<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
     xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
     xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
     xmlns:admin="http://webns.net/mvcb/"
     xmlns:rdf="http://www.w3.org/1999/02/22-rdf-syntax-ns#"
     xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
     xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/">
<channel>
<title>Digi Bangla &#45; : টেলকো</title>
<link>https://digibanglatech.news/rss/category/টেলকো</link>
<description>Digi Bangla &#45; : টেলকো</description>
<dc:language>en</dc:language>
<dc:rights>নিবন্ধন নং &#45; ২৩৩ &amp;lt;br /&amp;gt;প্রকাশক: সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক &amp;lt;/br&amp;gt;  নির্বাহী সম্পাদক: এস এম ইমদাদুল হক &amp;lt;/br&amp;gt; সম্পাদকীয় কার্যালয়: সড়ক ২৯, বাড়ি ২/ই (গুলশান লেক প্যালেস), সি&#45;২, গুলশান&#45;১, ঢাকা&#45;১২১২, বাংলাদেশ।  &amp;lt;/br&amp;gt;ফোন: ০৯৬৩৯&#45;৩৩৩৫৫৫, ইমেইল: press@digibanglatech.news   &amp;lt;/br&amp;gt; © স্বত্ব ডিজিটাল বাংলা মিডিয়া লিমিটেড ২০১৯&#45;২০২৫</dc:rights>

<item>
<title>ডিজিটাল শিক্ষায় একসঙ্গে কাজ করবে গ্রামীণফোন ও শিখো</title>
<link>https://digibanglatech.news/175412</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175412</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69f06f1756652.jpg" length="98145" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 28 Apr 2026 13:26:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত ডিজিটাল শিক্ষা আরও সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করতে অংশীদারিত্বে যুক্ত হয়েছে শীর্ষ টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন ও শিক্ষা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান শিখো।</p>
<p> ২৮ এপ্রিল, মঙ্গলবার, অপারেটরটির পক্ষে জানানো হয়, সম্প্রতি জিপিহাউসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের চিফ প্রোডাক্ট অফিসার সোলায়মান আলম এবং শিখোর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীর চৌধুরী চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় দুই প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>এই অংশীদারিত্বের আওতায় গ্রামীণফোন তাদের ডিজিটাল সেবায় শিখোর প্রিমিয়াম গণিত কোর্স মাইজিপি অ্যাপে যুক্ত করবে। ফলে শিক্ষার্থীরা মূল্যছাড়ে কোর্সটি গ্রহণ করতে পারবে। উদ্যোগটি ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী, বিশেষ করে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য সহায়ক হবে বলে জানানো হয়েছে।</p>
<p>গ্রামীণফোনের চিফ প্রোডাক্ট অফিসার সোলায়মান আলম বলেন, ডিজিটাল শিক্ষার বাড়তি চাহিদার প্রেক্ষাপটে এই অংশীদারিত্ব অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। মাইজিপি প্ল্যাটফর্মে উচ্চমানের শিক্ষাসামগ্রী, সংযোগ সুবিধা ও সহজ পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে ২ কোটি ২৩ লাখ মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারী সহজেই এই কোর্স গ্রহণ করতে পারবেন।</p>
<p>শিখোর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও শাহীর চৌধুরী বলেন, প্রযুক্তি তখনই কার্যকর হয়, যখন শেখা, খুঁজে পাওয়া ও পেমেন্ট—সবকিছু এক জায়গায় সহজভাবে পাওয়া যায়। গ্রামীণফোনের সঙ্গে এই উদ্যোগ লাখো শিক্ষার্থীর জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/বিসিআর/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কাস্টমস ও ভ্যাট সুবিধার মেয়াদ ২০৩৫ সাল পর্যন্ত বলবত চায় এমআইওবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/175344</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175344</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69ef9ff33a399.jpg" length="40392" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 27 Apr 2026 20:43:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কাস্টমস ও ভ্যাট সুবিধার মেয়াদ ২০৩৫ সাল পর্যন্ত বলবত রাখার প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন (এমআইওবি)।  সংগঠনটির দাবি, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের নিরাপত্তা এবং গ্রে মার্কেটের (অবৈধ বাজার) চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই সময়সীমা বাড়ানো জরুরি।</p>
<p>২৭ এপ্রিল, সোমবার বিকেলে আগারগাঁও এনবিআর ভবনে অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় এ দাবি জানায় সংগঠনটি। সংগঠনের পক্ষে দাবিগুলো পেশ করেন এমআইওবি জাকারিয়া শাহিদ। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাাইফুদ্দিন টিপু; কোষাধ্যক্ষ ইমাম উদ্দিন এবং সদস্য মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম।</p>
<p>এনবিআর চেয়ারম্যান  মো. আবদুর রহমান খানের সামনে তুলে ধরা দাবিগুলোর মধ্যে ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজ শক্তিশালী করতে ডেটা ক্যাবল তৈরির উপকরণগুলোকেও (যেমন: কপার, পিভিসি, ইউএসবি কানেক্টর) রেয়াতি সুবিধার আওতায় আনার প্রস্তাব করেছে এমআইওবি। ব্যবসায়ী পর্যায়ে বর্তমান ৭.৫% ভ্যাটের পরিবর্তে শুধু প্রকৃত মূল্য সংযোজনের ওপর ভ্যাট নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে। এতে ভোক্তাদের জন্য মোবাইলের দাম আরও সাশ্রয়ী হবে বলে দাবি করছে সংগঠনটি। </p>
<p>উৎপাদন খরচ কমাতে মোবাইল যন্ত্রাংশ আমদানিতে অগ্রিম আয়কর ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করার প্রস্তাব দিয়েছে এমআইওবি। এছাড়া, যদি কোনো প্রতিষ্ঠান স্থানীয়ভাবে ১০০% মাদারবোর্ড সংযোজন করে, তবে তাকে বিশেষ কর সুবিধা প্রদানের সুপারিশ করা হয়েছে তারা।</p>
<p>সংগঠনটি জানায়, বর্তমানে দেশের কারখানাগুলোর উৎপাদন সক্ষমতার মাত্র ৩০-৪০% ব্যবহৃত হচ্ছে। নীতিমালার মেয়াদ না বাড়লে বিশাল বিনিয়োগ ঝুঁকির মুখে পড়বে এবং দেশ আবারও আমদানিনির্ভর হয়ে পড়তে পারে।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/জেএনও/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টেলিযোগাযোগ খাতে কর কমানোর দাবি এমটবের</title>
<link>https://digibanglatech.news/175306</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175306</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69ef64b061739.jpg" length="108644" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 27 Apr 2026 17:29:34 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে আয়োজিত বাজেট-পূর্ব আলোচনায় মোট ২৩ দফা দাবি উপস্থাপন করেছে মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এমটব)।</p>
<p>সংগঠনটির মতে, ডিজিটাল সংযোগ সম্প্রসারণে টেলিকম সেবার ওপর বর্তমান ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং ১ শতাংশ সারচার্জ ভোক্তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে। তাই এসব কর প্রত্যাহার করা প্রয়োজন, যাতে সাধারণ মানুষ আরও সহজে ডিজিটাল সেবা গ্রহণ করতে পারে।</p>
<p>এমটব আরও জানিয়েছে, সিম ও ই-সিম সরবরাহ ও প্রতিস্থাপনের ওপর বর্তমানে ৩০০ টাকা ভ্যাট আরোপ রয়েছে, যা বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির পথে বাধা সৃষ্টি করছে। সংগঠনটি এই ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।</p>
<p>সংগঠনটির মতে, স্পেকট্রাম বরাদ্দের সময় ভ্যাট আরোপ করা হলেও পরবর্তীতে একই স্পেকট্রাম ব্যবহার করে ভয়েস ও ডাটা সেবা দেওয়ার সময় আবার ভ্যাট দিতে হয়। এতে কার্যত দ্বৈত কর আরোপের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তাই স্পেকট্রামের ওপর ভ্যাট বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে।</p>
<p>এছাড়া বাংলাদেশে তালিকাভুক্ত মোবাইল অপারেটরের জন্য করপোরেট করের হার ৪০ শতাংশ এবং অতালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্য ৪৫ শতাংশ, যা অন্যান্য অনেক খাত ও দেশের তুলনায় বেশি বলে উল্লেখ করেছে এমটব। তারা এই করহার যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছে।</p>
<p>ওটিটি প্ল্যাটফর্ম সেবার ওপর বর্তমান ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি। এমটব মনে করে, এই শুল্ক কমানো হলে সেবাটি আরও জনপ্রিয় হবে এবং কনটেন্ট নির্মাতা থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যায়ে এর ব্যবহার বাড়বে।</p>
<p>সংগঠনটির দাবি, টেলিযোগাযোগ খাতে কর কাঠামো সহজ ও সহনীয় করা হলে বিনিয়োগ বাড়বে, সেবার মান উন্নত হবে এবং দেশের ডিজিটাল রূপান্তর আরও ত্বরান্বিত হবে।</p>
<p>আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে বিদ্যমান কর কাঠামো পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে এমটব মহাসচিব লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জুলফিকার (অব.) বলেছেন, উচ্চ করহার, কম আয় এবং বিনিয়োগে সীমিত মুনাফার কারণে দেশের টেলিযোগাযোগ খাত বর্তমানে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে।</p>
<p>তিনি বলেন, মোবাইল অপারেটরদের মোট আয়ের প্রায় ৫৬ শতাংশ বিভিন্ন ধরনের কর ও ভ্যাট হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হয়। যেসব বছরে স্পেকট্রাম নিলাম অনুষ্ঠিত হয়, সেসব বছরে এই চাপ আরও বেড়ে যায়। ফলে খাতে বিনিয়োগের তুলনায় আয় ও মুনাফা সন্তোষজনক নয়। একই সঙ্গে মোবাইল ভয়েস ও ইন্টারনেটের দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় গ্রাহক সংখ্যা বেশি হলেও গ্রাহকপ্রতি গড় আয় (এআরপিইউ) ১৫০ টাকারও কম, যা প্রতিষ্ঠানগুলোর দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্বকে প্রভাবিত করছে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এএএম/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>লোডশেডিংয়ে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের ১ জিবি ফ্রি ডাটা দিচ্ছে বাংলালিংক</title>
<link>https://digibanglatech.news/175276</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175276</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_692d84bdc6513.jpg" length="32687" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 26 Apr 2026 17:23:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>চলমান লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ–সংকটের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবা প্রায়শই বিঘ্নিত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ নিশ্চিত করতে ১ জিবি ফ্রি ডাটা দিচ্ছে দেশের শীর্ষ ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক।</p>
<p>২৬ এপ্রিল, রবিবার ‘পিপল-ফার্স্ট’ অপারেটর হিসেবে এই ঘোষণা দেয় অপারেটরটি। এই ঘোষণার আওতায়, যেসব এলাকায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ থাকে না, সেসব এলাকার নির্ধারিত গ্রাহকেরা ২৪ ঘণ্টা মেয়াদের ১ জিবি ফ্রি ইন্টারনেট পাবেন। অফারটি চালু হলে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।</p>
<p>এ প্রসঙ্গে বাংলালিংকের চিফ মার্কেটিং অফিসার কাজী মাহবুব হাসান বলেন, “দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে সংযোগে বিঘ্ন ঘটছে। এমন পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের জন্য কিছু করার এটিই উপযুক্ত সময়। আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য সর্বোত্তম ও নির্ভরযোগ্য সংযোগ নিশ্চিত করা। তবে বর্তমান পরিস্থিতির বাস্তবতাও বিবেচনায় নিতে হচ্ছে। এই উদ্যোগ গ্রাহকদের পাশে দাঁড়াতে আমাদের একটি ছোট প্রচেষ্টা।”</p>
<p>এই উদ্যোগটি প্রয়োজনের সময়ে গ্রাহকদেরকে সহমর্মিতাপূর্ণ এবং অর্থবহ সমাধান দেওয়ার প্রতি বাংলালিংকের অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমআর/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টেলিকম নীতিমালায় বিদেশী বিনিয়োগ প্রীতি নিয়ে শঙ্কা দেশীয় উদ্যোক্তাদের</title>
<link>https://digibanglatech.news/175079</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175079</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69ec671e6c052.jpg" length="115423" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 25 Apr 2026 13:03:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>এক বছর ধরে উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বৈঠকের পর ২৫ এপ্রিল, শনিবার প্রথমবারের মতো দেশের টেলিকম খাতের নীতি ও অবকাঠামো নিয়ে নতুন সরকারের সঙ্গে খাত সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বিশেষায়িত সংলাপ করলো টিআরএনবি। </p>
<p>রাজধানীর হলিডে ইন হোটেলের ইলিশ হলে অনুষ্ঠিত এই সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিকম উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে আছেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী।</p>
<p>সভায় জানানো হয়, বর্তমানে টেলিযোগাযোগ খাতকে আরও আধুনিক ও বিনিয়োগবান্ধব করার লক্ষ্যে নতুন নীতিমালার আলোচনা চলছে। এই নীতিতে লাইসেন্স সংখ্যা কমানো, প্রযুক্তি নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে বড় বিদেশি প্রতিষ্ঠানের বাজার নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি, স্থানীয় উদ্যোক্তাদের প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়া, বৈদেশিক মুদ্রা বহির্গমন বৃদ্ধি এবং ডাটা নিরাপত্তা ঝুঁকির মতো বিষয়েও উদ্বেগ রয়েছে। তাই নতুন নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থ, ন্যায্য প্রতিযোগিতা এবং স্থানীয় বিনিয়োগ সুরক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।</p>
<p>সংগঠনের সভাপতি সমির কুমার দে'র সঞ্চালনায় সূচনা বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবিন। সংলাপের শুরুতেই টেলিকম নীতিমালার আদ্যোপান্ত তুলে ধরেন প্রযুক্তিবিদ সুমন আহমেদ সাবির। তিনি জানান, ২০০৭ সালে রাজনৈতিক বিবেচনায় লাইসেন্স দিয়ে এই খাতে লুটপাটের সুযোগ তৈরি করা হয়। এনটিটিএন এর ফাইবারের বিস্তৃতির কারণে ২০১৫ সালে বাড়তে থাকে আইএসপি।</p>
<p>তিনি জানান, নতুন নীতিমালায় মোবাইল অপারেটরদের কথা ভেবে ওপরের লেয়ারে সার্বভৌমত্ব ঝুঁকিতে ফেলা হয়েছে। দেশীয় উদ্যক্তাদের চেয়ে বিদেশী উদ্যোক্তাদের তুলনামূলক অধিক সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের টেলিকম খাতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গড়ে তোলা হচ্ছে। অথচ দেশের আইেসপি'রা ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। </p>
<p>আর এই বিকাশকে ত্বরান্বিত করতে রেভিনিউ শেয়ার উঠিয়ে দিয়ে বিটিআরসি'র সক্ষমতা বাড়ানোর পরামর্শ দেন এই প্রযুক্তিবিদ। </p>
<p>তিনি বলেন, বিদেশীদের প্রতি বেশি ভালোবাসা না দেখিয়ে দেশীয় উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। তাদের ওপর থেকে রেভিনিউ শেয়ার  উঠিয়ে নিলে সেবা যেমন সহজলভ্য হবে, তেমনি মানও বাড়বে। সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অবকাঠামো তৈরিতে শতভাগ দেশীয় কোম্পানিকে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পাশাপাশি দেশেই রাউটার, মডেম ইত্যাদি তৈরিতে এগিয়ে আসতে হবে। </p>
<div>বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা তুলে ধরে সুমন আহমেদ জানান, বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাত গত দুই দশকে দেশের অন্যতম দ্রুত বিকাশমান ও গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাতে পরিণত হয়েছে। একসময় সীমিত মোবাইল সংযোগ, ব্যয়বহুল ইন্টারনেট সেবা এবং শহরকেন্দ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থার মধ্যে সীমাবদ্ধ এই খাত বর্তমানে জাতীয় উন্নয়ন, ডিজিটাল অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের মূল ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ১৯৯০-এর দশকে ই-মেইল ও প্রাথমিক ইন্টারনেট সেবার মাধ্যমে যাত্রা শুরু হলেও ধীরে ধীরে মোবাইল নেটওয়ার্ক, ব্রডব্যান্ড, ফাইবার অপটিক এবং আন্তর্জাতিক সংযোগ বৃদ্ধির ফলে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে।</div>
<div></div>
<div>২০০৭ সালের পর টেলিযোগাযোগ খাতে নীতিগত সংস্কার নতুন গতি এনে দেয়। আন্তর্জাতিক ভয়েস ও ডাটা সেবা নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ VoIP কার্যক্রম বন্ধ এবং সরকারি রাজস্ব সুরক্ষার লক্ষ্যে নতুন লাইসেন্সিং কাঠামো চালু করা হয়। এর ফলে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা আসে এবং সরকার রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়। একই সময়ে জাতীয় পর্যায়ে টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো বিস্তারের জন্য ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ শুরু হয়, যা দেশের ডিজিটাল অগ্রগতির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।</div>
<div></div>
<div>Nationwide Telecommunication Transmission Network বা NTTN চালুর মাধ্যমে জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে ফাইবার সংযোগ পৌঁছে যায়। এর ফলে ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধি পায়, ব্যান্ডউইথের দাম কমে আসে এবং সারা দেশে ব্রডব্যান্ড সেবা সহজলভ্য হয়। মোবাইল অপারেটর, ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি অফিস ও বেসরকারি খাত এই অবকাঠামো ব্যবহার করে দ্রুত সেবা সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হয়। এর ফলে শহর ও গ্রামের ডিজিটাল বৈষম্য অনেকাংশে কমে আসে।</div>
<div></div>
<div>তার ভাষায়, এই উন্নয়নের ফলে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়। ই-কমার্স, মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন শিক্ষা, ফ্রিল্যান্সিং, আউটসোর্সিং, টেলিমেডিসিন এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। বহু স্থানীয় উদ্যোক্তা ISP, ফাইবার নেটওয়ার্ক, ডাটা সেন্টার এবং প্রযুক্তি সেবায় বিনিয়োগ করে নতুন শিল্পখাত গড়ে তুলেছেন। ফলে টেলিযোগাযোগ খাত এখন শুধুমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি।</div>
<div></div>
<div>সুমন বলেন, বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। 5G প্রযুক্তি, Internet of Things, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্মার্ট সিটি, ক্লাউড সেবা এবং ডিজিটাল শিল্পায়নের মাধ্যমে এই খাত আরও বিস্তৃত হতে পারে। সঠিক পরিকল্পনা, শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক কাঠামো, স্থানীয় ও বিদেশি বিনিয়োগের ভারসাম্য এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহবাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী ডিজিটাল অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার সুযোগ রাখে।</div>
<div></div>
<div>'সার্বিকভাবে বলা যায়, বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাত দেশের উন্নয়ন যাত্রায় একটি বড় সফলতার গল্প। ভবিষ্যতে দূরদর্শী নীতি ও কার্যকর বিনিয়োগ নিশ্চিত করা গেলে এই খাত জাতীয় অগ্রগতির আরও বড় চালিকাশক্তি হয়ে উঠবে'- যোগ করেন এই প্রযুক্তিবিদ।</div>
<p>সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখছেন এআইওবি সাধারণ সম্পাদক নূরুল আলম, টিআইওবি সদস্য সচিব দিদারুল ইসলাম, আইজিডব্লিউ অপারটর্স ফোরামের মুশফিক মঞ্জুর, এমটব মহাসচিব মোহাম্মদ জুলফিকার, আইআইজিডব্লিউ ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ জুনায়েদ, আইএসপিএবি সভাপতি আমিনুল হাকিম এবং ফাইবার অ্যাট হোম চেয়ারম্যান মইনুল হক সিদ্দিকী।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এসএ/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রাজস্ব কমলেও মুনাফায় প্রবৃদ্ধি, প্রথম প্রান্তিকে স্থিতিশীল পারফরম্যান্সে গ্রামীণফোন</title>
<link>https://digibanglatech.news/174909</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174909</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_680bb6df0d94a.jpg" length="35369" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 15:05:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে ৩,৭৫৮ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করেছে দেশের শীর্ষ টেলিযোগাযোগ অপারেটর গ্রামীণফোন। এই আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২ শতাংশ কম। সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের প্রভাবেই এ রাজস্ব হ্রাস হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।</p>
<p>প্রান্তিক শেষে গ্রামীণফোনের মোট গ্রাহকসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ কোটি ৪২ লাখে। এর মধ্যে ৫৮.৪ শতাংশ বা প্রায় ৪ কোটি ৯২ লাখ গ্রাহক ইন্টারনেট সেবা ব্যবহার করছেন। এই প্রবৃদ্ধি অপারেটরটির ডেটা-নির্ভর প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতাকে তুলে ধরেছে।</p>
<p>২৩ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার এ নিয়ে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান বলেন, বহুমাত্রিক বাহ্যিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও কোম্পানি স্থিতিশীল পারফরম্যান্স বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে এবং প্রায় ৫৮ শতাংশ ইবিআইটিডিএ মার্জিন ধরে রাখা গেছে। তিনি জানান, নেটওয়ার্ক, আইটি, স্পেকট্রাম এবং এআই-নির্ভর কার্যক্রমে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ অব্যাহত রয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও দক্ষ ও সম্প্রসারণযোগ্য ডিজিটাল অপারেটিং মডেল গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, এআই-ফার্স্ট টেলিকম কোম্পানি হওয়ার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি ‘এআই অ্যান্ড আই’ উদ্যোগ শুরু করেছে, যার মাধ্যমে নেটওয়ার্ক ও অপারেশনে একাধিক এআই-ভিত্তিক সমাধান চালু করা হচ্ছে। সম্প্রতি ৭০০ মেগাহার্জ স্পেকট্রাম অধিগ্রহণের ফলে গ্রামীণ এলাকায় কভারেজ বৃদ্ধি এবং ইনডোর নেটওয়ার্কের মান উন্নত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।</p>
<p>অন্যদিকে, গ্রামীণফোনের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা অটো মাগনে রিসব্যাক জানান, প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানির নিট মুনাফা হয়েছে ৬৬২ কোটি টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় ৪.৪ শতাংশ বেশি। নিট মুনাফার হার দাঁড়িয়েছে ১৭.৬ শতাংশে। তিনি বলেন, রাজস্ব কিছুটা কমলেও খরচ নিয়ন্ত্রণ, কম অবচয় ব্যয় এবং আর্থিক খরচ হ্রাসের ফলে এই প্রবৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে।</p>
<p>ডেটা খাতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। সক্রিয় ডেটা ব্যবহারকারী ১.৭ শতাংশ বেড়ে ৪ কোটি ৯২ লাখে পৌঁছেছে এবং গড় ব্যবহার ৫.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৭.৭ জিবিতে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে অপারেটিং খরচ ২ শতাংশ এবং পণ্য বিক্রয় ব্যয় ৭.৩ শতাংশ কমেছে, যা সামগ্রিক ব্যয় ব্যবস্থাপনায় উন্নতির ইঙ্গিত দেয়।</p>
<p>সব মিলিয়ে, রাজস্বে কিছুটা চাপ থাকলেও খরচ নিয়ন্ত্রণ, ডেটা ব্যবহারের বৃদ্ধি এবং কৌশলগত বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রথম প্রান্তিকে স্থিতিশীল আর্থিক ও অপারেশনাল অবস্থান ধরে রাখতে পেরেছে গ্রামীণফোন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/ইকে</strong></span></em></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশে প্রথম স্যাটেলাইট&#45;টু&#45;মোবাইল সেবা আনছে বাংলালিংক</title>
<link>https://digibanglatech.news/174878</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174878</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69e9bb4adf136.jpg" length="58678" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 22 Apr 2026 12:25:37 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="60" data-end="316">দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে নতুন যুগের সূচনা করতে যাচ্ছে <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">বাংলালিংক</span></span>। দেশের প্রথম স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু করতে বৈশ্বিক স্যাটেলাইট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">স্টারলিংক মোবাইল</span></span>-এর সঙ্গে অংশীদারিত্ব করেছে অপারেটরটি।</p>
<p data-start="318" data-end="507">২২ এপ্রিল, মঙ্গলবার ঢাকায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই উদ্যোগ দেশের ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে এবং দুর্গম এলাকাতেও নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>
<p data-start="509" data-end="774">বাংলালিংক জানায়, স্টারলিংকের স্যাটেলাইট প্রযুক্তি যুক্ত হওয়ার ফলে এমন অনেক এলাকায়ও মোবাইল সংযোগ পাওয়া যাবে, যেখানে এখনো প্রচলিত নেটওয়ার্ক পৌঁছায়নি বা সিগন্যাল দুর্বল। বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চল, চরাঞ্চল, উপকূলীয় দ্বীপ ও সাগরের অফশোর এলাকাগুলোতে এই সেবা কার্যকর হবে।</p>
<p data-start="776" data-end="1025">প্রাথমিকভাবে এসএমএস ও ওটিটি মেসেজিং দিয়ে সেবাটি চালু করা হবে। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে ভয়েস ও ডাটা সেবাও যুক্ত করা হবে। আকাশ দৃশ্যমান—এমন যেকোনো স্থান থেকেই ব্যবহারকারীরা বার্তা আদান-প্রদান করতে পারবেন, যা জরুরি পরিস্থিতিতে যোগাযোগ সচল রাখতে সহায়ক হবে।</p>
<p data-start="1027" data-end="1306">বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">ইয়োহান বুসে</span></span> বলেন, সংযোগ মানে শুধু প্রযুক্তি নয়, মানুষের প্রয়োজনে পাশে থাকা। দেশের ভৌগোলিক বৈচিত্র্যের কারণে কিছু এলাকা এখনও নেটওয়ার্কের বাইরে রয়েছে, স্যাটেলাইট সংযোগের মাধ্যমে সেই সীমাবদ্ধতা দূর করার লক্ষ্য তাদের।</p>
<p data-start="1308" data-end="1475">অন্যদিকে, স্টারলিংক মোবাইলের ভাইস প্রেসিডেন্ট <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">স্টেফানি বেডনারেক</span></span> বলেন, এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের লাখো মানুষ সংযুক্ত থাকতে পারবেন।</p>
<p data-start="1477" data-end="1681">এই উদ্যোগটি বৈশ্বিক টেলিকম গ্রুপ <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">ভিয়ন</span></span> ও স্টারলিংকের যৌথ প্রচেষ্টার অংশ। ইউক্রেন ও কাজাখস্তানে সেবা চালুর পর বাংলাদেশ হচ্ছে তৃতীয় দেশ, যেখানে এ প্রযুক্তি চালু হতে যাচ্ছে।</p>
<p data-start="1683" data-end="1917" data-is-last-node="" data-is-only-node="">সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন সাপেক্ষে শিগগিরই দেশে এই সেবা চালু হবে বলে জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি চালু হলে দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে এবং “ডেড জোন” কমে গিয়ে সর্বত্র সংযোগ নিশ্চিত করার পথ আরও সহজ হবে।</p>
<p data-start="1683" data-end="1917" data-is-last-node="" data-is-only-node=""><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিএইচ </strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সুবিধাজনক রোমিং সেবা নিয়ে হজযাত্রীদের পাশে গ্রামীণফোন</title>
<link>https://digibanglatech.news/174769</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174769</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69e8520951ba6.jpg" length="51344" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 22 Apr 2026 00:00:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সুবিধাজনক হজ রোমিং সেবা নিয়ে বাংলাদেশের হজযাত্রীদের পাশে থাকছে দেশের টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। এর মাধ্যমে হজযাত্রীরা সৌদি আরবে তাঁদের ধর্মীয় সফরের সময় নিজস্ব গ্রামীণফোন সংযোগ ব্যবহার করেই প্রিয়জনদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারবেন। </p>
<p>২১ এপ্রিল, মঙ্গলবার গ্রামীণফোনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p>
<p>গ্রামীণফোনের গ্রাহকেরা সহজেই মাইজিপি অ্যাপের মাধ্যমে তাদের মোবাইল ব্যালেন্স ব্যবহার করে (টাকাতে) যেকোনো হজ রোমিং প্যাক চালু করতে পারবেন। এই রোমিং সেবার ফলে এখন গ্রাহকের কোনো ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড, ডলার এনডোর্সমেন্ট বা সৌদি আরবে আলাদা সিম কার্ডের প্রয়োজন হবে না। প্রিপেইড ও পোস্টপেইড—উভয় গ্রাহকই সহজে এই রোমিং প্যাকগুলো ব্যবহার করতে পারবেন।</p>
<p>গ্রামীণফোন বিভিন্ন গ্রাহকের চাহিদা বিবেচনায় সাশ্রয়ী মূল্যের একাধিক রোমিং প্যাক চালু করেছে, যেগুলোর মেয়াদ ১৫ দিন ও ৪৫ দিনের। এসব প্যাকের মাধ্যমে গ্রাহকেরা ইনকামিং ও আউটগোয়িং কলের মিনিট এবং পূর্ণ গতির ডেটা উপভোগ করতে পারবেন। ‘আনলিমিটেড ইন্টারনেট হজ প্যাক’-এর মাধ্যমে নির্ধারিত ডেটা শেষ হয়ে গেলেও অবশিষ্ট মেয়াদজুড়ে সর্বোচ্চ ১ এমবিপিএস গতিতে ইন্টারনেট ব্যবহার অব্যাহত রাখতে পারবেন গ্রাহকেরা। কোনো গ্রাহকের কাছে যদি ফাইভ–জি হ্যান্ডসেট থাকে এবং তিনি গ্রামীণফোনের ফাইভ–জি সেবার আওতায় থাকেন, তাহলে সৌদি আরবেও তিনি ফাইভ–জি সেবা পাবেন।</p>
<p>গ্রামীণফোনের চিফ প্রোডাক্ট অফিসার সোলায়মান আলম বলেন, ‘গ্রাহকদের জীবনের সবচেয়ে অর্থবহ ও আবেগঘন মুহূর্তগুলোয় নিরবচ্ছিন্ন ও নির্ভরযোগ্য সংযোগ নিশ্চিত করতে সংকল্পবদ্ধ গ্রামীণফোন। হজযাত্রা লাখ লাখ মানুষের জন্য গভীর আধ্যাত্মিক তাৎপর্য বহন করে এবং এ সময় পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে যোগাযোগ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করে স্বস্তি ও মানসিক প্রশান্তি। এ উদ্যোগের মাধ্যমে যোগাযোগকে সহজ ও সুলভ করতে চায় গ্রামীণফোন, যাতে হজযাত্রীরা সংযুক্ত থাকা নিয়ে দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে পারেন।’</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এইএস/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চলমান জ্বালানি সংকটে ২২ এপ্রিল বিটিআরসির যৌথ সভা</title>
<link>https://digibanglatech.news/174751</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174751</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_69783ffc691e6.jpg" length="70550" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 21 Apr 2026 20:27:19 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>বৈশ্বিক জালানি সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে দেশব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন টেলিযোগ সেবা নিশ্চিতে মোবাইল নেটওয়ার্ক, ডাটা সেন্টার ও কোর নেটওয়ার্ক সাইটসমূহে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি ও লোডশেডিং মুক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অংশীজনদের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম জোরদার করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।</div>
<div></div>
<div>উল্লেখ্য, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ বরাদ্দ নিশ্চিকরণের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গত ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে পত্র প্রেরণ করে বিটিআরসি। উক্ত পত্রের গুরুত্ব বিবেচনায় গত ১৩ মার্চ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ কর্তৃক এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ বিভাগ ও সকল জেলা প্রশাসক বরাবর পত্র প্রেরণ করা হয়। </div>
<div></div>
<div>এছাড়াও, গত ২০ এপ্রিল মোবাইল অপারেটর ও টাওয়ার কোম্পানিসমূহের জ্বালানি পরিবহন এবং টাওয়ার সাইটসমূহে রক্ষণাবেক্ষণে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য বিটিআরসি থেকে পুনরায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।</div>
<div></div>
<div>টেলিকম স্টেকহোল্ডারদের উদ্বেগ ও উৎকন্ঠার পরিপ্রেক্ষিতে টেলিকম নেটওয়ার্ক সচল রাখতে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিতের বিষয়ে আগামী ২২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন, মোবাইল অপারেটর, এনটিটিএন অপারেটর, টাওয়ারকো অপারেটর এবং অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস বাংলাদেশ (এমটব)-এর সঙ্গে বিটিআরসির একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আগামী ২৩ এপ্রিল বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, পিজিসিবি, বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিসমূহ এবং টেলিকম সংশ্লিষ্ট অপারেটরদের সঙ্গে আরেকটি যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত সভায় টেলিকম খাত সংশ্লিষ্ট জ্বালানি সংকটজনিত সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।</div>
<div><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>বিটিআরসি/এএএম/ইকে</strong></em></span></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অব্যবহৃত মোবাইল ডাটার মেয়াদ আনলিমিটেডে রূপান্তরে উদ্যোগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/174892</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174892</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69e9d4a8c1510.jpg" length="74686" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 21 Apr 2026 20:14:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>অব্যবহৃত মোবাইল ডাটার মেয়াদ আনলিমিটেড করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সঙ্গে আলোচনাক্রমে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বাগেরহাট-৪ আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মো. আব্দুল আলীমের এক প্রশ্নে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর পক্ষে এই তথ্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।</p>
<p>২১ এপ্রিল, মঙ্গলবার সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে মন্ত্রী বলেন, মোবাইল ইন্টারনেট ডাটার মেয়াদ শেষে অব্যবহৃত ডাটা বাতিল হয়ে যাওয়ার বিষয়টি সরকারের দৃষ্টিগোচর হয়েছে এবং গ্রাহক স্বার্থ সুরক্ষায় এই সমস্যা নিরসনকল্পে সরকার সক্রিয়ভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে।</p>
<p>‘দেশের প্রায় ১১ কোটি ৩৫ লাখ মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহকের ইন্টারনেট ব্যবহারের প্যাটার্ন এবং চাহিদা ভিন্ন ভিন্ন। এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে অপারেটরদের প্যাকেজ ডিজাইন করতে হয়’- যোগ করেন মন্ত্রী। </p>
<div class="inside-ad-container no-print">
<div class="biggapon text-center -only" data-nosnippet="">
<p>মন্ত্রী জানান, উচ্চ স্থাপন ব্যয় এবং পরিচালন ব্যয় সম্পন্ন মোবাইল ইন্টারনেট জনগণের ক্রয়সীমার মধ্যে রাখতে অপারেটরগুলো মেয়াদ ভিত্তিক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্যাকেজ আকারে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা গ্রাহকদের নিকট প্রদান করে। যাতে করে গ্রাহক তার চাহিদা অনুসারে ইন্টারনেট সেবা উপভোগ করতে পারে।</p>
<p>এক্ষেত্রে মূল্যমান নির্ধারণে ভলিউমের সঙ্গে মেয়াদটিও গুরুত্বপূর্ণ। মোবাইল ইন্টারনেটের মেয়াদ রাখা শুধুই ব্যবসায়িক বিষয় না, এর পেছনে টেকনিক্যাল, অর্থনৈতিক ও নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্টসহ তিনটি বিষয় কাজ করে। বিশ্বের প্রায় সব দেশেই মোবাইল ইন্টারনেটের মেয়াদভিত্তিক প্যাকেজ প্রচলিত।</p>
<p>তিনি জানান, বিটিআরসি থেকে কোন প্যাকেজের মেয়াদপূর্তির পূর্বে একই ডাটা প্যাকেজ ক্রয় কিংবা অটো রিনিউ করা হলে অব্যবহৃত ডাটা ক্যারি ফরওয়ার্ডের বিধান রয়েছে। ফলে গ্রাহক তার মূল্যবান ডাটা হারনোর ভয় থাকে না। এছাড়াও বিটিআরসির নির্দেশনাক্রমে সব অপারেটরের সুদীর্ঘ মেয়াদের (১০ বছর) ডাটা প্যাকেজ রয়েছে যা একরূপ আনলিমিটেড মেয়াদেরই নামান্তর।</p>
<p>তিনি আরও জানান, সরকার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মোবাইল অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড এর মাধ্যমে ইতোমধ্যে আনলিমিটেড মেয়াদের ৩টি ইন্টারনেট ডাটা প্যাকেজ বাজারে উন্মুক্ত করছে। উক্ত প্যাকেজগুলোর আওতায় নির্ধারিত ডাটা ভলিউম শেষ না হওয়া পর্যন্ত গ্রাহকের ডাটা মেয়াদোত্তীর্ণ হবে না।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসআই/ইকে</strong></span></em></p>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জ্বালানি সঙ্কটে সরকারের কাছে জরুরি সহায়তা  চেয়েছে বিটিএ</title>
<link>https://digibanglatech.news/174750</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174750</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69e7b2038f392.jpg" length="45972" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 21 Apr 2026 14:22:48 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>টেলিযোগাযোগ খাতকে জরুরী সেবার আওতায় এনে বিশেষ জ্বালানি বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে টেলিকম টাওয়ার কোম্পানির সম্মিলিত সংগঠন ‘বাংলাদেশ টাওয়ারকো অ্যাসোসিয়েশন’ (বিটিএ)। নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে ও জাতীয় পর্যায়ে বড় ধরনের বিপর্যয় এড়াতে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।</p>
<p>বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এক আলোচনায় বিষয়টি তুলে ধরে বিটিএ।  ২১ এপ্রিল, মঙ্গলবার, সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বিঘ্ন টেলিযোগাযোগ সেবা নিশ্চিত করতে  বিশেষ জ্বালানি বরাদ্দকরণের পাশাপাশি বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছে।</p>
<p>এ ব্যাপারে উদ্বেগ জানিয়ে বিটিএ’র অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি এবং ইডটকো বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুনীল আইজ্যাক বলেন, ‘বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ সেবা এখন মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে আছে। নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে হলে এ খাত যেকোনো মূল্যে সচল রাখা প্রয়োজন, আর তাই গুরুত্বপূর্ণ এ অবকাঠামোকে জরুরী সেবার আওতায় এনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন’।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, ‘ছোট-বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে ব্যাংক, আইটিসহ সেবা প্রতিষ্ঠানগুলো ডিজিটাল সংযোগের ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল। সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে ক্ষতির সম্মুখীন হবে প্রতিটি সেক্টর। তাই ঝুঁকি এড়াতে করণীয় ও চলমান সংকটের বাস্তবিক সমাধান নিশ্চিত করা প্রয়োজন। আর সে কারণেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি বরাদ্দকরণের পাশাপাশি নীতিগত সহায়তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমরা কাজ শুরু করেছি’।</p>
<p>সূত্রমতে, সারাদেশে ৪৫ হাজারেরও বেশী টেলিকম টাওয়ার রয়েছে, যা বিদ্যুৎ গ্রিড ও জ্বালানি নির্ভর ব্যাকআপ ব্যবস্থার (জেনারেটর) ওপর নির্ভর করে সচল থাকে। ফলে চলমান জ্বালানি সংকট এখন সরাসরি প্রভাব ফেলছে এ খাতে। জ্বালানি ঘাটতির কারণে নিরবচ্ছিন্ন সেবা ব্যাহত হয়ে সংযোগে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে, ফলে ভোগান্তিতে পড়তে পারেন কোটি গ্রাহক।</p>
<p>ডিজিটাল অর্থনীতিতে প্রধান চালিকাশক্তি টেলিযোগাযোগ উল্লেখ করে সংগঠনটি জানায়, সংযোগে বিঘ্ন ঘটলে এর প্রভাব আর্থিক লেনদেন, রপ্তানি সমন্বয় থেকে শুরু করে জরুরি যোগাযোগ ও জনসেবাসহ প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ খাতেই পড়বে। সময়মতো পদক্ষেপ না নিলে দেশ ভয়াবহ আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তাই এ দুর্যোগ এড়াতে নীতি সহায়তার পাশাপাশি যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যাপারেও সরকারকে তাগাদা দেয় সংগঠনটি।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/টিএম/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গ্রামীণফোনের ২১৫ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন</title>
<link>https://digibanglatech.news/174655</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174655</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69e6bd2354b7b.jpg" length="75607" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 20 Apr 2026 22:56:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রতিকূল সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি বজায় রেখে ২০২৫ সাল শেষ করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিকম অপারেটর গ্রামীণফোন লিমিটেড। </p>
<p>২০ এপ্রিল, সোমবার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত কোম্পানির ২৯তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়েছে।</p>
<p> অনুমোদিত এই লভ্যাংশ অনুযায়ী, বিনিয়োগকারীরা প্রতিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে ২১.৫ টাকা করে পাবেন, যা মূলত কোম্পানির কর-পরবর্তী নিট মুনাফার ৯৮.২ শতাংশ। বিএসইসি-এর নির্দেশনা মেনে আয়োজিত এই ভার্চুয়াল সভায় শেয়ারহোল্ডারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সম্মিলিত সম্মতির ভিত্তিতে কোম্পানির ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও আর্থিক বিবরণী গৃহীত হয়।</p>
<p><br>বার্ষিক সভায় গ্রামীণফোনের চেয়ারম্যান জন ওমুন্ড রেভহাগ বিগত বছরের অর্জনগুলোকে তুলে ধরে বলেন, ২০২৫ সাল ছিল কোম্পানির জন্য একটি শৃঙ্খলিত প্রবৃদ্ধির বছর। তবে বিশ্বব্যাপী চলমান অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও মুদ্রাস্ফীতির চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে ২০২৬ সাল আরও বেশি প্রতিযোগিতামূলক হতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন। তিনি জানান, দ্রুত পরিবর্তনশীল ডিজিটাল বিশ্বে গ্রাহকদের বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করতে গ্রামীণফোন মৌলিক অবকাঠামো উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে অনলাইন নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল দক্ষতার প্রসারে কোম্পানিটির নেওয়া সামাজিক উদ্যোগগুলো লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।</p>
<p>আর্থিক ফলাফলের পর্যালোচনায় গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান জানান, বিগত বছরে কোম্পানির মোট আয় ১৫ হাজার ৮১০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। গ্রাহক সংখ্যা বর্তমানে ৮ কোটি ৩৯ লাখ ছাড়িয়েছে, যার মধ্যে ৪ কোটি ৮৭ লাখেরও বেশি সক্রিয় ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। সামষ্টিক অর্থনৈতিক চাপের ফলে ব্যয় ব্যবস্থাপনা কঠোর করার পরও নিট মুনাফা কিছুটা কমে ২ হাজার ৯৬০ কোটি টাকা হয়েছে।</p>
<p>তবে এই পরিস্থিতির মধ্যেও গ্রামীণফোন তার উদ্ভাবনী কার্যক্রম থামিয়ে রাখেনি। বিনোদনের জন্য 'বায়োস্কোপ+' এবং ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্য 'জিপি শিল্ড' এর মতো সেবাগুলো গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বিশেষ করে 'মাইজিপি' অ্যাপ বর্তমানে ২ কোটি ২৫ লাখ ব্যবহারকারীর সেবা নিশ্চিত করে দেশের শীর্ষ সেলফ-সার্ভিস প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে।</p>
<p><br>ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে সিইও আরও উল্লেখ করেন যে, গ্রামীণফোন এখন একটি এআই-নির্ভর 'টেলকো-টেক' কোম্পানিতে রূপান্তরিত হওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে। নেটওয়ার্ক অপারেশন থেকে শুরু করে পণ্য পরিকল্পনা—প্রতিটি ধাপে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ নিশ্চিত করা হচ্ছে। এছাড়া বিভাগীয় শহরগুলোতে ফাইভজি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ ও আধুনিক কোর সিস্টেম তৈরির মাধ্যমে একটি শক্তিশালী স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার পথে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে প্রতিষ্ঠানটি। জাতীয় কোষাগারে ১২ হাজার ১৬০ কোটি টাকা জমা দেওয়ার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতেও গ্রামীণফোন তার অবিচল দায়বদ্ধতার স্বাক্ষর রেখেছে। এআই-নির্ভর উদ্ভাবন ও দায়িত্বশীল প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে সামনের দিনেও শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকদের জন্য টেকসই মূল্য নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সভাটি শেষ হয়।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/এমইউএম </strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জ্বালানি সংকটে মোবাইল অপারেটরদের ২৭টি ডাটা সেন্টার বন্ধের ঝুঁকিতে</title>
<link>https://digibanglatech.news/174518</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174518</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_683ffc967034a.jpg" length="110057" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 19 Apr 2026 20:26:20 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের কারণে দেশব্যাপী মোবাইল অপারেটরদের ‘মস্তিস্ক’ ডাটা সেন্টার বন্ধ হয়ে টেলিকম নেটওয়ার্ক বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। টেলিকম নেটওয়ার্ক ব্যাপকভাবে বন্ধ হয়ে গেলে জরুরি সেবা, দুর্যোগ মোকাবিলা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, আর্থিক লেনদেন, ডিজিটাল প্রশাসন এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হতে পারে এবং একটি জাতীয় সংকট সৃষ্টি হতে পারে।</p>
<p>দেশের মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এমটব) জানিয়েছে, দেশব্যাপী তাদের বিভিন্ন অপারেটরের ২৭টি ডাটা সেন্টার রয়েছে। ডাটা সেন্টারই মোবাইল অপারেটরের ‘মস্তিষ্ক’— এটা বন্ধ মানে সমগ্র নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যাওয়া।</p>
<p>এমটব বিটিআরসিকে এক চিঠিতে আশঙ্কার কথা জানিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ, জ্বালানি বিভাগ, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন, আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী এবং সকল মোবাইল অপারেটরদের নিয়ে জরুরি উচ্চ পর্যায়ের সমন্বয় সভা আহ্বানের দাবি জানিয়েছে।</p>
<p>পাশাপাশি প্রধান ডেটা সেন্টার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা; মোবাইল বেস স্টেশনকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ; প্রয়োজনে ডিপো থেকে সরাসরি জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি সরবরাহের ব্যবস্থা করাতে বলেছে।</p>
<p>এমটব মহাসচিব লে কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ জুলফিকার বাংলানিউজকে বলেন, বিদ্যুৎ বা জ্বালানি সরবরাহের কারণে মোবাইল অপারেটরদের ডাটা সেন্টার বন্ধ বা বাধাগ্রস্ত হলে এর প্রভাব খুব দ্রুত এবং ব্যাপকভাবে পুরো নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়তে পারে। নেটওয়ার্ক সম্পূর্ণ বা আংশিক বন্ধ হলে কল, ইন্টারনেট, এসএমএসসহ সব ধরনের সেবা বন্ধ হয়ে যেতে পারে বা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হতে পারে।</p>
<p>ইন্টারনেট ডাউন বা খুব স্লো হয়ে যেতে পারে কারণ ডাটা সেন্টার থেকেই ট্রাফিক রাউটিং ও কন্ট্রোল হয়। ওটিপি, ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স সেবা ইত্যাদি অর্থাৎ যে সমস্ত সেবা মোবাইল নেটওয়ার্কের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয় সেসব ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। অপারেটরদের ব্যাকআপ থাকে কিন্তু যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তাতে কতোটুকু ব্যাকআপ দেওয়া সম্ভব হবে তা নিয়েও সন্দেহ আছে। আমাদের মনে রাখতে হবে ডাটা সেন্টারই অপারেটরের ‘মস্তিষ্ক’—এটা বন্ধ মানে সমগ্র নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যাওয়া।</p>
<p></p>
<p>চিঠিতে বলা হয়, বাস্তব পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটাপন্ন। দীর্ঘ সময় ধরে বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকা এবং ব্যাকআপ ব্যবস্থার জন্য নিশ্চিত জ্বালানি সরবরাহের অভাবে মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটররা চরম অপারেশনাল সংকটে পড়েছে। সাম্প্রতিক ঝড় বৃষ্টির কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে, যার ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বারবার এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা দেখা দিচ্ছে।</p>
<p>গত কয়েক দিনে গ্রিড বিদ্যুৎ বন্ধ থাকার সময় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, ফলে ডিজেল জেনারেটরের ওপর নির্ভরতা অত্যধিক বৃদ্ধি পেয়েছে।</p>
<p>সাম্প্রতিক বিদ্যুৎ পরিস্থিতির ভিত্তিতে বিটিএস সাইট (টাওয়ার) পরিচালনার জন্য দৈনিক ডিজেল ও অকটেন ব্যবহারের সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরা হয়। সেখানে দেখা যায়, গ্রামীনফোনের দৈনিক ২৮ হাজার ৭৯ লিটার ডিজেল ও ৯ হাজার ২৫৪ লিটার অকটেন, রবি ১৩ হাজার ১৪০ লিটার ডিজেল ও ৫ হাজার ৫১০ লিটার অকটেন, বাংলালিংক ১১ হাজার ২০৬ লিটার ডিজেল ও ৪ হাজার ৯৯৫ লিটার অকটেন ব্যবহার করে। তিন অপারেটরের দৈনিক মোট ডিজেল ব্যবহারের পরিমাণ ৫২ হাজার ৪২৪ লিটার ও অকটেন ১৯ হাজার ৮৫৯ লিটার।</p>
<p>সাম্প্রতিক বিদ্যুৎ পরিস্থিতির ভিত্তিতে বিটিএস সাইট (টাওয়ার) পরিচালনার জন্য দৈনিক ডিজেল ও অকটেন ব্যবহারের সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরা হয়। সেখানে দেখা যায়, গ্রামীনফোনের দৈনিক ২৮ হাজার ৭৯ লিটার ডিজেল ও ৯ হাজার ২৫৪ লিটার অকটেন, রবি ১৩ হাজার ১৪০ লিটার ডিজেল ও ৫ হাজার ৫১০ লিটার অকটেন, বাংলালিংক ১১ হাজার ২০৬ লিটার ডিজেল ও ৪ হাজার ৯৯৫ লিটার অকটেন ব্যবহার করে। তিন অপারেটরের দৈনিক মোট ডিজেল ব্যবহারের পরিমাণ ৫২ হাজার ৪২৪ লিটার ও অকটেন ১৯ হাজার ৮৫৯ লিটার।</p>
<p>চিঠিতে উদ্বেগের কথা জানিয়ে বলা হয়, বর্তমানে পরিস্থিতি অপারেটরদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। এই অবস্থা অব্যাহত থাকলে দেশের বৃহৎ অংশে টেলিকম নেটওয়ার্ক ব্যাপকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে জরুরি সেবা, দুর্যোগ মোকাবিলা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, আর্থিক লেনদেন, ডিজিটাল প্রশাসন এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হতে পারে এবং একটি জাতীয় সংকট সৃষ্টি হতে পারে।</p>
<p>এই সংকটের দুটি প্রধান দিক রয়েছে। প্রথমত দীর্ঘমেয়াদি ও পুনরাবৃত্ত বিদ্যুৎবিভ্রাট ঘটে। ঝড়ের সময় অনেক অঞ্চলে প্রতিদিন ৫–৮ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না এবং বিদ্যুৎ পুনঃস্থাপন অত্যন্ত বিলম্বিত হয়। ফলে ডেটা সেন্টার, সুইচিং সুবিধা এবং ট্রান্সমিশন হাবসহ গুরুত্বপূর্ণ টেলিকম অবকাঠামো প্রায়ই গ্রিড বিদ্যুৎ ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে, যা নেটওয়ার্ক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করছে।</p>
<p>দ্বিতীয়ত, তীব্র জ্বালানি সরবরাহ সংকট। দীর্ঘ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে সম্পূর্ণ রূপে ডিজেল জেনারেটরের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। বিটিএস সাইটের পাশাপাশি ডেটা সেন্টারগুলোও জেনারেটরে চলছে। একটি ডেটা সেন্টার প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৫০০–৬০০ লিটার ডিজেল ব্যবহার করে, যা প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার লিটার পর্যন্ত পৌঁছায়। স্থানীয় পেট্রোলপাম্পগুলো এ পরিমাণ জ্বালানি সরবরাহ করতে পারছে না।</p>
<p>বিটিআরসিতে পাঠানো চিঠিতে সাম্প্রতিক বিদ্যুৎ পরিস্থিতির ভিত্তিতে ডেটাসেন্টার/সুইচিংসেন্টার পরিচালনার জন্য দৈনিক ডিজেল ব্যবহারের সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরা হয়। সেখানে দেখা যায়, গ্রামীণফোন ১১ হাজার ১৮৪ লিটার, রবি ৭ হাজার ৮১২ লিটার এবং বাংলালিংক ৮ হাজার ২০০ লিটারসহ মোট ২৭ হাজার ১৯৬ লিটার ডিজেল দৈনিক ব্যবহার করে থাকে।</p>
<p>এছাড়া আন্তঃজেলা জ্বালানি পরিবহনের সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাধার কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। এতে গুরুত্বপূর্ণ টেলিকম স্থাপনাগুলোর জ্বালানি মজুদ বিপজ্জনকভাবে কমে গেছে।</p>
<p>চিঠিতে পরিস্থিতি বিবেচনায় এমটব জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়-</p>
<p>১. বিদ্যুৎ বিভাগ, জ্বালানি বিভাগ, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন, আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী এবং সকল মোবাইল অপারেটরদেরকে নিয়ে জরুরি উচ্চ পর্যায়ের সমন্বয় সভা আহ্বান করা।</p>
<p>২. সংযুক্ত তালিকাভুক্ত প্রধান ডেটাসেন্টার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা।</p>
<p>৩. সংকটকালীন সারাদেশের সকল মোবাইল বেসস্টেশনকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিদ্যুৎ সরবরাহের আওতায় আনা। প্রয়োজনে ডিপো থেকে সরাসরি জরুরিভিত্তিতে জ্বালানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা।</p>
<p>৪. জরুরি টেলিকম কার্যক্রমের জন্য জ্বালানি পরিবহন নির্বিঘ্ন রাখতে আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীকে অবিলম্বে লিখিত নির্দেশনা প্রদান করা।</p>
<p>চিঠিতে সারাদেশে সকল মোবাইল অপারেটরদের জন্য সুষ্ঠুভাবে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে একটি ডাটাবেস উল্লেখ করা হয়েছে। যেখানে জ্বালানি স্টেশনের তালিকা, অপারেটরদের জোনাল প্রধানদের যোগাযোগ তথ্য এবং অনুমোদিত সরবরাহকারী কর্মীদের বিস্তারিত (নাম, মোবাইল নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, ছবিইত্যাদি) অন্তর্ভুক্ত করা হয়।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমএ/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে সচিব হিসেবে যোগদান করলেন বিলকিস জাহান রিমি</title>
<link>https://digibanglatech.news/174466</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174466</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69e4da62a7e14.jpg" length="124264" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 19 Apr 2026 13:23:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে সচিব হিসেবে যোগদান করলেন বিলকিস জাহান রিমি</p>
<p>ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব হিসেবে যোগদান করেছেন বিলকিস জাহান রিমি। ১৯ এপ্রিল, রবিবার সচিবালয়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এর নিকট মন্ত্রীর ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অফিসকক্ষে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদানপত্র দাখিল করেন। </p>
<p>এসময় মন্ত্রী নবযোগদানকৃত সচিবকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান।</p>
<p>এর আগে, গত ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিলকিস জাহান রিমিকে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় থেকে বদলি করে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়।</p>
<p>বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ১৭ ব্যাচের কর্মকর্তা বিলকিস জাহান রিমি প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন দক্ষ কর্মকর্তা। সংশ্লিষ্ট মহলে আশা করা হচ্ছে, তাঁর নেতৃত্বে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও জনমুখী হবে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এনএম/ইকে</strong></em></span></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশের ৫৩ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন</title>
<link>https://digibanglatech.news/174313</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174313</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69e210f618772.jpg" length="135025" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 17 Apr 2026 00:00:48 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের মোট জনসংখ্যার ৫৩ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। এরমধ্যে পুরুষ ৫৬ দশমিক ৬ শতাংশ নারী ব্যবহারকারী ৫০ দশমিক ২ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) থেকে ১৭ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ‘আইসিটি প্রয়োগ ও ব্যবহারিক’ জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিবিএস অডিটরিয়ামে এই জরিপ প্রকাশ করা হয়। জরিপে দেশের ডিজিটাল বাস্তবতার এক বৈষম্যমূলক চিত্র ফুটে উঠেছে।</p>
<p><span>ডিভাইস প্রাপ্যতার সীমাবদ্ধতাও ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির বড় বাধা হিসেবে উঠে এসেছে। জরিপ বলছে,  গ্রামীণ এলাকায় মাত্র ৩ দশমিক ৬ শতাংশ পরিবারের কাছে কম্পিউটার রয়েছে। শহরে এই হার ২১ দশমিক ১ শতাংশ। ব্যক্তিগত ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বড় ফারাক দেখা যায়—গ্রামে মাত্র ৫ শতাংশ মানুষ কম্পিউটার ব্যবহার করে, যেখানে শহরে তা ২৫ দশমিক ৬ শতাংশ। আরও বিস্ময়ের বিষয়, ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বড় অংশের ডিজিটাল দক্ষতা কেবল ‘কপি-পেস্ট’ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।</span></p>
<p><span>আঞ্চলিক চিত্র বিশ্লেষণে দেখা যায়, রাজধানী ঢাকায় ইন্টারনেট ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। অন্যদিকে পঞ্চগড়ে এই ব্যবহার সবচেয়ে কম। কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রেও ঢাকার পরিবারগুলো এগিয়ে, আর ঠাকুরগাঁও সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। এতে দেশের ভৌগোলিক ডিজিটাল বৈষম্য আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। </span></p>
<p>জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ইন্টারনেট ব্যবহারে শহর ও গ্রামের মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে। শহর এলাকায় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর হার ৭৫ দশমিক ৭ শতাংশ হলেও গ্রামে তা মাত্র ৪৩ দশমিক ৬ শতাংশ। ফলে দুই অঞ্চলের মধ্যে ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ১ শতাংশে, যা দেশের ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে। ইন্টারনেট ব্যবহারের পাশাপাশি মোবাইল ফোন ব্যবহারে ব্যাপক বিস্তার লক্ষ্য করা গেলেও ব্যক্তিগত মালিকানায় এখনও ঘাটতি রয়েছে। দেশে মোট ৮৮ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করলেও নিজস্ব মোবাইল রয়েছে ৬৪ দশমিক ৪ শতাংশের। অন্যদিকে, কম্পিউটার ব্যবহারের হার এখনও সীমিত পর্যায়ে রয়েছে, যা মাত্র ১১ দশমিক ৩ শতাংশে দাঁড়িয়ে আছে।</p>
<div>
<p>পরিবারভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইন্টারনেট প্রবেশাধিকার ও প্রযুক্তি ব্যবহারে অঞ্চলভেদে বড় পার্থক্য রয়েছে। ঢাকায় ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ সবচেয়ে বেশি হলেও পঞ্চগড়ে তা সর্বনিম্ন। একইভাবে কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রেও ঢাকার পরিবারগুলো এগিয়ে থাকলেও সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে ঠাকুরগাঁও। </p>
<p data-start="2861" data-end="3113">ব্যবহারের উদ্দেশ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত তিন মাসে ৬৪ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ সরকারি চাকরি-সংক্রান্ত তথ্য অনুসন্ধান করেছে। ৪৯ দশমিক ৮ শতাংশ মানুষ খেলাধুলা সম্পর্কিত তথ্য দেখেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ভিডিও কনটেন্ট ব্যবহারের প্রবণতাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।</p>
<p data-start="3115" data-end="3305">তবে অনলাইন কেনাকাটার ক্ষেত্রে অগ্রগতি তুলনামূলকভাবে কম। মাত্র ১১ দশমিক ৬ শতাংশ ব্যবহারকারী অনলাইনে কেনাকাটা করেছে, যা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির সম্ভাবনার তুলনায় এখনও সীমিত অগ্রগতির ইঙ্গিত দেয়।</p>
<p>ডিজিটাল দক্ষতার ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের মধ্যে মৌলিক কাজের প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা গেছে। কপি-পেস্ট করার দক্ষতা ৮৪ দশমিক ৪ শতাংশ ব্যবহারকারীর মধ্যে রয়েছে, যা সবচেয়ে সাধারণ ডিজিটাল কার্যক্রম হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তবে এর বাইরে উন্নত দক্ষতার ক্ষেত্রে এখনও ঘাটতি রয়েছে বলে ইঙ্গিত পাওয়া যায়। </p>
<p>সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতার ক্ষেত্রেও কিছু ইতিবাচক দিক উঠে এসেছে জরিপে। ৭৮ দশমিক ৫ শতাংশ ব্যবহারকারী জানিয়েছেন, তারা সাইবার আক্রমণের শিকার হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সক্ষম হয়েছেন। তবে ঝুঁকিও কম নয়। ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে ৫০ দশমিক ৫ শতাংশ ব্যবহারকারীর জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে ভাইরাস ও ম্যালওয়্যারকে চিহ্নিত করা হয়েছে।</p>
<p>এদিকে, ইন্টারনেট সেবার উচ্চমূল্যও ব্যবহারের ক্ষেত্রে বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে সামনে এসেছে। জরিপে ৪৩ দশমিক ৬ শতাংশ নাগরিক জানিয়েছেন, উচ্চ খরচের কারণে তারা ইন্টারনেট ব্যবহারে অনাগ্রহী। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ডিজিটাল সেবা সবার নাগালে আনতে হলে সাশ্রয়ী মূল্যে ইন্টারনেট নিশ্চিত করার পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়নেও জোর দিতে হবে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিএইচই/ইকে</strong></span></em></p>
<p></p>
</div>
<h4 data-start="0" data-end="382"></h4>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জুলাইয়ে ইন্টারনেট বন্ধ করা হয় পলকের নির্দেশেই</title>
<link>https://digibanglatech.news/174251</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174251</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_6882446bb59bb.jpg" length="88417" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 16 Apr 2026 16:54:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>২০২৪ এর জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে তৎকালীন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের নির্দেশে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করা হয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) এক কর্মকর্তা।</p>
<p>১৬ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে এক জবানবন্দিতে তিনি এ কথা উল্লেখ করেন। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে চার নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেওয়া এই কর্মকর্তার নাম-পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে।</p>
<div class="flex flex-col text-sm pb-25">
<section class="text-token-text-primary w-full focus:outline-none [--shadow-height:45px] has-data-writing-block:pointer-events-none has-data-writing-block:-mt-(--shadow-height) has-data-writing-block:pt-(--shadow-height) [&amp;:has([data-writing-block])&gt;*]:pointer-events-auto [content-visibility:auto] supports-[content-visibility:auto]:[contain-intrinsic-size:auto_100lvh] scroll-mt-[calc(var(--header-height)+min(200px,max(70px,20svh)))]" dir="auto" data-turn-id="request-69a71ba7-a36c-8321-bf42-ebc48c50f073-0" data-testid="conversation-turn-54" data-scroll-anchor="true" data-turn="assistant">
<div class="text-base my-auto mx-auto pb-10 [--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-xs,calc(var(--spacing)*4))] @w-sm/main:[--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-sm,calc(var(--spacing)*6))] @w-lg/main:[--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-lg,calc(var(--spacing)*16))] px-(--thread-content-margin)">
<div class="[--thread-content-max-width:40rem] @w-lg/main:[--thread-content-max-width:48rem] mx-auto max-w-(--thread-content-max-width) flex-1 group/turn-messages focus-visible:outline-hidden relative flex w-full min-w-0 flex-col agent-turn">
<div class="flex max-w-full flex-col gap-4 grow">
<div data-message-author-role="assistant" data-message-id="604f5ee8-44b0-4e14-8d94-71e905debc7b" data-turn-start-message="true" dir="auto" data-message-model-slug="gpt-5-3" class="min-h-8 text-message relative flex w-full flex-col items-end gap-2 text-start break-words whitespace-normal outline-none keyboard-focused:focus-ring [.text-message+&amp;]:mt-1" tabindex="0">
<div class="flex w-full flex-col gap-1 empty:hidden">
<div class="markdown prose dark:prose-invert w-full wrap-break-word dark markdown-new-styling">
<p data-start="342" data-end="786">জবানবন্দিতে সাক্ষী জানান, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাকে ফোন করেন <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">কাজী মোস্তাফিজুর রহমান</span></span>, যিনি তখন <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন</span></span>-এর মহাপরিচালক ছিলেন। ফোনে তিনি জানান, তৎকালীন চেয়ারম্যান <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদ</span></span>-কে ইন্টারন্যাশনাল টেরিস্ট্রিয়াল ক্যাবল (আইটিসি) অপারেটরদের আপস্ট্রিম বা ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন তৎকালীন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">জুনাইদ আহমেদ পলক</span></span>।</p>
<p data-start="788" data-end="998">সেই নির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আইটিসি অপারেটরদের নিয়ে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ওই কর্মকর্তা ‘১৮ জুলাই আইটিসি অপারেশনস’ নামে একটি গ্রুপ খুলে সংশ্লিষ্ট অপারেটরদের যুক্ত করেন।</p>
<p data-start="1000" data-end="1243">গ্রুপে যুক্ত ছিলেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা, যার মধ্যে <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">Summit Communications Limited</span></span>, <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">Fiber@Home Limited</span></span>, <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">Novocom Limited</span></span> এবং <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">Bangladesh Telecommunications Company Limited</span></span>-এর কর্মকর্তারাও ছিলেন।</p>
<p data-start="1245" data-end="1512">সাক্ষ্য অনুযায়ী, গ্রুপ খোলার পর মহাপরিচালক কাজী মোস্তাফিজুর রহমান একটি গ্রুপ কলে আইটিসি অপারেটরদের সরকারী নির্দেশনা সম্পর্কে অবহিত করেন। এর কিছুক্ষণ পরই, একই দিন রাত ৯টার দিকে অপারেটরদের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়, যা ২৩ জুলাই পর্যন্ত পুরোপুরি বন্ধ ছিল।</p>
<p data-start="1514" data-end="1849">পরবর্তীতে ২৩ জুলাই একটি বৈঠকে আইআইজি অপারেটর ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। সেখানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—ফেসবুক, ইউটিউব ও টিকটক—বন্ধ রেখে সীমিত পরিসরে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ইন্টারনেট চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর ৩১ জুলাই বিটিআরসির চেয়ারম্যানের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত আসে।</p>
<p data-start="1851" data-end="2201" data-is-last-node="" data-is-only-node="">এদিকে, সাক্ষীর জবানবন্দি সম্পূর্ণ না হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল শুনানি আগামী ১৯ জুলাই পর্যন্ত মুলতবি করেছেন। শুনানিতে প্রসিকিউশনের পক্ষে অংশ নেন চিফ প্রসিকিউটর <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">আমিনুল ইসলাম</span></span>। তার সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">গাজী এমএইচ তামিম</span></span>, <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">মঈনুল করিম</span></span> এবং <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">সুলতান মাহমুদ</span></span>সহ অন্যরা। </p>
<p data-start="1851" data-end="2201" data-is-last-node="" data-is-only-node="">এর আগে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষী দিয়েছেন আইএসপিএবি’র তৎকালীন সভাপতি। </p>
<p data-start="1851" data-end="2201" data-is-last-node="" data-is-only-node=""><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিএইচই/ইকে</strong></span></em></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="z-0 flex min-h-[46px] justify-start"></div>
<div class="mt-3 w-full empty:hidden">
<div class="text-center"></div>
</div>
</div>
</div>
</section>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিটিআরসি’র দুই উপ&#45;পরিচালকের বদলি আদেশে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/174163</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174163</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_697db0dfe2528.jpg" length="133682" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 16 Apr 2026 12:15:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>​বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) দুই উপ-পরিচালকের বদলি আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসাথে আইনবহির্ভূতভাবে দেওয়া ওই বদলি আদেশ কেন অবৈধ ও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।</p>
<p>​বিটিআরসি’র দুই কর্মকর্তা-উপ-পরিচালক সনজিব কুমার সিংহ ও উপ-পরিচালক এস এম আফজাল রেজা’র দায়ের করা এক রিট পিটিশনের (নম্বর ৪৩৩২/২০২৬) প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী এবং বিচারপতি এ.এফ.এম. সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।</p>
<p>​আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান।</p>
<p>​মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ৩১ মার্চ ২০২৬ এবং ২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বিটিআরসি’র উপ-পরিচালক (মানব সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা ) স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি আদেশের মাধ্যমে ওই দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছিল। আবেদনকারীদের দাবি, এই বদলি আদেশ প্রচলিত আইন ও বিধির পরিপন্থী এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।<br>​শুনানি শেষে আদালত ওই বদলি আদেশের কার্যকারিতা স্থগিত করেন এবং সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলায় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিটিআরসি’র চেয়ারম্যানসহ পাঁচজনকে বিবাদী করা হয়েছে।</p>
<p>​আইনজীবী ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান জানান, আদালতের এই স্থগিতাদেশের ফলে ওই দুই কর্মকর্তার বর্তমান কর্মস্থলে বহাল থাকতে আর কোনো আইনি বাধা নেই। বর্তমানে আদালতের এই আদেশের অনুলিপি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।</p>
<p>এর আগে, বিগত সময়ে বিটিআরসিতে পরীক্ষাবিহীন অবৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত এবং অডিট আপত্তি রয়েছে এমন বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে সম্প্রতি পদোন্নতি দেওয়ার উদ্যোগ নেয় কমিশন। কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে চলতি বছরের মার্চ মাসে উচ্চ আদালতে রিট করেন বিটিআরসির উপপরিচালক সনজিব কুমার সিংহ, কাজী মো. আহসানুল হাবিব, জাকির হোসেন খাঁন, এস এম আফজাল রেজা, মো. আসিফ ওয়াহিদ ও মো. হাসিবুল কবির। </p>
<p>অভিযোগ উঠেছে, ঢাকার বাইরে বিটিআরসির যে পাঁচটি মনিটরিং স্টেশন বা স্থাপনা রয়েছে এবং এর মধ্যে রংপুর এবং সিলেটে বর্ণিত দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছিল, স্টেশনগুলোর বিষয়ে সরকারের আনুষ্ঠানিক কোনো অনুমোদন নেই। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসআই/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টেলিনর সিইও&#45;র সাম্প্রতিক সফরের প্রেক্ষাপটে ১৫ বছরের অমীমাংসিত বঞ্চনা নিরসনের দাবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/174091</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174091</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69df9bb28edaf.jpg" length="154905" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 15 Apr 2026 16:08:10 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>টেলিনর গ্রুপের গ্লোবাল সিইও-র সাম্প্রতিক বাংলাদেশ সফরের প্রেক্ষাপটে আজ গ্রামীণফোনের (জিপি) চার শতাধিক সাবেক বঞ্চিত কর্মীরা জিপি হাউসের সামনে এক শান্তিপূর্ণ ও সুসংগঠিত গণসমাবেশ পালন করেছেন।</div>
<div></div>
<div>দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে ৪০০০ শ্রমিক পরিবারের পাওনা (WPPF ও ৫% বিলম্ব জরিমানা) পরিশোধে ১৫ এপ্রিল, বুধবার কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার প্রতিবাদে এবং আন্তর্জাতিক শ্রম মানদণ্ড অনুযায়ী দ্রুত নিষ্পত্তির দাবিতে এই কর্মসূচি পালিত হয়।</div>
<div></div>
<div>সমাবেশে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, টেলিনর সিইও তার সফরে 'স্মার্ট বাংলাদেশ' ও 'শ্রম মান উন্নয়ন' নিয়ে যে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, গত ১৫ বছরের বাস্তবতায় তার কোনো প্রতিফলন দেখা যায়নি। উল্টো গত ১৭ মাস ধরে চলমান আন্দোলনের পরও ৪০০০ পরিবারের পাওনা পরিশোধে কোম্পানিটি কোনো কার্যকর পদক্ষেপ বা আগ্রহ দেখায়নি। গ্রামীণফোনের মতো একটি শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের এই অবস্থান 'দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণ' (Responsible Business Conduct - RBC) এবং বৈশ্বিক নৈতিকতার পরিপন্থী।</div>
<div></div>
<div>​প্রথাগত প্রভাব ও বিচারিক দীর্ঘসূত্রিতা: বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, গত দেড় দশকে প্রতিটি রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সময় কোম্পানিটি প্রথাগত প্রভাবের রাজনীতি ব্যবহার করে শ্রমিকদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা করেছে। বিচারিক দীর্ঘসূত্রিতাকে (Judicial Procrastination) অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে কর্মীদের 'Right to Remedy' বা প্রতিকার পাওয়ার পথ সুপরিকল্পিতভাবে রুদ্ধ করা হয়েছে। পাওনা আদায়ের অপেক্ষায় থেকে ইতিমধ্যে অনেক সহকর্মী অর্থাভাবে ও সুচিকিৎসার অভাবে প্রাণ হারিয়েছেন এবং হাজারো পরিবার আজ মানবেতর জীবনযাপন করছেন—যা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।</div>
<div></div>
<div>পরিষদের আহ্বায়ক আবু শাদাত মো: শোয়েব বলেন, "টেলিনর সিইও সম্প্রতি ঢাকায় উন্নয়নের যে রূপরেখা দিয়েছেন, তা তখনই বিশ্বাসযোগ্য হবে যখন ৪০০০ পরিবারের বকেয়া পাওনা বুঝিয়ে দেওয়া হবে। আমরা দীর্ঘ ১৬ বছর আইনের প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা দেখালেও জিপি ম্যানেজমেন্ট আমাদের ধৈর্যকে দুর্বলতা হিসেবে গণ্য করেছে। আমরা চাই বর্তমান সরকার টেলিনরকে তাদের বৈশ্বিক ব্যবসায়িক প্রতিশ্রুতি এবং আন্তর্জাতিক নীতিমালা মেনে এই সংকট নিরসনে বাধ্য করুক।"</div>
<div></div>
<div>আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আদিবা জেরিন চৌধুরী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ​"মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, টেলিনরের নতুন বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি তখনই সার্থক হবে যখন প্রতিষ্ঠানটি তাদের দীর্ঘ ১৫ বছরের অমীমাংসিত শ্রমিক বিরোধের অবসান ঘটাবে। ৪০০০ পরিবারের আইনানুগ পাওনা আটকে রেখে কোনো প্রতিষ্ঠান প্রকৃত টেকসই উন্নয়নে পৌঁছাতে পারে না। আমরা বিশ্বাস করি, আপনার নেতৃত্বে এই নতুন বাংলাদেশে অতীতের সেই প্রভাব বিস্তারের রাজনীতির পুনরাবৃত্তি ঘটবে না; বরং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড (OECD &amp; UN) অনুযায়ী প্রতিটি শ্রমিকের ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে। এই মানবিক সংকটের স্থায়ী সমাধানে আমরা আপনার সদয় ও জরুরি হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করছি।"</div>
<div></div>
<div>সমাবেশ শেষে কর্মীরা দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে জানান, তারা সংঘাত নয় বরং গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সম্মানজনক সমাধান চান। তবে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মত আন্দোলন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে অব্যাহত থাকবে।</div>
<div><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এডিজে/এমইউআইএম</strong></em></span></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন টেলিনরের গ্রুপ সিইও</title>
<link>https://digibanglatech.news/173890</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173890</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69dd036c2062f.jpg" length="141780" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 13 Apr 2026 13:53:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal"><span>বাংলাদেশ সফরে এসে ১৩ এুপ্রিল, সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন  টেলিনর গ্রুপের প্রেসিডেন্ট ও সিইও বেনেডিক্টে শিলব্রেড ফাসমার। </span><span>টেলিনর প্রতিনিধিদলে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমানসহ টেলিনর ও গ্রামীণফোনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span>বৈঠকে বাংলাদেশের ডিজিটাল উন্নয়নে টেলিনরের অব্যাহত প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।সূত্রমতে, বৈঠকে বেনেডিক্টে শিলব্রেড ফাসমার প্রায় তিন দশক ধরে বাংলাদেশে টেলিনরের কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন। আলোচনায় তরুণ জনগোষ্ঠী, দ্রুত ডিজিটাল জীবনধারা গ্রহণের প্রবণতা এবং ক্রমবর্ধমান উদ্ভাবন ইকোসিস্টেমের কল্যাণে বাংলাদেশে ডিজিটাল-নির্ভর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার শক্ত ভিত্তি রয়েছে বলে উভয় পক্ষ আস্থা ব্যক্ত করেন। </span><span lang="EN-SG"></span><span></span></p>
<p class="MsoNormal"><span>বেনেডিক্টে শিলব্রেড ফাসমার আরও উল্লেখ করেন, এশিয়ায় টেলিনরের জন্য বাংলাদেশের কৌশলগত গুরুত্ব রয়েছে এবং বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। সংযোগ সম্প্রসারণ, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি জোরদার এবং টেকসই অর্থনৈতিক  প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক এমন দক্ষতা ও সক্ষমতা </span><span lang="BN">বৃদ্ধিতে<b><span> </span></b></span><span>বিনিয়োগ অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে টেলিনর।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span>আলোচনায় তরুণ বাংলাদেশিদের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ (এআই) ভবিষ্যৎ-উপযোগী দক্ষতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব তুলে ধরা হয়; যা দক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে এবং সরকারের বৃহত্তর উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়ক। এতে ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যও রয়েছে।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span>নিরাপদ ও স্মার্ট আগামী গড়ার অভিন্ন লক্ষ্য সামনে রেখে টেলিনর ও গ্রামীণফোন বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনার ওপর তাদের আস্থা এবং দেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় অবদান রাখার ইচ্ছা পুনর্ব্যক্ত করে। আলোচনায় টেকসই অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে এবং সমাজের জন্য ডিজিটাল সংযোগের পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে একটি পূর্বানুমেয় এবং বিনিয়োগবান্ধব নিয়ন্ত্রক ও নীতিগত পরিবেশের গুরুত্বও তুলে ধরা হয়।</span><span> </span></p>
<p class="MsoNormal"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিসিএস/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘জুলাই অভ্যুত্থানে সরকারের সিদ্ধান্তে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ হয়’</title>
<link>https://digibanglatech.news/173828</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173828</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69dca47c2b78b.jpg" length="74796" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 13 Apr 2026 00:11:58 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডেটা সেন্টার পোড়ার কারণে নয়; জুলাই অভ্যুত্থানে ‘সরকারি সিদ্ধান্তেই’ দেশজুড়ে ইন্টারনেট বন্ধ হওয়ার বিষয়টি বুঝতে পারেন ইন্টারনেট সেবাদাতারা। <span>আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ  আসামি পক্ষের জেরায় এমনটাই জানিয়েছেন </span>ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবাদাতাদের সংগঠন আইএসপিএবি’র তৎকালীন সভাপতি <span>মো. ইমদাদুল হক মোল্লা। </span></p>
<p><span>গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলকের বিরুদ্ধে করা একটি মামলায় তিন নম্বর সাক্ষী হিসেবে ১২ এপ্রিল দেয়া জবানবন্দিতে এমনটাই জানান ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান অপটিম্যাক্স কমিউনিকেশন লিমিটেডের এই পরিচালক। তিনি যখন আদালতে তার কথা তুলে ধরছিলেন তখন পেছনেই ছিলেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী। তার উপস্থিতিতেই তিনি আদালতকে জানিয়েছেন, আইটিসি ও সাবমেরিন থেকে ব্যান্ডউইথ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা ইন্টারনেট সেবা চালিয়ে যেতে পারেননি। </span></p>
<p><span>ডেটা সেন্টার বিষয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী আমিনুল গণীর জেরায় ইমদাদুল হক মোল্লা বলেন, ২০২৪ সালের ২৩ জুলাই পলক যখন ত্রাণ ভবন পরিদর্শন করেছিলেন, তখন পোড়া দেখেছেন তিনি (ইমদাদুল)। ওভারহেড কেব্‌ল পুড়ে গিয়েছিল, তা–ও দেখেছেন তিনি। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাবিষয়ক সার্ভার পুড়ে গিয়েছিল, সেটিও দেখেছেন। আগুন লাগার কারণে আশেপাশে আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল বিধায় এলাকাবাসী কিছু কেব্‌ল কেটে দিয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি। </span></p>
<p>জবানবন্দিতে তিনি আরও বলেন, <span>ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে আমরা হলাম শেষ স্তর। আমাদের ওপর আরও দুটি স্ত্রর যথাক্রমে IIG (ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে), সাবমেরিন ক্যাবল। কোম্পানি এবং ITC (ইন্টারন্যাশনাল টেরিস্টিরিয়াল কোম্পানি) রয়েছে।  </span>২০২৪ সালের ১৮ জুলাই মহাখালী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবনে আগুন লাগে। ওই দিন বিকেল চারটা থেকে কিছু কিছু এলাকায় ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত হয়। ওই দিন রাত আনুমানিক ৯টা থেকে ইন্টারনেট সেবা সারা দেশে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। <span>ইন্টারনেট সেবা বন্ধ হওয়ার বিষয়ে আইআইজির (ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে) সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা জানায়, আইটিসি (ইন্টারন্যাশনাল টেরিট্রিয়াল কেব্‌ল) থেকে ব্যান্ডউইথ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এরপর তারা বুঝতে পারে, সরকারের সিদ্ধান্তে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রয়েছে।  কারণ সারাদেশে আরও ১৫/১৬ টি ডাটা সেন্টার রয়েছে। </span></p>
<p>জবানবন্দি বিষয়ে জানতে চাইলে তৎকালীন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘জেরায় ইন্টারনেট বন্ধের ব্যাপারে কোনও কোশ্চেন আসে নি, যা কোশ্চেন ছিলো তার আনসার শুধুই দিয়েছি, মতামত দেওয়ার সুযোগ ছিলো না। কেননা, ওখানে শুধু আনসারগুলোই কোয়েশ্চেন করে। তারা মূলত ডেটা সেন্টার পোড়া নিয়ে আমার এক্সপার্ট অপিনিয়ন হিসেবে এই জবানবন্দি নিয়েছে’। </p>
<p>আদালতকে তিনি জানান, তার নাম মো. ইমদাদুল হক মোল্লা। বয়স ৫৩ বৎসর। পেশায় একজন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার। তিনি ‘অস্টিমেক্স কমিউনিকেশন লিমিটেড’ প্রতিষ্ঠানের পরিচালক। ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মে মাস পর্যন্ত ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করি।</p>
<p class="alignfull">ইমদাদুল হক আরও বলেন, ২৩ জুলাই তৎকালীন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে তারা ইন্টারনেট চালুর অনুরোধ জানান। জবাবে প্রতিমন্ত্রী সেদিনই সেবা চালুর আশ্বাস দেন এবং ডাটা সেন্টারে আগুন লাগার কথা উল্লেখ করেন। তবে সাক্ষীর দাবি, এটি রাজনৈতিক বক্তব্য ছিল কারণ আগুন লেগেছিল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবনে, কোনো ডাটা সেন্টারে নয়।</p>
<p class="alignfull">তিনি আরও উল্লেখ করেন, ভবনের বাইরে কিছু ফাইবার অপটিক ক্যাবল ক্ষতিগ্রস্ত হলেও দেশে থাকা অন্যান্য ডাটা সেন্টার দিয়ে ইন্টারনেট সেবা চালু রাখা সম্ভব ছিল।</p>
<p class="alignfull"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিএইচই/এমইউআইএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>লাইসেন্স নবায়নের জোর দাবি আইএস পিএবির</title>
<link>https://digibanglatech.news/173603</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173603</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d9f3732b8ed.jpg" length="105093" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 11 Apr 2026 13:08:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ঐতিহ্যবাহী  মেজবানে সমাপন হবে ব্রডব্যন্ড এক্সপো ২০২৬। শুরু হচ্ছে ১৩ এপ্রিল, সোমবার চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হওয়া এই মেলায় এআই, আইওটি ও রোবটিক্স নির্ভর ২৫টি উদ্ভাবনী প্রকল্প তুলবে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি প্রতিদিন  ১০টা-৮টা পর্যন্ত ১০টি প্যাভিলিয়ন, ৩৫টি মিনি প্যাভিলিয়ন ও ২০টি স্টলে ব্রডব্যান্ড সেবার আদ্যোপান্ত তুলে ধরবে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিরা। <span>পাশাপাশি থাকবে একটি এক্সপেরিয়েন্স জোন, যেখানে দর্শনার্থীরা এসব প্রযুক্তি সরাসরি দেখতে ও অভিজ্ঞতা নিতে পারবেন। </span></p>
<p><span>এছাড়া বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান তাদের সেবা, সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক পণ্য প্রদর্শন করবে। দেশীয় উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি মেলায় </span>অংশ নিচ্ছে ২টি বিদেশি ভেন্ডর।</p>
<p>১১ এপ্রিল, শনিবার রাজধানীর বনানীতে আয়োজক ইন্টারনেট সেবাদাতাদের সংগঠন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোশিয়েশন বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) স্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।</p>
<h1 class="post-title mb-4"><a href="https://digibanglatech.news/173275" target="_blank" rel="noopener">১৩ এপ্রিল ট্রিপল প্লে’র ঝলক দেখাবে ব্রডব্যান্ড এক্সপো ২০২৬</a></h1>
<p>সংবাদ সম্মেলনে মেলার আয়োজন তুলে ধরেন তথ্য তুলে ধরেন আইএসপিএবি সভাপতি আমিনু হাকিম। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক  নাজমুল করিম ভূইয়া, সহ-সভাপতি নিয়ামুল হক খান, যুগ্ম মহাসচিব ফুয়াদ আহমেদ শরফুদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ মইন উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>প্রশ্নোত্তর পর্বে আইএসপিএবি সভাপতি জানান শিগগিরই নতুন সরকারের কাছে টেলিকম পলিসিতে বিদ্যমান বিভিন্ন ক্লজের বিষয় আপত্তি তুলে ধরবে সংগঠনটি। তিনি বলেন, দেশে ব্রডব্যান্ড ইমিটেশন শতাংশ। এই হার নিয়ে সরকার-গ্রাহক কেউই খুশি নয়। এই অবস্থার উত্তরণে আমরা নতুন সরকারের সাথে কাজ করতে আগ্রহী। সরকার যেহেতু পুরনো নীতিমালাই অনুসরণ করছে তাই আমরা এ বিষয়ে এখনই বড় ধরনের কোন আন্দোলনে যাচ্ছি না। তবে অনেকের লাইসেন্স মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় সেগুলো নবায়নের জোর দাবি জানাচ্ছি।</p>
<p><span>নতুন সরকার টেলিকম সংশ্লিষ্টদের যৌক্তিক দাবিগুলো পুরণ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, </span>অন্তর্বর্তীকারীন সরকার টেলিকম গাইড লাইন ও পলিসি প্রণয়নের ক্ষেত্রে সকল স্কেটহোল্ডাদের পরামর্শ নেয়নি। বিষয়টি নিয়ে বার বার দাবি করলেও তারা তা শুনেননি। আমরা আশা করছি, বর্তমান সরকার সকল স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কথা বলে টেলিকম পলিসি নির্ধারণ করবে।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, <span>আগামী ১৩ এপ্রিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান এ. আসাদ, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আবদুন নাসের খান এবং বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী।</span><br><br><span>এক্সপোর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে ১৫ এপ্রিল। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, আইসিটি বিভাগের সচিব কাজী আনোয়ার হোসেন এবং বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক।</span><br><br><span>সমাপনী অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য আয়োজন করা হবে গ্র্যান্ড মেজবানে। মেজবানে অংশ নিতে প্রয়োজন হবে বিশেষ টোকেন। </span></p>
<p><span>‘লিংকিং পিপল, লিংকিং ফিউচার’  প্রতিপাদ্যে </span>এবারের এক্সপোতে স্পন্সর তালিকায় প্লাটিনাম স্পন্সর হিসেবে রয়েছে ফাইবার এসএইচজি হোম লিমিটেড এবং সামিট কমিউনিকেশন্স লিমিটেড। ডায়মন্ড স্পন্সর হিসেবে রয়েছে আম্বার আইটি লিমিটেড, সি-ডাটা, ওএফএস ক্যাবলস এবং রেস অনলাইন লিমিটেড। গোল্ড স্পন্সরদের মধ্যে রয়েছে কেএস নেটওয়ার্ক লিমিটেড, সার্কেল নেটওয়ার্ক, এডিএন টেলিকম লিমিটেড, সিএইচএএম ক্লাউড লিমিটেড, এক্সেল টেকনোলজিস লিমিটেড, ডট ইন্টারনেট, লিংক থ্রি কমিউনিকেশনস লিমিটেড, এআরএ টেকনোলজিস লিমিটেড, জিএএমএমএ ইনোভেশন লিমিটেড, ম্যাজিস্ট্রো টেকনোলজিস লিমিটেড, এফসিএপিএস লিমিটেড, সাউথ বাংলা লিমিটেড, এক্সাবাইট লিমিটেড এবং জিনিউ বাংলাদেশ লিমিটেড।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আইএসপিএবি <span>সহসভাপতি সিআরএম হক খান, যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব আলম রাজু, পরিচালক রাশেদুর রহমান রাজন, মো. মিঠু হাওলাদার, সাব্বির আহমেদ, রাইসুল ইসলাম তুহিন, মো. জুবায়ের ইসলাম, এস এম সাইফুল ইসলাম সেলিমসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও স্পন্সর প্রতিনিধিরা।</span></p>
<p> <span></span><span></span><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এসএম/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফেসবুক নিরাপদে টিক্যাবের পাঁচ দাবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/173641</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173641</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69da3de515db6.jpg" length="131919" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 11 Apr 2026 12:47:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ফেসবুককে নিরাপদ করার দাবিতে ১১ এপ্রিল, শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে উন্মুক্ত আলোচনা সভা করেছে টেলি কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টিক্যাব)।</p>
<p>সভায় বক্তারা বলেন, ফেসবুক এখন নাগরিকদের গোপনীয়তা, ব্যক্তিগত তথ্য ও মানসিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভুয়া প্রোফাইল, পরিচয় চুরি, সাইবার বুলিং, নারী ও সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক বক্তব্য, রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা, প্রতারণামূলক লিংক এবং এআই দিয়ে তৈরি ডিপ ফেইক ভিডিও ক্রমেই বেড়ে চলেছে। ফেসবুক কর্তৃপক্ষের দুর্বল মনিটরিং ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নজরদারির অভাবে ব্যবহারকারীরা সহজেই হয়রানির শিকার হচ্ছেন। সাম্প্রতিক সময়ে ফিশিং, ম্যালওয়্যার লিংক ও নকল অফারের মাধ্যমে অর্থ ও তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার প্রবণতা উদ্বেগজনক আকার ধারণ করেছে।  </p>
<p>এ অবস্থায় টিক্যাব সরকারের কাছে পাঁচটি দাবি উত্থাপন করে। প্রথমত, গণমাধ্যমের লোগো ও ফটোকার্ড ব্যবহার করে ভুয়া প্রোপাগান্ডামূলক পেইজ ও আইডি বন্ধ করতে হবে এবং এর সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে। দ্বিতীয়ত, দেশে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় অপরাধও বেশি হচ্ছে, অথচ ভিকটিমদের মাত্র ১৯ শতাংশ অভিযোগে ইতিবাচক ফল পান। তাই অভিযোগ দাখিলের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রাথমিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। তৃতীয়ত, সরকারকে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তি করে নজরদারি বাড়াতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবহারকারীদের ক্ষতিপূরণ দিতে ফেসবুককে বাধ্য করতে হবে। চতুর্থত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটি পর্যায়ে নিরাপদ ফেসবুক ব্যবহারের প্রশিক্ষণ ও গণমাধ্যমে প্রচারাভিযান চালাতে হবে। পঞ্চমত, সাইবার বুলিং, অশ্লীল কনটেন্ট, ই-কমার্স প্রতারণা দমনে জাতীয় হটলাইন ও বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করে জেলা ও থানা পর্যায়ে প্রশিক্ষিত টিমের মাধ্যমে দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে হবে।  </p>
<p>সভায় সভাপতিত্ব করেন টিক্যাব সভাপতি মুর্শিদুল হক (বিদ্যুৎ)। আলোচনায় অংশ নেন টিক্যাবের উপদেষ্টা ও জাতীয় সাহিত্য অধিদপ্তর বাস্তবায়ন পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক ছাবের আহাম্মদ (কাজী ছাব্বীর), বাস্তুহারা দল কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক ইসমাঈল হোসেন সিরাজী, সবুজ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বাপ্পি সরদার, বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা, বাংলাদেশ মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ী এসোসিয়েশনের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলু, জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় সংসদের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক নাসির উদ্দিন বেপারী, বাংলাদেশ নাগরিক অধিকার আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মুসা ফরাজী, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল (পিডিপি)’র মহাসচিব হারুন আল রশিদ খান, বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির, ইসলামি ঐক্যজোটের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আমিন, সিএলএনবি’র চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ, বাংলাদেশ সমতা পার্টির সভাপতি হানিফ বাংলাদেশী, বাংলাদেশ জনজোট পার্টি (বাজপা)’র চেয়ারম্যান মুজাম্মেল মিয়াজী, ভিশন বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মোরসালিন ইসলাম বাবু, টিক্যাবের কেন্দ্রীয় নেতা হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম, সোহেল মিয়া ও মো. ফারুক প্রমুখ।  </p>
<p>সভায় বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, ফেসবুককে নিরাপদ করতে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এএ/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সংসদে ‘সাইবার সুরক্ষা বিল&#45;২০২৬’ পাস</title>
<link>https://digibanglatech.news/173535</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173535</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d906cc52b50.jpg" length="113239" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 10 Apr 2026 18:19:43 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>‘সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫’ রহিত করে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘সাইবার সুরক্ষা বিল-২০২৬’ পাস হয়েছে। ১০ এপ্রিল শুক্রবার জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বিলটি উত্থাপন করেন। </p>
<p><span>ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বিলটি </span>সংসদ সদস্যদের সামনে পেশ কর করলে তা সর্বস্মতিক্রমে কণ্ঠভোটে পাস হয়। </p>
<p>এর ফলে সাইবার স্পেসে অপরাধ শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ ও দমনসহ সংশ্লিষ্ট অপরাধের বিচার নিশ্চিত করাই নতুন এই আইনের লক্ষ্য। এর মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা ‘সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫’ বাতিল হলো।</p>
<p>অধ্যাদেশটি বাতিল হওয়ার পর সাবেকর প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারি ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫; সাইবার সুরক্ষা (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫; ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫; ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৬; জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫; এবং  টেলিযোগাযোগ সংশোধনী অধ্যাদেশ, ২০২৬- এই ছয়টি অধ্যাদেশ, (চারটি আইন) জাতীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। যদিও কিছু আইনে বেশ কিছু কম্প্রমাইজ করা হয়েছে। ডেটা নিয়ে মেগা পর্যায়ের অসংখ্য জালিয়াতির পরেও ক্রিমিনাল অফেন্স তুলে দেয়া হয়েছে প্ল্যাটফর্মের চাপে, আবার টেলিকম আইনের সার্ভেইলেন্স ধারায় এজেন্সি গুলোর এক্সেস ওপেন করা হয়েছে, তথাপি দেশের আইসিটি, টেলিকম ও ডেটা গভর্নেন্স-এ এই আইন গুলো শৃঙ্খলা আনবে। </p>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">তিনি বলেন, আজকে থেকে দেশের আইনে আপনার ব্যক্তিগত উপাত্ত আপনার সম্পদ। আপনার সম্মতি ছাড়া আপনার উপাত্ত কেউ ধারণ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ, মজুত ইত্যাদি করতে পারবে না। কোনও ব্যক্তিও না, কোম্পানিও না। শিশুদের ডেটা প্রক্রিয়াজাতকরণ করে মডেলিং বা এআই ট্রেইন করা অপরাধ। ডেটা ওউনার হিসেবে নাগরিক প্রক্রিয়াজাতকৃত ডেটাতে এক্সেস চাইতে পারবেন। বাংলাদেশের ব্যাপক পরিসরে ডেটা জালিয়াতি, সাইবার ক্রাইম, ফাইনান্সিয়াল স্ক্যাম এবং আইডি জালিয়াতির প্রেক্ষিতে, উপাত্ত অধ্যাদেশে আমরা বাল্ক পরিমাণে ব্যক্তিগত উপাত্তের গপোনীয়তা লঙ্ঘনকে ক্রিমিনাল অফেন্স হিসেবে রেখেছিলাম, সেটা আইনে আসেনি, বিএনপি সরকার তা সরিয়ে দিয়েছে। এখন আদালতকে এসব বিষয়ে লিটারেট হবে হবে, যাতে ব্যক্তিগত উপাত্তের গোপনীয়তার লঙ্ঘনকে অতি উচ্চ আর্থিক জরিমানার আওতায় আনা হয়।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">ফয়েজ তৈয়্যবের ভাষায়, এখন থেকে ব্যক্তিগত উপাত্তের গোপনীয়তা লঙ্ঘনে, প্ল্যাটফর্মের ডেটা ব্রেচে, কোম্পানির ডেটা জালিয়াতিতে মামলা করা যাবে। এহেন কাজে সরকারের বিরুদ্ধেও মামলা করা যাবে। ব্যক্তি, কোম্পানি ও সরকার উভয়ে উপাত্ত সুরক্ষার প্রটেকশন সিক করতে পারবেন, আদালতে যেতে পারবেন। একই সাথে ব্যক্তিগত উপাত্ত সংগ্রহ সংরক্ষণ বিপণন এবং শেয়ারিং এ তাদের দায়িত্বও বাড়ালো। টেলিকম আইনের নজরদারির ধারায় বেশকিছু চেক এন্ড ব্যালান্স এসেছে, এবং আমরা ইন্টারনেট বন্ধ করা নিষিদ্ধ করতে পেরেছি।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা এবং জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা আইন পাশ হওয়ার সরকারকে এখন ন্যাশনাল ডেটা অথরিটি করতে হবে। ফলে ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার করার আইনি ম্যান্ডেট তৈরি হল অর্থাৎ ন্যাশনাল ইন্টার অপারেবিলিটি এবং কানেক্টিভিটি হাইওয়ে তৈরির পথ সুগম হবে। এর মাধ্যমে ওয়ান আইডি বাস্তবান করা যাবে, অর্থাৎ ডেটা গভর্নেন্স, ইন্টারঅপারেবিলিটি, ইলেকট্রনিক আইডি ম্যানেজমেন্ট- এই দিন লেয়ারের ন্যাশনাল ডিপিআই করার পথ সুগম হলো’- বলে মন্তব্য করেন তিনি। </div>
</div>
<p>এদিকে একই অধিবেশনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে স্থায়ী আইনে রূপান্তরের প্রক্রিয়ায় ২০টি বিল পাস হয়েছে। এর মধ্যে সকালের অধিবেশনে ১০টি বিল পাস হয়। কোনো বিলে দফাওয়ারি সংশোধনী প্রস্তাব না থাকায় এবং কোনো আলোচনা ছাড়াই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের প্রস্তাবের পর সর্বসম্মতিক্রমে বিলগুলো পাস হয়।</p>
<p>প্রসঙ্গত, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদে মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গঠিত সংসদের বিশেষ কমিটি এসব অধ্যাদেশ পর্যালোচনা করে। কমিটি ৯৮টি অধ্যাদেশ অপরিবর্তিত রাখা এবং ১৫টি সংশোধনসহ পাসের সুপারিশ করে। বাকি ২০টির মধ্যে ৪টি বাতিল এবং ১৬টি অধ্যাদেশ আরও শক্তিশালী করে নতুন বিল আকারে সংসদে আনার সুপারিশ করা হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ২০টি বিল পাস করা হলো।</p>
<p>আজকের অধিবেশনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করলে তা পাস হয়। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ‘মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল’ পাসের প্রস্তাব করেন।</p>
<p>অন্যান্য বিলের মধ্যে রয়েছে পাঁচটি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও রংপুর) সংক্রান্ত বিল, আমানত সুরক্ষা বিল, গ্রামীণ ব্যাংক ও বাংলাদেশ ব্যাংক সংশোধন বিল, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি বিল এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন সংশোধন বিল। বিলগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা পৃথকভাবে উত্থাপন করেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমইউআইএম/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টেলিযোগাযোগ সংশোধনী বিল অধ্যাদেশ ২০২৬ পাস</title>
<link>https://digibanglatech.news/173413</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173413</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d7a4af4ecac.jpg" length="71506" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 09 Apr 2026 15:14:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১২তম দিনে কণ্ঠভোটে পাশ হালো টেলিযোগাযোগ সংশোধনী বিল অধ্যাদেশ ২০২৬।</p>
<p>৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বিলটি উত্থাপন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে মন্ত্রী সংসদের সামনে বিল আকারে উত্থাপন করলে কেউই এর বিরোধিতা করেননি। </p>
<p>বিলটির ওপর দফা ওয়ারি সংশোধনী না থাকায় বিলের ২ থেকে ৬৯ দফা এই বিলের অংশ হিসেবে অন্তর্ভূক্তির পক্ষে রায় দেন সংখ্যাগরিষ্ঠ সংসদ সদস্যরা। এরপর ধারগুলো বিলের অংশ হিসেবে গ্রহণ করে সংসদ। </p>
<p>এরপর বিলের দফা-১ এ থাকা প্রস্তাবনা,বলবৎকরণ, প্রবর্তন ও শিরোনামার পক্ষে রায় দেন সংসদস্যরা। </p>
<p>সবশেষে বিলটি পাশ করার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী আবেদন করলে সর্বসম্মতি ক্রমে তা পাশ হয়। </p>
<p>একই অধিবেশনে <span>অন্তর্বর্তী সরকারের নয়টি অধ্যাদেশ অবিকল রেখে আরও ১১টি বিল পাশ হয় সংসদে। তবে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ ও সচিবালয় সংক্রান্ত দুটি অধ্যাদেশ এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সংক্রান্ত একটি অধ্যাদেশ রহিত করা হয়েছে।</span></p>
<p>অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (সংশোধন) বিল-২০২৬; বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন (সংশোধন) বিল-২০২৬; শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সংশোধন) বিল-২০২৬; বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) বিল-২০২৬; পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) বিল-২০২৬;  বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (সংশোধন) বিল-২০২৬; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিল-২০২৬; স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) (সংশোধন) বিল-২০২৬ এবং আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) বিল-২০২৬ পাশ করে সংসদ। <br>আর ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ-২০২৫’ রহিত করে ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল-২০২৬’ এবং ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল-২০২৬’ পাস করে পূর্ববর্তী অধ্যাদেশ দুটি বাতিল কার হয়।</p>
<p>এছাড়া ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৪’ রহিত করে ২০০৯ সালের মূল ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন’ পুনঃপ্রচলন করার লক্ষ্যে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল-২০২৬’ পাস করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মানবাধিকার কমিশনের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে ২০০৯ সালের আইনি কাঠামো পুনরায় ফিরে এলো।</p>
<p>সংসদীয় কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা বিলগুলো উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে সেগুলো পাস হয়। এ সময় সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডি</strong></span><span style="text-decoration: underline;"><strong>বিটেক/এসআই/এমইউআইএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিস্ট্রিবিউশন টিমের সুরক্ষায় গ্রামীণফোনের বিশেষ উদ্যোগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/173383</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173383</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d76c5f81fcb.jpg" length="97919" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 09 Apr 2026 10:08:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div _ngcontent-ng-c2907064303="" class="container">
<div _ngcontent-ng-c1336060259="" inline-copy-host="" class="markdown markdown-main-panel enable-updated-hr-color" id="model-response-message-contentr_fda6f95263b6ddcd" aria-live="polite" aria-busy="false" dir="ltr">
<p data-path-to-node="2">ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কে কর্মরত ফ্রন্টলাইন টিমের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও সুরক্ষা (এইচএসএস) নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী বিভিন্ন সচেতনতামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে শীর্ষস্থানীয় টেলিকম অপারেটর গ্রামীণফোন। মাঠপর্যায়ের কর্মীদের পেশাগত ঝুঁকি হ্রাস এবং একটি কাঠামোবদ্ধ নিরাপত্তা সংস্কৃতি গড়ে তোলাই এই কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য।</p>
<p data-path-to-node="3">৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ফ্রন্টলাইন কর্মীদের জন্য বিশেষায়িত ‘ডিফেন্সিভ মোটরবাইক প্রশিক্ষণ’ কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়েছে। এছাড়া সার্টিফায়েড মেকানিকদের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের মোটরবাইক পরীক্ষার জন্য ‘হেলথ চেক-আপ ক্যাম্পেইন’ আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি ডিস্ট্রিবিউশন হাউস ফিল্ড ফোর্সের (ডিএইচএফএফ) সদস্যদের মাঝে উন্নত মানের সুরক্ষা জুতা বিতরণ করেছে গ্রামীণফোন।</p>
<p data-path-to-node="4">উদ্যোগটি প্রসঙ্গে গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান বলেন, “নিরাপত্তা গ্রামীণফোনের কার্যক্রম পরিচালনার অবিচ্ছেদ্য অংশ। অপারেশনাল ঝুঁকি কমাতে এবং ফ্রন্টলাইন টিমকে নিরাপদে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও সরঞ্জাম প্রদানের লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপগুলো নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের নিরাপত্তার মান শক্তিশালী করা অপরিহার্য।”</p>
<p data-path-to-node="5">‘গ্রামীণফোন বিশ্বাস করে, কর্মীদের নিরাপত্তাই প্রতিষ্ঠানের মূল ভিত্তি। নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার এই নিরন্তর প্রচেষ্টা কেবল কমপ্লায়েন্স রক্ষা নয়, বরং প্রতিটি কর্মীর জীবন সুরক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির অঙ্গীকারের প্রতিফলন’- যোগ করেন তিনি।</p>
<p data-path-to-node="5"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমআইইউএম/ইকে</strong></span></em></p>
</div>
<message-content _ngcontent-ng-c2907064303="" _nghost-ng-c1336060259="" id="message-content-id-r_fda6f95263b6ddcd" class="ng-star-inserted"></message-content><!----></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশে ইন্টারনেটের গতি কমতে পারে ৩ দিন ৮ ঘণ্টা</title>
<link>https://digibanglatech.news/173286</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173286</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_6811a2e384f5f.jpg" length="45173" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 08 Apr 2026 15:02:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আন্তর্জাতিক সাবমেরিন ক্যাবলের রক্ষণাবেক্ষণের কারণে আগামী ৯ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে ১৩ এপ্রিল ভোর ছয়টা তিন দিন আট ঘণ্টাপর্যন্ত ইন্টারনেটের গতি কিছুটা ধীর হতে পারে। </p>
<p>৮ এপ্রিল, বুধবার বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিপিএলসি)  এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।</p>
<p>এতে বলা হয়, কুয়াকাটায় স্থাপিত দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল সিমিইউই-৫ কনসোর্টিয়ামের এস,১.৫.১ শান্ট ফল্ট রিপেয়ার’ শীর্ষক একটি রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এর ফলে ৯-১৩ এপ্রিল ৩ ঘণ্টা ৮ মিনিট ধরে  ডেটা সেবা ব্যঘাত সৃষ্টি হতে পারে।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিকভাবে সিমিইউই-৫-এ প্রযুক্তিগত ত্রুটি চিহ্নিত করে মেরামতের কাজ শুরু করা হয়েছে। তবে এতে সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা তেমন প্রভাব পড়বে না বলেও আশ্বস্ত করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হবে।</p>
<p>এ বিষয়ে বিএসসিপিএলসির মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) জানিয়েছেন, বিকল্প রুটে ডেটা পাঠানোর ব্যবস্থা থাকায় বড় ধরনের সংকট তৈরির শঙ্কা নেই। তবুও কিছু আইএসপি এবং ব্যান্ডউইথ নির্ভর প্রতিষ্ঠানে অস্থায়ী ধীরগতি লক্ষ্য করা যেতে পারে।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমএআর/ইকে </strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টেলিকম খাতে জ্বালানি&#45;বিদ্যুৎ নিশ্চিতে সরকারের জরুরি পদক্ষেপ চায় এমটব</title>
<link>https://digibanglatech.news/172588</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172588</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_683ffc967034a.jpg" length="110057" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 02 Apr 2026 15:18:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>এসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এমটব) টেলিকম অবকাঠামোর জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি সরবরাহ ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি জরুরি আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, দীর্ঘস্থায়ী জ্বালানি সংকট দেশজুড়ে টেলিযোগাযোগ সেবায় বিঘ্ন ঘটাতে পারে এবং ডিজিটাল অর্থনীতির ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।</p>
<p>এমটব জানায়, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে অপারেটররা আগেই সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে সরকারকে অবহিত করেছিল। সরকার ইতিবাচক সাড়া দিলেও মাঠ পর্যায়ে এখনো সেই নির্দেশনার পূর্ণ বাস্তবায়ন দেখা যাচ্ছে না। ইতোমধ্যে কিছু এলাকায় জ্বালানি ঘাটতির প্রভাব টেলিকম কার্যক্রমে পড়তে শুরু করেছে।</p>
<p>সাম্প্রতিক ঝড়ের কারণে গ্রামীণ বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি)–এর বিদ্যুৎ বিভ্রাট বেড়েছে এবং অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ পুনরুদ্ধারে বিলম্ব হচ্ছে। সামনে বর্ষা মৌসুমে এই পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।</p>
<p>এ অবস্থায় টেলিকম খাতের পক্ষ থেকে একটি সমন্বিত সহায়তা কাঠামোর দাবি জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ নেটওয়ার্ক স্থাপনা ও বিটিএস সাইটে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ, রক্ষণাবেক্ষণ পরিবহনের জন্য আলাদা জ্বালানি বরাদ্দ, গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় লোডশেডিং কমানো এবং দুর্যোগ-পরবর্তী দ্রুত বিদ্যুৎ পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করা।</p>
<p>বাংলাদেশের টেলিকম অবকাঠামোয় প্রায় ৪৫ হাজার টাওয়ার, একাধিক ডেটা সেন্টার ও নেটওয়ার্ক অপারেশন সেন্টার রয়েছে, যা দেশের প্রায় সব এলাকায় কোটি কোটি মানুষের জন্য সেবা নিশ্চিত করে। এসব নেটওয়ার্ক ২৪ ঘণ্টা সচল রাখতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ অপরিহার্য।</p>
<p>সংস্থাটি আরও জানায়, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় টেলিকম নেটওয়ার্ক ডিজেলচালিত জেনারেটরের ওপর নির্ভরশীল থাকে। ফলে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে তা সারাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।</p>
<p>এমটব মনে করে, টেলিযোগাযোগ খাত দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ ব্যাহত হলে ই-কমার্স, ব্যাংকিং, মোবাইল আর্থিক সেবা ও অন্যান্য ডিজিটাল কার্যক্রমও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে টেলিকম খাতে জ্বালানি ও বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এএএম/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জিপি হাউসের সামনে সাবেক কর্মীদের ন্যায্য পাওনা আদায়ে বিক্ষোভ</title>
<link>https://digibanglatech.news/172572</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172572</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69ce2d56cb090.jpg" length="133976" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 02 Apr 2026 13:18:29 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>১৬ বছর ধরে বঞ্চনার শিকার ব্যানার নিয়ে ন্যায্য ৫% বিলম্ব জরিমানা আদায়ের দাবিতে রাজধানীর জিপি হাউসের সামনে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করেছ গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মীরা। ২ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার সকালে “একদফা এক দাবি-৫% কবে দিবে?” স্লোগানে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে অর্ধশতাধিক সাবেক কর্মী অংশ নেন। তারা দীর্ঘদিনের বকেয়া, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ও সময়ক্ষেপণের অভিযোগ তুলে দ্রুত পাওনা পরিশোধের দাবি জানান।</p>
<p>সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, অবৈধভাবে চাকরিচ্যুতি ও শ্রমিকদের প্রাপ্য অর্থ পরিশোধে বিলম্বের মতো বিষয়গুলো অন্যায্য এবং গ্রহণযোগ্য নয়। তারা বলেন, ন্যায্য দাবি পূরণ না হলে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বানও জানানো হয়।</p>
<p>‎সমাবেশে বক্তারা বলেন, গ্রামীণফোন কর্তৃক অবৈধ টার্মিনেশন, শ্রমিকদের প্রাপ্য অর্থ আত্মসাৎ এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ একটি সুস্পষ্ট অন্যায়, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা আরও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, শ্রমিকের অধিকার অস্বীকার করে কোনো প্রতিষ্ঠান এই দেশে টিকে থাকতে পারবে না এবং ন্যায্য দাবির সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। ‎ ‎বক্তারা দুর্নীতিগ্রস্ত দালালচক্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন এবং শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান, যাতে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যায়। </p>
<p>সমাবেশ আয়োজক সংগঠন জানায়, ৫% বিলম্ব জরিমানাসহ সকল বকেয়া দ্রুত পরিশোধ না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এজেড/ইকে</strong></span></em></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রংপুরের ডিসি হলেন বিটিআরসি সচিব</title>
<link>https://digibanglatech.news/172477</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172477</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69cd0b85ad457.jpg" length="37372" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 01 Apr 2026 16:05:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সচিব (উপসচিব) মোহাম্মদ রুহুল আমিনকে রংপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর তিনি বিটিআরসিতে যোগ দিয়েছিলেন।</p>
<p>১ এপ্রিল, বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে তাকে পদায়ন করে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে। </p>
<p>সিনিয়র সহকারি সচিব মো: বরমান হোসেন স্বাক্ষরিত একই আদেশে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির পরিচালক আফরোজা পারভীনকে রাজবাড়ী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হককে ঠাকুরগাঁও, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আমিনুল ইসলামকে পাবনার জেলা প্রশাসক হিসেবে পদায়ন করা হয়। </p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/ডিএইচই/এমইউএম </strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গ্রামীণফোন&#45;চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনাল চুক্তি</title>
<link>https://digibanglatech.news/172469</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172469</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69ccef8806ebe.jpg" length="120936" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 01 Apr 2026 13:43:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে আন্তর্জাতিক চিকিৎসা সুবিধা সহজলভ্য করতে আন্তর্জাতিক চিকিৎসা সহযোগী প্রতিষ্ঠান চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনাল এবং দেশের শীর্ষ টেলিকম অপারেটর গ্রামীণফোন-এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।</p>
<p>এর ফলে গ্রামীণফোন-এর জিপি-স্টার গ্রাহক ও কর্মীরা আন্তর্জাতিক হাসপাতালসমূহে অগ্রাধিকারভিত্তিক চিকিৎসা সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে ভারত, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও দুবাইসহ বিভিন্ন দেশে দ্রুত সময়ে চিকিৎসা সেবা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি ভারতের মনিপাল হাসপাতাল-এ বিশেষ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকরা।</p>
<p>১৯ মার্চ, বুধবার চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনাল-এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।</p>
<p>সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোন-এর পক্ষে হেড অব পার্টনারশিপ মুনিয়া গনি, পার্টনারশিপ ম্যানেজার মুনমুন খান, নাসের আহমেদ ও খন্দকার হাসান শাহরিয়ার উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনাল-এর পক্ষে চিফ অপারেটিং অফিসার মুনতাসির মাহমুদ এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোঃ তানভির মোরশেদ অংশ নেন। ভারতের মনিপাল হাসপাতাল-এর সিনিয়র এক্সিকিউটিভ সোয়াতী আগরওয়াল অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে মুনিয়া গনি বলেন, আন্তর্জাতিক চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করা গ্রাহকদের জন্য সর্বোচ্চ মানের সেবা প্রদানের প্রতিশ্রুতিরই অংশ, যা দেশের বাইরে উন্নত চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ বাড়াবে।</p>
<p>অন্যদিকে, চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনাল-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোঃ তানভির মোরশেদ বলেন, “চিকিৎসা সেবাকে কোনো দেশের সীমানায় সীমাবদ্ধ রাখা যায় না। এই সমঝোতা ‘কেয়ার বিয়ন্ড বাউন্ডারি’ ধারণাকে আরও শক্তিশালী করবে।”</p>
<p>এসময় মনিপাল হাসপাতাল-এর প্রতিনিধি সোয়াতী আগরওয়াল জানান, বিশ্বমানের চিকিৎসা সেবা সবার কাছে পৌঁছে দিতে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও দক্ষ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে কাজ করছে তাদের প্রতিষ্ঠান।</p>
<p>সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই চুক্তির মাধ্যমে জিপি-স্টার গ্রাহকদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা আরও সহজলভ্য, কার্যকর ও সাশ্রয়ী হবে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/কেআইবি/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রিটকারিদের মধ্যে দুই উপপরিচালককে ঢাকার বাইরে বদলি</title>
<link>https://digibanglatech.news/172531</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172531</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_697db0dfe2528.jpg" length="133682" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 31 Mar 2026 20:44:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কমিশন বৈঠকের পরদিনই ঢাকার বাইরে বদলি করা হলো বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) দুই উপ-পরিচালককে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিযোগ, উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দায়েরের পরপরই এই বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।  ফলে অনেকের কাছে এই বদলিকে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে প্রতীয়মান হচ্ছে।</p>
<p>বিটিআরসির মানবসম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা শাখা থেকে ৩১ মার্চ, মঙ্গলবার জারি করা এক অফিস আদেশে জানানো হয়েছে, উপ-পরিচালক সনজিব কুমার সিংহ-কে এনফোর্সমেন্ট অ্যান্ড ইন্সপেকশন ডিরেক্টরেট থেকে রংপুর স্পেকট্রাম মনিটরিং স্টেশনে এবং উপ-পরিচালক এস. এম. আফজাল রেজা-কে স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে সিলেট মনিটরিং স্টেশনে সংযুক্ত করা হয়েছে। আদেশে বলা হয়, 'সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অনতিবিলম্বে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হবেন। অন্যথায় আগামী ২ এপ্রিল অপরাহ্নে তাদের ‘স্ট্যান্ড রিলিজ’ হিসেবে গণ্য করা হবে'।</p>
<p>সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, বিটিআরসির অতীতের কিছু 'অবৈধ ও বিতর্কিত' নিয়োগ ও প্রশাসনিক অনিয়মের বিরুদ্ধে এই দুই কর্মকর্তা সহ আরও চারজন সম্প্রতি উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করেন। রিট দায়েরের অল্প সময়ের মধ্যেই বদলির আদেশ জারি হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই এটিকে প্রশাসনিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখছেন। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট অফিসে পদ না থাকার পরও এই বদলি প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। </p>
<p>একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার মতো একটি বৈধ প্রক্রিয়ার পর এমন দ্রুত বদলি প্রশাসনের ভেতরে একটি ভীতি বা অনিশ্চয়তার পরিবেশ তৈরি করতে পারে। তাদের মতে, এতে ভবিষ্যতে অনিয়মের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে কর্মকর্তারা নিরুৎসাহিত হতে পারেন।</p>
<p>একই সঙ্গে ২০০৮ সালের একটি অফিস আদেশের মাধ্যমে ৩৬৯টি পদ সৃজনের বিষয়টিও প্রশ্নের মুখে রয়েছে বলে জানা গেছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফকির মাহবুব আনামের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ</title>
<link>https://digibanglatech.news/172316</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172316</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69cb806a12dbb.jpg" length="76768" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 31 Mar 2026 13:06:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।</p>
<p>৩১ মার্চ, মঙ্গলবার সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অফিস কক্ষে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি, ডিজিটাল সংযোগ, সাইবার নিরাপত্তা এবং টেলিযোগাযোগ খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।</p>
<p>মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে এবং এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p>রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অগ্রগতির প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে এ খাতে আরও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।</p>
<p>সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে একযোগে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</p>
<p>ডাক ও টেলিযোগাযোগ  বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান, দূতাবাসের ইকনোমিক অফিসার জো বসকি, পলিটিক্যাল ইকনোমিক কাউন্সেলর এরিক গিলান সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমজেডইউ/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৩০ মার্চ বিটিআরসি’র ৩০৫তম সভা</title>
<link>https://digibanglatech.news/172174</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172174</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_69783ffc691e6.jpg" length="70550" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 30 Mar 2026 00:00:36 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম বারের মতো কমিশন বৈঠকে বসতে যাচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। ৩০ মার্চ, সোমবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিটিআরসি ভবনের কমিশন সভাকক্ষে কমিশনের ৩০৫তম সভা অনুষ্ঠিত হবে। </p>
<p>বিটিআরসি চেয়ারম্যান <span>মেজর জেনারেল (অব) </span>এমদাদ উল বারীর নেতৃত্বে ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আবু বকর ছিদ্দিক ছাড়াও বৈঠকে স্পেকট্রাম বিভাগের কমিশনার <span>মাহমুদ হোসেন, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড অপারেশন্স বিভাগের কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইকবাল আহমেদ এবং লিগ্যাল এন্ড লাইসেন্সিং বিভাগের কমিশনার আবদুর রহমান সরদার</span> উপস্থিত থাকবেন।</p>
<p>সূত্রমতে, ঈদের পরের প্রথম কার্যদিবস ২৯ মার্চ বৈঠকের তারিখ পূর্ব নির্ধারিত থাকলেও তা পিছিয়ে ৩০ মার্চ করা হয়। এ দিনই কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ ও নীতি নির্ধারণী এই বৈঠকের আলোচ্য সূচি নির্ধারণ করা হয়। সূচিতে আগের বৈঠকের অমিমাংসিত বিষয় এবং গৃহীত সিদ্ধান্তের ফলোআপের বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। বৈঠক বিষয়ে সকল মহাপরিচালক, পরিচালক এবং চেয়ারম্যানের একান্ত সচিবকে অবহিত করা হয়েছে। </p>
<p>জানাগেছে, রবিবার বিকেলে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে নিযুক্ত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদের সঙ্গে চেয়ারম্যানসহ কমিশনারদের গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। চেয়ারম্যানের অফিসে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক অ্যান্ড লাইসেন্সিং পলিসি-২০২৫, <span>বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং বিটিআরসি অধ্যাদেশ (সংশোধিত ২০২৫-২০২৬) বিষয়ে আলাপ হয়েছে। ফলে </span>বৈঠকের আগমুহুর্তে সোমবার আলোচ্য সূচিতে রদবদল হয়ে চূড়ান্ত করা হতে পারে। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ন্যায্য হিস্যা পূরণে জিপি হাউজের সামনে সাবেক কর্মীদের ক্ষোভ প্রকাশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/171804</link>
<guid>https://digibanglatech.news/171804</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69c551930e36e.jpg" length="128850" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 26 Mar 2026 18:33:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ন্যায্য অধিকার আদায়ের দাবিতে ‎মহান স্বাধীনতা দিবসে বসুন্ধরা আবাসিকের প্রবেশমুখে অবস্থিত জিপি হাউজের সামনেবিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করলো গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মীরা। ২৬ মার্চ, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ অবস্থানের মধ্য দিয়ে পালিত হয় এই কর্মসূচি। এতে অর্ধশতাধিক কর্মী অংশ নেন। <br>‎<br>‎এই কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণকারী গ্রামীণফোন ৫% বিলম্ব বকেয়া আদায় ঐক্য পরিষদের আহবায়ক‎ আবু শাদাত মো: শোয়েব জানান, দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত থাকা ৫% বিলম্ব জরিমানার অর্থ পরিশোধের দাবিকে জোরালোভাবে উপস্থাপন করে আসছেন। প্রায় ১৬ বছর ধরে ঝুলে থাকা এই ন্যায্য পাওনা এখনো পরিশোধ না হওয়ায় সাবেক কর্মীদের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। <br>‎<br>‎তিনি বলেন, দুঃখজনকভাবে, এই দীর্ঘসূত্রতার ফলে ইতোমধ্যে অনেক সাবেক কর্মী অর্থাভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন, যা অত্যন্ত মর্মান্তিক এবং অগ্রহণযোগ্য। এই পরিস্থিতি আর দীর্ঘায়িত হোক—তা আমরা চাই না।<br>‎<br><span>গ্রামীণফোন এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (জিপিইইউ) কমিউনিকেশন সেক্রেটারি আদিবা জেরিন চৌধুরী বলেন, </span>এই প্রেক্ষাপটে, গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষের প্রতি আমাদের জোরালো আহ্বান— ‎অবিলম্বে ৫% বিলম্ব জরিমানার সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধ করে এই মানবিক ও ন্যায্য দাবি বাস্তবায়ন করুন। ‎আমরা বিশ্বাস করি, স্বাধীনতার চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা সফল হবে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএম/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রথম প্রান্তিকে গ্রামীণফোনের রাজস্ব আয় ২ শতাংশ কমতে পারে</title>
<link>https://digibanglatech.news/171627</link>
<guid>https://digibanglatech.news/171627</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69c29a6116b63.jpg" length="75086" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 24 Mar 2026 15:05:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা ও জ্বালানি বাজারে ওঠানামায় ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাবের শঙ্কা প্রকাশ করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত দেশের শীর্ষ টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। ২৪ মার্চ, মঙ্গলবার চলতি বছরের <!--StartFragment -->প্রথম প্রান্তিকে  (জানুয়ারি–মার্চ) রাজস্ব আয় প্রায় ২ শতাংশ কমতে পারে বলে বিনিয়োগকারীদের অবহিত করেছে অপারেটরটি।</p>
<p><!--EndFragment --></p>
<p> ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে প্রকাশিত ওই বার্তায় প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক জ্বালানি ও এলএনজি বাজারে অনিশ্চয়তার কারণে সরবরাহশৃঙ্খলে চাপ সৃষ্টি হয়েছে, আমদানি ব্যয় বেড়েছে এবং পরিবহন ও লজিস্টিক খাতে ব্যাঘাত দেখা দিচ্ছে; এসব কারণে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে যা সরাসরি কোম্পানির অপারেশনাল খরচ ও গ্রাহক আচরণে প্রতিফলিত হতে পারে।</p>
<p>গ্রামীণফোন জানিয়েছে, বর্তমানে তাদের নেটওয়ার্ক ও সার্ভিস স্থিতিশীল থাকলেও বৈশ্বিক পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল হওয়ায় ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা ও ব্যয় আচরণে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে, ব্যবসায়িক কার্যক্রম কিছুটা মন্থর হচ্ছে এবং মানুষের চলাচলেও প্রভাব পড়ছে। কোম্পানির ভাষ্য, মৌসুমি তীব্র ঝড়ও পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে এবং এসব বহুমুখী চাপ সামগ্রিক চাহিদা ও রাজস্ব প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।</p>
<p>আগাম পূর্বাভাসে গ্রামীণফোন জানিয়েছে, ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি–মার্চ) তাদের রাজস্ব আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় দুই শতাংশ কমতে পারে এবং সুদ, কর, অবচয় ও পরিশোধের আগের মুনাফা প্রায় তিন শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে। রেফারেন্স হিসেবে উল্লেখ্য, ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানির রাজস্ব ছিল ৩,৮৩৪ কোটি ৫২ লাখ টাকা এবং কর-পরবর্তী নিট মুনাফা ছিল ৬৩৩ কোটি ৯৩ লাখ টাকা; এই ভিত্তিতে প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী সম্ভাব্য পতনের পরিমাণ বিনিয়োগকারীদের জন্য সতর্ক সংকেত বহন করে।</p>
<p>কোম্পানিটি জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত অনিশ্চিত ও দ্রুত পরিবর্তনশীল; তাই সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং ক্ষতি কমাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করা, নেটওয়ার্কের মান বজায় রাখা এবং অপারেশনাল স্থিতিশীলতা রক্ষায় কোম্পানি বিশেষ মনোযোগ দিচ্ছে। পাশাপাশি ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহকারীর বৈচিত্র্য ও রিকভারি পরিকল্পনা কার্যকর করার মাধ্যমে ঝুঁকি হ্রাসের চেষ্টা চলছে বলে তারা জানিয়েছে।</p>
<p>বাজারে ও ভোক্তা পর্যায়ে প্রভাব সম্পর্কে গ্রামীণফোনের সতর্কতা অনুযায়ী জ্বালানি ও পরিবহন খরচ বাড়লে ভোক্তাদের ব্যয় ক্ষমতা সংকুচিত হতে পারে, যা মোবাইল সেবা ও ভ্যালু‑অ্যাডেড সার্ভিসের চাহিদায় প্রভাব ফেলবে। তীব্র মৌসুমি ঝড় ও সরবরাহশৃঙ্খলের ব্যাঘাত নেটওয়ার্ক অপারেশন ও সার্ভিস ডেলিভারিতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে, ফলে সংস্থার অপারেশনাল ব্যয় ও রিকভারি‑কস্ট বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।</p>
<p>বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হলে অপারেটিং খরচ ও কাস্টমার ডিমান্ডে পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী; তাই গ্রামীণফোনকে এখনই ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, ট্যারিফ স্ট্র্যাটেজি ও কস্ট‑অপ্টিমাইজেশনে মনোযোগ বাড়াতে হবে। নেটওয়ার্ক রেজিলিয়েন্স বাড়াতে ব্যাকআপ পাওয়ার, সরবরাহকারীর বৈচিত্র্য ও দ্রুত পুনরুদ্ধার সক্ষমতা নিশ্চিত করা জরুরি। বিনিয়োগকারীদের আস্থা রক্ষায় কোম্পানিকে নিয়মিত আপডেট ও স্পষ্ট সময়সীমাসহ কর্মপরিকল্পনা জানানো প্রয়োজন। বিনিয়োগকারীদের জন্য পরামর্শ হিসেবে বলা যায়, পরবর্তী নিরীক্ষিত রিপোর্ট পর্যন্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা উচিত এবং সংস্থার পরিচালন ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণ কৌশল মনিটর করা জরুরি; দীর্ঘমেয়াদে টেলিকম সেক্টরের মৌলিক চাহিদা শক্তিশালী থাকায় অস্থায়ী শক সামলানো সম্ভব হলেও সংস্থার প্রতিক্রিয়া ও রিসোর্স বরাদ্দের কার্যকারিতা নির্ধারণী হবে। </p>
<p>এমন বাস্তবতায় গ্রামীণফোন জানিয়েছে, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের সময় তারা বিস্তারিত তথ্য প্রদান করবে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএমইএইচ/এমইউএম</strong></span></em></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিভিশনাল আইএসপি ও আইআইজি রক্ষা কমিটি গঠন</title>
<link>https://digibanglatech.news/171311</link>
<guid>https://digibanglatech.news/171311</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69bd82e3e9df1.jpg" length="136906" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 20 Mar 2026 01:25:08 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>জাতীয় স্বার্থে এবার জোট বাধছে দেশের চার শতাধিক বিভাগীয় আইএসপি এবং ৩৪টি আইআইজি প্রতিষ্ঠান। ইতিমধ্যে গঠিত হয়েছে ডিভিশনাল আইএসপি ও আইআইজি রক্ষা কমিটি। সূত্রমতে, গত ১৮ মার্চ, বুধবার অনলাইনে ২২ সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঈদের পরে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হওয়ার পর আত্মপ্রকাশ করবে দেশের টেলকম খাতের নতুন এই জোট। </p>
<p> ডিভিশনাল আইএসপি ও আইআইজি রক্ষা কমিটির অন্যতম একজন আহ্বায়ক নাম প্রকাশ না করার শর্তে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বলতে গেলে রকেট গতিতে নতুন টেলিকম পলিসি তৈরি করেছে অন্তর্বর্তীকালীন  সরকার। তবে সেই রকেটের ফুয়েল ট্যাঙ্ককেই যেন বড় ছিদ্র তৈরি করে বসল পলিসি-তে টেকসই ব্যবস্থাপনার তোয়াক্কা না করেই। কোন নিরীক্ষা ছাড়াই ডিভিশনাল আইএসপি এবং আইআইজি অপারেটরদেরকে একতরফাভাবে বিলুপ্ত করার সুপারিশ গ্রহণ করল।’ </p>
<p>‘অথচ ভুলে গেল দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে ইন্টারনেট সেবা দিয়ে থাকে এই ডিভিশনাল আইসপিরাই। এরাই গ্রাম-গঞ্জে ইন্টারনেট প্রসারে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছে। একইভাবে দেশের যে ৩৪টি আইআইজি অপারেটারের কল্যাণে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের মূল্য আজ সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে; যার সুফল দেশের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে তাদেরকেও রাখা হলো বাতিল তালিকায়। অথচ ন্যাশনাল সিকিউরিটি/সাইবার সিকিউরিটি রক্ষায় আইআইজিগুলো সরকারকে সর্বাত্মক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে’- যোগ করেন তিনি।  </p>
<p>নতুন এই জোটের মতে, মধ্যস্বত্ব ভাঙ্গার যে ভঙ্গুর যুক্তিতে এটা করা হয়েছে সেখানে বৈশ্বিক বেস্ট প্রাক্টিসকেও যেন অসার বিবেচনা করা হলো পলিসিতে।  সারা দুনিয়ায় আইএসপিরা যেখানে আইএসপি লাইসেন্স দিয়েই ব্যবসা পরিচালনা করে সেখানে আমাদের এখানে এফটিএসপি নাম সুপারিশ করা হলো যা আমাদের বিজনেস পলিসি এবং টোপোলজির সঙ্গেও সাংঘর্ষিক। অথচ বিষয়টা এমন হওয়া উচিত ছিল যাতে করে ক্যাবল, ওয়ারলেস, স্যাটেলাইট - তিনটি মাধ্যমেই সে তার গ্রাহক চাহিদা মেটাতে পারে।</p>
<p>তাই ‘নীতিমালার বৈপরিত্যমূলক ও উপেক্ষিত সেসব বিষয় জাতির সামনে তুলে ধরতে দেশের ডিভিশনাল আইএসপি এবং আইআইজি অপারেটরদের নিয়ে "ডিভিশনাল আইএসপি ও আইআইজি রক্ষা কমিটি" গঠন করা হলো বলে জানিয়েছেন কমিটির অপর একজন সদস্য। </p>
<p>তাদের ভাষ্য ‘সবাইকে নিয়েই 'সবার আগে দেশ' নীতি বাস্তবায়নের নিরিখে ঈদের ছুটির পরপরই বিটিআরসির  মাধ্যমে সরকারকে এ নিয়ে একটি স্মারকলিপি দেবে এই কমিটি’। </p>
<p>স্মারকলিপিতে কী থাকবে জানতে চাইলে জানানো হয়- সেখানে কীভাবে সবাইকে নিয়ে দেশের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের ব্যাকবোন শক্ত করে দেশের ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করা যায়, দেশী টেলিকম খাতকে টেকসই উন্নয়নের সোপান হিসেবে ব্যবহার করা যায় তার রূপরেখা পেশ করা হবে। এতে অপারেটরের প্রয়োজনীয়তা, উপকারিতা এবং রাষ্ট্র গঠনে এদের অবদান সুচারুভাবে সরকারের কাছে তুলে ধরা হবে; যাতে করে এই সেক্টরে বিশৃঙ্খলা দূর হয়। একইসঙ্গে আচিরেই সকল অপারেটরদের জন্য বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং শ্রমঘন এই সেক্টরে কর্মরত বিপুল শিক্ষিত কর্মজীবীদের চাকরি সুরক্ষা ও সরকারের প্রতিশ্রুত নতুন কর্মসংস্থান পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ দেয়া যায়; তার একটি পরিকল্পনা প্রকাশ করবে  "ডিভিশনাল আইএসপি ও আইআইজি রক্ষা কমিটি"।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হরমুজ প্রণালি বন্ধ হলেও বন্ধ হবে না বাংলাদশের ইন্টারনেট</title>
<link>https://digibanglatech.news/171081</link>
<guid>https://digibanglatech.news/171081</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69ba4a423c3d8.jpg" length="89188" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 18 Mar 2026 00:46:43 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>শুধু তেল বা তরলীকৃত গ্যাস নয় বিশ্বের প্রায় ৩৭ শতাংশ ডেটা ট্রাফিক হয় ফ্যালকন, সি-মি-উই-৪, আই-মি-উই এবং ইউরোপ-পার্সিয়া এক্সপ্রেস গেটওয়ে দিয়ে। এসব ক্যাবল ভারতের মুম্বাই ও চেন্নাইসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন শহরকে বৈশ্বিক ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত রাখে। ফলে  ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের মধ্যে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক ইন্টারনেট সংযোগে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ কি প্রভাবিত হতে পারে?</p>
<p>এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে জানা জানাগেলো,  বাংলাদেশের ইন্টারনেট সেবাদাতাদের মূল ক্যাবল সরাসরি ডিজিটাল চেকপয়েন্ট খ্যাত  হরমুজ প্রণালী দিয়ে যায় না। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ডেটা ট্রাফিক প্রধানত লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর হয়ে প্রবাহিত হয়। ফলে হরমুজ প্রণালীর সমস্যাটা প্রথম ধাক্কায় বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবস্থাপনায় বড় কোনো বাধা সৃষ্টি করবে না বলেই নিশ্চিত করেছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। </p>
<p>এ বিষয়ে সাবমেরিন ক্যাবলস লিমিটেড পিএলস'র ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আরিফুল হক বলেন, বাংলাদেশ প্রধানত সি-মি-উই-৪।এবং সি-মি-উই-৫–এর ওপর নির্ভরশীল। এই ক্যাবলগুলো সরাসরি হরমুজ দিয়ে যায় না, তাই ওই প্রণালি বন্ধ হলেও দেশের ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার সম্ভাবনা নেই।</p>
<p>তবে ইরান-ইসরাইল-যুক্তরাজ্যের সংঘাত পরিস্থিতি শুধু ইন্টারনেট নয়, ডেটা সেন্টার ও ক্লাউড ব্যবসার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশসজ্ঞরা বলছেন, ইন্টারনেট ব্যবস্থার জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এই পথ দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে সরাসরি ও পরোক্ষ- দুই ধরনের প্রভাবই পড়তে পারে ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থায়।</p>
<p>এ বিষয়ে প্রযুক্তিবিদ সুমন আহমেদ সাবির বলেন, যদি এই যুদ্ধের কারনে হরমুজ প্রণালী কিম্বা আরব সাগরে সাবমেরিন কেবল ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যের এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ সক্ষমতা হ্রাস পাবে, সেবার মান নিম্নগামী হবে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমএআর/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঈদে নির্বিঘ্ন সংযোগ দিতে দেশজুড়ে নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করেছে বাংলালিংক</title>
<link>https://digibanglatech.news/170896</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170896</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69b7d956c1e8a.jpg" length="121198" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 16 Mar 2026 14:20:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সারা দেশে নেটওয়ার্ক সক্ষমতা আরও জোরদার করেছে দেশের অন্যতম ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন ভয়েস ও ডেটা সেবা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি দেশের বিভিন্ন স্থানে ৭৫০টির বেশি নেটওয়ার্ক সাইট আধুনিকায়ন করেছে।</p>
<p>১৬ মার্চ, সোমবার, আপারেটরটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঈদের সময় লাখো মানুষ শহর থেকে জেলা ও গ্রামে যাতায়াত করেন। এই বাড়তি চাপ সামাল দিতে আগেভাগেই নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলালিংক। এর ফলে নেটওয়ার্ক কভারেজ বিস্তৃত হয়েছে, সক্ষমতা বেড়েছে এবং সার্বিক নেটওয়ার্ক পারফরম্যান্স উন্নত হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।</p>
<p>অপারেটরটির দাবি, নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নের ফলে অনেক এলাকায় গ্রাহকেরা আগের তুলনায় সর্বোচ্চ ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত দ্রুতগতির ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। এতে ব্রাউজিং, ভিডিও কল এবং ভিডিও স্ট্রিমিং হবে আরও মসৃণ। মহাসড়ক, বাস ও রেলস্টেশনসহ বিভিন্ন যাতায়াতপথেও উন্নত সংযোগ সুবিধা পাওয়া যাবে।</p>
<p>এদিকে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ নিশ্চিত করতে বাংলালিংক ওয়াই–ফাই কলিং (ভিওওয়াইফাই) সুবিধাও চালু করেছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রাহকেরা ওয়াই–ফাই ব্যবহার করে কল করা ও গ্রহণ করতে পারবেন। বিশেষ করে ভবনের ভেতর বা উঁচু ভবনে যেখানে মোবাইল সিগন্যাল তুলনামূলক দুর্বল থাকে, সেখানে এই সুবিধা কার্যকর হবে।</p>
<p>এ বিষয়ে বাংলালিংকের চিফ টেকনোলজি অ্যান্ড ইনফরমেশন অফিসার হুসেইন তুর্কার বলেন, ঈদের সময় লাখো মানুষ প্রিয়জনদের কাছে ফিরে যান। তাই এই সময়ে যোগাযোগ নির্বিঘ্ন রাখা তাদের প্রধান লক্ষ্য। নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণ ও নতুন প্রযুক্তি চালুর মাধ্যমে গ্রাহকেরা যেন নিশ্চিন্তে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে পারেন, সে লক্ষ্যেই কাজ করছে বাংলালিংক।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/ডিএইচই/এমইউএম </strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেবে অপারটের</title>
<link>https://digibanglatech.news/170780</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170780</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69b67d362a8b5.jpg" length="90741" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 15 Mar 2026 14:35:21 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিনামূল্যে সিম ও রিচার্জের প্রলোভন দেখিয়ে একটি প্রতারক চক্র সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলছে! তাদের কাছ থেকে রবি ও এয়ারটেল সিম নেওয়ার পর এখন বেশ কিছু  পরিবার আইনি জটিলতায় পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। </p>
<p>অভিযোগ অনুযায়ী, ভুক্তভোগীদের বেশিরভাগই নারী।</p>
<p>ভুক্তভোগীদের কেউ কেউ জানান, একটি সিম নেওয়ার পর পরে জানতে পারেন তাদের নামে বহু সিম রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। এমনকি কারও কারও পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে, যার কারণে তাদের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে আইনি ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে। </p>
<p>এই অভিযোগ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে রবি আজিয়াটা পিএলসি'র চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম বলেন, “এ ধরনের কোনো অভিযোগ এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে আসেনি। বর্তমান নীতিমালা অনুযায়ী, একজন গ্রাহকের নামে সর্বোচ্চ ১০টি সিম নিবন্ধন করা যায়। গ্রাহক চাইলে যেকোনো সময় তার নামে নিবন্ধিত অপ্রয়োজনীয় সিম বাতিল করতে পারেন। এ বিষয়ে কোনো গ্রাহক সরাসরি অভিযোগ করলে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।"</p>
<p>একইভাবে এনআইডি ব্যবহার করে একাধিক সিম নিবন্ধনের মাধ্যমে কেউ প্রতারণার শিকার হলে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার কার্যালয়। </p>
<p>আর ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খায়রুল ইসলাম জানান, বিষয়টি তাদের নজরে আসায় এরইমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট টেলিকম কোম্পানির সঙ্গে কথা বলে সমস্যার সমাধান বের করার চেষ্টা করা হবে।</p>
<p>এদিকে সিম প্রতারণার শিকার হওয়ার বিষয় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের জানিয়েছেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা এলাকার বাসিন্দা সেলিম রেজা, নুর নাহার বেগম এবং স্ত্রীদের পক্ষে একই এলাকার সাদিকুল ও সোলেমান। এদের মধ্য সাদকুল ও সোলেমানের স্ত্রীকে মামলার শিকার হয়ে ঢাকা ও কক্সবাজারে দৌড় ঝাপ করতে হয়েছে অভিযোগ রয়েছে।</p>
<p> আর ভুক্তভোগী  সেলিম রেজার ভাষ্য, তার মা, ভাবি ও বোনকে বিনামূল্যে সিম ও রিচার্জের কথা বলে একটি সিম দিয়ে প্রতারণার ফাঁদে পড়েছেন। তার দাবি, একটি সিম নেওয়ার সুযোগে তাদের এনআইডি কার্ড ব্যবহার করে একাধিক সিম নিবন্ধন করা হয়েছে। ফলে তার পরিবারের এক সদস্যের এনআইডিতে এখন কয়েকটি সিম রেজিস্ট্রেশন করা আছে। বিষয়টি জানার পর তারা খুব আতঙ্কে আছেন।</p>
<p>তিনি বলেন, আমাদের এলাকার অনেক প্রতিবেশীও একইভাবে প্রতারণার শিকার হয়ে অজান্তেই বিভিন্ন মামলার আসামি হয়ে গেছেন। এতে করে আমরা সবাই খুব ভয়ের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।</p>
<p>স্থানীয়দের অভিযোগ, এনআইডি কার্ড ব্যবহার করে বিনামূল্যে একটি সিম দেওয়ার কথা বললেও একই পরিচয়পত্রে একাধিক সিম নিবন্ধন করে নেয় একটি চক্র। চক্রটি সাধারণত ফেরি করে বিভিন্ন স্থানে বসে এসব সিম বিক্রি করে। কিন্তু তখন অনেকের অজান্তেই তাদের এনআইডিতে ১৫ থেকে ৩০টি পর্যন্ত অতিরিক্ত সিম নিবন্ধিত হয়েছে। এসব সিম দেশের বিভিন্ন স্থানে অপরাধমূলক কাজে ব্যবহৃত হওয়ায় নিবন্ধিত ব্যক্তিরাই মামলার ঝুঁকিতে পড়ছেন। </p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/ডিপিআরএম/এমইউএম </strong></em></span></p>
<p></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশে চলন্ত ট্রেনে স্টারলিংকের ইন্টারনেট  চালু!</title>
<link>https://digibanglatech.news/170681</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170681</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69b56802ad92f.jpg" length="115633" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 14 Mar 2026 19:04:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রথমবারের মতো চলন্ত ট্রেনে পরীক্ষামূলকভাবে সরাসরি স্যাটেলাইটভিত্তিক উচ্চগতির ‘স্টারলিংক’ ইন্টারনেট সেবা চালু করেছে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি  লিমিটেড (বিএসসিএল)। ১৩ মার্চ, শুক্রবার থেকে দেশের কয়েকটি জনপ্রিয় ও ভিআইপি আন্তঃনগর ট্রেনে পরীক্ষামূলকভাবে এই ফ্রি ওয়াইফাই সেবা চালু করা হয়েছে।</p>
<p>প্রাথমিকভাবে তিনটি ট্রেনে যাত্রীরা এ সুবিধা পাচ্ছেন। ট্রেনগুলো হলো— পর্যটক এক্সপ্রেস, উপবন এক্সপ্রেস এবং বনলতা এক্সপ্রেস।</p>
<p>১৪ মার্চ, শনিবার বিএসসিএল জনসংযোগ কর্মকর্তা উমার হায়দার জানান, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় রেলওয়েতে পরীক্ষামূলকভাবে এই সংযোগ  চালু করা হয়েছে। গত বুধবার তিনি দুই দফা পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে করেছেন। এতে সহযোগিতা করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। যাত্রীরা এখন ট্রেনের ভেতরেই স্টারলিংক ওয়াইফাই ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।</p>
<p>সরকারের উদ্যোগে এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক দেশের সকল বিমানবন্দর ও রেলওয়ে স্টেশনে ফ্রি ওয়াইফাই সুবিধা চালুর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>এর আগে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের সকল বিমানবন্দর ও রেলওয়ে স্টেশনে ফ্রি ওয়াইফাই সুবিধা চালু করা হবে।</p>
<p>ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় বিএসসিএল রেলওয়েতে পরীক্ষামূলকভাবে স্টারলিংক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে তিনি বুধবার দুই দফা পরিদর্শন করেন।</p>
<p>এসময় উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, সরকার দেশের কানেক্টিভিটি বাড়াতে নানা উদ্যোগ নিচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় চলন্ত ট্রেনে স্টারলিংক ইন্টারনেট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে যাত্রীরা কিউআর কোড স্ক্যান করে সহজেই ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। আপাতত এটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছে। ভবিষ্যতে সেবাটিকে আরও উন্নত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেন তিনি।</p>
<p>বিএসসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমাদুর রহমান বলেন, সরকারের ইশতেহার অনুযায়ী বিএসসিএল দেশের ডিজিটাল কানেক্টিভিটি উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। চলন্ত ট্রেনে স্টারলিংক ইন্টারনেট চালুর ফলে যাত্রীরা আরও উন্নত সেবা পাবেন এবং রেলওয়ে ভ্রমণ হবে আরও আধুনিক ও সুবিধাজনক।</p>
<p>রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সফল হলে পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য ননস্টপ ও অধিক চাহিদাসম্পন্ন আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতেও স্টারলিংকভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা স্থায়ীভাবে চালু করা হবে। এতে ট্রেনের ভেতর বসেই যাত্রীরা ফ্রিল্যান্সিং, অনলাইন ক্লাস বা অফিসের কাজ সহজেই করতে পারবেন।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক /এনএ/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জনকল্যাণমুখী কার্যক্রমের মাধ্যমে ডাক ও বিটিসিএল&#45;কে জনগণের আস্থা অর্জনের তাগিদ</title>
<link>https://digibanglatech.news/170669</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170669</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69b54bc5c7d5d.jpg" length="98732" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 14 Mar 2026 17:02:17 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>একই দিনে  রাজধানীর প্রধান ডাকঘর (জিপিও)  এবং ইস্কাটনেে অবস্থিত বিটিসিএল প্রধান কার্যালয় পরিদর্শন ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানকে জনকল্যাণমুখী কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জনে গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এসময় উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>১৪ মার্চ রাজধানীর জিপিও পরিদর্শন শেষে কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ঢাকা জিপিও দেশের ডাক বিভাগের একটি ঐতিহ্যবাহী ও ল্যান্ডমার্ক প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন, সুশৃঙ্খল ও কার্যকর রাখা সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্ব।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x_69b54bcfa7264.jpg" alt=""></p>
<p>মন্ত্রী আরও বলেন, ডাক বিভাগ একটি সেবামুখী প্রতিষ্ঠান, তাই জনগণের আস্থা অর্জনই এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ডাক বিভাগকে আরও আধুনিক ও সেবাবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা সম্ভব। সেবার মান উন্নত করা গেলে ডাক বিভাগের প্রতি মানুষের বিশ্বাস আরও দৃঢ় হবে। </p>
<p>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান বলেন, ডাক বিভাগের এই ঐতিহ্যবাহী ক্যাম্পাসটি আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। আমরা চাই এটি কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হোক।</p>
<p>সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সচিব আরও বলেন, দ্রুত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, মেরামত ও যথাযথ ব্যবহারের উদ্যোগ নিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ সম্পদ নিয়ে কোনো প্রশ্ন না ওঠে। প্রয়োজনে অর্থায়ন বা অন্যান্য সহায়তার বিষয়ে মন্ত্রণালয় সহযোগিতা করবে।</p>
<p>পরিদর্শনকালে মন্ত্রীকে জিপিওর সার্বিক কার্যক্রম, সেবা প্রদান প্রক্রিয়া এবং অবকাঠামোগত বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবগত করা হয়। </p>
<p>ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলামের সভাপতিত্ব সভায় ডাক বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। একইভাবে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব)  করছেন মোঃ আব্দুল মান্নান অপরর বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমজেডইউ/এমইউএম </strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এমটবের নতুন সভাপতি জিয়াদ সাতারা </title>
<link>https://digibanglatech.news/170387</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170387</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69b1916d4fd9f.jpg" length="46636" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 11 Mar 2026 19:59:56 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রবি আজিয়াটা পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াদ সাতারা এসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এমটব)-এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। </p>
<p> ১১ মার্চ, বুধবার এমটবের ভার্চুয়াল বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে জিয়াদ সাতারা গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আজমানের স্থলাভিষিক্ত হন। তিনি ১ এপ্রিল থেকে দুই বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবেন।</p>
<p>এমটবের নবনির্বাচিত কমিটিতে  বাংলালিংকের সিইও ইয়োহান বুসে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং পরিচালক হিসেবে রয়েছেন টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূরুল মাবুদ চৌধুরী। এমটব মহাসচিব ও পরিচালক (অব.) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জুলফিকার সভাটি সঞ্চালনা করেন।</p>
<p>সভায় এমটবের সদস্য ও সহযোগী সদস্য প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে আরও ছিলেন এরিকসন বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার আবদুস সালাম, হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) এর সিইও উ জি (জেসন), বাংলালিংকের সিসিআরএও তাইমুর রহমান, গ্রামীণফোনের সিসিএও তানভীর মোহাম্মদ, রবি আজিয়াটার সিসিআরও সাহেদ আলম এবং টেলিটকের ডিজিএম লুৎফুল্লাহিল মজিদ।</p>
<p>নতুন দায়িত্ব গ্রহণ প্রসঙ্গে জিয়াদ সাতারা বলেন, “এমন এক সময়ে এমটবের দায়িত্ব নেওয়ার সুযোগ পেয়ে আমি অভিভূত, যখন মোবাইল টেলিযোগাযোগ খাত বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এই শিল্প দেশের প্রতিটি নাগরিকের সঙ্গে যুক্ত এবং আমরা একটি স্মার্ট ও টেকসই ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং শিল্পের অংশীজনদের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার মাধ্যমে আমরা এই খাতের পূর্ণ সম্ভাবনা উন্মোচন করে অর্থনৈতিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে চাই।“</p>
<p>তিনি আরও বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য হবে জনগণের ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল চাহিদা অনুধাবন করা এবং এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করা যেখানে উদ্ভাবন বিকশিত হতে পারে। আমরা সম্মিলিতভাবে সংযোগ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ অব্যাহত রাখব এবং নিশ্চিত করব যে আমাদের শিল্প দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে অর্থপূর্ণ অবদান রাখছে।”</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমএ/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নতুন ব্যান্ডউইডথ ক্রয়ে বিএসসিপিএলসি&amp;apos;র বিশেষ বোনাস অফার</title>
<link>https://digibanglatech.news/170265</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170265</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f365eadd95c.jpg" length="91099" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 10 Mar 2026 17:16:40 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নির্বাচনী ইশতেহার “সবার জন্য দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট” বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইডথ ব্যবহারে গ্রাহকদের জন্য আরও সাশ্রয়ী সুবিধা ঘোষণা করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিকম প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস (বিএসসিপিএলসি)।</p>
<p>১০ মার্চ, মঙ্গলবার দুটি বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে বিএসসিপিএলসি। নতুন এই উদ্যোগের ফলে আইএসপি, আইআইজি এবং অন্যান্য টেলিযোগাযোগ অপারেটররা কম খরচে আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইডথ ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।</p>
<p>প্রথম প্যাকেজের আওতায় SEA-ME-WE 4 সাবমেরিন কেবল সিস্টেমের কক্সবাজার–সিঙ্গাপুর (টুয়াস) রুটে নতুন IPLC ক্যাপাসিটি ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ বোনাস সুবিধা প্রদান করা হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো প্রিপেইড গ্রাহক যদি ২০০জি নতুন ক্যাপাসিটি ক্রয় করেন, তবে তাকে অতিরিক্ত ১০০জি ক্যাপাসিটি বিনামূল্যে দেওয়া হবে। একইভাবে ১০জি নতুন ক্যাপাসিটি ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রতিটি ১০জি’র বিপরীতে আরও একটি ১০জি ক্যাপাসিটি বোনাস হিসেবে প্রদান করা হবে। যেসব গ্রাহকদের বকেয়া রয়েছে, তারা যদি ২০২৬ সালের মধ্যে বকেয়া পরিশোধের সুনির্দিষ্ট শিডিউলসহ সম্পূর্ণ বকেয়ার জন্য পোস্ট- ডেটেড চেক প্রদান করেন, তবে তারাও এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। অফারটি শুধুমাত্র নতুন অতিরিক্ত ক্যাপাসিটি ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে এবং ক্যাপাসিটি থাকা পর্যন্ত ‘আগে আসলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে প্রদান করা হবে। এই প্যাকেজটি অদ্য ১০ মার্চ ২০২৬ তারিখ থেকে কার্যকর হবে।</p>
<p>এছাড়া বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি’র আইপি ট্রানজিট সেবার অধীন শূন্য বকেয়া (No Outstanding) প্রিপেইড গ্রাহকদের জন্য “লিমিটেড ডেস্টিনেশন বোনাস ব্যান্ডউইডথ” প্যাকেজ চালু করা হয়েছে। এ প্যাকেজের আওতায় গ্রাহকরা নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত বিনামূল্যে বোনাস লিমিটেড ডেস্টিনেশন ব্যান্ডউইডথ সুবিধা পাবেন। এই সুবিধা বিএসসিপিএলসি’র কুয়াকাটা বা কক্সবাজার পপ থেকে প্রদান করা হবে এবং প্রতিষ্ঠানের সংযুক্ত বিদ্যমান সিডিএন প্রোভাইডারসমূহের ডেস্টিনেশন ব্যান্ডউইডথের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। প্যাকেজটি আগামী ১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ থেকে কার্যকর হবে।</p>
<p>ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের আওতায় পরিচালিত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি জানিয়েছে, নতুন এই প্রণোদনা প্যাকেজগুলো দেশের ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানসমূহকে আরও সাশ্রয়ী মূল্যে [প্রতি মেগাবিট ডাটা ৯০ টাকারও কম মূল্যে] আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইডথ ব্যবহারের সুযোগ করে দেবে এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমজেড/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নতুন এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার চালু বাংলালিংকের</title>
<link>https://digibanglatech.news/170183</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170183</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69af05b983004.jpg" length="113623" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 09 Mar 2026 19:39:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>‘পিপল-ফার্স্ট’ নীতিতে রাজধানীতে নিজেদের প্রধান কার্যালয়ে নতুন একটি এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার চালু করেছে দেশের শীর্ষ ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক।রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত বাংলালিংকের প্রধান কার্যালয় টাইগার্স ডেন–এ ৯ মার্চ এ এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়।</p>
<p>অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়োহান বুসে। এ সময় কোম্পানির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।<o:p></o:p></p>
<p>‘স্যাংকচুয়ারি’ বা শান্ত ও স্বস্তিদায়ক আশ্রয়স্থলের ধারণা থেকে এই সেন্টারের নকশা করা হয়েছে। প্রচলিত টেলিযোগাযোগ সেবা কেন্দ্রের ধরন থেকে বেরিয়ে গ্রাহকসেবায় ভিন্ন অভিজ্ঞতা দিতেই এটি সাজানো হয়েছে। এখানে প্রচলিত সার্ভিস কাউন্টার নেই। বরং খোলামেলা ও আরামদায়ক পরিবেশ রাখা হয়েছে। এতে গ্রাহকেরা সহজেই বিভিন্ন সেবা সম্পর্কে জানতে পারবেন, প্রয়োজনীয় সহায়তা নিতে পারবেন এবং গ্রাহকসেবা প্রতিনিধিদের সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্যে কথা বলতে পারবেন। <o:p></o:p>এ ছাড়া রয়েছে আলাদা ডিজিটাল এক্সপ্লোরেশন স্পেস। এখানে দর্শনার্থীরা বাংলালিংকের বিভিন্ন অ্যাপ, সেবা ও ডিজিটাল সুবিধা সম্পর্কে জানতে পারবেন। দ্রুত সেবা দেওয়ার জন্য রাখা হয়েছে ফাস্ট–ট্র্যাক সহায়তা। পাশাপাশি আরামদায়ক বসার ব্যবস্থা ও একটি রিফ্রেশমেন্ট কর্নারও রয়েছে। এতে দর্শনার্থীদের জন্য স্বস্তিদায়ক পরিবেশ তৈরি হয়েছে।<o:p></o:p></p>
<p>এ বিষয়ে বাংলালিংকের সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন ডিরেক্টর মোহাম্মদ মেহেদী হাসান বলেন, “<span lang="BN">আমাদের কাছে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতিটি যোগাযোগ মানেই তাদের প্রতি আমাদের যত্নশীল হওয়ার সুযোগ। এই এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারের মাধ্যমে আমরা এমন একটি স্থান তৈরি করেছি</span>, <span lang="BN">যেখানে গ্রাহকেরা স্বাচ্ছন্দ্যে প্রয়োজনীয় সেবা ও সহায়তা পাবেন। এটি কেবল সেবাকেন্দ্র নয়</span>; <span lang="BN">এখানে গ্রাহকেরা আমাদের সেবা সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং একটি সম্মানজনক পরিবেশে নিজেদের প্রয়োজনগুলো তুলে ধরতে পারবেন। আমাদের ধারণা পরিষ্কার—এটি ‘গ্রাহক বনাম আমরা’ নয়</span>, <span lang="BN">বরং আমরা ও গ্রাহক একযোগে সমাধানের পথ খুঁজি।</span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong><span lang="BN">ডিবিটেক/এমআরএম/ইকে</span></strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিটিআরসিতে ২৯ জনের ‘অবৈধ’ নিয়োগ ও পদোন্নতির প্রচেষ্টায় হাইকোর্টের রুল</title>
<link>https://digibanglatech.news/170113</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170113</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69ae8dfbab210.jpg" length="67355" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 09 Mar 2026 14:28:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div _ngcontent-ng-c418169101="" class="container">
<div _ngcontent-ng-c3974734195="" inline-copy-host="" class="markdown markdown-main-panel stronger enable-updated-hr-color" id="model-response-message-contentr_dfdd9d728e699e6c" aria-live="polite" aria-busy="false" dir="ltr">
<p data-path-to-node="1">বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) রাজস্ব খাতে ২৯ জন কর্মকর্তার বিতর্কিত নিয়োগের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ না করে উল্টো পদোন্নতির প্রক্রিয়ায় রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ৯ মার্চ, সোমবার এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের বিরুদ্ধে রুল নিশি জারি করেন।</p>
<p data-path-to-node="1">রুলে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, প্রশাসন বিভাগের মহাপরিচালক এবং অডিট উইংয়ের যুগ্ম সচিবকে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="2">রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে, মন্ত্রণালয়ের বারবার নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কেন ওই ২৯ জনের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না। একই সঙ্গে, অডিট আপত্তি ও গুরুতর আর্থিক অনিয়মের (এসএফআই) প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও ওই কর্মকর্তাদের পদোন্নতির লক্ষ্যে গত ৩ নভেম্বর যে ডিডিপি মিটিং ডাকা হয়েছিল, তার কার্যক্রম কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না—তা নিয়েও ব্যাখ্যা চেয়েছেন আদালত।</p>
<p data-path-to-node="3">এর আগে ৮ মার্চ, রবিবার বিটিআরসির ছয়জন উপ-পরিচালক এই রিট আবেদনটি দায়ের করেছিলেন।</p>
<p data-path-to-node="3">মামলার নথিপত্র ও অভিযোগ থেকে জানা যায়, বিটিআরসির নিজস্ব নিয়োগ বিধিমালা অমান্য করে ২০০৬-০৭ থেকে ২০১৯-২০ অর্থবছর পর্যন্ত সময়ে ওই ২৯ জনকে রাজস্ব খাতে আত্মীকরণ করা হয়েছিল। বিভিন্ন সময়ে অডিট রিপোর্টে এই নিয়োগে গুরুতর আর্থিক অনিয়ম ও বয়সের পার্থক্যের তথ্য উঠে এলেও রহস্যজনক কারণে বিটিআরসি কর্তৃপক্ষ বরাবরই নীরব থেকেছে। এমনকি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের টাস্কফোর্সের শ্বেতপত্রেও এই নিয়োগগুলোকে সরাসরি ‘অবৈধ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="4">আদালতের নির্দেশের পর বাদীপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান জানান, বিধিমালা লঙ্ঘন করে যাদের নিয়োগ প্রক্রিয়াকে অডিট অধিদপ্তর অবৈধ বলে চিহ্নিত করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে পদোন্নতি দেওয়ার চেষ্টা প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলার পরিচয় দেয়। তিনি উল্লেখ করেন, ৩ নভেম্বরের ডিডিপি মিটিংয়ের মাধ্যমে কর্মকর্তাদের বিতর্কিত পদোন্নতির যে অপপ্রয়াস চালানো হয়েছিল, আদালত আজ মূলত সেই নিষ্ক্রিয়তা ও অবৈধ কর্মকাণ্ডকেই চ্যালেঞ্জ করেছেন। সংস্থার অন্দরে যোগ্য কর্মকর্তাদের বঞ্চিত করার এই প্রবণতা দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক অস্বচ্ছতাকে সামনে নিয়ে এসেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।</p>
<p data-path-to-node="4">তিনি বলেন, ২০১৬-১৭ এবং ২০১৯-২০ অর্থ বছরে সরকারের অডিটে অনিয়ম ধরা পড়লে ২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর অডিট আপত্তির বিষয় বিশদ ভাবে জানানো হয়। নিয়ম বহির্ভূতভাবে নিয়োগ বিষয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যানের কাছে ব্যাখা চাওয়া হলেও সেটা নিয়ে টালবাহানা করে ব্যাখ্যা প্রদান থেকে বিরত হলে পরে সর্বশেষ ১৬ অক্টোবর  ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে বিটিআরসি-কে ব্যবস্থা গ্রহণে চিঠি দেয়। অন্তবর্তী সরকারের সময় গঠিত টাস্কফোর্স এর শ্বেতপত্রেও ২৯ জনের নিয়োগ অনিয়ম বিষয়ে বিশদ বর্ণনা করা হয়। এরপর মন্ত্রণালয় থেকে ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর বিটিআরসি-কে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেয়। অজানা কারণে ব্যবস্থা গ্রহণের পরিবর্তে তাদের নতুন করে পদন্নোতি দিতে ডিপিসি গঠন করে। ডিপিসি’র আপত্তি সত্ত্বেও ঘন ঘন মিটিংয়ের তারিক পরিবর্তন করে তাদেরকে পদন্নোতি দেয়ার প্রক্রিয়া চালু রাখে। এমন পরিস্থিতিতে ছয় উপ-পরিচালক রিট করলে আজ শুনানি শেষ মাননীয় আদালত এই রুল জারি করা হয়।  </p>
<p data-path-to-node="4"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমএআর/আইএইচ</strong></span></em></p>
</div>
<message-content _ngcontent-ng-c418169101="" _nghost-ng-c3974734195="" id="message-content-id-r_dfdd9d728e699e6c" class="ng-star-inserted"></message-content><!----></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সেবা দিয়ে টেলিকম খাতকে বিনিয়োগ বান্ধব ও কর্মসৃজন খাত হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার</title>
<link>https://digibanglatech.news/170107</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170107</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69ae75b729364.jpg" length="113505" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 09 Mar 2026 13:07:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নির্বাচনী ইশতেহারে ১০ লাখ মানুষের চাকরি দিতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেই লক্ষ্য পূরণে আইন-কানুন আরও সহজতর করে জনগণের ঈপ্সিত সেবা দোর গোড়ায় পৌঁছে দিয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি-কে তরুণ উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ পরিবেশ সৃষ্টির আহ্বান জানিয়েছেন নতুন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।  </p>
<p>তিনি বলেছেন,  দীর্ঘ ১৭ বছর পর একটি জনবান্ধব সরকার ক্ষমতায় এসেছে। জনগণের সরকারের প্রতি অনেক আশা। প্রধানমন্ত্রী ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির টার্গেট নির্ধারণ করেছে। এটা পূরণে বিটিআরসি কি ধরনের ভূমিকা পালন করতে পারে সবাইকে নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে। নতুন সরকার আসার পর অনেক তরুণ আইসটিতে কাজ করতে নতুন নতুন পরিকল্পনা নিয়ে আসছে।  বিনয়োগকারীরা আমাদের কাছে আসছেন। বৈঠকে তাদের কিভাবে সুবিধা দেয়া যায় তা জানাতে বিটিআরসি চেয়ারম্যানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন মন্ত্রী।  </p>
<p>মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, আমার তিন প্রজন্ম ব্যবসায়ী। আমি ব্যবসা করে রাজনীতিতে এসেছি। আমাদের একজন উপদেষ্টা আছেন। উনি এবং আপনারা আমাকে গাইড করে সরকারের ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে সহায়তা করবেন। আপনারা যদি জনবান্ধব রুলস ও রেগুলেশনকে জনবান্ধব হন তবে আমার বিশ্বাস আগামী ৫ বছরে আমরা জনগণের জন্য কিছু করতে পারবো।  </p>
<p>৯ মার্চ, সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিটিআরসি ভবনে সংস্থার কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তেব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারীর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব আব্দুন নাসের খান উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>সভায় নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ জানান, ২২ বছরের পেশাজীবনের ১৫ বছরে টেলিযোগ খাতের কাজ করেছেন। ফাইবার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করলেও শেষ সাত বছর জাতিসংঘের চিফ অব স্টাফ হিসেবে কূটনীতিকের ভূমিকা পালন করেছেন। রাজনীতিতে সরাসরি অংশ না নিলেও রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠা এই প্রকৌশলীর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিএনপি ৬ ফেব্রুয়ারি যে নির্বাচনী ইশতেহারের তথ্য ও প্রযুক্তি খাতের প্রতিশ্রুতি স্পষ্ট। প্রথমেই সেখানে সবার জন্য দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেটের কথা বলা হয়েছে। আজকে সকালেই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দ্রুত ইন্টারনেটে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এটি প্রকাশ করা হবে। </p>
<p>আমেরিকার কানেক্টিভিটির অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, পৃথিবীর উন্নয়নশীল ও উন্নত দেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের ম্যাপিং রয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আমেরিকায় কপার ক্যাবলে প্রতিটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ও বাড়িকে যুক্ত করে। এর কারণ বাড়ির ফউন্ডেশন ভালো হলে এটি ওপরে বাড়ানো ও ইন্টেরিয়র নকশা করা যায়। আমরা চাই আগামী ৫ বছরে দেশের ১৮ কোটি মানুষের প্রতিটি বাড়িতে দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য ওয়্যারড ও মোবাইল ইন্টারনেটে যুক্ত করবো।</p>
