<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
     xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
     xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
     xmlns:admin="http://webns.net/mvcb/"
     xmlns:rdf="http://www.w3.org/1999/02/22-rdf-syntax-ns#"
     xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
     xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/">
<channel>
<title>Digi Bangla &#45; : কোট</title>
<link>https://digibanglatech.news/rss/category/কোট</link>
<description>Digi Bangla &#45; : কোট</description>
<dc:language>en</dc:language>
<dc:rights>নিবন্ধন নং &#45; ২৩৩ &amp;lt;br /&amp;gt;প্রকাশক: সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক &amp;lt;/br&amp;gt;  নির্বাহী সম্পাদক: এস এম ইমদাদুল হক &amp;lt;/br&amp;gt; সম্পাদকীয় কার্যালয়: সড়ক ২৯, বাড়ি ২/ই (গুলশান লেক প্যালেস), সি&#45;২, গুলশান&#45;১, ঢাকা&#45;১২১২, বাংলাদেশ।  &amp;lt;/br&amp;gt;ফোন: ০৯৬৩৯&#45;৩৩৩৫৫৫, ইমেইল: press@digibanglatech.news   &amp;lt;/br&amp;gt; © স্বত্ব ডিজিটাল বাংলা মিডিয়া লিমিটেড ২০১৯&#45;২০২৫</dc:rights>

<item>
<title>ডিজিটাল আইনগুলো এখনো মতপ্রকাশ ও গোপনীয়তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ</title>
<link>https://digibanglatech.news/175526</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175526</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69f0d69878a6b.jpg" length="343385" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 28 Apr 2026 20:48:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সংসদে সম্প্রতি পাস হওয়া ডিজিটাল আইনগুলো এখনো মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেছেন, নাগরিক অধিকার সুরক্ষার স্বার্থে প্রতিটি আইন পুনরায় পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।</p>
<p>২৭ এপ্রিল, মঙ্গলবার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ডিজিটাল রাইটস এশিয়া-প্যাসিফিক বাংলাদেশ জাতীয় সম্মেলন ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেন।</p>
<p>বক্তারা অভিযোগ করেন, অংশীজনদের মতামত ছাড়াই আইনগুলো দ্রুত পাস করা হয়েছে এবং কিছু ধারায় এখনো ব্যাপক ডিজিটাল নজরদারির সুযোগ রাখা হয়েছে। এসব বিধান ভবিষ্যতে নাগরিক স্বাধীনতার জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে বলেও তারা মন্তব্য করেন।</p>
<p>বক্তব্যে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, নতুন আইনগুলোতে নানা অসংগতি রয়েছে এবং সেগুলো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তার ভাষায়, পুরোনো আইনগুলো নতুন নামে আবার আনা হয়েছে, যা মানুষের ক্ষমতায়নে তেমন সহায়ক হয়নি।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, সংসদের অনেক নেতাই অতীতে এ ধরনের আইনের অপব্যবহারের শিকার হয়েছিলেন। তারপরও একই ধরনের আইন প্রণয়ন হতাশাজনক।</p>
<p>বাংলাদেশে ইউনেস্কোর হেড অব রিপ্রেজেন্টেটিভ সুজান ভাইজ বলেন, প্রতিটি আইনকে সমাজের বাস্তবতার আলোকে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। নতুন সরকার যেন আইনগুলো পুনরায় পর্যালোচনা করে মানবাধিকার সুরক্ষার ক্ষেত্রগুলো আরও শক্তিশালী করার সুযোগ গ্রহণ করে।</p>
<p>ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন বলেন, আইনগুলো প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ। কোথাও সমস্যা থাকলে পরে সংশোধনের সুযোগ রয়েছে এবং সরকার ইতোমধ্যে সেগুলো উন্নত করার বিষয়ে কাজ করছে।</p>
<p>মেটার প্রতিনিধি রুজান সারওয়ার বলেন, উপাত্ত ব্যবস্থাপনা আইন নিয়ে তারা চার বছর ধরে আলোচনা করেছেন। ডেটা স্থানীয়ভাবে সংরক্ষণের মতো কিছু ধারা নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও সংসদে পাস হওয়া উপাত্ত সুরক্ষা আইন মেটা ও গুগলের মতো প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য ইতিবাচক।</p>
<p>ফেসবুকের মাধ্যমে উসকানিমূলক কনটেন্ট ছড়িয়ে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে হামলার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে আরও উন্নতির সুযোগ রয়েছে। স্থানীয় কমিউনিটির সঙ্গে মেটার যোগাযোগ বাড়ানো হবে বলেও জানান তিনি।</p>
<p>টেলিনর এশিয়ার প্রতিনিধি প্রত্যুষ রাও বলেন, টেলিযোগাযোগ সংশোধন আইন তারা দীর্ঘদিন ধরে পর্যবেক্ষণ করছেন। বিশেষ করে আইনের ৯৭ক ধারা গুরুত্বপূর্ণ। নতুন সংস্থার কাঠামো, নির্দেশনা ও কর্তৃত্ব কীভাবে কাজ করবে, তা তারা পর্যবেক্ষণ করতে চান।</p>
<p>বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কমিশনার মাহমুদ হোসাইন বলেন, অনেক সময় বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীর প্রভাবে আইন পরিবর্তিত হয়। এতে আস্থার সংকট তৈরি হয়। তবে বিটিআরসি সবার সঙ্গে আলোচনা করেই নীতিমালা প্রণয়নের চেষ্টা করে।</p>
<p>সম্মেলনের তৃতীয় প্যানেল আলোচনায় ডিনেটের নির্বাহী চেয়ার ড. অনন্য রায়হানসহ অন্যান্য বিশেষজ্ঞরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় তারা এআই নীতিমালা প্রণয়নে অর্থবহ আলোচনা ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানের শেষ অধিবেশনে ডিজিটাল রাইটস বিষয়ক নবীন টেক পলিসি ফেলোরা তাদের গবেষণার বিষয়বস্তু ও মতামত তুলে ধরেন।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমএএস/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রূপপুর আত্ম মর্যাদার ও স্বনির্ভরতার প্রতীক</title>
<link>https://digibanglatech.news/175466</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175466</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69f0a9e6e5855.jpg" length="103081" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 28 Apr 2026 18:48:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নানা জটিলতায় প্রাক্কলিত সময়ের দুই বছর পর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের রিঅ্যাক্টরে ফুয়েল লোডিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। </p>
<p>২৭ এপ্রিল, মঙ্গলবার, পাবনার ঈশ্বরদীতে এই প্রকল্পের উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহারে যে অঙ্গিকার সরকার করেছিল তার একটি শক্তিশালী প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী।</p>
<p>তিনি বলেছেন, নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে, সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চত করে এবং বৈশ্বিক মান অর্জনের মাধ্যমে ফুয়েল লোডিং শুরু করতে পারা আমাদের জন্য আত্ম মর্যাদার। তবে এক্ষেত্রে আত্মতুষ্টি হতে পারে বিপজ্জনক।</p>
<p>মন্ত্রীর ভাষায়, রূপপুর শুধু একটা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়, এটি বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত আত্মবিশ্বাসের একটি প্রতীক এটি আমাদের তরুণ প্রজন্মকে নতুন স্বপ্ন দেখিয়েছে। নতুন স্বপ্ন নতুন উদ্ভাবনে উদ্বুদ্ধ হয়ে  তা অর্জন করতে সক্ষম করে তুলবে।</p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে  ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্ব ও সরকারের নিরলস প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাত আজ নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প সেই অগ্রযাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।</p>
<p>তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নির্দেশনায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ নিরবচ্ছিন্ন, নির্ভরযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবস্থার দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেল।</p>
<p>মন্ত্রী বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কেবল একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নয়; এটি দেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার এক অনন্য উদাহরণ। বহু বছরের পরিকল্পনা, গবেষণা ও প্রস্তুতির সমন্বয়ে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।</p>
<p>এই প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্পৃক্ত রাশিয়ার  ৫ হাজার টেকনিক্যাল কর্মীসহ মোট ২০ হাজার দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ, প্রকৌশলী, প্রযুক্তিবিদ ও শ্রমিকদের অবদানের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ফকির মাহবুব আনাম।</p>
<p>মন্ত্রী বলেন, “রূপপুর প্রকল্প বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি একটি আধুনিক, টেকসই ও আত্মনির্ভর অর্থনীতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এটি আমাদের তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে আরও উদ্ভাবনী হতে অনুপ্রাণিত করবে।”</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x_69f0a9fada47d.jpg" alt=""></p>
<p>তিনি আরও বলেন, “সরকার ভবিষ্যতেও নিরাপদ ও টেকসই জ্বালানি উন্নয়নে অঙ্গীকারবদ্ধ থাকবে এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখবে।”</p>
<p>বক্তব্যে ১৯৬১ সালে পরিকল্পনা গ্রহণের পর ৭৭ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান পারমাণবিক বিদ্যুতের গবেষণায় অর্থায়ন এবং বেগম খালেদা জিয়ার সময়ে প্রকল্প গ্রহণের ইতিহাস রোমন্থন করেন মন্ত্রী।</p>
<p>তিনি বলেন, </p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/জেইউ/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফটোকার্ডে ভুল তথ্য&#45;অপতথ্যে কঠোর হচ্ছে  সরকার</title>
<link>https://digibanglatech.news/175499</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175499</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69f0c22fb746e.jpg" length="97502" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 28 Apr 2026 13:20:55 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>অনলাইনে চটকদার শিরোনামে ফটোকার্ড প্রকাশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করতে যাচ্ছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও ডিসইনফরমেশন মোকাবিলায় সরকার একটি লিগ্যাল প্যানেল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। </p>
<p>তার ভাষায়, মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান—যে পক্ষ থেকেই হোক, ভুল তথ্য বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার সরকার সহ্য করবে না। এটি মোকাবেলায় দ্রুতই আনুষ্ঠানিকভাবে লিগ্যাল প্যানেল বিষয়ে জানানো হবে। </p>
<p>২৮ এপ্রিল, মঙ্গলবার সচিবালয়ে মাসিক ব্রিফিংয়ে সংবাদমাধ্যমের ফটোকার্ডে নিজের বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপনের প্রসঙ্গে এই বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা।</p>
<p>ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সম্প্রতি এক ব্রিফিংয়ে তিনি খাল খনন কর্মসূচির অগ্রগতি নিয়ে নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান তুলে ধরেছিলেন। সেখানে তিনি বলেন, কর্মসূচিভুক্ত খালের সংখ্যা ১ হাজার ২৬০টি, খননকৃত খালের প্রাপ্ত দৈর্ঘ্য ৬১ কিলোমিটার এবং শতকরা অগ্রগতির হার ৪৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ। কিন্তু একটি জাতীয় দৈনিকের ফটোকার্ডে সেটিকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় যেন তিনি বলেছেন, দেশের অর্ধেক খাল খনন করা হয়ে গেছে।</p>
<p>তিনি বলেন, এ ধরনের উপস্থাপনাকে ফ্যাক্ট-চেকাররাও ডিসইনফরমেশন হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ভুল তথ্য প্রচারের মধ্যে গুরুতর পার্থক্য রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।</p>
<p>তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, তার বক্তব্য বিকৃত করে এমন ফটোকার্ডও প্রচার করা হয়েছে যেখানে দাবি করা হয়, জনগণের কল্যাণে জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। অথচ তিনি এভাবে কোনো বক্তব্য দেননি। এ কারণে অনেকেই তার কাছে বিষয়টি জানতে চেয়েছেন।</p>
<p>ফটোকার্ডে ভুল তথ্য উপস্থাপনের বিষয়ে তিনি বলেন, ডিসইনফরমেশনভিত্তিক ফটোকার্ড মিডিয়া থেকে গ্রহণযোগ্য হওয়া উচিত নকার শক্ত অবস্থানে যাবে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি</p>
<p>তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, সাংবাদিকতা যেন সাংবাদিকতাই থাকে। সরকারের সমালোচনার যথেষ্ট ক্ষেত্র রয়েছে এবং যৌক্তিক সমালোচনাকে তিনি স্বাগত জানান। সরকারের কাজের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গঠনমূলক সমালোচনা গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।</p>
<p>ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার মিডিয়া ও জনগণকে ভয় পায়—এটি নেতিবাচক নয়, বরং গণতান্ত্রিক সরকারের ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য। তার ভাষায়, স্বৈরাচারী সরকারকে মিডিয়া ভয় পায়, আর গণতান্ত্রিক সরকার জনগণ ও মিডিয়ার প্রতি জবাবদিহিতার কারণে সতর্ক থাকে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এসএইচ/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফেসবুক ইনস্ট্যান্ট কফির মতো: শিক্ষামন্ত্রী</title>
<link>https://digibanglatech.news/175280</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175280</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_6998638065b2d.jpg" length="42782" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 26 Apr 2026 16:09:32 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull">সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, ফেসবুক-নির্ভর হলে হবে না। ফেসবুক হয়ে গেছে ইনস্ট্যান্ট কফির মতো।</p>
<p class="alignfull">২৬ এপ্রিল, রবিবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন। এসম অনলাইনে প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সবাইকেই সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সাবাইকে সচেতন থাকতে হবে। তা না হলে বিষয়গুলো চলতেই থাকবে এবং ছাত্র-ছাত্রীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আশা করবো, এই ক্ষতি আমাদের কারণে যেন না হয়, আপনাদের সবার সহযোগিতা কামনা করছি।</p>
<div class="viewport jw_article_body">
<p class="alignfull">গতকাল থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়ানো হচ্ছে। মন্ত্রণালয় থেকেও বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। আপনারা এখন পর্যন্ত কতজনকে আটক করতে পেরেছেন এবং এটা আসলে কি চিহ্নিত করতে পেরেছেন? সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমি তো সব মিডিয়া ভাই-বোনদের জিজ্ঞেস করতে পারি না, আপনাদের ইনফরমেশনটা কী? মূলত, আমরা আপনাদের অপেক্ষায় থাকি। কিন্তু গুজব ছড়ায় কে? আপনাদের সতীর্থরাই। আশা করবো, গুজব ছড়ানোর আগে যেন একটু ভেরিফাই করে নেওয়া হয়। এটা আপনারা ইতোমধ্যে জেনেছেন।</p>
<p class="alignfull">‘পরীক্ষা যে সুষ্ঠুভাবে হচ্ছে, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের কী বলে আশ্বস্ত করবেন’ প্রশ্নে এহছানুল হক মিলন বলেন, আমরা ননস্টপ বলে যাচ্ছি, আমাদের সব চেষ্টা রয়েছে সুন্দর পরিবেশে সুন্দর পরীক্ষা নেওয়ার জন্য। এই গুজবে কান না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। বিশেষ করে, মিডিয়া সচেতন হলে এটা হতো না। পার্টিকুলারলি কাল কি একটি মিডিয়া এটা করেনি? পার্টিকুলারলি এই মিডিয়ার কি দায়িত্ব ছিল না ভেবে দেখা, খুঁজে দেখা, সত্যতা যাচাই করা? আর ফেসবুকের ওপর নির্ভর হলে হবে না। ফেসবুক হয়ে গেছে ইনস্ট্যান্ট কফির মতো। ইনস্ট্যান্ট বের হচ্ছে, মন্তব্য হচ্ছে। কফি খেতে একটু সময় লাগে, ঠান্ডা হতে হয়, কিন্তু এ ক্ষেত্রে তাও হচ্ছে না। যেভাবে অন্যান্য মিডিয়া, কয়েকটি মিডিয়া সেই ভিডিওগুলোকে আবার রেকর্ড করে পুনঃপ্রচার করছে এবং তাদের পারসোনাল ফেসবুকে করছে; ওই টেলিভিশন এটাকে উইথড্র করার পরও, গুজব নিশ্চিত হওয়ার পরও ওরা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে তো ব্যবস্থা নিতে হবে। </p>
<p class="alignfull">‘বিভিন্ন টেলিগ্রাম গ্রুপে প্রশ্ন ছড়ানো হচ্ছে’— এ বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মীরার মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, এভাবে ম্যানিপুলেট করছে, গুজব ছড়াচ্ছে। এটা আপনারও দায়িত্ব রয়েছে, একটি নিউজ দেওয়ার আগে সেটিকে ভেরিফাই করার। আপনাদের সবারই দায়িত্বটা আছে। আপনারা দায়িত্ব পালন করেন। আর আমরা আপনাদের কথা শুনে, সচেতন রয়েছি। আমরাও এগুলো দেখছি এবং আইনগত ব্যবস্থা আমরা নিচ্ছি, নেওয়া হয়েছে, নেওয়া হবে। তবে গুজব যেন না ছড়ায়, সে জন্য আপনাদের প্রতি আমার আহ্বান রইলো।</p>
<p class="alignfull"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিটিও/ইকে</strong></span></em></p>
<div class="BT_inner_A1_C3 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC"></div>
</div>
</div>
<div class="btGoogleNews"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘তারেক রহমানের আমন্ত্রণে ঝটিকা সফরে দেশে এসেছিলেন বিল গেটস’</title>
<link>https://digibanglatech.news/175212</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175212</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69edb1e61b0dc.jpg" length="49515" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 26 Apr 2026 00:01:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="col-lg-8 col-12">
<div class="ContentDetails page-break  ContentDetails68299" id="contentDetails">
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আমন্ত্রণে মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস ২০০৪ সালে ঝটিকা সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।</p>
<p>২৫ এপ্রিল, শনিবার রাতে রাজধানীর বনানী ক্লাবে <span>বাংলাদেশ আইসিটি স্টেকহোল্ডারস এসোসিয়েশন (বিসা) আয়োজিত </span>সাইবার নিরাপত্তা বিল নিয়ে আয়োজিত এক সংলাপে তিনি এ তথ্য জানান।</p>
<p>সালেহ শিবলী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে বিল গেটসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। পরবর্তীতে সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে বিল গেটস স্বল্প সময়ের জন্য বাংলাদেশে সফর করেন।</p>
<p>তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সব সময়ই মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নেন। তবে তিনি মনে করেন, মতবিরোধ থাকলেও তা প্রকাশের ক্ষেত্রে শালীনতা বজায় রাখা জরুরি। অনলাইনে গালিগালাজকে তিনি বাকস্বাধীনতার অংশ হিসেবে দেখেন না বলেও উল্লেখ করেন প্রেস সচিব। <span>তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সব সময় বলেন, আমাদের মধ্যে মতবিরোধ থাকতে পারে, কিন্তু একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রই চেয়েছিলাম। কিন্তু গত কয়েক দিন অনলাইনে যেসব ভাষা ব্যবহার করে একদল সমালোচনা করছে, এগুলো মানুষের ভাষা না। গালিগালাজ করা বাকস্বাধীনতা না।’</span></p>
<p><span>বিসা</span><span> </span>প্রেসিডেন্ট ফয়সাল আলিমের সভাপতিত্বে এবং উপদেষ্টা মো. শামীম আজাদ-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য <span>ও</span> সংসদ সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। বক্তব্যে দেশজুড়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা চালুর বিষয়ে চিন্তা করছেন বলে জানান তিনি।  </p>
<p>সংলাপে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সেক্রেটারি আবু আবদুল্লাহ এম. সালেহ, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহকারী সম্পাদক এইচএম সাইফ আলী খান, বিসা-এর ফাউন্ডার ও উপদেষ্টা প্রকৌশলী মো. জুয়েল।</p>
<p>অনুষ্ঠানে সাইবার নিরাপত্তা আইন এবং অনলাইন আচরণ নিয়ে বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, <span>ডাটা প্রাইভেসি নিশ্চিত না হলে ডিজিটাল বিনিয়োগ হুমকির মুখে পড়বে। </span><span>​অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ ও অস্পষ্ট নীতিমালা স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনকে বাধাগ্রস্ত করবে। </span><span>​নীতিমালা প্রণয়নে বাস্তবতা বিবেচনা না করলে তা কার্যকর হবে না।</span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসআই/এমইউআইএম</strong></span></em></p>
<p></p>
</div>
<div class="DTagsNews d-print-none"></div>
<div class="row MarginTop20 d-print-none">
<div class="col-sm-12">
<div class="CommentBg">
<div class="fb-comments" data-href="https://www.thenews24.com/national/news/68299" data-width="" data-numposts="3"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="col-lg-4 col-12 d-none d-lg-block detailsPage">
<div class="row">
<div class="col-md-12 pb-3 "></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টেলিকম সেবায় বিগত সময়ের কালেক্টিভ ফেইলরকে অপারচুনিটি হিসেবে দেখছি</title>
<link>https://digibanglatech.news/175093</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175093</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69ec80cbe7f46.jpg" length="133483" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 25 Apr 2026 14:55:58 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>স্মার্টফোনের দাম আড়াই হাজার টাকার মধ্যে নামিয়ে আনতে এবং মনিটরের ওপর কর ভার কমানো এবং টেলিকমের কেপিআই প্রতিষ্ঠানকে জ্বালানি প্রাপ্যতায় অগ্রাধিকার দেয়ার কথা তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি ও টেলিকম উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। </p>
<p><span>তিনি বলেছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে নাগরিকের পরিচয় ও আর্থিক লেনদেন একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মে আসবে। এতে করে সরকারি-বেসরকারি সেবা গ্রহণ হবে আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর। আগামী ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে ধাপে ধাপে এ কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি।</span></p>
<p><span>২৫ এপ্রিল, শনিবার রাজধানীর হলিউডে ইনে অনুষ্ঠিত নতুন টেলিকম পলিসি এবং উদ্যোক্তাদের প্রত্যাশা নিয়ে অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। </span></p>
<div>
<div id="gpt-passback1"></div>
</div>
<p>প্রধানমন্ত্রীর ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা বলেন, 'টেলিকম খাতে কোনো রাজনীতি নয়, এটি দেশের জন্য ভবিষ্যত শিল্প খাত। আমরা চাই দেশের ৯০ শতাংশ জনগণকে ১০০এমবি ব্রডব্যন্ডন কানেক্টিভিটি এবং ৫জি মোবাইল নেটওয়ার্কে আনতে কাজ করছে সরকার। দেশের প্রত্যেকে নাগরিকের থাকবে স্বতন্ত্র ডিজিটাল আইডি ও ডিজিটাল ওয়ালেট। ভোক্তার কাছ থেকে কর নেয়ার বিষয়ে ভারসাম্য রাখতেও কর কাঠামো পরিবর্তনের কথা ভাবা হচ্ছে।'</p>
<p>তিনি আরও বলেন, ১০০ টাকার সেবা কিনে ৩৮ টাকা কর নেয়া যৌক্তিক নয়। ইন্টার কানেক্টেড ইন্ডাস্ট্রি হিসেবে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। একসঙ্গে আইএসপিদের ইন্টার কানেক্টিভিটি দেয়ার কথা দেন তিনি।</p>
<p>মোবাইল সাবসক্রাইবার হিসেবে বাংলাদে তৃতীয় অবস্থানে থাকলেও সেবায় ১৪১তম অবস্থান নিয়ে আক্ষেপ করে উপদেষ্টা বলেন, <span> মোবাইল ও ব্রডব্যান্ড সেবার বর্তমান চিত্র একটি সমষ্টিগত ব্যর্থতা। তবে একইসঙ্গে এটি একটি বড় সুযোগও তৈরি করেছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশ ব্রডব্যান্ড সেবায় পিছিয়ে আছে, যা স্বীকার করে সামনে এগোতে হবে। তাছাড়া সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার হচ্ছে দেশের মানুষ বা ভোক্তা। দ্বিতীয়ত, ব্যবসা ও অর্থনীতির বিকাশ এবং তৃতীয়ত বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বাড়ানো। আগামীতে এফডিআই জিডিপির ২ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে, যা প্রায় ৪০০ শতাংশ বৃদ্ধির সমান।</span></p>
<p>তিনি আরও বলেন, টেলেকম সেবায় বিগত সময়ের কালেক্টিভ ফেইলরকে অপরচুনিটি হিসেবে দেখছে সরকার। তাই সবার আগে বাংলাদেশ স্লোগানে আমরা গ্রাহকের স্বার্থ দেখি। তবে ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে এরজন্য সাইবার সুরক্ষায় আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। শিক্ষাক্রমে এআই অন্তর্ভূক্তি করতে কাজ করছি।</p>
<p><span>টেলিকম খাতের কর কাঠামো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুরো ভ্যালু চেইন—ডিভাইস, উৎপাদন, সেবা ও রাজস্ব ভাগাভাগি—সবকিছু পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে। শিল্পটি আর্থিকভাবে টেকসই না হলে ভালো সেবা দেওয়া সম্ভব নয়। তাই ভারসাম্যপূর্ণ কর ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপরও জোর দেওয়া হচ্ছে।</span></p>
<p><span>দেশের টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (</span>টিআরএনবি) আয়োজিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দ্রুত বদলে যাওয়া প্রযুক্তির সঙ্গে ব্যবসায়ীদের নিজেদেরকে বদলে যাওয়ার আহ্বান জানান  বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী। তিনি বলেন, সবাই মিলে উইন উইন হয়ে এগিয়ে যেতে হবে।</p>
<p>মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে কোনো সমালোচনা না করার আহ্বান জানিয়ে  তিনি বলেন, আমরা অবকাঠামো উন্নয়নে বিদেশি বিনিয়োগে সুযোগ রেখেছি। এনএসপি'রা সাবসিডিয়ারির মাধ্যমে এই কাজ করতে পারবেন। সিএমএসপিদের বিষয়ে ভুল বোঝাবুঝি রয়েছে। </p>
<p>টেলিকম নীতিমালয় বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, আমরা উদ্ভাবক নই। ব্যবহার কারি। তাই বিদেশি কোম্পানিকে সুযোগ দিতে হয়। </p>
<p>প্রযুক্তি ও প্রবৃদ্ধির সঙ্গে তুলনা করে এমদাদ উল বারী বলেন, প্রবৃৃদ্ধি আসে ল্যাবরেটরি থেকে বিজ্ঞানের ব্যবহারে নতুন নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে। বিজ্ঞান ইনভেন্ট করে। ব্যবসায়িরা তা দিয়ে ইনোভেশন করে। তাই টিম টিম করে না জ্বলে; কোয়ন্টাম লিপ করতে হবে। পুরোনোকে আকড়ে না রেখে ভয়েস থেকে ডেটায় গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।</p>
<p>এর আগে মোবাইল অপারেটরগুলোর আনলিমিটেড ওয়াইফাই সেবা নিয়ে আতঙ্কে প্রকাশ করেন কলামিস্ট ও ইউটিউবার সাংবাদিক মাসুদ কামাল। তিনি বলেন, সরকারের ওপর মাস্তানি করে বিদেশি অপারেটররা। সরকারের টেলিটককে সেবার জন্য উন্মুক্ত করতে হবে। </p>
<p>মাসুদ কামাল আরও বলেন, ইউটিউবে কন্টেন্ট দিয়ে আমার সংসার চলে। তাই আমি মোবাইল অপারেটরের সব সিম ব্যবহার করি। কিন্তু গ্রামে গিয়ে পাশের বাড়ি গিয়ে ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করে কন্টেন্ট আপলোড করতে হয়। অথচ শহরে তাদের ফ্রি ওয়াইফাই সেবা রয়েছে।</p>
<p><span>এর আগে  ‘নতুন টেলিকম পলিসি : উদ্যোক্তাদের প্রত্যাশা’ শীর্ষক সভায়</span><span> মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রযুক্তিবিদ সুমন আহমেদ সাবির।</span></p>
<p><span>টিআরএনবির সভাপতি সমীর কুমার দের সঞ্চালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন টিআরএনবির সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবিন। এসময় আলোচনায় আরও অংশ নেন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি এম এ হাকিম, ফাইবার এট হোমের চেয়ারম্যান মইনুল হক সিদ্দিকী, মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (এমটব) মহাসচিব লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ জুলফিকারসহ অন্যান্যরা।</span></p>
<p>সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখছেন <span>অ্যাসোসিয়েশন অব আইসিএক্স অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এআইওবি) </span>সাধারণ সম্পাদক নূরুল আলম, টিআইওবি সদস্য সচিব দিদারুল ইসলাম, আইজিডব্লিউ অপারেটরস ফোরামের (IOF) চিফ অপারেটিং অফিসার (COO) মুশফিক মনজুর , এমটব মহাসচিব মোহাম্মদ জুলফিকার, আইআইজিডব্লিউ ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ জুনায়েদ, আইএসপিএবি সভাপতি আমিনুল হাকিম এবং ফাইবার অ্যাট হোম চেয়ারম্যান মইনুল হক সিদ্দিকী।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এসএ/এমইউআইএম</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>শুধু প্রযুক্তি নয়, মানসিকতারও উন্নয়ন চাই</title>
<link>https://digibanglatech.news/174659</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174659</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69e6c8f384fdf.jpg" length="81585" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 20 Apr 2026 19:47:29 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বগুড়াসহ সাত জেলায় ই-বেইলবন্ড (অনলাইনে জামিননামা দাখিল) কার্যক্রম চালু হয়েছে। আর এই ‘ই-বেইলবন্ড’র মাধ্যমে জামিন পরবর্তী কারামুক্তির দীর্ঘসূত্রিতা ও দুর্ভোগ নিরসন হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>
<p>তিনি বলেছেন, “শুধু প্রযুক্তির উন্নয়নই নয়; আমরা মানসিকতারও উন্নয়ন চাই। আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চাই, যে বিচার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী কিংবা মন্ত্রী, পুলিশ কর্মকর্তা কিংবা কর্মকর্তা এবং একজন সাধারণ নাগরিকের মধ্যে কোনো তফাৎ থাকবে না। যে বিচার ব্যবস্থা থাকবে সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অনবদ্য পাদপীঠ।</p>
<p>“আমরা বিশ্বাস করি, অ্যাকসেস টু জাস্টিস ফর অল । ন্যায়বিচার কোনো দয়া বা করুণার বিষয় নয়। এটি প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। আজকের এই ডিজিটাল উদ্যোগ সেই অধিকার প্রতিষ্ঠার পথে একটি বিশাল মাইলফলক।”</p>
<p>২০ এপ্রিল, সোমবার দুপুরে বগুড়া জেলা আদালতে ই-বেইলবন্ড কার্যক্রম উদ্বোধনের সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। বেলা পৌনে ১১টার দিকে বগুড়া জেলা ও দায়রা জজের সম্মেলনকক্ষে সুইচ টিপে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। বগুড়া, রাজশাহী, নাটোর, ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা ও কুষ্টিয়ায় একযোগে এই সেবা চালু করা হয়। </p>
<p><span>এর আগে ৯টি জেলায়—নারায়ণগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, বান্দরবান, মেহেরপুর, জয়পুরহাট, মৌলভীবাজার, পঞ্চগড়, ঝালকাঠি ও শেরপুর—এ কার্যক্রম চালু হয়েছে। বিচার বিভাগের ডিজি</span>টাল রূপান্তরের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>প্রসঙ্গত, ই-বেইলবন্ড পদ্ধতিতে বিচারকের স্বাক্ষরের পর বেইল বন্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংশ্লিষ্ট কারাগারে পৌঁছে যাবে। ফলে আটক ব্যক্তি কয়েক ঘণ্টা অথবা সর্বোচ্চ এক দিনের মধ্যেই মুক্তি পাবেন। মধ্যবর্তী অপ্রয়োজনীয় ধাপগুলো বিলুপ্ত হবে। তা ছাড়া কে কখন স্বাক্ষর করছেন, তা ডেটাবেজে সংরক্ষিত থাকবে। এতে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হবে। বিচারপ্রার্থীরা অপ্রয়োজনীয় সময়, অর্থ ও মানসিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তাঁর পরিবারের যাতায়াত খরচ হ্রাসসহ সরকারের অপ্রয়োজনীয় কারা ব্যয় সাশ্রয় হবে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমএআর/ইকে</strong></em></span></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৮ হাজার মাদ্রাসাসহ দশ হাজার ৫৬৮ প্রতিষ্ঠানে ‘ফ্রি ওয়াই ফাই’ চালু হচ্ছে</title>
<link>https://digibanglatech.news/174168</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174168</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69df51ca92fea.jpg" length="78163" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 15 Apr 2026 22:53:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের ৮ হাজার মাদ্রাসাসহ আরও ১০ হাজার ৫৬৮টি প্রতিষ্ঠানে ‘ফ্রি ওয়াই ফাই’ চালু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ১৬ এপ্রিল, বুধবার সকালে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাসের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ আধুনিকায়নে আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের ২ হাজার ৩৩৬টি কারিগরি ও  ৮ হাজার ২৩২টি মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ফ্রি ওয়াই ফাই’ চালু করা হবে।’</p>
<p>তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত কর্মসূচির আলোকে কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গ্রহণ করা হয়েছে। এগুলো বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতিও অর্জিত হয়েছে।</p>
<p>তিনি জানান, ‘হাই-টেক/সফটওয়্যার পার্ক ও আইসিটি সেন্টারসমূহ কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য এবং বাংলাদেশে পেপ্যালের কার্যক্রম আরম্ভে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।’</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক। এই দর্শনে প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে প্রাথমিক পর্যায়ে ১৩টি জেলা এবং ৩টি সিটি কর্পোরেশনে ৩৭ হাজার ৮১৪টি পরিবারের নারীপ্রধানকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’র মাধ্যমে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা প্রদানের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রি-পাইলটিং পর্যায়ে দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি কৃষি ব্লকে এ কার্যক্রম চলছে। এ ছাড়া, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার শস্য, ফসল, পশুপালন ও মৎস্য খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে। এ লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে ১ হাজার ৫৬৭ কোটি ৯৬ লাখ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ করেছে এবং এর ফলে সারা দেশের প্রায় ১৩ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ জন কৃষক উপকৃত হবে।’</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার কর্মসূচির আওতায় মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার, প্যাগোডা ও চার্চে কর্মরত ব্যক্তিবর্গের জন্য সম্মানি ও উৎসব ভাতা প্রদানের লক্ষ্যে পাইলট স্কীমের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ৯ হাজার ১০২ জন উপকারভোগীর ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে সম্মানি ভাতা প্রেরণ করা হয়েছে। যার আওতা সম্প্রসারণের কাজ চলছে।’</p>
<p>বেলা ১১ টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের কার্যক্রম শুরু হয়। দিনের শুরুতেই নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন সংসদ নেতারা।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএ/ইকে</strong></span></em></p>
<div id="div-gpt-ad-1767257330649-0" data-google-query-id="CLPc4OLj8ZMDFTRGnQkdlv4B6g"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল ইকোসিস্টেম শক্তিশালী করতে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর জোর দিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী</title>
<link>https://digibanglatech.news/173843</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173843</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69dcbf29c1e15.jpg" length="92422" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 13 Apr 2026 14:07:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশে ডিজিটাল ইকোসিস্টেম শক্তিশালী করতে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর জোর দিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।</p>
<p>তিনি বলেছেন, দেশ এখনো পুরোপুরি এনালগ থেকে ডিজিটাল প্যারাডাইমে রূপান্তর হতে পারেনি। ফলে বিদ্যমান ডিজিটাল সেবাগুলো বিচ্ছিন্নভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং একটি সমন্বিত ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে ওঠেনি। এই খাতে বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও নীতিগত, প্রযুক্তিগত ও কর কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে সেই সম্ভাবনা সাধারণ মানুষের কাছে পুরোপুরি পৌঁছাচ্ছে না।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে দ্রুত অবকাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি অংশীদারদের অন্তর্ভুক্ত করে সময়োপযোগী নীতি গ্রহণ করা হলে ডিজিটাল সেবার বিস্তার আরও ত্বরান্বিত হবে।</p>
<p>১৩ এপ্রিল, সোমবার বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘ব্রডব্যান্ড এক্সপো ২০২৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। </p>
<p>সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে দ্রুত সময়োপযোগী সংস্কারের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, এতে একদিকে যেমন উদ্যোক্তারা লাভবান হবেন, অন্যদিকে সাধারণ মানুষও পাবে সর্বোচ্চ মানের ডিজিটাল সেবা।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x_69dcbf3fcfe2e.jpg" alt=""></p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, একসময় তথ্যপ্রাপ্তির সীমাবদ্ধতা ছিল প্রধান চ্যালেঞ্জ, কিন্তু বর্তমানে অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তথ্যের অধিকার এখন কেবল তথ্য প্রবাহের স্বাধীনতায় সীমাবদ্ধ নয়; বরং সঠিক তথ্য পাওয়ার নিশ্চয়তাও এর অংশ। </p>
<p>এসময় মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন সমাজ, রাজনীতি ও অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন,এ কারণেই আধুনিক কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনে ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থার কার্যকর ও জনবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন অত্যন্ত জরুরি।</p>
<p>আইএসপিএবি-র সভাপতি আমিনুল হাকিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব আবদুন নাসের খান, বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী এবং আইএসপিএবি-র সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিম ভূঁইয়া।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএম/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সিসিটিভি ক্যামেরা অবশ্যই বসাতে হবে</title>
<link>https://digibanglatech.news/173772</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173772</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69dbbfae53963.jpg" length="126069" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 12 Apr 2026 14:52:33 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নকলের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের কথা পুনর্ব্যক্ত করে পরীক্ষার হল গুলোতে ‘সিসিটিভি ক্যামেরা অবশ্যই বসাতে হবে’ বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় নকল প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে <!--StartFragment -->ড. মিলন  বলেছেনন, প্রতিটি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকেই অনলাইনে পরীক্ষার হল পর্যবেক্ষণ করা যাবে। এতে শিক্ষকরা পড়াচ্ছেন কি না, ছাত্ররা ক্লাসে আছে কি না—সবকিছুই সরাসরি মনিটরিং সম্ভব হবে।</p>
<p>তিনি বলেন, “যত সমালোচনাই হোক, নকল প্রতিরোধ করতেই হবে। দায়িত্ব আমি পালন করবো, আপনারা আপনাদেরটা করবেন।” ১২ এপ্রিল, রবিবার রাজধানীর আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ মিলনায়তনে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড আয়োজিত কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় নিজের দৃঢ়চেতা অবস্থান তুলে ধরেন তিনি।</p>
<p>সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির। এতে বিভিন্ন বোর্ড ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।</p>
<p><!--StartFragment --></p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “ঘাড় ঘোরালেই নকল হয় না। যারা নকল করবে, তা আমাদের সিসিটিভি ক্যামেরায় রেকর্ড থাকবে। ঘাড় ঘোরালেই বহিষ্কার করা হবে—এটা সঠিক নয়।”</p>
<p>তিনি জানান, পরীক্ষার সময় হেলিকপ্টারে ঘুরে কেন্দ্র পরিদর্শনের আর প্রয়োজন নেই। “পৃথিবী আজ হাতের মুঠোয়। একটি মোবাইল ফোন যদি পৃথিবীকে হাতের মুঠোয় নিয়ে আসতে পারে, তাহলে হেলিকপ্টার নিয়ে ঘুরতে হবে কেন?”—বলেন শিক্ষামন্ত্রী।</p>
<p>ড. মিলন আরও বলেন, প্রতিটি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকেই অনলাইনে পরীক্ষার হল পর্যবেক্ষণ করা যাবে। এতে শিক্ষকরা পড়াচ্ছেন কি না, ছাত্ররা ক্লাসে আছে কি না—সবকিছুই সরাসরি মনিটরিং সম্ভব হবে।</p>
<p>নকলের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “যত সমালোচনাই হোক, নকল প্রতিরোধ করতেই হবে। দায়িত্ব আমি পালন করবো, আপনারা আপনাদেরটা করবেন।”</p>
<p>সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির। এতে বিভিন্ন বোর্ড ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/জেএনও/ইকে</strong></span></em></p>
<p></p>
<p><span><!--EndFragment --></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তিনির্ভর ‘রিফর্ম ট্র্যাকিং’ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করণে গুরুত্বারোপ করলেন তথ্যমন্ত্রী</title>
<link>https://digibanglatech.news/173427</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173427</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d7b976e7371.jpg" length="109626" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 09 Apr 2026 17:36:56 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>গণমাধ্যম খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বিজ্ঞাপন নীতিমালা প্রণয়ণের পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর ‘রিফর্ম ট্র্যাকিং’ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।</p>
<p>৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীতে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্লাটফর্ম বাংলাদেশ ও ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরামের আয়োজনে ‘বাংলাদেশ রিফর্ম ট্রাকার ও গণমাধ্যমের প্রাসঙ্গিকতা’ আলোচনা সভায় এমন অভিব্যক্তি তুলে ধরেন মন্ত্রী। </p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, এই জাতির মধ্যে চিন্তা জগত রয়েছে। সরকারের সর্বোচ্চ সমালোচনা বা অনুসন্ধানী মন্তব্য করবেন এবং সরকারের কাছে তুলে ধরবেন। সরকারের কাছে তুলে ধরলে সরকার উপকৃত হবে।</p>
<p>এসময় গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশসমূহ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং সরকার গণমাধ্যম সংস্কারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানান তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সংস্কার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সবসময় সংস্কার ভালো কিছু দেয়। আমরা সেই পথে আগাচ্ছি। আমরা যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, সেসব নিয়ে কাজ করবো। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে কাজ করতে যাচ্ছি, সবার নিরাপত্তা বিধান করছি।</p>
<p>অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা ও নাগরিক উদ্যোগ রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে মন্তব্য করে স্বপন বলেন, সরকার এসেছে অল্প কিছুদিন হয়েছে। সেইসঙ্গে প্রশ্নের উত্তর দেয়ার মতো এখনও পরিপক্বতা আসেনি। সরকারের ভুলগুলো তুলে ধরবেন এবং ধরিয়ে দিবেন।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, আগের সরকারের যে চিন্তা ভাবনা, সেখান থেকে আমরাও শিক্ষা নিয়েছি। এর আগে আমরাও বারবার ক্ষমতায় ছিলাম। ভুল এবং প্রশংসা; দুটিই আমাদের আছে। </p>
<p>তথ্যমন্ত্রী ইআরএফ ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তাদের সমালোচনা, পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ সরকারকে আরও কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে।</p>
<p>তিনি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, নির্যাতনের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিকার ব্যবস্থা এবং অবসরপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের জন্য কল্যাণমূলক কাঠামো প্রণয়নের কাজ এগিয়ে চলছে বলে জানান।</p>
<p>মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, সরকার, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে একটি গণমুখী, স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল মিডিয়া পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে সিপিডি’র সম্মাননীয় ফেলো ডঃ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, দৈনিক নিউ এইজের সম্পাদক নূরুল কবীর ও ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ বক্তব্য রাখেন। </p>
<p>এদের মধ্যে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন,ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের ভিতর দিয়ে চেতনা আসলো সেটার ভিতর দিয়ে সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা আরো বেশি প্রকাশ্য এসেছে। সংস্কার কোনো স্থির বিষয় না। এটা একটা অব্যাহত বিষয় ও চলমান বিষয় এবং যে কোনো অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে হলে সেটার মানবদেহের ভিতরে যেমন করে রক্ত সঞ্চালন দরকার করে সংস্কার হল একটি অর্থনীতিকে গতিশীল রাখার জন্য।</p>
<p>তিনি আরো বলেন, আমাদের আগামী দিনে এগিয়ে যেতে হবে। রাজনীতিবিদরা সংস্কারের ধারণা থেকে এবারের যে নির্বাচন ইশতেহার দিয়েছে। তার ভিতরে এই সংস্কারের যে প্রয়োজন এবং একই সাথে যে প্রত্যাশা: দুটোই প্রকাশ করার চেষ্টা করা হয়েছে।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসআই/এমইউআইএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভয়েস ফ্লোর বাড়ালে ডেটার দাম বাড়বে</title>
<link>https://digibanglatech.news/172918</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172918</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d2484aa5a14.jpg" length="105507" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 05 Apr 2026 15:32:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span lang="BN">নতুন স্মার্টফোন ব্যবহারকারী বা</span>ড়াতে ভয়েস কলে ফ্লোর প্রাইস উঠিয়ে নিয়ে নাগরিক পরিসরে <span lang="BN">ইন্টারনে</span>টের ব্যবহার<span lang="BN"> ৪৫ থেকে ৭৫ শতাংশে যেতে পারে এবং ডিজিটাল খাতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে </span>বলে মনে করেন <span lang="BN">টেলিকম বিশেষজ্ঞ মাহতাব উদ্দিন আহমেদ</span>। অবশ্য ইতিমধ্যে <span lang="BN">চারটি অপারেটরেই ভয়েস কল কমেছে </span>জানিয়ে <span lang="BN">বিটিআরসির উপপরিচালক (সিস্টেমস অ্যান্ড সার্ভিস ডিভিশন) মোহাম্মদ ফারহান আলম</span>ও বলেছেন, <span lang="BN">ফ্লোর প্রাইস উঠিয়ে দিয়ে মনোপলি বা ওলিগোপলি (একচেটিয়া) হতে পারে। </span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">তবে হঠাৎ করে ভয়েস ফ্লোর প্রাইস কমালে মোবাইল ইন্টারনেটের দাম ৫৯ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে বলে সেমিনারে মন্তব্য করেন রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম। </span>তবে সাবেক এই অগ্রজ সহকর্মীর সঙ্গে দ্বিমত প্রকাশ করে <span lang="BN">তিনি বলেন</span>, যে কোনো আলোচনার ক্ষেত্রেই আমাদের হলিস্টিক অ্যাপ্রোচ বেছে নিতে হবে। কেননা, <span lang="BN">বাংলাদেশে ভয়েস থেকে যে রাজস্ব আসে</span>, <span lang="BN">সেটা দিয়ে ডেটার প্রচার–প্রসার করা হয়। এ কারণে </span>আমাদের নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত ১০০<span lang="BN"> ডিভাই</span>সের<span lang="BN"> </span>মধ্যে<span lang="BN"> ৭০ শতাংশের ওপরে চলে গেছে। </span>তার মানে ডেটার ব্যবহার বাড়ছে।  <o:p></o:p></p>
<p>তিনি আরও বলেন, গ্রহাক ও শিল্পের স্বার্থ রক্ষায় <span lang="BN">বিশ্বের ৪০টির মতো দেশে এখনও ফ্লোর প্রাইস রয়েছে। </span>আর আমাদের দেশে এটি অনেকটাই অপ্রাসঙ্গিক। কেননা, আমরা কেউই ফ্লোরটা ফলো করি না। এর প্রাসঙ্গিতা অন্য জায়গায়। ফ্লোর তুলে দিলে এতোটাই মূল্যযুদ্ধ হবে তাতে ডেটার দাম ৫৯ শতাংশ বেড়ে যাবে। সরকার ৬ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাবে।  <o:p></o:p></p>
<p>সাহেদ আলম বলেন, <span lang="BN">বাংলাদেশে ডাটা ব্যবহারের প্রসার বাড়াতে হলে ডাটার দাম কমানো জরুরি। এ ক্ষেত্রে নীতিনির্ধারকদের উচিত খরচ বাড়ায় এমন মধ্যবর্তী স্তরগুলো চিহ্নিত করে তা কমানো। ভয়েস কলের ফ্লোর প্রাইস নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একটি পূর্ণাঙ্গ কস্ট স্টাডি করা প্রয়োজন। </span>কেননা, সাধারণ দৃষ্টে কর ৫৪ শতাংশ দেখানো হলেও এখন তা ৫৬ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। ফলে গ্রাহক এখন ১০০ টাকা রিচার্জ করলে তার ৫৬ টাকা সরকারের কাছে চলে যাচ্ছে। একইভাবে আমার মুনাফার ওপর করদায় পড়ছে ৭০ থেকে ৭২ শতাংশ। তাই <span lang="BN">গ্রাহক</span>, <span lang="BN">অপারেটর এবং সরকারের রাজস্ব—সব দিক বিবেচনায় একটি ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হবে।</span><o:p></o:p></p>
<p>৫ এপ্রিল, রবিবার দুপুরে <span lang="BN">রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনে ‘ভয়েস মূল্যসীমা প্রত্যাহার প্রস্তাব: মোবাইল সেবাকে জনবান্ধব করতে নতুন সরকারের করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে </span>এমনটাই জানান তারা। <span lang="BN">সেমিনারের আয়োজক ভয়েস ফর রিফর্ম ও টেকনোলজি ইন্ডাস্ট্রি পলিসি অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফর্ম (টিআইপিএপি)। </span><o:p></o:p></p>
<p>পৃথিবীর কোনো দেশেই আমি ফ্লোর প্রাইস খুঁজে না পাওয়ার কথা জানিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে বিটিআরসি’র উপপরিচালক <span lang="BN">মোহাম্মদ ফারহান আলম </span>বলেন, কিছু কিছু দেশে প্রতিটি ট্যারিফ দেয়ার আগে রেগুলেটরের কাছ থেকে অনুমতি নেয়। কিছু দেশ পুরো বিষয়টি বাজারের ওপর ছেড়ে দিয়েছে। আমার মতে, ফ্লোর প্রাইস তুলে দিলে গ্রাহকের সুবিধা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কেননা তখন সে বিভিন্ন ভাবে বান্ডেল অফার করতে পারবে। তবে এটাও সত্য ৩০ শতাংশ মানুষের হাতে স্মার্টফোন নেই। তাই তারা ভয়েস ও কল সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন। তাই যতদ্রুত সম্ভব কস্ট রিভিউ করা দরকার।   <o:p></o:p></p>
<p>তিনি আরও বলেন, ভয়েস ফ্লোর সীমা ওঠিয়ে নেয়ার আগে আমার মনে পড়ছে, ২০০১ সালে ভয়েস মূল্য ১১ টাকা থাকলেও ২০১১ সালে তা নেমে ৮৩ পয়সায় হয়েছে। ২০১২ সালে মোবাইল গ্রাহক ছিল ৮ কোটি ৭ লাখ। ২০১৮ সালে এই সংখ্যা বেড়ে ১০ কোটি ৭ লাখ হয়। কিন্তু ২০২৬ সালে হয়েছে ১০ কোটি ৮ লাখ। সাবসক্রাইবার অনুযায়ী তাদের মুনাফা হয়। গত এক বছরে চার অপারেটরেরই ভয়েস কলের গ্রোথ কমেছে। এসব বিষয় মাথায় না নিলে টেলিকম খাতে একেক বা দ্বৈত শক্তির দখলে চলে যেতে পারে। <o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশের (আইসিএসবি) সভাপতি </span>হোসন সাদাত বলেন, একমাত্র দেশ হিসেবে কেবল বাংলাদেশেই এখন ফ্লোর প্রাইস বিদ্যমান রয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরেই এ বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। দাম কমালে আপাতদৃষ্টে অপারেটর এবং রেগুলেটর তাদের রাজস্ব আয় কমবে এবং গ্রাহক বাড়বে ও তারা উপকৃত হবে মনে করা হলেও দীর্ঘ মেয়াদে সবাই সুবিধা পাবে। ডিজিটাল বৈষম্যের সঙ্গে সামাজিক শুন্যতাকে আমলে নিতে হবে।     <o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">সেমিনার সঞ্চালনা করেন ভয়েস ফর রিফর্মের সহ–আহ্বায়ক ফাহিম মাশরুর। </span>আলোচনায় অংশ নিয়ে বাংলালিংক এর একজন প্রতিনিধি বলেন, মূলত পুরো আলোচনাটাই অ্যাফোর্ডেবিলিটি নিয়ে হয়েছে। কিন্তু এট নির্ভর করে ইফিসেয়েন্সির ওপর। অথচ আমাদের দেশে এখনও অ্যাক্টিভ শেয়ার চালু হয়নি। রেভিনিউ না থাকলেও আইওটি সিমের ওপর ৩০০ টাকা ট্যাক্স দিতে হয়। বিভিন্ন চাপের আমাদের ৬৫ শতাংশ আরকু অবনমন করেছে। সর্বোপরি প্রতিযোগিতার পরিবেশ না থাকায়, বিশেষে করে মুনাফার ৯৫ শতাংশ এবং গ্রাহকের ৫০ শতাংশের বেশি যখন একটি কোম্পানির দখলে থাকে তখন আমাদের দক্ষতা উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করে।  <o:p></o:p></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/এমইউআইএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>শিশুদের অনলাইনে ক্লাস নেওয়া হলে মেধার অপমৃত্যু ঘটবে : জামায়াত আমির</title>
<link>https://digibanglatech.news/172749</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172749</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d00188e242a.jpg" length="54128" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 03 Apr 2026 21:06:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>শিশুদের অনলাইনে ক্লাস নেওয়া হলে মেধার অপমৃত্যু ঘটবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।</p>
<p>৩ এপ্রিল, শুক্রবার জামায়াতে ইসলামী ঢাকা জেলা আয়োজিত দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের নাফিস কনভেনশন সেন্টারে এক সমাবেশে তিনি এমন মন্তব্য করেন।</p>
<p>ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এমনিতেই শিশুরা ডিভাইসে আসক্ত হয়ে পড়েছে। এখন যদি স্কুল থেকে তাদের বিরত রেখে হাতে ডিভাইস তুলে দেওয়া হয়, তাহলে তাদের মেধার মৃত্যু ঘটবে। শুধু কি তাই, একটি শিশু যখন স্কুলে যায়, তখন সে সঙ্গ পায়। সেই শিশুটাকে যদি ঘরে বসে ক্লাস করার কথা বলা হয়- শিশুরা তো চপল ও চঞ্চল। ক্লাসে যখন শিশুরা থাকে, তখন শিক্ষক তাদের দেখে রাখেন। কিন্তু ঘরে সে যখন স্বাধীনভাবে থাকবে, তখন তাকে কে দেখবে? সে ডিভাইস টেবিলে রেখে যদি খেলতে চলে যায়, তবে তা দেখার কেউ থাকবে না।</p>
<p>“কিন্তু ঘরে সে যখন স্বাধীনভাবে থাকবে, তখন তাকে কে দেখবে সে ডিভাইস টেবিলে রেখে গিয়ে যদি খেলতে চলে যায়, দেখবে কে? ঘুমিয়ে থাকে তাও করার কিছু নেই। ক্লাস বাদ দিয়ে যদি ঘরে বসে ভাই-বোনেরা খুঁনসুঁটি করে তাও করার কিছু নেই। এভাবে মেধার অপমৃত্যু ঘটবে”- যোগ করেন <span>বিরোধীদলীয় নেতা।</span></p>
<p>তিনি আরও বলেন, আমরা যখন সংসদে জিজ্ঞাসা করছি, সমস্যাটা বিশ্বব্যাপী চলছে, তা বাংলাদেশের সৃষ্টি না। এ সমস্যা উত্তরণে আমরাও সহযোগিতা করতে চাই। কিন্তু সরকার বলছে কোনো সমস্যায় নেই। সংসদের ভেতরে এমনভাবে বিবৃতি দেয়া হয়, মনে হয় যেন, সমস্যা তো নেই, বরং উদ্বৃত্ত তেলের ভেতরে ভাসছে বাংলাদেশ। লজ্জা....।</p>
<p>জামায়াত আমির বলেন, আমরা জিজ্ঞাসা করেছি, তাই যদি হয়, কেন তাহলে মোটরসাইকেল ও গাড়িচালকরা পেট্রোল পাম্পের সামনে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন? কিলোমিটারের পর কিলোমিটার কেন তাদের লাইনে থাকতে হয়? কেন তাদের রোদে পুড়তে ও বৃষ্টিতে ভিজতে হয়? বাইকচালকরা বলছেন, আগে সাত-আট ঘণ্টা চালাতে পারতেন, তেলের সংকটে এখন তিন ঘণ্টাও বাইক চালানোর সময় পান না। জীবনের সকল ক্ষেত্রে দুঃসহ যাতনা নেমে আসছে। আর সরকার বলছে, তেলের কোনো অভাব নেই। এটা অবশ্য ঠিক, তেলের অভাব কাদের জন্য নেই, তা সরকার বলেনি।</p>
<p>বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, কেউ কেউ ড্রাম ভর্তি করে নিজেদের ঘরে, বাঁশঝাড়ে ও গোয়ালঘরসহ বিভিন্ন জায়গায় তেল মজুত করে রেখেছে। পাম্পে তেল পাওয়া যায় না, লেখা থাকে তেল নেই, পাম্প বন্ধ; কিন্তু সেখানে (কালোবাজারে) গেলে তেল পাওয়া যায়। ১২০ টাকা দামের তেল সেখানে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এইভাবে জ্বালানির ওপর জীবনযাত্রা নির্ভরশীল। এই জ্বালানিতে শুধু বাতি-ফ্যান ঘোরে না, এতে সমাজের চাকাও ঘোরে; মিল-ফ্যাক্টরি ও ট্রান্সপোর্ট চলে। এটা লজ্জার ব্যাপার। সরকার কেন সবাইকে নিয়ে খোলা মনে বসছে না? বাস্তব অবস্থা কেন তুলে ধরছে না? আমরা সবাই এই সংকট নিরসনের অংশীদার হতে চাই। আমরা তো সংকট তৈরি করতে চাই না। যে লুকোচুরি ও অস্পষ্টতা রয়েছে, তা থেকে বের হয়ে আসার জন্য সরকারকে আহ্বান জানাচ্ছি।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিপিও/ইকে</strong></span></em></p>
<div id="div-gpt-ad-1767257330649-0" data-google-query-id="CM_87tuV0pMDFb2VZgIdlpMJkQ"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সমাজে পুরুষতান্ত্রিক মনোভাব নারীর সৃষ্টিশীল শক্তিকে বাধাগ্রস্ত করছে</title>
<link>https://digibanglatech.news/172393</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172393</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69cc014ca801c.jpg" length="101454" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 31 Mar 2026 22:46:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="content story-details">
<div class="content-inner">
<div class="block-full_richtext">
<p data-block-key="nkk7p">তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, নারী সমাজ প্রকৃতিগতভাবেই সৃষ্টিশীল এবং প্রজন্মের ধারাবাহিকতা রক্ষায় তাদের ভূমিকা অনন্য। কিন্তু সমাজের পুরুষতান্ত্রিক মনোজগতের কারণে নারীদের স্বাভাবিক প্রতিভা ও উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার সুযোগ অনেকাংশে বাধাগ্রস্ত হয়।</p>
<p data-block-key="73vde">৩১ মার্চ, মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে বিজনেস আমেরিকা ও অর্থকণ্ঠের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বিশ্ব নারী সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।</p>
<p data-block-key="doio2">তথ্যমন্ত্রী আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজের বিদ্যমান অসাম্য ও দ্ব্যর্থতা (ambiguity) তুলে ধরার পাশাপাশি নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করে। তিনি বিশেষভাবে আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল উদ্যোক্তাকে ধন্যবাদ জানান।</p>
<p data-block-key="diq1s">তিনি বলেন, মাতৃত্বের বন্ধন ও আবেগ প্রতিটি মানুষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত। সেই নারীসমাজের মধ্য থেকে যারা উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন, তাদের স্বীকৃতি প্রদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের ধারা আরও শক্তিশালী হবে।</p>
<p data-block-key="7v1pp">মন্ত্রী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী নারীদের অনুভূতি ও প্রত্যাশা সরকারের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দেন।</p>
<p data-block-key="cjrlt">তিনি তার রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করেন এবং বলেন, একজন নারী নেত্রী হিসেবে তিনি নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে সফলতার উদাহরণ স্থাপন করেছেন।</p>
<p data-block-key="bv3r5">মন্ত্রী সামাজিক বাধা ও নেতিবাচক মানসিকতার কাছে নতি স্বীকার না করে নিজেদের স্বাভাবিক সৃষ্টিশীল শক্তিকে কাজে লাগানোর জন্য নারীদের প্রতি আহ্বান।</p>
<p data-block-key="7gf9e">অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের সফল নারী উদ্যোক্তাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।</p>
<p data-block-key="7gf9e"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিএইচই/ইকে</strong></span></em></p>
</div>
</div>
</div>
<div></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হাসপাতালের ইঞ্জিনিয়ারিং স্ট্রাকচারের প্ল্যান ত্রুটিপূর্ণ</title>
<link>https://digibanglatech.news/172142</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172142</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69c949f1085ee.jpg" length="85986" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 29 Mar 2026 18:49:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিগত সময়ে স্বাস্থ্য বিভাগের যে হাসপাতালগুলো নির্মাণাধীন, সেগুলোর যে ইঞ্জিনিয়ারিং স্ট্রাকচারের যে প্ল্যান করেছে তা ত্রুটিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। ২৯ মার্চ, রবিবার বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের মুলতবি অধিবেশনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।</p>
<p>১৩ দিনের বিরতি শেষে এদিন বিকেল ৩টায় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে এ অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনে ‘গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণে’ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রীর মনোযোগ আকর্ষণ করেন <span>গাইবান্ধা-৪ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য </span>শামীম কায়সার।</p>
<p>জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের (বিধি-৭১) আওতায় প্রাপ্ত এই নোটিশের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টাকা কামানোর জন্য বিগত সময়ে ইল-প্ল্যানিংয়ের (দুর্বল পরিকল্পনা) মাধ্যমে হাসপাতালগুলোর অবকাঠামোর কাজ শুরু করিয়েছিল। পাশাপাশি এর মাধ্যমে লুটপাট হয়েছে। বিগত সময়ে স্বাস্থ্য বিভাগের যে হাসপাতালগুলো নির্মাণাধীন, সেগুলোর যে ইঞ্জিনিয়ারিং স্ট্রাকচারের যে প্ল্যান করেছে তা ত্রুটিপূর্ণ। আপনার দেখবেন এন্ট্রান্স যেদিক দিয়ে গেছে অর্থাৎ মধ্যখানে কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই বাথরুম নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে যেখানে কোনো দিন মানুষ ঢুকতেও পারবে না ময়লার গন্ধে। তড়িঘড়ি করে টাকা কামানোর লক্ষ্যে ইল-প্ল্যানিংয়ের মাধ্যমে হাসপাতালগুলোর অবকাঠামো তৈরির কাজ শুরু করিয়েছিল এবং লুটপাট করেছে।</p>
<p><span>মোহাম্মদ শামীম কায়সারের মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে মন্ত্রী আরও বলেন, </span><span>বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্বাস্থ্য খাতে ব্যাপক দুর্নীতি ও লুটপাট হয়েছে। এর ফলে এখন স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নমূলক কাজ করার কোনো তহবিল নেই। এখন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গজ, ব্যান্ডেজ, সিরিঞ্জ কেনার মতো পর্যাপ্ত টাকা নেই।  সব শেষ করে গেছে। এমনকি বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেও যা কিছু ছিল, তা নিঃশেষ হয়ে গেছে। </span></p>
<p>‘যাই হোক, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সারাদেশের এই অবস্থা নিয়ে দুই-তিন দফা আলাপ হয়েছে। ইনশাআল্লাহ আগামী বাজেটের পর আমরা পর্যায়ক্রমে আমাদের সীমিত সম্পদের ভেতর থেকে দেশের প্রত্যেকটি উপজেলায় জনগণের কাছে স্বাস্থ্যসেবাকে পৌঁছে দিতে যতটুকু অবকাঠামোর উন্নয়নের প্রয়োজন আমরা ততটুকু করবো।’ যোগ করেন সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।</p>
<p> ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছিল ১২ মার্চ।  এবারের অধিবেশন আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে। </p>
<div class="news-details">
<div class="article-content article-body-padding newsonlydetails">
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এফআই/ইকে</strong></span></em></p>
<div>
<div data-id="454">
<div></div>
</div>
</div>
<p></p>
<ul class="category"></ul>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তি&#45;নির্ভর সমাধানই ভুয়া তথ্য মোকাবিলা ও বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের চাবিকাঠি</title>
<link>https://digibanglatech.news/171874</link>
<guid>https://digibanglatech.news/171874</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69c6675900493.jpg" length="88565" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 27 Mar 2026 16:18:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ইস্তাম্বুলে তুরস্ক সরকারের আমন্ত্রণে শুরু হয়েছে কৌশলগত গণযোগাযোগ সামিট। ২৭ মার্চ, বৃহস্পতিবার সকালে কনরাড বসফরাস হোটেলে অনুষ্ঠিত এই আন্তর্জাতিক আয়োজনে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। মূল বক্তব্য প্রদান করেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেভদেত ইয়িলমাজ। সামিটে অংশ নিচ্ছেন বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী, আধুনিক গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞ এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বিশ্লেষকরা।  </p>
<p>বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন “A New Framework for the Global Order: A Strategic Communication Perspective” শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো জনবহুল ও দ্রুত ডিজিটালায়নশীল দেশে ভুয়া তথ্য ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য মোকাবিলা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। অতীতে ফ্যাসিবাদী শাসনামলে জনগণকে নিয়ন্ত্রণ করতে তথ্যকে বিকৃতভাবে ব্যবহার করা হয়েছে—এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের জন্য কার্যকর কাঠামো তৈরি করা জরুরি।  </p>
<p>তথ্যমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, ডিজিটাল যুগে তথ্যপ্রাপ্তি ও অবাধ তথ্য প্রবাহের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করা দরকার। এজন্য একটি নতুন, যুগোপযোগী ফ্রেমওয়ার্ক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গড়ে তোলা হলে তা ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় সহায়ক হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ অন্যান্য দেশের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে আগ্রহী, পাশাপাশি নিজেদের অভিজ্ঞতা বৈশ্বিক জ্ঞানভাণ্ডারে যোগ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।  </p>
<p>প্যানেলে তুরস্কের ভাইস প্রেসিডেন্টসহ উত্তর সাইপ্রাস, কাজাকিস্তান ও সিরিয়ার মন্ত্রীরাও অংশ নেন। জহির উদ্দিন স্বপনের বক্তব্যে প্রযুক্তি-নির্ভর কৌশলগত যোগাযোগ কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা বিশেষভাবে উঠে আসে। তিনি বলেন, অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি বিনিময় ভবিষ্যতে একটি কার্যকর কৌশলগত যোগাযোগ কাঠামো গঠনে সহায়ক হবে এবং বৈশ্বিক শান্তি ও সমৃদ্ধিতে অবদান রাখবে।  </p>
<p>আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সামিটকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক যোগাযোগের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বাংলাদেশের তথ্য মন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, প্রযুক্তি-নির্ভর সমাধানই ভুয়া তথ্য মোকাবিলা ও বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের মূল চাবিকাঠি।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএমএস/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘এআই’র দায়িত্বশীল ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষায় আমূল পরিবর্তন সম্ভব’</title>
<link>https://digibanglatech.news/171677</link>
<guid>https://digibanglatech.news/171677</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69c383149f757.jpg" length="200726" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 25 Mar 2026 10:29:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-এর দায়িত্বশীল ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভব। এজন্য বাংলাদেশকে সহায়তা দিতে উন্নত বিশ্বের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। হোয়াইট হাউসের উদ্যোগে দুদিনব্যাপী এই শীর্ষ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরে দুদিনব্যাপী সম্মেলনে বিশ্বের পঁয়তাল্লিশটি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের স্ত্রী, ফার্স্ট লেডি ও ফার্স্ট জেন্টেলম্যান এবং সমমর্যাদার নেতাদের সঙ্গে যোগ দেন ডা. জুবাইদা রহমান।</p>
</div>
<div>
<p>২৪ মার্চ, মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরে অনুষ্ঠিত ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার গ্লোবাল কোয়ালিশন সামিটে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যসেবা শিশুদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে।  </p>
<div>
<p>আন্তর্জাতিক এই শীর্ষ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডা. জুবাইদা রহমানের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে ওঠে, তিনি কীভাবে তার কাজের পরিধিকে প্রসারিত করে বৈশ্বিক বিষয়গুলোকেও এরইমধ্যে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তিনি কৃত্রিম বৃদ্ধিমত্তার দায়িত্বশীল ব্যবহারের ওপর জোর দেন। নারী, শিশু ও পরিবারকে শক্তিশালী করতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি। অনুষ্ঠানে তিনি শিশুদের প্রতি যত্ন নেয়া ও নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠা, বাংলাদেশের জনগণের উন্নয়নে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড প্রদান এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের পরিবর্তন ও সমৃদ্ধি আনয়নের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p>এই সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চল্লিশের অধিক ফার্স্ট লেডি ও রাষ্ট্রনেতাদের সহধর্মিণীরা অংশগ্রহণ করেছেন, যা বিশ্বব্যাপী শিশুদের কল্যাণ ও সম্ভাবনা উন্নয়নে উচ্চপর্যায়ের সংলাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।  ডা. জুবাইদা রহমানের সফরসঙ্গী হিসেবে অনুষ্ঠানে শিক্ষাবিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, অর্থপোডিক সার্জন ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ এবং ব্যারিস্টার মেহনাজ মান্নান অংশগ্রহণ করেন </p>
<p>সম্মেলনের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় ১১টি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে একটি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শিশুদের শিক্ষার উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও প্রয়োগ উপস্থাপন করা হয়। </p>
<p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ওয়ার্কিং সেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান শিশুদের উন্নয়ন বিষয়ে বৈশ্বিক অঙ্গীকারে বিশ্বনেতা ও অংশীদারদের একত্রিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডিকে ধন্যবাদ জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রতিটি জাতির ভবিষ্যৎ তাদের শিশুদের যত্ন, শিক্ষা এবং মূল্যবোধের ওপর নির্ভরশীল।</p>
<div>
<p>তিনি বলেন, ‘আজ এ ঐতিহাসিক ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার গ্লোবাল কোয়ালিশন সামিট’ শীর্ষ সম্মেলনে আপনাদের সঙ্গে যোগ দিতে পারাটা আমার জন্য এক বিরাট সম্মানের বিষয়। আমি ফার্স্ট লেডিকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই। কারণ তিনি সারা বিশ্ব থেকে আমাদের এমন একটি মহৎ উদ্দেশ্যে একত্রিত করেছেন; যা প্রতিটি জাতিকে স্পর্শ করে আমাদের শিশুদের প্রতিশ্রুতি ও সম্ভাবনা। আমরা উপলব্ধি করি যে, প্রতিটি দেশের ভবিষ্যৎ তার শিশুদের জীবনেই লেখা থাকে। আজ আমরা যে যত্ন প্রদান করি, শিক্ষায় যে বিনিয়োগ করি এবং যে মূল্যবোধ গড়ে তুলি, তা-ই আগামী দিনে তাদের গড়া জাতিকে রূপ দেবে।’</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x_69c383184ada8.jpg" alt=""></p>
<p>ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ‘আমি আমার দেশের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে এখানে এসেছি। আমার স্বামী, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে, আমাদের সদ্য নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার বিপুল ম্যানডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রগতিশীল জাতি গঠনের লক্ষ্যে আমাদের সরকার এরই মধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং ‘ফার্মার্স কার্ডে’র মতো উদ্যোগ চালু করেছে, যা পরিবারগুলোকে আর্থিক সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে শক্তিশালী করে। সেই সঙ্গে শিশুদের নিরাপদ ও যত্নশীল পরিবেশে বেড়ে ওঠাও নিশ্চিত করে।’</p>
<p>তিনি বলেন, ‘একজন চিকিৎসক হিসেবে, আমি প্রতিটি শিশুর জন্য সহজলভ্য ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ; যেখানে শুধু চিকিৎসার ওপরই নয়, জীবনের একেবারে প্রাথমিক পর্যায় থেকে প্রতিরোধের ওপরও জোর দেয়া হয়।’</p>
<p>অন্তর্ভুক্তি ও ভবিষ্যতমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন-জেডআরএফ’ এবং ‘সুরভী’র সামাজিক এবং অলাভজনক সংগঠনের সঙ্গে আমার কাজ শিক্ষা, যুব উন্নয়ন এবং জনকল্যাণের প্রসারে আমার অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ় করেছে। আমরা বিশ্বাস করি যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দায়িত্বশীল ব্যবহার শিক্ষাব্যবস্থাকে রূপান্তরিত করতে পারে। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো দেশে, যেখানে প্রশিক্ষিত শিক্ষক এবং উপকরণের সহজলভ্যতা এখনও অধরা।’</p>
<p>তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সরকার ডিজিটাল যুগে উন্নতি করার জন্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়কেই প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দিয়ে সজ্জিত করছে। আমাদের সরকার শিক্ষকদের ট্যাবলেট কম্পিউটার সরবরাহ করছে, শিক্ষণ উপকরণ হালনাগাদ করছে, ডিজিটাল পাঠ্যক্রম এবং উদ্ভাবনী পদ্ধতি চালু করছে। শ্রেণীকক্ষগুলো মাল্টিমিডিয়া বিষয়বস্তু অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিকশিত হচ্ছে, যা দলবদ্ধ কাজ, সৃজনশীলতা এবং আদর্শ স্থাপনে উৎসাহিত করছে।’</p>
<div>
<article>
<p>ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ‘প্রযুক্তি, বিশেষ করে শিক্ষাপ্রযুক্তি (এডটেক), শহুরে ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে বৈষম্য কমাতে একটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে। একইসঙ্গে, আমরা এই সরঞ্জামগুলোর নিরাপদ ও নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যাতে শিশুরা একটি নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশে বেড়ে ওঠে। </p>
<p>সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আমলে নারীর ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নারী ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের একটি শক্তিশালী ঐতিহ্য রয়েছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া নারী অধিকারকে এগিয়ে নিয়েছিলেন এবং দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা চালু করেছিলেন। আমাদের সরকার স্নাতকোত্তর স্তর পর্যন্ত নারীদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’</p>
<p>তিনি আরও বলেন, ‘শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সরকারি খাতের ভিত্তি স্থাপন করে লাখ লাখ নারীর জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছেন। এ প্রচেষ্টাগুলো প্রমাণ করে যে, যখন নারীরা ক্ষমতায়িত হন, তখন পরিবারগুলো শক্তিশালী হয় এবং শিশুরা সমৃদ্ধি লাভ করে। আমরা অংশীদারিত্বের গুরুত্বও স্বীকার করি। বেসরকারি খাত এবং আমাদের বৈশ্বিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করার মাধ্যমে আমরা নিরাপদ ডিজিটাল পরিসর প্রসারিত করতে, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে, অভিভাবকদের ক্ষমতায়ন করতে এবং সবার জন্য শিক্ষার মান উন্নত করতে চাই। শক্তিশালী প্রযুক্তিগত সহযোগিতার মাধ্যমে, আমরা প্রতিটি অঞ্চলকে সংযুক্ত করতে, প্রতিটি শিশুকে সুরক্ষিত করতে এবং প্রতিটি শিক্ষণ যাত্রাকে ব্যক্তিগতকৃত করতে চাই। একসঙ্গে, আমরা এমন একটি প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারি যা হবে সহনশীল, সহানুভূতিশীল এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত।’</p>
<p>ডা. জুবাইদা বলেন, ‘পরিশেষে, আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মহোদয়ের প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। জ্ঞান বিনিময়, একে অপরের কাছ থেকে শেখা এবং সীমানা পেরিয়ে সহযোগিতার মাধ্যমে, আমরা কেবল আমাদের দেশগুলোকেই শক্তিশালী করি না, বরং আমাদের শিশুদের ভবিষ্যৎকেও শক্তিশালী করি এবং বিশ্ব এর উত্তরাধিকারী হবে।’</p>
<p>শেষে আবারও মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ধন্যবাদ জানান ডা. জুবাইদা রহমান।</p>
</article>
</div>
</div>
<p>ডা. জুবাইদা রহমান এবং তার প্রতিনিধিদল প্রদর্শনীটি পরিদর্শন করেন। আজ (বুধবার, ২৫ মার্চ) হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডির আয়োজনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে ডা. জুবাইদা রহমান অংশগ্রহণ করবেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমএআর/এমইউএম</strong></span></em></p>
</div>
<div class="d-flex justify-content-center mb-3">
<div class="mb-3">
<div id="div-gpt-ad-1581913334128-0" data-google-query-id="CLepqPC2upMDFfKz2AUdpM4iHA"></div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মানুষের সেবা করাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য</title>
<link>https://digibanglatech.news/171417</link>
<guid>https://digibanglatech.news/171417</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69bfc222a2161.jpg" length="96826" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 22 Mar 2026 16:19:30 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, আমরা দেশের মানুষকে ভোগান্তি মুক্ত রাখতে চাই। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলবাজি এবং শালিস মুক্ত রাখতে চাই। মানুষের সেবা করাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য, আমরা সেই লক্ষ্য পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।</p>
<p>২২ মার্চ, রবিবার, দুপুরে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার আম্বাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা বলেন।</p>
<p>মাহবুব আনাম বলেন, নির্বাচনী ইসতেহারে জনগণের কল্যাণে দেওয়া প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়ন শুরু করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই ফ্যামেলি কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি, দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দর, রেলস্টেশন এবং ট্রেনে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা হয়েছে। সরকার গঠনের এক মাসের মধ্যে বিএনপির ৩১ দফার কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। আগামী ১৪ এপ্রিল টাঙ্গাইল থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। </p>
<p>মন্ত্রী আরও বলেন, আম্বাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয় বিগত ১৭ বছর বঞ্চিত ছিল। প্রতিষ্ঠানটির ভবন, জীর্ণশীর্ণ ব্রীজ সহ স্থানীয় সমস্যাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের ব্যবস্থা করা হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।</p>
<p>এ সময় মধুপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাকির হোসেন সরকার, সিনিয়র সহসভাপতি এম রতন হায়দার, সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মোতালিব হোসেন, পুনর্মিলনী উদযাপন পরিষদের আহবায়ক নূরুন্নবী শিহাব, আম্বাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমজেডইউ/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গণমাধ্যমকে শক্তিশালী করতে প্রযুক্তিনির্ভর নানা পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে  সরকার</title>
<link>https://digibanglatech.news/171230</link>
<guid>https://digibanglatech.news/171230</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69bc35dc557cf.jpg" length="89773" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 19 Mar 2026 20:44:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>গণমাধ্যমকে শক্তিশালী ও প্রযুক্তিনির্ভর হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার নানা পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। নির্বাচনের সময় আমাদের দলের প্রতিশ্রুতি ছিল গণমাধ্যমকে শক্তিশালী ও প্রযুক্তিনির্ভর হিসেবে গড়ে তোলার; সে লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে নানা পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে।</p>
<p>বরিশালের গৌরনদী উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে গৌরনদী প্রেসক্লাবের আয়োজনে পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তথ্য ও সম্প্রাচর মন্ত্রী এসব কথা বলেন। </p>
<p>তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপর মানুষ আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। এ আস্থা ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ টেলিভিশনের সার্বিক উন্নয়ন ঘটানোর পাশাপাশি সরকারের লক্ষ্যের সাথে মিলিয়ে বিটিভিকে কতটা স্বায়ত্তশাসন দেয়া যায় সে বিষয় নিয়ে কাজ করছি। বিটিভি ও বেতারকে সময়োপযোগী করে তুলতে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। মানুষকে অপতথ্য থেকে সুরক্ষার দেয়ার জন্য যে ধরনের তথ্য প্রযুক্তিগত জ্ঞান দরকার সে সক্ষমতা অর্জনে আমাদের সচেষ্ট থাকতে হবে। </p>
<p>তিনি আরও বলেন, এক এলাকায় একাধিক প্রেসক্লাব থাকতে পারবে না। একটি প্রেসক্লাব গঠন করে সেটাকে শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। বিভক্ত থেকে কখনো প্রেসক্লাবকে শক্তিশালী করা যায় না। একটা প্রেসক্লাব গঠন করে সবাইকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেখানে অংশগ্রহণ করে কাজ করে যেতে হবে।</p>
<p>প্রশাসনের উদ্দেশে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রেসক্লাব এবং গণমাধ্যম যেন স্বাধীনভাবে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে সেব্যাপারে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। সাংবাদিকরা তাদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে যেন কোন বাধার সম্মুখীন না হয় সে বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। </p>
<p>গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি জহুরুল ইসলাম জহিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: ইব্রাহীম, উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) মো: মেহেদি হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সালেহ্ মো: আনসার উদ্দিন, বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য মিজানুর রহমান খান মুকুল, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম খসরু, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লবসহ সাংবাদিক ফোরামের নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/বিজ্ঞপ্তি/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কোনো করুণার বিষয় নয়</title>
<link>https://digibanglatech.news/170578</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170578</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69b414f539519.jpg" length="113422" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 13 Mar 2026 17:45:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কোনো করুণার বিষয় নয় উল্লেখ করে গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। </p>
<p>১৩ মার্চ, শুক্রবার বগুড়ায় স্থানীয় একটি কনভেনশন সেন্টারে রাজশাহী বিভাগের সাতটি জেলার সাংবাদিকদের মধ্যে আর্থিক অনুদান ও সাংবাদিক পরিবারের মেধাবী সন্তানদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি প্রধান অনুষ্ঠানে এই আশ্বাস দের  তথ্যমন্ত্রী। </p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>প্রধান অতিথি  বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র জনগণের কল্যাণে কতটা কাজ করবে তা নিশ্চিত করে গণমাধ্যম, তাই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কোনো করুণার বিষয় নয় বরং তা  নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। </p>
<p>জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, আধুনিক সভ্যতায় গণমাধ্যম অনিবার্য  অনুষঙ্গ। গণমাধ্যম ছাড়া সভ্যতার চর্চা করা যায় না। </p>
<p>তিনি রাষ্ট্র ও সমাজে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, যে সমাজে জবাবদিহিতা থাকে না সেখানে শেখ হাসিনার মতো পতিত, ঘৃণিত ও লাঞ্ছিত রাষ্ট্রনায়ক তৈরি হয়। </p>
<p>তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে আমরা জবাবদিহিতার সংস্কৃতি তৈরি করতে চাই।</p>
<p>তথ্যমন্ত্রী সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা প্রদান, কৃষিঋণ  মওকুফসহ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাছির জামাল, <span>বগুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল হাসান রানু, সাধারণ সম্পাদক কালাম আজাদ </span>সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/পিআর/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাওয়ালেই টিকে থাকবে ক্যাবল টিভি ব্যবসা: তথ্যমন্ত্রী</title>
<link>https://digibanglatech.news/170479</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170479</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69b2c75de9012.jpg" length="80252" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 12 Mar 2026 19:45:51 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কেবল অপারেটরদের টিকে থাকতে হলে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাওয়াতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের এই সময়ে কেবল টিভি খাতকে টিকিয়ে রাখতে সরকার নীতিগত ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে প্রস্তুত।</p>
