। ২০২৬ সালে এলডিসি উত্তরণের পর মেধাস্বত্ব সুরক্ষার যে চ্যালেঞ্জ আসবে, এ অর্জন তা মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে প্রতিষ্ঠানটির আশা।</p>
<p>আর এ অর্জনকে বাংলাদেশের চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের অগ্রযাত্রায় নতুন মাত্রা হিসেবে দেখছেন টবিশেষজ্ঞরা।</p>
<p>গ্লোব বায়োটেক জানায়, করোনাভাইরাসের প্রকোপে বিশ্বব্যাপী মানুষ যখন দিশেহারা, তখন জাতীয় প্রয়োজনে গবেষণা শুরু করে তারা। বিজ্ঞানী কাকন নাগ ও নাজনীন সুলতানার তত্ত্বাবধানে তৈরি হয় কোভিড-১৯ শনাক্তকরণ কিট, ওষুধ এবং টিকা। এই গবেষণার ফলেই আবিষ্কৃত হয় বিশ্বের প্রথম এক ডোজের কার্যকর এমআরএনএ টিকা বঙ্গভ্যাক্স।</p>
<p>২০২০ সালে টিকাটির সম্পূর্ণ কোডিং সিকুয়েন্স প্রকাশিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের এনসিবিআই ডেটাবেসে। পরে এর গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয় আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মেডিকেল জার্নাল ভ্যাকসিন এবং সায়েন্টিফিক রিপোর্টস-এ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও একই বছরে এটিকে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।</p>
<p>গ্লোব বায়োটেক সূত্র জানায়, বানরের ওপর পরিচালিত ট্রায়ালে বঙ্গভ্যাক্স নিরাপদ ও কার্যকর প্রমাণিত হয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি ছিল প্রাণীর ওপর পরিচালিত প্রথম ভ্যাকসিন ট্রায়াল।</p>
<p>গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যাল গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ২০১৫ সালে পথচলা শুরু করে গ্লোব বায়োটেক। ক্যান্সার, আর্থ্রাইটিস, রক্তস্বল্পতা, উচ্চরক্তচাপ, অটোইমিউন ডিজিজসহ দুরারোগ্য রোগের চিকিৎসায় বায়োলজিক্স ও নতুন প্রজন্মের ওষুধ উদ্ভাবনের লক্ষ্যেই গড়ে ওঠে গবেষণাগারটি।</p>
<p>প্রতিষ্ঠানটির দাবি, বঙ্গভ্যাক্স এক ডোজেই করোনার বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কার্যকর। টিকাটি প্রস্তুতে ব্যবহার করা হয়েছে ন্যানোটেকনোলজি-ভিত্তিক নিজস্ব মৌলিক প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ভবিষ্যতে শুধু এমআরএনএ নয়, বরং ডিএনএ, প্রোটিন সাবইউনিট, নিষ্ক্রিয় ভাইরাস বা রিকম্বিন্যান্ট ভাইরাসভিত্তিক টিকাও তৈরি করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি ক্যান্সার ও ডায়াবেটিসের মতো রোগের আধুনিক ওষুধ তৈরিতেও এর প্রয়োগ ঘটানো যাবে।</p>
<p></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে প্রোস্টেট ক্যান্সার সচেতনতা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/157382</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157382</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68c2dd87a67dd.jpg" length="70459" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 11 Sep 2025 17:33:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span lang="BN-BD">ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে প্রোটেস্ট ক্যান্সার বিষয়ে সচেতনতা সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। </span><span lang="BN-BD">১১ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী কর্মসূচীর মধ্যে ছিল প্রোস্টেট ক্যান্সারের ওপর পোস্টার প্রেজেন্টেশন এবং কুইজ প্রতিযোগিতা। </span><span lang="BN-BD"></span></p>
<p><span lang="BN-BD">আয়োজনে তুলে ধরা হয়- প্রোস্টেট ক্যান্সার হলো এমন এক অবস্থা</span>, <span lang="BN-BD">যেখানে পুরুষদের প্রোস্টেট গ্রন্থির কোষ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠে। এর লক্ষণগুলোর মধ্যে থাকতে পারে যেমন- প্রস্রাবে অসুবিধা</span>, <span lang="BN-BD">প্রস্রাবের গতি ধীর বা দুর্বল হয়ে যাওয়া</span>, <span lang="BN-BD">রাতে বারবার প্রস্রাবের প্রয়োজন হওয়া এবং কখনও কখনও প্রস্রাবে রক্ত দেখা দেওয়া।<o:p></o:p></span><span lang="BN-BD"></span></p>
<p><span lang="BN-BD">সেমিনারে মূলপ্রবন্ধকার এভারকেয়ার হাসপাতালের রেডিয়েশন অনকোলজির সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. আরমান রেজা চৌধুরী</span><span lang="BN-BD"> বলেন</span>, “<span lang="BN-BD">প্রোস্টেট ক্যান্সার বিশ্বজুড়ে পুরুষদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বাধিক শনাক্ত ক্যান্সার</span>, <span lang="BN-BD">ফুসফুস ক্যান্সারের পরেই এর অবস্থান। ২০২২ সালে বৈশ্বিকভাবে নতুন শনাক্ত পুরুষ ক্যান্সার রোগীর প্রায় ১৪.২ শতাংশই প্রোস্টেট ক্যান্সার।</span><span lang="BN-BD">”</span><span lang="BN-BD"> </span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">তিনি আরও জানান</span>, <span lang="BN-BD">দক্ষিণ এশিয়ায় প্রোস্টেট ক্যান্সারের হার ক্রমেই বাড়ছে। বয়স</span>, <span lang="BN-BD">পারিবারিক ইতিহাস</span>, <span lang="BN-BD">খাদ্যাভ্যাস</span>, <span lang="BN-BD">স্থূলতা ও জীবনধারা এই রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তার মতে</span>, <span lang="BN-BD">৪৫</span><span lang="BN-BD">–</span><span lang="BN-BD">৫০ বছর বয়সী পুরুষদের নিয়মিত পিএসএ টেস্ট করে স্ক্রিনিং করানো উচিত। তিনি বলেন</span>, “<span lang="BN-BD">প্রোস্টেট ক্যান্সার ধীরগতিতে বৃদ্ধি পায় এবং সবোর্চ্চ ধাপেও সঠিক চিকিৎসা পেলে রোগীরা দীর্ঘদিন স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।</span><span lang="BN-BD">”</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">প্রোস্টেট ক্যান্সার চিকিৎসা ও সেবায় ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন</span>, “<span lang="BN-BD">প্রোস্টেট ক্যান্সার চিকিৎসায় ফার্মাসিস্টরা রোগীকে সঠিকভাবে ওষুধ গ্রহণে সহায়তা</span>, <span lang="BN-BD">পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ</span>, <span lang="BN-BD">গবেষণায় অংশগ্রহণ এবং রোগী ও চিকিৎসকের মাঝে সেতুবন্ধন তৈরির মাধ্যমে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।</span><span lang="BN-BD">”</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">বাংলাদেশে প্রোস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসা অত্যন্ত মানসম্মত বলে উল্লেখ করেন ডা. আরমান। তিনি বলেন</span>, “<span lang="BN-BD">আমাদের দেশে ইতোমধ্যেই শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠান প্রোস্টেট ক্যান্সারের ওষুধ বাজারজাত করছে</span>, <span lang="BN-BD">যা সাশ্রয়ী মূল্যে পাওয়া যাচ্ছে এবং রোগীরা সেগুলো ব্যবহার করে উপকৃত হচ্ছেন।</span><span lang="BN-BD">”</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার। তিনি বলেন</span>, “<span lang="BN-BD">আমাদের সবার নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা জরুরি। রোগ লুকিয়ে রাখা বা রোগের কারণে লজ্জা পেলে তা শরীরের জন্য মারাত্মক হতে পারে।</span><span lang="BN-BD">”</span><span lang="BN-BD"> তিনি প্রোস্টেট ক্যান্সারসহ রোগ প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হবার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন</span>, “<span lang="BN-BD">শুধুমাত্র স্বাস্থ্যবীমা দিয়ে সব কিছু সম্ভব নয়। আমাদের সবার সচেতন হতে হবে এবং এই ধরণের সচেতনতা প্রোগ্রাম বাড়াতে হবে।</span><span lang="BN-BD">”</span><o:p></o:p></p>
<p><o:p> </o:p><span lang="BN-BD">সেমিনারে বক্তব্য দেন স্কুল অফ ফার্মেসির ভারপ্রাপ্ত ডিন আ ফ ম ইউসুফ হায়দার। তিনি তার বক্তব্যে হাসপাতালগুলোতে আধুনিক যন্ত্রপাতির পাশাপাশি দক্ষ জনবল তৈরির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন। তিনি বলেন</span>, “<span lang="BN-BD">সব হাসপাতালে দক্ষ মেডিকেল ফিজিসিস্ট থাকা প্রয়োজন। প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারে আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা আরও উন্নত হয়েছে।</span><span lang="BN-BD">”</span><span lang="BN-BD"> তিনি তার বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের প্রতি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলারও আহ্বান জানান। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে</span>, <span lang="BN-BD">এই ধরণের কর্মসূচি সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যচর্চা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন স্কুল অফ ফার্মেসির সিনিয়র লেকচারার মোহাম্মদ কাওসার শরীফ সিয়াম। </span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">প্রোস্টেট ক্যান্সার সচেতনতা মাস উপলক্ষে প্রোস্টেট ক্যান্সার নিয়ে অনুষ্ঠিত সেমিনারটির যৌথ আয়োজক ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির স্কুল অফ ফার্মেসি</span>, <span lang="BN-BD">ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ফার্মা সোসাইটি এবং এভারেস্ট ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড এবং অফিস অফ কো-কারিকুলার অ্যাকটিভিজ। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, </span><span lang="BN-BD">পুরুষত্ব</span>, <span lang="BN-BD">স্বাস্থ্য ও দুর্বলতা নিয়ে প্রচলিত ধারণা ভেঙে সচেতনতা তৈরি</span>, <span lang="BN-BD">শিক্ষা বিস্তার এবং সবার মধ্যে সহযোগিতার মনোভাব বৃদ্ধি করার মাধ্যমে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-৩ (সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ) এবং এসডিজি-৪ (গুণগত শিক্ষা) অর্জনে এগিয়ে যাচ্ছে।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>২৫ সেপ্টেম্বর ঢাবিতে বসছে ক্যান্সার নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন</title>
<link>https://digibanglatech.news/157252</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157252</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68bd30528ddbf.jpg" length="136736" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 07 Sep 2025 10:14:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আগামী আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে বসছে ক্যান্সার বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন। বাংলাদেশে ক্যান্সার গবেষণা, চিকিৎসা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি বিভাগের উদ্যোগে UNESCO Participation Program 2024-25 এর অধীনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই সম্মেলন।</p>
<p>সম্মেলনের আয়োজক সহযোগী হিসেবে রয়েছে ক্যান্সার কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ ট্রাস্ট বাংলাদেশ (সিসিআরটিবি)। সম্মেলনে ক্যান্সার ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান ঘাটতি, শিক্ষার ও সচেতনতার অভাব, সামাজিক এবং চিকিৎসা সেবায় অসম সুযোগ নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে টেকসই সমাধান খুঁজবেন আলোচকরা। </p>
<p>সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ড. সায়েদুর রহমান।  দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট অনকোলজিস্ট ও গবেষকদের মধ্যে ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ড এর এমেরিটাস প্রফেসর  স্যার ওয়াল্টার বডমার; অঙ্কলজি ক্লাবের সভাপতি প্রফেসর এম. এ. হাই; বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির (বিএমইউ) অঙ্কলজি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. সৈয়দ মো. আকরাম হোসেন; সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের অ্যানাটোমিক্যাল প্যাথলজিস্ট  ড. জাবেদ ইকবাল; প্ল্যানেটারি হেলথ ইনিশিয়েটিভ ডিউক-এনইউএস মেডিকেল স্কুলের ড. রেনজো গুইন্তো; আইসডিডিআরবি’র, এমেরিটাস বিজ্ঞানী ড. ফেরদৌসি কাদরী; এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. শরীফ আখতারুজ্জামান আলোচক হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন। </p>
<p>আয়োজক সূত্রে জানাগেছে, সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য এরই মধ্যে শুরু হয়েছে অনলাইন নিবন্ধন। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ৩৫০ টাকা এবং পেশাজীবীরা ৭৫০ টাকা নিবন্ধন ফি দিয়ে <span style="color: rgb(10, 137, 17);"><a href="https://forms.gle/ry2Abr2rm61xJWyr8" target="_blank" rel="noopener" style="color: rgb(10, 137, 17);"><strong>এই ফরম পূরণ করে</strong></a></span> নাম নিবন্ধন করতে পারবেন। বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে <a href="https://ceab-ccrtb.conferencebd.com/" target="_blank" rel="noopener">কনফারেন্স ওয়েবসাইট</a> থেকে। সম্মেলনটিতে কারিগরি সহযোগিতা দিচ্ছে MarketEmo এবং একাডেমিক পার্টনার হিসেবে যুক্ত রয়েছে SingHealth ও HealthSynH।</p>
<p>সম্মেলনটি বাংলাদেশের ক্যান্সার ব্যবস্থাপনায় গবেষণা, নীতি নির্ধারণ এবং জনসচেতনতার ক্ষেত্রে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা প্রকাশ করছেন এর আয়োজকরা।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>উল্কাসেমি’র চিপ ব্যবহৃত হবে পোর্টেবল ইমেজ প্রসেসিং ডিভাইসে</title>
<link>https://digibanglatech.news/157234</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157234</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68bc36f96034f.jpg" length="158107" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 06 Sep 2025 11:28:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: HI;">এবার ত্রিমাত্রিক মেডিকেল ইমেজ প্রসেসিংয়ে সক্ষম চিপস বানাচ্ছে বাংলাদেশের বৈশ্বিক সেমিকন্ডক্ট ব্র্যান্ড উল্কাসেমি। এটি ব্যবহৃত হবে আল্ট্রা সাউন্ড মেশিনে। ‘মিনিয়েচার’ ভার্সনের এই চিপটি স্মার্টফোনে ব্যবহার করেই ত্রিমাত্রিক বা </span><span lang="BN" style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;">চতুর্মাত্রিক ক্ষে</span><span style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;">ত্রের ছবি দেখে চিকিৎকরা রোগীর রোগ নির্ণয় করে ব্যবস্থাপত্র দিতে সক্ষম হবেন বলে জানিয়েছেন উল্কাসেমি সিইও <span lang="BN">উল্কাসেমি সিইও এবং প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ এনায়েতুর রহমান</span>।<o:p></o:p></span></p>
<p><span style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;">নিজের লেখা ‘<span lang="BN">প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় সেমিকন্ডাক্টর ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা</span>’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের পর তেজগাঁওয়ে নিজের অফিসে আলাপকালে এমনটাই জানান তিনি। <o:p></o:p></span><span style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;">বললেন, </span><span style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: HI;">গত নয় বছর আগে বাংলাদেশে বসেই ছোট ছোট চিপ তৈরির কাজ শুরু করি। এগুলো শতভাগ আমেরিকায় ব্যবহৃত হয়। </span><span style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;">গত ৯ বছর ধরে আমরা <span lang="BN">ইন্টেলে</span>র <span lang="BN">চেয়ারম্যান </span>সিইও <span lang="BN">ওমর এস. ইশরাক </span>এর হেলথটেক প্রতিষ্ঠান <span lang="BN">মেডট্রনিক </span>এর জন্য চিপ তৈরি করছি। লেটেস্ট যেটি তৈরি করেছি সেটা থ্রি ডাইমেনশনাল মেডিকেল ইমেজিং হবে যেটা আল্ট্রাসাউন্ড মেশিনে ইউজ করা হবে। <o:p></o:p></span></p>
<p><span style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;">মিনিয়েচার টাইপের এ চিপটি</span><span style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: HI;"> </span><span lang="BN" style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;">যক্ষ্মা</span><span style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: HI;">, </span><span lang="BN" style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;">হৃদরোগ</span><span style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: HI;">, </span><span lang="BN" style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;">ফুসফুসের অসুখ</span><span style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: HI;">, </span><span lang="BN" style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;">ব্রেস্ট ক্যান্সার সনাক্তে </span><span style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;">করা যাবে বলে জানান তিনি। জানাগেছে, এটি ৯ বছর আগে তৈরির পর এর হার্ডওয়্যার, বোর্ড, ফার্মওয়্যার ও সফটওয়্যার টেস্ট করার পর ইমেজ প্রসেসিং সেন্সরে সফল হয়েছে। এরই মধ্যে এফডিআই অ্যাপ্রুভাল পেয়েছে। <span style="mso-spacerun: yes;">আর এটি পোর্টেবল ডিভাইসে ব্যবহার করতে যাচ্ছে <span>যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এক্সো ইমেজিং। সূত্রমতে, এই ডিভাইসটি শুরুতে গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে ব্যবহৃত হতে পারে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নির্ভর ওই পোর্টেবল আল্ট্রাসাউন্ড ডিভাইস বাংলাদেশের জন্য এক যুগান্তকারী সম্ভাবনা তৈরি করবে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। </span></span></span></p>
<p><span style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;">নিয়মিত গবেষণা ও উন্নয়নের ধারাবাহিতায় এবারের </span><span style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: HI;">ক্ষুদ্রাকৃতির চিপটি শুরুতে আইফোনে ব্যবহার করে চিকিৎসকরা সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন বলে জানান এনায়েতুর রহমান। আর এই কাজে সফলতা এলে এটি ‘নিঃসন্দেহে গেইম চেঞ্জার হবে’ বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন উল্কাসেমি সিইও। তিনি বলেন, এর ফলে মেডিকেল ডায়াগনস্টিকের খরচ কমবে। একই সঙ্গে পোর্টেবল সুবিধার ডিভাইস আনলে গ্রামে-গঞ্জে দ্রুত সেবা দেয়া যাবে। </span></p>
<p><span style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: HI;">তবে বাংলাদেশের বিপুল পরিমাণ প্রকৌশলীরা এই সেমিকন্ডাক্ট তৈরিতে জড়িত থাকলেও ভেন্ডরের পরামর্শে করায় ডিভাইসটির পেটেন্ট থাকছে না উল্কাসেমাইয়ের হাতে।    <o:p></o:p></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঢাকায় অ্যাস্থেটিক&#45;স্টেম সেল থেরাপি নিয়ে আন্তর্জাতিক সায়েন্টিফিক সেশন</title>
<link>https://digibanglatech.news/157218</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157218</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68bb1de43964d.jpg" length="60986" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 05 Sep 2025 18:29:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ‘অ্যাস্থেটিক ও স্টেম সেল থেরাপি’ বিষয়ক আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সেশন। পাশাপাশি প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে ত্বক ও চুলে স্টেম সেল থেরাপির আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পরিচালিত লাইভ ডেমোনস্ট্রেশন প্রদর্শিত হয়।</p>
<div class="ads">
<div>
<div data-id="47">৫ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার ইমপালস হাসপাতাল এবং ইনডেক্স গ্রুপের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</div>
</div>
</div>
<p>ইমপালস হাসপাতাল এবং ইনডেক্স গ্রুপের উদ্যোগে এ আয়োজনের আন্তর্জাতিক অংশীদার ছিল ডিওএফ কোরিয়া যারা বৈশ্বিকভাবে স্বাস্থ্যখাতে উদ্ভাবনের পথিকৃৎ।</p>
<p>সেশনের সভাপতিত্ব করেন ডা. মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, কনসালট্যান্ট ফ্যাকো সার্জন ও চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ আই হসপিটাল অ্যান্ড ইয়নস্টিটিউট।</p>
<p>মূল বক্তব্য প্রদান করেন কোরিয়া থেকে আগত অতিথি ডিওএফের চিফ অপারেটিং অফিসার সাংকিল তাক এবং হেড অব গ্লোবাল নেটওয়ার্কিং মিজেয়ং চোই।</p>
<p>ইনডেক্স গ্রুপের প্রধান নির্বাহী শফিউল্লাহ আল মুনির বলেন, বাংলাদেশে স্টেম সেল-ভিত্তিক চিকিৎসার নতুন অধ্যায় শুরু হলো। ডিওএফের সহযোগিতায় আমরা স্বাস্থ্য খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছি।</p>
<p>খুব শিগগিরই ইমপালস হাসপাতাল দেশে প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ স্টেম সেল থেরাপি সেন্টার চালু করতে যাচ্ছে, যা রোগীদের জন্য বিশ্বমানের চিকিৎসা স্থানীয় পর্যায়ে নিশ্চিত করবে।  </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশে পোর্টেবল এআই আলট্রাসাউন্ড ডিভাইস আনছে মার্কিন প্রতিষ্ঠান</title>
<link>https://digibanglatech.news/157197</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157197</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68ba5d7288b5f.jpg" length="89734" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 05 Sep 2025 00:04:34 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশে একটি ‘বৈপ্লবিক' পোর্টেবল এআই চালিত আলট্রাসাউন্ড ডিভাইস চালুর পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানি এক্সো ইমেজিং।  প্রতিষ্ঠানটি উদ্ভাবিত ডিভাইসটি হৃদরোগ, যক্ষ্মা, স্তন ক্যান্সার, ফুসফুসের রোগ, থাইরয়েড সমস্যা এবং গর্ভাবস্থা সম্পর্কিত জটিলতাসহ বিস্তৃত অবস্থার প্রাথমিক সনাক্তকরণে সহায়তা করতে পারে। </p>
<p>রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করে ৪ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার এ ঘোষণা দেন এক্সো ইমেজিংয়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ইউসুফ হক। এসময় প্রতিষ্ঠানটির অপর শীর্ষ ব্যক্তি সন্দীপ আক্কারাজুর উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসা প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এবং এক্সো’র প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা ইউসুফ হক জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে দেশের শীর্ষস্থানীয় হাসপাতালগুলোতে ডিভাইসটি আনার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।</p>
<div>
<p>তিনি বলেন, ‘এই ডিভাইসটি পোর্টেবল এবং অত্যন্ত দক্ষ হওয়ার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। উচ্চমানের ডায়াগনস্টিকগুলো এমনকি প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ব্যবহারযোগ্য। এটি বিশ্বজুড়ে, বিশেষ করে গ্রামীণ বাংলাদেশের মতো জায়গায় স্বাস্থ্যসেবায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে। শিগগিরই চিকিৎসক ও নার্সরা এটি স্টেথোস্কোপের মতো ব্যবহার করবেন।’</p>
<p>এক্সোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সন্দীপ আক্কারাজু বলেন, ‘এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এ প্রযুক্তি গ্রহণ করেছে, যা বর্তমানে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফডিএ) অনুমোদন সাপেক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে পাওয়া যাচ্ছে। আমরা শিগগিরই মেক্সিকো এবং লাতিন আমেরিকার কয়েকটি দেশে এটি চালু করার পরিকল্পনা করছি।’</p>
<div>
<div></div>
</div>
<p>এআইচালিত পোর্টেবল আলট্রাসাউন্ড ডিভাইসটি হৃদরোগ, যক্ষ্মা, স্তন ক্যান্সার, ফুসফুসের রোগ, থাইরয়েড সমস্যা এবং গর্ভাবস্থা সম্পর্কিত জটিলতাসহ বিস্তৃত অবস্থার প্রাথমিক সনাক্তকরণে সহায়তা করতে পারে।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তির পথে এটি একটি বড় পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ‘চিকিৎসা রোগ নির্ণয়ের সঙ্গে শুরু হয়। পরীক্ষার জন্য অপেক্ষা করতে করতে রোগীরা অনেক সময় বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এই প্রযুক্তি ডায়াগনস্টিককে রোগীর কাছাকাছি এনে সেই বোঝা কমাতে সাহায্য করতে পারে।’</p>
<p>ডিভাইসটির বহনযোগ্যতা তুলে ধরে ইউসুফ হক বলেন, ‘চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা দীর্ঘ অপেক্ষা বা ভ্রমণের প্রয়োজন দূর করে সরাসরি রোগীর কাছে ডিভাইস নিয়ে যেতে পারবেন।’</p>
<p>এক্সোর বোর্ড সদস্য ও ইনটেল করপোরেশনের সাবেক চেয়ারম্যান ওমর ইশরাক বলেন, ‘বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর জন্য এটি গেম চেঞ্জার। বিশ্বের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত। এই ধরনের প্রযুক্তি সেই ব্যবধান বন্ধ করতে সহায়তা করতে পারে।’</p>
<p>তিনি বলেন, ‘স্তন ক্যান্সারের মতো দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতায় আক্রান্ত রোগীদের ঘন ঘন স্ক্রিনিংয়ের প্রয়োজন হয়। এই ডিভাইসটি সেই প্রক্রিয়াটিকে আরও সুবিধাজনক করে তুলবে। এটি মূলত পরবর্তী প্রজন্মের স্টেথোস্কোপ- একটি শক্তিশালী সরঞ্জাম যা তাৎক্ষণিক, এআইচালিত ডায়াগনস্টিক অন্তর্দৃষ্টি সরবরাহ করে।’</p>
<p>আক্কারাজু আরও জানান যে, এক্সো স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের জরুরি ভিত্তিতে রোগীদের অগ্রাধিকার দিতে, ফলো-আপ অনুস্মারক প্রেরণ এবং রোগী এবং সরবরাহকারীদের মধ্যে যোগাযোগকে সহজতর করতে সহায়তা করার জন্য পরিপূরক সফটওয়্যার বিকাশ করছে। এটি টেলিমেডিসিনের পরবর্তী পর্যায়।</p>
<p>সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান, বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন ও এসডিজি বিষয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মোর্শেদ।</p>
</div>
<div></div>
<div>
<div>
<div id="BT_inner_A1_C2" data-google-query-id="CJDBj8XZwI8DFbOU2AUdwXsGGQ"></div>
</div>
</div>
<p> </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভবিষ্যতের মেডিসিন&#45; ফাস্টিং ও ফ্যাট</title>
<link>https://digibanglatech.news/157079</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157079</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68b5b292d6721.jpg" length="93711" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 01 Sep 2025 12:50:21 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ফাস্টিং এবং ফ্যাট নিয়ে গবেষণা করার জন্য প্রচুর তহবিল আসছে উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের সেন্টার অব ইন্টিগ্রেটেড মেডিসিনের কনসালট্যান্ট অধ্যাপক ড. মজিবুল হক বলেছেন, এখন এই ফাস্টিং এবং ফ্যাটকে ভবিষ্যতের মেডিসিন বলা হচ্ছে। তিনি জানান, দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকলেও এর মধ্যে মাঝখানে লেবুর পানি, ইসবগুলের ভূষি ও সবজু চা খেলে ফাস্টিং ভাঙে না। </span><span></span></p>
<p><span>মানুষের মাঝে বিদ্যমান চর্বি ভীতিকে (ফ্যাট ফোবিয়া) উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, চর্বি স্বাস্থ্যের জন্য সব সময় কিন্তু ক্ষতিকর নয়। শরীরে ৭০ শতাংশ অ্যান্টিবায়োটিক আসে খামারে বেড়ে ওঠা প্রাণীর গোস্ত থেকে। এভাবে নির্বিচারে অ্যান্টিবায়োটিক শরীরে গিয়ে মানুষের জন্য উপকারী গাট ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। ফলে শরীরে টক্সিসিটি (বিষক্রিয়া) বেড়ে যাচ্ছে। শরীরকে প্রাকৃতিক উপায়ে টক্সিসিটিমুক্ত করতে পারলেই নিরোগ থাকা সম্ভব। </span></p>
<p><span>হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে ডক্টরাল ও পোস্ট ডক্টরাল ডিগ্রিপ্রাপ্ত অধ্যাপকের মতে, দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকা বা ফাস্টিংকে হালকাভাবে দেো ঠিক নয়। এর পেছনে রয়েছে বিস্ময়কর বিজ্ঞান। আমরা বলে থাকি ‘আমি বা ওমুক সময়মতো খাওয়া-দাওয়া করে না বা করি না’ বলে স্বাস্থ্য ভালো না, অসুস্থ হয়ে গিয়েছি। কিন্তু এই ধারণা ভুল, টাইমলি না খাওয়াতেই কল্যাণ, এটাই ওষুধ। আপনি যখন খাচ্ছেন না, তখন আপনার শরীরের অন্য কিছু খাচ্ছে, আপনার শরীরে থাকা টক্সিসিটি পরিষ্কার হয়ে যায় তখন। </span></p>
<p><span>রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে আমেরিকান ওয়েলনেস সেন্টারের (এডব্লিউসি) উদ্যোগে ৩১ আগস্ট, রবিবার সন্ধ্যায় নিজের স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক বই ‘সুস্থতার মূলমন্ত্র’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। </span></p>
<p><span>জীবন যাপন পদ্ধতির পরিবর্তনের মাধ্যমে সুস্থ থাকার বিষয়ে বইয়ে সন্বিবেশিত বিষয়বস্তুর নানা দিক তুলে ধরেন ড. মজিবুল হক। বলেন, সুস্থ থাকতে জীবন যাপন পদ্ধতির পরিবর্তন ও ব্যস্ততার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। এটা নিশ্চিত করতে পারলে ওষুধ ছাড়াই সস্থ থাকা সম্ভব।</span></p>
<p><span>তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্রকৃতি থেকে দূরে সরে গেছি। ঢাকা শহরে কোনো পার্ক নেই, মানুষ কীভাবে বেঁচে থাকে?’</span></p>
<p><span>সুস্থ থাকতে নিয়মিত শরীর চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, সুস্থ থাকতে যেটুকু খেলার জায়গা আছে, সেটুকু কাজে লাগাতে হবে। সকাল-বিকাল একটু পানির কাছে, বাগানে ও পার্কে যাওয়া উচিত। সবাই যাওয়া শুরু করলে রমনা আর চন্দ্রিমায় জায়গা হবে না, তখনই আরও জায়গা তৈরি হয়ে যাবে।</span></p>
<p><span>স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেন অধ্যাপক ড. মজিবুল হক বলেন, যদি শর্করা (কার্বো-হাইড্রেড) বাদ এবং সঙ্গে ফ্যাটিফুড যুক্ত করা হয়, তাহলে এটা হবে আপনার জন্য ওষুধ। আলোচনায় চাল ও চিনিসহ সকল সাদা খাবার পরিহারের পরামর্শ দেন তিনি। </span></p>
<p><span>তিনি দর্শকদের উদ্দেশ্যে আরো বলেন, আধুনিক জীবন-যাপনে অভ্যস্ত হয়ে যাওয়ায় আমাদের ডায়েটে পরিবর্তন এসে গেছে, ইলেকট্রনিক ডিভাইস বেশি বেশি ব্যবহারের কারণে আমরা রেডিয়েশনের শিকার হচ্ছি। এ কারণে মানসিক চাপে (মেন্টাল স্ট্রেস) ভুগছি, ঘুম হচ্ছে না। আর এর ফল স্বরূপ আমরা নানা ধরনের রোগে ভুগছি। সাদা চিনি, সাদা আটা, বেশি ক্যালরি গ্রহণ এবং ননস্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগ (এনএসএআইডি) আমাদের শারীরিক ক্ষতি ডেকে আনছে। তাছাড়া পোল্ট্রিজাত প্রাণী, দুধ ও ডিম খাওয়ার কারণে আমাদের শরীরে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। </span></p>
<p><span>অধ্যাপক মজিবুল হক বলেন, পোল্ট্রি খাবারে ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক আমাদের শরীরে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে। বাংলাদেশে কোনো গবেষণা না থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রে বছরে দুই কোটি ৯০ লাখ পাউন্ড অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার হয়ে থাকে লাইভস্টক ফার্মে।  </span></p>
<p><span>তিনি বলেন, সাম্প্রতিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, প্রক্রিয়াজাত খাবার (প্রসেসফুড) এবং কেমিকেল ইন্টারভেনশনের কারণে নানা রোগ হচ্ছে আমাদের। তিনি উপস্থিত দর্শকদের উদ্দেশ্যে বলেন, লাল গোসত (রেডমিট) থেকে প্রাপ্ত চর্বি স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। লাল গোসতের মধ্যে ১১ ধরনের উপকারি অ্যামিনু এসিড এবং অনেক ধরনের খনিজ পদার্থ রয়েছে। এটা খাওয়া উপকারী কিন্তু বেশি খাওয়া অবশ্যই ক্ষতিকর। </span></p>
<p><span>ড. মজিবুল হক বলেন, আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ফাস্টিং এবং ফ্যাট নিয়ে গবেষণা করার জন্য প্রচুর তহবিল আসছে। কারণ এই ফাস্টিং এবং ফ্যাটকে ভবিষ্যতের মেডিসিন বলা হচ্ছে। তিনি জানান, দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকলেও এর মধ্যে মাঝখানে লেবুর পানি, ইসবগুলের ভূষি ও সবজু চা খেলে ফাস্টিং ভাঙে না। </span></p>
<p><span>এই  বৈজ্ঞানিক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে </span>স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইদুর রহমান বলেন, আমরা যদি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে বিনিয়োগ করি, তা শুধু আজকের জন্য নয়, দীর্ঘমেয়াদে দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে। মানুষ যদি সময়মতো স্বাস্থ্য পরীক্ষা করায়, সঠিক খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করে এবং জীবনযাপনে সতর্ক থাকে, তবে ব্যয়বহুল চিকিৎসা সেবার প্রয়োজনীয়তা অনেকাংশে কমে যাবে।</p>
<p>তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য খাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে। যদি জনগণ নিজেদের স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন হয় এবং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার দিকে মনোনিবেশ করে, তবে শুধু স্বাস্থ্য খাতে নয়, পুরো দেশের অর্থনীতিতেও তা একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। <span>এডব্লিউসির প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. মজিবুল হক সেমিনারে তার ১১ বছরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। </span></p>
<p>স্বাস্থ্য সচিব অভ্যন্তরীণ চিকিৎসা খাতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাপনার সংযোজনকে একটি বৈপ্লবিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখেন। </p>
<p>মোহাম্মদ সাইদুর রহমান বলেন, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিলে যেসব রোগের চিকিৎসা গ্রহণে মানুষ ব্যয় করে, সেগুলোর পূর্বাভাস করা সম্ভব হবে। যার ফলে শুধু চিকিৎসার খরচ কমবে না, মানুষের কর্মক্ষমতা ও স্বাস্থ্যও উন্নত হবে।</p>
<p>এডব্লিউসির চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হকের সভাপতিত্বে আয়োজিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের বিভিন্ন বিশিষ্ট পেশাজীবী, শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবী ব্যক্তিরা। সেমিনারে যুক্তরাষ্ট্রের দ্য সেন্টার অব ইন্টিগ্রেটিভ মেডিসিনের কনসালটেন্ট অধ্যাপক ড. মজিবুল হক মূল আলোচক হিসেবে অংশগ্রহণ করেন এবং স্বাস্থ্যসেবার উন্নতি নিয়ে দর্শকদের প্রশ্নের উত্তর দেন।</p>
