<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
     xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
     xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
     xmlns:admin="http://webns.net/mvcb/"
     xmlns:rdf="http://www.w3.org/1999/02/22-rdf-syntax-ns#"
     xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
     xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/">
<channel>
<title>Digi Bangla &#45; : জরিপ</title>
<link>https://digibanglatech.news/rss/category/জরিপ</link>
<description>Digi Bangla &#45; : জরিপ</description>
<dc:language>en</dc:language>
<dc:rights>নিবন্ধন নং &#45; ২৩৩ &amp;lt;br /&amp;gt;প্রকাশক: সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক &amp;lt;/br&amp;gt;  নির্বাহী সম্পাদক: এস এম ইমদাদুল হক &amp;lt;/br&amp;gt; সম্পাদকীয় কার্যালয়: সড়ক ২৯, বাড়ি ২/ই (গুলশান লেক প্যালেস), সি&#45;২, গুলশান&#45;১, ঢাকা&#45;১২১২, বাংলাদেশ।  &amp;lt;/br&amp;gt;ফোন: ০৯৬৩৯&#45;৩৩৩৫৫৫, ইমেইল: press@digibanglatech.news   &amp;lt;/br&amp;gt; © স্বত্ব ডিজিটাল বাংলা মিডিয়া লিমিটেড ২০১৯&#45;২০২৬</dc:rights>

<item>
<title>প্রতিকূলতায় ৭২% মানুষের আত্মবিশ্বাস কমে: মেটলাইফের গবেষণায় প্রযুক্তিবান্ধব নেটওয়ার্কের তাগিদ</title>
<link>https://digibanglatech.news/183201</link>
<guid>https://digibanglatech.news/183201</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;মেটলাইফের একটি আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ৭২ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের আত্মবিশ্বাস কমে যায়। এই সংকট কাটাতে শক্তিশালী সামাজিক সংযোগ, প্রযুক্তিবান্ধব নেটওয়ার্ক, শৈশব থেকে খেলাধুলা এবং মেন্টরশিপের ওপর জোর দিয়েছেন মেটলাইফ বাংলাদেশের সিইও আলা আহমদ।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a4d05e0c9271.jpg" length="124409" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 07 Jul 2026 14:58:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>মেটলাইফ বাংলাদেশ, আলা আহমদ, আত্মবিশ্বাস ঘাটতি, দ্য কনফিডেন্ট পাথওয়েজ রিপোর্ট, প্রযুক্তিবান্ধব নেটওয়ার্ক, তরুণ প্রজন্ম</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মেটলাইফের নতুন একটি বহুজাতিক গবেষণায় প্রাপ্তবয়স্কদের “আত্মবিশ্বাস ঘাটতির” এক চমকপ্রদ চিত্র উঠে এসেছে। গবেষণায় দেখা যায়, অধিকাংশ মানুষ নিজেদেরকে যেকোনো পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেওয়ার মতো সহনশীল মনে করলেও বাস্তব জীবনে প্রতিকূলতার মুখোমুখি হলে তাদের আত্মবিশ্বাস ৭২ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। এই আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে এবং ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সনাতন ব্যবস্থার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তিবান্ধব সামাজিক নেটওয়ার্ক ও সুরক্ষামূলক কানেক্টিভিটি গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="11">যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান এবং মেক্সিকোতে পরিচালিত “দ্য কনফিডেন্ট পাথওয়েজ রিপোর্ট”–এর লক্ষ্য ছিল মানুষের আত্মবিশ্বাস কীভাবে গড়ে ওঠে এবং জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে কীভাবে তা টিকে থাকে, তা বোঝা। গবেষণার ফলাফল দেখায় যে সুযোগ, প্রস্তুতি এবং একটি আধুনিক, প্রযুক্তিবান্ধব সহায়ক পরিবেশ আত্মবিশ্বাস গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।</p>
