<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
     xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
     xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
     xmlns:admin="http://webns.net/mvcb/"
     xmlns:rdf="http://www.w3.org/1999/02/22-rdf-syntax-ns#"
     xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
     xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/">
<channel>
<title>Digi Bangla &#45; : নিরাপত্তা&#45;সুরক্ষা</title>
<link>https://digibanglatech.news/rss/category/নিরাপত্তা-সুরক্ষা</link>
<description>Digi Bangla &#45; : নিরাপত্তা&#45;সুরক্ষা</description>
<dc:language>en</dc:language>
<dc:rights>নিবন্ধন নং &#45; ২৩৩ &amp;lt;br /&amp;gt;প্রকাশক: সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক &amp;lt;/br&amp;gt;  নির্বাহী সম্পাদক: এস এম ইমদাদুল হক &amp;lt;/br&amp;gt; সম্পাদকীয় কার্যালয়: সড়ক ২৯, বাড়ি ২/ই (গুলশান লেক প্যালেস), সি&#45;২, গুলশান&#45;১, ঢাকা&#45;১২১২, বাংলাদেশ।  &amp;lt;/br&amp;gt;ফোন: ০৯৬৩৯&#45;৩৩৩৫৫৫, ইমেইল: press@digibanglatech.news   &amp;lt;/br&amp;gt; © স্বত্ব ডিজিটাল বাংলা মিডিয়া লিমিটেড ২০১৯&#45;২০২৬</dc:rights>

<item>
<title>অ্যান্ড্রয়েড ফোনে কি অ্যান্টিভাইরাস অ্যাপের প্রয়োজন আছে?</title>
<link>https://digibanglatech.news/187101</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187101</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a82a0fe4a7b7.jpg" length="276394" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 17 Aug 2026 19:50:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">ব্যক্তিগত কম্পিউটারের বা পিসির স্বর্ণযুগে নর্টন বা ম্যাকাফির মতো অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা ছিল প্রায় বাধ্যতামূলক। তবে আধুনিক স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে সেই ধারণা অনেকটাই বদলে গেছে। কারণ, বর্তমানের অ্যান্ড্রয়েড হ্যান্ডসেটগুলোতে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুক্ত থাকে। ফলে বেশির ভাগ সাধারণ ব্যবহারকারীর জন্য বাড়তি কোনো থার্ড পার্টি অ্যান্টিভাইরাস অ্যাপ ব্যবহারের প্রয়োজন নেই বললেই চলে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">অ্যান্ড্রয়েড চালিত ডিভাইসের সুরক্ষায় মূল ভূমিকা পালন করে ‘গুগল প্লে প্রটেক্ট’। এটি গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপ নামানোর সময় তো বটেই, ইনস্টল করার পরও নিয়মিত পুরো হ্যান্ডসেট স্ক্যান করে কোনো ক্ষতিকারক সফটওয়্যার বা ম্যালওয়্যার আছে কি না তা পরীক্ষা করে। এ ছাড়া অ্যান্ড্রয়েডের নিজস্ব ‘স্যান্ডবক্সিং’ প্রযুক্তির কারণে একটি অ্যাপ অন্য অ্যাপের উপাত্ত বা তথ্যে প্রবেশ করতে পারে না। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">নিয়মিত নিরাপত্তা হালনাগাদ ও ব্যবহারকারীর সচেতন অনুমতির ব্যবস্থার কারণে আধুনিক ফোনগুলো সাইবার আক্রমণ থেকে অনেকটাই সুরক্ষিত। বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া কল বা ক্ষতিকর বার্তা ঠেকানোর প্রযুক্তিও উন্নত করা হচ্ছে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">নতুন দিনের সাইবার ঝুঁকি ও সীমাবদ্ধতা</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">অ্যান্টিভাইরাস অ্যাপের প্রয়োজনীয়তা কমে যাওয়ার আরেকটি বড় কারণ হলো, বর্তমান যুগের প্রধান সাইবার হুমকিগুলোর ধরন বদলে গেছে। ট্রেডিশনাল ভাইরাসের চেয়েও এখন বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে সোশাল ইঞ্জিনিয়ারিং বা মনস্তাত্ত্বিক সাইবার প্রতারণা। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">বিভিন্ন লোভনীয় ভুয়া বার্তা, পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নেওয়ার ফাঁদ, ভুয়া হেল্পডেস্ক বা ব্যাংকের প্রতিনিধি পরিচয়ে ফোন কিংবা ক্ষতিকর সাইটের পুশ নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। ব্যবহারকারী নিজে যদি অসাবধানতাবশত কোনো প্রতারণামূলক লিংকে তথ্য প্রকাশ করেন, তবে কোনো অ্যান্টিভাইরাসই তাঁকে রক্ষা করতে পারবে না।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">কখন অ্যান্টিভাইরাস প্রয়োজন হতে পারে?</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে বাড়তি অ্যান্টিভাইরাস অ্যাপের ব্যবহার কার্যকর হতে পারে। যারা গুগল প্লে স্টোরের বাইরে থেকে অচেনা উৎসের এপিকে ফাইল সাইডলোড করে অ্যাপ নামিয়ে থাকেন, তাঁদের ফোনে ক্ষতিকর ম্যালওয়্যার ঢোকার বড় ঝুঁকি থাকে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">এছাড়া পুরনো মডেলের যেসব ফোন আর নিয়মিত নিরাপত্তা সংক্রান্ত হালনাগাদ পায় না, কিংবা গুগল প্লে সার্ভিসবিহীন ডিভাইসে বাড়তি সুরক্ষার জন্য স্বনামধন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের অ্যান্টিভাইরাস অ্যাপ ইনস্টল রাখা যুক্তিসংগত হতে পারে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">পরিশেষে, সাধারণ অ্যান্ড্রয়েড ফোনে কোনো অ্যান্টিভাইরাস না থাকাটি মোটেও উদ্বেগের বিষয় নয়। কেবল কোনো সফটওয়্যারের ওপর ভরসা না করে অচেনা লিংকে ক্লিক না করা, পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সময় সতর্ক থাকা এবং নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তোলাই আধুনিক প্রযুক্তির যুগে সুরক্ষিত থাকার সেরা উপায়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি    </span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>র‍্যানসমওয়্যার গ্রুপ ব্যবহার করছে টুল ‘ইডিআর কিলার’</title>
<link>https://digibanglatech.news/156950</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156950</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68b08f205fa7b.jpg" length="73691" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 28 Aug 2025 17:17:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span lang="EN">একাধিক র‍্যানসমওয়্যার গ্রুপ </span><span lang="EN"><o:p></o:p></span><span lang="EN">ইডিআর</span><span lang="EN"> কিলার (এন্ডপয়েন্ট ডিটেকশন এন্ড রেসপন্স) নামে একটি নতুন টুল ব্যবহার করছে। <span lang="EN"><span lang="EN"><span lang="EN">সফোস </span></span>সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে </span>ব্ল্যাকস্যুট, মেডুসা, কিলিন, ড্রাগনফোর্স এবং আইএনসি এর মতো র‍্যানসমওয়্যার গ্রুপ এবং বিভিন্ন আন্ডারগ্রাউন্ড মার্কেটপ্লেস এখন ইডিআর কিলার টুলটি ব্যবহার করে ইডিআর সিস্টেমে হামলা করছে। বেশ কয়েকটি সাইবার হামলার ঘটনায় এই ইডিআর কিলার শনাক্ত হয়েছে।</span><span lang="EN"><o:p></o:p></span></p>
<p><span lang="EN">২০২২ সাল থেকে </span><span lang="EN"><a href="https://news.sophos.com/en-us/tag/edr-killer/">সফোসের</a></span><span lang="EN"> অনুসন্ধানে</span><span lang="EN"> দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানগুলো যত বেশি এন্ড পয়েন্ট সিকিউরিটি টুল ব্যবহার করছে, ম্যালওয়্যার ততই উন্নত হচ্ছে যাতে ইডিআর সিস্টেম বন্ধ করে দেওয়া যায়। সফোস সর্বশেষ যে এ্যান্টিভাইরাস কিলার টুল শনাক্ত করেছে সেগুলো </span><span lang="EN">হার্টক্রিপ্ট পরিষেবা আকারে পাওয়া গেছে যেখানে</span><span lang="EN"> চুরি করা তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। সফোস, বিটডিফেন্ডার, সেন্টিনেলওয়ান, মাইক্রোসফট, ম্যাকাফি, ওয়েবরুটের মতো সাইবার সিকিউরিটি কোম্পানির প্রোডাক্টগুলোকে এই হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হয়।</span><span lang="EN"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span lang="EN">ইডিআর টুল কীভাবে কাজ করে, কীভাবে এটি একাধিক র‍্যানসমওয়্যার হামলায় ব্যবহৃত হচ্ছে এবং কীভাবে এর গতিবিধি শনাক্তকরণ সম্পর্কে তথ্য সম্প্রতি সফোসের </span><span lang="EN"><a href="https://news.sophos.com/en-us/2025/08/06/shared-secret-edr-killer-in-the-kill-chain/">‘শেয়ারড সিক্রেট: ইডিআর কিলার ইন দ্য কিল চেইন’</a></span><span lang="EN"> শীর্ষক প্রতিবেদনে উঠে আসে। এই গবেষণা থেকে বোঝা যায় যে র‍্যানসমওয়্যার হামলার ক্ষেত্রে কি ধরনের পরিবর্তন হচ্ছে, এবং কীভাবে প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপগুলো একই ধরনের কাস্টম টুল ব্যবহার করছে।</span><span lang="EN"><o:p></o:p></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ছয়মাসে ২৯  সাইবার ক্রাইম ঘটনায় ঝুঁকিতে শিশু&#45;কিশোরীরা</title>
<link>https://digibanglatech.news/155415</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155415</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_686d3e5f1f48d.jpg" length="39370" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 08 Jul 2025 18:51:31 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশে সাইবার এবং লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে বলে জানিয়েছে সাইবার সহিংসতা প্রতিরোধে কাজ করা সংগঠনগুলোর জোট সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন অ্যান্ড চিলড্রেন (সিএসডব্লিউসি)। সংগঠনটির তথ্যমতে, প্রথম ছয় মাসে মোট ২৯টি সাইবার সহিংসতার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এসব ঘটনার মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ভুয়া নগ্ন ছবি তৈরি, ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল, এবং পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট ছড়ানোসহ একাধিক স্তরে সংঘটিত অপরাধের প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।</p>
<p>৮ জুলাই (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায় সাইবার সহিংসতা প্রতিরোধে কাজ করা সংগঠনগুলোর জোট সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন অ্যান্ড চিলড্রেন (সিএসডব্লিউসি) থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।</p>
<p>সিএসডব্লিউসি জানায়, মার্চ ও এপ্রিল মাসে সর্বাধিক ঘটনা ঘটেছে যথাক্রমে ৯টি ও ১০টি, যা মোট ঘটনার ৬৫ শতাংশেরও বেশি। সবচেয়ে বেশি ঘটনা ঘটেছে রাজধানী ঢাকা শহরে ১৩টি, যা দেশের ডিজিটাল অপরাধের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠছে। ভুক্তভোগীদের মধ্যে ৭৬ শতাংশ নারী, ২১ শতাংশ অপ্রাপ্তবয়স্ক কন্যাশিশু এবং ৩ শতাংশ পুরুষ ছিলেন। পেশাভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অধিকাংশ ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ৪১ দশমিক ৩ শতাংশ, এরপর গৃহিণী ২০ দশমিক ৭ শতাংশ এবং অন্যান্য পেশাজীবী যেমন এনজিও কর্মী, ব্যবসায়ী, বিক্রয়কর্মী। বাকি ২৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভুক্তভোগীর পেশা নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।</p>
<p>প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ৭০ শতাংশেরও বেশি ঘটনায় একাধিক অপরাধ একসঙ্গে সংঘটিত হয়েছে, যেমন ধর্ষণ, ভিডিও ধারণ, ব্ল্যাকমেইল এবং ডিজিটাল মাধ্যমে কনটেন্ট ছড়ানো। সবচেয়ে ভয়াবহ দিক হলো- কিছু ঘটনায় ৮ ও ১২ বছর বয়সী শিশুদের ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করার মতো নৃশংসতা লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া অন্তত একটি ঘটনায় এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া নগ্ন ছবি তৈরি করা হয়েছে, যা ভুক্তভোগীদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, মানসিক স্বাস্থ্য এবং সামাজিক মর্যাদাকে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। সিএসডব্লিউসি’র মতে, এ ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ সমাজের নৈতিক ভিত্তিকে দুর্বল করে ভবিষ্যতের জন্য ভয়াবহ হুমকি হয়ে উঠছে।</p>
<p>সিএসডব্লিউসি বলছে, নারীদের ডিজিটাল নিরাপত্তা এখন আর বিলাসিতা নয়, এটি একটি মৌলিক অধিকার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেমন একদিকে সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিচ্ছে, অন্যদিকে অপরাধীদের হাতে তা হয়ে উঠছে ভয়ংকর অস্ত্র। সাইবার ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা, ভুক্তভোগীদের গোপনীয়তা রক্ষায় কার্যকর নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, এবং জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি জোরদারের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।</p>
<p>প্রসঙ্গত, সাইবার অপরাধে নারী ও শিশুদের ঝুঁকির কথা বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) উদ্যোগে গঠিত হয়েছে সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন অ্যান্ড চিলড্রেন (সিএসডব্লিউসি)। ১৪টি সংগঠনের এই প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ব্লাস্ট, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন (সিক্যাফ) এবং সদস্য সচিব নারীপক্ষ। অন্যান্য সদস্য সংগঠনের মধ্যে রয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক), ব্র্যাক, আর্টিকেল নাইনটিন, অরোধ্য ফাউন্ডেশন, দ্য টেক একাডেমি, বিআইজিএফ, আইআইডি, ডিজিটালি রাইট লিমিটেড, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, সাইবার টিনস ও এইচআরএসএস।</p>
<div class="post-text mt-4">
<article class="content-details" id="content-details">
<div class="post-text mt-4">
<div class="block-full_richtext">
<div class="block-full_richtext">
<div>
<div>
<div>
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div>
<div>
<div>
<div>
<div>
<div>
<p>০৮-জুলাই/ডিজিবিটেক/এনডি</p>
</div>
<div></div>
<p></p>
</div>
<div></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div>