<p>এছাড়াও সেমিনারে আমেরিকান ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফডিএ) দিক থেকে খাদ্য ও চিকিৎসার সংমিশ্রণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সেখানে বলা হয়, আমরা যে খাদ্য গ্রহণ করি, তাতে ব্যবহৃত রাসায়নিক পদার্থ আমাদের শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির সৃষ্টি করতে পারে।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্বাস্থ্য খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করতে চায় চীন: রাষ্ট্রদূত</title>
<link>https://digibanglatech.news/157036</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157036</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68b48b828e733.jpg" length="86570" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 31 Aug 2025 16:51:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull">ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, চীন স্বাস্থ্যসেবা খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা গভীর করতে ইচ্ছুক— এটি দুই দেশের মধ্যে সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারত্বের ক্ষেত্রে একটি নতুন আলোচ্য বিষয় করে তুলবে এবং উভয় দেশের জনগণের জন্য আরও সুবিধা বয়ে আনবে।</p>
<p class="alignfull">৩১ আগস্ট, রবিবার চীনের সহায়তায় বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে রোবটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা.  মো. সায়েদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p class="alignfull">রাষ্ট্রদূত ইয়াও বলেন, জাতীয় উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে স্বাস্থ্যসেবা অত্যাবশ্যক। রোবটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার চালু করা দুই দেশের নেতাদের মধ্যে অর্জিত গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্য বাস্তবায়নে একটি দৃঢ় পদক্ষেপ এবং এটি চীন-বাংলাদেশ চিকিৎসা সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।</p>
<p class="alignfull">সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চীন সরকারের সহায়তায় নির্মিত এই পূর্ণাঙ্গ রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারকে দক্ষিণ এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম সেন্টার, যা বাংলাদেশের চিকিৎসা খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং স্নায়ুবিক জটিলতায় ভোগা অসংখ্য মানুষের জীবনে আশার আলো হয়ে উঠবে।</p>
<p class="alignfull">উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম।</p>
<p class="alignfull">উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম রোগীদের পুনর্বাসন ও বাংলাদেশের চিকিৎসার মান উন্নয়নে রোবটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারের অপরিহার্য ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশের সবচেয়ে সংকটময় সময়ে সবসময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য চীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করতে আরও সহযোগিতার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</p>
<p class="alignfull">প্রধান অতিথির বক্তব্যে নূরজাহান বেগম বলেন, আমাদের প্রধান উপদেষ্টা যখন চীন সফরে গিয়েছিলেন, তখন বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে এক হাজার শয্যার হাসপাতাল রংপুরে নির্মাণের বিষয়ও রয়েছে। সেই সফরে জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে আহতদের চিকিৎসার জন্য মাত্র ১০-১২টি রোবট চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু চীন আমাদের ৫৭টি রোবট উপহার দিয়েছে, যা সত্যিই অপ্রত্যাশিত। একইসঙ্গে ২৯ জন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীকে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণও দিয়েছে তারা। এটি প্রমাণ করে-বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক কতটা গভীর ও সহযোগিতামূলক।</p>
<p class="alignfull">তিনি আরও বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানসহ দেশের বড় বড় দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসায় চীনের এই সহায়তা আমাদের জন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে। এই রোবোটিক সেন্টার যেন শুধু ঢাকায় সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া যায়-এ বিষয়ে আমি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।</p>
<article class="jw_detail_content_holder jw_detail_content_body content mb16">
<div itemprop="articleBody" class="viewport jw_article_body">
<p class="alignfull">ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এম এ শাকুর বলেন, এই সেন্টার ইতোমধ্যে জুলাই মাসের আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি স্ট্রোক ও দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত রোগী এবং যাদের দীর্ঘ মেয়াদে থেরাপি প্রয়োজন—তাদের জন্য এই সেন্টার হবে আশীর্বাদস্বরূপ। বিশেষ করে যারা হাত-পায়ের সূক্ষ্ম কাজের সক্ষমতা হারিয়েছেন, এআই-নির্ভর রোবটের মাধ্যমে তাদের সেই ক্ষমতা পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে।</p>
<p class="alignfull">অনুষ্ঠান শেষে সেন্টার পরিচালনায় প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। এর আগে লেকচার গ্যালারিতে প্রজেক্টরের মাধ্যমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সরাসরি প্রদর্শন করা হয়।</p>
</div>
</article>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশের প্রথম রোবটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে ৬২টি রোবট</title>
<link>https://digibanglatech.news/157022</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157022</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68b3bc279a0bf.jpg" length="86339" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 31 Aug 2025 09:05:56 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আধুনিক প্রযুক্তি-নির্ভর পুনর্বাসন চিকিৎসায় এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে বাংলাদেশ। পক্ষাঘাতগ্রস্ত ও দীর্ঘমেয়াদি স্নায়ুজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের পুনর্বাসনে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপারস্পেশালাইজড হাসপাতালে স্থাপিত হয়েছে দেশের প্রথম রোবটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার। এখানে রয়েছে মোট ৬২টি রোবট।</p>
<p>এর মধ্যে ২২টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক। এসব রোবটের মাধ্যমে রোগীর অবস্থা অনুযায়ী অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফিজিওথেরাপি, স্নায়ুবিক পুনর্বাসন এবং দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব।</p>
<p>বিএমইউ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সেন্টারটি চালুর পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে চীনের সাত সদস্যের বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের একটি বিশেষজ্ঞ দলের নেতৃত্বে ইতোমধ্যে ২৭ জন চিকিৎসক ও ফিজিওথেরাপিস্টকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনবল অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা অর্জন করলে এবং প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হলে সেন্টারটি যেসব রোগী স্ট্রোক, পক্ষাঘাত, স্নায়ুবিক বৈকল্য, দীর্ঘমেয়াদি ব্যথা, নার্ভ ইনজুরি, ফ্রোজেন শোল্ডার, দুর্ঘটনাজনিত জটিলতা বা শরীরের অঙ্গের দুর্বলতাসহ জটিল পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন তাদের উপকারে আসবে।</p>
<p> ৩১ আগস্ট রবিবার সকালে সেন্টরটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান এবং ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত, মি. ইয়াও ওয়েন। অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করবেন বিএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শাহিনুল আলম।</p>
<p>গত ১০ জুলাই রোবটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে সীমিত পরিসরে পাইলট প্রকল্প শুরু হয় চীনের কারিগরি সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত এই সেন্টারটি। </p>
<p>সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চীনের সরকার এ প্রকল্পে প্রায় ২০ কোটি টাকা মূল্যের রোবটিক যন্ত্রপাতি অনুদান দিয়েছে। প্রযুক্তির দিক থেকে এই সেন্টারটি হবে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম আধুনিক রোবটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার; যা বাংলাদেশের চিকিৎসা খাতে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক হয়ে উঠবে।</p>
<div>
<div>
<div id="BT_inner_A1_C2" data-google-query-id="CMCutpeGtI8DFTulZgIdiHk9oA"></div>
</div>
</div>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অত্যাবশ্যকীয় ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ করবে সরকার</title>
<link>https://digibanglatech.news/156861</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156861</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68adf50521ab6.jpg" length="56892" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 26 Aug 2025 20:56:02 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>স্বাস্থ্য ব্যয় কমাতে অত্যাবশ্যকীয় ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ করবে সরকার। এ লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) কারিগরি সহায়তা চেয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।</p>
<p>২৬ আগস্ট, মঙ্গলবার ঢাকার শহীদ আবু সাঈদ আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে) অধ্যাপক মো. সায়েদুর রহমান এ কথা জানিয়েছেন। 'প্রথমে আমরা অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ, এরপর অত্যাবশ্যকীয় ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার তালিকা তৈরি করব। তারপর দাম নির্ধারণ করব' জানিয়ে তিনি বলেন, দুই বা তিনটি শ্রেণিতে দাম নির্ধারণ করা হতে পারে।</p>
<p>স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত 'স্বাস্থ্যসেবায় গণমাধ্যমের ভূমিকা' শীর্ষক এ সভায় মন্ত্রণালয় ও এর অধীনস্থ বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।</p>
<p>সায়েদুর রহমান জানান, স্বাস্থ্য সেবা পেতে দেশের মানুষ যে অর্থ ব্যয় করে তার প্রায় ৬৪ থেকে ৬৭ শতাংশ খরচ হয় ওষুধ কিনতে এবং ১১ থেকে ১২ শতাংশ ব্যয় হয় বিভিন্ন ধরনের ডায়াগনস্টিক পরীক্ষায়।</p>
<p>এতে অনেক পরিবার দারিদ্র্যের দিকে চলে যায়। মানুষের ওপর থেকে চাপ কমাতে তাই সরকারকে এই দুটি খাতে হস্তক্ষেপ করতে হবে, যোগ করেন তিনি।</p>
<p>তিনি আরও জানান, অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা প্রণয়ন এবং এর দাম নির্ধারণে একটি প্রক্রিয়া তৈরি করতে সরকার ইতোমধ্যেই একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছে।</p>
<div>
<p>সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অত্যাবশ্যকীয় ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার তালিকা তৈরির প্রস্তাব দেয় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের কারিগরি সহায়তা চায়।</p>
<p>অধ্যাপক সায়েদুর আরও জানান, সে সময় ডব্লিউএইচও দল বলেছিল যে, এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে এমন অল্প কয়েকটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ একটি।</p>
<p></p>
</div>
<div class="mb-20 mr-20 hide-for-print dfp-tag-wrapper text-center">
<div id="dfp-ad-bn_six_banner-wrapper" class="dfp-tag-wrapper"></div>
</div>
<div class="mb-20 mr-20 hide-for-print dfp-tag-wrapper text-center ">
<div class="rsi-dfp-loader processed" data-slot-id="bn_five_banner_68adf410ed0bf" data-adunit="/34728570/bn_five_banner" data-size="[300, 250]" data-targeting="{" type":"news","nid":"695356","category":["\u09b8\u09cd\u09ac\u09be\u09b8\u09cd\u09a5\u09cd\u09af\u09b8\u09c7\u09ac\u09be","\u09b8\u09cd\u09ac\u09be\u09b8\u09cd\u09a5\u09cd\u09af"],"category":["type-node","node-695356","\u09b8\u09cd\u09ac\u09be\u09b8\u09cd\u09a5\u09cd\u09af\u09b8\u09c7\u09ac\u09be","\u09b8\u09cd\u09ac\u09be\u09b8\u09cd\u09a5\u09cd\u09af"]}"="">
<div id="bn_five_banner_68adf410ed0bf" data-google-query-id="CPXYkY-FqY8DFUSoZgIdnJs7FQ"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইএফটি&#45;তে বেতন পাচ্ছেন কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মীরা</title>
<link>https://digibanglatech.news/156763</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156763</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68aab3818de12.jpg" length="37365" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 24 Aug 2025 09:38:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-block-key="tzxyi">গত ২২ আগস্ট থেকে ইএফটির (ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার) মাধ্যমে বেতন পেতে শুরু করেছেন কমিউনিটি ক্লিনিক হেলথ কেয়ার প্রোভাইডাররা (সিএইচসিপি)। </p>
<p data-block-key="tzxyi">কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আখতারুজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন। </p>
<p data-block-key="tzxyi">তার প্রত্যাশা, এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে বেতন প্রাপ্তির পদ্ধতিগত জটিলতায় ভোগান্তিতে কমার পাশাপাশি বেতন তুলতে গিয়ে বাড়তি খরচ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বেতন পাবেন সারাদেশের কমিউনিটি ক্লিনিকে কাজ করা প্রায় ১৪ হাজার স্বাস্থ্য কর্মী। </p>
<p>২৩ আগস্ট, শনিবার কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আখতারুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, বেতন ছাড়াও সরকার প্রদত্ত যে কোনো পারিতোষিক এখন থেকে বিকাশের মাধ্যমে দেওয়া হবে। এর ফলে সিস্টেম লস শূন্যে নেমে এসেছে। পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়েছে। </p>
<div>
<div>
<div>
<p data-block-key="3k4">জানা গেছে, বেতন ছাড়াও সিএইচসিপিদেরকে সরকার প্রদত্ত যে কোনো পারিতোষিক (অর্থ) চলতি মাস থেকে বিকাশের মাধ্যমে দেওয়া শুরু হয়েছে। এই পদ্ধতিতে সিস্টেম লস শূন্যে নামানো সম্ভব হয়েছে। স্বাস্থ্যকর্মীদের বেতন-ভাতা প্রদানে স্বচ্ছতা আনতে এই উদ্যোগকে কমিউনিটি ক্লিনিক ট্রাস্টের যুগান্তকারী সাফল্য মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।</p>
<p data-block-key="dgs19">প্রথমে সিএইচসিপিদের চাকরি প্রকল্পের অধীনে থাকায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের চতুর্থ সেক্টর প্রোগ্রামের অপারেশনাল প্ল্যান (ওপি) মাধ্যমে বেতন দেওয়া হত। অন্তর্বর্তী সরকার সিএইচসিপিদের চাকরি ট্রাস্টে ন্যস্ত করেছে। সবশেষ গত জানুয়ারিতে ১৬তম গ্রেডের এই স্বাস্থ্যকর্মীদের চাকরি জাতীয়করণ করা হয়। </p>
<p>সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বেতন প্রদানে ইএফটি এবং পারিতোষিক প্রদানে বিকাশ ব্যবহারের উদ্যোগটি কমিউনিটি ক্লিনিক হেলথ সাপোর্ট ট্রাস্টের যুগান্তকারী সাফল্য। এতে শুধু স্বচ্ছতা নয়, বরং গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায় যুক্ত কর্মীদের মনোবল ও আস্থা বৃদ্ধি পাবে।</p>
</div>
</div>
</div>
<div></div>
<p data-block-key="2sm29"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশে প্রথম অস্ত্রোপচার ছাড়া হৃদযন্ত্রের ভালভ প্রতিস্থাপন</title>
<link>https://digibanglatech.news/156657</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156657</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68a53b666cb55.jpg" length="106261" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 19 Aug 2025 23:53:31 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের ক্যাথল্যাবে দেশে প্রথমবারের মতো কোনো ধরনের অস্ত্রোপচার ছাড়াই হৃদযন্ত্রের ‘ভেনাস পি-ভালভ’ (Venus P-Valve) সফলভাবে প্রতিস্থাপন করা হলো। এক রোগীর দেহে ১৯ আগস্ট, মঙ্গলবার এই </span><span>প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া পরিচালনা করেন প্রখ্যাত শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. শাকিল আহমেদ কুরেশি ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত চিকিৎসক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) অধ্যাপক নূরুন্নাহার ফাতেমা। ২০ আগস্ট, বুধবার একই হাসপাতালে আরও দুই রোগীর ভেনাস পি-ভাল্ব ভাল্ব প্রতিস্থাপন করা হবে। একই সঙ্গে আরেক রোগীর দেহে প্রতিস্থাপন করা হবে মাই ভ্যাল, যা দেশের দ্বিতীয় প্রতিস্থাপন।</span></p>
<p><span>কিডস হার্ট ফাউন্ডেশন-এর উদ্যোগে চলমান দুই দিনের জাতীয় ইন্টারভেনশনাল পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজি কংগ্রেস (এনসিআইপিসি)-এর লাইভ ওয়ার্কশপ এ অপারেশন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হচ্ছে। </span></p>
<p>কিডস হার্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ রাজধানীর রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট থেকে প্রধম দিন ওয়ার্কশপে প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেন দেশি-বিদেশি হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জনরা। দেশি ও বিদেশি বিপুল সংখ্যক ইন্টারভেনশনাল শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, শিশু বিশেষজ্ঞ, প্রাপ্তবয়স্কদের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ এবং শিশু হৃদরোগ সার্জনরাও যোগ দেন। এদিন বিশিষ্ট শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ড. শিবাকুমার যোগ দিতে না পারলেও বুধবার সকালে নির্ধারিত বাকি তিন প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়ায় যোগ দেবেন তিনি।</p>
<p></p>
<p>এর আগে মঙ্গলবার সকালে রিজেন্সিতে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) অধ্যাপক ডা. নূরুন নাহার ফাতেমার উদ্বোধনী বক্তব্যের মাধ্যমে কংগ্রেসের সূচনা হয়। এ অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিলেন প্রখ্যাত শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. শাকিল আহমেদ কুরেশি (ইভেলিনা চিলড্রেন হাসপাতাল, লন্ডন, যুক্তরাজ্য)।</p>
<p>শিশু হৃদরোগ চিকিৎসার ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য অনুষ্ঠানে তাকে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার প্রদান করেন উদ্বোধনী ও আজীবন সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান। এ সময় অধ্যাপক ডা. শাকিল আহমেদ কুরেশি তার কর্মজীবনের সূচনা থেকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিত হয়ে ওঠার অনুপ্রেরণামূলক যাত্রা তুলে ধরেন, যা তরুণ ও অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের অনুপ্রাণিত করে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x_68a53ba6129ed.jpg" alt=""></p>
<p>বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন এবং রিসার্চ ইনস্টিটিউট চিফ কনসালট্যান্ট কার্ডিলজিস্ট অধ্যাপক ডা. ফজিলাতুন্নেসা মালিক, বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএ) সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশ নিওনেটাল ফোরামের (বিএনএফ) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক ড. নাজমুন নাহার, বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটির আহ্বায়ক এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) মেডিকেল টেকনোলজি অনুষদের ডিন ও কার্ডিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সফিউদ্দিন, বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জন্সের (বিসিপিএস) সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লাহ ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের (এনআইসিভিডি) সাবেক পরিচালক, বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের ডিএমএস ও কনসালটেন্ট অধ্যাপক ডা. আবদুল্লাহ আল শাফি মজুমদার।</p>
<p>শিশুদের জন্মগত হৃদরোগের চিকিৎসা সুবিধাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন অনুষ্ঠানে আগত বিশেষ অতিথিবৃন্দ। তারা বলেন, দেশের প্রতিটি জেলা পর্যায়ের হাসপাতালে পেডিয়াট্রিক কার্ডিয়াক প্রোগ্রাম চালু করতে হবে। বর্তমানে কেবল ঢাকার কয়েকটি হাসপাতালে এই বিশেষায়িত চিকিৎসা সুবিধা সীমাবদ্ধ থাকায়, দেশের অন্যান্য অঞ্চলের শিশুরা বঞ্চিত হচ্ছে।</p>
<p>কংগ্রেসে দেশি-বিদেশি খ্যাতনামা শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের উপস্থাপিত বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ এবং আলোচনার পাশাপাশি চিকিৎসা ক্ষেত্রে সর্বশেষ অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে ফলপ্রসূ মতবিনিময় হয়।</p>
<p>কংগ্রেসে আয়োজিত লাইভ ওয়ার্কশপে শিশু হৃদরোগ চিকিৎসায় ব্যবহৃত অত্যাধুনিক প্রযুক্তি প্রদর্শন করা হয়, যা সরাসরি ক্যাথ ল্যাব থেকে সম্প্রচারিত হয়।</p>
<p>এ ছাড়াও প্রায়োগিক দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য তিনটি বিশেষ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিচালিত হয়। সেগুলো হলো—মেকানিক্যাল ভেন্টিলেশন, সেন্ট্রাল লাইন ইনসারশন ও ইকোকার্ডিওগ্রাফি।</p>
<p>এতে মোট ১১০ জন প্রশিক্ষণার্থী অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকদের কাছ থেকে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।</p>
<p>কিডস হার্ট ফাউন্ডেশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক অধ্যাপক নূরুন্নাহার ফাতেমা সকল অংশগ্রহণকারী আলোচক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এই কংগ্রেস বাংলাদেশের শিশু হৃদরোগ চিকিৎসার উন্নয়ন যাত্রায় একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।</p>
<p></p>
<p><span></span></p>
<p><span> </span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>যেভাবে অনলাইনে স্কুলে স্কুলে টাইফয়েড টিকার রেজিস্ট্রেশন</title>
<link>https://digibanglatech.news/156384</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156384</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_689a296938937.jpg" length="78860" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 11 Aug 2025 20:33:44 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের প্রায় ৫ কোটি শিশু-কিশোরকে টাইফয়েডের টিকা দেবে সরকার। ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সীরা (১৪ বছর ১১ মাস ২৯ দিন বয়স পর্যন্ত) নিতে পারবেন এই টিকা। আগামী ১ সেপ্টেম্বর টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। প্রথম ১০ দিন শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ স্কুলে এই টিকা দেওয়া হবে। স্কুলে শিক্ষার্থীদের টিকা নিতে আগেই শিক্ষার্থীর নাম নিবন্ধন করতে হবে অনলাইনে। এজন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা, মাদরাসা এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকেও পৃথকভাবে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে শিক্ষার্থীদের এ টিকা নিতে রেজিস্ট্রেশনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>নির্দেশনা অনুযায়ী, <span>টাইফয়েডের টিকা নিতে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করতে এই </span><strong><a title="ওয়েবসাইটে" href="https://vaxepi.gov.bd/registration/tcv" target="_blank" rel="nofollow noopener">ওয়েবসাইটে</a></strong><span><strong> </strong>প্রবেশ করতে হবে। </span></p>
<p><span>এক্ষেত্রে ওয়েব ফরমে প্রথমে জন্মতারিখ দিতে হবে। দিন, মাস ও বছরের ঘর পূরণ করতে হবে। এরপর প্রয়োজন হবে ১৭ সংখ্যার জন্ম নিবন্ধন সনদ। জন্ম নিবন্ধন সনদের নম্বর ইংরেজিতে লিখতে হবে। কারও জন্ম নিবন্ধন সনদ না থাকলেও বাবা-মায়ের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করেও নিবন্ধন করা যাবে। এরপর নারী না পুরুষ ঘরটি পূরণ করতে হবে। তারপর একটি ক্যাপচা কোড পূরণের মাধ্যমে আবেদনকারীর সব তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে পরের ধাপে যাওয়া যাবে।</span></p>
<p>পরের ধাপে গিয়ে আবেদনকারী মা-বাবার মোবাইল নম্বর, ই-মেইল, পাসপোর্ট নম্বর, বর্তমান ঠিকানা না দিতে চাইলেও সাবমিট করা যাবে। ‘সাবমিট’ করার পর মোবাইল ফোনে আসা একটি ‘ওটিপি’ দেওয়ার মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশনের প্রাথমিক প্রক্রিয়া শেষ হবে।</p>
<p>দ্বিতীয় ধাপে টাইফয়েড অথবা মেনিনজাইটিসের মধ্য থেকে একটি বাছাই করতে হবে। টাইফয়েড অংশে ক্লিক করলে দুটি অপশন আসবে- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত নবম শ্রেণি ও সমমান পর্যন্ত সব শিক্ষার্থী অথবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানবহির্ভূত ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী সব শিশু।</p>
<p>এখান থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অপশনে গেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম, পুরো ঠিকানা, কোন শ্রেণিতে অধ্যয়নরত তা পূরণ করতে হবে। এরপর সাবমিট করলে টিকাদান কেন্দ্রের তথ্য আসবে। যে স্কুলে শিক্ষার্থী টিকা নিতে চায়, সেটা সিলেক্ট করতে হবে।</p>
<p>তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানবহির্ভূত অপশনে গেলেও নিকটস্থ টিকাদানকেন্দ্র বাছাই করে নিতে হবে। এরপর ‘সাবমিট’ করতে হবে। সাবমিট করার পর ভ্যাকসিন কার্ড আসবে। সেখানে ভ্যাকসিন কার্ড ডাউনলোড করতে হবে। এ কার্ড নিয়ে নির্ধারিত দিনে টিকাদানকেন্দ্রে যেতে হবে।</p>
<p>টিকা দেওয়ার পর অনলাইনেই পাওয়া যাবে টাইফয়েড ভ্যাকসিন সার্টিফিকেট। এটি অনলাইন থেকে ডাউনলোড করে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা সংগ্রহে রাখতে পারবেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ড্যাবের নির্বাচনে হারুন&#45;শাকিল পূর্ণ প্যানেলের ভূমিধ্বস জয়</title>
<link>https://digibanglatech.news/156333</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156333</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_689838ada2fb9.jpg" length="60480" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 10 Aug 2025 10:14:21 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিএনপির চিকিৎসক সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) কাউন্সিলে হারুন-শাকিল পূর্ণ প্যানেলের নিরঙ্কুশ বিজয় হয়েছে। <span> এবারের নির্বাচনে মোট ৩ হাজার ১১৭ জন ভোটারের মধ্যে ভোট কাস্টিং হয়েছে ২ হাজার ৬০০টি।</span></p>
<p><span>ভোটে  হারুন-শাকিল প্যানেলের সভাপতি পদে অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ পেয়েছেন ১৩৬৯ ভোট, মহাসচিব পদে ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল পেয়েছেন ১৪৫৮ ভোট, সিনিয়র সহসভাপতি পদে ডা. আবুল কেনান পেয়েছেন ১৩৩০ ভোট, কোষাধ্যক্ষ পদে ডা. মো. মেহেদী হাসান পেয়েছেন ১৩১২ ভোট এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পদে ডা. এ কে এম খালেকুজ্জামান দিপু পেয়েছেন ১৩১৬ ভোট। এই প্যানেল পূর্ণ জয়ী হয়েছে।</span></p>
<div class="col-sm-10 offset-sm-1 fs-5 lh-base mt-4 mb-5">
<p>অন্যদিকে আজিজ-শাকুর প্যানেলের সভাপতি পদে অধ্যাপক ডা. এ কে এম আজিজুল হক পেয়েছেন ১২০২ ভোট, মহাসচিব পদে ডা. আব্দুস শাকুর খান ১০৭৯ ভোট, সিনিয়র সহসভাপতি পদে ডা. সাইফ উদ্দিন নিসার আহমেদ তুষার পেয়েছেন ১২৩৩, কোষাধ্যক্ষ পদে ডা. তৌহিদ উল ইসলাম পেয়েছেন ১২৫৯ ভোট এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পদে ডা. আবু মো. আহসান ফিরোজ পেয়েছেন ১২৪৯ ভোট। এই প্যানেলের কেউ জয়ী হননি।</p>
</div>
<div class="row my-5">৯ আগস্ট, শনিবার দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজধানীর কাকরাইলে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজে এই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ড্যাবের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বিজন কান্তি সরকার। রাত সাড়ে ১২টার পর নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করেন তিনি। এসময় নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সদস্যরা এবং উভয় প্যানেলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীসহ ড্যাবের চিকিৎসক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। </div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে গেলে নতুন জীবন দিতে পারে ‘সিপিআর’</title>
<link>https://digibanglatech.news/156173</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156173</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_689026ae22b0c.jpg" length="88982" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 04 Aug 2025 00:19:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বা হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায় হঠাৎ করেই। যে কোনো বয়সের মানুষের এটা যে কোনো সময় হতে পারে। এসময় তাৎক্ষণিক চিকিৎসা পদ্ধতি হতে পারে সিপিআর (কার্ডিও পালমোনারি রিসাসিটেশন)। সঠিক সিপিআর একজন মানুষকে দিতে পারে নতুন জীবন।</p>
<p>সিপিআর মূলত হৃদপিণ্ড ও শ্বাস-প্রশ্বাস আবার সচল করার একটি জরুরি চিকিৎসা পদ্ধতি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ প্রাথমিক চিকিৎসার উল্লেখযোগ্য প্রয়োগ হয়। তবে বাংলাদেশে বিষয়টি নিয়ে এখনো কিছুটা অজ্ঞতা রয়েছে। এই পদ্ধতিতে বুকের সংকোচনের (chest compressions) মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালন বজায় রাখা হয় এবং প্রয়োজনে কৃত্রিমভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস (rescue breathing) দেওয়া হয়, যতক্ষণ না স্বাভাবিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃদস্পন্দন ফিরে আসে।</p>
<p>এই চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে দেশের অধিকাংশ মানুষ এখনো সচেতন নয়। জনসচেতনতা বাড়ানো ও সাধারণ মানুষের মধ্যে জীবন রক্ষাকারী এই প্রাথমিক চিকিৎসা কৌশল ছড়িয়ে দিতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে আমজাদ খান চৌধুরী নার্সিং কলেজ।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x_689026ad450a1.jpg" alt=""></p>
<p>২ আগস্ট, শনিবার প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ব্যবহার করা হয় ডামি বা মডেল পুতুল। ফলে অংশগ্রহণকারীরা অনেকটা বাস্তব পরিস্থিতির অনুশীলন করতে পারেন। জনসাধারণের মধ্যে জীবন রক্ষাকারী এ পদ্ধতির গুরুত্ব তুলে ধরেন প্রশিক্ষক।</p>
<p>প্রশিক্ষণটি বাস্তবভিত্তিক ও প্রাণবন্ত করার জন্য ডেমোর পাশাপাশি প্রেজেন্টেশন এবং হ্যান্ডস-অন এক্সারসাইজের মাধ্যমে পরিচালনা করা হয়। এতে অংশগ্রহণকারীরা সিপিআর প্রয়োগের সঠিক পদ্ধতি, সংকটময় পরিস্থিতিতে করণীয় ও সময়ানুবর্তিতার গুরুত্ব সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভ করেন।</p>
<p>সিপিআর শুধু একজন চিকিৎসা পেশাজীবী নন, একজন সাধারণ মানুষেরও শেখা উচিত বলে মনে করেন চিকিৎসকরা। কারণ একটি প্রশিক্ষিত হাতই হতে পারে কারও জন্য জীবনদায়ী। মানবসেবার ক্ষেত্রেও এটি হয়ে উঠতে পারে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।</p>
<p>নাটোরের আমজাদ খান চৌধুরী নার্সিং কলেজে দিনব্যাপী সিপিআর প্রশিক্ষণ কর্মশালা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও যুক্তরাষ্ট্রের ডালহৌসি ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ডা. সেরা হক। ৩০ জন শিক্ষার্থী এবং ৩০ জন চিকিৎসক-নার্স এতে অংশ নেন।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x_689026ac4526c.jpg" alt=""></p>
<p>কর্মশালায় সিপিআর দেওয়ার আগে বিশেষ সতর্কতাগুলোও তুলে ধরা হয়। সতর্কতাগুলো হলো- </p>
<ul>
<li>পরিস্থিতি ও পরিবেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আপনি ও রোগী নিরাপদ কি না তা আগে যাচাই করা প্রয়োজন।</li>
<li>দুর্ঘটনার স্থানে বৈদ্যুতিক তার, আগুন, পানি বা রাস্তার যানবাহনের মতো ঝুঁকি থাকলে সাবধান হতে হবে।</li>
<li>রোগীর সাড়া পরীক্ষা করুন। রোগীকে ডেকে দেখুন বা হালকা নাড়িয়ে দেখুন সাড়া দেয় কি না। যদি সাড়া না দেয়, তৎক্ষণাৎ সিপিআরের প্রস্তুতি নিতে হবে।</li>
<li>সহায়তা পেতে আশপাশে কেউ থাকলে ৯৯৯-এ ফোন করতে বলে AED (অটোমেটেড এক্সটারনাল ডেফিব্রিলেটর) আনতে বলতে হবে।</li>
<li>শ্বাস-প্রশ্বাস পরীক্ষা করতে হবে। ১০ সেকেন্ড পর্যন্ত রোগীর বুক ওঠানামা পর্যবেক্ষণ করুন। শ্বাস না থাকলে বা অনিয়মিত হলে সিপিআর শুরু করতে হবে।</li>
<li>পালস পরীক্ষা করুন। প্রশিক্ষিত ব্যক্তিরা ক্যারোটিড পালস পরীক্ষা করতে পারেন। পালস না থাকলে বুকের সংকোচন (chest compression) শুরু করতে হবে।</li>
<li>রোগীকে সোজা, শক্ত ও সমতল স্থানে রাখুন। সিপিআর কার্যকরভাবে দিতে রোগীকে সমতল জায়গায় পিঠের ওপর শোয়াতে হবে।</li>
<li>ব্যক্তিগত সুরক্ষায় গ্লাভস, মাস্ক, ফেস শিল্ড ব্যবহার করুন (বিশেষ করে সংক্রামক রোগের ঝুঁকি থাকলে)।</li>
<li>রোগীর চিকিৎসা ইতিহাস জানা থাকলে বিবেচনায় নিতে হবে। যদি জানা থাকে রোগীর হৃৎপিণ্ডের সমস্যা, ট্রমা বা স্পাইনাল ইনজুরি আছে, তাহলে সিপিআর দিতে আরও সতর্ক হতে হবে।</li>