<p data-path-to-node="12">প্রতিবেদনটি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে মেটলাইফ বাংলাদেশের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আলা আহমদ বলেন, “চলমান ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে যখন বিশ্বের মানুষ একত্রিত হয়েছে, তখন এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে তরুণদের সম্ভাবনা বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব কতটা গভীর। দলগত কাজ, শৃঙ্খলা এবং দৃঢ়তা শেখায় খেলাধুলা, যা জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”</p>
<p data-path-to-node="13">বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই গবেষণার ফলাফল বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। এদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৮ শতাংশ তরুণ এবং ১০ থেকে ২৪ বছর বয়সী প্রায় ৫ কোটি তরুণ-তরুণী দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ভূমিকা রাখবে। আলা আহমদ আরও বলেন, “বাংলাদেশে তরুণদের সম্ভাবনাকে পূর্ণ বিকশিত করতে কম বয়স থেকেই খেলাধুলা, আধুনিক শিক্ষা এবং ডিজিটাল মেন্টরশিপের সঙ্গে পরিচয় নিশ্চিত করা জরুরি। মেটলাইফ বাংলাদেশে আমরা আরও ভালো আর্থিক প্রস্তুতি এবং সুরক্ষার ডিজিটাল সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে ব্যক্তি ও পরিবারকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”</p>
<p data-path-to-node="14"><b data-path-to-node="14" data-index-in-node="0">গবেষণার প্রধান ফলাফলসমূহ:</b></p>
<ul data-path-to-node="15">
<li>
<p data-path-to-node="15,0,0"><b data-path-to-node="15,0,0" data-index-in-node="0">প্রতিকূলতায় আত্মবিশ্বাস হ্রাস:</b> বাস্তব জীবনের আর্থিক, মানসিক বা ব্যক্তিগত বিপর্যয়ের মুখে ৭২ শতাংশ মানুষের আত্মবিশ্বাস কমে যায়। অনেকেই নিজেদের দৃঢ়চেতা মনে করলেও বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠার সক্ষমতা সম্পর্কে তুলনামূলকভাবে কম মানুষ আত্মবিশ্বাসী বোধ করেন।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="15,1,0"><b data-path-to-node="15,1,0" data-index-in-node="0">সহায়ক সামাজিক ও প্রযুক্তিবান্ধব নেটওয়ার্কের সীমাবদ্ধতা:</b> অর্ধেকেরও কম মানুষ বন্ধুদের (৪১%) অথবা নিজেদের কমিউনিটির (৩১%) কাছ থেকে সমর্থন পান বলে মনে করেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সীমাবদ্ধতা দূর করতে রিয়েল-টাইম সাপোর্ট ও আধুনিক প্রযুক্তিবান্ধব সামাজিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা প্রয়োজন, যা দ্রুত সময়ে যেকোনো বিপর্যয় বা মানসিক সংকটে মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="15,2,0"><b data-path-to-node="15,2,0" data-index-in-node="0">শৈশবের অভিজ্ঞতা ও দীর্ঘস্থায়ী আত্মবিশ্বাস:</b> শৈশবে খেলাধুলায় অংশগ্রহণকারী অর্ধেকেরও বেশি প্রাপ্তবয়স্ক মনে করেন, এটি তাদের আত্মবিশ্বাস (৫৬%) এবং অধ্যবসায় (৫২%) বৃদ্ধি করেছে। একই সঙ্গে অভিভাবকেরাও খেলাধুলা ও মেন্টরশিপ কর্মসূচির প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানিয়েছেন।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="15,3,0"><b data-path-to-node="15,3,0" data-index-in-node="0">আর্থিক প্রস্তুতি:</b> যেসব প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি সঞ্চয় বা জীবনবিমা গ্রহণের মতো সক্রিয় আর্থিক পদক্ষেপ নেন, তারা বিপর্যয় মোকাবিলায় অন্যদের তুলনায় ২০ গুণ বেশি আত্মবিশ্বাসী হওয়ার সম্ভাবনাসম্পন্ন।</p>
</li>
</ul>