<p>এর মাধ্যমেই নির্বাচনী ইশতেহারে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ১২টি দফা পূরণ করা হবে বলে জানান উপদেষ্টা। বললেন, গত ১৫ বছরে কম জানা থাকলেও বিটিআরসি’র প্রথম চেয়ারম্যান মার্গুব মোর্শেদের সঙ্গে আমার আলাপ করার সুযোগ হয়েছিলো। প্রথানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী ইতিমধ্যেই বলেছেন, টেলিকমিউনিকেশন সরকারের থ্রাস্ট ও ফাউন্ডেশন সেক্টর। আমি মনে করি, আমি যদি টেলিকমিউনিকেশন ও আইসিটির ফাউন্ডেশন স্ট্র্যাকচার যদি সলিড হলে তবে বিদেশী বিনিয়োগ আসবে। বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ ও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এটি ভাইটাল রোল প্লে করবে। এক্ষেত্রে বিনিয়োগারীদের কাছে রেগুলেটরি কনফিডেন্স সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে আমি বিটিআরসিকে সাধ্যমতো সহায়তা করবো। </p>
<p>আগামীতে ব্যবহারাকীর অনুপাতে বিশ্বে শীর্ষ ১০-এ না থেকে সেবার মানেও শীর্ষ ১০ এ থাকতে সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান প্রকৌশলী রেহান আসিফ আসাদ।         </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিএইচই/ইকে</strong></span></em>   </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নারী দিবসে গ্রামীণফোনের প্রাক্তন কর্মীদের সংহতি কর্মসূচি: ৫% বকেয়া আদায়ের দাবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/170057</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170057</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69ada4e06242c.jpg" length="150773" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 08 Mar 2026 22:36:30 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আন্তর্জাতিক নারী দিবসে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সামনে জিপি হাউজের সামনে ‘৫% চত্বর’-এ একটি শান্তিপূর্ণ সংহতি কর্মসূচি পালন করেছেন গ্রামীণফোনের প্রাক্তন কর্মীরা। ‘অধিকার রক্ষায় অপ্রতিরোধ্য নারী শক্তি’ প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে নারী ও পুরুষ প্রাক্তন কর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়ে তাদের দীর্ঘদিনের ন্যায্য পাওনার দাবিতে সংহতি প্রকাশ করেন। </p>
<p>৮ মার্চ, রবিবার গ্রামীণফোন ৫% বিলম্ব বকেয়া আদায় ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে এই সংহতি কর্মসূচি পালন করা হয়। বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত এই সংহতি সমাবেশে ৩০ জন সাবেক কর্মী অংশ নেনে। এতে নারী কর্মীরা স্বতন্ত্র্য ভাবে ব্যানারের সামনে দাঁড়িয়ে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। নারী দিবসে স্মরণ করি ‘লজ্জা গ্রামীণফোন’ ভর্ৎসনা উচ্চারণ করে সমবেত নারীরা সাফ জানিয়ে দেন, যতদিন পর্যন্ত তাদের পাওনা বুঝিয়ে দিয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা না হচ্ছে, ততদিন তাদের এই আন্দোলন শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে অব্যাহত থাকবে । সত্য ও ন্যায়ের শক্তিতে বলীয়ান হয়ে তারা তাদের এই কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।</p>
<p>২৫ ফেব্রুয়ারির স্মৃতিচারণ করে সংহতি সমাবেশ নিয়ে গ্রামীণফোন এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (জিপিইইউ) কমিউনিকেশন সেক্রেটারি আদিবা জেরিন চৌধুরী বলেন, <span>নারী দিবস কোনো উদযাপন নয়, বরং একটি বাস্তব উপলব্ধি। কোনো প্রতিষ্ঠানের উচিত নারী দিবসের মাহাত্ম্য ঘোষণার আগে কর্মীদের মানবাধিকার, ন্যায়বিচার, নৈতিক অনুশীলন এবং সহানুভূতির নিশ্চয়তা দেওয়া ও সেই অনুযায়ী কাজ করা। ন্যায্য পাওনা দাবি করলে জলকামান, গ্রেপ্তার ও মিথ্যা মামলা দিয়ে দমন করে নারী দিবস উদযাপন করা কর্পোরেট ভণ্ডামি ছাড়া আর কিছুই নয়।</span></p>
<p><span>গ্রামীণফোনের এই ভণ্ডামীর অবসান না হলে প্রয়োজনে ঈদের পর লাগাতার কর্মসূচির মাধ্যমে জিপি হাউজ অবরোধ করার ঘোষণা দেয়া হয় সংহতি সমাবেশ থেকে।</span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x_69ada4e6521ed.jpg" alt=""></p>
<p>গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মীরা সর্বাত্মক ভাবে এই কর্মসূচি পালন করবেন জানিয়ে গ্রামীণফোন ৫% বিলম্ব বকেয়া আদায় ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক আবু সাদাত মোঃ শোয়েব জানান, গত ১৫ মাস ৭দিন ধরে তারা টানা কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে সরকারের সকল অধিদপ্তর ও নীতি নির্ধারকরা জানলেও অদৃশ্য কারণে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিষয়টি নিয়ে কেউ কর্নপাত করেনি। এখন নির্বাচিত সরকার বিষয়টি সিরিয়াসলি নেবে বলে বিশ্বাস করেন তিনি। </p>
<p>তিনি বলেন, পাওনা ৫ শতাংশ বিলম্ব জরিমানা আদায়ের দাবিতে আমরা দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে আসছি। ২৫ ফেব্রুয়ারির ন্যাক্কারজনক হামলার দিবস পালনের পর ওই দিনে নারীদের ওপর আক্রমণের প্রতিবাদে আজকের এই প্রতিবাদ সংহতি গুরুত্ববহ। বিশ্বব্যাপী যখন নারীর মর্যাদা ও অধিকারের কথা বলা হচ্ছে, তখন একটি বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকা নারীরা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ।</p>
<p>আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তাদের এই সংগ্রাম কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য নয়; বরং এটি ন্যায্য অধিকার, মানবিক মর্যাদা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার একটি লড়াই । তারা বিশ্বাস করেন যে, কেবল সংলাপ এবং ন্যায়বিচারের মাধ্যমেই এই দীর্ঘদিনের বকেয়া সমস্যার সমাধান সম্ভব । </p>
<p>প্রসঙ্গত, এই আন্দোলনের একটি বড় পটভূমি তৈরি হয়েছিল গত বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি । সেদিন জিপি হাউজের সামনে আয়োজিত একটি শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে লাঠিচার্জ ও জলকামান প্রয়োগের ঘটনা ঘটেছিল । সেই ঘটনায় ৩ জন শিক্ষিত ও সম্মানিত নারীসহ মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ২৯ জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।</p>
<p>আজকের কর্মসূচিতে বক্তারা সেই দিনের ঘটনার জন্য সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা প্রার্থনার আহ্বান জানান । তারা মনে করেন, একটি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে গ্রামীণফোনের উচিত মানবিক আচরণ করা এবং এই সমস্যার একটি সুষ্ঠু ও ন্যায্য সমাধানের পথে এগিয়ে আসা। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/এমইউএম</strong></span></em></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলালিংকে উবার, ফুডপান্ডা, পাঠাও, ফুডি এবং গুগল ম্যাপস ফ্রি!</title>
<link>https://digibanglatech.news/170010</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170010</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69ad4f99cf390.jpg" length="70820" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 08 Mar 2026 14:03:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="2">দেশের দ্রুত পরিবর্তনশীল ডিজিটাল জীবনধারার অবিচ্ছেদ্য অংশ ডেলিভারি রাইডার ও রাইড-শেয়ারিং পার্টনারদের জন্য বিশেষ বান্ডেল অফার ‘রাইডারস প্যাক’ চালু করেছে শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। প্রাথমিকভাবে ঢাকা ও চট্টগ্রামে মাইবিএল অ্যাপের মাধ্যমে এই অফারটি গ্রাহকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="2">৮ মার্চ, রবিবার বাংলালিংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৪৯৯ টাকা মূল্যের এই প্যাকে ৩০ দিন মেয়াদে থাকছে ২০ জিবি ইন্টারনেট ও ৩০০ মিনিট টকটাইম সুবিধা।  বিশেষ ফিচার হিসেবে রাইডাররা ডেটা খরচ ছাড়াই উবার, ফুডপান্ডা, পাঠাও, ফুডি এবং গুগল ম্যাপস ব্যবহারের জন্য সর্বোচ্চ ১০ জিবি পর্যন্ত অতিরিক্ত সুবিধা পাবেন। </p>
<p data-path-to-node="4">এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে বাংলালিংকের চিফ মার্কেটিং অফিসার কাজী মাহবুব হাসান বলেন, “ডেলিভারি রাইডার ও রাইড–শেয়ারিং পার্টনাররা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত আমাদের শহরকে সচল রাখেন। তাঁদের অবদানকে স্বীকৃতি দিয়ে এবং কাজ ও প্রাত্যহিক জীবনকে নির্ভরযোগ্য সংযোগের মাধ্যমে আরও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ করতেই আমরা ‘রাইডার্স প্যাক’ চালু করেছি। পিপল-ফার্স্ট ব্র্যান্ড হিসেবে বাংলালিংক গ্রাহকের প্রতি যত্নশীল দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করে। রাইডারদের জীবিকায় সহায়তা করা এবং তাঁদের কাজকে স্বীকৃতি দিতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনের মুহূর্তে যেন তাঁরা সংযুক্ত থাকতে পারেন—এটাই আমাদের লক্ষ্য।”</p>
<p data-path-to-node="4">বাংলালিংক জানায়, প্রতিদিন হাজারো রাইডার যানজট ও প্রতিকূল আবহাওয়া সামলে মানুষের দোরগোড়ায় খাবার, পণ্য ও যাত্রী পৌঁছে দিয়ে শহুরে জীবনকে সচল রাখছেন। তাঁদের নেভিগেশন, অর্ডার ব্যবস্থাপনা ও গ্রাহকের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগের প্রতিটি ধাপে স্থিতিশীল মোবাইল ডেটা অত্যন্ত জরুরি। এই বাস্তবতাকে বিবেচনায় নিয়েই বাংলালিংক এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ বান্ডেল নিয়ে এসেছে, যা কাজের পাশাপাশি রাইডারদের ব্যক্তিগত যোগাযোগের চাহিদাও পূরণ করবে। মানুষের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাস্তবধর্মী সেবা দেওয়ার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও এই ‘রাইডার্স প্যাক’ চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।</p>
<p data-path-to-node="4"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/সিএ/আইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফ্রি ওয়াইফাই সেবা চালু নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/169993</link>
<guid>https://digibanglatech.news/169993</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69ad39f12b6d8.jpg" length="104032" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 08 Mar 2026 00:00:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div dir="auto" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div data-ad-rendering-role="story_message" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="x1l90r2v x1iorvi4 x1g0dm76 xpdmqnj" data-ad-comet-preview="message" data-ad-preview="message">
<div class="x78zum5 xdt5ytf xz62fqu x16ldp7u">
<div class="xu06os2 x1ok221b">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto">প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের বিমানবন্দর ও রেলওয়ে স্টেশনসমূহে বিনামূল্যে (ফ্রি) ওয়াইফাই সেবা চালুর বিষয়ে ৭ মার্চ, শনিবার বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল পিএলসি-এর প্রধান কার্যালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা হয়েছে।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">সূত্রমতে, বৈঠকে সাবমেরিন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক<span> মোঃ আসলাম হোসেন, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান, বিটিসিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আব্দুল মান্নান, বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান প্রকৌশলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলাম। </span></div>
<div dir="auto"><span></span></div>
<div dir="auto"><span>রাজধানীর তেজগাঁও-গুলশান লিংক রোডের রহমানস রেগনাম সেন্টারের ৮ম তলায় অনুষ্ঠিত এই আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় উপস্থিতি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সামনে একটি কারিগরি প্রকৌশল ধারণা উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। </span><span></span></div>
<div dir="auto"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএম/ইকে</strong></span></em></div>
<div dir="auto"><span></span></div>
<div dir="auto"><span>  </span></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পেশাদার নারী পেইন্টারদের ক্ষমতায়নে বার্জার ও বাংলালিংকের ডিজিটাল মেলবন্ধন</title>
<link>https://digibanglatech.news/169895</link>
<guid>https://digibanglatech.news/169895</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69ac0fc07fe59.jpg" length="68688" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 07 Mar 2026 15:44:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="1">আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দেশের পেইন্টিং শিল্পে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা করেছে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড ও শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। দীর্ঘদিন ধরে পুরুষপ্রধান হিসেবে পরিচিত এই পেশায় নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং তাদের আর্থিক ও সামাজিক ক্ষমতায়নে এই দুই প্রতিষ্ঠান একটি সমন্বিত অংশীদারিত্বের ঘোষণা দিয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="2">প্রথাগত পেশার গণ্ডি পেরিয়ে যেসব নারী পেইন্টার হিসেবে নিজেদের ক্যারিয়ার গড়ছেন, তাদের ডিজিটাল সংযোগ, আর্থিক সক্ষমতা এবং স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। বার্জার পেইন্টস তাদের নিজস্ব ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে নারী পেইন্টারদের কারিগরি দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। সেই দক্ষতাকে পেশাদারিত্বের রূপ দিতে এবং কর্মক্ষেত্রে তাদের অবস্থান সুসংহত করতে বাংলালিংক দিচ্ছে ডিজিটাল ও অর্থনৈতিক সুরক্ষা।</p>
<p data-path-to-node="3">এই উদ্যোগের আওতায় অংশগ্রহণকারী নারী পেইন্টাররা বাংলালিংকের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ বিজনেস সিম কার্ড পাচ্ছেন, যা তাদের ব্যবসায়িক যোগাযোগ নম্বর হিসেবে ব্যবহৃত হবে। এতে বার্জার এক্সপেরিয়েন্স জোনের মাধ্যমে সেবা নিতে ইচ্ছুক গ্রাহকরা সরাসরি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। এছাড়া, প্রযুক্তির ছোঁয়ায় নিজেদের সেবার প্রসারে এবং অনলাইনে দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরিতে বাংলালিংক ইএমআই সুবিধায় স্মার্টফোন কেনার সুযোগ দিচ্ছে, যেখানে প্রাথমিক ডাউন পেমেন্টের ভার বহন করছে প্রতিষ্ঠানটি।</p>
<p data-path-to-node="4">আর্থিক স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করতে নারী পেইন্টারদের বাংলালিংকের ‘বিএল পাওয়ার’ অ্যাপে এজেন্ট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে পেইন্টিংয়ের পাশাপাশি মোবাইল রিচার্জ সেবা দিয়ে তারা বাড়তি আয়ের সুযোগ পাবেন। এছাড়া পেশাগত জীবনের অনিশ্চয়তা দূর করতে তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জোর দেওয়া হয়েছে। ক্লিনিকলের সহযোগিতায় ‘মাইবিএল’ অ্যাপের মাধ্যমে তারা এক বছর আনলিমিটেড বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ এবং সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিমা সুবিধা পাবেন। বিশেষ পরিস্থিতিতে হাসপাতালে ভর্তি বা চিকিৎসার জন্য ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করার পাশাপাশি জীবনবিমার সুবিধাও নিশ্চিত করা হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="5">বাংলালিংকের চিফ মার্কেটিং অফিসার কাজী মাহবুব হাসান বলেন, “ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি নারীদের জন্য স্বাধীন ও টেকসই জীবিকার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। বার্জারের সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব আমাদের ‘পিপল-ফার্স্ট’ দর্শনেরই প্রতিফলন, যা এই অগ্রগামী নারীদের আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে।”</p>
<p data-path-to-node="6">বার্জার পেইন্টসের চিফ মার্কেটিং অফিসার সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “পেইন্টিং শিল্পে নারীদের অংশগ্রহণ কেবল নতুন সুযোগই তৈরি করছে না, বরং গ্রাহকদের কাছেও আস্থা ও স্বাচ্ছন্দ্যের সেবা পৌঁছে দিচ্ছে। বাংলালিংকের এই সমন্বিত সহায়তা আমাদের এই যাত্রাকে আরও অর্থবহ ও টেকসই করে তুলবে।”</p>
<p data-path-to-node="7">প্রযুক্তি ও করপোরেট সহযোগিতার এই মেলবন্ধন কেবল একটি নির্দিষ্ট পেশায় নারীদের অংশগ্রহণই বাড়াচ্ছে না, বরং এটি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রগতিশীল অর্থনীতির ভিত্তি তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতে বাংলাদেশের নারী উদ্যোক্তা ও পেশাজীবীদের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।</p>
<p data-path-to-node="7"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসআই/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মধ্যপ্রাচ্যে প্রবাসীদের সঙ্গে যোগাযোগে ইমো ফ্রি দিচ্ছে বাংলালিংক</title>
<link>https://digibanglatech.news/169501</link>
<guid>https://digibanglatech.news/169501</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69984be85eee7.jpg" length="26233" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 03 Mar 2026 17:48:30 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="98" data-end="291">মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে প্রবাসী স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে দেশের ডিজিটাল অপারেটর <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">বাংলালিংক</span></span>।</p>
<p data-start="293" data-end="512">প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ৩ মার্চ থেকে ৬ মার্চ পর্যন্ত তাদের গ্রাহকেরা মেসেজিং অ্যাপ <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">ইমো</span></span> ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা স্বজনদের সঙ্গে অতিরিক্ত ডেটা চার্জ ছাড়াই ভয়েস ও ভিডিও কল করতে পারবেন।</p>
<p data-start="514" data-end="725">বাংলালিংক বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি প্রবাসী বসবাস করেন। সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে দেশে থাকা পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। এ প্রেক্ষাপটে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগের সুযোগ দিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p>
<p data-start="727" data-end="810">অফারটি পেতে গ্রাহকদের ক্যাম্পেইন চলাকালে একবার <em data-start="774" data-end="779">১২১</em>৫৫৫# ডায়াল করে সক্রিয় করতে হবে।</p>
<p data-start="812" data-end="1046" data-is-last-node="" data-is-only-node="">বাংলালিংকের চিফ মার্কেটিং অফিসার কাজী মাহবুব হাসান বলেন, সেবার মূল দর্শন ‘কেয়ার ফর ইউ’-এর ধারাবাহিকতায় সংকটময় সময়ে গ্রাহকদের পাশে থাকতে প্রতিষ্ঠানটি এ উদ্যোগ নিয়েছে। পরিবারের উদ্বেগ কমাতে নির্ভরযোগ্য যোগাযোগ নিশ্চিত করাই তাদের লক্ষ্য।</p>
<p data-start="812" data-end="1046" data-is-last-node="" data-is-only-node=""><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিআর/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গাজীপুরে টেলিযোগাযোগ স্টাফ কলেজ পরিদর্শন করলেন মন্ত্রী </title>
<link>https://digibanglatech.news/169450</link>
<guid>https://digibanglatech.news/169450</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69a6b81a8db2e.jpg" length="74977" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 03 Mar 2026 16:03:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>গাজীপুরের বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)-এর টেলিযোগাযোগ স্টাফ কলেজ এবং বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড-এর উপগ্রহ ভূকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।</p>
<p>৩ মার্চ, মঙ্গলবার।পরিদর্শনকালে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>টেলিযোগাযোগ স্টাফ কলেজের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী বলেন, প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অব্যবহৃত জমি পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করা গেলে এটি সরকারের জন্য আয়বর্ধক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে পারে। প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে ব্যাঘাত না ঘটিয়ে দ্রুত একটি বাস্তবসম্মত প্রকল্প প্রস্তাবনা তৈরির নির্দেশ দেন তিনি।</p>
<p>মন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, সরকারি সম্পদ অব্যবহৃত রাখা যাবে না; আগে থেকেই পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে। ইঞ্জিনিয়ার সংকট নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x_69a6b82867977.jpg" alt=""></p>
<p>ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান বলেন, এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রকে আমরা শুধু সরকারি কোর্সে সীমাবদ্ধ রাখব না; সরকারি-বেসরকারি সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে। আন্তর্জাতিক মানের সার্টিফাইড কোর্স চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করা হবে।</p>
<p>সচিব আরও বলেন, আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে একটি স্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা দিতে হবে—কোর্স চালু, আধুনিকায়ন ও প্রয়োজনীয় প্রকল্প প্রস্তাবসহ। লক্ষ্য একটাই টেলিযোগাযোগ স্টাফ কলেজকে সেন্টার অব এক্সেলেন্স হিসেবে গড়ে তোলা। </p>
<p>সভায় কর্মকর্তারা চলমান কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সেবার মানোন্নয়নে গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন।</p>
<p>সভার শুরুতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের নবযোগদানকৃত কর্মচারীদের মৌলিক প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।</p>
<p>টেলিযোগাযোগ স্টাফ কলেজ পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানির গাজীপুরস্থ উপগ্রহ ভূকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। সেখানে মন্ত্রী গাছের চারা রোপণ করেন।</p>
<p>পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমজেডইউ/ইকে</strong></em></span></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডাক ভবনে প্রথম বৈঠকে যে নির্দেশনা দিলেন মন্ত্রী</title>
<link>https://digibanglatech.news/169320</link>
<guid>https://digibanglatech.news/169320</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69a5530607b38.jpg" length="100941" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 02 Mar 2026 14:06:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ডাক ভবন পরিদর্শন করলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। পরিদর্শনের সময়ে দেশের কীর্তীমানদের নিয়ে প্রকাশিত ডাকটিকেটের সামনে কিছু্ক্ষণ দাঁড়িয়ে তাদের প্রতি সম্মান জানান মন্ত্রী। ২ মার্চ, সোমবার পরিদর্শন শেষে ডাক ভবনের সভাকক্ষে ডাক অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে পরিচিতি ও মতবিনিময় করেন তিনি।</p>
<p>এসময় কর্মচারি ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, ডাক বিভাগের সাফল্য ও সক্ষমতা জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। জনবান্ধব সরকারের সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ডাক বিভাগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—এ লক্ষ্যেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।</p>
<p>মন্ত্রী আরও বলেন, ডাক বিভাগ এখন কেবল চিঠি আদান-প্রদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি আধুনিক ও বহুমুখী সেবা নেটওয়ার্কে পরিণত হয়েছে। পোস্টাল ব্যালট সফলভাবে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে ডাক বিভাগ তাদের দক্ষতা, দায়িত্ববোধ ও সক্ষমতার উজ্জ্বল প্রমাণ দিয়েছে।</p>
<p>ফকির মাহবুব আনাম বলেন, দেশব্যাপী বিস্তৃত ডাকঘর নেটওয়ার্ক ও বিপুল জনবলকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগিয়ে প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত আধুনিক ও নির্ভরযোগ্য সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। এজন্য প্রয়োজন সময়োপযোগী সংস্কার, আধুনিকায়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ।</p>
<p>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান বলেন, বাংলাদেশ ডাক অধিদপ্তর দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সেবা প্রদানে সফল হয়েছে। নির্বাচনী ব্যালট বিতরণ ও জরুরি কার্যক্রমে ডাক বিভাগের অবদান প্রশংসনীয়। আধুনিক প্রযুক্তি, অ্যাড্রেস ম্যানেজমেন্ট, কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ এবং পুরনো আইন ও অধ্যাদেশ আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে সভায় ডাক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমজেডইউ/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে হটলাইন চালু</title>
<link>https://digibanglatech.news/169319</link>
<guid>https://digibanglatech.news/169319</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69a548fc36599.jpg" length="71964" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 02 Mar 2026 12:03:43 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।</p>
<p>নিজ নির্বাচনী এলাকায় (রাজধানীর পল্লবী ও রূপনগর) জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে এবং সরাসরি অভিযোগ গ্রহণের সুবিধার্থে একটি বিশেষ হটলাইন নম্বর চালু করেছেন তিনি। তিনি জানান, ঢাকা-১৬ (পল্লবী ও রূপনগর)-এর চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও যেকোনা অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স।</p>
<p>প্রতিমন্ত্রীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, পল্লবী ও রূপনগর এলাকায় কেউ যদি চাঁদাবাজি বা কোনো প্রকার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকে, তবে তাকে কোনো প্রকার ছাড় দেয়া হবে না।অপরাধী যে-ই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।</p>
<p>আরো জানানো হয়, জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে এবং সরাসরি অভিযোগ গ্রহণের সুবিধার্থে একটি বিশেষ হটলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। এখন থেকে ওই এলাকার যেকোনো নাগরিক চাঁদাবাজি বা অনিয়মের শিকার হলে সরাসরি ০১৫৫২-১৬১৬১৬ নম্বরে কল করে অভিযোগ জানাতে পারবেন।</p>
<div class="grid place-content-center w-full my-4">
<div id="gpt-passback22" data-google-query-id="CPzW35jkgJMDFZylZgIdVMobCQ">
<div id="google_ads_iframe_/80021875/EkhonTV_300x250_2_0__container__"></div>
</div>
</div>
<p class="mb-3 text-justify"><span>প্রতিমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা। তারা মনে করছেন, সরাসরি অভিযোগ জানানোর সুযোগ থাকায় এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড অনেকাংশে হ্রাস পাবে।</span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমএআর/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিটিআরসির মিডিয়া উইং এ নতুন কর্মকর্তার যোগদান</title>
<link>https://digibanglatech.news/169321</link>
<guid>https://digibanglatech.news/169321</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69a55712c3fb4.jpg" length="73621" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 02 Mar 2026 10:23:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি’র <span>মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিকেশন্স উইংয়ের</span> উপ-পরিচালক হিসেবে যোগ দিয়েছেন মোঃ আব্দুস শাহীদ চৌধুরী। পদায়নের মাধ্যমে তিনি <span>মোঃ জাকির হোসেন খাঁনের স্থালাভিষিক্ত হয়েছেন। </span></p>
<p>বিটিআরসি সূত্রে প্রকাশ, নব নিযুক্ত উপ-পরিচালক আব্দুস শাহীদ চৌধুরী এর আগে কমিশনের প্রশাসন বিভাগ এবং অর্থ, হিসাব ও রাজস্ব বিভাগে কর্মরত ছিলেন। চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ এবং এমবিএ ডিগ্রি গ্রহণ করেন। এছাড়াও তিনি এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। </p>
<p>গত ২৪ ফেব্রুয়ারি শাহীদ চৌধুরী নতুন দায়িত্বে আসীন হয়েছেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমএ/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চালু হলো ‘বাংলালিংক পাওয়ার’</title>
<link>https://digibanglatech.news/169206</link>
<guid>https://digibanglatech.news/169206</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69a405877f894.jpg" length="63273" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 01 Mar 2026 13:23:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>তরুণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করতে ‘বাংলালিংক পাওয়ার’ নামে একটি সামাজিক বিতরণ প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে দেশের শীর্ষ ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সাধারণ স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা মোবাইল রিচার্জ বিক্রি করে আয় করতে পারবেন।</p>
<p>বর্তমানে প্ল্যাটফর্মটি অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য পরীক্ষামূলক সংস্করণে চালু হয়েছে। কমিউনিটি-ভিত্তিক উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষকে আর্থিকভাবে ক্ষমতায়নের লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।</p>
<p><br>‘বাংলালিংক পাওয়ার’-এ যুক্ত হয়ে ব্যবহারকারীরা সহজ কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করে খুচরা বিক্রেতা হতে পারবেন। রিচার্জ বিক্রির মাধ্যমে তারা কমিশন ও বিভিন্ন পুরস্কার পাবেন। কোনো ধরনের প্রাথমিক বিনিয়োগ ছাড়াই তরুণ, নারী বা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা—যে কেউ এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হতে পারবেন।<br>প্ল্যাটফর্মটিতে রয়েছে সহজ নিবন্ধন প্রক্রিয়া, ডিজিটাল পরিচয় যাচাই ব্যবস্থা, তাৎক্ষণিক কমিশন দেখার সুবিধা এবং স্বচ্ছ পুরস্কার প্রক্রিয়া, যা ব্যবহারকারীদের জন্য পুরো অভিজ্ঞতাকে সহজ ও নির্ভরযোগ্য করে তুলবে।</p>
<p><br>এ বিষয়ে বাংলালিংকের বিক্রয় ও বিতরণ পরিচালক মোহাম্মদ মেহেদী হাসান বলেন, ডিজিটাল উদ্ভাবনের মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য অর্থবহ সুযোগ তৈরি করতে কাজ করছে বাংলালিংক। ‘বাংলালিংক পাওয়ার’ প্ল্যাটফর্মটি আর্থিক ক্ষমতায়ন ও কমিউনিটি-ভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।<br>অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করে এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হতে পারবেন।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমআর/এমইউএম </strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঈদে জিপিস্টার গ্রাহকদের জন্য বিশেষ চমক, অ্যাপেক্সে কেনাকাটায় মিলবে ছাড়</title>
<link>https://digibanglatech.news/169205</link>
<guid>https://digibanglatech.news/169205</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69a402f94c63a.jpg" length="103981" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 01 Mar 2026 12:12:43 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ঈদকে সামনে রেখে প্রিমিয়াম গ্রাহকদের জন্য বিশেষ অফার চালু করেছে দেশের শীর্ষ টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। এ লক্ষ্যে জুতা ও লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড অ্যাপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড–এর সঙ্গে একটি অংশীদারিত্ব করেছে প্রতিষ্ঠানটি।</p>
<p>এই উদ্যোগের আওতায় জিপিস্টার সিগনেচার ও প্লাটিনাম গ্রাহকরা সারাদেশে ৩০০টিরও বেশি অ্যাপেক্স আউটলেট এবং অনলাইনে ন্যূনতম ৩ হাজার টাকা কেনাকাটায় ৩০০ টাকা ছাড় পাবেন। ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া মাসব্যাপী এ অফারটি প্রথম ১০ হাজার গ্রাহকের জন্য প্রযোজ্য।</p>
<p><br>অফারটি পেতে গ্রাহকদের “এপেক্স” লিখে ২৯০০০ নম্বরে বার্তা পাঠাতে হবে। সফলভাবে সক্রিয় হলে গ্রাহকরা একটি কুপন কোড পাবেন, যা অ্যাপেক্সের যেকোনো আউটলেটে বা অনলাইনে কেনাকাটার সময় ব্যবহার করে নির্ধারিত ছাড় পাওয়া যাবে।</p>
<p><br>সম্প্রতি ঢাকার জিপি হাউজে এ সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন গ্রামীণফোনের অংশীদারিত্ব বিভাগের প্রধান মুনিয়া গণি এবং অ্যাপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের বিপণন বিভাগের প্রধান মো. রায়হান কবির।</p>
<p><br>গ্রামীণফোন জানায়, সংযোগ সেবার পাশাপাশি গ্রাহকদের জন্য অর্থবহ লাইফস্টাইল সুবিধা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে উৎসবের মৌসুমে প্রিমিয়াম গ্রাহকরা সহজ ও সাশ্রয়ী কেনাকাটার অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে পারবেন।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/ ডিএইচই/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অনলাইন জুয়া ঠেকাতে কঠোর বার্তা</title>
<link>https://digibanglatech.news/169090</link>
<guid>https://digibanglatech.news/169090</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69a2b6c495c79.jpg" length="115077" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 28 Feb 2026 14:59:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণে অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারির পাশাপাশি অনলাইন জুয়ার বিস্তার ঠেকাতে প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। তিনি বলেছেন, তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও ইন্টারনেটভিত্তিক অপরাধ—বিশেষ করে অনলাইন জুয়ার মতো ঝুঁকিপূর্ণ প্রবণতা—থেকে রক্ষা করা এখন সময়ের বড় চ্যালেঞ্জ।</p>
<p>২৮ ফেব্রুয়ারি, শনিবার মধুপুর উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তির অপব্যবহার করে একটি চক্র কিশোর-তরুণদের অনলাইন জুয়ার ফাঁদে ফেলছে। এতে পরিবারে অশান্তি, অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং অপরাধপ্রবণতা বাড়ছে। প্রশাসন, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করে এসব প্ল্যাটফর্ম চিহ্নিত ও দমন করার আহ্বান জানান তিনি।</p>
<p>মন্ত্রী বলেন, জনগণ যাতে নিরাপদে জীবনযাপন করতে পারে, সে পরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের অঙ্গীকার। “মধুপুরে বখাটে দেখতে চাই না”—উল্লেখ করে তিনি জানান, অনলাইন জুয়া ও মাদক—দুই দিক থেকেই তরুণ সমাজকে রক্ষা করতে হবে। প্রয়োজনে সচেতনতামূলক প্রচার, প্রযুক্তিগত নজরদারি ও আইন প্রয়োগ জোরদারের নির্দেশ দেন তিনি।</p>
<p>এ</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x_69a2b6c366e3a.jpg" alt=""></p>
<p>কই সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রকৃত উপকারভোগী পরিবার ও কৃষকদের কাছে ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে দ্রুত ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণের কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা স্বজনপ্রীতি বরদাশত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।</p>
<p>মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জুবায়ের হোসেন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে মন্ত্রী ধনবাড়ী উপজেলায় গিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।</p>
<div class="text-base my-auto mx-auto [--thread-content-margin:--spacing(4)] @w-sm/main:[--thread-content-margin:--spacing(6)] @w-lg/main:[--thread-content-margin:--spacing(16)] px-(--thread-content-margin)">
<div class="[--thread-content-max-width:40rem] @w-lg/main:[--thread-content-max-width:48rem] mx-auto max-w-(--thread-content-max-width) flex-1 group/turn-messages focus-visible:outline-hidden relative flex w-full min-w-0 flex-col agent-turn" tabindex="-1">
<div class="flex max-w-full flex-col grow">
<div data-message-author-role="assistant" data-message-id="894f9f4c-fc5d-4ce7-9a67-7d93d98a1197" dir="auto" data-message-model-slug="gpt-5-2" class="min-h-8 text-message relative flex w-full flex-col items-end gap-2 text-start break-words whitespace-normal [.text-message+&amp;]:mt-1">
<div class="flex w-full flex-col gap-1 empty:hidden first:pt-[1px]">
<div class="markdown prose dark:prose-invert w-full wrap-break-word dark markdown-new-styling">
<p data-start="1539" data-end="1705">মতবিনিময় সভার আগে মন্ত্রী মধুপুর শহরের সাথীর মোড়ে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের সাথীর মোড় থেকে টুটুল ট্রেডার্স পর্যন্ত আরসিসি রাস্তা নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। </p>
<p data-start="1822" data-end="2041" data-is-last-node="" data-is-only-node="">পরে মন্ত্রী <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">ধনবাড়ী</span></span> উপজেলায় গিয়ে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে কর্মকর্তাদের সঙ্গে আরেকটি মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">নূরজাহান আক্তার</span></span>।</p>
<p data-start="1822" data-end="2041" data-is-last-node="" data-is-only-node=""><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমজেডইউ/এমইউএম</strong></span></em></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="z-0 flex min-h-[46px] justify-start"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিটিসিএল এমভিএনও স্থগিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/169046</link>
<guid>https://digibanglatech.news/169046</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_692c7b0359977.jpg" length="72367" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 27 Feb 2026 19:14:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>
<p>এমভিএনও সেবা পরীক্ষামূলকভাবে চালুর কার্যক্রম স্থগিত করেছে বিটিসিএল। ২৭ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার সংস্থাটির জনসংযোগ কর্মকর্তা রওনক তাহমিনা বিষয়টি নিশ্চিত করেন। </p>
</div>
<div>
<div>
<p>এ নিয়ে দেয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিটিসিএল-এর এমভিএনও (MVNO) সেবা পরীক্ষামূলকভাবে চালুর কার্যক্রম অনিবার্য কারণবশতঃ স্থগিত করা হয়েছে। বিটিসিএল এমভিএনও সিম বাজারজাতকরণের বিষয়ে সম্মানিত গ্রাহকগণকে পরবর্তীতে অবহিত করা হবে।</p>
<p>নতুন এই প্রযুক্তি চালুতে নেতৃত্ব দেয়া এবং সদ্য বিদায় নেয়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারি ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এ বিষয়ে জানিয়েছেন, এটি ছিলো  <span>জিরো বাজেটের ইনহাউজ প্রকল্প ছিল। শুরুতে টেলিটক দিয়ে জিরো কস্ট পাইলট করে পরে বাংলালিংকে যাবার ইচ্ছা ছিল। রাজনৈতিক সরকার নিজেদের মত করে সিদ্ধান্ত নিবে, তাতে কিছু হতাশা তৈরি হবে। তবে টিমের একটা লার্নিং হয়েছে যে কীভাবে এধরনের নতুন প্রযুক্তির প্রভিশনিং করতে হয়। ইনশাআল্লাহ্‌ ভবিষ্যতে কাজ লাগবে।</span></p>
</div>
<div>
<p>এর আগে ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে বিটিসিএলের এমভিএনও সিম এবং ভয়েস, ডেটা ও কনটেন্টসমন্বিত ট্রিপল-প্লে প্যাকেজ প্রাথমিকভাবে রাজধানীর রমনা, গুলিস্তান ও গুলশান বিক্রয়কেন্দ্রে এই সেবা পাওয়ার কথা ছিল। পরে তা পিছিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি সময় নির্ধারণ করা হয়েছিলো। </p>
<div class="col-lg-8 col-12">
<div class="ContentDetails page-break ContentDetailsundefined" id="contentDetails">
<div>
<p>এরও আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর রমনায় বিটিসিএলের কার্যালয়ে প্রথমবারের মতো এমভিএনও মডেলে আনলিমিটেড কোয়াড-প্লে সেবার পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। </p>
</div>
<div>
<p>সংশ্লিষ্টরা জানান, এমভিএনও মডেলে নিজস্ব মোবাইল নেটওয়ার্ক অবকাঠামো ছাড়াই মোবাইল সেবা দেওয়া হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে বিটিসিএল, টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে গ্রাহকদের সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা করে।</p>
</div>
<div>
<p>প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৫ নভেম্বর সরকার বিটিসিএলকে পরীক্ষামূলকভাবে এমভিএনও নেটওয়ার্ক চালুর অনুমোদন দেয়।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএম/ইকে</strong></span></em></p>
</div>
</div>
<div class="row MarginTop20 d-print-none">
<div class="col-sm-12">
<div class="CommentBg">
<div class="fb-comments" data-href="https://barta24.com/details/national/312089" data-width="" data-numposts="3"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="col-lg-4 col-12 d-none d-lg-block detailsPage">
<div class="adsArea AdsHide d-flex  justify-content-center  mb-3">
<div class="r2Ads mb-3">
<div id="div-gpt-ad-1764746055347-0" data-google-query-id="CK6987iT-pIDFemcrAIdDdMstQ"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="d-flex justify-content-center mb-3">
<div class="mb-3">
<div id="div-gpt-ad-1581913334128-0" data-google-query-id="CLu987iT-pIDFemcrAIdDdMstQ"></div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিমানবন্দর&#45;রেল স্টেশনে ফ্রি ওয়াইফাই নিশ্চিত করবে সরকার</title>
<link>https://digibanglatech.news/168971</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168971</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69a1560bcee51.jpg" length="73672" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 27 Feb 2026 12:09:32 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিমানবন্দর, রেলওয়ে স্টেশন এমনকি দ্রুতগতির হাইস্পিড যানবাহনগুলোতেও ফ্রি ওয়াইফাই সুবিধা দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী এটি দ্রুতই বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি। </p>
<p>২৭ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার সকালে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে জেলা পর্যায়ে সরকারি কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভার প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য দেন মন্ত্রী। এছাড়াও নিজ নির্বাচনী এলাকা টাঙ্গাইল জেলার প্রতিটি উপজেলায় আইসিটি পার্ক করার কথা পরিকল্পনার কথাও প্রকাশ করেন তিনি। </p>
<p>ফকির মাহবুব আনাম বলেন, <span>‘বর্তমান যুগে আইসিটি সব চেয়ে বড় গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর। আইটি সেক্টর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। আমরা অনেক জব ক্রিয়েট করতে চাই এবং ইন্টারনেট সবার ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে চাই। প্রধানমন্ত্রী আমাদের নিদের্শনা দিয়েছেন বিমানবন্দর, রেলওয়ে স্টেশন এমনকি হাইস্পিড গাড়িগুলোকে ফ্রি ওয়াফাই ব্যবস্থা করার জন্য।’</span></p>
<p>তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন তিনটি বড় বড় টেকপার্কে কীভাবে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। আমরা চেষ্টা করছি, বিদেশ থেকে বিনিয়োগ আনার জন্য। আমরা ধাপে ধাপে এগিয়ে যাবো। জনবান্ধব সরকার হতে চাই। টাঙ্গাইলেও আমরা কিছু চাই। জেলার প্রতিটি উপজেলায় আইসিটি পার্ক করার কথা চিন্তা করতে পারি আমরা।</p>
<p>জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্তসহ সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএইচ/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নতুন মন্ত্রী এবং উপদেষ্টার সঙ্গে এমটব নেতাদের সাক্ষাৎ</title>
<link>https://digibanglatech.news/168873</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168873</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69a0077939208.jpg" length="85393" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 26 Feb 2026 13:04:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>এসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এমটব)-এর সভাপতি ও গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আজমানের নেতৃত্বে মোবাইল অপারেটরগুলোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের একটি প্রতিনিধিদল  ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।এবং  প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।</p>
<p>প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন এমটবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও রবি আজিয়াটা পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও জিয়াদ সাতারা, এমটবের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বাংলালিংকের সিইও ইয়োহান বুসে, এমটবের মহাসচিব লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জুলফিকার (অব.), বাংলালিংকের সিসিআরএও তাইমুর রহমান, গ্রামীণফোনের সিসিএও তানভীর মোহাম্মদ, রবি আজিয়াটার সিসিআরও সাহেদ আলম; গ্রামীণফোনের স্টেকহোল্ডার রিলেশনস প্রধান আহমেদ আসিফ এবং রবি আজিয়াটার পাবলিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি বিভাগের পরিচালক শরীফ শাহ জামাল রাজ।</p>
<p>২৬ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার, এমটব সচিবালয় জানায়, ২৪ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার সংক্ষিপ্ত এই সাক্ষাতে এমটব নেতৃবৃন্দ নতুন নেতৃত্বকে দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের সামগ্রিক চিত্র, জাতি ও জনগণের উন্নয়নে এই খাতের অবদান এবং খাতটিতে বিদ্যমান সম্ভাবনা সম্পর্কে অবহিত করেন। উভয় পক্ষ সরকারের লক্ষ্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আগামীতে যৌথভাবে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করার ব্যাপারে একমত পোষণ করেন।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এবিএম/এসএ</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রধানমন্ত্রীর প্লান বাস্তবায়নে  টেলিটকের কাছে জনবন্ধব দৃশ্যমান সেবা চান মন্ত্রী</title>
<link>https://digibanglatech.news/168617</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168617</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_699d4dde87353.jpg" length="111145" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 24 Feb 2026 13:08:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রাষ্ট্রায়াত্ব মোবাইল অপারেটর টেলিটককে স্বল্প সময়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখাতে শীর্ষ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন <span>ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম</span>। কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, এই সরকারের সময়ে মানুষ যাতে টেলিটকের উন্নত সেবা পায়। প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমারা সবাই একসঙ্গে কাজ করতে চাই।    </p>
<p>২৪ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে টেলিটক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রীর প্রথম বৈঠকে এই নির্দেশনা দেন। এসময় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা <span>রেহান আসিফ আসাদ মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। </span></p>
<p><span>বৈঠকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব আব্দুন নাসের খান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আবু সাঈদ ও টেলিটক ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল মাবুদ চৌধুরীসহ ঊর্দ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। </span></p>
<p><span>টেলিটক কর্মীদের যাত্রা শুরুর ২০ বছরে কি হয়েছে না হয়েছে সে বিষয়ে মন্ত্রী কিছুই জানতে চান না বলে জানান উপদেষ্টা আসিফ আসাদ। তিনি বলেন, বিগত ২০ বছরে </span><span>কেন হয়, কি হয় নাই তা প্রধানমন্ত্রী জানতে চান না। তাই আমাদের বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে। </span></p>
<p><span>বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কি চান তা স্পষ্ট করে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি আমরা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে চাই। আমরা চাই জনবান্ধব সেবার দৃশ্যমান বাস্তবায়ন। আমরা যেটা জনগণকে আমরা প্রমিস করেছি তা দ্রুত ডেলিভার করাই আমাদের কাজ। আমরা জনবান্ধব সরকার হতে চাই। এই জিনিসটা মাথায় রেখেই আমাদের কিছু চিন্তা করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী জনকল্যাণে তার প্লান ও ভিশন বাস্তবায়নে কাজ করছেন। টেলিটককেও সেবা বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে। <br></span></p>
<p><span>এরআগে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড এর প্রধান কার্যালয়ে  মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করে টেলিটক এমপ্লয়িজ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন।</span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিএইচই/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টেলিকম&#45;আইসিটি&#45;বিজ্ঞান মন্ত্রীর একান্ত সহকারী মো. শরীফুল ইসলাম</title>
<link>https://digibanglatech.news/168613</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168613</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_699d9dbfa14c9.jpg" length="75672" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 24 Feb 2026 00:03:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব হয়েছেন মো. শরীফুল ইসলাম। এ দুই মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন ফকির মাহবুব আনাম। <span>তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) বিভাগে প্রশাসনিক কর্মকর্তা থেকে তিনি </span><span>বর্তমান সরকারের নতুন দায়িত্ব বন্টনের আওতায় এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। </span></p>
<p><span>এর একদিন আগেই ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন   বাংলাদেশী প্রকৌশলী, প্রযুক্তি পেশাদার ও রাজনীতিবিদ রেহান আসিফ আসাদ। </span></p>
<p>আর ২৩ ফেব্রুয়ারি, অবিলম্বে কার্যকরের নির্দেশনা দিয়ে নতুন মন্ত্রীর একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয় মো. শরীফুল ইসলাম-কে।  <span>জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানানো হয়। </span></p>
<p><span>মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মু. তানভীর হাসান রুমান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে </span>একইদিনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের মোট তিনজন মন্ত্রীর একান্ত সচিব (পিএস) এবং চারজন প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টার সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) নিয়োগ দেওয়া হয়। </p>
<p>এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপনে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর একান্ত সচিব নিয়োগ পেয়েছেন ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) উপসচিব মো. মনিরুজ্জামান। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।</p>
<p>পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রীর একান্ত সচিব হয়েছেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব (উপ-সচিব) রবীন্দ্র চাকমা। এ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।</p>
<p>যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব হয়েছেন মো. ইব্রাহিম খলিল। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে রয়েছেন মো. আমিনুল হক। বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট এবং শিল্প প্রতিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব হয়েছেন মো. জুনাইদ। এ মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন মো. শরীফুল আলম।</p>
<p>স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব হয়েছেন মো. আল মামুন। এম এ মুহিত স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) মাহাদী আমিনের একান্ত সচিব নিয়োগ পেয়েছেন ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারহান লাবীব জিশান।</p>
<p>সহকারী একান্ত সচিবদের প্রতিমন্ত্রীদের অভিপ্রায় অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০১৫’ অনুযায়ী (৯ম গ্রেড) ২২০০০-৫৩০৬০/-টাকা বেতন স্কেলে এ নিয়োগ পেয়েছেন। প্রতিমন্ত্রীরা যতদিন এ পদ অলংকৃত করবেন বা তাদের সহকারী একান্ত সচিব পদে বহাল রাখার অভিপ্রায় পোষণ করবেন ততদিন এ নিয়োগ আদেশ কার্যকর থাকবে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/এসএ</strong></span></em></p>
<div id="div-ub-bd-pratidin.com_1706868550746"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রবি এলিট &#45;১৩ নতুন প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ ৭০% পর্যন্ত ছাড়!</title>
<link>https://digibanglatech.news/168443</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168443</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_699b42c28e4e1.jpg" length="144222" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 22 Feb 2026 19:54:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; tab-stops: 117.0pt;"><span style="font-size: 10.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN; mso-no-proof: yes;">রবি এলিট প্রোগ্রামে এবার একযোগে যুক্ত হলো ১৩টি প্রিমিয়াম পার্টনার। এর ফলে বিভিন্ন লাইফস্টাইল ক্যাটেগরিতে সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় উপভোগ করতে পারবেন রবি এলিট গ্রাহকরা। <o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; tab-stops: 117.0pt;"><span style="font-size: 10.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN; mso-no-proof: yes;">স্বাস্থ্যসেবা, ভ্রমণ ও বিমান পরিবহন, হোটেল ও অবকাশযাপন, ডাইনিং ও ক্যাফে, বিনোদন ও পারিবারিক অবসর, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ও গৃহসেবাসহ বিভিন্ন খাতে এ সুবিধা মিলবে।<o:p></o:p></span><span style="font-size: 10.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN; mso-no-proof: yes;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; tab-stops: 117.0pt;"><span style="font-size: 10.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN; mso-no-proof: yes;">২২ ফেব্রুয়ারি, রবিবার রবি জানিয়েছে, এলিট গ্রাহকদের এই সুবিধা দিতে ইতিমধ্যেই </span><span style="font-size: 10.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN; mso-no-proof: yes;">ল্যাবএইড ক্যান্সার হসপিটাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টার, জেনেরিক হেলথকেয়ার লিমিটেড, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, বেস্ট ক্লিন, ফান প্যারাডাইস, স্যাফরন ডাইন, থাই এক্সপ্রেস, বিনস অ্যান্ড অ্যারোমা, কান্ট্রি বয়, বেস্ট ওয়েস্টার্ন এসকেএস চট্টগ্রাম, বেস্ট ওয়েস্টার্ন হেরিটেজ কক্সবাজার, বেস্ট ওয়েস্টার্ন প্লাস ম্যাপল লিফ এবং বেস্ট ওয়েস্টার্ন প্লাস বে হিলস কক্সবাজার এর সঙ্গে সম্প্রতি সমঝোতা চুক্তি হয়েছে। রবি আজিয়াটা পিএলসি-এর হেড অব মার্কেটিং মোঃ শওকত কাদের চৌধুরী, রবি’র অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে  এই সহযোগিতার কৌশলগত চুক্তি হয়েছে। </span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; tab-stops: 117.0pt;"><span style="font-size: 10.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN; mso-no-proof: yes;">সেই চুক্তির ভিত্তিতে মাইরবি অ্যাপের মাধ্যমে সহজেই পাও গ্রাহকরা যে কোনো সময়, যে কোনো জায়গা থেকে প্রিমিয়াম সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।<o:p></o:p></span><span style="font-size: 10.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN; mso-no-proof: yes;"> বছরজুড়ে বিভিন্ন পণ্য ও সেবামূল্যে মিলবে এক্সক্লুসিভ ছাড়।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; tab-stops: 117.0pt;"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong><span style="font-size: 10.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN; mso-no-proof: yes;">ডিবিটেক/টিআরএস/ইকে</span></strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পাবলিক প্লেসে ধাপে ধাপে ফ্রি ইন্টারনেট: উপদেষ্টা</title>
<link>https://digibanglatech.news/168455</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168455</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_699b4c8e3bfb9.jpg" length="110256" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 22 Feb 2026 17:37:34 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সবার জন্য ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করতে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক প্লেসে ধাপে ধাপে ফ্রি বা সহজলভ্য ইন্টারনেট সুবিধা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। </p>
<p>একইসঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা, ডেটা ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তি অবকাঠামো আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা গ্রহণ এবং ফ্রিল্যান্সার ও তরুণ উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ করতে পেমেন্ট গেটওয়ে সংক্রান্ত বিদ্যমান জটিলতা দূর করার উদ্যোগও চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। </p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x_699b4ca06e3ee.jpg" alt=""></p>
<p>২২ ফেব্রুয়ারি রবিবার সচিবালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সভাকক্ষে বিভাগের দপ্তর সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সভায় তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের পরে আগারগাঁওয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সভাকক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন নবনিযুক্ত উপদেষ্টা। </p>
<p>ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর ঢাকায় ঝটিকা সফর ভিওন সিইও</title>
<link>https://digibanglatech.news/168330</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168330</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_6999f1c596dd4.jpg" length="105446" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 21 Feb 2026 11:54:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span> </span>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর এক দিনের ঝটিকা সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন ভিওন গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কান তেরজিওলু। সফরে নতুন সরকারের সময়ে বাংলাদেশে ব্যবসায় পরিবেশ উন্নত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি। </p>
<p>গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জন করায় ভিওনের পক্ষ হতে তিনি নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে বাংলাদেশে ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ ও বিনিয়োগ অব্যাহত রাখার বিষয়ে ভিওনের আগ্রহের কথাও জানিয়েছেন।</p>
<p>সূত্রমতে, ১৯ ফেব্রুয়ারি ঝটিকা এই সফরে এসে বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. এমদাদ উল বারী (অব.) এর সঙ্গে বৈঠকে এই আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তেরজিওলু। এ সময় নিয়ন্ত্রণ সংস্থাটি পক্ষে কমিশনার মাহমুদ হোসেন ছাড়াও ভিওন গ্রুপের কোম্পানি মোবাইল ফোন অপারেটর বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইওহান বুসে এবং চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>বৈঠকে ভিওন সিইও বলেন, প্রচলিত মোবাইল সেবার পাশাপাশি ডিজিটাল সেবায় তাদের কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। বিশেষ করে আর্থিক প্রযুক্তিভিত্তিক সেবাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে বৃহত্তর জনগোষ্ঠী ডিজিটাল সুবিধার আওতায় আসতে পারে।</p>
<p>এসময় দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী। তিনি প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নীতিগত সহায়তার কথাও উল্লেখ করেন। </p>
<p>বৈঠকে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো এবং ডিজিটাল খাতের টেকসই উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/টিআর/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধায় ২১ জিবি বোনাস দেবে বাংলালিংক</title>
<link>https://digibanglatech.news/168175</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168175</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69984be85eee7.jpg" length="26233" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 20 Feb 2026 10:56:40 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রতীকী ২১ জিবি বোনাস ডাটা অফার ঘোষণা করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। অমর একুশে ফেব্রুয়ারির তাৎপর্য স্মরণে ২০ থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ বিশেষ ক্যাম্পেইন চালু থাকবে।</p>
<p>অফারের আওতায় ৫৯৮ টাকার ৩০ জিবি ডাটা প্যাক কিনলে গ্রাহকরা অতিরিক্ত ২১ জিবি বোনাস পাবেন। ফলে মোট ডাটা হবে ৫১ জিবি, যার মেয়াদ ৩০ দিন। প্রিপেইড ও বি-টু-সি পোস্টপেইড গ্রাহকেরা এ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। মাইবিএল অ্যাপ ছাড়াও বিকাশ, নগদ, রকেট ও উপায়ের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্যাকটি কেনা যাবে।</p>
<p>প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই প্রতীকীভাবে ২১ জিবি বোনাস দেওয়া হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এখন বিশ্বজুড়ে পালিত হলেও এর উৎস বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন।</p>
<p>এ বিষয়ে বাংলালিংকের চিফ মার্কেটিং অফিসার কাজী মাহবুব হাসান বলেন, জাতীয় পরিচয় ও ভাষার চেতনাকে ডিজিটাল সম্পৃক্ততার সঙ্গে যুক্ত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। তাঁর ভাষায়, ভাষা কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐক্যের ভিত্তি। প্রতীকী এই উদ্যোগের মাধ্যমে ২১ ফেব্রুয়ারির চেতনাকে সম্মান জানিয়ে অর্থবহ ডিজিটাল অংশগ্রহণ বাড়াতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।</p>
<p>প্রসঙ্গত, নাসডাক তালিকাভুক্ত বৈশ্বিক অপারেটর VEON Ltd.–এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান বাংলালিংক ‘ডিজিটাল ফর অল’ লক্ষ্য নিয়ে দেশে বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ করছে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিআর/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হলেন প্রকৌশলী রেহান আসিফ আসাদ</title>
<link>https://digibanglatech.news/168131</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168131</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_6997afd773864.jpg" length="99233" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 20 Feb 2026 00:05:40 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে এবার আরও একজন উপদেষ্টা পেলো ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। এই দুই মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন প্রকৌশলী রেহান আসিফ আসাদ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের একাদশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত মন্ত্রীপরিষদকে সহায়তায় নিযুক্ত ১০ জন উপদেষ্টার মধ্যে প্রতিমন্ত্রী মার্যাদায় দু’দিন আগেই এই দায়িত্ব পান তিনি।</p>
<p>১৯ ফেব্রুয়ারি উপদেষ্টাদের দায়িত্ব বণ্টনের মাধ্যমে রাজনীতিতে যুক্ত এই প্রযুক্তি পেশাদারকে দেয়া হলো ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুত্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব।</p>
<p>নবনিযুক্ত এই উপদেষ্টা রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার কেল্লা বারূইপাড় গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। এমআইটি স্লোন স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট থেকে ম্যানেজমেন্ট ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাস্টার্স এবং আরএমআইটি থেকে টেলিকম ও ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক করেছেন।তিনি বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রয়াত চেয়ারম্যান ও সাবেক নির্বাহী পরিচালক ড. এম. আসাদুজ্জামানের ছেলে এবং সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হকের ভাতিজা। তার আরেক চাচা এনামুল হক বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক ইন্সপেক্টর জেনারেল ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে <span>বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ছিলেন রেহান আসিফ আসাদ।</span></p>
<p><span>উপদেষ্টা হিসেবে নতুন দায়িত্ব পেয়ে এবার তিনি ডাক, টেলিযোগাযোগ; তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিতকে এই খাতের উন্নয়নে খাত সংশ্লিষ্ট জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা দিয়ে সহযোগিতা করবেন। </span><span></span></p>
<p><span>মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টা নিয়োগের মাধ্যমে ধারণা করা হচ্ছে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিএনপি’র চতুর্থ মেয়াদের সরকারে সমান্তরাল ভাবে পরিচালনা করা হবে। </span></p>
<p>প্রসঙ্গত,  স্বাধীনতাত্তর ১৯৭২ সালের ২০ জানুয়ারি থেকে কার্যক্রম শুরু করে বাংলাদেশে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় (বর্তমানে বিভাগ)। পরবর্তীতে ১৯৮৫ সালে এটি স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয় হিসেবে পুনর্গঠিত হয় এবং ২০১৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি বিভাগ হিসেবে পুনর্গঠিত ও একীভূত হয়। একইভাবে ১৯৯৩ সালের ১৪ আগস্ট বাংলাদেশে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় গঠিত হলেও পরবর্তী সময়ে ২০০২ সালে এর নাম পরিবর্তন করে "বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়" রাখা হয়ভ দবে ২০১১ সালের ৪ ডিসেম্বর ফের এর নাম পরিবর্তন করে বর্তমানের "বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়" রাখা হয়।  <span>২০০২-২০০৬ সাল পর্যন্ত বিজ্ঞান ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি দলের <span dir="auto">আব্দুল মঈন খান। একই সময়ে ডাক ও টেলিযোগযোগ মন্ত্রী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে আমৃত্যু বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকারী ব্যারিস্টার আমিনুল হক।  </span></span></p>
<p>এরপর থেকেই টেলিকম ও বিজ্ঞানে একজন পূর্ণ মন্ত্রী এবং আইসিটিতে একজন প্রতিমন্ত্রী মন্ত্রী দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। পূণর্গঠিত ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ে আওয়ামী লীগের শাসনামলের পূর্ণ সময়েই এখানে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রাজশাহী বিভাগেরই কণিষ্ঠ একজন সংসদ সদস্য জুনাইদ আহমেদ পলক। ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যা চালানোর মামলায় এখন তিনি কারাবন্দী। ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রইব্যুনালে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। এদিকে জুলাই অভ্যুত্থানের পর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি মন্ত্রণালয়টিতে ওই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া শিক্ষাপ্রতিনিধি এবং নতুন সরকারের সময়ে নির্বাচিত সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম উপদেষ্টা পদ ছাড়লে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রথান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারি হিসেবে মন্ত্রণালয়টির কার্য পরিচালনা করেন আরেকজন প্রকৌশলী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। আর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ছিলেন সাবেক গভর্নর ও অর্থনিতিবিদ ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/এমইউএম</strong></span></em> </p>
<p></p>
<p> </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>২০২৫ সালে মুনাফায় দৃঢ় অবস্থানে রবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/168116</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168116</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69974b096c3d4.jpg" length="31380" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 19 Feb 2026 15:40:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>২০২৫ সালে উল্লেখযোগ্য মুনাফা অর্জন করে দৃঢ় অবস্থান ধরে রেখেছে পুঁজিবাজারে তালিকভূক্ত মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটা। গত বছর চতুর্থ প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) রবির কর-পরবর্তী মুনাফা (পিএটি) দাঁড়িয়েছে ৩১১.৯ কোটি টাকা। পুরো বছরের মোট কর-পরবর্তী মুনাফা (পিএটি) হয়েছে ৯৩৭.১ কোটি টাকা। <o:p></o:p></p>
<p>১৯ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার চতুর্থ প্রান্তিকের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ করে অপারেটরটি জানিয়েছে,  ২০২৫ সালে রবির মোট রাজস্ব আয় দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৯৯২.২ কোটি টাকা, যা ২০২৪ সালের তুলনায় ০.৪% বেশি। ভয়েস কল থেকে আয় ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে ২.৯% কমেছে। তবে ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে ডাটা থেকে আয় বেড়েছে ৫.১%। <o:p></o:p></p>
<p>রবির পরিচালনা পর্ষদ ২০২৫ সালের জন্য ১৭.৫% নগদ লভ্যাংশ (প্রতি শেয়ার ১.৭৫ টাকা) সুপারিশ করেছে, যা মোট পিএটির ৯৭.৮%। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি পরিচালনা পর্ষদ সভায় এ সুপারিশ অনুমোদন হয়েছে। আগামী ২২ এপ্রিল রবির ৩০তম বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। <o:p></o:p></p>
<p>২০২৫ সালে রবির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১.৭৯ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় ৩৩.৩% বেশি। ২০২৫ সালে রবির মোট মূলধনী বিনিয়োগ ১,৩০৪.১ কোটি টাকা। ২০২৫ সাল শেষে সরকারি কোষাগারে রবি কর বাবদ মোট ৬,২০১.১ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে, যা কোম্পানির ওই বছরের মোট আয়ের ৬২%।<o:p></o:p></p>
<p>২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাস শেষে রবির সক্রিয় গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ কোটি ৭৪ লাখে। ডাটা গ্রাহক সংখ্যা ছিল ৪ কোটি ৪৫ লাখ এবং ফোর-জি গ্রাহক সংখ্যা ৩ কোটি ৯৯ লাখ। মোট সক্রিয় গ্রাহকের মধ্যে ৭৭.৫% ছিলেন ডাটা ব্যবহারকারী এবং ৬৯.৫% ছিলেন ফোর-জি ব্যবহারকারী। রবির ডাটা ও ফোর-জি ব্যবহারকারীর অনুপাত দেশের যে কোনো মোবাইল অপারেটরের মধ্যে সর্বোচ্চ।<o:p></o:p></p>
<p>ত্রৈমাসিক হিসাবে, ২০২৫ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে রবির মোট রাজস্ব বা আয় ছিল ২,৫৮৪.৯ কোটি টাকা, যা আগের প্রান্তিকের তুলনায় ২.৯% বেশি। তৃতীয় প্রান্তিকের তুলনায় চতুর্থ প্রান্তিকে ভয়েস রাজস্ব ০.৫% এবং ডাটা রাজস্ব ৪.৬% বৃদ্ধি পেয়েছে। চতুর্থ প্রান্তিকে রবির সুদ, কর, অবচয় ও অ্যামর্টাইজেশন পূর্ববর্তী আয় (ইবিআইটিডিএ) দাঁড়িয়েছে ১,২৯৪.৮ কোটি টাকা, যা আগের প্রান্তিকের তুলনায় ০.১% বেশি। <o:p></o:p></p>
<p>চতুর্থ প্রান্তিকে ইবিআইটিডিএ মার্জিন ছিল ৫০.১%; আগের প্রান্তিকের তুলনায় এটি ১.৪ শতাংশীয় পয়েন্ট কমেছে। চতুর্থ প্রান্তিকে ইপিএস ০.৬ টাকা। এ প্রান্তিকে রবির মূলধনী বিনিয়োগ ৬৮৬.২ কোটি টাকা। একই সময়ে সরকারি কোষাগারে প্রদান করেছে ১,৫৯৬.৯ কোটি টাকা, যা ওই প্রান্তিকে কোম্পানির মোট আয়ের ৬২%।<span style="font-size: 11.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Nunito Light';"><o:p></o:p></span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/টিআরএস/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্বচ্ছতা  ও জবাবদিহিতা হবে আইসিটি খাতের মূল মন্ত্র</title>
<link>https://digibanglatech.news/167931</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167931</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69957d5eef305.jpg" length="96018" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 18 Feb 2026 13:50:58 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>স্বচ্ছতা  ও জবাবদিহিতা আইসিটি খাতের মূল মন্ত্র হবে বলে ঘোষণা করলেন  ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।</p>
<p>১৮ ফেব্রুয়ারি, বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটির বিভাগের সভাকক্ষে আইসিটি বিভাগ প্রদত্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে  এ কথা বলেন।</p>
<p> মন্ত্রী তার বক্তব্যে আইসিটি খাতে স্বচ্ছতা (Transparency) ও জবাবদিহিতা (Accountability) নিশ্চিত করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, সরকার যে নীতিমালা নির্ধারণ করবে, তা বাস্তবায়নে কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতা অপরিহার্য।</p>
<p>ফকির মাহবুব আনাম জানান, আইসিটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় খাত। দেশের প্রতিটি উপজেলা পর্যায়ে আইসিটি সেবা সম্প্রসারণ এবং সাধারণ মানুষের জন্য প্রযুক্তির সুবিধা সহজলভ্য করা সরকারের অগ্রাধিকার। তিনি কর্মকর্তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং বলেন, “চলুন আমরা একসাথে কাজ করি।”<br>মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, নতুন সরকার কাজের মাধ্যমেই জনগণের আস্থা অর্জন করতে চায়। প্রধানমন্ত্রী কাজকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন—এ কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দৃশ্যমান অগ্রগতি ও কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমেই জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করা হবে।</p>
<p>মন্ত্রী কর্মকর্তাদের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, একটি নতুন ভিশন ও নীতির আলোকে স্বচ্ছ ও গতিশীল পরিবেশে আইসিটি খাতকে এগিয়ে নেওয়াই হবে তাঁর মূল লক্ষ্য।</p>
<p>আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে নবনিযুক্ত মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম-কে স্বাগত জানিয়ে বলেন, আইসিটি বিভাগ দেশের ডিজিটাল রূপান্তরের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে। বিভাগটি আইসিটি আইন ও নীতি প্রণয়ন, ডাটা সেন্টার ও হাইটেক পার্ক স্থাপন, ৪৫০টির বেশি ডিজিটাল সেবা প্রদান, স্টার্টআপ ও ইনোভেশন সহায়তা, সাইবার নিরাপত্তা জোরদার এবং দক্ষ জনবল তৈরিতে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। তিনি মন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে সরকারের নীতিমালা বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে আইসিটি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমজেডআই/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মন্ত্রীকে সচিবদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ</title>
<link>https://digibanglatech.news/167889</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167889</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_6994f40a46fca.jpg" length="93735" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 17 Feb 2026 23:33:02 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নবনিযুক্ত ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী <span>ফকির মাহবুব আনাম স্বপনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব। </span></p>
<p><span>১৭ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার রাতে মন্ত্রীর বারিধারর বাসভবনে গিয়ে ফুলের তোড়া দিয়ে অভিবাদন জানন ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব আব্দুন নাসের এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী। </span></p>
<p><span>সূতমতে, ১৮ ফেব্রুয়ারি, বুধবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সচিবালয়ে প্রথম বৈঠকে মিলিত হবেন মন্ত্রী ফকির মাহবুব। </span></p>
<p><span>এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসন থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে স্বপন ফকির ১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৩২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এরপর মঙ্গলবার সকালে প্রথমে সংসদ সদস্য এবং বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। </span>প্রথমবার সংসদ সদস্য হয়েই স্থান পেলেন তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপির মন্ত্রিসভায়।</p>
<p><span>প্রসঙ্গত, কখনো নিজ দলের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর কারণে, কখনো বৈরী রাজনৈতিক পরিবেশের কারণে নির্বাচনে হেরে গেছেন। আবার কখনো দলের মনোনয়ন পাননি। কিন্তু হাল ছাড়েননি ফকির মাহবুব আনাম (স্বপন)। ২৫ বছর ধরে মধুপুরের উন্নয়নে নিয়োজিত এই ব্যবসায়ী রাজনীতিক। অবশেষে এবার এলাকায় দলের খরা কাটিয়ে ৪৫ বছর পর দলকে বিজয় এনে দেন </span>টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার সন্তান ফকির মাহবুব আনাম। তার চাচা আফাজ উদ্দিন ফকির টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। আরেক চাচা প্রখ্যাত গীতিকার লোকমান হোসেন ফকির।</p>
<div id="9202d3ea-d1d1-4d91-bfc5-561fca9435a3">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী পেশায় ব্যবসায়ী ফকির মাহবুব আনামের মোট সম্পদের পরিমাণ ৩ কোটি ৯২ লাখ ৬৫ টাকা। তিনি বার্ষিক আয় দেখিছেন ২২ লাখ ৭৭ হাজার টাকা। তাঁর স্ত্রী রেশমা আনামের সম্পদের পরিমাণ ২ কোটি ৫৮ লাখ ৮ হাজার টাকা। তাঁর বার্ষিক আয় ১৩ লাখ ১১ হাজার ২৫০ টাকা। দুই সন্তানের সম্পদ রয়েছে যথাক্রমে ৭৯ লাখ ৮১ হাজার ও ৬৮ লাখ ২৮ টাকার সমপরিমাণ।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div>
<div class="print-adslot adsBox _4Pk8L _0Zwdj">
<div data-lang="বিজ্ঞাপন" class="dfp-ad-unit print-none Tlph-">
<div class="adunitContainer">
<div class=" adBox" id="News_InArticle_300x250-c823f9f2-4de3-4ad8-b920-609cafab33cd-0-0" data-google-query-id="COiq8YzS4ZIDFWraoAIdOgsBiQ"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিজিবাংলাটেক/এমজেডইউ/আইএইচ </strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডাক, টেলিযোগযোগ ও আইসিটি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহাবুব আনাম স্বপন</title>
<link>https://digibanglatech.news/167826</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167826</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_699442fb78b07.jpg" length="41117" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 17 Feb 2026 16:20:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div dir="auto"><span>টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে দীর্ঘ ৪৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে গত ১২ ফেব্রুয়ারি জয়ের মুখ দেখেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফকির মাহবুব আনাম স্বপন নির্বাচিত হওয়ায় দীর্ঘদিনের হারানো আসনটি ফিরে পায় দলটি। </span></div>
<div dir="auto"><span></span></div>
<div dir="auto"><span>এই আসন ফিরে পেয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার, সকালো জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন তিনি। এর পর বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ বাক্য পাঠ করেন। সূত্রমতে, এরপর থেকেই ডাক, টেলিযোগযোগ ও আইসিটি</span> মন্ত্রী হচ্ছেন ফকির মাহাবুব আনাম স্বপন। একইসঙ্গে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও তার ওপরে ন্যস্ত করা হয়েছে।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">নব নির্বাচিত মন্ত্রী ফকির মাহাবুব আনাম স্বপন রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। তার বাবা মকবুল হোসেন ফকির। মায়ের নাম মরিয়ম বানু।  হলফনামা অনুযায়ী, তিনি একজন রাজনীতিক। </div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ পাঠ করান মহম্মদ সাহাবুদ্দিন। এসময় নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।  </div>
<div dir="auto">
<p>প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে তিনি ধানের শীষ প্রতীকে স্বপন ফকির ১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৩২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন এবং এবারই প্রথম জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসায়ী। </p>
</div>
<div dir="auto"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএইচ/ইকে</strong></span></em></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গ্রামীণফোন–মাস্টারকার্ড যৌথ অংশীদারিত্ব চুক্তি সই</title>
<link>https://digibanglatech.news/167719</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167719</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69930edbd9ff5.jpg" length="100263" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 16 Feb 2026 15:34:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশজুড়ে গ্রাহকদের জীবনধারা আরও সমৃদ্ধ করা এবং ডিজিটাল সম্পৃক্ততা জোরদার করতে বৈশ্বিক ডিজিটাল পেমেন্ট ও আর্থিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাস্টারকার্ড-এর সঙ্গে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি করেছে দেশের শীর্ষ টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। </p>
<p>এই সহযোগিতার মাধ্যমে গ্রামীণফোনের বিস্তৃত ডিজিটাল ইকোসিস্টেম এবং মাস্টারকার্ডের বৈশ্বিক পেমেন্ট দক্ষতা ও লাইফস্টাইলভিত্তিক উদ্ভাবনের সমন্বয়ের পাশাপাশি সম্ভাব্য কো-ব্র্যান্ডেড উদ্যোগ নেয়া হবে। এর মাধ্যমে গ্রামীণফোন গ্রাহকদের জন্য বিশেষ সুবিধাসম্পন্ন সেবা চালু করবে অপারেটরটি।</p>
<p>গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান, চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান এবং মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল ও ডিরেক্টর জাকিয়া সুলতানার উপস্থিতিতে এই চুক্তিটি সম্পাদিত হয় বলে ১৬ ফেব্রুয়ারি গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে জানোনো হয়েছে।</p>
<p>চুক্তি বিষয়ে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান বলেন, ডিজিটাল-সচেতন তরুণদের জন্য সংযোগ সেবার পাশাপাশি অর্থবহ উপযোগিতা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি নিরন্তর কাজ করছে। মাস্টারকার্ডের সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব সংযোগ, পেমেন্ট ও জীবনধারাভিত্তিক সুবিধার সমন্বয়ে উদ্ভাবনী সেবা চালুর সুযোগ তৈরি করবে, যা গ্রাহকদের জন্য আরও স্মার্ট ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবে।</p>
<p>মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল বলেন, বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতি দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের ডিজিটাল রূপান্তরে অগ্রণী ভূমিকা রাখা গ্রামীণফোনের সঙ্গে অংশীদারিত্ব তাদের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। উদ্ভাবন, নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা এবং লাইফস্টাইলভিত্তিক সুবিধার মাধ্যমে তরুণ গ্রাহকদের ক্ষমতায়নই এই অংশীদারিত্বের মূল লক্ষ্য।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিএসআর/ইএইচ</strong></span></em></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পরিবারের কাছে ফিরলেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব</title>
<link>https://digibanglatech.news/167506</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167506</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_69747fd488790.jpg" length="65073" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 14 Feb 2026 20:03:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে দেড় বছরের মতো সময় দিয়ে এবার পরিবারের কাছে ফিরছেন <span>ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। দায়িত্ব হস্তান্তর ও বিদায় অনুষ্ঠান শেষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে ১৪ ফেব্রুয়ারি, শনিবার তিনি বাংলাদেশ ছেড়ে নেদারল্যান্ডে পরিবারের কাছে উড়াল দিয়েছেন। </span></p>
<p><span>বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, সকাল ১০টায় ছেড়ে যাওয়া ইমিরেটস এয়ারলাইন্স–এর ফ্লাইট (ইকে ৫৮৩) যোগে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।</span></p>
<p><span>হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে </span>দেশ ছেড়েছেন কি না সেটা স্পষ্ট না করলেও ফয়েজ আহমেদ বলেন, আমি অল্প সময়ে জীবনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, এটুকু বলতে পারি। একটা শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত মন্ত্রণালয়ে নতুন ব্যবস্থাপনা, নতুন প্রযুক্তি ও স্বচ্ছতা এনেছি। সবগুলা পুরানা আইন ও পলিসি পরিবর্তন করতে পাগলের মতো খেটেছি। এগুলা ৫ বছরের কাজ।’</p>
<p>তিনি বলেন, ‘আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলতে পারি আমি ১ টাকাও দুর্নীতি করিনি। আমি বাই ভার্চু সৎ লোক। টাকা মারসি এটা নিতে পারি না ভাই। মোবাইল ব্যবসায়ীরা, টেলিকম মাফিয়ারা আমার বিরুদ্ধে কুৎসা করেছে। আমি তাদের কাছে মাথা নত করিনি। দ্রুত একটা চাকরি খুঁজবো। আমার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাবো।’</p>
<p>ফয়েজ আরও বলেন, ‘আমার স্ত্রী-সন্তানকে ডিপ্রাইভ করে, নিরাপদ জীবন ফেলে দেশে এসেছি, কিছু মানুষ আমাকে যে যেভাবে পেরেছে অপমান, অপদস্ত করতে কাজ করেছে। মাঝে মাঝে মনে হয় এই দেশের উল্লেখযোগ্য মানুষ সৎ লোক এবং নলেজ ড্রিভেন লিডারশিপ ডিজার্ভ করে না। এই কষ্ট আমাকে তীব্রভাবে আঘাত করেছে। আমি সাধারণ মানুষ, সাধারণ পানাহার করি, সাধারণ চলাফেরা করি। নিজের কাছে সৎ ও স্বচ্ছ আছি। দোয়া করবেন।’</p>
<p>জানাগেছে, এর আগে লাল পাসপোর্ট জমা দেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। গত ৯ ও ১০ ফেব্রুয়ারি আইসিটি বিভাগ ও টেলিকম বিভাগের পক্ষ থেকে তাকে আনুষ্ঠানিক বিদায় দেয়া হয়। ১২ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকে ভোটের দিন আনুষ্ঠানিক বিদায় নেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।</p>
<p>প্রসঙ্গত, ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব ২০২৫ সালের ৫ মার্চ প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী নিযুক্ত করা হয়।  তারও আগে বুয়েট স্নাতক ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব ২০২৪ সালের নভেম্বরে আইসিটি পলিসি অ্যাডভাইজার হিসেবে নিয়োগ পান।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএম/আইএ</strong></span></em></p>
<div class="block block-layout-builder block-field-blocknodenewsbody">
<p></p>
</div>
<div class="mb-5 hide-for-print  flex justify-center ">
<div id="js-dfp-tag-bn_five_banner" data-google-query-id="CO7Is8-s2ZIDFVWCZgIdumgwmw"></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১ মার্চ বাজারে আসছে বিটিসিএল এমভিএনও</title>
<link>https://digibanglatech.news/167504</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167504</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_692c7b0359977.jpg" length="72367" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 14 Feb 2026 17:50:42 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পরীক্ষামূলক ব্যবহারের পর আগামী ১ মার্চ থেকে বাজারে উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে <span>রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) পরিচালিত এমভিএনও (মোবাইল ভার্চ্যুয়াল নেটওয়ার্ক অপারেটর) সিম। </span></p>
<p>১৪ ফেব্রুয়ারি, শনিবার এমনটাই জানিয়েছেন বিটিসিএল এর জনসংযোগ কর্মকর্তা রওনক তাহমিনা। তিনি জানান, গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিটিসিএল-এর MVNO সিমের ভয়েস কল, ডাটা কল, আলাপ-টু-মোবাইল, আলাপ-টু-আলাপ এবং GPON ইন্টিগ্রেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ সেবা সমূহের প্রভিশনিং সংক্রান্ত কল টেস্ট সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তবে কোন কোন গণমাধ্যমে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে উক্ত সিম বাজারে উন্মুক্তকরণের বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলেও, অনিবার্য কারণবশত এমভিএনও সেবা পাইলটিং এর নিমিত্ত বাজারজাতকরণের চূড়ান্ত তারিখ ১ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছে। </p>
<p>এর আগে <span>কারিগরি সকল পরীক্ষা শেষে এই সিমের কার্যকারিতা দেখতে ৩ ফেব্রুয়ারি বিটিসিএল-এর গুলিস্তান ও রমনা কার্যালয়ে গিয়ে এর কার্যক্রম পরিদর্শন করেন অন্তবর্তী সরকারের সদস্য  বিদয়ী ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। সেদিন তিনি জানিয়েছিলেন, </span>সিমটির মাধ্যমে ভয়েস কল, ডাটা সংযোগ, 'আলাপ' টু মোবাইল এবং জিপন (GPON) ইন্টিগ্রেশন—এই চারটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপের 'লাইভ টেস্ট' সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এটি কোনো কাগুজে ঘোষণা নয়, বরং বাস্তব অ্যাক্টিভেশনের মাধ্যমে এর সক্ষমতা যাচাই করা হয়েছে। পরবর্তীতে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে লাইভ টেস্ট শুরুর কথাও জানিয়েছিলেন তিনি।</p>
<p>বাণিজ্যিক পরিচালনার বিষয়ে <span>মাসিক মাত্র ৫০০ টাকা কিস্তিতে সাশ্রয়ী স্মার্টফোন প্রদানের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলো বিটিসিএল। </span></p>
<p><span><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএইচ/ডিএইই</strong></span></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বনশ্রী আইডিয়ালে ভোট দেবেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব</title>
<link>https://digibanglatech.news/167213</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167213</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_684986c86b2f8.jpg" length="51493" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 12 Feb 2026 00:44:44 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দীর্ঘ প্রতীক্ষা আর সংস্কার চেষ্টার মধ্যদিয়ে আজ বৃহস্পতিবার দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। এদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ২৯৯টি সংসদীয় আসনে বিরতিহীনভাবে চলবে এই ভোটগ্রহণ।</p>
<p>এ দিন সকালে রাজধানীর রামপুরার বনশ্রী আইডিয়াল স্কুল অ্যন্ড কলেজে ভোট দেবেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি বিষয়ক বিশেষ সহকারি ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।</p>
<p>২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশে এটিই প্রথম সাধারণ নির্বাচন, যেখানে ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে নতুন সরকার বেছে নেবেন দেশের ১২ কোটিরও বেশি ভোটার। তবে এবারের ভোট শুধু সংসদ সদস্য নির্বাচনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; সংবিধান সংস্কার ও নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থার বৈধতা দিতে একই দিনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঐতিহাসিক জাতীয় গণভোট। </p>
<p>এই গণভোটে প্রাধান্য পাচ্ছে সরকারের ইচ্ছে স্বাধীন মতো ইন্টারনেট বন্ধ না করার মতো অধিকার নিশ্চিত করার রায়। ইতিমধ্যেই যদিও আইন সংশোধন করে নতুন টেলিযোগাযোগ নীতিমালা ও আইন পাশ করেছে ফয়েজ তৈয়বের নেতৃত্বাধীন পরামর্শক টিম।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এনএ/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নজরদারি প্রযুক্তি পর্যালোচনা বিষয়ক প্রতিবেদন হস্তান্তর</title>
<link>https://digibanglatech.news/167193</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167193</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_698cba24c1b02.jpg" length="106170" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 11 Feb 2026 20:21:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>তথ্যভিত্তিক, তুলনামূলক ও নীতিনির্ভর বিশ্লেষণের মাধ্যমে বর্তমানে প্রচলিত অসম্পূর্ণ ও স্বচ্ছতাহীন কাঠামো থেকে বেরিয়ে দেশে ব্যবহৃত  নজরদারি প্রযুক্তির নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে নজরদারি প্রযুক্তির সংগ্রহ ও ব্যবহার পর্যালোচনা কমিটি।  এনটিএমসি বিলুপ্তি এবং টেলিযোগাযোগ আইন ২০০১ এর ৯৭, ৯৭ক, ৯৭খ, ৯৭গ সংস্কারের বিস্তারিত রোডম্যাপ রয়েছে এই প্রতিবেদনে।</p>
<p> ১১ ফেব্রুয়ারি,  বুধবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা নিশ্চিত করছেন তার উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার। প্রতিবেদনটি জমাদেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি বিষয়ক বিশেষ সহকারি ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।</p>
<p>প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে তিনি জানান, বাংলাদেশের কিছু গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ, গুম ও বেআইনি আটক সংক্রান্ত ঘটনা এবং নজরদারির মাধ্যমে অপরাধ দমন ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে রাষ্ট্রীয় সাফল্য- এই দুই বাস্তবতার সম্মিলিত প্রেক্ষাপটে এই প্রতিবেদন প্রণীত হয়েছে। বিদ্যমান আইন, নীতি, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার আলোকে নজরদারি ব্যবস্থার কাঠামোগত ঝুঁকি, শাসনগত ঘাটতি এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারের ক্ষেত্রসমূহ চিহ্নিত করাই ছিল এর মূল লক্ষ্য। </p>
<p>জানাগেছে, অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক গঠিত উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটির জমা দেওয়া এ প্রতিবেদনে রাষ্ট্রের নজরদারি সক্ষমতা এবং এর সীমাবদ্ধতাসমূহের আইনি এবং কারিগরি দিকসমূহের পর্যালোচনা করা হয়। এছাড়াও এতে জাতীয় নিরাপত্তা, জরুরি প্রাণরক্ষা, জননিরাপত্তা ও বিচারিক প্রয়োজনের পাশাপাশি নাগরিকের গোপনীয়তার সাংবিধানিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে ৮টি মানদণ্ডের সাপেক্ষে ৮টি সুপারিশ প্রস্তাব করা হয়।</p>
<p> এতে ‘দ্বিস্তরীয় স্বচ্ছতা ও গোপনীয়তা (টু-লেয়ার ট্রান্সপারেন্সি মডেল)’ কাঠামো সম্বলিত আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থার প্রস্তাব করা হয়েছে। যা একটি বৈশ্বিক মানসম্পন্ন রাষ্ট্রীয় সক্ষমতার অনুষঙ্গ হিসেবে কাজ করবে। আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের (আইটিইউ) দিকনির্দেশনা, অন্যান্য দেশের অভিজ্ঞতা ও চর্চা, মানবাধিকার মানদণ্ড এবং বাংলাদেশের বাস্তব প্রশাসনিক সক্ষমতা- এই সবকিছুর আলোকে একটি বাস্তবসম্মত সংস্কারপথ উপস্থাপন করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।  </p>
<p>এই কমিটির প্রস্তাবনার মধ্যে ছিল এনটিএমসি বিলুপ্তি এবং টেলিযোগাযোগ আইন ২০০১ এর ৯৭, ৯৭ক, ৯৭খ, ৯৭গ সংস্কারের বিস্তারিত রোডম্যাপ। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এরই মধ্যে এ বিষয়ে টেলিযোগাযোগ আইনের সংশোধিত ভার্সন গেজেটভুক্ত করেছে। এছাড়াও এই কমিটি অধিকতর রাষ্ট্রীয় তদন্ত ও অনুসন্ধানের প্রস্তাব করেছে। </p>
<p>এই প্রতিবেদন প্রণয়নের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকারকে পরস্পরবিরোধী নয়, বরং পরস্পরসম্পূরক হিসেবে দেখার একটি নীতিগত কাঠামো নির্মাণের প্রয়াস নেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এসএইচ/আইএইচ</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলালিংকের প্রিপেইড অফার ‘ফ্যামিলি প্যাক’ চালু</title>
<link>https://digibanglatech.news/167168</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167168</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_698c9f4ab8ce8.jpg" length="112593" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 11 Feb 2026 14:25:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="m_1154985231585483152MsoNoSpacing"><span>নতুন প্রিপেইড অফার ‘ফ্যামিলি প্যাক’ চালু করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল টেলিকম অপারেটর বাংলালিংক। এ মোবাইল প্ল্যানের বিশেষত্ব হচ্ছে একটি প্যাক কেনার মাধ্যমে পরিবারের সবাই কানেক্টেড থাকতে পারবেন।<u></u><u></u></span></p>
<p><span>শুধুমাত্র মাইবিএল অ্যাপের মাধ্যমেই ‘ফ্যামিলি প্যাক’ কিনতে পারবেন গ্রাহকেরা। এ প্যাকের মাধ্যমে প্রিপেইড গ্রাহকেরা একটি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সর্বোচ্চ পাঁচজন পরিবারের সদস্যের সাথে প্যাকের অন্তর্ভুক্ত ইন্টারনেট ডেটা ও ভয়েস মিনিট শেয়ার করতে পারবেন।</span><span><u></u><u></u></span></p>
<p><span>১,১৯৮ টাকা মূল্যের এ ফ্যামিলি প্যাকে রয়েছে ৩০ দিনের মেয়াদে ৬০ জিবি ডেটা ও ৬০০ মিনিট। এ বান্ডলের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যরা একটি প্ল্যানের আওতায় কানেক্টেড থাকতে পারবেন। পরিবারের সবার জন্য আলাদা করে ইন্টারনেট ও মিনিট প্যাক কিনতে হবে না। প্রাইমারি অ্যাকাউন্ট হোল্ডার সহজেই পরিবারের কোন সদস্যকে যুক্ত করতে কিংবা বাদ দিতে পারবেন। একইসাথে, কোন ব্যবহারকারী কতটুকু ডেটা ও মিনিট ব্যবহার করতে পারবেন, সেটা নির্ধারণ করে দিতে পারবেন এবং ডেটা ও মিনিট ব্যবহার মনিটর করতে পারবেন—সব কিছুই করা যাবে মাইবিএল অ্যাপের মাধ্যমে।<u></u><u></u></span></p>
<p><span>একাধিক রিচার্জের প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে এবং রিয়েল-টাইম ডেটা ও মিনিট ব্যবহার মনিটর করার সুবিধার ফলে মোবাইল প্ল্যান ব্যবস্থাপনাকে আরও সহজ করবে এ প্ল্যান। কানেক্টিভিটি সুবিধার পাশাপাশি, ফ্যামিলি প্যাকের প্রাইমারি অ্যাকাউন্ট হোল্ডার বিনা খরচে টফি ভিআইপি সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।<u></u><u></u></span></p>
<p><span>নতুন এ প্যাক সম্পর্কে বাংলালিংকের চিফ মার্কেটিং অফিসার কাজী মাহবুব হাসান বলেন, “বর্তমানে পরিবারের সবার জন্য এমন কানেক্টিভিটি সুবিধা প্রয়োজন, যা দৈনন্দিন জীবনের সাথে স্বাভাবিকভাবে মানিয়েই যায়। একইসাথে, এ সুবিধা হতে হবে সাশ্রয়ী ও সহজে ব্যবস্থাপনাযোগ্য। বাংলালিংক ফ্যামিলি প্যাকের মাধ্যমে আমরা সবাইকে একটি প্ল্যানের আওতায় নিয়ে আসা এবং একাধিক প্যাক ব্যবস্থাপনার ঝামেলা দূর করার ওপরে গুরুত্ব দিয়েছি। আমাদের ‘ফ্যামিলি প্যাক’ -এর মাধ্যমে পরিবারের সদস্যরা নির্বিঘ্নে কানেক্টেড থাকতে পারবেন এবং ডেটা ও মিনিট ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন, যা সবার জন্য যোগাযোগে নতুন মাত্রা যুক্ত করবে।”</span><span>         </span><span> </span><span>              </span></p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/বিজ্ঞপ্তি/এসএস</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টেলিযোগাযোগ আইনে ইন্টারনেট বন্ধ নিষিদ্ধ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার</title>
<link>https://digibanglatech.news/167146</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167146</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_698c680ad8486.jpg" length="65854" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 11 Feb 2026 13:31:58 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ইন্টারনেট বন্ধ নিষিদ্ধ করা এবং নজরদারি কাঠামো ও টেলিকম খাতে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সহ উল্লেখযোগ্য সংস্কার এনে  শেষ মুহূর্তে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ আইন পাশ করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ইতিমধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এ আইনের বিস্তারিত বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশও  দেয়া হয়েছে।</p>
<p>১১ ফেব্রুয়ারি, বুধবার বেলা এগারোটায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট এ তথ্য নিশ্চিত করেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারীর ফাইজ আহমদ তৈয়ব।</p>
<p>পোস্টে তিনি সরকারের এমন সংশোধনকে ‘কেবল একটি আইনি পরিবর্তন নয়; বরং এটি রাষ্ট্র ও নাগরিকের সম্পর্ককে নতুন ভিত্তিতে দাঁড় করানোর সাহসী পদক্ষেপ’ বলে দাবি করেন।</p>
<p>তার ভাষায়, শুধুমাত্র জাতীয় অর্থনীতির কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ‘once-in-a-time’ লাইসেন্সের ক্ষেত্রে—স্বাধীন ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া যৌথ গবেষণার ভিত্তিতে মন্ত্রণালয়ের পর্যালোচনার শর্ত রাখা হয়েছে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><strong>নতুন আইনের উল্লেখযোগ্য দিক</strong></span><br><strong>বিনিয়োগবান্ধব কাঠামো:</strong> দেশি-বিদেশি বিনিয়োগনির্ভর এই খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনতে সকল জরিমানা এক-তৃতীয়াংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। ফলে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাত বিনিয়োগকারীদের ডিউ-ডিলিজেন্স ও ফিজিবিলিটি মূল্যায়নে আর নেতিবাচক সংকেত দেবে না।</p>
<p><strong>স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ:</strong> মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসি’র কার্যক্রম পর্যালোচনার জন্য একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কোয়াসি-জুডিশিয়াল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ পোস্ট-ফ্যাক্টো রিভিউ করবে।</p>
<p>সংসদীয় জবাবদিহি: নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সংসদীয় কমিটির নিকট নিয়মিত প্রতিবেদন দাখিলের বাধ্যবাধকতা যুক্ত করা হয়েছে।</p>
<p><strong>ইন্টারনেট বন্ধ নিষিদ্ধ:</strong> এই আইনের সবচেয়ে ঐতিহাসিক দিক- বাংলাদেশে ইন্টারনেট বন্ধ করার ক্ষমতা আইনি কাঠামো থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। নাগরিক সংযোগ, তথ্যপ্রবাহ ও ডিজিটাল অর্থনীতির ধারাবাহিকতা এখন আইনি সুরক্ষা পেয়েছে।</p>
<p><strong>আন্তর্জাতিক মানের আইনসম্মত নজরদারি ব্যবস্থা: </strong>পূর্ববর্তী অস্বচ্ছ ও নিকৃষ্ট নজরদারি কাঠামোর পরিবর্তে (Article 97 সংশোধন) আন্তর্জাতিক মানদণ্ডসম্মত lawful interception ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছে। নজরদারিকে ‘জরুরি’ ও ‘অ-জরুরি’- এই দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। প্রি-অ্যাপ্রুভাল ও পোস্ট-ফ্যাক্টো রিভিউ, কেস-বাই-কেস স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর, সময়সীমা নির্ধারণ, ইভেন্ট লগিং, অ্যাক্সেস কন্ট্রোল- এই সবকিছু স্পষ্টভাবে কাঠামোবদ্ধ করা হয়েছে।</p>
<p>এ নিয়ে ফেসবুক পোস্টে ফাইজ আহমদ তৈয়ব বলেন, যে দেশে একসময় টেলিকম আইনের নিবর্তনমূলক ধারার অপব্যবহার করে বেআইনি নজরদারি চালানো হয়েছে, ইন্টারনেট বন্ধ করে নাগরিকদের কণ্ঠরোধ করা হয়েছে, এবং যার পরিণতিতে অসংখ্য গুম ও প্রাণহানির অভিযোগ উঠেছে—সেই দেশে টেলিযোগাযোগ আইনের এমন মানবিক, দায়িত্বশীল ও ন্যায়ভিত্তিক সংশোধন নিঃসন্দেহে এক ঐতিহাসিক ঘটনা।</p>
<p>তিনি বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই মৌলিক সংস্কার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অর্জন হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নেবে। এটি শুধু একটি আইনি পরিবর্তন নয়- এটি রাষ্ট্র ও নাগরিকের সম্পর্ক পুনর্গঠনের একটি সাহসী পদক্ষেপ। এই মৌলিক সংস্কার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্যতম বড় অর্জন হিসেবে ইতিহাসে স্থান পাবে।</p>
<p>সবশেষে তিনি আইনের এমন সংশোধনের জন্য অন্তর্বতীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড মুহাম্মদ ইউনূস, দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর টপ ম্যানেজমেন্টসহ যারা এতে সহযোগিতা করেছেন তাদের সবাইকে অভিনন্দন জানান।<br><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এসএইচ/আইএইচ</strong></em></span> </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মন্ত্রণালয়ের ওপর ছাড়া হলো গ্রামীণফোনের ১১টি চুক্তি নবায়নের ভার  </title>
<link>https://digibanglatech.news/167076</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167076</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_698b77da227a3.jpg" length="50850" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 10 Feb 2026 20:24:54 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>৪০ হাজার ৫৮৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগের জন্য ১১টি চুক্তি নবায়নের বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অনুমোদন দেওয়ার সুযোগ দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ৩১৪ কোটি ৬৮ লাখ ৫৬ হাজার টাকার চিকিৎসা সরাঞ্জম ও ওষুধ কেনার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। </p>
<p>১০ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>কমিটির শেষ সভায় চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি ((পিইডিপি-৪)) প্রকল্পের আওতায় ৪০ হাজার ৫৮৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগের জন্য গ্রামীণফোন লিমিটেডের সঙ্গে সম্পাদিত ১১টি চুক্তি নবায়ন বা পুনঃনবায়ন সংক্রান্ত প্রস্তাবটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব ক্ষমতায় অনুমোদনের জন্য ছেড়ে দিয়েছে কমিটি।</p>
<p>এছাড়াও বৈঠকে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের প্রস্তাবে ডিপিএম পদ্ধতিতে ‘জিনএক্সপার্ট কার্টিজ’ ক্রয় ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের অনুমোদন দেওয়া হয়। এ প্রস্তাবের আওতায় ১৪ লাখ ৮২ হাজার সংখ্যক জিনএক্সপার্ট কার্টিজ সংগ্রহ করা হবে, যার মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২৩৭ কোটি ১২ লাখ টাকা। এ ক্ষেত্রে সুপারিশ করা দরদাতা হিসেবে জাতিসংঘের প্রকল্প সেবা দপ্তর (ইউএনওপিএস)-কে নির্বাচন করা হয়েছে।</p>
<p>অন্যদিকে যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ‘অ্যান্টি-টিবি ড্রাগ (4FDC)’ সংগ্রহ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব বৈঠকে উপস্থাপন করা হলে সেটিও অনুমোন করেছে ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। এ ক্ষেত্রে ৫ কোটি ৩৮ লাখ ৬৫ হাজার অ্যান্টি-টিবি ড্রাগ (4FDC) কিনতে ৭৭ কোটি ৫৬ লাখ ৫৬ হাজার টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রেনেটা পিএলসি থেকে এই অ্যান্টি-টিবি ড্রাগ কেনা হবে।</p>
<p>সভায় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা ছাড়াও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিএন/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গ্রাহকদের জন্য ফাইভজি রোমিং চালু করল গ্রামীণফোন </title>
<link>https://digibanglatech.news/167080</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167080</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_698b854f3294f.jpg" length="60668" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 10 Feb 2026 20:22:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নিজেদের গ্রাহকদের জন্য ফাইভজি রোমিং সেবা চালু করেছে টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। এর মাধ্যমে গ্রাহকরা বিদেশ ভ্রমণের সময়ও ফাইভজি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারবেন, যা দেবে আল্ট্রা-ফাস্ট গতির ইন্টারনেটের নিশ্চয়তা। এর ফলে স্ট্রিমিং হবে আরও নির্বিঘ্ন, ভিডিও কল হবে আরও স্বচ্ছ, ডাউনলোড হবে দ্রুততর এবং অনলাইনে কাজও হবে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময়, ঠিক যেন বাসায় ব্যবহারের মতো।</p>
<p>এখন থেকে ফাইভজি-উপযোগী স্মার্টফোন এবং গ্রামীণফোন সিম ব্যবহারকারী গ্রাহকরা বিদেশেও নির্বিঘ্নে সংযুক্ত থাকতে পারবেন। কোনো অতিরিক্ত খরচ এবং নতুন কোনো প্যাক কেনার প্রয়োজন ছাড়াই বিদ্যমান রোমিং প্যাকের আওতায় উচ্চগতির ফাইভজি সেবা উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকরা। বর্তমানে এই সেবাটি থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্কে চালু রয়েছে এবং ধাপে ধাপে তা অন্যান্য দেশে সম্প্রসারিত করা হবে।</p>
<p>গ্রামীণফোনের চিফ প্রোডাক্ট অফিসার সোলায়মান আলম বলেন, “ফাইভজি রোমিং সেবা চালুর পদক্ষেপটি গ্রাহকদের বিশ্বমানের অভিজ্ঞতা দিতে গ্রামীণফোনের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। ব্যবসা, শিক্ষা কিংবা ভ্রমণের উদ্দেশ্যে এখন আরও বেশি মানুষ বিদেশ ভ্রমণ করছেন। বিশ্বজুড়ে সেরা মানের নেটওয়ার্কের গতি, নির্ভরযোগ্যতা ও পারফরম্যান্সের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকতে সহায়তা করবে এই সেবা।”</p>
<p>এই উদ্যোগটি গ্রামীণফোনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। কারণ ফাইভজি রোমিং সেবা বিদেশে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি গতি, কম ল্যাটেন্সি এবং আরও নিরবচ্ছিন্ন ও নির্ভরযোগ্য মোবাইল অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে থাকে। প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং গ্রাহককেন্দ্রিক উদ্ভাবনে গ্রামীণফোনের নেতৃত্বকে আরও সুদৃঢ় করলো এই সেবা। বাংলাদেশী ভ্রমণকারীদের জন্য পরবর্তী প্রজন্মের রোমিং সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে, গ্রামীণফোন ডিজিটাল জীবনধারা, বৈশ্বিক সংযোগ এবং টেলিকম উৎকর্ষতায় নতুন মানদণ্ড স্থাপন করে চলেছে।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিজ্ঞপ্তি/এসএ</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৭০০ ব্যান্ডে কিস্তিতে ১০ মেগাহার্জ তরঙ্গ বরাদ্দ পাচ্ছে টেলিটক</title>
<link>https://digibanglatech.news/166977</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166977</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_698a936a9a235.jpg" length="55046" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 09 Feb 2026 23:13:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>একটি বেসরকারি মোবাইল অপারেটরের পর ৭০০ ব্যান্ডে ১০ মেগাহার্জ তরঙ্গ বরাদ্দ পাচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ব মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটক। সরকারের নির্বাহী আদেশে প্রতি মেগাহার্টজ ২৩৭ কোটি টাকা ভিত্তিমূল্যে কিস্তিতে এই ব্যান্ডউইথ পেতে যাচ্ছে অপারেটরটি। ফলে এখন ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে নিলামযোগ্য ২৫ মেগাহার্জের মধ্যে ৫ মেগাহার্জ অবশিষ্ট রইল। আর আইএসপি প্রতিষ্ঠান অলওয়েজ অন নেটওয়ার্ক এর সঙ্গে চলমান আইনি বিরোধের কারণে আটকে থাকলো বাকি ২০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ।</p>
<p>৯ ফেব্রুয়ারি, সোমবার এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। </p>
<p>দায়িত্বের প্রায় শেষ প্রান্তে এসে তিনি বলেছেন, আমার স্বল্প সময়ে টেলিটকের ফোরজি টাওয়ার ১১০০ বেড়েছে। আরও ১২০০ টাওয়ার বাড়ানোর কাজ চলছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে এটি শেষ হবে। এছাড়াও পুরোরো ১১০০ সাইটে ব্যাটারি ইন্সটল করা হয়েছে। যাতে বিদ্যুত চলে গেলে নেটওয়ার্ক চলে না যায়। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- টেলিটককে আমরা ৭০০ মেগাহার্জ ব্যান্ডে ১০ মেগাহার্জ তরঙ্গ দিচ্ছি। তবে এর ফি বাবদ কোম্পানিকে কিস্তিতে অর্থ পরিশোধ করা হবে। </p>
<p>সূত্রমতে, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ৮ ফেব্রুয়ারি বিটিআরসিকে চিঠি দিয়ে টেলিটকের জন্য তরঙ্গ বরাদ্দ নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেছে। বিষয়টি বাস্তবায়নে এরইমধ্যে বিটিআরসি তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।</p>
<p>এর আগে চলতি বছরর ২১ জানুয়ারি ৭০০ মেগাহার্জ ব্যান্ডের মোট ২৫ মেগাহার্টজ তরঙ্গ নিলাম করতে চেয়েছিল বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন। কিন্তু নিলামে রবি, বাংলালিংক ও টেলিটক অংশগ্রহণ না করায় গ্রামীণফোনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এককভাবে অপারটেরটিকে তরঙ্গ বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেয় বিটিআরসির স্পেকট্রাম ম্যানেজমেন্ট কমিটি। অপারেটরটিকে ১০ কিস্তিতে সর্বোচ্চ ১০ মেগাহার্জ তরঙ্গ বরাদ্দ দেয়া হয়। এতে টেলিটক এর ইনডোর নেটওয়ার্ক কাভারেজ শক্তিশালী হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। অপরদিকে পড়ে থাকা ব্যান্ডউইথ থেকে সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে যুক্ত হবে।  <br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/এএইচ</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১১ দলীয় ঐক্য: মোবাইল, ইন্টারনেট ও লাইভ কভারেজ নিয়ে ইসির নির্দেশনা স্পষ্ট করার আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/166975</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166975</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_698a887e1295e.jpg" length="84855" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 09 Feb 2026 21:23:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের নির্দেশনাকে ‘বিস্ময়কর’ ও ‘হুট করে নেওয়া সিদ্ধান্ত’ আখ্যা দিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রতি এমন সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য। জোট নেতারা বলেছেন, এ ধরনের আকস্মিক নির্দেশনা নির্বাচনি পরিবেশে অস্থিরতা ও উদ্বেগ তৈরি করে এবং ইসির বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ করে।</p>
<p>৯ ফেব্রুয়ারি, সোমবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এসব কথা জানান জোট নেতারা। এর আগে রোববার ইসি রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পাঠানো নির্দেশনায় জানানো হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহন নিষিদ্ধ থাকবে, তবে নির্দিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।</p>
<p>এই নির্দেশনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, রাজনৈতিক দল ও সাংবাদিক সংগঠনের তীব্র প্রতিক্রিয়ার মধ্যে ইসি সিদ্ধান্তটি প্রত্যাহার করেছে বলে জানান জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তিনি বলেন, জনগণ ও বিভিন্ন মহলের চাপের মুখেই ইসি পিছু হটেছে।</p>
<p>জুবায়ের ইসির নির্দেশনা আরও স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সাংবাদিকদের কাজের সুযোগ, ভোটকেন্দ্রের বাইরে লাইভ সম্প্রচার এবং ইন্টারনেট বন্ধ বা গতি কমানো নিয়ে যেন কোনো অস্পষ্টতা না থাকে। তিনি বলেন, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর রাখতে এসব বিষয়ে আগেভাগেই জাতির সামনে পরিষ্কার অবস্থান নেওয়া জরুরি।</p>
<p>জাতীয় নাগরিক পার্টির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, নির্বাচনের আগে মোবাইল ফোন বা ইন্টারনেট নিয়ে যেন আর কোনো ‘সারপ্রাইজড’ সিদ্ধান্ত না আসে। তিনি অভিযোগ করেন, প্রশাসনিক রদবদলে একটি দলকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে এবং কিছু পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা ভোটারদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন ও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন।</p>
<p>এ সময় তিনি আরও বলেন, বিএনসিসি সদস্যদের ভোটকেন্দ্রে মোতায়েনের বিষয়ে ইসির অবস্থান এখনো অস্পষ্ট। জোটের পক্ষ থেকে বিএনসিসি মোতায়েনের পক্ষে জোরালো দাবি জানানো হয়েছে, কারণ অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী এবারের নির্বাচনকে আরও সুশৃঙ্খল করতে সহায়ক হবে বলে তারা মনে করেন।</p>
<p>১১ দলীয় জোট নেতারা বলেন, নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। এ অবস্থায় নতুন ও হঠাৎ সিদ্ধান্ত না নিয়ে ইসিকে দায়িত্বশীল ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে, যাতে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য ও প্রশ্নমুক্ত হয়।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএইচ/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল বহনে বাধা যৌক্তিক নয়: বিওজেএপার্টনার আউটলেট</title>
<link>https://digibanglatech.news/166893</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166893</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69899cb597f59.jpg" length="32226" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 09 Feb 2026 13:37:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহনের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্তে উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ অনলাইন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন-বিওজেএ। </p>
<p>সংগঠনটি বলছে, এই সিদ্ধান্ত স্বাধীনভাবে তথ্য সংগ্রহের পথে অপ্রয়োজনীয় বাধা তৈরি করবে।<br>বিওজেএর সভাপতি জাহিদ ইকবাল ও সাধারণ সম্পাদক এম ইব্রাহিম সরকার এক যৌথ বিবৃতিতে জানান, বর্তমান সময়ে মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকতা অনেকটাই মোবাইলনির্ভর। তাৎক্ষণিক ছবি, ভিডিও ও তথ্য সংগ্রহ করে দ্রুত পাঠাতে মোবাইল ফোনই সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম।</p>
<p>তাদের ভাষ্য, ভোটকেন্দ্রে শৃঙ্খলা বজায় রাখার কথা বলা হলেও সাংবাদিকদের মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিলে বাস্তবে তথ্যপ্রবাহ ধীর হয়ে যাবে। এতে কোনো অনিয়ম বা সমস্যার ঘটনা দ্রুত যাচাই ও প্রকাশ করা কঠিন হবে।</p>
<p>বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সাংবাদিকরা নির্বাচন প্রক্রিয়ার অংশ নন, তারা পর্যবেক্ষক ও তথ্য সংগ্রাহক। তাই তাদের কাজের উপকরণ সীমিত করা স্বচ্ছতা বাড়ানোর বদলে উল্টো প্রশ্ন তৈরি করতে পারে।</p>
<p>বিওজেএ মনে করে, দায়িত্বশীলভাবে মোবাইল ব্যবহার নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের কাজ করার সুযোগ দিলে নির্বাচন আরও উন্মুক্ত, বিশ্বাসযোগ্য ও জবাবদিহিমূলক হবে।</p>
<p>সংগঠনটি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এসএম</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নির্বাচনের সময় সংস্কার কাজে টেলিযোগাযোগ ‘বিঘ্নিত’ করা যাবে না: ইসি</title>
<link>https://digibanglatech.news/166875</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166875</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_698974079b74b.jpg" length="91148" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 09 Feb 2026 10:54:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন সংস্কারকাজে টেলিযোগাযোগ বিঘ্নিত না করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।</p>
<p> সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, স্থানীয় সরকার বিভাগ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং বিদ্যুৎ বিভাগের সচিবকে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছেন ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহীদুল ইসলাম।</p>
<p>চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে টেলিযোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ ট্রান্সমিশন সংযোগ যেন বিচ্ছিন্ন না হয়, সে লক্ষ্যে নির্বাচনকালীন সময়ে হাইওয়ে/রাস্তার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সঙ্গে সমন্বয়পূর্বক সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএম/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিষিদ্ধ</title>
<link>https://digibanglatech.news/166874</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166874</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69896f802538b.jpg" length="76287" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 09 Feb 2026 00:25:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। (ইসি)।  </p>
<p>ইসির জ্যেষ্ঠ সহকারি সচিব মো. শহিদুল ইসলাম ৮ ফেব্রুয়ারি, রবিবার নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্দেশনা পাঠিয়েছেন। নির্দেশনাটি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>নির্দেশনায় বলা হয়, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে সাধারণ ভোটারদের জন্য মোবাইল ফোন বহন নিষিদ্ধ থাকবে। তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসার, ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা পুলিশ ইনচার্জ, দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার এবং ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী দুজন আনসার সদস্য মোবাইল ফোন রাখতে পারবেন।</p>
<p>তবে নির্বাচনে দায়িত্বরত গণমাধ্যমকর্মী, পর্যবেক্ষক বা অন্যদের মোবাইল ফোন ব্যবহারে স্পষ্ট কোনো বার্তা এতে দেয়া হয়নি। ফলে যোগাযোগের পাশাপাশি ফটো ও রেকর্ডিং কাজে সাংবাদকর্মীরা যেহেতু বর্মতান সময়ে মোবাইলফোন ব্যবহার করেন সেক্ষেত্রে তাদের দায়িত্বপালন বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে শঙ্কা রয়েছে।</p>
<p>এদিকে বিশৃঙ্খলা রোধে এবার যুক্ত হয়েছে ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ’। কেন্দ্রে কোনো ধরনের সহিংসতা বা গোলযোগ দেখা দিলে এই অ্যাপের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনকে বার্তা পাঠানো যাবে। এটি মূলত দ্রুত সাড়া দেওয়া এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।</p>
<p>সেইসঙ্গে এবারের নির্বাচনে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হচ্ছে। দেশের ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫ হাজার ৭০০ কেন্দ্রে পুলিশ সদস্যদের জন্য ‘বডি ওর্ন’ ক্যামেরা সরবরাহ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কেন্দ্রগুলোর পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা হবে।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএইচ/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নির্বাচনকালীন নির্বিঘ্ন যোগাযোগের জন্য বাংলালিংকের বিশেষ ভয়েস ও ডাটা প্যাক</title>
<link>https://digibanglatech.news/166807</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166807</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6939a0284d845.jpg" length="24136" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 08 Feb 2026 16:05:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="242" data-end="493">আসন্ন ১৩তম জাতীয় নির্বাচনের আগে গ্রাহকদের নির্বিঘ্ন যোগাযোগ নিশ্চিত করতে বিশেষ ভয়েস ও ডাটা প্যাক চালু করেছে বাংলালিংক। ৭২ ঘণ্টা, ৭ দিন ও ৩০ দিনের মেয়াদে সাশ্রয়ী মূল্যের ডাটা প্যাকের পাশাপাশি ডাটা ও ভয়েস মিলিত বান্ডেল প্যাকও রয়েছে।</p>
<p data-start="495" data-end="705">গ্রাহকরা ৩০ দিনের জন্য ৪৯৯ টাকায় ১৫ জিবি ডাটার সঙ্গে ২০০ মিনিট, অথবা ৬১৯ টাকায় ২০ জিবি ডাটার সঙ্গে ৩০০ মিনিট কথা বলার সুবিধা নিতে পারবেন। শুধুমাত্র কথা বলার জন্য ২৫৭ থেকে ৩৫৭ টাকার ভয়েস প্যাকও পাওয়া যাবে।</p>
<p data-start="707" data-end="1029">নির্বাচনকালীন চাপ সামলাতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ও রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় এলাকায় নেটওয়ার্ক সক্ষমতাও বাড়ানো হয়েছে। বাংলালিংকের চিফ তাইমুর রহমান বলেন, “দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সময়ে সংযুক্ত থাকা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি জরুরি। আমাদের লক্ষ্য- গ্রাহক যেন নির্বিঘ্নে তথ্য আদান-প্রদান ও যোগাযোগ করতে পারেন।”</p>
<p data-start="707" data-end="1029"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ইএসপি/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিটিসিএল এমভিএনও সিম এবং ট্রিপল প্লে সেবার  উদ্বোধন</title>
<link>https://digibanglatech.news/166796</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166796</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69887349682ce.jpg" length="97739" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 08 Feb 2026 15:28:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো মোবাইল ভার্চুয়াল নেটওয়ার্ক অপারেটর (এমভিএনও) এর মাধ্যমে আনলিমিটেড ট্রিপল প্লে সেবা চালু করা হয়েছে। </p>
<p>৮ ফেব্রুয়ারি, রবিবার, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) এর রমনা অফিসে এ সেবার পাইলট কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।</p>
<p>উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, বাংলাদেশের ডিজিটাল জীবনকে সহজ, সাশ্রয়ী ও সমন্বিত করার লক্ষ্যে আজ আমরা বিটিসিএল এমভিএনও সিম এবং ট্রিপল প্লে সেবার পাইলট উদ্বোধন করছি। এটি একটি কনভার্জড ডিজিটাল উদ্যোগ, যেখানে ভয়েস, ডেটা ও এন্টারটেইনমেন্ট এক প্ল্যাটফর্মে আনা হয়েছে।</p>
<p>বিশেষ সহকারী বলেন, বিটিসিএল দেশের অন্যতম প্রতিষ্ঠান, যার রয়েছে প্রায় সব ধরনের টেলিযোগাযোগ লাইসেন্স ও দেশব্যাপী ফাইবার নেটওয়ার্ক। এই সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে বিটিসিএলকে নতুনভাবে রিব্র্যান্ড করে একটি আধুনিক ডিজিটাল সার্ভিস প্ল্যাটফর্মে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব আরও বলেন,  এই ট্রিপল প্লে ধারণার মূল লক্ষ্য হলো—একটি সিম ও একটি সংযোগের মাধ্যমে ঘরে ও বাইরে নির্বিঘ্ন ডিজিটাল অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা। ব্যবহারকারী ঘরে থাকলে ওয়াইফাই এবং বাইরে থাকলে মোবাইল ডেটার মাধ্যমে একই সেবা ব্যবহার করতে পারবেন।</p>
<p>আমরা ইতোমধ্যে এমভিএনও সিম, ‘আলাপ’ অ্যাপ, ‘জীপন’ ব্রডব্যান্ড এবং ওটিটি কনটেন্টের সমন্বিত পাইলট সফলভাবে সম্পন্ন করেছি। এই পুরো সিস্টেমটি বিটিসিএলের নিজস্ব প্রকৌশলীরা উন্নয়ন করেছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।</p>
<p>এমভিএনও এবং ট্রিপল প্লে নিয়ে গ্রাহক জরিপের কথা উল্লেখ করে বিশেষ সহকারী বলেন, জরিপে প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ মোবাইল ও ব্রডব্যান্ডের যৌথ প্যাকেজকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেছেন। এটি বাজারে প্রতিযোগিতা তৈরি করবে, সেবার মান বাড়াবে এবং পাইরেসি কমাতে সহায়ক হবে।</p>
<p>ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, নির্বাচনের পরপরই রমনা ও গুলশান থেকে বাণিজ্যিকভাবে এই সেবা চালু করা হবে। ভবিষ্যতে ডিভাইস সংযুক্ত কোয়াড প্লে ও সারাদেশব্যাপী ফাইবার সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে।</p>
<p>এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা মানুষের ডিজিটাল জীবনকে আরও সহজ ও সিমলেস করতে চাই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।</p>
<p>উল্লেখ্য, এমভিএনও মডেলে নিজস্ব মোবাইল নেটওয়ার্ক অবকাঠামো ছাড়াই আনলিমিটেড মোবাইল সেবা প্রদান করা হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে বিটিসিএল, টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে গ্রাহকদের জন্য এই সেবা চালু করেছে।</p>
<p>এই সেবার আওতায় গ্রাহকরা   আনলিমিটেড ভয়েস কল এবং আনলিমিটেড ইন্টারনেট সেবা উপভোগ করতে পারবেন। পাশাপাশি অ্যাপভিত্তিক আইপি কলিং সেবা “আলাপ”-ও এই প্ল্যাটফর্মের অন্তর্ভুক্ত থাকবে।</p>
<p>GPON কানেকশন এবং রাউটার সহ আনলিমিটেড ইন্টারনেট এবং জনপ্রিয় ওটিটি কনটেন্ট (নাটক, মুভির) প্ল্যাটফর্ম টফি এই এমভিএনও সেবার সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে পাশাপাশি আনলিমিটেড ভয়েস, আনলিমিটেড ডেটা,  আনলিমিটেড ব্রডব্যান্ড ও ডিজিটাল কনটেন্টকে একীভূত করে কোয়াড-প্লে সেবা প্রদান করা হবে।</p>
<p>বিটিসিএলের লক্ষ্য একটি আধুনিক, সমন্বিত ও গ্রাহকবান্ধব টেলিযোগাযোগ ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা, যা হবে সাশ্রয়ী, স্মার্ট ও অন্তর্ভুক্তিমূলক। এই এমভিএনও উদ্যোগ ওটিটি কনটেন্ট পাইরেসি হ্রাসে সহায়ক হবে, মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহারে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবে এবং বিটিসিএলের বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>
<p>সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, বিটিসিএলের এমভিএনও সেবা চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে, যা একটি স্মার্ট, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ডিজিটালি সংযুক্ত ভবিষ্যৎ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান, বিটিসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মামুনুর রশীদ, টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল মাবুদ চেীধুরীসহ বিটিসিএল এবং টেলিটকের কর্মকর্তা কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমজেডইউ/এসএম</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>&amp;apos;ডাকসেবা অধ্যাদেশ, ২০২৬&amp;apos; চূড়ান্ত অনুমোদন</title>
<link>https://digibanglatech.news/166506</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166506</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_6984de2807972.jpg" length="138421" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 06 Feb 2026 00:15:33 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>১২৭ বছরের পুরানো ডাক আইন পূণর্বন্যাস ও হালনাগাদ করে প্রণীত হয়েছে ডাকসেবা অধ্যাদেশ, ২০২৬'। ৫ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ডাকের ডিজিটাল রূপান্তরের এই অধ্যাদেশে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। </p>
<p>নতুন অধ্যাদেশে ই-কমার্স কমপ্লায়েন্স তৈরি, আধুনিক ঠিকানা ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু পরিবর্তন সহ যেকোনো ধরনের মাইগ্রেশন জনিত ঠিকানা ব্যবস্থাপনা, ব্যক্তিগত উপাত্তের নিরাপত্তা ও প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতা জোরদার করার উপর গুরুত্বারোপ করে আইনটিকে সম্পূর্ণ নতুন রূপ দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইসিটি বিভাগের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ জসিম উদদীন।</p>
<p>নতুন অধ্যাদেশটি ‘ডাকসেবা অধ্যাদেশ, ২০২৬’ নামে অভিহিত হবে এবং পূর্ববর্তী 'The Post Office Act, 1898' কে প্রতিস্থাপন করবে। </p>
<p><span style="text-decoration: underline;">নতুন অধ্যাদেশে যত পরিবর্তন </span></p>
<p><strong>আধুনিক নিয়ন্ত্রক কাঠামো: </strong>অধ্যাদেশে সরাসরি আইনিভাবে ক্ষমতায়িত লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা হয়েছে, যা সকল বাণিজ্যিক ডাক ও কুরিয়ার অপারেটরদের লাইসেন্স প্রদান ও তাদের সেবা প্রদান ও শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ন্ত্রণ করবে।</p>
<p><strong>প্রতিযোগিতা ও বৈষম্যহীনতার তদারকি :</strong> রেগুলেটর এই খাতে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা ও বৈষম্যহীনতা নিশ্চিত করবে। বিশেষত, বাংলাদেশ ডাক যেন সার্বজনীন সেবার জন্য প্রাপ্য সরকারি সংস্থান অন্য প্রতিযোগিতামূলক সেবার ক্ষতিপূরণে ব্যবহার না করে, তার জন্য আলাদা হিসাব বজায় রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।</p>
<p><strong>লাইসেন্সবিহীন কার্যক্রমের জন্য জরিমানা : </strong>বৈধ লাইসেন্স ছাড়া ডাক, কুরিয়ার বা পার্সেল ব্যাবসা পরিচালনার জন্য সর্বোচ্চ প্রশাসনিক জরিমানা পূর্বের ৫০ হাজার টাকা (বা পুনরাবৃত্তির ক্ষেত্রে ২ লক্ষ টাকা) থেকে বাড়িয়ে অনূর্ধ্ব ১০ লক্ষ টাকা (দশ লক্ষ) পর্যন্ত করার বিধান রাখা হয়েছে।</p>
<p>ডাক সেবা আইনে ডাক বিভাগ ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়ন (UPU) এর কর্তৃক ম্যান্ডেট প্রাপ্ত ডেসিগনেটেড অপারেটর হিসেবে ভূমিকা পালন করবে। এবং লাইসেন্স প্রদানের জন্য 'মেইলিং কুরিয়ার লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ' গঠন করে কুরিয়ার ও ইকমার্স লাইসেন্স দিবে। উভয়ের কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট রোধে একটি পোস্টাল কাউন্সিল করা হয়েছে, যা সরকারি ও বেসরকারি অংশীজনদের সমন্বয়ে গঠিত হবে।  </p>
<p>ডিজিটাল ডাকটিকিট ও ই-সেবা : প্রচলিত ডাকটিকিটের পাশাপাশি ডিজিটাল ডাকটিকিট বা ই-স্ট্যাম্পিং চালু করা হয়েছে। গ্রাহক অনলাইনে বিল পরিশোধ করে সুরক্ষিত ডিজিটাল কিউআর কোড বা বারকোড পাবেন, যা স্বতন্ত্র ছাপানো মাধ্যম বা যে কোনো ডিভাইসে প্রদর্শিত হলেও বৈধ ডাকটিকিটের সমতুল্য আইনি স্বীকৃতি পাবে।</p>
<p><strong>ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা :</strong> নতুন আইনে ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর অধীন সকল নীতি ও অধিকার প্রযোজ্য করা হয়েছে। অপারেটরদের গ্রাহকের তথ্য শুধু সেবা বাস্তবায়নের জন্য ব্যবহার করা, অপ্রয়োজনীয় তথ্য মুছে ফেলা (destroy), এবং সাইবার আক্রমণের শিকার হওয়া থেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য প্রযুক্তিগত ও সাংগঠনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা (যেমন এনক্রিপশন) গ্রহণের বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়েছে।</p>
<p><strong>কেন্দ্রীয় ট্র্যাকিং ও আন্তঃপরিচালন : </strong>একটি ডিজিটাল সেন্ট্রাল লজিস্টিক্স ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্‌ম পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ এবং সকল বাণিজ্যিক অপারেটরের আন্তঃপরিচালন (Interoperability) নিশ্চিতকরণের বিধান করা হয়েছে, যাতে গ্রাহকরা সহজে ই-কমার্সের ট্র্যাকিং তথ্য পেতে পারেন।</p>
<p><br><strong>জরুরি সেবা হিসাবে ঘোষণা : </strong>ডেজিগনেটেড অপারেটর কর্তৃক পরিচালিত ডাকসেবা জাতীয় নিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য হওয়ায় এটিকে জরুরি সেবা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই মর্যাদার কারণে জাতীয় সংকটকালে ডাক, যানবাহন এবং আবশ্যিক জনবল সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারমূলক চলাচল ও প্রবেশাধিকার সুবিধা লাভ করবে।</p>
<p><strong>জাতীয় অবকাঠামো হিসেবে স্বীকৃতি : </strong>বাংলাদেশ ডাকের নেটওয়ার্ককে কেবল একটি সেবা প্রদানকারী ব্যবস্থা হিসেবে নয়, বরং দেশের জাতীয় সংযোগ, যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক লেনদেনের মেরুদণ্ডস্বরূপ একটি অপরিহার্য ন্যাশনাল ইনফ্রা-নেটওয়ার্ক হিসেবে বিবেচনা কথা অধ্যাদেশে বলা হয়েছে। </p>
<p><strong>সরকারি যোগাযোগের অগ্রাধিকার : </strong>কেন্দ্রীয় বা স্থানীয় সরকারের সকল সংস্থা, মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠানসমূহকে দাপ্তরিক চিঠি, ডকুমেন্ট এবং স্বল্প ওজনের পার্সেলসহ পরীক্ষার খাতা ও অন্যান্য সংবেদনশীল সরকারি পার্সেল দেশের অভ্যন্তরে বা বিদেশে প্রেরণের জন্য ডেজিগনেটেড অপারেটরের ডাকসেবা ব্যবহারকে অগ্রাধিকারের কথা অধ্যাদেশে বলা হয়েছে।</p>
<p><strong>চিফ কন্ট্রোলার অফ স্ট্যাম্পস দপ্তরের প্রতিষ্ঠা : </strong>সকল প্রকার পোস্টাল ও নন-পোস্টাল স্ট্যাম্পের (রাজস্ব ও অন্যান্য স্ট্যাম্প) প্রশাসনিক, আর্থিক ও লজিস্টিকস ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ ডাকের অধীনে চিফ কন্ট্রোলার অফ স্ট্যাম্পস এর দপ্তর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠার কথা অধ্যাদেশে বলা হয়েছে।</p>
<p><br><strong>ইলেকট্রনিক অগ্রিম ডাটা (EAD) আবশ্যকতা : </strong>দেশের সীমান্ত অতিক্রম করা সকল ডাক, কুরিয়ার বা পার্সেলের জন্য কাস্টমস ও নিরাপত্তা সংস্থার নিকট ইলেকট্রনিক অগ্রিম তথ্য (যেমন : প্রেরক-প্রাপক, মূল্য, সামগ্রীর বর্ণনা) পূর্বেই ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রেরণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।</p>
<p><br><strong>কেওয়াইসি (KYC) যাচাইকরণ : </strong>ডাক ও পার্সেল সেবার অপব্যবহার রোধে, বিশেষত বিদেশগামী বা উচ্চমূল্যের অভ্যন্তরীণ চালানের ক্ষেত্রে, প্রেরক ও প্রাপকের সরকারি শনাক্তকরণ দলিল (জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট) পরীক্ষা ও তথ্য নথিভুক্ত করার কেওয়াইসি যাচাইকরণ (KYC) প্রথায় ডাক কর্তৃক নির্দিষ্টকৃত ঠিকানার ব্যবহার আনুষ্ঠানিকভাবে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।</p>
<p><strong>সক্রিয় নিরাপত্তা কৌশল :</strong> ডেজিগনেটেড অপারেটর ও সকল লাইসেন্সধারী অপারেটরদের প্রো-অ্যাকটিভ নিরাপত্তা কৌশল বাস্তবায়ন করতে হবে। এর মধ্যে কর্মীদের নিয়মিত নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ, মেইল, অফিস ও কেন্দ্রে এক্স-রে স্ক্যান এবং জরুরি অবস্থার জন্য কন্টিনজেন্সি পরিকল্পনা অধ্যাদেশে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।</p>
<p><strong>সুরক্ষিত ও আধুনিক সঞ্চয় ও বিমার সুযোগ:</strong></p>
<p>বাংলাদেশ ডাকের নতুন আইন অনুযায়ী, ডাক জীবন বিমা এবং ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংক এখন "অধিকারী ডাকসেবা" হিসেবে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছে। এর ফলে দেশের সাধারণ মানুষের জন্য আর্থিক লেনদেন ও সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো।</p>
<p>ডাক জীবন বিমার মাধ্যমে করা নাগিরিকের প্রতিটি পলিসি এখন বাংলাদেশ সরকারের সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টি সহকারে পরিচালিত হবে, যা এটিকে দেশের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা গ্যারান্টিযুক্ত সঞ্চয়ী কার্যক্রমে পরিণত করেছে। এখানে পলিসি-গ্রহীতাদের স্বার্থরক্ষার উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ তহবিল পরিচালিত হবে, যা লাভ-লোকসান নির্বিশেষে কাজ করবে।</p>
<p>একইভাবে, ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকের সকল আর্থিক সেবার সঞ্চিত অর্থ এখন সরকারি কোষাগারে জমা থাকবে এবং এই অর্থ রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগে ব্যবহৃত হবে। এর বিপরীতে প্রাপ্ত লভ্যাংশ থেকে আমানতকারীদের মুনাফা নির্ধারিত হবে, যা সঞ্চয়কে আরও সুরক্ষিত ও লাভজনক করবে।</p>
<p>সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, বাংলাদেশ ডাক তার সকল আর্থিক সেবা পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে।</p>
<p>এই পরিবর্তনগুলো নতুন বাংলাদেশের পথে এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, যা আমাদের আর্থিক সেবাগুলোকে আরও সুরক্ষিত, স্বচ্ছ এবং সহজলভ্য করে তুলবে।</p>
<p><strong>ঠিকানা আর্কাইভ:</strong><br>ব্যক্তি ও পরিবার পর্যায়ে সকল নাগরিকের ঠিকানাসমূহকে এমনভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা হবে, যাতে ডিজিটাল অ্যাড্রেস তৈরি হবার পাশাপাশি ঠিকানা-কেন্দ্রিক ফ্যামিলি-ট্রি ম্যাপিং সহ জিও-ফেন্সিং নির্ধারণ করা হবে; এবং এসব ডেটার স্থায়ী লাইফ-সাইকেল নির্ধারণ করে ডিজিটাল আর্কাইভ করা হবে। অনুরূপ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা এমনভাবে পরিচালিত হবে, যাতে জলবায়ু পরিবর্তন বা নদীভাঙ্গনসহ অন্যান্য মাইগ্রেশনজনিত কারণে ঠিকানা হারানোর প্রেক্ষিতে (যেমন : চর বিলীন হওয়া ও জেগে ওঠা কিংবা ভূমি পুনরুদ্ধার ইত্যাদি) পুনরায় যথাযথভাবে ঠিকানা চিহ্নিত ও পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করা যায়। </p>
<p><strong>আধুনিক ঠিকানা ব্যবস্থাপনা:</strong><br> এরিয়া কোড, স্ট্রিট কোড, হাউজ কোডভিত্তিক ডিজিটাল ঠিকানা এবং তার জিও ফেন্সিং, বিট ম্যাপিং, ভাসমান মানুষ ও বস্তিবাসীদের জন্য কালেক্টিভ ঠিকানা ও পোস্ট বক্স, নদী ভাংগা, জলবায়ু পরিবর্তন জনিত জিও ফেন্সিং ভিত্তিতে ঠিকানা ব্যবস্থাপনা সবকিছুর কথা অধ্যাদেশে বলা হয়েছে।</p>
<p>বাংলাদেশ ডাকের ডিজিটাল রূপান্তর, জলবায়ু পরিবর্তনসহ যে কোনো ধরনের মাইগ্রেশন জনিত ঠিকানা ব্যবস্থাপনা, ব্যক্তিগত উপাত্তের নিরাপত্তা ও প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতা জোরদার করার কথাও অধ্যাদেশে বলা হয়েছে।</p>
<p><strong>সেন্ট্রাল লজিস্টিকস ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্‌ম (CLTP):</strong> এ ছাড়াও কুরিয়ার খাতে শৃঙ্খলা আনতে পেমেন্ট গেটওয়ে, কুরিয়ার অপারেটর, ই-কমার্স প্ল্যাটফর্‌ম সহকারে এস্ক্রো মেকানিজম এনাবল্ড সেন্ট্রাল লজিস্টিক্স ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মকে আইনি ভিত্তি প্রদান করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই CLTP'র প্রযুক্তিগত কাঠামো তৈরি হয়েছে, এবং এর কার্যক্রম চলমান।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিজিবাংলাটেক/এমজেডইউ/এমএম</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘হাই&#45;ভ্যালু লয়্যালটি পোর্টফোলিও’ চালু করল বাংলালিংক</title>
<link>https://digibanglatech.news/166520</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166520</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_6985748687e98.jpg" length="77173" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 06 Feb 2026 00:00:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দীর্ঘদিন ধরে সঙ্গে থাকা গ্রাহকদের জন্য বিশেষ ডাটা পোর্টফোলিও চালু করেছে মোবাইল অপারেটর বাংলালিংক। নিজেদের ‘পিপল-ফার্স্ট’ অঙ্গীকার প্রতিষ্ঠায় এই গ্রাহকদের জন্য <o:p></o:p>রিপারচেজ বোনাস এবং ত্রৈমাসিক অ্যাডভান্স প্যাক দিয়েছ কমলা-টেলকোটি। ব্যবহারকারীদের জন্য চালু করেছে ৬৯৯ টাকা ও ৮১৯ টাকার হাই-ভ্যালু প্যাক। </p>
<p>এই দুইটি প্যাকটির মাধ্যমে ধারাবাহিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ বিশেষ পুরস্কার হিসেবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্যাক পুনরায় কিনে ‘স্ট্রিক’ ধরে রাখতে পারলে ৬৯৯ টাকার প্যাকে মিলবে ২৫ জিবি বোনাস ডাটা। আর ৮১৯ টাকার প্যাকে পাওয়া যাবে ৩৫ জিবি অতিরিক্ত ডাটা।<o:p></o:p></p>
<p>অনেক গ্রাহকই মাসে মাসে রিনিউয়ের ঝামেলা এড়িয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা পছন্দ করেন। বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই বাংলালিংক এনেছে ৩ মাসের (৯০ দিন) কোয়ার্টারলি প্যাক। এই প্যাক নিলে গ্রাহকেরা টানা ৯০ দিন নিশ্চিন্তে থাকতে পারবেন। পাশাপাশি ডাটার পরিমাণে মিলবে ৩০ শতাংশ অতিরিক্ত বোনাস।<o:p></o:p></p>
<p>এই উদ্যোগ সম্পর্কে বাংলালিংকের চিফ মার্কেটিং অফিসার কাজী মাহবুব হাসান বলেন, “যারা দীর্ঘদিন ধরে আমাদের সঙ্গে আছেন, তাঁদের মূল্যায়ন করাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আমরা বিশ্বাস করি, এ ধরনের লয়্যালটিকে সম্মান জানানো উচিত এবং তার যথাযথ মূল্যায়ন হওয়া প্রয়োজন। একটি ‘পিপল-ফার্স্ট’ ব্র্যান্ড হিসেবে আমরা শুধু কানেক্টিভিটিতেই সীমাবদ্ধ থাকতে চাই না। যাঁরা প্রতিনিয়ত আমাদের ওপর আস্থা রাখছেন এবং যাঁদের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে আমাদের নেটওয়ার্ক, আমরা তাঁদের পাশে থাকতে চাই। এই মূল্যবোধ থেকেই আমরা বিভিন্ন অর্থবহ প্রোডাক্ট এবং সার্ভিস নিয়ে এসেছি। এগুলো কোনো সাময়িক অফার নয়। গ্রাহকের বাস্তব জীবনের অভ্যাস ও মানসিক শান্তির কথা ভেবেই এসব সুবিধা তৈরি করা হয়েছে। গ্রাহকরা যখন আমাদের প্রতি আস্থা রাখেন, আমরা সেই আস্থার প্রতিদান দিই আরও বেশি সুযোগ–সুবিধা ও সত্যিকারের চিন্তামুক্ত অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে।”<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; line-height: normal; margin: 0in -34.55pt 0in 0in;"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিআর/ইএমএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারের সঙ্গে রবি সিইওর সৌজন্য সাক্ষাৎ</title>
<link>https://digibanglatech.news/166273</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166273</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_698219b96b01e.jpg" length="101087" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 03 Feb 2026 18:52:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা ওসমান-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন রবি আজিয়াটা পিএলসি-র ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জিয়াদ সাতারা। ঢাকায় অবস্থিত মালয়েশিয়ান হাইকমিশনে ২ ফেব্রুয়ারি, সোমবার এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>৩ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার রবি জানায়, সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে রবির ভূমিকা গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। আলোচনায় উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশে মালয়েশিয়ার সর্ববৃহৎ বিনিয়োগ রয়েছে রবি আজিয়াটা পিএলসি-তে। প্রতিষ্ঠানটি সংযোগ সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি এবং জাতীয় কোষাগারে উল্লেখযোগ্য রাজস্ব অবদান রাখার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও ডিজিটাল রূপান্তরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।</p>
<p>এ প্রসঙ্গে জানানো হয়, রবি আজিয়াটা পিএলসি প্রতিবছর কর, ভ্যাট, শুল্ক, স্পেকট্রাম ফি ও লাইসেন্স ফিসহ বিভিন্ন খাতে জাতীয় রাজস্ব আয়ে অন্যতম বৃহৎ করদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অবদান রেখে চলেছে, যা দেশের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।</p>
<p>উল্লেখ্য, রবি আজিয়াটার মূল প্রতিষ্ঠান আজিয়াটা গ্রুপ বারহাদ মালয়েশিয়ার একটি গভর্নমেন্ট-লিঙ্কড কোম্পানি (GLC) এবং এর প্রধান শেয়ারহোল্ডার হলো খাজানা ন্যাশনাল বারহাদ—যা মালয়েশিয়ার সার্বভৌম সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান।</p>
<p>টেলিযোগাযোগ খাতের পাশাপাশি জনশক্তি রপ্তানি, রেমিট্যান্স, বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও শিক্ষা খাতে মালয়েশিয়া বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার। বর্তমানে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত মোট প্রবাসী শ্রমশক্তির ৩৭ শতাংশেরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী, যারা বছরে ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স দেশে প্রেরণ করছেন।</p>
<p>সাক্ষাৎকালে জিয়াদ সাতারা রবি আজিয়াটা পিএলসির প্রতি মালয়েশিয়ান হাইকমিশনের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। জবাবে হাইকমিশনার রবির প্রতি সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন এবং বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদারের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।</p>
<p>এ সময় মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা ওসমান বলেন, “রবির মাধ্যমে আজিয়াটা গ্রুপ বারহাদ বাংলাদেশে মালয়েশিয়ার বৃহত্তম বিনিয়োগের প্রতিনিধিত্ব করছে। রবি বছরের পর বছর ধরে শক্তিশালী পারফরম্যান্স ও ধারাবাহিক অগ্রগতি অর্জন করে আসছে। রবির সাফল্য কেবল দুই দেশের মধ্যে দৃঢ় অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রতিফলন নয়, বরং এটি বাংলাদেশের প্রতি মালয়েশিয়ান বিনিয়োগকারীদের আস্থাও আরও সুদৃঢ় করেছে। আমরা আশা করি, এই ইতিবাচক ধারা আগামী বছরগুলোতেও অব্যাহত থাকবে।”<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/টিআরএস/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সিমের কারিগরি পরীক্ষা সম্পন্ন, শিগগিরই উন্মুক্ত হচ্ছে বিটিসিএল এমভিএনও</title>
<link>https://digibanglatech.news/166274</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166274</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69821ce059a68.jpg" length="116521" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 03 Feb 2026 17:09:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশে প্রথমবারের মতো কারিগরি পরীক্ষার মাধ্যমে সচল হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) মোবাইল ভার্চুয়াল নেটওয়ার্ক অপারেটর (এমভিএনও) সিম। বিটিসিএল পরিচালিত এ সেবার আওতায় ভয়েস ও ডাটা কলসহ প্রয়োজনীয় কারিগরি কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে। এই সেবার আওতায় গ্রাহকরা আনলিমিটেড ভয়েস কল এবং আনলিমিটেড ইন্টারনেট সেবা উপভোগ করতে পারবেন। পাশাপাশি অ্যাপভিত্তিক আইপি কলিং সেবা “আলাপ”-ও এই প্ল্যাটফর্মের অন্তর্ভুক্ত থাকবে।</p>
<p>জানাগেছে, জিপন কানেকশন এবং রাউটার সহ আনলিমিটেড ইন্টারনেট এবং জনপ্রিয় ওটিটি কনটেন্ট (নাটক, মুভির) প্ল্যাটফর্ম টফি এই এমভিএনও সেবার সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে পাশাপাশি আনলিমিটেড ভয়েস, আনলিমিটেড ডেটা,  আনলিমিটেড ব্রডব্যান্ড ও ডিজিটাল কনটেন্টকে একীভূত করে কোয়াড-প্লে সেবা প্রদান করা হবে।</p>
<p>৩ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার বিটিসিএল এর রমনা অফিসে পরীক্ষামূলকভাবে মোবাইল ভার্চুয়াল নেটওয়ার্ক অপারেটর (এমভিএনও) এর মাধ্যমে আনলিমিটেড কোয়াড-প্লে সেবা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। এসময়  শিগগিরই এমভিএনও সিম জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলে জানান তিনি।  </p>
<p>সেবা সম্পর্কে তিনি বলেন, এ সিমের সেবা প্রসঙ্গে ফয়েজ তৈয়্যব বলেন, ‘ভয়েসটা হচ্ছে আমরা একটা ভার্চুয়াল নেটওয়ার্ক হিসেবে কাজ করবো, সেখানে একটা অপারেটরের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করবো, সেখানে নির্দিষ্ট মিনিট থাকবে। এর বাইরে আমরা বিটিসিএলের নিজস্ব আলাপ টেলিফোনি অ্যাপটা দেবো। সেখানে আলাপ টু আলাপ আনলিমিটেড কল আর হচ্ছে আলাপ থেকে অন্য অপারেটর একটা নির্দিষ্ট ১২৫ বা ২০০ মিনিট এ বান্ডেলে থাকবে। আর সঙ্গে থাকবে মোবাইল ইন্টারনেটের একটা প্যাকেজ ১০ জিবি মিনিমাম। আর জিপনের ইন্টারনেট। সেটা জিপনের যে লাইনটা আছে এগজিস্টিং লাইনের সঙ্গে বান্ডেল করছি।’</p>
<p>একই দিনে বিটিসিএল এর রমনা কার্যালয়ে স্থাপিত নাগরিক সেবা কেন্দ্র‌ও পরিদর্শন করেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।</p>
<p>বিটিসিএল জানায়, একটি আধুনিক, সমন্বিত ও গ্রাহকবান্ধব টেলিযোগাযোগ ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা, যা হবে সাশ্রয়ী, স্মার্ট ও অন্তর্ভুক্তিমূলক। এই এমভিএনও উদ্যোগ ওটিটি কনটেন্ট পাইরেসি হ্রাসে সহায়ক হবে, মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহারে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবে এবং বিটিসিএলের বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। </p>
<p>সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, এমভিএনও সেবা চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে, যা একটি স্মার্ট, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ডিজিটালি সংযুক্ত ভবিষ্যৎ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমজেইউ/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চতুর্থ প্রান্তিকে ৩.৩ শতাংশ বেশি প্রবৃদ্ধি জিপি’র</title>
<link>https://digibanglatech.news/166272</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166272</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68ff3e3a0b875.jpg" length="23227" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 03 Feb 2026 15:47:40 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><br>গেলো বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে মোট ৩ হাজার ৮৫৮ কোটি টাকা আয় পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত টেলিকম প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন লিমিটেড। এই আয় ত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। এই আয়ের ওপর দাঁড়িয়েই বহুজাতিক এই কোম্পানিটি  ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০৫ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। </p>
<p>পূঁজিবাজার থেকে প্রাপ্ত মূল্যসংবেদনশীল তথ্য বলছে, এর আগে আলোচ্য হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের ১১০ শতাংশ অন্তর্বর্তী নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। সব মিলিয়ে সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে মোট ২১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ।</p>
<p>তথ্যানুসারে, সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে গ্রামীণফোনের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২১ টাকা ৯০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৬ টাকা ৮৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪১ টাকা ৪৯ পয়সায়।</p>
<p>শুরু থেকেই শীর্ষে থেকে অপারেটরটির  প্রান্তিক শেষে মোট গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ কোটি ৩৯ লাখে। ৩ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার অপারেটরটি জানিয়েছে, মোট গ্রাহকের ৫৮.১ শতাংশ অর্থাৎ ৪ কোটি ৮৭ লাখ গ্রাহক ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন।</p>
<p>এ নিয়ে গ্রামীণফোন লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেছেন, “নেটওয়ার্কে বরাবরের মতো শীর্ষস্থান ধরে রাখার পাশাপাশি সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও নিরাপদ সংযোগ প্রদানকারী হিসেবে আমাদের অবস্থান আরো দৃঢ় করতে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। বিদ্যমান কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও চতুর্থ প্রান্তিকের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, আমরা সঠিক পথেই এগিয়ে যাচ্ছি; রাজস্ব বৃদ্ধি, মুনাফা নিশ্চিত করা এবং শক্তিশালী আর্থিক ভিত্তির পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে আরো মূল্যভিত্তিক ও স্থিতিশীল একটি ব্যবসা গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছি।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, “ডিজিটাল সেবার ব্যাপ্তি বাড়ায় আস্থাশীল সংযোগ নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে সাইবার নিরাপত্তা। সবচেয়ে নিরাপদ নেটওয়ার্ক পরিচালনার মাধ্যমে অন্যদের থেকে নিজেকে আলাদা করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে গ্রামীণফোন; যাতে সহায়তা করছে অত্যাধুনিক, বহুস্তরবিশিষ্ট সাইবার নিরাপত্তা সক্ষমতা। নিজেদের নেটওয়ার্কের সুরক্ষা নিশ্চিতের পাশাপাশি জিপি শিল্ডের মাধ্যমে আমাদের গ্রাহকদের জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে, যা একটি নিরাপদ ও সুরক্ষিত ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে আমাদের ভূমিকার প্রতিফলন। সার্বিক অর্থনীতির কঠিন পরিস্থিতির কারণে নিকট ভবিষ্যতে প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হলেও দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় বড় সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। আমরা সরকারের জাতীয় ডিজিটাল অগ্রাধিকারগুলোর অংশীদার হিসেবে কাজ করতে এবং অর্থনীতি ও সমাজের জন্য টেকসই অবদানের ক্ষেত্র উন্মোচনে সংকল্পবদ্ধ।”  </p>
<p>গ্রামীণফোনের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার (সিএফও) অটো মাগনে রিসব্যাক বলেন, “ভোক্তাব্যয় বৃদ্ধির অব্যাহত চাপে ক্রয়ক্ষমতা এখনও সীমিত এবং এমন পরিস্থিতিতে আমরা ব্যয় নিয়ন্ত্রণে গুরুত্ব দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছি। বছরজুড়ে বিভিন্ন কৌশলগত এবং বাণিজ্যিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছি আমরা, যা প্রত্যেক প্রান্তিকে ধারাবাহিকভাবে কাজ করেছে। ২০২৫ সালের শেষ দুই প্রান্তিকে আমরা যথাক্রমে ১.৪% ও ৩.৩% প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি। ব্যয় ও মূলধনের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ন্ত্রণের ফলে এ প্রান্তিকে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় সার্বিক ব্যয় বেড়েছে মাত্র ১.৫%, যেখানে মুদ্রাস্ফীতি ছিল প্রায় ৮%। মোট কর পরবর্তী মুনাফায় (এনপিএটি) প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২.৬%; যেখানে মূলত স্পেকট্রাম ও নেটওয়ার্কে সাম্প্রতিক বিনিয়োগের সাথে সংশ্লিষ্ট উচ্চ অবচয় ও অবলোপন, মুদ্রার অবমূল্যায়ন এবং উচ্চ করের প্রভাব পড়েছে। স্বল্পমেয়াদে এসব ব্যয় প্রভাব ফেললেও ব্যবসাকে শক্তিশালী করতে এবং ভবিষ্যত প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য তা একইসাথে কোম্পানির বিনিয়োগ।”  </p>
<p>তিনি আরও বলেন, “২০২৫ সালের জন্য গ্রামীণফোনের বোর্ড দ্বিতীয় ধাপে শেয়ার প্রতি ১০.৫ টাকা লভ্যাংশ প্রস্তাব করছে। বছরের প্রথমার্ধে ইতোমধ্যে শেয়ার প্রতি ১১ টাকা অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ পরিশোধ করা হয়েছে। এর ফলে ২০২৫ সালে মোট ঘোষিত লভ্যাংশ দাঁড়িয়েছে ২১.৫ টাকায়, যা এনপিএটির ৯৮.২%। শুধু শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ প্রদানই নয়, আরো বৃহত্তর অবদানের ক্ষেত্র হিসেবে করবাবদ আমাদের ভূমিকাও তুলে ধরতে চাই। ২০২৫ সালে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ১২,১৫৬ কোটি টাকা প্রদান আমাদের এই ভূমিকার একটি শক্তিশালী প্রতিফলন। আমরা বাংলাদেশের বৃহত্তম করদাতাদের অন্যতম; এটি সার্বিকভাবে সমাজ ও অর্থনীতিতে লাভজনক এবং দায়িত্বশীলভাবে পরিচালিত কোম্পানিগুলোর গুরুত্ব তুলে ধরে।”<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিসিএস/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৭০০ মেগাহার্জ স্পেকট্রামের বরাদ্দপত্র পেলো গ্রামীণফোন</title>
<link>https://digibanglatech.news/166176</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166176</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68ff3e3a0b875.jpg" length="23227" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 02 Feb 2026 16:45:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal"><span>প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক শর্ত পূরণের মাধ্যমে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) থেকে প্রথমবারের মতো ৭০০ মেগাহার্জ ব্যান্ডে ১০ মেগাহার্জ স্পেকট্রাম বরাদ্দের জন্য ডিমান্ড নোট পেয়েছে  বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন । স্পেকট্রামটি ১৩ বছরের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই স্পেকট্রাম বরাদ্দের জন্য গ্রামীণফোন এ সময়ের মধ্যে জাতীয় রাজস্ব খাতে প্রায় ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা জমা দেবে। </span></p>
<p class="MsoNormal"><span></span><span>২ ফেব্রুয়ারি, সোমবার গ্রামীণফোন জানায়, এই বিনিয়োগ, এবং এই ব্যান্ড ব্যবহার করে সার্বিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে ভবিষ্যতে আরও বিনিয়োগ, নেটওর্য়াকের মান উন্নত করা, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি ত্বরান্বিত করা এবং দেশের ৮ কোটি ৩৯ লাখেরও বেশি গ্রাহকের অভিজ্ঞতার মান বৃদ্ধির প্রতি কোম্পানির অঙ্গীকারকে আরও সুদৃঢ় করবে। ৭০০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রামের লো-ব্যান্ড বৈশিষ্ট্যের কারণে প্রতিটি বেস স্টেশন থেকে আরও বিস্তৃত কভারেজ প্রদান করা সম্ভব হবে, যা দ্রুত ও ব্যয়-সাশ্রয়ী নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে সহায়ক। এর ফলে ঘনবসতিপূর্ণ শহুরে এলাকায়; যেমন: অফিস, হাসপাতাল, শপিং মল, উঁচু ভবন, বেসমেন্ট, লিফট ইত্যাদিতে নির্ভরযোগ্য সংযোগের মাধ্যমে আরও উন্নত ইনডোর সিগন্যাল পাবেন গ্রাহকরা। একই সঙ্গে এটি দেশের গ্রামীণ, উপকূলীয় ও দুর্গম এলাকাগুলোয় মোবাইল নেটওয়ার্ক কভারেজ উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span> এ বিষয়ে </span>স্পেকট্রাম বরাদ্দ প্রসঙ্গে<span> গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, “</span><span lang="BN">আমরা এই স্পেকট্রাম বরাদ্দের জন্য প্রায় ২</span><span>,</span><span lang="BN">২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করছি। এর পরবর্তী ধাপে এই ব্যান্ড ব্যবহার করে দেশব্যাপী সেবা চালু করতে আরও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিনিয়োগ করা হবে। এটি আমাদের সেবার মানের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন এবং গ্রাহকদের সর্বোত্তম ডেটা নেটওয়ার্ক অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার দৃঢ় অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন। লো-ব্যান্ড স্পেকট্রাম ফোরজি সেবার কার্যকারিতা বাড়াতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই বরাদ্দ আমাদের ফাইভজি</span><span>, </span><span lang="BN">এআই</span><span>, </span><span lang="BN">আইওটি ইত্যাদি ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির জন্য প্রস্তুতি নিতে সহায়তা করবে—যার মাধ্যমে অধিক গতির ডাটা</span><span>, </span><span lang="BN">কম ল্যাটেন্সি এবং বিভিন্ন পরিবেশে উন্নতমানের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। ভবিষ্যৎমুখী টেলিকম ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে একটি  স্বচ্ছ  প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার জন্য আমরা বিটিআরসি এবং ডাক</span><span>, </span><span lang="BN">টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই</span><span>।</span><span>”</span></p>
<p class="MsoNormal"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিসিআর/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গ্রাহক সেবা সপ্তাহ পালন করছে টেলিটক</title>
<link>https://digibanglatech.news/166040</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166040</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_697f7a98c37bd.jpg" length="123323" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 01 Feb 2026 20:09:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>গ্রাহকদেরকে সাশ্রয়ী মূল্যে ভয়েস ও দ্রুতগতির মোবাইল ইন্টারনেট সুবিধা দিতে সেবা সপ্তাহ শুরু করেছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড।</p>
<p>১ ফেব্রুয়ারি সকালে গুলশান কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে সেবা সপ্তাহের উদ্বোধন করা হয়। সেবাটি উদ্বোধন করেন টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব নুরুল মাবুদ চৌধুরী।</p>
<p>গ্রাহক সেবা সপ্তাহ উপলক্ষ্যে টেলিটক দিচ্ছে সিমে বিশেষ মূল্য ছাড় ও বান্ডেল অফার। জেন-জি সিমের মূল্য ১৫০ টাকার পরিবর্তে ১০০ টাকা, স্বাধীন সিম ২৫০ টাকার পরিবর্তে ১৫০ টাকা এবং সিম রিপ্লেস- এ ২৫০ টাকার পরিবর্তে ১৫০ টাকায় পাওয়া যাবে।</p>
<p>এছাড়াও এই সেবা সপ্তাহ উপলক্ষ্যে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্বাধীন প্যাকেজে মাত্র ৪৮ টাকা রিচার্জে ৪৮ মিনিট টকটাইম ও ১০ জিবি ডাটা পাবেন ৭ দিনের মেয়াদে। সারা বাংলাদেশে টেলিটকের কাস্টমার কেয়ার ও পয়েন্টে গিয়ে গ্রাহক এই সেবাটি নিতে পারবেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিজ্ঞপ্তি/ ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঘরোয়া উৎসবে বিটিআরসি’র ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন</title>
<link>https://digibanglatech.news/165925</link>
<guid>https://digibanglatech.news/165925</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_697e371cb6d11.jpg" length="82898" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 31 Jan 2026 21:08:58 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>খেলাধূলা আর সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ভিন্ন আবহে ঘরোয়ো আয়োজনে ২৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করলো বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। ৩১ জানুয়ারি, শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনের তৃতীয় তলার উন্মুক্ত ছাদ বাগানে সকাল ১০টায় কেক কাটা হয়। ভাইস প্রেসিডেন্ট <span lang="BN">মোঃ</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">আবু</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">বকর</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ছিদ্দিক</span>কে সাথে নিয়ে জন্মদিনের কেক কাটেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী। <o:p></o:p></p>
<p>এসময় কমিশনার <span lang="BN">মাহমুদ</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">হোসেন</span>, <span lang="BN">ব্রিগেডিয়ার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">জেনারেল</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ইকবাল</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">আহমেদ</span>, <span lang="BN">আবদুর</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">রহমান</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সরদার</span><span lang="BN"> </span>উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রশাসন বিভাগের মহাপরিচালক <span>মোঃ মেহেদী-উল-সহিদ, সিস্টেমস্ এন্ড সার্ভিসেস বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহজাদ পারভেজ মহিউদ্দিন, স্পেকট্রাম বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আমিনুল হক, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড অপারেশন্স বিভাগ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শফিউল আজম পারভেজ, অর্থ, হিসাব ও রাজস্ব বিভাগের পরিচালক সাজেদা পারভীন এবং কমিশন সচিব মোহাম্মদ রুহুল আমিনসহ বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। </span><o:p></o:p></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x_697e371ab068a.jpg" alt=""></p>
<p>দিনব্যাপী নানা আয়োজনে এই উৎসবে যুক্ত হন সংস্থার সাড়ে তিনশ কর্মকর্তা-কর্মচারী।<o:p></o:p></p>
<p>প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়ে নারী ও পুরুষ বিভগে বিভিন্ন ইন্ডোর খেলা অনুষ্ঠিত হয়। মেয়েদের পিলোপাস, বল নিক্ষেপ ছাড়াও অনুষ্ঠিত হয় ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট। অপরদিকে পুরুষদের জন্য অনুষ্ঠিত হয় টেবিলটেনিস ও ক্যারাম টুর্নামেন্ট। <o:p></o:p></p>
<p>টেবিলটেনিসে <span lang="BN">সিনিয়র সহকারি পরিচালক ইশতিয়াক আহমেদ চ্যাম্পিয়ন এবং উপ-পরিচালক ড. শামসুজ্জোহা রানার্স আপ হয়েছেন। আর ক্যারাম টুর্নামেন্ট দ্বৈতভাবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন উপসহকারী পরিচালক জোনায়েত হোসেন ও সৌমিক হাসান এবং রানার্স আপ হয়েছেন  সিনিয়র সহকারী পরিচালক আব্দুল হামিদ ও প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান।  </span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">বিকেলে কমিশন ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সবশেষে র‌্যাফেল ড্র-তে বিজয়ী ৫০ জনকে পুরস্কৃত করার মধ্য দিয়ে শেষ হয় ছুটির দিনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান।</p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএস/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কলাতিয়ায় দ্বিতীয় মিটআপ করলো আইপিটিএসপি ফোরাম</title>
<link>https://digibanglatech.news/165937</link>
<guid>https://digibanglatech.news/165937</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_697e54e107814.jpg" length="77446" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 31 Jan 2026 19:16:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশে ইন্টারনেট প্রোটোকল টেলিফোনি সার্ভিস প্রোভাইডার (আইপিটিএসপি) খাতের পেশাজীবী ও ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হলো বার্ষিক মিটআপ। ৩১ জানুয়ারি, শনিবার রাজধানীর অদূরে কেরাণীগঞ্জের কলাতিয়ার গ্র্যান্ড ভাওয়াল রিসোর্টে দিনব্যাপী এই সম্মিলনের আয়োজন করা হয়।</p>
<p>এই আয়োজনে দেশের ৩৫টি আইপিটিএসপি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, পেশাজীবী ও প্রকৌশলীসহ আইপিটিএসপি ০৯৬ ফোরামের ১৯০ জনেরও বেশি সদস্য অংশগ্রহণ করেন।</p>
<p>সকাল সাড়ে ৮টায় অংশগ্রহণকারীদের যাত্রা শুরু হয় এবং ভেন্যুতে পৌঁছানোর পর পৃষ্ঠপোষকদের পক্ষ থেকে নাস্তা ও শুভেচ্ছা উপহার দিয়ে তাদের স্বাগত জানানো হয়। সকাল ১০টার পর শুরু হয় বিভিন্ন খেলাধুলা ও বিনোদনমূলক আয়োজন। মোরগ লড়াই, বেলুন ফাটানো, হামাগুড়ি দৌড়সহ নানা গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী খেলায় অংশ নেন উপস্থিত সদস্যরা। দুপুরে সাঁতারে কয়েন খোঁজার প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে গোসল পর্ব শেষ হয়।</p>
<p>মধ্যাহ্নভোজের পর অনুষ্ঠিত হয় আইপিটিএসপি খাতের উন্নয়ন, দক্ষ জনশক্তি তৈরি, মুনাফামুখী ব্যবসা পরিচালনা, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও নীতিমালার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা সভা। আলোচনায় বক্তব্য রাখেন এডিএন টেলিকমের ডেপুটি ডিরেক্টর সৈকত রায়হান। এছাড়া বক্তব্য দেন লিংক থ্রি টেকনোলজির সিটিও রাকিবুল হাসান, আইসিসি কমিউনিকেশনের সিআইও আব্দুর রাজ্জাক, বিডিকম অনলাইনের সুজন আহমেদ সাবির, র‌্যাংগস আইআইটির আবু বকর সিদ্দিকসহ খাত সংশ্লিষ্ট আরও অনেকে। তারা আইপিটিএসপি শিল্পের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা ও করণীয় বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত তুলে ধরেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে গোল্ড স্পন্সর হিসেবে অংশ নেয় ফ্যানভিল ও কিনভিলের বাংলাদেশি ডিস্ট্রিবিউটর স্মার্ট টেকনোলজি এবং ডিন্সটারের বাংলাদেশি ডিস্ট্রিবিউটর রাসা টেকনোলজি। তারা তাদের প্রোডাক্ট লাইন ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের সামনে উপস্থাপন করেন। </p>
<p>সন্ধ্যায় র‌্যাফেল ড্র ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে আনন্দঘন পরিবেশে দিনব্যাপী এই মিটআপের সমাপ্তি ঘটে। আইসিসি কমিউনিকেশন ও অটোনোমাস ছিল এই আয়োজনের সিলভার স্পন্সর।</p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><b><i><u><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ডিবিটেক/এসআই/ইকে <o:p></o:p></span></u></i></b></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যানের সঙ্গে রবির সিইও জিয়াদ সাতারার সাক্ষাৎ</title>
<link>https://digibanglatech.news/165767</link>
<guid>https://digibanglatech.news/165767</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_697c9035aee10.jpg" length="88177" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 30 Jan 2026 10:05:59 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রবি আজিয়াটা  ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (এমডি ও সিইও) জিয়াদ সাতারা বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।</p>
<p dir="ltr"><span>রবি এমডি ও সিইও হিসেবে সম্প্রতি প্রথম এ বৈঠকে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সহযোগিতা আরও জোরদার করা এবং বাংলাদেশের সামগ্রিক বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে যৌথ অঙ্গীকারের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।</span></p>
<p dir="ltr"><span>এ সময় জিয়াদ সাতারা বাংলাদেশে রবির কৌশলগত অগ্রাধিকার ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি টেকসই প্রবৃদ্ধি, ডিজিটাল সংযোগ সম্প্রসারণ এবং দেশের সামগ্রিক জাতীয় উন্নয়ন লক্ষ্যে অবদান রাখার ক্ষেত্রে রবি'র দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।</span></p>
<p dir="ltr"><span>একই সঙ্গে তিনি নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর অব্যাহত সহায়তা ও গঠনমূলক সহযোগিতার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।</span></p>
<p dir="ltr"><span>এ সময় রবির চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার, সাহেদ আলম এবং ডিরেক্টর, পাবলিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি, শরীফ শাহ জামাল রাজ উপস্থিত ছিলেন।</span></p>
<p dir="ltr"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ইকর/জেইইচ</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নিজের সুরক্ষা, দেশের নিরাপত্তা ও শিল্পের প্রয়োজনেই এনইআইআর</title>
<link>https://digibanglatech.news/165689</link>