<div class="print-adslot adsBox _4Pk8L _0Zwdj">
<div data-lang="বিজ্ঞাপন" class="dfp-ad-unit print-none Tlph-">
<div class="adunitContainer">
<div class=" adBox" id="News_InArticle_300x250-cc8ed953-c5bc-4377-bd11-5f452252105f-0-0" data-google-query-id="CNj5jPSvno4DFSbaPAIddzsRHQ"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="flex justify-center mb-[18px]">
<div class="flex justify-center w-[300px] h-[250px] md:w-[728px] md:h-[90px] bg-gray-50">
<div id="div-gpt-ad-1747224884205-0" data-google-query-id="CN7fi5jorI4DFTaErAIdYREEug"></div>
</div>
</div>
</div>
<div class="flex justify-center">
<div class=" w-[300px] h-[250px] overflow-hidden bg-gray-50 ">
<div id="div-gpt-ad-1708345673354-0" data-google-query-id="CN6gi5jorI4DFU2NrAIddRkJTQ"></div>
</div>
</div>
</div>
<div class="flex justify-center">
<div class=" w-[300px] h-[250px] overflow-hidden bg-gray-50 ">
<div id="div-gpt-ad-1747224962420-0" data-google-query-id="CJqLi5jorI4DFamirAIdH40eOg"></div>
</div>
</div>
</div>
</article>
</div>
<div id="div-gpt-ad-1726377099392-0" data-google-query-id="CLbqzaDNrY4DFTGGZgIdsekikA">
<div id="google_ads_iframe_/21854276714/DAIT_2_0__container__"></div>
</div>
<div id="div-gpt-ad-1701837251378-0" data-google-query-id="CLXqzaDNrY4DFTGGZgIdsekikA"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>র‍্যানসমওয়্যার হামলা: গড়ে ১০ লাখ ডলার গুনছে প্রতিষ্ঠানগুলো</title>
<link>https://digibanglatech.news/155230</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155230</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_686535b3722a7.jpg" length="64790" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 02 Jul 2025 16:39:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" align="justify"><span>র‌্যানসমওয়্যার হামলার শিকার হয়ে</span><span> নিজেদের ডেটা ফেরত পেতে গত ছয় বছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ হারে প্রায় ৫০ শতাংশ প্রতিষ্ঠানকে হ্যাকারদের মুক্তিপণ দিতে হয়েছে।  এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৫৩% হ্যাকারদের প্রথম চাওয়া র<span style="font-family: Kalpurush;">‍</span>্যানসমের চেয়ে কম অর্থ দিয়ে তথ্য ফিরে পেয়েছে। এর মধ্যে ৭১% প্রতিষ্ঠান নিজেরা বা তৃতীয় পক্ষের সাহায্যে আলোচনার মাধ্যমে র<span style="font-family: Kalpurush;">‍</span>্যানসমের পরিমাণ  কমাতে পেরেছে।</span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" align="justify"><span>বিশ্বের ১৭টি দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আইটি ও সাইবার নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মতামতের ভিত্তিতে এই তথ্য দিয়েছে সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান <a href="http://www.sophos.com/"><u>সফোস</u></a>।  প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক প্রতিবেদন <a href="https://www.sophos.com/en-us/content/state-of-ransomware"><u><span class="15"><span style="font-family: Kalpurush;">“</span></span></u><u><span class="15">স্টেট অব র</span></u><u><span class="15"><span style="font-family: Kalpurush;">‍</span></span></u><u><span class="15">্যানসমওয়্যার রিপোর্ট</span></u><u><span class="15"><span style="font-family: Kalpurush;">”</span></span></u></a> থেকে এ তথ্য জানাগেছে। </span></p>
<p class="MsoNormal" align="justify"><span>প্রতিবেদন বলছে, গড় হিসাবে প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রায় ১০ লাখ ডলার মুক্তিপণ দিতে হয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানের আকার ও আয়ের ওপর ভিত্তি করে চাওয়া র</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">‍</span></span><span>্যানসম এর পরিমাণ ভিন্ন হয়েছে। যেমন</span><span>, </span><span>যেসব প্রতিষ্ঠানের আয় ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি</span><span>, </span><span>তাদের কাছে চাওয়া হয়েছে ৫ মিলিয়ন ডলার</span><span>, </span><span>আর যাদের আয় ২৫০ মিলিয়ন ডলারের নিচে</span><span>, </span><span>তাদের কাছে চাওয়া হয়েছে ৩</span><span>.</span><span>৫ লাখ ডলারের কম।</span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" align="justify"><span>গত তিন বছরে দেখা যাচ্ছে</span><span>, </span><span>বেশিরভাগ র</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">‍</span></span><span>্যানসমওয়্যার আক্রমণের পেছনে </span><span>"</span><span>এক্সপ্লয়েটেড ভালনারেবিলিটি</span><span>" </span><span>বা নিরাপত্তায় দুর্বলতার সুযোগ নেওয়া ছিল মূল কারণ। ৪০</span><span>% </span><span>প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে</span><span>, </span><span>হ্যাকাররা এমন নিরাপত্তার ফাঁক ব্যবহার করেছে যা তারা আগে বুঝতেই পারেনি। সর্বমোট ৬৩</span><span>% </span><span>প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে</span><span>, </span><span>জনবল বা রিসোর্সের ঘাটতি এমন সাইবার হামলা হওয়ার অন্যতম কারণ। বড় প্রতিষ্ঠানে ছিল দক্ষ লোকের অভাব</span><span>, </span><span>আর মাঝারি প্রতিষ্ঠানে ছিল পর্যাপ্ত জনবলের ঘাটতি।</span></p>
<p class="MsoNormal" align="justify"><span> এমন মুক্তিপণ থেকে বাঁচতে </span><span>র</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">‍</span></span><span>্যানসমওয়্যার সুরক্ষায় বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছে সফোস। এক্ষেত্রে প্রথমেই </span><span></span><span>সফটওয়্যারের নিরাপত্তার দুর্বলতা খুঁজে বের করে</span><span> ঝুঁকি মূল্যায়ন ও নিয়ন্ত্রণ; </span><span>সার্ভারসহ সমস্ত এন্ডপয়েন্টে শক্তিশালী অ্যান্টি</span><span>-</span><span>র</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">‍</span></span><span>্যানসমওয়্যার সুরক্ষা ব্যবহার; </span>ব্যাকআপ ও পুনরুদ্ধারের আগাম পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মাঝে মাঝে ডেটা রিস্টোর করা এবং বিশ্বস্ত  নির্ভরযোগ্য এমডিআর  সেবা গ্রহণ করতে বলেছে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানটি।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এখনো সরেনি ভিক্টিমের অনলাইন ভিডিও!</title>
<link>https://digibanglatech.news/155185</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155185</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_6863d6fb4dbcf.jpg" length="115202" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 01 Jul 2025 17:18:29 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span lang="EN-GB">হাইকোর্টের নির্দেশনা ও মেটাতে রিপোর্ট করেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে </span><span lang="EN-GB">নিজবাড়িতে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাহেরচর পাচকিত্তা গ্রামে ধর্ষণের শিকার ২৫ বছর বয়সী এক নারীর ভিডিও ও ছবি এখনো বিদ্যমান থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে <span lang="EN-GB">সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন অ্যান্ড চিলড্রেন (<span lang="EN-GB">সিএসডব্লিউসি</span>)। </span></span></p>
<p><span lang="EN-GB"><span lang="EN-GB">১ জুলাই (মঙ্গলবার) এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের পাশাপাশি এ ধরনের পাশবিকতার বিষয়ে বেশ কিছু দাবি উপস্থাপন করেছে সংগঠনটি। </span></span></p>
<p><span lang="EN-GB"><span lang="EN-GB">এর মধ্যে </span></span><span lang="EN-GB">ধর্ষণসহ যেকোনো যৌন সহিংসতার ভুক্তভোগীর পরিচয় এবং ছবি গোপনীয়তা রক্ষার পাশাপাশি</span><span lang="EN-GB"> </span><!--[endif]--><span lang="EN-GB">ভুক্তভোগীর সম্মতি ছাড়া কোনো ধরনের কনটেন্ট অনলাইনে প্রকাশ না করা এবং </span><span lang="EN-GB">ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় আইনি কাঠামো শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সাইবার স্পেসের সুরক্ষাসহ জনকল্যাণে কাজ করা ১৩টি বেসরকারী সংগঠনের জোট সিএসডব্লিউসি। </span></p>
<p><span lang="EN-GB">প্রযুক্তিকে ব্যবহার লিঙ্গভিত্তিক অপরাধ রোধে <span lang="EN-GB">অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিত করতে ডিজিটাল ফরেনসিক সাক্ষ্য গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা, তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বিশেষ সাইবার ক্রাইম সেল গঠন করা, পাঠ্যক্রমে ডিজিটাল সাক্ষরতা সংক্রান্ত বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা, ভুক্তভোগীর ডিজিটাল তথ্য ও প্রমাণাদির গোপনীয়তা সুরক্ষা নিশ্চিতে বিদ্যমান আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন,  এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর যুগোপযোগী সংশোধন দাবি করেছে </span></span><span lang="EN-GB"><span lang="EN-GB"><span lang="EN-GB">সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন অ্যান্ড চিলড্রেন। </span></span></span></p>
<p>প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এন্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (<span lang="EN-GB"><span lang="EN-GB"><span lang="EN-GB">ব্লাস্ট), </span></span></span>সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়্যারনেস ফাউন্ডেশন (<span lang="EN-GB"><span lang="EN-GB"><span lang="EN-GB">সিক্যাফ),</span></span></span>আইন ও শালিস কেন্দ্র (আসক), অরোধ্য ফাউন্ডেশন, আর্টিকেল নাইনটিন, ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেটিক্স অ্যান্ড ডেভলাপম্যান্ট (আই.আই.ডি), দ্যা টেক অ্যাকাডেমি, ব্র্যাক, বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরাম (বিআইজিএফ), বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, সাইবার টিনস, ডিজিটালি রাইট লিমিটেড ও হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস) <span lang="EN-GB"><span lang="EN-GB"><span lang="EN-GB"> মিলে গঠিত হয়েছে সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন অ্যান্ড চিলড্রেন (সিএসডব্লিউসি)।   </span></span></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘ভিশিং’ করেও হামলা করছে র‍্যানসমওয়্যার গ্রুপ</title>
<link>https://digibanglatech.news/154980</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154980</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_685ad30c681f1.jpg" length="55504" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 24 Jun 2025 20:32:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>হামলাকারীরা প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্ক এবং তাদের ডেটা চুরির জন্য "ইমেইল বোম্বিং" (এক ঘন্টার মধ্যে কয়েক হাজার ইমেইল পাঠানো) এবং "ভিশিং" (প্রতারনামূলক ভয়েস মেসেজ) এর ব্যবহার করছে র‌্যানসামওয়্যার হামলাকারীরা। সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সাফোস এর পর্যবেক্ষণ বলছে, মাইক্রোসফট টিমসের টেক সাপোর্ট হিসেবে ভুয়া পরিচয় দিয়ে কর্মচারীদের কম্পিউটারে রিমোট অ্যাক্সেস নেয় এবং সেখান থেকেই তারা র‍্যানসমওয়্যার ডাউনলোড করতে সক্ষম হয়।</p>
<p>সফোস এক্স-অপস এই সাইবার হামলা নিয়ে জানুয়ারি মাসে একটি প্রতিবেদন করে। তাদের অনুসন্ধানে মোট ১৫টি কোম্পানি এই হামলার স্বীকার হয়েছে। পরবর্তীতে ৫৫টিরও বেশি আরও হামলার চেষ্টা শনাক্ত হয়। এছাড়া, থ্রি এএম র‍্যানসমওয়্যার নামক একটি ভিন্ন র‍্যানসমওয়্যার গ্রুপ একই ধরনের আক্রমণ চেইন প্রয়োগ করে।<o:p></o:p></p>
<p>থ্রি এএম র‍্যানসমওয়্যারের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কৌশল হিসেবে দেখা গেছে, এটি ঝুঁকিপূর্ণ কম্পিউটারে ভার্চুয়াল মেশিন স্থাপন করে এন্ডপয়েন্ট সফটওয়্যার থেকে হিডেন বা গোপন অবস্থায় থাকে। এরপর নির্দিষ্ট কর্মচারীদের ইমেইল এড্রেস, ফোন নম্বর শনাক্ত করা এবং ভয়েস-ওভার-আইপি ফোন কলের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের হেল্প ডেস্কের নম্বর জালিয়াতি করে। ৯ দিন ধরে নজরদারির পর র‍্যানসমওয়্যার হামলা করা।<o:p></o:p></p>
<p>এ নিয়ে সফোসের প্রিন্সিপাল থ্রেট রিসার্চার, শন গ্যালাগহার বলেন, "ভিশিং এবং ইমেইল বোম্বিং- এই দুটি হামলা সমন্বয় করার মাধ্যমে র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণকারীরা আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে। থ্রি এএম র‍্যানসমওয়্যার গ্রুপ এখন রিমোট এনক্রিপশনেরও সুযোগ নিচ্ছে। তাই গতানুগতিক সিকিউরিটি সফটওয়্যার দিয়ে এদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে হচ্ছে। খুব ভালো কৌশল অনুসরণ করার কারণে ধারণা করা যায় যে এই ভিশিং/ইমেইল বোম্বিং সক্রিয় থাকবে। <o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; background: white;"><o:p> </o:p>অন্যদিকে, নিরাপদ থাকার জন্য কোম্পানিগুলোকে তাদের কর্মচারীদেরকে সচেতন করতে হবে এবং রিমোট অ্যাক্সেস সীমিত করতে হবে। যেমন, পলিসি অনুযায়ী ভার্চুয়াল মেশিন এবং নিয়ম বহির্ভূত রিমোট অ্যাক্সেস সফটওয়্যার চালানো বন্ধ করতে হবে। এছাড়া, রিমোট অ্যাক্সেসের সাথে যুক্ত আছে এমন অপ্রয়োজনীয় ইনবাউন্ড এবং আউটবাউন্ড নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিক ব্লক করতে হবে"।<span style="font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Calibri;"><o:p></o:p></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইরানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য হটলাইন চালু</title>