<p data-path-to-node="16">যখন ফুটবল বিশ্বব্যাপী মানুষ ও সম্প্রদায়কে একত্রিত করছে, তখন এই গবেষণা আরও দেখায় যে কম বয়স থেকে খেলাধুলা ও শিক্ষা মানুষের দৃঢ়তা গড়ে তোলে। খেলাধুলায় অংশগ্রহণ তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত করে এবং জীবনের প্রতি সন্তুষ্টি বাড়ায়, যা আরও আত্মবিশ্বাসী প্রজন্ম গঠনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।</p>
<p data-path-to-node="17"><span style="text-decoration: underline;"><strong>//ডিবিটেক/আরআরএফ/এমআই/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভুয়া এআই টুলের ছদ্মবেশে ম্যালওয়্যার ছড়াচ্ছে সাইবার অপরাধীরা: সতর্ক করল ক্যাসপারস্কি</title>
<link>https://digibanglatech.news/182976</link>
<guid>https://digibanglatech.news/182976</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;আন্তর্জাতিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ দিবস উপলক্ষ্যে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের শুরু থেকে সাইবার অপরাধীরা চ্যাটজিপিটি, ক্লড ও ডিপসিক-এর মতো জনপ্রিয় এআই টুলের ভুয়া ছদ্মবেশে ম্যালওয়্যার ছড়ানোর ঘটনা প্রায় ৫ গুণ বাড়িয়েছে। এছাড়া জুম, হোয়াটসঅ্যাপ বা টিমসের ভুয়া সংস্করণ ব্যবহার করে চলতি বছরের প্রথম চার মাসেই প্রায় ৪ লাখ ১৫ হাজার হামলা প্রতিহত করেছে ক্যাসপারস্কি।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a4a65644418d.jpg" length="31676" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 05 Jul 2026 17:08:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>kaspersky smb report 2026, fake ai tool malware, fake chatgpt claude deepseek, small business cyber attack, vasily kolesnikov kaspersky, cyber security solution smb</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="9">বর্তমান প্রযুক্তির যুগে ছোট ও মাঝারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো (এসএমবি) আগের চেয়ে অনেক বেশি জটিল সাইবার ঝুঁকির মুখে পড়ছে। গ্লোবাল সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ক্যাসপারস্কির এক সাম্প্রতিক গবেষণা প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। গত ২৭ জুন আন্তর্জাতিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ দিবস উপলক্ষ্যে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের শুরু থেকে সাইবার অপরাধীরা দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) টুলের ছদ্মবেশে ম্যালওয়্যার ছড়ানোর ঘটনা প্রায় পাঁচ গুণ (৫ গুণ) বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে ভুয়া মেসেজিং ও ভিডিও কনফারেন্সিং অ্যাপ ব্যবহার করেও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে লক্ষ্য করে সুনির্দিষ্ট হামলা চালানো হচ্ছে।</p>
<p data-path-to-node="10">ক্যাসপারস্কির প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সাইবার অপরাধীরা ট্রোজান ধরনের ক্ষতিকর ম্যালওয়্যার ছড়ানোর জন্য মূলত বিশ্বখ্যাত ও বহুল ব্যবহৃত এআই টুলগুলোর নাম ব্যবহার করছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অপব্যবহার করা হয়েছে—</p>
<ul>
<li data-path-to-node="11,0,0"><b data-path-to-node="11,0,0" data-index-in-node="0">চ্যাটজিপিটি (৪২ শতাংশ)</b></li>
<li data-path-to-node="11,1,0"><b data-path-to-node="11,1,0" data-index-in-node="0">ক্লড (২৪ শতাংশ)</b></li>
<li data-path-to-node="11,2,0"><b data-path-to-node="11,2,0" data-index-in-node="0">ডিপসিক (২০ শতাংশ)</b></li>
</ul>