<p>১২ মার্চ বৃহস্পতিবার রাজধানীতে ক্যাবল অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমনটাই জানিয়েছেন তথ্য ো সম্প্রচার মন্ত্রী।</p>
<p>তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব দ্রুত ইন্টারনেটভিত্তিক সমাজে রূপ নিচ্ছে। আইপি টিভি, ওটিটি এবং বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের বিস্তার কেবল টিভি ব্যবসার সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। তাই প্রযুক্তিনির্ভর এই প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে টিকে থাকতে কেবল অপারেটরদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে আরও দক্ষ হতে হবে।</p>
<p>তিনি বলেন, যেকোনো ধরনের ব্যবসায়িক উদ্যোগকে সুরক্ষা দেওয়া সরকারের দায়িত্ব। রাষ্ট্র যদি সঠিক প্রযুক্তিগত ও নীতিগত কাঠামো গড়ে তুলতে পারে, তাহলে কেবল টিভি খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য একটি নিরাপদ ও টেকসই ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।</p>
<p>এ সময় কেবল টিভি ব্যবসার প্রযুক্তিগত বিষয়গুলো বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে উপস্থাপনের জন্য কোয়াব নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানান তথ্যমন্ত্রী।</p>
<p>মন্ত্রী আরও বলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব হলো সংশ্লিষ্ট শিল্পখাতের সমস্যাগুলো বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বোঝা এবং প্রযুক্তিগত বাস্তবতার আলোকে সমাধানের পথ খুঁজে বের করা। ভবিষ্যতেও কেবল অপারেটরদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কোয়াবের সঙ্গে ধারাবাহিক মতবিনিময় করা হবে বলেও জানান তিনি।</p>
<p>অনুষ্ঠানে শফিকুল হক মিলন, কোয়াবের নেতৃবৃন্দ এবং সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/ইএইচ/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রাজনৈতিক&#45;সামাজিক অগ্রগতির জন্য গণমাধ্যমের স্বচ্ছতা জরুরি</title>
<link>https://digibanglatech.news/170400</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170400</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69b1ace490cfd.jpg" length="93865" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 11 Mar 2026 19:57:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও জনগণের চেতনা গঠনে স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম অপরিহার্যতা ব্যক্ত করে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, একটি আধুনিক রাষ্ট্রে গণমাধ্যমের প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি এবং স্বচ্ছতা দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত জরুরি। </p>
<p>১১ মার্চ, বুধবার  রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন আয়োজিত ইফতার মাহফিলে এমন তাগিদ দেন মন্ত্রী।</p>
<p>তথ্যমন্ত্রী ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি আন্দোলন ও সংগ্রামে গণমাধ্যম মানুষের মনোজগত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। মহান ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় গণমাধ্যম জনগণের চেতনা জাগ্রত করে রাষ্ট্রের সংস্কার ও স্বাধীনতা রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যম শুধু তথ্য পরিবেশনই করে না, এটি দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি, গণতান্ত্রিক চেতনা এবং জনগণের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম থাকলে জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয় এবং সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি পায়।</p>
<p>মন্ত্রী বলেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকার এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্রকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা এবং দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।</p>
<p>গণতান্ত্রিক চর্চাকে প্রাতিষ্ঠানিক অবস্থায় রূপ দেয়ার আহ্বান জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, কোনো মব কালচার গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয় না। গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় গণমাধ্যমের শক্তিশালী ভূমিকা অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা জানান তিনি।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।</p>
<p>বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ ও মহিলা বিষয়কমন্ত্রী ডা. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন,  তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান,জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ গোলাম পরোয়ার প্রমুখ।</p>
<p>এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, উপ-প্রেস সচিব জাহিদুর রহমান রনি, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহিন, মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম,সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই সিকদার, ডিইউজের সহ-সভাপতি রাশেদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ খানসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও সাংবাদিকরা।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/বিএমও/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নারীদের প্রতি সাইবার বুলিংয়ের প্রবণতা বেড়েছে: নাহিদ ইসলাম</title>
<link>https://digibanglatech.news/170076</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170076</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69ae160a57bad.jpg" length="125361" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 08 Mar 2026 14:36:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull">জুলাই-পরবর্তী সময়ে নারীদের লক্ষ্য করে অনলাইন বা সাইবার বুলিংয়ের প্রবণতা অনেক বেড়ে গেছে। বিশেষ করে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় নারীদের টার্গেট করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, তাদের এমনভাবে টার্গেট করা হচ্ছে যে তারা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন। এই পরিস্থিতির কারণে ছাত্র আন্দোলনের অনেক নারীই রাজনীতি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। জাতীয় নারী শক্তির মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া সেই নারীদের আমরা খুঁজে বের করার চেষ্টা করবো।</p>
<p class="alignfull">৮ মার্চ, রবিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে এনসিপির নারী উইং জাতীয় নারী শক্তির আত্মপ্রকাশ প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ। </p>
<p class="alignfull">নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই আন্দোলন পরবর্তী সময়ে আমাদের সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে তা হলো— জুলাই আন্দোলনের সেই নারীরা এখন কোথায়? যারা রাজপথে সক্রিয়ভাবে আন্দোলনে ছিলেন, পরবর্তী সময়ে রাজনীতির মাঠে তাদের সেই হারে দেখা যাচ্ছে না কেন? আন্দোলনের নেতৃত্ব হিসেবে এর দায় আমাদের ওপর কতটুকু বর্তায়, সেটিও একটি বড় প্রশ্ন। ফলে সেই জায়গায় আমাদের ওপরে এটা দায়িত্ব আসে। সারা দেশের জুলাইয়ের যেসব কণ্ঠস্বর, নারী কণ্ঠস্বর হারিয়ে গেছে। আমরা তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করবো। জাতীয় নারী শক্তি সেটা চেষ্টা করবে। তারা রাজনীতি করুক বা না করুক, দেশ পরিবর্তনের মর্যাদা এবং বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় সেই জায়গাটা, তাদের কথাগুলো যাতে আমরা শুনি এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করি।</p>
<div class="viewport jw_article_body">
<p class="alignfull">তিনি আরও বলেন, আমাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। এটি বাস্তবতা যে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যেসব নারী রাজপথে নেমে এসেছিলেন, তাদের সবাই পরবর্তী সময়ে সক্রিয় রাজনীতিতে অংশ নেননি। বড় একটি অংশকে আমরা রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে হারিয়ে ফেলেছি। তবে আমরা যখন জুলাই পদযাত্রায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গিয়েছি, তখন আন্দোলনকারী সেই সব নারী ও বোনদের সঙ্গে আমাদের দেখা হয়েছে। তাদের মাঝে পরিবর্তনের গভীর আকাঙ্ক্ষা এবং নিজেদের মতামত প্রকাশের প্রবল ইচ্ছা থাকলেও নানা পারিপার্শ্বিক বাস্তবতার কারণে তা পেরে ওঠেননি।</p>
<p class="alignfull">এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, যেকোনও নির্বাচনের পরেই হঠাৎ করে যেন নারীদের প্রতি সহিংসতা বেড়ে যায়। আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাবো দৃঢ়ভাবে কঠোরভাবে এটা বন্ধ করার জন্য এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। কারণ বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকেই সমাজে এই জিনিসগুলো বাড়তে থাকে।</p>
<div class="BT_inner_A1_C3 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">নাহিদ অভিযোগ করেন, জুলাই-পরবর্তী সময়ে নারীদের লক্ষ্য করে অনলাইন বা সাইবার বুলিংয়ের প্রবণতা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে।</div>
</div>
<p class="alignfull">সাইবার জগতের বিষাক্ত প্রভাব এতটাই তীব্র ছিল যে, আমাদের একজন নারী কর্মী নির্বাচনের আগে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হন। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে ভয়াবহভাবে সাইবার বুলিং করা হয়। হয়তো তার ব্যক্তিগত জীবনে আরও অনেক কারণ থাকতে পারে, কিন্তু ওই ঘটনা তাকে এতটাই মানসিকভাবে আঘাত করেছিল যে, তিনি আত্মহননের পথ বেছে নেন।</p>
<p class="alignfull">এ সময় আরও ছিলেন– অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, এনসিপির কেন্দ্রীয় নেত্রী নুসরাত, ঝুমা, জায়মা, মনিরা শারমিন প্রমুখ।</p>
<p class="alignfull">অনুষ্ঠান শেষে এনসিপির নবগঠিত নারী উইং জাতীয় নারীশক্তির আহ্বায়ক ঘোষণা করেন নাহিদ ইসলাম। এতে আহ্বায়ক মনিরা শারমিন, সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা মিতু ও মুখ্য সংগঠক হিসেবে নুসরাত তাবাসসুমের নাম ঘোষণা করেন তিনি।</p>
</div>
<div class="btGoogleNews"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসআইএস/ইকে</strong></span></em></div>
<div class="BT_inner_A1_C2 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">
<div id="BT_inner_A1_C2" data-google-query-id="CPG-zITJkZMDFbun2AUdG-wWIQ"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>তথ্যপ্রযুক্তি  ভিত্তিক  নিউ  মিডিয়ার কথা শুনতে চান মন্ত্রী</title>
<link>https://digibanglatech.news/169835</link>
<guid>https://digibanglatech.news/169835</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69ab1eb3e4efb.jpg" length="86830" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 06 Mar 2026 20:35:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>তথ্যপ্রযুক্তি  ভিত্তিক  নিউ  মিডিয়ার সাংবাদিকদের কাছ থেকে পরামর্শ চাইলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। একইসঙ্গে <span>গণমাধ্যমের নানাবিধ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের লক্ষ্যে এখন থেকে নিয়মিতভাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করার ইচ্ছাও পোষণ করেছেন মন্ত্রী। </span></p>
<p class="alignfull"><span>৬ মার্চ, শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।</span></p>
<p class="alignfull"><span>তিনি বলেন, “বর্তমানে ইনফরমেশন শেয়ারিং একটি হাইব্রিড সিস্টেমে রয়েছে। এখন আমরা একটি ‘ডিভাইস বেজড সোসাইটি’তে বাস করছি, যেখানে তথ্যের প্রবাহ আগের চেয়ে অনেক বেশি।”</span></p>
<p class="alignfull"><span>“সরকারকে আধুনিক ও জনবান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে হলে ইনফরমেশন শেয়ারিংয়ের ক্ষেত্রে ‘গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড’ অর্জন করতে হবে”- মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, এই লক্ষ্য অর্জিত হলে গ্রাম পর্যায়ের মেধাবীরাও তাদের প্রতিভা বিকাশের সঠিক সুযোগ পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। </span></p>
<div>
<p>প্রযুক্তিগত রূপান্তর নিয়ে মন্ত্রী <span>জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, </span>বলেন, বর্তমান সময়টি একটি ‘হাইব্রিড সিস্টেম’। কেউ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, কেউ আবার কলম ছাড়া চলতে পারছে না। এই বিবর্তনের যুগে পেশাদারিত্বের মান বজায় রাখা বড় চ্যালেঞ্জ। </p>
<p>তথ্যমন্ত্রী বলেন, <span>‘সরকার কেবল প্রশংসা পকেটে ভরবে আর ভুলের সমালোচনার দায়িত্ব নেবে-তা হতে পারে না। মন্ত্রণালয়ের প্রধান অংশীদার গণমাধ্যম, তাই সমস্যাটা আমাদের একই চশমা দিয়ে দেখতে হবে। </span>গণমাধ্যমের সমস্যার সমাধান করতে হলে এর এ্যানাটমি সঠিকভাবে বুঝতে হবে। কোন সমস্যার ডায়াগনোসিস সঠিকভাবে না হলে এর ট্রিটমেন্ট সঠিক হবে না।’</p>
<p>মন্ত্রী গণমাধ্যম শিল্পের সমস্যা সমাধানে ঐকমত্যের ওপর জোর দিয়ে বলেন, অচিরেই সাংবাদিকদের সব ইউনিয়ন ও সংগঠনগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক মতবিনিময় শুরু হবে। </p>
<div>
<p>তিনি বলেন, ‘মালিকপক্ষ সাংবাদিকদের বেতন দিতে বাধ্য থাকবে না- এমন কোনো আইনের মধ্যে এই শিল্প চলতে পারে না। মালিকের লাভ হয়নি বলে একজন মেধাবী সাংবাদিকের বেতন হবে না, এটা হতে পারে না। এই সমস্যাগুলোর সমাধান না করলে গণমাধ্যম জগৎ কখনো প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো পাবে না। <span>ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন এবং পত্রিকা নিবন্ধনের সামগ্রিক পরিস্থিতির জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জাতীয় স্বার্থেরই অংশ।</span>’</p>
</div>
<div class="d-flex justify-content-center mb-3">
<div class="mb-3">
<div id="div-gpt-ad-1581913334128-0" data-google-query-id="CKOYuYv0i5MDFTpqKgkdbPsHtQ"></div>
</div>
</div>
<p>ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল।</p>
<p>ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক তথ্যমন্ত্রীর কাছে বেশ কয়েকটি প্রস্তাব তুলে ধরেন।</p>
<p>প্রস্তাবে তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে সাংবাদিকদের একটি বাস্তবসম্মত ওয়েজবোর্ড কার্যকর, সাপ্তাহিক ছুটি দুইদিন, বছরে দুই ঈদের ছুটি পাঁচদিন করে এবং অবসর ভাতা চালু করা এখন সময়ের দাবি।</p>
<p>মন্ত্রী প্রস্তাবের বাস্তব সম্মত সমাধানে সকল অংশীজনের সঙ্গে শিগগিরই বসবেন বলে আশ্বস্ত করেন।</p>
<p>মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আবদুল্লাহ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলমসহ ডিআরইউ-এর সাবেক ও বর্তমান নেতারা।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/এমইউএম</strong></span></em></p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গুজবের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর</title>
<link>https://digibanglatech.news/169739</link>
<guid>https://digibanglatech.news/169739</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69a9cda9452bb.jpg" length="105520" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 05 Mar 2026 20:39:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে দ্রুতগতির তথ্যপ্রবাহের মধ্যে সঠিক, নির্ভুল ও দায়িত্বশীল তথ্য পরিবেশন নিশ্চিত করতে ভুয়া খবর, গুজব ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে দ্রুত তথ্যভিত্তিক প্রতিক্রিয়া প্রদানের ওপর  গুরুত্বারোপ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, তথ্যই শক্তি এবং এই শক্তিকে সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশনের মাধ্যমে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়াই তথ্য ক্যাডারের মূল দায়িত্ব। </p>
<p>৫ মার্চ, বৃহস্পতিবার বিসিএস ইনফরমেশন অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ঢাকার তথ্য ভবনে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। </p>
<p>তিনি আরও বলেন, তথ্যসেবা জনগণের কাছে পৌছে দিতে মানুষের মধ্যে যে চাহিদা তৈরি হয়েছে তা পূরণের প্রযুক্তিগত উপাদান সরকারি কাঠামোতে প্রয়োজনের তুলনায় কম আছে। ব্রাউজ করতে গেলেই আমি তা টের পাই। তাই খুব দ্রুতই আমাদের সময়োপযোগী হতে হবে। এ কারণে তথ্য মন্ত্রণালয়কে হতে হবে একটি ডিভাইসের মতো যেখানে ইনফরমেশনের সফট কন্টেন্ট ও সফট পাওয়ার ইন্সটল করতে হবে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x_69a9cd5e48b53.jpg" alt=""></p>
<p>মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, তথ্য ক্যাডারের দক্ষ জনবলকে ঘুমন্ত বা আংশিক সক্রিয় না রেখে পুরোপুরি সক্রিয় করতে হবে। কেননা আমরা এখন ইনফরমেশন হাইওয়েতে আছি। এজন্য আমাদের সামনে মিস ইনফরমেশন ও ডিস ইনফরমেশন বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ ও লক্ষ্যের মধ্যে সমন্বয়ে একটি কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। মন্ত্রণালয়কে রিক্যালব্রেট করে এর বিল্ট ইন সিস্টেমের উন্নয়ন ঘটাতে হবে। <br>     <br>এসময় সরকারের মুখপাত্র হিসেবে তথ্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সরকারের উল্লেখযোগ্য প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের সংবাদ দেশের আনাচে-কানাচে পৌঁছে দিতে নির্দেশ দেন তথ্যমন্ত্রী</p>
<p>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা। </p>
<p>এছাড়াও বিসিএস তথ্য ক্যাডারের কর্মকর্তা, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা ইফতার মাহফিলে যোগ দেন। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচআই/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রাষ্ট্রের মালিক জনগণ, আমরা কেবল তাদের সেবক</title>
<link>https://digibanglatech.news/169630</link>
<guid>https://digibanglatech.news/169630</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69a879456fe6e.jpg" length="145474" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 04 Mar 2026 17:27:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সরকারের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের ম্যান্ডেটের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে রাষ্ট্র পরিচালনা করা। রাষ্ট্রের মালিক জনগণ, আমরা কেবল তাদের সেবক। আগের সরকারের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক রাষ্ট্রব্যবস্থা শক্তিশালী করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। </p>
<p>৪ মার্চ, বুধবার  চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।</p>
<p>তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের ম্যান্ডেটের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে রাষ্ট্র পরিচালনা করা। তিনি উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকেই স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন জনগণের কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করে সরকার পরিচালনা করতে হবে। নির্বাহী বিভাগকে দলীয়করণ বা অপব্যবহার থেকে বিরত রেখে একটি প্রাতিষ্ঠানিক ও শক্তিশালী প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি সরকারের রয়েছে।</p>
<p>মন্ত্রী বলেন, সরকার ইতোমধ্যে নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পাইলট প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে । ঈদের আগেই এ কার্যক্রমের দৃশ্যমান অগ্রগতি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এ জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ইউনিটগুলোকে আগাম প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।</p>
<p>একই সঙ্গে কৃষক কার্ড কর্মসূচির কথাও তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষিযন্ত্র, কৃষি ঋণসহ বিভিন্ন সেবা সরাসরি কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে, যাতে মধ্যস্বত্বভোগী ও দুর্নীতির সুযোগ না থাকে। কৃষি ঋণ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত   সুদ মূলে মওকুফের সিদ্ধান্তও ইতোমধ্যে বাস্তবায়নের পথে রয়েছে বলে তিনি জানান।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের জন্য ভাতা প্রদান কর্মসূচিও চালু হয়েছে এবং এ ক্ষেত্রেও কার্ডভিত্তিক স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হবে।</p>
<p>বিভাগীয় কমিশনার ড. মো: জিয়াউদ্দীন এর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায়  গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক  মোঃ আবদুল জলিল, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং চট্টগ্রাম জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের  বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।</p>
<p>এর আগে মন্ত্রী চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব মিলনায়তনে প্রেসক্লাব ও চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন। </p>
<p>বক্তৃতায় তথ্যমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রের সেবক হিসেবে আমরা দায়িত্ব নিয়েছি। কাজেই জনগনকে ক্ষমতায়িত করতে আমরা সেবকই থাকতে চাই। তিনি বলেন- শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান উন্নয়নের জন্যই চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের নামফলক স্থাপন করেছিলেন, কিন্তু দীর্ঘদিন সেটি গোপন করে রাখা হয়েছিলো। আবার সে নামফলক পুনঃস্থাপনের মাধ্যমে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে প্রেসক্লাবকে এগিয়ে নিতে হবে।</p>
<p>প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদের সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে আবু সুফিয়ান এম পি, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, জাতীয় প্রেসক্লাব সভাপতি হাসান হাফিজ, বিএফইউজে'র মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, সাংবাদিক মোঃ শাহনেওয়াজ, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, মিয়া মোহাম্মদ আরিফ প্রমূখ বক্তৃতা করেন।</p>
<p>গণযোগাযোগ অধিতপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আবদুল জলিল, চট্টগ্রাম পিআইডির উপপ্রধান তথ্য অফিসার মোঃ সাঈদ হাসানসহ বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক এবং বিটিভির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমআইএইচ/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইপি টিভি ও অনলাইন পোর্টালকে নীতিমালার আওতায় আনা হবে</title>
<link>https://digibanglatech.news/168934</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168934</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69a088f5e66e5.jpg" length="70674" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 26 Feb 2026 20:55:17 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>
<p>দেশের আইপি টিভি ও অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলোকে একটি সুনির্দিষ্ট সরকারি নীতিমালার আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। </p>
<p>তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং গণমাধ্যমের শৃঙ্খলা ফেরাতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।</p>
<div>
<p>২৬ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার দুপুরে সরকারি সফরে নিজ এলাকা ময়মনসিংহের নান্দাইলের প্রেস ক্লাব পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p>প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে কেবল একটি মোবাইল ফোনকে সম্বল করে যারা অনলাইন পোর্টাল চালাচ্ছেন, তাদের অবশ্যই সরকারি নীতিমালা মেনে কাজ করতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, তারেক রহমানের সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করতে চায় না। কারণ, একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী গণমাধ্যম গণতন্ত্র বিকাশের জন্য অপরিহার্য বলে প্রধানমন্ত্রী মনে করেন।</p>
<p>মন্ত্রণালয়ের গত ১৭ বছরের কাজের সমালোচনা করে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, মন্ত্রণালয়ে বসে বুঝতে পারছি বিগত সময়ে কীভাবে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে কাজ চালানো হয়েছে। কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করা হয়নি। তবে এখন থেকে সবকিছুই চলবে সুনির্দিষ্ট নিয়মের ভিত্তিতে।</p>
<p>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নিজ এলাকায় এটিই প্রতিমন্ত্রীর প্রথম সফর। নান্দাইলে পৌঁছালে জেলা পরিষদের ডাকবাংলো চত্বরে পুলিশ তাঁকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। পরে সম্মিলিত সাংবাদিক সমাজ, নান্দাইল ও গফরগাঁও প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে প্রতিমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এ সময় স্থানীয় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও তাঁকে শুভেচ্ছা জানান।</p>
<p>পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় যোগ দেন। সেখানে তিনি সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করার পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিএমও/ইকে</strong></span></em></p>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির  সব শাখায় এগিয়ে যেতে হবে</title>
<link>https://digibanglatech.news/168872</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168872</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69a0053a3c336.jpg" length="76941" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 26 Feb 2026 12:34:33 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>অমর একুশে এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি সংগীত ব্যান্ড দলকে ‘একুশে পদক ২০২৬’ প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>
<p>২৬ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে যথাযোগ্য মর্যাদায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী পদকপ্রাপ্তদের হাতে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক’ তুলে দেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানের শুরুতে একুশে পদকে ভূষিত কৃতিমান ব্যক্তিত্বদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘শুরুতে তিনটি বিষয়ে পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পুরস্কার একুশে পদক এর যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, শিক্ষা, গবেষণা, শিল্পকলা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ সম্ভবত কমপক্ষে ১২টি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এই সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। এটি নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক অর্জন। জ্ঞান বিজ্ঞান কিংবা শিল্প সাহিত্য চর্চার ধারা আরো শানিত এবং বিকশিত হোক এই প্রত্যাশা করছি। শিক্ষা গবেষণা এবং শিল্প সাহিত্যের চর্চাকে আরো বেগবান করতে রাষ্ট্র এবং সরকার তার দায়িত্ব অবশ্যই পালন করবে।’</p>
<p>অনুষ্ঠানে শিক্ষা, গবেষণা ও শিল্প-সাহিত্য চর্চাকে রাজনীতিকীকরণ না করার আহ্বান জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘শিক্ষা গবেষণা এবং শিল্প সাহিত্য চর্চাকে রাজনীতিকীকরণ করা কখনোই সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়। শিক্ষা সাহিত্য শিল্পকলা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অর্থাৎ জ্ঞান বিজ্ঞানে সব শাখায় যাতে দেশ এগিয়ে যেতে পারে... নৈতিক মানসম্পন্ন তেমন একটি উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষে বর্তমান সরকার কাজ করছে। আমাদের এই যাত্রায় দেশের বিজ্ঞজনদের দিক নির্দেশনা অবশ্যই প্রত্যাশিত।’</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x_69a0056d53a8c.jpg" alt=""></p>
<p>সরকারপ্রধান বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একুশে পদক প্রবর্তন করেছিলেন। এটি শুধু একটি পদকই নয়...বরং এই পদকের মধ্য দিয়ে, ৫২ ভাষা আন্দোলন থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ঘটনাবলীগুলোকে স্মরণে আনার পাশাপাশি যেসব বিজ্ঞজন শিক্ষা সাহিত্য শিল্পকলা গবেষণা ও চর্চায় নিজেদের এবং রাষ্ট্র ও সমাজকে সমৃদ্ধ করেছেন, তাদের সঙ্গে আপামর জনসাধারণের পরিচয় ঘটে।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘রাজনীতিবিদরা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকলেও আমি বিশ্বাস করি, জ্ঞানীগুণীজন দিক নির্দেশকের ভূমিকা পালন করে থাকেন। একটি রাষ্ট্র এবং সমাজে কৃতি মানুষদের সংখ্যা যত বেশি বাড়তে থাকবে সমৃদ্ধি এবং নৈতিকতার মানদণ্ডে সেই সমাজ ততবেশি আলোকিত হতে থাকবে।</p>
<p>সরকারপ্রধান বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একুশে পদক প্রবর্তন করেছিলেন। এটি শুধু একটি পদকই নয়...বরং এই পদকের মধ্য দিয়ে, ৫২ ভাষা আন্দোলন থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ঘটনাবলীগুলোকে স্মরণে আনার পাশাপাশি যেসব বিজ্ঞজন শিক্ষা সাহিত্য শিল্পকলা গবেষণা ও চর্চায় নিজেদের এবং রাষ্ট্র ও সমাজকে সমৃদ্ধ করেছেন, তাদের সঙ্গে আপামর জনসাধারণের পরিচয় ঘটে।</p>
<p>সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।<br>একুশ আমাদের অবিনাশী চেতনা এমন মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, রাজনীতিবিদগণ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকলেও আমি বিশ্বাস করি, জ্ঞানী-গুণীজনরাই প্রকৃত দিকনির্দেশকের ভূমিকা পালন করেন। তাদের মেধা ও সৃষ্টিশীলতা সমাজকে সমৃদ্ধ করে। ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে আজকের বাংলাদেশ, প্রতিটি ঐতিহাসিক অর্জনে আমাদের বিজ্ঞজনদের অবদান অনস্বীকার্য।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, আমরা এবার ভাষা আন্দোলনের ৭৪ বছর অতিক্রম করে ৭৫ বছরে পদার্পণ করছি। একুশ আমাদের অবিনাশী চেতনা এবং স্বাধিকার অর্জনের বীজমন্ত্র। একটি উদার ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনের যাত্রায় আমরা দেশের বিজ্ঞজনদের দিকনির্দেশনা প্রত্যাশা করি।</p>
<p>অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রসত্তা তিনটি ঐতিহাসিক আলোকধারায় নির্মিত ২১, ৭১ এবং জুলাই (গণঅভ্যুত্থান)।</p>
<p>তিনি বলেন, ২১ শিখিয়েছে অস্তিত্ব, ৭১ শিখিয়েছে মর্যাদা আর জুলাই শিখিয়েছে রাষ্ট্রকে ন্যায় ও জবাবদিহিতার আলোয় পুনর্গঠন করতে হয়। সংস্কৃতিই জাতির আত্মাকে রক্ষা করে।</p>
<p>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম বলেন, একুশে পদক কেবল একটি পুরস্কার নয়, এটি একটি আদর্শ ও দায়বদ্ধতার স্মারক। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেরণা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।</p>
<p>অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে সংস্কৃতি সচিব মো. মফিদুর রহমান বলেন, ১৯৭৬ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ৯ জন গুণী ব্যক্তিকে পদক প্রদানের মাধ্যমে এই যাত্রার সূচনা করেছিলেন।</p>
<p>মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গণির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট কূটনীতিক এবং সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের একুশে পদকপ্রপ্তরা হলেন- অভিনয় ক্যাটাগরিতে রয়েছেন ফরিদা আক্তার ববিতা। চারুকলায় অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সাত্তার। স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম। সংগীতে মরণোত্তর সম্মাননা পেয়েছেন আইয়ুব বাচ্চু। নৃত্যে অর্থী আহমেদ এবং পালাগানে ইসলাম উদ্দিন পালাকার। </p>
<p>এ ছাড়া সাংবাদিকতায় ‘একুশে পদক ২০২৬’ পেয়েছেন শফিক রেহমান। শিক্ষাক্ষেত্রে অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার এবং ভাস্কর্যে তেজস হালদার জস। সেই সঙ্গে সংগীতাঙ্গনে অবদানের জন্য জনপ্রিয় ব্যান্ড ওয়ারফেজকে একুশে পদক দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>প্রসঙ্গত, ১৯৭৬ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত এ পর্যন্ত ৬০৫ জন ব্যক্তি ও ৯টি প্রতিষ্ঠানকে এই পদকে ভূষিত করা হয়েছে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/এমইউএম</strong></em></span></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নতুন বাস্তবতায় তথ্য ও সাংবাদিকের সঙ্গা নির্ধারণ করবে সরকার</title>
<link>https://digibanglatech.news/168512</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168512</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_699c29e2c04a9.jpg" length="97867" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 23 Feb 2026 16:01:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সাংবাদিক পরিবারের ৪০২ মেধাবী সন্তানদের মধ্যে শিক্ষা বৃত্তির চেক বিতরণ করলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন ও প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। </p>
<p>২৩ ফেব্রুয়ারি, সোমবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন কল্যাণ ট্রাস্টের সম্মেলন কেন্দ্রে এই চেক বিতরণ করা হয়। </p>
<p>বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ'র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা নিজমূল কবীর, বিএফইউজে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওবায়দুল্লাহ শাহীন, সাংবাদিক শাহীন হাসনাত, পিআইবি মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ প্রমুখ এসময় উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ডাটা থেকে ইনফরমেশন হয়। নতুন ধারার গণমাধ্যমে ডাটা প্রসেস চ্যালেঞ্জিং। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শিগগিরই তথ্যের সঙ্গা নির্ধারণ করা হবে। এর ভিত্তিতেই সাংবাদিকদের সঙ্গা ও তাদের সুযোগ সুবিধা দেয়া হবে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, জনগণেের সঙ্গে গণমাধ্যমের ভূমিকাতেই যুগে যুগে ভূমিকা রাখছে। অপতথ্য মোকাবেলায় সাংবাদিকদের নিয়েই সরকার কাজ করবে। সাংবাদিকদের কল্যাণে শিগগিরই প্রবীণ সাংবাদিকদের ভাতা চালু করা এবং চিকিৎসা সেবা চালু করা হবে।</p>
<p>এসময় নিজ নির্বাচনি এলাকায় প্রেসক্লব কমপ্লেক্স তৈরি এবং সাংবাদিক কল্যাণে তহবিল গঠনে ইশতেহারে দেয়া প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।</p>
<p>সাংবাদিকদের ডেটাবেজ সহ প্রবীণ সাংবাদিকদের অবসর ভাতা দিতে টাকা ছাড়ের জন্য অর্থমন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়ার কথা জানান তথ্য সচিব।</p>
<p>আর সাংবাদিকদের জন্য একটি হাসপাতাল নির্মানে ট্রাস্টের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নিতে মন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন শাহীন হাসনাত।</p>
<p>এর আগে কল্যাণ ট্রাস্টের বোর্ড সভায় নতুন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়। <br><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমএম/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ শুধু ডিভাইস নয়, এটা পেডাগজি&#45;রিফর্ম</title>
<link>https://digibanglatech.news/168194</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168194</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_6998638065b2d.jpg" length="42782" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 20 Feb 2026 11:38:36 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষিক নিয়োগে নারীদের ৬০ শতাংশ কোটা পুনর্বহালের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এরপর ওই বক্তব্য নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।</p>
<p>ভিডিওটি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ওই বক্তব্য তিনি মন্ত্রী হওয়ার পরে দেননি। বরং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচারণাকালে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মন্তব্যটি করেছিলেন।</p>
<p>খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২৮ জানুয়ারি চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনি প্রচারে অংশ নেওয়ার সময় তিনি এক বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দেন। সম্প্রতি সেই সাক্ষাৎকারের একটি অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়।</p>
<p>সাক্ষাৎকারে এহছানুল হক মিলন বলেন, নারী শিক্ষার প্রসারে উপবৃত্তি কর্মসূচি চালু করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি প্রথমে দশম শ্রেণি পর্যন্ত এবং পরে ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত উপবৃত্তির ব্যবস্থা করেন। পুনরায় দায়িত্ব পেলে তা ডিগ্রি পর্যায় পর্যন্ত সম্প্রসারণের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, তারেক রহমান ডিগ্রি লেভেল পর্যন্ত উপবৃত্তি কার্যক্রম সম্প্রসারণ করবেন।</p>
<p>প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ প্রসঙ্গে এহছানুল হক মিলন বলেন, নারীরা ইন্টারমিডিয়েট পাস করার পর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষিকা নিয়োগের ক্ষেত্রে ৬০ শতাংশ কোটা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা পরবর্তী সময়ে বিগত সরকার বাতিল করে। সেই কোটা পুনর্বহাল করা হবে বলেও তিনি সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেন।</p>
<p>এছাড়া বক্তব্যে তিনি মাদরাসা শিক্ষা ও ইংরেজি শিক্ষার মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করার কথা বলেন। কর্মমুখী শিক্ষা সম্প্রসারণ, প্রবাসীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিদেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং রেমিট্যান্স বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব বাড়িয়ে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।</p>
<p>ত্রয়োদয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন এহছানুল হক মিলন।</p>
<p>মন্ত্রী হওয়ার পর প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে নারী কোটা ফেরানোর বিষয়ে তিনি আর কোনো মন্তব্য করেননি। সংবাদ সম্মেলনে তার কাছে এ বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে তিনি তা এড়িয়ে যান। <span>বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি </span></p>
<p>আমরা আমাদের সময়ে হেরিটেজ, কালচার, হিস্ট্রি, রিলিজিওন্সকে গুরুত্ব দিয়ে বাংলাপিডিয়াতে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম। কিন্তু আমরা তখন ওদেরকে (ইংলিশ মিডিয়ামকে মন্ত্রণালয়ের) রেগুলেটরিতে আনতে পারিনি। সেই সময় এ উদ্যোগটা নিয়েও নেওয়া হয়নি। সেটা ভিন্ন গল্প। এবার আমার সঙ্গে প্রতিমন্ত্রীর কথা হয়েছে। আমরা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোকে কীভাবে মন্ত্রণালয়ের রেগুলেটরির আন্ডারে আনা যায়, সেই ব্যবস্থা আমাদের নিতেই হবে। </p>
<p><span>গত অর্থবছরে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক উন্নয়ন তহবিলের প্রায় ৫৩ শতাংশ অব্যবহৃত থেকে ফেরত যাওয়ার ব্যর্থতা যেন পুণরাবৃত্তি না হয় সেজন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা কমিশনের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির অনুমোদন ও প্রকল্প গেটকিপিং স্কুল বর্ষপঞ্জির সঙ্গে রি-অ্যালাইন করার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন এহসানুল হক মিলন। তার ভাষায়, </span>অর্থ বিভাগের ক্যাশ রিলিজ সমান কিস্তিতে না করে মাইলস্টোনভিত্তিক করব কোড, টেক্সটবুক, প্রশিক্ষণ, নির্মাণ সবগুলোর আলাদা মাইলস্টোন থাকবে। ই-জিপি (ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয় ব্যবস্থা) বাধ্যতামূলকভাবে আগেভাগে চালু করে প্রকিউরমেন্ট প্ল্যানিং করব, যাতে জুনে এসে দরপত্রের ভিড় না হয়। কন্ট্রোলার জেনারেল অব অ্যাকাউন্টসের লেজার পর্যন্ত হিসাব থাকবে, কিন্তু সেই হিসাবের শেষ গন্তব্য হবে ক্লাসরুমের আওয়ার মানে পাঠদানের ঘণ্টা।’</p>
<p><span>অগ্রাধিকার কাজ নিয়ে তিনি বলেছেন, আমাদের অগ্রাধিকার হবে শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা, বিজ্ঞানাগার, গ্রন্থাগার, ভাষা ল্যাব তৈরি করা, ডিজিটাল কনটেন্ট ও মূল্যায়ন সক্ষমতা তৈরি করা, স্কুলের অবকাঠামো বিশেষ করে পানি, স্যানিটেশন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঠিক করা।</span></p>
<p><span>মন্ত্রী আরও বলেছেন, ‘</span>ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ শুধু ডিভাইস নয়, এটা পেডাগজি-রিফর্ম। আমাদের ইশতেহারে আছে, ‘ফ্রি ওয়াই-ফাই, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব। আমরা এটাকে ‘গ্যাজেট প্রজেক্ট’ বানাব না। আমরা এটাকে বানাব শিক্ষণ-শেখার অপারেটিং সিস্টেম। আমরা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সাথে সমন্বয় করে স্কুল পর্যায়ে ডিজিটাল লিটারেসি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সচেতনতা, সাইবার সেফটি এই তিনটি বাধ্যতামূলক সক্ষমতা হিসেবে নিয়ে আসব। শিক্ষক ট্যাবের ভেতর থাকবে, পাঠ-পরিকল্পনা টেমপ্লেট, প্রশ্নব্যাংক, উপস্থিতি ও শিখন-প্রমাণ (লার্নিং এভিডেন্স) আপলোড যাতে ‘শেখা’ ট্র্যাক করা যায়। আর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘ডিজিটাল দক্ষ বাংলাদেশ’ ভিশন বাস্তবায়নে জাতীয় ডিজিটাল দক্ষতা কর্তৃপক্ষ গঠনের প্রতিশ্রুতির সাথে শিক্ষা খাতকে যুক্ত করব।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, আমরা মাধ্যমিক পর্যায় থেকেই বিজ্ঞান শিক্ষা, প্রযুক্তি সাক্ষরতা ও প্রজেক্টভিত্তিক কাজকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেব। প্রতিটি উপজেলায় নির্বাচিত স্কুলে রোবটিক্স ও মেকার কর্নার তৈরি হবে। বিজ্ঞানকে বই থেকে বের করে টার্মভিত্তিক প্র্যাকটিক্যাল রুটিনে আনা হবে। শিক্ষক প্রশিক্ষণে বিষয়জ্ঞান ও অ্যাসেসমেন্ট লিটারেসি বাধ্যতামূলক করা হবে। এই উদ্যোগগুলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ যৌথভাবে চালাবে।’</p>
<p>কারিগরি ও সাধারণ শিক্ষায় সেতুবন্ধন রচনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ে ক্রেডিট ব্রিজ কোর্স তৈরি হবে। মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া ইন্টার্নশিপ ও ক্যারিয়ার সেন্টার বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে বাধ্যতামূলক করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় শুধু ক্লাস নেবে না, গবেষণা ও উদ্ভাবন করবে। উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা ইনোভেশন গ্র্যান্ট চালু করা হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য স্টুডেন্ট লোন ও বিদেশে উচ্চশিক্ষা সহায়তার ব্যবস্থা থাকবে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিকায়ন ও মানোন্নয়ন করা হবে। এটি জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ার রোডম্যাপের অংশ।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আপনারা আমাকে কুমিরের খাঁচায় ছেড়ে দিয়েছিলেন</title>
<link>https://digibanglatech.news/168003</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168003</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_6991f0f42d984.jpg" length="76791" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 18 Feb 2026 22:42:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>শপথ নেয়ার পর বেশ কর্মব্যস্ত প্রথম কার্যদিবস পালন করলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী <span>ফকির মাহবুব আনাম স্বপন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়েরও দায়িত্ব তার কাঁধেই। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর ১৮ ফেব্রুয়ারি, বুধবার সচিবালয় থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটির টাওয়ারের অফিস করেছেন। </span></p>
<p><span>এই দুই জায়গাতেই তার আগে দুইজন প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় ব্যক্তি দায়িত্ব পালন করেছেন। এদের মধ্যে একজন জুনাইদ আহমেদ পলক ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যার মামলায় জেলবন্দি। অপরজন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারি ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। মেয়াদ শেষের লগ্নে তিনি পাড়ি জমিয়েছেন বিদেশে বসবাসরত পরিবারের কাছে। তবে তাকে ঘিরে  এই চলে যাওয়া নিয়ে সোশ্যাল হ্যান্ডেলে তীর্যক মন্তব্য শুরু হয়। </span></p>
<p><span>সেসব প্রশ্নের জবাবে সোশ্যাল হ্যান্ডেলে বেশ সরব তিনি। ১৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ৯ টার দিকে একটি পোস্ট করেছেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।</span></p>
<p><span>সমালোচকদের উদ্দেশে পোস্টে তিনি লিখেছেন- </span>আপনারা যখন আমার তীব্র সমালোচনা করেন, তখন আমার কাছে দুটা অনুভূতি হয়।</p>
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div dir="auto" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div data-ad-rendering-role="story_message" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="x1l90r2v x1iorvi4 x1g0dm76 xpdmqnj" data-ad-comet-preview="message" data-ad-preview="message">
<div class="x78zum5 xdt5ytf xz62fqu x16ldp7u">
<div class="xu06os2 x1ok221b">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto">‘আমি বেশ কিছু সংস্কার পুশ করেছি, যথেষ্ট কাজ করেছি এবং নতুন অনেক কিছু করার চেষ্টা করেছি। যে লোকে কাজ করেনা, এ জগতে তার কোনো সমালোচনা নাই।’</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">এর পর <span>সমালোচকদের ‘</span>আপনারা বড়ো পাষাণ হৃদয়’ সম্বোধন করে এই প্রকৌশলী ও লেখক লিখেছেন, ‘এই যে দুই শীর্ষ দুর্বৃত্তের খোয়াড়ে থাকা মন্ত্রণালয়ে আমাকে বসাইছেন, এক বারও কি ভাবেন! যে তারা কি পরিমাণ সুবিধাভোগী ব্যবসায়ী, লবিস্ট/তদবিরকারী/টেন্ডারবাজ, কনসাল্ট্যান্ট, কর্মকর্তা, স্যাবোটাজ সৃষ্টিকারী এবং পোষা সাংবাদিক এখানে রেখে গেছে। আপনারা আমাকে কুমিরের খাঁচায় ছেড়ে দিয়েছিলেন। নিদারুণ যন্ত্রণা, অযাচিত চাপ, ক্রমাগত মিথ্যা অপবাদ, রটনা এবং একের পর এক স্যাবোটাজে আমি রাতের পর রাত ঘুমাতে পারিনি। অথচ যারা আমার কাছে এসেছেন তারা জানেন আমি কারও কাছে কিছু চাইনি। সৎ ও ট্রান্সপারেন্ট থাকতে গিয়ে আপনাদের অবদার রাখতে পারিনি।’</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">‘আমাকে কী পরিমাণ ফায়ার ফাইটিং করতে হয়েছে, একবারও কি গভীরভাবে ভেবেছেন!’- যোগ করেন ফয়েজ। </div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">পোস্টের শেষে স্রষ্টার কাছে শুকরিয়া জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘দুঃসময়ে আপনাদের অনেককেই পাশে পেয়েছি। নাইলে এই ভারী বোঝা আমি বইতে পারতাম না। আপনাদের জন্য আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা, ভালোবাসা আজীবন!’</div>
<div dir="auto"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এফবিপি/এমইউএম</strong></span></em></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1n2onr6">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x6ikm8r x10wlt62"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মুখ খুললে আন্ডারওয়ারও খসে পড়ার চান্স আছে!</title>
<link>https://digibanglatech.news/167619</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167619</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;strong&gt;ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_6991f0f42d984.jpg" length="76791" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 15 Feb 2026 20:15:02 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>
<div dir="auto">দায়িত্বপ্রাপ্তির ১১ মাসে আইসিটিতে ৭টি, টেলিকমে ৫টি এবং ডাকে একটি সহ মোট ১৩টি অধ্যাদেশ ও পলিসি সম্পাদন করে দিয়ে গেছেন অন্তর্বর্তীকালীণ সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব। দায়িত্ব পালন শেষে পরিবারের কাছে ফিরে সেই কর্মব্যস্ত সময়ে করা কাজের হিসাব দিলেন তিনি। </div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">১৫ ফেব্রুয়ারি, রবিবার, নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে খাত ভিত্তিক কাজের ফর্দ তুলে নিন্দুকদের উদ্দেশে তিনি লিখেছেন, টেলিকমে দুর্নীতির প্রধানতম উৎস লাইসেন্স দেয়া। বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আমি কোনো লাইসেন্স দেইনি। ফলে দুর্নীতি করার কোন স্কোপই আমি রাখিনি।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">‘লাইসেন্স না দেয়ায় বহু দলের বহু লোকে নাখোশ হয়েছে’ উল্লেখ করে টিপ্পনি কেটে বলেছেন, ‘সে গল্প দরকার পড়লে পরে লেখা যাবে। মুখ খুললে বহু ভদ্রলোকের প্যান্ট খুলে যাবে না শুধু; বরং আন্ডারওয়ারও খসে পড়ার চান্স আছে।”</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">‘তাই আমার সাথে হিসেব করে পাঙ্গা লড়তে আইসেন। বরং আমার কাজ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা করুন, দেশের দু পয়সা উপকার হবে’- যোগ করেন তিনি। </div>
</div>
<div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব লিখেছেন, “আপনাদের যারা আইসিটি ও টেলিকমে আমার করা সংস্কার কার্যক্রমে উৎসাহী তারা নিচের আইন ও পলিসি গুলো পড়বেন প্লিজ। তাতে আমার, আমার টিম এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হাফ ডজন উপদেষ্টার প্রতি সুবিচার হবে। সবাই এগুলোতে অ্যাক্টিভলি কন্ট্রিবিউশন করেছেন। শুধু এটুকু নিশ্চয়তা দিতে পারি, অনেক গভীর থেকে আন্তর্জাতিক মানের কাজ উপহার দিয়েছি।”</div>
</div>
<div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><strong>আইসিটি খাত-</strong></div>
</div>
<div>
<div dir="auto">১। সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫, (গেজেট প্রকাশিত)</div>
<div dir="auto">২। ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধাদেশ ২০২৫, (গেজেট প্রকাশিত)</div>
<div dir="auto">৩। ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা (সংশোধনী) অধাদেশ ২০২৬, (গেজেট প্রকাশিত)</div>
<div dir="auto">৪। জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ ২০২৫, (গেজেট প্রকাশিত)</div>
<div dir="auto">৫। ন্যাশনাল সোর্স কোড পলিসি ২০২৬ (আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় গৃহীত)</div>
<div dir="auto">৬। ন্যাশনাল এআই পলিসি ২০২৬ (ড্রাফট পাব্লিশড)</div>
<div dir="auto">৭। ন্যাশনাল ক্লাউড পলিসি ২০২৬ (ড্রাফট পাব্লিশড)</div>
</div>
<div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">বিশেষ সহকারি লিখেছেন, “এগুলো করে দিয়ে গেছি। যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি, তাদের জন্য বাংলাদেশের ডেটা গভর্নেন্স ফ্রেইমওয়ার্ক বুঝা গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য আপনাকে টেলিকমের সাইর্ভেইলেন্স ফ্রেইমওয়ার্ক থেকে ডাক আইন পর্যন্ত সব পড়তে হবে, আনুমানিক ২০০ পাতা। তাইলে পুরা ডেটা গভর্নেন্স, ডেটা প্রটেকশন, ই-কমার্স ইন্টিগ্রেশন ও সাইবার সিকিউরিটি ইকোসিস্টম আপনার বোধগম্য হবে। দরকারে আমাকে লেকচার দেয়ার জন্য ডাকতে পারেন, তবে কিছু ফি দিতে হবে- আগামী সপ্তাহ থেকে বেকার”।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div>
<div dir="auto">টেলিকম খাত বিষয়ে তিনি লিখেছেন- আওয়ামীলীগের সকল টেলিকম আইন, পলিসি ও গাইডলাইন আমি পরিবর্তন করে দিয়েছি। নতুন পারফর্মেন্স বেঞ্চমার্কিং সূচনা করে গেছি। জ্বী পেরেছি। ম্যামথ টাস্ক ছিল। ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টদের, বিশেষকরে সিইও ও সিটিও দের জিগাইয়েন।”</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">দায়িত্ব নিয়ে টেলিকম খাতের সংস্কারে যে পাঁচটি নীতিমালা, গাইডলাইন সম্পন্ন করেছেন সেগুলো জুড়ে দিয়েছেন এই দাবির সঙ্গে। এগুলো হলো- </div>
</div>
<div>
<div dir="auto">১। বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন লাইসেন্স ও নেটওয়ার্কিং পলিসি ২০২৫, (গেজেট প্রকাশিত)</div>
<div dir="auto">২। টেলিযোগাযোগ (সংশোধনী) অধ্যাদেশ ২০২৬, (গেজেট প্রকাশিত)</div>
<div dir="auto">৩। ন্যাশনাল সার্ভেইল্যান্স প্রসেস প্রস্তাবনা ২০২৬ (নজরদারি প্রযুক্তির সংগ্রহ ও ব্যবহার পর্যালোচনা কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন)</div>
<div dir="auto">৪। টেলিকম নেটওয়ার্ক লাইসেন্স সমূহের এর নতুন গাইডলাইন ২০২৬ (গৃহীত)</div>
<div dir="auto">৫। রোলআউট অব্লিগেশন এবং কেপিআই বেঞ্চমার্কিং ২০২৫, (গৃহীত)</div>
</div>
<div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div>
<div dir="auto">ডাক বিভাগের জন্য ডাকসেবা অধ্যাদেশ ২০২৬ (১৮৯৮ সালের ডাক আইন পরিবর্তন করে দিয়েছি)- উদ্দেশ্য ডাক সেবাকে মৌলিক পরিবর্তন করা হয়েছে জানিয়ে উল্লেখ করেছেন এই খাতে সম্পাদিত তিনটি বিষয়। এগুলো হলো- ক। নতুন ঠিকানা ব্যবস্থাপনা ও ম্যাপিং, ভাসমান ও ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যাডাপ্টেশন খ। ডিজিটাল পার্সেল ও পোস্ট্যাল ট্র্যাকিং এবং গ। ইকমার্স রূপান্তরের জন্য সেন্ট্রাল লজিস্টিক্স ট্র্যাকিং</div>
</div>
<div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">এর বাইরেও দেশত্যাগের আগে সম্পাদিত কাজ নিয়ে প্রকাশিত দুইটি প্রকাশানর নামও জানিয়েছেন তিনি। এগুলো হলো- ১। National Digital Transformation strategy<tcxspan tcxhref="20252030" title="Call  2025-2030 via 3CX"> 2025-2030 এবং </tcxspan>২। Posts &amp; Telecommunications Transformation strategy<tcxspan tcxhref="20252030" title="Call  2025-2030 via 3CX"> 2025-2030</tcxspan></div>
</div>
<div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">ব্যক্তিকে তার কাজের মধ্য দিয়ে মূল্যায়ন করুন। নাইলে এই দেশে ভবিষ্যতে কেউ কাজ করতে আসবে না। গার্বেজের ডাম্পিং গ্রাউন্ড থেকে দেশকে বাঁচাতে রিসোর্স ম্যানপাওয়ারকে কদর করুন। কারিগরি কোনো প্রশ্ন থাকলে আমি ও আমার টিম যথাসময়ে উত্তর দিবে।</div>
</div>
<div>
<div dir="auto">আইন পলিসি গাইডলাইন ও স্ট্র্যাটেজি বই গুলো অনলাইনে সার্চ দিয়ে পাবেন। পৃথিবীর কোনো দেশে এত ফাউন্ডেশনাল কাজ ৫ বছরেও হয়নি, চ্যালেঞ্জ দিলাম। তাই আবারও বলি, অমানবিক কাজ করেছি আমরা। আপনারা পড়ে আলোচনা তুললে আমার টিমের প্রতি সম্মান ও সুবিচার করা হবে।</div>
</div>
<div>
<div dir="auto">হ্যাপি রিডিং।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">দীর্ঘ এই পোস্টে তিনি জানান, এখানে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট নিয়ে লিখেননি। তবে সেগুলো ধীরে ধীরে লিখবেন। ফয়েজ আহমদের ভাষায়, “আমি প্ল্যানিং কমিশন, এনবিআর, অডিট কন্ট্রোলার, বিপিপিএ, বিবিএস, বাংলাদেশ ব্যাংক, ল্যান্ড, পোর্ট, ড্রাইভিং, পুলিশ, আইন, রেল, পরিবেশ সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল ট্রান্সফর্মেশন প্রজেক্টে ইনপুট দিয়েছি, ডিপিপি রিভিউ করে দিয়েছি। ন্যাশনাল ডেটা গভর্নেন্স ইন্টার-অপারেবিলিটি এবং ওয়ান আইডি ম্যানেজমেন্টের প্রজেক্ট প্ল্যান (ডিপিপি) লিখেছি। এর মাধ্যমে দেশের মন্ত্রণালয় গুলোতে তৈরি বর্তমান ডিজিটাল আইল্যান্ড গুলো পরস্পর সংযুক্ত হবে, আইডি গুলোর ডেটা ফিল্ড ম্যাপিং হবে। ডেটা গভর্নেন্স অথরিটি ডেটা শেয়ারিং ও ইন্টারঅপারেবিলিটির কমপ্লায়েন্স ও সাইবার সিকিউরিটি দেখবে। ন্যাশনাল রিস্পন্সিবল ডেটা এক্সচেঞ্জ (NRDeX) নিয়ে বিশ্বব্যাংকের সাথে বিশদ কাজ করা আছে। নাগরিক সেবা আমাদের নোবল ভেঞ্চার যা ন্যাশনাল সার্ভিস বাস বা ন্যাশনাল এপিআই এক্সচেঞ্জ হাব হবে যা উপরের কানেক্টিভিটি বাস এবং সার্ভিস বাসের যৌথ ইন্টার-অপারেবিলিটিতে সব মন্ত্রণালয়ের ফ্রন্ট ডেস্ক রিপ্লেইস করবে। এসব নিয়ে বিস্তারিত আলাপ করবো।”</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">সবশেষে বিদায়ী বিশেষ সহকারি লিখেছেন, “১১ মাসে কী করেছি, কেন করেছি, তা নিয়ে 'নোট টু সাকসেসর' লিখে দিয়েছি। এটাও বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম। আশা পরবর্তী দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন সৌভাগ্যবান হবেন, সব ফাউন্ডেশনাল কাজ আমি করে দিয়ে গেছি। কিছু চেঞ্জ করতে চাইলেও বেজলাইনের উপর চেন্স করা সহজ হবে, তবে হঠকারী কিছু করলে রেকর্ডেড হবেন, যেহেতু আমাদের সব পাব্লিকেশন আছে, তাই ইতিহাসের কাছে উনাকেও দায়বদ্ধ থাকতে হবে। টুকটাক চেঞ্জ রাজনৈতিক প্রসাশন অবশ্যই করবেন, কিন্তু পুরা ইকোসিস্টেম চেঞ্জ করা টাফ হবে।”</div>
<div dir="auto"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিএইচই/এসআই</strong></span></em></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>তারেক রহমানকে  প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও জলবায়ু সহনশীলতায় অগ্রাধিকার দিতে পরামর্শ দিলেন প্রধান উপদেষ্টা</title>
<link>https://digibanglatech.news/167456</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167456</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_699046e35c909.jpg" length="61665" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 14 Feb 2026 12:50:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপার্সন ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ী দলের নেতা তারেক রহমানকে <span>অর্থনৈতিক রূপান্তরের সঙ্গে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও জলবায়ু সহনশীলতায় অগ্রাধিকার দিতে পরামর্শ দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করায় ১৪ ফেব্রুয়ারি, শনিবার তাকে দেয়া শুভেচ্ছা বার্তায় এই পরামর্শ দেন তিনি। </span></p>
<p><span>অভিনন্দন বার্তায় তারেক রহমানের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ আজ বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে এক নতুন সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক রূপান্তর, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, জলবায়ু সহনশীলতা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ; এসব ক্ষেত্রে সুসমন্বিত মেধা, মননশীলতা ও প্রজ্ঞার প্রয়োগ অপরিহার্য। আশা করি, আপনার নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় হবে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, আইনের শাসন ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।</span></p>
<p><span>শুভেচ্ছার বার্তার শুরুতেই তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। গণতান্ত্রিক উত্তরণের ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় জনগণের এই সুস্পষ্ট রায় দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে।</span></p>
<p><span>প্রধান উপদেষ্টা বলেন, </span>আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুদায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আপনার প্রজ্ঞা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জনকল্যাণমুখী চেতনার আলোকে আপনি দেশকে একটি স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উন্নয়নমুখী পথে এগিয়ে নিয়ে যাবেন । আমি স্মরণ করছি আপনার পিতা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর আদর্শ ও রাষ্ট্রদর্শন এবং আপনার মাতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব ও গণতন্ত্রের প্রতি অঙ্গীকারের কথা। তাদের আদর্শ ও মহান কর্ম আপনার আগামী দিনের চলার পথকে আলোকিত করবে বলে আমি একান্তভাবে আশা করি।</p>
<div class="ContentDetails page-break ContentDetailsundefined" id="contentDetails">
<div>
<p>‘একই সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব পালনকালে আপনার মূল্যবান সহযোগিতা ও গঠনমূলক ভূমিকার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। পরিবর্তনের এই সংবেদনশীল সময়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখা, সহনশীলতা প্রদর্শন এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার ক্ষেত্রে আপনার ইতিবাচক অবস্থান জাতীয় স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। পরিশেষে, দেশের মানুষের কল্যাণ, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে আপনার সকল উদ্যোগ সফল হোক এই কামনা করি। মহান আল্লাহ আপনাকে দেশ ও জাতির সেবায় প্রজ্ঞা, ধৈর্য ও দৃঢ়তা দান করুন, যোগ করেন প্রধান উপদেষ্টা।</p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/এসআই/ইকে</strong></em></p>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এ্যানির গাড়ি থেকে আটক ১৫ লাখ টাকা নির্বাচনি ফান্ডের ও বৈধ কাগজপত্র আছে: পুলিশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/167197</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167197</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_698ccb18313ed.jpg" length="329333" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 11 Feb 2026 22:54:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-block-key="yqnit">লক্ষ্মীপুর শহরের ঝুমুর এলাকায় চেকপোস্টে কৃষকদল নেতা বদরুল আলম শ্যামলের গাড়িতে থাকা ১৫ লাখ টাকা নির্বাচনি ফান্ডের হওয়ায় যাচাই-বাছাই শেষে টাকাসহ ওই নেতাকে ছেড়ে দিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।</p>
<p data-block-key="760ic">১১ ফেব্রুয়ারি, বুধবার রাত ৮টায় শহরের ঝুমুর চত্বর থেকে টাকাসহ শ্যামলের ব্যবহারকৃত গাড়িটি চেকপোস্টে আটক করা হয়। নির্বাচন অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক তাহরিনা আক্তার নওরিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।</p>
<p data-block-key="f0cml">লক্ষ্মীপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রেজাউল হক জানিয়েছেন, ঝুমুর গোলচত্বর এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি গাড়ি থেকে ১৫ লাখ টাকাসহ বিএনপি প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির এক কর্মীকে আটক করে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী।। পরবর্তীতে বিষয়টি জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো হয়। যেহেতু এটি তাদের নির্বাচনি ফান্ডের টাকা এবং সব বৈধ কাগজপত্র আছে। তাদের বাজেটের টাকা-পরবর্তীতে ওনি বিনাশর্তে কোনো ধরনের জরিমানা ছাড়া টাকাসহ ওই আটককৃতকে ছেড়ে দিয়েছেন।</p>
<p data-block-key="clt9q">তিনি আরও জানান, ফেসবুকে এসব নিয়ে বিভিন্ন জনের মনগড়া প্রচারণা কোনোভাবে সঠিক নয়। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাদের বক্তব্য শুনেছেন এবং বৈধ কাগজপত্র দেখেই তাদের ছেড়েছেন।</p>
<p data-block-key="6cafv">বিএনপি নেতা শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি দাবি করেন, নির্বাচনি কেন্দ্র অনুযায়ী খরচ নির্বাহের জন্য এ টাকা রাখা হয়েছিল। কর্তৃপক্ষকে খরচের হিসাব দেওয়ার পর এবং এর সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর আটক হওয়া দুই এজেন্টকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।</p>
<p data-block-key="2sda2">শ্যামল জেলা কৃষকদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির খালাতো ভাই। আটক গাড়ির সামনে ও পেছনে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী নির্বাচনি পোষ্টার সাঁটানো ছিল।</p>
<p data-block-key="a4hon">প্রত্যক্ষদর্শী ও নির্বাচন অনুসন্ধান টিম সূত্র জানায়, নির্বাচনকালীন নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঝুমুর এলাকায় চেকপোস্ট চলে। কৃষকদল নেতা শ্যামল নির্বাচনকালীন ব্যবহৃত একটি গাড়িতে (ঢাকা মেট্টো-ঘ ১৭-১৩৭৭) যাচ্ছিলেন। চেকপোস্টে গাড়ি তল্লাশি করে ১৫ লাখ টাকা পাওয়া যায়। পরে শ্যামলকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ৪ তলায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বিচারক তাহরিনা আক্তার নওরিন আধাঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।</p>
<p data-block-key="3l8t3">ঘটনার পরপরই ফেসবুক লাইভে এ্যানি বলেন, আমি নির্বাচনি কাজে ব্যস্ত রয়েছি। আমার নির্বাচনি কাজে ব্যবহৃত গাড়ি চেক করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে ঘটনাটি হয়েছে আমার নির্বাচনি এজেন্ট গাড়ি নিয়ে বিভিন্ন কেন্দ্রে যাচ্ছেন। সেখানে যে ব্যয় তন্মধ্যে ১৫ লাখ টাকা কেন্দ্রভিত্তিক দেওয়ার জন্য আমার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি নিয়ে যাচ্ছিলেন। কোর্ট থেকেও তা ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এটি কেন্দ্র খরচ ছিল।</p>
<p data-block-key="b1h7r">এরপর অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ রেজাউল হক বলেন, আটকের পর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে বিষয়টি জানানো হয়। পরে আদালত পরিচালনা করে যাচাই-বাছাই করে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এটি নির্বাচনি তহবিলের বৈধ টাকা বলে নিশ্চিত হয়। </p>
<p data-block-key="b1h7r"><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/ এমআই/এমইউএম</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নেওয়া যাবে, তবে গোপন কক্ষে নয়</title>
<link>https://digibanglatech.news/166980</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166980</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_698a9bca38c2d.jpg" length="85487" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 09 Feb 2026 20:46:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি দূর করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশন জানিয়েছে, ভোটার, প্রার্থী এবং এজেন্টরা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন এবং ছবিও তুলতে পারবেন। তবে কোনোভাবেই গোপন কক্ষের (ভোট দেওয়ার স্থান) ভেতরে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করা বা ছবি তোলা যাবে না।</p>
<p>৯ ফেব্রুয়ারি, সোমবার  রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ইসি’র সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। <br>ইসি সচিব বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে মোবাইল ফোন নিয়ে উদ্বেগ জানানো হয়েছিল। মূলত একটি ‘মিসকমিউনিকেশন’ বা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। আমরা চিঠিতে যা বোঝাতে চেয়েছি, তা লিখিতভাবে সেভাবে প্রকাশ পায়নি। মোবাইল ব্যবহারের ওপর কিছু বিধিনিষেধ থাকবে, যা আমরা এখন ফিল্টার করছি।” </p>
<p>আসন্ন নির্বাচনে আন্তর্জাতিক মহলের ব্যাপক আগ্রহের কথা জানিয়ে সচিব বলেন, এবার মোট ৫৪০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক উপস্থিত থাকছেন। এর মধ্যে ইইউ থেকে ২২৩ জন, কমনওয়েলথ থেকে ২৫ জন এবং আইআরআই থেকে ১২ জন প্রতিনিধি রয়েছেন। তুরস্ক, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, পাকিস্তান ও জর্জিয়া থেকে সাংবাদিকরা আসছেন। এছাড়া আল জাজিরা, রয়টার্স, ডয়চে ভেলে ও এপির মতো বিশ্বখ্যাত সংবাদ সংস্থাগুলো ভোট কভার করবে। </p>
<p>আখতার আহমেদ জানান, ফরিদপুর-১ এবং বরগুনা আসনের ব্যালট পেপারে কিছু ত্রুটি ধরা পড়ায় তা সংশোধন করা হয়েছে। তিনি মনে করিয়ে দেন, মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে সব ধরনের নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা বন্ধ হয়ে যাবে। এ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডিজিটাল প্রচারণাও কঠোরভাবে মনিটরিং করা হবে। </p>
<p>নির্বাচনি সহিংসতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো। তবে দুটি প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। মিছিল-মিটিংয়ে বক্তব্য পাল্টা বক্তব্য থাকবেই, যা নির্বাচনেরই অংশ। এখন পর্যন্ত রাজনৈতিক বক্তব্যগুলো শালীনতার মধ্যেই আছে।” </p>
<p>ভোট গণনা শেষ হওয়ার পর দ্রুততম সময়ে ফলাফল প্রকাশের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, “ফলাফল বিলম্বে আসার কোনও যৌক্তিক কারণ নেই। ব্যালট পেপার গুনতে যেটুকু স্বাভাবিক সময় লাগে, সেটুকুই লাগবে। ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “ভোট নিয়ে কোনও শঙ্কা নেই, সবাই কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেবেন।” <br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমআই/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গ্রন্থাগার সমাজ উন্নয়নের এক শক্তিশালী বাহনঃ চুয়েট ভিসি</title>
<link>https://digibanglatech.news/166519</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166519</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_6985721dc35af.jpg" length="97733" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 05 Feb 2026 20:46:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>
<div>চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া বলেছেন, গ্রন্থাগার কেবল বই সংরক্ষণের স্থান নয় বরং এটি সমাজ উন্নয়নের এক শক্তিশালী বাহন।  যে জাতির গ্রন্থাগার যত সমৃদ্ধ, সে জাতি তত উন্নত ও অগ্রসর। একটি জাতির মেধা, মনন, ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির ধারক ও লালনকারী হিসেবে গ্রন্থাগারের ভূমিকা অপরিসীম। সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে গ্রন্থাগারের ভূমিকা সুদূরপ্রসারী এবং দীর্ঘস্থায়ী।</div>
</div>
<div><br>চুয়েটের একাডেমিক কাউন্সিল কক্ষে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির উদ্যোগে ৫ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত “জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস—২০২৬”—এর আলোচনা সভা ও “অনলাইন এসডিআই সার্ভিস এন্ড অনলাইন মেম্বারশীপ সিস্টেম ইন সেন্ট্রাল লাইব্রেরি” শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</div>
<div></div>
<div>এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুর ও পরিবেশ কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. আসিফুল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু কাউছার। এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন চুয়েটের সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থী জনাব আব্দুল আজিজ আবির। চীফ লাইব্রেরিয়ান জনাব মোঃ আব্দুল খালেক সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান জনাব মোহাঃ নাসিরুজ্জামান। এতে সঞ্চালনা করেন সহকারী লাইব্রেরিয়ান জনাব শারমিন সুলতানা তমা।</div>
<div><br>প্রসঙ্গত, “জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস—২০২৬” উপলক্ষে এক বণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। বিকালে অনলাইন এসডিআই সার্ভিস এন্ড অনলাইন মেম্বারশীপ সিস্টেম ইন সেন্ট্রাল লাইব্রেরির উপর একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন চীফ লাইব্রেরিয়ান জনাব মোঃ আব্দুল খালেক সরকার।</div>
<div><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ এআইএম/ ইক</strong></span></em></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জামায়াত আমিরের আইডি হ্যাকে বঙ্গভবনের ই&#45;মেইল ব্যবহার করা হয়েছে</title>
<link>https://digibanglatech.news/166178</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166178</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_698100ee48f11.jpg" length="123937" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 02 Feb 2026 21:54:48 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ জামায়েতে ইসলামির প্রতি নারীদের বিপুল সমর্থন দেখে দলটির আমিরের আইডি হ্যাক করে সেখান থেকে মিথ্যা তথ্য দেয়া হয়েছে। </p>
<p>২ ফেব্রুয়ারি, সোমবার রাজধানীর মগবাজারের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিকেল সাড়ে ৫টায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সংঘটিত নানা বিষয় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।</p>
<p>তিনি বলেন, হ্যাক করতে বঙ্গভবনের ই-মেইল ব্যবহার করা হয়েছে। নারীদের ওপর ক্রমাগত হামলা করে সাইবার বুলিং হচ্ছে। শারীরিক টর্চার হচ্ছে। হিজাব খুলে নেয়ার হুমকি দিচ্ছে। নারীদের নিয়ে চরম আপত্তিজনক কথা বলা হচ্ছে। তারা আচরণ বিধি মেনে তারা কাজ করলেও তাদের ওপর একের পর এক হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে পরিকল্পিত ও ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে জমায়াতে আমিরের টুিইটার হ্যাক করা হয়েছে। সেখানে যে পোস্ট দেয়া হয়েছে, তাতে বোঝাই যাচ্ছে তারা আমাদের অবস্থান প্রশ্নবিদ্ধ করতেই এমনটা করেছেন। বঙ্গভবনের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে এটা করা হয়েছে। সেটা গতকালই আপনাদের দেখিয়েছি। অর্থাৎ বাংলাদেশের এই সাইবার সুরক্ষা ব্যবস্থায় কে বা কারা এগুলো করছে এই সব কিছুই তদন্ত করে দেখা উচিত। আমরা মনে করি দ্রুত তদন্ত করে এর পেছনের ব্যক্তিদের পরিচয় বের করে আইনের মুখোমুখি করা হোক।</p>
<p>এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) একজন শীর্ষ নেতা বোরখা নিয়ে কমেন্ট করেছেন, নির্বাচনের দিন হিজাব খুলে দেখতে হবে। এর মাধ্যমে নারীদের তারা ভীতিকর ম্যাসেজ দিচ্ছেন। জামায়াতের প্রতি নারীদের যে বিপুল সমর্থন আমরা দেখছি। আমাদের জনসভায় নারীদের উপস্থিতি দেখে তাদের মাথায় বড় ধরনের কোনো চাপ হয়েছে, যার কারণে তারা নারীদের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করছে। একটার পর একটা ঘটনা ঘটে যাচ্ছে, তারপরও তাদের বোধোদয় হচ্ছে না। উল্টো আমাদের আমীরে জামায়াত নারীদের প্রতি দায়িত্বশীল কথা বলছেন। অন্যদিকে জামায়াত আমিরের টুইটার একাউন্ট বঙ্গভবনের মতো সুরক্ষিত জায়গা থেকে হ্যাক করা হয়েছে। তাহলে জাতীয় নিরাপত্তা কোথায়। জাতীয় নিরাপত্তার ব্যাপারে আমরা উদ্বিগ্ন। সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে এ ব্যাপারে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।</p>
<p>জামায়াতের এ নেতা বলেন, বিগত ১৭ দিনে ৩৩ জেলায় বিভিন্নভাবে সন্ত্রাসীরা এবং বড় একটি দলের নেতাকর্মীরা উসকানি দিয়েছেন, আমাদের ভোটের জন্য কাজ করা নারী বা মহিলা কর্মীদের হুমকি দিয়েছেন, অশালীন মন্তব্য করেছেন এবং তাদের প্রতি এমন সব আচরণ ও কটূক্তি করেছেন, যা কোনো সুস্থ মানুষ কল্পনা করতে পারেন না। কোনো কোনো জায়গায় তাদের শারীরিকভাবে হামলা-আঘাত করে আহত করা হয়েছে। </p>
<p>এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, আজ আমরা আশ্চর্য হলাম যে সেই চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা উচ্চ আদালতে এসে জামিন নিয়েছেন। এত বড় একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড যেটি প্রকাশ্য দিবালোকে হয়েছে, সেই হত্যাকাণ্ডের এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই চিহ্নিত সেই সমস্ত সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের গ্রেপ্তার তো দূরের কথা, বরং তাদের জামিন দিয়ে জনমনে স্বাভাবিকভাবে আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে। যেখানে হত্যাকাণ্ডের রক্তের দাগ এখনো শুকিয়ে যায়নি সেখানে খুনি ও সন্ত্রাসীরা এইভাবে পার পেয়ে যাবে। </p>
<p>তিনি বলেন, 'এ মামলায় আগাম জামিন দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই, বিশেষ করে যখন এমন নৃশংস ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর হত্যাকারীরা প্রকাশ্য দিবালোকে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে।'</p>
<p>তিনি আরও বলেন, 'নিহতের স্ত্রী, সন্তান ও স্বজনদের যন্ত্রণা-কষ্ট এখনো শেষ হয়নি। সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও গভীর উদ্বেগ রয়েছে। এলাকাবাসী তাদের প্রিয় নেতাকে হারিয়ে কষ্ট ও বেদনার ভেতরে তারা আছেন। এ অবস্থায় সন্ত্রাসীদের জামিন দেওয়ার মাধ্যমে আমরা মনে করি আইনের শাসন বাদ দিয়ে অনুকম্পা দেখানো হচ্ছে। আমরা এ ব্যাপারে সংক্ষুব্ধ। আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করতে বলেছি, যাতে উচ্চ আদালত এই জামিন স্থগিত করেন।'</p>
<p>জুবায়ের বলেন, 'এমন পরিস্থিতিতে চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও খুনিদের জামিন দেওয়া নিঃসন্দেহে আইনের শাসনের ওপর বড় আঘাত। আমরা এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছি এবং উচ্চ আদালতে যাবো।'</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সাংবাদিক ওলিউল্লাহ নোমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী প্রচার সম্পাদক আব্দুস সাত্তার সুমন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিপিএন/ইকে</strong></span></em></p>
<p>   </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভোট ঘিরে প্রযুক্তিনির্ভর সহিংসতার শিকার  নারী প্রার্থী ও সাংবাদিকরা</title>
<link>https://digibanglatech.news/166070</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166070</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_697fd9d7aa8c7.jpg" length="90969" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 01 Feb 2026 21:55:44 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে অসম মাত্রায় প্রযুক্তিনির্ভর লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার শিকার হচ্ছেন ভোটে অংশ নেয়া নারী প্রার্থী, রাজনৈতিক কর্মী ও সাংবাদিকরা। অনলাইন হয়রানি, ভয়ভীতি, যৌন হয়রানিমূলক বিভ্রান্তি ও ডক্সিং (অনুমতি ছাড়া অন্যের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করা)-এর মতো আক্রমণের শিকার হচ্ছেন তারা।</p>
<p>১ ফেব্রুয়ারি, রবিবার রাজধানীর হোটেল লা ভিঞ্চিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচন প্রতিবেদন বিষয়ক দুদিনব্যাপী প্রশিক্ষণের সমাপনী অধিবেশনে এই বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার। কণ্ঠরোধ করতেই এমনটা করা হচ্ছে উল্লেখ করে ‘এমন পরিস্থিতি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য উদ্বেগজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। </p>
<p> ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। ইউএনডিপি ও মিডিয়া রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভের (এমআরডিআই) সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এই প্রশিক্ষণের ফ্যাসিলিটেটর ছিলেন অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) সাবেক বাংলাদেশ ব্যুরো প্রধান ফরিদ হোসেন।</p>
<p>ডিসিএবি সাধারণ সম্পাদক এমরুল কায়েসের সঞ্চালনায় সমাপনী অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন এমআরডিআই নির্বাহী পরিচালক হাসিবুর রহমান ও ডিসিএবি সভাপতি একেএম মইনউদ্দিন। </p>
<p>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্টেফান লিলার বলেন, লিঙ্গসমতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ গণতান্ত্রিক বৈধতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। কিন্তু বাস্তবতা হলো—নারী প্রার্থী, রাজনৈতিক কর্মী ও সাংবাদিকরা অসমমাত্রায় প্রযুক্তিনির্ভর সহিংসতার শিকার হচ্ছেন। তারা ডক্সিংয়ের কবলে পড়ছেন। ডক্সিং হলো- হয়রানি, ভয়ভীতি বা ক্ষতির উদ্দেশে কারও ব্যক্তিগত ও পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য—যেমন বাসার ঠিকানা, ফোন নম্বর বা কর্মস্থলের তথ্য অনুসন্ধান করে প্রকাশ করা। এ ধরনের আক্রমণ নারীদের জনপরিসর থেকে সরিয়ে দেওয়ার কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।</p>
<p>নির্বাচন প্রতিবেদন প্রসঙ্গে ইউএনডিপির এই আবাসিক প্রতিনিধি বলেন, নির্বাচন প্রক্রিয়া গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার অন্যতম প্রযুক্তিগত ও রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল উপাদান। এর সঙ্গে জড়িত থাকে জটিল আইনগত কাঠামো, নির্বাচনি আচরণবিধি, ভোটার ও প্রার্থীর বিধিবিধান, ফলাফল গণনা পদ্ধতি এবং অভিযোগ ও বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা। এক্ষেত্রে সাংবাদিকরা প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেন। নির্বাচন প্রক্রিয়া যখন স্পষ্ট, সঠিক ও দায়িত্বশীলভাবে উপস্থাপিত হয়, তখন নাগরিকরা শুধু কী ঘটছে তা নয়, বরং কেন ও কীভাবে ঘটছে তা-ও ভালোভাবে বুঝতে পারেন।</p>
<p>এজন্য গণমাধ্যমকর্মীদের সতর্ক অবস্থান গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তীব্র রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার সময় ভুল তথ্য বা অস্পষ্ট প্রতিবেদন অনিচ্ছাকৃতভাবে উত্তেজনা বাড়াতে পারে এবং নির্বাচনি ফলাফলের ওপর জনআস্থা ক্ষুণ্ন করতে পারে।</p>
<p>তথ্যের সততা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে লিলার বলেন, বিশ্বজুড়ে নির্বাচন পরিস্থিতি ক্রমেই ভুয়া তথ্য, বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা, ঘৃণামূলক বক্তব্য এবং ডিজিটালি বিকৃত কনটেন্টের মাধ্যমে প্রভাবিত হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি বা ছড়িয়ে দেওয়া মিথ্যা বয়ানের দ্রুত বিস্তার নির্বাচনি সততা ও জনআস্থার জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করছে।</p>
<p>তথ্যের সততা রক্ষা করা মানেই সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা—উল্লেখ করে লিলার বলেন, অনিরাপদ বা শত্রুতাপূর্ণ তথ্য পরিবেশনে কাজ করা সাংবাদিকরা অনলাইন ও অফলাইনে হয়রানি, হুমকি ও ভয়ভীতির মুখে পড়েন। তার মতে, সাংবাদিক নিরাপদ মানেই নিরাপদ নির্বাচন।</p>
<p>তিনি নির্বাচন প্রতিবেদন তৈরির ক্ষেত্রে তথ্যে সঠিকতা, নিরপেক্ষতা ও নৈতিক বিচারবোধের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। </p>
<p>স্টেফান লিলার বলেন, বাংলাদেশের সাংবাদিকদের প্রতিবেদন কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক, উন্নয়ন অংশীদার, বিনিয়োগকারী এবং বৈশ্বিক গণমাধ্যম নিবিড়ভাবে অনুসরণ করে। ফলে নির্বাচন সংক্রান্ত বয়ান আন্তর্জাতিক আস্থা, কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং একটি দেশের ভাবমর্যাদা ও গণতান্ত্রিক পরিপক্বতা সম্পর্কে ধারণাকে প্রভাবিত করে।</p>
<p>তার ভাষ্য, এ কারণেই কূটনৈতিক প্রেক্ষাপটে নির্বাচন কভার করা সাংবাদিকদের ওপর বিশেষ দায়িত্ব বর্তায়। দায়িত্বশীল প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুহূর্তগুলোকে একটি বৈধ ও নিয়মভিত্তিক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তুলে ধরতে সহায়তা করে।</p>
<p>প্রসঙ্গত, ব্যালট ও ড্রিপ প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে জাতিসংঘ। এসব প্রকল্পের আওতায় নির্বাচন প্রক্রিয়ার পুরো চক্রজুড়ে কারিগরি, উপকরণগত, প্রাতিষ্ঠানিক এবং নাগরিক শিক্ষা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।</p>
<p>ডিবিটেক/এসইউজে/এমইউএম</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হ্যাক হওয়া পোস্টে কোনো মা&#45;বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি</title>
<link>https://digibanglatech.news/165996</link>
<guid>https://digibanglatech.news/165996</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_697f2b190af84.jpg" length="130411" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 01 Feb 2026 15:30:02 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘হ্যাক হওয়া পোস্টে কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। তারা আমার ভেরিফায়েড ‘এক্স’ হ্যান্ডেল হ্যাক করেছিল। পরে সেখান হতে মায়েদের নিয়ে নোংরা মন্তব্য ছড়াচ্ছিল। একটা দল দেখলাম হৈ হৈ রৈ রৈ করে মিছিল শুরু করে দিয়েছে। যারা মায়েদের সম্মান করতে জানে না, তারাই মিছিল শুরু করলো।’</p>
<p>১ ফেব্রুয়ারি, রবিবার শেরপুরের শহীদ দারোগ আলী পৌরপার্ক মাঠে এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। </p>
<p>ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘নারীদের বিভিন্ন জায়গায় অসম্মান করা হচ্ছে। যারা নারীদের অসম্মান করে তারা চার পায়ের জন্তু। নারীদের ‘মা’ সম্বোধন করে তিনি বলেন, মায়েদের বিভিন্ন জায়গায় অসম্মানিত করা হচ্ছে। যারা করছেন তারাও মায়ের সন্তান। তাদের প্রতি আমাদের অনুরোধ— আপনারা আপনাদের মা-স্ত্রী, বোনকে সম্মান করতে শিখুন।’</p>
<p>জামায়াত আমির বলেন, ‘নিজের পরিবারকে সম্মান করতে জানলে ৯ কোটি মাকে সম্মান করতে পারবেন। যারা নারীদের অসম্মান করে তারা অমানুষ। সমাজে নৈতিক অবক্ষয় বাড়ছে। নারীদের মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে সচেতন হতে হবে।’</p>
<p><span>বক্তব্যের শুরুতেই তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে স্পষ্ট দিবালোকে একজন বিশিষ্ট শিক্ষক অধ্যাপক ও শ্রীবরদী উপজেলার সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অবশ্যই যারা হত্যা করেছেন তাদের জন্য এটি উওর না। তারা তো নিজের দলের ২ শতাধিক মানুষকে বিদায় করে দিয়েছে। যে রাজনীতি মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়ার বদলে খুন করে এটা আবার কোন রাজনীতি। আল্লাহ তায়ালা ৫ তারিখ দেশে একটি সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। আল্লাহর কসম, বাংলাদেশে আসমানের ছাদের নিচে সবচেয়ে নির্যাতিত দলটি হচ্ছে বাংলাদেশ জামাত ইসলামী। একের পর এক সম্পূর্ণ মিথ্যা মামলায় ১১ জন শীর্ষ নেতাকে ঠান্ডা মাতায় হত্যা করা হয়েছে। আমরা এখন আর এগুলো চাই না।</span></p>
<p>জনসভায় সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান। এসময় কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ড. ছামিউল ফারুকী, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক রিয়াদ হোসাইন, ডাকসু জিএস এস এম ফরহাদসহ জামায়াত ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইসিটির নামে সীমাহিন দুর্নীতি হয়েছে</title>
<link>https://digibanglatech.news/165906</link>