<link>https://digibanglatech.news/154674</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154674</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_684ef7c5091ac.jpg" length="43529" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 15 Jun 2025 21:41:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>তেহরানের বাংলাদেশ দূতাবাসে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য হটলাইন চালু করা হয়েছে। নম্বর দুটি হলো ৯৮৯৯০৮৫৭৭৩৬৮ ও +৯৮৯১২২০৬৫৭৪৫। </span></p>
<p><span> ১৫ জুন (রবিবার) তেহরান দূতাবাস এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এই নম্বরগুলো প্রকাশ করেছে।</span><span id="ezoic-pub-ad-placeholder-133" class="ezoic-adpicker-ad" data-ezoic-video-excluded="1"></span><span data-ez-ph-id="133" data-ezoic-video-excluded="1"></span></p>
<div id="google_ads_iframe_/1254144,22962784851/Content_1/0976ff322f9c05ad7752a932a9a37a5f_0__container__">
<div id="div-gpt-ad-Content_1/0976ff322f9c05ad7752a932a9a37a5f-0_charity">
<div id="contentDetails">
<p>বিজ্ঞ‌প্তিতে বলা হয়, ইরানে বসবাসরত সব বাংলাদেশি নাগরিকের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বর্তমান উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য দূতাবাস ইমার্জেন্সি হটলাইন স্থাপন করেছে। ইরানে বসবাসরত সব বাংলাদেশি নাগরিকদের নিম্নোক্ত মোবাইল ও ফোন নম্বরগুলোতে হোয়াটসঅ্যাপসহ সরাসরি যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হয়েছে।</p>
<p>এদিকে রবিববার ইসরায়েলি সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে,<span>ইসরায়েলে ইরানের হামলায় কমপক্ষে ১৩ জন নিহত এবং ৩৮০ জন আহত হয়েছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলে ২০০টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে, দেশের ২২টি স্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। </span></p>
<p><span>অপরদিকে </span>ইরানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ৮০ জনে। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। আল জাজিরা জানায়, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ইরানে দেড় শতাধিক টার্গেটে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এর মধ্যে বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্রে বোমা হামলার ঘটনাও ঘটেছে।</p>
<p>এছাড়া উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশে ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ৩০ সেনা নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে আইডিএফ (ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স)। হামলা চালানো হয়েছে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি গোপন ভূগর্ভস্থ অস্ত্রঘাঁটিতেও।</p>
<div>
<div id="div-gpt-ad-1731407059334-0" data-google-query-id="CMKhtbPu840DFQgGgwMdBkAGmQ"></div>
</div>
<p><span id="ezoic-pub-ad-placeholder-153" class="ezoic-adpicker-ad" data-ezoic-video-excluded="1"></span></p>
<div class="DContentAdd2">
<div class="row mt-3 mb-3">
<div class="col-md-12">
<div class="DetailsAdd d-flex justify-content-center">
<div class="AdvertClass DAdDesktop"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="row">
<div class="col-md-12"></div>
</div>
<br><a href="https://go.ezodn.com/ads/charity/proxy?p_id=7ff5caf6-b022-4fcf-7314-5ecbabfcacf4&amp;d_id=684768&amp;imp_id=6623734008994753&amp;c_id=1084&amp;l_id=10016&amp;url=https%3A%2F%2Fwww.amazonconservation.org%2Ftake-action%2Fdonate%2F&amp;ffid=1&amp;co=BD" rel="nofollow"></a></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ওটিপি নিয়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা আত্মসাৎ চক্রের হোতা  গ্রেফতার</title>
<link>https://digibanglatech.news/154461</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154461</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_68405e14048cd.jpg" length="76134" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 04 Jun 2025 18:54:31 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>ব্যাংকের কাস্টমার কেয়ারের লোক পরিচয় দিয়ে ফোন করে ওটিপি নিয়ে একজনের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে ৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা সরিয়ে নেয় একটি অপরাধী চক্র। এ ঘটনায় রুহুল আমিন (৪২) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সিআইডি বলছে, ফরিদপুরের চরভদ্রাসনের বাসিন্দা রুহুল আমিন একটি প্রতারক চক্র চালান। এই চক্রের সদস্যরা এভাবে প্রতারণা করে মানুষের অর্থ হাতিয়ে নেন।</p>
<p>ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর মামলার বরাত দিয়ে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) জসীম উদ্দিন খান জানান, ঢাকার একটি বেসরকারি ব্যাংকের মৌচাক শাখায় ওই ব্যবসায়ীর একটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। গত ২৪ মার্চ বিকেলে ঢাকার মগবাজার মোড়ে অবস্থানকালে অজ্ঞাতপরিচয় একজন তার মোবাইল ফোনে কল করেন। তিনি নিজেকে ব্যাংকের কাস্টমার কেয়ার কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বলেন, ব্যবসায়ীর অ্যাকাউন্টে কিছু টাকা যুক্ত হবে। এজন্য তার মোবাইল ফোন নম্বরে একটি ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড) যাবে, সেটি জানাতে হবে। </p>
<div id="19598d6f-9a4f-4ffd-aa13-6d54cb1eb547">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>সিআইডির ঢাকা মেট্রো দক্ষিণ মামলাটির তদন্ত করছে বলে বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। সিআইডির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘটনার ভুক্তভোগী একজন ব্যবসায়ী। ঢাকার একটি বেসরকারি ব্যাংকের মৌচাক শাখায় তাঁর একটি ব্যাংক হিসাব রয়েছে। গত ২৪ মার্চ বিকেলে প্রতারক চক্রের এক সদস্য তাঁর (বাদী) মোবাইলে কল দিয়ে নিজেকে ওই ব্যাংকের কাস্টমার কেয়ারের লোক পরিচয় দেন। এ সময় তার ব্যাংক হিসাবে কিছু টাকা জমা হবে জানিয়ে মোবাইল নম্বরে পাঠানো ওটিপি দিতে বলেন। ওই ব্যবসায়ী সরল বিশ্বাসে প্রতারক চক্রকে ওটিপি দিয়ে দেন। পরে ওই ব্যবসায়ীর বিভিন্ন ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে কয়েক ধাপের লেনদেনে মোট ৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div>
<div class="print-adslot adsBox n5kiG">
<div data-lang="বিজ্ঞাপন" class="dfp-ad-unit print-none ">
<div class="adunitContainer">
<div class=" adBox" id="mcanvas1x1-09602797-aa00-4089-9f22-bba1e320ed92-0-0" data-google-query-id="CLrp8KH3140DFX56nQkddkwomQ">
<div id="google_ads_iframe_85406138/mCanvas_1x1_0__container__"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="57ae3180-defe-409a-af93-e39ea4eb8e37">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনার পর ভুক্তভোগী রমনা মডেল থানায় একটি মামলা করেন। মামলার তদন্তের দায়িত্ব সিআইডিকে দেওয়া হলে সংস্থাটির ঢাকা মেট্রো দক্ষিণ তদন্ত শুরু করে। একপর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সূত্রের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত রুহুল আমিনকে (৪২) শনাক্ত করে। পরে ফরিদপুর জেলা পুলিশের সহায়তায় আজ সকাল ৯টার দিকে ফরিদপুর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযুক্ত রুহুল আমিনকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানানো হয়। পাশাপাশি প্রতারক চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তার করতে তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="print-none oHRqW"></div>
<div class="DContentAdd">
<div class="row mt-3 mb-3 MobileHide">
<div class="col-md-12">
<div class="DetailsAdd d-flex justify-content-center">
<div id="div-gpt-ad-1697888616961-0" data-google-query-id="CMOO2vSB2I0DFUm6SwUdlfMrsQ"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্যাটেলাইট ফোন ব্যবহার করতেন সুব্রত বাইন!</title>
<link>https://digibanglatech.news/154200</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154200</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_6835e2755c169.jpg" length="91017" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 27 May 2025 21:03:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সেনাবাহিনীর অভিযানে গ্রেফতার হয়েছেন ইন্টারপোলের রেড অ্যালার্ট জারি করা শীর্ষ দুই সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন ও মোল্লা মাসুদ। মঙ্গলবার (২৭ মে) কুষ্টিয়া শহরের কালিশংকরপুর এলাকার সোনার বাংলা সড়কের একটি ছাত্রাবাস থেকে অস্ত্রসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়। বিষয়টি এখন টক অব দ্য কান্ট্রিতে পরিণত হয়েছে। তবে সেই খবর ছাপিয়ে আরো একটি বিষয় এবার সামনে এলো। </p>
<p>যখন মঙ্গলবার <span>সেনানিবাসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আইএসপিআর পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সামি-উদ-দৌলা চৌধুরী জানালেন, </span>আজ ভোর ৫টা থেকে শুরু হওয়া কুষ্টিয়া ও হাতিরঝিলে পরিচালিত সাঁড়াশি অভিযানে ৪৬ স্বতন্ত্র ইনফেন্ট্রি ব্রিগেডের একটি ইউনিট গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সফলভাবে দুই জন শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং তাদের দুই জন সহযোগীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন— দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন ওরফে ফতেহ আলী, আবু রাসেল মাসুদ ওরফে মোল্লা মাসুদ এবং দুইজন শ্যুটার আরাফাত ও শরীফ। এসময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ৫টি বিদেশি পিস্তল, ১০টি ম্যাগাজিন, ৫৩ রাউন্ড গুলি এবং ১ টি স্যাটেলাইট ফোন।</p>
<p>অর্থাৎ শীর্ষ সন্ত্রাসীরা এখন স্যাটেলাইট ফোন ব্যবহার করেন! এরই মধ্যে <span>গত ২০ মে</span> স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবাদাতা স্টারলিংক বাংলাদেশে বাণিজ্যিক সেবা চালু করেছে। <span>এনজিএসও গাইডলাইন অনুযায়ী, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ইন্টারনেট সেবা পরিচালনার জন্য লাইসেন্সধারীর অবশ্যই ন্যূনতম একটি গেটওয়ে থাকার বাধ্যবাধকতা থাকলেও এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে স্টারলিংকের কোনো গেটওয়ে নেই। এমনকি কোনো গ্রাউন্ড স্টেশনও স্থাপন করা হয়নি। সেনা-পুলিশ সবাই মিলে যখন আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখতে ঘর্মাক্ত তখন এমনভাবে ব্যবসায় পরিচালনার সুযোগ নিয়ে এরই মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে নিরাপত্তা বিশ্লষকদের কণ্ঠে। বিষয়টি আমলে নিয়েই হয়তো নিরাপত্তার স্বার্থে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের আওতাধীন ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারও (এনটিএমসি) শুধু বাংলাদেশে স্থাপিত গেটওয়ের মাধ্যমে স্টারলিংকের ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে বলেছিল। বিটিআরসিকে দেওয়া এক চিঠিতে এনটিএমসি জানায়, স্টারলিংকের সেবা চালুর ক্ষেত্রে গ্রাহকরা যাতে শুধু বাংলাদেশে স্থাপিত গেটওয়ের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা পায়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। </span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x_6835e273e2934.jpg" alt=""></p>
<p><span>তবে আশার কথা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে স্যাটেলাইট ফোন ব্যবহার করেও সেনা জালে ধরা পরেছেন তালিকাভুক্ত ২৩ জন শীর্ষ সন্ত্রাসী দলের অন্যতম নেতা এবং আলোচিত সেভেন স্টার চক্রের মূল পরিকল্পনাকারী সুব্রত বাইন ও মোল্লা মাসুদ। এই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয়ে ও সহায়তা দিয়েছে সেনা সদরের সামরিক অপারেশন পরিদফতর, ৫৫ পদাতিক ডিভিশন, ১৪ স্বতন্ত্র ইঞ্জিনিয়ার বিগ্রেড, ৭১ মেকানাইজ বিগ্রেড ও এনএসআই।</span></p>
<p><span>এমন আরো সফলতা পেতে সংবাদ সম্মেলনে </span>আইএসপিআর পরিচালক বলেন, আজ আমি আপনাদের মাধ্যমে দেশের জনগণকে জানাতে চাই— যেকোনো ধরনের সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড কিংবা সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত তথ্য অনুগ্রহ করে নিকটস্থ সেনাক্যাম্প অথবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করুন। আমরা আবারও দৃঢ়ভাবে জানাতে চাই—সেনাবাহিনী প্রধানের সুস্পষ্ট নির্দেশনার আলোকে, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুত ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় জনগণের পাশে আছে এবং থাকবে।</p>
<p></p>
<p><span></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ছবিতে ম্যালওয়্যার ছড়াচ্ছে ‘স্টেগানোগ্রাফি’; করণীয় কি?</title>