<guid>https://digibanglatech.news/165689</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_697b694d3045a.jpg" length="97409" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 29 Jan 2026 20:06:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>দেশের মানুষের সুরক্ষার জন্য সাইবার ক্রাইম ঠেকানো, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং ক্রমবর্ধমান শিল্পের প্রয়োজনে দেশে ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) প্রয়োজন। এটি বাস্তবায়ন হলে মানুষ বিভিন্ন ধরনের হয়রানি থেকে সুরক্ষা পাবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।  </span><br><br><span>বাংলাদেশে ডিজিটাল ডিভাইস খাতের নীতিগত চ্যালেঞ্জ ও বাস্তবতা নিয়ে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি) অনুষ্ঠিত হচ্ছে ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬।</span><br><br><span>এক্সপোর অংশ হিসেবে ২৯ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার ‘প্রসপ্যাক্ট অ্যান্ড চ্যালেঞ্জেস অব ইমপ্লিমেন্টিং ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন তারা।</span><br><br><span>তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) সহযোগিতায় আয়োজিত এই সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিটিআরসির সাবেক চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. নাসিম পারভেজ।</span><br><br><span>আলোচনায় অংশ নেন আইসিটি বিভাগের যুগ্ম সচিব ড. মোহাম্মদ আজিজুল হক, গ্রামীণফোনের রেগুলেটরি ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড কমার্শিয়াল অ্যাফেয়ার্স বিভাগের প্রধান ইমতিয়াজ শফিক, বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আমিনুল হক, এক্সেল টেলিকম প্রাইভেট লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন টিপু, এবং সিটিটিসির সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন শাখার অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার এস এম মোবাশ্বের হোসেন।</span><br><br><span>সেমিনারে বক্তারা এনইআইআর ব্যবস্থার বাস্তব প্রয়োগ, গ্রাহক সচেতনতা, নীতিগত প্রস্তুতি এবং সাইবার নিরাপত্তার দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। তারা বলেন, কার্যকর এনইআইআর বাস্তবায়নে সরকার, অপারেটর, আমদানিকারক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় অপরিহার্য।</span><br><br><span>মূল প্রবন্ধে নাসিম পারভেজ দেশে এখন কেন এনইআইআর দরকার তা নিয়ে আলোচনা করেন। জানান, দেশে এখন ৪০ শতাংশ ডিভাইস অবৈধ। এর মাধ্যমে সরকার প্রতিবছর ৬ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে। রাজস্বের পাশাপাশি পুরাতন হ্যান্ডসেট মানুষের স্বাস্থ্যেরও ক্ষতি করছে।</span><br><br><span>তবে এনইআইআর বাস্তবায়নে সত্যের চেয়ে মিথ বেশি জোরালো হয়েছে বলেও মনে করেন তিনি। তাই সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করার আহ্বান জানান নাসিম পারভেজ।</span><br><br><span>তাই তিনি সচেতনতা তৈরিসহ কয়েকটি সুপারিশও করেন। বলেন, হ্যান্ডসেটের দাম বাড়বে বলে যে প্রচার করা হচ্ছে সেটিও সেই মিথের অংশ।  </span><br><br><span>আলোচনায় অংশ নিয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আমিনুল হক বলেন, দেশে এনইআইআর চালু হোক এটা যেমন চায় বিডা, এনবিআর, বিটিআরসি, তেমনি চায় মোবাইল ইন্ডাস্ট্রিও। এনবিআর চায় যেন বছরে ২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব সেটা হারাতে না হয়। সবগুলো মন্ত্রণলায় চায়, কারণ এখানে নানান পক্ষ জড়িত থাকে। বিডা চায়, কেননা অসংখ্য বিদেশি কোম্পানি দেশে হাজার হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ করেছে, সেটার সুরক্ষা দিতে চায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলো চায় জনগণের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য।</span><br><br><span>ডিআইজি আবুল বাশার তালুকদার বলেন, সামনের দিনে প্রধান চ্যালেঞ্জ হতে যাচ্ছে সাইবার ক্রাইম। এনইআইআর  চালু হলে এই চ্যালেঞ্জ কমে আসবে। মোবাইলফোনের মাধ্যমে করা ক্রাইম সহজে শনাক্ত করা যাবে।</span><br><br><span>গ্রামীণফোনের রেগুলেটরি ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড কমার্শিয়াল অ্যাফেয়ার্স বিভাগের প্রধান ইমতিয়াজ শফিক বলেন, এনইআইআরের টেলিকম ইকোসিস্টেম পুরোটাই দাঁড়িয়ে আছে হ্যান্ডসেটের ওপর। সেই জায়গা থেকে অবশ্যই আমরা মনে করে এনইআইআর সিস্টেম চালু হওয়া দরকার। একবার যদি এটি চালু হয় তাহলে দেশে স্মার্টফোনের পেনিট্রেশন আরও বাড়বে।</span><br><br><span>এক্সেল টেলিকম প্রাইভেট লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন টিপু বলেন, আমাদের শিল্পের সুরক্ষার জন্য হলেও এনইআইআর প্রয়োজন। দেশে প্রায় ১৮টি কোম্পানি কারখানা দিয়ে মোবাইল ফোন উৎপাদন করছে। ৫০ হাজার মানুষ সরাসরি কারখানায় কাজ করেন, ডিস্ট্রিবিউটির থেকে অন্য পরোক্ষ আরও ৫০ হাজার হলেও দেশে কত কর্মসংস্থান সেটাও দেখতে হবে। আমরা সরকারকে রাজস্ব দিচ্ছি বছরে ৩০০০ কোটি টাকা। তারপরও আমরা মাত্র ৫০ শতাংশ বাজার ধরে রাখতে পেরেছি। অন্য ৫০ শতাংশ পুরোটাই অবৈধ ব্যবসায়ীরা নিয়ন্ত্রণ করছে যা থেকে সরকার এক টাকাও রাজস্ব করতে পারছে না।</span><br><br><span>সিটিটিসির সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন শাখার অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার এস এম মোবাশ্বের হোসেন বলেন, বাংলাদেশে অহরহ মোবাইল ক্রিমিনাল অ্যাক্টিভিটি হচ্ছে। সাধারণ মানুষ ভিক্টিম হচ্ছে। কিন্তু আমরা সবগুলোর ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নিতে পারি না। আমরা সিটিটিসিতে এজন্য একটা ল্যাব রয়েছে। আমরা মনে করি এনইআইআর চালু হলে এটা সহজে শনাক্ত করতে পারবো।</span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ইএইচ/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>তিন পার্বত্য জেলায় ই&#45;লার্নিং কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা, বাস্তবায়নে বিএসসিএল</title>
<link>https://digibanglatech.news/165463</link>
<guid>https://digibanglatech.news/165463</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_6978b586c4ee1.jpg" length="114883" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 27 Jan 2026 17:54:59 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>তিন পার্বত্য জেলায় ১২টি বিদ্যালয়ে ই-লার্নিং কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। </p>
<p>২৭ জানুয়ারি, মঙ্গলবার দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথিভবন যমুনা থেকে ভার্চুয়ালি তিনটি প্রাথমিক ও নয়টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে মতবিনিময় করেন প্রধান উপদেষ্টা। ই-লার্নিং কার্যক্রমে স্টারলিংক ইন্টারনেট সরবরাহ করছে স্টারলিংকের বাংলাদেশের অথরাইজড রিসেলার বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x_6978b57bb01f3.jpg" alt=""></p>
<p>)। </p>
<p>পর্যায়ক্রমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তিন পার্বত্য জেলায় নির্বাচিত ১৪৯টি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ই-লার্নিং কার্যক্রম শুরু হবে।</p>
<p>এসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা, প্রধান উপদেষ্টার এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোর্শেদ, প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ও বিএসসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. ইমাদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>রাঙামাটির রাণী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয়, কাপ্তাই আল-আমিন নূরীয়া দাখিল মাদ্রাসা, ফারুয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ইসলামাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খাগড়াছড়ির কমলছড়ি পাইলট হাই স্কুল, হাজাছড়ি জুনিয়র হাইস্কুল, মানিকছড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, পুজগাং মুখ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বান্দরবানের বালাঘাটা আইডিয়াল স্কুল, হাজী ফিরোজা বেগম ওয়ামি একাডেমি, তিন্দু জুনিয়র হাই স্কুল, বগামুখ পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আজ থেকে ই-লার্নিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে।  </p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সারা পৃথিবীতে ইন্টারনেট পৌঁছে গেছে অথচ তোমাদের ওখানে পৌঁছায়নি। এটা যে এতদিনেও হয়নি এজন্য সরকার দায়ী। আমরা ক্ষমাপ্রার্থী। আজকে শুরু করলাম মাত্র ১২টা স্কুল নিয়ে। অথচ এটা সাড়ে তিন হাজার স্কুলে শুরু হওয়ার কথা। আমাদের খুব তাড়াতাড়ি সে লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে।’</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘তোমাদের এত সুন্দর জায়গা, পৃথিবীতে এত সুন্দর জায়গা কয়টা আছে? অথচ ওখানে ভালো শিক্ষকরা যেতে চায় না। কারণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে হয়। ইন্টারনেটের মজা হলো এখন আর এক শিক্ষকের ওপর নির্ভর থাকতে হবে না। শিক্ষক পৃথিবীর যেখানে আছে সেখান থেকেই তোমাকে পড়াবে। তোমার যে শিক্ষক পছন্দ তার কাছেই তুমি পড়তে পারবে। শিক্ষকের অভাবে তোমাদের শিক্ষার মান কমবে না।</p>
<p>‘ইন্টারনেটের মাধ্যমে দুনিয়াতে কী হচ্ছে যে তথ্য তোমরা জানতে পারবে। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো স্বাস্থ্য। দুর্গম জায়গায় ভালো ডাক্তার পাওয়া যায় না। ইন্টারনেট থাকলে ডাক্তার যেখানেই থাকুক তোমরা যোগাযোগ করতে পারবে। পরামর্শ, ওষুধ নিতে পারবে,’ প্রধান উপদেষ্টা বলেন। </p>
<p>তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সবাই এদেশের নাগরিক। অন্য নাগরিক যে অধিকার পায়, তোমরাও সে অধিকার পাবে। আল্লাহ অন্য সবার মতো তোমাদেরও বুদ্ধি দিয়েছে, যোগ্যতা দিয়েছে। বঞ্চিত থাকার কোনো কারণ নেই। তোমরাও সমান সুবিধা পাবে। এটা দিতে না পারা হলো সরকারের অযোগ্যতা, এই অযোগ্যতা থেকে আমরা যেন বের হয়ে আসতে পারি।’</p>
<p>পরে কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সাথে ভার্চুয়ালি মত বিনিময় করেন প্রধান উপদেষ্টা। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা ই-লার্নিং কার্যক্রম শুরুর জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। </p>
<p>পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, ‘আজ এই কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে সরকার তার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করল। শিক্ষায় পার্বত্য অঞ্চলে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন হচ্ছে। একে একে ১৪৯টি স্কুলে আমরা ই-লার্নিং কার্যক্রম শুরু করব। আরও বেশি স্কুলে আমাদের পৌঁছে যেতে হবে। সরকার পার্বত্য অঞ্চলের মানুষদের পেছনে রাখতে চায় না। পার্বত্য অঞ্চলের লোকজনও পিছিয়ে থাকতে চায় না। আমরা চাই পার্বত্য চট্টগ্রামের সাথে পুরো বাংলাদেশ, গোটা বিশ্ব আরও সংযুক্ত হোক।’</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/ইউএইচ/এসএম</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>২,৩৭০ কোটি টাকায় গ্রামীণফোনকে ৭০০ ব্যান্ডে ১০ মেগাহার্জ তরঙ্গ বরাদ্দ</title>
<link>https://digibanglatech.news/164802</link>
<guid>https://digibanglatech.news/164802</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_6970677ff28cf.jpg" length="94911" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 21 Jan 2026 18:24:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বেতারে স্বর্ণালী তরঙ্গ হিসেবে বিবেচিত ৭০০ ব্যান্ডে একক অপারেটর হিসেবে ভিত্তিমূল্যে ১৫ বছরের জন্য ১০ মেগাহার্জ তরঙ্গ পেতে যাচ্ছে দেশের শীর্ষ মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন। মোট ২ হাজার ৩৭০ কোটি টাকায় অপারেটরটিকে এই তরাঙ্গ বরাদ্দ দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। </p>
<p>২১ জানুয়ারি, বুধবার তরঙ্গ নিলাম কমিটি ও তরঙ্গ ব্যবস্থাপনা কমিটির যৌথ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী।</p>
<p>জানাগেছে, নিলামে অংশ নেওয়া একমাত্র অপারেটর ছিল গ্রামীণফোন। একক দরদাতা হওয়ার সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে বিটিআরসি চলতি মাসের শুরুতে নিলাম নির্দেশিকা সংশোধন করে। সংশোধিত নিয়ম অনুযায়ী, ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে মোট ২৫ মেগাহার্টজ স্পেকট্রামের মধ্যে কোনো একক অপারেটরের সর্বোচ্চ অধিগ্রহণসীমা ১৫ মেগাহার্টজ থেকে কমিয়ে ১০ মেগাহার্টজ নির্ধারণ করা হয়।</p>
<p>নিয়ন্ত্রক সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, টেলিযোগাযোগ বাজারে প্রতিযোগিতা সুরক্ষিত রাখা এবং ভবিষ্যতে অন্যান্য অপারেটরের জন্য স্পেকট্রাম সংরক্ষণের লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।</p>
<p>নাম গোপন রাখার শর্তে বিটিআরসির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, “সীমিত অংশগ্রহণের পরিস্থিতিতেও যেন নিম্ন-ব্যান্ডের স্পেকট্রাম অতিরিক্তভাবে কোনো একক অপারেটরের হাতে কেন্দ্রীভূত না হয়—এটাই ছিল আমাদের মূল উদ্দেশ্য।”</p>
<p>রবি আজিয়াটা নিলাম থেকে সরে দাঁড়ানোর পর অংশগ্রহণ সীমিত হয়ে পড়ে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, নিলামের সময়সূচির সঙ্গে তাদের বর্তমান নেটওয়ার্ক বিনিয়োগ পরিকল্পনার সামঞ্জস্য না থাকায় তারা অংশ নেয়নি। এছাড়া বাংলালিংক ও রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিটকও নিলামে অংশগ্রহণ করেনি।</p>
<p>প্রতিযোগিতার অভাব সত্ত্বেও বিটিআরসি নিলাম কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, ২০২৪ সাল থেকেই এ নিলামের প্রস্তুতি চলছিল এবং আরও বিলম্ব হলে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা স্পেকট্রাম পরিকল্পনা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা ছিল।</p>
<p>বিটিআরসি কর্মকর্তারা আরও বলেন, রবি অন্য কিছু ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে স্পেকট্রাম নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে, যা ভবিষ্যতের বরাদ্দ প্রক্রিয়ায় বিবেচনায় আনা হতে পারে।  </p>
<p>এদিকে আবশ্যকীয় শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ৭০০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম অধিগ্রহণের জন্য গ্রামীণফোন যোগ্য মর্মে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) থেকে একটি স্বীকৃতি পত্র (অ্যাকনলেজমেন্ট লেটার) প্রাপ্তির কথা জানিয়েছেন গ্রামীণফোনের চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার তানভীর মোহাম্মদ।</p>
<p>তবে এই স্থগিতে বিষয়ে গত ৪ জানুয়ারি বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মোঃ আনেয়ারুল ইসলামের দ্বৈত বেঞ্চে একটি রিট দায়ের করা হয়। তবে বরাদ্দ দেয়ার আগ পর্যন্ত এই রিটের কোনো রুল হয়েছে বলে জানা যায়নি। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমইউএম/ইএইচ</strong></span></em></p>
<h1 class="post-title mb-4"><a href="https://digibanglatech.news/164726" target="_blank" rel="noopener">২১ জানুয়ারি জিপি-কে তরঙ্গ বরাদ্দ কমিটির বৈঠক</a></h1>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>২১ জানুয়ারি জিপি&#45;কে তরঙ্গ বরাদ্দ কমিটির বৈঠক</title>
<link>https://digibanglatech.news/164726</link>
<guid>https://digibanglatech.news/164726</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_6970677ff28cf.jpg" length="94911" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 21 Jan 2026 09:44:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কোনো প্রতিযোগী অংশ না নেয়ায় একক ‘নিলামকারী’ গ্রামীণফোনকে ৭০০ <span lang="BN">ব্র্যান্ডের </span>তরঙ্গ বরাদ্দ দিতে ২১ জানুয়ারি, বুধবার বৈঠকে বসছে <span lang="BN">বাংলাদেশ</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">টেলিযোগাযোগ</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">নিয়ন্ত্রণ</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">কমিশন</span> (<span lang="BN">বিটিআরসি</span>) । সংস্থাটির কমিশনার মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে দুপুরে তরঙ্গ বরাদ্দ নিলামেই এই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। <o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">দেশের টেলিকম খাতে ফোরজি ও ফাইভ-জি সেবার মান ও কভারেজ বাড়াতে  </span>বৈঠকে <span lang="BN">১০ শতাংশ মূল্য হ্রাস করে প্রতি মেগাহার্টজ ২৩৭ কোটি টাকা ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করে </span>দেশের শীর্ষ এই অপারেটরটিকে ৭০০ ব্যান্ড থেকে <span lang="BN">১০ মেগাহার্টজ </span>বরাদ্দ দেয়ার সুপারিশ বিষয়ে আলোচনা হবে। বৈঠকে সকল সদস্য একমত হলে এ বিষয়ে কমিশন সভায় প্রতিবেদন দাখিল করবেন কমিটির সদস্য সচিব ও বিটিআরসি<span lang="BN"> পরিচালক </span>মোঃ<span lang="BN"> নূরন্নবী</span>। <o:p></o:p></p>
<p>আগামী ২৮ জানুয়ারি কমিশন মিটিংয়ে তরঙ্গ বরাদ্দ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বলে জানাগেছে। সূত্রমতে, ৩১ জানুয়ারি নতুন করে ১০ মেগাহার্জ তরঙ্গ বরাদ্দ পেতে পারে গ্রামীণফোন। এ জন্য অপারেটরটিকে দুব হাজার ৩৭ কোটি টাকা তরঙ্গমূল্য পরিশোধ করতে হবে। <o:p></o:p></p>
<p>তবে <span lang="BN-BD">এককভাবে </span>বাজারে প্রাধান্য বিস্তারকরা গ্রামীণফোনের কাছে এই <span lang="BN-BD">লো ব্যান্ড স্পেকট্রাম বরাদ্দ দেওয়া হলে প্রতিযোগিতার ভারসাম্য নষ্ট হবে </span>বলে আগেই সতর্ক বার্তা দিয়েছে রবি আজিয়েটা এবং বাংলালিংক। <o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">বিটিআরসিকে পাঠানো এক চিঠিতে রবি জানায়</span>, <span lang="BN-BD">নতুন হার্ডওয়্যার স্থাপন এবং দেশব্যাপী নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের ব্যয়ের সঙ্গে ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের প্রস্তাবিত মূল্য যুক্ত হলে নন সিগনিফিক্যান্ট মার্কেট পাওয়ার অপারেটরদের জন্য এটি ব্যবসায়িকভাবে যুক্তিসংগত নয়। তবে মূল্য যদি দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়</span>, <span lang="BN-BD">তাহলে ভবিষ্যতে ৭০০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে বলে জানায় রবি। চিঠিতে গ্রামীণ কভারেজ</span>, <span lang="BN-BD">ভবনের ভেতরে সিগন্যাল</span>, <span lang="BN-BD">স্কেলের সুবিধা</span>, <span lang="BN-BD">প্রতি বিটে কম খরচ এবং পঞ্চম প্রজন্মের সেবা দ্রুত চালুর সুবিধার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">প্রতিযোগিতা বজায় রাখতে ন্যায্য স্পেকট্রাম বণ্টনের আহ্বান জানিয়ে রবি ৯০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ড থেকে একযোগে ৩.৪ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম বরাদ্দ দেওয়ার আগের দাবিও পুনর্ব্যক্ত করেছে। বিটিআরসিকে পাঠানো পৃথক চিঠিতে বাংলালিংকও একই ধরনের উদ্বেগের কথা জানায়।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">নিলামের বিরোধিতা না করলেও বাংলালিংক সতর্ক করে বলেছে</span>, <span lang="BN-BD">একক বিডার নিয়ে নিলাম হলে উল্লেখযোগ্য বাজারক্ষমতাসম্পন্ন একটি অপারেটরের হাতে স্পেকট্রাম কেন্দ্রীভূত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে। এতে প্রতিযোগিতা বিকৃত হওয়া</span>, <span lang="BN-BD">লো ব্যান্ড স্পেকট্রাম ধারণে কাঠামোগত ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি হওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদে এ খাতের টেকসই উন্নয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কার কথাও জানায় প্রতিষ্ঠানটি।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">বাংলালিংক উন্নত গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন ব্যান্ডের স্পেকট্রাম নিতে আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করে জানায়</span>, <span lang="BN-BD">বর্তমানে ৮৮০ থেকে ৮৮৮ দশমিক ৪ মেগাহার্টজ রেঞ্জে প্রায় ৮ দশমিক ৪ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম অবশিষ্ট রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রশাসনিকভাবে একযোগে এই ব্যান্ড বরাদ্দ দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে অন্তত ৩ দশমিক ৪ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম চেয়েছে</span>, <span lang="BN-BD">বিশেষ করে ৮৮৫ থেকে ৮৮৮ দশমিক ৪ মেগাহার্টজ রেঞ্জে। </span><o:p></o:p></p>
<p style="background: white; vertical-align: baseline;">এর আগে <span lang="BN-BD">২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর বিটিআরসি তাদের ওয়েবসাইটে ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ২৫ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম নিলামের নির্দেশিকা প্রকাশ করে। শুরুতে নিলামের তারিখ নির্ধারিত ছিল ২০২৬ সালের ১৪ জানুয়ারি</span>, <span lang="BN-BD">যা পরে পরিবর্তন করা হয়। সংশোধিত নির্দেশিকায় একক বিডারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্পেকট্রাম সীমা আগের ১৫ মেগাহার্টজ থেকে কমিয়ে ১০ মেগাহার্টজ করা হয়</span><span lang="HI">। </span><span lang="BN-BD">তবে </span>অপর দুই বেসরকারি মোবাইল অপারেটর<span lang="BN-BD"> রবি আজিয়াটা ও বাংলালিংকের মতে</span>, <span lang="BN-BD">বর্তমান ভিত্তিমূল্যে এই স্পেকট্রাম এখনো বাণিজ্যিকভাবে টেকসই নয়।</span><span lang="BN-BD">  </span>বাজার বিশ্লেষকদের মতে, <span lang="BN-BD">৭০০ ব্র্যান্ডের তরঙ্গের নিলাম যদি জিপিকে বরাদ্দ দে</span>য়া হয়,<span lang="BN-BD"> তাহলে কমিশন সম্পূর্ণরূপে তার স্বাধীনতা চাওয়ার অধিকার খর্ব করবে</span>।</p>
<p style="background: white; vertical-align: baseline;"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এনইআইআর নিয়ে হাইকোর্টের রুল</title>
<link>https://digibanglatech.news/164694</link>
<guid>https://digibanglatech.news/164694</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202502/image_870x580_67b21f28b453e.jpg" length="81870" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 20 Jan 2026 19:45:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-added-after="true">বাধ্যতামূলকভাবে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) চালু কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। <span>আগামী ৩০ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এবং মন্ত্রণালয়কে (ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ) এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ে দেওয়া ব্যবসায়ীদের একটি আবেদন নিষ্পত্তি করতেও আদেশ দিয়েছে আদালত।’</span></p>
<p>২০ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) বিচারপতি রাজিক আল জলিল এবং বিচারপতি আনোয়ারুল ইসলাম–এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।</p>
<p> রিট আবেদনটি দায়ের করেন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)–এর সিনিয়র সহ-সভাপতি শামীম মোল্লা।</p>
<p>রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার ইমরান সিদ্দিক। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন এটর্নি জেনারেল (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আরশাদুর রউফ এবং অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল অনিক আর হক।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিজেএন/ইক</strong></span></em></p>
<div class="adsbyvli" data-ad-slot="pw_34563" data-id="pw_34563_1" lazyload="true"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গুলশান কার্যালয়ের সামনে অবস্থানরত এনইআইএর বিরোধীদের কথা শুনেছেন তারেক রহমান</title>
<link>https://digibanglatech.news/164428</link>
<guid>https://digibanglatech.news/164428</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_696cfec29482e.jpg" length="114555" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 18 Jan 2026 19:40:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-added-after="true">ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ন্যাশনাল আইডেন্টিটি ইকুইপমেন্ট রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) পুনর্বিবেচনা করবে বলে দাবি করেছে আন্দোলনরত মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)। এই গ্রুপটির<span> ভাষ্য, ‘বিএনপি নির্বাচিত হলে এনইআইআর সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন তারেক রহমান।’ </span></p>
<p data-added-after="true"><span>তবে এ বিষয়ে </span><span>বিএনপি চেয়ারম্যানের দফতর থেকে এ ধরনের কোনো সুস্পষ্ট আশ্বাস দেয়ার কথা জানা যায়নি। কেবল জানানো হয়েছে, মোবাইল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বিএনপি চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ হয়েছে এবং তিনি তাদের সমস্যাগুলো শুনেছেন।</span></p>
<p>জানাগেছে, পরিবার-পরিজন নিয়ে আন্দোলনরত মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশের (এমবিসিবি) কয়েকজন সদস্য ১৮ জানুয়ারি, রবিবার বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। এ সময় কার্যালয়ে প্রবেশের মুহূর্তে বিষয়টি নজরে এলে বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমান গাড়ি থেকে নেমে তাদের কথা শোনেন। পরে তাদের ৪ সদস্যের প্রতিনিধি দলকে ডেকে নিয়ে অনির্ধারিত বৈঠক করেন। </p>
<p>এমবিসিবির কেন্দ্রীয় নেতা ও চট্টগ্রাম মোবাইল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আরিফুর রহমান, এমবিসিবি যমুনা শাখার সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম রুবেল এবং যমুনা ফিউচার পার্কের মোবাইল বিক্রেতা মাসুদুর রানা এই বৈঠকে অংশ নেন। </p>
<p data-added-after="true">এদেরই একজন আরিফুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, বিকেলে পরিবার-পরিজন নিয়ে তারা বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ের বাইরে অবস্থান নিয়েছেলেন। এসময় <span>কার্যালয়ে ঢোকার সময় তাদের দেখতে পেয়ে গাড়ি থেকে নেমে</span> চারজন প্রতিনিধিকে ভেতরে ডেকে বৈঠকে আমন্ত্রণ জানান বিএনপি চেয়ারপর্সন তারেক রহমান। সন্ধ্যা ৬টার কিছু পর বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে তারেক রহমানের কাছে একটি নথি দেয়া হলে সেটি একজন প্রতিনিধিকে বিশ্লেষণের দায়িত্ব দেন।  </p>
<p data-added-after="true"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এইচএম/বিটিও</strong></span></em></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইএসপি বা এফটিএসপিদের রেভিনিউ শেয়ার থাকছে না : বিটিআরসি কমিশনার</title>
<link>https://digibanglatech.news/164047</link>
<guid>https://digibanglatech.news/164047</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_6967e1ff86446.jpg" length="82988" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 14 Jan 2026 21:41:59 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>আইএপিদের রেভিনিউ শেয়ারিং করতে হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন </span><span></span><span>বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ইকবাল আহমেদ। একই সঙ্গে মোবাইল অপারেটিরদের জন্য ট্যারিফ সিলিং বেধে দিলেও ফ্লোর বেধে দেয়া উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। </span></p>
<p><span>১৪ জানুয়ারি, বুধবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ‘আইসিটি ও টেলিকম খাতের সংস্কারনামা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এক প্রশ্নের জবাবে এমনটাই জানান বিটিআরসি কমিশনার। </span></p>
<p><span>তিনি বলেছেন, আমরা এখন আর আইএসপি বা এফটিএসপি’র সঙ্গে রেভিনিউ শেয়ারের বিষয়টি আর বিবেচনায় নিচ্ছি না। এখন পর্যন্ত প্রকাশন করা না হলেও শিগগিরই ঘোষণা করা হবে। আইএপিদের রেভিনিউ শেয়ারিং করতে হবে না। </span></p>
<p><span>এ বিষয়ক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেছেন, আইএসপিরা  রেভিনিউ শেয়ার করছে না। কিভাবে করবে?</span><span> গাইড লাইনই তো এখনও পাশই হয় নাই। ন্যাচারালই আমরা এই রেভিনিউ শেয়ারিং যেন না থাকে ওই বিষয়টি খেয়াল রাখতে চাই।   </span></p>
<p><span>‘এই মুহুর্তে আমাদের এক কোটি ৭৩ লাখের মতো ব্রডব্যান্ড সাবসক্রাইবার আছে’ জানিয়ে ‘এই সাবসক্রাইবার থেকে যদি আমি ১৫ শতাংশ ভ্যাট নিয়ে সরকারকে দিতে পরি, যদিও আমার দায়িত্ব নয় তা; তবে যদি এনসিও করতে পারি তবে ভ্যাটের মাধ্যমে যে টাকাটা পাওয়া যাবে সেটা একটা বড় অংকের টাকা দাঁড়াবে। তাহলে আর রেভিনিউ শেয়ার লাগবে না’- যোগ করেন তিনি। </span></p>
<p><span>একসময় বিটিআরসি-কে সোনার ডিম পাড়া হাঁস বিবেচনা করা হলেও একটু একটু করে সংস্থাটি এই জায়গা থেকে বেরিয়ে আসছে বলেও জানালেন বিটিআরসি’র এই কমিশনার। তিনি বলেন, নতুন পলিসির মধ্যে সেই ইন্ডিকেশনটা রয়েছে। তাছাড়া ডিজিটাল ইকনোমিকি ফ্লারিশ করতে হলে এই সেক্টর অ্যানাবল সেক্টর হিসেবে এই খাতে আরও ১০টা কর্মস্থান সৃষ্ট হবে। তখন সরকার আরও আয় করতে পারবে। আমি আশা করবো জনগণের সরকারের সময় আরও এমন জনবান্ধব নীতি হবে। </span></p>
<p><span>মোবাইল ডেটার দাম বাড়ার বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ইকবাল আহমেদ। একইসঙ্গে </span><span>২০১০ সালে বিটিআরসি’র স্বাধীনতা খর্ব করার পর থেকেই এই খাতে সঙ্কট শুরু এবং টেলিকম পলিসিতে প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন তিনি। তিনি বলেন, যে টেলিকম পলিসিটি করা হয়েছে সেটা মূলত- নেটওয়ার্কিং অ্যান্ড লাইসেন্সিং রেজিম ২০২৫। আগে যে আইএলডিটিএস পলিসি ছিলো এটা তার প্রতিস্থাপন। বাংলাদেশের টেলিকমিউনিকেশন কোন অবকাঠামো বা টপোলজিতে চলবে সেটি নির্দেশনা দিতো ওই পলিসিটি। সেটি অনেক পুরোনো থাকায় এটি নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ করতে পারছিলো না। ভ্যালু অ্যাড করতে পারছিলো না। পাশাপাশি এটি যতটা না জনবান্ধব ছিলো তার চেয়ে বেশি সুবিধা হয়েছিলো কিছু ব্যবসায়ীদের। ফলে সেবার মান কমছিলো। তাই এটা অনেক আগেই পরিবর্তন করার দরকার ছিলো। এটি ছিলো ছয় সাত স্তরে। সেটি কমিয়ে আমরা নতুন নীতিমালায় ৩-৪টিতে নামিয়ে এনেছি।  </span></p>
<p><span>নতুন যে কোনো কিছু গ্রহণে ভয়-ভীতি থাকা স্বাভাবিক উল্লেখ করে পুরোনোদের নতুন লাইসেন্স নীতিমালায় অন্তর্ভূক্তির কনাসালটেশন হচ্ছে বলে জানান বিটিআরসি কমিশনার। তিনি বলেন, সাদা দৃষ্টিতে অনেক লাইসেন্স বাতিল হচ্ছে মনে হলেও আসলে বিভিন্ন স্তরে তাদের সুযোগ থাকছে। তবে সবাইকে অন্তর্ভূক্ত করা সম্ভব হবে না। সব জায়গাতে প্রতিযোগিতা করতে হবে। একীভূত হয়ে আসতে পারে। এই পলিসিটি সরকার বা ব্যবসায়ী নয় জনগণের স্বার্থ দেখা হয়েছে। এক্টিভ শেয়ারিংয়ের কারণে অনেক রিসোর্স বাঁচবে। সঙ্গে ডলারেরও সাশ্রয় হবে।   </span></p>
<p><span> নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ভয়েস ফর রিফর্ম ও টেকনোলজি ইন্ডাস্ট্রি পলিসি অ্যাডভোকেসি প্লাটফর্ম (টিআইপিএপি) এর যৌথ আয়োজনে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব। তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ফাহিম মাশরুরের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন টেলিযোগাযোগ বিশেষজ্ঞ মাহতাব উদ্দিন আহমেদ, বাক্কো সভাপতি তানভীর ইব্রাহীম, আইসিটি বিভাগের শ্বেতপত্র প্রকাশ টাস্কফোর্সের প্রধান অধ্যাপক নিয়াজ আসাদুল্লাহ প্রমুখ। </span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/এমইউএম</strong></span></em></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এনইআইআরের তথ্য বিদেশে যাওয়ার সুযোগ নেই: বিটিআরসি ও অগ্নি সিস্টেমস</title>
<link>https://digibanglatech.news/163958</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163958</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_6967325926d76.jpg" length="96329" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 14 Jan 2026 00:10:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশে আমদানিকৃত মোবাইল হ্যান্ডসেট এর নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালু নিয়ে দেশজুড়ে চলছে পক্ষে-বিপক্ষে প্রচারণা। এমন পরিস্থিতিতে ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট রেজিস্টারের নামে <strong><a href="https://digibanglatech.news/162921" target="_blank" rel="noopener">ফিশিং ওয়েবসাইট</a></strong> চালুর পর অভিযোগ এনইআইআর এর তথ্য ভারতে চলে যাচ্ছে। এ বিষয়ে বিষয়ে প্রকৃত বিষয় অনুসন্ধানে ১৩ জানুয়ারি <strong><a href="https://digibanglatech.news/163865" target="_blank" rel="noopener">ভারতের সার্ভারেই কি এনইআইআর ডাটা?</a></strong> টেক-ক্লুসিভ প্রতিবেদন প্রকাশ করে ডিজিবাংলাটেক ডট নিউজ। এই ‘ফ্যাক্টচেক’ ও ‘ডিসক্লেইমার’ ভিত্তিক এই ডিবাং প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টির নিয়ে সমান্তরাল বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি। এবং ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান অগ্নি সিস্টেমস লিমিটেড। </p>
<p><span style="text-decoration: underline;">নিচে সেই বিজ্ঞপ্তিগুলো প্রকাশ করা হলো-</span></p>
<p><strong>এনইআইআরের তথ্য বিদেশে যাওয়ার সুযোগ নেই: বিটিআরসি</strong></p>
<p>ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেমের সব তথ্য দেশের অভ্যন্তরেই একটি নিরাপদ স্থানে সংরক্ষিত আছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। সংস্থাটির দাবি, এই সিস্টেমের তথ্য বা ট্রাফিক অন্য কোনো দেশে যাওয়ার সুযোগ নেই।</p>
<p> বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে জারি করা এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মোবাইল হ্যান্ডসেটের অবৈধ আমদানি রোধ, চুরি প্রতিরোধ, অবৈধ হ্যান্ডসেট ব্যবহার করে সংঘটিত অপরাধ দমন এবং সরকারের রাজস্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ১ জানুয়ারি এনইআইআর সিস্টেম চালু করা হয়েছে।</p>
<div class="adv-img text-center d-print-none">
<div id="div-gpt-ad-1684647258213-0" data-google-query-id="CLeKkdmqipIDFbaKrAIdOJQlGw">
<div id="google_ads_iframe_/401241791/details-inner-a_0__container__"></div>
</div>
</div>
<p>এনইআইআর কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সিস্টেমটির সার্ভারের অবস্থান ও ব্যবহৃত আইপি নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এনইআইআর সিস্টেমের সব ডাটা দেশের ভেতরেই হোস্ট করা হয়েছে এবং গ্রাহকের তথ্য সুরক্ষার জন্য বিটিআরসির নিজস্ব হার্ডওয়্যার ব্যবহার করে সরকার নির্ধারিত ডাটা প্রোটেকশন আইনের সব বিধান অনুসরণ করে সিস্টেমটি তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি, সিস্টেমে ব্যবহৃত আইপি ঠিকানাগুলো বাংলাদেশের একটি প্রতিষ্ঠানের নামে এপনিক (APNIC) কর্তৃক বরাদ্দপ্রাপ্ত।  এনইআইআর পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সব রিকুয়েস্ট দেশের অভ্যন্তরেই প্রক্রিয়াকরণ হচ্ছে। আইপি রুট বিশ্লেষণের মাধ্যমে সিস্টেমটির ভৌত অবস্থান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।</p>
<p><strong>এনইআইআর- এর কোনও তথ্য দেশের বাইরে সংরক্ষণ বা স্থানান্তরের কোনো সুযোগ নেই: অগ্নি সিস্টেমস </strong></p>
<p>সম্প্রতি এনইআইআর (ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার) সিস্টেমের ডেটাবেজ বিদেশে হোস্ট করা হয়েছে- এমন একটি বিভ্রান্তিকর দাবি নিয়ে একটি সংগঠনের মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচির বিষয়টি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। অগ্নি সিস্টেমস লিমিটেড স্পষ্টভাবে জানাতে চায়, এ ধরনের দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর।</p>
<p>কারিগরি যাচাইয়ে দেখা গেছে, এনইআইআর- এর ওয়েব সার্ভারের আইপি জিওলোকেশন একাধিক আন্তর্জাতিক ডাটাবেজে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া গেছে- সংশ্লিষ্ট সার্ভারের অবস্থান ঢাকায়। আটটির বেশি স্বতন্ত্র জিও-লোকেশন ও আইপি যাচাইকরণ প্ল্যাটফর্মে একই তথ্য পাওয়া গেছে। কেবল একটি তৃতীয় পক্ষের আইপি লোকেশন ডাটাবেজে ভুলভাবে একটি বিদেশি ঠিকানা (ভারতের দিল্লী) প্রদর্শিত হয়েছে, যা তাদের নিজস্ব ডেটাবেজজনিত ত্রুটি।</p>
<p>উল্লেখ্য, এনইআইআর সিস্টেমটির সব তথ্য বিটিআরসি এবং বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)-এর নিজস্ব ডেটা সেন্টারে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই সংরক্ষিত। এনইআইআর- এর কোনও তথ্য দেশের বাইরে সংরক্ষণ বা স্থানান্তরের কোনো সুযোগ নেই।</p>
<p>অগ্নি সিস্টেমস লিমিটেড কেবল একটি দেশীয় ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে ডেটা রাউটিং ও নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা সংক্রান্ত সেবা প্রদান করে। যে আইপি অ্যাড্রেস নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, সেটি বাংলাদেশের আইএসপি হিসেবে অগ্নি সিস্টেমস-এর বরাদ্দকৃত আইপি, কোনও বিদেশি আইএসঅবকাঠামোর অংশ নয়। সংশ্লিষ্ট তৃতীয় পক্ষের ডাটাবেজে ভুল তথ্য সংযোজনের কারণে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে, যার সঙ্গে অগ্নি সিস্টেমসের কোনও দায় বা সম্পৃক্ততা নেই। বিষয়টি শনাক্ত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক ডেটাবেজ সেবাদাতার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং তারা দ্রুত এই ত্রুটি সংশোধনের আশ্বাস দিয়েছে।</p>
<p>অগ্নি সিস্টেমস লিমিটেড দায়িত্বের সঙ্গে আবারও জানাচ্ছে- এনইআইআর সিস্টেম সম্পূর্ণভাবে একটি বাংলাদেশি অবকাঠামো, এর ডেটাবেজ বাংলাদেশেই হোস্ট করা এবং বিদেশে ডেটা যাওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।</p>
<div id="content-details">
<div class="adv-img text-center d-print-none"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিজ্ঞপ্তি/ইকে</strong></span></em></div>
<p></p>
<p></p>
</div>
<div class="adv-img text-center d-print-none">
<div id="div-gpt-ad-2189815-8" class="text-center" data-google-query-id="CLiKkdmqipIDFbaKrAIdOJQlGw"></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এক গ্রাহকের নামে থাকা একাদশ সিমের সংখ্যা   ৮৯ লাখ; বন্ধ হয়েছে ৮৮ লাখ</title>
<link>https://digibanglatech.news/163908</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163908</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_686cc6918d2dd.jpg" length="78837" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 13 Jan 2026 18:02:43 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>পূর্বঘোষিত ১০টির বেশি সিমকার্ড </span><span>বাতিলের সিদ্ধান্ত বাতিল করায় ৮৯ লাখের মতো সিম তালিকাভূক্ত হয়েছে। এরইমধ্যে</span><span> ৮৮ লাখেরও বেশি সিমকার্ড বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। সংস্থাটির হালনাগাদ তথ্য বলছে, গত ছয় মাসে কমেছে প্রায় ১৮ লাখের বেশি মোবাইল গ্রাহক ও ৬২ দশমিক ৬ লাখ মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহক। </span></p>
<p><span>নভেম্বর শেষে দেশে ১৮ কোটি ৭০ লাখ ছয় হাজার মোবাইল গ্রাহক ছিলেন। একই সময়ে মোট ইন্টারনেট গ্রাহক ছিলেন ১২ কোটি ৯৮ লক্ষ ৯০ হাজার। এর মধ্যে মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিলো ১১ কোটি ৫২ লাখ ৭০ হাজার।  </span></p>
<p><span>এমন বাস্তবতায় নতুন বছরে আসতেই বন্ধ করা হয়েছে একটি এনআইডি’র অধীনে নিবন্ধিত ১০টির বেশি সিম। এতে প্রায় ৮৯ লাখ অতিরিক্ত সিম পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন বিটিআরসি’র  সিস্টেমস অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এসএম মনিরুজ্জামান। তিনি বলেছেন, এর মধ্যে ৮৮ লাখের বেশি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বাকি এক লাখ সিম ভিআইপিসহ বিভিন্ন মামলা চলমান থাকায় স্থগিত করা হয়েছে। তবে দ্রুতই সেগুলোও বন্ধ হয়ে যাবে। </span></p>
<p><span>এদিকে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা কমলেও বেড়েছে ব্রডব্যান্ডের গ্রাহক। বর্তমানে দেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ সংখ্যা ১ কোটি ৪৬ লাখ ২০ লাখ। জুলাই অভ্যুত্থানের সময়ে এ সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৩৫ লাখ ৩০ হাজার। জুলাই অভ্যুত্থানের পর ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ দুই মাস অন্তর বাড়তে দেখা গেছে। বেড়েছে ব্রডব্যান্ডের গতিও। </span></p>
<p><span><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিবি/ইকে</strong></span></em> </span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্বনির্ভর টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি সেবার দাবিতে মানববন্ধন</title>
<link>https://digibanglatech.news/163861</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163861</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_6966007888fa7.jpg" length="99894" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 13 Jan 2026 11:41:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>স্বনির্ভর টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি সেবার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন। ১৩ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) সকালে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানব বন্ধন থেকে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে অতিমাত্রায় ভারতনির্ভরতা জাতীয় নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্বার্থ এবং প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়। </p>
<p>মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দেশের মোবাইল অপারেটর, টাওয়ার কোম্পানি, আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ, সফটওয়্যার সেবা, নেটওয়ার্ক মেইনটেন্যান্স, ভেন্ডর সাপোর্ট, কল সেন্টার, আইটি আউটসোর্সিং ও বিভিন্ন কোর নেটওয়ার্ক সার্ভিসে দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকদের আধিপত্য তৈরি হয়েছে। এতে করে দেশীয় দক্ষ জনশক্তি বঞ্চিত হচ্ছে, বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশ থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে এবং জরুরি সময়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা ঝুঁকির মুখে পড়ছে। মোবাইল অপারেটর ও টাওয়ার কোম্পানির গুরুত্বপূর্ণ টেকনিক্যাল ও ম্যানেজমেন্ট পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভারতীয় নাগরিক কর্মরত। আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ ও ডেটা রুটিংয়ে ভারতীয় নির্ভরতা থাকায় দেশের তথ্য নিরাপত্তা প্রশ্নবিদ্ধ। সফটওয়্যার, বিলিং সিস্টেম, নেটওয়ার্ক অপারেশন সেন্টার (NOC) ও ভেন্ডর সাপোর্টে দেশীয় বিকল্প থাকা সত্ত্বেও সেগুলোকে উপেক্ষা করা হচ্ছে। এই নির্ভরতার ফলে দেশীয় আইটি উদ্যোক্তা ও প্রকৌশলীদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।</p>
<p>এসময় বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সাবেক পরিচালক খালেদ আবু নাসের বলেন, স্বনির্ভর প্রযুক্তি এবং টেলিযোগাযোগ সেবা না হলে কি হতে পারে তা আমরা রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে দেখেছি। বাংলাদেশ এখনো এই সেক্টরে সম্পূর্ণ পরনির্ভরশীল। প্রায় সাত হাজার কোটি টাকা দৈনিক ডিজিটাল লেনদেন হয় যা সম্পূর্ণ পরনির্ভরশীল টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি সেবার উপর নির্ভরশীল। যদি কোন দুর্ঘটনা ঘটে যায় যদি কোন দুর্ঘটনা তাহলে দেশের পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা সরকারকে অনুমান করতে হবে। </p>
<p> বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন, মানবাধিকার ও সমাজকর্মী সাধনা মহল, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য মাহফুজ, নকিব খান, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজু প্রমুখ।</p>
<p>মানব বন্ধন থেকে ছয়টি দাবি তুলে ধরে বক্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এসব যৌক্তিক দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা হবে। দাবিগুলো হলো-  টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি খাতে অপ্রয়োজনীয় বিদেশি (বিশেষত ভারতীয়) নির্ভরতা পর্যায়ক্রমে কমিয়ে আনতে জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন; মোবাইল অপারেটর ও টাওয়ার কোম্পানিতে দেশীয় প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদ নিয়োগ বাধ্যতামূলক করা; আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ ও ডেটা রুটিংয়ে বহুমুখীকরণ এবং দেশীয় অবকাঠামো জোরদার করা; সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক মেইনটেন্যান্স ও আইটি সেবায় দেশীয় প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার প্রদান; জাতীয় নিরাপত্তা ও তথ্য সুরক্ষার স্বার্থে বিদেশি ভেন্ডর ও জনবলের কার্যক্রম কঠোর নজরদারিতে আনা এবং  দেশীয় প্রযুক্তি শিল্প গড়ে তুলতে গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমএইচএ/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এনইআইআর পদ্ধতিতে গ্রাহকদের তথ্য পার্শ্ববর্তী দেশে চলে যাবে&#45;  এমবিসিবি’র দাবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/163678</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163678</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_6963ac43782a3.jpg" length="115552" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 11 Jan 2026 17:57:58 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) বাস্তবায়নের আড়ালে দেশের মোবাইল শিল্পের অস্থিরতার পেছনে সংগঠিত একটি সিন্ডিকেট কাজ করছে অভিযোগ করেছে অনিবন্ধিত (অবৈধ) মোবাইল ব্যবসায়ীদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি) দাবি করেছে, ‘<span>এনইআইআর পদ্ধতিতে গ্রাহকদের তথ্য পার্শ্ববর্তী দেশে চলে যাবে। এছাড়াও একই ব্যক্তির নামে একাধিক ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি (আইএমইআই) নম্বর নিবন্ধিত হয়ে যাবে, যা ওই ব্যক্তি জানতেও পারবে না। এরইমধ্যে অনেকের নামে একাধিক আইএমইআই নম্বর নিবন্ধিত হয়ে গেছে ’।</span></p>
<p>১১ জানুয়ারি (রবিবার) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি'র সাগর-রুনি হলে ‘এনইআইআর চালুর কারিগর আওয়ামী দোসরদের মুখোশ উন্মোচন’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান এমবিসিবির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আনিসুজ্জামান সোহেল ও সংগঠনের প্রতিনিধি সদস্য ফয়সাল আজাদ। তবে <span>এমবিসিবির সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম এবং সিনিয়র সহসভাপতি শামীম মোল্লাসহ উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের উপস্থিতির কথা থাকলেও তারা হুমকিতে রয়েছেন এবং নিরাপত্তার স্বার্থে অনুপস্থিত ছিলেন বলে সংবাদ সম্মেলনে অবহিত করা হয়।</span></p>
<p>সংবাদ সম্মেলন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশের প্রাচার সম্পাদক আনিসুল রহমান সোহেল বলেন, “বাংলাদেশে National Equipment Identity Register (NEIR) ব্যবস্থা বাস্তবায়নের মাধ্যমে মোবাইল শিল্পে যে অস্থিরতা, সহিংসতা ও ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষতি সৃষ্টি হয়েছে, তার পেছনে একটি সংগঠিত সিন্ডিকেট ও নির্দিষ্ট ব্যক্তিকেন্দ্রিক প্রভাব কাজ করেছে।”</p>
<div class="adv-img text-center d-print-none">
<div id="div-gpt-ad-1684647258213-0" data-google-query-id="CIHEl6rDg5IDFehZnQkdP541Zw">
<div id="google_ads_iframe_/401241791/details-inner-a_0__container__"></div>
</div>
</div>
<p>তিনি আরো বলেন, “স্মার্ট টেকনোলজিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম তথাকথিত ৯ কোম্পানির মোবাইল সিন্ডিকেটের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং NEIR ব্যবস্থাকে ব্যবহার করে পুরো মোবাইল শিল্পকে একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার নেপথ্য পরিকল্পনায় যুক্ত। তিনি ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যা মামলায় জহিরুল ইসলাম ১৮ নম্বর আসামি হিসেবে তালিকাভুক্ত। পাশাপাশি দুদকের তদন্ত নথিতে তার বিরুদ্ধে অর্থপাচার ও বাজার নিয়ন্ত্রণে সিন্ডিকেট গঠনের অভিযোগ রয়েছে।”</p>
<p>মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশের প্রচার সম্পাদক আরো বলেন, “এনইআইআর কার্যকর হওয়ার পর কয়েক লক্ষ বৈধ মোবাইল ফোন হঠাৎ নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এতে ব্যবসায়ী ও সাধারণ গ্রাহক উভয়ই চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেক গ্রাহকের এনআইডির বিপরীতে অস্বাভাবিক সংখ্যক আইএমইআই নিবন্ধনের অভিযোগও উঠে এসেছে। তাই মোবাইল বিজনেস কমিটি বাংলাদেশ অবিলম্বে এনইআইআর কার্যক্রম স্থগিত করে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি জানাই এবং এই সংকটের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”</p>
<p>আনিসুজ্জামান আরো প্রশ্ন তোলেন, “জহিরুল ইসলামের নামে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অর্থপাচার ও দুর্নীতির অভিযোগও রয়েছে। যার তদন্ত স্মারক নং ০০.০১.২৬০০.৭০১.০০৫.২৫। তিনি মোবাইল শিল্পের আড়ালে বিদেশে অর্থপাচার করেছেন। এখন সিন্ডিকেট কাঠামোর মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন। গণ-অভ্যুত্থানের পরে তিনি বিএনপিতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা ও দলীয়ভাবে প্রত্যাখ্যানও হয়েছেন। আমাদের প্রশ্ন হলো- এমন একজন ফ্যাসিস্টের সহযোগী কীভাবে অর্থের বিনিময়ে এনইআইআর পদ্ধতি আনতে পারলো?”</p>
<p>বক্তারা বলেন, রাষ্ট্রের স্বার্থে গ্রাহকদের তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হলে এনইআইআর পদ্ধতিকে তারা সাধুবাদ জানায়। তবে, এই পদ্ধতি যারা টাকার বিনিময়ে চালু করাতে চাচ্ছেন, তাদের উদ্দেশ্য কি, সেটি খতিয়ে দেখার জোর দাবি জানান তারা। একইসঙ্গে গ্রাহকরা এরইমধ্যে হয়রানির শিকার হচ্ছেন জানিয়ে তারা বলেন, আমাদের কাছে হাজার হাজার অভিযোগ আসছে। অনেকের ফোনেই নেটওয়ার্ক চলে গেছে। এটি তো হওয়ার কথা ছিলো না। আমাদের তো বলা হয়েছিল পুরোনো ফোনে কোনো সমস্যা হবে না। আর আমাদের কাছে থাকা ফোনগুলো ৩ মাসের মধ্যে বিক্রি করতে সময় দেওয়া হয়েছিল। এরই মধ্যে যদি সমস্যা তৈরি হয়, পরবর্তীতে এই সমস্যার সমাধান কী হবে? সরকারকে একটি প্রক্রিয়া চালু করার আগে নিশ্চয়ই আরো গবেষণা করা উচিত ছিলো। আমরা সরকারকে আরো গবেষণা করে এনইআইআর পদ্ধতি বাস্তবায়নের অনুরোধ জানাচ্ছি।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আরবি/ডিপিও/এমইউএম</strong></span></em></p>
<div class="adv-img text-center d-print-none">
<div id="div-gpt-ad-2189815-8" class="text-center" data-google-query-id="CILEl6rDg5IDFehZnQkdP541Zw">
<div id="google_ads_iframe_/401241791/risingbd-details-inner-b_0__container__"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইন্টারনেট প্যাকেজে ৩ গুণ গতি বাড়ালো বিটিসিএল</title>
<link>https://digibanglatech.news/163630</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163630</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_6963670b3bcdc.jpg" length="32717" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 11 Jan 2026 11:02:21 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রান্তিক গ্রাহক পর্যায়ে মাসিক মূল্য অপরিবর্তিত রেখে বিদ্যমান ইন্টারনেট প্যাকেজে ৩ গুণ পর্যন্ত গতি বৃদ্ধি করেছে রাষ্ট্রায়ত্ব বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)।  গতি বাড়ানোর পাশাপাশি ৫০ এমবিপিএস বা তার বেশি গতির ইন্টারনেট সংযোগ নিলে সাথে ওএনটি/রাউটার ফ্রি দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে।  </p>
<p>১১ জানুয়ারি, রবিবার, এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। </p>
<p>এতে জানানো হয়, হালনাগাদ প্যাকেজে ৩৯৯ টাকায় ৫ এমবিপিএস এর পরিবর্তে ২০ এমবিপিএস, ৫০০ টাকায় ১২ এমবিপিএস এর পরিবর্তে ২৫ এমবিপিএস; ১৫ এমবিপিএস ক্যাম্পাস-১৫ প্যাকেজের গতি ৫০ এমবিপিএস-এ উন্নীত করা হয়েছে। এর মধ্যে ক্যাম্পাস-৫০টি সেবাটি প্রিপেইড হিসেবে কেবল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নিতে পারবে।</p>
<p>এছাড়াও ৮০০ টাকায় ১৫ এমবিপিএস সংযোগের গতি ৫০ এমবিপিএস, ১০৫০ টাকায় ১০০ এমবিপিএস, ১১৫০ টাকায় ১২০ এমবিপিএস, ১৩০০ টাকায় ১৩০ এমবিপিএস, ১৫০০ টাকায় ১৫০ এমবিপিএস এবং  ১৭০০ টাকায় ১৭০ এমবিপিএস গতি পাওয়া যাবে।</p>
<p>তবে এসব সংযোগ পেতে এলাকা ভিত্তিক সংযোগ ফি বা জামানত দিতে হবে। একইসঙ্গে মাসিক প্যাকেজের সঙ্গে ১০০ টাকা যোগ করলে টেলিফোনসংযোগসহ বিটিসিএল টু বিটিসিএল ফ্রি কল সুবিধা দেয়ার হচ্ছে। সংযোগ ও সেবা পেতে টেলিসেবা অ্যাপ-এ আবেদন করতে হবে। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমজেইউ/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশজুড়ে ওয়াই&#45;ফাই কলিং সেবা চালু করল বাংলালিংক</title>
<link>https://digibanglatech.news/163384</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163384</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_695fd4c1af804.jpg" length="94637" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 08 Jan 2026 20:01:28 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আনুষ্ঠানিকভাবে দেশজুড়ে ভয়েস ওভার ওয়াই-ফাই (ভিও ওয়াই-ফাই) কলিং সেবা চালু করেছে ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। বাংলালিংকের এ সেবার মাধ্যমে সারাদেশের গ্রাহকেরা মোবাইল নেটওয়ার্কের পাশাপাশি ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে উন্নতমানের ভয়েস কল করতে পারবেন।  </p>
<p>৮ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশব্যাপী এ সেবা চালু হওয়ার ফলে গ্রাহকেরা তাদের বাসা বা অফিসের ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে এইচডি ভয়েস কোয়ালিটি এবং নিরবচ্ছিন্ন কলিং উপভোগ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে, বিশেষভাবে উপকৃত হবেন নেটওয়ার্কের কভারেজ দুর্বল, যেমন উঁচু ভবন, ঘনবসতিপূর্ণ স্থাপনা ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রাহকেরা। <br>দেশের প্রথমবারের মত এ প্রযুক্তি চালু করা প্রথম মোবাইল অপারেটর হিসেবে বাংলালিংক গত সেপ্টেম্বরে পরীক্ষামূলকভাবে ভিও ওয়াই-ফাই সেবা উন্মোচন করে। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনার নির্দিষ্ট এলাকায় পরিচালিত পরীক্ষামূলক এ কার্যক্রমের মাধ্যমে বাস্তব ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ও গ্রাহকদের মতামতের ভিত্তিতে সেবার অভিজ্ঞতা মূল্যায়ন করে সেবার মান উন্নত করা হয়। </p>
<p><br>মোবাইল সিগন্যাল দুর্বল হলে ভিও ওয়াই-ফাই প্রযুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যমান ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কল রুট করবে। বাকি সকল ক্ষেত্রে এ সেবা মোবাইল নেটওয়ার্কের করা প্রচলিত ভয়েস কলের মতই কাজ করবে। এ সেবা ব্যবহারের জন্য গ্রাহকদের আলাদা কোন অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে না কিংবা আলাদা অথেনটিকেশন প্রয়োজন হবে না। ওয়াই-ফাই ও মোবাইল নেটওয়ার্কের মধ্যে নির্বিঘ্নে কোন ঝামেলা ছাড়াই এ কল সুইচিং সম্পন্ন হবে।</p>
<p><br>মানসম্পন্ন কলিং সেবা নিশ্চিতে উদ্ভাবনী এ প্রযুক্তির উন্মোচন নিয়ে বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, “স্থান ও অবকাঠামো নির্বিশেষে কানেক্টিভিটির ক্ষেত্রে বিদ্যমান সকল গ্যাপ দূর করে স্পষ্ট ও উচ্চমান সম্পন্ন কলিং সেবা নিশ্চিত করবে ভিও ওয়াই-ফাই প্রযুক্তি। প্রত্যন্ত অঞ্চল কিংবা রাজধানী ঢাকা, যেকোন এলাকার বাসা বা অফিস সকল ক্ষেত্রেই গ্রাহকেরা কল করার ক্ষেত্রে নিরবচ্ছিন্ন সেবা উপভোগ করবেন। ভিও ওয়াই-ফাই প্রযুক্তির মাধ্যমে ওয়াই-ফাই ভয়েস চ্যানেল হিসেবে ব্যবহার করা হবে। গ্রাহকদের ডিজিটাল লাইফস্টাইল উন্নত করতে ভূমিকা রাখবে এ সেবা এবং যেকোন সময়, যেকোন স্থান থেকেই কল করার ক্ষেত্রে স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক অভিজ্ঞতা উপভোগ করবেন তারা।”</p>
<p><br>মোবাইল অপারেটর, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং আইএসপি ও প্রযুক্তি অংশীদারদের সফল অংশীদারিত্বের ভিত্তিতেই দেশব্যাপী এ প্রযুক্তি চালু করা সম্ভব হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি, সম্মিলিত উদ্ভাবন ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারকে আরও সহজলভ্য করতে ও গ্রাহক অভিজ্ঞতার মানোন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে বলেও জানান তিনি। </p>
<p><br>বর্তমানে, নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট কিছু হ্যান্ডসেট মডেলে এবং নির্বাচিত আইএসপি অংশীদারদের মাধ্যমে ওয়াই-ফাই কলিং সেবা ব্যবহার করতে পারবেন গ্রাহকেরা। এ সেবার সম্প্রসারণে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা মেনে ডিভাইস নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ও আইএসপি অংশীদারদের সাথে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে বাংলালিংক। নতুন উন্মোচিত এ সেবা বাংলালিংকের এলটিই নেটওয়ার্কের পরিপূরক হিসেবে  ইনডোর ও প্রত্যন্ত এলাকার সংযোগ আরও শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে। </p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/বিজ্ঞপ্তি/ইকে</strong></em></span></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঢাকায় অবৈধ আইফোন কারখানা!</title>
<link>https://digibanglatech.news/163341</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163341</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_695f75850a9ff.jpg" length="119156" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 08 Jan 2026 13:25:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>চীনা নাগরিকদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে রাজধানীতে গড়ে উঠেছিল একটি অবৈধ আইফোন সংযোজন কারখানা। কর ফাঁকি দিয়ে বিদেশ থেকে আনা মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ দিয়ে সেখানে অবৈধভাবে আইফোন সংযোজন করে স্থানীয় বাজারে সরবরাহ করা হতো। প্রায় দেড় বছর ধরে চলা একটি প্রতারণা চক্র এই অপকর্ম চালিয়ে আসছিলো। </p>
<p>৮ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানান গোয়েন্দা-মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল। তিনি বলেন, ৭ জানুয়ারি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ রাজধানীর উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টর ও নিকুঞ্জ-১ এলাকায় একযোগে অভিযান চালায়। অভিযানে উত্তরা এলাকা থেকে ৫৮টিসহ একজনকে এবং নিকুঞ্জ-১ থেকে মোট ৩০৫টি মোবাইল ফোনসহ দুই চীনা নাগরিককে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকালে অবৈধ মোবাইলের পাশাপাশি আইফোনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, পার্টস সংযোজনের মেশিনারিজ এবং বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়।</p>
<p>প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, চক্রটি বিদেশ থেকে আইফোনের বিভিন্ন পার্টস আলাদা করে অবৈধভাবে ঢাকায় এনে একটি গোপন ল্যাব স্থাপন করে। ওই ল্যাবে যন্ত্রাংশ সংযোজন করে আইফোনের আদলে ভুয়া মোবাইল ফোন তৈরি করা হতো, যা পরে আসল আইফোন হিসেবে বাজারে ছাড়া হতো।</p>
<p>ডিসি মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল আরও জানান, প্রায় দেড় বছর ধরে চক্রটি এই অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। এ সময়ে তারা বিপুল পরিমাণ ভুয়া মোবাইল ফোন বাজারে সরবরাহ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p>
<p>এ চক্রের বাংলাদেশি কেউ আছে কি না প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তদন্তে কয়েকজনের নাম পাওয়া গেলেও তদন্তের স্বার্থে তা প্রকাশ করা যাচ্ছে না। এসময় জনগণকে মোবাইল ফোন কেনার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান ডিবি'র এই কর্মকর্তা। </p>
<p>তিনি বলেন, কম দামে ‘অরিজিনাল আইফোন’ বিক্রির প্রলোভনে পড়ে অনেকেই প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। তাই অনুমোদিত ও অফিসিয়াল শোরুম বা বিশ্বস্ত উৎস ছাড়া মোবাইল ফোন না কেনার অনুরোধ।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/জেএনইউ/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এক প্যাকে পরিবারের ৫ সদস্যের জিপি’র  ইন্টারনেট ও মিনিট</title>
<link>https://digibanglatech.news/163203</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163203</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_695de9d1b8915.jpg" length="133360" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 07 Jan 2026 00:00:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পোস্টপেইড সংযোগ ব্যবহারকারী প্রাইম গ্রাহক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য বিশেষ ফ্যামিলি প্যাক চালু করেছে গ্রামীণফোন। এই প্যাকটি কিনে পরিবারের দুই থেকে পাঁচজন সদস্যের সঙ্গে ইন্টারনেট ও মিনিটসহ আরও নানা সুবিধা শেয়ার করতে পারবেন। প্রিপেইড গ্রাহকরাও প্রাইমে মাইগ্রেশন করে এই প্যাকটি কিনতে পারবেন।</p>
<p>এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গ্রামীণফোন ৬ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) জানিয়েছে, পরিবারের একজন সদস্য আলাদাভাবে অন্যদের প্রয়োজন অনুযায়ী ইন্টারনেট ও মিনিট প্যাক কিনে থাকেন। নতুন ফ্যামিলি প্যাকের মাধ্যমে গ্রামীণফোন এই কাজটিকে আরও সহজ করেছে। একাধিক প্যাক কেনার ঝামেলা দূর করে একটি মাত্র ফ্যামিলি প্যাকের মাধ্যমে পরিবারের সব সদস্যকে নির্বিঘ্নে সংযুক্ত থাকার সুযোগ দিচ্ছে কোম্পানিটি।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে গ্রামীণফোন আরও জানায়, গ্রাহকরা মাইজিপি অ্যাপ, রিটেল অথবা ডিজিটাল চ্যানেলের মাধ্যমে অনন্য এই সেবাটি গ্রহণ করতে পারবেন। ইন্টারঅ্যাক্টিভ এই জার্নিতে চাহিদা অনুযায়ী ইন্টারনেট ও মিনিট বরাদ্দ করা, সদস্য পরিবর্তন, সদস্যদের প্রয়োজন ও ব্যবহার পর্যবেক্ষণসহ আরও নানা সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকরা।</p>
<p>গ্রামীণফোনের চিফ প্রোডাক্ট অফিসার (সিপিও) সোলায়মান আলম বলেন, গ্রাহকদের জন্য এ ধরনের সেবা নিয়ে আসা টেলিকম প্রোডাক্টগুলোর মধ্যে একটি অনন্য উদ্ভাবন। ফ্যামিলি প্যাকের মাধ্যমে আমাদের লক্ষ্য হলো আরও বেশি সুবিধা এবং সাশ্রয় নিশ্চিত করা, যাতে পরিবারগুলো কোনো দুশ্চিন্তা ছাড়াই সবসময় একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে পারে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিসি/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মহাকাশ থেকে সুনীল অর্থনীতিতে বাংলাদেশ স্যাটেলাইটের ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/163166</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163166</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_695d4c83b3a07.jpg" length="74841" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 06 Jan 2026 19:55:36 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আসছে দিনে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিএল) কৌশলগত দিক নির্দেশনা নিয়ে ৬ জানুয়ারি, মঙ্গলবার একটি আলোচনা সভা হয়েছে। রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে অনুষ্ঠিত সভায় স্যাটেলাইট ও মহাকাশ খাতে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, পানি সম্পদ এবং তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। বিএসসিএল পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। </p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, সুশাসন নিশ্চিতকরণ, প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও দুর্যোগ মোকাবেলায় স্যাটেলাইটের ব্যবহার বাড়ানো গেলে এর প্রকৃত সুফল পাওয়া যাবে। এতে জবাবদিহি নিশ্চিত হবে, দুর্নীতি হ্রাস পাবে এবং অপরাধ কমবে। তিনি বলেন, স্যাটেলাইট প্রযুক্তির বহুমাত্রিক ব্যবহার এখন সময়ের দাবি।<br>তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা, সক্ষমতা বৃদ্ধি, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও নগর পরিকল্পনার জন্য স্যাটেলাইট অপরিহার্য। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিএল) সক্ষমতা আরও বাড়ানো প্রয়োজন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির আহ্বান জানান তিনি।</p>
<p>আর প্রতিষ্ঠার পর প্রথমবারের মতো লাভজনক কোম্পানিতে পরিণত হওয়ায় বিএসসিএলকে ধন্যবাদ জানিয়ে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইটের মাধ্যমে বিএসসিএল বিভিন্ন সরকারি মন্ত্রণালয়ের নির্দিষ্ট সমস্যার সমাধান করতে পারবে। বিশেষ করে কৃষি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, আবহাওয়া ও বন মন্ত্রণালয়সহ বহু খাতে এর কার্যকর ব্যবহার সম্ভব। তিনি প্রযুক্তির মাধ্যমে সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধান বের করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p>বিএসসিএল পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান বলেন, বিএসসিএল স্যাটেলাইট ইন্ডাস্ট্রির নতুন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে। বর্তমান বিশ্বে স্যাটেলাইট প্রযুক্তির মাধ্যমে নানাবিধ সমস্যার সমাধান করা হচ্ছে। বিএসসিএলও আগামী বছরগুলোতে স্যাটেলাইট প্রযুক্তিতে বৈচিত্র্য এনে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সমাধানে কাজ করবে।</p>
<p>আলোচনায় অংশ নিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. জাবের বলেন, বর্তমানে প্রায় ৩০ হাজার মাছ ধরার নৌকা রয়েছে, যেগুলো ট্র্যাক করা কঠিন। সাশ্রয়ী মূল্যে এসব নৌকা ট্র্যাক করা গেলে জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।</p>
<p>বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, রিমোট সেন্সিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি খাত। গবেষণা ও উদ্ভাবনের জন্য বিএসসিএলের সঙ্গে যৌথভাবে স্পেস-বেজড রিসার্চ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী ১০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ মহাকাশ শিল্পে একটি দৃশ্যমান অবস্থান তৈরি করতে পারবে।<br>কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. এমদাদ উল্ল্যাহ মিয়ান বলেন, কৃষি খাতে ২৫ বছরের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে কোন ফসল কত পরিমাণ উৎপাদিত হয়েছে তা নির্ণয়, আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং পাহাড়ি অঞ্চলের জমির ব্যবহার বিশ্লেষণে কাজ করা হবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএসসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মো. ইমাদুর রহমান। সুনীল অর্থনীতিতে বিএসসিএল এর কী করা উচিত তার ওপর আলোকপাত করে রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) আবুল কালাম আজাদ। এছাড়াও মহাকাশ শিল্পে বাংলাদেশ কীভাবে সামনের কাতারে আসতে পারে তার দিক নির্দেশনা তুলে ধরেন বাংলাদেশ এরোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ের এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. সাইফুর রহমান বকুল।</p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/ইউএইচ/এমইউএম</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অবৈধফোন ব্যবসায়ীর সংখ্যা দেড় হাজারের বেশি নয়: এমআইওবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/163097</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163097</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_695caa4153e4e.jpg" length="88542" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 06 Jan 2026 12:13:31 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আন অফিসিয়াল ফোনের কারণে বছরে ১০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে । তাই এনইআআর বাস্তবায়ন হলে ২০৩০ সাল নাগাদ সরকারের রাজস্ব আয় তিন হাজার কোটি টাকায় পৌঁছবে। দেশ।থেকে রফতানি হবে ৩০০ কোটি টাকার বাজার। সব মিলিয়ে দেশের স্মার্টফোন খাতের  বাজার ট্রিলিয়ন ডলারে ছাড়াবে।</p>
<p>৬ জানুয়ারি, মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (এমআইওবি) আয়োজিত এনইআইআর এর হাত ধরে শুরু হোক নিরাপদ বাংলাদেশ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানানো হয়।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরে শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার জিয়া চৌধুরি দেখান আনঅফিশিয়াল ফোন বিক্রির সঙ্গে ২০ হাজার দোকান বা ব্যবসায়ীর সংখ্যা দাবি করা হলেও প্রকৃত সংখ্যা দেড় হাজারের  বেশি নয়। তিনি বলেন, তারা এমন মিথ্যা দাবি করে আন্দোলনে শিশুদের ব্যবহারের যে নজির স্থাপন করা হয়েছে তা ভবিষ্যতের জন্য ভালো নয়। </p>
<p>অনুষ্ঠানে একজন অবৈধ ব্যবসায়ি কিভাবে এই আন্দোলনে নিজেদের বন্ধু  বান্ধবকে ডেকে আনছে তার ভয়েস কল রেকর্ড শোনানো হয়। </p>
<p>অনুষ্ঠানে এমআইওবি সভাপতি জাকারিয়া শহীদ জানান, অবৈধ ব্যবসায়ীরা ৪টি আইন লঙ্ঘন করছে। তাদের জন্য বরং আমরাই বৈষম্যের শিকার। অবৈধ ফোনের মাধ্যমে ডাটা পাচার হচ্ছে। </p>
<p>এমআইওবি জানায়, সরকার ১ জানুয়ারি থেকে এনইআইআর ব্যবস্থা বাস্তবায়নের পাশাপাশি বৈধ আমদানিকে উৎসাহিত এবং বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্মার্টফোন আমদানি শুল্ক হ্রাসের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা সময়োপযোগী ও ইতিবাচক। সংগঠনটির মতে, এসব নীতিগত উদ্যোগ মোবাইল ফোন শিল্পে দীর্ঘদিনের অনিয়ম কমাতে এবং একটি সুশৃঙ্খল বাজার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে।</p>
<div>
<p>আলোচনায় বলা হয়, এনইআইআর কার্যকর হওয়ার ফলে অবৈধ, নকল ও চুরি হওয়া মোবাইল ফোন শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে, যা সরাসরি ভোক্তা নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে অবৈধ আইএমইআই ব্যবহার বন্ধ হওয়ায় ফোন ক্লোনিং, প্রতারণা এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। আলোচকরা আরও বলেন, এই উদ্যোগ বাজারে বৈধ ব্যবসা ও ন্যায্য প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করবে এবং রাষ্ট্রীয় রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করবে।</p>
<p>এমআইওবি’র তথ্যমতে, বর্তমানে দেশে ১৮টি স্মার্টফোন ম্যানুফ্যাকচারিং প্রতিষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি মিলিয়ে তিন হাজার কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগ হয়েছে। এই খাতে সরাসরি ৫০ হাজার দক্ষ শ্রমিকের পাশাপাশি ডিলার, ডিএসআর, সার্ভিস ও খুচরা বিক্রয়সহ আরও প্রায় ৫০ হাজার মানুষের পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে প্রায় ৩০ শতাংশ নারী শ্রমিক সক্রিয়ভাবে যুক্ত। একই সঙ্গে এই শিল্প থেকে সরকার প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কর, মজুরি ও ইউটিলিটি বিল আয় করছে।</p>
<p>তবে এমআইওবি গভীর উদ্বেগের সঙ্গে জানায়, এনইআইআর বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি কিছু অবৈধ স্মার্টফোন ব্যবসায়ীর সহিংস ও বিশৃঙ্খল কর্মকাণ্ড অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সরকারের এই সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় একটি সীমিত গোষ্ঠী—যারা দেশের প্রায় ১২ হাজার মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীর মধ্যে মাত্র এক হাজার থেকে দেড় হাজার—স্মার্টফোন আমদানি শুল্ক হ্রাসের দাবি মেনে নেওয়ার পরও বেআইনি কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়েছে।</p>
<p>এমআইওবি জানায়, এসব কর্মকাণ্ডের মধ্যে বহিরাগতদের এনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, বিটিআরসি কার্যালয়ে ভাঙচুর, শিশুদের ব্যবহার করে সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে বৈধ মোবাইল ফোনের দোকান জোরপূর্বক বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের কর্মীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে বৈধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিক ও মানসিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।</p>
<p>সংগঠনটির মতে, আইনবহির্ভূত এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করছে না, বরং দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ ও আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে। বিশেষ করে বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের ওপর নির্ভরশীল স্মার্টফোন শিল্পে এ ধরনের অস্থিরতা ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের জন্য নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। এই অনিশ্চয়তা শুধু চলমান বিনিয়োগ নয়, ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ প্রবাহ ও স্থানীয় উদ্যোক্তাদের আগ্রহকেও নিরুৎসাহিত করতে পারে। </p>
<p>এমআইওবি মনে করে, যেকোনো নীতিগত মতভেদ শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মত উপায়ে সমাধান হওয়া উচিত এবং বৈধ ব্যবসা ও বিনিয়োগ সুরক্ষায় কঠোর অবস্থান গ্রহণ জরুরি।</p>
<p>এ প্রসঙ্গে এমআইওবি সভাপতি জাকারিয়া শহীদ বলেন, ‘এনইআইআর বাস্তবায়ন দেশের মোবাইল ফোন শিল্পে শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও ভোক্তা সুরক্ষা নিশ্চিত করার একটি সময়োপযোগী ও ইতিবাচক উদ্যোগ। এর মাধ্যমে অবৈধ ও নকল মোবাইল ফোন নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে এবং বাজারে বৈধ ব্যবসা ও ন্যায্য প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি হবে।’</p>
<p>তিনি বলেন, ‘আমরা এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের জন্য সরকারকে সাধুবাদ জানাই। একই সঙ্গে এনইআইআর বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে বিটিআরসি কার্যালয়ে সংঘটিত ভাঙচুরসহ যেকোনো সহিংস ও আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। নীতিগত ধারাবাহিকতা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ বজায় থাকলে স্মার্টফোন শিল্প ভবিষ্যতে দেশের অর্থনীতিতে আরও বড় ভূমিকা রাখবে।’</p>
<p>সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এমআইওবি সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, মোবাইল ফোন আমদানিতে আমাদের কারও কাছ থেকে কোনও এনওসি নিতে হবে না। তাছাড়া চীনে গুগল সেবা বন্ধ থাকায় সেখানে লাইসেন্স ফি কমে যাওয়ায় ফোনের দাম কিছুটা কম পড়ে। অথচ আমরা ঢালাও ভাবে তুলনা করি। এভাবেই এনইআইআর নিয়ে নানা অপতথ্য ছড়াচ্ছে। এই সময়ে অপতথ্য মহামারির আকারে ছড়িয়ে পড়ছে। এক্ষেত্রে আমরা কোনো ফেবার চাই না; সাংবাদিকবন্ধুদের কাছে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরার আবেদন জানাই। </p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে ভিভো বাংলাদেশ এর প্রতিনিধি ইমাম উদ্দিন, এক্সেল টেকনোলজিস এর ইডি সাইফুদ্দিন টিপুসহ মোবাইল নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। </p>
</div>
<p><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/ইকে</strong></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গুজব&#45;অপপ্রচার রুখতে হটলাইন ও ইমেইল চালু</title>
<link>https://digibanglatech.news/163011</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163011</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_695b8e7f9135a.jpg" length="37665" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 05 Jan 2026 15:42:59 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull">জাতীয়, প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে গুজব, ভুল তথ্য (মিসইনফরমেশন) এবং অপপ্রচার (ডিসইনফরমেশন) রোধে বিশেষ হটলাইন সেবা চালু করেছে সরকার। এখন থেকে নাগরিকরা ০১৩০৮৩৩২৫৯২ নম্বরে কল করে অথবা<span> </span>notify@ncsa.gov.bd<span> </span>ঠিকানায় ইমেইল করে এই সংক্রান্ত যে-কোনও অভিযোগ জানাতে পারবেন।</p>
<p class="alignfull">৫ জানুয়ারি (সোমবার) প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বার্তার মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। </p>
<p class="alignfull">এর আগে গত ২৮ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলের বৈঠকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সব ধরনের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি’কে (এনসিএসএ) বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন। </p>
<div class="BT_inner_A1_C2 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">বৈঠকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, ইতোমধ্যেই ৩৫টি প্রতিষ্ঠানকে ‘ক্রিটিক্যাল ইনফরমেশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার’ (সিআইআই) হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানকে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।</div>
</div>
<p class="alignfull">তিনি আরও উল্লেখ করেন, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গুজব ও সাইবার অপরাধ বাড়তে পারে। তাই এসব প্রতিরোধে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এর মধ্যে নিবিড় সমন্বয় সাধনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। </p>
<p class="alignfull"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আগামী তিনমাস এনইআইআর চালু না হওয়ার তথ্যটি সঠিক নয়</title>
<link>https://digibanglatech.news/162922</link>
<guid>https://digibanglatech.news/162922</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_695a707fd2da9.jpg" length="97771" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 04 Jan 2026 19:13:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আগামী তিনমাস চালু হচ্ছে না মুঠোফোনে এনইআইআর পদ্ধতি। প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদের সঙ্গে কথা বলে এমনটা জানিয়েছেন ডিসি মাসুদ। </p>
<p>তবে খবরটি মিথ্যা বলে নিশ্চিত করেছেন বিশেষ সহকারি। এমন বিভ্রান্তি কিভাবে ছড়ালো খুঁজতে গিয়ে জানা গেছে, মূলত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদের বরাত দিয়ে ডিসি মাসুদ জানিয়েছেন যে, নতুন চালু হওয়া এনইআইআর (NEIR) পদ্ধতি চালু থাকলেও আগামী ৯০ দিনের (তিন মাস) মধ্যে কোনো অবৈধ বা ক্লোন করা মোবাইল ফোন বন্ধ হবে না, যা সাধারণ গ্রাহকদের বিভ্রান্তি দূর করতে এবং ব্যবসায়ীদের দাবির প্রেক্ষিতে দেওয়া হয়েছে। যদিও বিটিআরসি (BTRC) এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কিছু জানায়নি বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।</p>
<p>যদিও ফয়েজ আহমদ গ্রাহকদের শনিবারই নিজের ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন, আগামী ৯০ দিন অবৈধ ফোন বন্ধ হওয়ার আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই, ফলে গ্রাহকরা স্বাভাবিকভাবেই তাদের ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।</p>
<p>প্রসঙ্গত: এনইআইআর মূলত অবৈধ ও চোরাই হ্যান্ডসেট প্রতিরোধে চালু করা হয়েছে, তবে এর বাস্তবায়নে কিছু কারিগরি ও ব্যবসায়িক জটিলতা রয়েছে। তবে এ সম্পর্কিত নিউজ ফটোকার্ডে সত্য প্রকাশিত হয়নি।</p>
<p>ফলে, এনইআইআর চালু হলেও, আগামী তিন মাস এটি মোবাইল ফোন বন্ধ করার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হবে না বলে জানানো হয়েছে, তবে এটি একটি সাময়িক ব্যবস্থা এবং পরবর্তীতে কী হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়। </p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/আইএইচ</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>শুল্কহার কমানোর পরও ধ্বংসযজ্ঞ নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে সরকার : বিশেষ সহকারি</title>
<link>https://digibanglatech.news/162871</link>
<guid>https://digibanglatech.news/162871</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_695a1056a9737.jpg" length="83824" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 04 Jan 2026 12:10:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>‘অবৈধ’ মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের হামলায় ভাঙচুর বিটিআরসি ভবন পরিদর্শন করলেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারি ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। পরিদর্শনে বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী ভাঙচুরে বিটিআরসি’র ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে বিশেষ সহকারিকে অবহিত করেন।  </p>
<p>৪ জানুয়ারি, রবিবার সকাল ১১টার দিকে তিনি আগারগাঁওয়ের প্রশাসনিক অঞ্চলে অবস্থিত বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন ভবন পরিদর্শনে যান। এসময় ডাক ও টেলিযোগযোগ সচিব আব্দুন নাসের ও আইসিটি সচিব শীষ হায়দারসহ ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<div class="news-paragraph">
<p>পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিটিআরসি ভবনে হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হবে কর্মকর্তাদের আশ্বস্ত করেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি বলেছেন,  মোবাইল ব্যবসায়ীদের দাবি অনুযায়ী শুল্কহার কমানো হয়েছে। কর ফাঁকি দিয়ে আনা হ্যান্ডসেট বৈধ করার সুযোগ দেয়া হয়েছে। তারপরও দোকানপাট বন্ধ রেখে রাস্তা অবরোধ করে বিশৃঙ্খলার মাধ্যমে অপরাধের লাইসেন্স চায় মোবাইল ব্যবসায়ীরা।</p>
<div class="v-card v-sheet theme--light elevation-0 rounded-0">
<div class="row full-height margin-0">
<div class="padding-0 col col-12">
<div class="row">
<div class="col col-12">
<div class="news-paragraph"><span id="main-descirption" class="description description-y">বৈধভাবে মোবাইল ফোন আমদানিতে উল্লেখযোগ্য শুল্কহার কমানোর পরও বিটিআরসি ভবনে ভয়াবহভাবে হামলা করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা এর সঙ্গে জড়িত তাদেরকে বিচারের আওতায় আনা হবে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে সরকার।</span></div>
<div class="news-paragraph"><span id="main-descirption" class="description description-y"> </span></div>
<div class="news-paragraph">
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x_695a0f8a9d788.jpg" alt=""></p>
<span id="main-descirption" class="description description-y">হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে যাতে রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় এমন হামলা আর না হয়, সেজন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আন্দোলনের নামে দোকানপাট বন্ধ করে দেয়ার প্রচেষ্টার নিন্দা জানাই।</span></div>
<div class="news-paragraph"><span id="main-descirption" class="description description-y"> </span></div>
<div class="news-paragraph"><span class="description description-y">ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এনইআইআর সিস্টেমে শুরুতে কিছু সমস্যা ছিল। আমরা সেটা সমাধান করে ফেলেছি। মোবাইল ফোন উৎপাদকদের কারো সঙ্গে আমার কোনো বন্ধুত্ব নেই। এটা নিয়ে মোবাইল ব্যবসায়ীরা অপপ্রচার চালাচ্ছে।</span></div>
<div class="news-paragraph">
<p>বিশেষ সহকারি আরও বলেন, এনইআইআর চালু হলে দেশে অবৈধ পথে আসা ফোনগুলো আর ব্যবহার করা যাবে না। পাশাপাশি বন্ধ হয়ে যাবে অবৈধভাবে বিদেশ থেকে নিয়ে আসা পুরনো ফোনের ব্যবসাও।</p>
<p>মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের এই বাধ্যবাধকতা কার্যকর হওয়ার পর কেবল সরকার অনুমোদিত বৈধ হ্যান্ডসেটই নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকতে পারবে। তবে এনইআইআর চালু হওয়ার আগ পর্যন্ত নেটওয়ার্কে ব্যবহার হওয়া কোনো ফোনই বন্ধ হবে না।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="mt-4 z-2 v-item-group theme--light v-slide-group v-chip-group v-chip-group--column">
<div class="v-slide-group__wrapper">
<div class="v-slide-group__content">
<div>
<div class="container overflow-hidden padding-0 margin-0 container--fluid grid-list-xs"><a href="https://www.somoynews.tv/topic/%E0%A6%AB%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9C-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%A6-%E0%A6%A4%E0%A7%88%E0%A7%9F%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC" class="color-black"></a></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="adslot"></div>
</div>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এএম/ইউএন</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ওয়াই&#45;ফাই কলিং প্রযুক্তি চালু করলো গ্রামীণফোন</title>
<link>https://digibanglatech.news/162750</link>
<guid>https://digibanglatech.news/162750</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_6958bfdbbc257.jpg" length="83927" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 03 Jan 2026 10:06:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal"><span></span></p>
<p class="MsoNormal"><span>বাংলালিংক ও রবি’র পর এবার ভয়েস ওভার ওয়াই-ফাই (ভিওওয়াইফাই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ওয়াই-ফাই কলিং সেবা চালু করলো অপর বেসরকারি অপারেটর গ্রামীণফোন। এ</span>র ফলে ভিওএলটিই (ভয়েস ওভার এলটিই) সেবার আওতায় থাকা গ্রামীণফোন গ্রাহকরা নির্ধারিত স্মার্টফোন ব্যবহার করে <span>বাড়তি কোন খরচ ছাড়া আরও উন্নত ভয়েস কল সেবা পাবেন। </span></p>
<p class="MsoNormal"><span>৩ জানুয়ারি, শনিবার অপারেটরটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, </span><span>নির্দিষ্ট ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে সেবাটি উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকরা। গ্রাহকদের এই সেবা দিতে প্রাথমিকভাবে আইএসপি পার্টনার হিসেবে ব্র্যাকনেট, কার্নিভাল ইন্টারনেট, চট্টগ্রাম অনলাইন লিমিটেড ও এমআইমি-ইন্টারনেটের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে গ্রামীণফোন। অপারেটরটির দাবি, </span><span lang="BN">কলের মান আরও উন্নত করার লক্ষ্যে ডিজাইনকৃত এই সেবাটি কোনো অতিরিক্ত অ্যাপ ছাড়াই গ্রাহকদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন কলিং অভিজ্ঞতা দেবে। </span><span lang="BN"><span> </span> </span></p>
<p class="MsoNormal"><span lang="BN">এ নিয়ে</span><span> </span>গ্রামীণফোনের চিফ প্রোডাক্ট অফিসার (সিপিও) সোলায়মান আলম<span> বলেন, “প্রতিনিয়ত উদ্ভাবন ও ডিজিটাল সেবা আনার মাধ্যমে সেরা গ্রাহক অভিজ্ঞতা প্রদানে সংকল্পবদ্ধ গ্রামীণফোন। এ অগ্রযাত্রায় ওয়াই-ফাই কলিং সেবা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এখন থেকে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে আরও স্পষ্ট ও উচ্চ মানসম্পন্ন ভয়েস কল উপভোগের সুযোগ পাবেন আমাদের গ্রাহকরা।</span>”<span></span></p>
<p class="MsoNormal"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিআরজি/এমইউএম</strong></span></em></p>
<p class="MsoNormal"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কারাগারের বাইরে তালিকাভূক্ত ৯ জনই মোবাইল সার্ভিস কমিউনিটির সদস্য</title>
<link>https://digibanglatech.news/162734</link>
<guid>https://digibanglatech.news/162734</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_6956581d8572a.jpg" length="91906" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 02 Jan 2026 19:23:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করতে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিফিকেশন রেজিস্টার (এনইআইআর) ব্যবস্থা চালুর বিরোধিতায় বিটিআরসির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মামলায় গ্রেফতার ৪৫ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫ (৩) ২৫ ডি ধারায় প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ জন বিক্ষোভকারী রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বিটিআরসি ভবনের সামনে জড়ো হয়ে হামলা চালিয়ে বাইরের কাচের দেয়াল ভাঙচুর এবং সামনে থাকা একটি এসি স্টাফবাস ক্ষতিগ্রস্ত করার দায়েরকৃত মমালায় মোট ৫৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। </p>
<p>ঘটনার পরদিন শেরেবাংলা নগর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন স্থান থেকে ৪৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। মামলায় থাকা ৯জনই মোবাইল সার্ভিস কমিউনিটির কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য। আদালতে উপস্থাপিত অভিযুক্তদের বাইরে থাকা অভিযুক্ত ওই ব্যক্তিরা হলেন  মোবাইল সার্ভিস কমিউনিটির প্রেসিডেন্ট আসলাম, ভাইস প্রেসিডেন্ট শামীম মোল্লা, সেক্রেটারি আবু সাঈদ পিয়াস, সদস্য- মোঃ এহসান, হুমায়ুন কবির, মোঃ আরিফ, মোঃ শাহাদাত হোসেন, মোঃ শুভ এবং মোঃ ফয়সল আজাদ।</p>
<p>এদিকে আটক ব্যক্তিদের ২ জানুয়ারি, শুক্রবার গ্রেফতারদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। অন্যদিকে আসামিপক্ষ থেকে জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়।</p>
<p>উভয় পক্ষের শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইশরাত জাহান জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে গ্রেফতার ৪৫ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।</p>
<p>কারাগারে পাঠানো আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- মো. শাহজাহান (৩২), অপূর্ব ইসলাম (২২), শরিফুল ইসলাম নিলয় (১৯), জাহিদ হাসান হৃদয় (২৫), শাহেদ ভূইয়া (২০), বুলবুল আহমেদ (২৬), দীপক হাজরা (২৬), মান্না হোসেন (২৫), ইয়াছিন আরাফাত অর্নব (২৫), আশরাফ উদ্দিন (৩০), মোঃ শাহ জালাল (২৮), মোঃ শাহিন (২১), মোঃ নাইম (২১), সাইদুর রহমান (১৯), ইমতিয়াজ আহমেদ হৃদয় (২১), মোঃ রমজান (১৯), মোঃ সাব্বির হোসেন (২৪), তরিকুল ইসলাম রিফাত (১৯), মঈন হোসেন রাজন (২২), অনিক হোসেন (২৭), মোঃ তরিকুল ইসলাম (২৪), মোঃ রিফাত হোসেন (২৩), মোঃ হানিফ মিয়া (২৫), মোঃ শাহাদাৎ হোসেন রাব্বি (৩২), মোঃ সোহানুল হক (২৪), মোঃ তারেক আজিজ (২৮), মোঃ সাজ্জাদ ইসলাম (১৯), মোঃ শিপন (২৩), এজাজ হোসেন সিয়াম (২৪), মোঃ উনায়েস ইমরান (২৪), মোঃ মনিব আক্তার (২৫), মোঃ হারিজ (২৮), সাব্বির হোসেন বিজয় (২২), এস এম মতিউর রহমান (৪৮), রাজন শেখ (৩১), মোঃ আবু সাদিক রাকিব (২৯), মামুন ব্যাপারী (২৪), মজিবুর রহমান (৩২), মোঃ সালাহ উদ্দিন ব্যাপারী (৪০), আমিনুল ইসলাম নাঈম (২৫), রাকিবুল হাসান রাকিব (২৩), আব্দুল্লাহ সবুজ (৩১), দেলোয়ার হোসেন (৩৮) ও সৈয়দ আহমেদ শুভ (২৬)।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/জিএনও/ইকে</strong></span></em></p>
<p></p>
<p></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিটিআরসি ভবনে হামলায় ক্ষতি ২কোটি টাকা; চিহ্নিত ৫৫ আসামীর মধ্যে গ্রেফতার ৪৫</title>
<link>https://digibanglatech.news/162684</link>
<guid>https://digibanglatech.news/162684</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_69565406caad8.jpg" length="99820" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 02 Jan 2026 14:25:48 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিটিআরসি ভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় দুই কোটি এক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আর এ ঘটনায় জড়িত থাকার দায়ে  ৫৪ জনের নাম উল্লেখ করে <span>অজ্ঞাত আরও ৫০০ থেকে ৬০০ জনকে</span> আসামি করে শুক্রবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। মামলায় আটক ৪৫ জনকে সকালে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকরর্তা মোঃ শামসুজ্জোহা সরকার। মামলাটি করেছেন বিটিআরসি’র<span> লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্সিং বিভাগের সহকারী পরিচালক</span> মুহাম্মদ আশরাফুজ্জামান জাহেদ।</p>
<p>দিনের প্রথম মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় শান্তি শৃঙ্খলা বিনষ্ট করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ও যানবাহন ভাংচুর করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালানো ও নাশকতার পরিকল্পনাসহ সহায়তার অপরাধ হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে। </p>
<p>মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে আগারগাঁও এলাকায় বিটিআরসি ভবনের সামনে জড়ো হন আন্দোলনকারীরা। তারা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে পুনরায় আন্দোলন শুরু করেন। একপর্যায়ে আন্দোলনকারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিটিআরসি ভবনের কাচের দেয়ালসহ বিভিন্ন অংশ ভাঙচুর করেন। এছাড়া ভবনের সামনে পার্ক করা ৫১ আসনের একটি এসি স্টাফ বাসও (ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-৭০৩৫) ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে বিটিআরসি ভবন ও যানবাহনের আনুমানিক ২ কোটি ১ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।</p>
<p>এজাহারে আরও বলা হয়, অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেট নিয়ন্ত্রণে এনইআইআর সিস্টেম চালুর বিরোধিতা করে আসছিল ব্যবসায়ীদের একটি অংশ। বিষয়টি নিয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ জানুয়ারি সিস্টেমটি চালু করা হয়। এর প্রতিবাদে বিক্ষোভকারীরা আগারগাঁও এলাকায় সড়ক অবরোধ করে এবং কমিশনের কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি সহিংস হয়ে উঠলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থল থেকে ৪৫ জনকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা আরও ১০ জন পলাতক আসামির নাম প্রকাশ করেছেন।</p>
<p>এদিকে এনইআইআর চালুর প্রতিবাদ এবং সহকর্মীদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারাদেশে মোবাইল দোকান ও ব্যবসা বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ‘মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ’ (এমবিসিবি)। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মোবাইল আমদানিতে করহার কমানো, এনওসি প্রক্রিয়া সহজ করা এবং আটক ব্যবসায়ীদের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই কর্মসূচি চলবে। </p>
<p>প্রসঙ্গত, দেশের বাজারে অবৈধ ও আনঅফিশিয়াল হ্যান্ডসেট বন্ধে সরকারের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ১ জানুয়ারি থেকে এনইআইআর ব্যবস্থা চালু হয়েছে। এর মাধ্যমে মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত সব ফোনের আইএমইআই নম্বর জাতীয় ডাটাবেজে যুক্ত হচ্ছে। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/ইকে</strong></span></em></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিটিআরসি&#45;তে মোবাইল ব্যবসায়ীদের হামলায় ঘটনা স্থল থেকে ৫ জন পাকড়াও</title>
<link>https://digibanglatech.news/162615</link>
<guid>https://digibanglatech.news/162615</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_69566fea24dc0.jpg" length="109333" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 01 Jan 2026 18:02:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রাজধানীর প্রশাসনিক এলাকা আগারগাঁয়ে অবস্থিত বিটিআরসি ভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায়  অনন্ত ৫ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে সেনা-পুলিশ যৌথ উদ্যোগে ঘটনাস্থল থেকে এই গ্রেফতার করা হলেও তাৎক্ষণিক ভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি। </p>
<p>এদিকে হামলার ঘটনায় বিটিআরসি-থেকে শেরে বাংলানগর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে জানাগেছে। মামলা হলে এই মামলায় দোষিদের গ্রেফতার ও রিমান্ডে নিয়ে প্রকৃত দোষিদের খুঁজে বের করা হবে বলে জানাগেছে।  </p>
<p>অপরদিকে বিটিআরসি ভবনের নিরাপত্তায় সেখানে পুলিশ ও সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। </p>
<p>এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন এ ধরনের ন্যক্কারজনক ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেককে চিহ্নিত করে আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিচারের আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে অবৈধ মোবাইল আমদানি রোধে দেশের সব স্থল ও বিমানবন্দরের কাস্টমস হাউজে কঠোর অভিযান শুরু হবে।</p>
<h1 class="post-title mb-4"><a href="https://digibanglatech.news/162602" target="_blank" rel="noopener">বিটিআরসি ভবনে ভাংচুর</a></h1>
<p>সূত্রমতে, শুল্ক না কমিয়ে  ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যক্রম চালুতে আপত্তি জানিয়ে ১ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) দুপুরে বিটিআরসিতে গিয়েছিলেন মোবাইল ও গ্যাজেট ব্যবসায়ীদের সংগঠন ‘মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ’ (এমবিসিবি) এর নেতারা। এসময় বাইরে শতাধিক ব্যবসায়ীরা অবস্থান নেন। ওই সময় বিটিআরসি’র সম্মেলন কক্ষে মোবাইল অপারেটর ও নির্বাচন কমিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছিল। এমবিসিবি নেতারাও বৈঠক করছিলেন বিটিআরসি কর্মকর্তাদের সঙ্গে। সেই বৈঠক চলাকালেই এই হামলা করে বাইরে থাকা মোবাইল ব্যবসায়ীরা। </p>
<p>এ বিষয়ে বিটিআরসির উপ-পরিচালক (মিডিয়া কমিউনিকেশন) জাকির হোসেন খান বলেছেন, এরকম হামলা একেবারেই অপ্রত্যাশিত ছিল। একটা নিয়ন্ত্রক সংস্থার উপর এভাবে হামলা বাংলাদেশ আগে কখনো দেখেনি। আর যে ব্যবসায়ীরা এই হামলা চালিয়েছেন তাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কিন্তু ভিতরে মিটিং চলছিল। এই সময় তারা অতর্কিতে হামলা চালিয়ে বসেন এই সময়ই তারা অতর্কিতে হামলা চালিয়ে বসেন। </p>
<p>হামলার পরিপ্রেক্ষিতে কি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে জাকির খান বলেন, "ঊর্ধ্বতনরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।"  </p>
<p>বিটিআরসির অপর এক কর্মকর্তা জানান, তারা আসরের নামাজ পড়ছিলেন, এ সময় বাইরে থেকে ইটপাটকেল মারা শব্দ পান। বিকেল ৫টার দিকে সেখানে সেনাবাহিনীর একাধিক দল এসে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকেই ৫ জনের মতো গ্রেফতার করেছে সেনা ও পুলিশ। <br>ডিবিটেক/এমইউ/ইক</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিটিআরসি ভবনে ভাংচুর</title>
<link>https://digibanglatech.news/162602</link>
<guid>https://digibanglatech.news/162602</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_69565406caad8.jpg" length="99820" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 01 Jan 2026 16:40:28 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিটিআরসি ভবনে ভাংচুর চালানো হচ্ছে। ১ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) বিকেল চারটার দিকে এই ভাঙচুর শুরু হয়। হামলায় বিটিআরসি’র মসজিদের কাজ ভেঙ্গে যায়। এময় সেখানে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা কর্মচারীরা নামজ পড়ছিলেন। তবে তাৎক্ষণিক ভাবে কেউ আহত হয়েছেন বলে জানা যায়নি। </p>
<p> পূর্বঘোষিত এনইআইআর বাস্তাবায়ন হওয়ায় ‘অবৈধ’ মোবাইল ব্যবসায়ীরা এই হামলা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিটিআরসি ভবনের বাইরে থেকে দুই রাস্তার দিক থেকে ঢিল মেরে এই ভাঙচুর চালানো হয়। এসময় অর্ধশতাধিক হামলাকারীকে বিনিয়োগ বোর্ডের গলিতে দেখা গেছে। সংঘবদ্ধ ভাবে রাস্তার ওপর থেকেই বিটিআসি-তে এই হামলা চালানো হচ্ছে। </p>
<p>প্রশাসনিক এলাকায় এমন হামলা হলেও সেখানে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর তাৎক্ষণিক কোনো উপস্থিতি দেখা যায়নি। সূত্রমতে, মিনিট ১৫ হামলা-ভাঙচুর চালিয়ে সেখান থেকে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। ভাঙচুরের পর বিটিআরসি ভবনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করলে বিটিআরসি’র কর্মকর্তা কর্মচারীরা বাইরে বেরিয়ে আসে। কাউকে কাউকে সেসময় অফিস শেষ সময়ে নিরাপদে বাড়ির পথে যেতে দেখা যায়। </p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x_6956581d95a79.jpg" alt=""></p>
<p>এর আগে <span>এনইআইআর স্থগিতের দাবীতে বিটিআরসি’র বাইরে বিক্ষোভ করে মোবাইল ব্যবসায়ীরা। বিক্ষোভ থেকে হঠাৎ করেই কেউ কেউ বিটিআরসি ভবন লক্ষ করে ঢিল ছুঁড়ে। ‘ভাঙ্, ভাঙ’, ‘গুড়িয়ে দে’ বলে স্লোগান দিতে থাকে। </span></p>
<p><span>ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) নীতিমালায় সংশোধনের দাবিতে গত ৭ ডিসেম্বরও বিটিআরসি’র সামনে অবরোধ করেছিলো মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি। তখন আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হলেও। এবার সেখানে সহিংস হামলা চালানো হলো। বিক্ষোভকারীরা ভবন লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে, যার ফলে বিটিআরসি মসজিদের কাচ ভেঙে যায় এবং ভবনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।এই হামলায় বিটিআরসি’র সামনের কাচের দেয়াল ভেঙ্গে গেছে। ভেঙ্গেছে নামাজ ঘর ও ট্রেনিং রুমের কাঁচও। </span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x_69565dcb24081.jpg" alt=""></p>
<p><span>পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছিলো এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর নিশ্চিত করা যায়নি। তবে </span>হঠাৎ এমন আক্রমণে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বিটিআরসির কর্মকর্তারা। প্রতিষ্ঠানটির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘হঠাৎ করে ভাঙচুর শুরু হয়েছে। রাস্তা থেকে কয়েকশ বিক্ষোভকারী অবস্থান নিয়ে ভবনে ইটপাটকেল ছুড়ছে। এতে ভবনের বিভিন্ন কাচ ভেঙে গেছে। ছুটি হওয়ার পরেও আমরা কেউ বের হতে পারছিলাম না।’ </p>
<div class="clearfix"><span>প্রসঙ্গত, মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে অবিক্রিত বা স্টকে থাকা মুঠোফোনের তথ্য জমা দেওয়ার সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সেই সময়সীমা শেষ হয়েছে। </span></div>
<div class="my-2" id="related_more">
<div class="common-border-box related-more-news">
<div class="selected-news">
<div class="sub-news">
<div class="flex-content position-relative" id="flex-left-image">
<div class="d-flex">
<div class="flex-shrink-0">
<div class="img-content position-relative text-center"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশের নেটওয়ার্কে চালুতে বাধ্যতামূলক হলো  হ্যান্ডসেট নিবন্ধন </title>
<link>https://digibanglatech.news/162573</link>
<guid>https://digibanglatech.news/162573</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_69027354d1d8a.jpg" length="163874" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 01 Jan 2026 10:58:33 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>এবার সিমের মতো হ্যান্ডসেটও এলো জাতীয় নিবন্ধনের অধীনে। বিজয় দিবসে চালু করেও বাস্তবায়নে আরও ১৫ দিন সময় বাড়িয়ে ঘোষিত সময় হিসেবে  ১ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) থেকে পুরোদস্তুর চালু হলো ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যক্রম। ফলে আগামীতে দেশের টেলিকম নেটওয়ার্কে নতুন যুক্ত হওয়া প্রতিটি হ্যান্ডসেটকেই আগেভাগে এই তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হতে হবে। এতে করে অবৈধ হ্যান্ডসেটগুলো বন্ধের প্রক্রিয়ার আওতায় আসবে। ফলে এই পদ্ধতিকে বরাবরই স্বাগত জানিয়ে আসছে বিটিআরসি’র তালিকাভূক্ত আমদানিকারক ও স্থানীয়ভাবে মোবাইল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। </p>
<p>এর আগে, এনইআইআর চালুর কার্যক্রম পিছিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। গ্রেচ্যানেলে দেশে মোবাইল ফোন আমদানি করা ‘অতালিকাভূক্ত’ ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে অবিক্রীত বা স্টকে থাকা ফোনের তথ্য জমা দেওয়ার সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। ৩১ ডিসেম্বর, বছরের শেষ দিনে সেই সময়সীমা শেষ হয়। ফলে বিনা ট্যাক্সে হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের সেই সুযোগও শেষ হলো ওই ব্যবসায়ীদের। </p>
<p>এনইআইআর বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান, বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী স্পষ্ট জানিয়েছেন,  বর্তমানে নেটওয়ার্কে সচল থাকা অনুমোদিত বা অননুমোদিত কোনো হ্যান্ডসেটই বন্ধ করা হবে না। এমনকি ব্যবসায়ীদের কাছে থাকা অবিক্রীত যেসব হ্যান্ডসেটের আইএমইআই (ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি) তালিকা বিটিআরসিতে জমা দেওয়া হয়েছে, সেগুলোও বন্ধ হবে না। শুধু নতুন যেসব ফোন নেটওয়ার্কে যুক্ত হবে, সেগুলোই এই প্রক্রিয়ার আওতায় আসবে।</p>
<p><br>নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, প্রবাসীরা তাদের ব্যবহৃত ফোনের পাশাপাশি দুটি নতুন হ্যান্ডসেট দেশে আনতে পারবেন। আর সেসব ফোন এনইআইআরে নিবন্ধনের জন্য তিন মাসের সময় পাবেন তারা। এই তিন মাস হ্যান্ডসেটগুলো সচল থাকবে। ভ্রমণসংক্রান্ত নথিপত্র দিয়ে এসব ফোন এনইআইআরে নিবন্ধন করা যাবে।</p>
<p>এদিকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়ব বলেন, উপদেষ্টা পরিষদ যদি বৃহস্পতিবার হ্যান্ডসেট আমদানি ও উৎপাদন শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তবেই এনইআইআর চালু হবে।</p>
<p>এর আগে, গত ১০ ডিসেম্বর অবৈধ হ্যান্ডসেট বা ‘গ্রে মার্কেট’–এর ফোন বন্ধের প্রতিবাদে রাজধানীর কারওয়ান বাজার মোড়ে বিক্ষোভ ও অবরোধ করেন বিক্রেতারা। এর পরিপ্রেক্ষিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এনইআইআর-এ তাদের কাছে থাকা হ্যান্ডসেট বিনা শুল্কে নিবন্ধনের সুযোগ দিয়ে তিন মাসের জন্য সময় দেয়া হয়। তবে, বিটিআরসির এক কর্মকর্তা জানান, তিন মাস পেছানোর ওই সিদ্ধান্তের বিষয়ে কমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। একইসঙ্গে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট নিবন্ধিত হ্যান্ডসেটের সংখ্যা সম্পর্কেও কোনো তথ্য জানা সম্ভব হয়নি। তবে সিদ্ধন্ত অনুযায়ী এনইআইআর বাস্তবায়ন হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। </p>
<p>বিটিআরসির এক কর্মকর্তা জানান, শুধু নতুন যেসব ফোন নেটওয়ার্কে যুক্ত হবে, সেগুলোই এনইআইআর প্রক্রিয়ার আওতায় আসবে।  প্রবাসীরা তাদের ব্যবহৃত ফোনের পাশাপাশি দুটি নতুন হ্যান্ডসেট দেশে আনতে পারবেন। এনইআইআরে নিবন্ধনের জন্য তারা তিন মাসের সময় পাবেন। এই তিন মাস হ্যান্ডসেটগুলো সচল থাকবে। ভ্রমণসংক্রান্ত নথিপত্র দিয়ে এসব ফোন এনইআইআরে নিবন্ধন করা যাবে।</p>
<p>বিটিআরসি বলছে, অবৈধ হ্যান্ডসেট রোধ, চুরি হওয়া ফোন বন্ধ এবং মোবাইল বাজারের বিশৃঙ্খলা দূর করতেই এনইআইআর চালু করা হচ্ছে। কারিগরিভাবে এনইআইআর মূলত আইএমইআই, সিম নম্বর ও আইএমএসআই (ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল সাবস্ক্রাইবার আইডেন্টিটি)- এই তিনটি বিষয় যাচাই করে নেটওয়ার্ক সচল রাখে। এটি কোনো কল রেকর্ড করে না, মেসেজ পড়ে না কিংবা ইন্টারনেট কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে না।</p>
<p>তবে, এনইআইআর একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেসে ডিভাইস ও সিমকে স্থায়ীভাবে সংযুক্ত করায় নজরদারির উদ্বেগও রয়েছে নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এনইআইআর নিজে নজরদারির হাতিয়ার না হলেও সুরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হলে এটি নজরদারির সুযোগ তৈরি করতে পারে।</p>
<p>ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলোতেও চুরি হওয়া ফোন বন্ধে একই ধরনের ব্যবস্থা চালু আছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এনইআইআর ডিজিটাল অর্থনীতিতে জালিয়াতি রোধ করতে পারে। তবে সমালোচকদের মতে, এর বৈধতা নির্ভর করবে কঠোর আইনি তদারকি, স্বচ্ছতা, যৌক্তিকতা এবং গোপনীয়তা সুরক্ষার ওপর।</p>
<p>এ বিষয়ে ডাক, টেলিযোগোযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারি ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, গত ২৪ ডিসেম্বর উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদিত সংশোধিত টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশে ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় বিধান রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, সিম ও ডিভাইস নিবন্ধনের মাধ্যমে নাগরিকদের নজরদারি বা হয়রানি নিষিদ্ধ করে একটি ধারা অধ্যাদেশে যুক্ত করা হয়েছে। এর ব্যত্যয় ঘটলে বা লঙ্ঘন করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিএসআর/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১ জানুয়ারি থেকে এনআইডি প্রতি ৫টির বেশি সিম বন্ধের নির্দেশনা নেই : এমটব</title>
<link>https://digibanglatech.news/162395</link>
<guid>https://digibanglatech.news/162395</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6953ab3037647.jpg" length="44119" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 30 Dec 2025 16:06:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এনআইডি প্রতি সিম নিবন্ধনের সংখ্যা ৫টিতে কমানোর বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কামিশনের (বিটিআরসি) পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশনা আসেনি বলে জানিয়েছে মোবাইল কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্ঠান এসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এমটব)। </p>
<p>৩০ ডিসেম্বর গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত সংবাদ ‘সঠিক নয় ও বিভ্রান্তিমূলক’ উল্লেখ করে ‘এ ধরনের ভুল তথ্য গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় উদ্বেগ তৈরি হতে পারে’ বলে মন্তব্য করা হয়েছে। </p>
<p> এতে বলা হয়েছে, গ্রাহক পর্যায়ে মোবাইলের অপব্যবহার, জালিয়াতি বা অপরাধ রোধে শুধু সিম সংখ্যা সীমিত করাই কার্যকর উপায় নয়। বরং যথাযথভাবে গ্রাহক পরিচিতি যাচাইকরণ, তাৎক্ষণিক (রিয়েল-টাইম) নজরদারি, তথ্য বিশ্লেষণ এবং উন্নত জালিয়াতি শনাক্তকরণ প্রযুক্তির মাধ্যমে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা অনেক বেশি কার্যকর। বৈধ ব্যবহারকারী ও প্রতিষ্ঠানের ওপর বাড়তি বিধিনিষেধ আরোপ করলে উল্টো তারা অনানুষ্ঠানিক বা অনিয়ন্ত্রিত চ্যানেলের দিকে ঝুঁকতে পারেন যা নিরাপত্তার ঝুঁকি বৃদ্ধি করতে পারে।</p>
<p>টেলিযোগাযোগ খাত গ্রাহকের অধিকার ও পছন্দের স্বাধীনতা রক্ষার পাশাপাশি ব্যক্তি, উদ্যোক্তা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা এবং প্রযুক্তিনির্ভর সেবার অগ্রযাত্রায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশের টেকসই ডিজিটাল ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য শিল্পটি নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের সাথে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে যেন এ সংক্রান্ত নীতিগুলো নিরাপত্তা, প্রবেশাধিকার, উদ্ভাবন এবং গ্রাহক অধিকারের মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করতে পারে।</p>
<p>প্রসঙ্গত, গত ৩০ জুলাই বিটিআরসি থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ ১০টি নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করা যাবে বলে জানানো হয়েছিলো। ওই নির্দেশনায় যা;রে কাছে ১০টির বেশি নিবন্ধিত সিম আছে, তাদের অতিরিক্ত সিম ধাপে ধাপে বন্ধ করে দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছিলো। তখন বলা হয়েছিলো, জাতীয় নিরাপত্তা, অপারেটরদের অসুস্থ প্রতিযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক অনুশীলন চর্চা বিবেচনায় নিয়ে একজনের জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সিমের সংখ্যা সর্বোচ্চ ১০টি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। </p>
<p>ওইসময় বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ এমদাদ উল বারী বলেছিলেন, ১ আগস্ট থেকে গ্রাহকদের ৩ মাসের জন্য সময় দেওয়া হবে নিজ উদ্যোগে ১০টির বেশি সিম থাকলে তা বাতিল করার জন্য। এরপর বিটিআরসি বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বাড়তি সিমগুলো বন্ধের উদ্যোগ নেবে। পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে ৫ থেকে ৬ মাস সময় লাগবে। যেসব ব্যবহারকারীর নামে ১০টির বেশি সিম রয়েছে, শুরুতে তাদের নামের তালিকা করা হবে। এ কাজ করবে বিটিআরসির নিয়োগ করা সেন্ট্রাল বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন মনিটরিং প্ল্যাটফর্মের ভেন্ডর প্রতিষ্ঠান। পরে এসব ব্যবহারকারীর নিবন্ধিত সিমের নম্বরগুলো নিজ নিজ অপারেটরকে জানিয়ে দেওয়া হবে। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এএম/আইএইচ</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের শোক</title>
<link>https://digibanglatech.news/162365</link>
<guid>https://digibanglatech.news/162365</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_695373bdcf3b5.jpg" length="39406" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 30 Dec 2025 11:40:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে।</p>
<p>ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান এক শোক বার্তায় জানান, জাতির ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এক সাহসী ও দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রতীক। তিনি গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ ও অর্থনৈতিক সংস্কারে অসামান্য ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়েছিল রাজনৈতিক সচেতনতা, নারী জাগরণ ও গণতান্ত্রিক চেতনার এক নতুন উচ্চতায়।<br>জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য এবং তাঁর মৃত্যুতে দেশ এক অভিজ্ঞ, মানবিক ও প্রেরণাদায়ী নেত্রী ও অভিভাবক হারালো। </p>
<p>আপসহীন নেত্রী হিসেবে পরিচিত বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন। তাঁর প্রয়াণ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসে একটি অপূরণীয় ক্ষতি।<br> <br>আব্দুন নাসের খান ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর পক্ষ থেকে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ইক</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টেলিকম সেবায় বিএসসিসিএল  কর্মীদের সমন্বিত ভাবে কাজের তাগিদ দিলেন বিশেষ সহকারি</title>
<link>https://digibanglatech.news/162284</link>
<guid>https://digibanglatech.news/162284</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_69527a5c8530f.jpg" length="138084" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 29 Dec 2025 16:55:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কক্সবাজারে অবস্থিত পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত রাষ্ট্রায়ত্ব বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলসের (বিএসসিসিএল) তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন (২য় সংশোধিত) প্রকল্প এবং সংশ্লিষ্ট ল্যান্ডিং স্টেশনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। ২৯ ডিসেম্বর, সোমবার পরিদর্শনকালে তিনি প্রকল্পের অগ্রগতি, কারিগরি সক্ষমতা, পরিচালন ব্যবস্থাপনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হন।</p>
<p>পরিদর্শনকালে তিনি ল্যান্ডিং স্টেশনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরিদর্শন শেষে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি প্রাঙ্গণে থাই লংগান গাছের চারা রোপণ করেন।</p>
<p>এর আগে মতবিনিময় সভায় নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত টেলিযোগাযোগ সেবা নিশ্চিত করতে সমন্বিতভাবে কাজ করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি বলেন, “দেশের ডিজিটাল অবকাঠামো শক্তিশালী করতে সাবমেরিন ক্যাবল প্রকল্পের গুরুত্ব অপরিসীম। SMW-৬ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সুবিধা বৃদ্ধিসহ দেশের ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি পাবে যা পরোক্ষভাবে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সহায়ক হবে। বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি’র কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করে নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত টেলিযোগাযোগ সেবা নিশ্চিত করতে নিরলস কাত করতে হবে।</p>
<p>তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল (SMW6) কক্সবাজার থেকে একদিকে সিঙ্গাপুর ও অন্যদিকে ফ্রান্স পর্যন্ত বিস্তৃত হবে এবং কোর ক্যাবলের মাধ্যমে সিঙ্গাপুর, ভারত, জিবুতি ও ফ্রান্সের স্বণামধন্য ডাটা সেন্টারে যুক্ত হওয়া সম্ভব হবে। </p>
<p>পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আসলাম হোসেন সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমজেইউ/ইক</strong></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নতুন বছরের ঝুঁকি এআই অটোমেশন, কোয়ান্টাম&#45;রেডি ক্রিপ্টোগ্রাফি</title>
<link>https://digibanglatech.news/162185</link>
<guid>https://digibanglatech.news/162185</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_69512b01cebb2.jpg" length="51070" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 28 Dec 2025 12:08:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিদায়ী বছরে এপিটি কার্যক্রম, সাপ্লাই চেইন আক্রমণ, ডিডিওএসের মাধ্যমে নেটওয়ার্ক ব্যাহত করা এবং সিম-নির্ভর প্রতারণা টেলিকম অপারেটরদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে বলে জানিয়েছে গ্লোবাল সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ক্যাসপারস্কি। প্রতিষ্ঠানটি পর্যবেক্ষণ বলছে, নতুন প্রযুক্তির বিস্তারের ফলে এসব পুরোনো হুমকির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে নতুন ধরনের ঝুঁকি। এর মধ্যে এআই অটোমেশন, কোয়ান্টাম-রেডি ক্রিপ্টোগ্রাফি ও স্যাটেলাইট ইন্টিগ্রেশনের কথা উল্লেখ করেছে নিজেদের সাইবার সিকিউরিটি বুলেটিনে।</p>
<p> বুলেটিনের সর্বশেষ অধ্যায়ে ২০২৫ সালের টেলিকম সাইবার নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও ২০২৬ সালের সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জগুলো বিশ্লেষণ করে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে টেলিকম অপারেটররা মূলত চার ধরনের হুমকির মুখে পড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যাডভান্সড পারসিস্টেন্ট থ্রেট (এপিটি)–নির্ভর আক্রমণ, যেখানে দীর্ঘমেয়াদে গোপনে নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। পাশাপাশি জটিল ভেন্ডর ইকোসিস্টেমে থাকা সাপ্লাই চেইনের দুর্বলতা ব্যবহার করেও কোর নেটওয়ার্কে হামলা চালানো হয়েছে। এ ছাড়া ডিডিওএস আক্রমণ নেটওয়ার্কের সক্ষমতা ও পরিষেবা ব্যাহত করেছে এবং সিম-নির্ভর প্রতারণা আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি বাড়িয়েছে।</p>
<p>ক্যাসপারস্কি সিকিউরিটি নেটওয়ার্কের তথ্য টেলিকম খাতে সাইবার ঝুঁকির ব্যাপকতা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। নভেম্বর ২০২৪ থেকে অক্টোবর ২০২৫ সময়কালে ১২.৭৯ শতাংশ ব্যবহারকারী ওয়েবভিত্তিক সাইবার হুমকির মুখে পড়েছেন এবং ২০.৭৬ শতাংশ ব্যবহারকারী ডিভাইসভিত্তিক হুমকির শিকার হয়েছেন। একই সময়ে বিশ্বজুড়ে ৯.৮৬ শতাংশ টেলিকম প্রতিষ্ঠান র‍্যানসমওয়্যার হামলার শিকার হয়েছেন। ২০২৫ সালে এই হুমকির প্রভাব টেলিকম খাতের ৩২.১৮ শতাংশ উইন্ডোজ ব্যবহারকারী এবং ২৭.৮১ শতাংশ ম্যাকওএস ব্যবহারকারীর ওপর পড়েছে, অর্থাৎ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মেই সাইবার অপরাধ টেলিকম খাতে আর্থিক ও পরিচালনাগত ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি করে চলেছে।</p>
<p>প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, টেলিকম খাত যখন দ্রুত উন্নয়নের ধাপ পেরিয়ে বড় পরিসরের দিকে যাচ্ছে, তখন নতুন সুযোগের সঙ্গে ২০২৬ সালে পরিচালনাগত ঝুঁকিও বাড়বে। বিশেষ করে তিনটি ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে ক্যাসপারস্কি। </p>
<p>এর মধ্যে রয়েছে এআই-নির্ভর নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট, যেখানে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাপনার ভুল কনফিগারেশন বড় সমস্যায় রূপ নিতে পারে; পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি, যেখানে তড়িঘড়ি করে প্রযুক্তি চালু করলে সামঞ্জস্য ও পারফরম্যান্সজনিত জটিলতা দেখা দিতে পারে; এবং ফাইভজি থেকে স্যাটেলাইট সংযোগ (এনটিএন), যার মাধ্যমে সেবার পরিসর বাড়ালেও নতুন নির্ভরতা ও ঝুঁকির সম্ভাবনা রয়েছে।</p>
<p>ক্যাসপারস্কি জিআরইএটি (GReAT) দলের সিনিয়র সিকিউরিটি গবেষক লিওনিদ বেজভারশেঙ্কো বলেন, “২০২৫ সালে যে হুমকিগুলো টেলিকম খাতে প্রাধান্য পেয়েছে—এপিটি ক্যাম্পেইন, সাপ্লাই চেইন আক্রমণ ও ডিডিওএস হামলা—সেগুলো হঠাৎ করে উধাও হয়ে যাবে না। বরং এখন এসব হুমকি এআই অটোমেশন, কোয়ান্টাম-রেডি ক্রিপ্টোগ্রাফি ও স্যাটেলাইট ইন্টিগ্রেশনের মতো নতুন প্রযুক্তিগত ঝুঁকির সঙ্গে মিলিত হচ্ছে। আমরা মনে করি, অপারেটরদের জন্য জরুরি হলো পরিচিত হুমকির বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরক্ষা বজায় রাখা এবং নতুন প্রযুক্তি চালুর প্রথম দিন থেকেই নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া।”<br>ডিবিটেক/আরআই/ইকে</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অর্ধকোটি মানুষের একসঙ্গে সংযুক্তির পোর্টেবল টাওয়ার স্থাপন</title>
<link>https://digibanglatech.news/161897</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161897</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_694cfb5d81a27.jpg" length="93442" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 25 Dec 2025 12:52:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>একটি নির্দিষ্ট স্থানে সহলেও এখন জাতীয় বা স্থানীয় পর্যায়ের কোনো সমাবেশই  আটকে থাকে না নির্দিষ্ট গণ্ডিতে। সোশ্যাল হ্যান্ডেল হয়ে তা ছড়িয়ে পড়ে দিকে দিকে। এতে চাপ বাড়ে ব্যান্ডউইথ আর মোবাইল টাওয়ারে। </p>
<p>দেড় যুগ পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে কুড়িল বিশ্বরোডের  ‘জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে’তে তাকে সংবর্ধনা দেয়ার উপলক্ষে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে দেশের টেলিকম অপারেটরগুলো। তাদের সঙ্গে আলাপ করে জানাগেছে, অর্ধ কোটি মানুষকে টার্গেট করে ৩০০ ফিট পূর্বাচল রাস্তায় সিমের নেটওয়ার্ক টাওয়ার বসানো হয়েছে। </p>
<p>বেসরকারি তিনটি অপারেটরই নেটওয়ার্ক ঠিক রাখতে ব্যবহার করছেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক (এআই) প্রযুক্তি। ট্রান্সমিশন প্রযুক্তিকে এআই ব্যবহার করে কল ও ব্যান্ডউইথ সরবরাহ করা হচ্ছে। ৩০০ ফিট ঘিরে বাড়িয়েছে অ্যান্টেনা কাভারেজ, টাওয়ার ক্যাপাসিটি এবং রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি। </p>
<p>রবি আজিয়েটার চিফ কর্পোরে অফিসার শাহেদ আলম জানিয়েছেন, ওই এলাকার গ্রাহকদের নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে তারা ৫টি কাউ (সেলুলার অন হুইল) স্থাপন করেছেন। স্থাপন করা হয়েছে ভ্রাম্যমান টাওয়ার। আশেপাশের সাইটগুলোর সঙ্গে ক্যাপাসিটি ভাগ করে নেটওয়ার্ক চাঙ্গা রাখা হয়েছে। নেটওয়ার্ক দেখভালে নিয়মিত স্পিড টেস্টও করা হচ্ছে।</p>
<p>বাংলালিংক এর চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান জানিয়েছেন, তারা  তিনটি কাউ স্থাপন করেছেন। এয়ারপোর্ট থেকে ৩০০ ফিট ছাড়াও বনানী, গুলশনা ও প্রগতি সরণী পর্যন্ত বাড়তি চাপ নেয়ার কারিগরি প্রস্তুতি ভোরেই শেষ করেছেন। </p>
<p>অপরদিকে গ্রামীণফোন কতগুলো কাউ স্থাপন করা হয়েছে বা নির্দিষ্ট করে কী কী কারিগরি উদ্যোগ নেয়া হয়েছে তা না জানালেও অপারেটরির জনসংযোগ বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, “সম্ভাব্য জনসমাগমের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে আমরা সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে অবস্থিত আমাদের নেটওয়ার্ক টাওয়ারগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছি। পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত বিকল্প ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে গ্রাহকেরা নিরবচ্ছিন্নভাবে সেবা গ্রহণ করতে পারেন।”</p>
<p>তবে রাষ্ট্রীয় টেলিকম কোম্পানি টেলিটক এর প্রস্তুতি সম্পর্কে জানা সম্ভব হয়নি। </p>
<p>অপারেটরদের রাতভর নেটওয়ার্ক উন্নয়ন ও আগাম কারিগরি পদক্ষেপের কারণে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কথা বলা কিংবা ভিডিও সম্প্রচারে গ্রাহকদের উল্লেখযোগ্য কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চিরতরে নিষিদ্ধ ইন্টারনেট শাটডাউন, ফিরছে বিটিআরসি’র স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতা</title>
<link>https://digibanglatech.news/161826</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161826</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_694c04b622e11.jpg" length="61528" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 24 Dec 2025 18:57:02 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রাষ্ট্রের নজরদারি কাঠামোতে ‘গঠনমূলক’ পরিবর্তন এনে ২৪ ডিসেম্বর, বুধবার  ‘বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫’ অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, এই সংশোধনীর মাধ্যমে নাগরিকদের গোপনীয়তার সুরক্ষা, রাষ্ট্রীয় নজরদারিতে জবাবদিহিতা এবং বিটিআরসির স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এতে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন্স মনিটরিং সেন্টার বা এনটিএসি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। তবে বিচারিক ও জরুরি আইনানুগ ইন্টারসেপশনের বা নজরদারির প্রয়োজনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘সেন্টার ফর ইনফরমেশন সাপোর্ট’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।</p>
<p>প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং মোবাইল অপারেটরদের অর্থায়নে সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই'র ভবনে গঠিত হয় ন্যাশনাল মনিটরিং সেন্টার-এনএমসি। পরে ২০১৩ সালে তা নাম বদলে এনটিএমসি হয়। জুলাই অভ্যুত্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নির্যাতন সংক্রান্ত জাতিসংঘের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং প্রতিবেদনেও সংস্থাটিকে বিলুপ্ত করার এবং জনগণের ওপর বেআইনি নজরদারি বন্ধের সুপারিশ করা হয়েছিল।</p>
<p>সরকার বলছে, নতুন এই অধ্যাদেশে এনটিএমসি বিলুপ্ত করে ‘সেন্টার ফর ইনফরমেশন সাপোর্ট’ নামে নতুন প্রতিষ্ঠান গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যেখানে বৈধ ইন্টারসেপশনের ক্ষেত্রে আধা-বিচারিক অনুমোদন ও সংসদীয় তদারকি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই সঙ্গে ‘স্পিচ অফেন্স’ সংক্রান্ত নিবর্তনমূলক ধারা সংশোধন করে কেবল সহিংসতার আহ্বানকে অপরাধের আওতায় আনা হয়েছে।</p>
<p>ফলে সংশোধিত অধ্যাদেশের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ সেবার মানবিক মানোন্নয়ন, নিয়ন্ত্রক কাঠামোর সংস্কার এবং রাষ্ট্রীয় নজরদারি ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই সংশোধন আন্তর্জাতিক উত্তম অনুশীলনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে টেলিযোগাযোগ খাতকে আরও গণতান্ত্রিক, বিনিয়োগবান্ধব ও নাগরিক অধিকার সংরক্ষণমূলক করে তুলবে।</p>
<p>জানা গেছে, সংশোধিত আইনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে- ইন্টারনেট বা টেলিযোগাযোগ সেবা কখনোই বন্ধ করা যাবে না। এমন বিধান যুক্ত করা হয়েছে ধারা ৯৭-এর মাধ্যমে। ফলে ভবিষ্যতে কোনো প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে দেশব্যাপী বা আংশিকভাবে ইন্টারনেট শাটডাউনের সুযোগ থাকছে না।</p>
<p>একইসঙ্গে ২০১০ সালের বিতর্কিত সংশোধনী কাঠামো থেকে সরে এসে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির ক্ষমতা ও কার্যপরিধির মধ্যে ভারসাম্য আনা হয়েছে। আগে যেখানে সব ধরনের লাইসেন্স অনুমোদন মন্ত্রণালয়ের হাতে ছিল, এখন জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু লাইসেন্স ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্টাডির ভিত্তিতে মন্ত্রণালয় অনুমোদন দেবে। অন্যান্য সব লাইসেন্স ইস্যুর এখতিয়ার পুনরায় বিটিআরসির কাছে ন্যস্ত করা হয়েছে।</p>
<p>এছাড়া ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির সভাপতিত্বে একটি ‘জবাবদিহিতা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে, যা নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যক্রম তদারকিতে ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>লাইসেন্স আবেদন থেকে সিদ্ধান্ত দেওয়ার সময়সীমা কমানো হয়েছে। পাশাপাশি পূর্ববর্তী আইনে বর্ণিত উচ্চ ও পুনরাবৃত্তিমূলক জরিমানা কমানো হয়েছে, যা টেলিযোগাযোগ খাতে বিনিয়োগ উৎসাহিত করবে বলে মনে করছে সরকার।</p>
<p>সংশোধিত আইনে বিটিআরসির স্বচ্ছতা বাড়াতে প্রতি চার মাসে গণশুনানি আয়োজন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এসব গণশুনানির সিদ্ধান্ত ও ফলোআপ বিটিআরসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। পাশাপাশি কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট রোধে নির্দিষ্ট বিধান যুক্ত করা হয়েছে (ধারা ৮৭)।</p>
<p>নাগরিকের গোপনীয়তা সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনে নতুন বিধানে, সিম ও ডিভাইস রেজিস্ট্রেশনের তথ্য ব্যবহার করে কোনো নাগরিককে নজরদারি বা অযথা হয়রানি করাকে আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, সিম ও ডিভাইস রেজিস্ট্রেশনের তথ্য ব্যবহার করে কোনো নাগরিককে নজরদারি বা অযথা হয়রানি করলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে (ধারা ৭১)।</p>
<p>বহুল আলোচিত ‘স্পিচ অফেন্স’ সংক্রান্ত নিবর্তনমূলক ধারা পরিবর্তন করে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য আনা হয়েছে। এখন থেকে কেবল সহিংসতার আহ্বান অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে (ধারা ৬৬ক)।</p>
<p>টেলিযোগাযোগ সেবায় আপিল ও সালিশ ব্যবস্থাও যুক্ত করা হয়েছে (ধারা ৮২খ), যাতে গ্রাহক ও অপারেটর উভয়ই আইনি প্রতিকার পেতে পারে।</p>
<p>আইনানুগ ইন্টারসেপশন বা বৈধ নজরদারির সংজ্ঞা ও পরিধি এবার স্পষ্টভাবে আইনে নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘সেন্টার ফর ইনফর্মেশন সাপোর্ট (সিআইএস)’ প্রতিষ্ঠার বিধান রাখা হয়েছে (ধারা ৯৭ক)। এই কেন্দ্র ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশের মানদণ্ড অনুযায়ী পরিচালিত হবে।</p>
<p>জাতীয় নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জরুরি প্রাণরক্ষা, বিচারিক বা তদন্ত কার্যক্রম এবং আন্তঃসীমান্ত বিষয়ে কেবল নির্দিষ্ট ও আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই ইন্টারসেপশন করা যাবে। এ ক্ষমতা কেবল আইনে স্পষ্টভাবে বর্ণিত নির্দিষ্ট সংস্থাগুলো নিজ নিজ অধিক্ষেত্রের মধ্যে প্রয়োগ করতে পারবে। </p>
<p>সিআইএসের মাধ্যমে রোল-বেজড অ্যাক্সেস কন্ট্রোল ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। আধা-বিচারিক কাউন্সিলের অনুমোদন ছাড়া কোনো ইন্টারসেপশন পরিচালনা করা যাবে না। নতুন গঠিত সিআইএস নিজে কোনো ইন্টারসেপশন পরিচালনা করবে না। এটি কেবল কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে (ধারা ১৭ক)। ফলে রাজনৈতিক নজরদারি, অপব্যবহার ও ব্ল্যাকমেইলিং বন্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।</p>
<p>এই সংশোধনের মাধ্যমে এনটিএমসি (ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন্স মনিটরিং সেন্টার) বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে (ধারা ৯৭)। </p>
<p>আইনানুগ ইন্টারসেপশনের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে একটি আধা-বিচারিক কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। কাউন্সিলের কাছে বেআইনি ইন্টারসেপশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা যাবে। এই কাউন্সিলে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী (সভাপতি), প্রধানমন্ত্রীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার এবং স্বরাষ্ট্র সচিব সদস্য হিসেবে থাকবেন।</p>
<p>এছাড়া সংসদীয় স্থায়ী কমিটি প্রতি বছর আইনানুগ ইন্টারসেপশন বিষয়ে একটি জাতীয় বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। এতে ইন্টারসেপশনের ক্ষেত্র, বাজেট ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার তথ্য থাকবে। পাশাপাশি ইমেজ ও ভয়েস প্রোটেকশন, সিম ডেটা ও ডিভাইস ডেটা সুরক্ষার বিধানও যুক্ত করা হয়েছে।</p>
<p>সরকার জানিয়েছে, সংশোধিত এই অধ্যাদেশের আওতায় গৃহীত সব ব্যবস্থাপনা জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নসহ (আইটিইউ) আন্তর্জাতিক উত্তম অনুশীলনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এডি/এসআই</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এনটিএমসি বিলুপ্ত করে নতুন টেলিকম আইন পাস</title>
<link>https://digibanglatech.news/161777</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161777</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202501/image_870x580_67822f9840cc6.jpg" length="95148" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 24 Dec 2025 13:32:43 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>অবশেষ নতুন টেলিকম যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ২৪ ডিসেম্বর বুধবার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশ ২০২৫' এ চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।  দুপুরে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই অনুমোদন দেন প্রধান উপদেষ্টা ড: মুহাম্মদ ইউনূস। <span class="YrbPuc"><span> উপদেষ্টা পরিষদের ৫২তম বৈঠকে অনুমোদিত এ সংশোধনের মাধ্যমে ইন্টারনেট বন্ধের সুযোগ রহিত করা, নজরদারিতে আইনি সুরক্ষা জোরদার এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ঘোষণা এসেছে।</span></span></p>
<p><span>এজন্য নতুন টেলিকম আইনে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করে ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে </span><span>উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) অধ্যাদেশটি পাশের জন্য টেবিলে উপস্থাপন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগে মনোনীত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারি ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। এসময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব আব্দুন নাসের সভায় উপস্থিত ছিলেন।    </span></p>
<p>নতুন এই আইন টেলিযোগাযোগ খাতকে আধুনিকীকরণ, লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া সহজীকরণ, ৫জি ও ক্লাউড সেবার প্রসার, ইন্টারনেট শাটডাউনের উপর বিধিনিষেধ আরোপ এবং ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির জন্য আনা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশোধিত অধ্যাদেশে ইমেজ ও ভয়েস প্রটেকশন, সিম ও ডিভাইস ডেটা সুরক্ষার বিধান যুক্ত করা হয়েছে। পুরো কাঠামো জাতিসংঘ ও আইটিইউসহ আন্তর্জাতিক উত্তম অনুশীলনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে। </p>
<p>এতে নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তির সাথে সামঞ্জস্য রেখে একটি যুগোপযোগী নিয়ন্ত্রক কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। এই অধ্যাদেশের খসড়া জনসাধারণের মতামতের জন্য প্রকাশ করা হয়েছে এবং এটি বিদ্যমান আইন ও নীতির অনেক মৌলিক পরিবর্তন আনবে বলে আশা করছে খাত সংশ্লিষ্টরা। </p>
<p>এর আগে গত ৪ সেপ্টেম্বর <span>টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক এবং লাইসেন্সিং পলিসি ২০২৫ অনুমোদন দেয়া হয়েছিলো। জানাগেছে, বিকেলে ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংস থেকেবৈঠক বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।</span></p>
<p><span>পরে সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, নতুন এই আইনে ২০১০ সালের বিতর্কিত সংশোধনী কাঠামো থেকে সরে এসে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এর স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। লাইসেন্স ইস্যুর ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির ক্ষমতার ভারসাম্য আনা হয়েছে।</span></p>
<p><span>তিনি বলেন, আজ টেলিযোগাযোগ খাতে দীর্ঘদিনের বিতর্ক ও উদ্বেগের অবসান ঘটিয়ে নাগরিক অধিকার, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং জবাবদিহিতাকে প্রাধান্য দিয়ে  বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।  জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স অনুমোদন হবে স্বাধীন স্টাডির ভিত্তিতে। আর অন্যান্য লাইসেন্স ইস্যুর ক্ষমতা পুরোপুরি বিটিআরসির হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির নেতৃত্বে একটি ‘জবাবদিহিতা কমিটি’ গঠনের বিধান রাখা হয়েছে ।</span></p>
<p>প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, সংশোধিত অধ্যাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো- কোনো পরিস্থিতিতেই ইন্টারনেট বা টেলিযোগাযোগ সেবা বন্ধ করা যাবে না**—এমন সুস্পষ্ট বিধান যুক্ত করা হয়েছে (ধারা ৯৭)। সংশ্লিষ্টদের মতে, এটি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও ডিজিটাল অর্থনীতির জন্য একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।</p>
<p><strong>পাশ হওয়া টেলিকম আইনের গুরুত্বপূর্ণ দিক</strong></p>
<p><span style="text-decoration: underline;">বিটিআরসির স্বাধীনতা ও জবাবদিহি জোরদার</span></p>
<p>২০১০ সালের বিতর্কিত সংশোধনী কাঠামো থেকে সরে এসে **বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)**–এর স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। লাইসেন্স ইস্যুর ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির ক্ষমতার ভারসাম্য আনা হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স অনুমোদন হবে স্বাধীন স্টাডির ভিত্তিতে, আর অন্যান্য লাইসেন্স ইস্যুর ক্ষমতা পুরোপুরি বিটিআরসির হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির নেতৃত্বে একটি **‘জবাবদিহিতা কমিটি’** গঠনের বিধান রাখা হয়েছে ।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;">বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ ও দ্রুত লাইসেন্সিং</span></p>
<p>সংশোধিত আইনে লাইসেন্স আবেদনের শুরু থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পর্যন্ত সময়সীমা কমানো হয়েছে। অতিরিক্ত উচ্চ জরিমানা ও রি-শেয়ারিং জরিমানাও হ্রাস করা হয়েছে, যা টেলিযোগাযোগ খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে ।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;">গণশুনানি বাধ্যতামূলক, স্বার্থের সংঘাত রোধ</span></p>
<p>এখন থেকে প্রতি চার মাস অন্তর বিটিআরসিকে গণশুনানি আয়োজন করতে হবে। এবং তার ফলাফল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’ ঠেকাতে আইনি বিধান যুক্ত হয়েছে (ধারা ৮৭) ।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;">নজরদারিতে কঠোর আইনি সুরক্ষা</span></p>
<p>সিম ও ডিভাইস রেজিস্ট্রেশনের তথ্য ব্যবহার করে কোনো নাগরিককে বেআইনি নজরদারি বা হয়রানি করলে তা **শাস্তিযোগ্য অপরাধ** হিসেবে গণ্য হবে (ধারা ৭১)। একই সঙ্গে “Speech Offence” সংক্রান্ত ধারা সংশোধন করে কেবল **সহিংসতার আহ্বান**কেই অপরাধের আওতায় রাখা হয়েছে, যা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে (ধারা ৬৬ক) ।</p>
<p><strong>ইন্টারসেপশনে নতুন কাঠামো, এনটিএমসি বিলুপ্ত</strong></p>
<p>নতুন আইনে আইনানুগ ইন্টারসেপশন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে ‘সেন্টার ফর ইনফরমেশন সাপোর্ট (CIS)’ প্রতিষ্ঠার বিধান রাখা হয়েছে। এ কেন্দ্র স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকবে এবং কেবল বিচারিক বা জরুরি আইনানুগ ইন্টারসেপশনের ক্ষেত্রে কারিগরি সহায়তা দেবে। CIS নিজে কোনো ইন্টারসেপশন পরিচালনা করতে পারবে না এবং রোল-বেইজড অ্যাকসেস কন্ট্রোল ও আধা-বিচারিক কাউন্সিলের অনুমোদন ছাড়া কোনো কার্যক্রম চলবে না। এর ফলে আগের *<em>ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (NTMC) </em>বিলুপ্ত করা হয়েছে ।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><strong>সংসদীয় ও আধা-বিচারিক তদারকি</strong></span></p>
<p>আইনানুগ ইন্টারসেপশনের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে আধা-বিচারিক কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে, যেখানে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সভাপতি থাকবেন। একই সঙ্গে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি প্রতি বছর একটি জাতীয় প্রতিবেদন প্রকাশ করবে, যাতে ইন্টারসেপশনের ক্ষেত্র ও পরিসংখ্যান তুলে ধরা হবে ।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;">আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য</span></p>
<p>সংশোধিত অধ্যাদেশে ইমেজ ও ভয়েস প্রটেকশন, সিম ও ডিভাইস ডেটা সুরক্ষার বিধান যুক্ত করা হয়েছে। পুরো কাঠামো জাতিসংঘ ও আইটিইউসহ আন্তর্জাতিক উত্তম অনুশীলনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয় ।</p>
<p>বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সংশোধনীর মাধ্যমে একদিকে যেমন নাগরিকের ডিজিটাল অধিকার সুরক্ষিত হবে, অন্যদিকে টেলিযোগাযোগ খাতে স্বচ্ছতা, বিনিয়োগ ও আস্থার নতুন অধ্যায় শুরু হবে।<br> সংস্করণ**ও করে দিতে পারি।</p>
<p><span></span><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গ্রামীণফোনের গড়িমসি, কালক্ষেপণ ও আইন এড়ানোর কৌশল?</title>
<link>https://digibanglatech.news/161742</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161742</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_694ade811524e.jpg" length="50558" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 23 Dec 2025 21:29:10 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>গ্রামীণফোনের শ্রমিকদের ৫% প্রফিট শেয়ারের বিলম্ব জরিমানার বকেয়া পরিশোধের বিষয়ে ত্রিপাক্ষীয় বৈঠকের অংশ হিসেবে সবশেষ গত ১৭ ডিসেম্বর  গ্রামীণফোনের ম্যানেজমেন্টে সঙ্গে বৈঠক করে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের একটি কমিটি। মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফাহমিদা আক্তারের সভাপতিত্বে ওই বৈঠকে গ্রামীণফোনের প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য পেশ করেন প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র পরিচালক মোঃ আওলাদ হোসেন। </p>
<p>২৩ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার উপদেষ্টা ও সচিবের একান্ত সচিবসহ সব পক্ষের কাছে ওই সভার একটি কার্যবিবরণী পাঠানো হয়েছে।  বৈঠকের ওই কার্যবিবরণীতে দেখে ফের ক্ষুব্ধ হয়েছেন বিচারপ্রার্থীরা। তারা বলছেন, ‘গ্রামীণফোন লিমিটেড শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধে আবারও বিষয়টি  “বিচারাধীন বিষয় (Sub Judice)” অজুহাত তুলে কালক্ষেপণ ও দায় এড়ানোর কৌশল নিয়েছে।’</p>
<p>ডিজিবাংলাটেকডট নিউজের হাতে আসা সভার কার্যবিবরণীতে বৈঠকে গ্রামীণফোন দাবি করেছে,  ২০১০–১২ সালের WPPF (Workers’ Profit Participation Fund) চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে। যুক্তি হিসেবে বলা হয়েছে, কর্মীরা তখন স্বেচ্ছায় সুদের দাবি পরিত্যাগ করে ‘Deed of Undertaking’ স্বাক্ষর করেছিলেন।</p>
<p>তবে তাদের উপস্থাপিত এই যুক্তি ‘আইনগত ও নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ’ বলে মনে করছে গ্রামীণফোন ৫ শতাংশ বিলম্ব বকেয়া আদায় ঐক্য পরিষদ। </p>
<p>সংগঠনটির সভাপতি আবু সাদাৎ জানিয়েছেন, ‘এই তথাকথিত সম্মতি মূল টাকা আটকে রেখে ও চরম অসম ক্ষমতার ভারসাম্যের মধ্যে আদায় করা হয়েছিল। স্বাধীন সম্মতি হিসেবে এটি গ্রহণযোগ্য নয়।’</p>
<p>কেন গ্রহণযোগ্য নয় প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, ‘শ্রম আইন স্পষ্টভাবে বলে কোনো বছরের মুনাফার ৫% পরের বছর কর্মীদের মধ্যে বিতরণ বাধ্যতামূলক। সময়মতো না দিলে বিলম্বজনিত সুদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রযোজ্য। গ্রামীণফোন ২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সালের কোনো অর্থই নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ করেনি। ফলে আরোপিত বিলম্ব জরিমানা কোনো অন্যায্য দাবি নয়, এটি আইনগত পাওনা।’</p>
<p>ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানাগেছে, গ্রামীণফোন ২০১১ সালে সরকারের ২০১০ সালের এসআরও চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করে বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখে। মামলায় পরাজয় নিশ্চিত জেনে ২০১৪ সালে সুদের মওকুফ প্রস্তাব দেয়। সর্বশেষ ২০২৩ সালে সেই রিট নিজেই প্রত্যাহার করে নেয়। এর অর্থ একটাই সরকারের আদেশ বৈধ ছিল এবং সময়মতো টাকা না দেওয়াটা অন্যায় ছিল।</p>
<p>পর্যবেক্ষকদের মতে, বর্তমানে শ্রম আদালতে প্রায় ১২০০ মামলা বিচারাধীন। এছাড়া আরও প্রায় ২৮০০ কর্মী মামলা না করেও পাওনার অপেক্ষায়। তাদের ক্ষেত্রে ‘Sub Judice’ যুক্তি ব্যবহার ‘অযৌক্তিক’।</p>
<p>খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গ্রামীণফোন অতীতেও একাধিক বিচারাধীন মামলা এনবিআর, বিটিআরসি, চাকরিচ্যুত ও সাবেক কর্মীদের মামলা আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করেছে। এমনকি  সাম্প্রতিককালে গ্রামীণফোন বিটিআরসির সাথে চলমান মামলার জটিলতা থেকে মুক্ত হতে অডিট আপত্তির বকেয়া পাওনা নিয়ে সমঝোতা চেয়েছে। এর মাধ্যমে আদালতের বাইরে বিরোধ নিষ্পত্তি ন্যায়সংগত, আইনত বৈধ তা গ্রামীণফোনের অতীত কার্যক্রমেই স্পষ্ট হয়েছে। </p>
<p>সঙ্গত কারণেই এখন প্রশ্ন ওঠেছে, কেনইবার তাহলে শুধুমাত্র শ্রমিকদের পাওনা নিয়ে আদালতকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে?  </p>
<p>এদিকে গ্রামীণফোনের ম্যানেজমেন্টের সাথে মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক বৈঠকের শ্রম কর্মকর্তাগন গ্রামীণফোনকে ভিআরএস (স্বেচ্ছা অবসর) নেওয়া কর্মীদের কি কি সুবিধা দেয়া হয়েছে তার সাপোর্টিং  ডকুমেন্ট দিতে বলা হয়েছে। তবে এজন্য কোনো সময় বেধা দেয়া হয়নি। </p>
<p>এমন বাস্তবতায় বৈঠক শেষে এ ধরনের নথি চেয়ে সময় ক্ষেপণ করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন ভূক্তভোগীরা। তার বলছেন,  বৈঠকের মূল বিষয়ের সাথে অপ্রাসঙ্গিক। তাদের যুক্তি- ২০১০–১২ সালের ৫% মুনাফা বিলম্বে পরিশোধের কারণে সৃষ্ট আইনগত জরিমানা সব যোগ্য বেনেফিসিয়ারির কর্মীর ( সাবেক, বর্তমান)  জন্য প্রযোজ্য।</p>
<p>‘এছাড়াও হাইকোর্ট বা অন্য কোনো আদালত এই জরিমানা/সুদের দায় মওকুফ করেনি, রিট নিষ্পত্তির সময় বিলম্ব জরিমানা পরিশোধের নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। অর্থাৎ আইনগত দায় আজও বহাল। গ্রামীণফোন আইনের প্রতি শ্রদ্ধার কথা বললেও বাস্তবে গড়িমসি, কালক্ষেপণ এবং আদালতের অজুহাত দেখিয়ে আলোচনার পথ বন্ধ করে শ্রমিকদের তার অধিকার বঞ্চিত করছে,- যোগ করেন এক দশকেরও বেশি সময় ধরেন কর্মীদের দাবি আদায়ে আদালত ও মাঠে সোচ্চার গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মী আদিবা জেরিন। </p>
<p>তিনি আরও বলেন, হাইকোর্ট বা অন্য কোনো আদালত এই জরিমানা/সুদের দায় মওকুফ করেনি, রিট নিষ্পত্তির সময় বিলম্ব জরিমানা পরিশোধের নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। অর্থাৎ আইনগত দায় আজও বহাল। গ্রামীণফোন আইনের প্রতি শ্রদ্ধার কথা বললেও বাস্তবে গড়িমসি, কালক্ষেপণ এবং আদালতের অজুহাত দেখিয়ে আলোচনার পথ বন্ধ করে শ্রমিকদের তার অধিকার বঞ্চিত করছে।</p>
<p>আদিবা জানান, প্রায় ৬ মাস আগে শ্রম উপদেষ্টার নির্দেশনায়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর শ্রম সচিবের সাথে বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তার নেতৃত্বে ত্রিপাক্ষিক আলোচনায় দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হয়। ৩ নভেম্বর শ্রমিক পক্ষের সাথে মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে শ্রমিক পক্ষ থেকে সকল প্রয়োজনীয় নথি সহ দাবির ন্যায্যতা তুলে ধরা হয়। আদালতের দীর্ঘসুত্রিতা এড়াতে শ্রম মন্ত্রণালয় থেকে এই পদক্ষেপ নেয়া হলেও এখানেও গ্রামীণফোন সময়ক্ষেপণের কৌশল জারি রেখেছে।</p>
<p>এদিকে শুধু শ্রমিক নয় প্রতিযোগিতা কমিশনেও আদালত-বনাম শালিস টানাটানিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে বাজারে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তারকারী গ্রামীণফোন। অপারেটরটির <span>বাজারে আধিপত্যের অপব্যবহার, বৈষম্যমূলক মূল্য নির্ধারণ বা প্রতিযোগিতা-বিরোধী আচরণের বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতা কমিশনে বিচার দিয়েছে অপর অপারেটর রবি ও বাংলালিংক। সেই নালিশের বিপক্ষে আরজি করলে তা খারিজ করে দিয়ে বিচারের মুখোমুখি করার কথা ছিলো প্রভাবশালী এই কোম্পানিটির। </span>তবে অজ্ঞাত কারণে টেলিযোগাযোগ খাতে গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগের তদন্ত থেমে গেছে। </p>
<p>কেননা, প্রতিযোগিতা কমিশনের ওই তদন্ত কার্যক্রম নিয়ে হাইকোর্টে গিয়েছে গ্রামীণফোন। হাইকোর্ট অপারেটরটির বিরুদ্ধে চলা তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত করেন। এরআগে গ্রামীণফোনের প্রতিযোগিতাবিরোধী কর্মকাণ্ড নিয়ে রবির করা অভিযোগের প্রেক্ষিতে মামলা নিয়ে তা তদন্ত করছিল বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন।</p>
<p>গ্রামীণফোন হাইকোর্টে করা মামলায় বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের তদন্তের এখতিয়ার চ্যালেঞ্জ করে। বিচারপতি ফয়েজ আহমেদ ও বিচারপতি মোঃ মনজুর আলম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সম্প্রতি এই আদেশ দেন। আদালতের আদেশের ফলে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতা কমিশনের সব তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।</p>
<p>তবে <span>বকেয়া ফি, রাজস্ব শেয়ার ও সুদের ভিত্তিতে গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি’র বকেয়া ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকা আদায়ে যখন আদালতে যায় তখন তা দীর্ঘমেয়াদি অডিট বিরোধ হিসেবে সালিশির মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য গত নভেম্ব মাসেই আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে অপারেটরটি। বিষয়টিকে গ্রামীণফোনের দ্বিচারিতা হিসেবে মনে করেন পর্যবেক্ষক মহল। </span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/ওআর</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জানুয়ারি থেকে ১ ব্যক্তির নামে সর্বোচ্চ ৫ সিম; আইওটি’র জন্য বিশেষ সিম</title>
<link>https://digibanglatech.news/161677</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161677</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_694a4a3f7564f.jpg" length="61690" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 23 Dec 2025 10:12:03 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নির্বাচনের আগে মোবাইল কেন্দ্রিক অপরাধের লাগাম টেনে ধরতে এক ব্যক্তির নামে কেনা সিমের সংখ্যায় লাগাম টানতে যাচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। তবে আইওটি ডিভাইসের জন্য আলাদা নিবন্ধনের মাধ্যমে বিশেষ সিরিজের সিম বিক্রির অনুমোদন দেবে কমিশন। </p>
<p><br>বিটিআরসি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আগামী ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে একজন ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)-এর বিপরীতে সর্বোচ্চ ৫টি সিম কার্ড নিবন্ধন করা যাবে, যা বর্তমানে থাকা ১০টি সিমের সীমা থেকে কমানো হয়েছে, এবং এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে অতিরিক্ত সিমগুলো নিষ্ক্রিয় করা হবে। </p>
<p><br>সূত্রমতে, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী খুচরা পর্যায়ে সিম বিক্রির সময় গ্রাহকের অজান্তে তার বায়োমেট্রিক তথ্য সংরক্ষণ করছে। ওই তথ্য ব্যবহার করে তার অজান্তেই অবৈধভাবে অতিরিক্ত সিম নিবন্ধন হচ্ছে। বিটিআরসি’র পর্যবেক্ষণ বলছে, এক দিনে একজন গ্রাহকের নামে ততোধিক সিম নিবন্ধিত হচ্ছে। এই অস্বাভাবিকতা বন্ধে কঠোর হচ্ছে সরকার। </p>
<p><br>বিটিআরসির এক কর্মকর্তা জানান, সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের নতুন সিম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচটিতে সীমিত রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অনুমোদন পেলে ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে এটি কার্যকর হবে।</p>
<p><br>এর আগে গত ২৬ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছিলেন, নির্বাচনের আগে ব্যক্তিগত পর্যায়ে সিম ব্যবহারের সংখ্যা কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের লক্ষ্য ভবিষ্যতে ব্যক্তিগত সিম ব্যবহারের সীমা আরও কমিয়ে দুটি পর্যন্ত আনা।</p>
<p><br>এর দুই দিন বাদে ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে (বিটিআরসি) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী বলেছিলেন, আগামী ১ নভেম্বর থেকে এক এনআইডির বিপরীতে ১০টির বেশি সিম থাকলে সেগুলো বন্ধ করে দেবে মোবাইল অপারেটররা। ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ এক এনআইডির বিপরীতে ১০টির বেশি সিম কার্যকর থাকবে না।</p>
<p><br>তবে ডিসেম্বরে এসে তিনি জানালেন, আগামী ১ জানুয়ারি থেকে যে ব্যক্তি নতুন করে সিম কিনতে যাবেন তাকে একটি এনআইডি’র বিপরীতে ৫টির বেশি সিম নিবন্ধন করতে দেয়া হবে না। যাদের কাছে ১০টি সিম রয়েছে তারা নতুন সিম কিনতে গেলে তাকে সিম সংখ্যা ৫টিতে নামিয়ে আনতে বলা হবে।</p>
<p><br>তবে এই সিদ্ধান্তে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন গ্রাহক ও সেবক উভয়েই। মনে করেন, সিম কমালে অপরাধ কমে যাবে বলে যে ধারণা পোষণ করা হচ্ছে তা অমূলক বলে মনে করেন মোবাইল অপারেটররা। একজন ব্যক্তিকে পরিবারের কয়েকজনের নামে সিম কিনতে হয় জানিয়ে কোনো কোনো গ্রাহক বলেছেন, সিম কেবল কথা বলার জন্য নয়। এখন ইন্টারনেট সহ আইওটি ডিভাইসের জন্যও লাগে। একইভাবে নেটওয়ার্ক কাভারেজ ও প্যাকেজ সুবিধার জন্য একাধিক অপারেটরের সিম দরকার হয়। কেউ কেউ আবার মনে করেন, পরিবারের একাধিক সাবালক ব্যক্তি বা এনআইডিধারি থাকায় এই সীমায় খুব একটা সমস্যা হবে না। তবে তাছাড়া যাদের এখনও এনআইডি নেই তাদের পরিবারের অনংদের ওপর নির্ভর করতে হয়। এক্ষেত্রে সীমাটা খুবই কম।</p>
<p>প্রসঙ্গত, বর্তমানে ১৮ কোটি ৮০ লাখের মতো সিম ব্যবহার করেন দেশের ৬ কোটি ৭৫ লাখ ৯২ হাজার ৭৫০ জন। এর মধ্যে ১ কোটি ২০ লাখ গ্রাহকের হাতে রয়েছে ৬টি করে মোবাইর সিম। মোট গ্রাহকের ৮০ শতাংশের মধ্যেই রয়েছে সর্বোচ্চ ৫টি সিম কার্ড।</p>
<p><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/ওআর</strong></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিকের মৃত্যুতে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবে শোক প্রকাশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/161616</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161616</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_69495a9bce0a8.jpg" length="50782" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 22 Dec 2025 18:51:36 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মমতা জামান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।</p>
<p>তার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুল নাসের খান গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তারা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।</p>
<p>এক শোকবার্তায় ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, মমতা জামান অন্তরা ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে যোগদানের পর থেকে নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে এসেছেন। তার মৃত্যুতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ একজন একনিষ্ঠ কর্মীকে হারালো।</p>
<p>অন্য এক শোক বার্তায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান বলেন, মমতা জামান অন্তরা ছিলেন কর্তব্যনিষ্ঠ, বিনয়ী ও দায়িত্বশীল একজন সহকর্মী। তার মৃত্যুতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ একজন নিষ্ঠাবান সহকর্মীকে হারাল, যা অপূরণীয় ক্ষতি।</p>
<p>প্রসঙ্গত, মমতা জামান অন্তরা ২২ ডিসেম্বর, সোমবার বেলা ৩:৫০ মিনিটে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/বিজ্ঞপ্তি/ইক</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সাশ্রয়ে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা দিতে চুক্তিবদ্ধ এক্সেনটেক&#45;আইসিসি</title>
<link>https://digibanglatech.news/161584</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161584</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_69497cb6bb871.jpg" length="76664" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 22 Dec 2025 17:12:08 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr">দুর্গম, প্রত্যন্ত ও অবহেলিত অঞ্চলে উচ্চগতির ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে একসাথে পথ চলবে টেলিকম সেবাদাতা  রবি আজিয়েটার এন্টারপ্রাইজ সার্ভিস প্রোভাডার সহযোগী প্রতিষ্ঠান ও স্টারলিংকের অনুমোদিত রিসেলার এক্সেনটেক ও প্রযুক্তি নিরপেক্ষ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান আইসিসি কমিউনিকেশন। এ লক্ষে ২২ ডিসেম্বর, সোমবার দুপুরে রবি’র প্রধান কার্যালয়ে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়।</p>
<p dir="ltr"><span>চুক্তিতে সই করেন এক্সেনটেক পিএলসি-এর বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আদিল হোসাইন নেবেল এবং আইসিসি কমিউনিকেশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক।  </span></p>
<p dir="ltr"><span>এসময় রবি আজিয়াটার কোম্পানি সচিব শাহেদ আলম, এক্সেনটেক এর পরিচালক মোঃ আসাদুজ্জামান, জেনারেল ম্যানেজার গাউসুল আজম আরাফাত আহমেদ,  প্রোডাক্ট ম্যানেজার আবির মাহমুদ তাসিক ও আইসিসি কমিউনিকেশনের গ্রুপ সিইও লেফট্যান্ট কর্নেল (অব) জাহাঙ্গীর হোসাইন ও পরিচালক সামির সেলিম সিদ্দিক উপস্থিত ছিলেন। </span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x_6949374427575.jpg" alt=""></p>
<p dir="ltr">এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আইসিসি  কমিউনিকেশন সিআইও আব্দুর রাজ্জাক, সিটিও সাদাব মানি, সিএমও নূর হুদা তালুকদার, সিবিও দেলোয়ার হোসেন লিটন, হেড অফ ডাটা কানেক্টিভিটি শামীম আহমেদ, হেড অব আইপি টেলিফোনি সোহেল সিকদার ও  আয়না ওটিটি সিটিও তানজিন রহমান তনু।</p>
<p dir="ltr"><span>অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এই যৌথ অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ফাইবার বা ক্যাবল নেটওয়ার্ক স্থাপন ব্যয়বহুল বা জটিলতা কাটিয়ে সরাসরি উচ্চগতির ও স্বল্প ল্যাটেন্সির ইন্টারনেট সেবা দিতে অঙ্গীকার করলো উভয় প্রতিষ্ঠান।</span></p>
<p dir="ltr"><span>চুক্তি বিষয়ে সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক বলেন, স্টারলিংকের অনুমোদিত অ্যাফিলিয়েট রিসেলার হিসেবে আইসিসি নিজস্ব ব্র্যান্ডের অধীনে ২৪/৭ টেকনিক্যাল সাপোর্ট, অন-সাইট ইনস্টলেশন, নেটওয়ার্ক মনিটরিং এবং ভিপিএন বা স্ট্যাটিক আইপি’র মতো কাস্টম ইন্টিগ্রেশনসহ ভ্যালু-অ্যাডেড সেবা দিতে পারবে। ফলে গ্রাহকরা একক প্ল্যাটফর্মে পূর্ণাঙ্গ কানেক্টিভিটি সমাধান পাবেন। এছাড়াও বিদ্যমান টেরেস্ট্রিয়াল নেটওয়ার্ক (ফাইবার ও ওয়্যারলেস) এর সঙ্গে স্টারলিংক সংযোগ একীভূত করবে।</span></p>
<p dir="ltr"><span>অপরদিকে এক্সেনটেকের এমডি ও সিইও আদিল হোসেন নোবেল বলেন, আইসিসির সঙ্গে এই পার্টনারশিপ নিয়ে এক্সেনটেক উচ্ছ্বসিত ও আত্মবিশ্বাসী। </span></p>
<p dir="ltr"><span>তিনি জানান, স্টারলিংকের আধুনিক স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে গ্রামীণ অঞ্চল, দ্বীপাঞ্চল এবং পাহাড়ি এলাকাসহ নেটওয়ার্ক গ্যাপ এলাকাসমূহে নির্ভরযোগ্য ও উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।</span></p>
<p dir="ltr"><span>তিনি আরও বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে আইসিসির সেবা পোর্টফোলিও আরও সমৃদ্ধ হবে এবং দীর্ঘদিন ধরে নেটওয়ার্ক গ্যাপ এলাকাসমূহের জনগণের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করা যাবে। এর ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবসা ও ডিজিটাল সেবায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</span></p>
<p dir="ltr"><span>চুক্তিসই অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এই উদ্যোগের ফলে তাৎক্ষণিকভাবে স্টারলিংকের স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে গ্রামীণ অঞ্চল, দ্বীপাঞ্চল ও পাহাড়ি এলাকায় নির্ভরযোগ্য ব্রডব্যান্ড সেবা দেয়ার পাশাপাশি সেবা পোর্টফোলিও আরও সমৃদ্ধ করতে পারবে আইসিসি। এতে করে দুর্যোগকালীন যোগাযোগ, অস্থায়ী ইভেন্ট ব্যবস্থাপনা কিংবা কৃষি, পর্যটন, সম্প্রচার ও সামুদ্রিক খাতের মতো বিশেষায়িত শিল্পে মোবাইল অপারেশনের জন্য নিরবচ্ছিন্ন কানেক্টিভিটি প্রদান করা সম্ভব হবে। একইসঙ্গে মাল্টি-লিংক বন্ডিংয়ের মাধ্যমে সামগ্রিক ব্যান্ডউইথ বৃদ্ধি পাবে, নেটওয়ার্ক রেজিলিয়েন্স শক্তিশালী হবে এবং কোনো আউটেজ হলে স্বয়ংক্রিয় ফেইলওভার সুবিধা নিশ্চিত হবে।</span></p>
<p dir="ltr"><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এনএম/ইক</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) অধ্যাদেশ&#45;২০২৫ দ্রুত অনুমোদনে বিশিষ্ট নাগরিকদের জোর দাবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/161494</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161494</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6948021601906.jpg" length="63547" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 21 Dec 2025 12:20:32 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div id="27212ccf-28ec-4cb9-a0e9-7f3b6f02864f">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>এনটিএমসি বিলুপ্ত করে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জবাবদিহিতার জন্য বিচার ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাতব্বরির বাইরে নাগরিক মতামতের ভিত্তিতে তৈরি ‘বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫’ খসড়াটি দ্রুত অনুমোদনের দাবি জানিয়েছেন দেশের বিশিষ্ট নাগরিকেরা।</p>
<p>গণমাধ্যমে পাঠানো ৯৪ জন বিশিষ্ট নাগরিকের ২০ ডিসেম্বর, শনিবার সই করা বিবৃতিতে তারা এই দাবি জানানো হয়েছে। </p>
<p>বিবৃতিদাতাদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান, লেখক ও শিক্ষক সলিমুল্লাহ খান, মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন, কথাসাহিত্যিক মঈনুল আহসান সাবের, শিক্ষক কামরুল হাসান, লেখক ও শিক্ষক ফাহমিদুল হক, মানবাধিকারকর্মী রেজাউর রহমান লেনিন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মির্জা তাসলিমা সুলতানা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক রিদওয়ানুল হক, অধ্যাপক আসিফ এম শাহীন, লেখক ও গবেষক <span>রাহাত মুস্তাফিজ,</span> গবেষক মীর হুযাইফা আল মামদূহ, লেখক ও সংগঠক নাহিদ হাসান, <span>বিজ্ঞান গবেষক </span><span>ড. মো ইমদাদুল হক খান</span> প্রমুখ।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="web-interstitial-ad">
<div data-lang="বিজ্ঞাপন" class="dfp-ad-unit print-none ">
<div class="adunitContainer">
<div class=" adBox" id="web-interstitial-adx-bangladesh-j9tjsu1ct4-0-0" data-google-query-id="CJuM6v7qzpEDFcHuoAIdFlUIvw">
<div id="google_ads_iframe_85406138/Web_Interstitial_AdX_0__container__"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="51231c88-d062-41ab-b42a-6910b4a3dda6">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<p>বিশিষ্ট নাগরিকদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হাসিনা কর্তৃক মানবতাবিরোধী অপরাধ ও নিপীড়নের সহযোগী ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার ভেঙে দিতে হবে। নতুন অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও বিদ্যমান আইনের সংশোধনের ক্ষেত্রে অংশীজনদের অংশগ্রহণ থাকলেও মতামত উপেক্ষা করা হচ্ছে। গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সংগতি রেখে অন্তর্বর্তী সরকার ইন্টারনেট বন্ধের ক্ষমতা স্থায়ীভাবে বিলোপ এবং নজরদারি কাঠামোয় বড় ধরনের সংস্কারের প্রস্তাব দিয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫ অধ্যাদেশের খসড়া প্রকাশ করেছিল। এতে দীর্ঘদিন মানবাধিকার লঙ্ঘন, অবৈধ নজরদারি ও গুমের অভিযোগে সমালোচিত এনটিএমসি সম্পূর্ণ বিলুপ্তির প্রস্তাবও ছিল। অথচ দুঃখজনক ওই অধ্যাদেশের সংশোধিত খসড়াটি ১২ ডিসেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের সভায় পেশ করা হলেও অনুমোদন পায়নি।</p>
<p>গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এনটিএমসি বিলুপ্তি নিয়ে সরকারের মধ্যেই মতবিরোধ রয়েছে এবং নজরদারি সংস্কারের পরিকল্পনা থেকে রাষ্ট্র পিছিয়ে আসছে। নাগরিকদের ন্যূনতম অংশগ্রহণ ছাড়াই ১৫ অক্টোবর এনটিএমসি নতুন নামে পুনর্গঠনের তিনটি প্রস্তাবসহ একটি খসড়া আইন প্রস্তুত করা হয়েছে, যার মাধ্যমে নজরদারি আরও শক্তিশালী করার আশঙ্কা করা হচ্ছে।<em><span style="text-decoration: underline;"><strong></strong></span></em></p>
</div>
</div>
</div>
<div>
<div class="print-adslot adsBox n5kiG">
<div data-lang="বিজ্ঞাপন" class="dfp-ad-unit print-none ">
<div class="adunitContainer">
<div class=" adBox" id="mcanvas1x1-d7c6f829-b649-41b3-a3a9-fe7d786e79bc-0-0" data-google-query-id="CL216v7qzpEDFZ3voAId4JE6nA">
<div id="google_ads_iframe_85406138/mCanvas_1x1_0__container__"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="85be867c-70e9-4874-962c-d16df3251bbb">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গত ১৭ নভেম্বর আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির সভায় একটি সংস্থার প্রধান দাবি করেন, তাদের মনিটরিং সার্ভিল্যান্স দুর্বল করা হচ্ছে। এতে নাকি জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড তদারকি করা কঠিন হয়ে যাবে। এরপর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশ ২০২৫ বিষয়ে একটি সভা আহ্বানের নির্দেশ দেন।</p>
<p>বিবৃতিতে বলা হয়, প্রকাশিত খসড়ার কমপক্ষে দুটি নাগরিক সুরক্ষা সরিয়ে ফেলে আগামী সপ্তাহে আরেকটি নতুন খসড়া উপস্থাপন করা হবে, যা আসলে নাগরিকদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা ছাড়াই করা হচ্ছে। নজরদারির মতো একটি স্পর্শকাতর বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু হতে চাচ্ছে, যা নাগরিকদের জন্য হুমকিস্বরূপ এবং হাসিনা আমলের নজরদারি ক্ষমতা পুনরায় চালু হওয়ার বাস্তবতা তৈরি করবে।</p>
<p>আড়িপাতা ও নজরদারির ক্ষমতা কার হাতে থাকবে, কোন সংস্থাগুলো আড়িপাতার অনুমোদন পাবে, তদারকি করবে এবং ক্ষমতার বণ্টন কেমন করে নিরূপণ হবে, তা নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি করা হচ্ছে, যা ভয়ংকর হাসিনার দিনগুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="ad079e11-9afa-404a-8a3f-dcfbeab73385">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>প্রধান উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্ট সবার উদ্দেশে বিবৃতিতে বলা হয়, গণ অভ্যুত্থান–পরবর্তী বাংলাদেশ হাসিনার আমলে ফিরবে না। তাই ইন্টারনেট সংযোগ কোনো অবস্থাতেই বন্ধ, বিঘ্নিত বা সীমিত করা যাবে না। অধ্যাদেশের ধারায় যোগাযোগমাধ্যমের নজরদারি করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিচারের মুখোমুখি করার ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে বহাল রাখা এবং নাগরিকদের অংশগ্রহণ ও মতামতগুলো প্রাধান্য দিয়ে মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রস্তুতকৃত বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫–এর খসড়াটি অনুমোদন দিতে হবে।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="print-none oHRqW">অনলাইনে এই বিবৃতির পক্ষে জনমতও গঠন করা হচ্ছে। সেখানে খাত সংশ্লিষ্ট অনেকেই এই নাগরিক বিবৃতিতে সই করে সহমত পোষণ করছেন।</div>
<div class="print-none oHRqW"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিবৃতি/ইক</strong></span></em></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সহিংস ও&#45;উস্কানিমূলক কনটেন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মেটাকে বিটিআরসির আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/161333</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161333</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202501/image_870x580_678f27529b78e.jpg" length="195977" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 19 Dec 2025 20:21:31 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সোশ্যাল হ্যান্ডেল ফেসবুক-এ প্রকাশিত সহিংস কন্টেন্ট অপসারণ ও ব্লক করতে সময় বেশি নেয়ায় শরিফ ওসমান হাদি’র মৃত্যু পরবর্তী সময়ে দেশে সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে প্লাটফর্মটির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান মেটা’র কাছে লিখিত উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এতে ‘বড় আকারের সহিংসতা, ভয় দেখানো এবং আসন্ন নির্বাচনকে ব্যাহত করার আহ্বান জানানোর জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে’ বলে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ-কে অভিযুক্ত করে সহিংস ও-উস্কানিমূলক কনটেন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। </p>
<p>১৯ ডিসেম্বর, শুক্রবার জরুরি ই-মেইল বার্তায় এই উদ্বেগ প্রকাশ ও অভিযোগ করা হয়। মেইলে ১৮ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার রাতের সহিংস ঘটনার বরাত দিয়ে দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে সামাজিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতে মেটাকে নিজেদের প্ল্যাটফর্মগুলোর অপব্যবহার রোধে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিষয়টি ‘জাতীয় গুরুত্বের বিষয়’ উল্লেখ করে চিঠিতে ‘আসন্ন নির্বাচন নাগরিকদের জীবন, গণতান্ত্রিক অধিকার, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা এবং দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতার সাথে গভীরভাবে জড়িত’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।</p>
<p>ফেসবুকের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধিসহ মেটার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে বিটিআরসি বলেছে, গণঅভ্যুত্থানের পর সহিংসতা কবলিত একটি সংকটপূর্ণ সময় পার করছে দেশ। গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ একটি ভঙ্গুর রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে এবং বিশ্বাসযোগ্য জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।</p>
<p>সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর উল্লেখ করে বিটিআরসি বলেছে, জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম সারির সংগঠন ওসমান হাদীর হত্যাকাণ্ডের পর বিভিন্ন কন্টেন্টের জেরে বাস্তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়, সেইসঙ্গে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলাও হয়।</p>
<p>চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে কিছু ব্যক্তি ভিন্ন মতাদর্শের সাথে যুক্ত হয়ে প্রকাশ্যে এই মৃত্যুকে সমর্থন জানিয়েছে, আবার কেউ কেউ প্রকাশ্যে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতার আহ্বান জানিয়েছে।’</p>
<p>বিটিআরসি জানায়, এই পদক্ষেপগুলো সরাসরি বেশ কয়েকটি স্থাপনায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের আগে ঘটেছিল, যার মধ্যে দুটি গণমাধ্যমও ছিল- দ্য ডেইলি স্টার ও প্রথম আলো। এই হামলা ব্যাপক ভীতি সৃষ্টি করেছে এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করেছে।</p>
<p>নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি বলছে, ‘সহিংস কন্টেন্ট অপসারণ বা ব্লকের ক্ষেত্রে মেটাকে ব্যবস্থা নিতে যে পরিমাণ সময় লাগছে... তা ওই অ্যাকাউন্টগুলোর মাধ্যমে আরও সহিংসতা ও গণজমায়েতকে উৎসাহিত করার সুযোগ তৈরি করছে।’</p>
<p>চিঠিতে সতর্ক করা হয়েছে যে সহিংসতা সৃষ্টিকারী বিষয়বস্তুর অবাধ প্রচার জাতীয় স্থিতিশীলতা, সামাজিক সম্প্রীতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর জীবন ও সুরক্ষার জন্য সরাসরি হুমকি। এতে আরও বলা হয়েছে যে মেটার ভূমিকা কেবল প্রযুক্তিগত নয়; এটি জনদায়িত্বের বিষয়ও।</p>
<p>‘বাংলাদেশে মেটার কোনো স্থানীয় কার্যালয় নেই’ উল্লেখ করে বিটিআরসি বলেছে, ‘এসব আনুষ্ঠানিক মাধ্যমে পাঠানো একাধিক জরুরি অনুরোধের সময় মতো সাড়া পাওয়া যায়নি, যেখানে সহিংস বিষয়বস্তু ব্যাপকভাবে প্রচারিত হতে থাকে।’</p>
<p>চিঠির এক পর্যায়ে মেটাকে বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে নিয়ন্ত্রক কমিশন। এর মধ্যে ‘বাংলাদেশের কন্টেন্টের জন্য আরও কঠোর, দ্রুত এবং আরও প্রাসঙ্গিক উপায়ে কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড প্রয়োগ করা’; ‘বাংলা ভাষার মডারেশন জোরদার করা’ এবং ‘সহিংসতা সৃষ্টিকারী বিষয়বস্তু সম্পর্কে রিপোর্ট পাওয়ার সাথে সাথেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ’ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।</p>
<p>এছাড়াও, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের বিষয়বস্তুর ওপর কঠোর নজরদারি রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/ওআর</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভুয়া তথ্য, গুজব ও বিভ্রান্তি প্রতিরোধে এনসিএসএ’র বিশেষ সেল সক্রিয়, ৫ মেইল চালু</title>
<link>https://digibanglatech.news/161280</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161280</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_694531ccd4dc3.jpg" length="72289" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 19 Dec 2025 13:07:21 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr"><span>ভুয়া তথ্য, বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট ও গুজব প্রতিরোধে আগামী জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত একটি বিশেষ সেল গঠন করেছে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি (এনসিএসএ)।</span></p>
<p dir="ltr"><span>এ সেল সার্বক্ষণিকভাবে অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণ, তথ্য যাচাই-বাছাই এবং সত্যতা নিশ্চিতকরণের কাজ করছে। এ কাজে জন সম্পৃক্ততা বাড়াতে ও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে দ্রুত সহায়তার জন্য এনসিএসএ ২৪/৭ হেল্পলাইন সেবা সক্রিয় করা হয়েছে। নাগরিকদের কাছ থেকে বিভিন্ন অভিযোগ গ্রহণের জন্য বিষয় ভিত্তিক ৫টি  ই-মেইল ঠিকানা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে জাতীয়, ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে গুজবের বিরুদ্ধে  report_misinfo@ncsa.gov.bd ঠিকানায়; ফেইক প্রোফাইল, ছবি, অডিও-ভিডিও, অশ্লীল বা ক্ষতিকর কনটেন্ট প্রভৃতির মাধ্যমে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে হয়রানি বা প্রতারণা সংক্রান্ত সকল অভিযোগ বা অফিশিয়াল যোগাযোগের জন্যr eport_harassment@ncsa.gov.bd ঠিকানায়; report_cii@ncsa.gov.bd(গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো-CII প্রতিষ্ঠানসমূহের সাইবার হামলা সংক্রান্ত সকল অভিযোগ বা অফিশিয়াল যোগাযোগের জন্য notifz@ncsa.gov.bd ঠিকানায় এবং অনলাইন জুয়ার সংক্রান্ত সকল অভিযোগ বা অফিশিয়াল যোগাযোগের জন্য report_betting@ncsa.gov.bd ঠিকানায় মেইল করতে আহ্বান করা হয়েছে।</span></p>
<p dir="ltr"><span>এ লক্ষ্যে এনসিএসএ প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং, প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি), বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস), বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে।</span></p>
<p dir="ltr"><span>ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় শুক্রবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, কোনো তথ্য বা কনটেন্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করার আগে উৎস যাচাই করার পাশাপাশি সন্দেহজনক, উসকানিমূলক বা দেশবিরোধী কনটেন্ট দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে এনসিএসএ-কে অবহিত করার জন্য জনসাধারণকে অনুরোধ করা হয়েছে।</span></p>
<p dir="ltr"><span>দেশের সাইবার স্পেইসকে নিরাপদ রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব। দেশবিরোধী চক্রের ফাঁদে পড়ে ভুল বা ভুয়া তথ্য, ফটোকার্ড এবং ভিডিও প্রচার থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি অন্যদেরও সচেতন করতে এনসিএসএ সকলকে অনুরোধ করেছে।</span></p>
