<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
     xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
     xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
     xmlns:admin="http://webns.net/mvcb/"
     xmlns:rdf="http://www.w3.org/1999/02/22-rdf-syntax-ns#"
     xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
     xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/">
<channel>
<title>Digi Bangla &#45; : টিপস &amp;amp; ট্রিক্স</title>
<link>https://digibanglatech.news/rss/category/টিপস-ট্রিক্স</link>
<description>Digi Bangla &#45; : টিপস &amp;amp; ট্রিক্স</description>
<dc:language>en</dc:language>
<dc:rights>নিবন্ধন নং &#45; ২৩৩ &amp;lt;br /&amp;gt;প্রকাশক: সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক &amp;lt;/br&amp;gt;  নির্বাহী সম্পাদক: এস এম ইমদাদুল হক &amp;lt;/br&amp;gt; সম্পাদকীয় কার্যালয়: সড়ক ২৯, বাড়ি ২/ই (গুলশান লেক প্যালেস), সি&#45;২, গুলশান&#45;১, ঢাকা&#45;১২১২, বাংলাদেশ।  &amp;lt;/br&amp;gt;ফোন: ০৯৬৩৯&#45;৩৩৩৫৫৫, ইমেইল: press@digibanglatech.news   &amp;lt;/br&amp;gt; © স্বত্ব ডিজিটাল বাংলা মিডিয়া লিমিটেড ২০১৯&#45;২০২৬</dc:rights>

<item>
<title>যে ৫ কারণে আইফোন ১৭ প্রো ছেড়ে ১৮ প্রো কেনা উচিত নয়</title>
<link>https://digibanglatech.news/190821</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190821</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6ab4c74b845a1.jpg" length="66497" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 26 Sep 2026 13:57:10 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">সেপ্টেম্বর মাস এলেই প্রযুক্তিপ্রেমীদের চোখ থাকে অ্যাপলের নতুন উন্মোচনের দিকে। বরাবরের মতো এবারও বাজারে এসেছে অ্যাপলের নতুন ফ্ল্যাগশিপ সিরিজ, যেখানে আলাদাভাবে নজর কাড়ছে আইফোন ১৮ প্রো। সেই সঙ্গে রয়েছে আইফোন ডুও নামের সম্পূর্ণ নতুন একটি মডেল। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">তবে সব আকর্ষণ ১৮ প্রোর দিকে থাকলেও, আগের বছরের আইফোন ১৭ প্রোর কথা ভুলে গেলে চলবে না। আপাতদৃষ্টিতে নতুন প্রজন্মের এই ফোনটিতে বেশ কিছু আকর্ষণীয় ফিচার যোগ করা হলেও, পুরোনো মডেলের তুলনায় এটি খুব বড় কোনো বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে- এমনটি বলা কঠিন।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই ভাবছেন, হাতে থাকা আইফোন ১৭ প্রো পরিবর্তন করে নতুন আইফোন ১৮ প্রোতে আপগ্রেড করা কতটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। বেশিরভাগ ব্যবহারকারীর ক্ষেত্রে উত্তরটি হচ্ছে, এই মুহূর্তে অতিরিক্ত টাকা খরচ করে নতুন মডেলে না যাওয়াটাই শ্রেয়। কারণ দুটি ফোনের মধ্যকার তফাত খুব একটা বড় নয় এবং আগের ফোনটি দিয়েই আরও দীর্ঘদিন অনায়াসে কাজ চালিয়ে নেওয়া সম্ভব।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিজাইনে চোখে পড়ার মতো পরিবর্তন নেই</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">আইফোন ১৮ প্রোর নকশায় এমন কোনো বড় পরিবর্তন আনা হয়নি যা দেখে প্রথম দেখাতেই এটিকে আগের মডেল থেকে আলাদা করা যাবে। কেবল নতুন রঙের কারণেই দুটি ফোনের মধ্যে পার্থক্য বোঝা সম্ভব। এবার নতুন বারগান্ডি ও গ্লেসিয়াল রঙের পাশাপাশি একটি কালো শেডের মডেল আনা হয়েছে, যা বিগত মডেলে অনেকেরই পছন্দের তালিকায় ছিল। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">তবে এই রঙের পরিবর্তনটুকু বাদ দিলে দুটি ফোনের সার্বিক গঠন ও নকশা প্রায় একই রকম। এমনকি আগের ১৭ প্রোর তুলনায় নতুন ১৮ প্রো ওজনে সামান্য কিছুটা ভারী, যা অনেকের কাছে কিছুটা অস্বস্তিকর মনে হতে পারে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">ডিজাইনে একটি সূক্ষ্ম পরিবর্তন অবশ্য রয়েছে, যা সহজে চোখে পড়ে না। পর্দার নিচে গোপন ইনফ্রারেড সেন্সর ব্যবহারের ফলে পর্দার ওপরের ‘ডাইনামিক আইল্যান্ড’ আকৃতিতে কিছুটা ছোট হয়েছে। প্রযুক্তিগত দিক থেকে এটি নিঃসন্দেহে ভালো একটি উন্নতি, তবে এটি দৈনন্দিন ব্যবহারের অভিজ্ঞতায় কোনো প্রভাব ফেলে না। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">১৭ প্রোর আগের ডাইনামিক আইল্যান্ড ব্যবস্থাটি যেভাবে চমৎকার কাজ করত, এটিও ঠিক সেভাবেই কাজ করে। তাই এটি একটি বাড়তি সুবিধা হলেও আপগ্রেড করার মতো কোনো প্রধান কারণ হতে পারে না।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">পুরোনো মডেলটিতেও মিলবে দুর্দান্ত গতি</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">আইফোন ১৮ প্রোর উন্মোচনী আয়োজনে অ্যাপল সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছিল এর পারফরম্যান্সের ওপর। নতুন এ২০ প্রো প্রসেসরটি তৈরি করা হয়েছে ২-ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে, যা গতি ও সক্ষমতার দিক থেকে অত্যন্ত শক্তিশালী। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">আগের এ১৯ প্রোর তুলনায় এতে থাকা অতিরিক্ত জিপিইউ কোর গ্রাফিক্সের পারফরম্যান্স প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়। এর পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সংক্রান্ত কাজ দ্রুত করার জন্য যুক্ত করা হয়েছে দ্বিতীয় একটি নিউরাল ইঞ্জিন। কিন্তু বাস্তব জীবনে সাধারণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই গতির তারতম্য খুব একটা চোখে পড়ে না।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">আইফোন ১৭ প্রো এখনো একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও দ্রুতগতির ফোন। ভিডিও এডিটিং, ভারী গেম খেলা বা ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারের মতো কাজে এ১৯ প্রো প্রসেসর এখনও অনায়াসে চমৎকার পারফরম্যান্স দিয়ে যাচ্ছে। আপনি যদি পেশাদার আলোকচিত্রী না হন বা প্রতিনিয়ত প্রসেসরের ওপর চরম চাপ পড়ে এমন কাজ না করেন, তবে এক বছরের পুরোনো একটি প্রসেসর কোনোভাবেই পিছিয়ে পড়ার মতো নয়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">ক্যামেরায় মূল পরিবর্তন কেবল একটিতেই</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">চলতি বছরের প্রো মডেলে সবচেয়ে আলোচিত পরিবর্তনটি এসেছে এর মূল ক্যামেরায়। এই প্রথমবারের মতো অ্যাপল তাদের ওয়াইড-এঙ্গেল ক্যামেরায় পরিবর্তনশীল অ্যাপারচার লেন্স ব্যবহার করেছে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">পেশাদার ডিএসএলআর ক্যামেরার মতো এখানেও প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যাপারচার পরিবর্তন করে সেন্সরে আলোর পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এটি কম আলোতে ছবি ও ভিডিওর মান উন্নত করতে এবং ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড কতটা ঝাপসা হবে তা নিয়ন্ত্রণে বেশ সাহায্য করে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">তবে এই মূল ক্যামেরাটি ছাড়া পেছনের বাকি ক্যামেরাগুলোতে কোনো পরিবর্তন আসেনি। আইফোন ১৮ প্রোতে আগের ১৭ প্রোর মতো একই আল্ট্রা-ওয়াইড এবং টেলিফোটো সেন্সর ব্যবহার করা হয়েছে। এমনকি সামনের সেলফি ক্যামেরাও হুবহু একই রাখা হয়েছে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">এ ছাড়া অ্যাপল যে নতুন ফটোগ্রাফিক স্টাইলগুলো দেখিয়েছে, তার অনেকগুলোই সফটওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে আগের মডেলেও চলে আসবে। ফলে কেবল ক্যামেরার কারণে পুরো ফোন বদলে ফেলা খুব একটা যুক্তিযুক্ত নয়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সফটওয়্যারে সমান সুবিধা</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">আইফোন ১৭ প্রোর ব্যবহারকারীরা ইতিমধ্যেই সর্বশেষ আইওএস ২৭ অপারেটিং সিস্টেমের সুবিধা পাচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে অ্যাপলের নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি 'অ্যাপল ইনটেলিজেন্স' এবং উন্নত ডিজিটাল সহকারী 'সিড়ি এআই'। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">১৮ প্রো ও ১৭ প্রো—উভয় ফোনেই এই ফিচারগুলো একদম সমানভাবে কাজ করে। প্রসঙ্গভিত্তিক কথোপকথন, কণ্ঠস্বরের মান উন্নত করা, সঠিক ডিকটেশন এবং ছবির ফ্রেম বড় করার মতো নতুন সব সুবিধা ১৭ প্রোতেও একইভাবে সচল রয়েছে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">ভবিষ্যতে হয়তো অ্যাপল কেবল নতুন ১৮ প্রোর জন্য কিছু বিশেষ এআই ফিচার উন্মুক্ত করতে পারে, তবে এই মুহূর্তে সফটওয়্যারের দিক থেকে পুরোনো মডেলের ব্যবহারকারীরা কোনো অংশেই বঞ্চিত হচ্ছেন না।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">নতুন আইফোন কাদের জন্য?</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারে সবারই আগ্রহ থাকে, আর দীর্ঘ ব্যাটারি লাইফ কিংবা অত্যাধুনিক ক্যামেরার প্রতি ঝোঁক থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু যাঁরা ইতিপূর্বে আইফোন ১৭ প্রো ব্যবহার করছেন, তাঁদের জন্য ১৮ প্রোতে আপগ্রেড করা খুব একটা বড় পরিবর্তন আনবে না। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">এটি মূলত তাঁদের জন্যই সেরা পছন্দ হতে পারে, যাঁরা অনেক পুরোনো কোনো মডেল (যেমন আইফোন ১৫ প্রো) ব্যবহার করছেন। সে ক্ষেত্রে নতুন নকশা, উন্নত জুম ও নতুন ব্যাটারি প্রযুক্তির সমন্বয়ে তাঁরা তিন বছরের একটি বড় প্রযুক্তিগত উল্লম্ফন অনুভব করতে পারবেন। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">কিন্তু ১৭ প্রোর ব্যবহারকারীদের জন্য আপাতত টাকা বাঁচিয়ে আগামী বছরের নতুন মডেলের জন্য অপেক্ষা করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি</span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ল্যাপটপের ফ্যানে অতিরিক্ত শব্দ হলে করণীয়</title>
<link>https://digibanglatech.news/190727</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190727</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6ab387ed7dd18.jpg" length="79976" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 24 Sep 2026 09:56:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">গেমিংয়ের অদম্য নেশা হোক কিংবা পড়াশোনা ও দাপ্তরিক কাজের ব্যস্ততা- ল্যাপটপ ব্যবহারের সময় একটি অত্যন্ত পরিচিত ও বিরক্তিকর সমস্যায় কমবেশি সবাই পড়েছেন। তাহলো ল্যাপটপের ভেতরে থাকা কুলিং ফ্যান বা পাখার বিকট আওয়াজ। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">কাজের ফাঁকে কিংবা গেম খেলার উত্তেজনার মুহূর্তে এই অনবরত শব্দ মনসংযোগ নষ্ট করার জন্য যথেষ্ট। তবে এই অতিরিক্ত শব্দ সব সময় কোনো বড় বিপদের লক্ষণ নয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে, বিশেষ করে গেমিং বা ভারী কাজের ল্যাপটপে প্রসেসর (সিপিইউ) ও গ্রাফিক্স কার্ডের (জিপিইউ) অতিরিক্ত উত্তাপ বাইরে বের করে দেওয়ার জন্যই ফ্যানগুলোকে প্রচণ্ড গতিতে ঘুরতে হয়। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">অর্থাৎ ল্যাপটপকে নিরাপদ রাখতেই ফ্যানগুলো এই আওয়াজ তৈরি করে। তবে কিছু ক্ষেত্রে এটি প্রাইভেসির পাশাপাশি যন্ত্রের সুরক্ষাতেও উদ্বেগের কারণ হতে পারে, যা একটু সতর্ক হলেই সহজে সমাধান করা সম্ভব।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">হঠাৎ ল্যাপটপে জেটের মতো গর্জন কেন?</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">ল্যাপটপে ক্ষমতার চেয়ে বেশি চাপের কাজ দিলে এতে থাকা কুলিং ফ্যানগুলো সর্বোচ্চ গতিতে ঘুরতে শুরু করে। ‘ক্রিমসন ডেজার্ট’-এর মতো উচ্চ গ্রাফিক্সের আধুনিক গেম কিংবা ফোরকে ভিডিও রেন্ডারিংয়ের মতো ভারী কাজ করার সময় যন্ত্রের প্রসেসর ও গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট প্রচণ্ড উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এই অতিরিক্ত তাপ দ্রুত বের করে না দিলে ভেতরের যন্ত্রাংশ পুড়ে যেতে পারে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">আসুস রগ জেফায়ারাস জি১৪-এর মতো উচ্চগতির গেমিং ল্যাপটপগুলোতে সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স পাওয়ার জন্য ‘টার্বো মোড’ থাকে। এই মোড চালু করলে গেম দারুণ চললেও ফ্যানের শব্দের মাত্রা ৫০ ডেসিবেল ছাড়িয়ে যেতে পারে, যা সাধারণ ঘরের পরিবেশের তুলনায় বেশ সোচ্চার। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">এ ছাড়া ব্যাকগ্রাউন্ডে অপ্রয়োজনীয় অনেক সফটওয়্যার চলতে থাকলে কিংবা বাতাস চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে গেলেও ফ্যানের আওয়াজ অনেক বেড়ে যায়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">অতিরিক্ত আওয়াজ কি ল্যাপটপের জন্য ক্ষতিকর?</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">যদি ‘সাইবারপাঙ্ক ২০৭৭’-এর মতো ভারী গেম খেলা বা জটিল গ্রাফিক্সের কাজ করার সময় ফ্যান জোরে শব্দ করে, তবে তা নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এটি ল্যাপটপ নষ্ট হওয়ার লক্ষণ নয়, বরং ফ্যানগুলো সঠিকভাবে নিজের কাজ করে যন্ত্রাংশ ঠান্ডা রাখছে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">কিন্তু সমস্যা হলো তখনই, যখন আপনি সামান্য কোনো কাজ করছেন- যেমন ব্রাউজারে কেবল একটি থেকে দুটি ট্যাব বদলাচ্ছেন, অথচ ল্যাপটপের ফ্যান বিমান উড্ডয়নের মতো বিকট শব্দ করছে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">কাজের চাপ না থাকার পরও যদি ফ্যান সর্বোচ্চ গতিতে ঘুরতে থাকে, তবে বুঝতে হবে ল্যাপটপের ভেতরে ধুলাবালি জমে বাতাস চলাচলের পথ আটকে গেছে। এ ক্ষেত্রে কোনো দক্ষ মেরামতের দোকানে নিয়ে বিশেষ যন্ত্র বা কম্প্রেসড এয়ারের মাধ্যমে বাতাস দিয়ে ভেতরের ধুলা পরিষ্কার করিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">অন্যদিকে, যদি ফ্যান থেকে খটখট বা ঘড়ঘড়জাতীয় অস্বাভাবিক শব্দ আসে, তবে তা আরও আশঙ্কাজনক। এর অর্থ হতে পারে ফ্যানের ভেতরের বিয়ারিং বা ঘুরন্ত যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ল্যাপটপ মারাত্মক উত্তপ্ত হয়ে হঠাৎ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এ ধরনের শব্দ শুনলে দেরি না করে দ্রুত অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ান বা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের সেবা নেওয়া উচিত।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">ল্যাপটপের ফ্যানের শব্দ কমানোর সহজ উপায়</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">ল্যাপটপ থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত শব্দ কমানোর জন্য কয়েকটি সহজ উপায় অনুসরণ করা যায়। প্রথমত, উইন্ডোজ চালিত ল্যাপটপে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ধরন বদলে নেওয়া যায়। এর জন্য সেটিংসে গিয়ে ‘সিস্টেম’ থেকে ‘পাওয়ার অ্যান্ড ব্যাটারি’ অপশনে ঢুকতে হবে। সেখানে ‘পাওয়ার মোড’ থেকে ‘বেস্ট পাওয়ার ইফিসিয়েন্সি’ নির্বাচন করলে সিস্টেম কম শক্তিতে চলবে এবং ফ্যানের গতি ও শব্দ দুটিই কমে আসবে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">এ ছাড়া ব্র্যান্ডের নিজস্ব সফটওয়্যার (যেমন আসুসের ‘আর্মারি ক্রেট’) থেকে ‘কোয়ায়েট মোড’ চালু করেও খুব সহজে শব্দ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">গেম খেলার সময় ফ্যানের তাণ্ডব কমাতে ইন-গেম সেটিংস খানিকটা কমিয়ে আনা অত্যন্ত কার্যকর। গেমের ফ্রেম রেট ৬০ এফপিএসে সীমিত করে দিলে এবং ‘রে ট্রেসিং’-এর মতো ভারী ভিজ্যুয়াল সুবিধা বন্ধ রাখলে গ্রাফিক্স কার্ডের ওপর চাপ অনেক কমে যায়। ফলে ফ্যানও শান্ত থাকে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">পাশাপাশি ল্যাপটপ ব্যবহারের স্থানের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। নরম তোশক, বিছানা বা কোল বালিশের ওপর রেখে কাজ করলে বাতাস চলাচলের পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। তাই সব সময় টেবিল বা কোনো মসৃণ সমতল স্থানে রেখে ল্যাপটপ ব্যবহার করা উচিত, যাতে নিচের বাতাস চলাচলের পথটি খোলা থাকে এবং ফ্যানের ওপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি</span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গুগল ম্যাপসের নজরদারি যেভাবে বন্ধ করবেন</title>
<link>https://digibanglatech.news/190621</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190621</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6ab22f97ac97a.jpg" length="328325" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 23 Sep 2026 09:35:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">থ্রিডি ড্রাইভিং দিকনির্দেশনা থেকে শুরু করে কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা রেস্তোরাঁয় এখন কতটা ভিড়- এমন নানা উদ্ভাবনী সুবিধা নিয়ে গুগল ম্যাপস আধুনিক জীবনকে বেশ সহজ করে তুলেছে। তবে এর একটি বিশেষ ফিচার নিয়ে ব্যবহারকারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে, সেটি হলো 'টাইমলাইন' বা লোকেশন হিস্ট্রি। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">আপনি প্রতিদিন কোথায় কোথায় যাচ্ছেন, তার একটি নিখুঁত রেকর্ড বা লগ জমা করে রাখে এই সেবাটি। অতীতে যাওয়া সুন্দর কোনো রেস্তোরাঁর নাম মনে করার ক্ষেত্রে এটি বেশ কাজের হলেও, অনেকের কাছেই এটি ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বা প্রাইভেসিতে বড় ধরনের হস্তক্ষেপ বলে মনে হয়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">সব সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে নিজের অবস্থানের হিসাব জমা হওয়াকে অনেকেই এক ধরনের সার্বক্ষণিক নজরদারি হিসেবে দেখেন। কারণ, এই তথ্য ভুল হাতে পড়লে নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">সম্প্রতি গুগল অবশ্য ব্যবহারকারীর লোকেশন হিস্ট্রি নিজেদের ক্লাউড সার্ভারে না রেখে সরাসরি ব্যক্তিগত ডিভাইসে সংরক্ষণ করার নিয়ম চালু করেছে, কিন্তু তাও এই ট্র্যাকিং পুরোপুরি বন্ধ করতে চান অনেকেই। স্বস্তির বিষয় হলো, গুগল ম্যাপসের এই লোকেশন হিস্ট্রি বা টাইমলাইন ফিচারটি বন্ধ করা বেশ সহজ।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">স্মার্টফোন থেকেই ট্র্যাকিং বন্ধের উপায়</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">আপনার গুগল ম্যাপসের টাইমলাইন বা লোকেশন ট্র্যাকিং সুবিধাটি গুগল অ্যাকাউন্টের ‘মাই অ্যাক্টিভিটি’ প্যানেল থেকে যেমন বন্ধ করা যায়, তেমনি সরাসরি মোবাইল অ্যাপ থেকেও পরিবর্তন করা সম্ভব। তবে মনে রাখতে হবে, এই সেটিংসটি নির্দিষ্ট ডিভাইসের জন্য প্রযোজ্য। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">অর্থাৎ আপনি যদি ট্যাবলেট বা একাধিক স্মার্টফোনে একই সঙ্গে গুগল ম্যাপস ব্যবহার করেন, তবে প্রতিটি ডিভাইসে আলাদাভাবে এই ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে। কখনো ফিচারটি পুনরায় চালু করতে চাইলে একইভাবে শেষ ধাপে গিয়ে এটি চালু করে নেওয়া যাবে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">লোকেশন হিস্ট্রি বন্ধ করতে প্রথমে আপনার স্মার্টফোনের গুগল ম্যাপস অ্যাপটি খুলে সার্চ বারের ডান পাশে থাকা নিজের প্রোফাইল ছবিতে আলতো চাপ দিতে হবে। ভেসে ওঠা তালিকা থেকে 'ইউর টাইমলাইন' অপশনটি বেছে নিতে হবে। পরবর্তী স্ক্রিনের ওপরের ডান কোণে থাকা তিনটি বিন্দু চিহ্নে চাপ দিয়ে 'লোকেশন অ্যান্ড প্রাইভেসি সেটিংস' বিকল্পটি নির্বাচন করতে হবে। সেখান থেকে 'টাইমলাইন' অপশনে গিয়ে একটি ড্রপডাউন মেনু দেখতে পাবেন। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">এখন আপনি যদি আগের জমা হওয়া তথ্য রেখে দিয়ে কেবল ভবিষ্যতের ট্র্যাকিং বন্ধ করতে চান, তবে 'টার্ন অফ' নির্বাচন করবেন। আর যদি ট্র্যাকিং বন্ধের পাশাপাশি অতীতের সব হিস্ট্রি বা তথ্য পুরোপুরি মুছে ফেলতে চান, তবে 'টার্ন অফ অ্যান্ড ডিলিট অ্যাক্টিভিটি' বিকল্পটি বেছে নিতে হবে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য মুছে ফেলা ও সুরক্ষার অন্যান্য কৌশল</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">আপনি যদি সাম্প্রতিক সময়ের ভ্রমণ বা লোকেশনের তথ্য কিছুদিন ধরে রাখতে চান কিন্তু পুরোনো তথ্য নিয়মিত মুছে ফেলতে চান, তবে এতে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার সুযোগ রয়েছে। এর জন্য একই সেটিংস মেনুর নিচের দিকে থাকা 'অটো-ডিলিট' বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য মোছার অপশনে যেতে হবে। সেখানে থাকা ড্রপডাউন তালিকা থেকে আপনি নির্ধারণ করে দিতে পারেন যে ৩ মাস, ১৮ মাস কিংবা ৩৬ মাসের পুরোনো তথ্যগুলো আপনাআপনি মুছে যাবে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">এছাড়া মূল টাইমলাইন পৃষ্ঠার ওপরের অংশে থাকা ক্লাউড ব্যাকআপ আইকনে চাপ দিয়ে আপনার ডিভাইসের টাইমলাইন তথ্যের একটি এনক্রিপ্ট করা ব্যাকআপ গুগল অ্যাকাউন্টে সংরক্ষণ বা বন্ধ করার সুবিধাও রয়েছে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">কোনো নির্দিষ্ট দিনের স্থান পরিবর্তন বা মুছে ফেলার জন্য নিচের পেন্সিল আইকনটি ব্যবহার করা সম্ভব। আবার নির্দিষ্ট সময়সীমার তথ্য একবারে পরিষ্কার করতে চাইলে 'ডিলিট রেঞ্জ অফ টাইমলাইন ডাটা' অপশন ব্যবহার করে নিজের প্রাইভেসির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ হাতের মুঠোয় রাখা যায়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি</span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কম্পিউটারে ম্যালওয়্যার শনাক্ত ও দূর করার সহজ উপায়</title>
<link>https://digibanglatech.news/190406</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190406</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aaf8bfbf309d.jpg" length="420365" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 21 Sep 2026 09:32:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">আধুনিক সাইবার আক্রমণের ধরন দিন দিন আরও সূক্ষ্ম ও গোপন হয়ে উঠছে। পিসিতে ঢুকে ফাইল লক করা বা দৃশ্যমান পপ-আপ দেখানোর চেয়ে ক্ষতিকর ম্যালওয়্যার এখন গোপনে ব্যাকগ্রাউন্ডে সক্রিয় থেকে স্পর্শকাতর তথ্য চুরি করতেই বেশি পছন্দ করে। কম্পিউটারের গতি হঠাৎ কমে যাওয়া, বার বার হ্যাং হওয়া বা অচেনা প্রসেস চালু থাকার মতো লক্ষণ দেখলে পিসির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">এ ক্ষেত্রে প্রথম পদক্ষেপ হতে পারে উইন্ডোজের বিল্ট-ইন নিরাপত্তা সুবিধা ‘মাইক্রোসফট ডিফেন্ডার’। অ্যাপটির সাধারণ কুইক স্ক্যান বা ফুল স্ক্যানের পাশাপাশি পিসি রিস্টার্ট দিয়ে ‘অফলাইন স্ক্যান’ চালালে উইন্ডোজ রিকভারি এনভায়রনমেন্টের মাধ্যমে পিসিতে ছদ্মবেশে থাকা জটিল ম্যালওয়্যারগুলোও সহজে শনাক্ত ও ধ্বংস করা যায়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">স্ক্যানার ও অন্যান্য টুল</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">ডিফেন্ডারের পাশাপাশি অতিরিক্ত সুরক্ষার জন্য ‘মালওয়্যারবাইটস’-এর মতো কোনো অন-ডিমান্ড স্ক্যানার দিয়ে দ্বিতীয়বার পিসি পরীক্ষা করা বুদ্ধিমানের কাজ। এটি পিসির ব্যাকগ্রাউন্ডে সবসময় না থেকেও প্রয়োজন অনুসারে স্ক্যান চালিয়ে ডিফেন্ডার এড়িয়ে যাওয়া ম্যালওয়্যার ধরে ফেলতে পারে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">এ ছাড়া ক্ষতিকর অ্যাডওয়্যার সরানোর জন্য ‘অ্যাডডব্লিউক্লিনার’ এবং সন্দেহজনক ফাইল বা ওয়েব লিংকের জন্য ‘ভাইরাসটোটাল’ বেশ কার্যকর। জটিল সংক্রমণের ক্ষেত্রে পিসি ‘সেফ মোড’-এ নিয়ে স্ক্যান চালানো কিংবা উইন্ডোজের বিল্ট-ইন ‘ম্যালিশিয়াস সফটওয়্যার রিমুভাল টুল’ (Win + R চেপে mrt লিখে চালু করা যায়) ব্যবহার করেও ম্যালওয়্যার দূর করা সম্ভব।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">পেইড অ্যান্টিভাইরাস ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য স্বয়ংক্রিয় উইন্ডোজ ডিফেন্ডার এবং প্রয়োজনভিত্তিক ফ্রি স্ক্যানারই যথেষ্ট; ফলে অতিরিক্ত অর্থ খরচ করে তৃতীয় পক্ষের বা থার্ড-পার্টি অ্যান্টিভাইরাস কেনার তেমন প্রয়োজন পড়ে না। এসব থার্ড-পার্টি সফটওয়্যার প্রায়শই আপগ্রেড করার জন্য নোটিফিকেশনের বিরক্তি তৈরি করে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">তবে মনে রাখা প্রয়োজন, কেবল সিকিউরিটি সফটওয়্যার দিয়ে শতভাগ সাইবার সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। দুর্বল পাসওয়ার্ডের কারণে অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়া, অনলাইন প্রতারণা বা ফিশিং লিংকে ক্লিকের মতো ভুলগুলো থেকে কোনো স্ক্যানারই ব্যবহারকারীকে বাঁচাতে পারে না। তাই কেবল ম্যালওয়্যার স্ক্যান করার ওপর নির্ভর না করে সন্দেহজনক ইমেইল ও অখ্যাত ওয়েবসাইট এড়িয়ে চলাই পিসি সুরক্ষার সেরা উপায়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;"> ডিবিটেক/বিএমটি</span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রিফার্বিশড নাকি প্রি&#45;ওন্ড ফোন: কোনটি কেনা বেশি নিরাপদ?</title>
<link>https://digibanglatech.news/189996</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189996</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aaa40484a765.jpg" length="41498" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 17 Sep 2026 09:56:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">নতুন স্মার্টফোনের ঊর্ধ্বমুখী দামের কারণে বাজারে ব্যবহৃত বা পুরোনো ফোন কেনার প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। তবে প্রযুক্তির বাজারে প্রায়শই দেখা যায় এমন দুটি পরিচিত লেবেল- ‘প্রি-ওন্ড’ এবং ‘রিফার্বিশড’। এদের মধ্যে মৌলিক কিছু তফাত রয়েছে। সংক্ষেপে, ‘প্রি-ওন্ড’ বা সাধারণ ব্যবহৃত ফোন কেবল ডিভাইসের অতীত মালিকানার ইতিহাস নির্দেশ করে, যা সাধারণত কোনো পরিবর্তন বা মেরামত ছাড়াই পূর্ববর্তী মালিকের ব্যবহৃত অবস্থায় বিক্রি করা হয়। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">অন্যদিকে, ‘রিফার্বিশড’ হলো একটি সুনির্দিষ্ট কারিগরি প্রক্রিয়া; যেখানে ফোনটিকে পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা, পরিষ্কার এবং প্রয়োজনে ক্ষতিগ্রস্ত বা পুরনো যন্ত্রাংশ পরিবর্তন করে আবার নতুন রূপ দেওয়া হয়। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">সহজ কথায়, সব রিফার্বিশড ফোনই ব্যবহৃত ফোন, তবে সব ব্যবহৃত ফোন রিফার্বিশড নয়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">মান নিয়ন্ত্রণ ও বিক্রয়োত্তর সেবার ভিন্নতা </span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">‘রিফার্বিশড’ শব্দটির কোনো একক বা সর্বজনীন মানদণ্ড নেই। ফোনটি মূল প্রস্তুতকারক কোম্পানি, কোনো অনুমোদিত বিক্রেতা নাকি সাধারণ কোনো তৃতীয় পক্ষের দোকানদার মেরামত করেছে- তার ওপর এর গুণগত মান ও স্থায়িত্ব নির্ভর করে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">যেমন অ্যাপল বা স্যামসাংয়ের নিজস্ব অফিশিয়াল সার্টিফাইড রিফার্বিশড ফোনে একদম নতুন ব্যাটারি, বডি শেল এবং ১ বছরের অফিশিয়াল ওয়ারেন্টি নিশ্চিত করা হয়। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">অন্যদিকে ইবে বা ব্যাক মার্কেটের মতো থার্ড-পার্টি প্ল্যাটফর্মগুলোতে বিক্রেতার ওপর ভিত্তি করে আলাদা ক্যাটাগরি ও বিক্রয়োত্তর সেবার শর্ত দেওয়া থাকে। ফলে কেবল লেবেল দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে, মেরামতপ্রক্রিয়া কে পরিচালনা করেছে এবং ওয়ারেন্টির শর্তগুলো কী, তা আগেই জেনে নেওয়া প্রয়োজন।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">সঠিক ডিভাইস নির্বাচনের উপায় </span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">ঝামেলা ও ঝুঁকি এড়াতে চাইলে অফিশিয়াল সার্টিফাইড কিংবা স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের রিফার্বিশড ফোন কেনাই তুলনামূলক নিরাপদ। তবে জানাশোনা কারও কাছ থেকে অথবা নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রি-ওন্ড ফোন কিনলেও সাশ্রয়ী মূল্যে ভালোমানের ফোন পাওয়া সম্ভব। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">যে মাধ্যম থেকেই ফোন কেনা হোক না কেন, লেবেলের চেয়ে ডিভাইসের অভ্যন্তরীণ কন্ডিশনের ওপর বেশি জোর দেওয়া উচিত। বিশেষ করে ফোনের ব্যাটারি হেলথ, নেটওয়ার্ক সামঞ্জস্যতা, সফটওয়্যার আপডেটের মেয়াদ, আইএমইআই নম্বর ঠিক রয়েছে কি না এবং পূর্ববর্তী ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট বা অ্যাক্টিভেশন লক সম্পূর্ণ মুছে ফেলা হয়েছে কি না তা নিশ্চিত হয়ে কেনাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি</span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অ্যাপল ওয়ালেট বনাম গুগল ওয়ালেট: কোনটির কী সুবিধা?</title>
<link>https://digibanglatech.news/189993</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189993</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aaa36d8f0fcd.jpg" length="41975" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 16 Sep 2026 13:57:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">পকেটে ফিজিক্যাল মানিব্যাগ বহন করার প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড, ট্রেনের টিকিট, বিমান চলাচলের বোর্ডিং পাস কিংবা হোটেলের ডিজিটাল চাবি- সবই এখন স্মার্টফোনে সংরক্ষণ করা যাচ্ছে ‘অ্যাপল ওয়ালেট’ ও ‘গুগল ওয়ালেট’-এর বদৌলতে। অ্যাপল ও অ্যান্ড্রয়েড ইকোসিস্টেমের এই দুটি প্ল্যাটফর্মের মূল কাজ একই হলেও, অতিরিক্ত পাস যুক্ত করা, পেমেন্ট প্রক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে এদের মধ্যে বেশ কিছু সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে। চলুন জেনে নিই সেই পার্থক্যগুলো।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">টিকিট ও সাধারণ পাস সংরক্ষণ </span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">ডিজিটাল পাস ও টিকিট যুক্ত করার ক্ষেত্রে গুগল ওয়ালেট কিছুটা বেশি নমনীয়। এতে থাকা ‘এভরিথিং এলস’ ফিচারের সাহায্যে যেকোনো লাইব্রেরি, পার্কিং বা জিম কার্ডের ছবি তুলে তা খুব সহজেই ডিজিটাল পাসে রূপান্তর করা যায়। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">পাশাপাশি জিমেইল ইনবক্স থেকেও স্বয়ংক্রিয়ভাবে টিকিট সংগ্রহ করতে পারে গুগল। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">অন্যদিকে, অ্যাপল ওয়ালেট এতদিন নির্দিষ্ট অফিশিয়াল ফরম্যাটের ওপর নির্ভরশীল থাকলেও সাম্প্রতিক ‘আইওএস ২৭’ আপডেটে কাস্টম পাসের সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে। তবে অফিশিয়াল বোর্ডিং পাসের ক্ষেত্রে অ্যাপল ওয়ালেট লাইভ আপডেট এবং অ্যাপল ওয়াচের সাথে সুবিধাজনক সমন্বিত অভিজ্ঞতা দেয়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">ব্যাটারি শেষ হলেও পেমেন্ট ও তথ্যের নিরাপত্তা </span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">গণপরিবহনের ভাড়া মেটানোর ক্ষেত্রে অ্যাপল ওয়ালেটের ‘এক্সপ্রেস মোড’ এক বিশেষ প্রযুক্তিগত সুবিধা প্রদান করে। আইফোনের ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে ফোন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরও পরবর্তী সর্বোচ্চ পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত এক্সপ্রেস কার্ড ব্যবহার করে যাতায়াতের বিল পরিশোধ করা সম্ভব, যা গুগল ওয়ালেটে মেলে না; সেখানে পেমেন্টের জন্য স্ক্রিন চালু থাকা বাধ্যতামূলক। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">তবে বড় পার্থক্যটি দেখা যায় তথ্যের সুরক্ষায়। অ্যাপল তাদের সার্ভারে গ্রাহকের লেনদেনের ইতিহাস বা আসল কার্ডের নম্বর সংরক্ষণ করে না, যা ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা নিশ্চিত করে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">বিপরীতে গুগল ওয়ালেট লেনদেনের বেশ কিছু তথ্য ও কার্ডের নম্বর তাদের সার্ভারে সংরক্ষণ করে। এ ছাড়া সরকারি ডিজিটাল আইডি ব্যবহারের সুবিধা দুটি প্ল্যাটফর্মেই থাকলেও তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট দেশের আইন ও সরকারি সিদ্ধান্তের ওপর।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি</span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জেমিনির সাহায্যে যেভাবে গুগল ড্রাইভের ফাইল সাজাবেন</title>
<link>https://digibanglatech.news/189871</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189871</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa8ebc60bd09.jpg" length="44521" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 16 Sep 2026 09:55:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">অনলাইনে নিয়মিত কাজ করার ফলে ক্লাউড স্টোরেজ ‘গুগল ড্রাইভ’-এ প্রতিনিয়ত জমা হতে থাকে বিপুল পরিমাণ ফাইল, নথি ও ছবি। নির্দিষ্ট ফোল্ডারে না রেখে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা এসব অগোছালো ফাইল পরবর্তীতে সহজে খুঁজে পাওয়া বা ম্যানুয়ালি সাজানো বেশ সময়সাপেক্ষ। ব্যবহারকারীদের এই ডিজিটাল বিশৃঙ্খলা দূর করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ‘জেমিনি’ নির্ভর নতুন ফিচার ‘অর্গানাইজ মাই ফাইলস’ নিয়ে এসেছে গুগল। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">গত বছর পরীক্ষা চালানোর পর সাধারণ গ্রাহকদের জন্য ফিচারটি উন্মোচন করা শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে ড্রাইভে জমা হওয়া এলোমেলো ফাইলগুলো কোন ফোল্ডারে সরানো উচিত, সে বিষয়ে জেমিনি এআই ব্যবহারকারীকে স্বয়ংক্রিয় পরামর্শ দেবে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">ব্যবহারের যোগ্যতা ও শর্তাবলী</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">নতুন এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ফিচারটি বিনামূল্যে ব্যবহার করা যাবে না। ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে এটি ব্যবহার করতে ‘গুগল এআই প্রো’ (প্রতি মাসে ২০ ডলার) অথবা ‘এআই আল্ট্রা’ সাবস্ক্রিপশন থাকতে হবে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">এ ছাড়া গুগল ওয়ার্কস্পেসের বিজনেস, এন্টারপ্রাইজ এবং এডুকেশন গ্রাহকেরাও এই সুবিধা পাবেন। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">তবে প্রাতিষ্ঠানিক অ্যাকাউন্ট দিয়ে ব্যক্তিগত ড্রাইভ গোছানো যাবে না। একইসাথে সহকর্মীদের সাথে শেয়ার করা কোনো ফোল্ডারেও জেমিনি কাজ করবে না; এটি কেবল ব্যবহারকারীর নিজস্ব প্রাইভেট ফোল্ডারের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে।</span><br><span style="font-size: 14pt;"> </span><br><strong><span style="font-size: 14pt;">যেভাবে কাজ করবে এই নতুন ফিচার</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">জেমিনির মাধ্যমে ড্রাইভ পরিচ্ছন্ন করার পদ্ধতিটি বেশ সহজ। ফিচারটি ব্যবহারের আগে জিমেইল সেটিংস থেকে ‘স্মার্ট ফিচারস ইন গুগল ওয়ার্কস্পেস’ সক্রিয় রাখা প্রয়োজন। এরপর ব্রাউজারে গুগল ড্রাইভ ওপেন করে ‘মাই ড্রাইভ’-এ গেলে ওপরের দিকে ‘সাজেস্ট ফাইল মুভস’ বাটন দেখা যাবে। সেখানে ক্লিক করলে জেমিনি প্রয়োজনীয় পরামর্শের একটি তালিকা দেখাবে এবং প্রয়োজনে নতুন ফোল্ডার তৈরির প্রস্তাব দেবে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">ব্যবহারকারী কেবল প্রতিটি অ্যাকশনের পাশে থাকা চেক বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে অনুমোদন দিলেই ফাইলগুলো নির্দিষ্ট ফোল্ডারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থানান্তরিত হয়ে যাবে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">টুলটির কার্যকারিতা ও সীমাবদ্ধতা</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">তবে ফাইল গোছানোর ক্ষেত্রে জেমিনির কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। জেমিনি ফাইলের ভেতরের লেখা বা কনটেন্ট পড়ে গভীর বিশ্লেষণ করে না, বরং ফাইলের শিরোনাম ও পূর্বের সাজানো কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পরামর্শ দেয়। ফলে ড্রাইভে বেনামী ফাইল বেশি থাকলে এই টুল খুব একটা উপকারে আসবে না। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">এ ছাড়া জেমিনি কোনো ফাইলের নাম নতুন করে পরিবর্তন করতে পারে না। তাই ফাইলের নাম সঠিকভাবে দেওয়া থাকলে তা উপযুক্ত ফোল্ডারে গুছিয়ে দেওয়ার কাজে জেমিনি কার্যকর ভূমিকা রাখবে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি</span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এক্সটার্নাল এইচডিডি নাকি এসএসডি: কোনটা দরকার?</title>
<link>https://digibanglatech.news/189761</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189761</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa79aca335ce.jpg" length="37868" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 14 Sep 2026 19:57:29 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে অতিরিক্ত তথ্য সংরক্ষণের জন্য বর্তমানে এক্সটার্নাল ড্রাইভ বা বাহ্যিক স্টোরেজ ডিভাইসের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে এই ডিভাইস কেনার ক্ষেত্রে সলিড স্টেট ড্রাইভ (এসএসডি) এবং হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের (এইচডিডি) সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনা করা জরুরি। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">এক্সটার্নাল এসএসডির প্রধান ইতিবাচক দিক হলো এর গতি। এতে ফ্ল্যাশ মেমোরি প্রযুক্তি ব্যবহৃত হওয়ায় প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ মেগাবাইট বা তার বেশি গতিতে ডেটা আদান-প্রদান করা যায়। পাশাপাশি কোনো ঘূর্ণায়মান যন্ত্রাংশ না থাকায় এটি অত্যন্ত হালকা, নিঃশব্দ ও কম বিদ্যুৎ খরচ করে। হাত থেকে পড়ে গেলেও এতে ডেটা নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি অনেক কম থাকে। প্রতিদিন বিশাল আকারের ফাইল স্থানান্তর বা সরাসরি ড্রাইভ থেকে ছবি ও ভিডিও সম্পাদনা করার জন্য এসএসডি সেরা পছন্দ। তবে এর একমাত্র বড় অসুবিধা হলো এইচডিডির তুলনায় গিগাবাইট প্রতি অতিরিক্ত মূল্য।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">এইচডিডির সাশ্রয়ী সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা </span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">অন্যদিকে, এক্সটার্নাল এইচডিডির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো কম খরচে বিপুল পরিমাণ জায়গা বা স্টোরেজ সুবিধা পাওয়া। চার টেরাবাইট বা তার বেশি ধারণক্ষমতার এসএসডির দাম যেখানে সাধারণের নাগালের বাইরে চলে যায়, সেখানে এইচডিডি অনেক সাশ্রয়ী মূল্যে বিশাল স্টোরেজ অফার করে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">তবে যান্ত্রিক ডিস্ক ও রিড-রাইট হেড ব্যবহার করায় এইচডিডির গতি সাধারণত প্রতি সেকেন্ডে ১০০ মেগাবাইটের কাছাকাছি থাকে, যা আধুনিক কাজের ক্ষেত্রে কিছুটা ধীরগতির। এ ছাড়া এটি কাজ করার সময় হালকা শব্দ করে, তুলনামূলক বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে এবং হাত থেকে পড়ে গেলে কিংবা অসাবধানতায় ভেতরের সংবেদনশীল যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে তথ্য স্থায়ীভাবে হারিয়ে যাওয়ার তীব্র ঝুঁকি থাকে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">সঠিক ডিভাইস নির্বাচনের উপায় </span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">কোন ধরনের ড্রাইভ কিনবেন তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনার ব্যবহারের প্রয়োজনের ওপর। দীর্ঘমেয়াদে ফাইল ব্যাকআপ রাখা কিংবা যেসব তথ্য ঘনঘন ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না, তার জন্য কম্পিউটার বা রাউটারের সাথে স্থায়ীভাবে এইচডিডি যুক্ত রাখা অর্থসাশ্রয়ী। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">অন্যদিকে, নিয়মিত ডেটা বহন করা, গেমিং কিংবা ভিডিও এডিটিংয়ের মতো গতিশীল কাজের জন্য এসএসডি-ই সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">তবে যেকোনো বাহ্যিক ড্রাইভ কেনার আগে ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের ইউএসবি পোর্টের ধরন ও সক্ষমতা (যেমন ইউএসবি ৩.০ বা ১০ জিবিপিএস সমর্থন) যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন, যাতে ড্রাইভের সর্বোচ্চ গতি পাওয়া নিশ্চিত করা যায়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি    </span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ওয়াই&#45;ফাই রাউটারে এত অ্যান্টেনা কেন?</title>
<link>https://digibanglatech.news/189660</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189660</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa64185838b5.jpg" length="279430" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 13 Sep 2026 19:54:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">একসময় একটি মাত্র অ্যান্টেনানির্ভর রাউটার দিয়েই পুরো ঘরের ইন্টারনেটের চাহিদা মিটলেও, বর্তমান যুগে ডিভাইসের সংখ্যা বৃদ্ধি ও দ্রুতগতির ইন্টারনেটের প্রয়োজনে একাধিক অ্যান্টেনাসংবলিত রাউটারের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বেড়েছে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">প্রথম দেখায় আটটি অ্যান্টেনা বিশিষ্ট মাকড়সাসদৃশ আধুনিক রাউটারগুলোকে কেবল ‘মার্কেটিং চমক’ মনে হলেও এর পেছনে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত কারণ। একক অ্যান্টেনা যেখানে এক লেনের সরু সড়কের মতো কাজ করে, সেখানে আধুনিক রাউটারে ‘মিমো’ (মাল্টিপল-ইনপুট, মাল্টিপল-আউটপুট) প্রযুক্তির মাধ্যমে একাধিক অ্যান্টেনা ব্যবহার করে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সমান্তরাল বহু লেন তৈরি করা হয়। ফলে ইন্টারনেটের সিগন্যালে জট না পাকিয়ে একাধিক ডিভাইসে একই সাথে নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ বজায় রাখা সম্ভব হয়। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">একাধিক অ্যান্টেনার আরেকটি বড় প্রযুক্তিগত সুবিধা হলো ‘বিমফরমিং’। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে রাউটারটি ব্যবহারকারীর ডিভাইসের সুনির্দিষ্ট অবস্থান চিহ্নিত করে সিগন্যালকে চারদিকে ছড়ানোর বদলে নির্দিষ্ট দিকে কেন্দ্রীভূত করে পাঠাতে পারে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">অ্যান্টেনার সংখ্যা যত বেশি হয়, সিগন্যালের গতিপথ নিখুঁত করার সক্ষমতাও তত বাড়ে। এ ছাড়া ঘরের দেয়াল বা আসবাবপত্রে বাধা পেয়ে সিগন্যাল ছিটকে গেলেও একাধিক অ্যান্টেনা থাকার কারণে কোনো না কোনো পথ দিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সিগন্যাল পৌঁছানো নিশ্চিত হয়। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">আর আধুনিক ‘এমইউ-মিমো’ সুবিধা রাউটারের অ্যান্টেনাগুলোকে বিভক্ত করে একই সময়ে একাধিক ব্যবহারকারীর সাথে আলাদাভাবে সংযোগ বজায় রাখতে সাহায্য করে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">তবে সাধারণ বাসাবাড়ির জন্য আটটি অ্যান্টেনাযুক্ত রাউটার কেনা অনেক সময়ই অপ্রয়োজনীয়; বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দুই থেকে চারটি অ্যান্টেনাই যথেষ্ট। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">লক্ষণীয় বিষয় হলো, বেশি অ্যান্টেনা থাকা মানেই ইন্টারনেট সেবাদাতার মূল স্পিড বেড়ে যাওয়া নয়। বড় ঘরে ইন্টারনেটের কাভারেজ বাড়ানো যদি মূল উদ্দেশ্য হয়, তবে কেবল বেশি অ্যান্টেনাসম্পন্ন রাউটার কেনার চেয়ে ‘মেশ নেটওয়ার্ক’ গড়ে তোলা অনেক বেশি কার্যকর সমাধান। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">অবশ্য অফিস, ক্যাফে কিংবা জনবহুল স্থানে যেখানে বহু মানুষ একসাথে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, সেখানে একাধিক ডেটা স্ট্রিম ও বেশি অ্যান্টেনাবিশিষ্ট শক্তিশালী রাউটার নেটওয়ার্কের পারফরম্যান্স বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি   </span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নিয়মিত পিসি রিস্টার্ট দিলে কী লাভ?</title>