<guid>https://digibanglatech.news/165906</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_697e168f5497e.jpg" length="54330" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 31 Jan 2026 20:05:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিগত সময়ে আইসিটির নামে সীমাহিন দুর্নীতি হয়েছে উল্লেখ করে এটিকে জনকল্যাণমুখী কারার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (<span lang="BN">বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান</span>।</p>
<p><span>জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরামের আয়োজনে ৩১ জানুয়ারি, শনিবার রাজধানীর বনানী ক্লাবে অনুষ্ঠিত ‘আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে আইসিটি সেক্টরের ভূমিকা ও করণীয়’ শীর্ষক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই আহ্বান জানান তিনি। </span></p>
<p>ব্যক্তি জীবনে সাম্প্রতিক সময়ে ডিজিটাল সেবার নেয়ার ক্ষেত্রে দুর্ভোগের শিকার হওয়ার সমস্যা তুলে ধরে তিনি বলেন, গাড়ির ট্যাক্স জমা দিতে গিয়ে সার্ভার সমস্যায় পড়েছি। একদিনের কাজ করেতে সাত দিন লেগেছে। সাতটি অফিসে যেতে হয়েছে। প্রযুক্তি যদি জীবনকে সহজ করার চেয়ে কঠীন করে তুলে তবে আইসিটির প্রবর্তন করে কী লাভ হবে প্রশ্ন রাখেন তিনি।  <o:p></o:p></p>
<p>কালিয়াকৈরে হাইটেক পার্ক তৈরির জন্য বিএনপি জমি অধিগ্রহণের কাজ সম্পন্ন করেছিলো জানিয়ে তিনি বলেন, সেখানে ৩০ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নেয়া হলেও ফলাফল শুন্য। সেখানে আইসিটি নগরী তৈরি হয়নি। আইসিটির নামে চরম দুর্নীতি হয়েছে। এরপরও যদি মানুষ সেবা পেত তাহলেও আমি বুঝতাম কিছু উন্নয়ন হয়েছে।  <o:p></o:p></p>
<p>তিনি বলেন, মানুষের জীবন যাপনকে সহজ করতেই আমরা সবাইকে ইন্টারনেট সুবিধা দিতে চাই। এজন্য দেশের মানুষেরাই যথেষ্ট। তারা যথেষ্ট অভিজ্ঞ। আমরা ২৫ বছর আগে যে কাজ শুরু করেছিলাম তা যদি গত ১৫ বছরের সরকার মিসইউজ না করত, অর্থ উপার্জনের হাতিয়ার পন্থা হিসেবে ব্যবহার না করে মানুষের কল্যাণে ব্যবহার না করতো তাহলে আজকের মতো এমন পরিস্থিত সৃষ্টি হতো না। কাগজে-কলমে নয় বাস্তবে জীবনকে সুখী-সুন্দর সহজ করে তুলতে না পারলে কম্পিউটার, অ্যাপ, ডেটাসেন্টার সর্বোপরি টেকনোলজি কোনো কাজে আসবে না। <o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">মঈন খান বলেন, বিগত ১৫ বছরে আইসিটির নামে আসলে টেকনোলজির কোনো উদ্ভাবন ও প্রয়োগ হয়নি। এখানে হয়েছে দুর্নীতি, সীমাহিন দুর্নীতি। এই দুর্বৃ্ত্তায়নের হাত থেকে আসিটিকে যদি আমরা রক্ষা না করি তাহলে নতুন প্রজন্মের কাছে আমরা দায়ি থাকবো। আমি বিশ্বাস করি, আইটিতে বাংলাদেশের মানুষ অনেক কিছু করতে পারে। আইসিটিতে মানুষের কল্যাণে কাজ করার বুদ্ধিমত্তা, প্রযুক্তি জ্ঞান ও যোগ্যতা বাংলাদেশের মানুষের রয়েছে। এটা আমরাই প্রমাণ করেছি। </p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">অ্যাফিক্স বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালক শামীম আজাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন <span>জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরামের সভাপতি মোহাম্মদ রওশন কামাল জেমস। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএনপির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান এপোলো। বিশেষ বক্তা হিসেবে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে সবার জন্য ইন্টারনেট নিশ্চিত করা ও কর্মসংস্থান বাড়ানোসহ তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সাত দফা পরিকল্পনার ওপর আলোকপাত করেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন। </span></p>
<div class="details-brief dNewsDesc print-section" id="contentDetails">
<p>অতিথিদের আলোচনার আগে একটি প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হোসাইন উদ্দিন শেখর, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ব্যবসায়ী মামুনুর রহমান, বেসিস নেতা রোকমুনুর জামান রনি এবং প্রযুক্তি বিষয়ক লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মারুফ মল্লিক।</p>
<p>বক্তব্যে দলের চেয়ারম্যানের <span> ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’ এর ব্যাখ্যা করে ‘কৃষক কার্ড’ ও ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এর পাশাপাশি </span>স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এআইভিত্তিক স্বাস্থ্য রেকর্ড, শিক্ষার মান বাড়াতে এআইভিত্তিক কানেক্টেড স্কুল ও লার্নিং সিস্টেম, তাৎক্ষণিক জরুরি অ্যাম্বুলেন্স ও স্বাস্থ্য সেবা, অটোমেশনের মাধ্যমে দ্রুত পুলিশি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার কথা বলেছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন। </p>
<p>এছাড়া এআই পরিচালিত ইমিগ্রেশন সিস্টেম, স্বয়ংক্রিয় ভূমি ও কর ব্যবস্থাপনা এবং সরকারি ও বেসরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তি নির্ভর ওয়ান স্টপ সার্ভিস নিশ্চিতের পরিকল্পনা কথাও বলছেন তিনি। <span>দেশের সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার ও বিপিও শিল্পকে শক্তিশালী করতে ‘মেইড অথবা অ্যাসেম্বেলড অথবা সার্ভিসড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগ চালু করা হবে জানিয়ে এআই চালিত ডেটা সেন্টারের প্রসঙ্গ তুলে মেহেদী আমিন বলেন</span>, “শুধু ২০২৩ সালেই দেশের গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইটগুলোতে ৬ কোটি ৩০ লাখ বার সাইবার আক্রমণ হয়েছে। এর চেয়েও ভয়াবহ বিষয় হচ্ছে ওই একই বছর ৫ কোটিরও বেশি নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য ইন্টারনেটে বিক্রি হয়ে গেছে। এটা আমাদের সাইবার সার্বভৌমত্বের জন্য অনেক বড় হুমকি। <span>তাই দেশ ও নাগরিকদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের ডেটা দ্রুত ও নিরাপদে সংরক্ষণ ও বিনিময়ের জন্য বাংলাদেশে একাধিক আধুনিক টিয়ার-৪ ও টিয়ার-৩ ডেটা সেন্টার দরকার। তাই বিএনপি সরকার গঠনের সুযোগ পেলে ‘ক্লাউড-ফার্স্ট’ কৌশলে দেশের প্রথম এআইচালিত ডেটা সেন্টার ক্যাম্পাস স্থাপন করা হবে।</span></p>
<div class="DContentAdd2 ignore-print m-3">
<div class="sq-add d-flex justify-content-center">
<div id="div-gpt-ad-9827360-2" data-google-query-id="CLLw5I__tZIDFUScSwUdFMQABg"></div>
</div>
</div>
</div>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমইউ/ইকে</strong></span></em> </p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"> </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইন্টারনেট বন্ধে মহাপরিক্রমশালী সরকারকে পালাতে হয়েছে  </title>
<link>https://digibanglatech.news/165542</link>
<guid>https://digibanglatech.news/165542</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_6979b55708b67.jpg" length="50425" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 28 Jan 2026 12:46:51 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>তরুণদের ওপর খবরদারি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূস। বিগত সরকারের পতনের পেছনে ‘ইন্টারনেট বন্ধ’ বড় ভূমিকা পালন করছে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ইন্টারনেট যখন বন্ধ করে দেয়া হয়েছিলো তখন, সমস্ত তরুণরা বিক্ষুব্ধ হয়ে গিয়েছিলো। সে বিক্ষোভের পরিমাণ এতো ছিলো, তারা ফুটন্ত তেলের মতো টগবগ করছিলো। কী হয়েছে? ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো। এখন বুঝেন, ইন্টারনেট তাদের কত প্রাণের জিনিস। সে সহ্য করতে পারছে না। এমন টগব করলো, শেষ পর্যন্ত একটা মহারাক্রমশালী সরকারকে পালাতে হলো। এই ইন্টারনেট বন্ধ তার একটা বড় ভূমিকা রেখেছিলো। </p>
<p>ইন্টারনেটের এমন শক্তি এবং তরুণদের শক্তিকে অগ্রাহ্য না করে যেসব স্থানে ইন্টারনেট পৌঁছেনি সেসব স্থানে সংযোগ পৌঁছে দেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন অন্তর্বর্তী সরকারের এই প্রধান ব্যক্তি। তিনি বলেন, ইন্টারনেট থাকলে অবসরপ্রাপ্ত সেরা শিক্ষকরাও পার্বত্য ও দুর্যোগ এলাকায় শিক্ষার আলো পৌঁছে দেয়া সম্ভব হবে। ইন্টারনেট ছাড়া গতিহীনতা আমাদের শেষ করে দেবে। </p>
<p>টুকটাক প্রাযুক্তিক উন্নয়নে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্ব নাগরিক হিসেবে পৃথিবীর অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণেই নাগরিককে সেবার জন্য সরকারের কাছে আসতে হবে না। আসতে না হলে দুর্নীতি বন্ধ হবে। তখন দুই পক্ষই যদি অন্য টেকনিক ব্যবহার করলে সেজন্য প্রতিষেধক বের করার আহ্বান জানান নোবেলজয়ী এই বাংলাদেশী। তিনি বলেন, প্রযুক্তিতে এখনো অনেক কিছু করার আছে।  </p>
<p>২৮ জানুয়ারি দুপুরে আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ চায়না ফ্রেন্ডশিপ কনফারেন্স সেন্টারে <span> ‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬’র উদ্বোধনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, বরাবরই আমরা সবার জন্য চাকরির আশ্বাস দেই। ধরে নিয়েছি, মানুষকে শুধুই চাকরি করতে হবে। আর কিছু নেই। এই চাকরিটাই এসেছে দাস প্রথা থেকে। এখন বেতনের বিনিময়ে আমরা দাস। কিন্তু প্রযুক্তি আমাদের দাস প্রথা থেকে বের করে সৃজনশীল হওয়ার সুযোগ এনে দিয়েছে। কিন্তু আমরা প্রযুক্তি যে দাস প্রথা থেকে বেরিয়ে সৃজনশীল হয়ে প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে উদ্যোক্তা হওয়ার দিকে তরুণদের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে হবে। তবে এ জন্য যারা সরকারের কাছে আর্থিক সহায়তা চাইবে তাদের সন্দেহের চোখে দেখতে হবে। </span></p>
<p><span>বক্তব্যে প্রযুক্তিকে জালিয়াতির কাজে না লাগানোর প্রতি সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। এজন্য সমাজে ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন তিনি। </span></p>
<p><span>তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) ত্রিপাক্ষিক অংশীদারিত্বে শুরু হওয়া এই মেলায় বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমাদ তৈয়্যব, আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মামুনুর রশীদ এবং </span><span>বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। </span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/এমইউএম</strong></span></em></p>
<h1 class="post-title mb-4"><a href="https://digibanglatech.news/165531" target="_blank" rel="noopener">উদ্বোধনের অপেক্ষায় ডিডিআই এক্সপো’র ষষ্ঠ আসর</a></h1>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অনেক আইসিটি পার্ক এখন কমিউনিটি সেন্টার হিসেবে ভাড়া দিয়ে দারোয়ানদের বেতন চালাতে হচ্ছে</title>
<link>https://digibanglatech.news/164926</link>
<guid>https://digibanglatech.news/164926</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_697237e774062.jpg" length="76478" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 22 Jan 2026 15:45:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>একদিকে অনেক আইসিটি পার্ক এখন কমিউনিটি সেন্টার হিসেবে ভাড়া দিয়ে দারোয়ানদের বেতন চালাতে হচ্ছে অন্যদিকে <span>মিন্টো রোডে সরকারি সচিবদের জন্য নির্মিত ফ্ল্যাটগুলোর সুযোগ-সুবিধা এতটাই বিলাসবহুল যে তা অভিজাত হোটেলকেও হার মানায়। </span></p>
<p>২২ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে ‘অর্থনৈতিক শাসন ও দুর্নীতি প্রতিরোধ’ শীর্ষক এ নীতি সংলাপে অংশ নিয়ে এমন চিত্র তুলে ধরেন গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান।</p>
<p>সংলাপটির আয়োজন করে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)। সিজিএসের প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আলোচনা করেন রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্টের (র‍্যাপিড) নির্বাহী পরিচালক এম আবু ইউসুফ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) সায়মা হক, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রিপন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সাবেক সভাপতি শাহেদুল ইসলাম হেলাল।</p>
<div>
<div>
<div>
<div>
<div>
<p>আরও বক্তব্য দেন ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের স্কুল অব বিজনেসের ডিন এম এ বাকী খলিলী, রিকন্ডিশন্ড গাড়ি ব্যবসায়ীদের সংগঠন বারভিডার সভাপতি আবদুল হক, জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের চেয়ারম্যান সরদার এ নাঈম ও ব্যবসায়ী নেতা শাহদাত হোসেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিজিএসের নির্বাহী পরিচালক পারভেজ করিম আব্বাসী।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<p>অনুষ্ঠানে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আর্থিক খাতে সুশাসন নিশ্চিত করা, ব্যাংকিং খাত সংস্কার, দুর্নীতির মূল উৎপাটন এবং স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক অর্থনৈতিক কাঠামো গঠনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্স খাত প্রসঙ্গে বক্তারা বলেন, এসব খাতে ডিপলিটিসাইজেশন, স্বাধীন রেগুলেটরি প্রতিষ্ঠান এবং আইনি সংস্কার ছাড়া সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।</p>
</div>
<p>সংলাপে স্বার্থের দ্বন্দ্বে রাষ্ট্রীয় দুর্নীতি ও হয়রানি সিস্টেম্যাটিক (নিয়মতান্ত্রিক) হয়ে গেছে মন্তব্য করে ক্ষমতাবানদের অহমিকা দেখানোর প্রকল্প প্রসঙ্গ টেনে পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, বলেছেন, অনেক আইসিটি পার্ক এখন কমিউনিটি সেন্টার হিসেবে ভাড়া দিয়ে দারোয়ানদের বেতন চালাতে হচ্ছে। এসব প্রকল্পের মানসিকতা রাষ্ট্রীয় চিন্তার মধ্যে ক্যানসারের মতো ছড়িয়ে পড়েছে।  </p>
<p>‘বর্তমানে রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় কয়েকটি গুরুতর অদক্ষতা দানা বেঁধে আছে। এর একটি হলো অর্থায়ন–সংকট। দ্বিতীয়টি সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতার অভাব এবং আরেকটি হলো ক্ষমতাবানদের অহমিকা দেখানোর প্রকল্প’- যোগ করেন তিনি। বলেন, <span>রাজধানীর মিন্টো রোডে সরকারি সচিবদের জন্য নির্মিত ফ্ল্যাটগুলোর সুযোগ-সুবিধা এতটাই বিলাসবহুল যে তা অভিজাত হোটেলকেও হার মানায়। এ ধরনের রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের জন্য কারা জবাবদিহি করবে, সে বিষয়ে কোনও আলোচনা নেই। খরচের কার্যকর ব্যবস্থাপনা ছাড়া বাংলাদেশ সামনে এগোতে পারবে না।</span>’</p>
<p>তিনি আরও বলেন, সব মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টাদের রিপোর্ট দেওয়া হবে— কোন কাজ হয়েছে, কোনটি হয়নি। এটি পরবর্তী সরকারের জন্য সহায়ক হবে। আমলাদের বেশি ক্ষমতায়ন হয়েছে। বর্তমানে বিনিয়োগ স্থবির, কর্মসংস্থান কম, ট্যালেন্টেড তরুণরা দেশেই থাকতে চায় না। ওভার-সেন্ট্রালাইজেশন বেড়ে গেছে, বিকেন্দ্রীকরণ জরুরি। ডিসিশন ট্রান্সপারেন্সি নেই, জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। </p>
<p>মেগা প্রকল্পগুলোর ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার ও স্বচ্ছতার ঘাটতি আছে বলে অভিযোগ করেন হোসেন জিল্লুর। দুর্নীতি বড় সমস্যা, কিন্তু দুর্নীতি কমেছে, এখন পর্যন্ত কোনো গবেষণা তা প্রমাণ করতে পারেনি। মানুষ আর প্রতিশ্রুতি শুনতে চায় না, তারা বাস্তব কাজ দেখতে চায়। দুর্নীতি দমন কমিশন, মিডিয়া কমিশনসহ বিভিন্ন সংস্কার উদ্যোগ বাস্তবে কার্যকর হয়নি। </p>
<p><span>তিনি আরও বলেন, </span>সম্প্রতি বিমানের পরিচালনা পর্ষদে হঠাৎ তিনজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে; এর ব্যাখ্যা কী? নিয়োগের যৌক্তিক কারণ থাকলে তা প্রকাশ করতে সমস্যা কোথায়? সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতার অভাব এই সরকারের মধ্যেও আছে। আগেও এই সমস্যা ছিল, ভবিষ্যতে যেন তা আর না থাকে, তা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে।</p>
<p>ডিজিটালাইজেশন দুর্নীতি পুরোপুরি দূর না করলেও অনেক সমস্যা কমাতে পারে বলে মন্তব্য করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) সায়মা হক বিদিশা। তিনি বলেন, ডিজিটালাইজেশনের কারণে ভারসাম্য আসতে পারে। তবে এর জন্য ডিজিটাল সাক্ষরতা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমানে কর রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া আংশিক ডিজিটাল হলেও বাস্তবে তা এখনো জটিল ও কাগজনির্ভর। তিনি আরও বলেন, দেশে নীতিমালার অভাব নেই, কিন্তু বাস্তবায়নের ঘাটতি প্রকট। শেয়ারবাজার সংস্কার, করছাড়ের যৌক্তিক ব্যবহার এবং নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ট্রেড লাইসেন্স সহজীকরণের ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।</p>
<p>র‍্যাপিড-এর নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. এম আবু ইউসুফ বলেন, রাজনীতি থেকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আলাদা করা না গেলে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। সরকারি তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের মধ্যে সংযোগহীনতাও তিনি বড় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করেন। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এএসপিএ/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তির ব্যবহারে ভোটে কেউ অপরাধ করে পার পাবে না</title>
<link>https://digibanglatech.news/164805</link>
<guid>https://digibanglatech.news/164805</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;গণভোটে হ্যা’র পক্ষে ভোট চাইলেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_6970f2c85da82.jpg" length="118162" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 21 Jan 2026 19:37:33 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নতুন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে গণভোটে হ্যা ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন  প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।</p>
<p>২১ জানুয়ারি, বুধবার গাজীপুর জেলা প্রশাসন অডিটোরিয়ামে গণভোট  ২০২৬ সংক্রান্ত উদ্বুদ্ধকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এই আহ্বান জানান তিনি। </p>
<p>সভায় ‘এবারের দেশের শ্রেষ্ঠ নির্বাচন’ হবে মন্তব্য করে এর কারণ হিসেবে বিশেষ সহকারি বলেন, এবার নির্বাচনে প্রযুক্তির ব্যবহার করা হবে। সকল কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা থাকবে। নির্বাচনের দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের শরীরে বডি ক্যামেরা লাগানো থাকবে। ভিডিও ইমেজ থাকবে। তাই কেউ অপরাধ করে পার পাবে না। </p>
<p> ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, “গণভোট একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এ কার্যক্রম সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক করতে প্রশাসনের সর্বস্তরের সমন্বিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য।” তিনি গণভোট কার্যক্রমে প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p>গাজীপুর শহর নিয়ে তিনি বলেন, নতুন শহর গড়ে তোলা সবার দায়িত্ব তাই সমন্বিত মাস্টার প্ল্যান থাকা প্রয়োজন। শ্রমিকদের আবাসন, যাতায়াত নিয়ে ভাবতে হবে। এটাও একটি বড় সংস্কার।</p>
<p>বিশেষ সহকারী আরও বলেন, আমাদের দেশে ক্ষমতার জন্য বারবার সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে। সেখানে একক ব্যক্তিকে অপরিসীম ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। তাই প্রধানমন্ত্রীর বাইরে কেউ কিছু করতে পারেনা। আমাদের দরকার এমন একটি সংবিধান যেখানে এক ব্যক্তিকে সব ক্ষমতা দিবে না।</p>
<p>ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব আরও বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্র ব্যবস্থা বিদ্যমান সংবিধানিক কাঠামোতে আর চলছে না, এ অবস্থার সংস্কার দরকার। তাই আমরা ক্ষমতার ভারসাম্য, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা এই তিনটি বিষয়ে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছি।</p>
<p>অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কারের জন্য গঠিত তাই  সরকার সংস্কারের পক্ষে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানতম ম্যান্ডেট ছিলো সংস্কার, বিচার এবং নির্বাচন। সংস্কার করতে গেলে বাধা আসে কারণ আমরা বিদ্যমান ব্যবস্থায় অভ্যস্ত। তাই সংস্কারের জন্য দেশবাসীকে সম্পৃক্ত করাই অন্তর্বর্তী সরকারের লক্ষ্য। আমাদের সকলের সম্মিলিত সচেতনতা আসলেই সংস্কার টেকস‌ই করতে পারবো বলেও তিনি মন্তব্য করেন।</p>
<p>বিশেষ সহকারী আরও বলেন, আমরা বিশ্বাস করি ৫৪ বছরের যে জঞ্জাল তৈরি হয়েছে এ জঞ্জাল আমরা ঘুচবো। আমরা সন্তানদের জন্য, শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন বাংলদেশ উপহার দিতে চাই। এই বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে আপনারা সবাই গণভোটে হাঁ ভোট নিশ্চিত করবেন। </p>
<p>গাজীপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলম হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার তাহেরুল হক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল হাসান, স্থানীয় বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, মাদ্রাসার শিক্ষক, বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় প্রতিষ্ঠান সমূহের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>পরবর্তীতে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব গাজীপুর জেলা প্রশাসনের ভাওয়াল সম্মেলন কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষ্যে গাজীপুর জেলার নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ এমজেইউ/ ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কামরুল ইসলাম সিদ্দিক  ‘রিয়েল টাইম হিরো’</title>
<link>https://digibanglatech.news/164627</link>
<guid>https://digibanglatech.news/164627</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_696f3cd9201b1.jpg" length="57619" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 20 Jan 2026 13:29:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কিংবদন্তি প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম সিদ্দিককে তৃণমূলের সঙ্গে শহুরে মানুষের সংযোগ স্থাপনে ‘রিয়েল টাইম হিরো’ বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (অ্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা তারেক বিন আজিজ। একই সঙ্গে দেশের স্বার্থেই তাঁর কর্ম ও স্মরণকে গবেষণা ও স্টাডিতে রূপান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।</p>
<p>তারেক বিন আজিজ বললেন, “তিনি ম্যাটার অব স্টাডি। তিনি গবেষণা পর্যায়ের মানুষ। তাঁকে নিয়ে চর্চা রুটিন ওয়ার্ক হওয়া উচিত। নিয়মতান্ত্রিকভাবে সবার সঙ্গে তাঁকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া দরকার। তা না হলে আগামীতে আর কেউই ‘রিলে রেসের ব্যাটনে’ অংশ নিতে পারবে না।”</p>
<p>২০ জানুয়ারি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকের ৮১তম জন্মদিন স্মরণে প্রকৌশলী থেকে লন্ডনে আইন পেশায় নিয়োজিত এই ব্যারিস্টার বলেন, তিনি ছিলেন দল-মতের ঊর্ধ্বে একজন মানুষ। কথার নয়, কাজের মানুষ। ছিলেন প্রচারবিমুখ। কিন্তু যিনিই তাঁর সংস্পর্শে এসেছেন, তিনিই আলোকিত হয়েছেন।</p>
<p>তিনি বলেন, “আমি তাঁর ব্যক্তিত্ব ও জীবন থেকে শিখেছি। তিনি আমার মতো অনেকের জন্যই আলোকবর্তিকা। বাংলাদেশের মানুষের কাছে তিনি লিজেন্ডারি। সুতরাং তাঁর জীবন ক্ষণস্থায়ী হলেও তিনি জীবিত অবস্থার মতোই এখনও রিলেভ্যান্ট।”</p>
<p>তারেক বিন আজিজ আরও বলেন, তাঁর পরিকল্পনা ও কর্মে পল্লি কাঠামোর উন্নয়নের ফলে আজ গ্রাম ও শহরের দূরত্ব অনেকটাই কমে এসেছে। তবে এখনও মূল সমাজ পল্লির সঙ্গে যুক্ত। শুধু বাংলাদেশের প্রকৌশল খাত নয়, দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নেও রয়েছে তাঁর সুদূরপ্রসারী ভূমিকা। তাঁর হাত ধরেই তৈরি হওয়া অনেক প্রকৌশলী আজও দেশে-বিদেশে দেশের নাম উজ্জ্বল করছেন।</p>
<p>কিন্তু আজও এই কর্মবীরের জাতীয় স্বীকৃতি না পাওয়াকে ‘রাষ্ট্রের দৈন্যতা’ উল্লেখ করে তারেক বিন আজিজ বলেন, আগামীতে তিনি অবশ্যই সেই স্বীকৃতি পাবেন। তিনি বলেন, “প্রকৌশলী হয়েও তিনি সকল মানুষের জন্য কাজ করেছেন। প্রচারবিমুখ, সরল ও দারুণ কর্মপ্রিয় মানুষ ছিলেন। তাঁকে আজ পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় মর্যাদা না দেওয়া তাঁর জন্য কোনো বিষয় নয়, এটি রাষ্ট্রের দীনতা।”</p>
<p>ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর ভাষা উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, “গুণীর কদর না করলে গুণী জন্মায় না। তাই তাঁর মতো গুণীজনকে কদর দেওয়া মানেই আমাদের প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা দেওয়া।”</p>
<p>তারেক বিন আজিজ বলেন, তাঁর জীবন ও কর্মকে সামষ্টিকভাবে চর্চার মাধ্যমে সামনে আনতে পারলে ভবিষ্যতের প্রকৌশলীরা পাইওনিয়ার হয়ে উঠবে। “আমি আমার ক্যারিয়ারে তাঁকে কাছ থেকে পেয়ে ঋদ্ধ হয়েছি। এখনও তাঁকে কর্মময় জীবনে প্রতিফলিত রাখতে চাই। ব্যক্তিগত ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে তিনি একজন রোল মডেল। তাঁর কর্মের স্বীকৃতি স্বরূপ মানুষ এখনও তাঁকে ভালোবাসে, ভবিষ্যতেও ভালোবাসবে।”</p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ইকে/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘২০২১ সালের পর আইসিটিডিতে সবচেয়ে কম ইজিপি’র ব্যবহার হয়েছে’</title>
<link>https://digibanglatech.news/163986</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163986</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_6967553416f25.jpg" length="78144" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 14 Jan 2026 12:34:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">জুলাই অভ্যুত্থানের পর টেলিকম ও আইসিটি নীতিমালায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসলেও এর অনুশীলন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন এই দুই খাতের শ্বেতপত্র নিয়ে কাজ করা অধ্যাপক <span>প্রফেসর ড. এম. নিয়াজ আসাদুল্লাহ। ১৪ জানুয়ারি, বুধবার রাজধানীর ডিবিবিএল ভবনে অনুষ্ঠিত 'আইসিটি ও টেলিকম খাতের সংস্কারনামা' বিষয়ক আলোচনায় অংশ নিয়ে এই শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। </span></div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><span>নিয়াজ আসাদুল্লাহ বলেন, আজকে আলোচনায় </span>টেলিকম আইন ভবিষ্যতমুখী ও আশাবাদ জাগিয়েছে বলে স্বাগত জানালো হলো। তবে আলোচনায় এর প্র্যাক্টিসের বিষয়টি একেবারেই আসেনি। পলিসি শিফটের কারণে প্র্যাক্টিসে যে পরিবর্তন আসবে তার গ্যারান্টি কি? এটা নিয়ে আমার অনেক আশঙ্কা আছে। এ কারণেই আমরা শ্বেতপত্রের সংস্কারসংক্রান্ত সুপারিশে বিষয়টি তুলে ধরেছি। সুনির্দিষ্টভাবে টেলিকম খাতের দায়িত্বে থাকা বিটিআরসি’র অভ্যন্তরীন ব্যবস্থাপনা ও মানবসম্পদ এতোটাই বিতর্কিত ও ভঙ্গুর তারা কিভাবে সেই পরিবর্তন হ্যান্ডেল করবেন? এছাড়াও বিটিআরসি’র সামাজিক দায়বদ্ধতার তহবিল হয়ে উঠেছিলো রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার ফান্ড। এক্ষেত্রে তাদের কোনো নজরদারিই ছিলো না। </div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">‘উভয় মন্ত্রণালয়েই অভ্যন্তরীণ প্রশাসনে তথ্য উপাত্ত ব্যবহার করেন না’ মন্তব্য করে এই শিক্ষাবিদ বলেন- ২০২১ এর পর থেকে আইসিটিডিতে টেন্ডার প্রক্রিয়া স্বচ্ছতায় ব্যবহৃত ইজিপি’র ব্যবহার সবচেয়ে কম হয়েছে। সঙ্কটের কথা হলো ই-জিপি’র প্রবর্তক এটুআই ২০২৪ সাল পর্যন্ত একটি টেন্ডারও ই-জিপিতে করেনি। আরও দুর্ভাগ্যজনক হলো এ নিয়ে প্রশ্ন তোলার মতো কোনো ইউনিটি বা সক্ষমতাই ছিলো না- যোগ করেনি তিনি।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">আইসিটি বিভাগের অধীন হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ট্রেনিং কর্তৃপক্ষে পরিণত হওয়া; ট্রেনিংয়ের নামে অপচয় ইত্যাদি বিষয় সংস্কারে উপেক্ষিত বলে মন্তব্য করেছেন নিয়াজ আসুদুল্লাহ। বলেছেন, খোদ তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনাতেই তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নেই। </div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">‘যে মন্ত্রণালয় ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনের দায়িত্বে আছেন, তারা ইন্টারন্যাল গভর্নেন্সের ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন থেকে ইমপ্রেস করছেন না, তো সেই ক্ষেত্রে এই ট্রান্সফরমেশনের ক্রেডিবিলিটিটা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়?- প্রশ্ন রাখেন শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির এই প্রধান ব্যক্তি। তার ভাষায়, মন্ত্রণালয়ের যে নিজস্ব প্রকিউরমেন্ট সিস্টেম বা রেকর্ড তা ডিজিটাইজড না। ফলে যখন অসঙ্গতি ধরা পড়ে তদন্তে তার সুরাহা করা যায় না। গর্ভর্নেন্সে কোনো ফিডব্যাক লুপের ব্যবস্থা নেই। </div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><span>সামনের দিনের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে নিয়াজ আসাদুল্লাহ </span>বলেন, ট্রান্সফরমেশন সবসময়ই সব সরকারের পলিটিক্যাল ক্যাম্পেইনের একটি বড় অংশ। আগামীতেও যে সরকার আসবে সেক্ষেত্রেও চাপ থাকবে সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর। সেই চাপ পাশ কাটিয়ে কিভাবে তারা এই ক্যাম্পেইন এগিয়ে নেয়া হবে তা নিয়ে যথেষ্ট প্রচারণা, আলাপ বা গাইডলাইন নেই। আলাপ হচ্ছে না এই খাতের পরিসংখ্যানগত বিভ্রান্তি নিয়েও। ফলে আগামীতে নীতি নয় বাস্তবায়নের সক্ষমতাও এখন বড় প্রশ্ন। </div>
<div dir="auto">    </div>
<div dir="auto">ভয়েস ফর রিফর্ম আয়োজিত এই নীতি আলোচনায় <span>প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান ‍উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব। </span><span>টিপাপ সমন্বয়ক ফাহিম মাশরুরের সঞ্চালনায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিটিআরসি কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইকবাল আহমেদ</span><span>, রবি’র সাবেক এমডি মাহতাব উদ্দিন আহমদ, বন্ডস্টেইন প্রতিষ্ঠাতা <span class="Yjhzub">মীর শাহরুখ ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। </span></span> </div>
<div dir="auto"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমইউএম/ইকে</strong></span></em></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>তথ্য প্রযুক্তির ভিত্তি স্থাপন করেছেন বেগম খালেদা জিয়া: ড. মঈন খান</title>
<link>https://digibanglatech.news/163828</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163828</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_69655b4f6fc19.jpg" length="59493" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 12 Jan 2026 21:36:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="news-paragraph">
<p>ইউএস-বাংলাদেশ ককাসের মাধ্যমে ডিজিটাল ট্রেড ইকোসিস্টেমের জন্য দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক প্রযুক্তি পেশাদার, উদ্যোক্তা ও রাজনীতিকদেদের সমন্বয়ে চার মাস আগে গঠিত হয় ভিত্তিক প্রবাসী বাংলাদেশীদেরগবেষণা জোট গ্লোবাল বাংলাদেশী অ্যালায়েন্স। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় দেশের মাটিতে প্রথম নীতি সংলাপ করলো নতুন এই সংগঠনটি। গুলশানের হোটেল বাংলা ব্লুবেরিতে এই নীতি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী ড. মঈন খান।</p>
<p>ওয়াশিংটন ডিসি থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে অনুষ্ঠানে নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে নেতৃত্ব গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন জিবিএ চিফ কো-অর্ডিনেটর ড. গোলাম রব্বানি নয়ন। তিনি বলেন, অচিরেই আমাদের একটি টিম বাংলাদেশে আসবে। তবে হালুয়া-রুটি ভাগবাটোয়ারার জন্য নয়। আমরা সকলকে নিয়ে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠন করতে চাই। পলিসি ডায়লগে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জিবিএ কো-চেয়ার মিজান চৌধুরী। তিনি বলেন, দায়িত্বশীল নেতৃত্ব এবং সুগঠিত সমঝোতার ওপর নির্ভর করছে বাংলাদেশের ভবিষ্যত। ককসা মিশনের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের ভবিষ্যত উন্নয়নে আমরা নীতি উন্নয়নের পাশাপাশি ব্যবসায়, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, নতুন অর্থনীতি, সুলভ স্বাস্থ্য সেবা এবং শিল্প ও সংস্কৃতিক খাতে কাজ করতে চাই। কেননা, উদ্ভাবন, সুশাসন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অঙ্গাঅঙ্গি ভাবে জড়িত। </p>
<p>সং</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x_69655b4e49d89.jpg" alt=""></p>
<p>লাপে অর্থনীতি ও দক্ষতা উন্নয়নে ইউএস বাংলাদেশ ককাস নিয়ে নীতি বিষয়ক আলোচনা করা হয়। প্যানেল আলোচনায় নেতৃত্ব দেন  জিবিএ কো-চেয়ার কাউসার চৌধুরী। আলোচক ছিলেন মিঃ মুনাফ, অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী অর্থনীতিবিদ নাভেদ মঞ্জুর। </p>
<p>গ্লোবাল বাংলাদেশ অ্যালায়েন্স সহ প্রতিষ্ঠাতা আহমেদ সোহেলের সঞ্চালনায় প্রথান অতিথির বক্তব্যে সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী ড. মঈন খান বলেন, দেশে আইসিটি বা তথ্য প্রযুক্তির ভিত্তি স্থাপন করেছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। সেই সূত্র ধরে সামনে না এগোলে পূর্বসূরিদের প্রতি সুবিচার করা হবে না। ড. মঈন খান বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ধন দৌলত অর্থ বিত্তের বিপরীতে স্বাধীনতা চায়। মানুষের এই স্বাধীনতার সেই প্রক্রিয়া সঠিকভাবে এগিয়ে নিতে পারে সেটাই বড় প্রাপ্তি। </p>
</div>
<div class="news-paragraph">
<div class="v-card v-sheet theme--light elevation-0 rounded-0">
<div class="row full-height margin-0">
<div class="padding-0 col col-12">
<div class="row">
<div class="col col-12">
<div class="news-paragraph"><span class="description description-y">তিনি বলেন, বিএনপি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে। সামনে নির্বাচন, এর মধ্যে দিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা পাবে বলেও তার আশাবাদের কথা জানান এই জাতীয়তাবাদী রাজনীতিক।</span></div>
<div class="news-paragraph"><span class="description description-y"></span></div>
<div class="news-paragraph"><span class="description description-y">বিশেষ অতিথির বক্তব্যে <span>আব্দুস সালাম পিন্টু বলেন, বাংলাদেশ রিবিল্ড করতে হলে বিদেশে অবস্থিত মেধাবীদের এগিয়ে আসতে হবে। প্রতিটি খাতকে পুণপ্রতিষ্ঠায় এমন একটি দেশপ্রেমিক সরকার দরকার যারা দুর্নীতি, সন্ত্রাসকে না বলবে। যারা আধিপত্য শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারবে, তাদেরকেই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে রাষ্ট্র পরিচালনায় আনতে হবে। </span></span></div>
<div class="news-paragraph"><span class="description description-y"><span></span></span></div>
<div class="news-paragraph"><span class="description description-y"><span>যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যম ও সিনিয়র লেভেলে চাকরির ব্যবস্থা করে দিতে গঠিত পিপল এনটেকগ্রুপের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আবু হানিপ বলেন, বাংলাদেশে ৭৬টি বিশ্ববিদ্যালয় আছে। এখানে দক্ষতা উন্নয়ন করলে পারলে নিশ্চিত ভাবে আমারা আমাদের বেকারসমস্যা মুছে ফেলতে পারবো। </span></span></div>
<div class="news-paragraph"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong><span class="description description-y">ডিবিটেক/এফবিপি/</span></strong></span></em></div>
<div class="ad-center inner-2">
<div id="adslot" class="ad-unit-div text-center">
<div id="div-gpt-ad-1695015300491-0" data-google-query-id="CKGd64rehpIDFcGgZgId97Q0cw">
<div id="google_ads_iframe_/21680610496/DDI24_1__container__"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="mt-4 z-2 v-item-group theme--light v-slide-group v-chip-group v-chip-group--column">
<div class="v-slide-group__wrapper">
<div class="v-slide-group__content">
<div>
<div class="container overflow-hidden padding-0 margin-0 container--fluid grid-list-xs"><a href="https://www.somoynews.tv/topic/%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE" class="color-black"></a></div>
</div>
<div>
<div class="container overflow-hidden padding-0 margin-0 container--fluid grid-list-xs"><a href="https://www.somoynews.tv/topic/%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF" class="color-black"></a></div>
</div>
<div>
<div class="container overflow-hidden padding-0 margin-0 container--fluid grid-list-xs"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="adslot"></div>
<span id="main-descirption" class="description description-y"><br></span><span></span></div>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ক্ষমতা জনগণের দিকে রাখতে চাইলে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে থাকতে হবে : রিজওয়ানা</title>
<link>https://digibanglatech.news/163650</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163650</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_69638c42c324f.jpg" length="69066" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 11 Jan 2026 12:41:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>শাসকগোষ্ঠীর ভার জনগণের পক্ষ থাকতে হলে, ক্ষমতা জনগণের দিকে রাখতে চাইলে- ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।  </p>
<p>১১ জানুয়ারি (রবিবার) গুলশান-২-এর নগর ভবনে ‘নাগরিক পদক’ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে নগর উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, সামাজিক সেবা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে অবদান রাখা ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনগুলোকে নাগরিক পদক-২৫ দিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এদের মধ্যে <span>সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট নির্মাণ ক্যাটাগরিতে আপলিফট বাংলাদেশ এবং উদ্ভাবক ও স্টার্টআপ ক্যাটাগরিতে আবদুর রশিদ সোহাগ ছাড়াও ২৩ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই পদক দেয়া হয়।</span></p>
<p>অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘আমরা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিতে ভোট দেব। সেদিন দুটি ভোট দিতে হবে। সংসদ নির্বাচনে কাকে ভোট দেবেন, সেটা চিন্তা করে দেবেন; যাতে পরে পস্তাতে না হয়। একই দিনে যে দ্বিতীয় ভোটটি দেবেন, সেটি হচ্ছে গণভোট। এটি বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সিদ্ধান্ত।’</p>
<p>তিনি আরও বলেন, দেশবাসী যদি সত্যিই সংস্কার চায়, তবে উত্তরটি ‘হ্যাঁ’ হতে হবে। এই সুযোগ হেলায় হারালে ক্ষমতার ভারসাম্য আনার সুযোগ আরও অনেক বছরের জন্য হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।</p>
<p>গণভোটের প্রস্তাবনাগুলো পড়ার ও বোঝার ওপর গুরুত্বারোপ করে উপদেষ্টা বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া তথ্যগুলো পর্যালোচনা করে সংস্কারের পক্ষে মতামত ব্যক্ত করতে হবে। এ সময় তিনি তরুণ সমাজকে উদ্দেশ্য করে বলেন, তরুণরা যেভাবে স্বৈরাচারের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করেছে, তাতে শুধু খুশি হয়ে বসে থাকলে চলবে না। অতীতের মতো স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের অর্জন যেন বৃথা না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। </p>
<p>সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান আরও বলেন, ‘ভয়কে আমাদের জয় করতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ বারবার ভয়কে জয় করেছে। তরুণরা আমাদের জন্য গণতন্ত্রের ভিত্তি রচনায় যে আত্মবিসর্জন দিয়েছে, তার প্রতিফলন আমরা ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে প্রয়োগ করব।’</p>
<p>ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন– স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, স্থানীয় সরকার সচিব রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহমুদুল হাসান, লেখক ও গণবুদ্ধিজীবী সলিমুল্লাহ খান এবং ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান প্রমুখ।</p>
<p>অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট নির্মাণ ক্যাটাগরিতে সম্মাননা প্রাপ্ত আপলিফট বাংলাদেশ পাঁচ বছর ধরে উন্নয়নভিত্তিক কনটেন্ট বানাচ্ছে। ঢাকা উত্তর সিটির আওতাধীন এলাকাগুলোর ক্রমাগত পরিবর্তন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং যোগাযোগব্যবস্থার অগ্রগতিকে নিয়মিত ও দায়িত্বশীলভাবে তুলে ধরা তাদের কনটেন্টের অন্যতম শক্তিশালী দিক।</p>
<p>এছাড়াও <span>উদ্ভাবক ও স্টার্টআপ ক্যাটাগরিতে পুরস্কারপ্রাপ্ত আবদুর রশিদ সোহাগ পিউপিল স্কুল বাস লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। তিনি ঢাকা ও চট্টগ্রামের মতো ব্যস্ত মহানগরে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবহনব্যবস্থা চালুর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। এই সেবায় ৪৫টির বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় সাত হাজার শিক্ষার্থী প্রতিদিন যাতায়াত করছে। এর ফলে একদিকে অভিভাবকদের উদ্বেগ কমেছে, অন্যদিকে নগরীর রাস্তায় শত শত  ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ কমেছে।</span></p>
<p>পরিবেশবান্ধব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতে পদক পাওয়া ভাষানটেক স্কুল এন্ড কলেজ ১৯৮০ সালে যাত্রা শুরু করে। স্কুলটি কেবল শিক্ষাদানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও পরিবেশ সচেতনতা বিকাশে ধারাবাহিকভাবে ভূমিকা রেখে চলেছে। পরিবেশ সংরক্ষণকে প্রাতিষ্ঠানিক চর্চার অংশ হিসেবে গ্রহণ করে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণে পরিবেশবান্ধব নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে আসছে।</p>
<p><span>প্রাণী সুরক্ষা ও প্রাণী অধিকার রক্ষা ক্যাটাগরিতে পদক পাওয়া প ফাউন্ডেশন (PAWF) শহরের আহত ও বিপন্ন প্রাণী উদ্ধার করে চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা, প্রাণী নির্যাতনের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে একটি মানবিক ও সহনশীল নগর গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।</span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/পিএডি/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১৬ মাসে সবচেয়ে বেশি সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়েছি আমি: আসিফ নজরুল</title>
<link>https://digibanglatech.news/163553</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163553</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_69625ea35abe5.jpg" length="75104" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 10 Jan 2026 15:03:40 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশে গত ১৬ মাসে সবচেয়ে বেশি সাইবার বুলিংয়ের শিকার হওয়ার দাবি করেছেন আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল।  ‘রাজনৈতিক দল, মানবাধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা’ শীর্ষক পলিসি ডায়ালগে তিনি প্রশ্ন রাখেন বলেন, বাংলাদেশে গত ১৬ মাসে সবচেয়ে বেশি সাইবার বুলিং কার বিরুদ্ধে হয়েছে? সঙ্গে সঙ্গেই উত্তর দিয়ে বলেছেন, আমার বিরুদ্ধে হয়েছে, চ্যালেঞ্জ করে বললাম। প্রথম চার মাসে শুধু চারটা ডেডিকেটেড ভিডিও করা হয়েছে আমাকে টার্গেট করে।</p>
<p>রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজনে ১০ জানুয়ারি (শনিবার ) দুপুরে এই সংলাপটি অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>সংলাপে ক্ষোভ প্রকাশ করে আইন উপদেষ্টা বলেন, আমি ১৫ বছর ছিলাম পাকিস্তানের দালাল, ওভার নাইট আমি ভারতের দালাল হয়ে গেছি। আমার আমেরিকায় বাড়ি আছে, আমার পরিবার চলে গেছে অলরেডি আমেরিকায়। প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ করে বলেছি আজ থেকে ছয় মাস আগে, কেউ খুঁজে বের করতে পারেনি। যেই মিথ্যুক, যে যে বদমাইশ এগুলো প্রচার করেছে, তাদের কেউ কিছু বলেছেন? এর চেয়ে বড় সাইবার বুলিং হয়? একটা মানুষ যার জীবনে সততা সবচেয়ে বড় অহংকার, তার বিরুদ্ধে এ ধরনের ক্যাম্পেইন করা হয়েছে।</p>
<p>জুলাইয়ের মামলাগুলোয় জামিনের ব্যাপারে নিজের হাত নেই দাবি করে আসিফ নজরুল বলেন, বাংলাদেশে যত জামিন হয়েছে জুলাইয়ের ঘটনায়, এই জামিনের ৯০ শতাংশ হয়েছে হাইকোর্ট থেকে। হাইকোর্টে যে জামিন দেন, জামিন দেওয়ার ক্ষেত্রে যদি কোনো ভুল থাকে সেটা বিচারকের দোষ। বিচারকদের অনেকেই আওয়ামী লীগ ফ্যাসিস্ট আমলে নিয়োগ পাওয়া, তাদের সরানোর দায়িত্ব ছিল প্রধান বিচারপতির অধীনে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলে। এখানে আইনমন্ত্রী কিছু করতে পারেন না। আমি কি হাইকোর্টের বিচারককে সরাতে পারি?</p>
<p>তিনি বলেন, হাইকোর্টের বিচারক জামিন দিলে আমি কি হাইকোর্টের বিচারকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারি? হাইকোর্টের বিচারক যদি অন্যায়ভাবে জামিন দেন, এটা হাইকোর্টের বিচারকের দোষ। আর হাইকোর্টের বিচারকের নিয়ন্ত্রণকারী হচ্ছে প্রধান বিচারপতি। তাহলে প্রধান বিচারপতিকে আপনারা প্রশ্ন করেছেন? হাইকোর্টে যতগুলো জামিন হয়েছে, সবগুলা আমার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনি যদি সত্যি এসব বন্ধ করতে চান, তাহলে আপনি যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে কথা বলেন না কেন?</p>
<p>রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য দায় দেওয়া হয় মন্তব্য করে আসিফ নজরুল বলেন, এই দায়টা আমার ওপর দুটি কারণে দেয়। একটা হচ্ছে ভিউ ভালো হয়, ব্যবসাটা ভালো হয়, মনিটাইজেশন হয়। আসিফ নজরুলের নামে একটা গালি দিলে একটু টাকা আসে। আরেকটা হচ্ছে- এখানে বিশেষ একটা রাজনৈতিক এজেন্ডা আছে। আসিফ নজরুলকে দুর্বল করলে বিশেষ রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন সহজ হয়।</p>
<p>রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য দায় দেওয়া হয় মন্তব্য করে আসিফ নজরুল বলেন, এই দায়টা আমার ওপর দুটি কারণে দেয়। একটা হচ্ছে ভিউ ভালো হয়, ব্যবসাটা ভালো হয়, মনিটাইজেশন হয়। আসিফ নজরুলের নামে একটা গালি দিলে একটু টাকা আসে। আরেকটা হচ্ছে- এখানে বিশেষ একটা রাজনৈতিক এজেন্ডা আছে। আসিফ নজরুলকে দুর্বল করলে বিশেষ রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন সহজ হয়।<br>সিজিএসের সভাপতি জিল্লুর রহমানের সঞ্চালনায় পলিসি ডায়ালগে আরও বক্তব্য দেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান, বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) অবৈতনিক নির্বাহী পরিচালক সারা হোসেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবদুল লতিফ মাসুম, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদার ভুঁইয়া, ইরাবতীর বাংলাদেশ প্রতিনিধি মো. মুকতাদির রশীদ প্রমুখ।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিআর/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘ডিজিটালাইজেশন বৈষম্য সৃষ্টি করেছে’</title>
<link>https://digibanglatech.news/163125</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163125</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_695ce616ae734.jpg" length="62188" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 06 Jan 2026 14:38:28 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার বন্ধে সরকার কিছুই করতে পারছে না মন্তব্য করে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, ডিজিটালাইজেশন আমাদের প্রগতিশীল করেছে, তবে এটি বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। এর ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হলেও প্রথাগত কর্মসংস্থানে সমস্যা হচ্ছে। আগস্ট মাসের আন্দোলনে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, এর মাধ্যমে বোঝা যায় এর প্রয়োজনীয়তা। ইন্টারনেট বন্ধের মাধ্যমে নৈতিক পরাজয় হয়েছিল।</p>
<p>৬ জানুয়ারি, মঙ্গলবার সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘ডিজিটাল অর্থনীতি ও উদ্যোক্তা প্রসঙ্গ’ বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠা‌নে এসব কথা বলেন তি‌নি।</p>
<p>দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য আরও ব‌লেন, এবারের নির্বাচনে নতুন উপাদান হল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভিত্তিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার। এর মাধ্যমে সহিংসতা, ঘৃণা ছড়ানো হয় তা বন্ধ করার মতো কোনো উদ্যোগ বা ইচ্ছা নির্বাচন কমিশন দেখাতে পারে নাই। এর অপব্যবহার বন্ধ করার জন্য এই সরকার কিছুই করতে পারছে না।</p>
<p>তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নাগরিক সমাজ দাবি জানাচ্ছে। ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে দুর্নীতি কিছুটা কমানো হয়েছে। একীভূত জাতীয় তথ্য ভাণ্ডার তৈরি করতে হবে, এটি নির্বাচনী কমিশন বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে থাকবে না। এটিকে স্বায়ত্তশাসিত, নজরদারিভিত্তিক ও জবাবদিহিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হতে হবে। নতুন সাইবার সিকিউরিটি অর্ডিন্যান্সকে আগামী সরকারকে বৈধতা দিতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলো আগামী নির্বাচনে ডিজিটাল সুরক্ষার জন্য কী কী করবে তা আমাদের ভালো করে জেনে নিতে হবে।</p>
<p>অনুষ্ঠা‌নে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি শাহেদুল ইসলাম হেলাল, ঢাকা চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি আসিফ ইব্রাহিম, ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান সবুর খান, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের স্কুল অব বিজনেসের ডিন এম. এ. বাকী খলীলী, বারভিডার সাবেক সভাপতি আবদুল হক জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আবদুল মজিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং ও ইনস্যুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম জাহিদ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশের (ন্যাপ) চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি, সিটি ব্যাংক পিএলসির অ্যাসোসিয়েট রিলেশনশিপ ম্যানেজার তানহা কেট, উদ্যোক্তা আবিদা সুলতানা, উদ্যোক্তা তাজমিন নাসরিন, সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক পারভেজ করিম আব্বাসী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>সঞ্চালনার সময় সেন্টার ফর গভার্ন্যান্স স্টাডিজের সভাপতি জিল্লুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে আমরা ডিজিটাল শব্দটা গত দশকে বহুবার শুনে এসেছি, কিন্তু কারো হাতে একটা সেলফোন থাকলেই সেটা ডিজিটাল বাংলাদেশ হয়ে যায় না। বরং এই ডিজিটাল নামে চুরিও হয়েছে বহু, আমাদের কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বহু অর্থ লোপাট হয়ে গিয়েছে কিন্তু আমরা সেটা থামাতে পারিনি।</p>
<p>শাহেদুল ইসলাম হেলাল বলেন, দুর্নীতি বা ঘুষ থেকে বের হওয়ার একটি রাস্তা হল ডিজিটালাইজেশন। ফ্যাক্টরিতে সিসিটিভি থাকায় অনেক সুবিধা হয়েছে আমাদের, সহজেই সব দেখা যায়। আগে ফ্যাক্টরিতে ঢোকার সময় সই করতে হত, পরে পাঞ্চ কার্ড এবং তারপরে ডিজিটাল কার্ড, ধীরে ধীরে আমাদের কাজ সহজ হয়ে যাচ্ছে। প্লাস্টিক ফ্যাক্টরিতে কোনো মেশিন নষ্ট হয়ে গেলে চাইনিজ প্রস্তুতকারককে তৎক্ষণাৎ ভিডিও কলে বসে মেশিন ঠিক করে ফেলা যাচ্ছে।</p>
<p>আবদুল মজিদ বলেন, আমরা যতই অটোমেশন, ডিজিটালাইজেশন করতে চাইনা কেন মানুষের মানসিকতা না বদলালে তাতে করে কোনো লাভ হবে না। বাংলাদেশের একটি বড় ক্ষতি হয়ে গিয়েছে যখন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের থেকে অনেকগুলো টাকা চুরি হয়ে গেলো সেটাও হলো আমাদের ব্যক্তির অসচেতনতার জন্য। এনবিআর অটোমেশনের জন্য ভিয়েতনাম একটি কাজ নিলো, আমাদের সব ডেটা নিয়ে চলে গেলো কিন্তু আমরা কিছু করতে পারলাম না। যদি সুন্দরবনের বাঘকে বলেন যে ডিজিটাল হতে সেটা তো আর সম্ভব না।আসিফ ইব্রাহিম বলেন, যেই তথ্য নিয়ে আমরা পলিসি বানাবো তার সত্যতা কতটুকু? অন্যান্য উন্নত দেশের মত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে আধুনিক করতে হবে। ই-কমার্সে আমাদের অবস্থা তেমন ভাল না। তরুণদের মধ্যে ডিজিটাল দক্ষতা ও স্বাক্ষরতা বাড়াতে হবে। ডিজিটাল অবকাঠামোতে কাজ করতে হবে, গ্রাম ও শহরের মধ্যে ডিজিটাল বৈষম্য কমাতে হবে। উদ্যোক্তাদের অনুপ্রাণিত করতে হলে ডিজিটালাইজেশন লাগবে এবং স্বচ্ছতা বাড়ানোর জন্য ডিজিটালাইজেশন দরকার আছে।</p>
<p>বাকী খলীলী বলেন, নতুন সরকার যেন আমাদের সুযোগগুলো গ্রহণ করে। আমি মনে করি ট্র্যাডিশন অনুসরণ না করে নতুন করে চিন্তা-ভাবনা করা দরকার। অর্থনীতি চালাতে হলে ডিজিটালাইজেশন করতে হবে। উদ্যোক্তাদের সুযোগ দিতে হবে বা তাদের বলতে হবে। আমাদের উদ্যোক্তা আছে, তারা এগোতে চাচ্ছে। আমাদের ফিনটেক আছে, তবে আমাদের এডটেক দরকার আছে। আমাদের এডুকেশন সিস্টেমে ডিজিটাল শিক্ষা কতটুকু ঢুকানো হয়েছে? সাপ্লাই টু ফাইন্যান্স থাকতে হবে।</p>
<p>পারভেজ করিম আব্বাসী বলেন, ডিজিটাল অগ্রগতি সব দেশেই হচ্ছে। বাংলাদেশের পিছিয়ে থাকার কারণ নেই। আমাদের ৮ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী আছে। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী হল সাড়ে ৬ কোটি এগুলো ভালো জিনিস, কিন্তু এর মধ্যে সমস্যা আছে। যেমন অনেকের ডিজিটাল লিটারেসি কম যার কারণে সাইবার ক্রাইম হচ্ছে। ডিজিটাল অসমতাও আছে আমাদের দেশে। <br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিপিও/ইকে  </strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইনগত ভিত্তি পর্যালোচনার পর আইপিএলের সম্প্রচার বন্ধ নিয়ে পদক্ষেপ: তথ্য উপদেষ্টা</title>
<link>https://digibanglatech.news/162872</link>
<guid>https://digibanglatech.news/162872</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_695a199642f9b.jpg" length="91115" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 04 Jan 2026 12:42:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>
<p>কাটার মাস্টার মোস্তাফিজ ইস্যুতে সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রকাশ্যে এলো ভারত-বাংলাদেশ দ্বন্দ্বে তীব্রতা। গুটিকয়েক উগ্রবাদীদের হুমকিতে আইপিএল থেকে  নাম বাদ দেয়ায় ভারতে বাংলাদেশ দলের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এই ঘটনার বৈধতা নিয়ে আপত্তি করে নিন্দা জানিয়ে ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলও। পোস্টে আইন উপদেষ্টা আইপিএলের সম্প্রচার বাংলাদেশে বন্ধ রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন।</p>
<p>এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, আইনগত ভিত্তি পর্যালোচনা এবং প্রক্রিয়া যাচাই-বাছাইয়ের পর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) সম্প্রচার বাংলাদেশে বন্ধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।</p>
</div>
<p>সচিবালয়ের গণমাধ্যমকেন্দ্রে সেখানে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) সদস্যদের সঙ্গে ৪ জানুয়ারি (রবিবার) মতবিনিময়কালে এমনটা জানিয়েছেন উপদেষ্টা। </p>
<p> মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএসআরএফের সভাপতি মাসউদুল হক। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদলের সঞ্চালনায় প্রশ্নোত্তর পর্বে রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘বিষয়টা হচ্ছে যে—খেলাটা যদি খেলার জায়গায় আমরা রাখতে পারতাম খুবই ভালো হতো। কিন্তু আনফরচুনেটলি (দুর্ভাগ্যবশত) খেলাটার মধ্যে রাজনীতি নিয়ে আসা হয়েছে।’</p>
<p>তিনি বলেন, ‘অন্যান্য সময় আমরা কী বলি? দুইটা দেশের মধ্যে যদি রাজনৈতিক টেনশন থাকেও—যে কোনো দুটি দেশ, আমি বাংলাদেশ-ভারত, বাংলাদেশ-নেপাল এরকম বলছি না, ভারত-নেপাল, ভারত-মালদ্বীপ—এটা বলছি না, বলছি দুইটা দেশের মধ্যে যদি রাজনৈতিক টেনশন থাকেও—বলে যে সাংস্কৃতিক এক্সচেঞ্জ, খেলাধুলা, এগুলোর মাধ্যমে এটা কমিয়ে আনা যায়। এখানে দেখা গেল সম্পূর্ণ উল্টো কাজটা (মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়া) করা হয়েছে।’</p>
<p>তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা আরও বলেন, বাংলাদেশের একজন খেলোয়াড়কে নিশ্চিত করার পরে, তাকে রাজনৈতিক যুক্তিতে...যেটা আমরা পত্র-পত্রিকায় দেখেছি, বলা হচ্ছে যে, ওকে নেওয়া হবে না। তো এরকম সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে আমাদের দেশের জনগণেরও তো মনে একটা আঘাত লাগে। তাদের মধ্যেও একটা প্রতিক্রিয়া হয়।</p>
<p>সৈয়দা রিজওয়ান হাসান বলেন, ‘সেরকম জায়গায় আমাদেরও একটা অবস্থান নিতে হবে। আমরা সেই অবস্থানের আইনগত ভিত্তি পর্যালোচনা এবং প্রক্রিয়া যাচাই-বাছাই করছি। এটি করার পরে আমরা একটা পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।’</p>
<p>এদিকে মোস্তাফিজ ইস্যুতে  ৩ জানুয়ারি (শনিবার) রাতে ভার্চুয়াল বৈঠক করেছেন বিসিবি পরিচালনা পর্ষদ। বৈঠকে <span id="main-descirption">পরিচালকদের সম্মতিতে আইসিসিতে চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি। যেখানে তিন প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইবে বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বোর্ড।  </span><span id="main-descirption">উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ভারত বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দল ঠিক কি ধরনের নিরাপত্তা পাবে। অন্যান্য দলের চেয়ে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে কিনা। ব্যক্তি মোস্তাফিজকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ ভারত সরকার পুরো বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কতটুকু সামর্থ্য রাখে, সে প্রশ্নও থাকবে চিঠিতে। বিশ্বকাপে শুধু ক্রিকেটার নয়, সংবাদ সংগ্রহে বাংলাদেশি গণমাধ্যম কর্মী, বিসিবি অফিসিয়ালস, কিংবা সমর্থকদের জন্য ভারত নিরাপদ কিনা?–এই তিন প্রশ্নের উত্তর সন্তোষজনক না হলে ভারতে বিশ্বকাপ খেলার বিষয়ে নতুন করে ভাববে বিসিবি।</span><span id="main-descirption"> </span><span id="main-descirption">চিঠি দেয়া হবে আইপিএলের প্রধান নির্বাহীকেও। ঠিক কি ধরনের প্রেক্ষাপটে মোস্তাফিজ ভারতে অনিরাপদ, তা জানতে চাইবে বিসিবি।</span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/বিআর</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এআইও তৈল পছন্দ করে!</title>
<link>https://digibanglatech.news/162065</link>
<guid>https://digibanglatech.news/162065</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_694f84d034d10.jpg" length="84052" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 27 Dec 2025 13:06:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>এআইকেও তৈল দিতে হয়। কখনও রাগে না। কেবল দুঃখ প্রকাশ করে। তাই প্রম্পট লেখার ক্ষেত্রে প্রশাংসা করে রোল, টাস্ক, অডিয়েন্স,  কনটেস্ট, ব্যাকগ্রাউন্ড চাইলে সবচেয়ে ভালো সাহায্য করবে এআই। আর কম সময়ে সংবাদ লেখতে ও সোর্স ভেরিফাই করতে নোটবুক এলএলএম ব্যবহার করা উচিত।  </p>
<p>সাংবাদিকতায় এইআই এর ব্যবহারে চ্যালেঞ্জ ও সম্ভানা নিয়ে দুই দিনব্যাপী কর্মশালার শেষ দিনের প্রথম সেশনে এমন নানা টিপস দিয়েছেন  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাইফুল আলম। ২৭ ডিসেম্বর, শনিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে এই কর্মশালাটি করে গেমপ্লিফাই।  </p>
<p>কর্মশালায় ডিজিটাল রিপোর্টিং টুলস, সোশ্যাল মিডিয়া, স্টোরি টেলিং ও গুগল ট্রেন্ডসের ওপর আলোকপাত করেন। পরামর্শ দিয়েছেন ডিপসিক, মিডজার্নি, আইডিওগ্রাম, জেমিনি, হিটপ, ডেটা র্যাপার এর মতো নানা টুলস ব্যবহারের। </p>
<p>কর্মশালায় ‌‌'‌সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জেমিনি এআই ওভারলোডেড থাকে' উল্লেখ করে ওই সময়ে ডিপ রিসার্চ না করে গণমাধ্যমকর্মীদের চ্যাটজিটি নির্ভর না হয়ে কাজের ধরণ অনুযায়ী অপরাপর টুলস ব্যবহারের পরামার্শ দিয়েছেন সাইফুল আলম। এসময় তিনি বিভিন্ন কাজের উপযোগী এআই এর এআই হিউম্যানাইজার অ্যাপ হিক্সডটএআই ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি। একইসঙ্গে গুগল এলএমকে-নিজের মতো করে শিখিয়ে নেয়া এবং পুরোনো পত্রিকার রেফারেন্স সহজে পেতে সংগ্রামের নোটবুক ব্যবহারের ওপর তাগিদ দিয়েছেন সাংবাদিকতার এই শিক্ষক। জানালেন, বাংলা অনুবাদের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত ৯৯ শতাংশ সঠিক ফল দেয় লাইসেন্সড অফিস আর। ৯৫ শতাংশ ভালো ফল দেয় ফ্রি টুলস কুইল বট। তাই 'এআই সহযোগী হলেও ছাড়া চলা যাবে না' বলে মন্তব্য করেন সাইফুল আলম। </p>
<p>তিনি বলেন, ডিপসিকে বাগ বেশি। চ্যাটজিপিটি'র চেয়ে স্লো। ডিজিটাল অ্যাসিটেন্ট (এআই) হিসেবে জেমিনি ভালো। তবে এআই সেকেন্ড হ্যান্ড ইনফো নিয়ে কাজ করে। তাই ফাস্ট হ্যান্ড ইনফো সাংবাদিকের। তাই পেছনের খবরের বিশ্লেষণের জন্য অবশ্যই এআই ব্যবহার করা এবং ডিপ রিসার্চ করা উচিত। সব মিলিয়ে সাংবাদিকদের নিজস্ব এআই টুলস তৈরি করাটাই শ্রেয়। </p>
<p>ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের সভাপতিত্বে সকালের এই অধিবেশনে গেমপ্লিফাইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহফুজুর রহমান, ডিআরইউ'র তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাহমুদ সোহেল, ডিআরইউ সদস্য মোহাম্মদ ইমাম হোসাইন সোহেল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ইক</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আই হ্যাভ এ প্লান ফর মাই কান্ট্রি</title>
<link>https://digibanglatech.news/161912</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161912</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_694d0dd99091c.jpg" length="54232" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 25 Dec 2025 16:09:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেড় যুগ পড়ে দেশে ফিরে বিখ্যাত আফ্রিকান আমেরিকান মানবাধিকার কর্মী মার্টিন লুথার কিং এর ‘আই হ্যাভ এ ড্রিম’ এর সমান্তরালে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়া বললেন, ‘আই হ্যাভ এ প্লান ফর <span>মাই </span>কান্ট্রি’। সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়নে সবাইকে ‘যেকোনো পরিস্থিতিতে ধৈর্য্য ধরে’ দেশের আইন-শৃঙ্খল পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার আহ্বান জনিয়েছেন তিনি। বলেছেন, ‘সবাইর মিলে কবরো কাজ, গড়বো নিরাপদ বাংলাদেশ’। </p>
<p>আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকে নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে বার বার ‘আল্লাহর রহমত’ কামনা এবং ‘হযরত মুহাম্মদ (সা) এর ন্যায়পরায়ণতার আদর্শ’ উজ্জীবিত হয়ে দেশ গড়বেন বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তারেক জিয়া। তিনি বলেন, ‘আমরা একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। যেখানে নারী-পুরুষ ও শিশু নিরাপদে ঘর থেকে বের হলে নিরাপদে ঘরে ফিরে আসতে পারেন। নবী করিম সা. এর ন্যায় পরায়নতার আলোকে আমরা দেশ পরিচালনা করব।’ লাখো জনতার উদ্দেশে বলেছেন, আমরা দেশে শান্তি চাই, আমরা দেশে শান্তি চাই, আমরা দেশে শান্তি চাই।</p>
<p>বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর পূর্বাচলে ‘৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়েতে’ আয়োজিত সংবর্ধনা মঞ্চে বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন। সাদা শার্ট ও কালো প্যান্ট পরিহিত তারেক রহমান যখন বক্তব্য রাখছিলেন  বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও একসময়ের বিজ্ঞান ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মঈন খান  ড. আব্দুল মঈন খান ও  বিএনপির মিডিয়া সেলের প্রধান ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেলসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>বক্তব্য দেয়ার আগে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি লিখেছেন, “হে সার্বভৌম শক্তির মালিক আল্লাহ্! আপনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা প্রদান করেন এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা কেড়ে নেন; যাকে ইচ্ছা আপনি সম্মানিত করেন আর যাকে ইচ্ছা আপনি হীন করেন। কল্যাণ আপনারই হাতে। নিশ্চয়ই আপনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। .</p>
<p>আর বক্তব্যে তারেক জিয়া বলেন, যদি আল্লাহর রহমত এ দেশ ও দেশের মানুষের পক্ষে থাকে, আল্লাহর সাহায্য; আল্লাহর দয়া; এ দেশের মানুষের ওপরে; এ দেশের ওপরে থাকে; ইনশাআল্লাহ আমরা আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হবো। </p>
<p>তিনি বলেন, ‘এই দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। এ ছাড়া কয়েক কোটি কৃষক-শ্রমিক রয়েছে। এই মানুষগুলোর রাষ্ট্রের কাছে আকাঙ্ক্ষা আছে। আজ আমরা যদি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই তাহলে এই লাখো, কোটি মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারব।’   ‘আল্লার অশেষ রহমতে সবার কঠোর পরিশ্রমে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবো। আর যদি আল্লাহ এই দেশ এবং মানুষের পক্ষ থাকেন আমরা আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হবো।’ -যোগ করেন তিনি।</p>
<p>তারেক রহমান আরও বলেন, ১৯৭১ সালে এ দেশের মানুষ যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল; ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের ছাত্র-জনতা, কৃষক, শ্রমিক, গৃহবধূ, নারী-পুরুষ, মাদরাসার ছাত্রসহ দলমত ও শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে সকল মানুষ দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছিল।আজ বাংলাদেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়। তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে চায়। মানুষ চায় তারা তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী ন্যায্য অধিকার পাবে। প্রিয় ভাই-বোনেরা, আজ আমাদের সময় এসেছে সকলে মিলে দেশ গড়ার।’</p>
<p>বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘এই দেশে যেমন পাহাড়ের মানুষ আছে, একইভাবে সমতলের মানুষ আছে। এই দেশে মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, হিন্দুসহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষ বসবাস করে। আমরা চাই সকলে মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলবো, যেই বাংলাদেশের স্বপ্ন একজন মা দেখেন।’</p>
<p>‘এই দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী, ৪ কোটিরও বেশি তরুণ প্রজন্মের সদস্য, ৫ কোটির মতো শিশু, ৪০ লাখের মতো প্রতিবন্ধী মানুষ ও কয়েক কোটি কৃষক-শ্রমিক রয়েছে। এই মানুষগুলোর প্রত্যাশা আছে রাষ্ট্রের কাছে। এই মানুষগুলোর আকাঙ্ক্ষা আছে এই দেশের কাছে। আজ আমরা সকলে যদি ঐক্যবদ্ধ হই, আজ আমরা যদি সকলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই, তাহলে আমরা এই মানুষগুলোর সেই প্রত্যাশাগুলো পূরণ করতে পারি ইনশাআল্লাহ,’ যোগ করেন তিনি।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/ইক</strong></span></em></p>
<div ad-position="desktop-details-section-5" class="ads mb-2 d-flex justify-content-center ad-728x90" ad-id="69">
<div class="desktop-ads">
<div>
<div id="gpt-ad-desktop-details-section-5-69-0" data-google-query-id="CI_Oo8HC2JEDFSuKrAIdrUAJrg"></div>
</div>
</div>
</div>
<p> </p>
<p></p>
<p></p>
<p></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এবার ভারত থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যুর কথা প্রকাশ করলেন বিআরটিএ চেয়ারম্যান</title>
<link>https://digibanglatech.news/161621</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161621</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6949633908638.jpg" length="75779" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 22 Dec 2025 19:27:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডিজিবাংলাটেকডটনিউজ-এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন <span style="color: rgb(186, 55, 42);"><a href="https://digibanglatech.news/158559" target="_blank" rel="noopener" style="color: rgb(186, 55, 42);"><strong>মাদ্রাজ থেকে নির্দেশনা পেয়ে প্রিন্ট হতো বিআরটিএ স্মার্ট কার্ড? </strong></a></span>প্রকাশের দুই মাসের মাথায় ভারত থেকে বাংলাদেশের ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যুর কথা জানালেন <span>বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন। ২২ ডিসেম্বর, সোমবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেছেন, “</span>আমাদের বিআরটি এর লাইসেন্স ইস্যুর কাজটি করতো ভারতের মাদ্রাজের একটি প্রতিষ্ঠান। এ জুলাইয়ে তাদের সঙ্গে চুক্তি শেষ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি আরও দুই বছর মেয়াদ বাড়ানোর জন্য আবেদন করে। কিন্তু আমরা সাড়া দেইনি। আমরা চাই, আমাদের সার্বভৌমত্ব আমাদের হাতেই থাকুক। নতুন করে দেশীয় মালিকানাধীন কোম্পানিকে এ কাজ দেওয়া হবে।”</p>
<p><span>নারায়ণগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা প্রশাসক ও বিআরটিএ নারায়ণগঞ্জ সার্কেলের উদ্যোগে এই চেক বিতরণ করা হয়। </span></p>
<p>নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবিরের সভাপতিত্বে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএর পরিচালক রুবাইয়াত-ই-আশিক, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাঈমা ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) মো. সোহেল রানা ও বিআরটিএ নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাহবুবুর রহমান প্রমুখ। </p>
<p>অনুষ্ঠানে ৩০ জনকে ১ কোটি ৩০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন অতিথিরা। এর মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত প্রত্যেকটি পরিবারকে ৫ লাখ, গুরুতর আহতদের ৩ লাখ ও আহতদের ১ লাখ টাকা প্রদান করা হয়। এছাড়াও অনুষ্ঠানে চালকদের হাতে পোশাক তুলে দেন অতিথিরা।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/জেএনও/ইক</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সাত হাজার টাকার মধ্যে স্মার্ট ফোন দিতে চান গভর্নর</title>
<link>https://digibanglatech.news/161398</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161398</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6946b4d20ba72.jpg" length="59294" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 20 Dec 2025 19:38:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull">দেশের প্রথম জেলা হিসেবে কক্সবাজার জেলাকে ক্যাশলেস জেলা হিসেবে পরিণত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ বাস্তবায়নের জন্য প্রত্যেক নাগরিকের হাতে ছয়/সাত হাজার টাকার মধ্যে স্মার্ট ফোন পৌঁছাতে হবে। প্রান্তিক এলাকায় নারী এজেন্ট নিয়োগের মাধ্যমে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।’</p>
<p class="alignfull">২০ ডিসেম্বর, শনিবার বিকেলে নগরের রেডিসন ব্লু হোটেলে আয়োজিত ‘চট্টগ্রাম অঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও আঞ্চলিক পর্যায়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের করণীয়’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় এমনটাই জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘আমদানি-রপ্তানি কাজ সহজতর করার লক্ষ্যে সার্বক্ষণিক লেনদেনের জন্য দেশের সকল বন্দর ও বিমান বন্দরে খুব দ্রতই আরটিজিএস (রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট) চালু করা হবে।’</p>
<p class="alignfull">গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর আরও বলেন, ‘চট্টগ্রাম অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিকাশের জন্য সিঙ্গাপুর, দুবাই ও হংকং এর ন্যায় চট্টগ্রাম অঞ্চলের আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক কানেক্টিভিটি বৃদ্ধি করতে হবে। চট্টগ্রাম অঞ্চল বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র। এ অঞ্চল সমুদ্র, পাহাড় ও সমতলের এক অন্যন্য অঞ্চল। দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর, রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, ভারী শিল্প, জ্বালানি অবকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সিংহভাগ এ অঞ্চলের ওপর নির্ভরশীল। তবে এ সম্ভাবনাকে পূর্ণ রূপ দিতে আর্থিক খাতের সুদৃঢ় ভূমিকা অপরিহার্য। কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হলো উৎপাদনমুখী খাতে পর্যাপ্ত ও স্বল্পমূল্যের ঋণপ্রবাহ নিশ্চিত করা।’</p>
<div class="">
<div>
<p class="alignfull">তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন স্কিমসমূহের অব্যহৃত ফান্ড এ অঞ্চলের উপযুক্ত গ্রাহকের মধ্যে বিতরণ করতে হবে। আর্থিক অর্ন্তভূক্তির অংশ হিসেবে প্রত্যেক ব্যাংককে অন্তত একটি বিদ্যালয়ে আর্থিক সাক্ষরতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করতে হবে। বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিজিটাল লেনদেন ও ক্যাশলেস লেনদেনের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।’</p>
<p class="alignfull">চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন বণিক সমিতি, চেম্বার প্রতিনিধি, বন্দর, কাস্টমস, শিক্ষক, অর্থনীতিবিদ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও তফসিলি ব্যাংকের আঞ্চলিক প্রধানসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষরা এতে অংশ নেন।</p>
<p class="alignfull"><span>সভায় চট্টগ্রাম অঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও আঞ্চলিক পর্যায়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের করণীয় বিষয়ক কনসেপ্ট পেপার উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল আমিন। </span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x_6946b4d1084a5.jpg" alt=""></p>
<p>কনসেপ্ট পেপারে চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক রূপান্তর ও ব্লু-ইকোনমি, চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর, কর্ণফুলী টানেল, মীরসরাই শিল্পনগর এবং মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা, ২০৪১ সালের মধ্যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে বাংলাদেশ ব্যাংক কৃষি, সিএমএসএমই, রপ্তানি খাতে কয়েক হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা প্রদান, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই আর্থিক ও নীতি সহায়তা চট্টগ্রামের শিল্প, পর্যটন ও সামুদ্রিক সম্পদের বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিত করে জাতীয় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে তুলে ধরা হয়। </p>
<p>ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূঁইয়া বলেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলের একদিকে রয়েছে আসিয়ানের সদস্যভুক্ত দেশসমূহের সমৃদ্ধ অর্থনীতি। অন্যদিকে রয়েছে বিশাল বঙ্গোপসাগরের ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব। ফলে চট্টগ্রাম নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক উদ্যোগ নিতে হবে। <br>চট্টগ্রাম উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আবিদা মোস্তফা নারীদের জন্য বিশেষ পুনঃঅর্থায়ন স্কিম, সফট ঋণের ব্যবস্থা এবং আর্থিক সাক্ষরতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণের প্রস্তাব দেন। </p>
<p>সভায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মীর হোসেন সোহেল, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্সুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ, বিজিএমইএ, চট্টগ্রাম উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি, বিকেএমইএ, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ, কমিশনার অব কাস্টমস, চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশান, বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরওয়াডার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যাসোসিয়েশন, এসএমই/কৃষি উদ্যোক্তা/নারী উদ্যোক্তা, বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশন, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান চেম্বার, বিভিন্ন ব্যাংকে আঞ্চলিক প্রধান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p class="alignfull">বাংলাদেশ ব্যাংকের চট্টগ্রাম অফিসের নির্বাহী পরিচালক মো. মকবুল হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের উপাচার্য ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূঁইয়া ও বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের নির্বাহী পরিচালক মো. খসরু পারভেজ। বাংলাদেশ ব্যাংক, চট্টগ্রাম অফিসে প্রশাসন বিভাগের পরিচালক মো.আশিকুর রহমানের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে সভা শুরু হয়। সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন চট্টগ্রাম অঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও আঞ্চলিক পর্যায়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের করণীয় বিষয়ক ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন।</p>
<p class="alignfull"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিআরও/ইক</strong></span></em></p>
<div class="">
<div></div>
</div>
</div>
</div>
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_33781" data-id="pw_33781_1" lazyload="true">
<div id="container_pw_33781_1">
<div id="pw_33781_1" data-google-query-id="CO72-buuzJEDFbPaoAIdVd4dag">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_45485" data-id="pw_45485_4" lazyload="true">
<div id="container_pw_45485_4">
<div id="pw_45485_4" data-google-query-id="CMnxrLyuzJEDFdqZ2AUd3XUz0w">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_45531" data-id="pw_45531_4" lazyload="true">
<div id="container_pw_45531_4">
<div id="pw_45531_4" data-google-query-id="CNnP87yuzJEDFTXXOAYdVhoExg">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_45563" data-id="pw_45563_4" lazyload="true">
<div id="container_pw_45563_4">
<div id="pw_45563_4" data-google-query-id="CNaRqL2uzJEDFWrioAIdtP0T7Q">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_36483" data-id="pw_36483_4" lazyload="true">
<div id="container_pw_36483_4">
<div id="pw_36483_4" data-google-query-id="CKPn472uzJEDFUqlZgId7CAuVg">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_37831" data-id="pw_37831_4" lazyload="true">
<div id="container_pw_37831_4">
<div id="pw_37831_4" data-google-query-id="CO6pnb6uzJEDFSdynQkdvOYdlQ">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_38058" data-id="pw_38058_4" lazyload="true">
<div id="container_pw_38058_4">
<div id="pw_38058_4" data-google-query-id="CKrD0b6uzJEDFf-j2AUdrHoYXQ">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_38103" data-id="pw_38103_4" lazyload="true">
<div id="container_pw_38103_4">
<div id="pw_38103_4" data-google-query-id="CKvTlb-uzJEDFTGc2AUdMJ4VqA">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_38178" data-id="pw_38178_4" lazyload="true">
<div id="container_pw_38178_4">
<div id="pw_38178_4" data-google-query-id="CPrryL-uzJEDFd-6SwUdMpYJtg">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_35778" data-id="pw_35778_4" lazyload="true">
<div id="container_pw_35778_4">
<div id="pw_35778_4" data-google-query-id="CI_T_L-uzJEDFVaOZgIdBGcZFQ">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_36481" data-id="pw_36481_4" lazyload="true">
<div id="container_pw_36481_4">
<div id="pw_36481_4" data-google-query-id="CJvOrsCuzJEDFelBnQkdIT8TbA">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_47782" data-id="pw_47782_4" lazyload="true">
<div id="container_pw_47782_4">
<div id="pw_47782_4" data-google-query-id="CJrc38CuzJEDFQkEgwMdS4cHEQ">
<div class="futureads" data-ad-slot="pw_47833" data-id="pw_47833_4" lazyload="true">
<div id="container_pw_47833_4">
<div id="pw_47833_4"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট অ্যাক্সেস ও ডিজিটাল অধিকার মানবতার দাবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/161145</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161145</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6943528c5e6c6.jpg" length="63844" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 18 Dec 2025 05:03:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="234" data-end="655">কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট অ্যাক্সেস এবং ডিজিটাল অধিকার—এই তিনটি বিষয়কে মানবতার ভবিষ্যৎ হিসেবে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড সামিট অন দ্য ইনফরমেশন সোসাইটি (WSIS)–এর ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দিতে গিয়ে এমন অবস্থান তুলে ধরেন পপররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি উইংয়ের মহাপরিচালক ড. সৈয়দ মুন্তাসির মামুন।</p>
<p data-start="657" data-end="929">তিনি বলেন, দুই দশক আগে WSIS যাত্রা শুরুর সময় বিশ্ব কল্পনাও করতে পারেনি আজকের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও বৃহৎ পরিসরের ভাষা মডেলের (LLMs) বিস্ফোরণ। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে এআই প্রযুক্তি যেভাবে মানুষের জীবন ও সিদ্ধান্তপ্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করছে, তা নীতিনির্ধারকদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।</p>
<p data-start="931" data-end="1162">ড. মামুন বলেন, বিশেষ করে তরুণ ও জেন-জি প্রজন্মের জন্য ইন্টারনেট এখন প্রায় মৌলিক মানবাধিকারে পরিণত হয়েছে। ফলে ডিজিটাল রূপান্তরকে কেবল প্রযুক্তিগত অগ্রগতি নয়, বরং অধিকারভিত্তিক ও মানবকেন্দ্রিক উন্নয়নের প্রশ্ন হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।</p>
<p data-start="1164" data-end="1484">তিনি আরও বলেন, আগামী ২৪ থেকে ৩৬ মাসে বিশ্ব প্রযুক্তি ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসছে। এই সময়ের মধ্যেই WSIS, গ্লোবাল ডিজিটাল কমপ্যাক্ট (GDC), AI for Good এবং Pact for the Future—এই চারটি জাতিসংঘ প্রক্রিয়া পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হবে। এই সংযোগগুলো মানবজাতির জন্য একটি অভিন্ন ও ন্যায্য ডিজিটাল মানদণ্ড তৈরির সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।</p>
<p data-start="1486" data-end="1729">বাংলাদেশ আলোচনার সময় একাধিক অনুচ্ছেদে হস্তক্ষেপ করে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছে উল্লেখ করে ড. মামুন বলেন, এসব বক্তব্য শুধু বাংলাদেশের নয়—এগুলো বৈশ্বিক দক্ষিণ কিংবা উন্নয়নশীল দেশের স্বার্থের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং সমগ্র মানবতার স্বার্থের কথা বলে।</p>
<p data-start="1731" data-end="1926">তার ভাষায়, প্রযুক্তির এই নতুন যুগে পুরোনো ধারণা যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন নতুন জ্ঞানতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা, নতুন নীতিগত দৃষ্টিভঙ্গি এবং এমন একটি ডিজিটাল ভবিষ্যৎ—যেখানে প্রযুক্তি হবে আশা ও যৌথ অগ্রগতির বাহক।</p>
<p data-start="1731" data-end="1926">গত দুই দশকের ডিজিটাল উন্নয়ন পর্যালোচনা, ডিজিটাল বিভাজন হ্রাস, এবং ভবিষ্যৎ তথ্য ও জ্ঞান সমাজ গড়ে তোলার জন্য একটি রূপরেখা নিয়ে জেনেভায় ৭-১১ ডিসেম্বর এই উচ্চ পর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে এবারে বাংলাদেশের অবস্থান বিশেষ নজর কেড়েছে। </p>
<p data-start="1349" data-end="1687">এ বিষয়ে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের জৈষ্ঠ্য সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক মনে করেন, সভায় দেয়া ড. মুন্তাসির মামুনের বক্তব্য কেবল একটি আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক ভাষণ নয়; বরং এটি বাংলাদেশের ডিজিটাল কূটনীতির অবস্থানপত্র। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ধারণার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ প্রশাসন, সেবা ও অর্থনীতিকে প্রযুক্তিনির্ভর করার চেষ্টা করছে। এখন সেই অভিজ্ঞতাকে আন্তর্জাতিক নীতিনির্ধারণী টেবিলে তুলে ধরার সময় এসেছে।</p>
<p data-start="1349" data-end="1687">তিনি বলেন, বক্তব্যে উল্লেখিত আগামী ২৪ থেকে ৩৬ মাসকে বিশ্লেষকরা একটি ক্রিটিক্যাল পলিসি উইন্ডো  হিসেবে দেখা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যেই WSIS রিভিউ, গ্লোবাল ডিজিটাল কমপ্যাক্ট (GDC), AI for Good এবং Pact for the Future—এই চারটি জাতিসংঘ প্রক্রিয়া পরস্পরের সঙ্গে ছেদবিন্দুতে পৌঁছাবে। এই সময়েই নির্ধারিত হবে এআই ব্যবহারের নৈতিক ও নীতিগত সীমা; ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার (DPI) ও ডিজিটাল পাবলিক গুডস (DPG) কার স্বার্থে কাজ করবে এবং প্রযুক্তি শাসনে উন্নয়নশীল দেশগুলোর কণ্ঠ কতটা প্রতিফলিত হবে। তাই বাংলাদেশ এই ছেদবিন্দুগুলোকে কাজে লাগিয়ে একটি মানবকেন্দ্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল মানদণ্ড তৈরির পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে—যা দেশটির কূটনৈতিক পরিপক্বতার ইঙ্গিত।</p>
