<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
     xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
     xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
     xmlns:admin="http://webns.net/mvcb/"
     xmlns:rdf="http://www.w3.org/1999/02/22-rdf-syntax-ns#"
     xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
     xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/">
<channel>
<title>Digi Bangla &#45; : নিওটেক</title>
<link>https://digibanglatech.news/rss/category/নিওটেক</link>
<description>Digi Bangla &#45; : নিওটেক</description>
<dc:language>en</dc:language>
<dc:rights>নিবন্ধন নং &#45; ২৩৩ &amp;lt;br /&amp;gt;প্রকাশক: সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক &amp;lt;/br&amp;gt;  নির্বাহী সম্পাদক: এস এম ইমদাদুল হক &amp;lt;/br&amp;gt; সম্পাদকীয় কার্যালয়: সড়ক ২৯, বাড়ি ২/ই (গুলশান লেক প্যালেস), সি&#45;২, গুলশান&#45;১, ঢাকা&#45;১২১২, বাংলাদেশ।  &amp;lt;/br&amp;gt;ফোন: ০৯৬৩৯&#45;৩৩৩৫৫৫, ইমেইল: press@digibanglatech.news   &amp;lt;/br&amp;gt; © স্বত্ব ডিজিটাল বাংলা মিডিয়া লিমিটেড ২০১৯&#45;২০২৫</dc:rights>

<item>
<title>ইন্দো&#45;প্যাসিফিক এনার্জি ফোরামে বাংলাদেশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/170647</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170647</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69b5300f91ba3.jpg" length="124244" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 14 Mar 2026 11:53:44 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থায় জ্বালানী তেল সরবরাহ নিয়ে নতুন শঙ্কার মধ্যে নির্ভরযোগ্য, সাশ্রয়ী, নিরাপদ এবং দ্রুত সরবরাহযোগ্য (dispatchable) জ্বালানি নিশ্চিত করতে জাপানের টোকিওতে বসেছে ইন্দো-প্যাসিফিক এনার্জি ফোরামের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক।</p>
<p>১৪।মার্চ, শনিবার শুরু হওয়া দুই দিনব্যাপী ‘ইন্দো-প্যাসিফিক এনার্জি সিকিউরিটি মিনিস্টেরিয়াল অ্যান্ড বিজনেস ফোরাম’-এ অংশ নিতে টোকিও সফর করছেন বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।</p>
<p>উচ্চপর্যায়ের এই আন্তর্জাতিক ফোরামটি যৌথভাবে আয়োজন করেছে ইউ.এস. ন্যাশনাল এনার্জি ডমিনেন্স কাউন্সিল এবং জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়। আয়োজক হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও মার্কিন স্বরাষ্ট্র সচিব ডগ বারগাম, ভাইস চেয়ারম্যান ও মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট এবং জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রী আকাজাওয়া রিওসেই।</p>
<p>গুরুত্বপূর্ণ এই সম্মেলনে বাংলাদেশ ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ব্রুনাই, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, তিমুর-লেস্তে ও ভিয়েতনামের জ্বালানি মন্ত্রীরা অংশগ্রহণ করছেন।</p>
<p>সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী মন্ত্রীগণ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে একটি শক্তিশালী ও স্থিতিশীল জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তোলার কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন। বিশেষ করে এই অঞ্চলে কীভাবে পর্যাপ্ত, নির্ভরযোগ্য, সাশ্রয়ী, নিরাপদ এবং দ্রুত সরবরাহযোগ্য (dispatchable) জ্বালানি নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়টিই আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে।</p>
<p>ফোরামের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির পাশাপাশি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও ব্রুনাইয়ের প্রতিনিধিদলসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মন্ত্রীদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।</p>
<p>এছাড়া তিনি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সাথেও বিশেষ বৈঠক করবেন। এসব আলোচনার প্রধান লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের উন্নয়নে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্রগুলো অন্বেষণ করা।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এসএ/ইকে</strong></em></span><br><br></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কোয়ান্টাম ইন্টারনেট: ১০০ কিলোমিটারের মাইলফলক স্পর্শ, আসছে ‘আনহ্যাকবল’ নেটওয়ার্ক</title>
<link>https://digibanglatech.news/167501</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167501</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69909542ad6c7.jpg" length="135735" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 14 Feb 2026 19:31:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="5">বর্তমান ইন্টারনেটের নিরাপত্তা যখন সাইবার হামলার মুখে প্রতিনিয়ত প্রশ্নবিদ্ধ, ঠিক তখনই বিজ্ঞানের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করলেন একদল গবেষক। চীনের ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (USTC)-এর একদল পদার্থবিদ ফাইবার অপটিক ক্যাবল ব্যবহার করে ১০০ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত 'ডিভাইস-ইন্ডিপেনডেন্ট কোয়ান্টাম কী ডিস্ট্রিবিউশন' (DI-QKD) সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন। অর্থাৎ একটি সাধারণ ফাইবার-অপ্টিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে নিরাপদে কোয়ান্টাম তথ্য আদান-প্রদান করতে সক্ষম হয়েছেন গবেষকরা। এই সাফল্য ভবিষ্যতের একটি সম্পূর্ণ হ্যাকিং-মুক্ত বৈশ্বিক ইন্টারনেট ব্যবস্থা তৈরির পথ প্রশস্ত করল। </p>
<h3 data-path-to-node="6">কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?</h3>
<p data-path-to-node="7">সাধারণ ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের সময় তা এনক্রিপ্ট করা থাকলেও শক্তিশালী কম্পিউটার দিয়ে তা ভাঙা সম্ভব। কিন্তু কোয়ান্টাম ইন্টারনেট কাজ করে পদার্থবিজ্ঞানের মূল নীতির ওপর ভিত্তি করে। এখানে তথ্য পাঠানো হয় একক ফোটন বা পরমাণুর মাধ্যমে। এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, যদি মাঝপথে কেউ এই তথ্য চুরি করার চেষ্টা করে, তবে কোয়ান্টাম কণার অবস্থা বদলে যায় এবং সাথে সাথে প্রেরক ও প্রাপক তা টের পেয়ে যান। অর্থাৎ, এটি তাত্ত্বিকভাবে পুরোপুরি <b data-path-to-node="7" data-index-in-node="424">'</b>আনহ্যাকবল<b data-path-to-node="7" data-index-in-node="424">'</b> বা অভেদ্য।</p>
<h3 data-path-to-node="4">মূল বিষয়টি কী?</h3>
<p data-path-to-node="5">বর্তমান ইন্টারনেটে আমরা যখন কোনো তথ্য পাঠাই, তা মূলত ইলেকট্রনিক সিগন্যালের মাধ্যমে যায় যা দক্ষ হ্যাকারদের পক্ষে চুরি করা সম্ভব। কিন্তু কোয়ান্টাম ইন্টারনেট কাজ করে পদার্থবিজ্ঞানের জটিল নিয়ম (Quantum Mechanics) ব্যবহার করে। এখানে তথ্য আদান-প্রদান করা হয় 'কোয়ান্টাম বিট' বা 'কিউবিট' (Qubit) এর মাধ্যমে।</p>
<p data-path-to-node="6">এই গবেষণার সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো MDI-QKD (Measurement-Device-Independent Quantum Key Distribution) পদ্ধতির ব্যবহার। এটি এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে তথ্য আদান-প্রদানকারী দুই পক্ষই তৃতীয় একটি পক্ষের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে নিতে পারে, কিন্তু সেই তৃতীয় পক্ষ কোনোভাবেই তথ্যের মূল সংকেত বা 'কী' (Key) জানতে পারে না।</p>
<h3 data-path-to-node="8">এই গবেষণার বিশেষত্ব:</h3>
<p data-path-to-node="9">গবেষণাটি সম্প্রতি বিজ্ঞান সাময়িকী সায়েন্স (Science)-এ প্রকাশিত হয়েছে। এর আগে কোয়ান্টাম এনক্রিপশন কেবল কয়েক কিলোমিটার বা ল্যাবরেটরির ভেতরেই সীমাবদ্ধ ছিল। দীর্ঘ দূরত্বে পাঠাতে গেলে তথ্যের সংকেত বা 'এন্ট্যাঙ্গেলমেন্ট' দুর্বল হয়ে যেত। কিন্তু গবেষকরা এবার <b data-path-to-node="9" data-index-in-node="253">'কোয়ান্টাম রিপিটার'</b> প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই বাধা অতিক্রম করেছেন।</p>
<ul data-path-to-node="10">
<li>
<p data-path-to-node="10,0,0"><b data-path-to-node="10,0,0" data-index-in-node="0">দূরত্ব:</b> ১০০ কিলোমিটার (যা একটি বড় শহরের নেটওয়ার্ক কাভার করার জন্য যথেষ্ট)।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="10,1,0"><b data-path-to-node="10,1,0" data-index-in-node="0">প্রযুক্তি:</b> এতে ব্যবহার করা হয়েছে রুবিডিয়াম পরমাণু এবং উন্নত মানের একক-ফোটন ডিটেক্টর।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="10,2,0"><b data-path-to-node="10,2,0" data-index-in-node="0">নিরাপদ সংযোগ:</b> ১১ কিমি দূরত্বে এটি পূর্ণাঙ্গ সিকিউর কী জেনারেট করেছে এবং ১০০ কিমি পর্যন্ত পজিটিভ রেট বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে।</p>
</li>
</ul>
<h3 data-path-to-node="11">আগামীর সম্ভাবনা:</h3>
<p data-path-to-node="12">এই অর্জনের ফলে ভবিষ্যতে এমন একটি ইন্টারনেট ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে যেখানে ব্যাংক ট্রানজেকশন, সরকারি গোপন নথিপত্র এবং ব্যক্তিগত তথ্য হবে শতভাগ নিরাপদ। গবেষক দলের প্রধান অধ্যাপক প্যান জিয়ানওয়ে বলেন, "এটি ভবিষ্যতের বৈশ্বিক কোয়ান্টাম নেটওয়ার্ক তৈরির একটি অপরিহার্য ভিত্তি। আগামী ১০-১৫ বছরের মধ্যে আমরা হয়তো সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য কোয়ান্টাম ইন্টারনেটের দেখা পাব।"</p>
<h3 data-path-to-node="11">এর প্রভাব কী হতে পারে?</h3>
<p data-path-to-node="12">এই প্রযুক্তির সফল প্রয়োগ মানে হলো—ভবিষ্যতের ব্যাংকিং লেনদেন, সামরিক যোগাযোগ এবং স্পর্শকাতর ব্যক্তিগত তথ্য এমন এক নিরাপত্তার স্তরে পৌঁছে যাবে যা আজকের সুপার কম্পিউটার দিয়েও ভাঙা সম্ভব নয়। গবেষক দলের মতে, এটি কেবল একটি ল্যাবরেটরি পরীক্ষা নয়; বরং এটি প্রমাণ করে যে দীর্ঘ দূরত্বের কোয়ান্টাম যোগাযোগ এখন প্রযুক্তিগতভাবে সম্ভব। এটি মূলত একটি 'গ্লোবাল কোয়ান্টাম ইন্টারনেট' তৈরির প্রথম শক্তিশালী ভিত্তিপ্রস্তর।</p>
<p data-path-to-node="15">যদিও প্রযুক্তিটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে এবং বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য আরও সময় প্রয়োজন, তবে ১০০ কিলোমিটারের এই সফল পরীক্ষা প্রমাণ করে যে, কোয়ান্টাম ইন্টারনেট এখন আর কেবল সায়েন্স ফিকশন নয়, বরং বাস্তব সত্য। তাই এই মাইলফলকটি মূলত 'এন্ট্যাঙ্গেলমেন্ট' (Entanglement) নামক একটি প্রক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে কাজ করে, যেখানে দুটি কণা একে অপরের থেকে অনেক দূরে থাকলেও একীভূত অবস্থায় থাকে।</p>
<p data-path-to-node="15"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএস/এমআই</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সাইবার হামলাকারীরা তথ্য চুরির দিকে বেশি ঝুঁকছে</title>
<link>https://digibanglatech.news/163167</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163167</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_695d50e0f0b1c.jpg" length="44470" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 06 Jan 2026 19:16:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; background: white; margin: 10.0pt 0in 10.0pt 0in;"><span style="font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Calibri; color: black; mso-color-alt: windowtext;">সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সফোস, গত এক বছরে র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণে শিকার হওয়া ৩৩২টি ম্যানুফ্যাকচারিং ও প্রোডাকশন প্রতিষ্ঠানের তথ্য বিশ্লেষণ করেছে। এই জরিপটি “</span><span style="font-family: Kalpurush; color: black; mso-color-alt: windowtext;"><a href="https://www.sophos.com/en-us/resources/white-papers/state-of-ransomware-in-manufacturing-and-production"><span style="mso-fareast-font-family: Calibri; color: #1155cc;">সফোস স্টেট অফ র‍্যানসমওয়্যার ইন ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যান্ড প্রোডাকশন ২০২৫</span></a></span><span style="font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Calibri; color: black; mso-color-alt: windowtext;">” শীর্ষক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।</span><span style="font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: Calibri; color: black; mso-color-alt: windowtext;">​</span><span style="font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Calibri;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; background: white; margin: 10.0pt 0in 10.0pt 0in;"><span style="font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Calibri; color: black; mso-color-alt: windowtext;">প্রতিবেদন অনুযায়ী, উৎপাদন খাতে এখন র‍্যানসমওয়্যার হামলাগুলোতে আগের তুলনায় কম ক্ষেত্রে ডেটা এনক্রিপ্ট করা হচ্ছে। এর বদলে সাইবার হামলাকারীরা তথ্য চুরি করে তা ব্যবহার করে মুক্তিপণ আদায়ের দিকে ঝুঁকছে। আবার, সিস্টেম এনক্রিপ্ট করার পাশাপাশি তথ্য চুরির ঘটনাও ঘটছে আর এতে প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি দ্বিগুণ হচ্ছে। আগের চেয়ে বেশি প্রতিষ্ঠানগুলো ফাইল লক হওয়ার আগেই আক্রমণ শনাক্ত ও প্রতিরোধ করতে পারছে। তবে যেসব প্রতিষ্ঠানের ডেটা এনক্রিপ্ট হয়ে যায়, তাদের অর্ধেকেরও বেশি প্রতিষ্ঠানকে এখনো প্রায় পুরো দাবিকৃত মুক্তিপণই পরিশোধ করতে হচ্ছে।</span><span style="font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Calibri;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; background: white; margin: 10.0pt 0in 10.0pt 0in;"><span style="font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Calibri; color: black; mso-color-alt: windowtext;">প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, ডেটা বা তথ্য পুনরুদ্ধারের খরচ ও সময়ের পরিমাণ গড়ে কমে এসেছে। বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানই এখন প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে তাদের সিস্টেম চালু করতে পারছে। অন্যদিকে, উৎপাদন খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো কিছু দুর্বলতার কথা উল্লেখ করেছে, যেমন দক্ষ জনবল ঘাটতি, নিরাপত্তার ঘাটতি চিহ্নিত করতে সমস্যা আর যথেষ্ট সাইবার নিরাপত্তা সমাধান না থাকা। এসব কারণে সাইবার হামলা সফল হচ্ছে, এবং আইটি ও নিরাপত্তা টিমের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।</span><span style="font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Calibri;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; background: white; margin: 10.0pt 0in 10.0pt 0in;"><b><span style="font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Calibri; color: black; mso-color-alt: windowtext;">সাইবার হামলা মোকাবিলায় সফোসের পরামর্শ:</span></b><b><span style="font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Calibri;"><o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; text-indent: -.25in; mso-list: l0 level1 lfo1; background: white; margin: 10.0pt 0in 10.0pt .5in;"><!-- [if !supportLists]--><span style="font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Kalpurush;"><span style="mso-list: Ignore;">●<span style="font: 7.0pt 'Times New Roman';">     </span></span></span><!--[endif]--><b><span style="font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Calibri; color: black; mso-color-alt: windowtext;">মূল সমস্যা দূর করতে হবে:</span></b><span style="font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Calibri; color: black; mso-color-alt: windowtext;"> সাধারণত যেসব প্রযুক্তিগত ও পরিচালনাগত দুর্বলতার কারণে সাইবার হামলা হয়, সেগুলো দ্রুত শনাক্ত করা। সফোস ম্যানেজড রিস্কের মতো সমাধান ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানগুলো সহজে তাদের ঝুঁকি ও দুর্বলতা চিহ্নিত করতে পারে।</span><span style="font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: Calibri; color: black; mso-color-alt: windowtext;">​</span><span style="font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Calibri;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; text-indent: -.25in; mso-list: l0 level1 lfo1; background: white; margin: 0in 0in 10.0pt .5in;"><!-- [if !supportLists]--><span style="font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Kalpurush;"><span style="mso-list: Ignore;">●<span style="font: 7.0pt 'Times New Roman';">     </span></span></span><!--[endif]--><b><span style="font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Calibri; color: black; mso-color-alt: windowtext;">প্রতিটি এন্ডপয়েন্ট সুরক্ষিত করতে হবে:</span></b><span style="font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Calibri; color: black; mso-color-alt: windowtext;"> সার্ভারসহ সব ধরনের ডিভাইসে শক্তিশালী অ্যান্টি–র‍্যানসমওয়্যার সুরক্ষাব্যবস্থা থাকতে হবে, যাতে আক্রমণ শুরু হওয়ার আগেই তা থামানো যায়।</span><span style="font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: Calibri; color: black; mso-color-alt: windowtext;">​</span><span style="font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Calibri;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; text-indent: -.25in; mso-list: l0 level1 lfo1; background: white; margin: 0in 0in 10.0pt .5in;"><!-- [if !supportLists]--><span style="font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Kalpurush;"><span style="mso-list: Ignore;">●<span style="font: 7.0pt 'Times New Roman';">     </span></span></span><!--[endif]--><b><span style="font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Calibri; color: black; mso-color-alt: windowtext;">আগে থেকে পরিকল্পনা ও অনুশীলন করতে হবে: </span></b><span style="font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Calibri; color: black; mso-color-alt: windowtext;">স্পষ্ট ইনসিডেন্ট রেসপন্স প্ল্যান তৈরি করতে হবে। নির্ভরযোগ্য ব্যাকআপ রাখতে হবে এবং তথ্য পুনরুদ্ধারের অনুশীলন করতে হবে, যাতে আক্রমণ হলেও দ্রুত কাজ শুরু করা যায়।</span><span style="font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: Calibri; color: black; mso-color-alt: windowtext;">​</span><span style="font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Calibri;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; text-indent: -.25in; mso-list: l0 level1 lfo1; background: white; margin: 10.0pt 0in 10.0pt .5in;"><!-- [if !supportLists]--><span style="font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Kalpurush;"><span style="mso-list: Ignore;">●<span style="font: 7.0pt 'Times New Roman';">     </span></span></span><!--[endif]--><b><span style="font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Calibri; color: black; mso-color-alt: windowtext;">২৪ ঘণ্টা সিস্টেম পর্যবেক্ষণ:</span></b><span style="font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Calibri; color: black; mso-color-alt: windowtext;"> সর্বক্ষণ সিস্টেমের উপর পর্যবেক্ষণ জরুরি। যেসব প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব জনবল পর্যাপ্ত নয়, তারা ২৪/৭ থ্রেট মনিটরিং ও ইমার্জেন্সি রেসপন্সের জন্য ম্যানেজড ডিটেকশন অ্যান্ড রেসপন্স (এমডিআর) এর মতো পরিষেবাগুলোর সহায়তা নিতে পারে।</span><span style="font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Calibri;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; text-indent: -.25in; mso-list: l0 level1 lfo1; background: white; margin: 10.0pt 0in 10.0pt .5in;"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong><span style="font-family: Kalpurush; color: black; text-decoration: underline;">ডিবিটেক/এএ/এমইউ</span></strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভারত থেকে আসা পণ্যবাহী ট্রাকে যুক্ত হলো ডিজিটাল  &amp;apos;ট্রাক মুভমেন্ট&amp;apos;</title>
<link>https://digibanglatech.news/161320</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161320</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_69457128451e1.jpg" length="127389" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 18 Dec 2025 21:38:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ভারত থেকে আমদানি করা পণ্যবাহী ট্রাকের চলাচল আরও স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমে 'ট্রাক মুভমেন্ট' নামে নতুন একটি সাব-মডিউল চালু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। পাইলট প্রকল্প হিসেবে <span>বেনাপোল কাস্টমস হাউসে মডিউলটি চালু হলেও </span>খুব শিগগিরই দেশের সব স্থলবন্দরে ট্রাক মুভমেন্ট নামের সাব-মডিউলটির লাইভ অপারেশন শুরু করা হবে বলে জানাগেছে।</p>
<p>এনবিআর সূত্রে প্রকাশ, ভারত থেকে আসা আমদানি পণ্যবাহী ট্রাকের প্রবেশ এবং খালি ট্রাকের ফেরত যাওয়ার তথ্য ইলেকট্রনিকভাবে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে এই সাব-মডিউলটি তৈরি করা হয়। এরপর পাইলট প্রকল্প হিসেবে সোমবার বেনাপোলে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়। এর ফলে প্রতিটি ভারতীয় ট্রাকের আগমন ও বহির্গমনের সঠিক তথ্য সংরক্ষিত থাকবে এবং কার্যকরভাবে প্রতিটি ট্রাক মনিটরিং করা সম্ভব হবে।</p>
<p>এনবিআরের ভাষ্য অনুযায়ী, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ভারতের সব ট্রাকের অবস্থানকাল নির্ণয় করা যাবে। একই সঙ্গে তথ্য ব্যবস্থাপনা সহজ হবে, রাজস্বহানি রোধে সহায়ক ভূমিকা রাখবে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে, সীমান্ত সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে এবং রিয়েল-টাইম রিপোর্ট তৈরি করা যাবে।</p>
<p>এ বিষয়ৈ এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল আমিন বলেছেন, প্রাথমিকভাবে বেনাপোল কাস্টমস হাউসে এ সাব-মডিউলটির পাইলট কার্যক্রম গত ১৫ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে। এর আগে ভারতীয় ট্রাকের আগমন ও বহির্গমন সংক্রান্ত কার্যক্রম ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে পরিচালিত হতো। নতুন ডিজিটাল সাব-মডিউল চালুর মাধ্যমে প্রতিটি ট্রাকের প্রকৃত আগমন ও বহির্গমনের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংরক্ষিত হবে। এর ফলে ট্রাকের অবস্থানকাল নির্ণয় এবং প্রতিটি ট্রাক কার্যকরভাবে নজরদারি করা সম্ভব হবে। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে তথ্য ব্যবস্থাপনা সহজ হবে, রাজস্বহানি রোধে সহায়তা করবে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হবে এবং সীমান্ত সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি রিয়েল-টাইম রিপোর্ট প্রণয়ন করা সম্ভব হবে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/অস/ইক</strong></span></em></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দক্ষিণ&#45;দক্ষিণ সেমিকন্ডাক্টর সেতুবন্ধন গড়লো বাংলাদেশ পেনাং রোডশো</title>
<link>https://digibanglatech.news/159431</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159431</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_69189a87b3cba.jpg" length="127499" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 15 Nov 2025 17:22:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রথম দিন নিজেদের সক্ষমতা তুলে ধরে বাকি দুই দিন মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশী প্রকৌশলী এবং দেশটির প্রধান প্রধান সেমিকন্ডাক্টর প্রতিষ্ঠান সফর করে দক্ষিণ-দক্ষিণ সেমিকন্ডাক্টর সেতুবন্ধন গড়ে তুললো বাংলাদেশ পেনাঙ রোডশো। বাংলাদেশী প্রতিনিধি দলটি রোড শো এর শেষ দুই দিন মালয়েশিয়ার পেনাংয়ের পাশের স্টেট কেদ্দায় অবস্থিত র্যাপিড মেনুফ্যাকচারিং কোম্পানি সফরে গিয়ে প্রাইম সিলিকন ও নিউরাল সেমিকন্ডাক্টর অধিকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। চিপ ডিজাইন কোম্পানি ইনফিনেকস, এমিকাস করপোরেশন, প্রোটোটাইপিং কোম্পিনি ওয়াইবিএস এবং চীনা কোম্পানি টিএফ-এএমডিসহ বেশি কিছু প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং করেছেন। এতে হিনচু এর মতো প্রতিষ্ঠান যৌথ ভাবে বাংলাদেশের একটি রোবটিক্স ইন্ডইস্ট্র গড়তে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।   </p>
<p>দেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে ‌'সিলিকন রিভার' হিসেব প্রতিষ্ঠিত করতেই ১১-১৩ নভেম্বর মালয়েশিয়ায় এই রোড শো'র আয়োজন করেছিলো বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআইএ)। রোডশো'র মাধ্যমে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর সাপ্লাই চেইনের এক উদীয়মান অংশীদার হিসেবে তুলে ধরেছে এবং দুই দেশের মধ্যে একটি সম্ভাবনাময় দক্ষিণ–দক্ষিণ সিলিকন করিডরের ভিত্তি তৈরি করেছে। </p>
<p>এ উপলক্ষে পেনাং-এর একটি হোটেলে গত ১১ নভেম্বর একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে শীর্ষ মালয়েশীয় নেতৃবৃন্দ অংশ নেন, যার মধ্যে ছিলেন পেনাংয়ের ডেপুটি চিফ মিনিস্টার এবং মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের মান্যবর হাইকমিশনার ও ডেপুটি হাইকমিশনার। এছাড়াও মালয়েশিয়া সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (এমএসআইএ) ও মালয়েশিয়া বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (মাইডা)-এর উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ। অনুষ্ঠানে বক্তৃতাদানকালে পেনাংয়ের ডেপুটি চিফ মিনিস্টার ওয়াইবি এন জাগদীপ সিং দেও বলেন, যেভাবে বহু বৈশ্বিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান পেনাং-এ তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে, বিএসআইএ-এর সদস্য প্রতিষ্ঠানসমূহও এখন এ সমৃদ্ধ ইকোসিস্টেমে নিজেদের অবস্থান তৈরি করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী দিনে সেমিকন্ডাক্টর খাতে পেনাং ও বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতা আরও বাস্তবসম্মত ও শক্তিশালী হবে।</p>
<p>মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার জনাব মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী তার বক্তব্যে পেনাং-এ কর্মরত সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে গভীরতর অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে এবং বৈশ্বিক অঙ্গনে বিস্তৃত একটি বৃহৎ দক্ষ ও মেধাবী তরুণ ও অভিজ্ঞ পেশাজীবী গোষ্ঠী রয়েছে, যারা উন্নত সেমিকন্ডাক্টর গবেষণা, ডিজাইন ও উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।</p>
<p>রোডশো চলাকালে বিএসআইএ প্রতিনিধিদল মালয়েশিয়ার শীর্ষ সেমিকন্ডাক্টর প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে বৈঠক করে এবং র‍্যাপিড ম্যানুফ্যাকচারিং, ইনফিনেক্স কর্পোরেশন, টিএফ-এএমডি, মাইক্রো মডুলার সিস্টেম, অ্যামুলাস কর্পোরেশন, ওয়াইবিএস ইন্টারন্যাশনাল এবং পেনাং স্কিলস ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (পিএসডিসি) পরিদর্শন করে।<br>বিএসআইএ সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল জব্বার বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টরি শিল্পের অগ্রগতি তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ কেবল দর্শক নয়, বরং সেমিকন্ডাক্টর বিপ্লবে অংশ নিতে এগিয়ে এসেছে। এই রোডশো প্রমাণ করেছে যে, বাংলাদেশ বৈশ্বিক ভ্যালু চেইনে সহযোগিতা, অংশীদারিত্ব এবং তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম।<br>পারডু ইউনিভার্সিটির প্রফেসর মুহাম্মদ মুস্তাফা হুসাইন বলেন, সিলিকন রিভার আমাদের অভিন্ন ভবিষ্যৎ। আমরা প্রতিটি কোম্পানির দরজায় নক করব এবং একটি দক্ষিণ–দক্ষিণ সিলিকন করিডরের ভিত্তি গড়ে তুলব। তিনি আরও বলেন, এটা কেবল শুরু। আমাদের লক্ষ্য এতটাই উচ্চ হওয়া উচিত যে তা সম্পূর্ণ অর্জন করা কঠিন। কিন্তু সেই লক্ষ্যে এগোতে গিয়ে আমরা অসম্ভবকে জয় করবো।</p>