<link>https://digibanglatech.news/189242</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189242</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa0fc15cce8f.jpg" length="243736" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 10 Sep 2026 19:56:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের মধ্যে একটি বহু পুরোনো ধারণা রয়েছে যে প্রতিদিন কিংবা নিয়মিত ব্যবধানে পিসি রিস্টার্ট বা রিবুট করা উচিত। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশেষ করে উইন্ডোজ চালিত কম্পিউটারের ক্ষেত্রে অন্তত সপ্তাহে একবার রিস্টার্ট দেওয়া অত্যন্ত সুফলদায়ক। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটার চলার ফলে এর মেমোরি বা র‍্যামে বিভিন্ন অ্যাপ ও ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেসের অপ্রয়োজনীয় তথ্য বা ক্যাশ ফাইল জমা হতে থাকে। এর ফলে পিসির স্বাভাবিক গতি কমে যায় এবং ড্রাইভারে নানা কারিগরি জটিলতা তৈরি হয়। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">পুরোপুরি রিস্টার্ট দেওয়ার মাধ্যমে কম্পিউটারের সাময়িক মেমোরি বা সিস্টেম মেমোরি একদম পরিষ্কার হয়ে যায়। এটি কেবল পিসির কর্মক্ষমতাই বাড়ায় না, বরং মেমোরিতে সাময়িকভাবে লুকিয়ে থাকা বিভিন্ন ক্ষতিকর মালওয়্যার বা নিরাপত্তা ঝুঁকি দূর করতেও সাহায্য করে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">তবে উইন্ডোজের ‘ফাস্ট স্টার্টআপ’ ফিচারটির কারণে সাধারণ নিয়মে পিসি শাটডাউন করলেও মেমোরি পুরোপুরি খালি হয় না। এই সুবিধাটি দ্রুত চালুর জন্য কার্নেল ফাইল সাময়িকভাবে সেভ করে রাখে। তাই মেমোরি পরিষ্কার করে একদম নতুন সেশন পেতে উইন্ডোজের সরাসরি ‘রিস্টার্ট’ অপশন নির্বাচন করা অথবা কিবোর্ডের ‘শিফট’ কী চেপে ধরে শাটডাউন করা প্রয়োজন। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">বিভিন্ন সফটওয়্যার, ড্রাইভার কিংবা অপারেটিং সিস্টেমের নিরাপত্তা প্যাচ হালনাগাদ করার পর পিসি রিস্টার্ট দেওয়া অপরিহার্য। এতে ফাইলগুলোর পুরোনো তথ্য মুছে গিয়ে নতুন আপডেট সঠিকভাবে সক্রিয় হয়। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">তবে আধুনিক ‘আর্ম’ প্রসেসরভিত্তিক ল্যাপটপ বা স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে ঘন ঘন রিস্টার্ট দেওয়ার প্রয়োজন কিছুটা কম হয়, কারণ সেগুলো দীর্ঘ সময় সচল রাখার উপযোগী করে তৈরি। তা সত্ত্বেও উইন্ডোজ পিসির যেকোনো সাধারণ সমস্যা সমাধান ও গতি বজায় রাখতে নিয়মিত রিবুট করার কোনো বিকল্প নেই।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি    </span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নিজেকে ৮০’র দশকে নিতে  নিখুঁত প্রম্পট লিখবেন যেভাবে</title>
<link>https://digibanglatech.news/189258</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189258</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,0,0&quot;&gt;ধুনিক সেলফিকে আশির দশকের ৩৫ মিমি অ্যানালগ স্টুডিও ছবিতে রূপান্তর করতে চ্যাটজিপিটিভিত্তিক জেনারেটিভ প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,1,0&quot;&gt;সাধারণ ফিল্টারের বদলে মুখের অবয়ব অপরিবর্তিত রেখে চুলের কাটিং, পোশাক, ফ্ল্যাশ লাইট ও ব্যাকগ্রাউন্ড নিখুঁতভাবে রেন্ডার করছে এআই&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,2,0&quot;&gt;বলিউড রেট্রো, পারিবারিক অ্যালবাম, ম্যাগাজিন কাভার ও ভিনটেজ আউটডোর তৈরির ১০টি কার্যক্ষম প্রম্পট ও কারিগরি টিপস উন্মোচন&lt;/li&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa116b9453b6.jpg" length="116442" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 09 Sep 2026 10:20:48 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>চ্যাটজিপিটি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং, রেট্রো ফটো, ৩৫ মিমি ফিল্ম গ্রেইন, অ্যানালগ ফটোগ্রাফি, এআই এডিটিং, ইমেজ জেনারেশন, ভিনটেজ লুক</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="13">সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রয়োগে শুরু হয়েছে সম্পূর্ণ নতুন এক রেট্রো ফটোট্রেন্ড। সেলফিকে সাধারণ কার্টুন বা ফিউচারিস্টিক অবয়ব দেওয়ার সনাতন পদ্ধতির বাইরে গিয়ে নেটিজেনরা এখন চ্যাটজিপিটির অ্যাডভান্সড প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করে নিজেদের ছবিকে রূপ দিচ্ছেন নিখুঁত ১৯৮০-র দশকের অ্যানালগ ফ্রেমে। ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বুধবার প্রযুক্তিভিত্তিক সামাজিক প্ল্যাটফর্মগুলোর ট্রেন্ড পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা যায়।</p>
<p data-path-to-node="14">সাধারণ এআই ফিল্টার কোনো আধুনিক ছবির ওপর হালকা রঙের প্রলেপ দিলেও, চ্যাটজিপিটির টেক্সট-টু-ইমেজ মডেল ডিপ লার্নিং আর্কিটেকচারের মাধ্যমে মূল মুখের গঠন অপরিবর্তিত রেখে আশির দশকের ৩৫ মিমি ফটোগ্রাফির টেক্সচার, সরাসরি ক্যামেরার হার্ড ফ্ল্যাশ, মৃদু ফিল্ম গ্রেইন ও নির্দিষ্ট সময়ের পোশাক-পরিচ্ছদ রেন্ডার করতে সক্ষম।</p>
<p data-path-to-node="15"><b data-path-to-node="15" data-index-in-node="0">এআই রেট্রো ছবি তৈরির পদ্ধতি</b></p>
<ul data-path-to-node="16">
<li>
<p data-path-to-node="16,0,0"><b data-path-to-node="16,0,0" data-index-in-node="0">পরিষ্কার ছবি নির্বাচন:</b> চ্যাটজিপিটির চ্যাটবক্সে ব্যবহারকারীর একটি সুস্পষ্ট পোর্ট্রেট আপলোড করতে হবে। অতিরিক্ত মেকআপ, ফিল্টার, সানগ্লাস বা মুখ ঢাকা থাকে এমন ফ্রেম পরিহার করা জরুরি।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="16,1,0"><b data-path-to-node="16,1,0" data-index-in-node="0">প্রম্পট ইনপুট:</b> ছবি আপলোডের পর একই উইন্ডোতে নির্দিষ্ট প্রম্পট পেস্ট করতে হবে। প্রম্পটের মূল শর্ত হলো মুখের প্রাকৃতিক অবয়ব (ফেসিয়াল স্ট্রাকচার) ও পরিচয় অপরিবর্তিত রেখে কেবল চারপাশের উপাদান ও আলোকসম্পাত পরিবর্তন করা।</p>
</li>
</ul>
<p data-path-to-node="17"><b data-path-to-node="17" data-index-in-node="0">১০টি কার্যকরী রেট্রো প্রম্পট</b></p>
<p data-path-to-node="18"><b data-path-to-node="18" data-index-in-node="0">১. ক্লাসিক ১৯৮৫ স্টুডিও পোর্ট্রেট:</b></p>
<blockquote data-path-to-node="19">
<p data-path-to-node="19,0"><code data-path-to-node="19,0" data-index-in-node="0">Transform my uploaded photo into an authentic 1985 studio portrait. Keep my face, facial structure, skin tone, eyes, nose, lips, jawline, expression and identity unchanged so I remain clearly recognisable. Change only my hairstyle, clothing, accessories, lighting and background. Give me an authentic 1980s hairstyle and period-appropriate clothing. Use a classic studio backdrop, direct on-camera flash, soft analogue film grain, slightly warm colours, subtle fading and realistic 35mm photography. Make it look like a genuine photograph taken in 1985, not a modern photo with an 80s filter.</code></p>
</blockquote>
<p data-path-to-node="20"><b data-path-to-node="20" data-index-in-node="0">২. আশির দশকের বলিউড পোর্ট্রেট:</b></p>
<blockquote data-path-to-node="21">
<p data-path-to-node="21,0"><code data-path-to-node="21,0" data-index-in-node="0">Recreate my uploaded photograph as an authentic 1980s Bollywood film portrait. Preserve my exact facial identity, facial proportions, skin tone and expression. Give me an era-appropriate Bollywood hairstyle, clothing, jewellery and makeup without changing my face. Use dramatic but realistic studio lighting, warm analogue colours, subtle 35mm film grain and a slightly faded printed-photo texture. The styling should feel inspired by Indian cinema and fashion of the mid-1980s, elegant and glamorous rather than costume-like. Make the final image look like a real Bollywood magazine photograph from 1985.</code></p>
</blockquote>
<p data-path-to-node="22"><b data-path-to-node="22" data-index-in-node="0">৩. পারিবারিক আর্কাইভ ছবি:</b></p>
<blockquote data-path-to-node="23">
<p data-path-to-node="23,0"><code data-path-to-node="23,0" data-index-in-node="0">Turn this photo into an authentic family photograph from 1985. Preserve every person’s face, identity, facial features, skin tone, height and natural expression. Do not merge or replace faces. Change the hairstyles, clothing, accessories, background and photography style to match the mid-1980s. Use simple period-appropriate Indian clothing, a traditional studio backdrop, direct camera flash, mild film grain, slightly faded colours and realistic 35mm photographic imperfections. Make it look like a genuine family photograph that has been kept in an old photo album for decades.</code></p>
</blockquote>
<p data-path-to-node="24"><b data-path-to-node="24" data-index-in-node="0">৪. ১৯৮০-র বিয়ের উৎসব:</b></p>
<blockquote data-path-to-node="25">
<p data-path-to-node="25,0"><code data-path-to-node="25,0" data-index-in-node="0">Reimagine this photograph as an authentic Indian wedding photograph taken in 1985. Keep every person’s face and identity exactly recognisable. Change only the clothing, hairstyles, jewellery, decorations, lighting and photography style. Add realistic 1980s Indian wedding details, traditional outfits, period-appropriate jewellery, floral decorations and a slightly crowded celebration atmosphere. Use an old 35mm camera look with direct flash, warm tones, natural imperfections and subtle film grain. Avoid modern photography equipment, modern fashion and contemporary decorations.</code></p>
</blockquote>
<p data-path-to-node="26"><b data-path-to-node="26" data-index-in-node="0">৫. কলেজ ক্যাম্পাসের নস্টালজিয়া:</b></p>
<blockquote data-path-to-node="27">
<p data-path-to-node="27,0"><code data-path-to-node="27,0" data-index-in-node="0">Turn my uploaded photo into a realistic 1980s Indian college portrait. Preserve my exact face, facial features, skin tone and identity. Change my hairstyle and clothes to authentic mid-1980s student fashion. Place me in a simple college campus setting with subtle period details such as vintage posters, bicycles, books and an old classroom or corridor in the background. Use natural daylight mixed with slightly imperfect analogue exposure, realistic 35mm grain and faded warm colours. The result should look like an actual photograph taken in 1985, not an AI illustration.</code></p>
</blockquote>
<p data-path-to-node="28"><b data-path-to-node="28" data-index-in-node="0">৬. রেট্রো রোমান্টিক কাপল:</b></p>
<blockquote data-path-to-node="29">
<p data-path-to-node="29,0"><code data-path-to-node="29,0" data-index-in-node="0">Transform this couple photograph into an authentic romantic photograph from the mid-1980s. Preserve both people’s faces, facial features, expressions, body proportions and identities exactly. Change only the hairstyles, clothing, accessories, background and photographic style. Give us realistic 1980s Indian fashion with period-appropriate hairstyles and subtle accessories. Use warm analogue colours, direct flash, soft 35mm film grain and the slightly imperfect look of a printed photograph from an old family album. Keep the pose natural and affectionate and make sure both people remain clearly recognisable.</code></p>
</blockquote>
<p data-path-to-node="30"><b data-path-to-node="30" data-index-in-node="0">৭. আশির দশকের পথচলতি ডকুমেন্টারি:</b></p>
<blockquote data-path-to-node="31">
<p data-path-to-node="31,0"><code data-path-to-node="31,0" data-index-in-node="0">Recreate my uploaded photo as if I were photographed on an Indian city street in 1985. Keep my face, identity, skin tone and facial features unchanged. Change my clothes and hairstyle to realistic mid-1980s Indian fashion. Build an authentic period street around me with vintage scooters, old cars, shop signs, analogue advertisements, pedestrians and architecture appropriate to the decade. Use natural sunlight, realistic 35mm film grain, slightly faded colours, subtle lens imperfections and the candid composition of documentary street photography. Do not make the scene look like a modern set designed to look retro.</code></p>
</blockquote>
<p data-path-to-node="32"><b data-path-to-node="32" data-index-in-node="0">৮. সিনেমার ভিনটেজ পোস্টার আর্ট:</b></p>
<blockquote data-path-to-node="33">
<p data-path-to-node="33,0"><code data-path-to-node="33,0" data-index-in-node="0">Use my uploaded photograph as the identity reference and recreate me as the lead character of a fictional Indian movie from 1985. Keep my facial identity and facial structure recognisable and unchanged. Create authentic 1980s Bollywood styling with dramatic hair, period clothing and cinematic makeup. Use hand-painted poster-inspired colours, dramatic lighting, vintage typography space and a theatrical composition. Add subtle paper texture, printing imperfections and faded colours so the image feels like an original 1980s cinema poster. Do not use any real actor’s face or copy an existing movie poster.</code></p>
</blockquote>
<p data-path-to-node="34"><b data-path-to-node="34" data-index-in-node="0">৯. ঘরোয়া ক্যাজুয়াল মোমেন্ট:</b></p>
<blockquote data-path-to-node="35">
<p data-path-to-node="35,0"><code data-path-to-node="35,0" data-index-in-node="0">Turn my uploaded photo into an ordinary candid family photograph from an Indian home in 1985. Keep my face, facial features, skin tone, body proportions and identity exactly the same. Change my hairstyle, clothing and surroundings to match the mid-1980s. Place me in a realistic Indian living room with period furniture, a CRT television, cassette tapes, curtains and other subtle household details from the decade. Use direct camera flash, mild red-eye, slight motion blur, soft 35mm film grain and faded warm colours. The photograph should feel imperfect and genuinely lived-in rather than professionally staged.</code></p>
</blockquote>
<p data-path-to-node="36"><b data-path-to-node="36" data-index-in-node="0">১০. ভিনটেজ ম্যাগাজিন কাভার:</b></p>
<blockquote data-path-to-node="37">
<p data-path-to-node="37,0"><code data-path-to-node="37,0" data-index-in-node="0">Transform my uploaded photo into a premium 1980s Indian magazine cover photograph. Preserve my exact facial identity, facial structure, skin tone and recognisable features. Give me authentic 1980s hair, fashion, accessories and makeup. Use professional studio photography with direct flash, soft analogue film grain, warm slightly faded colours and realistic photographic imperfections. Create the composition like a genuine 1985 magazine cover, leaving clean space around the subject for a large vintage headline and smaller cover lines. Avoid modern fonts, modern fashion, excessive retouching and the appearance of a digital AI-generated image.</code></p>
</blockquote>
<p data-path-to-node="38"><b data-path-to-node="38" data-index-in-node="0">নিখুঁত ফলাফল পাওয়ার কারিগরি টিপস</b></p>
<ul data-path-to-node="39">
<li>
<p data-path-to-node="39,0,0"><b data-path-to-node="39,0,0" data-index-in-node="0">ফলো-আপ কম্যান্ড:</b> এআই মুখের মূল বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করে ফেললে দ্বিতীয় কমান্ডে লিখতে হবে: <i data-path-to-node="39,0,0" data-index-in-node="87"><code data-path-to-node="39,0,0" data-index-in-node="87">Keep the original face completely unchanged, modify only the hair, clothing, and background.</code></i></p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="39,1,0"><b data-path-to-node="39,1,0" data-index-in-node="0">নির্দিষ্ট সাল নির্ধারণ:</b> কেবল আশির দশক না লিখে ‘১৯৮৩’ বা ‘১৯৮৫’ সাল নির্দিষ্ট করলে মডেলটি সেই সময়ের সুনির্দিষ্ট অ্যানালগ কালার টোন ও ফ্যাশন নির্ভুলভাবে তুলে ধরে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="39,2,0"><b data-path-to-node="39,2,0" data-index-in-node="0">ফটোগ্রাফিক প্যারামিটার:</b> প্রম্পটে সরাসরি ৩৫ মিমি ফিল্ম গ্রেইন, ডিরেক্ট অন-ক্যামেরা ফ্ল্যাশ ও সাবটল লেন্স অ্যাবারেশনের মতো কারিগরি পরিভাষা উল্লেখ করলে ডিজিটাল ভাব কেটে অ্যানালগ রিয়ালিজম তৈরি হয়।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="39,3,0"><b data-path-to-node="39,3,0" data-index-in-node="0">ভিনটেজ উপাদান সংযোজন:</b> ব্যাকগ্রাউন্ডে সিআরটি টিভি, ক্যাসেট প্লেয়ার, পুরনো স্কুটার বা ভিনটেজ ফার্নিচারের প্যারামিটার দিলে আউটপুট আরও বাস্তবসম্মত হয়।</p>
</li>
</ul>
<p data-path-to-node="40">/<strong>ও</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জেমিনি ব্যবহারের সময় কীভাবে মাল্টিটাস্কিং করবেন?</title>
<link>https://digibanglatech.news/189105</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189105</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a9f087481570.jpg" length="27830" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 08 Sep 2026 16:55:03 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সহকারী 'জেমিনি' ব্যবহারে নতুন মাত্রা যোগ করেছে গুগল। এখন থেকে স্মার্টফোনে অন্য কাজ করার পাশাপাশি ব্যাকগ্রাউন্ডে জেমিনিকে দিয়ে বিভিন্ন তথ্য খোঁজা বা কাজ করিয়ে নেওয়ার সুযোগ মিলবে। মূলত জেমিনির ফুল-স্ক্রিন ওভারলেকে ছোট করে একটি 'ফ্লোটিং বাবল' বা ভাসমান আইকনে রূপান্তর করার সুবিধা যুক্ত হওয়ায় সহজে মাল্টিটাস্কিং করা সম্ভব হচ্ছে।</span><br><span style="font-size: 14pt;"> </span><br><strong><span style="font-size: 14pt;">যেভাবে কাজ করবে ফ্লোটিং বাবল</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">এই সুবিধাটি চালু করতে ব্যবহারকারীকে মোবাইলের পাওয়ার বাটন চেপে ধরে অথবা 'হে গুগল' বলে জেমিনি সক্রিয় করতে হবে। জেমিনির যে বক্সে বার্তা বা প্রশ্ন টাইপ করা হয়, ঠিক তার ওপরেই নতুন 'মিনিমাইজ' বাটন দেখতে পাওয়া যাবে। বার্তা টাইপ করে কিংবা মুখে বলে নির্দেশ দেওয়ার পর মিনিমাইজ অপশনে চাপ দিলেই পুরো পর্দা দখল করে থাকা জেমিনি ছোট একটি কালো রঙের ভাসমান বাবলে পরিণত হবে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">এই বাবলটির ভেতরে জেমিনির নিজস্ব লোগো দেখা যাবে। পাশাপাশি স্ক্রিনে একটি সংক্ষিপ্ত বার্তা ফুটে উঠবে, যেখানে বলা থাকবে- মাল্টিটাস্কিং করার সময়ও জেমিনি সচল থাকবে। বাবলটিতে আবার চাপ দিলে আগের বার্তাটি পুরো স্ক্রিনে ভেসে উঠবে এবং যেকোনো দিকে সরিয়ে নিয়ে বা টেনে ফেলে দিয়ে এটি বন্ধ করা যাবে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">ব্যাকগ্রাউন্ডে প্রশ্ন রেখে অন্য কাজ করার সুবিধা</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">নতুন এই সুবিধার ফলে ব্যবহারকারীকে জেমিনির উত্তর পাওয়ার জন্য পর্দা আটকে রেখে অপেক্ষা করতে হবে না। যেমন—কাউকে বার্তা বা মেসেজ পাঠানোর সময় যদি কোনো তথ্যের প্রয়োজন হয়, তবে জেমিনিতে প্রশ্নটি লিখে মিনিমাইজ করে দেওয়া যাবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যাকগ্রাউন্ডে উত্তর খুঁজতে থাকার সময় ব্যবহারকারী স্বাচ্ছন্দ্যে বন্ধুকে বার্তা পাঠাতে পারবেন। কাজ শেষ হলে ভাসমান বাবলে চাপ দিলেই কাঙ্ক্ষিত উত্তরটি স্ক্রিনে চলে আসবে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">বর্তমানে এই ভাসমান বাবলটি ফোনের স্ক্রিনের নির্দিষ্ট ছয়টি স্থানে রাখা যায়। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে কারিগরি ত্রুটির কারণে মিনিমাইজ বাটনে চাপ দিলে বাবলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ক্রিনের নিচে ডান কোণে চলে যাচ্ছে। গুগল দ্রুতই এই ক্ষুদ্র ত্রুটি সংশোধন করে সব অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীর জন্য ফিচারটি উন্মুক্ত করার কাজ করছে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><br><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি    ।     সূত্র: <a href="https://www.phonearena.com/news/how-to-multitask-with-gemini-overlay_id183113" target="_blank" rel="noopener">ফোনএরিনা</a></span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অ্যান্ড্রয়েড থেকে আইফোনে হাই&#45;কোয়ালিটি ছবি ও ভিডিও পাঠানোর উপায়</title>
<link>https://digibanglatech.news/189101</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189101</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a9f04655417e.jpg" length="81558" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 08 Sep 2026 13:57:43 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">ভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমের ফোন ব্যবহারের কারণে বন্ধু বা স্বজনদের সঙ্গে ছবি ও ভিডিও আদান-প্রদানে ঝাপসা হয়ে যাওয়ার দিন এখন অনেকটাই অতীত। এতদিন অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকে আইফোনে কোনো ছবি বা ভিডিও পাঠালে সেটির মান বেশ কমে যেত। মূলত অ্যাপলের বার্তা লেনদেনের ‘এসএমএস’ ব্যবস্থা এবং অ্যান্ড্রয়েডের ‘আরসিএস’ প্রযুক্তির মধ্যে পার্থক্য থাকায় এই সমস্যা তৈরি হতো। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">তবে অ্যাপলের ‘আইওএস ১৮’ হালনাগাদে আরসিএস সুবিধা যুক্ত হওয়ায় এই জটিলতার বড় সমাধান হয়েছে। এখন কোনো ধরনের কমপ্রেস ছাড়াই অ্যান্ড্রয়েড থেকে আইফোনে উচ্চমানের ছবি ও ভিডিও পাঠানো সম্ভব।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">আরসিএস প্রযুক্তির ব্যবহার ও সেটিংস</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">ছবি পাঠানোর সময় মূল মান বজায় রাখতে হলে উভয় ডিভাইসেই সঠিক সেটিংস চালু রাখা প্রয়োজন। আইফোন ব্যবহারকারীদের ‘মেসেজেস’ সেটিংস থেকে ‘আরসিএস মেসেজিং’ অপশনটি চালু করতে হবে। অন্যদিকে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা ‘গুগল মেসেজেস’ অ্যাপে ছবি পাঠানোর সময় বার্তা আদান-প্রদানের ঘরে থাকা ‘এইচডি’ বাটনে চাপ দিয়ে ‘এইচডি প্লাস অরিজিনাল কোয়ালিটি’ অপশনটি নির্বাচন করতে পারেন। এতে ছবিটি বিকৃত না হয়ে আসল রেজ্যুলিউশনেই আইফোনে পৌঁছে যাবে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">বড় ফাইল ও ভিডিও পাঠানোর বিকল্প উপায়</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">আরসিএস বার্তার মাধ্যমে সাধারণ ফাইল আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০০ মেগাবাইটের সীমা রয়েছে। ফলে এর চেয়ে বড় আকারের ভিডিও বা ভারী ছবি পাঠাতে চাইলে বিকল্প ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করতে হয়। এ ক্ষেত্রে ‘গুগল ফটোজ’ বা ‘গুগল ড্রাইভ’ অ্যাপ ব্যবহার করে অনায়াসে যেকোনো আকারের ফাইল অক্ষত মানে আদান-প্রদান করা যায়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">এ ছাড়া অ্যান্ড্রয়েডের ‘কুইক শেয়ার’ প্রযুক্তি ব্যবহার করেও আইফোনে ফাইল পাঠানো সম্ভব। গুগল পিক্সেল ৮এ কিংবা স্যামসাং গ্যালাক্সি এস সিরিজের মতো সাম্প্রতিক অ্যান্ড্রয়েড ফোনগুলোতে কুইক শেয়ারের মাধ্যমে আইফোনের ‘এয়ারড্রপ’ সংযোগে সরাসরি তথ্য পাঠানো যায়। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">আর এই সরাসরি সংযোগ সুবিধা যেসব ফোনে নেই, তারা কুইক শেয়ারের ‘কিউআর কোড’ অপশনটি ব্যবহার করতে পারেন। আইফোন দিয়ে সেই কোড স্ক্যান করার মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে বড় ফাইল আদান-প্রদান সম্পন্ন করা যায়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি    </span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফোনের ব্লুটুথ সবসময় চালু রাখা কি নিরাপদ?</title>
<link>https://digibanglatech.news/188923</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188923</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a9d1271bc1c4.jpg" length="329339" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 07 Sep 2026 09:13:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">ওয়্যারলেস বা তারবিহীন হেডফোন ব্যবহার করা, গাড়িতে হ্যান্ডস-ফ্রি কথা বলা কিংবা এক ফোন থেকে অন্য ফোনে তথ্য আদান-প্রদান- দৈনন্দিন জীবনে ব্লুটুথ প্রযুক্তি আমাদের কাজকে অনেক সহজ করে তুলেছে। তবে এই স্বাচ্ছন্দ্যের পাশাপাশি প্রযুক্তির আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি। ব্যক্তিগত সাইবার তথ্য যেখানে বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত মূল্যবান, সেখানে ফোনের ব্লুটুথ সার্বক্ষণিক চালু রাখা কতটা নিরাপদ, তা নতুন করে ভেবে দেখা প্রয়োজন।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">নিরাপত্তা ঝুঁকি ও সাইবার হ্যাকিংয়ের আশঙ্কা</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">ব্লুটুথ সংযোগে অন্য ডিভাইসে যুক্ত হওয়ার আগে ব্যবহারকারীর অনুমতির প্রয়োজন হলেও হ্যাকাররা কারিগরি ত্রুটি ব্যবহার করে গোপনে ডিভাইসে প্রবেশের সুযোগ পায়। ফিটবিটসহ বিভিন্ন ব্লুটুথ হার্ডওয়্যারে এমন কিছু নিরাপত্তা দুর্বলতা পাওয়া গেছে, যা ব্যবহার করে অপরাধীরা ব্যবহারকারীর অবস্থান পর্যন্ত শনাক্ত করতে পেরেছে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">সম্প্রতি ‘অ্যাইরোহা’ প্রযুক্তিভিত্তিক বেশ কিছু হার্ডওয়্যারে মারাত্মক ত্রুটি ধরা পড়েছে। এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে থাকা হ্যাকাররা মোবাইল থেকে কল রেকর্ড, কনট্যাক্ট লিস্ট ও মেসেজ হাতিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি কথোপকথন আড়িপেতেও শুনতে সক্ষম। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">এছাড়া বেলজিয়ামের কেইউ ল্যোভেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা ‘গুগল ফাস্ট পেয়ার’ চালিত অন্তত ১৭টি অডিও ডিভাইসে ক্ষতিকর ত্রুটি খুঁজে পেয়েছেন, যা অনায়াসে দূর থেকে হ্যাক করা সম্ভব। তাদের তৈরি ‘হুইসপার পেয়ার ডট ইউ’ টুলের মাধ্যমে কোনো ডিভাইস নিরাপদ কি না তা যাচাই করা যায়। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">‘ব্লুবাগিং’ বা ‘ব্লুসনারফিং’-এর মতো কৌশলে অপরাধীরা কাছাকাছি থাকা ব্লুটুথ সংযোগকে কাজে লাগিয়ে স্পর্শকাতর ডেটা চুরি করে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">সুরক্ষিত থাকার কার্যকরী উপায়</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">সাইবার আক্রমণ থেকে নিরাপদ থাকার সবচেয়ে সহজ ও প্রাথমিক উপায় হলো প্রয়োজন শেষ হওয়া মাত্রই ফোনের ব্লুটুথ বন্ধ করে রাখা। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা ব্লুটুথ অপশনটিকে সবসময় ‘দৃশ্যমান’ বা ডিসকভারেবল না রেখে ‘অদৃশ্য’ বা হিডেন মোডে রাখার পরামর্শ দেন। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য ‘লাইভ লিসেন’ ফিচারটির ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা আবশ্যক; কারণ মাইক্রোফোন থেকে সরাসরি এয়ারপডসে শব্দ পাঠানোর এই ফিচার ব্লুটুথ ব্যবহার করে, যা হ্যাকিংয়ের বাড়তি ঝুঁকি তৈরি করে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">অন্যদিকে, ভাড়া করা বা পুরোনো গাড়ি বিক্রি করার সময় গাড়িটির সিস্টেম থেকে নিজের স্মার্টফোনের ব্লুটুথ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা এবং ব্যক্তিগত সব তথ্য মুছে ফেলা জরুরি। গাড়িতে তারহীন ‘অ্যান্ড্রয়েড অটো’ ব্যবহারে ব্লুটুথ ও ওয়াই-ফাই—উভয় প্রযুক্তিরই প্রয়োজন হয়, যা সাইবার নিরাপত্তার দুর্বলতা বাড়ায়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি</span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কম্পিউটারের স্টোরেজ খালি করার সহজ পদ্ধতি</title>
<link>https://digibanglatech.news/188847</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188847</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a9bfd87ae672.jpg" length="198870" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 13:51:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">নিয়মিত ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারে নানা ধরনের সফটওয়্যার, ছবি, ভিডিও, গেম এবং মেমোরি দখলকারী অস্থায়ী ফাইল জমা হতে থাকে। ধীরে ধীরে এসব ফাইলে হার্ডডিস্ক পূর্ণ হয়ে গেলে পিসির সার্বিক গতি কমে যায়। এলোমেলোভাবে বিভিন্ন ফোল্ডারে খোঁজাখুঁজি না করে পরিকল্পিত উপায়ে এগোলে খুব সহজেই স্টোরেজ খালি করে কম্পিউটারের পারফরম্যান্স বাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব। উইন্ডোজের নিজস্ব প্রযুক্তি ব্যবহার করেই এই মেমোরি পরিষ্কারের কাজ শুরু করা যায়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">স্টোরেজ সেটিংস থেকে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ অপসারণ</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">কম্পিউটারের প্রধান ড্রাইভের ঠিক কী পরিমাণ জায়গা খালি আছে এবং কোনো খাতে কতটুকু মেমোরি ব্যবহৃত হচ্ছে, তা উইন্ডোজের সিস্টেম সেটিংসের স্টোরেজ অপশন থেকে জানা যায়। সেখানে থাকা ইনস্টলকৃত অ্যাপের তালিকায় গিয়ে আকার অনুযায়ী সাজালে দেখা যায় কোন প্রোগ্রামটি সবচেয়ে বেশি জায়গা নিচ্ছে। অদরকারি কোনো ভারী সফটওয়্যার থাকলে তা সরাসরি আনইনস্টল করে ফেলা যায়। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">এছাড়া টেম্পোরারি বা অস্থায়ী ফাইল বিভাগে গিয়ে পুরোনো থাম্বনেইল ও ক্যাশ ফাইল মুছে ফেলা সম্ভব। তবে রিসাইকেল বিন কিংবা ডাউনলোড ফোল্ডার খালি করার আগে প্রয়োজনীয় কোনো তথ্য আছে কি না, তা পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">সিস্টেমের মেমোরি দখলকারী ফিচার নিয়ন্ত্রণ</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">উইন্ডোজের কিছু অপারেটিং ফিচারও অজান্তে ড্রাইভের অনেকটা অংশ দখল করে রাখে। যেমন কম্পিউটারের হাইবারনেশন সুবিধা প্রয়োজন না হলে তা বন্ধ করে দেওয়া যায়। এর জন্য কমান্ড প্রম্পট সুবিধায় প্রশাসনিক অনুমতি নিয়ে একটি নির্দিষ্ট কমান্ড চালনার মাধ্যমে হাইবারনেশন ফাইল মুছে ফেলা সম্ভব। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">পাশাপাশি ব্যাকআপের জন্য থাকা সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্টের নির্দিষ্ট সীমানা কমিয়ে দেওয়া অথবা পুরোনো পয়েন্টগুলো মুছে ফেললেও ড্রাইভের বেশ খানিকটা মেমোরি মুক্ত হয়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">বিশ্লেষণকারী টুল ও আধুনিক কৌশল</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">কখনো কখনো উইন্ডোজের নিজস্ব ড্যাশবোর্ড দিয়ে সব ফোল্ডারের বিস্তারিত হিসাব পাওয়া যায় না। এ ক্ষেত্রে ‘ট্রি-সাইজ ফ্রি’-এর মতো ফাইল বিশ্লেষণকারী সফটওয়্যার ব্যবহার করে সি ড্রাইভের সবচেয়ে বড় ফোল্ডারগুলো সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">আবার একই ফাইলের একাধিক অনুলিপি বা ডুপ্লিকেট ফাইল খুঁজে বাদ দিতে ‘ডুপ-গুরু’ নামের অ্যাপ ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়া বড় আকারের পুরোনো ফাইল, ছবি কিংবা ভিডিও পিসিতে না রেখে ক্লাউড স্টোরেজ কিংবা এক্সটার্নাল ড্রাইভে স্থানান্তর করা যায়। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">নিয়মিত সময় বাঁচাতে উইন্ডোজের ‘স্টোরেজ সেন্স’ ফিচারটি চালিয়ে রাখলে সিস্টেম নিজেই নির্দিষ্ট সময় পরপর অপ্রয়োজনীয় মেমোরি পরিষ্কার করে নেবে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><em><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি    </span></em></strong></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পুরোনো ফোন দিয়েই বাড়ান ওয়াই&#45;ফাই কাভারেজ</title>
<link>https://digibanglatech.news/188345</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188345</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a95223cefa91.jpg" length="31963" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 31 Aug 2026 20:42:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">ঘরের কোনো নির্দিষ্ট কোণে বা রুমে ওয়াই-ফাই সিগন্যাল দুর্বল হলে বা একেবারেই না পাওয়া গেলে (ডেড জোন) নতুন রাউটার, মেশ সিস্টেম কিংবা এক্সটেন্ডার কেনার প্রয়োজন নেই। ড্রয়ারে পড়ে থাকা পুরোনো এবং অব্যবহৃত অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনটি দিয়েই এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। কোনো অতিরিক্ত অ্যাপ বা জটিল কারিগরি জ্ঞান ছাড়াই কেবল ফোনের ভেতরের সেটিংস এবং একটি পাওয়ার সকেটের সাহায্যে এটিকে ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার বা রিপিটার হিসেবে ব্যবহার করা যায়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">যেভাবে কাজ করে এই ব্যবস্থা</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">সাধারণত একটি বাণিজ্যিক ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার কিনতে প্রায় ৫০ ডলারের মতো খরচ হয়। তবে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে এটি করা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সম্ভব। ফোনটি আপনার মূল ওয়াই-ফাই রাউটারের সাথে সংযুক্ত থেকে সিগন্যাল গ্রহণ করবে এবং সেটিকে নিজের তৈরি একটি পৃথক হটস্পট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে চারপাশে ছড়িয়ে দেবে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">ফলে ল্যাপটপ, ট্যাবলেট বা স্মার্ট টিভিগুলো মূল রাউটারের পরিবর্তে ওই ফোনের হটস্পটের সাথে যুক্ত হয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে। এটি মেশ নেটওয়ার্কের মতো পারফর্ম না করলেও দুর্বল সিগন্যালের এলাকায় দ্রুত সমাধান দেয়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">সহজ সেটআপ প্রক্রিয়া</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">১. প্রথমে পুরোনো ফোনটি সম্পূর্ণ চার্জ দিয়ে এবং দরকার হলে আপডেট করে আপনার ঘরের মূল ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে যুক্ত করুন।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">২. ফোনের Settings &gt; Hotspot and Tethering-এ গিয়ে Wi-Fi Hotspot অপশনটি চালু করুন।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">৩. হটস্পটের নাম পরিবর্তন করে নিজের মতো একটি নাম এবং শক্তিশালী পাসওয়ার্ড সেট করুন।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">৪. ফোনটিতে সুবিধা থাকলে ৫ গিগাহার্টজ (5GHz) ব্যান্ড বেছে নিতে পারেন, যা কাছাকাছি থাকা ডিভাইসে ভালো গতি দেবে (দূরত্বের ক্ষেত্রে ২.৪ গিগাহার্টজ বেশি কার্যকর)।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">৫. ফোনটিকে রাউটার এবং সিগন্যালহীন ‘ডেড জোনের’ ঠিক মাঝামাঝি একটি স্থানে রাখুন। সব সময় একটি পাওয়ার সকেটের সাথে প্লাগ-ইন করে রাখুন, কারণ টানা হটস্পট চললে ব্যাটারি দ্রুত ড্রেন হয়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি   </span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চ্যাটজিপিটির প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন যেভাবে বাতিল করবেন</title>
<link>https://digibanglatech.news/187983</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187983</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a8fda9a76f1c.jpg" length="321340" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 29 Aug 2026 13:55:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইভিত্তিক চ্যাটবট চ্যাটজিপিটির প্রিমিয়াম সুবিধা পেতে অনেকেই প্রতি মাসে নির্দিষ্ট ফি গুনে থাকেন। তবে নিয়মিত ব্যবহার না করা কিংবা প্রয়োজনীয় ফিচারের পরিবর্তন হওয়ায় অনেকেই এখন এই সেবা বন্ধ করতে চাচ্ছেন। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">চ্যাটজিপিটির বেশ কিছু সুবিধা এখন নিখরচায় কিংবা তুলনামূলক কম খরচের প্ল্যানে পাওয়া যায়, ফলে মাসিক অর্থ খরচ অব্যাহত রাখা অনেকের জন্যই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">এছাড়া সম্প্রতি ওপেনএআই তাদের চ্যাটজিপিটি থেকে জনপ্রিয় ‘জিপিটি-৪ও’ মডেলটি সরিয়ে নেওয়ায় অনেক ব্যবহারকারী অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এর পাশাপাশি মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সঙ্গে ওপেনএআই-এর চুক্তি সংক্রান্ত নীতিগত বিতর্কের কারণেও অনেকে এই মাধ্যম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত পুনর্মূল্যায়ন করছেন।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">সাবস্ক্রিপশন বাতিলের সঠিক পদ্ধতি</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">চ্যাটজিপিটির সাবস্ক্রিপশন বাতিল করার পদ্ধতিটি মূলত নির্ভর করে ব্যবহারকারী কোন মাধ্যমের সাহায্যে টাকা পরিশোধ করেছেন তার ওপর। সরাসরি ওয়েবসাইট থেকে কেনা অ্যাকাউন্ট বাতিলের জন্য চ্যাটজিপিটিতে লগইন করে প্রোফাইল আইকন থেকে ‘সেটিংস’ এবং এরপর ‘বিলিং’ অপশনে গিয়ে ‘ক্যান্সেল প্ল্যান’ নির্বাচন করতে হয়। পরবর্তী মাসের চার্জ এড়াতে অর্থ কাটার অন্তত ২৪ ঘণ্টা আগে এটি বাতিল করার পরামর্শ দেয় কর্তৃপক্ষ। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">অন্যদিকে আইফোন বা অ্যান্ড্রেয়েড ব্যবহারকারীরা যারা অ্যাপের মাধ্যমে সাবস্ক্রিপশন চালু করেছিলেন, তাদের আইফোনের সেটিংস কিংবা গুগল প্লে স্টোরের ‘সাবস্ক্রিপশন’ বিভাগ থেকে এটি বন্ধ করতে হবে। মনে রাখা প্রয়োজন, স্মার্টফোন থেকে চ্যাটজিপিটি অ্যাপটি মুছে ফেললেই প্রিমিয়াম সেবা বা মাসিক বিল কাটা বন্ধ হয় না।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">তথ্য সুরক্ষা ও অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলার নিয়ম</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">পেইড সাবস্ক্রিপশন বাতিল করলেও ব্যবহারকারীর মূল অ্যাকাউন্ট বা আগের চ্যাট হিস্ট্রি মুছে যায় না। ওপেনএআই যাতে নতুন কথাপোকথন তাদের এআই মডেল প্রশিক্ষণে ব্যবহার করতে না পারে, সে জন্য সেটিংসের ‘ডেটা কন্ট্রোলস’ অপশন থেকে বিশেষ ফিচার বন্ধ করে দেওয়া যায়। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">তবে কেউ যদি চ্যাটজিপিটির সব তথ্য চিরতরে মুছে ফেলতে চান, তবে তাকে আলাদাভাবে অ্যাকাউন্ট বন্ধ বা ডিলিট করার আবেদন করতে হবে। অ্যাপ স্টোর বা গুগল প্লে স্টোরের ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট ডিলিট করার আগে অবশ্যই অ্যাপ স্টোর থেকে মূল সাবস্ক্রিপশনটি বাতিল করে নিতে হবে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">অর্থ ফেরত ও ব্যবহারের সময়সীমা</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">সাবস্ক্রিপশন বাতিল করার সাথে সাথেই প্রিমিয়াম সুবিধাগুলো বন্ধ হয়ে যায় না। চলতি মেয়াদের শেষ দিন পর্যন্ত ব্যবহারকারী সব সুবিধা পাবেন এবং পরবর্তী মেয়াদ থেকে নতুন করে কোনো অর্থ কাটা হবে না। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">সাধারণ নিয়মে বাতিল করলে কোনো অর্থ ফেরত দেওয়া হয় না। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য বা তুরস্কের ব্যবহারকারীরা কেনার ১৪ দিনের মধ্যে বাতিল করলে আংশিক অর্থ ফেরতের সুবিধা পান। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">ভুলবশত কেনা সাবস্ক্রিপশনের ক্ষেত্রে ১৪ দিনের মধ্যে সরাসরি সাপোর্ট টিমের মাধ্যমে রিফান্ডের আবেদন জানানোর নিয়ম রয়েছে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি</span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তির রকমফের ও করণীয়</title>
<link>https://digibanglatech.news/187982</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187982</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a8fd8e9cdb98.jpg" length="58823" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 29 Aug 2026 09:58:20 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">স্মার্টফোনের বাজারে প্রতিনিয়ত যুক্ত হচ্ছে নতুন প্রযুক্তি, আর এর সঙ্গেই বাড়ছে দ্রুত চার্জিং বা ‘ফাস্ট চার্জিং’ সুবিধার জনপ্রিয়তা। তবে ইউএসবি পিডি, পিপিএস, সুপারভুক কিংবা হাইপারচার্জের মতো নানা খটমটে প্রযুক্তির নামের কারণে সাধারণ ব্যবহারকারীরা প্রায়ই বিভ্রান্তিতে পড়েন। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">এক সময় সাধারণ ক্যাবল দিয়ে ধীরগতিতে চার্জ হলেও এখন প্রায় প্রতিটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান নিজেদের আলাদা চার্জিং ব্যবস্থা তৈরি করেছে। তবে ডিভাইসটিতে কেবল ‘ইউএসবি টাইপ-সি’ পোর্ট দেখলেই নিশ্চিত হওয়া যায় না যে সেটি দ্রুত চার্জ হবে। দ্রুত চার্জ হওয়ার বিষয়টি মূলত ডিভাইসের ভেতরের প্রযুক্তিগত কাঠামোর ওপর নির্ভর করে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">প্রধান প্রযুক্তি ও নিজস্ব চার্জিং ব্যবস্থার ফারাক</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">বর্তমানে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ও ল্যাপটপের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সার্বজনীন মাধ্যম হলো ‘ইউএসবি পাওয়ার ডেলিভারি’ বা ইউএসবি পিডি। অ্যাপলের আইফোন, স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি কিংবা গুগলের পিক্সেল সিরিজের মতো ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইসে এই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">ইউএসবি পিডির একটি উন্নত সংস্করণ হলো ‘প্রোগ্রামেবল পাওয়ার সাপ্লাই’ বা পিপিএস। এটি চার্জ নেওয়ার সময় ফোনের ব্যাটারির চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ প্রবাহ ও ভোল্টেজ প্রতিনিয়ত পরিবর্তন করে, যা ফোনকে অতিরিক্ত গরম হওয়া থেকে রক্ষা করে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">অন্যদিকে কোয়ালকমের ‘কুইক চার্জ’, অপোর ‘সুপারভুক’ কিংবা শাওমির ‘হাইপারচার্জ’ হলো ব্র্যান্ডগুলোর নিজস্ব প্রযুক্তি। এসব ডিভাইসে সর্বোচ্চ গতিতে চার্জ পেতে সংশ্লিষ্ট ব্র্যান্ডের নির্দিষ্ট চার্জার ও ক্যাবল ব্যবহার করতে হয়। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">আবার সর্বোচ্চ ২০ ওয়াট ক্ষমতার কোনো ফোনে ১০০ ওয়াটের শক্তিশালী চার্জার যুক্ত করলেও ফোনটি তার সাধ্যের বাইরে অতিরিক্ত চার্জ গ্রহণ করবে না।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">ব্যাটারির স্থায়িত্ব ও সুরক্ষার কৌশল</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">অনেকের মনেই ধারণা রয়েছে যে ফাস্ট চার্জিং ফোনের ব্যাটারির আয়ু কমিয়ে দেয়। দ্রুত চার্জ হওয়ার সময় অতিরিক্ত তাপ উৎপন্ন হয়, যা লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">তবে আধুনিক স্মার্টফোনগুলোতে এখন স্বয়ংক্রিয় তাপমাত্রা ও শক্তি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকে। ব্যাটারি পূর্ণ হওয়ার কাছাকাছি পৌঁছালে ফোনটি নিজে থেকেই চার্জের গতি কমিয়ে আনে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">এর পাশাপাশি আইফোনের ‘অপটিমাইজড ব্যাটারি চার্জিং’ এবং স্যামসাং বা গুগলের ‘ব্যাটারি প্রোটেকশন’ ফিচারের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ সীমাবদ্ধ রেখে ব্যাটারির আয়ু বাড়ানো সম্ভব। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, বিভিন্ন ধরনের ডিভাইসের জন্য একটি স্থায়ী চার্জার কিনতে চাইলে ইউএসবি পিডি এবং পিপিএস সমর্থন করে এমন উচ্চ ওয়াটের ভালো চার্জার বেছে নেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি </span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মিররলেস বনাম ডিএসএলআর: ক্যামেরার দুনিয়ায় কোনটি সেরা?</title>