<p data-start="1689" data-end="2020">বিশ্বব্যাপী এআই, ডেটা গভর্নেন্স ও ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যে টানাপোড়েন চলছে, সেখানে উন্নয়নশীল দেশগুলোর বড় উদ্বেগ হলো—প্রযুক্তির নিয়ন্ত্রণ যেন কেবল ধনী দেশ ও বড় করপোরেশনের হাতে সীমাবদ্ধ না থাকে। ড. মামুন যখন ইন্টারনেটকে প্রায় মৌলিক মানবাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন, তখন তিনি কার্যত বৈশ্বিক দক্ষিণের একটি দীর্ঘদিনের দাবিকেই সামনে আনেন। </p>
<p data-start="2784" data-end="3050">ড. মামুনের বক্তব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—তিনি প্রযুক্তি বোঝার জন্য নতুন এপিস্টেমোলজি ও নতুন ব্যাখ্যাগত কাঠামোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। সহজ ভাষায়, তিনি বলতে চান—পুরোনো উন্নয়ন, নিরাপত্তা বা বাজারভিত্তিক ধারণা দিয়ে এআই ও ভবিষ্যৎ প্রযুক্তিকে ব্যাখ্যা করা যাবে না। এ থেকে বাংলাদেশ প্রযুক্তিকে কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হাতিয়ার হিসেবে নয়, বরং সমাজ, অধিকার ও মানবিক মর্যাদার সঙ্গে যুক্ত একটি বিষয় হিসেবে দেখছে বলে স্পষ্ট হয়েছে।</p>
<p data-start="2081" data-end="2343"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/ওআর</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও জনস্বাস্থ্যকে কেন্দ্রে রেখে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন জরুরি</title>
<link>https://digibanglatech.news/161082</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161082</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_69429a6fb4ecf.jpg" length="97390" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 17 Dec 2025 15:54:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন; পানি সম্পদ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, উন্নয়ন পরিকল্পনায় পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও জনস্বাস্থ্যের বিষয়গুলোকে কেন্দ্রস্থলে রেখে সমন্বিত ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা জরুরি। উন্নয়নের নামে পরিবেশ ও প্রতিবেশ ধ্বংস হলে তার চূড়ান্ত মূল্য সমাজকেই দিতে হয়। তিনি বলেন, রাস্তা বা অবকাঠামো নির্মাণ করা সম্ভব হলেও একটি সুন্দরবন কিংবা একটি নদী নতুন করে সৃষ্টি করা যায় না। জলবায়ু পরিবর্তন, মহামারি ও পরিবেশগত সংকট আমাদের বারবার মনে করিয়ে দেয়—প্রকৃতির প্রতিটি উপাদান একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত এবং মানুষ প্রকৃতির মালিক নয়, বরং এর অবিচ্ছেদ্য অংশ।</p>
<p>১৭ ডিসেম্বর, বুধবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত “ওয়ান হেলথ কার্যক্রম: সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কৌশল” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, ওয়ান হেলথ কার্যক্রম বাস্তবায়নে অতিরিক্ত প্রক্রিয়াভিত্তিক জটিলতা, আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের ঘাটতি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে দীর্ঘসূত্রতা বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করছে। এসব সীমাবদ্ধতা দূর করতে জাতীয় ও জেলা পর্যায়ে কার্যকর পরামর্শক কমিটি গঠন এবং প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে সুস্পষ্ট ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ করা প্রয়োজন।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, জনবল বৃদ্ধি, অনলাইন প্রক্রিয়ার সম্প্রসারণ এবং পরিকল্পনা, জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বাড়ানো সম্ভব। বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি উল্লেখ করেন, অনেক ক্ষেত্রে পাঁচ বছর মেয়াদি প্রকল্পের বড় অংশ সময় শুধু জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াতেই ব্যয় হয়ে যায়। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে নতুন ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।</p>
<p>সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ওয়ান হেলথ কেবল একটি কারিগরি কাঠামো নয়; এটি একটি সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধের বিষয়। কেন বন্যপ্রাণী রক্ষা করা প্রয়োজন এবং কেন প্রকৃতিনির্ভর উন্নয়ন অপরিহার্য—এসব বিষয় সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে। সামাজিক মূল্যবোধ জাগ্রত না হলে কোনো উন্নয়ন উদ্যোগই টেকসই হতে পারে না। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সরকার সক্ষমতা বৃদ্ধি, নীতিগত সংস্কার এবং কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে ওয়ান হেলথ কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে আন্তরিকভাবে কাজ করবে।</p>
<p>মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, জনস্বার্থের সুরক্ষা বিবেচনায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়-সহ সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে একসাথে কাজ করতে হবে। </p>
<p>সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান, বিশেষ সহকারী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়; ড. ফারহিনা আহমেদ, সচিব, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়; আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের, সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়; মো. সাইদুর রহমান, সচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ; ড. মো. আবু সুফিয়ান, মহাপরিচালক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর; অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরীন, পরিচালক, আইইডিসিআর; এবং মো. জাহিদুল কবির, উপপ্রধান বন সংরক্ষক, বন অধিদপ্তর।</p>
<p>উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে বিভিন্ন বিভাগ ও সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।</p>
<p>ডিবিটেক/ডিসি/ইহক</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কমতে পারে মোবাইল ফোনের দাম</title>
<link>https://digibanglatech.news/160918</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160918</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_69405e33ac643.jpg" length="81018" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 15 Dec 2025 16:28:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিদেশ থেকে বৈধ পথে মোবাইল আমদানিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) শুল্ক কমানোর ঘোষণা দিলেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহমান খান। এনবিআর চেয়ারম্যানের আশ্বাস অনুযায়ী, শুল্ক কমানো হলে কমে যাবে মোবাইল ফোনের আমদানি খরচ কমবে। এর ফলে ক্রেতারা কম দামে মোবাইল কিনতে পারবেন।</p>
<p>১৫ ডিসেম্বর, সোমবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে গবেষণাপ্রতিষ্ঠান র‍্যাপিড এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘পরবর্তী সরকারের আর্থ-সামাজিক অগ্রাধিকারসমূহ’ শীর্ষক সেমিনারে এমনটাই জানান রাজস্ব বোর্ড চেয়ারম্যান। অনুষ্ঠানে <span>বিশেষ অতিথি ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী। </span></p>
<p> প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজস্ব বোর্ড চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান ব্যবসায়ীদের আশ্বাস দিয়ে বলেন, ব্যবসা সহজ করতে আমদানি করের পরিবর্তে ভ্যাট ও আয়কর আদায়ের দিকে নজর দেয়া হচ্ছে। অবৈধ আমদানি বন্ধে মোবাইল ফোন আমদানি শুল্ক কমানো হবে। </p>
<p> তিনি বলেন, আমরা এনবিআর থেকে যেটা বুঝি, সেটা হলো উভয় গ্রুপের স্বার্থ রক্ষা করে এবং কনজিউমার ইন্টারেস্ট প্রোটেক্ট করার জন্য আমরা চাই মোবাইল ফোন, স্মার্টফোনের দাম বাংলাদেশে কমুক এবং এটা করতে গেলে আমরা দুই জায়গাতেই ছাড় দিতে রাজি আছি। </p>
<p>যেহেতু এখন গ্রে মার্কেটে বেশির ভাগ হাই অ্যান্ড ফোন আসে, ফলে আসলে আমরা সত্যিকার্র অর্থে কোনো রেভিনিউ পাই না উল্লেখ করে আবদুর রহমান বলেন, ‘এটা যদি আমরা ফরমাল করতে পারি, এনইআইআর ইমপ্লিমেন্টেশনের মাধ্যমে, ইভেন রেভিনিউ যদি আমরা ছেড়েও দেই; তার পরেও কিন্তু ফরমাল চ্যানেলে আসার কারণে আমাদের রেভিনিউ বাড়বে।’</p>
<p>এ পর্যায়ে ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত কম থাকায় রাজস্ব আয় বাড়ানো না গেলে প্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় করা সম্ভব হবে না এবং রাজস্ব প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা না গেলে দেশের অর্থনীতিতে কাঙ্ক্ষিত গতি ফিরে আসবে না বলেও মনে করেন এনবিআর চেয়ারম্যান। তবে আর্থিক খাতের এমন দুরবস্থার মধ্যেও রাজস্ব আদায়ের গতি ভালো রয়েছে বলে মনে করেন তিনি। </p>
<p>তিনি বলেন, ‘স্থানীয় শিল্পকে সুরক্ষা দিতে অনেক সময় যে সংশ্লিষ্ট পণ্যে উচ্চ আমদানি শুল্ক বসানো হয়। আমরা লোকাল ইন্ডাস্ট্রিগুলোকে প্রোটেক্ট করার জন্যই কিন্তু অনেক সময় বেশি বেশি রেট ধরি। তার পরও আমরা এটা (আমদানি শুল্ক) কমাব।</p>
<div id="3d46436c-059a-4707-81d1-feff6146fab7">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<p>সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী, প্রথম আলোর হেড অব অনলাইন শওকত হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর প্রমুখ।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<p>মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করে র‌্যাপিড চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে না আনতে পারলে যারা দারিদ্র্য সীমার নিচে আছে তাদের অবস্থা আরও খারাপ হবে। গত ৩ বছরে দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেড়েছে ৯০ লাখ।</p>
<p>গত এক বছরে ম্যানুফ্যাকচারিংয়ে নারীদের অংশগ্রহণ অর্ধেক কমে গেছে জানিয়ে সেমিনারে আরও বলা হয়, নতুন সরকার আসার পর যদি তারা মনে করে এলডিসি গ্রাজুয়েশন দেরিতে করতে হবে সেক্ষেত্রে তাদের হাতে বেশি সময় থাকবে না সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য।<br> <br>এছাড়া রাজস্ব আদায়ের এখন যে গতি; তা না বাড়ালে নতুন সরকার এসে নতুন করে চলতি অর্থবছরের কোনো উন্নয়ন সহজে করতে পারবে না বলেও জানায় র‌্যাপিড। বলা হয়, রাজস্ব আদায়ের গতি না বাড়ালে অনেক উন্নয়ন পিছিয়ে যাবে।<br> <br>এসময় আসন্ন নতুন সরকারকে ১২টি দিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে র‍্যাপিড। এগুলো হলো- এলডিসি গ্রাজুয়েশন, মূল্যস্ফীতি কমানো, ব্যাংক খাতে সুশাসন, দক্ষ কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে, রিজার্ভ বাড়ানো, অঅভ্যন্তরীণ রাজস্ব বাড়ানো, স্বাস্থ্য, শিক্ষা বরাদ্দ বাড়ানো, ঋণ কমানো, জ্বালানি নিরাপত্তা, শ্রমবাজারে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো, ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি মোকাবিলায় রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা তৈরি এবং  তথ্য উপাত্তের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিইবিটি/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তির অপব্যবহারে ভিন্নমত ও নারীদের হেনস্তার প্রবণতায় জামায়াত আমিরের উদ্বেগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/160358</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160358</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_693967cee6400.jpg" length="94197" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 10 Dec 2025 16:03:17 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিন্নমতের প্রতি আক্রমণ, নারীদের সম্মানহানি এবং প্রযুক্তি বা এআইয়ের অপব্যবহার করে মানুষকে হেনস্তার প্রবণতাকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।</p>
<p>১০ ডিসেম্বর, বুধবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া পোস্টে এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।</p>
<p>ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমির লেখেন, প্রিয় দেশবাসী, বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিন্নমতের প্রতি আক্রমণ, নারীদের সম্মানহানি এবং প্রযুক্তি বা এআই-এর অপব্যবহার করে মানুষকে হেনস্তা করার যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিশেষ করে কেউ যখন ধর্মীয় পরিচয় বহন করে এমন অশালীনতায় লিপ্ত হন, তা আমাদের মূল্যবোধের ওপর বড়ো আঘাত।<br> <br>তিনি আরও লেখেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য মানেই শত্রুতা নয়। ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে- ‘মুমিন কখনো কটূক্তিকারী বা অভিশাপকারী হতে পারে না।’ (তিরমিজি)<br> <br>ডা. শফিকুর রহমান লেখেন, পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ দিয়েছেন মানুষের সঙ্গে উত্তম ভাষায় কথা বলতে এবং একে অপরকে উপহাস না করতে। ভিন্নমতকে যুক্তি ও ভদ্রতার সঙ্গে মোকাবিলা করাই প্রকৃত মুসলিমের বৈশিষ্ট্য। গালিগালাজ বা চরিত্রহনন কোনো মুসলমানের বা কোনো সভ্য নাগরিকের--হাতিয়ার হতে পারে না।<br> <br>সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘আসুন, অনলাইনেও আমরা আমাদের ঈমান ও মর্যাদা বজায় রাখি। কারণ প্রতিটি শব্দই মহান আল্লাহর কাছে সংরক্ষিত হচ্ছে। ঘৃণা নয়-- যুক্তি ও শালীনতা দিয়ে সমাজ গড়ি।’<br><em><strong>ডিবিটেক/এফসি/ইকে</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘ইউজড ফোন’ এর ব্যবসা করতে দিতেই হবে</title>
<link>https://digibanglatech.news/160319</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160319</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6937fc246792f.jpg" length="70513" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 09 Dec 2025 15:41:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>চোরাই, রিফারবিশ ও বিদেশে থেকে অবৈধ পথে আনা মোবাইল ফোন বন্ধে অনড় সরকার। অপরদিকে বিদেশে ব্যবহৃত ফোন দেশে আমদানিতে অনড় গ্রে মার্কেটের মোবাইল ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন,আমদানি বাণিজ্য নীতি যতই সহজ হোক না কেন আমাদের ‘ইউজড ফোন’ এর ব্যবসা করতে দিতেই হবে।   </p>
<p>আন্দোলন, ভবন ঘেরাও, সড়কে জ্বালাও পোড়াওয়ের পরও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে (বিটিআরসি) তৃতীয় দফার বৈঠক শেষে এমনটা জানিয়েছেন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশের (এমবিসিবি) নেতারা।     </p>
<p>৯ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনে দীর্ঘ  অনুষ্ঠিত ১৪ সদস্যের প্রতিনিধি দলের বৈঠক শেষে মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশের সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম বলেছেন, বৈঠক ফলপ্রসু হয়নি।  বিটিআরসি জানিয়ে দিয়েছে এনিআইআর নিয়ে তাদের কাছে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত নেই। </p>
<p>তিনি আরও বলেন, আমাদের কথা কেউ কর্ণপাত করে না। ভানটা আমরা সহ্য করতে পারছে না।</p>
<p>এর আগে,  দেশের অননুমোদিত মোবাইল আমদানিকারক ও বিক্রেতা এই ব্যবসায়ীরা রবিবার প্রায় ১০ ঘণ্টা আগারগাঁওয়ের সড়কটি আটকে রেখে বিক্ষোভের পর মঙ্গলবার তাদের সঙ্গে তৃতীয় দফা সভা করার সিদ্ধান্ত দেয় বিটিআরসি।</p>
<p>এই সভাকে ঘিরে বেলা ১১ টার আগে থেকেই বিটিআরসি ভবনের আশপাশে জড়ো হন মোবাইল ব্যবসায়ীরা। প্রায় তিন ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বিটিআরসি’র স্পেকট্রাম বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আমিনুল হক। বৈঠকে এমবিসিবি-দের  মূল এজেন্ডা ছিল ব্যবহৃত ফোনের অনুমোদন আদায়, সে বিষয়টিতে বিটিআরসি মোটেও কর্ণপাত করেনি বলেও অভিযোগ করেন তারা।</p>
<p>বৈঠক শেষে ভবনের বাইরে এসে সাংবাদিকদের মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশের সহ-সভাপতি শামিম মোল্লা বলেন, “আমাদের দাবি কর্ণপাত করে নাই, আমাদের দাবি কেউ আমলে নেয় নাই। আমাদের কথা তারা বুঝে, বলার আগেই বুঝে, কিন্তু না বোঝার ভান করে। এই ভান করাটা আমরা নিতে পারছি না।”</p>
<p>বুধবার এনবিআর ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক আছে জানিয়ে সে পর্যন্ত ব্যবসায়ীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান তিনি।</p>
<p>তিনি বলেন, “আপনারা কালকে পর্যন্ত শান্ত থাকেন, তারা আমাদের চোখের পানির দাম তারা দেয় নাই। আগামীকালের মিটিং পর্যন্ত আপনারা শান্ত থাকেন।”<br>মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশের সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম বলেন, “আজকে আমরা যারা বিটিআরসির ডিজির সাথে বসেছি, আমাদের একমাত্র এজেন্ডা ছিল ইউজ ফোন। আমরা বলেছি, এদেশে ৭০-৭৫ শতাংশ মানুষ ইউজড ফোন কেনে, ব্যবহার করে আবার বিক্রি করে বা এক্সচেঞ্জ করে। আমরা বারবার বলেছি এই ফোন গুলোকে ক্লোন, কপি ও রিফারবিশড বলে কালিমা লেপন করছেন আপনারা। আমরা ক্লোন-কপি বেচি না, আমরা যে মালটা বিক্রি করি সেটা ধনী দেশের মানুষেরা ছেড়ে দেয়, আমরা সেটা দেশে নিয়ে এসে বিক্রি করি।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x_6937fca2426b0.jpg" alt=""></p>
<p><br>“আমরা বলেছি, আপনি বাণিজ্য নীতি যতই সহজ করেন না কেন আমাদের ইউজড ফোনের বাণিজ্য করতে দিতেই হবে। বিটিআরসি বলেছে আপাতত সেকেন্ড হ্যান্ড ফোন নিয়ে তাদের প্রিপারেশন নাই। আমরা বলেছি যেহেতু তারা এনইআইআর চালু করার জন্য নতুন ফোনের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন, পুরাতন ফোনের জন্য যে ইকুইপমেন্ট লাগে সেটার টাকা আমরা সারা দেশের ব্যবসায়ীরা সেই টাকা দিবো।”</p>
<p><br>সরকারের পক্ষ থেকে বারবারই বলা হচ্ছে, কোনো নজরদারি না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবসায়ীরা ‘চোরাই, নিম্নমানের ও পুরনো ফোন রিফারবিশ করে’ বাজারে নতুন করে বিক্রি করছেন। পুরনো ও রিফারবিশ ফোন বিক্রির বিষয়টি এতদিন স্বীকার না করলেও এখন ব্যবসায়ীরা বলছেন তারা বিদেশ থেকে পুরনো ফোন নিয়ে এসে বিক্রি করেন।</p>
<p><br>বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, এনবিআরের সাথে 'শেষ বৈঠক' জানিয়ে এর পরে আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মোহাম্মদ আসলাম।</p>
<p><br>আগামী ১৬ ডিসেম্বর দেশে কার্যকর হতে যাচ্ছে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্ট্রার বা এনইআইআর। মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের এই বাধ্যবাধকতা কার্যকর হওয়ার পর কেবল সরকার অনুমোদিত বৈধ হ্যান্ডসেটই নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকতে পারবে। তবে ১৬ ডিসেম্বরের আগে নেটওয়ার্কে সচল থাকা কোনো হ্যান্ডসেটই বন্ধ করা হবে না বলে সরকারের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেয়া হয়েছে । সরকার ও দেশীয় উৎপাদনকারীদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, গ্রে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা যেন বৈধ পথে মোবাইল আমদানি করতে পারে, সেই সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি দেশের বাজারে এরই মধ্যে যে ফোনগুলো এসেছে, সেগুলো বৈধ করার ব্যবস্থা করা হবে।</p>
<p>এমন পরিস্থিতিতে ১০ ডিসেম্বর, বুধবার বিকেলে এমবিসিবিসহ মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন (এমআইওবি), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষদের নিয়ে সভা হওয়ার কথা রয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে (পিটিডি)। সভায় অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছে। </p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/ইকে</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সাইবার যুদ্ধে হেরে গেলে পরাজিত হতে হবে: মির্জা ফখরুল</title>
<link>https://digibanglatech.news/160225</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160225</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6935406301ce5.jpg" length="73131" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 07 Dec 2025 13:07:29 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চলছে উল্লেখ করে 'সাইবার যুদ্ধে হেরে গেলে পরাজিত হতে হবে' বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ।</p>
<p>৭ ডিসেম্বর, রবিবার খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘বিএনপির দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই শঙ্কার কথা জানান তিনি।</p>
<p>মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশে পরিকল্পিতভাবে বড় ধরনের বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে। একটি মহল ধর্মের নামে বিভাজন সৃষ্টি করছে। দেশকে সুচিন্তিত পরিকল্পনার মাধ্যমে এগিয়ে নিতে হলে সুশাসন প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য। অথচ গত দেড় দশকে আওয়ামী লীগ শুধু গণতন্ত্রই নয়, রাষ্ট্রযন্ত্রের স্বাধীনতাকেও পদদলিত করেছে। বিএনপি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সব প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন করে একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চায়।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘আমরা অবশ্যই ধর্ম মানি, ধর্ম পালন করি। কিন্তু রাষ্ট্র বা সমাজকে ধর্মের ভিত্তিতে বিভক্ত করার কোনো ধারণায় আমরা বিশ্বাস করি না। বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার ও সহাবস্থানের রাষ্ট্র—১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মূল ভিত্তিও ছিল সবার বাংলাদেশ।’</p>
<p>তিনি আরও বলেন, গত ১৫ বছরে ‘দুঃশাসন ও ফ্যাসিস্ট আচরণের মাধ্যমে’ আওয়ামী লীগ দেশের সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে। তাই দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনতে এসব প্রতিষ্ঠান নতুন করে পুনর্গঠন জরুরি হয়ে পড়েছে।<br><em><strong>ডিবিটক/এডি/ইকে</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দ্বিগুণ হবে স্মার্টফোনের ব্যবহার, কমবে ডেটার দামঃ ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব</title>
<link>https://digibanglatech.news/160061</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160061</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_692ec0e7f35eb.jpg" length="67753" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 02 Dec 2025 17:46:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr" id="docs-internal-guid-01180cd8-7fff-4bba-2d56-4fe5281f9586"><span>অবৈধ স্মার্টফোন আমদানি মোকাবিলায় ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) চালু এবং শুল্ক কাঠামো সংস্কারের মাধ্যমে স্থানীয় উৎপাদন আমদানির তুলনায় আরও আকর্ষণীয় করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। এর মাধ্যমে স্মার্টফোনের পেনিট্রেশন বছর খানেকের মধ্যেই দ্বিগুণ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি। </span></p>
<p dir="ltr"><span>পাশাপাশি নতুন পলিসিতে ফাইবারাইজেশন উন্মুক্ত করে দেয়ায়" "তৃতীয় ও চতুর্থ সাবমেরিন কেবল যুক্ত হওয়ায় ডেটার দামও কমে যাবে”, যোগ করেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী।</span></p>
<p>ডিভাইস শিল্পের বিনিয়োগ সুরক্ষায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অবস্থান তুলে ধরে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, যদি আমরা দেশের ডিভাইস শিল্পের দিকে তাকাই, দেখি স্মার্টফোন ব্যবহারের হার প্রায় ৪১–৪৫ শতাংশ। ২০২১ সালে বছরে প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলারের স্মার্টফোন বিক্রি হয়েছিল। কিন্তু ভুল নীতি ও কিছু অবৈধ আমদানির কারণে এ সংখ্যা কমে বছরে প্রায় ৮ বিলিয়নে নেমে এসেছে।</p>
<p>বাংলাদেশে মোবাইল উৎপাদনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বিশেষ সহকারী বলেন, সরকার সর্বদা এই শিল্পের পাশে থাকবে যাতে এটি আরও বিকশিত হতে পারে এবং বিনিয়োগ সুরক্ষিত থাকে।  আসলে ডিভাইস শিল্পের সাফল্য নির্ভর করে বৈধ স্থানীয় উৎপাদন ও বৈধ আমদানির মধ্যে সঠিক ভারসাম্যের ওপর। আমরা যদি কর কাঠামোকে যৌক্তিক করি, তবে আরও অনেক কোম্পানি বাংলাদেশে আসবে। <span>সঠিক প্রণোদনা থাকলে স্মার্টফোন ব্যবহার ৪০ শতাংশ থেকে ৭০ এমনকি ৮০ শতাংশেও পৌঁছাতে পারে।”</span></p>
<p>ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব আরও বলেন, বর্তমানে আমরা অবৈধ স্মার্টফোন আমদানি রোধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছি। আগামী ১৬ ডিসেম্বর এন‌ইআইআর (NEIR) সক্রিয় হবে। একইসঙ্গে আমদানি শুল্ক কাঠামো পুনর্বিবেচনা করা হবে যাতে স্থানীয় উৎপাদন সুরক্ষিত থাকে।</p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন,  ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন যাত্রার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশ দাঁড়িয়ে আছে। এই যাত্রায় দক্ষতা উন্নয়ন, শিল্প ও একাডেমিয়ার দক্ষতার ব্যবধান কমানো অত্যন্ত জরুরি। একইসঙ্গে আমাদের তরুণদের মানসম্মত কর্মসংস্থান তৈরি করাও বড় লক্ষ্য।</p>
<p>এছাড়াও ডিজিটাল গভর্নেন্স কাঠামোতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াবে এবং স্মার্টফোন ব্যবহারের হার বৃদ্ধি করবে বলে  মনে করেন প্রধান উপদেষ্টার এই বিশেষ সহকারী।</p>
<p dir="ltr"><span>এ বিষয়ে তিনি বলেন, “আমাদের সাইবার নীতি, ডেটা সুরক্ষা নীতি এবং ডেটা গভর্নেন্স/ নিয়ন্ত্রণ কাঠামো আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য নিশ্চিত করবে এবং ডিজিটাল ইকোসিস্টেমে জনগণের আস্থাকে আরও দৃঢ় করবে। </span></p>
<p>২ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অবস্থিত হাইটেক পার্কে তিনটি প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের কমার্শিয়াল অপারেশন ও নির্মাণকাজের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধা উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী।</p>
<p>এদিন প্রথমে স্মার্ট হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডের কমার্শিয়াল অপারেশন কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। এরপর হেভেন্স লাইট প্রাইভেট লিমিটেডের এআই ও আইওটি ভিত্তিক স্মার্ট লাইটিং এবং হোম অটোমেশন পণ্য উৎপাদ কারখানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এক ক্লিকে। তারপর দেশীয় ব্রান্ডের বাংলা কারস এর দ্বিতীয় ইভি কারখানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।</p>
<p><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/ওআর</strong></p>
<p> </p>
<p dir="ltr"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশ ডিজিটালি পিছিয়ে রয়েছে</title>
<link>https://digibanglatech.news/159783</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159783</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_692579b392e88.jpg" length="107438" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 25 Nov 2025 12:57:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded></content:encoded>
</item>

<item>
<title>অবৈধ ফোন বন্ধে ছাড় নয়; বৈধ ফোনের দাম কমাতে  ‘যা যা করা দরকার তাই করা হবে’</title>
<link>https://digibanglatech.news/159589</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159589</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_691def81a763c.jpg" length="54619" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 19 Nov 2025 19:25:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নাগরিক, সমাজ, অর্থনীতির ও রাষ্ট্রের বহু স্তরের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষায় অবৈধভাবে আমদানিকৃত ও চোরাচালানকৃত এবং ক্লোন করা ফোন বন্ধ করতে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। এতে অন্তত ১৩ ধরনের অপরাধের ঝুঁকি ঠেকানো সম্ভব হবে বলে মনে করেন তিনি। একইসঙ্গে গ্রাহকের পর্যায়ে বৈধ  মোবাইলফোনের দাম ‘যা যা করা দরকার তাই করা হবে’ বলেও সাফ জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী। </p>
<p>১৯ নভেম্বর, বুধবার, সন্ধ্যায় পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি এবং নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে একাধিক পোস্টে এসব জানিয়েছেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। </p>
<p>বিশেষ সহহারী জানিয়েছেন, মোবাইল বাজারে শৃঙ্খলা আনতে ১৬ ডিসেম্বরের আগে অ্যাকটিভ সবগুলো ফোন বৈধ হিসেবে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হবে।  একইসঙ্গে বৈধ পথে বিদেশ থেকে  আনা ফোনের রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সহজ করতে বিটিআরসি কাজ করছে। ইতোমধ্যেই জানানো হয়েছে যে, ইতিমধ্যে বিটিআরসিতে আলোচনা করা হয়েছে আমদানি শুল্ক কমাতে এনবিআরকেও চিঠি দেওয়া হয়েছে। দ্রুতই এ বিষয়ে এনবিআর চেয়ারম্যানের সাথে বৈঠক হবে।  পাশাপাশি দেশীয় উৎপাদকদের মূল্য কমাতে  বিটিআরসির পক্ষে অনুরোধও জানানো হয়েছে। </p>
<p>ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে এক বছর আগেই কোটি খানেক ফোন এনে দেশকে অবৈধভাবে ডাম্পিং করে ফেলার সুযোগ আর কাউকে দেয়া হবে না। আমরা সুস্পষ্টভাবে বলছি, কোনো মোবাইল ব্যবসায়ী বা দোকানিদের ব্যবসা নষ্ট করা হচ্ছে না, তারা দেশীয় উৎপাদকদের এবং বৈধভাবে আমদানি করা ফোন বিক্রি করবেন, সৎ পথে ব্যবসা করবেন।</p>
<p>বিশেষ সহকারী আরও বলেন, বর্তমানে ১টা International Mobile Equipment Identity (IMEI) কোডের বিপরীতে লাখ লাখ ফোন বানিয়ে দেশে নিয়ে আসা হচ্ছে। NEIR চালু হলে যা আর সম্ভব হবে না এজন্য NEIR বন্ধে মাফিয়া চক্র উঠেপড়ে লেগেছে। এসব লাগেজ পার্টি, ভুয়া HS code, সীমান্ত চোরাচালানি, কেজি দরে আমদানির দিন শেষ করতে, এর সাথে জড়িত সব ধরনের ডিজিটাল অপরাধ বিস্তারে লাগাম টানা হবে। এখানে কোনো ছাড় নয়।  </p>
<p>অবৈধ ফোনের সাথে কম করে হলেও নিম্নলিখিত অপরাধ সমূহ সংশ্লিষ্ট উল্লেখ্য করে তিনি লেখেন, সিমের ভুল রেজিস্ট্রেশন/eKYC এবং সিম সংক্রান্ত অপরাধ, জুয়ার লিংক এবং এমএলএম প্রতারণার বাল্ক এসএমএস পাঠানো, ভুল এমএফএস রেজিস্ট্রেশন/eKYC এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিং সংক্রান্ত অপরাধ, অনলাইন জুয়া ও স্ক্যামিং, অবৈধ ক্লোন ফোন সংক্রান্ত অপরাধ, প্যাটেন্ট ও প্রযুক্তিগত বিভিন্ন রয়্যাল্টি না দেওয়া, আয়কর ও শুল্ক ফাঁকি, ভারত ও চীন থেকে অবৈধ আনবক্সড মোবাইল ফোন আমদানি, বিমানবন্দরের লাগেজ পার্টি, সীমান্ত চোরাচালান, স্থানীয় হ্যান্ডসেট উৎপাদন শিল্প বিকাশকে বাধা দেয়া, চুরি যাওয়া ফোন উদ্ধার, ছিনতাই এবং হারানো ফোন ফেরত ইত্যাদি ইত্যাদি। </p>
<p>তিনি আরও লিখেছেন, প্রবাসীরা বাইরে থেকে নিয়ম মেনে একটি বা দুটি ফোন ফ্রি আনবেন, নিয়ম মেনে রেজিস্ট্রেশন করবেন। কোনো ঝামেলা হবে না। দুটির বেশি ফোনের ক্ষেত্রে এনবিআরের আলাদা নিয়ম রয়েছে, একটা ফি দিতে হয়, এটা পুরোনো নিয়ম। রেজিস্ট্রেশন, ডি-রেজিস্ট্রেশন এবং রি-রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি সমূহ কীভাবে সাধারণ নাগরিকদের জন্য সহজ করা যায়, সে বিষয়ে আমরা আপনাদের যৌক্তিক পরামর্শ পেয়েছি এবং পাচ্ছি। এটা আমরা আমলে নিচ্ছি। আমরা ক্লোন করা, অবৈধভাবে আমদানিকৃত ও চোরাচালানকৃত ফোন বন্ধ করবো ইনশাল্লাহ। এখানে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;">ডিবিটেক/জেইউ/আইএইচ</span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হেইট স্পিচে সহিংসতা তৈরি হলে অপরাধ</title>
<link>https://digibanglatech.news/159528</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159528</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_691bf57478610.jpg" length="39000" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 18 Nov 2025 09:46:51 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নতুন সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে বাক স্বাধীনতার অংশ হিসেবে হেইট স্পিচ বা ঘৃণা ছড়ানো আক্রমণাত্মক বক্তব্যকে অপরাধের তালিকায় না আনা হলেও ওই বক্তব্য যদি সহিংসতা ছড়ায়, তবে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। </p>
<p>১৮ নভেম্বর, মঙ্গলবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে আইনের সেই বিষয়টি নেটিজেনদের কাছে ব্যাখ্যা দিলেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।</p>
<p>তিনি লিখেছেন, ‘সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ মতে, হেইট স্পিচ অপরাধ না। ফ্রিডম অফ স্পিচ বা বাক্‌স্বাধীনতা হিসেবে হেইট স্পিচকে রেসপেক্ট করা হয়েছে। তবে হেইট স্পিচ যদি ভায়োলেন্স বা সহিংসতা তৈরি করে অথবা ভায়োলেন্স কল করে তখন সেটা অপরাধ।’</p>
<p>জুলাই অভ্যূত্থানে নিরস্ত্র বেসামরিক নাগরিকের বিরুদ্ধে মারণাস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে হত্যার দায়ে পদচ্যুত পলাতক  আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার আগে ও পরে উদ্ভূত সহিংসতা ও ডিজিটাল হুমকী পরিস্থিতিতে এমন স্ট্যাটাস দিয়েছেন বিশেষ সহকারী।</p>
<p>দণ্ডপ্রাপ্ত কোনো আসামির বক্তব্য ও বিবৃতি প্রচার করা অপরাধ নয় জানিয়ে তিনি আরও লিখেছেন, তবে সেখানে হেট স্পিচ যদি থাকে যা সহিংসতা তৈরি করে অথবা সহিংসতা তৈরির আহ্বান করে তাহলে সেটা অপরাধ হবে। সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ প্রণয়নের সময় মানবাধিকার কর্মীদের সঙ্গে যে এনগেজমেন্ট ছিল, সেখানে সবাই এই মত সমর্থন করেছিলেন যে, 'হেট স্পিচ দ্যাট ইনষ্টিগেটস ভায়োলেন্স', 'হেট স্পিচ দ্যাট কলস ফর ভায়োলেন্স'- এই দুইটা অপরাধ।’<br> <br>তিনি আরও বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যগুলো শুনলে দেখা যায়, অধিকাংশ বক্তব্য ওপেন কল ফর ভায়োলেন্স, কিছু কিছু ওপেন কল ফর ক্রিয়েটিং ন্যাশনাল ওয়াইড ভায়োলেন্স। ফলে এ ধরনের সহিংসতা তৈরির আহ্বান সংবলিত বক্তব্য ডিজিটাল মিডিয়া বা সাইবার স্পেসে প্রচার করাও অপরাধের পর্যায়ে পড়ে। এজন্য জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি বিষয়টা নিয়ে একটা সচেতনতামূলক প্রজ্ঞাপন এবং সতর্কতা জারি করেছে।’</p>
<p>এর আগে গত ১৭ নভেম্বর রাতে দেয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে কোনো দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমগুলোর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি (এনসিএসএ)। এতে বলা হয়, এনসিএসএ অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে, দেশে কিছু প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং অনলাইন নিউজ পোর্টাল দণ্ডপ্রাপ্ত এবং পলাতক আসামি শেখ হাসিনার বক্তব্য ও বিবৃতি প্রচার করছে।<br> <br>প্রচারিত এসব বক্তব্যে সামাজিক স্থিতিশীলতা (সোশ্যাল হারমনি) বিঘ্নিত করার পাশাপাশি সরাসরি সহিংসতা, বিশৃঙ্খলা ও অপরাধমূলক কার্যকলাপ সৃষ্টির আহ্বান বা নির্দেশনা রয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত এবং পলাতক আসামিদের ‌বক্তব্য প্রচার সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর নিয়মাবলির পরিপন্থি। বিশেষত অধ্যাদেশের ধারা ৮(২) অনুযায়ী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত এমন তথ্য, যেগুলো দেশের অখণ্ডতা, নিরাপত্তা বা জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে, জাতিগত/ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ায় কিংবা সহিংসতার আহ্বান জানায়, সেসব তথ্য অপসারণ বা ব্লক করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।<br> <br>আরও স্পষ্টভাবে, অধ্যাদেশের ধারা ২৬ (১) অনুযায়ী, ‘ছদ্ম পরিচয়’ বা অবৈধ প্রবেশের মাধ্যমে যদি কেউ ঘৃণা, জাতিগত বিদ্বেষ বা সহিংসতা প্ররোচনাকারী বক্তব্য প্রকাশ বা প্রচার করেন, তা অপরাধ এবং দণ্ডনীয়। ধারা ২৬ (২) অনুযায়ী, অপরাধীদের সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ দশ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করা যেতে পারে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এনসিএসএ সাংবাদিকতা ও অভিব্যক্তির স্বাধীনতাকে সম্মান করে। তাই দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সহিংসতা, বিশৃঙ্খলা, অপরাধমূলক, উসকানিমূলক বা আহ্বানমূলক যেকোনো বিবৃতি প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে এবং আইনি দায়বদ্ধতা বিবেচনায় রাখতে গণমাধ্যমকে অনুরোধ করা হলো।<br> <br>এদিকে, গত ১৭ নভেম্বর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রায়ে শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়েছে। আর রাজসাক্ষী হয়ে সত্য উন্মোচন করায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।<br><em><strong>ডিবিটেক/মুইম/ওআর</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইটিতে অনেক বড় ইনভেস্টমেন্টের প্লান আছে আমাদের</title>
<link>https://digibanglatech.news/159436</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159436</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6918b2e3d0c14.jpg" length="96011" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 15 Nov 2025 19:56:03 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রোবাস্ট ইন্টারনেট এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, টেকনলোজি, এআই ছাড়া কোনো দশ নেক্সট লেভেলে যেতে পারবে না। আমাদের টেকনলোজির ওপর বিশাল প্রোগ্রাম রয়েছে। এটা এখন আমরা শেষর দিকে করে নিয়ে এসেছি। টেকনলোজি ছাড়া.. আমি বলেছি গ্রামেগঞ্জে কলসেন্টার হবে, ছেলে মেয়েরা কাজ করবে। ডেটা সেন্টার হবে। ছেলে মেয়েরা অনলাইন ট্রেডিং করবে। আরও অনেক আইটি রিলেটেড বিজনে আছে। এগুলো বাড়িতে বসে করতে পারবে। ফরিদুপুরে বসে করতে পারবে। ঢাকায় যাওয়ার কোনো দরকার হবে না। আইটিতে অনেক বড় ইনভেস্টমেন্টের প্লান আছে আমাদের। আমরা মেগা প্রজেক্ট করবো না। আমাদের বিনিয়োগ হবে এই জায়গায়। </p>
<p>১৫ নভেম্বর শনিবারবিকেলে বিএনপির ফরিদপুর সাংগঠনিক বিভাগের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমনটাই বললেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ফরিদপুর সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুর বিভাগ ব্যবসায়ী ফোরামের সমন্বয়কারী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ। সভায় বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলের পাঁচটি জেলা— ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর ও রাজবাড়ী জেলার শীর্ষ ব্যবসায়ীরা অংশ নেন।</p>
<p>আমির খসরু বলেন, যেখানেই যত নিয়ন্ত্রণ, সেখানেই তত করাপশন। ঘুষ–দুর্নীতি কমিয়ে আনতে এবং ব্যবসাকে সহজ করতে সনদের সংখ্যা কমানো, পরিবেশ সৃষ্টি করা, ক্যাপিটাল মার্কেট সৃষ্টি করার কাজ করা হবে।১৫ শতাংশ ইন্টারেস্ট দিয়ে কোনো ব্যবসা হয় না। ইন্টারেস্ট সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে। নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে আনতে হবে। ব্যবসা ব্যবসায়ীদের হাতেই ছেড়ে দিতে হবে। </p>
<p>ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ন, বিগত সরকারের সময়ে দেশে পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি চালু ছিল, তাতে অল্প কয়েকজন লোক উপকৃত হয়েছে। অর্থনীতিতে গণতন্ত্র ছিল না, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ছিল না। এ জন্য অনেক ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার মূল কারণ অনুসন্ধান করে সংকটের গভীরে গিয়ে সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। মতবিনিময় সভায় প্রশ্নোত্তর পর্ব রাখার বিষয়ে আমীর খসরু বলেন, ফ্যাসিস্ট পালিয়ে যাওয়ার পর মানুষের মনোজগতে পরিবর্তন এসেছে। এ পরিবর্তনের ধারা বুঝতে না পারলে রাজনীতির ভবিষ্যৎ নেই। এজন্য এই প্রশ্নোত্তর পর্ব রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে আমরা চাকরির ইন্টারভিউ দিচ্ছি আর আপনারা আমাদের চাকরি দেবেন— এ লক্ষেই এই আয়োজন।</p>
<p>তিনি বলেন, আগে রাজনীতিবিদরা চাইতেন ব্যবসায়ীরা-জনগণ তাদের কাছে আসুক। কিন্তু আমরা সে অবস্থা থেকে বের হয়ে আসতে চাইছি। এজন্য বিএনপির বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে আমরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এ বিভাগীয় মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছি। আমরা রুট লেভেলে যাচ্ছি, ব্যবসায়ীদের চাওয়া–পাওয়ার খোঁজখবর নিতে।</p>
<p>আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেড় বছরের মধ্যে এক কোটি লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে। রেস্টুরেন্ট ব্যবসা করতে এখন যে ১৯টি সনদ লাগে এবং তা পেতে এক থেকে দেড় বছর সময় লাগে— তা কমিয়ে সরকারি পারমিশন যাতে ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে পাওয়া যায় সে উদ্যোগ নেওয়া হবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি এস এম ফজলুল হক, করিম গ্রুপের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর মিয়া, বিএস জুট মিলের মালিক জহিরুল হক শাহজাদা মিয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ ফ্যাকাল্টির অধ্যাপক অর্থনীতিবিদ রাশেদ আল মাহমুদ, ফরিদপুর চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি আওলাদ হোসেন, মাদারীপুর চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি লোকমান হোসেন, রাজবাড়ী চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ইনামুল করিম, শরীয়তপুর চেম্বার অব কমার্সের সহসভাপতি আলাউদ্দিন আল আজাদ, মামুন গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহিন শাহাবুদ্দিন, ফরিদপুর জুট ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান চৌধুরী ফারিয়ান ইউসুফ, ফরিদপুর চক বাজার বণিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি একে এম কিবরিয়া প্রমুখ।<br><em><strong>ডিবিটেক/ডিপি/মুইম</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আমির খসরুর প্রযুক্তি দক্ষতার সঙ্গে নৈতিকতা জুড়ে দিলেন এহসান জোবায়ের</title>
<link>https://digibanglatech.news/159266</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159266</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;strong&gt;জবাবদিহীতা ও আস্থা ফিরিয়ে আনতে বিএনপি-জামাতকে এক হওয়ার আহ্বান মজিবুর রহমানের&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6912432d68c06.jpg" length="60473" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 11 Nov 2025 00:00:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রযুক্তির সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) জ্ঞানকে সমন্বয় করে জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরে ব্যর্থ হলে জাতীয় উন্নয়নই স্থায়িত্ব পাবে না বলে মন্তব্য করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে আইটি সেক্টর, কলসেন্টার, নার্সিং, প্রচলিত কুটির শিল্প আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং আইটি উদ্যোক্তাদের পণ্য ব্র্যান্ডিংয়ে সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। অপরদিকে দক্ষতার সঙ্গে নৈতিকতা না থাকলে জাতি এগিয়ে যেতে পারবে না বলে মন্তব্য করে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জোবায়ের বলেছেন, আমাদের নিজ নিজ পেশায় দক্ষ হয়ে ভবিষ্যতমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রণয়ন করতে হবে। </p>
<p>১০ নভেম্বর, সোমবার রাজধানীর কাকরাইলের আইডিবি ভবনের মুক্তিযোদ্ধা মিলনায়তনে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ’র (আইডিইবি) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত ‘দক্ষ জনশক্তি-দেশ গঠনের মূল ভিত্তি’ শীর্ষক সেমিনারে দেয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন তারা। এই সেমিনারে দেশের প্রধান সব রাজনৈতিক দলের নেতারাই উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>অনুষ্ঠানে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, প্রযুক্তির সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) জ্ঞানকে সমন্বয় করে জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরে ব্যর্থ হলে জাতীয় উন্নয়নই স্থায়িত্ব পাবে না। আর সেবাগ্রহীতাদের সরকারি দপ্তরে ধরনা দেওয়ার অর্থ হলো হয়রানি ও দুর্নীতি। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে সেবার সুযোগ জনগণের নিকট পৌঁছে দেওয়া হবে। এতে অর্থ ও সময়ের অপচয় কমে আসবে। তাই ক্ষমতায় গেলে গ্রামীণ ভিত্তিক কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেবে বিএনপি। নতুন বাংলাদেশ গড়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করবে। তখন কাউকে কর্মসংস্থানের জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রামে আসতে হবে না।  সরকার গঠনের এক বছরের মধ্যে এক কোটি লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।  </p>
<p>তিনি আরও বলেন, ঢাকায় বসে নয় জনগণের রায় নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি গ্রহণ করতে হবে। জনগণের মালিকানা জনগণের নিকট পৌঁছে দেওয়াই বিএনপির মূল লক্ষ্য। বিএনপি ক্ষমতায় এলে কোনো মেগাপ্রকল্প নেওয়া হবে না। জাতীয় বাজেটের ৫ শতাংশ শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে ব্যয় করা হবে।</p>
<p>‘প্রকৌশলীদের মধ্যে কোনো বৈষম্য থাকা উচিত নয়’ মন্তব্য করে অনুষ্ঠানের শেষ ভাগে দেয়া বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জোবায়ের বলেছেন, বাংলাদেশে এখন দুটি মৌলিক কাজ করা দরকার। একটা হচ্ছে, দেশের জনশক্তিকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে হবে। অপরটি হলো নতুন প্রজন্মকে আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে বিশ্ব নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে অত্যন্ত উন্নত মানের প্রযুক্তি ও নৈতিকতা নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করতে হবে। দক্ষতার সঙ্গে নৈতিকতা না থাকলে জাতি এগিয়ে যেতে পারবে না। অদক্ষ প্রবাসী শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়নে কার্যকর পরিকল্পনা করতে হবে।</p>
<p>রানা প্লাজার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, একজন চিকিৎসকের ভুলে একজন রোগী মারা যায়। আর একজন প্রকৌশলীর ভুলের কারণে অনেক মানুষের মৃত্যু হয়। একজন প্রকৌশলীর দায়িত্ব মানবিকতার প্রতি দায়বদ্ধতা।  </p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x_6912434754ada.jpg" alt=""></p>
<p>তিনি আরও বলেন, আমাদের সব অর্জনগুলো দুর্নীতি খেয়ে ফেলছে। অসততার জন্য আমরা সব হারিয়ে ফেলছি। তাই গত সোয়া এক বছর ধরে আমরা ফ্যাসিবাদ সিস্টেম ঠেকাতে সংস্কারের প্রস্তাব করছি। কিন্তু ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নোট অব ডিসেন্টে আবারও এক ব্যক্তির কাছে জিম্মি হওয়ার লক্ষণ দেখা দিচ্ছে। আমি মনে করি এই জাতি আর বার বার হুমড়ি খেয়ে পড়তে চায় না। আমরা ১০ টাকা দামের চাল আর ঘরে ঘরে চাকরি দেয়ার কথা বলবো না। আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমরা যে যে পেশায় আছি সেখান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।     </p>
<p>একই সেমিনারে ‘বিএনপি-জমায়াতের একাট্টা’ হতে আহ্বান জানিয়ে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান বলেছেন, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী ১৫ বছর ধরে একে অপরের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, জেল-জুলুম সহ্য করেছে, অসংখ্য কর্মী আহত ও পঙ্গু হয়েছেন, এমনকি অনেকে জীবন উৎসর্গ করেছেন। অথচ আজ বিএনপি–জামায়াতের মধ্যে বিভেদ ও ঘৃণার দেয়াল কেন? বিএনপি–জামায়াতের আজকের এই ভেদাভেদের মূল কারণ হচ্ছে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব। ক্ষমতাকে কেন্দ্র করেই তারা আজ মুখোমুখি দাঁড়িয়ে গেছে।</p>
<p>মজিবুর রহমান বলেন, ‘আমরা এক কঠিন রাজনৈতিক সময় অতিক্রম করছি। বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে যে ক্ষমতার লড়াই চলছে, তা বন্ধ করে ঐক্যের পথে আসতে হবে। আগামী পাঁচ বছর বিএনপি ও জামায়াতকে ঐক্যবদ্ধভাবে সংসদে ও সরকারে থাকার জন্য আমি আহ্বান জানাই। হাসিনা যদি পালিয়ে না গিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতেন, তাহলে বিএনপি-জামায়াত ঐক্যবদ্ধভাবেই নির্বাচনে অংশ নিত। এখন একে অপরের বিরুদ্ধে দোষারোপ না করে ঐক্যবদ্ধ রাজনীতিতে ফেরার সময় এসেছে।’</p>
<p>রাজনৈতিক দলের প্রতি জনগণের আস্থাহীনতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জনগণ এখন রাজনৈতিক দলের ইশতেহার বিশ্বাস করে না। কারণ, আমরা প্রতিশ্রুতি দিই, কিন্তু তা রাখি না। এ জন্য আমাদের নেতাদের মধ্যে সততা, জবাবদিহি ও আস্থার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে।’</p>
<p>সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইডিইবি’র কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব প্রকৌশলী কাজী সাখাওয়াত হোসেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইডিইবি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল আজিজ।</p>
<p>আইডিইবি’র কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক প্রকৌশলী মো. কবীর হোসেনের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন এলডিপির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ,  গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব প্রকৌশলী আশরাফুল আলম।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তির সুবিধা নিতে হবে, অপব্যবহার নয়: সিইসি</title>
<link>https://digibanglatech.news/159016</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159016</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6908508f21ac3.jpg" length="61921" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 03 Nov 2025 12:20:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন নেটিজেনদের সতর্ক করে বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভোট ও প্রার্থীদের নিয়ে অপপ্রচার বা বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হতে পারে।</p>
<p>এ বিষয়ে তিনি সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান এবং বলেন, “প্রযুক্তির সুবিধা নিতে হবে, অপব্যবহার নয়।”</p>
<p>২ নভম্বর, সোমবার জাতীয় নির্বাচনে আনসার-ভিডিপির ভোটকেন্দ্র নিরাপত্তা মহড়া ও আনসার সদস্যদের সমাপনী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।</p>
<p> এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, “বাংলাদেশ এখন এক সংকটময় মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছে। এই অবস্থায় দেশ কোনদিকে যাবে, তা আগামী জাতীয় নির্বাচনের ওপরই নির্ভর করছে।”</p>
<p>সিইসি বলেন, “রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা ছাড়া কখনোই একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব নয়।” তিনি আরও জানান, আসন্ন নির্বাচনে প্রায় ১০ লাখ মানুষ নির্বাচনী কার্যক্রমে যুক্ত থাকবেন। এবার কারাবন্দি ভোটার এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও অ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।</p>
<p>তিনি বলেন, “নির্বাচনে আনসার সদস্যদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংখ্যার দিক দিয়ে এটিই সবচেয়ে বড় বাহিনী। তাই শুধু প্রচলিত নিয়মে কাজ করলে চলবে না—এর বাইরে গিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে।”<br><br></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফেসবুক ভিডিও দেখে আতঙ্কিত হওয়ারও কিছু নেই: ডিএমপি কমিশনার</title>
<link>https://digibanglatech.news/158648</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158648</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f9f76d94640.jpg" length="102642" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 23 Oct 2025 14:38:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত দল আওয়ামী লীগের </span><span>ফেসবুকের ভিডিও দেখে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে মনে করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। </span>রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলটির (আওয়ামী লীগ) সাম্প্রতিক মিছিল-সমাবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচির সংখ্যা সম্প্রতি কিছুটা বেড়েছে। তবে বেশিরভাগই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক। অনেকে নাইট কোচে করে এসে অল্প সময়ের জন্য ব্যানার দেখিয়ে ভিডিও করে ফেসবুকে দেয়। এতে মনে হয় বড় মিছিল হয়েছে, কিন্তু বাস্তবে তেমন কিছু নয়। সোশ্যাল মিডিয়ার শক্তি আমরা অস্বীকার করতে পারি না, তবে এতে আতঙ্কিত হওয়ারও কিছু নেই।” </p>
<p>২৩ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ডিএমপি ও জাইকার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘রোড সেফটি সেমিনার’ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন <span>ডিএমপি কমিশনার</span>। তিনি বলেন, রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত দল আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মসূচির সংখ্যা সম্প্রতি কিছুটা বেড়েছে। তবে বেশিরভাগই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক। <span>তারা নিজেদের ব্যানার দেখিয়ে ফেসবুকে ভিডিও প্রকাশ করে। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।</span></p>
<p>এবারের নির্বাচনকে ঘিরে একটি ‘নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য পরিবেশ’ তৈরি হবে আশাবাদ ব্যক্ত করলেও ‘দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা একটি দল এবার অংশ নিতে না পারায় তারা পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করতে পার ‘ বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন <span>সাজ্জাত আলী</span>। তার ভাষায়, <span>নভেম্বরের শেষ দিকে একটি চমৎকার নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি হবে। এখন সবাই নির্বাচনের মুখোমুখি। জনগণ ভোট দিতে চায়। এমনকি যাদের বয়স ৩৫ থেকে ৪০, তারাও জীবনে কখনো ভোট দেয়নি। এটা আমাদের দেশের জন্য দুঃখজনক। বিপরীতে এবারের নির্বাচনে </span>একটি দল নিষিদ্ধ ঘোষিত। তারা ককটেল বিস্ফোরণ ও নাশকতার চেষ্টা করছে। তবে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক আছি, যাতে কোনো রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড না ঘটে।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘চিকিৎসা শিক্ষায় ইসলামী নীতিমালা সংযোজনই টেকসই স্বাস্থ্যব্যবস্থার পথ’</title>
<link>https://digibanglatech.news/158516</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158516</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f50e45265da.jpg" length="60687" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 19 Oct 2025 11:14:10 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr" id="docs-internal-guid-1bd49aeb-7fff-b230-5d38-e84cfdefa1f0">আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় ইসলামী নীতিমালা সংযোজনই হতে পারে মানবতার জন্য একটি নৈতিক ও টেকসই স্বাস্থ্যব্যবস্থার পথ। ইসলামী চিকিৎসা শিক্ষা বিজ্ঞানের সাথে মূল্যবোধের সমন্বয় ঘটায়। ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি চিকিৎসককে এমনভাবে গড়ে তোলা হয়, যাতে সে কেবল রোগ নয়, সমাজ ও নৈতিকতার সুস্থতাকেও গুরুত্ব দেয়। আর তাওহিদ হল ইসলামী চিকিৎসা জ্ঞানের ভিত্তি; যা মানুষ, সমাজ ও চিকিৎসাকে এক সূত্রে গেঁথে দেয়।</p>
<p dir="ltr"><span>বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি (বিএমইউ)- তে “ইভোলিউশন অব ইসলামিক মেডিকেল এডুকেশন অ্যান্ড এথিকাল প্র্যাকটিস” শীর্ষক সেমিনারে কীনোট স্পিকার আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিক্ষাবিদ ও ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক থট (আইআইআইটি) এর সেক্রেটারি জেনারেল প্রফেসর ড. ওমর হাসান কাসুলি এসব কথা বলেন।</span></p>
<p dir="ltr"><span>স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড হেলথ-এর লেকচার হলে শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫, অনুষ্ঠিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শাহিনুল আলম। বক্তব্য রাখেন প্রো ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) প্রফেসর ড. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, প্রো ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. আবুল কালাম আজাদ, বিআইআইটি'র সিনিয়র একাডেমিক ফেলো প্রফেসর ড. আবু খলদুন আল-মাহমুদ এবং বিএমইউ'র ট্রেজারার প্রফেসর ড. নাহরিন আখতার। সেমিনারে প্রায় তিন শতাধিক শিক্ষকমণ্ডলী, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।</span></p>
<p dir="ltr"><span>প্রফেসর ড. ওমর হাসান কাসুলি ইসলামী মূল্যবোধভিত্তিক চিকিৎসা শিক্ষার </span><span>বিকাশ</span><span>, </span><span> নৈতিক চর্চার ঐতিহাসিক বিবর্তন, নীতি </span><span>অনুশীলনের</span><span> গুরুত্ব, ইসলামী দর্শনের আলোকে পেশাগত দায়িত্ববোধ, চিকিৎসা পেশায় আধ্যাত্মিক চেতনার ভূমিকা, মেডিসিনের ইসলামীকরণ এবং চিকিৎসক-রোগীর সম্পর্কের মানবিক দিকগুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, চিকিৎসা শিক্ষায় ইসলামী জ্ঞান, নৈতিকতা, ইসলামী মূল্যবোধ সংযোজন অত্যন্ত সময়োপযোগী; যা চিকিৎসা পেশাকে আরও মানবিক ও দায়িত্বশীল করে তুলবে। চিকিৎসকদের নৈতিক চেতনা ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ চিকিৎসা পেশাকে আরও অর্থবহ করে তোলবে। এজন্য ভবিষ্যতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।</span></p>
<p dir="ltr"><span>তিনি আরও বলেন, ইসলামি শরিআহ'র পাঁচটি মূল লক্ষ্যের আলোকে ইসলামের নীতি বিদ্যা। লক্ষ্যগুলো হচ্ছে: দীন বা ধর্ম, জীবন বা প্রাণ, বংশধর, বুদ্ধিমত্তা/আকল এবং সম্পদের সংরক্ষণ। একজন চিকিৎসককে সকল কাজ ইসলামের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য কিনা তা ওই পাঁচটি লক্ষ্য পূরণ সাপেক্ষে বিবেচনা করতে হবে। এ পাঁচটি লক্ষ্য অর্জনে চিকিৎসকের কর্মপদ্ধতি আবার পাঁচটি প্রায়োগিক পূর্বশর্ত পূরণ করতে হবে। এ পাঁচটি পূর্বশর্ত হচ্ছে কাসদ (উদ্দেশ্য), সফলতা সম্পর্কে ইয়াকিন (সন্দেহাতীত নিশ্চিন্ততা), দারার বা সম্ভাব্য ক্ষতি বিবেচনা, মাশাক্বাত বা অভাব বা কষ্টকর পরিস্থিতি বিবেচনা, উরফ বা একই কাজের পূর্ব চর্চার নজির। বস্তুত: মাকাসিদ আল শরিআহ এবং কাওয়ায়িদ আল শরিআহ'র নির্দেশনায় ইসলামের নীতিবিদ্যা বা এথিক্স ইউরোপীয় এথিক্স-এর চেয়ে আরও বিস্তৃত এবং এর ভিত্তি অনেক দৃঢ় ৷</span></p>
<p dir="ltr"><span>তিনি বলেন, ইসলাম আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে জীবন ও জ্ঞানের সব ক্ষেত্রকে পরিচালিত করে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে চিকিৎসাবিদ্যারও ইসলামায়ন অপরিহার্য। ইসলামিক মেডিসিন বা চিকিৎসা সার্বজনীন নৈতিক মূল্যবোধভিত্তিক চিকিৎসা ব্যবস্থা, যা কুরআন ও সুন্নাহর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ১৯৬০</span><span>–</span><span>৭০-এর দশকে ইসলামিক মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনগুলোর মাধ্যমে মুসলিম চিকিৎসকদের মধ্যে একটি নতুন চেতনার সূচনা ঘটে, যা ১৯৯৫ সালে মালয়েশিয়ায় “ইসলামিক মেডিসিন” ধারণাকে স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করে। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ইসলামিক হাসপাতাল ও শারিয়াহ-সম্মত স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যেগুলো ইবাদত-বান্ধব পরিবেশ, আধ্যাত্মিক স্বাচ্ছন্দ্য এবং নৈতিক চিকিৎসা অনুশীলন নিশ্চিত করছে। মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় এসব হাসপাতাল সরকারিভাবে শারিয়াহ-কমপ্লায়েন্ট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। চিকিৎসা-নৈতিকতার নতুন জটিল বিষয়</span><span>- </span><span>যেমন অঙ্গ প্রতিস্থাপন, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, ইন-ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন বা জীবনরক্ষাকারী প্রযুক্তি</span><span>-</span><span>শুধু প্রচলিত ফিকহ দ্বারা সমাধান সম্ভব নয়; বরং “মাকাসিদ আল-শারিয়াহ” বা ইসলামী উদ্দেশ্য-তত্ত্বের আলোকে নতুন ইজতিহাদ</span><span> </span><span>প্রয়োজন।”</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আল্লাহ প্রদত্ত জ্ঞানের আলোয় পরিচালিত প্রযুক্তিই টেকসই মানব সভ্যতার ভিত্তি</title>
<link>https://digibanglatech.news/158514</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158514</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f50c876dece.jpg" length="70040" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 19 Oct 2025 10:07:37 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr" id="docs-internal-guid-339c8443-7fff-c988-e35b-902e8437fdc0">এথিক্যাল চ্যালেঞ্জেস অব আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) শীর্ষক ইয়ুথ কনফারেন্স ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের প্রফেসর মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p>
<p dir="ltr"> বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক থট (বিআইআইটি) এবং ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক থট (আইআইআইটি) ১৮ অক্টোবর শনিবার, এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে মূল বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সৌদি আরবের কিং ফাহাদ মেডিকেল সিটি- এর অধ্যাপক এবং যুক্তরাষ্ট্রের আইআইআইটি'র সেক্রেটারি জেনারেল প্রফেসর ড. ওমর হাসান কাসুলি।</p>
<p dir="ltr"><span>প্রফেসর কাসুলি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নৈতিক চ্যালেঞ্জ, এর সামাজিক প্রভাব এবং ইসলামী নীতিবোধের আলোকে প্রযুক্তির মানবিক ব্যবহারের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। </span></p>
<p dir="ltr"><span>তিনি বলেন, “এআই'কে নৈতিক নিয়ন্ত্রণ ও মানবকল্যাণের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে নৈতিকতা ও মানবিকতার প্রশ্ন নতুনভাবে সামনে নিয়ে আসছে, তা দক্ষতার সাথে সচেতনভাবে ডিল করতে হবে। চিকিৎসাবিদ্যায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার মানব নিয়ন্ত্রণ হারানোর নৈতিক সংকটের ঝুঁকি তৈরি করছে। </span></p>
<p dir="ltr"><span>ইসলামিক নৈতিকতা, আইন ও প্রযুক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে তিনি বলেন, মানুষকে আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন মহাবিশ্বের সেরা সত্তা হিসেবে</span><span>—</span><span>যার পাঁচটি গুণ বা সক্ষমতা তাকে অন্য সব সৃষ্টির উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছে: ইস্তিখলাফ (খিলাফত), হামলুল আমানাহ (দায়িত্ব), তাসখির (নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা), ইস্তিমার (সভ্যতা নির্মাণ), এবং আখলাক (নৈতিকতা)। এই পাঁচটি গুণের সমন্বয়ে মানুষ প্রযুক্তি সৃষ্টি করেছে এবং সেটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখার নৈতিক দায়িত্ব তার নিজের। আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন কেবল সহায়ক নয়</span><span>- </span><span>এটি নিজে শিখতে, সিদ্ধান্ত নিতে এবং এমনকি রোগনির্ণয়ে নতুন সমাধান তৈরি করতে সক্ষম। এতে প্রশ্ন উঠছে</span><span>- </span><span>মানুষ কি এখনও নিয়ন্ত্রক, নাকি যন্ত্রই এখন নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে? এই নিয়ন্ত্রণের সম্ভাব্য ক্ষতি মানব নৈতিক শ্রেষ্ঠত্বকেই বিপন্ন করতে পারে।</span></p>
<p dir="ltr"><span>ড. কাসুলি নৈতিক দায়বদ্ধতার জটিল প্রশ্ন উত্থাপন করেন: যদি এআই চিকিৎসায় ভুল করে রোগীর ক্ষতি করে, তবে দায়ী কে</span><span>- </span><span>প্রোগ্রামার, সফটওয়্যার বিক্রেতা, হাসপাতাল মালিক নাকি চিকিৎসক? এই প্রশ্নের উত্তর শুধুমাত্র প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ নয়, বরং ফিকহ (ইসলামী আইন) ও নৈতিক চিন্তনের সমন্বিত কাঠামোর মধ্য দিয়ে খুঁজতে হবে। ইসলামি দৃষ্টিকোণে মানুষ কখনো তার নৈতিক ক্ষমতা ও বিচারবোধ মেশিনের কাছে হস্তান্তর করতে পারে না।  এআই কেবল “তাসখির”-এর একটি মাধ্যম, নিয়ন্ত্রণের নয়। </span></p>
<p dir="ltr"><span>তিনি সতর্ক করে বলেন, অন্ধ প্রযুক্তি-প্রতিযোগিতা ও মুনাফাকেন্দ্রিক উদ্ভাবন মানবতার ভবিষ্যৎকে বিপন্ন করতে পারে। এক্ষেত্রে সমাধান হচ্ছে- বাস্তব পরিণতি পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কল্যাণ ও ক্ষতির দিক বিচারে সুবিবেচিত ভারসাম্য  বজায় রাখতে হবে।ক্ষতি প্রতিরোধ কল্যাণ অর্জনের চেয়ে অগ্রগণ্য- এই ফিকহি নীতি অনুসরণ করতে হবে। মানুষের নৈতিক দায়িত্ববোধ ও আল্লাহ প্রদত্ত জ্ঞানের আলোয় পরিচালিত প্রযুক্তিই হবে টেকসই মানব সভ্যতার ভিত্তি।”</span></p>
<p dir="ltr"><span>অনুষ্ঠানে বিআইআইটি’র মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. এম আবদুল আজিজসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন পেশার তরুণ ও পেশাজীবীরা অংশগ্রহণ করেন।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পরনির্ভরশীলতা ও হীনমন্যতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে</title>
<link>https://digibanglatech.news/158487</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158487</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f3eefc24616.jpg" length="68218" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 18 Oct 2025 23:47:54 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রযুক্তি খাতের সরকারি ক্রয়নীতিতে দেশী প্রতিষ্ঠানগুলোর সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী। তিনি বলেছেন, প্রকিউরমেন্টে অনেকক্ষেত্রে ৬০ বছরের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়। কিন্তু আমাদের দেশের বয়সও তা নয়। ফলে এসব কাজ বিদেশের হাতে চলে যায়। এ অবস্থার অবসান হওয়া দরকার। আমাদের নিজেদের সক্ষমতা বাড়াতে হলে সরকারি কেনাকাটায় দেশেী প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিতে হবে। </p>
<p><span>১৮ অক্টোবর, শনিবার ঢাকার ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি) ক্যাম্পাসে প্রথম ‘বাংলাদেশ আইসিটি অ্যান্ড ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৫’ অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেয়ার আগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। </span></p>
<p><span>ওয়েস্টার্ন সিডনি ইউনিভার্সিটির স্কুল অব সোশ্যাল সায়েন্সেস অ্যান্ড সাইকোলজি এবং অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্স ফোর্স অ্যাকাডেমি, ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলসের স্কুল অব বিজনেসে একযোগে অতিথি অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত অবস্থায় জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেশে ফিরে অন্তর্বর্তী সরকারের যুক্ত হওয়া এই প্রবীন অধ্যাপক বেশ কিছু অপ্রিয় সত্য তুলে ধরেন তার বক্তব্যে। </span></p>
<p><span>বিভিন্ন দাতাগোষ্ঠি থেকে ঋণ সহায়তা নেয়ার বিষয়ে নিরুৎসাহিত করে আনুসুজ্জামান বলেন, পরনির্ভরশীলতা ও হীনমন্যতা আমাদের পিছিয়ে দিয়েছে। এসব কারণেই আমাদের দাতাদের প্রেসক্রিপশনে চলতে হয়। আমরা নিজেদের মতো চলতে পারি না। </span></p>
<p><span>‘উদ্ভাবন শুধু প্রযুক্তি নির্ভর নয়। এটা হচ্ছে একটা থট প্রসেস’- যোগ করেন তিনি।  </span></p>
<p><span>তিনি আরো বলেন, আমাদের চিন্তা-চেতনার উন্নয়ন ঘটাতে হবে। এই যেমন আমরা এখানে অনুষ্ঠানের নামাজের সময় একটু বিরতি দিতে পারি না। আবার আমরা আল্লাহু আকবর বলি। কিন্তু এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নামজ ঘরগুলো থাকে নিচে। আবার নাম করণের সময় আমরা আমেরিকান, ডাচ, লঙ্কা ব্যবহার করে তারপর বাংলাদেশ ব্যবহার করি। এটি আমাদের হীনমন্যতা এবং পরনির্ভরশীলতার পরিচয়। আমাদের এখান থেকে চিন্তা-চেতনা ও মননে বের হয়ে আসতে হবে। আমাদের ভবিষ্যতের মানুষ হতে হবে। তা না হলে কোনো উদ্ভাবন বা প্রযুক্তিই আমাদের উন্নতি ঘটাতে পারবে না। ডিন-ভিসি নির্বাচনে নির্বাচন নয়; যোগ্যাতার ভিত্তিতে দায়িত্ব অর্পন করতে হবে। তাহলেই একটি স্বাধীন সত্তার নাগরিক গড়ে ওঠবে। পৃথিবীর অনেক বিশ্বিবিদ্যালয়ে আমি পড়িয়েছি। কিন্তু কোথাও আমাদের দেশের মতো শিক্ষকদের নির্বাচন দেখিনি। </span></p>
<ul>
<li class="post-title" style="font-size: 18pt;"><span style="font-size: 18pt;"><a href="https://digibanglatech.news/158475" target="_blank" rel="noopener">প্রথম ‘বাংলাদেশ আইসিটি অ্যান্ড ইনোভেশন’ সম্মাননা জিতলেন যারা</a></span></li>
<li class="post-title" style="font-size: 18pt;"><span style="font-size: 18pt;"><a href="https://digibanglatech.news/158472" target="_blank" rel="noopener">কর্মসংস্থান সঙ্কোচনে প্রযুক্তি ব্যবহারে সতর্ক করলেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান</a></span></li>
</ul>
<div class="d-flex align-items-center post-details-meta mb-4">
<div class="item-meta item-meta-author"></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডেটার মালিক জনগণ</title>
<link>https://digibanglatech.news/158191</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158191</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68963a2344da1.jpg" length="129039" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 09 Oct 2025 18:39:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>‘আমরা এমন একটা শাসনব্যবস্থায় বাস করেছি, যেখানে মনে করা হতো ডেটার (উপাত্ত) মালিকানা সরকারের কিংবা ডেটার মালিকানা যে মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা সংস্থা কালেক্ট করে তাদের। আমরা এই দর্শনকে এই আইনের মাধ্যমে পরিবর্তন করেছি। আমরা নতুন আইনের মাধ্যমে বলার চেষ্টা করেছি যে ডেটার মালিকানা জনগণের। অর্থাৎ ব্যক্তিমালিকানার যে ডেটা সেটার স্বত্ত্বাধিকারী হবে ব্যক্তি। ব্যক্তির সম্মতি সাপেক্ষে ব্যক্তির পক্ষে ডেটা সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিনিময় কিংবা প্রক্রিয়াজাত করতে পারবে। অর্থাৎ এই চারটি কাজে ব্যক্তির সম্মতি বাধ্যতামূলক থাকবে। পাশাপাশি এক প্রতিষ্ঠান আরেক প্রতিষ্ঠানকে কীভাবে ডেটা দেবে এবং প্রতিষ্ঠান ওই ডেটা দেশের ভেতরে এবং বাইরে কীভাবে ব্যবহার করবে, সেই বিষয়ে একটা সুস্পষ্ট নির্দেশনা এই আইনের মাধ্যমে চলে এসেছে।’</span></p>
<p>৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বৈঠকে অনুমোদিত ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এবং ‘জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ বিষয়ে এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।</p>
<p>শুধু মিডিয়া না, একটা কোম্পানি বাংলাদেশে লাইসেন্স বিক্রি করে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সে যদি কোনো অপরাধ করে থাকে এবং আদালত যদি তাকে কোনো নির্দেশনা দিয়ে থাকে, তাহলে সে আদালতের নির্দেশনা মানতে বাধ্য। আদালত চাইলে নির্দেশনা অমান্য করলে তাকে শাস্তি দিতে পারবে। তাদের যদি বাংলাদেশে অফিস না থাকে, তাহলে লিয়াজোঁ অফিস কিংবা অন্য কোনো মেকানিজমের মাধ্যমে বাংলাদেশের আদালতের বাধ্যবাধকতা পূরণ করতে হবে।’</p>
<p>বিশেষ সহকারী বলেন, ব্যক্তি তথ্য উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশের মাধ্যমে ডেটা লোকালাইজেশন আমরা উঠিয়ে দিয়েছি। অর্থাৎ যেহেতু বিশ্ব ক্লাউডে যাচ্ছে, সারা বিশ্বের একটা কমন উদ্দেশ্য হচ্ছে “ক্লাউড ফার্স্ট”। মাইক্রোসফট, অ্যাপলের মতো প্রতিষ্ঠান ক্লাউডেই সবকিছু প্রসেস করে। সেজন্য আমরা যদি ডেটা লোকালাইজ করি, পটেনশিয়ালি আমাদের বিজনেস ব্লক করে দিচ্ছি। সেজন্য আমরা যৌক্তিক কারণে সেখান থেকে সরে এসেছি।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু আমাদের ডেটা সুরক্ষা কিংবা সার্বভৌমত্বের কী হবে! এটাকে উদ্দেশ্য করার জন্য আমরা ডেটাকে শ্রেণীকরণ করেছি। শ্রেণীকরণ করে আমরা চার ভাগ করেছি, যেমন- সরকারি উন্মুক্ত ডেটা, বেসরকারি উন্মুক্ত ডেটা, কনফিডেনসিয়াল ডেটা এবং রেস্ট্রিক্টেড ডেটা। আমরা যেটা করেছি উন্মুক্ত দুটি বাদ দিয়ে কনফিডেনসিয়াল ও রেস্ট্রিক্টেড ডেটার ক্ষেত্রে প্ল্যাটফর্মগুলোকে যেকোনো সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার কোম্পানিকে বা যেকোনো ডেটা প্রক্রিয়াজাতকারীকে বাংলাদেশের আদালতের আইনি এখতিয়ারের মধ্যে থাকতে হবে। অর্থাৎ আদালত মেটা বা ফেসবুককে কোনো নির্দেশনা দিলে এখন থেকে তার এটা মানার আইনি বাধ্যবাধকতা আইনের মাধ্যমে রচনা করা হয়েছে।’</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল সীমানাও রক্ষা করতে হবে: বিমান বাহিনী প্রধান</title>
<link>https://digibanglatech.news/158127</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158127</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68e545871528c.jpg" length="111822" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 07 Oct 2025 19:54:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আধুনিক যুদ্ধকৌশলের বিবর্তনের ফলে এয়ার স্পেস এবং সাইবার স্পেসকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। তিনি বলেন, আকাশ, স্থল ও সমুদ্রসীমার মতো ডিজিটাল নেটওয়ার্কের অদৃশ্য সীমানাও রক্ষা করতে হবে। </p>
<p>৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে অবস্থিত বিমান বাহিনী সদর দপ্তরের মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে বিমান বাহিনী প্রধান এসব বলেন। বিমান বাহিনীর ‘সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস-২০২৫’ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন।</p>
<p>বিমান বাহিনী প্রধান বলেন, আধুনিক যুদ্ধকৌশলের বিবর্তনের ফলে এয়ার স্পেস এবং সাইবার স্পেসকে আর আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। যেভাবে আমরা আকাশ, স্থল ও সমুদ্রসীমায় আমাদের সীমানা রক্ষা করি, একইভাবে আমাদের ডিজিটাল নেটওয়ার্কের অদৃশ্য সীমানাও রক্ষা করতে হবে। সাইবার হুমকি যেকোনো সময়, যেকোনো স্থান থেকে তৈরি হতে পারে। </p>
<p>হাসান মাহমুদ খাঁন বলেন, সচেতনতা, সতর্কতা এবং শৃঙ্খলা সাইবার জগতে নিরাপদ থাকার মূল চাবিকাঠি।</p>
<p>এ বছর বাহিনীর পক্ষ থেকে সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয় ‘সাইবার সচেতনতা প্রত্যেকের দায়িত্ব: প্রতিটি ক্লিকই গুরুত্বপূর্ণ’। </p>
<p>বিমান বাহিনী প্রধান সাইবার হুমকি মোকাবিলায় সাইবার ওয়ারফেয়ার ও ইনফরমেশন টেকনোলজি পরিদপ্তরের গৃহীত পদক্ষেপগুলোর প্রশংসা করেন এবং সতর্কতার সঙ্গে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার ও সবাইকে সচেতন ও সতর্ক হওয়ার জন্য উৎসাহিত করেন। তিনি আশা ব্যক্ত করেন, সাইবার নিরাপত্তা একটি সম্মিলিত বিষয়, যা নিরবচ্ছিন্ন সতর্কতা ও সকলের দায়িত্ব পালনের মাধ্যমেই কেবল অর্জন করা সম্ভব। তিনি সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিমান বাহিনীকে আকাশে এবং ডিজিটাল ডোমেইনে অপ্রতিরোধ্য হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। </p>
<p>অনুষ্ঠানে বিমান বাহিনীর ঢাকাস্থ ঘাঁটি/ইউনিটের নির্বাচিত কর্মকর্তা, বিমানসেনা, এমওডিসি এবং বেসামরিক সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>ঢাকার বাইরের ঘাঁটিগুলোর প্রতিনিধিরা ভিডিও টেলি কনফারেন্সের মাধ্যমে এ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এছাড়াও মাসব্যাপী এ আয়োজনে বিমান বাহিনীর সদস্যরা, তাদের পরিবারবর্গ এবং বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের সাইবার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রতারণা প্রতিরোধে বিএসইসি প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়েছে</title>
<link>https://digibanglatech.news/158097</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158097</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68e49d1846a7a.jpg" length="77501" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 07 Oct 2025 06:55:10 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রতারণা প্রতিরোধে বিএসইসি প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে সব ব্রোকারকে সমন্বিত ও অপরিবর্তনযোগ্য ব্যাক অফিস সফটওয়্যারের আওতায় এনেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। </p>
<p>‘বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ–২০২৫’ উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ৬ সেপ্টেম্বর, সোমবার বিএসইসি  ভবনে বিকেল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। </p>
<p>বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর আন্তর্জাতিক সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অব সিকিউরিটিজ কমিশনসের (আইওএসসিও) আহ্বানে এ বছর ‘প্রযুক্তি ও এআইনির্ভর আর্থিক শেয়ার লেনদেনের ঝুঁকি ও তথ্যের সুরক্ষা বিঘ্নিত হওয়া এবং প্রতারণা প্রতিরোধ। তিনটিই বিনিয়োগকারীর নিরাপত্তার মূল চাবিকাঠি’ প্রতিপাদ্যে পালিত হচ্ছে বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ। </p>
<p>সপ্তাহ উদযাপনে ৭ সেপ্টেম্বর, বুধবার বিকেলে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ, ব্রোকারদের সংগঠন ডিবিএ এবং মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর সংগঠন বিএমবিএ যৌথভাবে জুমে (অনলাইন) একটি সেমিনারের আয়োজন করেছে। সূত্রমতে, এতে সরাসরি প্যানেল আলোচকরা ডিএসই কার্যালয়ে উপস্থিত থাকবেন। আর বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংক কর্মকর্তারা অনলাইনে যোগ দেবেন। </p>
<p>এর আগে দিবসটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ না জানিয়ে  রাত পৌনে ৯টায় দেয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়- বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএসইসি গঠিত তদন্ত কমিটির দুই সদস্য ইয়াওয়ার সায়ীদ ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মোহাম্মদ জিসান হায়দার।  জিসান হায়দার ছাড়াও অনুষ্ঠানের মূল বক্তব্য উপস্থাপনা করেন আর্থিক খাত বিশেষজ্ঞ ইয়াওয়ার সাইদ। </p>
<p>বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মীর মোশাররফ হোসেন চৌধুরীর সঞ্চালনায় আয়োজিত প্যানেল আলোচনায় প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশ নেন বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক রিপন কুমার দেবনাথ, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া এবং ব্যারিস্টার কারিশমা জাহান।  <br>  <br>দুই স্টক এক্সচেঞ্জের দুই চেয়ারম্যান ও দুই এমডি, শীর্ষ ১০ ব্রোকারেজ হাউসের ১০ জন সিইও এবং ব্রোকারদের সংগঠন ডিবিএ সভাপতিসহ বিএসইসির কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণেই অনুষ্ঠিত হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। </p>
<p>অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ বলেন, ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ ও সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯’- এই দুটি আইনকে একত্রিত করতে কমিশন ইতোমধ্যে কাজ করছে এবং সমস্ত সিকিউরিটিজ সংক্রান্ত বুলসকে এক জায়গায় আনতেও কাজ চলছে। অনিয়ম ও জালিয়াতি রুখতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বলেই বর্তমান কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর স্বল্পতম সময়ে বিগত সময়ের অনিয়ম ও জালিয়াতি তদন্তে ‘অনুসন্ধান ও তদন্ত কমিটি’ গঠন করেছিল। উক্ত কমিটির পেশকৃত ১২টি প্রতিবেদনের মধ্যে কমিশন ইতোমধ্যে সাতটি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।</p>
<p>তিনি বলেন, আদালতে রিট চলমান থাকায় ও স্থগিতাদেশ থাকায় কিছু ক্ষেত্রে প্রতিবেদনের সুপারিশ বাস্তবায়ন তথা এনফোর্সমেন্ট অ্যাকশন সম্পন্ন করা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এক্ষেত্রে সরকার ও বিজ্ঞ আদালতসহ সংশ্লিষ্টদের সুদৃষ্টি ও সহায়তা কামনা করেন তিনি। এছাড়াও দেশের পুঁজিবাজারের কাঠামোগত ও টেকসই সংস্কার ও উন্নয়ন নিশ্চিতে বিএসইসি কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতের উন্নয়নের লক্ষ্যে ট্রাস্টি, কাস্টোডিয়ান ও সম্পদ ব্যবস্থাপক এর ভূমিকা ও দায়িত্বকে আরও সুসংহত করা হচ্ছে এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানিসমূহে সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে স্বতন্ত্র পরিচালকদের দায়বদ্ধতা নিশ্চিতের জন্য কমিশন কাজ করছে বলে জানান তিনি। প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ রুখতে বর্তমান কমিশন পুঁজিবাজারের সব ব্রোকারদের অসংশোধনযোগ্য সমন্বিত ব্যাক অফিস সফটওয়্যারের আওতায় এনেছে। তিনি দেশের পুঁজিবাজারে টেকসই উন্নয়ন ও সংস্কার বাস্তবায়ন এবং উন্নত পুঁজিবাজার গড়তে সংশ্লিষ্ট সবার সহায়তা কামনা করেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে বিএসইসি কমিশনার মো. আলী আকবর বলেন, প্রতি বছরের মতো আয়োজিত এই ‍‍‘বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ’ এর এবারের প্রধান প্রতিপাদ্য হলো Technology and Digital Finance, Artificial Intelligence, and Fraud and Scam Prevention যার মধ্যে থেকে বিএসইসি Fraud &amp; Scam Prevention থিমকে বেছে নিয়েছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তির সহায়তায় এবার ভোট দিতে পারবেন প্রবাসীরা</title>
<link>https://digibanglatech.news/157946</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157946</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68dd15b95ce30.jpg" length="85980" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 01 Oct 2025 12:51:36 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পৃথিবীর যে দেশেই থাকুন না কেন, আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় এবার প্রবাসী বাংলাদেশিরা ভোট দেয়ার সুযোগ পাবেন বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি আরও বলেছেন, এটি দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হবে।</p>
<p>ইসির অফিসিয়াল ইউটিউবে চ্যানেলে ৩০ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার  রাতে প্রকাশিত ভিডিও বার্তায় এসব কথা বলেন সিইসি।</p>
<p>নাসির উদ্দিন বলেন, প্রবাস থেকে ভোট দিতে হলে আপনাকে অবশ্যই আউট অব কান্ট্রি ভোটিং এ রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এ লক্ষ্যে খুব শিগগির আমরা ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ নামে একটা মোবাইল অ্যাপ চালু করব। আপনাকে আপনার মোবাইল ফোনে এই অ্যাপটি ডাউনলোড করতে হবে। ডাউনলোড করার পরে ওখানে একটা ইন্সট্রাকশনাল ভিডিও থাকবে যেখানে আপনার প্রতিটি স্টেপে আপনার ইন্সট্রাকশন পাবেন। কি করতে হবে এ বিষয়ে আপনি জানতে পারবেন।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপসে রেজিস্ট্রেশনের সময় আপনার পাসপোর্ট ডিটেইলস লাগবে এবং প্রবাসে আপনার ঠিকানাটা দিতে হবে। এই অ্যাপসের মাধ্যমে আপনার ফেস আইডেন্টিফিকেশন করতে হবে, লাইভনেস ডিটেকশন সম্পন্ন করতে হবে। এই কাজটি করার পরে আপনার রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হলে আপনার প্রবাসের ঠিকানায় আমাদের ব্যালট পেপার ব্যালট পেপার পৌঁছে যাবে এবং সেটি আমাদের এখানে ফেরত পাঠানোর খামও আপনার প্রবাসের ঠিকানায় পৌঁছে যাবে।</p>
<p>সিইসি বলেন, আপনি ভোট দেয়ার পরে শুধু খামটি পোস্ট অফিসে পোস্ট করবেন। এটা যথাযথ স্থানে আমাদের প্রদত্ত ঠিকানায় পৌঁছে যাবে। আপনি যদি বাংলাদেশি হয়ে থাকেন এবং প্রবাসী হয়ে থাকেন এবং ভোট দিতে আগ্রহী হন তাহলে অবশ্যই আপনাকে রেজিস্ট্রেশনের সুযোগটা নিতে হবে। আমরা আশা করব, আমাদের সব প্রবাসী ভাই-বোন এই সুযোগটা কাজে লাগাবেন।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, ভোট সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পোস্টাল বিডি অ্যাপে পাবেন ইন্স্ট্রাকশনাল ভিডিওতে আমাদের অ্যাম্বাসি বা দূতাবাসগুলোতে পাওয়া যাবে। আমাদের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। আমাদের সরকারি গণমাধ্যমের মাধ্যমেও আপনারা এই তথ্যগুলো পাবেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>২০ বছরে এক ইঞ্চিও এগোয়নি চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের অটোমেশন</title>
<link>https://digibanglatech.news/157832</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157832</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d80c16c33bd.jpg" length="88836" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 27 Sep 2025 17:09:10 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>২০২০ সালে ই-অকশন (অনলাইন নিলাম) চালু করেও পিছু হটতে হয় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসকে। ফিরে যেতে হয় ম্যানুয়াল-অটোমেশনের হাইব্রিড পদ্ধতিতে। অটোমেশন স্বয়ংক্রিয় কিংবা পুরোপুরি অযান্ত্রিক না হওয়ায় চরম হয়রানির সম্মুখীন হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের ভাষ্য, গত ২০ বছরে  এক ইঞ্চিও এগোয়নি এই প্রতিষ্ঠানটির অটোমেশন প্রক্রিয়া। </p>
<p>মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) কার্যালয়ে শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর)গুলশানের পুলিশ প্লাজায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সংস্কার সম্পর্কিত এক গোলটেবিল আলোচনায় ব্যবসায়ীরা এ অভিযোগ করেন।</p>