<link>https://digibanglatech.news/154167</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154167</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_6835542321bec.jpg" length="53141" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 27 May 2025 09:40:37 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>‘<span>এত দিন অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন কল, ভুয়া লিংকের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার মতো ঘটনা ঘটলেও এবার ছবির মাধ্যমে ফোনে ম্যালওয়্যার প্রবেশ করিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করছে একদল হ্যাকার। আর এটি করছে </span>স্টেগানোগ্রাফি’ নামের এক প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এই প্রযুক্তিতে ছবির ভেতর ম্যালওয়্যার যুক্ত করে পাঠাচ্ছে হ্যাকাররা।</p>
<p>নতুন এই ম্যালওয়্যার শনাক্ত করা সাধারণ অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারের পক্ষে সম্ভব নয় উল্লেখ করে কমিউনিকেশন ডিভাইস ব্যবহারের সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। </p>
<p>সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, স্টেগানোগ্রাফিভিত্তিক ম্যালওয়্যার হামলা থেকে নিরাপদে থাকার জন্য হোয়াটসঅ্যাপের সেটিংস থেকে মিডিয়া অটো ডাউনলোড অপশন বন্ধ রাখতে হবে। পাশাপাশি অপরিচিত ব্যক্তিদের পাঠানো ছবি ডাউনলোড না করার পাশাপাশি ওটিপি, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নম্বর ও পাসওয়ার্ড তথ্য হোয়াটসঅ্যাপে আদান-প্রদান না করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।</p>
<p>স্টেগানোগ্রাফি হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ছবির দৃশ্যমান পরিবর্তন ছাড়াই গোপনে কোড যুক্ত করা সম্ভব। সাধারণত জেপিইজি, পিএনজি, এমপিথ্রি বা এমপিফোর ফরম্যাটের ফাইলগুলোতে এ ধরনের কোড বসানো হয়। ফলে ব্যবহারকারীরা হ্যাকারদের পাঠানো ছবিগুলোকে সাধারণ ছবি মনে করে সহজেই ডাউনলোড করেন। ছবিগুলো ডাউনলোড করলেই ব্যবহারকারীদের অজান্তে ফোনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যালওয়্যার প্রবেশ করে। ম্যালওয়্যারটি গোপনে পাসওয়ার্ড, ওটিপি ও অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করে নিয়মিত হ্যাকারদের কাছে পাঠাতে থাকে, যা কাজে লাগিয়ে ব্যবহারকারীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ চুরি করে হ্যাকাররা।</p>
<p>অ্যান্টিভাইরাস এই চুরি ঠেকাতে না পারার বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার মূলত পরিচিত ভাইরাস বা আচরণগত অস্বাভাবিকতা খুঁজে বের করে। কিন্তু ছবি বা ভিডিওর ভেতরে থাকা ক্ষতিকর কোড ধরা পড়ে না। এ জন্য দরকার উন্নত ফরেনসিক বিশ্লেষণ ও আচরণ পর্যবেক্ষণ প্রযুক্তি।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নতুন কৌশলে সাইবার হামলাকারীরা</title>
<link>https://digibanglatech.news/153910</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153910</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_682adbdc09873.jpg" length="45361" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 19 May 2025 13:01:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">সম্প্রতি উত্তর কোরিয়ায় ভুয়া আইটি কর্মীদের চালানো সাইবার হামলা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেছে সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সফোস। এই সাইবার হামলাকারীদের "নিকেল ট্যাপেস্ট্রি" নামক অপারেশন সম্পর্কে অনুসন্ধান চালায় সফোস কাউন্টার থ্রেট ইউনিট (সিটিইউ)। এতে উঠে আসে এই সাইবার থ্রেটের ধরন এবং এর কৌশলের পরিবর্তন।চলতি বছরে<w:sdt sdttag="goog_rdk_3" id="1286853834"></w:sdt> ‘নিকেল ট্যাপেস্ট্রি’ অপারেশনে কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করেছে সাইবার নিরাপত্তাদাতা প্রতিষ্ঠানটি। </p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">সাইবার আক্রমণের লক্ষ্যমাত্রা বৃদ্ধি নিয়ে তাদের পর্যবেক্ষণ বলছে, <w:sdt sdttag="goog_rdk_8" id="-1480225495"></w:sdt><o:p></o:p><o:p> সাইবার দুর্বৃত্তরা সময়ে সময়ে হামলার </o:p>কৌশলে পরিবর্তন করছে।  তার সাম্প্রতিক সময়ে এমন কিছু কৌশল অবলম্বন করছে যেন তাদের শনাক্ত না করা যায়। সিভি বা প্রোফাইলের জন্য এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট, অত্যাধুনিক রিমোট অ্যাক্সেস টুলস এবং নিরাপত্তা এড়ানোর কৌশলের মতো আরও নানান উন্নত পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করছে সাইবার আক্রমণকারীরা। এছাড়া, নারীদের পরিচয় বেশে প্রতারণা করার ঘটনাও বাড়ছে।</p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">সাফোস জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ার এই সাইবার থ্রেট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হলেও বর্তমানে ইউরোপ ও জাপানের প্রতিষ্ঠানগুলো এর লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠেছে। এই দেশগুলোতে বিভিন্ন জাতীয় পরিচয় দিয়ে ভুয়া আবেদনকারীরা সাইবার নিরাপত্তা খাতসহ আরও নানা ক্ষেত্রে চাকরি পাওয়ার চেষ্টা করছে।<w:sdt sdttag="goog_rdk_6" id="-2040960323"></w:sdt><o:p></o:p></p>
<p><o:p> এছাড়াও</o:p> সাইবার হামলায় ‘<o:p></o:p>ডুয়াল থ্রেট’ সানাক্ত করে প্রতিয়মান হয়েছে, প্রতিনিয়িত ডিভাইস থেকে ক্রমশ তথ্য চুরির হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এই চুরি করা তথ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্ল্যাকমেইলের স্বীকার করা হচ্ছে। এভাবে একইসাথে দুই ধরনের সাইবার থ্রেটের ঝুঁকি বাড়ছে। </p>
<p>সাইবার দুনিয়ায় যেহেতু সব দেশই সমান্তরাল, সেই অর্থে এই ঝুঁকি বিষয়ে সচেতন থকাতে পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশের সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন (সিক্যাফ)। সংগঠনটির ডিজিটাল ফুটপ্রিন্টের অধীনে থাকা প্রত্যেককে সাইবার লিটারেসি, এটিকেট ও হাইজিনের বিষয়ে সচেতন করছে। </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আ. লীগ–অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বন্ধে বিটিআরসিকে চিঠি</title>
<link>https://digibanglatech.news/153733</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153733</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_6824493ff3ce4.jpg" length="90911" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 14 May 2025 09:41:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো বন্ধে পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে সরকার। এগুলোর ওয়েবসাইট, ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক, টেলিগ্রাম, এক্সের (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট ‘ব্লক’ করতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) চিঠি দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি থেকে বিটিআরসিকে এ-সংক্রান্ত চিঠি দেয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি-বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। </p>
<p>সূত্রমতে বুধবার <span>জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি ও বিটিআরসি থেকে আওয়ামী লীগ, তার অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোতে থাকা অ্যাকাউন্টের লিংক ‘ব্লক’ করার জন্য সরকারের সিদ্ধান্ত ও আইনের বিষয় উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মগুলোকে চিঠি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে।</span></p>
<p><span>এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি-বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব ডিজিবাংলা’র সঙ্গে আলাপকালে বলেছেন, </span>সরকার শুধু ওয়েবসাইট ব্লক করতে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট সরানো, পেজ বা অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, তথ্য চেয়ে বিভিন্ন দেশের সরকারগুলো ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা ও আরেক টেক জায়ান্ট গুগলের কাছে নিয়মিত অনুরোধ করে থাকে। এসব প্ল্যাটফর্ম বলে থাকে, তারা নিজস্ব নির্দেশিকা ও নীতি লঙ্ঘন করে কি না, তা পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। তবে বাংলাদেশে যেহেতু তাদের কোনো অফিস নেই। তাই তাদেরকে আমরা আমাদের আইনের বিষয়টি প্রতিপালনে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণে সর্বাত্মক চেষ্টা করবো। </p>
<p>মেটার স্বচ্ছতা প্রতিবেদনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্ল্যাটফর্মটি ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিটিআরসির অনুরোধে বাংলাদেশে ২ হাজার ৯৪০টি আইটেমে প্রবেশাধিকার সীমিত করেছে।<br>অন্যদিকে গুগলের স্বচ্ছতা প্রতিবেদনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে কনটেন্ট সরানোর জন্য ৪৯০টি অনুরোধ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫ হাজার ৮২৭টি আইটেম ছিল। সবচেয়ে বেশি ৩৩৭টি অনুরোধ ছিল প্রথম ৬ মাসে। প্রথম ৬ মাসে গুগল ৬৮ দশমিক ২ শতাংশ ক্ষেত্রে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। পরের ৬ মাসে ৪৫ দশমিক ৮ শতাংশ ক্ষেত্রে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডাটাবেজ বিশ্লেষণ করে ছিনতাই চক্র শনাক্ত করা হচ্ছে</title>
<link>https://digibanglatech.news/153633</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153633</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_682080bb4965c.jpg" length="55769" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 11 May 2025 15:09:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রাজধানীতে ক্রমবর্ধমান ছিনতাই রোধে ডাটাবেজ বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন অপরাধীচক্রের নামধাম শনাক্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম। একই সঙ্গে শনাক্তকৃত চক্রগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।</p>
<p>রবিবার (১১ মে) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের এই কর্মকর্তা।</p>
<p>মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম বলেন, ক্রিমিনাল ডাটাবেজ পর্যালোচনার মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন ছিনতাইকারী চক্র শনাক্ত করেছি। চক্রগুলোকে ধরতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছে ডিবি ও থানা পুলিশ।</p>
<p>গত তিন মাসে ছিনতাইবিরোধী অভিযানে উল্লেখযোগ্য সফলতার কথাও তুলে ধরে অক্টোবর মাসে ৯৮ জন, নভেম্বর মাসে ১৪৮ জন এবং ডিসেম্বর মাসে ৫৬৪ জন ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জানুয়ারি মাসের প্রথম এগারো দিনে আরো ৩৭৪ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানান তিনি।</p>
<p>ডিবি জানায়, সম্প্রতি রাজধানী ও আশপাশের জেলায় ডাকাতির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ডাকাত দলের সাত সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক থানায় মামলা রয়েছে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, এচলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডিবি ডাকাত চক্রের মোট ৮৭  জনকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এতে ঢাকা মহানগর ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় ডাকাতি বহুলাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে।  ধরনের কার্যক্রম করতে গিয়ে সারা বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি বিশেষ ধরনের ডাকাত চক্রের সন্ধান পায় ডিবি। যাদের মূল লক্ষ্য স্বর্ণের দোকান ডাকাতি করা। এক্ষেত্রে ডাকাতি কার্যক্রম সংঘটনের আগে তারা রেকি করে এবং ডাকাতি কাজে অস্ত্র গোলাবারুদ ব্যবহার করে বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে উঠে আসে। ফলে সমগ্র বাংলাদেশের এ ধরনের আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্যদের গতিবিধির ওপর ডিবির গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিতর্কিত সাইবার নিরাপত্তা আইনের ৯টি ধারা বাতিল</title>
<link>https://digibanglatech.news/153475</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153475</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_681a4118252ff.jpg" length="115139" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 06 May 2025 17:37:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সাইবার সিকিউরিটি আইনের বিতর্কিত ৯টি ধারা বাতিল করে সাইবার সুরক্ষা আইন এক সপ্তাহের মধ্যে কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল। মঙ্গলবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং যুব ও ক্রীড়া ও স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>এর আগে  উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে <span>উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া উপস্থাপন করা হয়। কিছু সংশোধন শেষে এই সপ্তাহে গেজেট আকারে প্রকাশ হতে পারে বলেও জানান তিনি।</span></p>
<p class="alignfull">আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন করে নতুন অধ্যাদেশে প্রথমবারের মতো ইন্টারনেটকে মৌলিক অধিকার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এই অধ্যাদেশে অনলাইন জুয়াকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো সাইবার স্পেসে নারী ও শিশু নির্যাতন এবং যৌন হয়রানিকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত অধ্যাদেশে আগের আইনের ৯টি ধারা বাতিল করা হয়েছে। এই ৯টি ধারা ছিল কুখ্যাত ধারা, এসব ধারাতেই ৯৫ শতাংশ মামলা হয়েছিল। মামলাগুলোও এখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।  </p>
<p>উপদেষ্টা বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমেই বলেছিলাম সিকিউরিটি অ্যাক্ট বাদ হয়ে যাবে এবং যুগোপযোগী আইন করা হবে। আমাদের তথ্যপ্রযুক্তি সংক্রান্ত যে স্পেশাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ফায়েজসহ অনেককে কাজ করতে হয়েছে। ড্রাফট করেছি, আমরা সবাই মিলে অনেক পরামর্শ নিয়েছি। ২৫ বার ড্রাফট পরিবর্তন করেছি। সবচেয়ে বড় সমালোচক যারা তাদের সঙ্গে তিন ঘণ্টা একসঙ্গে বসে আমরা এটা ফাইনাল করেছি।</p>