<p>ক্রেডো সেমিকন্ডাক্টরের এভিপি ড. শাতিল হক বলেন, এই রোডশো একটি নতুন আঞ্চলিক জোটের সূচনা। এর উদ্দেশ্য থেকে বাস্তবায়নে, কথোপকথন থেকে সহ-সৃষ্টিই আমাদের লক্ষ্য। </p>
<p>বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে নিউরাল সেমিকন্ডাক্টর, উলকাসেমি, প্রাইম সিলিকন, সিলিকোনোভা, ক্যাকটাস ম্যাটেরিয়ালস এবং আই টেস্ট বাংলাদেশের উর্ধতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। রোডশোটি চিপ ডিজাইন, প্যাকেজিং, টেস্ট ইঞ্জিনিয়ারিং, অটোমেশন, কর্মী উন্নয়ন ও উদ্ভাবনভিত্তিক সেমিকন্ডাক্টর কার্যক্রমে নতুন সহযোগিতার পথ উন্মুক্ত করেছে।  </p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/এইচএ/ইক</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘সিলিকন রিভার’ ভিশন নিয়ে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/159312</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159312</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_69140b2e3b5a8.jpg" length="111842" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 12 Nov 2025 00:22:02 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর খাতে গড়ে উঠেছে  এক ডজনেরও বেশি নতুন স্টার্টআপ। এর অনেকগুলোই গড়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ বা মালয়েশিয়া থেকে ফেরা অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়াররা। বুয়েট, চুয়েট, কুয়েট, আইইউটি, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়সহ শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো এখন নিজস্ব ভিএলএসআই (Very Large Scale Integration) ল্যাব ও গবেষণা ইউনিট চালু করেছে। উদ্বোধন করা হয়েছে একটি ভিএলএসআই ইনস্টিটিউটও।</p>
<p>দেশের মাটিতে যখন এই ইনস্টিটিউটটি উদ্বোধন হচ্ছে, তখন মালয়েশিয়ার পেনংয়ে চিপ ডিজাইন, এআই চালিত চিপ ইঞ্জিনিয়ারিং, আউটসোর্সড টেস্টিং সার্ভিসেস খাতে নিজেদের সক্ষমতা তুলে ধরছে বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআইএ)। সংগঠনির উদ্যোগে ১১ নভেম্বর শুরু হওয়া রোড শো-তে কত দ্রুত বাংলাদেশ এই খাতে দক্ষতা, বৈচিত্র্য ও পরিণত এক ইকোসিস্টেম গড়ে তুলেছে তা তুলে ধরছেন অংশগ্রহণকারীরা। তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক রোড শো-তে শুধু প্রযুক্তির নয়, বরং বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক কূটনীতির সূচনা হিসেবে সেখানে তারা উপস্থাপন করছেন ভবিষ্যতের ‘সিলিকন রিভার বাংলাদেশ’-কে।</p>
<p>বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর রোডশো উদ্বোধন করেন  পেনাংয়ের উপ–মুখ্যমন্ত্রী ওয়াইবি জগদীপ সিং দেও। বাংলাদেশ হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী এবং বিএসআইএ সভাপতি এম এ জব্বার।</p>
<p>অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে বিয়ার সামিটের আহ্বায়ক পার্ডু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুহাম্মদ মুস্তাফা হোসেন সেমিকন্ডাক্টর শিল্পখাতে বাংলাদেশের সক্ষমতা ও পরবর্তী পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সেমিকন্ডাক্টর নকশা ও ভেরিফিকেশনে  বাংলাদেশ ও মালোয়েশিয়া এক সঙ্গে কাজ করতে পারে। এআই যেহেতু এর অনেক কাজই করে দেবে তাই আমরা বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের মধ্যে আইপি শেয়ারিং ও প্রশিক্ষণ সহযোগিতা, এমনকি দ্বিপাক্ষিক ‘সেন্টার অব এক্সেলেন্স’ ও যৌথ ভেঞ্চার ল্যাব স্থাপন করতে পারি। এরমাধ্যমে আইপি, লাইসেন্সিং ইত্যাদি বিষয়ের জন্য ডিজিটাল টুইন বানাতে পারি। ইতিমধ্যেই আমরা <br> <br>রোড শো-তে নিজেদের অ্যানালগ, আরএফ ও ফোটোনিক্স ডিজাইনের সঙ্গে দর্শনার্থীদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে  উলাকসেমি ও নিউরাল সেমিকন্ডাক্টর। ডিজিটাল ইমপ্লিমেন্টেশন ও ফাউন্ড্রি প্রস্তুতি দেখাচ্ছে প্রাইম সিলিকন। এআই-ভিত্তিক ডিজাইন অটোমেশন ও ওএসএটি সহযোগিতা তুলে ধরছে সিলিকোনোভা লিমিটেড। বাংলাদেশের চিপ টেস্টিং ও রিলায়েবিলিটি সেবা উপস্থাপন করছে আই-টেস্ট বাংলাদেশ। আর পাওয়ার ডিভাইস ও ফোটোনিক্স ক্ষেত্রে পথপ্রদর্শক ক্যাকটাস ম্যাটেরিয়ালস দেখাচ্ছে নিজেদের উদ্ভাবিত পণ্য ও সেবা। </p>
<p>মালয়েশিয়ার বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন, ইনভেস্ট পেনাং, ডেলয়েট, ইনফিনিয়ন, এএসই, টিএফ-এএমডি, ইনারি, ইনফিনেক্সসহ বহু আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগ সংস্থাগুলো দেখছে ও জানছে বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্প খাতকে। একই সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক উৎকর্ষ সাধন, চিপ টেস্টিং, প্যাকেজিং এবং সেমিকন্ডাক্টর সরবরাহ-চেইন সম্প্রসারণের যৌথ উদ্যোগ খুঁজছেন বাংলাদেশী উদ্যোক্তারা।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সূর্যের আলোয় চলবে ব্র্যাক</title>
<link>https://digibanglatech.news/159265</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159265</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_691233c55f008.jpg" length="109323" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 10 Nov 2025 23:50:29 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য নিজেদের ৩২টি স্থাপনায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করবে বেসরকারী সংস্থা ব্র্যাক। সৌর বিদ্যুতের শক্তিতে এসব স্থাপনার জ্বালানী শক্তি মেটাতে ১০ নভেম্বর, সোমবার ঢাকার মহাখালীতে অবস্থিত ব্র্যাক সেন্টারে এ নিয়ে  ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (আইডিসিওএল) এর সঙ্গে একটি চুক্তি সই হয়েছে। ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ এবং আইডিসিওএলের নির্বাহী পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর মোর্শেদ তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিভাগের প্রধান মো. এনামুল করিম পাভেল এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প- আইডিসিওএল  সহকারী ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. আশাদুজ্জামান এবং ব্র্যাক এর নগর উন্নয়ন এবং দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা মো. সাব্বির আহমেদ ও জলবায়ু পরিবর্তন পরিচালক মো. লিয়াকত আলী উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>চুক্তির অধীনে ব্র্যাকের জন্য মোট ৪.০৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে আইডিওসিওএল।</p>
<p>ব্র্যাক এবং আইডিসিওএল এর যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত এই প্রকল্পে বাংলাদেশের ২১টি জেলার ৩২টি ব্র্যাক স্থাপনায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হবে। প্রতিটি স্থাপনার ক্ষমতা স্থাপনার আকার এবং কার্যকারিতার উপর নির্ভর করে নির্ধারিত হবে। এর মধ্যে কয়েকটি প্যানেল থেকে ৫১১ কিলোওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। প্রকল্পটি সমর্থন করার জন্য আইডিসিওএল কারিগরি সহায়তা প্রদান করছে।</p>
<p>এই প্রকল্পের মাধ্যমে, ব্র্যাক, ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজেস, আয়েশা আবেদ ফাউন্ডেশন এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যাপক ব্যাবহারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সরকারের নেট মিটারিং নীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে, উৎপাদিত যেকোন উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে, যার ফলে ব্র্যাক ঋণ বা আর্থিক সুবিধা পাবে।</p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/আইএইচ</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘মস্তিষ্ক হ্যাক’ এর দাবি কুতুবদিয়ার হারুনুর রশিদের</title>
<link>https://digibanglatech.news/158058</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158058</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68e2a91658370.jpg" length="110815" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 05 Oct 2025 17:21:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>মস্তিষ্কে ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক ডিভাইস বসিয়ে ‘হ্যাক’ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার আলী আকবার ডেইল ইউনিয়নের সিকদারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য হারুনুর রশিদ (৩৪)। তার মতো আরো অনেকেই এরকম ‘সাইকোট্রনিক উইপন’- এ আক্রান্ত বলে দাবি করেছেন তিনি। তাই  জনস্বার্থে </span><span>বিষয়টি নিয়ে সরকারের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে তার মাথার পেছনে স্থাপিত এমন একটি ‘চিপ’ অপসারণে সরকারে সহযোগিতাও প্রত্যাশা করেছেন তিনি। </span></p>
<p><span> ৫ সেপ্টেম্বর, রবিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি হলে সংবাদ সম্মেলন করে এই সহায়তা চেয়েছেন তিনি। এসময় তার আইনজীবি শাহরিয়ার তুহিন উপস্থিত ছিলেন। </span></p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে হারুন জানান, কয়েক বছর আগে শ্বশুরবাড়িতে থাকার সময় বিদেশি এক ‘ব্রেন হ্যাকার’ চক্র দেশীয় সহযোগীদের সহায়তায় তাকে অজান্তে ইনজেকশন পুশ করে মাথায় ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক ডিভাইস বা নিউরোচিপ বসিয়ে দেয়। চা পান করার পর তিনি কয়েক ঘণ্টা অচেতন হয়ে পড়েন। জেগে ওঠার পর মাথায় ব্যথা ও হালকা রক্তপিণ্ডের মতো কিছু লক্ষ্য করেন। এরপর থেকেই তিনি কানে অচেনা কণ্ঠের ‘গায়েবি আওয়াজ’ শুনতে পান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এলোমেলো হয়ে যায় এবং ব্যবহৃত স্মার্টফোনে অজানা অ্যাপস স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডাউনলোড হতে থাকে। কয়েক দফায় তার ব্যাংক হিসাব থেকেও অর্থ গায়েব হয়ে গেছে বলে জানান তিনি।</p>
<p>হারুনুর রশিদ বলেন, কোনো অ্যান্ড্রয়েড ফোন হাতে নিলেই আমার শরীর হালকা কেঁপে ওঠে। আমার স্পর্শ করা ফোন মুহূর্তেই অন্য কারও নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। এতে হ্যাকাররা আমার সব তথ্য ও অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। আমি শুধু নিজের জন্য নয়, এই অদৃশ্য সাইবার অপরাধ চক্রের হাত থেকে অসংখ্য মানুষকে রক্ষা করার জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সাংবাদিকরা চাইলে গভীরভাবে তদন্ত করে সত্য উদঘাটন করতে পারেন।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, ঘটনাটির পর তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন। তার মাথার অক্সিপেটাল হাড়ের কাছ থেকে একটি ক্ষুদ্র ‘ফরেইন বডি’ও পাওয়া গেছে বলে দাবি জানান তিনি। বলেন, ডিভাইসটির আকৃতি কয়েকটি চালের দানার মতো, ওপরের অংশ স্টেইনলেস স্টিলের মতো চকচকে এবং তাতে চৌম্বকীয় শক্তি রয়েছে।</p>
<p>তার আইনজীবী শাহরিয়ার তুহিন সংবাদ সম্মেলনে জানান, দুটি পৃথক অস্ত্রোপচারের সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন এবং দ্বিতীয় অপারেশনে ক্ষুদ্র ওই ডিভাইসটি উদ্ধার করা হয়। এর ভিডিও ফুটেজও সংরক্ষিত রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।</p>
<p>আইনজীবী বলেন, উন্নত দেশগুলোতে গুপ্তচরবৃত্তির পর্যায়ে এ ধরনের প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা চলছে। শুরুতে বিশ্বাস করা কঠিন হলেও ইন্টারনেটে খুঁজে এ বিষয়ে অনেক তথ্য পাওয়া গেছে।</p>
<p>বর্তমানে বিষয়টি চট্টগ্রামের বিভাগীয় সাইবার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন এবং তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিআইডিকে।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে হারুনুর রশিদ দাবি করেন, আমি শুধু নিজের জন্য নয়, এ অদৃশ্য সাইবার অপরাধচক্রের হাত থেকে অসংখ্য মানুষকে রক্ষা করার জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সাংবাদিকরা চাইলে গভীরভাবে তদন্ত করে সত্য উদঘাটন করতে পারেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>শেখ হাসিনার ৬৯টি অডিও ক্লিপ ও ৩টি মোবাইল নম্বরের সিডিআর তুলে ধরলেন</title>
<link>https://digibanglatech.news/157738</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157738</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d40b7767f6e.jpg" length="94305" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 24 Sep 2025 17:21:30 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<article class="mb-5">
<p>মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফোনালাপের ৬৯টি অডিও ক্লিপ এবং ৩টি মোবাইল নম্বরের সিডিআর জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে চারটি ফোনালাপ ২৪ সেপ্টেম্বর, বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ ৫৩তম সাক্ষী উপস্থাপনের সময় বাজিয়ে শোনানো হয়েছে, যেটি সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে।</p>
<p>শেখ হাসিনার এই চারটি ফোনালাপের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও তার আত্মীয় শেখ ফজলে নূর তাপসের সঙ্গে একটি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনুর সঙ্গে দুটি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এ এস এম মাকসুদ কামালের একটি ফোনালাপ রয়েছে।</p>
<p>এদিন ৫৩তম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন এ মামলার বিশেষ তদন্তকারী কর্মকর্তা ও প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা।</p>
<article class="my-5">
<p>আদালতে তানভীর হাসান জোহা বলেন, ‘তদন্তকালে আমি বিটিআরসি, এনটিএমসি, ডিএমপিসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর হতে বিভিন্ন অডিও ক্লিপ, ভিডিও ফুটেজ, সিডিআর, আইপিডিআর, সিসি ক্যামেরা ফুটেজসহ ডিজিটাল ফরেনসিক বিষয় বিধি মোতাবেক বিভিন্ন আলামত সংগ্রহের কাজ শুরু করি। এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফোনালাপের ৬৯টি অডিও ক্লিপ এবং ৩টি মোবাইল নম্বরের সিডিআর এনটিএমসির সহকারী ইঞ্জিনিয়ার এবং প্রশিক্ষক সাদি মোহাম্মদ রিফাতের উপস্থাপন মতে বিধি মোতাবেক জব্দ করি।’</p>
<p>‘সংগৃহীত অডিও ক্লিপগুলো ২০২৪ সালেরর ২৪ ডিসেম্বর থেকে পর্যালোচনা শুরু করি। পর্যালোচনাকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ফজলে নূর তাপসের একটি ফোনালাপ, যা একটি ডিভিডিতে ধারণপূর্বক তাদের প্রামাণ্য কণ্ঠস্বর সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ফরেনসিক শাখা, সিআইডি ঢাকায় প্রেরণ করি। এই ফোনালাপের শুরুতে কলকারী ব্যক্তি এবং অন্য একজন ব্যক্তির কথোপকথন শোনা যায়। শেখ হাসিনার ফোনালাপ শেষে অন্য এক পুরুষের কণ্ঠস্বর শোনা যায়।’</p>
<article class="my-5">
<p> ‘সিআইডির ফরেনসিক বিভাগের পরিদর্শক রুকনুজ্জামান গত ১৬ জানুয়ারি ওই ফোনালাপ পরীক্ষান্তে নিশ্চিত করেন যে অডিও ক্লিপে ফোনালাপকারী একজন শেখ হাসিনা ও অপরজন ফজলে নূর তাপস। ওই মতামত আমি তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্বয়কের কাছে হস্তান্তর করি’- যোগ করে তানভীর জোহা।</p>
<p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসির সঙ্গে ফোনালাপের অডিও সম্পর্কে তানভীর জোহা বলেন, ‘অডিওসমূহ পর্যালোচনাকালে আমি শেখ হাসিনা ও তৎকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি এস এম মাকসুদ কামালের ফোনালাপ শনাক্তপূর্বক একটি সিডি ডিস্কে সংরক্ষণ করে তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্বয়কের নিকট হস্তান্তর করি।</p>
<article class="my-5">তাদের দুজনের প্রামাণ্য কণ্ঠস্বরসহ উহার একটি কপি পরীক্ষার জন্য ফরেনসিক ল্যাব সিআইডি ঢাকায় প্রেরণ করি। এসআই শাহেদ জুবায়ের লরেন্স পরীক্ষান্তে রিপোর্টসহ মতামত প্রদান করেন। মতামতে তিনি উল্লেখ করেন যে উক্ত ফোনালাপটি ছিল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি এস এম মাকসুদ কামালের। উক্ত মতামত আমি তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্বয়কের নিকট হস্তান্তর করি। ’
<p>জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনুর সঙ্গে ফোনালাপের অডিও সম্পর্কে তানভীর জোহা বলেন, ‘উক্ত অডিওসমূহ পর্যালোচনা অব্যাহত থাকাকালীন সময় হাসানুল হক ইনু এবং শেখ হাসিনার ৩টি ফোনালাপ শনাক্তপূর্বক একটি ডিভিডি ডিস্কে সংরক্ষণ করে তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্বয়কের নিকট হস্তান্তর করি।</p>
<article class="my-5">এসআই শাহেদ জুবায়ের লরেন্স পরীক্ষান্তে উক্ত ফোনালাপগুলো শেখ হাসিনা এবং হাসানুল হক ইনুর কণ্ঠস্বর মর্মে মতামত প্রদান করেন।’
<p>তানভীর জোহা আরো বলেন, ‘ওই ফোনালাপসমূহ পর্যালোচনা করে দেখা যায় গত ২০২৪ সালের জুলাই আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে শেখ হাসিনা লেখাল উইপন ব্যবহার করে সরাসরি গুলির নির্দেশ দিয়েছেন এবং ড্রোনের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের অবস্থান নির্ণয় পূর্বক হেলিকপ্টার থেকে বোম্বিং করা, ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করাসহ আন্দোলনকারীদের রাজাকার হিসেবে চিহ্নিত করে তাদের ফাঁসি দেওয়ার কথা বলেছেন। তারা উক্ত ফোনালাপে ইংল্যান্ডের উদাহরণ দিয়ে আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীদের দমন করতে বলেছেন। উক্ত ৫টি অডিও কথোপকথন সংবলিত ৩ সিডি অদ্য ট্রাইব্যুনালে দাখিল করলাম।’</p>
<p>পরে তানভীর হাসান জোহাকে জেরা করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত শেখ হাসিনার আইনজীবী আমির হোসেন। এ মামলায় শেখ হাসিনা ছাড়া অপর দুই আসামি হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।</p>
<p>এ মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন তদন্ত সংস্থার উপপরিচালক মো. জানে আলম খান। পরে তদন্ত করেন উপপরিচালক মো. আলমগীর। সার্বিক সহযোগিতা করেছিলেন বিশেষ তদন্তকারী কর্মকর্তা তানভীর হাসান জোহা। এ ঘটনায় তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীর গত ১২ মে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরবর্তীতে ৩১ মে সম্পূরক অভিযোগ দেওয়া হয়। ১ জুন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়।</p>
<p>গত ১০ জুলাই এ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে সাবেক আইজিপি মামুন নিজেকে ‘অ্যাপ্রুভার’ (রাজসাক্ষী) হিসেবে যে আবেদন করেছেন, তা মঞ্জুর করেন ট্রাইব্যুনাল।</p>
</article>
</article>
</article>
</article>
</article>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তিখাতের ১০টি মেগাট্রেন্ড নিয়ে হুয়াওয়ের প্রতিবেদন প্রকাশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/157704</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157704</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d28aa5911bd.jpg" length="40110" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 23 Sep 2025 15:56:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>‘ইন্টেলিজেন্ট ওয়ার্ল্ড ২০৩৫ রিপোর্ট’ ও ‘গ্লোবাল ডিজিটালাইজেশন অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স ইনডেক্স ২০২৫ রিপোর্ট’ শীর্ষক দুইটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করেছে বৈশ্বিক টেলিকম প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে। প্রতিবেদনে আগামী ১০ বছরে সম্ভাব্য কিছু বড় প্রযুক্তিগত পরিবর্তন অর্থাৎ মেগাট্রেন্ড উল্লেখ করা হয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, উৎপাদন শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতসহ বিভিন্ন শিল্পে প্রযুক্তিগুলির প্রভাব নিয়েও এতে আলোচনা করা হয়েছে।</p>
<p> হুয়াওয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,  হুয়াওয়ের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর অব দ্য বোর্ড ডেভিড ওয়াং বলেন, “সভ্যতার প্রতিটি অগ্রগতি এসেছে প্রযুক্তিগত অনুসন্ধানের হাত ধরে। অনুসন্ধানের প্রবণতা মানবজাতির স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য। এটি আমাদের জ্ঞান ও প্রযুক্তির সীমানা বিস্তৃত করতে অনুপ্রাণিত করে। আর আজ সেই প্রেরণাই আমাদের আরও বুদ্ধিবৃত্তিক বিশ্বের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। জেনারেটিভ এআই এমন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিচ্ছে, যা আমরা আগে কল্পনাও করতে পারিনি। তাই আমাদের অবশ্যই ভবিষ্যতের দিকে তাকাতে হবে এবং নতুন বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি ও ধারণা গড়ে তুলতে হবে।”<br>গত দুই বছরে হুয়াওয়ের গবেষণা দল বিশ্বজুড়ে ২০০–এরও বেশি কর্মশালা আয়োজন করেছে এবং ১০০–এরও বেশি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, গ্রাহক ও অংশীদারের সঙ্গে গভীর পর্যালোচনা করেছে। এর ভিত্তিতেই তৈরি হয়েছে ’ইন্টেলিজেন্ট ওয়ার্ল্ড ২০৩৫ রিপোর্ট’। জাতিসংঘ ও ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের মতো বিশ্বস্ত উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্য ও পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে তৈরি এই রিপোর্টে ১০টি প্রযুক্তির মেগাট্রেন্ড উল্লেখ করা হয়েছে, যা হুয়াওয়ের মতে আগামী দশকে বুদ্ধিবৃত্তিক রূপান্তরকে পরিচালিত করবে।</p>
<p>মেগাট্রেন্ড ১: কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা (এজিআই) এই রূপান্তরের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি হবে। এর জন্য কৃত্রিম বৃদ্ধিমত্তাকে বাস্তব প্রয়োগের সাথে একীভূত করা প্রয়োজন। কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তার ফলে অভূতপূর্ব প্রযুক্তিগত উন্নয়ন সম্ভব হবে। </p>
<p>মেগাট্রেন্ড ২: লার্জ মডেলগুলি (বড় পরিসরের এ্আই মডেল) বিকাশের সাথে সাথে এআই এজেন্ট সাধারণ কাজের মাধ্যম থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সহযোগীতে পরিণত হবে এবং বিভিন্ন শিল্পে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসবে। </p>
<p>মেগাট্রেন্ড ৩: হিউম্যান-এআই প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট নতুন রূপ পাবে। এর ফলে মানুষ উচ্চ পর্যায়ের ডিজাইন এবং সৃজনশীল চিন্তাভাবনার উপর বেশি মনোযোগ দিতে পারবে। অন্যদিকে, এআই একই ধরনের কোডিংয়ের কাজগুলি দক্ষতার সাথে পরিচালনা করবে।</p>
<p>মেগাট্রেন্ড ৪: মানুষ ও কম্পিউটারের মধ্যকার যোগাযোগ পর্যায়ক্রমে গ্রাফিক্সভিত্তিক ইন্টারফেস থেকে সাধারণ ভাষা ও মাল্টিমোডাল (বহুমুখী) ইন্টারফেস ভিত্তিক হয়ে উঠবে। এর ফলে সম্পূর্ণ ইন্দ্রিয়গত অভিজ্ঞতা পাওয়া সম্ভব হবে। ইন্টারফেসগুলো ব্যবহারকারীর কণ্ঠ, অঙ্গভঙ্গিসহ নানা উপায়ে ডিজিটাল বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ করে দেবে।</p>
<p>মেগাট্রেন্ড ৫: মোবাইল অ্যাপগুলি আলাদা ইউনিট হিসেবে কাজ না করে এআই এজেন্টের মাধ্যমে বড় একটি সিস্টেমের অংশ হিসেবে কাজ করবে। এর ফলে এআই এজেন্টগুলি শুধু ব্যবহারকারীর কমান্ড নিয়েই অন্যান্য সার্ভিস ব্যবহার করতে পারবে। </p>
<p>মেগাট্রেন্ড ৬: ওয়ার্ল্ড মডেলের (বাস্তব পরিস্থিতি বুঝতে সক্ষম) মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তির অগ্রগতি লেভেল ফোর বা আরও উচ্চ স্তরের স্বয়ংক্রিয় যানবাহন তৈরিতে ভূমিকা রাখবে। এই যানবাহন মোবাইল থার্ড স্পেস (শুধু যাতায়াত নয়, বরং বসে কাজ করা, বিশ্রাম নেওয়া বা সময় কাটানোর জন্য ব্যবহার করা যায়) হিসেবে কাজ করবে ।</p>
<p>মেগাট্রেন্ড ৭: ২০৩৫ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী কম্পিউটিং ক্ষমতা ভন নিউম্যান আর্কিটেকচারের (আধুনিক কম্পিউটারের মূল ডিজাইন) সীমা পেরিয়ে ১,০০,০০০ গুণ বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে কম্পিউটিং ইকোসিস্টেম নতুনভাবে গড়ে উঠবে। যে চারটি মূল ক্ষেত্রে যুগান্তকারী উদ্ভাবন ঘটবে সেগুলি হলো: সেমিকন্ডাক্টরের উপকরণ ও ডিভাইস, প্রক্রিয়াজাতকরণের প্রযুক্তি, কম্পিউটিং আর্কিটেকচার এবং কম্পিউটিং প্যারাডাইম।</p>
<p>মেগাট্রেন্ড ৮: এজেন্টিক এআই ডেটা স্টোরেজের ক্ষেত্রে মৌলিক পরিবর্তন আনবে, কারণ ২০২৫ সালের তুলনায় এআই স্টোরেজের চাহিদা ৫০০ গুণ বৃদ্ধি পাবে। বিশ্বের মোট স্টোরেজের ৭০ শতাংশ হবে এআই স্টোরেজ।</p>
<p>মেগাট্রেন্ড ৯: নয়শো কোটি মানুষ নয়শো বিলিয়ন এজেন্টের সঙ্গে সংযুক্ত হবে। এর ফলে মোবাইল ইন্টারনেট এজেন্টিক ইন্টারনেটে (এআই এজেন্টের স্বয়ংক্রিয় ক্ষমতাযুক্ত) রূপান্তরিত হবে। </p>
<p>মেগাট্রেন্ড ১০: ২০৩৫ সালের মধ্যে গ্লোবাল ডেটা সেন্টারগুলোর বিদ্যুতের ব্যবহার প্রায় ১.৫ ট্রিলিয়ন কিলোওয়াট-আওয়ার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অর্থাৎ, নতুন এনার্জি সিস্টেমে এআই পুরোপুরি অন্তর্ভুক্ত না হওয়া পর্যন্ত শক্তির চাহিদা এর দ্রুত প্রসারকে বাধাগ্রস্ত করবে। এই পরিবর্তনের কারণে ২০৩৫ সালের মধ্যে বৈশ্বিক পর্যায়ে ব্যবহৃত শক্তির মিশ্রণে বায়ু ও সৌর শক্তির অংশ হবে ৫০ শতাংশ। </p>
<p>‘ইন্টেলিজেন্ট ওয়ার্ল্ড ২০৩৫ রিপোর্টে’ ২০৩৫ সালের মধ্যে এআই কীভাবে আমাদের দৈনন্দিন জীবন, ঘরবাড়ি, ব্যবসা ও পরিবেশে ব্যবহৃত হবে তার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এই রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, এআই সক্রিয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ৮০ শতাংশের বেশি দীর্ঘস্থায়ী রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করবে এবং চীনের ৯০ শতাংশের বেশি বাড়িতে বুদ্ধিমান রোবট থাকবে।</p>
<p>হুয়াওয়ে অর্থনীতি, সমাজবিজ্ঞান এবং আইসিটি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কাজ করে গ্লোবাল ডিজিটালাইজেশন ইনডেক্সকে (জিডিআই) নতুনভাবে প্রকাশ করেছে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের আইসিটি শিল্পের কার্যকারিতা পরিমাপ করা হয়। নতুন এই গ্লোবাল ডিজিটালাইজেশন এবং ইন্টেলিজেন্স ইনডেক্সে (জিডিআইআই) নতুন কিছু অর্থনৈতিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে ডিজিটাল অর্থনীতির মাধ্যমে এআইয়ের সুবিধা নেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাওয়া যায়।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পদ্মা সেতুতে  নন&#45;স্টপ টোল কালেকশন উন্মুক্ত</title>
<link>https://digibanglatech.news/157477</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157477</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68c8fa315a708.jpg" length="67040" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 16 Sep 2025 10:19:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পদ্মাসেতু পাড়ে মোটর সাইকেল ছাড়া অন্য সব যানবাহনই এখন থেকে সেতুর টোল প্লাজায় না থেমেই পরিশোধ করতে পারছে টোল। এজন্য সেতুর দুই প্রান্তে দুইটি করে মোট ৪টি লেনে ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে। </p>
<p><span>এখান থেকেই বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) কর্তৃক গাড়ির উইন্ডশিল্ডে সংযুক্ত স্টিকার (ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির জন্য ব্যবহৃত) একটি রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (আরএফআইডি) ট্যাগ ব্যবহার করে যানবাহনগুলো থেকেই সেতুতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইটিসি পদ্ধতিতে টোল আদায় করা শুরু হয়েছে ১৫ সেপ্টেম্বর, সোমবার বিকেল থেকে। </span></p>
<p><span>পাইলট প্রকল্প হিসেবে এই সেবা চালুর বিষয়ে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের অতিরিক্ত পরিচালক শেখ ইশতিয়াক আহমেদ বলেছেন, পরীক্ষায় কিছু মাইনর এরর আসছে। ১০-১৫ দিনের মধ্যে এগুলো ফিক্সড হয়ে যাবে। এরপর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলে এটি পুরোপুরি লাইভে চলে যাবে। </span></p>
<p><span>এই পদ্ধতিতে টোল পরিশোধ সুবিধা পেতে হলে </span><span> </span>ইটিসি সিস্টেমে আগ্রহী ব্যবহারকারীদের প্রথমে ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেডের টেপ অ্যাপে গিয়ে ‘ডি-টোল’ অপশনে গাড়ি রেজিস্ট্রেশন ও রিচার্জ সম্পন্ন করতে হয়। এরপর পদ্মা সেতুর ‘আরএফআইডি’ বুথে শুধু প্রথমবারের মতো ‘আরএফআইডি’ ট্যাগ চেক ও রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শেষ করতে হয়। প্রক্রিয়া শেষ হলে গাড়ি ব্যবহারকারীরা ন্যূনতম ৩০ কিলোমিটার/ঘণ্টা গতিতে ইটিসি লেন ব্যবহার করতে পারেন। এ সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট থেকে নির্ধারিত টোল কেটে নেওয়া হবে। ভবিষ্যতে টেপের পাশাপাশি অন্য ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাপও এই সেবার সঙ্গে যুক্ত হবে বলে আশা করা যায়। টেপসহ বিভিন্ন ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য কাজ করছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের এটুআই।</p>