<p>মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) ও পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ যৌথভাবে ‘কার্যকর কর নীতি ও ব্যবস্থাপনা আনতে এনবিআর সংস্কার’ শীর্ষক এ গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য দেন এমসিসিআই সভাপতি কামরান টি রহমান।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ও এনবিআর সংস্কার কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ। এমসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি নিহাদ কবীরের সঞ্চালনায় এতে বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>এ সময় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বারের সহ-সভাপতি এ এম মাহবুব চৌধুরী বলেন, রাজস্ব আদায়ের বড় জায়গা হচ্ছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। এনবিআরের সাবেক সদস্য ও বর্তমান এনবিআর সংস্কার কমিটির সদস্য ফরিদ উদ্দিন আজ থেকে ২০ বছর আগে সেখানকার কমিশনার ছিলেন। তিনি সেখানে অটোমেশন যতদূর করে আসছেন তাতেই শেষ। এরপর আর এক ইঞ্চিও এগোয়নি। গার্মেন্টেসের জন্য গ্রিন চ্যানেল করার কথা ছিল। সেটাও এগোয়নি।</p>
<p>মাহবুব অভিযোগ করেন, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো যে এর কর্মকাণ্ডের অর্ধেক অটোমেশন ও অর্ধেক ম্যানুয়াল। ব্যবসায়ীরা বারবার বলছেন, এটিকে হয় পুরোপুরি অটোমেশন, না হলে ম্যানুয়াল করুক।</p>
<p>পুরোপুরি অটোমেশন না হওয়ায় কী ধরনের সমস্যা হয় তার উদাহরণ দেন মাহবুব। তিনি বলেন, কাস্টম হাউসে দু-তিনটি শাখা মিলিয়ে একজন কম্পিউটার অপারেটর আছেন। সেবা নিতে সেই অপারেটরের সামনে প্রায় ২০ জন লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন। অন্যখানে কম্পিউটার থাকলেও দেখা যায় প্রিন্টার নেই। ফলে ওই লাইনেই দিনের অর্ধেক চলে যায়। যদি ম্যানুয়াল হতো তাহলে শিটে প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর নিয়ে চলে আসা যেত।</p>
<p>এ ব্যবসায়ী বলেন, ‘রাজস্ব বোর্ডের সংস্কার হয়েছে পলিসি ও রেভিনিউ ম্যানেজমেন্ট দিয়ে। এটার কার্যকারিতা আমরা এখন পর্যন্ত কেউ বুঝতে পারছি না। যে সংস্কার হয়েছে সেটার আরও প্রচার দরকার। দেশের এক শতাংশ মানুষ এটা সম্পর্কে জানে না।’</p>
<p>সভায় রাজস্ব খাত সংস্কারের জন্য গঠিত পরামর্শক কমিটি যে সুপারিশ করেছিল, তার আলোকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিলুপ্ত করে রাজস্ব নীতি বিভাগ ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ আলাদা করা হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন এনবিআর সংস্কারের জন্য সরকার গঠিত পরামর্শক কমিটির সদস্য মো. ফরিদ উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘কমিটির সুপারিশ ছিল এ রকম—নীতি প্রণয়ন কমিটিতে বাধ্যতামূলকভাবে বেসরকারি খাতের কিছু ব্যক্তিকে রাখতে হবে। এ ছাড়া যে নীতি নেয়া হবে, তা অন্তত পাঁচ বছর অব্যাহত রাখতে হবে।’</p>
<p>তিনি বলেন, ‘আমরা যে সংস্কার সুপারিশ দিয়েছিলাম, বাস্তবে তা যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি। যদি কোনও বিদ্বেষ বা ভুল সিদ্ধান্ত থেকে এনবিআরকে দুই ভাগ করা হয়, তবে তা জাতির জন্য ভয়ংকর পরিস্থিতি তৈরি করবে।’</p>
<p>কমিটির আরেক সদস্য ও এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ বলেন, “সঠিকভাবে সুপারিশ বাস্তবায়ন মূলত রাজনৈতিক কমিটমেন্টের বিষয়। নইলে সংস্কার কেবল কাগজে-কলমেই থেকে যাবে।”</p>
<p>অনুষ্ঠানে নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, যদি অটোমেশন হয় তবে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব। কিন্তু অটোমেশন শুধু এনবিআরের হলে হবে না, এর সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য প্রতিষ্ঠানেরও হতে হবে।</p>
<p>এমসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি নিহাদ বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এনবিআর সংস্কারের কথা বলে আসছি। এটাকে একসময় অরণ্যে রোদন মনে হয়েছে। যারা পলিসি করে তারা কর সংগ্রহ করতে পারে না। এনবিআর সংস্কার কমিটি খুব ভালো কাজ করছে। তাদের প্রতিবেদন বাস্তবায়ন হলে রাজস্ব খাতে পরিবর্তন আসবে।’</p>
<p>হিসাববিদ ও এসএমএসি অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেস লিমিটেডের পরিচালক স্নেহাশীষ বড়ুয়া জানান, এক কার্যালয়ে কর-ভ্যাট নেওয়ার ব্যবস্থা করা দরকার। তাতে সরকারের ব্যয় সংকোচন হবে। রাজস্ব আদায়ও সহজ হবে। ব্যবসায়ীদের রাজস্ব দিতে অনেকগুলো কার্যালয়ে ধরণা দিতে হয়।</p>
<p>আলোচনায় অংশ নিয়ে তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইনামুল হক খান বলেন, ‘জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে দুই ভাগে বিভক্ত করলেই সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে না। রাজস্ব বোর্ড ও তার অঙ্গসংগঠনগুলোকে দুর্নীতিমুক্ত করতে হবে। আয়কর, শুল্ক ও ভ্যাট–সংক্রান্ত রাজস্ব নীতিসমূহ দীর্ঘমেয়াদি, কমপক্ষে পাঁচ বছর মেয়াদি করা প্রয়োজন। এ ছাড়া আইন, এসআরও, বিধিবিধান, প্রজ্ঞাপন জারি ও সংশোধনের ক্ষেত্রে অংশীজনদের মতামত নিতে হবে।’</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আসছে নির্বাচনে চ্যালেঞ্জ সোশ্যাল মিডিয়া, এআই এবং প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন</title>
<link>https://digibanglatech.news/157807</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157807</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d7be6dd9853.jpg" length="90161" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 27 Sep 2025 14:37:48 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আসছে জাতীয় নির্বাচনে <span>‘প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন এবং আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবারকার নির্বাচনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে’ বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। একইভাবে ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় এআই এর মাধ্যমে ভুল তথ্য দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করা হচ্ছে’ বলে অভিযোগ করেছন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ।</span></p>
<p><span>২৭ সেপ্টেম্বর, শনিবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন সচিবালয় অডিটোরিয়ামে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কর্মকর্তা সম্মেলনে তারা এমন মন্তব্য করেন।  </span>বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতিত্বে এ সময় আরও বক্তব্য দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন, নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিনা আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ প্রমূখ।</p>
<div class="sb-ad-panel">
<div class="sb-ad-panel-background">
<div class="w3-hide-small">
<div id="div-gpt-ad-1726201057469-0" data-google-query-id="CNvv65Ld-I8DFSuKrAIdU3IHsQ"></div>
</div>
</div>
</div>
<p>অনুষ্ঠানে <span>প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন করতে দৃশ্যমান ও অদৃশ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এগিয়ে যাচ্ছে কমিশন। একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন জাতিকে উপহার দেয়া হবে। এ বিষয়ে কমিশনের ওপর প্রধান উপদেষ্টার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমরা এই আস্থা ধরে রাখতে চাই।</span></p>
<p>‘কর্মকর্তাদের কারো পক্ষে কাজ করার জন্য বা বেআইনি কোন নির্দেশনা দেবে না নির্বাচন কমিশন। সকলকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে’ - যোগ করেন তিনি।</p>
<p class="mb-3 text-justify"><span>মোহাম্মদ সানাউল্লাহ বলেন, ‘আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে যাদের বয়স ১৮ বছর হবে তারাও এবার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবে। নির্বাচনের নামে প্রহসনের কারণেই জুলাই বিপ্লব গঠিত হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এআই এর মাধ্যমে ভুল তথ্য দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করা হচ্ছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘কর্মকর্তাদের কারো পক্ষে কাজ করার জন্য বা বেআইনি কোন নির্দেশনা দেবে না নির্বাচন কমিশন। সকলকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এটাই আমাদের কমিটমেন্ট। জাতি আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে।’ আর এক্ষেত্রে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের কোনো কৃপণতা নাই।  </span></p>
<p>ইসি সচিব আখতার আহমেদ<span> বলেন, ‘আগামী জাতীয় নির্বাচন অন্যান্য যেকোনো জাতীয় নির্বাচনের চেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং হবে। এর মধ্যে</span><span> প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন এবং আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবারকার নির্বাচনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে। তাই  ‘আমরা ধাপে ধাপে কাজ করছি। খুব রাতারাতি সবকিছু হবে না। আমরা কাজ করে সবকিছু আদায় করতে চাই।</span></p>
<p>নির্বাচন কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক মনির হোসেন বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের নিয়োগে ব্যবস্থা নিতে হবে। আচরণবিধি প্রতিপালনে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের যুক্ত করা গেলে ভোট সুন্দর হবে।</p>
<p>নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, অনেকে বলছে, এবার জাতীয় নির্বাচনে ৭০ শতাংশ ভোট কাস্টিং হবে।</p>
<p>নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাসউদ বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন করা ইসির দায়িত্ব। ভালো নির্বাচন করা ছাড়া কোন বিকল্প নেই। নির্বাচন নামক যুদ্ধে সৈনিক হলো কর্মকর্তারা। তারা চেষ্টা না করলে জেতা সম্ভব হবে না। দলগুলো পরিবেশ সুন্দর রাখলে, নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাজ সহজ হবে।</p>
<p></p>
<div class="wordads-ad-wrapper wordads-ad-wrapper--belowpost wordads-ad-hidden">
<div id="atatags-2050811355-185566"></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক সহায়তা বাড়িয়ে প্রযুক্তিগত সহায়তার দাবি করলেন ড. ইউনূস</title>
<link>https://digibanglatech.news/157700</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157700</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d241f225d47.jpg" length="54738" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 23 Sep 2025 10:45:29 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আজকের তরুণ প্রজন্ম নতুন সভ্যতার প্রধান স্থপতি হবে মন্তব্য করে তাদেরকে প্রযুক্তি ও সামাজিক ব্যবসায় মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তরুণদের সীমাহীন কল্পনা শক্তিকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি  বলেছেন, আমরা এক নতুন প্রযুক্তিগত যুগের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছি—যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বিগ ডাটা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং অন্যান্য রূপান্তরমূলক উদ্ভাবন রয়েছে। এই উপকরণগুলো শিল্প, সমাজ ও মানব অগ্রগতির কাঠামোকে পুনর্গঠন করতে পারে। যদি দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার করা যায়, তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ব্লকচেইন, ইন্টারনেট অব থিংস—এসব প্রযুক্তি টেকসই উন্নয়নের পথে অগ্রযাত্রাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে। ডিজিটাল স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে শুরু করে ক্রীড়া ক্ষেত্রেও এগুলো এক বিপ্লব আনতে পারে।</p>
<div>জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ‘সামাজিক ব্যবসা, যুবসমাজ ও প্রযুক্তি’ বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের সাইড ইভেন্টে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।</div>
<div></div>
<div>
<div>ড. ইউনূস বেলেন, অনেক দেশ, বিশেষত বাংলাদেশ, প্রবল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এর অর্থ হলো—১৩ লাখ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া, বারবার জলবায়ু দুর্যোগ সামলানো এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্যে টিকে থাকা। এমন প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের বাজেট কমানো বা সরকারি উন্নয়ন সহায়তা হ্রাস করা বিপরীত ফল বয়ে আনবে। বরং বিশ্বকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক সহায়তা বৃদ্ধি করতে হবে, প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে হবে এবং ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য ন্যায্য রূপান্তর নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু এসব সমস্যার সমাধান কেবল শূন্য কূটনৈতিক আলাপে হবে না। আমাদের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে পরিবর্তন করতে হবে—যা এখনো মূলত মানুষের ওপরে মুনাফাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বর্তমান ব্যবস্থার মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের পথ অনেক সময় অন্ধকার মনে হতে পারে। তবে আমি এখানে নিরাশার গল্প বলতে আসিনি। আমি এসেছি একটি রূপান্তরের প্রস্তাব নিয়ে—একটি নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য।</div>
<div></div>
<div>
<div>তিনি বলেন, এই নতুন অর্থনীতি মানুষের কল্যাণ, সামাজিক ন্যায়বিচার ও পরিবেশ সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দেবে—শুধু সম্পদ সঞ্চয় নয়। এটি কোনো কল্পনার স্বপ্ন নয়—বরং প্রয়োজনীয় এক বিবর্তন। আর এই নতুন অর্থনীতির কেন্দ্রে রয়েছে সামাজিক ব্যবসা। সামাজিক ব্যবসা কোনো ছোটখাটো ধারণা নয়। এটি একটি মৌলিক নীতি। ব্যবসা কেবল মুনাফার জন্য নয়, বরং পরিবর্তন আনার জন্য বিদ্যমান। এটি এক ডলারের ঋণ থেকে শুরু হলেও আজ এটি একটি বৈশ্বিক আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, শিক্ষা থেকে ক্রীড়া—সব ক্ষেত্রেই সামাজিক ব্যবসা প্রমাণ করছে, অর্থনৈতিকভাবে টিকে থেকেও বিশ্বের সবচেয়ে জটিল সমস্যাগুলোর সমাধান করা সম্ভব।</div>
<div></div>
<div>প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমাদের বর্তমান সভ্যতা এক আত্মবিধ্বংসী পথে হাঁটছে, যেখানে সীমাহীন ভোগ, আহরণ ও সঞ্চয় আমাদের গ্রহকে হুমকির মুখে ফেলছে। আমাদের নতুন সভ্যতা গড়তে হবে—যেখানে লোভ নয়, বরং যৌথ প্রতিশ্রুতি মানুষ ও প্রকৃতির সমস্যার সমাধানকে চালিত করবে। এই নতুন দুনিয়ায় সম্পদ ভাগাভাগি করতে হবে, কেন্দ্রীভূত নয়। ব্যবসাকে পুনঃসংজ্ঞায়িত করতে হবে—ব্যক্তিগত মুনাফার যান হিসেবে নয়, বরং সামাজিক কল্যাণের ইঞ্জিন হিসেবে। এবং এই নতুন সভ্যতার প্রধান স্থপতি হবে তরুণ প্রজন্ম। পূর্ববর্তী প্রজন্ম যেখানে পুরনো ব্যবস্থায় গড়ে উঠেছিল, সেখানে আজকের তরুণরা দেখতে পাচ্ছে কেবল কী আছে তা নয়, বরং কী হতে পারে। তাদের কল্পনা সীমাহীন। আমি প্রায়ই বলি: ‘যেখানে কল্পনা নেতৃত্ব দেয়, সেখানে উদ্ভাবন অনুসরণ করে।’ তাই তরুণদের কল্পনা ও সৃজনশীলতাকে সোশ্যাল বিজনেসের দিকে চালিত করতে হবে—যেখানে টেকসই সমাধান জন্ম নেয় জলবায়ু পরিবর্তন, বেকারত্ব, দারিদ্র্য ও বৈষম্যের মতো সমস্যার।</div>
<div></div>
<div>
<div>তিনি বলেন, আমি যে পদেই থাকি না কেন, আমার লক্ষ্য অপরিবর্তিত—এমন একটি বিশ্ব গড়ে তোলা যেখানে সবার জন্য সুযোগ, মর্যাদা ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত হবে। পদবি বদলাতে পারে, কিন্তু উদ্দেশ্য একই থাকে—এমন এক পৃথিবী নির্মাণ করা, যেখানে ব্যবসা শুধু মুনাফার জন্য নয়, বরং মানুষের জন্য, পৃথিবীর জন্য এবং আমাদের সবার যৌথ ভবিষ্যতের জন্য কাজ করবে।</div>
<div></div>
<div>‘জলবায়ু পরিবর্তনের দাবানল পৃথিবীকে পুড়িয়ে দিচ্ছে। বৈষম্যের গভীরতা বাড়ছে। সর্বত্র সংঘাত চলছে, ন্যায় ও শান্তির সংগ্রাম আমাদের মানবতাকেই পরীক্ষার মুখে ফেলছে। এই সংকটগুলো আলাদা নয়, পরস্পর জড়িত—একটি ভঙ্গুর গালিচার সুতার মতো, যা একে অপরকে টেনে আমাদের সমগ্র অস্তিত্বকে প্রভাবিত করছে। তবে মনে রাখতে হবে, সেই গালিচা মেরামত করার শক্তি অতীতে নেই, তা লুকিয়ে আছে সেই ভবিষ্যতে, যা আমরা কল্পনা করতে সাহস করি—এবং আজ, এখানেই আমরা যে সিদ্ধান্ত নিই তাতেই’ যোগ করেন তিনি।</div>
<div></div>
<div>তিনি বলেন, ভালো পৃথিবীর পথ গতকালের ব্যর্থতায় মাপা যায় না।</div>
<div></div>
<div>
<div>সবশেষে তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন,  চলুন আমরা নতুন এক তরঙ্গের স্থপতি হই, যেটি ন্যায়, টেকসই উন্নয়ন এবং আশার ওপর গড়া এক পৃথিবী। এমন এক পৃথিবী, যেখানে আমাদের যৌথ স্বপ্ন মানবজাতির জন্য এক নতুন ভোর নিয়ে আসবে।</div>
<div></div>
</div>
<div></div>
</div>
</div>
<div></div>
</div>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তির বিকাশ জীবন সহজ করেছে, নৈতিক অবক্ষয়ও তীব্রতর হয়েছে</title>
<link>https://digibanglatech.news/157680</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157680</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d16a2949fa6.jpg" length="98190" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 22 Sep 2025 18:25:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বর্তমান বিশ্বে বিজ্ঞানের অগ্রগতি, প্রযুক্তির বিকাশ ও বিশ্বায়নের কারণে মানুষের জীবন যেমন সহজতর হয়েছে; তেমনি নৈতিক অবক্ষয়, পারিবারিক সংকট, সামাজিক বৈষম্য, সন্ত্রাসবাদ ও ধর্মীয় দ্বন্দ্বও তীব্রতর হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।</p>
<p>২২ সেপ্টেম্বর, সোমবার বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি মিলনায়তনে হাসানাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সিরাত অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।</p>
<p>এ বাস্তবতায় রাসুল (স.) এর সিরাত চর্চা মানবজাতির জন্য অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে বলেও জানান তিনি।</p>
<p>ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, ধর্মীয় সংঘাত আজকের পৃথিবীর অন্যতম বড় সমস্যা। রাসুল (স.) মদিনায় ইহুদি, খ্রিষ্টান ও মুসলমানদের নিয়ে মদিনা সনদ প্রণয়ন করেছিলেন। এ সনদে সবার ধর্মীয় স্বাধীনতা স্বীকৃত হয়েছিল। রাসুল (স.) এর শিক্ষাই আন্তঃধর্মীয় সহাবস্থান ও সহনশীলতার প্রকৃত ভিত্তি।</p>
<p>পরে উপদেষ্টা সিরাত অলিম্পিয়াড বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও নগদ অর্থ তুলে দেন।</p>
<p>এ সিরাত অলিম্পিয়াডে প্রায় ২০ হাজার প্রতিযোগীর মধ্য থেকে তিনটি গ্রুপে সিলেকশন রাউন্ড, সেমিফাইনাল ও ফাইনাল শেষে প্রতিটি গ্রুপে ১০ জন করে মোট ৩০ জনকে চূড়ান্ত বিজয়ী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেক গ্রুপে প্রথম স্থান অর্জনকারীকে ওমরাহ্ প্যাকেজ, ফার্স্ট রানার-আপকে ল্যাপটপ, সেকেন্ড রানার-আপকে ট্যাব, চতুর্থ ও পঞ্চম স্থান অধিকারীকে যথাক্রমে ২০ হাজার ও ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, ষষ্ঠ থেকে দশম স্থান বিজয়ীদের নগদ পাঁচ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>হাসানাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান আজহারী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি ছাড়া আর্থিক খাতের অগ্রগতি সম্ভব নয়: গভর্নর</title>
<link>https://digibanglatech.news/157643</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157643</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d0a24f7bf49.jpg" length="99684" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 21 Sep 2025 22:12:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, “প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ছাড়া দেশের আর্থিক খাতকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।” ২১ সেপ্টেম্বর রবিবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও প্রযুক্তি সম্মেলন (আইসিবিটি) ২০২৫-এর সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।</p>
<p>গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর আরও বলেন, বর্তমানে দেশের রপ্তানি আয় প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলার, যা ২০০ বিলিয়নে উন্নীত করতে হলে নীতি সহায়তা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা অর্জন অত্যন্ত জরুরি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিদেশি বিনিয়োগে চায়না বাংলাদেশ থেকে অনেক এগিয়ে আছে; ফলে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশকেও এ খাতে গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি তরুণ শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি বিদ্যায় দক্ষ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।</p>
<p>সমাপনী অধিবেশনে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান এবং ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক (ইউএপি)-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান।<br>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো টেকসই ব্যবসায়িক চর্চা গড়ে তোলার মাধ্যমে গবেষণা ও নীতি উদ্ভাবনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। ইউএপি’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান বলেন, ইউএপি ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে জ্ঞান ও মূল্যবোধে সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।</p>
<p>সমাপনী অধিবেশনে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মাহমুদ উসমান ইমাম এবং সমাপনী বক্তব্য দেন ইউএপি’র ব্যবসায় অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম. এ. বাকী খালিলী।</p>
<p>দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলন ২০ সেপ্টেম্বর ইউএপি ক্যাম্পাসে শুরু হয়। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল— “টেকসই উন্নয়ন অর্জনে ব্যবসা ও প্রযুক্তির আন্তঃসম্পর্ক।” সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ২৫০ জন অংশগ্রহণকারী ১০০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন। এছাড়া বিদেশ থেকে আগত ১০ জন কী-নোট বক্তা, প্যানেল আলোচনা, ইন্টারেক্টিভ সেশনসহ নানাবিধ কর্মসূচি ছিল সম্মেলনে।</p>
<p>উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। দেশি-বিদেশি শিক্ষাবিদ, নীতি নির্ধারক ও শিল্প বিশেষজ্ঞদের সক্রিয় অংশগ্রহণ সম্মেলনটিকে ব্যবসা, শাসনব্যবস্থা ও প্রযুক্তি খাতের সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনার প্ল্যাটফর্মে পরিণত করেছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>“তরুণ প্রজন্মকে আইসিটি জ্ঞান দিয়ে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করাই সরকারের লক্ষ্য”</title>
<link>https://digibanglatech.news/157595</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157595</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68ce82ceca060.jpg" length="98424" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 20 Sep 2025 14:33:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, “তরুণ প্রজন্মকে তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞান দিয়ে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করাই সরকারের লক্ষ্য। আইসিটি স্কাউট জাম্বুরি কেবল স্কাউট আন্দোলনের শক্তি বাড়াচ্ছে না, বরং দেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরে তরুণদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি করছে।”</p>
<p>তিনি আরও বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা জ্ঞানসম্পন্ন মানবসম্পদ গড়তে আইসিটি বিভাগ দেশব্যাপী এআই এবং তথ্যপ্রযুক্তি দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণের আয়োজন করবে। পাশাপাশি তিনি স্কাউটদের নৈতিকতা, নেতৃত্বগুণ এবং সেবামূলক মনোভাব অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p>ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেন, জ্ঞান, উদ্ভাবন, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং নেতৃত্ব বিকাশের মাধ্যমে স্কাউটরা ভবিষ্যতে “স্মার্ট বাংলাদেশ” গড়ার অন্যতম দূত হয়ে উঠবে। তিনি স্কাউট আন্দোলনের সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়কে তরুণ প্রজন্মকে আরও দক্ষ, গতিশীল এবং বিশ্বমানের নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার একটি অনন্য উদ্যোগ বলে অভিহিত করেন।</p>
<p>২০ সেপ্টেম্বর, শসিবচর, গাজীপুরের মৌচাকে জাতীয় স্কাউট ট্রেনিং সেন্টারে অনুষ্ঠিত তৃতীয় জাতীয় আইসিটি স্কাউট জাম্বুরীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p>১৯-২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আয়োজিত এ জাম্বুরীর এবারের প্রতিপাদ্য ছিল— “প্রযুক্তি হোক সেবার সহায়ক (Let Technology Serve Humanity)”। এতে প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, উদ্ভাবনী প্রদর্শনীসহ নানা কার্যক্রমের মাধ্যমে স্কাউটদের প্রযুক্তি দক্ষতা উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়।</p>
<p>অনুষ্ঠানস্থলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মিউজিয়াম বাস ঘুরে দেখেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী।</p>
<p>অনুষ্ঠানে ক্যাম্প চিফ মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ, এডহক কমিটির সদস্য আবু সালেহ মোঃ মহিউদ্দিন খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও তথ্যপ্রযুক্তি) সোহেল রানা, স্কাউট আন্দোলনের বিভিন্ন পদস্থ কর্মকর্তা, প্রশিক্ষক, আইসিটি খাতের বিশেষজ্ঞ, এবং দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত শতাধিক স্কাউট ও স্বেচ্ছাসেবক অংশ নেন।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তি শিক্ষা সহজলভ্য করতে চাইছে সরকার: ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব</title>
<link>https://digibanglatech.news/157581</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157581</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68cd3b681a482.jpg" length="93314" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 19 Sep 2025 00:16:08 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, সরকার দেশের সব স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযুক্তি শিক্ষা সহজলভ্য করতে চাচ্ছে।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন ডিজিটাল রূপান্তরের পথে। কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও এই অগ্রযাত্রার অংশীদার। প্রাথমিক পর্যায় থেকে তাদের ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন ভবিষ্যতে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও টেকসই অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’</p>
<p>বৃহস্পতিবার কুমিল্লার বার্ডে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। </p>
<p>ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p>
<p>দেশের সব স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য সরকার প্রযুক্তি শিক্ষা সহজলভ্য করতে চাইছে উল্লেখ করে ফয়েজ আহমদ বলেন, এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা সেই লক্ষ্য পূরণের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আরও বলেন, যুগের চাহিদা অনুযায়ী ডিজিটাল দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে কওমি শিক্ষার্থীরা অনলাইন শিক্ষাসহ আধুনিক প্রযুক্তির বিভিন্ন সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে। যা তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াবে এবং সমাজের সার্বিক উন্নয়নে অবদান রাখবে। এরপর আইসিটি বিভাগের মাধ্যমে এডভান্স লেবেলের প্রশিক্ষণ করাবো। সারা দেশেই দক্ষতা অর্জন বিষয়ক এ জাতীয় প্রশিক্ষণ আয়োজনের চেষ্টা করবো।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের সনদ বিতরণ করেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।</p>
<p>আয়োজকরা জানান, মোট ১৬০ জন কওমি শিক্ষার্থী মোট আটটি ব্যাচে প্রশিক্ষণে অংশ নেন। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল কর্তৃক বাস্তবায়িত ‘এনহ্যান্সিং ডিজিটাল গভর্নমেন্ট অ্যান্ড ইকোনমি (এজ)’ প্রকল্পের সহায়তায় এই প্রশিক্ষণ হচ্ছে।</p>
<p>এর আগে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাটা গভার্নান্স এন্ড ইন্টারঅপেরাবিলিটি বিষয়ে সেশন পরিচালনা করেন ফয়েজ আহমদ।</p>
<p>বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (বার্ড) মহাপরিচালক সাইফ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আইসিটি বিভাগের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ সাইফুল হাসান এবং কাসেমুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম আল্লামা আব্দুর রাজ্জাক। </p>
<p>এছাড়াও এসময় কুমিল্লার বার্ডের কর্মকর্তা, এজ প্রকল্পের প্রশিক্ষক এবং কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইলেকট্রনিক্স পণ্য ও সাইবার সুরক্ষার সঙ্গে জাতীয় সুরক্ষা জড়িত</title>
<link>https://digibanglatech.news/157558</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157558</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68cbc07259af3.jpg" length="89490" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 18 Sep 2025 13:32:51 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<h1 itemprop="headline"></h1>
<p>ইলেকট্রনিক্স পন্য ও সাইবার সুরক্ষার ওপর দেশের অর্থনীতি ও জাতীয় সুরক্ষা নির্ভর করে মন্তব্য করে এই খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন  প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি বলেছেন, আমরা যতই অনলাইনে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হবো, ততটাই ব্যক্তিগত তথ্য নিরপত্তার ঝুঁকি থাকবে। তাই এই পারস্পরিক সম্পর্ককে জোরদার করতে সাইবার ও ইলেকট্রনিক্স খাতে সুরক্ষা অত্যন্ত জরুরী। এজন্য গত মে মাসে আমরা ডাটা প্রাইভেসি সিকিউরিটি অ্যাক্ট করেছি। এর অধীনে সকলের নিরাপত্তা অক্ষুণ্ণ থাকবে। এটি একটি বড় খাত, তাই এ জন্য এই খাতে বিনিয়োগে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।</p>
<p>বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) সকালে প্রথমবারের মতো তিন দিনব্যাপী    ‘ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যান্ড সেফটি এক্সপো-২০২৫’ প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।</p>
<p>রেকর্ডেড ভিডিও বার্তায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ‘‘ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি এক্সপো ২০২৫’ এবং ‘ইন্টারন্যাশনাল অকুপেশনাল সেফটি, হেলথ অ্যান্ড ফায়ার এক্সপো ২০২৫’ বাংলাদেশের নিরাপত্তা খাতে একটি বড় উদ্যোগ। ৫০টির বেশি প্রতিষ্ঠান, শতাধিক ব্র্যান্ড এবং পাঁচশ’র বেশি প্রতিনিধি নিয়ে এই আয়োজন সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সচেতনতা ও যোগাযোগ বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করবে।’’ </p>
<p>আন্তর্জাতিক শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা খাতে বিনিয়োগ করার আহ্বান জানান তিনি।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আরও বলেন, ‘‘এই ধরনের আন্তর্জাতিক আয়োজন আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে। এটি শুধু প্রযুক্তি প্রদর্শন নয়, বরং এটি নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি, নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা এবং সরকারি-বেসরকারি খাতে অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম। সরকার দেশের  ইলেকট্রনিক ও সাইবার নিরাপত্তায় বিদেশি সুরক্ষা শিল্প খাতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।’’  </p>
<p>আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব), এ কে এম আমিরুল ইসলাম এনডিসি। </p>
<p>তিনি বলেন, বাংলাদেশে ১৭ কোটিরও বেশি মানুষ বাস করে। এত মানুষের দেশে নিরাপত্তা সরঞ্জাম ও ইনস্টলেশন সেবার চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি। বর্তমানে এটিএম, আরএফআইডি ট্যাগ এবং সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। সরকার হাই-টেক পার্কে বিনিয়োগকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশি ও বিদেশি উদ্যোক্তাদের আকর্ষণ করতে নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এসব পার্কে আধুনিক সুবিধা যেমন উচ্চগতির ইন্টারনেট, বিদ্যুৎ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকায় নিরাপত্তা সরঞ্জাম ইনস্টলেশনের জন্য এটি আদর্শ জায়গা হয়ে উঠেছে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x_68cbb550c95ca.jpg" alt=""></p>
<p>বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিদেশি নিরাপত্তা ও সুরক্ষা প্রযুক্তি কোম্পানিকে হাই-টেক পার্কে বিনিয়োগ করার আহ্বান জানান।</p>
<p> ‘ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যান্ড সেফটি এক্সপো-২০২৫’ আসরে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস)-এর মহাসচিব মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম।</p>
<p>তিনি বলেন, বর্তমানে নিরাপত্তা একটি বহুমাত্রিক এবং সমন্বিত বিষয়, যেখানে সাইবার হুমকি, শারীরিক নিরাপত্তা এবং অবকাঠামোগত সুরক্ষা একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত। এই এক্সপোর মাধ্যমে সরকার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং প্রযুক্তি খাতের অংশীজনদের এক প্লাটফর্মে এনে নিরাপত্তাবিষয়ক উদ্ভাবন, বাস্তবভিত্তিক সমাধান এবং জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করছে। এই অভিজ্ঞতা আমাদের দেশে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রাকে টেকসই রাখতে হলে শুধু প্রযুক্তির উন্নয়ন নয়, সেই প্রযুক্তিকে সুরক্ষিত রাখার জন্যও সমান্তরালভাবে বিনিয়োগ ও নীতিগত প্রস্তুতি দরকার। ’’</p>
<p>আয়োজনে আয়োজক প্রতিষ্ঠান আই-স্টেশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মধু সুদন সাহা বলেন, ‘‘প্রযুক্তি নির্ভর এই যুগে নিরাপত্তা প্রযুক্তিও দ্রুত রূপান্তর ঘটাচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে ব্যবসা, শিল্প ও ব্যক্তিগত জীবনে। বাংলাদেশে নিরাপত্তা ও সুরক্ষা খাতের স্থানীয় প্রস্তুতকারক, আমদানিকারক, সরবরাহকারী ও সাইবার নিরাপত্তা উদ্যোক্তাদের জন্য বৈশ্বিক প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হওয়া এখন সময়ের দাবি। ‘ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যান্ড সেফটি এক্সপো’ সেই প্রয়োজন পূরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে, যা দেশের নিরাপত্তা খাতকে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত করতে সহায়তা করবে।’’</p>
<p>আয়োজনে  সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস)-এর সহ-সভাপতি মো. ওয়াহিদুল হাসান দিপু। তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) ১৯৮৭ সাল থেকে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অগ্রযাত্রায় এক নির্ভরযোগ্য পথপ্রদর্শক। জনস্বার্থ ও প্রযুক্তির মেলবন্ধনে বিসিএস সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। ‘ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যান্ড সেফটি এক্সপো’ সেই অঙ্গীকারকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। বিসিএস দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, প্রযুক্তি শুধু উন্নয়নের বাহন নয়, বরং যদি তা সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়, তবে তা একটি নিরাপদ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ার রূপকার হতে পারে।’’</p>
<p>আয়োজনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ওশি ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন মিস সাকি রেজওয়ানা, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী, এসজিপি, পিএসসি। </p>
<p>বক্তব্য শেষে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ ফিতা কেটে প্রথমবারের মতো তিন দিনব্যাপী  আয়োজিত ‘ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যান্ড সেফটি এক্সপো-২০২৫’ আসরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।</p>
<p>নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে আয়োজিত প্রদর্শনীটি যৌথভাবে আয়োজন করছে দেশের প্রযুক্তিপণ্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান আই-স্টেশন লিমিটেড, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসায়ীদের বাণিজ্যক সংগঠন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) ও দুবাইয়ের  প্রযুক্তি কোম্পানি জিপিই এক্সপো (এফজেডই)। চলবে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর, শনিবার পর্যন্ত।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘প্রযুক্তি নির্ভর বাংলাদেশ গড়তে প্রকৌশলীদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে’</title>
<link>https://digibanglatech.news/157467</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157467</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68c84bd7296e8.jpg" length="110770" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 15 Sep 2025 18:22:55 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেছেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে প্রযুক্তিনির্ভর ও স্মার্ট রাষ্ট্র। সেই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রকৌশলীদের শুধু পেশাগত দায়িত্ব নয়, সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখা সময়ের দাবি। </p>
<div class="ads">
<div class="clearfix">তিনি বলেন, সমাজের উন্নয়নে সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা দেশের মানুষ বুঝতে পেরেছে।   গত ১৭ বছরে অবকাঠামো উন্নয়নের নামে কোটি কোটি টাকা লুট করা হয়েছে, ব্যাংক থেকে অস্বাভাবিক হারে টাকা বিদেশে পাচার করে প্রমাণ করা হয়েছে যে দেশপ্রেম ও ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী রাজনৈতিক শক্তি দাঁড়িপাল্লার প্রতীকের প্রার্থীর বিকল্প নেই।</div>
<div class="clearfix"></div>
</div>
<div class="ads">
<div>
<div data-id="880">নগর জামায়াতের কার্যালয়ে ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে অনুষ্ঠিত ফোরাম অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</div>
</div>
</div>
<p>ফোরাম অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি প্রকৌশলী রুহুল আমীন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং চট্টগ্রাম-১০ সংসদীয় আসনের জামায়াতে ইসলমী মনোনীত  এমপি প্রার্থী অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী, ফোরামের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার জয়নুল আবেদীন, হালিশহর থানার আমীর ও চট্টগ্রাম- ১০ আসনের নির্বাচনী পরিচালক ফকরুল জাহান সিরাজী, ফোরামের চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারি প্রকৌশলী নুরুল আলম।</p>
<p>চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী বলেন, দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত, তথ্যপ্রযুক্তি, যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিল্পায়নসহ প্রতিটি উন্নয়ন খাতেই প্রকৌশলীদের অবদান অপরিসীম।  </p>
<p>তিনি আরও বলেন, সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে প্রকৌশলীরা সবসময় বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের সঙ্গে কাজ করে আসছেন শ্রমিক, মালিক, ঠিকাদার থেকে শুরু করে সমাজের সকল স্তরের মানুষের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক। এই সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে টেকসই চট্টগ্রাম গঠনে যোগ্য প্রার্থীদের সংসদে পাঠানো সাধারণ মানুষের দায়িত্ব।</p>
<p>ফোরামের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার জয়নুল আবেদীন বলেন, বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে প্রকৌশলীদের দক্ষতা উন্নয়ন, গবেষণায় বিনিয়োগ এবং উদ্ভাবনী কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে হবে। একই সঙ্গে দেশপ্রেম, নৈতিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার কারণে সৎ মানুষের পাশে থাকা প্রকৌশলীদের নৈতিক দায়িত্ব। তিনি চট্টগ্রাম-১০ আসনে অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালীর পক্ষে প্রকৌশলীদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।</p>
<p>প্রকৌশলী মিজবাহ উদ্দীন, প্রকৌশলী কে এম ইসহাক এবং প্রকৌশলী ইয়াছিন আহম্মেদ এর সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন ফোরামের সাবেক চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারি ও পাঁচলাইশ জামায়াতের আমির প্রকৌশলী মাহাবুবুল হাসান রুমি, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল বারী, সিবিএফ নেতা প্রকৌশলী আনোয়ারুল আজম শান্ত, ফোরামের মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী ইয়াছিন আহম্মেদ।</p>
<p>মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, ফোরামের মহানগর অর্থ সম্পাদক প্রকৌশলী মিজানুর রহমান, প্রকৌশলী আহসানুল করীম মঞ্জু, প্রকৌশলী জমির উদ্দীন, প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন, প্রকৌশলী মনজুরুল হক, প্রকৌশলী মাইনুদ্দীন হাসান জীবন, প্রকৌশলী আরমান হোসাইন, প্রকৌশলী আরাফাতুজ্জামান প্রমুখ।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টেকসই উন্নয়নে সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্য জ্বালানির ভূমিকা অনস্বীকার্য: ডুয়েট উপাচার্য</title>
<link>https://digibanglatech.news/157393</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157393</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68c3e1cf4b555.jpg" length="76453" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 12 Sep 2025 05:03:33 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বলেছেন, 'টেকসই উন্নয়নে সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্য জ্বালানির ভূমিকা অনস্বীকার্য। বর্তমানে এই জ্বালানি খাত এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, স্মার্ট গ্রিড, এনার্জি স্টোরেজ, হাইড্রোজেন ইকোনমি, কার্বন-নিউট্রাল প্রযুক্তি- এগুলো আর ভবিষ্যতের গল্প নয়, বরং আমাদের বর্তমান বাস্তবতা। শিক্ষার্থীদের শুধু বইয়ের জ্ঞান নয়, বাস্তব সমস্যার সমাধানের জন্য তাদের দক্ষতাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সুযোগ-সুবিধা কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে সৃজনশীল গবেষণা এবং এআই, ইন্টারনেট অব থিংসসহ প্রযুক্তি-ভিত্তিক উদ্ভাবনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। এনার্জি খাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে পারলে বাংলাদেশ শুধু স্বনির্ভরই হবে না, বরং বিশ্ববাজারেও প্রতিযোগিতা করতে পারবে।' </p>
<p> বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনারে কক্ষে আয়োজিত "এক্সপ্লোরিং দ্য ক্যারিয়ার অপারচুনিটি ইন এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং" শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p>ইনস্টিটিউট অব এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং (আইইই) ও ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত উক্ত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার। আইইই -এর পরিচালক অধ্যাপক ড. এ এন এম মোমিনুল ইসলাম মুকুটের সভাপতিত্বে সেমিনারে বক্তব্য রাখেন যন্ত্রকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিলের (বিইপিআরসি) সদস্য (ইনোভেশন) ও অতিরিক্ত সচিব ড. মো. রফিকুল ইসলাম। আইইই-এর প্রভাষক সেজুতি জামানের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন আইকিউএসি-এর অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম।</p>
<p>সেমিনারে ডুয়েট উপাচার্য বলেন, 'বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার ব্যাপকভাবে বাড়ছে। এ খাতে রয়েছে অপার সম্ভাবনা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও গবেষকগণ এসব বিষয়কে সামনে রেখে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে। শিক্ষার্থীদের চিন্তাশক্তি প্রসারিত করা, গবেষণা মনোভাব জাগ্রত করা এবং এনার্জি সেক্টরে ক্যারিয়ার গঠনের জন্য ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও আয়োজন করা যেতে পারে।' তিনি বলেন, 'দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ গবেষণা কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষা ও গবেষণার উৎকর্ষতায় প্রাণপ্রিয় ডুয়েটকে শীর্ষ অবস্থানে নিয়ে যেতে আমরা কাজ করছি।'</p>
<p>তিনি এ ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি আরও বলেন, 'আমি আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সকলেই গবেষণার ক্ষেত্রে পরিবেশবান্ধব, টেকসই এবং দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক বিষয়গুলোতে আগ্রহী হয়ে প্রাণের এই বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।' তিনি এই ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য আইইই ও আইকিউএসিসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।</p>
<p>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার বলেন, 'এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং এমন একটি ক্ষেত্র- যা একদিকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরের সঙ্গে যুক্ত, অন্যদিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, নীতিনির্ধারণ, এনার্জি হারভেস্টিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-ভিত্তিক এনার্জি অপ্টিমাইজেশনসহ নানা ধরণের নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত। আমাদের শিক্ষার্থীদের উচিত এই পরিবর্তনের অংশ হওয়া এবং জ্বালানি খাতে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে কাজ করে যাওয়া।'</p>
<p>তিনি আরও বলেন, 'আজকের এই সেমিনারটি অংশগ্রহণকারী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য গবেষণার নতুন দিকগুলোর প্রতি সুযোগ সৃষ্টি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।'</p>
<p>আইইই-এর পরিচালক তার বক্তব্যে এনার্জি সেক্টরে ইনোভেশনের গুরুত্ব তুলে ধরে জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানি নিরাপত্তা, সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, জৈব-জ্বালানি, আধুনিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ইত্যাদির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং শিল্প, গবেষণা ও সরকারি খাতে এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চাহিদার বিষয়ে আলোচনা করেন।</p>
<p>সেমিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম জ্বালানি খাতের বৈশ্বিক প্রবণতা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং বাংলাদেশে সুযোগ-চ্যালেঞ্জ বিশদভাবে তুলে ধরেন। তিনি জ্বালানি খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প, এনার্জি এফিশিয়েন্সি, কার্বন ম্যানেজমেন্ট এবং এ খাতে ক্যারিয়ার গঠন ও নতুন নতুন চাকরির সুযোগের বিষয়ে বিস্তরিত তুলে ধরেন।</p>
<p>পরে প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে সেমিনারটি সমাপ্ত হয়। সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রাস্তাকাটার দৃশ্যমান ভোগান্তির চেয়ে অদৃশ্যমান ভোগান্তি বেশি</title>
<link>https://digibanglatech.news/157233</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157233</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68bc2c732e269.jpg" length="114355" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 06 Sep 2025 16:43:58 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span style="font-family: Kalpurush;">সিলেটের কোম্পানিগঞ্জে <span lang="BN-BD">১৬</span>৮ একর এলাকার ওপর তৈরি করা হয়েছে সিলেট হাইটেক পার্ক। বরাদ্দযোগ্য অবস্থায় রয়েছে ১২০ একর জমি। ৯টি কোম্পানিকে মোট ৪৬ একর জমি দেয়া হলেও সেখানে মাত্র একটি কোম্পানি উৎপাদনে রয়েছে। এমন পড়ে থাকা জমি পুণরুদ্ধার এবং পড়ে থাকা ৭৪ একর জমি এবং ১০ হাজার বর্গফুট জায়গায় বিনিয়োগের মাধ্যমে টেকসই কর্মসংস্থান গড়ে তুলতে দেশী ও প্রবাসী সিলেট কমিউনিটির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন <span lang="BN-BD">প্রধান উপদেষ্টার ডাক</span>, <span lang="BN-BD">টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্য</span>ব। একইসঙ্গে চায়ের দেশ খ্যাত এই পর্যটন নগরীতে বিটিসিএল ও ডাক বিভাগের বেহাত জমি পূণরুদ্ধারে <span lang="BN-BD">স্থানীয় প্রশাসন সহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা কামনা করে</span>ছেন তিনি। এছাড়ও সাদা পাথর উত্তলনে জড়িত বেকারদে কর্মসংস্থানে প্রশিক্ষণ দেয়ার উদ্যোগ নিতেও তাগিদ দিয়েছেন তিনি। <span style="mso-spacerun: yes;"> </span><span style="mso-spacerun: yes;"> </span><o:p></o:p></span></p>
<p><span style="font-family: Kalpurush;">৬ সেপ্টেম্বর, শনিবার<span lang="BN-BD"> সিলেট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে "তথ্য প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের ডাক</span>, <span lang="BN-BD">টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় কর্তৃক নবপ্রণীত আইন</span>, <span lang="BN-BD">পলিসি এবং সংস্কার" নিয়ে মতবিনিময় সভায় </span>এই তাগিদ দেন তিনি। এসময় ইন্টারনেট সেবার মান বাড়াতে হুট-হাট ফাইবার না কাটতে মেয়র এবং স্থানীয় প্রশাসনকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘রাস্তাকাটার দৃশ্যমান ভোগান্তির চেয়ে অদৃশ্যমান ভোগান্তি বেশি। এ জন্যই লাইন ডাউন হয়। ফ্রিল্যান্সাররা কাজ করতে পারে না। অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জরুরী সেবা বাধাগ্রস্ত হয়। তাই সবাই নিয়েই ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় এ নিয়ে কাজ করবে।’<o:p></o:p></span></p>
<p><span style="font-family: Kalpurush;">সভায় <span lang="BN-BD">এক সাংবাদিকের সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা এখনো চলছে এমন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বিশেষ সহকারী</span> ‘দুঃখ প্রকাশ’ কনে<span lang="BN-BD"> বলেন</span>, <span lang="BN-BD">সাইবার নিরাপত্তা অধ্যাদেশ পাস করা হয়েছে যাতে যে নয়টি ধারার মাধ্যমে ৯৫ শতাংশ মামলা করা হয়েছিল সেগুলো বাদ দেয়া হয়েছে। </span>আমরা আওয়মী লীগের আমলের নিপীড়নমূলক সবগুলো ধারা বাদ দিয়েছি। এখানে নাগরিক হয়রানির কোনো এলিমেন্ট নেই। <o:p></o:p></span></p>
<p><span lang="BN-BD" style="font-family: Kalpurush;">এরপরও যদি কারো মামলা চলমান থাকে তাহলে স্থানীয় আইনশৃঙ্খল রক্ষাকারী বাহিনী এবং আদালতের শরণাপন্ন হতে বলেন তিনি</span><span lang="HI" style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: HI;">। </span><span style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: HI;">একইসঙ্গে নির্বাচিত সরকার সংসদে আলোচনার ভিত্তিতে ত্রুটি সংশোধন করে আইন হিসেবে পাশ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী। <o:p></o:p></span></p>
<p><span style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: HI;">তিনি বলেন, বাংলাদেশ যত মামলা হয় সেখানে অনেকগুলো আইন ও ধারা জড়িয়ে মামলা করা হয়। তাই এই অধ্যাদেশ বিষয়ে যেকোনো সংশোধনের জন্য এনসিএডটগভডটবিডিতে আপনারা মেইল করে মতামত জানাতে পারেন। <o:p></o:p></span></p>
<p><span style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: HI;">জুয়ার সাইট বন্ধে সরকারের ব্যর্থতা স্বীকার করে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, বিগত সরকারের সময়ে নির্দিষ্ট সাইট বা অ্যাপ বন্ধের প্রযুক্তি কেনার নামে প্রায় আড়াই শ’ কোটি টাকা খরচ করছে। কিন্তু প্রযুক্তিটির ফিচারগুলি সিগনিফিকেন্ট করা হয়নি। তাই জুয়ার সাইট বা অ্যাপ আমরা বন্ধ করতে পারছি না। এজন্য আমরা বিটিআরসি-তে অংশীজনদের নিয়ে বৈঠক করেছি। আশাকরি আমরা এটা করতে সক্ষম হবো। <o:p></o:p></span></p>
<p><span style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: HI;">তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে ‘আগের আমলে মিথ্যা ট্রেনিং দিয়ে সাইন দিয়ে টাকা তুলে নেয়া এবং দাম দিয়ে নিম্নমানের ল্যাপটপ বিতরণ না করে’ অন্তর্বর্তী সরকার সাইবার সিকিউরিটি, ফ্রিল্যান্সিং, পাইথন ও মাইস্কুয়েল এর মতো বিষয়ে ইতিমধ্যেই স্কুল ও মাদরাসায় পাইলট ভিত্তিতে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে বলে জানান বিশেষ সহকারী। <o:p></o:p></span></p>
<p><span style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: HI;">তিনি বলেন, পছন্দের দলীয় ভেন্ডর নয়; এখন থেকে প্রতিটি ট্রেনিংয়ের সঙ্গে এনএসডিএ স্বীকৃত সনদপ্রদানকারীকে দিয়ে এই প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। <span style="mso-spacerun: yes;"> </span><o:p></o:p></span></p>
<p><span style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: HI;">ইন্টারনেটের দাম কমানো ও মান বাড়ানোর পাশাপাশি এই খাতে প্রতিযোগিতা সৃষ্টিতে নতুন টেলিকম নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে মন্তব্য করে ফয়েজ বলেন, আমরা এমভিএনও এর প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধ দূর করেছি। আশা করছি, সামনের দিনে নতুন সিম বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান হাজির হবে। এতে প্রতিযোগিতার সঙ্গে সেবার মানও বাড়বে। স্যাটেলাইট ইন্টারনেট আসার পর এখন আইসিপিগুলো ভালো সেবা দেওয়া শুরু করেছে। কিন্তু সেলুলার মোবাইলের টেকনেলোজি এখনো ভালো হয়নি। টেলিটকের আড়াই হাজার সাইট উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছি। <span style="mso-spacerun: yes;"> </span><span style="mso-spacerun: yes;"> </span><o:p></o:p></span></p>
<p><span style="font-family: Kalpurush;">সিলেট হাইটেক পার্ক নিয়ে <span lang="BN-BD">প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশেষ সহকারী </span>বলেন, ৯টি কোম্পানির মধ্যে সম্ভবত র‌্যাগস সেখানে উৎপাদনে রয়েছে। বাকি ৮টি কোম্পানির কাছে তাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনা জানতে চেয়েছি। তাদের উত্তরের পরিপ্রেক্ষিতে যদি দেখি তারা পলিটিক্যাল স্ট্যানবাজির কারণে জমি নিয়ে ইউটিলিটি ও ভাড়া দিচ্ছে না। তাহলে সেগুলো আমরা পূণরুদ্ধার করে সিলেটে বা সিলেটের বাইরে, লন্ডনে বা এর বাইরে সিলেটের যে কমিউনিটি রয়েছে তাদের বিনিয়োগের জন্য জমি বরাদ্দের সুবিবেচনা করবো। <span lang="BN-BD">বর্তমানে হাইটেক পার্কে </span>৭৪<span lang="BN-BD"> একর জমি বরাদ্দের উপযোগী রয়েছে। </span>জমির বাইরে হাইটেক পার্কের ২৫ হাজার বর্গফুট জায়গায় ৫টি কোম্পানিকে ১৫ হাজার বর্গফুট দেয়া হয়েছে। এখান থেকে দুইটি স্পেস উদ্ধার করা যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি। এর বাইরেও বিগত ১৫ বছরে ডাক বিভাগ ও বিটিসিএল এর অনেক জমি এখানে বেহতা হয়েছে। এগুলো উদ্ধারে মেয়র মহোদয়, জেলাপ্রশাসক ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সহযোগিতা কামনা করি। <span lang="BN-BD">বিদ্যমান আইসিটি ফেসিলিটিসকে কিভাবে সিলেটের বিভিন্ন সেক্টরে কাজে লাগানো যায় সে বিষয়ে আমরা ভাবছি। আমরা সিলেট হাইটেক পার্কে স্থানীয় ব্যবসায়ী কমিউনিটিকে বিনিয়োগের আহ্বান জানাই</span></span><span lang="HI" style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: HI;">।</span><span style="font-family: Kalpurush;"><o:p></o:p></span></p>
<p><span lang="BN-BD" style="font-family: Kalpurush;">এছাড়াও</span><span style="font-family: 'Cambria',serif; mso-bidi-font-family: Cambria;"> </span><span lang="BN-BD" style="font-family: Kalpurush;">বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান বলেন</span><span style="font-family: Kalpurush;">, <span lang="BN-BD">সিলেটের পর্যটন বিকাশে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের সাইবার সিকিউরিটি প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে</span></span><span lang="HI" style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: HI;">।</span><span style="font-family: Kalpurush;"><o:p></o:p></span></p>
<p><span lang="BN-BD" style="font-family: Kalpurush;">সিলেট জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম এর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন- সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী</span><span style="font-family: Kalpurush;">, <span lang="BN-BD">সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী</span>, <span lang="BN-BD">সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী</span>, <span lang="BN-BD">মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী</span>, <span lang="BN-BD">মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. নুরুল ইসলাম বাবুল</span>, <span lang="BN-BD">সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি আশিক উদ্দিন আশুক</span>, <span lang="BN-BD">মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি বদরল ইসলাম চৌধুরী</span></span><span lang="HI" style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: HI;">।</span><span style="font-family: Kalpurush;"><o:p></o:p></span></p>
<p><span lang="BN-BD" style="font-family: Kalpurush;">গত প্রায় দেড় দশকে সিলেটের সুশীল সমাজ</span><span style="font-family: Kalpurush;">, <span lang="BN-BD">রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ</span>, <span lang="BN-BD">সাংবাদিক প্রতিনিধি এবং স্থানীয় প্রশাসন নিয়ে এরকম মতবিনিময় সভার আয়োজন এই প্রথম বলে জানিয়েছেন অংশগ্রহণকারীরা</span></span><span lang="HI" style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: HI;">।</span><span style="font-family: Kalpurush;"><o:p></o:p></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কারো লাইসেন্স কেড়ে নেওয়া হবে না</title>
<link>https://digibanglatech.news/157173</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157173</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68b9ac8e695b9.jpg" length="66738" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 04 Sep 2025 18:40:33 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr"><span>মোবাইল কল ও ইন্টরনেটের দাম গ্রাহক পর্যায়ে সাশ্রয়ী করতে মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের ছেঁটে ফেলতে যাচ্ছে অন্তরবর্তীকালীন সরকার। সেই লক্ষ্য নিয়ে ৪ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন পেয়েছে টেলিকমিউনিকেশন্স নেটওয়ার্ক এবং লাইসেন্সিং পলিসি ২০২৫। এতে অতীতের লাইসেন্সিং কাঠামো ভেঙ্গে চার স্তর বিশিষ্ট লাইসেন্সিং ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে। এতে সেবা মান ও কাভারের বিষয়টি অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও  মোবাইল ভার্চুয়াল নেটওয়ার্ক অপারেটর (এমভিএনও), ভিও-ওয়াইফাই, ওয়াইফাই ৬, ওয়াইফাই ৭, ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি), এআই ইত্যাদি আধুনিকতম প্রযুক্তিগত সেবার সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। একই সাথে নিত্যনতুন ডিজিটাল সার্ভিস প্রদানের  প্রতিবন্ধকতা দূর করে নতুনদের বিশেষত এসএমইদের জন্য উদ্ভাবনের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।</span></p>
<p dir="ltr"><span>নীতিমালাযটি সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিলের কার্যকারিতা আরও বাড়বে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার আইসিটি ও টেলিযোগাযোগ বিষয়ক সহকারী উপদেষ্টা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। একইসঙ্গে ভয়েস কল ও ডেটায় প্রতিযোগিতা তৈরি করে ইন্টারনেট গ্রাহকের ক্রয় ক্ষমতার অধীনে নেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বেলে জানান তিনি। </span></p>
<p dir="ltr"><span>নতুন নীতিমালায় বিদেশী মালিকানা কমিয়ে আনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এখানে শতভাগ বিদেশি মালিকানা ৮৫ শতাংশে নামি আনা হয়েছে। এজন্য আগামী তিন বছরের মধ্যে মোবাইল অপারেটরদের অন্তত ১৫ শতাংশ মালিকানা শেয়ার বাজারে ছেড়ে দিতে হবে। তবে বিষয়টি দেশের শেয়ার বাজারের সক্ষমতার উপর নির্ভর করবে।</span></p>
<p dir="ltr"><span>নতুন লাইসেন্স নীতিমালার নিয়ে ব্যবসায়ীদের উদ্বেগের জবাবে ফয়েজ বলেন, আইএলডিএস পলিসি অবলোপন এখানে শৃঙ্খলা আনা হয়েছে।  আমরা কারো লাইসেন্স কেড়ে দেব না। প্রত্যেকেই নিজ নিজ লাইসেন্সের মেয়াদ পূর্ণ করতে পারবেন। </span></p>
<p dir="ltr"><span>'লাইসেন্সের প্রথম স্তর শেষে এখন দ্বিতীয় স্তর চলছে' জানিয়ে ফয়েজ আহমদ তৈয়ব বললেন এখন মাইগ্রেশন পর্যায়ে চলছে। লাইসেন্স হবে তিন স্তরের। যারা লাইসেন্সের উপরের স্তরে আসতে চান তাদেরকে নতুন করে বিটিআরসিতে আবেদন করে নতুন স্তরের লাইসেন্স নিতে হবে। </span></p>
<p dir="ltr"><span>টেলিকম খাতের একচেটিয়া ব্যবসায় ভেঙে দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে নতুন নীতিমালা বিষয়ে বিশেষ সহকারি জানালেন, এখন লাইসেন্স তিনটি স্থরে সমীবদ্ধ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি সদস্য চালু হওয়া স্যাটেলাইট টেলিযোগাযোগের জন্য আরেকটি লাইসেন্স এর অপশন রাখা হয়েছে। বাদ বাকি লাইসেন্সকে ডিরেগুলেট করে এনলিস্টের অধীনে আনা হয়েছে। </span></p>
<p dir="ltr"><span>নতুন লাইসেন্স নীতিমালা ব্যবসায় বান্ধব উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগের নীতিমালা আগামীতে কেউ একাধিক স্তরে এক লাইসেন্সের অধীনে ব্যবসা করতে পারবে না। </span></p>
<p dir="ltr"><span>সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ফয়েজ আহমদ তৈয়ব বললেন,  আমরা যত বেশি ডি রেগুলেশন করব, এসবের জন্য ব্যবসা ততটা সহজ হবে। এসএমই বান্ধব পলিসি করতে আমরা  উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের আইএসপি ব্যবসায়ীদের লাইট রেগুলেশন এর অধীনে এনেছি। তাদেরকে ন্যাশনাল আইএসপিদের শর্ত মানতে হবে না। ‌ অর্থাৎ নতুন পলিসি আগের থেকে অনেক বেশি এসএমই বান্ধব। আমরা বিষয়টি আরো সহজ করতে চেয়েছিলাম। ‌ আপত্তির কারণে আমরা এটা পুরোপুরি ডি রেগুলেট করতে পারিনি। ‌</span></p>
<p dir="ltr"><span>রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুমোদিত নীতিমালার বিস্তারিত তুলে ধরেন এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে এসব জানান প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সরকারি ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব আব্দুন নাসের খান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী এবং বিটিআরসি ভাইস চেয়ারম্যান  মো. আবু বকর ছিদ্দিক এসময় উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলন পরিচালনা করেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।</span></p>
<p dir="ltr">সংবাদ সম্মেলনে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, ইতিপূর্বের লাইসেন্স রেজিমে ২৬ ধরনের মোট ৩,২৯৯টি লাইসেন্স থাকার কারণে টেলিকম সেবার মানোন্নয়ন ও গুণগত মান অনুযায়ী দামের সামঞ্জস্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নতুন নীতিমালায় লাইসেন্স কাঠামোকে মাত্র ৩ প্রকারে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। এর ফলে নাগরিকের চাহিদা অনুযায়ী উন্নত Quality of Service (QoS) নিশ্চিত করতে অধিকতর ফোকাস প্রদান করা সম্ভব হবে।</p>
<p dir="ltr"><span>আগের বহুমাত্রিক লাইসেন্স পদ্ধতির কারণে টেলিকম মার্কেট থেকে মধ্যস্বত্বভোগীরা উল্লেখযোগ্য ভ্যালু এড না করেই রাজস্বের অংশে ভাগ বসাত, যা এই পলিসি দ্বারা পরিবর্তিত হয়েছে। এর ফলে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে এবং তা জলবায়ু অভিঘাতপ্রবণ এলাকায় কাভারেজ সম্প্রসারণ, সাশ্রয়ী মূল্যে সেবা প্রদানসহ নাগরিকবান্ধব কর্মকাণ্ডে ব্যয় করা যাবে।</span></p>
<p dir="ltr"><span>আইসিটি বিভাগের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ জসীম উদ্দিন জানান,  প্রধান উপদেষ্টা কর্তৃক গঠিত কমিটি যার চেয়ারম্যান ছিলেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা সেই কমিটির সুপারিশে কেবিনেট ডিভিশনে এই নীতিমালারচ্ছ সংশোধিত প্রস্তাব উপস্থাপনের পূর্বে প্রায় ১০টি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীও কানেক্টিভিটির আওতায় আসবে এবং কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতে টেলিকম সেবা কার্যকর অবদান রাখতে সক্ষম হবে। </span>নতুন নীতিমালায় অ্যাকটিভ ও প্যাসিভ শেয়ারিং এর মাধ্যমে টেলিকম কোম্পানিগুলো প্রতিযোগিতামূলকভাবে উন্নততর সেবা প্রদান করতে পারবে। এর ফলে টেলিকম সেবার গুণগত মানোন্নয়ন নিশ্চিত হবে এবং বিদেশি বিনিয়োগ (FDI) বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে।  </p>
<p class="alignfull">এর আগে, গত ২০ জুলাই টেলিকমিউনিকেশনস নেটওয়ার্ক অ্যান্ড লাইসেন্সিং নীতি, ২০২৫-এর খসড়া পর্যালোচনার জন্য চার সদস্যের কমিটি গঠন করে দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৫জি হোক রিক্সাচালকেরও</title>
<link>https://digibanglatech.news/157061</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157061</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68b5da44972fb.jpg" length="89132" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 01 Sep 2025 15:48:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr"><span>৫জি যেনো শুধু দেশের এলিটদের জন্য না হয়, এই শুন্য লাটেন্সি ব্যবহার করে রিক্সা চালকও যেন তাদের রিক্সার ব্যাটাির চার্জ করতে পারেন সে জন্য অপারেটরদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশষ সহকারি ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। এ জন্য প্রতিবেশী দেশ ভারতের ৫জি ব্যবহারের সফলতা পর্যালোচনার পরামর্শ দেন তিনি। </span></p>
<p dir="ltr"><span>তিনি বলেছেন, ‘৫জি এমন একটি প্রযুক্তি নয় যা দেশের অভিজাত সমাজের চাহিদার ফসল। ৫জি এমন কিছু যার মাধ্যমে আপনাকে প্রতিটি পেশার সমস্যা সমাধান করতে হবে, ধনী-গরিব নির্বিশেষে।  যদি আপনি তা না পারেন, তাহলে প্রযুক্তির পরিপক্কতা আসতে অনেক দীর্ঘ সময় লাগবে, যেমনটা ৪জি-র ক্ষেত্রে হয়েছে। আমাদের আইওটি, মেশিন-টু-মেশিন যোগাযোগ, ব্যবসায়িক যোগাযোগ এবং সেইসব কোম্পানি যারা তাদের উৎপাদন কেন্দ্রে রোবটিক হাত বা রোবটিক সরবরাহ চেইন ব্যবহার করছে, তাদের চাহিদাগুলো পূরণ করতে হবে। তাই এই সব খাতকে চিহ্নিত করতে হবে। শুধু তাই নয়, রিকশাচালক বা অন্যান্যদের মতো গ্রাহককেও চিহ্নিত করতে হবে। আমাদের একজন রিকশাচালককে বলতে হবে যে তার ব্যাটারির চার্জ দিয়ে সে আর কত ঘণ্টা রিকশা চালাতে পারবে। তাই প্রযুক্তির মাধ্যমে আমাদের প্রতিটি খাতে পৌঁছাতে হবে।’</span></p>
<p dir="ltr"><span>১, সেপ্টেম্বর, সোমবার রবি'র সীমিত পরিসরের বাণিজ্যিক ৫জি সেবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই তাগিদ দেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। </span></p>
<p dir="ltr"><span>ফাইভজি’র মান বাড়াতে ‘যত দ্রুত সম্ভব ৭০০ মেগাহার্জ উন্মুক্ত করা’র ঘোষণা দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারি বললেন, এজন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কঠোর পরিশ্রম করছে বিটিআরসি। যত দ্রুত সম্ভব নিলামের জন্য আমাদের সমর্থন আছে।  তাই অর্থ বিভাগের সাথে আমরা এই ক্ষেত্রে কাজ করছি।  আমি বিশ্বাস করি খুব, খুব শীঘ্রই আমরা আপনাদের ৭০০ মেগাহার্জের স্পেকট্রাম দিতে পারব। কিন্তু ৭০০ মেগাহার্জই ৫জি-র একমাত্র নির্ভরশীল বা একমাত্র নির্ধারক মানদণ্ড নয়। ৫জি সঠিকভাবে চালু করতে হলে, আমাদের ৮০০, ৯০০ মেগাহার্জ থেকেও যতটা সম্ভব ফ্রিকোয়েন্সি উন্মুক্ত করতে হবে। যাতে আমরা যখন ৫জি কভার করি, তখন আরও ভালোভাবে কভার করতে পারি। কারণ লো-ব্যান্ড ফ্রিকোয়েন্সিগুলো অনেক বেশি দূরত্বে পৌঁছায়।  তাই, আপনি যদি ২১০০ বা ১৮০০ মেগাহার্জ বা উচ্চ বা মধ্যম স্তরের ফ্রিকোয়েন্সিতে ৫জি এবং ৪জি নেটওয়ার্ক চালু করেন, তাহলে কভারেজে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য দেখা যায়। এটিই আমাদের এখনকার প্রধান সমস্যা। তাই, বর্তমান পরিস্থিতিতে, একটি শহর, গ্রাম বা ক্লাস্টারকে কভার করার জন্য আমাদের যতটা সাইট থাকা উচিত তার চেয়ে বেশি সাইট স্থাপন করতে হচ্ছে। এখন আমাদের আরও বেশি সাইট স্থাপন করতে হবে।  এর জন্য, আমাদের সেই স্পেকট্রাম ধাঁধার সমাধান করতে হবে যা আমাদের জড়িয়ে আছে। দ্বিতীয় বিষয়টি হলো স্মার্ট ডিভাইসের ব্যবহার বৃদ্ধি। এটি হতে পারে ট্যাব, স্মার্টফোন, ল্যাপটপ বা অন্য কোনো স্মার্ট ডিভাইস।  সমস্যা হলো, ডিভাইসগুলো যেভাবে বিক্রি হচ্ছে তা আমাদের শহরগুলোর জন্য ততটা আকর্ষণীয় নয়। আমাদের এখানে কিস্তিতে ডিভাইস কেনার সুবিধা প্রচার করা হয় না। ( তাই আমি বিশ্বাস করি রবি এবং অন্যান্যরা, যেহেতু আপনারাও এই ক্ষেত্রে পা রাখছেন; আপনারা নির্মাতাদের সাথে  আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বিপণন সংস্থাগুলোর সাথে একসাথে এর সমাধান খুঁজে বের করবেন। তৃতীয় বিষয়টি হলো ব্যবহারিক ক্ষেত্র।  আমাদের মেশিন-টু-মেশিন যোগাযোগ প্রয়োজন।  আমাদের মিশন-ক্রিটিক্যাল যোগাযোগ প্রয়োজন। আমাদের ব্যবসা-গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ প্রয়োজন। একই সময়ে, আমাদের এমন পরিষেবা প্রয়োজন যা আমাদের জনগণের সাথে সম্পর্কিত।’ </span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x_68b58741bd147.jpg" alt=""></p>
<p dir="ltr"><span>সবার আগে বাণিজ্যিক ৫জি'র সফট লঞ্চে রবি-কে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশের সেল্যুলেটর নেটওয়ার্কের আভিজাত্যে  রবি একটি মাইলফলকে পা রাখলো। প্রথম হওয়াটা যেমন গুরুত্ব পূর্ণ তেমনি শহর থেকে গ্রামের প্রান্তিক মানুষের কাছেও এই নেটওয়ার্ক পৌছে দেয়াটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।  শুধু শহুরের অভিজাত সমাজ, ব্যবসায়ী বা ধনী সমাজের কাছে পৌঁছানোটা যথেষ্ট নয়; </span>একইসাথে যারা দরিদ্র, যারা সংযুক্ত নয়, যারা নাগালের বাইরে তাদের কাছে পৌঁছানো গুরুত্বপূর্ণ।’</p>
<p dir="ltr"><span>তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং তাদের বিস্তৃতি পরিচালনা করছে, সে বিষয়ে আমার কিছু অসন্তোষ আছে। আমি বিশ্বাস করি, ৫জি-র ক্ষেত্রে এমনটা হবে না। এখন আমাদের এমন একটি অর্থনৈতিক বিবর্তনের পথ যা সবাইকে জায়গা করে দেবে। এনটওয়ার্কটি পাহাড় থেকে সমতলে যাবে এবং নদী থেকে গ্রামে যাবে; মহানগর এলাকা থেকে জেলা শহরে, ছোট শহরগুলোতে পৌঁছে যাবে। আমি আশা করি রবি এবং রবির অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বীরা ৫জি রোলআউটের জন্য একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক পথ বেছে নেবে।’</span></p>
<p dir="ltr"><span>‘৫জি কী? এটি একটি লেটেন্সি (latency) গেম। কিন্তু কেন আমি এই লেটেন্সি নিয়ে খেলব? এর উত্তর দিতে হবে।  সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ৫জি রোলআউট করার জন্য আমার কি যথেষ্ট ব্যবহারিক ক্ষেত্র (use cases) আছে?  তাই এটি প্রকাশ্যে বলা হয় যে বাংলাদেশের ৫জি রোলআউটের জন্য ব্যবহারিক ক্ষেত্রগুলো তৈরি করা হয়নি। এর উত্তর দিতে হবে, কে এই ব্যবহারিক ক্ষেত্রগুলো তৈরি করবে? এটি কি নিয়ন্ত্রক সংস্থা? এটি কি সরকার? সরকারি কর্মকর্তারা? নাকি শিল্প নিজেই? আমি মনে করি এটি সবার দ্বারা পরিচালিত হওয়া উচিত। তাহলে কেন মানসম্পন্ন ৫জি রোলআউট বিলম্বিত হয়েছে, তার প্রথম কারণ হলো ২জি-র মতো লেটেন্সি প্রযুক্তির উপর আমাদের অতিরিক্ত নির্ভরতা। আমরা ২জি ট্র্যাফিককে উল্লেখযোগ্যভাবে স্থানান্তর করতে পারিনি, যার ফলে আমরা আমাদের স্পেকট্রাম খালি করতে পারিনি।  আমরা সেই মূল্যবান লো-ব্যান্ড স্পেকট্রামগুলো ২জি ব্যবহারকারীদের দ্বারা দখল করে আছি।  তাই প্রথমে এটি উপলব্ধি করতে হবে। আর যখন আমরা এটি উপলব্ধি করব, তখন আমাদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং আপনাদের অপারেটরদের এমনভাবে পরিষেবাগুলো ডিজাইন করতে হবে যাতে আমরা আমাদের গ্রাহকদের উৎসাহিত এবং প্রণোদিত করতে পারি। যাতে তাদের ২জি যুগ থেকে বেরিয়ে আসার একটি প্রণোদনা থাকে এবং তারা ৪জি বা ৫জি-র মতো নতুন যুগে আসতে পারে’- যোগ করেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।</span></p>
<p dir="ltr"><span>তিনি আরো বলেন, ‘৫জি-র জন্য আমাদের এগিয়ে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হলো সেই ব্যবহারিক ক্ষেত্রগুলো, যার জন্য অতি-কম লেটেন্সি প্রয়োজন। যা ১ মিলিসেকেন্ড থেকে ১০ মিলিসেকেন্ড পর্যন্ত কম হতে পারে। যেখানে সাধারণত ৪জি ২০ বা ৩০ মিলিসেকেন্ডের উপরে কাজ করে। আজ পর্যন্ত, সম্ভবত বিশ্বে ৪০০টি অপারেটর ৫জি চালু করেছে। তাই রবি হবে ৪০০-এর উপরে এবং বাংলাদেশের প্রথম। এর মধ্যে প্রায় ৩৩০টি অপারেটর নন-স্ট্যান্ডার্ড ৫জি ব্যবহার করছে। যার মানে হলো, আপনার কাছে ৫জি-র জন্য প্রস্তুত ৪জি সরঞ্জাম আছে। আমি বিশ্বাস করি রবিও এখানে নন-স্ট্যান্ডার্ড এনএসএ (NSA) ৫জি ব্যবহার করছে।’</span></p>
<p dir="ltr"><span>অপারেটরদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিশেষ সহকারি বললেন, ‘আসুন আমাদের বিপণন প্রস্তাবগুলোকে এমনভাবে লক্ষ্য করি যাতে সমাজের প্রতিটি অংশ, শহুরে এবং গ্রামীণ নির্বিশেষে, সমাজের প্রতিটি পেশা, অভিজাত এবং অনভিজাত নির্বিশেষে, আমরা প্রযুক্তির সাহায্যে কীভাবে তাদের জীবনকে আরও ভালো করতে পারি তা বুঝতে পারি। তাহলে আমরা সেইসব জিনিসের একটি তালিকা পাব যেখানে আমরা পৌঁছাতে পারি।’</span></p>
<p dir="ltr"><span>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী, কমিশনার মাহমৃদ হাসান ও মহাপরিচালক আমিনুল হক উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও </span><span>অন্যান্যের মধ্যের বক্তব্য বক্তব্য রাখেন সিওও রিয়াজ রশীদ, কোম্পানি সচিব শাহেদুল আলম, চিফ কমার্সিয়াল অফিসার শিহাব আহমেদ।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা কর্মজীবনে নিচের স্তরে নামতে চাচ্ছে’</title>
<link>https://digibanglatech.news/156999</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156999</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68b30fd87dbb2.jpg" length="120469" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 30 Aug 2025 14:19:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span class="x3jgonx">তথাকথিত তিন দফার মাধ্যমে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কর্মজীবনের উপরের স্তর থেকে নিচের স্তরে নামতে চাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ডিপ্লোমা ইঞ্জিডনিয়ারিং সংগ্রাম পরিষদের নেতারা। সরকারকে বেকাদায় ফেলতে এবং নির্বাচন বানচাল করতেই এমন আন্দোলন বলেও মন্তব্য করেছেন তারা।</span><br><br><span class="x3jgonx">৩০ আগস্ট, শনিবার দুপুরে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র শিক্ষক পেশাজীবী সংগ্রাম পরিষদের ব্যানারে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারর্স ইনস্টিটিউশনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলন এমন মন্তব্য করেন তারা। ‘বিএসসি প্রকৌশলীদের অযৌক্তিক দাবি, নৈরাজ্যের প্রতিবাদ এবং ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের যৌক্তিক সাত দফার পক্ষে’ এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। নিজেদের সাত দফা দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলেও জানায় সংগঠনটি।</span><br><br><span class="x3jgonx">লিখিত বক্তব্য সংগঠনের সদস্য সচিব প্রকৌশলী ইমাম উদ্দিন বলেন, 'প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত ৩ দফা দাবির কোনো যৌক্তিকতা নেই। কেননা, বিষয়গুলো সরকারের ১৯৭৮ ও ১৯৯৪ সালের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্ধারিত রয়েছে। আমরা মনে করি, তাদের এই আন্দোলনের পেছনে কোনো অপশক্তির ইন্ধন রয়েছে। তারা আন্দোলনের মাধ্যমে পুরো প্রকৌশল শিক্ষাঙ্গণ ও প্রকৌশল কর্মক্ষেত্রকে অস্থিতিশীল করার পাশাপাশি দেশে চরম নৈরাজ্য পরিস্থিতি তৈরি করতে চাচ্ছে।' </span><br><br><span class="x3jgonx">তিনি বলেন, 'প্রকৌশল কর্মক্ষেত্রের মীমাংসিত বিষয়গুলো অক্ষুণ্ন রাখবেন। আমাদের ৭ দফার অন্যান্য দাবিগুলোর যৌক্তিক সমাধান করবেন। আমরা সরকারের বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ নির্মাণের দর্শনের প্রতি আস্থাশীল। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকৌশল পেশায় বিএসসি ডিগ্রিধারী ও ডিপ্লোমাধারীদের পেশাগত দাবিগুলোর যৌক্তিকতার সুপারিশ প্রণয়নের জন্য ৮ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির সভাপতি বিদ্যুৎ, জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এবং সদস্য সচিব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক। এই কমিটিতে সরকারের ৩ জন উপদেষ্টা রয়েছেন। এই কমিটির সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১৪ সদস্যবিশিষ্ট ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে এই কমিটিতে মাত্র ৪ জন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার সদস্য হয়েছেন।' </span><br><br><span class="x3jgonx">ইমাম উদ্দিন বলেন, 'বিএসসি ডিগ্রি প্রকৌশলীদের আধিক্যতার কারণে পক্ষপাতিত্বের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। ওয়ার্কিং কমিটিতে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার ও ডিগ্রি ইঞ্জিনিয়ারদের পক্ষে থেকে একজন করে অন্তর্ভুক্ত রেখে অবশিষ্ট ১২জন নিরপেক্ষ সাধারণ প্রশাসনিক ক্যাডারের অন্তর্ভুক্ত করে ওয়ার্কিং কমিটি পুনর্গঠনের দাবি জানাচ্ছি।' </span><br><br><span class="x3jgonx">ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করলে, তারা বসে থাকবেন না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা কর্মসূচি দিইনি মানে আমরা কর্মসূচি দেব না, তা নয়। সময়মতো আমরা ঠিকই কর্মসূচি দেব।’</span><br><br><span class="x3jgonx">সংবাদ সম্মেলনে আইডিইবির সভাপতি কবির হোসেন বলেন, বিএসসি প্রকৌশলীদের তিন দফা দাবি আসলে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের অর্জিত অধিকার খর্ব করার প্রচেষ্টা। তিনি বলেন, ১৯৭৮ ও ১৯৯৪ সালের নীতিমালা অনুযায়ী ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা দশম গ্রেডে নিয়োগ পান এবং পদোন্নতির সুযোগ থাকে। কিন্তু বিএসসি প্রকৌশলীরা বলছে, ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের প্রকৌশলী বলা যাবে না এবং তাঁরা দশম গ্রেড থেকে নবম গ্রেডে পদোন্নতি পাবেন না। অথচ নিজেরা নবম গ্রেড থেকে এক নম্বর পর্যন্ত সব জায়গায় শতভাগ কোটা ভোগ করছেন।</span><br><br><br><span class="x3jgonx">প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দাবি বাস্তবায়িত হলে সারা দেশের ৫ শতাধিক পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট বন্ধ হয়ে যাবে বলেও জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে। </span><br><br><span class="x3jgonx">এক প্রশ্নের উত্তরে প্রকৌশলী আখেরুজ্জামান বলেন, 'প্রকৌশলীদের তিন দফা দাবি মেনে নিলে তো ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের চাকুরির ক্ষেত্র সংকুচিত হবে এবং এই পদ্ধতিতে পড়ালেখাও বাদ হয়ে যেতে পারে। কেননা, মেট্রোরেলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য সংরক্ষিত পদে বিএসসি ইঞ্জিনিয়াররা আবেদন করেছে। এমনকি মামলা করে পরীক্ষা স্থগিত করেছে। এতে রাষ্ট্রের ক্ষতি, জনগণের ক্ষতি।'</span><br><br><span class="x3jgonx">এসময় প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বিভ্রান্ত না হয়ে নিজেদের সাত দফা বাস্তবায়নের দাবি জানান ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পেশাজীবী সংগ্রাম পরিষদের নেতারা। </span><br><br><span class="x3jgonx">এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র-শিক্ষক-পেশাজীবী সংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মোসলেম উদ্দিন, এরশাদ উল্যাহ, জয়নুল আবেদীন, আবদুস সাত্তার শাহ, জ্যেষ্ঠ সদস্যসচিব মিজানুর রহমান, সহজনসংযোগ ও প্রচার সম্পাদক সাহাবুদ্দিন প্রমুখ।</span><br><br><span class="x3jgonx">প্রসঙ্গত, ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের নামের আগে প্রকৌশলী ব্যবহার করতে না দেয়াসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন বুয়েটসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএসসি ইঞ্জিনিয়াররা। অন্যদিকে, উপসহকারী প্রকৌশলী পদে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়োগের সুযোগ না দেয়াসহ ৭ দফা দাবিতে আন্দোলন করছেন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিশ্ববাজারে টিকতে পোশাক শিল্পে প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন নিশ্চিত করতে হবে</title>
<link>https://digibanglatech.news/156979</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156979</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68b1e2569e0b5.jpg" length="123967" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 29 Aug 2025 19:24:15 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সেলাই মেশিন প্রশিক্ষণের প্রাথমিক ধাপ অতিক্রম করে বাংলাদেশ এখন উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর তৈরি পোশাক শিল্পের দিকে এগোচ্ছে বলে মন্তব্য করে তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহামুদ হাসান খান বলেছেন, বাংলাদেশের পোশাক শিল্প অনেক দূর এগিয়েছে। এখন আমরা অটোমেশনের দিকে যাচ্ছি। ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং, উচ্চ প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। এতে উৎপাদন দক্ষতা বাড়বে। দক্ষতা না বাড়াতে পারলে বিশ্ববাজারে টিকে থাকা কঠিন হবে।</p>
<p>২৯ আগস্ট, শুক্রবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এপ্রেক্স ক্লাবস অব বাংলাদেশ-এর ৬৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।</p>
<p>বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, অনেকে বলেন, তৈরি পোশাক খাত তো ৪০ বিলিয়ন ডলারের। আমরা বলি, হ্যাঁ-কিন্তু আমাদের লক্ষ্য ১০০ বিলিয়ন ডলার। সেটা ভ্যালু অ্যাডিশনের মাধ্যমেই সম্ভব। শুধু বেসিক পোশাক রপ্তানি নয়, ভ্যালু অ্যাড এবং উৎপাদনশীলতা বাড়িয়ে লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে। না হলে টেকসই হবে না শিল্প।  </p>
<p>মাহামুদ হাসান আরও বলেন, তৈরি পোশাক শিল্পকে কেন্দ্রীয় ডেটাবেইসের আওতায় আনা হয়েছে। শ্রমিক ইস্যুতে যারা সেবা প্রদান করে, তারাও এই ডেটাবেইসের আওতায় এলে তথ্য আদান-প্রদান ও সমন্বয় আরও সহজ হবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রয়েল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকার উপাচার্য ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মেশকাত উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।</p>
<p>এপেক্স ক্লাবস অব বাংলাদেশ একটি সামাজিক ও সেবামূলক সংগঠন হিসেবে দীর্ঘ ৬৪ বছর ধরে কাজ করে আসছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও তারা নেতৃত্ব বিকাশ, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাইজেশন না হওয়ায় সময়ের কাজ সময়ে হয় না</title>
<link>https://digibanglatech.news/156901</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156901</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68af0eafa99dd.jpg" length="77182" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 27 Aug 2025 17:57:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>অতি ক্ষুদ্র ঋণ দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনের জন্য চিঠি দেওয়ার পাঁচ মাসের বেশি সময়েও কোনো জবাব দেওয়া হয় না, সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহমান খান বলেছেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে আমাদের ফাংশনগুলো ডিজিটালাইজড করা হয়নি, এ কারণে বুঝতে পারি না কোন চিঠি কতদিন ধরে পড়ে আছে। এই বুরোক্রেসির কারণে অনেক সময় সঠিক সময়ে সঠিক কাজটি হয় না। অন্যরা সঠিক কাজটি গড়েছেন, আমরা পারছি না। এ কারণে অন্যরা সামনে যাচ্ছে, আমরা পেছনের দিকে যাচ্ছি।</p>
<p>২৭ আগস্ট, বুধবার হোটেল সোনারগাঁওয়ে ইনস্টিটিউট অব কস্ট ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) আয়োজিত ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ সামিট-২০২৫’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।</p>
<p>এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে আমাদের ফাংশনগুলো ডিজিটালাইজড করা হয়নি, এ কারণে বুঝতে পারি না কোন চিঠি কতদিন ধরে পড়ে আছে। এই বুরোক্রেসির কারণে অনেক সময় সঠিক সময়ে সঠিক কাজটি হয় না।</p>
<p>অন্যরা সঠিক কাজটি গড়েছেন, আমরা পারছি না। এ কারণে অন্যরা সামনে যাচ্ছে, আমরা পেছনের দিকে যাচ্ছি -যোগ করেন তিনি।</p>
<p>তিনি বলেন, অভিযোগ করা হয় আগে তথ্য পাওয়া যেত। এখন পাওয়া যায় না। এর মানে হলো, তারা ডাটা সঠিকভাবে প্রডাক্ট করে না। এর কারণে শেয়ার করে না। বিষয়টি মাথাব্যথার জন্য মাথা কেটে ফেরার মতো। এটা হলে আমরা ক্যাশলেস সোসাইটি করতে পারব না। এটা বৃহত্তর প্রেক্ষিতে বিবেচনা করতে হবে।</p>