<p>তিনি বলেন, আজকে এটা উপদেষ্টা পরিষদের মিটিংয়ে উত্থাপনের পর একটা সাজেশন আসছে। সেটা যুক্ত করা হবে। এই সপ্তাহের মধ্যেই প্রয়োগযোগ্য আইনে পরিণত হবে।</p>
<p>আসিফ নজরুল বলেন, এই আইনে প্রথমবারের মতো ইন্টারনেটকে নাগরিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। দেশে প্রথমবারের মতো অনলাইন জুয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো সাইবার স্পেসে নারী ও শিশু যৌন হয়রানিকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। আগের যে আইনটা ছিল ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট, সেখানকার ৯টি ধারা বাতিল করা হয়েছে। এই ৯টি ধারাই ছিল কুখ্যাত ধারা। এই ধারায় ৯৫ শতাংশ মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এই মামলা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এখন বাতিল হয়ে যাবে। এছাড়া কিছু কিছু আর্টিকেলের পরিবর্তন করা হয়েছে।</p>
<p>মত প্রকাশের অপরাধ সংক্রান্ত বিষয়ে আইন উপদেষ্টা বলেন, স্পিচ অফেন্স বা কথা বলা, মতামত প্রকাশ করে যে অপরাধ তার মধ্যে মাত্র দুটি অপরাধ এই আইনে রাখা হয়েছে। একটি হচ্ছে নারী ও শিশু যৌন নির্যাতনমূলক কনটেন্ট প্রকাশ এবং হুমকি দেওয়া। আরেকটি হচ্ছে ধর্মীয় ঘৃণা ছড়ানো।</p>
<p>তিনি বলেন, ধর্মীয় ঘৃণা ছড়ানোর মধ্য দিয়ে সহিংসতাকে উস্কে দেওয়া হয়। ধর্মীয় ঘৃণাকে অত্যন্ত কঠোরভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, যাতে করে ভুল বোঝাবুঝি না হয় বা কেউ কাউকে হয়রানি করতে না পারে। ধর্মীয় উস্কানিমূলক বক্তব্য বা যেকোনো কনটেন্ট যা ধর্মীয় সহিংসতাকে উস্কে দিতে পারে সেটাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে সংযুক্ত করা হয়েছে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহারের মাধ্যমে যদি কোনো সাইবার অপরাধ করা হয় সেটাকে শাস্তিযোগ্য করা হয়েছে, যা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে প্রথম। স্পিচ অফেন্স বা কথা বলা, মতামত প্রকাশ করে যে অপরাধ এবং নারী ও শিশু যৌন নির্যাতনমূলক কনটেন্ট প্রকাশ ও হুমকি দেওয়া এবং ধর্মীয় ঘৃণা ছড়ানোর মতো ঘটনায় কারো বিরুদ্ধে কোনো মামলা হলে সেটা আদালতে যাবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালত যদি দেখেন এই মামলার কোনো সারবত্তা নেই, তাহলে মামলার বিচারক প্রি-ট্রায়াল স্টেজেই সেটা বাতিল করে দিতে পারবেন। অর্থাৎ চার্জশিটের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। অর্থাৎ ভুয়া মামলা হলে বিচারক সাথে সাথে সেটা বাতিল করে দিতে পারবেন। এছাড়া এ সংক্রান্ত অপরাধগুলোকে আমরা আমলযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করেছি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আপসযোগ্য রেখেছি।</p>
<p>এ আইনে যেসব বিধান বিলুপ্ত করা হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে— মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, যা আগের আইনে ছিল। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কিত বিদ্বেষ বা বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচার-প্রচারণা বন্ধ সংক্রান্ত যে বিধান সেটা বিলুপ্ত করা হয়েছে। কারণ এই বিধানে প্রচুর হয়রানিমূলক মামলা হতো। মানহানিকর তথ্য প্রকাশ বা প্রচারের জন্য যে বিধান ছিল সেটার জন্য বিশেষ করে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে প্রচুর মামলা হতো। এই ধারা সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা হয়েছে। ল অ্যান্ড অর্ডার সিচুয়েশন বা আইনশৃঙ্খলা অবনতি ঘটতে পারে এ ধরনের কোনো কনটেন্ট বা কথাবার্তা প্রচারের ধারায় প্রচুর মামলা হতো। এ ধারাটিও সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করা হয়েছে। আক্রমণাত্মক, মিথ্যা, ভীতি প্রদর্শনমূলক তথ্য-উপাত্ত প্রকাশের ধারাটিও বাতিল করা হয়েছে।</p>
<p>আসিফ নজরুল বলেন, যে ৯টি ধারা আমরা সম্পূর্ণভাবে বাতিল করেছি, এসব ধারায় ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ৯৫ শতাংশ মামলা দায়ের করা হতো। মামলাগুলো এখন থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। এই আইন যেদিন গেজেটে নথিভুক্ত হবে, তার আগের দিন পর্যন্ত বাতিল হওয়া ওই ৯টি ধারায় যতগুলো মামলা হবে তার সব স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। এছাড়া ইতোপূর্বে বিভিন্ন ধারায় যেসব মামলা হয়েছে, সেসব মামলাও বাতিল হয়ে যাবে। যেমন- সাইবার সন্ত্রাসী কার্যক্রম সংগঠন অপরাধ ও দণ্ড, পরিচয় প্রতারণা ও ছদ্মবেশ ধারণের দণ্ড। এই ধারাগুলোও নতুন আইনে আছে। তবে এমনভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, যাতে করে আগের আইনে দায়ের করা মামলাগুলো টিকবে না।</p>
<p>তিনি বলেন, নতুন আইনে আমরা জামিনযোগ্য ধারা করেছি। যেমন- সাইবার স্পেসে জালিয়াতির অপরাধ, ধর্মীয় ও জাতিগত সহিংসতা, ঘৃণা ও বিদ্বেষমূলক তথ্য প্রকাশ, যৌন হয়রানি, ব্ল্যাকমেইলিংসহ স্পিচ অফেন্স বা মতামত সংক্রান্ত যে অপরাধ হতো তা জামিনযোগ্য করা হয়েছে। আরেকটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে সাইবার সিকিউরিটি কাউন্সিল, তারা কনটেন্ট অপসারণ করবে যা আক্রমণাত্মক বা অপরাধমূলক। এজন্য যে অথরিটি সেট করা হয়েছে সেখানে সিভিল সোসাইটির সদস্য থাকবেন। এই বিধান সংযোজন করা হয়েছে। এই অথরিটি কোনো ধরনের কনটেন্ট অপসারণ করার পরে, যেমন ধরেন কোনো মানবাধিকার সংগঠনের কনটেন্ট অপসারণ করা হলো, তখন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতের অনুমতি নিতে হবে। আদালত যদি তখন বলে এ ধরনের কনটেন্ট অপসারণ করা যাবে না, তখন ওই কনটেন্ট পুনরায় প্রকাশ করতে হবে। তবে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আদালত যদি বলে অপসারণ করা ঠিক আছে, তাহলে সেটা অপসারিত অবস্থায় থাকবে। অর্থাৎ নতুন আইনে আমরা অনেকগুলো রক্ষাকবচ সেট করেছি।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, যেই কনটেন্টটা অপসারিত করা হবে তা জনগণকে জানাতে হবে। জনগণ সেন্সিটাইজড থাকবে আসলে সরকার উদ্দেশ্যমূলকভাবে কোনো কনটেন্ট অপসারণ করছে নাকি সত্যি সত্যি আইনগতভাবে অপসারণ করছে তা জানতে পারবে।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মোবাইল ব্যালান্সে সাইবার সুরক্ষা</title>
<link>https://digibanglatech.news/153240</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153240</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_6810ca5b977ee.jpg" length="131286" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 29 Apr 2025 17:46:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span lang="BN">মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়েটার অধীন রবি ও এয়ারটেল সিম ব্যবহারকারীদের সাইবার সুরক্ষা দিতে মঙ্গলবার চালু হলো ক্যাসপারস্কি প্রিমিয়াম। পুঁজিবাজারে তালিকভূক্ত রবি আজিয়াটা, ক্যাসপারস্কি ও আইসিটি ডিস্ট্রিবিউশনের যৌথ অংশীদারিত্বে মোবাইল ব্যালান্স দিয়েই এই প্রিমিয়ার দিতে পারবেন রবি’র গ্রাহকেরা। </span></p>
<p><span lang="BN">রাজধানীর রেনেসেন্স ঢাকা গুলশান হোটেলের বলরুমে </span><span lang="BN">নতুন সেবাটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রবি’র চিফ কমার্শিয়াল অফিসার শিহাব আহমেদ, ক্যাসপারস্কি’র এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের হেড অব কনজিউমার চুন হং চী এবং আইসিটি ডিস্ট্রিবিউশনের গ্রুপ সিইও ও চেয়ারম্যান আলি ওবায়েদ এসময় উপস্থিত ছিলেন। </span></p>
<p><span lang="BN">অনুষ্ঠানে জানানো হয়,</span> <span lang="BN">বাংলাদেশের ডিজিটাল ব্যবস্থার দ্রুত সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে ম্যালওয়্যার</span>, <span lang="BN">ফিশিং</span>, <span lang="BN">র‍্যানসমওয়্যারসহ নানা ধরনের সাইবার হুমকি বাড়ছে। এ প্রেক্ষাপটে নিরাপদ অনলাইন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে এই ধরনের সুরক্ষামূলক উদ্যোগ সময়োপযোগী ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</span></p>
<p><span lang="BN">উদ্বোধনীতে রবি’র চিফ কমার্শিয়াল অফিসার শিহাব আহমেদ </span>বলেন, "<span lang="BN">এটি শুধুমাত্র একটি পণ্যের উদ্বোধন নয় — এটি আমাদের ব্যবহারকারীদের নিরাপদভাবে ডিজিটাল বিশ্ব আবিষ্কারে সহায়তা করার একটি পদক্ষেপ। রবি সবসময় নিরাপদ ও স্মার্ট কানেক্টিভিটির অগ্রদূত হিসেবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">চুন হং চী বলেন,</span>"<span lang="BN">আমাদের এই যুগলবন্দি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা যেখানেই থাকুন না কেন</span>, <span lang="BN">তাদের সুরক্ষিত রাখার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। বাংলাদেশের দ্রুত বিকাশমান ডিজিটাল পরিবেশের জন্য শক্তিশালী সুরক্ষা অপরিহার্য এবং ক্যাসপারস্কি</span>, <span lang="BN">রবি ও আইসিটি ডিস্ট্রিবিউশনের সহায়তায় তা নিশ্চিত করতে আমরা গর্বিত।"</span><o:p></o:p></p>
<p><o:p> এছাড়াও </o:p><span lang="BN">আলি ওবায়েদ </span>বলেন, "<span lang="BN">ক্যাসপারস্কির মতো একটি বৈশ্বিক সাইবার সিকিউরিটি ব্র্যান্ডকে স্থানীয়ভাবে রূপান্তর করা এবং রবি ও এয়ারটেল নেটওয়ার্কে এর নির্বিঘ্ন বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। এই যুগলবন্দি দক্ষিণ এশিয়ার মোবাইল সিকিউরিটির জন্য একটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে।"</span><o:p></o:p></p>
<p><o:p> </o:p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইন উপদেষ্টার বাসভবনে রহস্যজনক ড্রোন, তদন্তে গোয়েন্দারা</title>
<link>https://digibanglatech.news/153158</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153158</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_680e03bb1487f.jpg" length="75226" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 27 Apr 2025 10:13:58 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুলের সরকারি বাসভবনে একটি ‘ড্রোন’ পাওয়া গেছে। বিষয়টি সন্দেহজনক হওয়ায় উদ্ধার হওয়া ড্রোনটি ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। শনিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।</p>
<p>ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সিটিটিসির সিটি-সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের ডিজিটাল ফরেনসিক টিম ড্রোনটি উদ্ধার করে তা পরীক্ষার জন্য ফরেনসিক ল্যাবে পাঠিয়েছে।</p>
<p>রবিবার বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে ডিএমপি। এদিকে এ ঘটনায় আইন উপদেষ্টার বাসার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।</p>
<p>ডিএমপি কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী ড্রোন উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, এটি (ড্রোন) এখন যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।</p>
<p>জানাগেছে, শনিবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে আইন উপদেষ্টার সরকারি বাসভবনের মূল ভবনে ঘাসের ওপর একটি ড্রোন পড়ে থাকতে পাওয়া যায়। সেখানে কর্মরত মালি সালমা হক বাগান ঝাড়ু দেওয়ার সময় ড্রোনটি দেখতে পান বলে জানা গেছে। পরে সেটি উপদেষ্টার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেনের কাছে বুঝিয়ে দিলে তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে খবর দেন।</p>
<p>পরে সেটি উপদেষ্টার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেনের কাছে বুঝিয়ে দিলে তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে খবর দেন। এদিন সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে ডিজিটাল ফরেনসিক টিম, সিটি-সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন, সিটিটিসি ডিএমপির একটি টিম পৌঁছে ড্রোনটি উদ্ধার করে। </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিনা অনুমতিতে এনআইডি সার্ভারে তথ্য খুঁজলে ব্যবস্থা</title>
<link>https://digibanglatech.news/152808</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152808</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202502/image_870x580_67aae87fe03d3.jpg" length="230008" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 17 Apr 2025 00:57:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের প্রায় ১২ কোটি ৩৭ লাখ ৩২ হাজার ভোটারের তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সার্ভারে। তবে বিনা অনুমতিতে এই সার্ভারে প্রবেশ করে যদি কেউ তথ্য অনুসন্ধান করে তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)  এ নিয়ে <span>বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সচিবালয় ও মাঠপর্যায়ের সব কর্মচারী-কর্মকর্তাদের কড়া বার্তা দিয়ে চিঠি দিয়েছেন  ইসির সিস্টেম এনালিস্ট প্রকৌশলী মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম। </span></p>
<p><span>তার পাঠানো </span>নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কিছু সিএমএস (কার্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম) ব্যবহারকারী তাদের নির্ধারিত অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে নাগরিকদের তথ্য খুঁজে তা ব্যক্তিগত স্বার্থে অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করছেন। এটি সম্পূর্ণ বেআইনি।  সিএমএস থেকে করা প্রতিটি অনুসন্ধানের তথ্য—যেমন কে, কখন, কোন অ্যাকাউন্ট থেকে তথ্য খুঁজেছে—তা সার্ভারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংরক্ষিত থাকে। ফলে অননুমোদিত বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অনুসন্ধান শনাক্ত করা সম্ভব। এমন কর্মকাণ্ড প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পিছপা হবে না কমিশন।</p>