<p data-block-key="d5mhl">সূত্রমতে, নতুন করে সেতু কর্তৃপক্ষ ইউনিভার্সাল প্রসেসে বা সর্বজনীন ব্যবস্থার সুবিধা রেখে যে কোনো অ্যাপের মাধ্যমে ইটিসি পদ্ধতিতে ডিজিটাল পে সিস্টেম চালুর চেষ্টা করে যাচ্ছে। ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম অ্যাপের সহযোগিতায় ইটিসি ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে। এ পদ্ধতিতে অ্যাপের সাথে যুক্ত হওয়া মোবাইলফোন ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান বিকাশ, রকেট, নগদ, উপায়সহ বা অন্য যে কোনো ব্যাংকের ডিজিটাল মানি ট্রানজেকশন ব্যবহার করে যানবাহনের চালকরা সেতুর টোল দিতে পারবেন। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে এ বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।</p>
<p data-block-key="b7pm0">এর আগে গত ৩০ এপ্রিল রাজধানীর সেতু ভবনে সেতু বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ তিনটি ব্যাংক ও মোবাইলফোন ফাইন্যানশিয়াল সার্ভিসের সাথে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তখন<span> সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেছিলেন, ‘সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান মহাসড়কে টোল আদায়ে স্বস্তি, সময় সাশ্রয় ও সেবা সহজীকরণের নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই আলোকে এ ইটিসি সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এটি শুধু পদ্মা সেতু নয়, যমুনা সেতু, কর্ণফুলী টানেলসহ অন্য সেতুতেও আধুনিক ও প্রযুক্তি নির্ভর টোল আদায়ের পথে এক বড় মাইলফলক।’</span></p>
<p>এ নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, সেতু বিভাগ, বিআরটিএ এবং ডিটিসিএ মিলে আমরা গুরুত্বপূর্ণ কিছু ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন কাজে হাত দিয়েছি। আস্তেধীরে ফলাফল আসা শুরু হবে। এটা আমাদের যৌথ টিমের টেস্ট রান। দ্রুতই দেশের সবগুলা টোল গেটে আমরা নন স্টপ ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন লঞ্চ করবো বলে আশা রাখি।</p>
<p><span></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিসেম্বরের মধ্যে তিন হাজার মেগাওয়াট ‘রুফটপ সোলার’ স্থাপন</title>
<link>https://digibanglatech.news/157125</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157125</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68b79ee462803.jpg" length="90810" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 03 Sep 2025 00:10:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে তিন হাজার মেগাওয়াট রুফটপ সোলার (<span>ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ)</span> স্থাপনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউএবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআরইএ)। আর ঢাকা, চট্টগ্রামসহ সব বিভাগীয় শহরে রুফটপ সোলার স্থাপনে ক্লাস্টারভিত্তিক ফ্রাঞ্চাইজি চালু করার উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। আর লক্ষ্য বাস্তবায়নে সৌরবিদ্যুতের সম্প্রসারণে অচিরে একগুচ্ছ প্রণোদনামূলক কর্মসূচি হাতে নিচ্ছে সরকার।</p>
<p>রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে, ২ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত ‘সোলার রুফটপ ফাইন্যান্স উন্মোচন: একটি টেকসই জ্বালানি ভবিষ্যতের পথে’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা জানান বক্তারা। সভায় এই খাতের সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে ছাদে সৌরবিদ্যুৎ পদ্ধতির মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যাংকগুলোর জটিল ও শর্তযুক্ত অর্থায়ন পদ্ধতি সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে উল্লেখ করেন বিনিয়োগকারীরা। </p>
<p>বিপরীতেএই খাতে বিনিয়োগের কিছু নেতিবাচক অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন সভায় উপস্থিত মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, সিটি ব্যাংকসহ আরও কিছু ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। </p>
<p>আলোচনায় বক্তারা বলেন, ইডকল ইতোমধ্যে অফ-গ্রিড সৌরবিদ্যুৎ ও বড় প্রকল্পে সফলতা দেখিয়েছে। বাণিজ্যিক ব্যাংক ও এনবিএফআইগুলো লিজিং, প্রজেক্ট ফাইন্যান্সিং, পে-অ্যাজ-ইউ-সেভ মডেল ও গ্রিন বন্ডের মতো নতুন আর্থিক পণ্য চালু করলে বিনিয়োগ ঝুঁকি কমবে এবং টেকসই মুনাফা নিশ্চিত হবে। তা না হলে ২০৪০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে ৩০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে না।</p>
<p>বিএসআরইএ ও অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে বিদ্যুৎ বিভাগ, স্রেডা, ইডকল, বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা, বাণিজ্যিক ব্যাংক, নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই), নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের ব্যবসায়ীরা আলোচনায় অংশ নেন।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x_68b79ee503812.jpg" alt=""></p>
<p>অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবিরের সঞ্চালনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক পরিচালক খোন্দকার মোরশেদ মিল্লাত।</p>
<p>সভায় ‘সৌরবিদ্যুতের সম্প্রসারণে সরকার অচিরে একগুচ্ছ প্রণোদনামূলক কর্মসূচি হাতে নিচ্ছে’ জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহার বলেন, “২০০৮ সাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক সোলার প্লান্টে জড়িত। রুফটপ সোলার এখন আমাদের দেশে খুব প্রয়োজন। ইপিজেড, ইজেড ও অন্যান্য অর্থনৈতিক অঞ্চলে ২০ শতাংশ সৌর বিদ্যুতের নীতিমালা আসছে। বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন নির্দেশনা আসছে। ঢাকা, চট্টগ্রামসহ সব বিভাগীয় শহরে ক্লাস্টারভিত্তিক ফ্রাঞ্চাইজি চালু করার উদ্যোগ নেবে বিপিডিবি। পেমেন্ট নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসক্রো সিস্টেম চালু করা হবে।”</p>
<p>রেলওয়ের অব্যবহৃত জমি ব্যবহার করে পিপিপি মডেলে সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প চালুর প্রচেষ্টার কথাও তুলে ধরেন তিনি।</p>
<p>‘প্রযুক্তি উন্নতির ফলে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ কমে আসলেও তা এখনও উদ্যোক্তাদের কাছে অজানা’ মন্তব্য করে ইডকলের প্রধান নির্বাহী আলমগীর মোরশেদ বলেন, অর্থায়নের ক্ষেত্রে ইডকল সামনে থাকবে। ব্যাংকগুলো এগিয়ে আসলে মিশ্র বিনিয়োগ হতে পারে। এখন প্রতি ওয়াটের খরচ ৩০/৩৫ টাকায় চলে আসছে। যেখানে ১০ বছর আগে ১০০ টাকার উপরে ছিল। এখন বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসতে হবে।</p>
<p>বিএসআরইএ'র সভাপতি মোস্তফা আল মাহমুদ বলেন, “২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ৩,০০০ মেগাওয়াট রুফটপ সোলার স্থাপনের লক্ষ্য রয়েছে। কিন্তু এই খাতে সম্ভাবনা থাকলেও বড় প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে অর্থায়ন। বর্তমানে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে আসছে মাত্র ৫ দশমিক ৬ শতাংশ বিদ্যুৎ, যা আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম।”</p>
<p>বিএসআরইএ'র সভাপতি মোস্তফা আল মাহমুদ বলেন, “২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ৩,০০০ মেগাওয়াট রুফটপ সোলার স্থাপনের লক্ষ্য রয়েছে। কিন্তু এই খাতে সম্ভাবনা থাকলেও বড় প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে অর্থায়ন ও দীর্ঘসূত্রতা।বিশেষ করে নেট মিটারিংয়ের অনুমোদন প্রক্রিয়া অনেক সময়সাপেক্ষ। বর্তমানে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে আসছে মাত্র ৫ দশমিক ৬ শতাংশ বিদ্যুৎ, যা আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম। ”</p>
<p>আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইডিএলসির একজন প্রতিনিধি বলেন, “গত ২/৩ বছরে বিনিয়োগ অভিজ্ঞতা ভালো। আমরা ৮০ মেগাওয়াটের মতো প্রকল্পে বিনিয়োগ করেছি। এখন দরকার হচ্ছে সচেতনতা বাড়ানো। গ্যাস ছাড়া সেকেন্ড সুলভমূল্যের বিদ্যুৎ হচ্ছে রুফটপের সৌরবিদ্যুৎ।”</p>
<p>সেমিনারে আরও বলা হয়, রুফটপ সোলার কর্মসূচি সফল করতে বিদ্যুৎ বিভাগ ও স্রেডাকে নীতিমালাকে আরও স্বচ্ছ ও বেসরকারিখাতবান্ধব করতে হবে। ইউটিলিটি কোম্পানিগুলোকে গ্রিড সংযোগ ও নেট মিটারিং সহজ করতে হবে। উন্নয়ন সহযোগীদেরও ঝুঁকি গ্যারান্টি ও বৈশ্বিক মডেল নিয়ে পাশে দাঁড়াতে হবে। সব পক্ষের সমন্বিত প্রচেষ্টায় রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ হতে পারে দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানির নতুন সীমান্ত।  </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৩২ দিন বঙ্গোপসাগরে চলবে বৈজ্ঞানিক জরিপ</title>
<link>https://digibanglatech.news/156627</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156627</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68a46b5848c36.jpg" length="106621" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 19 Aug 2025 17:19:08 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আগামী ২১ আগস্ট থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা ৩২ দিন বঙ্গোপসাগরে মাছের মজুদ ও ইকোসিস্টেম নিয়ে জরিপ পরিচালনা করবে নরওয়ের অত্যাধুনিক গবেষণা জাহাজ ‘আর.ভি. ড. ফ্রিডজোফ নানসেন’। জরিপে বাংলাদেশের ১৩ জন জাতীয় গবেষকসহ বিশ্বের মোট ২৬ জন গবেষক অংশ নিচ্ছেন।</p>
<p>তাদের গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশের গভীর সমুদ্রের সম্ভাবনা উন্মোচিত হবে, টেকসই মৎস্য আহরণের পথ সুগম হবে এবং সামুদ্রিক পরিবেশ রক্ষায় বৈজ্ঞানিক তথ্য ভান্ডার সমৃদ্ধ হবে বলে আশাবাদী সরকার।</p>
<p>১৯ আগস্ট, মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।</p>
<p>তিনি বলেন, গবেষকরা উপকূলীয় এবং গভীর সমুদ্রে বিদ্যমান ছোট আকারের পেলাজিক ও মেসোপেলাজিক মাছের আপেক্ষিক প্রাচুর্য ও মজুদ নির্ধারণসহ ইকোসিস্টেমের সার্বিক অবস্থা নিরূপণ করবেন। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে টেকসই আহরণের সীমা নির্ধারণের পাশাপাশি গভীর ও আন্তর্জাতিক সমুদ্র অঞ্চলে বাণিজ্যিক মৎস্যসম্পদের অনুসন্ধান ও আহরণে বিপুল সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।</p>
<p>তিনি বলেন, গবেষকরা উপকূলীয় এবং গভীর সমুদ্রে বিদ্যমান ছোট আকারের পেলাজিক ও মেসোপেলাজিক মাছের আপেক্ষিক প্রাচুর্যতা ও মজুদ নির্ধারণসহ ইকোসিস্টেমের সার্বিক অবস্থা নিরুপণ করা হবে। যার মাধ্যমে ভবিষ্যতে টেকসই আহরণের সীমা নির্ধারণের পাশাপাশি গভীর ও আন্তর্জাতিক সমুদ্র অঞ্চলে বাণিজ্যিক মৎস্যসম্পদের অনুসন্ধান ও আহরণে বিপুল সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে। জরিপের সময় সমুদ্রের পানি স্তর ও কলামের তাপমাত্রা, লবণাক্ততা, পুষ্টি উপাদান, ঘোলাভাব, উৎপাদনশীলতা, স্রোতের দিক ও গতি ইত্যাদি পরিমাপ করা হবে।</p>
<p>ফরিদা আখতার বলেন, এবারের জরিপ বাংলাদেশের সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। জরিপ থেকে পাওয়া বৈজ্ঞানিক তথ্য বাংলাদেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ, টেকসই আহরণ, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে অভিযোজন এবং সামুদ্রিক পরিবেশ রক্ষায় জাতীয় নীতি প্রণয়নে সরাসরি সহায়তা করবে। এ ছাড়া এটি বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করবে। সমুদ্রের বিভিন্ন গভীরতা ও পরিবেশ অনুযায়ী আবাসস্থলের মানচিত্র তৈরি করা হবে, যা প্রজাতি সংরক্ষণ ও মৎস্য ব্যবস্থাপনায় সহায়ক হবে।</p>
<p>উপদেষ্টা বলেন, মেসোপেলাজিক মাছ এবং প্ল্যাঙ্কটন সমুদ্রের খাদ্য শৃঙ্খলের মূল ভিত্তি। গভীর সমুদ্র অঞ্চলে এদের জৈবভর, প্রজাতিগত বৈচিত্র ও বিতরণ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এটি সামুদ্রিক ইকোসিস্টেমের সুস্থতা এবং বাণিজ্যিক মাছের উৎপাদনশীলতা বোঝার জন্য জরুরি।</p>
<p>গবেষণা জাহাজ ‘আর.ভি. ড. ফ্রিডজোফ নানসেন’ সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে এবং দ্বিতীয়বার ১৯৮০ সালে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় জরিপ পরিচালনা করে। সর্বশেষ ২০১৮ সালে এফএও ও নরওয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন রিসার্চ (আইএমআর)-এর সহযোগিতায় জাহাজটি বঙ্গোপসাগরে মাছের মজুদ ও ইকোসিস্টেম গবেষণা চালায়।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পুলিশের বডি ক্যমেরায় কেন্দ্রের পরিস্থিতি দেখবেন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার</title>
<link>https://digibanglatech.news/156396</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156396</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_689ad66329ed8.jpg" length="64729" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 12 Aug 2025 08:45:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল ঘোষণা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ। আর আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ৫০ হাজার পুলিশ সদস্যকে আনা হচ্ছে পরিধেয় প্রযুক্তির মধ্যে।</p>
<p>সে লক্ষ্যেই ভোটকেন্দ্রের জন্য নতুন করে ৪০ হাজার ‘বডি-ওর্ন ক্যামেরা’ কেনার সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে একটি করে ‘বডি-ওর্ন ক্যামেরা’ ব্যবহৃত হবে।</p>
<p>ক্যামেরাগুলো কীভাবে ব্যবহার হবে, তার চিত্র তুলে ধরেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি জানিয়েছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি সংবলিত এসব ক্যামেরার মাধ্যমে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপাররা দূর থেকে কেন্দ্রের পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।</p>
<p>শফিকুল আলম বলেন, এগুলো থাকলে নিরাপত্তা আরও কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। দূর থেকেই এসপি ও ডিসি বুঝতে পারবেন কী ঘটছে। কোনো কেন্দ্রের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হলে তারা দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারবেন।</p>
<p>প্রেস সচিব জানান, বর্তমানে পুলিশের কাছে প্রায় ১০ হাজার বডি ক্যাম রয়েছে। সরকার আরও ৪০ হাজার ক্যামেরা কেনার উদ্যোগ নিয়েছে এবং দ্রুতই তা সংগ্রহ করা হবে। ক্রয়ের পর পুলিশ সদস্যদের জন্য স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণের পরিকল্পনাও রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশে কীভাবে এগুলো ব্যবহৃত হচ্ছে, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>শিগগিরিই বর্জ্য থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন করবে চসিক</title>
<link>https://digibanglatech.news/156383</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156383</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_689a258131868.jpg" length="98218" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 11 Aug 2025 20:17:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>শিগগিরই <span>বর্জ্য থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। সেই সূত্র ধরেই ২০২৫-২৬ অর্থবছরে চসিক এলাকায় সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করতে যাচ্ছে জাপানি প্রতিষ্ঠান জেএফই ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন। </span><span> </span>জ্বালানি উৎপাদনযোগ্য বর্জ্যের পরিমাণ চিহ্নিতকরণ, প্রাপ্ত বর্জ্যকে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী এবং সর্বোপরি প্রকল্পটিকে সফল করতে তথ্য ও কারিগরি দিকের অনুসন্ধান করবে প্রতিষ্ঠান।</p>
<p>এসব বিষয় নিয়েই <span>১১ আগস্ট </span><span>সোমবার টাইগারপাসের চসিক কার্যালয়ে জাপানের পরিবেশ মন্ত্রণালয় (MOEJ) ও জাপানি প্রতিষ্ঠান জেএফই ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশনের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। </span></p>
<p>প্রতিনিধি দলে ছিলেন জাপানের পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ইজি কোহগা, জেএফই ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশনের জেনারেল ম্যানেজার তাকাহাশি জেন, জেএফই বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার ওওহাশি কেন্টা, মার্কেটিং ম্যানেজার ভাস্কার সাহা, ইয়াচিও ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড জাপানের ম্যানেজার মাসায়ুকি শিজো, প্রফেশনাল নাওকি উএহাতা ও অ্যাসোসিয়েট টোটা তাকাগি; ইয়াচিও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের স্থানীয় বিশেষজ্ঞ আবুল হাসনাত মো. আশরাফুল আলম এবং পিটি আরুনিয়া মিত্রা অপটিমার পরামর্শক মাহমুদ ইবনে সাদেক ও তানভীর আহমেদ।</p>
<p>বৈঠক সূত্রে প্রকাশ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন, জ্বালানি-উৎপাদিত কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমন কমানো এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে বৈঠকে সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় প্রকল্প বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জগুলো নিরূপণ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। একইসঙ্গে <span>চট্টগ্রামের পরিবেশবান্ধব নগর গঠনে জাপান ও চসিকের মধ্যে প্রযুক্তি ও কারিগরি সহায়তা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। </span></p>
<p><span>বৈঠকে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, আমি অনতিবিলম্বে বর্জ্য থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করতে চাই। বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান এ বিষয়ে আগ্রহ দেখালেও প্রকল্প বাস্তবায়নে ভূমি ও যন্ত্রপাতি ক্রয় ও ব্যবহার করা বেশ চ্যালেঞ্জিং।</span> <span>তবে, জাপান এ ব্যাপারে কাজ করছে দেখে আমি আশান্বিত এবং এ প্রকল্প বাস্তবায়নে আমি সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব। কারণ, বর্জ্য যথাযথ ব্যবস্থাপনা না হওয়ায় নগরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে এবং পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।</span></p>
<p><span>এ সময় চসিকের সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা কমান্ডার ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।  </span></p>
<div class="ads"></div>
<p><span> </span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিনামূল্যেউন্মুক্ত হলো চ্যাটজিপিটি&#45;৫</title>
<link>https://digibanglatech.news/156291</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156291</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68963197439ea.jpg" length="71656" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 08 Aug 2025 13:18:55 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আগেই রিজ়নিং মডেল ও৩-এর পরিবর্তে নতুন জিপিটি-৫ মডেল আনার কথা জানানো হয়েছিল। এবার বিশ্বের সকল ব্যবহারকারীর জন্য বিনামূল্যে নিজেদের সবচেয়ে উন্নত সংস্করণ চ্যাটজিপিটি-৫ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করলো ওপেনএআই। সূত্রবলছে, জিপিটি৫ মডেলটিতে ভয়েস চ্যাট, ক্যানভাস, সার্চ, গভীর গবেষণা এবং আরও অনেক ফিচার থাকছে। </p>
<p>৮ আগস্ট, শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। খবরে প্রকাশ ৭ আগস্ট, বৃহস্পতিবার এই চ্যাটজিপিটি-৫ প্রকাশ করেন ওপেনএআই এর সিইও স্যাম অল্টম্যান।</p>
<p>ওপেনএআই জানিয়েছে, চ্যাটজিপিটি-৫ এআই টুল ব্যবহারকারীদের জন্য বিনামূল্যে চালু হচ্ছে। প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৭০ কোটি মানুষ তা ব্যবহার করে। ওপেনএআই চ্যাটজিপিটি৫-এর স্ট্যান্ডার্ড বুদ্ধিমত্তা সেটিংস-এ অবাধ চ্যাট অ্যাকসেস প্রদান করবে। তবে চ্যাটবটটি অপব্যবহারের বিষয়ে কিছু সীমা নির্ধারিত থাকবে। চ্যাটজিপিটি প্লাস গ্রাহকেরা জিপিটি৫-এর উচ্চ বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করতে পারবেন। জটিলতা বাদ দিয়ে সরল ভাবে তা ব্যবহারের উপযোগী করে তোলাই তাদের লক্ষ্য বলেও জানিয়েছেন অল্টম্যান।</p>
<p>প্রতিষ্ঠানটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান জানান, নতুন মডেলটি আরও স্মার্ট, দ্রুত এবং বহুমুখী দক্ষতায় ভরপুর। তার ভাষায়, ‘এটি যেন সত্যিকারের একজন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলার মতো অভিজ্ঞতা দেয়।’</p>
<p>যদিও এটি এখনও মানুষের মতো চিন্তা করতে সক্ষম নয়, অল্টম্যান মনে করেন, এটি সেই লক্ষ্যের দিকে এক বড় ধাপ। বর্তমানে সপ্তাহে প্রায় ৭০০ মিলিয়ন মানুষ চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করছেন বলে প্রতিষ্ঠানটি এক সংবাদ সম্মেলনে জানায়।</p>
<p>তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এটি এমন একটি মডেল নয় যা ব্যবহার চলাকালে নতুন তথ্য থেকে ক্রমাগত শিখে—যা তার মতে, প্রকৃত কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা (এজিআই) অর্জনের জন্য জরুরি। তবুও এর সক্ষমতাকে তিনি ‘বিরাট অগ্রগতি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।</p>
<p>শিল্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এক নতুন যুগের সূচনা হয়েছে, যা মানুষের জীবনযাপন ও কাজের ধরন পাল্টে দেবে। </p>
<p>মেটা প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ এক অভ্যন্তরীণ বার্তায় লিখেছেন, ‘এআই উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত হওয়ায় সুপারইনটেলিজেন্স এখন দিগন্তে দৃশ্যমান। আমি বিশ্বাস করি, এটি মানবজাতির জন্য এক নতুন যুগের সূচনা হবে।’</p>
<p>অল্টম্যান আরও জানান, এজিআই অর্জনের পথে এখনও ‘অগণিত সম্ভাব্য অগ্রগতি’ বাকি রয়েছে এবং এ জন্য বিপুল পরিমাণ কম্পিউটিং শক্তিতে বিনিয়োগ চালিয়ে যাবে ওপেনএআই।</p>
<p>প্রযুক্তি জায়ান্ট আমাজন, গুগল, মেটা, মাইক্রোসফট এবং ইলন মাস্কের এক্সএআই—সবাইই ২০২২ সালের শেষ দিকে প্রথম চ্যাটজিপিটি চালুর পর থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা ও উন্নয়নে বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে। চলতি বছরের শুরুতে চীনা স্টার্টআপ ডিপসিক সাশ্রয়ী চিপ ব্যবহার করে শক্তিশালী একটি মডেল উন্মোচন করে এআই খাতে চমক সৃষ্টি করে।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন প্রকল্পের ৭০ শতাংশ কাজ শেষ</title>
<link>https://digibanglatech.news/156113</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156113</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_688cdf2053ced.jpg" length="125446" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 01 Aug 2025 10:07:36 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ পূর্বাভাসের সক্ষমতা বাড়াতে <span>চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে</span> দেশের প্রথম ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন নির্মাণকাজ <span>ইতোমধ্যে ৭০ শতাংশ নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে বলে জানাগেছে। </span></p>
<p>প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নির্মাণাধীন ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশনের কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। চলছে প্লাস্টারের কাজ। গ্রাউন্ড স্টেশনে ২২৪ টেরাবাইটের স্টোরেজ স্থাপন করা হয়েছে। টেকনিক্যাল কাজের যন্ত্রাংশও চীন থেকে এসে পৌঁছেছে। প্রায় ১১টি স্যাটেলাইট থেকে এই গ্রাউন্ড স্টেশন সংযোগ পাবে।  </p>
<p><span>চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়াহইয়া আখতার জানিয়েছেন, ক্যাম্পাসে নির্মাণাধীন ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশনের কাজ প্রত্যাশিত গতিতে চলছে। বন্দর থেকে ক্যাম্পাসে পৌঁছেছে সেকেন্ড ফেজের ১৪ ট্রাক মালামাল। দ্রুত এগুলো প্রতিস্থাপনের কাজ শুরু হবে। চাইনিজ ইঞ্জিনিয়াররা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ রাখছেন। </span></p>
<p><span>প্রকল্পের সমন্বয়ক চবি সমুদ্র বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিন জানান, স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন ফর মেরিন রিমোট সেন্সিং (এসজিএসএমআরএস) বাংলাদেশের ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের পূর্বাভাস ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসবে। এর মাধ্যমে চীনের এইচওয়াই-১এসআই/ডি ও এফওয়াই-৪বি স্যাটেলাইট ব্যবহার করে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা, বাতাসের গতি এবং মেঘের গতিবিধি বিশ্লেষণ করে ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা আগেই সতর্কতা দেওয়া যাবে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন প্রযুক্তি স্থাপন হলে সমুদ্র ও বিমানবন্দরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থাকে তথ্য, পূর্বাভাস, সতর্কতা ও পরামর্শ দেওয়া সহজ হবে। ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে নির্ভরযোগ্য তথ্য সরবরাহ এবং জলবায়ু পরিবর্তনসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে সহযোগিতা করা যাবে।</span></p>
<p>প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৬ মার্চ দেশের প্রথম ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশনের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করা হয়। এতে ব্যয় হবে প্রায় ৭০ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় ৬০ কোটি টাকার কারিগরি ও যান্ত্রিক সহায়তা দিচ্ছে চীনের জাতীয় সমুদ্র গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘সেকেন্ড ইন্সটিটিউট অব ওশানোগ্রাফি’। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও চীনের প্রতিষ্ঠানটির যৌথ উদ্যোগে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে।</p>
<p class="alignfull">সূত্রমতে, দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ মেরিন ডেটা হাবে রূপান্তর এবং জলবায়ু অভিযোজনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে একটি রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ‘এসজিএসএমআরএস ২০৩৫ মাস্টারপ্ল্যান’ প্রণয়ন করা হচ্ছে, যা চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে সহায়তা করবে।</p>
<p class="alignfull">বর্তমানে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের পূর্বাভাস পেতে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওশানিক অ্যান্ড অ্যাটমসফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এনওএএ), জয়েন্ট টাইফুন ওয়ার্নিং সেন্টার (জেটিডব্লিউসি) এবং ভারতের আবহাওয়া অধিদফতর (আইএমডি) এর মতো বিদেশি সংস্থার স্যাটেলাইট তথ্যের ওপর নির্ভর করে। এসব সংস্থা থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে পূর্বাভাস দিতে ২০ থেকে ৩০ ঘণ্টা সময় লেগে যায়। এটি একদিকে যেমন সময় সাপেক্ষ, অন্যদিকে একটি পরনির্ভরশীল প্রক্রিয়া।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অন্তত তিন বছরের জন্য টানা গ্যাস অনুসন্ধানের পরামর্শ</title>
<link>https://digibanglatech.news/156059</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156059</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_6889aca4a1ce8.jpg" length="76019" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 30 Jul 2025 00:02:34 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সংকট সমাধানে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান বাড়ানো ছাড়া কোনও উপায় নেই। জ্বালানি খাতের সামনে সাংঘাতিক সংকট দেখা দেবে। চাহিদার তুলনায় আমাদের সরবরাহ কমছে। এ অবস্থায় বাপেক্সের পাশাপাশি বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞ এনে অন্তত তিন বছরের জন্য টানা অনুসন্ধানের পরামর্শ দিয়েছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইজাজ হোসেইন। </p>
<p>২৯ জুলাই, মঙ্গলবার  রাজধানীর কাওরান বাজারে অবস্থিত পেট্রো সেন্টারে ‘দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা: চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ পথ- গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক একটি সেমিনারে ইজাজ হোসেইন এসব কথা বলেন।</p>
<p>দেশে এখন গ্যাসের চাহিদা সাড়ে চার হাজার মিলিয়ন ঘনফুট। কিন্তু দৈনিক সরবরাহ মাত্র ২৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট। ক্রমান্বয়ে এ চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় পেট্রোবাংলা আরেও বিপাকে পড়ছে। ইতোমধ্যে কয়েক দফা গ্যাসের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। বিদেশ থেকে গ্যাস আমদানি করলে অতিরিক্ত যে অর্থ ব্যয় করতে হয়, সরকারের সেই সামর্থ্য রয়েছে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।</p>