<p dir="ltr"><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমজেইউ/ইক</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নির্বাচনের আগে তরঙ্গ নিলাম উপযুক্ত সময় নয়: রবি সিইও</title>
<link>https://digibanglatech.news/161162</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161162</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6943a6ccdf009.jpg" length="78761" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 18 Dec 2025 12:41:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr"><span>৭০০ মেগাহার্জ স্পেক্ট্রাম অকশন নিয়ে কোনো শঙ্কা দেখেন না রবি সিইও জিয়াদ সিতারা। তবে নির্বচনের ডামাডোলে তরঙ্গ নিলাম উপযুক্ত সময় নয় বলে মনে করেন তিনি। </span></p>
<p dir="ltr"><span>নতুন দায়িত্ব গ্রহণের আড়াই মাসের মাথায় ১৮ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো টেলিকম সাংবাদিকদের সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন তিনি।</span></p>
<p dir="ltr"><span>জিয়াদ জানান, গ্রাহকদের মানসম্মত সেবা নিশ্চিতে চলতি বছর ২০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে রবি। বিনিয়োগ সুরক্ষায় তারা এখন নীতিমালার ধারাবাহিকতা ও নিশ্চিয়তা চান।</span></p>
<p dir="ltr"><span>সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে রবি সিইও বলেন, জানুয়ারিতে অকশন। এ বিষয়ে রবি মনে করে, নির্বাচনের আগে স্পেক্ট্রাম অকশন হওয়া উচিত নয়। অকশন মানেই বিনিয়োগ। বিনিয়োগের জন্য এখন উপযুক্ত সময় নয়। নির্বাচনের পর অন্তর্বর্তীকালীনের পরিবর্তে একটি দীর্ঘ মেয়াদি সরকার আসলে এটি আরও গতি পেত।</span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x_6943a77a402c2.jpg" alt=""></p>
<p dir="ltr"><span>অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন একটা ট্রান্জিশনাল সময় চলছে। বিনিয়োগকারীরা নিবাচানের দিকে চেয়ে আছে। আমার মতে এখন বিনিয়োগের উপযুক্ত সময় নয়। নির্বাচনের পর অর্থনীতি ঘুরে দাড়াবে এটাই প্রত্যাশা। </span></p>
<p dir="ltr"><span>এসময় সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে রবি আজিয়াটার কোম্পানি সচিব ও চিফ করপোরেট অফিসার সাহেদ আলম বলেন, টেলিকম লাইসেন্স নীতিমালা পরিবর্তনের আগে ২০১৮ সালের গাইড লাইন রিভিউ করা দরকার ছিল। প্রতি বছর মোট ব্যয়ের ৩০ শতাংশই প্রযুক্তি উন্নয়নে ব্যয় করতে হয়। লাইসেন্স নীতিমালায় আরোপিত প্রতিবন্ধকতা টেলিকম ব্যবসাকে বাধাগ্রস্ত করবে। টেলিকম নীতিমালা ও নির্দেশনা সাংঘর্ষিক। সময়ে সময়ে পরিবর্তন হওয়ার কারণে বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পরে। সংকট সমাধানে একটি সময়োপযোগী দীর্ঘমেয়াদি নীতিমালা দরকার। </span></p>
<p dir="ltr"><span>১৫ শতাংশের বেশি বিদেশি বিনিয়োগ থাকা যাবে না এমন সিদ্ধান্তই ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করেন রবি'র চিফ করপোরেট অফিসার।</span></p>
<p dir="ltr"><span>জুলাই আন্দোলনে কোনো ব্যাখ্যা ছাড়া ইন্টারনেট বন্ধ রাখার প্রশ্নে তিনি বলেন, ২০২৪ এর জুলাই বিল্পবের পর আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেয়ার কথা বলা হয়েছে। আমরা জবাবদিহিতার সুযোগ রাখার দাবি জানিয়েছি। আইন করে জবাবদিহি নিশ্চিত হবে এটাই রবি'র প্রত্যাশা। নিয়ন্ত্রক সংস্থা হোয়াটসঅ্যাপ বা ফোনে নির্দেশনা দেবে এটা কাম্য নয়। যে কোন নির্দেশনা ফরমালি হওয়া উচিত।</span></p>
<p dir="ltr"><span>সংবাদ সম্মেলনে রবি'র জ্যেষ্ঠ পরিচালক অনামিকা ভক্ত এবং জনসংযোগ কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম ও শামীম আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।</span></p>
<p dir="ltr"><span>ডিবিটেক/আইএইচ</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এনইআইআর বাস্তবায়ন পিছিয়ে ১ জানুয়ারি</title>
<link>https://digibanglatech.news/160863</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160863</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6929f753a3d7e.jpg" length="66147" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 15 Dec 2025 17:08:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যকরের দিন ১৬ ডিসেম্বর থেকে পিছিয়ে ১ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে।</p>
<p>দেশের সকল মোবাইলফোন ব্যবসায়ীদের  আগে আমদানিকৃত মোবাইল হ্যান্ডসেটগুলোর মধ্যে অবিক্রিত/স্থিত সকল মোবাইল হ্যান্ডসেটসমূহের আইএমইআই ও সংশ্লিষ্ট তথ্য এনইআইআর সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ দিতেই এই সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। </p>
<p>১৫ ডিসেম্বর, সোমবার বাংলাদেশ টেলিযাগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এই তথ্য জানা গেছে। এতে ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্য করে আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে neir@btrc.gov.bd ই-মেইল ঠিকানায় নির্ধারিত মাইক্রোসফট এক্সেল (.xlsx) ফরম্যাট অনুযায়ী তথ্য প্রদানের অনুরোধ জানানো হয়। </p>
<p>সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, National Equipment Identity Register (NEIR) সিস্টেম চালুর প্রেক্ষাপটে, দেশের সকল মোবাইলফোন ব্যবসায়ী কর্তৃক ইতঃপূর্বে আমদানিকৃত মোবাইল হ্যান্ডসেটসমূহের মধ্যে অবিক্রিত/স্থিত সকল মোবাইল হ্যান্ডসেটসমূহের IMEI ও সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি NEIR সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় প্রদান করা হয়েছিলো। লক্ষ্য করা যাচ্ছে, অনেক মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবসায়ী অদ্যাবধি তাদের অবিক্রিত/স্থিত মোবাইল হ্যান্ডসেটসমূহের তথ্য কমিশনে দাখিল করতে পারেনি। যে সকল মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবসায়ী এখনো তাদের অবিক্রিত/স্থিত মোবাইল হ্যান্ডসেটসমূহের তথ্য দাখিল করতে পারেননি তাদের সুবিধার্থে ১৬ ডিসেম্বর তারিখের পরিবর্তে আগামী ১ জানুয়ারিতে NEIR সিস্টেম চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে, অবিক্রিত/স্থিত মোবাইল হ্যান্ডসেটসমূহ নেটওয়ার্কে আত্তীকরণের সুবিধার্থে তথ্য দাখিলের সময়সীমা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিটিআরসি/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মার্চে বাজারে আসতে চায় দেশের প্রথম বেসরকারি সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি</title>
<link>https://digibanglatech.news/160765</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160765</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_693ec59449f5a.jpg" length="87309" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 14 Dec 2025 20:01:58 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিতর্ক  এড়িয়ে প্রথম বেসরকারি সাবমেরিন কোম্পানি হতে ফিনল্যান্ডের কোম্পানি নকিয়ার সাবমেরিন লাইন টার্মিনাল  ইক্যুইপমন্ট কিনতে চুক্তিবদ্ধ হলো বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্যাবল সিস্টেম (বিপিসিএস) কনসোর্টিয়াম।</p>
<p>১৪ ডিসেম্বর, রবিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে কনসোর্টিয়াম সদস্য মেটাকোর সাবকম, সামিট কমিউনিকেশন ও সিডিনেট কমিউনিকেশন নিয়ে এই চুক্তিটি সম্পাদিত হয়।</p>
<p>নকিয়া ইন্ডিয়ার হেড অব সেলস প্রশান্ত মালকানি ও <span>ও নকিয়ার সিনিয়র সেলস অ্যাকাউন্ট ডিরেক্টর সুমন প্রাসাদ এবং</span> সামিট কমিউনিকেশনের সিইও আরিফ আল ইসলাম, সিডিনেট সিইও মশিউর রহমান ও মেটাকোর সাবকম সিইও আমিনুল হাকিম চুক্তিতে সই করেন।</p>
<p>এসময় ইউরোপীয় ইউনিউনের বাংলাদেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার, ভারতে নিযুক্ত ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত ড: আন্তে হারলেভি, জাপানের রাষ্ট্রদূত দায়সাকু তুসকাও প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে জানানো হয় ৫০ টিবিপিএস সক্ষমতার এই ক্যাবলটি যুক্ত হবে সিঙ্গাপুর-মায়ানমার হয়ে। এর জীবনকাল ২০ বছর।</p>
<p>অনুষ্ঠানে আমিনুল হাকিম বলেন, সাবমেরিন ক্যাবল শুধু সমুদ্র তলদেশের একটি কানেক্টিভিটি নয়। এটি সার্বভৌমত্বের প্রতীক। নতুন সেবাদাতা আসলে ভিষ্যত ব্যান্ডউইথ চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাজার প্রতিযোগিতায় মূল্যও কমবে।</p>
<p>সিডিনেট সিইও মশিউর রহমান একটি উপস্থাপনা পেশ করে জানান, ৬ শতাধিক প্রতিষ্ঠান ১ লাখ ৫০ হাজার লাইনের মাধ্যমে ১৮০০টিবিপিএস সংযোগ দিচ্ছে। সিঙ্গাপুর-বাংলাদেশ তিনটি ক্যবলে সংযুক্ত। তবে  এবছরই শেষ হলেও আরও তিন বছর চলতে পারবে সিমিউই ৪। আর সিমিউই ৫ ক্যাপসিটিটর ২.৫ ব্যবহৃত হয়েগেছে। ফলে নতুন সামেরিন ক্যাবলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছ। এই সেবা চালু করতে পারলে আর প্রতিবেশি দেশ থেকে ব্যন্ড উইথ আমদানি করতে হবে না।</p>
<p>বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানির সাবেক এই ব্যবস্থপনা পরিচালক বলেন, নকিয়ার প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে কম বিদ্যুৎ খরচে ও স্বল্প জায়গায় ইকুইপমেন্ট ব্যবহার করা যায় বিধায় ডেটা সেন্টারের জায়গা কম লাগে। ফলে খুব সহজে নেটওয়ার্ক ম্যানেজ করা যাবে এবং সার্বিক ব্যয় হ্রাস পাবে। ফলে ভবিষ্যতে ব্যান্ডউইথের মূল্য কমে গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেট খরচ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>
<p>পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কনসোর্টিয়ামের অন্যতম সদস্য মেটাকোর সাবকম সিইও ও আইএসপিএবি সভাপতি আমুনুল হাকিম বলেন, আমরা ২৫ বছরের জন্য লাইসেন্স পেয়েছি। ক্যবলের আয়ুস্কাল ২০ বছর। মার্চ- এপ্রিল নাগাদ আমরা সেবা চালু করতে চাই।  এই লাইন চালু হলে ব্যান্ডউইথের দাম কমবে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত।</p>
<p>তিনি জানান, ক্যাবলের দুই প্রান্তেই নকিয়ার এসএলটিই ব্যবহৃত হচ্ছে যা উচ্চমানের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বলে দাবি করা হয়েছে। সিঙ্গাপুর–কক্সবাজার রুটের নতুন এই ৩ পেয়ার ক্যাবল চালু হলে ভারতের ওপর নির্ভরতা কমবে এবং দেশ ব্যান্ডউইথে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দিকে এগিয়ে যাবে।</p>
<p><span>চুক্তি অনুষ্ঠানে নকিয়ার পক্ষ থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন নকিয়ার হেড অব এমার্জিং বিজনেস জিবিতেশ নায়াল, নকিয়ার মার্কেটিং ম্যানেজার রাহুল দেরওয়ানি, নকিয়ার অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার মোহাম্মদ আর. ইসলাম ও নকিয়া বাংলাদেশের হেড অব সেলস ক্রিস্টোফার স্যামুয়েল। </span></p>
<p><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/ওআর</strong></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহীর ‘সিইও অব দ্য ইয়ার’ সম্মাননা অর্জন</title>
<link>https://digibanglatech.news/160753</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160753</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_693eb68587a5a.jpg" length="57208" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 14 Dec 2025 18:17:42 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দ্য ফাস্ট মোড অ্যাওয়ার্ডস ২০২৫ -এ দু’টি মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অর্জন করেছে বাংলালিংক। নেতৃত্বের উৎকর্ষের স্বীকৃতিতে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী ইওহান বুসে পেয়েছেন এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ‘সিইও অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার, আর গ্রাহক অভিজ্ঞতার উন্নয়নে ধারাবাহিক অগ্রগতির জন্য প্রতিষ্ঠানটি অর্জন করেছে ‘কাস্টমার এক্সপেরিএয়েন্স (সিএক্স) চ্যাম্পিয়ন’ সম্মাননা।     </p>
<p>মালয়েশিয়া-ভিত্তিক টেলিযোগাযোগ বিষয়ক গণমাধ্যম ও গবেষণা প্ল্যাটফর্ম দ্য ফাস্ট মোড এই পুরস্কারের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ খাতে উদ্ভাবন, নেতৃত্ব এবং শিল্পে প্রতিষ্ঠানগুলোর ইতিবাচক প্রভাবকে তুলে ধরে।</p>
<p>এ বছরের আয়োজনে টেলিযোগাযোগ, সেবাদাতা ও নেতৃত্বে উৎকর্ষ, এই তিনটি বিভাগে বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে তিন শতাধিক মনোনয়ন জমা পড়ে। এসব মনোনয়ন মূল্যায়ন করেন আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা, শিল্পখাতের বিশেষজ্ঞ এবং অভিজ্ঞ বিশ্লেষকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি স্বাধীন প্যানেল।</p>
<p>বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী ইওহান বুসে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের সিইও অব দ্য ইয়ার নির্বাচিত হওয়ার নেপথ্যে রয়েছে তার নেতৃত্বে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানটির রূপান্তরমূলক কর্মসূচি রিসেট ২.০। তার নেতৃত্বে বাংলালিংকের কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়েছে, প্রতিষ্ঠানের ভেতরে গড়ে উঠেছে একটি দৃঢ় ‘গ্রাহক-প্রথম’ সংস্কৃতি, সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি বাড়াতে অপ্রয়োজনীয় স্তরবিন্যাস কমানো, এবং নেতৃত্বের সামনের সারির দলগুলো আরও ক্ষমতায়িত হয়েছে।</p>
<p>টানা পাঁচ প্রান্তিকের রাজস্ব পতন কাটিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে পুনরায় প্রবৃদ্ধির ধারায় ফেরাতে ইওহান বুসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। বৈশ্বিক ডিজিটাল সেবা প্রদানকারী এবং বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওনের ডিও১৪৪০ লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তিনি বাংলালিংকের বিস্তৃত ও আরও গতিশীল ডিজিটাল রূপান্তরকে উল্লেখযোগ্যভাবে ত্বরান্বিত করেছেন। এই লক্ষ্য গ্রাহকের দিনের প্রতিটি মুহূর্তকে আরও সহজ, নিরবচ্ছিন্ন এবং কার্যকর করে তোলাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।</p>
<p>বাংলালিংকের গ্রাহকসেবা চ্যাম্পিয়ন পুরস্কার অর্জন প্রতিষ্ঠানটির প্রযুক্তি ও উদ্ভাবননির্ভর সেবার মাধ্যমে গ্রাহক অভিজ্ঞতা উন্নয়নে ধারাবাহিক প্রচেষ্টার প্রতিফলন। গ্রাহকের সুবিধা বাড়াতে প্রতিষ্ঠানটি এআই প্রযুক্তিনির্ভর একাধিক সেবা চালু করেছে, মাইবিএল অ্যাপের মাধ্যমে স্ব-সেবার পথ আরও সহজ করেছে এবং গ্রাহকের মতামত গ্রহণ ও সাড়া দেওয়ার জন্য একটি সুসংগঠিত প্রক্রিয়া গড়ে তুলেছে। ফলস্বরূপ, গ্রাহকসেবায় ৯৪ শতাংশ প্রথম যোগাযোগেই সমাধান, কল সেন্টারে কলের পরিমাণ ৩৫ শতাংশ কমে আসা এবং দেশের প্রথম উদ্ভাবনমূলক এআই-ভিত্তিক কথোপকথন সেবার মাধ্যমে এই অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।</p>
<p>এছাড়াও, দেশের সর্বোচ্চ রেটিংপ্রাপ্ত টেলিযোগাযোগ অ্যাপ মাইবিএল গ্রাহক অভিজ্ঞতার মানোন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। এতে রয়েছে বিশটিরও বেশি সেবাসুবিধা, স্মার্ট প্রযুক্তিতে সহজ ও স্বচ্ছভাবে সমস্যা শনাক্ত ও অভিযোগ নিবন্ধনের ব্যবস্থা, এবং জেনারেটিভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর মাইবিএল সহকারী প্রতিদিন লাখো গ্রাহককে দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সহায়তা প্রদান করছে।</p>
<p><br>পুরস্কারপ্রাপ্তিতে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ইওহান বুসে বলেন, “এই স্বীকৃতিগুলো বাংলালিংকের সকল সহকর্মীর সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। শুরু থেকেই আমরা গ্রাহকদের প্রয়োজন আন্তরিকভাবে শুনছি, উপলব্ধি করছি এবং তাদের প্রত্যাশার প্রতি সহমর্মিতার সাথে সাড়া দিচ্ছি। আমাদের গ্রাহকদের সন্তুষ্টি ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, আর এটা আমাদের অক্লান্ত পরিশ্রমেরই প্রতিফলন। প্রযুক্তিনির্ভর সমাধানের পাশাপাশি সেবার মানোন্নয়নের ক্ষেত্রে এই স্বীকৃতি আমাদেরকে এগিয়ে যেতে উৎসাহিত করবে।”</p>
<p>প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ থেকে আরও দু’টি মোবাইল অপারেটর এ আয়োজনে পুরস্কৃত হয়েছে। এর মধ্যে গ্রামীণফোন অপারেশনাল এক্সিলেন্স বিভাগে এবং রবি আজিয়াটা উদীয়মান টেলিযোগাযোগ ব্র্যান্ড বিভাগে সম্মাননা পেয়েছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এন্টারপ্রাইজ কানেক্টিভিটি ও ডিজিটাল সল্যুশনে পিটিসি–এক্সেনটেকের কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি</title>
<link>https://digibanglatech.news/160750</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160750</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_693ea533b89d4.jpg" length="93917" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 14 Dec 2025 16:53:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="margin: 0in; text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পেট্রোলিয়াম ট্রান্সমিশন কোম্পানি পিএলসি (পিটিসি)-এর সাথে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করেছে পুঁজিবাজারে তালিকভূক্ত এক্সেনটেক। করপোরেট সার্ভিস, সিম-ভিত্তিক এন্টারপ্রাইজ সল্যুশন এবং </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ক্লাউড, সাইবার সিকিউরিটি, ম্যানেজড সার্ভিস এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সারাদেশে এন্টারপ্রাইজ প্রযুক্তি ও কানেক্টিভিটি সেবা বাড়াতে এই চুক্তি বলে জানাগেছে। চুক্তির মাধ্যমে উভয় প্রতিষ্ঠান সিম ও কানেক্টিভিটি-চালিত এন্টারপ্রাইজ সেবার উন্নয়ন, সারাদেশে ডিজিটাল সল্যুশনের প্রসার, সেবার ধারাবাহিকতা ও গ্রাহক অভিজ্ঞতার মানোন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণে করপোরেট খাতকে সহায়তা করার ওপর গুরুত্ব দেবে।<o:p></o:p></span></p>
<p style="margin: 0in; text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;"><o:p> </o:p></span></p>
<p style="margin: 0in; text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সূত্রমতে, চট্টগ্রামের পিটিসি’র প্রধান কার্যালয়ে সম্প্রতি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে পেট্রোলিয়াম ট্রান্সমিশন কোম্পানি পিএলসি’র পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (অ্যাডমিন ও ফাইন্যান্স) মো. মাহবুবুর রহমান, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ইঞ্জিনিয়ারিং ও সার্ভিসেস) মো. শাহিদুজ্জামান এবং ম্যানেজার (এইচআর ও অ্যাডমিন) মো. রাশেদুল মোস্তফা। এক্সেনটেক পিএলসি’র পক্ষে উপস্থিত ছিলেন চিফ কমার্শিয়াল অফিসার আবুল কালাম মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম; জেনারেল ম্যানেজার ও ক্লাস্টার হেড মোহাম্মদ আলমগীর কবির; জেনারেল ম্যানেজার আরিফ আহমেদ চৌধুরী; এবং ম্যানেজার মো. আতিকুর রহমান। <o:p></o:p></span></p>
<p style="margin: 0in; text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;"><o:p> </o:p></span></p>
<p style="margin: 0in; text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">চুক্তি স্বাক্ষর উপলক্ষে এক্সেনটেক পিএলসি’র চিফ কমার্শিয়াল অফিসার আবুল কালাম মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম বলেন, “এই অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের এন্টারপ্রাইজ কানেক্টিভিটি এবং ডিজিটাল অবকাঠামোকে রূপান্তরিত করার ক্ষেত্রে আমাদের অবিচল প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। আমাদের বিশ্বাস, পিটিসি’র সাথে একযোগে কাজ করার মাধ্যমে মানসম্মত সল্যুশন ও সেবার উৎকর্ষতা নিশ্চিত করে আমরা ব্যবসায়িক অগ্রগতি ও দক্ষতা বাড়াতে সক্ষম হব।”<o:p></o:p></span></p>
<p style="margin: 0in; text-align: justify;"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ডিবিটেক/টিআরএস/ইকে</span></strong></span></em></p>
<p style="margin: 0in; text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;"><o:p> </o:p></span></p>
<p style="margin: 0in; text-align: justify;"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১৬ ডিসেম্বরেই এনইআইআর বাস্তবায়ন,  ১৫ মার্চ  পর্যন্ত বিক্রি করা যাবে শুল্ক ফাঁকির ফোন</title>
<link>https://digibanglatech.news/160378</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160378</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6939742d0716a.jpg" length="110022" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 10 Dec 2025 18:42:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা মোবাইল হ্যান্ডসেট আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত বিক্রির সুযোগ রেখে ১৬ ডিসেম্বর থেকে এনইআইআর চালুর বিষয়ে অনড় সেরকার। তবে এই দাবিতে অসন্তুষ্ট হয়ে এরই মধ্যে অবৈধ ফোন বিক্রির বড় উৎস বসুন্ধরা সিটি মার্কেট সংলগ্ন কাওরানবাজার মোড়ে বিক্ষোভ করছে ‘অবৈধ’ মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশের সদস্যরা। </p>
<p>১০ ডিসেম্বর, বুধবার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বহুপক্ষীয় সভা শেষ হতেই এই বিক্ষোভ করে তারা। রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে নানা স্লোগান দেয়ায় পুরো এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। সৃষ্টি হয়েছে ব্যপক জানজট। ভোগান্তিতে পড়েছেন ঘরে ফেরা নাগরিকেরা।  </p>
<p>এর আগে ডাক ও টেলিযোগাযোগাযোগ সচিব আব্দুন নাসের খানের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে মোবাইলফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এমআইওবি) ও মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশের (এমবিসিবি) শীর্ষ নেতারা ছাড়াও এনবিআর,  বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কমিশনার মাহমুদ হোসেন,  স্পেকট্রাম বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আমিনুল হক উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>সূত্রমতে, এমবিসিবি নেতারা বৈঠকে ছয় মাসের জন্য এনইআইআর বাস্তবায়ন পেছানোর দাবি করে। তবে তা যৌক্তিকতায় না টেকায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা মোবাইল হ্যান্ডসেট বিক্রি তিন মাস পর্যন্ত বাড়ানো হয়। তবে এই সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিক ভাবে জানানোর পর এমবিসিবি নেতারা আন্দোলন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জানাবে। </p>
<p>মন্ত্রণালয় সূত্রে প্রকাশ, ১১ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার সরকার এ বিষয়ে ঘোষণা দিবে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, মোবাইল ফোন চোরাচালান, ক্লোনড ফ‌োন, রিফার্বিশড ফোন ও বিদেশের পুরানো ফোনের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, মোবাইল ফোন ছিনতাই, অনলাইন জুয়া, মোবাইল ব্যাংকিং, এমএফএস ইত্যাদি সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল অপরাধ থেকে জনসাধারণের সুরক্ষা এবং একইসাথে নিয়ম বহির্ভূতভাবে দেশের বাজারে অনুপ্রবেশকৃত মোবাইল ফোনের শুল্ক ফাঁকি প্রতিরোধকল্পে আগামী ১৬ই ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে NEIR (National Equipment Identity Register) ব্যবস্থা চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সকল অনিবন্ধিত মোবাইল ফোন নিবন্ধন করার জন্য প্রাথমিকভাবে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছিলো। </p>
<p>তবে, মোবাইল বিজনেস কমিউনিটির সাথে এ বিষয়ে গত তিনদিন ধারাবাহিক আলোচনা শেষে ব্যবসায়ীদের দাবির প্রেক্ষিতে বর্তমানে দেশে থাকা সকল অনিবন্ধিত মোবাইল ফোন ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ এর পরিবর্তে আগামী ১৫ মার্চ ২০২৬ এর মধ্যে নিবন্ধন করার সুযোগ দেয়া হয়েছে।</p>
<p>‘মোবাইল ফোন আমদানিতে কোনও বাঁধা নেই। কত পুরানো ফোন আমদানি কারা যাবে, কোন কোন মডেল ডাক টেলিযোগাযোগ বিভাগ তা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ উপযুক্ত কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন। তবে সরকারের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষকে আমদানির বিষয়ে অবহিত করতে হবে। সকল পক্ষকে আগামীকাল ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগকে লিখিতভাবে এই বিষয়ে জানাতে বলা হয়েছে। এছাড়া মোবাইল ফোন আমদানিতে শুল্ক পুনঃনির্ধারণে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা চলমান রয়েছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এ বিষয়ে মধ্যস্থতা করবে। আমদানীকারক ও উৎপাদনকারীরা  একসাথে বসে সরকারকে লিখিত ভাবে জানাবে বলে জানিয়েছে’।<br> <br>‘এই সিদ্ধান্তের পর দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নষ্ট করার অপচেষ্টা থেকে বিরত থাকার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে’। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/ইকে </strong></span></em></p>
<p style="text-align: center;"><span style="color: rgb(186, 55, 42);"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>এ সম্পর্কিত আরও খবর </strong></span></em></span></p>
<h1 class="post-title mb-4" style="text-align: center;"><a href="https://digibanglatech.news/160285" target="_blank" rel="noopener">এনইআইআর নিয়ে অপতথ্য যাচাইয়ের আহ্বান এমআইওবি'র</a></h1>
<h1 class="post-title mb-4" style="text-align: center;"><a href="https://digibanglatech.news/160319" target="_blank" rel="noopener">‘ইউজড ফোন এর ব্যবসা করতে দিতেই হবে’</a></h1>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশের আর্থ অবজারভেশন সক্ষমতা বৃদ্ধিতে চুক্তিবদ্ধ বিএসসিএল–থ্যালেস আলেনিয়া স্পেস</title>
<link>https://digibanglatech.news/160322</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160322</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_69380f821f9a3.jpg" length="99103" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 09 Dec 2025 17:50:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr"><span>দেশের আর্থ অবজারভেশন (ইও) সক্ষমতা জোরদারে ইউরোপের শীর্ষস্থানীয় মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান থ্যালেস আলেনিয়া স্পেসের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল)।</span></p>
<p dir="ltr"><span>৯ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবে এবং বাংলাদেশে ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রোর উপস্থিততে  এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়ে।</span></p>
<p dir="ltr"><span>বিএসসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান ও থ্যালেস আলেনিয়া স্পেস চুক্তিতে সই করেন।</span></p>
<p dir="ltr"><span>স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে পোস্ট ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান, থ্যালেস আলেনিয়া স্পেসের কর্মকর্তারা এবং বিভাগের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</span></p>
<p dir="ltr"><span>চুক্তি অনুসারে দুই প্রতিষ্ঠান স্থানীয় দক্ষতা উন্নয়ন, জ্ঞান বিনিময়, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু পর্যবেক্ষণ, কৃষি ও নগর পরিকল্পনাসহ জাতীয় অগ্রাধিকারমূলক খাতে স্যাটেলাইট ইও ডেটার পাইলট ব্যবহার প্রকল্প চালাবে।</span></p>
<p dir="ltr"><span>অনুষ্ঠানে </span>বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব ইতালিকে “বিশ্বাসযোগ্য বন্ধু ও অংশীদার” উল্লেখ করে বাংলাদেশের প্রতি ইতালির অব্যাহত সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। </p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x_69380f893b5f3.jpg" alt=""></p>
<p dir="ltr"><span>তিনি জানান, ভূমি ব্যবস্থাপনা, কৃষি, দুর্যোগ পর্যবেক্ষণ, জলবায়ু সহনশীলতা ও জাতীয় নিরাপত্তা জোরদারে বাংলাদেশ উন্নত প্রযুক্তি, বিশেষত স্যাটেলাইট ও স্পেস-ভিত্তিক সমাধানকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।</span></p>
<p dir="ltr"><span>তিনি বলেন, “প্রতি বছর প্রায় ২৫ হাজার প্রযুক্তি স্নাতক কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করে। তাদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব।” এ ক্ষেত্রে জাতীয় স্যাটেলাইট ইমেজ রিপোজিটরি ও সব মন্ত্রণালয়ের জন্য統িত ডেটা অ্যাক্সেস নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।</span></p>
<p dir="ltr"><span>ফয়েজ আহমদ তাইয়্যেব থ্যালেসের সঙ্গে সক্ষমতা উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ, বিশ্ববিদ্যালয় পার্টনারশিপ ও সাইবার নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বৈশ্বিক শ্রেষ্ঠ অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তর অর্জন করতে পারবে।</span></p>
<p dir="ltr"><span>তিনি আরও বলেন, “এই সমঝোতা স্মারক বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে উদীয়মান প্রযুক্তি খাতে নতুন সহযোগিতার দরজা খুলে দেবে।”</span></p>
<p dir="ltr"><span>ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো বলেন, আর্থ অবজারভেশন ও স্যাটেলাইট প্রযুক্তি বাংলাদেশের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান, অপটিক্যাল ও রাডার- দুই ধরনের পর্যবেক্ষণ সুবিধা নিয়ে এই কর্মসূচি বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি ও আবহাওয়ার জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।</span></p>
<p dir="ltr"><span>রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের ডিজিটালাইজেশন, আধুনিকায়ন ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির প্রতিশ্রুতিকে ইতালি গভীরভাবে গুরুত্ব দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে প্রস্তুত।</span></p>
<p dir="ltr"><em><strong>ডিবিটেক/জেইউ/আইএইচ</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অবৈধ মোবাইল ব্যবসায়ীদের এক ছাতার নিচে আনছে বিটিআরসি</title>
<link>https://digibanglatech.news/160321</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160321</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6938071e13436.jpg" length="63475" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 09 Dec 2025 17:26:34 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আমদানি ও ভেন্ডর লাইসেন্স তালিকাভুক্তিকরণে অবৈধদের বৈধ পথে এনে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের এক ছাতার নিচে আনতে চায় সহযোগিতার  বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। </p>
<p>৯ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার, মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ-এর প্রতিনিধিদের সাথে বিটিআরসি ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এমন বার্তা দেয়া হয়।</p>
<p>সভায় মোবাইল হ্যন্ডসেট আমদানি এবং ভেন্ডর এনলিষ্টমেন্ট সনদ প্রদানের বিদ্যমান প্রক্রিয়া কিভাবে সহজীকরণ করা যায় সে বিষয়ে বিশদ আলোচনার প্রেক্ষিতে তিনটি সিদ্ধান্ত হয়েছে।</p>
<p>সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ন্যুনতম কাগজপত্র দাখিলের মাধ্যমে স্বল্প সময়ের মধ্যে ভেন্ডর এনলিষ্টমেন্ট সনদ প্রদান এবং বিদেশ থেকে ক্লোন/কপি/ব্যবহৃত (used)/রিফারবিসড মোবাইল হ্যান্ডসেট বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অনুপ্রবেশ রোধকল্পে শুধু মোবাইল ফোনের মূল উৎপাদনকারী সংস্থার পাশাপাশি যেকোনো অনুমোদিত সরবরাহকারীর (Authorized Distributor) প্রত্যায়নপত্রসহ (চুক্তির পরিবর্তে) আবেদন করা হলে বিটিআরসি হতে সহজেই তাদের অনুকূলে আমদানির অনুমোদন প্রদান করা হবে। </p>
<p><br>একই সাথে, ক্লোন/কপি/ব্যবহৃত (used)/রিফারবিসড মোবাইল হ্যান্ডসেট বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অনুপ্রবেশ রোধের বিষয়টি নিশ্চিত করে আমদানি প্রক্রিয়া কিভাবে আরো সহজ করা যায় সে বিষয়ে সুস্পষ্ট লিখিত প্রস্তাব প্রদানের জন্য বিটিআরসি’র পক্ষ হতে ‘মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ’ এর প্রতিনিধিগণকে আহ্বান জানানো হয়।</p>
<p><br>‘মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ’ এর চাহিদার প্রেক্ষিতে আগামী ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত বাংলাদেশের বাজারে বিদ্যমান অবিক্রিত সকল মোবাইল হ্যান্ডসেট নিয়মিতকরণের উদ্দেশ্যে এ সংশ্লিষ্ট তথ্য নির্ধারিত ছকে জমা প্রদান করলে বিটিআরসি হতে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।</p>
<p><br>এছাড়াও, "বেতার যন্ত্রপাতি ব্যবহার, বাজারজাতকরণ ও তালিকা গ্রহণের নির্দেশিকা, ২০২৪" অনুযায়ী বৈধভাবে মোবাইল ফোন আমদানি করা হলে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানকে বিটিআরসি হতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে মর্মে আশ্বস্ত করা হয়।</p>
<p><strong>ডিবিটেক/আইএইচ</strong></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিটিআরসি’র বাইরে জটলা; ভেতরে এমবিসিবি’র বৈঠক</title>
<link>https://digibanglatech.news/160309</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160309</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6937cbe428d8e.jpg" length="131001" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 09 Dec 2025 12:44:15 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>তৃতীয় দফায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে (বিটিআরসি) বৈঠকে বসেছে <span>‘অবৈধ’ মোবাইল আমদানিকারক ব্যবসায়ীদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)।</span></p>
<p><span>৯ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ের বিটিআরসি’র ১০ম তলায় সাড়ে ১১টার পর এই বৈঠক শুরু হয়। বৈঠক শুরুর আগেই শতাধিক ব্যক্তিকে বিটিআরসি’র বাইরে জটলা করতে দেখা গেছে। </span></p>
<p><span>সূত্রমতে, বিটিআরসি’র </span><span>স্পেকট্রাম বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আমিনুল হকের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন আন্দোলনরত ব্যবসায়ীরা।    </span></p>
<p><span>মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি) </span><span>সংগঠনটির সভাপতি  মোহাম্মদ আসলাম ও সেক্রেটারি আবু সায়ীদ পিয়াসের নেতৃত্ব ১৪ সদস্যের প্রতিনিধি দলটি বৈঠকে অংশ নিয়েছে। </span></p>
<p><span>এই প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত বৈঠক চলছিলো। </span></p>
<p><span><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমএইচ/ইকে</strong></span></em> </span></p>
<h1 class="post-title mb-4"><a href="https://digibanglatech.news/160248" target="_blank" rel="noopener">মুক্ত বিটিআরসি কর্মীরা; ৯ ডিসেম্বর সমন্বিত বৈঠক</a></h1>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এনইআইআর নিয়ে অপতথ্য যাচাইয়ের আহ্বান এমআইওবি&amp;apos;র</title>
<link>https://digibanglatech.news/160285</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160285</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6936bcac6892c.jpg" length="97740" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 08 Dec 2025 17:56:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr"><span>এনইআইআর বাস্তবায়ন না হলে দেশের রফতানিমুখী মোবাইল ফোন খাতের অপমৃত্য ঘটবে। আর বাস্তবায়ন হলে দাম বাড়বে না বলে ফের কথা দিয়েছেন স্থানীয় উৎপাদকেরা। একই সঙ্গে এ বিষয়ে বাজারে চালু 'অপতথ্য'  যাচাইয়ে সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। </span></p>
<p dir="ltr"><span>৮ ডিসেম্বর, সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল ইসলাম মিলনায়তনে মোবাইলফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এমআইওবি) অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এই আহ্বান জানানো হয়। তারা জানান, এনইআইআর বাস্তবায়ন হলে দেশে উৎপাদন বাড়বে, দাম কমবে।</span></p>
<p dir="ltr"><span>অনুষ্ঠানে মোবাইল ফোন ডিস্ট্রিবিউটররাও উপস্থিত ছিলেন।</span></p>
<p dir="ltr"><span>সংবাদ সম্মেলনে  এক প্রশ্নের জবাবে এমআইওবি সাধারণ সম্পাদক জানিয়েছেন, শিগগিরই ২০১৯ সালে ৫৭ শতাংশ ভ্যাট কমাতে সরকার কাজ করছে।</span></p>
<p dir="ltr"><span>ডিস্ট্রিবিশন অ্যাসোসিয়েশন রাহুল কাপুরিয়া বলেন, বিপনন ব্যবস্থায় বৃহৎ জনগোষ্ঠী কাজ করে। এসআর থেকে সেলসম্যান দেশের ৯৫ শতাংশই বৈধ ফোনের ব্যবসায় করছেন। অথচ মিথ্যা তথ্য ও ন্যারেটিভ তৈরি করে আবেগ পুঁজি করে অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছ। </span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x_693712024aecf.jpg" alt=""></p>
<p dir="ltr"><span>'স্থানীয় উৎপাদকদের সুরক্ষায় কর কাঠামো উৎপাদন ও আমদানিতে এক হয় না' উল্লেখ করে এমআইওবি সভাপতি জাকারিয়া শহীদ বলেন, ভোক্তা সুরাক্ষা ও চোরাই মোবাইলের মাধ্যমে অপরাধ কমাতে এনইআইআর এর ফলে কোনে প্রবাসী ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। </span></p>
<p dir="ltr"><span>শাওমি'র বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়া উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আজ যারা কর ফাঁকি বা সিন্ডিকেটের অভিযোগ করছেন ঘটনা তার উল্টো। অথচ আমরা আগামীর সম্ভাবনাময় রফতানি খাত হিসবে গড়ে তুলছি। কিন্তু এখন যা হচ্ছে তাতে এ শিল্পের মৃত্যু ঘটাবে।</span></p>
<p dir="ltr"><span>স্বাগত বক্তব্যে এমআইওবি কোষাধ্যক্ষ ও বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, মিস ও ডিস ইনফরমেশনের কবলে ব্যবসায়ীরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো তথ্য এখন যাচাই করা দরকার।</span></p>
<p dir="ltr">এমআইওবি জানায়, গ্রে আমদানি বন্ধ হলে অফিসিয়াল পিআই মূল্যের চেয়ে কম দামে প্রিমিয়াম মডেল কিনতে পারবেন। যারা এখন আন্দোলন করছে চাইলে ১০ শতাংশ কমিশনে তাদের ব্যবসায়ের সুরক্ষা দেয়া যেতে পারে। দেশে এখন ১২ হাজার মোবাইল দোকান আছে যেখানে স্মার্টফোন ব্যবহার করা হয়। এদের ৯০ শতাংশ আমাদের সঙ্গে ব্যবসা করেন। আন্দোলনে বসুন্ধরা সিটি মার্কেট ও যমুনা ফিউচার পার্ক ছাড়া সব মোবাইলের দোকান খোলা আছে।</p>
<p dir="ltr">সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ভিভো বাংলাদেশের প্রতিনিধি ইমাম উদ্দীন, স্যামসাং ফোন উৎপাদক প্রতিষ্ঠান এক্সেল টেলিকমের সেলস হেড মো সাইফুদ্দিন টিপু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p dir="ltr"><span>সংবাদ সম্মেলনে মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র পক্ষ থেকে বলা হয়, অর্থনীতির ভাষায়, বাংলাদেশের স্মার্টফোন বাজার পারফেক্টলি কম্পিটিটিভ। এখানে বহু প্রতিষ্ঠান, উন্মুক্ত বাজার প্রবেশাধিকার এবং শক্তিশালী প্রতিযোগিতা বিদ্যমান। তাই একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বা সিন্ডিকেশনের অভিযোগ বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। দেশের মোবাইল শিল্প বর্তমানে ১৮টি উৎপাদনকারী কারখানার সমন্বয়ে শক্তিশালী একটি খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখানে তিন হাজার কোটি টাকারও বেশি বিদেশি ও দেশি বিনিয়োগ এবং ৫০ হাজার দক্ষ শ্রমিকের সরাসরি; পাশাপাশি ডিলার, ডিএসআর, সার্ভিস ও খুচরা বিক্রয়সহ ৫০ হাজার মানুষের পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এ খাতে প্রায় ৩০ শতাংশ নারী শ্রমিক সক্রিয়ভাবে যুক্ত।দেশের মাসিক উৎপাদন সক্ষমতা ১৫ লাখ স্মার্টফোন ও ২৫ লাখ ফিচার ফোন, যদিও গ্রে মার্কেটের চাপের কারণে এখনও ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ সক্ষমতা অব্যবহৃত রয়ে গেছে। বর্তমানে বাজারের আকার প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা, যেখানে রয়েছে ২০ হাজার রিটেইল পয়েন্ট এবং ৫ হাজার শীর্ষ রিটেইলার। শিল্পটি বছরে দুই হাজার কোটি টাকার বেশি কর, ৫শ কোটি টাকার মজুরি এবং ৪শ কোটি টাকার ইউটিলিটি বিল প্রদান করে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।<br></span></p>
<p dir="ltr"><span>সংবাদ সম্মেলনে দর্শক সারিতে উপস্থিত বসুন্ধরা মার্কেটের একজন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, গুটিকয়েক ব্যবসায়ীর জন্য নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের মার্কেট বন্ধ রাখতে হয়েছে। এতে তারা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। সবচেয়ে ঝুঁকির মুখে পড়ছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। ফলে ঢাকার দুই-একটি মার্কেট ছাড়া সারা দেশের মোবাইল মার্কেটের কোনো ধর্মঘট হচ্ছে না। </span></p>
<p dir="ltr"><strong>ডিবিটেক/ডিইউ/ইকে</strong></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মুক্ত বিটিআরসি কর্মীরা; ৯ ডিসেম্বর সমন্বিত বৈঠক</title>
<link>https://digibanglatech.news/160248</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160248</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_693595b368faf.jpg" length="83832" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 07 Dec 2025 20:50:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার  বিটিআরসি’র সামনে থেকে অবরোধ তুলে নিয়েছে  ‘অবৈধ’ মোবাইল আমদানিকারক ব্যবসায়ীদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)। বিটিআরসি চেয়ারম্যানের আশ্বাসে ৯ ডিসেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, অর্থমন্ত্রণালয়, বিটিআরসি ও এনবিআর বৈঠক পর্যন্ত এই আন্দোলন শিথিল রাখার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এর পরপরই বিটিআরসি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিস থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা গেছে। </p>
<p>তবে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোবাইল কেনা-বেচা বন্ধ থাকবে। ওই দিনের বক্তব্যে ট্যাক্সের বেশি পার্থক্য হয়; এনবিআর এর সঙ্গে বনিবনা না হলে ১৬ ডিসেম্বর এনইআইআর সিস্টেম চালু হবে না।   </p>
<p>৭ ডিসেম্বর, রবিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে বিটিআরসি’র পাশে বটতলায় সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেয়া হয়। ঘোষণা অনুযায়ী, বিটিআরসি-তেই অর্থ উপদেষ্টা, এনবিআর চেয়ারম্যান, বাণিজ্য সচিব ও বিটিআরসি’র সঙ্গে বৈঠক হবে। </p>
<p>মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি) <span>সংগঠনটির সভাপতি  মোহাম্মদ আসলাম</span> বলেন,  আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। আমাদের হাতে সময় নেই। আমরা এক মাস ৭ দিন ধরে এই আন্দোলন করছি। আজ অবশেষে বৈঠক করেছি।  অর্থ উপদেষ্টা দেশের বাইরে থাকায় আজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে অবরোধ শেষ করছি। বিটিআরসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে ফলপ্রসু আলোচনা শেষে তার আশ্বাসেই এই সিদ্ধান্ত। </p>
<p>তিনি আরও বলেন, আমরা এনইআইআর এর বিরুদ্ধে নই। তবে ওই দিন আমাদের জন্য বাজার উন্মুক্ত করে দেয়া, এলসি সহজ করে দেয়া হলে আমরা আর আন্দোলন করবো না। এর ব্যত্যয় হলে আরও কঠোর আন্দোলন দেয়া হবে। এনইআইআর বাস্তবায়ন করা হবে না। অনলাইন-অফলাইন সব ক্ষেত্রে মোবাইল ফোন বিক্রি বন্ধ থাকবে। </p>
<p>অপরদিকে<span> সেক্রেটারি আবু সায়ীদ পিয়াস বলেছেন, বিটিআরসি’ বলেছে আমাদের সকল মোবাইল নির্দিধায় লিস্টেড করে নেবে। প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকেও যদি কেউ আমদানি করতে চায় তবে তা সহজ করে দেয়া হবে। আমাদের প্রস্তাবনা অনুযায়ী ট্যাক্স কমাতে আজ রাজস্ব বোর্ড চেয়ারম্যান এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিবের সঙ্গে কথা বলেছেন। অর্থ সচিবের সঙ্গেও কথা বলবেন। আমরা বলেছি ট্যাক্স নিয়ে যদি কোনো সমঝোতা না হয় তবে এনইআইআর বাস্তবায়ন পেছাতে হবে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আমদানি সহজীকরণ করতে আগামী </span><span>৯ ডিসেম্বর বিটিআরসি ও  এমবিসিবি বৈঠক হবে। </span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x_69359e1f1f5b0.jpg" alt=""></p>
<h1 class="post-title mb-4"><a href="https://digibanglatech.news/160233" target="_blank" rel="noopener">অবরুদ্ধ বিটিআরসি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা</a></h1>
<div class="d-flex post-share-buttons mb-4">
<div class="btn-share"></div>
</div>
<p>প্রসঙ্গত, <span>সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী টেলিযোগাযোগ খাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং অনিবন্ধিত মোবাইল ফোনের ব্যবহার রোধ করতে আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে এনইআইআর ব্যবস্থা চালু হওয়ার কথা রয়েছে। এর ফলে দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে নিবন্ধনবিহীন, চুরি হওয়া বা অনুমোদনহীন আমদানি করা মোবাইল ফোনের ব্যবহার বন্ধ হয়ে যাবে। এর ঠিক আগেই বড় ধরনের আন্দোলনে নামলেন ব্যবসায়ীরা। দিন-ভর সড়ক অবরোধ করায় আগারগাঁওয় প্রশাসনিক এলাকার মানুষসহ সংলগ্ন হাসপাতালের রোগী ও অ্যাম্বুলেন্সগুলো বিপাকে পড়ে। চরম দুর্ভোগের শিকার হন পথচারীরা। এ বিষয়ে তেজগাঁও ট্রাফিক বিভাগের (শেরেবাংলানগর জোন) সহকারী কমিশনার (এসি) জাকির হোসেন বলেন, বিটিআরসি ভবনের সামনে মোবাইল ব্যবসায়ীদের সড়ক অবরোধের কারণে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। আমরা ডাইভারশন দিয়ে অন্য রাস্তায় যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করেছি। সন্ধ্যায় রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ শুরু করলে ফের ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধি দলকে আলোচনার জন্য ডেকে নেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান। এসময় এমবিসিবি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে ১১ জনের একটি প্রতিনিধি দল বিটিআরসি চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের সঙ্গে বৈঠক করেন। </span></p>
<p><span>এদিকে বৈঠক শেষে কর্মসূচি স্থিগিতের সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ীদের ক্ষোভের মুখে পড়েন নেতারা। </span>এমবিসিবির যমুনা ফিউচার পার্ক শাখার সভাপতি হুমায়ুন কবীর বলেন, এনইআইআর পূর্ণমাত্রায় বাস্তবায়িত হলে লক্ষাধিক ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। নতুন এই ব্যবস্থায় বিশেষ একটি গোষ্ঠী লাভবান হবে, আর বাড়তি কর ও জটিল প্রক্রিয়ার কারণে গ্রাহক পর্যায়ে মোবাইল ফোনের দামও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। অনলাইন অফলাইন সবক্ষেত্রে মোবাইল ফোন বিক্রি বন্ধ রাখা হবে।  </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ</strong></span></em></p>
<h1 class="post-title mb-4"><a href="https://digibanglatech.news/160215" target="_blank" rel="noopener">বিটিআরসি’র সামনে এমবিসিবি’র সড়ক অবরোধ</a></h1>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অবরুদ্ধ বিটিআরসি কর্মকর্তা&#45;কর্মচারীরা</title>
<link>https://digibanglatech.news/160233</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160233</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_69356f1585128.jpg" length="96318" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 07 Dec 2025 17:42:19 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পাঁচটায় অফিস সময় শেষ হলেও ভবন থেকে বের হতে পারছেন না বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার (বিটিআরসি) দুই শতাধিক কর্মকর্তা কর্মচারীরা। ৭ ডিসেম্বর, রবিবার সকাল থেকে<span> আগারাগাঁও প্রশাসনিক এলাকার প্রধান সড়কের পাাশে অবস্থিত বিটিআরসি ভবনের সামনের রাস্ত</span> অবরোধ করে রাখায় অফিস শেষে বাড়ি যেতে পারছেন না তারা। আগামী ১৬ ডিসেম্বর এনইআইআর চালুর উদ্যোগ বন্ধ করতে শতাধিক ব্যক্তিকে নিয়ে <span>‘অবৈধ’ মোবাইল আমদানিকারক ব্যবসায়ীদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)। </span></p>
<p><span>রাস্তায় নিয়ন আলো জ্বালিয়ে দেয়ার পর তারাও কণ্ঠ ছেড়ে ‘ভুয়া ভুয়া’ বলে স্লোগান দিচ্ছেন। আগারগাঁও মোড় থেকে শিশু মেলা পর্যন্ত সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে অফিস ফেরত ব্যক্তিরা দুর্ভোগে পড়েছেন। </span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x_69357268b67d3.jpg" alt=""></p>
<p>ভবনের নিরাপত্তায় এরই মধ্যে বিটিআরসি ভবন পাহাড়ায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশে সেনাবাহিনীর সদস্যরা। সূত্রমতে, কৌশলে অফিস ছুটির আগেই নারী কর্মীদের একটি অংশকে বাড়িতে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।</p>
<p>সকালেই বিটিআরসি চেয়ার‌ম্যান এমদাদ উল বারী  <span>এমবিসিবি’র প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে উত্থাপিত দাবিগুলো সরকারের সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে পৌঁছে দেয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। </span></p>
<p>এদিকে সন্ধ্য ৬টায়  কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে অবরুদ্ধ বিটিআরসি চেয়ারম্যান অনলাইনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানের সঙ্গে পূর্ব নির্ধারিত বৈঠক করবেন বলে জানাগেছে। এই বৈঠকে বিটিআরসি চেয়ারম্যান, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী, মন্ত্রণালয়ের সচিব যুক্ত থাকছেন বলে জানাগেছে। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>বিটিআরসি/এমএম/ইকে</strong></span></em> </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিটিআরসি’র সামনে এমবিসিবি’র সড়ক অবরোধ</title>
<link>https://digibanglatech.news/160215</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160215</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_69351a6119d02.jpg" length="119817" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 07 Dec 2025 11:03:36 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবনের সামনের সড়ক অবরোধ করেছে ‘অবৈধ’ মোবাইল আমদানিকারক ব্যবসায়ীদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)। </p>
<p>৭ ডিসেম্বর, সকাল সাড়ে ১০টা থেকে তারা আগারাগাঁও প্রশাসনিক এলাকারা প্রধান সড়কটি অবরোধ করলে ওই এলাকায় যানবাহন চলাচলে মারাত্মক ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। </p>
<p>অবরোধে নেতৃত্ব দেয়া সংগঠনটির সভাপতি  মোহাম্মদ আসলাম বলেন, আমরা যারা তৃণমূলের খুচরা ব্যবসায়ী তাদের মোবাইল আমদানি করার সুযোগ দেয়া হোক। আমদানি করতে গিয়ে বিটিআরসি’র বাধাগুলো অপসারণ করা হোক। এনবিআর থেকে ধার্যকৃত ৫৮-৬১ শতাংশ ট্যাক্স অসহনীয়। মেনে নেয়ার মতো নয়। আমাদের ১০-১২ শতাংশ ট্যাক্স দিলে আমরা দেবো। কোনো সারচার্জ এর হাংকিপাকিং চলবে না।  </p>
<p>আগামী ১৬ ডিসেম্বর এনইআইআর বাস্তবায়নের ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশের ব্যানারে নানা সমস্যার বিভিন্ন মার্কেটে ধর্মঘট ও সড়ক অবরোধে নামে তারা। এর আগে ডিবি অফিস, কাওরানবাজার ও যমুনা ফিউচারপার্ক মার্কেটের সামনে অবরোধ করেছিলো তারা। </p>
<p>অবরোধ চলাকালে ব্যবসায়ীরা ‘সিন্ডিকেটের কালো হাতা ভেঙ্গে দাও গুড়িয়ে দাও’; ‘ আমারা সোনার বাংলায় সিন্ডিকেটের ঠাঁই নাই’ স্লোগান দেয়া হয়। স্লোগানে মোবাইল ফোন আমদানিতে ৫৭ শতাংশ ট্যাক্স কমিয়ে ১০-১২ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি জানানো হয়। দাবি মানা না হলে রাস্তা ছাড়া হবে না। অবরোধ চলাকালে ব্যবসায়ীরা তাদের দাবি-দাওয়া সমাধানে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বিটিআরসির প্রতি আহ্বান জানান। তাদের দাবি ৯টি মোবাইল ফোন কোম্পানির টাকায় বিটিআরসি এনইআইআর বাস্তবায়ন করে তাদের স্বার্থ রক্ষা করা হচ্ছে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x_693518a251e13.jpg" alt=""></p>
<p>ব্যবসায়ী নেতাদের অভিযোগ, কোনো পূর্ব-পরামর্শ ছাড়াই হঠাৎ এনইআইআর বাস্তবায়নের ঘোষণা বাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি করেছে। ফলে দেশের প্রায় ২৫ হাজার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং এর সঙ্গে জড়িত ২০ লাখেরও বেশি মানুষের জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে। তারা বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে ব্যাংক থেকে শত শত কোটি টাকা ঋণ নিয়েছেন। বর্তমানে তাদের স্টকে কোটি কোটি টাকার হ্যান্ডসেট রয়েছে। আগামী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে এ বিপুল পরিমাণ অবিক্রিত হ্যান্ডসেট বিক্রি করা অসম্ভব। দাবি না মেনে গুটিকয়েক ব্যবসায়ীকে একচেটিয়া ব্যবসার সুযোগ করে দিলে তারা পথে বসবেন।</p>
<p>এমবিসিবির নেতারা জানান, এনইআইআরের বর্তমান কাঠামো যদি অপরিবর্তিতভাবে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে শুল্ক ৫৭ শতাংশ হোক কিংবা শূন্য শতাংশ, কোনো অবস্থাতেই বৈধ উপায়ে মোবাইল ফোন আমদানি সম্ভব হবে না। কারণ বিটিআরসির আমদানি নীতিমালায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে, কোনো বিদেশি ব্র্যান্ড যদি স্থানীয়ভাবে তাদের পণ্য সংযোজন করে, তাহলে সেই ব্র্যান্ডের কোনো মডেল অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান আমদানি করতে পারবে না।</p>
<p>তাদের দাবি, এ নীতিমালা কার্যত মনোপলি ব্যবসার সুযোগ তৈরি করছে। এর ফলে বাজারে বিদ্যমান প্রতিযোগিতা বিলুপ্ত হবে এবং প্রায় ১৮ কোটি মানুষের মোবাইল ফোন বাজারের নিয়ন্ত্রণ গুটিকয়েক প্রতিষ্ঠানের হাতে চলে যাবে। একই সঙ্গে স্মার্টফোনের দাম আকস্মিকভাবে বেড়ে যাবে এবং সাধারণ ভোক্তারা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিএনটু/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অটুট নেটওয়ার্কের নির্ভরযোগ্যতায় টেশিস&#45;ইডটকো সমঝোতা চুক্তি সই</title>
<link>https://digibanglatech.news/160124</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160124</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_693160250affb.jpg" length="110372" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 04 Dec 2025 15:39:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের ক্রিটিক্যাল নেটওয়ার্ক পাওয়ার কমপোনেন্টের (Critical Network Power Components) জন্য আধুনিক রিপেয়ার ও রিফারবিশমেন্ট সেন্টার প্রতিষ্ঠার যাচ্ছে টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেশিস) লিমিটেড। এজন্য বেসরকারি পর্যায়ের নেটওয়ার্ক অবকাঠামো প্রতিষ্ঠান ইডটকো বাংলাদেশ লিমিটেযের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি সই করেছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেলিকম প্রতিষ্ঠানটি। </p>
<p>প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এর উপস্থিতিতে ৪ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিআর ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সভাকক্ষে টেশিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মানোয়ার হোসেন মোল্লা এবং ইডটকো বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুনীল আইজ্যাক সমঝোতা চুক্তিতে সই করেন। </p>
<p>অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, টেশিস ও ইডটকো-র মধ্যকার এই সমঝোতা স্মারক দেশের টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই রিপেয়ার ও রিফারবিশমেন্ট সেন্টার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি, আমদানি নির্ভরতা হ্রাস এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির সুযোগ তৈরি হবে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, উদ্যোগটি সফল হলে ভবিষ্যতে দেশেই ব্যাটারি সেল উৎপাদনের পথ সুগম হবে, যা বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং নতুন প্রযুক্তিখাত গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।</p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান বলেন, এ সমঝোতা স্মারক সরকারের টেলিকম সাপোর্ট ইকোসিস্টেম আধুনিকায়নের অঙ্গীকারকে আরও সুদৃঢ় করবে। তিনি জানান, টেশিসের শিল্প সক্ষমতা ও ইডটকো-র আন্তর্জাতিক প্রযুক্তিগত দক্ষতা একত্রে একটি টেকসই এবং পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলবে, যা শুধু টেলিযোগাযোগ খাত নয়, ভবিষ্যতের প্রযুক্তিনির্ভর অন্যান্য শিল্পেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।</p>
<p>চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, টেশিস এবং ইডটকো-এর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/জেইউ/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বৈধভাবে মোবাইল ফোন আমদানির শুল্কহার কমাতে সম্মিলিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ</title>
<link>https://digibanglatech.news/160071</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160071</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_692fe8563e353.jpg" length="133473" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 03 Dec 2025 12:56:10 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p> বৈধভাবে মোবাইল ফোন আমদানির শুল্কহার কমাতে সম্মিলিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে এনবিআর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ বিভাগ এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা  বিটিআরসি।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের সচিবালয়ের অফিস কক্ষে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।</p>
<p>বৈধভাবে মোবাইল ফোন আমদানির শুল্কহার কমানোর বিষয়ে এনবিআর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়য়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং বিটিআরসির মধ্যকার সভাটি গত ১ ডিসেম্বর  অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>বৈঠক সূত্রে প্রকাশ, বৈধভাবে ফোন দেশে আনার ক্ষেত্রে প্রবাসীরা দেশে ছুটি কাটানোর সময়ে  ৬০ দিন পর্যন্ত স্মার্টফোন রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই ব্যবহার করতে পারবেন। ৬০ দিনের বেশি থাকলেই মোবাইল ফোন রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।</p>
<p>প্রবাসীদের যাদের বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন কার্ড আছে, তারা ফ্রিতে মোট তিনটি ফোন সাথে আনতে পারবেন । অর্থাৎ  নিজের ব্যবহারের হ্যান্ডসেটের অতিরিক্ত দুটি নতুন ফোন সাথে নিয়ে আসতে পারবেন ফ্রিতে।  চতুর্থ ফোনের ক্ষেত্রে ট্যাক্স দিতে হবে। যাদের BMET কার্ড নেই তারা নিজের ব্যবহারের ফোনের পাশাপাশি অতিরিক্ত একটি ফোন ফ্রিতে আনতে পারবেন ।  </p>
<p>এক্ষেত্রে মোবাইল ক্রয়ের বৈধ কাগজটি নিজের সাথে রাখতে হবে। কেননা মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর কিংবা মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন বিমানবন্দরে চোরাচালানিরা সাধারণ প্রবাসীদের চাপাচাপি করে স্বর্ণ, দামি মোবাইল ফোন ইত্যাদির শুল্কহীন পাচারে লিপ্ত আছে। চোরাচালানিদের এই অপচেষ্টা রোধ করার জন্যই ক্রয় কৃত মোবাইলের কাগজ সাথে রাখতে হবে।</p>
<p>স্মার্টফোনের বৈধ আমদানি শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা হবে। এতে বৈধভাবে আমদানি করা মোবাইল ফোনের দাম কমে আসবে। বর্তমানে বৈধ পথে মোবাইল আমদানির শুল্ক প্রায় ৬১ শতাংশ। এটা উল্লেখযোগ্য হারে কমাতে সরকার  কাজ শুরু করেছে। </p>
<p>আমদানি শুল্ক কমালেই বাংলাদেশের ১৩-১৪টি ফ্যাক্টরিতে উৎপাদনকৃত মোবাইলের শুল্ক ও ভ্যাট কমাতে হবে, অন্যথায় কোম্পানি গুলোর বিদেশি বিনিয়োগ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। </p>
<p>ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ জসিম উদদীন জানিয়েছেন,আমদানি এবং অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের শুল্ক কমানো এবং তা সমন্বয় নিয়ে বিটিআরসি এবং এনবিআর যৌথভাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে একাধিকবার বসেছে এবং দ্রুততার সাথে কাজ শুরু করেছে। আলোচনার ফলাফল দেশের ডিভাইস ইন্ডাস্ট্রির অনুকূল আসবে বলে মন্ত্রণালয় বিশ্বাস করে।  </p>
<p>এদিকে বিটিআরসি'র পক্ষ থেকে ব্যবহারকারীর অজান্তেই কেউ কেউ যদি তার নামে নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করছে কিনা সে ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যে-কোনো সাইবার অপরাধ, অনলাইন স্ক্যামিং, অনলাইন ও মোবাইল জুয়া, মোবাইল ব্যাংকিং জনিত অপরাধে আপনার নামে নিবন্ধিত সিমটি ব্যবহৃত হচ্ছে কিনা- সে ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। অপরাধ এবং রেজিস্ট্রেশন ঝামেলা এড়াতে সবসময় নিজের নামে নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করুন । বাংলাদেশে ক্লোন মোবাইল, চুরি/ছিনতাই করা ফোন এবং রিফারবিসড মোবাইল আমদানি বন্ধ করা হবে। </p>
<p>এতে আরও জানানো হয়, ১৬ ডিসেম্বরের আগে বাজারে অবৈধভাবে আমদানি করা স্টক ফোন গুলোর মধ্যে যেগুলোর বৈধ IMEI নাম্বার আছে, সেই IMEI লিস্ট বিটিআরসিতে জমা দিয়ে হ্রাসকৃত শুল্কে সেগুলোকে বৈধ করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ নিয়ে এনবিআর-এর সাথে আলোচনা চলছে। তবে ক্লোন ফোন এবং রিফারবিশড ফোনের ক্ষেত্রে এই সুবিধা দেওয়া হবে না।</p>
<p>একইভাবে বর্তমানে ব্যবহৃত সচল মোবাইল ফোন কোনোভাবেই ১৬ ডিসেম্বর-এর আগের ফোন বন্ধ হবে না বলেও আশ্বাস দেয়া হয়েছে।</p>
<p>১৬ই ডিসেম্বর থেকে চালু হচ্ছে NEIR, সুতরাং বৈধ IMEI নম্বরহীন হ্যান্ডসেট ক্রয় থেকে বিরত থকা ও  অবৈধ আমদানিকৃত, চোরাচালানকৃত এবং ক্লোন ফোন বাংলাদেশে বন্ধ করা হবে । </p>
<p>বলা হয়েছে, দেশে বিদেশের পুরোনো ফোনের ডাম্পিং বন্ধ হবে। কেসিং পরিবর্তন করে এসব ইলেকট্রনিক বর্জ্য দেশে ঢুকিয়ে যে রমরমা চোরাকারবারি ব্যাবসা শুরু করা হয়েছে, সেটা বন্ধ করা হবে। </p>
<p>বিমানবন্দর এবং স্থলবন্দরগুলোতে ভারত, থাইল্যান্ড, চীন থেকে আসা ফ্লাইটগুলো শনাক্ত করা হচ্ছে, দ্রুতই কাস্টমস থেকে অভিযান চালানো হবে।</p>
<p>প্রস্তাবিত টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশ (সংশোধনী) ২০২৫ এ মোবাইল সিমের  eKYC এবং IMEI রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত ডেটা সুরক্ষার নিশ্চয়তা তৈরি করা হয়েছে। নতুন একটি ধারা যোগ করে রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত উপাত্ত লঙ্ঘনকারীদের অপরাধের আওতায় আনা হয়েছে। </p>
<p><strong>বিডিটেক/আইএইচ/ওআর</strong></p>
<p></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৫ শতাংশ লভ্যাংশ দাবিতে জিপি হাউজের সামনে মানববন্ধন</title>
<link>https://digibanglatech.news/160069</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160069</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_692fd6242a580.jpg" length="140100" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 02 Dec 2025 20:18:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>শ্রমিকের লভ্যাংশ তহবিলের (ডব্লিউপিপিএফ-ওয়ার্কার্স প্রফিট পার্টিসিফিকেশন ফান্ড) ৫ শতাংশ বকেয়া আদায়ের দাবিতে ৫ ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করেছেন মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনের চাকরিচ্যুতকর্মীরা।</p>
<p>রাজধানীর বসুন্ধরায় গ্রামীণফোনের প্রধান কার্যলয়ের সামনে ২ নভেম্বর, মঙ্গলবার  সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত গ্রামীণফোন সেন্টারের সামনে প্রায় ৩ শতাধিক চাকরিচ্যুত ব্যক্তি অবস্থান গ্রহণ করে এই মানবন্ধন করেন।</p>
<p>এ সময় চাকরিচ্যুতদের পরিবারের সদস্যদেরও মানবন্ধনে অংশ নিতে দেখা গেছে। তাদের হাতে বিভিন্ন দাবি সম্বলিত প্লাকার্ড দেখা যায়। এসময় হ্যান্ড মাইকে তারা বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।</p>
<p>মানবন্ধনে অংশ নেয়া গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মী আদিবা জেরিন চৌধুরী বলেন,  আমরা টানা এক বছর ধরে আন্দোলন করছি ১৫ বছরের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে। গ্রামীণফোন নীরব, প্রশাসনও নিশ্চুপ। আজকের মানববন্ধন থেকে প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, ৩ জিরো ভিশন বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই শ্রমিকের ন্যায় অধিকার ও বকেয়া পরিশোধ নিশ্চিত করুন। </p>
<p>মানববন্ধনে ছাটাইকৃতকর্মীরা বলেন, গ্রামীণ ফোনের ব্যবসার প্রসার ও মুনাফা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি সত্ত্বেও ২০১৩ সাল থেকে অব্যাহতভাবে কর্মী ছাঁটাই করা হয়। উচ্চ আদালতে আপিল বিভাগের রায় বাস্তবায়ন না করে গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ যে ধৃষ্টতা দেখিয়েছে তা স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ ও সরকারের প্রতি অসম্মানজনক ও ন্যক্কারজনক। গ্রামীণফোনের এই বেআইনি ছাঁটাই, অবৈধ লক-আউট ও অসৎ শ্রম আচরণসহ সকল অবৈধ ও ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি বেআইনি ছাঁটাইয়ের শিকারদের তাদের ৫ শতাংশ পাওনা বুঝিয়ে দিতে হবে।</p>
<p>গ্রামীণফোনের ছাঁটাইকৃত কর্মীদের আন্দোলনের সমন্বয়কারী আবু সাদাত মো. শোয়েব বলেন, আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছি। প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে আগেই। তিনি আরও বলেন, গ্রামীণফোন থেকে অন্যায়ভাবে কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছে। কোম্পানির লাভের ৫ শতাংশ পাওনা বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, আমরা গ্রামীণফোন লিমিটেডের সাবেক কর্মীরা ১৫ বছর ধরে আমাদের আইনগত ৫ শতাংশ ডব্লিউপিপিএফ ও ডব্লিউডব্লিউএফ বকেয়া আদায়ের লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে শ্রম মন্ত্রণালয়, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও আদালতের নির্দেশনার আলোকে শান্তিপূর্ণ লড়াই করে আসছি। গ্রামীণফোন মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের দমন করার চেষ্টা করছে। আমাদের এই লড়াইয়ের সঙ্গে প্রায় ৩ হাজার ৩৬০টি পরিবার ও হাজারো শ্রমিকের বহু বছরের বঞ্চনা জড়িয়ে আছে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, যদি আমাদের পাওয়া না দেয়, আর সরকার যদি তাদের আশ্রয় দেয়, তাহলে সরকারকেও পেটাতে পেটাতে রাস্তায় নামানো হবে। আমরা মস্তিষ্ক দিয়ে পেটাই, হাত দিয়ে না। আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার না, অন্তর্বর্তী সরকার তা চিনি না। আমরা শুধু জানি, যারা আমাদের ন্যায্য পাওনা আদায়ে বাধা হয়ে দাঁড়াবে তাদের উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।</p>
<p>চাকরিচ্যুত গ্রামীণফোনের নারী কর্মী সুমি বলেন, আমরা বারবার দাবি জানিয়েছি আমাদের পাওনা বুঝিয়ে দেওয়া হোক। কিন্তু তারা তামাশা করেছে। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তারা যদি আমাদের ন্যায্য পাওনা বুঝিয়ে না দেয়, এই কোম্পানির চিহ্ন এ দেশে থাকবে না।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এডি/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলার বিদ্যালয়ে স্টারলিংক সংযোগ দিতে বিএসসিএল চুক্তি </title>
<link>https://digibanglatech.news/160052</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160052</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_692ec8e33ae90.jpg" length="43524" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 02 Dec 2025 16:10:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পার্বত্য তিন জেলার পাহাড়ি অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ, বান্দরবন পার্বত্য জেলা পরিষদ এবং রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ এর মধ্যে তিনটি পৃথক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল)।</p>
<p>এই চুক্তির মাধ্যমে স্টারলিংক ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি, বান্দরবন ও রাঙামাটি জেলার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ধাপে ধাপে ই-লার্নিং সিস্টেম চালু করা হবে।</p>
<p>এর ফলে পাহাড়ি অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা নিরবচ্ছিন্ন ও উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে অনলাইন ক্লাস, ডিজিটাল কনটেন্ট এবং ভার্চুয়াল শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে এবং ভৌগোলিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও দূরবর্তী এলাকার শিক্ষার্থীরাও মূলধারার শিক্ষায় যুক্ত হতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিএসসিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান।</p>
<p>বিএসসিএল জনসংযোগ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ২৭ নভেম্বর বান্দরবন পার্বত্য জেলা পরিষদ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিএসসিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান এবং বান্দরবন পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।</p>
<p>এর আগে পৃথক আরেকটি অনুষ্ঠানে বুধবার (১২ নভেম্বর) রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিএসসিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান এবং রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।</p>
<p>এর আগের দিন মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) খাগড়াছড়ি সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত অনুরূপ চুক্তিতে বিএসসিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা স্বাক্ষর করেন।</p>
<p>চুক্তি হওয়ার পরে বিভিন্ন স্কুলে বসছে স্টারলিংক সংযোগ। </p>
<p>অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএসসিএল-এর মহাব্যবস্থাপক (বিক্রয় ও বিপণন) শাহ আহমেদুল কবির, ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপক হামেদ হাসান মুহাম্মদ মহিউদ্দীন, জেলা পরিষদ কর্মকর্তাবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা।</p>
<p>বিএসসিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান বলেন,“এই চুক্তির মাধ্যমে পাহাড়ি অঞ্চলের শিক্ষাক্ষেত্রে এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে গেল। প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার ঘটিয়ে সরকার দক্ষ জনগোষ্ঠী গঠনের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।</p>
<p><strong>ডিবিটেক/ইউএইচ/ওআর</strong></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টেলিটকের প্রযুক্তিগত বৈষম্য নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন</title>
<link>https://digibanglatech.news/160051</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160051</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_692eacf228ff8.jpg" length="122538" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 02 Dec 2025 13:10:34 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><br>রাষ্ট্রীয় টেলিকম অপারেটর টেলিটকের প্রযুক্তিগত বৈষম্য নিরসনের দাবিতে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ঘন্টাব্যাপী মানব বন্ধন হয়েছে। </p>
<p>২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে অনুষ্ঠিত মানবন্ধনে সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সাবেক পরিচালক খালিদ আবু নাসের, আয়োজক বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ,   মানবাধিকার কর্মী সাধনা মহল, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজু, বাংলাদেশ মোবাইলফোন রিচার্জ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আমিনুল ইসলাম, গ্রীন পার্টির চেয়ারম্যান রাজু খান প্রমূখ অংশ নেন।</p>
<p><br>মানবন্ধেন  বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সাবেক পরিচালক খালিদ আবু নাসির বলেন, প্রযুক্তির উন্নয়নের বিপক্ষে আমরা নই। ৭০০ ব্র্যান্ড তরঙ্গের ব্যবহারের বিপক্ষেও আমরা নই। তবে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান টেলিটক কে বাইরে রেখে তরঙ্গ বরাদ্দের সিদ্ধান্তের আমরা প্রতিবাদ জানাই। বর্তমানে একটি প্রতিষ্ঠান একাই নব্বই শতাংশ লাভ করছে। অন্য একটি প্রতিষ্ঠান ৮ শতাংশ লাভে আছে। বাকি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ টেলিটক লোকসান গুনছে। এর মধ্যে যদি টেলিটক কে পিছিয়ে রাখা হয় তাহলে বাজারে প্রতিযোগিতা ধ্বংস হবে। </p>
<p>সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ৭০০ ব্র্যান্ডের তরঙ্গ টেলিটককে বরাদ্দ দিতে হবে। যুক্ত হিসেবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিারসি) সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে। দেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৭০০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম ব্যান্ড আন্তর্জাতিকভাবে মোবাইল কভারেজ ও ৫জি বিস্তারের জন্য ‘গোল্ডেন ব্যান্ড’ হিসেবে পরিচিত। এই ব্যান্ডের মোট ৪৫ মেগাহার্টজের মধ্যে প্রথম ধাপে ২৫ মেগাহার্টজ নিলামের ঘোষণা এবং বাকি ২০ মেগাহার্টজ ভবিষ্যতে চাহিদা ভিত্তিক বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত দেশের রাষ্ট্রীয় মোবাইল অপারেটর টেলিটকের ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি করেছে। সম্প্রতি বিটিআরসি ও সকল অপারেটরের প্রতিনিধিদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় জানানো হয় যে আগামী ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে নিলাম অনুষ্ঠিত হবে।</p>
<p>অভিযোগ করা হয়, ওই সভায় একটি বেসরকারি অপারেটর প্রকাশ্যে টেলিটকের জন্য কোনো ফ্রিকোয়েন্সি বরাদ্দ না রাখার আহ্বান জানিয়েছে। সরকারের নিজস্ব অপারেটরকে বাদ দিয়ে বিদেশি মালিকানাধীন অপারেটরদের সুবিধা দেওয়ার এই প্রস্তাব বৈষম্যমূলক ও অযৌক্তিক বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা ও দেশপ্রেমিক নাগরিক সমাজ।</p>
<p>তারা বলছেন, ১৯৯৫ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত বাংলাদেশে বিদেশি মোবাইল অপারেটররা মুক্ত বাজারে সেবা দিলেও তখন কলচার্জ, ইনকামিং চার্জ, অব্যবহৃত ব্যালেন্স কেটে নেওয়া। এসব কারণে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছিল। এমন বাস্তবতায় স্বল্প খরচে জনবান্ধব মোবাইল সেবা দেওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে টেলিটক প্রতিষ্ঠিত হয়। টেলিটক শুরুতেই কলচার্জ কমিয়ে আনায় বাধ্য হয় বিদেশি কোম্পানিগুলো। এটাই ছিল টেলিটকের প্রথম বড় অবদান। দেশে প্রথম অনলাইন ভর্তি আবেদন, চাকরির আবেদন, অনলাইন বিল পরিশোধের মতো জনবান্ধব সেবা চালু করে টেলিটক। বিদেশি অপারেটরদের যেখানে বিনিয়োগ ৪০ হাজার কোটি টাকারও বেশি, সেখানে টেলিটক মাত্র ৬ হাজার কোটি টাকায় সীমাবদ্ধ সুবিধায় দেশের মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছে। ৭০০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম টেলিটকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি মোবাইল নেটওয়ার্কের সবচেয়ে শক্তিশালী কভারেজ ব্যান্ড, যা কম টাওয়ারে বিস্তৃত এলাকা কভার করতে পারে এবং দুর্গম ও গ্রামীণ অঞ্চলে স্থিতিশীল সিগন্যাল নিশ্চিত করে ৫এ বিস্তারের ভিত্তি তৈরি করে। রাষ্ট্রীয় নির্দেশনায় টেলিটক ইতোমধ্যে দুর্গম এলাকায় সেবা দিচ্ছে, কিন্তু সীমিত বিনিয়োগ ও কম সংখ্যক তরঙ্গ নিয়ে দেশব্যাপী মানসম্মত নেটওয়ার্ক বজায় রাখা কঠিন। এই ব্যান্ড না পেলে গ্রামীণ জনগণ মানসম্মত সেবা থেকে বঞ্চিত হবে, সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশ লক্ষ্য বাধাগ্রস্ত হবে, দুর্বল নেটওয়ার্কের কারণে গ্রাহক ক্ষতিগ্রস্ত হবে, বিদেশি অপারেটররা অতিরিক্ত বাজার সুবিধা পাবে, সরকারি জরুরি সেবা বিঘ্নিত হতে পারে এবং বেশি টাওয়ার স্থাপনের প্রয়োজনীয়তায় টেলিটকের অপারেটিং খরচ বাড়বে। যার প্রভাব গ্রাহক সেবার মান ও খরচ উভয় ক্ষেত্রেই পড়তে পারে। দেশের শীর্ষ টেলিকম বিশেষজ্ঞরা ইতোমধ্যে এই সিদ্ধান্তকে “টেলিটকের জন্য মারাত্মক আঘাত” “জাতীয় অপারেটরকে বাজার থেকে সরানোর কৌশল” এবং “রাষ্ট্রীয় স্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত” হিসেবে অভিহিত করেছেন।</p>
<p>তাদের ভাষায় “৭০০ ব্যান্ড ছাড়া টেলিটকের ভবিষ্যৎ নিশ্চিতভাবে বিপন্ন হবে। এটি কার্যত টেলিটকের মৃত্যুপরোয়ানার সমতুল্য।” টেলিটক শুধু একটি অপারেটর নয়; এটি দেশের প্রযুক্তিগত স্বাধীনতার প্রতীক। বাজারে ন্যায্যতা বজায় রাখা, গ্রামীণ মানুষকে সাশ্রয়ী ইন্টারনেট দেওয়া এবং রাষ্ট্রের জরুরি যোগাযোগ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী রাখতে টেলিটককে ৭০০ গঐু ব্যান্ড বরাদ্দ দেওয়া প্রয়োজন। একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ নিয়ে যে সিদ্ধান্ত আজ নেওয়া হচ্ছে তার প্রভাব পড়বে লাখো গ্রাহকের জীবনে, সরকারের ইসেবা বিস্তারে এবং দেশের টেলিকম নিরাপত্তায়। <br><strong>ডিবিটেক/এমএ/ইকে</strong></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলালিংকের ব্র্যান্ড পরিচয়ে ‘লাভ’ চিহ্ন</title>
<link>https://digibanglatech.news/160002</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160002</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_692d84bdc6513.jpg" length="32687" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 01 Dec 2025 16:06:43 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>‘অত্যাধুনিক, গ্রাহক–কেন্দ্রিক ও প্রযুক্তিনির্ভর’ অপারেটর হিসেবে রূপান্তরে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ পদক্ষেপ নতুন ‘ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি’ উন্মোচন করেছে মোবাইল অপারেটর বাংলালিংক। নতুন লোগোতে- পুরোনো চতুষ্কোনের বদলে নামের অদ্যাক্ষর ‌‘বি’ কে এমন ভাবে তুলে ধরা হয়েছে- দেখতে ভালোবাসার চিহ্ন ‘লাভ’ আকৃতিতি রূপ নিয়েছে। স্লোগান হিসেবে বলা হয়েছে- বাংলালিংক ‘আপনার জন্য’।  </p>
<p>গণমাধ্যমে পাঠানো একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অপারেটরটি বলছে, “এ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলালিংক নতুন এক যুগে প্রবেশ করেছে। অপারেটরটির লক্ষ্য শুধুমাত্র নেটওয়ার্ক সেবা প্রদানকারী হিসেবে নয়, বরং গ্রাহকদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দেশের কোটি মানুষকে সেবা প্রদান করা। বাংলালিংকে প্রতিটি সেবা শুরু হয় গ্রাহকের প্রয়োজন অনুধাবন করার মধ্য দিয়ে, আর শেষ হয় তাদের প্রতিদিনের জীবনের প্রতিটি প্রয়োজন যত্নের সাথে সমাধান করার মাধ্যমে।”</p>
<p> সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “নতুন পরিচয় বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওন গ্রুপের বৈশ্বিক লক্ষ্যকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে ভূমিকা রাখবে। ভিওনের লক্ষ্য ‘ডিজিটাল অপারেটর অ্যাম্বিশন’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ খাতের সেবা ও পরিসরকে ডিজিটালভাবে আরও সমৃদ্ধ করা এবং গ্রাহকদের দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে আরও সমৃদ্ধ করা।</p>
<p>নতুন পরিচেয়ের উন্মোচন অনুষ্ঠানে বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইওহান বুসে বলেন, “নতুন এ ব্র্যান্ড পরিচয় শুধুমাত্র বাহ্যিক পরিবর্তন নয়। এটি আমাদের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওনের ডিজিটাল অপারেটরের লক্ষ্য এবং আমাদের গ্রাহকদের জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যের সাহসী পুনর্ব্যক্তি।</p>
<p>“আমাদের নতুন পরিচয় গতি, উদ্ভাবন ও অগ্রগতির প্রতীক। তবে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, আমরা নির্ভরযোগ্য সংযোগ আর সবার জন্য ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করতে চাই। আমরা এমন এক ভবিষ্যৎ তৈরি করছি, যেখানে বিশ্বমানের ডিজিটাল সেবা মানুষের প্রতিদিনের জীবনের অংশ হবে এবং কোটি মানুষের হাতের নাগালে আসবে।”</p>
<p>প্রসঙ্গত, টেলিকম খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির হিসাব অনুযায়ী, গত বছরের মে মাসে বাংলালিংকের গ্রাহক ছিল ৪ কোটি ৪৭ লাখ। আর চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে এই মোবাইল অপারেটরটির গ্রাহকসংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৭০ লাখে। ১৬ মাসের ব্যবধানে অপারেটরটি হারিয়েছে ৬৮ লাখ গ্রাহক। এই ১৬ মাসের মধ্যে দেশে মোট মোবাইল গ্রাহক কমেছে ৭১ লাখ ২০ হাজার। এর মধ্যে রবির গ্রাহক কমেছে ১৩ লাখ ৬০ হাজার। অন্যদিকে গ্রামীণফোনের গ্রাহক বেড়েছে ৯ লাখ ৪০ হাজার।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিএনটি/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিটিসিএল&amp;apos;র এমভিএনও অনুমোদন </title>
<link>https://digibanglatech.news/159972</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159972</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_692c7b0359977.jpg" length="72367" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 30 Nov 2025 19:12:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নতুন টেলিকম নীতিমালার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে দেশে প্রথমবারের মতো চালু হচ্ছে মোবাইল ভার্চুয়াল নেটওয়ার্ক অপারেটর (এমভিএনও)। টোল প্লাজা মুক্ত টেলিকম হাইওয়ে গড়তে একইসঙ্গে সিমলেস ডেটা-ভয়েস ও বিভিন্ন ওটিটি বা স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের সেবা দিতে মোবাইল ভার্চ্যুয়াল নেটওয়ার্ক অপারেটরের (এমভিএনও) অনুমোদন পেয়েছে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)। </p>
<p>৩০ নভেম্বর, রবিবার এই খবর দিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি জানান, বিটিসিএল পরীক্ষামূলকভাবে এমভিএনও নেটওয়ার্ক চালুর অনুমোদন পেয়েছে। ইতিমধ্যেই একটি টিম এটি নিয়ে কাজ করছে এবং দ্রুতই পাইলট প্রকল্প শুরু হবে।</p>
<p>এর আগে গত ২৭ সেপ্টেম্বর এক পোস্টে তিনি লিখেছেন,"বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ট্রিপল প্লে ও কোয়াড প্লে নিয়ে আসছে বিটিসিএল। এতে মোবাইল ভার্চ্যুয়াল নেটওয়ার্ক অপারেটর (এমভিএনও), মোবাইল সিম, আলাপ ও জিপন সেবা থাকবে। পাশাপাশি পাওয়া যাবে আনলিমিটেড ভয়েস ও ডেটা। এ ছাড়া দেশি–বিদেশি বিভিন্ন ওটিটি বা স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের সেবা পাওয়া যাবে।"</p>
<p>এর আগে গ্রাহক পর্যায়ে বাণিজ্যিক ভাবে দেশে প্রথমবারের মতো ফাইভ-জি চালু হয়েছে। ভয়েস ওভার এলটিই (ভোল্টি ) ও ভয়েস ওভার ওয়াইফাই সুবিধাও পুরোদমে চালু এবং প্রাইভেট ফাইভ-জি চালুর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। <br> <br>এমন বাস্তবতায় বিশেষ সহকারী আশা করছেন, দ্রুতই লার্জ পাবলিক ইনডোর (এলপিআই), স্মল সেল এবং নেটওয়ার্ক স্লাইসের মতো টেলিকম সার্ভিসগুলো চালু হবে। নতুন নীতিমালায় এসব প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ৭০০ মেগাহার্জ তরঙ্গের অকশনও ডাকা হয়েছে।</p>
<p>এসব বিষয়ে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, প্রায় সব স্তরের মাফিয়ারা কানেক্টিভিটিকে কেন্দ্র করে টেলিকম খাতকে জিম্মি করে রেখেছিল। তার মতে, এর ফলে টেলিকম কানেক্টিভিটি এতদিন 'টোল প্লাজা' হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। অতি সামান্য বিনিয়োগ করে কেউ যেন আর রেন্ট সিকিং করতে না পারে, সরকার সেই ব্যবস্থা নিচ্ছে।</p>
<p>তিনি বলেন, সরকার কানেক্টিভিটি হাইওয়েকে টোল প্লাজা মুক্ত করতে চায়। এ জন্য ফাইবার অপটিক উন্মুক্ত করে দেওয়া হচ্ছে। এতে ফাইবার অ্যাক্সেস এবং ডেটা ফ্লোতে আর কোনো অবকাঠামোগত বাধা থাকবে না।</p>
<p>'টেলিকম খাতকে কেবল ইন্টারনেট সংযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে ডিজিটাল সার্ভিসভিত্তিক শিল্পে রূপান্তর করাই সরকারের লক্ষ্য। বর্তমানে মোবাইল ইন্টারনেট ও ব্রডব্যান্ডের বাজার কেবল ডেটা ভলিউম (MB/GB) কেন্দ্রিক। কিন্তু প্রয়োজন ছিল সেবা কেন্দ্রিক প্যাকেজ'- যোগ করেন তিনি।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, এই নতুন শিল্পে এড-টেক, এগ্রো-টেক, হেলথ-টেক, ফিন-টেক এবং ওটিটি-ভিত্তিক ডিজিটাল সার্ভিসের বড় সম্ভাবনা তৈরি হবে। নতুন নীতি Telecommunications network and licensing policy 2025 এই রূপান্তরের ভাবনা থেকেই তৈরি করা হয়েছে। ইন্ডাস্ট্রির সব প্রতিষ্ঠানকে ধীরে ধীরে সেবামূলক খাতে মাইগ্রেট করানোই মূল পরিকল্পনা।</p>
<p>উপদেষ্টা বলেন, টেলিকমকে কেবল কানেক্টিভিটি ব্যবসায় সীমাবদ্ধ রেখে এই শিল্পকে 'বনসাই' করে রাখা হয়েছিল। এই বামন দশা থেকে মুক্তির যাত্রা শুরু হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত সাফল্য আসবে যখন সরকার ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার (DPI) এবং ইলেকট্রনিক আইডেন্টিটি লেয়ারকেন্দ্রিক প্রকল্পগুলি শেষ করতে পারবে।</p>
<p>ব্যক্তিগত উপাত্ত ও গোপনীয়তা ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আনার জন্য সরকার দুটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি কাঠামো তৈরি করেছে। এগুলো হলো: পার্সোনাল ডেটা প্রটেকশন অর্ডিন্যান্স ২০২৫ এবং ন্যাশনাল ডেটা গভর্নেন্স অর্ডিন্যান্স ২০২৫। এর মাধ্যমে আইনি ভিত্তি, কানেক্টিভিটি থেকে সেবায় রূপান্তর, ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার এবং নাগরিক সেবার মতো বিষয়গুলোতে নিশ্চিত করা হবে।</p>
<p>ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জোর দিয়ে বলেন, সরকার দুর্বৃত্তায়ন ও অচলায়তন ভেঙে দিচ্ছে। তারা একটি সার্ভিস বেজড ইকোসিস্টেম গড়ছেন, যার দীর্ঘমেয়াদি সুফল দেশের সাধারণ মানুষ এবং জাতীয় অর্থনীতি পাবে।</p>
<p>প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালেও বিটিসিএল ‘ডিজিটাল সংযোগের জন্য টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক আধুনিকীকরণ’ প্রকল্পের আওতায় ট্রিপল প্লে চালুর উদ্যোগ নিয়েছিল, কিন্তু তা সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হয়নি। তবে এবার তা বাস্তবায়নে নতুন নীতিমালা ও গাইডলাইনের অধীনে এমভিএনও বাস্তবায়নে গত ২৭ আগস্ট বিটিসিএল ও টেলিটকের কর্মকর্তাদের নিয়ে ১৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। <br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এফআর/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রবিবার সারাদেশে মোবাইল ফোন মার্কেট বন্ধের ঘোষণা</title>
<link>https://digibanglatech.news/159934</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159934</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_692b29151c45d.jpg" length="79881" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 29 Nov 2025 20:11:42 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>এবার ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) সংস্কারের দাবিতে ৩০ নভেম্বর, রবিবার ঢাকাসহ সারাদেশের সকল মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে স্মার্টফোন ও গ্যাজেট ব্যবসায়ীদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)।</p>
<p>২৯ নভেম্বর, শনিবার রাতে মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)-এর পক্ষে মিজানুর রহমান সোহেলের পাঠানো এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘একচেটিয়া সিন্ডিকেট নীতি বন্ধ, ন্যায্য করনীতি এবং মোবাইল ফোনের উন্মুক্ত আমদানির সুযোগ সৃষ্টির দাবিতে আগামীকাল রবিবার সকাল ১০টা, রাজধানীর কারওয়ান বাজার-পান্থপথ এলাকায় এক শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হবে।’</p>
<p><span>প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে এনইআইআর বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এই উদ্যোগের প্রতিবাদে এর আগে সংবাদ সম্মেলন করে এক দিনের জন্য মোবাইল ফোন বন্ধ রেখে আছে। </span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমআর/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১৪ জানুয়ারি আলোচিত ৭০০ মেগাহার্টজের নিলাম</title>
<link>https://digibanglatech.news/159866</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159866</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68caef0281b1d.jpg" length="127032" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 27 Nov 2025 16:06:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আগামী ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ বাণিজ্যিক অপারেটরদের মধ্যে নিলামে উঠছে বহুল আলোচিত ৭০০ মেগাহার্জের তরঙ্গ।</p>
<p>এই ঘোষণার মাধ্যমে বরাদ্দের ঘোষণা আইনি বাধায় ৫ মেগাহার্জ সম্ভব না হলেও বাকিটা প্রতিযোগিতামূলক নিলামে উঠবে।</p>
<p>২৭ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার  রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি অকশন নির্দেশনা জারি করেছে বিটিআরসি।  </p>
<p>এ নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, বাংলাদেশের ৭০০ মেগাহার্জ তরঙ্গ নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। বেজ প্রাইস ধরে রাষ্ট্রের অন্তত এগারো হাজার কোটি টাকা আটকে রাখা হয়েছে।  দুর্বৃত্তদের সব ষড়যন্ত্র পেছনে ফেলে এই অকশন আয়োজন করতে বিটিআরসি, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং অর্থ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে একযোগে কাজ করেছে। আমি সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানাই।     </p>
<p>প্রসঙ্গত, অতি গুরুত্বপূর্ণ এই তরঙ্গ ঘনবসতিপূর্ণ বাংলাদেশে ফোরজি ও ফাইভজি নেটওয়ার্ক কভারেজের মান ভালো করতে এবং শহরও গ্রামে নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করতে ভূমিকা রাখবে।<br>বিটিআরসি/আইএইচ</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টেলিযোগাযোগ আইন সংশোধন নিয়ে সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা</title>
<link>https://digibanglatech.news/159863</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159863</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6927f86bcd4f5.jpg" length="108598" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 27 Nov 2025 13:06:44 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>২০০১ সালের আইন বাতিল করে নতুন আইন বাস্তবায়নের পক্ষে টেলিযোগাযোগ আইন সংশোধন নিয়ে ২৭ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সভাকক্ষে বসেছে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা। </p>
<p>প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের সভাপতিত্ব সভায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব আব্দুন নাসের খানসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত আছেন।</p>
<p>সূত্রমতে, সভায় নতুন টেলিযোগাযোগ আইনের ইন্টারনেট বন্ধে নিষেধাজ্ঞা, প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতা কমাতে এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) পূর্ণ ক্ষমতা দেওয়ার বিধান, <br>ডিজিটাল নিরাপত্তা ও ডেটা সুরক্ষা এবং আড়িপাতার আইনি কাঠামো নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। </p>
<p><strong>ডিবিটেক/জেইউ/ইক</strong></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গ্রাহকদের ডিজিটাল সেবার মানোন্নয়নে জেডটিই’র সাথে নতুন বিনিয়োগে বাংলালিংক</title>
<link>https://digibanglatech.news/159790</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159790</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_69258dbb6f4e1.jpg" length="81191" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 25 Nov 2025 14:07:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের কোটি গ্রাহকের দৈনন্দিন ডিজিটাল অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান জেডটিই’র সঙ্গে নতুন কৌশলগত বিনিয়োগে যুক্ত হয়েছে মোবাইল অপারেটর বাংলালিংক।</p>
<p>বাংলালিংকের প্রধান কার্যালয়ে গত ২৩ নভেম্বর ২০২৫ রবিবার, এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এতে দুই প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেন।</p>
<p>এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে, আগামী প্রজন্মের জ্বালানি-সাশ্রয়ী প্রযুক্তি ব্যবহার করে রাজধানী ঢাকার অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত সাইটগুলোকে আপগ্রেড করছে বাংলালিংক। </p>
<p>এ অংশীদারিত্ব নিয়ে বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইওহান বুসে বলেন, “ডিজিটাল সেবা এখন মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ, শেখা কিংবা সৃজনশীল যেকোন কাজ করা—সব ক্ষেত্রেই এসব সেবা ভূমিকা রাখছে। আমাদের লক্ষ্য খুবই সহজ—মাইবিএল, টফি, রাইজ এবং আমাদের ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের মাধ্যমে গ্রাহকদের সর্বত্র এবং জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে আরও উন্নত ডিজিটাল অভিজ্ঞতা দেওয়া। জেডটিই এর সঙ্গে নতুন এই বিনিয়োগ গ্রাহকের ডিজিটাল অভিজ্ঞতার ভিত্তিকে আরো শক্তিশালী করে, যা সত্যিকার অর্থে তাদের প্রয়োজনের প্রতি যত্নশীল। একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল প্রতিষ্ঠান হয়ে ওঠার বাংলালিংকের আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন এই পদক্ষেপ। লক্ষ্য শুধু দেশকে সংযুক্ত রাখা নয়, বরং প্রতিটি মুহূর্তে নির্ভরযোগ্য ও অর্থবহ ডিজিটাল সেবা দিয়ে মানুষের জীবনকে আরও সমৃদ্ধ করা।”</p>
<p>জেডটিই গ্লোবাল অফিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লিয়াউ হুই বলেন, “ঢাকার রেডিও অ্যাকসেস নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নের লক্ষ্যে জেডটিই ও বাংলালিংক নিজেদের মধ্যকার কৌশলগত সহায়তা ও অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করছে। জেডটিইর অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, যেমন: উদ্ভাবনী, সবুজ প্রযুক্তি ও এআই-ভিত্তিক সমাধান, ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলালিংকের নেটওয়ার্ক অবকাঠামোর ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে। এ উদ্যোগ ভিওন গ্রুপ ও বাংলালিংককে দেশে ‘ডিজিটাল অপারেটর’ কৌশল বাস্তবায়নে সহায়তা করবে, যার লক্ষ্য বাংলাদেশের মানুষের ডিজিটাল অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করা।”</p>
<p><strong>ডিবিটেক/এমআর/ইক</strong></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ষষ্ঠ গ্রাহক শুনানিতে ফাইবার ব্যাংক ও অভিযোগ নিষ্পত্তি পোর্টাল গঠনের ইঙ্গিত বিটিআরসি&amp;apos;র</title>
<link>https://digibanglatech.news/159777</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159777</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_692547f447d52.jpg" length="81804" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 25 Nov 2025 12:09:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রায় শতেক গ্রাহক, সাংবাদিক ও স্টেক হোল্ডারের অংশ গ্রহণে দ্বিতীয় বারের মতো ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ষষ্ঠ গণশুনানি।  শুনানিতে যথারীতি মোবাইল ইন্টারনেটের ডেটার দাম কমানো, ব্রডব্যান্ড ফাইবারাইজেশনের ঘাটতি, এনটিটিএন প্রাইস কমানো ও মোবইলে উচ্চ কর প্রত্যাহারের দাবি করেন গ্রাহকরা।  </p>
<p>২৫ নভেম্বর, মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১০টা থেকে ১১টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত সিনেসিস আইটি'র তৈরি এআই ভিত্তিক ভার্চুয়াল মিটিং প্লাটফর্ম কনভে-তে শুনানিতে সভাপতিত্ব করেন বিটিআরসি'র ভাইস চেয়ারম্যান মো. আবু বকর ছিদ্দিক। </p>
<p>সংস্থার লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্সিং ও স্পেকট্রাম বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আমিনুল হক শুনানি পরিচালনা করেন। এসময় লিগ্যাল অ্যান্ড লাএসন্সিং বিভাগের কমিশনার আবদুর রহমান সরদার ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড অপারেশন্স বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শফিউল আজম পারভেজ উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>শুনানিতে আগে থেকে নিবন্ধিত গ্রাহকরা দেড় বছর পর ফের টেলিকম সেবা নিয়ে তাদের দুর্ভোগ ও অভিযোগ তুলে ধরার পাশাপাশি কিছু পরামর্শও দিয়েছেন। অভিযোগে কাস্টমার কেয়ারে গিয়ে এমএনপি সুবিধা নেয়ার বিড়ম্বনা, আইএসপি রিসেলার পর্যায়ে পেশিশক্তির প্রভাব, ১১ মাস পরে সিম বন্ধ হয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গ্রাহকে অবহিত না করা,  অনুমতি ছাড়াই ভ্যাস সার্ভিসে না জানিয়ে টাকা কাটা বিষয়ে অভিযোগ করেন গ্রাহকেরা। <br> <br>শুনানিতে উঠে আসে তিন মোবাাইল অপারেটরের অডিট বকেয়া প্রসঙ্গ; গ্রামীণ ফোনে বাজারে অসম প্রতিযোগিতা; টেলিটক এর নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং অ্যাপে ভিওআইপি কল চালুর বিষয়।  </p>
<p>শুনানির বিভিন্ন পর্যায়ে গ্রাহকদের বিভিন্ন পরামর্শের ভিত্তিতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের মান বাড়াতে শিগগিরই একটি ফাইবার ব্যাংক এবং গ্রাহকদের অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তির একটি ডিজিটাল প্লাটফর্ম চালুর উদ্যোগ নেয়ার কথা জানানো হয় বিটিআরসি'র পক্ষ থেকে। এছাড়াও ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিস বাড়িয়ে মোবাইল অপারেটরদের আয় বাড়ানোর পরামর্শ দেয়া হয় এক প্রশ্নের জবাবে। নতুন টেলিকম গাইড লাইন অনুযায়ী, গ্রাহকদের অনেক বিড়ম্বনা এবং সেবাদাতাদের প্রতিযোগিতা বাড়বে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে।  <br> <br>সভাপতির বক্তব্যে বিটিআরসি ভাইস চেয়ারম্যান মো. আবু বকর ছিদ্দিক বলেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা অনুযায়ী বিটিআরসি সব অভিযোগ চিহ্নিত করে কাজ করে। এক্ষেত্রে জনগণকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়। সেই লক্ষ্যেই শুনানিতে প্রাপ্ত অিভিযোগ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। অভিযোগগুলো সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সমাধানের জন্য কাজ করবেন।<br>সূত্রমতে, শুনানিতে অনলাইনে ১৫০০ অভিযোগ জমা পড়েছিলো। এদের মধ্য থেকে ভার্চুয়ালি প্রশ্ন করেছেন ১০-১২ জনের মতো।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশী কনভেতে বিটিআরসি&amp;apos;র গণশুনানি</title>
<link>https://digibanglatech.news/159775</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159775</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_692538de52601.jpg" length="29196" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 25 Nov 2025 10:04:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ষষ্ঠবারের মতো ২৫ নভেম্বর, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বসছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) গণশুনানি। দেড় বছর পর ফের টেলিকম সেবা নিয়ে  দুর্ভোগ তুলে ধরে অভিযোগ করার পাশাপাশি প্রত্যাশার কথা তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছেন  টেলিসেবা গ্রহিতারা। </p>
<p>দ্বিতীয়বারে মতো ভার্চুয়ালি শুনানিতে যোগ দেয়ার এই সুযোগ পাচ্ছেন তারা। বিদেশী নয় দেশী প্রতিষ্ঠান সিনেসিস আইটি'র তৈরি এআই ভিত্তিক ভার্চুয়াল মিটিং প্লাটফর্ম কনভে-তে বসছে এবারের শুনানি। এরইমধ্যে শুনানিতে অংশ নিতে সবার জন্য উন্মুক্ত একটি লিংক শেয়ার করেছে বিটিআরসি। </p>
<p>মিটিং শুরুর আধাঘণ্টা আগে বিটিআরসি থেকে সরবরাহ করা মিটিং লিংক https://convay.comana/750786779211575 এই লিংকে ক্লিক করে দেখা যায়-  শুুধু নাম লিখে সহজেই যে কেউ যোগ দিতে পারবেন এই শুনানিতে। অবশ্য পিসি থেকে কনভে ওয়েব ব্রাউজারে গিয়ে মিটিং আইডি  7507867792115757 দিয়ে বৈঠকে যোগ দেয়া গেলেও মোবাইল থেকে যোগ দিতে হলে কনভে অ্যাপ সাইনই করতে হবে। </p>
<p>বিটিআরিস সূত্রে প্রকাশ, গণশুনানিতে গ্রাহকরা সরাসরি প্রশ্ন করতে পারবেন। চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারীর সভাপতিত্বে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তখন ওই সমস্যার সমাধান দেবেন। এছাড়া তাদের নতুন কী উদ্যোগ রয়েছে, সেটিও তারা গ্রাহকদের বলবেন। গ্রাহকদের অভিযোগগুলো সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নথিভুক্ত করবেন। পাশাপাশি অভিযোগগুলো প্রতিবেদন আকারে গণমাধ্যমকে জানানো হবে। গ্রাহকদের অভিযোগ সমাধানের জন্য আলাদা মনিটরিং টিম গঠন করবে বিটিআরসি।</p>
<p>প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ টেলিযগোযোগ এ পর্যন্ত পাঁচটি গণশুনানি আয়োজন করেছে। ২০১৬ সালের ২২ নভেম্বর বিটিআরসি ভবনে প্রথম গণশুনানির আয়োজন করা হয়। সেখানে আলোচ্য বিষয় ছিল নিম্নমানের ভয়েস কল ও বায়োমেট্রিক সমস্যা। এরপর ২০১৯, ২০২১, ২০২২ এবং ২০২৪ সালে চারবার গণশুনানি হয়। এতে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, ফোন ব্যবহারকারী, ভোক্তা অধিকার সংস্থা, পেশাজীবী, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, মোবাইল ফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন, বিটিআরসির লাইসেন্সধারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও তাদের অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং সাধারণ ভোক্তারা অংশ নেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ইক</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ছোট আইএসপি&#45;দের জন্য সুসংবাদ</title>
<link>https://digibanglatech.news/159725</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159725</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6923c2a7bba1e.jpg" length="66208" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 24 Nov 2025 08:28:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>২৪ নভেম্বর, সোমবার সাত সকালে দেশের ছোট আইএসপিদের জন্য সুসংবাদ দিলেন প্রধান উপদেষ্টার আইসিটি ও টেলিকম বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তেয়্যব। </p>
<p>নতুন টেলিকম নীতিমাল বিদেশীদের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে বলে যখন অভিযোগ উঠছে তখন নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে খসড়া গাইডলাইনে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনার কথা জানালেন তিনি। </p>
<p>ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বললেন, 'সরকার ছোট ছোট আইএসপিগুলোকে সর্বোচ্চ প্রটেকশন দিবে। আপনারা ধৈর্য্য রাখুন, সরকার আপনাদের সাথে আছে।' </p>
<p>তিনি জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আইএসপিগুলোকে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হিসেবে দেখে। প্রতিষ্ঠানগুলো অধিক কর্মসংস্থান তৈরি করে বলে এফটিএসপি লাইসেন্সে রেভিনিউ শেয়ারিং,সোশ্যাল অবলিগেশন ফান্ড, বড় আইএসপি'র ফ্রাঞ্চাইজি, ট্রিপল প্লে- এই চার বিষয়ের প্রতিটিতে ছোট আইএসপিদের স্বার্থকে যৌক্তিক ভাবে সুরক্ষা দেয়া হবে। </p>
<p>এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে ইন্টারনেট ব্যবসায়ীদের সংগঠন আইএসপিএবি'র জ্যেষ্ঠ সহ সভাপতি সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক বলেন, বছর তিনেক আগেই জেলা পর্যায়ের আইএসপিরা নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে ইনভেস্ট করেছে। এখন তাদের সেবার ক্ষেত্র ছোট হয়ে গেলে তারা ঝড়ে পড়ত। নতুন গাইড লাইনে নতুন ডিস্ট্রিক এফটিএসপিদের সুযোগ নিশ্চিত করে তা দ্রুত বাস্তবায়ন করলে দেশের টেলিকম খাত দ্রুত টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম হবে।  একইসঙ্গে প্রান্তিক পর্যায়ে নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।     <br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এফএম/আইএইচ</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title> &amp;apos;দুর্বৃত্তপনা&amp;apos; থেকে টেলিকমকে বাঁচাতে পুরনো লাইসেন্স পলিসিতে ফিরে যাবার সুযোগ নেই </title>
<link>https://digibanglatech.news/159670</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159670</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202412/image_870x580_6773b52837e08.jpg" length="150456" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 22 Nov 2025 13:28:08 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>৭ স্তরে লাইসেন্স দিয়ে ৬ স্তরকেই একটি কোম্পানির হস্তগত করেছিলো বৈষম্যের দায়ে জনরোষে পদচ্যুত বিগত সরকার। এমন ‌'দুর্বৃত্তপনা' থেকে টেলিকমকে বাঁচাতে নতুন লাইসেন্স পলিসির বিকল্প নেই বলে মনে সাফ জানিয়ে দিলেন প্রধান উপদেষ্টার আইসিটি ও টেলিকম বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।</p>
<p>২২ নভেম্বর, শনিবার নিজের ফেসবুক পেজে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। তার ভাষায়, ডিজিটাল ইকোনোমির ভিত্তি সম্প্রসারিত করতে ২৬ প্রকারের লাইসেন্স ব্যবস্থা বন্ধ করে সহজ ও কনভার্জ লাইসেন্সের বিকল্প নাই।  দেশীয় বাস্তবতা এবং মনোপলি মাথায় রেখে নতুন টেলিকম লাইসেন্সে আমরা সবাইকে সব কিছু করার কনভার্জেন্সে যাইনি। তথাপি ৪ স্তরের লাইসেন্স এই খাতে প্রতিযোগিতা বাড়াবে এবং প্রতিটি স্তরের অপারেটিং স্কোপ বাড়বে। <br>  <br>ফেসবুকে প্রকাশিত পোস্টে তিনি লিখেছেন, অকার্যকর, টেলিযোগাযোগ সেবাখাত বিকাশের অন্তরায় এবং মাফিয়াতান্ত্রিক লাইসেন্স রেজিমকে স্ক্র্যাপ করতে নতুন টেলিকম লাইসেন্স বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। 'টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক অ্যান্ড লাইসেন্সিং ২০২৫’ পলিসি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে। এর মাধ্যমে আওয়ামীলীগের দেয়া বৈধ ও অবৈধ তিন হাজারের বেশি  লাইসেন্সকে রিভিউয়ের আওতায় আনা যাবে।</p>
<p>এতে 'নতুন লাইসেন্স গুলোর ফি-চার্জ, রেভেনিউ শেয়ারিং এর যে গাইডলাইনটি প্রকাশিত হয়েছে সেটা ড্রাফট, এটা অংশীজন ও অর্থনীতিবিদদের সাথে আরও আলাপ আলোচনা করেই চূড়ান্ত করা হবে। নতুন লাইসেন্স পলিসিতে ইন্টারনেটের দাম বাড়ে এমন কোন পদক্ষেপ নেয়া হবে না' বলেও যুক্ত করেন তিনি।  </p>
<p>এছাড়াও নতুন পলিসিতে দেশীয় উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগ আকর্ষণের সুযোগ তুলে ধরে তিনি লিখেছেন- এনটিটিএন লাইসেন্সধারীদের ৩৫ শতাংশ, আইসিএসপিদের ৫১ শতাংশ এবং এমএনওদের ১৫ শতাংশ শেয়ার জেভি বা শেয়ার আকারে বা অন্য কোনোভাবে দেশীয়দের অনুকূলে ছাড়তে হচ্ছে। পাশাপাশি দেশীয়রা চাইলেইশতভাগ মালিকানা রাখতে পারবেন। এই বাইরেও প্রাইভেট ফাইভজি, এমভিএনও ব্যাবসা উন্মুক্ত করা হয়েছে। দেশীয় উদ্যোক্তারা চাইলে এই দুই খাতে নতুন বিনিয়োগ করতে পারবেন।  মোটকথা নতুন পলিসিতে টেকনোলোজি ব্লক রাখা হয়নি। তাই ভুল জায়গায়  বিনিয়োগ না করে, নতুন ধারার টেলিকমিউনিকেশন প্রযুক্তিতে এবং নতুর ধারার সেবা খাতে বিনিয়োগের আহবান করা হচ্ছে।</p>
<p>পুরোনো লাইসেন্স কাঠামোর ত্রুটি উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, পুরানো লাইসেন্স অ্যাকসেস টু ইন্টারনেট, এক্সেস টি ডিভাইস এবং এক্সেস টু ফাইবার- এই তিনের কোনোটাই নিশ্চিত করতে পারেনি। বাংলাদেশের ঘরে ঘরে, ব্যাবসা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানে ফাইবার পৌঁছেনি, মোবাইল টাওয়ারে ফাইবার (২২% মাত্র) সেভাবে পৌঁছেনি। যেহেতু ফাইবার নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ হয়নি, তাই ডেটা ব্যবহারের ভলিউম ভারতের তুলনায় পার ক্যাপিটা হিসেবে ৫০ ভাগের এক ভাগেই রয়ে গেছে। </p>
<p>তিনি আরও লিখেছেন, পুরানো লাইসেন্স পলিসিতে টেলিযোগাযোগ এখনও কানেকশনে থেকে গেছে, এই ইন্ডাস্ট্রিকে কানেকশন থেকে ডিজিটাল সার্ভিস বেইজে রুপান্তর করতে হবে। এখনো টেলিকমের প্রডাক্ট মোবাইল ফোনের বান্ডেল এবং আইএসপির প্যাকেজ নির্ভর। কিন্তু এখানে এডটেক, হেলথটেক, এগ্রিটেক, ফিনটেক, লজিস্টিক্স টেক সহ অপরাপর স্টার্টাপ ভিত্তিক ডিজিটাল সেবা পণ্য আসেনি।  </p>
<p>পোস্টে বিগত সময়ে প্রাপ্ত লাইসেন্সধারীদের সেবা মান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী। তিনি লিখেছেন, আইএসপি কিংবা মোবাইল ইন্টারনেট, এনটিটিএন কিংবা আইআইজি কোথাও কোয়ালিটি অফ সার্ভিস (QoS) ভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা এবং ডিজিটাল সেবার সূচনা হয়নি। বাংলাদেশে এখনও সিকিউর ইন্টারনেটের ধারণা আসেনি। অধিকাংশ আইএসপি এবং মোবাইল ফোন অপারেটরের ইন্টারনেট সেবা অনিরাপদ।  কোনো হার্ডওয়্যার সিকিউরিটি মডিউল, প্যাম, সফ্‌টওয়্যার, ফায়ারওয়াল নেই। এভাবে ব্যাবসাটা এগিয়েছে অনিরাপদভাবে।   </p>
<p>সেই যুক্তিতে ‌'নতুন পলিসির মাধ্যমে লাইসেন্সিংয়ের ক্ষেত্রে স্তরায়ন কমিয়ে আনা হবে যাতে মধ্যস্বত্বভোগী কমবে এবং প্রতিযোগিতামূলক সেবা নিশ্চিত হবে। এতে সরকারের রাজস্ব না কমিয়েও গ্রাহকদেরকে সুলভ মূল্যে সেবা দেওয়া সম্ভব হবে'- যোগ করেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।</p>
<p>তিনি উল্লেখ করেছেন- 'আগের লাইসেন্স পলিসিতে মাত্র কয়েক কোটি বিনিয়োগ করে টোল কালেক্ট করার সুযোগ রাখা ছিল, ফলে বেশ কিছু কোম্পানি রেন্ট-সিক করেছে, যেখানে ৯০ শতাংশ রেভিনিউ শেয়ারিং করলেও তাদের কোন লস হতো না, সেখানে ৪৫-৫০ শতাংশ রেভেনিউ শেয়ারিং করে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে।  এসব মধ্যস্বত্বভোগী লাইসেন্স বাদ দেয়া হয়েছে নতুন লাইসেন্সিং পলিসিতে।'</p>
<p>'একদিকে শুল্ক কাঠামো সহনীয় করার রাজস্ব চ্যালেঞ্জ আছে। অন্যদিকে অতিমাত্রায় হায়ারার্কিক্যাল মধ্যস্বত্বভোগী না করতে পারায় ইন্টারনেটের দাম প্রত্যাশা অনুযায়ী কমানো যায়নি। তবে নতুন প্রকাশিত কোয়ালিটি অফ সার্ভিস রিপোর্ট অনুযায়ী ইন্টারনেট স্পিড ও মান বেড়েছে।' </p>
<p> নতুন পলিসিতে পুরানো বিনিয়োগকারীদের নতুন লাইসেন্স দেওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে এবং তারা নতুন বিনিয়োগ নিয়ে ব্যাবসা করবেন আশ্বাস দিয়ে তিনি লিখেছেন, একদিকে আইজিডব্লিউ ও আইসিএক্স-এর মতো লাইসেন্স গুলোর আবেদন ফুরিয়ে গেছে। অন্যদিকে এসব সুইচ ও যন্ত্রপাতিরও অ্যান্ড অফ লাইফ সাইকেল শেষের দিকে। তাই এখানে ভুল বিনিয়োগ না করে নতুন প্রযুক্তিতে নতুন বিনিয়োগই শ্রেয়।'   <br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমজেইউ/মুইম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>২ ঘণ্টায় বাংলালিংকে ১ কোটি ২২ লাখ মিনিট ফ্রি কল</title>
<link>https://digibanglatech.news/159658</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159658</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_692098a103809.jpg" length="147016" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 21 Nov 2025 22:52:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>২১ নভেম্বর, শুক্রবার স্মরণকালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপেছে ঢাকা। সেই দুর্যোগে ২ ঘণ্টার ফ্রি কল টাইমে স্বজনদের বিনা পয়সায় খোঁজ-খবর নেয়ার সময় পেলেন কমলা অপারেটর বাংলাংলিকের মোট চার কোটি গ্রাহকের ৩৩ লাখ গ্রাহক। </p>
<p>এ সময় একটি নম্বর থেকে গড়ে চার মিনিট করে কথা বলেছেন তারা। বাংলালিংক থেকে এই সময়ে মোট কল হয়ে এক কোটি ২২ লাখ মিনিট।</p>
<p>এমনই ফ্রি কল করা বাড্ডার রিক্সা চালক রহিম শেখ জানালেন, ফোনে দুই মিনিট কথা বলার টাকা ছিলো। তা দিয়েই দুপুরে পুরোন ঢাকায় থাকায় কাজ করা ভাতিজার খোঁজ নিতে ফোন করি। কিন্তু ৫ মিনিট কল করার পরও কাটেনি। কাটার পর দেখি, কোনো টাকাই কাটেনি। পরে জানলাম ফ্রি কল দিছিলো। খুবই ভালো লাগলো। </p>
<p>ছুটির দিনে এতো দ্রুত এমন সিদ্ধান্ত কীভাবে নেয়া হলো জানতে চাইলে বাংলালিংক এর চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বললেন, আজকের ভূমিকম্পটি খুবই ভয়াবহ এবং তীব্র ছিল।  যদিও আজকে ছুটির দিন ছিলো, ভূমিকম্পের সাথে সাথেই বাংলালিংক লিডারশিপ টিম এবং এর বিজনেস কন্টিনিউটি অ্যান্ড ক্রাইসিস টিমের সকল সদস্য নেটওয়ার্কের অবস্থা এবং আমাদের কর্মীদের নিরাপত্তা জানার জন্য একত্রিত হন। সেখানে আমরা এই সময়ে আমাদের গ্রাহকদের কীভাবে সাহায্য করতে পারি তা নিয়েও চিন্তাভাবনা করি এবং আমাদের সকল গ্রাহকদের তাদের আত্মীয়স্বজনদের সাথে যোগাযোগ করতে সাহায্য করার জন্য ২ ঘন্টা বিনামূল্যে কল করার সিদ্ধান্ত নিয়ে আসি। আমরা এই সময়ে ৩৩ লক্ষ গ্রাহককে কল করতে দেখেছি। আমরা আশা করি এটি তাদের প্রিয়জনদের সাথে যোগাযোগ করতে সাহায্য করেছে।</p>
<p>এর আগে ভূমিকম্পে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধ-বান্ধব ও পরিজনদের সঙ্গে নির্বিঘ্নে যোগাযোগের জন্য অফিসিয়াল সোশ্যাল হ্যান্ডেলে বিশেষ অফার ঘোষণা করে মোবাইল ফোন অপারেটর বাংলালিংক। অপারেটরটির দুপুর ১২টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত আউটগোয়িং কল ফ্রি করে দেয়। খুদে বার্তা পাঠানো হয় গ্রাহকের নম্বরে। <br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ</strong></span></em></p>
<p></p>
<p><br> </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিআরইউকে ২ লাখ টাকা অনুদান দিলো টিআরএনবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/159645</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159645</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6920579e3d7aa.jpg" length="86722" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 21 Nov 2025 17:14:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিকে (ডিআরইউ) ২ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছে টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (টিআরএনবি)। চলতি বছর ডিআরইউর ৫ জন সদস্য মারা গেছেন। তাদের অনুদান প্রদানে এই সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেন টিআরএনবি নেতৃবৃন্দ।</p>
<p>২১ নভেম্বর, শুক্রবার ডিআরইউ কার্যালয়ে নেতৃবৃন্দের কাছে এই চেক হস্তান্তর করেন টিআরএনবি নেতৃবৃন্দ। </p>
<p>এসময় ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, অর্থ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, টিআরএনবি সভাপতি সমীর কুমার দে, সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবিন, অর্থ সম্পাদক ফারুক হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আল আমীন দেওয়ান, ডিআরইউ'র নারী বিষয়ক সম্পাদক রোজিনা রোজী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মিজান চৌধুরী, কার্যনির্বাহী সদস্য জুনায়েদ শিশির, আমিনুল হক ভূইয়াসহ ডিআরইউ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ায় টিআরএনবির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল। তিনি বলেন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি দেশের পেশাদার সাংবাদিকদের সবচেয়ে বড় সংগঠন। ডিআরইউ সবসময় সাংবাদিকদের পাশে থাকে। আমরা আশা করি, ভবিষ্যতেও টিআরএনবি ডিআরইউ'র পাশে থাকবে।</p>
<p>টিআরএনবি সভাপতি সমীর কুমার দে বলেন, দেশের পেশাদার সাংবাদিকদের সবচেয়ে বড় সংগঠন ডিআরইউ সবসময় সাংবাদিকদের জন্য বিভিন্ন কল্যাণমূলক কাজ করে থাকে। এবং আমাদের মৃত সদস্য পরিবারকে আর্থিক অনুদান, শিক্ষাবৃত্তিসহ নানাবিধভাবে পাশে থাকে।</p>
<p>টিআরএনবি সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবিন বলেন, ডিআরইউ তাদের মৃত সদস্যদের অনুদান প্রদান করে এটা একটি মহৎ কাজ। ভবিষ্যতেও টিআরএনবি ডিআরইউ'র পাশে থাকবে বলে ঘোষণা দেন তিনি।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/মুইম </strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আপনজনের খোঁজখবর নিতে ২ ঘণ্টা ফ্রি কথা বলার সুযোগ দিল বাংলালিংক</title>
<link>https://digibanglatech.news/159643</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159643</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_68111224c55d5.jpg" length="39488" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 21 Nov 2025 12:28:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এ ঘটনায় আপনজনের খোঁজখবর নিতে যেকোনো লোকাল নম্বরে ২ ঘণ্টা ফ্রি কথা বলার সুযোগ দিয়েছে মোবাইল অপারেটর বাংলালিংক। ২১ নভেম্বর, শুক্রবার দুপুরে এক ফেসবুক পোস্টে প্রতিষ্ঠানটি এ তথ্য জানিয়েছে।</p>
<p>এতে বলা হয়, ‘আশা করি ভূমিকম্প থেকে সবাই নিরাপদে আছেন। আপনজনের খোঁজখবর নিতে আজ দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত যেকোনো লোকাল নম্বরে ফ্রি কথা বলুন। আপনার জন্যেই আমরা-বাংলালিংক।’</p>
<p>প্রতিষ্ঠানটির এমন উদ্যোগে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নেটিজেনরা। ফেসবুক পোস্টের কমেন্টে কমন্টে কেউ বলছেন, ‘ধন্যবাদ বাংলালিংককে এমন উদ্যোগ নেয়ার জন্য।’ আবার কেউ বলছেন, ‘থ্যাংকস বাংলালিংক। দুর্যোগে এভাবে এগিয়ে আসার জন্য। দয়া করে কেউ বাংলালিংকের এমন মহানুভবতার সুযোগটিকে অপব্যবহার করবেন না।’</p>
<p>এর আগে সকালে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদফতরের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শুক্রবার ১০টা ৩৮ মিনিট ২৬ সেকেন্ডে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল নরসিংদীর মাধবদী। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৭। এটি মধ্যম মাত্রার ভূমিকম্প।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ইক</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নেক্সট জেনারেশন স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা দিতে বিএসসিএল’র সঙ্গে চুক্তি করলো গ্রামীণফোন </title>
<link>https://digibanglatech.news/159577</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159577</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_691dafdb31e29.jpg" length="86773" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 19 Nov 2025 13:53:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ফাইবার বিচ্ছিন্নতা কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগে গ্রামীণ এলাকায় নেটওয়ার্ক বিভ্রাট নতুন কিছু নয়। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নির্ভরযোগ্য ব্যাকআপ লিঙ্ক হিসেবে কর্পোরেট গ্রাহকদের স্টারলিংকের নেক্সট জেনারেশন স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা দিতে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিএল) সাথে চুক্তি করেছে মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন। </p>
<p>১৯ নভেম্বর বুধবার এই চুক্তির কথা প্রকাশ করা হয়। রাজধানীর বসুন্ধরার জিপিহাউসে সম্প্রতি এ বিষয়ক চুক্তিতে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান এবং বিএসসিএলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও ড. মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।</p>
<p>এ সময় গ্রামীণফোনের চিফ বিজনেস অফিসার ড. আসিফ নাইমুর রশীদ, বিএসসিএলের জেনারেল ম্যানেজার (অ্যাডমিন অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট) মো. গোলাম সারোয়ার, জেনারেল ম্যানেজার (সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং) শাহ আহমেদুল কবিরসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>চুক্তি বিষয়ে গ্রামীণফোনের চিফ বিজনেস অফিসার ড. আসিফ নাইমুর রশীদ বলেন,  স্টারলিংকের উন্নত স্যাটেলাইট প্রযুক্তির মাধ্যমে বি-টু-বি স্টেকহোল্ডাররা বিশেষ করে দূরবর্তী জ্বালানি ক্ষেত্র, উপকূলীয় বা সীমান্তবর্তী এলাকায় কার্যক্রম পরিচালনাকারীরা উপকৃত হবেন। সার্বক্ষণিক সংযুক্ত থাকার মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এবং ভবিষ্যৎ-উপযোগী সেবা উপভোগ করতে পারবেন তারা।”</p>
<p>বিএসসিএলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও ড. মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান বলেন, “এই চুক্তির মাধ্যমে আমরা একসাথে বাংলাদেশের ডিজিটাল অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করতে চাই, যাতে ভৌগোলিক চ্যালেঞ্জপূর্ণ এলাকাতেও গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের জন্য নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ নিশ্চিত করা যায়।”<br><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/বিএস/মুইম</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত বিটিআরসি উপ&#45;পরিচালক নিপু</title>
<link>https://digibanglatech.news/159561</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159561</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14pt; color: rgb(186, 55, 42);&quot;&gt;&lt;strong&gt;দুর্নীতি প্রমাণে বিটিআরসি’র প্রথম চাকরিচ্যুতি&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x_68b1bcac3eee1.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 19 Nov 2025 00:09:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাময়িক থেকে স্থায়ী বরখাস্ত হলেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) প্রশাসন বিভাগের উপ-পরিচালক আমজাদ হোসেন নিপু। আর সাবেক চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমদের এই ব্যক্তিগত সচিবের (পিএস) স্থায়ী বরখাস্তের মাধ্যমে বিটিআরসি-তে নতুন ইতিহাস রচিত হলো। তার স্থায়ী বরখাস্তের মাধ্যমে বিটিআরসি প্রতিষ্ঠার রজতজয়ন্তীর আগে প্রশাসনিক শুদ্ধতার পথে দৃঢ় অবস্থান জানান দিলেন বর্তমান চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোঃ এমদাদ উল বারী (অব.)। </p>
<p>তবে এই বরখাস্তের আগে প্রায় ১৫ মাস ধরে অস্থায়ী বরখাস্ত অবস্থায় নিজেকে দোষ মুক্ত করার সুযোগ পেয়েছেন ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে বিটিআরসিতে নিয়োগ প্রাপ্ত সদ্য সাবেক এই কর্মী। তার সঙ্গে একই সময়ে (১১ আগস্ট ২০২৪) সালে  ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশন্স (ইঅ্যান্ডও) বিভাগের উপ-পরিচালক মাহদী আহমেদও সাময়িক বরখাস্ত হয়েছিলেন। </p>
<p>তবে সবশেষ কমিশনের ৩০০তম বৈঠকে মোঃ আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে আনীত গুরুতর অসদাচরণ ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে স্থায়ীভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত পাকাপোক্ত হয়। এরপর ১১ নভেম্বর পত্রপাঠ স্থায়ী বরখাস্তের চিঠি পাঠিয়ে দেয়া হয় দোষী সাব্যস্ত হওয়া কর্মকর্তার কুমিল্লার লাকসামের ঠিকানায়।</p>
<h1 class="post-title"><a href="https://digibanglatech.news/156976" target="_blank" rel="noopener">স্থায়ী বরখাস্ত হচ্ছেন বিটিআরসির উপ-পরিচালক আমজাদ</a></h1>
<p>স্থায়ী বরখাস্তের ওই অফিস আদেশে জানানো হয়, বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমে বিটিআরসি–তে “অসাধু সিন্ডিকেটে” জড়িত থাকার তথ্য প্রকাশ, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হয়রানি এবং প্রশাসনিক বৈষম্যসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে ১১ আগস্ট ২০২৪ তারিখে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।</p>
<p>পরবর্তীতে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ ও বিটিআরসি চাকরি প্রবিধানমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়। অভিযোগনামার জবাব, ব্যক্তিগত শুনানী এবং তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হয়।</p>
<p>তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে ২৯৮তম কমিশন সভায় তার বিরুদ্ধে ‘চাকরি হতে বরখাস্ত’ সূচক গুরুদণ্ড প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয় বিটিআরসি। এ বিষয়ে দ্বিতীয়বার কারণ দর্শানোর সুযোগ দেওয়া হলেও প্রদত্ত জবাব কমিশন সন্তোষজনক মনে করেনি।</p>
<p>অতঃপর ৩০০তম কমিশন সভায় সর্বশেষ সিদ্ধান্তে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে বহাল রেখে তাকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এবং বিটিআরসি চাকরি প্রবিধানমালা, ২০২২ অনুযায়ী স্থায়ীভাবে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।</p>
<p>স্থায়ী বরখাস্তের সাতটি যুক্তি উল্লেখ করে বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোঃ এমদাদ উল বারী (অব.) স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে—জনস্বার্থে এই বরখাস্তাদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।</p>
<p>আদেশটি সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর, তদন্ত নথি এবং অভিযুক্ত কর্মকর্তার নিজস্ব ঠিকানায় প্রেরণ করা হয় এবং কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। </p>
<p>এরআগে গত বছরের ১১ আগস্ট কমিশনের প্রায় শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী  আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করে জানান, চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সচিব (পিএস) আমজাদ হোসেন ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে বিটিআরসিতে নিয়োগ পান এবং পরবর্তীতে বিটিআরসিতেও ব্যাপক দলীয়করণ এবং অনিয়ম ও দুর্নীতি করেন। এসব কাজে তাদের বিশ্বস্ত সহযোগী ছিলেন চেয়ারম্যানের নিয়ন্ত্রণাধীন ইঅ্যান্ডও বিভাগের উপ-পরিচালক মাহদী আহমেদ। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ওই দিনই কমিশনের প্রশাসন বিভাগের পরিচালক আফতাব মো. রাশেদুল ওয়াদুদ স্বাক্ষরিত অফিস আদেশ দুটিতে বলা হয়, উক্ত কর্মকর্তার (আমজাদ ও মাহদী) বিরুদ্ধে বিভিন্ন জাতীয় ও অনলাইন পত্রিকায় অসাধু সিডিকেটে জড়িত থেকে দুর্নীতি করেছেন মর্মে অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ায় এবং কর্মচারীরা বিভিন্ন সময়ে নিপীড়ন ও নিষ্পেষনের প্রেক্ষিতে তাকে বিটিআরসি চাকরি প্রবিধিমালা ২০২২ বিধি-৪৮ ও ৫৪ ধারা এবং সরকারি চাকরি (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ৩ (খ), (ঘ), (ই) ও বিধি-১২ (১) অনুযায়ী কমিশনের চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো। আমজাদ স্থায়ীভাবে বরখাস্ত হলেও মাহদীর। </p>
<p>প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) ১৬ এপ্রিল, ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১ (২০০১ সালের আইন নং ১৮) এর অধীনে একটি স্বাধীন কমিশন হিসেবে গঠিত হলেও পরবর্তীতে মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থায় পরিণত হয়। এমন কাঠামোতেই এমন কঠোর কঠীন সিদ্ধান্ত এবারই প্রথম। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলালিংকের নতুন সিএমও কাজী মাহবুব হাসান</title>
<link>https://digibanglatech.news/159537</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159537</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_691c5097da033.jpg" length="35533" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 18 Nov 2025 12:55:37 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আর ভেঞ্চার্স পিএলসি’র প্রতিষ্ঠাতা সিইও কাজী মাহবুব হাসানকে নতুন চিফ মার্কেটিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় উদ্ভাবনী ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। </p>
<p>টেলিযোগাযোগ, প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক খাতে বিভিন্ন নেতৃত্বস্থানীয় দায়িত্বে দুই দশকের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিযোগিতামূলক বাজারগুলোতে রূপান্তরমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জন, ডিজিটাল উদ্ভাবনে নেতৃত্ব দেওয়া এবং গ্রাহককেন্দ্রিক কৌশল বাস্তবায়নে বাংলাংলিকে অভিজ্ঞতা লব্ধ কৌশল কাজে লাগাবেন মাহবুব হাসান।</p>
<p>সর্বশেষ আর ভেঞ্চার্স পিএলসি’র প্রতিষ্ঠাতা সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালনের আগে রবি আজিয়াটার সিআইও হিসেবে তিনি অপারেটরটির আইসিটি, আইওটি, সাইবার নিরাপত্তা এবং বড় মাপের প্রযুক্তিগত রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। </p>
<p>এর আগে তিনি দিল্লিভেরি, গ্রামীণফোন, ডেলয়েট ইউকে ও আইবিএম ইউকে -তে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে কর্মরত ছিলেন। ডয়চে টেলিকম ও ইউনিলিভারের মতো বৈশ্বিক ক্লায়েন্টদের ডিজিটাল রূপান্তর ও প্রবৃদ্ধিকেন্দ্রিক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নেও কাজী মাহবুব হাসান উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন।</p>
<p>অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ সম্পন্ন করা কাজী মাহবুব হাসান একজন ফেলো চার্টার্ড সার্টিফায়েড অ্যাকাউন্ট্যান্ট এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র প্রাক্তন শিক্ষার্থী।</p>
<p>নিয়োগ প্রসঙ্গে কাজী মাহবুব হাসান বলেন, “দেশের শীর্ষস্থানীয় উদ্ভাবনী ডিজিটাল অপারেটরের অংশ হিসেবে কাজ করার মানে হচ্ছে, মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার সুযোগ তৈরি হওয়া। আমি এমন ব্র্যান্ড গড়ে তুলতে চাই, যারা মানুষের প্রয়োজন বোঝে, তাদের কথা শোনে এবং সহানুভুতির সাথে সহজ ও কার্যকর সমাধান নিশিচত করে। যাত্রার শুরু থেকেই বাংলালিংক এর গ্রাহকদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আসছে। নতুন দায়িত্বে আমার লক্ষ্য প্রতিটি সেবার অভিজ্ঞতাকে আরও উন্নত করা; যেন প্রতিটি কানেকশন শুধুমাত্র মানুষকে একে অপরের সাথে যুক্তই করবে না; পাশাপাশি, সত্যিকার অর্থেই তাদের জীবনকে সমৃদ্ধ করবে।”</p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/এমআর/ইক</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রশিক্ষণ ল্যাব গড়ছে আইএসপিএবি; এসওএফ থেকে সহযোগিতা চায় বিডিনগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/159429</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159429</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_69188a9713fe4.jpg" length="118295" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 15 Nov 2025 17:14:19 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের ইন্টারনেটকে সুরক্ষিত ও সুবিস্তৃত করতে নেটওয়ার্ক প্রকৌশলীদের পেশাদার প্রশিক্ষণের জন্য বনানীস্থ স্থায়ী অফিসে একটি কারিগরি প্রশিক্ষণ ল্যাব স্থাপন এবং সেখানে পরিবর্তীত প্রযুক্তির হালনাগাদ ও ফ্রন্টিয়ার প্রযুক্তি বিষয়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালাতে সরকারের বিটিআরসি ও বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইন্টারনেট সেবদাতাদের বণিক সংগঠনটি। আর বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক কমিশনের কাছে থাকা এসওএফ ফান্ড থেকে ছোট একটা অংশ দিলে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সহজতর হবে বলে আবেদন করেছে বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক অপারেটরস গ্রুপ (বিডিনগ)। </p>
<p>বিডিনগ এর আয়োজনে সিলেটের গ্র্যান্ড সিলেট হোটেল ও রিসোর্টে চার দিনব্যাপী ‘বিডিনগ-২০ সম্মেলন ও কর্মশালা’র সম্মেলনের সমাপনীতে এই প্রস্তাব করা হয়। সম্মেলনে তিনটি গ্রুপে অংশ নেয়া ৯০ প্রশিক্ষণার্থী ও ফেলো সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মোট ২৫০ জন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের টেকনিক্যাল কর্মকর্তা ও নেটওয়ার্ক প্রকৌশলীরা অংশ নেন। </p>
<p>অনুষ্ঠানে বিডিনগের সভাপতি রাশেদ আমিন বিদ্যুত এবং ফখরুল আলম পাপ্পুকে ইসি চেয়ার হিসেবে ঘোষণা করেন সাধারণ সম্পাদক বরকতুল আলম বিপ্লব। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাইফুল ইসলাম। </p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিটিআরসির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শফিউল আলম পারভেজ বলেছেন, সম্প্রতি দেশ ডিডস আক্রমণের শিকার হলে আপনাদের প্রচেষ্টাতেই তা মোকাবেলা করা সম্ভব হয়েছে। তাই আমাদের পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বেস্ট প্রাক্টিসটাকে নিশ্চিত করতে হবে। ডিজিটাল বিভাজন কমিয়ে আনতে হলে একে অপরকে সহযোগিতা করতে হবে। তা না হলে এই খাত পিছিয়ে পড়তে হবে। এই জন্য আইএসপি-তে নতুন ভ্যালু অ্যাড করে নতুন নতুন সেবা আনতে হবে। </p>
<p>বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্যে আয়োজন সহযোগী বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন বিপিসি'র ড. মোঃ রাজ্জাকুল ইসলাম বলেন, দেশের ইন্টারনেট  সেবাকে নিরাপদ ও সচল রাখায় প্রকৌশলীদের দক্ষতা উন্নয়নের কাজটি সরকারের দায়িত্ব। কিন্তু বিডিনগ দক্ষিণ এশিয়ায় পাইওনিয়ার হয়ে শতপ্রতিকূলতার মধ্যে এই কাজটি করায় আমি তাদের ধন্যবাদ জানাই। </p>
<p>তিনি আরো বলেন, দেশের ১৬-১৭টি জেলায় ভূমিন্ত্রণালয়ের ডিজিটালইজেশনের পাইলটিং করেছে পার্শ্ববর্তী একটি দিশের কোম্পানি করলেও তাদের সেবা আমাদের মোটেই বোধগম্য হচ্ছিল না। কে সার্ভিস দিচ্ছে, কোথায় কি করছে সে বিষয়ে তারা আমাদের তা জানায় না। তাই তারা যখন আমাদের সঙ্গে বোঝাড়া না হওয়ায় চলে গেলো; তখন প্রযুক্তিও তাদের সঙ্গে নিয়ে গেলো। তাই আমরা এখন সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এখন কোনো বিদেশী কোম্পানিকে এখানে দেবো না। ইতিমধ্যেই আমাদের দেশের কোম্পানিগুলো ৬ কোটির মতো খতিয়ান অনলাইনে আপ করা হয়েছে। এখন মোবাইলেই খতিয়ান দেখা যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে দুই বার সিকিউরিটি নিয়ে আমাদের বিব্রত হতে হয়েছে। তাই আমরা আশা করি, সাইবার সুরক্ষায় আমাদের বাজার চাহিদা বুঝে প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন করতে হবে; এতে করে আমরা যেনো স্বনির্ভর হতে পারি। আমি অনুরোধ করবো, আপনারা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নতক শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দিন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কলাবেরেশন করেন।    </p>
<p>আইএসপিএবি সভাপতি আমিনুল হাকিম, ইন্টারনেট সেবা এখন নলেজ বেজড ইন্ডাস্ট্রিতে ট্রেনিংয়ের বিকল্প নেই। আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে এখন এআই ভিত্তিক মনিটরিং ও ক্লাউড কম্পিউটিংসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে। তাই এই টেকনলোজিকে পলিসি সাপোর্টেড হতে হবে। তাই বিডিনগকে অনুরোধ করবো নতুন টেলিকম অ্যাক্ট ও ডাটা সুরক্ষা আইন বিষয়ে আপনাদের অবজারভেশন পলিসি মেকারদের জানাবেন। আমি মনে করি এটাও নগের একটি বিশেষ কাজ।  <br> <br>অপরদিকে আইএসপিএবি মহাসচিব নাজমুল করিম ভূঁঞা জানান, বিডিনগ এর মাধ্যমে প্রতিবছর ১২০০ থেকে ১৫০০ প্রকৌশলী তৈরি করি। নিয়মিত প্রশিক্ষণ নিয়ে তার এপ্রিকট সহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে চাকরি করে। তিনি বলেন, এখন মধ্যপ্রাচ্যের বাজারের প্রায় সকল ইঞ্জিনিয়ারই আমাদের দেশের। বিডিনগ ট্রাস্টিরাই এটা করে থাকেন। নতুন নতুন প্রযুক্তি ও সাইবার সুরক্ষায় আমরা সারা বছর প্রকৌশলীদের প্রশিক্ষণ দিতে আইএসপিএবি'র ৮ম তলায় একটি প্রশিক্ষণ সেন্টার স্থাপন করছি। এটি তৈরি হলে প্রতি মাসেই এই প্রশিক্ষণ দিতে পারবো। তাই আমরা আশা করবো বিপিসি বা বিটিআরসি এই ট্রেনিং সেন্টার করতে আমাদের সহায়তা করবেন।   </p>
<p>সমাপনীতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিডিনগ ট্রাস্টি চেয়ার সুমন আহমেদ সাবির বলেন, ইন্টারনেটের রূপান্তরের কারণে নেটওয়ার্ক অপারেশনের পাশাপাশি এবার কোবারনেটিস ডিপ্লয়মেন্ট নিয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়ছে। নতুন ধরণের ডাটা ফ্লো নিয়ে চিন্তা করতে হচ্ছে। নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছি। শেখার জায়গায় এখন পরিবর্তন আনতে হবে। রোআ ডিপ্লয়মেন্ট বাংলাদেশ ভালো করলেও এর ভ্যালুয়েশন হচ্ছে না। এটা করা হলে নেটওয়ার্কের অনেক ধরনের অ্যাবনরমাল সমস্যা মোকাবেলা করা সম্ভব হবে। </p>
<p>এর আগে বিডিনগ ২০ ফেলো হিসেবে গবেষণা পত্র উপস্থাপন করেন বিটিসিএল এর মিথি আক্তার, ফাইবার অ্যাট হোমের তাসনুফা জেরিন মৌ,সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাহাদী হাসান টুটুল, বাংলট্র্যাক কমিউনিকেশন এর সৈয়্যদ আব্দুর রহিম, আম্বার আইটি’র নূর ই আলম শেহাব, আইএফআইসি ব্যাংকের মেহেদী আল আমিন, ব্র্যাক ব্যাংক এর সাইফুল হাসান শান্ত ও সোল-বিডি’র সাদ আহনাফ।  <br><em><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/ইক</strong></em></p>
<h1 class="post-title"><a href="https://digibanglatech.news/159345" target="_blank" rel="noopener">সিলেটে বিডিনগ কর্মশালায় প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন ৯০ প্রকৌশলী</a></h1>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে বিএসসিপিএলসি’র আয় বেড়েছে ২৫কোটি ৬৯ লাখ টাকা</title>
<link>https://digibanglatech.news/159383</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159383</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_6811a2e384f5f.jpg" length="45173" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 13 Nov 2025 20:04:10 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আগের বছরের চেয়ে চলতি অর্থ বছরের প্রথম প্রান্তিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত রাষ্ট্রীয় টেলিকম প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস কোম্পানির (বিএসসিপিএলসি) আয় বেড়েছে ২৫কোটি ৬৯ লাখ টাকা। </p>
<p>১৩ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সচিবালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ ভবনের সম্মেলন কক্ষে বিকেলে অনুষ্ঠিত ২৪৭তম বোর্ড সভায় উপস্থাপিত আর্থিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। </p>
<p>আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া এই প্রান্তিকে বিএসসিপিএলসি মোট আয় করেছে ১২২কোটি  ৫৮ লাখ টাকা। কর পরবর্তী নিট মুনাফা করেছে ৬৮৫ কোটি ৮২ লাখ টাকা। এই মুনাফাও গত অর্থবছরের একই প্রান্তিকের চেয়ে দেড়গুণ বেড়েছে। </p>
<p>একইসঙ্গে সম্পদ মূল্য বেড়েছে ৬৮ কোটি ৬২ লাখ ১০ হাজার টাকা। শেয়ার প্রতি দর বেড়েছে ৩ টাকা ৬৭ পয়সা।</p>
<p>প্রতিবেদন মূল্যায়নে দেখা যায়, বিএসসিপিএলসি’র ডিলিউটেড আর্নিংস পার শেয়ার হিসাবের ক্ষেত্রে ২,০২,৯৮,১৪৪টি সম্ভাব্য শেয়ার বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। ২০২১-২২, ২০২২-২৩, ২০২৩-৪ এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যথাক্রমে ২৪.৯৬ কোটি, ৬১.২৮ কোটি, ৩৩.০০ কোটি এবং ৩৩.০০ কোটি টাকা সরকারের পক্ষ থেকে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল সম্প্রসারণের জন্য প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ইকুইটি হিসেবে প্রদান করা হয়। এই ইকুইটি বিনিয়োগের শেয়ার ইস্যু মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি শেয়ারে ৭৫ টাকা (মূ্ল্যমান ১০ টাকা ও প্রিমিয়াম ৬৫ টাকা)। বিষয়টি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের পূর্বানুমোদনের ভিত্তিতে সম্পন্ন হয়েছে।</p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/আইএইচ</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃত্রিমউপগ্রহে খাগড়াছড়ির স্কুলগুলোতে চলবে ই&#45;লার্নিং</title>
<link>https://digibanglatech.news/159313</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159313</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_69140e68763eb.jpg" length="105051" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 12 Nov 2025 00:35:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>খাগড়াছড়ির পাহাড়ি অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য ডিজিটাল শিক্ষার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল) এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ এর মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ চুক্তির মাধ্যমে স্টারলিংক ইন্টারনেটের সাহায্যে খাগড়াছড়ি জেলার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ধাপে ধাপে ই-লার্নিং সিস্টেম চালু করা হবে।</p>
<p>খাগড়াছড়ির জেলা সার্কিট হাউজে ১১ নভেম্বর, মঙ্গলবার এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।  এই উদ্যোগের ফলে পাহাড়ি অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা নিরবচ্ছিন্ন ও উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে অনলাইন ক্লাস, ডিজিটাল কনটেন্ট এবং ভার্চুয়াল শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। ফলে ভৌগোলিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও দূরবর্তী এলাকার শিক্ষার্থীরাও মূলধারার শিক্ষায় যুক্ত হতে পারবে।</p>
<p>বিএসসিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। বিএসসিএল-এর মহাব্যবস্থাপক (বিক্রয় ও বিপণন) শাহ আহমেদুল কবির, ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপক হামেদ হাসান মুহাম্মদ মহিউদ্দীন ও জেলা পরিষদের বিভিন্ন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে ড. মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান বলেন, সরকার পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার প্রসারে বরাবরই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এর মাধ্যমে সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের এক নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। পাহাড়ি অঞ্চলের শিক্ষাক্ষেত্রে এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে গেল। প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার ঘটিয়ে সরকার দক্ষ জনগোষ্ঠী গঠনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।</p>
<p><em><strong>বিডিটেক/জেইউ/ইক</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নতুন টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশ নিয়ে বিটিসিএল&#45;এ অংশীজন সভা অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/159291</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159291</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_69135e848ad41.jpg" length="86760" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 11 Nov 2025 20:03:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p> “বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশ ২০২৫” বিষয়ে রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেনে অবস্থিত টেলিযোগাযোগ ভবনের বিটিসিএল সভাকক্ষে অংশীজন সভা করলো ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। ১১ নভেম্বর (মঙ্গলবার) অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p><span lang="EN">সভায়</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">প্রতিনিধিত্ব</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">করেছে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ডাক</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ও</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">টেলিযোগাযোগ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বিভাগ</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">বাংলাদেশ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">টেলিযোগাযোগ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">নিয়ন্ত্রণ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">কমিশন</span><span lang="EN"> (</span><span lang="EN">বিটিআরসি</span><span lang="EN">), </span><span lang="EN">বাংলাদেশ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সাবমেরিন</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ক্যাবল</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">কোম্পানি</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">বাংলাদেশ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">টেলিযোগাযোগ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">কোম্পানি</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">লিমিটেড</span><span lang="EN"> (</span><span lang="EN">বিটিসিএল</span><span lang="EN">), </span><span lang="EN">টেলিফোন</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">শিল্প</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সংস্থা</span><span lang="EN"> (</span><span lang="EN">টিএসএস</span><span lang="EN">), </span><span lang="EN">গ্রামীণফোন</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">বাংলালিংক</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ও</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">টেলিটক</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বাংলাদেশ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">লিমিটেডসহ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">অন্যান্য</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">অপারেটর</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">সামিট</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">কমিউনিকেশন</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">বাহন</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">লিমিটেড</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">ফাইবার</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">অ্যাট</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">হোম</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">ই</span><span lang="EN">-</span><span lang="EN">ডট</span><span lang="EN">-</span><span lang="EN">কো</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">ক্যাপিটাল</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ল</span><span lang="EN">’ </span><span lang="EN">চেম্বার</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">টেক</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">কোম্পানি</span><span lang="EN"> ‘</span><span lang="EN">শিখো</span><span lang="EN">’</span><span lang="EN">সহ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">নানান</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">পক্ষ</span><span lang="EN">।</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">এছাড়াও</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বিশিষ্ট</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">নাগরিক</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ও</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বিশেষজ্ঞ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">প্রতিনিধিবৃন্দ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">উপস্থিত</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ছিলেন</span><span lang="EN">।</span><span lang="EN"><o:p></o:p></span></p>
<p><span lang="EN">সভায়</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">খসড়া</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সংশোধনী</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">অধ্যাদেশটির</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">প্রণয়ন</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">প্রক্রিয়া</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">বিষয়বস্তু</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ও</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">লক্ষ্য</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সবিস্তারে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">তুলে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ধরা</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">হয়</span><span lang="EN">।</span><span lang="EN"> এসময় </span><span lang="EN">বিশেষ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সহকারী</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বলেন</span><span lang="EN">, “</span><span lang="EN">এই</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সংশোধনী</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">প্রণয়নে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">একাধিক</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ধাপে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">আলোচনা</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">খসড়া</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">প্রস্তুতি</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">এবং</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">পুনঃলিখনের</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">প্রক্রিয়া</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সম্পন্ন</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">হয়েছে</span><span lang="EN">; </span><span lang="EN">প্রায়</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">প্রতিটি</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সংশোধনী</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ধারা</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">চার</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">থেকে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">পাঁচবার</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">পুনর্লিখিত</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">হয়েছে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">যাতে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">আইনটি</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সময়োপযোগী</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">সুশাসনভিত্তিক</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">এবং</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">প্রযুক্তিগতভাবে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">যথার্থ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">হয়</span><span lang="EN">।</span><span lang="EN">”</span><span lang="EN"><o:p></o:p></span></p>
<p><span lang="EN">উপস্থাপিত</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">খসড়ার</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">মধ্যে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">উল্লেখযোগ্য</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">কিছু</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বিষয়</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">হচ্ছে</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">কমিশনের</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">জবাবদিহিতার</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">লক্ষ্যে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">মন্ত্রিপরিষদ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সচিবের</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">নেতৃত্বে</span><span lang="EN"> “</span><span lang="EN">স্বচ্ছতা</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ও</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">জবাবদিহিতা</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">নিশ্চিতকরণ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">কমিটি</span><span lang="EN">” </span><span lang="EN">গঠন</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">জাতীয়</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">পর্যায়ে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">গুরুত্বপূর্ণ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">লাইসেন্সসমূহের</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">অনুমোদনে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">রাজনৈতিক</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">চাপ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ও</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">প্রশাসনিক</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">দায়ভার</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সমস্যা</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সমাধানে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">৫</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">মন্ত্রীর</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সমন্বয়ে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">গঠিত</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বিশেষ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">কমিটি</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">প্রস্তাব</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">লাইসেন্স</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">প্রাপ্তির</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সময়</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">উল্লেখযোগ্যভাবে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">হ্রাস</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">কমিশন</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ও</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সরকারের</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ক্ষমতার</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ভারসাম্যকরণ</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">ট্যারিফ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">নির্ধারণ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">প্রক্রিয়া</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সহজীকরণ</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">সালিশি</span><span lang="EN"> (Arbitration) </span><span lang="EN">ব্যবস্থার</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">প্রবর্তন</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">গণশুনানীর</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বিধানের</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বিস্তৃতিকরণ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ও</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বাধ্যতামূলক</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">স্বচ্ছতা</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">আনয়ন</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">জরিমানা</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ও</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">অর্থদণ্ডের</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">যৌক্তিকীকরণ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">এবং</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সর্বাধিক</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">আলোচিত</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">৯৭</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ধারার</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">পুনঃসংজ্ঞায়ন</span><span lang="EN">।</span><span lang="EN"><o:p></o:p></span></p>
<p><span lang="EN">প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশেষ সহকারী বলেন, প্রস্তাবিত এই অধ্যাদেশে ইন্টারনেট বন্ধের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপসহ বিদ্যমান আইন ও নীতিতে বেশ কিছু মৌলিক ও যুগোপযোগী পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগখাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নাগরিক অধিকারের সুরক্ষা আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে অধ্যাদেশে সংযোজন বিয়োজনের সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। </span></p>
<p><span lang="EN">অংশীজনরাও</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ইন্টারনেট</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বন্ধ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ও</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সীমিতকরণকে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">নিষিদ্ধ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">করাকে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সাধুবাদ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">জানান</span><span lang="EN">।</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">এছাড়াও</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">দায়বদ্ধতা</span><span lang="EN">-</span><span lang="EN">নির্ভর</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ইন্টারসেপশন</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">কাঠামো</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">এবং</span><span lang="EN"> CLIP (Central Lawful Interception Platform) </span><span lang="EN">সম্পর্কিত</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ধারাগুলোকে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সমন্বিতভাবে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">স্বাগত</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">জানান</span><span lang="EN">। আলোচনায় এসওএফ ফান্ডে ১ শতাংশ রেভিনিউ শেয়ার ঐচ্ছিক করে যে দেবে সে তহবিল থেকে টাকা পেতে পারবে; আর যে দেবে না সে পাবে না এমন প্রস্তাব রাখা হয়। এছাড়াও এফটিএসপি ও জেলা এফটিএসপি লাইসেন্স প্রক্রিয়া সহজীকরণের অংশ হিসেবে ‘</span><span lang="EN">জাতীয়গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স’ থেকে বাইরে রখার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে বৈঠকে।  </span><span lang="EN">মোবাইল</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">নেটওয়ার্ক</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">অপারেটর</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">প্রতিনিধিরা</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">তাদের</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সহিত</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">প্ল্যাটফর্মের</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সংযোগের</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ব্যাপারে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">কিছু</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">মতামত</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">উপস্থাপন</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">করেন</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">এবং</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বলেন</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">নতুন</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">কাঠামো</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">আইনানুগ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">তদারকি</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ও</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">দায়বদ্ধতা</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">নিশ্চিত</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">করবে</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">ফলে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">অপারেটরদের</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">উপর</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">চাপ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">কমবে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">এবং</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">নাগরিক</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">অধিকার</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">ব্যক্তিগত</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">উপাত্ত</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সুরক্ষা</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ও</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">রাষ্ট্রীয়</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">নিরাপত্তা</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">সকল</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">দিকেই</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ভারসাম্য</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">নিশ্চিতকরণ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সম্ভব</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">হবে</span><span lang="EN">।</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN"><o:p></o:p></span></p>
<p><span lang="EN">পাশাপাশি গাইডলাইনে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সালিশি</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">প্রক্রিয়া</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সংযোজনকে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">অংশীজনরা</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বিশেষভাবে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">প্রশংসা</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">করেন</span><span lang="EN">।</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">এর</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ফলে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বিটিআরসি</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ও</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">অপারেটরদের</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">মধ্যকার</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">নিরীক্ষা</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ও</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">আর্থিক</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বিরোধ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">নির্দিষ্ট</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সময়ের</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">মধ্যে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">নিষ্পত্তি</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">করা</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সম্ভব</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">হবে</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">যা</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বাণিজ্যিক</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">স্থিতিশীলতা</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ও</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বিনিয়োগের</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">আস্থা</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বৃদ্ধি</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">করবে</span><span lang="EN">।</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">অংশীজনের</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">মতামত</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">পর্যালোচনা</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">করে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">খসড়া</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">হালনাগাদ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">করার</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">কথা</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বলেন</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">প্রধান</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">উপদেষ্টার</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বিশেষ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সহকারী</span><span lang="EN">।</span><span lang="EN"><o:p></o:p></span></p>
<p><span lang="EN">সভার</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সমাপনীতে</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">প্রধান</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">উপদেষ্টার</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বিশেষ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সহকারী</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বলেন</span><span lang="EN">, “</span><span lang="EN">অংশীজনদের</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">মতামত</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">এই</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">খাতের</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বাস্তব</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">চ্যালেঞ্জ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ও</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">প্রয়োজনকে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">প্রতিফলিত</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">করে</span><span lang="EN">।</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সরকারের</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">লক্ষ্য</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">একটি</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ভারসাম্যপূর্ণ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ও</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">আধুনিক</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">টেলিযোগাযোগ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">আইন</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">তৈরি</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">করা</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">যা</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বিনিয়োগ</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">উদ্ভাবন</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">দায়বদ্ধতা</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ও</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">নাগরিক</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সুরক্ষা</span><span lang="EN">, </span><span lang="EN">সবকিছুর</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সমন্বয়</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ঘটাবে</span><span lang="EN">।</span><span lang="EN">”</span><span lang="EN"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="line-height: normal; margin: 12.0pt 0in 12.0pt 0in;"><span lang="EN">সংশোধন</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">অধ্যাদেশ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সম্পর্কিত</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বিস্তারিত</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ও</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">লিখিত</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">মতামত</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">১৫</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">নভেম্বরের</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">মাঝে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN"><a href="mailto:secretary@ptd.gov.bd">secretary@ptd.gov.bd</a></span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ই</span><span lang="EN">-</span><span lang="EN">মেইলে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">পাঠানোর</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">জন্যে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">অনুরোধ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">জানান</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বিশেষ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সহকারী</span><span lang="EN">।</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সভায়</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">গৃহীত</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">মতামত</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ও</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">প্রস্তাবনাসমূহ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">পর্যালোচনা</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">করে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">চূড়ান্ত</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সংশোধনী</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">অধ্যাদেশে</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">অন্তর্ভূক্ত</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">করার</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">আশ্বাস</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">দেন</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ডাক</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ও</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">টেলিযোগাযোগ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বিভাগের</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">প্রতিনিধি</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ও</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">সংশ্লিষ্ট</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বিশেষজ্ঞ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">দল</span><span lang="EN">।</span><span lang="EN" style="font-family: 'Bahnschrift Light',sans-serif;"><o:p></o:p></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিটিআরসিতে মোবাইল আমদানিকারকদের বৈঠক</title>
<link>https://digibanglatech.news/159271</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159271</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6912cd8489854.jpg" length="67014" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 11 Nov 2025 00:45:59 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>এনইআইআর বাস্তবায়নের  আগে বহুপক্ষীয় সভার অংশ হিসেবে আন-অফিসিয়াল স্মার্টফোন বিক্রয়কারী ব্যবসায়ীদের সাথে সভা করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। সংস্থার স্পেকট্রাম বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমিনুল হকের নেতৃত্বে বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের একটি দল ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠক করেন। </p>
<p>রাজধানীর আগারগাঁওস্থ বিটিআরসি কার্যালয়ে ১০ নভেম্বর, সোমবার, অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক এই সভায় মোবাইল বিজনেস কমিউনিটির সভাপতি ও গ্যাজেট অরবিটের স্বত্ত্বাধিকারী মোহাম্মদ আসলাম, সাধারণ সম্পাদক ও সুমাসটেকের স্বত্ত্বাধিকারী আবু সাঈদ পিয়াস, সিনিয়র সহসভাপতি ও মোল্লা টেলিকমের স্বত্ত্বাধিকারী শামীম মোল্লা এবং মোতালেব প্লাজা শাখার সহসভাপতি ও অনিক টেলিকমের স্বত্ত্বাধিকারী মোহাম্মদ পিন্টুসহ অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ী প্রতিনিধি সভায় অংশ নেন। </p>
<p>অন্যদিকে কমিশনের স্পেকট্রাম  বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমিনুল হকের নেতৃত্বে পরিচালক নূরন্নবী, উপপরিচালক মেহফুজ বিন খালেদ ও আহসানুল হাবীব মিথুনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>সূত্রমতে, এক ঘণ্টারও কিছু বেশি সময় ধরে চলা সভায় পাঁচ দফা দাবি জানায় ব্যবসায়ীরা। বৈঠকে সকল মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীই প্রযোজ্য শুল্ক পরিশোধ করে মোবাইল ফোন আমদানি করতে পারবেন এবং উৎপাদনকারী ব্র্যান্ড লিখিতভাবে অঙ্গীকার দেবে যে, ভবিষ্যতে মোবাইল ফোন আমদানিতে কোনো বাধা সৃষ্টি করবে না প্রতিশ্রুতি চাওয়া হয়।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x_6912de90daa1e.jpg" alt=""></p>
<p>বৈঠকে ব্যবসায়ীদের পক্ষে দাবি করা হয়, স্মার্টফোন আমদানির পর ‘বিল অফ এন্ট্রি’ জমা দিলে আমদানিকৃত স্মার্টফোনের ‘আইএমইআই’ নম্বর ‘সাদা’ তালিকাভুক্ত করবে বিটিআরসি। এই দুই ক্ষেত্রে কোনো সিন্ডিকেটের অনুমতির প্রয়োজন হবে না। মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান নিজেদের খুচরা বিক্রয় (কোনো এক্সক্লুসিভ শপ) ব্যবসায়ে নিজেরা প্রবেশ করবে না এবং খুচরা বিক্রেতাদের ভবিষ্যৎ নষ্ট  হয় এমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করবে না। অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সমস্যার কারণে গত কয়েক বছরে সঠিকভাবে ব্যবসা পরিচালনা বিঘ্নিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় কোনো হ্যান্ডসেট ব্ল্যাকলিস্ট করার ক্ষেত্রে এক বছরের সময়সীমা (গ্রেস পিরিয়ড) দেওয়া এবং মোবাইল ফোন উৎপাদকদের বৈষম্যমূলুক দর নির্ধারণে পরিবর্তন করার।</p>
<p>তবে এসব দাবিে বিষয়ে কোনো ইতিবাচক সাড়া মেলেনি বলে জানিয়েছেন মোবাইল বিজনেন কমিউনিটির সভাপতি মোঃ আসলাম। তিনি জানান, শিগগিরই তারা বিষয়টি নিয়ে এনবিআর এর সঙ্গে বৈঠক করবেন।  </p>
<p>মো. আসলাম বলেন, সরকার যে ট্যাক্স কাঠামো চালু করেছে, তা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পক্ষে টিকে থাকা অসম্ভব করে তুলছে। নতুন এই নীতি চালু হলে আমাদের পথে বসতে হবে। ২০১৭ সাল থেকে বিদেশি কিছু কম্পানি দেশে অ্যাসেম্বলিংয়ের মাধ্যমে ফোন তৈরি করছে, ফলে তারা খুব কম ট্যাক্সে বাজারে পণ্য বিক্রি করতে পারছেন। কিন্তু যারা বিদেশ থেকে ব্র্যান্ডেড ফোন, যেমন আইফোন বৈধভাবে আমদানি করে বিক্রি করেন, তাঁদের ৫৭ শতাংশ পর্যন্ত অস্বাভাবিক ট্যাক্স দিতে হচ্ছে। ফলে দুই লাখ টাকার ফোন ট্যাক্সসহ দাঁড়াচ্ছে প্রায় তিন লাখ ১৪ হাজার টাকা।</p>
<p>বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশের সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম বলেন, সরকার যে ট্যাক্স কাঠামো চালু করেছে, তা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পক্ষে টিকে থাকা অসম্ভব করে তুলছে। নতুন এই নীতি চালু হলে আমাদের পথে বসতে হবে। ২০১৭ সাল থেকে বিদেশি কিছু কম্পানি দেশে অ্যাসেম্বলিংয়ের মাধ্যমে ফোন তৈরি করছে, ফলে তারা খুব কম ট্যাক্সে বাজারে পণ্য বিক্রি করতে পারছেন। কিন্তু যারা বিদেশ থেকে ব্র্যান্ডেড ফোন, যেমন আইফোন বৈধভাবে আমদানি করে বিক্রি করেন, তাঁদের ৫৭ শতাংশ পর্যন্ত অস্বাভাবিক ট্যাক্স দিতে হচ্ছে। ফলে দুই লাখ টাকার ফোন ট্যাক্সসহ দাঁড়াচ্ছে প্রায় তিন লাখ ১৪ হাজার টাকা।</p>