<div class="post-125578 post type-post status-publish format-standard has-post-thumbnail hentry category-scroll category-1">
<div class="entry-content">
<p>এ কারণে নির্বাচন কমিশন সকল সিএমএস অ্যাকাউন্ট হোল্ডারকে নির্দেশনাগুলো কঠোরভাবে অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছে।</p>
<p>বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের আবেদন নিষ্পত্তির প্রক্রিয়ায় এই তথ্য ব্যবহার করা হলেও, তা যেন একমাত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত ও অনুমোদিত কর্মকর্তা-কর্মচারীর মাধ্যমেই হয়, সেটি নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছে ইসি।</p>
<p>এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে <span>নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছিলেন, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)  সেবা গ্রহণকারী পাঁচটি প্রতিষ্ঠান তৃতীয় পক্ষের কাছে তথ্য ফাঁস করেছে। প্রথমিক তদন্তে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ইউসিবি ব্যাংকের উপায়, চট্টগ্রাম পোর্ট অথরিটি, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের আইবাস এর বিরুদ্ধে তথ্য ফাঁসের প্রমাণ পেয়েছিলো অনুসন্ধান টিম। এরপরই জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সার্ভারের তথ্য ফাঁস ঠেকাতে যাচাই সেবা গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে ‘আকস্মিক অভিযান’ পরিচালানার কথা জানিয়েছিলেন  জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এএসএম হুমায়ুন কবীর। </span></p>
<p><span>প্রসঙ্গত, ১৮২টি প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে এনআইডি'র তথ্য যাচাই করে। তবে চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান থেকে আবার অন্য প্রতিষ্ঠানে সেবা নিচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কোন প্রতিষ্ঠানের কতটুকু তথ্য প্রয়োজন, যতোটুকু নিচ্ছে বা বেশি নিচ্ছে কিনা তা পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট বিভাগ। এরপর এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশন।</span></p>
<p><span></span></p>
</div>
</div>
<nav class="navigation post-navigation" aria-label="Posts"></nav>
<p><span> </span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অপপ্রচার রোধে সাইবার ওয়ার্ল্ডেও চলছে নজরদারি</title>
<link>https://digibanglatech.news/152651</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152651</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67fb57547c8a5.jpg" length="109521" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 13 Apr 2025 12:14:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull">পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে কেউ যেন অপপ্রচার চালাতে না পারে সেজন্য সাইবার ওয়ার্ল্ডেও মনিটর করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক একেএম শহিদুর রহমান। রবিবার (১৩ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি তিনি এ কথা বলেন।</p>
<p class="alignfull">একেএম শহিদুর রহমান বলেন, নববর্ষ আমাদের জাতীয় জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান। প্রতি বছরের মতো এবারও আমরা এই অনুষ্ঠানটি উৎসাহ- উদ্দীপনা নিয়ে আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপন করব। এ জন্য র‌্যাব ঢাকাসহ সারাদেশে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আমাদের মোটরসাইকেল পেট্রোল, গাড়ি পেট্রোল, চেকপোস্ট, অবজারভেশন টাওয়ার ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত আছে। সারাদেশে র‌্যাবের ২২৪টি পিকআপ টহল ও ১২২টি মোটরসাইকেল টহল চলবে। এ ছাড়া, সাদা পোশাকে ৪১৩ জনসহ সর্বমোট দুই হাজার ৪৪৯ জন র‌্যাব সদস্য মোতায়েন থাকবে।</p>
<p class="alignfull">তিনি বলেন, আমরা অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সমন্বয় রেখে এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী ও জনপ্রতিনিধিসহ আপামর জনগণের সঙ্গে সমন্বয় করে এই অনুষ্ঠানে যাতে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে করা যায়, তার সব রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।</p>
<p class="alignfull">র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, ঢাকা শহরে এই অনুষ্ঠান আজকে থেকেই শুরু হতে যাচ্ছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আজ একটি ব্যান্ড শো আছে। আগামীকাল সকাল থেকেই ঢাকা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে অনুষ্ঠান হবে। মূল অনুষ্ঠান হবে রমনা বটমূলে। এরপরে শোভাযাত্রা আছে। চারুকলা আনন্দ শোভাযাত্রা করবে। রবীন্দ্র সরোবরেও দিনব্যাপী অনুষ্ঠান আছে। মানিক অ্যাভিনিউতে বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন অনুষ্ঠান আছে। এ ছাড়া ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় এই অনুষ্ঠানটি উদযাপিত হয়।</p>
<article class="jw_detail_content_holder content mb16">
<div itemprop="articleBody" class="viewport jw_article_body">
<p class="alignfull">নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়ে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের এক মাসের মাথায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তখনও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল, এমনকি পূজা হবে কি না, এ নিয়েও সংশয় ছিল। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে তাদেরকে আশ্বস্ত করি। তারই পরিপ্রেক্ষিতে এ বছর খুব সুন্দরভাবে এই পূজা উৎসবটি সম্পন্ন হয়েছে।</p>
<p class="alignfull">তিনি বলেন, এরপর যতগুলো অনুষ্ঠান হয়েছে, যেমন: বিজয় দিবস, বড়দিন, ইংরেজি নববর্ষ, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, স্বাধীনতা দিবস, রমজান এবং সর্বশেষ ঈদ, প্রত্যেকটি অনুষ্ঠানে নিরাপত্তার বিষয় এসেছে। আমরা আশ্বস্ত করেছিলাম, আমরা ইনশাআল্লাহ নিরাপত্তা দিতে সক্ষম হব এবং আমরা সেইভাবেই প্রত্যেকটি অনুষ্ঠান যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছি। পূর্ববর্তী যেকোনো বছরের তুলনায় এবার সব অনুষ্ঠান নিরাপত্তার দিক দিয়ে, আনন্দ-উৎসবের দিক দিয়ে সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে। একই ধারাবাহিকতায় আমরা নববর্ষের অনুষ্ঠানেও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে পারবো বলে আশাবাদী।</p>
<p class="alignfull">ভেন্যুর নিরাপত্তা বিষয়ে তিনি বলেন, রাস্তায় আমাদের মোটরসাইকেল টহল, গাড়ির টহল থাকবে। ভেন্যুটি আমরা সুইপিং করব, অলরেডি সুইপিং শুরু হয়েছে। একবার করেছি এবং চূড়ান্তভাবে অনুষ্ঠান শুরুর আগে আগে চূড়ান্তভাবে করা হবে। আমাদের ডগ স্কোয়াড, বোম্ব ডিস্পোজাল টিম আছে- সব ধরনের প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি। নিরাপত্তাজনিত কোনো সমস্যা হবে না বলে আমি আশাবাদী।</p>
<p class="alignfull">চারুকলায় ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতিতে আগুনের ঘটনা উল্লেখ করে নিরাপত্তা উদ্বেগ প্রকাশ করা হলে তিনি বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত হবে এবং যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা এটাও খতিয়ে দেখছি যে, আমাদের নিরাপত্তার দায়িত্বে যারা ছিলেন তাদের কোনো ঘাটতি ছিল কি না। সেটাও অনুসন্ধান করে দেখা হচ্ছে এবং যদি সেরকম কিছু পাওয়া যায়, অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>
</div>
</article>
<div class="aligncenter ittefaq_MomegicTF_1 pt10 pb10 w100">
<div class="aw336">
<div id="ittefaq_MomegicTF_1" data-google-query-id="CIr_v8Kt1IwDFQomgwMdkmUEDg"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>শতাধিক সিসি ক্যামেরায় জাতীয় ঈদগাহের ঈদ জামাতের নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ</title>
<link>https://digibanglatech.news/152371</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152371</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67e91c3a5fdd8.jpg" length="104521" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 30 Mar 2025 14:26:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের নিরাপত্তা বিধানে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হবে। তল্লাশির জন্য আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর থাকবে। পুরো জাতীয় ঈদগাহ ময়দানসহ আশপাশের এলাকা সিসিটিভির আওতাভুক্ত থাকবে। প্রায় ১০০ ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। কন্ট্রোল রুম থেকে যা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে।</p>
<p>রবিবার (৩০ মার্চ) সকালে জাতীয় ঈদগাহের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই তথ্য জানান ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।</p>
<p>তিনি আরো জানান, ঈদগাহ ময়দানে আসার প্রধান তিনটি সড়কের (মৎস্য ভবন, প্রেসক্লাব ও শিক্ষা ভবন) প্রবেশমুখে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেকটর দিয়ে তল্লাশির ব্যবস্থা থাকবে। নারীদের জন্য পৃথক নামাজের ব্যবস্থা, প্রবেশ গেইট ও পৃথক নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।</p>
<p>সন্দেহজনক কিছু মনে হলে নিকটস্থ পুলিশ সদস্যকে জানাতে কিংবা প্রয়োজনে ৯৯৯ অথবা পুলিশ কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন ডিএমপি কমিশনার।</p>
<p>ঈদ ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আওয়ামী লীগের 'অপতৎপরতা' নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে শেখ মোঃ সাজ্জাত আলী বলেন, আমরা সব সময় সতর্ক আছি। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ না, নিষিদ্ধঘোষিত যেসব দল আছে সেসব দল যাতে কোনোরকম একটিভিটিজ পরিচালনা না করতে পারে সে ব্যপারে আমরা সদা সতর্ক।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রেলের ২১ টিকিটসহ কালোবাজারি আটক</title>
<link>https://digibanglatech.news/152184</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152184</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67dd99a545e19.jpg" length="78993" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 21 Mar 2025 18:53:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে রেলের অনলাইন টিকিটসহ মো. রাকিব মিয়া (২৪) নামে এক কালোবাজারিকে গ্রেফতার করেছে রেলওয়ে পুলিশ। এসময় তার কাছ থেকে ২১টি টিকিট উদ্ধার করা হয়। <span>এনআইডি ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে অনলাইনে টিকেট কেটে সেগুলো অবৈধভাবে বিক্রি করছিলেন তিনি। </span></p>
<p>শুক্রবার (২১ মার্চ) বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রেলওয়ে পুলিশের ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) আনোয়ার হোসেন। তিনি জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার সকালে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে পেশাদার এক টিকিট কালোবাজারিকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় তার কাছ থেকে ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ রুটের ভিন্ন ভিন্ন তারিখের এগারো সিন্ধু, গোধূলী, প্রভাতী ও কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের ২১টি আসনের টিকিট ও একটি স্মার্ট মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। এসব টিকিট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পেজে বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রকৃত মূল্যের চেয়ে অধিক দামে বিক্রির কথা স্বীকার করেছে আটক রাকিব।</p>
<p>আটক রাকিব জিজ্ঞাসাবাদে রেলওয়ে পুলিশকে আরও জানিয়েছে, নিজের ও পরিচিত চারজনের এনআইডি ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে রেলওয়ে সেবা অ্যাপে ৫টি আইডি খোলেন। নিয়মিত ঢাকা টু কিশোরগঞ্জসহ বিভিন্ন রুটের আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট অনলাইন থেকে সংগ্রহ করে থাকেন। আগ্রহী যাত্রীদের নিকট টিকিট বিক্রয় করে বিকাশ/নগদের মাধ্যমে টাকা সংগ্রহ করতেন। এরপর গ্রাহকের মোবাইলে টিকিটের পিডিএফ কপি পাঠিয়ে দিতেন। ঈদ পরবর্তী কিশোরগঞ্জ টু ঢাকা রুটের অনলাইনভিত্তিক টিকিট কালোবাজারির প্রস্তুতিসহ ফেসবুকে প্রচারণা চালাচ্ছিল। গ্রেফতার রাকিবের বিরুদ্ধে ঢাকা রেলওয়ে থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় ১৬ মার্চ</title>
<link>https://digibanglatech.news/152007</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152007</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67c56a3381425.jpg" length="87738" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 15 Mar 2025 10:58:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রবিবার (১৬ মার্চ) ঘোষণা করা হবে বহুল আলোচিত বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের রায়। বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করবেন।</p>
<p>শনিবার (১৫ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে দেখা যায় আলোচিত আবরার হত্যা মামলাটি রোববার রায় ঘোষণার জন্য সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের কার্যতালিকায় ১ নম্বর ক্রমিকে রাখা হয়েছে।</p>
<p>এর আগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শুরু হয়। শুনানি শেষ হয় ২৪ ফেব্রুয়ারি। বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষামান রাখেন।</p>