<p data-path-to-node="12">ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কর্মীরা যাতে বিভ্রান্ত হয়ে এসব ভুয়া সফটওয়্যার ইনস্টল করেন, সেজন্যই এই ছদ্মবেশ ধারণ করা হচ্ছে। এই ট্রোজান ম্যালওয়্যারগুলো মূলত ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য চুরি করতে, ব্যাকগ্রাউন্ডে অতিরিক্ত ক্ষতিকর সফটওয়্যার ইনস্টল করতে বা আক্রান্ত কম্পিউটারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম। এছাড়া শুধু এআই টুই নয়; টেলিগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, জুম এবং মাইক্রোসফট টিমস-এর মতো প্রাত্যহিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভুয়া সংস্করণ ব্যবহার করেও হামলার ঘটনা আশঙ্কাজনকহারে বেড়েছে। ক্যাসপারস্কি জানায়, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র চার মাসেই তারা প্রায় ৪ লাখ ১৫ হাজার এমন জটিল সাইবার হামলা সফলভাবে প্রতিহত করেছে, যা প্রমাণ করে যে ছোট ও মাঝারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো এখনো সাইবার অপরাধীদের অন্যতম প্রধান সফট-টার্গেট।</p>
<p data-path-to-node="13">ক্যাসপারস্কির সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ ভাসিলি কোলেসনিকভ বলেন, “সাইবার অপরাধীরা প্রতিনিয়ত তাদের আক্রমণের নতুন নতুন কৌশল ও ফাঁদ তৈরি করছে। চলতি বছরের প্রথম চার মাসেই আমরা এমন শত শত হামলা শনাক্ত করেছি, যেখানে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠা এআই টুল ‘ওপেনক্ল’-এর ভুয়া সংস্করণ ব্যবহার করে ম্যালওয়্যার ছড়ানো হয়েছে। বর্তমানে প্রায় সব প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাই কাজের প্রয়োজনে কোনো না কোনো এআই টুল ব্যবহার করছেন। তাই ইন্টারনেট থেকে যেকোনো সফটওয়্যার ডাউনলোডের আগে ওয়েবসাইটের সঠিক ঠিকানা ও লিংক ভালোভাবে যাচাই করা এবং নির্ভরযোগ্য সাইবার নিরাপত্তা সমাধান ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি।”</p>
<p data-path-to-node="14">ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানের সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে ক্যাসপারস্কি স্মল অফিস সিকিউরিটি প্রোডাক্ট ম্যানেজার রোডিয়ন পিয়ানভ বলেন, “সাইবার অপরাধীরা মূলত মানুষের অসচেতনতা ও ভুলকে কাজে লাগিয়ে প্রতারণার নতুন নতুন উপায় তৈরি করছে। তাই ছোট-বড় সব ধরনের প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের নিয়মিত সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ দেওয়া প্রয়োজন। তবে ছোট প্রতিষ্ঠানের সময় ও বাজেটের সীমাবদ্ধতার কথা বিবেচনায় রেখে সহজে ব্যবহারযোগ্য, লাইটওয়েট এবং কার্যকর নিরাপত্তা সমাধান বেছে নেওয়া উচিত।”</p>
<p data-path-to-node="15"><b data-path-to-node="15" data-index-in-node="0">নিরাপত্তা জোরদারে ক্যাসপারস্কির মূল পরামর্শসমূহ:</b></p>
<p data-path-to-node="16">১. প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন ও আর্থিক সক্ষমতার সঙ্গে মিল রেখে সঠিক নিরাপত্তা সমাধান বা অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা।</p>
<p data-path-to-node="17">২. যেসব প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব আইটি নিরাপত্তা টিম বা এক্সপার্ট নেই, তারা সার্বক্ষণিক হুমকি পর্যবেক্ষণ ও দ্রুত প্রতিক্রিয়ার জন্য বিশ্বস্ত ‘ম্যানেজড ডিটেকশন অ্যান্ড রেসপন্স’ (MDR) সেবা গ্রহণ করতে পারে।</p>
<p data-path-to-node="18">৩. বাহ্যিক বা থার্ড-পার্টি অনলাইন সেবা ও এআই টুল ব্যবহারের ক্ষেত্রে করপোরেট গাইডলাইন বা স্পষ্ট নীতিমালা তৈরি করা।</p>