<link>https://digibanglatech.news/187268</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187268</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a8550e2c5d31.jpg" length="290922" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 22 Aug 2026 09:45:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">প্রযুক্তির বাজারে এখন ‘মিররলেস’ ক্যামেরার জয়জয়কার হলেও, পুরোনো দিনের আভিজাত্য নিয়ে টিকে থাকা ভালো মানের ডিএসএলআরের আবেদন কিন্তু এখনই শেষ হয়ে যায়নি।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">নতুনদের জন্য প্রথম ক্যামেরা কেনার অভিজ্ঞতা আগে ছিল বেশ হিসাব-নিকাশের- নির্দিষ্ট কোনো ব্র্যান্ড নির্বাচন, বাজেট নির্ধারণ আর জুম কতখানি প্রয়োজন, তা নিয়ে ভেবে সিদ্ধান্ত নিতে হতো। কিন্তু বর্তমানে ক্যামেরা কেনার আগে যে বিষয়টি তালিকার সবার ওপরে উঠে আসে তা হলো- ডিএসএলআর নাকি মিররলেস?</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">নতুন কোনো ব্যবহারকারী যদি আজ ক্যামেরা কিনতে যান, তবে তার জন্য সহজ ও এককথার উত্তর হলো- মিররলেস। গত কয়েক বছরে ক্যামেরা প্রস্তুতকারী শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সর্বাধুনিক অটোফোকাস প্রযুক্তি, ভিডিও সক্ষমতা এবং নিত্যনতুন লেন্সের সিংহভাগই এনেছে তাদের মিররলেস লাইনে। শিক্ষানবিসদের জন্য তৈরি 'এপিএস-সি' সেন্সর থেকে শুরু করে পেশাদারদের জন্য 'ফুল-ফ্রেমে'র মডেল- সব স্তরের ব্যবহারকারীর জন্যই মিররলেস এখন সবচেয়ে আকর্ষণীয় পছন্দ।</span><br><span style="font-size: 14pt;">তবে এর মানে এই নয় যে ডিএসএলআর ক্যামেরাগুলো রাতারাতি খারাপ হয়ে গেছে। মূল বিষয় হলো, ক্যামেরা শিল্প প্রযুক্তির গতিপথ এখন আর ডিএসএলআরের দিকে নেই। ডিএসএলআর (ডিজিটাল সিঙ্গেল-লেন্স রিফ্লেক্স) এবং মিররলেস- উভয়ই ডিজিটাল ক্যামেরা। তবে মূল পার্থক্য হলো, লেন্স থেকে আসা আলো কীভাবে আপনার চোখ এবং সেন্সর পর্যন্ত পৌঁছায়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">মিরর সরিয়ে নেওয়ায় বাস্তবে কী পরিবর্তন এলো?</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">একটি ডিএসএলআর ক্যামেরার ভেতরে 'মিরর' বা কাচ থাকে, যা লেন্স থেকে আসা আলোকে প্রতিফলিত করে অপটিক্যাল ভিউফাইন্ডারে পাঠায়। সাটার বাটনে চাপ দিলে সেই মিররটি ওপরে উঠে যায় এবং সেন্সর ছবিটি ধারণ করে। অন্যদিকে, মিররলেস ক্যামেরায় এই যান্ত্রিক আয়নার ব্যবস্থাটি থাকেই না। আলো সরাসরি সেন্সরে গিয়ে পড়ে এবং সেন্সর থেকে পাওয়া লাইভ ফিডটি পেছনের ডিসপ্লে বা ইলেকট্রনিক ভিউফাইন্ডারে ফুটে ওঠে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">প্রযুক্তিগত দিক থেকে এটিকে দেখতে একটি ছোট পরিবর্তন মনে হলেও, ক্যামেরা ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটি এক বিশাল বিপ্লব ঘটিয়েছে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">মিররলেস ক্যামেরায় সেন্সর সরাসরি দৃশ্যের মুখোমুখি থাকায় এতে অটোফোকাস পয়েন্ট অনেক বেশি থাকে। এটি মানুষের চোখ, পশুপাখি বা যানবাহন সহজেই শনাক্ত করতে পারে। এমনকি ছবি তোলার আগেই স্ক্রিনে ছবির আলো-আঁধারির (এক্সপোজার) নিখুঁত প্রিভিউ দেখা যায়। এতে নতুন আলোকচিত্রীদের জন্য সঠিক ছবি তোলা বেশ সহজ হয়ে ওঠে। এছাড়া এতে কোনো মেকানিক্যাল মিরর উঠা-নামার ঝামেলা না থাকায় ইলেকট্রনিক সাটারের সাহায্যে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে অনেকগুলো ছবি তোলা সম্ভব হয়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">তবে ডিএসএলআরের নিজস্ব কিছু সুবিধাও রয়েছে। এর অপটিক্যাল ভিউফাইন্ডার দেখার জন্য অতিরিক্ত কোনো ডিজিটাল স্ক্রিনের শক্তি বা ব্যাটারি খরচ করতে হয় না। ফলে ডিএসএলআর ক্যামেরার ব্যাটারি লাইফ সাধারণত মিররলেসের চেয়ে অনেক ভালো হয়। অন্যদিকে, মিররলেস ক্যামেরা আকৃতিতে ছোট ও হালকা হলেও, এর সামনে বড় সাইজের টেলিফটো লেন্স যুক্ত করলে সেই হালকা অনুভূতির ইল্যুউশন বা ভ্রম দ্রুতই কেটে যায়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">ছবির মানের বিচারে দুটি প্রযুক্তির পার্থক্য খুব স্পষ্ট নয়। ভালো সেন্সর ও উন্নত লেন্সের সংমিশ্রণে উভয় ক্যামেরা দিয়েই অসাধারণ ছবি তোলা সম্ভব। তবে অটোফোকাসের গতি, শুটিং স্পিড, উন্নত ভিডিও এবং সার্বিক ব্যবহারের স্বাচ্ছন্দ্যের কারণে ক্যানন বা নিকনের মতো বড় কোম্পানিগুলো এখন মিররলেসের দিকে ঝুঁকেছে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিএসএলআর ব্যবহারে এখনও কি যুক্তি আছে?</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">কেউ যদি একদম নতুন করে লেন্স-পরিবর্তনযোগ্য ক্যামেরা কিনতে চান, তবে সিদ্ধান্ত খুব সহজ- একটি ভালো মিররলেস ক্যামেরা বেছে নেওয়া।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">তবে যারা ইতোমধ্যেই ডিএসএলআর ব্যবহার করছেন, তাদের হিসাবটা ভিন্ন। আপনার ক্যামেরা ব্যাগে যদি প্রচুর দামি ক্যানন 'ইএফ' বা নিকন 'এফ' লেন্স এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম থাকে- তবে হুট করে পুরো সিস্টেম বদলে নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ করাটা বেশ ব্যয়বহুল ও অপ্রয়োজনীয় হতে পারে। তাছাড়া লেন্স অ্যাডাপ্টার ব্যবহার করে পুরোনো ডিএসএলআরের লেন্সগুলোকেও নতুন মিররলেস বডিতে মানিয়ে নেওয়া সম্ভব।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">তবুও সাম্প্রতিক সময়ে পেশাদার আলোকচিত্রীদের ঝোঁক স্পষ্টতই মিররলেসের দিকে। ফটো-ব্লগ ‘শর্টকিট’-এর ১,০০০ আলোকচিত্রীর ওপর চালানো এক জরিপে দেখা গেছে, জরিপে অংশ নেওয়া পেশাদারদের ৬৩ শতাংশই এখন মিররলেস ক্যামেরা ব্যবহার করছেন।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">ক্যানন ও নিকনের প্রোডাক্ট লাইনের দিকে তাকালেও বাজারের এই রূপান্তর স্পষ্ট বোঝা যায়। ২০২০ সালের পর নিকন আর কোনো নতুন ডিএসএলআর বাজারে আনেনি, বরং সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়েছে তাদের 'জেড' সিরিজের মিররলেস সিস্টেমে। ব্যতিক্রম শুধু ‘পেন্টাক্স’; তাদের অভিভাবক প্রতিষ্ঠান রিকো জানিয়েছে, তারা এসএলআর প্রযুক্তি নিয়ে কাজ চালিয়ে যাবে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে সরবরাহকৃত লেন্স-পরিবর্তনযোগ্য ক্যামেরাগুলোর প্রায় ৯০ শতাংশই ছিল মিররলেস। সার্বিকভাবে ডিএসএলআর এখনো কার্যকর, কোটি আলোকচিত্রীর পরিচিত এবং ব্যবহৃত ক্যামেরার বাজারে কম দামে পাওয়ার জন্য সেরা হতে পারে। তবে এই সময়ে এসে একদম নতুন করে কেবল ডিএসএলআর-ভিত্তিক একটি সেটআপ বা সিস্টেম তৈরি করা প্রযুক্তিগতভাবে খুব একটা অর্থবহ নয়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি    </span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পাসকি বনাম পাসওয়ার্ড: কোনটি বেশি নিরাপদ ও কার্যকর?</title>
<link>https://digibanglatech.news/187267</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187267</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a854f57c1902.jpg" length="42520" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 20 Aug 2026 19:58:34 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে যুক্ত হতে হয়তো ইতিমধ্যেই আপনাকে ‘পাসকি’ ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিনের পরিচিত পাসওয়ার্ডের নানা সীমাবদ্ধতা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকলেও, পাসকি এসেছে বেশ বড় একটি সমাধান হিসেবে। যদিও সব ওয়েবসাইটে এখনও এর সাপোর্ট চালু হয়নি।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">পুরনো ব্যবস্থার তুলনায় এটি বেশ আধুনিক হলেও, পাসকির কিছু নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও ব্যবহারবিধি বুঝে নেওয়া প্রয়োজন। এটি মাথায় রাখা কোনো তথ্যের ওপর নির্ভর করে না, বরং নির্দিষ্ট ডিভাইস বা সফটওয়্যারের সঙ্গে যুক্ত থাকে। ফলে পাসকি যেখানে সংরক্ষিত রয়েছে, সেটির একসেস যাতে কোনোভাবে না হারান- সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। আবার পাসওয়ার্ডের মতো বন্ধুর সঙ্গে এটি সহজে শেয়ার করাও সম্ভব নয়। তবে যারা এখনো অ্যাকাউন্ট সুরক্ষায় কোনো 'পাসওয়ার্ড ম্যানেজার' ব্যবহার করছেন না, সাধারণ পাসওয়ার্ড ছেড়ে তাদের জন্য পাসকিতে স্থানান্তরিত হওয়াটাই সবচেয়ে সুবিধাজনক ও নিরাপদ।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">পাসকির কার্যপদ্ধতি একবার আয়ত্তে চলে এলে এটি দৈনন্দিন লগইনের ঝক্কি অনেকটাই কমিয়ে দেবে। এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এটি আপনি কীভাবে সংরক্ষণ করছেন। স্বস্তির খবর হচ্ছে, জনপ্রিয় প্রায় সব অপারেটিং সিস্টেম ও পাসওয়ার্ড ম্যানেজারেই এখন পাসকি সংরক্ষণের সুবিধা রয়েছে। চলুন এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানা যাক।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">পাসওয়ার্ড ও পাসকির কারিগরি পার্থক্য</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">•    পাসওয়ার্ড (Password): নির্দিষ্ট একটি টেক্সট বা গোপন কোড। ওয়েবসাইটগুলো এগুলোকে এনক্রিপ্ট করে ‘হ্যাশ’ হিসেবে তাদের সার্ভারে সংরক্ষণ করে। লগইনের সময় টাইপ করা পাসওয়ার্ডটির এনক্রিপ্টেড সংকেত সার্ভারের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">•    পাসকি (Passkey): এতে কোনো টেক্সট বা কোড মনে রাখার প্রয়োজন হয় না। এটি ‘পাবলিক কি’ এবং ‘প্রাইভেট কি’- এই দুটি ক্রিপ্টোগ্রাফিক কি-র ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। পাবলিক কি-টি থাকে ওয়েবসাইট বা প্ল্যাটফর্মের সার্ভারে এবং প্রাইভেট কি-টি এনক্রিপ্ট হয়ে নিরাপদে থাকে আপনার নিজস্ব ফোন বা কম্পিউটারে। লগইনের সময় ডিভাইসের ফেস আইডি, ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা পিন কোড যাচাইয়ের মাধ্যমে এই কি সক্রিয় হয়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">পাসওয়ার্ডের যেসব সমস্যা পাসকি সমাধান করে</span><br><span style="font-size: 14pt;">•    ফিশিং প্রতিরোধ: পাসকি একটি নির্দিষ্ট ডোমেইন বা ওয়েবসাইটের সঙ্গে ডিজিটালভাবে স্থায়ীভাবে যুক্ত থাকে। ফলে আপনি ভুল করে কোনো ভুয়া বা নকল ওয়েবসাইট খুললেও সেখানে পাসকি কোনো তথ্য প্রকাশ করবে না।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">•    দুর্বল পাসওয়ার্ড ও পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি নেই: ব্যবহারকারীরা প্রায়ই সহজে মনে রাখার জন্য দুর্বল পাসওয়ার্ড তৈরি করেন বা একাধিক সাইটে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন। পাসকিতে ক্রিপ্টোগ্রাফিক কোড ব্যবহৃত হওয়ায় এটি আগে থেকেই শক্তিশালী এবং পুনরায় ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">•    ডাটা ব্রিচ থেকে সুরক্ষা: হ্যাকাররা কোনো ওয়েবসাইটের ডাটাবেজ হ্যাক করলেও কেবল প্রকাশ্য ‘পাবলিক কি’ দেখতে পাবে, যা দিয়ে অ্যাকাউন্টে লগইন করা অসম্ভব। কারণ মূল ‘প্রাইভেট কি’ নিরাপদ থাকে ব্যবহারকারীর নিজ ডিভাইসে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">•    স্বয়ংক্রিয় দ্বিগুণ নিরাপত্তা (2FA): পাসকি ব্যবহারে আপনার শারীরিক উপস্থিতি (ডিভাইস) এবং বায়োমেট্রিক/পিন যাচাই একই সঙ্গে ঘটে, যা আলাদা টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশনের প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে দেয়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">পাসকি ব্যবহারের কিছু চ্যালেঞ্জ ও করণীয়</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">•    ইকোসিস্টেমের সীমাবদ্ধতা: অ্যাপল পাসওয়ার্ড, গুগল পাসওয়ার্ড ম্যানেজার বা উইন্ডোজের নিজস্ব পাসকি সংরক্ষণ ব্যবস্থা রয়েছে। তবে আপনি যদি একাধিক ভিন্ন ব্র্যান্ডের ডিভাইস ব্যবহার করেন (যেমন: অ্যান্ড্রয়েড ফোন এবং ম্যাকবুক), তবে একটি ভালো থার্ড-পার্টি ‘পাসওয়ার্ড ম্যানেজার’ বা ফিজিক্যাল সিকিউরিটি কি (যেমন: ইউবিকী) ব্যবহার করা সবচেয়ে সুবিধাজনক।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">•    সহজে শেয়ার না হওয়া: সাধারণ পাসওয়ার্ডের মতো কাউকে মুখে বলে বা লিখে পাসকি শেয়ার করা যায় না; শেয়ার করার জন্য নির্দিষ্ট পাসওয়ার্ড ম্যানেজারের শেয়ার্ড ভল্ট প্রয়োজন হয়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">•    বর্তমান প্রাপ্যতা: এখনো সব ওয়েবসাইটে পাসকি যুক্ত হয়নি। তবে যেসব সাইটে পাসকি সমর্থন করে, সেগুলোর সিকিউরিটি সেটিংস থেকে এটি সক্রিয় করে নেওয়া নিরাপদ। আর যেসব জায়গায় এখনো পাসকি চালু হয়নি, সেখানে পাসওয়ার্ড ম্যানেজারের মাধ্যমে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করাই শ্রেয়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি</span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রিলস থেকে দীর্ঘ ভিডিও: ফ্রি এআই ভিডিও এডিটিং অ্যাপ</title>
<link>https://digibanglatech.news/187105</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187105</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a82ad7581663.jpg" length="378478" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 18 Aug 2026 09:43:19 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রিলস বা শর্টসের মতো ছোট আকারের ভিডিও তৈরিতে ‘ক্যাপকাট’ বর্তমানে অন্যতম জনপ্রিয় একটি মাধ্যম। এই অ্যাপটির বিনামূল্যে দেওয়া ফিচারের মাধ্যমেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাবটাইটেল বা ক্যাপশন যুক্ত করা, ব্যাকগ্রাউন্ড বা পেছনের দৃশ্য সরিয়ে ফেলা এবং অডিওর বাড়তি শব্দ দূর করার মতো জটিল কাজগুলো সহজে করা যায়। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">তবে ক্যাপকাটের সব এআই ফিচার বিনামূল্যে না-ও মিলতে পারে। অন্যদিকে, কোনো ধারণকৃত ভিডিও ছাড়া কেবল লিখিত চিত্রনাট্য থেকে সরাসরি ভিডিও রূপান্তরের জন্য উপযোগী ‘ইনভিডিও এআই’। কোনো বিষয় বা টেক্সট লিখে দিলে অ্যাপটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দৃশ্য, ভয়েসওভার ও সাবটাইটেল সাজিয়ে প্রাথমিক ভিডিও বানিয়ে দেয়। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">তবে বিনামূল্যে ব্যবহারের ক্ষেত্রে এতে সীমিত ব্যবহারের সুযোগ এবং এক্সপোর্ট করা ভিডিওর ওপর ওয়াটারমার্ক বা জলছাপ থেকে যাওয়ার সীমাবদ্ধতা রয়েছে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">ইউটিউবারদের জন্য বিশেষ ফিচার</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">ইউটিউব কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য অত্যন্ত কার্যকর একটি বিকল্প হলো ‘ইউটিউব ক্রিয়েট’ মোবাইল অ্যাপ। বিশেষ করে মোবাইল ফোনে ভিডিও রেকর্ড করা ক্রিয়েটরদের জন্য এর অডিও নিখুঁত করার প্রযুক্তি এবং গানের তালের সঙ্গে ভিডিও মেলানোর সুবিধা বেশ দরকারী। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">এতে গুগলের জেমিনি চালিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সাহায্যে সাধারণ নির্দেশ বা প্রম্পট দিয়েই ছোট ভিডিও ক্লিপ তৈরি কিংবা পছন্দমতো ছবি ও ভিডিও দিয়ে প্রাথমিক সম্পাদনার কাজ সেরে ফেলা সম্ভব। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, সম্পাদনা শেষে অ্যাপের ভেতর থেকেই সরাসরি ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও প্রকাশ করা যায়। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">পেশাদার ও দীর্ঘ কাজের প্ল্যাটফর্ম</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">সামাজিক মাধ্যমের ঝটপট ভিডিওর বাইরে দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল প্রজেক্টের জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হলো ‘দ্যাভিঞ্চি রিজলভ’। কম্পিউটারে ব্যবহারের উপযোগী এই সফটওয়্যারে কালার কারেকশন, সাউন্ড এডিটিং ও নানা ভিজ্যুয়াল ইফেক্টের সমন্বয়ে পুরো একটি দীর্ঘ চলচ্চিত্র, নাটক বা ডকুমেন্টারি সম্পাদনা করা সম্ভব। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">তবে সাধারণ মোবাইল অ্যাপগুলোর তুলনায় এর ইন্টারফেস কিছুটা জটিল হওয়ায় কাজ শিখতে সময় বেশি লাগে। এ ছাড়া দ্যাভিঞ্চি রিজলভের অতি উন্নত মানের এআই ফিচারগুলোর বড় একটি অংশ পেতে মূল পেইড বা ‘স্টুডিও’ সংস্করণ ব্যবহার করতে হয়। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">ফলে একজন নির্মাতা ঠিক কী ধরনের কাজ করছেন এবং অ্যাপগুলোর ফ্রি সংস্করণে কতটুকু সুযোগ দেওয়া হচ্ছে- সেটি বিবেচনা করেই চূড়ান্ত মাধ্যম বেছে নেওয়া উচিত।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি</span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ই&#45;সিম নাকি ফিজিক্যাল সিম: কোনটি আপনার জন্য উপযুক্ত?</title>
<link>https://digibanglatech.news/185796</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185796</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a703d3e8e61d.jpg" length="110283" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 08 Aug 2026 10:00:44 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">কয়েক দশক ধরে মোবাইল ফোনে নেটওয়ার্ক সংযোগ মানেই ছিল প্লাস্টিকের তৈরি ছোট্ট একটি চিপ বা 'সাবস্ক্রাইবার আইডেনটিটি মডিউল' (সিম)। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই সিম কার্ডের আকার ছোট হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় প্লাস্টিকের অংশ বাদ দিয়ে টেলিকম প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবহারকারীদের হাতে তুলে দিয়েছে ন্যানো সিম। তবে প্রযুক্তির এই যাত্রায় সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটি এসেছে 'ই-সিম' বা এমবেডেড সিমের হাত ধরে। এখন আর ফোনে আলাদা করে কার্ড ঢোকাতে হয় না, ফোনেই সেটি স্থায়ীভাবে যুক্ত থাকে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ই-সিমের ব্যবহার এখন বেশ পরিচিত। গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংকের মতো দেশের শীর্ষ টেলিকম অপারেটরগুলো এরই মধ্যে গ্রাহকদের জন্য ই-সিম সুবিধা নিয়ে এসেছে। স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের মধ্যে তাই এখন একটি সাধারণ প্রশ্ন দেখা যায়—ই-সিম নাকি ফিজিক্যাল (সাধারণ) সিম, কোনটি বেছে নেওয়া উচিত?</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">ই-সিম এবং এর সুবিধা</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">ই-সিম হলো এমন একটি ডিজিটাল সিম, যা আপনার স্মার্টফোন বা পরিধানযোগ্য স্মার্ট যন্ত্রের (যেমন স্মার্টওয়াচ) ভেতরে ডিজিটালি সংযুক্ত করতে হয়। এর জন্য আলাদা করে কোনো সিম কার্ড ফোনে ঢোকাতে হয় না। মোবাইল অপারেটররা তারবিহীন প্রযুক্তির মাধ্যমে দূর থেকেই আপনার ফোনে নেটওয়ার্ক সংযোগ বা প্ল্যান চালু করে দেয়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এটি ফোনের ভেতরে বেশ কিছুটা জায়গা বাঁচায়। স্মার্টফোন নির্মাতারা সিম ট্রের জায়গাটি অন্য কোনো অত্যাধুনিক যন্ত্রাংশ বসানোর কাজে লাগাতে পারেন। এ ছাড়া ই-সিম নিরাপত্তার দিক দিয়ে বেশ কার্যকর। ফোন হারিয়ে গেলে বা চুরি হয়ে গেলে কেউ সহজে আপনার ই-সিম খুলে ফেলে নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">যারা নিয়মিত দেশ-বিদেশে ভ্রমণ করেন, তাঁদের জন্য এটি দারুণ কাজের। কারণ, একটি ফোনে একাধিক ই-সিম প্রোফাইল সংরক্ষণ করে রাখা যায় এবং প্রয়োজনমতো নেটওয়ার্ক পরিবর্তন করা যায়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">ফিজিক্যাল সিম ও এর সুবিধা</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">ফিজিক্যাল বা সাধারণ সিম হলো সেই পুরোনো প্রযুক্তি, যা আমরা বছরের পর বছর ধরে ব্যবহার করে আসছি। মিনি, মাইক্রো বা ন্যানো- যেকোনো আকারেই হোক না কেন, এর কাজের ধরন একই। সিম ট্রেতে সিমটি বসিয়ে দিলেই কাজ শুরু।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">পুরোনো হলেও এই প্রযুক্তির কদর এখনো কমেনি। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো ব্যবহারের সহজ পদ্ধতি। ধরুন, আপনার ফোনটি হঠাৎ নষ্ট হয়ে গেল। আপনি খুব সহজেই নষ্ট ফোন থেকে সিমটি খুলে নতুন একটি ফোনে লাগিয়ে নিতে পারবেন। এর জন্য আলাদা করে অপারেটরের কাছে যাওয়ার বা নতুন করে সিম সক্রিয় করার কোনো ঝামেলা নেই। যারা নিয়মিত ফোন বদল করেন, তাঁদের জন্য এই সুবিধাটি ছেড়ে দেওয়া বেশ কঠিন।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">এ ছাড়া সামঞ্জস্যের দিক থেকেও ফিজিক্যাল সিম এগিয়ে। সব ধরনের ফোনে ই-সিম সমর্থন করে না। সাশ্রয়ী দামের ফিচার ফোন থেকে শুরু করে পুরোনো মডেলের স্মার্টফোনগুলোতেও সাধারণ ন্যানো সিম অনায়াসে ব্যবহার করা যায়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">কোনটি বেছে নেবেন?</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">বাংলাদেশের বাজারে এখন ই-সিম সমর্থিত স্মার্টফোনের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। আপনার ফোনে যদি ই-সিম ব্যবহারের সুযোগ থাকে, তবে এটি হতে পারে একটি আধুনিক ও নিরাপদ বিকল্প। চুরি যাওয়া ফোন সুরক্ষার ক্ষেত্রে এটি বাড়তি সুবিধা দেয়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">অন্যদিকে, সাধারণ সিমের নির্ভরতা এখনো অনেক বেশি। বিশেষ করে ফোন নষ্ট হলে বা দ্রুত অন্য ফোনে সিম স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ফিজিক্যাল সিমের কোনো বিকল্প নেই।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">পরিশেষে বলা যায়, এই বিতর্কে নির্দিষ্ট কোনো জয়ী নেই। আপনার ব্যবহারের ধরন, ফোনের মডেল এবং ব্যক্তিগত সুবিধার ওপর ভিত্তি করেই আপনাকে সঠিক সিদ্ধান্তটি নিতে হবে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি</span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>খেলার মাঠ নাকি স্মৃতির ফ্রেম, স্মার্টফোন কেনার আগে যে দ্বিধা</title>
<link>https://digibanglatech.news/185830</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185830</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a7061ae06a09.jpg" length="102573" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 07 Aug 2026 19:59:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">স্মার্টফোন কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় ক্রেতাদের মনে সবচেয়ে বড় যে প্রশ্নটি ঘুরপাক খায়, তা হলো ডিভাইসটি কি মূলত খেলার জন্য নেওয়া উচিত নাকি চমৎকার সব ছবি তোলার উদ্দেশ্যে। প্রযুক্তির এই যুগে প্রতিটি মুঠোফোন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্যে নানা বিশেষত্ব যোগ করছে, যার ফলে নির্দিষ্ট কোনো একটির ওপর ভরসা করা বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে যখন পকেটের বাজেট নির্দিষ্ট থাকে, তখন সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াটা আরও বেশি জরুরি হয়ে পড়ে। কারণ একটি নির্দিষ্ট দামে সব আধুনিক সুবিধা পাওয়া সবসময় সম্ভব হয় না, তাই নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো একটির দিকে ঝোঁক বাড়াতে হয়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">প্রসেসর ও পারফরম্যান্সের প্রাধান্য</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">যাঁরা মুঠোফোনে ভারী খেলাধুলা করতে ভালোবাসেন কিংবা একটানা দীর্ঘক্ষণ নানা ধরনের গ্রাফিক্স নির্ভর কাজ পরিচালনা করেন, তাঁদের প্রধান লক্ষ্য থাকে একটি শক্তিশালী প্রসেসর ও পর্যাপ্ত র‍্যামযুক্ত ডিভাইস। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">গেমিং ফোনের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর ভেতরের শক্তিশালী চিপসেট, যা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন খেলাগুলো কোনো ধরনের আটকে যাওয়া ছাড়াই সাবলীলভাবে চালাতে সক্ষম। এছাড়া দীর্ঘক্ষণ খেলাধুলার সময় ফোন যেন অতিরিক্ত গরম হয়ে না যায়, সেজন্য এতে থাকে উন্নত মানের শীতলীকরণ ব্যবস্থা বা কুলিং সিস্টেম। যাঁদের মূল ঝোঁক বিনোদন ও দ্রুতগতির কার্যক্ষমতার দিকে, তাঁদের জন্য এই ধরনের ডিভাইস বেশি মানানসই।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">লেন্স ও সেন্সরের জাদুকরি দুনিয়া</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">অন্যদিকে যাঁদের নেশা ছবি তোলা, মুহূর্তগুলোকে ফ্রেমে বন্দী করা কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুন্দর সুন্দর দৃশ্য শেয়ার করা, তাঁদের নজর থাকে মূলত ক্যামেরা সংস্করণের ওপর। ক্যামেরা ফোনগুলোতে বড় সেন্সর, উন্নত মানের লেন্স এবং ছবি তোলার সময় হাতের কাঁপুনি রোধ করার বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এর ফলে কম আলোতেও অত্যন্ত পরিষ্কার ও উজ্জ্বল ছবি পাওয়া সম্ভব হয়। রঙের সঠিক ভারসাম্য এবং পটভূমি ঝাপসা করে নিখুঁত প্রতিকৃতি ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে এই ডিভাইসগুলো অসাধারণ মুন্সিয়ানা দেখায়। যারা নান্দনিক সৃষ্টির প্রতি বেশি অনুরাগী, তাঁদের প্রথম পছন্দ হওয়া উচিত এই ক্যামেরা কেন্দ্রিক মুঠোফোন।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">বাজেটের সীমাবদ্ধতা ও বুদ্ধিমত্তার আপস</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">একটি নির্দিষ্ট বাজেটের মধ্যে পছন্দের ফোনটি কিনতে গেলে কিছু বিষয়ে ছাড় দিতেই হয়, কারণ একই সঙ্গে সর্বোচ্চমানের গেমিং ক্ষমতা এবং পেশাদার ক্যামেরার সুবিধা কম দামে পাওয়া প্রায় অসম্ভব। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">আপনি যদি গেমিং ফোন কেনেন, তবে হয়তো ক্যামেরার মান কিছুটা সাধারণ মানের হতে পারে; আবার ক্যামেরা ফোন বেছে নিলে হয়তো ভারী গেম খেলার সময় কিছুটা ধীরগতির সমস্যা দেখা দিতে পারে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">তাই বাজেট ঠিক করার আগে নিজের জীবনের প্রধান ব্যবহার কোনটি, তা নির্ধারণ করা অত্যন্ত বুদ্ধিমানের কাজ। দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি আপনার কোন বিষয়টি বেশি আনন্দ দেয়, তার ওপর ভিত্তি করে সঠিক ভারসাম্য খুঁজে নিতে হবে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সঠিক উপায়</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">সবশেষে নিজের প্রতিদিনের রুটিন এবং অভ্যাসের কথা চিন্তা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। আপনি যদি সারাদিন কাজের ফাঁকে বা অবসরে নানা ধরনের গেম খেলে সময় কাটাতে পছন্দ করেন, তবে চোখ বন্ধ করে পারফরম্যান্স বা গেমিং উপযোগী ফোনটি বেছে নিন। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">আর যদি আপনার জীবনযাত্রা হয় ভ্রমণপ্রিয় কিংবা আপনি যদি প্রতিটি সুন্দর মুহূর্ত ক্যামেরায় ধারণ করতে ভালোবাসেন, তবে ক্যামেরা ফোনই হবে আপনার সবচেয়ে ভালো সঙ্গী। নিজের আসল প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিয়ে সঠিক গ্যাজেটটি বেছে নিলে তবেই কষ্টের অর্জিত অর্থের সঠিক মূল্যায়ন হবে এবং দীর্ঘস্থায়ী সন্তুষ্টি পাওয়া যাবে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি</span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্মার্টফোনের ক্যামেরায় এআই আসলে কীভাবে কাজ করে?</title>
<link>https://digibanglatech.news/185820</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185820</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a704b83e07c1.jpg" length="122566" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 06 Aug 2026 16:54:33 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">একসময় মুঠোফোনে ছবি তোলার বিষয়টি কেবল মেগাপিক্সেলের সংখ্যার ওপর নির্ভর করত। যত বেশি মেগাপিক্সেল, ছবি তত ভালো হবে- এমন ধারণাই ছিল সবার মনে। কিন্তু সময়ের পালাবদলে সেই ধারণায় এসেছে বিরাট পরিবর্তন। এখন ক্যামেরার লেন্সে মেগাপিক্সেলের চেয়েও বড় ভূমিকা পালন করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। পকেটে থাকা ছোট্ট মুঠোফোনটি দিয়ে এখন যেমন অন্ধকার রাতেও পরিষ্কার ছবি তোলা যায়, তেমনি চোখের পলকে পটভূমি ঝাপসা করে পেশাদার ক্যামেরার অনুকরণে প্রতিকৃতি ফুটিয়ে তোলা সম্ভব হয়। প্রযুক্তির এই অসম্ভবকে সম্ভব করার পেছনে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে বিশেষ কিছু বুদ্ধিমান সফটওয়্যার বা অ্যালগরিদম।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">ছবির দৃশ্য চেনার মুনিয়ানা</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">মুঠোফোনের ক্যামেরা যখন কোনো দৃশ্যের দিকে তাক করা হয়, তখন ভেতরে থাকা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চোখের পলকে বুঝে নেয় সামনে কী রয়েছে। এটি কি কোনো সবুজ মাঠ, সূর্যোদয়ের সোনালী বেলা, খাবার টেবিল নাকি কোনো মানুষের মুখ- তা সেকেন্ডের ভগ্নাংশে শনাক্ত করতে পারে এই প্রযুক্তি। দৃশ্য বা পরিপার্শ্ব বুঝে ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার রং, আলো ও বৈপরীত্য বদলে নেয়। ফলে ব্যবহারকারীকে আলাদা করে কোনো সেটিংস নিয়ে ভাবতে হয় না, ক্যামেরা নিজেই বুদ্ধিমত্তার জোরে নিখুঁত সেটিংসে ছবিটি ধারণ করে ফেলে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">আলোর খেলায় নিখুঁত ভারসাম্য</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">কম আলোতে বা রাতের বেলা ছবি তোলার ক্ষেত্রে ঐতিহ্যবাহী ক্যামেরাগুলো একসময় মারাত্মক হিমশিম খেত। কিন্তু বর্তমানের এআই চালিত ক্যামেরাগুলো এই সংকটের দারুণ এক সমাধান নিয়ে এসেছে। শাটার খোলার পর ক্যামেরাটি একসঙ্গে বেশ কয়েকটি ভিন্ন আলোর প্রকাশ বা এক্সপোজারের ছবি তোলে। এরপর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ছবিগুলোর ভালো অংশগুলো জোড়া লাগিয়ে একটি স্পষ্ট ও উজ্জ্বল ছবি তৈরি করে। এই প্রক্রিয়ায় ছবির অন্ধকারের গোলমেলে অংশগুলো থেকে শব্দ বা গ্রেইন দূর করে রঙকে স্বাভাবিক রূপ দিতে জাদুকরী ভূমিকা পালন করে এআই।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">প্রতিকৃতির সৌন্দর্য ও গভীরতা</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">স্মার্টফোনে পোর্ট্রেট মোড বা মানুষকেন্দ্রিক ছবি তোলার প্রচলন এখন ভীষণ জনপ্রিয়। এর পেছনের মূল জাদুকর হলো এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। লেন্স যখন কোনো মানুষের ছবি তোলে, তখন এআই মুহূর্তের মধ্যে মানবদেহ এবং পেছনের পটভূমির মধ্যে তফাত বুঝতে পারে। মানুষটিকে স্পষ্ট রেখে পেছনের অংশটুকু চমৎকারভাবে ঝাপসা বা বোকেহ ইফেক্ট তৈরি করে দেয়। এমনকি চুলের শেষ প্রান্ত বা পোশাকের কিনারা নিখুঁতভাবে আলাদা করার কাজটিও এআই অত্যন্ত সুনিপুণভাবে সম্পন্ন করে, যা দেখতে একদম পেশাদার ক্যামেরার মতো মনে হয়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">ত্রুটি সংশোধন ও জাদুকরী পরিবর্তন</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">ছবি তোলার পর অনেক সময় দেখা যায় ফ্রেমে কোনো অনভিপ্রেত বস্তু বা ব্যক্তি চলে এসেছে অথবা ছবির কোনো অংশ সামান্য কেঁপে গেছে। আধুনিক স্মার্টফোনের এআই ফিচারগুলোর সাহায্যে খুব সহজেই এই সমস্যাগুলোর সমাধান করা সম্ভব। কোনো অপ্রয়োজনীয় বস্তু মুছে ফেলতে চাইলে এআই নিজ দায়িত্বে সেই ফাঁকা জায়গাটি আশেপাশের প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে মিলিয়ে পূরণ করে দেয়। এছাড়া ঝাপসা হয়ে যাওয়া ছবিকে শার্প বা স্পষ্ট করে তোলার কাজেও এই প্রযুক্তি দারুণ মুন্সিয়ানা দেখায়। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">সব মিলিয়ে প্রযুক্তির ছোঁয়ায় হাতের মুঠোয় থাকা ক্যামেরাটি এখন কেবল ছবি তোলে না, বরং ছবিকে নিখুঁত ও জীবন্ত করে তুলতে বিশ্বস্ত সহকারীর ভূমিকা পালন করে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি</span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দৈনন্দিন কাজের গতি বাড়াতে ৫টি ফ্রি এআই টুল</title>
<link>https://digibanglatech.news/185807</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185807</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a7046e589e10.jpg" length="131184" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 05 Aug 2026 16:54:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">প্রযুক্তির ছোঁয়া আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে যেমন সহজ করে তুলেছে, তেমনি কাজের গতি বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। আধুনিকতার এই যুগে প্রতিদিনের কাজের চাপ সামলাতে এবং সময় বাঁচাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির জুড়ি মেলা ভার। নানা কাজে পেশাদার থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ এখন এই ডিজিটাল সহকারীদের ওপর নির্ভর করছেন। একটু সচেতন হয়ে সঠিক টুলটি বেছে নিতে পারলে এক নিমিষেই অনেক জটিল কাজ সহজ করে ফেলা সম্ভব। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">দৈনন্দিন কাজের গতি ও দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করবে এমন পাঁচটি দারুণ এবং বিনামূল্যে ব্যবহারযোগ্য এআই টুল নিয়ে এই আয়োজন।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">চ্যাটজিপিটি</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">দৈনন্দিন নানা ধরনের লেখালেখি, ইমেইল তৈরি, কোনো কঠিন বিষয় সহজে বুঝে নেওয়া কিংবা নতুন কোনো আইডিয়া বা পরিকল্পনা সাজানোর ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি অত্যন্ত কার্যকরী একটি মাধ্যম। প্রতিদিনের কাজের বিশাল চাপ যখন মানসিকভাবে ক্লান্ত করে তোলে, তখন এই ভার্চুয়াল সহকারী মুহূর্তের মধ্যে নানা তথ্যের জোগান দিয়ে কাজের চাপ কমিয়ে দেয়। প্রাত্যহিক জীবনের ছোটখাটো গোছগাছ থেকে শুরু করে বড় কোনো কাজের রূপরেখা তৈরি করতে এটি চমৎকারভাবে সাহায্য করে থাকে। এর ব্যবহারে কাজের দীর্ঘসূত্রিতা কমে আসে এবং খুব দ্রুত নিখুঁত ফলাফল পাওয়া যায়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">নোশন</span><br><span style="font-size: 14pt;">প্রতিদিনের রুটিন তৈরি, কাজের তালিকা সাজানো এবং বিভিন্ন তথ্য বা নোট সুশৃঙ্খলভাবে এক জায়গায় গুছিয়ে রাখার জন্য নোশন এক অনন্য নাম। কাজের বিশৃঙ্খলা দূর করে প্রতিটি কাজ সময়মতো সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে এই টুলটি দারুণ ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন প্রকল্পের হিসাব-নিকাশ, ব্যক্তিগত লক্ষ্য নির্ধারণ কিংবা পড়াশোনার রুটিন- সবকিছুই এতে খুব সুন্দরভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব। এর মাধ্যমে নিজের প্রতিদিনের কাজের একটি স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া যায়, যা কাজের গতি বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">গ্রামারলি</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">পেশাগত কিংবা দাপ্তরিক কাজে যোগাযোগের ক্ষেত্রে লেখার মান ও শুদ্ধতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কোনো ধরনের ভুলত্রুটি ছাড়া দ্রুত বার্তা বা ইমেইল পাঠানোর ক্ষেত্রে গ্রামারলি এক বিশ্বস্ত সহায়ক হিসেবে কাজ করে। লেখার সময় বানান ও ব্যাকরণগত ভুলগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে ধরে ফেলে এটি তাৎক্ষণিক সংশোধনের পথ দেখিয়ে দেয়। ফলে বারবার লেখার মান যাচাই করার ঝামেলা কমে যায় এবং অল্প সময়েই নিখুঁত ও পেশাদার মানের লেখা প্রস্তুত করা সম্ভব হয়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">অটার</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">জরুরি কোনো সভা, অনলাইন বৈঠক বা ক্লাসের লম্বা আলোচনা একবারে মনে রাখা কিংবা লিখে ফেলা অনেক সময় বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়। এই সমস্যার খুব সুন্দর সমাধান নিয়ে এসেছে অটার নামের টুলটি, যা যেকোনো কথোপকথন বা অডিও রেকর্ড শুনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার লিখিত রূপ তৈরি করে দেয়। কাজের মাঝে দীর্ঘ নোট নেওয়ার ক্লান্তি দূর করে এটি খুব সহজেই পুরো আলোচনার মূল সারাংশ সামনে এনে দেয়। ফলে গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য বাদ পড়ার আশঙ্কা থাকে না এবং পরবর্তীতে সহজেই সেই তথ্যগুলো কাজে লাগানো যায়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">গামা</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">অল্প সময়ের মধ্যে আকর্ষণীয় প্রেজেন্টেশন তৈরি করার ক্ষেত্রে গামা টুলটির জুড়ি মেলা ভার। পেশাগত প্রয়োজন কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক কাজের জন্য সুন্দর নকশা বা স্লাইড তৈরির পেছনে বহু মূল্যবান সময় ব্যয় করতে হয়। এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত টুলটি কেবল কিছু নির্দেশনার ওপর ভিত্তি করে মুহূর্তের মধ্যে চমৎকার সব প্রেজেন্টেশন তৈরি করে দিতে পারে। এর ফলে নকশা নিয়ে দীর্ঘ সময় ভাবতে হয় না এবং খুব দ্রুত পেশাদার মানের কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি</span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>তথ্য না হারিয়ে চ্যাটজিপিটি থেকে ক্লডে সুইচ করার উপায়</title>
<link>https://digibanglatech.news/185444</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185444</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a6af8e073733.jpg" length="186607" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 01 Aug 2026 13:50:40 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span style="font-size: 14pt;">বর্তমান চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীদের একটি বড় অংশ প্রোগামিং বা কোডিংয়ে উন্নত দক্ষতার কারণে বিকল্প হিসেবে অ্যানথ্রোপিকের এআই চ্যাটবট ‘ক্লড’-এর দিকে ঝুঁকছেন। তবে দীর্ঘদিনের জমানো তথ্য বা ব্যক্তিগত পছন্দ হারানোর ভয়ে অনেকে চ্যাটবট পরিবর্তন করতে দ্বিধায় পড়েন। ব্যবহারকারীদের এই অসুবিধা দূর করতে সম্প্রতি 'ইমপোর্ট মেমোরি' নামের একটি বিশেষ ফিচার চালু করেছে অ্যানথ্রোপিক, যার মাধ্যমে চ্যাটজিপিটির সমস্ত পুরোনো তথ্য বা মেমোরি খুব সহজেই ক্লডে স্থানান্তর করা সম্ভব।</span></p>
<p><strong><span style="font-size: 14pt;">মেমোরি স্থানান্তরের সহজ ধাপসমূহ</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">ওয়েব কিংবা ডেস্কটপ অ্যাপ, উভয় মাধ্যমেই অত্যন্ত সাধারণ কিছু ধাপ অনুসরণ করে মেমোরি বা ব্যক্তিগত তথ্য স্থানান্তর করা যায়।</span></p>
<p><span style="font-size: 14pt;">প্রথমেই ক্লড অ্যাপের প্রোফাইল পিকচার থেকে সেটিংসের ভেতরে থাকা 'মেমোরি' (অথবা হালনাগাদ ইন্টারফেসে 'ক্যাপাবিলিটিজ') অপশনে গিয়ে মেমোরি তৈরির ফিচারটি চালু করতে হবে। সেখানে থাকা 'ইমপোর্ট মেমোরি' অপশনে ক্লিক করলে একটি বিশেষ প্রম্পট বা নির্দেশিকা প্রদর্শিত হবে, যা কপি করে নিতে হবে।</span></p>
<p><span style="font-size: 14pt;">পরবর্তী ধাপে চ্যাটজিপিটিতে প্রবেশ করে এর পার্সোনালাইজেশন সেটিংসে 'মেমোরি' অপশনটি চালু রাখা নিশ্চিত করতে হবে। এরপর একটি নতুন চ্যাট উইন্ডো খুলে ক্লড থেকে কপি করা সেই বিশেষ প্রম্পটটি পেস্ট করে রান করতে হবে। এতে চ্যাটজিপিটি তার সংগৃহীত সমস্ত মেমোরি বা তথ্যের একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ তৈরি করে দেবে। সেই বিবরণীটি পুরোটা কপি করে পুনরায় ক্লোডের ইমপোর্ট বক্সে পেস্ট করে অ্যাকাউন্টে যুক্ত করে নিলেই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়ে যাবে।</span></p>
<p><strong><span style="font-size: 14pt;">গুগল জেমিনি থেকেও তথ্য স্থানান্তরের সুযোগ</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">মেমোরি স্থানান্তরের এই সুবিধা কেবল চ্যাটজিপিটিতেই সীমাবদ্ধ নয়। একইভাবে গুগল জেমিনি ব্যবহারকারীরাও তাদের পার্সোনাল ইন্টেলিজেন্স সেটিংস থেকে মেমোরি অপশন চালু করে এই নির্দেশনার মাধ্যমে নিজেদের সমস্ত পছন্দ ও তথ্য ক্লোডে রূপান্তর করতে পারবেন।</span></p>
<p><span style="font-size: 14pt;">অ্যানথ্রোপিক জানিয়েছে, নতুন মেমোরি অ্যাকাউন্টে পুরোপুরি সক্রিয় হতে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। স্থানান্তর প্রক্রিয়া শেষ হলে ব্যবহারকারীরা অ্যাপের মেমোরি সেটিংস থেকে ক্লড কতটুকু তথ্য মনে রাখতে পেরেছে তা যাচাই করে নিতে পারবেন।</span></p>
<p><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি    </span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নিয়মিত ফোন রিস্টার্ট দেওয়ার সুবিধা ও প্রচলিত ভুল ধারণা</title>
<link>https://digibanglatech.news/185433</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185433</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a6af55c44ed8.jpg" length="240427" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 01 Aug 2026 09:55:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span style="font-size: 14pt;">স্মার্টফোন দীর্ঘদিন ধরে চালু রাখলে তা ধীরগতির হয়ে যায় কিংবা নিয়মিত রিস্টার্ট দেওয়া জরুরি, এমন অনেক ধারণাই প্রচলিত রয়েছে বাজারে। তবে আধুনিক প্রযুক্তির অপারেটিং সিস্টেমগুলোর কারণে প্রতিদিন বা নির্দিষ্ট সময় মেনে ফোন বন্ধ ও চালু করার খুব বেশি প্রয়োজন পড়ে না। যদিও নিয়মিত রিস্টার্ট দেওয়ার পেছনে পারফরম্যান্স বৃদ্ধি ও নিরাপত্তার মতো কিছু উল্লেখযোগ্য সুফল রয়েই গেছে।</span></p>
<p><strong><span style="font-size: 14pt;">পারফরম্যান্স ও ক্যাশ ক্লিয়ার করার সুবিধা</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস উভয় অপারেটিং সিস্টেমেই একাধারে কয়েক সপ্তাহ ফোন চালু রাখা সম্ভব। অ্যাপ দ্রুত চালু করার স্বার্থে স্মার্টফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে অস্থায়ী ফাইল বা 'ক্যাশ' মেমোরিতে জমিয়ে রাখে। তবে দীর্ঘদিন ব্যবহারের পর মেমোরি ব্যবস্থাপনায় জটিলতা দেখা দিলে অ্যাপ ক্র্যাশ করা বা ব্যাটারি বেশি খরচের মতো সমস্যা দেখা দেয়। ফোন রিস্টার্ট দিলে ফোনের র‍্যাম থেকে অপ্রয়োজনীয় অস্থায়ী ডাটা মুছে যায় এবং ফোনটি নতুন উদ্যমে কাজ করা শুরু করে। আইফোনের তুলনায় অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে এই সুবিধা কিছুটা বেশি বোঝা যায়।</span></p>
<p><strong><span style="font-size: 14pt;">সাইবার নিরাপত্তা ও 'বিএফইউ' অবস্থা</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">অনেকে মনে করেন ফোন রিস্টার্ট দিলে সাইবার আক্রমণ থেকে শতভাগ মুক্ত থাকা যায়। মূলত স্পিয়ার ফিশিং বা জিরো-ক্লিক ম্যালওয়্যারের মতো উচ্চমাত্রার সাইবার হামলাগুলো সাময়িকভাবে ব্যর্থ হতে পারে, কারণ ফোন বন্ধ হলে মেমোরিতে থাকা ক্ষতিকর কোড মুছে যায়। তবে আক্রমণকারীরা বারবার একই চেষ্টা চালিয়ে যেতে পারে।</span></p>
<p><span style="font-size: 14pt;">তবে ফোন রিস্টার্টের মূল নিরাপত্তা সুবিধা হলো 'বিফোর ফার্স্ট আনলক' বা বিএফইউ ব্যবস্থা। একটি ফোন বন্ধ করে চালুর পর পাসকোড বা পিন দিয়ে প্রথমবার আনলক করার আগ পর্যন্ত ফোনটির ফাইল সম্পূর্ণ এনক্রিপ্টটেড থাকে। ফলে কোনো কারণে ফোন চুরি হলে বা হাতছাড়া হলে সেই অবস্থায় ডিভাইসটির অভ্যন্তরীণ তথ্য হ্যাক করা বা চুরি করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে।</span></p>
<p><strong><span style="font-size: 14pt;">কতদিন পর পর রিস্টার্ট দেবেন?</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">ব্যবহারকারীরা যদি কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনে ফোন রিস্টার্ট দিতে চান, তবে সপ্তাহে অন্তত একবার রিস্টার্ট দেওয়াই যথেষ্ট। স্যামসাংয়ের মতো কিছু ব্র্যান্ডের ফোনে সুবিধাজনক সময়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিস্টার্ট হওয়ার বিল্ট-ইন ফিচার থাকে। অন্যদিকে গুগল পিক্সেল বা আইফোন দীর্ঘ ৭২ ঘণ্টা অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকলে সুরক্ষার স্বার্থে নিজেই রিস্টার্ট নেয়।</span></p>
<p><span style="font-size: 14pt;">মোবাইল ধীরগতির মনে হলে বা নেটওয়ার্ক সংযোগে কোনো ছোটখাটো যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে ম্যানুয়ালি রিস্টার্ট দেওয়াই হলো সবচেয়ে সহজ সমাধান। এছাড়া সাধারণ ব্যবহারের জন্য প্রতিদিন নিয়ম করে ফোন রিস্টার্ট দেওয়ার আলাদা কোনো আবশ্যকতা নেই।</span></p>
<p><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি</span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইউএসবি পোর্ট পরিষ্কারের সঠিক উপায়</title>