<div>
<p>দেশে গত চার বছর আগেও ২৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস স্থানীয়ভাবে সরবরাহ করা হতো। কিন্তু এখন তা প্রতিদিন ১৮০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে এসেছে। এর সঙ্গে দৈনিক এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি, অর্থাৎ আমদানি করা গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে। দেশের উৎপাদন দিন দিন কমছে। অপরদিকে বাড়তি এলএনজি আমদানি করার জন্য কোনও অবকাঠামো আপাতত নেই আমাদের।</p>
<p>জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইজাজ হোসেইন সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, আমাদের গ্যাসের চাহিদা এখন প্রায় ৪ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট। এর বিপরীতে ২০০৮-০৯ অর্থবছরে সরবরাহ ছিল ১৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট,  ২০১৬-১৭ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২৬৬০ মিলিয়ন ঘনফুট। এখন আবার  তা কমে ১৮০০ মিলিয়ন ঘনফুটে এসে দাঁড়িয়েছে।  এ অবস্থায় এলএনজি সরবরাহ বাড়িয়ে তাৎক্ষণিক সমস্যা সমাধান করা যেতে পারে। এজন্য এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ করা খরচ কম হলেও এলএনজি কিনতে যে পরিমাণ ডলারের প্রয়োজন পড়বে, সেটি আমাদের জন্য কষ্টসাধ্য। তিনি বলেন, এ কারণে এলএনজির পাশাপাশি বাপেক্সের কাজের গতি বাড়াতে হবে৷ আবার বাপেক্সের হাতে এখনই অনেক কাজ। এমন অবস্থায় প্রয়োজনে বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞ এনে আগামী অন্তত তিন বছর টানা অনুসন্ধান কাজ করা উচিত।</p>
<p>মূল প্রবন্ধে তিনি আরও জানান, ২০৩০ সালে গ্যাসের চাহিদা গিয়ে দাঁড়াবে ৪ হাজার ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট।  এরমধ্যে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে ২ হাজার, দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকে আসে ১১০০ ঘনফুট। এই দুইটি টার্মিনালের ক্ষমতা বাড়িয়ে ১০০ মিলিয়ন গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব। এরপর কমপক্ষে আরও দুইটি এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ করা গেলে সেখান থেকে ১১৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।</p>
<p>পেট্রোবাংলার পরিচালক (পিএসসি) মো. শোয়েব বলেন, অফশোরে গ্যাস অনুসন্ধানে আমরা এর আগে যে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করেছিলাম, তাতে ৬টি কোম্পানি দরপত্র কিনলেও কেউ শেষ পর্যন্ত জমা দেয়নি। কেন জমা দেয়নি সেটি জানতে আমরা একটি কমিটি গঠন করেছিলাম। সে কমিটির প্রতিবেদন এখন আমরা পর্যালোচনা করছি। পাশাপাশি অনশোরে গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য মডেল পিএসসি ২০২৫ নিয়েও আমরা কাজ করছি।</p>
<p>পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান রেজানুর রহমান বলেন, ভোলায় গ্যাস অনুসন্ধান কাজ বাড়ানোর পাশাপাশি আমরা ডিপ ড্রিলিংয়ে (গভীর কূপ খনন) যাচ্ছি। চারটি কুপের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে দুটির চুক্তিও হয়ে গেছে। এদিকে বাপেক্সের হাতেও এখন অনেক কাজ। আমরা এখন অনুসন্ধানেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছি। পাশাপাশি সিস্টেম লস কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।</p>
<p>সেমিনারে পেট্রোবাংলার পরিচালক (অর্থ) এ এক এম মিজানুর রহমান, পরিচালক (অপারেশন) রফিকুল ইসলাম, পরিচালক (পিএসসি) মো. শোয়েব এবং পরিচালক (পরিকল্পনা) আব্দুল মান্নান পাটওয়ারী চারটি প্রেজেনটেশন পেপার উপস্থাপন করেন। আরও বক্তব্য রাখেন ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশের (এফইআরবি) চেয়ারম্যান মো. শামীম জাহাঙ্গীর এবং নির্বাহী পরিচালক সেরাজুল ইসলাম সিরাজ।</p>
<p>এদিকে রাজধানীর মতিঝিলে ডিসিসিআই মিলনায়তনে ২৮ জুলাই অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের শিল্প খাতে জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক ফোকাস গ্রুপের আলোচনা সভায় <span>ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেছেন, শিল্প খাতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ না থাকায় উৎপাদনে বিঘ্ন ঘটছে, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমে যাচ্ছে। জ্বালানি ব্যবহারে অভ্যাসগত পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি শিল্প-কারখানায় নিয়মিত ‘এনার্জি অডিট’ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেন। সেই সঙ্গে খাতভিত্তিক গবেষণায় শিক্ষা খাতকে সম্পৃক্ত এবং ‘ইন্ডাস্ট্রি ম্যাপিং’-এর আহ্বান জানান।</span></p>
<p><span>ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এবং সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ওই সভায়</span> দেশে জ্বালানি দক্ষতা নিয়ে এখনও কোনও সুস্পষ্ট নীতিমালা নেই উল্লেখ করে বিদ্যমান মাস্টারপ্ল্যানগুলো বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ জরুরি বলে মন্তব্য করেন সানেমের নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান। সেইসঙ্গে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা বাড়ানো এবং জ্বালানির সংজ্ঞাগত বিভ্রান্তি দূর করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন তিনি।</p>
<p class="alignfull">বিইপিআরসি’র চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওয়াহিদ হোসেন বলেন, জ্বালানি বিষয়ক সরকারি তথ্য ও সেবা প্রাপ্তিতে যে গ্যাপ রয়েছে, তা কমাতে হবে। বেসরকারি খাতের আর্থিক সক্ষমতা বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গবেষণায় এ খাতের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে, যাতে প্রযুক্তির উন্নয়ন ও সচেতনতা বাড়ানো সম্ভব হয়।</p>
<p class="alignfull">জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (অপারেশন) মো. রফিকুল আলম বলেন, সরকার এলএনজিতে ভর্তুকি দিচ্ছে, কিন্তু জনসচেতনতা বাড়িয়ে ৫-১৫ শতাংশ জ্বালানি সাশ্রয় সম্ভব। নবায়নযোগ্য উৎস, বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে জোর দেন তিনি।</p>
<p class="alignfull">বাপেক্সের মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আহসানুল আমিন জানান, ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০টি কূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জ্বালানি সরবরাহ বাড়াতে।</p>
<p class="alignfull">বিজিএমইএ’র সিনিয়র সহ-সভাপতি ইনামুল হক খান বলেন, গাজীপুর শিল্পাঞ্চলে দৈনিক ৬-৮ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে, এতে দৈনিক ৪-৫ লাখ টাকা অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে। ১০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে পারলে ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব বলে জানান তিনি।</p>
<p class="alignfull">সানেমের পক্ষ থেকে একটি গবেষণা উপস্থাপনায় শিল্পখাতে জ্বালানি দক্ষতার বর্তমান চিত্র, প্রযুক্তির ব্যবহার, স্ট্যান্ডার্ডাইজড পরিমাপের অভাব এবং অনিয়মিত সরবরাহের প্রভাব তুলে ধরা হয়।</p>
<div class="BT_inner_A1_C3 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">
<div id="BT_inner_A1_C3" data-google-query-id="CLLQg5bo444DFQBvnQkdRj4Unw"></div>
</div>
</div>
<p></p>
</div>
<div></div>
<div class="BT_inner_A1_C2 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">
<div id="BT_inner_A1_C2" data-google-query-id="CJDOr-7l444DFURxnQkdH9cnlA"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিএনএ পরীক্ষায় অশনাক্ত দেহাবশেষ ‘দুই নারী’ শিক্ষার্থীর</title>
<link>https://digibanglatech.news/155991</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155991</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_6886018cba4d5.jpg" length="165256" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 27 Jul 2025 14:38:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull" data-start="78" data-end="422">উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত ছয় জনের মধ্যে ডিএনএ পরীক্ষার ভিত্তিতে সিএমএইচে সংরক্ষিত ছয়টি মরদেহের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচে। মরদেহ শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষায় ছয়টি বডিব্যাগের একটি ব্যাগে ছিল পাঁচটি দেহাবশেষ ও দুটি অপূর্ণাঙ্গ মৃতদেহ। ডিএনএ পরীক্ষায় জানা গেছে—এই দেহাবশেষগুলো বাকি দুই অশনাক্ত শিক্ষার্থীর। শনাক্ত হওয়া দেহাবশেষগুলো লামিয়া আক্তার সোনিয়া ও আফসানা আক্তার প্রিয়ার। তাদের বাবা-মায়ের ডিএনএ নমুনার সঙ্গে মিলিয়ে এ শনাক্তকরণ নিশ্চিত করা হয়েছে।</p>
<p class="alignfull" data-start="424" data-end="717">সিআইডির প্রস্তুত করা ডিএনএ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানাগেছে। </p>
<p class="alignfull" data-start="424" data-end="717">প্রতিবেদনে পাঁচ জন শিক্ষার্থীকে শনাক্ত করার কথা জানানো হয়। এরা হলেন—ওকিয়া ফেরদৌস নিধি, লামিয়া আক্তার সোনিয়া, আফসানা আক্তার প্রিয়া, রাইসা মনি এবং মারিয়াম উম্মে আফিয়া। এই মরদেহগুলো শনাক্ত করতে সিআইডি ১৪টি নমুনা সংগ্রহ করে, যার মধ্যে ১১টি ছিল পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে।</p>
<div class="viewport jw_article_body">
<p class="alignfull" data-start="887" data-end="1332">সিএমএইচ থেকে গত ২৫ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদফতরে পাঠানো এক চিঠিতে জানানো হয়, ২১ জুলাই সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের মর্গে মোট ১৫টি বডিব্যাগ গ্রহণ করা হয়। এসবের মধ্যে তুরাগ থানা পুলিশ প্রাথমিকভাবে ১১টি সম্পূর্ণ মৃতদেহ, দুটি অপূর্ণাঙ্গ মৃতদেহ এবং পাঁচটি দেহাবশেষ শনাক্ত করে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে। ১১টি সম্পূর্ণ মরদেহের মধ্যে ৯ জনের পরিবার তাদের স্বজনদের শনাক্ত করতে পারায়, ঘটনার দিন তুরাগ থানা পুলিশ ৮টি এবং ২২ জুলাই ১টি মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করে।</p>
<p class="alignfull" data-start="1334" data-end="1627">বাকি থাকা দুটি সম্পূর্ণ মৃতদেহ, দুটি অপূর্ণাঙ্গ মৃতদেহ এবং পাঁচটি দেহাবশেষ থেকে ২২ জুলাই সিআইডি ফরেনসিক টিম ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে। পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে পাঁচ জনের মরদেহ শনাক্ত করা হয়। এরপর ২৪ জুলাই রাতে তুরাগ থানা পুলিশ শনাক্তকৃত মরদেহ ও দেহাবশেষ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। <span>শনাক্ত হওয়া দেহাবশেষগুলো লামিয়া আক্তার সোনিয়া ও আফসানা আক্তার প্রিয়ার। তাদের বাবা-মায়ের ডিএনএ নমুনার সঙ্গে মিলিয়ে এ শনাক্তকরণ নিশ্চিত করা হয়।</span></p>
<div class="BT_inner_A1_C3 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, বিমান বিধ্বস্ত ঘটনায় এখন পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৪ জনে। ডিএনএ পরীক্ষার ভিত্তিতে এ সংখ্যা হালনাগাদ করা হয়েছে। অধিদফতরের প্রতিবেদনে শুরুতে সিএমএইচে ১৫টি মরদেহ থাকার কথা বলা হলেও হালনাগাদের পর জানানো হয়—বর্তমানে সেখানে ১৪টি মরদেহ রয়েছে।
<div class="details-brief dNewsDesc print-section" id="contentDetails">
<p>এ দুর্ঘটনায় হতাহতদের বিষয়ে তথ্য প্রদানের ফোকাল পারসন ডা. সরকার ফারহানা কবীর বলেন, “ডিএনএ টেস্ট রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে সিএমএইচ আপডেট করেছে। তাদের পাঠানো রিপোর্ট অনুযায়ী আমারও আপডেট (মৃতের সংখ্যা) করেছি।”</p>
<p>হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, এ দুর্ঘটনায় ৩৪ মৃত্যুর মধ্যে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ১৭ জন, সিএমএইচে ১৪ জন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একজন, লুবানা জেনারেল হাসপাতালে একজন ও ইউনাইটেড হাসপাতালে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে লুবানা হাসপাতালে মারা যাওয়া ব্যক্তির পরিচয় এখনো জানা যায়নি।</p>
<p>ঘটনার এক সপ্তাহ পেরিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে এখনও চিকিৎসাধীন আছে ৪৮ জন। এর মধ্যে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ৩৬ জন, সিএমএইচে ১১ জন ও জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে একজন চিকিৎসাধীন রয়েছে।</p>
<p>গেল সোমবার দুপুরে দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসের একটি ভবনের মুখে বিমান বাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এই সামরিক বিমান দুর্ঘটনায় হতাহতদের বেশির ভাগই শিশু।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="btGoogleNews"></div>
<div class="BT_inner_A1_C2 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">
<div id="BT_inner_A1_C2" data-google-query-id="CPjdje7o3I4DFTkigwMdVOs3Xg"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরিভাবে বন্ধ</title>
<link>https://digibanglatech.news/155832</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155832</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_687f4caede00a.jpg" length="374923" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 22 Jul 2025 12:53:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কারিগরি ত্রুটিতে বিদ্যুতের জাতীয় গ্রিডে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরিভাবে বন্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।</p>
<p>সোমবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ১ নম্বর ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেলে কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে সকালে বন্ধ হয়ে যায় ৩ নম্বর ইউনিটের উৎপাদন। আর কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ২ নম্বর ইউনিটটি দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ রয়েছে।</p>
<p>বিষয়টি বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদনকৃত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা হয়। কিন্তু সন্ধ্যায় জাতীয় গ্রিডে সমস্যার কারণে এখান থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ সরবরাহ সমস্যা হয়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যায়। তবে দ্রুতই এই কেন্দ্রের একটি ইউনিট চালু করার জন্য জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও জানান, এর আগে সোমবার সকালে ৩২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ৩ নম্বর ইউনিটটিও বন্ধ হয়ে যায়। বন্ধ হওয়ার আগে এই ইউনিট থেকে ১৮০ থেকে ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছিল। আর সন্ধ্যার দিকে কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ১ নম্বর ইউনিটটি।</p>
<p>বন্ধ হওয়ার আগে এই ইউনিট থেকে ৫০ থেকে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছিল এবং জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছিল।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজাইন, ফেব্রিকেশন ও সিম্যুলেশনে ৩ বছরে ৫ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে সরকার</title>
<link>https://digibanglatech.news/155688</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155688</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_6878a6c99c4b7.jpg" length="60036" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 17 Jul 2025 12:34:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর পলিসি চূড়ান্ত করণের পাশাপাশি বিশ্ববদ্যালয়গুলোর ল্যাবে ফেব্রিকেশন, সিম্যুলেশন ও টেস্টিং সুবিধা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এক্ষেত্রেও সুযোগের সাম্য প্রতিষ্ঠায় বুয়েটে স্থাপিত ল্যাব যেন সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিল্প গবেষকরা ব্যবহার করতে পারেন সেবিষয়ে জোর দেয়া দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সরকার প্রধানের আইসিটি ও টিলকম বিষয়ক উপদেষ্টা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। </p>
<p>১৭ জুলাই‘বায়োটেক, ইলেকট্রনিক্স, এআই ও রোবোটিকস সামিট এবং সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম’দ্বিতীয় দিনের উদ্বোধনী সেশনে অনলাইনে যুক্ত হয়ে দেয়া বক্তব্যে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। </p>
<p>ফয়েজ তৈয়্যব বলেন,  বুয়েটে সেমিকন্ডাক্টরের ওপর প্রশিক্ষণ দিয়ে এ বিষয়ক দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার পাশাপাশি ল্যাবগুলো অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের জন্য ব্যবাহারের সুযোগ করে দেয়া হবে। এছাড়াও আগামী ৩ বছরের মধ্যো ভিএলএসআই রিলেটেড লে আউট তৈরি ও ফেব্রিকেশন ও সিম্যুলেশনে ৫ হাজারের মতো প্রশিক্ষণ দেয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে এই খাতের শিল্পগুলোর ওপর চাপ কমাতে সেমিকন্ডাক্টর টেস্টি ল্যাব ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়া হবে। এভাবেই কমন শেয়ারড ফ্যাসিলিটি তৈরি করে আমরা বিদ্যমান সক্ষমতাকে তিন গুণ বাড়াতে চাই।  একইভাবে সিম্পোজিয়াম থেকে প্রাপ্ত গাইড লাইনের ওপর ভিত্তি করে সেমিকন্ডাক্টর ও  এআই নীতিমালা প্রকাশ করা হবে।  </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিলবোর্ডে প্রদর্শিত বিজ্ঞাপন দর্শক গণনা প্রযুক্তি আনলো ব্রেইনকাউন্ট</title>
<link>https://digibanglatech.news/155416</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155416</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_686d412bde4a1.jpg" length="98012" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 08 Jul 2025 20:46:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="details-brief dNewsDesc print-section" id="contentDetails">
<p>প্রথমবারের মতো দেশের আউটডোর বিজ্ঞাপন খাতে ‘অডিয়েন্স মেজারমেন্ট’ এবং ‘মনিটরিং প্ল্যাটফর্ম’ প্রযুক্তি চালু করলো বিজ্ঞাপন পরিকল্পনা সেবায় উদ্ভাবনী উদ্যোগ ব্রেইনকাউন্ট। কোম্পানিটির দাবি, এ প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগের মাধ্যমে বিলবোর্ড বিজ্ঞাপনের কার্যকারিতা নিয়মিতভাবে পরিমাপ করা যাবে; যা ব্র্যান্ড ও এজেন্সিগুলোকে দ্রুত ও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে।</p>
<p>ব্রেইনকাউন্ট বলছে, দীর্ঘদিনের এ সমস্যার সমাধান হিসেবে তারা নিয়ে এসেছে আধুনিক ডেটা বিশ্লেষণভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম। এখানে ডেটা সায়েন্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, আইওটি ডিভাইস ও অন্যান্য প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপনদাতারা জানতে পারবেন, কোন এলাকার কোন বিলবোর্ড কেমন ফলাফল দিচ্ছে। তাতে বিজ্ঞাপন প্রচারের সময়ই প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিজ্ঞাপনের কৌশলে পরিবর্তন আনার সুযোগ তৈরি হবে। প্ল্যাটফর্মটির সাহায্যে বিজ্ঞাপনদাতারা তাদের বিনিয়োগ কতটা কার্যকর হচ্ছে, তা যাচাই করতে পারবেন। পাশাপাশি প্রতিযোগী কোম্পানিগুলোর বিজ্ঞাপনের সঙ্গে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করতে পারবেন সহজেই।</p>
<div class="DContentAdd ignore-print">
<div class="sq-add d-flex justify-content-center">
<div id="div-gpt-ad-9827360-1"></div>
</div>
</div>
<p>এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কোম্পানিটি বলেছে, “বাংলাদেশে আউটডোর বিজ্ঞাপন খাতে প্রতিবছর পাঁচশ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ হয়। দেশজুড়ে বারো হাজারের বেশি বিলবোর্ড ও ডিজিটাল স্ক্রিন থাকা সত্ত্বেও এতদিন বিজ্ঞাপনের ফলাফল নির্ভরযোগ্যভাবে পরিমাপের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা ছিল না। ফলে, বিজ্ঞাপনদাতাদের অনুমান ও অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করেই সিদ্ধান্ত নিতে হত।” </p>
<div class="DContentAdd2 ignore-print">
<div class="sq-add d-flex justify-content-center">
<div id="div-gpt-ad-9827360-2"></div>
</div>
</div>
<p>এ বিষয়ে ব্রেইনকাউন্টের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তাওহীদুর রহমান তাপস বলেন, “বিশ্বের সবকিছু যখন তথ্যনির্ভর হয়ে উঠছে, তখন আমাদের দেশের আউটডোর বিজ্ঞাপন খাতটি চলছিল কোনো তথ্যের সহায়তা ছাড়াই। ব্রেইনকাউন্ট সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন এনেছে।</p>
<p>“বিলবোর্ড বা আউটডোর বিজ্ঞাপন অনেকদিন থেকেই ব্র্যান্ডগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম, তবে এতদিন এর কার্যকারিতা প্রমাণের সুযোগ ছিল না। ব্রেইনকাউন্ট এই খাতে ডেটাকে যুক্ত করেছে। বিজ্ঞাপনদাতারা এখন তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন, আত্মবিশ্বাসের সাথে।”</p>
<p>তিনি বলেন, “মিডিয়া মালিকদের জন্যও এই উদ্যোগ নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। কোন এলাকায়, কোন বিলবোর্ড কতটা দৃশ্যমান, এখন তার সঠিক তথ্য পাবেন তারা। ফলে নতুন লোকেশন নির্বাচন কিংবা ক্লায়েন্টের সঙ্গে আলোচনার সময় নির্ভরযোগ্য তথ্য ব্যবহার করা যাবে। ডেটাভিত্তিক এই প্রমাণ মিডিয়া মালিকদের সেবা ও মূল্য নির্ধারণে আরও স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করবে।”</p>
<div class="DContentAdd3 ignore-print">
<div class="sq-add d-flex justify-content-center">
<div id="div-gpt-ad-9827360-3"></div>
</div>
</div>
<p>ব্রেইনকাউন্টের ব্যস্থাপনা পরিচালক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, “বিশ্বব্যাপী, অডিয়েন্স মেজারমেন্ট ব্র্যান্ডগুলোর পরিকল্পনা, ব্যয় এবং ক্যাম্পেইনের ফলাফল মূল্যায়ন পদ্ধতিকে পরিবর্তন করে দিয়েছে। ডেটা সায়েন্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ডিজিটাল আর্কিটেকচার ব্যবহার করে বিশ্ববাজারগুলো আউটডোর বিজ্ঞাপনকে নতুনভাবে গড়ে তুলেছে। যার ফলে থ্রিডি বিলবোর্ড, ইন্টারঅ্যাকটিভ আউটডোর কমিউনিকেশনস এবং রিয়েলটাইম বিজ্ঞাপন ডেলিভারি সিস্টেমের মত উদ্ভাবন সম্ভব হয়েছে।</p>
<p>“এই উন্নত পদ্ধতিগুলো মাথায় রেখে, আমরা ব্রেইনকাউন্ট তৈরি করেছি, যাতে বাংলাদেশেও এই সক্ষমতা আনা যায়। যা আউটডোর বিজ্ঞাপনের জন্য একটি নতুন যুগের সূচনা করবে”- এমন আশাবাদী তিনি। </p>
<div class="post-text mt-4">
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<p><em>০৮-জুলাই/ডিজিবিটেক/ইএম</em></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইডটকো বাংলাদেশ ও টাইগার নিউ এনার্জির মধ্যে চুক্তি সই</title>
<link>https://digibanglatech.news/155359</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155359</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_686baf2c35a05.jpg" length="100723" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 07 Jul 2025 16:28:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span lang="BN"> সারাদেশে পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা এবং সকলের জন্য পরিচ্ছন্ন জ্বালানির সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোগত সেবাদাতা সংস্থা ইডটকো বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে পরিচ্ছন্ন যানবাহন ও জ্বালানি উদ্ভাবনের উদ্যোগ টাইগার নিউ এনার্জি লিমিটেড। </span><span lang="BN">এই অংশীদারিত্ব টেলিকম অবকাঠামোতে প্রচলিত জ্বালানির পরিবর্তে</span><span lang="BN"> কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে সবার জন্য জ্বালানির সমান সুবিধা নিশ্চিত করবে বলে মনে করছে উভয় প্রতিষ্ঠান। </span></p>
<p><span lang="BN">চুক্তির অধীনে টেকসই ও পরিবেশ বান্ধব ব্যাটারি ব্যাকআপ সিস্টেম</span>, <span lang="BN">সোয়াপিং স্টেশন এবং চার্জিং স্টেশন সিস্টেম স্থাপন করা হবে। এরমধ্যে ব্যাটারি-এজ-আ-সার্ভিস (বিএএএস): সাবস্ক্রিপশন ভিত্তিক ব্যাটারি ব্যাকআপ সিস্টেম, যা গ্রিডে বিদ্যুৎ না থাকলেও টেলিকম টাওয়ারে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করবে। ফলে নেটওয়ার্ক সংযোগ সবসময় একইরকম থাকবে। </span></p>
<p><span lang="BN">এছাড়াও ইডটকোর টাওয়ার সাইটগুলোতে স্থাপিত সোয়াপ পয়েন্ট, যা বৈদ্যুতিক যানবাহন, বিশেষ করে দুই ও তিন চাকার বাহনের চলাচলকে সহজতর করবে, চার্জিংয়ের সময় কমাবে এবং শেয়ারযোগ্য পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ব্যবস্থার সহায়ক হবে।</span></p>
<p><span lang="BN">একইসঙ্গে সহজে ব্যবহারযোগ্য চার্জিং পয়েন্ট, যা রিকশা ও ইজিবাইকের মতো বাহনগুলোকে বিদ্যুৎ চার্জ দেওয়ার সুযোগ দেবে, যা সকলের জন্য পরিচ্ছন্ন জ্বালানিকে সহজলভ্য করে তুলবে।</span></p>
<p><span lang="BN">চুক্তি নিয়ে </span><span lang="BN">ইডটকো বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুনীল আইজ্যাক</span><span lang="BN"> বলেন</span>, “<span lang="BN">এই অংশীদারিত্ব শুধু একটি প্রযুক্তিগত অগ্রগতি নয়</span>; <span lang="BN">বরং একটি সবুজ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল ভবিষ্যতের পথে সাহসী পদক্ষেপ। পরিচ্ছন্ন জ্বালানিকে স্মার্ট অবকাঠামোর সঙ্গে একীভূত করে আমরা টেকসই বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করছি এবং মানুষের জীবনে </span>প্রকৃত<span lang="BN"> প্রভাব তৈরি করছি।”</span></p>
<p><span lang="BN">টাইগার নিউ এনার্জির সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও নিকোল মাও</span><span lang="BN"> বলেন</span>, “<span lang="BN">ইডটকোর সঙ্গে আমাদের এই অংশীদারিত্বের </span>মুল উদ্দেশ্য<span lang="BN"> </span>প্রান্তিক জনগণের<span lang="BN"> ক্ষমতায়ন </span>নিশ্চিত <span lang="BN">করা। এই উদ্ভাবনী সমাধানগুলো পরিচ্ছন্ন ও সাশ্রয়ী জ্বালানির নতুন পথ উন্মুক্ত করছে</span>, <span lang="BN">কার্বন নিঃসরণ কমাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকেও পরিবেশবান্ধব ভবিষ্যতে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিচ্ছে। এটি হলো প্রকৃত অর্থে যৌথ অগ্রগতির বাস্তব উদাহরণ।”</span></p>
<div class="post-text mt-4">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<p><em>০৭-জুলাই/ডিজিবিটেক/ইএম</em></p>
</div>
<div class="d-flex flex-row post-tags align-items-center mt-5"></div>
<p></p>
</div>
<div class="d-flex flex-row post-tags align-items-center mt-5"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div>
<div class="print-adslot adsBox _4Pk8L _0Zwdj">
<div data-lang="বিজ্ঞাপন" class="dfp-ad-unit print-none Tlph-">
<div class="adunitContainer">
<div class=" adBox" id="News_InArticle_300x250-cc8ed953-c5bc-4377-bd11-5f452252105f-0-0" data-google-query-id="CNj5jPSvno4DFSbaPAIddzsRHQ"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সেমিকন্ডাক্টর জাতীয় টাস্কফোর্সের সুপারিশকে স্বাগত জানালো বিএসআইএ</title>
<link>https://digibanglatech.news/155342</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155342</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_686a844ae5590.jpg" length="123755" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 06 Jul 2025 19:13:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নকশা, ফেব্রিকেশন ও টেস্টিং- তিনটি মূল স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে ধারাবাহিক কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছে জাতীয় সেমিকন্ডাক্টর টাস্কফোর্স। এটি গত ৩ জুলাই প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সেই পরিকল্পনায় ২০২৫-২৬ সালের জন্য স্বল্পমেয়াদী সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে-একটি ভার্চুয়াল নলেজ পোর্টাল চালু করা, যেখানে বিশ্বমানের এবং শিল্প-সমর্থিত কারিকুলামের ভিত্তিতে স্তরভিত্তিক সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম থাকবে। ২০২৭ সালের মধ্যে অন্তত পাঁচটি সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শিল্প মানের প্রশিক্ষণ ল্যাব স্থাপন। </p>