<p>ক্যাশলেস সোসাইটি হলে সরকারই সুবিধা পাবে, রাজস্ব বাড়বে উল্লেখ করে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, যে পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া (লিকেজ) হয়, তা বন্ধ হবে। ক্যাশলেস করার ক্ষেত্রে যত ধরনের সুবিধা দেওয়া দরকার, সেগুলো দেব।</p>
<p>তিনি বলেন, এবারের বাজেটেও আমরা বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছি। যেসব লিস্টেড কোম্পানি শতভাগ ব্যাংকিং চ্যানেলে ট্রানজেকশন করবে, তাদের জন্য আলাদা করে ২.৫০ শতাংশ কর ছাড় দেওয়ার ব্যবস্থা আছে। এ ছাড়া নতুন করে যেসব প্রতিষ্ঠান ম্যাটেলিয়াল ছাড়া অন্যান্য খরচ ৫০ শতাংশের উপরে বা নিচে কর দেবে তাদের প্রণোদনা ও জরিমানার ব্যবস্থা করা হবে।</p>
<p>এনবিআর চেয়ারম্যান আরও বলেন, অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দেওয়ার ক্ষেত্রে আমরা ভালো রেসপন্স পাচ্ছি। এর আগেরবার অনলাইনে প্রায় ৪ লাখ আয়কর রিটার্ন জমা হয়েছে। গতবার অনলাইনে প্রায় ১৭ লাখ আয়কর রিটার্ন জমা পড়েছে। এবছর আজকে পর্যন্ত চার লাখ ১৫ হাজার জমা পড়েছে।</p>
<p>অনলাইনের আয়কর দেওয়ার ক্ষেত্রে উৎসাহিত করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দিতে চার ক্ষেত্রে শিথিল করা হয়েছে। এর মধ্যে বিদেশিদের আয়কর রিটার্ন অন্যতম। বিদেশে আয়কর রিটার্ন দেওয়ার ক্ষেত্রে ওটিপি ফাংশন আছে। বিদেশ থেকে আয়কর রিটার্ন দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা দূর করতে ওটিপির স্থলে মেইল ব্যবহার করার চেষ্টা করা হচ্ছে।</p>
<p>ডিজিটাইজেশনের ক্ষেত্রে মোবাইল স্মার্টফোন জরুরি। এজন্য স্মার্টফোনের দাম কমানো প্রয়োজন। এক্ষত্রে এনবিআর কী ভূমিকা রাখতে পারে, এমন বক্তব্যের জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ফোন আমদানির ক্ষেত্রে আমরা পুরো রাজস্ব পাই না। আবার এদের উপর কোনো নিয়ন্ত্রণও নেই। কাস্টমাররাও নানাভাবে ঠকে। বিশেষ করে এখানে যারা মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী তারা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এখানে কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। কোনো ফোন আইএমইআই দিয়ে অ্যাক্টিভেট করা যাবে, কোনোটা যাবে না। এর ফলে বাজারে অহরহ ফোন প্রবেশ করতে পারবে না। এতে দেশে যারা উৎপাদন করছে তারা উৎসাহিত হবে।</p>
<p>আমরা আশা করছি আগামী কয়েক মাসের মধ্যে সফটওয়্যার প্রস্তুত হয়ে যাবে। যখন এটা চালু হয়ে যাবে তখন স্থানীয় প্রস্তুতকারীরদের বলতে পারব, আমরা স্থানীয় মোবাইল ফোনগুলোর ওপর ট্যাক্স কমিয়ে দিতে পারব। পাশাপাশি ভ্যাট জিরো করা যায় কি না, সেটাও বিবেচনা করব, বলেন এনবিআর চেয়ারম্যান।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। উদ্বোধনী আলোচনায় ‘ক্যাশলেস অর্থনীতি গঠনে ফিনটেকের ভূমিকা’ বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. এম মাসরুর রিয়াজ।</p>
<p>প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্টের পরিচালক মো. শারাফাত উল্লাহ খান, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, বিকাশ লিমিটেডের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার আলী আহমেদ, মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের পরিচালক জাকিয়া সুলতানা এবং সেবা প্ল্যাটফর্মের প্রতিষ্ঠাতা আদনান ইমতিয়াজ হালিম।</p>
<p>সামিটের শেষ পর্বে সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ‘রেগুলেটরি রিফর্মস ও পলিসি রোডম্যাগ ফর অ্যা ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এই প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন ড. মো. খায়রুজ্জামান মজুমদার, সচিব, অর্থ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়; মো. আবদুর রহমান খান, সচিব, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) ও চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর); ড. মো. হাবিবুর রহমান, ডেপুটি-গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক; মাসরুর আরেফিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (এমডি ও সিইও), দ্য সিটি ব্যাংক পিএলসি; অনিতা গাজী রহমান, প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজিং পার্টনার, দ্য লিগ্যাল সার্কেল।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গুগল টেক কোম্পানি নয়,  মার্কেটিং কোম্পানি</title>
<link>https://digibanglatech.news/156883</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156883</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68aea6339c62c.jpg" length="88959" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 27 Aug 2025 12:33:51 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ওপেন সোর্স ক্লাউডের মাধ্যমে ডেটার সার্বভৌমত্ব অর্জনে গুরুত্বারোপ করেছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। এক্ষেত্রে লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে জোট বেধেছে ওপেন স্ট্যাক। ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে একক আধিপত্য ভেঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে বিশ্বর ১৮০ দেশের ডেভেলপাররা কাজ করছেন। সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের ডেভেলপারদেরও এক্ষত্রে এগিয়ে আসা দরকার বলে মনে করেন প্লেক্সাস ক্লাউডের প্রধান নির্বাহী মোবারক হোসেন। বললেন, ক্লাউড থকলে ইন্টারনেট বাধা হতে পারবে না।</p>
<p>প্রযুক্তি জায়ান্টদের তথ্য উপাত্ত দিয়ে তিনি বলেন, গুগল টেক কোম্পানি নয়, এটি একটি মার্কেটিং কোম্পানি। তাদের দেয়া মেকি লাভ থেকে লোভ এবং সেখান থেকে আমাদের বন্দি করে ফেলেছে। এই বন্দিত্ব থেকে মুক্তি পেতে আগে মানসিক বন্দিত্ব থেকে মুুক্ত হওয়া দরকার।</p>
<p>আগামী ২০৪৯ সাল নাগাদ ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে ঘ্রাণ ছড়াতে পারবে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, এরইমধ্যে পঞ্চইন্দ্রিয়ের সব শেষ শক্তি ব্রেইন নিয়ে কাজ চলছে। এই ব্রেইন উন্নয়নে গুগল এর মতো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তথ্য নিচ্ছে। অথচ আমাদের সম্পদই তাদের হাতে তুলে দিয়ে নিজেরাই ডিজিট্যালি বন্দি হয়ে যাচ্ছি। পুরো পৃথিবী এখন ইন্টারনেটের ক্যাবলের একপ্যাচে সংযুক্ত জানিয়ে মোবারক বলেছেন, আজ আমরা প্রযক্তির মাধ্যমে বন্দিজীবন যাপন করছি। জিমেইলের ডট মুছে দিলেই সব স্মার্টফোন অকেজো হয়ে পড়বো। তাই আমাদের ডিজিটালি আমাদের স্বাধীন হতে হবে। পৃথিবীর চোখে আমাদের সমান হতে হব। আর ক্রেতা হিসেবে থাকা যাবে না।</p>
<p>ডেটা সেন্টার স্থাপনের পর ডেটার পূর্ণ অধিকার নিজেদের হাতে থাকতে হবে। ডেটায় আঞ্চলিক অধিকার, প্রবেশাধিকার ও নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে থাকতে হবে। নিজস্ব ক্লাউড প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রয়োজন। এখন বিশ্বে ভয়ের ব্যবসা চলছে মন্তব্য করে তিনি আরো বলেন, প্রযুক্তে হচ্ছে তেজী ঘোড়ার মতো। তাই প্রযুক্তির দ্রুত বদলের ফলে আইন ততটা দ্রুত পরিবর্তন করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই আমাদের এক্ষেত্রে সার্বভৌত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে প্রযুক্তিতে নিজেদের পূর্ণ অধিকার প্রতিষ্ঠার ওপর। ব্যবহারের ক্ষত্রে প্রোডা্ক্ট লকিংয়ের বিষয়ে সচেতন হতে হবে।</p>
<p>বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরামের আয়োজনে ২৭ আগস্ট, বুধবার রাজধানীর বনানী ক্লাবে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় এসব কথা বলেন তিনি।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x_68aeab983823c.jpg" alt=""></p>
<p>কর্মশালার সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইটির পরিচালক বিএম মইনুল হোসেন বলেন, ডেটা হচ্ছে ফুুয়েল। এই ডেটা অ্যমাজান বা ফেসবুকের কাছে থাকে তবে তার নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে থাকব না। তাই আমাদের তাদের সেবা না নিয়ে একটু ছাড় দিয়ে হলেো দেশের কোম্পানির কাছে থেকে নেয়া উচিত। এজন্য মিডিয়াকে ক্লাউডের বিষয়ে জানতে হবে। এ বিষয়ে সবাকে সচেতন করতে হবে।</p>
<p>স্বাগত বক্তব্যে বিআইজেএফ সহ সভাপতি ভূঁইয়া এনাম লেনিন বলেন, এআই দুয়ার ভেঙ্গে ঘরে ঘরে ঢুকে গেছে। তাই চ্যাটজিপিটি, ডিপসিক বিষয়ে শিখতে হবে। জানতে হবে ক্লাউড। চিনতে হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে। তা না হলে সমাজর বিভ্রান্তি তৈরি হবে।</p>
<p>কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে সাবেক সভাপতি নাজনীন নাহার তার বক্তব্যে গণমাধ্যম কর্মীদের নিত্য প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। </p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে বিআইজেএফ সভাপতি হিটলার এ. হালিম বলেন, এ ধরনের কর্মশালা প্রযুক্তিকে বুঝতে সহায়তা করে। যা আমাদের রিপোর্ট, ফিচার লিখতে সাহায্য করে। বিআইজেএফ সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের জন্য আগামীতে এআই-সহ সময়পোযোগী প্রযুক্তি নিয়ে কর্মশালা, নলেজ শেয়ারিং সেশনের আয়োজন করা হবে।  সমাপনী বক্তব্যে একই আশ্বাস ব্যক্ত করেন সাধারণ সম্পাদক সাব্বিন হাসান।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এটা অনেক লজ্জার বিষয়</title>
<link>https://digibanglatech.news/156765</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156765</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68aaf53a9958f.jpg" length="95862" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 24 Aug 2025 15:50:15 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-block-key="2r9ur">বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, ‘বিদেশীদের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশে দক্ষ প্রকৌশলী তৈরীর চেষ্টা করতে হবে। আমাদের দেশে দক্ষ প্রকৌশলী না থাকায় বাইরে থেকে লোক এসে সড়ক, রেলপথ বানিয়ে দিয়ে যায়। অথচ আমাদের দেশে বুয়েট থেকে প্রতি বছর হাজার হাজার ইঞ্জিনিয়ার বের হয়। এটা অনেক লজ্জার বিষয়।’</p>
<p data-block-key="7k2tq">২৪ আগস্ট, রবিবার গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া-বাইপাস এলাকায় ভোগড়া থেকে নারায়ণগঞ্জের মদনপুর পর্যন্ত ৪৮ কিলোমিটার ঢাকা বাইপাস সড়কের ১৮ কিলোমিটার অংশের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p data-block-key="7k2tq">এর আগে ঢাকা-বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ের একাংশ উদ্বোধনের নামফলকে নিজের নাম দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। এ সময় তিনি কর্মকর্তাদের বলেন, ‘এটা কি আমার বাপের টাকায় করছে? তাহলে কেন আমার নাম থাকবে? এটা ইমিডিয়েটলি চেঞ্জ করো। আমার নাম কেন থাকবে? যারা করেছে, মন্ত্রণালয়ের বা অন্যান্যদের নাম থাকতে পারে।’</p>
<p>পরে নামফলক উন্মোচন না করেই টোল প্লাজার পাশে ফিতা কেটে ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।</p>
<div>
<p data-block-key="b7unr">উপদেষ্টা আরো বলেন, ‘আর কতকাল বাইরে থেকে লোক এসে আমাদের সড়ক বানিয়ে দিয়ে যাবে। আর কতকাল বাইরে থেকে লোক এসে আমাদের সেতু বানিয়ে দিয়ে যাবে? রেলপথ বানিয়ে দিয়ে যাবে? রেলের জন্য একটি ফিজিবিলিটি স্টাডি করবে টঙ্গী থেকে জয়দেবপুর ওই রাস্তাতে। আমি বললাম এটার দরকার নেই। ওখানে একটা রেলের অলরেডি রাস্তা আছে। সেখানে এত হাজার হাজার কিলোমিটার রেলপথ হলো এখন তোমরা এটার ফিজিবিলিটি স্টাডি করতে পারবা না? মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যাবে। তাহলে আমাদের এত ইঞ্জিনিয়ার থেকে লাভ কি? আমাদের এত প্রকৌশলী থেকে লাভ কি? ওই জন্যই প্রকৌশলীদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রকৌশলীরা এ কারণেই বেকার। বুয়েট থেকে পাস করে একটা ছেলে যখন একটা মেধাবী ছাত্র হয় তখন এটা জাতির জন্য লজ্জার। এজন্য ইঞ্জিনিয়ারদেরকে বলবো, নিজেরাই একটি রাস্তা করে দেখান, নিজেরা একটা পাওয়ার প্লান্ট করে দেখান, নিজেরা একটা ট্রান্সমিশন লাইন করে দেখান। এটাই আমাদের উত্তরণের পথ। আমাদেরকে বিদেশ নির্ভরশীলতা থেকে মুক্ত হয়ে আসতে হবে।’</p>
<p data-block-key="522kd">তিনি বলেন, ‘সেতু মন্ত্রণালয় থেকে আমরা একটা উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা একটি মাল্টি মডেল ট্রান্সপোর্ট প্ল্যান করতেছি। এজন্য প্ল্যানের মধ্যে সবকিছুকে একত্র করে দেখব। সড়ক পথকে দেখব, রেলপথকে দেখব, নদী পথকে দেখব। আমরা সবগুলোকে একত্র করব। যেখানে যেটার উপযুক্ত আমরা সেখানেই জোর দিব। যেখানে নদীপথের মুভমেন্ট সহজতর হবে সেখানে নদীপথের ওপর জোর দেয়া হবে। যেখানে রেলের যাতায়াতের জন্য সহজতর হবে সেখানে আমরা রেলের ওপর জোর দিব। শুধুমাত্র সড়কের উপর দিয়ে নির্ভরতা আমাদের কমাতে হবে। আমাদের দেশে তো জায়গা নেই। এই যে ভূমি অধিগ্রহণ এটা একটা দীর্ঘ এবং অত্যন্ত ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া। এজন্য আমাদের সড়কের ওপর যে চাপ এর থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে।’</p>
<p data-block-key="8l6fj">আশেপাশের দেশের তুলনায় আমাদের দেশের সড়কের নির্মাণ ব্যায় অনেক বেশি, এগুলো কমাতে হবে। আপনারা জানেন যে রাস্তাঘাট এটা দুর্নীতির একটা বড় ক্ষেত্র। দুর্নীতি কমালে এবং প্রকৌশলে যারা আছেন তারা যদি দায়িত্ব নিয়ে কাজ করেন তাহলে আমার বিশ্বাস ২০ থেকে ৩০ শতাংশ ব্যয় কমানো সম্ভব। সড়ক খাতে বর্তমানে যে অব্যবস্থা চলছে এই অব্যবস্থা থেকে আমাদেরকে পরিত্রাণ পেতে হবে। এক হচ্ছে সড়কের উপর আমাদের নির্ভরতা কমাতে হবে। অন্যান্য যেসব যাতায়াতের মাধ্যম আছে রেলপথ, নদীপথ এবং বিমান— এসবগুলোর ব্যবহার বাড়াতে হবে। ঢাকা শহরে বাইপাস ব্যবহার করতে হবে যাতে বড় বড় শহরকে যানজট মুক্ত করতে পারি।’</p>
<p data-block-key="adjro">পরে উপদেষ্টা ফিতা কেটে মহাসড়কের টোল প্লাজা ও প্রকল্প উদ্বোধন করেন।</p>
<p data-block-key="9ku2a">উদ্বোধনের আগে বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে এই অংশ পরীক্ষামূলকভাবে তিন দিন টোল ফ্রি চালু করা হয়।</p>
<p data-block-key="ac9rk">এদিকে, যানবাহনের ধরন অনুযায়ী টোল নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৮ কিলোমিটার অংশে আংশিকভাবে টোল আদায় শুরু হচ্ছে। টোল হার হচ্ছে- বড় ট্রাক (ট্রেলার, ৬-এক্সেল, ১৫-২৫ টন) ৭৪০ টাকা, ভারী ট্রাক (২-৩ এক্সেল, ৭+ টন) ৬১০টাকা, মাঝারি ট্রাক (৫-৭ টন) ৪০০ টাকা, বড় বাস (৩১ সিট বা তদূর্ধ্ব) ৩১০ টাকা, ছোট ট্রাক (৩ টন) ২৬০ টাকা, ছোট বাস (৩১ সিটের নিচে) ২১০ টাকা, মাইক্রোবাস ১৯০ টাকা, পিকআপ, জিপ, রেকার, ক্রেন (৩ টন) ১৮০ টাকা ও সেডান প্রাইভেটকার ১৫০ টাকা।</p>
<p data-block-key="db0o7">প্রকল্পের সেফটি প্রকৌশলী ফারদিন ইমাম জানান, ‘১৮ কিলোমিটার অংশের নির্মাণ প্রায় শেষ, তাই যান চলাচলের জন্য তা খুলে দেয়া হচ্ছে। তবে নিরাপত্তা ও গতি নিশ্চিত করতে এক্সপ্রেসওয়েতে সিএনজি অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।’</p>
<p data-block-key="ct2j">একইসাথে এই অংশে কোনো ইউটার্ন থাকবে না বলেও জানানো হয়। এ সড়কের বিভিন্ন অংশে দু’টি রেলওয়ে ওভারপাস (ধীরাশ্রম ও মীরের বাজার) এবং কাঞ্চন, নাগদা, উলুখোলাসহ আটটি সেতু নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। কাঞ্চন থেকে ভুলতা পর্যন্ত অংশে টোল সড়কের নির্মাণকাজ চলমান আছে। ভুলতা থেকে মদনপুর পর্যন্ত অংশে মাটি ভরাটসহ অন্যান্য কাজ চলমান রয়েছে।</p>
<p data-block-key="1t7k7">আয়োজকরা জানান, পিপিপি ভিত্তিতে জয়দেবপুর-দেবগ্রাম-ভুলতা-মদনপুর সড়ক ঢাকা-বাইপাস চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পটি গাজীপুরের ভোগড়া থেকে নারায়ণগঞ্জের মদনপুর পর্যন্ত ৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সড়ক প্রকল্প। এ সড়কের ডিজাইন, বিল্ড, ফিন্যান্স, অপারেট এবং মেইনটেন্যান্স DBFOT মডেল অনুসরণে বাস্তবায়িত হচ্ছে। সড়কটি ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট, পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে, ঢাকা-ময়মনসিংহ এবং ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সাথে সংযুক্ত করে। প্রকল্পের আওতায় রোববার ১৮ কিলোমিটার অংশ যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হলো।</p>
<p data-block-key="cp5m0">সড়ক ব্যবহারকারী ও প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রকল্পের ফলে ঢাকা শহরে প্রবেশ ব্যতিরেকেই পণ্যবাহী যানবাহন কম সময়ে চট্টগ্রাম বন্দর হতে ময়মনসিংহ, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে যাতায়াত করতে পারবে। এতে একইসাথে ঢাকা শহরের যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি হ্রাস পাবে। দেশের উত্তরাঞ্চলের জন্য একটি বিকল্প রুট হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতেও তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।</p>
<p data-block-key="9bdef">ঢাকা বাইপাস সড়ক প্রকল্পের চিফ অপারেটিং অফিসার শফিকুল ইসলাম আকন্দ বলেন, সড়কে প্রাথমিক ব্যায় ছিল সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা। বিভিন্ন জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধির কারণে হয়তো পরিশেষে আমাদের ব্যায় বাড়বে কিছুটা। এখন পর্যন্ত ১৮ কিলোমিটার সম্পূর্ণ শেষ হয়েছে, আরো ৪২ কিলোমিটার পর্যন্ত সার্ভিস লোড শেষ হয়েছে। এখন পর্যন্ত আমাদের অগ্রগতি ৭৫%। নারায়ণগঞ্জ অংশে ভূমি অধিগ্রহণ ও ইউটিলিটি শিফটিং ডিসেম্বরের মধ্যে সমাপ্ত হলে আগামী বছরের জুন মাসে প্রকল্পের নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ শেষে হয়ে যাবে। মানুষ যে কষ্ট ভোগ করতো এই সড়ক না হওয়ার কারণে। এই ১৮ কিলোমিটার চালু হওয়ার পর এটা তো সম্পূর্ণ সুবিধা পাবেই, তারা এখান থেকে মদনপুর পর্যন্ত আগে যেখানে পাঁচ থেকে সাত ঘণ্টা লাগতো, এখন মাত্র ৪০ মিনিটে যেতে পারবে। ১৮ কিলোমিটার দিয়ে ২০ মিনিটের মধ্যে কাঞ্চন পর্যন্ত চলে যেতে পারবে।</p>
<p data-block-key="9ds27">এসময় উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শরফ উদ্দিন, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএিমপি) কমিশনার ড. নাজমুল করিম খান, জেলা প্রশাসক (ডিসি) নাফিসা আরেফীনসহ প্রকল্পের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।</p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তির ছোঁয়ায় পার্বত্য শিক্ষার্থীদের স্মার্ট করে গড়ে তোলার উদ্যোগ বাস্তবায়নে গুরুত্বারোপ</title>
<link>https://digibanglatech.news/156739</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156739</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68a9b10d1ba66.jpg" length="136107" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 23 Aug 2025 15:16:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীদের আধুনিক টেকনোলজির ব্যবহার শেখানো হবে, যাতে তারা আরও স্মার্ট হয়ে দেশের মূল স্রোত ধারার সাথে মিশে গিয়ে দেশের সুনাম অর্জন করতে পারে।</p>
<p>তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে পার্বত্য অঞ্চলে স্টারলিংক প্রযুক্তি চালু করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী রাখতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।</p>
<p>উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল ও আধুনিক করে গড়ে তুলতে গণিত, ইংরেজি ও বিজ্ঞান বিষয়ে জোর দিতে হবে। এসব বিষয়ে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে এবং শিক্ষক নিয়োগে কোনো ধরনের কম্প্রোমাইজ করা হবে না।</p>
<p>এই উদ্যোগ পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>
<p>২৩ আগস্ট, শনিবার খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবনির্মিত মূল ফটক (তোরণ) উদ্বোধন শেষে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অফিস কক্ষে অনুষ্ঠিত এক মত বিনিময় সভায় এসব কথা বলেন উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা। </p>
<p>অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা, জেলা প্রশাসক এ বি এম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার, উপদেষ্টার একান্ত সচিব (উপসচিব) খন্দকার মুশফিকুর রহমান, পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল, উপদেষ্টার সহকারী একান্ত সচিব (সিনিয়র সহকারী সচিব) শুভাশীষ চাকমা, খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের (ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষক মো. জালাল ইসলাম, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম প্রফুল্ল, জেলা পরিষদের সদস্য ও স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।  </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঢাাবির বিভিন্ন গ্রুপে গুজব&#45;অপতথ্য ছড়ানোর অভিযোগ ছাত্রদল ভিপিপ্রার্থীর</title>
<link>https://digibanglatech.news/156723</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156723</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68a8837187893.jpg" length="67444" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 22 Aug 2025 15:49:51 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংসদসহ অন্যান্য বিভিন্ন ফেসবুক ও অনলাইন গ্রুপ গুলোতে গুজব ও অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রদলের ভিপিপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান। এসব গুজবের বিরুদ্ধে সত্য লিখে পোস্ট করলে তা ডিলেট করে ফেলা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘আমি গতকাল বলেছি, আমার সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক চাইলে ডাকসুতে প্রার্থী হতে পারতেন। কারণ তারা বর্তমান ছাত্র। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও পরিবেশের আকাঙ্ক্ষা ও চাহিদা অনুযায়ী যাদেরকে দেওয়ার চাহিদা ছিল, তারা তাদেরকে দিয়েছেন। সেখানে ভোটাভুটির মাধ্যমে। পরে দেখলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গ্রুপে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হলো, আমি নাকি বলেছি, ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ইচ্ছা করলেই ভিপি জিএস হতে পারবে। অর্থাৎ ভোট ছাড়াই। এটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রোপাগান্ডা, এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ।’</p>
<p>তিনি আরও বলেন, ‘আমরা উদ্বিগ্ন, শঙ্কিত। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপতথ্য দিয়ে যা করছে, ইচ্ছা করলেও আমরা সে নোংরামি করতে পারব না। নোংরামির বিরুদ্ধে আমরা যে পোস্ট দিচ্ছি (অনলাইন গ্রুপে), সেগুলো ডিলিট করে দেওয়া হচ্ছে। প্রকাশ করা হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয়কে কঠোরভাবে এ বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত জানাতে হবে।’</p>
<p>২২ আগস্ট, শুক্রবার ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ হলে জুমার নামাজ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন আবিদুল ইসলাম খান। এসবের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।</p>
<p>আবিদুল ইসলাম খান বলেন, অপতথ্য ও মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে প্রপাগান্ডা বাহিনী, এগুলো বন্ধ করতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানেন, ৫ আগস্টের পর প্রতি ক্যাম্পাসে কারা প্রপাগান্ডা ছড়িয়েছে। কারা বিভিন্ন সংগঠনগুলোকে রাজনীতি নিষিদ্ধের নামে ‘মব’ তৈরি করেছে? আপনারা এগুলো বিচার বিশ্লেষণ করবেন।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘বিহাইন্ড দ্য সিন থেকে ফটোকার্ড বানাচ্ছেন, এগুলো পুরোটাই বিকৃত মস্তিস্কের চিন্তা-ভাবনা। এগুলো থেকে বেরিয়ে আসেন। সুস্থ কোনো মানুষ এ অপপ্রচারে লিপ্ত হতে পারে না।’</p>
<p>এসব প্রোপাগান্ডার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তিনি নির্বাচনের পরিবেশ দেখছেন না বলেও জানান।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এআই বাড়িয়েছে মানুষের  সফট স্কিল দক্ষতা</title>
<link>https://digibanglatech.news/156565</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156565</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68a2c6fedcd8c.jpg" length="88197" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 18 Aug 2025 00:02:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="146" data-end="645">তথ্যপ্রযুক্তি ও এআই ব্যবহারের ফলে কর্মসংস্থান কমেনি, বরং মানুষের সফট স্কিল দক্ষতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী। </p>
<p data-start="647" data-end="865">খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউআরপি লেকচার থিয়েটারে ডিজিটাল সরকার ও অর্থনীতি শক্তিশালীকরণ (ইডিজিই) প্রকল্পের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সাথে অংশীজন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।</p>
<p data-start="647" data-end="865">শীষ হায়দার বলেছেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব অতিক্রমের পাশাপাশি বিশ্ব এখন পঞ্চম শিল্প বিপ্লবের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এ সময়ে বাংলাদেশকেও প্রযুক্তিনির্ভর সমাজ গড়ে এগিয়ে যেতে হবে। আগে ধারণা করা হতো, কম্পিউটার এলে মানুষের কর্মসংস্থান নষ্ট হবে। কিন্তু বর্তমান আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) যুগেও মানুষই সবকিছু পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করছে।</p>
<p data-start="867" data-end="1314">তিনি আরও বলেন, ইডিজিই প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের সফট স্কিল উন্নত করেছেন। আগামীতে এডভান্স লেভেলে আরও প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হবে। ইডিজিই প্রকল্প শেষ হলেও আইসিটি অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ইনোভেশন হাবের কার্যক্রম চলমান থাকবে, যা শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। সচিব এ সময় ক্যাশলেস সোসাইটি ও পেপারলেস অফিস গড়ে তোলার পরিকল্পনার পাশাপাশি প্রশাসন ও একাডেমিয়ার মধ্যে আরও নিবিড় সংযোগ স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p data-start="867" data-end="1314">১৭ আগস্ট, রবিবার বিকালে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। তিনি বলেন, ইডিজিই প্রকল্পের মাধ্যমে শুধু খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় নয়, বরং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও সফট স্কিল উন্নয়নের প্রশিক্ষণ নিয়েছে। এটি তাদের ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>
<p data-start="1613" data-end="1977">সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ.কে.এম. আমিরুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. এস. এম. রফিজুল ইসলাম। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ইডিজিই কেইউসিএসই ডিজিটাল স্কিল ট্রেনিং প্রোগ্রামের কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. শেখ আলমগীর হোসেন।</p>
<p data-start="1979" data-end="2193">সভায় আরও বক্তব্য রাখেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ, বিপিএএ। প্রশিক্ষণার্থীদের পক্ষ থেকে অনুভূতি ব্যক্ত করেন শিক্ষার্থী মোঃ জাহিদুর রহমান, অর্পিতা ও আরিফুজ্জামান উজ্জ্বল।</p>
<p data-start="2195" data-end="2466">অনুষ্ঠানের শুরুতে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদ, ’২৪ এর জুলাই আন্দোলনের শহিদ ও মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, প্রশিক্ষণার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p data-start="2468" data-end="2714">এর আগে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিমের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে উপাচার্য তাঁকে স্বাগত জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোগ্রাম খচিত ক্রেস্ট উপহার দেন।</p>
<p data-start="2716" data-end="3104">এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত, দি অফিস অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ আশিক উর রহমান, আইসিটি সেলের পরিচালক প্রফেসর ড. শেখ আলমগীর হোসেন, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ.কে.এম. আমিরুল ইসলাম, খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইসিটি’র দুর্নীতির নথি পোড়াতে সচিবালয়ে আগুন</title>
<link>https://digibanglatech.news/156527</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156527</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68a0cb32ccce2.jpg" length="88943" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 16 Aug 2025 23:22:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আইসিটি খাতের দুর্নীতির নথিপত্র পুড়িয়ে ফেলতে সচিবালয়ে আগুন দেয়া হয়েছিলো এবং সেগুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী। সরকার এখনই উদ্যোগ নিলে তা উদ্ধার করা খুব বেশি কষ্ট সাধ্য নয় বলেও মন্তব্য তার। </p>
<p>১৬ আগস্ট, শনিবার বিকালে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (আইইবি)  সেমিনার হলে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক ৩৬ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে 'জুলাই ডকুমেন্টারি' প্রদর্শন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এমনটাই জানিয়েছেন এই পেশাজীবি নেতা।</p>
<p>বক্তব্যে কাদের গনি চৌধুরী বলেছেন, গত ১৫ বছরের দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাত ছিলো একটি লুটের খাত। এই খাতে ২৫ হাজার কোটি টাকার লুট হয়েছে। ২১টি প্রকল্পে ভয়াবহ দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। ডিজিটাল ও স্মার্ট করণের নামে বিগত সময়ে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। এই দুর্নীতিতে বেসিস এর কিছু কিছু লোক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে জড়িত ছিলো। হাসিনা পুত্র জয় ও পলক মিলে এই দুর্নীতি করেছে। তাই এ খাতের লুটপাটের শ্বেতপত্র দাবি করছি। </p>
<p>তিনি বলেছেন, এসব দুর্নীতি উৎপাটন করে একটি মানবিক বাংলাদেশের জন্যই ছাত্র-জনতা জীবন দিয়েছে। গত ১৬ বছর ধরে জীবন দিয়েছে হাজারো মানুষ। চব্বিশে জন্ম হয়েছে উজ্জ্বল স্বাধনীতা; দ্বিতীয় বিজয়। এটা মানুষের মধ্যে আলো জ্বেলেছে। প্রত্যাশা বাড়িয়েছে। আমরা এমন একটি কল্যাণরাষ্ট্র চাই, যেখানে সকল নাগরিক সম অধিকার ভোগ করবেন। এক ব্যক্তি ইচ্ছায় নয়; জনগণের ইচ্ছায় চলবে।  </p>
<p>অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক ডেপুটি মেয়র আব্দুস সালাম, এবি পার্টির যুগ্ম সম্পাদক নাসরিন সুলতানা মিলি, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান, টেকসল টেকনোলজিস বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিনার্জি ইন্টারফেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রওশন কামাল জেমস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>বেসিস ৩৬শে জুলাই উদযাপন কমিটির আয়োজনে সংস্কার, স্বচ্ছতা ও সততা স্লোগানে অনুষ্ঠানে এই বাণিজ্যিক সংগঠনটির জন্য ৬ দফা ঘোষণা পত্র পাঠ করা হয়। ঘোষণাপত্রে বেসিসকে দখলদারমুক্ত করার অঙ্গীকারের পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা দাবি করা হয়েছে। একইসঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থাকার শপথ করে শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের অভিপ্রায় রয়েছে। এছাড়াও বেসিস সংস্কারের ঘোষণায় সদস্যপদ নিরীক্ষা, আর্থিক নিরীক্ষা এবং সাংবিধানিক সংস্কারের কথা বলা হয়েছে।  </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘রাজাকার ফাঁসি দিয়েছি, এবার তোদেরও ছাড়ব না’</title>
<link>https://digibanglatech.news/156391</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156391</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_689aac45aedb2.jpg" length="107655" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 12 Aug 2025 06:51:59 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>
<p>ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ক্ষমতা ধরে রাখতে কতটা মরিয়া ছিলেন তার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে তার কিছু ফোনালাপে। এবার তার ফোনালাপের নতুন একটি অডিও ক্লিপ তদন্ত সংস্থার হাতে এসেছে। ফরেনসিকে সত্যতা পাওয়ার পর প্রসিকিউশন সেই ফোনালাপের অডিওটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জমা দিয়েছে।</p>
<p>ট্রাইব্যুনালে চানখারপুল গণহত্যা মামলায় সূচনা বক্তব্যে ১১ আগস্ট, সোমবার চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম শেখ হাসিনা ও ঢাবির সাবেক ভিসির ফোনালাপ তুলে ধরেন।এরপর শেখ হাসিনার মোবাইল কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ড প্রকাশ্যে এসেছে। এটি তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ১৪ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের সঙ্গে করেছিলেন।</p>
</div>
<div>ওই কথোপকথনের বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, সেদিন মাকসুদ কামাল বলেছেন, ‘প্রত্যেক হল থেকে তো ছেলেমেয়েরা তালা ভেঙে বের হয়ে গেছে। এখন তারা রাজু ভাস্কর্যে, চার–পাঁচ হাজার ছেলেমেয়ে জমা হইছে। মল চত্বরে জমা হয়েছে এবং যেকোনো মুহূর্তে আমার বাসাও অ্যাটাক (আক্রমণ) করতে পারে।’</div>
<div>
<div>
<p>এরপর শেখ হাসিনা বলেন, ‘তোমার বাসা প্রটেকশনের (সুরক্ষার) কথা বলে দিছি।’ তখন মাকসুদ কামাল বলেন, ‘জি জি।’ এরপর শেখ হাসিনা বলেন, ‘আগে একবার করছে...।’</p>
<p>পরে মাকসুদ কামাল বলেন, ‘ওই রকম একটা প্রস্তুতি...লাঠিসোঁটা নিয়ে বের হইছে।’</p>
<p>এ সময় শেখ হাসিনা বলেন, ‘লাঠিসোঁটা নিয়ে বের হলে হবে না, আমি পুলিশ এবং বিডিআর হয়ে বিজিবি আর...বলছি খুব অ্যালার্ট (সতর্ক) থাকতে এবং তারা রাজাকার হইতে চাইছে তো, তাদের সবাই রাজাকার। কী আশ্চর্য কোন দেশে বসবাস করি।’</p>
<p>জবাবে মাকসুদ কামাল বলেন, ‘জি জি…বলতেছে আমরা সবাই রাজাকার।’</p>
<p>শেখ হাসিনা বলেন, ‘তো রাজাকারের তো ফাঁসি দিছি, এবার তোদেরও তাই করব। একটাও ছাড়ব না, আমি বলে দিছি। এই এত দিন ধরে আমরা কিন্তু বলিনি, ধৈর্য ধরছি, তারা আবার বাড়ছে।’</p>
<p>এরপর মাকসুদ কামাল বলেন, ‘বেশি বেড়ে গেছে এবং অতিরিক্ত বেড়ে গেছে, অতিরিক্ত...। আপা একটু ক্যাম্পাসের নিরাপত্তাটা আরেকটু বাড়ানো...। আর আমার বাসার ওইখানেও...।’</p>
<p>তখন শেখ হাসিনা বলেন, ‘ক্যাম্পাসের...ব্যবস্থা করছি, সমস্ত ক্যাম্পাসে…বিজিবি, র‍্যাব এবং পুলিশ—সব রকম ব্যবস্থা হইছে। তোমার বাসার ভেতরে লোক রাখতে বলছি। ভেতরে কিছু রাখা আছে...এত বাড়াবাড়ি ভালো না।’</p>
<p>শেখ হাসিনা ও মাকসুদ কামালের কথোপকথনের পুরোটাই সূচনা বক্তব্যে পাঠ করেন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, সেদিন মাকসুদ কামাল আরও বলেছিলেন, ‘বিজয় একাত্তর হলে ছাত্রলীগের ছেলেদেরকে মেরেছে। আরও দু–একটা হলে একই কাজ করেছে। ছাত্রলীগের ছেলেপেলে সাদ্দাম (এখন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি), ইনান (নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক), শয়ন (নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির সভাপতি) ওরা আমার বাসায় ছিল সন্ধ্যা থেকে। আমি খবর পাচ্ছিলাম, ওদেরকে আমি ডেকে নিয়ে আসছি, ওরাও আসছে। ওদের সাথে বসে ওদের হলে হলে যেন ছাত্রলীগকে সংঘবদ্ধ রাখে এবং ঢাকা উত্তর, দক্ষিণকে যেন খবর দেয়। এগুলা করতে করতেই হাজার হাজার ছেলেমেয়ে একত্র হয়ে গেছে।’</p>
<p>এরপর শেখ হাসিনা বলেন, ‘কোন দেশে বাস করি আমরা। এদেরকে বাড়তে বাড়তে তো...রাজাকারদের কী অবস্থা হয়েছে দেখিস নাই, সবগুলাকে ফাঁসি দিছি, এবার তোদেরও ছাড়ব না।’</p>
<p>তখন মাকসুদ কামাল বলেন, ‘হ্যাঁ, এবার এই ঝামেলাটা যাক, এরপরে আমিও নিজে ধরে ধরে যারা এই অস্থিরতা সৃষ্টি করছে, মেইন যারা আছে, এদের বহিষ্কার করব ইউনিভার্সিটি থেকে।’</p>
<p>শেখ হাসিনা বলেন, ‘সব এইগুলাকে বাইর করে দিতে হবে...আমি বলে দিচ্ছি আজকে সহ্য করার পরে অ্যারেস্ট (গ্রেপ্তার) করবে, ধরে নেবে এবং যা অ্যাকশন নেওয়ার নেবে...কারণ ইংল্যান্ডে এ রকম ছাত্ররাজনীতির জন্য মাঠে নামল, কতগুলি মেরে ফেলায় দিল না?’</p>
<p>জবাবে মাকসুদ কামাল বলেন, ‘জি জি জি।’</p>
<p>শেখ হাসিনা বলেন, ‘ওই অ্যাকশন না নেওয়া ছাড়া উপায় নাই। আমরা এত বেশি সহনশীলতা দেখাই আজ এত দূর পর্যন্ত আসছে।’</p>
<p>এরপর মাকসুদ কামাল বলেন, ‘এটা তো...আমরাও তো সহনশীলতা...আমি ছাত্রলীগকে বলছি যে তোমরা কোনো ধরনের ইয়ে করতে যাইও না। যেহেতু আদালতের বিষয়, আদালত নিষ্পত্তি করবে।’</p>
<p>জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘না, এ আদালত হবে না, আবার ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিছে।’</p>
<p>তখন মাকসুদ কামাল বলেন, ‘আবার রাষ্ট্রপতিকে কেউ এই রকম বলে যে ২৪ ঘণ্টার রাষ্ট্রপতিকে কেউ আলটিমেটাম দেয় একটা দেশে।’</p>
<p>এরপর শেখ হাসিনা বলেন, ‘রাষ্ট্রপতিকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিচ্ছে...বেয়াদবির একটা সীমা থাকে…!’</p>
<p>মাকসুদ কামাল বলেন, ‘আপা, আমি আপনাকে যদি অন্য কোনো খারাপের দিকে যায়, আমি আবার একটু জানাব। কিন্তু রাতের বেলা জানাব না, হয়তোবা আধা ঘণ্টা এক ঘণ্টার মধ্যে হলে জানাব।’</p>
<p>তখন শেখ হাসিনা বলেন, ‘কোনো অসুবিধা নাই...আমি আমি সব সময়ই ফ্রি।’</p>
<p>মাকসুদ কামাল বলেন, ‘জি জি জি, স্লামুআলাইকুম।’</p>
<p>এদিকে পূর্ণাঙ্গ রায়ে শেখ হাসিনা ও গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের আওয়ামী লীগ নেতা শাকিল আকন্দ বুলবুলের কথোপকথন (ফাঁস হওয়া অডিও) তুলে ধরা হয়েছে। এর এক জায়গায় শেখ হাসিনা বলেন, ‘ওই সব তালিকা করো আর অফিসারদের বলো আমরা তালিকা পাঠাচ্ছি নেত্রীর কাছে। উনি চাইছেন, ভবিষ্যতে কাজে লাগবে।’ শেখ হাসিনার এই কথার পর বুলবুল বলেন, ‘জি নেত্রী, জি আসসালামু আলাইকুম।’ এরপর শেখ হাসিনা বলেন, ‘চাকরি সামনেও করতে হবে, এটা ভুলে যায় না যেন। এক মাঘে শীত যায় না।’</p>
<p>অডিওতে শেখ হাসিনাকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘একটা কথা আমি বলি, তোমাদের কার বাড়ি পোড়াইছে কে?’ তখন বুলবুল বলেন, ‘ওই ওরাই নেত্রী, সবাই, জামাত-বিএনপি সকলেই।’ এরপর শেখ হাসিনা বলেন, ‘তাদের বাড়িঘর নাই?’ বুলবুল বলেন, ‘আছে নেত্রী।’ হাসিনা বলেন, ‘তাদের ঘরবাড়ি নাই।’ বুলবুল বলেন, ‘জি, আছে।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘তাহলে, সবকিছু কি প্রকাশ্যে করতে হয়?’ বুলবুল বলেন, ‘জি না, না নেত্রী, জি।’ এরপর শেখ হাসিনা, ‘আমাদের ঘরবাড়ি নাই, তাদেরও ঘরবাড়ি থাকবে না।’</p>
<p>কথোপকথনের এই বিষয়টি তুলে ধরে রায়ে বলা হয়েছে, এসব বলে প্রতিদ্বন্দ্বী নেতা-কর্মীদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দিতে বুলবুলকে উসকে দিয়েছেন শেখ হাসিনা।</p>
<p>শেখ হাসিনা ও বুলবুলের কথোপকথনের ওই অডিওর ফরেনসিক পরীক্ষার বাইরেও প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা বিষয়টির তদন্ত করেন বলে ট্রাইব্যুনালের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। সেই তদন্ত সম্পর্কে রায়ে বলা হয়েছে, গাইবান্ধার সাংবাদিক সুমন মিয়া ফাঁস হওয়া ওই অডিও প্রথমে পান। অডিওর কথোপকথনটি স্থানীয় সাংবাদিক ও দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন বুলবুল। তদন্তে আরও উঠে আসে, ‘এ টিম’ নামের একটি গ্রুপের (অনলাইনভিত্তিক) মাধ্যমে হোয়াটসঅ্যাপে ও জুমে আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) গোপন সভা হতো। গত বছরের ২৫ অক্টোবর সে রকম একটি সভায় শেখ হাসিনা উসকানিমূলক বক্তব্য দেন।</p>
<p>বুলবুলের সঙ্গে কথোপকথনের মাঝামাঝি সময়ে শেখ হাসিনা কী বলেছেন, সেটিও রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘আমার তো সারা বাংলাদেশে ২২৭টি মার্ডার কেস। তোমরা তালিকা করো। ধরো অন্তত ২২৭ জনকে মারার লাইসেন্স পেয়ে গেছি। আর এক মামলার যে শাস্তি আর সোয়া ২০০ মামলায় সেই শাস্তি, তাই না? তো ঠিক আছে, সেই শাস্তি নেব কিন্তু তার আগে সোয়া ২০০ হিসাব করে নেব। এটা যেন মাথায় থাকে।’</p>
<p>রায়ে বলা হয়েছে, বুলবুলের কাছে শেখ হাসিনা ২২৭ জনকে হত্যার দৃঢ়সংকল্প প্রকাশ করেছেন। সে জন্য বুলবুলকে তিনি ২২৭ জনের একটি তালিকা তৈরি করতে বলেছেন।</p>
</div>
<div></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রায়োগিক শিক্ষা ছাড়া প্রযুক্তি বিশ্বে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়: জিডিইউ উপাচার্য</title>
<link>https://digibanglatech.news/156370</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156370</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_6899dc66840fa.jpg" length="113033" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 11 Aug 2025 17:34:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর এই যুগে কেবল তাত্ত্বিক শিক্ষা দিয়ে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন গাজীপুর ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি এর (জিডিইউ) মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ। তিনি বলেন, তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি ব্যবহারিক বা প্রায়োগিক শিক্ষাকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে।</p>
<p>১১ আগস্ট, সোমবার গাজীপুর ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির একাডেমিক প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ‘প্রবেশিকা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।</p>
<p>উপাচার্য বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষায়িত হাই-টেক বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বিশ্বাস করেন, প্রযুক্তিকেন্দ্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে জিডিইউ এর শিক্ষার্থীরা অনন্য ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>এডুকেশনাল টেকনোলজি অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফারহানা ইসলামের সভাপতিত্বে ‘প্রবেশিকা’ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ আতাউর রহমান খান। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন আইওটি অ্যান্ড রোবোটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান সুমন সাহা, সাইবার সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ও প্রক্টর রাকিব হোসেন, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান মো. মশিউর রহমান, ডেটা সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান তানজিম তাহারাত অর্পা, সাধারণ শিক্ষা বিভাগের চেয়ারম্যান সুজন চন্দ্র সূত্রধর, ছাত্র হলের প্রভোস্ট রুবেল শেখ এবং শিক্ষার্থী কল্যাণ পরিচালক শারদ হাসান।</p>
<p><br>অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগের পরিচিতি এবং নিয়মকানুন সম্পর্কে অবহিত করা হয়। সবশেষে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নির্বাচনে ৪৭ হাজার কেন্দ্রে দেওয়া হবে বডি ক্যামেরা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা</title>
<link>https://digibanglatech.news/156240</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156240</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68934273796c7.jpg" length="85073" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 06 Aug 2025 16:54:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও জোরদার করতে ৪৭ হাজার আসনে একটি করে বডি ক্যামেরা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।</p>
<p>৬ আগস্ট, বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য এক বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন তিনি। <span>সভায় নির্বাচনের সময় যে লজিস্টিক সাপোর্ট প্রয়োজন হবে—সে বিষয়ে আলোচনা হয়।</span></p>
<p class="alignfull">এসময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। </p>
<div class="dNewsDesc" id="contentDetails">
<p>স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা <span>মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, </span>আজকে আমরা আলোচনা করেছি সারাদেশের নির্বাচন পরিচালনার জন্য কতো ফোর্স প্রয়োজন হবে এসব বিষয়ে৷ এছাড়া আমার সিদ্ধান্ত নিয়েছি সবাইকে বডি ক্যামেরা দেওয়ার চেষ্টা করব৷ ওইটা কার কাছে কীভাবে থাকবে সে বিষয়ে আলোচনা করছি৷ প্রিজাইডিং অফিসাররা যেন কারো বাসায় না থেকে নির্বাচনী কেন্দ্রে থাকতে পারে সে ব্যবস্থা করা হবে৷ তাদের সাথে আনসার ও পুলিশ সবাই থাকবে।</p>
<p>কারা বডি ক্যামেরা পাবে এমন প্রশ্নের উত্তরে উপদেষ্টা বলেন, আমাদের ৪৭ হাজার ভোট কেন্দ্রের প্রতি কেন্দ্রেই একটি করে বডি ক্যামেরা দেওয়ার চেষ্টা করব৷ পুলিশের সিনিয়র পোস্টে যিনি থাকবেন, তার কাছে থাকবে৷ সবগুলো বাহিনীকে আমরা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছি৷ এছাড়া নির্বাচন কমিশনকে বলেছি; তারা যেন পোলিং অফিসার এবং প্রিজাইডিং অফিসারদেরকে প্রশিক্ষণ দেন৷ আমাদের বাহিনীর প্রশিক্ষণের পর আমরা একটু মহড়াও দিব৷ নির্বাচনটা যাতে ভালোভাবে হতে পারে সেই অনুশীলনও করব।</p>
<p>তিনি বলেন, নির্বাচন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংখ্যা আট লাখের মতো থাকবে৷ আনসার থেকে শুরু করে সেনাবাহিনী পর্যন্ত সবাই থাকবে এর মধ্যে৷ সব বাহিনীকেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।</p>
<p>৭৬ কর্মকর্তাকে সংযুক্ত বদলি করার বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, এটা রুটিন বিষয়৷ চলতে থাকবে এটা।</p>
<p><span>তিনি আরও বলেন, যেকোনও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডিসি, এসপি, ইউএনও এবং ওসিরা  গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। নির্বাচনের সময় দেখা যায় প্রার্থীরা তাদের আসনে পছন্দের ডিসি, এসপি কিংবা ওসিকে পদায়ন করতে চান। কিন্তু আমরা এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছি গণমাধ্যমকে ডেকে সবার সামনে লটারি করবো। লটারি অনুযায়ী নির্বাচনের আগে বিশেষভাবে এসপি ও ওসিদের পদায়ন করা হবে। এখন কর্মকর্তারা যেখানেই থাকুক না কেন নির্বাচনের আগে তাদের লটারির মাধ্যমে বদলি করা হবে।</span></p>
<p></p>
</div>
<div class="DContentAdd">
<div class="row mt-3 mb-3 MobileHide">
<div class="col-md-12">
<div class="DetailsAdd d-flex justify-content-center">
<div id="div-gpt-ad-1697888616961-0" data-google-query-id="CKDy5fOO9o4DFV8UgwMdsZoMNg"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>তারা ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যার তথ্য লুকাতে চেয়েছিলো</title>
<link>https://digibanglatech.news/156212</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156212</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_6891b7002e424.jpg" length="94122" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 05 Aug 2025 12:01:19 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p></p>
<p>পলাতক আওয়ামী লীগ সরকার ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যাকাণ্ডের তথ্য লুকাতে চেয়েছিলো উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আজ আমরা কেবল অতীত স্মরণ করতে আসি নাই। আমরা একটি শপথগ্রহণ করতে এসেছি। শপথ এই, আমরা কোনো ধরনের নিপীড়নের কাছে মাথা নোয়াবো না। আমরা প্রতিষ্ঠা করব একটি জবাবদিহিমূলক, মানবিক, গণতান্ত্রিক এবং বৈষম্যহীন রাষ্ট্র।’ </p>
<p>‘এমন রাষ্ট্র—যা সবসময় জনকল্যাণে কাজ করবে। জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ আমরা বৃথা যেতে দেব না। তাদের আত্মত্যাগই হবে আমাদের পথ চলার প্রেরণা। তাদের স্বপ্নই হবে আমাদের আগামী বাংলাদেশের নির্মাণ রাখা। আজকের এই দিনে এটাই হোক আমাদের শপথ।’</p>
<p>৫ আগস্ট, মঙ্গলবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে দেশজুড়ে জেলা প্রশাসনের আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেওয়া ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা পুরো জাতি একসঙ্গে স্মরণ করছি এমন একদিন, যা এদেশের ইতিহাসে গভীর ধাপ রেখে গেছে। ৫ আগস্ট শুধু একটি বিশেষ দিবস নয়, এটি একটি প্রতিজ্ঞা, গণজাগরণের উপাখ্যান এবং ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে জাতির পুনর্জন্মের দিন। আজ আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সব বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। যাদের আত্মত্যাগে আমরা পেয়েছি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালে সাম্য মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এদেশের জনগণ সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল। লাখো প্রাণের বিনিময়ে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। কিন্তু স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দীর পরেও এদেশের মানুষ সুবিচার ও গণতন্ত্র থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বৈষম্যের শিকার হয়েছে। ২০২৪ সালের উত্তাল জুলাই ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে এক সংকটময় অধ্যায়। ১৬ বছরের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। </p>
<p>‘এদেশের এই বিপুল সংখ্যক তরুণ ১৬ বছর ধরে ক্রমাগত হতাশায় নিমজ্জিত ছিল। ভালো ফলাফল করেও চাকরির জন্য ক্ষমতাসীনদের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরেছে। চাকরিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি আর তদবির বাণিজ্য। যে তরুণ ঘুষ দিতে পারেনি, এলাকার মাফিয়াদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলতে পারেনি, তার চাকরি হয়নি। সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটা পদ্ধতি, যেটা মূলত ছিল দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির আরেকটা হাতিয়ার। এর বিরুদ্ধে তরুণ সমাজ দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ বিক্ষোভ করলেও ফ্যাসিবাদী শাসকের টনক নড়েনি।’</p>
<p>প্রতিটি সেক্টরে মাফিয়াতন্ত্র কায়েম করে একটি সুবিধাভোগী শ্রেণি তৈরি করা হয়েছিল জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, যারা আর্থিক অন্যান্য সুবিধার বিনিময়ে স্বৈরাচারের পক্ষে কথা বলবে, কাজ করবে, স্বৈরাচারের পক্ষের সঙ্গী হলেই তার চাকরি হবে। কাজ মিলবে। সরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান, এমনকি বিচার ব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক মন্ডলেও এ ধরনের সুবিধাবাদী শ্রেণি তৈরি হয়েছিল। এদেশের গরীব মেহনতি মানুষের পয়সা লুট করে, পতিত ফ্যাসিবাদ ও তাদের সহযোগীরা একেকজন টাকার পাহাড় গড়ে তোলে। সীমাহীন দুর্নীতির কবলে পড়ে অর্থনীতি ভেঙে পড়ে। এই দেড়যুগে প্রতিটি ন্যায্য দাবি প্রতিবাদ বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশের পাশাপাশি দলীয় সন্ত্রাসীরা অস্ত্র হাতে আন্দোলনকারীদের পিটিয়েছে। </p>
<p>গত ১৬ বছরে যারাই সরকারের সমালোচনা করেছে, নাগরিকদের অধিকারের পক্ষে কথা বলেছে, তাদের গ্রেপ্তার অথবা গুম করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, লাখ লাখ বিরোধীদলীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের নির্বিচারে আটক, গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে ২৪ জুলাই দেশের ছাত্রসমাজ, তরুণ প্রজন্ম, সাধারণ মানুষ সবাই একত্রিত হয় এক নতুন দিনের প্রত্যাশায়। সমস্বরে তারা বলে ওঠে, এবার ফ্যাসিবাদীদের যেতে হবে। তবু দেশের মানুষের বুকে গুলি চালিয়ে শেষ পর্যন্ত ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখতে চেয়েছিল ফ্যাসিবাদ সরকার। তারা নির্বিচারে গুলি করেছে। গ্রেফতার করেছে। তারা ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যাকাণ্ডের তথ্য লুকাতে চেয়েছে। রাতের অন্ধকারে এলাকায় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছাত্রদের আটক করেছে। গুলিবিদ্ধ আহতদের তারা হাসপাতালের চিকিৎসা নিতে দেয়নি। হাসপাতালগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যেন আহতদের ভর্তি না করা হয়। এ কারণে বহু মানুষ চিকিৎসা না পেয়ে চিরতরে দৃষ্টি হারিয়েছে, পঙ্গু হয়েছে।</p>
<p>জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে জাতির সূর্য সন্তান জুলাই শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তিনি বলেন, তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। জুলাইয়ে যারা আহত হয়েছেন, চিরতরে পঙ্গু হয়েছেন, দৃষ্টি হারিয়েছেন, জাতির পক্ষ থেকে আমি তাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এই জাতি আপনাদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবে। গত বছর ডিসেম্বর মাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার, আহতদের কল্যাণ ও যাবতীয় বিষয় প্রশাসনিক দায়িত্ব মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওপর বিন্যস্ত করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৮৩৬টি শহীদ পরিবারের মধ্যে ৭৭৫টি শহীদ পরিবারকে মোট ৯৮ কোটি ৪০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র ও মাসিক ভাতা বাবদ ব্যাংক চেক দেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট যারা আছেন তাদেরও কয়েকটি বিষয় নিষ্পত্তি সাপেক্ষে সঞ্চয়পত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এর পাশাপাশি আহত ১৩ হাজার ৮০০ জুলাই যোদ্ধাকে তিনটি ক্যাটাগরিতে নগদ টাকা ও চেক বাবদ মোট ১৫৩ কোটি ৪ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। </p>
<p>এর মধ্যে ৭৮ জন অতি গুরুতর আহত জুলাই যোদ্ধাকে সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, তুরস্ক এবং রাশিয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসা ব্যয় বাবদ এ পর্যন্ত ৯৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। জেলা উপজেলা পর্যায়ের সব সরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিক বা স্বাস্থ্য কেন্দ্র, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোতে সব শ্রেণির আহত জুলাই যোদ্ধাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গেছে। সরকারের পক্ষ থেকে জুলাই শহীদ ও আহতদের জন্য আরও নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে জুলাইয়ের মহানায়কদের আত্মত্যাগ তখনই সার্থক হবে, যখন এ দেশকে আমরা একটি সত্যিকারের জন কল্যাণকর দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারবো। </p>
<p>‘আজ আমরা কেবল অতীত স্মরণ করতে আসি নাই। আমরা একটি শপথ গ্রহণ করতে এসেছি। শপথ এই—আমরা কোনো ধরনের নিপীড়নের কাছে মাথা নোয়াবো না। আমরা প্রতিষ্ঠা করব, একটা জবাবদিহিমূলক, মানবিক, গণতান্ত্রিক এবং বৈষম্যহীন রাষ্ট্র। এমন রাষ্ট্র- যা সবসময় জনকল্যাণে কাজ করবে। জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ আমরা বৃথা যেতে দেব না। তাদের আত্মত্যাগই হবে আমাদের পথ চলার প্রেরণা। তাদের স্বপ্নই হবে আমাদের আগামী বাংলাদেশের নির্মাণ রাখা। আজকের এই দিনে এটাই হোক আমাদের শপথ।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জুলাই অভ্যূত্থান দায় ও দরদের : ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব</title>
<link>https://digibanglatech.news/156191</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156191</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_6890a0a8585e1.jpg" length="121891" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 04 Aug 2025 18:00:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>জুলাই শহীদ ও যোদ্ধাদের ত্যাগের মহিমা স্মরণ করে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও কর্মকর্তা-কর্মীদের নিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৫ পালন করলো ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ।</p>
<p>৪ আগস্ট, সোমবার বিকেলে শেরে বাংলা নগরের বিটিআরসি ভবনের সম্মেলন কক্ষে  'আলোচনা সভা ও শহিদ স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠানে' দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। </p>
<p>সভায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখা টিএন্ডটি আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা অর্পি এবং আদিবা কাদির তানজিমকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়।</p>
<p>অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা বললেন, এই আন্দোলন শুরু হয় ২০১৮ সালে। কিন্তু ৩৬ জুলাই তা পরিণতিতে পৌঁছে। এই আন্দোলন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু হলেও প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরাও অংশ নিয়েছে। যে কোনো বিভৎসতা আমাদের ট্রমায় ফেলে। সমাজে নানা রুঢ়তা এখনো রয়েছে। আত্ম উন্নয়নের মাধ্যমে সবাইকে কথা বলা, সত্য বলার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।  </p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্ব প্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান আমরা দায় ও দরদের। এক্ষত্রে বারবার যেন রাস্তায় নামতে না হয় সেজন্য সংস্কার চলমান রয়েছে। সংশদ, শাসন ও বিচার বিভাগকে স্বাধীন করতে চাই যাতে নির্বাচিত সরকার ফ্যাসিস্ট হতে না পারে। জুলাই অভ্যুত্থান আমাদের রাজনৈতিক সচেতন করেছে। </p>
<p>আগামী এক বছরেরর মধ্যে মন্ত্রণালয়ের অধীন ঢাকার বাইরেরর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ডিজিটাল ল্যাব নিশ্চিত করা হবে। শিক্ষার পরিবেশ আরো উন্নত করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি।</p>
<p>তিনি বলেন, বৈষম্যহীন টেলিযোগাযোগ ও সেবা নিয়ে কাজ করছি। গতি কম হলেও আগামী নির্বাচনের আগে তা শেষ হবে। পাশাপাশি বাজেটে বন্টিত অর্থ বৈষম্যহীন বন্টন বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠা ও সব নাগরিকের সমান ডিজিটাল সেবার সুযোগ নিশ্চত করে আমরা আমাদের দরদ প্রতিষ্ঠা করতে চাই।</p>
<p>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন, মূল ধারার রাজনীতিকরা যখন ব্যর্থ হয় তখন শিক্ষার্থীরা আবাবিল পাখির মতো আবির্ভূত হয়। অকুতোভয় ছাত্ররা গুম, খুন, আয়না ঘরকে ভয় করেনি। আমরা তাদের ত্যাগের সুবিধ্ভোগী। বিচার, সংস্কার ও নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের ঋণ শোধ করতে হবে।</p>
<p>নব নিযুক্ত টেলিকম সচিব আব্দুন নাসের এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব) এমদাদ উল বারী বলেন, জুলাই আন্দোলন দমনে হেলমেট বাহিনী নেমেছিল। আমি তখন বিইউপি'র প্রধান হিসেবে আমি ছাত্রদের সঙ্গে মাঠে নেমেছিলাম। ক্যম্পাসে কথা বলতে না পারায় তা ক্ষুব্ধ হয়ে ফুঁসে ওঠে। শুরুতে শিক্ষক, অভিভাবক নামলেও গোয়র্তুমির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ যোগ দেয়। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ক্ষমতার উৎস তার প্রমাণ হয়েছে। </p>
<p>তিনি বলেন, প্রযুক্তির কল্যাণে জনশক্তিকে ভুলিয়ে রাখা সম্ভব নয়। তবে শঙ্কার বিষয় আমরা ব্যক্তি পর্যায়ে এসে কীট-পতঙ্গের দৌড়ে নেমেছি। এখন ঘুষ-দুর্নীতিকে সমষ্টিকনভাবে মেনে নিয়েছি। এখান থেকে বেরিয়ে আমাদেরকে বাক স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। </p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে নিজে জুলাই বৈষম্য জয়ের সুফলভোগী উল্লেখ করে আব্দুন নাসের বলেন, একুশ আমাদের মাথা নত না করতে শেখায়। এরপর স্বাধীকার আন্দোলনের পর এবার আমরা জুলাই ২৪ এ বৈষম্যহীন করেছে। আমরা মনে করি, সরকারি কর্মকর্তা সরকারের আদেশ পালন করবে প্রয়োজন মতো। তবে সবসময় রাষ্ট্রের আনুগত্য করবে। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন যুগ্ম সচিব শাহ আলম।   </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সিআইডি এখন আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত সংস্থা: সিআইডি প্রধান</title>
<link>https://digibanglatech.news/156106</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156106</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_688baa6bec1de.jpg" length="93541" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 31 Jul 2025 20:40:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull">পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান মো. ছিবগাত উল্লাহ বলেছেন, সিআইডি এখন একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও তথ্যভিত্তিক তদন্ত সংস্থা। আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা আমাদের অঙ্গীকার। তিনি বলেন, মানবাধিকার রক্ষা ও বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সঠিক, বিজ্ঞানভিত্তিক ও প্রমাণনির্ভর তদন্ত পদ্ধতি প্রয়োগ অত্যাবশ্যক।</p>
<p class="alignfull">সিআইডিতে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ দলের সাথে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের তদন্তে মিনেসোটা প্রটোকল অনুসরণ বিষয়ক দুই দিনের আন্তর্জাতিক কর্মশালার শেষ দিনে বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p class="alignfull">সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, জাতিসংঘ রেসিডেন্ট কো-অর্ডিনেটর (UNRC) অফিস এবং বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) যৌথ উদ্যোগে ৩০ ও ৩১ জুলাই “Minnesota Protocol on the Investigation of Potentially Unlawful Deaths” বিষয়ক দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p class="alignfull">কর্মশালার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতিসংঘের Extrajudicial, Summary or Arbitrary Executions–বিষয়ক বিশেষ র্যবপোর্টিয়র মরিস টিডবাল-বিনজ। তিনি বলেন, “মিনেসোটা প্রটোকল হলো একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নীতিমালা, যা আইনবহির্ভূত মৃত্যুর নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে সহায়তা করে এবং বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।” তিনি তার উপস্থাপনায় লিবিয়া ও ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জে আইনবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের তদন্তের উদাহরণ দিয়ে মিনেসোটা প্রটোকলের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে তুলে ধরেন। তার বক্তব্যের আগে শম্পা ইয়াসমীন, বিশেষ পুলিশ সুপার (ফরেনসিক), সিআইডির ডিএনএ ও অন্যান্য ফরেনসিক সুবিধা সম্পর্কে আলোকপাত করেন।</p>
<p class="alignfull">দুই দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বিচার বিভাগের সদস্যরা, চিকিৎসা ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ, মানবাধিকার সংস্থার প্রতিনিধি, প্রযুক্তি ও অনুসন্ধান খাতের সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীসহ নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনরা। বহুমাত্রিক পটভূমি থেকে আগত এই অংশগ্রহণকারীরা কর্মশালায় তাদের অভিজ্ঞতা, মতামত ও বাস্তব ক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন, যা আলোচনাকে করে তোলে আরও প্রাণবন্ত ও ফলপ্রসূ।</p>
<div class="viewport jw_article_body">
<p class="alignfull">কর্মশালায় আলোচনার মূল বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল— আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নীতিমালা অনুযায়ী মৃতদেহ শনাক্তকরণ, বিজ্ঞানের ওপর নির্ভরশীল ও নিরপেক্ষ ফরেনসিক রিপোর্ট প্রস্তুতের প্রক্রিয়া, মানবাধিকার সংরক্ষণে পুলিশি তদন্তের নৈতিক ও পেশাগত দিকনির্দেশনা, এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে আলোচিত কেস স্টাডির উপস্থাপন।</p>
</div>
<div class="btGoogleNews"></div>
<div class="BT_inner_A1_C3 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">
<div id="BT_inner_A1_C3" data-google-query-id="COWDhMTR544DFed6nQkdZjA5GA"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আগামী নির্বাচনে অস্ত্রের চেয়েও ভয়াবহ হুমকি হতে পারে এআই : সিইসি</title>
<link>https://digibanglatech.news/155947</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155947</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_688489d466473.jpg" length="112173" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 26 Jul 2025 13:15:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অস্ত্রের চেয়েও ভয়াবহ হুমকি হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।  তিনি বলেছেন, এটি একটি আধুনিক হুমকি। যেকোনো কিছু দেখলেই তাই শেয়ার করা ঠিক নয়। একটু যাচাই-বাছাই করে শেয়ার করা উচিত। অপপ্রচার থেকে নির্বাচন ব্যবস্থাকে যথাসম্ভব নিরাপদ রাখার জন্য মিডিয়ার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। সোশ্যাল মিডিয়াতে যে ভুল তথ্য দেওয়া হয় সেই ব্যাপারে আপনাদের সহায়তা প্রয়োজন।</p>
<p>২৬ জুলাই, শনিবার খুলনার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভার আগে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন সিইসি। সভায় খুলনা বিভাগের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ফয়সল কাদের, সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বেনজীর আহম্মেদসহ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>নির্বাচনে বহুবিধ চ্যালেঞ্জ রয়েছে উল্লেখ করে প্রধান নর্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, এখন নিত্য নতুন চ্যালেঞ্জ আমাদের মাঝে দেখা দিয়েছে, যেগুলো আগে এত ছিল না। সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনা। দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে মানুষকে ভোটকেন্দ্রমুখী করা। ভোটের ব্যাপারে মানুষ আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। তারা মনে করে আমি গেলেও ভোট হবে, না গেলেও হবে। মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনা ভোট ব্যবস্থার প্রতি, এটা একটা চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাটাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে কমিশন। সেইসঙ্গে নির্বাচনকে সুষ্ঠু করতে যেকোনো ধরনের প্রযুক্তি-নির্ভর হস্তক্ষেপ রোধে আমরা সতর্ক।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টা ডিসেম্বরের মধ্যে যাবতীয় প্রস্তুটি সম্পন্ন করতে নির্দেশ দিয়েছেন উল্লেখ করে সিইসি বলেন, আমরা কোনো রাতের ভোট করতে চাই না। দিনের ভোট করতে চাই। মানুষ স্বচ্ছতার সঙ্গে যাতে ভোট দিতে পারে সেটিই আমরা চাই। তাই নির্বাচনের আগে সন্ত্রাস দমন এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান চলবে। যাতে করে ভোটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায়। আমরা জাতিকে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে চাই। তা না পারলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রশ্ন উঠবে। </p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গবেষণা ছাড়া দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম সম্ভব নয়ঃ বিইপিআরসি চেয়ারম্যান</title>
<link>https://digibanglatech.news/155891</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155891</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_68811fa001364.jpg" length="128227" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 23 Jul 2025 21:44:28 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>বাংলাদেশ সরকার এর সিনিয়র সচিব এবং বাংলাদেশ এনার্জি এন্ড পাওয়ার রিসার্স কাউন্সিল এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওয়াহিদ হাসান এনডিসি বলেছেন, একটি দেশ এগিয়ে যায় গবেষণার মাধ্যমে। গবেষণা ছাড়া দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া যায় না। আমাদের দেশে অনেক সমস্যা রয়েছে আর এই সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য প্রয়োজন গবেষণা। দেশের প্রতিটি সমস্যা চিহ্নিত করে তার কার্যকর সমাধানে গবেষণাকে কাজে লাগাতে হবে। তাই আমাদের গবেষণার ফলাফল যেন দেশের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখে, সে লক্ষ্যে সবাইকে সচেতন ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে।</span><br><br><span>চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগ ও বিইপিআরসি এর যৌথ উদ্যোগে ২৩ জুলাই (বুধবার) চুয়েটের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত "ইনোভেশন পাওয়ার ইনফ্রাস্ট্রাকচার: এডভান্সিং ক্লিন এফোর্ডেবল এনার্জি ফর বাংলাদেশ ফিউচার" শীর্ষক সিম্পোজিয়ামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। </span></p>
<p><span>এতে বিশেষ অতিথি ও কী-নোট স্পিকার ছিলেন চুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া, বাংলাদেশ সরকার এর অতিরিক্ত সচিব এবং বাংলাদেশ এনার্জি এন্ড পাওয়ার রিসার্স কাউন্সিল (বিইপিআরসি) এর সদস্য ড. মো: রফিকুল ইসলাম ও চুয়েটের তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. কাজী দেলেয়ার হোসেন। এতে কী-নোট স্পিকার ছিলেন ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট) ইইই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো: রাজু আহমেদ এবং স্পিকার ছিলেন বাংলাদেশ এনার্জি এন্ড পাওয়ার রিসার্স কাউন্সিল (বিইপিআরসি) এর পরিচালক (ইনোভেশন) ড. হাসান মাহমুদ। সিম্পোজিয়ামে সভাপতিত্ব করেন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এর বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. তোফায়েল আহমেদ। এতে সঞ্চালনা করেন ইইই বিভাগের অধ্যাপক ড. রাশেদ মোঃ মুরাদ হাসান।</span><br><br><span>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় এবং টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট অর্জনে ক্লিন এনার্জি অপরিহার্য, সময়োপযোগী এবং নির্ভরযোগ্য জ্বালানি হিসেবে বৈশ্বিকভাবে বিবেচিত। ক্লিন এনার্জি হিসেবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি একটি আশার আলো হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি একটি ন্যায়সঙ্গত, পরিবেশবান্ধব এবং টেকসই উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি। নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে নীতি-স্পষ্টতা, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ ও তা বাস্তবায়নের সম্ভাবনা এবং বিবিধ চ্যালেঞ্জসহ বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির রূপান্তর সম্পর্কে সচেতনতা ও চাহিদা বৃদ্ধি করতে নানামুখী কার্যক্রম পরিচালনা  করতে হবে। এভাবে আমরা জ্বালানি খাতে একটি সাশ্রয়ী ও টেকসই ভবিষ্যত গড়ে তুলতে পারবো বলে মনে করি।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘ডিজিটাল প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জুলাইযোদ্ধাদের কর্মসংস্থান’</title>
<link>https://digibanglatech.news/155660</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155660</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_6877a38a71f70.jpg" length="101241" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 16 Jul 2025 15:05:34 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডিজিটাল প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জুলাই যোদ্ধাদের আত্নকর্মসংস্থানে আইসিটি বিভাগ  সহায়তা করবে বলে জানিয়েছেন  প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। ১৬ জুলাই, বুধবার আইসিটি টাওয়ারে বিসিসি অডিটোরিয়ামে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে " জুলাই শহিদ দিবস" ও " জুলাই গণ-অভ্যুথ্থান দিবস" পালন উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত  "Youth Power: Language Movement 1952 to Quota Reform Movement 2024" শীর্ষক সেমিনারে এমনটাই জানান তিনি। </p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তৃতায়  ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, আজ আমাদের জন্য একটি দুঃখের দিন। যে তরুণরা তাদের জীবন দিয়ে আমাদেরকে স্বপ্ন দেখিয়েছেন এবং  নতুন দায়িত্ব দিয়েছেন আমরা কতটা শ্রদ্ধাশীল থেকে সেই  দায়িত্ব পালন করেছি আজ তা বুঝে নেয়ার। আমরা যে কাজগুলো শুরু করেছি অনেক ক্ষেত্রেই গত এক বছরে আমরা সফল হ‌ইনি, আগামী দিনে কিভাবে সফল হতে পারি সে পরিকল্পনা আমাদের করতে হবে। প্রতিদিন যখন বাসায় ফিরি আমার মনে হয়, অনেক কাজ বাকি। আমি ছাত্রদের সামনে দাঁড়াতে পারি না, লজ্জা লাগে বলে তিনি আবেগতাড়িত হয়ে যান।</p>
<p>তিনি বলেন, আমরা আইসিটি থেকে তাদের জন্য খুব বেশি কিছু করতে পারেনি এই বিষয়টি আমাকে তাড়িত করে। আগামী মাসগুলোকে আমরা চেষ্টা করব জুলাইয়ের আহতদের আইসিটি স্কিল দিয়ে তাদেরকে একটা ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাময় জীবনের নিশ্চয়তা দিতে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, একই সাথে নাগরিক সেবা নামে একটা প্ল্যাটফর্ম চালু করেছি, এর মাধ্যমে ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনে মানুষকে হয়রানি মুক্ত সেবা প্রদান করার প্রক্রিয়া শুরু করেছি।</p>
<p>বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় যে সফটওয়্যার পার্কগুলো করা হয়েছে যেগুলো দাঁড়িয়ে আছে বিল্ডিং হিসেবে যার মধ্যে ট্রেনিং কিংবা স্কিল ডেভেলপমেন্টের কোন ব্যবস্থা নেই। সেখানে স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম চালুর বিষয়ে আমরা কাজ করছি বলেও তিনি মন্তব্য করেন।</p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন, বাঙ্গালী মরতে জানে কিন্তু হারতে জানে না। জুলাই আন্দোলনে দুহাজারেরও বেশি মানুষকে হারিয়ে আমরা জগদ্দল পাথর সরিয়েছি। ৫ আগস্টের পর আমাদের অগ্রগতি কম নয়। ফ্যাসিবাদ বিরোধী দলগুলোর  মধ্যে বিভাজনের জন্য চক্রান্ত চলছে, গত পনের বছর অবৈধ ভাবে অর্জিত টাকা এ চক্রান্ত সফল করতে ব্যয় করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা তা সফল হতে দিবো না। </p>
<p>আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোঃ মামুনুর রশীদ ভূঞা বলেন, আমরা দেখেছি জাতির ক্রান্তিলগ্নে তরুণরাই ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হয়ে আমাদের আলোর পথ দেখিয়েছেন। জুলাই আন্দোলনে একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ স্লোগান ছিল যদি তুমি ভয় পাও তবে তুমি শেষ, যদি তুমি রুখে দাড়াও তুমিই বাংলাদেশ। আমরা প্রবীণরা কিন্তু রুখে দাঁড়াতে পারিনি, তরুণরাই রক্ত দিয়ে অন্যায়, অবিচার, জুলুমের এবং বৈষম্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে। আমরা যদি তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করতে না পারি তাহলে তারা যে পথ দেখিয়ে গেছে সে পথে চলতে না পারি তাহলে শহীদদের আত্মা কষ্ট পাবে।</p>
<p>জুলাই যোদ্ধা এবং ছাত্র প্রতিনিধি মোঃ আবু বকর সিদ্দীক বলেন, ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা পরিবর্তনের জন্য জুলাই আন্দোলন হয়েছে। তিনি বিচার‌ এবং যথাযথ সংস্কারের পর নির্বাচন আয়োজনের জন্য অর্ন্তবর্তী সরকারকে অনুরোধ করেন।</p>
<p>ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আহসান ইয়াসির শারার বলেন, আমরা এখনও  খুনিদের বিচার দেখছি না। পুলিশরা এখনও ফাংশনাল না । প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করলেও তাদের উপর ১০ শতাংশ কর আরোপ করা হয়েছে, তিনি তা প্রত্যাহার চান। </p>
<p><br>সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন টেকনোলজি এর প্রফেসর ডঃ.এম মেজবাহ উদ্দিন সরকার। বিসিসির নির্বাহী পরিচালক ড. মোঃ মেহেদী হাসানসহ আইসিটি ডিভিশনের  অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা এবং  আন্দোলনে আহত ছাত্র ছাত্রীরা সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>সেমিনারের শুরুতে জুলাই শহিদদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। তার আগে আইসিটি টাওয়ারের নিচতলায় নবনির্মিত জুলাই কর্নারের উদ্ধোধন করেন প্রধান অতিথি ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দুর্যোগে প্রস্তুত নয় টেলিকম অপারেটররা</title>
<link>https://digibanglatech.news/155480</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155480</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_686fe673697f0.jpg" length="33189" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 10 Jul 2025 20:11:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>একমাস আগেই অংশীজনদের নিয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগকে গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে চিহ্নিত করে <span>‘জাতীয় জরুরি টেলিযোগাযোগ পরিকল্পনা ও সবার জন্য আগাম সতর্কতা’ বিষয়ক কর্মশালা করে</span> বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। তিনদিনব্যাপী সেই সেমিনারে সবগুলো অপারেটরে প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে <span>সেল ব্রডকাস্ট প্রযুক্তিকে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে সতর্কতা পৌঁছে দেওয়ার তাৎক্ষণিক ও নির্ভরযোগ্য টুল হিসেবে কাজ করবে বলে সিদ্ধান্ত</span> নেয়া হয়। এরপর হাওয়ারের বন্যাপ্রবণ এলাকা সুনামগঞ্জ সফর শেষে হাতাশা প্রকাশ করলেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী। সফর শেষে তার মনে হয়েছে, বন্যাপ্রবণ এলাকায় মনোযোগ নেই মোবাইল অপারেটরদের। </p>
<p>১০ জুলাই, বৃহস্পতিবার রাজধানীর লা-মেরিডিয়ানে গ্রামীণ ফোন ওয়ান অনুষ্ঠানে দেয়া উদ্বোধনী বক্তব্যে এই আক্ষেপ প্রকাশ করেন তিনি। </p>
<p>টেলিকম খাতে উদ্ভাবনের বিকল্প নেই মন্তব্য করে বিটিআরসি চেয়াম্যান বললেন, আসন্ন বন্যার প্রস্তুতি দেখতে আমি বন্যাপ্রবণ হাওয়ার এলাকায় দিয়ে দেখলাম সেখানে পাওয়ার থাকে না, ব্যাটারি ব্যাকআপ নাই, জেনারেটরের সুব্যবস্থা নেই। এক্ষেত্রে আমাদের দরকার ব্যাপক উদ্ভাবন। ব্যবসায় মডেল, স্থানীয় পর্যায়ের সাপোর্ট ইনোভেশন। আমি ব্যাটারি লোকালি চার্জ দিতে পারছি কি না; ওখানে জেনারেটর সার্ভিস অ্যারেঞ্জ করতে পারছি কি না। জনগণকে কানেক্টিভিটি নিশ্চিত করতেই আমাদের এই ধরনের মৌলিক উদ্ভাবনগুলোই আমাদের প্রয়োজন। কানেক্টিভিটি দিতে হবে। সাস্টেইন করতে হবে। এরপরেই উদ্ধানী পণ্যগুলো মানুষের হাতে দিতে হবে। স্মার্টফোন মানুধের হাতে হাতে পৌঁছতে আমরা গলগঘর্ম হয়ে যাচ্ছি। </p>
<p>স্মার্টফোন পেনিট্রেশন নিয়ে বলার সময় অনেক সংখ্যা বলা হলেও এর সমালোচনা করে চেয়ারম্যান জানালেন, কেবল যেই সেবা দিলে আয় হয় তা ডেভেলপ করলে হবে না। এক্ষেত্রে আমাদের উদ্ভাবন একটি জায়গায় আটকে গেছে। এক দশক আগেই আমি আপনাদের অনুরোধ করে বলেছিলোম, প্লিজ, কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের প্রেট্রনাইজ করুন। এর মাধ্যমেই স্থানীয় ট্যালেন্টরা বিকশিত হবে। কিন্তু আপনারা তা শোনেননি। তবে এখন এগিয়ে আসছেন। এটা আশাজাগানিয়া। </p>
<p>অবিলম্বে সবাইকে ‘টাগ অব ওয়্যার’ থেকে বেরিয়ে এসে সবাইকে যৌথ অংশীদারিত্বে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান এমদাদ উল বারী। </p>
<p>তিনি বলেন, আমাদের ভিউ পয়েন্ট বদলাতে হবে। টেলকোদের উচিত সার্ভিস ক্রস সেক্টর উন্নয়নে কাজ করা। পণ্য বা সেবা উন্নয়নে গ্রাহকের প্রয়োজন ও সমস্যা সমাধানে গুরুত্ব দেয়া উচিত। এআই ও আইওটি’র ব্যবহার, কিংবা ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো ইনোভেশন নয়। উদ্ভাবন হচ্ছে সুনির্দিষ্ট সমস্যার সমাধান। খন্ড-খণ্ড নয় চলতে হবে অখণ্ড পথে। অজস্র মানুষের একক জীবনকে একটি প্লাটফর্মে আনতে হবে। </p>
<p>বর্তমান মোবাইল খাতের প্রসঙ্গ তুলে ধবে বিটিআরসি বস বলেন, এখন সাড়ে ১৮ কোটি সিম গ্রাহকের হাতে আছে। কিন্তু কোনো অ্যাসেসমেন্টেই ১২ কোটির বেশি মানুষের কাছে এটি নেই। যার অর্থ- ছয়-সাড়ে ছয় মানুষের কাছে সিম নেই। আমি যদি শুধু সবালোক গ্রাহক ধরি, তাহলে সাড়ে তিন থেকে চার কোটি সংযোগের বাইরে রয়েছেন। অথচ আমরা গৌরব করে বলি আমাদের ৭৫ শতাংশ ইন্টারনেট সংযোগে যুক্ত। তবে সত্যিকারে এই সংখ্যা ৬-৭ কোটির বেশি না। অর্ধেকের বেশি মানুষ ইন্টারনেটে যুক্ত নয়। সোয়া দুই কোটির মতো বাসাবাড়িতে ইন্টারনেট আছে। </p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিটিসিএলের প্রকল্প না এগুলে গচ্চা যাবে ৬শকোটি টাকা</title>
<link>https://digibanglatech.news/155370</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155370</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_686bcf9b674c8.jpg" length="89046" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 07 Jul 2025 18:46:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিটিসিএলের ৫জি রেডিনেস প্রকল্প এগুলে ৬শকোটি টাকা গচ্চা যাবে বলে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন,  ব্যক্তিস্বার্থে নয় দেশের স্বার্থেই দুদকের সহায়তা চাওয়া হয়েছে। কিন্তু  দুদককে চিঠি দেয়ার বিষয়টিকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। </p>
<p>৭ জুলাই, সোমবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেছেন, বিটিসিএল ফাইবার নেটওয়ার্ক বাড়ানোর  প্রকল্পটি গত সরকারের আমলের। সে সময়ই দরপ্রক্রিয়া প্রভাবিত করা হয়েছে এবং একটা এলসিও করা হয়েছিল। আমি এবং নাহিদ ইসলাম দায়িত্ব নেওয়ার আগে সেই এলসির ২৯০ কোটি পরিশোধ করা হয়ে গেছে। এই সব কিছু আমলে নিয়ে আমরা দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়াম্যানের সঙ্গে কথা বলেছি। আমি নিজে ওনার অফিসে গিয়েছি। আমি বলেছি, যেহেতু ২৯০ কোটি টাকা চলে গেছে তাই প্রকল্পটি চালিয়ে নেওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া বিটিসিএলের সক্ষমতা বৃদ্ধির আরও একটি ৩শ কোটি টাকার প্রকল্প শেষ হয়েছে। ৫জি রেডিনেস প্রকল্পটি শেষ না হলে ওই প্রকল্পটি কাজে লাগানো যাচ্ছে না। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত না হলে বিটিসিএল দুর্বল হয়ে মার্কেট আউট হয়ে যাওয়ার একটা সম্ভাবনা আছে। প্রতিদ্বন্দী বেসরকারী কোম্পানিগুলো এটাই চাইছে। তাই দেশের স্বার্থে বিটিসিএলের প্রকল্প এগিয়ে নিতে বলিষ্ট উদ্যেগ নিয়েছি। </p>
<p>আওয়ামীলীগ সরকারের বিশেষ সুবিধায় টেলিকম ব্যবসায়ীরা ১২ বছরে ৮ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি করেছে। </p>
<p>টেলিযোগাযোগ খাতে বিগত সরকারের অনিয়ম দুর্নীতির উল্লেখ করে ফয়েজ তৈয়্যব বলেন, আওয়ামীলীগ সরকারের বিশেষ সুবিধায় টেলিকম ব্যবসায়ীরা ১২ বছরে ৮ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি করেছে।  এ বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ক্ষতির পুরোটাই সালমান এফ রহমান গংদের পকেটে ঢুকেছে।</p>
<p>ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব বলেন, আপনারা জানেন যে বাংলাদেশের ইন্টারনেট বর্তমান ফুটপ্রিন্ট এটার রিয়াল ইন্টারনেট ফুটপ্রিন্ট হচ্ছে সাড়ে সাত টেরাবাইট। এখন আমরা যখন ইন্টারনেট বলি, আসলে আমরা যা দেখি, ফেসবুক এ বা মোবাইলে, এটার সামান্য একটা অংশ আসলে রিয়াল ইন্টারনেট। বাকিটা ক্যাশ। বিটিসিএল যখন তার নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের জন্য দায়িত্ব নেয় তখন তারা বলেছিল ২০৩০ সালের আশেপাশে এই ক্যাপাসিটিটা ২৬ টেরাবাইট হবে। কিন্তু সেই স্পেসিফিকেশনে ক্যাশ ইন্টারনেট এবং রিডান্ডেন্সি—এই দুইটা মিস করা হয়েছিল। বুয়েট একটা স্টাডি করেছে।  ২০১৬-২০১৭ সালের দিকে সেই স্টাডিতে দেখানো হয়েছিল হয়েছিল তখন থেকে ১০/১২ বছর পরে এটা লাগবে ১০০ টেরাবাইটের বেশি। আমরা যদি আজকের হিসাব দেখি তাহলে আমরা দেখতে পাচ্ছি এই মুহূর্তে নবাংলাদেশের ইন্টারনেট ফুটপ্রিন্টটা হল ক্যাশ এবং টোটাল ইন্টারনেট মিলে আনুমানিক ৩৫-৩৬ টেরাবাইট। বৈশ্বিক ইন্টারনেটের যে কম্পাউন্ড এনুয়াল গ্রোথ রেইট তা হল ২৮%। আর উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সেখানে এই রেইট অনেক বেশি। আফ্রিকান দেশগুলোতে ৩৪% আর বাংলাদেশের মতো দেশগুলোতে ৪৫%। এখন আমরা যদি বাংলাদেশের এই ৩৫ টেরাবাইট ইন্টারনেটের ওপর বছর বছর ৩৪% থেকে ৪৫% একটা হিসাব যোগ করি তাহলে এই প্রবৃদ্ধি আজ থেকে ১২ বছর পরে দাঁড়াবে প্রায় ১৭৫ টেররাবাইট। যদি একটা দেশে ৪০ বা তার আশেপাশের হারে ইন্টারনেট প্রবৃদ্ধি না হয় তাহলে বুঝতে হবে সেই দেশের ডিজিটাল ইনফ্রাস্ট্রাকচারের সমস্যা আছে। আমরা এই জন্য বলছি যে, বিটিসিএল ফাইবার নেটওয়ার্ক বর্ধিতকরণের যে প্রকল্প বিগত সরকারের আমলে নিয়েছে, যার টেন্ডার বিগত সরকারের আমলে হয়েছে, যেখানে টেন্ডার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার যে ঘটনাগুলো  বিগত সরকারের আমলে হয়েছে, এবং সেখানে যে একটা এলসি করা হয়েছিল—আমি এবং নাহিদ ইসলাম দায়িত্ব নেয়ার আগে এই এলসিতে ২৯০ কোটি টাকা পরিশোধও করা হয়ে গেছে। এই সব কিছু আমলে নিয়ে আমরা দুর্নীতি দমন কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয়ের সাথে কথা বলেছি। আমি নিজে উনার অফিসে গিয়েছি। আমি বলেছি যে স্যার যেহেতু ২৯০ কোটি টাকা চলে গেছে, এবং যেহেতু এটা (হুয়াওয়ে) সর্বনিম্ন দরদাতা, এবং ক্যাপাসিটি নিয়ে যেই অপতথ্যটা এসেছিল সেটা বুয়েট যেহেতু পরিষ্কার করেছে ; আমরা একটা কমিটি করে দিব যেই কমিটির মাধ্যমে যেই ইকুইপমেন্টগুলো তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, আপনারা জানেন যে এটা ওএসআর ৯৮০০, এম ১২ এবং এম ২৪; এই ইকুপমেন্টগুলো বিটিসিএল এর যে ব্যবসায়িক প্রতিদ্বন্দি বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে ইতোমধ্যেই এটা ব্যাপক আকারে স্থাপিত হচ্ছে। কিছু বিশেষ কোম্পানি বিটিসিএল-কে এই বাজার থেকে বাহির করে দিতে চায়। তো আমরা এই বক্তব্য যখন তুলে ধরেছি তখন বলা হয়েছে, ঠিক আছে আমাদেরকে বিস্তারিত জানানো হোক। সেই রেফারেন্সে আমি মাননীয় দুদক চেয়ারম্যানকে একটা চিঠি লেখি। এই চিঠিতে আমি মূলত আমার যুক্তিগুলো তুলে ধরি। যে, যেহেতু টাকাটা চলে গেছে, যেহেতু আমাদের বিটিসিএলের ক্যাপাসিটি সম্প্রসারণ দরকার। আপনারা জানেন যে বর্তমানে যে ক্যাপাসিটি আছে এটা জেলা পর্যায়ে মাত্র এক জিবি পিএস। এটা দিয়ে আসলে বেটার কোয়ালিটি ইন্টারনেট সেবা দেয়া অসম্ভব। এখন এই মুহূর্তে বিটিসিএল যদি এই নেটওয়ার্কটা আপগ্রেড না করে তাহলে খুব দ্রুতই সে মার্কেট আউট হয়ে যেতে পারে। এখন যেহেতু তার প্রতিদ্বন্দ্বীগুলো নেটওয়ার্ক আপগ্রেড করছে এবং বিটিসিএল বিভিন্ন ঝামেলার কারণে, যেগুলো সাবেক সরকারের আমলে দুর্নীতির অভিযোগ এবং বিভিন্ন কারণে এই কাজটা বন্ধ হয়ে আছে সেজন্য বিটিসিএলের যে ফাইবার নেটওয়ার্ক আছে এটা এক্সপান্ড করা যাচ্ছে না। উপরন্তু আমরা বলেছি, বিটিসিএলের মূল প্রজেক্টের মধ্যে দুটো বিষয় আছে। একটা হচ্ছে আইপি নেটওয়ার্ক। আরেকটা হচ্ছে ফাইবার ডিডব্লিউডিএম নেটওয়ার্ক। আইপি নেটওয়ার্কের কাজ সত্তর থেকে আশি শতাংশ অলরেডি হয়ে গেছে। কিন্তু সেই তিন'শো কোটি টাকা আজকে কোনই কাজে আসছে না। কারণ, সেই নেটওয়ার্কের যে সার্ভারগুলো বসানো আছে, সেই সার্ভারগুলো সংযোগ করার জন্য আমাদের ডিডব্লিউডিএম নেটওয়ার্কটা দরকার। তো সেজন্যই আমরা যুক্তি উপস্থাপন করেছি, যেহেতু টাকা চলে গেছে আমাদেরকে কাজটা করতে দেওয়া হোক। আর যেহেতু ইকুইপমেন্টটা বর্তমান বিশ্বে ব্যবহৃত বহুল প্রচলিত ইকুইপমেন্ট, আমরা একটা কমিটি করে দেব। যেই কমিটি নিশ্চিত করবে যে রাইট ইকুইপমেন্ট যেটা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে সেটা আসবে। </p>