<link>https://digibanglatech.news/185332</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185332</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a699fce1c980.jpg" length="281279" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 30 Jul 2026 09:38:20 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">নিয়মিত ব্যবহারের ফলে ল্যাপটপ বা মোবাইলের ইউএসবি চার্জিং পোর্টে ধুলোবালি ও ময়লা জমে যাওয়া স্বাভাবিক। পোর্টে ময়লা জমলে ডিভাইস ঠিকমতো চার্জ হয় না কিংবা কানেকশনে বারবার সমস্যা দেখা দেয়। তবে না জেনে ভুল পদ্ধতিতে পোর্ট পরিষ্কার করতে গেলে স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে। কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে নিরাপদে পোর্টের ময়লা পরিষ্কার করা সম্ভব।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">যেভাবে নিরাপদ পদ্ধতিতে পরিষ্কার করবেন</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">যেকোনো পেরিফেরাল বা ইউএসবি পোর্ট পরিষ্কার করার আগে ডিভাইসটি পুরোপুরি বন্ধ বা 'পাওয়ার অফ' করে নিতে হবে। কম্পিউটার বা ডেস্কটপ হলে প্লাগ খুলে নেওয়া জরুরি।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">পোর্ট পরিষ্কারের জন্য প্লাস্টিক বা কাঠের টুথপিক সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। টুথপিক দিয়ে আলতো হাতে ভেতরের জমে থাকা ধুলো বা সুতো বের করে আনা যায়। এ ছাড়া 'কমপ্রেসড এয়ার' বা সংকুচিত বাতাসের ক্যান ব্যবহার করা যেতে পারে। টুথপিক দিয়ে ময়লা আলগা করার পর ছোট ছোট স্প্রে-র মাধ্যমে ধুলো বের করে দেওয়া যায়। তবে অতিরিক্ত শক্তিতে টুথপিক চালানো বা টানা বাতাস স্প্রে করা যাবে না, এতে সংযোগের ভেতরের সূক্ষ্ম পিনগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="font-size: 14pt;">যা করা একেবারেই অনুচিত</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">পোর্টে ময়লা জমে গেলে কখনোই ডব্লিউডি-৪০ জাতীয় লুব্রিকেন্ট, ঘরোয়া ক্লিনিং স্প্রে বা ব্লিচ ব্যবহার করা যাবে না। এসব তরল তরঙ্গ পরিবাহী হওয়ার কারণে শর্ট সার্কিট ঘটাতে পারে এবং স্থায়ীভাবে সার্কিট বোর্ড নষ্ট করে দেয়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">একইভাবে কাটের কটন বাড বা 'কিউ-টিপস' ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকা ভালো, কারণ তুলার সূক্ষ্ম আঁশ পোর্টের ভেতরের পিনে আটকে গিয়ে আরও সমস্যা তৈরি করে। নিরাপত্তা পিন, পেপার ক্লিপ বা যেকোনো ধাতব যন্ত্রাংশ পোর্টের ভেতরে ঢোকানো সম্পূর্ণ নিষেধ, কারণ ধাতব স্পর্শে পিনের ক্ষতি নিশ্চিত।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">ল্যাপটপের মাউস বা কিবোর্ড বারবার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে, চার্জারে ঢিলেভাব মনে হলে কিংবা সমুদ্রসৈকত ঘুরে আসার পর পোর্টে বালু ঢুকেছে মনে হলে এই সতর্কতামূলক পদ্ধতিতে পরিষ্কার করাই বুদ্ধিমানের কাজ।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি</span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ম্যাকবুক এয়ারে কেন ফ্যান ব্যবহার করা হয় না</title>
<link>https://digibanglatech.news/185218</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185218</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a684ccdf264d.jpg" length="401567" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 29 Jul 2026 09:51:59 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span style="font-size: 14pt;">অ্যাপলের জনপ্রিয় ল্যাপটপ সিরিজ 'ম্যাকবুক এয়ার'-এ কোনো কুলিং ফ্যান ব্যবহার করা হয় না। ইন্টেল প্রসেসর বাদ দিয়ে ২০২০ সালের শেষের দিকে নিজস্ব 'এম-সিরিজ' চিপসেট চালু করার পর থেকেই এই বাহ্যিক পরিবর্তন আনে অ্যাপল। ফ্যান না থাকা সত্ত্বেও কেন এই ল্যাপটপটি সচল থাকে এবং এতে কী সুবিধা বা অসুবিধা রয়েছে, তা অনেকের কাছেই কৌতূহলের বিষয়।</span></p>
<p><strong><span style="font-size: 14pt;">অ্যাপল সিলিকন প্রসেসর ও প্যাসিভ কুলিং</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">মূলত অ্যাপলের নিজস্ব এম-সিরিজ প্রসেসরের বিদ্যুৎ-দক্ষতা বা পাওয়ার ইফিসিয়েন্সির কারণেই ফ্যান বাদ দেওয়া সম্ভব হয়েছে। পূর্বে ব্যবহৃত ইন্টেল চিপের তুলনায় এসব আধুনিক প্রসেসর অনেক কম তাপে এবং কম বিদ্যুতে বেশি কার্যক্ষমতা দিতে পারে।</span></p>
<p><span style="font-size: 14pt;">ল্যাপটপটি ঠান্ডা রাখতে ফ্যানের সক্রিয় বাতাসের বদলে একটি অ্যালুমিনিয়াম ধাতব হিট স্প্রেডার বা প্যাসিভ কুলিং মেকানিজম ব্যবহার করা হয়েছে। এটি প্রসেসরের বাড়তি উত্তাপ পুরো অ্যালুমিনিয়াম কেসিংয়ে ছড়িয়ে দিয়ে বাইরে বের করে দেয়। ফলে সাধারণ কাজ করার সময় কোনো ধরনের ফ্যানের শব্দ ছাড়াই সম্পূর্ণ নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে ল্যাপটপটি।</span></p>
<p><strong><span style="font-size: 14pt;">ফ্যান না থাকার ভালো ও মন্দ দিক</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">ফ্যান না থাকার সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক হলো কোনো প্রকার যান্ত্রিক আওয়াজ না হওয়া। অনেক গেমিং বা ভারী ল্যাপটপে একটানা ফ্যান ঘোরার শব্দ বিরক্তির কারণ হয়, যা ম্যাকবুক এয়ারে নেই। পাশাপাশি ফ্যান ও এর সম্পর্কিত যন্ত্রাংশ সরে যাওয়ায় ল্যাপটপটি আগের সংস্করণের তুলনায় হালকা হয়েছে এবং ব্যাটারি ব্যাকআপও কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।</span></p>
<p><span style="font-size: 14pt;">তবে এর কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। একটানা দীর্ঘসময় ৪কে ভিডিও এডিটিং বা ভারী গেম খেলার মতো উচ্চ ক্ষমতার কাজ করলে ল্যাপটপটি বেশ উত্তপ্ত হতে পারে। এমন অবস্থায় ডিভাইসের তাপমাত্রা সহনীয় পর্যায়ে রাখতে প্রসেসর স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার কাজের গতি কিছুটা কমিয়ে দেয়, যাকে 'থার্মাল থ্রোটলিং' বলা হয়। ফলে খুব ভারী কাজের ক্ষেত্রে কাজের গতি কিছুটা ধীর হতে পারে।</span></p>
<p><strong><span style="font-size: 14pt;">কার জন্য কোনটি উপযোগী?</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">সাধারণ ব্যবহারকারী, শিক্ষার্থী, লেখক কিংবা অফিসে স্বাভাবিক কাজ করা পেশাজীবীদের জন্য নিরশব্দ ও হালকা ম্যাকবুক এয়ার চমৎকার একটি ডিভাইস। তবে যারা প্রতিনিয়ত গ্রাফিক্স বা ভারী ভিডিও রেন্ডারিংয়ের কাজ করেন, তাদের জন্য মেমোরি ও সক্রিয় ফ্যান কুলিং ব্যবস্থা সমৃদ্ধ 'ম্যাকবুক প্রো' সিরিজ বেশি কার্যকর হতে পারে।</span></p>
<p><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি</span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ক্যান্টন ফেয়ারে চীনের বিশেষ ভিসা সুবিধা</title>
<link>https://digibanglatech.news/185219</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185219</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;ক্যান্টন ফেয়ারের জন্য বিশেষ ভিসা সুবিধা&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;আমন্ত্রণপত্রই প্রধান বাধ্যতামূলক নথি&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;ভিসা প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a684eac8b4a8.jpg" length="99999" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 28 Jul 2026 11:02:43 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ক্যান্টন ফেয়ার, চীনা ভিসা, গুয়াংঝু, অনলাইন আবেদন, আমন্ত্রণপত্র, বাংলাদেশি দর্শনার্থী, চীনা দূতাবাস, ভিসা প্রতারণা, ডিজিটাল ভিসা প্রক্রিয়া</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য প্রদর্শনী ক্যান্টন ফেয়ার ২০২৬-এ বাংলাদেশি ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তিপণ্য আমদানিকারকদের অংশগ্রহণ সহজ করতে বিশেষ ভিসা সুবিধা ঘোষণা করেছে ঢাকার চীনা দূতাবাস।</p>
<p>দূতাবাস জানিয়েছে, আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত চীনের গুয়াংঝুতে তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হবে ১৪০তম চায়না ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট ফেয়ার (ক্যান্টন ফেয়ার)। এ উপলক্ষে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সরল করা হয়েছে।</p>
<p>নতুন ব্যবস্থায় আবেদনকারীদের শুধু ১৪০তম ক্যান্টন ফেয়ারের সরকারি আমন্ত্রণপত্র জমা দিলেই হবে। এটি ভিসা আবেদনের একমাত্র বাধ্যতামূলক নথি হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে আবেদন দ্রুত ও সহজে প্রক্রিয়াকরণের জন্য অনলাইনে আবেদন করার সময় পূর্ববর্তী চীনা ভিসা, ভ্রমণ ইতিহাস এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের গ্যারান্টি লেটারের মতো সহায়ক নথি আপলোড করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যেমন- ন্যূনতম ৬ মাসের মেয়াদসহ পাসপোর্ট, ছবি, আমন্ত্রণপত্র ও ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ <span jsuid="o7Tdye_m" class="" data-sfc-cp="" jsaction="mouseenter:&amp;o7Tdye_m|WOQqYb;mouseleave:&amp;o7Tdye_m|Tx5Rb;focusin:&amp;o7Tdye_m|mrwrPd;focusout:&amp;o7Tdye_m|mFndSc;pointerdown:&amp;o7Tdye_m|FEiYhc;click:&amp;o7Tdye_m|C6aVhd;" jscontroller="KMhGd#Mx1qPe" data-sfc-root="ep" data-sfc-inited="2" data-copy-service-computed-style="font-family: &quot;Google Sans&quot;, Arial, sans-serif; font-size: 16px; font-weight: 400; margin: 0px; text-decoration: none; border-bottom: 0px rgb(230, 232, 240);"><strong><a class="H23r4e" target="_blank" data-ved="2ahUKEwjPmsCr4fSVAxWgkuEIHfoWIUMQy_kOegoIAggACAAIBhAC" data-hveid="CAIIAAgACAYQAg" href="https://www.visaforchina.cn/VIE3_EN/" ping="/url?sa=t&amp;source=web&amp;rct=j&amp;url=https://www.visaforchina.cn/VIE3_EN/&amp;ved=2ahUKEwjPmsCr4fSVAxWgkuEIHfoWIUMQy_kOegoIAggACAAIBhAC&amp;opi=89978449" aria-label="Chinese Visa Application Service Center. Link preview. Site: 中国签证申请服务中心. Title: Chinese Visa Application Service Center. URL: https://www.visaforchina.cn/VIE3_EN/." data-copy-service-computed-style="font-family: &quot;Google Sans&quot;, Arial, sans-serif; font-size: 16px; font-weight: 500; margin: 0px; text-decoration: underline 1px rgb(153, 195, 255); border-bottom: 0px rgb(153, 195, 255);" rel="noopener">Chinese Visa Application Service Center</a></strong><!--TgQPHd|||[[&quot;https://www.visaforchina.cn/VIE3_EN/&quot;,null,null,[null,null,null,null,null,null,null,null,null,null,null,null,null,null,null,[{&quot;1218&quot;:[16]}]],16,null,&quot;Chinese Visa Application Service Center&quot;,&quot;The visa center only handles applications for holding regular passports. · If the validity period of the passport is less than 6 months, there is a risk of being ...&quot;,&quot;https://encrypted-tbn0.gstatic.com/images?q\u003dtbn:ANd9GcTvgmwok6xkRDJV25Qy0ELew4GZ9WCJMtDB3GBiv8phHFDENnKS7VSVLSXoUBgybCKha83N1vmIgfHrwQQ&quot;,&quot;中国签证申请服务中心&quot;,&quot;https://encrypted-tbn1.gstatic.com/faviconV2?url\u003dhttps://www.visaforchina.cn\u0026client\u003dAIM\u0026size\u003d128\u0026type\u003dFAVICON\u0026fallback_opts\u003dTYPE,SIZE,URL&quot;,[[1785220696116559,149000864,1126242042],null,null,null,null,[[2,0,0,4]]],null,&quot;b80f7099-7cde-4eb6-95ad-96bd8d063648&quot;]]--></span> (ঢাকা)-এ জমা দিতে হবে। ফি এবং প্রসেসিংয়ের সময় ধরন অনুযায়ী নির্ধারিত হয় <span jsuid="o7Tdye_n" class="" data-sfc-cp="" jsaction="mouseenter:&amp;o7Tdye_n|WOQqYb;mouseleave:&amp;o7Tdye_n|Tx5Rb;focusin:&amp;o7Tdye_n|mrwrPd;focusout:&amp;o7Tdye_n|mFndSc;pointerdown:&amp;o7Tdye_n|FEiYhc;click:&amp;o7Tdye_n|C6aVhd;" jscontroller="KMhGd#Mx1qPe" data-sfc-root="ep" data-sfc-inited="2" data-copy-service-computed-style="font-family: &quot;Google Sans&quot;, Arial, sans-serif; font-size: 16px; font-weight: 400; margin: 0px; text-decoration: none; border-bottom: 0px rgb(230, 232, 240);"><a class="H23r4e" target="_blank" data-ved="2ahUKEwjPmsCr4fSVAxWgkuEIHfoWIUMQy_kOegoIAggACAAIBhAD" data-hveid="CAIIAAgACAYQAw" href="https://visathing.com/bangladesh/the-people's-republic-of-china/" ping="/url?sa=t&amp;source=web&amp;rct=j&amp;url=https://visathing.com.en2bn.search.translate.goog/bangladesh/the-people's-republic-of-china/&amp;ved=2ahUKEwjPmsCr4fSVAxWgkuEIHfoWIUMQy_kOegoIAggACAAIBhAD&amp;opi=89978449" aria-label="China Visa for Bangladeshi - Complete Details - VISAThing. Link preview. Site: VISAThing. Title: China Visa for Bangladeshi - Complete Details - VISAThing. URL: https://visathing.com.en2bn.search.translate.goog/bangladesh/the-people's-republic-of-china/." data-copy-service-computed-style="font-family: &quot;Google Sans&quot;, Arial, sans-serif; font-size: 16px; font-weight: 500; margin: 0px; text-decoration: underline 1px rgb(153, 195, 255); border-bottom: 0px rgb(153, 195, 255);" rel="noopener">China Visa for Bangladeshi - Complete Details - VISAThing</a></span>।<span> </span></p>
<p>চীনা দূতাবাস সতর্ক করে বলেছে, অসম্পূর্ণ, ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্যসম্বলিত আবেদনপত্র ফেরত দেওয়া হবে। ফলে আবেদনকারীদের অনলাইন ফরম পূরণের সময় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে, যাতে ভিসা প্রক্রিয়ায় বিলম্ব, অতিরিক্ত ব্যয় বা ভ্রমণ পরিকল্পনায় বিঘ্ন না ঘটে।</p>
<p>দূতাবাস আরও জানিয়েছে, জাল বা পরিবর্তিত আমন্ত্রণপত্র, মিথ্যা তথ্য কিংবা ভুয়া নথি জমা দিলে আবেদন প্রত্যাখ্যাত হতে পারে। এমনকি ভবিষ্যতের ভিসা আবেদনেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।</p>
<p>বিশেষ করে প্রযুক্তি, ইলেকট্রনিকস, শিল্পযন্ত্র, স্মার্ট ম্যানুফ্যাকচারিং, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও ডিজিটাল পণ্য খাতের ব্যবসায়ীদের জন্য ক্যান্টন ফেয়ারকে বৈশ্বিক প্রযুক্তি ও বাণিজ্য সংযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। প্রতি বছর বিশ্বের শতাধিক দেশের ক্রেতা, বিনিয়োগকারী ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন।</p>
<p>দূতাবাস আবেদনকারীদের আবেদনপত্র পূরণের দায়িত্ব কোনো ব্যক্তি বা এজেন্সির ওপর না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। একই সঙ্গে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, চীনা দূতাবাস কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ভিসাসেবা প্রদানের অনুমোদন দেয়নি।</p>
<p>ভিসার ধরন, মেয়াদ, অবস্থানের সময়সীমা এবং প্রবেশাধিকারের সংখ্যা সংশ্লিষ্ট বিধি ও আবেদনকারীর ব্যক্তিগত পরিস্থিতি বিবেচনায় নির্ধারণ করা হবে বলেও জানিয়েছে দূতাবাস।</p>
<p>এ কারণে ‘ভিসা নিশ্চিত’, ‘ভিসা না হলে ফি নয়’, ‘বিশেষ যোগাযোগ’ বা ‘বিশেষ চ্যানেল’-এর মতো প্রলোভনমূলক ও প্রতারণামূলক দাবির বিষয়ে আবেদনকারীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।</p>
<p>দূতাবাস বলেছে, তারা আইনসম্মত, স্বচ্ছ ও দক্ষ ভিসাসেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। স্থানীয়ভাবে নিয়োজিত কোনো কর্মী ব্যক্তিগত লাভের উদ্দেশ্যে ভিসা অনুমোদনের নিশ্চয়তা দিতে বা প্রভাব খাটানোর দাবি করতে পারবেন না। এ ধরনের অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>
<p>/<strong>/ডিবিটেক/ বিটিও/ এএনএম/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অ্যান্ড্রয়েড ছেড়ে আইফোনে পরিবর্তনের কিছু জটিলতা</title>
<link>https://digibanglatech.news/185043</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185043</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a65f9f811024.jpg" length="287914" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 27 Jul 2026 13:54:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span style="font-size: 14pt;">নিখুঁত পারফরম্যান্স, হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের চমৎকার সমন্বয় এবং আভিজাত্যের কারণে বিশ্বজুড়ে অনেক অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীই আইফোনের দিকে ঝুঁকে পড়েন। প্রতিদিনের আইফোন ব্যবহারের অনুভূতি নিশ্চিতভাবেই দারুণ হলেও অ্যান্ড্রয়েড থেকে অ্যাপলের অপারেটিং সিস্টেমে স্থানান্তরিত হলে কিছু মৌলিক অভিজ্ঞতায় পরিবর্তন আসে। এই রূপান্তর কেবল পছন্দের বিষয় নয়, বরং দুটি ভিন্ন ঘরানার প্রযুক্তি ব্যবস্থার সাথে অভ্যস্ত হওয়ার বিষয়।</span></p>
<p><strong><span style="font-size: 14pt;">নোটিফিকেশন ও নেভিগেশনের সুবিধা কমে যাওয়া</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">অ্যান্ড্রয়েড থেকে আইফোনে আসার পর নোটিফিকেশন নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি অনেক ব্যবহারকারীর কাছেই কিছু জটিল মনে হতে পারে। লক স্ক্রিন থেকেই সরাসরি কোনো মেসেজ পড়া বা স্মার্ট রিপ্লাই দেওয়া, কিংবা শপিং অ্যাপের বিজ্ঞাপনের নোটিফিকেশন বন্ধ রেখে শুধু ডেলিভারির খবর পাওয়ার সুবিধা আইফোনে তুলনামূলক সীমিত। এতে শুধু অ্যাপভিত্তিক নোটিফিকেশন চালু বা বন্ধ করার প্রাথমিক ফিচারগুলো পাওয়া যায়।</span></p>
<p><span style="font-size: 14pt;">একইভাবে ডিসপ্লেনের ব্যবহারে 'ব্যাক' জেসচারের ক্ষেত্রেও কিছু ফারাক রয়েছে। অ্যান্ড্রয়েডে স্ক্রিনেরযেকোনো পাশ থেকে সোয়াইপ করে আগের মেন্যুতে ফিরে যাওয়া গেলেও আইফোনে এই সুবিধা সব অ্যাপে সমানভাবে কাজ করে না। কোনো কোনো অ্যাপে একেবারে ওপরে থাকা ছোট ব্যাক বাটনে স্পর্শ করতে হয়, যা বড় স্ক্রিনের ক্ষেত্রে কিছুটা অসুবিধাজনক হতে পারে।</span></p>
<p><strong><span style="font-size: 14pt;">কীবোর্ড ও কাস্টমাইজেশনের সীমাবদ্ধতা</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">অ্যান্ড্রয়েডে পছন্দের থিম, আইকন বা লঞ্চার ব্যবহার করে পুরো ফোনের চেহারা ও চালনা পদ্ধতি বদলে ফেলা যায়। সাম্প্রতিক সময়ে আইফোনে কিছু ভিজ্যুয়াল পরিবর্তনের সুবিধা যুক্ত করা হলেও অ্যান্ড্রয়েডের মতো স্বাধীনতা এতে মেলে না।</span></p>
<p><span style="font-size: 14pt;">এছাড়া থার্ড-পার্টি কীবোর্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রেও অ্যাপলের সুরক্ষানীতি অত্যন্ত কড়া। জিবোর্ড বা সুইফটকি-র মতো কীবোর্ড আইফোনে ইনস্টল করা গেলেও পাসওয়ার্ড বা ক্রেডিট কার্ডের তথ্য লেখার সময় নিরাপত্তার স্বার্থে আইফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজস্ব কীবোর্ডে ফিরে যায়। ফলে টাইপিং অভিজ্ঞতায় কিছুটা পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়।</span></p>
<p><strong><span style="font-size: 14pt;">চার্জিং গতি ও অন্যান্য বিষয়</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">ব্যাটারি ব্যাকআপ ভালো হলেও আইফোনের চার্জিং গতি অনেক অ্যান্ড্রয়েড ফ্ল্যাগশিপের চেয়ে বেশ ধীরগতির। বাজারের নতুন আইফোনগুলোতে সর্বোচ্চ ৪০ ওয়াট পর্যন্ত দ্রুত চার্জিং সুবিধা থাকলেও, অনেক প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ড্রয়েড ব্র্যান্ড ৮০ থেকে ১২০ ওয়াট পর্যন্ত দ্রুত চার্জিং প্রযুক্তি দিচ্ছে।</span></p>
<p><span style="font-size: 14pt;">তবে এসব সীমাবদ্ধতার পরেও প্রিমিয়াম বিল্ড কোয়ালিটি ও সুদীর্ঘ স্থায়িত্বের কারণে বহু প্রযুক্তিপ্রেমী আইফোন ব্যবহার করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। কেবল নিজের ব্যবহারের প্রয়োজন ও অগ্রাধিকার বিশ্লেষণ করেই অ্যান্ড্রয়েড থেকে আইফোনে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।</span></p>
<p><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি</span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মাইক্রোএসডি কার্ড ছাড়াও যেভাবে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের স্টোরেজ বাড়াবেন</title>
<link>https://digibanglatech.news/185042</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185042</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a65f8f96b8d8.jpg" length="202114" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 27 Jul 2026 09:59:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span style="font-size: 14pt;">আধুনিক স্মার্টফোনগুলোতে এখন সর্বনিম্ন ১২৮ জিবি পর্যন্ত ইন্টারনাল স্টোরেজ দেওয়া হলেও, ভারী অ্যাপ, ছবি ও হাই-রেজ্যুলিউশন ভিডিওর কারণে তা দ্রুত পূর্ণ হয়ে যায়। আগে এই সমস্যার সমাধান ছিল কেবল একটি সস্তা মাইক্রোএসডি মেমোরি কার্ড কিনে ফোনে লাগিয়ে নেওয়া। তবে বর্তমানে বেশির ভাগ ফ্ল্যাগশিপ ও আধুনিক স্মার্টফোনে মেমোরি কার্ড স্লট রাখা হচ্ছে না। মেমোরি কার্ডের স্লট না থাকলেও খুব সহজে ফোনের স্টোরেজ বাড়ানোর বেশ কিছু কার্যকর উপায় রয়েছে।</span></p>
<p><strong><span style="font-size: 14pt;">ক্লাউড স্টোরেজের সুবিধা</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">মাইক্রোএসডি কার্ডের বিকল্প হিসেবে সবচেয়ে জনপ্রিয় সমাধান হলো ক্লাউড স্টোরেজ। ছবি বা ভিডিওর কারণে ফোনের মেমোরি ভর্তি হয়ে গেলে গুগল ওয়ান বা গুগল ড্রাইভের মতো সেবা ব্যবহার করা যেতে পারে। গুগল অ্যাকাউন্টের সাথে সাধারণত ১৫ জিবি পর্যন্ত বিনামূল্যে স্টোরেজ পাওয়া যায়। ছবি ও ভিডিও গুগল ফটোজে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিঙ্ক করে রাখলে ফোনের অভ্যন্তরীণ মেমোরি অনেকটাই খালি থাকে। এছাড়া গুগল ড্রাইভের পাশাপাশি তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্যের অন্যান্য ক্লাউড সেবার সাবস্ক্রিপশনও নেওয়া যেতে পারে।</span></p>
<p><strong><span style="font-size: 14pt;">এক্সটার্নাল ড্রাইভ বা পেনড্রাইভের ব্যবহার</span></strong><br><span style="font-size: 14pt;">ক্লাউড সেবার জন্য প্রতি মাসে বা বছরে নির্দিষ্ট ফি দিতে রাজি না থাকলে বাহ্যিক ড্রাইভ ব্যবহার করা যেতে পারে। আধুনিক প্রায় সব অ্যান্ড্রয়েড ফোনেই এখন টাইপ-সি পোর্ট থাকে এবং এগুলো 'ইউএসবি অন-দ্য-গো' বা ওটিজি সুবিধা সমর্থন করে। ফলে কনভার্টার বা ডঙ্গলের সাহায্যে যেকোনো এক্সটার্নাল হার্ডডিস্ক বা পেনড্রাইভ খুব সহজেই ফোনের সাথে যুক্ত করা সম্ভব।</span></p>
<p><span style="font-size: 14pt;">বাজারের নতুন অনেক এক্সটার্নাল এসএসডি সরাসরি টাইপ-সি টু টাইপ-সি ক্যাবল দিয়ে ফোনে কানেক্ট করা যায়। ফোনের বিল্ট-ইন ফাইল ম্যানেজার ব্যবহার করেই দ্রুত গতিতে প্রয়োজনীয় ছবি, ভিডিও ও বড় ফাইল বাইরের ড্রাইভে সরিয়ে ফেলা সম্ভব। এমনকি গ্যালাক্সি এস২৬ আল্ট্রার মতো উচ্চমানের কিছু ফ্ল্যাগশিপ ফোনে সরাসরি এসএসডিতেই সরাসরি ৮কে মানের ভিডিও রেকর্ড করার সুবিধাও রয়েছে।</span></p>
<p><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি</span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ল্যাপটপ কেনার সহজ চারটি ধাপ</title>
<link>https://digibanglatech.news/184669</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184669</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_698430da03ebe.jpg" length="60955" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 23 Jul 2026 14:04:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">প্রযুক্তি যত উন্নতই হোক না কেন, পড়ালেখা, অফিসের কাজ কিংবা কনটেন্ট তৈরির জন্য একটি ভালো মানের ল্যাপটপের গুরুত্ব এখনো অপরিসীম। বাজারে এখন নানা ব্র্যান্ড আর মডেলের ল্যাপটপের ভিড়। ফলে কোনটি রেখে কোনটি কিনবেন—তা নিয়ে দ্বিধায় পড়া খুব স্বাভাবিক।</span><br><span style="font-size: 14pt;">আপনার প্রয়োজন ও বাজেট অনুযায়ী সঠিক ল্যাপটপটি বেছে নিতে সাহায্য করবে এই সহজ চার ধাপের নির্দেশিকা।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;"><strong>১ম ধাপ: বাজেট নির্ধারণ করুন</strong></span><br><span style="font-size: 14pt;">ল্যাপটপ কেনার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো আপনার সাধ্য বা বাজেটের সীমা ঠিক করা। এটি আপনার পছন্দের তালিকা ছোট করে আনতে সাহায্য করবে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">•    কম বাজেট (১৫,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকা): এই বাজেটে সাধারণত ইন্টারনেট ব্রাউজিং বা ভিডিও দেখার মতো মৌলিক কাজগুলো করা যায়। তবে এসব ল্যাপটপের গঠন খুব শক্তিশালী হয় না এবং মেমোরি বাড়ানোর সুযোগ কম থাকে। ৩০,০০০ টাকার কাছাকাছি বাজেটে সাধারণ অফিসের কাজ ও পড়ালেখার জন্য চলনসই ল্যাপটপ পাওয়া সম্ভব।</span><br><span style="font-size: 14pt;">•    মাঝারি বাজেট (৩০,০০০ থেকে ৬০,০০০ টাকা): দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি গতিশীল পারফরম্যান্স পেতে এই বাজেটের ল্যাপটপগুলো বেশ উপযোগী।</span><br><span style="font-size: 14pt;">•    গেমিং ও প্রফেশনাল বাজেট (৬০,০০০ টাকার ওপরে): গেমিং, ভিডিও এডিটিং বা ভারী প্রাফিক্সের কাজের জন্য অন্তত ৬০,০০০ টাকা বা তার বেশি বাজেট রাখা প্রয়োজন।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">পরামর্শ: বাজেট খুব কম হলে বিশ্বস্ত কোনো মাধ্যম থেকে ব্যবহৃত বা পুনঃসংযোজিত (রিফার্বিশড) ল্যাপটপ কেনার বিষয়টিও ভেবে দেখতে পারেন।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;"><strong>২য় ধাপ: আকার ও ওজন নির্বাচন করুন</strong></span><br><span style="font-size: 14pt;">ল্যাপটপ সাধারণত ১১ ইঞ্চি থেকে ১৫.৬ ইঞ্চি (এমনকি ১৭ ইঞ্চিও) আকারের হয়ে থাকে। আকার কেবল বহনের সুবিধা নির্ধারণ করে না, কাজের স্বাচ্ছন্দ্যও নিশ্চিত করে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">•    পর্দার রেজোলিউশন: কেবল ডিসপ্লের আকার নয়, রেজোলিউশন দেখা অত্যন্ত জরুরি। কম দামের ল্যাপটপে সাধারণ রেজোলিউশন থাকে, তবে অন্তত ১৯২০x১০৮০ পিক্সেল বা ফুল এইচডি রেজোলিউশন বেছে নেওয়া ভালো।</span><br><span style="font-size: 14pt;">•    ওজন ও নকশা: যারা নিয়মিত বাইরে ল্যাপটপ বহন করেন, তাদের জন্য পাতলা ও হালকা ল্যাপটপ উপযুক্ত। তবে অনেক সময় হালকা ল্যাপটপে অপেক্ষাকৃত কম ক্ষমতার প্রসেসর ব্যবহৃত হয়।</span><br><span style="font-size: 14pt;">•    টু-ইন-ওয়ান ল্যাপটপ: সাধারণ কাজের জন্য প্রচলিত ল্যাপটপই যথেষ্ট। তবে নোট নেওয়া, আঁকাআঁকি বা স্পর্শকাতর (টাচস্ক্রিন) সুবিধার জন্য স্ক্রিন ঘোরানো যায় এমন টু-ইন-ওয়ান ল্যাপটপ বেছে নিতে পারেন।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;"><strong>৩য় ধাপ: ভেতরের প্রযুক্তি বা স্পেসিফিকেশন যাচাই</strong></span><br><span style="font-size: 14pt;">একটি ল্যাপটপের আসল শক্তি নির্ভর করে এর ভেতরের যন্ত্রাংশের ভারসাম্যের ওপর।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">•    প্রসেসর: ইনটেল বা এএমডি—যেকোনো ভালো প্রসেসর বেছে নিতে পারেন। নতুন প্রজন্মের প্রসেসর সবসময় বেশি গতি ও দক্ষতা দেয়। ইনটেল কোর আই-থ্রি, আই-ফাইভ কিংবা এএমডি রাইজেন সিরিজের প্রসেসরগুলো কাজের ধরন অনুযায়ী বেছে নিন।</span><br><span style="font-size: 14pt;">•    র‍্যাম (RAM): বর্তমান সময়ে মসৃণভাবে কাজ করার জন্য অন্তত ৮ জিবি র‍্যাম থাকা উচিত। গেমিং বা ভারী কাজের জন্য ১৬ জিবি র‍্যাম হলে ভালো হয়।</span><br><span style="font-size: 14pt;">•    স্টোরেজ (SSD বনাম HDD): সাধারণ হার্ডডিস্কের চেয়ে এসএসডি (SSD) অনেক বেশি দ্রুতগতির। ল্যাপটপের গতি দ্রুত রাখতে এসএসডি থাকা অত্যন্ত জরুরি। বাজেট কম থাকলে অন্তত প্রসেসিং সিস্টেম চালুর জন্য ছোট এসএসডি এবং ফাইল জমানোর জন্য বড় হার্ডডিস্ক আছে—এমন মডেল বেছে নিন।</span><br><span style="font-size: 14pt;">•    গ্রাফিক্স: সাধারণ কাজের জন্য প্রসেসরের সাথে থাকা বিল্ট-ইন গ্রাফিক্সই যথেষ্ট। তবে গেমিং বা ভিজ্যুয়াল এডিটিংয়ের জন্য আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড (যেমন এনভিডিয়া জিপিসি) থাকা প্রয়োজন।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;"><strong>৪থ ধাপ: দোকানে গিয়ে নিজে পরখ করে দেখুন</strong></span><br><span style="font-size: 14pt;">অনলাইনে ল্যাপটপ দেখে পছন্দ হলেও কেনার আগে দোকানে গিয়ে সরাসরি ল্যাপটপটি পরখ করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">•    কীবোর্ড ও গঠন: কীবোর্ডে টাইপ করে দেখুন বোতামগুলো স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক কি না। কীবোর্ডের গঠন ছোট হলে অনেক সময় একটানা টাইপ করতে সমস্যা হতে পারে।</span><br><span style="font-size: 14pt;">•    বিল্ড কোয়ালিটি ও ওজন: ল্যাপটপের কভার, হিপস বা কব্জা কতটা মজবুত তা নেড়েচেড়ে দেখুন এবং ওজন বাস্তবে বহনযোগ্য কি না তা পরীক্ষা করুন।</span><br><span style="font-size: 14pt;">•    ওয়ারেন্টি ও বিক্রেতার সেবা: কেনার আগে অবশ্যই ওয়ারেন্টি সুবিধা এবং আপনার এলাকায় অফিশিয়াল সার্ভিস সেন্টার আছে কি না তা জেনে নিন।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">বাজারের নানা চকচকে বিজ্ঞাপন দেখে বিভ্রান্ত না হয়ে নিজের প্রয়োজন আর পকেটের অবস্থা বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। এই সহজ ধাপগুলো মেনে চললে আপনার কষ্টার্জিত টাকায় দীর্ঘস্থায়ী ও সঠিক ল্যাপটপটি বেছে নেওয়া অনেক সহজ হবে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;"><em><strong>ডিবিটেক/বিএমটি    </strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইক্লাউড প্লাস বনাম অ্যাপল ওয়ান: আপনার জন্য কোনটি সেরা?</title>
<link>https://digibanglatech.news/184023</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184023</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a57306394736.jpg" length="247512" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 15 Jul 2026 20:02:20 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">"ইওর আইক্লাউড স্টোরেজ ইজ অলমোস্ট ফুল" (আপনার আইক্লাউড স্টোরেজ প্রায় পূর্ণ)- যদি আপনি দীর্ঘদিন ধরে অ্যাপল ডিভাইস ব্যবহার করে থাকেন, তবে এই নোটিফিকেশন বা ইমেইলের সাথে আপনি নিশ্চিতভাবেই পরিচিত। অ্যাপলের ফ্রি প্ল্যানে মাত্র ৫ জিবি স্টোরেজ পাওয়া যায়, যা বর্তমান সময়ে খুবই অপর্যাপ্ত। এই স্টোরেজ বাড়ানোর জন্য অ্যাপলের দুটি মূল অপশন রয়েছে- আইক্লাউড প্লাস এবং অ্যাপল ওয়ান বান্ডেল। কিন্তু আপনার প্রয়োজনের জন্য কোনটি নেওয়া বেশি লাভজনক হবে?</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">আইক্লাউড প্লাস কী এবং এর খরচ কত?</span><br><span style="font-size: 14pt;">আইক্লাউড হলো অ্যাপলের ক্লাউড সিঙ্কিং সার্ভিস, যা আপনার ছবি, ভিডিও, ফাইল এবং নোট সব ডিভাইসে অটোমেটিক ব্যাকআপ ও সিঙ্ক করে রাখে। আইক্লাউড প্লাস মূলত এই স্টোরেজের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয় এবং এর সাথে কিছু প্রিমিয়াম প্রাইভেসি ফিচার যোগ করে। যেমন—</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">    আইক্লাউড প্রাইভেট রিলে: সাফারি ব্রাউজারে আপনার আইপি অ্যাড্রেস ও ওয়েব ট্রাফিক এনক্রিপ্ট করে রাখে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">    হাইড মাই ইমেইল: বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা অ্যাপে আসল ইমেল না দিয়ে র‍্যান্ডম ইমেইল ব্যবহারের সুবিধা দেয়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">    কাস্টম ইমেইল ডোমেইন: নিজের কেনা ডোমেইন দিয়ে আইক্লাউড ইমেইল পারসোনালাইজ করা যায়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাকাউন্ট অনুযায়ী এর মাসিক খরচ:</span><br><span style="font-size: 14pt;">    50GB: $1 (সাথে ১টি হোমকিট সিকিউর ভিডিও ক্যামেরার সুবিধা)</span><br><span style="font-size: 14pt;">    200GB: $3 (৫টি ক্যামেরার সুবিধা)</span><br><span style="font-size: 14pt;">    2TB: $10 (আনলিমিটেড ক্যামেরার সুবিধা)</span><br><span style="font-size: 14pt;">    6TB ও 12TB: যথাক্রমে $30 এবং $60 প্রতি মাস।</span><br><span style="font-size: 14pt;">    (দ্রষ্টব্য: আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে ইউএসএ রিজিয়নের অ্যাপল আইডি ব্যবহার করেন, তবে এই ডলার রেট প্রযোজ্য হবে)।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">অ্যাপল ওয়ান কী এবং এর সুবিধা কী?</span><br><span style="font-size: 14pt;">অ্যাপল ওয়ান হলো অ্যাপলের বিভিন্ন সাবস্ক্রিপশন সার্ভিসের একটি অল-ইন-ওয়ান বান্ডেল প্যাকেজ। এতে আইক্লাউড প্লাস স্টোরেজের পাশাপাশি অ্যাপল মিউজিক, অ্যাপল টিভি প্লাস এবং অ্যাপল আর্কেড গেমসের অ্যাক্সেস পাওয়া যায়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">এর মাসিক প্ল্যানগুলো নিম্নরূপ:</span><br><span style="font-size: 14pt;">    ইন্ডিভিজুয়াল: $20/মাস (পাবেন 50GB iCloud+, Apple TV, Music, Arcade)। আলাদাভাবে এগুলো নিলে খরচ হতো $32, অর্থাৎ এখানে $12 সাশ্রয় হচ্ছে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">    ফ্যামিলি: $26/মাস (পাবেন 200GB iCloud+ এবং বাকি সব সার্ভিস, যা সর্বোচ্চ ৫ জন ফ্যামিলি মেম্বারের সাথে শেয়ার করা যায়)।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">    প্রিমিয়ার: $38/মাস (পাবেন 2TB iCloud+, TV, Music, Arcade-এর পাশাপাশি Apple Fitness+ এবং News+)। এই প্ল্যানে আলাদা আলাদা সাবস্ক্রিপশনের চেয়ে প্রায় $32 সাশ্রয় হয়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">তাহলে আপনি কোনটি বেছে নেবেন?</span><br><span style="font-size: 14pt;">সিদ্ধান্তটি খুবই সহজ:</span><br><span style="font-size: 14pt;">১. শুধু বাড়তি স্টোরেজ লাগলে: আপনার যদি গান শোনা বা গেম খেলার বাড়তি অ্যাপল সার্ভিসের প্রয়োজন না থাকে এবং শুধু ছবি-ফাইলের ব্যাকআপের জন্য স্পেস দরকার হয়, তবে আইক্লাইড প্লাস সাবস্ক্রিপশন নেওয়াটাই সবচেয়ে সাশ্রয়ী ও বুদ্ধিমানের কাজ হবে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">২. একাধিক অ্যাপল সার্ভিস ব্যবহার করলে: আপনি যদি ইতিমধ্যেই অ্যাপল মিউজিক ব্যবহার করেন বা অ্যাপল টিভি প্লাসের শো দেখেন, তবে আলাদা আলাদা টাকা না দিয়ে অ্যাপল ওয়ান বেছে নেওয়া উচিত। এতে প্রতি মাসে বেশ ভালো অংকের টাকা বেঁচে যাবে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">সাবস্ক্রিপশন বন্ধ বা ডাউনগ্রেড করলে কী হবে?</span><br><span style="font-size: 14pt;">টাকা দেওয়া বন্ধ করলেই অ্যাপল সাথে সাথে আপনার সব ফাইল ডিলিট করে দেবে না। তবে আপনার ডেটা যদি ফ্রি ৫ জিবির বেশি হয়ে থাকে, তাহলে নতুন করে কোনো ফাইল বা ছবি সিঙ্ক কিংবা ব্যাকআপ হবে না। অ্যাপলের শর্তাবলী অনুযায়ী, কোনো ডিভাইস যদি টানা ১৮০ দিন আইক্লাউডে ব্যাকআপ না নেয়, তবে অ্যাপল সেই ডিভাইসের পুরনো ব্যাকআপ ডিলিট করার অধিকার রাখে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14pt;">তাই সাবস্ক্রিপশন ক্যানসেল করার আগে আপনার ম্যাক, আইফোন বা এক্সটার্নাল ড্রাইভে ফাইল ও অরিজিনাল ফটোগুলো ডাউনলোড করে ব্যাকআপ নিয়ে নেওয়া নিরাপদ।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong><span style="font-size: 14pt;">ডিবিটেক/বিএমটি</span></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সংবাদমাধ্যমের ওয়েবসাইট নকল করে প্রতারণা করছে সাইবার অপরাধীরা</title>
<link>https://digibanglatech.news/183784</link>
<guid>https://digibanglatech.news/183784</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a211606b39ce.jpg" length="296052" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 13 Jul 2026 19:41:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">কোনো একটি খবরের সত্যতা নিশ্চিত করতে আমরা সাধারণত নির্ভরযোগ্য ও পরিচিত সংবাদমাধ্যমগুলোর ওয়েবসাইটের ওপর ভরসা করি। আর মানুষের এই বিশ্বাসের সুযোগটিই এখন নিচ্ছে সাইবার অপরাধীরা। পাঠকদের অজান্তেই তাদের টাকা হাতিয়ে নিতে নামিদামি সব সংবাদ প্রকাশনা সংস্থার বিশ্বাসযোগ্যতাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে তারা। সম্প্রতি ব্রিটিশ ধনকুবের জিম র‍্যাটক্লিফকে জড়িয়ে বিখ্যাত সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর ওয়েবসাইট হুবহু ক্লোন বা নকল করে ভুয়া প্রতিবেদন তৈরির ঘটনা এর অন্যতম বড় উদাহরণ।</p>
<p style="text-align: justify;">দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জালিয়াতি চক্রগুলো নামিদামি সংবাদপত্রের লে-আউট, টাইপোগ্রাফি (লেখার ফন্ট), নেভিগেশন মেনু, এমনকি আসল সাংবাদিকদের নাম ও প্রোফাইল ছবি হুবহু কপি করে নিখুঁত সব নকল ওয়েবসাইট বানাচ্ছে। সেখানে ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং বোগাস বা ভুয়া বিনিয়োগের লোভনীয় অফার সংবলিত বানোয়াট খবর প্রকাশ করা হচ্ছে। কোনো ভুক্তভোগীকে সরাসরি হ্যাক করার পরিবর্তে প্রতারকেরা প্রথমে তাদের বিশ্বাস করায় যে তারা কোনো প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যমের আসল সাংবাদিকতার প্রতিবেদন পড়ছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>কীভাবে ফাঁদ পাতা হচ্ছে?</strong><br>সম্প্রতি ছড়ানো একটি ভুয়া আর্টিকেলে দাবি করা হয় যে, ধনকুবের জিম র‍্যাটক্লিফ বিবিসি-র এক সাক্ষাৎকারে তাঁর ব্যক্তিগত অর্থায়নের গোপন তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর রেগে স্টুডিও থেকে বেরিয়ে যান। এরপর সেই বানোয়াট প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ধনকুবের মূলত একটি গোপন অনলাইন ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জন করছেন। পাঠকদেরও একই সুযোগ নিতে প্রতিবেদনের নিচে দেওয়া একটি লিংকে ক্লিক করতে উৎসাহিত করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">বাস্তবে এর কোনো কিছুই সত্যি নয়। ওই লিংকে ক্লিক করলে কোনো আসল বিনিয়োগ সেবা আসে না, বরং একটি নামি ট্রেডিং প্ল্যাটফর্মের হুবহু নকল সংস্করণ সামনে আসে। সেখানে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য সাবমিট করতে বলা হয়। তথ্য দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রতারক চক্রের কাছ থেকে ভুক্তভোগীর ফোনে কল আসে এবং তাকে ক্রিপ্টোকারেন্সি বা শেয়ার বাজারে টাকা খাটানোর জন্য চাপ দেওয়া হয়। আসলে এই বিনিয়োগগুলোর কোনো অস্তিত্বই নেই- একমাত্র লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নগদ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক ক্যাম্পেইনার মার্টিন লুইসকে জড়িয়ে বিবিসির এআই-জেনারেটেড ভুয়া আর্টিকেল এবং প্রখ্যাত ব্রডকাস্টার স্যার ডেভিড অ্যাটেনবোরোকে জড়িয়ে গার্ডিয়ানের লোগো ব্যবহার করে একই ধরণের বিনিয়োগের ফাঁদ তৈরি করা হয়েছিল। ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থা ‘ফুল ফ্যাক্ট’ জানিয়েছে, র‍্যাটক্লিফের একটি ভুয়া ছবিতে গুগলের ‘সিন্থআইডি’ ওয়াটারমার্কও পাওয়া গেছে, যা প্রমাণ করে ছবিটি গুগলের এআই ইমেজ জেনারেশন টুল দিয়ে তৈরি।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতারণাকে আরও নিখুঁত করছে এআই:<br>জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তির উৎকর্ষতার কারণে এখন খুব সহজেই অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য স্ক্যাম বা প্রতারণার ফাঁদ তৈরি করা যাচ্ছে। আগে ফিশিং পেজগুলোতে বানান ভুল বা নিম্নমানের ডিজাইন দেখে সহজে চেনা যেত। কিন্তু এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে মাত্র কয়েক মিনিটে আসল সংবাদপত্রের মতো হুবহু শিরোনাম, পেশাদার দেখতে ছবি এবং মার্জিত আর্টিকেল তৈরি করে ফেলছে অপরাধীরা।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>চেনার উপায় ও সুরক্ষার কৌশল:</strong><br>কঠিন হলেও এই ধরনের প্রতারণামূলক ওয়েবসাইট চেনার কিছু উপায় রয়েছে:</p>
<p style="text-align: justify;">    অস্বাভাবিক শিরোনাম: ভুয়া আর্টিকেলগুলোতে সাধারণত অতিমাত্রায় দীর্ঘ, চাঞ্চল্যকর এবং চটকদার শিরোনাম ব্যবহার করা হয়, যা মূল ধারার সংবাদমাধ্যমগুলো সাধারণত করে না।</p>
<p style="text-align: justify;">    বিনিয়োগের তাগিদ: এই প্রতিবেদনগুলোর ভেতরেই সরাসরি টাকা বিনিয়োগ করার জন্য প্রলুব্ধকর লিংক বা বাটন যুক্ত থাকে। আসল সাংবাদিকতার প্রতিবেদনে কখনো পাঠককে তড়িঘড়ি কোনো ইনভেস্টমেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য চাপ দেওয়া হয় না।</p>
<p style="text-align: justify;">    ইউআরএল যাচাই: যেকোনো সংবাদের লিংকে ক্লিক করার আগে ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারে গিয়ে ওয়েবসাইটের মূল ইউআরএল বা ডোমেইন নেমটি ভালো করে পরীক্ষা করে নিন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার হওয়া লিংকের ওপর অন্ধবিশ্বাস না করাই শ্রেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ ‘ক্রাকেন’- যাদের ব্র্যান্ডিংও এই প্রতারণায় ব্যবহার করা হয়েছে, তারা সতর্ক করে বলেছে, যেকোনো ওয়েবসাইট যদি তাদের নাম ব্যবহার করে নিশ্চিত মুনাফার কথা বলে, তবে সেটিকে ভুয়া হিসেবে গণ্য করতে হবে। </p>
<p style="text-align: justify;">বর্তমানে দ্য গার্ডিয়ান ও অন্যান্য প্রচার মাধ্যমগুলো ব্রিটিশ হোম অফিস এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে যৌথভাবে এই ধরনের ভুয়া বিজ্ঞাপন ও নকল ডোমেইন ইন্টারনেট থেকে সরিয়ে ফেলার কাজ করছে। এআই-এর যুগে এখন কেবল পরিচিত লোগো দেখেই কোনো সাইটকে বিশ্বাস করা নিরাপদ নয়, সচেতনতাই আর্থিক জালিয়াতি থেকে বাঁচার একমাত্র উপায়।</p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong>ডিবিটেক/বিএমটি    ।   সূত্র: <a href="https://www.digitaltrends.com/computing/scammers-are-now-cloning-trusted-news-websites-to-steal-your-money/" target="_blank" rel="noopener">ডিজিটাল ট্রেন্ডস</a></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হোয়াটসঅ্যাপে ইউজারনেম বুকিং এবং পরিবর্তন করার উপায়</title>
<link>https://digibanglatech.news/183154</link>
<guid>https://digibanglatech.news/183154</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a4c9a4b00d6e.jpg" length="88412" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 08 Jul 2026 13:49:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">মেটার মালিকানাধীন জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ গত জুন মাস থেকে বিশ্বজুড়ে তাদের ৩০০ কোটি ব্যবহারকারীর জন্য ‘ইউজারনেম’ বুকিং বা রিজার্ভ করার সুবিধা চালু করেছে। যদিও ইউজারনেম ফিচারটি এখনই সরাসরি চ্যাটিংয়ের জন্য সম্পূর্ণ সক্রিয় হয়নি, তবে চলতি বছরেই এটি সবার জন্য উন্মুক্ত হবে। তার আগেই ব্যবহারকারীরা নিজেদের পছন্দের নামটি বুক করে রাখতে পারছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এই ইউজারনেম ফিচারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এর মাধ্যমে কেউ চাইলে নিজের ফোন নম্বর গোপন রেখেই অন্যের সাথে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করতে পারবেন। যারা ফোন নম্বর শেয়ার না করে শুধু চ্যাট করতে চান বা ব্যবসায়িক প্রচারণার জন্য ফোন নম্বরের চেয়ে নাম শেয়ার করা সহজ মনে করেন, তাদের জন্য এটি অত্যন্ত দরকারী একটি ফিচার।</p>
<p style="text-align: justify;">যেভাবে নিজের হোয়াটসঅ্যাপ ইউজারনেম রিজার্ভ করবেন:</p>
<p style="text-align: justify;">১. প্রথমে আপনার হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাপের Settings-এ যান।</p>
<p style="text-align: justify;">২. সেখান থেকে Account অপশনে ট্যাপ করুন এবং “Your Account” সেকশনের নিচে থাকা Username অপশনটি নির্বাচন করুন।</p>
<p style="text-align: justify;">৩. আপনি যদি প্রথমবার ইউজারনেম সেট করতে যান, তবে “Create username” অপশনটি দেখতে পাবেন। সেখানে আপনার পছন্দের নামটি টাইপ করুন।</p>
<p style="text-align: justify;">৪. আপনার কাঙ্ক্ষিত নামটি যদি ইতিমধ্যে অন্য কেউ নিয়ে নেয় (অর্থাৎ উপলভ্য না থাকে), তবে “suggest a username” অপশনে ট্যাপ করলে হোয়াটসঅ্যাপ আপনাকে ওই নামের কাছাকাছি কিছু বিকল্প নাম সাজেস্ট করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিশেষ দ্রষ্টব্য: নামকরা পাবলিক ফিগার, তারকা বা বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও প্রতিষ্ঠানের ইউজারনেমগুলো হোয়াটসঅ্যাপ আগে থেকেই লক বা রিজার্ভ করে রেখেছে, তাই সাধারণ ব্যবহারকারীরা সেগুলো নিতে পারবেন না। তবে আপনার যদি ইতিমধ্যে একটি ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম ইউজারনেম বা হ্যান্ডেল থেকে থাকে, তবে আপনি সেই সার্ভিসের মাধ্যমে লগ-ইন করে হোয়াটসঅ্যাপেও একই নাম রিজার্ভ করে নিতে পারবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ইউজারনেম পরিবর্তন বা মুছে ফেলার নিয়ম:<br>একবার ইউজারনেম সেট করার পর আপনি যদি সেটি পরিবর্তন করতে চান, তবে আবার একই মেন্যুতে (Settings &gt; Account &gt; Username) ফিরে যান। এরপর ওপরের ডানদিকের কোণায় থাকা “Edit” বোতামে ট্যাপ করে নাম পরিবর্তন করতে পারবেন। এছাড়া আপনি চাইলে আপনার সেট করা ইউজারনেমটি সম্পূর্ণ Delete বা মুছেও ফেলতে পারবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">অতিরিক্ত সুরক্ষার জন্য ‘ইউজারনেম কি’:<br>হোয়াটসঅ্যাপে অপরিচিতদের হাত থেকে বাঁচতে ইউজারনেম মেন্যুর ভেতরেই একটি বাড়তি নিরাপত্তা স্তর যুক্ত করা হয়েছে, যার নাম ‘ইউজারনেম কি’। এর মাধ্যমে আপনি আপনাকে মেসেজ দেওয়ার সুবিধা “Everyone” (সবাই) থেকে পরিবর্তন করে “People who know my key” (যারা আমার পিন বা কি জানে) করে দিতে পারেন। এটি চালু করলে, কেউ আপনার ইউজারনেম জানলেও আপনাকে প্রথমবার মেসেজ দেওয়ার আগে একটি ৪-ডিজিটের গোপন পিন বা ‘কি’ টাইপ করতে হবে। ব্যবহারকারীরা যেকোনো সময় এই কি সেভ করে রাখতে বা নতুন কি তৈরি করতে পারবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বর্তমানে কোনো ধরনের ডুপ্লিকেশন বা একই নামে একাধিক অ্যাকাউন্ট হওয়া ঠেকাতে হোয়াটসঅ্যাপ কেবল নাম বুকিংয়ের সুযোগ দিচ্ছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই ফিচারটি মূল চ্যাটিংয়ের জন্য পুরোপুরি লাইভ বা চালু হয়ে যাবে।</p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong>ডিবিটেক/বিএমটি</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মেশ ওয়াই&#45;ফাই নাকি রেঞ্জ এক্সটেন্ডার? আপনার কোনটি প্রয়োজন?</title>