<p>সেই সুপারিশমালাকে স্বাগত জানিয়ে ৬ জুলাই, রবিবার গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআইএ)। এতে টাস্কফোর্সের অন্তর্ভুক্তিমূলক ও দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গিকে স্বাগত জানিয়ে বিএসআইএ নেতৃবৃন্দ বলেন, সুপারিশমালায় সরকারি নীতিনির্ধারক, একাডেমিয়া, শিল্প-প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও প্রবাসী বাংলাদেশী বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে দেশের জনশক্তি ও চিপ ডিজাইন ও টেস্টিং ক্ষেত্রে বিকাশমান সক্ষমতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি রোডম্যাপ নির্ধারণ করা হয়েছে। টাস্কফোর্সের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বিএসআইএ কর্তৃক পূর্বে প্রস্তাবিত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ বিবেচিত ও অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন তারা।</p>
<p>এছাড়াও ৪টি সুপারিশের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে বিএসআইএ। সেগুলো হলো- ল্যাব অবকাঠামো ও বিশ্ববিদ্যালয়-শিল্প খাতের সহযোগিতায় দক্ষ জনশক্তি তৈরি; ভেঞ্চার ক্যাপিটাল সহায়তা বা মেয়াদি অর্থায়ন প্রদানের উদ্দেশ্যে একটি Òসেমিকন্ডাক্টর ফান্ড" প্রতিষ্ঠা; প্রাথমিকভাবে অন্তত ১০ বছর মেয়াদে কর অবকাশ সুবিধা এবং <o:p></o:p>৪) বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর খাতের শক্ত অবস্থান তৈরি করা। </p>
<p>তবে বর্ণিত সুপারিশমালায় অন্যান্য অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতের মতো সেমিকন্ডাক্টর খাতেও রপ্তানি আয়ের উপর নগদ প্রণোদনা প্রদানের সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছে নতুন এই সংগঠনটি। সুপারিশমালাটি স্থানীয় সেমিকন্ডাক্টর প্রতিষ্ঠানসমূহের আন্তর্জাতিক ব্যবসা সম্প্রসারণে সহায়ক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে বিএসআইএ।  <o:p></o:p></p>
<p><o:p> </o:p>জাতীয় সেমিকন্ডাক্টর টাস্কফোর্স-এর সুপারিশমালা প্রসঙ্গে বিএসআইএ সভাপতি মো. আবদুল জব্বার বলেন, Òজাতীয় টাস্কফোর্সের সদস্য হিসেবে বিএসআই-এর কয়েকজন সদস্য সরাসরি সম্পৃক্ত থেকে সুপারিশমালা প্রণয়নে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন, এজন্য আমরা আনন্দিত। সরকার ও সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সঙ্গে মিলিতভাবে একটি প্রাণবন্ত সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে বিএসআইএ বদ্ধপরিকর। আমরা টাস্কফোর্সের সকল সদস্য এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আমরা বিশ্বাস করি, এই সুপারিশগুলো যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা সেমিকন্ডাক্টর খাতকে একটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক শিল্পখাত হিসেবে গড়ে তুলতে পারব।"</p>
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div>
<div>
<div>
<div>
<p>০৬-জুলাই/ডিজিবিটেক/এনডি</p>
</div>
<div></div>
<p></p>
</div>
<div></div>
</div>
<div></div>
</div>
</div>
<div class="d-flex flex-row post-tags align-items-center mt-5"></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জাপানে গুগল লোকাল গাইডস ’র কানেক্ট লাইভে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশি দম্পতি</title>
<link>https://digibanglatech.news/155227</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155227</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_6865277c48c56.jpg" length="159211" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 02 Jul 2025 16:35:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>জাপানে গুগল লোকাল গাইডস’র আমন্ত্রণে ‘কানেক্ট লাইভ টোকিও ২০২৫’–এ অংশগ্রহণ করছেন বাংলাদেশি দম্পতি পাভেল-সুমাইয়া গুগল লোকাল গাইডস এর আয়োজনে আগামী ২৪-২৫ জুলাই জাপানের টোকিওতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গুগল ম্যাপস ভিত্তিক সর্ববৃহৎ গ্লোবাল ইভেন্ট ‘কানেক্ট লাইভ টোকিও ২০২৫’। লোকাল গাইডস এর ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে এই আয়োজনে বিশ্বের ১৯টি দেশ থেকে ৫০ জনেরও বেশি অভিজ্ঞ গুগল ম্যাপ কন্ট্রিবিউটর আমন্ত্রিত হয়ে অংশ নিচ্ছেন।</p>
<p>এতে মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি গুগল লোকাল গাইডস দম্পতি পাভেল সারওয়ার ও সুমাইয়া জাফরিন চৌধুরী পৃথকভাবে আমন্ত্রিত হয়েছেন, যা বাংলাদেশের জন্য গর্বের বিষয়। এই আয়োজনের সম্পূর্ণ খরচ গুগল লোকাল গাইডস বহন করছে।</p>
<p>‘কানেক্ট লাইভ’ ইভেন্টটি গুগল ম্যাপস কমিউনিটির জন্য সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন। এতে অংশগ্রহণকারীরা গুগল ম্যাপসের ভবিষ্যৎ ফিচার ও প্রযুক্তিগত হালনাগাদ সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবেন এবং সরাসরি গুগল টিমের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। গুগল লোকাল গাইডস হলো গুগল পরিচালিত একটি বৈশ্বিক স্বেচ্ছাসেবী প্ল্যাটফর্ম, যেখানে পৃথিবীর নানা প্রান্তের ভলান্টিয়াররা গুগল ম্যাপের মানোন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করেন। এই গাইডরা নতুন জায়গা যোগ, তথ্য সংশোধন, রিভিউ, ছবি ও ভিডিও সংযোজনসহ বিভিন্নভাবে ম্যাপকে আরও কার্যকর ও তথ্যবহুল করে তোলেন।</p>
<p>২০১৬ সাল থেকে গুগল প্রতিবছর সেরা লোকাল গাইডদের নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে হেডকোয়ার্টারে সামিটের আয়োজন করলেও করোনা মহামারির কারণে কয়েক বছর সেটি স্থগিত ছিল। এর পরিবর্তে ২০২০ সাল থেকে গাইডদের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ চালু করা হয় "গাইডিং স্টার অ্যাওয়ার্ড"। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে টোকিওতে আয়োজন করা হয় কানেক্ট মডারেটর কন্ট্রিবিউটর কনভারসেশন।</p>
<p>দীর্ঘদিন ধরেই গুগল কমিউনিটির সঙ্গে জড়িত এই দম্পতির সাফল্যের ইতিহাস রয়েছে। ২০১৭ সালে গুগলের আমন্ত্রণে পাভেল সারওয়ার যান যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মাউন্টেন ভিউতে গুগলের হেডকোয়ার্টারে এবং যোগ দেন লোকাল গাইডস সামিত ২০১৭ তে। সেখানে তাকে নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি প্রকাশ করে গুগল লোকাল গাইডসের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল।তিনি ২০২১ সালে কমিউনিটি বিল্ডার ক্যাটাগরিতে "গাইডিং স্টার এওয়ার্ড" লাভ করেন।</p>
<p>অন্যদিকে, তার স্ত্রী সুমাইয়া জাফরিন চৌধুরী ২০২০ সালে হেল্পফুল হিরো ক্যাটাগরিতে গাইডিং স্টার অ্যাওয়ার্ড পান। সুমাইয়া গুগল লোকাল গাইডস কানেক্ট মডারেটর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ২০১৬, ২০১৭, ২০১৮ ও ২০১৯ সালে সানফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠিত লোকাল গাইডস সামিটে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০২৩ সালে টোকিওতে অনুষ্ঠিত কানেক্ট মডারেটর কনভারসেশনেও তিনি অংশ নেন।</p>
<p>এই দম্পতিকে নিয়ে গুগল লোকাল গাইডস একাধিকবার ফিচার করেছে। ২০১৭ সালে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে গুগল সুমাইয়াকে “বিশ্বের জন্য অনুপ্রেরণীয় নারী” হিসেবে উল্লেখ করে ফিচার প্রকাশ করে। ২০১৮ সালের ভালোবাসা দিবসে গুগল লোকাল গাইডসের ব্লগ ও ফোরামে ‘মিট দ্য কাপল দ্যাট গাইডস টুগেদার’ শিরোনামে তাদের নিয়ে ফিচার করে। ২০২৩ সালের ভালোবাসা দিবস এবং বাংলা নববর্ষেও এই দম্পতিকে নিয়ে ফিচার প্রকাশ করে গুগল।</p>
<p>তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ পাভেল সারওয়ার এবং উন্নয়ন কর্মী সুমাইয়া জাফরিন চৌধুরী বিশ্বমঞ্চে গুগলের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বাংলাদেশের সংস্কৃতি, স্থাপনা, ইতিহাস এবং স্থানীয় উদ্যোগগুলো তুলে ধরার মাধ্যমে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এমবিবিএফ&#45;এ শক্তিশালী নেটওয়ার্কে ফাইভজি&#45; অ্যাডভান্সড</title>
<link>https://digibanglatech.news/155042</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155042</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_685d3e2e81369.jpg" length="79664" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 26 Jun 2025 15:31:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>চীনে আয়োজিত মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস (এমডব্লিউসি) সাংহাই ২০২৫-এ ‘মোবাইল ব্রডব্যান্ড ফোরাম (এমবিবিএফ) টপ টক সামিট’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সম্মেলনে শীর্ষস্থানীয় টেলিকম প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) উদ্ভাবক ও শিক্ষাবিদসহ ১৫০ জন অতিথি অংশ নিয়েছেন। তথ্য প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের সমন্বয়ের ফলে যে বিপুল সম্ভাবনা তৈরি হবে তা নিয়ে তাঁরা আলোচনা করেন।</p>
<p>২৬ জুন, বৃহস্পতিবার হুয়াওয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। </p>
<p>হুয়াওয়ের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর অব দ্য বোর্ড ডেভিড ওয়াং এই সম্মেলনে বলেন, "মোবাইল এআই’র ব্যবহার  তিনটি নতুন উপায়ে মোবাইল শিল্পখাতে নতুন প্রাণশক্তি নিয়ে আসছে। প্রথমত, মোবাইল ডিভাইসগুলি এখন আর কেবল অ্যাপের উপর নির্ভরশীল নয়। এখন ডিভাইসগুলি এআই এজেন্ট হোস্ট করতে শুরু করেছে, যা আমাদের জীবন এবং কাজের প্রতিটি ক্ষেত্রকে উন্নত করবে। দ্বিতীয়ত, আইওটির (ইন্টারনেট অব থিংস) সাথে এআইয়ের সমন্বয় বুদ্ধিবৃত্তিক বিশ্বের নতুন দ্বার উন্মোচন করছে। তৃতীয়ত, এআই এখন নেটওয়ার্ক প্রযুক্তিকে শক্তিশালী করে তুলেছে। আমরা আগে নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে মূলত পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দক্ষতার উপর গুরুত্ব দিতাম।  কিন্তু এখন এআই আমাদের একই সাথে স্পেকট্রাম, শক্তির ব্যবহার, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ করে দিচ্ছে।” </p>
<p>তিনি ফাইভজি-এ (অ্যাডভান্সড)-এর সম্ভাবনা উন্মোচন করে মোবাইল এআইয়ের যুগে সম্মিলিতভাবে  সাফল্য অর্জনের জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান। এই লক্ষ্যে হুয়াওয়ে এবং এর সহযোগীরা ইতোমধ্যে পাঁচটি ক্ষেত্রে একসাথে কাজ করছে। এই উদ্যোগ ফাইভজি-এ-এর ব্যবহারকে ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করবে। এই ক্ষেত্রগুলির মধ্যে রয়েছে লার্জ আপলিংক ব্যান্ডউইথ, উন্নত ডিভাইস ইকোসিস্টেম, মাল্টিমোডাল ইন্টেলিজেন্ট সার্ভিস, অল-সিনারিও আইওটির সক্ষমতা ও বিভিন্ন ব্যবসায়িক মডেল।</p>
<p><br>ফাইভজি-এ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মধ্যে ক্রমবর্ধমান সমন্বয় শিল্পখাতে এক গভীর রূপান্তর নিয়ে আসছে। বিশেষ করে উৎপাদন খাতে ফাইভজি-এ-এর লো ল্যাটেন্সি ও হাই ব্যান্ডউইথের সাথে যুক্ত এআই নির্ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য সহায়ক হিসেবে কাজ করছে। এআই-সমৃদ্ধ ফাইভজি-এ নেটওয়ার্ক তাৎক্ষণিকভাবে বিপুল পরিমাণ তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করতে পারে, যার মাধ্যমে ‘অনুধাবন &gt; সিদ্ধান্ত &gt; বাস্তবায়ন‘- এই পূর্ণ চক্রটি দ্রুত সম্পন্ন হয়। এতে একদিকে শিল্পখাতে উৎপাদন ঝুঁকি কমে, অন্যদিকে সামগ্রিক দক্ষতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে।</p>
<p><br>বাণিজ্যিক প্রেক্ষাপটে দেখা যাচ্ছে গ্রাহকদের উন্নত অভিজ্ঞতা দেয়ার আকাঙ্ক্ষাই ফাইভজি-এ প্রযুক্তিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এবং একে আর্থিকভাবে সফল করে তুলছে। ক্লাউড গেমিং কিংবা মাল্টিভিউ ইমার্সিভ স্পোর্টস স্ট্রিমিংয়ের মতো লো-ল্যাটেন্সি ও হাই ব্যান্ডউইথনির্ভর অ্যাপ্লিকেশনের ক্ষেত্রে ফাইভজি-এ-এর নিরবচ্ছিন্ন পারফরম্যান্স গ্রাহকদের জন্য আরও সহজ পেমেন্ট মডেল তৈরি করছে। </p>
<p><br>হুয়াওয়ে কর্পোরেট সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আইসিটি সেলস অ্যান্ড সার্ভিস বিভাগের প্রেসিডেন্ট, লি পেং অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে বলেন, “ফাইভজি-এ আরও শক্তিশালী সক্ষমতা নিয়ে আসবে। এটি অপারেটরদের জন্য বহু দিক থেকে নির্ভরযোগ্য নেটওয়ার্ক অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার পথ সুগম করবে। একই সাথে ফাইভজি-এ নতুন ধরনের উদ্ভাবনী ব্যবসার সুযোগ তৈরি করবে এবং ট্র্যাফিকভিত্তিক আয় মডেলের বাইরে গিয়ে সরাসরি গ্রাহকের অভিজ্ঞতাকে আয়ের উৎসে পরিণত করবে।”</p>
<p><br>লি আরও ব্যাখ্যা করেন কীভাবে অপারেটররা এখন এআই এজেন্ট ব্যবহার করে একদিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার গ্রহণযোগ্যতা বাড়াচ্ছেন, অন্যদিকে সাধারণ ব্যবহারকারী, আবাসস্থল, শিল্পপ্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য অভিজ্ঞতা প্রদান করছে। তিনি  বলেন, “এই রূপান্তর অপারেটরদের ব্র্যান্ডের মান বাড়াবে, নতুন উপযোগিতা সৃষ্টি করবে এবং ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা থেকেই আরও কার্যকরভাবে আয় করতে সহায়তা করবে। সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য আমাদের অবকাঠামোর বিবর্তনের লক্ষ্যে নতুন এআই-কেন্দ্রিক নেটওয়ার্ক নির্মাণের মানদণ্ড তৈরি করতে হবে। </p>
<p>২০২৫ সালে ফাইভজি-অ্যাডভান্সড প্রযুক্তির বাণিজ্যিক প্রয়োগ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। আন্তর্জাতিক মোবাইল অপারেটর, সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞ ও নির্ধারকদের সাথে সম্মিলিতভাবে কাজ করছে হুয়াওয়ে যাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক উদ্ভাবন ব্যবহার করে টেলিকম সেবা, অবকাঠামো ও পরিচালনা পদ্ধতিকে নতুনভাবে গড়ে তোলা যায়।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশে গুগল ক্লাউড সেবা দিচ্ছে  রেডিংটন</title>
<link>https://digibanglatech.news/154835</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154835</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_68567fa4cb659.jpg" length="39352" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 21 Jun 2025 11:47:29 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span class="x3jgonx">বাংলাদেশে</span><span class="x3jgonx"> ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য গুগল ওয়ার্কস্পেস, গুগল ক্লাউড এআই ও ডাটা ক্লাউডের মতো আধুনিক প্রযুক্তি সেবা দিচ্ছে প্রযুক্তি সমাধান প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান রেডিংটন লিমিটেড। গুগল ওয়ার্কস্পেস এর মধ্যে রয়েছে জিমেইল, গুগল মিট, ড্রাইভ, ডকস ও শিটসের মতো জনপ্রিয় টুল। এই টুলগুলোতে গুগলের নিজস্ব এআই প্রযুক্তি যুক্ত থাকায় এগুলো এখন আরও বুদ্ধিমান ও দক্ষ হয়ে উঠেছে।</span></p>
<p><span class="x3jgonx">এই উদ্ভাবনী সমাধানগুলো ব্যবসায়ীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করবে বলে জানিয়েছেন রেডিংটন লিমিটেডের সিইও রামেশ নাটরাজন।</span></p>
<p><span class="x3jgonx">তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ব্যবসাগুলো এখন ডিজিটাল রূপান্তরের পথে। আমরা চাই এই পরিবর্তনটা সহজ ও কার্যকর হোক। গুগল ক্লাউডের সঙ্গে আমাদের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বিশ্বমানের ক্লাউড ও এআই প্রযুক্তিকে দেশের ব্যবসাগুলোর হাতের নাগালে এনে দিয়েছি।’</span><br><br><br><span class="x3jgonx"> </span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইরানে ইসরাইলের ড্রোন কারখানা?</title>
<link>https://digibanglatech.news/154676</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154676</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_684fb2e613b1a.jpg" length="57969" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 16 Jun 2025 00:25:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>গ্লোবাল টেক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের অভ্যন্তরে তিন তলাবিশিষ্ট একটি ইসরায়েলি ড্রোন কারখানার অবস্থান চিহ্নিত করেছে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী।</p>
<p>এই খবর দিয়েছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) সংশ্লিষ্ট আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ধরনের আরও কিছু স্থাপনা ইরানের ভেতরে রয়েছে বলে মনে করছে তেহরান। এগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনীগুলো।</p>
<p>টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, শুক্রবার ইরানে প্রথম দিককার হামলার সময় বিস্ফোরকবাহী কোয়াডকপ্টার ড্রোন, রকেট ও অন্যান্য অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহার করে ইসরায়েল। ইরানের পরমাণু বিজ্ঞানী, সামরিক কমান্ডার, বিমানবিধ্বংসী ব্যাটারি ও ভূমি থেকে ভূমি ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর নিখুঁত হামলার জন্য দেশটির ভেতরে রাখা হয়েছিল সরঞ্জামগুলো।</p>
<p>এ বিষয়ে ১৫ জুন, রবিবার প্রতিবেদন প্রকাশ করে অ্যামেরিকাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। এতে বলা হয়, অস্ত্রগুলো চোরাই পথে ইরানে ঢোকানো হয়। এগুলো ইরানে তৈরি করা হয়নি।</p>
<p>ইরানের ভূখণ্ডে শুক্রবার শুরুর সময়ে হামলা চালিয়ে বেশ কয়েকজন শীর্ষ জেনারেল ও বিজ্ঞানীকে হত্যা করে ইসরায়েল। জবাবে ইসরায়েলের দিকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে ইরান। </p>
<p>আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে প্রকাশ, ইরানের ওপর ইসরায়েলের হামলার কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্র গোপনে ইসরায়েলে প্রায় ৩০০টি লেজারনিয়ন্ত্রিত আকাশ থেকে স্থলে নিক্ষেপণযোগ্য হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র পাঠিয়েছে। </p>
<p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল আগে থেকেই বড় পরিসরে অস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুত করছিল। এরই অংশ হিসেবে গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র এই বিপুল সংখ্যক হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলে পাঠায়। এই ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ ইঙ্গিত দেয় যে, ইরানের ওপর ইসরায়েলের হামলার পরিকল্পনার বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসন আগে থেকেই ভালোভাবে অবগত ছিল। নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুই মার্কিন কর্মকর্তা মিডল ইস্ট আইকে এই তথ্য জানিয়েছেন।</p>
<p>ইরানে হামলার আগে যুক্তরাষ্ট্র যে ইসরায়েলে বিপুল পরিমাণে হেলফায়ারসহ অন্যান্য অস্ত্র সরবরাহ করেছে, সে খবর এত দিন প্রকাশিত হয়নি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দুই মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ভূপাতিত করতে মার্কিন সেনাবাহিনী সহায়তা করেছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১৬ জুলাই প্রথম জাতীয় সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম</title>
<link>https://digibanglatech.news/154656</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154656</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_684e88cce9f04.jpg" length="80869" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 15 Jun 2025 13:46:08 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span lang="BN">বাংলাদেশকে নেশন অফ ইনোভেশন বানানোর</span> লক্ষ্যে আগামী ১৬ জুলাই প্রথমবারের মতো জাতীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে <span lang="BN-BD">বাংলাদেশ ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোসিয়াম</span>। ঢাকা ও চট্টগ্রামে দুইটি ভ্যেনুতে এই খাতের দেশেী-বেদেশী শিল্প উদ্যোক্তা-গবেষকদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে এই সিম্পোজিয়াম। এছাড়াও দেশের বায়োটেক, ইলেকট্রনিক্স, আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স এবং রোবটিকস কাজ নিয়ে ১৬-১৮ জুলাই থাকছে বিয়ার (BEAR) সামিট ২০২৫। <span>সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রির অ্যাপ্লিকেশনগুলো নিয়ে হবে এই সম্মিলন। তবে এখনো ভ্যেনু নির্ধারিত হয়নি। </span></p>
<p>সম্মেলনের প্রস্তুতি হিসেবে আগামী ২৪ জুন সকাল ৮টায় বহুপক্ষীয় সভা করছেন আয়োজকরা। ঢাকা ও চট্টগ্রামে অবস্থানরত এই খাতের শিল্পউদ্যোক্তাদের অনলাইনে সংযুক্ত করা হবে বিকেলে। সভায় যোগ দিতে এরই মধ্যে দেশের সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে দাওয়াত পাঠানো হয়েছে বলে জানাগেছে। সূত্রমতে, সম্মেলন সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশী গবেষক। <o:p></o:p></p>
<p>আয়োজন আহ্বায়ক কমিটিতে রয়েছেন পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসিই বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মাদ মোস্তফা হোসাইন, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব, ইউনাইটেড বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মোঃ রেজওয়ান খান, ইউনিভার্সিটি অব মিসৌরি’র ইসিই বিভাগের প্রধান সৈয়দ কামরুল ইসলাম, অ্যাপলাইড ম্যাটেরিয়ালস এর ভাইস প্রেসিডেন্ট আনিসুল ইসলাম, ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া বার্কলে’র ইইসিএস বিভাগের অধ্যাপক সাইফ সালাউদ্দিন, এনএক্সপি সেমিকন্ডাক্টর্স এর জ্যেষ্ঠ মুখ্য প্রকৌশলী ড. সায়ীদ বদরুদ্দৌজা এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) এর  তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মাদ আনিসুজ্জামান তালুকদার।   <o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ (</span>ICT Division), <span lang="BN-BD">বিশ্বব্যাংক</span>, EDGE <span lang="BN-BD">প্রকল্প ও </span>BIDA এর যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিতব্য এই সম্মেলনে <span lang="BN">বৈজ্ঞানিক পোস্টার</span> ও উদ্ভাবিত প্রযুক্তি প্রদর্শনের সুযোগ পাবেন গবেষকরা। প্রদর্শনীতে <span lang="BN">রোবটিক্স বা সেন্সরযুক্ত হার্ডওয়্যার প্রোটোটাইপ</span>, এআই <span lang="BN">সফটওয়্যার বা অটোমেটেড মডেল</span> যেমন তুলে ধরা হবে। তেমনি <span lang="BN">জাতীয় সমস্যার সঙ্গে স</span>ম্পর্কিত <span lang="BN">সমস্যা</span>, <span lang="BN">পদ্ধতি</span>, <span lang="BN">ফলাফল ও বিশ্লেষণ</span> নিয়ে এ১০ আকারের কাগজে <span lang="BN">পোর্ট্রেট ফরম্যা</span>টে<span lang="BN"> (৮৪.১ সেমি </span>× <span lang="BN">১১৮.৯ সেমি</span>) <span lang="BN">চিত্র/ডায়াগ্রাম/গ্রাফ/রেফারেন্স</span> দিয়ে সমাধানের চিত্রপট উপস্থান করবেন অংশগ্রহণ কারীরা। <span lang="BN">গত পাঁচ বছরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">রোবোটিক্স প্রতিযোগিতায় </span>বিজয়ী দলগুলো থাকছে প্রথম বারের মতো অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে।<o:p></o:p></p>
<p>ঈদের ছুটির আগ পর্যন্ত সম্মেলনে অংশ নিতে<span lang="BN-BD"> ৩৪৬ জন </span><span lang="BN-BD"> </span>নিবন্ধন করেছেন বলে জানিয়েছেন অধ্যাপক মুহাম্মাদ মোস্তফা হোসাইন। তিনি জানান, ইতিমধ্যেই<span lang="BN-BD"> ২১৭ জন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে অবদান রাখতে চেয়েছে</span>ন<span lang="BN-BD">।</span><span lang="BN-BD"> </span><span lang="BN-BD">১২৪ জন পোস্টার এবং ডেমোতে অংশ নেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। </span><o:p></o:p></p>
<p><o:p> </o:p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title> হুয়াওয়ে আইএএএস ব্যবহার করবে ইজিসিবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/154462</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154462</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_684063bdb34fc.jpg" length="83469" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 04 Jun 2025 18:18:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span class="x3jgonx">ডিজিটাল রূপান্তরে হুয়াওয়ের ‘ইনফ্রাসট্রাকচার অ্যাজ অ্যা সার্ভিস (আইএএএস)’ ব্যবহারের করবে ইলেকট্রিসিটি জেনারেশন কোম্পানি অব বাংলাদেশ (ইজিসিবি)। এক্ষেত্রে স্থানীয় পর্যায়ে হুয়াওয়ের সহযোগী হিসেবে কাজ করবে ওমেগা এক্সিম লিমিটেড । প্রতিষ্ঠানটি ক্লাউড-ভিত্তিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, প্রকল্প পরিচালনা, ইজিসিবি কর্মীদের প্রশিক্ষণ, চুক্তির সময়কালে রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় নিয়মনীতি অনুসরণের দায়িত্বে থাকবে। </span></p>
<p><span class="x3jgonx">চলতি সপ্তাহে হুয়াওয়ে বাংলাদেশের সদর দপ্তরে ইজিসিবি এবং হুয়াওয়ের স্থানীয় সহযোগী ওমেগা এক্সিম লিমিটেড-এর মধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।  </span><span class="x3jgonx">চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ইজিসিবি-এর সুপারইনটেন্ডিং ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড হেড অব আইসিটি মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান খান এবং ওমেগা এক্সিম লিমিটেড-এর ডিরেক্টর আবদুল্লাহ আল মাকসুদ বেগ।</span></p>
<p><span class="x3jgonx"> হুয়াওয়ে এবং এই দুই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।</span></p>
<p><br><span class="x3jgonx">এই চুক্তির আওতায় হুয়াওয়ের আইএএএস-এর মাধ্যমে ইজিসিবি-এর ডিজাস্টার রিকভারি সাইট (ডিআর) প্রাথমিকভাবে দুই বছরের জন্য হোস্ট করা হবে। এটি একটি সুরক্ষিত ও প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহারযোগ্য ব্যবস্থার জন্য তৈরি করা হয়েছে যা ডেটা ব্যাকআপ, রেপ্লিকেশন, নিয়মিত রিকভারি টেস্টিংয়ের পাশাপাশি কোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত তথ্য পুনরুদ্ধারের সুবিধা</span><span class="x3jgonx"> নিশ্চিত করবে। এর ফলে ইজিসিবির ব্যবসায়িক ব্যবস্থাপনা উন্নত হবে এবং প্রয়োজনীয় প্রাসঙ্গিক নিয়ম-কানুন মেনে চলতে সাহায্য করবে।</span></p>
<p><span class="x3jgonx"> </span><span class="x3jgonx">অনুষ্ঠানে মো. রাশেদুজ্জামান খান বলেন, “আমরা সব সময় দেশের এবং জনগণের জন্য সেরা মানের সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করি। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অবকাঠামো আধুনিকায়ন করা আমাদের এটি প্রধান লক্ষ্য। সম্পূর্ণভাবে মূল্যায়ন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আমরা দেখেছি যে, হুয়াওয়ের আইএএএস-ই সবচেয়ে উপযুক্ত। এর দক্ষতা অতুলনীয় এবং অভিজ্ঞতাও বিশ্ব মানের।”</span><br><br><span class="x3jgonx">আবদুল্লাহ আল মাকসুদ বেগ বলেন, “আমরা হুয়াওয়ের ক্লাউড সল্যুশনের মাধ্যমে বাংলাদেশে বহুমাত্রিক প্রতিষ্ঠানকে সহযোগিতার জন্য হুয়াওয়ের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি। তাদের নানা ধরনের সেবা বিভিন্ন ব্যবসায়িক খাতের প্রয়োজন মেটাতে অত্যন্ত উপযোগী। হুয়াওয়ে ক্লাউড সেবার মান ও নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে আমাদের গ্রাহকদের প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত ইতিবাচক। ইজিসিবি-কে এই শক্তিশালী প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সহায়তা করতে পেরে আমরা আনন্দিত। আমরা আত্মবিশ্বাসী যে, তারাও হুয়াওয়ে ক্লাউড ও আমাদের বিশেষ সেবার সুফল পাবে।”</span></p>
<p><span class="x3jgonx">চুক্তি সম্পর্কে হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়া ক্লাউড বিজনেসের ডিরেক্টর ঝং ইউবিং বলেন, “ক্লাউড প্রযুক্তিতে আমাদের বৈশ্বিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আমরা বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কার্যকর সমাধান দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। স্থানীয় প্রয়োজনের সঙ্গে মিল রেখে আমরা বিশ্বমানের সেবা দিতে চাই। ইজিসিবি-কে এই যাত্রায় সহায়তা দিতে হুযাওয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা বিশ্বাস করি, তারা আমাদের কাছ থেকে উন্নত সেবার অভিজ্ঞতা পাবে।”</span><br><br></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশে স্টারলিংকের যাত্রা শুরু হওয়ায় প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন</title>
<link>https://digibanglatech.news/153969</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153969</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_682cc2b86f806.jpg" length="42143" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 20 May 2025 19:59:19 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull">প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশে স্টারলিংকের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (২০ মে) প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক পোস্টে আজ এ কথা জানিয়েছেন।</p>
<p class="alignfull">তিনি বলেছেন, স্টারলিংক বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে। আজ সকালে এক্স হ্যান্ডেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।</p>