<li>সঠিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী সিপিআর শুরু করুন। বুকের সংকোচক (Chest compression) ও কৃত্রিমভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস (Rescue Breathing) যথাযথভাবে করুন (বা শুধু Hands-Only CPR, যদি প্রশিক্ষণ না থাকে)।</li>
</ul>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ই&#45;সিগারেট উৎপাদন নিষেধাজ্ঞাকে স্বাগত জানালো ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন</title>
<link>https://digibanglatech.news/156136</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156136</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_688e518001c7f.jpg" length="101088" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 02 Aug 2025 19:57:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull">জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিকোটিন আসক্তির ঝুঁকি থেকে রক্ষায় সরকার দেশে ই-সিগারেট বা ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম (ইএনডিএস) এবং সংশ্লিষ্ট পণ্যের উৎপাদনের অনুমতি না দেওয়ার নির্দেশনা জারি করেছে। এ সিদ্ধান্তকে ‘যুগান্তকারী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ’ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ।</p>
<p class="alignfull">২ আগস্ট, শনিবার এক বিবৃতিতে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. খন্দকার আব্দুল আউয়াল রিজভী বলেন, ‘সরকারের এই সিদ্ধান্ত জনস্বাস্থ্য রক্ষায় একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। ই-সিগারেট তরুণ সমাজকে নিকোটিন আসক্তির দিকে ঠেলে দিচ্ছে এবং এটি কোনোভাবেই নিরাপদ বিকল্প নয়। নিকোটিন কিশোরদের মস্তিষ্কের বিকাশে বাধা দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদে শারীরিক-মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। সরকার কেবল এটির উৎপাদন বন্ধ করেনি—বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করেছে। এটি জাতির জন্য একটি দূরদর্শী ও সাহসী পদক্ষেপ।’</p>
<div class="viewport jw_article_body">
<p class="alignfull">সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের মহাপরিচালক-১ ড. আহমেদ উল্লাহ’র সই করা চিঠির মাধ্যমে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যানদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।</p>
<p class="alignfull">ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন জানায়, দীর্ঘদিন ধরে তামাকবিরোধী সংগঠনগুলো দেশে ই-সিগারেটের আমদানি, উৎপাদন ও বিপণন নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে আসছিল। পূর্বে আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলেও উৎপাদনের সুযোগ খোলা ছিল। নতুন এই নির্দেশনার মাধ্যমে দেশে ই-সিগারেট ও সংশ্লিষ্ট যন্ত্রাংশ উৎপাদনের পথও সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হলো।</p>
<p class="alignfull">এ বিষয়ে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, ‘চিকিৎসক হিসেবে আমরা জানি, ই-সিগারেটও স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এটি ফুসফুস ও হৃদ্‌যন্ত্রের স্থায়ী ক্ষতি করে এবং ব্যবহারকারীদের মধ্যে আসক্তি তৈরি করে—যা বহু আন্তর্জাতিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে।’</p>
<div class="BT_inner_A1_C3 aligncenter w100p pt10 pb10"></div>
<p class="alignfull">তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, হংকংসহ বিশ্বের ৪২টি দেশ ই-সিগারেট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে এবং আরও ৫৬টি দেশের বিক্রি ও বিপণনে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। এ প্রেক্ষিতে, বাংলাদেশ সরকারের এই সময়োপযোগী সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।</p>
<p class="alignfull">প্রসঙ্গত, দেশে বর্তমানে ৩৫ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ কোনও না কোনোভাবে তামাক ব্যবহার করে এবং প্রতি বছর তামাকজনিত রোগে প্রাণ হারায় ১ লাখ ৬১ হাজারেরও বেশি মানুষ। তামাকজনিত অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ বছরে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা।</p>
<p class="alignfull">ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ সরকারের এই যুগোপযোগী নির্দেশনাকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে এবং এর দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রণীত সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনটি দ্রুত উপদেষ্টা পরিষদে পাশেরও দাবি জানিয়েছে হার্ট ফাউন্ডেশন।</p>
</div>
<div class="btGoogleNews"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডেলিভারি পার্টনারদের জন্য ফুডপ্যান্ডার বিনামূল্যে হেলথ ক্যাম্প </title>
<link>https://digibanglatech.news/156093</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156093</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_688b786dd3944.jpg" length="84028" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 31 Jul 2025 10:04:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডেলিভারি পার্টনারদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে ফুডপ্যান্ডার খিলগাঁও হাবে বিনামূল্যে হেলথ ক্যাম্প করেছে অনলাইন ফুড ও গ্রোসারি ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম ফুডপ্যান্ডা বাংলাদেশ। ক্যাম্পে বিনামূল্যে ডায়াবেটিস শনাক্তের পরীক্ষা, রক্তচাপ ও পালস চেক, শরীরের তাপমাত্রা ও অক্সিজেন স্যাচুরেশন পরিমাপ, বিএমআই (বডি মাস ইনডেক্স) নির্ণয় করা, ফুসফুসের কার্যক্ষমতা মূল্যায়নের জন্য পিক ফ্লো টেস্ট এবং ইউরিন টেস্ট এর মতো প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। স্বাস্থ্য</p>
<p> পরীক্ষার পরে ক্যাম্পে উপস্থিত চিকিৎসক ডেলিভারি পার্টনারদের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থাপত্র প্রদান করেন। এছাড়াও, ক্যাম্পে অংশগ্রহণকারী রাইডারদের জন্য একটি কুইজ সেশন আয়োজন করা হয়। এতে সঠিক উত্তরদাতা ডেলিভারি পার্টনারদের বিশেষ উপহার দেওয়া হয়।</p>
<p>এ উদ্যোগে সহযোগিতা করেছে এআইনির্ভর স্বাস্থ্যসেবা প্ল্যাটফর্ম মেডএআই এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘আমার ডক্টর’</p>
<p><br>‘প্যান্ডাহার্টস’ কর্মসূচির আওতায় আয়োজিত এ হেলথ ক্যাম্পটি ফুডপ্যান্ডার ডেলিভারি পার্টনারদের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, দক্ষতা উন্নয়ন, কমিউনিটি এনগেজমেন্ট ও কল্যাণে চলমান নানা উদ্যোগেরই অংশ। এ লক্ষ্যেই মেডএআই এর সহযোগিতায় ফুডপ্যান্ডার ডেলিভারি পার্টনারদের জন্য চারটি সাবসিডাইজড হেলথ প্যাকেজও চালু করা হয়েছে। এই প্যাকেজের আওতায় তারা ২৪ ঘণ্টা হেলথ হটলাইন, ভিডিও কনসালটেশন, চিকিৎসা পরবর্তী ফলোআপ সুবিধা এবং এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্বাস্থ্যগত তথ্য বিশ্লেষণের সুবিধা পাবেন। রাইডাররা মাত্র ৩৫ টাকা থেকে ২৭৯ টাকার মধ্যে বিভিন্ন মেয়াদের সাবস্ক্রিপশন ফি দিয়ে প্যাকেজগুলো নিতে পারবেন। প্যাকেজ সাবস্ক্রাইব করা রাইডাররা ‘আমার ডক্টর’ অ্যাপের মাধ্যমে সাবস্ক্রিপশনের প্রথম মাসে দুইটি বিনামূল্যের টেলিমেডিসিন কনসালটেশনের সুবিধাও পাবেন।</p>
<p>আয়োজন নিয়ে  ফুডপ্যান্ডার হেড অব লজিস্টিকস মুকিতুর খান এই হেলথ ক্যাম্প সম্পর্কে বলেন, “ডেলিভারি পার্টনাররা ফুডপ্যান্ডার মূল চালিকাশক্তি। তারা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করলেও তাদের সুস্থতা ও কল্যাণের বিষয়টিকে আমরা আমাদের দায়িত্ব বলেই বিবেচনা করি। আমাদের এ প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবেই হেলথ ক্যাম্পটি আয়োজন করা হয়েছে। এ উদ্যোগে সহযোগিতার জন্য আমরা মেডএআই এর প্রতি কৃতজ্ঞ।” </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশে প্রায় ১ কোটি মানুষ হেপাটাইটিস ভাইরাসে আক্রান্ত</title>
<link>https://digibanglatech.news/156016</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156016</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_6887615ee5788.jpg" length="113742" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 28 Jul 2025 14:39:19 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিশ্বব্যাপী লিভার ক্যানসারের প্রধান কারণ হেপাটাইটিস বি এবং সি। বাংলাদেশে প্রায় ১ কোটি মানুষ হেপাটাইটিস ভাইরাসে আক্রান্ত। প্রতি বছর এই রোগে ২০ হাজার মানুষ মারা যায়। প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই জানেন না যে, তারা এই রোগে আক্রান্ত কি না। বাংলাদেশে লিভার সিরোসিস এবং লিভার ক্যানসারের প্রধান কারণ হেপাটাইটিস বি ভাইরাস। এদেশে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ লিভার সিরোসিস এবং লিভার ক্যানসার হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের কারণেই হয়ে থাকে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ২০৩০ সালের মধ্যে হেপাটাইটিস নির্মূলের লক্ষ্য অর্জন করতে হলে, হেপাটাইটিস প্রতিরোধে ব্যাপক সচেতনতা প্রয়োজন এবং হেপাটাইটিস ভাইরাস নির্মূলে সমন্বিতভাবে কাজ করা জরুরি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।</p>
<p>২৮ জুলাই, সোমবার বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস- ২০২৫ উপলক্ষে আয়োজিত জনসচেতনতামূলক র‍্যালিতে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। দিবসটি উপলক্ষে ‘হেপাটাইটিস: লেটস ব্রেক ইট ডাউন (Lets break it down) বা হেপাটাইটিস: বাধা ভেঙে ফেলি’ প্রতিপাদ্যে সচেতন হোন, বাঁচান জীবন স্লোগানে  জনস্বাস্থ্য সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ এই দিবস উপলক্ষে জনসচেতনতামূলক র‍্যালি ও সায়েন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এ সব আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএমইউর উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার।</p>
<p>অনুষ্ঠানে বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সোসাইটির মহাসচিব অধ্যাপক ডা. দেওয়ান সাইফুদ্দিন আহমেদ, উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ডা. সাইফুল ইসলাম এলিনসহ হেপাটোলজি বিভাগ ও গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের শিক্ষক, চিকিৎসক, রেসিডেন্টরা, হেপাটোবিলিয়ারি সার্জনগণ, পেডিয়াট্রিক গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টগণ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>তিনটি সেশনে অনুষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সভায় বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ডা. মো. গোলাম আযম, অধ্যাপক ডা. মো. রুকনুজ্জামান, অধ্যাপক ডা. মো. মোহছেন চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. বিধান চন্দ্র দাস, ডা. লুবানা আকরাম, ডা. এ বি এম সফিউল্লাহ, ডা. মো. জাহিদুর রহমান, ডা. শারমিন সুলতানা, ডা. আরিফা তাসনিম প্রমুখ।</p>
<p>এসব কর্মসূচিতে জানানো হয়, হেপাটাইটিস শুধু একটি রোগ নয় এটি মানবাধিকার, স্বাস্থ্য সমতা ও সামাজিক ন্যায়ের বিষয়। এ রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সরকারের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মী, গণমাধ্যম, উন্নয়ন সংস্থা এবং সাধারণ মানুষ সবারই সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।</p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুসারে, নীরব ঘাতক হেপাটাইটিস বি অথবা সি ভাইরাসে বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ৩৫ কোটি মানুষ দীর্ঘমেয়াদী সংক্রমণে আক্রান্ত। বিশ্বব্যাপী লিভার ক্যান্সারের প্রধান কারণ হেপাটাইটিস বি এবং সি। লিভার ক্যান্সারের শতকরা ৮০ ভাগ ক্ষেত্রে দায়ী এই দুইটি ভাইরাস। ভাইরাল হেপাটাইটিস একটি গুরুতর রোগ যা লিভারের প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং লিভার সিরোসিস ও লিভার ক্যান্সারের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ দিনে সবাইকে হেপাটাইটিস রোগ সম্পর্কে সচেতন হতে হবে এবং এই রোগ নির্মূলে একযোগে কাজ করতে হবে।</p>
<p>বৈজ্ঞানিক সভায় বলা হয়, হেপাটাইটিস মানে লিভারে প্রদাহ। সাধারণত ভাইরাসজনিত সংক্রমণের মাধ্যমে এটি হয়ে থাকে। পাঁচটি প্রধান ধরণ এ, বি,সি,ডি এবং ই এর মধ্যে বি এবং সি ভাইরাস দীর্ঘমেয়াদী সংক্রমণের কারণে সবচেয়ে বিপজ্জনক। সময়মতো চিকিৎসা না করলে এর ফল হতে পারে লিভার সিরোসিস, লিভার ফেলিওর এবং এমনকি লিভার ক্যান্সার। উদ্বেগের বিষয় হলো, অনেক ক্ষেত্রে হেপাটাইটিসের কোনো উপসর্গ থাকে না, ফলে রোগীরা বুঝতেই পারেন না যে তারা আক্রান্ত। তাই হেপাটাইটিসকে ‘সাইলেন্ট কিলার’ বলা হয়।</p>
<p>হেপাটাইটিস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, বিশুদ্ধ খাবার গ্রহণ, হাত ধোয়া, নিরাপদ রক্তদান ও গ্রহণ, জীবাণুমুক্ত চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ব্যবহার, হেপাটাইটিস এ এবং বি এর টিকা নেওয়া, হেপাটাইটিস বি ও সি এর পরীক্ষা করা প্রয়োজন। বিশেষ করে গর্ভাবস্থায় হেপাটাইটিস পরীক্ষা অত্যন্ত জরুরি। কারণ মা আক্রান্ত হলে সন্তানের শরীরেও ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। গর্ভাবস্থায় সঠিক চিকিৎসা ও জন্মের সঙ্গে সঙ্গে বাচ্চাকে টিকা দিলে সংক্রমণ ঝুঁকি ৯০ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে নিয়ে আসা সম্ভব। নিরাপদ স্বাস্থ্যচর্চা, যেমন ইনজেকশন, দাঁতের চিকিৎসা, ব্লেড, কানের ছিদ্র এবং রক্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সৌন্দর্য শিল্পেও প্রযুক্তির সম্মিলন ঘটাতে চান চিকিৎসকরা</title>
<link>https://digibanglatech.news/156009</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156009</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_688705ceab228.jpg" length="104884" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 28 Jul 2025 00:01:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>অ্যাস্থেটিক ডার্মাটোলজি খাতের উদ্ভাবন, প্রসার ও সৌন্দর্যসেবা খাতে নিয়োজিত প্র্যাকটিশনারদের বৈশ্বিক ও আধুনিক জ্ঞান এবং প্রযুক্তির সম্মিলনে দেশের সৌন্দর্য শিল্পকে মানুষের দোরগোড়ায় কার্যকরভাবে পৌঁছে দিতে তৃতীয়বারের মতো ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো অ্যাস্থেটিক ডার্মাটোলজি বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন। </span></p>
<p><span> ‘অ্যাসেন্ডিং টু নিউ হাইটস’ স্লোগানে রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে দুই দিন ব্যাপী সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, নেপাল, ফিলিপাইন, যুক্তরাজ্য, ভারত, মালয়েশিয়া, মায়ানমার, অস্ট্রেলিয়াসহ ১০টি দেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন তিন শতাধিক বিশিষ্ট চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ। </span></p>
<p><span>অ্যাস্থেটিক ডার্মাটোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশ (এডিএসবি) এর আয়োজনে </span>২৬ জুলাই অনুষ্ঠিত হয় কর্মশালা, <span> সায়েন্টিফিক সেশন ও সেমিনার। আয়োজনের মূল (প্লাটিনাম) স্পন্সর হওয়ার পাশাপাশি বিশ্ববাজারে সিওডিলের প্রচলিত পণ্য ও উদ্ভাবনী গবেষণা কার্যক্রম তুলে ধরতে প্রদর্শনীর ব্যবস্থা ছিল সিওডিলের।</span></p>
<p>২৭ জুলাই অ্যাস্থেটিক ডার্মাটোলজি কনফারেন্সের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি ড. এ. জেড. এম মাইদুল ইসলাম। আর বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. নাজমুল হোসাইন এবং ড. মো. আবু জাফর। </p>
<p>আরও উপস্থিত ছিলেন এডিএসবি’র মহাসচিব ড. জাহানারা ফেরদৌস খান ঝুমু, অর্গানার্জিং সেক্রেটারি ড. মতিউর রহমান চৌধুরী, অর্গানার্জিং প্রেসিডেন্ট ড. ইমরোজ মোহিত এবং প্রধান পৃষ্ঠপোষক ড. এম. ইউ. কবির চৌধুরী। </p>
<p>সম্মেলনে অ্যাস্থেটিক ডার্মাটোলজির বিভিন্ন বিষয়ে আলোকপাত করা হয়। যার মধ্যে ছিল: অ্যাস্থেটিক ডার্মাটোলজিতে উদ্ভাবন, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ; প্রিসিশন টক্সিন: আর্ট অ্যান্ড সায়েন্স; কম্বিনেশন থেরাপি, থ্রেডস এবং কমপ্লিকেশন ম্যানেজমেন্ট; মাস্টারিং এস্থেটিকস; পিগমেন্টেশন; সেক্সুয়াল মেডিসিন; অ্যাস্থেটিক ডিভাইসেস (লেজার এবং বিয়ন্ড); হেয়ার রিস্টোরেশন সায়েন্স, সার্জারি এবং সলিউশন এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল সেশন। </p>
<p>ত্বকের যত্নে সিওডিলের নতুন উদ্ভাবনী পণ্য ও কার্যক্রম নিয়ে ডাক্তারদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল সিওডিলের স্টল। এখানে ভিয়েতনাম, মিয়ানমার, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড ও ভারতের ডার্মাটোলজিস্ট বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা ভিজিট করে সিওডিলের ভূয়সী প্রশংসা করেন।</p>
<p>বিশিষ্ট ডার্মাটোলজিস্ট ডা. শারমিনা হক বলেন, অ্যাকনি, এজিং, ড্রাইনেস, স্ক্যাল্পের সমস্যাসহ ত্বকের যাবতীয় সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি বিভিন্ন ফলপ্রসূ কর্মসূচির মাধ্যমে নিজের ত্বক সম্পর্কে সচেতন হতে সিওডিল তার ভোক্তাদের উৎসাহিত করছে। আশা করছি সিওডিল বাংলাদেশের অন্যতম একটি গ্লোবাল ব্র্যান্ড হিসেবে দেশের সুনাম বয়ে আনবে।</p>
<p>সিওডিল এর হেড অব বিজনেস সুকান্ত দাস জানান, এবারের অ্যাস্থেটিক ২০২৫ এ উদ্ভাবনী পণ্যের তালিকায় অন্যতম আকর্ষণ সিওডিল। বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের দ্বারা রেকমেন্ডেড এই ব্র্যান্ডটি সর্বস্তরের ভোক্তাদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। সিওডিলের এই সুদৃঢ় অবস্থানকে বিশ্বব্যাপী আরও ছড়িয়ে দিতেই সিওডিল চলতি বছরেই দুবাই ডার্মা ও কসমো প্রফ ২০২৫ এ অংশগ্রহণ করে বিশ্বব্যাপী প্রশংসা কুড়িয়েছে। আজও বাংলাদেশের এই আয়োজনে যেসব ডাক্তাররা আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশ নিয়েছেন তারা সিওডিলের পণ্যের ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এরই মধ্যে আমেরিকাসহ শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, দুবাই ও ভারতে সিওডিলের পণ্য পাওয়া যাচ্ছে। আশা করছি খুব শিগগির আমরা মিয়ানমার, ভিয়েতনাম ও পাকিস্তানে আমাদের পণ্যের নতুন বাজার তৈরি করতে পারবো।</p>
<p><span> </span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভুল চিকিৎসায় ‘অপমৃত্যু’র শিকার প্রকৌশলীর স্ত্রী ও গর্ভের সন্তান</title>
<link>https://digibanglatech.news/155944</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155944</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_6883d41717963.jpg" length="149569" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 25 Jul 2025 23:12:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বরের ডা. আজমল হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় একজন প্রকৌশলীর (সিভিল)  প্রসূতি স্ত্রী ও তার অনাগত সন্তানের ‘অপমৃত্যু’ হয়েছে। ওই প্রকৌশলীর নাম আব্দুর রহমান। তার অভিযোগ, সিজার হওয়ার আগেই স্যালাইন পুশ করারর পর একটি ইনজেকশন দিলে প্রসূতি আইরিন পারভীন ও তার গর্ভের সন্তানকে মেরে ফেলা হয়েছে। </p>
<p>জানাগেছে, ২৫ জুলাই, শুক্রবার সকালে প্রসূতি আইরিন ও তার গর্ভের সন্তানের অপমৃত্যু হলে হাসপাতালের কর্তব্যরত সেবিকাদের জেররা মুখে ফেলেন রোগীর স্বজনেরা। এসময় হাসাপাতালে অন্যান্য রোগীর স্বজনরাও এই ঘটনায় বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x_6883d41512f30.jpg" alt=""></p>
<p>এক পর্যায়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিজেদের ভুল শিকার করে মৃত্যু সনদের কারণ হিসেবে ‘<span>চিকিৎসা অবহেলা’ লিখে রোগীর স্বজনের কাছে লাশ হস্তান্তর করে। </span>  </p>
<p>নিহত আইরিন ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জের বাসিন্দা আব্দুর রহমানের স্ত্রী। নিহতের স্বামী ঢাকায় একটি বেসরকারি আর্কিটেক্ট কোম্পানিতে চাকরি করেন। মিরপুর-৬ এ স্ত্রী আইরিনসহ ভাড়া বাসায় থাকেন। আট বছর আগে আইরিনকে বিয়ে করেন। এই দম্পতির ৫ বছরের একটি সন্তান রয়েছে। আজ ছিলো দ্বিতীয় সন্তানের ভূমিষ্ঠের দিন। </p>
<p>ফলে সাত সকালেই স্ত্রীকে সিজারের জন্য মিরপুর-১০ নম্বরের ডা. আজমল হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন আব্দুর রহমান। জানাগেছে, সেখানে তার রাক্তচাপ সহ শারীরিক অবস্থা ঠিকই ছিলো। সিজারের প্রস্তুতির জন্য স্যালাইন পুশ করার আগে তিনি প্রথম সন্তান আয়ানের সঙ্গে হেসে খেলে সময়ও কাটিয়েছেন। কিন্তু স্যালাইন পুশ করার পর একটি ইনজেকশন দিলে তিনি বুকের ভেতর জ্বালা-পোড়া অনুভব করতে থাকেন। কিছুক্ষণ পরই আইরিনের পালস জিরোতে নেমে আসে। প্রাণ হারান আইরিন ও তার অনাগত সন্তান। তবে নিস্তেজ অবস্থায় তাকে আইসিইউতে নিয়ে গিয়ে কিছুক্ষণ পড়ে মৃত ঘোষণা করা হয়। </p>
<p>আব্দুর রহমান ডিজিবাংলাটেক-কে বলেন, ‘সিজারের জন্য সকালে আমার স্ত্রীকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম। আর এখন, স্ত্রী ও আমার অনাগত সন্তানের মৃতদেহ নিয়ে বাড়ি ফিরছি। এই মুহূর্তে আমার সন্তানকে নিয়ে আনন্দে থাকার কথা ছিল। এই সবকিছুর জন্য ওই হাসপাতাল এবং ডাক্তার-নার্সরাই দায়ী। সিজার হলো না, অথচ আমার স্ত্রীকে মেরে ফেলা হলো। আমি আমার সন্তানের মুখও দেখতে পারলাম না; পেটের মধ্যেই মারা গেল। আমি চাই, আর কারো কপালে যেন এমন দুর্বিষহ পরিস্থিতি না আসে।’</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x_6883d4199262b.jpg" alt=""></p>
<p>জানা গেছে, আইরিনের গর্ভাবস্থার বয়স ছিল ৯ মাসেরও বেশি। এসময় সবকিছু স্বাভাবিক ছিল। দুই দিন আগে তিনি ডাক্তার হাজেরা খাতুনকে দেখান। ডাক্তার আজমল হাসপাতালে সকাল ৮টায় সিজার করানোর কথা বলে আইরিনকে ভর্তি হতে বলেন। সেই অনুযায়ী, ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী, সকাল ৬টার দিকে আইরিনকে ৬০৩ নম্বর কেবিনে ভর্তি করা হয়। </p>
<p>স্বজনদের পক্ষ থেকে জানতে চাইলে তারা বলেন, ডাক্তার সকাল ৮টার দিকে সিজার করবেন জানিয়েছিলেন। সে অনুযায়ী, ইনজেকশন দেওয়ার কারণে প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে। সঙ্গে পেটে থাকা সন্তানও মারা গেছে। এরপর পুলিশ আসে ঘটনাস্থলে। প্রসূতি ও গর্ভের সন্তানের মৃত্যুর পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ডেথ সার্টিফিকেট দিয়েছে, যেখানে মৃত্যুর কারণ হিসেবে 'হাসপাতালের অবহেলা' উল্লেখ করা হয়েছে।</p>
<p>ওই সময় হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন আব্দুর রহমানের অফিসের সিনিয়র সাহাব উদ্দিন শিপন। তিনি বলেন, "অবহেলায় দুটি প্রাণ শেষ হয়ে গেল, অথচ তাদের (হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের) মধ্যে কোনো অনুশোচনা নেই। এক পর্যায়ে তারা ৫ লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। যখন পুলিশ আসে, তখন মামলায় না যেতে ১০ লাখ টাকা দিতে চায়।" এ সময় আব্দুর রহমান তাদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেন, "যেখানে আমার স্ত্রী-সন্তানকে হারালাম, সেখানে এই টাকা নিয়ে কী করবো?"</p>
<p>তিনি আরও জানান, ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে মরদেহ নিয়ে যাচ্ছেন দাফন করতে। দাফন শেষে ঢাকায় ফিরে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন। </p>
<p>এ বিষয়ে জানতে হাসপাতালের পরিচালক আতাহার আলীকে ফোন করা হলে তিনি সরাসরি কথা বলার জন্য হাসপাতালে ডাকেন। ফোনে তিনি কোনো বক্তব্য দেবেন না বলেও জানান।</p>
<p>হাসপাতালের ম্যানেজার আবুল খায়ের জানান, ‘ঘটনা যা ঘটেছে তা তো ঘটেই গেছে। এখন তিনি সমাধানের প্রয়োজন।’</p>
<p>মিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাজ্জাদ রোমন জানান, ‘আজমল হাসপাতালে একজন প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে। ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ গিয়েছিল। ভুক্তভোগীর পরিবার দাফন-কাফনের জন্য গ্রামে গেছে। ফিরে এসে মামলা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’</p>
<p>নামে-বেনামে গড়ে ওঠা হাসপাতালগুলোতে ভুল চিকিৎসায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগ যেন এখন নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত তদারকির অভাবে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা এই হাসপাতালগুলো অপরাধ করেও পার পেয়ে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের দাবি, এসব হাসপাতালের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। ভুক্তভোগীর স্বজনরা জানিয়েছেন, হাসপাতালের বিরুদ্ধে অনেকেরই অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিভাগীয় তদন্ত করে বিচার হওয়া উচিত। </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিপিএমসিএ নির্বাচনের ফলাফল বাতিলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/155761</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155761</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_687cad479bc18.jpg" length="40822" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 20 Jul 2025 11:33:48 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ এসোসিয়েশন (বিপিএমসিএ) এর কার্যনির্বাহী কমিটির (২০২৫-২০২৭ মেয়াদ) নির্বাচনের সদ্য ঘোষিত ফলাফল বাতিল করার জন্য একটি মহল অপ-তৎপরতা শুরু করেছে। গত ১৬ জুলাই রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এই সংগঠনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মহিউদ্দিন-মুকিত প্যানেল এবং আফরোজা-মোয়াজ্জেম প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং মোট ১১০ জন ভোটারের মধ্যে ৯২ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।</span></p>
<p><span>প্রতিদ্বন্দ্বি দুটি পরিষদের দুইজন করে প্রতিনিধির উপস্থিতিতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এই নির্বাচনে মহিউদ্দিন-মুকিত প্যানেল থেকে ডা. শেখ মহিউদ্দিন সভাপতি এবং ডা. আব্দুস সবুর সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। অন্যদিকে আফরোজা-মোয়াজ্জেম পরিষদ থেকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ডা. মোয়াজ্জেম হোসেনসহ মোট ১৯ টি পদে নির্বাচনে জয়লাভ করেন।</span></p>
<p><span>চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার পর আফরোজা-মোয়াজ্জেম প্যানেলের পক্ষ থেকে নিয়ম বর্হিঃভূতভাবে আপিল দায়ের করা হয়েছে এবং আপিল বোর্ড এখতিয়ার বর্হিঃভূতভাবে তা গ্রহণ করেন। কারণ আপিল গ্রহণের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পর রাত সাড়ে ৮টার দিকে আপিল আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে।</span></p>
<p><span>এই নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলকভাবে অনুষ্ঠিত হয়, যা দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এতে আফরোজা-মোয়াজ্জেম প্যানেল সর্বাধিক পদে বিজয়ী হয়। অন্যদিকে মহিউদ্দিন-মুকিত প্যানেল থেকে সভাপতি এবং সাংগঠনিক সম্পাদকসহ মাত্র দুজন জয়লাভ করেন। অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাররা দিনভর ভোট প্রদানের পর দুই পরিষদের মনোনীত এজেন্টরা খসড়া ফলাফলে স্বাক্ষর করেন।</span></p>
<p><span>বর্তমানে নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে ভোটারদের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করার চেষ্টা চলছে। ভোটারদের মতামতের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং সিন্ডিকেটের ষড়যন্ত্র রুখতে এই আপিল আবেদন যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বাতিল করা হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এপিআই শিল্পের বিকাশে টাস্কফোর্স চায় উদ্যোক্তারা</title>
<link>https://digibanglatech.news/155740</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155740</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_687ba85b10c01.jpg" length="72589" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 19 Jul 2025 18:15:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট (এপিআই) শিল্পের বিকাশ এবং স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি টাস্কফোর্স গঠনের দাবি জানিয়েছেন এই খাতের শিল্প উদ্যোক্তারা। তাদের মতে, পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর মতো নীতিগত ও আর্থিক সহায়তা পাওয়া গেলে আমদানি নির্ভরতা কমবে এবং দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। আর কর সুবিধা ও যথাযথ নীতি সহযোগিতা পেলে দেশে তৈরি ওষুধের কাঁচামাল রপ্তানি করে ২ বিলিয়ন ডলার অর্জন করা যাবে। আগামী ৫ বছরের মধ্যে এই অর্থ অর্জন করা সম্ভব। পাশাপাশি এ ধরনের কাঁচামাল তৈরি করে আমদানিনির্ভরতা কমানো যাবে। ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।</p>
<p>১৯ জুলাই, শনিবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ‘বাংলাদেশের এপিআই খাত এগিয়ে নিয়ে আসা: অন্তর্বর্তী সরকারের সমর্থন ও স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য একটি টাস্কফোর্সের প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এমন সম্ভাবনার চিত্র তুলে কিছু দাবি পেশ করেন বক্তারা। </p>
<div>
<p>অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন বাংলাদেশ এপিআই অ্যান্ড ইন্টারমিডিয়ারিজ ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএআইএমএ/<span>বাইমা</span>) আয়োজনে গোলটেবিল আলোচনা সভায় বাইমা সভাপতি এস এম সাইফুর রহমান ওষুধের কাঁচামাল শিল্পের সংকট ও সম্ভাবনা নিয়ে একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে ১০ থেকে ১৫টি কোম্পানি প্রায় ৭০ ধরনের ওষুধের কাঁচামাল তৈরি করে। অথচ প্রয়োজনীয় কাঁচামালের সংখ্যা প্রায় ১ হাজার, যা এখনও আমদানিনির্ভর। সরকারের নীতি সহায়তা ও আর্থিক প্রণোদনা পেলে এসব কাঁচামালের অধিকাংশই দেশেই উৎপাদন সম্ভব। এমনকি আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ২ বিলিয়ন ডলারের কাঁচামাল রফতানিও সম্ভব।</p>
<div>
<p>তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠন জরুরি। জুট শিল্পের মতো এই শিল্পেও একটি টাস্কফোর্স গঠন করা যেতে পারে। এই বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে আশ্বাসও পাওয়া গেছে।</p>
<p>সাইফুর রহমান বলেন, প্রতিবছর ভারত এপিআই শিল্পে উদ্যোক্তাদের প্রায় ২১ হাজার ৯৪০ কোটি রুপি সহায়তা দেয়। চীন সরকার নিজ অর্থায়নে এই খাত গড়ে তুলেছে। আমাদের দেশেও একই রকম নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন। জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও এপিআই শিল্পের বিকাশ অত্যন্ত জরুরি।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালে এই খাতে ১৮ মিলিয়ন ডলারের রফতানি হয়েছিল। তবে কোভিড-১৯ এবং নানা জটিলতায় রফতানি কমে গেছে। ভারত যদি ৩০ বিলিয়ন ডলারের রফতানি করতে পারে, আমরা চাইলে সহজেই ২ বিলিয়ন ডলার রফতানি করতে পারি। এজন্য আগামী পাঁচ বছর অব্যাহত সহায়তা প্রয়োজন। এনবিআরের মাধ্যমে রফতানিকারকদের ভ্যাট ও ট্যাক্স রিফান্ড নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া পোশাক খাতের মতো ‘লো কস্ট রিফাইন্যান্স’ সুবিধা দেওয়ারও আহ্বান জানাই।</p>
<p>বিএআইএমএ’র কার্যনির্বাহী সদস্য ও গণস্বাস্থ্য ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ বি এম জামালউদ্দিন বলেন, সরকারের সহযোগিতা, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং দক্ষ জনবলের ঘাটতির কারণে এখনও দেশে শক্তিশালী এপিআই শিল্প গড়ে ওঠেনি। ফলে প্রতিবছর দেড় থেকে দুই বিলিয়ন ডলারের এপিআই পণ্য আমদানি করতে হয়। এর ৫০ শতাংশ দেশেই উৎপাদন সম্ভব, যদি সরকার আন্তরিক হয়। এই খাতের পণ্যের আমদানিতে কর বৃদ্ধি করার আহ্বান জানাই।</p>
<p>বিএআইএমএ’র সদস্য ও সোডিক্যাল কেমিক্যালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা যদি এই খাতকে বড় করতে পারি, তাহলে বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী এই খাতে যুক্ত হতে পারবে।</p>
<p>বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি রাশেদ রাব্বি বলেন, এই খাতের সম্ভাবনা অত্যন্ত ব্যাপক। নীতিগত সহায়তা পেলে আমদানি নির্ভরতা কমবে। ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো ইতোমধ্যে ব্যক্তি উদ্যোগে এই খাতে বিনিয়োগ করেছে। যদি দেশের চাহিদার ৫০ শতাংশ কাঁচামাল দেশেই উৎপাদন করা যায়, তাহলে ওষুধ শিল্পে আমদানি নির্ভরতা অনেকাংশে হ্রাস পাবে।</p>
<p></p>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিপিএমসিএ’র প্রথম নির্বাচিত সভাপতি ডা. শেখ মহিউদ্দিন</title>
<link>https://digibanglatech.news/155693</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155693</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_6878eb51c829b.jpg" length="57314" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 17 Jul 2025 12:23:59 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ এসোসিয়েশনের (বিপিএমসিএ) প্রথম নির্বাচিত সভাপতি হয়েছেন আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের ডা. শেখ মহিউদ্দিন। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ইস্ট-ওয়েস্ট মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন। </span></p>
<p><span>নিয়ম অনুযায়ী প্রতি দুই বছর অন্তর নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার ১৫ বছরে সরাসরি কোন নির্বাচন হয়নি। এতোদিন সিলেকশনের মাধ্যমেই কতিপয় পদবীধারীরা পদে আসীন হয়েছেন। এবার প্রথমবারের মতো সরাসরি ভোটে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ মালিকদের সংগঠনে সভাপতি ও সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন তারা।</span></p>