<p>ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন, এনইআইআর সিস্টেম চালু হলে দেশের মোবাইল ফোন বাজারে মাত্র ৮ থেকে ১০টি কম্পানি একচেটিয়া ব্যবসার সুযোগ পাবে। এই কম্পানিগুলোর নিজস্ব সার্ভিস সেন্টার রয়েছে, ফলে তারা সহজেই বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। কিন্তু দেশের ৯৫ শতাংশ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী- যারা এই খাতের মূল চালিকাশক্তি, তারা এক ধাক্কায় ব্যবসা হারাবেন। দেশে মোবাইল ফোন আমদানিতে ৫৭ শতাংশ পর্যন্ত অস্বাভাবিক শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।</p>
<p>আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে স্মার্টফোন তথা মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার ঘোষণা দিয়েছে বিটিআরসি। ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার বা এনইআইআর নামক এই ব্যবস্থায় দেশে অনানুষ্ঠানিকভাবে স্মার্টফোন আমদানি ও বিক্রি বন্ধ করতে চায় সংস্থাটি। </p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/প্রবা/ইক</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এনইআইআর বাস্তবায়নে হ্যান্ডসেট আমদানি ও উৎপাদন পর্যায়ে শুল্ক হ্রাসের প্রস্তাব দিয়েছে বিটিআরসি</title>
<link>https://digibanglatech.news/159224</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159224</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_69110e59e87f7.jpg" length="102002" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 10 Nov 2025 00:00:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশে অবৈধভাবে আমদানি ও বিক্রিত মোবাইল ফোন শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণে আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে চালু হতে যাওয়া ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) চালুর পাশাপাশি মোবাইল ফোন আমদানি এবং উৎপাদন পর্যায়ে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশের আমদানি শুল্ক কমাতে উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। সমন্বিত এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে অবৈধ মোবাইল বাণিজ্য রোধ, রাজস্ব সংরক্ষণ এবং নিরাপদ নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বাজারে স্থিত সব হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের আওতায় এনে বৈধতা দেয়ার পথে হাঁটছে বলে জানিয়েছে কমিশন।</p>
<p>সূত্রমতে, বর্তমানে দেশের স্মার্টফোন উৎপাদনের হার প্রায় ৬৩ শতাংশ। বাকি অংশ আমদানি নির্ভর। তবে আমদানিকৃত ফোনের ওপর আরোপিত ভ্যাট ও শুল্ক বেশি হওয়ায় স্থানীয় উৎপাদকরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন। এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে উৎপাদিত ও আমদানিকৃত ফোনের ওপর কর কাঠামো যৌক্তিকভাবে পুনর্বিবেচনা করার লিখিত প্রস্তাব দিয়েছে  বিটিআরসি। চিঠিতে মোবাইল ফোন উৎপাদনে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ (PCB/PCBA)-এর ওপর কর ছাড়ের ব্যবস্থাও বিবেচনায় আনার সুপারিশ করা হয়েছে। বর্তমানে বিদেশ থেকে আমদানিকৃত মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেটের আমদানি শুল্ক ৫৮.৬ শতাংশকে নামানোর প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। </p>
<p>বিটিআরসির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের প্রায় ৩৭ শতাংশ মানুষ স্মার্টফোন ব্যবহার করেন না। ফলে তারা মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় থেকেও ইন্টারনেট ব্যবহারে পিছিয়ে আছেন। অন্যদিকে, দেশে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে আমদানি করা মোবাইল হ্যান্ডসেট বাজারে বিক্রি হচ্ছে, যার কারণে সরকার বছরে প্রায় ২,০০০ কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। এনইআইআর চালু হলে শুধুমাত্র বৈধভাবে উৎপাদিত ও আমদানি করা মোবাইল ফোনই নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা যাবে, অবৈধ ফোনগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।</p>
<p>এনইআইআর মূলত একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেইস সিস্টেম, যেখানে দেশের বৈধ সব মোবাইল ফোনের আইএমইআই (আইএমআই) নম্বর নিবন্ধিত থাকবে। যে কোনো ফোন নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার আগে তার আইএমইআই এই ডাটাবেইজের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। এতে অবৈধভাবে আমদানি, ক্লোন বা নকল মোবাইল ফোন শনাক্ত হয়ে যাবে এবং তা নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারবে না। বিটিআরসি জানিয়েছে, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে মোবাইল চুরি, প্রতারণা ও অর্থনৈতিক জালিয়াতির ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।</p>
<p>বিটিআরসি আরও জানিয়েছে, এনইআইআর চালুর আগে দেশের বাজারে থাকা অনুমোদনহীন হ্যান্ডসেটগুলোর তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। এসব ফোনের আইএমইআই নম্বর বিটিআরসির ডাটাবেইজে সংযুক্ত করার সুযোগ রাখা যেতে পারে, যাতে ব্যবসায়ীরা হঠাৎ ক্ষতির মুখে না পড়েন।</p>
<p>সরকারি বিভিন্ন সংস্থার যৌথ প্রচেষ্টায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, বিটিআরসি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এমআইওবি) মধ্যে একাধিক পত্রব্যবহারের পর বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। এনইআইআর চালুর অনুমোদন দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারীর কার্যালয়।</p>
<p>বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যেমন ভারত, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও তুরস্কে এনইআইআর বা অনুরূপ ব্যবস্থা চালু রয়েছে। এসব দেশে এই ব্যবস্থা চালুর পর অবৈধ ফোনের ব্যবহার ৯০ শতাংশেরও বেশি কমে গেছে, সরকারের রাজস্ব বেড়েছে এবং স্থানীয় শিল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশেও একই ফলাফল প্রত্যাশা করা হচ্ছে।</p>
<p>বিটিআরসি মনে করে, এনইআইআর চালু হলে দেশের বৈধ মোবাইল উৎপাদন ও বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। এতে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি ছাড়াও টেলিযোগাযোগ খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হবে এবং ব্যবহারকারীরা নিরাপদ নেটওয়ার্ক সেবা পাবেন। বিটিআরসির মহাপরিচালক মোঃ আমিনুল হক এসইউপি স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, অবৈধ ফোন রোধ, রাজস্ব সুরক্ষা ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে এনইআইআর কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য গত ৪ নভেম্বর সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়ে একটি চিঠি ডাক ও টেলিযোগাযেগা বিভাগে পাঠানো হয়েছে।</p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/জেএইচ/ইহক</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিটিআরসিকে রাবার স্ট্যাম্প প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হচ্ছে?</title>
<link>https://digibanglatech.news/159162</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159162</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_690ee20240878.jpg" length="87885" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 08 Nov 2025 12:18:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>শুরু থেকেই মোবাইল অপারেটরদের হাতে জিম্মি দেশের টেলিকম খাত। ২০০৮ সালে আইডিএলটিএস পলিসি এই খাতের একাধিপত্য ভাঙতে সক্ষম হয়। কিন্তু নতুন খসড়া পলিসি ফের বিদেশী কোম্পানির কাছে জিম্মি হওয়ায় শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। কেননা, আইএসপি'র লাইসেন্স ফি ৫ গুণ বেড়েছে। বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের ওপর ৯০ শতাংশ সুবিধাভোগ করবে বিদেশী অপারেটর। ৮৫ শতাংশ ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশীয় উদ্যোক্তা। ফলে সাধারন গ্রাহক পর্যায়ে দাম বাড়বর ৭৫ শতাংশ। এছাড়াও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্সের ক্ষত্রে ৫জন মন্ত্রীর অধীনে এনে বিটিআরসিকে 'রাবার স্ট্যাম্প' প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হচ্ছে। </p>
<p>দেশীয় উদ্যোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণে কতটা ভূমিকা রাখবে টেলিযোগাযোগ খাতের নতুন নীতি শীর্ষক মতবিনিময়  সভায় উপস্থাপিত কনসেপ্ট পেপার উপস্থাপনে এমন মন্তব্য করা হয়।</p>
<p>৮ ডিসেম্বর, শনিবার রাজধানীর হোটেল হলিডে ইনে অনুষ্ঠিত সভায় এই কনসেপ্ট পেপার উপস্থাপন করেন টিআরএনবি সাবেক সভাপতি রাশেদ মেহেদী। <br>টিআরএনবি সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবিন স্বাগত বক্তব্যে রাজস্ব আয় নয়, শ্রমঘন দেশীয়  উদ্যোক্তাদের স্বার্থ রক্ষার মাধ্যমে প্রযুক্তির স্বনির্ভরতা অর্জনে গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x_690ee2a5368e2.jpg" alt=""></p>
<p>সভায় ইন্টারনেট কয়টি পণ্য প্রশ্ন রাখেন আইএসপিবি সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিম ভূঁইয়া। তিনি বলেন, আমরা, মনে করি ইন্টারনেট মানে ইন্টারনেট হবে। মোবাইল, কৃত্রিম উপগ্রহ- এমন নানা ভাবে ভাগ করতে চাই না। অসম প্রতিযোগিতা আরো বেগবান হবে। তবে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারীর ফেসবুক পোস্টে খসড়া সংশোধনে পরিবর্তনের যে ইঙ্গিত দিয়েছেন তার জন্য সাধুবাদ জানাই।</p>
<p>আইসিএক্স এম নূরুল আলম বলেন, দেশীয় উদ্যোক্তারা যেন বিকশিত হয়, জিডিপি বাড়ে, কর্মসংস্থান হয় সে বিষয়টি পলিসিতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাওয়ার কথা। কিন্তু পলিসিতে রিফর্মে আমাদের কথা রাখা হয়নি।  আমরা বৈষম্যের শিকার। বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ ও উন্মুক্ক প্রতিযোগিতার কথা বলা হলেও এটি নিয়ন্ত্রকের হাত থেকেও বাইরে চলে যাচ্ছে। বড় বিনিয়োগের কাছে ছোটরা টিকে থাকতে পারবে না।</p>
<p>সামিট কমিউনিকেশনের সিটিও কে এম তারিকুজ্জামান, নতুন গাইডলাইনে মোবাইল অপারেটরদের সুরক্ষা দেয়া হয়েছে। নতুন পলিসিতে ট্রান্সলেশন কুক্ষিগত করার পথে যে বাধা ছিলো তার অপমৃত্যু ঘটবে। এটা ২০০৮ পূর্ববর্তী সময়ে ফিরিয়ে নেয়া হবে। </p>
<p>অনুষ্ঠানে কলামিস্ট মাসুদ কামাল, টেলিকম বিশেষজ্ঞ আবু নাজম তানিম হোসেন, আইএসপিএবি সভাপতি আমিনুল হাকিম, বাহন লিমিটেডের সিটিও রাশেদ আমিন বিদ্যুৎ, ফাইবার@হোম ডিএমডি সুমন আহমেদ সাবির, আইজি অপারেটর্স ফোরাম সাধারণ সম্পাদক মুশফিক মাঞ্জুর প্রমুখ উপস্থিত আছেন।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এফটিএসপি খসড়া গাইডলাইনে পরিবর্তনের ইঙ্গিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/159154</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159154</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;span style=&quot;color: rgb(186, 55, 42);&quot;&gt;&lt;strong&gt;ডিডস আক্রমণকারীদের যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_690e9cee440ab.jpg" length="109651" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 07 Nov 2025 19:18:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="post-text mt-4">
<p>দেশের ইন্টারনেট সেবা খাতে ডিডস আক্রমণকারীদের শাস্তির অধীনে এনে নতুন টেলিকম লাইসেন্স নীতিমালায় ছোট আইএসপিদের (ডিস্ট্রিক এফটিএসপি) জন্য প্রস্তাবিত ফি কমানোর সুসংবাদ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। এছাড়াও খসড়ায় থাকা ফিক্সড টেলিকম সার্ভিস প্রোভাইডার্সদের (এফটিএসপি)-দের অধিকার সমুন্বত করারও ‍বিষয়েও প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। </p>
<p>৭ নভেম্বর, শুক্রবার দেয়া ‘আঞ্চলিক আইএসপি বিষয়ে জনসচেতনতামূলক বার্তা’য় ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, নতুন টেলিকম লাইসেন্স নীতিমালা অনুযায়ী, ছোট আইএসপিগুলো বর্তমানের অপারেটিং এরিয়ার পাশাপাশি পুরো জেলায় অপারেট করতে পারবে। অর্থাৎ আমরা তাদের কাজের ক্ষেত্রকে সম্প্রসারণের সুযোগ দিয়েছি। পাশাপাশি আইএসপি নবায়নের ক্ষেত্রে ন্যাশনাল আইএসপি পর্যায়ে লাইসেন্স ফি কিছুটা বাড়িয়ে তা দিয়ে জেলা (উপজেলা সহ) পর্যায়ের লাইসেন্সকে কিছুটা কম্পেন্সেট করার পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হচ্ছি। আমরা পরিকল্পনা নিচ্ছি যাতে জেলা পর্যায়ের লাইসেন্স ফি আরও যুক্তিসংগত করা যায় (দরকারে কিছুটা কমিয়ে)—যাতে প্রান্তিক পর্যায়ের উদ্যোক্তারা টিকে থাকতে পারেন। আমরা আইএসপি-কে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (SME) হিসেবে বিবেচনা করি, তাই তাদের স্বার্থ রক্ষা করা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। </p>
<p>তিনি আরও বলেছেন, সম্প্রতি FTSP মূল্যনীতি ও নেটওয়ার্ক লাইসেন্সিং নিয়ে কিছু সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। আমরা মন্ত্রণালয় হিসেবে বিটিআরসি-কে সম্পূর্ণ সম্মান করি, তাই প্রস্তাবিত FTSP মূল্যনীতি বিষয়ে আমরা এখনই আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করব না। বরং BTRC থেকে ANSP নির্দেশিকা (Guideline) আনুষ্ঠানিকভাবে পাওয়ার পর আমরা সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে নীতিগত অবস্থান চূড়ান্ত করব।  </p>
<p>এ প্রসঙ্গে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) -এর সভাপতি আমিনুল হাকিম বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যবের বক্তব্য আমাদের মধ্যে আশার সঞ্চার  করেছে। আমরা আশা করবো, টেলিকম অপারেটররা যেভাবে আমাদের (FTSP) ডোমেইনে ঢুকে পড়ছেন সেটারও একটা সুরাহা হবে।  আইএসপি শিল্পে যারা বিনিয়োগ করেছেন তাদের বেশির ভাগেরই বয়স ২২-৩০ বছরের মধ্যে। এই শিল্প ৪.৫ লাখ থেকে ৫ লাখ কর্মসংস্থান করেছে। ২০ লাখ ডিপেন্ডেন্ট ( নির্ভরশীল) রয়েছেন।  এসব কিছু বিবেচনায় নিয়ে মোবাইল অপারেটর এবং FTSP (ফিক্সড টেলিকমিউনিকেশন সার্ভিস প্রোভাইডার) এর মধ্যে নতুন নীতিমালা কারণে উদ্ভুত জটিলতা ও সমস্যার আশু সমাধান করা হবে বলে আমরা আশাবাদী।</p>
<p>এদিকে নিজের ফেসবুক পোস্টে দেয়া বার্তায় ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, বাংলাদেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের ক্ষুদ্র ও আঞ্চলিক আইএসপি (ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার) প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবসা থেকে সরিয়ে দেওয়ার একটি সংগঠিত প্রচেষ্টার ব্যাপার আমাদের নজরে এসেছে।</p>
<p>মন্ত্রণালয়ের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, দেশের কিছু বড় আইএসপি বা গোষ্ঠী নিয়মিতভাবে ছোট অপারেটরদের নেটওয়ার্কে ডিডস (Distributed Denial of Service) আক্রমণ চালাচ্ছে। এসব আক্রমণের কারণে অনেক ক্ষুদ্র ইন্টারনেট সেবাদাতা ঘণ্টার পর ঘণ্টা তাদের নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন।</p>
<p> এ ধরনের আক্রমণের লোড অনেক সময় ৫০০ থেকে ৭০০ গিগাবিট পর্যন্ত পৌঁছায়, যা ছোট আইএসপির পক্ষে মোকাবিলা করা প্রায় অসম্ভব। এর ফলে তারা গ্রাহক হারাচ্ছেন, আর বড় কোম্পানিগুলো অন্যায্যভাবে বাজার দখল করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।</p>
<p>ডিডস আক্রমণ হলো এক ধরনের সাইবার হামলা, যার উদ্দেশ্য কোনো ওয়েবসাইট, সার্ভার বা অনলাইন সেবা অচল করে দেওয়া। এতে একজন আক্রমণকারী অসংখ্য কম্পিউটার বা ডিভাইস (যেগুলো আগে থেকেই ভাইরাস বা ম্যালওয়্যারে আক্রান্ত) ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট সার্ভারে একযোগে বিপুল পরিমাণ অনুরোধ পাঠায়।</p>
<p> এর ফলে সার্ভারের ট্রাফিক অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়, সেটি ধীরগতির হয়ে পড়ে, এবং শেষ পর্যন্ত অনেক সময় সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়।</p>
<p>ফয়েজ আহমদ ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘ন্যাশনাল আইএসপি কোম্পানিগুলোর কেউ কেউ নতুন টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্কিং ও লাইসেন্সিং এর ভুল ব্যাখ্যা করে ছোট আইএসপিগুলোর অস্তিত্ব থাকবে না বা এমন ভয় দেখিয়ে একোয়ার (দখল) করার চেষ্টা করছে, এই প্রক্রিয়াটিকে আমরা অপরাধ হিসেবে গণ্য করছি।’</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টার এই বিশেষ সহকারী জানান, নতুন টেলিকম লাইসেন্স নীতিমালায় সুস্পষ্টভাবে বলা আছে যে, ছোট আইএসপিগুলো বর্তমানের অপারেটিং এরিয়ার পাশাপাশি পুরো জেলায় কার্যক্রম চালাতে পারবে। তিনি লিখেছেন, ‘আমরা তাদের কাজের ক্ষেত্রকে সম্প্রসারণের সুযোগ দিয়েছি। পাশাপাশি আইএসপি নবায়নের ক্ষেত্রে ন্যাশনাল আইএসপি পর্যায়ে লাইসেন্স ফি কিছুটা বাড়িয়ে তা দিয়ে জেলা (উপজেলাসহ) পর্যায়ের লাইসেন্সকে কিছুটা কম্পেন্সেট করার পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হচ্ছি।’</p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/জেইউ/ইক</strong></em></p>
<p></p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>তোপের মুখে ‘সিএমএসপি’</title>
<link>https://digibanglatech.news/159139</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159139</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_690cd01abfa37.jpg" length="124859" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 06 Nov 2025 22:39:15 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ারর্কিং অ্যান্ড লাইসেন্সিং নীতিমালা ২০২৫ এর আলোকে তৈরি ৪টি খসড়া গাইডলাইন নিয়ে ৬ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার অংশীজনদের সঙ্গে পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেছে বাংলাদেশে টেলিযোযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। বৈঠকে আইএসপি, আইআইজি, আইজিডব্লিউ, এনটিটিএন, সাবমেরিন কোম্পানি, টাওয়ার কোম্পানি ও মোবাইল অপারেটররা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিষ্ঠান পর্যায়ের প্রতিনিধিরা ছাড়াও আইএসপিএবি এবং এমটব প্রধানরাও যোগ দেন এই বৈঠকে। বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোঃ এমদাদ উল বারীর (অবঃ) সভাপতিত্বে সভায় ভাইস-চেয়ারম্যান মোঃ আবু বকর ছিদ্দিক,স্পেকট্রাম বিভাগের কমিশনার মাহমুদ হোসেন, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড অপারেশন্স বিভাগের কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইকবাল আহমেদ (অবঃ), লিগ্যাল এন্ড লাইসেন্সিং বিভাগের কমিশনার আবদুর রহমান সরদার ছাড়াও প্রতিটি বিভাগের মহাপারিচালকেরা উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>বিটিআরসি ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় একমাত্র মোবাইল অপারেটররা ছাড়া সকল পক্ষই খসড়া নীতিমালার ওপর লিখিত সমালোচনা তুলে ধরেন। এদিন সবার তীর ছিলো মোবাইল অপারেটরদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ- সব সুযোগই উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে চার অপারেটরের জন্য। তিন লেয়ারে দেয়া ৪ রকমের গাইডলাইনে একাধিপত্য পেয়েছে বিদেশী মালিকানার সেবাদাতারা। এছাড়াও ব্যবসায়ীদের সমালাচনায় মাত্রাতিরিক্ত লাইসেন্স ফি নির্ধারণের বিষয় উঠে আসে আলোচনা কেন্দ্র বিন্দুতে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট শতাংশে আয়ের ওপর রেভিনিউ শেয়ার ও সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিলে চাঁদা নেয়ার নীতি ইন্টারনেট সেবাকে ঋণাত্মক হুমকিতে ফেলছে বলে অভিমত ব্যবসায়ীদের। সব মিলিয়ে ভ্যাট-ট্যাক্স; রেভিনিউ শেয়ার আর এসওএফ খড়গে আগামীতে ইন্টারনেটের দাম বাড়ার শঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।  <br> <br>সভায় এমন শঙ্কা প্রকাশের পাশাপাশি নিজেদের দাবিও উপস্থাপন করেছে নতুন লাইসেন্সি তিনটি পক্ষ। পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনে নতুন লাইসেন্সিং নীতিমালায় পরিবর্তীত ফিক্সড টেলিকম সার্ভিস প্রোভাইডারদের (এফটিএসপি) পক্ষে খসড়া নীতিমালায় নিজেদের দাবি উপস্থাপন করেন আইএসপিএবি সভাপতি আমিনুল হাকিম। অপরদিকে এনটিটিএন ও টাওয়ার কোম্পানি লাইসেন্সধারীদের প্রাপ্য ন্যাশনাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড কানেক্টিভিটি সার্ভিস প্রোভাইডারদের (এনআইসিএসপি) পক্ষে বাহন লিমিটেডের সিওও ফরিদ মোহাম্মাদ রাশেদ আমিন বিদ্যুৎ এবং আইআইজি, আইজিডব্লিউ, আইটিসি ও সাবমেরিন ক্যাবল লাইসেন্সকে একীভূত করে সৃষ্ট ইন্টারন্যাশনাল কানেক্টিভিটি সার্ভিস প্রোভাইডারদের (আইসিএসপি) পক্ষে নভোটেল পরিচালক ও ইন্টারক্লাউড লিমিটেডের সিইও মোঃ হাসিবুর রশিদ উপস্থাপনা দেন। </p>
<p>এসময় মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন এমটব মহাসচিব মোহাম্মাদ জুলফিকার উপস্থিত থাকলেও কোন প্রেজেন্টেশন না দেয়ার বিষয়টি বিটিআরসি চেয়ারম্যানের নজরে আনেন আইএসপিএবি চট্রগ্রাম বিভাগের আহ্বায়ক রাজিব শাহরিয়ার রোমেন্স । কৌতুক করে তিনি বলেন, নতুন যে টেলিকম পলিসি ও গাইড লাইন হয়েছে, মোবাইল অপারেটররা যদি এর উপর প্রেজেন্টেশন দিতো, তাহলে একটাই স্লাইড থাকতো " Thank You Very Much"</p>
<p>বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে রবি আজিয়েটা থেকে কোম্পানি সেক্রেটারি শাহেদ আলম; বাংলালিংকের ডেপুটি সিইও জাহরাত আদিব চৌধুরী এবং গ্রামীণফোনের হেড অব টেকনোলজি রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার ইশতিয়াক আহমাদ খান, ইডট কো সিইও  আদলান তাজুদিন, আমেরিকান টাওয়ার কর্পোরেশন সিইও স্টিভেন ভন্ড্রান, ফ্রন্টিয়ার টাওয়ার সার্ভিস ইনকর্পোরেটেড প্রধান জাইমি টিমিয়ান, সামিট কমিউনিকেশন এর পক্ষে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তামজিদ-উল হক চৌধুরী (অব); ফাইবার অ্যাট হোম-এর চিফ অপারেটিং অফিসার হলেন মশিউর রহমান ও  চিফ স্ট্র্যাটেজি অফিসার সুমন আহমেদ সাবির, সাবমেরিন ক্যাবল লিমিটেডের পরিচালক আরিফুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।   </p>
<p>সভায় সবচেয়ে বেশি সরব ছিলেন আইএসপিএবি নেতারা। তারা মোবাইল অপারেটরদের নিজেরাই ফাইবার টেনে ওয়াইফাই সংযোগ দেয়া তথা এফডব্লিএ হিসেবে মোবাইল হটস্পট চালু এবং ফ্রি তরঙ্গ আইএসএম ২.৪; ৫ এবং লোয়ার ৬ এফআইএসপি’র বাইরে কাউকে না দেয়ার প্রস্তাব রাখেন। প্রস্তাবনায় প্রোপাইটার থেকে লিমিটেড ও পাবলিক লিমিটেড হতে ফিস কমানো ও নিয়ম সহজীকরণের বিষয়েও বিটিআরসি’র দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। এসময় আইএসপিএবি সভাপতি আমিনুল হাকিম এসময় বলেন, মোবাইল অপারেটরদের এফডব্লিউ দেয়া হলে গাইডলাইনেরই কোনো দরকার নেই। </p>
<p>আলোচনায় অংশ নিয়ে আইএসপিএবি মহাসচিব নাজমুল করিম ভূঁইয়া বলেছেন, রেভিনিউ ও এসওএফ দিতে গেলে গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেটের দাম বাড়বে। তাই আমরা লাইন্সে থেকে এই শর্ত উঠিয়ে নেয়ার দাবি করেছি। এছাড়াও একটি ওয়ার্ডে ৩টি ইউনিয়নে ৫টি এনটিটিএন যেন পপ স্থাপন করে এবং এই ভৌগলিক সীমাটি ২০ বছরের জন্য লক রাখা হয়।</p>
<p>গাইড লাইনে ৬৫ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগ আনতে পারার শর্তে এনআইসিএসপি লাইসেন্সের সুবিধা পাওয়া এবং মোবাইল অপারেটর হয়েও লাস্টমাইল হিসেবে টাওয়ার, আইবিএস, ড্যাস ও পপে ফাইবার টেনে স্বাধীন ভাবে সংযুক্ত হতে পারার বিষয়টি বৈষম্যমূলক হিসেবে আপত্তি তোলা হয়। উপস্থাপনায় নতুন গাইড লাইনে বর্ণিত সুবিধা অনুযায়ী, মোবাইল অপারেটররা যদি নিজেরাই লাস্টমাইল হিসেবে টাওয়ারগুলোকে ফাইবার দিয়ে সংযুক্ত করে তাহলে ক্রস ওনার হিসেব পরক্ষভাবে এনআইসিএসপি সুবিধা ভোগ করবে। এতে একটি এনটিটি’র একাধিক লাইসেন্স সুবিধা না পাওয়ার শর্তও লঙ্ঘিত হবে। এ নিয়ে রাশেদ আমিন বিদ্যুৎ বলেন, মোবাইল অপারেটরদের জন্য এফডিআই হিসেবে ৬৫ শতাংশ বিনিয়োগ আনাটা কঠিন নয়। আর ক্রস ওনার হওয়ার এই সুযোগটা শুধু সিএমএসপি গাইড লাইনেই রয়েছে। বাড়তি এই সুযোগ পেলে সেলুলার মোবাইল সার্ভিস অপারেটররাই (সিএমএসপি) বাজার দখলে নেবে। এখানে আর কারো লাইসেন্সেরই ভ্যালু থাকবে না। প্রতিযোগিতা থাকবে না। </p>
<p>অপরদিকে আইসিএসপি নির্দেশিকায় এই লাইসেন্সটি দুইটি ভাগে ভাগ করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। সাবমেরিনকে একটা ক্যাটাগরিতে রেখে অপর লাইসেন্সিদের ফ্যসিলিটি বেজড এবং ফ্যাসিলিটি লেসড হিসেবে লাইসেন্সিং কাঠামো পূণর্বিবেচনার কথা বলা হয়েছে। </p>
<p>সভায় এনটিটিএনদের পক্ষে ‘ইন্টারনেট যেহেতু একটা সেবাপণ্য, সেহেতু একটি স্তর থেকেই ভ্যাট-ট্যাক্স নেয়া হোক’ বলে দাবি করেন  মশিউর রহমান। তার সঙ্গে সুর মিলিয়েসুমন আহমেদ সাবির বলেন, বিটিআরসি-কে যদি এতো লাইসেন্স ফি ও ভ্যাট ট্যাক্স দিতে হয় তাহলে বিটিআরসি-কে রেভিনিউ কালেক্টর হওয়া উচিত।</p>
<p>তবে এই পরামর্শ নাকচ করে দিয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী সাফ জানিয়ে দেন ‘বিটিআরসি রেভিনিউ কালেক্টর হতে পারে না।’। বৈঠক সূত্রে প্রকাশ, ক্ষুদ্র দেশীয় উদ্যোক্তারা পথে বসে এমন কোনো বিষয় গাইডলাইনে রাখবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান। মোবাইল অপারেটরদের এফডাব্লিউ সুবিধার বিষয়টি পূণর্বিবেচনা করে মোবাইলের সঙ্গে ফিক্সড অপারেটরদের এর আলাদা রেড মার্ক করে দেবেন বলে জানিয়েছেন। এনটিটিএন এর পপ থেকে লাস্ট মাইলে ফাইবার টানার সুবিধা পেতে যাচ্ছে প্রান্তিক পর্যায়ের ইন্টারনেট সেবাদাতারা। একইসঙ্গে ডিস্ট্রিক এফটিএসপিরা এফটিএসপি’র মাধ্যমে ইন্টারনেট নির্ভর সব সেবা দিতে পারবে এবং একবছর পর যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে এফটিএসপি হতে পারবে এমন সিদ্ধান্তও আসতে যাচ্ছে। </p>
<p>সভায় তিন পক্ষ থেকে আসা তীর্যক কোনো মন্তব্য নিয়ে কথা বলেনি মোবাইল অপারেটরদের প্রতিনিধিরা। তারা সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে আন্তার্জাতিক প্রাক্টিস ও স্বাধীনতা প্রত্যাশা করেছে বিটিআরসি’র কাছে। সকাল ১১টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় অংশীজন সভাটি। এরপর লাইসেন্স গাইডলাইন নিয়ে বহুপক্ষীয় সভা করবে বিটিআরসি। </p>
<p>এদিকে খসড়া গাইডলাইনের বিষয়ে মতামত, সময়সীমা ও সুপারিশ আগামী ৯ নভেম্বর বেলা ১২টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। নির্দিষ্ট ছকে <a href="mailto:cmsp@btrc.gov.bd" target="_blank" rel="noopener">cmsp@btrc.gov.bd</a>, <a href="mailto:ftsp@btrc.gov.bd" target="_blank" rel="noopener">ftsp@btrc.gov.bd</a>, <a href="mailto:ftsp@btrc.gov.bd" target="_blank" rel="noopener">nicsp@btrc.gov.bd</a> &amp; <a href="mailto:ftsp@btrc.gov.bd" target="_blank" rel="noopener">icsp@btrc.gov.bd</a> ঠিকানায় যে কেউ মতামত পাঠাতে পাড়বেন। </p>
<p><em>ডিবিটেক/আইএইচ/ইক</em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গ্রাহকদের জন্য মানসম্পন্ন সংযোগ ও তরঙ্গের সুষম বণ্টনে গুরত্বারোপ করেছেন  ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব</title>
<link>https://digibanglatech.news/159100</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159100</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_690b5c905b2f0.jpg" length="93680" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 05 Nov 2025 16:18:10 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>গ্রামীণ এলাকায় ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ড নেটওয়ার্ক কভারেজ বিস্তৃত করা, নেটওয়ার্ক জ্যাম কমিয়ে আনা এবং দেশের সকল টেলিকম অপারেটরের জন্য সমান সুযোগ সুবিধা নিশ্চিতে কৌশলগত পরিকল্পনার ওপরও জোর দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। একইসঙ্গে  সত্যিকার অর্থেই কানেক্টেড ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল সোসাইটি গড়ে তোলার লক্ষ্য অর্জনে  অপারেটরদের প্রতি সাব-১ গিগাহার্টজ লো ব্যান্ড স্পেক্ট্রামের সর্বোত্তম বরাদ্দ প্রক্রিয়া ও সমতাপূর্ণ বন্টনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি। </p>
<p>গুলশানে বাংলালিংকের প্রধান কার্যালয় টাইগার ডেনসহ অপারেটরটির নিজস্ব নেটওয়ার্ক ব্যাস্থাপনা সেন্টার পরিদর্শন শেষে বৈঠকে এ বিষয়ে আলোকপাত করেন বিশেষ সহকারী।  গত ২ নভেম্বর, রবিবার এই পরিদর্শন হয়েছে বলে জানাগেছে। পরিদর্শনকালে  বাংলাংলিংকের লাইভ টাইম নেটওয়ার্ক মনিটরিং সেন্টারটি অপারেটরটির গ্রাহকদের  নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী কানেক্টিভিটি সেবা উপভোগ করতে পারবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রকৌশলী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। </p>
<p>এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ৫ নভেম্বর, বুধবার বাংলালিংক কর্তৃপক্ষ জানিয়ছে, আলোচনায় গ্রাহক-কেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠান বাংলালিংক উন্নত সংযোগ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর বিভিন্ন উদ্ভাবন নিয়ে কীভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং গ্রাহকদের ডিজিটাল ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির অগ্রযাত্রাকে তরান্বিত করছে তা তুলে উঠে আসে।</p>
<p>বাংলালিংকের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এ সময় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কোয়ালিটি অব সার্ভিস (কিউওএস) শক্তিশালী করা, ইন্টারনেটের গতি বাড়ানো ও দেশজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন গ্রাহক সেবা নিশ্চিতে নেটওয়ার্কের আধুনিকায়ন ও সেবার মান বৃদ্ধিতে চলমান বিনিয়োগ কার্যক্রম উপস্থাপন করে। সরকারের ডিজিটালাইজেশনের লক্ষ্য এগিয়ে নিতে দেশের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জীবনের মানোন্নয়নে ডিজিটাল ও আর্থিক সেবা সম্প্রসারণেও বাংলালিংকের গৃহীত উদ্যোগগুলোর ওপরে এ সময়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।</p>
<p>ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বাংলালিংকের নেটওয়ার্ক কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য নেয়া পদক্ষেপগুলোর প্রশংসা করেন। স্পেকট্রামের কার্যকারিতা বাড়নো, সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা ও সকল গ্রাহকের জন্য  উন্নত অভিজ্ঞতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্ব অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি। </p>
<p>বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী ইওহান বুসে বলেন, “আমাদের গ্রাহকদের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আমাদের যে মূল্যবান পরামর্শ ও দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন, আমরা এর সাধুবাদ জানাই। তিনি লো ব্যান্ড স্পেকট্রাম এবং ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের সুষ্ঠু ও সমতাপূর্ণ বণ্টনের ওপর যে গুরুত্ব দিয়েছেন তা বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য উচ্চমান সম্পন্ন নেটওয়ার্ক নিশ্চিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বব্যাপী ‘ডিজিটাল ডিভিডেন্ড ব্যান্ড’ হিসেবে স্বীকৃত এ স্পেকট্রাম  গ্রামীণ সংযোগ সম্প্রসারণ, কভারেজ বৃদ্ধি ও নেটওয়ার্ক পারফরমেন্স উন্নত করার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। এর সুফল উন্মোচন করা গেলে অপারেটররা আরও উন্নত ডিজিটাল অভিজ্ঞতা প্রদান করতে পারবে এবং সত্যিকার অর্থে কানেক্টেড বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে দেশকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।”</p>
<p>প্রসঙ্গত, সাব-১ গিগাহার্টজ লো ব্যান্ড স্পেকট্রাম হলো এমন এক ধরনের রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি (RF) যা ১ গিগাহার্টজ (GHz) এর কম কম্পাঙ্কে কাজ করে। এই ফ্রিকোয়েন্সিগুলো, যেমন ৭০০ মেগাহার্টজ (MHz), ৪৩৩ MHz, ৮৬৮ MHz, এবং ৯১৫ MHz, সাধারণত বিস্তৃত এলাকা জুড়ে ভালো কভারেজ প্রদান করে, যা প্রত্যন্ত এবং গ্রামীণ অঞ্চলে নির্ভরযোগ্য সংযোগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এর সুবিধা হলো এটি দেয়াল ও বাধার মধ্য দিয়ে বেশি কার্যকরভাবে যেতে পারে, তবে এর ডেটা ট্রান্সফারের গতি সাধারণত উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির ব্যান্ডের (যেমন মিড বা উচ্চ ব্যান্ড) চেয়ে কম হয়।</p>
<p>ডিবিটেক/এমআর/মুইম</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিজয় দিবসে এনইআইআর এলেও স্থায়িত্বে &amp;apos;ধূসর&amp;apos; হুমকি!</title>
<link>https://digibanglatech.news/159093</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159093</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_690afdd0c02ba.jpg" length="65226" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 05 Nov 2025 13:38:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মোবাইল হান্ডসেট তৈরিতে বিগত আট বছরে দুই হাজার ৫০০ কোটি টাকা বিনিময়োগ করেছে ১৭টি মোবাইল ফোন নির্মাতা কোম্পানি। লক্ষাধিক শ্রমজীবির এই কর্মসংস্থানে ধূসর হুমকী। সেই হুমকি মোকাবেলায বিজয় দিবসের দিনে চালু হতে যাচ্ছে জাতীয় ইক্যুইপমেন্ট রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) চালু করছে বিটিআরসি। </p>
<p>এই উদ্যোগ ফের বাস্তবায়নে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে স্বাগত জানিয়ে আর যেন বন্ধ না হয়; তার আহ্বান জানিয়েছে মোবাইল ফোন নির্মাতা সংগঠন  মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এমআইওবি)।</p>
<p>৫ নভেম্বরে, বুধবার রাজধানীর মাহখালীর রাওয়া ক্লাবের একটি রেস্টুরেন্টে সাংবাদিক সম্মেলনে এই শঙ্কা প্রকাশ করা হয়।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে এমআইওবি সভাপতি জাকারিয়া জাকারিয়া শাহিদ জানান, বাজারে থাকা মোবাইল ফোনের মধ্যে ৬০ শতাংশই অবৈধ। এতে সরকারের রজস্ব ক্ষতি <br>২০০০ কোটি টাকা। অথচ বাজারে ফোন তৈরি সরঞ্জামের দাম ৬০ শতাংশ বাড়লেও তা তারা বড়াননি দাবি করে তিনি অমদানী ও উৎপাদন পর্যায়ের কর ব্যবধান কমাতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।</p>
<p>তিনি বলেন,  সরকারের যুগান্তকারী এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে এরই মধ্যে একটি মহল বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে এনইআইআর নিয়ে আতংক সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে। এটা করছে লাগেজ পার্টিরা। এদের মাধ্যমে দেশে চোরাই, নকল, কপি ও রিফার্বিশ হ্যান্ডসেটের ব্যবসা গড়ে উঠেছে। </p>
<p><span style="color: rgb(186, 55, 42);"><strong>এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এনইআইআর বাস্তবায়ন হলে মুঠোফোনের দাম এক টাকাও বাড়ানো হবে না। সরকারের রাজস্ব আয় হাজার কোটি টাকায় পৌঁছবে।</strong></span></p>
<p>প্রবাসী বা বিদেশী নাগরিকরা যখন দেশে নামলে তার ব্যবহার করা হ্যান্ডসেট বন্ধ হয়ে যাবে NEIR কার্যক্রম চালু হলে, তখন কী হবে প্রশ্নের জাবাবে তিনি বলেন, তাকে ৩০ দিন সময় দেওয়া হবে। এর মধ্যে অনলাইনে সে নিবন্ধন করে নিতে হবে।</p>
<p>এমআইওবি সহ সভাপতি রেদওয়ানুল হক বলেন, একটি ব্র্যন্ড বাদে বৈশ্বিক সবগুলো ব্রান্ড দেশে মোবাইলফোন উৎপাদন করছে। দেশের ৯০ শতাংশ চাহিদা মেটাচ্ছে। শতভাগ সক্ষমতা মাত্র ৪০ শতাংশ ব্যবহার করা হচ্ছে। এখানে এমন উৎপাদকও রয়েছেন যারা নিজেরাই পিসিবিও বানান। নিজেরাই মাদারবোর্ড  তৈরি করে বৈশ্বিক মানের হ্যান্ডসেট তৈরি করছেন ৯০ শতাংশ দেশীয় উৎপাদক প্রতিষ্ঠানগুলো। মোবাইল ফোনের শতভাগ চাহিদা দেশের উৎপাদকরাই মেটাতে পারে। এতো দিনে আমরা আরো ভালো করতে পারতাম যদিনা এনইআইআর চালু থাকতো। দেরিতে হলেও চালু হওয়াটা সুখের বিষয়। প্রথমে সফটওয়্যারগত কিছু সমস্যা দেখা দিলেও তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। তাই যেকোনো পরিস্থিতিতেই যেন এনইআইআর আর কখনওই বন্ধ না হয়। </p>
<p>সাংবাদিকদের প্রশ্নের জাবাবে রেদওয়ান বলেন, এই মুহুর্তে মোবাইল ফোনের বাজার ২০ হাজার কোটি টাকা।  এনইআইআর কার্যক্রম সফলভাবে চালু হলে এই বাজারো আরো ১৫ হাজার কোটি টাকা যুক্ত হবে।</p>
<p>স্মার্ট টেকনোলজিস লিমিটেডে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও অনার ব্রান্ডের বাংলাদেশি উৎপাদক প্রতিষ্ঠানের প্রধান জহিরুল ইসলাম বলেন, আইন মেনে দেশে মোবাইফোন ব্যবসা খুবই সহজ। এই কাজে সহযোগিতা করতে অনেকেই রেডি আছেন। মোবাইল উৎপাদন খাতে নতুন সদস্য হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির এই সভাপতি। গ্রে-েমার্কেট শুধু ব্যবসায়ী বা ক্রেতাই নয় দেশের জন্যও হুমকি উল্লেখ করে তিনি  বলেন, মোবাইল এখন আমাদের ব্রেড অ্যন্ড বাটার। দেশেই এটি উৎপাদন শুরু হওয়ায় বহু কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। অথচ আমাদের বাজারের আইফোনের পুরোটাই আসে অবৈধ পথে। এখান থেকে সরকার কোনো রাজস্ব পায় না। এমন পরিস্থিতিতে এনই আই চালু করা একটা মহৎ উদ্যাগ। এটি সবার জন্যই কল্যাণকর। শুধুমাত্র যারা দেশ ও দশের ভালো চায় না তারাই এ উদ্যোগকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়। </p>
<p>স্যামসাং বাংলাদেশের অনুমোদিত পরিবেশক এক্সেল টেলিকমের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সাইফুদ্দিন টিপু জানান, গ্রে মার্কেটের বেশির ভাগই রিফারবিশ ও চোরাই। সব মিলিয়ে বৈশ্বিক মানেই দেশে মোবাইল ফোন উৎপাদন হয়। দেশের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বিদেশেও রফতানি করার সুযোগ রয়েছে। </p>
<p>ভিভো বাংলাদেশের প্রতিনিধি ও এমআইওবি অর্থ সম্পাদক ইমাম উদ্দীন বলেন, রেডিও ডিভাইস হিসেবে মোবাইল আমদানিতে বিটিআরসির অনুমোদন নিতে হয়। সেখানে আবেদন করে য কেউ এই ব্যবসা করতে পারে। তাই এখানে মনপোলি হওয়ার সুযোগ নেই।</p>
<p>এমওআইবি প্রধান নির্বাহী মনিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় বাংলাদেশ মোবাইলফোন ডিস্ট্রিবিউশন অ্যসোসিয়শনের সাংগঠনিক সম্পাদক দেব প্রসাদ কপুরিয়া রাহুল ও  মহাসচিব আব্দুল্লাহ হারুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্যে রাহুল জানান, এনইআইআর চালু হলে তারাও উপকৃত হবেন। </p>
<p>ডিবিটেক/ আইএইচ/ওবি</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জুয়া ও পর্ণো বন্ধে প্লাটফর্মগুলোকে চিঠি দিচ্ছে বিটিআরসি</title>
<link>https://digibanglatech.news/159080</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159080</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_690a62b6dcfed.jpg" length="102187" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 04 Nov 2025 22:30:19 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>অনলাইন জুয়া, গ্যামব্লিং এবং পর্নোগ্রাফি বিষয়ে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম গুলোকে চিঠি দেওয়া শুরু করেছে বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। ৪ নভেম্বর, সোমবার, এ বিষয়ে বহুপক্ষীয় দ্বিতীয় পরামর্শক সভায় নেয়া সিদ্ধান্ত অনুসারে বৈঠক শেষে ই-মেইলে এই চিঠি দেয়া শুরু হয়েছে বলে জানাগেছে।</p>
<p>সূত্রমতে, বাংলাদেশে বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যম  টেলিগ্রাম প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় এমন ১০৮টি পর্নোগ্রাফি চ্যানেল শনাক্ত করেছে বিটিআরসি। এসব চ্যানেলে অনুমতি ছাড়া নগ্ন এবং অশ্লীল ও  যৌন উদ্দীপক ছবি ও ভিডিও ছড়ানো হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট চ্যানেল ও ভিডিও দ্রুত বন্ধ বা অপসারণের অনুরোধ জানিয়ে টেলিগ্রাম কর্তৃপক্ষকে চিঠি পাঠিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।</p>
<p>চিঠির মূলকথার একটি অংশের স্ক্রিনশট ৫ নভেম্বর নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে শেয়ার করেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারি ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। সেখানে চিঠিতে পাবলিক গ্যাম্বলিংক অ্যাক্ট ১৮৬৭; সংবিধানে ১৮ নম্বর আর্টিকেল ও সাইবার নিরাপত্তা অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ২০ ধারায় অনলাইন এবং ডিজটাল গ্যাম্বলিং, বেটিং এবং পর্ণোগ্রাফির কন্টেন্ট নিষিদ্ধ হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।  কম্প্লায়ন্সে অনুযায়ী এগুলো বাংলাদেশ থেকে দ্রুততম সময়ে সরিয়ে ফেলতে প্লাটফর্ম পরিচালকদের অনুরোধ করা হয়েছে। এই পোস্টের ঘণ্টা তিনেক পর ওই চিঠির মূলভাব তুলে ধরে একটি ফটো পোস্ট করেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সচিব ভূইয়া। </p>
<p>এমন পরিস্থিতি সামাল দিতে বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. এমদাদ উল বারী (অব.) বলেছেন, জুয়া ও আর্থিক প্রতারণা সনাক্তে বিটিআরসি ও বাংলাদেশ বাংক যৌথভাবে সাবস্ক্রাইবার ডাটা ভেরিফিকেশন প্ল্যাটফর্ম (এসডিভিপি) সিস্টেম তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করতে যাচ্ছে। </p>
<p>সজীব ভূইয়ার অ্যাডমিন থেকে করা পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (BTRC) জানিয়েছে যে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে অনলাইন জুয়া, ডিজিটাল বেটিং এবং পর্নোগ্রাফি সম্পর্কিত কনটেন্ট ও বিজ্ঞাপন ব্যাপকভাবে প্রচারিত হচ্ছে, যা দেশের আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ ও আইনগত ব্যবস্থার আওতায় পড়ে। এসব কনটেন্ট স্বেচ্ছাচারিতা, যুবসংস্কৃতির অবক্ষয়, মানসিক চাপ ও পারিবারিক সংঘাত বাড়ায় এবং কখনও কখনও গুরুতর মানসিক অস্থিরতা বা আশঙ্কাজনক ফল ঘটাতে পারে।’</p>
<p>‘BTRC প্ল্যাটফর্মগুলোকে অনুরোধ করেছে অবিলম্বে এসব অবৈধ কনটেন্ট শনাক্ত, সীমিত এবং বাংলাদেশ থেকে অপসারণ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হোক, যাতে আইনানুগতা বজায় থাকে এবং ব্যবহারকারীদের, বিশেষ করে কিশোর-কিশোরীদের, সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়।’</p>
<p>বিটিআরসি সূত্রে প্রকাশ, টেলিগ্রামকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, অনলাইন কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ, ব্লক বা অপসারণের একমাত্র ক্ষমতা বিটিআরসির হাতে। বিটিআরসি একমাত্র এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষ, সংস্থাটি অনলাইন কনটেন্ট ব্লক, সীমিত বা অপসারণ করতে পারে এবং অধিকার, নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে দায়িত্বশীল। ২০২৫ সালের সাইবার নিরাপত্তা অধ্যাদেশের ০৮ (১) ধারা অনুসারে এ ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়। এ ধরনের পর্নোগ্রাফি সামগ্রী সামাজিক আদর্শ ও নৈতিক মানকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করে। এই চ্যানেলগুলো ২০১২ সালের পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন (পিসিএস) এর ৮(২), ৮(৩) ও ৮(৫) ধারা, এবং সাইবার নিরাপত্তা অধ্যাদেশের ২৫ ধারা লঙ্ঘন করেছে। তাই ১০৮টি লিংক ব্লক বা অপসারণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা যাচ্ছে। </p>
<p>এ বিষয়ে কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, অনলাইনে পর্নোগ্রাফি, জুয়া, প্রতারণা ও ঘৃণামূলক কনটেন্ট ছড়ানো রোধে বিটিআরসি নিয়মিত মনিটরিং চালাচ্ছে। অভিযোগ পেলেই সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, পেজ বা চ্যানেল শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এর আগে ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক ও এক্স (পূর্বতন টুইটার) কর্তৃপক্ষকেও অনুরূপ কনটেন্ট অপসারণে অনুরোধ জানিয়েছে বিটিআরসি।</p>
<p>পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২-এর ৮(২), ৮(৩) ও ৮(৫) ধারা অনুযায়ী, অশ্লীল ছবি বা ভিডিও প্রচার দণ্ডনীয় অপরাধ, পর্নোগ্রাফি প্রচার বা বিক্রয়ে শাস্তিমূলক অপরাধ এবং ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রচার নিষিদ্ধ। এ ছাড়া, সাইবার নিরাপত্তা অধ্যাদেশ ২০২৫-এর ধারা ৮(১) অনুযায়ী, সামাজিক মূল্যবোধ বা নৈতিকতা বিনষ্টকারী কনটেন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং অনলাইন কনটেন্ট ব্লক বা অপসারণের ক্ষমতা বিটিআরসির হাতে।</p>
<p>বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে অনলাইন জুয়া, ডিজিটাল বেটিং এবং পর্নোগ্রাফি সম্পর্কিত কনটেন্ট ও বিজ্ঞাপন ব্যাপকভাবে প্রচারিত হচ্ছে, যা দেশের আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ ও আইনগত ব্যবস্থার আওতায় পড়ে। এসব কনটেন্ট স্বেচ্ছাচারিতা, যুবসংস্কৃতির অবক্ষয়, মানসিক চাপ ও পারিবারিক সংঘাত বাড়ায় এবং কখনও কখনও গুরুতর মানসিক অস্থিরতা বা আশঙ্কাজনক ফল ঘটাতে পারে।</p>
<p>প্রসঙ্গত, টেলিগ্রামে পর্নোগ্রাফি সংক্রান্ত বিভিন্ন গ্রুপ, অ্যাডমিন ও অর্থ লেনদেনকারী প্রতারক চক্রকে শনাক্ত করে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নিতে গত ১৯ অক্টোবর নির্দেশ দেন ঢাকার একটি আদালত। এ কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশও দেওয়া হয়। গণমাধ্যমে প্রকাশিত ‘টেলিগ্রামে হাজারো তরুণীর নগ্ন ভিডিও বিক্রি’ সংক্রান্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে এ আদেশ দেওয়া হয়।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অনলাইন বেটিং রোধে ন্যায্যতার ভিত্তিতে নেয়া হচ্ছে কঠীন সিদ্ধান্ত</title>
<link>https://digibanglatech.news/159053</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159053</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6909a100abf4c.jpg" length="107314" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 04 Nov 2025 12:45:43 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>অনলাইন জুয়ায় ইঁদুর-বিড়াল খেলা বন্ধে ওয়েব ট্রলার ব্যবহারে গুরুত্বারোপ করছেন বিশেষজ্ঞরা। পরামর্শ দিয়েছেন সেইফ ইন্টারনেটের জন্য বিশেষ প্যাকেজ চালু ও সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। জানা গেলো, অনলাইন বেটিংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের অধীনে গত মে মাস থেকে জুয়ায় ৫ হাজার জড়িত এমএফএস হিসাব বন্ধ করা হয়েছে। অ্যাপের মাধ্যমেও জুয়া হচ্ছে। ব্লক করলেই বদলে ফেলা হচ্ছে লিংক। এসব বিষয় সনাক্তে এজন্য একটি কমন ডেটাবেজ তৈরি করবে সরকার। সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থা, প্লাটফর্ম এবং অপারেটরদের নিয়ে এই কাজ করা হবে। পাশাপাশি যারা বেটিং করে তাদের নম্বরে ডেটার গতি কমিয়ে আনার কথা ভাবা হচ্ছে। একইসঙ্গে অনলাইন জুয়াতে মুঠোফোন কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে সিম ও এমএফএস এর ইকেওয়াইসি'র মধ্যে সমন্বয়ে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হবে। এরপরই জুয়ায় ব্যবহৃত সিম, অনলাইন হিসাব ও জুয়াড়ির এনাইডি কালো তালিকভূক্ত করা ছাড়াও কম্প্লায়েন্স মেনে ন্যয্যতার ভিত্তিতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে সরকার।  </p>
<p>৪ নভেম্বর, মঙ্গলবার, রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিটিআরসি ভবনে অনুষ্ঠিত বহুপক্ষীয় পরামর্শ সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়। সভায় মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার, আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট গেটওয়ে সার্ভিস, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় অংশগ্রহণকারীরা সবাই অনলাইন জুয়া বন্ধে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেন। একই সঙ্গে এক্ষেত্রে জুয়া পরিচালনাকারীসহ এতে অংশগ্রহণকারীদেরও আইনের অধীনে ডিজিটাল শাস্তি দেয়ার মত দেন আলোচকরা। অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে করণীয় সভায় এজন্য একটি সমন্বিত কমিটি গঠন, ওয়েব রিপোজেটরি তৈরি, জুয়ার ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ সনাক্ত করার পাশাপাশি জুয়ার সঙ্গে জড়িতদের আইনের অধীনে আনার সিদ্ধান্ত হয়।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারি ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের সভাপতিত্বে সভায় এমএফএস প্রতিষ্ঠান উপায় এর হেড অব কর্পোরেট অ্যফেয়ার্স মোহাম্মাদ শামসুজ্জোহা  বলেন, এমএফএস মনিটরিংয়ের মাধ্যমে যারা জুয়া খেলে তাদের সনাক্ত করা দরকার। এক্ষেত্রে সিম, জাতীয় পরিচয়পত্র ও এমএফএস অ্যাকাউন্ট সমন্বয় করা জরুরি। এই তিনটির যদি সমন্বয় করা হলে জুয়া সংক্রান্ত অপারধ ৮০ শতাংশ সমাধান করা সম্ভব। </p>
<p>অপরদিকে বিকাশ লিমিটেডের চিফ এক্সটার্নাল এবং কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মেজর জেনারেল শেখ মনিরুল ইসলাম (অব)  জানান, জুয়ায় জড়িত থাকায় গত দুই সপ্তাহে ৪০টি নতুন নম্বরসহ ৩৯৭টি নম্বর বন্ধ করা হয়েছে। এখন ক্রলিং ইঞ্জিন নিয়ে কাজ হচ্ছে। ফোন নম্বর ধরে তার এখন এনআইডি ব্লাক লিস্ট করছেন।</p>
<p>কিন্তু এই মুহূর্তে এনআইডি ব্লক করা ঠিক হবে না মন্তব্য করে বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী বলেন, ১৬ ডিসেম্বরের পর মোবাইল সিম ১০টিতে নামিয়ে আনলে এক্ষেত্রেও সুবিধা মিলবে। এজন্য আগামীতে সিম কমিয়ে আনা হবে। যারা খেলছে তাদের চিহ্নিত করা জরুরী।  সভায় প্রযুক্তির পাশাপাশি সামাজিক অবক্ষয় বিবেচনায় মাদক অধিদপ্তরের মতো অনলাইন স্ক্যাম রোধে একটি বিশেষ সংস্থা করা এবং ক্রস ডোমেইন অ্যাক্টিভিটির ওপর জোর দেয়া হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে। </p>
<p>তবে এখনই এনআইডি ব্লক না করে টার্গেটেড আইপি ও অ্যাপগুলো ডাউন করতে মোবাইল অপারেটরদের প্রতি আহ্বান জানান বিশেষ সহকারি ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবে।</p>
<p>তিনি বলেন, জুয়া থেকে দেশের অনলাইন-কে মুক্ত করতে জুয়ার চক্রে সুডো সদস্য হওয়া, ট্রাফিক মনিটরিংয়ের মাধ্যমে লিংক স্লো করা এবং যেসব নম্বর থেকে খেলা হয় এবং যে এমএফএস লেনদেন হয় তার তালিকা তৈরি করতে হবে। এরপর নিশ্চিত হয়ে নম্বর ও অ্যাকাউন্ট ব্লক করা হবে। তবে ব্লকের ক্ষেত্রে কমপ্লায়েন্সের বিষয় নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায্যতার ভিত্তিতে এটা করতে হবে।</p>
<p>বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালসমূহে জুয়া বন্ধে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয় করে কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে <span>ফয়েজ আহমদ আরো তৈয়্যব</span> বলেন, সামাজিক স্থিরতা বজায় রাখা, যুব সমাজের অবক্ষয় রোধ এবং অর্থপাচার বন্ধে একটি কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডাদের নিয়ে সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা হবে। মোবাইল অপারেটরসমূহের বেটিং সাইটগুলোতে কারা ব্রাউজ করে সেগুলো সনাক্ত করবে এবং এমএফএস অপারেটরসমূহ যেসব অ্যাকাউন্টের লেনদেন সন্দেহজনক তা বিশ্লেষণ করে ডাটাবেজ তৈরি করবে। তিনি বলেন, জুয়া থেকে দেশের অনলাইন কে মুক্ত করতে হলে ট্রাফিক মনিটরিংয়ের মাধ্যমে লিংক স্লো করা এবং যেসব নম্বর থেকে লেনদেন হয় তার তালিকা তৈরি করতে হবে। এরপর নিশ্চিত হয়ে নম্বর ও অ্যাকাউন্ট ব্লক করা হবে। </p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x_690a26008de8d.jpg" alt=""></p>
<p dir="ltr" id="docs-internal-guid-77c7b5af-7fff-0fdf-dd9e-2c67eb19f7eb"><span>জুয়া সনাক্তে ক্রলিং ইঞ্জিন তৈরির কাজ চলছে জানিয়ে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারীরা জানান, জুয়ায় জড়িত থাকায় নতুন নতুন অ্যাকাউন্ট প্রতিনিয়ত বন্ধ করা হচ্ছে এবং ফোন নম্বর ধরে জাতীয় পরিচয়পত্রের কালো তালিকা করা হচ্ছে। শীর্ষ জুয়া সাইটসমূহে এডভান্সড এআই লিংক এর মাধ্যমে তৈরি হচ্ছে জানিয়ে তারা বলেন, নজরদারি এড়াতে উক্ত সাইটগুলো আইপি ঠিকানা বন্ধ করে, ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্কসহ ক্রেডেনসিয়াল বন্ধ করে দেয়। সেন্ট্রাল পোর্টাল চালু করে সিমসহ এনআইডি কালো তালিকাভুক্ত করে সেটা সবখানে ছড়িয়ে দিলে অপারাধী অনেকাংশে কমে আসবে এবং লেনদেন সংখ্যা ও ভলিউম বিশ্লেষণ করে অ্যাকাউন্ট সনাক্ত হচ্ছে বলে জানান তারা । </span>সম্বনিত কার্যকরী ভূমিকা গ্রহণ না করলে জুয়া বন্ধ করা সহজ হবে না জানিয়ে ডিজিএফআই এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিটিআরসিকে ফোকাল পয়েন্ট রেখে একটি কার্যকরী কমিটি গঠন করে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। </p>
<p dir="ltr"><span>সভায় দেশীয় চক্রের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে একটি চক্র যুক্ত হয়ে অনলাইনে অপরাধ করে যাচ্ছে বলে অবহিত করেন এনএসআই প্রতিনিধিরা। তারা জানান, একটি চক্র প্রবাসীদের জিম্মি করে বিদেশে বসে কলসেন্টার চালু করে জুয়া ও বেটিং এর প্রচারণা চালায়। মোবাইল ও আইএসপি অপারেটরদের কনটেন্ট সনাক্তের সক্ষমতা অর্জনের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন অংশীজনকে অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেন তারা। </span></p>
<p>নির্বাচন কমিশন থেকে আগত প্রতিনিধি জানান, নির্বাচন কমিশন ও বিটিআরসি মিলে একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরির উদ্যোগ গ্রহন করেছে। এছাড়া, ডুপ্লিকেশন এড়াতে স্মার্ট আইডি ও পুরানো আইডি ম্যাপিং নিয়ে কাজ শুরু হচ্ছে বলেও জানান তারা। </p>
<p dir="ltr">মোবাইল অপারেটরদের প্রতিনিধিরা জানান, অপারেটরগুলো তাদের নিজ নিজ কারিগরী সক্ষমতা অনুযায়ী ক্ষতিকর কনটেন্ট বন্ধ করছে এবং জুয়া, পর্নোগ্রাফি বন্ধে কারিগরী ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা আরো বাড়ানো হচ্ছে বলেও জানান তারা।  </p>
<p dir="ltr">সভাপতির বক্তব্যে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, মিডিয়া হাউজগুলো কীভাবে তাদের ওয়েব ব্রাউজার ও এডসেন্স সেটআপ করবে সে বিষয়ে একটি নির্দেশিকা তৈরি করা হয়েছে, যা বর্তমানে তথ্য মন্ত্রণালয়ে ভেটিং প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ভেটিং শেষে তা সংশ্লিষ্ট সকল মিডিয়াকে সরবরাহ করা হবে। পাশাপাশি ডিজিটাল বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত গাইডলাইনও তথ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয়ে প্রস্তুত করা হয়েছে, যা অনুমোদনের পর সর্বসাধারণের জন্য প্রকাশ করা হবে। একই সঙ্গে অবিলম্বের গুলশান-১ নম্বরের বিলবোর্ডে ১ এক্স বেটা বিজ্ঞাপনদাতাদের সনাক্তের নির্দেশ দেন তিনি। এছাড়াও মোবাইলে পর্ণ সনাক্তের মতো জুয়ার লিংক সনাক্তে মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন এমটবের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ফোরাম থেকে ডাটা সংগ্রহ করে তা বাংলাদেশে ব্লক করার অনুরোধও করেছেন বিশেষ সহকারী। ম্যানুয়ালি হলেও আইজিডব্লিউ প্রতিষ্ঠানকে গেটওয়েতে কড়া পহাড়া বসানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গ্রাহক পর্যায়ে গড় ইন্টারনেট মূল্য বাড়বে ২০ শতাংশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/159014</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159014</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_69084517cf757.jpg" length="100790" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 03 Nov 2025 12:04:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>টেলিকম খাতের খসড়া গাইডলাইনে গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেটের মূল্য ঢাকায় ১১ শতাংশ এবং ঢাকার বাইরে গ্রামে ১৮.৪০ শতাংশ বাড়বে। টেলিকম খাতের মতো এই খাতেও ৫ শতাংশ রেভিনিউ শেয়ার এবং ১ শতাংশ সামাজিক সুরক্ষা তহবিলে জমা এবং টেলিকম কোম্পানিকে এফডব্লিউ ও হটস্পট সুবিধা দেয়ায় এইখাতের ২৭০০ দেশীয় উদ্যোক্তা ঝুঁকিতে পড়বে।</p>
<p>৩ নভেম্বর, সোমবার, রাজধানীর মহাখালীতে রাওয়া ক্লাবের স্কাইলাইন রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়। </p>
<p>আইএসপিএবি সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিম ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে নতুন ও পুরোনো নীতিমালা অনুযায়ী ইন্টারনেটের দাম বাড়ার কারণ ব্যখ্যা করেন সংগঠনের সভাপতি আমিনুল হাকিম।</p>
<p>অ্যকুইজেশন এ লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রে লাইসেন্সে আড়াই গুণ এবং বার্ষিক ফি সাড়ে তিন গুণ বাড়ছে। স্টারলিংকের অ্যকুইজেশন ফি ১২ লাখ টাকা হলেও আইএসপিদের জন্য ২৫ লাখ টাকা করা হয়েছে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x_69084532f3327.jpg" alt=""></p>
<p>তিনি বলেন, সরকার ভুল পথে এগুচ্ছে। লাইসেন্স গাইডলাইনে জন আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয়নি। সমাজিক দায়বদ্ধতা থেকে যে দেশীয় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা এই ব্যবসায় এলেও তাদের মুনাফা নয় আয়ের ওপর রেভিনিউ ও এসওএফ ফান্ড চাপিয়ে দেয়া হয়েছে।</p>
<p>তিনি প্রশ্ন রাখেন, স্টারলিংকের সঙ্গে আইএসপি বৈষম্য এতো কেন? টেলিকম অপারেটরদের লাইসেন্সে চেয়ে বেশি সুবিধা কেন?</p>
<p>প্রশ্নের উত্তরে আমিনুল হাকিম বলেন, নতুন নূতিমালা বাস্তবায়ন হলে গ্রাহক পর্যায়ে গড় ইন্টারনেট মূল্য বাড়বে ২০ শতাংশ; ব্যবসায়ী পর্যায়ে বাড়বে ১৪ শতাংশ। </p>
<p>পাশের তিন মাসের মধ্যে গ্রামের আইএসপি বন্ধ হবে শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতির কারণে আমরা রাজনৈতিক দলের কাছে টেলিকম খাতে হস্তক্ষেপ কামনা করি।</p>
<p>আইএসপিএবি সহ-সভাপতি নেয়ামুল হক খান, যুগ্ম মহাসচিব-১, যুগ্ম মহাসচিব–২ মাহবুব আলম ও ফুয়াদ মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ মঈন উদ্দিন আহমেদ এবং পরিচালকবৃন্দ রাশেদুর রহমান, মোহাম্মদ মিঠু হাওলাদার, সাব্বির আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দ্বৈচয়নে রাত পোহালেই বন্ধ হচ্ছে ১০টির অধিক মোবাইল সিম</title>
<link>https://digibanglatech.news/158916</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158916</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_6904379f75b03.jpg" length="94553" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 31 Oct 2025 00:14:44 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে ব্যক্তিগত ব্যবহারে একটি এনাইডির বিপরীতে নিবন্ধিত ১০টির সিমের সীমা। অর্থাৎ এ দিন থেকেই বন্ধ হয়ে যাবে আগের নিয়মে থাকা ১৫টি সীমায় থাকা অতিরিক্ত ৫টি সিম। নিজে থেকেই গ্রাহক যেন তার অপ্রয়োজনীয় সিমটি বন্ধ করেন সে জন্য অতিরিক্ত সিম ডিরেজিস্ট্রেশনের সুযোগ রেখেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক কমিশন (বিটিআরসি)। </p>
<p>৩১ ডিসেম্বর, শুক্রবারের মধ্যে যারা ১০টির অতিরিক্স সিম ডিরেজেস্ট্রেশন করবেন না; দ্বৈবচয়ন পদ্ধতিতে তাদের সিমগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। গ্রাহকের বিনা অনুমতিতে সিম বন্ধ করে দেয়া তার অধিকার লঙ্ঘন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী জানিয়েছেন, দ্বৈবচয়নের ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করা হবে। </p>
<p>তিনি বলেছেন, আমরা পর্যালোচনা করে দেখেছি, বর্তমান সময়ে একজন ব্যক্তির ১০টির বেশি সিম ব্যবহৃত হয় না। তাছাড়া তার নামে অব্যবহৃত সিম ক্লোন হওয়ার ঝুঁকিও থাকে। এতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজে ব্যঘাত ঘটে। তাই আমরা দীর্ঘ দিন ধরে গ্রাহকদের অপ্রয়োজনীয় সিমগুলো ডিরেজিস্ট্রেশনের সুযোগ দিয়ে এসেছি। এখন সিম নেয়া খুবই সহজ। বায়োমেট্রিক ছাপ আর এনআইডি দিলেই সিম নেয়া যায়। ফলে প্রাপ্তবয়স্ক যে কেউ নিজ নামে সিম নিতে পারেন। এ জন্য আগের মতো পরিবারের প্রধানের নামে সিম তোলার দরকার হয় না। মোবাইল সিম ক্ষেত্রে একটি শৃঙ্খলা আনতে আমরা ১০টি সিমের সীমা বেধে দিয়েছি। তাই যাদের এর অতিরিক্ত সিম থাকবে তা দ্বৈব চয়ন পদ্ধতিতে বন্ধ হয়ে যাবে। তবে এক্ষেত্রে আমরা দেখবো একটি আইডি’র অধীনে থাকা কোন সিমটি অপেক্ষাকৃত কম ব্যবহৃত হয়; কিংবা দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হচ্ছে না তা বন্ধ করে দিতে। এর পরও যদি কারও পছন্দের সিম বন্ধ করা হয় তখন তিনি সেটি ফিরিয়েও নিতে পারবেন। এক্ষেত্রে বন্ধ সিমগুলো নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় সীমা পর্যন্ত অবিক্রিত থাকবে। তবে যখনই কেউ নতুন করে সিম নিবন্ধন করতে যাবেন তখন তার নামে কয়টা সিম আছে তা যাচাই করা হবে। সেসময় সরাসরি ব্যবহারকারী নিজের কোন সিমটি রেখে কোনটা বন্ধ করবেন সেই সুযোগ পাবেন। </p>
<p>এক্ষেত্রে নিজের নামে কয়টি সিম নিবন্ধিত আছে তা জানতে হলে প্রথমে এনআইডি কার্ডের শেষ ৪টি ডিজিট লিখে *১৬০০১# নম্বরে ডায়াল করে তথ্যটি মুঠোফোনেই জানা যাবে। এক্ষেত্রে এনআইডির শেষ ৪টি সংখ্যা লিখে সেন্ড করতে হবে। ফিরতি বার্তায় কোন কোন অপারেটরের কয়টি সিম নিবন্ধিত তার শেষ তিনটি সংখ্যা জানিয়ে দেবে। </p>
<p>তবে অতিরিক্ত সিম বন্ধ করতে হলে অনলাইনে সুযোগ নেই। এজন্য কাস্টমার কেয়ারে যেতে হবে। সেখানে এনআইডি কার্ডের ফটোকপি দেখিয়ে ডিরেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণ করে আঙুলের ছাপ দিয়ে সিম ডিরেজিস্ট্রেশন করা যাচ্ছে। তবে একসঙ্গে একই অপারেটরের দুইটির বেশি সিম ডিরেজিস্ট্রেশন করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন গ্রাহকরা।    </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এলিট গ্রাহকদের জন্য ৪ কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করলো রবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/158873</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158873</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_69024c599f651.jpg" length="130626" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 29 Oct 2025 20:18:48 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">নিজেদের এলিট গ্রাহকদের স্বাস্থ্য, চিকিৎসা ও গাড়ি সার্ভিসিংয়ে বিশেষ ছাড় পাইয়ে দিতে চারটি</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">নতুন</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৌশলগত</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অংশীদারিত্বের</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ঘোষণা</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দিয়েছে রবি</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আজিয়াটা। </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ছুটি</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গ্রুপ</span><span style="font-size: 11.0pt;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অ্যাম্বুফাস্ট</span><span style="font-size: 11.0pt;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">লাইফপ্লাস</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বাংলাদেশ</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">যান্ত্রিক</span><span style="font-size: 11.0pt;">-</span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এর</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সাথে অংশীদারিত্ব চুক্তি করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত মোবাইল কোম্পানিটি। </span><span style="font-size: 11pt;"> </span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">চুক্তির আওতায় এখন থেকে দেশের</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অন্যতম</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">শীর্ষস্থানীয়</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রিসোর্ট</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বিনোদন</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রতিষ্ঠান</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ছুটি</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গ্রুপ</span><span style="font-size: 11.0pt;">-</span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এর</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রিমিয়াম সেবা</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উপভোগে</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সর্বোচ্চ</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">৫০</span><span style="font-size: 11.0pt;">% </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পর্যন্ত</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ছাড় পাবেন রবি’র এলিট গ্রাহক। একইভাবে </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">শীর্ষস্থানীয়</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জরুরি</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অ্যাম্বুলেন্স</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মেডিকেল</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মোবিলিটি</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অ্যাম্বুফাস্ট</span><span style="font-size: 11.0pt;">-</span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এর নির্ধারিত</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সেবায়</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সর্বোচ্চ</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">১০</span><span style="font-size: 11.0pt;">% </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পর্যন্ত</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ছাড়সহ বিশেষ</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জরুরি</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সেবা গ্রহণ করতে পারবেন তারা। </span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt;">এছাড়াও </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ডিজিটাল</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হেলথকেয়ার</span><span style="font-size: 11.0pt;"> <span style="font-family: Nirmala UI, sans-serif;">প্রতিষ্ঠান</span></span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">লাইফপ্লাস</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বাংলাদেশ</span><span style="font-size: 11.0pt;">-</span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এর স্বাস্থ্য</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সুস্থতা</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সেবা গ্রহণে পাবেন </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সর্বোচ্চ</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">৪০</span><span style="font-size: 11.0pt;">% </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পর্যন্ত</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ছাড়।</span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;"> যানবাহন</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সার্ভিসিং</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মেইনটেনেন্সে</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সর্বোচ্চ</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">৫</span><span style="font-size: 11.0pt;">,</span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">০০০</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">টাকা</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পর্যন্ত</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ছাড়</span><span style="font-size: 11.0pt;"> <span style="font-family: Nirmala UI, sans-serif;">পাবেন <span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বাংলাদেশের</span> <span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">শীর্ষ</span> <span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ডিজিটাল</span> <span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অটোমোটিভ</span> <span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্ল্যাটফর্ম</span> <span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">যান্ত্রিক</span>-<span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এর কাছ থেকে। </span></span></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt;">২৯ অক্টোবর, বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে, এ জন্য সম্প্রতি এ বিষয়ে পৃথক চারটি চুক্তি হওয়ার কথা জানিয়েছে রবি আজিয়েটা। </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;"><o:p></o:p></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১৬ ডিসেম্বর পূর্ণাঙ্গরূপে চালু হচ্ছে এনইআইআর</title>
<link>https://digibanglatech.news/158858</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158858</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_69025b26a9b6d.jpg" length="111060" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 29 Oct 2025 14:22:21 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>জাতীয় ভাবে দেশে ব্যবহৃত মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধনে আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে ‘পূর্ণাঙ্গ ভাবে চালু হচ্ছে’ কয়েক বছর ধরে আটকে থাকা ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টারের (এনইআইআর)। সেবাটি চালুর ফলে মোবাইল ফোনে লেনদেন বা এমএফএস জালিয়াতি, ইকেওয়াইসি জালিয়াতি, সিম প্রতারণা ও স্ক্যাম প্রতিরোধ এবং সর্বোপরি টেলিকম খাতের নিরাপত্তা ও রাজস্ব সুরক্ষা অটুট হবে বলে মনে করছে এই সেবার দায়িত্বে থাকা নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন। </span></p>
<p><span>২৯ অক্টোবর, বুধবার বিটিআরসি’র সম্মেলন কক্ষে এই ঘোষণা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। </span></p>
<p><span>তিনি বলেন, যরা এমএফএস প্রতারণা, স্ক্যাম বা ডিজিটাল জালিয়াতি এবং যৌন হয়রানির ঘটনার বেশিরভাগই ঘটে মোবাইলফোন ব্যবহার করে। একজনের নামে বেশি সিম থাকায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে বেগ পেতে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য ৭৩ শতাংশ এমএমএস প্রতারণা হয় অবৈধ মোবাইলফোন ব্যবহার করে। </span></p>
<p><span>তিনি আরো বলেন, এটি ব্যবহার করলে মোবাইল ছিনতাই কমবে। সরকারের হারানো ৫০০ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি রোধ করা যাবে। এনইআই আর চালু হলে গ্রে হ্যান্ডসেট বন্ধ করে দেয়া হবে। </span></p>
<p>বিটিআরসির তথ্য তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টার এই বিশেষ সহকারী বলেন, বিটিআরসি ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর যৌথ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ইকেওয়াইসি জালিয়াতির ৮৫ শতাংশ ঘটেছিল অনিবন্ধিত বা পুনঃপ্রোগ্রাম করা হ্যান্ডসেট ব্যবহার করে। বিটিআরসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে প্রায় ১ দশমিক ৮ লাখ ফোন চুরি সংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়া যায়। এনইআইআর চালু হলে এসব ডিভাইস স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্লক করা যাবে। </p>
<p>তিনি বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অনুমান অনুযায়ী, অবৈধ ফোন আমদানির কারণে প্রতিবছর প্রায় ৫০০ কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হয়। এনইআইআর কার্যকর হলে এই ক্ষতি রোধ সম্ভব।</p>
<p>বিশেষ সহকারী আশাপ্রকাশ করে বলেন, এনইআইআরের মাধ্যমে সরকার প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে এবং দেশীয় মোবাইল উৎপাদন শিল্প আরও সুরক্ষিত হবে। একইসঙ্গে এটি অপরাধ দমনেও কার্যকর ভূমিকা রাখবে। কারণ, চুরি বা অপরাধমূলক কাজে ব্যবহৃত ডিভাইস সহজেই শনাক্ত ও ব্লক করা সম্ভব হবে।</p>
<p>ফয়েজ আহমদ বলেন, এনইআইআর শুধুমাত্র একটি প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নয়, এটি নাগরিকের নিরাপত্তা, রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা এবং টেলিযোগাযোগ খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার একটি জাতীয় অঙ্গীকার।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x_69025b276495a.jpg" alt=""></p>
<p>এসময় বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী, স্পকট্রাম বিভাগের কমিশনার মাহমুদ হোসেন, এমআইওবি প্রেসিডেন্ট জাকারিয়া শাহীদ, মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন এমটব মহাসচিব মোঃ জুলফিকারসহ মোবাইল অপারেটরদের প্রতিনিধি এবং বিটিআরসি’র কমিশনার ও মহাপরিচালকেরা উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p> অনুষ্ঠানে একটি উপস্থাপন করে যে ভাবে কাজ করে এনইআইআর বিটিারসি'র স্পেকট্রাম বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল  মো আমিনুল হক জানান, টাওয়ারের অধীনে হ্যান্ডসেটে যুক্ত সিমগুলো হোয়াইট, ব্লাক, গ্রে ও রোমিং ক্যাটাগরিতে বিন্যস্ত হবে। এনইআই চালু হওয়ার আগের সব সেট স্বয়ংক্রিয় ভাবে সিমের বিপরীতে নিবন্ধিত হবে। এতে ক্লোন ও অবৈধ ফোনও নিবন্ধিত হয়ে যাবে। ফোন কাউকে দেয়া হলে ডিরেজস্ট্রেশন করা হবে। বিটিআরসির ওয়েব থেকে পুরো প্রক্রিয়া চলবে। </p>
<p>আইএমআই বৈধতা যাচাইয়ে ১৬০০২ এবং নিবন্ধনের জন্য ১৬১৬১ এ মেসেজ পাঠাতে হবে।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. এমদাদ উল বারী (অব.) বলেন, এনইআইআর চালু হলে মোবাইল হ্যান্ডসেট এবং সিম সংক্রান্ত সহজে সনাক্ত করা যাবে । বিদ্যমান টেলিকম নেটওয়ার্ক পলিসির আলোকে গাইডলাইন তৈরির কাজ চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান দেশে ৩৮ ভাগ ফিচার ফোন ব্যবহার হচ্ছে তাই স্মার্টফোনের ব্যবহার বাড়াতে সব ধরণের কার্যক্রম নেওয়া হচ্ছে। চোরাই ও রিফাবরিসড হ্যান্ডসেট বাজারে থাকায় মোবাইল ফোনের দাম কমছেনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এনইআইআর চালু হলে দেশীয় ১৮টি মোবাইল হ্যান্ডসেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে হ্যান্ডসেট বিক্রি করতে পারবে।  তিনি জানান, এনইআইআর-এর মাধ্যমে মোবাইলে যে সিম ব্যবহার করা হবে, তার তথ্যও পাওয়া যাবে। এর মাধ্যমে মোবাইল ট্রেস করা সম্ভব হবে।</p>
<p>এনইআইআর সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেওয়ায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) ধন্যবাদ জানিয়ে মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এমআইওবি) সভাপতি জাকারিয়া শহীদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশের বৈধ আমদানিকারক ও স্থানীয় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সমান প্রতিযোগিতার সুযোগ পাবে। যা পুরো শিল্পকে একটি ন্যায্য ও স্বচ্ছ কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসবে। এর মাধ্যমে গ্রাহকরা যেমন নিরাপদ ও নিবন্ধিত হ্যান্ডসেট ব্যবহারে নিশ্চয়তা পাবেন, তেমনি রাষ্ট্রীয় রাজস্ব ফাঁকি বন্ধ হয়ে সরকারের আয় বাড়বে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, সরকারের এই উদ্যোগ কেবল আইনশৃঙ্খলা ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনার দিক থেকে নয়, প্রযুক্তি খাতের টেকসই প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।</p>
<p>অন্যদিকে মোবাইল অপারেটররা এনইআইআর বাস্তবায়নে দৃঢ় রয়েছেন উল্লেখ করে অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটর্স অব বাংলাদেশের (এমটব) মহাসচিব লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ জুলফিকার বলেন, দেশীয় মোবাইল উৎপাদনকারীরা এখন আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কাজ করতে পারবে। কারণ, তাদের উৎপাদিত হ্যান্ডসেট বাজারে সুরক্ষিত থাকবে। পাশাপাশি মোবাইল অপারেটর ও খুচরা বিক্রেতারাও একটি পরিচ্ছন্ন বাজার ব্যবস্থার অংশীদার হতে পারবে। আর এনইআইআর বিষয়ে জনসাধারণকেও অবগত করতে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বন্ধ হচ্ছে ১০ অধিক সিম; খুলতে যাচ্ছে এনইআইআর জট</title>
<link>https://digibanglatech.news/158850</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158850</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_6901a25ad8db2.jpg" length="65230" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 29 Oct 2025 10:13:19 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের মোবাইল টেলিকম খাতে চলতি অক্টোবর মাসের শেষ ভাগটা স্মরণীয় হতে চলেছে। এক দফা খুলেও বন্ধ হয়ে যাওয়া ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টারের (এনইআইআর) তালা হয়তো ফের খুলতে যাচ্ছে।  ২৯ অক্টোবর বিটিআরসি ভবনে অনুষ্ঠিতব্য সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি খোলাসা করা হবে। </p>
<p>অপর দিকে মোবাইল কেন্দ্রিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনতে আগামী ৩০ অক্টোবরের পর থেকে শুরু হবে একজন গ্রাহকের জাতীয় পরিচয়পত্রের অধীনে নিবন্ধিত ১০টির অতিরিক্ত সিম বন্ধ করার প্রক্রিয়া। বর্তমানে একজন গ্রাহক ১৫টি সিমের অধিকারী হতে পারলে নভেম্বর থেকে দ্বৈব চয়ন পদ্ধতিতে সীমার অতিরিক্ত ৫টি সিম লক করে দেবে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি।  </p>
<p>এদিকে নাগরিকের নিরাপত্তায় যখন মুঠোফোন নিবন্ধন এবং এতে ব্যবহৃত সিমের সংখ্যা ১০টিতে বেধে নিতে কাজ করছে; তখন খোদ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি’র ওয়েব সাইটই ‘সুরক্ষিত নয়’’। ওয়েব ব্রাউজার এবং সার্ভারের মধ্যে যোগাযোগের সময় নিরাপদ প্রটোকল হিসেবে ব্যবহৃত ট্রান্সপোর্ট লেয়ার সিকিউরিটির বাইরে। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে ডেটা স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশন লেয়ারে ‘সিকিউর সকেট লেয়ার’ নেই। অর্থাৎ এই ওয়েবসাইটটিতে ‘নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পাঠানো ডেটা তৃতীয় পক্ষের দ্বারা দেখা বা হ্যাক হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।</p>
<p>সূত্রমতে, এই ওয়েবসাইট দেখভালের দায়িত্ব তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন এটুআই-এর। ইতিমধ্যে সংস্থাটির সঙ্গে এ নিয়ে বিটিআরসি’র পক্ষ থেকে অবহিতও করা হয়েছে। </p>
<p>সূত্রমতে, জাতীয় ভাবে দেশে ব্যবহৃত মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধনে ২৮ কোটি টাকা দিয়ে কেনা হয় এনইআইআর ইক্যুইপমেন্ট। এরপর ২০২১ সালে দুই সপ্তাহ চালু ছিলো এই প্রযুক্তিটি। তবে ওই বছর বন্ধ হওয়ার পর ২০২৪ সাল এবং তৃতীয়বারে ২০২৫ সালে চালুর উদ্যোগ নিলেও তা আটকে যায়। অবশ্য বছরের শেষভাগে এসে সেই জট এখন খুলতে যাচ্ছে। ‘<span>বিগত সময়ের মতো বিশেষ কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থে রাষ্ট্রের স্বার্থকে বিকিয়ে দেয়া সুযোগ’ বন্ধের এই পরিবেশে ফের এই তালা খুলতে দৃঢ়তা ব্যক্ত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি বলেছেন, ‘অবশেষে অবৈধ ফোন বন্ধে এনইআইআর কার্যকর করা হচ্ছে। আমরা এখান হতে আর কোনোভাবেই সরে আসছি না। বিগত সময়ের মতো বিশেষ কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থে রাষ্ট্রের স্বার্থকে এড়িয়ে যাওয়ার ঘটনা এখন ঘটার সুযোগ নেই।’ </span></p>
<p><span>বিশ্বস্ত্র সূত্রে প্রকাশ আগামী ১৬ ডিসেম্বর পূর্ণাঙ্গ রূপে চালু হবে জাতীয় ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টারটি। আগে যেটি চালু হয়েছিলো সেটিতে মৌলিক কয়েকটি ফিচার ছিলো না। তা ছাড়া তিন বছরের চুক্তিও শেষ হওয়ায় নতুন একটি প্রতিষ্ঠানকে এই দায়িত্ব দেয়া হয়। ফলে এবার র্পূ্ণাঙ্গ ভাবেই চালু হচ্ছে এটি।</span></p>
<p>প্রসঙ্গত, গ্রাহকদের নিবন্ধিত ১০টির অধিক সিম ডি-রেজিস্টার করতে দুই দফা সময় বাড়িয়েছিলো বিটিআরসি। সিম ডিরেজিস্টারের জন্য স্বয়ক্রিয় পদ্ধতিও চালু করা হয় কমিশনের পক্ষ থেকে। নিজের এনআইডির বিপরীতে কতগুলো সিম নিবন্ধিত আছে তা যাচাই করার জন্য ব্যবহারকারীরা *১৬০০১#, এনআইডির শেষ ৪ ডিজিট পাঠিয়ে তথ্য জানতে পারবেন।</p>
<div class="clearfix"></div>
<div class="my-2" id="related_more">
<div class="common-border-box related-more-news">
<div class="selected-news">
<div class="sub-news">
<div class="flex-content position-relative" id="flex-left-image">
<div class="d-flex">
<div class="flex-shrink-0">
<div class="img-content position-relative text-center"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<p></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রাজশাহী সফর করলো গ্রামীণফোনের পরিচালনা পর্ষদ</title>
<link>https://digibanglatech.news/158811</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158811</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_6900a5c1ba013.jpg" length="191914" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 28 Oct 2025 13:14:08 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>’ডিজিটাল ইনক্লুশন ফর মার্জিনালাইজড কমিউনিটিজ’ প্রকল্পের আওতায় ডিজিটাল ক্ষমতায়নের মাধ্যমে নিজেদের জীবন বদলেছেন রাজশাহীর প্রেমতলীর প্রান্তিক জনগোষ্ঠী। তাদের জীবনের এ পরিবর্তন দেখতে গ্রামীণফোন, টেলিনর এশিয়া ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে সম্প্রতি এলাকাটি সফর করেছেন গ্রামীণফোনের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ।</p>
<p>প্রতিনিধি দলের মধ্যে ছিলেন গ্রামীণফোনের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এবং হেড অব টেলিনর এশিয়া জন ওমুন্ড রেভহাগ ও অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। এ সময় প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কবিতা বোসসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>সফরকালে প্রতিনিধি দল একটি উঠান বৈঠকের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। বৈঠকে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণকারীরা আন্তঃযোগাযোগের মাধ্যমে ইন্টারঅ্যাকটিভ ডিজিটাল সাক্ষরতার পাঠ নিচ্ছিলেন।</p>
<p>এ সময় দলটি পূর্ববর্তী অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকেও অনুপ্রেরণাদায়ক অভিজ্ঞতা শুনেছেন। এই কর্মসূচি কীভাবে জীবনমান উন্নত করতে এবং ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে সহায়তা করেছে অংশগ্রহণকারীরা তা তুলে ধরেন।</p>
<p>গ্রামীণফোন পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ও টেলিনর এশিয়ার প্রধান জন ওমুন্ড রেভহাগ বলেন, “মানুষ যখন প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতা অর্জন করে, তখন তার সামনে অগ্রগতি ও সুযোগের দরজা খুলে যায়। গ্রামীণ নারী ও তরুণদের গল্পগুলো প্রমাণ করে যে, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি কতটা রূপান্তরমূলক হতে পারে এবং সংযোগ কীভাবে জীবনের গতিপথ বদলে দিতে পারে। টেলিযোগাযোগ কোম্পানিগুলোর ডিজিটাল অবকাঠামো আজকের জীবনের অপরিহার্য অংশে পরিণত হয়েছে। তাই অংশীদারদের সাথে নিয়ে সবার জন্য ডিজিটাল বিশ্ব উন্মুক্ত ও সহজলভ্য করতে আমরা সংকল্পবদ্ধ।”</p>
<p><br>গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, “গ্রামীণফোন বিশ্বাস করে, ডিজিটাল অগ্রগতি তখনই অর্থবহ হয় যখন তা সবার জন্য উন্মুক্ত হয়। আমরা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য শেখার, বেড়ে ওঠার ও ডিজিটাল জগতে বিকশিত হওয়ার পথ তৈরি করছি। রাজশাহীর অভিজ্ঞতার গল্পগুলো প্রমাণ করে কীভাবে লক্ষ্যভিত্তিক ডিজিটাল সাক্ষরতা কর্মসূচি ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তিকে সত্যিকারের সামাজিক অগ্রগতিতে রূপান্তরিত করে। সংযোগের মাধ্যমে মানুষের ক্ষমতায়ন এবং ডিজিটাল বিপ্লবের সুফল দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দিতে গ্রামীণফোনের যে লক্ষ্য রয়েছে; এই অগ্রগতি তারই প্রতিফলন।”</p>
<p><br>প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কবিতা বোস বলেন, “অনলাইন জগৎ আমাদের সমাজেরই প্রতিফলন; যেখানে অনেকে, বিশেষ করে কিশোরী ও তরুণীরা, বুলিং ও হয়রানির শিকার হন এবং অনিরাপদ বোধ করেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা প্রান্তিক তরুণদের নিরাপদভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে সমর্থ  করে তুলে এক বাস্তবিক সামাজিক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছি ।   আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল ২৩ লাখ মানুষকে এই সুবিধার আওতায় আনা। তবে গ্রামীণফোন, টেলিনর, ইয়ুথ ফর চেঞ্জ এবং স্থানীয় সম্প্রদায়গুলোর আন্তরিক সহযোগিতার ফলে সে লক্ষ্য ছাপিয়ে ৩০ লাখেরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পেরেছি আমরা। আমাদের অগ্রযাত্রা এখনো চলমান; যতদিন না ডিজিটাল ও সামাজিক পরিসর সবার জন্য আরও নিরাপদ ও সমতাপূর্ণ হয় ততদিন আমরা একসাথে কাজ করে যাব।”</p>
<p>সংযোগ ও প্রযুক্তির মাধ্যমে সমাজের ক্ষমতায়ন, টেকসই অগ্রগতি এবং প্রান্তিক পর্যায়ে অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে যে অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে গ্রামীণফোন ও টেলিনর; এই উদ্যোগটি তারই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এসব কার্যক্রম শুধু অংশগ্রহণকারীদের জীবিকা উন্নয়নে সহায়তা করেনি, বরং তাদের আত্মবিশ্বাস ও স্বাধীনতাও বৃদ্ধি করেছে, যাতে তারা আজকের ডিজিটাল বিশ্বে আত্মবিশ্বাসের সাথে চলতে পারেন।</p>
<p>গ্রামীণফোন, টেলিনর, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের এই যৌথ উদ্যোগ এবং স্থানীয় পার্টনারদের সহযোগিতায় দেশজুড়ে ৩৩ লক্ষাধিক মানুষকে স্থানীয় প্রয়োজন অনুযায়ী ডিজিটাল সাক্ষরতা ও অনলাইন নিরাপত্তা কর্মসূচির মাধ্যমে ক্ষমতায়িত করা হয়েছে। ২০২৩ সাল থেকে এই উদ্যোগের আওতায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সদস্যরা ই-কমার্স, প্রয়োজনীয় সরকারি সেবা ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির সুযোগ পেয়েছেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>তৃতীয় প্রন্তিকে প্রবৃদ্ধিতে ফিরেছে গ্রামীণফোন</title>
<link>https://digibanglatech.news/158830</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158830</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_6900ea020bbdf.jpg" length="28609" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 28 Oct 2025 13:06:33 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সার্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে মোট ৪ হাজার ১০ কোটি টাকা আয় করেছে গ্রামীণফোন লিমিটেড, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১.৪% বেশি। এই প্রান্তিক শেষে গ্রামীণফোনের মোট গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ কোটি ৫৬ লাখে। বর্তমানে মোট গ্রাহকের ৫৯.৮% অর্থাৎ ৫ কোটি ১২ লাখ গ্রাহক ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন।</p>
<p>গ্রামীণফোন লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, “বছরের শুরুতে আমাদের একটি  দৃঢ় অঙ্গীকার ছিলো- আমরা দায়িত্বশীলভাবে প্রবৃদ্ধি অর্জন করব এবং খরচের দক্ষতা বজায় রাখব। গর্বের সঙ্গে বলতে পারি, আমরা সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছি। আমাদের কার্যকর দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগ এবং ব্যয় নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা শক্তিশালী ইবিআইটিডিএ প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছে। আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রেখেও আমরা যে প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারি এটি তারই প্রতিফলন। গত কয়েক বছর ধরে আমরা বাংলাদেশের পরিবেশবান্ধব জ্বালানি খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করে যাচ্ছি। কর্পোরেট পাওয়ার পারচেজ অ্যাগ্রিমেন্ট (সিপিপিএ) কাঠামো অনুমোদিত হওয়ার মাধ্যমে সেই দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তব রূপ নিচ্ছে।”</p>
<p>তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে আমরা আশাবাদ এবং অন্তর্নিহিত চ্যালেঞ্জের একটি মিশ্র চিত্র দেখতে পাচ্ছি। জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশের অর্থনীতি সাময়িকভাবে গতি পেতে পারে, কারণ বাজারের সামগ্রিক কার্যক্রমে ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তাই নতুন গ্রাহক অর্জনের প্রত্যাশা রয়েছে আমাদের এবং দেশের সার্বিক কানেক্টিভিটিতে  আমাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আরও সুদৃঢ় করতে চাই। প্রতি প্রান্তিকে আমরা প্রযুক্তি, পণ্যের অফার, ডিজিটাল অপারেশন এবং গ্রাহক সম্পৃক্ততায় নতুনত্ব আনছি, যাতে দ্রুত পরিবর্তনশীল বাজারে প্রাসঙ্গিক ও অগ্রণী থাকতে পারি। আমরা নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে ভবিষ্যতের পথে এগোচ্ছি এবং সেই ভবিষ্যৎ হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-নির্ভর। ধাপে ধাপে ফাইভজি বাস্তবায়নের পাশাপাশি আমরা নেটওয়ার্ক অপারেশন, গ্রাহক অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা উন্নয়নে এআই-চালিত উদ্যোগে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ ও প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”</p>
<p>গ্রামীণফোনের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার (সিএফও) অটো মাগনে রিসব্যাক বলেন, “সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এখনো স্থবির এবং বাজারজুড়ে প্রবৃদ্ধি আমাদের প্রত্যাশার তুলনায় ধীর। তবুও এ প্রান্তিকে আমাদের আর্থিক ফলাফল আশাব্যঞ্জক। স্থিতিশীল মুনাফার হার এবং মূল ব্যবসায়িক ক্ষেত্রগুলোতে কঠোর শৃঙ্খলার মাধ্যমে আমরা পুনরায় প্রবৃদ্ধিতে ফিরেছি। আয়ের ক্ষেত্রে বলতে পারি, টানা চার প্রান্তিকের পতনের পর এবার গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আমাদের আয় ৫৬.১ কোটি বা ১.৪% বৃদ্ধি পেয়েছে। এই প্রান্তিকে আমাদের ব্যয় মাত্র ১% বেড়েছে, যেখানে মুদ্রাস্ফীতি এখনো ৮%-এর বেশি। এ প্রান্তিকে ইবিআইটিডিএ ১.৭% বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আয়ের প্রবৃদ্ধির চেয়ে বেশি। এটি আমাদের কার্যকর পরিচালন দক্ষতা ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণের প্রতিফলন। যদিও উচ্চতর অবচয় ও এমোর্টাইজেশন খরচ এবং নতুন সাইট স্থাপন ও ছাদের লিজ বাবদ খরচ বৃদ্ধির কারণে মোট কর পরবর্তী মুনাফা (এনপিএটি) কিছুটা প্রভাবিত হয়েছে; তবুও আমাদের এনপিএটি মার্জিন শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে- ১৮.৭%। আমরা বিশ্বাস করি, এটা সেই সময় যখন একটি বাস্তবসম্মত ও ভবিষ্যত-উপযোগী অপারেটিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা উচিত। যে প্ল্যাটফর্মের ভিত্তি হবে ক্লাউড-নেটিভ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)। এগুলো দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ এবং স্বল্পমেয়াদে প্রভাব সীমিত হলেও আমরা আশা করি প্রবৃদ্ধি পুনরায় গতি পাওয়ার সাথে সাথে কাঠামোগত সুবিধাগুলোও আরও লক্ষ্যণীয় হয়ে উঠবে।”</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন গ্রামীণফোনের সিইওসহ ৩ জন</title>
<link>https://digibanglatech.news/158759</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158759</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68fe5f986e364.jpg" length="77227" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 26 Oct 2025 13:51:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>
<div>
<div>
<p>‘প্রতারণা ও চুরির’ অভিযোগে সাবেক এক কর্মীর করা মামলায় ২৬ অক্টোবর, রবিবার  ঢাকার মহানগর হাকিম রৌনক জাহান তাকির আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমানসহ তিনজন।  জামিন পাওয়া অপর দুজন হলেন- গ্রামীণফোনের ট্রাস্টি বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফজলুল হক এবং চিফ হিউমান রিসোর্স অফিসার সায়েদা তাহিয়া হোসেন।</p>
<p>জামিনের আবেদনের শুনানি শেষে আদালত তা মঞ্জুর করেন বলে জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী এহেসানুল হক সমাজী । </p>
<p>রাকিবুল আজম নামের এক সাবেক কর্মী গত ২৬ সেপ্টেম্বর এ মামলা দায়ের করেন। আদালত সেদিন মামলাটি গ্রহণ করে আসামিদের ২৬ অক্টোবর আদালতে হাজির হতে সমন জারি করে। সে অনুযায়ী গ্রামীণফোনের তিনজন এদিন সকালে আত্মসমর্পণ করতে আদালতে আসেন। বেলা ১২টার দিকে শুনানি শুরু হলে আসামিরা কাঠগড়ায় গিয়ে দাঁড়ান।</p>
<p>এহেসানুল হক সমাজী আদালতকে বলেন, ‘রাকিবুল আজম গ্রামীণফোনের সাবেক একজন কর্মী। তর্কিত চুক্তিপত্রের ভিত্তিতে আদালতে মামলা করেন। আদালত আসামিদের আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন।</p>
<p>আসামিরা আইন, আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাদের জামিনের প্রার্থনা করছি। একই ধরনের অভিযোগ নিয়ে তিনি (রাকিবুল আজম) শ্রম আদালতেও একটি মামলা করেছেন। হাই কোর্টে রিট করা হয়েছে। হাই কোর্ট রুল জারি করে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেছে। কথিত মতের অভিযোগ প্রতারণা, চুরির অভিযোগ, যার কোনো উপাদান এজাহারে নেই। কথিত যে চুক্তিপত্রের ভিত্তিতে মামলা, সেখানে টাকা উল্লেখ নেই। আসামিরা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন। তাদের হয়রানি করতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। জামিন দেন, মিসইউজ করবেন না।’</p>
<p>ঢাকা আইনজীবী সমিতির অ্যাডহক কমিটির সদস্য খোরশেদ মিয়া আলম বলেন, ‘আসামিরা প্রথিতযশা ব্যক্তিত্ব। দেখবেন, জামিন পাওয়ার স্ট্যাটাস আছে কি না। জামিন পাওয়ার বিষয় বিবেচনা করে তাদের জামিনের প্রার্থনা করছি।’</p>
<p>অন্যদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবী রোকেয়া আক্তার রোকসানা জামিনের বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, ‘৮ লাখ টাকার অধিক পাওনা। পাওনার জন্য বাদী গ্রামীণফোনে যান। চুক্তি স্ট্যাম্প বুঝে পেয়েছেন মর্মে তাকে স্বাক্ষর করতে বলে। চেক দিয়ে দেওয়ার কথা বলে। পরে বলে ঝামেলা আছে। এরপর থেকে তিনি দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।’</p>
<p>আদালতের অনুমতি নিয়ে রাকিবুল আজম বলেন, ‘শ্রম আদালতের মামলার সাথে এ মামলার সংশ্লিষ্টতা নেই। শ্রম আদালতে হেরে গিয়ে তারা হাই কোর্টে গেছে। হাই কোর্টে গিয়ে ছয় মাসের স্থগিতাদেশ পায়।’</p>
<p>শুনানি শেষে আদালত পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় আসামিদের জামিনের আদেশ দেয়। মামলার বিবরণে বলা হয়, ২০০৬ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত গ্রামীণফোনে চাকরি করেন রাকিবুল আজম। চাকরিরত অবস্থায় ২০১০ সাল থেকে ২০১২ পর্যন্ত আউটসোর্সিং এর রক্ষিত টাকা কর্মচারীদের মধ্যে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।</p>
<p>ওই আউটসোর্সিং এর কাজের জন্য কোম্পানির কাছে ৮ লাখ ২৯ হাজার ৯৯৮ টাকা পাওনা হয় বাদীর। পরে গত ১০ নভেম্বর বাদীকে তার পাওনা টাকা দেওয়ার জন্য ডাকা হয়। বাদী তার পাওনা টাকা আনতে গেলে আসামিরা তার কাছে তিনশ টাকার স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে ফেরত পাঠায়। এরপর আসামিরা ওই টাকা ফেরত না দিয়ে বিভিন্নভাবে টালবাহানা করতে থাকে।</p>
<p>এ বিষয়ে গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে এক বার্তায় বলা হয়, ‘এটি একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়রানিমূলক মামলা। আমাদের সিনিয়র ম্যানেজমেন্টকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমরা আইনের প্রতি আস্থাশীল। আমরা বিশ্বাস করি, মাননীয় আদালতে আমরা ন্যায়বিচার পাব।’</p>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডাকসেবা অধ্যাদেশের খসড়া প্রকাশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/158699</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158699</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68fc92227503e.jpg" length="77567" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 25 Oct 2025 11:02:44 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="235" data-end="418">১৮৯৮ সালের ঔপনিবেশিক আইনের বদলে আসছে নতুন ‘ডাকসেবা অধ্যাদেশ ২০২৫’। প্রায় এক শতাব্দীরও বেশি সময় পর ডাক ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার আনতে এই খসড়া তৈরি করেছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। কুরিয়ার রেগুলেশন, ডেটা প্রাইভেসি, কনজিউমার প্রটেকশনসহ আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে নতুন অধ্যাদেশের খসড়া ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে। একইসঙ্গে খাত সংশ্লিষ্টদের মতামত চেয়ে মেইল করার আহ্বান জানিয়েছেন ডাকের মহাপরিচালক। মতামত দেয়া যাবে <a href="mailto:dg@bdpost.gov.bd" target="_blank" rel="noopener">dg@bdpost.gov.bd</a> ঠিকানায়।   </p>
<p>খসড়ায় বাংলাদেশ ডাকের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে আধুনিক প্রযুক্তি, নতুন উদ্ভাবিত প্রক্রিয়া এবং দ্রুততর ও উন্নত সেবা হিসেবে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ডাক সেবা, ইলেকট্রনিক ট্র্যাকিং ও ডেলিভারি, ই-কমার্স প্লাটফর্ম ইত্যাদি অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। এভাবে নতুন অধ্যাদেশে বেশ কিছু পরিবর্তন ও নবায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে পোস্টাল লাইফ ইনস্যুরেন্স, সেভিংস ব্যাংক সম্পর্কিত বিধান, কুরিয়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থাপনা, ভোক্তা সুরক্ষা, আন্তঃসংযোগযোগ্যতা এবং ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা বা ডেটা প্রাইভেসি উল্লেখযোগ্য। </p>
<p>এছাড়া এতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে পোস্টাল বিভাগ “জাতীয় ডাক অপারেটর” হিসেবে কার্যকরী হবে, এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড (International Standards) অনুসরণ করবে। <span class="" data-state="closed"><span class="ms-1 inline-flex max-w-full items-center relative top-[-0.094rem] animate-[show_150ms_ease-in]" data-testid="webpage-citation-pill"><a href="https://www.thedailystar.net/tech-startup/news/postal-service-seeks-public-input-new-ordinance-after-126-years-4018406" target="_blank" rel="noopener" alt="https://www.thedailystar.net/tech-startup/news/postal-service-seeks-public-input-new-ordinance-after-126-years-4018406" class="flex h-4.5 overflow-hidden rounded-xl px-2 text-[9px] font-medium transition-colors duration-150 ease-in-out text-token-text-secondary! bg-[#F4F4F4]! dark:bg-[#303030]!"><span class="relative start-0 bottom-0 flex h-full w-full items-center"><span class="flex h-4 w-full items-center justify-between overflow-hidden"><span class="max-w-[15ch] grow truncate overflow-hidden text-center"></span></span></span></a></span></span></p>
<p><span class="" data-state="closed">যদি এই নতুন অধ্যাদেশ আইন হিসেবে পাস হয়ে যায়, তাহলে এটি দেশের পুরনো ব্যবস্থাপনাগত আইনগুলোর মধ্যে অন্যতম পুরনো আইনকে প্রতিস্থাপন করবে। সেই লক্ষ্যে খসড়া অধ্যাদেশে এই হালনানাগদ করণ প্রক্রিয়াকে বাংলাদেশের ডাক ও কুরিয়ার খাতকে আধুনিক, ডিজিটাল ও বাণিজ্যবান্ধব কাঠামোয় রূপ দিতে একটি সর্বাঙ্গীন সংস্কার পরিকল্পনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, </span><span class="" data-state="closed">“ডাকসেবা অধ্যাদেশ ২০২৫” বাংলাদেশ ডাককে শুধু চিঠিপত্র পরিবহনের প্রতিষ্ঠান নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সেবা নেটওয়ার্ক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েছে—যেখানে সরকারি সেবা, আর্থিক লেনদেন, ই-কমার্স ও লজিস্টিক ব্যবস্থাপনা একসাথে সংযুক্ত থাকবে।</span></p>
<p data-start="420" data-end="621">নতুন আইনে বাংলাদেশ ডাককে দেশের জাতীয় ডাক অপারেটর (Designated Operator) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি শুধু চিঠিপত্র নয়, আর্থিক লেনদেন, ই-কমার্স পণ্য, কুরিয়ার ও লজিস্টিকস সেবা পরিচালনা করবে।</p>
<p data-start="623" data-end="798">অধ্যাদেশ অনুযায়ী, সরকারি ও বেসরকারি—সব ডাক ও কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানকেই সরকারের অনুমোদন বা লাইসেন্স নিতে হবে। লাইসেন্স ছাড়া ডাক বা কুরিয়ার ব্যবসা চালালে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।</p>
<p data-start="800" data-end="997">নতুন আইনে যুক্ত হওয়া গ্রাহক সুরক্ষা, তথ্যের গোপনীয়তা ও ডেটা সুরক্ষা-সংক্রান্ত ধারায় ডাক সেবার মাধ্যমে পাঠানো কোনো তথ্য বা উপাত্ত অনুমতি ছাড়া প্রকাশ করলে দায়ী প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহি করতে হবে।</p>
<p data-start="999" data-end="1260">এতে ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংক, পোস্টাল লাইফ ইনস্যুরেন্স, এক্সপ্রেস কুরিয়ার, ডিজিটাল ও মোবাইল পোস্ট অফিসের মতো আধুনিক সেবা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকার বলছে, এই আইনের মাধ্যমে ডাক বিভাগকে “শুধু বার্তা বাহক নয়, বরং ডিজিটাল যুগের সেবামূলক নেটওয়ার্ক”-এ রূপ দেওয়া হচ্ছে।</p>
<p data-start="1262" data-end="1454">গ্রামীণ ও দুর্গম এলাকায়ও সার্বজনীন ডাকসেবা পৌঁছে দিতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ডাক ইউনিয়নের (UPU) নিয়ম মেনে বাংলাদেশ ডাক বিদেশি ডাক ও ই-কমার্স সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করতে পারবে।</p>
<p data-start="1456" data-end="1627">অধ্যাদেশে উল্লেখ আছে, ডাক বিভাগের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সরকারি ট্রেজারি সিঙ্গেল অ্যাকাউন্ট (TSA) ব্যবস্থায় চলবে এবং সেবা মনিটরিং হবে সফটওয়্যারভিত্তিক ডিজিটাল সিস্টেমে। তবে সরকারি, কূটনৈতিক ও নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট ডাক লেনদেন এই আইনের সাধারণ বিধান থেকে অব্যাহতি পাবে। এক্ষেত্রে ব্যক্তিগত চিঠি ও পণ্য প্রেরণেও নির্দিষ্ট নিয়ম মানতে হবে।</p>
<p></p>
<p></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>তিতাসের সঙ্গে জিপি’র চুক্তি</title>
<link>https://digibanglatech.news/158613</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158613</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f8b75b9f7df.jpg" length="88195" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 22 Oct 2025 11:52:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal"><span> তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি’র কর্পোরেট অংশীদার হলো গ্রামীণফোন।</span><span> কর্মীদের জন্য এই অপারেটর বিশেষ ভয়েস ও ইন্টারনেট সেবা দিতে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে টেলিযোগাযোগ সেবাদাতা অপারেটরটি। </span></p>
<p class="MsoNormal"><span>গ্রামীণফোনের হেড অব আর্মড ফোর্সেস, এনার্জি সেক্টর ও স্ট্র্যাটেজিক বিজনেস খন্দকার রিয়াজ রহমান এবং তিতাস গ্যাসের কোম্পানি সেক্রেটারি মো. লুৎফুল হায়দার মাসুম ঢাকার কারওয়ান বাজারে তিতাস গ্যাসের প্রধান কার্যালয়ে এ বিষয়ক কর্পোরেট চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় গ্রামীণফোনের চিফ বিজনেস অফিসার ড. আসিফ নাইমুর রশীদ এবং তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর শাহনেওয়াজ পারভেজ উপস্থিত ছিলেন।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span>এছাড়াও গ্রামীণফোনের হেড অব গভর্নমেন্ট অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক বিজনেস নুরুল ফেরদৌস মুসান্না, গভর্নমেন্ট অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক বিজনেসের স্ট্র্যাটেজিক অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার মো. মাহমুদুর রহমান, হেড অব ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড অ্যাডজাসেন্ট বিজনেস রিপন কুমার পাল; তিতাস গ্যাসের জেনারেল সার্ভিসেস ডিভিশনের জেনারেল ম্যানেজার সৈয়দা আতিয়া বিলকিস, অপারেশনস ডিভিশনের জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী কাজী মোহাম্মদ সাঈদুল হাসান, আইসিটি ডিভিশনের জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মো. সিদ্দিকুর রহমানসহ উভয় কোম্পানির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।</span><span></span></p>
<p class="MsoNormal"><span>২২ অক্টোবর, বুধবার এক সংবাদবিজ্ঞপ্তিতে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এই চুক্তি বিষয়ে জানিয়েছে গ্রামীণফোন। </span></p>
<p class="MsoNormal"><span>অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের চিফ বিজনেস অফিসার ড. আসিফ নাইমুর রশীদ বলেন, “এন্টারপ্রাইজ পার্টনাররা গ্রামীণফোনের ওপর যে আস্থা ও বিশ্বাস রেখেছেন তা আমাদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। উদ্ভাবনী ও উপযোগী সমাধানের মাধ্যমে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর ডিজিটাল রূপান্তরে সংকল্পবদ্ধ গ্রামীণফোন। তিতাস গ্যাসের সাথে এই পার্টনারশিপ তেমনই একটি পদক্ষেপ যা কার্যক্রমের দক্ষতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। একটি বিশ্বস্ত ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন পার্টনার হিসেবে অত্যাধুনিক সংযোগ এবং আইওটি-ভিত্তিক সেবার মাধ্যমে দেশের গুরুত্বপূর্ণ শিল্পগুলোর ক্ষমতায়নে কাজ করছে গ্রামীণফোন; যাতে আরও স্মার্ট, টেকসই ও ভবিষ্যত-উপযোগী কার্যক্রমের পাশাপাশি জাতীয় অগ্রগতি নিশ্চিত হয়।”</span></p>
<p class="MsoNormal">তিতাস গ্যাসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর শাহনেওয়াজ পারভেজ<span> বলেন, “এই পার্টনারশিপ আমাদের ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। আমরা গ্রামীণফোনের কাছ থেকে আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণ করছি যা আমাদের দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও গ্রাহকসেবার মান আরও উন্নত করবে। সংযোগ ও আইওটি ক্ষেত্রে গ্রামীণফোনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আমরা জ্বালানি খাতে কার্যক্রমগুলো ঢেলে সাজাতে চাই, যা উদ্ভাবন ও সেবার উৎকর্ষতায় নতুন মানদণ্ড স্থাপন করবে।”</span></p>
<p class="MsoNormal"></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কর্মী ছাঁটাই ইস্যুর তৃতীয় দফা সালিশও পণ্ড; পরের সালিশ ১৭ নভেম্বর</title>
<link>https://digibanglatech.news/158593</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158593</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f7c11b073c9.jpg" length="95424" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 21 Oct 2025 22:52:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>করোনার অতিমারিতে লকআউটের মাধ্যমে চাকরিচ্যুত করা ১৫৯ কন কর্মীর বিষয়ে তৃতীয় দফায় শ্রম অধিদফতরের সালিশি বৈঠকে হাজির হতে হয়েছে গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষকে।  কর্মী ছাঁটাইয়ের বৈধতা নিয়ে অপারেটরটির যুক্তি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে খারিজ হয়ে যাওয়ায় ২১ অক্টোবর, সোমবার রাজধানীর বিজয়নগরস্থ শ্রম অধিদফতরের বোর্ডরুমে এই সালিসি বৈঠক হয়েছে। তবে এসময় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হলেও শেষ পর্যায়ে বাগ-বিতণ্ডার মধ্য দিয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয় ত্রিপক্ষীয় এই সালিশী বৈঠকটি। ফলে পরবর্তী বৈঠকের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭ নভেম্বর।</p>
<p>সালিশে সমঝোতাকারী পক্ষে শ্রমিক অধিদফতরের (DOL) ট্রেড ইউনিয়ন ও সালিশি শাখার পরিচালক শামীমা সুলতানা বারী, ট্রেড ইউনিয়ন শাখার উপ-পরিচালক মোশাররফ হোসেন  এবং সালিশি ও প্রশিক্ষণ বিভাগের উপ-পরিচালক মিতসু সাওলিনসহ পাঁচ জন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>অপরদিকে অভিযুক্ত গ্রামীণফোনের পক্ষে অপারেটরটির হেড অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশনস (IR) আওলাদ হোসেনের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>আর বাদী পক্ষ, গ্রামীণফোন এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (CBA) প্রেসিডেন্ট ফজলুল হক, সেক্রেটারি মাতুজ আল কাদরীসহ ৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>সালিশ নিষ্পতি না হওয়ায় বৈঠকে উপস্থিত প্রতিনিধি ছাড়াও বাইরে অপেক্ষমান  ছাঁটাই হওয়া কর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাদের প্রশ্ন “গ্রামীণফোন গত চার বছরেরও বেশি সময় ধরে আইন লঙ্ঘন ও অসৎ শ্রম আচরণ করেই যাচ্ছে। এইভাবে আর কতদিন তারা এই অন্যায় চালিয়ে যাবে?”</p>
<p>তবে চার বছর ধরে অধিকার ফিরে পাওয়ার আন্দোলনে নিয়োজিত শ্রমিকরা দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন — “আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, এবং আমরা আইনগত পথেই আমাদের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করব।”</p>
<p>এ বিষয়ে জানতে চাইলে গ্রামীণফোন জানায়, " মহামান্য আদালত থেকে কোনো কর্মীকে পুনর্বহালের জন্য এ ধরনের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। মহামান্য আদালতের রায় অনুযায়ী এই বিষয়ে সালিসী কার্যক্রম চলতে পারে। এই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতেই আজ শ্রম অধিদপ্তরে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শ্রম অধিদপ্তরের মধ্যস্ততায় সালিসী কার্যক্রম চলমান অবস্থায় কোনো ধরনের মন্তব্য করা সমীচীন হবে না।" </p>
<p>প্রসঙ্গত, করোনার অতিমারিতে ২০২০ সালের ৩১ মে ১৮০ স্থায়ী কর্মীকে লকআউট করে Job description less kore গ্রামীণফোন। ওই বছরেরই ৩১ ডিসেম্বর এই JD less কর্মীদের স্বীয় কাজে  পুণর্বহালের জন্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিসপুট উত্থাপন করেন  গ্রামীণফোন এমপ্লিয়জ ইউনিয়ন (জিপিইউ)। কিন্তু তখন প্রতিষ্ঠানে একাধিক ইউনিয়েন রয়েছে যুক্তি দেখিয়ে জিপিইউ এর আপত্তি খারিজ করে গ্রামীণফোন। এরপর ২০২১ সালের ২০ জানুয়ারি একই আপত্তি শ্রম অধিদফতরের সালিশি শাখায় উত্থাপন করে করে ইউনিয়ন বলেন যে, গ্রামীণফোন শ্রম আইনের ১৯১(১)(ঠ) ভঙ্গ করে ১৮০ কর্মীকে কাজ থেকে বিরত রেখেছে বলে নালিশ করে। একই বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি শ্রম অধিফতর ডিসপুট খারিজ করে দেয়। এরপর বিষয়টি গড়ায় হাইকোর্টে। অধিদপ্তরের খারিজের বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করে ভুক্তভোগী কর্মীদের ইউনিয়ন। ওই বছরেরই ২০ জুন গভীর রাতে, ১৫৯ জন স্থায়ী কর্মচারীকে  শ্রম আইনের ২২৮ অমান্য করে চাকরিচ্যুত করা হয়। আইন অমান্য করে চাকরিচ্যুত করা শ্রমিক পক্ষের উপর গ্রামেনফোনের   অসৎ শ্রম আচরণ (Unfair Labour Practice) স্পষ্ট হয়। </p>
<p>এছাড়া, শ্রম বিধিমালা ২০১৫ এর বিধি ১৬(৫) অনুযায়ী স্থায়ী প্রকৃতির পদে অস্থায়ী বা ঠিকাদারি কর্মী নিয়োগ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলেও, গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ সেই আইন লঙ্ঘন করে স্থায়ী কাজে ঠিকাদারি জনবল ব্যবহার করছে বলেও অভিযোড় উত্থাপন করা হয়। </p>
<p>গ্রামীণফোন এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন উক্ত মামলাটি  হাইকোর্টে হেরে গেলে অ্যাপিলিয়েড ডিভিশনে আবেদন করে তারা। আপিল বিভাগ ২০১২ ও ২০১৩ সালেগ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ যে দুইটি ইউনিয়নের যুক্তিতে ডিসপিউট খারিজ করে সেগুলোর তিন মাসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করতে আদেশ প্রদান করেন। ওই ইউনিয়নগুলো হলে- গ্রামীণফোন লিমিটেড শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের  এবং  গ্রামীণফোন লিমিটেড শ্রমিক ইউনিয়ন। </p>
<p>হাইকোর্ট রায়ে এ ধরনের আউটসোর্স ইউনিয়ন অবৈধ বলে রায় আছে। এসময় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ডিসপিউট আমলে নেয়। ফলে ২০২৩ সালের জুন মাসে শ্রমঅধিদপ্তরের সালিশি শাখাকে ডিসপুটটি পুণর্ম্যূল্যায়নে করতে নির্দেশনা দেন আপিল বিভাগ। সেই রায়ের আলোকে সালিশি শাখা আপোষ মিমাংসার জন্য দুইটি চিঠি দেন। </p>
<p>কিন্তু গ্রামীণফোন ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে সেই সালিশি চিঠির আপিল বিভাগের রায় অপব্যাখ্যা ( misinterprete)করে কল করা হয়েছে উল্লেখ করে হাই কোর্ট থেকে কনসিলিয়েশনের  উপর  স্টে অর্ডার নেন। সেই মামলার চূড়ান্ত রায়ে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে এবং আপিল বিভাগের রায়ে জুলাই মাসে শ্রম অধিদফতরের সালিশি শাখার করা সালিশির চিঠি দু,টি বৈধ ছিলো বলে আদেশ দেন। আদেশ প্রাপ্তির পর এই মাসের ১২ই অক্টোবর তৃতীয় সালিশি সভা অনুষ্ঠিত হলো। </p>
<p>তবে এর আগে ২০২৩ সালের ৮ নভেম্বর  প্রথম সালিশে অনুপস্থিত ছিলো গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ। দ্বিতীয় দফায় ২০২৩ বছরের ২৩নভেম্বরের সালিশে সময় ক্ষেপন করে আদালতে গিয়েছিলো বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। </p>
<p>এমন একজন ভুক্তভোগী জানান, কর্মী পুণর্বহালের আদেশ কোর্ট সরাসরি দেননি। বলেছেন, কনসিলিয়েশন ভ্যালিড। কনসিলিয়েশন ভ্যালিড হলে ২২৮ এর প্রটেকশন পাওয়া যাবে। গ্রামীণফোন ১৫৯ কে চাকরিচ্যুত করেছে সেটা অবৈধ। আর ধারা ২২৮ বলছে: যেসব ক্ষেত্রে কোনো শ্রমসংক্রান্ত বিরোধ (industrial dispute) বা তার সঙ্গে সম্পর্কিত প্রক্রিয়া চলছে — সেই সময় নিরাপদভাবে বলা হয়েছে, নিয়োগকর্তা সাধারণভাবে শ্রমিককে চাকরিচ্যুত বা বরখাস্ত করতে পারবে না যতক্ষণ না ওই বিরোধ-প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যায়। ফলে সালিশের মাধ্যমেই আমাদের সঙ্গে করা অন্যায়ের নিষ্পত্তি করতে হবে গ্রামীণফোনকে। </p>
<p>এদিকে জিপিইউ জানায়, স্থায়ী কর্মচারীকে জব ডেসক্রিপশনলেস করার ঘোষণা ও পরবর্তী ছাঁটাই কেবল জাতীয় শ্রম আইন নয়, বরং আইএলও কনভেনশন ৮৭ ও ৯৮–এরও সরাসরি লঙ্ঘন। </p>
<p>“বহুজাতিক কোম্পানি হিসেবে গ্রামীণফোনের উচিত ছিল আন্তর্জাতিক শ্রম মান ও মানবাধিকার সম্মান করা, কিন্তু তারা বারবার আদালতের রায় ও শ্রম আইনের মৌলিক নীতিমালা অমান্য করেছে,” — বলেন ইউনিয়ন নেতা মোঃ ইমরান হোসেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অনলাইন বেটিং ও পর্নোগ্রাফি’র সভায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এনইআইআর ও এনটিএমসি</title>
<link>https://digibanglatech.news/158581</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158581</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f796bd89fde.jpg" length="134151" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 21 Oct 2025 19:20:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span lang="BN">বিভিন্ন ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপস এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে জুয়ার কার্যক্রম । এতে বিদেশে অর্থ পাচার সহ হুমকির মুখে তরুণ সমাজ। এমন প্রেক্ষাপটে অনলাইনে জুয়া, বেটিং সাইট এবং পর্নোগ্রাফি সাইট বন্ধ করার বিষয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনায় প্রাধান্য পেলো ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার (NEIR)। দেশে মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবহারকে বৈধতার কাঠামোর মধ্যে আনতে আবারও উঠে এলো এই সিস্টেমটি চালুর বিষয়। আলোচনার টেবিলে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের সক্ষমতা ও দায়বদ্ধতা নিয়ে হয়েছে আলোচনা।  </span></p>
<p>২১ অক্টোবর মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওস্থ বিটিআরসি ভবনে <span lang="BN">অনলাইনে জু</span>য়া<span lang="BN">র কার্যক্রম প্রতিরোধে করণী</span>য় <span lang="BN">বিষ</span>য়ক আলোচনা সভায় আলোচনায় আসে এই দুটি উদ্যোগের নাম। আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে নভেম্বরের পরে এনইআইআর চালু করা হবে বলে জানান অনুষ্ঠানের সভাপতি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।</p>
<p>আলোচনায় অংশ নিয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন, জুয়া সারাবিশ্বে আলোচিত একটি বিষয়। জুয়া বন্ধে বিটিআরসি-ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি এজেন্সি কাজ করছে। মাইন্ডসেট পরিবর্তনের পাশাপাাশি প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যেমে জুয়া প্রতিরোধে কাজ করতে হবে। <o:p></o:p></p>
<p>সূত্রমতে, কয়েক দফা উদ্যোগ নিয়েও প্রক্রিয়াগত নানা জটিলতা ও বিতর্কের কারণে এনইআইআর চালু করতে পুরোপুরি সফল হতে পারেনি বিটিআরসি। তবে এবার পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে চলতি বছরের ২৯ নভেম্বর আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমে এই বিষয়ে বিস্তারিত কৌশল ও সময়সূচি প্রকাশ করতে পারে কমিশন। </p>
<p>এ প্রসঙ্গে বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. এমদাদ উল বারী (অব.) বললেন, এনইআইআর চালু করলে একটি মোবাইলে যে সিম আছে সেই সিম পরিবর্তন করলেও পরবর্তী সিম প্রবেশ করাতে নিবন্ধন প্রয়োজন হবে এবং এর মাধ্যম অপরাধ কমে আসবে । অন্যদিকে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারীরা যদি তাদের অ্যাপসে পুন:পুন ভেরিফিকেশন চালু করে তাহলেও প্রতারণা কমে আসবে। <o:p></o:p></p>
<p>বিটিআরসি চেয়ারম্যান আরো বলেন, যারা সিকিউরিটি নিয়ে কাজ করেন আর যারা টেকনোলজি নিয়ে কাজ করেন তাদের মধ্যে একটা গ্যাপ থাকে। এই গ্যাপ কমানোর জন্য পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধ এর পাশাপাশি সব স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে পারস্পারিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে হবে। থ্রিজি চালুর করার সময় আইনশৃঙখলা বাহিনী বলেছিল থ্রিজি আসলে আইনশৃঙখলা অবনতি হবে কারণ মনিটরিং সক্ষমতা নেই। তখন ইন্ডাস্ট্রি থেকে বলা হলো যদি ১০ ভাগ কানেক্টিভিটি বাড়লে ১ ভাগ জিডিপি বাড়বে। দুইটা প্রেক্ষিত বুঝতে হবে যে পাচটির বেশি সিম থাকা ঠিক নয় এটা য্যেক্তিক নয়। ১৭ কোটি সিম নিবন্ধন করতে ১০কোটি মানুষকে লাইনে দাড়িয়ে সিম নিবন্ধন করতে হয়েছে। শুরুতে ২০টা সিম দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে সেখান থেকে ১৫টা সিম নিয়ে আসা হয় যা করতে ছয়মাস সময়ের প্রয়োজন হয়। বর্তমানে বিটিআরসি  ১০টি সিমে নামিয়ে আনার কাজ করছে । যদি কারো নামে ২টি সিম বহাল রাখা হয় তখনও অনলাইন প্রতারণা ও জুয়া কমবে না বরং এটা চলতে  থাকবে। এজন্য স্মার্ট এনআইডি ও পুরাতন এনআইডির মধ্যে ম্যাপিং করলে অর্ধেক ডুপ্লিকেট এনআইডি কমে আসবে যাবে। বাজারে খুচরা পর্যায়ে বিক্রি করা সিমের ক্ষেত্রে মানবসৃষ্ট ভুলের কারণে একই জাতীয় পরিচয়পত্রে একাধিক সিম বিক্রি হচ্ছে।  <o:p></o:p></p>
<p>বাংলাদেশ ফিনান্সিয়াল ইনটেলিজেন্ট ইউনিট এর ভারপ্রাপ্ত প্রধান মফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, ইতোমধ্যে ৪ হাজার ৭৮৩টি এমএফএস  অ্যাকাউন্ট ব্লক করা হয়েছে। জুয়ার অ্যাকাউন্ট ব্লক করার পর তা বিশ্লেষণ করে আইনশৃংখলা বাহিনীকে তথ্য সরবরাহ করা হবে।  <o:p></o:p></p>
<p>ন্যাশনাশ টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার এর পরিচালক জানান, এনটিএমসির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকল স্টেকহোল্ডারদেরকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ১২৩ টা অ্যপস বন্ধসহ এ সংক্রান্ত অসংখ্য ইউআরএল ব্লক করে দেওয়া হয়েছে। । সংবাদমাধ্যমে জুয়ার বিজ্ঞাপন বন্ধে সাইবার নিরাপত্তা আইনের ধারা ব্যবহার করার পরামর্শ দেন তারা। <o:p></o:p></p>
<p>ডিজিএফআই এর পরিচালক ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল সাইফ বলেন, একই আইএমইআই এর সাথে অনেক সিম ব্যবহার করা হচ্ছে এবং সর্বোচ্চ ৩০ টা সিম পাওয়া গেছে। আইএমইআই ব্লাকলিস্ট  চালু করা দরকার যাতে করে কেউ কালো তালিকাভুক্ত সিম চালু করলে টাওয়ার থেকে সিগন্যাল আসে। <o:p></o:p></p>
<p>জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মাসুদ বলেন, দেশের যুবকদের সাথে দুবাই ও মালয়েশিয়ার থেকেও  একটি চক্র যুক্ত হয়ে অনলাইনে অপরাধ করে যাচ্ছে। তারা বিদেশে মেয়েদেরকে নিয়ে কলসেন্টার চালু করে জুয়া বেটিং এর প্রচারণা চালায়। মোবাইল ও  আইএসপি অপারেটরদের কনটেন্ট সনাক্তের সক্ষমতা অর্জনের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।  <o:p></o:p></p>
<p>সিআইডি সাইবার পুলিশ সেন্টার এর বিশেষ পুলিশ সুপার মীর তৌহিদ বলেন, গত ২ মাসে ২ হাজারের বেশি সিম অনলাইনে বেটিং কাজে জড়িত সেটা সনাক্ত করা হয়েছে এবং বেটিং এর কাজে ব্যবহার হচ্ছে ৬০০ সাইট ও ৫০টি অ্য্যপস। অনেক অ্যাপস দেশের বাহির থেকে পরিচালিত হয় বলেও জানান তিনি। <o:p></o:p></p>
<p>মোবাইল অপারেটরদের প্রতিনিধিরা জানান, তারা অনলাইন জুয়া, পর্নোগ্রাফি ও বেটিং সাইট বন্ধে এনটিএমসির সহায়তায় সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে অসংখ্য বেটিং ও পর্নসাইট বন্ধ করা হয়েছে জানিয়ে তারা বলেন, জুয়ার সাইটগুলো অনেক সিকিউরড  এবং বিভিন্ন নামে হওয়ায় মাল্টিলেয়ারে কাজ করতে হবে। এজন্য বিটিআরসি, নির্বাচন কমিশন, বাংলাদেশ ব্যাংক, মোবাইল হ্যান্ডসেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান সকলকে সমন্বয় করে কার্যক্রম সম্পাদন করতে হবে। <o:p></o:p></p>
<p>নগদ এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোতাসেম বিল্লাহ বলেন, মোবাইল সিম সংখ্যা কমিয়ে ৫টা করার পাশাপাশি  জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করার সুবিধা ব্যাংক ও এমএফএসকে প্রতিষ্ঠানকে প্রদান করতে হবে। <o:p></o:p></p>
<p>ইতোমধ্যে ৫৮ হাজার এমএফএস নাম্বার বন্ধ করা হয়েছে উল্লেখ করে বাংলাদেশ ফিনান্সিয়াল ইনটেলিজেন্ট ইউইনিট এর প্রতিনিধিরা জানান,  বিএফআইইউ যে কোনো ব্যক্তির একটা ইউনিক সনাক্তকরণের নাম্বার চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে। এমএফএস-ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠান এ যাদের অ্যাকউন্ট থাকবে তাদের ইউনিক  আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার  প্রদান করা হবে।  এনআইডি ও সিম ম্যাচ করে অ্যাকাউন্ট যাচাইকরণে বিটিআরসি ও বাংলাদেশ সমন্বিতভাবে একটি প্ল্যাটফর্ম করা প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন তারা। <o:p></o:p></p>
<p>জুয়ার মাধ্যমে দেশ থেকে প্রচুর অর্থ বিদেশে চলে যাচ্ছে উল্লেখ করেপ্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, যে সব অ্যাকাউন্ট থেকে জুয়ার লেনদেন হয় তাদের লিস্ট বানানো হয়েছে এবং যেসব পোর্টাল বিজ্ঞাপন দেয় সেগুলো বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, বাংলাদেশ ফিনান্সিয়াল ইনটেলিজেন্ট ইউনিট ও বিটিআরসির সহায়তা মে মাস থেকে ৪ হাজার ৮২০ টি এমএফএস নাম্বার বন্ধ  এবং ১ হাজার ৩৩১ টা পোর্টাল বন্ধ করা হয়েছে। <o:p></o:p></p>
<p> তিনি বলেন, যখন একটি সিম নম্বর বন্ধ হয় তখন অপরাধীরা একাধিক সাইট তৈরি করে। অন্যদিকে, এমএফএস অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার পর তারা অ্যাপস বেইজড সিস্টেমে চলে যায় । এজন্য আইনশৃংখলা বাহিনীকে সক্রিয় হওয়ার পাশাপাশি মোবাইল অপারেটরদেরকে প্যাকেট কোরে পপ আপ ব্লক বন্ধে উদ্যোগ নিতে হবে। ট্রাফিক ক্লাসিফাইয়ার এমনভাবে ডিজাইন করতে হবে যাতে পপ আপ ব্লক করা যায়। এছাড়াও মোবাইল ফিনান্সিয়াল প্রতিষ্ঠানকে একটিভ ক্রলার ব্যবহার করে পর্নোগ্রাফি, জুয়া ও বেটিং বন্ধ করতে হবে। দেশের বেশকিছু মিডিয়ায় জুয়ার বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয় জানিয়ে তিনি বলেন, তারা জুয়া বন্ধে উদ্যোগ না নিলে পোর্টাল ব্লক করে দেওয়া হবে। </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মিডিয়ায় জুয়ার বিজ্ঞাপন ও অনিরাপদ কন্টেন্ট দেশের জন্য হুমকি</title>
<link>https://digibanglatech.news/158562</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158562</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f72db7ef272.jpg" length="76524" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 21 Oct 2025 11:35:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>জুয়ার বিজ্ঞাপনে সক্রিয় অংশ নিচ্ছে দেশের গণমাধ্যম। প্রধান সারির গণমাধ্যমগুলো অনিরাপদ কনটেন্ট প্রচার করছে বলে অনুযোগ করলেন প্রধানমন্ত্রীর টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। এমন পরিস্থিতি দেশের জন্য হুমকি বলে মনে করেন তিনি।</p>
<p>২১ অক্টোবর, মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনে অনুষ্ঠিত ‘অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক এক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এমন আক্ষেপ প্রকাশ করেন।</p>
<p>বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারীর সভাপতিত্বে সভায় আইসিটি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরীসহ মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>ফয়েজ তৈয়্যব বলেন, ‘প্রায় সব মিডিয়া এখন অনিরাপদ কনটেন্ট ও জুয়ার বিজ্ঞাপন প্রচারে জড়িয়ে পড়ছে। এর পেছনে মূল কারণ- এই বিজ্ঞাপন থেকে তাদের বড় আয়ের উৎস তৈরি হয়েছে।’</p>
<p>এ সময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, দেশের মূলধারার বেশ কিছু গণমাধ্যম- যেমন দৈনিক যুগান্তর, দৈনিক ভোরের কাগজ, জাগো নিউজ, বাংলাদেশ টাইমস- জুয়ার বিজ্ঞাপন প্রচারে জড়িত রয়েছে ‘।</p>
<p>সভায় অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘জুয়া এখন শুধু আইনশৃঙ্খলার বিষয় নয়, এটি সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মিডিয়া যদি এর পৃষ্ঠপোষকতা করে, তাহলে তা জাতির জন্য হুমকিস্বরূপ।’</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইডটকো’র সঙ্গে গ্রামীণফোন ও টেলিটকের চুক্তি</title>
<link>https://digibanglatech.news/158502</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158502</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f4e2d8456ae.jpg" length="78809" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 19 Oct 2025 15:08:55 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নেটওয়ার্ক কাভারেজ বাড়াতে গ্রামীণফোন ও টেলিটক উভয় কোম্পানিকে অবকাঠামোগত সহায়তা প্রদান করবে শীর্ষ টাওয়ার কোম্পানি ইডটকো। গ্রাহক সংখ্যায় শীর্ষ টেলিকম সেবা প্রদানকারী কোম্পানি গ্রামীণফোন, রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটক এর  মধ্যে অবকাঠামো শেয়ারিং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।</p>
<p>গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান, টেলিটকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর নুরুল মাবুদ চৌধুরী এবং ইডটকো বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুনীল আইজ্যাক সম্প্রতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। এ সময় গ্রামীণফোনের চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার তানভীর মোহাম্মদ, চিফ বিজনেস অফিসার ড. আসিফ নাইমুর রশিদ, টেলিটকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (রেগুলেটরি অ্যান্ড করপোরেট রিলেশন) এস. এম. লুৎফুল্লাহিল মজিদ এবং ইডটকো বাংলাদেশের কি অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার কাজী অয়ন আদনানসহ তিন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  </p>
<p>১৯ অক্টোবর, রবিবার, এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। </p>
<p>চুক্তি নিয়ে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, “গ্রামীণফোনে আমাদের সকল কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন গ্রাহক। এই বিশ্বাস থেকেই এই সহযোগিতা, যা আমাদের সারাদেশে নেটওয়ার্ক কাভারেজ আরও শক্তিশালী করতে এবং প্রতিদিন যে সেবাগুলো আমরা প্রদান করি, তার গুণগত মান উন্নত করতে সহায়তা করবে। এই একই টাওয়ার অবকাঠামো ব্যবহারের ফলে আমরা আরও দক্ষভাবে কার্যক্রম পরিচালনা, দ্রুত নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং গ্রাহকদের আরও নিরবচ্ছিন্নভাবে শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য সংযোগ প্রদান করতে পারব।”</p>
<p>টেলিটকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর নুরুল মাবুদ চৌধুরী বলেন, “রাষ্ট্রায়ত্ত অপারেটর হিসেবে আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে সাশ্রয়ী মূল্যে সারাদেশে সেবা পৌঁছে দেয়া। আমাদের দক্ষতা বাড়াতে এবং গ্রাহকদের জন্য আরও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে, আমাদের সক্ষমতা বাড়াবে এই সহযোগিতা।”</p>
<p>ইডটকো বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুনীল আইজ্যাক বলেন, “ইডটকোতে আমরা সবসময় অপারেটরদের জন্য সম্ভাবনাময় ও টেকসই সেবা প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ। বাংলাদেশে টেলিকম ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে আমাদের ভূমিকাকে আরো জোরলো করবে এই চুক্তি, পাশাপাশি দেশব্যাপী টেলিকম সংযোগের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার সুযোগ পাবো আমরা।”</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডট বিডি ও ডট বাংলা ডোমেইনের খুচরা বিক্রেতা  খুঁজছে বিটিসিএল</title>
<link>https://digibanglatech.news/158490</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158490</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f48c0a1b0c8.jpg" length="59121" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 19 Oct 2025 10:58:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto">জাতীয় ডোমেইন- ডট বিডি এবং ডট বাংলা বিক্রির জন্য খুচরা বিক্রেতা খুঁজছে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)। ১৯ অক্টোবর, রবিবার, এ জন্য বৈধ নথিপত্র চেয়ে অননুমোদিত ডোমেইন রিসেলারদের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র আহ্বান করেছে। ডোমেইন দুটির ব্যবহার বাড়াতে এবং সহজেই যেন এই ডোমেইন দুটি কেনা যায় এবং ডেটার সার্বভৌমত্ত ও নিরাপত্তা জোরদার করতেইএ উদ্যোগ বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিকম প্রতিষ্ঠানটি।  </div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">বিটিসিএল জানিয়েছে, অনুমোদিত রিসেলাররা বিটিসিএল এর অংশীদার হিসেবে ডট বিডি ও ডট বাংলা ডোমেইন নিবন্ধন ও নবায়ন করার সুযোগ দিতে ডটবিডি সেকেন্ড লেভেল ডোমেইনের জন্য আগামী তিন মাসের জন্য ‘সানরাইজ পেরিয়ড’ চালু করেছে। এর মাধ্যমে বিদ্যমান তৃতীয় পক্ষীয় ডোমেইন গ্রাহকরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেকেন্ড লেভেল ডোমেইন নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন। পরবর্তীতে আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে নিবন্ধন উন্মুক্ত হবে। </div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">অনলাইনে আবেদন করে যোগ্যদের স্বচ্ছতার ভিত্তিতে রিসেলার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হবে বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি বলেছেন, ২৭ সেপ্টেম্বর ডট বাংলা ও ডট বিডি ডোমেইন দ্রুত উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বলে আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। এই প্রতিশ্রুতি বিটিসিএল রাখতে পেরেছে। দেশের সরকারি টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা তৈরির দিকে আমরা পর্যাপ্ত মনোযোগ দিয়েছি। রেজিস্ট্রি রাইটস বিটিআরসি ও বিটিসিএল-এর সত্ত্বে রেখে রিসেলার দেওয়া হবে। এজন্য এপিআই ডেভেলপ করা হয়েছে, অ্যাপ্লিকেশন এবং সিকিউরিটি প্যাচ হালনাগাদ করা হয়েছে। ভিএ পিটি (ভালনারেবিলিটি এক্সেপ্টেন্স এবং পেনিটেট্রেসন টেস্টের কাজ চলমান আছে)।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">প্রসঙ্গত, '.বাংলা' এবং '.বিডি' হল বাংলাদেশের ইন্টারনেট ডোমেইন। '.বাংলা' হল একটি নতুন কান্ট্রি কোড টপ-লেভেল ডোমেইন (ccTLD) যা বাংলা ভাষার ওয়েবসাইটগুলির জন্য, এবং '.বিডি' হল বাংলাদেশের বর্তমান টপ-লেভেল ডোমেইন<span>। সম্প্রতি এই দুটি ডোমেইন উন্মুক্ত করা হয়েছে এবং ডটকমডটবিডি (www.google.com.bd) এবং ডটঅর্গডটবিডি (www.org.bd) এর মতো এক্সটেন্ডেড ডোমেইনগুলিও উন্মুক্ত করা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ডট গভ, ডট বাংলা ও ডট বিডি তিন ডোমেইন মিলে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের  ৩৭ হাজার হোস্টিং সহ  ৪৫ হাজারের মতো সাইট হোস্টেড আছে বিটিসিএল-এ। এমন পরিস্থিতিতে বিটিআরসি-তো অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকে সরকারি এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য যাচাই সাপেক্ষে উন্মুক্ত করা হবে ডটজিওভি, স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য যাচাই সাপেক্ষে  পারে ডট এডু ডট বিডি উন্মুক্ত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছিলো। </span></div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"> </div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কর্মসংস্থান সঙ্কোচনে প্রযুক্তি ব্যবহারে সতর্ক করলেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান</title>
<link>https://digibanglatech.news/158472</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158472</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f3a7a585fcb.jpg" length="77558" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 18 Oct 2025 19:44:10 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span style="font-family: helvetica, arial, sans-serif;">কর্মসংস্থান কমায় এমন প্রযুক্তির ব্যবহার সতর্ক করলেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী। তরুণ উদ্ভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, আমরা যাই ইনোভেট করি, যে টেকনোলজি তথা এআই ব্যবহার করি তা যেনো আমাদের কর্মসংস্থানকে সংহত করে। ডেমোগ্রাফিক ডেভিডেন্ট প্রিজার্ভ করতে হবে। এমপ্লয়মেন্টকে রিপ্লেস করা যাবে না। </span></p>
<p><span style="font-family: helvetica, arial, sans-serif;">তিনি আরো বলেছন, আমরা একটি জনবহুল দেশ। আমাদের সমস্যা সমস্যা পশ্চিমের দেশের মতো নয়। সেখানে মানুষ না থাকায় যন্ত্র দিয়ে কাজ করায়। আমাদের অবস্থাটা তেমন নয়। তাই আমাদের উৎপাদনশীলতার দিতে হাঁটতে হবে। কেননা, ডেমোগ্রাফিক ডেভিডেন্ট আমাদের বড় একটা সুবিধা। কিন্তু এর যথাযথ ব্যবহার করতে না পারলে তা দায় হয়ে পড়ে। তাই উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে কর্মসংস্থান রিপ্লেস করা যাবে না।   </span></p>
<p><span style="font-family: helvetica, arial, sans-serif;">১৮ অক্টোবর রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিকে স্থাপিত ইনডিপেন্ডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে  ‘বাংলাদেশ আইসিটি অ্যান্ড ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৫’ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়ার আগে এমনটাই বলেছেন তিনি। </span></p>
<p><span style="font-family: helvetica, arial, sans-serif;">বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দেশের তিনটি খাতের কথা তুলে ধরে বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেছেন, আমাদের কৃষি, শিল্প এবং সেবা খাতে একটি বৈষম্য রয়েছে। দেশের ৩৪-৩৫ শতাংশ কর্মসংস্থান রয়েছে কৃষি খাতে। অথচ এখান থেকে মাত্র ১০-১১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি  দিচ্ছে। একই ভাবে ইন্ডাস্ট্রিতে ২০-২১ শতাংশ জব এমপ্লয়মেন্টের বিপরীতে ডেভিডেন্ট দিচ্ছে ৩৮-৩৯ শতাংশ। কিন্তু সেবা খাতে ৪৩-৪৪ শতাংশ এমপ্লয়মেন্ট হচ্ছে’ জিডিপি দিচ্ছে ৫০-৫১ শতাংশ। একসময় কৃষিতে ৭০ শতাংশ থাকলেও ধীরে ধীরে তা কমে আসছে। এখানে অনেক প্রযুক্তি দরকার। প্রয়োজনে এআই সহ ফ্রন্টিয়ার সব ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে। বিশ্বজুড়ে অনেক স্থলেই মানুষ রোবটিক নিয়ে কথা বলছে। তবে আমাদের সবচেয়ে বড় রফতানি খাত পোশাক শিল্পে রোবটিক ব্যবহার প্রাথমিক চিন্তা হওয়া উচিত নয়। কেননা, এখানে আমাদের বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এখানে আমাদের দরকার প্রেডিকটিভ মেইটেন্যান্স; বিহেভিয়ার প্রেডিকশন, সাপ্লাচেইন ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি। আমাদের সবচেয়ে কমপ্লিকেটেড জায়গা হচ্ছে সেবা খাত। কাস্টমার কেয়ারে প্রযুক্তির রিপ্লেস করার দরকার নেই। তবে আমরা স্বাস্থ্য সেবায় এআই ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারি। কেননা, আমাদের রোগীর তুলনায় চিকিৎসক কম। ফলে এক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহারে আমাদের নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। </span></p>
<p><span style="font-family: helvetica, arial, sans-serif;">বাংলাদেশের অনলাইন ফ্রিল্যান্সাররা সবচেয়ে ঝুঁকিতে উল্লেখ করে </span><span>মেজর জেনারেল মো. </span><span style="font-family: helvetica, arial, sans-serif;">এমদাদ উল বারী বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অনলাইন ফ্রিল্যান্সার সরবরাহকারী দেশ। ফ্রিল্যান্স মার্কেটের ৬০ শতাংশের মতো বাংলাদেশী। তাই এদের অনতিবিলম্বের দক্ষতার উন্নয়ন দরকার। তাদের যদি এআই ব্যবহার শেখানো না হয়; তবে তারা কাজ হারাবে। এছাড়াও ইনফরমাল খাতকে ফরমাল করতে হবে। কেননা, আগে যারা মাথায় মাথায় করে কাপড় বিক্রি করতেন তারা এখন অনলাইনে এসেছেন। ডমেস্টিক কোম্পানিগুলোকে ফরমালাইজ করতে হবে। এজন্য আমাদের সেবার ইন্টিগ্রেশন করতে হবে। কাস্টমাইজ হতে হবে।</span></p>
<p><span style="font-family: helvetica, arial, sans-serif;">‘আজ থেকে ১৫ বছর পরের কথা কল্পনা করুন। এআই চালিত অবতারগুলো আমার কাজ করে দিচ্ছে। তখন আমাদের ভূমিকা হবে? তখন কোনটাকে আমরা বলবো- এই হলো আমাদের জীবন। মূলত যে কাজগুলো আমরা করতে চাই না বা করতে পারি না তা টেকনোলজিকে ডেডিকেটেড করবো। যে কাজকে আমি আমার জীবন মনে করবো তা প্রযুক্তিকে দেবো না’- যোগ করেন তিনি।  </span></p>
<p class="MsoNormal"><span>বাংলাদেশ আইসিটি অ্যান্ড ইনোভেশন নেটওয়ার্ক (</span><span>বিন) এর সভাপতি সৈয়্যদ আলমাস কবিরের সভাপতিত্বে </span><span>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী</span><span> </span><span>ড. আনিসুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন আইসিটি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী।</span><span> </span></p>
<p class="MsoNormal"><span>বক</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশে প্রথমবারের মতো এফআরপি টাওয়ার স্থাপন করলো ইডটকো</title>
<link>https://digibanglatech.news/158504</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158504</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f4e8374b405.jpg" length="81280" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 16 Oct 2025 19:31:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal">গোপালগঞ্জ দিয়ে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো পরবর্তী প্রজন্মের ফাইবার রিইনফোর্সড পলিমার (এফআরপি) টাওয়ার স্থাপন করলো দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল অবকাঠামো প্রতিষ্ঠান ইডটকো। নতুন টাওয়ারে প্রচলিত স্টিলের তুলনায় হালকা, টেকসই এবং অধিক পরিবেশবান্ধব এই নতুন প্রজন্মের টাওয়ার দ্রুত স্থাপনযোগ্য এবং বিভিন্ন প্রতিকুল পরিবেশে দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ী কার্যক্ষমতা নিশ্চিত করবে বলে জানানো হয়েছে।</p>
<p class="MsoNormal">এইচএস ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি লিমিটেডের সহযোগিতায় স্থাপিত এই টাওয়ারটি মজবুত এবং মরিচা প্রতিরোধ ক্ষমতার পাশাপাশি সহজে স্থাপনযোগ্য। তুলনামূলক হালকা হওয়ায় স্বল্প ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে মাত্র পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টার মধ্যেই টাওয়ারটির পরিবহন ও স্থাপনের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়। ফলে আশেপাশের এলাকায় স্বাভাবিক কাজ-কর্মে বিঘ্ন হ্রাসের পাশাপাশি দ্রুততর সময়ে সেবা চালু করা করা সম্ভব হয়।</p>
<p class="MsoNormal">ইডটকো বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (সিএমডি) সুনীল আইজ্যাক বলেন, “<span lang="AR-SA">এফআরপি টাওয়ারটি শুধুমাত্র একটি অবকাঠামোগত মাইলফলক নয়</span>। <span lang="AR-SA">এটি একটি টেকসই</span>, <span lang="AR-SA">ভবিষ্যত-প্রস্তুত টেলিকম ইকোসিস্টেম গড়ে </span>তুলতে <span lang="AR-SA">আমাদের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন</span>।”</p>
<p class="MsoNormal">তিনি আরও <span lang="AR-SA">বলেন</span>, <span lang="AR-SA">“উদ্ভাবনী উপকরণ এবং আরও পরিবেশবান্ধব স্থাপন-পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে আমরা এমন এক অবকাঠামো নির্মাণ করছি যা কার্যকর</span>, <span lang="AR-SA">টেকসই এবং </span>পরিবেশবান্ধব, <span lang="AR-SA">যা বাংলাদেশের ডিজিটাল ভিত্তিকে আরও মজবুত করবে।</span>”</p>
<p class="MsoNormal">প্রচলিত স্টিল টাওয়ারগুলো সাধারণত দ্রুত ক্ষয় হলেও এফআরপি টাওয়ারের যৌগিক গঠন একে মরিচা, প্রাকৃতিক আবহাওয়া ও রাসায়নিক পদার্থের ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। ফলে উপকূলীয়, আর্দ্র ও শিল্প এলাকাতেও এই টাওয়ার দীর্ঘস্থায়ী ও অক্ষুণ্ণ থাকে। এফআরপি প্রযুক্তি থাকায় টাওয়ারটির রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়, কারণ এতে বারবার রঙ করা বা জং প্রতিরোধী প্রলেপ দেওয়ার দরকার হয় না। এতে যেমন ব্যয়ও কমে তেমনি পরিবেশের ক্ষতিও হ্রাস পায়। এছাড়া, টাওয়ারটির আধুনিক ও নান্দনিক নকশা প্রচলিত ল্যাটিস ও মনোপোল টাওয়ারের চেয়ে একে আরও বেশি আকর্ষণীয় ও দৃষ্টিনন্দন করে তুলেছে।</p>
<p>সারা দেশে ডেটার চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় দৃঢ়, সম্প্রসারণযোগ্য ও টেকসই নেটওয়ার্কে মনযোগ দিয়েছে ইডটকো; সে দিকটি মাথায় রেখেই এফআরএফ প্রযুক্তি চালু করলো কোম্পানিটি। এই সফলতার ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতে দেশের যেসব অঞ্চলে এর বিশেষ ফিচারগুলো দক্ষভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে সেসব স্থানে এফআরপি টাওয়ার স্থাপন অব্যাহত রাখবে এই টাওয়ার কোম্পানি।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরা পেলে রবির স্মার্ট ছড়ি  </title>
<link>https://digibanglatech.news/158429</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158429</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f13d1d523f9.jpg" length="117735" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 16 Oct 2025 18:58:40 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>বিশ্ব সাদাছড়ি দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের স্মার্ট ছড়ি উপহার দিচ্ছে রবি আজিয়াটা পিএলসি। অসহায় দৃষ্টিহীনদের নিরাপত্তা, চলাচল এবং স্বনির্ভরতা বাড়াতে আপন শক্তিতে জ্বলে ওঠার এর রসদ সরবরাহ করছে অপারেটরটি। </span></p>
<p><span>১৭ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার রাজধানীর রবি কর্পোরেট অফিসে স্মর্ট ছাদা ছড়ি বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রবি আজিয়াটা পিএলসির চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম, ডাইরেক্টর, পাবলিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি শরীফ শাহ্‌ জামাল রাজ এবং দৃষ্টি টেকনোলজিস লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিদওয়ান হোসেন সহ অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।</span></p>
<p><span>দৃষ্টি টেকনোলজিসের উদ্ভাবিত ‘আভাস স্মার্ট কেইন’-এ রয়েছে শোনার-নির্ভর প্রতিবন্ধকতা শনাক্তকরণ প্রযুক্তি, হ্যাপটিক ফিডব্যাক এবং শ্রবণযোগ্য সতর্ক সংকেত, যা ব্যবহারকারীদের নিরাপদ ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে চলাচলে সহায়তা করে। বাংলাদেশে প্রায় ৪০ লাখ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষের বসবাস, তাদের অনেকেই প্রতিনয়ত চলাচল, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে নানা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হন। রবির এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো প্রয়োজনীয় সহায়ক প্রযুক্তি তাদের নাগালে এনে এই প্রতিবন্ধকতা দূর করা।</span><br><br><span>অনুষ্ঠানে রবির চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, উদ্ভাবন সবসময়ই মানুষের কল্যাণে ব্যবহার হওয়া উচিত। স্মার্ট কেইন উদ্যোগ আমাদের সেই প্রতিশ্রুতিরই বাস্তব প্রতিফলন, যেখানে উদ্ভাবনকে কাজে লাগিয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। এই প্রযুক্তি দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা বাড়িয়ে তাদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করবে।”</span><br><span> </span><br><span>স্মার্ট কেইন বিতরণ কর্মসূচিটি পরিচালিত হচ্ছে সাতটি অংশীদার সংস্থার সহযোগিতায়। এগুলো হল ইস্পাহানী ইসলামিয়া চক্ষু ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ভিজ্যুয়ালি ইমপেয়ার্ড পিপলস সোসাইটি (ভিআইপিএস), রিয়েলভিউ, ব্লাইন্ড এডুকেশন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (বিইআরডিও), ডোরস অব ইনক্লুসিভ সোসাইটি (ডিআইএস), নহর ইনিশিয়েটিভস এবং স্পর্শ ফাউন্ডেশন।</span><br><br><span> </span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আসছে রবিবারে ফের মিলবে রবি’র আইফোন ১৭</title>
<link>https://digibanglatech.news/158386</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158386</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68efd4170b592.jpg" length="76684" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 15 Oct 2025 18:04:34 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>চলতি মাসে দ্বিতীয়বারের মতো আগামী ১৯ অক্টোবর, রবিবার, ঠিক ১২৫ টাকা রিচার্জ করলেই রবি ব্যবহারকারীরা পেতে পারেন একদম নতুন একটি আইফোন ১৭ জেতার সুযোগ। অপারেটরটির ‘সুপার রবিবার আইফোন ১৭’ অফারে মিলবে এই সুযোগ। </p>
<p><span>বুধবার (১৫ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রবি এ তথ্য জানিয়েছে। </span></p>
<p><span>সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ১২ অক্টোবর, রবিবার গ্রাহকদের জন্য এই অফারটি দেয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে এই বছরের ‘সুপার রবিবার আইফোন ১৭’ । ওই দিন মাত্র ১২৫ টাকা রিচার্জ করে আইফোন ১৭ পেয়েছেন ররিশালের বাকেরগঞ্জ থানার মো. রাকিব গাজী। </span></p>
<div class="sb-single-post-content">
<p>প্রতিষ্ঠানটি জানায়, এই অফারে অংশ নিতে আগামী ১৯ অক্টোবর (রাত ১২টা থেকে রাত ১১টা ৫৯ মিনিট) রবি গ্রাহকদের রবি অ্যাপ, এমএফএস (বিকাশ, নগদ ইত্যাদি), নিকটস্থ রিটেইল পয়েন্টসহ রবির রিচার্জ চ্যানেলগুলোর মাধ্যমে ১২৫ টাকা রিচার্জ করতে হবে।</p>
<p>সুপার রবিবার হলো রবির একটি বিশেষ অফার প্রোগ্রাম, যা প্রতি রবিবার রবি গ্রাহকদের জন্য চালু থাকে। এই দিনে গ্রাহকরা রবি থেকে পান নানা ধরনের পুরস্কার ও উপহার জেতার সুযোগ। ২০২৪ সালের ১০ নভেম্বর সুপার রবিবার ক্যাম্পেইন শুরু করে রবি আজিয়াটা পিএলসি। সুপার রবিবার আইফোন ১৭ ক্যাম্পেইন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে <strong><a href="https://www.robi.com.bd/en/super-sunday" target="_blank" rel="noopener">রবি’র ওয়েবসাইটের অফার পেইজে</a></strong>।</p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিটিআরসি&amp;apos;র সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিলে সাড়ে ৯ কোটি টাকার চেক দিলো বিএসসিপিএলসি</title>
<link>https://digibanglatech.news/158371</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158371</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68ef561e6481b.jpg" length="91943" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 15 Oct 2025 14:07:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রেভিনিউ শেয়ারিং ও সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল বাবদ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) মোট নয় কোটি ছয় লক্ষ আটষট্টি হাজার ঊনসত্তর টাকার তিনটি চেক দিয়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি)।</p>
<p>১৫ অক্টোবর, বুধবার প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের (ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়) উপস্থিতিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান চেক তিনটি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোঃ এমদাদ উল বারীর কাছে হস্তান্তর করেন। </p>
<p>এ সময় সাবমেরিন ক্যাবলস এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আসলাম হোসেন -সহ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, বিটিআরসি ও সাবমেরিন ক্যাবলস এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসির পক্ষ থেকে রেভিনিউ শেয়ারিং বাবদ সাবমেরিন ক্যাবল লাইসেন্সের আওতায় ৩,৫৯,৩১,৮৭৮ টাকা ও আইআইজি লাইসেন্সের আওতায় ২৮,৭৯,৯৭৭ টাকা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল খাতে ৫,১৮,৫৬,২১৪ টাকার তিনটি পৃথক চেক প্রদান করা হয়।</p>
<p>ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীন ও পুঁজিবাজারে নিবন্ধিত বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি) দেশের আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংযোগের প্রধান রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল লেনদেনের লাইসেন্স পেলো রবি, অপেক্ষমান তালিকায় বাংলালিংক</title>
<link>https://digibanglatech.news/158338</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158338</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68ee6f0d9c915.jpg" length="53392" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 14 Oct 2025 18:41:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>এবার ফিনটেক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাজারে আসছে মোবাইল আপরেটররা। এরই মধ্যে স্বতন্ত্র কোম্পানি গড়ে ‘স্মার্ট পে’নামে নিজস্ব ডিজিটাল ওয়ালেট সেবা চালুর অনাপত্তি পেয়েছে রবি আজিয়াটা লিমিটেড। আবেদনের দুই বছরের মাথায় দশম পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) হিসেবে সেবা দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনাপত্তিও পেয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের বেধে দেয়া ১৭ শর্ত মেনে ‘স্মার্ট পে’নামে  ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (ডিএফএস) খাতে নিজস্ব সেবা চালুর কাজ শুরু করেছে অপারেটরটি। </p>
<p>নতুন এই সেবা নিয়ে রবি আজিয়াটা পিএলসি’র চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার সাহেদ আলম বলেছেন, “আমাদের চলমান কিছু সেবার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শ অনুযায়ী এ লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছিলাম। স্মার্ট পে লিমিটেড নামে পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) লাইসেন্সের জন্য এনওসি প্রদান করায় আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আমরা মনে করি, এই লাইসেন্স দেশের ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির নতুন অধ্যায়ের সূচনার পাশাপাশি নতুন দ্বার উন্মোচন করবে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের নগদহীন লেনদেন ব্যবস্থাকে আরও সহজ, নিরাপদ এবং সবার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক করা। এই লাইসেন্সের মাধ্যমে আমরা এমন একটি পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে চাই, যা গ্রাহক, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি সেবাগুলোকে একই প্রযুক্তিনির্ভর পরিবেশে যুক্ত করবে। রবি বরাবরই উদ্ভাবননির্ভর সেবা উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রেখে আসছে। PSP উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা ব্যাংক ও ফিনটেক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারত্বে এমন একটি সমাধান আনতে চাই, যা নগদহীন সমাজ গঠনের জাতীয় লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।”</p>
<p>অপরদিকে সম্পূর্ণ দেশীয় মালিকানায় রবি’র পর ‘নিউ পিএসপি লিমিটেড’ নামে পিএসপি সেবা চালুর আবেদন করা বাংলালিংকের অনাপত্তি পাওয়ার বিষয়টি এখনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। চলতি বছরেই একাদশ পিএসপি হিসেবে মোবাইলে আর্থিক সেবার (এমএফএস) লাইসেন্স পেতে যাচ্ছে অপারেটরটি। জানাগেছে, সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) লাইসেন্সের জন্য বাংলালিংক ২০২৪ সালের নভেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন জমা দেয়। আবেদন গ্রহণ করে কমার্সিয়াল ও টেকনোলজি ইভ্যালুয়েশনে উৎরে গেছে অপারেটরটি। এখন সিআইডিসহ আনুষঙ্গিত অনুসন্ধান চলছে বলে জানিয়েছেন বাংলালিংক এর চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স তাইমুর রহমান। সূত্রমতে, ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স পাওয়ার আগ্রহের কথা জানিয়ে গত ১৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরকে চিঠি লিখেছে বাংলালিংকের মূল মালিকানা প্রতিষ্ঠান ভিওন গ্রুপ।</p>
<p>প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ডিজিটাল লেনদেন ব্যবসায়  এর আগেই আইপে সিস্টেমস, ডি মানি বাংলাদেশ, প্রগতি সিস্টেম, গ্রিন অ্যান্ড রেড টেকনোলজিস, রিকারশন ফিনটেক, ডিজিটাল পেমেন্টস লিমিটেড, এবিজি টেকনোলজিস, সেবা ফিনটেক ও সমাধান সার্ভিসেস লিমিটেডকে  পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তিনি বললেন, পিএসপি সেবা দিতে আমরা এরই মধ্যে শতভাগ বাংলাদেশী বিনিয়োগে স্বতন্ত্র কোম্পানি গঠন করেছি। আমরা দ্রুতই অনাপত্তি পেতে আশাবাদী।<br>  <br>রবি ও বাংলালিংকের পক্ষে পিএসপি সেবার আবেদন বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান  রবি-কে অনাপত্তিপত্র দেওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন। বলেছেন, আরেকটির (বাংলালংক) আবেদন বিবেচনাধীন আছে। আমরা চাই, ডিজিটাল লেনদেন বাজারে আন্তর্জাতিকভাবে অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানগুলো আসুক। এতে সেবার মান বাড়বে। গ্রাহকেরা উপকৃত হবেন। </p>
<p>তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর নোট ছাপাতে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়। এই টাকা বিভিন্ন ব্যাংকে পাঠাতেও নানা ধরনের ঝুঁকি ও বিড়ম্বনা থাকে। এ অবস্থায় দৈনন্দিন জীবনে ‘ক্যাশলেস ট্রানজেকশন’ নিশ্চিত করা গেলে সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি ছাড়া অর্থ পাচার ও দুর্নীতি রোধ করা সম্ভব হবে। </p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, পিএসপি সেবা দিতে কোম্পানি গঠনে মূলধন হতে হবে ২০ কোটি টাকা। লাইসেন্স পাওয়ার পর ক্রেডিট কার্ড ও ডেবিট কার্ড থেকে ডিজিটাল লেনদেনের মাধ্যমে পণ্য বা সেবা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে অর্থ গ্রহণ করতে পারবে পিএসপি প্রতিষ্ঠান। একইসঙ্গে ভোক্তা ও খুচরা বিক্রেতাদের মধ্যে লেনদেনের মধ্যস্থতাকারী হিসেবেও কাজ করবে। </p>
<p>তবে এজন্য ভোক্তার ডাটার গোপনতা ও সুরক্ষা নীতিমালা, মার্চন্ট নিয়োগ ও সিএফটি নীতিমালা প্রণয়ন; আইসিটি অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; পৃথক ভৌগলিক বলয়ে ডাটা সেন্টার ও প্রাকৃতিক বা মনুষ্যসৃষ্ট দুর্যোগের পর ডেটা এবং সিস্টেমগুলি পুনরুদ্ধার ব্যবস্থাপনা; নিজস্ব সফটওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন প্রস্তুত এবং এর মান যাচাই; ডাটা ব্যাকআপ এবং রিটেনশন নীতি সুস্পষ্ট করতে হবে।  </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জুয়ার বিজ্ঞাপন বন্ধ না করলে বাংলাদেশে ব্লক হতে পারে ক্রিকইনফো</title>
<link>https://digibanglatech.news/158320</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158320</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68ede41d99ea9.jpg" length="118762" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 14 Oct 2025 00:48:28 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>গত ২১ মে জারি করা সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে অনলাইনে জুয়া খেলা, জুয়ার অ্যাপ বা পোর্টাল তৈরি, প্রচারণায় অংশ নিলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এ ধরনের অপরাধে দুই বছরের দণ্ড বা ১ কোটি টাকার অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। এ ছাড়া ২১ ও ২২ ধারায় জুয়া খেলার জন্য কোনো অর্থনৈতিক লেনদেন, জুয়া খেলা বিষয়ে কোনো প্রতারণা বা জালিয়াতি করাকেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তারপরও থেমে নেই এই অপকর্ম। বেনামি ছাড়া পরিচিত ও বিশ্বস্ত অনলাইন, টিভি এমনকি বিলবোর্ডেও এসব জুয়ার বিজ্ঞাপন চলছে। </span></p>
<p><span>বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক কমিশনের (বিটিআরসি) পক্ষ থেকে এরই মধ্যে দিফায় দফায় দফায় বিভিন্ন লিংক ব্লক করলেও ক্রিকেট দুনিয়ার জনপ্রিয় পোর্টাল বাংলাদেশের ভিজিটরদের সামনে এসব বিজ্ঞাপন দিচ্ছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে </span>অনলাইন জুয়া বন্ধে ক্রিকইনফোকে ই-মেইল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব। এই ই-মেইল সাড়া না দিলে পোর্টালটি বাংলাদেশ থেকে ব্লক করতে জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সির মাধ্যমে জনমত গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। </p>
<p>১৩ অক্টোবর, সোমবার দিবাগত রাতে তিনি ফেসবুকে এক পোস্টে জানান, এককভাবে বাংলাদেশের সাইবার স্পেসে সবচেয়ে বেশি জুয়ার বিজ্ঞাপন দেয় ক্রিকইনফো ডটকম। <span>অনলাইন জুয়ার প্রচার-প্রচারণা বিজ্ঞাপন ইত্যাদি বাংলাদেশের সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৫ এ নিষিদ্ধ। আমরা অস্ট্রেলিয়া ইংল্যান্ডসহ বেশ কিছু ক্রিকেট প্লেইং দেশের ক্রিকইনফো অ্যাডভার্টাইজমেন্ট স্টাডি করে দেখেছি সেখানে অনলাইন জুয়ার বিজ্ঞাপন শতভাগ অনুপস্থিত।</span></p>
<p>তিনি লিখেছেন, জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি ক্রিকইনফোকে এ বিষয়ে ই-মেইল পাঠিয়েছে। পরবর্তীতে তাদেরকে ডাকযোগে রেজিস্ট্রি করে চিঠি পাঠানো হবে। একদিকে অবৈধভাবে জুয়ার বিজ্ঞাপন দিয়ে আইন ভঙ্গ করছে ক্রিকইনফো, অন্যদিকে জুয়ার বিজ্ঞাপন থেকে আয়ের ওপর আয়কর কিংবা ভ্যাট হিসাবে বাংলাদেশকে কোন অর্থ দেয়নি আইন পাসের আগে-পরে।</p>
<p>বিশেষ সহকারী লিখেন, জুয়ার বিজ্ঞাপন বন্ধ না করলে বাংলাদেশে ক্রিকইনফো ব্লক করার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত হবে কিনা, এ বিষয়ে জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি জনমত সংগ্রহ করবে।</p>
<p>প্রসঙ্গত, নতুন অধ্যাদেশের অধীনে <span>এরই মধ্যেই জুয়ার সঙ্গে জড়িত এগারো শ-এর বেশি মোবাইল ব্যাংকিং (এমএফএস) এজেন্ট শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। </span>অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে সরকারের অভিযান অব্যাহত থাকার কথা জানিয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, অনলাইন জুয়ায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িতদের পাশাপাশি বিভিন্ন পেশাজীবী, বিজ্ঞাপন দাতা কোম্পানি, মিডিয়া বায়ার, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার বিজ্ঞাপনদাতা এবং বিজ্ঞাপনগ্রহীতা সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।িএছাড়াও অনলাইন জুয়া নিয়ে অভিযোগ জানাতে<span> </span><a href="mailto:notify@ncsa.gov.bd" target="_blank" rel="noopener">notify@ncsa.gov.bd</a>– মেইলে যোগাযোগ করতে পারবেন নেটিজেনরা। </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৩০ তারিখের পর বন্ধ হয়ে যাবে  এক নামে ১০টির বেশি সিম</title>
<link>https://digibanglatech.news/158296</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158296</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68caef0281b1d.jpg" length="127032" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 13 Oct 2025 15:10:10 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>এক দফা সময় বাড়ানোর পর ফের ৩০ অক্টোবরের মধ্যে ১০টির বেশি সিম ডি-রেজিস্টার বা মালিকানা পরিবর্তনের কথা মনে করিয়ে দিলো বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) । অন্যথায়, কমিশন নিজ উদ্যোগে অতিরিক্ত সিমগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল করবে বলে সতর্ক করেছে কমিশন। </p>
<p>অপরাধ দমন ও সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করা, নকল বা অচিহ্নিত সিমের ব্যবহার বন্ধ করা, এবং ডিজিটাল পরিচয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এই কঠোর পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে বিটিআরসি। </p>
<p>১৩ অক্টোবর, সোমবার বিটিআরসি’র ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।</p>
<p>নিজ এনআইডিতে পছন্দমতো ১০টি সিম রেখে অতিরিক্ত সিমকার্ডসমূহ ৩০ অক্টোবর ২০২৫-এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারের মাধ্যমে ডি-রেজিস্টার (নিবন্ধন বাতিল) বা মালিকানা পরিবর্তন করুন।”</p>
<p>গ্রাহকরা তাদের নামে কতটি সিম নিবন্ধিত আছে তা জানতে মোবাইল থেকে 16001# নম্বরে এনআইডির শেষ চারটি সংখ্যা পাঠিয়ে দিতে হবে। প্রতিউত্তরে সংশ্লিষ্ট অপারেটর ও সিমসংখ্যা এসএমএসে জানিয়ে দেওয়া হবে।</p>
<p>বিটিআরসি আরও জানিয়েছে, যেসব গ্রাহক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত সিম বাতিল করতে ব্যর্থ হবেন, তাদের ক্ষেত্রে কমিশন দৈবচয়নভিত্তিক পদ্ধতিতে অতিরিক্ত সিমগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডি-রেজিস্টার করবে।</p>
<p></p>
<h1 class="post-title"><a href="https://digibanglatech.news/156090" target="_blank" rel="noopener">১০টির বেশি সিম ডিআ্যাকটিভের নির্দেশনা দিলো বিটিআরসি</a></h1>
<div class="d-flex align-items-center post-details-meta mb-4">
<div class="item-meta item-meta-author"></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সৌরবিদ্যুতে চলবে বাংলালিংকের ১৫ শতাধিক বিটিএস</title>
<link>https://digibanglatech.news/158257</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158257</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68eb87d64e460.jpg" length="32058" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 12 Oct 2025 13:50:44 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশজুড়ে বিস্তৃত নিজেদের ১৫ হাজারেরও বেশি বিটিএস সাইট, ডেটা সেন্টার ও স্পেশাল পারচেজ ভেহিকল (এসপিভি) সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে পরিচালনা করতে যাচ্ছে মোবাইল অপারেটর বাংলালিংক। এর মাধ্যমে মোট জ্বালানি ব্যবহারের ৬০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তরের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে অপারেটরটি। </p>
<p><span lang="BN-BD">এভাবেই </span>প্রচলিত <span lang="BN-BD">জীবাশ্ম-জ্বালানির ওপর নির্ভরতা </span>কমানোর লক্ষ্যে সৌরবিদ্যুত পেতে ফ্লোসোলার সল্যুশনস লিমিটেডের সাথে একটি সমঝোতা চুক্তিতে (এমওইউ) সই করেছে বাংলালিংক।<span lang="BN-BD"> নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতির অংশ</span><span lang="BN-BD"> </span>হিসেবে ১০০ মেগাওয়াট সক্ষমতা সম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করবে বাংলালিংক।   <o:p></o:p></p>
<p>জানা গেছে,  চুক্তি অনুযায়ী ফ্লোসোলার ও সংশ্লিষ্ট অংশীদারেরা এ <span lang="BN-BD">সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র</span>টির যথাযথ <span lang="BN-BD">উন্নয়ন</span>, <span lang="BN-BD">অর্থায়ন ও পরিচালনা</span>য় কাজ<span lang="BN-BD"> করবে</span>। অন্যদিকে, <span lang="BN-BD">বাংলালিংক </span>দীর্ঘমেয়াদী ‘<span lang="BN-BD">কর্পোরেট পাওয়ার পারচেজ অ্যাগ্রিমেন্ট</span>’ (সিপিপিএ) -এর আওতায় উৎপাদিত বিদ্যুৎ ক্রয় করবে। <span lang="BN-BD">সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চালু হলে </span>দেশে <span lang="BN-BD">বছরে প্রায়</span><span lang="BN-BD"> </span><span lang="BN-BD">৭৬</span><span lang="BN-BD"> </span>হাজার<span lang="BN-BD"> টন কার্বন নিঃসরণ হ্রাস</span><span lang="BN-BD"> </span><span lang="BN-BD">পাবে বলে আশা করা হচ্ছে</span>, যা বাংলাদেশের <span lang="BN-BD">টেলিযোগাযোগ খাতে জ্বালানি ব্যবস্থার </span>অভাবনীয় পরিবর্তন আনবে<span lang="BN-BD"> এবং বাংলালিংকের</span><span lang="BN-BD"> </span><span lang="BN-BD">কার্বন নিঃসরণ উল্লেখযোগ্যভাবে </span>হ্রাস করবে বলে আশা করছেন অপারেটরটি শীর্ষ কর্মকর্তারা।<o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">এ </span>চুক্তি স্বাক্ষর নিয়ে <span lang="BN-BD">বাংলালিংকের</span><span lang="BN-BD"> </span><span lang="BN-BD">চিফ টেকনোলজি অ্যান্ড ইনফরমেশন অফিসার হুসেইন টার্কার</span><span lang="BN-BD"> </span><span lang="BN-BD">বলেন</span>, “<span lang="BN-BD">বাংলালিংকে আমরা নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের মাধ্যমে একটি টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে </span>তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। <span lang="BN-BD">ফ্লোসোলারের সাথে অংশীদারিত্বে এ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পটি বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং ভবিষ্যতের বড় আকারের নবায়নযোগ্য প্রকল্পগুলোর জন্য একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস</span>, <span lang="BN-BD">প্রযুক্তি</span>, <span lang="BN-BD">উদ্ভাবন ও </span>দূরদর্শিতার <span lang="BN-BD">সঠিক সমন্বয়ে আমরা কম কার্বন নিঃসরণ ও নিরাপদ জ্বালানি</span>র<span lang="BN-BD"> ভবিষ্যতের</span><span lang="BN-BD"> </span><span lang="BN-BD">দিকে দ্রুত এগিয়ে যেতে পারব</span>।”<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; line-height: normal; margin: 12.0pt 0in 12.0pt 0in;"><span lang="BN-BD">ফ্লোসোলার সল্যুশনস লিমিটেডের</span><span lang="BN-BD"> </span><span lang="BN-BD">প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা আজিম কাসেম খান</span><span lang="BN-BD"> </span><span lang="BN-BD">বলেন</span>, “আমরা দেশের টেলিকম অপারেটরদের পরিচ্ছন্ন, <span lang="AR-SA">নির্ভরযোগ্য </span>ও টেকসই জ্বালানি ব্যবহারে সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।  বাংলালিংকের সাথে আমাদের এ অংশীদারিত্ব এ প্রতিশ্রুতির উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। <span lang="BN-BD">উদ্ভাবনী প্রকল্প কাঠামো ও দীর্ঘমেয়াদি কর্পোরেট </span>‘<span lang="BN-BD">পাওয়ার পারচেজ অ্যাগ্রিমেন্টের</span>’<span lang="BN-BD"> মাধ্যমে আমরা </span>একটি পরিমাপযো<span lang="BN-BD">গ্য সৌরবিদ্যুৎ সমাধান</span><span lang="BN-BD"> </span><span lang="BN-BD">প্রদান করতে চাই, যা কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার কৌশলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ </span>হবে <span lang="BN-BD">এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার ক্ষেত্রে জাতীয় লক্ষ্যপূরণে অবদান রাখবে।”</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ব্র্যাক হেলথকেয়ারে বাংলালিংকের অরেঞ্জ ক্লাবের সদস্যদের বিশেষ ছাড়</title>
<link>https://digibanglatech.news/158182</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158182</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68e7966e0b56a.jpg" length="73706" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 09 Oct 2025 13:03:29 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নিজেদের অরেঞ্জ ক্লাব মেম্বারদের বিশেষ স্বাস্থ্য সুবিধা দিতে ব্র্যাক হেলথকেয়ারের সাথে এক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক।   এ অংশীদারত্বের ফলে, বাংলালিংকের অরেঞ্জ ক্লাবের সদস্যরা এখন থেকে ব্র্যাক হেলথকেয়ারের বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ ছাড় উপভোগ করতে পারবেন। এর মধ্যে রয়েছে নারীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা প্যাকেজে ৩০ শতাংশ ছাড়, কিডনি ফাংশন টেস্টে ২৫ শতাংশ ছাড়, রেডিওলজি ও ইমেজিং পরীক্ষায় ১০ শতাংশ ছাড় এবং ফার্মেসি থেকে নির্ধারিত ওষুধ ক্রয়ে ৫ শতাংশ ছাড়।  </p>
<p>বাংলালিংকের প্রধান কার্যালয় টাইগার্স ডেনে  সম্প্রতি এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় বলে ৯ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে অপারেটরটি।</p>
<p>এতে জানানো হয়, বাংলালিংকের পক্ষ থেকে চুক্তি স্বাক্ষরের সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির লয়্যালটি প্রোগ্রামের সিনিয়র ম্যানেজার জাইন জামান ও লয়্যালটি পার্টনারশিপ ম্যানেজার শাহাদাত এইচ মজুমদার। ব্র্যাক হেলথকেয়ারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র ম্যানেজার অ্যান্ড হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড পার্টনারশিপ মো. রোকনুজ্জামান এবং মার্কেট আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশনসের ডেপুটি ম্যানেজার একেএম মঈনউদ্দিন।</p>
<p>এ নিয়ে বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, “বাংলালিংকে আমরা সবসময় আমাদের গ্রাহকদের জীবন আরও উন্নত ও সহজ করতে কাজ করি। ব্র্যাক হেলথকেয়ারের সাথে এ অংশীদারত্বের মাধ্যমে আমরা চাই আমাদের অরেঞ্জ ক্লাব সদস্যরা যেন আরও সহজে ও কম খরচে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিতে পারেন এবং স্বাচ্ছন্দ্যে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা গ্রহণের অভিজ্ঞতা লাভ করেন।”</p>
<p>ব্র্যাক হেলথকেয়ারের সিনিয়র ম্যানেজার অ্যান্ড হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড পার্টনারশিপ মো. রোকনুজ্জামান বলেন, “বাংলালিংকের সাথে এ উদ্যোগে যুক্ত হতে পেরে আমরা আনন্দিত। আমরা চাই আরও বেশি মানুষ সাশ্রয়ী মূল্যে আমাদের স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সুযোগ পাক। আমরা সবাইকে নিজেদের স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষাকে অভ্যাসে পরিণত করতে উৎসাহিত করতে চাই।”</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সিকো অ্যারেনাতে রবি এলিট গ্রাহকদের ১০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়</title>
<link>https://digibanglatech.news/158164</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158164</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68e7270aebe04.jpg" length="85851" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 08 Oct 2025 19:08:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>চট্টগ্রামের ‘সবচেয়ে বড়’ গেইমিং ও স্পোর্টস এন্টারটেইনমেন্ট সেন্টার সিকো অ্যারেনার সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্বের ঘোষণা দিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকভূক্ত মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটা। এর মাধ্যমে সিকো অ্যারেনার সব গেইম ও অ্যাকটিভিটিতে ১০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পাবেন রবি এলিট গ্রাহকরা। </p>
<p>৯ সেপ্টেম্বর, বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রবি বলেছে, সম্প্রতি চট্টগ্রামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সিকো অ্যারেনার সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে তারা। </p>
<p>রবি আজিয়াটার পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির ক্লাস্টার মার্কেট ডিরেক্টর (ইস্টার্ন ক্লাস্টার) মো. আশরাফুল কবির, ক্লাস্টার মার্কেট ডিরেক্টর (ইস্টার্ন ক্লাস্টার) ও সিনিয়র এরিয়া ম্যানেজার সত্যজিৎ চৌধুরী।</p>
<p>সিকো গ্রুপের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এম এম সাইফুল ইসলাম চৌধুরী, পরিচালক ইশমাম চৌধুরী, মার্কেটিং বিভাগের প্রধান সাইফ বিন মান্নান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>চট্টগ্রাম নগরীর বাহির সিগন্যাল এলাকায় সিকো অ্যারেনায় রয়েছে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর), অ্যাডভেঞ্চার, লেজার ট্যাগ, গো-কার্টিং, ট্র্যাম্পোলিন পার্ক, বোলিং, আর্কেড গেম, শুটিং, আর্চারি, ফুটবল, ক্রিকেট ও ব্যাডমিন্টনসহ নানা ধরনের খেলা ও বিনোদনের ব্যবস্থা। একটি ইন-হাউস রেস্টুরেন্ট ছাড়াও কর্পোরেট ইভেন্টের জন্য আলাদা সুবিধা আছে।</p>
<div class="details-brief dNewsDesc print-section" id="contentDetails">
<p>রবি এলিট হল রবি আজিয়াটার একটি প্রিমিয়াম লয়্যালটি প্রোগ্রাম। রবি এলিট গ্রাহকদের জন্য বছরজুড়ে থাকে এক্সক্লুসিভ সব লাইফস্টাইল সুবিধা। বিভিন্ন পণ্য ও সেবামূল্যে আকর্ষণীয় ছাড় পান রবি এলিট গ্রাহকরা। </p>
<p></p>
</div>
<div class="DContentAdd3 ignore-print">
<div class="sq-add d-flex justify-content-center">
<div id="div-gpt-ad-9827360-3" data-google-query-id="CO7HnPWQlpADFXiNrAId9ZMymA"></div>
</div>
</div>
<p></p>
<div class="DContentAdd2 ignore-print m-3">
<div class="sq-add d-flex justify-content-center">
<div id="div-gpt-ad-9827360-2" data-google-query-id="CO3HnPWQlpADFXiNrAId9ZMymA"></div>
</div>
</div>
<div class="DContentAdd ignore-print">
<div class="sq-add d-flex justify-content-center">
<div id="div-gpt-ad-9827360-1" data-google-query-id="COzHnPWQlpADFXiNrAId9ZMymA"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পোস্টাল ব্যালটে নিরাপত্তা অটুট আছে</title>
<link>https://digibanglatech.news/158146</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158146</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68e64f223dbe7.jpg" length="109527" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 08 Oct 2025 17:47:02 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>থ্রি ইনভিলাপ সিস্টেমে পোস্টাল ব্যালটের গোপনীয়তা অটুট থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি উপদেষ্টার বিশেষ সহকারি ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। এছাড়াও ডাক ঠিকানার জঞ্জালমুক্ত করতে দ্রুত জিও ফেন্সিং এবং গ্রামে গুচ্ছ পদ্ধতিতে নাম্বারিং করার পাইলট হাতে নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। </p>
<p>বিশষ সহকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, ডাকের স্মার্ট যাত্রার অংশ হিসেবে গত অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ মোট ইস্যুকৃত চিঠিপত্র ও ডকুমেন্টের প্রায় ৮০ শতাংশ ডিএমএস (Domestic Mail monitoring Software) সফটওয়্যারের মাধ্যমে ইস্যু ও সটিং হয়েছে। মোট বিলি যোগ্য পোস্টাল আর্টিকেলের প্রায় ৫০ শতাংশ বিলি করা হচ্ছে এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে। </p>
<p>একইসঙ্গে চিঠিপত্রের ইস্যু ও বিলি শতভাগ ডিএমএস-এর আওতায় আনা হচ্ছে। এর মাধ্যমর ডাক বিভাগ ক্রমেইন ডিজিটাল ও লজেস্টিক হাব হয়ে উঠছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।</p>
<p>৮ অক্টোবর, বুধবার ঢাকার ডাক ভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি বিভাগের দায়িত্ব প্রাপ্ত এই অভিভাবক।</p>
<p>সাংবাদিকদের প্রশ্নর জবাবে তিনি বলেছেন, পোস্টাল ব্যলটে ভোটের ক্ষত্রে থ্রি ইনভিলাপ ব্যবহার করা হয়েছে। এর একটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে, একটি কমিশনে ও একটি থাকছে ভোটারের কাছে। এতে করে নিরপত্তা ঝুঁকি নাই। এর মাধ্যমে প্রায় ১.৩০ কোটি যোগ্য প্রবাসী ভোটার সরাসরি ভোট প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। </p>
<p>তিনি জানান, নাগরিকের ঠিকানার ডিজিটাল রূপান্তরে সরকারি-বেসরকারি যৌথ অংশদারিত্বে জিও ফেন্সিং করার পাশাপাশি ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার পাইলট প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে সেন্ট্রাল লজিস্টিক ট্রাকিং প্লাটফর্মের মাধ্যমে ই-কমার্সের জালিয়াতি রোধ করা হবে। আগামী মাস নাগাদ এই প্রকল্পটি চালু হবে। এআই ও অটোমেশন সংযোজন করে ডাক সেবার গতি ও মান বাড়ানো হবে। একইসঙ্গে সেন্ট্রাল লজিস্টিক ট্রাকিং প্লাটফর্মের মাধ্যমে ই-কমার্সের জালিয়াতি রোধ করা হবে। আগামী মাস নাগাদ এই প্রকল্পটি চালু হবে। এআই ও অটোমেশন সংযোজন করে ডাক সেবার গতি ও মান বাড়ানো হবে। এছাড়াও ডিজিটাল আর্থিক অন্তর্ভুক্তি সুগম করা হবে।</p>