<div class="BT_inner_A1_C2 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">শুরুতে স্টারলিংক দুটি প্যাকেজ দিয়ে শুরু করছে— স্টারলিংক রেসিডেন্স এবং রেসিডেন্স লাইট। মাসিক খরচ একটিতে ৬০০০ টাকা, অপরটিতে ৪২০০ টাকা। তবে, সেটআপ যন্ত্রপাতির জন্য ৪৭ হাজার টাকা এককালীন খরচ হবে। এখানে কোনও স্পিড ও ডাটা লিমিট নেই। ব্যক্তি পর্যায়ে ৩০০ এমবিপিএস পর্যন্ত গতির আনলিমিটেড ডেটা ব্যবহার করা যাবে।</div>
</div>
<p class="alignfull">বাংলাদেশের গ্রাহকরা মঙ্গলবার থেকেই অর্ডার করতে পারবেন।</p>
<p class="alignfull"><strong>কীভাবে অর্ডার করতে হবে?</strong></p>
<p class="alignfull">স্টারলিংক সংযোগ পেতে হলে, গ্রাহকদের প্রথমে স্টারলিংকের <span style="color: rgb(186, 55, 42);"><a href="https://digibanglatech.news/admin/starlink.com" style="color: rgb(186, 55, 42);">অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে</a></span> গিয়ে আগ্রহী গ্রাহক হিসেবে নিবন্ধন করতে হবে। এরপর সংযোগ পাওয়া যায় কি-না, তা পরীক্ষা করতে ঠিকানা দিয়ে পরীক্ষা করতে হবে। এরপর একটি প্যাকেজ বেছে নিয়ে হার্ডওয়্যার কিট কেনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। </p>
<p class="alignfull">স্ট্যান্ডার্ড কিটে থাকে একটি স্যাটেলাইট ডিশ, ওয়াইফাই রাউটার, মাউন্টিং ট্রাইপড ও ক্যাবল। কিট হাতে পাওয়ার পর স্টারলিংক অ্যাপের মাধ্যমে সংযোগ সক্রিয় করতে হবে। স্টারলিংক সংযোগ নিয়ে ৩০ দিন ব্যবহার করার পর সেবা সন্তোষজনক মনে না হলে সম্পূর্ণ টাকা ফেরত দেওয়া হবে।</p>
<p class="alignfull">স্টারলিংকের ইন্টারনেট সেবার জন্য গ্রাহককে টেলিভিশনের ডিশ অ্যান্টেনার মতো একটি যন্ত্র বসাতে হবে। এটি সেই স্যাটেলাইটগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে। যন্ত্রটি ক্রয়ের সময় এর সঙ্গে পুরো একটি টুলকিট দেয়া হয়। </p>
<p class="alignfull">এতে স্টারলিংক অ্যান্টেনা ছাড়াও থাকে স্ট্যান্ড, স্টারলিংক কেবল, জেন থ্রি রাউটার, এসি কেবল এবং পাওয়ার অ্যাডাপ্টার। অ্যান্টেনা যে কোনো জায়গায় মাউন্টের জন্য উপযোগী। এমনকি ট্রেনের মতো দ্রুতগামী কোনো বস্তুর ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য। তবে শর্ত হচ্ছে- আকাশ ও অ্যান্টেনার মাঝে কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকা যাবে না।</p>
<p class="alignfull">এই অ্যান্টেনার সঙ্গে স্টারলিংকের রাউটারটি যুক্ত করে গ্রাহক ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। এতে করে দুর্গম পাহাড় বা জঙ্গলেও উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ সম্ভব হবে। এই রাউটারে একসঙ্গে ২৫৪টি ডিভাইস যুক্ত হতে পারে। অবশ্য কোম্পানির পক্ষ থেকে ৫০টির কম ডিভাইস ব্যবহারের পরামর্শ রয়েছে।</p>
<div class="BT_inner_A1_C3 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">এদিকে, স্টারলিংক ইন্টারনেটে খরচ হলেও এর মাধ্যমে প্রিমিয়াম গ্রাহকদের জন্য উচ্চমান এবং উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবাপ্রাপ্তির টেকসই বিকল্প তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি, যেসব এলাকায় এখনও ফাইবার অপটিক কিংবা দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা পৌঁছেনি, সেখানে কোম্পানিগুলো ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ পাবে। এনজিও, ফ্রিল্যান্সার এবং উদ্যোক্তারা বছরব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবহারের নিশ্চয়তা পাবেন। </div>
<div class="300adWnC">
<article class="jw_detail_content_holder jw_detail_content_body content mb16">
<div itemprop="articleBody" class="viewport jw_article_body">
<p class="alignfull">পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহ চালু করা প্রথম বেসরকারি প্রতিষ্ঠান স্টারলিংক সার্ভিসেস, এলএলসি। পরিচালনা প্রতিষ্ঠানের নামানুসারেই উপগ্রহ ক্লাস্টারের নাম হয়েছে স্টারলিংক। গোটা বিশ্ব জুড়ে ইলন মাস্কের এই প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহক রয়েছে ১০০টিরও বেশি দেশে।</p>
<p class="alignfull">স্টারলিংকের যাত্রা শুরু হয় ২০১৯ সালের মে মাসে ৬০টি স্যাটেলাইটের চালুর মাধ্যমে। বর্তমানে এই সংখ্যা দাড়িয়েছে সাত হাজারেরও বেশি এবং এগুলো খুব কাছাকাছি কক্ষপথে থেকে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এই অবস্থানটি প্রায় ৩৫ হাজার ৭৮৬ কিলোমিটার উপরে। </p>
</div>
</article>
</div>
<div class="300adWnC"></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>উল্কাসেমির আইসিটি খাতে জাতীয় স্বীকৃতি</title>
<link>https://digibanglatech.news/153869</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153869</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_6829d489286a7.jpg" length="124926" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 18 May 2025 15:37:58 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইনের মাধ্যমে দেশের আইসিটি খাতে বিশেষ অবদান রাখায় পুরষ্কার পেয়েছে দেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের নেতৃত্বস্থানীয় প্রতিষ্ঠান উল্কাসেমি। গতকাল শনিবার (১৭ মে) রাজধানীর বিটিআরসি ভবনে ‘বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস ২০২৫’ উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠানের অয়োজন করে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘ডিজিটাল রূপান্তরে নারী-পুরুষের সমতায়ন’।</p>
<p>এই অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের মাঝে সম্মননা ও পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।<br>পুরস্কারপ্রাপ্ত তিন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি উল্কাসেমি প্রাইভেট লিমিটেড। উল্লেখ্য যে বর্তমান প্রযুক্তি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সেমিকন্ডাক্টর চিপের ওপর নির্ভরশীল।</p>
<p>ভবিষ্যতের এই নেতৃত্বস্থানীয় প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে দেশের শীর্ষস্থানীয় সেমিকন্ডাক্টর প্রতিষ্ঠান উল্কাসেমি। এতে রয়েছে বাংলাদেশী দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারদের শক্তিশালী দল। দেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের মাধ্যমে ডিজিটাল রুপান্তরে কোনো ভেদাভেদ না রেখে কেবল মেধার গুরুত্ব দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছে প্রায় একশ নারী ইঞ্জিনিয়ার, যারা তাদের মেধা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে অবদান রাখছে দেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে। </p>
<p>২০৩০ সালের মধ্যে দেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে মাল্টি বিলিয়ন ডলারের বাজারে রূপান্তরের পরিকল্পনা করছে এই প্রতিষ্ঠানটি। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আগামী ৫ বছরে ৫ হাজার দক্ষ সেমিকন্ডাক্টর প্রকৌশলী তৈরিতে কাজ করছে তাঁরা। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে সাড়ে ৫শ দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রাজধানীর ৫০ স্পটে বসছে বায়ুদূষণ রোধক যন্ত্র</title>
<link>https://digibanglatech.news/153267</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153267</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_681197dbe9e0f.jpg" length="95070" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 29 Apr 2025 00:24:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>রাজধানী ঢাকার বায়ুদূষণ রোধে অন্তত ৫০টি জায়গায় ‘এয়ার পিউরিফায়ার’ বা বাতাস বিশুদ্ধকারী যন্ত্র বসানো হবে। ডিএনসিসির নগর ভবনে  ‘ন্যায্য নগর গঠনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ভূমিকা’ শীর্ষক পলিসি ডায়ালগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ তথ্য দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। সোমবার (২৮ এপ্রিল) </span><span>যৌথভাবে এ সংলাপের আয়োজন করেছে ডিএনসিসি ও বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস)। </span></p>
<p><span>প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ জানান, ঢাকার ৫০টি জায়গায় বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য এয়ার পিউরিফায়ার বসানো হচ্ছে। এগুলো আকারে বড় এবং দামি। এগুলোর জন্য আর্থিক পৃষ্ঠপোষক পাওয়া গেছে। এগুলো জনপরিসরে স্থাপন করা হবে। করপোরেশনের কোনো টাকা খরচ হবে না।</span></p>
<p><span>এয়ার পিউরিফায়ার বসাতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এসেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১০০টি গাছ যে পরিমাণ বাতাসকে পরিশুদ্ধ করে, একেকটি পিউরিফায়ার সেই কাজ করবে। দূষণ কমাতে কিছু তাৎক্ষণিক সমাধানের পাশাপাশি দীর্ঘস্থায়ী সমাধান নিয়েও কাজ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।</span></p>
<p>স্টেট ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী নকীর সভাপতিত্বে পলিসি ডায়ালগে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ক্যাপসের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার।</p>
<p>আলোচনায় অংশ নিয়ে <span>বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ইজাজ </span>বলেন, দূষণ রোধ করতে সর্বপ্রথম দূষণকারীকে চিহ্নিত করে দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে। <span>যানজট নিরসনে বৈদ্যুতিক যানবাহনের প্রচলন করলে সে ক্ষেত্রে সৌরশক্তির মাধ্যমে চার্জিংয়ের ব্যবস্থা করলে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমবে।</span></p>
<p>জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ গবেষণা কেন্দ্রের (সিথ্রিইআর) সমন্বয়ক রৌফা খানম বলেন, শহরাঞ্চলে নবায়নযোগ্য জ্বালানির গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে অনেক আইন ও বিধিনিষেধ প্রণয়ন করা হয়েছে। এগুলোর কার্যকর বাস্তবায়নে শক্তিশালী কারিগরি ব্যবস্থাপনা দক্ষতা, একটি কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। </p>
<p>ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট (ডব্লিউবিবিটি)-এর পরিচালক গাউস পিয়ারী বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার বৃদ্ধি, মানসম্মত গণপরিবহন, শিল্পখাত, কৃষিখাত, অফিস আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়িতে এর ব্যবহার করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।</p>
<p>বিআইপির প্রেসিডেন্ট পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য শক্তির প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, পরিবহন ও শিল্পখাতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির প্রয়োগ এবং জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করে আমরা একটি সুস্থ ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি। এটি শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করবে।</p>
<p><span>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক এবং চেয়ারম্যান ড. এম. শহীদুল ইসলাম বলেন, দূষণমুক্ত ন্যায্য নগর গঠনে শতাধিক উপায় রয়েছে। আমাদের চাহিদাটাকে কমিয়ে আনতে হবে। আমরা যদি গণপরিবহন ব্যবহার করি তাহলে দূষণ কমবে পাশাপাশি দূষণকারী যারা আছেন তাদের সমাধানের দায়িত্ব নিতে হবে।</span></p>
<div id="e8107dc3-3251-408a-a256-ae8e8597818d">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>সংলাপে অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামান, বিআইপির উপদেষ্টা বোর্ডের আহ্বায়ক মোহাম্মদ ফজলে রেজা সুমন, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রাশেদুজ্জামান মজুমদারসহ অনেকে বক্তব্য দেন। সংলাপেরসহ আয়োজক ছিল ৩৫টি বেসরকারি ও সংগঠন।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="print-none oHRqW"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মানিক মিয়া এভিনিউয়ে ড্রোন সন্ধ্যার অপেক্ষা</title>
<link>https://digibanglatech.news/152704</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152704</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67faa4153dfc0.jpg" length="55452" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 14 Apr 2025 15:42:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div id="3c0f3ce9-b1eb-4095-b05e-c7272c471577">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<p>পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে সন্ধ্যায় প্রযুক্তির নতুন বিনোদনের সাক্ষী হবেন নগরবাসী। লেজার শো’র পর উপভোগ করবেন ড্রোন শো। নববর্ষ ১৪৩২ উদ্‌যাপন উপলক্ষে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় চীনা দূতাবাস, ঢাকার কারিগরি সহায়তায় এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় আয়োজন করা হয়েছে এই ‘ড্রোন শো’ ও ‘নববর্ষ কনসার্ট’।</p>
<p>সোমবার বিকাল তিনটায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে শুরু হয়েছে কনসার্ট। তবে গানের চেয়ে ড্রোন শো’র ঝলক দেখতে মুখিয়ে আছেন তরুণেরা। সন্ধ্যা সাতটায় শুরু হবে আকর্ষণীয় ‘ড্রোন শো’। শো’র রিহার্সেলের কিছু কিছু ছবি ও ক্লিপ রবিবারই ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল হ্যান্ডেলে।  ওইদিনই সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী রাত ১০টা ১৮ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ড্রোন শোর কিছু ছবি শেয়ার করেন। ফারুকী লেখেন, ‘আজকের ড্রোন শোর কিছু ঝলক! এটি পুরো শোর কেবল এক ঝলকমাত্র। ১৪ এপ্রিল, বেলা তিনটায়, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ড্রোন শো আর লাইভ মিউজিকের অসাধারণ এক প্রদর্শনী দেখার আমন্ত্রণ রইল।’ তিনি আরও জানান, ‘এই ড্রোন শো চীনের দূতাবাসের পক্ষ থেকে একটি উপহার।’</p>
<p>মূলতঃ শনিবার সংসদ ভবনের সামনে মহড়ায় দেখা যায় মুগ্ধকর ড্রোন শোয়ের ঝলক।  প্রথমবারের মতো আকাশে ভেসে ওঠে ড্রোনচিত্র ও রঙিন লেজার রশ্মি। এই শোতে ১৯৭১ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময়কালকে তুলে ধরা হয় বিভিন্ন প্রতিকৃতির মাধ্যমে। উঠে আসে ‘২৪-এর বীর’, পায়রার খাঁচা ভাঙা থিম, ফিলিস্তিনের জন্য প্রার্থনা এবং বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্বের শুভেচ্ছাবার্তা। সেদিনের মহড়ায় উপস্থিত মুগ্ধ হয়ে দেখেছেন বুক চিতিয়ে দাঁড়ানো আন্দোলনকারী আবু সাঈদ, পানির বোতল হাতে প্রতীকী মুগ্ধতা, আর ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানানো বার্তা। এ ছাড়া জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ ও গণ-অভ্যুত্থান থেকে শুরু করে শেখ হাসিনার পতনের দাবিতে সাম্প্রতিক ছাত্র-জনতার প্রতিবাদও শোতে স্থান পেয়েছে প্রতীকীভাবে। বিভিন্ন বার্তায় আয়োজকেরা জানিয়েছে, এই ড্রোন শো কেবল বিনোদনের নয়, বরং এটি বর্তমান সময়ের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। </p>
<p>আয়োজক সূত্রে প্রকাশ, ড্রোন শো’র আগে পরিবেশিত হবে ‘বেসিক গিটার লার্নিং স্কুল’ বান্দরবান; গারো জাতিগোষ্ঠীর ব্যান্ড ‘এফ মাইনর’ দুটি সংগীত। এর পর হবে সমবেত সংগীত ‘এসো হে বৈশাখ’। দুটি একক সংগীত পরিবেশন করবে মিঠুন চক্র এবং ‘দেওরা’সহ আরও একটি ঐতিহ্যবাহী পালা পরিবেশন করবেন ইসলামউদ্দিন পালাকার। এরপর দ্বৈত ও দুটি একক সংগীত পরিবেশন করবেন রাকিব ও সাগর দেওয়ান এবং দুটি দ্বৈত সংগীত পরিবেশন করবেন রাকিব ও আরজ আলী ওস্তাদ। ‘চলো নীরালায়’সহ তিনটি একক সংগীত পরিবেশন করবেন আতিয়া আনিশা, ‘মাঝে মাঝে তুমি এলে’, ‘মানুষ কেন এ রকম’ ও ‘গল্প না’ নামের গান তিনটি পরিবেশন করবেন আহমেদ হাসান সানি এবং জুলাই আন্দোলনের গানসহ ৩টি গান পরিবেশন করবেন পারশা । এরপর ‘ব্যান্ড সংগীত’ পরিবেশন করবেন অ্যাশেজ ব্যান্ড।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="f65971e9-1501-4ca8-a0fc-8ba7f5ba7752">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<p></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="3b4cf626-cc2b-4c95-8ced-9487f4e392be">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<p></p>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মহাকাশ প্রযুক্তিতে সহযোগিতা বাংলাদেশ ও তুরস্কের জন্য লাভজনক হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা</title>
<link>https://digibanglatech.news/152640</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152640</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67fa837980cfc.jpg" length="80558" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 12 Apr 2025 16:17:51 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের জন্য মহাকাশ প্রযুক্তিতে ঢাকার নির্ভরযোগ্য অংশীদার হতে তুরস্কের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তুরস্কে ‘আনাতোলিয়া কূটনীতি ফোরাম (এডিএফ)-২০২৫’ এর ফাঁকে ‘টার্কিশ এয়ারোস্পেস’-এর প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেহমেত ডেমিরোগ্লুর সঙ্গে এক বৈঠকে এই আহ্বান জানানো হয়েছে। বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলমও অংশ নেন।</p>
<p>এ নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের  সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশে বিনিয়োগের খাত অন্বেষণ ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি হস্তান্তরের বিষয়ে একমত পোষণ করেছে।</p>
<p><span>বৈঠকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, মহাকাশ প্রযুক্তিতে ঢাকার একটি নির্ভরযোগ্য অংশীদার প্রয়োজন। বাংলাদেশ ও তুরস্ক যদি একের অপরকে সহযোগিতা করে, তাহলে তা উভয় দেশের জন্যই লাভজনক হবে।</span></p>
<p>পররাষ্ট্র উপদেষ্টার আমন্ত্রণে মহাকাশ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিদ্যমান সুযোগ অন্বেষণ ও ভবিষ্যতে সহযোগিতার জন্য ‘টার্কিশ এয়ারোস্পেস’-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে তুরস্কের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফরে আসতে সম্মত হয়েছে।</p>
<p>তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও উভয় পক্ষের  ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>গতকাল শুক্রবার তুরস্কের আনাতোলিয়ায় তিন দিনব্যাপী ‘আনাতোলিয়া কূটনীতি ফোরাম (এডিএফ)-২০২৫’ শুরু হয়েছে। এই ফোরামের প্রতিপাদ্য হলো-‘বিভক্ত বিশ্বে কূটনীতি পুনরুদ্ধার’।</p>
<p>তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের পৃষ্ঠপোষকতায় দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ফোরামের আয়োজন করেছে। </p>
<p>বিশ্ব নেতা, নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়িক বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা একত্রিত হয়েছেন এই ফোরামে। এই ফোরামের মাধ্যমে কীভাবে কূটনীতির পরিস্থিতির মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া যায় এবং একটি বিভক্ত বিশ্বে সম্মিলিত পদক্ষেপের একটি সাধারণ ভিত্তি খুঁজে পাওয়া যায়, তা অনুসন্ধান করার কথা জানিয়েছেন আয়োজকরা।</p>
<p>২০ জনেরও বেশি রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান, ৫০ জনেরও বেশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ৭০ জনেরও বেশি মন্ত্রী এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রায় ৬০ জন সিনিয়র প্রতিনিধি, পাশাপাশি শিক্ষার্থীসহ ৪ হাজার জনেরও বেশি অতিথি ফোরামে অংশগ্রহণ করেছেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোট দেওয়ার পদ্ধতি নির্ধারণ’ নিয়ে কারিগরি কর্মশালা</title>
<link>https://digibanglatech.news/152507</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152507</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;color: rgb(186, 55, 42);&quot;&gt;অনলাইন, পোস্টাল ও প্রক্সি’র কারিগরি পথনকশা তৈরি&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67f4d04300db8.jpg" length="69895" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 08 Apr 2025 12:27:55 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে চলছে ‘প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোট দেওয়ার পদ্ধতি নির্ধারণ’ বিষয় কর্মশালা। <span>চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির সিনিয়র সচিবদের উপস্থিততে </span>কর্মাশালায় প্রবাসীদের অনলাইন, পোস্টাল ও প্রক্সি এই তিন ভোটিং পদ্ধতির টেকনিক্যাল বিষয়ে আলোকপাত করা হচ্ছে। </p>
<p><span>সভায় সবার উদ্দেশ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার নিশ্চিতের বিষয়টি আমরা অগ্রাধিকার দেয়ার কথা জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন। আর</span> মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ মত দেন, পোস্টাল ও অনলাইন ভোটিং পদ্ধতি এখানে তেমন কার্যকর হবে না। প্রক্সি ভোটিং পদ্ধতিই উপযোগী। </p>
<p>কর্মশালায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের অধ্যাপক ড. এবিএম আলিম আল ইসলাম ও অধ্যাপক ড. অনিন্দ্য ইকবাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মুস্তাফিজুর রহমান, ড. মো. মামুন অর রশিদ ও ড. মোসাদ্দেক হোসেন কামাল, মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) সিএসই বিভাগের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহফুজুল করিম মজুমদার, সহযোগী অধ্যাপক লেফট্যানেন্ট কর্নেল মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম ও সহযোগী অধ্যাপক লেফট্যানেন্ট কর্নেল মো. আবুল বাশার, রিলিফ ভেলিডেশন লিমিটেডের চিফ অপারেটিং অফিসার অ্যান্ড্রিস উইথমুলার, সিনেসিস আইটির সফটওয়্যার বিভাগের প্রধান মনিরুল ইসলামসহ <span>অন্তত ৮০ জন</span> অংশ নিয়েছেন।</p>
<p><span>এদের মধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন বিষয়ক রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়, ইসির আইসিটি শাখা, মাঠ কর্মকর্তা, ইএনডিপি, বেসিস এবং বেশ কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কারিগরি বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধিরা রয়েছেন। </span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x_67f4d49f53aac.jpg" alt=""></p>
<p>কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছোট পরিসরে হলেও প্রবাসীদের পরীক্ষামূলকভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দিতে বিশেষজ্ঞদের সুনির্দিষ্ট মতামত চেয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।  তিনি বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনেকেই ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দিতে বলেছেন। আমরা যেটা দেখলাম এটা খুব সহজ নয়, অনেক পর্যালোচনার পর আমরা তিনটি পদ্ধতি নিয়ে কাজ করছি। পোস্টাল ভোটিং, যেটি আমাদের এখানে আছে। অনলাইন ভোটিং এবং প্রক্সি ভোটিং নিয়েও আমরা কাজ করছি। প্রক্সি ভোটিং পদ্ধতি আমাদের এখানে করপোরেট সেক্টরে প্র্যাকটিস হয়। তবে এক্ষেত্রে <span>সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা, ভোটারদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং প্রবাসীদের বাস্তবতা বিবেচনায় আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।</span></p>
<p>প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের মতো আমরাও (ইসি) আগামী নির্বাচনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রবাসীদের ভোট দেওয়ার বিষয়ে যে পদ্ধতিতেই আমরা এগোই না কেন, প্রথমে পাইলটিং প্রোগ্রাম পরে স্বল্প পরিসরে করতে হবে, এরপর বড় পরিসরে যেতে হবে।</p>
<p>কর্মশালায় আগত বিশেষজ্ঞদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, আপনারা সুনির্দিষ্ট মতামত দেবেন। এক্ষেত্রে সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা, ভোটারদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং প্রবাসীদের বাস্তবতা বিবেচনায় আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কোন কোন দেশে পাইলটিং প্রোগ্রাম করা যায় সেই পরামর্শ আপনারা দেবেন।  </p>
<p>এর আগে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, নির্বাচন কমিশন প্রবাসীদের জন্য প্রক্সি ভোটিংয়ের বিষয়ে প্রাধান্য দিচ্ছে। এই পদ্ধতি চূড়ান্ত হলে প্রবাসীরা তার আত্মীয়-স্বজনদের প্রক্সি হিসেবে ভোট দেওয়ার সুযোগ পারবেন।</p>
<h1 class="post-title" style="text-align: center;"><span style="color: rgb(186, 55, 42);"><a href="https://digibanglatech.news/152505" style="color: rgb(186, 55, 42);">নির্বচান প্রস্তুতিতে গুরুত্ব পাচ্ছে ডিজিটাল বন্দোবস্ত</a></span></h1>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আধুনিক &amp;apos;ল্যান্ড সার্ভিস গেইটওয়ে&amp;apos; চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার</title>
<link>https://digibanglatech.news/152452</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152452</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67f2a26fb9e2d.jpg" length="85299" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 06 Apr 2025 21:08:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>
<div dir="auto">নাগরিক ভোগান্তি কমাতে বিচ্ছিন্নভাবে আলাদা আলাদা সফটওয়্যার সিস্টেমে ডিজিটাল ভূমি সেবা না দিয়ে সরকার এলডি ট্যাক্স, ই-মিউটেশন, ই-পর্চা/ই-খতিয়ানসহ চারটি সেবাকে আন্তঃসংযুক্ত করে একটি আধুনিক ‘ল্যান্ড সার্ভিস গেটওয়ে’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের জরুরি নির্দেশনা অনুসারে, ভূমি ডিজিটাইজেশনের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে নেয়ার অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে ঢাকা জেলার ১৯টি ভূমি সার্কেলে ই-মিউটেশনের উন্নততর ভার্শন এবং সহজে ব্যবহারযোগ্য সফটওয়্যারের পাইলটিং শুরু হয়েছে। তথ‍্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের নেতৃত্বে এছাড়াও চার ধরনের ভূমিসেবা অনলাইনে নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। সেবাগুলো হচ্ছে— এলডি ট্যাক্স (সারাদেশে), ই-মিউটেশন (পাইলট ফেইজ, ঢাকার ১৯টি সার্কেল), ই-পর্চা (সারাদেশে), ই-খতিয়ান এবং মৌজা ম্যাপ (সারাদেশে)।</div>
</div>
<div>
<div dir="auto">এলডি ট্যাক্স সেবাটি সারা দেশে উন্মুক্ত হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় ২০০ কোটি টাকার ভূমিরাজস্ব আদায় সম্পন্ন হয়েছে।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">রবিবার প্রধান উপদেষ্টার অফিস সূত্রে এ তথ্য জানাগেছে। </div>
<div dir="auto">
<div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">সূত্রমতে, ই-মিউটেশন পদ্ধতিগতভাবে বিচারিক প্রক্রিয়ার সাথে সংযুক্ত হওয়ার পাশাপাশি এতে একাধিক সংস্থা ও দপ্তর সংস্থার সংশ্লিষ্টতা থাকায় সেবাটির পদ্ধতিগত সহজিকরণ এবং ই-নথি ব্যবস্থা সহজীকরণে আরো পর্যাপ্ত পাইলটিং প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে </div>
</div>
<div>
<div dir="auto">প্রধান উপদেষ্টা নিজে এবং তার দপ্তর, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ এবং ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব ভূমি সেবার ট্রান্সফর্মেশনে যৌথভাবে কাজ করছেন।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">এ নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং সূত্রে জানাগেছে, ভূমি সেবা ডিজিটাইজেশনের পরবর্তী পর্যায়ে বেসরকারি উদ্যোক্তা এবং ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তাদের ট্রেইনিং এর ব্যবস্থা করা হবে। এর মাধ্যমে ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে অনলাইন ভূমি সেবাগুলোকে উদ্যোক্তাদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।</div>
</div>
<div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">বাংলাদেশের আদালতগুলোতে মোট মামলা এবং অপরাধের প্রায় ৭০ শতাংশের বেশি ভূমির মালিকানা, দখল, বেদখল, অধিগ্রহণ ও হস্তান্তর কেন্দ্রিক। এমতাবস্থায় সরকার ভূমি সেবাগুলোকে যথাসম্ভব দ্রুততার সাথে সহজে ব্যবহারযোগ্য সফটওয়্যারের মাধ্যমে নাগরিকদের কাছে উন্মুক্ত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।</div>
</div>
</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div>
<div dir="auto">নাগরিক ভোগান্তি কমাতে বিচ্ছিন্নভাবে আলাদা আলাদা সফটওয়্যার সিস্টেমে ডিজিটাল ভূমি সেবা না দিয়ে সরকার এলডি ট্যাক্স, ই-মিউটেশন, ই-পর্চা/ই-খতিয়ানসহ চারটি সেবাকে আন্ত:সংযুক্ত করে একটি আধুনিক 'ল্যান্ড সার্ভিস গেইটওয়ে' চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এতে সেবাগুলোর জন্য আলাদা রেজিস্ট্রেশন প্রয়োজন হবে না। এই সিঙ্গেল সার্ভিস গেইটওয়ে সারাদেশের সব ভূমি সার্কেলের উন্মুক্ত করা গেলে নাগরিকদের আরো সহজে ভূমি সেবা দেয়া সম্ভব হবে। </div>