<p>ওইদিন আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল কে বি রুমি। তার সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার সুমাইয়া আজিজ ও জামিউল হক ফয়সাল। এছাড়া এই মামলায় শুরুর দিন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান শুনানি করেছিলেন। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী এস এম শাহজাহান ও আইনজীবী শিশির মনির।</p>
<p>গত অক্টোবর মাসে এ হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্স দ্রুত শুনানির উদ্যোগ নেওয়া হয়। অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান এ উদ্যোগ নেন।</p>
<p>২০২২ সালের ৬ জানুয়ারি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স ও মামলার নথি হাইকোর্টে আসে। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ থেকে ৬ হাজার ৬২৭ পৃষ্ঠার ডেথ রেফারেন্স ও মামলার যাবতীয় নথি হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পাঠানো হয়। এরপরই আসামিরা দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে ফৌজদারি আপিল ও জেল আপিল করেন। ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড‍ দেওয়া হলে তা অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় কার্যক্রম উচ্চ আদালতে পাঠাতে হয়। দণ্ডিত আসামিরা উচ্চ আদালতে ফৌজদারি আপিল এবং জেল আপিল করতে পারেন।</p>
<p>২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৫ জনের যাবজ্জীবনের আদেশ দেন আদালত। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।</p>
<p>মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন—বুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল (সিই বিভাগ, ১৩তম ব্যাচ), সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন (কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ১৫তম ব্যাচ), তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার অপু (মেকানিক্যাল ইঞ্জনিয়ারিং, ১৫তম ব্যাচ), সাহিত্য সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির (ওয়াটার রিসোর্সেস ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৬তম ব্যাচ), ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন (মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৫তম ব্যাচ), উপসমাজসেবা সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল (বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৬তম ব্যাচ), সদস্য মুনতাসির আল জেমি (এমআই বিভাগ), সদস্য মোজাহিদুর রহমান (ইইই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), সদস্য হোসেন মোহাম্মদ তোহা (এমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), সদস্য এহতেশামুল রাব্বি তানিম (সিই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), শামীম বিল্লাহ (মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), মাজেদুর রহমান মাজেদ (এমএমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), খন্দকার তাবাক্কারুল ইসলাম তানভীর (মেকানিক্যাল, ১৭তম ব্যাচ), মুহাম্মদ মোর্শেদ-উজ-জামান মণ্ডল জিসান (ইইই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), এস এম নাজমুস সাদাত (এমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), মোর্শেদ অমর্ত্য ইসলাম (এমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), মিজানুর রহমান (ওয়াটার রিসোসের্স, ১৬ ব্যাচ), শামছুল আরেফিন রাফাত (মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং), উপ-দপ্তর সম্পাদক মুজতবা রাফিদ (কেমিকৌশল) এবং এসএম মাহামুদ সেতু (কেমিকৌশল)।</p>
<p>যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত ৫ আসামি হলেন—বুয়েট ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ (১৪তম ব্যাচ, সিই বিভাগ), গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক ইসতিয়াক আহমেদ মুন্না (মেকানিক্যাল, তৃতীয় বর্ষ), আইনবিষয়ক উপসম্পাদক অমিত সাহা (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং), সদস্য আকাশ হোসেন (সিই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ) ও মোয়াজ আবু হোরায়রা (সিএসই, ১৭ ব্যাচ)।</p>
<p>২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শের-ই-বাংলা হলে আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে পরের দিন ৭ অক্টোবর চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন নিহতের বাবা বরকত উল্লাহ।</p>
<p>মাত্র ৩৭ দিনে তদন্ত শেষ করে একই বছরের ১৩ নভেম্বর চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক মো. ওয়াহিদুজ্জামান।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হ্যাকারদের কবলে বাংলানিউজের বিশেষ প্রতিবেদন</title>
<link>https://digibanglatech.news/151991</link>
<guid>https://digibanglatech.news/151991</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67d3204c1263d.jpg" length="89513" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 14 Mar 2025 00:03:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>অনলাইন পোর্টাল বাংলা নিউজের একটি বিশেষ প্রতিবেদনে হ্যাক করেছে এস১৪এমÑ৬৯ নামের হ্যাকারদল। শীর্ষ সংবাদের স্থানে জুড়ে দিয়েছে একটি প্রতিবাদি পোস্ট। সেখানে দ্রুত সময়ের মধ্যে ধর্ষণের বিচার এবং কঠোর আইন প্রণয়নের জন্য উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে হুঁশিয়ার করেছে সাইবার কমিউনিটি অ্যান্ড সিলেট গ্যাং এসজি অ্যান্ড নূরি আলম নাহিদ। </p>
<p>একই পোস্ট ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে ‘নিষিদ্ধ হলে আ’লীগের নেতাকর্মীরা কোথায় যাবে?’ শীর্ষক বিশেষ প্রতিবেদনে। </p>
<p>বৃহস্পতিবার সাড়ে ১১টার দিকে এই হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটে। তবে ১২টা ৮ এর দিকে পোস্টটি হ্যাকারদের হস্তক্ষেপ মুক্ত করতে সক্ষম হয় বাংলানিউজ টেকনিক্যাল টিম।  </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৬ মাসেও সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল হয়নি; হচ্ছে মামলা</title>
<link>https://digibanglatech.news/151549</link>
<guid>https://digibanglatech.news/151549</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202502/image_870x580_67be06119ea54.jpg" length="83070" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 25 Feb 2025 19:03:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>ডিজিবাংলা ডেস্ক রিপোর্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>এখনো সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা হওয়া, আসামী গ্রেফতার এবং ছয় মাসেও সরকারের সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল না হওয়া অন্তবর্তী সরকারের ইতিবাচক আকাঙ্ক্ষার প্রমাণ দেয় না বলে অভিযোগ করা হলো শহীদ মুশতাকের স্মরণ সভায়।  মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারী) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে কুখ্যাত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের শহীদ, লেখক ও উদ্যোক্তা মুশতাক আহমেদের ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক স্মরন সভায় এই আক্ষেপ প্রকাশ করেছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ভিক্টিমস নেটওয়ার্ক (ডিএসএ ভিক্টিমস নেটওয়ার্ক) ও ভয়েস ফর রিফর্ম। </p>
<p>সভায় মুশতাক হত্যার বিচার চেয়ে ভিক্টিমস নেটওয়ার্ক এর আহ্বায়ক ও সভার সভাপতি গোলাম মাহফুজ জোয়ার্দার বলেন গণঅভ্যুত্থানের সরকার জুলুমতন্ত্র ও মাফিয়া তন্ত্রের বিপক্ষে দাড়িয়েছে কিনা, তার প্রমান হবে সরকার মুশতাক হত্যার মামলা ও বিচার তারা করেন কিনা, তার মাধ্যমে। তিনি সকল নিবর্তনমূলক আইনের অবিলম্বে বাতিল চান। সকল মামলা বাতিল, ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ ও সরকারের এমন নিবর্তনমূলক আইন বানানোর একচ্ছত্র ক্ষমতা কাঠামোর সংস্কার চান তিনি</p>
<p>মুশতাকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলার আরেক আসামী ও সভার সঞ্চালক দিদারুল ভূঁইয়া এখনো সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল না হওয়ার কঠোর সমালোচনা করে বলেন, এই সরকার গঠনের পর আমাদের কাছে প্রথম একটা কমিটমেন্ট করা হয় সকল কালাকানুন বাতিল করা হবে। বার বার আমাদের কাছ থেকে এক সপ্তাহ, দুই সপ্তাহ করে সময় নেয়া হয়। সর্বশেষ জানুয়ারিতে আইন মন্ত্রনালয় থেকে প্রেস কনফারেন্স করে বলা হয় সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিলের সকল প্রস্তুতি আইন মন্ত্রনালয় থেকে সম্পন্ন হয়েছে৷ তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের কিছু আনুষ্ঠানিকতা বাকী আছে। সেটা সম্পন্ন করে তারা আইন বাতিলের ঘোষণা দিবেন। </p>
<p>তারপর এক মাস হয়ে গেছে। আজকে তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের উপদেষ্টা পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু আইন বাতিলের ঘোষণা এখনো আমরা পাই নাই। উপদেষ্টা হিসেবে নাহিদ ইসলাম কতটুকু সফল, সে হিসাব করতে গেলে ৬ মাসেও সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল না হওয়া একটা বড় প্রশ্ন হয়ে থাকবে।</p>
<p>সভায় বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের মুখপাত্র উমামা ফাতেমা মুশতাকের স্মৃতিচারণ করে বলেন, গণ অভ্যুত্থানের সময় যখন গুম, গ্রেফতারে আমাদের বার বার দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাচ্ছিল, আমি মুশতাক ভাইয়ের একটা কথা স্মরণ করতাম, "আমরাতো কোন অপরাধ করি নাই। আমরা কেনো ভয় পাবো"।</p>
<p>ভয়েস ফর রিফর্ম এর সমন্বয়ক ফাহিম মাশরুর আর কোন মুশতাকের এমন করুণ পরিণতি যেন এই বাংলাদেশে না হয়, সেই প্রত্যাশা করেন। এই বাংলাদেশে এখনো সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল না হওয়া এবং এই আইনে এখনো মামলা হওয়ার, গ্রেফতার হওয়ার কঠোর সমালোচনা করেন।</p>
<p>রাজনৈতিক সংগঠক বাকী বিল্লাহ বলেন জুলুমের হাতিয়ার রেখে জুলুমতন্ত্র, ফ্যাসিবাদ বিলোপ করা সম্ভব না। গতকাল কুড়িগ্রামের নাহিদ হাসান নলেজের বিরুদ্ধে হওয়া এই আইনের মামলার কঠোর সমালোচনা করে তিনি অবিলম্বে এই আইন পুরোপুরি বাতিল চান এবং সকল ভুক্তভোগীর অবিলম্বে নি:শর্ত মুক্তি ও ক্ষতিপূরণ চান।</p>
<p>স্মরণ সভায় আরো বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী রেজাউর রহমান লেনিন, তৃষিয়া নাশতারান, জাকিয়া শিশির, জাতীয় নাগরিক কমিটির প্রীতম দাশ ও এহতেশাম হক, পরিবর্তন চাইয়ের কো ফাউন্ডার ও ট্রাস্টি শহীদুল ইসলাম কাজল, নাজমুল সোহাগ, শেখ নাসিরউদ্দিন, ফেরদৌস আজিজ প্রমূখ।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>যুব সমাজ ও অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে জাতীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/151499</link>
<guid>https://digibanglatech.news/151499</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202502/image_870x580_67bc7bb8c69e3.jpg" length="87589" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 24 Feb 2025 16:02:32 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; margin: 12.0pt 0in 12.0pt 0in;"><span lang="EN"><span style="font-family: 'Arial Unicode MS'; mso-fareast-font-family: 'Arial Unicode MS'; mso-bidi-font-family: 'Arial Unicode MS';">নীতিনির্ধারক, প্রযুক্তি খাতের <w:sdt sdttag="goog_rdk_3" id="-2073948197"></w:sdt><span style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-fareast-font-family: Vrinda;">বিশেষজ্ঞ</span>, সাংবাদিক, একাডেমিক বিশেষজ্ঞ এবং যুব প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হলো "যুব সমাজ ও অনলাইন নিরাপত্তা" শীর্ষক জাতীয় সংলাপ। সোমবার রাজধানী ঢাকার প্লাটিনাম গ্র্যান্ড, বনানী-তে অনুষ্ঠিত এই গোলটেবিল সংলাপে</span><span style="font-family: 'Arial Unicode MS'; mso-fareast-font-family: 'Arial Unicode MS'; mso-bidi-font-family: 'Arial Unicode MS';"> বাংলাদেশের বর্তমান ডিজিটাল নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও<span style="mso-spacerun: yes;">  </span>কিভাবে বিদ্যমান অবস্থার উন্নয়ন করা যায় তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।</span><w:sdt sdttag="goog_rdk_5" id="660045765"></w:sdt><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; margin: 12.0pt 0in 12.0pt 0in;"><span lang="EN"><span style="font-family: 'Arial Unicode MS'; mso-fareast-font-family: 'Arial Unicode MS'; mso-bidi-font-family: 'Arial Unicode MS';">জাগো ফাউন্ডেশন এবং টিকটকের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সংলাপে </span></span><span lang="EN"><span style="font-family: 'Arial Unicode MS'; mso-fareast-font-family: 'Arial Unicode MS'; mso-bidi-font-family: 'Arial Unicode MS';">অংশগ্রহণকারী বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশের বর্তমান ডিজিটাল ঝুঁকি, সাইবার বুলিং, ভুল তথ্যের প্রসার এবং ডাটা প্রাইভেসি ইস্যু নিয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন। পাশাপাশি, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ কিভাবে তরুণদের জন্য একটি নিরাপদ ও ইতিবাচক ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে, সে বিষয়ে সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়।