<p data-path-to-node="19">৪. করপোরেট অ্যাকাউন্টগুলোতে কড়াকড়ি প্রবেশাধিকার বা টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) নিয়ন্ত্রণ চালু করা এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক তথ্যের নিয়মিত ব্যাকআপ রাখা।</p>
<p data-path-to-node="19">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/আরআই/ইকে/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তিগত নির্যাতনের শিকার অনেকেই সহায়তা চান না</title>
<link>https://digibanglatech.news/180655</link>
<guid>https://digibanglatech.news/180655</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;ক্যাসপারস্কির গবেষণায় দেখা গেছে, প্রযুক্তিনির্ভর হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার ২২ শতাংশ ভুক্তভোগী কোনো সহায়তা চান না। গবেষণাটি ডিজিটাল নির্যাতনের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a3297b07d4ae.jpg" length="43112" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 17 Jun 2026 15:49:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ক্যাসপারস্কি, প্রযুক্তিগত নির্যাতন, সাইবার হয়রানি, ডিজিটাল নিরাপত্তা, অনলাইন নির্যাতন, স্টকারওয়্যার, সাইবার সুরক্ষা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রযুক্তির মাধ্যমে হয়রানি, নজরদারি বা নির্যাতনের শিকার হলেও অনেক ভুক্তভোগী কোনো ধরনের সহায়তা বা সমর্থন চান না বলে জানিয়েছে বৈশ্বিক সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ক্যাসপারস্কি। প্রতিষ্ঠানটির এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রযুক্তিনির্ভর নির্যাতনের মানসিক ও সামাজিক প্রভাব সম্পর্কে মানুষের সচেতনতা থাকলেও এর দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ও শারীরিক প্রভাব সম্পর্কে অনেকের ধারণা সীমিত।</p>
<p>১৯টি দেশের ৭ হাজার ৬০০ জনের ওপর পরিচালিত গবেষণায় দেখা যায়, অংশগ্রহণকারীদের ৭৯ শতাংশ প্রযুক্তিনির্ভর নির্যাতনের মানসিক প্রভাব এবং ৭৩ শতাংশ সামাজিক প্রভাব সম্পর্কে সচেতন। তবে মাত্র ৫৫ শতাংশ এর অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং ৫১ শতাংশ শারীরিক নিরাপত্তার ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা দেখিয়েছেন।</p>
<p>গবেষণায় ভুক্তভোগীদের অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ৪২ শতাংশ ব্যক্তি এ ধরনের ঘটনার পর অনলাইনে আরও সতর্ক হয়ে যান। ১৭ শতাংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অন্যান্য অনলাইন কার্যক্রম কমিয়ে দেন। ১১ শতাংশ অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ সীমিত করেন এবং ১০ শতাংশ ব্যক্তিগত সম্পর্কের ইতি টানেন।</p>
<p>এছাড়া ৪ শতাংশ ভুক্তভোগী চাকরি হারানোর এবং ৩ শতাংশ পড়াশোনা বন্ধ করে দেওয়ার মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।</p>
<p>তবে সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য হলো, ২২ শতাংশ ভুক্তভোগী কোনো ধরনের পদক্ষেপই নেননি। বয়স্ক অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে এ হার প্রায় ৩৭ শতাংশ। একইভাবে অনেক প্রত্যক্ষদর্শীও সহায়তায় এগিয়ে আসেননি। ৩২ শতাংশ জানিয়েছেন, কীভাবে সাহায্য করতে হবে তা তারা জানতেন না এবং ২৩ শতাংশ নিশ্চিত ছিলেন না যে তাদের হস্তক্ষেপ করা উচিত কি না।</p>
<p>ক্যাসপারস্কির গ্লোবাল রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিমের (GReAT) লিড সিকিউরিটি রিসার্চার তাতিয়ানা শিশকোভা বলেন, মানুষ ডিজিটাল নির্যাতনের মানসিক ক্ষতির বিষয়টি বুঝতে পারলেও এর প্রভাব কর্মজীবন, শিক্ষা ও ব্যক্তিগত সম্পর্কেও পড়তে পারে—এ বিষয়টি অনেক সময় উপলব্ধি করা হয় না। তিনি বলেন, অনেক ভুক্তভোগী জানেন না কোথায় বা কীভাবে সহায়তা চাইতে হবে। তাই সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজলভ্য সহায়তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।</p>