</div>
<div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div>
<div dir="auto"></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৯ এপ্রিল বাংলাদেশে স্টারলিংকের  ‘টেস্ট রান’</title>
<link>https://digibanglatech.news/152242</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152242</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67e055604de78.jpg" length="79111" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 23 Mar 2025 22:37:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আগামী ৭ এপ্রিল থেকে ঢাকায় শুরু হচ্ছে ৪ দিনব্যাপী বিনিয়োগ সম্মেলন। সম্মেলনে ৫০টিরও বেশি দেশের ৫৫০ জন বিদেশি বিনিয়োগকারী অংশ নেবেন। এর বড় অংশই চীনের বিনিয়োগকারী। এ ছাড়া যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও ভারতের বিনিয়োগকারীরা আসবেন।</p>
<p>বাংলাদেশ থেকে ২ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করবেন। তবে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে <span>সম্মেলনের তৃতীয় দিনে ৯ এপ্রিল। ওই দিন বাংলাদেশে কৃত্রিম উপগ্রহ ভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংকের ‘টেস্ট রান’ করা হবে।  </span>প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন। </p>
<p>সম্মেলনের প্রস্তুতি নিয়ে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রবিবার (২৩ মার্চ) দুপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এ তথ্য জানান।</p>
<p><span>তিনি বলেন, “বিনিয়োগের জন্য যোগাযোগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে স্টারলিংকের ইন্টারনেট সেবা পরীক্ষামূলকভাবে চালু হবে। একে আমরা বলছি স্টারলিংকের ডেমু ডে। এই ইন্টারনেট সেবা ব্যবহার করে ৯ তারিখ থেকে সম্মেলনের সবগুলো ইভেন্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভ সম্প্রচার হবে। আর ৯০দিন পর এটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে। ”</span></p>
<p class="rtejustify">বিডার চেয়ারম্যান জানান, চারদিনব্যাপী সম্মেলনের প্রথম দুই দিন অর্থাৎ ৭ ও ৮ এপ্রিল বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ঢাকার বাইরে থাকবেন। এর মধ্যে ৭ এপ্রিল চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করবেন। ৮ এপ্রিল তারা নারায়নগঞ্জের আড়াইহাজারে জাপান অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করবেন। </p>
<div class="mb-20 mr-20 hide-for-print dfp-tag-wrapper text-center ">
<div class="rsi-dfp-loader processed" data-slot-id="bn_five_banner_67e0538905cad" data-adunit="/34728570/bn_five_banner" data-size="[300, 250]" data-targeting="{" type":"news","nid":"660916","category":["\u09ac\u09be\u0982\u09b2\u09be\u09a6\u09c7\u09b6","\u09b8\u0982\u09ac\u09be\u09a6"],"category":["type-node","node-660916","\u09ac\u09be\u0982\u09b2\u09be\u09a6\u09c7\u09b6","\u09b8\u0982\u09ac\u09be\u09a6"]}"="">
<div id="bn_five_banner_67e0538905cad" data-google-query-id="COqW4fHroIwDFR6JrAIdq-sLDw"></div>
</div>
</div>
<p>তিনি বলেন, “আমরা মূলত পাঁচটি প্রধান খাতে বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরব। নবায়নযোগ্য শক্তি; ডিজিটাল অর্থনীতি; পোশাক ও টেক্সটাইল; স্বাস্থ্য সেবা ও ফার্মা এবং কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ।প্রতিটি বিষয় আলাদা সেশনে আলোচনা করা হবে, যেখানে বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।”</p>
<p>তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিনিয়োগের সুযোগ অনুসন্ধান, অংশীদারিত্ব গঠন এবং ব্যবসার ভবিষ্যৎ নির্ধারণকারী শীর্ষ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ করে দেবে এ সম্মেলন।</p>
<p>এ সময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার, বিডার ব্যবসা উন্নয়ন বিভাগের প্রধান নাহিয়ান রহমান রচি উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে জানানো হলো, সামিটের অংশ হিসেবে, ৭ এপ্রিল দক্ষিণ কোরিয়ার ২৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলসহ বিদেশি বিনিয়োগকারীরা চট্টগ্রাম, মিরসরাই ও কোরিয়ান ইপিজেড পরিদর্শন করবেন। একই দিনে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে স্টার্ট-আপ সংযোগ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। ৮ এপ্রিল, বিনিয়োগকারীরা নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অবস্থিত বাংলাদেশ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করবেন। দিন শেষে একটি বিশেষ নেটওয়ার্কিং অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।</p>
<p>এছাড়া আগামী ৯ এপ্রিল সামিটের মূল অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এটি উদ্বোধন করবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত, নীতিনির্ধারক এবং শীর্ষ ব্যবসায়ী ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন। এদিন তরুণ উদ্যোক্তা এক্সপো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইউএনডিপি আয়োজিত নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ে ব্রেকআউট সেশন অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া বাংলাদেশের ঐতিহ্য তুলে ধরতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় একটি বিশেষ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা আয়োজন করা হবে।</p>
<p>১০ এপ্রিল সামিটে বিভিন্ন ব্রেকআউট সেশন অনুষ্ঠিত হবে, যার মধ্যে ডিজিটাল অর্থনীতি (সিটি এনএ ও ইউএনডিপি), টেক্সটাইল (এইচএসবিসি ও বিজিএমইএ), কৃষি ও কৃষি-প্রক্রিয়াজাতকরণ (ডাচ দূতাবাস ও এলসিপি) এবং স্বাস্থ্যসেবা (ইন্সপিরা, ইবিএল ও সাজিদা ফাউন্ডেশন)-এর ওপর আলোচনা হবে। এছাড়া, বিনিয়োগকারীদের জন্য ম্যাচমেকিং সেশন এবং সেরা বিনিয়োগ চর্চা নিয়ে রাউন্ড-টেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।</p>
<p>সম্মেলনে প্রযুক্তি খাতের স্যামসাংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট, গো ব্র্যান্ডের সিইও, মেটা ও উবারের প্রতিনিধিরা অংশ নিলেও স্টারলিংক সিইও <span>ইলন মাস্ক আসছেন না। এ নিয়ে বিডা চেয়ারম্যান বললেন, বলেন, "ইলন মাস্ক মার্কিন সরকারের অংশ হিসেবে এখন ভিন্ন ভূমিকায় কাজ করছেন। তাই স্টারলিংকের প্রতিনিধি দল থাকলেও, তিনি ব্যক্তিগতভাবে অংশ নেবেন না।"</span></p>
<div class="adv-img text-center d-print-none">
<div id="div-gpt-ad-1631427043639-0" class="text-center" data-google-query-id="CJLb4-TqoIwDFYclgwMdnmcVkg">
<div id="google_ads_iframe_/401241791/risingbd-details-inner-c_0__container__"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>তালাশ এআই অ্যাপ উন্মোচনের মধ্য দিয়ে ঢাকায় প্রথম জিরো মিসিং চিল্ড্রেন সামিট অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/152211</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152211</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67deea0d4762a.jpg" length="88785" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 22 Mar 2025 20:49:29 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশে নিখোঁজ শিশুদের সংখ্যা শুন্যে নামিয়ে আনতে ব্লকচেইন ও এআই সম্মিলনে তৈরি পরিধেয় প্রযুক্তির ‘তালাশ’ ব্রেসলেট উন্মোচন এবং সম্মিলিত উদ্যোগে বাংলাদেশেও প্রতিটি ফোনে থাকা নেটওয়ার্ক ‘অ্যাম্বার অ্যালার্ট’ বিষয়ে সবাইকে সচেতন করার মধ্য দিয়ে পালিত হলো প্রথম জিরো মিসিং চিলড্রেস সামিট। সাইবার টিনস এর উদ্যোগে শনিবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অভিভাভক ও শিশুরা অংশ গ্রহণ করেন। </p>
<p>নানা আয়োজনের মধ্যে সম্মেলনে দুইটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমটির বিষয় ছিলো হারিয়ে যাওয়া ভবিষ্যত। স্বর্ণ কিশোরী নেটওয়ার্কের চেয়ারম্যান ফারজানা ব্রাউনিয়ার সঞ্চালনায় এই সেশনে বক্তব্য রাখেন অপহরণের পর হত্যার শিকার শিশু মুনতাহার ভাই মাহবুব মোর্শেদ, নিখোঁজ ভাই-বোন আব্দুর রহমান ও মরিয়মের মা ফারজানা আক্তার, আহাদের বাবা আনোয়ারুল হক, নাসাইবার মামা মাহবুব, অপারাজেয় বাংলাদেশের প্রতিনিধি জুলফিকার আলী। </p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x_67deeae1c192d.jpg" alt=""></p>
<p>সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন অপহরণকারীদের কুপোকাতা করে উদ্ধার হওয়া শ্রেষ্ঠ। তার হাতে তুলে দেয়া হয় তালাশ হিরো সম্মাননা। অনুষ্ঠানে নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন অপহরণকারীদের হাত থেকে মুক্ত হওয়া রেহানের বাবা। </p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x_67deee0c374f9.jpg" alt=""></p>
<p><span class="Y2IQFc" lang="bn">বাংলাদেশের জন্য অ্যাম্বার অ্যালার্ট চালু আন্দলোনের কো-অর্ডিনেটর মাহির সরোয়ার মেঘের সভাপতিত্বে </span>দ্বিতীয় <span class="Y2IQFc" lang="bn">প্যানেল আলোচনায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অ্যাম্বার অ্যালার্ট কিভাবে কাজ করে এবং বাংলাদেশের উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করেন </span><span class="Y2IQFc" lang="bn"> শিশু সাংবাদিক ও কর্মী সুবহা শাফায়েত সিজদা,   অপারাজেয় বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ওয়াহিদা বানু স্বপ্না এবং শিশু অধিকার ও জলবায়ু কর্মী ফাতিহা আয়াত। দীপ্তি চৌধুরির সঞ্চালনায় প্যানেলের সামনে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কিভাবে নিখোঁজ শিশুদের খোঁজা হয় এবং নির্যাতনের শিকার শিশুদের সুরক্ষা দেয়া হয় সে বিষয়টি তুলে ধরেন আইসিএমসি ইন্দোনেশিয়ার প্রোগ্রাম সহকারী  হেদায়েতুল্লাহ। </span></p>
<p><span class="Y2IQFc" lang="bn">অনুষ্ঠানে </span>শিশু শান্তি নোবেল জয়ী সাদাত রহমান বলেন, অনলাইন চাইল্ড সেক্সুয়াল অ্যাবিউজমেন্ট ও শিশু পর্ণোগ্রাফিতে বিশ্বে ভারতের পরেই বাংলাদেশের অবস্থান। তাই আমরা এর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করতে অ্যাম্বার অ্যালার্ট চালুর জন্য এক লাখ পিটিসন সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছি। শিশুদের জন্য নিরাপদ ভবিষ্যত গড়াই আমাদের লক্ষ্য।   </p>
<p>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে মাত্র দশ বছরের কোমলমতি শিশু রায়হান অনুষ্ঠানে দেয়া প্রেজেন্টেশন নজর কেড়েছে উপস্থিত সবার। সে ইসলামের আলোকে শিশুর ১০ ধরনের অধিকারের কথা তুলে ধরে। এক্ষেত্রে অ্যাম্বার অ্যালার্ট চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করে। তবে শেষ দিকে সিরিয়াস এসব বিষয়ে নান্দনিক উপস্থাপনায় সবাইকে মাতিয়েছে আহাদ এর ভূমিকায় হাজির হওয়া শিশু শিল্পী তেহজিব এবং জুনিয়র মিস্টার বিন খ্যাত সালমান আহমেদ। </p>
<p>শেষ দিকটায় হারিয়ে যাওয়া আহাদের স্মরণে উদ্ভাবিত তালাশ এআই মুভমেন্টে সবাইকে যোগ দেয়ার আহ্বান জানানো হয়। এসময় পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালক সাইবার টিনস কো-অর্ডিনেটর তাহসিন মিতি জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সহায়তায় নিখোঁজ শিশুদের দ্রুত সনাক্তকরণ ও উদ্ধার কার্যক্রম সহজতর করতে অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস প্লাটফর্মের জন্য তৈরি করা হয়েছে তালাশ এআই অ্যাপ। এই অ্যাপের মাধ্যমে নিখোঁজ শিশুর ছবি, তথ্য এবং অবস্থান দ্রুত ছড়িয়ে দেয়া হবে। একইসঙ্গে স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে সমন্বয় সম্ভব হবে। </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এমডব্লিউসি ২০২৫&#45;এ ইনফিনিক্স এর ২টি এআই&#45;ইকো&#45;টেক উদ্ভাবন</title>
<link>https://digibanglatech.news/151967</link>
<guid>https://digibanglatech.news/151967</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67d29ea1b0d0d.jpg" length="76688" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 13 Mar 2025 10:00:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: .0001pt; line-height: normal;"><span lang="BN">ফুটবালের রাজ্য বার্সেলোনায় অনুষ্ঠিত প্রযুক্তি উদ্ভাবনের বৈশ্বিক মেলা এমডাব্লিউসি ২০২৫ আসরে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">দুটি</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">নতুন</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">উদ্ভাবন মেলে ধরেছিলো প্রযুক্তি ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স</span><span lang="HI">।</span><span lang="HI"> </span><span lang="BN">উদ্ভাবনগুলো</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">হলো</span>- <span lang="BN">সোলার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এনার্জি</span>-<span lang="BN">রিজার্ভিং</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">টেকনোলজি</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">বা</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">পরিবেশের</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">আলো</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ব্যবহার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ব্যাটারির</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">স্থায়িত্ব</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">বাড়ানো</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ও</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">কৃত্রিম</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">বুদ্ধিমত্তার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">মাধ্যমে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ফোনের</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ডিজাইন</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">কাস্টমাইজ</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">একটি</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">অত্যাধুনিক</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ফিচার</span><span lang="HI">। <span style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"><o:p>নতুন এসব</o:p></span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">প্রযুক্তির</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">প্রথম</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">প্রয়োগ</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">হতে</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">যাচ্ছে</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">ইনফিনিক্স</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">নোট</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">৫০</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">সিরিজে</span><span style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;">, </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">যা</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">২০২৫</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">সালের</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">মার্চের</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">শেষ</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">দিকে</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">বাজারে</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">আসবে। </span></span><span style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: .0001pt; line-height: normal;"><span lang="HI"><span lang="BN">এআই</span>, <span lang="BN">ইকো</span>-<span lang="BN">টেক</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ও</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">নিজস্ব</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">উদ্ভাবনের</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">মাধ্যমে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">আগামীর</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ক্ষমতায়ন প্রত্যয়ে এই সেবাগুলো তুলে ধরার কথা জানিয়েছে ইনফিনিক্স বাংলাদেশ। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, </span></span><span lang="BN">ইনফিনিক্সের</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সোলার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এনার্জি</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">রিজার্ভিং</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN"></span><span lang="BN"></span><span lang="BN"></span><span lang="BN">কনসেপ্ট</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">প্রযুক্তিটি</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ঘরের</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ভেতর</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ও</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">বাহির</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">দুই</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">জায়গার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">আলো</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">থেকে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">শক্তি</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সংগ্রহ</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">প্রোটটাইপ</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">স্মার্টফোনের</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ফোন</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">কেসে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সংরক্ষণ</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করে</span><span lang="HI">।</span><span lang="HI"> </span><span lang="BN">ফোন</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">কেসটির</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ভেতরে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">থাকা</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সংযোগ</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">পয়েন্টের</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">মাধ্যমে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সংরক্ষিত</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">শক্তি</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">স্মার্টফোনে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">স্থানান্তরিত</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">হয়</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ফলে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">চার্জিং</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">প্রক্রিয়া</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">হয়</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">আরও</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">নির্বিঘ্ন</span><span lang="HI">। </span><span style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"><o:p></o:p></span><span lang="BN">এছাড়া</span>, <span lang="BN">এআই</span>-<span lang="BN">চালিত</span> "<span lang="BN">সানফ্লাওয়ার</span>" <span lang="BN">ওয়্যারলেস</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">চার্জিং</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">প্রযুক্তি</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এই</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">উদ্ভাবনের</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">গুরুত্বপূর্ণ</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">অংশ</span><span lang="HI">।</span><span lang="HI"> </span><span lang="BN">সূর্যমুখী</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">গাছের</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">মতো</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এই</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">প্রযুক্তি</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">আলোর</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">প্রতি</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">নিজের</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">অবস্থান</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">পরিবর্তন</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">যাতে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সর্বোচ্চ</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">পরিমাণে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">আলো</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">গ্রহণ</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করা</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">যায়</span><span lang="HI">।</span><span lang="HI"> </span><span lang="BN">স্মার্ট</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">আলোকসংবেদী</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সেন্সর</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ও</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এআই</span>-<span lang="BN">নিয়ন্ত্রিত</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">চার্জিং</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">প্রযুক্তির</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সাহায্যে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এটি</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">৩</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">মিটার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ব্যাসার্ধের</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">মধ্যে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সর্বোত্তম</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">চার্জিং</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">নিশ্চিত</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করতে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">পারে</span><span lang="HI">।</span><span lang="HI"> </span><span lang="BN">ভবিষ্যতে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এটি</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">আরও</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">বিস্তৃত</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">পরিকল্পনা</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">রয়েছে</span><span lang="HI">। এর </span><span lang="HI"></span><span lang="BN">এআই</span>-<span lang="BN">চালিত</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">শক্তি</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ব্যবস্থাপনা</span> - <span lang="BN">ম্যাক্সিমাম</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">পাওয়ার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">পয়েন্ট</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ট্র্যাকিং</span> (<span lang="BN">এমপিপিটি</span>) <span lang="BN">প্রযুক্তির</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">মাধ্যমে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এআই</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ভোল্টেজ</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ও</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">কারেন্ট</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">নিয়ন্ত্রণ</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ফলে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">অতিরিক্ত</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">গরম</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">হওয়া</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">বা</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ব্যাটারির</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">স্থায়িত্ব</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">কমার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সম্ভাবনা</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">থাকে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">না</span><span lang="HI">।</span><span style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"><o:p></o:p></span></p>