<link>https://digibanglatech.news/182251</link>
<guid>https://digibanglatech.news/182251</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a4204a2d5ea5.jpg" length="55309" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 30 Jun 2026 09:57:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বাড়িতে বা অফিসে দুর্বল ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের চেয়ে বিরক্তিকর আর কিছু হতে পারে না। ভিডিও দেখার সময় বারবার আটকে যাওয়া কিংবা গুরুত্বপূর্ণ অনলাইন মিটিংয়ের মাঝে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া—সবকিছুর পেছনেই থাকে দুর্বল সংকেত। তবে এই সমস্যার জন্য ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানকে দোষ দেওয়ার আগে আপনার বর্তমান নেটওয়ার্কের ক্ষমতা বাড়ানোর কথা ভাবা যেতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">সাধারণত ইন্টারনেটের আওতা বা পরিধি বাড়ানোর জন্য গ্রাহকেরা দুটি প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকে থাকেন। একটি হলো প্লাগ-ইন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার, যা দূরবর্তী ঘরে রাউটারের সংকেতকে নতুন করে ছড়িয়ে দেয়। অন্যটি হলো মেশ ওয়াই-ফাই সিস্টেম, যা একাধিক ছোট যন্ত্রের (স্যাটেলাইট) সাহায্যে পুরো বাড়ি বা অফিসে সমানভাবে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি করে। আপনার বাজেট এবং বাড়ি বা অফিসের আয়তনের ওপর নির্ভর করবে আপনি কোনটি বেছে নেবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">কোন প্রযুক্তিটির সুবিধা ও অসুবিধা কেমন, তা জানার আগে আপনার নিজের প্রয়োজনটি বোঝা জরুরি। আপনি কি ঘরের নির্দিষ্ট কোনো কোণের দুর্বল সংকেত দূর করতে চান, নাকি বহুতল ভবনের প্রতিটি ঘরে শক্তিশালী ইন্টারনেট চান? আপনার বাজেট কম, নাকি আপনি খরচের চেয়ে গতির ওপর বেশি জোর দিচ্ছেন? এই প্রশ্নগুলোর উত্তরের মধ্যেই লুকিয়ে আছে আপনার সঠিক সমাধান।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>এক্সটেন্ডার বনাম মেশ ওয়াই-ফাই: কোনটি আপনার জন্য?</strong><br>ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার মূলত একটি সংকেত পুনরুৎপাদক যন্ত্র। এটি ঘরের যেকোনো সাধারণ বৈদ্যুতিক সকেটে প্লাগ করে রাউটারের সংকেতকে আরও দূর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া যায়। রাউটার পরিবর্তন না করেই কম খরচে সমাধান পেতে এটি দারুণ কার্যকর। গ্যারেজ বা ছাদের মতো ঘরের নির্দিষ্ট কোনো একটি অংশের নেটওয়ার্কের ঘাটতি মেটাতে এক্সটেন্ডার বেশ ভালো কাজ করে।</p>
<p style="text-align: justify;">কম খরচ এবং সহজে ব্যবহার করা গেলেও এক্সটেন্ডারের কিছু বড় অসুবিধা রয়েছে। এটি বড় বাড়ির বিস্তীর্ণ এলাকায় সমানভাবে সংকেত পৌঁছাতে পারে না। যেহেতু এটি রাউটারের সংকেত গ্রহণ করে আবার প্রচার করে, তাই মূল রাউটার থেকে এর দূরত্ব সামান্য কম-বেশি হলেই ইন্টারনেটের গতি অর্ধেক হয়ে যেতে পারে। সবচেয়ে বড় ঝক্কি হলো, এক্সটেন্ডারগুলো সাধারণত মূল রাউটারের চেয়ে ভিন্ন নামে আরেকটি নেটওয়ার্ক তৈরি করে। ফলে ঘর থেকে বের হয়ে গ্যারেজে গেলে আপনাকে নতুন করে সেই নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হতে হবে, যা বেশ বিরক্তিকর।</p>
<p style="text-align: justify;">অন্যদিকে, মেশ ওয়াই-ফাই সিস্টেম পুরো বাড়িতে একাধিক নোড বা যন্ত্রের সাহায্যে একটি সুষম ও বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে। এর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা স্মার্ট রাউটিং প্রযুক্তির কারণে ব্যবহারকারী ঘরের যেখানেই যান না কেন, ডিভাইসটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সবচেয়ে শক্তিশালী সংকেতের সাথে যুক্ত হয়ে যায়। এর জন্য আলাদা কোনো নেটওয়ার্কে বারবার লগইন করতে হয় না। তবে এই সুবিধা পেতে আপনার বর্তমান রাউটারটি পরিবর্তন করে সম্পূর্ণ নতুন মেশ রাউটার এবং এর সহযোগী নোডগুলো স্থাপন করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">মেশ সিস্টেমের প্রধান অসুবিধা হলো এর উচ্চ মূল্য এবং এটি সেটআপ করার কিছুটা জটিল প্রক্রিয়া। তবে একবার চালু করার পর প্রয়োজনে বাড়তি নোড যুক্ত করে এর পরিধি খুব সহজেই বাড়ানো যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">একটি ছোট ফ্ল্যাট বা সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য মেশ ওয়াই-ফাইয়ের কোনো প্রয়োজন নেই। তবে আপনি যদি বহুতল ভবনে থাকেন, নিচতলায় বিনোদন কেন্দ্র বা চিলেকোঠায় বসে অফিসের কাজ করতে চান, তবে ইন্টারনেটের গতি সচল রাখতে মেশ ওয়াই-ফাই নিঃসন্দেহে সেরা বিকল্প। খরচ কিছুটা বেশি হলেও নিরবচ্ছিন্ন ও দ্রুতগতির ইন্টারনেটের জন্য এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ।</p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong>ডিবিটেক/বিএমটি   </strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইউটিউব প্রিমিয়ামের মূল্য যেভাবে উসুল করবেন</title>
<link>https://digibanglatech.news/179267</link>
<guid>https://digibanglatech.news/179267</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a265aed54fc4.jpg" length="439480" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 08 Jun 2026 17:02:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ইউটিউব প্রিমিয়াম সেবাটি নেওয়া আসলেই কি বুদ্ধিমানের কাজ, নাকি কেবল বিজ্ঞাপন এড়াতে বাড়তি টাকা নষ্ট—এই নিয়ে প্রযুক্তিপ্রেমীদের মাঝে তর্ক বহু পুরোনো। বিশেষ করে গত এপ্রিল মাসে যখন গুগল বিশ্বব্যাপী ইউটিউব প্রিমিয়ামের সাবস্ক্রিপশন ফি আরও এক দফা বাড়িয়ে প্রতি মাসে প্রায় ১৬ ডলারে (ফুল-ফ্যাট সংস্করণ) নিয়ে গেল, তখন এই আলোচনা নতুন করে গতি পায়। অনেকে হয়তো শুধু ভিডিওর শুরুতে বা মাঝখানে বিরক্তিকর সব ওয়ানএক্সবেট বা ভিপিএন-এর বিজ্ঞাপন এড়াতে এই সাবস্ক্রিপশন কেনেন। কিন্তু আপনি যদি এর সাথে থাকা অন্যান্য দারুণ সব ফিচারের শতভাগ ব্যবহার না করেন, তবে আপনার কষ্টের টাকা পুরোপুরি উসুল হচ্ছে না।</p>
<p style="text-align: justify;">আপনার পেইড সাবস্ক্রিপশনের মূল্য কীভাবে সর্বোচ্চ মাত্রায় উসুল করবেন, তার একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ গাইডলাইন নিচে তুলে ধরা হলো:</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>১. বিভিন্ন গ্যাজেট ও সার্ভিসের সাথে ‘ফ্রি বান্ডেল’ খুঁজুন</strong><br>আপনি যদি একটি নতুন স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা মোবাইল কানেকশন নেওয়ার কথা ভেবে থাকেন, তবে আগে দেখে নিন সেখানে ইউটিউব প্রিমিয়ামের কোনো ফ্রি অফার বা ক্রেডিট রয়েছে কিনা। বিশ্বের অনেক প্রযুক্তি ও টেলিকম প্রতিষ্ঠান তাদের নতুন ডিভাইসের সাথে কয়েক মাসের জন্য ইউটিউব প্রিমিয়াম সম্পূর্ণ ফ্রি দিয়ে থাকে।</p>
<p style="text-align: justify;">যেমন—বর্তমানে গুগল তাদের নতুন ‘পিক্সেল ১০এ’ স্মার্টফোনের সাথে ৩ মাসের প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন বিনামূল্যে দিচ্ছে। আবার গুগলের নিজস্ব সেলুলার নেটওয়ার্ক ‘গুগল ফাই’-এর আনলিমিটেড প্যাকের সাথে মিলছে টানা ৬ মাসের ফ্রি ইউটিউব প্রিমিয়াম। আগে স্যামসাং গ্যাজেট কিনলেও এক বছরের ফ্রি অফার পাওয়া যেত। এই ফ্রি ট্রায়ালগুলো শেষ হওয়ার আগে বাতিল করে দিলে কোনো জরিমানা কাটে না। আর যদি আপনি নিয়মিত ব্যবহারকারীও হন, তবে বছরের ৩ থেকে ৬ মাস ফ্রিতে পাওয়া মানে পুরো বছরের খরচ অর্ধেক বা তারও বেশি কমিয়ে আনা।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>২. ‘ইউটিউব মিউজিক’-কে অবহেলা নয়</strong><br>ইউটিউব প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন নেওয়ার সাথে সাথেই আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘ইউটিউব মিউজিক’-এর প্রিমিয়াম অ্যাক্সেস পেয়ে যাচ্ছেন। অথচ অনেক ব্যবহারকারী এই সুবিধা থাকা সত্ত্বেও স্পটিফাই বা অ্যাপল মিউজিক-এর জন্য আলাদাভাবে প্রতি মাসে টাকা খরচ করেন। যদি আপনি স্পটিফাইয়ের কড়া ভক্ত না হন, তবে সেই সাবস্ক্রিপশনটি বাতিল করে সরাসরি ইউটিউব মিউজিক ব্যবহার শুরু করতে পারেন।</p>
<p style="text-align: justify;">গুগলের এই মিউজিক অ্যাপটির অ্যালগরিদম অত্যন্ত শক্তিশালী। ইউটিউবে আপনার গান শোনার পুরোনো ইতিহাস অ্যানালাইসিস করে এটি চমৎকার সব অটোমেটিক প্লে-লিস্ট ও মিক্স তৈরি করে, যা আপনাকে অনেক পুরোনো বা নতুন গান খুঁজে পেতে সাহায্য করবে। এ ছাড়া আপনার কম্পিউটারে যদি নিজস্ব কোনো অডিও ফাইলের কালেকশন থাকে, তবে ব্রাউজার থেকে সরাসরি ড্র্যাগ অ্যান্ড ড্রপ করে তা ইউটিউব মিউজিকের ক্লাউড লাইব্রেরিতে আপলোড করে যেকোনো ডিভাইস থেকে শুনতে পারবেন। এটি গুগল হোম, অ্যান্ড্রয়েড অটো এবং জেমিলাই এআই-এর সাথেও চমৎকারভাবে ইন্টিগ্রেটেড।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>৩. অফলাইন ডাউনলোডের সঠিক ব্যবহার</strong><br>আপনি যদি ঘন ঘন বিমানে যাতায়াত করেন, সাবওয়ে বা মেট্রো রেলে যাতায়াত করেন কিংবা এমন কোনো এলাকায় থাকেন যেখানে মোবাইল নেটওয়ার্ক দুর্বল, তবে ইউটিউবের অফলাইন ডাউনলোড ফিচারটি আপনার জন্য এক বিশাল আশীর্বাদ।</p>
<p style="text-align: justify;">ওয়াইফাই বা ৪জি/৫জি নেটওয়ার্কে থাকা অবস্থায় যেকোনো বড় ভিডিও বা পডকাস্টের পাশের থ্রি-ডট মেনু থেকে তা ডাউনলোড করে রাখতে পারেন। পরবর্তীতে ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়াই অ্যাপের ‘ইউ’ ট্যাব থেকে ‘ডাউনলোডস’ সেকশনে গিয়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে তা দেখা যাবে। তবে এর একটি সাব-ফিচার হলো ‘স্মার্ট ডাউনলোডস’, যা ওয়াইফাই পেলেই আপনার পছন্দের ওপর ভিত্তি করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিও ডাউনলোড করে স্টোরেজ ও ব্যাটারি খরচ করে। এই ডাউনলোডগুলো সর্বোচ্চ ১০৮০পি রেজোলিউশনে সীমাবদ্ধ হওয়ায় যাদের ১৪৪০পি বা ৪কে ডিসপ্লে রয়েছে, তাদের একটু বিরক্ত লাগতে পারে। সে ক্ষেত্রে অ্যাপের সেটিংসের ডাউনলোড অপশনে গিয়ে এই স্মার্ট ডাউনলোড ফিচারটি বন্ধ করে দেওয়াই শ্রেয়।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>৪. ব্যাকগ্রাউন্ড প্লে: স্ক্রিন বন্ধ রেখেও শুনুন পডকাস্ট</strong><br>ইউটিউব প্রিমিয়ামের অন্যতম সেরা এবং কাজের ফিচার হলো ‘ব্যাকগ্রাউন্ড প্লে’। সাধারণ ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে ইউটিউব অ্যাপ থেকে বের হওয়া মাত্রই ভিডিও বন্ধ হয়ে যায়। আগে ক্রোম বা অন্য ব্রাউজারে ডেস্কটপ মোড করে এটি চালানো গেলেও গুগল চলতি বছরের শুরুতে সেই লুপহোল বা চতুর উপায়টি বন্ধ করে দিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রিমিয়াম ব্যবহারকারীরা যেকোনো ভিডিও চালু করে ফোন লক করে পকেটে রেখে দিলে কিংবা অন্য কোনো অ্যাপ (যেমন ফেসবুক বা হোয়াটসঅ্যাপ) ব্যবহার করলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে অডিওটি চলতে থাকবে। যারা মূলত রান্নার সময়, জগিং বা সাইক্লিং করার সময় পডকাস্ট বা টকশো শোনেন—ভিডিও দেখার প্রয়োজন হয় না, তাদের জন্য এটি দারুণ কার্যকর। তবে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা মনে রাখবেন, ব্যাকগ্রাউন্ডে ইউটিউব অ্যাপ অনেক বেশি ব্যাটারি টানে বলে অনেক সময় ফোনের ওএস স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রসেসটি কিল বা বন্ধ করে দিতে পারে; সে ক্ষেত্রে অ্যাপটি আবার ওপেন করে প্লে চাপতে হয়। (ফ্রি ব্যবহারকারীদের জন্য এখন কেবল ‘পিকচার-ইন-পিকচার’ বা ছোট উইন্ডো মোডটি চালু রয়েছে, তবে স্ক্রিন বন্ধ করলে সেটিও কাজ করে না)।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>৫. এক্সপেরিমেন্টাল ও এআই ফিচারের আগাম স্বাদ</strong><br>প্রিমিয়াম গ্রাহকেরা ইউটিউবের যেকোনো নতুন বেটা বা পরীক্ষামূলক ফিচার সবার আগে ব্যবহারের সুযোগ পান। বর্তমানে এই ফিচারগুলোর বেশিরভাগই এআই-চালিত। যেমন—গুগলের জেমিলাই এআই মডেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি ‘আস্ক ইউটিউব’ সার্চ মোড, যা দিয়ে ভিডিওর ভেতরেই এআই-কে বিভিন্ন প্রশ্ন করা যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">এ ছাড়া গত এপ্রিলে যোগ হওয়া ‘অটো স্পিড’ ফিচারটি একটি গেম-চেইঞ্জার। এটি বড় ভিডিওগুলোর প্লেব্যাক স্পিড ঢালাওভাবে না বাড়িয়ে বুদ্ধিমত্তার সাথে সামঞ্জস্য করে। অর্থাৎ, ভিডিওতে কেউ যখন খুব ধীরগতিতে কথা বলবে তখন স্পিড স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়িয়ে দেবে, আবার যখন কোনো জটিল বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে তখন স্পিড স্বাভাবিক করে দেবে। (তাছাড়া প্রিমিয়াম ব্যবহারকারীরা সর্বোচ্চ ৩.০এক্স পর্যন্ত স্পিড বাড়ানোর সূক্ষ্ম স্লাইডার কন্ট্রোলও পান)।</p>
<p style="text-align: justify;">সবচেয়ে দরকারি আরেকটি ফিচার হলো ‘জাম্প অ্যাহেড’ বাটন। ভিডিও স্কিপ করার জন্য স্ক্রিনে ডাবল ট্যাপ করলেই ডানদিকের নিচে এই বাটনটি ভেসে ওঠে। এটিতে চাপ দিলে ভিডিওর সেই অংশে সরাসরি নিয়ে যায়, যেখানে বেশিরভাগ দর্শক স্কিপ করে চলে গেছেন। এর ফলে ভিডিওর ভেতরে থাকা বিভিন্ন স্পনসরড বা বিজ্ঞাপনী অংশ মুহূর্তেই এড়ানো সম্ভব হয়, যা আপনার দেখার অভিজ্ঞতাকে করে তোলে একদম নিখুঁত।</p>
<p style="text-align: justify;">উচ্চ বিটরেট এবং হাই-ফিডেলিটি অডিওর মতো ছোট ছোট কোয়ালিটি লাইফ ইম্প্রুভমেন্টগুলো একবার ব্যবহারের অভ্যাস হয়ে গেলে সাধারণ ইউটিউবে ফিরে যাওয়া কঠিন। তাই প্রতি মাসে প্রিমিয়ামের জন্য যে টাকা দিচ্ছেন, তা উসুল করতে আজই এই সেটিংস ও ফিচারগুলোর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করুন।</p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong>ডিবিটেক/বিএমটি   ।   সূত্র: <a href="https://www.engadget.com/2188574/youtube-premium-features-settings/" target="_blank" rel="noopener">এনগ্যাজেট</a></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইনকগনিটো মোড মানেই কি ‘অদৃশ্য’ হওয়া?</title>
<link>https://digibanglatech.news/179147</link>
<guid>https://digibanglatech.news/179147</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a2537a367bd8.jpg" length="53363" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 08 Jun 2026 10:20:15 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal"><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">গুগল ক্রোম ব্রাউজারে ‘ইনকগনিটো মোড’ চালু করলেই স্ক্রিনটি অন্ধকার ও রহস্যময় হয়ে ওঠে। চোখে কালো চশমা আর হ্যাট পরা একটি আইকন ভেসে আসে</span>, <span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">যা দেখে মনে হয়—ইন্টারনেটের দুনিয়ায় আপনি সম্পূর্ণ অদৃশ্য হয়ে গেছেন এবং কেউ আপনার কর্মকাণ্ড দেখতে পাচ্ছে না। কিন্তু সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে</span>, <span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">এটি একটি মস্ত বড় ভুল ধারণা। ইনকগনিটো বা প্রাইভেট ব্রাউজিং মোড আপনার</span><span lang="BN-BD"> </span>লোকাল <span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">বা ডিভাইসের ব্রাউজিং হিস্ট্রি আড়াল করতে পারলেও</span>, <span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">অনলাইনের বিশাল দুনিয়ায় আপনাকে মোটেও অদৃশ্য বা সম্পূর্ণ নিরাপদ করে তোলে না</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"><b><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">ইনকগনিটো মোড আসলে কী লুকায়</span>?<o:p></o:p></b></p>
<p class="MsoNormal"><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">সহজ কথায়</span>, <span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">ইনকগনিটো বা প্রাইভেট ব্রাউজিং মূলত আপনার ব্যবহৃত ডিভাইসটির ভেতরে তথ্যের রেকর্ড রাখা বন্ধ করে। আপনি যখন একটি ইনকগনিটো উইন্ডো বন্ধ করে দেবেন</span>, <span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">তখন ব্রাউজার নিচে উল্লিখিত কাজগুলো করে:</span><o:p></o:p></p>
<ul style="margin-top: 0in;" type="disc">
<li class="MsoNormal" style="mso-list: l1 level1 lfo1; tab-stops: list .5in;"><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">আপনার পরিদর্শিত কোনো ওয়েবসাইটের নাম মূল ‘ব্রাউজার হিস্ট্রি’-তে জমা রাখে না</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></li>
<li class="MsoNormal" style="mso-list: l1 level1 lfo1; tab-stops: list .5in;"><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">ব্রাউজিং সেশনের সময় তৈরি হওয়া সব ধরনের ‘কুকিজ’ (</span>Cookies) <span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">এবং সাইট ডেটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে ফেলে। এর ফলে পরবর্তীতে সাধারণ উইন্ডো খুললে ওয়েবসাইটগুলো আপনাকে আগের সেশনের ব্যবহারকারী হিসেবে চিনতে পারে না</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></li>
<li class="MsoNormal" style="mso-list: l1 level1 lfo1; tab-stops: list .5in;"><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">সার্চ বার বা কোনো অনলাইন ফরমে আপনার টাইপ করা তথ্য (যেমন—ঠিকানা বা ইউজারনেম) অটো-কমপ্লিটের জন্য সংরক্ষণ করা হয় না</span><span lang="HI">।</span></li>
</ul>
<p class="MsoNormal"><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">গুগল ক্রোমে একে ‘ইনকগনিটো মোড’ বলা হলেও সাফারি (</span>Safari) <span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">ও ফায়ারফক্স (</span>Firefox)-<span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">এ একে বলা হয় ‘প্রাইভেট ব্রাউজিং’ এবং মাইক্রোসফট এজ (</span>Edge)-<span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">এ এর নাম ‘ইনপ্রাইভেট ব্রাউজিং’। সবগুলোর মূল কাজই এক—আপনার নিজের ডিভাইসে ব্রাউজিংয়ের প্রমাণ না রাখা</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">তবে এখানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম আছে। ইনকগনিটো মোডে থাকা অবস্থায় আপনি যদি কোনো ফাইল কম্পিউটারে ডাউনলোড করেন</span>, <span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">তবে উইন্ডো বন্ধ করলেও সেই ফাইলটি আপনার স্টোরেজে থেকে যাবে এবং যে কেউ তা খুঁজে পাবে। একইভাবে সেভ করা ‘বুকমার্ক’ বা ফেভারিট সাইটগুলোও মুছে যাবে না। এ ছাড়া কাজ শেষে ব্রাউজারের সব কটি প্রাইভেট ট্যাব বা উইন্ডো সম্পূর্ণ বন্ধ না করলে তথ্যগুলো পুরোপুরি মুছে যায় না</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"><b><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">কারা এখনো দেখতে পাচ্ছে আপনার অনলাইন কর্মকাণ্ড</span>?<o:p></o:p></b></p>
<p class="MsoNormal"><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">ইনকগনিটো মোড অন থাকা সত্ত্বেও অনলাইনের বেশ কয়েকটি পক্ষ আপনার প্রতি মুহূর্তের কার্যক্রমের ওপর নজর রাখতে পারে:</span><o:p></o:p></p>
<ul style="margin-top: 0in;" type="disc">
<li class="MsoNormal" style="mso-list: l0 level1 lfo2; tab-stops: list .5in;"><b><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">পরিদর্শিত ওয়েবসাইটসমূহ:</span></b><span lang="BN-BD"> </span><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">ইনকগনিটো মোড কোনো ওয়েবসাইটকে আপনার ডেটা সংগ্রহ করা থেকে আটকাতে পারে না। সবচেয়ে বড় কথা</span>, <span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">আপনি যদি প্রাইভেট উইন্ডোর ভেতরে আপনার ফেসবুক</span>, <span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">অ্যামাজন বা গুগল অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করেন</span>, <span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">তবে সেই প্রতিষ্ঠানটি তাৎক্ষণিকভাবে জেনে যায় যে আপনি সেখানে কী করছেন</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></li>
<li class="MsoNormal" style="mso-list: l0 level1 lfo2; tab-stops: list .5in;"><b><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (</span>ISP):</b> <span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">আপনি বাসা বা অফিসের যে কোম্পানির ইন্টারনেট (ব্রডব্যান্ড বা মোবাইল ডেটা) ব্যবহার করছেন</span>, <span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">তারা স্পষ্ট দেখতে পায় আপনি কোন কোন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করছেন। ইনকগনিটো মোড আপনার ইন্টারনেট লাইনে কোনো অতিরিক্ত এনক্রিপশন বা গোপনীয়তা যুক্ত করে না</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></li>
<li class="MsoNormal" style="mso-list: l0 level1 lfo2; tab-stops: list .5in;"><b><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">অফিস বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্ক:</span></b><span lang="BN-BD"> </span><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">আপনি যদি অফিস বা স্কুলের ওয়াইফাই বা তাদের দেওয়া কম্পিউটার ব্যবহার করেন</span>, <span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">তবে ইনকগনিটো মোড অন করলেও প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্ক মনিটরিং সফটওয়্যার এবং ফায়ারওয়াল আপনার সব ট্রাফিক বা হিস্ট্রি নিখুঁতভাবে ট্র্যাক করতে পারে</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></li>
<li class="MsoNormal" style="mso-list: l0 level1 lfo2; tab-stops: list .5in;"><b><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">গুগল ও বিজ্ঞাপনী সংস্থা:</span></b><span lang="BN-BD"> </span><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">বিভিন্ন ওয়েবসাইটের ভেতরে লুকিয়ে থাকা গুগলের অ্যানালিটিক্স টুল এবং ট্র্যাকিং কোডগুলো ইনকগনিটো মোডেও ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। এই বিষয়টি নিয়ে ২০২০ সালে গুগলের বিরুদ্ধে মার্কিন আদালতে একটি বড় মামলা হয়</span>, <span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">যেখানে অভিযোগ করা হয় যে গুগল ইনকগনিটো মোডের ব্যবহারকারীদের ডেটাও গোপনে ট্র্যাকিং করছে। এরই প্রেক্ষিতে ২০২৪ সালে গুগল বিলিয়ন বিলিয়ন ডেটা রেকর্ড ধ্বংস করতে এবং তাদের প্রাইভেট ব্রাউজিংয়ের শর্তাবলী আপডেট করতে বাধ্য হয়</span><span lang="HI">।</span></li>
</ul>
<p class="MsoNormal"><b><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">এটি কি আপনার আইপি অ্যাড্রেস লুকায়</span>?<o:p></o:p></b></p>
<p class="MsoNormal"><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">না</span>, <span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">ইনকগনিটো মোড আপনার ইন্টারনেট প্রোটোকল বা আইপি (</span>IP) <span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">অ্যাড্রেস কোনোভাবেই লুকাতে পারে না। ফলে আপনার সাধারণ ভৌগোলিক অবস্থান ও ইন্টারনেট সংযোগের পরিচয় ওয়েবসাইটগুলোর কাছে উন্মুক্তই থাকে। আপনি যদি আপনার আইপি অ্যাড্রেস এবং ইন্টারনেট ট্রাফিককে আইএসপি বা হ্যাকারদের চোখ থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে এনক্রিপ্ট করতে চান</span>, <span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">তবে ইনকগনিটো মোডের পরিবর্তে একটি নির্ভরযোগ্য</span><span lang="BN-BD"> </span><b><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">ভিপিএন (</span>VPN - Virtual Private Network)</b> <span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">ব্যবহার করতে হবে</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"><b><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">কখন ইনকগনিটো মোড ব্যবহার করা উচিত</span>?<o:p></o:p></b></p>
<p class="MsoNormal"><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">ইনকগনিটো বা প্রাইভেট ব্রাউজিং কোনো বৈশ্বিক সুরক্ষাকবচ নয়</span>, <span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">এটি মূলত একটি ‘লোকাল প্রাইভেসি টুল’। এটি তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন:</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">১. আপনি অন্য কারো কম্পিউটার বা কোনো পাবলিক সাইবার ক্যাফেতে নিজের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করছেন</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">২. পরিবারের কাউকে সারপ্রাইজ গিফট দেওয়ার জন্য গোপনে কোনো শপিং সাইট ব্রাউজ করছেন</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">৩. এমন কিছু সার্চ করছেন যা আপনি নিজের ব্যক্তিগত ব্রাউজার হিস্ট্রিতে রাখতে চান না</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">৪. মূল অ্যাকাউন্ট লগ-আউট না করেই একই ব্রাউজারে সাময়িকভাবে দ্বিতীয় আরেকটি অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করতে চাচ্ছেন</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"><b><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">বিভিন্ন ব্রাউজারে ইনকগনিটো উইন্ডো খোলার নিয়ম:</span><o:p></o:p></b></p>
<ul style="margin-top: 0in;" type="disc">
<li class="MsoNormal" style="mso-list: l2 level1 lfo3; tab-stops: list .5in;"><b><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">গুগল ক্রোম:</span></b><span lang="BN-BD"> </span><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">ডানদিকের থ্রি-ডট মেনু থেকে</span> New Incognito window <span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">সিলেক্ট করুন। (শর্টকাট:</span> Ctrl + Shift + N)<o:p></o:p></li>
<li class="MsoNormal" style="mso-list: l2 level1 lfo3; tab-stops: list .5in;"><b><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">সাফারি (ম্যাক):</span></b><span lang="BN-BD"> </span><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">মেনু বার থেকে</span> File <span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">চাপুন এবং</span> New Private Window <span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">সিলেক্ট করুন। (শর্টকাট:</span> Command + Shift + N)<o:p></o:p></li>
<li class="MsoNormal" style="mso-list: l2 level1 lfo3; tab-stops: list .5in;"><b><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">মোজিলা ফায়ারফক্স:</span></b><span lang="BN-BD"> </span><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">ডানদিকের থ্রি-লাইন মেনু থেকে</span> New private window <span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">সিলেক্ট করুন। (শর্টকাট:</span> Ctrl + Shift + P)<o:p></o:p></li>
<li class="MsoNormal" style="mso-list: l2 level1 lfo3; tab-stops: list .5in;"><b><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">মাইক্রোসফট এজ:</span></b><span lang="BN-BD"> </span><span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">ডানদিকের থ্রি-ডট মেনু থেকে</span> New InPrivate window <span lang="BN-BD" style="mso-bidi-language: BN-BD;">সিলেক্ট করুন। (শর্টকাট:</span> Ctrl + Shift + N)<o:p></o:p></li>
</ul>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফুয়েল পাস চালু, নিবন্ধন করবেন যেভাবে</title>
<link>https://digibanglatech.news/173532</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173532</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d8f8059fb80.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 10 Apr 2026 00:00:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>জ্বালানি তেল বিতরণে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে মোবাইল অ্যাপভিত্তিক ‘ফুয়েল পাশ’ চালু করেছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। প্রাথমিকভাবে রাজধানীর দুটি ফিলিং স্টেশনে এ সেবা চালু করা হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলটিং) শুরু হওয়া এ কার্যক্রমে কিউআর কোডের মাধ্যমে জ্বালানি সংগ্রহের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।</p>
<div class="adDiv w320 hidden-print overflowHidden marginB30">
<article>
<p><span>জ্বালানি বিভাগ জানায় ডিজিটাল ব্যবস্থায় প্রতিটি ব্যবহারকারীর জন্য একটি কিউআর কোড থাকবে। </span>ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি নেওয়ার সময় এই কোড স্ক্যান করলেই নির্ধারিত বরাদ্দ অনুযায়ী নেওয়া যাবে জ্বালানি।</p>
</article>
<article>
<p><span>পাশাপাশি ফিলিং স্টেশন মালিকরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে জ্বালানির বরাদ্দ নথিভুক্ত করবেন।</span></p>
</article>
<article>চালকরা কিউআর কোড স্ক্যান করে জ্বালানি গ্রহণ ও নিজেদের বরাদ্দ দেখতে পারবেন। কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে পুরো দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা যাবে।
<p><span>যারা স্মার্টফোন ব্যবহার করে না, তারা <a href="https://digibanglatech.news/admin/fuelpass.gov.bd" target="_blank" rel="noopener"><strong>fuelpass.gov.bd</strong></a> ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করার পর কিউআর কোড ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে ব্যবহার করতে পারবেন। নতুন এ ব্যবস্থাটি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে।</span></p>
<p><span><b>যেভাবে নিবন্ধন করা যাবে  </b></span></p>
<p><span>চালকদের প্রথমে <strong><a href="https://fuelpass.gov.bd/" target="_blank" rel="noopener">ফুয়েল পাশ </a></strong> ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে অথবা গুগল প্লে স্টোর থেকে ফুয়েল পাস নামের অ্যাপ মুঠোফোনে ইন্সটল করে হবে। এর পর ফোন নম্বর ভেরিফাই করে মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও অন্যান্য তথ্য প্রদান শেষে পাসওয়ার্ড দিয়ে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। এ জন্য </span><span>জাতীয় পরিচয়পত্র, </span><span>গাড়ির ব্লু-বুক বা স্মাট কার্ড, </span><span>ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং </span><span>সচল ফোন নম্বর এবং পাসপোর্ট সাইজের ছবি প্রয়োজন হবে।</span></p>
<p><span>নতুন চালু করা এ ব্যবস্থার ফলে যানবাহনভিত্তিক তথ্য যাচাই সহজ হবে এবং জ্বালানি বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।</span></p>
</article>
</div>
<p>বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ বিভাগ থেকে ৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও আধুনিক করতে এবং ফিলিং স্টেশনগুলোতে সুশৃঙ্খলা আনতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের (ইএমআরডি) আওতাধীন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) কিউআর কোডভিত্তিক ‘ফুয়েল পাশ’ নামক একটি অ্যাপ পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেছে। </p>
<div class="desktopDetailBody innerAdDiv">ঢাকার তেজগাঁওয়ের ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন এবং আসাদগেটের সোনার বাংলা ফুয়েল স্টেশনে এটি পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। পাইলটিং সফল হলে পর্যায়ক্রমে সারা দেশের সব ধরনের যানবাহনের জন্য এটি চালু করা হবে।
<p>অ্যাপটি প্রাথমিকভাবে মোটরসাইকেল মালিক/চালকদের ব্যবহারের জন্য শুধুমাত্র ঢাকার দুইটি ফিলিং স্টেশনে (ঢাকার তেজগাঁওয়ের ট্রাস্ট ও আসাদগেটের সোনারবাংলা ফিলিং স্টেশন) উন্মুক্ত করে পাইলটিং করা হচ্ছে। সফল পাইলটিংয়ের পর পর্যায়ক্রমে ‘ফুয়েল পাশ’ অ্যাপটি সারা দেশের সব যানবাহনের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।</p>
<p>এতে আরও বলা হয়েছে, জ্বালানি বিতরণ ব্যবস্থায় ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ার কারণে বিলম্বসহ বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও প্রতিটি ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে। আবার একই ব্যক্তি একাধিকবার এসে লাইনে দাঁড়িয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত ফুয়েল সংগ্রহ করছেন যা জ্বালানির কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তাবিত এ ডিজিটাল সিস্টেমটি বিতরণ প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণরূপে অটোমেশন এবং রিয়েল-টাইম মনিটরিংয়ের আওতায় আনবে। এ সিস্টেমের সঙ্গে বিআরটিএর কেন্দ্রীয় ডাটাবেসের সংযোগ থাকবে, ফলে জ্বালানি বিতরণ ব্যবস্থা একটি স্বচ্ছ মনিটরিংয়ের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হবে। স্মার্টফোন না থাকলেও নাগরিকরা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন এবং কিউআর কোডটি বিভিন্ন ফরম্যাটে ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিতে পারবেন।</p>
<p>এ সিস্টেমের মাধ্যমে যেসব সুবিধা পাওয়া যাবে</p>
<p># ফিলিং স্টেশন মালিকরা ডিজিটাল মাধ্যমে জ্বালানির বরাদ্দ এন্ট্রি দিয়ে ভোক্তাদের ফুয়েল বিতরণ করতে পারবেন।</p>
<p># কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে একজন চালক ফুয়েল গ্রহণ করতে পারবেন এবং একইসঙ্গে নিজের জন্য নির্ধারিত বরাদ্দ দেখতে পারবেন।</p>
<p># কেন্দ্রীয় ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে জ্বালানি সরবরাহ ও বিতরণের অবস্থা রিয়েল-টাইমে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।</p>
<p># এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের ফলে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে, অনিয়ম ও অপচয় হ্রাস পাবে এবং সংকটকালীন সময়ে কার্যকরভাবে জ্বালানি ব্যবস্থাপনা করা সম্ভব হবে।</p>
<p># জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ আশা করছে, সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সহযোগিতায় এই আধুনিক ব্যবস্থাটি বৃহৎ পরিসরে দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিএইচই/এমইউআইএম</strong></span></em></p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঘরে বসেই ভোটকেন্দ্র ও ভোটার নম্বর মিলবে যেভাবে</title>
<link>https://digibanglatech.news/166678</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166678</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69871dd90676c.jpg" length="96766" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 07 Feb 2026 15:11:42 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আসন্ন গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারগণের ভোটপ্রদানের সুবিধার্থে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানার জন্য চারটি সহজ পদ্ধতি চালু করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। ফোন থেকে কল করে কিংবা এসএমএস করে যেমন ভোটার নম্বর এবং ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানা যাবে। একইসঙ্গে অ্যাপ কিংবা ওয়েব থেকেও মিলবে এই সুবিধা। </p>
<p>নির্বাচন কমিশনের বরাত দিয়ে ৭ ফেব্রুয়ারি, শনিবার চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। </p>
<p> <strong>স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি অ্যাপে</strong> </p>
<p>স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি (Smart Election Management BD) অ্যাপের মাধ্যমে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানতে পারবেন ভোটাররা। এজন্য ভোটারকে Play Store বা App Store থেকে Smart Election Management BD অ্যাপ ডাউনলোড করে ইনস্টল করতে হবে। অ্যাপটি ইনস্টলের পর ড্যাশবোর্ড থেকে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন’ সিলেক্ট করে ‘ভোট কেন্দ্র খুঁজুন’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ ইনপুট দিয়ে অনুসন্ধান করলে ভোটার নম্বর, ভোটার ক্রমিক নম্বর, ভোটকেন্দ্রের নাম ও কেন্দ্রের ঠিকানা প্রদর্শিত হবে।</p>
<p><strong>হটলাইন নম্বর ১০৫</strong></p>
<p>ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানার জন্য বাংলাদেশের যে-কোনো ভোটার হটলাইন নম্বর ১০৫-এ কল করতে পারবেন। এজন্য হটলাইন নম্বর ১০৫-এ কল করার পর অপারেটরের সঙ্গে কথা বলতে ৯ প্রেস করতে হবে। এ পদ্ধতিতে তথ্য জানতে ভোটারের এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ প্রয়োজন। এজন্য এসব তথ্য হাতে নিয়ে হটলাইন নম্বর ১০৫-এ কল করতে হবে। প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত এ সেবা চালু থাকবে।</p>
<p><strong>এসএমএস-এর মাধ্যমে</strong></p>
<p>এসএমএস-এর মাধ্যমে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানতে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে PC NID লিখে ১০৫ নম্বরে মেসেজ পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএস-এর মাধ্যমে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানিয়ে দেওয়া হবে।</p>
<p><strong>নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে</strong></p>
<p>নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট ব্যবহার করেও ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানা যাবে। এ জন্য ল্যাপটপ, ডেক্সটপ কম্পিউটার বা মোবাইলের যে-কোনো ব্রাউজার থেকে ecs.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এরপর ওয়েবসাইটের ‘ভোটকেন্দ্র’ মেনুতে ক্লিক করলেই ভোটকেন্দ্র অনুসন্ধানের অপশন পাওয়া যাবে। ওয়েবসাইটে দুটি উপায়ে ভোটকেন্দ্র খোঁজা যাবে। প্রথমত, নির্বাচনি এলাকা, উপজেলা/থানা নির্বাচন করে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের তালিকা দেখা যাবে। দ্বিতীয়ত, এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে অনুসন্ধান করলে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানা যাবে। এছাড়া ওয়েবসাইটে ভোটকেন্দ্রের অবস্থান সরাসরি গুগল ম্যাপে দেখার সুবিধা রয়েছে। গুগল ম্যাপের মাধ্যমে  ভোটকেন্দ্রের দূরত্ব এবং যাওয়ার পথ সম্পর্কেও বিস্তারিত জানা যাবে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিজ্ঞপ্তি/ ইকে</strong></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঘরে বসেই ভোটকেন্দ্রের অবস্থান জানবেন যেভাবে</title>
<link>https://digibanglatech.news/166367</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166367</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_6983613302729.jpg" length="70051" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 04 Feb 2026 02:10:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>‘স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি’ নামে একটি অ্যাপ চালু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই অ্যাপের মাধ্যমে ভোটাররা তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর দিয়ে নিজের ভোটকেন্দ্র কোথায়, তা খুঁজে বের করতে পারবেন।</p>
<p>ইসির জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিকের ৩ ফেব্রুয়ারি, সোমবার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। তিনি জানান,   অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোর ও অ্যাপল অ্যাপ স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। এ অ্যাপের মাধ্যমে ভোটকেন্দ্রের অবস্থান (জিও লোকেশন), ছবি, দূরত্ব ও ম্যাপ প্রভৃতি তথ্য দেখা যাবে।</p>
<p>এছাড়া এই অ্যাপ থেকে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের তথ্য, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের হলফনামাসহ যাবতীয় তথ্য, নির্বাচনি ফলাফল এবং নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট তথ্য জানা যাবে।<br>দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনেও এই অ্যাপটি চালু করা হয়েছিল। অ্যাপটির <a href="https://play.google.com/store/apps/details?id=com.electioncommissionsecretariat.sembd&amp;pcampaignid=web_share">গুগল প্লে স্টোর</a> থেকে দেখা গেছে এই প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত ১ মিলিয়ন ডাউনলোড হয়েছে। এর রিভিউরেট ৩.৭।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসই/এমএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নির্বাচনে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক কার্ড পেতে আবেদন করবেন যেভাবে</title>
<link>https://digibanglatech.news/165525</link>
<guid>https://digibanglatech.news/165525</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_6979996269851.jpg" length="62049" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 28 Jan 2026 00:00:42 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের কার্ড প্রদানের প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।  এবার প্রথমবারের মতো সাংবাদিক পর্যবেক্ষক কার্ড ও গাড়ির স্টিকার পেতে অনলাইনে আবেদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ওয়েবসাইট <strong><a href="https://digibanglatech.news/admin/pr.ecs.gov.bd" target="_blank" rel="noopener">pr.ecs.gov.bd</a></strong>–এর মাধ্যমে এ আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।</p>
<p><strong>যেভাবে করবেন রেজিস্ট্রেশন:</strong><br>ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর ধাপে ধাপে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, ইমেইল ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিতে হবে। সব ধাপ পূরণ করার পর প্রদত্ত মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি (OTP) পাঠানো হবে। ওটিপি যাচাইয়ের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হবে। </p>
<p><strong>লগইন করে আবেদন</strong></p>
<p>রেজিস্ট্রেশন শেষে মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে নির্বাচনে সাংবাদিক পর্যবেক্ষক হিসেবে কার্ডের জন্য আবেদন করতে হবে।</p>
<p>স্থানীয় সাংবাদিক (জেলা-উপজেলা) সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত তথ্যের আগে আবেদনকারীর বর্তমান অবস্থানের তথ্য দিতে হবে।সেক্ষেত্রে আবেদনের নিদিষ্ট অংশে বিভাগ, জেলা, নির্বাচনী আসন ও উপজেলা/থানার তথ্য বাধ্যতামূলক দিতে হবে।</p>
<p><strong>আবেদন প্রক্রিয়ার ধাপসমূহ</strong></p>
<p>লগইন করার পর প্রথম ধাপে আবেদনকারীর ব্যক্তিগত তথ্য দিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, জন্মতারিখ ও লিঙ্গ।</p>
<p>পরবর্তী ধাপে মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের তথ্য বাধ্যতামূলকভাবে প্রদান করতে হবে। এতে গণমাধ্যমের নাম, প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা, ইমেইল, ফোন নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর উল্লেখ করতে হবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নিবন্ধন প্রমাণপত্র ও সর্বশেষ পত্রিকার কপি সংযুক্ত করতে হবে।</p>
<p>এছাড়া বাধ্যতামূলক সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনুমোদিত সাংবাদিকদের তালিকা ফাইল আকারে আপলোড করতে হবে। একই সঙ্গে ওই তালিকায় আবেদনকারী সাংবাদিকের নাম কত নম্বরে রয়েছে, তা নির্দিষ্ট ঘরে উল্লেখ করতে হবে।</p>
<p><strong>গাড়ির স্টিকার</strong></p>
<p>গাড়ির স্টিকার প্রয়োজন হলে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ অপশন নির্বাচন করতে হবে। ‘হ্যাঁ’ নির্বাচন করলে গাড়ির সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রের তথ্য দিতে হবে।</p>
<p><strong>চূড়ান্ত সংযুক্তি</strong></p>
<p>আবেদনের শেষ ধাপে আবেদনকারীর অফিস আইডি, ইস্যুর তারিখ, মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ, ছবি, স্বাক্ষর এবং জাতীয় পরিচয়পত্র কার্ড নির্ধারিত ঘরে ফাইল আকারে আপলোড করতে হবে।</p>