<p>বিশ্ব ডাক দিবস পালন উপলক্ষে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেরনর ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব আব্দুন নাসের, আইসিটি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী ও ডাক বিভাগের মহাপরিচালক এস এম শাহাবুদ্দিন।</p>
<p>ইন্টারনেটের বাইরে থাকা মানুষকে অন্তর্ভূক্তিমূলক ডিজিটাল ডাক সেবায় অন্তর্ভূক্ত করতে সেমিনার, র‍্যালি ও আলোচনা সভা, স্মারক ডাকটিকিট, ক্রোড়পত্র, স্মরণিকা প্রকাশ ও শ্রেষ্ঠ কর্মীদের সম্মাননার মধ্য দিয়ে এবার বিশ্ব ডাক দিবস পালন করতে যাচ্ছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে মোবাইল অপারেটরদের মাধ্যমে সকল গ্রাহকদের নিকট এসএমএস পাঠানো; দিবসের প্রতিপাদ্যসহ তাৎপর্য তুলে ধরে টিভি চ্যানেলে প্রচার, ফিলাটেলি মেলা, চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতা ও তিন দিনব্যাপী ডাকটিকিট প্রদর্শনীতে (৯ থেকে ১১ অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত) বাংলাদেশ ডাকের গৌরবময় যাত্রা তুলে ধরা হবে।</p>
<p> </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দুই দিন ধরে চলবে বিশ্ব ডাক দিবস</title>
<link>https://digibanglatech.news/158122</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158122</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68e530f4eae3f.jpg" length="100665" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 07 Oct 2025 19:22:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডাক সেবা আজ শুধু চিঠিপত্রের সীমাবদ্ধ নয়—ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে অনলাইন পার্সেল, ই-কমার্স ডেলিভারি, পোস্টাল ব্যাংকিং ও সেবা সহজীকরণে ডাক বিভাগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এমন বাস্তবতায় আগামী ৯ অক্টোবর সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও উদযাপিত হবে বিশ্ব ডাক দিবস। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের উদ্যোগে এ উপলক্ষ্যে রাজধানীর ডাক ভবনে আগামী ৯ ও ১০ অক্টোবর দুই দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।</p>
<p>এ বছরের বিশ্ব ডাক দিবসের প্রতিপাদ্য -Post for People: Local Service, Global Reach “জনগণের জন্য ডাক: স্থানীয় পরিষেবা, বৈশ্বিক পরিসর।” বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে ডাক সেবার গুরুত্ব, জনগণের সঙ্গে সরকারের সংযোগ এবং টেকসই উন্নয়নে ডাক বিভাগের অবদান তুলে ধরতেই এই দিবসটি পালিত হয়।</p>
<p>দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে ৮ অক্টোবর বিকেল চারটায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ডাক ভবনে অনুষ্ঠিতব্য সংবাদ সম্মেলনে আয়োজনের বিস্তারিত তুলে ধরবেন। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।</p>
<p>সূত্রমতে, দুই দিনব্যাপী কর্মসূচির প্রথম দিনে ৯ অক্টোবর সকাল ৮টায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ডাক ভবন প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে সংলগ্ন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করবে।</p>
<p>সকাল ১০টায় ডাক ভবনে দুই দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। এসময় উপস্থিত থাকবেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান, আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী সহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, ডাক বিভাগের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধি।</p>
<p>বিকাল সাড়ে তি টায় “আগামীর ভাবনায় ডাক” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ডাক সেবার ডিজিটাল রূপান্তর ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা মতবিনিময় করবেন।</p>
<p>১০ অক্টোবর, সমাপনী দিনে সকাল ১০টায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।<br>বিকেলে সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান । এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।</p>
<p>বিশ্ব ডাক দিবস  উপলক্ষ্যে  প্রধান উপদেষ্টা বিশেষ স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করবেন, যা ডাক বিভাগের ইতিহাসে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়নে সেভ দ্য চিলড্রেনের সঙ্গে রবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/158118</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158118</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68e52ab47d4fc.jpg" length="84736" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 07 Oct 2025 18:59:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p></p>
<p>সারাদেশে কিশোর ও তরুণদের ডিজিটাল স্কিল, উদ্যোক্তা ও ফ্রিল্যান্সিং শেখাবে পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত মোবাইল অপারেটর রবি। এ লক্ষ্যে সেভ দ্য চিলড্রেন বাংলাদেশের সঙ্গে  একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে অপারেটরটি।</p>
<p>রাজধানীতে সেভ দ্য চিলড্রেন বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর এএসএম রহমত উল্লাহ এবং রবি আজিয়াটার চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম সমঝোতা স্মারকে সই করেন।  </p>
<p>৭ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার রবি'র পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।<br> এতে জানানো হয়, এই অংশীদারিত্বের আওতায় অংশগ্রহণকারীরা ইন্টারনেট সংযোগসহ ডিজিটাল কানেক্টিভিটির সহায়তাও পাবেন। এছাড়াও ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধি বিষয়ক বিদ্যালয়ভিত্তিক বিভিন্ন কার্যক্রমে সহযোগিতা করবে রবি ও সেভ দ্য চিলড্রেন। যুব ও কিশোর-কিশোরী-কেন্দ্রিক কমিউনিটি হাবগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে উদ্ভাবনী ও সচেতনতামূলক বিভিন্ন কার্যক্রমও হাতে নেওয়া হবে। </p>
<p>অনুষ্ঠানে সেভ দ্য চিলড্রেন বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর এএসএম রহমত উল্লাহ বলেন,"দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ডিজিটাল শিক্ষা ও অন্তর্ভুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক তরুণ এখনও প্রযুক্তির সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা তাদের দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দিতে পারব, যা তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর হতে সহায়তা করবে।"</p>
<p>রবি আজিয়াটার চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম বলেন, "প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে আমরা বদ্ধপরিকর। তরুণদের ডিজিটাল দক্ষতা তৈরি এবং তাদের কর্মসংস্থানমুখী করে গড়ে তোলা আমাদের অগ্রাধিকার। সেভ দ্য চিলড্রেনের সঙ্গে এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশে ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে এবং কিশোর ও তরুণরা নিজেদের সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ার পথে এগিয়ে যাবে।"</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ট্যাপম্যাডের সাথে চুক্তিবদ্ধ হলো গ্রামীণফোন  </title>
<link>https://digibanglatech.news/158075</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158075</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68e3ab5ae2672.jpg" length="104443" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 06 Oct 2025 17:43:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রিমিয়াম ওটিটি স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ট্যাপম্যাডের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্ব স্থাপন করেছে টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। এই অংশীদার চুক্তির মাধ্যমে ট্যাপম্যাডের প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন সেবার সুবিধা পাবেন গ্রামীণফোনের গ্রাহকরা। ফলে সারা বিশ্বে জনপ্রিয় ক্রীড়া আসরের লাইভ সম্প্রচারের পাশাপাশি সিনেমা, নাটক ও অন-ডিমান্ড কনটেন্টের বিশাল সংগ্রহ উপভোগ করতে পারবেন তারা।</p>
<p>৬ সেপ্টেম্বর, সোমবার, গ্রামীণফোনের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, পেমেন্ট ও পার্টনারশিপ বিভাগের প্রধান জাহিদুজ জামান এবং ট্যাপম্যাডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির পাশা এ বিষয়ক সমঝোতা স্মারকে সই করেন। <br> <br>অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, পেমেন্ট ও পার্টনারশিপ বিভাগের প্রধান জাহিদুজ জামান বলেন, “ভবিষ্যৎ-উপযোগী ডিজিটাল অভিজ্ঞতা প্রদান করে গ্রাহকদের ক্ষমতায়নে সংকল্পবদ্ধ গ্রামীণফোন। ট্যাপম্যাডের সাথে পার্টনারশিপের মাধ্যমে আমরা গ্রাহকদের হাতের নাগালে নিয়ে এসেছি বিশ্বমানের ক্রীড়া ও বিনোদন অভিজ্ঞতা এবং গ্রামীণফোন মোবাইল ব্যালেন্সের মাধ্যমেই নির্বিঘ্নে সেবাটি গ্রহণ করতে পারবেন তারা। গ্রাহকদের পরিবর্তিত ডিজিটাল জীবনধারাকে আরও সমৃদ্ধ করতে এটি আমাদের আরেকটি পদক্ষেপ।”<br> <br>ট্যাপম্যাডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির পাশা বলেন, “গ্রামীণফোনের সাথে পার্টনারশিপ স্থাপন করতে পেরে আমরা আনন্দিত। এর মাধ্যমে ট্যাপম্যাডের প্রিমিয়াম স্পোর্টস ও বিনোদন কনটেন্ট সহজে উপভোগ করতে পারবেন বাংলাদেশের দর্শকরা। এই পার্টনারশিপকে আরো সমৃদ্ধ করতে এবং তাদের  জন্য আরো সুবিধা নিশ্চিত করতে আগ্রহী আমরা।</p>
<p>অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গ্রামীণফোনের গ্রাহকরা এখন থেকে মাইজি-পি অ্যাপ, ট্যাপম্যাড অ্যাপ এবং ট্যাপম্যাড ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ক্রেডিট কার্ড বা আলাদা পেমেন্ট গেটওয়ে ছাড়াই শুধুমাত্র মোবাইল ব্যালেন্স ব্যবহার করে প্ল্যাটফর্মটি সাবস্ক্রাইব করতে পারবেন। দুটি প্যাকেজের মধ্যে সাপ্তাহিক প্যাকেজের মূল্য ৫৫ টাকা এবং মাসিক প্যাকেজের মূল্য ১১০ টাকা।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গণশুনানিতে টেলিটক গ্রাহকের যত অভিযোগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/157938</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157938</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68cfa11fe95f3.jpg" length="45622" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 01 Oct 2025 00:55:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পূজার ছুটির আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোষণা দিয়ে ভার্চুয়াল গণশুনানি করেছে রাষ্ট্রায়ত্ব মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর টেলিটক। এক ঘণ্টার শুনানিতে অংশগ্রহণকারী ছিলো ১০০ জনের কম। আর শুনানিতে কথা বলার সুযোগ পেয়েছেন ১৫ জন। তাদের ভাষ্যে, টেলিটকের নেটওয়ার্ক দুর্বল, রিচার্জ পয়েন্ট কম, ডেটা প্যাক কেনার পরও ইন্টারনেট ব্যবহার করতে না পাড়া ছাড়াও কাস্টমার কেয়ারে অপ্রতুলতা এবং বিশেষ করে পাহাড়ে ব্যাপক চাহিদা থাকলেও দ্বিগুণমূল্যে টেলিক সিম বিক্রির অভিযোগ মেলে। অভিযোগের পাশাপাশি ভালো একটি অ্যাপ ও বর্ণমালা প্যাকেজে ১ সেকেন্ড পালস ফিরে পাওয়ার দাবিও করা হয়েছে শুনানিতে। প্রশ্ন রাখা হয়, বাংলাদেশের মানুষের কী দায় পড়েছে যে টেলিটকে মাইগ্রেট করবে। নেটওয়ার্ক নাই, সেবা নাই। </p>
<p>অনলাইন প্ল্যাটফর্ম জুমে ৩০ অক্টোবর, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় শুরু হয়ে বেলা ১১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় এই গণশুনানি। ১০ টা ৫০ মিনিটে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিলো ৮৩জনের মতো। গ্রাহক ছাড়াও টেলিটকের স্থানীয় প্রতিনিধি এই শুনানিতে কথা বলার সুযোগ পান।</p>
<p> </p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x_68dcec6fc80c2.jpg" alt=""></p>
<p>টেলিটকের উপব্যবস্থাপক শারমীন সিদ্দিকার সঞ্চালনায় এক ঘণ্টার শুনানিতে গ্রাহক ও প্রতিনিধিদের এসব অভিযোগ ও পরামর্শ শুনে টেলিটকের উপ-মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান বলেছেন, ‘প্রত্যেকটা কথা নোট করেছি। গ্রাহকদের অভিযোগগুলো সমাধানে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ </p>
<p>খালেকুজ্জামানের মিনিট খানেকের বক্তব্যের মধ্যেও দুবার সংযোগে বিভ্রাট ঘটে। এ সময় গ্রাহকেরা বলতে শুরু করেন, ‘আপনাদের অফিসেই নেটওয়ার্ক ঠিক নাই নাকি স্যার? কথা আসতেছে না কেন?’ এরপর বক্তব্য অসম্পূর্ণ অবস্থায় শেষ হয় এই গণশুনানি। ‍</p>
<p>তবে সঞ্চালক টেলিটকের উপব্যবস্থাপক শারমীন সিদ্দিকা জানিয়েছেন, এর পর থেকে প্রতি মাসে গণশুনানির আয়োজন করা হবে। তারা সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করবেন। </p>
<p>শুনানিতে ঢাকা থেকে মাহিবুল কবির নামে একজন গ্রাহক বলেন, ছুটিতে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি গেলে যশোর গেলে পাঁচটা ফোনকলের মধ্যে তিনটাই কলড্রপ হয়। বাকি দুইটা ঘ্যাসঘ্যাস, কথা শোনা যায় না। রিচার্জ পয়েন্ট নাই৷ ২০ টাকা লোড করতে গেলে কেউ কি ৫০০ টাকা বিকাশে ক্যাশ ইন করবে? প্রশ্ন রাখেন তিনি। ধানমন্ডি ২৭ এও রিচার্জ পয়েন্ট নাই বলে আক্ষেপ করেন টেলিটক গ্রাহক কাজী সাব্বির হাসান আশিক। </p>
<p>রাজশাহী বিভাগের একজন গ্রাহক টেলিটকের সেবার ভোগান্তির কথা তুলে ধরে বলেন, ‘আমার এলাকায় কারেন্ট গেলেই নেটওয়ার্ক হাওয়া। এক সেকেন্ডের জন্য কারেন্ট গেলেও নেটওয়ার্ক চলে যায়। টাওয়ারে ব্যাটারি ব্যাকআপ নাই।’ আর একই এলাকা থেকে এক সেকেন্ড পালস ফিরিয়ে আনার দাবি জানান মনজুরুল ইসলাম। </p>
<p>দিনাজপুরের বিরল উপজেলার গ্রাহক মোহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, ‘এই এলাকার কোথাও নেটওয়ার্ক কভারেজ নাই। এমবি কিনেও ব্যবহার করা যায় না। আধা ঘণ্টা দূরে দিনাজপুরে গিয়ে এমবি ব্যবহার করতে হয়।’</p>
<p>আক্ষেপ করে রংপুরের সজীব সরকার বলেন, বর্ণমালায় আগে এক সেকেন্ড পালস ছিলো। এখন ১০ সেকেন্ড পালস।  </p>
<p>আরেকজন গ্রাহক অভিযোগ করলেন, পাহাড়ে টেলিটকের নেটওয়ার্ক ভালো। এখানে চাহিদাও বেশি। কিন্তু সিম কিনতে হয় বেশি দাবে। সেখানে টেলিটক সিম কিনতে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা খরচ হয়। রফিকুল ইসলাম টেলিটকের আঞ্চলিক কর্মী জানান, পার্বত্য অঞ্চলে সিম সংকট, ওভার প্রাইস, মালিকানা পরিবর্তনে ঝামেলা পোহাতে হয়। </p>
<p>ঝালকাঠি’র মীর এনামুল হক জানালেন, টেলিটকের অফিস সংলগ্ন একটি ভবনের নিচতলায় থাকেন। থ্রিজি ফোরজি কোনটাই পান না। ঝালকাঠির ১০টা ইউনিয়নের কোথাও কেউ বলতে পারবে না কাছেই কোথাও টেলিটকে রিচার্জ করতে পারবেন। সৌদি প্রবাসী আজাদও টেলিটকের সেবা নিয়ে আপত্তি প্রকাশ করেন। </p>
<p>গ্রাহকদের অভিযোগ, অনেকটা দায়সারাভাবে করা হয়েছে এই গণশুনানি। এ বিষয়ে পর্যাপ্ত ঘোষণাও দেওয়া হয়নি। এমনকি অংশীজনেরাও এই গণশুনানির বিষয়ে জানেন না।</p>
<p>গণশুনানি আয়োজনের দুই দিন আগে, রবিবার টেলিটকের ফেসবুক পেজে এ বিষয়ে পোস্ট দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়, ‘সরকারি দপ্তর ও সংস্থাগুলো কর্তৃক মাসিক ভিত্তিতে গণশুনানি আয়োজন-সংক্রান্ত “সংস্কার কমিশন”-এর সুপারিশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ একটি গণশুনানি ভার্চুয়াল মাধ্যমে (জুম) আয়োজন করতে যাচ্ছে।’</p>
<p></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সফরে মার্কেট ভিজিটে টেলিনর সিইও</title>
<link>https://digibanglatech.news/157927</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157927</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68dc0a0489156.jpg" length="147418" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 30 Sep 2025 18:49:43 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সফরে এসেই খুচরা বিক্রেতা ও গ্রাহকদের সাথে সরাসরি কথা বললেন টেলিনর গ্রুপের প্রেসিডেন্ট ও সিইও বেনেডিক্টে শিলব্রেড ফাসমার। রাজধানীর বিমানবন্দর সংলগ্ন কাজলা বাজারে গ্রামীণফোনের পার্টনার শপে যান তিনি। এসময় তাদের অভিজ্ঞতা, চ্যালেঞ্জ, ও আকাঙ্ক্ষাগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন বেনেডিক্টে। একইসঙ্গে গ্রামীণফোনের এন্টারপ্রাইজ গ্রাহকদের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন তিনি। সফরে গ্রামীণফোন টিমের সাথেও সময় কাটান এবং অফিস ফ্লোরে ঘুরে ঘুরে কর্মীদের সাথে সরাসরি দেখা করেন।</p>
<p>এরপর টাউনহল বক্তৃতায় টেলিনর গ্রুপ নিয়ে তার ভিশন এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে গ্রামীণফোন কীভাবে পরবর্তী পর্যায়ের সল্যুশন নিয়ে আসতে পারে তার ওপর আলোকপাত করেন তিনি।</p>
<p>৩০ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, গণমাধ্যমে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সূত্রমতে, গত ২৮ সেপ্টেম্বর, রবিবার, সেলস টিমের কর্তাব্যক্তিদের নিয়ে এই মার্কেট ভিজিটে যান টেলিনর গ্রুপ প্রেসিডেন্ট। </p>
<p>বাংলাদেশ সফর নিয়ে টেলিনর গ্রুপের প্রেসিডেন্ট ও সিইও বেনেডিক্টে শিলব্রেড ফাসমার বলেন, “টেলিনরের সবচেয়ে গতিশীল বাজারগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ একটি। এখানে এসে আমার জন্য প্রথমেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল সেই মানুষগুলোর সাথে দেখা করা, যাদের আমরা প্রতিদিন সেবা প্রদান করছি। গ্রাহকদের সাথে সরাসরি কথা বলে এবং গ্রামীণফোনের সহকর্মী ও পার্টনারদের সাথে সময় কাটিয়ে আমি উপলব্ধি করেছি, কানেক্টিভিটি কীভাবে একটি সমাজ জুড়ে সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিচ্ছে। আমি বাংলাদেশের উদ্যম, উদ্ভাবন ও সম্ভাবনায় দারুণভাবে অনুপ্রাণিত।”</p>
<p>গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান বলেন, “গ্রুপ সিইও হিসেবে বেনেডিক্টের প্রথম বাংলাদেশ সফরে তাকে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা গর্বিত। গ্রাহক ও কর্মীদের সাথে তার তাৎক্ষণিক সংযোগে আমাদের ব্যবসার মূল বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে- সেটি হচ্ছে সবার আগে মানুষ। ব্যবসায়িক কমিউনিটির সাথে তার আলোচনা এবং আমাদের টিমকে দেয়া তার অনুপ্রেরণা, আমরা যাতে দায়িত্ব ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রগতিতে নেতৃত্ব দিতে পারি, সেই সংকল্পকে আরও জোরদার করেছে।”</p>
<p><br><br></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশে প্রথম এআই&#45;ভিত্তিক গ্রাহক সেবা চালু করলো বাংলালিংক</title>
<link>https://digibanglatech.news/157874</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157874</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68da1b2d12177.jpg" length="70042" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 29 Sep 2025 00:03:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের টেলিকম খাতে প্রথমবারের মতো এআইচালিত গ্রাহক সহায়তা ব্যবস্থা চালু করেছে বাংলালিংক। মোবাইল অপারেটরটি বলছে, এ উদ্যোগ গ্রাহকসেবায় নতুন মাত্রা যোগ করবে এবং এটি বাংলালিংকের এআই ভিত্তিক উদ্ভাবনের প্রতি প্রতিশ্রুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।</p>
<p>নতুন এ ব্যবস্থায় অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে গ্রাহকদের সমস্যাগুলো শনাক্ত করা হয়। এর মাধ্যমে ন্যূনতম মানব হস্তক্ষেপে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অভিযোগ জানানো যায়। এটি হ্যান্ডসেট, সিমকার্ড এবং নেটওয়ার্কের অবস্থা বিশ্লেষণ করে গ্রাহকের জন্য রিপোর্ট তৈরি করে দেয়।</p>
<p>যদি সমস্যার সমাধান না হয়, তাহলে সিস্টেমটি নিজেই গ্রাহককে অভিযোগ জানাতে উৎসাহিত করে এবং তা পরে একটি ‘লাইভ এজেন্ট’-এর কাছে সমাধানের জন্য হস্তান্তর করা হয়।</p>
<p>অদূর ভবিষ্যতে এই সিস্টেমে আরও অভিযোগ ক্যাটাগরি সংযুক্ত করা হবে, যার মাধ্যমে এই বুদ্ধিমান প্রক্রিয়া আরও দ্রুত, স্মার্ট এবং নিখুঁত গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করবে, যা দেশের টেলিকম খাতে এক নতুন মানদণ্ড স্থাপন করবে।</p>
<p>বাংলালিংকের কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্স টিম এই ব্যবস্থা এমনভাবে ডিজাইন করেছে যেন গ্রাহকরা প্রকৃত অর্থেই তাৎক্ষণিক পরিষ্কার ধারণা, পূর্ণ স্বচ্ছতা এবং যেকোনো সময় সহায়তা পেতে পারেন। এর ফলে গ্রাহকরা আরও দ্রুত সমাধান পাবে এবং সেবার প্রতিটি ধাপে আরও নির্বিঘ্ন গ্রাহক অভিজ্ঞতা নিশ্চিত হবে।</p>
<p>বাংলালিংকের চিফ করপোরেট ও রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, আমরা সবসময় গ্রাহকের পথচলা আরও স্মার্ট ও সহজ করতে চেষ্টা করি। আমাদের গ্রাহককেন্দ্রিক পরিকল্পনার আরেকটি পদক্ষেপ হলো এ নতুন এআই-চালিত অভিযোগ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি। এটি তাৎক্ষণিক সমস্যা নির্ণয় ও অভিযোগ তৈরিতে সক্ষম; যার ফলে সঠিকভাবে আরও দ্রুত ও অনায়েসে সেবা প্রদান সম্ভব হচ্ছে।</p>
<p><span>তিনি আরও বলেন, এই উদ্ভাবন আমাদের গ্রাহক-কেন্দ্রিক মানসিকতারই প্রতিফলন। এখানে আমরা প্রতিটি ধাপে বুদ্ধিমত্তা সংযোজন করে চলেছি। গ্রাহক সন্তুষ্টি বাড়াতে এবং অপারেশনাল দক্ষতা উন্নত করতে আমরা এআই-এর ব্যবহার আরও বিস্তৃত করবো।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ট্রিপল&#45;প্লে, কোয়াড&#45;প্লে আনছে বিটিসিএল</title>
<link>https://digibanglatech.news/157835</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157835</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68c574ab1dca2.jpg" length="31852" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 27 Sep 2025 22:59:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ট্রিপল-প্লে এবং কোয়াড-প্লে সেবা চালু করতে যাচ্ছে রাষ্ট্রীয় টেলিযোগাযোগ কোম্পানি বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)। মানুষের জীবনকে সহজ করতে ডিভাইস, ভয়েস, ডেটা এবং এন্টারটেইনমেন্ট এক্সেস নিশ্চিত করে যোগাযোগ ব্যবস্থায় আলোড়ন তুলতেই এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব।</p>
<p>আসছে অক্টোবরে বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে বিস্তারিত মিডিয়া কমিউনিকেশনে যাবে বলে ২৭ সেপ্টেম্বর, শনিবার রাতে নিশ্চিত করেছেন বিশেষ সহকারী।  </p>
<p>এ বিষয়ে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, আমরা চাই মানুষের যোগাযোগে এবং বিনোদনে লিমিটেড ভয়েস, লিমিটেড ডেটা, লিমিটেড কনটেন্টসহ, ডিভাইস সীমাবদ্ধতার অচলায়তন মুছে যাক। </p>
<p><br>তিনি জানান, বিটিসিএল এমভিএনও ও মোবাইল সিম এবং বিটিসিএল আলাপ আইফোন অ্যাপ বেজড ভয়েস কলিং- এই দুইয়ের মাধ্যমে দেওয়া হবে শর্তসাপেক্ষে আনলিমিটেড ভয়েস কল। বিটিসিএল জীপন, বিটিসিএল আইএসপি সংযোগের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে আনলিমিটেড ডেটা।</p>
<p>বিটিসিএল কোয়াড প্লে-তে থাকছে ডিভাইস, ভয়েস,ডেটা এবং এন্টারটেইনমেন্ট এক্সেস। এই সেবার মাধ্যমে ওটিটিগুলোর পাইরেসি মোকাবেলায় লিমিটেড কন্টেন্টে ওটিটি প্লাটফর্ম ঐচ্ছিক ভাবে যুক্ত করার শুরুতে বঙ্গ/চরকি/হইচই এর মাধ্যমে আনলিমিটেড এন্টারটেইনমেন্ট দিতে যাচ্ছে বিটিসিএল। এই এন্টারটেইনমেন্টের পরবর্তীতে নেটফ্লিক্স কিংবা অ্যামাজন প্রাইম যুক্ত করা হতে পারে।  </p>
<p>একইভাবে চলমান এক্সেস টু ডিভাইস সমস্যা সমাধানে মাত্র ৫০০ টাকা কিস্তিতে মাত্র এক বছরের প্যাকেজে স্মার্টফোন হ্যান্ডসেট দেওয়া হবে বলে জানান ফয়েজ। এতে শুরুতে থাকবে সামান্য কিছু ডেপোজিট। </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৪৮ নতুন উপজেলা পোস্টমাস্টারের ইনডাকশন কোর্স সম্পন্ন</title>
<link>https://digibanglatech.news/157770</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157770</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d5379bd5bf3.jpg" length="109967" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 25 Sep 2025 16:37:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>২৫ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার শেষ হলো রাজশাহী পোস্টাল একাডেমীতে নবনিয়োগপ্রাপ্ত উপজেলা পোস্টমাস্টারদের ইনডাকশন কোর্স। এতে নতুন নিয়োগ পাওয়া ৪৮ জন পোস্টমাস্টার অংশ নেন।</p>
<p>রাজশাহী পোস্টাল একাডেমীর অধ্যক্ষ কাজী আসাদুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগের কমিশনার খোন্দকার আজিম আহমেদ এবং জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার।</p>
<p>অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদপত্র তুলে দেয়ার আগে তাদের উদ্দেশ্যে  ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান বলেন,  জনগণের দোরগোড়ায় ডাক বিভাগের সেবা পৌঁছে দিতে নতুন প্রজন্মের কর্মকর্তাদের যুগোপযোগী দক্ষতা অর্জন অপরিহার্য। এক্ষেত্রে তিনি নবনিযুক্ত পোস্টমাস্টারদের পেশাগত সততা, দায়িত্ববোধ ও আধুনিক সেবা প্রদানের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জনের আহ্বান জানান।</p>
<p>এর আগে ইনডাকশন কোর্সের অংশ হিসেবে ১ সেপ্টেম্বর পবা উপজেলা ডাকঘরের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন নব নিয়োগপ্রাপ্ত উপজেলা পোস্টমাস্টাররা। উপজেলা পোস্ট অফিসের চলমান কার্যক্রম, ব্যবহৃত ফর্ম, উপজেলা পোস্টমাস্টারদের দায়িত্ব ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার দেখানো হয়। </p>
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div id="_R_l9bclkqv5klilipamH3_" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1n2onr6">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1n2onr6">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="x1n2onr6">
<div class="x1n2onr6">
<div class="x6ikm8r x10wlt62 x10l6tqk"></div>
<div class="x6ikm8r x10wlt62 x10l6tqk"></div>
<div class="x6ikm8r x10wlt62 x10l6tqk"></div>
<div class="x6ikm8r x10wlt62 x10l6tqk"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x6ikm8r x10wlt62"></div>
</div>
</div>
<div>
<div class="xabvvm4 xeyy32k x1ia1hqs x1a2w583 x6ikm8r x10wlt62" data-visualcompletion="ignore-dynamic">
<div>
<div>
<div>
<div class="x1n2onr6">
<div class="x6s0dn4 xi81zsa x78zum5 x6prxxf x13a6bvl xvq8zen xdj266r xat24cr x1c1uobl xyri2b x80vd3b x1q0q8m5 xso031l x1diwwjn xbmvrgn x10b6aqq x1yrsyyn">
<div class="x6s0dn4 x78zum5 x1iyjqo2 x6ikm8r x10wlt62"></div>
<div class="x9f619 x1ja2u2z x78zum5 x2lah0s x1n2onr6 x1qughib x1qjc9v5 xozqiw3 x1q0g3np x1ws5yxj xw01apr x4cne27 xifccgj x123j3cw xs9asl8"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রবি ও ঢাকা ব্যাংকের কো&#45;ব্র্যান্ডেড কার্ডে রবি এলিট গ্রাহকদের জন্য প্রিমিয়াম সুবিধা</title>
<link>https://digibanglatech.news/157723</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157723</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d3eee1e444e.jpg" length="108958" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 24 Sep 2025 12:14:56 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">নিজেদের এলিট গ্রাহক ও কর্মীদের জীবনযাত্রা, ভ্রমণ এবং আর্থিক লেনদেনে বাড়তি সুবিধা দিতে ঢাকা ব্যাংকের সঙ্গে কো-ব্র্যান্ডেড ক্রেডিট কার্ড চালু করছে মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটা। এ লক্ষ্যে <o:p></o:p></span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;"><o:p> </o:p></span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ঢাকা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে একটি সমঝোতা চুক্তি করেছে উভয় প্রতিষ্ঠান। ২৪ সেপ্টেম্বর, বুধবার রবি’র পক্ষ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সম্প্রতি এই চুক্তি হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। </span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সমঝোতা স্মারকে </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">স্বাক্ষর করেছেন ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চিফ ইমার্জিং মার্কেট অফিসার, মো. মোস্তাক আহমেদ এবং রবি আজিয়াটার কাস্টমার ভ্যালু সলিউশনস, মার্কেট অপারেশনস বিভাগের ডিরেক্টর, মানিক লাল দাস। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব রিটেইল বিজনেস ডিভিশন, এইচ. এম. মোস্তাফিজুর রহমান, রবি আজিয়াটার অ্যাসোসিয়েট ডিরেক্টর (কমার্শিয়াল পার্টনারশিপ) মো. সানজিদ হোসেন, জেনারেল ম্যানেজার (লয়্যালটি ও পার্টনারশিপ) এ. এস. এম. ফয়সাল এবং জেনারেল ম্যানেজার (কমার্শিয়াল পার্টনারশিপ) তানভীর আলম চৌধুরী প্রমুখ।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;"><o:p>রবি জানায়, </o:p></span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কো-ব্র্যান্ডেড এই ক্রেডিট কার্ডে রবি এলিট গ্রাহক ও কর্মীদের  প্রথম তিন বছরের জন্য বার্ষিক ফি মওকুফ করা হবে। থাকছে সর্বোচ্চ তিনটি ফ্রি সাপ্লিমেন্টারি কার্ডের সুবিধা। এছাড়াও <o:p></o:p></span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;"><o:p> </o:p></span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এই কার্ড ব্যবহারকারীরা বেশ কিছু প্রিমিয়াম ভ্রমণ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। এতে থাকছে বিমানবন্দরে বিনামূল্যে পিক-আপ ও ড্রপ-অফ সার্ভিস, মিট-এন্ড-গ্রিট সহায়তা, লাউঞ্জকি-এর মাধ্যমে আটটি আন্তর্জাতিক লাউঞ্জ ব্যবহারের সুবিধা, বলাকা লাউঞ্জে আনলিমিটেড প্রবেশাধিকার এবং বিশ্বব্যাপী ১,৬০০টিরও বেশি লাউঞ্জে প্রবেশের সুযোগ। <o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;"><o:p> </o:p></span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এছাড়াও এই ক্রেডিট কার্ডের গ্রাহকরা পাবেন একটির দামে সর্বোচ্চ তিনটি ফ্রি বুফে অফারসহ এক্সক্লুসিভ হোটেল সুবিধা। ঢাকা ব্যাংকের কুইন্টুপল ক্রেডিট শিল্ডের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সুরক্ষা, ২৪ মাস পর্যন্ত ০% ইএমআই সুবিধা এবং দেশব্যাপী ১০ হাজারের বেশি অংশীদার প্রতিষ্ঠানে লাইফস্টাইল পণ্যে বিশেষ ছাড়।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মোবাইলে বেসরকারী মালিকানা ৮৫ শতাংশে সীমিত করে নতুন নীতিমালা প্রকাশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/157684</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157684</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68b9b9a504905.jpg" length="87821" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 22 Sep 2025 22:01:40 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিদ্যমান আইজিডব্লিউ, আইআইজি, আসিএক্স এবং নিক্স লাইসেন্স বাতিল করে এবং কলসেন্টার, ভেহিক্যাল ট্র্যাকিং সেবা ও টিভ্যাস রেজিস্ট্রেশন সনদ অনিয়মিত করে গেজেট আকারে প্রকাশ পেলো টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক ও লাইসেন্সিং নীতিমালা ২০২৫। এছাড়াও এতে জাতীয় টেলিযোগাযোগ ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক (এনটিটিএন) এবং টাওয়ার শেয়ারিং লাইসেন্সকে একীভূত করে জাতীয় অবকাঠামো এবং<br>কানেকটিভিটি পরিষেবা লাইসেন্সে রূপান্তরিত করা হয়েছে।  ভি-স্য্যাটকে বিশেষ ক্যাটাগরির ফিক্সড টেলিকম সেবায় এবং এনজিএসও এবং স্যাটেলাইট অপারেটর লাইসেন্সকে স্যাটেলাইট সার্ভিস লাইসেন্স হিসেবে নন টেরিস্টারিয়াল নেটওয়ার্ক ও সার্ভিস প্রোভাইডার লাইসেন্স হিসেবে চলমান থাকবে।  </p>
<p>নতুন নীতিমালায় এমভিএনও, ভিও ওয়াইফাই, ওয়াইফাই-৬, ওয়াইফাই-৭, আইওটি, এআই ইত্যাদি আধুনিকতম প্রযুক্তিগত সেবার সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। লাইসেন্স ধাপকে কমিয়ে তিনটিতে নামিয়ে আনা হয়েছে। এগুলো হলো-  ‘অ্যাকসেস নেটওয়ার্ক সার্ভিস প্রোভাইডার (এএনএসপি), ন্যাশনাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড কানেক্টিভিটি সার্ভিস প্রোভাইডার (এনআইসিএসপি) এবং ইন্টারন্যাশনাল কানেক্টিভিটি সার্ভিস প্রোভাইডার (আইসিএসপি)।</p>
<p><span jsname="jqKxS" jsaction="mouseup:Sxi9L,BR6jm; mousedown:qjlr0e" lang="bn"><span jsname="txFAF" jsaction="agoMJf:PFBcW;MZfLnc:P7O7bd;nt4Alf:pvnm0e,pfE8Hb,PFBcW;B01qod:dJXsye;H1e5u:iXtTIf;lYIUJf:hij5Wb;tSpjdb:qAKMYb" jscontroller="BiTO4b"><span jsname="W297wb" jsaction="click:PDNqTc,GFf3ac,qlVvte;contextmenu:Nqw7Te,QP7LD; mouseout:Nqw7Te; mouseover:PDNqTc,c2aHje">আর নতুন লাইসেন্সিং ব্যবস্থায় স্থানান্তরের জন্য একটি তিন-পর্যায়ের মাইগ্রেশন রোডম্যাপ গ্রহণ করা হবে। প্রথম পর্যায়ে সংস্কার নীতি কার্যকর, দ্বিতীয় পর্যায়ে  নতুন লাইসেন্সিং ব্যবস্থা শুরু এবং শেষ ধাপে নতুন লাইসেন্সে সেবা দেয়া বাধ্যতামূলক হয়ে যাবে। মাইগ্রেশন রোডম্যাপের চূড়ান্ত পর্যায়টি ৩০শে জুন ২০২৭ (সফট কাট-অফ ডেট) এর পরে শুরু হবে। এই সময়ের মধ্যে, বিদ্যমান লাইসেন্সধারীদের বেশিরভাগই নতুন লাইসেন্স বিভাগে স্থানান্তরিত হতে হবে। লাইসেন্সধারীদের নির্দিষ্ট রোলআউট বাধ্যবাধকতা, পরিষেবার মান (QoS) মান এবং তাদের নিজ নিজ লাইসেন্সিং নির্দেশিকাগুলিতে সংজ্ঞায়িত অন্যান্য নিয়ন্ত্রক শর্তাবলী মেনে চলতে হবে। লাইসেন্স নবায়ন এবং নিয়ন্ত্রক সিদ্ধান্ত মূল্যায়ন করার সময় বিটিআরসি এই মানদণ্ডগুলি পূরণে লাইসেন্সধারীদের কর্মক্ষমতা বিবেচনা করবে। </span></span></span></p>
<p>২২ সেপ্টেম্বর, সোমবার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রাণলয়ের টেলিকম শাখা থেকে এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বিটিআরসি আন্তর্জাতিক দূরপাল্লার টেলিযোগাযোগ সেবা নীতিমালা (আইএলডিটিএস), ২০১০ সংস্কার নীতিমালাটিও একইসঙ্গে বাতিল হলো। </p>
<div jsaction="kqtH3e:sAYc8e,SJbMmc,SsILKe,Jw8T5b,jsOQJc,AZZyxc,o5MDW;eRlb5:gA82Bd,rcuQ6b,Wm5pEd;oBx8eb:T9xJPd,rcuQ6b;Aq4dme:T9xJPd,Otve6d,rcuQ6b,RHer4;h5CHLc:vFV4mf;lzRwDf:HrLPbb,keu3td,o5MDW,wzWHo;beoOZd:BmwTP,QqtIje;QZhMbf:sAYc8e,Jw8T5b,o5MDW,wzWHo,rcuQ6b;vPLelb:uh6J1e;aEcCGe:B310db;fW6sPc:o5MDW;IthkSb:yQEewf,rcuQ6b;b5rJOd:T9xJPd,rcuQ6b;" jscontroller="a6k9bf" jslog="167510; metadata:W10=; mutable:true;">
<div jsaction="copy:zVnXqd,r8sht;" jsname="r5xl4">
<div jsaction="rcuQ6b:uniPq;agoMJf:uniPq;PAwimb:fO5Jj;H1e5u:psubsc,xEIEwf,vvaHqf,xdbiQe,Omr8vc,aVxZJe;kjpCo:M9Rw9,ZIIOPb;wv82t:J6WBWe,rPLeTe;mzWwbd:uniPq;ETQGm:Gzidhe,hvWY7e,RHer4;Aq4dme:TWxCtb;CmWMuf:TGkDMb;Xlj2Bd:raMQge;DAChtd:wy1tjd; dblclick:wgdrZd;YDSPMd:vdcqkf;tSpjdb:BR6jm;" jscontroller="JLEx7e">
<div dir="ltr"><span jsname="jqKxS" jsaction="mouseup:Sxi9L,BR6jm; mousedown:qjlr0e" lang="bn"><span jsname="txFAF" jsaction="agoMJf:PFBcW;MZfLnc:P7O7bd;nt4Alf:pvnm0e,pfE8Hb,PFBcW;B01qod:dJXsye;H1e5u:iXtTIf;lYIUJf:hij5Wb;tSpjdb:qAKMYb" jscontroller="BiTO4b"><span jsname="W297wb" jsaction="click:PDNqTc,GFf3ac,qlVvte;contextmenu:Nqw7Te,QP7LD; mouseout:Nqw7Te; mouseover:PDNqTc,c2aHje">নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে, বাজার কাঠামো, সরকারি রাজস্ব, অথবা ব্যাপক ভোক্তা প্রবেশাধিকারের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে এমন পরিষেবাগুলি—যেমন মোবাইল ভার্চুয়াল নেটওয়ার্ক অপারেটর (MVNO)-গুলিকে একটি আনুপাতিক কাঠামোর অধীনে নিয়ন্ত্রিত করা হবে।</span></span> <span jsname="txFAF" jsaction="agoMJf:PFBcW;MZfLnc:P7O7bd;nt4Alf:pvnm0e,pfE8Hb,PFBcW;B01qod:dJXsye;H1e5u:iXtTIf;lYIUJf:hij5Wb;tSpjdb:qAKMYb" jscontroller="BiTO4b"><span jsname="W297wb" jsaction="click:PDNqTc,GFf3ac,qlVvte;contextmenu:Nqw7Te,QP7LD; mouseout:Nqw7Te; mouseover:PDNqTc,c2aHje">এর মধ্যে ন্যায্য প্রতিযোগিতা, ভোক্তা সুরক্ষা এবং ন্যায়সঙ্গত বাজারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার জন্য পূর্ণ বা হালকা-টাচ লাইসেন্সিং অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।</span></span> <span jsname="txFAF" jsaction="agoMJf:PFBcW;MZfLnc:P7O7bd;nt4Alf:pvnm0e,pfE8Hb,PFBcW;B01qod:dJXsye;H1e5u:iXtTIf;lYIUJf:hij5Wb;tSpjdb:qAKMYb" jscontroller="BiTO4b"><span jsname="W297wb" jsaction="click:PDNqTc,GFf3ac,qlVvte;contextmenu:Nqw7Te,QP7LD; mouseout:Nqw7Te; mouseover:PDNqTc,c2aHje">বিটিআরসি এমভিনিও এর যোগ্যতা, আন্তঃসংযোগ, বিরোধ নিষ্পত্তি এবং পরিচালনার শর্তাবলী সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে লাইসেন্স প্রদানের জন্য পৃথক নির্দেশিকা জারি করবে। </span></span></span></div>
<div dir="ltr"><span jsname="jqKxS" jsaction="mouseup:Sxi9L,BR6jm; mousedown:qjlr0e" lang="bn"><span jsname="txFAF" jsaction="agoMJf:PFBcW;MZfLnc:P7O7bd;nt4Alf:pvnm0e,pfE8Hb,PFBcW;B01qod:dJXsye;H1e5u:iXtTIf;lYIUJf:hij5Wb;tSpjdb:qAKMYb" jscontroller="BiTO4b"><span jsname="W297wb" jsaction="click:PDNqTc,GFf3ac,qlVvte;contextmenu:Nqw7Te,QP7LD; mouseout:Nqw7Te; mouseover:PDNqTc,c2aHje"></span></span></span></div>
</div>
</div>
</div>
<p> প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী, এএনএসপি ক্যাটাগরিতে দুই ধরনের লাইসেন্স থাকবে। সেলুলার ও ফিক্সড টেলিকম সার্ভিস প্রোভাইডার্স।  আর এএনএসপি হিসেবে মোবাইল অপারেটরদের বিদেশী মালিকানা সর্বোচ্চ ৮৫ শতাংশ থাকতে পারবে। আর ফিক্সড টেলিকম সার্ভিস প্রোভাইডার লাইসেন্সধারীরা সকল ধরণের পরিষেবা প্রদানের জন্য তারযুক্ত, অপটিক্যাল ফাইবার-ভিত্তিক, অথবা ফিক্সড-ওয়্যারলেস প্রযুক্তি স্থাপনের জন্য অনুমোদিত হবেন, যার মধ্যে রয়েছে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক ভয়েস পরিষেবা, ডেটা এবং ইন্টারনেট পরিষেবা এবং যেকোনো মূল্য সংযোজন পরিষেবা।  </p>
<p></p>
<h1 class="post-title"><a href="https://digibanglatech.news/157654" target="_blank" rel="noopener">টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক ও লাইসেন্সিং নীতিমালায় রাষ্ট্রপতির অনুমোদন</a></h1>
<div class="d-flex align-items-center post-details-meta mb-4">
<div class="item-meta item-meta-author"></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রতিযোগিতা কমিশনে জিপি’র আবেদন নাকচ</title>
<link>https://digibanglatech.news/157653</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157653</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68ca7bf4e405b.jpg" length="54800" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 22 Sep 2025 13:45:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রতিযোগিতা লঙ্ঘনে করা অভিযোগের  অনুসন্ধান ও বিচারে প্রতিযোগিতা কমিশনের এখতিয়ার নেই বলে মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়েটা ও বাংলালিংকের করা অভিযোগ প্রত্যাহারে করা গ্রামীণফোনের আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন কমিশন। <span>রাজধানীর বোরাক টাওয়ারে ১৭ সেপ্টেম্বর এ নিয়ে অনুষ্ঠিত শুনানির রায়ে ২২ সেপ্টেম্বর, সোমবার দেয়া রায়ে গ্রামীণফোনে আবেদন খারিজ করে রবি’র পক্ষে রায় দিয়েছেন কমিশন চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসান। তার নেতৃত্বে কমিশনের আরো তিন সদস্য -ড. আক্তারুজ্জামান তালুকদার, ওয়াহিদ হাসান শাহ এবং আফরোজা বিলকিস রায় দেয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন। </span></p>
<p><span>রায়ে বিচারক বলেছেন, প্রতিযোগিতা লঙ্ঘন করার বিষয় প্রতিযোগিতা কমিশনই খতিয়ে দেখবে। তদন্ত অনুযায়ী মামলা ও বিচার করতে কমিশনের কোনো বাধা। এটা বিটিআরসি’র বিষয় নয়। বিটিআরসি রেগুলেটরের ভূমিকা পালন করবে। আর প্রতিযোগিতা কমিশন বাজারে নেতিবাচক প্রভাব দূর করতে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে।  </span></p>
<p><span>এই রায়ের ফলে এখন প্রভাবশালী (SMP) অপারেটর হওয়ার কারণে ক্ষমতার অপব্যবহার গ্রামীণ ফোন অস্বাভাবিক কম দামে সিম বিক্রি করে বাজার দখলের চেষ্টা করছে বলে যে অভিযোগ করা হয়েছে তার তদন্ত সহসাই শুরু হবে। এজন্য শিগগিরই পরবর্তী শুনানির তারিখ দিয়ে তদন্তের বিষয় জানানো হবে। এছাড়া তদন্তে দোষ পেলে অপারেটরটির বিরুদ্ধে মামলাও করবে। </span></p>
<p><span>রায় নিয়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করে রবি’র পক্ষের আইনজীবি ব্যারিস্টার সামির সত্তার বলেছেন, প্রতিযোগিতা কমিশন যুক্তি তর্ক ও আইনি ধারায় অকাট্য প্রমাণ পাওয়ায় রবি’র পক্ষে রায় দিয়েছে। রায়ে বলা হয়েছে, বাজারের নেতিবাচক বিষয় দেখার এখতিয়ার বিটিআরসি’র নয়। এটি প্রতিযোগিতা কমিশনই করবে। এ জন্য গ্রামীণফোন যে আবেদনটি করেছিলো তা রায়ে বাতিল করে দিয়েছেন বিজ্ঞ কমিশন। </span></p>
<p><span>এ বিষয়ে রবি আজিয়াটা পিএলস ‘র চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম বলেছেন, বাজার প্রতিযোগিতা ব্যবস্থার অপব্যবহার এবং প্রতিযোগিতা-বিরোধী অনুশীলনের অভিযোগের তদন্ত যথাযথভাবে এগিয়ে নিতে প্রতিযোগিতা কমিশনের সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। এটি বাজারে সমান সুযোগ নিশ্চিত করার দিকে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ, যেখানে উদ্ভাবন এবং ন্যায্য প্রতিযোগিতা গ্রাহকদের এবং সামগ্রিকভাবে শিল্পের বিকাশে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। আমরা কমিশনকে পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতা জোরদার করে এমন নীতি ও অনুশীলনের পক্ষে সমর্থন অব্যাহত রাখব।</span></p>
<p><span>এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন জানায়, “আমরা জানতে পেরেছি যে একটি আদেশ জারি হয়েছে। তবে আমরা এখনও আদেশের কোনো প্রত্যয়িত অনুলিপি পাইনি, তাই এ বিষয়ে এখনই বিস্তারিত মন্তব্য করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তবুও আমরা দৃঢ়ভাবে আবারও বলতে চাই, গ্রামীণফোন বাংলাদেশের প্রচলিত প্রতিযোগিতা আইন মেনে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। গ্রামীণফোন কোনোভাবেই প্রতিযোগিতাবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত নয়। মূল্য নির্ধারণ, বিপণন এবং বিতরণ সম্পর্কিত সকল অভিযোগ আমরা সুস্পষ্টভাবে অস্বীকার করি।  আমাদের দেশের টেলিযোগাযোগ খাতটি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) কর্তৃক কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। ২০০১ সালের বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী পরিচালিত এই খাত ন্যায্য প্রতিযোগিতা, উন্মুক্ত বাজার এবং গ্রাহকের অধিকার নিশ্চিত করে। বিটিআরসি একটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বাজারে প্রবেশ, মূল্য নির্ধারণ এবং সকল প্রতিযোগিতামূলক কার্যক্রমের তদারকি করে থাকে। গ্রামীণফোন বর্তমানে একটি এসএমপি অপারেটর হিসেবে আইনানুগভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আমরা অসম এমএনপি লক-ইন, ক্যাম্পেইন অনুমোদন, ইন্টারকানেকশন চার্জসহ আরও কিছু কঠোর নিয়ন্ত্রক নির্দেশনার সুনির্দিষ্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছি। এমন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন এবং নেতিবাচক প্রতিযোগিতামূলক উদ্দেশ্যের প্রতিফলন।" </span></p>
<h1 class="post-title"><a href="https://digibanglatech.news/157508" target="_blank" rel="noopener">গ্রামীণফোনঃ প্রতিযোগিতা কমিশনের রায় সোমবার</a></h1>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক ও লাইসেন্সিং নীতিমালায় রাষ্ট্রপতির অনুমোদন</title>
<link>https://digibanglatech.news/157654</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157654</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d116c0a94ed.jpg" length="115649" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 22 Sep 2025 10:28:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদনের এক পক্ষ পর পাশ হলো <span>টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক ও লাইসেন্সিং নীতিমালা-২০২৫।  রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ থেকে নতুন আইনিটি প্রকাশ করে ইন্টারন্যাশনাল লং ডিসটেন্স টেলিকমিউনিকেশন সার্ভিস (আইএলডিটিএস) বাতিল করা হয়েছে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর এ সংস্ক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়েছে। একই দিনে প্রঙ্গাপনটি গেজেট আকারে প্রকাশে তা বিজি প্রেসে পাঠানো হয়েছে। </span></p>
<p><span>সূত্রমতে, ইতিমধ্যেই নীতিমালার অধীনে গাইডলাইন প্রস্তুতে অংশীজনদের নিয়ে বৈঠক করেছে বিটিআরসি। আগামী মাসেই আসতে পারে এ সংক্রান্ত গাইডলাইন।  </span></p>
<p><span>এদিকে পুরোনো আইন বাতিল হওয়ায় লাইসেন্স মেয়াদ উত্তীর্ণের পর থেকেই চার লাইসেন্স দিয়ে চলবে দেশের টেলিকম সেবা।  নতুন নীতিমালা অনুযায়ী ২০২৭ সালের মধ্যে বিদ্যমান লাইসেন্সিদের নতুন লাইসেন্স কাঠামোতে ব্যবসায় পরিচালনা করতে হবে। </span></p>
<p><span>আইটিসি কিংবা আইআইজি বা আইজিডব্লিউ লাইসেন্স বাদ দিয়ে এখন এক লাইসেন্সের অধীনে এই সেবা দেয়া হবে। ফাইবার নেটওয়ার্ক, টাওয়ার ব্যবসা, ডেটা সেন্টারের মত অবকাঠামো খাতে পৃথক লাইসেন্স না নিয়ে এক লাইসেন্সে ব্যবসা করতে পারবেন বিনিয়োগকারীরা। প্রাইভেট ফাইভ-জি, ভয়েস ওভার ওয়াইফাই, ওয়াইফাই-৬, ওয়াইফাই-৭ এর মত সেবাগুলো দেওয়া যাবে সহজেই। এক্ষেত্রে সেবার রকমফের অনুযায়ী ‘অ্যাকসেস নেটওয়ার্ক সার্ভিস প্রোভাইডার (এএনএসপি), ন্যাশনাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড কানেক্টিভিটি সার্ভিস প্রোভাইডার (এনআইসিএসপি) এবং ইন্টারন্যাশনাল কানেক্টিভিটি সার্ভিস প্রোভাইডার (আইসিএসপি) হিসেবে এই খাতে ব্যবসায় করতে পারবেন অপারেটররা। </span></p>
<p><span> প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এর ভাষায় “এই নীতিমালার মাধ্যমে লাইসেন্সিংয়ের ক্ষেত্রে স্তরায়ন কমিয়ে মধ্যস্বত্ত্বভোগী কমিয়ে এবং প্রতিযোগিতামূলক সেবা নিশ্চিত করা হবে। এতে সরকারের রাজস্ব না কমিয়েও গ্রাহকদেরকে সুলভ মূল্যে সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।” </span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গ্লোবাল টপ এমপ্লয়ার স্বীকৃতি পেল বাংলালিংক</title>
<link>https://digibanglatech.news/157645</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157645</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d0bc046fb57.jpg" length="142400" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 21 Sep 2025 17:02:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>দেশের প্রথম টেলিকম অপারেটর হিসেবে ‘গ্লোবাল টপ এমপ্লয়ার ২০২৫’ সার্টিফিকেশন পেয়েছে বাংলালিংক। আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘টপ এমপ্লয়ার্স ইনস্টিটিউট’–এর দেওয়া এই স্বীকৃতির ক্ষেত্রে কর্মীসংক্রান্ত কৌশল (পিপল স্ট্র্যাটেজি), কর্মপরিবেশ, নিয়োগপ্রক্রিয়া, প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন, বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তি এবং কর্মীদের কল্যাণ ও সুযোগ–সুবিধা মূল্যায়ন করা হয়েছে। আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলালিংক। </p>
<div id="61470180-2059-4f9c-a9df-66754b243535">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইওহান বুসে বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রথম টেলিকম অপারেটর হিসেবে টপ এমপ্লয়ার সার্টিফিকেশন পাওয়া আমাদের জন্য এক গৌরবময় অর্জন। এটি প্রমাণ করে যে আমরা একটি কর্মীবান্ধব ও ডিজিটালি অগ্রসর কর্মপরিবেশ গড়ে তুলছি, যেখানে প্রত্যেক কর্মী ভবিষ্যতে নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের সাফল্যের মূল চালিকা শক্তি হলো কর্মীদের উন্নয়ন ও কল্যাণ। তাই আমরা এমন একটি কর্মীবান্ধব কর্মসংস্কৃতি গড়ে তুলছি, যেখানে উদ্ভাবন, সহযোগিতা ও শেখার সুযোগ ক্রমেই সম্প্রসারিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল অপারেটরে পরিণত হওয়ার অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে আমরা নিশ্চিত করছি যেন প্রত্যেক কর্মী মূল্যায়িত বোধ করেন, যথাযথ সমর্থন পান এবং গ্রাহকদের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব তৈরিতে নিজেদের সর্বোচ্চ অবদান রাখতে সক্ষম হন। পাশাপাশি আমরা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উদ্দেশ্যনির্ভর সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চাই, যা কর্মীদের বড় স্বপ্ন দেখতে ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নেতৃত্ব দিতে অনুপ্রাণিত করবে।’</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div>
<div class="print-adslot adsBox n5kiG">
<div data-lang="বিজ্ঞাপন" class="dfp-ad-unit print-none ">
<div class="adunitContainer">
<div class=" adBox" id="mcanvas1x1-541386a4-7f5a-4489-bc39-3b9e1e703894-0-0" data-google-query-id="CKPto5ev648DFaFHnQkdME4FBA">
<div id="google_ads_iframe_85406138/mCanvas_1x1_0__container__"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="2557c847-160b-42bc-925c-c450b11341c3">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>টপ এমপ্লয়ার্স ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ডেভিড প্লিঙ্ক বলেন, ‘বর্তমান সময়ে ধারাবাহিকতা ধরে রাখা এক বড় অর্জন। বিশেষত প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, ক্রমাগত পরিবর্তনশীল অর্থনৈতিক কিংবা সামাজিক পটভূমির মধ্যেও বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে দেখা সত্যি অনুপ্রেরণাদায়ক। এ বছরের টপ এমপ্লয়ার্স সার্টিফিকেশন প্রমাণ করে, আমাদের শীর্ষ নিয়োগকর্তারা ধারাবাহিকভাবে বিশ্বমানের মানবসম্পদ (এইচআর) কৌশল চর্চা ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ সেক্টরে উৎকর্ষের মানদণ্ড তৈরি করছেন।’</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="f8c7c3dc-4db4-46d0-972d-40001111a465">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>প্রসঙ্গত, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এইচআর বেস্ট প্র্যাকটিসেস সার্ভের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার উৎকর্ষতা যাচাই ও তাদের স্বীকৃতি প্রদান করে থাকে টপ এমপ্লয়ার্স ইনস্টিটিউট। এ বছর ১২৫টি দেশের ২ হাজার ৪০০টির বেশি প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল টপ এমপ্লয়ারের স্বীকৃতি পেয়েছে।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="print-none oHRqW"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div>
<div class="print-adslot adsBox _4Pk8L _0Zwdj">
<div data-lang="বিজ্ঞাপন" class="dfp-ad-unit print-none Tlph-">
<div class="adunitContainer">
<div class=" adBox" id="News_InArticle_300x250-541386a4-7f5a-4489-bc39-3b9e1e703894-0-0" data-google-query-id="CJ3AnJev648DFbxGnQkd_54SqA"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>তিন মাসের মধ্যে টেলিটকে যুক্ত হচ্ছে আরও ১ হাজার ফোরজি টাওয়ার</title>
<link>https://digibanglatech.news/157618</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157618</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68cfa11fe95f3.jpg" length="45622" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 21 Sep 2025 09:54:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আগামী তিন মাসের মধ্যে আরও এক হাজার ফোরজি টাওয়ার যুক্ত হচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ব মোবাইল অপারেটর টেলিটকে। এর মাধ্যমে আগামী ডিসেম্বর নাগাদ অপারেটরটির ফোরজি টাওয়ারের সংখ্যা দাঁড়াবে ৫ হাজার ৭৬০টিতে। এছাড়াও পাইপলাইনে রায়েঠে মোট ২ হাজার ৪২০ টাওয়ার। </p>
<p>নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ২০ সেপ্টেম্বর, শনিবার রাতে এই তথ্য শেয়ার করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।</p>
<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto">তিনি লিখেছেন, অনেকেই টেলিটক নিয়ে জানতে চেয়েছেন। আমরা দায়িত্ব নেয়ার সময় সারাদেশে চার হাজারের কম ফোরজি সাইট বা টাওয়ার ছিল। বর্তমানে ফোরজি টাওয়ার ৪ হাজার ৭৬০, ডিসেম্বরের মধ্যে মোট ফোরজি টাওয়ারের সংখ্যা ৫ হাজার ৭৬০ পৌঁছে যাবে বলে আশা করছি। আমাদের দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে এক হাজার ৭৬০টির বেশি ফোরজি টাওয়ার রিয়েলাইজ (বাড়ছে) হচ্ছে। পাইপলাইনে মোট ২ হাজার ৪২০ টাওয়ারের প্রক্রিয়া চলমান আছে।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">২০০৫ সালে রাষ্ট্রমালিকানাধীন অপারেটর হিসেবে যাত্রা করে টেলিটক। শুরুতে টেলিটকের সিম কিনতে মানুষকে লাইন দিতে দেখা গিয়েছিল। এখনো অনেকে ইন্টারনেটের জন্য এই সেবাটিকে সাশ্রয়ী মনে করেন। তবে সব মিলিয়ে টেলিটক এর কাভারেজ নিয়ে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে ভোক্তাদের মধ্যে। নেটওয়ার্কের আওতা, গ্রাহক সংখ্যা ও রাজস্বের দিক দিয়ে ধুঁকে ধুঁকে চলছে অপারেটরটি। এরইমধ্যে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি’র কাছে তরঙ্গ বরাদ্দ বাবদ <span>টেলিটকের দেনা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫ হাজার ৭৯১ কোটি টাকা।</span></div>
<div dir="auto">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text story-element-text-also-read"></div>
</div>
</div>
</div>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অষ্টম বারের মতো ইউপিইউ সিএ হলো বাংলাদেশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/157582</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157582</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68cd4f55494f3.jpg" length="44484" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 19 Sep 2025 18:37:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আবারও ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়ন (<span>ইউপিইউ</span>)-এর ২৮তম কংগ্রেসে কাউন্সিল অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (CA)-এর সদস্য নির্বাচিত হলো বাংলাদেশ।সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে ১৮ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত কংগ্রেসে নির্বাচন সম্পন্ন হয়। উল্লেখ্য এ নিয়ে অষ্টমবারের মতো বাংলাদেশ <span>ইউপিইউ</span>-সিএ-এর সম্মানিত সদস্য নির্বাচিত হলো।</p>
<p> ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়নের (UPU) এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গসংগঠন কাউন্সিল অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (সিএ), যা প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার পাশাপাশি বৈশ্বিক ডাকসেবার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এর কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে—আন্তর্জাতিক ডাক সার্ভিসের উন্নয়নমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কংগ্রেসে গৃহীত প্রস্তাব বাস্তবায়ন, বিভিন্ন কারিগরি সহায়তা প্রকল্প প্রণয়ন ও সমন্বয়, বার্ষিক বাজেট অনুমোদন, তহবিল ব্যবস্থাপনা, সদস্য দেশগুলোর চাঁদার হার নির্ধারণ, আন্তর্জাতিক ব্যুরোর পদ সৃষ্টি বা বিলুপ্তি, মানবসম্পদ উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদন এবং গবেষণা ও নীতিনির্ধারণমূলক প্রস্তাব গ্রহণ।</p>
<p>ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব-এর দায়িত্বকালীন সময়ে UPU-এর আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে ডাক বিভাগের মাঠ পর্যায়ের রানারদের জন্য ৫০টি ইজিবাইক বরাদ্দ করা হয়েছে, যা সেবার মানোন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রাখছে।</p>
<p>বাংলাদেশের এ সাফল্য অর্জনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কূটনৈতিক তৎপরতা এবং প্রধান উপদেষ্টার অফিস থেকে গৃহীত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। </p>
<p>এ অর্জনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোঃ তৌহিদ হোসেন, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান, বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মহাপরিচালক, পিটিডি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং দুবাইয়ে কর্মরত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতসহ সকলে আন্তরিকভাবে অবদান রেখেছেন। </p>
<p>ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়ন (UPU) জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যা বৈশ্বিক ডাকসেবার নীতি নির্ধারণ ও সমন্বয়ে কাজ করে থাকে। বাংলাদেশ পুনরায় নির্বাচিত হওয়ায় বৈশ্বিক ডাক খাতের আধুনিকায়ন, ই-কমার্স ও ডিজিটাল ডাকসেবা সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারবে।</p>
<p>বাংলাদেশের এই অর্জন দেশের ডাক ও টেলিযোগাযোগ খাতকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও সুদৃঢ় করবে এবং বৈশ্বিক পরিসরে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সালমান পরিবার সহ আইওএফ’র ২৭ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে বিটিআরসি’র মামলা দায়ের</title>
<link>https://digibanglatech.news/157577</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157577</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67ff7cdf4e0e2.jpg" length="61479" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 19 Sep 2025 15:00:56 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সালমান পরিবারের চার সদস্যসহ নেটওয়ার্ক উন্নয়নে আদায়কৃত মার্কেট ডেভলপমেন্ট ফান্ডের ৫৬৮ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আইজিডব্লি অপারেটর্স ফোরামে (আইওএফ) কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্যসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন। ১৮ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার বিকেলে এই মামলা করেন বিটিআরসি’র সিনিয়র সহকারী পরিচালক তৌফিকুল আলম। মামলা নম্বর ৩৭। </p>
<p>মামলায় আইওএফ এর আইএফআইসি  ব্যাংক থেকে এমডিএফ ফান্ডের টাকা বেক্সিমকো কম্পিউটারর্স লিমিটেডের অ্যাকাউন্টে সরিয়ে ফেলায় সালমান এফ রহমান, তার বড় ভাই সোহেল রহমান, ছেলে শায়ান রহমান, আইওএফ কার্য নির্বাহী কমিটির <span>সহ-সভাপতি</span> আব্দুস সালাম, দোহাটেক কর্ণধার এ কে এম শামসুদ্দোহা প্রমুখের নামে এই মামলা করা হয়। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১ (সংশোধনী ২০১০) এর ধারা ৭৩/৭৪/৭৬ এবং দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ৪২০/৪০৬ ধারায় এই মামলা রুজু করা হয়েছে।</p>
<p>মামলাটি এখন তদন্ত করে দেখছেন গুলশান থানার এসআই সাইফুল ইসলাম। </p>
<p>মামলার এজাহারে বলে হয়, আইজিডব্লিউ অপারেটরস ফোরাম গঠনের পর প্রতিষ্ঠানগুলো লাইসেন্স এবং চুক্তির শর্ত ও বিশ্বাস ভঙ্গ করাসহ প্রতারণামূলকভাবে অর্থ আত্নসাতে জড়িত ছিল।</p>
<p>অভিযোগে প্রকাশ, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত আইজিডব্লিউ খাতসংশ্লিষ্ট ‘মার্কেট ডেভেলপমেন্ট এক্সপেন্স’-এর নামে ফান্ডে জমা হয় ৬৩১ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৯৫ শতাংশের বেশি অর্থই খরচ হয়েছে বেক্সিমকো কম্পিউটারস লিমিটেডের নামে। অথচ বিটিআরসির আইজিডব্লিউ লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানের তালিকায় নেই এই প্রতিষ্ঠানের নাম। এমনকি ৬২৫ কোটি টাকার বেশি ব্যয় দেখানো হয়েছে, যার প্রায় শতভাগ গিয়েছে বেক্সিমকো কম্পিউটারসের অ্যাকাউন্টে, যা সরাসরি সালমান এফ রহমানের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান।</p>
<p>২০২০-২৫ পর্যন্ত বেক্সিমকো কম্পিউটার লিমিটেডের অ্যাকাউন্টে ২৪৯ বার, ডিজিকনের অ্যাকাউন্টে ২৫ বার, গ্লোবাল ভয়েস টেলিকমের অ্যাকাউন্টে ৪২ বার, ইউনিক ইনফোওয়ের অ্যাকাউন্টে ১ বার, বাংলা ট্র্যাক কমিউনিকেশনের অ্যাকাউন্টে ২৫ বার ট্রান্সফার করা হয়।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১৩ ঘণ্টা  বন্ধ থাকবে গ্রামীণফোনের রিচার্জ সেবা</title>
<link>https://digibanglatech.news/157567</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157567</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_680a6f0a2d449.jpg" length="50790" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 18 Sep 2025 18:20:59 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>সিস্টেম আপগ্রেড ও মানোন্নয়নের কাজের কারণে আগামীকাল শুক্রবার দীর্ঘ ১৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে সব ধরনের রিচার্জ সেবা থেকে বঞ্চিত হবেন গ্রামীণফোনের গ্রাহকরা। </span>১৮ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গ্রামীণফোনের অফিসিয়াল অ্যাপ মাইজিপি-তে প্রকাশিত এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
<p>নোটিশে বলা হয়েছে, ১৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাত ১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত গ্রামীণফোন নম্বরে কোনো ধরনের রিচার্জ করা যাবে না। এ সময় গ্রাহকরা দোকান, বিকাশ-নগদ বা অনলাইন ব্যাংকিং— কোনো মাধ্যমেই ব্যালেন্স রিচার্জ করতে পারবেন না।</p>
<p>এছাড়া রাত ১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পোস্টপেইড গ্রাহকদের জন্য মোবাইল রিচার্জ, বিল পেমেন্ট এবং বিল আপডেট সার্ভিস বন্ধ থাকবে। সংযোগ চালু রাখতে এই সময়ের আগে বকেয়া বিল পরিশোধ করে রাখতে পারেন।</p>
<p>তবে শুধুমাত্র রিচার্জ সেবা বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এ সময় ভয়েস কল, এসএমএস, ইন্টারনেটসহ অন্যান্য সব সেবা আগের মতোই চালু থাকবে।</p>
<p>গ্রামীণফোন তাদের গ্রাহকদের উদ্দেশে বলেছে, “আপনাদের উন্নত সেবা প্রদানের অংশ হিসেবে আমরা সিস্টেম আপগ্রেডের কাজ করছি। এ কারণে নির্দিষ্ট সময়ে রিচার্জ সেবা বন্ধ থাকবে। কোনো ধরনের অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।”</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নতুন নীতিমালার গাইডলাইন তৈরিতে অংশীসভা করছে বিটিআরসি</title>
<link>https://digibanglatech.news/157548</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157548</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68caef0281b1d.jpg" length="127032" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 17 Sep 2025 23:02:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>টেলিকমিউনিকেশন্স নেটওয়ার্ক ও লাইসেন্সিং পলিসি ২০২৫ অনুযায়ী গাইডলাইন প্রণয়ন সংশ্লিষ্ট অপারেটরদের নিয়ে বৈঠক শুরু করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন। ১৭ সেপ্টেম্বর, বুধবার বিকেলে কমিশনের সভাকক্ষে ফিক্সড টেলিকম সার্ভিস লাইসেন্স এর বিভিন্ন অংশীজনদের নিয়ে ঘণ্টাব্যাপী সভায় অংশ নেন অর্ধ শতাধিক ইন্টারনেট সেবাদাতা। এদের মধ্যে পিএসটিএন অপারেটর বিটিসিএল, ১২টি করে ন্যাশনওয়াইড, ডিভিশন, ডিস্ট্রিক ও থানা পর্যায়ের আইএসপি অপারেটরদের প্রতিনিধি, ভিস্যাট ও আইপিটিএসপি ব্যাসয়ীরা উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ১২ জনের মতো নতুন নীতিমালার বিভিন্ন বিষয়ে গাইডলাইনে নিজেদের অধিকার স্পষ্টিকরণের বিষয়ে আলোকপাত করেন। ইন্টারনেট সেবাদাতাদের পক্ষে আইএসপিএবি’র প্রায় সকল কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্যই এই সভায় যোগ দেন। আলোচনায় অংশ নিয়ে আইএসপিএবি সভাপতি আমিনুল হাকিম সদস্যদের পক্ষে লাস্টমাইল কানেক্টিভিটির বিষয়ে এটা গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেট সেবাদাতা ছাড়াও অন্য কোনো লাইসেন্সি যেন ফাইবার টানতে না পারে সেজন্য গাইডলাইনে স্পষ্টকরণ করার অনুরোধ জানান। নতুন নীতিমালার আলোকে আইসিএসপি এবং এএনএসপি লাইসেন্সিদের অধিকার ও সীমা যেনো বৈষম্যপূর্ণ না হয় সে বিষয়ে গাইডলাইনে নিশ্চয়তা দাবি করেছেন। একইসঙ্গে থানা পর্যায়ের ইন্টারনেট সেবাদাতারাও যেন ইন্টারনেট নির্ভর সেবাগুলো দিতে পারেন সে ক্ষেত্রে যেনো কোনো বৈষম্য না থাকে তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। এছাড়াও একক মালিকানার ইন্টারনেট সেবার মালিকানা হস্তান্তর বা বদলের ক্ষেত্রেও গাইডলাইনে সুনির্দিষ্ট দিক নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। </p>
<p>সভায় উত্থাপিত এমন নানা বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে শুনেছেন বিটিআরসি’র লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্সিং বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আমিনুল হক। <span class="x3jgonx">সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) স্পেকট্রাম বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জুয়েল। </span></p>
<p><span class="x3jgonx">সভায় উপস্থিত ইন্টারনেট ব্যবসায়ীদের পরামর্শ শুনে বিটিআরসি’র পক্ষ থেকে লিখিত আকারে ব্যক্তিগত মতামত দেয়ার জন্য সবাইকে <a href="mailto:ftsp@btrc.gov.bd" target="_blank" rel="noopener">ই-মেইল</a> করার আহ্বান জানানো হয়। </span></p>
<p><span class="x3jgonx">এদিকে নতুন নীতিমালার জন্য গাইডলাইন প্রণয়নে ১৮ সেপ্টেম্বর একই ভ্যেনুতে ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইআইজিএবি) দুই প্রতিনিধি ,আইজিডব্লিউ অপারেটরস ফোরামের (আইওএফ) দুই জন প্রতিনিধি, সাবমেরিন ক্যাবল অপারেটরদের দুই জন প্রতিনিধি, বিটিসিএল এর দুইজন প্রতিনিধি এবং ৭টি আইটিসি অপারেটরদের প্রতিনিধিকে আলোচনায় ডাকা হয়েছে। নতুন নীতিমালার ইন্টারন্যাশনাল কানেক্টিভিটি সার্ভিস প্রোভাইডার্স (আইসিএসপি) লাইসেন্সে গাইড লাইন নিয়ে ওই বৈঠকে আলোচনা করা হবে। একই দিনে বিকেলে এনটিটিএন অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক আছে বলে জানাগেছে।     </span></p>
<p></p>
<p>   </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিবিআর কর্পোরেট অ্যাওয়ার্ড পেল রবি </title>
<link>https://digibanglatech.news/157505</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157505</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68c99ab028506.jpg" length="77841" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 16 Sep 2025 23:13:40 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>টেলিযোগাযোগ খাতে অসামান্য অবদান ও উৎকর্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে ‘বিবিআর কর্পোরেট অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’-এ সম্মানিত হয়েছে রবি আজিয়াটা পিএলসি। মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার প্রতিষ্ঠানটির দক্ষতা ও ধারাবাহিক অগ্রগতির প্রতিফলন।</div>
<div></div>
<div>সম্প্রতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ব্যুরো অব বিজনেস রিসার্চ (বিবিআর) আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলন “দ্য ফিউচার অব বিজনেস: ইনোভেশন, টেকনোলজি অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি” অনুষ্ঠানে পুরস্কারটি প্রদান করা হয়।</div>
<div></div>
<div>চট্টগ্রামের র‌্যাডিসন বøু হোটেল বে ভিউতে আয়োজিত এই সম্মেলন ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। রবির সিনিয়র রিজিওনাল হেড (চট্টগ্রাম নর্থ) মো. ইফতেখারুল আলম ‘বিবিআর কর্পোরেট অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’ পুরস্কার গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইয়াহিয়া আখতার।</div>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চট্টগ্রামকে স্মার্ট সিটি করবে গ্রামীণফোন</title>
<link>https://digibanglatech.news/157483</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157483</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68c9236b29c20.jpg" length="129433" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 16 Sep 2025 14:44:37 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>চট্টগ্রামবাসীদের জন্য দ্রুত স্মার্ট সিটি গড়ে তুলতে দেশের শীর্ষ টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী কোম্পনি গ্রামীণফোনের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (সিসিসি)।চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এবং গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী (সিইও) ইয়াসির আজমানের উপস্থিতিতে ১৫ সেপ্টেম্বর, সোমবার চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।</p>
<p>এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, গ্রামীণফোনের চিফ বিজনেস অফিসার ড. আসিফ নাইমুর রশিদ এবং চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার অটো মাগনে রিসব্যাকসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।<br> <br>চুক্তি নিয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে শহর সেবা উন্নত করতে, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করতে এবং নাগরিকদের জন্য আরও সুবিধা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে এই পার্টনারশিপ। গ্রামীণফোনের সাথে দেশে স্মার্ট সিটি সল্যুশনের একটি মানদণ্ড স্থাপন করতে চাই আমরা। আমাদের অগ্রাধিকার হলো নাগরিকরা যেন দ্রুততর, সহজতর এবং আরও নির্ভরযোগ্য সেবা উপভোগ করতে পারেন, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনমানকে আরো বাড়িয়ে তুলবে।”<br> <br>গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি শহরগুলো যেভাবে তাদের নাগরিকদের সেবা দেয় তা বদলে দিতে পারে ডিজিটাল উদ্ভাবন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাথে এই সহযোগিতা একটি স্মার্ট এবং আরও সংযুক্ত চট্টগ্রাম গড়ার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সংযোগ ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমরা এমন একটি শহর গড়ার কথা ভাবছি যেখানে নাগরিকরা আরও স্বাস্থ্যকর, সুখী ও নিরাপদ জীবনযাপন করতে পারবে। অন্যদিকে সূচনা হবে দেশে স্মার্ট সিটি অগ্রযাত্রার।”<br> </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নতুন টেলিকম নীতিমালায় ন্যয্যতা দাবি, প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপ</title>
<link>https://digibanglatech.news/157422</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157422</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68c675806f8d0.jpg" length="107378" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 14 Sep 2025 13:59:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>যে প্রশ্নবিদ্ধ প্রক্রিয়ায় নতুন টেলিকম পলিসি তৈরি হচ্ছে, তাতে দেশের বাইরে টাকা পাচারের একটা সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করে দেশের চারটি নেটওয়ার্ক অবকাঠামো অপারেটর। রবিবার ১৪ সেপ্টেম্বর মহাখালীর রাওয়া কমপ্লেক্সে  টেলিকম অ্যাড টেকনোলজিস রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ (টিআরএনবি) আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা জানান,নতুন টেলিকম পলিসি কার্যকর হলে দেশীয় উদ্যোক্তাদের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। নতুন টেলকম পলিসি: দেশি উদ্যোক্তাদের অস্তত্বের প্রশ্ন শিরোনামের এই মতবিনিময় সভায়।</span></p>
<p><span>আইএসপিবি'র সভাপতি আমিনুল হাকিম,  জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিম ভূঁইয়া, আইআইজিবি সাধারণ সম্পাদক আহমেদ জুনায়েদ,  আইওএফ সভাপতি আসিফ রাব্বানী, আইওএফ পরিচালন কর্মকর্তা  মুশফিক মঞ্জুর, এআইওবি প্রেসিডেন্ট মোস্তাফিজুর রহমান,  এআইওবি) নর্বাহী সদস্য আহমেদ উর রহমান রোমেল এসময় উপস্থিত ছিলেন।</span></p>
<p><span>সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আমিনুল হাকিম জানান, দাবি পালন নান করা হলে তারা আইনি পদক্ষেপ নেবেন। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে নীতিমালার বিষয়ে আমাদের পর্যবেক্ষণ সরকারের সংশ্লিষ্ট সকলকে জানিয়েছি। দ্রুতই আমরা বিষয়টি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার দ্বারস্থ হবো। তারপরও দেশীয় উদ্যোক্তাদের রক্ষায় দাবিগুলো মানা না হলে তারা আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।</span></p>
<p><span> একই ইঙ্গিত দিয়েছেন আইওএফ সভাপতি।  তিনি বলেন, আমরা বিষয়টি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার স্মরণাপন্ন হবো। </span></p>
<p>তিনি আরও বলেন, ‘আজকের এই অনুষ্ঠানে মাধ্যমে আমরা দাবি করছি, নীতিমালায় যদি কোনো সংশোধন আনা যায়, সরকার সেটি করবে; এটি আমাদের আশা। আমাদের এই প্রত্যাশা বা দাবি যদি বাস্তবায়ন না হয়, তাহলে আমাদের ল ফার্ম আছে, কিংবা আমাদের যে আইগত দিকগুলো রয়েছে, যারা সেটি দেখেন তাদের সঙ্গে বসব। যদি দেখা যায়, আমাদের দাবি-দাওয়াগুলো উনারা মেনে নিচ্ছেন না, তাহলে আমরা আইনের আশ্রয় মেনে নিতে বাধ্য হব।’</p>
<p><span>এর আগে দেয়া উপস্থাপনায়  আইএসপিএবি'র যুগ্ম মহাসচিব ফুয়াদ মুহাম্মদ শরফুদ্দিন বলেন, নতুন নীতিমালায়  ন্যয্যতা ও কার্যকারিতার ধারা অস্পষ্ট। আমরা ৭টি ধারায় আমাদের সংশোধনী দিয়েছি। এর মধ্যে সিএমএসপিদের ক্যাবল ও ওয়্যাররেস উভয়ই ব্যবহারের সুযোগ দিয়ে এফপিএসপিদের বিনিয়োগ সুরক্ষা না দিয়ে সাংঘর্ষিক পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে।  কুটির ব্যবসায়িদের লাইসেন্স আপগ্রেডেশন ও ডাউনগ্রেডেশনের সুযোগ রাখা হয়নি। জেলা পর্যায়ে ইন্টারনেট সেবাদাতাদের মাধ্যমে ডিজিটাল সেবা না দেয়ার বিধান থাকায় তা স্পষ্ট গ্রাহক বৈষম্য গড়ে তোলা হয়েছে তা বাতিল করতে হবে।  এনআইসিএসপি-কে কেবলমাত্র ব্লাকহোলে ক্যাবল স্থাপন করতে পারবে এমন বাধ্যবাধকতা রাখতে হবে। তা না হলে যে সুনির্দিষ্ট গ্রুপটি দীর্ঘদিন ধরে দখলে রেখেছে তাদের অনুকূলেই থেকে যাবে। ন্যায্যতার ভিত্তিতে এই নীতিমালা বাস্তবায়ন করতে হবে। </span></p>
<p><span>টিআরএনবি’র সভাপতি সমীর কুমার দের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবিন ও সংগটনটির সাবেক সভাপতি রাশেদ মেহেদী।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নতুন টেলিকম নীতিমালায় ভাগ্য নিয়ন্তা বিটিআরসি</title>
<link>https://digibanglatech.news/157416</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157416</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68c6618bacf74.jpg" length="86003" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 14 Sep 2025 12:34:55 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr"><span>নতুন টেলিকম নীতিমালায় বিটিআরসি লাইসেন্সিদের ভাগ্য নিয়ন্তা হয়ে উঠছে বলে মনে করে আইওএফ। রবিবার ১৪ সেপ্টেম্বর মহাখালীর রাওয়া কমপ্লেক্সে  টেলিকম অ্যাড টেকনোলজিস রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ (টিআরএনবি) আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এমন দাবি করা হয়।</span></p>
<p dir="ltr"><span>টিআরএনবির বর্তমান সভাপতি সমীর কুমার দে'র সঞ্চালনায় সংঠনটির সাবেক সভাপতি রাশেদ মেহেদী বলেন, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখে  নতুন টেলিকম পলিসি তৈরি হয়নি। এতে দেশীয় উদ্যোক্তাদের ঝুঁকির সম্ভাবনা আছে। টেলিকম সেবা ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি দেশীয় টেলিকম খাতে চাকরির বাজারেও ফেলতে পারে নেতিবাচক প্রভাব। </span></p>
<p dir="ltr"><span>টিআরএনবি সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবিনের সঞ্চালনায় আইওএফ পরিচালন কর্মকর্তা  মুশফিক মঞ্জুর বললেন, ট্যারিফ ইস্যুতে এখনো বিটিআরসিকে মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভর করতে হয়। এমন মুহূর্তে টেলিকম নীতিমালা আপডেট করতে তিনটি মূল লাইসেন্সর ওপর করা হয়েছে। এতে আইজিডব্লিউ, নিক্স, আইসিএক্স বাদ পড়ছে। এই নীতিমালা তৈরিতে গঠিত বিশেষজ্ঞ প্যানেলে বড় লুকোচুরি ছিলো। এখানে টেরিকমের প্রভাব ছিলো। বিটিআরসি সেই প্যানেলের নাম শেয়ারে অস্বীকৃতি জানায়। প্রহসন মূলক কর্মশালা করে। আমাদের মতামতের কোনো প্রতিফলন ঘটেনি। নীতিমালায় আইসিএসপিদের কানেক্টিভিটি ও আইপি ট্রাঞ্জিট, ভয়েস কল, এসএমেসরাউটিং, করতে পারবে। এজন্য বিটিআরসির পূর্বানুমোদন নিতে হবে। বিপরীতে এনএসপিরা স্বয়ংক্রিয় ভাবে এই সেবা দিতে পারবে। এটা সাংঘর্ষিক। সব কিছুর ভাগ্য নিয়ন্তা হয়ে উঠেছে বিটিআরসি। বাংলাদেশে ব্যবসারত মোবাইল অপারেটররা অন্যান্য লাইেসন্সির ওপর প্রভাব বিস্তার করবে। ডিরেগুলেশনের নামে বিদেশী মোবাইল অপারেটরদের ক্ষমতায়িত করা হয়েছে।</span></p>
<p dir="ltr"><span>আইওএফ সভাপতি আসিফ রাব্বানী বলেন, গোষ্ঠী স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে এই পলিসি করা হয়েছে। এখানে দেশীয় উদ্যোক্তাদের কোনো স্থানই নেই। বরং আগের মতোই ভিওআইপি'র মাধ্যমে গডফাদারদের রক্ষার মতো চেষ্টা চলছে।</span></p>
<p dir="ltr"><span>এসোসিয়েশন অব আইসিএক্স অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এআইওবি) নর্বাহী সদস্য আহমেদ উর রহমান রোমেল বলেন, ছোট অপারেটদের আমলে নেয়া হয়নি। আসিএক্স না থাকলে প্রতিটি এএনএস এর আলাদা রুম লাগবে। ৯৯০টির বেশি দ্বিপাক্ষিক লিংকের প্রয়োজন হবে। আমরা অতিরিক্ত মুনাফাখোর নই।  যে ৪ পয়সার কথা বলা হচ্ছে তা এমেনওদের হাতে চলে যাবে।</span></p>
<p dir="ltr"><span>এআইওবি প্রেসিডেন্ট মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিদ্যুতে বিভ্রাট হলেও দেশে টেলিকমে বড় ধরনের বিভ্রাট ঘটেনি। ৪ পয়সা আয়ের ২ পয়সাই আমরা সরকারকে দেই। আমরা মিডেয়টর নই। ফ্যাসিলেটরের বদলে বিটিআরসিই এখানে মিডয়েটর।</span></p>
<p dir="ltr"><span>আইআইজিএবি'র পক্ষ থেকে  মেজর (অব) মাহমুদ শাহেদ জানালেন, আইআইজি মধ্যস্ত্বভোগী নয়। আইটিসি আইসিএসপি হওয়ায় তারা হয়ে ওঠবে মধ্যস্বত্বভোগী। তাই এই লাইসন্সিকে আইসিসপিতে রূপান্তরের সুযোগ রাখা দরকার।</span></p>
<p dir="ltr"><span>বক্তারা জানান, যে প্রশ্নবিদ্ধ প্রক্রিয়ায় নতুন টেলিকম পলিসি তৈরি হচ্ছে, তাতে দেশের বাইরে টাকা পাচারের একটা সুযোগ তৈরি হবে। দেশীয় উদ্যোক্তাদের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। তাই সবার মতামতের মাধ্যমে এমন নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে, যা বাস্তবায়নের মাধ্যমে গ্রাহক সেবা উন্নত করা এবং এই খাতের প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হবে।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>উচ্চ স্পেকট্রাম মূল্য ডিজিটাল অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে পারে: গবেষণা</title>
<link>https://digibanglatech.news/157364</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157364</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68c1bc2eefe6d.jpg" length="86815" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 10 Sep 2025 20:28:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের অস্বাভাবিকভাবে উচ্চ স্পেকট্রাম মূল্য এবং করের বোঝা মোবাইল নেটওয়ার্কে বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত করছে। কমিয়ে দিচ্ছে ইন্টারনেটের গতি। ‘ফাইভ জি’ বিস্তারে বিলম্ব ঘটাচ্ছে। ‘বাংলাদেশে স্পেকট্রাম মূল্যের প্রভাব’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে মোবাইল অপারেটরদের বৈশ্বিক সংগঠন জিএসএমএ। এজন্য স্পেকট্রাম মূল্য, লাইসেন্সিং এবং খাতভিত্তিক কর সংস্কারের আহ্বান জানিয়ে সরকারের প্রতি ৭০০ মেগাহার্টজ ও ৩.৫ গিগাহার্টজ ব্যান্ড দ্রুত বরাদ্দ – ক্রমবর্ধমান ডেটা চাহিদা ও গ্রামীণ কাভারেজ পূরণে যথেষ্ট স্পেকট্রাম নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছ সংগঠনটি। </p>
<p>গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে স্পেকট্রাম ফি অপারেটরদের পুনরাবৃত্ত রাজস্বের প্রায় ১৬% দখল করে—যা এশিয়া-প্যাসিফিক গড় (১০%) ও বৈশ্বিক গড়ের (৮%) চেয়ে অনেক বেশি। অন্যান্য রাজস্ব ভাগাভাগি, সারচার্জ এবং ভোক্তা কর যোগ করলে মোট আর্থিক বোঝা দাঁড়ায় বাজার আয়ের ৫৫%, যা বিশ্বে অন্যতম সর্বোচ্চ। ফলে যদি ২০২৬ সালের নবায়ন ও নতুন ব্যান্ড নিলামে বর্তমান বা পূর্বের উচ্চমূল্য বহাল থাকে, তবে ২০৩৫ সালের মধ্যে স্পেকট্রাম খরচ অপারেটরদের আয়ের ২১%-এ পৌঁছাবে। এতে অপারেটররা স্পেকট্রামের কিছু অংশ ফেরত দিতে বা নতুন ব্যান্ড গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে বাধ্য হবে—যা ইন্টারনেট গতি, নেটওয়ার্ক মান এবং ৫জি গ্রহণকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। </p>
<p>এমন পরিস্থিতি মোকাবেলায় চারটি অগ্রাধিকারমূলক পদক্ষেপ প্রস্তাব করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এগুলো হলো- বাজার বাস্তবতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে রিজার্ভ ও নবায়ন ফি নির্ধারণ করা এবং ভ্যাট থেকে অব্যাহতি দেওয়া। রাজস্ব ভাগাভাগি ও উচ্চ হ্যান্ডসেট শুল্ক বাতিল করে স্মার্টফোন ব্যবহারে উৎসাহিত করতে সাধারণ কর কাঠামো প্রবর্তন এবং দীর্ঘমেয়াদি লাইসেন্স নিশ্চিতকরণ ও মেয়াদ বাড়ানো এবং মুদ্রা ঝুঁকি কমাতে টাকা-ভিত্তিক কিস্তি চালু করা। </p>
<p>গবেষণার মূল অনুসন্ধানে বলা হয়েছে,<strong> </strong>স্পেকট্রাম ফি এশিয়া-প্যাসিফিক গড়ের সাথে সামঞ্জস্য করলে (প্রায় ৫০% হ্রাস), ২০৩৫ সালের মধ্যে গড় ডাউনলোড গতি ১৭% বৃদ্ধি পাবে, ৯৯% নাগরিক ৫জি কাভারেজ পাবে এবং অর্থনীতিতে ৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যোগ হবে। স্পেকট্রাম ফি বৈশ্বিক গড়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য করলে (প্রায় ৭৫% হ্রাস), ৪জি গতি ২২% বৃদ্ধি পাবে, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি ত্বরান্বিত হবে এবং ৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিরিক্ত অর্থনৈতিক সুফল আসবে। স্পেকট্রাম ফি কমানো মানেই সরকারি রাজস্ব ক্ষতি নয়। উন্নত সংযোগ ও বাড়তি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সরাসরি রাজস্ব ঘাটতি পুষিয়ে দিতে পারবে। </p>
<div>
<p>জিএসএমএ-এর হেড অব এশিয়া প্যাসিফিক জুলিয়ান গোরম্যান বলেন, “মোবাইল সংযোগই বাংলাদেশের ডিজিটাল স্বপ্নের অক্সিজেন। অথচ অপারেটররা বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ স্পেকট্রাম ও করের বোঝা বহন করছে। সাশ্রয়ী, পূর্বানুমেয় মূল্য এবং আধুনিকায়িত লাইসেন্স শর্ত নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে সাশ্রয়ী কাভারেজ বিস্তৃত হয় এবং ট্রিলিয়ন-ডলার অর্থনীতির দৃষ্টিভঙ্গি সফল হয়। আমরা সরকার ও শিল্প খাতের অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত, যাতে স্পেকট্রাম নীতি অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির অনুঘটক হয়, বাঁধা নয়।”</p>
<p>১০ সেপ্টেম্বর, বুধবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অ এই গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।</p>
<p>এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব; ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান; বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. এমদাদ উল বারী, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (টেলিকম) মো. জহিরুল ইসলাম; বিটিআরসি কমিশনার (স্পেকট্রাম) মাহমুদ হোসেন এবং জিএসএমএ এশিয়া প্যাসিফিকের প্রধান জুলিয়ান গোরম্যান।</p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>উদ্ভাবনী আইটি সেবা নিয়ে টেক্সটেকে অংশ নিচ্ছে এক্সেনটেক</title>
<link>https://digibanglatech.news/157331</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157331</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68c05ac634263.jpg" length="24939" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 09 Sep 2025 18:51:36 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="margin: 0in; text-align: justify;"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;"></span></b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;"> টেক্সটেক বাংলাদেশ ২০২৫ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপোতে অংশ নিচ্ছে এক্সেনটেক পিএলসি। এক্সেনটেক এই প্রদর্শনীতে এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স সিস্টেম-ইআরপিসহ উদ্ভাবনী ও উন্নত সমাধানগুলো প্রদর্শন করবে। এ ছাড়াও বস্ত্র ও পোশাক খাতে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে সেমিনার আয়োজন করবে প্রতিষ্ঠানটি। <o:p></o:p></span></p>
<p style="margin: 0in; text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;"><o:p> </o:p></span></p>
<p style="margin: 0in; text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সেমস গ্লোবাল ইউএসএ’র আয়োজনে আগামী ১০ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। এক্সেনটেক পিএলসির স্টলটি প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। দর্শনার্থীরা সরাসরি এক্সেনটেকের বিশেষজ্ঞ দলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে এবং পণ্য বা সেবা সম্পর্কে জানতে পারবেন।<o:p></o:p></span></p>
<p style="margin: 0in; text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;"><o:p> </o:p></span></p>
<p style="margin: 0in; text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বস্ত্র ও পোশাক খাতের প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি নিয়ে আন্তর্জাতিক এই প্রদর্শনীর দ্বিতীয় দিন একটি সেমিনারের আয়োজন করবে এক্সেনটেক। সেমিনারের প্রতিপাদ্য ‘ফাইভ-জি, ক্লাউড অ্যান্ড বিয়ন্ড: শেপিং এ সাসটেইনেবল আরএমজি ইন্ডাস্ট্রি’। প্রদর্শনী কেন্দ্রের সেমিনার হলে ১১ সেপ্টেম্বর বিকাল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। <o:p></o:p></span></p>
<p style="margin: 0in; text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;"><o:p> </o:p></span></p>
<p style="margin: 0in; text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সেমিনারে দেশের বস্ত্র ও পোশাক খাতকে টেকসই ও উদ্ভাবন-সক্ষম করে তুলতে ফাইভজি প্রাইভেট নেটওয়ার্ক, ফিক্সড ওয়্যারলেস এক্সেস (এফডব্লিউএ), ক্লাউড ও অ্যাপ্লিকেশনের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করবেন বিশেষজ্ঞরা।<o:p></o:p></span></p>
<p style="margin: 0in; text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;"><span style="mso-spacerun: yes;"> </span><o:p></o:p></span></p>
<p style="margin: 0in; text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এক্সেনটেক পিএলসির চিফ কমার্শিয়াল অফিসার আবুল কালাম মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম বলেন, “বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা অন্বেষণে টেক্সটেক অনন্য একটি প্ল্যাটফর্ম। আর এক্সেনটেক দেশের শিল্প খাতে ডিজিটাল রূপান্তর, টেকসই উন্নয়ন ও উদ্ভাবনের বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে ভূমিকা রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”<o:p></o:p></span></p>
<p style="margin: 0in; text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;"><o:p> </o:p></span></p>
<p style="margin: 0in; text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রবি আজিয়াটা পিএলসির সহযোগী প্রতিষ্ঠান এক্সেনটেক উদ্ভাবনী এন্টারপ্রাইজ সলিউশন, ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম, অটোমেশন এবং বিজনেস অ্যাপ্লিকেশনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহায়তা করে থাকে।<o:p></o:p></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিশেষ সহকারীর গ্রামীণফোনের ডেটা সেন্টার পরিদর্শন</title>
<link>https://digibanglatech.news/157293</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157293</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68bec9c6bc596.jpg" length="98750" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 08 Sep 2025 16:19:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ  ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব গ্রামীণফোনের সিলেট ডেটা সেন্টার পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনের স্মারক হিসেবে জনাব ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এবং সচিব আব্দুন নাসের খান ডেটা সেন্টার প্রাঙ্গণে কয়েকটি গাছের চারা রোপণ করেন, যা পরিবেশ-বান্ধব ও টেকসই ডিজিটাল ভবিষ্যতের প্রতীক।</p>
<p>পরিদর্শনের সময় তার সাথে ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)-এর চিফ জেনারেল ম্যানেজার আনোয়ার মাসুদ এবং গ্রামীণফোনের ডিরেক্টর এবং হেড অব টেকনোলজি ইনফ্রাস্ট্রাকচার ম্যানেজমেন্ট মোঃ আব্দুর রায়হান। এ সময় বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিল।</p>
<p>৮ সেপ্টেম্বর অপারেটরটির পক্ষ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে ৬ সেপ্টেম্বর টিয়ার-থ্রি মানদণ্ডে নির্মিত এই ডেটা সেন্টারটি পরিদর্শন করেন বিশেষ সহকারী। এতে জানানো হয়, পরিদর্শন শেষে ডাক, টেলিযোগাযোগ  ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, “বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরের অগ্রযাত্রায় প্রয়োজন বিশ্বমানের অবকাঠামো। নির্ভরযোগ্য, টেকসই ও ভবিষ্যত-উপযোগী ডিজিটাল সল্যুশনের মাধ্যমে প্রযুক্তিগতভাবে অগ্রসর বাংলাদেশ গড়ার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ভাবনার প্রতিফলন এই ডেটা সেন্টারটি।”</p>
<p>ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান বলেন, “বেসরকারি খাতের উদ্যোগে অত্যাধুনিক অবকাঠামো নির্মাণের মতো পদক্ষেপকে স্বাগত জানায় সরকার, যা বাংলাদেশকে বৈশ্বিক ডিজিটাল হাবে পরিণত করার স্বপ্ন পূরণে সহায়ক।”</p>
<p>গ্রামীণফোনের ডিরেক্টর এবং হেড অব টেকনোলজি ইনফ্রাস্ট্রাকচার ম্যানেজমেন্ট মো. আবদুর রাইহান বলেন, “এমন একটি অত্যাধুনিক ডেটা সেন্টার নির্মাণ করতে পেরে আমরা গর্বিত যা ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল পরিমণ্ডলের চাহিদা পূরণে সহায়ক। বাংলাদেশের টেলিকম খাতে আস্থা, স্থায়িত্ব ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা নিশ্চিত করতে সংকল্পবদ্ধ গ্রামীণফোন। এই ডেটা সেন্টারটি সেই প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন।” </p>
<p><br> গত বছর সিলেটে তাদের প্রথম টিয়ার-থ্রি মানের ডেটা সেন্টারটি উদ্বোধন করে গ্রামীণফোন। এই সুপার কোর ডেটা সেন্টার দেশের মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের (এমএনও) গড়ে তোলা ডেটা সেন্টারগুলোর মধ্যে বৃহত্তম। এটি একটি কনটেইনার ভিত্তিক মডিউলার ডেটা সেন্টার। সেন্টারটিতে টেকসই পরিবেশের দিকটি অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে; রয়েছে কার্যকর জ্বালানি ব্যবস্থাপনা এবং অগ্নি নির্বাপনের জন্য পরিবেশ-বান্ধব নোভেক গ্যাস। সেন্টারটিতে আরো রয়েছে উন্নত পর্যবেক্ষণ ও অনুপ্রবেশ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে গ্রাহকদের তথ্যের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত হয়।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভিওওয়াইফাই চালু করে প্রশংসিত বাংলালিংক</title>
<link>https://digibanglatech.news/157251</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157251</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68bd2c552e34d.jpg" length="63293" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 07 Sep 2025 00:55:34 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ভয়েস ওভার ওয়াই-ফাই (ভিওওয়াইফাই) সেবা চালু করে প্রসংশিত হচ্ছে মোবাইল থেকে উদ্ভাবনী ডিজিটাল অপারেটর হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা টেলকো প্রতিষ্ঠান বাংলালিংক। সেবাটি চালুর ফলে বেজমেন্ট, উঁচু ভবন কিংবা গ্রামীণ এলাকায় যেখানে মোবাইল সিগন্যাল দুর্বল সেখানে বাংলালিংক গ্রাহকরা ভালো ইনডোর কাভারেজ পাবেন। সেলুলার টাওয়ার থেকে ভয়েস ট্রাফিক অফলোড হওয়া সামগ্রিক সেবার মান উন্নত হবে। এছাড়াও কল ড্রপ কমে স্পষ্ট এইচডি মানের ভয়েস কল সেবা পাওয়া যাবে এবং আন্তর্জাতিক রোমিংয়ের ক্ষেত্রে স্থানীয় রেটে ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে কল করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। </p>
<p>সবার আগে সেবাটি চালু করায় বাংলালিংককে সাধুবাদ বাংলঅদেশে ভিওওয়াইফাই সেবাটিকে ‘টেলিযোগাযোগ খাতে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। </p>
<p>তার ভাষায়,  সরকার দৃঢ়ভাবে প্রত্যাশা করছে, সকল মোবাইল অপারেটর দ্রুত সারাদেশে VoWiFi চালু করবে, যাতে নগর ও গ্রামীণ সব ব্যবহারকারী সমানভাবে উপকৃত হন। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য আগস্ট মাসের শুরুতে আমরা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-কে প্রয়োজনীয় নীতি ও নির্দেশনা প্রণয়নের জন্য চিঠি পাঠিয়েছি। সরকার টেলিকম সেবা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এবং VoWiFi, VoLTE, 5G সহ আধুনিক প্রযুক্তির সফল বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান অব্যাহত থাকবে। আমরা বিশ্বাস করি, এই যৌথ প্রচেষ্টা গ্রাহকসেবার মান বাড়াবে এবং বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ ভবিষ্যৎকে আরও মজবুত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাবে।</p>
<p>সেবাটির ব্যাবহারিক ও প্রযুক্তি বিষয়ক আলোচনায় এই প্রকৌশলী জানান, ভয়েস ওভার ওয়াই-ফাই এমন একটি প্রযুক্তি, যা মোবাইল ব্যবহারকারীদেরকে শুধুমাত্র মোবাইল নেটওয়ার্ক (2G/3G/4G/5G)-এর উপর নির্ভর না করে, এরেঞ্জড এভেইলেবল ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সাধারণ ভয়েস কল করার সুযোগ দেয়। ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা একই থাকে, তবে <a tabindex="-1"></a>কলটি সেলুলার নেটওয়ার্কের পরিবর্তে ওয়াই-ফাইয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।  যখন কোনো মোবাইলে VoWiFi চালু থাকে এবং সেটি ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হয়, তখন ফোনটি প্রথমে একটি বিশেষ ধরণের পরিচয় যাচাই (EAP-SIM/EAP-AKA অথেন্টিকেশন রিকোয়েস্ট) পাঠায়। এই রিকোয়েস্টটি একটি গেটওয়ের (ePDG ইভল্ভড প্যাকেট ডেটা গেইটওয়ে) মাধ্যমে মোবাইল অপারেটরের সার্ভারে পৌঁছায়। সেখানে থাকে AAA সার্ভার (Authentication, Authorization, Accounting), যা আবার অপারেটরের গ্রাহক তথ্যভাণ্ডার HLR/HSS (Home Subscriber Server)-এর সঙ্গে যোগাযোগ করে। HLR/HSS-এ সংরক্ষিত থাকে সিম কার্ডের পরিচয় সম্পর্কিত তথ্য, যেমন IMSI নম্বর এবং এনক্রিপশন KEY। এগুলো যাচাই করে নিশ্চিত করা হয় যে সিমটি সত্যিই বৈধ গ্রাহকের কিনা। যাচাই সফল হলে ফোন এবং অপারেটরের মূল নেটওয়ার্কের (IMS) মধ্যে একটি নিরাপদ আইপি সিকিউরিটি (IPSec) টানেল তৈরি হয়। এর ফলে, ব্যবহারকারী ওয়াই-ফাই ব্যবহার করলেও তার ডিভাইস কার্যত অপারেটরের নিজস্ব নিরাপদ মোবাইল নেটওয়ার্কের ভেতরে কাজ করতে থাকে।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইডিআই সূচকে ১ বছরে ৫ শতাংশ এগিয়েছে বাংলাদেশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/157221</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157221</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68bbf4bad9f35.jpg" length="93752" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 06 Sep 2025 10:46:30 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>এক বছরের ব্যবধানে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে আইসিটি উন্নয়ন সূচকে (আইডিআই) ৫ শতাংশ এগিয়ে বাংলাদেশের স্কোর এখন ৬৪ দশমিক ৯। ২০২৪ সালে সূচকে বাংলাদেশের স্কোর ছিলো ৬২.০। <span>২০২২ সালে সংগ্রহ করা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রকাশিত সূচক অনুযায়ী,আইডিআই ২০২৪-এ ১০০-এর মধ্যে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৬১ দশমিক ১। তখন  ১৭০ দেশের মধ্যে সূচকে বৈশ্বিক গড় স্কোর ছিলো ৭৪ দশমিক ৮। নিম্নমধ্যম আয়ের দেশের মধ্যে গড় স্কোর ছিলো ৬৪ দশমিক ৮।</span></p>
<p>আর ২০২৫ সালে এসে <span>১৬৪ দেশের আইসিটি পরিষেবার অগ্রগতি পর্যালোচনায় সূচকে বাংলাশের বৈশ্বিক গড় স্কোর হয়েছে ৭৮। নিম্নমধ্যম আয়ের দেশগুলো গড় স্কোর ৬৬। </span></p>
<p>দেশে ৪৪ দশমিক ৭ শতাং জনসংখ্যা কমপক্ষে ৩জি মোবাইল নেটওয়ার্ক এবং ৮৫ দশমিক ১ শতাংশ জনসংখ্যা কমপক্ষে ৪জি/এলটিই মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় উচ্চ কভারেজ থাকা, উল্লেখযোগ্য মোবাইল ব্রডব্যান্ড অনুপ্রবেশ, সক্রিয়ভাবে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ব্যক্তিদের অনুপাত বৃদ্ধির কারণে এই উন্নতি বলে দেখিয়েছে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন (আইটিইউ)। </p>
<p><span>‘সর্বজনীন সংযোগ’ ও ‘অর্থবহ সংযোগ’-কে প্রাধান্য দিয়ে ১৬৪ দেশের আইসিটি পরিষেবার ২০২৩ সালে সংগ্রহ করা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে আইসিটি ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স (আইডিআই) ২০২৫ সূচকটি প্রকাশ করা হয়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশের ৪৪ দশমিক ৫ শতাংশ ব্যক্তি পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছে।</span><span> পরিবারপ্রতি ইন্টারনেটের ব্যবহারের হার ৪৩ দশমিক ৬ শতাংশ, প্রতি ১০০ জনে মুঠোফোন ইন্টারনেটের ব্যবহারের হার ৬২ শতাংশ। </span></p>
<p><span>এছাড়াও গ্রাহক প্রতি বছরে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারের সূচকেও অগ্রগতি হয়েছে। বাংলাদেশে এখন ফিক্সড ব্রডব্যান্ড সাবস্ক্রিপশন প্রতি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ট্র্যাফিক স্কোর ১১৮১ দশমিক ৬ জিবি। মাথাপিছু মোট জাতীয় আয়ের শতাংশ হিসাবে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট বাস্কেট মূল্য স্কোর ১ দশমিক ৪ যেখানে মোবাইলের স্কোর ১ দশমিক ৭। প্রতি ১০০ জনে ব্রডব্যান্ডে ইন্টারনেটের ব্যবহারের হার ৪১ দশমিক ৩শতাংশ। গ্রাহক প্রতি ফিক্সড ব্রডব্যান্ডের ট্র্যাফিক সাবস্ক্রিপশন হার ৭৬ দশমিক ৮ জিবি। আর </span><span></span><span>একজন গ্রাহকের মাথাপিছু আয়ের তুলনায় ব্রডব্যান্ডের জন্য ব্যয় স্কোর ৯৮ দশমিক ৭।  </span></p>
<p>সূচকের হিসাবে বাংলাদেশের স্কোর নিম্নমধ্যম আয়ের দেশের গড় স্কোরের চেয়ে কম—৬৪ দশমিক ৯। এই স্কোর এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর গড় স্কোরের চেয়েও কম। গত বছরের (২০২৪) সূচকে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৬২। আর ২০২৩ সালে তা ছিল ৬১ দশমিক ১। অর্থাৎ এ বছরের সূচকে বাংলাদেশের কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে।</p>
<p><span>সূচকে প্রতিবেশীসহ সমপর্যায়ের অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে এবারো নেই ভারতের নাম। বরাবরের মতো মিয়ানমার (স্কোর ৬৯ দশমিক ৭), শ্রীলঙ্কা (৭১ দশমিক ৪), মালদ্বীপ (৮১ দশমিক ৭), ভিয়েতনাম (৮৬) এবং ভুটানকে (৮৫ দশমিক ৭) ছাড়াতে পারেনি বাংলাদেশ।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টেলিকমে এক লাইসেন্সে তিন ব্যবসা</title>
<link>https://digibanglatech.news/157188</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157188</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68b9b9a504905.jpg" length="87821" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 04 Sep 2025 22:01:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নানা আলোচনা সমালোচনার মধ্যে বিটিআরসি ২৬ ধরনের লাইসেন্সে বিপরীতে চারটি লাইসেন্স রেখে অনুমোদন দেয়া হয়েছে ‘টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক অ্যান্ড লাইসেন্সিং-২০২৫’ নামের নীতিমালা। নতুন এই নীতিমালায় লাইসেন্সিং রেজিমে যুক্ত হয়েছে স্যটালাইট ইন্টারনেট। আর পরিবর্তন ঘটেছে আইটিসি, আইআইজি এবং আইজিডব্লিউ লাইসেন্সের পরিধিতে।</p>
<p>এখন এই লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানগুলো এক লাইসেন্সে তিন ধরনের কাজই করতে পারবে। অর্থাৎ যারা আইটিসি করতো তারা এখন আইআইজি করতে পারবে, যারা আইজিডব্লিউ করতো তারা এই সবগুলো সেবা দিতে পারবে। </p>
<p>এছাড়াও আগে ন্যাশনাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার লেআউট তৈরি করে পৃথক লাইসেন্স ছাড়াই ফাইবার নেটওয়ার্ক, টাওয়ার ব্যবসা, ডেটা সেন্টারের মতো অবকাঠামো খাতে ব্যবসা করতে পারবেন বিনিয়োগকারীরা। অর্থাৎ এই ক্ষেত্রে সুবিধা বেড়েছে মোবাইল অপারেটরদের। তাদেরকে অপারেটর থেকে লাইসেন্সি নামে একীভূত করা হয়েছে। পাশাপাশি শতভাগ বিদেশী মালিকানা থেকে বের হতে আগামী তিন বছরের মধ্যে পুঁজিবাজারে অন্তত ১৫ শতাংশ শেয়ার ছাড়ার শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে। </p>
<p><span lang="BN">নতুন নীতিমালায় নিম্নোক্ত পাঁচটি বিস্তৃত শ্রেণির একটি সরলীকৃত ও প্রযুক্তি-নিরপেক্ষ লাইসেন্সিং কাঠামো প্রণয়ন করা হয়েছে। এগুলোকে </span>Access Network Service (ANSP), National Infrastructure and Connectivity Service Provider (NICSP), International Connectivity Service Provider  (ICSP), Non-Terrestrial Network and Service Provider (NTNSP) <span lang="BN">এবং </span>Telecom Enabled Service Provider (TESP) হিসেবে অখ্যায়িত করা হয়েছে।</p>
<p>এর মধ্যে এএনএসপি লাইসেন্সধারীরা<span> সেলুলার মোবাইল এবং ফিক্সড টেলিযোগাযোগ সেবাদানকারী হিসেবে সরাসরি গ্রাহকদের সেবা দেবে। এনআইসিএসপি’রা জাতীয় পর্যায়ে টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো, যেমন—ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক এবং টাওয়ার সুবিধা প্রদান করবে। আইসিএসপি’রা আন্তর্জাতিক ভয়েস কল, ইন্টারনেট এবং ডেটা সংযোগের দায়িত্বে থাকবে। আর এনটিএনএসপি’রা স্যাটেলাইট এবং অন্যান্য নন-টেরিস্ট্রিয়াল (ভূমিহীন) নেটওয়ার্ক-ভিত্তিক সেবা প্রদান করবে। </span></p>
<p>এছাড়াও, টেলিকম-ভিত্তিক সেবা, যেমন—এসএমএস অ্যাগ্রিগেটরদের জন্য ‘টেলিকম এনাবলড সার্ভিস প্রোভাইডার (TESP)’ নামে একটি তালিকাভুক্তি বা এনলিস্টমেন্ট ক্যাটাগরি রয়েছে নতুন লাইসেন্স রেজিমে।</p>
<p>এর ফলে <span>ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে (IGW), </span><span>ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (IIG), </span><span>ইন্টারকানেকশন এক্সচেঞ্জ (ICX) এবং মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি (MNP) বিলুপ্ত হতে যাচ্ছে। আর ন্যাশনাল ইন্টারনেট এক্সচেঞ্জ (NIX), কল সেন্টার, টেলিকম ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিস (TVAS) এবং ভেহিকল ট্র্যাকিং সার্ভিস (VTS) লাইসেন্সগুলোকে নিয়ন্ত্রণমুক্ত বা ডি-রেগুলেট করা হচ্ছে। তবে তৃণমূলের আইসপি-দের লাইসেন্সের মধ্যে রাখা হলেও ন্যাশনাল আইএসপি থেকে তাদের জন্য নিয়ম-কানুন শিথিল থাকছে। </span></p>
<p><span>নীতিমালায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের জন্য সর্বনিম্ন ১৫ এমবিপিএস এবং মোবাইল ইন্টারনেটের জন্য গতি ১০ এমবিপিএস বেঁধে দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এই গতি নিয়মিত পরীক্ষার অধীনে আনার বিষয় অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। </span></p>
<p><span>ফাইবারেইজেশন বাড়াতে গুরুত্বারোপ করে নীতিমালায় বলা হয়েছে, বর্মতানে দেশের মাত্র ২০ শতাংশ টাওয়ারে ফাইবারাইজেশন আছে। আগামী তিন বছরের মধ্যে এটা ৮০ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। সারাদেশে একটি কাভারেজ লেয়ারের সঙ্গে একাধিক ক্যাপাসিটি লেয়ার তৈরির সুযোগ রাখা হয়েছে।  </span></p>
<p><span>অপরদিকে </span><span></span><span>ভেন্ডর, ডোমেইন রেজিস্ট্রার, আইপিআরএস (ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট রিচার্জ সিস্টেম) এবং অনুরূপ পরিষেবা এবং প্রতিষ্ঠানের জন্য বিদ্যমান তালিকাভুক্তি এবং অনুমোদ বলবৎ রাখা হয়েছে। সুবিধা মিলছে ক্লাউড ব্যবসাতেও। কেননা, এই ব্যবসায়টিতে ডিরেগুলারাজেশনের অধীনে আনা হয়েছে। </span></p>
<p><span lang="BN">নীতিমালায় বলা হয়েছে, এর ফলে লাইসেন্সধারীরা ফাইবার</span>, <span lang="BN">ওয়্যারলেস</span>, <span lang="BN">স্যাটেলাইট বা ক্লাউড/এজ কম্পিউটিং ইত্যাদি যে কোনো উপযুক্ত প্রযুক্তি ব্যবহার করে উদ্ভাবনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারবে। খসড়া নীতিমালায় ইন্টারকানেকশন ও পিয়ারিং-এর ক্ষেত্রে আইপি </span>-<span lang="BN">ভিত্তিক ট্রাফিক কাঠামো বাস্তবায়নের মাধ্যমে</span><span lang="BN"> পরিচালন ব্যয় হ্রাস করবে এবং সেবার গুণগত মান উন্নত হবে। </span></p>
<p><span lang="BN"></span></p>
<p><span lang="BN"></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১০টির বেশি সিম ছাড়তে ৩০ অক্টোবরের পর্যন্ত সময় বাড়লো</title>
<link>https://digibanglatech.news/157186</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157186</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_6831a948e2cea.jpg" length="119073" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 04 Sep 2025 20:35:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কোনো ব্যক্তির নামে ১০টির বেশি সিম থাকলে তা অনতিবিলম্বে সংশ্লিষ্ট অপারেটরের মাধ্যমে ‘ডি-রেজিস্টার’ করতে বলেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন—বিটিআরসি। এজন প্রথম নোটিশে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেয়া হলেও তা এক মাস বাড়িয়ে করা হলো ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত। </p>
<p>এ বিষয়ে বিটিআরসি থেকে পাঠানো বার্তায় বলা হয়েছে, ৩০ অক্টোবরের মধ্যে যাদের ১৫টি সিম রয়েছে, তাদের সিমের সংখ্যা কমিয়ে ফেলতে হবে। একক নামে কতো সিম আছে, সেটা জানা যাবে *১৬০০১# ডায়াল করে। ১০টির অতিরিক্ত সিম গ্রাহকরা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের মাধ্যমে ‘ডি-রেজিস্টার’ করতে পারবেন।</p>
<p>বিটিআরসি’র এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে ১০টির অতিরিক্ত সিম আছে— এমন ২৬ লাখ গ্রাহকের ৬৭ লাখ সিম বন্ধ হয়ে যাবে। </p>
<p>এর আগে ২০১৭ সালে একজন গ্রাহকের নামে সর্বোচ্চ ১৫টি সিম নিবন্ধন করা যাবে বলে নির্দেশনা দিয়েছিলো বিটিআরসি। এর আট বছর পর চলতি বছরের ১৯ মে কমিশন সভায় ১৯ মে সিমের সংখ্যা কমানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় সংস্থাটি। সিম কমানোর এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কমিশন এ-সংক্রান্ত পর্যালোচনা করেছে।</p>
<p>বিটিআরসি’র পর্যালোচনা বলছে, এতগুলো সিম একজন গ্রাহক ব্যবহার করেন না। পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা, অপারেটরদের অসুস্থ প্রতিযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক অনুশীলন চর্চা বিবেচনায় একজনের নামের বিপরীতে সিম সর্বোচ্চ ১০টি করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।</p>
<p>কমিশনের মে মাসের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট সিম ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৬ কোটি ৭৫ লাখ ৯২ হাজার। আর বিক্রি হওয়া সিমের সংখ্যা ১৮ কোটি ৬২ লাখ। এসব গ্রাহকের মধ্যে পাঁচটি বা তার কম সিম রয়েছে ৮০ দশমিক ৩২ শতাংশ গ্রাহকের।</p>
<p>পাঁচ থেকে ১০টি পর্যন্ত সিম রয়েছে ১৬ দশমিক ৩২ শতাংশ গ্রাহকের। ১১ থেকে ১৫টি পর্যন্ত সিম রয়েছে ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ গ্রাহকের। </p>
<p>অপারেটরগুলোর ১৫টি সিমধারী গ্রাহকের রেজিস্ট্রেশনের তথ্য পর্যালোচনা করে কার্যবিবরণীতে বলা হয়েছে, “দেশে প্রতিমাসে ৫০ লাখ সিম বিক্রি হয়।</p>
<p>গ্রাহকের সিম নিবন্ধনের তথ্য পর্যালোচনা করে আরও দেখা গেছে, একজন গ্রাহক একদিনে দুই বা ততোধিক সিম নিবন্ধন করছেন, যা অস্বাভাবিক। কিছু অসাধু রিটেইলার (খুচরা ব্যবসায়ী) গ্রাহকের বায়োমেট্রিক তথ্য (আঙুলের ছাপ) সংরক্ষণ করে অতিরিক্ত সিম নিবন্ধন করে থাকেন, যা ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি।”</p>
<div class="DContentAdd2 ignore-print">
<div class="sq-add d-flex justify-content-center">
<div id="div-gpt-ad-9827360-2" data-google-query-id="CM-R16-0v48DFWCn2AUd_AgwCA"></div>
</div>
</div>
<div class="DContentAdd ignore-print">
<div class="sq-add d-flex justify-content-center">
<div id="div-gpt-ad-9827360-1" data-google-query-id="CM6R16-0v48DFWCn2AUd_AgwCA"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভয়েস ওভার ওয়াই&#45;ফাই কল সেবা চালু করল বাংলালিংক</title>
<link>https://digibanglatech.news/157180</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157180</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68b9a655d7b66.jpg" length="78197" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 04 Sep 2025 16:47:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" align="justify">বাংলাদেশে প্রথমবারের মত ভয়েস ওভার ওয়াই-ফাই (ভিওওয়াইফাই) সেবা চালু করেছে দেশের উদ্ভাবনী ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। <span>প্রথম পর্যায়ে ঢাকা ও চট্টগ্রামের কিছু এলাকায় করপোরেট গ্রাহক ও ব্যক্তিপর্যায়ে মোবাইল গ্রাহকদের জন্য এ সেবা চালু করা হচ্ছে। আরও বেশি মানুষ যেন এ সেবার সুবিধা পান, এজন্য পর্যায়ক্রমে দেশজুড়ে এ সেবার সম্প্রসারণ করার পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। </span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" align="justify"><span>বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) থেকে অনুমোদন পাওয়ার পরে নির্বাচিত কিছু ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের (আইএসপি) সাথে অংশীদারিত্বে পরীক্ষামূলকভাবে এ সেবা চালু করেছে বাংলালিংক। </span></p>
<p class="MsoNormal" align="justify"><span>অপারেটরটি বলছে, বাসা, অফিস কিংবা অন্য কোন ইনডোর জায়গা, যেখানে নেটওয়ার্ক কাভারেজ তুলনামূলকভাবে দুর্বল, ভিওওয়াইফাই -এর মাধ্যমে গ্রাহকেরা সেসব স্থানে বসে ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে বাধাহীন ভয়েস কল করতে পারবেন এবং যোগাযোগ হবে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময়। এ প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এ সেবার জন্য গ্রাহকের অতিরিক্ত কোন খরচ হবে না। ফলে, তাদের দৈনন্দিন যোগাযোগ হবে আরও সহজ ও স্বস্তিদায়ক।  </span><span><o:p></o:p></span><span> </span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" align="justify"><span>উদ্ভাবনী এ সেবার উন্মোচন নিয়ে বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী ইওহান বুসে বলেন, “আমাদের সকল উদ্ভাবনের মূলে রয়েছে একটি সহজ প্রশ্ন – কীভাবে আমরা গ্রাহকের জীবনকে আরও সহজ করতে পারি? বাংলাদেশে প্রথমবারের মত ভয়েস ওভার ওয়াই-ফাই সেবা চালুর উদ্যোগ আমাদের প্রতিশ্রুতি পূরণেরই প্রতিফলন। ভিওওয়াইফাই সংযোগকে করে তুলবে আরও স্পষ্ট ও নির্ভরযোগ্য। এ সেবার মাধ্যমে আমাদের গ্রাহকেরা যেখানেই থাকুন না কেন, তারা স্বাচ্ছন্দ্য প্রতিদিনের ডিজিটাল লাইফস্টাইল উপভোগ করতে পারবেন। এ সেবার উদ্বোধন বাংলালিংকের লক্ষ্যপূরণেও এক উল্লেখযোগ্য মাইলফলক।  গ্রাহকদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি দেশের ডিজিটাল ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এ উদ্যোগ আমাদের অঙ্গীকার পূরণে ভূমিকা রাখবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাসহ সকল অংশীদারদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। সবার সম্মিলিত উদ্যোগেই এ সেবা চালু করা সম্ভব হয়েছে।” </span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" align="justify"><span><o:p> </o:p></span><span> </span><span><o:p></o:p></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্টারলিংকের অনুমোদিত রিসেলার হলো রবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/157171</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157171</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68b96ce6ca0a1.jpg" length="42112" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 04 Sep 2025 15:39:42 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের প্রথম টেলিকম অপারেটর হিসেবে বণিজ্যিক ৪জি'র পর স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা দিতে স্টারলিংকের অনুমোদিত রিসেলার হলো রবি আজিয়াটা পিএলসি।</p>
<p>৪ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার এ নিয়ে সম্প্রতি স্টারলিংকের সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষরের কথা জানিয়েছে অপারেটরটি।</p>
<p>চুক্তির আওতায় লোকাল প্রায়োরিটি ও গ্লোবাল প্রায়োরিটি ভিত্তিক স্টারলিংকের সেবা আনার পরিকল্পনা করেছে রবি। তারা জানিয়েছে, এন্টারপ্রাইজ সেলস চ্যানেল এবং অনুমোদিত খুচরা বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে এসব সেবা প্রদান করবে। এছাড়া গ্রামীণ এলাকায় সাশ্রয়ী ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে কমিউনিটি-শেয়ারিং ওয়াই-ফাই চালুর উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে কোম্পানিটির।</p>
<p>এ নিয়ে রবি আজিয়াটা পিএলসির চিফ কমার্শিয়াল অফিসার শিহাব আহমাদ বলেন,“বাংলাদেশের ডিজিটাল বিভাজন দূরীকরণের ক্ষেত্রে এটি একটি রূপান্তরমূলক পদক্ষেপ। প্রান্তিক অঞ্চলে উচ্চগতির স্যাটেলাইট ইন্টারনেট আনার মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে অপরিহার্য ডিজিটাল সেবা গ্রহণের সুযোগ দিচ্ছে রবি; যা অন্তর্ভুক্তি, উদ্ভাবন ও টেকসই অগ্রগতিকে বেগবান করবে।”</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফেসবুক রিলে জিপি’র ‘ফাইভ জি’ ঘোষণা</title>
<link>https://digibanglatech.news/157064</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157064</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68b59320ee7eb.jpg" length="59695" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 01 Sep 2025 18:37:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>একই দিনে দেশে বাণিজ্যিক ফাইভজি সেবা চালু করলো দুই অপারেটর। ১ সেপ্টেম্বর, সোমবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে রবি’র করপোরেট অফিসে যখন বাণিজ্যিক ফাইভজির সফট লঞ্চ অনুষ্ঠান হচ্ছিলো- এর কিছুক্ষণের মধ্যে বেলা সাড়ে তিনটার কিছু পরে কোম্পানির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেশের সব বিভাগীয় শহরে বাণিজ্যিকভাবে সেবা চালুর ঘোষণা দিলেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী (সিইও) ইয়াসির আজমান। </p>
<p>৩৮ সেকেন্ডের রিলে নিজের পরিচয় দিয়ে গ্রাহকদের শুভেচ্ছা জানিয়ে আজমান বলেন, ‘গ্রামীণ ফোন সবসময় উদ্ভাবনী শক্তি নিয়ে আপনাদের কাছে আসি। আজকে আমি অত্যন্ত আন্দিত ও খুশী। বাংলাদেশের সব বিভাগে আমরা ৫জি লঞ্চ করছি। এর মাধ্যমে অমিত সম্ভাবনার বাংলােদেশের দ্বার খুলে যাক।’  </p>
<p>এদিকে অপারেটরটির পক্ষ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিজেদের ৫জি’র বাণিজ্যিক উন্মোচনকে ‘বাংলাদেশের স্মার্ট নেশন হওয়ার পথে ঐতিহাসিক অগ্রযাত্রায় এক নতুন অধ্যায়’ মন্তব্য করে তিনি বলেছেন, “সব বিভাগীয় শহরে ফাইভজি সেবা চালু করতে পেরে গর্বিত গ্রামীণফোন; যা দেশের মানুষের হাতে পৌঁছে দেবে রূপান্তরমূলক প্রযুক্তি। ফাইভজি প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্রুততর ও আরও নির্ভরযোগ্য নেটওয়ার্কের সূচনা করছি আমরা; যা উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা গড়ে তোলা এবং স্মার্ট সেবার মাধ্যমে খুলে দেবে সম্ভাবনার দুয়ার- গড়ে তুলবে দেশের ভবিষ্যত। আমাদের মিশন হচ্ছে দেশের মানুষকে তাদের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলোর সাথে যুক্ত করা, অগ্রগতি ও উৎপাদনশীলতা নিশ্চিত করা এবং দেশজুড়ে অপার সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেয়া। এই মাইলফলক অগ্রগতির সেই মিশনকে আরও বেগবান করবে। এভাবে ভবিষ্যত নির্মাণের পথে অগ্রগামী হতে পেরে আমরা আনন্দিত। এই সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের অংশীদার হওয়ায় আমাদের গ্রাহকদেরও অভিনন্দন; কারণ আমরা যা কিছু করি, সবই তাদের জন্য। পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকার ও বিটিআরসিকে আন্তরিক ধন্যবাদ, যাদের সহযোগিতায় বাংলাদেশের মানুষের জন্য এই আধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে।”</p>
<p>প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের<span> </span><span>১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশে টেলিটক পরীক্ষামূলকভাবে ৫জি চালু করলেও, সেটি  এখনো পুরোপুরিভাবে চালু হয়নি। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত নীতিমালা অনুযায়ী, লাইসেন্সপ্রাপ্ত অপারেটরদের নীতিমালা প্রকাশের এক বছরের মধ্যে সেবা চালু করার বিধান মেনে বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর, শিল্পাঞ্চল এবং বাণিজ্যিক এলাকায় ২০২৫ সালের ৩০ অক্টোবরের মধ্যে ফাইভ-জি প্রযুক্তি নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশ দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এর ফলশ্রুতিতে একে একে বেসরকারি অপারেটরগুলো ফাইভজির বাণিজ্যিক আত্মপ্রকাশ শুরু করলো। </span></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সোমবার ৩ বিভাগে পরীক্ষামূলক বাণিজ্যিক ৫জি&#45;তে রবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/157053</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157053</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68b54ace2cebe.jpg" length="70814" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 01 Sep 2025 09:29:56 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>২০২১ সালের <span>১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশে টেলিটক পরীক্ষামূলকভাবে ৫জি চালু করলেও, এটি এখনও পুরোপুরিভাবে চালু হয়নি। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত নীতিমালা অনুযায়ী, লাইসেন্সপ্রাপ্ত অপারেটরদের নীতিমালা প্রকাশের এক বছরের মধ্যে সেবা চালু করার বিধান মেনে বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর, শিল্পাঞ্চল এবং বাণিজ্যিক এলাকায় ২০২৫ সালের ৩০ অক্টোবরের মধ্যে ফাইভ-জি প্রযুক্তি নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশ দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা। </span></p>
<p><span>সেই বিধি মেনেই সব অপারেটরের আগে </span>রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের নির্বাচিত কিছু এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে পঞ্চম প্রজন্মের পরীক্ষামূলক মোবাইল সেবা (৫জি) চালু করতে যাচ্ছে মোবাইল অপারেট রবি আজিয়েটা। সূত্রমতে, ১ সেপ্টেম্বর, সোমবার বিকেল থেকেই এসব এলাকায় ৫জি–সক্ষম স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা নতুন সেবাটি ব্যবহার করতে পারবেন।</p>
<p>সূত্রমতে, উদ্বোধনের পর ঢাকার শাহবাগ, ফকিরাপুল এবং রবির নিজস্ব অফিস প্রাঙ্গণে এই সেবা চালু হবে।  অপারেটরটির কর্পোরেট অফিসে এই সেবার উদ্বোধন করবেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।</p>
<p>এর আগে দেশে প্রথমবারের মতো ২০১৮ সালের ২৫ জুলাই রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে রবি ও হুয়াওয়ের যৌথ উদ্যোগে ৫জি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। একই বছরের ১২ ডিসেম্বর রাষ্ট্রায়ত্ত অপারেটর টেলিটক পরীক্ষামূলকভাবে ছয়টি স্থানে ৫জি টেস্ট ড্রাইভ করে। পরবর্তীতে ২০২২ সালে গ্রামীণফোন ঢাকাসহ দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে ট্রায়াল পরিচালনা করে। তবে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে এতদিন বাণিজ্যিক পর্যায়ে এই সেবা চালু হয়নি। বাণিজ্যিক সেবা চালুর অংশ হিসেবে গত আগস্ট মাসে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম পরিচালনায় ফাইভ-জি প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়ে একটি সমীক্ষা  করতে মোবাইল অপারেটরটির সহযোগী কোম্পানি এক্সেনটেকের সঙ্গে চুক্তি করে চট্টগ্রাম কর্তৃপক্ষ। </p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টেলিসেবায় নতুন  মানদণ্ড নির্ধারণ বিটিআরসি’র</title>
<link>https://digibanglatech.news/157023</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157023</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;span style=&quot;color: rgb(10, 137, 17);&quot;&gt;&lt;strong&gt;৪০ সেকেন্ডে মোবাইলের ৯০ শতাংশ এবং  ৬ ঘণ্টার মধ্যে দিতে হবে ফাইবার সমস্যার সামাধান&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68b3c84b7bec6.jpg" length="84723" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 31 Aug 2025 08:58:34 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span class="x3jgonx">বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ সেবার জাতিয় মান হিসেবে ফোরজির সর্বনিম্ন গতি ১০ এমবিপিএস নির্ধারণ এবং ডেটা সেবায় আপলোড গতি সর্বনিম্ন২ এমবিপিএস নির্ধারণ করেছে বিটিআরসি। এছাড়াও সেবার মান উন্নয়নে গ্রাহক অভিযোগ সমাধানে কঠোর মানদণ্ড নির্ধারণ করেছে বিটিআরসি। নেটওয়ার্ক-সম্পর্কিত নয় এমন অভিযোগ ২৮ দিনের মধ্যে শতভাগ সমাধান করতে হবে। এছাড়া গ্রাহকসেবা সেন্টারে আসা ৯০% কল ৪০ সেকেন্ডের মধ্যে এবং সব কল ৯০ সেকেন্ডের মধ্যে রিসিভ করতে হবে।</span><br><br><span class="x3jgonx">সেবায় শহরের পাশাপাশি প্রান্তিক অঞ্চলকেও গুরুত্ব দিয়ে গড় ব্যবহারকারী ডাউনলোড গতি নেটওয়ার্ক পর্যায়ে কমপক্ষে ৩ দশমিক ৫ এমবিপিএস এবং জেলা পর্যায়ে ২ দশমিক ৫ এমবিপিএস রাখার সীমা বেধে দেয়া হয়েছে। এজন্য এনটিটিএন অপারেটরদের ক্ষেত্রে ডেটা হারানো সর্বোচ্চ ০.০১%, ল্যাটেন্সি ৫ এমএস এবং সংযোগের জিটার ৩ এমএসের এর মধ্যে রাখতে হবে। ফাইবার নেটওয়ার্কে সেবার সমস্যা মেট্রো (মহানগর) এলাকায় ৪ ঘণ্টা এবং গ্রামীণ এলাকায় ৬ ঘণ্টার মধ্যে সমাধান করতে হবে।</span><br><br><span class="x3jgonx">টেলিকম সেবার মান নিশ্চিত করতে কোয়ালিটি অব সার্ভিস (কিউওএস) নীতিমালা একটা আন্তর্জাতিক চর্চা বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সর্বশেষ কমিশন সভায় কোয়ালিটি অফ সার্ভিস (কিউওএস) নীতিমালায় সংশোধনীতে এসব বিষয় স্পষ্ট করা হয়েছে। </span><br><br><span class="x3jgonx">এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, নিম্নমানের বলে ঘোষণা দেবার পরে আমরা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে একটি নতুন কোয়ালিটি অফ সার্ভিস বেঞ্চমার্ক করেছি। এটি গত সপ্তাহের বিটিআরসি কমিশন মিটিংয়ে মোবাইল অপারেটর, এনটটিএন এবং আইএসপি সেবাদাতাদের জন্য পাশ হয়েছে। নতুন এই কোয়ালিটি অফ সার্ভিস (কিউওএস) নীতিমালা মতে ফোরজির সর্বনিম্ন গতি ১০ এমবিপিএস নির্ধারণ করা হয়েছে। তদারকি বাড়াতে বিটিআরসি প্রতি মাসে আগের মাসের নেটওয়ার্ক পারফর্মেন্স এবং হেলথ চেক করবে যা সেপ্টেম্বর থেকেই কার্যকর হবে।</span><br><br><br><br><br><span class="x3jgonx">তিনি আরো বলেছেন, এতে ড্রাইভ টেস্ট মানদণ্ডে অপারেটরদের ফোরজি সেবার সর্বনিম্ন গতি ১০ এমবিপিএস থাকতে হবে। কমানো হয়েছে কলড্রপের সর্বনিম্ন হার। এছাড়া বাড়ানো হয়েছে সেবার বিভিন্ন মানদণ্ড সূচক। এসব মানদণ্ডে অপারেটরদের বাধ্যতামূলকভাবে মাসিক প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।  আগের কোয়ালিটি অব সার্ভিস বেঞ্চমার্ক খুব বাজে ছিল যা সময়োপযোগী ও বাস্তবসম্মত করা হয়েছে। শিগগির হালনাগাদ এ নির্দেশিকা জারি করা হবে।</span><br><br><br><span class="x3jgonx">ফয়েজ তৈয়্যব মনে করেন, বাংলাদেশের সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ফোরজিতে কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগ করেনি। ফলে সেবার মান নিম্নমুখী। এর উত্তরণে নতুন লাইসেন্স পলিসিতেও 'লাইসেন্স অব্লিগেশন' এবং কোয়ালিটি অফ সার্ভিসের কথা বলা হয়েছে। এই কোয়ালিটি অব সার্ভিস (কিউওএস) বেঞ্চমার্ক টেলিযোগাযোগ খাতে নাগরিকদের মানসম্মত সেবা নিশ্চিতে সেবাদাতাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে। একইসঙ্গে সেবার মান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।</span><br><br><span class="x3jgonx">তার ভাষায়, এই উদ্যোগের মাধ্যমে অপারেটরদের সেবার মান নিয়ে আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে দুর্বল এলাকাগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে।বাধ্যতামূলক মাসিক রিপোর্টিংয়ের ফলে অপারেটরদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হবে সেবার মান বজায় রাখতে, বিশেষ করে গ্রামীণ ও শহরতলির এলাকায় যেখানে এখনও দুর্বল নেটওয়ার্ক ও ঘনঘন কল ড্রপ নিয়ে অভিযোগ বেশি।</span><br><br><span class="x3jgonx">সংশোধিত এই কিউওএস নীতিমালায় বলা হয়েছে, - নেটওয়ার্ক লেভেল (পর্যায়ে) এ কল সেটাপ সাকসেস রেটের হার অন্তত ৯৯% হতে হবে, আর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তা ৯৮%। একইভাবে কলড্রপের হার টুজি নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ ১% এবং উপজেলা পর্যায়ে ১ দশমিক ৫%-এর মধ্যে সীমিত রাখতে হবে। এছাড়াও ডেটা সেবায় ফোরজি সংযোগ সফলতার হার ৯৯% এবং জেলা পর্যায়ে ৯৮ দশমিক ৫% থাকতে হবে।</span><br><br><span class="x3jgonx">নীতিমালায় আরো বলা হয়েছে, ড্রাইভ টেস্টে ভয়েস সেবায় কল সেটআপ সাফল্যের হার ৯৮% বা তার বেশি, কলড্রপ (অটোমোড) ২%-এর মধ্যে এবং ভোল্টি (ভয়েস ওভার এলটিই প্রযুক্তি)-এর জন্য গড় ব্যবহারকারী মান সূচক ন্যূনতম ৩.৫ হতে হবে। পাশাপাশি ডেটা সেবায় ডাউনলোড স্পিড ‍সর্বনিম্ন ১০ এমবিপিএস এবং আপলোড ২ এমবিপিএস নির্ধারণ করা হয়েছে।</span><br><br><span class="x3jgonx">সেবার মান তদারকিতে মাসিক প্রতিবেদন অনুযায়ী,  নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী অপারেটরদের এখন থেকে প্রতি মাসে তাদের নেটওয়ার্কের মান সংক্রান্ত মূল সূচক (কেপিআই ) জমা দিতে হবে। এসব সূচক মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে—অ্যাক্সেসিবিলিটি, রিটেইনেবিলিটি ও নেটওয়ার্ক ইন্টিগ্রিটি।</span><br><br><span class="x3jgonx">এরমধ্যে অ্যাক্সেসিবিলিটি (নেটওয়ার্কে প্রবেশ ও কল সেটআপ) সূচকগুলোর মাধ্যমে বোঝা যাবে গ্রাহকরা কতটা সফলভাবে নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারছেন এবং কল সেটআপ হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে কল সেটআপ সাকসেস রেট (টুজি ও ফোরজি-ভোল্টি), পেজিং সাকসেস রেট, আর ইআরএবি সেটআপ সাকসেস রেট। এ ছাড়া, যেখানে এই হার ৯০% বা ৭০%–এর নিচে নেমে আসে, সেইসব খারাপ সেলগুলো আলাদা করে চিহ্নিত করতে হবে।</span><br><br><span class="x3jgonx">রিটেইনেবিলিটি (সংযোগ ধরে রাখার সক্ষমতা) সূচকগুলোতে দেখা হবে কল বা ডেটা সেশন শুরু হওয়ার পর তা কতটা স্থিতিশীল থাকে। এর মধ্যে রয়েছে কলড্রপ রেট (২জি ও ৪জি), ভোল্টি অস্বাভাবিক বিচ্ছিন্নতার হার, এলটিই নন-রিটেইনেবিলিটি, এসআরভিসিসি সাকসেস রেট এবং হ্যান্ডওভার সাকসেস রেট।</span><br><br><span class="x3jgonx">নেটওয়ার্ক ইন্টিগ্রিটি (নেটওয়ার্কের সার্বিক দক্ষতা-ক্ষমতা ) এর মাধ্যমে দেখা হবে নেটওয়ার্ক অবকাঠামো কতটা কার্যকরভাবে কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রতি বেস স্টেশনে এলটিই পিআরবি (ফোরজি রেডিও নেটওয়ার্ক রিসোর্স) ব্যবহার হার, ব্যবহারকারীর আপলিঙ্ক থ্রুপুট (এমবিপিএস) এবং সিকিউআই/আরএসআরকিউ মান অনুযায়ী ‘খারাপ স্যাম্পল’-এর শতকরা হার।</span><br><br><span class="x3jgonx">বিটিআরসি সব সূচকের ফলাফল মাসভিত্তিক গড় করে নেটওয়ার্ক, জেলা ও উপজেলা স্তরে আলাদা আলাদাভাবে জমা নিবে। পাশাপাশি, সবচেয়ে খারাপ পারফর্ম করা ৫০টি সেলের আলাদা তালিকা জমা দিতে হবে, যেখানে অ্যাক্সেসিবিলিটি ও রিটেইনেবিলিটি সূচক দুর্বল। এখানে ইন্টারনেট সেবায় লোকাল ট্র্যাফিকের সংযোগ সময় সর্বোচ্চ ২৫ এমএস, ডেটা হারানোর হার ১%-এর মধ্যে এবং নেটওয়ার্কের প্রাপ্যতা ৯৯% বা তার বেশি হতে হবে। গ্রাহকের প্রান্তে ডাউনলোড-আপলোড স্পিড সাবস্ক্রাইব করা গতির অন্তত ৯৫% নিশ্চিত করতে হবে।</span><br><br><span class="x3jgonx">সংশোধিত এই কোয়ালিটি অব সার্ভিস (কিউওএস) ফিক্সড ইন্টারনেট ও টেলিফোনি এবং এনটিটিএনদের জন্য করা হয়েছে।ফিক্সড ইন্টারনেট ও টেলিফোনিতে ফিক্সড টেলিফোন সেবায় কলড্রপ ১%-এর মধ্যে, কল সেটআপ সাফল্যের হার ৯৯%-এর বেশি এবং কল সংযোগ সময়) ৬ সেকেন্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে। </span><br><br><br><br></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এক দিনে বিটিআরসি’র ১৮ পদে রদবদল</title>
<link>https://digibanglatech.news/156949</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156949</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202501/image_870x580_6798ad006fed2.jpg" length="180993" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 28 Aug 2025 19:10:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ছয় কর্মকর্তাকে ওএসডি করার পর এক দিনে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের ১৮ কর্মকর্তার দায়িত্ব রদবদলের আদেশ দিয়েছে কমিশন। আগামী ১০ সেপ্টেম্বর থেকে তাদের বিদ্যমান পদ তাৎক্ষণিক ভাবে অবমুক্ত হবে বলে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। </p>
<p>কমিশনের এসএম বিভাগের পরিচালক বেগম সাজেদা পারভীনকে অর্থ, হিসাব ও রাজস্ব বিভাগে, ড. মোঃ সোহেল রানাকে ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশন বিভাগে এবং ইএন্ডও’র পরিচালক মোঃ নুরুন্নবীকে স্পেকট্রাম বিভাগে বদলি করা হয়েছে। </p>
<p>অপরদিকে উপ-পরিচালক (ইএন্ডও) সাবিনা ইসলাম ও নাফিসা মল্লিককে লিগ্যাল অ্যান্ড লাসেন্সিং বিভাগে পাঠানো হয়েছে। একইভাবে ইএন্ডও উপপরিচালক সনজিব কুমার সিংহকে এনফোর্স অ্যান্ড ইন্সপেকশন বিভাগে বদলি করা হয়েছে। অর্থ হিসাব ও রাজস্ব বিভাগ থেকে সহকারি পরিচালক মোঃ কাউছার আহমেদ এবং এসএস এর উপ সহকারি পরিচালক মোঃ আমিনুল ইসলামকে প্রশাসনিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে।  </p>
<p>এছাড়াও এসএস বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ মাহফুজুল আলম এবং সহকারি পরিচালক মইনুল হককে ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশন বিভাগে ন্যাস্ত করা হয়েছে।  </p>
<p>এসএস বিভাগের উপ-সহকারী পরিচালক মোঃ কামাল সিদ্দিকী এবং ইএন্ডও বিভাগের উপ-সহকারী পরিচালক মোঃ রায়হান কবিরকে স্পেকট্রাম বিভাগের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। </p>
<p>অপরদিকে সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিস বিভাগে বদলি হয়েছেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা জেড এ রাসেল, এসএম বিভাগের উপ-সহকারি পরিচালক রেজাউল ছাবির এবং এসএম বিভাগের উপ-সহকারি পরিচালক মোঃ সোহেল। </p>
<p>২৮ অক্টোবর, বুধবার বিটিআরসি’র প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আশরাফুল আলম স্বাক্ষরিত অফিস আদেশ থেকে এই রদবদল বিষয়ে জানাগেছে। সূত্রমতে, কমিশনে শুদ্ধি অভিযান এবং স্থবিরতা কাটাতে এই রদবদল বলে । </p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ওএসডি হলেন বিটিআরসি’র ৬ কর্মকর্তা</title>
<link>https://digibanglatech.news/156941</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156941</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202501/image_870x580_678f27529b78e.jpg" length="195977" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 28 Aug 2025 14:04:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নিয়োগ ও পদোন্নতিতে অনিয়মের অভিযোগে ৬ কর্মকর্তাকে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করেছে বিটিআরসি। এরা হলেন, মহাপরিচালক (লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্সিং বিভাগ) আশীষ কুমার কুণ্ডু, পরিচালক এম এ তালেব হোসেন, পরিচালক আফতাব মো. রাশেদুল ওয়াদুদ, পরিচালক মো. এয়াকুব আলী ভূইয়া, উপ-পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান এবং উপ-পরিচালক বেগম শারমিন সুলতানা।</p>
<p>গত ৩০ জুলাই ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ স্বাক্ষরিত তিনটি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের আলোকে বিটিআরসি-কে অভিযুক্তদের ওএসডি করারা নির্দেশনা দেয়া হয়। এছাড়াও অভিযুক্ত প্রত্যেককেই আলাদা করে ওএসডি এর চিঠি দেয়া হয়েছে। </p>
<p>সূত্রমতে, বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে সংযুক্ত হয়ে তারা বর্তমানে  অফিস করলেও অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর ক্ষমতা সাময়িকভাবে রহিত করা হয়েছে। শ্বেতপত্র কমিটির রিপোর্ট প্রকাশ পর্যন্ত এই নিয়ম বহাল থাকবে।</p>
<p>তদন্ত কমিটির সুপারিশে বলা হয়েছে, নিয়োগ কমিটির সুপারিশ ও কমিশন সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যে ২৯ জন প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয় তার মধ্যে ১৫ জন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতার নিরিখে আবেদন করার ও নিয়োগ পাওয়ার অযোগ্য।</p>
<p>বিটিআরসি সূত্রে জানা গেছে, বিধিবহির্ভূতভাবে নিয়োগ পাওয়া এই ২৯ জনের মধ্যে ১৫ জন ইতিমধ্যেই চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। </p>
<p>অভিযুক্তদের মধ্যে সাবেক কমিশনার ড. মুশফিক মান্নান চৌধুরী চুক্তি ছাড়াই বিটিআরসির কমিশনার পদে চাকরি করছিলেন বলে প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। <span>তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিটিআরসির সাবেক কমিশনার ড. মুশফিক মান্নান চৌধুরী সরকারের সাথে চুক্তি সম্পাদন না করে কমিশনার হিসেবে সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন যা নীতিবহির্ভূত। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন সময়ে পত্র প্রেরণ করা হলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। </span>এ কারণে তিনি বেতন-ভাতা বাবদ যে টাকা নিয়েছেন, তা ফেরত আনার ব্যবস্থা নিতে বিটিআরসিকে নির্দেশনা দিয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ।</p>
<p>মহাপরিচালক আশীষ কুমার কুণ্ডু কমিশন সভার সুপারিশ ও সুনির্দিষ্ট প্রস্তাববিহীন সিদ্ধান্ত চেয়ে পত্র, যোগাযোগে সময়ক্ষেপণ, সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণপ্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করেছেন বলে প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। এতে উল্লেখ করা হয়, <span>২০২৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর প্রেরণ করে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। সুনির্দিষ্ট কোনো প্রস্তাব ছাড়াই তিনি ওই চিঠির জবাব দেন তিন মাস পর ২১ ডিসেম্বর।</span></p>
<p>এছাড়াও পরিচালক এম এ তালেব উপপরিচালক (পদ্ধতি ও সেবা) পদে অনধিক চার বছরের চাকরির স্থলে তিন বছর ২৬ দিন পূরণ করেন। এক্ষেত্রে বিটিআরসি’র চাকরি প্রবিধিমালা ২০০৯ (সংশোধিত) এর প্রবিধান ১১ এর ১ লঙ্ঘন করা হয়েছে। অডিট রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বিটিআরসির প্রশাসন বিভাগের পরিচালক এম এ তালেব হোসেন, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের আপন ভাতিজা। সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিসেসের উপপরিচালক থেকে এনফোর্সমেন্ট অ্যান্ড ইন্সপেকশন বিভাগে পরিচালক পদে তিনি জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে পদোন্নতি বাগিয়েছেন। সরকারের অডিট অধিদফতর এ অনিয়ম বাতিল করে অতিরিক্ত বেতন ফেরতের সুপারিশ করলেও বাস্তবে তা উপেক্ষিত হয়েছিলো। </p>
<p>পরিচালক আফতাব মো. রাশেদুল ওয়াদুদ ৪ বছর চাকরির মেয়াদ পূর্তির আগেই ১ বছর ২২ দিন চাকরি করে পদন্নতি পেয়েছেন। একইভাবে পরিচালক মো. এয়াকুব আলী ভূইয়া উপ-পরিচালক পদে ৬ মাস ১ দিন চাকরি করে পরিচালক পদে পদন্নতি পেয়েছেন। </p>
<p>এছাড়াও উপপরিচালক আসাদুজ্জামানের বিষয়ে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও তিনি নিয়োগ পেয়েছেন। উপ-পরিচালক বেগম শারমিন সুলতানা প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা ও নির্ধারিত বয়স না হওয়া সত্ত্বেও সহকারী পরিচালক পদে নিয়োগ পেয়েছেন এবং নিয়ম বহির্ভূত ভাবে তার চাকরি স্থায়ীকরণ ও পদন্নতি দেয়া হয়েছে।  </p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সামিট কমিউনিকেশনের চেয়ারম্যানসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা</title>
<link>https://digibanglatech.news/156863</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156863</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68adf8d082742.jpg" length="42205" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 26 Aug 2025 20:11:33 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সামিট কমিউনিকেশনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফরিদ খানসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ২৬ আগস্ট মঙ্গলবার দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলায় সামিট কমিউনিকেশনসের চেয়ারম্যান ছাড়াও বিটিআরসির প্যানেল আইনজীবী খন্দকার রেজা-ই-রাকিব, বিটিআরসির সাবেক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদ, বিটিআরসির সাবেক কমিশনার (আইন) মো. আমিনুল হক বাবু, সাবেক কমিশনার (স্পেকট্রাম) শেখ রিয়াজ আহমেদ, সাবেক কমিশনার (অর্থ, হিসাব ও রাজস্ব) ড. মুশফিক মান্নান চৌধুরী ও সাবেক কমিশনার (সিস্টেমস অ্যান্ড সার্ভিসেস) মো. দেলোয়ার হোসাইনকে বিবাদী করা হয়েছে। </p>
<p>সরকারের ১০ কোটি ২৪ লাখ ৫২ হাজার ৬৫২ টাকার রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই মামলা করেছেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. নাছরুল্লাহ হোসাইন। দুদক উপপরিচালক মো. আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে সাত সদস্যদের একটি টিম সামিট গ্রুপের দুর্নীতি ও অনিয়মের অনুসন্ধান কাজের দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানিয়েছেন দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।</p>
<p>দুদকের অভিযোগে বলা হয়, বিটিআরসির কর্মকর্তা ও লেক্স কাউন্সিলের প্যানেল আইনজীবীর সহযোগিতায় সামিট কমিউনিকেশনস বেআইনিভাবে ১৪ কোটি ২০ লাখ ৮৮ হাজার ১৩৬টি নতুন অর্ডিনারি শেয়ার ইস্যু করে। যার মধ্যে ৯ কোটি ৪৪ লাখ ৮৮ হাজার ৯১১টি শেয়ার দেওয়া হয় সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক গ্লোবাল এনারিং-এ, যা মুহাম্মদ আজিজ খান ও তার পরিবারের মালিকানাধীন। ৪ কোটি ৪ লাখ ৯৫ হাজার ১১৯টি শেয়ার দেওয়া হয় মরিশাসভিত্তিক প্রতিষ্ঠান সেকুওয়া ইনফ্রা টেক লিমিটেডকে। বাকি ৭১ লাখ ৪ হাজার ৪০৬টি শেয়ার দেওয়া হয় পূর্বের শেয়ারহোল্ডার মো. আরিফ আল ইসলামের অনুকূলে। এই শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে কোম্পানির মূলধন প্রায় চার গুণ বৃদ্ধি পেয়ে মোট শেয়ার সংখ্যা ৫.০৭ কোটি থেকে বেড়ে ১৯.২৮ কোটিতে পৌঁছে। ফলে, মোহাম্মদ ফরিদ খানের মালিকানা ৯৫ শতাংশ থেকে নেমে ২৫ শতাংশে আসে। অন্যদিকে, দুই বিদেশি প্রতিষ্ঠানের যৌথ মালিকানা দাঁড়ায় ৭০%-এ।</p>
<p>বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১-এর ধারা ২৪ অনুযায়ী, শেয়ার হস্তান্তর বা মালিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিক্রিত শেয়ারের মূল্যের ৫.৫% রাজস্ব পরিশোধ করতে হয়। ২০২২ সালে একই কোম্পানির শেয়ার হস্তান্তরের ক্ষেত্রে সরকারি রাজস্ব আদায়ে ওই আইনের প্রয়োগ থাকলেও এক্ষেত্রে বিটিআরসির আইনজীবী খন্দকার রেজা-ই-রাকিব সামিট কমিউনিকেশন থেকে অবৈধ সুবিধা নিয়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে উক্ত ৫.৫% মূল্য পরিশোধ সামিট কমিউনিকেশনস লিমিটেডের জন্য প্রযোজ্য নয় মর্মে মতামত দেন। এই মতামতের ভিত্তিতে বিটিআরসির তৎকালীন চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট কমিশনাররা মিলে অবৈধ সুবিধা নিয়ে শেয়ারের অনুমোদন দেন। ফলে সরকার প্রায় ১০ কোটি ২৪ লাখ টাকা রাজস্ব হারায়। </p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিটিআরসির কমিশনার হলেন আবদুর রহমান সরদার</title>
<link>https://digibanglatech.news/156845</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156845</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68ada1ade2067.jpg" length="46226" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 26 Aug 2025 17:40:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এর নতুন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিচার বিভাগের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আবদুর রহমান সরদার। ২৪ আগস্ট, সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে তিন বছরের জন্য এই নিয়োগ দেয়া হয়। </p>
<p>কর্মজীবনে তিনি দেশের বিভিন্ন জেলায় সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এবং চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।</p>
<p>এছাড়া ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল এবং কাস্টমস্, এক্সাইজ এন্ড ভ্যাট আপিলেট ট্রাইব্যুনালে বিচারক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। </p>
<p>সর্বশেষ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে অবসর গ্রহণ করেন। অবসরোত্তর তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।</p>
<p>বিটিআরসির নবনিযুক্ত কমিশনার এর গ্রামের বাড়ি পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলায়।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রবি&#45;তে বিকাশ দিয়ে সর্বোচ্চ রিচার্জকারীরা জিতলেন বাইক&#45;এসি&#45;স্মার্ট টিভি</title>
<link>https://digibanglatech.news/156731</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156731</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68a8b369121ad.jpg" length="66085" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 22 Aug 2025 18:12:42 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রবি নম্বরে বিকাশ দিয়ে সর্বোচ্চ অ্যামাউন্ট রিচার্জ করে গ্রাহকরা জিতে নিয়েছেন বাইক, এসি ও স্মার্ট টিভি কুপন। পাশাপাশি ২১ থেকে ২৬ জুলাই পর্যন্ত চলা মেগা ক্যাশব্যাক ক্যাম্পেইনে প্রতিদিন সর্বোচ্চ রিচার্জকারী ২০ জন গ্রাহক পেয়েছেন ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন অংকের ক্যাশব্যাক।</p>
<p>বিকাশ কার্যালয়ে বিজয়ীদের হাতে মোটরবাইক, এসি ও স্মার্ট টিভির কুপনগুলো তুলে দেওয়া হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। </p>
<p>এত বালা হয়, ক্যাম্পেইনে সর্বোচ্চ রিচার্জকারী গ্রাহকের জন্য ছিল ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের মোটরবাইক কুপন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় সর্বোচ্চ রিচার্জকারী পান ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এসি কুপন এবং চতুর্থ ও পঞ্চম সর্বোচ্চ রিচার্জকারী পান ৪০ হাজার টাকা মূল্যের স্মার্ট টিভি কুপন।  </p>
<p>তবে বিজয়ীদের নাম ও পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফাইবার ব্যাংক গড়ে আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবল অপব্যবস্থার স্থায়ী অবসানের তাগিদ</title>
<link>https://digibanglatech.news/156700</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156700</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68a7432becb5e.jpg" length="97990" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 21 Aug 2025 20:08:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ফাইার ব্যাংক গড়ে তুলে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সেবাখাতের পুরাতন ক্যাবল নেটওয়ার্ককে কমন ডাক্ট এর অধীনে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।</p>
<p>তিনি বলেছেন, কমিউনিকেশনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্র বিবেচনায় নিলে দেশে পাঁচ লাখ কিলোমিটার ফাইবার অপটিক ক্যাবল নেটওয়ার্ক থাকার প্রয়োজন। কিন্তু দেশে মাত্র দেড় লাখ কিলোমিটার ফাইবার নেটওয়ার্ক রয়েছে। আবার বিদ্যমান নেটওয়ার্কের ৭৫ শতাংশই ওভারহেড নেটওয়ার্ক, যা টেলিযোগাযোগ গ্রেডের নয় এবং বিভিন্ন দুর্যোগের সময় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকে। যোগাযোগ নেটওয়ার্ককে মানসম্মত ও কম ঝুঁকিপূর্ণ রাখতে সংযোগগুলোকে মাটির নিচে দিয়ে নেওয়া দরকার। একইসঙ্গে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সেবাখাতের পুরাতন ক্যাবল নেটওয়ার্ককে কমন ডাক্ট এর অধীনে আনাসহ চার সরকারি ফাইবার কোম্পানির ফাইবার সমূহের রুটগুলো আন্তঃ সংযুক্ত ফাইবার অপটিক ক্যাবল নেটওয়ার্কের (ফাইবার ব্যাংক) অধীনে আনা এখন সময়ের দাবি। পাশাপাশি বাসাবাড়িতে একক ফাইবারের মাধ্যমে টিভি ও ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে বর্তমানের ওভারহেড ও আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবল অপব্যবস্থার স্থায়ী অবসান দরকার। সবমিলিয়ে বাংলাদেশে ফাইবার অপটিক্যাল ক্যাবল শিল্পের অমিত সম্ভাবনা রয়েছে।</p>
<p>২১ আগস্ট, বৃহস্পতিবার সকালে খুলনার শিরোমনি এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ ক্যাবল শিল্প লিমিটেড (বাকেশি) পরিদর্শন শেষে প্রতিষ্ঠানটির সম্মেলনকক্ষে কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। </p>
<p>ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির যুগে প্রতিটি শিল্পই রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আগামীতে পুরানো প্রযুক্তির পাওয়ার ক্যাবল বা টেলিকম ক্যাবলের চাহিদা কমবে এবং নতুন প্রযুক্তির ক্যাবলের চাহিদা বাড়বে। বাংলাদেশ ক্যাবল শিল্প লিমিটেড বিভিন্ন প্রজন্মের ক্যাবল উৎপাদন করে। এখানে ক্রমাগত পুরানো প্রযুক্তির বদলে নতুন প্রযুক্তি প্রয়োগের চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। একই সাথে কার্যকর প্ল্যানিং, মার্কেটিং পলিসি গ্রহণ এবং ফাস্ট ডিস্ট্রিবিউটশন ও প্রো অ্যাক্টিভ মার্কেটিং নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে। </p>
<p>তিনি আরও বলেন, খুলনায় অবস্থিত পাওয়ার ও অপ্টিক ফাইবার ক্যাবল ফ্যাক্টরিটি একটি পরিবেশবন্ধব ও দূষণমুক্ত সবুজ কারখানা। ফলে এর জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সার্টিফিকেশন অতি দ্রুত গ্রহণের উদ্যোগ নিতে হবে। তাহলে এখানকার উৎপাদিত পণ্যগুলোর ব্রান্ডভ্যালু বাড়বে। একই সাথে এখানে উৎপাদিত পণ্যের নতুন ও সম্ভাবনাময় বাজার ও ক্রেতা খুঁজে বের করতে হবে। এক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ও সার্বিক সহযোগিতা করবে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন প্রয়োজন ও দাবীগুলোর বিষয়ে সরকার ওয়াকিবহাল আছে। এর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দ্রুত নেওয়া হবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে জানানো হয়, খুলনার শিরোমনি এলাকায় বাকেশি ১৯৭২ সাল থেকে টেলিকম কপার ক্যাবল উৎপাদন করে আসছে। এছাড়াও ২০১০ সাল থেকে অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল, ২০১৬ সাল থেকে এইচডিপিই টেলিকম ডাক্ট এবং ২০১৯ সাল থেকে ওভারহেড কন্ডাক্টার পাওয়ার ক্যাবল সহ বর্তমানে সুপার এনামেল উৎপাদন শুরু হয়েছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির বাৎসরিক ৫০ হাজার কন্ডাক্টর কিলোমিটার টেলিকম ক্যাবল, ২৫ হাজার কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল, ছয় হাজার পাঁচশত কিলোমিটার এইচডিপিই টেলিকম ডাক্ট এবং ছয়শত মেট্রিকটন ওভারহেড কন্ডাক্টার ও পাওয়ার ক্যাবল উৎপাদন সক্ষমতা রয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি ২৮ কোটি টাকা নিট মুনাফা অর্জন করেছে।</p>
<p>মতবিনিময়কালে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম আমিরুল ইসলাম, বাকেশির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ শহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ, বাকেশির কর্মকর্তাসহ সিবিএ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>পরে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী টেলিটক বাংলাদেশ এর খুলনা বিভাগীয় অফিস, পোস্টমাস্টার জেনারেলের কার্যালয় দক্ষিণাঞ্চল ও বিটিসিএল এর বিভাগীয় অফিস পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি দপ্তরগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবাপ্রত্যাশীদের সাথে মতবিনিময় করেন। তিনি বাংলাদেশ ক্যাবল শিল্প লিমিটেড এবং পোস্টমাস্টার জেনারেলের কার্যালয় দক্ষিণাঞ্চল প্রাঙ্গণে আমের চারা রোপণ করেন ।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>২৭ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিজিটাল নেটওয়ার্ক স্থাপন করবে ব্র্যাকনেট</title>
<link>https://digibanglatech.news/156693</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156693</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68a6c42a97735.jpg" length="110947" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 21 Aug 2025 00:32:51 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয়ে আধুনিক ডিজিটাল নেটওয়ার্ক অবকাঠামো স্থাপন করবে ব্র্যাকনেট লিমিটেড। মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (MBSTU), রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (RUET), পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (PUST), ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (IU), চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (CUET), রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (RmSTU), গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (GSTU) সহ মোট ২৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নত ডিজিটাল নেটওয়ার্ক অবকাঠামো ও ক্লাউড-ভিত্তিকওয়াইফাই সুবিধা স্থাপন করবে প্রতিষ্ঠানটি।</div>
<div></div>
<div>উচ্চশিক্ষা ত্বরান্বিতকরণ ও রূপান্তর (HEAT) প্রকল্পের আওতায় এই কার্যক্রম চলবে। এর মাধ্যমে ৬০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গবেষক উচ্চ গতির ইন্টারনেট সেবার আওতায় আসবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। </div>
<div></div>
<div>“সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে আধুনিক নেটওয়ার্ক উপকরণ ও ওয়াই-ফাই অবকাঠামো স্থাপন” শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি), শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং -এর মধ্যে ২০ আগস্ট, বুধবার মহাখালীর ব্র্যাক নেট কার্যালয়ে একটি সমঝোতা চুক্তি হয়েছে। <br><br>প্রকল্পের পক্ষ থেকে প্রকল্প পরিচালক প্রফেসর ড. আসাদুজ্জামান ও প্রকল্পের উর্ধতন কর্মকর্তা এবং ব্র্যাকনেট লিমিটেডের পক্ষ থেকে জেনারেল ম্যানেজার ও হেড অব অপারেশনস মোঃ মুকাররাম হুসাইন এবং পরিচালনা পর্ষদ উপস্থিত ছিলেন।<br><br>প্রকল্প পরিচালক প্রফেসর ড. আসাদুজ্জামান বলেন, “এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা গবেষণা ও শিক্ষায় আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে দেশের মান সমুন্নত রাখতে সক্ষম হবে। আমি আশাবাদী, ব্র্যাকনেট আইসিটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে তাদের কাজ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে সম্পন্ন করবে।”<br><br>ব্র্যাকনেট লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার মোঃ মুকাররাম হুসাইন বলেন, “ব্র্যাকনেট বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা উন্নয়নে দীর্ঘদিন ধরে নিরলসভাবে কাজ করে আসছে। BRAC University-তে ‘Smart Campus’ সহ একাধিক উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায়, HEAT প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও বিশ্বমানের নেটওয়ার্ক সুবিধা পৌঁছে দিতে পারা আমাদের জন্য সম্মানের। আমরা সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ নিয়ে কাজ করব, যেন প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপ হয় সময়োপযোগী, নিরাপদ এবং সফল।”<br><br></div>
<div></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দুইটি ইন্টারনেট সংযোগ রাখার সিদ্ধান্ত</title>
<link>https://digibanglatech.news/156678</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156678</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68a606e7ad707.jpg" length="120590" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 20 Aug 2025 19:33:42 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>২০২১ সালের আগস্ট থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ের ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন ও বিল বাবদ দেশের ১২১ কারিগরি কলেজ ও তিন মাদরাসার কাছে দুই কোটি ৬১ লাখ ৬৪ হাজার ২১ টাকা পায় বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)। টাকায় আদায়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের দ্বারস্থ হয়েছে রাষ্ট্রীয় টেলিকম প্রতিষ্ঠান। </p>
<p>এরপর গত ১৮ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের আইসিটি অধিশাখা এবং ১৯ আগস্ট কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের (সমন্বয়, এপিএ ও আইসিটি) শাখা-২ থেকে প্রকাশিত দুটি স্মারকে বৈঠকের বকেয়া আদায়ে ৫টি পরমার্শ দিয়েছে এ নিয়ে গঠিত পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি।</p>
<p>কমিটির সদ্ধান্ত অনুযায়ী, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের বাইরে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিল সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠাবে বিটিসিএল। আর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিল সরাসরি তাদের কাছেই পাঠাতে হবে। একইসঙ্গে সংযোগ সচল থাকলে ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে প্রতিষ্ঠানগুলো বিদ্যমান হারে বিল পরিশোধ করবে। এছাড়াও এপি ব্যবস্থার পরিবর্তে প্রতিষ্ঠানের রাউটার বা লোকাল নেটওয়ার্কে ব্যান্ডউইথ সংযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। </p>
<p>ঢাকা, নরসিংদী, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলার ১২ প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন এই চার সিদ্ধান্তের বাইরে  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিতে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে দুটি ব্রডব্যান্ড সংযোগ রাখতে হবে। বিটিসিএল এর বিকল্প হিসেবে সরকারি বা বেসরকারি আরো একটি সংযোগ রাখতে হবে। সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত কোন প্রতিষ্ঠানে কত দিন ইন্টারনেট সংযোগ সচল ছিল, তার হালনাগাদ তথ্য কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে বিভাগে পাঠাতে হবে। ওই তথ্যের ভিত্তিতেই বকেয়া বিল নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।</p>
<p>বকেয়া বিলের বিষয়টি যাচাই করতে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ গত বছরের ডিসেম্বরে পাঁচ সদস্যের এই কমিটি করেছিলো। কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের তৎকালীন সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে <span>গত ৭ আগস্ট </span>বৈঠকে বিটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও অন্যান্য কর্মকর্তারা জানান, তাদের সংযোগ সচল থাকলে স্বল্প খরচে মানসম্মত ইন্টারনেট সেবা পাওয়া যাবে। তবে বকেয়া বিল পরিশোধের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তাদের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন সাপেক্ষ।</p>
<p>প্রসঙ্গত, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীনে বিটিসিএল ২০২০ সালে এক প্রকল্পের আওতায় ১২১টি কারিগরি ও তিনটি মাদরাসায় অপটিক্যাল ফাইবার সংযোগ, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও ওয়াইফাই চালুর উদ্যোগ নেয়। সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে ২০ এমবিপিএস ব্যান্ডউইডথ সংযোগ দেওয়ার কথা ছিল।</p>
<p></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলালিংক চালু করল নতুন আন্তর্জাতিক রোমিং প্যাক</title>
<link>https://digibanglatech.news/156641</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156641</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68a4854340cb5.jpg" length="125683" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 19 Aug 2025 16:06:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>অপর দুই অপারেটরের মতো এবার আন্তর্জাতিক রোমিং প্যাকেজ চালু করেছে বাংলালিংক। এ প্যাকেজ এখন বাংলাদেশি মুদ্রা অর্থাৎ টাকা দিয়ে কিনতে পারবেন গ্রাহকেরা; তাদের প্রয়োজন হবে না আন্তর্জাতিক কোন পেমেন্ট পদ্ধতি ব্যবহারের। ৫০টি দেশে  এ সুবিধা উপভোগ করা যাবে।</p>
<p>১৯ আগস্ট, মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মোবাইল অপারেটরটি জানিয়েছে, ভ্রমণের সময় বিভিন্ন প্যাকেজ থেকে নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী গ্রাহকেরা পছন্দের প্যাকেজ নির্বাচন করে ‘মাইবিএল’ অ্যাপ থেকে সহজেই রোমিং প্যাক অ্যাক্টিভেট করতে পারবেন। আগে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা চালু করতে গ্রাহকদের আন্তর্জাতিক ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডে ডলার (ইউএস) এনডোর্স করতে হত। এখন সেসব ঝামেলা ছাড়াই বিদেশে থেকেও মোবাইল ব্যালেন্স দিয়ে (দেশি মুদ্রায়) রোমিং প্যাক কিনতে পারবেন তারা। বর্তমান বিশ্ব আগের যেকোন সময়ের তুলনায় অনেক বেশি কানেক্টেড। পরিবর্তিত এ সময়ে গ্রাহকদের চাহিদা পূরণে ধারাবাহিকভাবে নতুন সব সেবা নিয়ে আসছে বাংলালিংক। নতুন এ আন্তর্জাতিক রোমিং প্যাক চালু করার মাধ্যমে বিদেশগামী গ্রাহকদের জন্য এক বড় বাধা দূর করল প্রতিষ্ঠানটি।</p>
<p>জানাগেছে, সম্প্রতি, রাজধানীতে বাংলালিংকের প্রধান কার্যালয় ‘টাইগার্স ডেন’ -এ এ সেবার উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী ইওহান বুসে, প্রতিষ্ঠানটির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান এবং এর মার্কেটিং অপারেশনস ডিরেক্টর মেহেদী আল আমিনসহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।</p>
<p>নতুন এ সেবা নিয়ে বাংলালিংকের মার্কেটিং অপারেশনস ডিরেক্টর মেহেদী আল আমিন বলেন, “ভ্রমণের সময় কানেক্টেড থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সবার পক্ষে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সেবা ব্যবহারের সুযোগ থাকে না। এক্ষেত্রে, গ্রাহকদের জন্য আমাদের সেবাকে আরও সহজলভ্য ও ব্যবহারবান্ধব করার লক্ষ্যেই আমরা নতুন এ উদ্যোগ চালু করেছি।”</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিটিআরসির নতুন মহাপরিচালক সহিদ</title>
<link>https://digibanglatech.news/156600</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156600</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68a34fef9bccf.jpg" length="30849" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 18 Aug 2025 18:07:30 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আগামী ২৫ আগস্ট নতুন মহাপরিচালক পাচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বিটিআরসি)। জনপ্রশাসন থেকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে বদলি হয়ে এই পদে নিযুক্ত হচ্ছেন যুগ্ম সচিব মোঃ মেহেদী উল সহিদ। </p>
<p>বিপরীতে  অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদা নিয়ে বিটিআরসি’র প্রশাসন উইংয়ের মহাপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুনকে প্রধান উপদেষ্টার অধীনে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকার (বেপজা) সদস্য হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। </p>
<p>১৮ আগস্ট, সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রেষণ-১ শাখার যুগ্মসচিব আবুল হায়াত মো. রফিক স্বাক্ষরিত দুইটি পৃথক প্রজ্ঞাপনে এই দুই কর্মকর্তার বদলি ও পদায়নের আদেশ দেওয়া হয়। </p>
<p>আদেশে বদলিকৃত সচিব মোঃ মেহেদী উল সহিদকে কমিশনের কোন বিভাগের মহাপরিচালক করা হয়েছে সে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। <span>তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন শাখায় কাজ করেছেন, যার মধ্যে প্রশাসন-১ শাখা এবং বিধি-৪ শাখা উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও, তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েও সহকারী একান্ত সচিব-১ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।</span></p>
<p> </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্টারলিংক রিসেলার নিয়োগে আগ্রহপত্র আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/156503</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156503</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_689f395c5f7ec.jpg" length="26596" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 15 Aug 2025 17:43:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কৃত্রিম উপগ্রহ ভিত্তিক ইন্টারনেট সেবায় লাইসেন্সপ্রাপ্ত আইএসপি,ক্যাবল টিভি অপারেটর ও আইসিটি বা ইলেকট্রনিক্স সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক/সরবরাহকারী/ডিস্ট্রিবিউটরদের (প্রাসঙ্গিক লাইসেন্স ও অভিজ্ঞতা সহ) কাছ থেকে “রিসেলার পার্টনার” নিয়োগে আগ্রহপত্র (EOI) আহ্বান করেছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল)।</p>
<p>আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানকে ন্যূনতম ৩ কোটি টাকা প্রি-পেমেন্ট করার সক্ষমতা থাকতে হবে। তবে এই অর্থ ক্রয়ের বিপরীতে সমন্বয়যোগ্য। </p>
<p>নিজস্ব স্যাটেলাইট ছাড়াও সম্প্রতি বাংলাদেশে স্টারলিংক পণ্য ও সেবার প্রচার, পরিচালনা ও বাস্তবায়নের বাংলাদেশী পরিবেশক নিযুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড।</p>
<p>বিএসসিএল জানায়, নির্বাচিত রিসেলার পার্টনাররা নিজস্ব সক্ষমতায় স্টারলিংক সেবা প্রচার, ইনস্টলেশন ও পোস্ট-ইনস্টলেশন সহায়তা, রাজস্ব সংগ্রহ এবং চুক্তিভিত্তিক অন্যান্য দায়িত্ব পালন করবেন। আগ্রহীদের আগামী ২৭ আগস্ট বিকেল ৫টার মধ্যে আবেদন করতে হবে।</p>
<p>আবেদনের সময় আগ্রহী প্রতিষ্ঠানকে নিয়ন্ত্রক সংস্থা (BTRC, BTV ইত্যাদি) থেকে লাইসেন্সের অনুলিপি, বৈধ ট্রেড লাইসেন্সের অনুলিপি, সর্বশেষ ট্যাক্স রিটার্নসহ TIN-এর অনুলিপি, VAT রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের অনুলিপি, কোম্পানির গত ২ বছরের অডিট রিপোর্ট, সংশ্লিষ্ট শিল্পখাতে কমপক্ষে ২ বছরের কার্যক্রমের প্রমাণ, ক্লায়েন্ট বা গ্রাহক তালিকা, বিক্রয় ও প্রযুক্তি সহায়তা টিমের বিবরণ এবং নির্ধারিত ব্যাংক থেকে BDT ৩ (তিন) কোটি টাকার প্রি-পেমেন্টের আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ।</p>
<p> আগ্রহীদের বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে বিএসসিএল আগ্রহীদের জন্য একটি অনলাইন সেশন আয়োজন করবে। ১৯ আগস্ট ২০২৫ বিকেল ৫টার মধ্যে অনলাইনে নিবন্ধন করতে হবে। প্রি-ইওআই (pre-EOI) সভা ২০ আগস্ট অনলাইনে জুম প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। রেজিস্ট্রেশনের জন্য নির্ধারিত লিংক: https://tinyurl.com/BSCLPREEOI আবেদন করার সময় যেসব ডকুমেন্টস জমা দিতে হবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশি টাকায় ৭০টির বেশি দেশে রোমিং সুবিধা চালু করল রবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/156480</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156480</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_689e144fa2ca7.jpg" length="93748" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 14 Aug 2025 20:50:54 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিদেশ ভ্রমণে এখন থেকে ৭০টিরও বেশি দেশে বাংলাদেশি টাকায় পাওয়া যাবে রবি ও এয়ারটেলের রোমিং সুবিধা। বিদেশ ভ্রমণের সময় গ্রাহকরা সরাসরি তাদের মূল ব্যালান্স থেকে বাংলাদেশি টাকায় রোমিং প্যাক কিনতে পারবেন। ‘মাই রবি’ ও ‘মাই এয়ারটেল’ অ্যাপ ব্যবহার করে এটি কেনা যাবে। কোনো ক্রেডিট কার্ড বা ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্টের প্রয়োজন হবে না। বৈধ পাসপোর্ট, ভিসা ও ট্রাভেল টিকিট (প্রয়োজনে) থাকলে খুব সহজেই ‘মাই রবি’ ও ‘মাই এয়ারটেল’ অ্যাপ ব্যবহার করে রোমিং প্যাক কিনতে পারবেন গ্রাহক। প্রতি ভ্রমণে সর্বোচ্চ ৬ হাজার টাকা এবং প্রতি বছরে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত রোমিং প্যাক ব্যবহার করা যাবে। </p>
<p>১৪ আগস্ট, বৃহস্পতিবার রবির কর্পোরেট অফিসে সেবাটি চালুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গ্রাহকরা তাদের ভ্রমণের আগেই রোমিং প্যাক কিনে রাখতে পারবেন। তবে প্যাকটি কার্যকর হবে গন্তব্যে পৌঁছানোর পর থেকে। </p>
<div>
<p>সংবাদ সম্মেলনে রবি আজিয়াটা পিএলসির  চিফ কমার্শিয়াল অফিসার (সিসিও) শিহাব আহমাদ বলেন, আমাদের নতুন রোমিং প্যাকগুলোতে আছে বেশি ডাটা, উন্নত ফিচার ও বাজারের সবচেয়ে আকর্ষণীয় মূল্য। ভ্রমণকারীদের সবচেয়ে স্মার্ট পছন্দ হবে এটি। এতে রয়েছে সাশ্রয়ী ডাটা বান্ডেল, কম্বো অফার এবং এশিয়া-স্পেশাল প্যাক। খুব সহজেই ‘মাই রবি’ ও ‘মাই এয়ারটেল’ মাধ্যমে সুবিধাটি চালু করা যাবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগের যুগ্ম পরিচালক শাহজাহান আলী বলেন, রবির এই উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই। আমরা বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বিদেশে লেনদেন সহজ ও স্বচ্ছ করতে চাই। রবির নতুন এ সুবিধাটি সে লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। স্থানীয় মুদ্রায় রোমিং কেনার এই সুবিধা বাংলাদেশিদের ভ্রমণকে আরও সহজ করবে এবং ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্টের ওপর নির্ভরতা কমাবে।</p>
<p>“এটি বাংলাদেশের টেলিকম খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। বাংলাদেশি টাকায় রোমিং কেনার সুবিধা দিয়ে রবি গ্রাহকসেবা ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো।”</p>
<p>এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনি এবং উপপরিচালক ফারজানা রহমান। রবি আজিয়াটা পিএলসির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার, সাহেদ আলম, চিফ পিপল অফিসার, মুহাম্মদ শোয়েব বেগ, এবং হেড অফ মার্কেটিং শওকত কাদের চৌধুরীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।</p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইউএনএইচসিআর’র মাধ্যমে বৈধভাবে বাংলাদেশী সিম পাবে রোহিঙ্গারা</title>
<link>https://digibanglatech.news/156433</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156433</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_689c11eb06a3d.jpg" length="93171" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 13 Aug 2025 09:18:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মিয়ানমারের জান্তা সরকারের রোষে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গার জন্য আসছে নতুন সু সংবাদ। এবার <span></span>অবৈধ পথ ছেড়ে<span> বৈধ পথেই মোবাইল সংযোগ ও ইন্টারনেট সুবিধা পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা।</span></p>
<p><span>সূত্রমতে, আগামী ২৫ আগস্ট প্রধান উপদেষ্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের রোহিঙ্গা শিবিরে যাওয়ার কথা রয়েছে। সব ঠিক থাকলে ওই দিনই তিনি এই সেবাটি উদ্বোধন করতে পারেন। সেবাটি চালু করতে প্রথম ধাপে </span><span></span><span>জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনের (ইউএনএইচসিআর) মাধ্যমে বাংলাদেশের চারটি অপারেটরের  ১০ হাজারটি  সিম বরাদ্দ দেয়া হতে পারে।  ‘প্রোগ্রেস আইডি’র মাধ্যমে সেই সিমগুলো কিনতে পারবেন রোহিঙ্গারা। অবশ্য এ জন্য সরকারের সঙ্গে ইউএনএইচসিআর’র চুক্তি হয়েছে কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি লাইভ করতে দ্রুত কাজ চলছে বলে জানাগেছে। </span></p>
<p><span>সিম বিক্রির বিদম্যান নীতি অনুযায়ী, প্রত্যেক ক্রেতার জন্য শনাক্তকারী পরিচয়পত্র ও বায়োমেট্রিক প্রয়োজন হয়। যেহেতু রোহিঙ্গাদের সে ধরনের পরিচয়পত্র নেই, তাই তাদের সিম দেওয়ার জন্য বিকল্প উপায় হিসেবে ইউএনএইচসিআর’র ‘প্রোগ্রেস আইডি’র অ্যাকসেস পাওয়ার বিষয়ে গত ১১ অক্টোবর মোবাইল অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে (বিটিআরসি)। বৈঠক সূত্রে প্রকাশ, </span><span> সরকারের সঙ্গে চুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে ইউএনএইচসিআরের এই ডেটাবেজ সংরক্ষিত থাকবে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) ডেটা সেন্টারে। কিন্তু এই ডেটাবেজ বাংলাদেশ সরকারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শেষ হতে আগামী নভেম্বর পর্যন্ত সময় লাগবে। এরপর সেখান থেকে মোবাইল অপারেটররা গ্রাহকের নাম নিবন্ধন করবেন। এরপর </span>অপারেটররা তিন ধরনের প্যাকেজ অফার কররতে পারবে। এই প্যাকেজের খরচ ও সিমের দাম দেবে ইউএনএইচসিআর বা সরকার। <span> ‘প্রোগ্রেস আইডি’র বিপরীতে ১৮ বছরের বেশি বয়সীরা সিম পাবেন।</span> নতুন সিম দেওয়ার পর বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে যেসব অবৈধভাবে সিম চলছে, সেগুলো বন্ধ করে দেবে সরকার। <span>এতে করে ওই এলকায় চালু থাকা প্রায় ৪ লাখ সিম বন্ধ হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। </span></p>
<p>তবে বিষয়টি এখনো আলোচনা পর্যায়ে রয়েছে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন <span>বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী। </span></p>
<p>রোহিঙ্গাদের জন্য সিমের নিবন্ধনের প্রক্রিয়াটিকে সহজ করার অনুরোধ জানিয়েছেন, বাংলালিংকের হেড অব করপোরেট অ্যাফেয়ার্স তাইমুর রহমান। তিনি বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার ইস্যুতে এটা জরুরী। তবে এজন্য নিবন্ধন প্রসেসটা সহজ হতে হবে। </p>
<p>প্রসঙ্গত, <span>অবৈধভাবে দেশি অপারেটরের সিম এবং মিয়ানমারের সিম ব্যবহারের মাধ্যমে রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরকেন্দ্রিক বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটাচ্ছে বলে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৩ সালে রোহিঙ্গাদের সিম দেওয়ার চিন্তা করে তৎকালীন সরকার। সে সময় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেলিটক সিম ব্যবহারের আলোচনা হয়েছিল। তবে এবার সব অপারেটরকেই এই সেবার সুযোগ দিতে যাচ্ছে বিটিআরসি। </span></p>
<p> </p>
<p><span></span></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৫জি ও ডেটা সেন্টারে বিনিয়োগে আজিয়াটা&#45;কে প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/156412</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156412</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_689b2fb4aaf8e.jpg" length="97296" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 12 Aug 2025 17:32:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মালয়েশিয়ার শীর্ষস্থানীয় টেলিকম প্রতিষ্ঠান আজিয়াটাকে বাংলাদেশে তাদের সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান রবি’র মাধ্যমে ৫জি সেবা চালু এবং ডেটা সেন্টারে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। ১২ আগস্ট, মঙ্গলবার আজিয়াটার গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহরিল রিজা রিদজুয়ানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় তিনি এই আহ্বান জানান। একইসঙ্গে বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর জন্য সরকার লাইসেন্সের প্রক্রিয়া সহজ করছে বলেও আশ্বস্ত করেন ড. ইউনূস। </p>
<p>এ সময় পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, বিডা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং এসডিজি বিষয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আজিয়াটার গ্রুপের প্রধান নিয়ন্ত্রক ও সরকারি বিষয়ক কর্মকর্তা ফুং চি কিয়ং এবং গ্রুপের প্রধান ব্যবসা ও প্রযুক্তি কর্মকর্তা থমাস হুন্ডট।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানিয়েছেন, সাক্ষাৎকালে অধ্যাপক ইউনূস আরও বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতি এবং ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য উচ্চগতির ইন্টারনেট অপরিহার্য। সরকার বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য আরও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া সহজ করছে।</p>
<p>এসময় প্রধান উপদেষ্টা বেসরকারি খাত ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p>মোবাইল ফোন অপারেটর রবির প্রধান শেয়ারহোল্ডার আজিয়াটা বেরহাদ গ্রুপের প্রধান নির্বাহী বিবেক সূদ জানান, তারা ইতিমধ্যে বাংলাদেশে ৫জি ট্রায়াল সম্পন্ন করেছেন এবং ৫জি সেবায় বিনিয়োগের ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছেন। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে পূর্ণাঙ্গ ৫জি সেবা চালুর জন্য দেশের ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ জরুরি।</p>
<p>তিনি আরও জানান, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অ্যাক্সিয়াটা বাংলাদেশে প্রায় ২০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে এবং ডেটা সেন্টারের জন্য যৌথ উদ্যোগে অংশীদারিত্ব করতেও আগ্রহী। তবে, ব্যয়বহুল স্পেকট্রাম ফি এবং জটিল লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাধা হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।</p>
<p> বিবেক সুদ বলেন, তাদের কোম্পানি (রবি) বাংলাদেশে ৫জি ট্রায়াল সম্পন্ন করেছে। তবে পূর্ণাঙ্গ ৫জি চালুর জন্য ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ জরুরি। </p>
<p>অনুষ্ঠানে কৃত্রিম হাত ও পা তৈরি করা ২২ বছর বয়সী লাভলু বড়ুয়ার স্টার্টআপ রোবোলাইফে রবি’র পক্ষ থেকে সিড মানি দেয়ার বিষয় তুলে ধরেন বিডা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন। মালয়েশিয়ার কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে এই রকম ছোট ছোট বিনিয়োগ বাংলাদেশের তরুণদের ক্ষমতায়ন ও সামাজের উন্নয়নে দারুণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। </p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টেলিটক বাঁচাতে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/156392</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156392</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67c812ec323a6.jpg" length="54439" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 12 Aug 2025 08:28:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর হিসেবে টেলিটক’র সেবা বাড়াতে প্রয়োজনীয় তরঙ্গ বরাদ্দে ভারত ও পাকিস্তান সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারি মালিকানাধীন কৌশলগত টেলিযোগাযোগ কোম্পানিকে প্রদত্ত প্রিমিয়াম স্পেক্ট্রাম বরাদ্দের লক্ষ্যে নীতি সংশোধনে খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের কাছে পরামর্শ চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারি ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। </p>
<p>দুর্যোগ প্রবণ অঞ্চলে ভয়েস, ডেটা এবং ডিজিটাল সেবার কভারেজ ও  ক্যাপাসিটি সম্প্রসারণ (যেখানে বাণিজ্যিক প্লেয়াররা যেতে চায় না, কিংবা তাদের বিনোয়োগ আনুপাতিক হারে কম), বাজার প্রতিযোগিতা সমন্নুত রাখা (সিগ্নিফিক্যান্ট মার্কেট পাওয়ার (এসএমপি) ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা) গ্রাহক অনুকূলে মোবাইল কল ও ইন্টারনেট মূল্য মান সুরক্ষা এবং তরঙ্গ বরাদ্দ প্রক্রিয়াকে প্রতিযোগিতামূলক রাখার শর্তে এই আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।  </p>