</span><w:sdt sdttag="goog_rdk_7" id="1669981753"></w:sdt><i style="mso-bidi-font-style: normal;"><o:p></o:p></i></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; margin: 12.0pt 0in 12.0pt 0in;"><span lang="EN"><span style="font-family: 'Arial Unicode MS'; mso-fareast-font-family: 'Arial Unicode MS'; mso-bidi-font-family: 'Arial Unicode MS';">সংলাপে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন টেকনোলজি’র প্রফেসর শামীম আল মামুন বলেন, "বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তার গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার যেমন তরুণদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করছে, তেমনি সাইবার অপরাধের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে অনলাইন নিরাপত্তা সম্পর্কে জ্ঞান অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত জরুরি।"</span><w:sdt sdttag="goog_rdk_8" id="1982729013"></w:sdt><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; margin: 12.0pt 0in 12.0pt 0in;"><span lang="EN"><span style="font-family: 'Arial Unicode MS'; mso-fareast-font-family: 'Arial Unicode MS'; mso-bidi-font-family: 'Arial Unicode MS';"><span style="mso-spacerun: yes;"> </span>সাবধান অনলাইনে ক্যাম্পেইনের <span style="mso-spacerun: yes;">প্রজেক্ট ম্যানেজার</span><span style="mso-spacerun: yes;"> তানভীর চৌধুরী</span> বলেন, "এটি শুধু একটি সংলাপ নয়, বরং এটি ভবিষ্যতের জন্য একটি রোডম্যাপ। তরুণরা যেন অনলাইনে নিরাপদ থাকতে পারে এবং দায়িত্বশীল ডিজিটাল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে, সে জন্য আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। আজকের সংলাপে যে মতামত ও সুপারিশ উঠে এসেছে, তা 'সাবধানে অনলাইনে' ক্যাম্পেইনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রমকে আরও কার্যকরভাবে পরিচালিত করতে সহায়ক হবে।"</span><w:sdt sdttag="goog_rdk_9" id="1024443549"></w:sdt><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; margin: 12.0pt 0in 12.0pt 0in;"><span style="font-family: 'Arial Unicode MS';"> প্রসঙ্গত, সংলাপটি ২০২২ সালে চালু হওয়া জাগো ফাউন্ডেশন এবং টিকটক এর "সাবধানে অনলাইনে" প্রকল্পের একটি অংশ। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে "সাবধানে অনলাইনে" প্রকল্পের ইয়ুথ অ্যাম্বাসেডররা দেশের ৬৪টি জেলার ২৫৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন নিরাপত্তা বিষয়ক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন এবং প্রায় ১,০০,০০০ শিক্ষার্থীকে সরাসরি অনলাইন নিরাপত্তার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করেছেন। সংলাপে "সাবধানে অনলাইনে" ক্যাম্পেইনটির সাফল্য, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বরিশালে প্রযুক্তির সহায়তায় সংঘটিত  জেন্ডার&#45;ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/151401</link>
<guid>https://digibanglatech.news/151401</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202502/image_870x580_67b87478cfff2.jpg" length="89416" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 21 Feb 2025 12:04:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in; text-align: justify; line-height: normal;"><span lang="BN" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এর অপব্যবহারও বেড়ে চলেছে</span><span style="font-family: 'Vrinda',sans-serif;">, </span><span lang="BN" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">বেড়েছে প্রযুক্তির সহায়তায় হয়রানিও। সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রতিনিয়ত অনলাইনে হয়রানির শিকার হচ্ছেন</span><span style="font-family: 'Vrinda',sans-serif;">, </span><span lang="BN" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যকই নারী। এক গবেষণায় দেখা গেছে</span><span style="font-family: 'Vrinda',sans-serif;">, </span><span lang="BN" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">বাংলাদেশের ৭৮% এরও বেশি নারী প্রযুক্তির সহায়তায় সংঘটিত জেন্ডার-ভিত্তিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন। </span></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in; text-align: justify; line-height: normal;"><span lang="BN" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">এরই ধারাবাহিকতায় বরিশাল বিডিএস মিলনায়তনে ১৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হলো ‘প্রযুক্তির সহায়তায় সংঘটিত জেন্ডার-ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ। বাংলাদেশ এনজিওস নেটওয়ার্ক ফর রেডিও এন্ড কমিউনিকেশন (বিএনএনআরসি) এর উদ্যোগে </span><span lang="BN" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">প্রশিক্ষণটি আয়োজনে সহযোগী ছিলো স্পিড ট্রাস্ট। </span></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in; text-align: justify; line-height: normal;"><span lang="BN" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্পিড ট্রাস্ট এর মিশন হেড</span><span style="font-family: 'Vrinda',sans-serif;">, </span><span lang="BN" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">জনাব এএইচএম শাম</span><span style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">সু<span lang="BN">ল ইসলাম দীপু। প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন বিএনএনআরসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এএইচএম বজলুর রহমান ও প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর হীরেন পণ্ডিত। </span></span><span style="font-family: 'Vrinda',sans-serif;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in; text-align: justify; line-height: normal;"><span lang="BN" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">প্রশিক্ষণার্থীরা প্রযুক্তির সহায়তায় সংঘটিত জেন্ডার-ভিত্তিক সহিংসতার প্রভাব সম্পর্কে অবহিত হন।<span style="mso-spacerun: yes;"> এতে</span></span><span lang="BN" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতা নিয়েও আলোচনা করা হয়। সরকার</span><span style="font-family: 'Vrinda',sans-serif;">, </span><span lang="BN" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">পেশাজীবী সংগঠন</span><span style="font-family: 'Vrinda',sans-serif;">, </span><span lang="BN" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">যুব সংগঠন</span><span style="font-family: 'Vrinda',sans-serif;">, </span><span lang="BN" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">টেকনোলজি কোম্পানী</span><span style="font-family: 'Vrinda',sans-serif;">, </span><span lang="BN" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">গণমাধ্যম</span><span style="font-family: 'Vrinda',sans-serif;">, </span><span lang="BN" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">বিটিআরসি এবং ব্যক্তিপর্যায়ে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এই সহিংসতা প্রতিরোধে কাজ করতে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।</span><span style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"><o:p></o:p></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জেনারেটিভ এআই বাড়াচ্ছে সাইবার ঝুঁকি: সফোস </title>
<link>https://digibanglatech.news/151300</link>
<guid>https://digibanglatech.news/151300</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202502/image_870x580_67b33dd7daa24.jpg" length="101582" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 17 Feb 2025 16:48:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিশ্বের ৬৫% প্রতিষ্ঠান জেনারেটিভ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (জেনএআই) ব্যবহার করে। এর মধ্যে ৮৯% আইটি বিশেষজ্ঞ মনে করেন, জেনএআই সাইবার সিকিউরিটি টুলসের ত্রুটিগুলো তাদের প্রতিষ্ঠানের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাদের এই শঙ্কার প্রমাণও পেয়েছে সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সফোস। </p>
<p> সফোস এক্স-অপসের সাম্প্রতিক গবেষণা "সাইবার ক্রিমিনালস স্টিল নট ফুললি অন বোর্ড দ্য এআই ট্রেন" অনুযায়ী, সাইবার অপরাধীরা এআই এর ব্যবহার মাত্র শুরু করলেও ইতিমধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গেছে।  সাইবার আক্রমণ মোকাবিলায় প্রতিষ্ঠানটির প্রকাশ করেছে নতুন একটি প্রতিবেদন। "বিয়ন্ড দ্য হাইপঃ দ্য বিজনেস রিয়েলিটি অফ এআই ফর সাইবার সিকিউরিটি"  শীর্ষক  এই প্রতিবেদনে ৪০০ জন আইটি বিশেষজ্ঞের উপর জরিপ চালানো হয়। সেখান থেকেই প্রকাশ পায়, ৮৯ শতাংশ আইটি বিশষজ্ঞের জেএনআই ঝুঁকির শঙ্কার কথা।  </p>
<p>বেশ কয়েকটি আন্ডারগ্রাউন্ড ফোরামে অনুসন্ধান করে সফোস এক্স-অপস দেখেছে, কিছু অপরাধী জেনএআই ব্যবহার করে ইমেল তৈরি এবং ডেটা বিশ্লেষণ করতে শুরু করেছে। আবার অনেকে এটিকে স্প্যাম এবং সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জন্য ব্যবহার করছে। জরিপকৃত ৯৮% প্রতিষ্ঠানের সাইবার নিরাপত্তা অবকাঠামোতে কোনো না কোনো ধরনের এআই অন্তর্ভুক্ত থাকলেও, আইটি বিশেষজ্ঞরা এআই-এর উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। </p>
<p>এছাড়া,  ৮৭% বলেছেন যে, সাইবার সিকিউরিটির এই ক্ষেত্রে জবাবদিহিতার অভাব থাকতে পারে। প্রতিষ্ঠানে  জেনএআই ব্যবহার বড় প্রতিষ্ঠানগুলো (যাদের ১,০০০-এর বেশি কর্মী) উন্নত সুরক্ষার জন্য জেনএআই এর ব্যবহারকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। অন্যদিকে ৫০-৯৯ কর্মী রয়েছে এমন প্রতিষ্ঠানগুলো জেনএআই টুলস থেকে সবচেয়ে বড় সুবিধা হিসেবে কর্মচারীদের কাজের চাপ কমানোকে গুরুত্ব দিচ্ছে। তবে, সকল ধরনের প্রতিষ্ঠানেরই ৮৪% বিশেষজ্ঞ বলেছেন যে এআই-এর ক্ষমতা সম্পর্কে অবাস্তব প্রত্যাশার কারণে সাইবার নিরাপত্তার পেশাদারদের সংখ্যা কমানোর সম্ভাবনা নিয়ে তারা চিন্তিত।</p>
<p>"বিয়ন্ড দ্য হাইপ” এর প্রতিবেদনের অন্যান্য দিক: জেনএআই-এর খরচ নির্ধারণ করা কঠিন: ৭৫% আইটি বিশেষজ্ঞ মনে করেন যে সাইবার সিকিউরিটির প্রোডাক্টগুলোতে জেনএআই-এর খরচ নির্ধারণ করা কঠিন। জেনএআই থেকে সাশ্রয়: ৮০% আইটি বিশেষজ্ঞ মনে করেন, জেনএআই সাইবার সিকিউরিটির প্রোডাক্টগুলোর খরচ বাড়াবে। আবার, বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান মনে করে যে জেনএআই সামগ্রিক সাইবার সিকিউরিটির খরচ কমাতে সাহায্য করবে। অন্যদিকে,  ৮৭% মানুষ বলছেন,  জেনএআই-এর সাশ্রয় খরচকে ছাড়িয়ে যাবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টিভিতে প্রতি ঘণ্টায় ১০ মিনিটের বেশি বিজ্ঞাপন প্রচার না করতে আইনি নোটিশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%98%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A7%A7%E0%A7%A6-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%B6</link>
<guid>https://digibanglatech.news/%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%98%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A7%A7%E0%A7%A6-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%B6</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202501/image_870x580_67949d74830ab.jpg" length="270427" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 23 Jan 2025 14:15:02 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ রিপোর্টার</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>টেলিভিশন চ্যানেলে প্রতি ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ মিনিট বিজ্ঞাপন প্রচার করার সুনির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণসহ ‘জাতীয় সম্প্রচার কমিশন’ গঠনের অনুরোধ জানিয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।</p>
<p>বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) রেজিস্ট্রি ডাকযোগে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স সভাপতি বরাবর নোটিশটি পাঠানো হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তৈমুর আলম খন্দকার এই নোটিশ পাঠান।</p>
<p>নোটিশে ‘জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা-২০১৪’ দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। নোটিশে তৈমুর আলম খন্দকার বলেছেন, প্রতিটি রাষ্ট্রে টেলিভিশন চ্যানেলে সম্প্রচারের একটি নীতিমালা অনুমোদিত আছে যা দ্বারা সম্প্রচারের সময়সীমা অর্থাৎ অনুষ্ঠান, সংবাদ, নাটক, আলোচনা ইত্যাদির মধ্যে প্রতি ঘণ্টায় বিজ্ঞাপনের জন্য সময় নির্ধারণ করা আছে। কিন্তু বাংলাদেশে বিজ্ঞাপন প্রচারের সময়সীমার সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা নেই। তাই চ্যানেলমালিকেরা প্রতিটি অনুষ্ঠানে যতক্ষণ ইচ্ছা ততক্ষণই বিজ্ঞাপন প্রচার করছেন। ফলে বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপভোগ করার পরিবর্তে দর্শক–শ্রোতাদের মধ্যে বিরক্তির সৃষ্টি হচ্ছে। পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ প্রতি ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ মিনিট পর্যন্ত বিজ্ঞাপন প্রচারের সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে যা বাংলাদেশে এখনো সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়নি।</p>
<p>নোটিশের শেষাংশে বলা হয়, দুই সপ্তাহের মধ্যে টেলিভিশন চ্যানেলে প্রতি ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ মিনিট বিজ্ঞাপন প্রচার করার সুনির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণসহ ‘জাতীয় সম্প্রচার কমিশন’ গঠনের অনুরোধ জানানো হলো। তা করতে ব্যর্থ হলে বিষয়টি জনস্বার্থ বিবেচনায় প্রতিকারের জন্য উপযুক্ত আদালতের আশ্রয় গ্রহণ করা হবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

</channel>
</rss>