<p>সব ধাপ সঠিকভাবে সম্পন্ন করে সবুজ অংশে ক্লিক করে আবেদন জমা দিলে আবেদন সম্পূর্ণ হয়েছে বলে দেখাবে।</p>
<p>আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচন কমিশন কিউআর কোড সংবলিত একটি কার্ড পিডিএফ আকারে প্রদান করবে। ওই কার্ড প্রিন্ট করে গণমাধ্যমকর্মীরা নির্বাচনে সংবাদ সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি অনুমোদন পাবেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএম/ডিবিডি</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নিবন্ধিত মোবাইল ফোন ‘ডি&#45;রেজিস্ট্রেশন’ করার উপায়</title>
<link>https://digibanglatech.news/162884</link>
<guid>https://digibanglatech.news/162884</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_695a290c268b1.jpg" length="130426" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 04 Jan 2026 09:47:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="v-card v-sheet theme--light elevation-0 rounded-0">
<div class="row full-height margin-0">
<div class="padding-0 col col-12">
<div class="row">
<div class="col col-12">
<div class="news-paragraph">
<p><span>বাংলাদেশে একজন ব্যক্তির একটি এনআইডির বিপরীতে প্রথমে ২০টি এবং পরে ১৫টি পর্যন্ত সিম ব্যবহারের অনুমতি ছিল, যা বর্তমানে ১০-এ নামিয়ে আনছে বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক কমিশন (বিটিআরসি)। ফলে এনইআইআর ম্যাপিংয়ে এনআইডির বিপরীতে হিস্টোরিক ডেটায় অনেক বেশি হ্যান্ডসেটের সংখ্যা দেখাচ্ছে বলে  জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। এতে আতঙ্কিত না হয়ে নিজে ব্যবহার করেন না এমন ফোন ডিরেজিন্ট্রেশন করার আহ্বান জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তাহলে আসুন জেনে নেই কীভাবে নিবন্ধিত মোবাইলফোন ডিরেজিস্ট্রেশন করতে হবে। </span></p>
<p><strong>তার আগে জেনে নেই কেন ফোন ডি রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজন হবে? </strong></p>
<div>
<div>
<h3>টেলিযোগাযোগ খাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশে অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেটের ব্যবহার রোধে চালু করা হয়েছে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেম। এর ফলে দেশের নেটওয়ার্কে নিবন্ধনহীন বা আনঅফিসিয়াল মোবাইল হ্যান্ডসেটের ব্যবহার বন্ধ হবে। <span>তবে নিবন্ধিত মোবাইলফোন গ্রাহক যদি বিক্রি বা হস্তান্তর করতে চান সেক্ষেত্রে আগে হ্যান্ডসেটটিকে ‘ডি-রেজিস্ট্রেশন’ করতে হবে। ডি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে অবশ্যই গ্রাহকের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দিয়ে নিবন্ধিত একটি সিম ফোনে থাকতে হবে এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের শেষ চার ডিজিট উল্লেখ করতে হবে।</span></h3>
</div>
</div>
<p>নিবন্ধিত মোবাইলফোন ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে প্রথমে <span id="main-descirption" class="description description-y"><strong><a href="https://digibanglatech.news/admin/neir.btrc.gov.bd" target="_blank" rel="noopener">এনইআইআর পোর্টালে</a></strong> লগ ইন করে ড্যাশবোর্ডে যেতে হবে। তালিকা থেকে ডিভাইস নির্বাচন করতে হবে। ‘ডি-রেজিস্টার’ এ ক্লিক করুন এবং প্রয়োজনীয় বিবরণ দিয়ে ডি-রেজিস্টার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে। </span> ইউএসএসডি চ্যানেল (*১৬১৬১#)</p>
</div>
<div class="news-paragraph">
<p>মোবাইলের কল অপশনে যেয়ে ডায়াল করুন *১৬১৬১#। এরপর ডি রেজিষ্ট্রেশন অপশনে ক্লিক করে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।</p>
</div>
<div class="news-paragraph"><span id="main-descirption" class="description description-y">তবে ডি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে গ্রাহক তার ফোনে যে সিমটি ব্যবহার করছেন তা অবশ্যই নিজের এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিত হতে হবে। ক্লোন বা ডুপ্লিকেট আইএমইআই নম্বর যুক্ত হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশন করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে পরবর্তী ব্যবহারকারীর সিম নম্বর দিতে হবে।</span></div>
<div class="news-paragraph"><span id="main-descirption" class="description description-y"> </span></div>
<div class="news-paragraph"><span class="description description-y">এর আগে গত ১৬ ডিসেম্বর এনইআইআর চালুর ঘোষণা দিয়েছিল বিটিআরসি। তবে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে সময় বাড়িয়ে ১ জানুয়ারি থেকে সিস্টেমটি চালু করা হয়। এই সিস্টেম চালুর সঙ্গে সঙ্গে একজন </span><span id="main-descirption" class="description description-y"></span>ব্যক্তির এনআইডির বিপরীতে কত সিম ব্যবহার হয়েছে, সিমের বিপরীতে কত ডিভাইস ব্যবহার হয়েছে তা সহজেই জানা যাচ্ছে। <a href="https://www.somoynews.tv/topic/%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B2-%E0%A6%AB%E0%A7%8B%E0%A6%A8" class="color-black"></a></div>
</div>
</div>
</div>
<div class="mt-4 z-2 v-item-group theme--light v-slide-group v-chip-group v-chip-group--column">
<div class="v-slide-group__wrapper">
<div class="v-slide-group__content">
<div>
<div class="container overflow-hidden padding-0 margin-0 container--fluid grid-list-xs"><a href="https://www.somoynews.tv/topic/%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B2-%E0%A6%AB%E0%A7%8B%E0%A6%A8" class="color-black"></a><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমইউএম</strong></span></em></div>
</div>
<div>
<div class="container overflow-hidden padding-0 margin-0 container--fluid grid-list-xs"><a href="https://www.somoynews.tv/topic/%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%87%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%86%E0%A6%B0" class="color-black"></a></div>
</div>
<div>
<div class="container overflow-hidden padding-0 margin-0 container--fluid grid-list-xs"><a href="https://www.somoynews.tv/topic/%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B2-%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%A8" class="color-black"></a></div>
</div>
<div>
<div class="container overflow-hidden padding-0 margin-0 container--fluid grid-list-xs"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="adslot"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নতুন ফোন কিনলে বা উপহার পেলে যেভাবে নিবন্ধন করতে হবে</title>
<link>https://digibanglatech.news/162885</link>
<guid>https://digibanglatech.news/162885</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_695a2d92111ba.jpg" length="78668" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 03 Jan 2026 23:06:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>সিমকার্ডের মতো প্রত্যেকটা হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের আওতায় এনেছে বিটিআরসি। এক্ষেত্রে চাইলেই একটি হ্যান্ডসেটে ইচ্ছেমতো সিমকার্ড ব্যবহার করা যাবে না। অবশ্য ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের টেলিকম নেটওয়ার্বে ব্যহৃত সবগুলো ফোন অটো নিবন্ধনের আওতায় নিয়ে এসেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আর এটা সম্পন্ন হচ্ছে এনআইডি’র বিপরীতে। অবশ্য প্রাথমিক পর্যায়ে একজনের নামে নিবন্ধিত সিম ও সেটের সংখ্যা নিয়ে কিছু বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি অচিরেই ঠিক কয়ে যাবে বলে জানাগেছে। <br class="html-br"><br class="html-br">তবে এখন থেকে কোনো ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত হ্যান্ডসেটে শুধুমাত্র সেই ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত সিমকার্ড ব্যবহার করা যাবে। সেই ক্ষেত্রে ব্যক্তি পুরনো হ্যান্ডসেটটি বিক্রি বা কাউকে দিতে চাইলে বা সেখানে অন্যজনের সিম ব্যবহার করতে চাইলে হ্যান্ডসেটটি আগে ‘ডিরেজিস্ট্রেশন’ করতে হবে। </span></p>
<p><strong>নিবন্ধনের তথ্য পেতে যা করতে হবে</strong><br class="html-br"><br class="html-br"><span>ধাপ ১: মোবাইল হ্যান্ডসেট হতে *১৬১৬১# নম্বরে ডায়াল করতে হবে।</span><br class="html-br"><br class="html-br"><span>ধাপ ২: অটোমেটিক বক্স এলে হ্যান্ডসেটের ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বরটি লিখে পাঠিয়ে দিন।</span><br class="html-br"><br class="html-br"><span>ধাপ ৩: ফিরতি মেসেজের মাধ্যমে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বা হ্যান্ডসেটের হালনাগাদ অবস্থা জানানো হবে।</span><br class="html-br"><br class="html-br"><span>নোট: নির্দিষ্ট (</span><span class="html-span xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1hl2dhg x16tdsg8 x1vvkbs"><a class="x1i10hfl xjbqb8w x1ejq31n x18oe1m7 x1sy0etr xstzfhl x972fbf x10w94by x1qhh985 x14e42zd x9f619 x1ypdohk xt0psk2 x3ct3a4 xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x16tdsg8 x1hl2dhg xggy1nq x1a2a7pz xkrqix3 x1sur9pj x1fey0fg x1s688f" href="http://neir.btrc.gov.bd/?fbclid=IwZXh0bgNhZW0CMTAAYnJpZBExSkhwUVdyZXJMdHRMaEJJYXNydGMGYXBwX2lkEDIyMjAzOTE3ODgyMDA4OTIAAR5m8mLUJkdqX8Vu1o8Q4JdCz5A0tTxyiJ4mdO8U4BeuG7GP27Rh_gHtC3LsqQ_aem_KPgFvFdaZGn4dWLfjvunPw" rel="nofollow noopener noreferrer" role="link" target="_blank" tabindex="0">neir.btrc.gov.bd</a></span><span>) লিংকের মাধ্যমে সিটিজেন পোর্টাল অথবা মোবাইল অপারেটরের কাছের কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের সাহায্যেও এই সেবা পাওয়া যাবে।</span><br class="html-br"><br class="html-br"><span style="text-decoration: underline;"><strong>নতুন হ্যান্ডসেট কেনার সময় করণীয়</strong></span><br class="html-br"><br class="html-br"><span>এখন কোনো দোকান, অনলাইন দোকান বা ই-কমার্স সাইট থেকে মোবাইল হ্যান্ডসেট কেনার আগে সেটার বৈধতা যাচাইয়ের পরামর্শ দিয়েছে বিটিআরসি। হ্যান্ডসেটের ক্রয় রশিদও সংরক্ষণ করতে হবে।</span><br class="html-br"><br class="html-br"><span>মোবাইল হ্যান্ডসেটটি বৈধ হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এনইআইআর সিস্টেমে নিবন্ধিত হয়ে যাবে।</span><br class="html-br"><br class="html-br"><strong>হ্যান্ডসেটের বর্তমান অবস্থা জানতে যা করতে হবেঃ—</strong><br class="html-br"><br class="html-br"><span>ধাপ ১: মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে KYD১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বর লিখতে হবে। যেমন— KYD 123456789012345।</span><br class="html-br"><br class="html-br"><span>ধাপ ২: আইএমইআই নম্বরটি লেখার পর ১৬০০২ নম্বরে পাঠাতে হবে।</span><br class="html-br"><br class="html-br"><span>ধাপ ৩: ফিরতি মেসেজে মোবাইল হ্যান্ডসেটের বৈধতা সম্পর্কে জানানো হবে।</span><br class="html-br"><br class="html-br"><strong>বিদেশ থেকে কেনা বা উপহার পেলে যা করতে হবেঃ-</strong><br class="html-br"><br class="html-br"><span>বিদেশ থেকে ব্যক্তি পর্যায়ে বৈধভাবে কেনা বা উপহার পাওয়া হ্যান্ডসেট প্রাথমিকভাবে নেটওয়ার্কে সচল হবে। এরপর এসএমএসের মাধ্যমে পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে অনলাইনে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি দাখিল করতে বলেছে বিটিআরসি। দাখিল করা তথ্যাদি যাচাই করে শুধু বৈধ হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের মাধ্যমে নেটওয়ার্কে সচল করা হবে।</span><br class="html-br"><br class="html-br"><span style="text-decoration: underline;"><strong>এ ধরনের হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের জন্য নীচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবেঃ—</strong></span><br class="html-br"><br class="html-br"><span>ধাপ ১: নির্দিষ্ট ( </span><span class="html-span xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1hl2dhg x16tdsg8 x1vvkbs"><a class="x1i10hfl xjbqb8w x1ejq31n x18oe1m7 x1sy0etr xstzfhl x972fbf x10w94by x1qhh985 x14e42zd x9f619 x1ypdohk xt0psk2 x3ct3a4 xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x16tdsg8 x1hl2dhg xggy1nq x1a2a7pz xkrqix3 x1sur9pj x1fey0fg x1s688f" href="https://l.facebook.com/l.php?u=http%3A%2F%2Fneir.btrc.gov.bd%2F%3Ffbclid%3DIwZXh0bgNhZW0CMTAAYnJpZBExSkhwUVdyZXJMdHRMaEJJYXNydGMGYXBwX2lkEDIyMjAzOTE3ODgyMDA4OTIAAR5m8mLUJkdqX8Vu1o8Q4JdCz5A0tTxyiJ4mdO8U4BeuG7GP27Rh_gHtC3LsqQ_aem_KPgFvFdaZGn4dWLfjvunPw&amp;h=AT0EQGBUG19zbL7ZR576sSprbSO99RnJDSKkqa3OpWvwIUx4bcNC2Guq3-d8-GNkY_cHdaMt8_aznvz4Qt6pz3KNTXjzkAXkaBbu1AmDh_KTbNL0OaWKFlWSrpiKj1pRu4GQ93_IFRvPot1f&amp;__tn__=-UK*F" rel="nofollow noopener noreferrer" role="link" target="_blank" tabindex="0">neir.btrc.gov.bd</a></span><span>) লিংকে ভিজিট করে ব্যক্তিগত একাউন্ট রেজিস্টার করতে হবে।</span><br class="html-br"><br class="html-br"><span>ধাপ ২: পোর্টালের ‘স্পেশাল রেজিস্ট্রেশন’ সেকশনে গিয়ে মোবাইল হ্যান্ডসেটের আইএমইআই নম্বরটি দিতে হবে।</span><br class="html-br"><br class="html-br"><span>ধাপ-৩: প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের ছবি বা স্ক্যান কপি (পাসপোর্টের ভিসা/ইমিগ্রেশন, ক্রয় রশিদ ইত্যাদি) আপলোড করতে হবে এবং সাবমিট করতে হবে।</span><br class="html-br"><br class="html-br"><span>ধাপ ৪: হ্যান্ডসেটটি বৈধ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে। বৈধ না হলে এসএমএসের মাধ্যমে গ্রাহককে অবহিত করে নেটওয়ার্ক হতে বিচ্ছিন্ন করা হবে।</span></p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমইউ</strong></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>যে ভাবে ফোন থেকেই রিচার্জ হবে র‍্যাপিড ও এমআরটি পাস</title>
<link>https://digibanglatech.news/161553</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161553</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6948eb26649ed.jpg" length="73483" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 22 Dec 2025 09:55:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>কাউন্টারে না গিয়েই মোবাইল ফোন থেকে</span> ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, নগদ, রকেটসহ সব ধরনের অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে গণপরিবহনের <span>র‍্যাপিড পাস ও এমআরটি পাস কার্ড </span>স্থায়ী কার্ড রিচার্জ করার সুবিধা চালু হয়েছে। ২৫ নভেম্বর থেকে চালু করা হলেও কয়েক দফা সার্ভার সমস্যায় চার্জের বিড়ম্বনা এখন আর নেই। ফলে কার্ডধারিরা চাইলেই এখন <a target="_blank" href="https://www.rapidpass.com.bd/" rel="nofollow noopener">www.rapidpass.com.bd</a><span> পেজ থেকে কার্ড রিচার্জ করতে পারছেন। </span></p>
<p><span>অনলাইনে সর্বনিম্ন ১০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত রিচার্জ করা যাচ্ছে।</span></p>
<div id="c3e2b710-ba69-433e-83c8-0254efb45d61">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ জানায়, বিকাশের পাশাপাশি নগদ, রকেটের পাশাপাশি ক্রেডিট কার্ডসহ অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে র‍্যাপিড পাস ও এমআরটি পাস কার্ড রিচার্জ করা যায়। এ জন্য মোবাইল বা ডেস্কটপ কম্পিউটার থেকে<span> </span><a target="_blank" href="https://www.rapidpass.com.bd/" rel="nofollow noopener">www.rapidpass.com.bd</a>-এ প্রবেশ করে নির্দেশনা অনুসরণ করলেই হবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ফিনটেক অ্যাপে প্রবেশ করে সেখানে থাকা মেট্রোরেল নির্বাচন করতে হবে। তখন সরাসরি <a target="_blank" href="https://www.rapidpass.com.bd/" rel="nofollow noopener">www.rapidpass.com.bd</a> পেজ মোবাইল পর্দায় ভেসে উঠবে। সেখান থেকে নতুন অ্যাকাউন্ট খুলতে নিবন্ধন অপশনে ক্লিক করতে হবে। সব তথ্য ইনপুট দিতে হবে। শেষে ওটিপি দিয়ে সাবমিট করলে নিবন্ধনপ্রক্রিয়া শেষ হবে। এতে ১-২ মিনিটের বেশি লাগবে না। একবার নিবন্ধন হয়ে গেলে পরে শুধু মোবাইল নম্বর বা ই-মেইল ঠিকানা ও পাসওয়ার্ড দিয়ে সাইন ইন করলেই হবে।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="6a6332ae-5848-4ccf-87af-977d84decc4a">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<p>এবার রিচার্জ অপশনে র‍্যাপিড পাস বা এমআরটি পাস কার্ডটি নির্বাচন করে চাহিদামতো টাকার পরিমাণ উল্লেখ করতে হবে। তারপর ‘পে উইথ বিকাশ’ বাটন নির্বাচন করতে হবে। তারপর বিকাশ নম্বর দিয়ে নিশ্চিত করলে ভেরিফিকেশন কোড দিতে হবে। তারপর গোপন পিন নম্বর দিলেই রিচার্জের প্রাথমিক প্রক্রিয়া শেষ হবে। এ সময় মোবাইলে খুদে বার্তার মাধ্যমে রিচার্জের পরিমাণটি নিশ্চিত করা হবে।</p>
<div id="74b7329c-8410-4f98-b7c7-19f30e2ce2e3">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>অনলাইনে রিচার্জ করার পর এভিএম কার্ড স্পর্শ করার আগপর্যন্ত তা (রিচার্জ) অপেক্ষমাণ (পেন্ডিং) দেখাবে। এ ছাড়া একবারে শুধু একটি পেন্ডিং অনলাইন রিচার্জ থাকতে পারবে। আগের রিচার্জ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত নতুন অনলাইন রিচার্জ করা যাবে না। কার্ড যদি ব্ল্যাক লিস্টেড, রিফান্ডেড বা অবৈধ হয়, তাহলে রিচার্জ করা যাবে না। ব্যবহারকারী তাঁর রিচার্জ হিস্ট্রি অ্যাপ্লিকেশন বা ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে দেখতে পারবেন।</p>
<p>ব্যবহারকারী চাইলে কার্ড এভিএম মেশিনে স্পর্শ করার আগে সাত দিনের মধ্যে রিচার্জ বাতিলের জন্য অনুরোধ করতে পারবেন। রিচার্জ বাতিলের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জ কাটা হবে। কার্ড ব্ল্যাক লিস্ট-সংক্রান্ত কারণে পেন্ডিং ট্রানজেকশনের ক্ষেত্রেও গ্রাহক রিফান্ড রিকোয়েস্ট করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জ কর্তন হবে। যদিও বর্তমানে রিফান্ড কার্যক্রম বর্তমানে বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমও/ইক</strong></span></em></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div>
<div class="print-adslot adsBox n5kiG">
<div data-lang="বিজ্ঞাপন" class="dfp-ad-unit print-none ">
<div class="adunitContainer">
<div class=" adBox" id="mcanvas1x1-b158901e-9cdd-42da-9b76-1cb3070bf0ae-0-0" data-google-query-id="CJ77o5LL0JEDFUOIZgIdlzYNKQ">
<div id="google_ads_iframe_85406138/mCanvas_1x1_0__container__"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="c3e2b710-ba69-433e-83c8-0254efb45d61">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-title">
<h2></h2>
</div>
</div>
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<p> </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ক্যানভা দিয়ে ফ্রিতে ছবি সম্পাদনা</title>
<link>https://digibanglatech.news/160281</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160281</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_693674f97e886.jpg" length="81631" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 08 Dec 2025 20:00:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির যুগে ছবি সম্পাদনা আর পেশাদারদের কাজে সীমাবদ্ধ নেই। অনলাইনে সহজ টুলস আসায় এখন যেকোনো ব্যবহারকারী খুব সহজেই নিজের ছবি প্রফেশনালভাবে সাজিয়ে নিতে পারেন। এমনই এক জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম ক্যানভা, যেখানে ব্যাকগ্রাউন্ড মুছে ফেলা, নতুন ব্যাকগ্রাউন্ড যোগ করা কিংবা ছোটখাটো এডিটের মতো কাজগুলো করা যায় একেবারে বিনামূল্যে।</p>
<p style="text-align: justify;">ইন্টারফেসের সরল নকশা এবং অনলাইন কাজের সুবিধার কারণে ক্যানভা এখন ব্যক্তিগত ব্যবহারকারী থেকে শুরু করে ছোট উদ্যোক্তাদের কাছেও সমান জনপ্রিয়। প্ল্যাটফর্মটিতে লগইন করলেই পাওয়া যায় একটি পরিচ্ছন্ন ড্যাশবোর্ড, যেখানে ব্যবহারকারী নিজস্ব সাইজে ডিজাইন তৈরি করতে পারেন কিংবা পূর্বনির্ধারিত টেমপ্লেট ব্যবহার করে শুরু করতে পারেন। ছবি সম্পাদনার জন্য প্রথমে প্রয়োজনীয় ছবিটি আপলোড করতে হবে ‘আপলোডস’ সেকশনে। এরপর ব্যবহারকারী ছবিটি ক্যানভাসে এনে প্রয়োজনমতো কাজ শুরু করতে পারেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ফটো এডিটিংয়ে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ফিচারের একটি ব্যাকগ্রাউন্ড অপসারণ। যদিও সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভার ক্যানভার প্রো সংস্করণে পাওয়া যায়, তবে সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য রয়েছে ‘ম্যাজিক ইরেজার’- একটি কার্যকর ফ্রি টুলস, যার সাহায্যে ছবির অবাঞ্ছিত অংশ খুব সহজেই মুছে ফেলা যায়। ছবির যে অংশটি সরাতে চান, সেখানে ব্রাশ চালালেই ব্যাকগ্রাউন্ড মিলিয়ে যায়। আর পুরো ছবির পেছনের অংশটাই আলাদা করতে চাইলে অনেক ব্যবহারকারী আগে রিমুভ ডটবিজি’র মতো ফ্রি সার্ভিসে ব্যাকগ্রাউন্ড কেটে এনে পরে ক্যানভায় সেট করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ব্যাকগ্রাউন্ড বদলানোও ক্যানভায় বেশ সহজ। স্বচ্ছ (পিএনজি) কাটআউট ছবিটি ক্যানভাসে আনার পর বাম পাশের ফটোজ সেকশন থেকে প্রয়োজনীয় ব্যাকগ্রাউন্ড বেছে নেওয়া যায়। স্টুডিও সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে শুরু করে সমুদ্রতট বা অফিস রুম, বিভিন্ন ধরনের ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যবহার করে ছবির পুরো পরিবেশই বদলে ফেলা যায় মুহূর্তে। প্রয়োজন হলে এডিট ফটোর নিচে থাকা অ্যাডজাস্ট অপশন দিয়ে উজ্জ্বলতা, রঙ বা কনট্রাস্ট ঠিক করে ছবিকে আরও স্বাভাবিকভাবে পরিবেশের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">ছোটখাটো সম্পাদনার কাজেও ক্যানভা কার্যকর। ছবির নির্দিষ্ট অংশ কাটতে ‘ক্রপ’, রঙ উজ্জ্বল করতে ‘অটো এনহেন্স’, কিংবা বাস্তবসম্মত ছায়া যুক্ত করতে এলিমেন্টসের ‘শ্যাডো’ গ্রাফিক ব্যবহার করা যায়। এসব টুল বিনামূল্যেই ব্যবহার করা যায় এবং ছবির সৌন্দর্যে বড় পার্থক্য এনে দেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">সবশেষে কাজ শেষ হলে উপরের ‘শেয়ার’ বাটনে ক্লিক করে পিএনজি বা জেপিজি ফরম্যাটে ছবিটি ডাউনলোড করা যায়। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট থেকে শুরু করে পণ্য প্রচারণা, সব ক্ষেত্রেই এই সম্পাদিত ছবি ব্যবহার করার সুবিধা দেয় প্ল্যাটফর্মটি।</p>
<p style="text-align: justify;">সহজ ব্যবহারযোগ্যতা, নান্দনিক আউটপুট এবং ফ্রি ফিচারের প্রাচুর্যের কারণে ক্যানভা এখন ছবি সম্পাদনায় নতুনদের অন্যতম ভরসার জায়গা হয়ে উঠেছে। ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির এই যুগে প্ল্যাটফর্মটি সাধারণ ব্যবহারকারীদের হাতেও এনে দিয়েছে পেশাদার মানের কাজ করার সুযোগ।</p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong>ডিবিটেক/বিএমটি</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিদেশ থেকে আনা মোবাইল ফোন ব্লক হলে কী করবেন?</title>
<link>https://digibanglatech.news/159906</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159906</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6929f753a3d7e.jpg" length="66147" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 28 Nov 2025 19:18:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে চালু হতে যাচ্ছে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)। ওই দিনের পর থেকে বিদেশ থেকে ব্যক্তি পর্যায়ে বৈধভাবে ক্রয় বা উপহারপ্রাপ্ত হ্যান্ডসেট দেশের নেটওয়ার্কে ৩০ দিনের মতো সচল থাকবে। এরমধ্যেই নিবন্ধনের কাজ সারতে হবে ক্রেতা বা ব্যবহারকারীকে। ঘরে বসেই এই কাজটি করা যাবে।</p>
<p>এজন্য প্রথমে <strong><span style="color: rgb(22, 145, 121);"><a href="https://digibanglatech.news/admin/neir.btrc.gov.bd" target="_blank" rel="noopener" style="color: rgb(22, 145, 121);">neir.btrc.gov.bd </a></span></strong>ওয়েবসাইটে গিয়ে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। এরপর 'বিশেষ নিবন্ধন' অংশে গিয়ে মোবাইলের IMEI নম্বর প্রবেশ করাতে হবে। এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে, ব্যবহারকারীদের সাধারণত ৩০ দিনের মধ্যে একটি এসএমএস পাওয়ার পর নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। </p>
<p><strong>নিবন্ধন পদ্ধতি:</strong><br>ধাপ ১: ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন<br>neir.btrc.gov.bd ওয়েবসাইটে যান এবং একটি নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন।</p>
<p>ধাপ ২: IMEI নম্বর প্রবেশ করান<br>আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করার পর, ‘বিশেষ নিবন্ধন’ বা 'Special Registration' অপশনে যান।<br>আপনার মোবাইলের ১৫ ডিজিটের IMEI নম্বরটি নির্দিষ্ট স্থানে লিখুন। (IMEI নম্বর পেতে মোবাইলে *#06# ডায়াল করুন অথবা ফোনের বক্সে থাকা স্টিকারে দেখুন)। </p>
<p>ধাপ ৩: প্রয়োজনীয় নথি আপলোড করুন<br>এয়ার মেইলে পাওয়া হ্যান্ডসেটের ক্ষেত্রে প্রাপকের জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়াওপ্রেরকের পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্রের স্ক্যান কপি (যদি প্রযোজ্য হয়)। যদি একটির বেশি হ্যান্ডসেট হয় তাহলে শুল্ক প্রদানের রশিদ লাগবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যেমন – জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), পাসপোর্ট, ইত্যাদি (প্রয়োজন অনুযায়ী) স্ক্যান করে আপলোড করুন।</p>
<p>ধাপ ৪: আবেদন জমা দিন<br>সব তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করে আবেদনটি জমা দিন।<br>তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের পর হ্যান্ডসেটটি বৈধভাবে নিবন্ধিত হবে। </p>
<p>প্রসঙ্গত, বর্তমানের ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী একজন ব্যক্তি বিদেশ থেকে শুল্কবিহীন সর্বোচ্চ দুইটি এবং শুল্কপ্রদান করে আরও ছয়টি হ্যান্ডসেট সঙ্গে আনতে পারেন। বিদেশ থেকে আনা নতুন মোবাইল ফোনের জন্য শুল্ক নির্ভর করে ফোনটির দামের উপর। দেশে চালানোর ক্ষেত্রে নিবন্ধিত না হলে, ফোনটি নেটওয়ার্ক থেকে ব্লক হয়ে যেতে পারে।  </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কীভাবে চিনবেন ফেইক না ডিপফেইক</title>
<link>https://digibanglatech.news/159609</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159609</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_691ebada27b3c.jpg" length="87532" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 20 Nov 2025 10:57:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন এআই এর ব্যবহার ধুন্ধুমার। কেউ মজা করে, কেউবা বিশেষ উদ্দেশ্যে তৈরি করছেন ডিপফেক কন্টেন্ট। এআই-নির্ভর এসব ছবি, অডিও, ভিডিও দিয়ে অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো সয়লাব। আগে ফটোশপ বা ভিডিও এডিট করে এসব অপকর্ম ঘটানো হলেও এখন এআই প্রযুক্তির নানা টুলস ব্যবহার করে যে কোনো মানুষের চেহারা, কণ্ঠস্বর সবকিছুই নকল করা যায় সহজেই। তাই কোনো ভিডিও বা ছবি দেখা মাত্রই বিশ্বাস না করে তা ফেইক না ডিপফেইক তা জেনে নিন নিচের কৌশল ব্যবহার করে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><strong>দৃশ্যমান অসঙ্গতি</strong></span><br>এখন তো বিভিন্ন স্মার্টফোনে সরাসরিই এআই এডিটিং ফিচার চলে আসছে, যেমন পিক্সেল ৯-এ গুগলের ‘অ্যাড মি’ ফিচার। এ ফিচারের মাধ্যমে যে ছবি তুলছেন, তাকেই ছবিতে আনা যায় এআই কারিশমা। এই কারশিমাতেও থেকে সাধারণ কিছু দৃশ্যমান অসঙ্গতি থাকে। এই যেমন- </p>
<p><strong>চোখ এবং পলক :</strong> একজন স্বাভাবিক মানুষ ঘন ঘন পলক ফেলে, কিন্তু ডিপফেইকের ক্ষেত্রে চোখের নড়াচড়া অস্বাভাবিক হতে পারে বা পলক ফেলার পরিমাণ খুব কম বা বেশি হতে পারে। চোখের মণি বা চারপাশের ছায়াও অস্বাভাবিক দেখাতে পারে।</p>
<p><strong>মুখের অভিব্যক্তি :</strong> মুখের ভাব এবং কথা বলার ধরনের মধ্যে অসামঞ্জস্য থাকতে পারে। আবেগের সঙ্গে মুখের অভিব্যক্তি নাও মিলতে পারে।</p>
<p><strong>ত্বকের গঠন :</strong> ডিপফেক ভিডিওতে ত্বক অস্বাভাবিকভাবে মসৃণ বা কুঁচকানো দেখাতে পারে। মুখমণ্ডল এবং ঘাড় বা শরীরের অন্যান্য অংশের ত্বকের রঙের পার্থক্য থাকতে পারে।</p>
<p><strong>ঠোঁটের নড়াচড়া :</strong> অডিওর সঙ্গে ঠোঁটের নড়াচড়ার মিল নাও থাকতে পারে বা ঠোঁটের প্রান্তগুলো ঝাপসা দেখাবে।</p>
<p><strong>আলো এবং ছায়া :</strong> আলো এবং ছায়ার অবস্থান বা দিক স্বাভাবিক নাও হতে পারে, কারণ এআই বাস্তব জগতের আলোর ফিজিক্স সম্পূর্ণরূপে অনুকরণ করতে পারে না।</p>
<p><strong>শারীরিক অসঙ্গতি :</strong> হাত, দাঁত বা কানের মতো ছোটখাটো বিবরণগুলোতে প্রায়ই অসঙ্গতি দেখা যায়। চুলের রেখা বা কানের দুলের মতো জিনিসের প্রান্তগুলো ঝাপসা হতে পারে বা মিটমিট করতে পারে ((glitches))।</p>
<p><strong>পটভূমি</strong> (Background) : অনেক সময় ডিপফেকের ক্ষেত্রে মূল বিষয়ের চেয়ে পটভূমির স্পষ্টতা কম হতে পারে বা পটভূমিতে হঠাৎ পরিবর্তন লক্ষ করা যায়।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><strong>কারিগরি কৌশল</strong></span><br>ডিপফেইক তৈরি একেবারেই সহজ করে তুলেছে ছবি তৈরির প্ল্যাটফর্ম মিডজার্নি'র মতো অ্যাপ্লিকেশন। এসব অ্যাপ্লিকেশনে তৈরি ফেইকও প্রযুক্তিগতভাবে যাচাইয়ের জন্য রয়েছে কিছু নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি-</p>
<p><strong>উৎস যাচাইকরণ :</strong> কন্টেন্টটি কোথা থেকে আসছে তা পরীক্ষা করুন। যদি এটি কোনো পরিচিত বা বিশ্বস্ত উৎস থেকে না আসে, তবে এর সত্যতা নিয়ে সন্দেহ করা উচিত।</p>
<p><strong>রিভার্স ইমেজ সার্চ :</strong> ছবি বা ভিডিওর থাম্বনেইল ব্যবহার করে গুগল ইমেজ সার্চ বা TinEye-এর মতো টুল দিয়ে রিভার্স সার্চ করুন। এটি আপনাকে মূল কন্টেন্টটি খুঁজে বের করতে এবং কোনো পরিবর্তন করা হয়েছে কিনা তা দেখতে সাহায্য করতে পারে।</p>
<p><strong>মেটাডেটা বিশ্লেষণ :</strong> ফাইলটির মেটাডেটা (metadata) পরীক্ষা করুন, যেখানে ফাইল তৈরি ও পরিবর্তন করার তারিখ ও সময় থাকতে পারে। ডিপফেক তৈরির টুলগুলো প্রায়ই এই ডেটা পরিবর্তন বা মুছে ফেলে।</p>
<p><strong>বিশেষায়িত টুলস :</strong> মাইক্রোসফটের তৈরি ‘Video Authenticator’ বা ইন্টেলের ‘FakeCatcher’-এর মতো কিছু স্বয়ংক্রিয় টুল রয়েছে, যা ডিপফেক শনাক্ত করতে পারে। যদিও এই টুলগুলো সব সময় সাধারণ মানুষের জন্য সহজে উপলব্ধ নাও থাকতে পারে।</p>
<p><strong>ফ্যাক্ট-চেকিং ওয়েবসাইট :</strong> যদি কন্টেন্টটি ভাইরাল হয়, তাহলে Google Fact Check Explorer বা অন্যান্য নির্ভরযোগ্য ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইটে দেখুন সেটি সম্পর্কে কোনো তথ্য আছে কিনা।</p>
<p>সাধারণ ব্যবহারকারী হিসেবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সন্দেহপ্রবণ হওয়া এবং কোনো কন্টেন্ট শেয়ার করার আগে ওপরে আলোচিত অসঙ্গতিগুলো ভালোভাবে খতিয়ে দেখা। এটা করা যায় মেটাডাটা বিশ্লেষণের মাধ্যমে। এসময় নিম্নক্ত তথ্য খুঁজে মিলিয়ে নিতে হবে </p>
<p> <strong>ক্যামেরা বা ডিভাইস মডেল :</strong> কোন মডেলের ক্যামেরা বা ফোন দিয়ে ছবিটি তোলা বা ভিডিওটি রেকর্ড করা হয়েছে, তা এখানে উল্লেখ থাকে। একটি আসল ফাইলে সাধারণত ডিভাইসের সঠিক নাম (যেমন : Canon EOS 5D Mark IV ev iPhone 14 Pro) থাকে। ডিপফেক বা এডিট করা ফাইলে এই তথ্য অনুপস্থিত থাকতে পারে বা জেনেরিক নাম (যেমন : ‘Digital Camera’) থাকতে পারে।</p>
<p>সময় এবং তারিখ : ফাইলটি কখন তৈরি বা শেষবার পরিবর্তন করা হয়েছে, তার সঠিক তারিখ ও সময় এখানে থাকে। যদি দাবি করা ঘটনার সময়ের সঙ্গে মেটাডেটার সময়ের মিল না থাকে, তাহলে ফাইলটি জাল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।</p>
<p><strong>সফ্টওয়্যার বা প্রোগ্রাম</strong> : ছবিটি বা ভিডিওটি কোনো এডিটিং সফটওয়্যার (যেমন : Adobe Photoshop, Premiere Pro) দিয়ে এডিট করা হলে, সেই সফটওয়্যারের নাম এবং সংস্করণ (version) মেটাডেটাতে লেখা থাকতে পারে। ডিপফেইক তৈরির কাজে ব্যবহৃত এআই টুলগুলোর নামও কখনও কখনও এখানে দেখা যায়।</p>
<p><strong>অবস্থান</strong> (GPS Location) : কিছু ফাইল, বিশেষ করে স্মার্টফোন দিয়ে তোলা ছবিতে, GPS কো-অর্ডিনেট বা ভৌগোলিক অবস্থান ডেটা থাকে। এই ডেটা যাচাই করে দেখা যায় যে, ছবিটি সত্যিই সেই নির্দিষ্ট জায়গায় তোলা হয়েছিল কিনা।</p>
<p><strong>অন্যান্য প্যারামিটার :</strong> ছবির রেজল্যুশন, ফাইলের আকার, এক্সপোজার সেটিংস ইত্যাদি তথ্যও বিশ্লেষণ করা হয়।</p>
<p><strong>মেটাডেটা বিশ্লেষণ :</strong> ফেইক/ডিপফেইক বা জাল ফাইল শনাক্ত করার ক্ষেত্রে মেটাডেটা বিশ্লেষণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ :</p>
<p><strong>তথ্য মুছে ফেলা :</strong> জালকারীরা প্রায়ই আসল ফাইল থেকে মেটাডেটা মুছে ফেলে যাতে সেটিকে ট্র্যাক করা না যায়। মেটাডেটা সম্পূর্ণ খালি থাকা একটি সন্দেহজনক লক্ষণ।</p>
<p><strong>অসামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য :</strong> যদি মেটাডেটাতে একটি আইফোন মডেলের নাম থাকে, কিন্তু ছবিতে একটি পেশাদার ক্যামেরার লেন্সের বৈশিষ্ট্য দেখা যায়, তবে সেটি অসঙ্গতিপূর্ণ।</p>
<p><strong>এডিটিং সফ্টওয়্যারের ছাপ :</strong> মেটাডেটাতে যদি স্পষ্ট উল্লেখ থাকে যে, ফাইলটি কোনো এআই ইমেজ জেনারেটর সফটওয়্যার দিয়ে তৈরি, তবে সেটির সত্যতা সহজেই প্রমাণিত হয়।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/মুইম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>যে ১২ উপায়ে অনলাইনে নিরাপদ থাকবেন</title>
<link>https://digibanglatech.news/159193</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159193</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202501/image_870x580_677f4c88ad84b.jpg" length="222964" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 09 Nov 2025 20:00:48 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ইন্টারনেট আমাদের জীবনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। কিন্তু এর সঙ্গে বাড়ছে সাইবার অপরাধ, তথ্য চুরি ও প্রতারণার ঝুঁকি। তবে কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চললে আপনি সহজেই অনলাইনে ৯৯ শতাংশ মানুষের চেয়ে নিরাপদ থাকতে পারেন। নিচে দেওয়া হলো এমন ১২টি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ—</p>
<p style="text-align: justify;">১. সফটওয়্যার আপডেট করুন সঙ্গে সঙ্গে<br>যখনই কোনো সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম আপডেট আসে, তা অবিলম্বে ইনস্টল করুন। এই আপডেটগুলোতেই সাধারণত নিরাপত্তা দুর্বলতা ঠিক করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">২. শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন<br>ছোট বা সহজে অনুমানযোগ্য পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না। বড় ও জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন এবং পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করে সেগুলো সংরক্ষণ করুন।</p>
<p style="text-align: justify;">৩. টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (২এফএ) চালু করুন<br>পাসওয়ার্ড ফাঁস হলেও ২এফএ আপনার অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখবে। ফোন কোড বা পাসকি ব্যবহার করে অতিরিক্ত স্তর যোগ করুন।</p>
<p style="text-align: justify;">৪. নিয়মিত ব্যাকআপ রাখুন<br>র‍্যানসমওয়্যার বা ডেটা হারানোর ক্ষেত্রে ব্যাকআপই হবে আপনার উদ্ধারকর্তা। ক্লাউড ও অফলাইন—দুই জায়গায় ব্যাকআপ রাখুন।</p>
<p style="text-align: justify;">৫. সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং চিনে ফেলুন<br>প্রতারকরা প্রভাবিত ভাষা ও ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে তথ্য আদায় করে। ভয় বা তাড়াহুড়োর বার্তায় কখনোই তথ্য দেবেন না।</p>
<p style="text-align: justify;">৬. লিংকে ক্লিক করার আগে যাচাই করুন<br>অপরিচিত লিংক বা ইমেল সংযুক্তি খুলবেন না। প্রয়োজনে ইউআরএল চেকার ব্যবহার করুন।</p>
<p style="text-align: justify;">৭. অতিরিক্ত ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করবেন না<br>সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিবার, ভ্রমণ বা ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করলে প্রতারকরা সহজে টার্গেট করতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">৮. ভিপিএন ব্যবহার করুন<br>ভিপিএন আপনার অনলাইন পরিচয় গোপন রাখে এবং হ্যাকারদের ট্র্যাকিং কঠিন করে তোলে। নিরাপদ সার্ভার ব্যবহার করুন।</p>
<p style="text-align: justify;">৯. নিয়মিত ভাইরাস স্ক্যান চালান<br>বিশ্বস্ত অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার দিয়ে আপনার ডিভাইস স্ক্যান করুন এবং সন্দেহজনক ফাইল কোয়ারেন্টাইনে রাখুন।</p>
<p style="text-align: justify;">১০. ইমেইল মাস্কার ও প্রাইভেট সার্চ ব্যবহার করুন<br>অ্যাকাউন্ট খোলার সময় ইমেইল মাস্কার ব্যবহার করুন এবং গোপনীয়তা রক্ষায় ডাকডাকগোর মতো সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করুন।</p>
<p style="text-align: justify;">১১. ডেটা রিমুভাল সার্ভিস ব্যবহার করুন<br>আপনার ব্যক্তিগত তথ্য যেসব ডেটা ব্রোকারদের কাছে রয়েছে, সেগুলো ডিলিটমি বা ইনকগনির মতো সেবা দিয়ে মুছে ফেলতে পারেন।</p>
<p style="text-align: justify;">১২. ডিভাইসের নিরাপত্তা বজায় রাখুন<br>ফোন বা ল্যাপটপ কখনোই প্রকাশ্যে ফেলে রাখবেন না। বায়োমেট্রিক লক ব্যবহার করুন এবং অফিসে অচেনা কাউকে নিরাপদ এলাকায় ঢুকতে দেবেন না।</p>
<p style="text-align: justify;">এই সাধারণ পদক্ষেপগুলো মেনে চললে আপনি অনলাইন জগতে অনেক বেশি নিরাপদ থাকতে পারবেন—কোনো হ্যাকার নয়, বরং আপনি নিজেই হবেন নিজের প্রথম প্রতিরক্ষা।</p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong>ডিবিটেক/বিএমটি</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চুরি বা হারানো ফোন ব্লক ও আনলক; উপহারপ্রাপ্ত মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধন; হ্যান্ডসেট ডি&#45;রেজিস্ট্রেশন কিভাবে</title>
<link>https://digibanglatech.news/158879</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158879</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_69027354d1d8a.jpg" length="163874" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 30 Oct 2025 00:05:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেট বন্ধ, মোবাইল ফিনান্সিয়াল সেবায় আর্থিক জালিয়াতি সনাক্ত, মোবাইল হ্যান্ডসেট চুরি রোধসহ সরকারের রাজস্ব ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণের লক্ষ্যে আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে পূর্ণাঙ্গ ভাবে চালু হচ্ছে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)। এই প্রক্রিয়া চালুর মাধ্যমে দেশে অবৈধ হ্যান্ডসেটের ব্যবহার কমবে। আর প্রক্রিয়াটি চালুর মধ্য দিয়ে দেশে বিদ্যমান সব অবৈধ হ্যান্ডসেট বৈধতা পাচ্ছে।দেশের নেটওয়ার্কে বর্তমানে সচল থাকা সব অফিসিয়াল ও আন-অফিসয়াল অর্থাৎ সব মোবাইল ফোনই সরাসরি নিবন্ধনের আওতায় আসবে। নতুন করে অবৈধ বা আন-অফিসিয়াল সেট নিবন্ধনে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মানতে হবে। ওইসব ফোন নিবন্ধনে সরকারকে করও দিতে হতে পারে। </p>
<div class="sb-ad-panel">
<div class="sb-ad-panel-background">
<div class="w3-hide-small">
<div id="div-gpt-ad-1726201057469-0" data-google-query-id="CMal1O2XypADFYWQrAIdHIoEcg"></div>
</div>
</div>
</div>
<p>নতুন এই প্রেক্ষাপটে বেশ কিছু প্রশ্ন এবং সংশয় দেখা দিচ্ছে। সেসব বিষয়েরই উত্তর রয়েছে এই টিপসে। এর মধ্যে হ্যান্ডসেট চুরি হয়ে গেলে কিংবা উপহার পাওয়া হ্যান্ডসেট কিভাবে চলবে এসব বিষয় রয়েছে সবার আগে।  </p>
<p><strong>চুরি বা হারানো ফোন ব্লক ও আনলক করবেন কিভাবে</strong><br>নতুন এই ব্যবস্থায় শুধু অনুমোদিত, মানসম্মত ও বৈধভাবে আমদানিকৃত মোবাইল ব্যবহারের মাধ্যমে মানসম্পন্ন সেবা পাবেন গ্রাহকরা এবং ভবিষ্যতে অবৈধ বা ক্লোন IMEI ফোন নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারবে না।  ফলে এই সিস্টেম চালু হলে গ্রাহকের মোবাইল চুরি হলে বা হারালে সেটি সহজেই ব্লক করা যাবে। এজন্য এনইআইআর পোর্টাল (neir.btrc.gov.bd), মোবাইল অ্যাপ বা অপারেটরের কাস্টমার সেন্টার থেকে ফোন লক বা আনলক করতে পারবেন। যাদের ইন্টারনেট সংযোগ নেই, তারাও USSD চ্যানেল বা অপারেটরের ১২১ নম্বরে কল করে সেবা নিতে পারবেন।</p>
<p><strong>বিদেশ থেকে ক্রয়কৃত বা উপহারপ্রাপ্ত মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধন করা হবে কিভাবে</strong><br>বিদেশ থেকে ব্যক্তি পর্যায়ে বৈধভাবে ক্রয় বা উপহারপ্রাপ্ত হ্যান্ডসেট প্রাথমিকভাবে নেটওয়ার্কে সচল হবে এবং এসএমএস এর মাধ্যমে পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে অনলাইনে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি দাখিল করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হবে। দাখিলকৃত তথ্যাদি যাচাই-বাছাই করতঃ শুধু বৈধ হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের মাধ্যমে নেটওয়ার্কে সচল করা হবে। <br>বিদেশ থেকে ক্রয়কৃত বা উপহারপ্রাপ্ত মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধন করার পদ্ধতি নিম্নরূপঃ<br>ধাপ-১:    neir.btrc.gov.bd লিংকে ভিজিট করে আপনার ব্যক্তিগত একাউন্ট রেজিস্টার করুন।<br>ধাপ-২:    পোর্টালের Special Registration সেকশনে গিয়ে মোবাইল হ্যান্ডসেট এর IMEI নম্বরটি দিন। <br>ধাপ-৩:    প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের ছবি/স্ক্যান কপি (পাসপোর্টের ভিসা/ইমিগ্রেশন, ক্রয় রশিদ ইত্যাদি) আপলোড করুন এবং Submit বাটন-টি প্রেস করুন। <br>ধাপ-৪:    হ্যান্ডসেটটি বৈধ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে। হ্যান্ডসেটটি বৈধ না হলে এসএমএস এর মাধ্যমে গ্রাহককে অবহিত করে নেটওয়ার্ক হতে বিচ্ছিন্ন করা হবে। <br>নোট:    মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের সাহায্যেও বর্ণিত সেবা গ্রহণ করা যাবে।<br>বিঃদ্রঃ    বিদ্যমান ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী একজন ব্যক্তি বিদেশ থেকে দেশের নেটওয়ার্কে পূর্বে ব্যবহৃত ব্যক্তিগত ১টি মোবাইল হ্যান্ডসেট বাদে সর্বোচ্চ ১টি হ্যান্ডসেট বিনা শুল্কে এবং শুল্ক প্রদান সাপেক্ষে আরও ১টি মোবাইল হ্যান্ডসেট আনতে পারবে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><strong>বিশেষ নিবন্ধনের জন্য কী লাগবে</strong></span></p>
<p><strong>ক্রয়কৃতঃ</strong><br>১। পাসপোর্টে ব্যক্তিগত তথ্যাদির পাতার স্ক্যান/ছবি;<br>২। পাসপোর্টে ইমিগ্রেশন কর্তৃক প্রদত্ত আগমনের সিল সম্বলিত পাতার স্ক্যান/ছবি; <br>৩। ক্রয় রশিদের স্ক্যান/ছবি; <br>৪। কাস্টমস্‌ শুল্ক পরিশোধ সংক্রান্ত প্রমাণপত্রের স্ক্যান/ছবি (হ্যান্ডসেট ১টির অধিক হলে);  </p>
<p><br><strong>উপহার প্রাপ্তঃ</strong><br>১। পাসপোর্টে ব্যক্তিগত তথ্যাদির পাতার স্ক্যান/ছবি;<br>২। পাসপোর্টে ইমিগ্রেশন কর্তৃক প্রদত্ত আগমনের সিল সম্বলিত পাতার স্ক্যান/ছবি;<br>৩। কাস্টমস্‌ শুল্ক পরিশোধ সংক্রান্ত প্রমাণপত্রের স্ক্যান/ছবি; (হ্যান্ডসেট ১টির অধিক হলে); <br>৪। ক্রয় রশিদের স্ক্যান/ছবি;<br>৫। উপহার প্রদানকারীর প্রত্যয়পত্র (শুধুমাত্র উপহার প্রাপ্তির ক্ষেত্রে)</p>
<p><br><strong>এয়ারমেইলে প্রাপ্তঃ </strong><br>১। প্রেরকের পাসপোর্টের ব্যক্তিগত তথ্যাদির পাতা অথবা জাতীয় পরিচিতির স্ক্যান/ছবি; (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) <br>২। প্রাপকের জাতীয় পরিচিতির স্ক্যান/ছবি; <br>৩। ক্রয় রশিদের স্ক্যান/ছবি;<br>৪। শুল্ক প্রদানের রশিদ এর স্ক্যান/ছবি (হ্যান্ডসেট ১টির অধিক হলে);</p>