<p>এইটাকে অপব্যাখ্যা করে আমাদের, আমাকে ব্যক্তিগতভাবে, আমার মিনিস্ট্রিকে এবং আমাদের সরকারকে চরিত্র হরণের একটা চেষ্টা আপনারা মিডিয়াতে দেখেছেন। আমি এর নিন্দা জানাই এবং আমি সুস্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমি এবং আমার মন্ত্রণালয়ের বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত আমরা যারা আছি তারা কোনো ধরনের কোনও দুর্নীতিতে জড়িত নই।  এখানে যত ধরনের কাজ হয়েছে প্রত্যেকটা কাজ আগের সরকারের আমলে হয়েছে। আমরা শুধুমাত্র কিছু চিঠি আদান প্রদান করে আমাদের মতামত ব্যক্ত করেছি এবং মতামত ব্যক্ত করে চিঠির শেষ লাইনে মাননীয় দুদক চেয়ারম্যানের আন্তরিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছি। এর বাইরে আমরা কোনো নির্দেশ দেইনি। আর উল্লেখ্য যে, এখানে এই প্রজেক্টের ব্যাপারে দুদকের পর্যবেক্ষণ ছাড়া কোনো ধরনের কোনও মামলা নেই। সুতরাং যে বিষয়টা করা হচ্ছে, আমরা বলছি, যদি এই কাজটা না করা হয় এবং এই এলসিটা না করা হয়, তাহলে দুটো ঘটনা ঘটবে। ছয়শো কোটি টাকার গচ্ছা যাবে এবং একইসাথে বিটিসিএল তার যে ডিডব্লিউডিএম বাজারে এই বাজারে দুর্বল হয়ে হয়ে এখান থেকে মার্কেট আউট হয়ে যাওয়ার একটা সম্ভাবনা আছে।</p>
<p>সব মিলে আমরা বলতে চাই, আইসিটিতে আমরা যে কাজগুলো করছি আপনারা জানেন সেখানে আমরা প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার অনায্য প্রকল্প বাদ দিয়েছি। নতুন বাজেটে আইসিটি থেকে কোনও নতুন প্রকল্প তুলি নাই। কারণ একনেক  মিটিং এ  আমি স্যারকে (প্রধান উপদেষ্টা) বলেছি যে স্যার, যেহেতু এখানে অনেক দুর্নীতি হয়েছে, ২০ টার মতো প্রজেক্ট আইসিটিতে  আছে। ৬ টার মতো প্রজেক্ট পোস্ট এবং টেলিকমে আছে। <br>আমি চাই এই প্রকল্পগুলোকে অপ্টিমাইজ করতে। অর্থাৎ এখানেকে একটা শৃঙ্খলা দিয়ে আসতে। এটা যখন শেষ হবে তখন আমরা নতুন প্রজেক্ট তুলব। সেটা দক্ষতাকেন্দ্রিক বিষয়ক হতে পারে। আমাদের মন্ত্রণালয়ের সবাই মিলে চাচ্ছি যে বিদ্যমান যে স্পেসিফিকেশনগুলো আছে সেখানে আমরা অনেক ভুল পেয়েছি। যেমন ডেটা সেন্টার আছে কিন্তু সেখানে সাইবার সিকিউরিটির কোনো এলিমেন্ট নাই। মনিটরিং এর কোনো এলিমেন্ট নাই। এনভায়রনমেন্ট কন্ট্রোল করার জন্য কোনো এলিমেন্ট নাই।</p>
<div>
<div>
<div>
<div>
<div>
<div>
<div>
<div>
<div>
<p>০৭-জুলাই/ডিজিবিটেক/এনএইচটি</p>
</div>
<div></div>
<p></p>
</div>
<div></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div>
<div>
<div data-lang="বিজ্ঞাপন">
<div>
<div id="News_InArticle_300x250-cc8ed953-c5bc-4377-bd11-5f452252105f-0-0" data-google-query-id="CNj5jPSvno4DFSbaPAIddzsRHQ"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং একটি সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ ক্ষেত্র: চুয়েট ভিসি</title>
<link>https://digibanglatech.news/155276</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155276</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_686685fe2c46a.jpg" length="117366" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 03 Jul 2025 17:30:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া বলেছেন, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং একটি সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ ক্ষেত্র। উন্নত বিশ্বের মত বাংলাদেশেও এর চাহিদা বাড়ছে। টেকসই উন্নয়ন, স্মার্ট শহর, এবং পরিবেশ-বান্ধব অবকাঠামোর উপর জোর দেয়ার কারণে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের চাহিদা ভবিষ্যতে আরও বাড়বে। নতুন প্রযুক্তি এবং উপকরণ ব্যবহারের ফলে এই ক্ষেত্রে সুযোগ আরও প্রসারিত হবে। বাস্তবধর্মী গবেষণা না করে কাজ করলে বিভিন্ন বাধার মুখোমুখি হতে হবে যা সমাধান করা কঠিন হয়ে পড়বে। তাই যেকোন প্রকল্প বা কাজে আগাতে হলে সঠিকভাবে ফিজিবিলিটি স্টাডি করতে হবে। যাতে তরুণ প্রকৌশলীরা তাদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের পথচলা সুন্দর ও সমৃদ্ধ হয়।</span><br><br><span>৩ জুলাই (বৃহস্পতিবার চুয়েটের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে পুরকৌশল বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত ১৯ ব্যাচের বিদায়ী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুর ও পরিবেশ কৌশল অনুষদের ডীন (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. আসিফুল হক, চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মোঃ সাইফুল ইসলাম, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী ফারুক আহমেদ। এতে আরও বক্তব্য রাখেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মইনুল ইসলাম।</span></p>
<p><span>সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. আয়শা আখতার। সেমিনার সঞ্চালনা করেন পুরকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব মোছাঃ মুক্তা বানু।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মই নয়, নিয়মিত গণমাধ্যমও ভুল তথ্য ছড়ানোর উৎস</title>
<link>https://digibanglatech.news/155229</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155229</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_68652e7357a39.jpg" length="109107" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 02 Jul 2025 17:05:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>শুধুমাত্র ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মই নয়, নিয়মিত প্রচারিত গণমাধ্যমও ভুল তথ্য ছড়ানোর উৎস বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এজন্য মিথ্যা তথ্য প্রতিরোধ ও নৈতিক মান বজায় রেখে গণমাধ্যমকে সহায়তা করার জন্য একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। </p>
<div>
<p>২ জুলাই (বুধবার) ইউনেস্কো বাংলাদেশ অফিসের প্রধান ও প্রতিনিধি সুসান ভাইজ এবং ইউনেস্কোর ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন অ্যান্ড সেফটি অফ জার্নালিস্টস সেকশনের সিনিয়র প্রজেক্ট অফিসার মেহদি বেনশেলাহ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সাক্ষাতকালে প্রধান উপদেষ্টা এ আহ্বান জানান।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শুধু ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম নয়, অনেক সময় প্রচলিত গণমাধ্যমও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ায়। এ প্রসঙ্গে জাতিসংঘকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা শুধু সরকারের সঙ্গে কথা বলবেন না, গণমাধ্যমের সঙ্গেও কথা বলবেন। </p>
<div>
<p>ইউনেস্কো কর্মকর্তারা ‘বাংলাদেশের গণমাধ্যমের পরিস্থিতি মূল্যায়ন: মুক্ত, স্বাধীন এবং বহুমাত্রিক গণমাধ্যমের ওপর গুরুত্ব’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশের আগেই প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এই প্রতিবেদনটি জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) ও ইউনেস্কো যৌথভাবে প্রস্তুত করেছে।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা এই প্রতিবেদনের জন্য সত্যিই অপেক্ষা করছি।’</p>
<p>ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আমাদের মূল সমস্যা হলো ভুল তথ্য, ভুয়া খবর… কিছু তথ্য দেশের বাইরের মানুষ ছড়াচ্ছে; কিছু স্থানীয় লোকও এতে জড়িত। এটি একটি অবিরাম বোমাবর্ষণের মতো চলছে।’</p>
<p>শুধুমাত্র ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মই নয়, নিয়মিত প্রচারিত গণমাধ্যমও ভুল তথ্য ছড়ানোর উৎস বলে উল্লেখ করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ কামনা করে তিনি বলেন, ‘আপনারা শুধু সরকারের সঙ্গে নয়, গণমাধ্যমের সঙ্গেও কথা বলুন।’</p>
<p>স্বাধীন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অপরিহার্য জানিয়ে ড. ইউনূস বলেন, যদি কোনো গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান বারবার ভুল তথ্য ছড়ায়, তাহলে তাকে মনে করিয়ে দিতে হবে যে তারা আর বিশ্বাসযোগ্য নয়।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আপনারা জাতিসংঘ। আপনাদের কথা অনেক গুরুত্বপূর্ণ… আমাদের আপনাদের সহায়তা দরকার।’</p>
<p>ইউনেস্কো প্রতিনিধি সুসান ভাইজ জানান, বৃহস্পতিবার যেই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হবে তাতে আত্ম-নিয়ন্ত্রণসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোকপাত করা হবে।</p>
<p>সুসান ভাইজ বলেন, ‘এই প্রতিবেদনটি দেখাবে কোনগুলো কাজ করছে, কোনগুলো করছে না এবং এটি আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ উপস্থাপন করবে। কর্মকর্তাদের, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের এবং বিচার বিভাগের প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হবে যাতে তারা এই মানের সঙ্গে নিজেদের কার্যপ্রণালীকে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে পারে।’</p>
<p>ইউনেস্কোর সিনিয়র প্রজেক্ট অফিসার মেহদি বেনশেলাহ বলেন, প্রতিবেদনে সাংবাদিকদের কর্মপরিবেশ এবং সংবাদকক্ষগুলোতে নারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা সম্পর্কেও কিছু সুপারিশ থাকবে, যা বৈশ্বিকভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।</p>
<p>তিনি আরো বলেন, ‘এই বিষয়গুলোতে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বিশাল প্রভাব ফেলতে পারে।’</p>
<p>প্রতিবেদনটি ইউএনডিপির ‘Strengthening Institutions, Policies and Services (SIPS)’ প্রকল্পের আওতায় এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যম উন্নয়নে ইউনেস্কোর ম্যান্ডেটের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানান কর্মকর্তারা।</p>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এসএমইদের প্রযুক্তি নির্ভরতা বাড়াতে বললেন উপদেষ্টা</title>
<link>https://digibanglatech.news/155225</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155225</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_68650306ee1c1.jpg" length="104301" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 02 Jul 2025 14:00:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, এ খাতের উন্নয়নে প্রযুক্তিনির্ভরতা বাড়াতে হবে।</p>
<p>এসএমই উদ্যোক্তাদের তথ্যভান্ডার (ডাটাবেজ) দ্রুত ডিজিটালাইজ করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে তিনি আরো বলেছেন, হার্ডকপি তথ্য দিয়ে আর হবে না, দ্রুত ডিজিটাল ডাটাবেজ গড়ে তুলতে হবে। এসএমই খাত ভালো করলে পুরো অর্থনীতিতেই ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।</p>
<p>২ জুলাই (বুধবার) রাজধানীতে এসএমই ফাউন্ডেশন-ইআরএফ মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড-২০২৫ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।</p>
<p>এছাড়াও ব্যাংকার ও নীতিনির্ধারকদের আরও সক্রিয় হওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন অর্থ উপদেষ্টা।</p>
<p>এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন মো. মুসাফিকুর রহমান সভাপতিত্বে এবং ইআরএফ সম্পাদক আবুল কাশেমের পরিচালনায় অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, ইআরএফ সভাপতি দৌলত আক্তার মালা, এসএমই ফাউন্ডেশনের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন।</p>
<p>এ সময় এসএমই ফাউন্ডেশন অন্যান্য কর্মকর্তা ও ইআরএফের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ২১ জন সাংবাদিককে ‘এসএমই ফাউন্ডেশন-ইআরএফ মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড-২০২৫’ প্রদান করা হয়।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. সালেহউদ্দিন বলেন, এসএমই খাতে অর্থায়ন এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। উদ্যোক্তাদের ব্যাংক ঋণ পেতে নানা ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়, যদিও তাদের ঋণ পরিশোধের হার ভালো।</p>
<p>অর্থ উপদেষ্টা আরও বলেন, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই ব্যাংক খাতের বড় সংস্কারগুলো সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এনবিআরের বিভক্তি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে কিস্তি ছাড়ের বৈঠক পিছিয়ে গেছে। এনবিআর চেয়ারম্যানের পাঠানো চিঠিকে আমলে না নেওয়ায় তাকে ব্যাখ্যা দিতে হয়েছে বলেও জানান তিনি।</p>
<p>ড. সালেহউদ্দিন বলেন, অর্থনীতিতে মাঝারি শিল্পের অবদান অনেক। শুধু স্বল্পোন্নত নয়, উন্নত দেশেও এসএমই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রযুক্তির মাধ্যমে এসএমইকে আধুনিকায়ন করতে হবে। বিশেষ করে নারী ক্ষমতায়নে এই খাতের অবদান সর্বাধিক। তিনি আবারও এসএমই খাতের উন্নয়নে নীতিনির্ধারক ও ব্যাংকারদের যথাযথ নীতি সমন্বয়ের আহ্বান জানান।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডেটা ক্লাসিফিকেশন থাকছে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন</title>
<link>https://digibanglatech.news/155090</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155090</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_685ff420e04cd.jpg" length="127871" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 28 Jun 2025 19:07:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিশ্বের প্রথমবারের মতো ডেটা ক্লাসিফিকেশনকে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইনের অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। ২৮ জুন (শনিবার) প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ এর সেমিনার কক্ষে বাংলাদেশের গণমাধ্যমে সাম্প্রতিক অপতথ্যের গতি-প্রকৃতি শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এ কথা বলেন।</p>
<p>ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ডেটার যে অংশ ব্যক্তিকে শনাক্ত করে সে অংশ ক্লাসিফাই করা হচ্ছে। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে পার্সোনাল আইডেন্টিফিকেশন ইনফরমেশন (PII) এর জন্য দেশেই আলাদা স্টোরেজ করা যেন এটা দেশের বাইরে না যায়।  এর মধ্যে কনফিডেনশিয়াল তথ্য, যেমন হেলথ রেকর্ডস বা ফিন্যান্সিয়াল ডেটা, ব্যবহার করা যাবে নির্ধারিত শর্তে এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে। ডেটার যে অংশে ছবি, ভিডিও, কথা থাকবে তা একটা ম্যাপিং এর মাধ্যমে যেকোনো জায়গায় স্টোরেজ করা যাবে কিন্তু পিআইআই এর স্টোরেজ দেশেই রাখতে হবে।  </p>
<p>সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে উৎপাদিত, প্রস্তুতকৃত সকল কন্টেন্টকে সাইবার স্পেসের সীমানায় এনে অপরাধের আওতায় আনা হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।</p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে পিআইবির পরিচালক ফারুক ওয়াসিফ বলেন,  গত ১৫ বছরে রাষ্ট্র নিজে মিথ্যার কারখানায় পরিণত হয়েছিল এবং সংবাদমাধ্যম তার সমর্থক হয়ে দাঁড়িয়েছিল।’  অপতথ্যকে শুধু ফ্যাক্টচেক দিয়ে মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। এটাকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।</p>
<p>সেমিনারে গবেষণা পত্র উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ (ইবিএলআইসিটি) প্রকল্পের পরামর্শক মামুন অর রশিদ।</p>
<p>মামুন-উর-রশীদ বলেন, মিডিয়া হাউজ যদি আস্থা হারিয়ে ফেলে, তাহলে সেটা পুরো সোসাইটির জন্য হুমকিস্বরূপ। </p>
<p>৫ আগস্টের পর বিভিন্ন হাউজের সংবাদ প্রকাশের ডেটাসহ বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেলের অপতথ্য ছড়ানোর হার নিয়ে বিভিন্ন তথ্য শেয়ার করে তিনি বলেন, মেইনস্ট্রিম মিডিয়া আমাদের দেশে সরব। আর বাংলাদেশে মিস ইনফরমেশন শেয়ার করার একটি বড় মাধ্যম ফটোকার্ড।</p>
<p>সেমিনারে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের মিডিয়া হাউজগুলো মনে করে ফ্যাক্টচেক এর পেছনে টাকা খরচ অতিরিক্ত, যেটা তারা চান না। অথচ মিস ইনফরমেশন শেয়ার করার একটি বড় মাধ্যম হলো ফটোকার্ড। ভাইরাল ঘটনার খবর গণমাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রচার হয়। </p>
<div id="contentDetails">
<p>সেমিনারে প্রবন্ধের ওপর মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন বিভিন্ন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব। এতে বক্তব্য রাখেন- প্রথমা প্রকাশনার প্রধান সমন্বয়কারী মশিউল আলম, একাত্তর টিভির সিওও শফিক আহমেদ, যুগান্তরের নগর সম্পাদক মিজান মালিক প্রমুখ। </p>
<p>সংবাদমাধ্যমে অপতথ্য মোকাবিলায় গণমাধ্যমকর্মীদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা বৃদ্ধি ও প্রযুক্তিগত বিনিয়োগের বিষয়গুলোকে তুলে ধরেন তারা। সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন পিআইবির জ্যেষ্ঠ গবেষণা কর্মকর্তা গোলাম মোর্শেদ।</p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভূমিকম্প ঝুঁকিতে দেশে নেই পর্যাপ্ত প্রস্তুতি: আইইবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/154902</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154902</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_68581dc2af45e.jpg" length="87115" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 22 Jun 2025 17:14:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মিয়ানমার ও নেপালের সাম্প্রতিক সিরিজ ভূমিকম্প এই অঞ্চলের জন্য ভয়াবহ সতর্কবার্তা। কিন্তু ক্রমাগত ঝুঁকি বাড়লেও বড় ধরনের ভূমিকম্পের জন্য প্রস্তুত নয় বাংলাদেশ। এমন পরিস্থিতিতে নগর পরিকল্পনায় ভূমিকম্প প্রতিরোধে সময়োপযোগী পদক্ষেপ নিতে জোর দাবি জানিয়েছেন রাজউক চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম। জরুরি ভিত্তিতে রেট্রোফিটিংয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. তাহমিদ এম. আল-হুসেইনী।  </p>
<p>এছাড়াও প্রতিটি নতুন ভবনের অনুমোদনে ভূমিকম্প সহনীয় ডিজাইন বাধ্যতামূলক করা; পুরাতন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের জরিপ ও পুনর্গঠন; ভূমিকম্প ঝুঁকির এলাকা ভিত্তিক মানচিত্র তৈরি ও তা নগর পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্তকরণ; স্কুল, অফিস ও আবাসিক এলাকায় মহড়া ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালু করা এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্সিং ব্যবস্থা কঠোর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। </p>
<p>ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) এবং বাংলাদেশ আর্থকোয়েক সোসাইটির যৌথ আয়োজনে “Recent Earthquakes in Myanmar and Nepal: Earthquake Concerns for Bangladesh and Way Forward” শীর্ষক এক বিশেষ সেমিনারে এই দাবি তুলে ধরা হয়। ২০ জুন বিকালে রাজধানীর রমনায় আইইবি সদর দফতরের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে দেশি-বিদেশি ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ ও প্রকৌশলীরা অংশগ্রহণ করেন।  ভবিষ্যতের একটি দুর্যোগ যেন আমাদের উন্নয়নকে ধ্বংস না করে দেয়, সেই প্রস্তুতি আজ থেকেই নিতে হবে” বলে জোর দাবি তুলেছেন সেমিনারের সভাপতি অধ্যাপক তাহমিদ আল-হুসেইনী। </p>
<p><strong>‘ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হতে হবে এখনই’ — রাজউক চেয়ারম্যান</strong></p>
<p>সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইইবি প্রেসিডেন্ট ও রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম (রিজু) বলেন,  “আমরা ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে বাস করলেও তা নগর নকশা, ভবন নির্মাণ বা জনসচেতনতায় যথেষ্ট প্রতিফলিত হচ্ছে না। ভূমিকম্প প্রতিরোধে এখনই সময়োপযোগী পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন দরকার।”</p>
<p>তিনি বলেন, শুধু ঢাকায় নয়—চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ, রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় ভবন নির্মাণে বিশেষ সতর্কতা ও আইনি বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করতে হবে।</p>
<p><strong>‘জরুরি ভিত্তিতে রেট্রোফিটিং দরকার’ — বুয়েট অধ্যাপকদের মত</strong></p>
<p>সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. তাহমিদ এম. আল-হুসেইনী। তিনি বলেন, “ঢাকার মাটি মূলত নরম ও অবিচল নয়। ভূমিকম্প হলে এমন মাটিতে নির্মিত অনেক ভবন ধসে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। প্রায় ৭০ ভাগ ভবনের নকশায় ভূমিকম্প প্রতিরোধের বিষয়টি উপেক্ষিত।”</p>
<p>অধ্যাপক রাকিব আহসান ও অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গির আলম বলেন, রাজধানীর বহু সরকারি ভবন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই ভূমিকম্প সহনীয় কোনো ব্যবস্থা নেই। এসব ভবনের রেট্রোফিটিং (পুনর্গঠন) এখনই জরুরি।</p>
<p>এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (AIT), থাইল্যান্ড থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান Prof. Pennung Warnitchai। তিনি বলেন, “ডেটা সংগ্রহ, ভূমি কম্পন বিশ্লেষণ ও সেন্সরভিত্তিক পূর্বাভাস ব্যবস্থায় বাংলাদেশকে এগোতে হবে।”</p>
<p><strong>দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সচেতনতা ও পরিকল্পনার ঘাটতি</strong></p>
<p>বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান। তিনি বলেন, “প্রযুক্তিগত প্রস্তুতির পাশাপাশি দুর্যোগকালীন রেসপন্স ব্যবস্থাকেও ঢেলে সাজাতে হবে। স্কুল, কলেজ, হোস্টেল—সবখানে সিমুলেশন ও মহড়ার ব্যবস্থা থাকতে হবে।”</p>
<p>আইইবি’র সম্মানী সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. সাব্বির মোস্তফা খান বলেন, “শুধু নীতিমালায় নয়—কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও বাস্তব প্রয়োগে ভূমিকম্প প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।”</p>
<p><strong>মুক্ত আলোচনায় উঠে আসে বাস্তবতা ও করণীয়</strong></p>
<p>সেমিনারে মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন প্রকৌশলী এম. আব্দুল আউয়াল, অধ্যাপক জিল্লুর রহমান, অধ্যাপক এম. এ. আনসারি, জনাব আব্দুল লতিফ খান, ও ড. আলী আকবর মল্লিক। আলোচনায় তারা বলেন, ভূমিকম্প মোকাবিলায় পরিকল্পনা যতটা গুরুত্বপূর্ণ, বাস্তবায়ন তার চেয়ে অনেক বেশি জরুরি।</p>
<p>অধ্যাপক তাহমিদ আল-হুসেইনী বলেন, “কোনো নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয় নয়, বরং একটি সমন্বিত জাতীয় টাস্কফোর্স গঠনের মাধ্যমে ভূমিকম্প ঝুঁকি মোকাবিলা করতে হবে।”</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিজ্ঞানের সঙ্গে দাতা সংস্থার সংযোগ থাকতে হবে: উপদেষ্টা</title>
<link>https://digibanglatech.news/154743</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154743</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_68525d5888d84.jpg" length="71983" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 18 Jun 2025 11:32:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সবাইকে বিজ্ঞানমনস্ক হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বিজ্ঞানের মূল উদ্দেশ্য হলো মানবতার সেবা করা। আর এজন্য তাদের আর্থিক সহায়তা দিতে হবে। বিজ্ঞানের সঙ্গে দাতা সংস্থার সংযোগ থাকতে হবে</p>
<p>তিনি বলেন, আমরা বলি বিজ্ঞানমনস্ক হতে হবে, নলেজ-বেইজড সোসাইটি গড়ে তুলতে হবে। কিন্তু আসলে আমরা কতটুকু এটাকে প্র্যাকটিস করি, সেটা একটা বিষয়। এই ধরনের মেলা মানুষকে উৎসাহিত করবে।  </p>
<p>তিনি আরও বলেন, সব গবেষণাই সরাসরি মানুষের উপকারে আসবে-তা নয়। তবে গবেষণা সহায়ক হবে। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে এগুলোকে প্রয়োগযোগ্য করে তুলতে হবে। বিজ্ঞানীদের কাজ হলো নতুন কিছু আবিষ্কার ও উদ্ভাবন করা এবং বিদ্যমান বিষয়কে আরও পরিশীলিত করা।  </p>
<p>বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা বলেন, বিজ্ঞানের সঙ্গে দাতা সংস্থার সংযোগ থাকতে হবে। বিজ্ঞানীরা একা কিছুই করতে পারবেন না। আর্থিক সহায়তা ছাড়া তারা এগোতে পারেন না। দুঃখজনকভাবে দেশে বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান থাকলেও গবেষণায় তাদের ব্যয় খুবই কম। তারা চায় কেউ আবিষ্কার করুক, তারপর তারা তা কিনে নেবে। বিজ্ঞানীদের প্রণোদনা দেওয়া, আর্থিক সহায়তা করা-এগুলো দেশে ব্যবসায়ীরা করেন না। অথচ বিদেশে ব্যবসায়ীরাই বড় বড় গবেষণায় ফান্ড দেন।</p>
<p>১৮ জুন (বুধবার) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্স ভবনের অডিটোরিয়ামে ‘জাতীয় বিজ্ঞান মেলা ২৫’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। </p>
<p>জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরের মহাপরিচালক মিজ মুনিরা সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোকাব্বির হোসেন।</p>
<p>জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এ বিজ্ঞান মেলা চলবে বুধবার, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার (১৮-২০ জুন) পর্যন্ত। উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে উপদেষ্টা ও বিশেষ অতিথিসহ আগত অতিথিরা মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জ্ঞান ও দক্ষতা থাকলে বিশ্ব হবে এক বিশ্বগ্রাম</title>
<link>https://digibanglatech.news/154662</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154662</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_684eb3cb58a46.jpg" length="91664" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 15 Jun 2025 15:51:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ বলেছেন জ্ঞান ও দক্ষতা থাকলে বিশ্ব হবে এক বিশ্বগ্রাম। কনফারেন্স থেকে জ্ঞান ও কর্মশালা থেকে দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি বিভিন্ন ভাষায় জ্ঞান থাকলে বিশ্বকে বিশ্বগ্রাম মনে হবে।</p>
<p>১৫ জুন (রবিবার) যবিপ্রবির কেন্দ্রীয় গ্যালারিতে যবিপ্রবির নার্সিং অ্যান্ড হেলথ সাইন্স বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত স্বাস্থ্য, আশা ও উচ্চশিক্ষা শীর্ষক শিরোনামের দিনব্যাপী এক কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ। কনফারেন্সের শুরুতে অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয় বিভাগটির শিক্ষার্থীরা।</p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে যবিপ্রবি উপাচার্য বলেন, নার্সিং পেশা বিশ্বব্যাপী সমাদৃত ও মর্যাদাপূর্ণ পেশা। বিশ্বব্যাপী এই পেশার যে মর্যাদা তা তোমাদের মাধ্যমে আরও এগিয়ে যাবে বলে মনে করি। বর্তমানে নার্সিং বিষয়ে উচ্চশিক্ষার যে অপ্রতুলতা রয়েছে আমরা তা পূরণ করে এই পেশাকে আরও উন্নীত করতে পারি। এজন্য আমাদের গবেষণায় আরও মনোযোগী হতে হবে। গবেষণার মাধ্যমে দেশ তথা বিশ্বের দরবারে নার্সিং সেবাকে আমরা রোল মডেল হিসেবে দাঁড় করাতে পারি।</p>
<p>শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে যবিপ্রবি উপাচার্য আরও বলেন, আমরা যদি দক্ষ নার্স তৈরি করতে পারি তাহলে শুধু দেশ নয় বিশ্ব থেকেও আমরা বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারবো। তোমরা এধরনের কনফারেন্স ও কর্মশালা থেেেক জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করতে পারবে। এই দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি যদি তৃতীয় কোনো ভাষা শিখতে পারো তাহলে এই বিশ্বকে তোমরা বিশ্বগ্রামে পরিণত করতে পারবে। এজন্য তোমাদের পরিশ্রমী হতে হবে। পরিশ্রম করলে সফলতা আসবেই।</p>
<p>কনফারেন্সে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের বায়োমেডিকেল রিসার্চ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ সারোয়ার হোসেন ও রিসার্চ ফেলো ড. এসএম ইয়াসির আরাফাত। বক্তারা থ্যালাসেমিয়া, আত্মহত্যা এবং বৈশ্বিক শিক্ষার সঙ্গে সেতুবন্ধন নিয়ে গবেষণালদ্ধ তথ্য, অগ্রগতি ও উন্নয়ন বিষয়ে স্লাইড আকারে বিস্তারিত আলোকপাত করেন।</p>
<p>কনফারেন্সে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যবিপ্রবির স্বাস্থ্য বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. জাফিরুল ইসলাম।  অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন কনফারেন্সের আহ¦ায়ক ও নার্সিং অ্যান্ড হেলথ সাইন্স বিভাগের চেয়ারম্যান কুলসুমা আক্তার। অনুষ্ঠানে বিভাগটির প্রভাষক শারমিন আক্তার সুমি, অঞ্জন কুমার রায়সহ বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নার্সিং অ্যান্ড হেলথ সাইন্স বিভাগের শিক্ষার্থী মাহাবুব আলম, সোহেল বেপারী ও মনিজা আক্তার রিয়া।   </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মামলা বাণিজ্য বন্ধ করার জন্য অনলাইন করা হচ্ছে</title>
<link>https://digibanglatech.news/154556</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154556</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_6847fab529794.jpg" length="110433" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 10 Jun 2025 13:28:32 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ধীরে ধীরে থানায় না এসে অনলাইনেই আপনারা মামলা ও জিডি করতে পারবেন। মামলা বাণিজ্য বন্ধ করার জন্য অনলাইন করা হচ্ছে। </p>
<p>১০ জুন (মঙ্গলবার) গাজীপুর মেট্রোপলিটনের গাছা থানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমনটাই জানান উপদেষ্টা।  </p>
<p>স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, পুলিশ বাহিনীর সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। এজন্য একটি পাইলট প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। আগে বলা হতো জিডি এবং মামলা পুলিশ নিতে চায় না। এজন্য আমরা এরইমধ্যে মামলার গ্রহণ প্রক্রিয়া অনলাইনে করার ব্যবস্থা করেছি। এখন জিডি ঘরে বসেই করা যায়। ইতোমধ্যে আমরা সিলেটে শুরু করেছি। এটা পুরো দেশে শুরু করবো। পাসপোর্টে এখন আর ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন পড়ে না। রকম জিডি এবং মামলা করতে আপনাদের থানায় আসতে হবে না। হয়রানি পোহাতে হবে না। থানায় না এসে অনলাইনেই আপনারা মামলা ও জিডি করতে পারবেন। মামলা বাণিজ্য বন্ধ করার জন্য অনলাইন করা হচ্ছে।</p>
<p>তিনি আরো বলেন, আপনারা বলেন, রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতনের কথা। এখন থেকে জিজ্ঞাসা করার জন্য আমরা কাঁচের মতো ঘর করে দেবো। অন্যরা দেখতে পারবে তার সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হচ্ছে কি না।</p>
<p>৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায় করা বিভিন্ন মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করা যায় কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আসামি বেশি হওয়ার কারণে দেরি হচ্ছে। এসব মামলায় দোষীদের পাশাপাশি নির্দোষ লোকও আছে। আপনারা জানেন, আগে ১০-১৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা অসংখ্য মানুষের নামে পুলিশ বাদি হয়ে মামলা দায়ের করতো। এবার হয়েছে কি? আপনারাই ১০/১৫ জনের নাম দিছেন, ২০০/২৫০ বেনামি লোক আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। এজন্য মামলার তদন্তে দেরি হচ্ছে। এসব মামলায় যেমন দোষী লোকজন আছে মোটামুটি নির্দোষ অনেক মানুষও রয়েছে। </p>
<p>তিনি আরও বলেন, পুলিশের কেউ মামলা বাণিজ্যে, দুর্নীতিতে জড়ালে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বিভিন্ন পদমর্যাদার ৮৪ জনকে আমরা অ্যাটাচ করে রেখেছি। এরইমধ্যে৩০-৪০ জনকে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছি। যদি আরও ৩০-৪০ জনকে বাড়ি পাঠাতে হয়, একটুও কুণ্ঠিত হবো না। যদি কোন রকম দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত হয়।</p>
<p>উপদেষ্টা আরও বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো দুর্নীতি। এটা আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে গেছে। এটা যদি আমরা কোন অবস্থায় কন্ট্রোলের ভেতরে আনতে পারতাম, তাহলে কিন্তু দেশ অনেক আগায় যেত। এজন্য সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাই। আপনারা লোকজনকে সচেতন করেন। আপনারা যদি সত্য কথা লেখেন, তাহলে অনেক কিছু ঠিক হয়ে যাবে।</p>
<p>এর আগে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা গাছা থানা ও ব্যারাক পরিদর্শন করেন। এ সময় তার সঙ্গে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার ড. নাজমুল করিম খানসহ পদস্থ পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গুজবের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবো : আসিফ মাহমুদ</title>
<link>https://digibanglatech.news/154537</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154537</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_6846eb4798563.jpg" length="100855" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 09 Jun 2025 15:10:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, আপনারা দেখেছেন চাঁদপুরের একটি ঘটনার সাথে আমার পরিবারকে জড়িয়ে একটি বিশেষ শ্রেণী হেয় প্রতিপন্ন করেছে। আমি তথ্য মন্ত্রণালয়ে কথা বলেছি। রাষ্ট্রের সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমি আইনগত ব্যবস্থা নেবো। সোশ্যাল মিডিয়ার গুজব যখন মূলধারার গণমাধ্যমে উঠে আসে তখন তা দুঃখজনক। অনেকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এটা করে থাকেন।</p>
<p>৯জুন (সোমবার)  নিজ এলাকা কুমিল্লার মুরাদনগরে চলমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শনে গিয়ে জাহাপুর গ্রামে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ইলিয়টগঞ্জ দিয়ে মুরাদনগরে প্রবেশ করেন আসিফ মাহমুদ। পরে উপজেলার বাবুটিপাড়া, পাহাড়পুর, ছালিয়াকান্দি, জাহাপুর, শুষুন্ডা, দারোরা, নহল চৌমুহনী গ্রামে চলমান উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শন করেন তিনি। স্থানীয় পান্তি বাজারে নেমে উপস্থিত জনতার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে উপজেলার জাহাপুর এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।</p>
<p>মুরাদনগর পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার নজির আহমেদ খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পঙ্কজ বড়ুয়া, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুর রহমান ও মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিদুর রহমানসহ সরকারি অফিসের বিভিন্ন পর্যায়ের  কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে আসিফ মাহমুদ বলেন, জনগণ অধিকাংশ সেবা স্থানীয় সরকার মাধ্যমে পেয়ে থাকেন। সেটি কার্যকর না থাকায়, সেবাগুলো বিঘ্নিত হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। এটা আমাদের একটা কনসার্ন, তবে আমরা অনেক জনকল্যাণমূলক কাজ করার চেষ্টা করছি। কিন্তু যে দৈনন্দিন সেবাগুলো দেয়ার কথা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি না থাকায় সেগুলো দিতে পারছি না।  স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করাটা সরকারের প্রথম থেকেই সদিচ্ছা ছিল। স্থানীয় সরকারের অনেকগুলো স্তর রয়েছে, কতটুকু আমরা করতে পারি সেটা দেখব এবং সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচন আয়োজনের জন্য বলতে পারি। </p>
<p></p>
<div id="div-gpt-ad-1726377099392-0" data-google-query-id="CMT8mc695I0DFVelZgIdEnIjtA">
<div id="google_ads_iframe_/21854276714/DAIT_2_0__container__"></div>
</div>
<div id="div-gpt-ad-1701837251378-0" data-google-query-id="CMP8mc695I0DFVelZgIdEnIjtA"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>শিক্ষায়  প্রযুক্তি হবে পরিপূরক; প্রতিস্থাপক নয় : উপদেষ্টা</title>
<link>https://digibanglatech.news/154456</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154456</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_68405089d174a.jpg" length="90935" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 04 Jun 2025 18:54:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="row">
<div class="col-12">
<div class="dtl_content_section">
<p><span>প্রযুক্তি নতুন সম্ভবানার অপার সুযোগ সৃষ্টি করেছে উল্লেখ করে </span><span>শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেছেন, প্রযুক্তি শিক্ষাদান, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষা প্রশানের পরিবীক্ষণে প্রযুক্তি বড় ভূমিকা পালন করতে পারে। </span>আমরা প্রযুক্তিকে শিক্ষার পরিপূরক হিসেবে ব্যবহার করতে চাই, প্রতিস্থাপক হিসেবে নয়। আমরা প্রযুক্তিকে এমন ভাবে ব্যবহার করতে চাই যেন প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীও ভালো শিক্ষক, ভালো উপকরণ এবং সমর্থনের নাগালে আসতে পারে। ডিজিটাল লার্নিং প্লাটফর্ম, রিপোর্ট টিচিং এবং অনলাইন ট্যুরের মাধ্যমে আমরা নতুন ধরনের শিক্ষা পরিবেশ তৈরি করতে চাই। যা শিক্ষককে শক্তিশালী করবে। শিক্ষার্থীকে আগ্রহী করবে। এবং অভিভাকদেরও সম্পৃক্ত করবে। অনলাইন শিক্ষার ব্যপ্তি ঘটিয়ে কেন্দ্র থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে একই মানের শিক্ষাব্যবস্থা করা হবে। </p>
<p>৪ জুন (বুধবার) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। এসময় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব সিদ্দিক জোবায়ের, কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলাম, ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবিরসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিডা’র বিনিয়োগ সম্মেলনের উদ্ধৃত করে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেছেন, আশা করি সম্মেলন থেকে যে ধারণা পেয়েছি তা বাস্তবায়নে এড্যুটেককে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে পারবো। আমাদের সার্বিক ব্যবস্থাপনার মধ্যে সম্পৃক্ত করতে পারবো। </p>
<p>তিনি আরো বলেন, প্রত্যেক শিক্ষক যেন শ্রেণীকক্ষে প্রযুক্তির শক্তি ব্যবহার করে আরো কার্যকর ভাবে পাঠদান করতে পারেন আমরা সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। <span>আগামী জুলাই মাস থেকে কলেজ শিক্ষকদের অনলাইনে বদলি প্রক্রিয়া শুরু হবে। </span></p>
<p><span>দেশের বেকারত্ব  ‍দূরিকরণে  কারিগরি শিক্ষার বিকাশে গৃহীত পদক্ষেপ তুলে ধরে চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেন, মান উন্নয়ন ও ইন্টার্নশিপের </span>আমরা চামড়া শিল্প, ওষুধ শিল্প, সিরামিক শিল্পসহ নানা খাতের শিল্প বিশেষজ্ঞ ও প্রতিনিধি নিয়েও আলাপ আলোচনা করেছি। কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রম এবং দেশ বিদেশের শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে তুলতে অংশীজনদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আমরা মনে করি কারিগরি শিক্ষায় নারীদের অংশগ্রহণ সীমিত। বিষয়গুলো সমাধানে আমরা কাজ করবো। মাদ্রাসা শিক্ষাকে প্রযুক্তি নির্ভর করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।  </p>
<p>শিক্ষা ব্যবস্থা স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত করতে জিরো টলারেন্স নীতিতে অবস্থানের কথা উল্লেখ করে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার জানান, ব্যক্তিগতভাবে তাকে একটি বদলির জন্য এক কোটি টাকা ঘুষের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।</p>
<p><span>তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, একটি বড় পদের পদায়নের জন্য আমার কাছে তদবির এসেছিল। তার জন্য প্রথিতযশা একজন কম্পিটিড ইন্সটেকচেলিয়াল (বুদ্ধিজীবী) তদবির করেছিল। পরে তার বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দেখি তিনি ওই পদের জন্য যোগ্য নন। তখন আমরা তাকে প্রত্যাখ্যান করি। পরবর্তীতে তিনি অন্য মাধ্যমে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে এবং সে আমাকে একটা অ্যামাউন্ট অফার করেন। টাকাও আমি বলে দেই এক কোটি টাকা অফার করেছিলেন। তিনি যাকে দিয়ে বলেছিলেন তিনি আমার পরিচিত। যিনিও একটি প্রতিষ্ঠানে রয়েছেন। আমি আর বিস্তারিত বলতে চাচ্ছি না। আমি বুঝাতে চাচ্ছি আমার সহকর্মী যারা আছে তারা যেন নৈতিক অবস্থানে স্থির থাকবেন। আমি পদে থাকা অবস্থায় কোন দুর্নীতি সহ্য করব না।</span></p>
<div class="text-center inarticle_ad" id="div-gpt-ad-1701837251378-0" data-google-query-id="CM3tnMzr140DFQql2AUdL2sq0g"></div>
<div class="my-2 text-center"></div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশকে ম্যানুফ্যাকচারিং হাব বানাতে বিনিয়োগ করুন</title>
<link>https://digibanglatech.news/154346</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154346</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_683c2d156f51a.jpg" length="60084" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 01 Jun 2025 15:08:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>‘তথ্য প্রযুক্তি সম্ভাবনাময় শিল্প’ উল্লেখ করে বাংলাদেশকে ম্যানুফ্যাকচারিং হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চীনা বিনিয়োগকারীদের আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। </span></p>
<p>১ জুন (রবিবার) রাজধানীর মাল্টি পারপাস হলে চীনা বিনিয়োগকারীদের নিয়ে আয়োজিত দিনব্যাপী চীন-বাংলাদেশ ব্যবসা ও বিনিয়োগ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টা চীনা বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে বলেন, বাংলাদেশকে ম্যানুফ্যাকচারিং হাব বানাতে আপনারা এখানে বিনিয়োগ করুন। এখানে তৈরি পোশাক, জ্বালানি, কৃষি, পাট, তথ্য প্রযুক্তি সম্ভাবনাময় শিল্প।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মোট জনশক্তির অর্ধেকের বয়স ৩০ বছরের নিচে। এই তরুণরা কাজে যোগ দিতে প্রস্তুত রয়েছেন। তিনি এই তরুণদের কাজ লাগানোর জন্য চীনা ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান।</p>
<p>বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ সম্ভাবনা ও বাজার বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা দিতে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ও চীন সরকার যৌথভাবে সম্মেলনের আয়োজন করেছে।</p>
<p>সম্মেলনে চীনের ১০০ কোম্পানির প্রায় ২৫০ বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ী অংশগ্রহণ করেছেন।</p>
<p>বিনিয়োগ বোর্ডের চেয়ারম্যান <span>আশিক চৌধুরী </span>সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে চীনের বাণিজ্যমন্ত্রী ওয়াং ওয়েনতাও এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বক্তব্য দেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গোষ্ঠী স্বার্থ দেখছে বিটিআরসি?</title>
<link>https://digibanglatech.news/154115</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154115</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_683317c809c5d.jpg" length="72180" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 25 May 2025 17:15:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিটিআরসি প্রস্তাবিত নতুন নেটওয়ার্ক টপোলজি বহুজাতিক বিদেশী কোম্পানীর স্বার্থ রক্ষা করে দেশীয় উদ্যোক্তাদের অস্তিত্ব বিলীন করতে চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছেন করেন আইজিডব্লিউ অপারেটরস ফোরাম।  </p>
<p>রবিবার রাজধানীর রাওয়া কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে (আইজিডব্লিউ) শিল্পের চ্যলেঞ্জ ও সম্ভাবনা শীর্ষক কর্মশালা শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এই মন্তব্য করেছেন  সভাপতি আসিফ সিরাজ রব্বানী। </p>
<p>নতুন টপোলজিকে ‘চাপিয়ে দেয়া’ উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন রাখেন,  নতুন টপোলজিতে গেলে আইওএফ এর পূর্বের বিশৃঙ্খল অবস্থায় ফিরে আসলে বিটিআরসি কি সেই দায় নেবেন? এর দায়ভার কার হবে। একটা চাপিয়ে দেয়া টপোলজি হলেই তো হবে না।</p>
<p>নতুন নেটওয়ার্ক টপোলজি নিয়ে বিটিআরসি আইজিডব্লিউ অপারেটরদের সাথে কোনো আলাপ করেনি জানিয়ে তিনি বলেন, তারা কন্টাক্ট ক্যান্সেল করে দেয়ার পরে আলোচনায় এসেছে। এখানে আইওএস, ননআইওএস নিয়ে যে চ্যালেঞ্জ ও প্রতিবন্ধকতা, ফাইন্যান্সিয়াল বার্ডেন কোনো কিছুই বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।</p>
<p>তিনি আরো বলেন, হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুকসহ বিভিন্ন অ্যাপ ও ওয়েবসাইট থেকে মাসে ৩ কোটির বেশি আন্তজার্তিক ইনকামিং এটুপি এসএমএস আসছে মোবাইল অপারেটরদের মাধ্যমে। প্রতি এসএমএস ৮ সেন্ট হিসাবে প্রতি মাসে আয় হয় ২৪ লাখ ডলার। যেখান থেকে মোবাইল অপারেটররা রাজস্ব দেয় মাত্র এক লাখ ৫৬ হাজার ডলার। কিন্তু এই সুযোগ পেলে আমরা বছরে সরকারকে ২শ' কোটি টাকা রাজস্ব দিতে পারবো। যা মোবাইল অপারেটরদের দেয়া রাজস্বের চেয়ে আট গুণ বেশি। একইসঙ্গে আমরা ব্যবসায় টিকে থাকতেও পারব।</p>
<p>আইওএফ সভাপতি জানান, গত ৬ বছরে রেভিনিউ শেয়ার থেকে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসিকে সাড়ে ১০ হাজার  কোটি টাকা দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে (আইজিডব্লিউ) অপারেটররা। ওটিটির কারণে বিদেশ থেকে আসা কলের সংখ্যা ৮৮ শতাংশ কমার পরও এখনো বছরের ৫০০  কোটি টাকার মতো রাজস্ব ভাগাভাগি করছে। আইএলডিটিএস পলিসি বলবৎ রেখে এটুপি বা ইন্টারন্যাশনাল এসএমএস সেবার অধিকার দেয়া হলে  বছরের সরকারের সঙ্গে ২০০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় ভাগাভাগি করার পাশাপাশি তাদের অস্তিত্ব বিলীন হওয়ার শঙ্কাও কাটবে। </p>
<p>সভায় সহ সভাপতি আব্দুস সালাম অভিযোগ করে বলেন, আগে অনেকটা জোর করেই বিটিআরিসি আমাদের এমএনও এবং আইসিএক্সদের সাথে নতুন আইপি কানেক্ট করিয়েছি। সেখানে আমরা যে বিনিয়োগ করেছি সেগুলো এখনো ফেরত পাইনি। এখন তার ওপর ননআইওএসরা আইওএস আসছে। আমরা কোনো ইনভেস্টমেন্টই রিকভার করতে না পরায় শঙ্কিত। পুরোনো ডিরেক্টিভ মেনে চলার কোনো সুফল পেলাম না। এক্ষেত্রে পদে পদে মোবাইল অপারেটররা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।  </p>
<p>এক প্রশ্নের জবাবে বাংলা টেল, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ খুরশীদ আলম (অব:) বলেন, টিডিএম থেকে আইপি সিস্টেমে আসতে গত বছরেও আমরা ২০০ কোটি টাকা ব্যয় করেছি। বাইরে আমাদের পপ থাকলে এখনো ঢাকা ও খুলনা ছাড়া কল আসতে পারে না। এটা দেশের স্বার্থ পরিপন্থী। দেশের স্বার্থ বিকিয়ে আমরা বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্ব দিচ্ছি। এটা হয় না। হতে পারে না। গোষ্ঠীর স্বার্থ দেখে আমরা কখনোই ভালো থাকতে পারি না। </p>
<p>  ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আব্দুল হান্নান (অবঃ), প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, মীর টেলিকম লিমিটেড এবং নভোটেল ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসিবুর রশিদ প্রমুখ এসময় উপস্থিত ছিলেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>উদ্যোক্তা ও সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা তৈরি করবে  ‘নাগরিক সেবা’</title>
<link>https://digibanglatech.news/154108</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154108</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_6832ee4f6faab.jpg" length="95614" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 25 May 2025 15:17:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>জিটাল পদ্ধতিতে জনগণের ভূমি সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করা, স্বচ্ছ, দ্রুত ও দুর্নীতিমুক্ত ভূমি ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখা এবং নতুন প্রযুক্তিনির্ভর সেবার সঙ্গে জনগণের সরাসরি পরিচয় ঘটানোর লক্ষ্যে দেশজুড়ে চলছে তিন দিন ব্যাপী ভূমি মেলা। </p>
<p>রবিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ের ভূমি ভবনেমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভূমি মন্ত্রণালয়য়ের কর্মরতদের ডিজিটাল জরিপের প্রশিক্ষণ কোর্স মডিউল ‘রিডিজাইন’ করতে ভূমি মহাপরিচালককে নির্দেশনা দিয়েছেন ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার। </p>
<p>‘ডিজিটাল রূপান্তর সর্বরোগের মহৌষধ নয়’ উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, আমি দেখছি, আমরা অনেক ক্ষেত্রেই মানুষকে ন্যয্যতা দিতে পারছি না। এর জন্য ডিজিটাল ব্যপারটা যে দায়ী, তা না। এখানে দায়ি কিন্তু আমরা যেসব আইন কানুন আরোপ করে রেখেছি। এই যেমন- যারা জরিপ করেছেন সেখানে প্রকৃত মালিকের নাম লেখেননি। অন্য একজনের নাম লিখে রেখেছেন। আমাদের আইন অনুযায়ী, কালেক্টরের কেবল ক্লারিকাল মিসটেক ঠিক করার সুযোগ থাকে। বাকিটা সিভিল কোর্টে মামলা করে আনতে হয়। এই সমস্যা ফ্লাট বাড়ীতে বেশি। নাম জারি ও খাজনা দেয়ার পরও সমস্যায় পড়তে হয়। </p>
<p>ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাঠ পর্যায়ের ব্যক্তিদের প্রকৃত অবস্থা অনুধাবনে ভূমি মন্ত্রণালয় দুর্নীতির প্রথম ধাপে রয়েছে স্বীকার করে উপদেষ্টা বলেন, এই মন্ত্রণালয়ের যথেষ্ট ডিজিটাল উন্নতে হয়েছে- তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু এটি সর্ব রোগের মহৌষধ না। আমাদের অনেকগুলো রোগ আছে যেটা ডিজিটালি সমাধান হবে না। এই ডিজিটাল সেবার পেছনে যারা কাজ করছেন সেই মানুষ ভুল করলে কিংবা অন্য কিছু করলে সেটা রয়েই যাবে। </p>
<p>তাই মাঠকর্মীদের প্রশিক্ষণ কোর্স নতুন করে ঢেলে সাজানোর নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেছেন, আগামী এক মাস পর মেশিনের বিপরীতে কাজ করা ব্যক্তিরা কতটা এগিয়েছে তা দেখবো। পাশাপাশি এসিল্যান্ডের অনেকেই সেটেলমেন্ট ট্রেনিং নেন নি। এ পর্যন্ত দুইটি কোর্স সনদ বিতরণ থেকে দেখেছি, এখানে প্রশাসনের ৫০ শতাংশ আছে। কিন্তু বিচারিক বিভাগের সিংহভাগই যোগ দেন। তাই আগামীতে প্রশিক্ষণ নেয়া ছাড়া কাউকেই প্রশাসনে নিয়োগ দেয়া হবে না। অসুখ না জানলে দাওয়ায়ই দেয়া সম্ভব নয়।      </p>
<p>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ‘নাগরিক সেবা’ প্লাটফর্ম দিয়ে আউটসোর্স উদ্যোক্তা ও সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব।  </p>
<p>বাংলাদেশের সেবার ডিজিটাল রূপান্তরকে সরকার দুই ভাবে কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়গুলো বিভিন্ন বিভাগের নিজস্ব প্রসেসে ডিজিটাল রূপান্তর করবে। পাশাপাশি বাড়তি কোনো রিসোর্স বা ফান্ড বরাদ্দ না করেই একটি একক প্লাটফর্ম ‘নাগরিক সেবা’ এর অধীনে আনতে কাজ করছে আইসিটি বিভাগ। এর মাধ্যমে আমরা মন্ত্রণালয় ও নাগরিক সেবাদাতাদের মধ্যে একটা প্রতিযোগিতা তৈরি করতে চাই। এর মাধ্যমে আমাদের কর্মকর্তা এবং উদ্যোক্তোদের মধ্যে একটি সুস্থ ও মিনিংফুল প্রতিযোগিতা তৈরি করতে চাই। দুই জায়গাতেই র‌্যাংকিং করা হবে। র‌্যাংকিয়ে  যারা পিছিয়ে থাকবে তাদের টার্মিনেট করা হবে। </p>
<p>গত ১৫ বছরে বাংলাদেশে ডিজিটাল সাইলোর মধ্যে ‘ডিজিটাল রূপান্তর’ প্রক্রিয়ায় ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বা ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’এর নামে একটি ‘ কিছু ডিজিটাল আইল্যান্ড’ গড়ে তোলা হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেছেন, আমরা এখন এই আইল্যান্ডগুলোর মধ্যে ইন্টার কানেক্টিভিটি গড়ে তুলছি। বিচ্ছিন্ন সেবাগুলোকে অন্তঃসংযোগের মাধ্যমে এক জায়গায় নিয়ে আসছি। এতে করে একজন নাগরিককে ৫৭টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগেরে কয়েকডজন সেবার জন্য কয়েক হাজার ওয়েব সাইটে যেতে না হয়।    </p>
<p>ফয়েজ বলেন, নাগরিক সেবা করছে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে। আর আমাদের ল্যান্ড সার্ভিসের মতো সিঙ্গেল গেটওয়েগুলো করছে অন্তঃমন্ত্রণালয়ের কাজ। এ দুয়ের সমন্বয়ে আমাদের ডিজিটাল রূপান্তর গতি পাবে। </p>
<p>প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী জানালেন,  এর মাধ্যমে খতিয়ান, দাখিলার ছবি তোলার ঝামেলা কমিয়ে এপিআই কল করে অন্য একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে ব্যক্তির জাতীয় পরিচয় সনাক্ত করা হবে। সনাক্ত হওয়া অ্যাকাউন্ট থেকে লগইন করে যেই সিস্টেমে ডক্যুমেন্ট রয়েছে সেখান থেকে ডিজিটালি পুল করে আনবো। ব্যক্তিকে আর ছবি তুলে পাঠাতে হবে না। </p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে দেশব্যাপী ভূমি উন্নয়ন কর শতভাগ অনলাইনে আদায়ের ফলে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পেয়েছে মন্তব্য করে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, বর্তমানে অনলাইনে প্রতি মাসে প্রায় ৫ লাখ নামজারি মামলা নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। দেশের ৫১৬টি উপজেলা ও সার্কেল ভূমি অফিস এবং ৩ হাজার ৪৬৭টি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ই-নামজারি চালু হয়েছে।</p>
<p>তিনি জানান, এই সিস্টেমে গত বছরের জুলাই থেকে গত ১৫ মে পর্যন্ত প্রায় ২৯০ কোটি ২২ লাখ ৩০ হাজার টাকা, ভূমি উন্নয়ন কর বাবদ প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা এবং অনলাইন খতিয়ান বাবদ প্রতিমাসে গড়ে ৩ লাখ ২১ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে। বর্তমানে ৬ কোটি ৫০ লাখের অধিক খতিয়ান অনলাইনে রয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৫ কোটি ৭০ লাখ হোল্ডিং ডাটা ম্যানুয়াল্ থেকে ডিজিটালে রূপান্তরিত হয়েছে। নাগরিককে অনলাইনে দাখিলা প্রদান করা হয়েছে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ। সার্ভারসহ অন্যান্য ব্যবস্থা সচল থাকলে দিনে (১০ থেকে ১২ কোটি টাকা) ভূমি উন্নয়ন কর আদায় করা সম্ভব।</p>
<p>ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান এজেএম সালাউদ্দিন নাগরী, ভূমি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান মুহম্মদ ইব্রাহিম, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সাইদুর রহমান প্রমুখ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কানেক্টিভিটি বিজনেস আর কানেক্ট করার জায়গায় নেই : বিটিআরসি চেয়ারম্যান</title>
<link>https://digibanglatech.news/154089</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154089</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_683209185546f.jpg" length="85350" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 24 May 2025 22:00:10 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>টেলিকম খাতের সংযোগ বিযুক্তির কথা তুলে ধরলেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক কমিশনের চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী। সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার মধ্যে ২০১০ সালের মধ্যে বড় একটি বিযুক্তির ঘটনা ঘটেছে বলে মন্তব্য করেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, এর বাইরেও একটা ফানি ডিসকানেক্ট রয়েছে। সেটা হচ্ছে ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি। অথচ আজকের দিনে কমিউনিকেশন ও ইনফরমেশন টেকনোলজি আলাদা করতে পারেন না। কিন্তু ২০১১ সালে আমরা আইসিটি মিনিস্ট্রি গঠন করলাম। দ্রুতই আমরা বুঝতে পারলাম  টেলিকম ছাড়া আইসিটি আলাদা থাকতে পারে না। গত ১০ বছরেও টেলিকম ও আইসিটি ছিলো একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। এটাই আমাদের ইন্ডাস্ট্রির প্রবৃদ্ধি আটকে দিচ্ছে।ওও তবে তার চেয়েও জঘন্য ডিসকানেক্ট হয়েছে টেলিকম ইন্ডাস্টি ও পিপলের মধ্যে। </p>
<p>কিভাবে এই দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে তার ব্যখ্যায় তিনি জানান, কপার তারের টেলিফেন দিয়ে মানুষকে কানেক্ট করাই ছিলো মূলত ব্যবসা। নেটওয়ার্কের মূল ব্যবসা ছিলো কানেক্টিভিটি। তখনকার ভয়েস থেকে বাই প্রোডাক্ট হিসেবে এলো এসএমএস। এক পর্যায়ে অন্তর্ভূক্তিমূলক সমাজ গড়তে গিয়ে কানেক্টির সঙ্গে হাতে হাত ধরে এগিয়ে গেলো দেশের টেলিকম শিল্প খাত। কিন্তু এই কানেক্টিভিটি বাড়াতে গিয়ে এটা দিয়ে মানুষ কি ব্যবহার করবে তা ভুলে গিয়ে তাদের কাছে মূল্যবান সেবায় সীমাবদ্ধ থাকছে। এভাবে চললে এই শিল্পটি আর এগোবে না।</p>
<p>‘এ কারণেই এখন আমাদের কানেক্টিভিটি থেকে ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন নু সার্ভিসে যেতে হবে’- যোগ করেন এমদাদ উল বারী।  তা না হলে স্পটিফাই যেমন পড়ার সিডি -ডিভিডি ব্যবসাকে গিলে খেয়েছে তেমন পরিণতির বিষয়ে সতর্ক করেন তিনি। বললেন, বিশ্ব এখন উন্মুক্ত নেটওয়ার্কে যাচ্ছে। তাই ব্যবসা আর উলম্ব ভাবে নয় সম্প্রসারিত হবে আড়াআড়ি ভাবে। ক্লাউড কম্পিউটিং এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্ট নেটওয়ার্ক টপোলজি ও সার্ভিস কমিউনিকেশনকে কোথায় নিয়ে যাবে তা আমরা জানিনা। ফলে আগামীকাল কেউই নিজের জায়গায় স্থিতি থাকতে পারবেন না। তাই নিজের পরিবর্তন নিজেদেরকেই করতে হবে। </p>
<p>বক্তব্যে টেলিকম খাতে সংযুক্তির সুযোগ থাকার পরেও কিভাবে বিযুক্ত হলো সেই ধারাবিহতা তুলে ধরে বিটিআরসি চেয়ারম্যান বললেন, ফিক্সড টেলিকম ও মোবাইল কোম্পানিগুলো যখন নেটওয়ার্ক শেয়ারিং নিয়ে মারামারি শুরু করলো তখন এই খাতের সেকেন্ড বিগ ডিসকান্টেক্ট হয়েছে। একইভাবে লাস্টমাইলে এনটিটিএন এবং আইসপি’র মধ্যে ডিসকানেক্ট হলো। এখনো সে অবস্থাতেই আছে। একইভাবে যদি ক্লাসিক ডিসকানেক্টের কথা বলি- যেমন শুরুতে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ও মোবাইল সার্ভিসের মধ্যে কোনো ব্যবধান ছিলো না। এটাকে কানেক্টিভিটি হিসেবে দেখা হতো। কিন্তু যখন পরিস্কার হয়ে গেলো- এটা একটি আর্থিক সেবা, তখন এটি বিকশিত হলো। ফলে এই ডিসকানেক্টটা থেকেই গেলো। </p>
<p>তাই নেটওয়ার্ক নিয়ে কাড়াকাড়ি না করে এই খাতের ব্যবসায়ীদের গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী ডিজিটাল সেবা পরিষেবায় মনোযোগী হতে বলেছেন বিটিআরসি প্রধান। এটাই সময়ের দাবি উল্লেখ করে তিনি বলেছেন,পুরো কানেক্টিভিটি নিয়ে সবাই যথন ব্যস্ত তখন দেশে ভয়েস আর ইন্টারনেট বিযুক্ত হয়েছে। কেননা এর ফাঁকে ডেচার একটা রেভ্যুলেশন হয়েগেছে। এর ওপর ডিজিটাল সার্ভিসের একটি পৃথিবী তৈরি হয়ে গেলো; আমরা তা ধরতেই পারলাম না। এই ডিসকান্টেডের ফলে যে সময়ে আমাদের আরেকটা ডিসকানেক্ট হয়ে গেলো। সে সময়ে আমাদের ডিজিটাল সার্ভিস প্রোভাইডার, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ইত্যাদি  বিষয়ে মানুষকে কনসার্স দরকার ছিলো, তা না করে দূর দূর করে তাড়ালাম। এরপর এলো ভয়েস অ্যান্ড ওটিটি। এর মাধ্যমে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিযুক্তি ঘটলো। এখন আমরা সবাই মিলে ডিজিটাল সার্ভিস প্রোভাইডার হওয়ার চেষ্টা করছি।</p>
<p>‘কানেক্ট করার কথা থাকলেও টেলিভিশন ও ইন্টারনেট আরেকটা ডিসকানেক্ট  তৈরি করছে উল্লেখ করে এমদাদ উল বারী বলেন,একটা সময় এই দুটি দু ধরনের প্রযুক্তি ছিলো। দুইটি রেগুলেটরি সংস্থা রেগুলেট করতো। তখন একই বাসায় টেলিভিশন ও টেলিফোন থাকতো। কিন্তু আমরা কখনো বুঝতে পারিনি দুটোই এক জিনিস। এসময় আইএসপিরা নেটওয়ার্ক তৈরি করলো। ওদিকে ইন্টারনেট প্রোটেকল আসলো। এখন ব্রডকাস্ট সার্ভিস টেলিফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। কিন্তু এখানেও একটা বড় ডিসকানেক্ট হয়ে বসে রয়েছে।  </p>
<p>এই ডিসকানেক্টকেই একটি সেবার বৃত্তে আনতে বিটিআরসি কাজ করছে জানিয়ে চেয়ারম্যান বলেছেন, আমরা এমন ভাবে লাইসেন্স ক্যাটাগরি করছি যেন একটা আরেকটার ওপর না আসে। সবাই এক সঙ্গে একটি বিজনেস কানেক্টিভিটি করতে পারে। কেননা কানেক্টিভিটি বিজনেস আর কানেক্ট করার জায়গায় নেই। </p>
<p>শনিবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত <span>১৯তম বিডিনগ সম্মেলনের সমাপনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী। বিডিনগের সভাপতি নাদির বিন আলীর সভাপতিত্বে আইএসপিএবির সভাপতি মোহাম্মদ আমিনুল হাকিম, এশিয়া প্যাসিফিক নেটওয়ার্ক ইনফরমেশন সেন্টারের (এপিনিক) মহাসচিব জিয়া রং লো, এপিনিক কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সুমন আহমেদ সাবির, বাহন সিটিও রাশেদ আমিন বিদ্যুৎ এবং আইএসপিএবি মহাসচিব নাজমুল করিম ভূঁইয়া। </span></p>
<p><span></span></p>
<h1 class="post-title"><a href="https://digibanglatech.news/154069">শনিবার শেষ হচ্ছে বিডিনগ সম্মেলন</a></h1>
<p></p>
<p></p>
<p> </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করছেন না : পরিকল্পনা উপদেষ্টা</title>
<link>https://digibanglatech.news/154077</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154077</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_68319e87de217.jpg" length="118320" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 24 May 2025 15:59:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="rtejustify">প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না উল্লেখ করে শুক্রবার ফেসবুকে দেওয়া পোস্ট সরিয়ে নতুন পোস্ট দিয়েছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। কৈফিয়তে “<span>মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা স্যারের বিষয়ে দেওয়া স্ট্যাটাসটি আমার ব্যক্তিগত মতামত। এটাকে নিউজ না করার অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। ধন্যবাদসহ”- লিখেছিলেন তিনি। </span></p>
<p class="rtejustify"><span>এরপর বিষয়টি নিয়ে দুই দফা খবর হয়েছে। শেষ দফায় শনিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে তার ব্যক্তিগত মতই যেনো সত্য হয়ে দেখা দিলো। শনিবার (২৪ মে) একনেক সভার পর উপদেষ্টা পরিষদের অনির্ধারিত রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে প্রধান উপদেষ্টার কথা তুলে ধরেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা<strong> </strong>ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) তো চলে যাবেন বলেননি। তিনি (প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস) বলেছেন আমরা যে কাজ করছি, আমাদের সামনে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সেই দায়িত্ব পালন করতে হবে। দায়িত্ব পালনে অনেক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। সব প্রতিবন্ধকতা কাটিয়েই অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে হবে। এই দায়িত্বের ওপর নির্ভর করবে দেশের বহু বছরের ভবিষ্যৎ। এই দায়িত্ব ছেড়ে তো আমরা যেতে পারবো না।</span></p>
<p>দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে উপদেষ্টা পরিষদের এই বৈঠক শুরু হয়। বেলা ২টা ২০ মিনিটে বৈঠক শেষ হয়।  দায়িত্ব পালনে বিভিন্ন সময় নানা ধরনের অযৌক্তিক দাবি দাওয়া, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও এখতিয়ার বহির্ভূত বক্তব্য এবং কর্মসূচি দিয়ে যেভাবে স্বাভাবিক কাজের পরিবেশ বাধাগ্রস্ত করে তোলা হচ্ছে এবং জনমনে সংশয় ও সন্দেহ সৃষ্টি করা হচ্ছে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় বৈঠকে।</p>
<p>দেশকে স্থিতিশীল রাখতে, নির্বাচন, বিচার ও সংস্কার কাজ এগিয়ে নিতে এবং চিরতরে এদেশে স্বৈরাচারের আগমন প্রতিহত করতে বৃহত্তর ঐক্য প্রয়োজন বলে মনে করে উপদেষ্টা পরিষদ। এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্য শুনবে এবং সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করবে।</p>
<p>শত বাধার মাঝেও গোষ্ঠীস্বার্থকে উপেক্ষা করে অন্তর্বর্তী সরকার তার ওপর দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। যদি পরাজিত শক্তির ইন্ধনে এবং বিদেশি ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সরকারের ওপর আরোপিত দায়িত্ব পালনকে অসম্ভব করে তোলা হয়, তবে সরকার সব কারণ জনসমক্ষে উত্থাপন করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে বৈঠকে ১৯ জন উপদেষ্টা অংশ নেন। এর আগে এনইসি সম্মেলনকক্ষে বেলা ১১টায় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শুরু হয়। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে একনেক সভা শেষ হয়। বৈঠকে ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।</p>
<p>এর আগে শুক্রবার <span> </span>দুপুরে দেওয়া প্রথম পোস্টে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব লিখেছিলেন, 'প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না। অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের ক্ষমতা প্রয়োজন নেই, কিন্তু বাংলাদেশের জন্য, বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ ডেমোক্রেটিক ট্রানজিশনের জন্য ড. ইউনূস স্যারের দরকার আছে। বরং ক্যাবিনেটকে আরও গতিশীল হতে হবে। সরকারকে আরও বেশি ফাংশনাল হতে হবে, উপদেষ্টাদের আরও বেশি কাজ করতে হবে, দৃশ্যমান অগ্রগতি জনতার সামনে উপস্থাপন করতে হবে—এ ব্যাপারে কোনো দ্বিমত থাকতে পারে না। আমাদের দেখাতে হবে যে, গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তীতে জনতার সম্মতিতে ক্ষমতায় এসে প্রফেসর সাফল্য দেখিয়েছেন। বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সম্মান আছে, এটা রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।'</p>
<p class="rtejustify">'আমি মনে করি, সরকারকে এখন থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে আলোচনায় বসতে হবে, নিয়মিত বসে এবং বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মতামত চাইতে হবে। বিচ্ছিন্নতা কাম্য নয়। পাশাপাশি সেনাবাহিনীও রাজনীতিতে নাক গলাতে পারবে না। আজকের দুনিয়ায় কোনো সভ্য দেশের সেনাবাহিনী রাজনীতি করে না। তাই ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের বক্তব্যে সেনাপ্রধান জুরিসডিকশনাল কারেক্টনেস রক্ষা করতে পারেননি। তবে সেনাবাহিনীকে প্রাপ্য সম্মান দেখাতে হবে, আস্থায় রাখতে হবে। সেনাবাহিনী প্রশ্নে হুট করে কিছু করা যাবে না, হঠকারী কিছু করা যাবে না। তেমনি, ইনক্লুসিভনেসের নাম করে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনও চাওয়া যাবে না। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাদের গর্ব এবং আস্থার জায়গা, সেটা কেউ ভঙ্গ করবে না।'</p>
<p class="rtejustify">নির্বাচনের বিষয়ে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব লেখেন, 'সব দরকারি প্রস্তুতি শেষ করে নির্বাচন এপ্রিল-মের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে বলেই আশা করি। এ সময়ে সকল যৌক্তিক সংস্কার সম্পন্ন করতে হবে, করতে হবে জুলাই সনদ।'</p>
<p class="rtejustify">'জুলাই-আগস্ট ২৫ এ আমরা জাতীয়ভাবে দুই মাস জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তি উদযাপন করব, ইনশাআল্লাহ এবং আগস্টের মধ্যেই স্বৈরাচারী খুনি হাসিনার বিচারের প্রথম রায়টি আলোর মুখ দেখতে পাবে বলেও আশা প্রকাশ করি। ইনশাআল্লাহ আমরা হারব না, আমাদের হারানো যাবে না। ইনকিলাব জিন্দাবাদ, প্রফেসর ইউনূস জিন্দাবাদ, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।'</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অডিও&#45;ভিজ্যুয়াল দলিল সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করবে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ</title>
<link>https://digibanglatech.news/153840</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153840</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_6828cd366b798.jpg" length="94245" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 17 May 2025 17:52:51 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অডিও-ভিজ্যুয়াল দলিল সংগ্রহ ও সংরক্ষণে কাজ করবে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ।</p>
<p>শনিবার (১৭ই মে) আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।</p>
<p>বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে সচিব বলেন, ঐতিহ্যবাহী ও বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান হিসাবে ‘বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ’ ভিজ্যুয়াল বা চিত্রভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষণের গৌরবময় দায়িত্ব পালন করছে। প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তথ্য সচিব বলেন, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে আধুনিক যন্ত্রপাতি সংগ্রহের মাধ্যমে ফিল্ম ভল্ট ব্যবস্থাপনাকে আরও উন্নত ও আধুনিক করা হবে। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সঠিক ইতিহাস যেন বিকৃত না হয়, তা নিশ্চিত করতে এই আর্কাইভ নির্ভরযোগ্য তথ্য সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের উদ্যোগ গ্রহণ করবে।</p>
<p>আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে ফিল্ম আর্কাইভের সংশ্লিষ্টতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ 'ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব ফিল্ম আর্কাইভস্‌' এবং 'ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব অডিও-ভিজ্যুয়াল আর্কাইভ'-এর অন্যতম সদস্য। এই দুই আর্ন্তজাতিক সংগঠনের সঙ্গে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের সক্রিয় যোগাযোগ রয়েছে। তিনি ফিল্ম আর্কাইভের সক্ষমতা বাড়াতে আন্তর্জাতিক এসব সংগঠনের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p>সভাপতির বক্তৃতায় বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল বলেন, অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ একটি আধুনিক ও সুসংগঠিত প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। চলচ্চিত্রকে সমাজ পরিবর্তনের অন্যতম হাতিয়ার উল্লেখ করে তিনি বলেন,   একটি জাতির ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সময়ের নির্ভরযোগ্য দলিল হিসাবে চলচ্চিত্রের ভূমিকা অপরিসীম। বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ সেই দলিল সংগ্রহ ও সংরক্ষণের ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালনে নিরলসভাবে কাজ করছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহের তথ্য সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অডিও-ভিজ্যুয়াল দলিল সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে একটি অগ্রাধিকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি এখন অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভকে চলচ্চিত্রের ঐতিহ্য সংরক্ষণের আঁতুড়ঘর হিসাবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। </p>
<p>অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের পরিচালক ফারহানা রহমান। বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের পরিচালক মুহাম্মদ আরিফ সাদেকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. কাউসার আহাম্মদ, বিএফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান তানি, ফিল্ম আর্কাইভ ভবন নির্মাণ প্রকল্পের সাবেক প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান, ফিল্ম এডিটর ও পরিচালক ফজলে হক, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহীন সুমন,  প্রযোজক ও পরিচালক সায়মন সাদিক, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত বিশিষ্ট অভিনেতা হেলাল খান, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের বিশেষজ্ঞ কমিটির সদস্য লাবিব নাজমুস সাকিব ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান-সংক্রান্ত জুরি বোর্ডের সদস্য সাইদুর রহমান সাইদ।</p>
<p>আলোচনা সভার আগে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে একটি র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দর্জিবাড়ীকে প্রযুক্তি বাড়িতে রূপান্তর করা হবে</title>
<link>https://digibanglatech.news/153821</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153821</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_682843c645ed9.jpg" length="73813" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 17 May 2025 13:07:48 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ব্যতিক্রমী আয়োজনে ঢাকায় পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক টেলিকম ও তথ্যসংঘ দিবস। শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিটিআরসি ভবনে দিবসটি উপলক্ষে দেশের টেলিকম খাতের সক্ষমতা এবং এতে তরুণ উদ্ভাবকদের অংশগ্রহণ দিয়েছে নতুন মাত্রা।</p>
<p>একইভাবে উদ্বোধনীতে বিটিআরসি’র ই-লাইসেন্স চালু ও জুলাই অভ্যুত্থানে দৃষ্টি হারানো ৫ ব্যক্তিকে দেয়া হয়েছে সোনার প্রযুক্তির ডিজিটাল স্টিক কিং- ‘আভাস’। পুরস্কৃত করা হয়েছে এই খাতে বিগত এক বছরে বিশেষ অবদান রাখা <span>বিজয়ী ৫টি দল এবং আন্তর্জাতিক ভাবে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪টি দল, তিনটি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিগত ক্যাটাগরিতে ৩টি সহ মোট ১০টি পুরস্কার দেয়া হয়। </span></p>
<p><span>বিটিআরসি সম্মেলন কক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব ও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, আইসিটি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব জহিরুল ইসলাম ও বিটিআরসি চেয়ারম্যান অব. মেজর জেনারেল এমদাদ উল বারী উপস্থিত ছিলেন।  </span></p>
<p><span>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য-প্রযুক্তিতে নারীর সমতায়ন নিশ্চিত করতে দেশের প্রতিটি দর্জিবাড়ি-কে প্রযুক্তি বাড়িতে রূপান্তরের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আ হমদ তৈয়্যব। এজন্য আগের শি-প্রকল্পের সঙ্গে সবুজপাতা নামে নতুন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।  </span></p>
<p><span>তিনি বলেছেন, আমাদের গ্রামের মেয়েরা এখনো কাপড় বিক্রি কিংবা বানানো নিয়ে ব্যস্ত থাকে। আমারা তাদের প্রযুক্তিতে দক্ষ করতে চাই। এজন্য শি-প্রকল্পের পাশাপাশি সবুজপাতা নামে একটি প্রকল্প নেয়া হয়েছে।  ন্যাশনাল ইনোভেশন চ্যালেঞ্জে নারী উদ্যোক্তা ও কর্মীদের প্রাধান্য দেওয়া হবো। সবুজ পাতা নামের যে উদ্যোগ সেখানেও নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।</span></p>
<p>সাইবার স্পেসে নারীদের সুরক্ষার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, <span>দেশের আইসিটি খাতে নারীদের আরও বেশি সম্পৃক্ত করতে সরকার কাজ করছে। সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ আইনটি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পাস হবে। তখন সাইবার স্পেসে নারীদের সুরক্ষা দিতে সক্ষম হবো।</span></p>
<p> </p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>তথ্য প্রযুক্তিতে নারী নেতৃত্ব ১০ ভাগের কম</title>
<link>https://digibanglatech.news/153822</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153822</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_682847e485d48.jpg" length="65143" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 17 May 2025 13:05:17 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span lang="BN">বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে </span>"ডিজিটাল রূপান্তরে নারী-পুরুষ সমতায়ন"  <span lang="BN">প্রতিপাদ্যকে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সামনে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">রেখে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">প্রতিবছরের</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ন্যায়</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">এবছরও</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">১৭</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">মে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সারা</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">বিশ্বে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">বিশ্ব</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">টেলিযোগাযোগ</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">ও</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">তথ্য</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">সংঘ</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">দিবস</span>-<span lang="BN">২০২২</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">উদযাপিত</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">হচ্ছে</span><span lang="HI">। এবার অবশ্য নিজেদের প্রাঙ্গনে এই অনুষ্ঠান করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) </span></p>
<p><o:p> দিবসের মূল আলোচনা সভায় </o:p>স্বাগত বক্তব্যে বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো: এমদাদ উল বারী (অব.) বলেছেন, দেশে বর্তমানে ১৮ কোটি ৬৫ লাখ মোবাইল গ্রাহক এবং ইন্টারনেট গ্রাহক ১৩ কোটির বেশি, যার মধ্যে ফিক্সড ব্রডব্যান্ড ব্যবহারকারী ১ কোটি ৪০ লাখের বেশি। </p>
<p>তিনি বলেছেন, দেশে  তথ্য প্রযুক্তিতে নারীর অংশগ্রহণ মাত্র ২০ শতাংশ, ই-কমার্সে ১৫ শতাংশ, কলসেন্টার-৩০ শতাংশ এবং তথ্য প্রযুক্তি শিল্পে নারী নেতৃত্বের ক্ষেত্রে ১০ ভাগ কম। মোট জনগোষ্ঠীর ৫২ শতাংশ ইন্টারনেট ব্যবহার করে।  এরমধ্যে ২৯ শতাংশ নারী মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করে।  </p>
<p>তিনি আরো বলেছেন, ডিজিটাল রুপান্তরের মৌলিক পরিবর্তনের জন্য সামাজিক কুসংস্কার নিরসন, নারীদের জন্য ডিজিটাল স্বাক্ষরতা, সুলভ মূল্যে ডিভাইস ও ইন্টারনেট প্যাকেজসহ সাইবার বুলিংয়ের ক্ষেত্রে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিটিআরসি শুধু অন্তর্ভূক্তিমূলক উন্নয়ন নয়, একটি টেকসই টেলিযোগাযোগ খাত বিনির্মাণে বদ্ধপরিকর। <span lang="BN"><o:p></o:p></span></p>
<p><o:p>অনুষ্ঠানে ভিডিও বার্তায় </o:p>আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের বর্তমান মহাসচিব ডোরিন বোগডান-মার্টিন বলেন, প্রতিটি প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণের অধিকার রাখা সার্বজনীন অধিকার, আমরা এমন একটি ডিজিটাল ফিউচার প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যেখানে সকলের সমান সুযোগ নিশ্চিত হবে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x_6828e315815da.jpg" alt=""></p>
<p> <o:p></o:p></p>
<p><span lang="EN-GB">বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন, ডিজিটাল রুপান্তরে ক্ষেত্রে যে গ্যাপ রয়েছে সেগুলো যেহেতু চিহ্নিত করা রয়েছে। সেহেতু বর্তমান সরকার অনেকগুলো সংস্কার কর্মসূচির মধ্যে ডিজিটাল ডিভাইড নিয়েও কাজ করছে। নারীর সময়তায়ন ও ক্ষমতায়নের জন্য সমান নয় বরং সমতাভিত্তিক হতে হবে। <o:p></o:p></span></p>
<p><span lang="EN-GB">তথ্য ও সম্প্রসার মন্ত্রনালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেন, তথ্য প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের নারীরা পিছিয়ে রয়েছে। বর্তমানে ৩০ ভাগ নারী  প্রযুক্তি বিষয় পড়াশোনা করছে। নারীবান্ধব প্রযুক্তি শিক্ষার দিকে এগিয়ে যেতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ডিজিটাল স্বাক্ষরতা বাড়ানোর পাশাপাশি ডিজিটাল শিক্ষাকে অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে হবে। <o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; text-align: justify; line-height: normal;"><span lang="EN-GB">সভাপতির বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো: জহিরুল ইসলাম বলেন, ডিজিটাল রুপান্তর কেবল প্রযুক্তিগত উন্নয়ন কিংবা কানেক্টিভিটি নয় বরং এটা সত্যিকার অর্থে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই করতে হবে, তাহলে নারী-পুরুষের সমতায়ন নিশ্চিত হবে। নারীদের জন্য ডিজিটাল শিক্ষা, সাইবার নিরাপত্তা, সাশ্রয়ী মূল্যে ডিভাইস ও</span><span lang="EN-GB">  </span><span lang="EN-GB">ইন্টারনেট সরবরাহ জরুরি উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের জনগোষ্ঠীর অর্ধেক নারী এবং জুলাই বিপ্লবে নারীদের অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে, বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও</span><span lang="EN-GB">  </span><span lang="EN-GB">তথ্য সংঘ দিবস উপলক্ষ্যে গৃহীত কর্মসূচি দিবসের প্রতিপাদ্যে বিষয়ে সচেতনতা তৈরি হবে ।</span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; text-align: justify; line-height: normal;"><span lang="EN-GB">অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আগামী দুই&#45;তিনমাসের মধ্যে ইন্টারনেট দাম কমবে: আসিফ মাহমুদ</title>
<link>https://digibanglatech.news/153819</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153819</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_682830f05997e.jpg" length="111590" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 17 May 2025 11:49:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ইন্টারনেটের দাম কমিয়ে জনগণের ব্যবহার উপযোগী করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। </p>
<p>শনিবার (১৭ মে) রাজধানীর বিটিআরসি ভবনে বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবসের উদ্বোধনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এই আহ্বানা জািনিয়েছেন তিনি। অনুষ্ঠানে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব ও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা বক্তব্য রাখেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিটিআরসি বিটিআরসি চেয়ারম্যান অব. মেজর জেনারেল এমদাদ উল বারী। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন আইসিটি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব জহিরুল ইসলাম।</p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ইন্টারনেট দাম কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আইআইজি ও এনটিটিএন পর্যায়ে দাম কমানো হয়েছে। আগামী দুই এক মাসের মধ্যে গ্রাহক তার সুফল পাবে। তবে ইন্টারনেটের দাম কিভাবে আরও কমানো যায়, জনগণের ব্যবহার উপযোগী করা যায় তা নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষায় ইন্টারনেট ব্যবহারে আমরা অনেক এগিয়ে গেছি, তবে কৃষি ও স্বাস্থ্যে অনেক পিছিয়ে রয়েছি। এই দুই খাতে ইন্টারনেটের ব্যবহার বাড়াতে হবে।</p>
<p>তিনি বলেন, দেশে বন্যা ও ঝড়ের সময় মোবাইল ইন্টারনেট ব্যহত হয়। বন্যা ও ঝড় আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। তবে সেই সময়ে ইন্টারনেট সেবা কিভাবে নিশ্চিত করা যায় তা ভাবতে হবে।দুর্যোগের সময় কিভাবে টেলিযোগাযোগ যেন নির্বিঘ্ন থাকে, সেই উদ্যোগ নিতে হবে। </p>
<p>তিনি আরও বলেন, ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট করে দিয়ে জুলাই অভ্যুত্থানে গণহত্যা চালানো হয়েছিলো। আমরা তখন জানতে পারিনি তখন কি হয়েছিলো। পরে ইন্টারনেট আসার পরে আমরা জেনেছে। ইন্টারনেটকে নাগরিক অধিকার হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা করে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া করা হয়েছে। এটি এই সরকারের একটি বড় অর্জন।</p>
<p>আসিফ মাহমুদ ভূঁইয়া বলেন, তথ্য প্রযুক্তি খাতে অনেক দেশি উদ্ভাবক সুযোগ সুবিধার অভাবে দেশ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিনই এই খাতের নতুন নতুন ইনোভেশনের খবর শুনি৷ সেখানে আমরা কতোটুকু কন্ট্রিবিউট করছি সেটা প্রশ্ন সাপেক্ষ। থ্রি জি, ফোরজি ও ফাইভ জির ক্ষেত্রেও একই। প্রযুক্তি ইনোভেশনের ক্ষেত্রে তরুণ প্রজন্মকে আরও বেশি সম্পৃক্ত হতে হবে। তিনি বলেন, তথ্য প্রযুক্তি ও ইন্টারনেটের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সাইবার স্পেসে নারীদের নিরাপত্তা দিতে আমরা ব্যর্থ হচ্ছি, সেটি স্বীকার করতে আমাদের দ্বিধা নেই। সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ আইনটি পাস হলে সাইবার স্পেস নারীদের জন্য আরও বেশি সুরক্ষিত হবে।</p>
<p>ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, দেশের আইসিটি খাতে নারীদের আরও বেশি সম্পৃক্ত করতে সরকার কাজ করছে। সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ আইনটি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পাস হবে। তখন সাইবার স্পেসে নারীদের সুরক্ষা দিতে সক্ষম হবো।</p>
<p>তিনি বলেন, ন্যাশনাল ইনোভেশন চ্যালেঞ্জে নারী উদ্যোক্তা ও কর্মীদের প্রাধান্য দেওয়া হবো। সবুজ পাতা নামের যে উদ্যোগ সেখানেও নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, 'ডিজিটাল রূপান্তরে নারী-পুরুষ সমতায়ন’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ১৭ মে দেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস। দিবসটি উপলক্ষ্যে সভা সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া বিটিআরসি প্রাঙ্গণে মেলা, ডাক টিকেট অবমুক্তকরণ ও হ্যাকাথন প্রতিযোগিতার আয়োজন রয়েছ।</p>