<p>ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের (ইউসিএল) কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর এবং জেন্ডার অ্যান্ড টেক রিসার্চ ল্যাবের প্রধান ড. লিওনি মারিয়া ট্যানজার বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর নির্যাতনের ক্ষেত্রে সমস্যাটি চিহ্নিত করা এবং কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার মধ্যে এখনো বড় ব্যবধান রয়েছে। অনেক সময় অনলাইন হয়রানিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয় না, যদিও এর প্রভাব বাস্তব জীবনে গভীর হতে পারে।</p>
<p>প্রযুক্তিনির্ভর নির্যাতন থেকে সুরক্ষার জন্য ব্যবহারকারীদের সতর্ক সংকেত দ্রুত শনাক্ত করার পরামর্শ দিয়েছে ক্যাসপারস্কি। পাশাপাশি ঘটনার প্রমাণ সংরক্ষণ, শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার, দ্বি-স্তরীয় নিরাপত্তা যাচাইকরণ (টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা 2FA) চালু রাখা এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে অন্যের সঙ্গে ডিভাইস বা অ্যাকাউন্টের প্রবেশাধিকার শেয়ার না করার সুপারিশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।</p>
<p>এছাড়া নির্ভরযোগ্য নিরাপত্তা সফটওয়্যার ব্যবহার, বিশ্বস্ত ব্যক্তি বা পেশাদার সহায়তা নেওয়া এবং ডিজিটাল ঝুঁকি সম্পর্কে নিয়মিত সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ক্যাসপারস্কি সাইবার স্টকিং ও অনলাইন নির্যাতন মোকাবিলায় গঠিত আন্তর্জাতিক জোট ‘কোয়ালিশন অ্যাগেইনস্ট স্টকারওয়্যার’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতাও।</p>
<p>ডিবিটেক/সিএস/ইকে//</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তিনির্ভর হয়রানি গুরুত্ব পাচ্ছে না: ক্যাসপারস্কি</title>
<link>https://digibanglatech.news/177218</link>
<guid>https://digibanglatech.news/177218</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a0d912f649b3.jpg" length="45545" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 20 May 2026 14:48:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="60" data-end="271">প্রযুক্তির মাধ্যমে হয়রানি ও নজরদারির ঘটনা বাড়লেও অনেক মানুষ এখনো এটিকে নির্যাতন হিসেবে গুরুত্ব দিচ্ছেন না বলে জানিয়েছে <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">ক্যাসপারস্কি</span></span>। প্রতিষ্ঠানটির এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি কোনো না কোনো ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তবে এ বিষয়ে সচেতনতার বড় ঘাটতি রয়েছে।</p>
<p data-start="441" data-end="642">প্রযুক্তিনির্ভর হয়রানির মধ্যে রয়েছে অনলাইন হ্যারাসমেন্ট, গোপন নজরদারি, পরিচয় ভুয়া ব্যবহার, অনুসরণ এবং ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের ঘটনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব আচরণ অনেক সময় স্বাভাবিক হিসেবে ধরে নেওয়া হয়।</p>
<p data-start="644" data-end="837"><span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন</span></span>-এর গবেষক ড. লিওনি মারিয়া ট্যানজার বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর নির্যাতন এখনো ক্ষতিকর আচরণ হিসেবে যথাযথ স্বীকৃতি পায়নি। ফলে অনেক ভুক্তভোগী প্রয়োজনীয় সহায়তা পান না।</p>