<p><strong>ব্যবহৃত মোবাইল হ্যান্ডসেট এর বর্তমান অবস্থা যাচাইয় করবেন কিভাবে</strong><br>বর্তমানে মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত সকল হ্যান্ডসেট ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের মধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে। ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের পূর্বে ব্যবহৃত হ্যান্ডসেট আলাদাভাবে নিবন্ধনের প্রয়োজন নেই। ব্যবহৃত মোবাইল হ্যান্ডসেট এর বর্তমান অবস্থা নিম্নবর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করে জানা যাবে। <br>ধাপ-১:    মোবাইল হ্যান্ডসেট হতে *১৬১৬১# নম্বরে ডায়াল করুন।<br>ধাপ-২:    অটোমেটিক বক্স আসলে হ্যান্ডসেট এর ১৫ ডিজিটের IMEI নম্বরটি লিখে প্রেরণ করুন।<br>ধাপ-৩:    ফিরতি মেসেজ এর মাধ্যমে ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের/হ্যান্ডসেটের হালনাগাদ অবস্থা জানানো হবে।<br>নোট:    neir.btrc.gov.bd লিংকের মাধ্যমে বিদ্যমান সিটিজেন পোর্টাল অথবা মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের সাহায্যে বর্ণিত সেবা গ্রহণ করা যাবে।</p>
<p><br><strong>নিবন্ধিত মোবাইল হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশন করবেন কিভাবে</strong><br>১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ হতে গ্রাহক কর্তৃক ব্যবহৃত হ্যান্ডসেটটি বিক্রয়/ হস্তান্তরের প্রয়োজন হলে ডি-রেজিস্ট্রেশন করে হস্তান্তর করা যাবে। De-Registration করার সময় আবশ্যই NID এর শেষের ৪ (চার) ডিজিট প্রদান করতে হবে। গ্রাহকের ব্যবহৃত হ্যান্ডসেট নিম্নোক্ত মাধ্যম দ্বারা ডি-রেজিস্ট্রেশন করার সুযোগ গ্রহণ করতে পারবেঃ <br>ক) Citizen Portal (neir.btrc.gov.bd) <br>খ) MNO Portal<br>              গ) Mobile Apps <br>              ঘ) USSD Channel  (*১৬১৬১#) </p>
<p><strong>ডি-রেজিস্ট্রেশন করার শর্তসমূহঃ </strong><br>ক) ডি-রেজিস্ট্রেশন করার জন্য গ্রাহকের হ্যান্ডসেটে ব্যবহৃত সিমটি অবশ্যই নিজ NID তে নিবন্ধিত হতে হবে। <br>খ) ক্লোন/ডুপ্লিকেট IMEI-সম্বলিত হ্যান্ডসেটটি ডি-রেজিস্ট্রেশন করার সময় অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে পরবর্তী ব্যবহারকারীর সিম নম্বর প্রদান করতে হবে। </p>
<p><strong>কর্পোরেট সিম ব্যবহারকারী গ্রাহকের ক্ষেত্রে ডি-রেজিস্ট্রেশন করার প্রক্রিয়াঃ</strong><br>কর্পোরেট SIM ব্যবহারকারীদের ৩০ দিনের মধ্যে USSD চ্যানেল অথবা সিটিজেন পোর্টালের মাধ্যমে ব্যক্তিগত NID এর তথ্য প্রদান করার জন্য এসএমএস এর মাধ্যমে অবহিত করা হবে। কর্পোরেট গ্রাহক বর্ণিত তথ্য জমা প্রদান সাপেক্ষে ব্যক্তিগত NID অথবা কী-কন্টাক্ট-পয়েন্ট (KCP) এর NID দিয়ে ডি-রেজিস্ট্রেশন সুবিধা গ্রহণ করা যাবে। অন্যথায়, শুধুমাত্র কী-কন্টাক্ট-পয়েন্ট (KCP) এর NID এর তথ্য দিয়ে ডি-রেজিস্ট্রেশনের সুবিধা গ্রহণ করা যাবে। </p>
<p><strong>মোবাইল উৎপাদন, আমদানি ও বিক্রিতে মানতে হবে নতুন নিয়মঃ</strong><br>বিটিআরসি জানিয়েছে, দেশের চাহিদার বেশিরভাগ মোবাইল এখন স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হয়। তবে, কিছু বিশেষ মডেল নিবন্ধিত ভেন্ডরদের মাধ্যমে আমদানি করা হয়। এনইআইআর কার্যকর হওয়ার পর উৎপাদন বা আমদানি করা সব ফোনের আইএমইআই নম্বর কমিশনে নির্দিষ্ট ফরম্যাটে জমা দিতে হবে।</p>
<p>আইএমইআই জমা না দিলে বৈধভাবে উৎপাদন বা আমদানিকৃত হ্যান্ডসেটও নেটওয়ার্কে যুক্ত হতে পারবে না।</p>
<p>একইভাবে, বিক্রেতাদেরও ফোন বিক্রির আগে আইএমইআই যাচাই করতে হবে এবং ফেক বা নকল আইএমইআই যুক্ত ফোন বিক্রি করা যাবে না। এছাড়া, এনইআইআর সম্পর্কিত যেকোনো তথ্য জানতে বিটিআরসির হেল্পডেস্ক নম্বর ১০০ অথবা অপারেটরদের কাস্টমার কেয়ার নম্বর ১২১-এ যোগাযোগও করা যাবে।</p>
<p><strong>নতুন হ্যান্ডসেট ক্রয়ের পূর্বে করণীয়ঃ </strong><br>১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ হতে যে কোন মাধ্যম হতে (বিক্রয় কেন্দ্র, অনলাইন বিক্রয় কেন্দ্র, ই-কমার্স সাইট ইত্যাদি) মোবাইল হ্যান্ডসেট ক্রয়ের পূর্বে অবশ্যই হ্যান্ডসেটটির বৈধতা বর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করে যাচাই করবেন এবং ক্রয়কৃত হ্যান্ডসেটের ক্রয় রশিদ সংরক্ষণ করবেন। মোবাইল হ্যান্ডসেটটি বৈধ হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এনইআইআর সিস্টেমে নিবন্ধিত হয়ে যাবে।<br>ধাপ-১:    মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে KYD&lt;space&gt;১৫ ডিজিটের IMEI নম্বরটি লিখুন। উদাহরণ স্বরূপঃ KYD 123456789012345।<br>ধাপ-২:    IMEI নম্বরটি লিখার পর ১৬০০২ নম্বরে প্রেরণ করুন।<br>ধাপ-৩:    ফিরতি মেসেজ এর মাধ্যমে মোবাইল হ্যান্ডসেটের বৈধতা সম্পর্কে জানতে পারবেন। </p>
<p><strong>মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট বিক্রেতার ক্ষেত্রে করণীয়ঃ </strong><br>মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট বিক্রয় করার জন্য প্রয়োজনীয় শর্তসমূহ নিম্নরূপঃ <br>ক) উৎপাদনকারী/ আমদানিকারক থেকে মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট ডেলিভারি নেওয়ার পূর্বে IMEI যাচাই করতে হবে।<br>খ) ফেক/নকল IMEI যুক্ত হ্যান্ডসেটসমূহ (যেগুলো BTRC এর ডাটাবেইজে নেই) বিক্রয় করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কারন ফেক/নকল IMEI যুক্ত হ্যান্ডসেটসমূহ নেটওয়ার্ক এক্সেস করতে পারবে না।</p>
<p><strong>মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট উৎপাদন/ আমদানির ক্ষেত্রে করণীয়ঃ  </strong>বর্তমানে কমিশনের নিবন্ধিত উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক দেশের চাহিদার বেশিরভাগ মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট উৎপাদন করে থাকে। এছাড়াও কমিশনের নিবন্ধিত ভেন্ডর কর্তৃক অল্প কিছু মডেল (যেগুলো দেশে উৎপাদন সম্ভব নয়) এর মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট আমদানি করে থাকে। হ্যান্ডসেট উৎপাদন/ আমদানি করার জন্য প্রয়োজনীয় শর্তসমূহ নিম্নরূপঃ<br>ক) কমিশন কর্তৃক জারিকৃত নির্দেশিকা অনুযায়ী মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট উৎপাদন/ আমদানি করতে হবে।<br>খ) উৎপাদন/ আমদানিকৃত হ্যান্ডসেটসমূহ বাজারজাতকরনের পূর্বে IMEI নির্দিষ্ট ফর্মেটে কমিশনে জমা দিতে হবে। <br>গ) বাজারজাতকরণের পূর্বে IMEI কমিশনে জমা না দিলে বৈধভাবে উৎপাদন/ আমদানিকৃত হ্যান্ডসেটসমূহ নেটওয়ার্ক এক্সেস করতে পারবে না। </p>
<p> এর বাইরে এনইআইআর সম্পর্কিত কোন বিষয়ে জানার প্রয়োজন হলে বিটিআরসি’র হেল্পডেস্ক নম্বর ১০০ অথবা মোবাইল অপারেটরগণের কাস্টমার কেয়ার নম্বর ১২১ এ ডায়াল করে এবং অপারেটরগণের কাস্টমার কেয়ার সেন্টার হতে জানা যাবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইফোনে ফোন কল রেকর্ড করার পদ্ধতি</title>
<link>https://digibanglatech.news/157873</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157873</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68da196fab49c.jpg" length="48005" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 29 Sep 2025 11:30:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">অ্যাপল সর্বশেষ আইওএস ২৬-এ কল রেকর্ডিং ফিচারকে আরও উন্নত করেছে। এখন এতে যুক্ত হয়েছে ট্রান্সক্রিপ্ট, লাইভ অনুবাদ, সারাংশ তৈরি এবং নোটস অ্যাপের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ। ফলে সাক্ষাৎকার, মিটিং বা জরুরি আলাপচারিতার জন্য এটি আরও কার্যকর।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রথমবার এই ফিচার চালু হয়েছিল গত বছরের অক্টোবরে আইওএস ১৮.১-এ। তবে এটি অঞ্চলভেদে সীমিত। যেখানে ফিচারটি চালু আছে, সেখানে আইফোনের ফোন অ্যাপ থেকেই সরাসরি কল রেকর্ড করা যাবে। অন্যত্র বিকল্প উপায় ব্যবহার করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>কীভাবে বুঝবেন আপনার কল রেকর্ডিং চালু আছে?</strong></p>
<p style="text-align: justify;">অ্যাপল একটি তালিকা প্রকাশ করে যেখানে কোন কোন দেশে কল রেকর্ডিং নেই, যেমন ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সৌদি আরব ও দক্ষিণ আফ্রিকা। যদি আপনার দেশ সেই তালিকায় থাকে, তাহলে ফোন অ্যাপে অপশনটি দেখা যাবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">কল রেকর্ডের আগে অপর পক্ষের সম্মতি প্রয়োজন। কল শুরু হলে উভয়েই একটি স্বয়ংক্রিয় ঘোষণার মাধ্যমে জানবেন যে কলটি রেকর্ড হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>আইফোনে কল রেকর্ড করার ধাপ</strong></p>
<p style="text-align: justify;">১. ফোন অ্যাপ খুলুন।<br>২. কল করুন বা রিসিভ করুন।<br>৩. চলমান কল চলাকালে More বোতামে চাপুন।<br>৪. Call Recording নির্বাচন করুন।</p>
<p style="text-align: justify;">কল শেষ হলে বা Stop চাপলে রেকর্ডিং স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংরক্ষিত হবে Notes অ্যাপের “Call Recordings” ফোল্ডারে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>রেকর্ডিং প্লে, ম্যানেজ ও ডিলিট করার নিয়ম</strong></p>
<p style="text-align: justify;">শোনার জন্য: Notes → Call Recordings ফোল্ডার → রেকর্ডিং নির্বাচন → Play।</p>
<p style="text-align: justify;">সার্চ: More → Find in Transcript।</p>
<p style="text-align: justify;">কপি: More → Add Transcript to Note বা Copy Transcript।</p>
<p style="text-align: justify;">সংরক্ষণ: More → Save Audio Files → পছন্দমতো ফোল্ডার/অ্যাপে সেভ।</p>
<p style="text-align: justify;">শেয়ার: More → Share Audio → মেইল/অ্যাপের মাধ্যমে পাঠানো।</p>
<p style="text-align: justify;">মুছে ফেলা: More → Delete।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>কল ট্রান্সক্রিপ্ট ও সারাংশ</strong></p>
<p style="text-align: justify;">iOS 26-এ সমর্থিত অঞ্চল ও ভাষায় কল রেকর্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রান্সক্রিপ্ট ও সারাংশে রূপান্তর হয়। Notes অ্যাপে রেকর্ড খুলে Show Transcript and Summary চাপলে দেখা যাবে। এতে বক্তাভেদে আলাপ ভেঙে দেওয়া হয়। অ্যাপল জানিয়েছে, ট্রান্সক্রিপ্ট সবসময় শতভাগ নির্ভুল নাও হতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">Apple Intelligence চালু থাকলে কলের একটি সারাংশও পাওয়া যাবে। এটি বিশেষভাবে উপকারী মিটিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বা সাক্ষাৎকারের মূল বক্তব্য জানতে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>কল রেকর্ডিং বন্ধ করার উপায়</strong></p>
<p style="text-align: justify;">Settings → Apps → Phone → Call Recording → Off।</p>
<p style="text-align: justify;">বিকল্প পদ্ধতি (যদি অফিসিয়াল ফিচার না থাকে)</p>
<p style="text-align: justify;">Rev Call Recorder (শুধু যুক্তরাষ্ট্রে): বিজ্ঞাপন ও সীমাবদ্ধতা ছাড়াই ফ্রি অ্যাপ।</p>
<p style="text-align: justify;">Google Voice (শুধু যুক্তরাষ্ট্রে): কল চলাকালে “৪” চাপলে রেকর্ড হবে (শুধু ইনকামিং কলের জন্য)।</p>
<p style="text-align: justify;">এক্সটার্নাল রেকর্ডার: ইউএসবি-সি/লাইটনিং দিয়ে সংযুক্ত করে বা স্পিকার মোডে রেখে রেকর্ড করা যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">স্পিকারফোন + অন্য ডিভাইস: ফোন স্পিকারে রেখে অন্য ডিভাইসে Voice Memos দিয়ে রেকর্ড করা সম্ভব।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সোশ্যাল মিডিয়ার অটোপ্লে কীভাবে বন্ধ করবেন?</title>
<link>https://digibanglatech.news/157451</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157451</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68c7ad5a19e1d.jpg" length="43438" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 15 Sep 2025 19:08:48 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বর্তমান সময়ে প্রায় সব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মেই নিউজফিডে স্ক্রল করার সময় ভিডিও ও জিআইএফ স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে যায়। অনেক সময় এটি বিরক্তিকর হয়ে ওঠে, আবার কারও কারও জন্য এটি বাড়তি মোবাইল ডাটা খরচের কারণ হয়। কেউ কেউ আবার নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান যেন আকস্মিকভাবে ভাইরাল কোনো ভিডিও না দেখে ফেলেন। যেকোনো কারণেই হোক, চাইলে আপনি সহজেই বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে অটোপ্লে বন্ধ করতে পারেন। নিচে জনপ্রিয় কিছু প্ল্যাটফর্মের নির্দেশনা দেওয়া হলো।</p>
<p style="text-align: justify;">ফেসবুক<br>ফেসবুকে অটোপ্লে বন্ধ করতে হলে প্রথমে প্রোফাইল ছবির আইকনে ক্লিক করতে হবে। ওয়েব সংস্করণে এটি উপরের ডানদিকে এবং মোবাইল অ্যাপে নিচের নেভিগেশন বারে পাওয়া যাবে। এরপর Settings &amp; Privacy &gt; Preferences &gt; Media এ যান। সেখানে ভিডিও প্লেব্যাক সংক্রান্ত একটি অপশন পাবেন। সেটি “Never” করে দিলেই আর ভিডিও ও স্টোরিজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">একনজরে: Settings &gt; Preferences &gt; Media &gt; Video Playback &gt; Never</p>
<p style="text-align: justify;">ইনস্টাগ্রাম<br>ইনস্টাগ্রামে সরাসরি “অটোপ্লে বন্ধ” করার অপশন নেই। তবে ডাটা খরচ কমানোর মাধ্যমে ভিডিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হওয়ার প্রবণতা অনেকটাই কমানো যায়। প্রোফাইলে গিয়ে ডানদিকে তিন দাগওয়ালা মেনুতে ক্লিক করুন। এরপর Settings and activity &gt; Your app and media &gt; Media quality এ যান। এখানে Use less cellular data অপশন চালু করে দিন। এতে করে ওয়াই-ফাই ছাড়া ভিডিও চালু হতে দেরি করবে। এছাড়া, ইনস্টাগ্রামে কোনো পোস্টে নিজে থেকে ক্লিক না করা পর্যন্ত সাউন্ডও বাজবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">একনজরে: Profile &gt; Settings and activity &gt; Your app and media &gt; Media quality &gt; Use less cellular data</p>
<p style="text-align: justify;">এক্স (টুইটার)<br>এক্স-এ (সাবেক টুইটার) অটোপ্লে বন্ধ করতে হলে প্রোফাইল ছবিতে ক্লিক করে মেনু খুলুন। সেখান থেকে Settings and privacy &gt; Accessibility, display, and languages &gt; Data usage এ যান। এখানে Video autoplay অপশন বন্ধ করে দিন। চাইলে আরও একধাপ এগিয়ে Settings and privacy &gt; Display and sound এ গিয়ে Media previews অপশনটিও বন্ধ করতে পারেন। এতে ছবি বা ভিডিওর প্রিভিউও স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেখা যাবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">একনজরে: Settings and privacy &gt; Accessibility, display, and languages &gt; Data usage &gt; Video autoplay<br>অতিরিক্ত: Settings and privacy &gt; Display and sound &gt; Media previews</p>
<p style="text-align: justify;">ব্লুস্কাই<br>ব্লুস্কাই অ্যাপে উপরের বাঁ দিকের তিন দাগওয়ালা মেনুতে ক্লিক করুন। এরপর Settings এ যান। সেখানে Content and media অপশনের মধ্যে “Autoplay videos and GIFs” অপশন পাবেন। সেটি বন্ধ করলেই কাজ শেষ।</p>
<p style="text-align: justify;">একনজরে: Settings &gt; Content and media &gt; Autoplay videos and GIFs</p>
<p style="text-align: justify;">থ্রেডস<br>মেটার মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্ম থ্রেডসে (Threads) এখনো অটোপ্লে বন্ধ করার কোনো অপশন চালু হয়নি। আশা করা হচ্ছে ভবিষ্যতে তারা এ সুবিধা যোগ করবে।</p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong>ডিবিটেক/বিএমটি</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফেসবুক অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা যেভাবে</title>
<link>https://digibanglatech.news/157150</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157150</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68b85255c828b.jpg" length="55677" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 03 Sep 2025 20:39:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull">আমাদের অনেকের কাছেই ইন্টারনেট মানেই হয়ে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমফেসবুক। আর এখানেই সবচেয়ে বেশি সময় কাটানা নেটিজেনরা। নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে নিজেদের ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি, ভিডিও পোস্ট করেন কিংবা একে অপরের সঙ্গে আদান-প্রদান করেন। তাই ফেসবুকের সিকিউরিটি (নিরাপত্তা) বৃদ্ধি করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই হ্যাকার বা অসাধু ব্যক্তিদের হাত থেকে এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য, অ্যাকাউন্টে এবং যোগাযোগ নিরাপদ রাখতে গুরুত্ব কয়েকটি কৌশল অবলম্বন করতে হবে। </p>
<p class="alignfull">ফেসবুকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবার আগে এর পাসওয়ার্ডকে শক্তিশালী করতে হবে। সাধারণ পাসওয়ার্ডের পরিবর্তে নূ্ন্যতম ১২ অক্ষরের <strong>জটিল ও শক্তিশালী পাসওয়ার্ড</strong> ব্যবহার করলে নিরাপদ থাকার সম্ভাবনা সমবেচেয়ে বেশি। এক্ষেত্রে বড় হাতের অক্ষর (A-Z), ছোট হাতের অক্ষর (a-z), সংখ্যা (0-9), এবং স্পেশাল চিহ্ন (!@#$%) ব্যবহার করুন। একই পাসওয়ার্ড অন্য অ্যাকাউন্টে ব্যবহার করবেন না। খুবই ভালো হয় যদি পাসওয়ার্ড ব্রাউজারে সেইভ করা না হয়। </p>
<p class="alignfull">এরপর নিরপত্তা ব্যবস্থাকে আরো জোরদার করতে অবশ্যই <strong>টু-ফ্যাক্টর অথেনটেকেশন</strong> (Two-Factor Authentication) চালু করুন: ফেসবুক সেটিংসে গিয়ে ২-স্টেপ ভেরিফিকেশন অন করুন। এক্ষেত্রে কোড এসএমএস, অথেনটিকেশন অ্যাপ (Authenticator App) অথবা সিকিউরিটি কী ব্যবহার করতে পারেন। </p>
<p class="alignfull">পাশাপাশি কে আপনার পোস্ট দেখতে পারবে তা সীমিত করতে প্রাইভেসি সেটিংস (Privacy Settings) কনফিগার করে পোস্টের ক্ষেত্রে Friends only এবং প্রোফাইলের তথ্য (ইমেইল, ফোন নম্বর, ঠিকানা..) Only Me করুন। ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট ও ট্যাগিং সেটিংস নিয়ন্ত্রণ করুন।</p>
<div class="viewport jw_article_body">
<p class="alignfull">এছড়াও নতুন ডিভাইস থেকে কেউ লগইন করলে যেন নোটিফিকেশন বা ইমেইল পেতে পারেন সেজন্য <strong>লগইন অ্যালার্টস</strong> চালু করুন। লগইন অ্যালার্টস চালু করতে- সেটিংসে গিয়ে সিকিউরিটি, তারপর গেট অ্যালার্টস অ্যাবাউট আনরিকোগনাইজড লগইন।  (Settings → Security → Get alerts about unrecognized logins) ।</p>
<p class="alignfull">এরপর জরুরি অবস্থায় (অ্যাকাউন্ট লক হলে) বন্ধুদের সাহায্যে <strong>ট্রাস্টেড কন্টাক্ট</strong> সেট করুন যাতে করে কোনো কারণে অ্যাকাউন্ট বেহাত হলে অ্যাকাউন্ট ফেরত আনতে পারবেন।</p>
<p class="alignfull"> এ পর্যাায়ে <strong>অপরিচিত ডিভাইস থেকে লগআউট</strong> করতে  Settings → Security and Login → Where You’re Logged In এ গিয়ে অপরিচিত ডিভাইস থেকে Sign Out করুন।</p>
<p class="alignfull">মনে রাখবেন- অচেনা লিংক, ভিডিও বা অ্যাপ এ ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন। ফেক অ্যাপ বা ফেক ওয়েবসাইটে লগইন করলে অ্যাকাউন্ট হ্যাক হতে পারে। একই ভাবে অ্যাপে ফিশিং কমাতে সর্বশেষ আপডেটেড ব্রাউজার ও ফেসবুক অ্যাপ ব্যবহার করুন। পাবলিক কম্পিউটার বা মোবাইলে <strong>অটো-লগইন বন্ধ রাখুন</strong>। পাশাপাশি ফেসবুকের সিকিউরিটি চেক-আপ টুলস ব্যবহার করে <strong>এক ক্লিকে অ্যাকাউন্ট সিকিউরিটি পরীক্ষা</strong> ও মেরামত করতে পারবেন।</p>
<p>বাড়তি সতর্কতা হিসেবে পাবলিক ওয়াইফাই (Wi-Fi) তে লগইন না করা ভালো। পাসওয়ার্ড কাউকে শেয়ার করবেন না। কোনও সন্দেহজনক ইমেইলে রিপ্লাই করবেন না। আর ফেসবুক ইমেইল যাচাই করতে<span> </span>security@facebookmail.com<span> </span>ঠিকানাটি চেক করুন।</p>
</div>
<div class="btGoogleNews"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>যেভাবে দিতে হয়  আয়কর ই&#45;রিটার্ন</title>
<link>https://digibanglatech.news/155212</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155212</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_6864b916950cb.jpg" length="50314" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 02 Jul 2025 07:04:56 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে চাইলে প্রথমে এনবিআরের ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধন করতে, ওয়েবসাইটের <a href="https://etaxnbr.gov.bd/#/landing-page" target="_blank" rel="noopener">ই-রিটার্ন </a>শাখায় ক্লিক করুন।</p>
<p>সেখানে ‘সাইন আপ’ অপশনে গিয়ে প্রথম বক্সে আপনার টিআইএন নম্বর লিখুন।</p>
<p>দ্বিতীয় বক্সে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রে থাকা বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরটি লিখুন (প্রথম শূন্য বাদ দিয়ে)।</p>
<p>এরপর ক্যাপচা কোড দিয়ে ‘ভেরিফাই’ বাটনে ক্লিক করুন। ফোনে আসা ওটিপি ব্যবহার করে আপনার ফোন নম্বরটি নিশ্চিত করুন।</p>
<p>সবশেষে ই-রিটার্ন সিস্টেমে লগ ইন করতে একটি পাসওয়ার্ড ঠিক করুন।</p>
<p>একবার নিবন্ধন করা হয়ে গেলে এরপর আপনি ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার টিআইএন, পাসওয়ার্ড এবং ক্যাপচা দিয়ে সাইন ইন করতে পারবেন। এরপর একটি ড্যাশবোর্ড পাবেন। এর বাম দিকে থাকা ‘রিটার্ন সাবমিশন’ অপশনে ক্লিক করতে হবে।</p>
<p>ই-রিটার্ন ফরমের শুরুতেই থাকবে ‘ট্যাক্স অ্যাসেসমেন্ট ইনফরমেশন’। সেখানে আয়করসংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য- রিটার্ন স্কিম, আয়ের সাল ও উৎস দিতে হবে। আপনার আয় যদি করমুক্ত হয়, তাহলে আয়ের পরিমাণের পাশাপাশি ‘রেসিডেন্ট স্ট্যাটাস’ দিতে হবে। </p>
<p>এই পর্যায়ে, ‘হেডস অব ইনকাম’-এ গিয়ে করদাতার বিভিন্ন আয়ের উৎস দিতে হবে। এখানে আপনার বেতন, নিরাপত্তা সুদ, বাড়ি-সম্পত্তি থেকে আয়, কৃষি আয়, ব্যবসা থেকে আয়, মূলধন লাভ এবং অন্যান্য উৎস থেকে আয় অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কীভাবে সহজে ওয়াই&#45;ফাই পাসওয়ার্ড শেয়ার করবেন</title>
<link>https://digibanglatech.news/155108</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155108</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_68610e214beea.jpg" length="42094" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 29 Jun 2025 20:58:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আপনার দীর্ঘ ও জটিল ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড এখন মনে রাখার দরকার আর নেই। এখন আপনার বন্ধু বা পরিবারের সঙ্গে ইন্টারনেট শেয়ার করা অনেক সহজ হয়ে গেছে। আজকের স্মার্টফোনগুলো এমন সব ফিচার দেয় যা দিয়ে দ্রুত এবং নিরাপদভাবে ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড শেয়ার করা যায়, তবে ডিভাইসের ধরণ অনুযায়ী পদ্ধতিগুলো ভিন্ন হতে পারে।</p>
<p>অবশ্যই, চাইলে আপনি সরাসরি ওয়াই-ফাই সেটিংসে গিয়ে পাসওয়ার্ড দেখে দিতে পারেন বা কপি করে বার্তায় পাঠাতে পারেন। কিন্তু এখানে যেসব পদ্ধতি বলা হয়েছে, সেগুলোতে আপনার জটিল পাসওয়ার্ড বলতে বা লিখে দিতে হবে না এবং নিরাপত্তার দিক থেকেও ভালো।</p>
<p>নিচে আইফোন-আইফোন, অ্যান্ড্রয়েড-অ্যান্ড্রয়েড এবং ভিন্ন প্ল্যাটফর্মের মধ্যে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্যভাবে কীভাবে ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড শেয়ার করা যায়, তা দেওয়া হলো।</p>
<p>## আইফোন থেকে অন্য অ্যাপল ডিভাইসে ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড শেয়ার করা</p>
<p>iOS 11 থেকে অ্যাপল তাদের ডিভাইসের মধ্যে ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড শেয়ারের ফিচার চালু করেছে। এটি আইফোন, আইপ্যাড এবং ম্যাকে কাজ করে, যদি ডিভাইসগুলো সর্বশেষ iOS, iPadOS বা macOS ভার্সনে থাকে।</p>
<p>### শুরু করার আগে:</p>
<p>* দুইটি ডিভাইসই সর্বশেষ সফটওয়্যারে আপডেট করা আছে কিনা দেখুন।<br>* দুই ডিভাইসেরই ওয়াই-ফাই এবং ব্লুটুথ চালু থাকতে হবে।<br>* পার্সোনাল হটস্পট বন্ধ থাকতে হবে।<br>* যাকে পাসওয়ার্ড শেয়ার করবেন, তার অ্যাপল আইডির ইমেইল আপনার কন্ট্যাক্টসে সেভ থাকতে হবে।</p>
<p>### শেয়ার করার ধাপ:</p>
<p>1. দুইটি আইফোনই আনলক করুন।<br>2. ডিভাইস দুটো কাছাকাছি রাখুন।<br>3. যে আইফোনে কানেক্ট করতে হবে, সেটি দিয়ে Settings &gt; Wi-Fi গিয়ে আপনার নেটওয়ার্কটি নির্বাচন করুন।<br>4. প্রেরক আইফোনে একটি পপ-আপ আসবে, যেখানে লেখা থাকবে "Share Password"।<br>5. Share Password ট্যাপ করুন।<br>6. পাসওয়ার্ড শেয়ার হয়ে গেলে Done ট্যাপ করুন।</p>
<p>এরপর রিসিভার ডিভাইসটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নেটওয়ার্কে কানেক্ট হবে, কোনো পাসওয়ার্ড টাইপ করার দরকার হবে না।</p>
<p>## আইফোন থেকে অ্যান্ড্রয়েডে ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড শেয়ার করা</p>
<p>অ্যাপল নেটিভভাবে অ্যান্ড্রয়েডের সাথে ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড শেয়ার করার ফিচার দেয় না। তবে QR কোড ব্যবহার করে সহজে শেয়ার করা যায়।</p>
<p>### বিকল্প ১: Shortcuts অ্যাপ ব্যবহার করে QR কোড তৈরি</p>
<p>iOS 17 বা পরের ভার্সন হলে:</p>
<p>1. Shortcuts অ্যাপ খুলুন।<br>2. * আইকনে ট্যাপ করে নতুন শর্টকাট তৈরি করুন।<br>3. Add Action ট্যাপ করুন, তারপর Text বেছে নিন।<br>4. নিচের ফরম্যাটে টেক্সট লিখুন:</p>
<p>WIFI:S:নেটওয়ার্কের_নাম;T:WPA;P:পাসওয়ার্ড;;</p>
<p>NetworkName এবং Password আপনার অনুযায়ী বসিয়ে দিন।<br>5\. আবার Add Action ট্যাপ করুন এবং Generate QR Code বেছে নিন।<br>6\. শেষে Quick Look যোগ করুন, যাতে কোডটি স্ক্রিনে দেখা যায়।<br>7\. শর্টকাটটি রান করুন। কোড স্ক্রিনে আসবে।<br>8\. অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীকে ক্যামেরা বা QR স্ক্যানার দিয়ে কোডটি স্ক্যান করতে বলুন। স্ক্যান করার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে কানেক্ট হবে।</p>
<p>### বিকল্প ২: তৃতীয় পক্ষের QR কোড জেনারেটর</p>
<p>1. ব্রাউজারে গিয়ে [qifi.org](https://qifi.org)-এর মতো সাইটে যান।<br>2. আপনার নেটওয়ার্কের নাম, সিকিউরিটি টাইপ এবং পাসওয়ার্ড দিন।<br>3. QR কোড তৈরি করুন।<br>4. কোডটি স্ক্রিনে দেখান।<br>5. অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারী কোডটি স্ক্যান করলেই কানেক্ট হবে।</p>
<p>## অ্যান্ড্রয়েড থেকে আইফোন বা অন্য ডিভাইসে ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড শেয়ার করা</p>
<p>অ্যান্ড্রয়েড ১০ বা তার পরের ভার্সনে QR কোডের মাধ্যমে ওয়াই-ফাই শেয়ারের অপশন আছে। এটি অ্যান্ড্রয়েড-অ্যান্ড্রয়েড বা অ্যান্ড্রয়েড-আইফোন উভয়ের ক্ষেত্রেই কাজ করে।</p>
<p>1. Android এর Settings খুলুন।<br>2. Network &amp; Internet (কোনো কোনো ফোনে Connections) ট্যাপ করুন।<br>3. Wi-Fi সিলেক্ট করুন এবং কানেক্ট হওয়া নেটওয়ার্কের নাম ট্যাপ করুন।<br>4. Share বা QR code আইকন ট্যাপ করুন। আপনার পিন বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট চাইতে পারে।<br>5. QR কোড স্ক্রিনে আসবে।<br>6. আইফোন ব্যবহারকারী Camera অ্যাপ বা Control Center থেকে Code Scanner ব্যবহার করে কোড স্ক্যান করুন।<br>7. স্ক্যান করার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে কানেক্টের অপশন আসবে।</p>
<p>## সিকিউরভাবে শেয়ারের জন্য কিছু পরামর্শ</p>
<p>* পাসওয়ার্ড মেসেজে পাঠানোর পরিবর্তে QR কোড বা শেয়ার ফিচার ব্যবহার করুন।<br>* গেস্ট বা পাবলিক নেটওয়ার্কের জন্য আলাদা SSID এবং পাসওয়ার্ড রাখুন।<br>* সব ডিভাইস সর্বশেষ ভার্সনে আপডেট রাখুন।</p>
<p>## কাজ না করলে কী করবেন</p>
<p>* দুই ডিভাইসের Wi-Fi এবং Bluetooth চালু আছে কিনা দেখুন।<br>* দুই ডিভাইসই রিস্টার্ট দিন।<br>* দুই ডিভাইস আনলক এবং কাছাকাছি আছে কিনা নিশ্চিত করুন।<br>* কন্ট্যাক্টস এবং Apple ID সঠিক আছে কিনা পরীক্ষা করুন।<br>* QR স্ক্যানের ক্ষেত্রে, রিসিভার সঠিক QR কোড রিডার ব্যবহার করছে কিনা দেখুন। আইফোনে Camera অ্যাপই যথেষ্ট।</p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/বিএমটি</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সার্ভার, স্টোরেজ ও নেটওয়ার্কের যত্ন নিবেন যেভাবে</title>
<link>https://digibanglatech.news/154814</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154814</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_6854184348078.jpg" length="135703" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 19 Jun 2025 20:02:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><br>বর্তমানে যেকোনো প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে আইটি অবকাঠামো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু, আইটি ডিভাইসের যথাযথ যত্ন না নেওয়া গেলে, নির্ধারিত সময়ের আগেই এগুলো কর্মক্ষমতা হারায়; ফলে, ডেটা হারানোর ঝুঁকি বাড়ে এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়। আর তাই প্রতিষ্ঠানের নিরবচ্ছিন্ন পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে সার্ভার, স্টোরেজ ও নেটওয়ার্কের যথাযথ যত্ন নিয়ে সার্ভিসিং২৪ বেশকিছু সহজ ও কার্যকর টিপস শেয়ার করছে। চলুন আজ তা জেনে নিই –</p>
<p><strong>নিয়মিত হেলথ চেক ও ডেটা সেন্টারের যথাযথ পরিবেশ </strong><br>প্রতিষ্ঠানের সার্ভার, স্টোরেজ ও নেটওয়ার্ক ডিভাইসগুলো প্রতি মাসে অন্তত একবার পরীক্ষা করে দেখুন। এটি বড় ধরনের ডেটা লস এড়াতে সহায়তা করবে। ধুলো-ময়লা ও অতিরিক্ত গরম আইটি ডিভাইসের পারফরম্যান্সের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই, ডেটা সেন্টার নিয়মিত পরিষ্কার রাখা ও এর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত জরুরি। </p>
<p><strong>ডেটা ব্যাকআপ নিন ও রিকভারি টেস্ট করুন </strong><br>শুধু ডেটা ব্যাকআপ নিলেই হবে না; একইসাথে, এগুলো থেকে ডেটা রিকভারি করা সম্ভব হচ্ছে কিনা, তাও পরীক্ষা করা জরুরি। অনেক সময় ব্যাকআপ ডেটা করাপ্টেড থাকতে পারে বা রিকভারি প্রক্রিয়া সঠিকভাবে কাজ না-ও করতে পারে। নিয়মিত রিকভারি টেস্ট এ ঝুঁকি কমিয়ে আনে।</p>
<p><strong>সিকিউরিটি প্যাচ ও সফটওয়্যার আপডেট করুন </strong><br>অপারেটিং সিস্টেম, হাইপারভাইজর, ডেটাবেজ ও অন্যান্য সফটওয়্যারের সিকিউরিটি প্যাচ ও আপডেট সময়মতো ইনস্টল করা জরুরি। আপডেট না করলে সিস্টেমের দুর্বলতাগুলো হ্যাকারদের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যেতে পারে; এক্ষেত্রে সবসময় সতর্ক থাকা ও সফটওয়্যার নিয়মিত আপডেট করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p><strong>নেটওয়ার্ক পারফরম্যান্স ও মাল্টি-ভেন্ডর অ্যাকসেস মনিটর করুন </strong><br>ধীরগতির নেটওয়ার্ক পুরো প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করে। তাই নেটওয়ার্কের কর্মক্ষমতা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজন অনুযায়ী তা টিউনিং করা জরুরি। এছাড়া, আইটি সিস্টেমে একাধিক ভেন্ডর বা ইউজার কাজ করলে, তাদের সীমিত ও নিয়ন্ত্রিত অ্যাকসেস নিশ্চিত করা জরুরি। এতে তথ্যের গোপনীয়তা ও সিস্টেমের নিরাপত্তা বজায় থাকে। অ্যাকসেস রুলস ও মনিটরিং ব্যবস্থাও সবসময় আপডেট রাখা জরুরি।</p>
<p><strong>ফেইলওভার ক্লাস্টার, আরটিও-আরপিও মেইনটেইন করুন</strong> <br>ফেইলওভার ক্লাস্টার ব্যবস্থায় একটি সার্ভার বা হার্ডডিস্ক ব্যর্থ হলে সঙ্গে সঙ্গে অন্য একটি সিস্টেম বা ডিস্ক স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ শুরু করে। ফলে, আইটি সিস্টেম সবসময় সচল থাকে এবং ডাউনটাইমে ব্যাকআপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়। পাশাপাশি, সিস্টেমে সমস্যা হলে তা কতক্ষণের মধ্যে রিকভার হবে তা জানতে ‘রিকভারি টাইম অবজেকটিভ’ (আরটিও) ও সর্বশেষ কোন পর্যায় পর্যন্ত ডেটা রিস্টোর করা যাবে, তা নিশ্চিতে ‘রিকভারি পয়েন্ট অবজেকটিভ’ (আরপিও) মেইনটেইন করতে হবে। এতে করে ডেটা রিকভারি দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য করা সম্ভব।</p>
<p>এ বিষয়ে সার্ভিসিং২৪-এর সিইও নাসির ফিরোজ বলেন, “স্থিতিশীল ও সুরক্ষিত আইটি অবকাঠামো আধুনিক ব্যবসার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেবল ডিভাইস স্থাপন করলেই হবে না, এগুলো নিয়মিত মেইনটেনেন্স করতে হবে। আর তা হলেই প্রতিষ্ঠানের নিরবচ্ছিন্ন পারফরম্যান্স নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।”</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইফোনকে কীভাবে ওয়েবক্যাম হিসেবে ব্যবহার করবেন?</title>
<link>https://digibanglatech.news/153275</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153275</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_6811b5da7d342.jpg" length="72563" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 30 Apr 2025 17:31:36 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আপনার ভিডিও কল বা কনটেন্ট তৈরির মান উন্নত করতে আলাদা ওয়েবক্যাম কেনার দরকার নেই — আইফোনই যথেষ্ট। ম্যাকওএস ভেনচুরা বা পরবর্তী সংস্করণে অ্যাপলের কন্টিনিউটি ক্যামেরা ফিচার ব্যবহার করে আপনি আইফোনকে একটি উন্নত মানের ওয়্যারলেস ওয়েবক্যাম হিসেবে ম্যাকের সঙ্গে ব্যবহার করতে পারেন।</p>
<p>এই ফিচারে আপনি পাবেন আরও স্পষ্ট ভিডিও, ভালো লো-লাইট পারফরম্যান্স, ‘সেন্টার স্টেজ’, ‘ডেস্ক ভিউ’ ইত্যাদি কার্যকরী অপশন।</p>
<p>✅ কী লাগবে?</p>
<p>    iPhone XR বা তার পরবর্তী মডেল, iOS 16 বা পরবর্তী সংস্করণে চলতে হবে</p>
<p>    Mac-এ macOS Ventura বা পরবর্তী ভার্সন</p>
<p>    Wi-Fi ও Bluetooth উভয় ডিভাইসে চালু থাকতে হবে</p>
<p>    একই Apple ID-তে সাইন ইন এবং Two-Factor Authentication চালু</p>
<p>    একটি মাউন্ট বা ট্রাইপড (Belkin-এর MagSafe মাউন্ট সবচেয়ে সহজ)</p>
<p>???? কন্টিনিউটি ক্যামেরা ফিচার চালু করবেন যেভাবে</p>
<p>iPhone-এ:<br>Settings &gt; General &gt; AirPlay &amp; Handoff &gt; কন্টিনিউটি ক্যামেরা – এটিকে অন করুন।</p>
<p>Mac-এ:<br>কোনো আলাদা সেটআপ দরকার নেই, শুধু Wi-Fi ও Bluetooth চালু রাখুন।<br>???? ভিডিও অ্যাপে ব্যবহার করবেন যেভাবে</p>
<p>যেকোনো ভিডিও অ্যাপ যেমন FaceTime, Zoom, Google Meet, Teams, QuickTime ইত্যাদিতে:</p>
<p>    অ্যাপটি খুলুন</p>
<p>    ভিডিও সেটিংসে যান</p>
<p>    ক্যামেরা হিসেবে “iPhone Camera” সিলেক্ট করুন</p>
<p>iPhone তখন রিয়ার ক্যামেরা দিয়ে সরাসরি ভিডিও পাঠাবে।<br>???? শুধু মাইক্রোফোন হিসেবে ব্যবহার</p>
<p>Mac-এ:<br>System Settings &gt; Sound &gt; Input &gt; iPhone নির্বাচন করুন।</p>
<p>এতে আপনার আইফোনের মাইক্রোফোন ব্যবহার করা যাবে, ভিডিও নয়।<br>???? Desk View ব্যবহার করবেন যেভাবে</p>
<p>Desk View আইফোনের আল্ট্রাওয়াইড ক্যামেরা দিয়ে ডেস্কের উপরিভাগের একটি সিমুলেটেড ভিউ দেখায় — এটি ডেমো, স্কেচিং বা আনবক্সিংয়ের জন্য উপযোগী।</p>
<p>ব্যবহার পদ্ধতি:</p>
<p>    iPhone-কে অনুভূমিকভাবে ম্যাকের ওপর মাউন্ট করুন</p>
<p>    Mac-এ Desk View অ্যাপ খুলুন</p>
<p>    Zoom বা অন্য অ্যাপে “Desk View” ভিডিও সোর্স হিসেবে নির্বাচন করুন</p>
<p>শুধু iPhone 11 বা পরবর্তী এবং 12MP Center Stage সমর্থিত ম্যাকের জন্য প্রযোজ্য।<br>✨ ভিডিও এফেক্ট সমূহ</p>
<p>Control Center &gt; Video Effects থেকে নিম্নোক্ত ফিচারগুলো ব্যবহার করা যায়:</p>
<p>    Center Stage: চলাফেরা করলেও আপনাকে ফ্রেমে রাখে</p>
<p>    Portrait: ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লার করে</p>
<p>    Studio Light: মুখ উজ্জ্বল করে, পেছনটা হালকা করে</p>
<p>    Desk View: ডেস্ক ক্যামেরা ফিড চালু করে</p>
<p>???? ফোনের পজিশনিং টিপস</p>
<p>    পেছনের ক্যামেরা আপনার দিকে রেখে iPhone অনুভূমিকভাবে স্থাপন করুন</p>
<p>    ম্যাকবুক হলে Belkin MagSafe ক্লিপ ব্যবহার করুন</p>
<p>    ডেস্কটপে ট্রাইপড বা মাউন্ট ব্যবহার করে চোখের উচ্চতায় আনুন</p>
<p>    লো-পাওয়ার মোড বন্ধ রাখুন, এতে পারফরম্যান্স ভালো থাকবে</p>
<p>???? ক্যামেরা সোর্স পরিবর্তন করবেন যেভাবে</p>
<p>যেকোনো সময় আপনি অ্যাপের সেটিংসে গিয়ে Mac-এর বিল্ট-ইন ক্যামেরা বা অন্য সোর্সে ফিরতে পারেন।</p>
<p>কন্টিনিউটি ক্যামেরা বন্ধ করতে চাইলে:</p>
<p>iPhone:<br>Settings &gt; General &gt; AirPlay &amp; Handoff &gt; কন্টিনিউটি ক্যামেরা – এটি বন্ধ করুন।<br>❗ সমস্যা হলে কী করবেন?</p>
<p>    iOS ও macOS আপডেট আছে কি না দেখুন</p>
<p>    একই Apple ID ব্যবহার করা হয়েছে কি না নিশ্চিত করুন</p>
<p>    Mac ও iPhone রিস্টার্ট দিন</p>
<p>    Wi-Fi ও Bluetooth অফ করে অন করুন</p>
<p>    অন্য কোনো অ্যাপ ক্যামেরা ব্যবহার করছে কি না দেখুন</p>
<p>    প্রয়োজনে USB দিয়ে সংযুক্ত করুন</p>
<p>???? ব্যাটারি ও প্রাইভেসি</p>
<p>    ভিডিও কল চলাকালীন iPhone চার্জে রাখুন</p>
<p>    ক্যামেরা চালু থাকলে iPhone স্ক্রিনে এবং ক্যামেরার পাশে সবুজ আলো দেখাবে</p>
<p>    আপনি যখন অ্যাপ থেকে ক্যামেরা নির্বাচন করবেন, তখনই ভিডিও/অডিও ট্রান্সমিট শুরু হবে</p>
<p>এই সহজ অথচ শক্তিশালী কন্টিনিউটি ক্যামেরা ফিচার আপনাকে উচ্চমানের ভিডিও কল, প্রেজেন্টেশন বা কনটেন্ট তৈরির জন্য আলাদা ক্যামেরা ছাড়াই পেশাদার অভিজ্ঞতা দিতে পারে।</p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/বিএমটি</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফোনের ব্যাটারি ১০০% চার্জ করা কি ক্ষতিকর?</title>
<link>https://digibanglatech.news/152938</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152938</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_68062c249ac3e.jpg" length="44141" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 21 Apr 2025 17:29:54 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বেশিরভাগ স্মার্টফোন ব্যবহারকারীই রাতে ফোন চার্জে রেখে ঘুমান, যাতে সকালে ১০০% চার্জ পাওয়া যায়। তবে এই অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে ব্যাটারির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।</p>
<p style="text-align: justify;">পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল ইঞ্জিন সেন্টারের পরিচালক চাও-ইয়াং ওয়াং বলেন, বারবার ১০০% পর্যন্ত চার্জ দিলে ব্যাটারির রাসায়নিক বার্ধক্য দ্রুত ঘটে। ফলে ব্যাটারির স্থায়িত্ব গড়ে ১০-১৫% পর্যন্ত কমে যেতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">নিউ জার্সি ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির সহযোগী অধ্যাপক দিবাকর দত্ত জানান, ফোনের ব্যাটারির সর্বোত্তম চার্জ সীমা হলো ২০% থেকে ৮০% এর মধ্যে রাখা। এ ছাড়া নিয়মিত ০% পর্যন্ত চার্জ শেষ হয়ে যাওয়া ব্যাটারির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও জানান, উচ্চ তাপমাত্রা বা অতিরিক্ত ঠান্ডাও ব্যাটারির ক্ষতির অন্যতম কারণ। পাশাপাশি দ্রুত চার্জার ব্যবহারও ব্যাটারিতে অতিরিক্ত তাপ সৃষ্টি করে, যা দীর্ঘমেয়াদে ব্যাটারির কার্যক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিশেষজ্ঞদের মতে, কখনও প্রয়োজন হলে ১০০% পর্যন্ত চার্জ দেওয়া যেতে পারে, তবে প্রতিদিনের জন্য তা এড়িয়ে চলাই শ্রেয়। দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে ধীরে চার্জ দিন ও মাঝারি চার্জ স্তরে রাখুন।</p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong>ডিবিটেক/বিএমটি</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঘিবলি ট্রেন্ডে নিরাপদ থাকবেন কিভাবে?</title>
<link>https://digibanglatech.news/152501</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152501</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67f4a9534bfc7.jpg" length="140060" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 20 Apr 2025 00:46:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="" data-start="68" data-end="381">সোশ্যাল হ্যান্ডেল ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম খুললেই পরিচিতদের অথবা বন্ধুর ‘কার্টুন অবতার’ চোখে পড়ে। মেসি থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প;  জনপ্রিয় তারকা থেকে শুরু করে ফ্রেন্ডলিস্টের সাধারণ সদস্য কোনোকিছুই বাদ পড়ছে না। নেটদুনিয়া ঘিরে নতুন ট্রেন্ড এই ‘ঘিবলি’ (ghibli) স্টাইলের ছবি। চ্যাটজিপিটি আর গ্রক থ্রি ব্যবহার করে তৈরি করা ছবি মুহূর্তের মধ্যে এই ডিজিটাল ছবি তৈরির হিরিক পড়েছে চারদিকে। ঘিবলি মূলতঃ একটি জাপানি অ্যানিমেশন স্টুডিও যা ১৯৮৫ সালে টোকিওতে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি জাপানের কিংবদন্তি অ্যানিমে নির্মাতা হায়াও মিয়াজাকির হাতে গড়া। ‘স্পিরিটেড অ্যাওয়ে’ বা ‘মাই নেবার টটোরো’—এই ধরনের কাল্পনিক অ্যানিমেশনগুলির মাধ্যমে ঘিবলি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। কিশোর-তরুণদের মধ্যেই এই ট্রেন্ডটা হালে তুঙ্গে উঠেছে। </p>
<p class="" data-start="68" data-end="381">তবে <span>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দৌলতে আপনার সাধারণ ছবি নিমেষের মধ্যে কার্টুন ছবিতে পরিণত করার এই প্রযুক্তি নিয়ে সতর্ক করেছেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা। এর মাধ্যমে ডিপফেইক, ফেইক পর্নোগ্রাফি এমনকি ডার্ক ওয়েবেও ব্যক্তিগত ছবি বিক্রির শঙ্কা করছেন তারা। ধারণা করা হচ্ছে অগোচরেই ব্যবহারকারী যে কোনও মুহূর্তে সাইবার অপরাধের শিকার হতে পারেন। সেক্ষেত্রে পুলিশ বা প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেও সেভাবে সুরাহা হবে না বলেই আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। </span></p>
<p class="" data-start="68" data-end="381"><strong>ঘিবলি’র ঝুঁকি কি?</strong></p>
<p class="" data-start="68" data-end="381"><span>ঘিবলি একটি সুপ্ত ডেটা বোম। কেননা, ঘিবলি আর্ট এর সার্ভার আমেরিকায় থাকলেও এই বিপুল পরিমাণ ছবি বা তথ্য কোন সার্ভারে জমা হচ্ছে তা এখনও অজানা। ফলে অজান্তেই ব্যক্তিগত তথ্য চলে যাচ্ছে দেশের বাইরে অন্য কারো হাতে। এছাড়াও এই বট প্রযুক্তিটির ধর্ম হলো- প্রথমে বিষয়টি সম্পর্কে ধীরে ধীরে তথ্য সংগ্রহ করে এরপর বিষয়টি নিয়ে অ্যানালাইসিস করে। এই যেমন ছবির ব্যক্তি কোথায় থাকেন, পরিবারে কে কে আছেন ইত্যাদি। এরপর এসব তথ্য স্থানান্তর করে ইঞ্জিনে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে এই ছবি জেনারেট হয়।  </span></p>
<p class="" data-start="68" data-end="381">সঙ্গতকারণেই সামনে এসেছে ঘিবলি অজানা ঝুঁকি কি, কেন এবং কীভাবে এই ‘ঘিবলি শিল্প’ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে- সেই বিষয়টি। সম্প্রতি ওপেনএআই চ্যাটজিপিটি ফোর এবং ইমেজ জেনারেশন মডেল চালু করার পর থেকে স্টুডিও ঘিবলিi স্টাইলের ছবি ভাইরাল হয়ে যায়। ওপেনএআই-এর সিইও স্যাম অল্টম্যান জানিয়েছেন, চ্যাটজিপিটির জনপ্রিয়তা হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে এবং মাত্র এক ঘণ্টায় ১০ লাখ নতুন ব্যবহারকারী যুক্ত হয়েছে। তবে তার সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি সম্পর্কিত সতর্কবার্তা রয়েছে।</p>
<p class="" data-start="1288" data-end="1321"><strong data-start="1288" data-end="1321">ঘিবলি ট্রেন্ডে চ্যাটজিপিটি</strong></p>
<p class="" data-start="1323" data-end="1678">ওপেনএআইয়ের চ্যাটজিপিটি মডেল ব্যবহারকারীদের তাদের ছবি ঘিবলি অ্যানিমেশন স্টাইলে রূপান্তর করার সুযোগ প্রদান করছে। এর ফলে এই প্রযুক্তি এবং ঘিবলি ছবি তৈরি করা দ্রুত একটি ট্রেন্ড হয়ে উঠেছে। স্যাম অল্টম্যান জানিয়ে দিয়েছেন যে, চ্যাটজিপিটির গ্রাফিক প্রসেসিং ইউনিট (GPU) এই ট্রেন্ডের চাহিদা সামলাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে, তবে এটি তাদের উদ্দেশ্য সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছে।</p>
<p class="" data-start="1680" data-end="1700"><strong data-start="1680" data-end="1700">কেন ঘিবলি জনপ্রিয়? </strong></p>
<p class="" data-start="1702" data-end="1996">ঘিবলির তৈরি অ্যানিমেশনগুলি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক জনপ্রিয়। ২২টি সিনেমা এবং ৩টি টেলিভিশন বিশেষ ছাড়াও, ঘিবলি অস্কার, গোল্ডেন বিয়ার, বাফটা, এবং গোল্ডেন গ্লোবসহ একাধিক পুরস্কার অর্জন করেছে। ২০২৪ সালে ঘিবলি স্টুডিওর ‘দ্য বয় অ্যান্ড দ্য হেরন’ অ্যানিমেশনটি সেরা অ্যানিমেশন ছবির শিরোনাম লাভ করেছে। পরিসংখ্যান বলছে এই কার্টুন ইমেজ তৈরির জন্য মাত্র ৩০ ঘণ্টায় ১ কোটি ছবি আপলোড করা হয়েছে সার্ভারে। খুব সহজে এবং স্বল্পতম সময়েই ঘিবলি স্টাইলের ছবি তৈরি করে নিজের অবতার তৈরি করতে পারার সুযোগের মধ্যেই রয়েছে এই জনপ্রিয়তা। এজন্য চ্যাটজিপিটি ফোর এবং গ্রক থ্রি সহ অন্যান্য এআই টুল ব্যবহার করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে  প্রথমে ছবিটি প্ল্যাটফর্মে আপলোড করা হয়। তারপর ‘ঘিবলি অ্যানিমেশন স্টাইল’ নির্বাচন করলেই সেকেন্ডে এআই আপনার ছবি তৈরি করে এবং আপনি সেটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করতে পারবেন। অথচ সব ছবিতেই ঘিবলি স্টাইল কিন্তু প্রায় একই।</p>