<p><span>বুধবার (১৬ জুলাই) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এই ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সদস্যরা ভোট দিয়ে বিপিএমসিএ এর নেতৃত্ব নির্বাচিত করেছেন।</span><span></span></p>
<p><span>ডা. মো. মঈনুল আহসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের নির্বাচন বোর্ড বুধবার রাত ১০ টায় নির্বাচনের ফলাফল ঘোষনা করেন। মহিউদ্দিন-মুকিত পরিষদ থেকে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ঢাকার বসুন্ধরা আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজের ডা. মুহাম্মদ আব্দুস সবুর নির্বাচিত হয়েছেন।</span></p>
<p><span>সভাপতি পদে ঢাকার আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের ডা. শেখ মহিউদ্দীন এবং সাধারন সম্পাদক পদে সিরাজগঞ্জের নর্থ বেঙ্গল মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. এম. এ. মুকিত প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন। </span></p>
<p><span>অন্যদিকে, আফরোজা-মোয়াজ্জেম প্যানেল থেকে মুন্নু মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান আফরোজা খানম রিতা সভাপতি পদে এবং ইষ্ট-ওয়েষ্ট মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. মোয়াজ্জেম হোসেন সাধারন সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন।</span></p>
<p><span>বিপিএমসিএ</span><span>’</span><span>র কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি পদে একটি, সাধারণ সম্পাদক পদে একটি, সহ-সভাপতি পদে পাঁচটি, যুগ্মসম্পাদক পদে চারটি, অর্থ সম্পাদক পদে একটি, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে একটি, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক পদে তিনটি, আইন বিষয়ক সম্পাদক পদে একটি, শিক্ষা, সাংস্কৃতি ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক পদে একটি এবং কার্যনির্বাহী সদস্য পদে তিনটি পদ-সহ সর্বমোট ২১টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে ১১০ টি ভোটের মধ্যে ৯২ টি ভোট কাস্ট হয়েছে।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১০ জুলাই বিএমইউ&#45;তে শুরু হচ্ছে প্রথম রোবটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারের পাইলট</title>
<link>https://digibanglatech.news/155432</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155432</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_686e4cafdff94.jpg" length="98717" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 09 Jul 2025 15:26:43 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="rtejustify">পক্ষাঘাতগ্রস্ত ও দীর্ঘমেয়াদি স্নায়ুজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের পুনর্বাসনে নতুন যুগের সূচনা করছে বাংলাদেশ। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) থেকে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপারস্পেশালাইজড হাসপাতালে স্থাপিত দেশের প্রথম রোবটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে সীমিত পরিসরে পাইলট প্রকল্প শুরু হচ্ছে। এই সেন্টারে রয়েছে মোট ৬২টি রোবট, যার মধ্যে ২২টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক। এসব রোবটের মাধ্যমে রোগীর অবস্থা অনুযায়ী নিখুঁতভাবে ফিজিওথেরাপি, স্নায়ুবিক পুনর্বাসন এবং দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসাসেবা প্রদান করা সম্ভব।</p>
<div class="text-center margin-bottom-1 hide-for-print">
<div id="dfp-ad-tbs_lb_ban_art_01-wrapper" class="dfp-tag-wrapper">চীনের কারিগরি সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত এই সেন্টার উন্নত বিশ্বের মানদণ্ডে গড়ে তোলা হয়েছে, যেখানে মিলবে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ও সুনির্দিষ্ট পুনর্বাসন সেবা।</div>
</div>
<p class="rtejustify">৯ জুলাই, বুধবার প্রধান উপদেষ্টার স্বীকৃত ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়। </p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x_686e4ce273c79.jpg" alt=""></p>
<p>সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে <span>প্রধান উপদেষ্টার সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি</span> জানান, চীনের সরকার এ প্রকল্পে প্রায় ২০ কোটি টাকা মূল্যের রোবটিক যন্ত্রপাতি অনুদান দিয়েছে। প্রযুক্তির দিক থেকে এ সেন্টারটি হবে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম আধুনিক রোবটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার, যা বাংলাদেশের চিকিৎসা খাতে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক হয়ে উঠবে। যেসব রোগী স্ট্রোক, পক্ষাঘাত, স্নায়ুবিক বৈকল্য, দীর্ঘমেয়াদি ব্যথা, নার্ভ ইনজুরি, ফ্রোজেন শোল্ডার, দুর্ঘটনাজনিত জটিলতা বা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের দুর্বলতাসহ জটিল পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন তাদের এ রোবটিক সেন্টারে সেবা দেওয়া হবে। বিশেষত, জুলাইয়ে সংঘটিত ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে যারা আহত হয়েছেন এবং এখনো দীর্ঘমেয়াদি সমস্যায় ভুগছেন, তাদের এই সেন্টারে বিনামূল্যে রোবটিক চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে।</p>
<p class="rtejustify">বিএমইউ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সেন্টারটি চালুর পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে চীনের ৭ সদস্যের বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের একটি বিশেষজ্ঞ দলের নেতৃত্বে ইতোমধ্যে ২৭ জন চিকিৎসক ও ফিজিওথেরাপিস্টকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনবল অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা অর্জন করলে এবং প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হলে সেন্টারটি পুরোদমে চালু করা হবে। সেন্টারটি শুধু বিশেষ উদ্দেশেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। পরিকল্পিত নীতিমালার আলোকে সাধারণ রোগীদের জন্যও ধাপে ধাপে সেবা উন্মুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে চেষ্টা থাকবে চিকিৎসার ব্যয় রোগীদের আর্থিক সক্ষমতার মধ্যে রাখার।</p>
<p class="rtejustify">এই সেন্টার চালু হলে বাংলাদেশ আধুনিক প্রযুক্তি-নির্ভর পুনর্বাসন চিকিৎসায় এক নতুন যুগে প্রবেশ করবে। দেশীয় চিকিৎসাব্যবস্থার জন্য এটি শুধু একটি প্রযুক্তিগত অগ্রগতি নয়, বরং পক্ষাঘাতগ্রস্ত ও দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতায় ভোগা মানুষের জীবনে আশার আলো হয়ে উঠবে।</p>
<div class="post-text mt-4">
<div>
<div>
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<article class="content-details" id="content-details">
<div class="post-text mt-4">
<div class="block-full_richtext">
<div class="block-full_richtext">
<div>
<div>
<div>
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div>
<div>
<div>
<div>
<div>
<div>
<p>০৯-জুলাই/ডিজিবিটেক/টিএন</p>
</div>
<div></div>
<p></p>
</div>
<div></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div>
<div class="print-adslot adsBox _4Pk8L _0Zwdj">
<div data-lang="বিজ্ঞাপন" class="dfp-ad-unit print-none Tlph-">
<div class="adunitContainer">
<div class=" adBox" id="News_InArticle_300x250-cc8ed953-c5bc-4377-bd11-5f452252105f-0-0" data-google-query-id="CNj5jPSvno4DFSbaPAIddzsRHQ"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="flex justify-center mb-[18px]">
<div class="flex justify-center w-[300px] h-[250px] md:w-[728px] md:h-[90px] bg-gray-50">
<div id="div-gpt-ad-1747224884205-0" data-google-query-id="CN7fi5jorI4DFTaErAIdYREEug"></div>
</div>
</div>
</div>
<div class="flex justify-center">
<div class=" w-[300px] h-[250px] overflow-hidden bg-gray-50 ">
<div id="div-gpt-ad-1708345673354-0" data-google-query-id="CN6gi5jorI4DFU2NrAIddRkJTQ"></div>
</div>
</div>
</div>
<div class="flex justify-center">
<div class=" w-[300px] h-[250px] overflow-hidden bg-gray-50 ">
<div id="div-gpt-ad-1747224962420-0" data-google-query-id="CJqLi5jorI4DFamirAIdH40eOg"></div>
</div>
</div>
</div>
</article>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="d-flex flex-row post-tags align-items-center mt-5"></div>
<div class="hide-for-print mb-20 text-center ">
<div id="dfp-ad-tbs_lb_ban_art_02-wrapper" class="dfp-tag-wrapper"></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে বিএমইউকে সহায়তা দিবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা</title>
<link>https://digibanglatech.news/155405</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155405</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_686cff125d1bc.jpg" length="87249" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 08 Jul 2025 17:00:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ (IPC) বাস্তবায়নে বাংলাদেশ মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি (বিএমইউ)কে সহায়তা দিবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। এ উপলক্ষে ৮ জুলাই, মঙ্গলবার দুপুরে বিএমইউ ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মোঃ শাহিনুল আলম এর সাথে তার কার্যালয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি প্রতিনিধ দল সাক্ষাৎ করেছেন।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ অফিসের টিম লিড হেলথ সিস্টেম সাঙ্গে ওয়াংমো'র (Sangay Wangmo, Team Lead Health Systems, WHO Country Office Bangladesh) নেতেৃত্বে  সংস্থার সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ (IPC) এর ন্যাশনাল প্রোফেশনাল অফিসার কোয়ালিটি হেলথ সিস্টেমস ডা. মুরাদ সুলতান উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে বিএমইউ এর পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক হেলথ এন্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ আতিকুল হক তুহিন, ফিজিক্যাল মেডিসিন এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ আব্দুস শাকুর এবং পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু নোমান মোহাম্মদ মোছলেহ উদ্দীন বৈঠকে অংশ নেন।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">বৈঠকে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল এবং এর ল্যাবরেটরিসমূহকে সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ (IPC) কে একটি জাতীয় মডেল হিসেবে রূপান্তর করতে বিএমইউ-এর সঙ্গে যুগপৎ কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এজন্য সংস্থাটি ঘনিষ্ঠভাবে মানব সম্পদ উন্নয়নে কাজ করবে এবং এমন একটি কার্যকর ও ব্যবহারিক IPC ব্যবস্থা বাস্তবায়নে সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে।</div>
<div dir="auto"> </div>
<div dir="auto">এর মাধ্যমে সেবাদানকারীদের কার্যপদ্ধতি এবং রোগীদের চাহিদা উভয়কেই গুরুত্ব দিবে বলে মনে করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে প্রকাশ,  সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ (Infection Prevention and Control -IPC) সংক্রান্ত আচরণে টেকসই উন্নয়ন ঘটানো এবং দেশের অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি মানদ-দৃষ্টান্ত হিসেবে স্থাপন করার পাশাপাশি সভায় সংক্রমণ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা, ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, টিকা প্রদান, সচেতনতা ও প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে। </div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">প্রসঙ্গত, সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ হল একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা অনুশীলন যা রোগের বিস্তার রোধে সহায়তা করে। হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে রোগীদের এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপদ রাখতে IPC এর কার্যকর বাস্তবায়ন অপরিহার্য। 
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<p><em>০৮-জুলাই/ডিজিবিটেক/ইএম</em></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বস্তির ৮০% গর্ভবতীর ক্যালসিয়ামের ঘাটতি</title>
<link>https://digibanglatech.news/155376</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155376</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_686c0ac91b117.jpg" length="45132" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 07 Jul 2025 21:58:44 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>বস্তিবাসী গর্ভবতী নারীদের ৮০ শতাংশ ক্যালসিয়াম ও ৫৮ শতাংশ লৌহের স্বল্পতায় ভুগছেন। এখানে বসবাসকারী শিশুদের ওজন ও উচ্চতা প্রয়োজনের তুলায় কম। গবেষকেরা দেখেছেন, একীভূত সেবায় বস্তির মানুষের পুষ্টির উন্নতি সম্ভব।</p>
<p>আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) গবেষকেরা রাজধানীর বাউনিয়াবাদ বস্তিতে বসবাসকারী মানুষের পুষ্টি পরিস্থিতি নিয়ে গবেষণা করেছেন। ৭ জুলাই, সোমবার সকালে আইসিডিডিআরবির সাসাকাওয়া মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে ওই গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে গবেষেকেরা বলেন, শহরে বসবাসকারী মানুষের মধ্যে ব্যাপক বৈষম্য রয়েছে। বস্তিতে বাস করা অর্ধেক পরিবার খাদ্যনিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটায়। বস্তির শিশুগুলোর প্রায় ৫০ শতাংশ খর্বাকৃতির।</p>
<p class="alignfull">সেমিনারে ‘নগরের নিম্নবিত্ত অন্তঃসত্ত্বা নারী-কিশোরী ও দুই বছরের কম বয়সি শিশুদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে করা নিউট্রি-ক্যাপ’ শীর্ষক গবেষণার প্রাথমিক ফলাফল তুলে ধরা হয়। অ্যাডভান্সিং সেক্সুয়াল অ্যান্ড রিপ্রডাক্টিভ হেলথ অ্যান্ড রাইটস (অ্যাডসার্চ) প্রকল্পের আওতায় এই গবেষণাটি ঢাকার মিরপুরের বাউনিয়াবাদ বস্তিতে বসবাস করা মানুষের ওপর করা হয়।</p>
<div class="viewport jw_article_body">
<p class="alignfull">আইসিডিডিআর,বি জানায়, গত দুই দশকে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও দ্রুত নগরায়নের ফলে ক্রমশ নতুন নতুন সংকট তৈরি হয়েছে। ১৯৭৩ সালে দেশে নগরায়নের মাত্রা ৮ শতাংশ হলেও ২০২২ সালে তা ৪০ শতাংশে উন্নীত হয়। বর্তমানে ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ শহরে বাস করছে এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে এ সংখ্যা দ্বিগুণ হতে পারে। সামগ্রিকভাবে নগরের স্বাস্থ্য সূচক গ্রামাঞ্চলের চেয়ে ভালো হলেও শহরে বাস করা মানুষদের মধ্যে আয়ের তারতম্য ব্যাপক এবং এ ক্ষেত্রে বিপুল বৈষম্য বিদ্যমান। বস্তিতে বাস করা অর্ধেকের বেশি পরিবার খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে এবং তাদের শিশুদের প্রায় ৫০ শতাংশ খর্বাকৃতির। যেখানে শহরের ৫৩ শতাংশ নারী প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীর কাছ থেকে গর্ভকালীন চার বা ততোধিকবার সেবা পান, সেখানে বস্তিতে এ হার মাত্র ৪০ শতাংশ। এছাড়া বস্তির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অধিবাসীর বয়স ১৫ বছরের নিচে। ফলে বস্তিতে বাস করা অন্তঃসত্ত্বা নারী, কিশোরী এবং শিশুদের খাদ্য ও পুষ্টির জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে।</p>
<p class="alignfull">গবেষকরা জানান, মিরপুরের বাউনিয়াবাদ যেন নগরে বাস করা নিম্নবিত্ত মানুষের জীবনের বাস্তব সংকটগুলোরই এক জীবন্ত চিত্র। এই এলাকায় বাস করা ১৫ হাজার বিবাহিত নারীর মধ্যে গবেষণার সময়কালে ৭২১ জন অন্তঃসত্ত্বা নারী শনাক্ত হন। এই গবেষণা কর্মসূচিতে আরও ৪ হাজার ২০০ কিশোরী এবং প্রায় ২ হাজার ৫০০ দুই বছরের নিচের শিশু অন্তর্ভুক্ত করা হয়। গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত ১৬ হাজার ৫৩২টি পরিবারের মধ্যে ২ হাজার ৮২৬টি নিয়ে ২০২১ সালের নভেম্বর থেকে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গভীর বিশ্লেষণ চালানো হয়। এসব পরিবারে যদিও কিছু সূচকে স্থিতিশীলতা দেখা গেছে, দারিদ্র্য ও অসুবিধা ছিল প্রকট। প্রতিটি পরিবারের গড় আয় ছিল ২১ হাজার টাকা, তবু প্রতি চারটি পরিবারের মধ্যে একটি পরিবার খাদ্য সংকটে ভুগেছে, খাদ্য সংকটে ভোগা পরিবারের মধ্যে প্রায় ৯১ শতাংশ কোনও না কোনোভাবে ঋণগ্রস্ত ছিল। ৩৯ শতাংশ পরিবারে প্রতি ঘরে তিন জনের বেশি সদস্য ঘুমাতেন। ৪২ শতাংশ পরিবারের নারীরা সংসারের আয়ে অবদান রাখতেন। এক-তৃতীয়াংশের কিছু বেশি পরিবার প্রধান প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেছেন।</p>
<p class="alignfull">গবেষকরা জানান, নিউট্রি-ক্যাপ কর্মসূচি তিনটি নগরের বস্তিতে বাস করা তিনটি ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠী– অন্তঃসত্ত্বা নারী, কিশোরী ও দুই বছরের নিচের শিশুদের লক্ষ্য করে একীভূত সেবা প্যাকেজ চালু করে। অন্তঃসত্ত্বারা প্রতি মাসে বাড়িতে গিয়ে পুষ্টিবিষয়ক পরামর্শ, আয়রন, ফলিক অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডির মতো পুষ্টি উপাদান এবং ওজন, রক্তচাপ, হিমোগ্লোবিন ও রক্তে শর্করার পর্যবেক্ষণ পায়। তাদের নিয়মিত প্রসবপূর্ব চেকআপ ও যথাযথ বিশ্রামে উৎসাহ দেওয়া হয়। ফলাফল ছিল চমকপ্রদ। কর্মসূচিভুক্ত নারীদের গড় ওজন বৃদ্ধি ছিল ৮ দশমিক ৯ কেজি, যেখানে তুলনামূলক গ্রুপে তা ছিল ৭ দশমিক ৫ কেজি। এছাড়াও নিরাপদ প্রসব, হাসপাতালে সন্তান জন্মদানের হার বৃদ্ধি পায়, কমে যায় গর্ভপাত, মৃতভ্রুণ ও নবজাতকের মৃত্যুহার। গর্ভকালীন বয়সের তুলনায় কম ওজনের সন্তান জন্মের ঝুঁকি কমে ১৬ শতাংশ।</p>
<p class="alignfull">এছাড়া গবেষণার তথ্য বলছে, কর্মসূচিভুক্ত কিশোরীদের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ গড়ে ১২ থেকে বেড়ে দাঁড়ায় ১২ দশমিক ৮ গ্রাম/ডেসিলিটারে। খাদ্য-বৈচিত্র্যে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন পাওয়া না গেলেও স্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিয়ে সচেতনতা বেড়েছে। এই কিশোরীদের মধ্যে ১৪ দশমিক ৯ শতাংশ ছিল অপুষ্টির কারণে ক্ষীণকায়, আর ১২ দশমিক ৬ শতাংশ ছিল অতিরিক্ত ওজনের, যা দেশের শহরাঞ্চলের গড় পরিস্থিতির সঙ্গে মিল রয়েছে।</p>
<p class="alignfull">গবেষণায় শিশুদের স্বাস্থ্যেও দেখা যায় সুস্পষ্ট অগ্রগতি। উচ্চতা ও ওজন উভয় ক্ষেত্রে দেখা গেছে কর্মসূচিভুক্ত শিশুদের অবনতির হার উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। এছাড়া কিশোরীদের ক্ষেত্রে হজম প্রক্রিয়া ও অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো হয়েছে বলে জানা গেছে। জৈবিক পরীক্ষায় দেখা গেছে কর্মসূচিভুক্ত কিশোরীদের মাঝে অন্ত্রের প্রদাহ কমেছে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকেও এই কর্মসূচির সফলতা উল্লেখযোগ্য। এই কর্মসূচির ফলে চিকিৎসায় পারিবারিক খরচ কমে এসেছে। বিশেষ করে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও শিশুদের ক্ষেত্রে ওষুধ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার খরচ কমেছে। সেবার পেছনে সময় বেশি দিতে হলেও সামগ্রিকভাবে স্বাস্থ্য ব্যয় কম ছিল। মানবসম্পদের খরচ ছিল সবচেয়ে বেশি, তবে গবেষণা বলছে, এই মডেল ব্যবস্থায়িত হলে খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।</p>
<p class="alignfull">গবেষক দলের প্রধান ড. মোস্তফা মাহফুজ বলেন, এই মডেলের সফলতার পেছনে রয়েছে স্থানীয় জনগণের অবদান। মডেলটি কাজ করেছে, কারণ তা স্থানীয় জনগণের কথা শুনেছে, স্থানীয় নারীদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে এবং একাধিক বাধাকে একসঙ্গে মোকাবিলা করেছে। একদিকে মানুষের সহমর্মিতা অন্যদিকে তথ্যপ্রমাণভিত্তিক কর্মসূচি– এই দুয়ে মিল হলে সম্ভাবনা অসীম বলে তিনি উল্লেখ করেন।</p>
<p class="alignfull">আইসিডিডিআর,বির নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ বলেন, বস্তিবাসীরা প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষিত। নিউট্রি-ক্যাপের মতো অভিযোজিত মডেলগুলো শুধু কার্যকরই নয় বরং দেশের অন্য বস্তি ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটেও প্রসারণযোগ্য।</p>
<p class="alignfull">অনুষ্ঠানের সূচনা বক্তব্য দেন আইসিডিডিআর,বি-র নিউট্রিশন রিসার্চ ডিভিশনের সিনিয়র ডিরেক্টর ড. থাডিয়াস ডেভিড মে। অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য দেন অ্যাডসার্চ বাই আইসিডিডিআর,বির প্রকল্প পরিচালক ও আইসিডিডিআর,বির প্রফেসর ইমিরেটাস ড. শামস এল আরিফিন, যিনি এই মডেলটি বৃহৎ পরিসরে সম্প্রসারণ ও অংশীদারিত্বের সুযোগ তুলে ধরেন।</p>
<p class="alignfull">সেমিনারে সরকারি কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী, এনজিও প্রতিনিধি ও গবেষকসহ বিভিন্ন খাতের অংশীজন অংশ নেন।</p>
</div>
<div class="btGoogleNews">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<p><em>০৭-জুলাই/ডিজিবিটেক/এনটি</em></p>
</div>
<div class="d-flex flex-row post-tags align-items-center mt-5"></div>
<p></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অনলাইন পোর্টাল উন্মুক্তকরণে বাধা কোথায়?</title>
<link>https://digibanglatech.news/155328</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155328</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_686a189fc863b.jpg" length="54253" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 06 Jul 2025 10:38:43 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>বাংলাদেশে বর্তমাতে চালু রয়েছে ৬৭ টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ। এর মাঝে ছেলেদের জন্য রয়েছে ৬১ টি মেডিকেল কলেজ ও মেয়েদের জন্য ৬৭ টি। এসব মেডিকেল কলেজের সিট সংখ্যায় রয়েছে বিশাল তারতম্য। সর্বনিম্ন ৫০ টি ও সবোর্চ্চ ১৫৫ সিট রয়েছে মেডিকেল কলেজ গুলোতে। ৬৭ টি মেডিকেল কলেজের সর্বমোট আসন সংখ্যা ৬২৯৩।</span></p>
<p><span>এবছর ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে আবেদনকারীগণকে মেধা ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর নির্বাচিত করেছেন বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের জন্য। মনোনীত প্রার্থীগণকে নিশ্চিত করার আবশ্যকতা ছিল যে তিনি যে কলেজের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন সেই কলেজে এবং পরবর্তীতে মাইগ্রেশনের সময় তার অধিকতর পছন্দের কলেজের জন্য নির্বাচিত হলে সেই কলেজে ভর্তি হলে সম্মত আছেন। প্রথমবার নিশ্চায়নের জন্য নির্ধারিত তারিখ শেষে শূন্য থাকা আসন সমূহে দ্বিতীয় পর্যায়ের বরাদ্দের নিশ্চিতকরণের সময়সীমার পরে প্রথম ও দ্বিতীয় উভয় মনোনয়ন প্রাপ্ত নিশ্চায়নকারী ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীগণ সরকার নির্ধারিত ভর্তি ফি প্রদান করে নির্বাচিত কলেজে ভর্তি হয়েছেন। ১৭ জুন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত ওরিয়েন্টেশনের মাধ্যমে নতুন শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হয়েছে।</span></p>
<p><span>ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ যথেষ্ট ভর্তিচ্ছু থাকা স্বত্ত্বেও সর্বমোট ৪৬৭টি সিট ফাঁকা রয়েছে। এতগুলো সিট ফাঁকা থাকার ফলে ব্যক্তিগত ও পারিবারিকভাবে শিক্ষার্থীগণ বঞ্চিত হচ্ছেন ডাক্তার হবার স্বপ্ন পূরনে। জাতি বঞ্চিত হচ্ছে বিপুল পরিমান ডাক্তারের সেবা থেকে। আর যেহেতু বেসরকারি মেডিকেল কলেজ সমূহ শিক্ষার্থীদের ফিসের উপর নির্ভর করে পরিচালিত হয়। তাদের জন্য এটি ভয়াবহ আর্থিক ক্ষতি, যা গুনগত ও মানসম্মত শিক্ষা প্রদানে অন্তরায় হতে পারে।</span></p>
<p><span>বেসরকারি মেডিকেল কলেজ সমূহের একটি দাবি ছিল যেহেতু ভর্তির যোগ্যতা অর্জনকারী যথেষ্ট ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী রয়েছে, তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্বিতীয় নিশ্চায়নের পরে ভর্তির সুযোগ উন্মুক্ত করে দেবেন। এটি সংশ্লিষ্ট মহলে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য পুনরায় অনলাইন পোর্টাল উন্মুক্তকরণ নামে পরিচিত। কিন্তু স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য পুনরায় অনলাইন পোর্টাল উন্মুক্তকরণের বিবেচনার বিষয়ে নেতিবাচক সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।</span></p>
<p><span>পোর্টাল উন্মুক্তকরণের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মহলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পোর্টাল উন্মুক্তকরণের ব্যাপারে যথেষ্ট নমনীয় ও সহনশীল ছিলেন এবং এ ব্যাপারে তারা ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিয়ে চেয়েছিলেন। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, ইতিমধ্যে বাংলাদেশ প্রাইভট মেডিকেল কলেজ এসোসিয়েশনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পার্টাল উন্মুক্তকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট মহলে ঘুষ দেবার উদ্যোগ গ্রহণ করে চাঁদা আদায় শুরু করে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ থেকে।</span></p>
<p><span>নাম না প্রকাশ করার শর্তে রাজধানীর উপকণ্ঠের একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের মালিক জানিয়েছেন, এসোসিয়েশনের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. মোয়াজ্জেম হোসেন এক কোটি টাকা সংগ্রহের কথা জানিয়েছেন। চাঁদাবাজীর এই তথ্য সংশ্লিষ্ট মহলে পৌঁছালে তারা পোর্টাল উন্মুক্ত করতে রাজি হন নি।</span></p>
<p><span>সংশ্লিষ্ট মহলের সাথে যোগাযোগ রয়েছে এমন একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, পোর্টাল উন্মুক্ত করলে চাঁদাবাজীর অংশীদারের দুর্নামের ভাগীদার হবার শঙ্কা থেকেই তারা পোর্টাল উন্মুক্ত করতে রাজি হন নি। এসোসিয়েশনের নেত্রবৃন্দ চাঁদাবাজি করে মন্ত্রীসহ অন্যান্যদের ঘুষ প্রদানের অভিযোগ বেশ পুরানো। বেসরকারি মেডিকেল কলেজের অনুমোদন কিংবা সিট বৃদ্ধির প্রলোভন দেখিয়ে তারা সংশ্লিষ্ট মেডিকেল কলেজ থেকে কোটি কোটি টাকা আহরন করে কিছু পরিমানে ক্ষমতাশীলদের দিয়ে বাদবাকী টাকা আত্মসাৎ করেছেন। ঘুষের সুবিধা নিজেরা গ্রহণ করেছেন।</span></p>
<p><span>খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিপিএমসিএ</span><span>’</span><span>র বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. মোয়াজ্জেম হোসেনের মালিকানাধীন ২০০০ সালে স্থাপিত ইষ্ট ওয়েস্ট মেডিকেল কলেজ, ঢাকার সিট সংখ্যা ১২৭ টি। বর্তমান সভাপতি এম এ মুবিন খানের মালিকানাধীন ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ, গাজীপুর এর সিট সংখ্যা ১৩০ টি। বর্তমান অর্থ সম্পাদক মো. হাবিবুল হকের মালিকানাধীন ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত তায়রুন নেছা মেমোরিয়াল মেডিকেল কলেজ, গাজীপুরের সিট সংখ্যা ১০৫ টি। অথচ ১৯৯৮ সালে স্থাপিত গণস্বাস্থ্য সমাজ ভিত্তিক মেডিকেল কলেজের সিট সংখ্যা ৫০ টি, ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ইনস্টিটিউট অব এপ্লাইড হেলথ সায়েন্স, চট্টগ্রামের সিট সংখ্যা ৮০ আর ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত ঢাকার মেডিকেল কলেজ ফর ইউমেন্স এর সিট সংখ্যা ৯৫ টি।</span></p>
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<p><em>০৬-জুলাই/ডিজিবিটেক/এইএ</em></p>
</div>
<div class="d-flex flex-row post-tags align-items-center mt-5"></div>
<p></p>
</div>
<div class="d-flex flex-row post-tags align-items-center mt-5"></div>
</div>
<div class="yj6qo"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আরজেএসসি ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সরিয়ে বিনিয়োগকারীকে হয়রানির অভিযোগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/155300</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155300</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_6867d96389249.jpg" length="68759" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 04 Jul 2025 11:38:59 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সরিয়ে বিদেশি বিনিয়োগকারীকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। নিজেদের ওয়েবসাইট থেকে বহুজাতিক ওষুধ কোম্পানি নোভার্টিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের প্রোফাইল সরিয়ে ফেলেছে যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদপ্তর (আরজেএসসি)। ফলে কোম্পানিটির কোনো তথ্য আরজেএসসির ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে না। </p>
<p>কোম্পানিটির তথ্য বেআইনিভাবে আরজেএসসির ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে কেন ওয়েবসাইট থেকে কোম্পানিটির প্রোফাইল দেখা যাচ্ছে না সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো উত্তর নেই আরজেএসসির নিবন্ধকের কাছে।</p>
<p>আরজেএসসি সূত্রে জানা গেছে, কোম্পানির পোর্টাল খুলে দেওয়ার বিষয়ে নোভার্টিসের পক্ষ থেকে গত ২৫ জুন ও ২৬ জুন দুই দফা চিঠি দেওয়া হয়েছে। ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, নোভার্টিসের বিরুদ্ধে কোনো আইনি কার্যক্রম চলমান নেই। কাজেই কোম্পানিটির প্রোফাইল পোর্টাল যেন ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়, সে বিষয়ে অনুরোধ জানানো হয়েছে। তা সত্ত্বেও পোর্টালটি খুলে দেওয়া হয়নি।</p>
<p>সাধারণত কোন কোম্পানির উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে যদি মামলা থাকে বা কোম্পানির শেয়ার হস্তান্তরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকে অথবা বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত চলমান থাকে, সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির প্রোফাইল লক করা হয়। তেমন কোনো কিছু হলে ওই কোম্পানির নাম লিখে সার্চ দিলে শুধু নাম ওয়েবসাইটে দেখা যায়। বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। কিন্তু নোভার্টিসের নাম লিখে সার্চ দিলে নামও পাওয়া যাচ্ছে না। তার অর্থ হলো নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ ইচ্ছা করে কোম্পানিটির সব তথ্য ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে রেখেছে। যা সম্পূর্ণ বেআইনি বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>শিশুদের অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় ‘এনসিডি সেবা মডেল’ চালু</title>
<link>https://digibanglatech.news/155241</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155241</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_686563ccae92b.jpg" length="91781" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 02 Jul 2025 20:54:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>
<p>শিশুদের অসংক্রামক রোগ (এনসিডি) প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনায় ‘শিশু এনসিডি সেবা মডেল’ চালু করেছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি)। পরীক্ষামূলকভাবে চালুর প্রথম সাত সপ্তাহেই এই কর্মসূচির আওতায় ৩৮৫ জন শিশু সেবা গ্রহণ করেছে। কিছু চ্যালেঞ্জ থাকলেও এটি বাস্তবায়নযোগ্য ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের কাছে গ্রহণযোগ্য বলে প্রমাণিত হয়েছে।</p>
<p>রাজধানীর আইসিডিডিআর,বি সাসাকাওয়া মিলনায়তনে ১ জুলাই (মঙ্গলবার) অনুষ্ঠিত‘বাংলাদেশে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে শিশু ও কিশোরদের জন্য এনসিডি সেবা মডেল ডিজাইন ও পাইলট বাস্তবায়ন’ শীর্ষক এই প্রকল্পের ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়। </p>
<div>
<p>গবেষণার লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশ প্রেক্ষাপটে শিশুদের অগ্রাধিকারভুক্ত এনসিডি শনাক্ত করা এবং এসব রোগ ব্যবস্থাপনার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ সেবাদান মডেল তৈরি করা।</p>
<p>সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিশু স্বাস্থ্য ও জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি উন্নয়নে এটি একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ ও মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে। শিশুর এনসিডি সেবাকে জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সাথে একীভূত করার ক্ষেত্রে এটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি।</p>
<p>আয়োজকরা জানান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা (এনসিডিসি) ও ইউনিসেফ বাংলাদেশের সহায়তায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে আইসিডিডিআর,বি।</p>
<p>গ্লোবাল বার্ডেন রিপোর্ট ২০১৯ অনুযায়ী, ২০১৭ সালে বিশ্বজুড়ে ২.১ বিলিয়নের বেশি শিশু অ-সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয় এবং প্রায় ১০ লাখ শিশু মৃত্যু বরণ করে। তবে বাংলাদেশে শিশুদের এনসিডি সংক্রান্ত নির্ভরযোগ্য তথ্য নেই, যা গবেষণা, চিকিৎসা এবং নীতিমালায় ঘাটতির প্রতিফলন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) পেন-প্লাসের অগ্রাধিকারে থাকা শিশুদের এনসিডি, যেমন—রিউম্যাটিক হার্ট ডিজিজ এবং সিকেল সেল ডিজিজ প্রধানত সাব-সাহারান আফ্রিকায় বেশি প্রচলিত, দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোতে তুলনামূলকভাবে কম।</p>