<p>তিনি বলেছেন, দেশজুড়ে প্রতিযোগী অপারেটরদের তুলনায় কম স্পেকট্রাম বরাদ্দ পেয়ে নেটওয়ার্ক সেবা প্রদান করছে। প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু থেকে বিভিন্ন সময়ে তার চাহিদা অনুসারে স্পেকট্রাম চেয়েছে। তবে দেশের সার্বিক গ্রাহক সংখ্যা ও নেটওয়ার্ক পরিকাঠামোর পরিসর বিবেচনায় প্রতিটি স্পেকট্রাম ব্যান্ডেই টেলিটক অন্যান্য অপারেটরের তুলনায় সামঞ্জস্যপূর্ণ বরাদ্দ পায়নি, বরং স্বল্পতর এবং নগণ্য স্পেকট্রাম বরাদ্দ পেয়েছে। শুরুর দিকে টেলিটক সিমে নাগরিকদের ব্যাপক চাহিদা থাকার পরেও এক-দেড় দশকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গ্রাহক একুইজেশন করতে পারেনি বলে টেলিটকের দুর্বল ম্যানেজমেন্ট নিজেও এর জন্য দায়ী বলে মনে করি।  </p>
<p>‘বিগত সরকার টেলিটককে চূড়ান্ত পর্যায়ে অকার্যকর রেখে গিয়েছে, এটা এখন আমাদের গলা কাঁটা পর্যায়ে চলে এসেছে’ মন্তব্য করে তিনি জানিয়েছেন, দেশের প্রধানতম মোবাইল কোম্পানিগুলোর তুলনায় টেলিটকের বেজ স্টেশন বা মোবাইল টাওয়ার সংখ্যা টুজিতে প্রায় পাঁচ ভাগের একভাগ, ফোরজিতে দশভাগের একভাগ মাত্র। এরকম নগণ্য টাওয়ার দিয়ে মানসম্পন্ন ভয়েস ও ইন্টারনেট সেবাদান প্রায় অসম্ভব। এক্ষেত্রে তৈরি হয়েছে নতুন সমস্যা, গ্রামীণ এলাকার যেখানে টেলিটকের বিনিয়োগ নেই যেখানে তরঙ্গ নষ্ট হচ্ছে। </p>
<p>ডাক. টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারি বলেছেন, আমরা দায়িত্ব নেয়ার পরে টেলিটকের ক্ষেত্রে দেখছি যে, মানসম্পন্ন ফোরজি সেবা দেয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানটির লো-ব্যান্ড তরঙ্গ একেবারেই নেই, মিড-ব্যান্ডে সামান্য তরঙ্গ রয়েছে, অন্যদিকে আপার মিড-ব্যান্ডে প্রাপ্ত তরঙ্গ ব্যবহারের জন্য কোন বিনিয়োগ ছিল না। আওয়ামী লীগ জি-টু-জি চুক্তিতে কিছু ফান্ড এনেছিল তবে সেটা দুর্নীতির মাধ্যমে অপখরচ ও লুটপাট করেছে, কিছুই অবশিষ্ট নেই। সবমিলে বিগত সরকারের আমলে দূরদর্শী পরিকল্পনা এবং পর্যাপ্ত বিনিয়োগের অভাবে প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যমান বিটিএস সাইট সংখ্যা অপ্রতুল হওয়ায় বরাদ্দকৃত স্পেকট্রামের পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। তবে সুন্দরবন, হাওর ও পার্বত্য অঞ্চলের মতো দুর্গম এলাকায় টেলিটকের নেটওয়ার্ক কভারেজ তুলনামূলকভাবে ভালো থাকায় এবং গ্রাহকসেবার চাহিদা পূরণে বরাদ্দকৃত তরঙ্গের ভাল ব্যবহার হচ্ছে, এসব এলাকায় তরঙ্গের স্বল্পতাও আছে।</p>
<p>এমন বিরূপ পরিবেশ থেকে উত্তরণে টেলিটকের স্পেকট্রাম বরাদ্দের বিপরীতে বিটিআরসির বকেয়া অর্থ ইক্যুইটি খাতে অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে বিগত সময়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ কর্তৃক অর্থ মন্ত্রণালয়ে ইক্যুইটিতে রূপান্তরের একটি প্রস্তাব প্রেরণ করেছে বলেও জানান ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি বলেছেন, বিষয়টি নিরসন হলে বকেয়া অর্থ সরকারের এক খাত থেকে অর্থ অন্য খাতে স্থানান্তর করা যাবে। প্রস্তাবটি অনুমোদিত হলে টেলিটকের স্পেকট্রাম সংক্রান্ত বকেয়া দায় নিষ্পত্তি করা সম্ভব হতে পারে। তবে এক্ষেত্রে পার্শ্ববর্তী দেশসমূহের ন্যায় নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেলিটকের অনুকূলে তরঙ্গ বরাদ্দ দেয়া যায় কিনা সেটাও বিবেচনায় নেয়া যেতে পারে, সেক্ষেত্রে ভবিষ্যতে এরূপ বকেয়া সংক্রান্ত জটিলতা এড়ানো সম্ভব হবে।</p>
<p>‘টেলিটক রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি হওয়ায় তরঙ্গ ক্রয়ের মূলধন কার্যত সরকারের বরাদ্দকৃত ফান্ডের উপর বর্তায়। বাংলাদেশে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় পরস্পরের কাছে, মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সংস্থা সমূহের নিজেদের মধ্যে বকেয়া এবং পাওনা বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চলমান ইস্যু রয়েছে। মন্ত্রণালয় মন্ত্রণালয়ের কাছে এবং একই মন্ত্রণালয়ের দপ্তর সংস্থাগুলোর নিজেদের মধ্যে বকেয়া ও লেনদেনের ইস্যু বিদ্যমান। সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে পাওনার এসব বিষয় একটি স্বাভাবিক চিত্র। তাই এটাকে ইস্যু করে কৌশলগত খাতের সেবাদানকারী হিসেবে টেলিটকের তরঙ্গ প্রাপ্তি বন্ধ বা এ জাতীয় সরলীকৃত ধারণা বা চিন্তাকে মন্ত্রণালয় এন্টারটেইন করে না। বরং দুর্যোগ প্রবণ অঞ্চলে কভারেজ ক্যাপাসিটি সম্প্রসারণের গুরুদায়িত্ব পালন (যেখানে বাণিজ্যিক প্লেয়াররা যেতে চায় না), বাজার প্রতিযোগিতা ও সিগ্নিফিক্যান্ট মার্কেট পাওয়ার (এসএমপি) ঠিক রাখা, গ্রাহক অনুকূলে মোবাইল কল ও ইন্টারনেট মূল্য মান সুরক্ষা এবং তরঙ্গ বরাদ্দ প্রক্রিয়াকে প্রতিযোগিতামূলক রাখার জন্য ভারত ও পাকিস্তান সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারি মালিকানাধীন কৌশলগত টেলিযোগাযোগ কোম্পানিকে প্রিমিয়াম স্পেক্ট্রাম বরাদ্দের চর্চা আছে’- যোগ করেন তিনি।</p>
<p>১১ আগস্ট, সোমবার মধ্যরাতে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে এ বিষয়ে <span>নাগরিক প্রত্যাশাকে গুরুত্ব বিবেচনায় সেলুলার মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানে তরঙ্গ বরাদ্দ প্রশ্নে ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পলিসি ঠিক কী হওয়া দরকার- সে বিষয়ে এই খাতে দেশে বিদেশে কর্মরত বিশেষজ্ঞদের মতামত চেয়েছেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তার এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে মন্তব্যের ঘরে অনেকেই পরামর্শ দিতে শুরু করেছেন। </span></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ব্যালেন্স থেকে রোমিং প্যাক চালু করলো গ্রামীণফোন</title>
<link>https://digibanglatech.news/156275</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156275</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_6894e0ca59706.jpg" length="92706" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 07 Aug 2025 17:22:32 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মোবাইল ব্যালেন্স দিয়ে টাকায় রোমিং প্যাক কেনার সুবিধা চালু করেছে মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন। এজন্য এরই মধ্যে প্রয়োজনীয় বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অনুমোদন নিয়েছে অপারেটরটি।</p>
<p> ৮ আগস্ট, বৃহস্পতিবার অপারেটরটি জানিয়েছে, দেশে প্রথমবারের মতো এই সেবা চালু করায় এখন থেকে বৈদেশিক মুদ্রা ছাড়াই রোমিং সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকরা। এজন্য গ্রাহককে একটি প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে যেখানে গ্রাহকের বৈধ পাসপোর্ট, ভিসা ও টিকিট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)  এর নম্বর উল্লেখ করতে হবে। এছাড়াও প্রত্যয়নপত্রে  প্রতি ট্রিপে রোমিং ব্যয় ছয় হাজার টাকা এবং বছরে মোট রোমিং ব্যয় (সকল মোবাইল নম্বর ও অপারেটর মিলিয়ে) ত্রিশ হাজার টাকার বেশি হওয়া যাবে না। এই শর্ত মেনে ভ্রমণের আগে মাইজিপি অ্যাপের মাধ্যমে মোবাইল ব্যালেন্স ব্যবহার করে সহজে রোমিং প্যাক এক্টিভ করতে হবে।</p>
<p>রোমিংয়ে দেশ ভিত্তিক প্যাকে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর ভ্রমণের ক্ষেত্রে রয়েছে ১০ দিনের বিশেষ ট্রাভেল প্যাক ঘোষণা করেছে গ্রামীণফোন। এছাড়াও রোমিং সেবার আওতায় ইনকামিং এসএমএস সম্পূর্ণ ফ্রি করা হয়েছে।</p>
<p>গ্রামীণফোনের চিফ প্রোডাক্ট অফিসার (সিপিও) সোলায়মান আলম বলেন, “টেলিকম খাত এবং আমাদের গ্রাহকদের জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। এমন একটি অগ্রসরমূলক পদক্ষেপ চালু করতে আমাদেরকে আন্তরিক সহায়তা প্রদান ও  ক্ষমতায়নের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে ধন্যবাদ। এখন থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে ও বিশ্বমানের সংযোগ ব্যবহার করে নিজের মোবাইল নম্বর দিয়েই প্রিয়জনদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারবেন ভ্রমণকারীরা। এই প্রক্রিয়াটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করায় বিটিআরসির প্রতিও আমাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।”<br> <br>প্রসঙ্গত, প্রতি বছর ১ কোটি ৫০ লাখের বেশি বাংলাদেশি বিদেশ ভ্রমণ করেন। বিদেশি সিম কার্ড কেনার জন্য এসব গ্রাহকদের আর লাইনে দাঁড়ানোর ঝক্কি পোহাতে হবে না।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গ্রামীনের সিমে সুদবিহীন কিস্তিতে স্মার্টফোন দেবে ইবিএল</title>
<link>https://digibanglatech.news/156150</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156150</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_688f51e4c4d92.jpg" length="107915" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 03 Aug 2025 14:11:30 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>গ্রামীণফোন গ্রাহকদের জন্য ২৪ মাসের সুদবিহীন কিস্তিতে স্মার্টফোন কেনার সুযোগ দেবে ইস্টার্ন ব্যাংক। এ উপলক্ষে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে।</p>
<p>৩ আগস্ট গণমাধ্যমকে জানানো হয়েছে, রাজধানীর জিপি হাউজে সম্প্রতি গ্রামীণফোনের হেড অব পার্টনারশিপস মুনিয়া গনি এবং ইবিএল’র হেড অব কার্ডস তাসনিম হোসেন এই সমঝোতা স্মারকটি সই করেন।</p>
<p>এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চুক্তির অধীনে গ্রামীণফোনের গ্রাহকরা আগামী ১০ আগস্ট থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পার্টনার আউটলেট থেকে ইবিএল’র ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে জিরো পার্সেন্ট ইএমআই অফারটি গ্রহণ করতে পারবেন। প্রথম সারির স্মার্টফোন ব্র্যান্ড স্যামসাং, শাওমি (এমআই), ভিভো, অপ্পোসহ গেজেট অ্যান্ড গিয়ার’র মতো মাল্টি ব্র্যান্ড রিটেলারের কাছ থেকে স্মার্টফোনগুলো কিনতে পারবেন গ্রাহকরা। এক্ষেত্রে ২৯০০০ নম্বরে এসএমএস করে গ্রাহকদের জেনে নিতে হবে তিনি এই সুযোগ পাওয়ার যোগ্য কি না। </p>
<p>এ নিয়ে গ্রামীণফোনের হেড অব পার্টনারশিপস মুনিয়া গনি বলেন, “ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে সমাজের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে কাজ করছে গ্রামীণফোন। এই পার্টনারশিপ প্রমাণ করে, টেলিকম ও ফিনটেক খাতের যৌথ উদ্যোগ কীভাবে গ্রাহকদের জন্য সর্বাধুনিক প্রযুক্তির দরজা খুলে দিতে সক্ষম। এতে সুদবিহীন ও দীর্ঘমেয়াদি কিস্তির মাধ্যমে স্মার্টফোন ব্যবহারের সুযোগ উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকরা, যা তাদের ডিজিটাল জীবনধারাকে আরও সহজ করে তুলবে।”</p>
<p>ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি’র হেড অব কার্ডস তাসনিম হোসেন বলেন, “উদ্ভাবন, সুবিধাজনক সেবা এবং সাশ্রয়ী সমাধানের সমন্বয়ে গ্রামীণফোনের সাথে এমন একটি অনন্য উদ্যোগে গ্রহণ করতে পেরে আমরা আনন্দিত। আজকের সংযুক্ত গ্রাহকদের জন্য আর্থিক সুবিধা এবং স্মার্ট ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে সংকল্পবদ্ধ ইবিএল।”<br><br></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এয়ারটেলে ৫ দিনের বিশেষ লাকি আওয়ার অফার</title>
<link>https://digibanglatech.news/156108</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156108</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_688c2142f3323.jpg" length="65908" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 01 Aug 2025 07:07:32 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt;">ফের </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">লাকি</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আওয়ারে</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ফিরেছে রবি<span style="font-size: 11.0pt;"> </span>আজিয়াটা<span style="font-size: 11.0pt;"> </span>পিএলসির<span style="font-size: 11.0pt;"> </span>ব্র্যান্ড<span style="font-size: 11.0pt;"> </span>এয়ারটেল।</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আগামী</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">১</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আগস্ট</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">থেকে</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">৫</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আগস্ট</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পর্যন্ত</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রতিদিন</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এয়ারটেল</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গ্রাহকরা</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উপভোগ</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করতে</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পারবেন</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">নানা</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ধরনের</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">চমক।</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এর</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মধ্যে</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">থাকবে</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ক্যাশব্যাক</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অফার</span><span style="font-size: 11.0pt;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">১০০</span><span style="font-size: 11.0pt;">% </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ইন্টারনেট</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বোনাস</span><span style="font-size: 11.0pt;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বিশেষ</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ডেটা</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্যাক</span><span style="font-size: 11.0pt;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ওটিটি</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গেমিং</span><span style="font-size: 11.0pt;">-</span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এর</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জন্য</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দারুণ</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সব</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ডিল।</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রতিদিনই</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">নতুন</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">একটি</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অফার</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">চালু</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হবে</span><span style="font-size: 11.0pt;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">যা</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">২৪</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ঘণ্টার</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জন্য</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কার্যকর</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">থাকবে।</span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এয়ারটেলের</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সকল</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রিপেইড</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পোস্টপেইড</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গ্রাহক</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এই</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বিশেষ</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অফার</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উপভোগ</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করতে</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পারবেন।</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অফারগুলো</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পাওয়া</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">যাবে</span><span style="font-size: 11.0pt;"> My Airtel </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অ্যাপ</span><span style="font-size: 11.0pt;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ইউএসএসডি</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কোড</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ডায়াল</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করে</span><span style="font-size: 11.0pt;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ব্যালান্স</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রিচার্জ</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করে</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অথবা</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বিকাশ</span><span style="font-size: 11.0pt;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">নগদসহ</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বিভিন্ন</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মোবাইল</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ফাইন্যান্সিয়াল</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সার্ভিস</span><span style="font-size: 11.0pt;"> (</span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এমএফএস</span><span style="font-size: 11.0pt;">) </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এর</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মাধ্যমে।</span><span style="font-size: 11.0pt;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ক্যাম্পেইনটি</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">নিয়ে</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এয়ারটেল</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মার্কেটিং</span><span style="font-size: 11.0pt;">-</span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এর</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিচালক</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মোঃ</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মনিরুজ্জামান</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বলেন</span><span style="font-size: 11.0pt;">,“</span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এয়ারটেল</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সবসময়ই</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">একটি</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গ্রাহককেন্দ্রিক</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ব্র্যান্ড</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এবং</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আমাদের</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মূল্যবান</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গ্রাহকদের</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সর্বোত্তম</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সেবা</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দিতে</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আমরা</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সর্বদা</span><span style="font-size: 11.0pt;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।</span><span style="font-size: 11.0pt;">”<o:p></o:p></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১০টির বেশি সিম ডিআ্যাকটিভের  নির্দেশনা দিলো বিটিআরসি</title>
<link>https://digibanglatech.news/156090</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156090</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_686cc6918d2dd.jpg" length="78837" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 31 Jul 2025 10:26:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>একজন গ্রাহকের নামে ১০টির বেশি মোবাইল সিম নিবন্ধিত থাকলে অতিরিক্ত সিমগুলো আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট অপারেটরের মাধ্যমে ডি-রেজিস্টার করার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।</p>
<p>৩১ জুলাই, বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের এ বিষয়ে সতর্ক করে বিটিআরসির বার্তায় বলা হয়েছে, “এক ব্যক্তির নামে ১০টির অধিক সিম থাকলে অতিরিক্ত সিমসমূহ ৩০ অক্টোবরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট অপারেটরের মাধ্যমে ডি-রেজিস্ট্রার করুন। *16001# ডায়াল করে নিবন্ধিত সিমের তথ্য জানুন।”</p>
<p>বিটিআরসির নির্দেশনা অনুযায়ী, একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ১০টি সিম রাখতে পারবেন। নির্ধারিত সংখ্যার বেশি সিম থাকলে তা অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে এবং সেগুলো যেকোনো সময় বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। বিটিআরসি জানিয়েছে, অবৈধ সিম ব্যবহার রোধ, সাইবার অপরাধ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গ্রাহকদের নিজ উদ্যোগে সিম যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা অতিরিক্ত সিম নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বন্ধ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।</p>
<p>সময়মতো ডি-রেজিস্ট্রেশন না করলে গ্রাহককে আইনগত জটিলতায় পড়তে হতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সিম যাচাইয়ের সহজ উপায়; নিজ নামে কয়টি সিম চালু রয়েছে তা জানতে *16001# ডায়াল করে সহজেই যাচাই করা যাবে। ফিরতি এসএমএসে সকল সিম নম্বরের তালিকা পাঠানো হবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব হলেন আব্দুন নাসের খান</title>
<link>https://digibanglatech.news/156085</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156085</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_688a411170466.jpg" length="42804" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 30 Jul 2025 21:05:36 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>অতিরিক্ত সচিব  থেকে সচিব পদে পদোন্নতি পেয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব হলেন আব্দুন নাসের খান। বেসামরিক পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে পদায়ন পেয়ে এই পদে আসীন হলেন তিনি।  আব্দুন নাসের খান (৬৩৫৪) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) এবং পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিচালক ছাড়াও  পরবর্তীতে যুগ্ম-সচিব হিসেবে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। </span></p>
<p><span>গত বছরের ২৫ আগষ্ট যখন  প্রশাসনে বঞ্চিত ১৩১ জন যুগ্মসচিবকে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দেয়া হয় তখন তিনি অতিরিক্ত সচিবের দায়িত্ব পান।  </span></p>
<p><span>৩০ জুলাই, বুধবার এ নিয় প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সাবেক সচিব ড. মোঃ মুশফিকুর রহমান অবসরে যাওয়ায় এই বিভাগের রুটিন দায়িত্ব পালন করছিলেন জহিরুল ইসলাম।  </span></p>
<p><span>এদিকে এই প্রজ্ঞাপন জারির পর রাত সাড়ে ৮টা থেকেই ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা যাচ্ছে না। সেখানে ৫০৩ এর দেখাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে ওয়েবসাইটে তথ্য হালনগাদ করতেই হয়তো সাময়িক এই সীমাবদ্ধতা তৈরি করা হয়েছে। </span><span></span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x_688a42c7d6d39.jpg" alt=""></p>
<p><span></span>এদিকে একই দিনে মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) তসলিমা কানিজ নাহিদাকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে বাংলাদেশ সরকারি কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক (ডিজি) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারি কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালকের পদটি সচিব পদমর্যাদার।</p>
<p>আলাদা প্রজ্ঞাপনে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. নূরুল বাসিরকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। </p>
<p>এছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব নুজহাত ইয়াসমিনকে প্রেষণে বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নিয়োগ দিয়ে তার চাকরি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ন্যস্ত করা হয়েছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আগষ্টে শুরু হবে ১০টির বেশি নিবন্ধিত সিম বাতিল প্রক্রিয়া</title>
<link>https://digibanglatech.news/156061</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156061</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_686cc6918d2dd.jpg" length="78837" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 30 Jul 2025 11:32:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>বর্তমানে একটি পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ ১৫টি সিম নিবন্ধন করা যায়। এই সংখ্যা ১০টিতে নামিয়ে আনার উদ্যোগ বাস্তবায়ন শুরু হবে আগামী </span><span>১ আগস্ট থেকে। তবে নিবন্ধিত অতিরিক্ত ৫টি সিম বাতিল করতে নভেম্বের পর্যন্ত সময় পাবেন গ্রাহকরা। </span></p>
<p><span>বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা- বিটিআরসি সূত্রে এ তথ্য জানাগেছে। সূত্রমতে, গত মে মাসে বিটিআরসির ২৯৬তম কমিশন সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০টির অতিরিক্ত সিম বন্ধ করে দেয়া হবে। তার আগে গ্রাহকদের অতিরিক্ত সিম বন্ধ করতে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি দেবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এর পরই</span><span> বাড়তি সিমগুলো বন্ধ বা ডিরেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু হবে। আর পুরো প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে ৫ থেকে ৬ মাস সময় লাগতে পারে। </span></p>
<p><span>এই উদ্যোগ বাস্তাবয়ন হলে বিদ্যমান নিবন্ধিত ২৬ লাখ ব্যবহারকারীর ৬৭ লাখ সিম বন্ধ হয়ে যাবে। বলে ধারণা করা হচ্ছে। </span></p>
<p><span>জানাগেছে, নতুন মাসেই অতিরিক্ত সিম ডিরেজিস্ট্রেশন করতে ওয়েবসাইটে এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও প্রচার করবে অপারেটররা। এ ছাড়া বিটিআরসির পক্ষ থেকে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক বা অনলাইন সংবাদমাধ্যমে এ বিষয়ে গ্রাহকদের অবহিত করা হবে।</span></p>
<p><span>এর আগে নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে মোবাইল অপারেটরদের এ–সংক্রান্ত নির্দেশনা জানিয়ে দেওয়ারর কথা ছিলো। তবে মোবাইল অপারেটররা জানায়, তারা এখনো কোনো নির্দেশনা পায়নি।</span></p>
<p>বিটিআরসির দেয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত প্রকৃত সিম ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৬ কোটি ৭৫ লাখ ৯২ হাজার ৭৪৫। এর মধ্যে ৮০ দশমিক ৩২ শতাংশ ব্যবহারকারীর নামে ৫টি বা তার কম সিম রয়েছে। ৬ থেকে ১০টি সিম রয়েছে ১৬ দশমিক ২৩ শতাংশ ব্যবহারকারীর কাছে। ১১ থেকে ১৫টি সিম ব্যবহারকারী মাত্র ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ।</p>
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text story-element-text-blurb">
<p></p>
</div>
</div>
<p></p>
<p><span></span></p>
<p><span></span></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মোবাইল গ্রাহকের দুর্ভোগ কমাতে ডিএনসিআরপি’র ৫ সিদ্ধান্ত</title>
<link>https://digibanglatech.news/156031</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156031</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_6887c73d3c498.jpg" length="103800" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 28 Jul 2025 20:54:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কেবল ডাটা ও মিনিট নিয়ে নয়, কল ড্রপ, ডেড কলসহ মোবাইল ফোন অপারেটরদের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ গ্রাহকদের। ভোক্তাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত এমন কিছু অভিযোগ অপারেটরদের পাশাপাশি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরিস’র প্রতিনিধির সামনে তুলে ধরেলো ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর (ডিএনসিআরপি)। সভায় বিটিআরসি’র সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিস বিভাগের উপ-পরিচালক খালেদ ফয়সাল রহমান, বাংলাদেশ মোবাইল টেলিকম অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মোঃ জুলফিকার এবং গ্রামীনফোন, রবি, বাংলালিংক, টেলিটক প্রতিনিধি, বিটিআরসি প্রতিনিধি ও  উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>২৮ জুলাই সোমবার ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে অধিদপ্তরের পরিচালক (অভিযোগ ও তদন্ত) মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম বলেন, গ্রাহকরা বিভিন্ন সময় মোবাইল ফোন অপারেটরদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করছেন। কিন্তু অপারেটররা নিয়মিত অভিযোগের শুনানিতে উপস্থিত থাকছেন না, কোন কোন অপারেটরের পক্ষে ক্রমাগত সময় চাওয়ায় অভিযোগগুলো নিষ্পত্তিতে বিলম্ব হচ্ছে।</p>
<p>ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলিম আখতার খানের সভাপতিত্বে সভায় এসব অভিযোগ তুলে ধরে সেগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি ও ভোক্তাসাধারণের স্বার্থে পাঁচটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x_6887c9dfbdd10.jpg" alt=""></p>
<p><strong></strong>সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মোবাইল ফোন অপারেটররা অধিদপ্তরে দাখিল করা অভিযোগগুলো আগামী ৭ (সাত) দিনের মধ্যে যাচাই বাছাই করে নিষ্পত্তিযোগ্য অভিযোগগুলো নিজ উদ্যোগে নিষ্পত্তি করে বাস্তবায়ন প্রতিবেদন দাখিল করবেন। যেসব অভিযোগের বিষয়ে অপারেটররা দ্বিমত করবেন সেসব অভিযোগ যথারীতি শুনানির মাধ্যমে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিষ্পত্তি করবে। শুনানিতে নিয়মিত উপস্থিত থাকার জন্য অপারেটররা নির্দিষ্ট কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেবেন।</p>
<p>পাশাপশি অভিযোগের গ্রহণযোগ্যতা/আমলযোগ্যতা যাচাইয়ে যেসব টেকনিক্যাল বিষয় বিবেচনায় নিতে হবে, অপারেটররা সেসব বিষয়ের একটা চেকলিস্ট তৈরি করে আগামী ৭ (সাত) দিনের মধ্যে অধিদপ্তরে পাঠাবেন।</p>
<p>এছাড়াও অব্যবহৃত ডাটা ও মিনিট পরবর্তী প্যাকেজের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার প্রযোজ্য শর্তাবলি স্পষ্ট করে ব্যবহারকারীকে জানাতে হবে। একইভাবে কাস্টমার কেয়ার প্রতিনিধির সঙ্গে কোন অভিযোগের বিষয়ে কথা বলার সময়ে অভিযোগকারীর সীম থেকে কলচার্জ বাতিল/গ্রহণযোগ্য করার সম্ভাব্যতা পরীক্ষা করে মোবাইল ফোন অপারেটররা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।</p>
<p>সবশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পুরোনো সিম নতুন করে বিক্রয়ের ক্ষেত্রে সিমের প্যাকেটে পরিষ্কার ভাষায় ইংরেজিতে ‘Re-Used’ এবং বাংলায় ‘পূর্বে-ব্যবহৃত’ লিখতে হবে যাতে সিম ক্রয়ের আগেই ভোক্তা তা জানতে পারেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রবির দ্বিতীয় প্রান্তিকে মুনাফা বেড়েছে ১৩৩ শতাংশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/156017</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156017</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_68263b70f3865.jpg" length="62671" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 28 Jul 2025 16:35:54 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>২০২৫ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় পুঁজিবাজারে তালিকভূক্ত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম টেলিকম অপারেটর রবি আজিয়াটার মুনাফা বেড়েছে ১৩৩ শতাংশ। </p>
<p>২৮ জুলাই, সোমবার কোম্পানির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য বিবরণী থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। অপারেটরিটির দ্বিতীয় প্রান্তিতের আর্থিক তথ্য বিবরণী অনুযায়ী, আলোচ্য প্রান্তিকে রবির শেয়ারপ্রতি আয় (EPS) হয়েছে ০.৪৯ টাকা, যা ২০২৪ সালের একই প্রান্তিকে ছিল ০.২১ টাকা।</p>
<p>চলতি বছরের প্রথম ছয় মাস শেষে কোম্পানির মোট শেয়ারপ্রতি আয় দাঁড়িয়েছে ০.৭৩ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭৮ শতাংশ বেশি (২০২৪ সালের প্রথমার্ধে ছিল ০.৪১ টাকা)।</p>
<p>চলতি বছরের জুন শেষে রবির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (NAV) দাঁড়িয়েছে ১২.৩১ টাকা।</p>
<p>আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) রবির শেয়ারের মূল্য ২.৬১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ২৭.৫০ টাকায়।</p>
<p>এই মুনাফা বৃদ্ধির পেছনে অপারেটরটির কার্যকর ব্যয়-নিয়ন্ত্রণ কৌশল এবং ডেটা থেকে রাজস্ব বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিচালন দক্ষতার উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অবিলম্বে পার্বত্য চট্টগ্রামে অপহৃত ৪ টেলিকম কর্মীকে উদ্ধারের  দাবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/156012</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156012</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_688724471103d.jpg" length="113539" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 28 Jul 2025 12:18:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span class="x3jgonx">মোবাইল টাওয়ার রক্ষণাবেক্ষণে গিয়ে তিন মাস ধরে অপহৃত চার টেলিকম কর্মীকে দ্রুত তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়াসহ ৫ দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রাইভেট টেলিকমিনিউকেশন কর্মচারী ইউনিয়ন। বাকি দাবির মধ্যে রয়েছে অপহরণকারীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা, পার্বত্য এলাকায় কর্মরত টেলিকম শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, টাওয়ার পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহিতা ও নজরদারি বৃদ্ধি করা এবং প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত ও আন্তরিক পদক্ষেপ নিশ্চিত করা। </span></p>
<p>২৮ ‍জুলাই, <span class="x3jgonx">সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি হলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি উত্থাপন করা হয়। </span></p>
<p><span class="x3jgonx">সংবাদ সম্মেলনে টেলিকম ইউনিয়নের সভাপতি মো. মাকসুদুর রহমান রাকিব বলেন, রবি আজিয়াটা, ইডটকো এবং সার্বস কমিউনিকেশন লিমিটেড বারবার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে সময়ক্ষেপণ করছে। অপহরণ বিষয়ে থানা ও প্রশাসনকে জানানো হলেও তারা কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এর ফলে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন দেশের মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবায় নিয়োজিত সহস্রাধিক টেলিকম কর্মী।</span></p>
<p><span class="x3jgonx">সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, অপহরণের প্রথম ঘটনা ঘটে গত ১৯ এপ্রিল, খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলায়। সেদিন সকাল ১১টার দিকে মোবাইল কোম্পানি রবি আজিয়াটা লিমিটেডের টাওয়ার সচল রাখার দায়িত্বে নিয়োজিত ইডটকো বাংলাদেশ লিমিটেড এবং সার্বস কমিউনিকেশন লিমিটেডের অধীনে কাজ করা দুই টেলিকম কর্মী মো. ইসমাইল মিয়া ও আবে মারমাকে সন্ত্রাসীরা ময়ুরখালী এলাকার একটি রবি টাওয়ার থেকে অপহরণ করে। বিকেলে অপহরণকারীরা একটি মোবাইল নম্বর (০১৬১৩১৯৫৮৬৩) থেকে ইসমাইলের বাবার ফোনে যোগাযোগ করে অপহরণের বিষয়টি জানিয়ে রবি ও ইডটকো অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলে। এরপর থেকেই নিখোঁজ রয়েছেন ওই দুই শ্রমিক।</span><br><br><span class="x3jgonx">পরবর্তীতে ৫ জুন, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানার লেলাং ইউনিয়নের কর্ণফুলী বাজার এলাকায় রবি টাওয়ারে কাজ করার সময় একইভাবে অপহৃত হন আরও দুই টেলিকম কর্মী—মোহাম্মদ সুমন ইসলাম (৩২) ও আব্দুর রহিম (৩৬)। সেদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে সার্বস কমিউনিকেশনের চট্টগ্রাম অঞ্চলের ম্যানেজার সোহেব সুমনের বাবাকে ফোন করে জানান, তার ছেলেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এ ঘটনায় চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হলেও, তারপর থেকে তারা নিখোঁজ রয়েছেন। </span><br><br><span class="x3jgonx">বাংলাদেশ প্রাইভেট টেলিকমিনিউকেশন কর্মচারী ইউনিয়নের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, সন্ত্রাসীরা সরাসরি কর্মরত শ্রমিকদের অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করছে, যা শুধু ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নয়, বরং জাতীয় টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর ওপর বড় হুমকি। গত দুই মাসে খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামে চারজন কর্মী অপহৃত হয়েছেন, তাদের কেউই আজ পর্যন্ত উদ্ধার হয় নি। পরিবারগুলো প্রতিনিয়ত কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করলেও আশ্বাস ছাড়া আর কিছু মেলেনি।</span><br><br><span class="x3jgonx">সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়েছে, ইসমাইল মিয়া ও আবে মারমার অপহরণ বিষয়ে খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। (জিডি নম্বর: ৭৯০, তারিখ: ২০ এপ্রিল ২০২৫, ট্র্যাকিং নম্বর: 16YVBSK)। অপরদিকে, সুমন ও রহিমের বিষয়ে ফটিকছড়ি থানায় করা জিডির নম্বর ২৬৫, তারিখ: ৬ জুন ২০২৫, ট্র্যাকিং নম্বর: N3JPSB। তবে দুই ক্ষেত্রেই থানার ভূমিকা এখন পর্যন্ত নিষ্ক্রীয় বলে অভিযোগ উঠেছে।</span><br><br><span class="x3jgonx">সংগঠনের ভাষ্য, পাহাড়ি অঞ্চলে টাওয়ার স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণে স্থানীয় কিছু গোষ্ঠীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে টানাপোড়েন চলে আসছে। পূর্বেও এমন অপহরণের ঘটনা ঘটেছে, যা স্থানীয়ভাবে মীমাংসা হয়েছে। তবে এবার কোম্পানিগুলো একদিকে অপহরণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলছে, অন্যদিকে নিজেরাই দায়িত্ব এড়াতে ব্যস্ত। এমন অবস্থায় পরিবার ও সহকর্মীরা দ্বিধা-উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছেন। </span></p>
<p><br><br><br></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>তথ্যের সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক আইএসও সনদ পেল বাংলালিংক</title>
<link>https://digibanglatech.news/155906</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155906</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_68820f844c5b1.jpg" length="25836" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 24 Jul 2025 14:48:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>তথ্যের সুরক্ষায় আন্তজাতিকভাবে স্বীকৃত মানদণ্ড ‘ইনফরমেশন সিকিউরিটি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমস’ (আইএসএমএস) -এর সফল বাস্তবায়নের জন্য সম্মানজনক আইএসও সনদ অর্জন করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় উদ্ভাবনী ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক।</p>
<p>২৪ জুলাই, বৃহস্পতিবার বাংলালিংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মর্যাদাপূর্ণ এ সনদ সাইবার নিরাপত্তায় বাংলালিংকের কার্যক্রম পরিচালনাগত সক্ষমতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি গ্রাহকের তথ্যের সুরক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির দৃঢ় প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।</p>
<p>এ সনদ অর্জন নিয়ে বাংলালিংকের চিফ টেকনোলজি অ্যান্ড ইনফরমেশন অফিসার (সিটিআইও) হুসেইন টার্কার বলেন, “গ্রাহকদের সবচেয়ে সুরক্ষিত ও নির্ভরযোগ্য সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে আমাদের যাত্রায় এক নতুন অধ্যায় যুক্ত করেছে আইএসও সনদ। ২০১৩ সাল থেকেই আমরা তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা, কার্যকরী ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা তৈরি করা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার নীতিমালা ও মানদণ্ড পূরণে কাজ শুরু করি। এই অর্জন আমাদের এক দশকেরও বেশি সময়ের নিরলস শ্রমের স্বীকৃতি। বাংলালিংক শুধুমাত্র নিজেদের নেটওয়ার্কই নয়, গ্রাহকদের আস্থাও সুরক্ষিত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দ্রুত পরিবর্তনশীল ডিজিটাল বিশ্বে আমরা উদ্ভাবনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নিরাপদ, গ্রাহককেন্দ্রিক ডিজিটাল সেবা দিতে বদ্ধপরিকর। এই সনদ কেবল প্রযুক্তিগত অর্জন নয়, এটি ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত থাকার প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতার প্রতিফলন।”</p>
<p>সূত্রমতে, তথ্যের গোপনীয়তা, সুরক্ষা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে ৬০টিরও বেশি নীতিমালা বাস্তবায়ন করেছে বাংলালিংক। পাশাপাশি, বাংলালিংকের সার্বক্ষণিক (২৪/৭) মনিটরিং ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে নেটওয়ার্ক অপারেশনস সেন্টার (এনওসি) ও সিকিউরিটি অপারেশনস সেন্টার (এসওসি) থেকে রিয়েল-টাইম নজরদারি ও তদারকি ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করা হয়। এছাড়াও নিজেদের কর্মীদের তথ্য নিরাপত্তা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার সেরা অনুশীলনীগুলো সম্পর্কে সচেতন করতে নিয়মিত তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করে বাংলালিংক।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিটিআরসি&amp;apos;র টেলিকম উদ্ভাবনী মেলায় সেরা রোবো লাইফ</title>
<link>https://digibanglatech.news/155878</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155878</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_6881225590c66.jpg" length="122030" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 23 Jul 2025 18:48:36 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পঙ্গুব্যক্তির নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করতে ইলেক্ট্রোমায়োগ্রাফি (EMG) সংকেত ব্যবহার করে তৈরি কৃত্রিম হাত উদ্ভাবন করে ‘টেলিকম ও ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা-২০২৫' এ প্রথম হয়েছে রোবোলাইফ টেকনোলজিস। তিন লাখ টাকার চেক পেয়েছে লাভলু বড়ুয়ার দল।</p>
<p>এছাড়া বিদ্যমান বৈদ্যুতিক পোলকে টেলিকম টাওয়ার হিসেবে ব্যবহার ও বাঁশের তৈরি পরিবেশবান্ধব টাওয়ার নির্মাণ প্রদর্শনের মাধ্যমে তৃতীয় এবং লোডশেডিংয়ের সময় টাওয়ার বা বিটিএসে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য উবার পাওয়ার কার তৈরি করে দ্বিতীয় ও পঞ্চম হয়েছে ইডটকো বাংলাদেশ।</p>
<p>স্টার্টআপদের প্রয়োজনীয় রিসোর্স, প্রশিক্ষণ, এবং বিনিয়োগকারীদের সাথে সংযোগ স্থাপনের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে তৃতীয় হয়েছে গ্রামীণ ফোনের জিপি এক্সেলেরেটর। ক্ষুদ্র ও কুটির উদ্যোক্তাদের জন্য কয়েক ক্লিকে ই-কমার্স ওয়েবসাইট প্রস্তুত করে চতুর্থ হয়েছে ইবিতানস-eBitans।</p>
<p>২৩ জুলাই, বুধবার রাজধানীর আগারগওঁয়ে বিটিআরসি ভবনে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী প্রদর্শনী শেষে ৩২টি উদ্যোগের মধ্যে এই সেরা পাঁচ প্রকল্পকে পুরস্কৃত করা হয়।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x_6881abc359451.jpg" alt=""></p>
<p>বিজয়ীদের হাতে পুরস্কারের চেক তুলে দেন আইসিটি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী। এসময় টেলিকম সচবি (রুটিন দায়িত্ব) জহিরুল ইসলাম, বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী ও কমিশনার মাহমুদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>মেলায় দ্বিতীয় উদ্ভাবনী প্রকল্প বিজয়ীকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, তৃতীয় স্থান অধিকারীকে ১ লাখ টাকা, চতুর্থ ৭৫ হাজার টাকা এবং পঞ্চম উদ্ভাবনকে ৫০ হাজার টাকার ডামি চেক দেয়া হয়।</p>
<p>মেলার সমাপনী অনুষ্ঠান শুরুতে উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের স্মরণে এক মিনিটি নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন, মানুষের দৈনন্দিন জীবনে যেসব সমস্যা উদ্ভূত হয় সেই আলোকে নতুন নতুন উদ্ভাবনী ধারণাকে বাণিজ্যিকীকরণ করা হলে তা দেশ ও জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।</p>
<p>উদ্যোক্তাদের জন্য সরকারি বরাদ্দ যাতে ফলপ্রসু কাজে ব্যয় হয় সে লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের তিনটা প্রতিষ্ঠান কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, টেলিকম ও ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলায় অংশগ্রহণকারীগণ উদ্ভাবনী আইডিয়া নিয়ে এগিয়ে আসলে আইসিটি বিভাগ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।</p>
<p>ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব জহিরুল ইসলাম টেলিকম ও ডিজিটাল মেলায় অংশগ্রহণকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, আগামীর সমাজ হবে বুদ্ধিভিত্তিক সমাজ যেখানে আমাদের মেধা ও সৃজনশীল আইডিয়া ও উদ্ভাবনী সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে পারবো।</p>
<p>তরুণ সমাজ বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, উদ্ভাবনী ধারণা কাজে লাগাতে পারলে দেশের বেকারত্ব ও দারিদ্র্যতা দূর করা যাবে। ডিজিটাল উদ্ভাবন দেশের টেলিযোগাযোগ ও ডিজিটাল খাতের উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করবে।</p>
<p>বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. এমদাদ উল বারী (অব.) বলেন, গত আড়াই দশকে টেলিযোগাযোগ খাতে যে উন্নয়ন হয়েছে তা ছিল মূলত কানেক্টিভিটি। আমাদের মোবাইল ও ইন্টারনেট গ্রাহক ১৮ কোটি ও ১৩ কোটি। বর্তমানে ডাটাকেন্দ্রিক যুগ। ডাটার ব্যবহার বাড়লেও তা ফলপ্রসু কাজে ব্যয় হচ্ছে না। ইনোভেশন বলতে কেবল উচ্চ প্রযুক্তি হওয়া নয়, বরং সেই প্রযুক্তি কিভাবে বৃহৎ জনগোষ্ঠীর কল্যানে কাজে লাগানো যায় সেটা মূখ্য হওয়া উচিত। টেলিকম ও আইসিটি বিভাগ একসাথে কাজ করলে এই খাত আরো গতিশীল হবে।</p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগের কমিশনার মাহমুদ হোসেন বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোট ৭৬টি আইডিয়ার মধ্য থেকে ৩২টি আইডিয়া বাছাই করা হয়েছে। নতুন আইডিয়া দেশের টেলিযোগাযোগ ও তথ্য যোগাযোগ খাতকে এগিয়ে নিবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিটিআরসিতে ইনোভেশন ল্যাব প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে, যা নতুন উদ্যোক্তাদের সহায়তা কাজে লাগানো যাবে। এছাড়াও অংশগ্রহণাকীরদের বিটিআরসি তার রেগুলেটরি কার্যক্ষমতার আওতায় সর্বাত্বক সহায়তা করবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বিটিআরসির ভাইস-চেয়ারম্যান মোঃ আবু বকর ছিদ্দিকসহ বিটিআরসির উধ্বর্তন কর্মকর্তাবৃন্দ, মেলা অংশগ্রহণকারী ও বিভিন্ন টেলিযোগযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্ধ উপস্থিত ছিলেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>২৩ জুলাই ৩২টি ডিজিটাল উদ্ভাবন দেখা যাবে বিটিআরসিতে</title>
<link>https://digibanglatech.news/155805</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155805</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_687e09ea3a775.jpg" length="92773" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 21 Jul 2025 12:35:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>১জিবি ফ্রি ইন্টারনেটের শেষ দিন আগামী ২৩ জুলাই (বুধবার) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবনে বসছে ‘টেলিকম ও ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা-২০২৫’। দিনব্যাপী মেলায় ২০টি প্রতিষ্ঠানের মোট ৩২টি ডিজিটাল উদ্ভাবন প্রদর্শিত হবে বলে জানিয়েছে আয়োজক সংস্থা। </p>
<p>তরুণ উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা ও শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও প্রযুক্তি ভিত্তিক উদ্যোগকে উৎসাহিত করণ এবং দেশের ডিজিটাল রূপান্তরের ধারা আরও শক্তিশালী করতে এই মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বিটিআরসি।  </p>
<p>সংশ্লিষ্টরা জানান, দিনব্যাপী মেলার আয়োজনের শুরু হবে সকাল ১০টায়। যা চলবে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। এবার উদ্ভাবনী আয়োজনে অংশ নিচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, উদ্যোক্তা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। <span> কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT), রোবোটিকস, বিগ ডেটা এবং ব্লকচেইন প্রযুক্তির নানা উদ্ভাবন তুলে ধরবে তরুণ উদ্ভাবকরা। </span></p>
<p>বিটিআসির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, মেলায় টেলিযোগাযোগ ও ডিজিটাল প্রযুক্তি খাতে সম্ভাবনাময় উদ্ভাবনগুলো তুলে ধরা হবে। </p>
<p>সূত্রমতে, সরকারি-বেসরকারি ৭টি বিশ্ববিদ্যায়ল, মোবাইল অপারেটর এবং ব্রডব্যান্ট ইন্টারনেট সেবাদানকারী কয়েকটি প্রতিষ্ঠান টেলিকম সেবায় নিজেদের উদ্ভাবিত সেবা ও ধারণা প্রদর্শন করবেন। প্রদর্শিত উদ্ভাবন থেকে ৫ জনকে পুরস্কৃত করা হবে। সনদপত্র এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নে বিটিআরসির সহায়তার সুযোগ দেয়ার পাশাপাশি বিজয়ীদের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকারীকে ৩ লাখ টাকা, দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী  ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, তৃতীয় উদ্ভাবনকে ১ লাখ টাকা পুরস্কার হিসেবে দেয়া হবে। এছাড়াও চতুর্থ পুরস্কার হিসেবে ৭৫ হাজার টাকা এবং পঞ্চম পুরস্কার ৫০ হাজার টাকা দেয়া হবে।</p>
<p>মেলার সমাপনী অনুষ্ঠান উপস্থিত থাকবেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব জহিরুল ইসলাম (রুটিন দায়িত্ব) ও বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী।</p>
<p>এর আগে গত ১৭ মে অনুষ্ঠিত বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্যসংঘ দিবসেও টেলিকম খাতের উদ্ভাবনী প্রকল্প নিয়ে মেলা করেছিলো বিটিআরসি। </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আত্মপ্রকাশ করলো টাওয়ারকো বিল্ড ফরোয়ার্ড ফোরাম</title>
<link>https://digibanglatech.news/155716</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155716</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_687a67747c9da.jpg" length="99012" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 18 Jul 2025 09:25:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের ডিজিটাল অবকাঠামো বিনির্মাণে জোট বেঁধেছে টাওয়ার শেয়ারিং লাইসেন্সপ্রাপ্ত চারটি কোম্পানি ইডটকো বাংলাদেশ, সামিট টাওয়ারস, ফ্রন্টিয়ার টাওয়ারস এবং এটিসি টাওয়ার। </p>
<p>রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটলে ১৭ জুলাই, বৃহস্পতিবার আত্মপ্রকাশ করে টাওয়ান কোম্পানিগুলোর নতুন সংগঠন- ‘টাওয়ারকো বিল্ড ফরোয়ার্ড ফোরাম’।  </p>
<p>আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে ‘ইউনিফায়িং টাওয়ারকো ফর অ্যা স্মার্টার বাংলাদেশ’ শিরোনামে একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।  </p>
<p>ডিজিটাল অবকাঠামো নির্মাণে সম্মিলিত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী। </p>
<p>এছাড়াও প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন টাওয়ারকো লাইসেন্স পাওয়া চার প্রতিষ্ঠান—ইডটকো বাংলাদেশ, সামিট টাওয়ারস, ফ্রন্টিয়ার টাওয়ারস এবং এটিসি টাওয়ারের শীর্ষ নির্বাহীরা। </p>
<p>আলোচনায় তারা এ খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ অগ্রাধিকারের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। এছাড়াও বিটিআরসির নতুন লাইসেন্সিং প্রকল্প ও প্রস্তাবিত এনআইসিএসপি কাঠামোকে সময়োপযোগী ও অগ্রগামী উদ্যোগ হিসেবে স্বাগত জানান বক্তারা। তারা বলেন, এটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও দক্ষ অবকাঠামো গঠনে সহায়ক হবে। তবে নীতির স্বচ্ছতা ও বাস্তবায়নে এখনও জটিলতা রয়েছে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে সাইট অধিগ্রহণে জটিলতা, টেকসই জ্বালানি ব্যবহার, ডিএএস ও আইবিএস সল্যুশনের বৈষম্য, ইনডোর কভারেজের ঘাটতি এবং ব্যাটারি চুরির মতো দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জগুলো দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানান টাওয়ারকোরা। তারা একীভূত মানদণ্ড, সরকারি-বেসরকারি সমন্বয় এবং টেকসই সল্যুশনে বিনিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p>ইডটকো বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুনীল আইজ্যাক বলেন, “এখন বিনিয়োগকারীরা বাজারের নিশ্চয়তা, পলিসি প্রেডিক্টিবিলিটি, সর্বোপরি ইকোসিস্টেমের সামঞ্জস্যতার দিকে নজর দিচ্ছেন। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া গেলে টাওয়ারকো খাতে কৌশলগত পুঁজি এবং দেশের টেলিকম নেটওয়ার্কের মান বাড়বে। একইসাথে সার্বিক ডিজিটাল সুবিধাপ্রাপ্তি বা সেবা ব্যবহারের খরচ কমবে।”</p>
<p>ফ্রন্টিয়ার টাওয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. সিরাজুস সালেহীন বলেন, “টাওয়ার অধিগ্রহণ ও নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহসহ এ খাতে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার ক্ষেত্রে টাওয়ারকো অ্যাসোসিয়েশন একটি সময়োপযোগী প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠবে।”</p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী কোম্পানি মালিকদের পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যেমে সম্মিলত ভাবে এই খাতকে এগিয়ে নিয়ে যেদে আহ্বান জানান, তিনি বলেন,ডিজিটাল অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে টেলিযোগাযোগ শিল্প উদ্যোক্তাদের মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা প্রয়োজন। সেলক্ষ্যেই প্রস্তাবিত ন্যাশনাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড কানেকটিভিটি সার্ভিস প্রোভাইডার (এনআইসিএসপি) নীতিমালার মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে আমরা ব্যবসার নতুন সম্ভাবনা দরজা খুলছি। বিদ্যমান শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মদক্ষতার সূচক নির্ধারণ ও পর্যবেক্ষণকেই আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভাইস প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বে ১৮ জুলাই ঢাকায় আসছে স্পেস এক্স প্রতিনিধিদল</title>
<link>https://digibanglatech.news/155705</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155705</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_68792fe423599.jpg" length="85903" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 17 Jul 2025 21:16:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ইন্টারনেট ব্লাকআউটের বর্ষপূর্তিতে ১৮ জুলাই ঢাকায় আসছেন উপগ্রহ ভিত্তিক ইন্টারনেট সেবাদাতা স্টারলিংক এর ব্যবসা পরিচালনা বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট লরেন ড্রেয়ার-এর নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল। মার্কিন প্রতিষ্ঠান মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স এর এই সহযোগী প্রতিষ্ঠানটির সফর দলের অপর সদস্য হচ্ছেন আন্তর্জাতিক কৌশল ও সরকারি সম্পর্ক পরিচালক রিচার্ড গ্রিফিথস।</p>
<p>আইসিটি ও টেলিকম বিভাগ সূত্রে প্রকাশ, সফরে দলটি  তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে স্টারলিংক-এর সম্ভাব্য বিনিয়োগ ও অংশীদারিত্বের দিকগুলো মূল্যায়ন করারা পাশাপাশি সরকার ও নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেবে। লরেন ড্রেয়ার-এর নেতৃত্বে আগত দলটি ব্যবসায়িক সম্ভাবনা যাচাই, নতুন প্রযুক্তির স্থানীয় বাস্তবায়ন, এবং গ্রামীণ ও দুর্গম অঞ্চলে ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগে বাংলাদেশকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার হিসেবে দেখছে। বৈঠক শেষে সন্ধ্যায় বাংলাদেশে স্টার লিংকের অফিসিয়াল যাত্রা শুরুর ঘোষণা দেয়া হবে। </p>
<p>সূত্র বলছে, প্রতিনিধিদলটি  প্রধান উপদেষ্টা  প্রফেসর ডঃ. মুহাম্মদ ইউনূস এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। বিকেল পাঁচটায় হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে প্রেস কনফারেন্সে বক্তব্য রাখবেন। রাতে ঢাকার হাতিরঝিলে অনুষ্ঠিত জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠানে যোগ দিবেন। ১৯ জুলাই তারা ফিরে যাবেন।</p>
<p>তবে তার আগে স্পেস এক্স বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানির সঙ্গে স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে সমঝোতা চুক্তি করবেন বলে জানা গেছে। </p>
<p>চুক্তির পরে বিকেল ৫টায় গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হবে স্পেস এক্স প্রতিনিধি দলটি। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, স্পেসএক্স এর গ্লোবাল বিজনেস অপারেশন এর ভাইস প্রেসিডেন্ট লরেন ড্রেয়ার ছাড়াও ওই ব্রিফিংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব সাংবাদিকদের বিণ্নি প্রশ্নের জবাব দেবেন।  </p>
<p>এছাড়াও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) জহিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. ইমাদুর রহমান, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আসলাম হোসেন সেসময় উপস্থিত থাকবেন।  </p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গোপালগঞ্জে ইন্টারনেট বন্ধের খবর ভিত্তিহীন : টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়</title>
<link>https://digibanglatech.news/155682</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155682</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_6878350088e26.jpg" length="56659" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 17 Jul 2025 00:26:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div dir="auto" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div data-ad-rendering-role="story_message" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="x1iorvi4 xjkvuk6 x1g0dm76 xpdmqnj" data-ad-comet-preview="message" data-ad-preview="message" id="_R_laimqaqdfiqapapd5aqH2_">
<div class="x78zum5 xdt5ytf xz62fqu x16ldp7u">
<div class="xu06os2 x1ok221b">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"><span><span>গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ এবং তাদের গাড়িবহরে হামলা ও সংঘর্ষে অন্তত চারজন নিহতের ঘটনায় উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৬ জুলাই, বুধবার রাত ৮টা থেকে ১৭ জুলাই,সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গোপালগঞ্জে কারফিউ জারি করেছে সরকার। </span></span>স্থানীয় কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সন্ধ্যার পরই অনেকটা ফাঁকা হয়ে গেছে গোপালগঞ্জ শহর। ঘরে ফেরা কয়েকজন মানুষকে বিচ্ছিন্নভাবে রাস্তায় দেখা গেলেও তাদের চোখেমুখেও ছিল আতঙ্ক। শহরজুড়ে টহল দিচ্ছে র‍্যাব, বিজিবি ও সেনাবাহিনী। গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাড়তি উপস্থিতির কথাও জানিয়েছেন তারা।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">এমন পরিস্থিতিতে সেখানে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ কিংবা বিঘ্নিত কোনোটাই করা হয়নি বলে নিশ্চিত করেছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়। 
<p>রাতে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, ''যেকোনো পরিস্থিতিতেই ইন্টারনেট শাটডাউন না করার ব্যাপারে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট।</p>
<p>“সরকার দেশের যে কোনো স্থানে মোবাইল এবং ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে বদ্ধপরিকর।''</p>
<div class="DContentAdd ignore-print">
<div class="sq-add d-flex justify-content-center">
<div id="div-gpt-ad-9827360-1" data-google-query-id="CNf3huW5wo4DFTuKrAIdD3cUvg"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"> ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “যে কোন <span class="html-span xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1hl2dhg x16tdsg8 x1vvkbs"><a class="html-a xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1hl2dhg x16tdsg8 x1vvkbs" tabindex="-1"></a></span>পরিস্থিতিতেই ইন্টারনেট শাটডাউন না করার ব্যাপারে সরকারের অবস্থান সুস্পষ্ট। সরকার দেশের যে কোনো স্থানে মোবাইল এবং ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে বদ্ধপরিকর। গোপালগঞ্জে কিংবা দেশের অন্য কোন জায়গায় মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ কিংবা বিঘ্ন করতে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) কোন নির্দেশনা জারি করেনি। বর্তমান সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের আলোকে ইন্টারনেট বন্ধের প্রশ্ন উঠানো অবান্তর।”</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">এ নিয়ে সংশ্লিষষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব জাানন, “দুরভিসন্ধিমূলক উদ্দেশ্য নিয়ে স্বৈরাচার এবং তাদের দোসরা এ ধরনের অপতথ্য ছড়াচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং জনজীবনে শৃঙ্খলা অব্যাহত রাখতে মিস-ইনফরমেশন এবং ডিস-ইনফরমেশন ছড়ানোর আগে ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়া যাচ্ছে।”</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">এদিকে ঘটনা কাভারে বিভিন্ন টেলিভিশন ও <span>মাল্টিমিডিয়ার সাংবাদিকদের বহনকারী গাড়িতে হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশের পাশাপাশি তীব্র নিন্দা জানিয়েছে অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্স।  গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে অ্যালায়েন্সের সভাপতি হাসান শরীফ এবং সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সোহেল এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। এতে জানানো হয়, যমুনা টেলিভিশনের সিনিয়র করেসপনডেন্ট মোজাম্মেল হোসেন মুন্নাসহ আরও এক জাতীয় পত্রিকার স্থানীয় প্রতিনিধি আহত হন।  একাত্তর টিভি, স্টার নিউজ ও মাল্টিমিডিয়ার সাংবাদিকদের বহনকারী গাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে। এ ধরনের সহিংসতা পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতাকে মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করে। অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্স এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কার্যকর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছে।</span></div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">অপরদিকে গোপালগঞ্জের ঘটনা নিয়ে সোশ্যাল হ্যান্ডেলে পক্ষে-বিপক্ষে নানা অপতথ্য ছড়াতে দেখা যাচ্ছে। </div>
<div dir="auto"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দুর্যোগ মোকাবেলায় টেকসই টেলিকম নীতিমালা প্রণয়নের সুপারিশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/155628</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155628</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_687686d982b45.jpg" length="138927" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 15 Jul 2025 19:51:42 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা ও টেলিযোগাযোগ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে বিটিআরসি ভবনে অনুষ্ঠিত হলো দুর্যোগকালীন টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো ব্যবস্থাপনায়করণীয় নিয়ে অংশীজন সভা।  ১৫ জুলাই, মঙ্গলবার বিকেলে অনুষ্ঠিত  মতবিনিময় সভায় দুর্যোগকালীন উদ্ভূত সমস্যাসমূহ, টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো সুরক্ষায় বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা, সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহের মধ্যে আন্ত:সমন্বয় এবং দুর্যোগ মোকাবলোয় একটি টেকসই নীতিমালা প্রণয়নের সুপারিশ করা হয়।</p>
<p>সভায় দূর্যোগকালীন বিদ্যুৎ বিভ্রাট , নেটওয়ার্ক ডাউন, অপটিক্যাল ফাইবার ও মাইক্রোওয়েভ লিংকের ক্ষতি, কল ড্রপ ও কল ব্লক হওয়া, ডাটা সেন্টার, ব্রডব্যান্ড ও টাওয়ার সংযোগ বিঘ্নিত হওয়া, টেকনিশিয়ানদের দুর্গম এলাকায় যাতায়াত জটিলতা, ব্যাকআপ জেনারেটর পরিচালনায় ফুয়েল অপ্রাপ্তি, অ্যামেচার রেডিও বা বিকল্প টেলিযোগাযোগ মাধ্যমের অপ্রতুলতাসহ প্রাসঙ্গিক বিষয় উপস্থাপন করেন বিটিআরসির ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড অপারেশন্স বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শফিউল আজম পারভেজ।  </p>
<p>মোবাইল অপারেটর ও ন্যাশনওয়াইড টেকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক (এনটিটিএন) এর প্রতিনিধিরা জানান, নিরবচ্ছিন্ন টেলিযোগাযোগ সেবা নিশ্চিতে তারা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের ওপর নির্ভরশীল। তাই দুর্যোগের পূর্বে বিদ্যুৎ সঞ্চালনা ও ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট  সংস্থাসমূহের প্রাক-প্রস্তুতি গ্রহণ এবং দুর্যোগকালীন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় কমিয়ে নিয়ে আসা, একটা কার্যকরী কমিটি গঠন এবং টেলিকম সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে ঘোষণার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। </p>
<p>বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানির প্রতিনিধি জানান, দুর্যোগে টেলিযোগাযোগ সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি স্থানান্তর অনেকটাই দূরহ হয়ে পড়ে। স্যাটেলাইট কোম্পানি দুর্যোগ এলাকায় ভিস্যাট ইকুইপমেন্ট সরবরাহ করে থাকে । এছাড়া, সরকারের পরিকল্পনা কমিশন কর্তৃক প্রস্তুতকৃত দুর্যোগ প্রবণ এলাকার মানচিত্র অনুসরণ করে উক্ত এলাকায় স্থায়ীভাবে জেনারেটর, সোলার ও ভিস্যাট স্থাপন করা হলে টেলিযোগাযোগ কানেক্টিভিটি নিশ্চিত করা যাবে জানান তিনি। </p>
<p>টাওয়ার কোম্পানির প্রতিনিধিরা জানান, দুর্যোগ প্রবণ এলাকায় টাওয়ার সাইটে স্থায়ী জেনারেটর রাখা ও কর্মীদের থাকার ব্যবস্থা নেই , তাই   দেশের নির্দিষ্ট টাওয়ার সাইটে স্থায়ী জেনারেটরের ব্যবস্থা রাখার জন্য বিটিআরসি কতৃক একটি নীতিমালা জারি করা এবং দুর্যোগকালীন এলাকাকে রেড-ইয়েলো-গ্রিন অনুযায়ী বিভাজন করা হলে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকাকে অধিক গুরুত্ব দেওয়ার সুযোগ পাওয়া যাবে। </p>
<p>পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড প্রতিনিধি উল্লেখ করেন, গ্রামীণ এলাকায় বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের চারপাশে গাছপালা থাকে, তাই পূর্ব সতর্কতার অংশ হিসেবে সংযোগ বন্ধ করতে হয়। উপকূলীয় এলাকায় দুর্যোগ সহনশীল বৈদ্যুতিক খুটি নির্মাণে বিদ্যমান ডিজাইন পরিবর্তন করে নতুন ইনসুলেটর স্থাপন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এছাড়া, দুর্যোগকালীন  টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখতে  বিদ্যুৎ সঞ্চালনের প্রতিটি ধাপ যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরন করে যাচাইয়ের মাধ্যমে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। </p>
<p>এসময় দুর্যোগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের পক্ষ থেকে সুপারিশমালা পাওয়া গেলে তা পাঁচ বছর মেয়াদী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার প্রতিশ্রুতি দেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক। </p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে বিটিআরসির ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড অপারেশন্স বিভাগের কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইকবাল আহমেদ (অবঃ) বলেন, প্রতেক অপারেটর এর নেটওয়ার্ক অবকাঠামো সক্ষমতা ভিন্ন রকম। তাই এ বিষয়ে অপারেটরদেরকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণে কাজ করতে হবে। দুর্যোকালীন সমস্যাগুলোকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করে ধাপে ধাপে কার্যক্রম গ্রহণ এবং আন্ত: সংস্থাগুলোর মধ্যে তথ্য শেয়ারিং ও দুর্যোগ সংক্রান্ত যেকোনো পরিকল্পনায় টেলিযোগাযোগকে খাতকে অন্তর্ভূক্ত করার আহবান জানান তিনি। এছাড়া আরো একাধিক সভার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়াদি আলোচনাপূর্বক এ সংক্রান্ত একটি টেকসই নীতিমালা প্রণয়ন করা যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। </p>
<p>মতবিনিময় সভায় বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগের কমিশনার মাহমুদ হোসেনসহ কমিশনের উদ্বর্তন কর্মকর্তা, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড, আবহাওয়া অধিদপ্তর, মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর, ন্যাশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক অপারেটর, টাওয়ার শেয়ারিং কোম্পানি , ইন্টারন্যাশনাল টেরেস্ট্রিয়াল ক্যাবল অপারেটর, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, অ্যামেচার রেডিও অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ এর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড পেল রবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/155590</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155590</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_6875156de1c46.jpg" length="104501" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 14 Jul 2025 14:34:33 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; tab-stops: 117.0pt;"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN; mso-no-proof: yes;"></span></b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN; mso-no-proof: yes;">এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড ২০২৫-এ, ’বছরের সবচেয়ে টেকসই টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান’ ক্যাটাগরিতে অনারেবল মেনশন পুরস্কারটি পেয়েছে রবি আজিয়াটা পিএলসি।</span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN; mso-no-proof: yes;"><o:p> ১৪ জুলাই, সোমবার অপারেটরটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, </o:p></span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN; mso-no-proof: yes;">শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর র‍্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।</span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; tab-stops: 117.0pt;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN; mso-no-proof: yes;">রবি’ জানায়, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN; mso-no-proof: yes;">বর্তমানে নিজেদের ১২.৪ শতাংশ নেটওয়ার্ক টাওয়ার সৌরশক্তির মাধ্যমে পরিচানর মাধ্যেমে বছরে ১৩,৫৩৪ মেগাওয়াট ঘণ্টা (এমডব্লিউএচ) সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে রবি। এর ফলে প্রতি বছর প্রায় ১,৫১৩ টন কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ কমছে। এছাড়াও দেশের গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশনগুলোতে ১০টি কমিউনিটিভিত্তিক ওয়াটার পিউরিফিকেশন প্ল্যান্ট স্থাপন করেছে। এর মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রায় ১৩ লাখ ভ্রমণকারীকে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা যাচ্ছে অপারেটরটি। </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN; mso-no-proof: yes;">একইভাবে সার্কুলার ইকোনমির চর্চার মাধ্যমে ১৫.৫ টন ই-বর্জ্য পুনর্ব্যবহার এবং সারা দেশে ১৪ হাজারের বেশি বৃক্ষরোপণ করে কার্ব গ্যাস নিঃসরণ কমানোতে ভূমিকা রাখার মাধ্যমে জাতিসংঘের টেকসই অভিন্ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করে রবি এই সম্মাননা পেয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। <o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; tab-stops: 117.0pt;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN; mso-no-proof: yes;">রবি বলছে, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনায় কার্বন নিঃসরণ ৪৫ শতাংশ কমানো এবং ২০৫০ সালের মধ্যে নিট শূন্য কার্বন নিঃসরণ অবস্থায় পৌঁছতে চায় তারা।  <o:p></o:p></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জ্বালানি সাশ্রয়ী উদ্ভাবন ও টেকসই কার্যক্রমের জন্য পুরষ্কার পেল ইডটকো</title>
<link>https://digibanglatech.news/155591</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155591</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_6875176031736.jpg" length="145641" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 14 Jul 2025 12:41:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal"><span><span lang="BN">দে<wbr>শব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ নিশ্চিত করা এবং ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি জোরদার করা </span>করার পাশাপাশি <span lang="BN">টেলিকম কার্যক্রমে টেকসইতা এবং জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধিতে অগ্রণী ভূমিকা পালনের স্বীকৃতিস্বরূপ মর্যাদাপূর্ণ ‘</span>এসডিজি  <span lang="BN">ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৫’-এ ভূষিত হয়েছে  ইডটকো বাংলাদেশ। বাঁশের টাওয়ার, হাইব্রিড সোলার-উইন্ড টাওয়ার, স্পান প্রি-স্ট্রেসড কংক্রিট (এসপিসি) টাওয়ার এবং স্মার্ট পোলে স্ট্রিট ফার্নিচার—সবই প্রমাণ করে কীভাবে স্মার্ট প্রকৌশল ও সবুজ প্রযুক্তির সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠানটি কার্বন নিঃসরণ হ্রাস ও অপারেশনাল দক্ষতা দেখিয়ে এই আসরে </span></span><span>দুটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাটাগরিতে পুরষ্কার পেয়েছে <span lang="BN">দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল অবকাঠামো পরিষেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানটি</span>। </span><span></span></p>
<p class="MsoNormal"><span>১৪ জুলাই, সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, </span><span>সেবা প্লাটফর্মের এর সাথে যৌথ উদ্যোগে শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে   ‘পাওয়ার জিনি’ পদক্ষেপ এর জন্য দি মোস্ট এনার্জি ইফিসিয়েন্ট ইনিশিয়েটিভ অব দি ইয়ার’ ক্যাটাগরি এবং এসডিজি ১২ রেসপন্সিবল কনজাম্পশন এন্ড প্রডাকশন ক্যাটাগরিতে পুরষ্কার পেয়েছে ইডটকো। অন্যদিকে ‘দি মোস্ট সাস্টেইনেবল টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি’ হিসেবে বিশেষ প্রশংসার স্বীকৃতিও পেয়েছে ইডটকো। এই স্বীকৃতিগুলো টেকসই, সংযুক্ত ভবিষ্যত ও দায়িত্বশীল টেলিযোগাযোগ ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে ইডটকোর নেতৃত্বস্থনীয় ভূমিকারই প্রতিফলন।</span></p>
<p class="MsoNormal">প্রতিষ্ঠানের পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন ইডটকো বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (সিএমডি) সুনীল আইজ্যাক।<b><span> </span></b>তিনি বলেন, <span>“টেকসই উন্নয়নকে শুধু দায়িত্ব নয় বরং কাজের মূলভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করে ইডটকো বাংলাদেশ। পরিবেশবান্ধব ও উদ্ভাবনী টেলিকম অবকাঠামো নির্মাণ থেকে শুরু করে জ্বালানি ব্যবহারে দক্ষতা নিশ্চিত—সবক্ষেত্রেই বাংলাদেশের জন্য একটি সবুজ ও আরও স্থিতিস্থাপক ডিজিটাল ভবিষ্যৎ নির্মাণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আমরা । এই স্বীকৃতি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) প্রতি আমাদের অঙ্গীকারকে দৃঢ় করার পাশাপাশি সমাজ ও পরিবেশে দীর্ঘস্থায়ী ইতিবাচক প্রভাব রাখার ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।”</span></p>
<p class="MsoNormal"><span></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টেলিকম গ্রাহক সেবার পথে বড় বাধা আস্থার সংকট</title>
<link>https://digibanglatech.news/155511</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155511</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_687203aad23f5.jpg" length="82539" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 12 Jul 2025 12:40:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নতুন টেলিকম নীতিমালায় গ্রাহকের স্বার্থ সবার আগে বিবচনা করা উচিত বলে একমত সবাই। তবে তার আগে দূর করতে হবে স্টেক হোল্ডারদের মধ্যে আস্থার সংকট। কমাতে হবে বিনিয়োগ ঘাটতি।</p>
<p>টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ- টিআরএনবি আয়োজিত  ‘টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক এবং লাইসেন্সিং নীতি সংস্কার’ বিষয়ক গোলটেবিল আলোচনায় এমন অভিব্যক্তি খাত সংশ্লিষ্টদের।</p>
<p>নীতিমালা সংস্কারের আগে বহুপক্ষীয় মতামত প্রকাশের নিয়মিত কর্মশালা ও বৈঠকের ধারাবাহিকতায়  ১২ জুলাই, শনিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে হোটেল হলিডে ইন এর সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় এই গোলটেবিল আলোচনা সভা।</p>
<p>টিআরএনবি সভাপতি সমীর কুমার দে’র সভাপতিত্বে গোলটেবিল আলোচনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবিন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন এমটব সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ জুলফিকার। </p>
<p>সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে আছেন  প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ বিষয়ক বিশেষ সহকারী  ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব। </p>
<p>আলোচক হিসেবে সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মোঃ জহিরুল ইসলাম এবং বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী।</p>
<p>টেলিকম খাত থেকে ব্যবসায় প্রতিনিধি হিসেবে মোবাইল অপারেটরদের মধ্যে অংশ নিয়েছেন গ্রামীণফোন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান, র<span>বির মাদার কোম্পানি আজিয়াটা গ্রুপ বারহাদ এর এভিপি মোহাম্মাদ দিদারুল আলম</span>, বাংলালিংক এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইওহান বুসে এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল মাবুদ।</p>
<p>গোলটেবিল সভায় উপস্থাপিত মূল প্রবন্ধে মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন এমটব এর মহাসচিব মোহাম্মাদ জুলফিকার জানান, ডিজিটাল অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে টেলিকম অপারেটর। সাড়ে ৬ কোটি সোশ্যাল মিডিয়ায় সংযুক্ত। তারপরও দেশের ৯ কোটির মতো মানুষ এখনো নেটওয়ার্কে সংযুক্ত নন। তারা কোনো ডিজিটাল সেবা পাচ্ছেন না। প্রতিবছরই বাড়ছে পরিচালনা ব্যয়। এমন পরিস্থিতিতে প্রস্তাবিত টেলিকম নীতিমালায় বিদেশী বিনিয়োগে শতাংশ বেধে স্থানীয় পর্যায় ১৫ শতাংশ বিনিয়োগ ও লক্ষ্য পূরণে সময় বেধে দেয়া রীতিমত ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।</p>
<p>নীতিমালার বাকি অংশকে স্বাগত জানানিয়ে তিনি বলেন, <span> নতুন লাইসেন্সিং কাঠামো প্রযুক্তি-নিরপেক্ষ করার পাশাপাশি নীতিমালায় লাইসেন্স তিনটিতে নামিয়ে আনা হচ্ছে। একই লাইসেন্সের আওতায় একাধিক ধরনের সেবা দিতে পারবেন অপারেটররা। ভয়েস, ডেটা (ইন্টারনেট), ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিস (ভ্যাস) ও ওভার-দ্য-টপ (ওটিটি) সার্ভিস দেওয়ার সুযোগ থাকছে নতুন লাইসেন্স নীতিমালায়। এটা এই খাতের বিকাশে সহায়তা করবে। তবে শতভাগ বিদেশী বিনিয়োগের সুযোগ না রাখায় উন্নয়নের গতি স্লোথ হবে। </span></p>
<p>এর পরিপ্রক্ষিতে বিদেশী বিনিয়োগের চেয়ে দেশী মালিকানায় গুরুত্ব দিয়ে ফাইবার অ্যাট হোম সিআইও সুমন আহমেদ সাবির বলেন, আরো কিছু বিষয়ে লক্ষমাত্রা বেধে দেয়া গুরুত্বপূর্ণ। গত সাত বছরে এই খাতে কত টাকা বিনিময়োগ হয়েছে তা হিসাব করা দরকার। নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ খরচ সাশ্রয়ী পথ বেছে নিতে হবে। লাইসেন্সের ক্ষেত্রে ১২ হাত বহরে ১৩ হাত কাপড় নীতি থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে। এসময় আর বেশি এনটিটিএন লাইসেন্স না দেয়ার পক্ষে অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি। </p>
<p>তিনি বলেন, ব্যবসায় পরিবেশ সমন্বিত রাখতে হলে অতিরিক্ত লাইসেন্স ক্ষতিকর। আবার একই কাজ জনে জনে না অবকাঠামোর সমন্বিত উন্নয়ন ও ব্যবহারের কথা ভেবে দেখা উচিত।  </p>
<p>ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ফিকি) নির্বাহী পরিচালক টিআইএম নুরুল কবির বলেন, আমি মনে করি, বিনিয়োগের ক্ষত্রে কনসিস্টিন্সি, ক্যাপাসিটি, কোলাবরেশন ও কো অর্ডিনেশন দরকার। দেশী-বিদেশী বিনিয়োগ থাকা দরকার। প্রতি বছর মোবাইল অপারেটরদের নেটওয়ার্ক চালু রাখতে ৬০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে। তাই দেশে টেলিকম রোড ম্যাপ দরকার।</p>
<p>বিশ্বব্যাংক পরামর্শক মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, পলিসি সঠিক পথেই আছে। কিন্তু আমাদের মধ্যে পিওর ডিজায়ার নাই। মুক্তবাজার হিসেবে মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনো সীমা রেখা থাকা উচিত না। বিদেশি বিনিয়োগে বাধা সব দেশেই থাকে। এমভিএনও নিয়ে আমাদের ভাবা উচিত। </p>
<p>তিনি আরো বলেন, <span> বিদেশি ইনভেস্টররা যখন ৭৫ শতাংশ শেয়ার হোল্ডার থাকেন তখনই তারা ওই কোম্পানির পূর্ণ ক্ষমতার অধিকারী হন। ফলে তারা যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন কোম্পানির স্বার্থে। এ ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ শেয়ারহোল্ডারের তেমন কিছু করার থাকে না। সুতরাং সেদিক থেকে বিদেশি বিনিয়োগ আসা নিয়ে আমি তেমন কোনো সমস্যা দেখি না। এ ছাড়া গ্রামীণফোন ও রবির কিছুটা শেয়ার ইতোমধ্যেই দেশীয় প্রতিনিধির কাছে আছে। নেই শুধু বাংলালিংকের। আমার মনে হয়, যদি এই শেয়ার ছাড়ার সময় কিছুটা বাড়িয়ে দেওয়া যায়, তা হলে এটা তেমন কোনো সমস্যা নয় বরং দেশীয় ইনভেস্টরদের জন্য ভালো। তারাও এই খাতে যুক্ত হতে পারলেন।  </span></p>
<p>ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবসায়ীদের সংগঠন আইএসপিএবি সভাপতি আমিনুল হাকিম বলেন, দশের মানুষের মোট চাহিদা ৭.৫ টেরাবাইট। এর ৬৫-৭০ শতাংশ প্রয়োজন মেটায় আইএসপিরা। এজন্য ১৫ শতাংশ কর দিতে হয়। কিন্তু মোবাইল অপারেটরদের ৩৫ শতাংশ বাজার শেয়ার থাকলেও তাদের কর দিতে হচ্ছে না। এই বৈষম্য দূর করা দরকার। পলিসিতে লেভেল প্লে‌ইং ফিল্ড তৈরি করা দরকার।</p>
<p>তিনি আরো বলেন, <span>দেশে বর্তমানে মানুষের মোট চাহিদা ৭ দশমিক ৫ থেকে ৭ দশমিক ৮ টেরাবাইট ব্যান্ডউইথ। এই চাহিদার ৬৫-৭০ শতাংশ প্রয়োজন মেটায় আইএসপিরা। সেই আইএসপির জন্য দাম ফিক্সড করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু মোবাইল অপারেটরদের জন্য এটা ওপেন মার্কেট। এটা একটা বিরাট বৈষম্য, বিশেষ করে বর্তমান এই সরকারের কাছে। অ্যাক্টিভ শেয়ারিংটা মনে হয় শিগগিরই অনুমোদন দেওয়া উচিত। এটা লাস্ট মাইল ইউজারের স্বার্থেই আমাদের এই জিনিসটা নিশ্চিত করা উচিত।</span></p>
<p>আলোচনায় আারো বক্তব্য রাখেন গ্রামীণফোনের চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার তানভীর মোহাম্মাদ, বাংলালিংক চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান এবং রবির চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার শাহেদ আলম। </p>
<h1 class="post-title"><a href="https://digibanglatech.news/155517" target="_blank" rel="noopener">উদ্বেগ জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে ৩ মোবাইল অপারেটরের চিঠি</a></h1>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>উদ্বেগ জানিয়ে  প্রধান উপদেষ্টাকে ৩ মোবাইল অপারেটরের চিঠি</title>
<link>https://digibanglatech.news/155517</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155517</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_6872691d4182d.jpg" length="65186" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 12 Jul 2025 10:53:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span class="x3jgonx">বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) প্রস্তাবিত টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক ও লাইসেন্সিং ব্যবস্থার সংস্কার নীতিমালায় (খসড়া) বলা হয়েছে, মোবাইল অপারেটরদের বিদেশি মালিকানা ৮০ শতাংশ পর্যন্ত রাখা যাবে। আর দেশি মালিকানা ২০ শতাংশ রাখতে হবে। বিষয়টি নিয়েই নিজেদের উদ্বেগের কথা জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বরাবর চিঠি দিয়েছে দেশের বেসরকারি তিন মোবাইল অপারেটরের মূল প্রতিষ্ঠান টেলিনর, আজিয়াটা ও ভিওন। তারা বলছে, এ ধরনের নীতি হলে তা বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আস্থা কমাবে।</span><br><br><br><span class="x3jgonx">গত ৩ জুলাই চিঠিটি লিখেছেন গ্রামীণফোনের মূল প্রতিষ্ঠান টেলিনর এশিয়ার প্রধান ইয়োন ওমুন্ড রেভহাউগ, রবির মূল প্রতিষ্ঠান আজিয়াটার গ্রুপ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বিবেক সুদ ও বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওনের গ্রুপ সিইও কান তেরজিওগ্লো।</span><br><br><br><span class="x3jgonx">চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকারের সংস্কার উদ্যোগকে তারা স্বাগত জানায়। বিটিআরসির উদ্যোগগুলোকে তারা ইতিবাচকভাবে দেখছে। তবে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক ও লাইসেন্সিং ব্যবস্থার সংস্কার নীতিমালার খসড়ায় কিছু নতুন প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবায়িত হলে দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে বিদ্যমান ও ভবিষ্যতের বিনিয়োগে বাধা সৃষ্টি হবে।</span><br><br><br><span class="x3jgonx">মোবাইল অপারেটরদের জন্য বিদেশি মালিকানার ৮০ শতাংশ সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ এবং তা বর্তমান লাইসেন্সধারীদের ওপর প্রয়োগ করার প্রস্তাব গভীর উদ্বেগের কারণ বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, একই সঙ্গে অন্যান্য ডিজিটাল অবকাঠামোভিত্তিক অপারেটরদের জন্য বিদ্যমান ৫৫ শতাংশ মালিকানার সীমাও পরিবর্তনের প্রস্তাব খসড়ায় রয়েছে। এটাও উদ্বেগের কারণ।</span><br><br><br><span class="x3jgonx">টেলিনর, আজিয়াটা ও ভিওন চিঠিতে বলেছে, বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাত এতদিন উন্মুক্ত ও সহায়ক বিদেশি মালিকানা নীতির সুফল ভোগ করেছে। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা বজায় ছিল। তবে প্রস্তাবিত নীতিমালা বিদেশি বিনিয়োগে আস্থা কমিয়ে দেবে, যা অন্তর্বর্তী সরকারের বৈশ্বিক বিনিয়োগ আনার প্রচেষ্টার পরিপন্থী। যেকোনো স্তরে বিদেশি মালিকানায় সীমা আরোপ করা খাতের সম্ভাব্য প্রবৃদ্ধির জন্য ক্ষতিকর হবে। প্রস্তাবিত নতুন লাইসেন্স কাঠামোতে মোবাইল অপারেটরদের আওতা আগের চেয়ে সীমিত করা হয়েছে। ফাইবার সংযোগ ও আন্তর্জাতিক এসএমএস পাঠানোর অধিকার একতরফাভাবে তৃতীয় পক্ষকে দেওয়া হয়েছে, যা অতিরিক্ত কঠোর ও হস্তক্ষেপমূলক নিয়ন্ত্রক দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রকাশ করে। এ নির্দেশনা মোবাইল অপারেটরদের জন্য অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় বাড়াতে পারে। পাশাপাশি পুরো ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।</span><br><br><br><span class="x3jgonx">খসড়া নীতিমালা নিয়ে খাতসংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে টেলিনর, আজিয়াটা ও ভিওন। চিঠিতে তারা বলেছে, এ নীতিমালার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব থাকবে। যদি ভুলভাবে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে তা শুধু বিদেশি বিনিয়োগের দিক থেকেই নয় বরং দেশের সামগ্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের জন্যও চ্যালেঞ্জিং হবে।</span><br><br><br><span class="x3jgonx">উল্লেখ্য, গত বছরের আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হওয়ার পর টেলিযোগাযোগ খাত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে ২০১০ সালের আন্তর্জাতিক দূরপাল্লার টেলিযোগাযোগ সেবা (আইএলডিটিএস) নীতিমালা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ লক্ষ্যে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক ও লাইসেন্সিং ব্যবস্থার সংস্কার নীতিমালা ২০২৫-এর প্রথম খসড়া গত এপ্রিলে প্রকাশ করা হয়। গত ৩০ জুন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এ খসড়ার একটি সংশোধিত সংস্করণ প্রস্তুত করে। সংশোধিত খসড়ায় বলা হয়েছে, মোবাইল অপারেটরদের বিদেশি মালিকানা ৮০ শতাংশ পর্যন্ত রাখা যাবে। আর দেশি মালিকানা ২০ শতাংশ রাখতে হবে।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বন্যা উপদ্রুত এলাকায় টেলিযোগাযোগ সচলে এসওএফ ফান্ড ব্যবহারের সিদ্ধান্ত</title>
<link>https://digibanglatech.news/155489</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155489</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_6870d5eb4d57e.jpg" length="158850" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 11 Jul 2025 11:14:37 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বৃষ্টি ও উজানের ঢলে প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল সহ দেশের বেশ কয়েকটি জেলা। বিশেষ করে <span>দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে জলাবদ্ধতা ও নদীভাঙনের ফলে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।</span> এর মধ্যে কুমিল্লা, ফেনী, ও নোয়াখালীর পরিস্থিতি অপেক্ষাকৃত নাজুক। পানিতে তলিয়েছে ফেনী সদর ও ছাগলনাইয়া উপজেলার শতাধিক গ্রাম। ফলে চার উপজেলায় বিদ্যুৎ সংযোগের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে মোবাইল নেটওয়ার্ক। নোয়াখালী সদর, কবিরহাট ও সেনবাগ উপজেলাযর পরিস্থিতিও একই।</p>
<p>এমন পরিস্থিতিতে দুর্যোগপূর্ণ এলাকায় বিকল্প জ্বালানী শক্তি হিসেবে জেনারেটর সরবরাহ কিংবা জেনারেটর চালু রাখতে ডিজেলের ব্যবস্থা করা এবং বিটিএসগুলোর ব্যাটারির চার্জ দেয়ার ক্ষেত্রে মোবাইল অপারেটরদের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। আপদকালীন সময়ে নাগরিকদের একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত রাখতে সংস্থার  সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল (এসওএফ) থেকে সহায়তা দেয়া হচ্ছে।</p>
<p>১১ জুলাই, শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। পোস্টে তিনি লিখেছেন,  “বন্যা পরিস্থিতির অবনতির সাথে সাথে আমরা ফেনী, নোয়াখালী ও কুমিল্লার বন্যা উপদ্রুত এলাকায় টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক সেবা সচল রাখার জন্য ডিজেল জেনারেটর মবিলাইজেশনের সিদ্ধান্ত <a tabindex="-1"></a>নিয়েছি। সরকার এসওএফ ফান্ড থেকে দুর্যোগকালীন ফুয়েল খরচের একাংশ বহন করবে বলে সার্ভিস প্রভাইডারদের আশ্বাস দিয়েছে। উল্লেখ্য যে, SOF টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারীদের জমানো টাকা, মূলত সরকারের অর্থ নয়। এটা দিয়ে দূর্গত অঞ্চলে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও সচল রাখার জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়।”</p>
<p><span>ফেসবুক পোস্টের সঙ্গে নেটওয়ার্ক সচল রাখকে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের নিরলস পরিশ্রমের ছবি শেয়ার করে ফয়েজ আরও উল্লেখ করেন, টেলিকম কর্মীদের চরম প্রতিকূল পরিস্থিতিতে কাজ করে যাচ্ছেন। </span></p>
<p><span>তাদের এই ‘সেবা মনোবৃত্তি’ ও ‘ডেডিকেশন’ উল্লেখ করে তিনি প্রশংসাও করেছেন। ছবিগুলো থেকে প্রতীয়মান হয়েছে, বন্যায় প্লাবিত ও অনেক রাস্তায় ভেঙ্গে যাওয়ায় নেটওয়ার্ক সচল রাখতে চলাচলের পাশাপাশি জেনারেটর কিংবা ডিজেটল পরিবহনে ব্যাপক কষ্ট করতে হচ্ছে মাঠকর্মীদের। নিজেরাই ভাঙ্গা রাস্তায় বাঁশ দিয়ে সাঁকো তৈরি করে বিচ্ছিন্ন সংযোগ সচল করতে গ্রাহকের দোরগোড়ায় ছুটে যাচ্ছে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবাদাতারা। কাঁধে ঝুলিয়ে ভারী জেনারেটর নিয়ে ছুটছেন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার ধাক্কা সামাল দিতে।  কখনো কখনো ট্রাক্টর দিয়ে পারি দিতে হচ্ছে প্লাবিত পিচ্ছিল পথ।   </span></p>
<div class="post-text mt-4">
<p>১১-জুলাই/ডিজিবিটেক/জেএস</p>
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<article class="content-details" id="content-details">
<div class="post-text mt-4">
<div class="block-full_richtext">
<div class="block-full_richtext">
<div>
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div>
<div>
<div></div>
<p></p>
</div>
<div></div>
</div>
<div>
<div class="print-adslot adsBox _4Pk8L _0Zwdj">
<div data-lang="বিজ্ঞাপন" class="dfp-ad-unit print-none Tlph-">
<div class="adunitContainer">
<div class=" adBox" id="News_InArticle_300x250-cc8ed953-c5bc-4377-bd11-5f452252105f-0-0" data-google-query-id="CNj5jPSvno4DFSbaPAIddzsRHQ"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="flex justify-center mb-[18px]">
<div class="flex justify-center w-[300px] h-[250px] md:w-[728px] md:h-[90px] bg-gray-50">
<div id="div-gpt-ad-1747224884205-0" data-google-query-id="CN7fi5jorI4DFTaErAIdYREEug"></div>
</div>
</div>
</div>
<div class="flex justify-center">
<div class=" w-[300px] h-[250px] overflow-hidden bg-gray-50 ">
<div id="div-gpt-ad-1708345673354-0" data-google-query-id="CN6gi5jorI4DFU2NrAIddRkJTQ"></div>
</div>
</div>
</div>
<div class="flex justify-center">
<div class=" w-[300px] h-[250px] overflow-hidden bg-gray-50 ">
<div id="div-gpt-ad-1747224962420-0" data-google-query-id="CJqLi5jorI4DFamirAIdH40eOg"></div>
</div>
</div>
</div>
</article>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="d-flex flex-row post-tags align-items-center mt-5"></div>
<div>
<div dir="auto"></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>&amp;apos;জিপি ওয়ান&amp;apos;&#45;এ ওটিটি&#45;গেইম&#45;সুরক্ষা</title>
<link>https://digibanglatech.news/155477</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155477</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_686ffb042445f.jpg" length="96195" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 10 Jul 2025 18:42:29 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিনোদন, গেইম ও নিরাপত্তাকে একই প্লাটফর্মে আনলো দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন। দেশে প্রথমবারের মতো চালু হওয়া অ্যাগ্রিগেটর প্ল্যাটফর্ম বায়োস্কোপ প্লাসের মাধ্যমে চরকি, হইচইসহ আরও নয়টি প্ল্যাটফর্মের সব ওটিটি কন্টেন্ট, পাঁচ হাজারের বেশি অনলাইন গেমসহ গেমিং প্ল্যাটফর্ম ইন্টিগ্রেটর ’ওয়ান গেমস’ এবং ম্যালওয়্যারের মতো অনলাইন ঝুঁকি মোকাবেলায় ডিজিটাল গেটওয়ে সুরক্ষায় জিপি শিল্ড’ নিয়ে চালু করলো গ্রামীণফোন ওয়ান।</p>
<p> ১০ জুলাই, বৃহস্পতিবার ঢাকার লা মেরিডিয়ানে প্লাটফর্মটিব উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান মো. আবু বকর ছিদ্দিক। </p>
<p>উদ্বোধনীর শুরুতেই লেজার লাইটের আলোক প্রক্ষেপনের মাধ্যমে একে একে মঞ্চের স্ক্রিনে ভেসে ওঠে জিপি শিল্ড। এই পণ্যটি বিষয়ে আলোকপাত করেন জিপির চিফ বিজনেস অফিসার ড. আসিফ নাইমুর রশিদ। হোস্ট অদিতির সঙ্গে আলাপে আলাপে জানালেন ব্যক্তি ও পেশাদার জীবনের পাশাশাপাশি ডিজিটাল ওয়ালেটকে র‌্যানসামওয়্যার, ম্যালওয়্যার ও ফিশিং থেকে সুরক্ষিত রাখার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। পরক্ষণেই আগের বছরের ঠিক একই সময়ে অবমুক্ত করা ‘আলো’ সিসি ক্যাম নির্ভর আইওটি সেবার কধা স্মরণ করিয়ে দেন সনেট। </p>
<p>এরপর ভূতের নাচ শেষে গ্রামীণফোনের চিফ প্রোডাক্ট অফিসার (সিপিও) সোলায়মান আলম জানান, জনে জনে সংযুক্তির মাধ্যমে সামাজিক ক্ষমতায়নে একটি ইকো সিস্টেম গড়ে তুলতে চান তারা। এ কারণেই আমরা গ্রামীণফোন ওয়ান এর মতো একটি প্লাটফর্ম ও প্রযুক্তি দিয়ে পার্টনারদের সক্ষম করে তুলছি। </p>
<p>অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাহিদ হাসান, চঞ্চল চৌধুরীর, মোশাররফ করিম ও আরিফিন শুভ;র<br>মতো দাপুটে অভিনেতারা। ছিলেন রেদওয়ান রনি, রায়হান রাফি ও  শিহাব শাহীনের মতো নির্মাতারা। অনুষ্ঠানে মুগ্ধ দর্শক হিসেবে দেখা গেলো মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশীকে। </p>
<p>৫ হাজার গেইমার কমিউনিটি নিয়ে বেটা লঞ্চ করা হলো ওয়ান গেইম। </p>
<p>আয়োজনের পাশের রুমেই ছিলো পার্টনার ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের জন্য ইন্টারঅ্যাক্টিভ প্রোডাক্ট শো-কেস জোন। সেখানে প্রথমবারের মত গ্রামীণফোনের নতুন অফারগুলোর সরাসরি অভিজ্ঞতা নেয়ার সুযোগ পেয়েছেন তারা। এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারে গ্রাহকদের চাহিদা পূরণে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের সহযোগে তৈরি গ্রামীণফোনের ভবিষ্যৎমুখী পণ্য ও সেবাগুলো দেখানো হয়েছে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোন থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান, চিফ মার্কেটিং অফিসার (সিএমও) ফারহা নাজ জামান, চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) ড. আসিফ নাইমুর রশিদ, চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার তানভীর মোহাম্মদসহ অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ। </p>
<p>বক্তব্যে ইয়াসির আজমান বলেন, “বাংলাদেশের তরুণদের সীমাহীন সম্ভাবনায় গ্রামীণফোনের দৃঢ় আস্থা রয়েছে। ইতোমধ্যে একাগ্রতা ও ডিজিটাল উদ্ভাবনের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যত গড়ে তুলছেন অসংখ্য ক্রিয়েটর, গেমার, ফ্রিল্যান্সার ও ড্রিমাররা। গ্রামীণ আবহ থেকে শুরু করে বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম - সবক্ষেত্রে ক্যারিয়ার গড়ছেন, বিশ্ব জয় করছেন এবং এগিয়ে যাওয়ার ধারণাকে বদলে দিচ্ছেন তারা।’</p>
<p>তার ভাষায়, ’গ্রামীণফোন ওয়ান’ তাদের জন্যই তৈরি করা হয়েছে; এটি এমন এক শক্তিশালী ইকোসিস্টেম যা দ্রুত, নিরাপদ ও ক্ষমতায়নে সহায়ক সংযোগ নিশ্চিত করবে, যেটি হবে তাদের স্বপ্ন পূরণের পথে বিকল্পহীন সহযাত্রী। এটি শুধু প্রযুক্তির বিষয় নয়; এটি পরবর্তী প্রজন্মের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি যা তাদের আরো এগিয়ে নেবে”- যোগ করেন তিনি। </p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১৮ জুলাই ১ জিবি ফ্রি ইন্টারনেট পাবেন গ্রাহক</title>
<link>https://digibanglatech.news/155447</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155447</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_686e91d7be97b.jpg" length="109320" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 09 Jul 2025 21:29:42 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে আগামী ১৮ জুলাই গ্রাহকদের বিনামূল্যে ১ জিবি ইন্টারনেট দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।</p>
<p>বুধবার (৯ জুলাই) রাত ৯টার পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ ঘোষণা দেন তিনি। </p>
<p>একই দিনে আগের বছরে ইন্টারনেট শাটডাউন করেছিলো তৎকালীন সরকার। সেই স্মৃতি স্মরণে ‘এক মিনিট ইন্টারনেট বন্ধের’ পরিকল্পনা থেকে সরে এসে নতুন এই ঘোষণা এলো অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে। </p>
<p>সরকারের যুব উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ফেসবুক পেজে লিখেছেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে সরকারি উদ্যোগের অংশ হিসেবে আগামী ১৮ জুলাই গ্রাহকদের বিনামূল্যে ১ জিবি ইন্টারনেট দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।’</p>
<p>এই স্ট্যাটাস দেয়ার পরই তার অনুসারীরা অফারটি <span>মেয়াদোত্তীর্ণ কি না এ বিষয় জানতে উন্মুখ হন। </span></p>
<p><span>পোস্টের নিচে একজন প্রশ্ন করেন, </span>মেয়াদ কয় ঘণ্টা? আগে এটা নিশ্চিত করা জরুরি যে, ইন্টারনেটের মেয়াদ শেষ হলে পরে থাকা ডাটা কেন গায়েব হয়ে যাবে?</p>
<div>
<div class="x1rg5ohu xxymvpz x17z2i9w">
<div aria-hidden="false" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1az2cgm">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1hc1fzr xhva3ql"><span class="html-span xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1hl2dhg x16tdsg8 x1vvkbs x4k7w5x x1h91t0o x1h9r5lt x1jfb8zj xv2umb2 x1beo9mf xaigb6o x12ejxvf x3igimt xarpa2k xedcshv x1lytzrv x1t2pt76 x7ja8zs x1qrby5j"><span>অরেকজন দাবি তোলোন- ‘টাকার কেনা ইন্টারনেট মেয়াদবিহীন চালানোর দাবি জানাচ্ছি’। তার মতোই একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেন, ‘এই ১ জিবি দিয়ে কি হবে, ১ মাস আনলিমিটেড দিলে খুশি হইতাম’। </span></span></div>
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1hc1fzr xhva3ql"><span class="html-span xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1hl2dhg x16tdsg8 x1vvkbs x4k7w5x x1h91t0o x1h9r5lt x1jfb8zj xv2umb2 x1beo9mf xaigb6o x12ejxvf x3igimt xarpa2k xedcshv x1lytzrv x1t2pt76 x7ja8zs x1qrby5j"><span></span></span></div>
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1hc1fzr xhva3ql"><span class="html-span xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1hl2dhg x16tdsg8 x1vvkbs x4k7w5x x1h91t0o x1h9r5lt x1jfb8zj xv2umb2 x1beo9mf xaigb6o x12ejxvf x3igimt xarpa2k xedcshv x1lytzrv x1t2pt76 x7ja8zs x1qrby5j"><span>ফেসবুকে পাঠকরাই এসব প্রশ্ন ও দাবি করে নিজেরাই রিপ্লাই দিলেও এই প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত উপদেষ্টার পক্ষ থেকে কোনো উত্তর দেয়া হয়নি। প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যবের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো বার্তা দেয়া হয়নি।  </span></span></div>
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1hc1fzr xhva3ql">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text story-element-text-also-read">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text story-element-text-also-read">
<div class="adv-img text-center marginTopBottom20 hidden-print">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<article class="content-details" id="content-details">
<div class="post-text mt-4">
<div class="block-full_richtext">
<div class="block-full_richtext">
<div>
<div>
<div>
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div>
<div>
<div>
<div>
<div>
<div>
<p style="text-align: left;">০৯-জুলাই/ডিজিবিটেক/জেএস</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</article>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১৫ আগষ্ট থেকে কার্যকর হবে মোবাইল সিমের নতুন সিদ্ধান্ত</title>
<link>https://digibanglatech.news/155384</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155384</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_686cc6918d2dd.jpg" length="78837" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 08 Jul 2025 12:59:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ১০টি মোবাইল সিম ব্যবহার করতে পারবেন এমন নিয়ম চালু করে আগামী ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে মোবাইল অপারেটরসহ সংশ্লিষ্টদের চূড়ান্ত নির্দেশনা পাঠাতে যাচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। নতুন এই নির্দেশনা আগামী ১৫ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে।  ফলে বর্তমানে যাদের নামে ১০টির বেশি সিম রয়েছে, তাদের অতিরিক্ত সিম ধাপে ধাপে নিষ্ক্রিয় করে দেয়া হবে। </p>
<p>সূত্রমতে, বিটিআরসির গত ৩০ জুনের নিয়মিত কমিশন বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সিম নিষ্ক্রিয় করার আগে গ্রাহকদের মতামত নেওয়া হবে।</p>
<p>কমিশনের হিসাবে দেখা গেছে, নতুন সীমা কার্যকর হলে প্রায় ২৬ লাখ গ্রাহকের নামে থাকা ৬৭ লাখ অতিরিক্ত সিম বন্ধ করতে হবে।</p>
<p>বিটিআরসি মোবাইল অপারেটরদের একটি তালিকা দেবে, যাতে দেখা যাবে কার নামে কতটি সিম আছে। যাদের নামে ১০টির বেশি সিম রয়েছে, অপারেটররা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জেনে নেবে কোন ১০টি সিম সক্রিয় রাখা হবে। বেশি ব্যবহৃত সিম এবং যেসব নম্বর মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় যুক্ত, সেগুলোকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।</p>
<p>এর আগে, ২০১৭ সালে একজন গ্রাহকের জন্য সর্বোচ্চ ১৫টি সিম ব্যবহারের অনুমোদন দেয়া হয়েছিল। ২০২২ সালে সিম নিবন্ধন পদ্ধতিতে কিছু পরিবর্তন এলেও সিমের সংখ্যা অপরিবর্তিত ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে জালিয়াতি, প্রতারণা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে মোবাইল সিম ব্যবহারের হার বেড়ে যাওয়ায় বিটিআরসি নতুন এই সিদ্ধান্ত নেয়।</p>
<p>আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত এক বৈঠকে উত্থাপিত পর্যবেক্ষণের ফলেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানাগেছে। সূত্রমতে, অতিরিক্ত সিম ব্যবহার করে কিছু ব্যক্তি চাঁদাবাজি, ব্ল্যাকমেইল ও জালিয়াতি করছে বলে অভিযোগ ওঠে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠকে। সাধারণ নাগরিকের বাইরেও সরকারি কর্মকর্তাদের নম্বর ক্লোন করে প্রতারণার ঘটনাও ঘটছে বলেও ওই বৈঠকে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়। এসব কারণে সীমা কমানোর সিদ্ধান্তে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।</p>
<p>২০২৫ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত বিটিআরসির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে ১৮ কোটি ৬২ লাখ সক্রিয় সিম রয়েছে। তবে প্রকৃত গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় ৬ কোটি ৭৫ লাখ। এদের মধ্যে ৮০ শতাংশের বেশি গ্রাহক ৫টির কম সিম ব্যবহার করেন। ৬ থেকে ১০টি সিম আছে ১৬ শতাংশের, আর ১১টির বেশি সিম ব্যবহার করেন মাত্র ৩ শতাংশ গ্রাহক। নতুন সীমা বাস্তবায়নের জন্য মোবাইল অপারেটরদের মাধ্যমে গ্রাহকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রচার কার্যক্রম চালানোর নির্দেশও দেয়া হয়েছে।</p>
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<p><em>০৮-জুলাই/ডিজিবিটেক/ইএম</em></p>
</div>
<div class="d-flex flex-row post-tags align-items-center mt-5"></div>
<p></p>
</div>
<div class="d-flex flex-row post-tags align-items-center mt-5"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div>
<div class="print-adslot adsBox _4Pk8L _0Zwdj">
<div data-lang="বিজ্ঞাপন" class="dfp-ad-unit print-none Tlph-">
<div class="adunitContainer">
<div class=" adBox" id="News_InArticle_300x250-cc8ed953-c5bc-4377-bd11-5f452252105f-0-0" data-google-query-id="CNj5jPSvno4DFSbaPAIddzsRHQ"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিটিআরসির নজরদারির অক্ষমতায় কোটি টাকা ফাঁকি দিতে সক্ষম আইসিএক্স</title>
<link>https://digibanglatech.news/155357</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155357</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_686ba3a77aa79.jpg" length="113675" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 07 Jul 2025 16:04:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span lang="EN">বিটিআরসির মনিটরিংয়ের অক্ষমতার কারণে <span> ভয়েস ট্র্যাফিকের আদান-প্রদান বা সুইচিং এবং রাউটিং পরিচালনাকারী ইন্টারকানেকশন এক্সচেঞ্জ অপারেটররা (আইসিএক্স) বিগত সময়ে চুরি-জালিয়াতি করতে সক্ষম হয়েছে বলে মনে করেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক-টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। এসব পথ বন্ধ করে টেলিকম পলিসি ২০২৫ এর মাধ্যমে প্রতিটি স্তরের সুবিধা গ্রাহকদের কাছে দৃশ্যমান করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। </span></span></p>
<p><span lang="EN"><span>৭ জুলাই, সোমবার বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত জরুরী সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। আক্ষেপ করে বলেছেন, বিগত সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নি<span lang="BN">য়</span>ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক লং ডিসট্যান্স টেলিকমিউনিকেশন সার্ভিসেস (আইএলডিটিএস) নীতি চালু করে। এই নীতি মোবাইল নেটও<span lang="BN">য়া</span>র্ক অপারেটরদের (এমএনও) কার্যক্রমের সুযোগকে ব্যাপকভাবে সীমিত করে। তৎকালীন আওয়ামী সরকার মূলত রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে একের পর এক লাইসেন্স প্রদান করে, যারা এখনও সক্রিয় রয়েছে। </span></span></p>
<p><span lang="EN"><span>তাই নতুন করে পলিসি করতে গিয়ে ‘কতিপয় মিডিয়া এবং স্বার্থান্বেষী কমিউনিকেশন মাফিয়াদের রোষানলে পড়েছি’ বলে উল্লেখ করেন ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব। </span></span></p>
<p><span lang="EN"><span>বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে তাকে জড়িয়ে সিন্ডিকেট রিপোর্ট হয়েছে আভাস দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী বলেছেন, </span></span>বিগত <span lang="EN">২ মে, ২০২৫ বিটিআরসি</span>তে <span lang="EN">কনফারেন্স হলো। এদিন বাংলাদেশের ইন্টারনেটকে বিশ্বের মাঝে সর্বনিকৃষ্ট হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়। আপনারা জানেন, বিটিআরসি এবং ডাক টেলিযোগাযোগ বিভাগ বর্তমানে একটি নতুন প্রজন্মের টেলিকম লাইসেন্স পলিসি নিয়ে কাজ করছে, যা  আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন ITU এবং জিএসএমএ সহ প্রত্যেক আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংস্থার প্রধানতম নির্দেশনা। এখানে বিশ্বে অপ্রচলিত এরকম লাইসেন্সসমূহকে ডিসকন্টিনিউ করার এবং বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ লাইসেন্সকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার একটা চেষ্টা হচ্ছে। এরপর থেকেই, <span> কতিপয় মিডিয়া এবং স্বার্থান্বেষী কমিউনিকেশন মাফিয়াদের রোষানলে পড়েছি</span></span><span lang="EN">।<o:p></o:p></span></p>
<p><span lang="EN">টেলিকম পলিসিতে কি আছে সে বিষয়ে বিবৃত করে ফয়েজ জানান, সম্প্রতি ‘টেলিকম নেটওয়ার্ক ও লাইসেন্সিং রিফর্ম পলিসি-২০২৫’ নিয়ে কিছু প্রশ্ন </span>উপস্থাপন করা হয়েছে<span lang="EN">, নতুন খসড়ায় সেগুলোর সুস্পষ্ট উত্তর রয়েছে। যেমন, এসএমই’দের (ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা) প্রটেকশন করা, আইএসপিদের যথাসম্ভব ডিরেগুলেট (</span><span lang="BN">নিয়ন্ত্রণমুক্ত</span><span lang="EN">) করে লাইট টাচ লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে। আমরা তাদেরকে (আইএসপি) পুরোপুরি ডিরেগুলেট (</span><span lang="BN">নিয়ন্ত্রণমুক্ত</span><span lang="EN">) চেয়েছিলাম, কিন্তু তারাই (আইএসপি) আবার এটা চাচ্ছে না। কারণ</span><span lang="BN">,</span><span lang="BN"> </span><span lang="EN">তারা (আইএসপি) লাইসেন্সের বিপরীতে ব্যাংক থেকে ঋণের সুবিধাটা পেতে চায়। সেজন্য তারা পুরোপুরি ডিরেগুলেট হতে চায় না। তাদের অনুরোধেই আমরা একটা লাইট টাচ লাইসেন্সের আওতায় তাদের এনেছি। </span><span lang="BN">এছাড়া,</span><span lang="BN"> </span><span lang="EN">ডেটা সেন্টার, ক্লাউড পলিসি থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ে আমরা ডিরেগুলেশনে গিয়েছি।<o:p></o:p></span></p>
<p><span lang="EN">‘আমরা সার্ভিস লেয়ারে, ন্যাশনাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার লেয়ারে, ইন্টারন্যাশনাল লেয়ারে- সবখানেই তাদের বড় ধরনের ক্যাপিং করার চেষ্টা করেছি। যেমন, ইন্টারন্যাশনাল লেয়ারে বলেছি তারা সর্বোচ্চ ৪৯ শতাংশ মালিকানা রাখতে পারবে। ন্যাশনাল লেয়ারে </span><span lang="BN">বলা হয়েছে</span><span lang="EN">, তারা সর্বোচ্চ ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ মালিকানা রাখতে পারবে</span><span lang="BN">,</span><span lang="BN"> </span><span lang="EN">এটা</span><span lang="BN"> এখনও</span><span lang="BN"> </span><span lang="EN">নেগোশিয়েবল।</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">আমরা ৫৫ শতাংশ প্রস্তাব করেছি, বিদেশিরা আরও বাড়ানোর জন্য পুশ করছে। আপনারা জানেন</span><span lang="BN">,</span><span lang="BN"> </span><span lang="EN">দুটো অপারেটর হান্ড্রেড পার্সেন্ট বিদেশি হওয়া সত্ত্বেও আমরা সেখানে বলেছি, ৮০ শতাংশের বেশি মালিকানা রাখতে পারবে না বিদেশিরা-- যোগ করেন তিনি। </span></p>
<p><span lang="EN">আইসিএক্স স্তর না থাকার পেছনের ব্যাখ্যা দিয়ে ফয়েজ আহম তৈয়্যব বলেন, </span><span lang="EN">ডেটা স্ট্রাকচারের অনেকগুলো স্তরে সামান্য বিনিয়োগ করে</span><span lang="BN">, সামান্য </span><span lang="EN">ভ্যালু অ্যাডিশন</span><span lang="BN"> করে</span><span lang="BN"> </span><span lang="EN">যারা অনেক অর্থ </span><span lang="BN">হাতিয়ে</span><span lang="BN"> </span><span lang="EN">নিচ্ছিল, তাদেরকে আমরা </span><span lang="BN">বাদ দেয়ার বিবেচনা করছি</span><span lang="EN">।</span><span lang="BN"> অর্থাৎ,</span><span lang="BN"> </span><span lang="EN">সামান্য কিছু টাকার ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেপ্লয় করে যারা অনেক টাকা সরিয়ে নিচ্ছিল এই খাত থেকে, আমরা সেই লাইসেন্সগুলো যৌক্তিকভাবে রিমুভ করার চেষ্টা করেছি।<o:p></o:p></span></p>
<p><span lang="EN">তিনি আরো বলোস,  বাংলাদেশে যে পলিসি আছে এ ধরনের পলিসি বিশ্বের কোথাও নেই। আইসিএক্স নামে যে লাইসেন্সগুলো আছে বা নিক্স নামে একটা লাইসেন্স আছে, এই ধরনের লাইসেন্স বিশ্বের কোথাও নেই। এগুলো হয়েছে ২০০৭-২০০৮ সময়ে বিটিআরসির মনিটরিংয়ের অক্ষমতা ছিল, সেই কারণে কোম্পানিগুলো চুরি-জালিয়াতি করেছে।  <o:p></o:p></span><span lang="EN">সেগুলোকে অজুহাত করে কয়েক কোটি টাকার যন্ত্রপাতি স্থাপন করে কয়েকশ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। সে ধরনের স্তরগুলো যারা কোনো ভ্যালু অ্যাড করে না, তাদের সরিয়ে দিয়ে আমরা লাইসেন্সিং স্ট্রাকচারটা আধুনিক করছি। <o:p></o:p></span></p>
<p><span lang="EN">ফয়েজ আরো বলেন, আইসিএক্স স্তর থাকার জন্য গ্রাহকের প্রতি কলে প্রতি মিনিটে ৫ পয়সা করে খরচ বেড়ে যায়।</span><span lang="EN"> আমরা মোবাইল অপারেটরদের অনুরোধ জানাব যেন তারা গ্রাহকের কলের রেট এডজাস্ট করেন। কার</span><span lang="BN">ণ</span><span lang="EN"> Supply - Demand কার্ভ Economics এর একটি বেসিক ‘</span>Law<span lang="EN">’ । এভাবে আমরা টেলিকম পলিসি ২০২৫ এর মাধ্যমে প্রতিটি স্তরের সুবিধা গ্রাহকদের কাছে </span>দৃশ্যমান <span lang="EN">করতে চাই।   <o:p></o:p></span><span lang="EN">আমরা আশা করছি যে, এই পলিসিটি টেলিকম সেবার মানোন্নয়নের পাশাপাশি ব্যবসা বান্ধব পরিবেশ তৈরি করবে যা আগামী বাংলাদেশের পথ চলা সুগম করবে। আগামী ১০ থেকে ১২ বছর এই লাইসেন্স পলিসিটা থেকে যেতে পারে বলে আমি আশাবাদী, সেজন্য আমরা মনে করি বিশ্বমানের একটা স্ট্রাকচার দরকার আছে।<o:p></o:p></span></p>
<p><span lang="EN">নতুন নীতিমালার গুরুত্ব তুলে ধরে বিশেষ সহকারী বলেছেন,  ২০১৫ সাল থেকে আইটিইউ (আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন) এবং জিএসএমএ (মোবাইল অপারেটরদের আন্তর্জাতিক প্লাটফর্ম) একটা সহজ লাইসেন্সিং ব্যবস্থা নিয়ে বাংলাদেশের সরকারকে ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে চাপ দিচ্ছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার সেটা করেনি। যেহেতু আমাদের সংস্কারের মন মানসিকতা আছে, সেজন্য আমরা বিষয়টাতে গুরুত্ব দিচ্ছি। আও</span><span lang="BN">য়া</span><span lang="EN">মীলীগের নেতাদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে রাজস্ব আয়ের উৎস থেকে লাভবান করাই ছিলো এই পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য।<o:p></o:p></span></p>
<p><span lang="EN">সংবাদ সম্মেলনে<span> </span>আইসিটি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী,  টেলিকম সচিব (রুটিন দায়িত্ব) <span>মোঃ জহিরুল ইসলাম, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</span></span></p>
<p>০৭-জুলাই/ডিজিবিটেক/ইএইচ</p>
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div>
<div>
<div></div>
<p></p>
</div>
<div></div>
</div>
<div></div>
</div>
<div class="d-flex flex-row post-tags align-items-center mt-5"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এনটিটিএন হতে প্রশাসনিক বাধায় আটকে গেছে বিটিসিএল</title>
<link>https://digibanglatech.news/155292</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155292</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_6866b79760430.jpg" length="32060" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 03 Jul 2025 22:55:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>এনটিটিএন লাইসেন্সধারী হলেও, কার্যকরভাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেনি বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতে দীর্ঘদিনের সরকারি প্রতিষ্ঠান বিটিসিএল। অথচ বর্তমানে দেশের প্রধান এনটিটিএন অপারেটররা ডিডাব্লিউডিএম (DWDM) ইকুইপমেন্টের মাধ্যমে  প্রায় এক লাখ ৪৮ হাজার কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছে। এই সুযোগে দেশের এনটিটিএন সেক্টরে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আধিপত্য বিস্তার করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। </p>
<p>সূত্রমতে, বেসরকারি এনটিটিএন অপারেটররা মোবাইল অপারেটর ও ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারদের জন্য ব্যাকবোন নেটওয়ার্ক সরবরাহ করে আসছে। তবে এই বেসরকারি অপারেটরদের উচ্চ মূল্য ও সীমিত বিনিয়োগের কারণে সেবা গ্রহণকারীরা সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্য নেটওয়ার্ক পেতে সমস্যায় পড়ছেন।</p>
<p>বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ মনে করছে, এখন ৫জি রেডিনেস প্রকল্পের মাধ্যমে বিটিসিএলের সামনে নতুন সুযোগ এসেছে, যা সফল হলে এটি সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও আধুনিক এনটিটিএন অপারেটর হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। </p>
<p>জানাগেছে, প্রকল্পটি দেশের প্রত্যেক উপজেলা পর্যন্ত ১০০ গিগাবিট পার সেকেন্ড (জিবিপিএস) ফাইবার অপটিক সংযোগ স্থাপন করবে, জেলা শহরে ৩০০ জিবিপিএস এবং মহানগরীতে সর্বোচ্চ ১০০০ জিবিপিএস সক্ষমতার নেটওয়ার্ক নির্মাণ করবে। এর ফলে দেশের ডিজিটাল অবকাঠামোর গতি ও ক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে বাংলাদশের ব্যান্ডউইথ ব্যবহার ৩৫ টেরাবাইট যা এবছরের মধ্যেই ৫০ টেরাবাইটে পৌঁছাবে এবং আগামী পাঁচ বছরে এই ব্যবহার চার-পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পাবে বলে বিশেষজ্ঞগণ মতামত দিয়েছেন। </p>
<p>বিটিসিএল এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের মোট ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথের প্রায় ৩০ শতাংশ বা ১১,২৫০ জিবিপিএস সরবরাহ করার সক্ষমতা অর্জন করবে, যা আগামী দশকের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বিটিসিএল এই প্রকল্পের মাধ্যমে আধুনিক ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন অপটিক্যাল ফাইবার ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক নির্মাণ করবে। এর ফলে সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিটিসিএল নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি ও গুণগত মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে এবং বেসরকারি এনটিটিএন অপারেটরদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকবে। </p>
<p>অন্যদিকে মোবাইল অপারেটর ও অন্যান্য সেবাদাতারা উন্নতমানের ব্যাকহল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারবে, যা দেশের ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি বাংলাদেশের জনগণ সাশ্রয়ী মূল্যে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা পাবে।</p>
<p>প্রকল্পের মোট অনুমোদিত বাজেট ছিল ১০৫৯ কোটি টাকা, যার মধ্যে সরাসরি যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্য বরাদ্দ রয়েছে প্রায় ৪৬৩ কোটি টাকা। আন্তর্জাতিক টেন্ডারে চীনের হুয়াওয়ে কোম্পানি সর্বনিম্ন দর ৩২৬ কোটি টাকায় এই প্রকল্পের যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য নির্বাচিত হয়েছে, যা অনুমোদিত বাজেটের থেকে প্রায় ১৩৭ কোটি টাকা কম। কিন্তু এরপরেও টেন্ডার প্রক্রিয়াটি দীর্ঘ সময় ধরে নানা জটিলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।</p>
<p><br>দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রশাসনিক জটিলতা ও অনাকাঙ্ক্ষিত বাধায় প্রকল্পের অগ্রগতি আটকে রয়েছে। যন্ত্রপাতি ইতোমধ্যে বন্দরে এসে পৌঁছলেও তা মুক্তি পাচ্ছে না। প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী-সহ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং বিটিসিএল-এর কর্মকর্তাগণ প্রকল্পের দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য চেষ্টা করছেন। তারা আশাবাদী, দ্রুত যন্ত্রপাতি মুক্তি পেলে বিটিসিএল ৫জি সেবা প্রদানে সক্ষম হবে এবং দেশের ডিজিটাল উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।</p>
<p>কিন্তু, প্রশাসনিক জটিলতা ও বিভিন্ন স্তরের বাধা কাটিয়ে না উঠলে দেশের ডিজিটাল উন্নয়ন পরিকল্পনায় বিলম্ব ঘটবে এবং ৫জি প্রযুক্তির সুফল জনগণের কাছে পৌঁছাতে সময় লাগবে। দেশের টেলিযোগাযোগ খাতকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য উচ্চ পর্যায়ের মনোযোগ ও সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ ছাড়া এই প্রকল্পের সুফল পাওয়া কঠিন হবে এবং দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির লক্ষ্য অর্জনে বাধা সৃষ্টি হবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নতুন খসড়া টেলিকম নীতামালায় বড়দের স্বার্থ রক্ষা ও ছোটদের বিদায় ঘণ্টা?</title>
<link>https://digibanglatech.news/155269</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155269</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_686640a3215f7.jpg" length="54444" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 03 Jul 2025 13:55:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নতুন খসড়া টেলিকম নীতামালায় বড়দের স্বার্থ রক্ষা ও ছোটদের বিদায় ঘণ্টা বাজাবে শঙ্কায় আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে তড়িঘড়ি করে জাতীয় টেলিকম নীতিমালা প্রণয়নের পক্ষে নয় বিএনপি। দলটি মনে করে, এই নীতিমালা বড় মোবাইল কোম্পানির পক্ষে বাড়তি সুবিধা দেবে। বিএনপি বলেছে, বড় মোবাইল কোম্পানিকে এন্টারপ্রাইজ ব্রডব্যান্ড বাজারে প্রবেশের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে এই লাইসেন্স সংস্কারের মাধ্যমে।</p>
<p>২ জুন, বৃহস্পতিবার দুপুরে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।</p>
<p>লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এর সাম্প্রতিক “ড্রাফট টেলিকম নেটওয়ার্ক ও লাইসেন্সিং রিফর্ম পলিসি ২০২৫” উদ্যোগের বিষয়টি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এই উদ্যোগ প্রশংসনীয় হলেও আমরা এই মুহূর্তে এ ধরণের একটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে তড়িঘড়ি করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার বিষয়ে আশংকা প্রকাশ করছি। এই নীতির উদ্দেশ্য হলো লাইসেন্সিং পদ্ধতি সহজ করা, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি উৎসাহিত করা এবং গ্রামীণ জনগণের ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি বাড়ানো- যা অবশ্যই ইতিবাচক একটি বিষয়। তবে, খসড়া নীতিমালাটি বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে, এতে কিছু গুরুতর সমস্যা রয়েছে যা টেলিকম খাতে সমতাভিত্তিক ও টেকসই উন্নয়নে বাধা দিতে পারে। বিএনপি গঠনমূলক মনোভাব নিয়ে এই খসড়ার সম্ভাব্য দুর্বলতা, অস্পষ্টতা এবং বড় মোবাইল অপারেটরদের (MNO) পক্ষে অধিক সুবিধা পাওয়ার কিছু ধারা তুলে ধরছে — যা ছোট ও মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান (SME) এবং স্থানীয় উদ্যোক্তাদের ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।</p>
<p>নির্বাচনের আগে এই ধরনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা প্রণয়নকে বিএনপি অযৌক্তিক মনে করছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে টেলিকম নীতিমালা প্রণয়ন সমীচীন হবে না। সরকারের এমন সব পদক্ষেপ নেয়া উচিত, যা দেশ ও জনগণের কল্যাণ বয়ে আনে।</p>
<p>মির্জা ফখরুল বলেন, আগামীর রাজনীতি ও গণতন্ত্র উত্তরণের পথ যাতে মসৃণ রাখা যায়, সতর্কতার সঙ্গে সেই পথেই হাঁটছে বিএনপি। </p>
<p>জরুরী সংবাদ সম্মেলনে বড় মোবাইল কোম্পানিকে সুযোগ করে দিতে টেলিকম নীতিমালা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।</p>
<p>নীতিমালা সংস্কারে তড়িঘড়ি না করে "এই গুরুত্বপূর্ণ নীতি বাস্তবায়নের আগে তারা যেন পূর্ণাঙ্গ আর্থিক ও সামাজিক প্রভাব বিশ্লেষণ এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের (SME, বিশেষজ্ঞ, ভোক্তা সংগঠন) সঙ্গে অংশগ্রহণমূলক আলোচনা করার পর নীতিমালা চুড়ান্ত করার" আহ্বান জানানো হয়েছে। দেয়া হয়েছে ৩টি প্রস্তাবনা।</p>
<p>এতে বলা হয়েছে, একাধিক সেবাখাতে মালিকানা রাখার নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে বড় মোবাইল অপারেটররা একাধিক খাতে একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারে। এতে প্রতিযোগিতা কমে যাবে এবং ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো পিছিয়ে পড়বে। ডি-রেগুলেশনের (নিয়ন্ত্রণ শিথিল) পরে SME, বিশেষ করে স্থানীয় ISP বা ছোট টেলিকম অপারেটরদের সম্পদ ও দায়বদ্ধতা নিয়ে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা না থাকায় তারা বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়তে পারে। এছাড়াও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য মালিকানার সীমা নিয়ে অস্পষ্টতা আছে, যা বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত করতে পারে এবং খাতের স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করতে পারে।</p>
<p>অপরদিকে উল্লম্ব ও সমান্তরাল মালিকানার বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যার অভাবে বড় কোম্পানিগুলো আরও বাজার দখল করে নিতে পারে বলে শঙ্কা বিএনপি'র। নীতিমালায় এন্টারপ্রাইজ সার্ভিসের সীমা অস্পষ্টতা তুলে বলা হয়েছে, মোবাইল অপারেটরদের ফাইবার-ভিত্তিক ব্যবসা সংযোগ সেবা কোথায় সীমাবদ্ধ তা স্পষ্ট নয়, ফলে বিবাদ ও অসাম্য তৈরি হতে পারে। স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড বা নতুন ডিজিটাল সেবা নিয়ে নীতিতে কোনো সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা নেই, যা বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করতে পারে।</p>
<p>বড় মোবাইল অপারেটরদের প্রতি পক্ষপাত নিয়ে বিএনপির পর্যবেক্ষণ, ISP লাইসেন্স একীভূত করার ফলে বড় প্রতিষ্ঠানগুলো সুবিধা পাবে। ANSP লাইসেন্সে স্পেকট্রামের ওপর নির্ভরতা বড় কোম্পানিগুলোকে এগিয়ে রাখবে। ‘ফিক্সড টেলিকম’ লাইসেন্স খোলা থাকলেও সারা দেশে সেবা দিতে হবে এবং উচ্চ মান বজায় রাখতে হবে — যা SME-দের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রতীকী ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট বাতিল</title>
<link>https://digibanglatech.news/155259</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155259</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_68660ddd3f066.jpg" length="61057" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 03 Jul 2025 09:24:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>স্যোশ্যাল হ্যান্ডেলে  সমালোচনার মুখে রাত গড়াতে বাতিল হল এক মিনিটের জন্য প্রতীকি ইন্টারনেট ব্লাক আউটের সিদ্ধান্ত।</p>
<p>৩ জুলাই, বৃহস্পতিবার সকালে নিজের সোশাল হ্যান্ডেলে এই তথ্য দিয়েছেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সারওয়ার ফারুকী।   </p>
<p>পোস্টে প্রাথমিক প্রস্তাবনা থেকে বাদ দেয়ার পরও অজ্ঞাতেই এই কর্মসূচিটি অন্তর্ভুক্তি হয়েছে বলে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি। একইসঙ্গে দ্রুতই ক্যালেন্ডার সংশোধনের কথা জানিয়েছেন উপদেষ্টা। </p>
<p><span style="color: rgb(224, 62, 45);"><strong><a href="https://digibanglatech.news/155253" target="_blank" style="color: rgb(224, 62, 45);" rel="noopener">পোস্ট লিংক</a></strong></span></p>
<p>সেখানে তিনি লেখেন, “জুলাই কোমেমোরেশন প্রোগ্রামের একটা কর্মসূচি নিয়ে আমাদের পরিকল্পনা পর্যায় থেকেই দ্বিধা ছিলো। একটা মাত্র কর্মসূচিই আমরা কয়েকবার কেটেছি, আবার যুক্ত হয়েছে। আমরা অনেকেই একমত ছিলাম “এক মিনিট ইন্টারনেট ব্ল‍্যাক আউট” গ্রেট আইডিয়া না সম্ভবত। পরে আবার নানা আলোচনায় এটা ঢুকে পড়ে কর্মসূচিতে। অনেক বড় কর্মসূচি এবং বড় একটা দল কাজ করলে এরকম দুয়েকটা ভুল চোখের আড়ালে থেকে যায়। যাই হোক, আমরা কৃতজ্ঞ আপনাদের কাছে, সেই কর্মসূচি নিয়ে আপনাদের মতামত জানানোর জন‍্য। আপনাদের অবগতির জন্য জানাচ্ছি, আমরা নিজেদের মধ্যে দ্রুত সভা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি- এক মিনিট প্রতীকী ইন্টারনেট ব্ল্যাক আউট কর্মসূচি থাকছে না। সংশোধিত স্লাইড শেয়ার করে হচ্ছে।”</p>
<p>এর বাইরে সব কর্মসূচি অপরিবর্তিত থাকছে জানিয়ে তিনি লেখেন, লেটস রিকানেক্ট, রিগ্রুপ এন্ড রিইগনাইট দ‍্য ভেরি জুলাই ফায়ার (চলুন, আমরা আবার যুক্ত হই, সংগঠিত হই এবং সেই জুলাই আগুনকে নতুন করে জ্বালিয়ে তুলি)।</p>
<p>এর আগে গত ২৫ জুন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় ৩৬ দিনের কর্মসূচির বিস্তারিত জানানো হয়। </p>
<p><a href="https://digibanglatech.news/155253" target="_blank" rel="noopener"><span style="color: rgb(186, 55, 42);"><strong>১৪ ও ৩৬ জুলাইয়ে ড্রোন শো</strong></span></a></p>
<p>প্রসঙ্গত, গত বছরে মোবাইল ইন্টারনেট তথা ফোরজি সার্ভিস বন্ধ করা হয়েছিল ১৭ তারিখ দিবাগত রাত ১.২৯ মিনিটে, তৎকালীন জেনারেল জিয়াউল হকের এনটিএমসির পাঠানো নির্দেশনায়। আর ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশনা এসেছিল ১৮ তারিখ রাত সাড়ে সাতটার পর। তবে পুরোপুরি বন্ধ হতে সময় নেয় রাত নয়টায়। আর সেই ইন্টারনেট খুলে দেয়ার আদেশ আসে ২৮ জুলাই দুপুর ২টা ৪১ মিনিটে দেশের ইতিহাসে প্রথম দীর্ঘমেয়াদে তখন পুরোপুরি ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের সাক্ষী হয় বাংলাদেশ। </p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিটিআরসি প্রস্তাবিত ট্যারিফ থেকেও ২০০ টাকা দাম কমালো আইএসপিএবি!</title>
<link>https://digibanglatech.news/155189</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155189</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_6863cdc2d3e40.jpg" length="89260" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 01 Jul 2025 18:00:20 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>গ্রাহকের সেবার মান বজায় রাখতে গতি ৫ এমবিপিএসি গতি দ্বিগুণ করে ৫০০ টাকার ন্যূনতম প্যাকেজ ঘোষণা করেছে ইন্টারনেট সেবাদাতাদের সংগঠন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি)। ১ জুলাই (মঙ্গলবার) থেকে কার্যকর ধরে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ঘোষিত ৫ এমবিপিএস ৪০০ টাকার করার পরিবর্তে ৭০০ টাকার ফিক্সড ইন্টারনেট প্যাকেজ ৫০০ টাকায় দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংগঠনটি। </p>
<p>এদিকে ১ জুলাই থেকে বাস্তবায়নের জন্য গত ১৮ মে বিটিআরসি থেকে আইএসপি-দের একটি ট্যারিফ দেয়া হয়েছিলো। ওই ট্যারিফে ন্যূনতম ৫ এমবিপিএস ইন্টারনেট ৪০০ টাকা, ১০ এমবিপিএস ৭০০ টাকা এবং ২০ এমবিপিএস সর্বোচ্চ ১১০০ টাকা করার কথা বলা হয়েছিলো। তবে ৫ এমবিপিএস দিয়ে বর্তমানে মানসম্মত কোনো সেবা দেয়া সম্ভব না হওয়ায় ৫ এমবিপিএস গতিকে ছুটিতে পাঠালো ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবাদাতারা। পরিবর্তে ৭০০ টাকায় যে ১০ এমবিপিএস ব্যান্ডউইথ গতির সেবা দেয়ার কথা ছিলো সেই সেবাই ২০০ টাকায় নামিয়ে ৫০০ টাকা করা হয়েছে। </p>
<p>বিটিআরসি প্রস্তাবিত ট্যারিফ বাস্তব সম্মত না হওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত বলে জানাগেছে। এ সিদ্ধান্ত বিষয়ে আইএসপিএবি বলছে, বর্তমানে আইএসপি শিল্পে কোনও আইএসপি- থানা ভিত্তিক, জেলা ভিত্তিক, বিভাগীয় বা নেশন ওয়াইড আইএসপি ৫ এমবিপিএস-এর প্যাকেজ দেয় না। আইএসপিগুলো কমবেশি গড়ে ১০ এমবিপিএস ব্যান্ডউইথ দিয়ে থাকে। সেই অনুযায়ী আইএসপিএবি ৫০০ টাকা থেকে প্যাকেজ শুরু করতে যাচ্ছে। </p>
<p>আইএসপিএবি সভাপতি আমিনুল হাকিম এ প্রসঙ্গে বলেছেন, স্পিডটেস্ট গ্লোবাল ইনডেস্কে ফিক্সড ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবায় বিশ্বের ১৫৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৮তম। এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও উপরে দেখতে চায় আইএসপিএবি। সেই আলোকে দেশের আইএসপিগুলো কোয়ালিটি অব সার্ভিস (মানসম্মত সেবা) এবং বৈশ্বিক সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান যেন আরও উপরের দিকে উঠে আসে সেজন্য ১০ এমবিপিএস দিয়ে শুরু করতে যাচ্ছে এবং সরকার যদি সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল (এসওএফ) ও রেভিনিউ শেয়ার (রাজস্ব ভাগাভাগি) প্রত্যাহার করে নেয় তাহলে আইএসপিগুলো পরবর্তী সময়ে ব্রডব্যান্ডের সংজ্ঞা অনুযায়ী গ্রাহককে ২০ এমবিপিএস ব্যান্ডউইথ নিশ্চিত করতে পারবে বলে আশা পোষণ করে। সেই অনুযায়ী কাজ করে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। </p>
<p>আমিনুল হাকিম আরও বলেন, বেশির ভাগ গ্রাহক মাসিক বিলের সাথে ৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করে। এই ভ্যাটটা আমরা আদায় করতে পারি না। আইএসপিএবির সদস্যরা একমত হয়েছে যে, সরকারের সাথে একসাথে কাজ করার লক্ষ্যে এবং দেশের উন্নতির জন্য রাজস্ব নিশ্চিত করতে গ্রাহকের কাছ থেকে ৫ শতাংশ ভ্যাট আদায় করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেবে। </p>
<p>এক সংবাদবিজ্ঞপ্তিতে গণমাধ্যমের মাধ্যমে গ্রাহকদের লাইসেন্সধারী আইএসপির কাছ থেকে ইন্টারনেট সংযোগ গ্রহণ এবং প্রতি সংযোগের মাসিক ফির সাথে বর্তমান সরকারের নিয়ম অনুযায়ী ৫ শতাংশ ভ্যাট প্রদান করতে এবং গ্রহকদের মাসিক বিল পরিশোধের সময় রিসিট প্রদান করতে আইএসপিদের অনুরোধ জানিয়েছে আইএসপিএবি।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রায়ান্সে স্টারলিংক কিট</title>
<link>https://digibanglatech.news/155161</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155161</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_6862ae41492af.jpg" length="102290" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 30 Jun 2025 19:33:37 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal"><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">কম্পিউটার</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">সামগ্রী</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">ও</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">আইটি</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">পণ্য</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">সরবরাহকারী</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">প্রতিষ্ঠান</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">রায়ান্স</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">তাদের</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">অফিসিয়াল</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">ওয়েবসাইট</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">এবং</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">ফিজিক্যাল</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">শপ</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">দুই</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">জায়গা</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">থেকেই কৃত্রিম উপগ্রহ ভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংক কিট বিক্রির</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">অর্ডার</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">গ্রহণ</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">করছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে ৩০ জুন (সোমবার) জানানো হয়, </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">অর্ডার</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">নেওয়া</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">শুরু</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">হলেও</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">প্রোডাক্ট</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">ডেলিভারি</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">শুরু</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">হবে</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">১০</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">জুলাই</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">থেকে।</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span></p>
<p class="MsoNormal"><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">এতে আরো জনানো হয়, </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">বাংলাদেশে</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">স্টারলিংকের</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">অনুমোদিত</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">রিটেইলার হিসেবে</span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"><span style="font-family: Mangal, serif;"> </span></span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">রায়ান্সের</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">ওয়েবসাইট</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">এবং</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">শপ</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">থেকে</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">গ্রাহকরা</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">তাদের</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">প্রয়োজন</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">অনুযায়ী</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">স্টারলিংক</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">ইন্টারনেট</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">কিট</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">নির্বাচন</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">করে</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">অর্ডার</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">করতে</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">পারবেন।</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> এছাড়াও</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">কাস্টমার</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">সার্ভিস</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">টিম</span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"><span style="font-family: Arial, sans-serif;"> থেকে সাপোর্টও দেয়া হবে। </span></span></p>
<p class="MsoNormal"><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">রায়ান্সের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সাদ আক্কাস শুভ জানান</span><span style="font-family: 'Arial',sans-serif;">, </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">এই</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">উদ্যোগ</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">দেশের</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">প্রত্যন্ত</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">ও</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">কম</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">সংযুক্ত</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">অঞ্চলে</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">ইন্টারনেট</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">সেবার</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">মান</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">উন্নয়নে</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">গুরুত্বপূর্ণ</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">ভূমিকা</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">পালন</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">করবে।</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">পাশাপাশি</span><span style="font-family: 'Arial',sans-serif;">, </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">এটি</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">প্রযুক্তিনির্ভর</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">বাংলাদেশের</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">স্বপ্ন</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">বাস্তবায়নে</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">সহায়ক</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">হবে</span><span style="font-family: 'Arial',sans-serif;">, </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">যেখানে</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">প্রত্যেক</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">নাগরিক</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">উন্নত</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">ও</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">নিরবচ্ছিন্ন</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">ইন্টারনেট</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">সুবিধা</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">পাবে</span><span lang="HI" style="font-family: 'Mangal',serif; mso-bidi-language: HI;">।</span><span style="font-family: 'Arial',sans-serif;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"><span style="font-family: Nirmala UI, sans-serif;">প্রসঙ্গত,</span></span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">স্পেসএক্সের</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">উন্নত</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">স্যাটেলাইট</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">-</span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">ভিত্তিক</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">ইন্টারনেট</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">নেটওয়ার্ক হিসেবে স্টারলিংক</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">উচ্চগতির</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">ব্রডব্যান্ড</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">ইন্টারনেট</span><span lang="BN" style="font-family: 'Arial',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">সেবা</span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"><span style="font-family: Arial, sans-serif;"> দিলেও বাংলাদেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে গ্রাহকদের মধ্যে এই ইন্টারনেট সেবা নিয়ে এরই মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে সমালোচকরা দাবি করছেন, </span></span>সরকারের অতিপ্রচারণা স্টারলিংকের সীমাবদ্ধতাকে আড়াল করেছে। স্টারলিংক বাংলাদেশের প্রযুক্তি-সক্ষমতা গড়ে তুলছে না বরং মানুষকে আরও বেশি নির্ভরশীল করবে বিদেশি ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের ওপর। একইভাবে বিদেশী এই কোম্পানিটিকে অসম সুবিধা দিয়ে দেশীয় উদ্যোক্তা এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাকে হুমকীতে ফেলছে বলেও অভিযোগ করছেন ইন্টারনেট ব্যবসায়ীরা। অভিযোগ উঠেছে, এখনো স্থানীয় কোনো আইআইজি’র কাছ থেকে ব্যান্ডউইথ না নিয়েই এই সেবাটি চালু করার ফলে অনেকেই সেবাটি অনলাইন বেটিং সহ নিষিদ্ধ কাজেই বেশি ব্যবহার করছেন। </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>যে কারণে টেলিকম নীতিমালা নিয়ে বিতর্ক, প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তা</title>
<link>https://digibanglatech.news/155078</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155078</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_685f7ff1874f6.jpg" length="78799" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 28 Jun 2025 11:39:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রস্তাবিত খসড়া টেলিকম নীতিমালাকে ২৭ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নীতিিগত সঙ্কট সৃষ্টি ও আত্ম বিরোধী বলে মনে করে ইন্টারনেট সেবাদাতাদের সংগঠন আইএসপিএবি। এ কারণেই টেলিকম নীতিমালা নিয়ে বিতর্ক, প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সংগঠনটির সভাপতি আমিনুল হাকিম। </p>
<p>তিনি বলেছেন, কম মূল্যে সবচেয়ে ভালো ইন্টারনেট সেবা দেয়া বাস্তব সম্মত নয়। এটা সস্তা রাজনীতির পর্যায়ে পড়েছে। সরকার ছাড় না দিলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো দাম কমাতে পারবে না। </p>
<p>তিনি বলেছেন, সরকার আইএসপি থেকে ৬০ শতাংশ রাজস্ব নেয় সেই জায়গা থেকে সাশ্রয়ে উচ্চগতির ইন্টারনেট পাওয়া সম্ভব নয়। কেননা সরকার ছাড় দিতে চায় না, কিন্তু আমাদের কাছে চায়। এটা কিভাবে সম্ভব। তারপরও আমরা কম দামে ভালো ইন্টারনেট সেবা দিতে চাই। এ জন্য একটি ভালো পলিসি দরকার।  </p>
<p>এরপরও বিটিআরসি ৪০০ টাকায় ইন্টারনেটের দাম নামিয়ে আনতে বাধ্য করা হলেও এর দায় ব্যবসায়ীরা নিতে পারবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন এই ইন্টারনেট ব্যবসায়ী নেতা।</p>
<p>২৮ জুন, শনিবার রাজধানীর মহাখালীতে রাওয়া কপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ (টিআরএনবি) আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন আইএসপিএবি সভাপতি। </p>
<p> প্রস্তাবিত খসড়া টেলিকম নীতিমালা; আইএসপি শিল্পের চ্যালেঞ্জ শীর্ষক কর্মশালায় বিটিআরসি’র ভেতরেও মোবাইল অপাররেটররা আইএসপিদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রোপগাণ্ডা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন আইএসপিএবির সাবেক সভাপতি আব্দুস সালাম।</p>
<p>তিনি বলেছেন, প্রস্তাবিত খসড়া টেলিকম নীতিমালায় দেশীয় বিনিয়োগ সুরক্ষা নেই। বরং বিদেশী কোম্পানির স্বার্থ সুরক্ষা হবে। টেলিকম খাতের প্রতিটি লাইসেন্সই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে। </p>
<p>টিআরএনবি সভাপতি সমীর কুমার দে এর সঞ্চালনায় কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবিন। তারা জানান, দেশী প্রতিষ্ঠানের সুরক্ষা এবং গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোত্তম সেবা দিতেই এই কর্মশালায় করণীয় নিয়ে এই খাতের সবার সঙ্গে কর্মশালা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে সরকার বিষয়টি আমলে নিয়েছে। সবার সঙ্গে আলোচনা করেই দেশের স্বার্থে করণীয় নিয়ে সরকারকে বাস্তবত সম্মত পলিসি তৈরিতে সহায়ক প্রতিবেদন দেবে টিআরএনবি। </p>
<p>টিআরএনবি সভাপতি বলেন, ইতিমধ্যেই ক্যাবল টেনে স্টারলিংক সেবা কোন নীতিমালার অংশ এ বিষয়ে সরকারের কাছে প্রশ্ন করা হলে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী সরাসরি উত্তর না দিয়ে জানিয়েছেন এখানে প্রতিযোগিতা সৃষ্টিত শিগগিরিই ফ্রান্সের আরেকটি কৃত্রিম উপগ্রহ ভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা দেশে আনা হচ্ছে।  </p>
<p>কর্মশালায় আইএসপি সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিম ভূঁইয়া বলেছেন, অ্যাক্টিভ শেয়ারিংয়ের অভাবে দেশের প্রচুর অর্থের অপচয় কমাতে এরই মধ্যে আমরা ১ জিবিপিএস কমন রাস্তা করে ধানমন্ডিতে ৭৭টি আইএসপি একসঙ্গে উচ্চগরি সিমলেস সেবা দিয়ে নজির স্থাপন করেছে।</p>
<p>বক্তব্যে সরকারকে ঘন ঘন নীতিমালা পরিবর্তন থেকে সরে আসার আহ্বান জানান সাবেক সভাপতি ইমদাদুল হক।</p>
<p>আইএসপি’র চ্যালেঞ্জ বিষয়ে এই খাতের খরচের খাত তুলে ধরে ইন্টারনেট সেবাদাতা মোবারক হোসেন দেখান, আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলো একজন গ্রাহককে ৫০০ টাকায় যে ইন্টারনেট সেবা দেয় তার মধ্যে ২০০ টাকাই সরকারের রাজস্ব খাতে চলে যায়। ফলে মোট খরচের ১৮-২০ শতাংশ ট্রান্সমিশন খরচ কমিয়ে সরকার ইন্টারনেটের দাম কমানোর বিষয়টি অবান্তর ও স্বস্তা রাজনীতি ছাড়া কিছুই নয়। এর পরেও রয়েছে বসুন্ধরা ও নিকেতনের মতো হাউজিং সহ স্থানীয় পর্যায়ের অদৃশ্য  চাঁদা। বিপরীতিতে অটোরিকসার দামে মার্সিডিজ বেঞ্চের সেবা দিতে বলছে বিটিআরসি। অথচ তাদেরকে এসওএফ ফান্ড থেকে কোনো সহায়তাও করা হয় না। একইসঙ্গে বিদেশী কোম্পানির জন্য বেশি দামে সেবা নেয়ার প্রচারণা চালানো হলেও দেশের প্রতিষ্ঠানের জন্য শুধু কম দামের সেবা নিয়ে বলা হচ্ছে।  যদি অ্যাক্টিভ শেয়ারিং করা হলে ৭০ শতাংশ সুবিধা বাড়বে গ্রাহকের। আর তারের জঞ্জালটা তৈরি করেছে সরকারের পলিসি। পলিসি জট তৈরি করে সরকার আইএসপিদের বিরুদ্ধে নিকৃষ্টমানের সেবা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করছে বলে আক্ষেপ প্রকাশ করা হয় এই কর্মশালায়। </p>
<p></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ক্লাউড সেবায় শতভাগ সুরক্ষার তগিদ</title>
<link>https://digibanglatech.news/154954</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154954</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_685a484c2c63e.jpg" length="116571" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 24 Jun 2025 12:21:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রযুক্তিতে দ্রুততার চেয়ে প্রভাবক ভূমিকা পালনে খাত সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন আইসিটি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী। ক্লাউড বা অনলাইন সেবার ক্ষেত্রে ম্যাক্সিমামের চেয়ে 'ফুল সিকিউরিটি'-তে জোর দিয়েছেন তিনি। </p>
<p>২৩ জুন রাজধানীর তেজগাঁওয়ে রবি আজিয়েটার প্রধান কর্যালয়ে এক্সেনটেক টিয়ার ৪ ক্লাউড প্লাটফর্ম এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই আহ্বান জানান তিনি।</p>
<p>সচিব বলেছেন, যেহেতু এক্সেনটা ডাটার শতভাগ সুরক্ষা দেয়ার প্রত্যাশা করছে, সেক্ষেত্রে আশা করা যায়, ডার্কওয়েবে পার্সোনাল ডাটা ফাঁস হওয়া কমে যাবে।</p>
<p>রবির এই উদ্যোগ সরাকরি ডেটা সন্টােরের জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করবে উল্লেখ করে শীষ হায়দার বলেছেন, ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আগস্টের মধ্যে দুটি অধ্যাদেশ পাশ হতে যাচ্ছে। এআই নীতিমালায় নীতিবোধ যুক্ত করা হচ্ছে। ক্লাউডের প্রসারে প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তায় সরকার প্রস্তুত। </p>
<p> এক্সেনটেক পিএলসি ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদিল হোসাইন নোবেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে রবির কোম্পানি সচিব সাহেদ আলম, সিসিও এ কে এম নাজমুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রবির নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জিয়াদ সাতারা</title>
<link>https://digibanglatech.news/154925</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154925</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_685948bcdfbeb.jpg" length="47979" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 23 Jun 2025 15:28:36 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span lang="BN">রবি আজিয়াটা পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ জিয়াদ সাতারাকে কোম্পানির পরবর্তী ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে নিয়োগটি কার্যকর হবে। </span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">জিয়াদ সাতারা দায়িত্ব গ্রহণের আগ পর্যন্ত এম. রিয়াজ রশীদ</span>, <span lang="BN">ভারপ্রাপ্ত সিইও ও প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) হিসেবে দায়িত্ব চালিয়ে যাবেন।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">বাংলাদেশ</span>, <span lang="BN">জর্ডান</span>, <span lang="BN">ইতালি</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ও কম্বোডিয়াসহ বিভিন্ন দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করেছেন জিয়াদ । তিনি মোবাইল</span>, <span lang="BN">ব্রডব্যান্ড ও ফিক্সড-লাইন সেবা খাতে উদ্ভাবন</span>, <span lang="BN">বাণিজ্যিক উৎকর্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর রূপান্তরের মাধ্যমে দীর্ঘদিন সাফল্যের সাথে কাজ করেছেন। </span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">টেলিকম খাতে ব্যবসা এগিয়ে নেওয়া</span>, <span lang="BN">আধুনিকীকরণ এবং গতিশীল ও সম্ভাবনাময় বাজারে নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে সাফল্য অর্জনের ক্ষেত্রে জিয়াদ একজন অভিজ্ঞ ও কৌশলী নেতা। তথ্যপ্রযুক্তি</span>, <span lang="BN">গ্রাহক-কেন্দ্রিক সেবাদানে অভিজ্ঞতা ও রিটেইল অপারেশন্স বিষয়েও তাঁর রয়েছে বিশেষ দক্ষতা।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">জিয়াদ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করে প্রতিষ্ঠানগুলোর টেকসই প্রবৃদ্ধি ও উৎকর্ষ অর্জন নিশ্চিতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। </span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">তিনি ইতালির উইন্ড টেলিকমিউনিকেশনে চিফ টেকনোলজি অফিসার (সিটিও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ঢাকায় বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হন। পরে সাত বছর জর্ডানের শীর্ষস্থানীয় মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর উমনিয়াহ’র সিইও ছিলেন তিনি। সর্বশেষ তিনি কম্বোডিয়ার স্মার্ট আজিয়াটাতে সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে একটি উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন টিম গড়ে তুলে টেকসই আর্থিক সাফল্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন জিয়াদ।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; tab-stops: 117.0pt;"><span lang="BN">রবি আজিয়াটা পিএলসিতে জিয়াদ সাতারাকে স্বাগত জানিয়ে রবির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান থায়াপরান সাঙ্গারাপিল্লাই বলেন</span>, "জিয়াদ সাতারার রয়েছে প্রখর কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি, গ্রাহকদের চাহিদা বোঝার গভীর ক্ষমতা এবং দক্ষ টিম গঠনের সফল অভিজ্ঞতা। <span lang="BN"> আমরা বিশ্বাস করি</span>, <span lang="BN">তাঁর নেতৃত্বে রবি বাজারে তার অবস্থান আরও সুদৃঢ় করবে এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী রবির উন্নতর সেবা সেই সঙ্গে নতুন নতুন উদ্ভাবন</span>, <span lang="BN">টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে আরও এগিয়ে যাবে। রবি পরিবার ও পরিচালনা পর্ষদের পক্ষ থেকে আমি তাঁকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই এবং তাঁর সর্বাঙ্গীন সফলতা কামনা করি।”</span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN; mso-no-proof: yes;"><o:p></o:p></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>২৪ জুনের শুরুর ৬ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে রিচার্জ</title>
<link>https://digibanglatech.news/154899</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154899</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_68580b5be5d0a.jpg" length="46241" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 22 Jun 2025 14:53:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মোবাইল ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আপগ্রেডেশনের কারণে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর টেলিটকের রিচার্জ সেবা আগামী মঙ্গলবার (২৪ জুন) ছয় ঘণ্টা বন্ধ থাকবে।</p>
<p>রোববার (২২ জুন) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।</p>
<p>এতে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর টেলিটক তার গ্রাহকদের সাশ্রয়ী মূল্যে দ্রুতগতির মোবাইল ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আপগ্রেডেশনের কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ২৪ জুন রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত টেলিটকের নম্বরে সব প্রকার রিচার্জ সেবা বন্ধ থাকবে। </p>
<p>এ কারণে গ্রাহকদের যেকোনো সাময়িক অসুবিধার জন্য আগাম বার্তা দিয়ে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে টেলিটক কর্তৃপক্ষ।</p>
<p>এর আগে গত ২৮ মার্চ <span>২৮ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ জসীম উদ্দিনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে টেলিটক ডাটা প্যাকেজের মূল্য ১০ শতাংশ কমানোর কথা জানানো হয়েছিলো। রমজানের ঈদ থেকে সেই মূল্য কার্যকর করা হয়। </span></p>
<p>প্রসঙ্গত, <span> টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর, যা ২০০৪ সালে যাত্রা শুরু করে। এটি মূলত, সরকারি ও শিক্ষার্থীসহ নির্দিষ্ট গ্রাহকগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ সুবিধা দিয়ে থাকে। এছাড়া, সরকারি বিভিন্ন ডিজিটাল সেবায়ও টেলিটকের বিশেষ অবদান রয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষাখাতে বিভিন্ন পরীক্ষার আবেদনসহ নানা কার্যক্রম পরিচালনায় টেলিটকের সিম ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বর্তমানে নেটওয়ার্ক বিস্তৃতিসহ ডিজিটাল সেবার মান উন্নয়নে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এই অপারেটর একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সমন্বিত জাতীয় জরুরি টেলিযোগাযোগ কর্মপরিকল্পনা জরুরি</title>
<link>https://digibanglatech.news/154796</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154796</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_6853eca277593.jpg" length="136435" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 19 Jun 2025 16:06:28 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><br>বিশ্ব ঝুঁকি সূচক- ২০২৩ অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী দুর্যোগপ্রবণ শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। কেননা, দুর্যোগকালীন বিদ্যুৎ বিভ্রাট, চলাচল অনুপযোগী সড়ক ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় জ্বালানী শক্তি সঞ্চয় সক্ষমতার অভাবে ভেঙ্গে পড়ে। এমন আপদকালীন সময়ে জরুরী টেলিসেবা নিশ্চিত করতে দুর্যোগকালীন আগাম সতকর্তার জন্য টেকসই টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থাপনা ও শক্তিশালী ও সমন্বিত জাতীয় জরুরি টেলিযোগাযোগ কর্মপরিকল্পনা জরুরি বলে মনে করেন খাত সংশ্লিষ্টরা। </p>
<p>রাজধানীর আগারগাঁওস্থ বিটিআরসি ভবনে দুর্যোগকালীন জাতীয় জরুরি টেলিযোগাযোগ পরিকল্পনা এবং সেল ব্রডকাস্ট প্রারম্ভিক সতর্কতা ব্যবস্থা (National Emergency Telecommunication Plan and Cell Broadcast Early Warning System) শীর্ষক দুইদিন ব্যাপী কর্মশালার শেষ দিন ১৯ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) এমন অভিব্যক্তি তুলে ধরেছেন অংশ গ্রহণকারীরা।</p>
<p><br>দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও পর্যবেক্ষণ, ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস এবং ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীসহ সকল অংশীদারদের কাছে আগাম সতর্কতা পৌঁছাতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কৌশল প্রণয়নের অংশ হিসেবে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ, রেডক্রস, ইউনিসেফ, বিশ্ব খাদ্য সংস্থা, এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক, বিশ্বব্যাংক, মোবাইল অপারেটরস, টেলিযোগাযোগ খাতসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, বিশেষজ্ঞ, একাডেমিয়া, দেশি-বিদেশি সংস্থাসমূহের প্রতিনিধিবৃন্দ, বিটিসিএল, বিটিআরসি এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>সমপানী ওয়ার্কিং সেশসে উপস্থিত অর্ধশাধিক অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন সাইক্লোন প্রস্তুতি বিষয়ক প্রকল্পের (সিপিপি) পরিচালক আহমাদুল হক, আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মু শামীম হাসান ভূঁইয়া, আবহাওয়াবিদ কামরুল আহসান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সুপারেন্টেন্ড ড, সাজ্জাদ হোসাইন, নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান, বাংলাদেশ বেতারের মুখ্য প্রকৌশলী মুনীর আহমেদ, বিটিভি’র মুখ্য প্রকৌশলী মো মাসুদ ভূইয়া, বুয়েটের শিক্ষক ড. সোনিয়া মোর্শেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. ফাতেমা আক্তার, ইউনিসেফ বাংলাদেশের এমার্জেন্সি অফিসার আব্দুল্লাহ আল রেজওয়ান, ইডব্লিউফরঅল ন্যাশননাল কো-অর্ডিনেটর শাহজাহান সাজু, আইটিইউ কনসালটেন্ট জুয়ান এম রোলডান প্রমুখ।</p>
<p>  </p>
<p>সূত্রমতে, জাতিসংঘের নেতৃত্বে বিশ্বজুড়ে সবার জন্য প্রাথমিক সতর্কীকরণ (Early Warning 4 All)  উদ্যোগের অংশ হিসেবে গৃহীত বহুমূখী চ্যানেল পদ্ধতি পিলার-৩ (সতর্কতা প্রচার এবং যোগাযোগ) টেলিকম নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আগাম সতর্কতার কার্যকারিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীকে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সচেতন করতে এই  এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। পিলার থ্রি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দুই দিনের কর্মশালায় বাংলাদেশের জন্য জাতীয় জরুরি টেলিযোগাযোগ পরিকল্পনা ও সেল ব্রডকাস্ট আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম সংক্রান্ত মোট ৭ টি সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় জাতীয় জরুরি টেলিযোগাযোগ পরিকল্পনার আওতায় টেলিযোগাযোগ কাঠামো মূল্যায়ন, দুর্যোগ সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহের ( দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, বিটিআরসি ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডার) সাথে সমন্বয় এবং জরুরি পরিস্থিতিতে টেকসই টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো নিশ্চিতকরণ। অন্যদিকে সেল ব্রডকাস্ট আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম এর আওতায় বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিকম্পের জন্য সেল ব্রডকাস্টিং সতর্কতা সম্পর্কে প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ, মোবাইল অপারেটরদের সাথে সমন্বয় ও দেশব্যাপী বাস্তবায়ন করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। </p>
<p>প্রসঙ্গত, ২০২৭ সালের মধ্যে পৃথিবীর সকল মানুষ ত্রিভূজ সম্মিলনের মাধ্যমে সুরক্ষিত রাখতে ৪টি মূল স্তম্ভ শক্তিশালী করণের উদ্যোগ নিয়েছে জাতিসংঘ।  এর মধ্যে প্রথম স্তম্ভ দুর্যোগ ঝুঁকি জ্ঞান এবং ব্যবস্থাপনা, দ্বিতীয় স্তম্ভ পর্যবেক্ষণ ও পূর্বাভাস, তৃতীয় স্তম্ভ সতর্কতা প্রচার ও যোগাযোগ এবং পিলার- ৪ স্তম্ভ হচ্ছে দ্রুততার সঙ্গে রিসপন্স টিম সক্রিয় করা। </p>
<h1 class="post-title"><a href="https://digibanglatech.news/154755">বিটিআরসিতে চলছে দুই দিনব্যাপী ‘আর্লি ওয়ার্নিং ফর অল’ কর্মশালা</a></h1>
<div class="d-flex align-items-center post-details-meta mb-4">
<div class="item-meta item-meta-author"></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইউনিভার্সিটি অফ স্কলার্স এ যুক্ত হলো স্কিটো</title>
<link>https://digibanglatech.news/154801</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154801</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_6854067d6e728.jpg" length="138213" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 19 Jun 2025 13:47:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সের সঙ্গে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি করেছে টেলিকম অপারেটর গ্রামীণফোন। এই চুক্তির মাধ্যমে ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সের সাড়ে ৪ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী এবং ৫ শ’র বেশি শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অপারেটরটির কো-ব্র্যান্ডেড স্কিটো সিম ব্যবহার করবে।  ভর্তির সময়ই প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে এই সংযোগ (কো-ব্র্যান্ডেড স্কিটো সিম) প্রদান করা হবে। </span><br><br><span>১৯ জুন এ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রামীণফোনের হেড অব ইমার্জিং সেগমেন্ট এস.এম. জাহেদুল আরেফিন, হেড অব স্কিটো নাফিস আনোয়ার চৌধুরী এবং ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সের ট্রাস্টি বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মো. আরিফুল হক শুহান এ বিষয়ক একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এ সময় গ্রামীণফোনের চিফ রিস্ক অফিসার (সিআরও) মো. আরিফ উদ্দীনসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</span><br><br><span>চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সের ব্র্যান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশনের এডিশনাল ডিরেক্টর এইচ এম আতিফ ওয়াফিক এবং ব্র্যান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশনের এক্সিকিউটিভ আবদুল্লাহ আল নোমানের পাশাপাশি উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্কমর্তারা উপস্থিত ছিলেন। </span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিটিআরসিতে চলছে দুই দিনব্যাপী  ‘আর্লি ওয়ার্নিং ফর অল’ কর্মশালা</title>
<link>https://digibanglatech.news/154755</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154755</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_685295e8204b1.jpg" length="104860" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 18 Jun 2025 15:33:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগেই জিও লোকেশন ভিত্তিক আগাম সতর্ক বার্তা প্রদান (সেল ব্রডকাস্ট আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম) এবং আপদকালীন সময়ের জন্য জাতীয় জরুরী টেলিযোগাযোগ পরিকল্পনা (এনইটিপি) প্রণয়ন এবং ঝুঁকি কমাতে রাজধানী ঢাকায় শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা। ১৮ জুন, বুধবার রাজধানীর প্রশাসনিক এলাকা আগারগাঁওয়ের বিটিআরসি ভবনের বসেছে ‘আর্লি ওয়ার্নিং ফর অল’ শীর্ষক এই বহুপক্ষীয় কর্মশালা। </p>
<p>কর্মশালায় আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ), দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ, রেডক্রস, ইউনিসেফ, বিশ্ব খাদ্য সংস্থা, এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক, বিশ্বব্যাংক, মোবাইল অপারেটরস, টেলিযোগাযোগ খাতসংশ্লিষ্ট লাইসেন্সিসমূহ, তথ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, একাডেমিয়া, দেশি-বিদেশি সংস্থাসমূহের প্রতিনিধিবৃন্দ, বিটিআরসি ও ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।<o:p></o:p></p>
<p>সকালে বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোঃ এমদাদ উল বারী (অবঃ) এর সভাপতিত্বে কর্মশালার উদ্বোধনী পর্বে উপস্থিত ছিলেন আইটিইউ এর কানেক্ট টু রিকোভার এর প্রজেক্ট অফিসার ( Karen Woo) কারেন ‍উ, <span lang="EN-GB">দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান,  </span>সাইক্লোন প্রিপেয়ার্ডনেস প্রোগাম এর পরিচালক আহমেদুল হক এবং বিটিআরসি’র ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড অপারেশন্স বিভাগের কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইকবাল আহমেদ। </p>
<p>এসময় উপস্থিত ছিলেন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (এমটব) মহাসচিব  লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ জুলফিকার, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি আমিনুল হাকিম সহ টেলিকম শিল্পের নেতারা। অনুষ্ঠানে আইএসপিএবি সভাপতির সঙ্গে সংগঠনটির কার্য নির্বাহী কমিটির পরিচালক রাশেদুর রহমান রাজন, মো. মিঠু হাওলাদার ও সাব্বির আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>দুর্যোগকালীন টেলিযোগাযোগ সক্ষমতাকে কাজে লাগানোর জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কৌশল প্রণয়নের অংশ হিসেবে আলোচনায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও পর্যবেক্ষণ, ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস এবং ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীসহ সকল অংশীদারদের কাছে আগাম সতর্কতা পৌঁছে দেওয়ার জন্য টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য প্রযুক্তির টেকসই ব্যবহারের ওপর আলোকপাত করেন বক্তারা। </p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোঃ এমদাদ উল বারী (অবঃ) বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে বাংলাদেশ অপরিচিত নয়। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা এবং অন্যান্য জলবায়ু-সৃষ্ট দুর্যোগ জীবন, জীবিকা এবং জাতীয় উন্নয়নের জন্য বারবার হুমকির সৃষ্টি করেছে। এই ধরনের প্রেক্ষাপটে, নির্ভরযোগ্য, বাস্তব-সময়ের এবং সহজলভ্য যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রবেশাধিকার কেবল গুরুত্বপূর্ণই নয়, বরং জীবন রক্ষাকারীও হয়ে ওঠে। তিনি বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার চারটি ধাপ তথা- দুর্যোগ প্রশমন, প্রস্তুতি, প্রতিক্রিয়া এবং পুনরুদ্ধারে টেলিযোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের ব্যবহার বেশি এবং ঘন জনসংখ্যার কারণে, সেল ব্রডকাস্ট ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে সরাসরি সতর্কীকরণ পৌঁছে দেওয়ার জন্য তাৎক্ষণিক এবং নির্ভরযোগ্য টুলস হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।</p>
<p>বাংলাদেশের মত দুর্যোগপূর্ণ দেশে মোবাইলকেন্দ্রিক আর্লি ওয়ানিং সিস্টেমের গুরুত্ব তুলে ধরে এই সিস্টেমকে ত্বরান্বিত করতে আইটিইউ বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের (আইটিইউ) প্রতিনিধি কারেন ‍উ। তিনি জানান, আর্লি ওয়ানিং ফর অল পিলার থ্রি এর মূল লক্ষ্য হলো সতর্কতা প্রচার এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা সক্রিয় রাখা। এই পিলারের মাধ্যমে যে কোনো দুর্যোগ শনাক্ত ও সতর্কতা জারি করা হলে দ্রুত ঝুঁকিতে থাকা সকলের কাছে বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে সময়োপযোগী, বোধগম্য এবং কার্যকর পদ্ধতিতে  আগাম সতর্কতা জানিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়। সবার জন্য প্রাথমিক সতর্কীকরণউদ্যোগটি জাতিসংঘের নেতৃত্বে একটি বিশ্বব্যাপী প্রচেষ্টা, যার লক্ষ্য হল ২০২৭ সালের মধ্যে পৃথিবীর সকল মানুষ যাতে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে সুরক্ষিত থাকে তা নিশ্চিত করা। এর ৪টি মূল পিলারের এর মধ্যে (পিলার ১) দুর্যোগ ঝুঁকি জ্ঞান এবং ব্যবস্থাপনা, (পিলার ২) পর্যবেক্ষণ এবং পূর্বাভাস, (পিলার ৩) সতর্কতা প্রচার এবং যোগাযোগ ও (পিলার ৪) প্রস্তুতি গ্রহণ এবং দ্রুত রিসপন্স টিম সক্রিয় করা।</p>
<p><span lang="EN-GB">দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান বলেন, আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যা আসন্ন বিপদের পূর্বাভাস দেয়া এবং তা নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে ও যথাসময়ে প্রচার করা।  যার মাধ্যমে ঝুঁকিতে থাকা জনগণ সঠিক পদক্ষেপ নিতে পারে। ইতোমধ্যে নদী ভাঙ্গন ও সাইক্লোনের ক্ষেত্রে আগাম সতকর্তায় অগ্রগতি সাধন করেছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর বর্তমানে ২০ থেকে ৩০ মিনিট আগে বর্জ্যপাত আগাম সনাক্ত করতে পারে, তাই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সতর্কতা প্রদানের জন্য বেসরকারি স্টেকহোল্ডারদের এগিয়ে আসতে হবে। </span></p>
<p><span lang="AR-SA">২০২৩ সালে বাংলাদেশ <span lang="AR-SA">বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার </span>‘</span>আর্লি ওয়ানিং সিস্টেম ফর অল’ কর্মসূচিতে যোগ  দেয় জানিয়ে সাইক্লোন প্রিপেয়ার্ডনেস প্রোগাম এর পরিচালক জনাব আহমেদুল হক বলেন, সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সচল থাকার গুরুত্ব উপলব্ধি করা গেছে। , ১৯৭০ ও  ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশে মানুষ ও জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ওই সময় ১৯৭০ সালে ভোলায় হতাহতের পরিমাণ ছিলো ১০ লাখ। অথচ ২০২৪ সালে টেলিসেবার বদৌলতে এই ক্ষতি নেমে এসেছে মাত্র ১২০-এ। তাই যত আগে সতর্কতা, তত বেশি ক্ষয় ক্ষতির সম্ভবনা কমবে। </p>