<p class="" data-start="2320" data-end="2356"><strong data-start="2320" data-end="2356">ঘিবলির নিরপত্তা ঝুঁকি কি? </strong></p>
<p class="" data-start="2358" data-end="2650">এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে ছবি তৈরি করার প্রক্রিয়া একদিকে যেমন মজাদার, তেমনি এর পেছনে রয়েছে কিছু সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই ইমেজ জেনারেটরগুলো ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহে ব্যবহৃত হতে পারে। এটি পরিচয়ের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং সহজেই জাল নথি তৈরির সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।  এআই টেক প্রাইভেসির সহ-প্রতিষ্ঠাতা লুইজা জারভস্কি এক্স-এ সতর্ক করেছেন যে, চ্যাটজিপিটি ও অন্যান্য এআই ইমেজ জেনারেটর সস্তা এবং সহজভাবে জাল প্রমাণ তৈরি করতে পারে। এটি সাইবার অপরাধীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে, বিশেষ করে যারা খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন।</p>
<p class="" data-start="2927" data-end="2961"><strong data-start="2927" data-end="2961">নিরাপদ থাকবেন কিভাবে?</strong></p>
<p class="" data-start="2963" data-end="3072">নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারে নিজেকে গুটিয়ে রাখার চেয়ে সতর্ক ও নিরাপদে সেগুলো ব্যবহারের বিকল্প নেই। তাই ঘিবলি স্টাইলের ছবি তৈরি করার ক্ষেত্রে আবশ্যকীয় কিছু সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা। এগুলো হলো-</p>
<ul data-start="3074" data-end="3436">
<li class="" data-start="3074" data-end="3161">
<p class="" data-start="3076" data-end="3161">হাই-রেজল্যুশন ছবি এআই ট্রেনিংয়ের জন্য ব্যবহার হতে পারে, তাই সাবধানে ছবি আপলোড করুন।</p>
</li>
<li class="" data-start="3162" data-end="3239">
<p class="" data-start="3164" data-end="3239">আপনার ছবি আপলোড করার আগে প্ল্যাটফর্মের গোপনীয়তা নীতি ভালোভাবে যাচাই করুন।</p>
</li>
<li class="" data-start="3240" data-end="3306">
<p class="" data-start="3242" data-end="3306">অ্যাপ ডাউনলোডের সময় ক্যামেরা ও গ্যালারির অ্যাক্সেস বন্ধ রাখুন।</p>
</li>
<li class="" data-start="3307" data-end="3371">
<p class="" data-start="3309" data-end="3371">রিভার্স ইমেজ সার্চ করে দেখুন আপনার ছবি অপব্যবহার হচ্ছে কিনা।</p>
</li>
<li class="" data-start="3372" data-end="3436">
<p class="" data-start="3374" data-end="3436">অবগত থাকুন যে, কীভাবে এবং কোথায় আপনার ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে।</p>
</li>
</ul>
<p class="" data-start="3438" data-end="3480">অবশ্য সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সচেতন থাকলে ঘিবলি প্রযুক্তিতে আপাতত কোনো বড় ঝুঁকি দেখছেন না সাইবার ৭১-এর পরিচালক আবদুল্লাহ আল জাবের। তবে প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন শেয়ার করা এবং অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের সময় একে অপরের প্রোফাইল দেখার বিষয়টি নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক হতে পারে বলে আশঙ্কা তার। একইভাবে সাইবার নিরাপত্তা এবং তথ্যপ্রযুক্তি সুরক্ষা নিয়ে সচেতন থাকলে ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য ও ছবি শেয়ারে সবসময়ই সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সাইবার সুরক্ষা বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা এবং সাইবার ক্রাইম অ্যাওরনেস ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা মেহেদী হাসান।  </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিরাপদ থাকবেন যেভাবে</title>
<link>https://digibanglatech.news/152692</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152692</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67fc50552de22.jpg" length="128824" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 14 Apr 2025 00:40:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আজকের ডিজিটাল যুগে, তরুণরা স্মার্টফোন এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ক্রমাগত সংযুক্ত হচ্ছে, যা বাবা-মা, শিক্ষক এবং প্রযুক্তি কোম্পানির জন্য গুরুত্বপূর্ণ অনলাইন নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করছে। ইন্টারনেট, যেখানে শিক্ষা এবং সৃজনশীলতা বৃদ্ধির সুযোগ দেয়, সেখানে সাইবার বুলিং, অপ্রাসঙ্গিক কনটেন্ট, গোপনীয়তা লঙ্ঘন, এবং অনলাইন শিকারীর মতো বিপদও রয়েছে। তাই, তরুণদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের সংখ্যা বাড়ানোর সাথে সাথে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।<o:p></o:p></p>
<p><strong>ঝুঁকি বোঝা</strong><o:p></o:p></p>
<p>ফেসবুক, টুইটারের চেয়ে সাধারণত প্রতিদিন টিকটক, ইনস্টাগ্রাম ও স্ন্যাপচ্যাটের এর মতো প্ল্যাটফর্মে সময় কাটায় টিনএজাররা। এটা তাদের বিভিন্ন অনলাইন ঝুঁকির প্রতি সংবেদনশীল করে তোলে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকিগুলোর মধ্যে রয়েছে সাইবারবুলিং এবং ক্ষতিকারক কনটেন্টে এক্সপোজারের ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। অনলাইনে অজান্তে শেয়ার করা ব্যক্তিগত তথ্য বা পরিচয় চুরিরও সম্ভাবনা রয়েছে। এই কারণে, অভিভাবকদের সন্তানদের অনলাইন অভিজ্ঞতার সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়া জরুরি। ইন্টারনেটের গোপনীয়তা কিছু মানুষকে ক্ষতিকর আচরণে উদ্বুদ্ধ করতে পারে, যার ফলে টিনএজারের মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। আরেকটি ঝুঁকি হল ব্যক্তিগত ডেটার অপব্যবহার, যেখানে টিনএজাররা অজান্তেই সংবেদনশীল তথ্য শেয়ার করে ফেলে, যা তাদের প্রাইভেসি বা পরিচয় চুরির ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। এই কারণে, বাবা-মা এবং অভিভাবকদের সন্তানের অনলাইন অভিজ্ঞতাতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।<o:p></o:p></p>
<p><strong>প্যারেন্টাল কন্ট্রোল এবং স্বচ্ছতা</strong><o:p></o:p></p>
<p>অনলাইন নিরাপত্তা বজায় রাখতে, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো প্যারেন্টাল কন্ট্রোল টুলস তৈরি করছে। টিকটক এর 'ফ্যামিলি পেয়ারিং' টুলের মতো ফিচার অভিভাবকদের সন্তানদের স্ক্রিন টাইম ও সামাজিক মিথস্ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এছাড়া, রিপোর্টিং এবং অ্যালার্ট সিস্টেমগুলো ব্যবহারকারীদের অশালীন কনটেন্ট বা আচরণ জানাতে সুযোগ দেয়। টিকটক ব্যবহারকারীরা কমিউনিটি গাইডলাইন লঙ্ঘনকারী কনটেন্ট সম্পর্কে বিশ্বস্ত প্রাপ্তবয়স্কদের জানাতে পারেন, যা তরুণদের ক্ষতিকর পরিস্থিতি থেকে সুরক্ষা পেতে সহায়তা করে।<o:p></o:p></p>
<p><strong>মানসিক সুস্থতায় সমর্থন</strong><o:p></o:p></p>
<p>নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যের বাইরে, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো মানসিক সুস্থতা প্রচারে গুরুত্ব দেয়। যেমন, বিরতি নেওয়ার রিমাইন্ডার বা রাতে শোয়ার আগে লগ আউট করার প্রম্পট ব্যবহারকারীদের সুস্থ ডিজিটাল অভ্যাস গড়ে তুলতে সাহায্য করে, যা শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক। তরুণ ব্যবহারকারীদের মধ্যে প্রযুক্তির সঙ্গে স্বাস্থ্যকর সম্পর্ক তৈরি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।<o:p></o:p></p>
<p><strong>শিক্ষা ও সহযোগিতা</strong><o:p></o:p></p>
<p>অনলাইন নিরাপত্তায় প্রযুক্তির পাশাপাশি শিক্ষা-ও সমানভাবে জরুরি। অভিভাবক ও শিক্ষকদের উচিত তরুণদের শেখানো কীভাবে ইন্টারনেটে দায়িত্বশীলভাবে চলাফেরা করতে হয় — যেমন অশালীন কনটেন্ট চিনে নেওয়া, অতিরিক্ত তথ্য শেয়ার না করা, বা প্রাইভেসি সেটিংস বোঝা। <o:p></o:p>এজন্য স্কুলে ডিজিটাল সাক্ষরতা প্রোগ্রামও জনপ্রিয় হচ্ছে, যা শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও সচেতনভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার শেখায়। পাশাপাশি, অভিভাবকদের উচিত তাদের সন্তানের অনলাইন অভ্যাস নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা, নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা ঠিক করা, আর তারা কোন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছে তা জানার চেষ্টা করা — যাতে তৈরি হয় একসাথে নিরাপদ ডিজিটাল অভিজ্ঞতা।<o:p></o:p></p>
<p>তরুণদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষক ও প্রযুক্তি কোম্পানির মিলিত উদ্যোগ জরুরি। প্রযুক্তিগত টুলের পাশাপাশি যত্নশীলদের সক্রিয় ভূমিকা তরুণদের সুরক্ষিত রাখতে পারে। ডিজিটাল সাক্ষরতা বাড়ানো, সচেতনতা তৈরি এবং খোলামেলা আলোচনা চালু রাখার মাধ্যমে আমরা তরুণদের জন্য ইন্টারনেটকে আরও নিরাপদ, দায়িত্বশীল এবং ইতিবাচক জায়গা করে তুলতে পারি।<o:p></o:p></p>
<p><o:p> </o:p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রিমোট র‍্যানসমওয়্যার থেকে সুরক্ষিত থাকতে করণীয়</title>
<link>https://digibanglatech.news/152260</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152260</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67e1414c4486f.jpg" length="63255" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 24 Mar 2025 15:26:30 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span lang="BN">র</span><span lang="EN">‍</span><span lang="BN">্যানসমওয়্যার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">বর্তমানে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">প্রতিষ্ঠানগুলোর</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">জন্য</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">অন্যতম</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">একটি</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">বড়</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">হুমকি</span><span lang="HI">।</span><span lang="HI"> </span><span lang="BN">এই</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ক্রমবর্ধমান</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">হুমকির</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">মোকাবিলা</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করা</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সহজ</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">নয়</span><span lang="HI">।</span><span lang="HI"> </span><span lang="BN">বিশেষত</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">যখন</span><span lang="EN">  </span><span lang="BN">হামলাকারীরা</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">তাদের</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">কৌশল</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এবং</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">আক্রমণের</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">পদ্ধতিগুলো</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">পরিবর্তন</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">বা</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">উন্নত</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করে</span><span lang="EN">, </span><span lang="BN">তখন</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এই</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সাইবার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">হামলা</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">মোকাবিলা</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করা</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">আরও</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">কঠিন</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">হয়ে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">যায়</span><span lang="HI">।</span><span lang="HI"> </span><span lang="EN"><o:p></o:p></span><span lang="EN"><o:p> </o:p></span></p>
<p><span lang="EN"><span lang="BN">২০২৩</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সালের</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">শেষের</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">দিকে</span>, <span lang="BN">সফোস</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এক্স</span>-<span lang="BN">অপস</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এর</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">তথ্য</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">অনুযায়ী</span>,  ‘<w:sdt sdttag="goog_rdk_4" id="1607156078"></w:sdt><a href="https://news.sophos.com/en-us/2023/12/20/cryptoguard-an-asymmetric-approach-to-the-ransomware-battle/"><span lang="BN">রিমোট</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এনক্রিপশন</span></a>' <span lang="BN">হামলা</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">উল্লেখযোগ্য</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">বৃদ্ধি</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">পেয়েছে</span><span lang="HI">।</span><span lang="HI"> </span><span lang="BN">এতে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">র</span>‍<span lang="BN">্যানসমওয়্যার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">হামলাকারীরা</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">স্বল্প</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সুরক্ষিত</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এন্ডপয়েন্ট</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ব্যবহার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">একই</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">নেটওয়ার্কের</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সাথে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সংযুক্ত</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">অন্যান্য</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ডিভাইসের</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ডেটা</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এনক্রিপ্ট</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ফেলে</span><span lang="HI">।</span><span lang="HI"> </span><span lang="BN">২০২৪</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সালে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">রিমোট</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">র</span>‍<span lang="BN">্যানসমওয়্যার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">আক্রমণ</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">৫০</span>% <span lang="BN">বৃদ্ধি</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">হওয়ার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">রিপোর্ট</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করেছে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সফোস</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এক্স</span>-<span lang="BN">অপস</span><span lang="HI">।</span><span lang="HI"> </span><span lang="BN">২০২২</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সালের</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">তুলনায়</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এর</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">বৃদ্ধি</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">হয়েছে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">১৪১</span>%<span lang="HI">।</span><w:sdt sdttag="goog_rdk_5" id="2104915326"></w:sdt></span><span lang="EN"><o:p></o:p></span></p>
<h3><a name="_heading=h.ly9fi17wce9h"></a><span lang="EN"><span lang="BN">রিমোট</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">র</span>‍<span lang="BN">্যানসমওয়্যারের</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">বৃদ্ধি</span><w:sdt sdttag="goog_rdk_6" id="-877392415"></w:sdt></span><span lang="EN"><o:p></o:p></span></h3>
<p><span lang="EN"><span lang="BN">রিমোট</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এনক্রিপশন</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">নতুন</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">কোনো</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">কৌশল</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">নয়</span><span lang="HI">।</span><span lang="HI"> </span><span lang="BN">তবে</span>,  <span lang="BN">অনেক</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এন্ডপয়েন্ট</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সুরক্ষাকে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">অতিক্রম</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করা</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">যায়</span><span lang="HI">।</span><span lang="HI"> </span><span lang="BN">মেমরি</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">স্ক্যানিং</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এবং</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">পর্যবেক্ষণের</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">মতো</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ডিফেন্সিভ</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সিস্টেম</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">বাইরে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">গিয়ে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ফাইলগুলো</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এনক্রিপ্ট</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করা</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">হয়</span><span lang="HI">।</span><span lang="HI"> </span><span lang="BN">তাই</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">আধুনিক</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">র</span>‍<span lang="BN">্যানসমওয়্যার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">গ্রুপগুলোর</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">মধ্যে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এটি</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এখন</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">জনপ্রিয়</span><span lang="HI">।</span><span lang="HI"> </span><w:sdt sdttag="goog_rdk_7" id="-908614592"></w:sdt></span><span lang="EN"><o:p></o:p></span></p>
<p><span lang="EN"><o:p> </o:p></span></p>
<p><span lang="EN"><span lang="BN">মাইক্রোসফ্টের</span><span lang="BN"> </span><w:sdt sdttag="goog_rdk_8" id="-1792192547"></w:sdt><a href="https://www.microsoft.com/en-us/security/security-insider/microsoft-digital-defense-report-2023"><span lang="BN">২০২৩</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ডিজিটাল</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ডিফেন্স</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">রিপোর্ট</span></a></span><span lang="EN"> </span><span lang="EN"><span lang="BN">অনুসারে</span>, <span lang="BN">প্রায়</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">৬০</span>% <span lang="BN">হিউম্যান</span>-<span lang="BN">অপারেটেড</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">র</span>‍<span lang="BN">্যানসমওয়্যার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">হামলাগুলো</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">রিমোট</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এনক্রিপশনের</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সাথে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">যুক্ত</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এবং</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">৮০</span>% <span lang="BN">হামলা</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">হয়</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">অনিয়ন্ত্রিত</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ডিভাইস</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">থেকে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">উৎপন্ন</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">হয়েছিল</span><span lang="HI">।</span><span lang="HI"> </span><span lang="BN">মাইক্রোসফ্টের</span><span lang="BN"> </span><w:sdt sdttag="goog_rdk_9" id="489301419"></w:sdt><a href="https://www.microsoft.com/en-us/security/security-insider/intelligence-reports/microsoft-digital-defense-report-2024"><span lang="BN">২০২৪</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">রিপোর্টে</span></a> <span lang="BN">আরও</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">দেখা</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">গেছে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">যে</span>, <span lang="BN">৭০</span>% <span lang="BN">হামলা</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">আক্রমণে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ছিল</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">রিমোট</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">র</span>‍<span lang="BN">্যানসমওয়্যার</span><span lang="HI">।</span><w:sdt sdttag="goog_rdk_10" id="1724708775"></w:sdt></span><span lang="EN"><o:p></o:p></span></p>
<h3><a name="_heading=h.cxdu31y7i6zn"></a><span lang="EN"><span lang="BN">সুরক্ষিত</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">থাকার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">জন্য</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করণীয়</span><w:sdt sdttag="goog_rdk_11" id="666987700"></w:sdt></span><span lang="EN"><o:p></o:p></span></h3>
<p><span lang="EN"><span lang="BN">রিমোট</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">র</span>‍<span lang="BN">্যানসমওয়্যার</span><w:sdt sdttag="goog_rdk_12" id="-1890710056"></w:sdt> <span lang="BN">থেকে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সুরক্ষিত</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">থাকতে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সফোসের</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">পরামর্শ</span>:<w:sdt sdttag="goog_rdk_13" id="1425601807"></w:sdt></span><span lang="EN"><o:p></o:p></span></p>
<p><span lang="EN"><o:p> </o:p></span></p>
<p><span lang="EN"><span lang="BN">১</span>. <w:sdt sdttag="goog_rdk_14" id="-1545440248"></w:sdt><span lang="BN">সক্রিয়</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">অ্যাসেট</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ম্যানেজমেন্ট</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">অনুশীলন</span><w:sdt sdttag="goog_rdk_15" id="-1630461769"></w:sdt> – <span lang="BN">সমস্ত</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ডিভাইস</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এবং</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এন্ডপয়েন্টগুলো</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">নিয়মিত</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ট্র্যাক</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এবং</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">মনিটর</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করুন</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">যাতে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">দুর্বলতা</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এবং</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">অননুমোদিত</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">অ্যাক্সেস</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সনাক্ত</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করা</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">যায়</span><span lang="HI">।</span><w:sdt sdttag="goog_rdk_16" id="1363319854"></w:sdt></span><span lang="EN"><o:p></o:p></span></p>
<p><span lang="EN"><br><span lang="BN">২</span>. <w:sdt sdttag="goog_rdk_17" id="-18701780"></w:sdt><span lang="BN">অনিয়ন্ত্রিত</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">মেশিন</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সনাক্ত</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করুন</span><w:sdt sdttag="goog_rdk_18" id="-637791865"></w:sdt> – <span lang="BN">হামলার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এন্ট্রি</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">পয়েন্ট</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">হিসাবে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ব্যবহার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">হতে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">পারে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এমন</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">অনিয়ন্ত্রিত</span>  <span lang="BN">ডিভাইসগুলো</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">স্ক্যান</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করুন</span><span lang="HI">।</span><w:sdt sdttag="goog_rdk_19" id="-1093083837"></w:sdt></span><span lang="EN"><o:p></o:p></span></p>
<p><span lang="EN"><br><span lang="BN">৩</span>.<w:sdt sdttag="goog_rdk_20" id="-1398048887"></w:sdt> <span lang="BN">সুরক্ষার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">পরিষেবা</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ব্যবহার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করুন</span><w:sdt sdttag="goog_rdk_21" id="538012687"></w:sdt> – <span lang="BN">সন্দেহজনক</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">আচরণ</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সনাক্ত</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করতে</span>, <span lang="BN">রিয়েল</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">টাইমে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ফাইল</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ট্রান্সফার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সময়</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এটি</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ট্র্যাক</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করতে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">টুলস</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">প্রয়োগ</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করুন</span><span lang="HI">।</span><br><!-- [if !supportLineBreakNewLine]--><br><!--[endif]--><w:sdt sdttag="goog_rdk_22" id="-737929232"></w:sdt></span><span lang="EN"><o:p></o:p></span></p>
<p><span lang="EN"><span lang="BN">৪</span>. <w:sdt sdttag="goog_rdk_23" id="-1401906574"></w:sdt><span lang="BN">সাইবার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সিকিউরিটি</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">অনুশীলন</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করুন</span><w:sdt sdttag="goog_rdk_24" id="1798408174"></w:sdt>– <span lang="BN">শক্তিশালী</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">পাসওয়ার্ড</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ব্যবহার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করুন</span>, <span lang="BN">নিয়মিত</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সফটওয়্যার</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">আপডেট</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">রাখুন</span>, <span lang="BN">মাল্টি</span>-<span lang="BN">ফ্যাক্টর</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">অথেনটিকেশন</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">বজায়</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">রাখুন</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এবং</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">কর্মীদের</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">প্রশিক্ষণ</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">প্রদান</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">করুন</span><span lang="HI">।</span><w:sdt sdttag="goog_rdk_25" id="427157185"></w:sdt></span><span lang="EN"><o:p></o:p></span></p>
<p><span lang="EN"><o:p> </o:p></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘আমি প্রবাসী’ অ্যাপে বিএমইটি বহির্গমন ছাড়পত্র নেবেন যেভাবে</title>
<link>https://digibanglatech.news/152196</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152196</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67de9da79dae4.jpg" length="37671" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 22 Mar 2025 15:24:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রবাসে যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশি কর্মীদের ভোগান্তি নতুন কিছু নয়। প্রতিবছরই অসংখ্য স্বপ্ন ঝরে পড়ে শুধুমাত্র সময়মত বিএমইটি বহির্গমন ছাড়পত্র না পাওয়ার কারণে। তবে বর্তমানে ঘরে বসেই কোনো প্রকার ভ্রমণ ও বাড়তি খরচ ছাড়া স্বল্প সময়ের মধ্যে প্রবাসীরা নিতে পারবেন এই বহির্গমন ছাড়পত্র। ২০২৩ সাল থেকে এমন সেবাই দিয়ে আসছে বিশ্বের একমাত্র ওয়ান স্টপ অভিবাসন সেবা প্রদানকারী অ্যাপ আমি প্রবাসী। চলুন জেনে নিই, কীভাবে বিএমইটি বহির্গমন ছাড়পত্রের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন ঘরে বসেই।</p>
<p>ক্লিয়ারেন্সের আবেদন করার জন্য প্রথমে বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন ও প্রাক বহির্গমন ওরিয়েন্টেশন (পিডিও) কোর্স সম্পন্ন করতে হবে আগ্রহী প্রার্থীকে। এরপর তিনি ‘আমি প্রবাসী অ্যাপ থেকে সরাসরি বহির্গমন ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আর রিক্রুটিং এজেন্সির (RA) মাধ্যমে আবেদন করলে, তারা নিজস্ব পোর্টাল থেকে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করবে।</p>
<p>বহির্গমন ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করতে হলে বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন নম্বর, প্রাক বহির্গমন সার্টিফিকেট বা শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, পাসপোর্ট, ভিসা, ৩০০ টাকার স্ট্যাম্প পেপারে করা চুক্তিপত্র, নারীদের ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট দেশে গমনের ক্ষেত্রে স্বামী বা অভিভাবকের অনুমতিপত্র (স্ট্যাম্প পেপারে), ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত কাগজপত্র, ওয়ান স্টপ ফরম (শুধুমাত্র ওয়ান স্টপ সেবা গ্রহণকারী প্রার্থীদের জন্য), মেডিকেল টেস্ট রিপোর্ট, নির্দিষ্ট কিছু দেশের জন্য প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত কিছু নথিপত্র এবং চাকরির চুক্তিপত্র (শুধুমাত্র রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য প্রযোজ্য) জমা দিতে হবে।</p>
<p>ঘরে বসে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চাইলে প্রথমেই প্রার্থীদের আবেদন ফি বাবদ ৫০ টাকা দিতে হয়। এরপর প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র নিয়ে ইন্টারভিউয়ের জন্য বিএমইটি অফিসে উপস্থিত হতে হয়। আবেদন জমা দেওয়ার পর এটি বিএমইটির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে পর্যায়ক্রমে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। ওয়ান স্টপ সেবা গ্রহণকারী বা নিজ উদ্যোগে আবেদন করা প্রার্থীদের আবেদন চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে সরকারি ফি ও এপ্লিকেশন চার্জ পরিশোধ করতে হয় তাদের। পেমেন্ট সম্পন্ন হওয়ার পর ব্যক্তি কিংবা রিক্রুটিং এজেন্সি উভয়েই বিএমইটি স্মার্ট বহির্গমন ছাড়পত্র কার্ড ডাউনলোড করতে পারেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>যেভাবে পেরুতে হবে বুয়েটে ভর্তির তিন ধাপ</title>
<link>https://digibanglatech.news/151653</link>
<guid>https://digibanglatech.news/151653</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67c3f7ba784b3.jpg" length="104477" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 02 Mar 2025 00:14:03 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। মেধাতালিকায় স্থান পাওয়াদের ভর্তি কার্যক্রম আগামী ১০ মার্চ থেকে শুরু হবে। এরইমধ্যে পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত এবং অপেক্ষমাণ প্রার্থীদের তালিকা বুয়েটের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। মেধাতালিকা ও পছন্দক্রম অনুসারে প্রার্থীদের বিভাগ বণ্টনও ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত এবং অপেক্ষমাণ প্রার্থীদের করণীয় কী, তা–ও জানিয়েছে বুয়েট। প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে। </span></p>
<p><span>কীভাবে এই সেইধাপগুলো পেরুতে হবে এবার তা জেনে নেয়া যাক।</span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span lang="BN" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-language: BN;">প্রথম ধাপ: স্বাস্থ্য পরীক্ষা</span><o:p></o:p></b></p>
<p>ভর্তির জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত তালিকাভুক্ত প্রার্থীদের বুয়েটের ওয়েবসাইটে ‘Medical Screening Form for Admission’–এর পিডিএফ ফাইলটি প্রিন্ট করার পর হাতে পূরণ করতে হবে। ফরমের প্রথম অংশটি প্রার্থী নিজেই পূরণ করবেন। দ্বিতীয় অংশটি প্রার্থীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট ল্যাবরেটরির রিপোর্ট মূল্যায়নপূর্বক একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসক কর্তৃক পূরণ করতে হবে। উল্লেখ্য, দ্বিতীয় অংশের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য চিকিৎসক অথবা সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের ফি এবং ল্যাবরেটরি রিপোর্টের ফি সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকেই বহন করতে হবে।</p>
<p>স্বাস্থ্য পরীক্ষায় যদি দৃষ্টিশক্তির ত্রুটি ধরা পড়ে তাহলে সাত দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষা করা যেতে পারে। অন্য অস্থায়ী অনুপযুক্ততা যথা: হাইড্রোসিল, হার্নিয়া ইত্যাদি এক মাসের মধ্যে পুনঃপরীক্ষার জন্য বিবেচিত হতে পারে। এ ধরনের অসুস্থতা পুনঃপরীক্ষার প্রয়োজন হলে প্রার্থীর নিজস্ব খরচে যেকোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মতামতের জন্য বুয়েটের প্রধান চিকিৎসক সুপারিশ করতে পারেন। তবে এই সুপারিশ ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি কমিটির সভাপতি কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে।</p>
<div id="0d42a793-6e6b-4629-911d-7c823443a337">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p><strong>দ্বিতীয় ধাপ: ভর্তি ফি প্রদান</strong></p>
<p>প্রকৌশল অনুষদের বিভাগগুলোর এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে ভর্তির জন্য ৭ হাজার ১৫০ টাকা এবং স্থাপত্য বিভাগে ভর্তির জন্য ৭ হাজার ২০০ টাকা ফি জমা দিতে হবে। সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের ডিমান্ড ড্রাফট অথবা পে-অর্ডারের মাধ্যমে ‘কম্পট্রোলার, বুয়েট-ঢাকা’ বরাবর ভর্তি ফি দিতে হবে। ডিমান্ড ড্রাফট/পে-অর্ডারের মূল কপিসহ নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে তিনটি কপিসহ সশরীরে উপস্থিত হয়ে জমা দিতে হবে।</p>
<p>সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের দেশের যেকোন শাখার মাধ্যমে ডিমান্ড ড্রাফট করা যাবে। শুধু ঢাকা সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় অবস্থিত সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের যেকোনো শাখার মাধ্যমে পে-অর্ডার করা যাবে।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="c176e47b-e5a7-4229-9e8b-e0e49532a9c2">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p><strong>তৃতীয় ধাপ:</strong><span> </span>মূল সনদ, স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট এবং ভর্তি ফির রসিদ জমা প্রদান সাপেক্ষে ভর্তি নিশ্চিতকরণ</p>
<p>ভর্তির জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত তালিকাভুক্ত প্রার্থীদের নোটিশে উল্লিখিত নির্ধারিত স্থান, তারিখ ও সময়ে সশরীরে উপস্থিত হতে হবে। এ ক্ষেত্রে যা যা অনুসরণ করতে হবে, তা হলো—</p>
<p><strong>(ক) সনদ ও দলিলাদি যাচাই এবং জমা প্রদান</strong></p>
<p><strong>(ক.১) প্রথমত, নির্ধারিত বুথে নিম্নলিখিত দলিলাদি জমা দিতে হবে—</strong></p>
<p>মূল সনদ এবং অন্যান্য: (i) মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট/দাখিল অথবা সমমানের পরীক্ষার মূল সনদ এবং ফটোকপি (১ কপি)। (ii) মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট/দাখিল অথবা সমমানের পরীক্ষার মূল ট্রান্সক্রিপ্ট বা গ্রেড শিট এবং ফটোকপি (১ কপি)।</p>
<p><strong>(iii)</strong><span> </span>উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট/আলিম অথবা সমমানের পরীক্ষার মূল ট্রান্সক্রিপ্ট বা গ্রেড শিট এবং ফটোকপি (১ কপি)।</p>
<p><strong>বি.দ্র.: ফটোকপি সত্যায়ন করার প্রয়োজন নেই।</strong></p>
<p>উল্লেখ্য, প্রদানকৃত ছাত্রছাত্রীদের মূল ট্রান্সক্রিপ্ট/গ্রেড শিট ও সনদ ভর্তি কমিটিগুলোর সভাপতির অফিসে জমা রাখা হবে। জমা গ্রহণের পর ভর্তি/ভর্তির যোগ্যতা বাতিল ছাড়া এসব কাগজপত্র সাময়িকভাবে ফেরত কিংবা ফটোকপি প্রদান করা হবে না।</p>
<p><strong>(ক.২)</strong><span> </span>সংরক্ষিত আসনের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত তালিকাভুক্ত ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীভুক্ত প্রার্থীদের তাদের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীভুক্ত প্রমাণস্বরূপ নিম্নোক্ত দলিলাদি জমা দিতে হবে—</p>
<p><strong>(i)</strong><span> </span>স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত সনদ (মূল কপি ও এক কপি সত্যায়িত ফটোকপি)।</p>
<p><strong>(ii)</strong><span> </span>ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীভুক্ত গোত্রের মোড়ল/হেডম্যান/গোত্রপ্রধান প্রদত্ত সনদ, যা স্থানীয় থানা নির্বাহী অফিসার/জেলা প্রশাসক প্রতিস্বাক্ষরিত হতে হবে (মূল কপি ও এক কপি সত্যায়িত ফটোকপি)।</p>
<p><strong>(খ)</strong><span> </span>স্বাস্থ্য পরীক্ষার ছাড়পত্র গ্রহণ: সনদ, ট্রান্সক্রিপ্ট এবং অন্য দলিলাদি জমার পর নির্দিষ্ট মেডিকেল বুথে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ‘Medical Screening Form for Admission’–এর পূরণকৃত কপি, ল্যাবরেটরি রিপোর্ট এবং অন্যান্য কাগজপত্র (প্রয়োজন সাপেক্ষে) জমা দিতে হবে।</p>
<p><strong>(গ)</strong><span> </span>ভর্তি ফি জমা প্রদান: মেডিকেল অফিসারের ছাড়পত্র পাওয়ার পর ভর্তি ফির পে–অর্ডারের/ডিমান্ড ড্রাফটের মূল কপি এবং দুটি ফটোকপি নির্ধারিত বুথে জমা দিতে হবে।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের  ফেলোশিপ মিলবে যেভাবে</title>
<link>https://digibanglatech.news/151355</link>
<guid>https://digibanglatech.news/151355</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202502/image_870x580_67b5988976b0c.jpg" length="32648" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 19 Feb 2025 01:55:32 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে গবেষণায় ফেলোশিপ বা বৃত্তির আবেদন চলছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদনের শর্ত পূরণ সাপেক্ষে বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ পাবেন। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আইসিটি খাতে গবেষণার জন্য ফেলোশিপ প্রদান, আইসিটি ক্ষেত্রে উদ্ভাবনীমূলক কাজে উৎসাহ প্রদানের জন্য ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানকে অনুদান ও বিশেষ অনুদান দেয়া হচ্ছে।</p>
<p>নীতিমালায় বর্ণিত যোগ্যতাসম্পন্ন আগ্রহী দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, গবেষক ও প্রত্যাশী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে অনলাইনে আবেদন আহ্বান করা হয়েছে।</p>
<p>ফেলোশিপ বা বৃত্তির জন্য আবেদনে ৪টি ধাপ রয়েছে। প্রথম ধাপে <strong><a href="http://ims.ictd.gov.bd/apply-now">ওয়েবসাইটের হোম পেজ ওপেন করে </a></strong>শুরুতে স্লাইডে দেখানো ‘আবেদন করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। দ্বিতীয় ধাপে রেজিস্টার্ড ইউজার হলে ই–মেইল অ্যাড্রেস ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে। আর রেজিস্টার্ড ইউজার না হলে রেজিস্ট্রেশন ফরমটি যথাযথভাবে পূরণ করতে হবে। এ জন্য অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে।</p>
<p>অ্যাকাউন্ট তৈরির পর ই–মেইলে ভেরিফিকেশন লিংক পাঠানো হবে। ভেরিফিকেশন লিংকে ক্লিক করে নিজের ই–মেইল ভেরিফাই করে নিতে হবে। ই–মেইল ভেরিফিকেশনের পর আবেদনকারীর মুঠোফোন নম্বর ভেরিফিকেশন করতে হবে। এ জন্য প্রথমবার লগইন করার পরে মুঠোফোন নম্বরে চার ডিজিটের একটি কোড যাবে, সেই কোড লগইন–পরবর্তী পেজে সাবমিট করে মুঠোফোন নম্বর ভেরিফাই করতে হবে।</p>
<p>এক্ষেত্রে যে ভেরিফিকেশন ই–মেইলটি Spam/Inbox-এ যেতে পারে। যদি স্প্যাম ফোল্ডারে ই–মেইলটি থাকে, তবে ই–মেইলটি Not Spam করে Inbox-এ নিয়ে আসুন। ক্ষেত্রবিশেষে মুঠোফোনে কোড যেতে কিছুটা বিলম্ব হতে পারে।</p>
<p>তৃতীয় ধাপে পেজের ওপরে ডান পাশে ‘আবেদন করুন’ বাটনে ক্লিক করুন। নির্ধারিত চার ধরনের আবেদনের খাত থেকে আপনার পছন্দের খাতের নিচের ‘আবেদন করুন’ বাটনে ক্লিক করুন। আবেদনপত্রের সব তথ্য যথাযথ ও সঠিকভাবে দিয়ে আবেদনপত্র পূরণ করুন।</p>
<p>চতুর্থ ধাপে আবেদনপত্র পূরণের সময় যেকোনো অবস্থায় নিচের বাঁ পাশের ‘Save As Draft’ বাটনে ক্লিক করে সেই আবেদন খসড়া হিসেবে সংরক্ষণ করতে পারবেন, যা পরে আগের অবস্থা থেকে আবার সম্পাদনা শুরু করা যাবে। সবশেষে সব তথ্য সঠিকভাবে পূরণ সম্পন্ন হলে নিচে ডান পাশের ‘প্রিভিউ দেখুন এবং জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করলে পূরণকৃত আবেদনপত্রের প্রিভিউ দেখতে পারবেন এবং ‘ফিরে যান এবং সম্পাদনা করুন’ বাটনে ক্লিক করে ফিরে গিয়ে আবার সম্পাদনা করতে পারবেন অথবা ‘শেষ এবং জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করে আবেদনপত্রটি জমা দিতে পারবেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

</channel>
</rss>