<p>বাংলাদেশের প্রকৃত পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে গবেষণার মাধ্যমে শিশুদের গুরুত্বপূর্ণ ছয়টি এনসিডি নির্ধারণ করা হয়—ব্রংকিয়াল অ্যাজমা, জন্মগত হৃদরোগ, মৃগী (এপিলেপসি), থ্যালাসেমিয়া, কিডনি রোগ এবং টাইপ-১ ডায়াবেটিস। এই তথ্যের ভিত্তিতে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ প্রথম জাতীয় শিশু এনসিডি চিকিৎসা প্রটোকল প্রণয়ন করে, যা শিশুদের জন্য মানসম্মত চিকিৎসা নির্দেশিকা প্রদান করে। এরপর চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মতো কিশোরগঞ্জের ১২টি ও বাগেরহাটের ৮টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং দুটি জেলা হাসপাতালে পরীক্ষামূলকভাবে শিশুদের এনসিডি সেবা প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসা হয়, যা ০ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের অন্তর্ভুক্ত করে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x_686563e0cb842.jpg" alt=""></p>
<p>এই প্রকল্পের অধীনে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পর্যায়ে শিশুদের এনসিডি ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান ঘাটতি চিহ্নিত করা হয়। চিকিৎসক, নার্স, সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (স্যাকমো) এবং কমিউনিটি হেলথ কেয়ার কর্মীদের জন্য প্রশিক্ষণ মডিউল তৈরি করা হয়। সামাজিক ও আচরণগত পরিবর্তন (এসবিসিসি) উপকরণ তৈরি করা হয়। রোগীদের নিবন্ধনের জন্য একটি রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম এবং প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে মাসিক প্রতিবেদন তৈরির জন্য একটি ডিজিটাল হেলথ প্ল্যাটফর্ম চালু করা হয়।</p>
<p>গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, মডেলটি বাস্তবায়নের প্রথম সাত সপ্তাহে মোট ৩৮৫ জন শিশু রোগ নির্ণয় ও সেবার জন্য তালিকাভুক্ত হয়। এদের মধ্যে ব্রংকিয়াল অ্যাজমা ছিল সর্বাধিক (৩৬.৬%), এরপর থ্যালাসেমিয়া ও আয়রন ঘাটতিজনিত অ্যানিমিয়া (২৭.৫%), জন্মগত হৃদরোগ (১৯.১%), মৃগী (১৩.৬%), নেফ্রোটিক সিনড্রোম (২.২%) এবং টাইপ-১ ডায়াবেটিস (১%)। প্রায় ৮% রোগীকে বিশেষায়িত কেন্দ্রে রেফার করা হয় উন্নত চিকিৎসার জন্য।</p>
<p>এছাড়া গুণগতমানসম্পন্ন সেবা নিশ্চিত করতে দুই শতাধিক চিকিৎসক, নার্স ও স্যাকমো এবং পাঁচ শতাধিক কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারকে (সিএইচসিপি) প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এই উদ্যোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কমিউনিটি বেইজড হেলথ কেয়ার (সিবিএইচসি) এবং ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এমআইএস) প্রোগ্রামগুলোরও সহায়তা ছিল।</p>
<p>কিছু বাস্তবায়নজনিত চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের মতে, এই মডেলটি বাস্তবায়নযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য বলে প্রমাণিত হয়েছে। এই পাইলট প্রকল্প থেকে পাওয়া শিক্ষা ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ে শিশুদের এনসিডি সেবা জোরদার ও সম্প্রসারণের একটি রোডম্যাপ তৈরিতে সহায়তা করবে। এই কাজ বাংলাদেশের সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা (ইউএইচসি) অর্জন এবং শিশু স্বাস্থ্য ও অ-সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ সংক্রান্ত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার (এনসিডিসি) লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. সৈয়দ জাকির হোসেন অ-সংক্রামক রোগ প্রতিরোধের গুরুত্ব তুলে ধরে গবেষণায় চিহ্নিত চ্যালেঞ্জগুলো সমাধান করে প্রকল্পটি দেশব্যাপী সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।</p>
<p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমের সাবেক পরিচারক ও হেলথ ইনফরমেশন সিস্টেম অ্যান্ড ই-হেলথের সাবেক লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. শাহ আলী আকবর আশরাফী বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর মাধ্যমে তৈরি করা লিফলেট ব্যবহার করে মা ও অভিভাবকদের সচেতন করতে হবে এবং অ-সংক্রামক রোগে আক্রান্তদের চিকিৎসা গ্রহণে উৎসাহিত করতে হবে।</p>
<p>ইউনিসেফ বাংলাদেশের মাতৃ, নবজাতক, শিশু ও কিশোর স্বাস্থ্য বিষয়ক হেলথ ম্যানেজার দেওয়ান মো. এমদাদুল হক বলেন, শিশুদের অ-সংক্রামক রোগ ব্যবস্থাপনায় এই উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</p>
<p>গবেষণার প্রধান গবেষক ও আইসিডিডিআর,বির জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী ডা. আলিয়া নাহিদ বলেন, এই গবেষণা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে শিশুদের এনসিডি ব্যবস্থাপনায় একটি টেকসই এবং সম্প্রসারণযোগ্য মডেলের ভিত্তি তৈরি করেছে, যা কেবল শিশুদের বর্তমান স্বাস্থ্য নয়, ভবিষ্যতের সুস্থ ও কার্যকর জীবনযাপনের সম্ভাবনাকেও রক্ষা করবে।</p>
<p>আইসিডিডিআর,বির নিউট্রিশন রিসার্চ ডিভিশনের সিনিয়র ডিরেক্টর ডা. থাডেয়াস ডেভিড মে সমাপনী বক্তব্যে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং উদ্যোগের সফলতায় অবদান রাখার জন্য সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।</p>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অরোরায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পাবে ডিআরইউ পরিবার</title>
<link>https://digibanglatech.news/155152</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155152</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_686297c29f1e9.jpg" length="95778" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 30 Jun 2025 19:27:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি সদস্য (ডিআরইউ) ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য প্যাথলজি পরীক্ষায় ৪০ শতাংশ, সকল ধরণের রেডিওলজিক্যাল ও ইমেজিং পরীক্ষায়র ৩৫ শতাংশ, দেশী ঔষধে ৫ শতাংশ এবং ইনডোর বেড ভাড়ায় ও ফিজিওথেরাপি পরিষেবায় ১০ শতাংশ ছাড় দেবে অরোরা স্পেশালাইড হাসপতাল। এ লক্ষ্যে ৩০ জুন (সোমবার) রাজধানীর কাকরাইলে অবস্থিত হাসপাতালটির বোর্ড রুমে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি সেবা চুক্তি সই হয়েছে। </p>
<p>চুক্তিতে অরোরা স্পেশালাইজড হসপিটালের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডা. সারওয়াত জাবীন, মেডিসিন ও রিউমাটোলোজি বিভাগের কনসালটেন্ট সহযোগী অধ্যাপক ডা. নাহিদুজ্জামান সাজ্জাদ, এ্যসিসটেন্ট জেনারেল ম্যানেজার গোলাম রাকীব এবং কর্পোরেট মার্কেটিং বিভাগের প্রধান নাজমুল হুদা।</p>
<p>ডিআরইউ’র পক্ষে স্বাক্ষর করেন সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল ও কল্যাণ সম্পাদক রফিক মৃধা।</p>
<p>অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউ’র সভাপতি আবু সালেহ আকন, সহ-সভাপতি গাযী আনোয়ার, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল হাই তুহিন, তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মো. বোরহান উদ্দীন (দায়িত্বপ্রাপ্ত), কার্যনির্বাহী সদস্য সুমন চৌধুরী, অরোরা স্পেশালাইজড হসপিটালের ডিরেক্টর সুপারভিশন মো. হাফিজুর রহমান, কর্পোরেট মার্কেটিং বিভাগের কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ প্রমুখ।</p>
<p>অনুষ্ঠানে জানানো হয়, অরোরা স্পেশালইজ হাসপাতালটি এখন সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সমৃদ্ধ এবং চিকিৎসা ব্যয়ে সাশ্রয়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হচ্ছে। </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তির আড়ালে চিকিৎসা দেয়ায় ফার্টিলিটি এক্সপো বন্ধের নির্দেশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/155066</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155066</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_685ea00533bac.jpg" length="78599" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 27 Jun 2025 17:44:51 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বন্ধ্যাত্ব অবসানের আভিএফ বা ইকসি এবং পিজিটি’র মতো স্বাস্থ্য প্রযুক্তি প্রদর্শনীর অনুমতি নিয়ে বাংলাদেশে বসে ভারতীয় ও থাইল্যান্ডের চিকিৎসকদের দিয়ে চিকিৎসা প্রদানের অভিযোগে চলমান ঢাকা ফার্টিলিটি এক্সপো’র স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান।</p>
<div>দেশের চিকিৎসকদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) অনুমতি ছাড়াই রাজধানীর  চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এক্সপো পরিদর্শন করে এই নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। </div>
<div></div>
<div>সম্মেলনে দেখা যায়, এক্সপোতে ঈশ্বরিয়া ফার্টিলিটি সেন্টারে ভারতীয় বন্ধ্যা বিশেষজ্ঞ ডা অরুণ ও ডা মুনি পিয়া দম্পতি এবং ডা চন্দ্র লেখা রোগী দেখছেন। যারা আইভিআর করতে আগ্রহী তাদের কাছ থেকে পাসপোর্ট রাখছেন।</div>
<div></div>
<div>সূত্রমতে,  গত ৩ মার্চ ঢাকা ফার্টিলিটি এক্সপো শীর্ষক আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ও প্রদর্শনীর জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে আয়োজক প্রতিষ্ঠান ইকো এক্সপো। ২৭ মার্চ মন্ত্রণালয়ের রফতানি-৭ শাখার উপসচিব মো. সাজেবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে অনুমতি দেওয়া হয়। 
<div>
<p>বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি এবং হল বুকিংয়ের কপি দেখিয়ে নিরাপত্তার জন্য গত ২১ জুন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশকে (ডিএমপি) অবহিত করে আয়োজক প্রতিষ্ঠান।</p>
<p>বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং ডিএমপিতে দেওয়া ইকো এক্সপোর আবেদনে ‘মেলা’ ও ‘প্রদর্শনী’ শব্দ উল্লেখ থাকলেও এতে বিদেশি চিকিৎসকরা রোগী সেবা দেবেন— এমন কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। এছাড়া বাংলাদেশে চিকিৎসার পেশাগত নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ বিএমডিসির কোনো অনুমোদনও নেওয়া হয়নি।</p>
</div>
</div>
<p>বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান বলেন, ‘ঢাকা ফার্টিলিটি এক্সপো চালানোর জন্য আয়োজক প্রতিষ্ঠান বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে অনুমতি নিয়েছে। পুলিশের কাছে অনুমতি নেয়নি, শুধু অবহিত করেছে। তারা বলেছে মেলা, কিন্তু আসলে মেলা না। মেলার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা, কাউন্সিলিং এবং বিদেশে যাওয়ার জন্য প্ররোচনা দিচ্ছে।’</p>
<p>তিনি আরো বলেন, ‘আমি মৌখিকভাবে বলে এসেছি, আপনারা এটি বন্ধ করেন। একইসঙ্গে দাপ্তরিক একটি চিঠি ইস্যু করা হয়েছে।’</p>
<p>সিভিল সার্জন বলেন, ‘মেলার অনুমতি আছে। সেটি যদি টেকনোলজি প্রদর্শনী বা শেয়ারিং হয়, সেটি এক জিনিস। কিন্তু চিকিৎসা সম্পর্কিত কোনো অনুমতি নেই। ফলে এক্সপোর আড়ালে রোগী দেখা, চিকিৎসা দেওয়া এবং রোগীদের ভারত যাওয়ার জন্য প্রলুব্ধ করা— এটি যেন না হয়। আমাদের কথা যদি না মানে, তাহলে কালকে মোবাইল কোর্ট হবে।’</p>
<p>প্রসঙ্গত, ২৬ জুন (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ইকো এক্সপোর উদ্যোগে তিন দিনের মেলা শুরু হয়। এসময় ভারত ও থাইল্যান্ডের চিকিৎসকরা রোগীদের সেবা দিচ্ছেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে বিকেল তিনটার দিকে মেলাস্থলে যান সিভিল সার্জন। </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল ক্যাডারের ১৯ কর্মকর্তার প্রার্থিতা বাতিল</title>
<link>https://digibanglatech.news/154903</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154903</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_685821ac7401b.jpg" length="67970" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 22 Jun 2025 17:31:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য বিসিএস ক্যাডারভুক্ত কর্মকর্তাদের সিনিয়র স্কেল পদোন্নতি পরীক্ষায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল ক্যাডারের ১৯ কর্মকর্তার প্রার্থিতা বাতিল করেছে। প্রার্থিতা বাতিল হওয়া কর্মকর্তাদের রোল নম্বর হচ্ছে — ৯০৯০০০০২, ১০৯০০০০৩, ১০৯০০০০৪, ১০৯০০০০৫, ১০১০০০০৬, ১০৯০০০০৭, ৯০৯০০০০৮, ১০১০০০০১, ১০৯০০০১১, ১০৯০০০১২, ১০৯০০০১৩, ১০৯০০০১৪, ১০৯০০০১৫, ১০৯০০০১৬, ১০৯০০০১৭, ৯০৯০০০১৮, ১০৯০০০১৯, ১০৯০০০২০।</p>
<p>পিএসসি সচিবালয় থেকে প্রকাশিত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাসুমা আফরীনের স্বাক্ষর করা এক বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট রিট পিটিশনের আদেশ মেনেই এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।  </p>
<div>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল ক্যাডার (বিষয় কোড-১০৯) থেকে সিনিয়র স্কেল পদোন্নতি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য অনলাইনে আবেদন করা মোট ১৯ কর্মকর্তার প্রার্থিতা রিট পিটিশন নম্বর ৯৭২২/২০২৫ এর আদেশের প্রেক্ষিতে বাতিল করা হয়েছে।</p>
<p>মূলত, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল ক্যাডারের ১৯ কর্মকর্তার প্রার্থিতা বাতিলকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) অবস্থান ও সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে যাদের ‘অযোগ্য’ ঘোষণা করে পিএসসি নিজেই পরীক্ষা থেকে বাদ দেয়, মাত্র কয়েক মাস পর সেই একই প্রার্থীদের অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয় ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির সিনিয়র স্কেল পদোন্নতি পরীক্ষায়। অথচ পিএসসির নিজস্ব আইন উপদেষ্টা এই অনুমতির বিরোধিতা করেছিলেন বিধিমালার দোহাই দিয়ে। পরে হাইকোর্টের হস্তক্ষেপে আবারও সেই ১৯ জনের প্রার্থিতা বাতিল করে কমিশন। এই স্ববিরোধী সিদ্ধান্ত, নিয়ম লঙ্ঘন নিয়ে বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনাও হয়েছে।</p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক বায়োটেক সম্মেলন অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/154848</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154848</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_6856b77548fc3.jpg" length="113869" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 21 Jun 2025 17:44:56 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>"টেকসই উন্নয়নের জন্য ফার্মাসিউটিক্যাল এবং স্বাস্থ্য বিজ্ঞানের অগ্রগতি" শীর্ষক প্রতিপাদ্যে </span>ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে শেষ হলো দুদিনব্যাপী আন্তর্জাতিক বায়োটেকনোলজি সম্মেলন ২০২৫। ২১ জুন, শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে আন্তঃবিভাগীয় অংশীদারিত্ব জোরদার করণ এবং বায়োটেকনোলজি গবেষণা ও প্রয়োগের অগ্রগতি তুলে ধরা।<o:p></o:p></p>
<p>সমপানী দিনে অনুষ্ঠিত হয় “রিইমাজিনিং বায়োটেক: বিল্ডিং স্টার্টআপস, এসএমই’স অ্যান্ড প্রাইভেট সেক্টর পাথওয়েস ফর বায়োটেক গ্র্যাজুয়েটস” শীর্ষক দ্বিতীয় প্লেনারি সেশন। আবিষ্কৃত নতুন জ্ঞান ও প্রযুক্তিকে কীভাবে উদ্ভাবন ও উদ্যোগের মাধ্যমে ফলপ্রসু সমাধানে পরিণত করা যায় সেই ব্ষিয়ে এই সেশনে আলোচনা করা হয়েছে এই সম্মেলনে। <o:p> </o:p></p>
<p>আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনে বায়োটেকনোলজির বহুমাত্রিক প্রয়োগ নিয়ে আলোচনার জন্য ১৪টি থিমেটিক ট্র্যাক নির্ধারণ করা হয় যেখানে ছিল ১০০টির বেশি গবেষণা প্রেজেন্টেশন। কনফারেন্সে আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল—স্বাস্থ্যসেবায় উদ্ভাবন, কৃষিভিত্তিক বায়োটেকনোলজি, পরিবেশ টেকসইতা ও কম্পিউটেশনাল বায়োলজি।<o:p></o:p></p>
<p>সম্মেলনে আরও ছিল একটি পোস্টার প্রেজেন্টেশন প্রদর্শনী। এখানে শিক্ষার্থী ও নবীন গবেষকরা তাদের গবেষণাকর্ম প্রদর্শনের সুযোগ পেয়েছেন। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তারা অভিজ্ঞ গবেষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করতে পেরেছেন এবং নিজেদের গবেষণা দক্ষতা ও চিন্তাধারাকে আরও সমৃদ্ধ করেছেন।<o:p></o:p></p>
<p>সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির মহাপরিচালক ড. মো. সগীর আহমেদ এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ন্যাচারাল সায়েন্সেস বিভাগের চেয়ারপারসন ড. মো. ফিরোজ এইচ হক।  <o:p></o:p>অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য প্রদান দেন এই কনফারেন্সের আহ্বায়ক ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বায়োটেকনোলজি প্রোগ্রামের ডিরেক্টর ড. মুনিমা হক।</p>
<p>এর আগে ২০ জুন, শুক্রবার সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী প্রফেসর ড. মো. সায়েদুর রহমান। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, বিজ্ঞানভিত্তিক অগ্রগতি ও সামাজিক উন্নয়ন একসাথে এগিয়ে যেতে হবে। মূল প্রবন্ধে তিনি দেশের উঠতি চ্যালেঞ্জসমূহ ও দুর্বল গবেষণা অবকাঠামো মোকাবেলায় বুদ্ধিমত্তা, সহনশীলতা এবং লক্ষ্যনিষ্ঠ মানসিকতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।<o:p></o:p></p>
<p>অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির স্কুল অফ ডেটা অ্যান্ড সায়েন্সেস এর ডিন প্রফেসর মাহবুবুল আলম মজুমদার বলেন, বাস্তব সমস্যা সমাধানে জীববিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও কম্পিউটেশনাল সক্ষমতা এখন একসাথে কাজ করছে।<o:p></o:p></p>
<p>ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড বলেন, এই কনফারেন্স ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ফলপ্রসু গবেষণার মাধ্যমে ইতিবাচক প্রভাব তৈরি প্রচেষ্টার একটা অংশ। আমাদের উদ্দেশ্য হলো মেধাপাচার রোধ করে জ্ঞান ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার একটি সক্রিয় পরিবেশ তৈরি করা।<o:p></o:p></p>
<p>এই কনফারেন্সটি আয়োজন করেছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ডেটা অ্যান্ড সায়েন্সেস এর ডিপার্টমেন্ট অফ ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ন্যাচারাল সায়েন্সেস এর বায়োটেকনোলজি প্রোগ্রাম। এই কনফারেন্সের আরেকটি প্রধান লক্ষ্য হলো—সমসাময়িক বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বায়োটেকনোলজির রূপান্তরমূলক ভূমিকা তুলে ধরা।<o:p></o:p></p>
<p>বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে এক হাজার জনেরও বেশি খ্যাতনামা বিজ্ঞানী, গবেষক, শিক্ষাবিদ ও শিক্ষার্থী এই কনফারেন্সে অংশ নিয়েছেন। এর মাধ্যমে অ্যাকাডেমিয়া, জনস্বাস্থ্য, ইন্ডাস্ট্রি ও শিক্ষা খাতের মধ্য আলোচনা, সমন্বয় ও জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়।<o:p></o:p></p>
<p>এই সম্মেলনের উল্লেখযোগ্য বিষয় ছিল দুটি প্লেনারি সেশন। এর প্রথমটি হলো “ফ্রম বেঞ্চ টু ব্রেকথ্রুস: অ্যা লাইফটাইম জার্নি ইন বায়োটেকনোলজি”। শুক্রবার এই প্লেনারি সেশনটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে কৃষি বায়োটেকনোলজি ও মেডিকেল ফিজিক্স ও পরিবেশবিজ্ঞানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের গবেষকরা তাদের গবেষণা ও আবিষ্কারের গল্প তুলে ধরেন। <o:p></o:p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>যবিপ্রবিতে প্রথম মাল্টিডিসিপ্লিনারি হেলথকেয়ার ন্যাশনাল কনফারেন্স অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/154816</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154816</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_68541ca434fe1.jpg" length="99573" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 19 Jun 2025 20:19:10 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার ব্যবস্থার গুরুত্ব ও এই চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রয়োগের বিভিন্ন খাত এবং  সেটি প্রয়োগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যা ও উক্ত সমস্যার সমাধানের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা ও কর্মদক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ফিজিওথেরাপি ও রিহ্যাবিলিটেইশন (পিটিআর) বিভাগের আয়োজনে ‘প্রভেশন অফ এভিডেন্স-বেইজড ফিজিওথেরাপি থ্রু মাল্টিডিসিপ্লিনারি হেলথকেয়ার ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রথম ন্যাশনাল কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।<br><br>১৯ জুন (বৃহস্পতিবার) যবিপ্রবির কেন্দ্রীয় গ্যালারিতে ‘প্রভেশন অফ এভিডেন্স-বেইজড ফিজিওথেরাপি থ্রু মাল্টিডিসিপ্লিনারি হেলথকেয়ার ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রথম ন্যাশনাল কনফারেন্সের আয়োজন করে যবিপ্রবির পিটিআর বিভাগ। উক্ত কনফারেন্সে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ।<br><br>প্রধান অতিথির বক্তব্যে যবিপ্রবি উপাচার্য বলেন, আমাদের দেশের স্বাস্থ্য খাতটি বিভিন্নভাবে অবহেলিত ও নানা সমস্যায় জর্জরিত। আমাদের দেশের বেশিরভাগ লোকই গরিব এবং তারা গ্রামে বসবাস করায় তারা সঠিকভাবে সঠিক সময়ে স্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছে না। আমাদের স্বাস্থ্য সেবা সংশ্লিষ্ট বিষয় গুরুত্বসহকারে সকলকে দেখতে হবে এবং সঠিক রোগীকে সঠিক সময়ে গুণগতমান সম্পন্ন সেবা নিশ্চিত করতে হবে যার জন্য সকল পেশাজীবীকে নিজ নিজ অবস্থানে আরো আন্তরিক হতে হবে। গুণগতমান সম্পন্ন সেবা নিশ্চিতের লক্ষ্যে সবাইকে যার যার অবস্থানে কর্মদক্ষতা অর্জন করতে হবে।<br><br>যবিপ্রবি উপাচার্য শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, আমি সর্বদা দেশের মানুষের জন্য গুণগতমান সম্পন্ন সেবার স্বপ্ন দেখি। এরই অগ্রযাত্রায় নার্সিং, স্বাস্থ্য সেবা, ফিজিওথেরাপি সেন্টার, জিনোম রিসার্চ, মলিকুলার বায়োলজি এনালাইসিসসহ অন্যান্য সকল স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এবং শিক্ষার্থীদের বাস্তাবিক জ্ঞান ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির জন্য যশোর শহরে একটি আধুনিক ট্রেনিং ও টেস্টিং সেন্টার করতে চাই। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে পরিবর্তন না হলে কোন ভাবেই জুলাই এর আন্দোলনের সফলতা আসবে না।<br> <br>সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. সোহরাব হোসেন, বিএইচপিআই ও নির্বাহী পরিচালক সেন্টার ফর দি রিহ্যাবিলিটেশন অফ দ্যা প্যারালাইজড (সিআরপি)। উক্ত সেমিনারে আরো বক্তব্য রাখেন, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, বিবিপিএমএম এর সভাপতি ডা. মোহাম্মাদ শাহাদাত হোসেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এর পরিচালক ডা. সৈয়দ কামরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এর অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. শেখ ছাইদুল হক। উক্ত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ও স্বাগত বক্তব্য রাখেন পিটিআর বিভাগের চেয়ারম্যান ডা. এহসানুর রহমান।<br><br>কনফারেন্সের প্রথম পর্ব শুরু হয় প্রেজেন্টেশন। পিটিআর বিভাগের শিক্ষার্থীরা এতে অংশগ্রহণ করেন। প্রেজেন্টেশন শেষে বিকালে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল সাড়ে ৪ টায় কনফারেন্সে অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট প্রদান ও প্রেজেন্টেশনে বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।<br> <br>উক্ত কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন মো: আমজাদ হোসেন, যশোরস্থ সাংবাদিকবৃন্দ, পিটিআর বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ ও অ্যালামনাই শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপন করেন পিটিআর বিভাগের প্রভাষক ডা. কাজী মো. এমরান হোসেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রংপুরে অকেজো  পিসিআর মেশিন, করোনা পরীক্ষা বন্ধ, প্রস্তুত আইসোলেশন ওয়ার্ড</title>
<link>https://digibanglatech.news/154699</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154699</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_6850fe1764d84.jpg" length="52861" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 17 Jun 2025 10:33:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>
<p>গত তিন বছর ধরে বিকল পড়ে আছে রংপুর বিভাগের তিনটি আরটি-পিসিআর ল্যাবের মেশিন। নেই পরীক্ষার কিটও। ফলে ফের করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকলেও বন্ধ রয়েছে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা। এতে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ। সিটি করপোরেশনে গিয়ে নগরের মুন্সিপাড়ার, হনুমানতলার কয়েকজন বাসিন্দা পীরক্ষা করাতে না পেরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। নগরের বাসিন্দাদের অভিযোগ, তারা করোনা পরীক্ষার জন্য সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগে বারবার গিয়ে ফিরে আসছেন। তাদের বলা হচ্ছে, করোনা পরীক্ষার কিট না থাকায় নমুনা নেওয়া যাচ্ছে না।</p>
<p>তবে <span>রোগীর পরীক্ষা শুরু না হলেও আইসোলেশন ওয়ার্ড প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রংপুর সিভিল সার্জন ডা. শাহীন সুলতানা। করোনা আক্রান্ত রোগীর জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইসোলেশন বেড প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া করোনার নমুনা সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় কিটের চাহিদা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। কিট এলেই কার্যক্রম শুরু হবে।</span></p>
<p><span>সূত্রমতে, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আখতারুজ্জামান সই করা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানো চাহিদাপত্রে তিন হাজার র্য্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট কিটের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে মেডিকেল কলেজের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও পিসিআর (করোনা পরীক্ষার মেশিন) ল্যাবের ইনচার্জ ডা. এমএ আজিজ মেডিকেল কলেজের চাহিদাপত্র স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানোর কথা জানিয়েছেন। চাহিদাপত্রে কিট, জনবল, পিপি, সার্জিক্যাল গ্লাভসসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক জিনিসপত্রের কথা উল্লেখ রয়েছে।</span></p>
<p>রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিভাগের মানুষের করোনা পরীক্ষার জন্য দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে একটি এবং রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দুটিসহ তিনটি পিসিআর মেশিন রয়েছে। এর সবগুলো অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে। প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নেই। ফলে বিভাগের আট জেলায় করোনার নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা বন্ধ আছে। কবে চালু হবে, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।</p>
<p>তবে দ্রুততম সময়ে এটি চালুর আশ্বাস দিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের রংপুর বিভাগীয় উপপরিচালক ডা. ওয়াজেদ আলী স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের বলেছৈন, ‘করোনা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। পিসিআর মেশিনগুলো সচল করার চেষ্টা চলছে। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে সচল করা সম্ভব হবে।’।</p>
<p>তিনি জানান, ২০২২ করোনা মহামারি কেটে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন মেশিনগুলো বন্ধ থাকায় অকেজো হয়ে যায়। এজন্য বিভাগের সব জেলার সিভিল সার্জনকে নিয়ে সভা করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে। করোনা প্রতিরোধে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। </p>
<p>বিভাগের আট জেলায় জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা সূত্রে প্রকাশ, ইতিমধ্যে অনেকেই নানা উপসর্গ নিয়ে আসছেন। কিন্তু ২০২৩ সাল থেকে পিসিআর মেশিনগুলো অকেজো হয়ে পড়ে আছে। এজন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যাচ্ছে না। রোগী এসে ফিরে যাচ্ছেন। কেউ আক্রান্ত হয়েছেন কিনা, তা নিশ্চিত হওয়ার কোনও উপায় নেই। কারণ এখনও নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা শুরু হয়নি। এমনকি পরীক্ষার কিট এখনও সরবরাহ করেনি স্বাস্থ্য বিভাগ। </p>
<p>সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, করোনা পরীক্ষার কিট না থাকায় তাদের কাছে আসা রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে না। পরীক্ষা করাও যাচ্ছে না। কিট আসলে তারা নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার কাজ শুরু করবেন। তবে কবে নাগাদ কিট আসবে, তা বলতে পারেননি কোনও কর্মকর্তা।</p>
<p>সিটি করপোরেশনের মেডিক্যাল অফিসার ডা. পলাশ কুমার রায় জানিয়েছেন, আগের মতোই করোনা থেকে নিরাপদ থাকতে হাত ধোয়া ও মাস্ক পরার মতো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। ‌যাদের শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা আছে, তাদের সতর্ক অবস্থায় চলাফেরা করতে হবে। </p>
<p>এছাড়াও কিট সরবরাহ না থাকায় নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার কাজ শুরু হয়নি জানিয়ে কিট আসলেই নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা শুরু হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন তিনি। তবে কবে নাগাদ কিট আসবে স্বাস্থ্য বিভাগকে তিনি এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তারিখ জানতে পারেননি। </p>
<p>ইতিমধ্যে করোনা পরীক্ষার জন্য সিটি করপোরেশন কার্যালয়ের স্বাস্থ্য শাখায় গিয়ে ফিরে এসে অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।  বাসিন্দা আলতাফ হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘জ্বর-সর্দিসহ করোনার উপসর্গ নিয়ে সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগে গিয়ে পরীক্ষা করাতে পারিনি। মেডিক্যাল অফিসার বলেছেন, কিট সরবরাহ নেই। আসলে করা হবে। কিন্তু স্বাস্থ্য বিভাগ কেন কিট সরবরাহ করছে না, বুঝতে পারছি না। এতে করোনা আবারও সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়বে বলে আতঙ্কে আছি আমরা।’</p>
</div>
<div></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>খুলেছে চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল</title>
<link>https://digibanglatech.news/154622</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154622</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_684d05f3160f5.jpg" length="103336" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 14 Jun 2025 10:17:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span class="x3jgonx">টানা ১৮ দিন বন্ধ থাকার পর ১৪ জুন, শনিবার ফের পুরোদমে চালু হলো জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম।  সকাল থেকেই হাসপাতালটিতে দেখা গেছে সেবাপ্রার্থীর লাইন। সাধ্যমতো সেবাও দিতে শুরু করেছেন চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফরা। </span><br><br><span class="x3jgonx">হাসপাতাল সূত্রে প্রকাশ, রোগীদের  চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি যাদের প্রয়োজন ভর্তিও নেওয়া হচ্ছে। </span><br><br><span class="x3jgonx">এর আগে, গত ২৫ মে দুপুরে হাসপাতালের পরিচালকের কক্ষে একটি বৈঠক চলাকালে সঠিক চিকিৎসা না পাওয়া ও অবহেলার অভিযোগ এনে বিষপান করেন সেখানে চিকিৎসাধীন চার জুলাইযোদ্ধা। পরে তাৎক্ষণিকভাবে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে শঙ্কামুক্ত হন তারা।</span><br><br><span class="x3jgonx">এ ঘটনার তিন দিন পর ২৮ মে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ নেওয়াসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনে নামেন আহত জুলাইযোদ্ধারা। একই দিন বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে কর্মচারীদের একাংশের সঙ্গে সাধারণ রোগীদের হাতাহাতি ঘটে। তাদের সঙ্গে যোগ দেন জুলাই-আহতরা। তখন ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় মানববন্ধন করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এতে হাসপাতালের সব ধরনের সেবা বন্ধ হয়ে যায়। ভর্তি রোগীরাও হাসপাতাল ছেড়ে চলে যান। এরপর নানান দেন দরবারের পরে গত ৪ জুন চালু করা হয় হাসপালটির জরুরি বিভাগ। সর্বশেষ গত পরশু ১৩ জুন বহির্বিভাগ চালু করা হয়। </span><br><br><span class="x3jgonx">প্রসঙ্গত, গত বছর জুলাই আন্দোলনে আহতদের মধ্যে জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ৬৮৬ জন। ছররা গুলিতে ৫২৫ জনের চোখ নষ্ট হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩২ জন দুই চোখের দৃষ্টিশক্তিই হারিয়েছেন। এক চোখ নষ্ট হয়েছে ৪৯৩ জনের। এ ছাড়া দুজনের দুই চোখে, ৪৭ জনের এক চোখে গুরুতর দৃষ্টিস্বল্পতা দেখা দিয়েছে।</span><br><br></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কুষ্টিয়ায় করোনা পরীক্ষা ল্যাবের সব যন্ত্রাংশ চুরি!</title>
<link>https://digibanglatech.news/154609</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154609</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_684c389ed83cc.jpg" length="106770" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 13 Jun 2025 20:01:43 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের করোনা পরীক্ষার জন্য প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপিত একমাত্র পিসিআর ল্যাবের সব যন্ত্রাংশ চুরি হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। সূত্র মতে, প্রায় চার মাস আগে থেকে ধাপে ধাপে এই চুরি সংঘটিত হলেও মাস খানেক আগে চুরির বিষয়টি টের পায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।</span></p>