<p data-start="839" data-end="1015">গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র ৩২ শতাংশ মানুষ ‘টেক-ফ্যাসিলিটেটেড অ্যাবিউজ’ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখেন। অথচ ৪৫ দশমিক ৭ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, তারা এ ধরনের হয়রানির শিকার হয়েছেন।</p>
<p data-start="1017" data-end="1173">ক্যাসপারস্কি জানিয়েছে, স্টকারওয়্যার এখন বড় ঝুঁকি হয়ে উঠছে। এই সফটওয়্যার গোপনে স্মার্টফোনে ইনস্টল করে অবস্থান, কল, মেসেজসহ বিভিন্ন কার্যক্রম নজরদারি করা যায়।</p>
<p data-start="1175" data-end="1331">ক্যাসপারস্কির গবেষক তাতিয়ানা শিশকোভা বলেন, স্টকারওয়্যার সহজেই ইনস্টল করা যায় এবং এটি গোপনে কাজ করায় অনেক ভুক্তভোগী বুঝতেই পারেন না যে তারা নজরদারিতে রয়েছেন।</p>
<p data-start="1333" data-end="1582">প্রযুক্তিনির্ভর হয়রানি মোকাবিলায় ক্যাসপারস্কি বিভিন্ন সংস্থা নিয়ে গঠিত ‘কোয়ালিশন অ্যাগেইনস্ট স্টকারওয়্যার’-এর সঙ্গে কাজ করছে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা সফটওয়্যার ব্যবহার ও সন্দেহজনক কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।</p>
<p data-start="1584" data-end="1600" data-is-last-node="" data-is-only-node=""><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আরআই/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইডেন্টিটি হামলায় ঝুঁকিতে ৭১ শতাংশ প্রতিষ্ঠান</title>
<link>https://digibanglatech.news/177040</link>
<guid>https://digibanglatech.news/177040</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a0c2b7f32a8d.jpg" length="60982" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 19 May 2026 09:21:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="51" data-end="319">সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">সফোস</span></span> ২০২৬ সালের ‘স্টেট অব আইডেন্টিটি সিকিউরিটি’ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে ১৭টি দেশের ৫ হাজার আইটি ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞের মতামত তুলে ধরা হয়েছে। ১৯ মে, মঙ্গলবার এই প্রতিবেদনের বরাতে জানা যায়, গত এক বছরে ৭১ শতাংশ প্রতিষ্ঠান অন্তত একবার আইডেন্টিটি-সংক্রান্ত সাইবার হামলার শিকার হয়েছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে গড়ে তিনটি হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ৫ শতাংশ প্রতিষ্ঠান ছয় বা তার বেশি হামলার তথ্য দিয়েছে।</p>
<p data-start="541" data-end="743">জরিপে দেখা গেছে, ৪৩ শতাংশ হামলার পেছনে কর্মীদের ভুল দায়ী। এছাড়া ৪১ শতাংশ ঘটনায় দুর্বল নন-হিউম্যান আইডেন্টিটি ব্যবস্থাপনা বড় কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। এআই এজেন্টের ব্যবহার বাড়ায় নিরাপত্তা ঝুঁকিও জটিল হচ্ছে।</p>
<p data-start="745" data-end="989">র‌্যানসমওয়্যার হামলার ৬৭ শতাংশ ঘটনায় আইডেন্টিটির তথ্য ব্যবহার করে হামলাকারীরা প্রবেশাধিকার পেয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য পুনরুদ্ধারে গড়ে ১৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার খরচ হয়েছে। ৭৩ শতাংশ প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ ৫০ হাজার ডলারের বেশি ব্যয় করতে হয়েছে।</p>
<p data-start="991" data-end="1170">প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সরকারি খাত ও জটিল কাঠামোর প্রতিষ্ঠানগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। কমপ্লায়েন্স বা নিরাপত্তা নীতিমালা বাস্তবায়নে দুর্বল প্রতিষ্ঠানগুলোও বেশি আক্রান্ত হচ্ছে।</p>