<p><o:p>অপর উদ্ভাবন </o:p><span lang="BN">ই</span>-<span lang="BN">কালার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">শিফট</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">২</span>.<span lang="BN">০।  </span><o:p></o:p><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"></span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">এআই</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> নির্ভর এই</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">প্রযুক্তি</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">স্মার্টফোনের</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">ডিজাইনে</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">নিজের</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">ব্যক্তিত্বের</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">ছাপ</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">আনার</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">ক্ষেত্রে</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">একটি</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">নতুন</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">মাত্রা</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">যোগ</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">করছে</span><span lang="HI" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: HI;">।</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">এই</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">ফিচারের</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">মাধ্যমে</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">ব্যবহারকারীরা</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">তাদের</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">ফোনের</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">রঙ</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">ও</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">ডিজাইন</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">পছন্দমতো</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">পরিবর্তন</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">করতে</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">পারবেন</span><span lang="HI" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: HI;">।</span><span lang="HI" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">এই</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">ফিচারটিতে</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">বিভিন্ন</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">বাইরের</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">পরিবেশ</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">ও</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">ব্যবহারকারীর</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">পছন্দ</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">অনুযায়ী</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">ফোনের</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">রঙ</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">স্বয়ংক্রিয়ভাবে</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">পরিবর্তন</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">হবে</span><span lang="HI" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: HI;">। </span><span style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"><o:p></o:p></span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">কাস্টোমাইজড</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">মডেল</span><span style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;">- </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">৬টি</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">ডায়নামিক</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">প্যাটার্ন</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">ও</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">৬টি</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">উজ্জ্বল</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">রঙের</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">প্যালেট</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">থেকে</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">বেছে</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">নেওয়ার</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">সুযোগ</span><span style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;">, </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">যা</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">মিলিয়ে</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">৩০টি</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">ভিন্ন</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">কম্বিনেশন</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">তৈরি</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">করা</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">যাবে</span><span lang="HI" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: HI;">। </span><span style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"><o:p></o:p></span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">এআই</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">রেকগনাইজড</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">মডেল</span><span style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;">- </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">সেন্সরের</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">মাধ্যমে</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">ফোনের</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">ব্যাক</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">কভার</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">পরিবর্তিত</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">হবে</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">আবহাওয়া</span><span style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;">, </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">ওয়ালপেপার</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">ও</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">চারপাশের</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">পরিবেশ</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">অনুযায়ী</span><span style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;">, </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">যা</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">ব্যবহারকারীদের</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">জন্য</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">একটি</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">নির্বিঘ্ন</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">রঙ</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">পরিবর্তনের</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">অভিজ্ঞতা</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">তৈরি</span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"> </span><span lang="BN" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: BN;">করবে</span><span lang="HI" style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian; mso-bidi-language: HI;">।</span><span style="font-size: 12.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: DengXian;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: .0001pt; line-height: normal;"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বার্সেলোনায়   এআই ইকোসিস্টেম পণ্য উন্মোচন করলো টেকনো</title>
<link>https://digibanglatech.news/151937</link>
<guid>https://digibanglatech.news/151937</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67d144361bbd2.jpg" length="72935" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 12 Mar 2025 12:22:03 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>এবারের মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে (এমডব্লিউসি) নিজেদের এআই ইকোসিস্টেমের পণ্য উন্মোচন করেছে প্রযুক্তি ব্র্যান্ড টেকনো। এই ইকোসিস্টেমে রয়েছে ক্যামন স্মার্টফোন সিরিজ, স্পার্ক স্লিম, ফ্যান্টম আলটিমেট ২ ট্রাই-ফোল্ড, টেকনো এআই গ্লাসেস প্রো ও মেগাবুক এস১৪।  </p>
<p>এর মধ্যে ১৪ ইঞ্চি ওএলইডি ল্যাপটপ মেগাবুক এস১৪ এখন পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে হালকা গড়নের পিসি। ২.৮ ইঞ্চি ওএলইডি ডিসপ্লের এই ল্যাপটপে বিশ্বের প্রথম স্বনির্মিত এজ-সাইড লার্জ-স্কেল এআই মডেল ব্যবহার করা হয়েছে। একইসাথে, সর্বাধুনিক ইমেজিং প্রযুক্তি, ইন্টেলিজেন্ট ইন্টারেকশন এবং মসৃণ ও নান্দনিক ডিজাইনের কারণে টেকনো’র নতুন এআই গ্লাসেস সিরিজের মোবাইল ফোনে ব্যবহৃত হয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেল হাই-ডেফিনেশন ক্যামেরা, ওভি৫০ডি সেন্সর সমন্বিত ১০০ ডিগ্রি আলট্রা-ওয়াইড-এঙ্গেল কাস্টম লেন্স। এছাড়াও এবারের আসরে ব্র্যান্ডটি এআই ওয়ান-ট্যাপ ফ্ল্যাশস্ন্যাপ সম্পন্ন ক্যামন ৪০ সিরিজ; বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা স্মার্টফোন স্পার্ক স্লিম এবং ট্রাই-ফোল্ডিং প্রযুক্তির নিদর্শন হিসেবে ফ্যান্টম আল্টিমেট ২ ট্রাই-ফোল্ড উন্মোচন করেছে। </p>
<p>এর বাইরে মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে ফ্যান্টম আলটিমেট ২ ট্রাই-ফোল্ড কনসেপ্ট স্মার্টফোন উন্মোচন করে টেকনো। ৬.৪৮-ইঞ্চি আউটার স্ক্রিন দিয়ে সজ্জিত এই ডিভাইসটি আনফোল্ডেড (সম্পূর্ণরূপে খোলা অবস্থায়) অবস্থায় ১০-ইঞ্চি পর্যন্ত (ইনার ডিসপ্লে) পর্যন্ত প্রসারিত করা যেতে পারে। এই ফোনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হল বড় স্ক্রিন থাকা সত্ত্বেও ডিভাইসটি খুবই পাতলা, যা ভাঁজ বা ফোল্ড করলে মাত্র ১১ মিলিমিটারের ডিভাইসে পরিণত হয়। </p>
<p>টেকনো বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানা হয়েছে, চাহিদা বিবেচনায় ক্যামন ৪০ সিরিজটি খুব শিগগিরই দেশের বাজারে নিয়ে আসা হবে। এই সিরিজের ফোনগুলো পুনর্ব্যবহৃত অ্যালুমিনিয়ামসহ অন্যান্য টেকসই উপকরণ দিয়ে তৈরি এই স্পার্ক স্লিম, যা পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘৯০ দিনের মধ্যে স্টারলিংকের সঙ্গে যৌক্তিক মডেল বাস্তবায়ন’</title>
<link>https://digibanglatech.news/151849</link>
<guid>https://digibanglatech.news/151849</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202502/image_870x580_67bd4bfe8ae12.jpg" length="25216" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 09 Mar 2025 00:16:32 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>বাংলাদেশে গ্রাউন্ড আর্থস্টেশন স্থাপনের লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি দেশি প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম উপগ্রহভিত্তিক ইন্টারনেট সেবাদানকারী স্টারলিংকের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে। এর অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির একটি প্রতিনিধিদল বর্তমানে বাংলাদেশ সফর করছে। এরই মধ্যে স্টারলিংকের সঙ্গে একাধিক প্রতিষ্ঠান যৌথ অংশীদারত্বে কাজ করার জন্য চুক্তিও স্বাক্ষর করেছে।</p>
<p>শনিবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই অংশীদারত্বের আওতায় মহাকাশে স্পেস বরাদ্দ, নির্মাণসহায়তা এবং চলমান অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।</p>
<p>স্টারলিংক প্রতিনিধিদলের সফরের ফলে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের আগ্রহী ক্ষেত্রগুলো সম্পর্কে জানতে পেরেছে। কিছু ক্ষেত্রে দেশীয় প্রতিষ্ঠান তাদের নিজস্ব সম্পদ ব্যবহারে সহায়তা দেবে, আবার কিছু ক্ষেত্রে স্টারলিংক হাইটেক পার্কের জমি ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করছে।</p>
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব  রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাসস-কে জানান, লোকেশন নির্ধারণ এবং বাস্তবায়নসংক্রান্ত বিস্তারিত আলোচনা চলছে।</p>
<p>ফয়েজ আহমদ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, স্টারলিংক বাংলাদেশের শহর ও প্রত্যন্ত অঞ্চল, উত্তরাঞ্চল এবং উপকূলীয় এলাকাগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন ও উচ্চগতির ইন্টারনেট নিশ্চিত করবে, যা লোডশেডিং বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের বাধা থেকে মুক্ত থাকবে। তিনি আরও বলেন, ‘এটি নিরবচ্ছিন্ন এবং উচ্চমানের সেবা নিশ্চিত করবে। যেহেতু বাংলাদেশে টেলিকম-গ্রেড ফাইবার নেটওয়ার্কের কভারেজ সীমিত এবং অনেক দূরবর্তী এলাকায় এখনো লোডশেডিং সমস্যা রয়েছে, স্টারলিংক আমাদের উদ্যোক্তা, ফ্রিল্যান্সার, এনজিও এবং এসএমই ব্যবসায়ীদের দৈনন্দিন কার্যক্রম এবং ডিজিটাল অর্থনৈতিক উদ্যোগকে ত্বরান্বিত করবে।’</p>
<p>ফয়েজ আহমদ বলেন, ‘আমরা আগামী ৯০ দিনের মধ্যে স্টারলিংকের সঙ্গে যৌক্তিক একটি মডেল বাস্তবায়নের চেষ্টা চালিয়ে যাব।’</p>
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>গত ১৯ ফেব্রুয়ারি তে মার্কিন শীর্ষ ব্যবসায়ী ও স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইলন মাস্ককে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং দেশে স্টারলিংক স্যাটেলাইট সেবা চালুর আহ্বান সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার উদ্ধৃতি দিয়ে ফয়েজ আহমেদ জানান, বাংলাদেশ সফরের মাধ্যমে তিনি দেশের তরুণ-তরুণীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগ পাবেন, যারা এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তির অন্যতম প্রধান সুবিধাভোগী হবেন।</p>
<p>এর আগে প্রধান উপদেষ্টা চিঠিতে মাস্ককে জানান, বাংলাদেশ সফর মাস্ককে তরুণ বাংলাদেশি নারী ও পুরুষদের সাথে দেখা করার সুযোগ দেবে, যারা এই অগ্রণী প্রযুক্তির প্রধান সুবিধাভোগীদের মধ্যে থাকবে।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টা তার উচ্চ প্রতিনিধি ড. খলিলুর রহমানকে স্পেসএক্স দলের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করার জন্য বলেন, যাতে আগামী ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে বাংলাদেশে স্টারলিংক চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করা যায়।</p>
<p>প্রসঙ্গত, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ইলন মাস্কের সঙ্গে টেলিফোনে আলোচনা করেন প্রধান উপদেষ্টা। আলোচনায় ভবিষ্যৎ সহযোগিতা ও বাংলাদেশে স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা চালুর বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল।</p>
</div>
</div>
</div>
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text story-element-text-also-read"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text story-element-text-also-read"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টিভিতে অ্যান্টি&#45;গ্লেয়ার ওএলইডি’র বিশেষত্ব কি</title>
<link>https://digibanglatech.news/151552</link>
<guid>https://digibanglatech.news/151552</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202502/image_870x580_67be835748a52.jpg" length="66538" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 26 Feb 2025 09:00:36 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span class="x3jgonx">টিভিতে স্ট্রেঞ্জার থিংস দেখছেন—সঙ্গীতের মূর্ছনায় ভেকনা থেকে পালানোর চেষ্টা করছে ম্যাক্স, রোমাঞ্চের পারদ তুঙ্গে। ঠিক এ সময়ই, বাতাসে জানালার পর্দা সরে গেল। পর্দা গলে দুপুরের কড়া রোদ পড়ল টিভির স্ক্রিনে, চরম বিরক্তি নিয়ে আপনি গেলেন পর্দা ঠিক করতে।  টিভিতে পছন্দের অনুষ্ঠান দেখার সময় মনোযোগ ও আনন্দ নষ্ট করতে এরকম দু’-একটি মুহূর্তই যথেষ্ট।</span><br><br><span class="x3jgonx">তবে, এ নিয়ে এখন আর খুব বেশি দুশ্চিন্তার প্রয়োজন নেই। অ্যান্টি-গ্লেয়ারের মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তির কল্যাণে টিভি দেখার অভিজ্ঞতা হবে এখন আরও সমৃদ্ধ।</span><br><br><span class="x3jgonx">ওএলইডি প্রযুক্তি এর উজ্জ্বল রঙ, উচ্চ গুণমান ও দুর্দান্ত কনট্রাস্টের মাধ্যমে বিনোদনের ক্ষেত্রে যুগান্তকারী অভিজ্ঞতা নিয়ে এসেছে। ২০০৪ সালে বাজারে আসার পর থেকে এ প্রযুক্তি সহজেই সবার মন জয় করে নেয়। দেখা যায়, বেশিরভাগ ওএলইডি টিভি অন্ধকারে চমৎকার পারফরমেন্স দিলেও উজ্জ্বল আলোতে টিভির স্ক্রিন ঠিকভাবে দেখা যায় না। এক্ষেত্রে, ঘরের আলোর সাথে প্রাকৃতিক আলো মিলে একধরনের ওয়াশ-আউট ইফেক্ট তৈরি করে, যা টিভি দেখার ক্ষেত্রে অসুবিধা সৃষ্টি করে চোখের ওপর চাপ তৈরি করে। আর এই অসুবিধা থেকে মুক্তি পেতে আমরা কখনো বসার জায়গা বদলে ফেলি, কখনো ভারি পর্দা দিয়ে রুমে প্রাকৃতিক আলো ঢোকায় বাধা সৃষ্টি করি।</span><br><br><span class="x3jgonx">তবে, নতুন প্রযুক্তির উন্নতির ফলে এখন এই অসুবিধা মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে। অ্যান্টি-গ্লেয়ার প্রযুক্তির কারণে এখন উন্নত সমাধান ও অনন্য অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা যাচ্ছে। যুগান্তকারী এই প্রযুক্তির মাধ্যমে এখন দিনের যেকোনো সময় বা পরিবেশে স্পষ্ট ও প্রাণবন্ত ভিজ্যুয়াল উপভোগ করা সম্ভব। আগেকার ওএলইডি প্যানেলের তুলনায় এতে এম্বোসড সারফেস ও বিশেষ প্রলেপ ব্যবহার করা হয়েছে, যা আলোকে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে দেয়। ফলে চোখের প্রশান্তির পাশাপাশি, মনোযোগ স্ক্রিনের ওপরেই থাকে, আশপাশের আলোর দিকে যায় না।</span><br><br><span class="x3jgonx">বাংলাদেশের মতো দেশে যেখানে বেশিরভাগ বাড়িতেই প্রাকৃতিক আলো ঘরে ঢোকাকে প্রাধান্য দেয়া হয় সেখানে টিভিতে অ্যান্টি-গ্লেয়ার প্রযুক্তি থাকলে তা সবার জন্য আরামদায়ক ও অনন্য অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে। একা বসে ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’ দেখা বা পরিবারের সবার সঙ্গে একসাথে ‘সি বিস্ট’ দেখার সময় এখন আর মনোযোগ অন্যদিকে সরে যাবে না। স্যামসাং এস৯৫ডি-তে থাকা অ্যান্টি-গ্লেয়ার প্রযুক্তি এই আলো-ছায়ার খেলা দূরে রেখে চোখের ওপর থেকে চাপ কমাবে; পাশাপাশি টিভি দেখার অভিজ্ঞতাকেও অনন্য করে তুলবে। এখন আর পর্দা টেনে দেয়া বা সোফা, টিভি সরিয়ে অন্যদিকে নেয়ার ঝক্কি পোহানো লাগবে না। যেখানে বসেই টিভি দেখুন না কেন এটি আপনার রুমের পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিবে।</span><br><br><span class="x3jgonx">টিভি দেখার সময় যারা ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকতে চান, আবার একইসাথে, সেরা পিকচার কোয়ালিটির সাথে অনন্য অভিজ্ঞতাও পেতে চান তাদের জন্য অ্যান্টি-গ্লেয়ার প্রযুক্তি-সমৃদ্ধ ওএলইডি টিভি সবচেয়ে যথার্থ হবে। টেলিভিশনের জগতে নতুন যুগের সূচনা করার পাশাপাশি, বিনোদনের অভিজ্ঞতাকেই বদলে দিচ্ছে এই টিভি।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্টারলিংক কি গ্রামীণ ব্যাংকের সম্প্রসারিত অংশ হবে?</title>
<link>https://digibanglatech.news/%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%A3-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%85%E0%A6%82%E0%A6%B6-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%95-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE</link>
<guid>https://digibanglatech.news/%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%A3-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%85%E0%A6%82%E0%A6%B6-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%95-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202502/image_870x580_67af1365637cd.jpg" length="80063" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 14 Feb 2025 01:05:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span lang="BN-BD">বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে প্রযুক্তিচালিত সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্ণ সম্ভাবনা উন্মোচনে মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি </span><o:p></o:p><span lang="BN-BD">বলেছেন</span>, “<span lang="BN-BD">স্টারলিংক গ্রামীণ ব্যাংক ও গ্রামীণ পল্লী ফোনের একটি সম্প্রসারিত অংশ হতে পারে</span>, <span lang="BN-BD">যা গ্রামের নারী ও তরুণদের বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। তারা বৈশ্বিক উদ্যোক্তায় পরিণত হবে।”</span></p>
<p><span lang="BN-BD">মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও শীর্ষ ব্যবসায়ী ইলন মাস্কের সঙ্গে বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় রাত ৯টার দিকে দুবাইতে অবস্থানরত প্রধান উপদেষ্টার মধ্যে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল বৈঠকে বাংলাদেশে স্টারলিংক সেবার চালুর উদ্দেশ্যে ইলন মাস্ককে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান ড. ইউনূস। বৈঠকে তিনি জাতীয় উন্নয়নে এই উদ্যোগের তাৎপর্য তুলে ধরেন। </span></p>
<p><span lang="BN-BD">মাস্কও এই আমন্ত্রণে ইতিবাচক সাড়া দেন</span>; <span lang="BN-BD">বলেন</span>, “<span lang="BN-BD">এর জন্য আমি অপেক্ষায় আছি।” এভাবেই <span lang="BN-BD">ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়েও আলাপ করেন তারা। </span></span></p>
<p><span lang="BN-BD">ভিডিও কনফারেন্সে উভয়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠক নিয়ে এ তথ্য দিয়েছে </span><span lang="BN-BD">প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। বৈঠকে </span><span lang="BN-BD">বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন রোহিঙ্গা সংকট ও অগ্রাধিকার-বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি ড. খলিলুর রহমান</span>, <span lang="BN-BD">এসডিজি-বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ</span>, <span lang="BN-BD">স্পেসএক্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট লরেন ড্রেয়ার ও গ্লোবাল এঙ্গেজমেন্ট অ্যাডভাইজার রিচার্ড গ্রিফিথস।</span><o:p></o:p><span lang="BN-BD"></span></p>
<p><span lang="BN-BD">এই বৈঠকের পরই স্টারলিংক নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে দেশের টেলিকম ও প্রযুক্তিবিদদের মধ্যে। স্টারলিংক  গ্রামীণ ব্যাংকের একটি সম্প্রসারিত অংশ হতে পারে প্রধান উপদেষ্টার এই বয়ান বিষয়ে তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ও উদ্যোক্তা <span>এ কে এম ফাহিম মাশরুর বলেছেন, এটা রূপক অর্থে বলা হয়েছে। যেভাবে গ্রামীণ সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিয়েছে, সেভাবে স্টার্লিংক উচ্চ গতির ইন্টারনেট ছড়িয়ে দিতে পারে। </span></span></p>
<p><span lang="BN-BD">একময় বিটিআরসি-তে কর্মরত এবং বর্তমানে একটি ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের প্রধান প্রযুক্তি পামর্শক ও লেখক রকিবুল হাসান মনে করেন, আমরা যারা আইএসপি একদম রিমোট এরিয়া পর্যন্ত যাই, সেখানে আই এস পি এবং স্টার লিংক এর পার্টনারশিপ হতে পারে। মোবাইল ডাটা সেভাবে পুরো দেশ ব্যাপী কাভারেজ দিতে পারেনা, সেখানে এটা ভালো কাজ হতে পারে। এই যেমন গ্রামীণফোন এবং গ্রামীণ ব্যাংক শুরুতে ভিলেজ লেডি কমিউনিকেশন বিজনেসে ঢুকে ছিল, সেভাবে স্টার লিংক উদ্যোক্তাদের জন্য কাজ করতে পারে। </span></p>
<p><span lang="BN-BD">আরেকজন প্রযুক্তি লেখেক জাকারিয়া স্বপন মনে করেন, উনি বুঝিয়েছেন, গ্রামীণফোন এবং গ্রামীণ ব্যাংক শুরুতে ভিলেজ লেডি কমিউনিকেশন বিজনেসে ঢুকে ছিল, সেভাবে স্টার লিংক উদ্যোক্তাদের জন্য কাজ করতে পারে সেবা তো দিতেই পারে। নতুন প্রযুক্তিও আসতে পারে! আর আমি মোটেও সেবাটির বিপক্ষে নই। কখনই ছিলাম না। সেবাটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া - অন্যান্য দেশে যেভাবে গিয়েছে, বাংলাদেশেও তাই হবে। বাধা দেয়াটা বরং আপত্তি হতে পারে। তবে এর ভেতর একটা ডিপ্লোমেসি করার চেস্টা তো চোখে লাগছে এই বৈঠকে।</span></p>
<p><span lang="BN-BD">তথ্যপ্রযুক্তিবিদ নিটন মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বললেন, </span>জনাব মাস্ক একজন ব‍্যবসায়ী এবং স্টারলিংক তার ব‍্যবসা প্রতিষ্ঠান। ড. ইউনুস একজন ব‍্যবসায়ী হিসাবে কিংবা বড় মাপের উদ‍্যোক্তা হিসাবে টেলিনরের মত আরো বড় বড় কোম্পানিকে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ‍্যমে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠির উন্নয়নের জন‍্য যেভাবে দেশে এনেছেন, সেভাবে অবশ‍্যই স্টারলিংকও আনতে পারেন। তবে এখন তিনি একটা রাষ্ট্রের প্রধান। সেখানে তিনি শুধু গ্রামীন ব‍্যাংক বা গ্রামীন ফোন সংশ্লিষ্ট বক্তব‍্য পরিহার করলে বিতর্ক কমে যায়। এটাকেই মনে হয় ডিপ্লোমেসি বলে। তবে যা-ই হোক, জনাব মাস্ক দেশে আসবেন, স্টারলিংক তার বিপনন কেন্দ্র খুলে বসবে, বাজার হিসাবে আমাদেরকে ব‍্যবহার করবে, এটা নতুন কিছু না। সেটা মাস্ক সাহেব তার নিজের তাগিদেই করবেন।  কিন্তু একজন রাষ্ট্র প্রধান হিসাবে আমাদের দিক থেকে অবস্থানটা এরকম হলে ভালো হতো, এখানে স্টারলিংক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে তার রিসার্স সেন্টারের কোনো একটা অংশ আনবে কিংবা তার ডিভাইসের এ‍্যাসেম্বলী এখান থেকে হতে হবে, শুধুমাত্র সেলস বা মার্কেটিং না - শত শত গবেষকদেরও কর্মসংস্থান হবে - এরকম কিছু হলে আমাদের পরিবর্তনটা বোঝা যেতো। </p>
<p><o:p>এদিকে বৈঠক নিয়ে দেয়া </o:p><span lang="BN-BD">বিবৃতিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান</span>, <span lang="BN-BD">ইলন মাস্কের সঙ্গে আলাপকালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্টারলিংকের স্যাটেলাইট যোগাযোগের রূপান্তরমূলক প্রভাব</span>, <span lang="BN-BD">বিশেষ করে বাংলাদেশের উদ্যোগী যুবক</span>, <span lang="BN-BD">গ্রামীণ ও ঝুঁকিপূর্ণ নারী এবং প্রত্যন্ত জনগোষ্ঠীর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">উচ্চগতির ও স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট সংযোগ কীভাবে বাংলাদেশের ডিজিটাল বৈষম্য দূর করতে পারে</span>, <span lang="BN-BD">সুবিধাবঞ্চিত অঞ্চলে শিক্ষা</span>, <span lang="BN-BD">স্বাস্থ্যসেবা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ক্ষমতায়ন এবং দেশের লাখ লাখ ক্ষুদ্র ও অতিক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকে জাতীয় সীমানার বাইরে প্রবেশাধিকার দেওয়ার উপায় নিয়ে এ সময় আলোচনা করা হয়। আলোচনায় </span><span lang="BN-BD">ড. ইউনূস বলেন</span>, “<span lang="BN-BD">বাংলাদেশের অবকাঠামোতে স্টারলিংকের কানেক্টিভিটি যুক্ত করা হলে লাখ লাখ মানুষের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং বৈশ্বিক ডিজিটাল অর্থনীতির সঙ্গে দেশকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে একীভূত করা হবে।”</span><o:p></o:p></p>
<p><o:p> </o:p><span lang="BN-BD">ইলন মাস্ক এ সময় গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণ মডেলের প্রশংসা করে দারিদ্র্য বিমোচনে এর বৈশ্বিক প্রভাবের কথা জানান।</span><o:p></o:p><span lang="BN-BD">টেসলা মোটরসের এই প্রতিষ্ঠাতা জানান</span>, <span lang="BN-BD">গ্রামীণ ব্যাংক ও গ্রামীণফোন উভয়ের কাজের ব্যাপারেই তিনি অনেক বছর ধরে জানেন। </span><span lang="BN-BD">স্টারলিংকের মতো প্রযুক্তিগত অগ্রগতিকে কাজে লাগানো বাংলাদেশে উদ্ভাবন</span>, <span lang="BN-BD">অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে বলে তিনি দৃঢ় বিশ্বাস ব্যক্ত করেন।</span><o:p></o:p></p>
<p><o:p>বৈঠকে </o:p><span lang="BN-BD">ইলন মাস্ক গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণ মডেলের প্রশংসা করেন এবং দারিদ্র্য বিমোচনে এর বিশ্বব্যাপী প্রভাবের বিষয়টিও তুলে ধরেন। বহু বছর ধরে গ্রামীণ ব্যাংক এবং গ্রামীণফোন উভয়ের কাজের সঙ্গে পরিচিত বলেও জানান টেসলার প্রতিষ্ঠাতা।  ইলন মাস্ক মনে করেন, স্টারলিংকের মতো প্রযুক্তিগত অগ্রগতি বাংলাদেশে উদ্ভাবন, অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।  অধ্যাপক ইউনূস স্টারলিংক পরিষেবা চালুর সম্ভাব্য লক্ষ্যে ইলন মাস্ককে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। ইলন মাস্ক এ আমন্ত্রণে ইতিবাচক সাড়া দেন। তিনি বলেন, আমি এর জন্য অপেক্ষা করছি।  এই বৈঠক বাংলাদেশে উন্নত স্যাটেলাইট সংযোগ আনার দেশব্যাপী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি এবং উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। </span></p>
<p><span lang="BN-BD">বাংলাদেশে ইস্টারলিংক সেবা উদ্বোধনের সম্ভাব্য উদ্বোধনের গুরুত্ব তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টা। তার আশা</span>, <span lang="BN-BD">এই আলোচনা দেশে উন্নত স্যাটেলাইট সংযোগ চালুর পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে</span>, <span lang="BN-BD">যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি</span>, <span lang="BN-BD">ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি ও উদ্ভাবনকে ত্বরান্বিত করবে।  </span><o:p></o:p><span lang="BN-BD">উভয় পক্ষ এ উদ্যোগে দ্রুত অগ্রগতি আনতে সম্মত হয়েছে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়</span>, <span lang="BN-BD">পরবর্তী কার্যক্রম সমন্বয়ে ড. খলিলুর রহমান</span>, <span lang="BN-BD">লরেন ড্রেয়ার ও রিচার্ড গ্রিফিথসকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">প্রসঙ্গত, ইলন মাস্কের স্টারলিংক স্যাটেলাইট সেবার মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইন্টারনেট সংযোগ পৌঁছে দেয়ার জন্য কাজ শুরু করেছে কাজ করছে বাংলালিংকের মূল মালিক প্রতিষ্ঠান ভিওন লিমিটেড। গত জানুয়ারি মাসে দুবাইভিত্তিক টেলিযোগাযোগ কোম্পানি ভিওন লিমিটেডের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেয়া হয়। সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভিওনের সিইও ক্যান তেরজিওগ্লু জানিয়েছেন, তারা স্টারলিংকের সঙ্গে অংশীদারিত্ব আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। এতে শুধু বাংলাদেশ নয়, পাকিস্তান, কাজাখস্তান এবং উজবেকিস্তানের মতো দেশগুলোতেও স্যাটেলাইটভিত্তিক সংযোগ সেবা চালু করা সম্ভব হবে। এরপর বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের কাছে ব্রডব্যান্ড সেবা চালুর জন্য বাংলালিংকের পক্ষ থেকে একটি আবেদনও জমা দেয়া হয়। এই আবেদন নিয়ে এরই মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া এসেছে ইন্টারনেট সেবদাতাদের পক্ষ থেকে। </span></p>
<p></p>
<p></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

</channel>
</rss>