<p>হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ১৬ এপ্রিল করোনা ভাইরাস শনাক্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি একতলা ছোট ভবনে পিসিআর ল্যাবের যাত্রা শুরু হয়। সে সময় প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে এটি স্থাপন করা হয়। করোনা সংক্রমণ কমে যাওয়ার পর এক বছর আগে পিসিআর ল্যাবের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। ল্যাবটি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব ছিল কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের মাইক্রোবায়োলোজি বিভাগ। সংশ্লিষ্ট দুজন কর্মচারীকে ল্যাবটি দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয়। মাস খানেক আগে চুরির বিষয়টি জানতে পারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।</p>
<p>কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. হোসেন ইমাম পিসিআর ল্যাবের যন্ত্রাংশ চুরির বিষয়টি স্বীকার করে জানান, গত চার মাস ধরে ধাপে ধাপে চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একমাস আগে বিষয়টি টের পেয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি তাদের রির্পোটও জমা দিয়েছে। </p>
<p>তিনি আরও জানান, প্রতিবেদনে ল্যাব বন্ধের পর দেখভালের জন্য যাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তাদের চরম অবহেলা রয়েছে বলে সনাক্ত হয়েছে। </p>
<p>জেলা সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য মতে, ২০১৯ সাল থেকে কোভিডের বিস্তার শুরু হলেও ২০২০ সালের ৮ মার্চ থেকে ২০২১ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত এ জেলায় কোভিড আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৮৫৫ জন। আক্রান্ত হয়েছিলেন চার হাজারের মতো রোগী।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মেডিটেশন ফিচার  যুক্ত করলো টিকটক</title>
<link>https://digibanglatech.news/154152</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154152</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_6834813a07c5b.jpg" length="63618" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 26 May 2025 17:57:32 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডিজিটাল সুস্থতার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে টিকটক চালু করেছে গাইডেড মেডিটেশন ফিচার।  ফিচারটি ২.৩ মিলিয়ন ডলারের গ্লোবাল মেন্টাল হেলথ এডুকেশন ফান্ডের সঙ্গে চালু করা হয়েছে। ফিচারটি টিকটক ব্যবহারকারীদের ভাল ঘুম ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সহায়তা করবে বলে আশাবাদী টিকটক কর্তৃপক্ষ। </p>
<p>নতুন ফিচার বিষয়ে সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টিকটক বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, টিকটকের নতুন মেডিটেশন ফিচারটি অ্যাপটির পূর্ববর্তী “স্লিপ আওয়ারস" ফিচারের অংশ হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, মেডিটেশন ঘুমের মান উন্নয়নে সাহায্য করে। এজন্য শুরু থেকেই টিকটক মেডিটেশন ফিচারটি সব বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য চালু করেছে। ১৮ বছরের নিচে বয়সীদের জন্য এই ফিচারটি ডিফল্টভাবে চালু থাকবে। রাত ১০টার পর, তাদের “ফর ইউ” ফিডটি সাময়িকভাবে একটি গাইডেড মেডিটেশন প্রম্পটে প্রতিস্থাপিত হবে। যদি তারা ব্রাউজিং চালিয়ে যায়, একটি দ্বিতীয় স্ক্রীন দৃশ্যমান হবে, যা স্বাস্থ্যকর স্ক্রীন টাইম অভ্যাস গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। <a href="https://newsroom.tiktok.com/en-us/new-ways-we-are-supporting-parents-and-helping-teens-build-balanced-digital-habits">টিকটক এর অভ্যন্তরীণ এক সমীক্ষায়</a> দেখা গেছে, ৯৮% কিশোর-কিশোরী এই মেডিটেশন ফিচারটি চালু রেখেছে।<o:p></o:p></p>
<p>প্রাপ্তবয়স্করা তাদের স্ক্রীন টাইম সেটিংস থেকে এই ফিচারটি ম্যানুয়ালি চালু করতে পারবেন। বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ মিনিট মেডিটেশন করার পরামর্শ দেন, যা মানসিক চাপ কমাতে ও মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে। <a href="https://www.health.harvard.edu/blog/mindfulness-meditation-helps-fight-insomnia-improves-sleep-201502187726">জ্যামা ইন্টারনাল মেডিসিন এবং হার্ভার্ড হেল্‌থ</a>-এর গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমানোর আগে ১০–১৫ মিনিট মেডিটেশন করলে ঘুমের মান উন্নত হয় এবং মানসিক ভারসাম্য বজায় থাকে।   <o:p></o:p></p>
<p>এদিকে বিশ্বব্যাপী মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা আরও এগিয়ে নিতে, টিকটক ২২টি দেশের ৩১টি মানসিক স্বাস্থ্য সংগঠনকে ২.৩ মিলিয়ন ডলারের বিজ্ঞাপন ক্রেডিট প্রদান করার ঘোষণা দিয়েছে। এই উদ্যোগটি ২০২৫ সালের মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা তহবিলের অংশ, যা তাদের সহযোগীদের বিশ্বাসযোগ্য এবং আকর্ষণীয় কনটেন্ট তৈরি করতে সহায়তা করবে এবং টিকটক-নেতৃত্বাধীন প্রশিক্ষণ ও সহায়তার মাধ্যমে তাদের পৌঁছানোর পরিধি বৃদ্ধি করবে।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in; text-align: justify; line-height: normal;"> এ বিষয়ে টিকটকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ট্রাস্ট এন্ড সেফটি লিড আসমা আনজুম বলেন, "বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান এবং নেপালের মতো দেশে, একসময় মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলা ছিল ট্যাবু তবে এখন এটি মুক্তভাবে আলোচনা করা হচ্ছে। আমরা একটি ইতিবাচক সাংস্কৃতিক পরিবর্তন দেখছি এবং ইন-অ্যাপ টুলস ও পাবলিক অ্যাওয়ারনেস ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে এই অগ্রগতিতে অবদান রাখতে পেরে আমরা গর্বিত।”</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হাজিদের রবি&#45;সুখী স্বাস্থ্যসেবা প্যাকেজ চালু</title>
<link>https://digibanglatech.news/154012</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154012</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_682e77b9902ad.jpg" length="98706" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 22 May 2025 01:02:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হজ রোমিং গ্রাহকদের জন্য ভিডিও কন</span><span lang="BN" style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">সালটেশনের </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মাধ্যমে চিকিৎসকের পরামর্শ সেবা চালু করল রবি। </span><span lang="BN" style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">রবি</span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;"> হজ রোমিং প্যাক ব্যবহারকারী</span><span lang="BN" style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> সকল গ্রাহক ডিজিটাল হেলথ কেয়ার প্ল্যাটফর্ম ‘সুখী’-এর মাধ্যমে</span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;"> এই সেবা পাবেন </span><span lang="BN" style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">কোনো সাবস্ক্রিপশন ফি ছাড়াই</span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">। এতে স্বাস্থ্য ক্যাম্পে যাওয়ার ঝামেলা পোহাতে হবে না হজযাত্রীদের। তারা ঘরে বসেই অনলাইনে রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারবেন। <o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টা এই সেবা পাওয়া যাবে অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া যাবে।  <o:p></o:p></span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">১ হাজার ৭৯৮ অথবা ২ হাজার ১৯৮ টাকার স্পেশাল হজ প্যাকের আওতায় বিনামূল্যে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে পারবেন গ্রাহকরা। <o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;"><o:p> </o:p></span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রবি আজিয়াটা পিএলসির চিফ কমার্শিয়াল অফিসার শিহাব আহমাদ বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, সত্যিকারের সংযোগ ডাটা বা কলের চেয়েও বেশি কিছু। এর সাথে গ্রাহকদের যত্নের বিষয়টিও সম্পৃক্ত। হজ রোমিং প্যাকের মাধ্যমে অনলাইনে চিকিৎসকের ফ্রি পরামর্শ নেওয়ার সুবিধা চালু করে গ্রাহকদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যাত্রায় সহায়তা করতে পেরে আমরা গর্বিত।’’</span><span lang="BN" style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span lang="BN" style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"><o:p> </o:p></span><span lang="BN" style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">এছাড়াও, এখন রবি গ্রাহকেরা দ্বীন অ্যাপ ব্যবহার করার মাধ্যমে হজপালনরত নিকটজনেরা প্রতি মুহূর্তে কোথায় অবস্থান করছেন তা ট্র্যাক করতে পারবেন। ফলে হজপালনকারী প্রিয়জনদের নিয়ে দুশ্চিন্তা অনেকটা লাঘব হবে। </span><span lang="AR-SA" style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;"><o:p></o:p></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গ্রাহকদের স্বাস্থ্যসেবায় গ্রামীণফোনের সঙ্গে সুখী</title>
<link>https://digibanglatech.news/154008</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154008</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_682e1dc6e26a8.jpg" length="95234" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 22 May 2025 00:03:20 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশব্যাপী গ্রাহকদের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে গ্রামীণ ডিজিটাল হেলথকেয়ার সল্যুশনস উদ্ভাবিত সুখী প্ল্যাটফর্মের সাথে চুক্তি সই করেছে গ্রামীণফোন। </p>
<p>গ্রামীণফোনের চিফ প্রকিউরমেন্ট অফিসার কৌস্তভ ভাটস এবং গ্রামীণ ডিজিটাল হেলথকেয়ার সল্যুশনস’র সিইও ড. আহমদ আরমান সিদ্দিকী চুক্তিতে সই করেন। চুক্তির আওতায় একাধিক প্যাকেজের মাধ্যমে সুখী প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে পারবেন গ্রামীণফোনের গ্রাহকরা। </p>
<p>বৃহস্পতিবার অপারেটরটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজধানীর জিপি হাউজে সম্প্রতি এ বিষয়ক চুক্তি সই হয়। এসময় গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান, চিফ প্রোডাক্ট অফিসার (সিপিও) সোলায়মান আলম, চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) ড. আসিফ নাইমুর রশিদ এবং গ্রামীণ ডিজিটাল হেলথকেয়ার সল্যুশনসের চিফ টেকনোলজি অ্যান্ড বিজনেস অফিসার মো. সোলাইমুন রাসেল, চিফ মার্কেটিং অফিসার (সিএমও) হাসিবুল হাসানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, “সুখীর মতো উদ্ভাবনী প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে কাজের মাধ্যমে সেই সেবাকে আরো সহজে ও সাশ্রয়ী মূল্যে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই আমরা। ডিজিটালভাবে সক্ষম একটি জাতি গঠনে বাংলাদেশের অগ্রগতিতে ধারাবাহিক উদ্ভাবন অব্যাহত রাখবে গ্রামীণফোন।”</p>
<p>গ্রামীণ ডিজিটাল হেলথকেয়ার সল্যুশন্সের প্রধান নির্বাহী ড.আহমদ আরমান সিদ্দিকী বলেন,“স্বাস্থ্যসেবা খাতে উদ্ভাবনী, প্রযুক্তিনির্ভর ও কার্যকর সমাধান দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে সুখী। আমাদের বিশ্বাস, এই উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামীণফোনের বিশাল গ্রাহকগোষ্ঠীসহ দেশের বিস্তৃত জনগোষ্ঠীর কাছে সহজে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে পারব আমরা।”</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বুধবার চালু হচ্ছে প্রথম রোবোটিক পুনর্বাসন কেন্দ্র</title>
<link>https://digibanglatech.news/153979</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153979</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_682cde9e174c0.jpg" length="53661" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 20 May 2025 21:57:31 +0600</pubDate>
<dc:creator>ডিজিবাংলা ডেস্ক রিপোর্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) স্থাপিত হয়েছে দেশের প্রথম রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার।  প্রতিদিন প্রায় ৩০০ জন রোগীকে উচ্চমানের পুনর্বাসন চিকিৎসা দিতে সক্ষম এই রোবোটিক রিহ্যাব সেন্টারটিতে রয়েছে ৬২টি উন্নত রোবোটিক থেরাপি ইউনিট। এর মধ্যে ২২টি রোবট সরাসরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত। </p>
<p>পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগীদের হাঁটার ক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে এই পুনর্বাসন কেন্দ্রে আছে রোবোটিক আর্ম এক্সোস্কেলেটন;  মেরুদণ্ড বা ব্রেইন ইনজুরির ফলে শরীরের ভারসাম্য রক্ষার ইন্টেলিজেন্ট ব্যালান্স সিমুলেটর;  হাতের প্যারালাইসিস বা গিলিয়েন-ব্যারে সিনড্রোমে আক্রান্তদের হাতের শক্তি পুনরুদ্ধারের ফিঙ্গার মোবিলাইজার ও পাম-গ্লাভ থেরাপি ইউনিটের মতো নতুন নতুন প্রযুক্তির চিকিৎসা সরঞ্জাম। </p>
<p>ইউনিটগুলোতে উল্লেখযোগ্য প্রযুক্তিগুলো হলো- রোবোটিক গেইট ট্রেইনিং সিস্টেম, এক্সোস্কেলিটন থেরাপি, রোবোটিক আর্ম রিহ্যাবিলিটেশন ডিভাইস, এআই-বেইজড নিউরোফিডব্যাক সিস্টেম এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর) থেরাপি সিস্টেম।</p>
<p>বুধবার (২০ মে) সকালে রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারের উদ্বোধন করবেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।  বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মদ শাহিনুল আলমের সভাপতিত্বে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম,চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ও স্বাস্থ্য সচিব ডাঃ মোঃ সারওয়ার বারীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। </p>
<p>বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে প্রকাশ,এই রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে বিনামূল্যে সেবা মিলবে। এছাড়াও জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে আহত ও জীবিত যোদ্ধারা চিকিৎসাগ্রহেণে অগ্রাধিকার পাবেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইসিডিডিআরবি&#45;র ডায়াগনস্টিক সেবায়  ১০% ছাড় পাবেন রবি এলিট গ্রাহকরা</title>
<link>https://digibanglatech.news/153843</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153843</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_6828d35807ae8.jpg" length="105940" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 17 May 2025 18:19:17 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" align="justify">গ্রাহকদের জন্য <span>বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা সহজ করতে রবি এলিট যুক্ত হয়েছে</span><span> </span><span>আন্তর্জাতিক</span><span> </span><span>স্বাস্থ্য</span><span> </span><span>গবেষণা</span><span> </span><span>প্রতিষ্ঠান</span><span>,</span><span> </span><span><a href="https://www.icddrb.org/"><u><span class="16">আইসিডিডিআর</span></u></a></span><span>,</span><span>বি</span><span>-</span><span>র সঙ্গে। এখন থেকে আইসিডিডিআর</span><span>,</span><span>বি</span><span> </span><span>ডায়াগনস্টিক</span><span> </span><span>ল্যাবরেটরিজের বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেবায় ১০ শতাংশ মূল্যছাড় পাবেন রবি এলিট গ্রাহকরা</span><span>। </span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" align="justify"><span><o:p> </o:p><span style="font-family: Nirmala UI;">এ লক্ষ্যে</span></span><span>রবি আজিয়াটা পিএলসি এবং </span><span><span style="font-family: Nirmala UI;">আইসিডিডিআর</span></span><span>,</span><span><span style="font-family: Nirmala UI;">বি’র মধ্যে সম্প্রতি একটি সমঝোতা চুক্তি সই হয়েছে। শনিবার এ নিয়ে রবি’র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, </span></span><span>রবি আজিয়াটার পক্ষ থেকে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে  উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার,</span><span> </span><span>শিহাব আহমাদ</span><span>; </span><span>অ্যাকজেনটেকের</span><span> </span><span>চিফ কমার্শিয়াল অফিসার, আবুল কালাম মো: নাজমুল ইসলাম; হেড অফ রবি মার্কেটিং, </span><span><span style="font-family: Nirmala UI;">মোঃ শওকত</span></span><span> কাদের চৌধুরী প্রমুখ।</span></p>
<p class="MsoNormal" align="justify"><span>অপরদিকে </span><span>আইসিডিডিআর</span><span>,</span><span>বি</span><span>-</span><span>র</span><span> </span><span>পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের</span><span> </span><span>নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ</span><span>, </span><span>পরিচালক </span><span>(</span><span>ফাইন্যান্স</span><span>) </span><span>থমাস </span><span><span style="font-family: Nirmala UI;">লিয়াম </span></span><span>ব্যারি</span><span>, </span><span>হেড অফ ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড</span><span> </span><span>ডায়াগনস্টিক সার্ভিসেস, ডা</span><span>. </span><span><span style="font-family: Nirmala UI;">মোঃ</span></span><span> </span><span>ফজলুল কবীর</span><span>; </span><span>হেড অ</span><span><span style="font-family: Nirmala UI;">ফ</span></span><span> হসপিটাল সার্ভিসেস, ডা</span><span>.</span><span>মোঃ জাকিরুল ক</span><span><span style="font-family: Nirmala UI;">রি</span></span><span>ম</span><span>; </span><span>হেড অফ ডেভেলপমেন্ট</span><span><span style="font-family: Nirmala UI;">,</span></span><span> আরমানা আহমেদ</span><span>; </span><span>হেড অফ রেগুলেটরি অ্যান্ড লিগ্যাল অ্যাফেয়ার্স,মোহাম্মদ নাফিউ আলম</span><span>; </span><span>সিনিয়র ম্যানেজার (বিজনেস ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স) মো</span><span><span style="font-family: Nirmala UI;">ঃ </span></span><span>শাহরিয়ার বিন এ</span><span><span style="font-family: Nirmala UI;">লাহী</span></span><span> </span><span>প্রমুখ। </span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" align="justify"></p>
<p class="MsoNormal" align="justify"><span><o:p> </o:p></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা দিতে ‘সুখী’ অ্যাপ</title>
<link>https://digibanglatech.news/153709</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153709</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_682319e7c169e.jpg" length="100194" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 13 May 2025 14:08:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>হজব্রত পালনকারী ইবিএল গ্রাহকরা গ্রামীণ ডিজিটাল হেলথকেয়ার সল্যুশন্স এর উদ্ভাবিত ‘সুখী’ অ্যাপের মাধ্যমে ২৪/৭ অত্যাবশ্যকীয় স্বাস্থ্যসেবা নিতে পারবেন। এর সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করবে ইবিএল। গতকাল, ঢাকায় ইবিএল প্রধান কার্যালয়ে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ চুক্তির লক্ষ্য হলো, হজ পালনকালে গ্রাহকদের মানসিক স্বস্তি এবং অত্যাবশ্যকীয় মেডিক্যাল সেবাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করা।</p>
<p>চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে গ্রামীণ ডিজিটাল হেলথকেয়ার সল্যুশন্সের প্রধান নির্বাহী ড. আহমেদ আরমান সিদ্দিকী, সিটিও এবং সিবিও মো. সোলাইমুন রাসেল; ইবিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী আলী রেজা ইফতেখার, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ শাহীন, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী, ট্রানজেকশন ব্যাংকিং প্রধান মো.জাবেদুল আলমসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>ইবিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী আলী রেজা ইফতেখার এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘এ চুক্তি গ্রাহকদের অভিজ্ঞতা আরো সুখকর করতে এবং একই সঙ্গে বাংলাদেশের বৃহত্তর স্বাস্থ্যসেবা ইকোসিস্টেমে অর্থপূর্ণ ভূমিকা রাখতে ইবিএল এর অঙ্গীকারের প্রতিফলন’। </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>উলবাকিয়া মশা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের জন্য নতুন সম্ভাবনা</title>
<link>https://digibanglatech.news/153598</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153598</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_681f26272a7c7.jpg" length="85832" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 10 May 2025 00:10:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull">ডেঙ্গু মোকাবিলায় একটি বড় বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি বাংলাদেশের জন্য নতুন আশার আলো জাগাচ্ছে। আন্তর্জাতিক গবেষকদের একটি দল এক ধরনের উলবাকিয়াসংক্রমিত এডিস ইজিপ্টি মশা সফলভাবে তৈরি করেছেন। এটি ঢাকা শহরের স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম। এটিকে ‘ভালো মশা’ হিসেবেও অভিহিত করা হয়ে থাকে। এই অগ্রগতি বাংলাদেশকে ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত বা আর্বোভাইরাল ভাইরাস সংক্রমণ রোগের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে একটি নিরাপদ, জৈবিক পদ্ধতি ব্যবহারের নতুন দ্বার উন্মোচন করছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা সংস্থা আইসিডিডিআর,বি।</p>
<p class="alignfull">এই গবেষণা দলে রয়েছেন– অস্ট্রেলিয়ার কিউআইএমআর বার্গহোফার মেডিক্যাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট, কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়, আইসিডিডিআর,বি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের বিজ্ঞানীরা। গবেষণাটি সম্প্রতি জার্নাল <strong><a href="https://www.nature.com/articles/s41598-025-98093-x">দ্য নেচারের সায়েন্টিফিক রিপোর্টসে</a></strong> প্রকাশিত হয়েছে।</p>
<p class="alignfull">আইসিডিডিআর,বি জানায়, বর্তমানে বাংলাদেশে ডেঙ্গু একটি গুরুতর জনস্বাস্থ্য হুমকি। ২০২৩ সালে রেকর্ড সংখ্যক ৩ লাখ ২১ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয় এবং ১ হাজার ৭০০ এরও বেশি মৃত্যু হয়; যা এখন পর্যন্ত ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী বছর। নগরায়ন, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত এবং উষ্ণ তাপমাত্রা ডেঙ্গুর প্রাথমিক বাহক এডিস মশার বিস্তারকে বাড়িয়ে তুলছে। অন্যদিকে প্রচলিত কীটনাশকনির্ভর মশা নিয়ন্ত্রণে মশাদের মধ্যে কীটনাশকের প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যাওয়ায় এর কার্যকারিতা কমে যাচ্ছে। এ জন্য পৃথিবীব্যাপী বিজ্ঞানীরা আরও টেকসই সমাধান খুঁজতে শুরু করেছেন। এর মধ্যে অন্যতম ‘ভালো মশা’ ব্যবহারের কৌশল।</p>
<div class="viewport jw_article_body">
<p class="alignfull">গবেষকদের মতে, উলবাকিয়া ব্যবহারের কারণ হলো, এটি এডিস মশায় ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও জিকা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধ করে, কিন্তু মানুষ বা পরিবেশের কোনও ক্ষতি করে না। উলবাকিয়া একটি প্রাকৃতিক ব্যাকটেরিয়া; যা প্রজাপতি, ফলের মাছি এবং কিছু মশার দেহে স্বাভাবিকভাবেই থাকে কিন্তু এডিস মশায় থাকে না। এই ব্যাকটেরিয়া মানুষ বা প্রাণীকে সংক্রমিত করতে পারে না এবং কামড় বা সংস্পর্শের মাধ্যমেও এটি ছড়ায় না।</p>
<p class="alignfull">তাদের মতে, এডিস মশায় উলবাকিয়া প্রবেশ করিয়ে দুটি কৌশলে মশাবাহিত ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। প্রথমটি হলো দমন কৌশল, যেখানে শুধু পুরুষ উলবাকিয়া মশা বা ভালো মশা পরিবেশে ছাড়া হয়। এই পুরুষরা স্ত্রী মশার সঙ্গে মিলিত হয়, স্ত্রী মশার ডিম ফোটে না; ফলে মশার সংখ্যা কমে যায়। দ্বিতীয়টি হলো প্রতিস্থাপন কৌশল, যেখানে পুরুষ ও স্ত্রী উভয় ‘ভালো মশা’ ছাড়া হয় এবং উলবাকিয়াআক্রান্ত স্ত্রী মশারা প্রজন্মের পর প্রজন্মে এই ব্যাকটেরিয়া বয়ে বেড়ায় ও ছড়িয়ে দেয়। তারা উলবাকিয়া আক্রান্ত বা আক্রান্ত নয় এমন পুরুষদের সঙ্গে মিলিত হলেও তাদের বংশধর উলবাকিয়া বহন করে এবং এভাবে শেষ পর্যন্ত বন্য মশাদের প্রতিস্থাপন করে। এই দুটি কৌশলই বিভিন্ন দেশে উল্লেখযোগ্য সফলতা অর্জন করেছে।</p>
<p class="alignfull">অস্ট্রেলিয়ার উত্তর কুইন্সল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ায় প্রতিস্থাপন কৌশল ব্যবহার করে গত এক দশকে ডেঙ্গু রোগ ৯৬ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল, কলম্বিয়া, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও যুক্তরাষ্ট্রেও মশা কমানোর পরীক্ষায় ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত সফলতা দেখা গেছে।</p>
<p class="alignfull">গবেষণা দলটি স্ট্রেইনের ডেঙ্গু প্রতিরোধ ক্ষমতা মূল্যায়ন করেছে। ফলাফলে দেখা গেছে, উলবাকিয়াযুক্ত এই মশাগুলো উলবাকিয়াবিহীন সাধারণ মশার তুলনায় ডেঙ্গু ভাইরাস সংক্রমণের ক্ষমতা ৯২ দশমিক ৭ শতাংশ কমিয়ে দিতে সক্ষম। গবেষকরা পরীক্ষাগারের খাঁচায় আবদ্ধ অবস্থায় এই মশাগুলোর বিভিন্ন দিকও পরিমাপ করেছেন, যেমন- প্রজননক্ষমতা (ডিমের সংখ্যা), উর্বরতা (ডিম ফুটে বাচ্চা হওয়ার হার) এবং টিকে থাকার ক্ষমতা (২৮ দিন পর মৃত মশার অনুপাত)। দেখা গেছে, ঢাকার জন্য অভিযোজিত এই ভালো মশাগুলো টিকে থাকা ও প্রজননের ক্ষেত্রে স্থানীয় মশাগুলোর সমান সক্ষম, যা পরিবেশে এদেরকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য উপযুক্ত করে তোলে।</p>
<p class="alignfull">আইসিডিডিআর,বির বিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, ‘পরিবেশে মশা ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ থাকতে পারে, কিন্তু এগুলো জেনেটিক্যালি পরিবর্তিত নয়। এগুলো হলো ভালো মশা, যাদের দেহে থাকে প্রাকৃতিক ব্যাকটেরিয়া। গবেষণায় দেখা গেছে, এটি ক্ষতিকর নয় বরং উপকারী। উলবাকিয়া অনেক দেশেই নিরাপদে ব্যবহার হয়েছে এবং এটি ডেঙ্গু ও অনুরূপ ভাইরাসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জন্য নতুন একটি প্রতিরক্ষার পথ খুলে দিতে পারে।’</p>
<p class="alignfull">এই গবেষণার প্রধান লেখক হাসান মোহাম্মদ আল-আমিন বলেন, ‘এই গবেষণা বাংলাদেশের জন্য মাঠপর্যায়ের পরীক্ষা পরিচালনার ভিত্তি তৈরি করেছে। যদিও পরীক্ষাগারের ফলাফল আশাব্যঞ্জক, তবে বৃহৎ পরিসরে বাস্তবায়নের জন্য সতর্ক পরিকল্পনা ও পরীক্ষা প্রয়োজন। ডেঙ্গু ছাড়াও এই ভালো মশা অন্যান্য উদ্ভবশীল ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। উলবাকিয়া জিকা ও চিকুনগুনিয়া ভাইরাসের সংক্রমণও প্রতিরোধ করতে সক্ষম বলে প্রমাণ রয়েছে।’</p>
<p class="alignfull">আইসিডিডিআর,বির নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ বলেন, ‘উলবাকিয়াযুক্ত ভালো মশা ব্যবহারের এই সম্ভাবনাময় পদ্ধতির সফল প্রয়োগে পূর্ববর্তী আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষায় বাংলাদেশ সরকারকে সহায়তা করতে আমরা প্রস্তুত। মাঠপর্যায়ের সফল পরীক্ষার পরেই কেবল এটিকে ব্যাপকভাবে পরিবেশে ছেড়ে দেওয়ার কথা বিবেচনা করা উচিত। ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমরা ডেঙ্গু টিকা গবেষণায়ও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছি। স্থানীয় পরীক্ষার মাধ্যমে টিকা প্রাপ্তি ত্বরান্বিত করতে সরকারের সঙ্গে কাজ করার ব্যাপারে আমরা আশাবাদী; যা দেশের ডেঙ্গু সমস্যার একটি সমন্বিত সমাধান দিতে পারবে।’</p>
</div>
<div class="btGoogleNews"></div>
<div class="BT_inner_A1_C2 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">
<div id="BT_inner_A1_C2" data-google-query-id="COP1-vrSmI0DFWZ0nQkdsIcXxg"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিদেশে স্যাম্পল পাঠানোর অনুমতির আদেশ শর্তসাপেক্ষে স্থগিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/153482</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153482</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_681a3215677e7.jpg" length="51251" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 06 May 2025 18:37:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্যাথলজিক্যাল নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিদেশে স্যাম্পল পাঠাতে হলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার আদেশ জারির এক দিনের মধ্যেই সিদ্ধান্তে নরম সুর এনেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তারা জানিয়েছে, বিদেশে প্যাথলজিক্যাল স্যাম্পল অথবা জৈব নমুনা পাঠানোর বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমতি আদেশটি শর্তসাপেক্ষে আগামী চার মাসের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে।</p>
<p>মঙ্গলবার (৬ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী চার মাসের মধ্যে যেসব ল্যাব এ ধরনের নমুনা বিদেশে পাঠায়, তাদের দেশে পরীক্ষা করার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেলের মাধ্যমে যেসব জরুরি পরীক্ষা দেশে হয় না, তার তালিকা গঠন করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অথবা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমতি নিয়ে পাঠানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যেতে পারে।</p>
<p>এর আগে সোমবার (৫ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক অফিস আদেশে বলা হয়, বাংলাদেশ থেকে বিদেশে কোনো ধরনের প্যাথলজিক্যাল স্যাম্পল বা নমুনা পাঠাতে হলে এখন থেকে বাধ্যতামূলকভাবে পূর্বানুমতি নিতে হবে।</p>
<p>ওই নির্দেশনায় আরও বলা হয়, দেশের যেকোনো বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান যদি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়া বিদেশে স্যাম্পল বা নমুনা পাঠায়, তবে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই নির্দেশনার আওতায় পড়বে যেকোনো রোগ নির্ণয়, গবেষণা কিংবা অন্যান্য পরীক্ষামূলক উদ্দেশ্যে পাঠানো স্যাম্পল।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশে জটিল চিকিৎসায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে</title>
<link>https://digibanglatech.news/153411</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153411</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;জটিল চিকিৎসা ক্ষেত্রে দেশের চিকিৎসকরা আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলছেন বলে মনে করেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হোসেন।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;রবিবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউরোসার্জনসের (বিএসএনএস) তিন দিনব্যাপী চতুর্থ অন্তর্বর্তীকালীন বৈজ্ঞানিক সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;ডা. নাজমুল হোসেন বলেন, নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও চিকিৎসকরা নিউরোসার্জারিসহ জটিল চিকিৎসা ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে এ ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_681770fd1b546.jpg" length="121848" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 04 May 2025 17:53:56 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded></content:encoded>
</item>

<item>
<title>সাত দফা দাবিতে ঢাকায় নার্সিং শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ</title>
<link>https://digibanglatech.news/153423</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153423</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_6817a1e8800b0.jpg" length="155287" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 04 May 2025 16:19:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull">২০ হাজার টাকা ইন্টার্নশিপ ভাতা, স্বতন্ত্র ক্যারিয়ার পাথ ও যোগ্য শিক্ষক নিয়োগসহ সাত দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি শুরু করেছেন ঢাকা নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। চলমান কর্মসূচির আওতায় রবিবার (৪ মে) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিক্ষোভ করেন তারা। এ সময় শতাধিক শিক্ষার্থী প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে মানববন্ধনে অংশ নেন।</p>
<p class="alignfull">শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে কারিকুলামের অব্যবস্থাপনা, অযোগ্য শিক্ষক নিয়োগ এবং পেশাগত স্বীকৃতির অভাবে তারা ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় ভুগছেন। বিশেষ করে পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করে হঠাৎ তা বাতিল বা পেছানো শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে ঘোষণা দিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের শাটডাউন কর্মসূচি চলবে। প্রয়োজনে তারা জাতীয় পর্যায়ে অবস্থান কর্মসূচিতে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।</p>
<div class="viewport jw_article_body">
<div class="BT_inner_A1_C2 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">এর আগে শনিবার সকালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ঢাকা নার্সিং কলেজ শাটডাউন কর্মসূচি চলাকালে নার্সিং শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন। </div>