<p>স্বাগত বক্তব্যে দুর্যোগকালীন দুর্গত এলাকায় আগাম সতকর্তা জারির জন্য টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার যুগপৎ ব্যবহারে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন কমিশনের ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড অপারেশন্স বিভাগের কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইকবাল আহমেদ। </p>
<p>সূত্রমতে, দুই দিনের কর্মাশালা শেষে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অংশগ্রহণে আপদকালীন সময়ের জন্য একটি জাতীয় জরুরী টেলিযোগাযোগ পরিকল্পনা (এনইটিপি) প্রণয়ণ করে একটি কৌশল বাস্তবায়ন পত্র প্রকাশ করা হবে। </p>
<p>সে লক্ষ্যেই <span style="font-size: 10.5pt; font-family: Nikosh; mso-no-proof: yes;">দুই দিনের কর্মশালায় বাংলাদেশের জন্য জাতীয় জরুরি টেলিযোগাযোগ পরিকল্পনা, সেল ব্রডকাস্ট আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম সংক্রান্ত মোট ৭ টি সেশনে আলোচনা করছেন বক্তারা। এতে নিজেদের মতামত তুলে ধরবেন অংশগ্রহণকারীরা। তাদের সামনে উপস্থাপন করা হচ্ছে- <span lang="AR-SA">সেল ব্রডকাস্ট আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম (</span>CB-EWS) এর আওতায় <span lang="AR-SA">বন্যা</span>, <span lang="AR-SA">ঘূর্ণিঝড়</span>, <span lang="AR-SA">ভূমিকম্পের জন্য সেল ব্রডকাস্টিং সতর্কতা সম্পর্কে প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ, প্রদর্শন , মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের সাথে সমন্বয় ও দেশব্যাপী বাস্তবায়ন সংক্রান্ত নানা প্রযুক্তি ও কৌশল। এভাবেই </span></span><span style="font-size: 10.5pt; font-family: Nikosh; mso-no-proof: yes;">থবদ্ধতার মধ্য দিয়ে<span lang="AR-SA"> জাতীয় জরুরি টেলিযোগাযোগ পরিকল্পনা (</span>NETP) এর আতওায় <span lang="AR-SA">জরুরি টেলিযোগাযোগ কাঠামো মূল্যায়ন, দুর্যোগ সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহ তথা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, বিটিআরসি ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সাথে সমন্বয় সাধন এবং জরুরি পরিস্থিতিতে স্থিতিশীল টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো নিশ্চিত করা করতে চায় সরকার । </span></span></p>
<p></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>“কর্পোরেট হত্যাকাণ্ড” দাবি করে গ্রামীণফোন&#45;কে দূষলেন সাবেক কর্মীরা</title>
<link>https://digibanglatech.news/154666</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154666</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_684ee0282146a.jpg" length="144853" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 15 Jun 2025 21:04:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ঈদের ছুটির পর প্রথম কর্ম দিবস, ১৫ জুন বসুন্ধরা আবাসিকের প্রবেশ মুখে গ্রামীণফোন হাউজের সামনে ফের জড় হয়েছিলেন গ্রামীণ ফোনের সাবেক কর্মীরা। তবে এদিনের সমাবেশ ছিলো আগের চেয়ে ভিন্ন। কালো পোশাকে পড়ে মাথায় কালো ব্যান্ড বেঁধে হাতে ধরে ছিলেন কালো ব্যানারে লেখা- “আমরা শোকাহত”। তাদের সমাবেশ ছিলো অকাল প্রয়াত সাবেক সহকর্মী রাজীব মাহমুদের। উপস্থিত সবার হাতে ছিলো তার ছবি ও ফেসবুকে লেখা বিভিন্ন নোট সমৃদ্ধ ফেস্টুন। </p>
<p>এর একটিতে লেখা ছিলো -  “আমার পাওনা টাকা দে – ভাত না ওষুধ কিনে খাব!”</p>
<p>“কিন্তু গ্রামীণফোন তাঁর এই প্রার্থনাও উপেক্ষা করেছে” উল্লেখ করে রাজীবকে গ্রামীণফোন হত্যা করেছে মর্মে ক্ষোভ ব্যক্ত করেছেন সমাবেশে উপস্থিত বক্তারা। প্রাক্তন গ্রামীণফোন অর্ধ শতাধিক কর্মী জড়ো হয়েছিলেন এই শোকাবহ প্রতিবাদী সমাবেশে। এই প্রতীকী শবযাত্রায় অংশ নিয়ে তারা গ্রামীণফোনের বর্তমান পরিচালনা কর্তৃপক্ষের দিতে আঙুল তুলে তারা বলেছেন- “রাজীব মাহমুদের মৃত্যু নয় — এটি একটি নির্মম কর্পোরেট হত্যাকাণ্ড”;  “গ্রামীণফোন এখন আর একটি নাম নয় — এটি একটি ঘৃণার প্রতীক”।</p>
<p>গ্রামীণ ফোনের সাবেক কর্মী মনোয়ার পারভেজ , মোবাশ্বের আহসান  ও আদিবা জেরিন প্রয়াত রাজীবের জীবনের সংগ্রাম, দুঃখ ও মৃত্যু নিয়ে আবেগঘন বক্তব্য রাখেন। সহকর্মী সাদিয়া আফরিন আবৃত্তি করেন টরন্টো থেকে রাজিব স্মরণে সাবেক গ্রামীণ ফোন কর্মী মাকসুদা খানম রচিত কবিতা। এই কবিতা পাঠের সময় থমকে দাঁড়িয়েছেন পথচারীরাও। দীর্ঘ ৫ মিনিট ব্যাপী আবৃত্তি শুনে অনেকে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।</p>
<p><span style="color: rgb(186, 55, 42);"><strong><a href="https://www.facebook.com/watch?v=3901396766788483" style="color: rgb(186, 55, 42);">একজন সহযোদ্ধার অসমাপ্ত গল্প</a></strong></span> শিরোনামের কবিতায় উল্লেখ করা হয়, মুখে ব্যাথা, শরীরে যন্ত্রণা নিয়েও রাজীব ছিলো অতন্দ্র প্রহরী, হাসপাতালের বেডে শুয়েও আঙুলে ব্যাথা নিয়েই গিটারে ন্যায়ের সুর তুলেছে। কিন্তু ওরা (গ্রামীণ ফোন কর্তৃপক্ষ) সুর, গান, কবিতা বোঝে না। ক্ষমতা আর করপোরেট পলিটিক্স বুঝতে হয়। </p>
<p>গ্রামীণ ফোনে কর্তৃপক্ষকে উল্লেখ করে কবিতায় বলা হয়- “তুমি যখন হাসপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছিলে, তখন কাঁচের বোতলের ভূতেরা হয়তো বলছিলো মনে মনে ওই ব্যাটা মরে না কেন? আজ ওরা খুশী, ওদের হাতের একটা দাবার গুটি খসে পড়েছে। আজ কেউ বিদ্রুপ করে গাইবে না সত্যের গান। </p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x_684ee07be51fa.jpg" alt=""></p>
<p>কবিতায়-প্রতিবাদে বক্তারা জানান, সাবেক একজন কর্মীকে বকেয়া টাকা না দিয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়ার পরও তারা জন্য একটু শোক প্রকাশ পর্যন্ত করেনি গ্রামীণ ফোন। </p>
<p>ক্ষোভের ভাষায় উঠে আসে- “একটি বিশেষ গ্রুপে তোমার মৃত্যু সংবাদ অবমানিত, অদৃশ্য। ওখানে ইন্না লিল্লাহ দিতে টাকা লাগে। তুমি তো মানুষ। তাদের ক্লায়েন্ট না। ইউনিয়ন যেমন বুঝে কাফনে সরিয়ে মুখ দেখে ইমপ্লয়ি আইডি মিলিয়ে তবেই দেয় কন্ডোলেন্স ম্যাসেজ।”</p>
<p>সমাবেশে অংশ নেয়া বক্তারা মনে করেন, রাজীব মাহমুদের মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না। এটি ছিল একটি পরিকল্পিত কর্পোরেট হত্যাকাণ্ড — যার জন্য সরাসরি দায়ী গ্রামীণফোন ম্যানেজমেন্ট। ১৫ বছর ধরে তাঁর প্রাপ্য ৫% পাওনা আটকে রেখে তাকে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। <br>শেষ মুহূর্তেও তিনি আর্তনাদ করেছিলেন, “আমার টাকা দাও — ভাত না, ওষুধ কিনে খেতে চাই। কিন্তু গ্রামীণফোন তার এই প্রার্থনাও উপেক্ষা করেছে।”</p>
<p> বক্তব্যে আদিবা জেরিন বলেন, গ্রামীণফোন যে আবেগ বিক্রি করে তা সত্যি না। সাবেক কর্মীদের  প্রাপ্য আদায়ে ৬ মাস ধরে তারা কোনো খোঁজ নেয়নি। তাদের উচিত বৈঠক করে এর সমাধান করা। তা না হলে আরো কঠোর আন্দোলন হবে।  </p>
<p>সমাবেশে গ্রামীণফোন ৫% বিলম্ব বকেয়া আদায় ঐক্য পরিষদ আহ্বায়ক আবু সাদাত মোঃ শোয়েব বলেন, এটি শুধুমাত্র একটি প্রতিবাদ কর্মসূচি নায়। এটি মানবতার প্রতি একটি চিৎকার, ন্যায়বিচারের জন্য আহ্বান, এবং রাজীব মাহমুদের মৃত্যুর জন্য জবাবদিহি চাওয়া। তাই  আমরা সংবাদকর্মী, সুশীল সমাজ ও বিবেকবান মানুষের প্রতি আহ্বান জানাই — সত্য প্রকাশ করুন। প্রতিবাদ করুন। পাশে দাঁড়ান। আর যেন কোনো রাজীবকে এইভাবে মরতে না হয়।</p>
<p>১৫ বছরের অবিচারের অবসান ঘটাতে গ্রামীণ ফোনের বর্তমান পরিচালনা পর্ষদকে সতর্ক করে তিনি আরো বলেন, “৩০ জুন ২০২৫-এর মধ্যে গ্রামীণফোন সমস্যার সমাধান না করলে, আরও কঠোর দেশব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। আমরা পিছপা হব না।”</p>
<p>এদিকে বিভিন্ন দেশে থাকা গ্রামীণ ফোনের সাবেক কর্মীরাও এখন এই নিয়মিত প্রতিবাদ সমাবেশের একাত্মতা প্রকাশ করে ভিডিও বার্তা দিচ্ছেন।  পাশাপাশি ৩২৮১ জন সাবেক কর্মী আন্দোলনের সপেক্ষে পিটিশনে সই করেছেন। </p>
<p>প্রসঙ্গত, গত ৮ জুন গ্রামীণ ফোনের কমার্শিয়াল ডিভিশনের ডিস্ট্রিবিউশন ও রিটেইল সেলস বিভাগের সাবেক সিনিয়র টেরিট ম্যানেজার রাজীব মাহমুদ শান্ত একেবারেই শান্ত হয়ে যান। বাসাতেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেওয়ার পরে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। এরপর তাকে দাফন করা হয় আজিমপুর গোরস্থানে।  </p>
<p>রাজীবের সহকর্মীরা জানিয়েছেন, গ্রামীণফোনে চাকরিরত অবস্থায় বাইক দুর্ঘটনায় ঘাড় ও মেরুদণ্ডে আঘাত পেয়েছিলাম। এখন এটি স্থায়ী অসাড়তা, জ্বালাপোড়া, ও চলাফেরার অক্ষমতা রোগে আক্রান্ত হন তিনি। পরে রিউম্যাটিক হার্ট ডিজিজ (RHD) এবং আইডিওপ্যাথিক থ্রোম্বোসাইটোপেনিক পারপুরা (ITP) পেয়ে বসে থাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রতিদিন Eltropag ও Epotin ইনজেকশন, অক্সিজেন, ড্রেসিং, ফিজিওথেরাপি দিতে হতো। এছাড়াও মাঝে মাঝেই রক্ত বা প্লেটলেট ট্রান্সফিউশন করতে হতো। CMC Vellore (ভারত) হতে স্পাইন ও বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট চিকিৎসার জন্য পরামর্শ দিয়েছিলেন চিকিৎসকরা। তবে ব্যয়বহুল ও দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা হওয়ায় বকেয়া পাওনার জন্য হাসপাতালের বেড থেকে অনলাইনে এই আন্দোলনে সম্পৃক্ত হন রাজীব। ফেসবুক পোস্টে প্রতিবাদ জানিয়ে দাবিও করেন। </p>
<p>‘কিন্তু মৃত্যুর আগ পর্যন্ত লোক দেখানো নানা সিএসআর করলেও প্রাক্তন কর্মী রাজীবের প্রাপ্য মিটিয়ে দেয়ার আহাজারি শুনে তার পাশে দাঁড়ায়নি গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ’- এমন অভিযোগ করেছেন তার সহযোদ্ধারা। </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রস্তাবিত বাজেটে খুশী এমটব</title>
<link>https://digibanglatech.news/154455</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154455</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_68404202afb19.jpg" length="59174" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 04 Jun 2025 18:54:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span class="x3jgonx">প্রস্তাবিত বাজেটে মোবাইল সেক্টরে ন্যূনতম কর্পোরেট ট্যাক্স ২% থেকে কমিয়ে ১.৫% করার সিদ্ধান্তকে ‘আন্তরিকভাবে স্বাগত’ জানিয়েছে <span>অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এমটব)</span> । এছাড়াও, বিটিআরসি এবং অন্যান্য আয় বহির্ভূত সংস্থাগুলোর জন্য রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রমাণপত্র (PSR) সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের জটিলতা নিরসন করায় অন্তর্বর্তী সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি। একইসঙ্গে আসছে বাজেট অন্যান্য সরকারি সংস্থার সঙ্গে দীর্ঘদিনের অনিষ্পন্ন অনুরূপ সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধানের বিষয়েও ‘অত্যন্ত আশাবাদী’ করেছে তাদের।</span></p>
<p>৪ জুন, বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এমটব এর বাজেট প্রতিক্রিয়ায় এমন অভিব্যক্তি উঠে এসেছে।<br><br><span class="x3jgonx">এতে বলা হয়েছে, “গত এক দশক ধরে মোবাইল টেলিকম সেক্টরে ট্যাক্সের ধারাবাহিক বৃদ্ধি অপারেটরদের জন্য বিনিয়োগে যুক্তিসঙ্গত রিটার্ন অর্জনকে ক্রমশ কঠিন করে তুলেছে। তার ওপর, বাজেটে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ১০% সম্পূরক শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত ডিজিটাল কনটেন্টের সহজলভ্যতা ও সাশ্রয়ী মূল্যকে প্রভাবিত করতে পারে—যা একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনের পথে বাধা সৃষ্টি করবে। আমরা কর্পোরেট ট্যাক্স রেট কমানো (তালিকাভুক্ত ও অ-তালিকাভুক্ত উভয় অপারেটরের জন্য), সিম ট্যাক্স ও সিম প্রতিস্থাপন ট্যাক্স বাতিল এবং ১% সারচার্জ প্রত্যাহারসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ করেছিলাম”।</span><br><br><span class="x3jgonx">“এছাড়াও, স্মার্টফোনের ব্যবহার বৃদ্ধি ও ডেটা খাতের সম্প্রসারণে মোবাইল হ্যান্ডসেটের ট্যাক্স কমানোর আশা করা হচ্ছিল। তবে, প্রস্তাবিত বাজেটে এমন কোনো পদক্ষেপ বা সংশ্লিষ্ট উদ্যোগের ইঙ্গিত দেখা যায়নি। ইন্টারনেট সেবার উপর উইথহোল্ডিং ট্যাক্স ১০% থেকে ৫% কমানো একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হলেও এটি শুধুমাত্র ব্যবসা-থেকে-ব্যবসা (B2B) লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তাই সাধারণ ভোক্তাদের ইন্টারনেট খরচের উপর এর কোনো প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়বে না”।</span><br><br><span class="x3jgonx">“আমরা সাম্প্রতিক এই পরিবর্তনগুলোর প্রশংসা করি এবং আশা রাখি সরকার আমাদের অবশিষ্ট প্রস্তাবনাগুলো বিবেচনা করে দেশের পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সম্ভাবনা উন্মোচনে আরও অবদান রাখবেন”।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইএলডিটিএস ‘অপ্রচলিত’, বাড়িয়েছে ব্যয়: এমটব</title>
<link>https://digibanglatech.news/154437</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154437</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;span style=&quot;color: rgb(10, 137, 17);&quot;&gt;&lt;strong&gt;সংস্কার উদ্যোগ সাহসী পদক্ষেপ &lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_683ffc967034a.jpg" length="110057" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 04 Jun 2025 13:00:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span class="x3jgonx">বিভিন্ন ধাপে লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করায় বাংলাদেশের টেলিকম খাতটির বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়েছে এবং সাধারণ গ্রাহকও ভোগান্তিতে পড়েছে বলে মনে করছে এই খাতের মোবাইল অপারেটররা। বিদ্যামান পরিস্থিতিতে ইন্টারন্যাশনাল লং ডিসট্যান্স টেলিকমিউনিকেশন সার্ভিসেস পলিসির (আইএলডিটিএস) ‘অপ্রচলিত’ উল্লেখ করে অন্তর্বর্তী সরকারের  ‘টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক ও লাইসেন্সিং ব্যবস্থার সংস্কার নীতিমালা- ২০২৫’ কে স্বাগত জানিয়েছে <span>অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এমটব)। </span></span></p>
<p><span class="x3jgonx"><span>এই উদ্যোগকে ‘</span></span><span class="x3jgonx">একটি সাহসী ও জরুরি পদক্ষেপ’ বিবেচনা করে ‘সরকারের এ উদ্যোগ আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম অনুশীলনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ’ বলে মন্তব্য করেছে <span>মোবাইল অপারেটরদের সংগঠনটি। বলা হয়েছে- ‘টেলিযোগাযোগ খাতের সংস্কার শুধুমাত্র এ শিল্পখাতের জন্যই নয়, জাতীয় স্বার্থের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। একটি সুসংগঠিত ও প্রতিযোগিতামূলক খাত দেশের ডিজিটাল অগ্রগতির ভিত্তি। এটি উদ্ভাবনকে ত্বরান্বিত করবে, নাগরিকদের ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখবে ও ডিজিটাল সুশাসন নিশ্চিতে অবদান রাখবে এবং সার্বিকভাবে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাবে’।</span></span></p>
<p>বুধবার এমটব থেকে প্রাপ্ত <span>সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গেছে, <span class="x3jgonx">আইএলডিটিএস নীতিমালা টেলিযোগাযোগ খাতকে বিভক্ত করেছে এবং এর ফলে অনেক মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান (আইজিডব্লিউ, আইআইজি, আইসিএক্স, এনটিটিএন ইত্যাদি) তৈরি হয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানগুলো নিরবচ্ছিন্ন কানেক্টিভিটি সুবিধা নিশ্চিতে তেমন কোন অবদান রাখছে না; উপরন্তু, তাদের কারণে ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে এবং উদ্ভাবন ব্যাহত হয়েছে। </span></span></p>
<p><span><span class="x3jgonx">এমন পরিপ্রেক্ষিতে </span></span>খাতসংশ্লিষ্ট সকল অংশীদার, যেমন: আইজিডব্লিউ অপারেটর ও এনটিটিএনসহ সবাইকে একসাথে দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছে এমটব।  বলেছে, এ খাতের বিকাশে, সর্বোপরি, বাংলাদেশের মানুষের জন্য বাস্তবসম্মত ও কার্যকর নীতিমালা তৈরি ও বাস্তবায়নে এমটব সরকার ও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সাথে একযোগে কাজ করতে প্রস্তুত।</p>
<p><span class="x3jgonx">টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক লাইসেন্সিং ব্যবস্থার সংস্কার নীতি ২০২৫ -এর প্রস্তাবিত খসড়া নিয়ে সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন মহলের প্রদত্ত মতামত গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করে <span>এমটব জানায়,</span> মোবাইল ফোন অপারেটরদের সংগঠন এসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এমটব)। অংশীজনদের উদ্বেগের প্রতি আমাদের আস্থা রয়েছে এবং একইসাথে আমরা মনে করি, প্রস্তাবিত সংস্কার নিয়ে স্পষ্ট ও তথ্যনির্ভর চিত্র তুলে ধরা অত্যন্ত জরুরি। </span></p>
<p><span class="x3jgonx">বর্তমান খসড়া </span><span class="x3jgonx">সংস্কারের প্রস্তাবগুলোর মাধ্যমে ‘বিদেশি প্রতিষ্ঠান বা মোবাইল অপারেটরদের সুবিধা দেয়া হচ্ছে বা এটি তাদের পক্ষে যাচ্ছে’  বিভিন্ন ব্যাবসায়ী ফোরামের এমন বক্তব্য ‘ধারণা প্রসুত’ বলে মনে করে এমটব। এ বিষয়ে সংগঠনটির দাবি, বর্তমান খসড়া সংস্কার নীতিতে মোবাইল অপারেটরদের এ ধরনের কোন সুবিধা দেয়া হয়নি। প্রকৃতপক্ষে, মোবাইল অপারেটরগুলো দেশজুড়ে টেলিযোগাযোগ ও ডিজিটাল সেবা নিশ্চিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করলেও প্রস্তাবিত সংস্কার নীতিতে তাদের কাজের পরিসরকে আরও সীমিত করা হয়েছে।</span></p>
<p><span class="x3jgonx"> ‘</span><span class="x3jgonx">এ সীমাবদ্ধ ব্যবসায়িক কাঠামোর ফলে গ্রাহকদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা আমাদের জন্য দিন দিন কঠিন হয়ে উঠেছে। ২০০৭ সালের ইন্টারন্যাশনাল লং ডিসট্যান্স টেলিকমিউনিকেশন সার্ভিসেস পলিসির (আইএলডিটিএস) মত অপ্রচলিত পুরানো কিছু নীতিমালার কারণে নিয়ন্ত্রক ও অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জগুলো দীর্ঘদিন ধরেই এ খাতের সম্ভাবনা নিশ্চিতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে’ - যোগ করা হয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।</span></p>
<p><span class="x3jgonx">এতে আরো বলা হয়,  </span><span class="x3jgonx">এমটব সরকারের সংস্কার প্রচেষ্টাকে সম্পূর্ণভাবে সমর্থন করে। যদিও, প্রস্তাবিত খসড়ায় আমাদের দীর্ঘমেয়াদি কিছু সমস্যার সমাধান হয়নি, তবুও আমরা সংস্কার উদ্যোগকে একটি সাহসী ও জরুরি পদক্ষেপ বলে বিবেচনা করছি। আমরা মনে করি, এ উদ্যোগ টেলিযোগাযোগ খাতকে আরও কার্যকর করে তুলতে ভূমিকা রাখবে।</span></p>
<p><span class="x3jgonx">এমটব এর পর্যবেক্ষণ বলছে, </span><span class="x3jgonx">সংস্কার প্রস্তাবনা অনুযায়ী লাইসেন্সিং কাঠামোকে ইন্টারন্যাশনাল কানেক্টিভিটি সার্ভিসেস, ন্যাশনাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার কানেক্টিভিটি সার্ভিসেস ও অ্যাকসেস নেটওয়ার্ক সার্ভিসেস- এই তিন ভাবে বিভক্ত করা হয়েছে। এতে মোবাইল অপারেটরদের ফাইবার বসানো কিংবা নিজেদের টাওয়ার স্থাপনের স্বাধীনতা থাকছে না, যা পূর্বে ছিল। তবে সরকারের এ উদ্যোগ আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম অনুশীলনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।</span></p>
<p><span class="x3jgonx">সংগঠনটির বিশ্বাস, সবার অংশগ্রহণে এ সংস্কার কাঠামো তৈরি এবং এর যুক্তিসম্মত বাস্তবায়ন নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও ব্যবস্থাপনায় গতি আনবে, গ্রাহকদের খরচ হ্রাস করবে, শহর ও গ্রামে সেবার মান বৃদ্ধি করবে এবং সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করবে।  </span><span class="x3jgonx">বর্তমান সংস্কার প্রস্তাবই শেষ সমাধান না হলেও এটি ইতিবাচক সূচনা। </span></p>
<p><span class="x3jgonx"></span></p>
<p><br><br><br></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বগুড়ায় চালু হলো জিপিসি</title>
<link>https://digibanglatech.news/154375</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154375</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_683d4a39021be.jpg" length="134831" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 02 Jun 2025 08:52:29 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বগুড়ার জলেশ্বরীতলায় নতুন একটি সেবা সেন্টার (জিপিসি) চালু করেছে মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন। সেন্টারটির নকশায় রাখা হয়েছে স্থানীয় কৃষ্টি ও ঐহিহ্যের ছাপ। বগুড়ার প্রখ্যাত টেরাকোটা নকশার মিশেলে সেন্টারটি সেবাসেন্টারটিকে এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার হিসেবে সাজানো হয়েছে। </p>
<p>সোমবার গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি গ্রামীণফোন সেন্টারটি উদ্বোধন করেন কোম্পানিটির চিফ রিস্ক অফিসার (সিআরও) মো. আরিফ উদ্দীন। এ সময় গ্রামীণফোনের রাজশাহী অঞ্চলের সার্কেল বিজনেস হেড মো. আতিকুল হোসেন, হেড অব কাস্টমার সার্ভিস আব্দুল্লা আল মাহমুদসহ কোম্পানিটির অন্যান্য কর্মকরকতাবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>এ নিয়ে গ্রামীণফোনের চিফ রিস্ক অফিসার (সিআরও) মো. আরিফ উদ্দিন বলেন, “টেরাকোটা নকশার ধারণায় সাজানো নতুন এই জিপিসি বগুড়াবাসীর জন্য গ্রামীণফোনের প্রতিশ্রুতির স্মারক। এটি শুধু একটি সেবা কেন্দ্র নয়; এটি পরিবেশসম্মত ও সংস্কৃতিমনষ্ক পরিবেশে স্বাচ্ছন্দ্যময় এবং প্রায় কাগজবিহীন সেবা প্রদানে গ্রামীণফোনের একাগ্রতার প্রতিফলন।”</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সবচেয়ে বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারে বিশ্বে  বাংলাদেশ ১৫তম না ৭ম?</title>
<link>https://digibanglatech.news/154334</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154334</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_683b425cc2c00.jpg" length="64167" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 31 May 2025 20:04:51 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>প্রায় সাত কোটি ৭৭ লাখ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী নিয়ে জনসংখ্যার অনুপাতে ইন্টারনেট ব্যবহারী দেশ হিসেবে বিশ্বে ১৫তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।  </span>বৈশ্বিক গবেষণা সংস্থা স্ট্যাটিস্টা-এর সর্বশেষ প্রকাশিত ‘ইন্টারনেট অ্যান্ড সোশ্যাল মিডিয়া ইউজারস ইন দ্যা ওয়ার্ল্ড’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এই উঠে এসেছে। </p>
<p> অবশ্য সেখানে বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সংখ্যার চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছে বাংলাদেশে। বাং<span>লাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার (বিটিআরসি) সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, দেশে বর্তমানে ইন্টারনেট গ্রাহক প্রায় ১৩ কোটি ৮ লাখ ২০ হাজার। আর মোবাইল গ্রাহক রয়েছে প্রায় ১৮ কোটি ৬২ লাখ ২০ হাজার। সেই হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান হওয়া উচিত ৭ম। </span></p>
<p>বিশ্বে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ২৫টি দেশ- ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল, রাশিয়া, পাকিস্তান, মেক্সিকো, জাপান, নাইজেরিয়া, ফিলিপাইন, মিশর, ভিয়েতনাম, জার্মানি, বাংলাদেশ, তুরস্ক, ইরান, লন্ডন, থাইল্যান্ড, ফ্রান্স, ইতালি, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া ও আর্জেন্টিনায় এই সমীক্ষা পরিচালিত হয়। </p>
<p>২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হলোস্ট্যাস্টিস্টার প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিশ্বে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে চীন। দেশটির প্রায় ১ হাজার ১১০ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। আর ৮০ কোটি ৬০ লাখ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ভারত। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৩২ কোটি ২০ লাখ। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া। দেশটির ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সংখ্যা প্রায় ২১ কোটি ২০ লাখ। ১৮ কোটি ৩৮ লাখ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে ব্রাজিল।</p>
<p>ছয় নম্বরে থাকা রাশিয়ায় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১৩ কোটি ৩০ লাখ। সাতে থাকা পাকিস্তানে এ সংখ্যা প্রায় ১১ কোটি ৬০ লাখ। সেই হিসাবে বাংলাদেশের অবস্থান পাকিস্তানের আগেই থাকার কথা। </p>
<p>প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১১ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী নিয়ে আটে রয়েছে মেক্সিকো। নবম অবস্থানে থাকা জাপানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১০ কোটি ৯০ লাখ। ১০ কোটি ৭০ লাখ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী নিয়ে ১০তম অবস্থানে রয়েছে নাইজেরিয়া।</p>
<p>১১তম অবস্থানে থাকা ফিলিপাইনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৯ কোটি ৭৫ লাখ। ১২তম অবস্থানে থাকা মিশরে এ সংখ্যা প্রায় ৯ কোটি ৬৩ লাখ। ১৩তম অবস্থানে রয়েছে ভিয়েতনাম। দেশটিতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সংখ্যা প্রায় ৭ কোটি ৯৮ লাখ। ১৪তম অবস্থানে রয়েছে জার্মানি। দেশটিতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৭ কোটি ৮৯ লাখ।</p>
<p>আর ১৫তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। দেশটিতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৭ কোটি ৭৭ লাখ। </p>
<p>প্রতিবেদনের তথ্যমতে, ১৬তম অবস্থানে রয়েছে তুরস্ক। দেশটিতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৭ কোটি ৭৩ লাখ। ১৭তম অবস্থানে রয়েছে ইরান। দেশটিতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সংখ্যা প্রায় ৭ কোটি ৩২ লাখ। ১৮তম অবস্থানে রয়েছে লন্ডন। দেশটিতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৬ কোটি ৭৮ লাখ। ১৯তম অবস্থানে রয়েছে থাইল্যান্ড। দেশটিতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৬ কোটি ৫৪ লাখ। ২০তম অবস্থানে রয়েছে ফ্রান্স। দেশটিতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৬ কোটি ৩৪ লাখ।</p>
<p>২১তম অবস্থানে রয়েছে ইতালি। দেশটিতে ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৫ কোটি ৩৩ লাখ। ২২তম অবস্থানে রয়েছে সাউথ আফ্রিকা। দেশটিতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৫ কোটি ৮ লাখ। ২৩তম অবস্থান রয়েছে সাউথ কোরিয়া। দেশটিতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৫ কোটি ৪ লাখ। ২৪তম অবস্থানে রয়েছে স্প্যান। দেশটিতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৪ কোটি ৬২ লাখ আর ২৫তম অবস্থানে থাকা আর্জেন্টিনায় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৪ কোটি ১২ লাখ।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৫ হাজারের বেশি মোবাইল টাওয়ার  ডাউন</title>
<link>https://digibanglatech.news/154283</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154283</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_68397cc33c661.jpg" length="65530" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 30 May 2025 11:39:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>চলমান বৈরী আবহাওয়ায় সৃষ্ট বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কবলে পড়েছে দেশ জুড়ে বিস্তৃত মোবাইল অপারেটরদের ৫ হাজারের বেশি <span>বেজ ট্রান্সসিভার স্টেশন (বিটিএস)</span>। <span>নিম্নচাপ জনিত ঝড় এবং জলোচ্ছ্বাসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টেলিযোগাযোগ সেবা দিতে হিমসিম খাচ্ছে সেবাদাতারা। ফলে দেশজুড়েই টেলিযোগাযোগ সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। </span></p>
<p><span>শুক্রবার (৩০ মে) সকালে নিজের ফেসবুক পেজে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের দায়িত্বশীল ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ তাইয়েব জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ৫,০০০ এরও বেশি সাইট অফলাইনে চলে গেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাবে বর্তমানে বরিশাল, সিলেট দক্ষিণ, টাঙ্গাইল, চাঁদপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা উত্তর, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ অঞ্চল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত।</span></p>
<p>তিনি লিখেছেন, নিম্নচাপজনিত ঝড়-জলোচ্ছ্বাসে, বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাবে সারা দেশে টেলিযোগাযোগসেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক পুনরুদ্ধার করতে নিরলসভাবে কাজ করছেন পল্লী বিদ্যুৎসহ টেলিযোগাযোগসেবার কর্মীরা।</p>
<p><span>তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট মোবাইল টাওয়ারের ৪৪ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে </span><span>৮২৬২টি টাওয়ার। এর মধ্যে ৫৯০৪টি (৩৫.৮ শতাংশ) সাইট ডাউন হয়েছে। পোর্টেবল জেনারেটরের মাধ্যমে ৬২৪টি টাওয়ারে বিদ্যুতের সাপোর্ট দেয়া হয়েছে। ৫০৪টি পোর্টেবল জেনারেটর সংযুক্ত করার প্রক্রিয়া রয়েছে। সকাল ৯টা পর্যন্ত সচল ছিলো ৬৪.২ শতাংশ টাওয়ার।  </span></p>
<p><span></span>প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়। এর প্রভাবে রাজধানীসহ দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় গতকাল থেকে প্রবল বর্ষণ চলছে। গভীর নিম্নচাপটি এখন স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। শুক্রবার এটি লঘুচাপে পরিণত হচ্ছে। অর্থাৎ আজকের মধ্যেই এর শক্তি অনেকটাই কমে আসবে। তবে এর প্রভাবে আজ দিনভর বৃষ্টি হবে। শনিবারও দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই নিম্নচাপের প্রভাবে আজ দেশের অন্তত পাঁচ বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।</p>
<p><span> </span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইসিএক্স বাদ দিলে সরকার হারাবে ২৮৪ কোটি টাকা</title>
<link>https://digibanglatech.news/154260</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154260</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_68380b2e21537.jpg" length="78657" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 29 May 2025 13:21:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশীয় স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে নতুন টেলকো টপোলজি রাজস্ব আয়ে ধ্বস নামাবে এবং বেকারত্ব সৃষ্টি ও জাতীয় নিরাপত্তা সঙ্কটে ফলবে। এই খাত থেকে আইিএক্স বাতিল হলে এক ধাক্কায় সরকার বছরে ৩০০ কোটি টাকা কমবে। বিপরীতে আয় হবে ১৬ কোটি টাকা। কর্মসংস্থান হারাবে ৭০০ প্রকৌশলী।</p>
<p>বৃহস্পতিবার টেলিকম নীতি পরিবর্তনের সন্ধিক্ষণে আইসিএক্স ও টেলিকম রিপোর্টারদের খোলামেলা সংলাপে এমনটাই দাবি করেছে ব্যবসায়ীরা। খসড়া টেলিযোগাযোগ সংস্কার নীতিমালা-২০২৫: ইন্টারকানেক্সন এক্সচেঞ্জ (আইসিএক্স) এর প্রাসঙ্গিকতা অনুষ্ঠিত কর্মশালায় ও ব্রিফিংয়ে এ দাবি জানানো হয়।</p>
<p>টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্কস বাংলাদেশের (টিআরএনবি) আয়োজনে এই কর্মশালার আয়োজন করে। টিআরএনবি সভাপতি সমীর কুমার দে এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবিন।</p>
<p>টিআইওবি সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান (অব) বলেন, আইসিএক্স টেলিকম খাতের তৃতীয় চোখ। এই খাতের ওয়াচ ডগ। আমাদের আছে বিশ্বমানের প্রকৌশলী। এরাই টেলিকম থাতের উন্নয়ন করেছে। কিন্তু আজ এই খাত বিদেশীদের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে।</p>
<p>আইওবি কোষাধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খুরশীদ আলম (অব) জানান, স্থানীয় ব্যবাসা ও উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দেয়া, মানিলন্ডারিং বন্ধ এবং জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় আইএলডিটিএস নীতিমালা করা হয়েছিলো। তিনি বলেন, চার মাস আগে টিডিএম থেকে আইপিতে যেতে সরকারি নির্দশনায় ১৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে আমরা সর্বশেষ টেলিকম প্রযুক্তি স্থাপন করেছি। কিন্তু এখন নতুন টপোলজি পুরো খাতকে হুমকির মুখে ফেলেছে। সরকার লেয়ার কমানোর কথা বলে মোবাইল অপারেটরদের লাইসেন্স ছাড়াই গেটওয়ে লেবেলে সবক্ষেত্রেই সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে।</p>
<p>অগ্নি সিস্টেমসের হেড অব অপারেশন আহমেদুর রহমান রুমেল জানান, জুলাইয়ের পর প্রতিদিন দেশে শত কোটি এসএমএস আইসিএক্স এর মাধ্যমে বিনিময় হয়। এতে ১ কোটি ১৫ লাখ টাকার আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তারা। কেনো টাকাই পাচ্ছে না সরকার। আইসিএক্স এর মাধ্যমে এসএমএস বিনিময় হলে সরকারের আয় হবে ৭৪ কোটি টাকা।</p>
<p>ভয়েসটেল চিফ অপারেটিং অফিসার মুস্তাফা মাহমুদ হোসেন, বাংলা আইসিএক্স পবিচালক হাসিবুর রহমান, বাংলাটেলিকম সিইও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আব্দুল হান্না (অব), ইমাম নেটওয়ার্ক লিমিটেড সিইও এম নুরুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>বক্তারা জানান, <span>দেশে ৫০টিরও বেশি ভয়েস সেবাদাতা অ্যাকসেস নেটওয়ার্ক সার্ভিস (মোবাইল, পিএসপিএন ও আইপিটিএসপি) অপারেটর কাজ করছে। এগুলোর প্রত্যেকে পৃথকভাবে দ্বিপক্ষীয় সংযোগ স্থাপন করতে গেলে আইসিএক্স ব্যবস্থার চেয়ে খরচ বেশি হবে। আইসিএক্স বাতিলে অবৈধ ভিওআইপি ও রাজস্ব ফাঁকির পরিমাণ বেড়ে যাবে। </span></p>
<p>কর্মশালায় আইসিএক্স এর কার্যক্রম তুলে ধরে জানানো হয়, আইসিএক্সের মূল কাজ হলো ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়েগুলোর (আইজিডব্লিউ) মাধ্যমে বিদেশ থেকে যেসব কল আসে, তা মোবাইল ও অন্যান্য টেলিফোন (এএনএস বা অ্যাকসেস নেটওয়ার্ক সার্ভিস) অপারেটরের কাছে পৌঁছে দেওয়া। আইসিএক্সের মাধ্যমে কল সরকারের নজরদারিতে থাকে। এর ফলে গ্রে ট্রাফিক বা অবৈধ কলের মাধ্যমে কর ফাঁকি রোধ সম্ভব হয়। তারচেয়েও বড় বিষয় হলো—আইসিএক্সের ডিজিটাল নজরদারির মাধ্যমে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা হয়। <span>কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সম্প্রতি ‘টেলিকম খাতে নেটওয়ার্ক ও ব্যবসা পরিচালনার লাইসেন্স পুনর্বিন্যাসের’ জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন সংশোধনের যে খসড়া তৈরি করা হয়েছে, তাতে আইসিএক্স বাদ দেওয়ার প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এর ফলে বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে। </span></p>
<p><span>প্রসঙ্গত, মোবাইল কলের ২ টাকা ৪০ পয়সার মধ্যে আইসিএক্স পায় ৪ পয়সা। দুই পয়সা বিটিআরসিকে দিয়ে দিতে হয়। এই দুই পয়সার মধ্যে ১ পয়সা লাইসেন্স, ট্যাক্স, ভ্যাট বাবদ চলে যায়।  আইসিএক্স কোম্পানিগুলোর কাছে থাকে কেবল এক পয়সা। এই এক পয়সা কাটতে গিয়ে ময়ূরের পুচ্ছ কাটার দশা হেবে বলে মনে করেন খাত সংশ্লিষ্টরা। এক্ষেত্রে আইএলডিটিএস পলিসির পরিবর্তনকে ভালোভাবে নিচ্ছেন না স্থানীয় উদ্যোক্তারা।<br></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সমঝোতা চুক্তি করলো বাংলালিংক&#45;আইসিসি</title>
<link>https://digibanglatech.news/154239</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154239</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_68371d7970c2f.jpg" length="122891" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 28 May 2025 20:28:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সেবার মান ও পরিসর বাড়াতে কৌশলগত সমঝোতা চুক্তি করলো উদ্ভাবনী ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক এবং ইন্টারনেট সেবায় নতুনত্বে এগিয়ে থাকা আইএসপি প্রতিষ্ঠান আইসিসি কমিউনিকেশন লিমিটেড। </p>
<p>বুধবার (২৮ মে) রাজধানীর গুলশানের টাইগার ডেনে বাংলালিংক এর চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান এবং আইসিসি কমিউনিকেশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।   </p>
<p>চুক্তি অনুষ্ঠানে বাংলালিংকের পক্ষে অপারেটরটির এন্টারপ্রাইজ বিজনেস বিভাগের প্রধান রুবাইয়াত এ. তানজিন, হেড অব কি সেগমেন্ট সাদ করিম,  কর্পোরেট গ্রুপ ম্যানেজার এএনএম সালেহ আকরাম, মোঃ আরিফুর রহমান এবং কর্পোরেট অ্যাকাউন্ট অফিসার রাফিয়া নাঈমা উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>অপরদিকে, আইসিসি কমিউনিকেশনের পক্ষে গ্রুপ সিওও লে. কর্নেল জাহাঙ্গীর হোসেন (অব.),পরিকল্পনা ও অবকাঠামো উন্নয়ন বিভাগের জিএম এ কে এম শাহেদ রেজা, প্রশাসন বিভাগের জিএম মেজর আবদুল্লাহ আল মামুন (অব.), সিআইও আব্দুর রাজ্জাক, সিটিও সাদাব মণি, সিএমও নূর হুদা তালুকদার ও আয়ানা ওটিটি সিটিও তানসিন রহমান তনু উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>চুক্তির আওতায় আইসিসি-কে কর্পোরেট সংযোগের পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকটি ব্যবসায়িক সল্যুশন দেবে বাংলালিংক। পাশাপাশি উভয়ে নিজেদের বিপণন সম্প্রসারণ এবং নতুন গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাতে একসঙ্গে কাজ করবে। এছাড়াও, সেবার মান, পরিধি ও ব্যাপ্তি বাড়াতে একে অপরকে প্রযুক্তি ও কৌশলগত সহায়তা দেবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নতুন টেলকো টপোলজিতে জাতীয় ও দেশীয় উদ্যোক্তাদের নিরপত্তা নিয়ে শঙ্কা</title>
<link>https://digibanglatech.news/154215</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154215</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_6836b02985b6c.jpg" length="109117" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 28 May 2025 12:27:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নিয়ন্ত্রক সংস্থার খসড়া টেলকো টপোলজি জাতীয় নিরপত্তা হুমকির পাশাপাশি বিদেশী কোম্পানির স্বার্থ রক্ষা ও বেকারত্ব বাড়াবে বলে মনে করছেন এই খাতের ব্যবসায়ীরা। এজন্য লাইসেন্স নীতিমালা বাস্তবায়নের আগে দেশের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে টেলিকম খাতের অন্তর্জাতিক সংগঠন আইটিইউ দিয়ে ভেটিং করার দাবি জানিয়েছেন এই খাতের এনটিটিএন অপারেটর ফাইবার @ হোম।</p>
<p>টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক ও লাইসেন্সিং নীতিমালা: কোন পথে এনটিটিএন এর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় ও ব্রিফিংয়ে এই দাবি জানানো হয়।</p>
<p>টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্কস বাংলাদেশের (টিআরএনবি) আয়োজনে এই কর্মশালার আয়োজন করে। টিআরএনবি সভাপতি সমীর কুমার দে এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবিন। তিনি দাবি জানান, দেশীয় উদ্যোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় যেনো কাজ করছি। তাই জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে হলেও বিদেশি নির্ভরতা কমাতে হবে।</p>
<p>ফাইবার @হোমের চেয়ারম্যান মইনুল হক সিদ্দিকী বলেন, নতুন টপোলজির যুক্তি হিসেবে বর্তমান টেলিকম কাঠামো প্রযুক্তি বান্ধব নয় বলা হলেও তা সঠিক নয়। তবে বিনিয়োগ কিছু কম হয়েছে। কিন্তু ৫জি তে বিনিয়োগে বাধা নেই। এখানেই ধীর গতি দেখতে পাচ্ছি। সীমিত প্রতিযোগিতার কথা বলা হলেও লাইসেন্সের চাপে আমরা পিষ্ট হচ্ছি। অথচ বিদ্যমান ইকোরসিস্টেম দুমড়ে মুচড়ে নতুন কিছু করতে যাচ্ছে। এতে অনেক ছোট আইএসপি বন্ধ হবে। অনেকেই কর্মহীন হয়ে পড়বে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x_6836d294212ed.jpg" alt="" width="1197" height="673"></p>
<p>নতুন নীতিমালা সাংঘর্ষিক উল্লেখ করে এটি পরিমার্জনের দাবি করেছেন টেলিকম বিশষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাবির। তিনি বলেন, এই সেবা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার অংশ। এক্ষেত্রে বিদেশী বিনিয়োগ নির্ভরতা যুক্তিসঙ্গত হলেও নতুন নীতিমালায় লাইসেন্সিং এ গুরুত্ব না দিয়ে দেশেই সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দেয়া দরকার ছিলো। একটি লেয়ার যেন আরেকটি লেয়ারে প্রবেশের বাধা সৃষ্টির চেষ্টা হলেও মোবাইল অপারেটরদের জন্য সব সুযোগ দেয়া হয়েছে। তারা যদি ফাইবার টানতে পারে, তাহলে ভাষার ম্যরপ্যাঁচ দিয়ে দেশের আইএসপি সেবা খাত দাঁড়িয়ে থাকতে পারবে না। এন্টারপ্রাইজ পর্যায়ে টেলকোদের ফাইবার সংযোগ দেয়ার সুবিধা বাদ দেওয়া উচিত।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x_6836ac71dcb8b.jpg" alt="" width="1232" height="925"></p>
<p>ফাইবার@হোমের এডিশনাল ডিরেক্টর আজাদ চৌধুরীর বক্তব্যের পর প্রতিষ্ঠানটির চিফ গভর্নেন্স অ্যাফেয়ার্স অফিসার আব্বাস ফারুক এনটিটিএন এর ভবিষ্যতের শঙ্কা তুলে ধরেন। জানালেন, দেশজুড়ে ৬ এনটিটিএন অপারেটরের প্রায় দেড় লাখ কিলোমিটার ফাইবার ক্যাবল স্থাপন করা হয়েছে। ট্রান্সমিশন ইক্যুইপমেন্ট ডিডব্লিউডিএম ব্যবাহারে মোবাইর অপারেটরদের অনুমতি দেয়া হয়েছে। এছাড়াও সরকারি ও বেসরকারি এনটিটিএন এর মধ্যে সুস্পষ্ট ও বড় বৈষম্য রয়েছে।</p>
<p>অপর একটি উপস্থাপনায় প্রস্তাবিত টপোলজির অসামঞ্জস্য বিষয় তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানটির গভর্নমেন্ট অ্যাফেয়ার্স অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল রবিউল ইসলাম। তিনি জানান, যে লক্ষ্য নিয়ে এটা করা হয়েছে তাতে বৈষম্য কমার বদলে বাড়বে। টেলিকম খাতকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে। এমএনওরা ছোট ব্যবসায়িদের নিয়ন্ত্রণ করবে। এতে বাজার ভারসাম্য হারাবে। প্রতি স্তরে নেটওয়ার্ক শেয়ারিং ব্যবসায় নিরাপত্তা বিনষ্ট করবে।</p>
<p>এছাড়াও নতুন লাইসেন্সিং কাঠামো নিয়ে বিটিআরসি থেকে করা কর্মশালাকে মোবাইল অপারেটরদের স্বার্থ রক্ষার নাটক মঞ্চস্থ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জিপিস্টার পার্টনারদের স্বীকৃতি দিলো গ্রামীণফোন</title>
<link>https://digibanglatech.news/154180</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154180</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_68359d8add260.jpg" length="120437" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 27 May 2025 13:09:36 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span class="x3jgonx">রাজধানীর একটি হোটেলে জিপিস্টার পার্টনারশিপ সেলিব্রেশন-২০২৪ করলেঅ দেশের শীর্ষ টেলিকম অপারেটর গ্রামীণফোন। অনুষ্ঠানে</span><span class="x3jgonx"> উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান, চিফ মার্কেটিং অফিসার (সিএমও) ফারহা নাজ জামানসহ বিভিন্ন খাতের বিশিষ্ট কর্পোরেট ব্যক্তিত্বরা।</span></p>
<p><span class="x3jgonx">মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে </span><span class="x3jgonx">গ্রামীণফোনের প্রতি সবচেয়ে লয়াল গ্রাহকদের আকর্ষণীয় অফার ও অভিজ্ঞতা পৌঁছে দিতে যারা বিশেষ ভূমিকা রেখেছে তাদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি জানায় কোম্পানিটি। </span></p>
<p><span class="x3jgonx">জিপিস্টার প্রিমিয়াম লয়ালটি প্রোগ্রামে লাইফস্টাইল, ডাইনিং, শপিং থেকে শুরু করে ভ্রমণ সহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্রায় ৮ হাজারের বেশি পার্টনার আউটলেটের আন্তরিক সহযোগিতায় গ্রাহকদের বিশেষ সেবাগুলো প্রদান করে গ্রামীণফোন।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সহজ হচ্ছে কিস্তিতে মোবাইল ফোন বিক্রির পথ</title>
<link>https://digibanglatech.news/154170</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154170</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_68355d5187843.jpg" length="98694" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 27 May 2025 10:36:19 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>স্মার্টফোন গ্রহাকদের হাতের নাগালে আনতে মোবাইল ‘সিমের নেটওয়ার্ক এবং ডিভাইস স্লট’ লক রাখার সুবিধা দিয়ে কিস্তিতে মোবাইল ফোন বিক্রির পথ সুগম করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বিটিআরসি)। বিটিআরসির ২৯৩ ও ২৯৪তম কমিশন সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানাগেছে। অবশ্য এরই মধ্যে গ্রামীণফোন ও বাংলালিংক কিস্তিতে মোবাইল ফোন বিক্রি করছে।</span></p>
<p><span>সূত্রমতে, এখন থেকে </span><span>মোবাইল ফোন অপারেটরদের পাশাপাশি মোবাইল ফোন উৎপাদক বা মোবাইল ফোন আমদানিকারকরা মোবাইল সিম বা নেটওয়ার্ক লকিং (সব সিম স্লট) এবং ডিভাইস লকিং উভয় পদ্ধতির মাধ্যমে যৌথভাবে বা এককভাবে মোবাইল ফোন সেট কিস্তিতে বিক্রি করতে পারবেন।</span></p>
<p><span>এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এমআইওবি) সহ-সভাপতি রেজওয়ানুল হক। এর ফলে উন্নত দেশগুলোর মতো বাংলাদেশেও মোবাইল ফোন অপারেটররা কিস্তিতে বিটিআরসি থেকে নির্দিষ্ট করে দেওয়া হ্যান্ডসেটের সাথে মোবাইল সিম বিক্রি করতে পারবে বলে মনে করছেন এই খাতের ব্যবসায়ীরা। </span></p>
<p><span>কিস্তিতে মোবাইল ফোন সেট বিক্রির ক্ষেত্রে বিটিআরসি’র দেয়া শর্ত অনুযায়ী, </span><span>মোবাইল ফোন অপারেটর, মোবাইল ফোন উৎপাদক বা মোবাইল ফোন আমদানিকারকরা মোবাইল সিম বা নেটওয়ার্ক লকিং (সব সিম স্লট) এবং ডিভাইস লকিং উভয় পদ্ধতির মাধ্যমে যৌথভাবে বা এককভাবে মোবাইল ফোন সেট কিস্তিতে বিক্রি করতে পারবেন। </span><span>ক্রেতার সব কিস্তি পরিশোধ হলে বা সব বকেয়া নির্ধারিত সময়ের আগে পরিশোধ করা হলে সিম বা নেটওয়ার্ক লকিং এবং ডিভাইস লকিং উভয় পদ্ধতির বাধ্যবাধকতা উঠিয়ে দিয়ে গ্রাহককে পছন্দ মতো মোবাইল ফোন সেটা ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে হবে।</span></p>
<p><span> এক্ষেত্রে মোবাইল অপারেটররা মোবাইল হ্যান্ডসেট আমদানি, উৎপাদন ও সংযোজন করতে পারবে না। তবে মোবাইল ফোন অপারেটররা  মোবাইল ফোন উৎপাদক বা মোবাইল ফোন আমদানিকারদের সাথে চুক্তির মাধ্যমে বিটিআরসি অনুমোদিত মোবাইল ফোন সেট কিস্তির মাধ্যমে বিক্রি করতে পারবে। মোবাইল অপারেটররা কিস্তিতে মোবাইল ফোন সেট বিক্রির ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্যাকেজ (প্রণোদনাসহ বা প্রণোদনা ব্যাতীত) চালু করার আগে বিটিআরসির সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগ থেকে অনুমোদন নিয়ে নেবে এবং মোবাইল ফোন সেট বিক্রির সব তথ্য কমিশনে দাখিল করবে। কমিশন থেকে পরবর্তী সময়ে কোনও নির্দেশনা দিলে মোবাইল ফোন অপারেটর, মোবাইল ফোন উৎপাদক বা মোবাইল ফোন আমদানিকারকরা তা মেনে চলতে বাধ্য থাকবে। একই সাথে এই প্রসঙ্গে কমিশন থেকে জারিকৃত ২০২৩ সালের ২ জুলাইয়ের নির্দেশনা রহিত করে কমিশন।</span></p>
<p><span></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইজিডব্লিউ&#45;কে এটুপি দিলে বিটিআরসির আয় বাড়বে ৮ গুণ</title>
<link>https://digibanglatech.news/154102</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154102</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_6832b5e9a3386.jpg" length="112459" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 25 May 2025 12:18:08 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বর্তমান আইএলডিটিএস পলিসি ও লাসেন্সিং গাইডলাইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে গড়ে প্রতিমাসে ৩ কোটির অধিক আন্তর্জাতিক ইনকামিং এটুপি এসএমএস বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এতে প্রতিমাসে ২৪ লক্ষাধিক ডলার আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশ। একইভাবে মোবাইল অপারেটরদের এসএমএস সেবার কারণে প্রতিবছর ৩০ লাখ ডলার হারাচ্ছে সরকার। এই পলিসির সুফল হিসেবে এরইমধ্যে বিটিআরসির আয় হয়েছে ৩০ হাজার কোটি টাকা। পলিসিটি যথাযথ ভাবে বাস্তবায়ন করে বিটিআরসির মোট মাসিক আয় দাঁড়াবে ১২ লাখ ৫ হাজার মার্কিন ডলারে।</p>
<p>রবিবার রাজধানীর রাওয়া কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে (আইজিডব্লিউ) শিল্পের চ্যলেঞ্জ ও সম্ভাবনা শীর্ষক কর্মশালা ও ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। কর্মশালাায় ইন্টারন্যাশনাল গেইটওয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর (আইজিডব্লিউ) কি ভাবে কাজ করে, সরকারের সঙ্গে কতটা রেভিনিউ শেয়ার করে ইত্যাদি বিষয় তুলে ধরা হয়।</p>
<p>টিআরএনবি আয়োজিত কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবিন। টিআরএনবি'র সভাপতি সমীর কুমার দে'র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত তুলে ধরে জানানো হয়, ৭টি আইওএস ৯শ কোটি টাকার ব্যাংক গ্যারান্টি দেয়। বিটিআরসির পূর্বে ২৩ কোম্পাির বকেয়ার ১৮ শ' কোটি টাকা পরিশোধের পর আইওএফ টপোলজি ব্যাংক গ্যারান্টি পদ্ধতি চালু করে। ২০১৫ সালে আইওএফ বাস্তবায়নের মাধ্যমে গত এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি কোষাগারে ৫  হাজার ৬০৭ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে।</p>
<p>কিন্তু আন্তর্জাতিক ভয়েস কল ওটিটিতে যাওয়ায় মাসিক কল ১০০ মিলিয়ন মিনিটের পরিবর্তে ১২-১৩ মিলিয়ন মিনিটে নেমে এসেছে। অথচ আন্তর্জাতিক এসএমএস সেবা মোবাইল অপারেটরদের দিয়ে বেহাত হচ্ছে প্রত্যশিত বৈদেশিক মুদ্রা আয়। অথচ আইওএফকে কার্যকর করলে বিটিআরসির আয় বাড়বে ৮ গুণ। সরকারের আয় হবে ২০০ কোটি টাকা। কিন্তু বর্তমানে এই কাজটি বহুজাতিক মোবাইল কোম্পানির এক্সক্লুসিভ চুক্তির অধীনে অফসোর কোম্পানির মাধ্যমে করায় দেশ এই আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গেটওয়ে অপারেটরস ফোরাম (আইওএফ)</p>
<p>কর্মশালায় এসব তথ্য তুলে ধরে আইওএফ চিফ অপারেটিং অফিার মুশফিক মঞ্জুর বলেন, নতুন লাইসেন্সিং টপোলজিতে বিদেশী স্বার্থের পক্ষে জাতীয় স্বার্থকে বলি দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে ঝুঁকিতে পড়বে জাতীয় নিরাপত্তা। </p>
<p>২০০৮ সালে অবৈধ ভিওআইপি এবং মোবাইল অপারেটরদের মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি রোধে নতুন টপোলজিতে আইজিডব্লিউ ও আইসিএক্স এর সংযোজন সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ ছিলো উল্লেখ করে তিনি জানান, বর্তমানে মোবাইল অপারেট থেকে বিটিআরসি মাসে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার ইউএসডি আয় করতে পারে। বিপরীতে আইজিডব্লিউ এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ইনকামিং এটুপি এসএমএস পরিচালনা করা হলে ৪০ শতাংশ রেভিনিউ শেয়ার বাবদ বিটিআরসি পাবে ৯ লাখ ৬০ হাজার ইউএসডি। আইসিএক্স ও মোবাইল অপারেটর থেকে রেভিনিউ শেয়ার বাবদ আয় হবে আরো ২ লাখ ৪৫ হাজার ইউএসডি। </p>
<p>আইওএফ সভাপতি আসিফ সিরাজ রাব্বানী, সহ সভাপতি আব্দুস সালাম,ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ খুরশীদ আলম (অব:), প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, বাংলা টেল, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আব্দুল হান্নান (অবঃ), প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, মীর টেলিকম লিমিটেড এবং নভোটেল ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসিবুর রশিদ প্রমুখ এসময় উপস্থিত ছিলেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নিবন্ধিত সিমের সংখ্যা কমে নামছে ১০ &#45;এ</title>
<link>https://digibanglatech.news/154078</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154078</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_6831a948e2cea.jpg" length="119073" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 24 May 2025 16:01:10 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>একজন গ্রাহকের নামে সর্বোচ্চ নিবন্ধনযোগ্য সিমেন সংখ্যা ৫টি কমিয়ে ১০টিতে নামিয়ে এনেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বিটিআরসি)। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে বৈশ্বিক অনুশীলনের অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত বলে জানাগেছে।</p>
<p>বিটিআরসি সূত্রে প্রকাশ, যেসব গ্রাহকের একই অপারেটরের ১৫টি সিম রয়েছে তারা গড়ে ৬টির বেশি সিম একই সময়ে চালু রাখে না। ১০টির বেশি সিম রয়েছে এমন সংখ্যা মোট সিম ব্যবহারকারীর মাত্র ৩ দশমিক ৪৫ ভাগ।</p>
<p>এই সিদ্ধান্তের ফলে অসাধু রিটেইলারদের অবৈধভাবে বায়োমেট্রিক তথ্য রেখে অতিরিক্ত সিম নিবন্ধনের ঘটনাও কমে আসবে  বলর মনে করে নিয়ন্ত্রণ সংস্থা।</p>
<p>প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের অক্টোবরে একটি এনআইডিতে সর্বোচ্চ ১৫টি সিম কেনার সীমা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছিল। এরপর ২০২২ সালের অক্টোবরে ১৫টির বেশি সিম থাকলে গ্রাহকরা যেন তাদের পছন্দের সিম নাম্বার রেখে ১৫টির অতিরিক্ত সিম ডিরেজিস্টার করার বিজ্ঞপ্তি দেয় বিটিআরসি। এরপর বিটিআরসি লটারি করে ১৫টির বেশি সিম থাকলে তা বন্ধ করে দেয়।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জুলাই থেকে গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেটের দাম কমবে ২০ শতাংশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/154016</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154016</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_682eb9ed29383.jpg" length="68930" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 22 May 2025 00:31:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন ট্যারিফ দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক কমিশন বিটিআরসি। বেধে দেয়া দাম অনুযায়ী, এক দেশ এক রেটের অধীনে প্রতি লেয়ারে ১০০ টাকা করে দাম কমানো হয়েছে। এতে গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেটের সেবা মূল্য ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে বলে মনে করেন বাজার বিশ্লেষকেরা। </p>
<p>প্রাপ্ত নথি অনুসারে, একটি সংযোগ সর্বোচ্চ ৮ জনের মধ্যে শেয়ার করার সুযোগ রেখে মেট্রো, জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেটের দাম ৫ এমবিপিএস সর্বোচ্চ ৪০০ টাকা, ১০ এমবিপিএস ৭০০ টাকা এবং ২০ এমবি পিএস ১১০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই ট্যারিফ আগামী ৫ বছরের জন্য নির্ধারিত থাকবে।  </p>
<p>নতুন ট্যারিফকে স্বাগত জানিয়ে আইএসপিএবি জ্যেষ্ঠ সহ সভাপতি সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক জানিয়েছেন, আগামী জুলাই থেকে এই ট্যারিফ কার্যকর করবেন তারা। তবে এখনো ট্যারিফে ৫ এমবিপিএস থাকায় তারা বিস্মিত। কেননা, ৫ এমবিপিএস লাইন দিয়ে মান সম্মত ইন্টারনেট সেবা পাওয়া যায় না। এটা ব্রডব্যান্ডকে ন্যারো ব্যান্ডে পরিণত করে। বিষয়টি কমিশন দ্রুতই আমলে নেবেন বলে মনে করেন তিনি। </p>
<p>সূত্রমতে,গত বছরের সেপ্টেম্বরে দায়িত্ব নিয়ে পুরো ইন্টারনেট সরবরাহ ব্যবস্থার বিশদ পর্যালোচনা করে নতুন মূল্য নির্ধারণ করে বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারীর কমিশন। এরপর গত বছরের ৩ ডিসেম্বর টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে এই ট্যারিফের প্রস্তাব পাঠিয়েছিল বিটিআরসি। তবে, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে টেলিযোগাযোগ এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে প্রায় সাড়ে চার মাস সময় লেগে গেলো নিয়ন্ত্রক সংস্থার।</p>
<p>বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নতুন মূল্য কাঠামো দেশে ইন্টারনেট সংযোগ গ্রহণের হার বাড়াবে এবং ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তিকে আরও গতিশীল করবে। </p>
<p>গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেট মূল্য সুলভ করতে এবং বাজার প্রতিযোগিতা বজায় রাখতে গত ১৮ মে আইএসপি’র পাষাপাশি আইআইজি পর্যায়েও ট্যারিফ সংশোধন করেছে বিটিআরসি। ব্রডব্যান্ডের সঙ্গে মোবাইল ইন্টারনেটের দাম কমাতে প্যানালটি শর্তসহ কোয়ালিটি অব সার্ভিস অ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স-কে বিবেচনায় নিয়ে ৭টি স্ল্যাবে নতুন ট্যারিফ দেয়া হয়েছে। এতে ১০০ এমবিপিএস ব্যান্ডউথের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ২৬৫ থেকে ২৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ স্লাবে ১ লাখ ১ এমবিপিএস এর পরবর্তী বাল্কের জন্য মূল্য ধরা হয়েছে ২৩০ থেকে ২৫৫ টাকা। এই মূল্য আগামী ১ জুলাই থেকে ৫ বছরের জন্য নির্ধারিত থাকবে। ১০ জিবিপিএস এর চেয়ে বেশি ভলিউমের জন্য প্রতিটি ক্রয় আদেশে সর্ব নিম্ন ৬ মাস বহাল রাখতে হবে। </p>
<p>তবে বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অঘোষিত ভাবে আইআইজি’রা ১৭৫ টাকায় ১০০ এমবিপিএস ভলিউম বিক্রি করে থাকেন। </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাধ্যতামূলক লোকাল গেটওয়ে ব্যবহার করবে স্টারলিংক</title>
<link>https://digibanglatech.news/153956</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153956</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_682c4b6633eea.jpg" length="78146" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 20 May 2025 13:19:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের যুগে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশ। আজ (মঙ্গলবার) থেকে স্টারলিংক আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে, যা সাফল্যের নির্দেশনা প্রকাশ করে। প্রথমত, ৯০ দিন আগে বাংলাদেশে কোনও এনজিএসও (নন-জিওস্টেশনারি অরবিট) লাইসেন্স ছিল না। এই ৯০ দিনের মধ্যে দ্রুততার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটা এনজিএসও গাইডলাইন তৈরি করেছে এবং সেটির অনুকূলে একটা অপারেটর স্যাটেলাইট ইন্টারনেট অপারেটর আবেদন করেছে এবং সেই আবেদনটাও প্রসেস করে চার মাসের সময়ের মধ্যে ফেব্রুয়ারি থেকে মে এর মধ্যে এটা কমার্শিয়াল যাত্রা শুরু করতে পেরেছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই ধরনের টেলিকমিউনিকেশন লাইসেন্সের রোল আউটের ইতিহাসের প্রথম ও অনন্য ঘটনা।</p>
<p>মঙ্গলবার (২০মে) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ও উপ–প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>স্টারলিংক কি উদ্যোক্তা বান্ধব? উদ্যোক্তারা ইন্টারনেট সেবা প্রদানে কীভাবে স্টারলিংক ব্যবহার করতে পারবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা এনজিএসও’র বিধিবিধান এমনভাবে করেছি যেন স্টারলিংক বা সমজাতীয় ইন্টারনেট সুবিধা উদ্যোক্তাবান্ধব হয়। অর্থাৎ, একজন উদ্যোক্তা কিংবা একাধিক উদ্যোক্তা নিজেরা যদি ৪৭ হাজার টাকার একটা তহবিল গঠন করে, এই তহবিলের মাধ্যমে তারা ইন্টারনেট সেটআপ বক্স কিনবে। কেনার মাধ্যমে তারা তাদের আশেপাশের দোকানে এই ইন্টারনেটের বিক্রি/সেবা প্রদান করতে পারবে। ওয়াইফাই রেঞ্জ আনুমানিক, আনুমানিক ২০ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ মিটার, এই ৫০ মিটার জোনের মধ্যে বাংলাদেশের গ্রামের গ্রোথসেন্টারগুলোতে অনেক দোকানপাট থাকে। সেখানে সহজেই ইন্টারনেট সেবা এক ব্যক্তি কিনে বা একাধিক ব্যক্তি সমিতি আকারে কিনে মাল্টিপল ব্যবহার সম্ভব। আইনে কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়নি। এছাড়া শহরের বাসভবনে ওয়াইফাই শেয়ারিং করে ইন্টারনেট ব্যবহার সম্ভব। স্টারলিংকে যেহেতু বিল্টইন রাউটার আছে সেহেতু রাউটার হতে রাউটারে আইএসপি সেটাপেও ব্যবহার সম্ভব।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টার এই বিশেষ সহকারী বলেন, স্টারলিংকের একটি লোকাল গেটওয়ে থাকবে। এর কমার্শিয়াল টেস্ট রান ও গ্রাউন্ড টেস্ট চলমান। এসব কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য স্টারলিংক কোম্পানিকে ৯০ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে, যার দশ দিন গত হয়েছে। এ সময় শেষ হলেই তাদের লোকাল গেটওয়ে বাধ্যতামূলক হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। এর ফলে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। পাশাপাশি ডিভাইসের ক্ষেত্রে রেট, ভ্যাট, ট্যাক্স আছে তাই ডিভাইসের বিষয়ে এনওসি নেবে।</p>
<p>"এটি বাংলাদেশেরএর মাধ্যমে আনলিমিটেড ডাটা পাওয়া যাবে"- যোগ করেন তিনি।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, আমরা চেষ্টা করব আমাদের মাইক্রোক্রেডিট অথরিটি কিংবা ফাইন্যান্সিয়াল অর্গানাইজেশন কিংবা ব্যাংকের জন্য, যাতে এই স্টারলিংক উদ্যোক্তাদের এই অর্থের সংস্থান হয়। পাশাপাশি যারা নাগরিক সেবার উদ্যোক্তা হবেন, তাদের জন্য স্টারলিংক কীভাবে সহজে নেওয়া যায়- এর জন্যও আমরা ফাইন্যান্সিয়াল প্যাকেজে কাজ করার পরিকল্পনা করছি। আমরা বলছি, স্টারলিংকের দাম কিছুটা বেশি। মাসিক খরচ ছয় হাজার এবং চার হাজার নির্ধারণ করা হয়েছে, এটা আমরা স্টারলিংকে কিছুটা নেগোশিয়েশন করে এটা কমিয়েছি। কিন্তু যেহেতু এটা শেয়ার্ড হবে এবং শেয়ার করা যাবে, শেয়র করার উপর যেহেতু আমরা বিধিনিষেধ রাখিনি এবং বিক্রি করার উপরও বিধিনিষেধ রাখিনি। সেজন্য এই ইন্টারনেট দিয়ে ব্যবসা সফল ব্যবসা মডেল, এসএমই বা ব্যবসা মডেল তৈরি করা সম্ভব। পাশাপাশি কেউ যদি এই স্টারলিংক ব্যবহার করে তা ইন্টারনেট নিয়ে (মোবিলিটি এবং রোমিং সুবিধা ছাড়া) সেটাকে ফিড করে যদি ইন্টারনেট ব্যবহার করে সেখানেও আমরা কোনো বাধা রাখিনি। অর্থাৎ বাংলাদেশের এসএমই কিংবা উদ্যোক্তা বিকাশে সব ধরনের ফ্যাসিলিটি আইন, আইনগত ফ্যাসিলিটেশন রাখা হয়েছে। ‘স্টারলিংকের মাধ্যমে আমাদের মাইক্রোক্রেডিট কিংবা ইএমআই অথবা যেকোন এমএফআই/এমআরএ পদ্ধতিতে অন্য কোম্পানিগুলো ফাইন্যান্সিয়াল অর্গানাইজেশনগুলো চাইলে ওয়াইফাই লেডি হিসেবে নতুন একটা উদ্যোক্তার ধারা সৃষ্টি করতে পারে। যদি তারা চাইলে শুধু গ্রামীণ মহিলাদের একটা বিশেষ ঋণ দিতে পারে, ঋণের মাধ্যমে তারা স্টারলিংক নিয়ে ইন্টারনেট সেবা বিক্রয় করতে পারেন। সেক্ষেত্রে ভবন ছাড়াও ইনফরমাল কো-ওয়েবিং বিজনেসের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে পারবেন।’ চলমান চীন মার্কিন বাণিজ্য দ্বন্দ্বের মধ্যে স্টারলিংকের ব্যবহারে অনুমতি প্রদানে কোনো প্রভাব পড়বে কী? জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ যোগাযোগ প্রযুক্তির বিচারে বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে চায়। বাংলাদেশে ৪/৫জি টেকনলোজিতে সর্বাধুনিক নেটওয়ার্ক ও ব্যাকবোন স্থাপনে চীনা প্রযুক্তিই ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া বিটিসিএল, টেলিটক সংস্থার অধীন চীনা অর্থায়নে ও প্রকৌশলীদের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন চলমান রয়েছে। বাংলাদেশের মোবাইল কোম্পানির ভেন্ডর হিসেবেও অনেক চীনা কোম্পানি কাজ করছেন। আমরা চাই, চীন কিংবা মার্কিন ব্যবসায়ীরা যেন স্বাধীনভাবে এখানে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে উন্মুক্তভাবে ব্যবসা করতে পারেন। চীনা কোম্পানি জিডব্লিউ যদি আসতে চায় তারাও একই প্লেসে সুবিধাপ্রাপ্ত হবে। উল্লেখ্য, অন‍্যান‍্য দেশের কিছু কোম্পানি যেমন Amazon Kuiper, Telesat, Satteloit, এবং Oneweb (UK) আগ্রহী। তারা এখানে ব‍্যবসা করলে আমরা তাদেরও একই রকম পলিসি সুবিধা দিতে প্রস্তুত।</p>
<p> ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় এখনো ফাইবার পৌঁছায়নি। মাত্র ৩০ শতাংশ মোবাইল টাওয়ারে ফাইবার আছে। এমতাবস্থায় মোবাইল কোম্পানিগুলোর যে সেবা দান সেটা মাইক্রোওয়েভের মাধ্যমে হয়, যেটা লো ক্যাপাসিটি। বাংলাদেশে এখনও হাজার হাজার মোবাইল টাওয়ার আছে যারা শুধু ৩০০ এমবিপিএস এর একটা ব্যান্ডউইডথ দিয়ে একটা মোবাইল টাওয়ার সচল রাখে ডেটা ইন্টারনেটের জন্য এবং সেই ডেটা ইন্টারনেটটা প্রায় কয়েক হাজার গ্রাহকের কাছে বিক্রি করা হয়। স্টারলিঙ্কের ক্ষেত্রে মাত্র একটা সেটআপ বক্স দিয়ে এই সমস্যার সমাধান হবে।</p>
<p>তিনি জানান, শুরুতে স্টারলিংক দুটি প্যাকেজ দিয়ে শুরু করছে- স্টার্লিংক রেসিডেন্স এবং রেসিডেন্স লাইট। মাসিক খরচ একটিতে ৬০০০ টাকা, অপরটিতে ৪২০০। সেটাপ ও যন্ত্রপাতির জন্য এককালীন খরচ হবে ৪৭ হাজার টাকা।</p>
<p>আবাসিক গ্রাহকদের জন্য স্টারলিংকের দাম কি সহনীয়? এমন প্রশ্ন উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী বলেন, একটা ভবনে ইন্টারনেট ব্যবহার করে এমন অনেকগুলো অ্যাপার্টমেন্ট, কন্ডোমিনিয়াম, ফ্ল্যাট থাকে। তারা বেশ কয়েকটা অ্যাপার্টমেন্ট যারা পাশাপাশি থাকে তারা মিলে পাশাপাশি চারটা বা পাঁচটা অ্যাপার্টমেন্ট বা কয়েকটা দুই একটা তলা মিলে এই সার্ভিস ব্যবহার তবে এক্ষেত্রে রেঞ্জ সর্বোচ্চ ২০ মিটার করতে পারবেন। সবকিছু মিলিয়ে উদ্যোক্তাদের জন্য এবং কনজিউমারদের জন্য এককালীন দামটা বেশি হলেও সেটাপ কস্টটা বেশি হলেও আমার মনে হয় এটা যখন ডিস্ট্রিবিউটেড হয়ে যাবে অর্থাৎ সমবায় ভিত্তিতে হবে তখন এটার আর খুব বেশি অনুভূত হবে না।</p>
<p>রিজিওনাল প্রাইস বিবেচনায় স্টারলিংকের ব্যয় কি বাংলাদেশে বেশি? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রিজিওনাল যে প্রাইস আমরা অ্যানালাইসিস করেছি সেখানে দেখেছি যে, রিজিওনাল প্রাইসের তুলনায় বাংলাদেশে স্টারলিংকের দাম সবচেয়ে কম। এমনকি শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ডের চেয়েও কম। আমরা এটা তাদের রেখেছি যাতে তারা মানুষের সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে থাকে। যেহেতু বিষয়টা শেয়ার্ড হবে, একক ব্যক্তি যিনি কিনবেন, যিনি ব্যয় নির্বাহ করবেন তার জন্য দাম বেশি হলেও শেয়ারিং এ কোনো সীমা না থাকায় একাধিক শেয়ারিং এ দাম কমে আসবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হামজার ম্যাচের ভিআইপি টিকেট উপহার পাচ্ছেন রবি গ্রাহকরা</title>
<link>https://digibanglatech.news/153915</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153915</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_682af9932729b.jpg" length="104175" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 19 May 2025 15:05:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রথমবারের মতো দেশের মাটিতে জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে নামছেন ইংলিশ লিগ মাতানো তারকা ফুটবলার হামজা চৌধুরী। আগামী ১০ জুন ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে এশিয়ান কাপ বাছাই পর্ব।</p>
<p>তবে তার আগেই প্রতি রবিবার দেয়া  নিয়মিত অফারে ফুটবল উত্তেজনাকে যুক্ত করলো মোবাইল অপারেটর রবি। আগামী ২৫ মে থেকে শুরু হচ্ছে রবি সুপার রবিবার। ওই রবিবার জুনের  দ্বিতীয় মঙ্গলবার অনুষ্ঠেয়  ম্যাচের ভিআইপি টিকেট উপহার পেতে যাচ্ছেন রবি গ্রাহকরা। রবি অ্যাপ থেকে টিকেট  ‘ভিআইপি গ্যালারিতে বসে ম্যাচটি উপভোগ করতে পারবেন রবি’র গ্রাহকরা। </p>
<p>সে লক্ষ্যে সোমবার (১৯ মে) রাজধানী ঢাকার তেজগাঁওয়ে অবস্থিত রবি আজিয়েটার কর্পোরেট অফিসে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)-এর সঙ্গে চুক্তি করেছে রবি। এরপর গ্রাহকদের জন্য সুবখবরটি তুলে ধরা হলো যৌথ সংবাদ সম্মেলনে।</p>
<p>এসময় রবির ভারপ্রাপ্ত সিইও এম রিয়াজ রশিদ, চিফ কমার্শিয়াল অফিসার শিহাব আহমাদ, বাফুফে ভাইস প্রেসিডেন্ট ফাহাদ করিম, এবং কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ইকবাল হোসেন, গোলাম গাউস, জাকির হোসেন চৌধুরী ও কামরুল হাসান হিলটন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে রবির চিফ কমার্শিয়াল অফিসার শিহাব আহমাদ বলেন, “সুপার রবিবার ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা রবি গ্রাহকদের জন্য সপ্তাহের একটি দিনকে রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতায় পরিণত করতে চাই। গ্রাহকদের ইতিবাচক সাড়ায় আমরা ২৫ মে’র ‘সুপার রবিবার’কে আরও বিশেষ করে তুলতে মাঠে বসে হামজা চৌধুরীর খেলা দেখার সুযোগ রাখছি। আমার বিশ্বাস, হামজা ও শমিতের মতো আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড়রা জাতীয় দলে যোগ দেওয়ায় আমাদের ফুটবল বিশ্বমঞ্চে নিজেকে আরও ভালোভাবে উপস্থাপন করতে পারবে। দেশের জন্য এমন উদ্যোগে থাকতে পারাটা আমাদের জন্য গর্বের।</p>
<p>বাফুফে ভাইস প্রেসিডেন্ট ফাহাদ করিম বলেন, “রবির সঙ্গে এই অংশীদারিত্বে আমরা দারুণ উচ্ছ্বসিত। এর মাধ্যমে খেলোয়াড়রা যেমন উৎসাহিত হবেন, তেমনি দর্শকরাও পাবেন বাড়তি আনন্দ। ভবিষ্যতে রবির সঙ্গে আরও বড় পরিসরে কাজ করার আশা রাখছি।”</p>
<p>তবে কিভাবে কিংবা কতজনকে টিকেট উপহার দেয়া হবে সেই পথরেখাটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>শেয়ার প্রতি নগদ ১৭ টাকা লভ্যাংশ পেলেন জিপি’র মালিকেরা</title>
<link>https://digibanglatech.news/153916</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153916</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_680bb6df0d94a.jpg" length="35369" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 19 May 2025 13:08:32 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>শেয়ারপ্রতি নগদ ১৭ টাকা লভ্যাংশ পেলেন পুঁজিবাজারে টেলিযোগাযোগ খাতে তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কোম্পানি গ্রামীণফোন লিমিটেডের শেয়ার হোল্ডাররা।  সোমবার (১৯ মে) গ্রামীণফোন লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের ঘোষিত চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানোর এ তথ্য জানা গেছে। গ্রাহকেদের লভ্যাংশ পাঠানোর এই খবর মিলেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে ।</p>
<p>সূত্রমতে, গ্রামীণফোন লিমিটেডের ঘোষিত নগদ লভ্যাংশ বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (বিইএফটিএন) সিস্টেমসের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হয়েছে।</p>
<p>এর আগে ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৭০ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে কোম্পানিটি। সে হিসেবে প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে ১৭ টাকা নগদ লভ্যাংশ পেয়েছেন শেয়ারহোল্ডারা।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জিএসএমএ প্রতিবন্ধী  নীতিমালা অনুসরণে অঙ্গীকার বাংলালিংকের</title>
<link>https://digibanglatech.news/153880</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153880</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_6829e82e8e18f.jpg" length="85788" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 18 May 2025 18:00:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি ত্বরান্বিত করতে জিএসএমএ নীতিমালা অনুসরণের অঙ্গীকার করেছে মোবাইল অপারেটর বাংলালিংক। নীতিমালা তিনটি মূল স্তম্ভের (পিলার) ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে – (১) প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিতকরণ; (২) প্রতিবন্ধী ব্যক্তি বান্ধব সেবা কীভাবে তৈরি করা যাবে সে সম্পর্কে সম্যক ধারণা; এবং (৩) উদ্ভাবনের মাধ্যমে সবার জন্য উপযোগী পণ্য এবং পরিষেবা ডিজাইন করা।  </p>
<p>এই নীতিমালার সাথে একাত্মতা প্রকাশের মাধ্যমে, বাংলালিংক বিশ্বব্যাপী চলমান এই প্রচেষ্টার সাথে যুক্ত হলো। ফলে, আগামী দিনেও সকলের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক পণ্য এবং পরিষেবা তৈরি, প্রতিবন্ধীদের অন্তর্ভুক্তি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং শারীরিক প্রতিবন্ধকতা নির্বিশেষে সকলে যেন ডিজিটাল সেবা গ্রহণ করতে পারে তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলো অপারেটরটি।</p>
<p>শনিবার এ নিয়ে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় বাংলালিংকের সিইও ইউহান বুসে বলেন, “আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, ডিজিটাল পরিষেবা এবং আধুনিক প্রযুক্তির সহজলভ্যতা সকলের মৌলিক অধিকার হওয়া উচিত। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা যেন সম্ভাবনার পথে বাধা না হয়ে দাঁড়ায়।”  </p>
<p>তিনি আরও বলেন, “অন্তর্ভুক্তিমূলক অগ্রগতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ একটি ডিজিটাল অপারেটর হিসেবে, ডিজিটাল রূপান্তর যেন সকলকে উপকৃত করে তা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ আমরা। জিএসএমএ-এর নীতিমালার প্রতি সমর্থন জানিয়ে এই পথচলার দিকে আরও একধাপ এগিয়ে যাচ্ছি আমরা। ডিজিটাল বিশ্বে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত রাখে এমন বাধা ভেঙে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য সুযোগ তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য। এই প্রতিশ্রুতি কেবল প্রতীকী নয়; বরং এটি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল ইকোসিস্টেম তৈরি করার জন্য আমাদের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। এই ইকোসিস্টেমে ডিজিটাল সেবা সকলের জন্য আরও সহজলভ্য হবে এবং উন্নত অভিজ্ঞতার মাধ্যমে ডিজিটাল রুপান্তরের সুফল সবাই সমানভাবে উপভোগ করতে পারবে।”   </p>
<p>প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যেই নিজেদের ওয়েব অ্যাক্সেসিবিলিটি বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি এর ওয়েবসাইট নতুনভাবে ডিজাইন করেছে। এছাড়া, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিয়ে অফিস প্রাঙ্গণ এবং দেশজুড়ে অবস্থিত গ্রাহকসেবা কেন্দ্রগুলোতে র‌্যাম্প স্থাপন করেছে বাংলালিংক। </p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইশারা ভাষায় গ্রাহক সেবার স্বীকৃতি পেল গ্রামীণফোন</title>
<link>https://digibanglatech.news/153787</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153787</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_68262fc6b80fc.jpg" length="98551" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 15 May 2025 19:16:37 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ইশারা ভাষায় গ্রাহক সেবার জন্য  সন্মাননা স্মারক পেলো দেশের শীর্ষ টেলিকম অপারেটর গ্রামীণফোন। 'সাইনলাইন' সেবার মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক টেলিকম সেবা নিশ্চিত করে ‘রিকগনিশন ফর অ্যাকসেসিবল সার্ভিস’ ক্যাটাগরিতে এ সম্মাননা পেল কোম্পানিটি।</p>
<p>বৃহস্পতিবার (১৫ মে) রাজধানীর বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) অডিটোরিয়ামে গ্লোবাল অ্যাক্সেসিবিলিটি অ্যাওয়ারনেস ডে উপলক্ষ্যে অ্যাসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) প্রোগ্রাম, ইউএনডিপি বাংলাদেশ এবং ফ্রেন্ডশিপ (আইএনজিও) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে এই সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন অপারেটরটির চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার (সিসিএও) তানভীর মোহাম্মদ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।</p>
<p>এই অর্জন প্রসঙ্গে গ্রামীণফোনের চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার (সিসিএও) তানভীর মোহাম্মদ বলেন, "সাইনলাইন সেবার জন্য সম্মাননা পাওয়ায় গর্বিত গ্রামীণফোন। আমরা বিশ্বাস করি, ডিজিটাল দুনিয়া সবার। ২০২০ সালে চালুর পর থেকে, সাইনলাইন শুধুমাত্র বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্যই নয়, বরং সহজলভ্য যোগাযোগের প্রয়োজনে থাকা সকলকেই প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করে।  এটুআই প্রোগ্রাম, ইউএনডিপি বাংলাদেশ এবং ফ্রেন্ডশিপ (আইএনজিও) আয়োজিত এই সম্মাননা আমাদের ভবিষ্যতে বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের নিয়ে আরও কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে।"</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডেটার মূল্য হ্রাসে আয় কমেছে রবির</title>
<link>https://digibanglatech.news/153795</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153795</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_68263b70f3865.jpg" length="62671" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 15 May 2025 19:04:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মোবাইল ডাটার মূল্য হ্রাসের সরাসরি প্রভাব পড়েছে মোবাইল অপারেটর রবির আয়ে।পাশাপাশি, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও চলমান অর্থনৈতিক স্থবিরতার কারণে টেলিযোগাযোগ খাতের মত রবির আর্থিক ফলাফলেও বিরূপ প্রভাব পড়েছে। আর এ পরিস্থিতিতে রবি ২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে তার আয়ের ৭০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে জমা দেয়ায় প্রভাবটি আরো প্রকট হয়।</p>
<p>বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ওই প্রান্তিকে রবির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ২,৩৪১.১ কোটি টাকা, যা এর আগের প্রান্তিকের তুলনায় ০.৬% এবং আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭% কম। ভয়েস ও ডাটা- উভয় খাতেই আয় কমেছে প্রতিষ্ঠানটির। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রবির আয় কমেছে ভয়েসে ০.৭% এবং ডাটায় ১১.৪%।<br><br> চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিক শেষে রবির আয়কর, অবচয় ও অ্যামর্টাইজেশন পূর্ববর্তী আয়  (ইবিআইটিডিএ) ৪৭.৫%  মার্জিনসহ দাঁড়িয়েছে ১,১১০.৯ কোটি টাকায়। গত বছরের প্রথম প্রান্তিকের তুলনায় এই প্রান্তিকে মার্জিন কমেছে ১ শতাংশীয় পয়েন্ট।  চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে রবির কর-পরবর্তী মুনাফা (পিএটি) হয়েছে ১২৫.৫ কোটি টাকা,যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। <br><br>ডাটার দাম ধারাবাহিকভাবে কমে যাওয়া এবং মূল্যস্ফীতির চাপ ও পরিচালন ব্যয় বাড়ার কারণে রবির ইবিআইটিডিএ মার্জিন কমেছে। আর ইবিআইটিডিএ মার্জিন কমে যাওয়ার পাশাপাশি ও সরকারি কোষাগারে গত প্রান্তিকের তুলনায় বেশি অর্থ পরিশোধ করার কারণে চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে পিএটি কমেছে রবির।   <br><br>চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিক শেষে রবির সক্রিয় গ্রাহকসংখ্যা ৫ কোটি ৬৪ লাখ,  যা আগের প্রান্তিকের তুলনায় ৩.৭ লাখ ও আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ লাখ কম। রবির ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ২৫ লাখ, আর ৪জি ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩ কোটি ৬৭ লাখ। ৭৫.৫% সক্রিয় গ্রাহক ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। আর সক্রিয় গ্রাহকদের ৬৫% ফোর-জি ব্যবহার করেন। সক্রিয় গ্রাহকসংখ্যার অনুপাতে এ দুটোতেই ইন্ডাস্ট্রিতে শীর্ষস্থানে রয়েছে রবি। <br><br>চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সিমের ওপর কর ২০০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা করা হয়। এই পরিবর্তন এবং পরবর্তীতে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে গ্রাহক সংখ্যা কমে যায়। এ পরিপ্রেক্ষিতে হারানো গ্রাহক সংখ্যা পুনরুদ্ধার ও নতুন গ্রাহক আকর্ষণে সতর্কতার সাথে কাজ করে আসছে রবি।  <br><br>২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিক শেষে ১৮ হাজারেরও বেশি সক্রিয় ফোর জি সাইটের মাধ্যমে দেশের প্রায় ৯৮.৯৭% জনসংখ্যার জন্য ফোর-জি কভারেজ নিশ্চিত করেছে রবি। এই প্রান্তিকে বিভিন্ন খাতে রবির ‍মূলধনী বিনিয়োগ ছিল ৭৪.৭ কোটি টাকা। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে রবির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.২৪ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭.৬% বেশি। <br><br>গত জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে রবির গড় মাসিক ডাটা ব্যবহার আগের প্রান্তিকের তুলনায় বেড়েছে ৪.৩%। এটি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ১৮. ১%। ২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে রবি সরকারের কোষাগারে জমা দিয়েছে ১,৬২৭.৯ কোটি টাকা, যা ওই প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটির মোট আয়ের ৭০%।   <br><br>রবির ভারপ্রাপ্ত সিইও এবং চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার  এম রিয়াজ রশিদ বলেন, ‍"গত এক বছরে আমরা ডাটার দাম প্রায় ২০% কমিয়েছি। এর ফলে ডাটা ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেলেও রবির রাজস্ব বৃদ্ধির গতি ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। অর্থনৈতিক স্থবিরতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। মূল্যস্ফীতি ও কিছু অনিবার্য ব্যয় বৃদ্ধি আমাদের আয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। সর্বশেষ জাতীয় বাজেটে সিম কর বাড়ার প্রেক্ষাপটে আমরা নতুন গ্রাহক সংগ্রহে সতর্কভাবে এগিয়েছি, যাতে ভারসাম্যপূর্ণ প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা যায়। আমরা বিশ্বাস করি, অর্থনীতি শিগগিরই ঘুরে দাঁড়াবে। তবে ডাটার দাম ব্যাপক হারে কমে আসা আমাদের জন্য যথেষ্ট উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।”</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পৌনে এক ঘণ্টা নেটওয়ার্ক বিড়ম্বনায় গ্রামীণফোন</title>
<link>https://digibanglatech.news/153749</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153749</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_680a6f0a2d449.jpg" length="50790" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 14 May 2025 20:45:36 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা নেটওয়ার্ক বিড়ম্বনার শিকার হলেন দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনের গ্রাহকরা। বুধবার বিকেল ৪টার পর বিঘ্ন ঘটে সাড়ে ৮কোটিরও বেশি গ্রাহক থাকা অপারেটরটির ৪জি নেটওয়ার্ক। পাঁচটার কিছু আগ পর্যন্ত জিপি’র মোবাইলে ৪জি ইন্টারনেট, ভয়েস কল ও সেবার বিপন্নতার মুখে পড়েন এর গ্রাহকেরা। </p>
<p>শুধু সাধারণ গ্রাহকই নয় এই নেটওয়ার্ক বিড়ম্বনার প্রভাব পড়েছে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী এবং পুলিশ সহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সেবার ক্ষেত্রেও। কেননা বাহিনীগুলোর অনেক সেবাই এই নেটওয়ার্কে রয়েছে। </p>
<p>এই নিয়ে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানের গ্রামীণফোনের নেটওয়ার্ক সমস্যার দুরভিজ্ঞতার মুখোখি হলেন অপারেটরটির গ্রাহকরা। ২০২৩ সালের   ফেব্রুয়ারিতে দেশের উত্তরাঞ্চলের "তিনটি ভিন্ন স্থানে" ফাইবার-অপটিক কেবলের ক্ষতির কারণে এবং সেপ্টেম্বরে বিভিন্ন এলাকার ব্যবহারকারীরা আধাঘণ্টা নেটওয়ার্ক বিড়ম্বনার শিকার হন। এরপর ২০২৪ সালের জুলাই মাসে দেশব্যাপী একই ধরণের সমস্যার মুখে পড়েন গ্রামীণফোন ব্যবহারকারীরা। </p>
<p>সে সময়ের মতো এবারো ‘কারিগরি সমস্যার কারণে’ বুধবারের নেটওয়ার্ক বিঘ্নতার কথা স্বীকার করে এ বিষয়ে এক বিবৃতিতে গ্রামীণফোন বলেছে- “আমাদের গ্রাহকরা কিছু সময়ের জন্য নেটওয়ার্ক জনিত সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। আমাদের কারিগরি টিম ইতিমধ্যেই সমস্যাগুলি দ্রুত সমাধান করেছে। এই সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।"</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডাটা ছাড়াই ফেইসবুকে দেখা যাবে ছবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/153745</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153745</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202502/image_870x580_67b34708ef3a0.jpg" length="112653" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 14 May 2025 13:57:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডাটা ব্যালেন্স না থাকলেও ফেইসবুকের ফটো ভার্সন দেখতে পারবেন রবি ও এয়ারটেলের গ্রাহকরা। পাশাপাশি ম্যাসেঞ্জার ব্যবহার করতে পারবেন তারা। মেটা ও রবির যৌথ উদ্যোগে এ সুবিধা চালু করা হয়েছে। </p>
<p>বুধবার রবি’র পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে, এতোদিন ডাটা ব্যালেন্স না থাকলে বাংলাদেশের ফেইসবুক ব্যবহারকারীরা শুধু টেক্সট ভার্সন দেখতে পারতেন। কোনো ধরনের ছবি দেখা যেত না। নতুন এ সুবিধার মাধ্যমে রবি ও এয়ারটেলের গ্রাহকরা জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকের টেক্সট ভার্সনের পাশাপাশি ফটো ভার্সন অর্থাৎ ছবিও দেখতে পারবেন। এ ছাড়া ডাটা ব্যালেন্স না থাকলে ভিডিওগুলোর স্টিল ফটো দেখা যাবে। ডাটা ব্যালেন্স যোগ হওয়ার সাথে সাথে ভিডিও স্ট্রিমিং করা যাবে। </p>
<p>গ্রাহকদের ডাটা ব্যালেন্স স্ট্যাটাস জানিয়ে একটি পপ-আপ মেসেজ দেখানো হবে। এর মাধ্যমে তারা সহজেই বিভিন্ন ইন্টারনেট প্যাক কিনতে পারবেন এবং ফেইসবুক ব্রাউজ করতে পারবেন। মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস), ব্যাংকের কার্ড বা অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ইন্টারনেট প্যাক কিনতে বা লোন নিতে পারবেন গ্রাহকরা। </p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সঙ্গে চুক্তি করলো গ্রামীণফোন</title>
<link>https://digibanglatech.news/153451</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153451</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_6818fa2e1fb64.jpg" length="95204" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 05 May 2025 19:49:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>শিক্ষার্থীদের বইপড়ার চর্চাকে উৎসাহিত করতে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সঙ্গে চুক্তি করেছে মোবাইল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। রোববার (৪ মে) রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় গ্রামীণফোনের প্রধান কার্যালয়ে এ চুক্তি সই হয়।</p>
<p>এ চুক্তির ফলে চলতি বছরেও গ্রামীণফোন ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও বরিশাল এই ৫টি মহানগরে পুরস্কার বিতরণ উৎসবের আয়োজন ও উৎসবে পুরস্কারপ্রাপ্ত বিজয়ীদের পুরস্কারের বই প্রদান করবে।</p>
<p>বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের পক্ষে কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ এবং গ্রামীণফোনের পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান চুক্তিতে সই করেন।</p>
<p>চুক্তি সই অনুষ্ঠানে অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ গ্রামীণফোনের ২০০৪ সাল থেকে ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, এই সহযোগিতার ফলে দেশভিত্তিক উৎকর্ষ কার্যক্রমের ব্যাপ্তি ও ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বইপড়ার আগ্রহ যেমন অনেক বেড়েছে; তেমনই সর্বসাধারণের কাছে গ্রামীণফোনের জনকল্যাণধর্মী ভাবমূর্তি প্রতীয়মান হয়েছে। আমরা প্রত্যাশা করছি এ সহযোগিতা অব্যাহতভাবে চলবে।</p>
<p> আগামী ৯ ও ১০ মে ঢাকা মহানগরের পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে শুরু হবে এ উৎসব। এরপর ধারাবাহিকভাবে ১৬ মে বরিশাল, ২৩ ও ২৪ মে চট্টগ্রাম, ১১ জুলাই খুলনা ও ১৯ জুলাই রাজশাহী মহানগরের পুরস্কার বিতরণ উৎসব আয়োজন করা হবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অবসরে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব</title>
<link>https://digibanglatech.news/153292</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153292</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_681228ac05217.jpg" length="121100" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 30 Apr 2025 18:41:54 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>অবসরে গেলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মোঃ মুশফিকুর </span><span class="html-span xdj266r x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r xexx8yu x4uap5 x18d9i69 xkhd6sd x1hl2dhg x16tdsg8 x1vvkbs"><a class="html-a xdj266r x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r xexx8yu x4uap5 x18d9i69 xkhd6sd x1hl2dhg x16tdsg8 x1vvkbs" tabindex="-1"></a></span><span>রহমান। তার স্থলে অতিরিক্ত দায়িত্ব বর্তালো টেলিকম অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোঃ জহিরুল ইসলামের ওপর। </span></p>
<p><span>বুধবার সচিবালয়ে চাকরি জীবনের নানা স্মৃতি চারণের মধ্যে দিয়ে  আনুষ্ঠিনক ভাবে ফুলেল শুভেচ্ছায় তাকে বিদায় জানান সতীর্থরা। এসময় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব উপস্থিত ছিলেন। </span></p>
<p><span>এর আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা থেকে ২০২৪ সালর ১১ জুন  ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের নতুন সচিব হিসেবে নিয়োগ পান ড. মো. মুশফিকুর রহমান। কর্মজীবনে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী অবসরকালীন এই সচিবের জন্ম স্থান বগুড়া। </span></p>
<p><span>বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ময়মনসিংহ থেকে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে ১৯৯৪ সালের ২৫ এপ্রিল বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন ক্যাডারের) ১৩ ব্যাচের একজন কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি শুরু করেন তিনি। দীর্ঘ ২৭ বছরের চাকুরি জীবনে তিনি মাঠ প্রশাসনের পাশাপাশি মন্ত্রণালয় পর্যায়েও বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।</span></p>
<p><span>অন্যান্যের মধ্যে বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী, টেলিটক ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল মাবুদ চেীধুরী, </span><span>ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোঃ জানে আলম, কোম্পানি অনুবিভাগের যুগ্ম সচিব শেখ ছালেহ্‌ আহাম্মদ, পরিকল্পনা অনুবিভাগের যুগ্মসচিব মোঃ মাহবুব হাসান শাহীন, নীরিক্ষা অনুবিভাগের যুগ্মসচিব মোঃ শাহ আলম, সিনিয়র সহকারি সচিব মোঃ একরামুল হক চৌধুরী, আইসিটি সেলের প্রোগ্রামার মোঃ জাকির হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</span></p>
<p><span>এছাড়াও বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. ইমাদুর রহমান বাংলাদেশ<strong> </strong>সাবমেরিন ক্যাবলস কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আসলাম হোসেন,<strong> </strong>বিটিসিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক  </span>মোঃ মামুনুর রশীদ, <span>টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: জিয়াউল করিম ছাড়াও মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শীর্ষ স্থনাীয় কর্মকর্তারা তাকে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। </span></p>
<p><span>বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে দেয়া ড. মুশফিকুর রহমানের অবসারকালীন বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী বছরের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত তিনি অবস-উত্তর ছুটি ভোগ করবেন।  </span></p>
<p><span></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘বিক্লাউড’ চালু করলো বাংলালিংক</title>
<link>https://digibanglatech.news/153300</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153300</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_681248357474e.jpg" length="106411" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 30 Apr 2025 15:51:03 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-block-key="50yv3">বিশ্বমানের এন্টারপ্রাইজ ক্লাউড সল্যুশন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নতুন ক্লাউড সেবা ব্র্যান্ড ‘বিক্লাউড’ চালু করলো মোবাইল অপারেটর বাংলালিংক। বুধবার রাজধানীর গুলশান ১-এ অবস্থিত বাংলালিংক টাইগারস ডেনে এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ সেবা চালু করা হয়।</p>
<p>অনুষ্ঠানেবাংলালিংকে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইওহান বুসেও ফাইবার অ্যাট হোমের চেয়ারম্যান মইনুল হক সিদ্দিকী ভিওন গ্রুপের সিইও কান তেরজিওগ্লো, বাংলালিংকের চিফ কর্পোরেট ও রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে বাংলালিংকে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইওহান বুসে বলেন, “প্রতিটি উদ্ভাবনে গ্রাহকদের কেন্দ্রে রাখাই বাংলালিংকের মূলনীতি। একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল অপারেটর হওয়ার লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি, আমরা দ্রুত পরিবর্তনশীল অর্থনীতির চাহিদা পূরণ করবে এমন উদ্ভাবনী ডিজিটাল সল্যুশন নিয়ে আসার মাধ্যমে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান উভয়কেই সক্ষম করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।</p>
<p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বি-ক্লাউড সেবা চালু করতে ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক প্রদানকারী ফাইবার অ্যাট হোমের সহযোগী প্রতিষ্ঠান পিকো পাবলিক ক্লাউডের সাথে কৌশলগত অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে বাংলালিংক। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে কম্পিউটিং, স্টোরেজ, ব্যাকআপ ও রিকভারি, নেটওয়ার্কিং এবং সাইবারসিকিউরিটি সল্যুশন সহ পরবর্তী প্রজন্মের উপযোগী ক্লাউড সেবার ক্ষেত্রে নিজেদের আইসিটি সক্ষমতা বিস্তৃত হবে। </p>
<p></p>
<div>
<div data-ad-slot="pw_46653" data-id="pw_46653_1" lazyload="true">
<div id="container_pw_46653_1">
<div id="pw_46653_1">
<div data-ad-slot="pw_46687" data-id="pw_46687_2" lazyload="true">
<div id="container_pw_46687_2">
<div id="pw_46687_2">
<div data-ad-slot="pw_46688" data-id="pw_46688_2" lazyload="true">
<div id="container_pw_46688_2">
<div id="pw_46688_2">
<div data-ad-slot="pw_46689" data-id="pw_46689_2" lazyload="true">
<div id="container_pw_46689_2">
<div id="pw_46689_2">
<div data-ad-slot="pw_46853" data-id="pw_46853_2" lazyload="true">
<div id="container_pw_46853_2">
<div id="pw_46853_2"><center></center></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হজযাত্রীদের জন্য দেশের টাকায় রবি’র রোমিং প্যাকেজ</title>
<link>https://digibanglatech.news/153297</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153297</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_680f84af9e1b1.jpg" length="30387" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 30 Apr 2025 15:18:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>এখন থেকে মোবাইল অ্যাকাউন্ট ব্যালান্স বা সরাসরি রিচার্জ ব্যবহার করে বাংলাদেশি টাকায় রোমিং প্যাক কিনতে পারবেন রবি গ্রাহকেরা। এই সেবার মাধ্যমে নিজস্ব রবি সিম ব্যবহার করে নির্বিঘ্নে সৌদি আরব ভ্রমণ করতে পারবেন হজযাত্রীরা। তবে এজন্য সৌদি আরবে যাওয়ার আগেই বাংলাদেশ থেকে প্যাকটি চালু করতেহবে। তাহলে সৌদি আরবে পৌঁছে বিদেশি সিম না কিনেই নির্বিঘ্নে রোমিং সেবা উপভোগ করতে পারবেন হাজীরা। <o:p></o:p></p>
<p><o:p> </o:p>সুবিধাজনক এই রোমিং প্যাকেজগুলো বাংলাদেশে কেনা হলেও এর মেয়াদ শুরু হবে সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর। সেখানে গিয়ে রিচার্জ পয়েন্ট খোঁজার ঝামেলা কিংবা ভাষাগত সমস্যায় না পড়েই যাত্রীরা সহজে যোগাযোগ রাখতে পারবে প্রিয়জনের সাথে। <o:p></o:p></p>
<p><o:p> </o:p>রবি হজ রোমিং অফারে থাকছে বিভিন্ন ডাটা ও কম্বো প্যাক। মাত্র ১৪৬ টাকায় ৫০০এমবি ইন্টারনেট পাওয়া যাবে ১ দিনের জন্য। ৭ দিনের জন্য ৪জিবি ইন্টারনেট, ৩০ মিনিট এবং ১০টি এসএমএস পাওয়া যাবে ৬৯৬ টাকায়। ১ হাজার ৭৯৮ টাকায় পাওয়া যাবে ১০জিবি ইন্টারনেট, ৩০ মিনিট এবং ৩০টি এসএমএস, যার মেয়াদ  ৩০ দিন। ২০জিবি ইন্টারনেট, ৫০ মিনিট কল ও ৫০টি এসএমএসসহ প্যাকটি পাওয়া যাবে ৫০ দিনের জন্য,  ২ হাজার ১৯৮ টাকায়। ৪৫জিবি ইন্টারনেট, ২৫০ মিনিট কল ও ২০টি এসএমএসসহ ৬০ দিনের প্যাকটির মূল্য ৪ হাজার ৯৯৮ টাকা।<o:p></o:p></p>
<p><o:p> </o:p>এছাড়াও রবি হজ রোমিং অফারে রয়েছে বিশেষ ভয়েস প্যাক। ১০০ মিনিট ভয়েস কল (যার মধ্যে রয়েছে সৌদি আরবের স্থানীয় কল, বাংলাদেশে কল, আন্তর্জাতিক কল ও ইনকামিং কল) ব্যবহার করা যাবে ৪০ দিনের জন্য। এই ভয়েস প্যাকটির মূল্য ১ হাজার ৩৯৬ টাকা।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ই&#45;লাইসেন্স চালু করছে বিটিআরসি</title>
<link>https://digibanglatech.news/153271</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153271</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_6811afbd91535.jpg" length="98303" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 30 Apr 2025 01:33:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে লাইসেন্সিং কার্যক্রম পরিচালনায় লাইসিন্সং ইনফারমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম তথা এলআইএমএস-কে একমাত্র আবেদন মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক কমিশন (বিটিআরসি)। এরমাধ্যমেই আগামী ১৭ মে <span> </span>বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্যসংঘ দিবস থেকে ই-লাইসেন্স সেবা চালু করতে যাচ্ছে সংস্থাটি। </p>
<p>এরই মধ্যে নতুন লাইসেন্স প্রাপ্তি, লাইসেন্স নবায়ন, ঠিকানা পরিবর্তন ও লাইসেন্স সংশোধন সংক্রান্ত কর্যক্রম পরিচালনায় অফলাইনে আর কোনো লাইসেন্স আবেদন গ্রহণ করছে না কমিশন। একইসঙ্গে <span> বিদ্যমান সকল লাইসেন্সধারী/রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটধারী/ এনলিস্টমেন্ট সার্টিফিকেটধারী প্রতিষ্ঠানগুলোকেও জরুরীভিত্তিতে বিটিআরসির <a href="https://lims.btrc.gov.bd/">এলআইএমএস পোর্টাল</a> ব্যাহারের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।  </span></p>
<p><span>এ বিষয়ে গত ২৮ এপ্রিল বিটিআরসি’র লাইসেন্সিং শাখা থেকে একটি নোটিশ দেয়া হয়েছে। উপ-পরিচালক মোঃ নাহিদুল হাসান স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বিদ্যামান লাইসেন্সধারী কোম্পানি এবং নতুন করে টেলিসেবাদাতা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে এলআইএমএস পোর্টালে প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজ নামে অ্যাকাউন্ট খুলে প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি হালনাগাদ তথ্য জমা দিতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, আবেদনের সাথে প্রয়োজনীয় হালনাগাড় ডক্যুমেন্ট প্রাপ্তি সাপেক্ষেই ই-লাইসেন্স দেয়া হবে। </span></p>
<p><span>প্রসঙ্গত, ১৯৭৩ সালে  ১৯৩টি সদস্যরাষ্ট্র নিয়ে চলমান ডিজিটাল প্রযুক্তিখাত বিষয়ক বিশেষায়িত সংস্থা আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন্স ইউনিয়ন ও ইউনিভার্সেল পোস্টাল ইউনিয়নের (আইটিইউ)  সদস্যপদ গ্রহণ করে বাংলাদেশ।   প্রথম আন্তর্জাতিক টেলিগ্রাফ কনভেনশন এবং আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন (আইটিইউ) প্রতিষ্ঠার স্মারক হিসেবে ১৯৬৯ সালের ১৭ মে থেকে প্রতিবছর বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবস পালিত হয়ে আসছে। পরবর্তী সময়ে তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের ধারাবাহিকতায় ২০০৬ সাল থেকে ১৭ মে বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। </span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৫০০ টাকায় ১৫ এমবিপিএস দিচ্ছে বিটিসিএল</title>
<link>https://digibanglatech.news/153266</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153266</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_68118cfda25b6.jpg" length="67975" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 30 Apr 2025 00:03:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০০ টাকায় ১৫ এমবিপিএস ইন্টারনেটের ‘ক্যাম্পাস-১৫’ প্যাকেজ এবং নতুন অতিরিক্ত ব্যান্ডউইথ ইনসেন্টিভ চালু করছে রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিযোগাযোগ সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিটিসিএল। শুধুমাত্র ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলের জন্য ‘ক্যাম্পাস-১৫’ প্যাকেজে বিনমূল্যে রাউটার/ওএনটিও দেয়া হবে।সেবাটি শুধুমাত্র প্রি-পেইড সেবা হিসেবে পাওয়া যাবে। অন্যদিকে বিটিসিএল ইন্টারনেট সেবার বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ক্রয়কৃত ব্যান্ডউইথের সাথে দেওয়া হবে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত ব্যান্ডউইথ। এক্ষেত্রে এলাকা ভিত্তিক সংযোগ ফি প্রযোজ্য হবে।</p>
<p>অবশ্য সীমিত সময়ের অফারগুলোতে মাসিক চার্জ ভ্যাটসহ প্রযোজ্য হবে। </p>
<p>‘ক্যাম্পাস-১৫’  ইন্টারনেট ও টেলিফোন বান্ডল প্যাকেজের জন্য মাসিক চার্জের সাথে অতিরিক্ত ১০০ টাকা যোগ হবে। টেলিফোন কল চার্জের ক্ষেত্রে বিটিসিএলের অফিসিয়াল চার্জ প্রযোজ্য হবে। </p>
<p>ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) রাতে বিটিসিএল এর এই প্রণোদনা বিষয়ে অবহিত করেছেন। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল ও হোস্টেলে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য জিপন ইন্টারনেটের বিশেষ প্যাকেজ ও এর মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৫ এমবিপিএস মাসিক ৫০০ টাকায় ক্যাম্পাস-১৫ প্যাকেজ চালু হচ্ছে। বিনামূল্যে  ফ্রি প্রদান করা হবে। শুধুমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য এটি প্রযোজ্য হবে। </p>
<p>বিটিসিএল ইন্টারনেট সেবার বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ক্রয়কৃত ব্যান্ডউইথের সাথে দেওয়া হবে অতিরিক্ত ব্যান্ডউইথ ইনসেন্টিভ (৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত)। এই প্রণোদনায় আইআইজি ক্যাটাগরিতে ইন্টারনেট গ্রাহকগণকে তাদের ক্রয়কৃত ব্যান্ডউইথের অতিরিক্ত ৪৫ শতাংশ বেনাপোলে ও ৪০ শতাংশ সারাদেশে বাফার/ইনসেন্টিভ ব্যান্ডউইথ হিসেবে প্রদান করা হবে। আইএসপি ক্যাটাগরিতে ইন্টারনেট গ্রাহকগণকে তাদের ক্রয়কৃত ব্যান্ডউইথের অতিরিক্ত ৪০ শতাংশ ব্যান্ডউইডথ বাফার/ইনসেন্টিভ হিসেবে প্রদান করা হবে। আর সরকারি/কর্পোরেট ক্যাটাগরি ইত্যাদি ইন্টারনেট গ্রাহকগণকে তাদের ক্রয়কৃত ব্যান্ডউইথের অতিরিক্ত ৪০ শতাংশ ব্যান্ডউইথ বাফার/ইনসেন্টিভ হিসেবে দেওয়া হবে। শিক্ষা ক্যাটাগরিতে ইন্টারনেট গ্রাহকদেরকে তাদের ক্রয়কৃত ব্যান্ডউইথের অতিরিক্ত ৪০ শতাংশ ব্যান্ডউইথ বাফার/ইনসেন্টিভ হিসেবে প্রদান করা হবে। ডাটা সেন্টার ক্যাটাগরিতে ইন্টারনেট গ্রাহকদেরকে তাদের ক্রয়কৃত ব্যান্ডউইথের অতিরিক্ত ৫০ শতাংশ ব্যান্ডউইথ বাফার/ইনসেন্টিভ হিসেবে দেওয়া হবে।</p>
<p>তবে কবে নাগাদ গ্রাহক এই সেবা পেতে শুরু করবেন সে বিষয়ে তাৎক্ষণিক জানা যায়নি। </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নতুন ডেটা প্যাকেজে বাংলালিংক</title>
<link>https://digibanglatech.news/153263</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153263</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_68111224c55d5.jpg" length="39488" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 29 Apr 2025 18:51:43 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>এখন ডেটার ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ, ভয়েস মিনিটের ক্ষেত্রে ২২ শতাংশ ও মিক্স বান্ডলের ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ বেশি সুবিধা পাবেন বাংলালিংক গ্রাহক। সঙ্গে মিলবে টফির কনটেন্ট লাইব্রেরিতে আনলিমিটেড ব্রাউজিং সুবিধা।</p>
<p>মঙ্গলবার নতুন এই  ডেটা প্যাকেজের ঘোষণা দিয়েছে অপারেটরটি।  </p>
<p>ডার্ক ফাইবার ও  ডব্লিউডিএম (ডেন্স ওয়েভলেন্থ ডিভিশন মাল্টিপ্লেক্সিং) অবকাঠামোয় মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের অংশগ্রহণের সুযোগসহ টেলিযোগাযোগ খাতে সরকারের চলমান সংস্কার কার্যক্রমকে আমরা স্বাগত জানিয়েছে এ বিষয়ে বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইওহান বুসে বলেন, এসব পদক্ষেপ বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তর ত্বরান্বিত করতে এবং গ্রাহকদের সুবিধা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘমেয়াদি ভূমিকা রাখবে। দেশের ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি এবং সরকারের লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমরা গ্রাহকের পরিবর্তনশীল চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে উদ্ভাবনী ও মানসম্মত সেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশে ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির আওতা আরও বিস্তৃত করতে, গ্রাহকদের জন্য উন্নত সুবিধা নিশ্চিত করতে এবং দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির বিকাশে ভূমিকা রাখতে আমরা সরকার ও অন্যান্য অংশীজনের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করে যেতে চাই। এই অঙ্গীকারে বাংলালিংক সবসময়ই দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘এমএনপি সেবা সহজলভ্য হলে রাজস্ব ও গ্রাহক সেবা বাড়বে’</title>
<link>https://digibanglatech.news/153234</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153234</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_68108512c148a.jpg" length="81153" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 29 Apr 2025 13:25:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সিমের ওপর থেকে কর প্রত্যাহার করে এমএনপি সেবা সহজলভ্য হলে রাজস্ব আয় বাড়ার পাশাপাশি গ্রাহক সেবা বাড়বে বলে মনে করে এমএনপি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ইনফোজিলিয়ন। মোবাইল অপারেটরদের সমান লাইসেন্স ফি দিয়ে সেবার অনুমতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানটির দাবি লাইসেন্স শর্ত অনুযায়ী, গ্রাহক পর্যায়ে এই সেবা প্রণোদনার পথের বাধা তুলে নেবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। এছাড়াও ওটিপি'র সুরক্ষায় মাস্কিং বাধ্যতামূলক করতে এমএনপি'র বাধ্যকতা উঠিয়ে নেয়া দরকার। এটা করা হলে অননেটের পাশাপাশি অফনেটও মাস্কিং করা সহজ হবে। গাইড লাইনে এটুপি নীতিমালা সুস্পষ্ট করে আইআইজির মাধ্যমে করা হলে আন্তর্জাতিক এসএমএস থেকে বাড়বে রাজস্ব।</p>
<p>মঙ্গলবার রাজধানীর রাওয়া কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত মোবাইল নম্বর পোর্টিবিলিটি এমএনপি সেবায় চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা বিষয়ক কর্মশালায় এসব তথ্য উঠে আসে।</p>
<p>টেলিকম অ্যন্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ (টিআরিএনবি) আয়োজিত কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবিন। সমীর কুমার দে’র সভাপতিত্বে কর্মশালায় ইনফোজিলিয়ন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাবরুর হোসাইন বলেন, ৫০ শতাংশ এফডিআই নিয়ে আমরা এই প্রকল্পটি করেছিলাম। এ কারণে এখন গ্রাহকের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করছি। কিন্তু নানা ভাবে এই স্বাধীনতা খর্ব হচ্ছে। কিন্তু এমএনপি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হল৷ পরোক্ষ ভাবে সরকারের রাজস্ব বাড়বে। গ্রাহকও সর্বত্তম সেবা পাবে। এর মাধ্যমে দেশে আরো বিদেশী বিনিয়োগ আসবে। </p>
<p>অনুষ্ঠানে ইনফোজিলিয়ন সিইও মোস্তফা কামাল বলেন, মোবাইল অপারটররা ডিরেক্ট ক্লায়েন্ট হিসবে সবাইকে মেসজ পাঠানোতে দেশীয় এটুপি উদ্যোক্তারা মোবাইর অপারেটরদের সঙ্গে পেরে উঠছে না। বাজার প্রতিযোগিতায় বৈষম্য তৈরি হচ্ছে। এটুপি এসএমএস এর ক্ষেত্রে এগ্রিগেটর এবং ডাইরেক্ট প্লানের মধ্যে অসামঞ্জস্যতা রয়েছে। মোবাইল অপারেটর এবং এগ্রিগেটরের মধ্যে বাল্ক এসএমএস এর মূল্য চার্ট দেখলে তা সহজেই অনুমেয়। প্রাথমিকভাবে এমএনপিতে মোবাইল অপারেটররা ভালো সাড়া পেয়েছিলেন কিন্তু ট্যারিফ প্লানের কোরণে পরবর্তীতে কমেছে। অথচ রেগুলেটর ফ্রেন্ডলি হওয়ায় ভারতে এমেনপি সফল হয়েছে। সফলতার জন্য ইনফোজিলিয়ন ট্যারিফ ৫ পয়সা থেকেও কমাতে রাজি বলে জানান বিটিআরসি’র সবেক এই কর্মকর্তা। </p>
<p>কর্মশালার শুরুতে টিআরএনবি সাবেক সভাপতি রাশেদ মেহেদী বলেন, এই সুবিধাটা সরকারের পক্ষ থেকে সাবসিডাইজ হওয়া উচিত। তৃতীয় নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহার করা যেতে পেরে। চ্যালেঞ্জ বাড়বে।বিজ্ঞাপন দিতে পারে না। প্রতিষ্ঠানটির টেকনিক্যাল লিড ওবায়দুল ইসলাম জানান, বিশ্বের ৭২তম দেশ হিসবে বাংলাদেশে এমেনপি চালু হয়। এক বছরে গ্রাহক সাত লাখ হলেও পরের ছয় বছরে সিকিটাও বাড়েনি। এটুপি এগ্রিগেটর এবং এসএম ডিপিং প্লাটফর্ম করে তারা টেলিকম সেবার মান ধরে রাখতে কাজ করছে। রেগুলেটরি বাধায় ৯৭ শতাংশ মানুষ এই সেবা নেয়া বন্ধ করেছে। সেবা বাড়াতে গাইডলাইনে থাকা এ বিষয়ে গ্রাহক পর্যায়ে প্রচার প্রচারণা বাড়ানোর বিধি থাকলেও পরে তা একটি চিঠিতে আটকে রাখা হয়েছে। সেটা কিছুদিন আগে খুলে দিয়ে পরের দিনই আবার বন্ধ করে দেয়া হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে মোবাইল অপারেটররা এবং আামরাও যদি প্রচার প্রচারণা চালাতে পারি তবে এই প্রকল্পটি আবারো ঘুড়ে দাঁড়াবে। </p>
<p>কর্মশালায় ইনফোজিলিয়নের চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার সাজ্জাদ হোসাইন মজুমদার, হেড অফ সার্ভিস আসিফুর রহমান, এসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার রিফাত হাসান উপস্থিত ছিলেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জলসিঁড়ি&#45;র আইওটি ডেটা পার্টনার টেলিটক</title>
<link>https://digibanglatech.news/153201</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153201</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_680f4d003482c.jpg" length="118354" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 28 Apr 2025 14:17:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলায় সেনা অফিসার আবাসন প্রকল্পের ভগ্নি কর্পোরেশন, জলসিঁড়ি আবাসন কর্পোরেশনকে আইওটি সেবায় অংশীদার হয়েছে রাষ্ট্রীয় টেলিকম প্রতিষ্ঠা টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড। এই আবাসন প্রকল্পে ব্যবহৃত স্ট্রিট লাইট কন্ট্রোলিং সিস্টেম কার্যক্রমে ডেটা সেবা দেবে টেলিটক।</p>
<p>এজ রবিবার (২৭ এপ্রিল) আবাসন কর্তৃপক্ষের প্রিস্টিন ক্রসিং পয়েন্ট লিমিটেড (পিসিপিএল) ও টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। সোমবার এই তথ্য দিয়েছেন টেলিটক বাংলাদেশের ডেপুটি ম্যানেজার তোফায়েল আহমে চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, চুক্তির প্রেক্ষিতে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড সাশ্রয়ী মূল্যে প্রিস্টিন ক্রসিং পয়েন্ট লিমিটেড -কে ডেটা সেবা সহ বিভিন্ন কর্পোরেট ডিজিটাল সেবা প্রদান করবে।</p>
<p>প্রিস্টিন ক্রসিং পয়েন্ট লিমিটেড -এর পক্ষে মো. আবদুল্লাহ হারুন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড -এর পক্ষে মো. সাইফুর রহমান খান, অতিরিক্ত-মহাব্যবস্থাপক (বিক্রয় এবং বিপণন) চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এসময় টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড এর পক্ষে মহাব্যবস্থাপক (বিক্রয় এবং বিপণন) সালেহ মোঃ ফজলে রাব্বী  এবং প্রিস্টিন ক্রসিং পয়েন্ট লিমিটেড -এর পক্ষে নির্বাহী পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম,  সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলালিংক&#45;এ টাকায় হজ রোমিং প্যাক</title>
<link>https://digibanglatech.news/153207</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153207</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_680f64ac2c13d.jpg" length="84216" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 28 Apr 2025 12:20:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রথমবারের মতো বাংলাদেশি হজযাত্রীরা সৌদি আরবে অবস্থানরত সময়ে তাদের ব্যালেন্স বাংলাদেশি টাকায় ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক রোমিং সেবা উপভোগ করতে পারবেন। নিয়ন্ত্রক সংস্থা থেকে সবুজ সঙ্কেত পেয়ে সোমবার হজ রোমিং অফার ঘোষণা করেছে ইনোভেটিভ ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। <o:p></o:p></p>
<p>ফলে এবার সৌদি আরবে পৌঁছানোর পরে তাৎক্ষণিকভাবে কানেক্টিভিটি সেবা পেতে সরাসরি মাইবিএল অ্যাপের ডেডিকেটেড হজ রোমিং সেকশন অথবা ব্যালেন্স রিচার্জের মাধ্যমে এই প্যাকগুলো সক্রিয় করতে পারবেন বাংলালিংক গ্রাহকরা। এক্ষেত্রে এসটিসি, যাইন ও এতিসালাতের মতো শীর্ষস্থানীয় সৌদি নেটওয়ার্কের সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ব্যাপক কাভারেজ নিশ্চিত করবে বাংলালিংকের হজ রোমিং প্যাকগুলো।  <o:p></o:p></p>
<p>এই উদ্যোগ সম্পর্কে বাংলালিংকের মার্কেটিং অপারেশনস ডিরেক্টর মেহেদী আল আমীন বলেন, “হজ জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় অভিজ্ঞতাগুলোর মধ্যে অন্যতম। এ সময় প্রিয়জনদের সাথে কানেক্টিভিটি সেবার মাধ্যমে সংযুক্ত থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের গ্রাহকদের প্রয়োজনকে বিবেচনায় নিয়ে আমরা বাংলাদেশি টাকায় রোমিং পেমেন্ট সুবিধা এবং সাশ্রয়ী মূল্যের, সহজলভ্য প্যাকেজ নিয়ে এসেছি। অর্থবহ সমাধানের মাধ্যমে গ্রাহকদের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” <o:p></o:p></p>
<p>সৌদি আরবে অবতরণের পর থেকেই নিরবচ্ছিন্ন সেবা পেতে ফ্লাইটের আগেই কিনে ফেলুন আপনার পছন্দের রোমিং প্যাকটি। প্যাক ক্রয় করার সাথেসাথেই অনতিবিলম্বে রোমিং সেবাটি চালু হয়ে যাবে। সেরা অভিজ্ঞতার জন্য এসটিসি, যাইন অথবা এতিসালাতের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করুন।  <o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-right: -34.55pt; text-align: justify; line-height: normal;">গ্রাহকদের জন্য বেশ কিছ প্যাক রয়েছে; যেমন - ৫৯৪ টাকায় ৭ দিনের জন্য (মেয়াদ) ১৫ মিনিট টকটাইম সহ ৩ জিবি ইন্টারনেট; ৯৯৪ টাকায় ১৫ দিনের জন্য ১৫ মিনিট টকটাইম সহ ৮ জিবি ইন্টারনেট; ১,৯৯৪ টাকায় ৩০ দিনের জন্য ৩০ মিনিট টকটাইম সহ ১৫ জিবি ইন্টারনেট; ২,৪৯৪ টাকায় ৪৫ দিনের জন্য ৫০ মিনিট টকটাইম সহ ২৫ জিবি ইন্টারনেট; এবং ৬,৪৯৪ টাকায় ৬০ দিনের জন্য ৩০০ মিনিট টকটাইম সহ ৫০ জিবি ইন্টারনেট।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইন্টারনেট ট্রান্সমিশনে মূল্যহ্রাসের ঘোষণা বাহন লিমিটেডের</title>
<link>https://digibanglatech.news/153178</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153178</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_680e5ab1522dd.jpg" length="58339" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 27 Apr 2025 20:26:37 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ইন্টারনেট ট্রান্সমিশন তথা সঞ্চালন সেবায় মূল্যহ্রাসের ঘোষণা দিয়েছে বেসরকারি খাতের ন্যাশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক (এনটিটিএন) অপারেটর বাহন লিমিটেড।</p>
<p>ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের আহ্বানে সাড়া দিয়ে এ মূল্য হ্রাসের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।</p>
<p>এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাহনের পক্ষ থেকে বলা হয়, দেশিয় ট্রান্সমিশন সেবায় কমপক্ষে ১০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যহ্রাস করা হয়েছে। ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্কের পরিধি ভেদে কোনো কোনো স্থানে ১০ শতাংশেরও বেশি মূল্য হ্রাস করা হবে।</p>
<p>এ বিষয়ে বাহন লিমিটেডের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা রাশেদ আমিন বিদ্যুৎ বলেন, সরকার জনগণকে সুলভ মূল্যে গুণগত মানসম্পন্ন ইন্টারনেট সেবা দিতে চায়। এর ফলে ভোক্তা পর্যায়ে ইন্টারনেটের দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে।</p>
<p>মূল্যহ্রাসের পাশাপাশি এনটিটিএন সেবায় ‘ফ্লোর প্রাইস’ উঠিয়ে দেওয়ারও দাবি জানিয়েছে বাহন।</p>
<p>এ বিষয়ে রাশেদ আমিন বলেন, ইন্টারনেটকে ব্যবহারকারীদের কাছে আরও সুলভ করতে, ফ্লোর প্রাইস উঠিয়ে নেওয়া উচিত। ফ্লোর প্রাইস তুলে ফেলতে বাহন অতীতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) চিঠিও দিয়েছে। বাহন মনে করে, ফ্লোর প্রাইস তুলে দিলে অনেক জায়গায় এনটিটিএন’র ট্রান্সমিশন ব্যয় ১০ শতাংশের অধিক কমানো সম্ভব।</p>
<p>গত ২১ এপ্রিল একটি এনটিটিএন অপারেটর ইন্টারনেট ট্রান্সমিশনের বিভিন্ন পর্যায়ে মূল্যহ্রাসের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে অন্যান্য টেলিকম অপারেটর প্রতিও খরচ কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন ফয়েজ তৈয়্যব।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বছরের প্রথম প্রান্তিকে গ্রামীণফোনের মুনাফা  ৩ ৮৩৫ কোটি টাকা</title>
<link>https://digibanglatech.news/153093</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153093</guid>
<description><![CDATA[ &lt;div class=&quot;storyCard eyOoS&quot;&gt;
&lt;div class=&quot;   
                  story-element&quot;&gt;
&lt;div class=&quot;story-element story-element-text&quot;&gt;
&lt;p&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;/p&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_680bb6df0d94a.jpg" length="35369" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 25 Apr 2025 15:23:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) দেশের অন্যতম বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের কর–পরবর্তী মুনাফার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৩৪ কোটি টাকা। যদিও গত বছরের একই সময়ে তাদের মুনাফা হয়েছিল ১ হাজার ৩৪০ কোটি টাকা। সেই হিসাবে চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির মুনাফা কমেছে প্রায় ৫৩ শতাংশ।</p>
<p>শুক্রবার গ্রামীণফোনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে আয়, মুনাফাসহ অন্যান্য বিষয় জানায়। এতে গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মূলত সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির প্রভাব কোম্পানির আয়ে পড়েছে। তা ছাড়া ইন্টারনেটের দাম কমে যাওয়ার প্রভাবও রয়েছে।</p>
<p>সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ও কোম্পানি আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী, চলতি ২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) গ্রামীণফোন ৩ হাজার ৮৩৫ কোটি টাকা আয় করেছে। এই আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আড়াই শতাংশ কম। গত বছরের প্রথম প্রান্তিকে গ্রামীণফোনের আয় ছিল ৩ হাজার ৯৩০ কোটি টাকা। তখন আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৫ দশমিক ৩০ শতাংশ।</p>
<div id="6fe14f23-86cc-45d4-a5a2-cf85fa741cb0">
<div>
<div>
<div>
<div>
<p>গ্রামীণফোনের শেয়ারপ্রতি আয়ও কমেছে ৫ দশমিক ২২ টাকা। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে গ্রামীণফোনের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৪ দশমিক ৬৯ টাকা। গত বছরের প্রথম প্রান্তিকে প্রতি শেয়ারের বিপরীতে আয় ছিল ৯ দশমিক ৯১ টাকা।</p>
<p>গ্রামীণফোন জানিয়েছে, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানির মোট গ্রাহক দাঁড়িয়েছে ৮ কোটি ৪৮ লাখ। তাদের মোট গ্রাহকের ৫৭ শতাংশ; অর্থাৎ ৪ কোটি ৮৩ লাখ গ্রাহক ইন্টারনেট–সেবা ব্যবহার করেন।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div>
<div>
<div data-lang="বিজ্ঞাপন">
<div>
<div id="mcanvas1x1-bacd9e1a-5037-410f-a39a-5e83adb70e9f-0-0" data-google-query-id="CO7H99jK84wDFSee2AUdut0u5w">
<div id="google_ads_iframe_85406138/mCanvas_1x1_0__container__"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="a4115cf0-fb6b-4bcd-abc5-0cae92e59a5e">
<div>
<div>
<div>
<div>
<p>গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, ‘চ্যালেঞ্জিং অর্থনৈতিক পরিবেশের মধ্যেও কৌশলগত উদ্যোগের মাধ্যমে আমাদের আর্থিক কর্মক্ষমতা উন্নত হচ্ছে। এই প্রান্তিকেও ইন্টারনেটের গ্রাহকসংখ্যা ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। তবে ইন্টারনেটের মূল্য ১৭ শতাংশ হ্রাসের প্রভাবে গত বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় রাজস্ব কমেছে।’ তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি ও নেটওয়ার্ক অবকাঠামো রূপান্তরের মধ্য দিয়ে আমরা উদ্ভাবনের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছি, যা দেশে একটি ডেটা ও ডিজিটালকেন্দ্রিক অর্থনীতির ভিত্তি তৈরি করছে।</p>
<p>গ্রামীণফোনের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) অটো মাগনে রিসব্যাক বলেন, ‘অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের যে ইঙ্গিত গত প্রান্তিকে পেয়েছিলাম, তা ধীরে ধীরে বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। ফলে ডেটা ব্যবহারে প্রবৃদ্ধি ও গ্রাহকসংখ্যা বৃদ্ধি উভয় ক্ষেত্রে ইতিবাচক ধারা ফিরে এসেছে। পরপর দুই প্রান্তিকে গ্রাহক প্রতি গড় আয় (এআরপিইউ) হ্রাসের পর চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে বেড়েছে। আগের বছরের তুলনায় চলতি বছর মোট রাজস্ব আড়াই শতাংশ কমেছে। মূলত ব্যয়ের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের অতিরিক্ত সতর্কতার ফলে এমনটি ঘটেছে। তবে অধিবর্ষের (লিপ ইয়ার) প্রভাব বাদ দিলে আগের বছরের পারফরম্যান্স বিবেচনায় মাত্র ১ শতাংশ পিছিয়ে আছি আমরা।’</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিটিআরিসি’র স্বায়ত্ত শাসনে স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে পূর্বানুমতির পক্ষে মন্ত্রণালয়</title>
<link>https://digibanglatech.news/153080</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153080</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202501/image_870x580_6798ad006fed2.jpg" length="180993" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 24 Apr 2025 18:52:29 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>ছাত্র-জনতা অভ্যুত্থানে পদচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের ২০১০ সালের </span><span>‘</span><span>বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) আইন</span><span>’ বাতিল চেয়ে ফের স্বায়ত্ত শাসন চায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। বাতিলের পক্ষে বিটিআরসি’র ‍যুক্তি-  লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন, প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ, লাইসেন্সের নাম পরিবর্তন এবং ট্যারিফ অনুমোদনসহ বিভিন্ন অপারেশনাল কার্যক্রমে স্থবিরতা ও নিয়ন্ত্রণের সঠিক কাঠামোর বাইরে নেতিবাচক রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের সুযোগ সৃষ্টি হওয়া; দেশের টেলিকম খাতে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং  আইনকে পরিশীলনের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ সেবাকে আধুনিক, অর্থবহ, সাশ্রয়ী ও নিরাপদ ডিজিটাল সেবার সহায়ক ভূমিকা পালনের উপযোগী করে তুলতেই বিটিআরসি-কে স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা থাকতে হবে। </span></p>
<p>বিটিআরসি’র মতো খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও মনে করেন, বিগত সরকারের সময়ে লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে বিটিআরসির নির্ধারিত নম্বরের চেয়ে মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপে বাড়তি নম্বর দিয়ে রাজনৈতিক কারণে অনেক লাইসেন্স দিতে হয়েছে। <span>আওয়ামী লীগের টানা ১৫ বছরের শাসনকালের শুরুর দিকে তৎকালীন সরকারঘনিষ্ঠরা আইআইজি লাইসেন্স নিয়ে আইএফও বানিয়ে একটি সিন্ডিকেট করে মুনাফা করেও রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে। পাওনা বকেয়া রেখেই পরে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে। একইভাবে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিবের অধীনে থাকা বিটিসিএল, টেলিটকসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আজ পর্যন্ত লাভের মুখ দেখেনি। বিটিআরসি বিটিসিএলের কাছে দুই হাজার ২০০ কোটি টাকা এবং টেলিটকের কাছে এক হাজার ৮০০  কোটি টাকা পায়। কিন্তু সেই টাকা এই দুটি প্রতিষ্ঠান পরিশোধ করছে না। কিন্তু বিদ্যমান আইনের ২১ ধারায় টেলিযোগাযোগ খাত থেকে আয় বিটিআরসির নিজস্ব তহবিলে জমা রাখার বিধান থাকলেও সেটি সংশোধন করে সরকারি কোষাগারে জমার বিধান রাখায় বিটিআরসি মূলত ঠুটো জগন্নাথ হয়েছে।</span></p>
<p><span>বিটিআরসি মনে করে,  এ আইনের মাধ্যমে সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের আজ্ঞাবহ একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করে বিটিআরসিকে টেলিযোগাযোগ খাতে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের ব্যাপক লুটপাটের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছিল। আগামীতে যেনো আর এমনটা না হয় তাই ফিরিয়ে দেয়া হোক কেড়ে নেয়া স্বাধীনতা। তবে এই স্বাধীনতা ফিরে পাওয়ার আগে বিগত সময়ে সংস্থাটির সাবেক প্রধানদ্বয় থেকে শুরু করে বিভন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ওপর উত্থাপিত অভিযোগ এবং এখনো সেখানে থাকা বিতর্কিতদের বিষয় বাধা হতে পারে। পরিচয় গোপন রাখার শর্তে মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট একটি শীর্ষ সূত্র জানিয়েছে, সহসাই স্বাধীন কমিশন হওয়ার সুযোগ নেই। কিছুটা ছাড় পেলেও জবাবদিহিতার মধ্যে থাকতে হবে। স্বাধীন হওয়ার আগে মানবসম্পদ পরিশুদ্ধ হতে হবে।</span></p>
<p><span>এদিকে ফের স্বাধীনতা ফিরে পেতেই</span><span> গত ১৬ এপ্রিল বিটিআরসির মহাপরিচালক অশীষ কুমার কুণ্ডের সই করা একটি চিঠি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব  ড. মোঃ মুশফিকুর রহমান বরাবর পাঠানো হয়েছে। চিঠির সঙ্গে বিটিআরসির একটি কমিটির মাধ্যমে ‘বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ’ নামের একটি খসড়া আইনও প্রস্তুত করা হয়েছে। ওই চিঠির অনুলিপি প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তিবিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবকেও পাঠানো হয়েছে । </span></p>
<p><span>চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১-এর অধীনে গঠিত বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন স্বাধীন সত্তাবিশিষ্ট একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে শুরু থেকে দায়িত্ব পালন করে আসছে। সুচারুরূপে দায়িত্ব পালন ও তৎসংশ্লিষ্ট ক্ষমতা প্রয়োগের তথা টেলিযোগাযোগ খাতে সম্পদের সুষম বণ্টন এবং সুস্থ প্রতিযোগিতা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে সুশৃঙ্খল ও ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়ন সুনিশ্চিত করার জন্য নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনভাবে কাজ করা অপরিহার্য, যা আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের সদস্যভুক্ত শতাধিক সদস্য রাষ্ট্র বাস্তবায়ন করেছে। এর ধারাবাহিকতায় প্রারম্ভ থেকে ২০১০ সালে ওই আইনের সংশোধনীর আগ পর্যন্ত সত্যিকার অর্থে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে কমিশন ভূমিকা পালন করে টেলিযোগাযোগ খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছে। দ্রুত পরিবর্তনশীল টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন নীতিমালা, নির্দেশিকা, গাইডলাইন ইত্যাদি প্রণয়ন এবং তা প্রয়োগের জন্য দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ আবশ্যক। কিন্তু আইনটি ২০১০ সালে সংশোধনের মাধ্যমে এ বিষয়ে সরকারের পূর্বানুমোদনসংক্রান্ত বিধান সন্নিবেশ করার ফলে দ্রুত পরিবর্তনশীল টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে কিছু অসুবিধা ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছে, যা এই খাতে সুষ্ঠু বাজার নিয়ন্ত্রণের অন্তরায়। এ অবস্থায় নিরবচ্ছিন্ন টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদান ও গতিশীলতা আনার জন্য ২০১০ সালের সংশোধনী বাতিল করা প্রয়োজন।’  </span></p>
<p><span>এই চিঠি বিষয়ে  প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তিবিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, এ জন্য তিন ধরনের ‘টার্গেট’ (লক্ষ্য) দেওয়া হয়েছে।এগুলো হলো বিটিআরসির স্বাধীনতা ও জবাবদিহির মধ্যে ‘ট্রেড-অফ’ (ভারসাম্য) করা। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীন যে ৬টি প্রতিষ্ঠান আছে, তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়কে যুক্ত করা এবং সেসব বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতি চাওয়া। অর্থাৎ যে বিষয়গুলোতে লাইসেন্সিং, রেগুলেটরি পলিসিসহ এই প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বার্থ আছে, সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতির দরকার আছে। আর ইন্টারনেট যেন কোনো সরকার বন্ধ করতে না পারে, সে জন্য প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হবে।  </span></p>
<p><span></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জিপিতে মোবাইল ব্যালেন্স দিয়ে হজ রোমিং প্যাক কেনার সুবিধা চালু</title>
<link>https://digibanglatech.news/153082</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153082</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_680a6f0a2d449.jpg" length="50790" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 24 Apr 2025 14:33:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal"><span>বাংলাদেশে প্রথম বারের মতো </span><span>হজযাত্রীদের </span><span lang="BN">জন্য</span><b><span lang="BN"><span> </span></span></b><span>বিদেশী মুদ্রার পরিবর্তে  স্থানীয় মোবাইল ব্যালেন্স দিয়ে রোমিং সেবা গ্রহণের সুবিধা আনল দেশের শীর্ষ অপারেটর গ্রামীণফোন। </span></p>
<p class="MsoNormal"><span>এর আগে, হজযাত্রীদের সৌদি আরবে পৌঁছে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে বিদেশি সিম কার্ড কিনতে হতো, যার ফলে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে যোগাযোগে বিলম্বসহ নানা জটিলতায় পড়তে হতো তাদের। তবে নতুন এই ব্যবস্থার ফলে হজযাত্রীরা এখন থেকে নিজের মোবাইল ব্যালেন্স ব্যবহার করে গ্রামীণফোনের হজ রোমিং প্যাক অ্যাক্টিভ করতে পারবেন। ফলে সৌদি আরবে পৌঁছানোর সাথে সাথে নিরবচ্ছিন্নভাবে ও সহজে </span><span lang="BN">মোবাইলে</span><b><span lang="BN"><span> </span></span></b><span>যোগাযোগ করতে পারবেন তারা।</span><span> </span><span lang="BN">গ্রাহকরা যেকোনো সময়</span><b><span>, </span></b><span lang="BN">যেকোনো স্থান থেকে মোবাইল ব্যালেন্স অথবা সহজ রিচার্জের মাধ্যমে এই প্যাকগুলি কিনতে পারবেন।</span><span></span></p>
<p class="MsoNormal">এ নিয়ে গ্রামীণফোনের চিফ প্রোডাক্ট অফিসার (সিপিও) সোলায়মান আলম বলেন, <span>“আমাদের হজযাত্রীদের জন্য রূপান্তরমূলক এই পদক্ষেপ গ্রহণে নেতৃত্ব দিতে পেরে গর্বিত গ্রামীণফোন। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে আমরা টেলিযোগাযোগ খাত, সরকার এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছি, যাতে আমাদের গ্রাহকরা এমন পবিত্র ধর্মীয় সফরে তাদের প্রিয়জনদের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে পারেন।</span>”<span></span></p>
<p class="MsoNormal">তিনি আরও বলেন,<span> “যুগান্তরকারী এই উদ্যোগ বাংলাদেশের হজযাত্রীদের সামগ্রিক হজ অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে। এর ফলে তারা জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এ সফরে সহজেই যুক্ত থাকতে, প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে ও জানাতে এবং উদ্বেগমুক্ত থাকতে পারবেন।</span>”</p>
<p class="MsoNormal"><span>প্রসঙ্গত, সম্প্রতি টেলিকম অপারেটরদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে সরকার ২০২৫ সালের হজ কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে দুই মাসের জন্য এই সুবিধা প্রদানের অনুমোদন দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গ্রামীণফোনের ১৭০% নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন</title>
<link>https://digibanglatech.news/153022</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153022</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_6808dcda668df.jpg" length="75989" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 23 Apr 2025 18:08:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>২০২৪ সালের জন্য পরিশোধিত মূলধনের ১৭০% হারে চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করেছে গ্রামীণফোনের পরিচালনা পর্ষদ।ফলে ১০ টাকা মূল্যের শেয়ার প্রতি ১৭ টাকা এবং ওই বছরের কর পরবর্তী মুনাফা ১২২.৭৩% হয়েছে।</p>
<p>গ্রামীণফোনের লিমিটেড-এর ২৮তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এই তথ্য জানানো হয়েছে। অপারেটরটি জানিয়েছে, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের নীতিমালা মেনে ও শেয়ারহোল্ডারদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে বুধবার (২৩ এপ্রিল ২০২৫) ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বার্ষিক সাধারণ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থাপিত আর্থিক প্রতিবেনদ অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ২৩ লাখ নতুন গ্রাহক যুক্ত হয়েছেন গ্রামীণফোনে। ফলে গ্রামীণফোনের মোট গ্রাহকসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ কোটি ৪৩ লাখে। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখে। এই  সংখ্যা মোট গ্রাহকের ৫৭ শতাংশ। এর মধ্যে ৪ কোটি ২০ লাখ গ্রাহক সক্রিয়ভাবে ফোরজি সেবা ব্যবহার করছেন—যা গত বছরের তুলনায় ১১ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি।</p>
<p>এজিএম-এ গ্রামীণফোনের বোর্ড চেয়ারম্যান হাকন ব্রুয়াসেট কেজোয়েল; গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান, চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার (সিএফও) অটো মাগনে রিসব্যাক, কোম্পানি সেক্রেটারী এস এম ইমদাদুল হকসহ অন্যান্য বোর্ড সদস্য এবং কোম্পানিটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>সভায় গ্রামীণফোন-এর বোর্ড চেয়ারম্যান হাকন ব্রুয়াসেট কেজোয়েল বলেন, “গ্রাহকদের পরিবর্তিত চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে ২০২৪ সালে গ্রাহককেন্দ্রিক উদ্ভাবনের উপর গুরুত্ব দিয়েছে গ্রামীণফোন। চ্যালেঞ্জিং এই বছরে আমরা বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছি এবং ভবিষ্যতের উপযোগী টেলকো-টেক কোম্পানি হওয়ার লক্ষ্যেও দৃঢ় পদক্ষেপ নিয়েছি।“ তিনি আরও বলেন, “২০২৪ সালে জাতীয় পর্যায়ে ডিজিটাল অগ্রগতি সাধনের প্রতিশ্রুতি ছিল গ্রামীণফোনের অগ্রাধিকার। আমরা বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ডিজিটাল সক্ষমতা বাড়াতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছি - প্রয়োজনীয় ডিজিটাল দক্ষতা ও অনলাইন নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। আমরা বিশ্বাস করি,  কানেক্টিভিটি হতে পারে ইতিবাচক পরিবর্তনের চালিকাশক্তি এবং সেই লক্ষ্যে আমরা একটি টেকসই ও সবার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গড়ার প্রতিশ্রুতিতে অবিচল।”</p>
<p>গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, “২০২৪ সাল গ্রামীণফোনের জন্য ছিল এক রূপান্তরের বছর। সার্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও আমরা উদ্ভাবন ও স্থিতিশীলতায় এগিয়েছি। প্রযুক্তির বিকাশ, অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্যোগ এবং গ্রাহক সন্তুষ্টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে আমরা টেলকো-টেক লিডার হওয়ার পথে অগ্রসর হয়েছি। ভবিষ্যৎ উপযোগী নেটওয়ার্ক তৈরির মাধ্যমে মৌলিক সেবাগুলো সমৃদ্ধ এবং গ্রাহককেন্দ্রিক নতুন নতুন সমাধান চালু করেছি আমরা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), অ্যানালিটিক্স ও উদ্ভাবনকে কাজে লাগিয়ে দক্ষতা বৃদ্ধি করেছি, যা নতুন পণ্য ও সেবার মাধ্যমে গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করেছে।”।</p>
<p>তিনি আরো বলেন, আমাদের সহজ ও উদ্ভাবনী ডেটা প্যাক, বিস্তৃত কনটেন্ট উপভোগের সুবিধা এবং ডিজিটাল সেবা মোবাইল কমিউনিকেশন আয়ে ২৮ শতাংশ অবদান রেখেছে। নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নে আমরা ৩ হাজার ৯শ’ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছি- যা ভয়েস ও ডেটা সেবার মান আরো উন্নত করেছে। ২৬০০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ ব্যবহার করে ৩০ শতাংশ ম্যাক্রো সাইট উন্নয়ন এবং ১৭শ’ ৫৮টিরও বেশি নতুন ফোরজি সাইট স্থাপনের মাধ্যমে ফোরজি কাভারেজ ৯৭ দশমিক ৯ শতাংশে উন্নীত করেছি আমরা। রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ১২ হাজার ৩শ’ কোটি টাকা প্রদান করে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছি আমরা যা ব্যবসার বাইরে গ্রামীণফোনের অবদানের প্রতিফলন। অ্যাপ সিটি, এআই-নির্ভর নেটওয়ার্ক, আইওটি ও ফ্লেক্সি প্ল্যান-এর মতো উদ্ভাবন আমাদের পরিচালনগত সক্ষমতাকে আরও দৃঢ় করেছে। একইসঙ্গে, একীভূত লাইসেন্স ব্যবস্থার ফলে আমাদের মার্কেট শেয়ার ১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। জিপি একাডেমি ও ফিউচার নেশন স্কিল হাব-এর মাধ্যমে আমরা তরুণদের ক্ষমতায়িত করেছি। ইএসজি মূল্যবোধের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে আমাদের ৭২ শতাংশ পার্টনারদের সাথে পার্টনারশিপ  কার্বন নিঃসরণ হ্রাসে সহায়ক, তেমনি সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন সরবরাহের মতো উদ্যোগ নারীর ক্ষমতায়ন ও ডিজিটাল বৈষম্য হ্রাসে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে; যা আমাদের একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে নিচ্ছে।”</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিটিআরসি ও বিসিএসআইআর&#45;এ দুদকের হানা</title>
<link>https://digibanglatech.news/153188</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153188</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_680e8322d14fe.jpg" length="126066" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 22 Apr 2025 23:18:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবনে মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।  নিয়োগ বিধি উপেক্ষা করে জুনিয়র পরামর্শককে রাজস্বখাতের বিভিন্ন পদে নিয়োগ করার বিষয়ে এই অভিযান পরিচালনা করে দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিট।</p>
<p>দুদক সূত্র জানায়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ ও পদোন্নতিতে বেশ কিছু অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য তাদের কাছে ছিল। বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত সেসব তথ্য খতিয়ে দেখতে এই অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানকালে এনফোর্সমেন্ট টিম নিয়োগ ও পদোন্নতিসংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে।</p>
<p>অভিযানে বয়স শিথিলতার শর্ত পালনের ক্ষেত্রে সরকারি বিধি লঙ্ঘন করে রাজস্বখাতে নিয়োগ এবং বিধিবহির্ভূতভাবে প্রকল্প থেকে রাজস্বখাতে নিয়োগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুদক। এ বিষয়ে এনফোর্সমেন্ট টিম পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য কমিশনে বিস্তারিত প্রতিবেদন দেয়ার কথা রয়েছে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x_680e845635b8c.jpg" alt=""></p>
<p><span>এদিকে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর)-এ প্রায় ৬ কোটি টাকায় ৪টি বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি ক্রয়ের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয় থেকে অপর একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে টেন্ডার ডকুমেন্ট পর্যালোচনায় প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়ার অসাধু উদ্দেশ্যে বিশেষ শর্ত আরোপপূর্বক টেন্ডার স্পেসিফিকেশন প্রস্তুত করা হয়েছে। যার ফলে টেকনিক্যাল ইভাল্যুয়েশনে মাত্র একটি করে দরদাতা রেস্পন্সিভ হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে রেকর্ডপত্র পূর্ণাঙ্গভাবে পর্যালোচনা করে কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এবার ইন্টারনেট দামে ১০% ছাড় ঘোষণা সামিটের</title>
<link>https://digibanglatech.news/152982</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152982</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_6807a0207ea99.jpg" length="53508" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 22 Apr 2025 19:06:54 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>এবার বিভিন্ন স্তরে ইন্টারনেটের খরচ কমানোর ঘোষণা দিলো আরেক এনটিটিএন প্রতিষ্ঠান সামিট কমিউনিকেষন্স। ঘোষণা অনুযায়ী ইন্টারনেট দামে ১০% ছাড় এবং এনটিটিএন (NTTN) দামে ১৫%-২০% ছাড় দেয়া হবে আইআইজি প্রতিষ্ঠানগুলোকে। </p>
<p>এ বিষয়ে সামিট কমিউনিকেশনের সিইও আরিফ আল ইসলাম বলেন, প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি-বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব-এর উন্নতমানের ইন্টারনেট সাশ্রয়ী মূল্যে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার যে দূরদর্শী উদ্যোগ তার জন্য  আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাই। একইসঙ্গে  আইএসপি ইন্ডাস্ট্রি এর ৫০০ টাকায় ১০ এমবিপিএস গতির ইন্টারনেট সরবরাহের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই । এই সরকারি উদ্যোগকে সমর্থন করতে এবং আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলোকে উন্নতমানের ইন্টারনেট সাশ্রয়ী দামে সরবরাহে সহায়তা করতে সামিট কমিউনিকেশনস এর ব্যবস্থাপনা কমিটি এই ঘোষণা দিচ্ছে। </p>
<p>প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশজুড়ে ইন্টারনেট অবকাঠামো বিস্তৃত করতে সামিট কমিউনিকেশনস নেটওয়ার্কের সার্ভিস পয়েন্টগুলোর মধ্যে অধিকাংশ জায়গায় ৯৯.৯৫% এর বেশি সময় সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে।  এছাড়াও সামিট কমিউনিকেশন্স ও এর অংশীদারদের ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে বেসরকারি সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন করার কথা রয়েছে।</p>
<h1 class="post-title"><a href="https://digibanglatech.news/152923">ইন্টারনেটের আরো তিন স্তরে মূল্য ছাঁট!</a></h1>
<div class="d-flex align-items-center post-details-meta mb-4">
<div class="item-meta item-meta-author"></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সাবমেরিন ক্যাবলসের তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি মুনাফা বেড়েছে  ১৭.০৮ শতাংশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/152973</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152973</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202501/image_870x580_679709ab81517.jpg" length="151923" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 22 Apr 2025 10:47:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিক (জানুয়ারি-মার্চ, ২০২৫) ও নয় মাসে (জুলাই-মার্চ, ২০২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে পুঁজিবাজারে টেলিযোগাযোগ খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় বাড়লেও কোম্পানিটির নয় মাসে শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) কমেছে। </p>
<p>মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে সোমবার (২১ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়।</p>
<p>তথ্য মতে, চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ২.৩৩ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ১.৯৯ টাকা। সেই হিসাবে আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা বেড়েছে দশমিক ৩৪ টাকা বা ১৭ দশমিক ০৮ শতাংশ।</p>
<p>তবে, তিন প্রান্তিক মিলে বা ৯ মাসে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ৬ দশমিক৮৩ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ৮ দশমিক ২৯ টাকা। সেই হিসাবে আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা কমেছে ১দশমিক ৪৯ টাকা বা ১৭ দশমিক ৬১ শতাংশ।</p>
<div id="content-details">
<p>২০২৫ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৮৬.৪১ টাকা।</p>
<p></p>
</div>
<div class="adv-img text-center d-print-none">
<div id="div-gpt-ad-2189815-8" class="text-center" data-google-query-id="CI-Ou4n-6owDFeuU2AUdb_0lww"></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রবি’র ২৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/152942</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152942</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_6806492cd362e.jpg" length="82622" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 21 Apr 2025 18:32:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সোমবার রাজধানীর লেকশোর হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে রবি আজিয়াটা পিএলসি (রবি)-এর ২৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম)।<span style="mso-spacerun: yes;"> সভায় </span></span><span style="font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রবি পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান থায়াপারান সাঙ্গারাপিল্লাই, পর্ষদ সদস্য বিবেক সুদ, নিক রিজাল কামিল, নাসির উদ্দিন আহমেদ, রবি’র ভারপ্রাপ্ত সিইও এম. রিয়াজ রশিদ, কোম্পানি সচিব ও চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম উপস্থিত ছিলেন।<span style="mso-spacerun: yes;">   </span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রবি পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান থায়াপারান সাঙ্গারাপিল্লাই বলেন, “সার্বিক কারণে ২০২৪ সালটি ছিল আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং একটি বছর। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে রবি আর্থিক ক্ষেত্রে যে সাফল্য দেখিয়েছে তাতে আমি আনন্দিত। সময়োপযোগী ব্যয় ব্যবস্থাপনার কল্যাণে আমরা সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জন করতে পেরেছি। বছরজুড়ে নেটওয়ার্কে বিনিয়োগ করেছি আমরা,যা আমাদের প্রতি গ্রাহকদের আস্থাকে আরো দৃঢ় করেছে। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে গ্রাহকদের বিশ্বমানের ও মানসম্মত প্রযুক্তি সেবা দিতে প্রস্তুত রবি। একটি টেককো হিসেবে রবি বরাবরের মতো গ্রাহক ও সমাজের অগ্রগতিতে অবদান রাখতে পারবে বলে আমার বিশ্বাস। কর্পোরেট সুশাসনের প্রতি আমরা আপোসহীন। এই সুশাসনকে পুঁজি করে দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির বিকাশে ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত রবি।</span><span style="font-size: 12.0pt; mso-ascii-font-family: 'Nirmala UI'; mso-hansi-font-family: 'Nirmala UI'; mso-bidi-font-family: 'Nirmala UI';">”</span><span style="font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">২০২৪ সালে রবি’র শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১.৫০ টাকা। এ সময়ে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোম্পানি ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।<o:p></o:p></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইন্টারনেটের আরো  তিন স্তরে মূল্য ছাঁট!</title>
<link>https://digibanglatech.news/152923</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152923</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_6805c4a54db05.jpg" length="103566" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 21 Apr 2025 09:47:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>শনিবার ইন্টারনেট ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে ৫০০ টাকা প্যাকেজে ব্রডব্যান্ট ইন্টারনেটের গতি দ্বিগুণ করার পরের দিনেই নড়ে চড়ে বসেছে আইআইজি, আইটিসি এবং এনটিটিএন অপারেটররা। এখন বাকি থাকলো মোবাইল সেবা দাতা ৩টি বেসরকারি কোম্পানির দাম কমানোর ঘোষণা। </p>
<p>জানাগেছে, আইআইজি ও আইটিসি পর্যায়ে ১০ শতাংশ করে এবং ন্যাশনাল ট্রান্সমিশন বা এনটিটিএন পর্যায়ে ১৫ শতাংশ দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। এনটিটিএন কোম্পানি <br>ফাইবার@হোমের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে এই তথ্য দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এবং আইসিটি ও টেলিকম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। </p>
<p>এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেছেন, এর আগে আন্তর্জাতিক গেটওয়ে পর্যায়ে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি সকল আইআইজি এবং আইএসপি গ্রাহকদের জন্য ১০ শতাংশ, এবং পাইকারি গ্রাহকদের জন্য অতিরিক্ত ১০ শতাংশ সহ মোট ২০ শতাংশ দাম কমিয়েছে।  এ নিয়ে ইন্টারনেট লাইসেন্স রেজিমের মোট তিন থেকে চারটি স্তরে ইন্টারনেটের মূল্য কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।  ইতিমধ্যেই সরকার মোবাইল কোম্পানিগুলোকে DWDM এবং ডার্ক ফাইবার সুবিধা প্রদান করেছে। এমতাবস্থায় বেসরকারি মোবাইল কোম্পানিগুলোর ইন্টারনেটের দাম না কমানোর কোন ধরনের যৌক্তিক কারণ কিংবা অজুহাত অবশিষ্ট থাকে না।</p>
<p>মোবাইল ইন্টারনেটের দাম কমানোর পদক্ষেপে চলমান উচ্চ মূল্যস্ফীতিও কিছুটা কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন ফয়েজ আহমদ। পাশাপাশি দ্রুতই তিনটি বেসরকারি মোবাইল অপারেটর যৌক্তিকভাবে মোবাইল ইন্টারনেটের দাম কমানোর ঘোষণা দেবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।</p>
<p>তিনি আরো বলেন, সরকার MNO গুলোকে পলিসি সাপোর্ট দিয়েছে, এবং সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে আন্তর্জাতিক এবং জাতীয় স্তর গুলোতে পাইকারি পর্যায়ে ইন্টারনেটের দামও কমিয়েছে। এখন তাদের জাতীয় উদ্যোগে শরিক হবার পালা। মোবাইল ইন্টারনেটের দাম কমানোর পদক্ষেপে চলমান উচ্চ মূল্যস্ফীতিও সামান্য কিছুটা কমে আসবে বলে আশা করি।</p>
<p>শিগগিরই তিনটি বেসরকারি মোবাইল কোম্পানি অত্যন্ত যৌক্তিকভাবে মোবাইল ইন্টারনেটের মূল্য কমাবে আশা প্রকাশ করে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, সরকার এখানে দুই ধরনের মূল্য ছাড় আশা করে। আমাদের প্রত্যাশা, মার্চ মাসে এসআরও এডজাস্টমেন্ট বাবদ মোবাইল কোম্পানিগুলো যে মূল্য বাড়িয়েছিল সেটা কমাবে। (সরকার শুল্ক বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়ে তা থেকে সরে এসেছে, কিন্তু সে মতে বর্ধিত মূল্য কমায়নি মোবাইল কোম্পানিগুলো) এবং আন্তর্জাতিক গেটওয়ে/আইটিসি, আইআইজি এবং ন্যাশনাল ট্রান্সমিশন পর্যায়ে যতটুকু পাইকারি দাম কমানো হয়েছে তার সমানুপাতিক হারে গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেটের দাম কমাবে।</p>
<p>তবে ইন্টারনেট সেবায় ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক কমানো, শুধু ডাটার ক্ষেত্রে রেভিনিউ শেয়ারিং উঠিয়ে দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বেসিস সাবেক সভাপতি ফাহিম মাশরুর। এই দাবির সঙ্গে সহমত প্রকাশ করে টেলিকম অপারেটর রবি’র সাবেক প্রধান মাহতাব উদ্দিন আহমেদ মনে করেন, কিন্তু এই সুবিধা শুধু সেবাদাতাদের পকেটেই যাওয়া ঠিক হবে না। কয়েকমাস আগেও ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক নিয়ে দরকষাকষি হয়েছিলো। কিন্তু এই সুবিধাটা সেবাদাতাদের পকেটেই ঢুকেছে। </p>
<p>প্রসঙ্গত, ঈদুল ফিতরের দিন থেকে সরকারি মোবাইল সেবা কোম্পানি টেলিটক ১০ শতাংশ মূল্য ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছিল। </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পাহাড়ে ঝুঁকির মুখে টেলিকম সেবা</title>
<link>https://digibanglatech.news/152886</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152886</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_68046da7dbd98.jpg" length="74454" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 20 Apr 2025 06:45:10 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে একটি বেসরকারি মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক কোম্পানির দুই টেকনিশিয়ানকে অস্ত্রের মুখে অপহরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অপহৃতরা হলেন- মো. ইসমাইল হোসেন (৩৫) ও আব্রে মারমা (২৫)। প্রাথমিক ভাবে তারা মোবাইল অপারেটর রবি’র নেটওয়ার্ক পার্টনার ইডটকো’র টেকনিশিয়ান বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p>
<p>সূত্র বলছে, অজ্ঞাত দুষ্কৃতিকারিদের মাধ্যমে <span>বেসরকারি মোবাইল কোম্পানির (রবি)</span><span> মোবাইল টাওয়ারের (রবি) যন্ত্রাংশ ভাংচুর ও মালামাল তছনছে গত আট মাস ধরে বন্ধ থাকা টাওয়ারে কাজ করতেই শনিবার বিকালে উপজেলার ধর্মঘরস্থ (চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়কসংলগ্ন) ময়ূরখীল বিলে টাওয়ার মেরামত করতে যান দুজন টেকনিশিয়ান। মুহূর্তের মধ্যে সেখানে হাজির হয় কয়েকজন সশস্ত্র সন্ত্রাসী। টেকনিশিয়ানদের টাওয়ার থেকে নামিয়ে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যায় অজ্ঞাত স্থানে।</span></p>
<p><span>স্থানীয় বাসিন্দারা এ তথ্য জানালেও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কেউ বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেনি। এ নিয়ে </span>মানিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল বলেন, ‘দুই জন টেকনিশিয়ান অপহরণের বিষয়টি শুনেছি। তবে এ বিষয়ে কেউ কোনো নিখোঁজ ডায়েরি কিংবা অভিযোগ করেনি।’ </p>
<p class="alignfull">স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করে বলেছেন, পাহাড়ের সব ব্যবসায় সশস্ত্র গোষ্ঠীকে মোটা অঙ্কের বার্ষিক চাঁদা দিতে হয়। এক্ষেত্রে রবি কোম্পানির সঙ্গে সশস্ত্র কোনও গোষ্ঠীর অমিল বা গরমিল হওয়ার রেশ এটি।</p>
<div class="BT_inner_A1_C3 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">
<div id="BT_inner_A1_C3" data-google-query-id="CNqzvLXV5YwDFRWjZgIdQ-EXxQ"></div>
</div>
</div>
<p>এর আগে গত <span>২২ জানুয়ারি ভোরে একযোগে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা, মানিকছড়ি ও মাটিরাঙ্গা উপজেলায় ৮টি মোবাইল ফোনের টাওয়ার ভাঙচুর ও আগুন দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করে দুর্বৃত্তরা। এরপর  ক্ষতিগ্রস্ত টাওয়ারের আওতায় থাকা মোবাইল গ্রাহকরা গত ৩ মাস যাবৎ সেবা বঞ্চিত রয়েছেন। একইসঙ্গে ওই ঘটনায় এখনও জড়িত কাউকে শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন। দুই অপরহৃত টেকনিশিয়ানের বিষয়ও এখনো অস্পষ্ট। ফলে পাহাড়ে টাওয়ারগুলোর কার্যক্রম অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।</span></p>
<p></p>
<div>
<div id="div-gpt-ad-1731407059334-0" data-google-query-id="CObfq7LV5YwDFcIGgwMdOe8C9A"></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আন্তর্জাতিক কল ব্যবসা সিন্ডিকেটের অনিয়মের খোঁজে দুদকে যাচ্ছে বিটিআরসি</title>
<link>https://digibanglatech.news/152518</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152518</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67ff7cdf4e0e2.jpg" length="61479" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 16 Apr 2025 13:23:44 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে এবং ভারত সীমান্ত দিয়ে আইটিসি’র মাধ্যমে দেশে আসে ইন্টারনেটের রসদ ব্যান্ডউইথ। এই ব্যান্ডইথ ২৬টি <span>ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে (</span>আইজিডব্লিউ) অপারেটর ও ৩০টি <span>বিদেশি ও দেশি ভয়েস কল নির্ধারিত অপারেটরে সংযুক্ত করার প্রযুক্তি সেবা প্রতিষ্ঠান আইসিএক্স এর মাধ্যমে। এক্ষেত্রে ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে (আইজিডব্লিউ) অপারেটর সমান সুযোগের পরিবর্তে প্রভাবশালীদের তত্ত্বাবধানে গঠিত সংগঠন আইজিডব্লিউ অপারেটর ফোরামের (আইওএফ) মধ্য থেকে সাতটিকে আন্তর্জাতিক কল পরিচালনার কর্তৃত্ব দেয় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। </span></p>
<p><span>আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে </span>পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আইজিডব্লিউ অপারেটরদের ব্যবসা কুক্ষিগত করার পর নিজ কোম্পানির নামে ৬২৫ কোটি টাকা লোপাট করেছে এই আইওএফ চক্র। আর আইজিডব্লিউ অপারেটরদের কাছ থেকে বাজার উন্নয়ন ফান্ডের নামে এই টাকা জমা হয়েছে আইজিডব্লিউ কম্পিউটারের লাইসেন্স না থাকা ওই সময়ের প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের কোম্পানি বেক্সিমকো কম্পিউটার্সে। </p>
<p>সূত্রমতে, আইওএফ এর টাকা ব্যয়ের অস্বচ্ছতা নিয়ে গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর একটি চিঠি দেয় বিটিআরসি’র অর্থ, হিসাব ও রাজস্ব বিভাগ। এই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে যে হিসাব পাওয়া গেছে তা ছিলো জটিল। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ সময়ের হিসাবে তহবিল সংগ্রহ ও বিতরণ সংক্রান্ত তথ্য এবং তহবিলের প্রাপ্য ও প্রদেয় হিসাব বিবরণী বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সেখানে মোট জমা রয়েছে  ৬২৫ কোটি ৮৩ লাখ ৫২ হাজার ৪৫৬ টাকা। স্থিতি আছে ৫ কোটি ৩২ লাখ ২৬ হাজার ৮১০ টাকা। </p>
<p>এদিকে অপর এক চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩০ জানুয়ারি আইওএফ বিটিআরসি’র কাছে দুইটি দাবি দিয়েছে। একটিতে বলা হয়েছে, নন আইওএস অপারেটরদের আন্তর্জাতিক কল টার্মিনেশন ২০ লাখে উন্নীত করা হলে আন্তর্জাতিক  কলরেট নিয়ে অসুস্থ প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হবে। তাই তারা আগের নিয়েমে ১০ লাখ করার পক্ষে দাবি তুলেছে। </p>
<p>জানাগেছে, সার্বিক দিক দিয়ে হিসাবে অস্বচ্ছলতা দেখা দেয়ায় এসব অনিয়মের বিচারে দুদক এর স্মরণাপন্ন হতে যাচ্ছে বিটিআরসি। সাম্প্রতিক কমিশন বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।</p>
<p>জানাগেছে, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিগত ১৬ বছরে আইজিডব্লিউ লাইসেন্স হাতিয়ে এই অপকর্মের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রভাশালী নেতা শামীম ওসমান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, শামসুল হক টুকু’র মতো ব্যক্তিরা। তাদের পরিচালি ও আশীর্বাদপুষ্ট ভিশন টেল লিমিটেড ২৩৫ কোটি ৫৪ লাখ টাকা, রাতুল টেলিকম ১৩০ কোটি ৪০ লাখ টাকা, কাই টেলিকম ১২৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, টেলেক্স লিমিটেড ১১৩ কোটি ১৩ লাখ টাকা, অ্যাপল গ্লোবাল টেল ১১৮ কোটি ১৪ লাখ টাকা,  বেস্টটেক টেলিকম ১৯৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকা বকেয়া রেখে ব্যবসায় বন্ধ করে দিয়েছে। </p>
<p>এসব বকেয়া আদায় এবং অবৈধ ভিওআইপি রোধ করার নামে সালামান এফ রহমানের কোম্পানি এই অর্থ নেয় বলে জানিয়েছেন টেলিভিশন চ্যানেল যুমুনা টিভি। টিভিটির প্রতিবেদক মাসুজ্জামান রবিন জানিয়েছেন, আইওএফ নিয়ন্ত্রণ করে আন্তর্জাতিক কলের ৪ শতাংশ হাতিয়ে নিয়ে বাজার উন্নয়ন তহবিল গঠন করা হয়। কলের প্রকৃত দর গোপন করে আন্তর্জাতিক কল বন্টনে অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল রাজস্ব ফাঁকি দেয়া হয়েছে।  সালমানের করা অনুশাসনে ৫ বছরে সব আইজিডব্লিউ অপারেটরকে প্রতিমাসে টাকা দিতে হতো তার মালিকাানাধীন বেক্সিমকো কম্পিউটার্স এর হিসাবে। ২৪৯ বারে এই হিসাবে ৬৩১ কোটি টাকা জমা দেয়া হয়েছে। আইজিডব্লিউ এর বাকি টাকা ২৫ বারে বাংলাট্র্যাক কমিউনিকেশনের অ্যাকাউন্ট, ৪২ বারে গ্লোবাল ভয়েস টেলিকম অ্যাকাউন্ট, ২৫ বারে ডিজিকনে অ্যাকাউন্ট এবং একবার গিয়েছে ইউনিক ইনফোয়ের হিসাবে অথচ এই অর্থ থেকে মোবাইল অপারেটরদের কাছে বকেয়া ৩২০ কোটি টাকার একটি টাকাও পরিশোধ করা হয়নি। </p>
<p> </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলালিংকের শীর্ষ পদে নারী;  রচিত হলো নতুন মাইলফলক</title>
<link>https://digibanglatech.news/152729</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152729</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;span style=&quot;color: rgb(22, 145, 121);&quot;&gt;&lt;strong&gt;ডেপুটি সিইও জাহরাত আদিব চৌধুরী&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67fe3ae636f61.jpg" length="56998" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 15 Apr 2025 15:04:17 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" style="margin-right: -22.5pt; text-align: justify;">দেশের টেলিকম ইতিহাসে রচিত হলো নতুন ইতিহাস। এই খাতে প্রথম নারী এবং তাও বাংলাদেশী হিসেবে ডেপুটি সিইও হিসেবে বাংলালিংকের শীর্ষ পদে আসীন হলে  নিয়োগ পেলেন জহরাত আদিব চৌধুরী। <o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-right: -22.5pt; text-align: justify;">মঙ্গলবার অপারেটরটির পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হলো। </p>
<p>জাহরাত ২০১৪ সালে বাংলালিংকের চিফ লিগ্যাল অফিসার অ্যান্ড কোম্পানি সেক্রেটারি হিসেবে যোগদান করেন। বিভিন্ন খাতে ২০ বছরেরও বেশি সময় কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে জহরাতের। এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি বাংলালিংককে টেলিকম অপারেটর থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে উদ্ভাবনী ডিজিটাল অপারেটরে রূপান্তরিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি ‘অ্যাসেট-লাইট’ এবং ‘রেগুলেটরি <span lang="BN">কমপ্লায়েন্স</span>’ উদ্যোগসহ বাংলালিংকের বিভিন্ন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের নেতৃত্ব দিয়েছেন। <o:p></o:p></p>
<p>গ্রাহকদের জন্য ব্যতিক্রমী ও নিরবচ্ছিন্ন সেবা প্রদান অব্যাহত রাখার লক্ষ্য নিয়ে ডেপুটি সিইও হিসেবে জাহরাত সিনিয়র লিডারশিপ টিমের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করে বাংলালিংকের কৌশলগত দিকনির্দেশনা ঠিক করবেন এবং দেশের জন্য নতুন সম্ভাবনার সুযোগ তৈরি করতে উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। আইন, কর্পোরেট গভর্নেন্স ও ইএসজি সংশ্লিষ্ট বর্তমান দায়িত্বের পাশাপাশি, তিনি বাংলালিংকের ডিজিটাল আর্থিক সেবার লক্ষ্য পূরণে কাজ করে যাবেন। <o:p></o:p></p>
<p>বাংলালিংকের সিইও ইওহান বুসে বলেন, “নতুন ডেপুটি সিইও হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় জাহরাতকে অভিনন্দন। <span lang="BN">তার পেশাগত অভিজ্ঞতা</span>, <span lang="BN">নেতৃত্বগুণ এবং ডিজিটাল রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তাকে এই দায়িত্বের জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত করে তুলেছে। এই নিয়োগ শুধুমাত্র একটি প্রাতিষ্ঠানিক অগ্রগতি নয়—এটি আমাদের গ্রাহক</span>, <span lang="BN">অংশীদার ও অংশীজনদের জন্য আরও উন্নত অভিজ্ঞতা এবং প্রবৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি বহন করে। আমরা একটি উদ্ভাবনী ও ভবিষ্যতমুখী প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ।</span>”<o:p></o:p></p>
<p>এই নিয়োগ সম্পর্কে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে জহরাত আদিব চৌধুরী বলেন, “শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল অপারেটর হিসেবে  বাংলালিংক ইতিবাচক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এমন সময় নতুন এই ভূমিকা গ্রহণ করতে পেরে আমি উচ্ছ্বসিত। সকলের জন্য উন্নত সংযোগ নিশ্চিতকরণ এবং উদ্ভাবন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখার মাধ্যমে বাংলাদেশের ডিজিটাল ইকোসিস্টেম সম্প্রসারণে অবদান রাখতে কাজ করে যাবো আমি। অত্যন্ত দক্ষ ও উদ্যমী বাংলালিংক পরিবারের অংশ হতে পেরে আমি গর্বিত। কার্যকর ডিজিটাল সমাধান প্রদানে আমাদের সহকর্মীদের সহায়তা করার ব্যাপারে আমি আশাবাদী।” <o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-right: -22.5pt; text-align: justify;">প্রসঙ্গত, ইংল্যান্ডের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার এট ল’ সম্পন্ন করা জহরাত হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী (অ্যালামনা)।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>উৎস বাংলাদেশের সঙ্গে টেলিকটকের চুক্তি সই</title>
<link>https://digibanglatech.news/152734</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152734</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67fe438743a27.jpg" length="105280" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 15 Apr 2025 14:30:48 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সুবিধা বঞ্চিত শিশুর নিরাপদ, সুরক্ষিত, সুখী এবং স্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেড়ে ওঠার সমান অধিকারের স্বপ্ন নিয়ে কাজ করা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা “উৎস বাংলাদেশ” এর সঙ্গে কর্পোরেট সেবা চুক্তি করেছে রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিকম অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড।</p>
<p>মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫) টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড -এর কর্পোরেট অফিসে এই চুক্তি হয়েছে। উৎস বাংলাদেশ -এর পক্ষে মাহমুদা আক্তার মাহমুদ, এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড -এর পক্ষে মোঃ সাইফুর রহমান খান, অতিরিক্ত-মহাব্যবস্থাপক (বিক্রয় এবং বিপণন) চুক্তি স্বাক্ষর করেন।এসময় অন্যান্যের মধ্যে  উৎস বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ-ব্যবস্থাপক নীলিমা আক্তার মজুমদার এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক (কর্পোরেট সেলস) নীলমণি আইচসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উক্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p> চুক্তি অনুযায়ী সাশ্রয়ী মূল্যে উৎস বাংলাদেশ -কে ভয়েস ও ইন্টারনেট সেবা সহ বিভিন্ন কর্পোরেট ডিজিটাল সেবা দেবে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতে আগ্রহী পাকিস্তানের এনগ্রো</title>
<link>https://digibanglatech.news/152582</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152582</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67f7d82b4b918.jpg" length="79414" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 10 Apr 2025 18:36:54 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের সম্ভাবনা নিয়ে বেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের ‘এনগ্রো হোল্ডিংস’। বাংলাদেশে ব্যবসার সুযোগ খুঁজতে এসে বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এনগ্রো’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আবদুল সামাদ দাউদ। বৈঠকে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ এবং জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করে তিনি বলেছেন, ‘আমরা বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের সম্ভাবনা নিয়ে বেশ আগ্রহী এবং শিল্প প্রবৃদ্ধিতে ভোলা থেকে গ্যাস বিতরণে সহায়তা করার ক্ষেত্রে আমরা বড় প্রতিশ্রুতি দেখতে পাচ্ছি।’ </span></p>
<div class="viewport jw_article_body">
<p class="alignfull">এই আগ্রহকে স্বাগত জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস টেকসই ও দূরদর্শী সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পগুলোতে মনোনিবেশ করা উচিত, যা আমাদের মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতি নিয়ে আসে।’</p>
<p class="alignfull">বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিটে যোগ দিতে আসা দাউদ বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) আয়োজিত চার দিনব্যাপী সম্মেলনের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘বিডা শীর্ষ সম্মেলনের একটি মানবিক স্পর্শ ছিল— এটি আন্তরিক, অতিথিপরায়ণ এবং উদ্দেশ্যমূলক অনুভূত হয়েছিল। এক ছাদের নিচে এতগুলো শীর্ষ কোম্পানির প্রতিনিধিত্ব দেখে অবাক হয়েছি।’</p>
<p class="alignfull">প্রফেসর ইউনূস এনগ্রোর নেতাদের আবারও বাংলাদেশ সফর করতে এবং বিভিন্ন খাতে সহযোগিতার সুযোগ দেখতে উৎসাহিত করেন। তিনি বলেন, ‘আমি আপনাকে আবার আসার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। শুধু বিনিয়োগকারীদের জন্য নয়, বিশ্ববাসীর কাছেও বাংলাদেশের অনেক কিছু দেওয়ার আছে।</p>
<p class="alignfull">বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ ও মুখ্য সচিব সিরাজুদ্দিন সাথী উপস্থিত ছিলেন।</p>
</div>
<div class="btGoogleNews"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পার্বত্য চট্টগ্রামে মোবাইল নেটওয়ার্কে বড় বিপর্যয়</title>
<link>https://digibanglatech.news/152348</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152348</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67e6a1762d86f.jpg" length="103082" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 28 Mar 2025 10:18:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় দুর্বৃত্তদের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের কারণে মোবাইল অপারেটর রবির নেটওয়ার্ক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। গত তিন মাসে একাধিক স্থানে অপরাধী গোষ্ঠী রবির মোবাইল টাওয়ারের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে এবং ফাইবার কেটে ফেলেছে, যার ফলে অর্ধশতাধিক টাওয়ার অচল হয়ে পড়েছে। এমনকি কয়েকজন নিরাপত্তাকর্মীও অপহরণের শিকার হয়েছেন।</p>
<p>নেটওয়ার্ক বন্ধ থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। মোবাইল ও ইন্টারনেট সংযোগ না থাকায় জরুরি সেবা ব্যাহত হচ্ছে, পণ্য পরিবহন ও ব্যবসা-বাণিজ্য মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।</p>
<p>সূত্র মতে পার্বত্য চট্টগ্রামের ‌খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, লক্ষীছড়ি, পানছড়ি, দিঘীনালা, মানিকছড়ি, নানিয়ারচর, রাউজান, ফটিকছড়ি ও বাঘাইছড়িসহ বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় মোট ৫১টি মোবাইল টাওয়ার নাশকতার শিকার হয়েছে। জানা গেছে, এ ধরনের কার্যকলাপের পেছনে মূলত চাঁদাবাজির উদ্দেশ্য রয়েছে। </p>
<p>গত ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, শুধুমাত্র খাগড়াছড়িতেই ৩২টি টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে সাতটি সচল করা গেলেও ২৫টি এখনো বন্ধ রয়েছে। পার্বত্য তিন জেলার ২৬টি টাওয়ারও সন্ত্রাসীদের হাতে নাশকতার শিকার হয়েছে। কোনো কোনো জায়গায় ফাইবার সংযোগ পুনরুদ্ধার করা হলেও, তা আবার কেটে ফেলা হচ্ছে।</p>
<p>এরমধ্যে খাগড়াছড়ি জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ইতোমধ্যে তিনজন নিরাপত্তাকর্মী অপহৃত হয়েছেন। অপরিচিত নম্বর থেকে রবির কর্মীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে, ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। টাওয়ার পুনরুদ্ধারের কাজেও কোনো অগ্রগতি নেই, কারণ ইডটকো বাংলাদেশ লিমিটেডের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অপরাধীদের প্রতিহত করতে পারছে না।</p>
<p>রবি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ধরনের অব্যাহত নাশকতায় প্রতিষ্ঠানটি বড় ধরনের রাজস্ব ক্ষতির মুখে পড়ছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, ইডটকোর নিরাপত্তা দল এবং প্রশাসন যৌথভাবে সমস্যার সমাধানে কাজ করলেও এখনো কার্যকর কোনো অগ্রগতি হয়নি।</p>
<p>স্থানীয় দৈনিক চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে খাগড়াছড়ির বাসিন্দা রবিউল ইসলাম বলেন, “মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ থাকায় জরুরি যোগাযোগও সম্ভব হচ্ছে না। ওষুধপত্রও সব সময় পাওয়া যাচ্ছে না। দ্রুত টাওয়ারগুলো চালু না হলে সংকট আরও বাড়বে।”</p>
<p>রাঙ্গামাটির জুনাং তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, “টাওয়ার না থাকায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির হয়ে গেছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও আমরা খুবই উদ্বিগ্ন। সরকার দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে।”</p>
<p>রবি ও ইডটকো বাংলাদেশ লিমিটেড ইতোমধ্যে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই)-এর সঙ্গে বৈঠক করেছে। তারা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা করছে।</p>
<p></p>
<p>রবি কর্তৃপক্ষ বলছে, অবিলম্বে টাওয়ারগুলো সচল করা ও নাশকতাকারীদের আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। নেটওয়ার্ক সমস্যার সমাধান না হলে স্থানীয়রা আরও বড় সংকটের মুখে পড়বে এবং অর্থনীতিতেও মারাত্মক প্রভাব পড়বে।</p>
<p>এ বিষয়ে রাঙামাটির পুলিশ সুপার এস এম ফরহাদ হোসেন জানান, রবি তাদের কাছে আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ জমা দেয়নি। খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল বলেন, “আমরা খবর পেয়ে থানাগুলোর আশপাশে টাওয়ারগুলোর নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য কিছু নির্দেশনা দিয়েছি।”</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অবৈধ স্যাটেলাইট পে চ্যানেল বন্ধে বিটিআরসির নির্দেশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/152274</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152274</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67e220c9f07ef.jpg" length="45436" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 25 Mar 2025 01:18:10 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের কিছু ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (আইএসপি) অনুমোদন ছাড়া স্যাটেলাইট পে চ্যানেল বিজ্ঞাপনসহ (ক্লিন ফিডবিহীন) দেখাচ্ছে। এসব চ্যানেল বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। </p>
<p>দেশের আইএসপি লাইসেন্সধারীদের এ সংক্রান্ত নির্দেশনার কথা জানিয়ে গত ১৯ মার্চ বিটিআরসি চিঠি দিয়েছে। এতে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জানিয়ে এসব চ্যানেল বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অবৈধ প্রযুক্তি ব্যবহার করে অবৈধভাবে বিজ্ঞাপনসহ স্যাটেলাইট চ্যানেল প্রদর্শন করা টেলিযোগাযোগ আইনের লঙ্ঘন উল্লেখ করে বিটিআরসি’র ওই নির্দেশনায়- এসব বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে পরবর্তী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে বিটিআরসিকে জানাতে বলা হয়েছে।</p>
<article class="jw_detail_content_holder jw_detail_content_body content mb16">
<div itemprop="articleBody" class="viewport jw_article_body">
<p>বিটিআরসির ওই চিঠিতে বলা হয়, কিছু আইএসপি অনুমোদন ছাড়া প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনুমোদিত বিদেশি চ্যানেলের পরিবেশকদের পরিবেশিত পে-চ্যানেলগুলো পাইরেসি করে বাসা-বাড়িতে বিজ্ঞাপনসহ ইন্টারনেট সংযোগে প্রদর্শন করছে। এ ছাড়া কিছু কিছু ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে একই কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এতে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিএল) সেবার আওতায় বিদেশি চ্যানেলের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে।</p>
<p>বিএসসিএলের কর্মকর্তারা বলছেন, টিভি কেবল অপারেটররা বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানির সেবা নিয়ে গ্রাহককে বিদেশি চ্যানেল দেখায়। কিন্তু পাইরেসি করে কতিপয় আইএসপি অপারেটর তাদের গ্রাহককে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিদেশি চ্যানেলগুলো দেখাচ্ছে। এতে আয় কমে যাচ্ছে টিভি অপারেটরদের। এরই মধ্যে বিষয়টি স্যাটেলাইট কোম্পানিকে জানানো হয়েছে।</p>
<p>অবৈধভাবে ক্লিনফিডবিহীন স্যাটেলাইট পে-চ্যানেল বন্ধে এরই মধ্যে বিটিআরসি ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড।</p>
</div>
<div class="googleadmanager"></div>
</article>
<div class="social_share_holder">
<div class="social_shares roundicons do_not_print" data-show="copy,facebook,messenger,twitter,viber,whatsapp,linkedin,pinterest,print" data-hide=""></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

</channel>
</rss>