<p data-start="1172" data-end="1475">ঝুঁকি কমাতে সব অ্যাকাউন্টে মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু, সীমিত প্রবেশাধিকার নীতি অনুসরণ এবং নিষ্ক্রিয় আইডেন্টিটি দ্রুত অপসারণের পরামর্শ দিয়েছে সফোস। পাশাপাশি নন-হিউম্যান আইডেন্টিটির আলাদা ব্যবস্থাপনা, স্বল্পমেয়াদি ক্রেডেনশিয়াল ব্যবহার এবং জিরো ট্রাস্ট নিরাপত্তা মডেল অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।</p>
<p data-start="1477" data-end="1493" data-is-last-node="" data-is-only-node=""><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসআই/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সাইবার হামলার ৬৭ শতাংশই আইডেন্টিটি&#45;কেন্দ্রিক</title>
<link>https://digibanglatech.news/170110</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170110</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69ae82fd3c210.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 09 Mar 2026 12:21:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="0">বিশ্বজুড়ে আইডেন্টিটি-কেন্দ্রিক সাইবার হামলার হার উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোট সাইবার হামলার ৬৭ শতাংশই ঘটেছে আইডেন্টিটি বা পরিচয়-সংক্রান্ত দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে। আক্রমণকারীরা মূলত চুরি হওয়া ক্রেডেনশিয়াল, দুর্বল মাল্টিফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (এমএফএ) এবং ঝুঁকিপূর্ণ আইডেন্টিটি সিস্টেম ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্কে অনধিকার প্রবেশ করছে। বিশেষ করে ৫৯ শতাংশ ক্ষেত্রে এমএফএ ব্যবহার না করার সুযোগ নিয়ে হ্যাকাররা সহজেই নেটওয়ার্কে ঢুকে পড়ছে।</p>
<p data-path-to-node="0">নিজেদের ২০২৬ সালের অ্যাক্টিভ অ্যাডভারসারি রিপোর্টে প্রকাশ করে ৯ মার্চ, সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সফোস। </p>
<p data-path-to-node="0">প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সাইবার আক্রমণ শনাক্তের সময় বা ডুয়াল টাইম তিন দিনে নেমে এলেও আক্রমণকারীরা এখন অত্যন্ত দ্রুত নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়ছে এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাক্টিভ ডিরেক্টরিতে পৌঁছে যাচ্ছে। র‍্যানসমওয়্যার ও তথ্য চুরির মতো অধিকাংশ হামলা অফিসের সময়ের বাইরে ঘটছে, যখন নিরাপত্তা নজরদারি তুলনামূলক কম থাকে। সফোসের অনুসন্ধানে ৫১টি র‍্যানসমওয়্যার গ্রুপ শনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে ২৪টিই নতুন। এর মধ্যে আকিরা ও কিলিন গ্রুপ সবচেয়ে বেশি সক্রিয়। তবে জেনারেটিভ এআই সরাসরি নতুন কোনো বড় ধরনের সাইবার কৌশল তৈরি করতে না পারলেও ফিশিং ও সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মান উন্নয়নে ব্যবহৃত হচ্ছে।</p>
<p data-path-to-node="2">এ ধরনের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলায় সফোস বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, ফিশিং ঠেকাতে এমএফএ-এর সঠিক কনফিগারেশন নিশ্চিত করা, আইডেন্টিটি কাঠামো ও ইন্টারনেট-ভিত্তিক সার্ভিসগুলো সুরক্ষিত রাখা এবং এজ ডিভাইসের দুর্বলতা দ্রুত প্যাচ করা অপরিহার্য। এছাড়া ২৪ ঘণ্টা নেটওয়ার্ক পর্যবেক্ষণের জন্য ম্যানেজড ডিটেকশন অ্যান্ড রেসপন্স (এমডিআর) বা সমমানের পরিষেবা গ্রহণের ওপর তারা বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে।</p>
<p data-path-to-node="2"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এনএইচটি/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

</channel>
</rss>