</div>
<p class="alignfull">বিক্ষোভ কর্মসূচিতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ঢাকা নার্সিং কলেজের স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের সভাপতি মহিব উল্যাহ। এ সময় ঢাকা নার্সিং কলেজের ছাত্র হল সভাপতি মো. আজিজুর রহমান রিফাতসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p class="alignfull">বিক্ষোভ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা জানান, সাত দফা দাবিতে জুলাই অভ্যুত্থানের পর গত ২১ আগস্ট থেকে অন্তর্বর্তী সরকারকে স্মারকলিপি দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু সরকার কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে না। আজ (রবিবার) প্রধান উপদেষ্টার কাছে আরেকটি স্মারকলিপি দেওয়া হবে।</p>
<p class="alignfull">লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, শুধু ৩০-৪০ বছরের অভিজ্ঞতার নামে হাসপাতাল থেকে তুলে এনে সরাসরি প্রভাষক হিসেবে পদায়ন করে নার্সিং শিক্ষাকে সার্কাসে পরিণত করা হয়েছে। এর সঙ্গে জড়িতরা ২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতি, ২০১৬ সালের নার্সিং নিয়োগ বিধি, স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপ্লাইয়েড কলেজগুলোর নীতিমালা ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে শুধু পেশিশক্তি ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে পেশাকে জিম্মি করে রেখেছে।</p>
<p class="alignfull">বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে সাত দফা দাবি তুলে ধরা হয়। এগুলো হলো— বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী মেধার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ, গ্র্যাজুয়েট নার্সদের সরাসরি প্রথম শ্রেণির নিয়োগ, বিএসসি নার্সদের জন্য স্বতন্ত্র অর্গানোগ্রাম ও ক্যারিয়ার প্ল্যান প্রণয়ন, ২০১৬ সালের নিয়োগ বিধি বাস্তবায়ন, সার্বজনীন ইন্টার্ন ভাতা ২০ হাজার টাকায় উন্নীতকরণ ও সারা দেশে চলমান প্রাইভেট কলেজ ইনস্টিটিউটগুলোর জন্য সার্বজনীন নীতিমালা প্রণয়ন।  </p>
<p class="alignfull">এ ছাড়া ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন নার্সিং (বিএসএন) চালুকরণ ও সমমান ডিগ্রিধারীদের স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করিয়ে বিএসসি সমমান করা এবং ২০১৮ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত নিম্নমানের কারিকুলামের অধীনে বিএসসি ইন নার্সিংয়ে অধ্যয়নরত সবাইকে ২০০৮ সালের কারিকুলামের সঙ্গে একত্রিত করার দাবিও জানানো হয়।</p>
</div>
<div class="btGoogleNews"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফেসবুকে শত শত ‘নকল পেজে’ বিব্রত ডা. জাহাঙ্গীর কবির</title>
<link>https://digibanglatech.news/153299</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153299</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_681243ede1590.jpg" length="109565" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 30 Apr 2025 19:37:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ফেসবুকে ডা. জাহাঙ্গীর কবির নামের শত শত পেজ। অনেকগুলোতে কৌশলে ব্লু-ব্যাজ পাওয়া (ভেরিফায়েড) আইডির প্রোফাইল পিক ব্যবহার করা হয়েছে। নকল এসব পেজে ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের কণ্ঠ কপি (নকল) করে বৈধ-অবৈধ ওষুধের প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এমনকি, যৌন উত্তেজক ওষুধেরও বিজ্ঞাপন দিচ্ছে। এসব নিয়ে বিব্রত পরিস্থিতিতে পড়েছেন চিকিৎসক জাহাঙ্গীর কবির।</p>
<p>এ কারণে সম্প্রতি ডা. জাহাঙ্গীর কবির ও ডা. তাসনিম জারাকে অশ্লীলতা ছড়ানোর অভিযোগে ব্যবস্থা নিতে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন এক আইনজীবী। পরে বুঝতে পেরে নোটিশ পৌঁছানোর আগেই প্রত্যাহার করেন ওই আইনজীবী। এ নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেও ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের প্রকৃত ও ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ ডাউন করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।</p>
<p>বুধবার (৩০ এপ্রিল) এ নিয়ে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এমন আক্ষেপ প্রকাশ করেন ডা. জাহাঙ্গীর কবির। এসময় সাংবাদিকদের সামনে কয়েকজন রোগীর সঙ্গেও তাৎক্ষণিক কথা বলেন তিনি। চট্টগ্রাম থেকে আসা মিনহাজ জানিয়েছেন, তিনি এখানে তিনদিন হয় এসেছেন। হাই-প্রেশার নিয়ে এসেছেন। ওষুধ ছাড়াই প্রেশার নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আব্দুল গফুর সরকার বলেন, আমি এখান থেকে সেবা পেয়ে খুব খুশি। আমি ওজন বেশি নিয়ে আসছিলাম। তাকে নিয়ম মানতে বলেছে। কিছু খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করতে বলেছে। প্রথম দিনে ৬২ কেজি ছিল। দুইদিন নিয়ম মেনেই তার ওজন কমেছে ২ কেজি। তবে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করতে পারেননি। আজ থেকে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করবেন তিনি।</p>
<p>এর আগে ডা জাহাঙ্গীর অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার নামে অসাধু চক্র অসংখ্য পেজ খুলে অবৈধ ওষুধ বিক্রি করছে। আমার ভেরিফায়েড পেজটা বন্ধ করে দেওয়ায় সবাইকে সতর্কও করতে পারছি না। তারপরও নিজের ফেসবুক আইডি ও ইউটিউব চ্যানেলে সতর্ক করেছি। থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছি। কেউ যেন সরল বিশ্বাসে প্রতারণার শিকার না হন। আপনাদের (গণমাধ্যমের) মাধ্যমেও জানাচ্ছি, আমি কোনো ওষুধ বিক্রি করি না। আমি মূলত, ওষুধমুক্ত সুস্থতার দিকে মানুষকে আহ্বান করি। আমাদের লাখ লাখ ডায়াবেটিস রোগী ‍রোগমুক্ত হয়েছে লাইফস্টাইল ফলো করে।</p>
<p>‘এ লাইফস্টাইলের মধ্যে স্বাস্থ্যকর খাবার, রোজা, মানসিক প্রশান্তি ও ঘুম ইত্যাদি আছে। অনেকে মনে করেন, আমরা ওষুধের বিরুদ্ধে। আসলে তা নয়। আমরা চাই যে, আমাদের একটা অপশন থাকুক- আমরা যারা ওষুধ থেকে মুক্তি পাচ্ছি না, তাদের জন্য ওষুধ থেকে বাঁচার উপায় যেন থাকে। শুধু লাইফস্টাইল ফলো করে ৬০-৭০টি রোগ থেকে সুস্থ থাকা যায়। আমরা এখানে বিনামূল্যে চিকিৎসাসহ সব ধরনের সেবা দিই। শুধু টেস্ট ও নানান ধরনের ফুড টাকা দিয়ে কিনতে হয়। আমরা বলছি, ফুড ইজ মেডিসিন। তবে খাবারটা হতে হবে কেমিক্যালমুক্ত’- যোগ করেন তিনি।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলন শেষে ডা. জাহাঙ্গীর কবির তার ল্যাব, চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদদের চেম্বার, ব্যায়ামাগার, জিম, ফুড এরিনা এবং সুপার ও ফাংশনাল ফুড বিক্রির আউটলেট ঘুরে দেখান। তার পুরো প্রতিষ্ঠানে প্রায় সাড়ে চারশ লোক কাজ করেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইসিডিডিআর&#45;বি’র জিনোম সিকোয়েন্সিং&#45;ভিত্তিক ক্যানসার নির্ণয় সেবা</title>
<link>https://digibanglatech.news/153019</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153019</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_6808d98fe815e.jpg" length="79888" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 23 Apr 2025 17:13:55 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull">আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র আইসিডিডিআর,বি অত্যাধুনিক নেক্সট-জেনারেশন সিকোয়েন্সিং (এনজিএস)-ভিত্তিক ক্যানসার নির্ণয় সেবাদান কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) থেকে আইসিডিডিআর,বি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে এই সেবা। বাংলাদেশে সঠিক ও সহজলভ্য ক্যানসার চিকিৎসার ক্ষেত্রে নিঃসন্দেহে এটি একটি বড় অগ্রগতি বলে মনে করে আইসিডিডিআরবি।</p>
<p class="alignfull">দেশের ক্যানসার বিশেষজ্ঞদের দীর্ঘদিনের একটি চাহিদা ছিল— বিদেশে না পাঠিয়ে দেশেই যেন অত্যাধুনিক নির্ভরযোগ্য জিনোম সিকোয়েন্সিং-ভিত্তিক ক্যানসার পরীক্ষা চালু করা সম্ভব হয়। বর্তমানে অনেক রোগীকে ক্যানসার পরীক্ষার জন্য বিদেশে নমুনা পাঠাতে হয় ও রিপোর্টের জন্য ৪-৫ সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হয়, যা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ এবং ব্যয়বহুল। আবার অনেক ক্ষেত্রে ফলাফলও নির্ভরযোগ্য হয় না।</p>
<div class="viewport jw_article_body">
<p class="alignfull">আইসিডিডিআর,বি সূত্রে প্রকাশ,  জিনোম সেন্টার আন্তর্জাতিকভাবে প্রশিক্ষিত বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে অত্যাধুনিক এনজিএস মেশিন ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি, এবং দুই সপ্তাহের মধ্যেই মানসম্পন্ন রিপোর্ট প্রদানের মাধ্যমে ব্যক্তিভিত্তিক চিকিৎসা ব্যাবস্থাপনায় চিকিৎসকদেরকে সহায়তা করবে। রিপোর্টে ক্যানসার আক্রান্তদের চিকিৎসায় সম্ভাব্য কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতির নির্দেশনাও যুক্ত থাকবে। এই উদ্যোগ বাংলাদেশের ক্যানসার বিশেষজ্ঞদের দীর্ঘদিনের চাহিদা পূরণ করবে বলা আশা করা যায়। দেশেই জিনোম সিকোয়েন্সিং-ভিত্তিক ক্যানসার নির্ণয় ব্যক্তিভিত্তিক চিকিৎসায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ| অতীতে এটি সম্ভব ছিল না।</p>
<div class="BT_inner_A1_C2 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">এ নিয়ে আইসিডিডিআর,বি-র সংক্রামক রোগ বিভাগের সিনিয়র বিজ্ঞানী ও ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র পরিচালক ড. মো. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশে নির্ভুল ও সহজলভ্য ক্যানসার নির্ণয়ের লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছি। বিশ্বমানের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পেশাদার কর্মীর দিয়ে অত্যাধুনিক অবকাঠামো প্রয়োগের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ও সর্বোচ্চ গুণমান নিশ্চিত করে আমরা নেক্সট-জেনারেশন সিকোয়েন্সিং-ভিত্তিক ক্যানসার নির্ণয়ের সক্ষমতা অর্জন করেছি। আমাদের প্রতিশ্রুতি হলো— ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ও রোগীদের জন্য সময়োপযোগী ও নির্ভরযোগ্য ফলাফল প্রদান করা, যা ক্যানসার চিকিৎসায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশাবাদী।’</div>
</div>
<p class="alignfull">আইসিডিডিআর,বি-র নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদের অনুপ্রেরণায় এই জীবন রক্ষাকারী এই সেবা প্রদানের সক্ষমতা অর্জন করা সম্ভবপর হয়েছে। ড. তাহমিদ আইসিডিডিআর,বি জিনোম সেন্টারকে দেশের ক্যানসার চিকিৎসার ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের সহায়তা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে কৌশলগত দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।</p>
<div class="BT_inner_A1_C3 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">ড. তাহমিদ বলেন, ‘নির্ভুলভাবে ক্যানসার নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল, এর প্রয়োজনীয়তা আমরা উপেক্ষা করতে পারিনি। আমাদের লক্ষ্য হলো, ক্যানসারের মতো জটিল সমস্যার গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার ফলাফলের জন্য যেন কারও সপ্তাহের পর সপ্তাহ উদ্বিগ্ন হয়ে অপেক্ষা করতে বা বিদেশে যেতে না হয়। আমরা দেশের ক্যানসার বিশেষজ্ঞদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি— রোগীদের চিকিৎসায় এই সেবাটির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে। এটি শুধু একটি সেবা নয়— এটি ক্যানসার চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনায় চিকিৎসক ও রোগী সব পক্ষের জন্য আশা, আস্থা এবং নির্ভুল ফলাফল প্রদানের একটি প্রতিশ্রুতি।’</div>
</div>
<p class="alignfull">এর আগে গত বছরের ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্যানসার কংগ্রেসে অংশ নিতে আসা সার্ক দেশের ক্যানসার বিশেষজ্ঞ, দ্য ল্যানসেট অনকোলজি এডিটোরিয়াল বোর্ডের সদস্য এবং বাংলাদেশের অনকোলজি ক্লাবের একটি প্রতিনিধিদল আইসিডিডিআর,বি-র জিনোম সেন্টার পরিদর্শন করেন। তারা আইসিডিডিআর,বি-র বিশ্বমানের ডায়াগনস্টিক সেবা ও জিনোম সিকোয়েন্সিং-ভিত্তিক ক্যানসার নির্ণয়ের সক্ষমতার প্রশংসা করেন।</p>
<p class="alignfull">আইসিডিডিআর,বি জিনোম সেন্টার ক্যানসারের দ্রুত ও নির্ভুল নির্ণয়ের মাধ্যমে এর ভয়াবহতা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে মনে করে। জিনোম সেন্টারে স্তন, ফুসফুস, কোলন, ডিম্বাশয় ও রক্তের ক্যান্সারের জিনোম সিকোয়েন্সিং-ভিত্তিক অত্যাধুনিক পরীক্ষা করা হবে এবং তা চিকিৎসকদের সময়মতো কার্যকর চিকিৎসা দিতে সহায়তা করবে। রোগীদের সুবিধার্থে, মহাখালী, মিরপুর, মতিঝিল, ধানমন্ডি, উত্তরা, নিকেতন, গুলশান এবং বারিধারায় অবস্থিত আইসিডিডিআর,বি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও বুথে নমুনা সংগ্রহ করা হবে।</p>
</div>
<div class="btGoogleNews"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গবেষণা ও চিকিৎসা প্রযুক্তিতে চীনের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি</title>
<link>https://digibanglatech.news/152924</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152924</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_6805d56921986.jpg" length="105031" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 21 Apr 2025 07:19:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>যৌথ গবেষণা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিনিময়, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি শেয়ার এবং স্কলারশিপ প্রাপ্তির সুযোগ করতে চীনের কুনমিং মেডিকেল ইউনিভার্সিটির সঙ্গে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘চীন-বাংলাদেশ পিপল-টু-পিপল এক্সচেঞ্জ ইয়ার: ইউনান এডুকেশন অ্যান্ড হেলথ প্রমোশন’ শীর্ষক প্রদর্শনীতে রববার (২০ এপ্রিল) ঢাকা এ সমঝোতা হয়। </span></p>
<p>চীনের ইউনান প্রদেশের সরকার ও ঢাকায় অবস্থিত চীনা দূতাবাস এবং সহ-আয়োজক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম। এসময় বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, চীনের ইউনান প্রদেশের গর্ভনর ওয়াং ইউবো, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, সার্জারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. রুহুল আমীন, শিশু অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. আতিয়ার রহমান, ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুস শাকুর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, ঢাবি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী,প্রমুখ।</p>
<p>চীনের প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে উল্লেখ করে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, “ইতোমধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চীনের শীর্ষ স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একাধিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। যা যৌথ গবেষণা, ফ্যাকাল্টি এবং শিক্ষার্থী বিনিময়ের পথ প্রশস্ত করেছে। আজ আরেকটি মাইলফলক তৈরি হয়েছে। চিকিৎসা গবেষণা ও প্রশিক্ষণকে এগিয়ে নিতে আমরা ইউনান ক্যান্সার হাসপাতালের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছি।”</p>
<p>এসব চুক্তি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং জনগণের মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবে উল্লেখ করে আলোচকরা বলেন, ইউনান প্রদেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে অভিজ্ঞতা ও উন্নয়নের ধারা বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার পরিবেম গড়ে তোলা, ইউনান প্রদেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সম্পর্কিত অভিজ্ঞতা শেয়ার করা, ছাত্র ও শিক্ষকদের এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম পরিচালনা, স্বাস্থ্যসেবা প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি বিনিময়ের ব্যবস্থা জোরদার করা, দুই দেশের সরকারের, বিশ্ববিদ্যালয়ের এবং দূতাবাসের সমন্বয়ে যৌথ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা এবং সর্বোপরি দুই দেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও ফলপ্রসূ করতে এই উদ্যোগ বিরাট ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ বাংলাদেশে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে জনস্বাস্থ্য, সংক্রামক রোগ এবং চিকিৎসা প্রশিক্ষণ বিষয়ে চীনের অগ্রগতি বাংলাদেশকে কার্যকরভাবে সহায়তা করতে পারবে। এই অনুষ্ঠান দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্কে আরও গভীর করবে এবং শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করবে। রোগ পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ, রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম, জনস্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষণা ও নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন, স্বাস্থ্য নিরাপত্তা, টেকনিক্যাল ট্রেনিং, যৌথ গবেষণা কার্যক্রমে ভূমিকা রাখবে। চীনের ইউনান প্রদেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাত বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে পারস্পরিক উন্নয়ন ও বোঝাপড়া গড়ে তোলায় বিশেষ ভূমিকা রাখবে এই অনুষ্ঠান।</p>
<p>অনুষ্ঠানে চিকিৎসা গবেষণা ও প্রশিক্ষণকে এগিয়ে নিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের সঙ্গে চীনের ইউনান পিকিং ক্যান্সার হাসপাতাল এবং কুনমিং মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর আগে চীন ও বাংলাদেশের শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা মঞ্চস্থ হয়।  এছাড়াও ‘চায়না-সাউথ এশিয়া ইউথ এক্সচেঞ্জ উইক’ কর্মসূচিরও উদ্বোধন করা হয়। সিনেট ভবনের মিলনায়তনের বাইরে ইউনান প্রদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের ১৭টি বুথ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রদর্শনী করে।</p>
<div id="content-details">
<div class="adv-img text-center d-print-none"></div>
<p></p>
</div>
<p></p>
<div class="adv-img text-center d-print-none">
<div id="div-gpt-ad-1631427043639-0" class="text-center" data-google-query-id="CPb5yPyt6IwDFXoGgwMdR-Ar4g">
<div id="google_ads_iframe_/401241791/risingbd-details-inner-c_0__container__"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠানে  ডিজিটাল পদ্ধতিতে পদায়ন</title>
<link>https://digibanglatech.news/152910</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152910</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_6804fa23ae8fa.jpg" length="143185" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 20 Apr 2025 17:43:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>ডিজিটাল পদ্ধতিতে পদায়ন প্রক্রিয়া চালু করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে এবারই প্রথম ৭ হাজারের বেশি সুপার নিউমারারি পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। এসব পদে টেকনিশিয়ানসহ শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স ও বিভিন্ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবু জাফর। </span></p>
<p>রবিবার (২০ এপ্রিল) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এমনটাই জানান তিনি। স্বাস্থ্য মহাপরিচালক জনান, নতুন পদগুলো সৃজনের পাশাপাশি ডিজিটাল পদায়ন ও নজরদারি চালু করা হয়েছে, যা আগের তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর। এখন কে, কোথায় নিয়োগ পেল, কোথায় কাজ করছেন- সবকিছুই অনলাইনে রেকর্ড থাকবে। এতে করে পোস্টিংয়ে অনিয়ম কমবে এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলেও স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।</p>
<p>অধ্যাপক ডা. আবু জাফর বলেন, স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে জনবল। শুধু একটি বা দুটি শ্রেণি নয়, আমাদের শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স, টেকনিশিয়ান- সব পর্যায়েই ঘাটতি রয়েছে। জেলা শহর থেকে শুরু করে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সেবা কার্যক্রমে এই সংকট সরাসরি প্রভাব ফেলছে। <span>তাই ডিজিটাল পদ্ধতিতে পদায়ন প্রক্রিয়া চালু করেছি। এর আওতায় এবারই প্রথম ৭ হাজারের বেশি সুপার নিউমারারি পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। এতে বাস্তব চাহিদার ভিত্তিতে জনবল নিয়োগ ও পদায়নের সুযোগ পাচ্ছি। এই অতিরিক্ত পদগুলোতে শুধু চিকিৎসকই নয়, শিক্ষক, নার্স, ল্যাব টেকনিশিয়ান ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীরাও যুক্ত থাকবেন।</span></p>
<p>অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব ডা. মো. সারোয়ার বারী, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আশরাফি আহমেদ (এনডিসি), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশের প্রতিনিধি ডা. আহমেদ জামশেদ মোহাম্মদসহ আরও অনেকে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইবনে সিনায় ভাসকুলার সার্জারি বিভাগের বৈজ্ঞানিক কর্মশালা</title>
<link>https://digibanglatech.news/152778</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152778</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67ff6cdaa2c83.jpg" length="104366" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 16 Apr 2025 12:57:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="justify-center text-lg">
<p>বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্বে মৃত্যুর অন্যতম কারণ হৃদরোগ। রক্তনালীর ব্লকজনিত কারণে ঘটে এসব ঘটনা। রক্তনালী ব্লক হলে হাঁটাহাঁটির সময় পায়ে ব্যথা হয়। একপর্যায়ে পচন ধরলে কেটে ফেলতে হয় পা। এভাবে প্রতিবছর পঙ্গুত্ববরণ করেন হাজারো রোগী।</p>
<p> রাজধানীর কল্যাণপুরে ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ মঙ্গলবার সকালে ‘ভাসকুলার অ্যাপ্রোচ টু প্রিভেন্ট এমপুটেশন’ শীর্ষক কন্টিনুয়াস মেডিকেল অ্যাডুকেশনে (সিএমই) তুলে ধরা হয় এসব তথ্য।</p>
<p>অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ভাসকুলার সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. জিএম মকবুল হোসেন ও সহকারী অধ্যাপক ডা. একেএম জিয়াউল হক।</p>
<p>প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. সাজেদ আব্দুল খালেক। ডা. নাজমুল হকের সঞ্চলনায় কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিরেক্টর এডমিন অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, অর্থোপেডিকস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. পারভেজ আহসানসহ ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক, কনসালটেন্ট, মেডিকেল অফিসার এবং শিক্ষার্থীরা।</p>
<p>অধ্যাপক ডা. জিএম মকবুল হোসেন বলেন, ধূমপান, ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, রক্তে অতিরিক্ত চর্বি, বাড়তি ওজন ও পরিশ্রমের অভাবসহ বিভিন্ন কারণে রক্তনালী ব্লক হতে পারে। রক্তনালীর আল্ট্রাসনোগ্রাম, অ্যানজিওগ্রাম পরীক্ষা করে ব্লক নিরূপণ করা যায়। কাটাছেঁড়া না করে রিং পরিয়ে (স্টেন্টিং) রক্তনালী চালু করা যায়। এছাড়া রয়েছে রক্তনালী বাইপাস অপারেশন।</p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিএমইউতে এভিডেন্স বেইসড মেডিসিন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা</title>
<link>https://digibanglatech.news/152777</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152777</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67ff6b9446b74.jpg" length="75109" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 16 Apr 2025 09:49:29 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে (বিএমইউ) শুরু হয়েছে ৩ দিনব্যাপী এভিডেন্স বেইসড মেডিসিন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা। মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল ) বিএমইউর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মশালা উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম। প্রথম দিনে রিসোর্স পার্সন হিসেবে মূল বক্তব্য রাখেন ফিজিক্যাল মেডিসিন এ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ আব্দুস শাকুর।<br> </p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম এভিডেন্স বেইসড মেডিসিনকে সময়ের দাবি উল্লেখ করে বলেন, চিকিৎসা পেশায় এভিডেন্স বেইসড ট্রিটমেন্ট বা প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসাবিদ্যা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এভিডেন্স বেইসড চিকিৎসাবিদ্যা বাস্তবায়ন করা গেলে রোগীরা উপকৃত হবেন। গাইডলাইন ফলো করে চিকিৎসাসেবা দেয়া হলে রোগীরা উন্নতমানের চিকিৎসাসেবা পাবেন। চিকিৎসক ভিন্ন হলেও রোগীরা তাদের যথাযথ চিকিৎসা পাবেন।<br> </p>
<p>ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি এ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর উদ্যোগে আয়োজিত কর্মশালায় বাংলাদেশ মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির অবস এন্ড গাইনী বিভাগ, জেনারেল সার্জারি বিভাগ, শিশু বিভাগ এবং ইন্টারন্যাল মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় আইকিউএসি এর ২০ জন শিক্ষক, চিকিৎসক অংশ নিচ্ছেন। আইকিউএসি এর পরিচালক অধ্যাপক ডা. নুরুন নাহার খানম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালাটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন আইকিউএসি এর অতিরিক্ত পরিচালক ডা. দীন-ই-মুজাহিদ মোহাম্মদ ফারুক ওসমানী এবং ডা. তারেক রেজা আলী। উল্লেখ্য, কর্মশালার দ্বিতীয় দিনে রিসোর্স পার্সন হিসেবে মূল বক্তব্য রাখবেন বিএসএমএমইউ জার্নাল এর নির্বাহী এডিটর অধ্যাপক ডা. এম. মোস্তফা জামান। তৃতীয় দিনে রিসোস পার্সন হিসেবে মূল বক্তব্য রাখবেন যুক্তরাষ্ট্রের ডেল মেডিক্যাল স্কুল এট ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস, অস্টিন এর প্রফেসর রুমি আহমেদ খান, এমডি, এফসিসিপি।     </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি ও পানিসম্পদ খাতে ৫টি সমঝোতা চুক্তি সই</title>
<link>https://digibanglatech.news/152601</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152601</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67f8ea5f9a6d3.jpg" length="100805" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 11 Apr 2025 00:09:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) সহায়তায় অনুষ্ঠিত চারদিনের সম্মেলনের শেষ দিন ত্রিপক্ষীয় ও দ্বিপক্ষীয় মিলিয়ে স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি ও পানিসম্পদ খাতে মোট পাঁচটি সমঝোতা চুক্তি সই হয়েছে। </p>
<p>রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে <span>স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমানের উপস্থিতিতে রাজধানীর একটি হোটেলে এক অনুষ্ঠানে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।</span></p>
<p> অনুষ্ঠানে মোট পাঁচটি সমঝোতা স্মারক সই করে হাছান মোহিন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস। এর মধ্যে রয়েছে একটি ত্রিপক্ষীয় ও চারটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বীকন ফার্মাসিউটিক্যালস, দ্য এন্টারপ্রিনিউর গ্রুপ, জেপিজি ইনভেস্টমেন্ট ও হাছান মোহিন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস।</p>
<p><span> ত্রিপক্ষীয় সমঝোতায় </span><span>হাসান মহিন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস-এর ম্যানেজিং পার্টনার হাসান ইমাম সিদ্দিকি, বীকন ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি-এর পরিচালক এহতিয়াজ করিম এবং দ্য এন্টারপ্রেনিউরস গ্রুপ-এর মাইকেল জনাথন গেইল এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।</span></p>
<p><span>দ্বিপাক্ষিক সমঝোতায় </span><span>হাসান মহিন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস-এর ম্যানেজিং পার্টনার হাসান ইমাম সিদ্দিকী এবং দ্য এন্টারপ্রেনারস গ্রুপের মাইকেল জোনাথন গেইল এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছেন।</span></p>
<p><span>হাসান মহিন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস এবং জেপিজি ইনভেস্টমেন্টসের মধ্যে আরেকটি দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা চুক্তিতে </span><span>হাসান মহিন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস-এর সিনিয়র পার্টনার শাহ মহিন উদ্দিন এবং জেপিজি ইনভেস্টমেন্টসের সিইও জেমস পন্ড এতে স্বাক্ষর করেছেন।</span></p>
<p>এই পাঁচটি সমঝোতা স্মারক দেশের স্বাস্থ্য, আর্থিক ও প্রযুক্তি খাতে নতুন বিনিয়োগ সম্ভাবনার দিক উন্মোচন করবে। ব্যক্তিখাতভিত্তিক চারটি সমঝোতা চুক্তি দেশের অর্থনীতিতে বেসরকারি বিনিয়োগের ইতিবাচক প্রবাহ সৃষ্টি করবে। সম্মেলনের শেষ দিনে এসব সমঝোতা স্মারক সই হয়।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশে রোবট ফিজিও থেরাপি সেন্টার স্থাপন করবে চীন</title>
<link>https://digibanglatech.news/152343</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152343</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67e67abb7aa2f.jpg" length="63581" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 28 Mar 2025 14:06:30 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>একটি রোবট ফিজিওথেরাপি ও পুনর্বাসন কেন্দ্র নির্মাণ এবং একটি কার্ডিয়াক সার্জারি গাড়ি অনুদানসহ পাঁচটি বিষয়ে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে আশ্বাস দিয়েছে চীন।</p>
<p>বাকি তিন সহযোগিতার মধ্যে রয়েছে- বিনিয়োগ আলোচনা শুরু করা, চীনের বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল চালু এবং মোংলা বন্দরের আধুনিকীকরণ করা। </p>
<p>অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের চারদিনের চীন সফরের তৃতীয় দিন শুক্রবার (২৮ মার্চ) দুই দেশের মধ্যে এ নিয়ে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ও স্মারকগুলো স্বাক্ষরিত হয়।</p>
<p>বৈঠক সূত্রে প্রকাশ, এদিন বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক-প্রযুক্তিগত সহযোগিতার বিষয়ে একটি চুক্তি এবং আটটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।</p>
<p>সমঝোতা স্মারকগুলোর মধ্যে রয়েছে দুই দেশের কালজয়ী সাহিত্য ও শিল্পকর্মের অনুবাদ ও সৃজন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও খবর আদান-প্র অফদান, গণমাধ্যম, ক্রীড়া এবং স্বাস্থ্য খাতে বিনিময় সহযোগিতা।</p>
<p>এর পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টার দ্বিপাক্ষিক চীন সফরে দুই দেশের মধ্যে পাঁচ বিষয়ে সহযোগিতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়েছে। সব মিলিয়ে ‌চীনা সরকার ও কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে বাংলাদেশ ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ, ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।</p>
<p>বাংলাদেশি কর্মকর্তারা এবং ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানান, প্রায় ৩০টি চীনা কোম্পানি বাংলাদেশে এক্সক্লুসিভ চায়না ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোনমিক জোনে এক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশের উৎপাদন খাতে বিনিয়োগে চীনের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎসাহিত করার পর এই প্রতিশ্রুতি এসেছে।</p>
<p>চীন মংলা বন্দর আধুনিকায়ন প্রকল্পের জন্য প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ, চায়না ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোনমিক জোনের উন্নয়নে ৩৫০ মিলিয়ন ডলার এবং প্রযুক্তিগত সহায়তার জন্য ১৫০ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। বাকি অর্থ অনুদান ও অন্যান্য ঋণের মাধ্যমে আসবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বায়ু দূষণের শীর্ষে দিল্লি, ষষ্ঠ ঢাকা</title>
<link>https://digibanglatech.news/152095</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152095</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67d908bde31bd.jpg" length="41156" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 18 Mar 2025 09:45:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় মঙ্গলবার শীর্ষে রয়েছে ভারতের দিল্লি। বায়ুমান সূচকে দিল্লির স্কোর ১৮৪। তালিকায় ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। এদিন সকালে ঢাকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (বায়ুর মান সূচক) স্কোর ছিল ১৬৬।</p>
<p>মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) সকাল ১০টায় সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান বিষয়ক ওয়েবসাইট আইকিউএয়ারে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।</p>
<p>বায়ুদূষণে বিশ্বের শহরগুলোর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে লাহোর, স্কোর ১৭৯। তৃতীয় অবস্থানে থাকা দুবাইয়ের স্কোর ১৭৪। চতুর্থ স্থানে থাকা কাম্পালার স্কোর ১৬৭। পঞ্চম স্থানে থাকা কায়রোর স্কোর ১৬৬। </p>
<p>প্রসঙ্গত, একটি শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, তার লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক জানিয়ে থাকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার। প্রতিষ্ঠানটির মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। আর ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয় বায়ুর মান। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>২০১৩ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট নিয়োগে আইনি নোটিশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/151972</link>
<guid>https://digibanglatech.news/151972</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67d2b664e985f.jpg" length="76201" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 13 Mar 2025 09:37:34 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<article class="mb-5">
<p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক ২০১৩ সালে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট পদে জারীকৃত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টদের নিয়োগের জন্য আইনি নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। নিয়োগপ্রত্যাশী বেকার অ্যান্ড প্রাইভেট সার্ভিসেস মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএসএমটিএ) সভাপতি মো. শফিকুল ইসলামসহ চাকরিপ্রত্যাশীদের পক্ষে এই নোটিশ প্রদান করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট  মো. ইয়ারুল ইসলাম।</p>
<p>নোটিশে তিনি উল্লেখ করেন, ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টদের ৪২০টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি হয়। কিন্তু কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে পাসকৃতরা সংক্ষুব্ধ হয়ে হাইকোর্টে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বিরুদ্ধে রিট মামলা করলে নিয়োগপ্রক্রিয়াটি স্থগিত হয়ে যায়।</p>
<article class="my-5">পরে আইনি লড়াই শেষে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টে মামলাটি গত ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়। 
<p>উল্লিখিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২টি পদে ে(ফার্মাসিস্ট/উপ.সহ. কমি. মে অফিসার) নিয়োগ সম্পন্ন হলেও মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টদের নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়নি। অন্যদিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ২০১৯ সালে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট নিয়োগের নির্দেশনা দিলেও সে নির্দেশনা প্রতিপালিত হয়নি। আইনি নোটিশে অবিলম্বে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টদের নিয়োগ প্রদানের জন্য জনপ্রশাসনসচিব, স্বাস্থ্যসচিব, অর্থসচিব, মহাপরিচালক স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং পরিচালক প্রশাসন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে গত মঙ্গলবার আইনি নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।</p>
</article>
</article>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আন্তর্জাতিক নারী দিবসে  কর্মীদের জন্য স্বাস্থ্য সচেতনতা কর্মশালা করলো হুয়াওয়ে বাংলাদেশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/151830</link>
<guid>https://digibanglatech.news/151830</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67cc097f8c256.jpg" length="87729" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 08 Mar 2025 15:11:20 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার নারী কর্মীদের জন্য একটি স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ক কর্মশালা করেছে হুয়াওয়ে বাংলাদেশ। কর্মীদের সুস্থতা ও একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মক্ষেত্র নিশ্চিত করার অঙ্গীকার নিয়ে ঢাকায় হুয়াওয়ের সাউথ এশিয়া রিপ্রেজেনটেটিভ অফিসে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।  </p>
<p>শনিবার হুয়াওয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। </p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই কর্মশালার লক্ষ্য ছিলো নারী কর্মীদেরকে ইউরিনারি হেলথের উপর কাউন্সেলিং প্রদান করা। কাউন্সিলিংয়ে বিশেষভাবে গুরুত্ব পায় ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (ইউটিআই), যা নারীদের একটি সাধারণ সমস্যা। ইউনাইটেড হসপিটালের ডা. সরকার কামরুন জাহান ঝিনুক এই সমস্যার ঝুঁকি, লক্ষণ, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা এবং চিকিৎসার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। </p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x_67cc09738675a.jpg" alt=""></p>
<p>তিনি বলেন," ইউরিনারি ট্র্যাক্টের ইনফেকশন জীবনযাপনের কিছু সাধারণ অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রতিরোধ করা সম্ভব। প্রচুর পরিমাণে পানি পান, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, আঁটসাঁট পোশাক পরিহারের মাধ্যমে আর্দ্রতা ও ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ করে ইউটিআই হওয়ার সম্ভাবনা কমানো সম্ভব।"</p>
<p>হুয়াওয়ের এইচআর ডিরেক্টর লিনজিয়াও এই কর্মশালার সূচনা করেন। হুয়াওয়ের অন্যান্য কর্মকর্তারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।<br>লিনজিয়াও বলেন, “হুয়াওয়েতে আমরা কর্মদক্ষতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকি। একজন কর্মী পুরুষ বা নারী যাই হোক না কেন, আমরা তাঁকে তাঁর দায়িত্বশীলতা ও কর্মদক্ষতার মানদন্ড দিয়েই বিচার করি।  আমরা দেখেছি যে, পুরুষ এবং নারী উভয়ই দক্ষতার সাথে কাজ করতে সক্ষম। হুয়াওয়ের কর্মীদের সুস্থতার দিকেও আমরা মনোযোগ দিয়ে থাকি। তাই আমাদের কর্মীদের জন্য ওপিডি ও আইপিডি বীমার সুবিধা রয়েছে। আমরা কর্মীদের জন্য নিয়মিত স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ক কর্মশালারও আয়োজন করি। আজকের কর্মশালা নারী কর্মীদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতিকে তুলে ধরে।” </p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতালের সাথে বাংলালিংকের চুক্তি</title>
<link>https://digibanglatech.news/151790</link>
<guid>https://digibanglatech.news/151790</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67c962b298a0a.jpg" length="96038" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 06 Mar 2025 13:52:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>স্বাস্থ্যসেবা খাতে ডিজিটাল সমাধানের অংশী হতে ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল ও সুপার স্পেশালিটি সেন্টারের সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে দেশের উদ্ভাবনী ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। বৃহস্পতিবার এ নিয়ে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল ও সুপার স্পেশালিটি সেন্টারে সম্প্রতি চুক্তিটি সই হয়েছে।</p>
<p>চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেডের এন্টারপ্রাইজ বিজনেস ডিরেক্টর রুবাইয়াত এ তানজীন ও ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল ও সুপার স্পেশালিটি সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাকিফ শামীম। </p>
<p>অনুষ্ঠানে বাংলালিংকের ঊর্ধ্বতন অন্যান্য কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির চিফ করপোরেট ও রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান, এন্টারপ্রাইজ বিজনেসের হেড অব কি সেগমেন্ট সাদ মোহাম্মাদ ফয়জুল করিম ও এন্টারপ্রাইজ বিজনেসের করপোরেট অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার শাহিনাজ হোসেন।</p>
<p> চুক্তির অধীনে, নিরবিচ্ছিন্ন ভয়েস ও ডেটা কানেক্টিভিটি নিশ্চিতে ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল ও সুপার স্পেশালিটি সেন্টারের কর্মীদের জন্য কর্পোরেট সংযোগ, প্রতিষ্ঠানটিতে উন্নত ডিজিটাল সেবা যেমন লোকেশন-ভিত্তিক মোবাইল বিজ্ঞাপন ও এসএমএস ব্রডকাস্টিং সেবা প্রদান করবে। এ সুবিধা হাসপাতালটিকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক গ্রাহকদের কাছে সঠিক বার্তা পৌঁছাতে সহায়তা করবে বাংলালিংক।</p>
<p>এ নিয়ে বাংলালিংকের এন্টারপ্রাইজ বিজনেস ডিরেক্টর রুবাইয়াত এ তানজীন বলেন, “উদ্ভাবনী ডিজিটাল অপারেটর হিসেবে, বাংলালিংক বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে তাদের পূর্ণ সম্ভাবনা উন্মোচনে এবং প্রবৃদ্ধির সুযোগ তৈরির লক্ষ্য নিজে কাজ করে। এরই ধারাবাহিকতায়, আমরা ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতালের সাথে অংশীদারিত্ব করেছি। এ অংশীদারিত্বের ফলে, ডিজিটাল সমাধানের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহীতারা আরও বেশি উপকৃত হবেন। আমাদের বিশ্বাস, এ অংশীদারিত্ব উভয় প্রতিষ্ঠানের প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।” </p>
<p>ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল ও সুপার স্পেশালিটি সেন্টারের এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন বিভাগের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার এ. এম. এম. মহসিন বলেন, “এ অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা উদ্ভাবন, অংশীদারিত্ব ও উন্নয়নের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্পর্শ করেছি। ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল ও বাংলালিংকের এ চুক্তি স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে সবার অংশগ্রহণের সুযোগ বৃদ্ধি করা ও দেশের ডিজিটাল রূপান্তর ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান দু’টির যৌথ প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। বাংলালিংকের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক অবকাঠামো এবং ডিজিটাল সক্ষমতার মাধ্যমে আমরা বিশ্ব মানসম্পন্ন ক্যান্সার চিকিৎসা, উন্নত চিকিৎসাসেবা এবং সহমর্মিতামূলক সেবা নিশ্চিত করতে পারব বলে আশাবাদী।”</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পের ডিকার্বনাইজেশন নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/151791</link>
<guid>https://digibanglatech.news/151791</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67c9699d319ad.jpg" length="92385" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 06 Mar 2025 12:24:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span class="x3jgonx">ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ফার্মেসি, ব্র্যাক জেমস পি গ্র্যান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথ (জেপিজিএসপিএইচ), সেন্টার ফর এন্টারপ্রেনিউরশিপ ডেভেলপমেন্ট (সিইডি) এবং বিএসআরএম স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের যৌথ আয়োজনে সম্প্রতি “এক্সপ্লোরিং বাংলাদেশ’স গ্রিন ট্রানজিশন: ডিকার্বনাইজেশন ইন দ্য ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি” শীর্ষক পরামর্শমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  অনুষ্ঠানটি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মেরুল বাড্ডা ক্যাস্পাসে অনুষ্ঠিত হয়।</span><br><br><span class="x3jgonx">আলোচনায় ইন্ডাস্ট্রি বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক ও গবেষকরা অংশ নেন। তারা বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ডিকার্বনাইজেশন ও নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করেন। সভায় শিল্পের টেকসই রূপান্তরের চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা এবং করণীয় বিষয়গুলো উঠে আসে।</span><br><br><span class="x3jgonx">মতবিনিময় সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেন আরএক্স-আরইটি গবেষণা প্রকল্পের প্রধান গবেষক ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ড. রাঈদ জমিরউদ্দিন। বক্তব্যে তিনি প্রকল্পের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যসমূহ তুলে ধরেন। গবেষক দলের অন্যতম সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. অতনু রব্বানি পূর্ববর্তী একটি জ্বালানি রূপান্তর প্রকল্পের গবেষণা ফলাফল উপস্থাপন করেন। প্রধান গবেষক ড. রাঈদ জমিরউদ্দিন প্রকল্প সমন্বয়ক আমাল চৌধুরী আরএক্স-আরইটি প্রকল্পের আওতায় ঔষধ শিল্পে নবায়নযোগ্য শক্তির কার্যকর ব্যবহার এবং কার্বন নির্গমন হ্রাসের বাস্তবসম্মত কৌশল নির্ধারণ বিষয়ক গবেষণার কাঠামো, গবেষণা পদ্ধতি এবং সম্ভাব্য কার্যকর উদ্যোগগুলো তুলে ধরেন।</span><br><span class="x3jgonx"> </span><br><span class="x3jgonx">এরপর বিএসআরএম স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন প্রফেসর আরশাদ মাহমুদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইন্ডাস্ট্রির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা অংশ নেন। প্যানেল আলোচনায় ছিলেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার, ইনস্টিটিউট অফ এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফাইনান্সিয়াল অ্যানালাইসিস (আইইইএফএ) বাংলাদেশ এর এনার্জি লিড শফিকুল আলম, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর এর পরিচালক ড. মো. আখতার হোসেন, এমই সোলশেয়ার লিমিটেড এর ইনোভেশন অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এর পরিচালক সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ, ফিউচার কার্বন লিমিটেড এর প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক রাদেন সিদ্দিকী, ইনসেপটা ফার্মাসিউটিক্যালস এর নির্বাহী পরিচালক প্রকৌশলী শরাফত আলী এবং আইসিটি বিভাগের, ইডিজিই প্রকল্পের স্মার্ট বাংলাদেশ এর কম্পোনেন্ট লিড ফারুক আহমেদ জুয়েল। তারা ইন্ডাস্ট্রির বর্তমান অবস্থা, চ্যালেঞ্জ ও উদ্ভাবনী সমাধান নিয়ে মতবিনিময় করেন।</span><br><br><span class="x3jgonx">ঔষধ শিল্পের টেকসই ভবিষ্যৎ নিয়ে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক ড. মো. আক্তার হোসেন বলেন, "শিল্পের টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে কার্বন নির্গমন হ্রাসের প্রচেষ্টা অবশ্যই সরকারি নীতিমালার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।"</span><br><br><span class="x3jgonx">ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার বলেন, "বাংলাদেশের ঔষধ শিল্পকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার ও জ্বালানি সাশ্রয়ী উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে।"</span><br><br><span class="x3jgonx">সভায় নবায়নযোগ্য শক্তির গ্রহণযোগ্যতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। অংশগ্রহণকারীরা টেকসই ভবিষ্যৎ গড়তে সম্মিলিত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ডিকার্বনাইজেশন প্রচেষ্টা বাংলাদেশের বৈশ্বিক টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সবাই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রাইজের আয়োজনে &amp;apos;নিওন রান&amp;apos; অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/151704</link>
<guid>https://digibanglatech.news/151704</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67c65fde32032.jpg" length="83658" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 04 Mar 2025 07:04:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলালিংকের এআই-নির্ভর প্রোডাক্টিভিটি টুলস সমৃদ্ধ লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড রাইজ। এই ব্র্যান্ডের উদ্যোগে স্বাস্থ্যসচেতন শত শত তরুণের জন্য প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো ‘রাইজ নিওন রান’ । ফিটনেস, আত্ম-উপলব্ধি ও উন্নত ডিজিটাল অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করছে <a href="https://www.facebook.com/RYZELiveOfficia" target="_blank" rel="noopener">এই আয়োজন</a>। আয়োজনটি ফোর্টিস স্পোর্টস গ্রাউন্ডকে গতি, সঙ্গীত ও আত্ম-উপলব্ধির এক প্রাণবন্ত অঙ্গনে পরিণত করে।</p>
<p>এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ঢাকা ফ্লো’র ওয়ার্মআপ সেশনের পর অংশগ্রহণকারীরা একটি গ্লো-ইন-দ্য-ডার্ক ট্র্যাকের ওপর দৌড়ান; যেখানে রাইজের সক্ষমতা ও উদ্দীপনার প্রতীক হিসেবে তাদের চেহারা নিওন পেইন্ট দিয়ে রাঙানো ছিল। কেবল দৌড়ের চেয়েও বেশি কিছু এই নিওন রানে ফিটনেসের সাথে বিনোদনের সমন্বয় ঘটে।  </p>
<p>দৌড়ানোর পাশাপাশি এই আয়োজনে ছিলো এক্সপেরিয়েন্স জোন, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা ব্র্যান্ডের ডিজিটাল লাইফস্টাইল অফার, এআই-নির্ভর প্রোডাক্টিভিটি টুলস এবং তরুণদের জন্য বিশেষভাবে নিয়ে আসা সুবিধা সম্পর্কে জানার সুযোগ পান।</p>
<div class="text-center inarticle_ad" id="div-gpt-ad-1701837251378-0" data-google-query-id="CLrU_e6o74sDFbyqZgIdsT8cbQ">
<div id="google_ads_iframe_/21854276714/DAIT_0__container__"></div>
</div>
<p>এ বিষয়ে বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেদের চিফ ডিজিটাল অফিসার গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘এটি কেবল দৌড়ানো নয়; এর সাথে শক্তি, সঙ্গীত, চলাচল ও যোগাযোগের প্রাণবন্ত উদযাপন জড়িত রয়েছে। রাইজে আমরা সব সময়ই নিত্যনতুন উপায়ে উৎসাহিত ও সংযুক্ত করার চেষ্টা করি। আর এই আয়োজনটি আমাদের সেই লক্ষ্যপূরণেরই প্রতিফলন।’</p>
<div class="text-center inarticle_ad" id="div-gpt-ad-1726377099392-0" data-google-query-id="CLvU_e6o74sDFbyqZgIdsT8cbQ"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশে প্রথমবারের মতো জিকা ভাইরাসের ক্লাস্টার শনাক্ত: আইসিডিডিআরবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/151701</link>
<guid>https://digibanglatech.news/151701</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67c5eecb41ad2.jpg" length="67933" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 03 Mar 2025 22:00:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><br><br><span class="x3jgonx">দেশে প্রথমবারের মতো জিকা ভাইরাসের ক্লাস্টার শনাক্ত করা হয়েছে। ঢাকায় আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইসিডিডিআরবির বিজ্ঞানীদের এক গবেষণায় পাঁচজন জিকা-পজিটিভ রোগী শনাক্ত হয়েছে। তবে যাদের জিকা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে দুই বছরের মধ্যে তারা বিদেশ ভ্রমণ করেননি। পাঁচ রোগীর মধ্যে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত ছিলেন, যা দেশে জিকা-ডেঙ্গু যৌথ সংক্রমণের প্রথম রেকর্ড।</span></p>
<p><span class="x3jgonx">সোমবার নিজেদের <a href="https://www.icddrb.org/news/first-cluster-of-zika-virus-cases-identified-in-bangladesh-03-03-2025">ওয়েবসাইটে </a>এ নিয়ে একটি নিবন্ধে এসব তথ্য দিয়েছে আইসিডিডিআরবি। </span><br><br><span class="x3jgonx">জানাগেছে, ২০২৩ সালে ১৫২ জন রোগীর নমুনা নিয়ে পরীক্ষা করা হয়। জ্বরের পাশাপাশি তাদের ভাইরাসের অন্যান্য লক্ষণ ছিল। </span><span class="x3jgonx">যাদের জিকা শনাক্ত হয়েছে তারা সবাই ঢাকার একই এলাকার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে আইসিডিডিআরবি। </span><br><span class="x3jgonx">নিবন্ধে বলা হয়, 'নমুনাগুলোর মধ্যে পাঁচজনের জিকা ভাইরাস সংক্রমণের প্রমাণ এই ইঙ্গিত দেয় যে বাংলাদেশে এ রোগের প্রকৃত সংক্রমণ জানতে দেশব্যাপী স্ক্রিনিং প্রয়োজন।'</span></p>
<p><span class="x3jgonx">গবেষণা দলের প্রধান শফিউল আলম  জানিয়েছেন, জিকা শনাক্ত হওয়া পাঁচ জন মহাখালী এলাকার বাসিন্দা এবং তাদের ঠিকানা এক কিলোমিটার ব্যাসার্ধ্যের মধ্যে। এ কারণেই এটাকে জিকা ভাইরাসের ক্লাস্টার বলা হচ্ছে। </span></p>
<p>প্রসঙ্গত, <span class="x3jgonx">২০১৬ সালে আইইডিসিআরের এক গবেষণায় ২০১৪ সালে সংগ্রহ করা রোগীর নমুনায় দেশে প্রথম জিকা-পজিটিভ রোগী শনাক্ত করা হয়েছিল।</span><br><br><span class="x3jgonx">ওই রোগীর বিদেশ ভ্রমণের ইতিহাস না থাকায়, বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ব্রাজিলে ২০১৫ সালে জিকা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের আগেই বাংলাদেশে এই ভাইরাস ছড়িয়েছে। </span><span class="x3jgonx">জিকা ভাইরাস শুধু মশার মাধ্যমেই নয়, যৌন মিলন, রক্ত সঞ্চালন, মা থেকে শিশুতে সংক্রমণ এবং শারীরিক সংস্পর্শের মাধ্যমেও ছড়াতে পারে বলে জানিয়েছে আইসিডিডিআরবি।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিএসএমএমইউয়ে চালু হলো অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট</title>
<link>https://digibanglatech.news/151674</link>
<guid>https://digibanglatech.news/151674</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67c5388aaf069.jpg" length="85818" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 03 Mar 2025 00:04:58 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull">বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) বহির্বিভাগে আসা রোগীদের দুর্ভোগ লাঘব ও উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে স্বাধীনতার মাস ‘মার্চ মাস’-এ চালু হয়েছে অনলাইন অ্যাপয়েনমেন্ট সেবা কার্যক্রম। বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়নসহ রোগীদের দুর্ভোগ লাঘব, অযথা ভিড় এড়ানো, রোগীদের সময় সাশ্রয় করা, দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে বহির্বিভাগের টিকেট সংগ্রহের ঝামেলা এড়ানো, রোগীদের উন্নত ও সন্তুষ্টিমূলক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জন্য বিএসএমএমইউ প্রশাসন বহির্বিভাগে আগত রোগীদের জন্য অনলাইন অ্যাপয়েনমেন্ট সেবা কার্যক্রম চালু করেছে বিএসএমএমইউ প্রশাসন।</p>
<p class="alignfull">বিএসএমএমইউর<span> </span><strong><a href="https://www.bsmmu.ac.bd/">ওয়েবসাইটে </a></strong>প্রবেশ করে রোগীরা তাদের প্রয়োজন মতো চিকিৎসকের পরামর্শ সেবা নেওয়ার জন্য অনলাইনে অ্যাপয়েনমেন্ট নিতে পারবেন।</p>
<p class="alignfull"><span>সেবা নিয়ে বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম বলেন, বহির্বিভাগের চিকিৎসাসেবা প্রদানের সঙ্গে অ্যাকাডেমিক ও গবেষণা কার্যক্রম সংযুক্ত করতে অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট বিশেষ ভূমিকা রাখবে। এতে রোগীদের সেবার মান উন্নত, বিএসএমএমইউর বহির্বিভাগে আসা রোগীদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা, বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ও গবেষণা কার্যক্রম বেগবান হবে। </span></p>
<div class="viewport jw_article_body">
<p class="alignfull">তিনি বলেন, অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট চালু হলে রোগীদের ডাটা সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। বহির্বিভাগ ও অন্তঃবিভাগ পুরোপুরি অটোমেশন করা সম্ভব হলে রোগীদের পরীক্ষা নিরীক্ষার তথ্যসহ চিকিৎসা সংক্রান্ত সব বিষয়ের তথ্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। এতে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা প্রয়োজন মতো রোগীর তথ্য জেনে মূল্যবান পরামর্শসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দিতে পারবেন। একইসঙ্গে সংগৃহীত ডাটাগুলো নিত্যনতুন গবেষণার দ্বার উন্মোচন করবে।</p>
<p class="alignfull">অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্টে আসা রোগীদের চিকিৎসকরা চিকিৎসা দেন তা নিশ্চিত করা হবে জানিয়ে উপাচার্য আরো বলেন, এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত রেসিডেন্টদের রোগীকে টাচ না করেই কোনোমতে দেখে রোগীকে দ্রুত বিদায় করে দেওয়ার যে মানসিকতা গড়ে উঠছে সেক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন আসবে। ফলে অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট রোগীকে যথাযথ সময় দেওয়ার মানসিকতা তৈরি হবে এবং এটা চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়ন ও রোগীর সস্তুষ্টিতে বিরাট ভূমিকা রাখবে।</p>
<p class="alignfull"><span>বিশ্ববিদ্যালয়ের বহির্বিভাগে মার্চ মাসের প্রথম দিনেই এই  অনলাইন অ্যাপয়েনমেন্ট সেবা কার্যক্রমের </span>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্যের অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, প্রক্টর ডা. শেখ ফরহাদ, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) সহযোগী অধ্যাপক ডা. এরফানুল হক সিদ্দিকী, পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু নোমান মোহাম্মদ মোছলেহ উদ্দীন, আইটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ডা. একেএম আখতারুজ্জামান, সিস্টেম অ্যানালিস্ট মো. মারুফ হোসেন প্রমুখ।</p>
</div>
<div class="btGoogleNews"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘সনি&#45;স্মার্ট আই কেয়ার ক্যাম্প’&#45;এ  ২ দিনের সেবা পেয়েছেন ২ হাজার রোগী</title>
<link>https://digibanglatech.news/151309</link>
<guid>https://digibanglatech.news/151309</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202502/image_870x580_67b385a633051.jpg" length="117767" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 17 Feb 2025 19:53:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে জনকল্যাণমূলক সংগঠন স্মার্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দুই দিনে ২ হাজারেরও বেশি রোগী পেয়েছেন বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসা ও ছানি অপারেশন সেবা। বাংলাদেশে জাপানের সনি’র অফিসিয়াল ডিস্ট্রিবিউটর স্মার্ট ইলেকট্রনিকস লিমিটেড (সনি-স্মার্ট) এবং বাংলাদেশ আই ট্রাস্ট হসপিটালের সহযোগিতায় রোববার ও সোমবার (১৬ ও ১৭ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হয় ‘সনি-স্মার্ট আই কেয়ার ক্যাম্প’ নামে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা কর্মসূচি।</span></p>
<p>সোমাবর (১৭ ফেব্রুয়ারি) সংস্থাটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।</p>
<p>আয়োজকেরা জানান, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আগত রোগীদের বিনামূল্যে চোখের পরীক্ষা-নিরীক্ষা, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চশমা দেওয়া হয়। এ ছাড়াও বাছাইকৃত রোগীদের জন্যে রয়েছে ঢাকায় যাতায়াত এবং হাসপাতালে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থাসহ ফ্যাকো পদ্ধতিতে বিদেশি সফট লেন্স ব্যবহার করে ব্যথামুক্ত, সেলাইবিহীন ও রক্তপাত ছাড়া বিনামূল্যে ছানি অপারেশনের ব্যবস্থা।</p>
<p>‘দৃষ্টি আপনার, দায়িত্ব আমাদের; ঝকঝকে দেখুন, সনি-স্মার্ট’র সাথে।’ — এই স্লোগানে রোববার সকালে চক্ষু চিকিৎসাসেবা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্মার্ট ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি জেনারেল ও স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লি.-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে সনি ইন্টারন্যাশনাল (প্রা.) লি. বাংলাদেশ শাখার প্রধান রিকি লুকাস, রামগঞ্জ মডেল ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মো. নুর উদ্দিন ভূঁইয়া, রামগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবব্রত দাশ, সনি-স্মার্ট পরিচালক মো. তানভীর হোসাইন, বাংলাদেশ আই ট্রাস্ট হসপিটাল-এর মহাব্যবস্থাপক মুহাম্মদ কামরুল ইসলাম সানজিদ, এবং সনি-স্মার্ট উপ-মহাব্যবস্থাপক ও হেড অব মার্কেটিং আজাদ রহমানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্মার্ট ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি জেনারেল ও স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লি.-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, “সম্পূর্ণ জনকল্যাণমূলক একটি সংস্থা ‘স্মার্ট ফাউন্ডেশন’। এর মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য আমার জন্মভূমি রামগঞ্জ, লক্ষ্মীপুরের মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ও কল্যাণ নিশ্চিত করা।</p>
<p><span>তিনি আরও বলেন, আপনারা জানেন, আমরা স্মার্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিতভাবে এ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সবাইকে নিয়ে বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন, তা বাস্তবায়নের পথে হাঁটছি। অতীতেও নানা ধরনের স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি, বিশেষ করে প্রতিবছর তুরষ্ক থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে এসে এ অঞ্চলের শিশুদের জন্য বিনামূল্যে আধুনিক প্রযুক্তির সুন্নতে খৎনার ব্যবস্থা করছি আমরা। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা দুই দিনের বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা কর্মসূচি আয়োজন করেছি। সামনের দিনে আরও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি হাতে নিতে চাই আমরা। সবার সহযোগিতায় সবাই মিলে বাংলাদেশ, বিশেষ করে আলোকিত আর সমৃদ্ধ লক্ষ্মীপুর গঠনে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখতে চাই আমরা।”</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মেডিসিন সোসাইটির নতুন নেতৃত্বের অভিষেক ও বৈজ্ঞানিক সম্মেলন</title>
<link>https://digibanglatech.news/151275</link>
<guid>https://digibanglatech.news/151275</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202502/image_870x580_67b21cb465fa7.jpg" length="116554" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 16 Feb 2025 19:12:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নতুন পথচলায় ২৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটির অভিষেক ও বৈজ্ঞানিক সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিন (বিএসএম)। এ উপলক্ষে রবিবার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বল রুম সারাদিন মুখরিত ছিল মেডিসিন বিশেষজ্ঞদের পদচারণায়। বিএসএমের সারাদেশের সব শাখার সদস্যরা এতে অংশ নেন।</p>
<p><span class="x3jgonx">নতুন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মনিরুজ্জামান ও সদস্যসচিব ডা. জাকারিয়া আল আজিজ।  এছাড়াও কমিটিতে স্থান পেয়েছেন- যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শাহ মো. হাবিবুর রহমান, ডা. আনিসুর রহমান হাওলাদার, ডা. আহমদ মনজুরুল আজিজ ও ডা. আবুল কালাম মো. সাজেদুর রহমান। কোষাধ্যক্ষ হয়েছেন ডা. মোহাম্মদ আলী।</span></p>
<p><span class="x3jgonx"> অপরদিকে সদস্য হয়েছেন- অধ্যাপক ডা. ফারুক আহম্মদ, অধ্যাপক ডা. মো. হালিমুর রশিদ, অধ্যাপক ডা. সাকি মোহাম্মদ জাকিউল আলম, অধ্যাপক ডা. মো. বেলালুল ইসলাম, ডা. মো. মনজুরুল হক, ডা. মো. জহিরুল হক, ডা. তুষার কান্তি বর্মন, ডা. মো. শাহাবুল হুদা চৌধুরী, ডা. মো. ইলিয়াস ভূঁইয়া, ডা. আব্দুর রাজ্জাক, ডা. খান মোহাম্মদ আরিফ, ডা. মো. আব্দুল্লাহেল কাফি, ডা. আবু মোহাম্মদ, ডা. আশিকুর রহমান খান, ডা. মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ, ডা. হাসান হাফিজুর রহমান, ডা. সৈয়দ আতিকুল্লাহ, ডা. মো. হাবিবুল্লাহ, ডা. মো. সাজ্জাদ হোসেন এবং ডা. আব্দুল্লাহ আল ফারুক।</span><br><br><span class="x3jgonx">আহ্বায়ক কমিটির বাইরেও ১৭ সদস্যের উপদেষ্টা কমিটি করা হয়েছে। সদ্য সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মো. টিটু মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আহমেদুল কবির ওই কমিটি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে সই করেন।</span></p>
<p>বৈজ্ঞানিক সেমিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মেডিসিনের অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিক। পরে সংগঠন নিয়ে তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে বলেন, এই সোসাইটি আগে ব্যবহৃত হয়েছে গোষ্ঠীর স্বার্থে। নেতৃত্বে যারা ছিল তারা একটি দলের পারপাস সার্ভ করে নিজেদের সরকারের বিভিন্ন উচ্চপদে নিয়ে গেছেন। অথচ এই সোসাইটি করার উদ্দেশ্য ছিল একাডেমিক কার্যক্রম, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, সারাদেশে মেডিসিনের ভালো শিক্ষক তৈরি- এগুলো হয়নি। আমরা এখন চাই, এই সংগঠন সারা বাংলাদেশে মেডিকেল শিক্ষার উন্নয়ন করবে, উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সেবা দেওয়ার মতো যুগোপযোগী চিকিৎসক তৈরি করবে। সব জায়গায় যোগ্যতার প্রাধান্য পাবে, দলীয় বিবেচনায় নয়।</p>
<p><span class="x3jgonx">নতুন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মনিরুজ্জামান বলেন, অন্যসব সেক্টরের মতো এই স্বাস্থ্য সেক্টরকে গত ১৫ বছরে পঙ্গু করে দিয়েছে, যাতে পাশের দেশের ওপর আমরা নির্ভরশীল হই। আমরা এ থেকে বেরিয়ে আসতে চাই। পদায়ন ও প্রমোশনে আমরা কাউকে দলীয় পরিচয়ে দেখতে চাই না। যোগ্যতা ও জ্যেষ্ঠতার মূল্যায়ন দেখতে চাই।</span></p>
<p><span class="x3jgonx">যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. শাহ হাবিবুর রহমান বলেন, গত ১৫ বছরে যারা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিল, মানবতাবিরোধী কাজে জড়িত ছিল, শান্তি সমাবেশে অংশ নিয়ে গণহত্যায় সাপোর্ট দিয়েছে- আমরা তাদের প্রশ্রয় দেবো না। তবে বাকি সবাইকে নিয়ে আমাদের একটা বৈষম্যমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।</span></p>
<p><span class="x3jgonx">বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের সদস্যসচিব ডা. জাকারিয়া আল আজিজ বলেন, আমরা যেন গুলির পক্ষে না দাঁড়াই। যারা গুলির পক্ষে দাঁড়িয়েছে, তাদের বিচারের ভার আপনাদের ওপর ছেড়ে দিলাম। সময় এসেছে ঘুরে দাঁড়ানোর।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

</channel>
</rss>