<p>এদিকে, দিবসটি উপলক্ষ্যে বিটিআরসি ভবন নানা ব্যানার ও ফেস্টুনে সেজেছে৷ দিনব্যাপী আয়োজনে রয়েছে মেলার আয়োজনও।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘আইসিটি ও টেলিকম খাত ফ্যাসিস্টমুক্ত’ করার দাবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/153803</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153803</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_68273ea38ffbb.jpg" length="120020" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 16 May 2025 15:33:08 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সরকারি শ্বেতপত্রের ভিত্তিতে আইসিটি ও টেলিকম খাতে জড়িত দুর্নীতিবাজ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, দ্রুত স্বচ্ছ ও লাইসেন্স প্রক্রিয়া ও সর্বোচ্চ ১০ বছর মেয়াদি লাইসেন্স ব্যবস্থার দাবি তুলেছে  ফ্যাসিস্ট বিরোধী জুলাই নেটওয়ার্ক। তাদের দাবি, অনতিবিলম্বে এটুআই, আইডিইএ, স্টাটআপ বাংলাদেশসহ প্রকল্পগুলোর দুর্নীতি প্রকাশ ও তদন্ত, আন্দোলনের সময় ইন্টারনেট বন্ধে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা এবং ইডিসি প্রকল্পের টেন্ডার ফের স্বচ্ছতার সঙ্গে করতে হবে।</p>
<p>বিটিআরসি-কে আওয়ামী স্বৈরাচার মুক্ত করতে শুক্রবার (১৬ মে) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত এই প্রতিবাদ সমাবেশে এসব দাবি তোলা হয়। সামাবেশে টানানো ব্যানারে লেখা ছিলো ‘নতুন লাইসেন্স দেয়া এবং স্বৈরাচারের দোসরদের লাইসেন্স কেড়ে নাও’ এবং ‘বৈষম্য বন্ধ করে বঞ্চিতদের লাইসেন্স দাও’ স্লোগান লেখা ছিলো। পাশেই আরেকটি ব্যানারে সারিবদ্ধভাবে এই নেটওয়ার্কের দাবিগুলো লেখা ছিলো। </p>
<p>সেখানে  আইসিটি বিভাগ ও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) দুর্নীতিবাজদের অপসারণ, নতুন উদ্যোক্তাদের লাইসেন্স দেওয়া এবং দুর্নীতিমুক্ত, প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরির দাবি জানানো হয় নেটওয়ার্ক এর পক্ষ থেকে।</p>
<p>প্রধান বক্তা হিসেবে গণ-অভ্যুত্থানের পর গণসার্বভৌমত্ব কায়েম করা প্রধান দায়িত্ব মন্তব্য করে সমাবেশে কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার, ফরহাদ মজহার বলেন, জনগণের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে  ডিজিটাল সেক্টরসহ সব খাতকে ফ্যাসিস্টদের সহযোগীদের নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত করতে হবে।</p>
<p>এসময় তিনি মতাদর্শিক বিভাজন পরিহার করে গণসার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে ঐক্য গড়ে তুলতে ছাত্রদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আরো বলেন, গণসার্বভৌমত্বকে অবহেলা করে মতাদর্শিক লড়াইকে যারা মুখ্য করতে চায় তারা মূলত ফ্যাসিজমকেই ফিরিয়ে আনতে চায়।</p>
<p> বক্তব্যে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রকাশিত আইসিটি খাতের শ্বেতপত্র দেখিয়ে জুলাই ফ্যাসিস্টবিরোধী নেটওয়ার্কের আহ্বায়ক মো. আবুল কাশেম বলেন, এখানে কোনো কোম্পানি কত টাকা পাচার করেছে নাম উল্লেখ করে তার হিসাব আছে। গত ১৫ বছরে আগামী লীগ, যুব লীগের নেতারা লাইসেন্স পেয়েছে। তারা পলকের সঙ্গে ইন্টারনেট বন্ধে জড়িত ছিলো। ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যায় শামিল হয়েছে। কিন্তু গত ৯ মাসে এদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের বিচার হয়নি। দায়ীদের অনেকেই দেশ থেকে ভাগলেও তাদের ব্যবসা এখনো চলছে। </p>
<p>ন্যাপ সেক্রেটারি গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, গত ১৫ বছর বঙ্গবন্ধুর নাতি, ফ্যাসিবাদের জননী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র একটি চেয়ারে বসে আইসিটি মন্ত্রণালয়ের হাজার হাজার টাকা লুট করেছে। এখন বোঝা যাচ্ছে ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মা প্রত্যেক মন্ত্রণালয়ে রয়ে গেছে। ফ্যাসিবাদের নায়করা গেলেও তাদের সন্তানেরা কিন্তু এখনো আইসিটি মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। তাদের চিহ্নিত করতে বা দমন না করতে পারলে জুলাই বিপ্লবের ফসল হাতছাড়া হয়ে যাবে। </p>
<p>সমাবেশে আইসিটি ও টেলিকম খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও নাগরিক সমাজের বিভিন্ন প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তাদেরকে সঙ্গে নিয়েই এই আন্দোলন একদিনের সমাবেশে সীমাবদ্ধ থাকবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে ফ্যাসিস্টবিরোধী জুলাই নেটওয়ার্ক। তারা বলেছে, আইসিটি ও টেলিকম খাত এখনো আওয়ামী সিন্ডিকেটের হাতে বন্দি। তাই ধারাবাহিক কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের আইসিটি ও টেলিকম খাতকে দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য তাদের সংগ্রাম চলবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পরিকল্পনায় রোবটিক্স ফিজিওথেরাপি</title>
<link>https://digibanglatech.news/153701</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153701</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_68230ac6550ca.jpg" length="109975" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 13 May 2025 14:03:21 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিদেশ নির্ভরতা কমিয়ে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয়  ঠেকাতে দেশেই প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক চিকিৎসা সেবা চালু করার পরিকল্পনার কথা জানালেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম।</p>
<p>মঙ্গলবার (১৩ মে) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ চক্ষু চিকিৎসক সমিতির (ওএসবি) ৫২তম বার্ষিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলনের প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা চিকিৎসকদের নানা দিক নির্দেশনা দেন। </p>
<p>চিকিৎসা সেবার উন্নয়নে নিজের ভাবনা তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, রোবটিক্স ফিজিওথেরাপির মতো প্রযুক্তিনির্ভর সেবা চালু করতে চাই যাতে দেশের মানুষকে আর চিকিৎসার জন্য বিদেশে ছুটতে না হয়। চিকিৎসকদের বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, দ্রুত কার্যকর হবে বলে আশা করছি। কিন্তু বেতন না বাড়া পর্যন্ত কি চিকিৎসা বন্ধ থাকবে?</p>
<p>স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, ৭ হাজার চিকিৎসককে পদোন্নতির সিদ্ধান্ত হয়েছে, যা চিকিৎসকদের মধ্যে দায়িত্ববোধ বাড়াতে সহায়ক হবে।</p>
<p>চিকিৎসা সেবায় অব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেন, রোগী ভর্তি থেকে শুরু করে অন্যান্য সেবা এখনো সাধারণ মানুষের জন্য সহজলভ্য নয়। চিকিৎসকরা সময়মতো হাসপাতালে যান না। তারা যদি নিয়মিত নিজেদের দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করতে না পারেন তাহলে স্বাস্থ্যসেবায় কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হবে না।</p>
<p>এসময় তিনি চিকিৎসকদের পেশাগত দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং কাঠামোগত সংস্কারের আহ্বান জানান।</p>
<p>নূরজাহান বেগম বলেন, সংস্কার নিজের ভেতরে হতে হবে, তারপর যেখানে দরকার সেখানে। না হলে শুধু রাজা বদল হবে, কিন্তু অবস্থার কোনো পরিবর্তন হবে না। যারা ভালো করছেন, তাদেরই দায়িত্ব দিতে হবে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভালো চিকিৎসক পাঠাতে হবে। প্রয়োজনে বেশি বেতন দিয়ে হলেও।</p>
<p>ওএসবি আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মো. শাহাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব সাইদুর রহমান, বিএমইউর ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হোসেন প্রমুখ।</p>
<p data-block-key="933mj">অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ চক্ষু চিকিৎসক সমিতির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মো. শাহাব উদ্দিন।</p>
<p>তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে দেশি-বিদেশি চক্ষু বিশেষজ্ঞরা অংশ নিচ্ছেন। আয়োজকরা জানান, সম্মেলনটি দেশের চক্ষু চিকিৎসা খাতে ইতিবাচক পরিবর্তনের পথ তৈরি করবে। </p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফেসবুক&#45;ইউটিউবে বেশুমার মিথ্যাচার হচ্ছে</title>
<link>https://digibanglatech.news/153662</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153662</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_6821a7265fcec.jpg" length="90202" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 12 May 2025 13:32:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>অনলাইনে সবাইকে সত্য লেখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম। তিনি বলেছেন, আমরা চাই বাংলাদেশে মিডিয়া ফ্রিডমটা যেন ইনস্টিউটিউশনাল হয়। সবাই যেন কথা বলাটা শিখে। সবাই যেন গঠনমূলক সমালোচনা করতে পারে। কিন্তু ইউটিউব-ফেসবুকে যা হচ্ছে; সকালের লেখা রাতে চেঞ্জ করছেন। এটা ভালো জার্নালিজম করে করা হচ্ছে না।  </p>
<p>সোমবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিকায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনী মিলনায়তনে ‘মিট দ্য রিপোর্টার্স’ অনুষ্ঠানে এই আহ্বান জানা তিনি। ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকনের সভাপতিত্বে পর্য ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউ সহ-সভাপতি গাজী আনোয়ার। </p>
<p>সমালোচনায় চোখ খুলে দেয় উল্লেখ করে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের তিনি বলেন, প্রতিদিন কতজন আমাদের নিয়ে কত মিথ্যা কথা বলে। কিন্তু আমরা কাউকে মুখ বন্ধ করে দেইনি। এটাও কিন্তু ওয়ান শর্টস অব জার্নালিজম সকালে একজন একরকম কথা বলেন। রাতে আরেক কথা বলেন। যদি ফেইলর হইদ অন্যায় করি লেখেন। কিন্তু মিথ্যা কথা লিখেন না।  </p>
<p>তিনি আরো বলেন, সাংবাদিকদের মুখ যেন বন্ধ করা না হয় সে জন্য সাইবর সিকিউরিটির ৯টি বিবর্তনমূলক ধারা বাদ দেয়া হয়েছে। ক্রিমিনালইজ বিষয়টি বাদ দেয়া হয়েছে। তাই সত্যটা লিখুন। </p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x_6821aa412f117.jpg" alt=""></p>
<p>মিট দ্য প্রেসে বক্তব্য শেষে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটের <span class="html-span xdj266r x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r xexx8yu x4uap5 x18d9i69 xkhd6sd x1hl2dhg x16tdsg8 x1vvkbs"><a class="html-a xdj266r x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r xexx8yu x4uap5 x18d9i69 xkhd6sd x1hl2dhg x16tdsg8 x1vvkbs" tabindex="-1"></a></span>সদস্যদের অতিথিদের জন্য নতুন 'গেস্ট ক্যান্টিন' উদ্বোধন করেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম। এসময় ডিআরইউ সভাপতি <span>আবু সালেহ আকন; সাধারণ সম্পাদক পদে মাইনুল হাসান সোহেল, যুগ্ম সম্পাদক</span> <span>নাদিয়া শারমিন,</span><span> আপ্যায়ন সম্পাদক মোহাম্মদ সলিম উল্লাহ,  কল্যাণ সম্পাদক রফিক মৃধা, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সুমন চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</span></p>
<p>এর আগে মিট দ্য প্রেসে ড. ইউনূসের সময় গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়, গ্রামীণ এমপ্লয়মেন্ট এজেন্সি, গ্রামীণ ওয়ালেটসহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে অনুমোদন ও বিশেষ সুবিধা নিয়েছে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, আপনি দেখেন যে এখানে (অনুমোদন পাওয়ার ক্ষেত্রে) অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ বা ভূমিকা আছে কি না? আর যেসব প্রতিষ্ঠানের কথা বলছেন, সেগুলো কোনোটাই কি ড. ইউনূসের ব্যক্তিগত কি না? এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তার কোনো শেয়ার আছে? এসব প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি কোনো সুবিধা পান? আসলে কি এগুলো ড. ইউনূসের প্রতিষ্ঠান?</p>
<p>ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নিজস্ব কোনো সম্পত্তি নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, গ্রামীণ নামটা না হয় ড. ইউনূস দিয়েছেন। তিনি তো এসব প্রতিষ্ঠানের একটা শেয়ারের মালিক না। উনার ব্যক্তিগত কোনো সম্পত্তি বা শেয়ার আছে কোথাও, কেউ দেখাতে পারবেন না। এসব প্রতিষ্ঠান অনুমোদন পাওয়ার ক্ষেত্রে সরকার কোনো ভূমিকা রাখেনি। আমি সবাইকে এসব বিষয়ে তদন্ত করার অনুরোধ জানাই।</p>
<p>“গ্রামীণ এমপ্লয়মেন্ট এজেন্সি ২০০৯ সালে আবেদন করেছিল। ওই সময়ে ড. ইউনূস সৌদি আবর গিয়েছিলেন, সেখানে সৌদি ও জার্মানের একটা হাসপাতাল চেইন তাকে বলেছেন আপনি নার্স এবং হাসপাতাল স্টাফ পাঠান। তারা বাংলাদেশের নিয়মিত কর্মী পাঠানো এজেন্সির মাধ্যমে নেবে না। কারণ ড. ইউনূসের মাধ্যমে নিলে খরচ একদম সীমিত পর্যায়ে থাকবে। সেই আলোকে শেখ হাসিনার সরকারের আমলে লাইন্সেসের জন্য আবেদন করেছিলেন। কিন্তু তারা অনুমোদন দেয়নি। এখন ২০২৪ সালের পর যদি লাইসেন্সের অনুমোদন পায় তাহলে দোষ কি? বাংলাদেশে এরকম সাড়ে ৩ হাজার এজেন্সি আছে”- যোগ করেন শফিকুল আলম।  </p>
<p>তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় করতে চেয়েছিলেন ২০১২-১৪ সালের মধ্যে। ২০১৪ সালে পূর্বাচলে তার ২-৩শ বিঘা জমি কেনা হয়েছিল। তখন যতবারই বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের কাছে আবেদন নিয়ে গিয়েছিলেন, ততবারই তারা বলেছিলেন আবেদন জমা দিয়েন না। আমরা অনুমতি দিতে পারবো না। এখন গত ছয় মাস অডিট করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আমরা আর গুহাবাসী নই</title>
<link>https://digibanglatech.news/153659</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153659</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_682191bc66680.jpg" length="80558" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 12 May 2025 12:01:33 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>চিকিৎসকরা নিজের প্রচেষ্টাতেই ২৫ শতাংশ সেবার মান বাড়াতে পারেন বলে মনে করেন <strong><span> </span></strong>প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এজন্য তিনি চিকিৎকদের প্রতি কোনো বাদানুবাদে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। </p>
<p>সোমবার (১২ মে) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রথম সিভিল সার্জন সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান ‍উপদেষ্টা বলেন, স্বাস্থ্যসেবার কোনো কাঠামো লাগে না। পথে যাওয়ার পথে ‍যদি দেখি, কেউ অসুস্থ হয়ে পড়েছে তবে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান এমন কথা বলতে পারি না। আমি চিকিৎসক, আমাকে এখনই তাকে চিকিৎসা দিতে হবে। এখান থেকে পরিত্রাণ নেই। আমার হাতে সব কিছু থাকলে। আমি চিকিৎসা দেবো না তা কোনো ডাক্তার বলতে পারবে না। </p>
<p>তিনি আরো বলেন, আমাদের ওপর অনেক দায়িত্ব। অনেক ক্ষমতা। আমরা আর গুহাবাসী নই। কোনো ব্যাখ্যা দিয়ে কাউকে বোঝাতে পারবো না। অন্তর্বর্তী সময়ে পরিবর্তনের অনেক কিছুই স্বাস্থ্য কমিশন তুলে ধরেছে। আমরা এটাকে সম্মান করি। কিন্তু দ্রুত চলে যাওয়া মুহূর্তকে কাজে লাগাতে হবে। আজকের কাজ আজকেই করতে হবে। আমরা যা আছে; যেটুকু দিয়েছে তা নিয়ে যেটুকু সেবা দেয়া যায় দিতে হবে। এখন দুর্নীতির সুযোগ চলে গেছে। পুরোনো অভ্যাসের ইতি টানতে হবে। আপনাদের মনে করতে হবে, আমার কাছে মানুষ অনেক ক্ষমতা আছে। স্বাস্থ্য এমন একটা জিনিস এখানে বাদানুবাদের কিছু নেই; রাজনৈতিক মতাদর্শের কিছু নেই। মানুষ মারা যাচ্ছে আমি তাকে সেবা দিচ্ছি। তার জীবন রক্ষার চেষ্টা করছি। </p>
<p>প্রধান উপদেষ্টা আরো বলেন, আপনি ডাক দিলে সবাই ছুটে আসবে। তাই আলাপ আলোচনা করে নিজেরা কি করতে পারি তা নির্ধারণ করতে হবে। কারো কাছে প্রতিজ্ঞা করার কিছু নেই। মুচলেকা দেয়ার কিছু নেই। নিজের মুচলেকা নিজের কাছে। আমাদের যা আছে তা দিয়েই বিরাট পরিবর্তন করা সম্ভব।  আমরা যা করি তাই বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেবা। আমি আমার মন ঠিক করলেই ২৫ শতাংশ সেবার মান বাড়বে। </p>
<p>স্বাস্থ্য খাত সংস্কার উদ্যোগের অংশ হিসেবে জেলা পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে চ্যালেঞ্জ ও করণীয় নিয়ে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেছেন, স্বাস্থ্যখাতে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহির প্রকট অভাব রয়েছে। এ অভাব দূর না হলে চিকিৎসক ও নার্সসহ জনবল যতই নিয়োগ দেওয়া হোক না কেন কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাওয়া যাবে না। </p>
<p>স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সাত হাজার সুপারনিউমারি পদ সৃষ্টি ও নতুন তিন হাজার চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সাত হাজার সুপারনিউমারি পদ সৃষ্টির মাধ্যমে বঞ্চিত চিকিৎসকদের পদোন্নতি দেওয়া হবে।</p>
<p><span>হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের পাশে শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে চলমান </span>সম্মেলনে ১৩টি মন্ত্রণালয়ের ১১টি কার্য অধিবেশন হবে। অধিবেশনগুলোতে খোলামেলা আলোচনা হবে স্বাস্থ্য খাতের সমস্যা ও উন্নয়ন নিয়ে।</p>
<p class="alignfull">স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রতি বছর ৬৪ জেলা প্রশাসকদের নিয়ে ডিসি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে জেলার নানা বিষয় উঠে আসে। এবার সেই আদলে ৬৪ জেলার স্বাস্থ্য প্রশাসকদের নিয়ে প্রথমবার সিভিল সার্জন সম্মেলন হতে যাচ্ছে। এ সম্মেলনের আগে সেবার ক্ষেত্রে সমস্যা ও চ্যালেঞ্জগুলো পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। সিভিল সার্জনরা তাদের মতামত মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন।</p>
<div class="aligncenter ittefaq_MomegicTF_1 pt10 pb10 w100">
<div class="aw336">
<div id="ittefaq_MomegicTF_1" data-google-query-id="CN7TmsGenY0DFQGKrAId7bMbkw"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সরকারের হস্তক্ষেপ ছাড়া এআই  রেভ্যুলিউশন অসম্ভব : বিটিআরসি চেয়ারম্যান</title>
<link>https://digibanglatech.news/153561</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153561</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_681cddcc41940.jpg" length="75846" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 08 May 2025 20:37:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্য, ফিনটেক ও শিল্পখাতে এআই অন্তর্ভুক্তির বিষয় নিয়ে শেষ হলো দেশের প্রথম এআই সম্মেলন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাড্ডায় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী সম্মেলনের সমাপনীতে  দেশের জন্য এআই কৌশলপত্র তৈরির ওপর জোর দিয়েছেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী। </span><span></span></p>
<p><span>প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান বলেছেন, সরকারের হস্তক্ষেপ ছাড়া এআই রেভ্যুলিউশন হওয়াটা অসম্ভব। কারণ এতে ডাটা প্রাইভেসি এবং ক্রস বর্ডার ডাটা এক্সচেঞ্জ এর বিষয় গুলো জড়িত। <br></span></p>
<p><span>ব্যক্তি জীবনের নানা অভিজ্ঞতা শেয়ার করে এমদাদ উল বারী প্রশ্ন রাখেন, </span>আমরা কি এআই-কে ব্যবহার করব সবার জন্য, নাকি এটাকে হতে দেব বৈষম্যের মাধ্যম? নিজেই এর উত্তর দিয়ে বলেন, “আমাদের কাজই ঠিক করে দেবে, প্রযুক্তির এই অপার সম্ভাবনার সুষ্ঠ ব্যবহারে কিভাবে জনজীবনে কল্যাণ বয়ে আনতে পারে। এআই এখন আর শুধু ভবিষ্যতের বিষয় নয়, এটি এখন আমাদের জীবনের অংশ। এখনই আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়।” </p>
<p>তিনি আরো বলেন, “এই প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন খাতের বিশেষজ্ঞরা একত্রিত হয়ে কেবল জ্ঞান বিনিময় করেননি—তারা আমাদের সামনে খুলে দিয়েছেন এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার। এই আলোচনা আমাদের বুঝতে শিখিয়েছে, এআই একদিকে যেমন বিশাল সুযোগ এনে দিচ্ছে, অন্যদিকে তেমন কিছু গভীর চ্যালেঞ্জও সামনে আনছে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তাটি হচ্ছে—এই প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ কেমন হবে, তা নির্ভর করছে আমাদের আজকের সিদ্ধান্তের ওপর।”</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x_681ce4a3d0d9f.jpg" alt=""></p>
<p>সমাপনী অধিবেশনে সামাজিক উন্নয়ন ও বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকেন্দ্রীকরণের গুরুত্ব তুলে ধরেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার। তিনি বলেন, <span>জাতীয় উন্নয়ন এবং আর্থিক সেবার পরিধি বাড়াতে এআইয়ের ভূমিকা নিয়ে অপরিসীম। এ ছাড়া শিক্ষা খাতে এআইয়ের মাধ্যমে সহজলভ্য শিক্ষার সুযোগ তৈরিসহ উদ্ভূত নৈতিক চ্যালেঞ্জ, বিশেষ করে গোপনীয়তা ও ক্ষমতার ভারসাম্যের ওপর আমাদের গুরুত্বারোপ করতে হবে।</span></p>
<p>সম্মেলেন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত এআআই হ্যাকাথনে ৬টি উদ্ভাবনী এআই সমাধানকে পুরস্কৃত করা হয়। হ্যাকাথনে ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দলের মেশিন মাইন্ডসেট; স্বস্থ্য খাতের সল্যুশন নিয়ে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি) দলের কিউআরএআরজি, ফিনটেক সমাধান দিয়ে ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি থেকে রানটাইম টেররস,  কৃষিতে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যায়ের কোড ফার্মারস থেকে কৃষি সেক্টরে, নাগরিক সমস্যার সমাধান দিয়ে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের টিম গ্ল্যাডিয়ার্স এবং শিক্ষায় রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) বুরাক প্রথম এআই হ্যাকাথন চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।</p>
<p>সম্মেলন চলাকালে গত মার্চে অনুষ্ঠিত এআই হ্যাকাথনের সেরা ৩১টি দল নিজেদের তৈরি উদ্ভাবন প্রদর্শন করে।  এদের মধ্যে অনুষ্ঠানে এই ছয় বিজয়ী দলের হাতে ১ লক্ষ টাকার স্বারক চেক তুলে দেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান। এসময় অন্যান্যের মধ্যে <span>ব্র্যাক বিজনেস স্কুলের ডিন মোহাম্মাদ মজিবুল হক ও <span lang="EN">বাংলাদেশ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ব্র্যান্ড</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ফোরাম</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">এবং</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">বাংলাদেশ</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ইনোভেশন</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">কনক্লেভের</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">প্রতিষ্ঠাতা</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ও</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ব্যবস্থাপনা</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">পরিচালক</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">শরিফুল</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।</span></span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x_681ce4a57b0d4.jpg" alt=""></p>
<div id="798d9c4b-8d80-4496-a777-964e9d22c8ab">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>এর আগে বিভিন্ন প্যানেল আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তারা বলেন, <span>বর্তমানে দেশ-বিদেশের কোটি কোটি মানুষ দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)–নির্ভর বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন। অন্য সব প্রযুক্তির তুলনায় এআই বেশ গতিশীল। তাই পুরো বিশ্ব এখন এআই বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এআইকে কাজে লাগাতে হবে।</span></p>
<p>প্যানেল আলোচনায় গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, এআই এখন অনেক শক্তিশালী। এখন এই প্রযুক্তি দিয়ে অনেক কাজ করা যাচ্ছে। ব্যক্তিগত কাজ হোক বা পেশাদার, সব কাজেই এআই উপস্থিত। এআই দিয়ে ভালো কাজ করতে হবে। নৈতিকতার বিষয়গুলোকে মাথায় রাখতে হবে। এআই যেন ভালো ও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায় সে বিষয়ে প্রযুক্তিবিদ, ব্যবহারকারী ও সরকারি-বেসরকারি সংস্থার সম্মিলিত ভূমিকা থাকতে হবে।</p>
<p>সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, এখন সবখানেই প্রযুক্তির ছোঁয়া দেখা যাচ্ছে। স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে কৃষি, সব ক্ষেত্রেই এআইয়ের উপস্থিতি রয়েছে। প্রযুক্তি আসলে এমন একটা মাধ্যম, যা মানুষকে শক্তিশালী করে তোলে। এ জন্য বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে এআইকে ব্যবহার করতে হবে।</p>
<p>অন্যান্য প্যানেল আলোচনায় বক্তারা জাতীয় উন্নয়ন এবং আর্থিক সেবার পরিধি বাড়াতে এআইয়ের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। এ ছাড়া শিক্ষা খাতে এআইয়ের মাধ্যমে সহজলভ্য শিক্ষার সুযোগ তৈরিসহ উদ্ভূত নৈতিক চ্যালেঞ্জ, বিশেষ করে গোপনীয়তা ও ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে আলোচনা করা হয়।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<h1 class="post-title"><a href="https://digibanglatech.news/153534">ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে বসেছে দেশের প্রথম এআই সম্মেলন</a></h1>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মানবিক মূল্যবোধ বজায় রেখে প্রযুক্তি নির্ভর জীবনে এগিয়ে যেতে হবে: চুয়েট ভিসি</title>
<link>https://digibanglatech.news/153496</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153496</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_681ad5ca53456.jpg" length="78598" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 07 May 2025 00:38:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া মহোদয় বলেছেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে জীবনধারায় ব্যাপক পরিবর্তন আসছে। এ অবস্থায় মানবিক মূল্যবোধ বজায় রেখে প্রযুক্তি নির্ভর জীবনে এগিয়ে যেতে হবে। আগের তিনটি শিল্পবিপ্লব মানুষের জীবন ও জীবিকা সহজ করেছে। এখন চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যে প্রেক্ষিত সামনে এসেছে তাতে নানামুখী চিন্তা, উদ্ভাবন ও সম্ভাবনার সঙ্গে অনেক চ্যালেঞ্জও দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে অনেক কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবটিক উপস্থিতির ফলে উৎপাদন আরও বাড়বে। তবে মানুষের কাজের পরিবর্তিত ক্ষেত্র ও চাহিদা পূরণ করতে হবে। এতে গবেষণা, উদ্ভাবন ও নতুন ধারণার প্রয়োজন হবে। তাই শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগ খুবই জরুরি। উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গবেষণা এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা দরকার।</p>
<p>বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের সেমিনার কক্ষে মঙ্গলবার বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (বিএমই) বিভাগ আয়োজিত ''Research, Collaboration and Career Prospects in Biomedical Engineering'' শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p>এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন তড়িৎ ও কম্পিউটার প্রকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সামসুল আরেফিন।</p>
<p> সেমিনারে আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডাঃ অনিরূদ্ধ ঘোষ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ এম. এ. রহিম, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ রবিউল আলম, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকসিয়াস ডিজিসেস (বিআইটিআইডি) এর পেডিয়াট্রিক্স বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডাঃ মোঃ গিয়াস উদ্দিন, বুয়েটের বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তারিক আরাফাত, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের রেডিওথেরাপি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ রাকিবুল হাসান, চট্টগ্রাম এভারকেয়ার হাসপাতালের বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান জনাব মোঃ তৌহিদুজ্জামান রিয়াদ এবং জি ই হেলথ কেয়ারের সার্ভিস স্পেশালিস্ট জনাব আরিজিত রায়। এছাড়া বক্তব্য রাখেন চুয়েটের পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এর বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম এবং পরিকল্পনা ও উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন।</p>
<p>এতে সভাপতিত্ব করেন বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এর বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. নিপু কুমার দাশ। সেমিনার সঞ্চালনা করেন বিএমই বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী জনাব মোসারাত হাবিব।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ক্লারিটি নিয়ে গুজব মোকাবেলায় সাহসী হতে হবে</title>
<link>https://digibanglatech.news/153442</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153442</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_6818afad0335d.jpg" length="103854" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 05 May 2025 19:29:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বর্তমান সময়ে মিস ইনফরমেশন ও ডিস ইনফরমেশন ও ম্যাল ইনফরমেশন বেড়েছে। এটা মোকাবেলায় তথ্য প্রযুক্তিতে দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি তথ্য কর্মকর্তাদের সাহসী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন জনপ্রশাসন সচিব। </p>
<p>তিনি বলেন, গুজবের সবচেয়ে বড় কারণ তা মজাদার ও বিশ্বাসযোগ্য। ইতিহাস বলে স্বৈরাচার কখনো ফেরে না। </p>
<p>সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁও আইসিটি টাওয়ারের বিসিসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত দুই দিনের ডিজিটাল ভেরিফিকেশন এন্ড ফ্যাক্ট চেকিং বিষয়ক দুই দিনের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ বিতরণী অনুষ্ঠানে এই আহ্বান জানান তিনি।</p>
<p>কর্মশালায় দেশের ৬৪ জেলার তথ্য অফিস, ৪টি উপজেলা তথ্য অফিস ও সাতটি আঞ্চলিক তথ্য অফিসের কর্মকর্তারা প্রশিক্ষনে অংশ নেন।  </p>
<p>কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইসিটি থেকে সবচেয়ে বেশি লুটপাট হয়েছে উল্লেখ করে এই বিভাগ থেকে সকল তথ্য কর্মকর্তাদের একটি করে ল্যাপটপ উপহার দেয়ার পরামর্শ দেন জ্যেষ্ঠ সচিব ড. মোঃ মোখলেস উর রহমান। দেশের তথ্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, নেতিবাচক বিষয় দ্রুত ছড়ায়। এটা মানব জীবনকেও বেশি প্রভাবিত করে। এ থেকে বেরিয়ে আসা দরকার। এ জন্য তথ্য কর্মকর্তাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিবাচক খবর ছড়িয়ে দিতে হবে।</p>
<p>তিনি আরো বলেন, ইমো সবচেয়ে দুর্বল ইমো। হোয়াটসঅ্যাপও পেগাসাস দিয়ে জানা যায়। তবে রাষ্ট্রদ্রোহী বা স্পর্শকাতর কোন বিষয় ছাড়া সরকারের তাতে আগ্রহ নেই। জ্যেষ্ঠ সচিব বলেন, গত ১৬ বছরে সাহস দেখিয়েছেন জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান লুবনা। কিন্তু দুঃখের বিষয় এখন  সমাজ ও রাষ্ট্রে সহসী পুরুষ দেখা যায় না। তাই দেশের জন্য সবাইকে সাহসী হতে হবে। নিজেকে আগে পরিবর্তন হতে হবে। সময়ের গুরুত্ব দিতে হবে। ছোট বাক্যে, বোধগম্য ভাষায়, ভিডিও মাধ্যমে, বিনোদনের মাধ্যমে জেলা উপজেলায় সরকারের তথ্য প্রচার করতে হবে। </p>
<p>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ ফায়জুল হক বলেন, গুজব বিশ্বজুড়ে বিদ্যমান থাকলেও বাংলাদেশে এর প্রভাব প্রকট। তাই ছয় ধরনের গুজব বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। অতি চালাক আর বোকারাই সমাজে হুমড়ি খেয়ে গুজব ছড়ায়। তাই প্রশিক্ষণ লব্ধ জ্ঞান কাজে লাগাতে হবে। নির্বাচনের সময় ব্যাপকভাবে গুজব ছড়ানোর শঙ্কা রয়েছে। তাই গুজব প্রচারকারীদের সনাক্ত করতে হবে। এজন্য সব তথ্য কর্মকর্তার জন্য একটি করে ল্যপটপ দেয়ার জন্য আইসিটি বিভাগকে অনুরোধ করছি।</p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে সচিব মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া বলেন, ভাইরাল একটা ভাইরাস। এট দেশের সংহতি বিনষ্ট করে। তাই এটা সনাক্ত করে মানুষদের সচেতন করতে হবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে স্টেজে পাঁচ জন প্রশিক্ষনার্থীর হাতে সনদ তুলে দেন জনপ্রশাসনের জ্যেষ্ঠ  সচিব। তবে ফেরার সময় শিক্ষার্থীদের সাথে করমর্দন করেন  তিনি।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>উন্নয়নের মাপকাঠি হওয়া উচিত কাজের গুণগত মান, শুধু অর্থছাড় নয়</title>
<link>https://digibanglatech.news/153344</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153344</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_6814eb01835ce.jpg" length="111117" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 02 May 2025 18:56:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি শুধুমাত্র অর্থছাড়ের উপর নির্ভর করে। এ চর্চা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। অর্থছাড় অবশ্যই দরকার কিন্তু উন্নয়ন প্রকল্পে কাজের গুনগত মান নিশ্চিত হচ্ছে কিনা সে বিষয়টি আমাদের মূল ফোকাস হওয়া উচিত।</p>
<p>শুক্রবার কুমিল্লা জেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে কুমিল্লা জেলার চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এসব কথা বলেন।</p>
<p>বিশেষ সহকারী বলেন, আমরা জানি সরকারি কাজে অর্থছাড় হয়ে যায় কিন্তু কাজ শেষ হয় না এ বিষয়ে সবাই সতর্ক থাকবেন। অফিসে বসে প্রকল্প সম্পর্কে খোঁজখবর না নিয়ে প্রয়োজনে প্রকল্প এলাকায় যেতে হবে। প্রকল্পের ভৌত অবস্থা নিয়মিত যাচাই করতে হবে। ঠিকাদারদের সব সময় পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। এগুলো না করলে কোন পরিবর্তন সাধিত হবে না। সরকারি প্রকল্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে ওভার এস্টিমেশন হয়, ইচ্ছাকৃত সময় ক্ষেপণ হয় ফলশ্রুতিতে সরকারের ব্যয় বাড়ে এ থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।</p>
<p>ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ভূমির উপরিভাগের টপসয়েল তৈরি হতে ২৫ থেকে ৩০ বছর সময় লাগে, এই মাটি ইটভাটায় বিক্রি করা হচ্ছে। টহল জোরদার এর মাধ্যমে এই মাটিকাটা বন্ধ করতে হবে। টপসয়েল নষ্টকারী এবং ভূমি দস্যুদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। এজন্য আপনাদের উপর কোন পলিটিক্যাল চাপ আসলে সরকার আপনাদের প্রটেক্ট করবে। সরকারের দিক থেকে আপনাদের উপর কোন প্রেশার আসবে না। সরকারি কর্মকর্তাদের নৈতিক যেকোনো পদক্ষেপে সরকার সমর্থন দিবে।</p>
<p>দেশের গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কে বাজার অব্যবস্থাপনার কারণে সৃষ্ট যানজট নিরসনেরও নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি। প্রতিটি উপজেলায় একটি করে পার্ক হবে। উপজেলায় যে পুকুর বা দীঘী আছে তার পাড় সংরক্ষণ করে সেখানে সুন্দর পরিবেশ তৈরি করুন যাতে পরিবারগুলো বেড়াতে যেতে পারে। সেখানে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের জন্য স্ব স্ব থানা টহলের ব্যবস্থা করবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। </p>
<p>বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার বলেন, আপনারা এই জেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, আপনারা সবাই আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। শ্রম দিচ্ছেন, মেধা খাটাচ্ছেন, সরকারের অর্থ ব্যয় হচ্ছে আন্তরিকভাবে কাজ করছেন কিন্তু তবুও মানুষের অনেক অভিযোগ। অনেক রকম অপ্রাপ্তি, অসন্তোষ তারা প্রকাশ করেন। জনগণের যে সেবা পাওয়ার কথা তা তারা পাচ্ছে না। আমরাও কাঙ্ক্ষিত উন্নতি সাধন করতে পারছি না। কেন পারছিনা এ বিষয়ে আমাদের সবাইকে ভাবতে হবে।</p>
<p>কুমিল্লার স্থানীয় সরকার বিভাগ, সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন, বিএডিসি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বিসিক, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর এর কর্মকর্তারা সভায় তাদের প্রকল্পের অগ্রগতি এবং সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন।</p>
<p>কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়সার এর সভাপতিত্বে জেলার সকল সরকারি অফিসের প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সভায় উপস্থিত ছিলেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘আন্তরিকতায় নয়; জনসচেতনতার অভাব’</title>
<link>https://digibanglatech.news/153320</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153320</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_6813a05546fab.jpg" length="93827" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 01 May 2025 17:25:59 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span class="x3jgonx">প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন</span><span class="x3jgonx">, লাকসাম একটি প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকা। দেশের অর্থনীতি সচল থাকে প্রবাসীদের আয়ে। সরকার প্রবাসীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করছে। এতদিন বিভিন্ন সমস্যার কারণে সেই সব সুযোগ সুবিধা জনগণের কাছে পৌঁছেনি। বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করার পর থেকে সমস্যাগুলো গুরুত্ব দিয়ে সমাধানের চেষ্টা করছে। ইতিমধ্যে প্রবাসীরা কিছু সুফল পেতে শুরু করেছেন। এক্ষেত্রে সরকারের আন্তরিকতার অভাব না থাকলেও জনসচেতনতার অভাব রয়েছে। আমাদের প্রবাসী এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা অধিকার নিয়ে সচেতন নয়। এক্ষেত্রে অধিকার আদায়ে প্রবাসীদের সচেতনতা জরুরি।</span><br><br><span class="x3jgonx">তিনি আরো বলেন, আমরা নিজেদের এবং আমাদের সন্তানদের জন্ম তারিখ, নাম এবং নামের বানান সকল জায়গায় সঠিকভাবে প্রদান করব। যদি জন্ম তারিখ, নাম এবং নামের বানান একেক জায়গায় একেক রকম হয় তবে ভবিষ্যতে এ নিয়ে গুরুতর সমস্যা তৈরি হবে যা সমাধান করা সম্ভব হবে না। কেননা নাগরিকদের সকল তথ্য এখন ডিজিটালাইজড হয়ে যাচ্ছে।</span></p>
<p><span class="x3jgonx">অবশ্য এ বিষয়ে জনসচেতনতা ভবিষ্যতের সমস্যা গুলোকে সমাধান করে দিবে বলেও মন্তব্য করেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। </span></p>
<p><span class="x3jgonx">বৃহস্পতিবার কুমিল্লার লাকসামে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড আয়োজিত এসএসসি ও এইচএসসির ছাত্র ছাত্রীদের শিক্ষাবৃত্তি, প্রবাসে মৃতের পরিবারকে আর্থিক অনুদান, ক্ষতিপূরণ ও বীমার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে একথা বলেন তিনি। এরপর তিনি পাশ্ববর্তী খিলা আজিজ উল্লা উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। উভয় স্কুলের প্রধান শিক্ষকের নিকট তিনি ল্যাপটপ এবং খেলার সামগ্রী হস্তান্তর করেন।<br><br>অনুষ্ঠানে আর্থিক অনুদান হিসেবে লাকসাম, নাঙ্গলকোট এবং মনোহরগঞ্জ উপজেলায় জন প্রতি তিন লাখ টাকা করে ১৮ লক্ষ টাকা। জীবন বীমা বাবদ নাঙ্গলকোট এবং মনোহরগঞ্জ উপজেলায় তিনজনকে ২৪ লাখ টাকা। ক্ষতিপূরণ বাবদ দুজন প্রবাসীর পরিবারকে ৭২ লক্ষ ১৪ হাজার ৫৫৩ টাকা। এসএসসি এবং সমমান ছাত্র-ছাত্রীদের ৫ লাখ ৭৭ হাজার টাকা এবং এইচএসসি ও সমমান ছাত্রছাত্রীদের ৩ লাখ ৬ হাজার টাকা মোট এক কোটি ১৪ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করেছে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড। </span><br> <br><span class="x3jgonx">অনুষ্ঠানে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, গণউদ্যোগ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ লাকসাম উপজেলার শ্রেষ্ঠ স্কুল এবং জেলার মধ্যে দ্বিতীয়। তিনি বলেন, অন্যকে সম্মান দিবেন, নিজেকে জাহির করা থেকে বিরত থাকুন আর কি রেখে যাচ্ছেন এটা সবসময় মনে রাখবেন তাহলে আপনি কোথাও আটকাবেন না।</span><br><br><span class="x3jgonx">ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক ব্যারিস্টার মোঃ গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার সহ গণউদ্যোগ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এর শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সফট&#45;হার্ড স্কিল ও কারিগরি শিক্ষা আবশ্যিক হচ্ছে</title>
<link>https://digibanglatech.news/153104</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153104</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_680c4afe580d4.jpg" length="99527" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 26 Apr 2025 00:01:32 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের গ্র্যাজুয়েট হিসেবে গড়ে তুলতে সিলেবাসে আমূল সংস্কার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।</p>
<p>তিনি বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় একটি সংস্কার প্রক্রিয়ার মধ্যদিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মানোন্নয়ন ও তাদের আন্তর্জাতিক মানের গ্র্যাজুয়েট হিসেবে গড়ে তুলতে সিলেবাস সংস্কার করা হচ্ছে। নতুন সিলেবাসে সফট স্কিল, হার্ড স্কিল ও কারিগরি শিক্ষা আবশ্যক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।</p>
<p>জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‌‌আন্তঃকলেজ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।</p>
<p>জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য এবং স্পোর্টস বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন বিকেএসপির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মুনীরুল ইসলাম।</p>
<p>বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম, বিকেএসপির পরিচালক কর্নেল মো. গোলাম মাবুদ হাসান। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আমিনুল আক্তার।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্থানীয়ভাবে গুজব ও অপতথ্য মোকাবিলায় জেলা তথ্য অফিসকে কাজ করতে হবে</title>
<link>https://digibanglatech.news/152997</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152997</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_6807e2c9e849f.jpg" length="116773" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 22 Apr 2025 22:43:44 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মোঃ মাহফুজ আলম বলেছেন, স্থানীয়ভাবে গুজব ও অপতথ্য মোকাবিলায় জেলা তথ্য অফিসসমূহকে কাজ করতে হবে। এর পাশাপাশি স্থানীয় জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি প্রচারেও তথ্য অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। মঙ্গলবার (২২শে এপ্রিল) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ফোকাস গ্রুপ আলোচনায় উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।</p>
<p>জনসচেতনতা সৃষ্টিতে জেলা তথ্য অফিসের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জেলাপ্রশাসন, স্থানীয় সাংবাদিক ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের প্রচার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে। জেলা তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ-কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, তথ্য সংরক্ষণ ও প্রচারে তথ্য কমপ্লেক্স কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। মাহফুজ আলম বলেন, তথ্যের অবাধ প্রবাহ সৃষ্টিতে তথ্য কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি তথ্য কর্মকর্তাদের যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।</p>
<p>সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেন, জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে স্থানীয় গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। তিনি গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধে জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।</p>
<p>ফোকাস গ্রুপ আলোচনায় গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফায়জুল হক বলেন, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের অধীন জেলা তথ্য অফিসসমূহ জনগুরুত্বপূর্ণ বার্তা প্রচারে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। তিনি প্রচার কার্যক্রমের মানোন্নয়নে ডিজিটাল ডিসপ্লে-সংবলিত সিনেমাভ্যান সরবরাহের জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এর পাশাপাশি তিনি বিভাগীয় তথ্য অফিস ও উপজেলা তথ্য অফিস স্থাপনের প্রস্তাব করেন। </p>
<p>সভায় প্রচার কার্যক্রমের মানোন্নয়ন ও রূপরেখা প্রণয়ন, জেলা পর্যায়ে গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধ, প্রচারকৌশলের আধুনিকায়ন এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে করণীয় বিষয়ে আলোচনা হয়। </p>
<p>ফোকাস গ্রুপ আলোচনায় প্রধান তথ্য অফিসার মো. নিজামূল কবীর, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খালেদা বেগম, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আবদুল্লাহ, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব মোর্শেদ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক মোহা. আবেদ নোমানী, সাবেক সচিব সৈয়দ সুজা উদ্দিন আহমেদ, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক মো. আব্দুল মান্নান, সাবেক অতিরিক্ত সচিব আবু আব্দুল্লাহ-সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ মতামত প্রদান করেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘টেলিকম খাতে কনফ্লিক্ট নয়, কমপ্লিমেন্ট’; সেবায় ‘ভার্টিক্যাল নয়, হারাইজন্টাল’</title>
<link>https://digibanglatech.news/152885</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152885</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_680445331e958.jpg" length="90900" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 19 Apr 2025 22:53:17 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>গ্রাহকের স্বার্থ্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এবং ডিজিটাল সেবাকে প্রাধান্য দিয়ে ‘অন্তর্ভূক্তিমূলক সমাজ গড়তে’ চায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। কিন্তু নেটওয়ার্কে কেন্দ্রবিন্দু ট্রান্সমিশন। এরওপর সব কিছু নির্ভর করে। এখানে মোবাইল অপারেটরদের সুযোগ দেয়া হলেও কেবল জোড়াতালিদিয়েই তারা চলছেন। এই নেটওয়ার্কটি আলাদা করতেও পর্যাপ্ত বিনিয়োগ করেনি এনটিটিএনরা। ফলে </span><span>কানেক্টিভিটির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা বিশাল সাম্রাজ্যের দেশের ইন্টারনেট সেবার পথ কন্টকাকীর্ণ হয়েছে বলে মনে করেন সংস্থা প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী। আর ২০১০ সালে যখন এই খাতের দায়িত্ব বিটিআরসি’র কাছ থেকে সরকারের হাতে চলে গেছে তখনই ‘স্বজনপ্রীতি’র মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও সেবা তৈরি করে এখন জটিলতর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করেন তিনি। </span></p>
<p><span>তার ভাষায়, ‘হেভিক্যাপেক্সের এই ইন্ডাস্ট্রিতে এসএমই</span><span>  বা এমএসএমই উদ্যোক্তাদের অনেকভাবে সম্পৃক্ত করা যায়। তার একটা হচ্ছে আইএসপি। এই আইএসপিরা একসময় রিজিওনাল ছিলো। তারপরে আমরা এটাকে ক্যাটাগরি করে ফেললাম। তারপর একটা আইএসপিএবি অ্যাসোসিয়েশন করলাম। তারপর এই ব্যবসার জন্য আইএসপিএবি’র লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করলাম। টেলিকমিউকেশনের কোথাও এই বাধ্যতা নেই। পুরো জিনিসটাকেই পলিটিসাইজ করতে এটা করা হয়েছিলো। পলিটিসাইজ করে এর একটি সিগনিফিকেন্ট অংশ, পাড়া-মহল্লা ভিত্তিক লাইসেন্স রাজনৈতিক বিবেচনায় দেয়া হয়েছে। এখানে লাইসেন্সের নাম্বার অব লিমিটের কারণে এখন লাইসেন্স আপডেট করা যাচ্ছে না। তাই আমরা আগামীতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য লাইসেন্সই বাতিল করে দিবো। থানা পর্যায়ের ইন্টারনেট ব্যবসাকে কলসেন্টারের মতো রেজিস্ট্রেশন করে ব্যবসা করতে পারবে।’    </span></p>
<p><span>এজন্যই একটি সংস্কারের মাধ্যমে ফিক্সড ও মোবাইল টেলিকমিনিউকেশনের মধ্যে দ্বন্দ্ব  কমানো নিয়ে </span><span></span><span>বিটিআরসি কাজ করছে বলে জানান চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই কোনো ক্যাটাগরির মধ্যে যেন আন্তঃদ্বন্দ্ব তৈরি না হয়। সমন্বিতভাবে একটা ক্যাটাগরি আরেকটা ক্যাটাগরির সঙ্গে কোলাবরেট করতে পারবে এমন জায়গায় আসতে চাই। কনফ্লিক্ট নয় কমপ্লিমেন্ট করবে।’  </span></p>
<p><span>এসময় টেলিকমিউনিকেশনে বেসিক গাইডলাইন পরিবর্তন করে ‘ডিডব্লিউডিএম’-কে লাইসেন্সের অংশ করা হয়েছে উল্লেখ করে বিটিআরসি প্রধান বলেন, ‘২০২১ সালে লাইসেন্স ম্যানুপুলেট করে এনটিটিএন এর জন্য মোবাইল অপারেটরদের আটকে দেয়া হলো। উদ্দেশ্য তারা যেন ডার্ক ফাইবার ব্যবহার না করে। তাই আমরা ২০২১ সালের বাধাটা তুলে দিয়েছি। কিন্তু এতে এমএনওদের খুশী হয়ে যাওয়ার কিছু নেই। আগামী এক বছর পর এমএনওরা কোনো ট্রান্সমিশন ফাইবারের মালিক থাকতে পারবে না। অর্থাৎ এনটিটিএন এমএনও কমপ্লিমেন্টারি হতে হবে। তাই এখন আমরা তিন ক্যাটাগরির লাইসেন্স নিয়ে ভাবছি। এর একটা ইন্টারন্যাশনাল কানেক্টিভিটি। এর মধ্যে আইটিসি, সাবমেরিন ও আইআইজি, আইজিডব্লিউ একটি লাইসেন্সের অধীনে চলে যাবে। এরপরে থাকবে ন্যাশনাল কানেক্টিভিটি। এর মধ্যে থাকবে এনটিটিএন, টাওয়ারকো’র মতো প্রতিষ্ঠান থাকবে। সর্বশেষে থাকবে অ্যাকসেস লেভেল ক্যাটাগরি। এখানে কিছু ভাগ থাকবে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় ভাগ হবে ফিক্সড ও মোবাইল সেবা। এদের মধ্যে কোনো তুলনা চলবে না। তাই এখানে একটা বাধা থাকবে। ফলে </span>যারা ফিক্সড ব্রডব্যান্ড সেবা দেবে তারা ওয়্যারলেস দিতে পারবে না। আর যারা ওয়্যারলেস সেবা দেয় তারা ফিক্সড ব্রডব্যান্ড সেবা দিতে পারবে না। তবে বিজনেস টু বিজনেস যদি কোনো কথা হয় তা হতে পারে।’  </p>
<p>ইন্টারনেটের দাম কমাতে আইএসপিদের স্বপ্রণোদনাকে স্বাগত জানিয়ে বিটিআরসি <span>চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী </span>আরও বলেন, এক দেশ এক রেট নিয়ে আমরা আবার কাজ করবো। ইতিমধ্যেই আমরা অ্যাক্টিভ শেয়ারিং নিয়ে সিরিয়াসলি কাজ করছি। ভাবছি, লাস্টমাইল সল্যুশন শুধু অ্যাকসেস লেয়ারে থাকবে। তবে লাস্টমাইল মানে তিন কিলোমিটার। ৫০ কিলোমিটার নয়। এজন্য আগামী সপ্তাহে আমরা নেটওয়ার্ক টপোলজি নিয়ে পাবলিক কলসান্টেশন শুরু করবো। এক্ষেত্রে সার্ভিসকে ভার্টিক্যাল (লম্বালম্বি) থেকে হরাইজনটাল (আড়াআড়ি) মডেলে নিয়ে আসতে চাই। এটা হলেই সার্ভিস ইন্টিগ্রেটেড করা সম্ভব হবে।  </p>
<p>শনিবার আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি অডিটোরিয়ামে ‘ইন্টারনেট সেবা: সমস্যা, সম্ভাবনা ও করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের (টিআরএনবি) এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব, বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>বৈঠকে আরও বক্তব্য দেন- টেলিযোগাযোগ বিশেষজ্ঞ মোস্তফা মামুন হোসেন, সুমন আহমেদ সাবির; <span>আইএসপিএবি সভাপতি ইমদাদুল হক, সাধারণ সম্পাদ নাজমুল করিম ভূঁইয়া, এমটবের মহাসচিব মোহাম্মদ জুলফিকার; </span>টেলিটকের এজিএম সাইফুর রহমান খান, আইএসপিএবির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিম ভূঞা ও <span>ফাইবার এট হোমের চেয়ারম্যান মঈনুল হক সিদ্দিকী। </span></p>
<p>টিআরএনবি সভাপতি সমীর কুমার দের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাসদুজ্জামান রবিন। এতে কি-নোট পেপার উপস্থাপন করেন টিআরএনবির সাংগঠনিক সম্পাদক আল-আমীন দেওয়ান।</p>
<div class="DContentAdd2 ignore-print">
<div class="sq-add d-flex justify-content-center">
<div id="div-gpt-ad-9827360-2" data-google-query-id="CN3Q0t6u5YwDFdyKrAIdxvY6dA"></div>
</div>
</div>
<div class="DContentAdd ignore-print">
<div class="sq-add d-flex justify-content-center">
<div id="div-gpt-ad-9827360-1" data-google-query-id="CNzQ0t6u5YwDFdyKrAIdxvY6dA"></div>
</div>
</div>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আপনারেই রিপেয়ার কইরা দিমু</title>
<link>https://digibanglatech.news/152581</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152581</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67f7d2854913b.jpg" length="74240" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 10 Apr 2025 19:14:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull">স্থানীয় সরকার প্রকৌশল (এলজিইডি) অধিদফতরের এক নির্বাহী প্রকৌশলীকে ফোন করে কড়া ঝাড়ি দিয়েছেন কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।  সুনামগঞ্জ গজারিয়ার রাবার ড্যামের ত্রুটি নিয়ে কৃষকদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এলজিইডির সুনামগঞ্জ কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলীকে ফোন করে তিনি বলেছেন, ‘ও আপনে খোঁজ রাখেন নাই।<span>গজারিয়ায় র‌্যাবার ড্যামের কাজ শেষ হতে কতদিন লাগবে</span>? শুনেন, সাত দিনের মধ্যে ড্যাম রিপেয়ার করবেন, না হলে আপনাকে কিন্তু রিপেয়ার কইরা দিমু।'</p>
<p class="alignfull">প্রকৌশলীর ওপর রেগে গিয়ে তিনি আরো বলেন,<span>পয়সা খাইবেন, পকেটে ঢুকাইবেন খালি, কাম করবেন না! আপনি এই মুহূর্তে দেখার হাওরে আসেন’ </span>সাত দিনের মধ্যে এটা করবেন। না করলে বুঝতে পারছেন তো, আপনারেই রিপেয়ার কইরা দিমু।’</p>
<p class="alignfull"> বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) বিকালে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার দেখার হাওরের গোবিন্দপুর এলাকায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর। অনুষ্ঠানে<span> কম্বাইন হারভেস্টার দিয়ে একজন কৃষকের ধান কাটেন কৃষি উপদেষ্টা। এর মাধ্যমেই হাওরে বোরো ধান কাটার উদ্বোধন করেন তিনি। এরপর কৃষকদের সঙ্গে ফসল, হাওরের ফসল রক্ষাবাঁধ, ধানের দামসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন তিনি।</span></p>
<p class="alignfull">উপদেষ্টা প্রতীকী ধান কেটে কর্মসূচির উদ্বোধনের পর কৃষকদের সঙ্গে হাওরের ফসল, ধানের দাম, হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধসহ নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেন। এ সময় কয়েকজন কৃষক জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ভাদেরটেক এলাকার গজারিয়া রাবার ড্যামের সমস্যার কথা জানান। এটি এখনও সংস্কার না হওয়ায় তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তখন উপদেষ্টা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) সুনামগঞ্জ কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলীর খোঁজ করেন। কিন্তু নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন তখন সেখানে ছিলেন না। পরে উপদেষ্টা তাকে ফোন করে ওই রাবার ড্যামের বিষয়ে জানতে চান। </p>
<div class="BT_inner_A1_C2 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">এ সময় উপদেষ্টা ফোন করে প্রকৌশলীকে রাবার ড্যামটির কাজ সাত দিনের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দেন। প্রকৌশলী কেন এখানে আসেননি, সেটিও জানতে চান উপদেষ্টা। একপর্যায়ে তাকে সেখানে আসতে বলেন। ফসল রক্ষা বাঁধের কাজে কোনও ঝামেলা হলে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ঝামেলায় পড়বেন বলেও জানান উপদেষ্টা। তিনি তখন পানি উন্নয়ন বোর্ডের সুনামগঞ্জ কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন হাওলাদারকে ডেকে বাঁধের বিষয়ে খোঁজ নেন। সেইসঙ্গে বাঁধের কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেন।</div>
</div>
<p class="alignfull">এ সময় উপদেষ্টার পাশে ছিলেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা উন নবী। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রসারণ) মো. জাকির হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক সাইফুল ইসলাম, পুলিশের সিলেট রেঞ্জের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. মুশফিকুর রহমান, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া, পুলিশ সুপার মো. তোফায়েল আহাম্মেদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক বিমল চন্দ্র সোম প্রমুখ।</p>
<p class="alignfull">অনুষ্ঠানে কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ‘কৃষি ও কৃষকরাই দেশটাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। এজন্য কৃষকদের সব সময় ধন্যবাদ দিতে হবে। কৃষকের ধানের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা হবে। সরকার ধান কিনবে। ধান কেনায় সিন্ডিকেট হলে সেটি আমরা সোজা করে দেবো।’</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল অর্থনীতির বড় বাধা ডিজিটাল সেবার সাইলো : ফয়েজ তৈয়ব</title>
<link>https://digibanglatech.news/152570</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152570</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67f7d53664c8e.jpg" length="84919" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 10 Apr 2025 13:04:30 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">ক্রেডিট কার্ড কোম্পানি, এনপিএসবি, এমএফএস এবং পেমেন্ট সিস্টেম গেটওয়ে তথা পিএসও এর মতো একেকটি সাইলো দেশের বিপুল সম্ভাবনার দ্বার রূদ্ধ করে রেখেছে বলে মনে করেন <span lang="BN">প্রধান উপদেষ্টার ডাক</span></span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">, </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়ব</span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">। ডিজিটাল জন অবকাঠামোতে আন্তঃক্রিয়শীলতা তৈরির মাধ্যমে এই বাধা অতিক্রম করতে চান তিনি। <o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">এরই অংশ হিসেবে চলতি মাসের শেষেই সাইবার সুরক্ষা আইন গেজেট আকারে প্রকাশ হতে পারে বলে জানান এই প্রকৌশলী উপদেষ্টা। এছাড়াও ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা আইনে ডেটা লোকালাইজেশন, ব্যক্তি তথ্য উন্মুক্ত করণে প্লাটফর্মগুলোর দায়বদ্ধতা এবং ডেটা কার কাছ থেকে কোথায় যাচ্ছে; কে কেন কার তথ্য শেয়ার করছে এসব বিষয় শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতার মধ্যে রাখার মতো নানা ইতিবাচক বিষয় থাকছে বলেও জানান তিনি। এছাড়াও মানসম্মত বিদ্যুত ও উচ্চগতির ইন্টারনেট নিশ্চিত করে হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ নীতিমালা পূণর্বিন্যাস এবং সেমিকন্ডাক্টর পলিসি প্রকাশ করা হবে। <o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">আইএসপি, মোবাইল অপারেটর এবং ক্যারিয়ার সবারই পলিসি সাপোর্ট দরকার স্বীকার করে ফয়েজ বলেন, তারা যেনো নিজেদের অবকাঠামোগুলো স্বাধীনভাবে ব্যবহার করতে পারেন সেই সুযোগ তৈরি করা হবে। কেননা, আমাদের ডিজিটাল অর্থনীতির বিকাশে বাধা বিদ্যমান ফাইবার পলিসি। এ জন্য আমরা জ্ঞাত ও অজ্ঞাত বাধা দূর করবো। আঞ্চলিক পর্যায়ে ইন্টারনেটের দাম কমিয়ে আনতে ব্যবস্থা নেবো। লাইসেন্সিং পাহাড় ভেঙ্গে আমরা সর্বোচ্চ চারটি লেয়ারে বেধে দেবো। এগুলো হবে ইন্টারন্যাশনাল লেয়ার, ইনফ্রাসট্যাকচার, অ্যাকসেস লেয়ার এবং সার্ভিস লেয়ার। আগামী জুলাইয়ের মধ্যে এ নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ পলিসি প্রকাশ করতে হবে।</span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x_67f7d54f083dc.jpg" alt=""></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">বৃহস্পতিবার রাজধানীর হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্মেলনের একটি সেমিনারে দেয়া উপস্থাপনায় এসব তথ্য তথ্য তুলে ধরেন তিনি। <span style="mso-spacerun: yes;"> </span>তবে এসব কিছুই জুলাই অভ্যুত্থানের দর্শন অনুযায়ী বিপুল কর্মসংস্থানকে লক্ষ্য করে এবং মানসম্মত সেবার ভিত্তিতে করা হবে। <o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">ফয়েজ তৈয়ব বলেন, এর মানে এই নয় যে, সব সিস্টেমকে আমরা একটি ঝুড়িতে পুরছি। অথবা নতুন কিছু তৈরি করছি। এর পরিবর্তে আমরা বিদ্যমান চাকাগুলোকে একটি অপরটির সঙ্গে সংযুক্ত করছি। একই কারণে আমরা এআই এবং ক্লাউড পলিসিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। আগামী মে নাগাদ ইউনেস্কো যখন এআই রেডিনেস ম্যাথোলডজি প্রকাশ করবে তখন আমরা আমাদের এআই পলিসি ঢেলে সাজাবো। ক্লাউড পলিসি চূড়ান্ত করবো। <span style="mso-spacerun: yes;"> </span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">তার ভাষায়, বিনিয়োগ সম্ভাবনা বাড়াতে ডিজিটাল টুলস বিশেষ করে এআই, ব্লকচেইন ও উপাত্ত ব্যবস্থার বিকল্প নেই। তবে উদ্ভাবনের নামে দেশে ব্যবসায় জটিলতা তৈরি করা হচ্ছে বলে আক্ষেপ করেছেন ফয়েজ। বলেছেন, ডিজিটাল সাইলো-তে একটা সমস্যা হলে বিপুল জনসংখ্যার এই দেশে সমস্যাটও লাখে লাখে ছড়েয়ে পরে। এই যেমন- পাসপোর্ট সিস্টেমে সমস্যা হলে তা একইসঙ্গে বহু মানুষকে প্রভাবিত করে। ডেটা ইন্টার অপারেবিলিটিতে সমস্যা হলেও বহু ক্ষেত্রে এর প্রভাব পড়ে। <o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">তবে এ জন্য কাউকে দায়ী না করে সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে বিদ্যমান জটিলতা নিরসনের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এজন্য সাইলো থেকে বিরিয়ে ইন্টারঅপারেবিলিটি’র ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধান উপদেষ্টার এই বিশেষ সহকারী। <o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">তিনি বলেন, এতো দিন বিষয়টি লুকিয়ে রাখার চেষ্টা হলেও জুলাই বিপ্লবের পর আমরা সমস্যাগুলো আমলে নিয়ে এখনো দৃঢ় ভাবে দাড়িয়ে আছি। এটা সবাই একসঙ্গে থাকার কারণে সম্ভব হয়েছে। ডিজিটাল অর্থনীতিতে ডেটা গভর্নেন্স এর পাশাপাশি ইন্টারনেটের এথিকাল ব্যবহার ও ডেটা সংরক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ। <o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"><span style="mso-spacerun: yes;"> </span><o:p></o:p></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টেকনোলজ্যিকাল এডভান্সমেন্টের জন্য মিলিটারি সাইডেও কিছু এডভ্যান্সমেন্ট করা দরকার : আশিক</title>
<link>https://digibanglatech.news/152553</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152553</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67f6b22c7764b.jpg" length="35967" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 09 Apr 2025 22:47:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্মেলনের তিন দিনে বাংলাদেশের <span>ফার্মাসিউটিক্যাল, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, আইটি খাতে আগ্রাহ দেখিয়েছেন সফররত বিনিয়োগকারীরা। তবে এটা ছাপিয়ে </span>দেশের প্রতিরক্ষা শিল্প খাতের জন্য বিদেশী বিনিয়োগকারীদের খুঁজছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)। </p>
<p> প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। এই <span>শৌখিন স্কাইডাইভার মনে করেন, কারিগরি সক্ষমতা অর্জনে সামরিক খাতেও কিছু উন্নয়ন দরকার। আর এজন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বৃহত্তম শিল্প সরবরাহকারী বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিজ ( বিওএফ ) এর এজন্য কিছু মৌলিক দক্ষতাও রয়েছে। এর ওপর ভিত্তি করেই সামরিক সরঞ্জাম তৈরির করাখানা স্থাপনের বিষয়টি নিয়ে ভাবা দরকার। </span></p>
<p>বুধবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বিনিয়োগ সম্মেলনের তৃতীয় দিন শেষে বিনিয়োগ পরিস্থিতির সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এমন অভিব্যক্তিই ফুটে ওঠে তার কণ্ঠে।</p>
<p>সদ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়া এই তরুণ নেতা বললেন, আমরা ইন-প্রিন্সিপালি মনে করি যে, টেকনোলজ্যিকাল এডভান্সমেন্টের জন্য মিলিটারি সাইডেও আমাদের কিছু এডভ্যান্সমেন্ট করা দরকার। আমাদের যে অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টিরি আছে তাদের কিন্তু অলরেডি কিছু ইন্ডেজিনাস স্কিলসেটও আছে।  আমরা সেটার ওপর ভর করে ম্যানেফ্যাবচারিং হাবের গল্পটা ক্লাসিক কর্মাশিয়াল ইন্ডাস্ট্রির জন্য যেমনটা বলছি, তেমনটা মিলিটারি ইন্ডাস্ট্রির জন্যও বলতে হবে। আমাদেরকে ট্যাংক বানাতে হবে না। স্পেসশিপ, ফাইটার জেট বানোনো দরকার নেই। তবে ছোট পরিসরে হলেও অ্যাডভান্স রেডিও, ট্যাঙ্কের এক্সেপ্ট, স্মল বুলেট, স্মল আর্ম তৈরি করা যেতে পারে। এগুলো হিউজ ডিমান্ড আছে। </p>
<p>আশিক জানালেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনী মিলে সামরিক শিল্পে কাজ করতে পারে সে জন্য এমন বিদেশী বিনিয়োগকারীদের খোঁজা হচ্ছে যারা টেকনোলজি ট্রান্সফারের মাধ্যমে বাংলাদেশে আসতে রাজি হবে। তারা বাংলাদেশে এসে এগুলো বানাবে এবং বাংলাদেশ তাদের কাছ থেকে সেই উৎপাদিত সামরিক যন্ত্র কিনবে। আবার আঞ্চলিক বাজারে সেগুলো রফতানি করারও সুযোগ দেয়া হবে। এজন্য একটি মিলিটারি ইকোনোমিক জোনও করা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিলেন তিনি। </p>
<p>তিনি বললেন, মিলিটারি ইকোনোমিক জোন থৈরি একটা লং জার্নি। কেননা, এজন্য পলিসি ইন্ডারভেনশন লাগবে। সিকিউরিটি পলিসি লাগবে। ডিজিটাল ডেটা পলিসি ও আইপি রাইট লাগবে। এগুলো সলভ করে আমাদের ওখানে যেতে হবে। সেই কাজ শুরু হয়েছে। একটু সময় লাগবে। </p>
<p>এর আগে রাজনৈতিক দলগুলোর মাঝে কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের বিষয়ে মতপার্থক্য থাকা উচিত নয় বলে মন্তব্য করে আশিক চৌধুরী বলেন, ‘যে দলই ক্ষমতায় আসুক, বিনিয়োগের স্বার্থগুলো অপরিবর্তিত রাখতে চায় বিডা। সে লক্ষ্যে সব রাজনৈতিক দলকে সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।</p>
<article class="my-5">
<p>বিডার চেয়ারম্যান আরো জানান, চীনের পোশাক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হান্ডা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড বাংলাদেশে ১৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে। তাদের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে এর মাধ্যমে ১৫ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে। এ ছাড়া মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের কাছে একটি মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল স্থাপনের আগ্রহ দেখিয়েছে বৈশ্বিক বন্দর পরিচালনাকারী সংস্থা ডিপি ওয়ার্ল্ড। সংস্থাটিকে সার্বিক সহযোগিতা করবে বাংলাদেশ।</p>
</article>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মুহূর্তের জন্যও বন্ধ হবে না ইন্টারনেট : উপদেষ্টা</title>
<link>https://digibanglatech.news/152473</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152473</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67f38dec08be5.jpg" length="65681" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 07 Apr 2025 13:28:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশে মুহূর্তের জন্যও বন্ধ হবে না ইন্টারনেট। এমন কি আগামীর সারকারও যেনো এটা বন্ধ করতে না পারে সে জন্য যাবতীয় উদ্যোগ নেবে অন্তবর্তী সরকার। এজন্য এরই মধ্যে চারটি উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এগেুলোে হলো- সাইবার সেফটি অর্ডিন্যান্সে ইন্টারনেটকে নাগরিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দান। দ্বিতীয় পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে ডাক ও টেলিযোগযোগ বিভাগের পক্ষ থেকে বিগত সরকার ইন্টারনেট বন্ধ রাখতে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর তৈরির যে উদ্যোগ নিয়েছিলো তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। একইভাবে কৃত্রিম উপগ্রহ ভিত্তিক ইন্টারনেট সেবার জন্য এনজিএসও (নন জিও স্টেশনারি অরবিট) গাইড লাইনে ইন্টারনেট শাট ডাউনের কোনো সুযোগ রাখা হয়নি। সর্বশেষ উদ্যোগটি হলো ২০০১ ও ২০০১০ টেলিযোগাযোগ আইনে থাকা ইন্টারনেট বন্ধের সবগুলো সুযোগ বন্ধ করে এই আইনটি সংশোধন করবো। </p>
<p><span>সোমবার </span><span>রাজধানীর হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে </span><span>শুরু হওয়া চার দিনের বিনিয়োগ সম্মেলনের প্রথম সেমিনার বাংলাদেশ স্টার্টআপ কানেক্ট ২০২৫ এ বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব তথ্য জানান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা) প্রকৌশলী  ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। </span></p>
<p>সেমিনারে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত এই উপদেষ্টা আরো বলেন, সরকার দেশের ইন্টারনেট সেবার মান উন্নত করার জন্য কাজ করছে। সাবমেরিন ক্যাবলের ব্যান্ডউইথের দাম ইতোমধ্যে ১০ শতাংশ কমানো হয়েছে এবং মোবাইল ও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবাদাতাদের নীতি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা উন্নত সেবা প্রদান করতে পারে।</p>
<p><span>শেয়ার ট্রিপ সিইও সাদিয়া হকের সঞ্চালনায় এবং বিডা’র নির্বাহী পরিচালক আশিক মোহাম্মদ বিন হারুনের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরো বক্তব্য রাখেন  বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর এবং আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী। </span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ট্রাম্পের নতুন শুল্ক সামলে নেওয়া খুব বেশি কঠিন হবে না : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা</title>
<link>https://digibanglatech.news/152436</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152436</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67f2175b1fd71.jpg" length="115332" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 06 Apr 2025 10:55:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রে বালাদেশি পণ্য প্রবেশের ওপর যে শুল্ক আরোপ করেছে তা সামলে নেওয়া খুব বেশি কঠিন হবে না বলে মনে করেছন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।</p>
<p>টানা ৯ দিনের ছুটি শেষে রবিবার (৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে ঈদ পরবর্তী প্রথম কার্যদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এমন অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন তিনি। </p>
<p>ড. সালেহউদ্দিন বলেন, ঈদে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা গেছে এবং মানুষ স্বস্তি পেয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালোর দিকে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে এবার মানুষ ভালোভাবে ঈদ কাটিয়েছে।মার্চ মাসে ৩ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এতে রিজার্ভও বেড়েছে। </p>
<p>‘তবে ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রে বালাদেশি পণ্য প্রবেশের ওপর যে শুল্ক আরোপ করেছে সেটি সামলে নেওয়া খুব বেশি কঠিন হবে না। ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন এই শুল্কনীতিতে বড় কোনো প্রভাব পড়বে না’ - যোগ করেন সাবেক এই গভর্নর। </p>
<p>অর্থ উপদেষ্টা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপের ফলে অর্থনীতিতে যে প্রভাব পড়বে তা সামাল দেওয়া কঠিন হবে না। এটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের সঙ্গে নেগোসিয়েশনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ভালো কিছু হবে বলে আশাবাদী।</p>
<p></p>
<p><span> এদিকে প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি কিছুটা কম দেখা গেছে। গাড়ি পার্কিং এলাকার অনেক জায়গাও ফাঁকা পড়ে আছে।</span> কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের মধ্যে এখনও বিরাজ করছে ঈদের আমেজ। সকালে নির্ধারিত সময়ে অফিসে এসে একে অন্যের সঙ্গে কোলাকুলি, শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তারা। <span>তবে আগামী দুই তিনদিনের মধ্যে পুরোদমে কর্মব্যস্ততা শুরু হবে প্রশাসনের এই প্রাণকেন্দ্রে। </span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ট্রাম্পের শুল্ক নীতিতে প্রযুক্তি ও ব্যাংকিং খাতের আমদানি বাদ পড়েছে : বাণিজ্য উপদেষ্টা</title>
<link>https://digibanglatech.news/152402</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152402</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67efd0dae1648.jpg" length="63340" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 04 Apr 2025 12:31:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>"যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমরা প্রযুক্তি, ব্যাংকিং, বিমাসহ বিভিন্ন ধরনের যে সেবা আমদানি করি, সেটিকে এ ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। যদি সেবা আমদানিকেও বিবেচনায় নেওয়া হতো, তাহলে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির ওপর এত পরিমাণে পাল্টা শুল্কারোপ হতো না।"</p>
<p>শুক্রবার ট্রাম্পের শুল্কীতি নিয়ে এই মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন।</p>
<p>ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় বুধবার বিকেলে ট্রাম্প পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয়ার পর বৃহস্পতিবার এ নিয়ে বাণিজ্যসচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যানকে নিয়ে তিন ঘণ্টা বৈঠক করেন‌ বলে জানিয়েছেন অন্তবর্তী সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা।</p>
<p> বৈঠকে আগামী রবিবার বিষয়টি নিয়ে সব অংশীজনের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলেও জানান তিনি। দ্বিপাক্ষিক এই সমস্যার সমাধান নিয়ে বাণিজ্য প্রতিষ্ঠা বলেছেন, আমার মনে হয় পুরো বিষয়টি সম্পর্কে সম্যক ধারণা পেতে দু–এক সপ্তাহ সময় লেগে যাবে। এরপরই আমরা সরকারের পক্ষ থেকে করণীয় ঠিক করতে পারব। বাণিজ্য উপদেষ্টা হিসেবে আমি এটুকু বলতে পারি, আমাদের রপ্তানি খাত যাতে ক্ষতিগ্রস্ত বা বাধাগ্রস্ত না হয়, সে জন্য সরকারের দিক থেকে যেসব ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, সবটাই নেওয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে রবিবার অনুষ্ঠিতব্য অংশীজনদের বৈঠকে করণীয় বিষয়ে আলোচনা হবে।</p>
<p>বাণিজ্য উপদেষ্টা মনে করেন, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যকার পণ্য আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ বিবেচনায় বাণিজ্য–ঘাটতির ভিত্তিতে এই শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পণ্য রপ্তানি ক্ষেত্রে পাল্টা শুল্ক আরোপের ওই ঘোষণাকে বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য একটি বড় ধরনের ‘সুনামি’ মন্তব্য করে বশির উদ্দিন বলেছেন, পুরো বিষয়টি এখনো আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়। অনেকগুলো বিষয় এখনো আমাদের কাছে অস্পষ্ট। তাই আমরা আগে পুরো বিষয়টি বুঝতে ও সব ব্যাখ্যা জানার চেষ্টা করছি। এরপর এ বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে কাজ শুরু করব।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>&amp;apos;চাকরির পেছনে ছুটার জন্য মানব সভ্যতার জন্ম হয়নি&amp;apos;</title>
<link>https://digibanglatech.news/152399</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152399</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67ef46d7e2a20.jpg" length="38389" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 03 Apr 2025 18:43:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>চাকরির পেছনে ছুটার জন্য মানব সভ্যতার জন্ম হয়নি উল্লেখ করে তরুণদের সমস্যার সমাধান মুখে উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এক্ষেত্রে নিজেকেই অর্থসংস্থানের কৌশল উদ্ভবনের তাগিদ দিয়েছেন তিনি। তার মতে, মানুষের সমস্যার সমাধান করলে সেটা সম্ভব। স্বাস্থ্য ও চিকিতাকাতে এখনো অনেক সুযোগ রয়েছে। </p>
<p>বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ব্যাংককের স্থানীয় সময় বিকালে বিমসটেক সম্মেলনের সাইডলাইনে ‘বিমসটেক ইয়ং জেনারেশন ফোরাম: হোয়ার দ্যা ফিউচার মিটস’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে উপস্থিত তরুণদের প্রশ্নের জবাবে এমনটাই বলেছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা।</p>
<p>নতুন সভ্যতা করতে তরুণদের চাকরির পেছনে না ছুটার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, রাতারাতি পৃথিবীকে বদলানো যায় না। সেটাকে করতে হয় নিজেকে পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে। আমি বিশ্বাস করি চাকরির পেছনে ছোটার জন্য আরো সভ্যতার জন্ম হয়নি। মানুষ নিজেই কাজের ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে। এই তরুণ প্রজন্ম একেবারেই ভিন্ন। তাদের বিশ্বাস ও ধ্যান ধারণায় অনেক পরিবর্তন এসেছে। তারা চাইলেই নতুন সভ্যতা করতে পারে। সেজন্য তরুচিত চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হওয়া। আমি আরো বিশ্বাস করি প্রচলিত ব্যবস্থায় বিশ্ব সভ্যতায় পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।</p>
<p>অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপনকালে নোবেল বিজয়ী ডঃ ইউনুস বলেছেন, গরিব মানুষের কর্মসংস্থান দরকার, টাকার না। কিন্তু অন্যরা বললো অর্থ চাকরির চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমি বলতে শুরু করলাম ঋণ একজনের মানবাধিকার। তখন বলা শুরু করলো, ব্যাংকের ঋণের সঙ্গে মানবাধিকারের সম্পর্ক কী। একজন মানুষের আশ্রয়ের জন্য, জীবনে চলার জন্য ঋণ প্রাপ্তি মানবাধিকারের মধ্যে পড়ে। তখন আমি ভাবলাম যদি ব্যাংক ঋণ না দেয় তাহলে আমি কেন তাদের জন্য নিজের ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করছি না। ১ ডলার ঋণ দিয়ে শুরু করে আমি নিজের ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করলাম। অনেক সময় লাগলো, কিন্তু অবশেষে আমি গ্রামের মানুষের জন্য একটা ব্যাংক তৈরি করতে পেরেছি। সেটা হচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংক।</p>
<p></p>
<p>প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিমসটেকে এটি আমার প্রথম মিটিং। আর এই মিটিংয়ের শুরুটাই হয়েছে তরুণদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। আমি তরুণদের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়ার চেষ্টা করি এবং তা আমাকে তরুণদের চোখে দেখা পথে চলতে সহায়তা করে। সেজন্য বিমসটেকে আমার যাত্রা তরুণদের মাধ্যমে শুরু হওয়ায় আমি আনন্দিত। </p>
<p>বক্তব্যে শুরুতে ভূমিকম্পে মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডে প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এই ঘটনা আমাদের মানুষকে রক্ষা করার সক্ষমতার সীমাবদ্ধতাকে তুলে ধরে। প্রকৃতির এই অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ সম্পর্কে আমরা এখনও আগে থেকে জানতে পারি না। প্রকৃতিকে বোঝার চেষ্টায় এবং মানুষকে রক্ষায় আমাদের এখনও অনেক পথ পাড়ি দেওয়া বাকি। বাংলাদেশও ভূমিকম্পের ঝুঁকির মধ্যে আছে। সৌভাগ্যবশত আমাদের এখনও এই ধরনের ট্র্যাজেডির মুখোমুখি হতে হয়নি। </p>
<p>তিনি বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আমি ১৯৭২ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে ফিরে যাই। নতুন একটি দেশে নিজের ভাবনার মতো করে তৈরি করার ইচ্ছায় এবং স্বাধীনতার উচ্ছ্বাসে আমি চেষ্টা করছিলাম জানতে, আমি কী করতে পারি দেশের জন্য। কিন্তু খুব দ্রুত নতুন দেশ গড়ার যে উচ্ছ্বাস ছিল সেটি গায়েব হয়ে গেলো। কারণ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ডামাডোলে অনেক গভীরে ডুবে যাচ্ছিল। ১৯৭৪ সালের দিকে বাংলাদেশ অনেক বড় ধরনের দুর্ভিক্ষের মধ্যে পড়ে গেল। আমরা সেই সম্পর্কে বিভিন্ন বইয়ে পড়েছি। কিন্তু এমন দুর্ভিক্ষ আর কখনও বাস্তবে দেখা যায়নি। আপনারা রাস্তায় লাশ পড়ে থাকতে দেখেছেন, তারা কোনও রোগে কিংবা করোনার মতো মহামারিতে মারা যায়নি, দুমুঠো ভাতের জন্য মারা গেছে। আমি তখন তরুণ ছিলাম, শিক্ষকতা করতাম, কিছু করতে চাইতাম, কিন্তু জানতাম না কোথা থেকে শুরু করতে হবে। ছোট ছোট উদ্যোগ নিলাম, কিন্তু কাজে এলো না। তখন আমি সিদ্ধান্ত নিলাম, পুরো বাংলাদেশের জন্য কাজ করা আমার একার পক্ষে সম্ভব নয়। আমি একজন ক্ষুদ্র মানব, আমার পক্ষে পুরো বাংলাদেশের জন্য কাজ করা সম্ভব না। তবে আমি আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের কাছেই থাকা গ্রামের জন্য কাজ করতে পারি। আমি আমার বাংলাদেশ হিসেবে ওই গ্রামকে বেছে নিলাম। এই গ্রামের জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছুই করবো, যাতে তারা ক্ষুধার যন্ত্রণা থেকে দূরে থাকে। </p>
<p>প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমি সারা জীবন চেষ্টা করেছি গ্রামে এমন ধরনের কাজ করতে। একসময় মনে হলো গ্রামও আমার জন্য অনেক বড় বিষয় হয়ে যায়। আমি পুরো গ্রামের জন্য একা কিছু করতে পারবো না। তাই আমি একজন একজন করে কাজ করা শুরু করলাম। আমি তাদের সঙ্গে কথা বলা শুরু করলাম। তাদের স্থানীয় ভাষা আমার জানা ছিল বলেই কথা বলতে অসুবিধা হয়নি। আমি একজন নারীর সঙ্গে দেখা করলাম, তিনি ঋণ শোধ করতে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ছিলেন। তিনি অসাধারণ কাজ করেছেন, কিন্তু তার সেই কাজের ফসল ঋণ শোধের পেছনেই চলে গেছে। কারণ ঋণদাতা তার কাছ থেকে নিজেদের নির্ধারণ করা মূল্যেই তার ফসল নিয়ে যেতো। আমি তাকে বললাম, আমি যদি অল্প কিছু অর্থ দেই তাহলে সে কি তার পণ্য বাজারে বিক্রি করতে পারবে? বাজার সম্পর্কে তার কোনও ধারণাই ছিল না। তিনি বললেন চেষ্টা করে দেখতে পারি। সেটি আমার দেওয়া প্রথম ঋণ ছিল। এটি তাকে অন্যভাবে চিন্তা করার সুযোগ দিলো।</p>
<p>সামান্য ঋণ একজনের জীবনে আমূল পরিবর্তন আনতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি আমার ক্যাম্পাসের কাছের একটা ব্যাংকে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, গ্রামের এই গরিব মানুষকে ঋণ দিচ্ছেন না কেন। আমার কথা শুনে তিনি আকাশ থেকে পড়লেন এবং বললেন গরিব মানুষকে আমাদের ব্যাংক ঋণ দেয় না। আমি বললাম, আপনার ব্যাংকিং সিস্টেম পুরোই ভুল। ভুল নীতির ওপর ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। আপনাদের মূলনীতি হচ্ছে যাদের যত বেশি আছে তাদের আরও বেশি দেওয়া। বিষয়টি এটার বিপরীত হওয়া উচিত ছিল। যাদের কিছুই নাই তাদের কাছে সবার আগে ব্যাংকের যাওয়া উচিত ছিল। আপনারা সেটি করেন না। সেই পুরনো মূলনীতিই এখন বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে আছে। সমাজকে পরিবর্তন করার যে উদ্দেশ সেটি সেখানেই আটকে আছে। </p>
<p>প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অল্প অল্প অর্থ ক্ষুদ্র ঋণের মাধ্যমে দিলে সেটি দ্রুত ফেরত আসে এবং বারবার দেওয়া যায়। সেই একই অর্থ বারবার ব্যবহার করা যায়। দান করা অর্থ একবারেই যায়, সেটি আর ফেরত আসে না। একই অর্থ যদি আমি ঋণ হিসেবে দেই, তার সঙ্গে অপারেশনাল খরচ যুক্ত করে ফেরত নিয়ে আসা যায় এবং এটি বারবার করা যায় এবং বিস্তৃতভাবে করা যায়। লাখ লাখ মানুষের কাছে এই সেবা পৌঁছানো যায়। </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এশিয়াকে শক্তিশালী প্রযুক্তি ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা</title>
<link>https://digibanglatech.news/152328</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152328</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67e4f578e01cd.jpg" length="58157" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 27 Mar 2025 11:45:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এশীয় দেশগুলোকে উজ্জ্বল ভবিষ্যত ও যৌথ সমৃদ্ধির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এশিয়াকে অবশ্যই একটি শক্তিশালী প্রযুক্তি ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে হবে, যা পুনর্গঠনমূলক, সমবন্টনমূলক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে।</p>
<p></p>
<p>বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) চীনের হাইনানে বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়া (বিএফএ) সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে এ আহ্বান জানান তিনি। ড. ইউনূস বলেন, ‘পরিবর্তনশীল এই বিশ্বে এশীয় দেশগুলোর ভাগ্য পরস্পরের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। আমাদের অবশ্যই একটি স্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরি করতে হবে যা অভিন্ন ভবিষ্যত এবং যৌথ সমৃদ্ধির দিকে নিয়ে যাবে। এক্ষেত্রে আমাদের আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাতে হবে। স্বনির্ভরতা অর্জন করতে হবে। টেকসই প্রযুক্তিভিত্তিক কৃষি সমাধান ও জলবায়ু-বান্ধব চাষাবাদের ক্ষেত্রে উদ্ভাবন বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।'</p>
<p>তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের জ্ঞান, তথ্য ভাগ করে নিতে হবে এবং প্রযুক্তি ইনকিউবেশন ও উদ্ভাবনে বিনিয়োগ করতে হবে। ডিজিটাল সমাধানে সহযোগিতা আমাদের অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করবে।’</p>
<p>আর্থিক সহযোগিতা প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এশিয়াকে অবশ্যই একটি টেকসই অর্থায়ন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে এবং আঞ্চলিক উন্নয়ন ব্যাংক (এমডিবি) ও অনুরূপ প্রতিষ্ঠানগুলোর এই প্রচেষ্টায় নেতৃত্ব দেওয়া উচিত।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘আমাদের এমন নির্ভরযোগ্য তহবিল দরকার যা আমাদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ করবে।’</p>
<p>বাণিজ্য সহযোগিতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দুর্বল সংযুক্তি বিনিয়োগ ও বাণিজ্যকে বাধাগ্রস্ত করছে। আমাদের অবশ্যই বাণিজ্য সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য দ্রুত কাজ করতে হবে।’</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের সম্মিলিত কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রে মেধা সম্পদ ও যুবশক্তিকে রাখতে হবে। আমাদের অবশ্যই একটি নতুন সভ্যতার ভিত্তি স্থাপন করতে হবে— একটি আত্মরক্ষা ও আত্মস্থায়ী সমাজ। আমাদের শূন্য-বর্জ্যের জীবনধারার ওপর ভিত্তি করে একটি পাল্টা সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। ভোগ সীমিত রাখতে হবে মৌলিক প্রয়োজনের মধ্যে। আমাদের অর্থনীতিকে সামাজিক ব্যবসার ওপর ভিত্তি করে গড়ে তুলতে হবে, যা ভবিষ্যতের ব্যবসায়িক কাঠামো হিসেবে উদ্ভাসিত হবে, যেখানে উদ্ভাবন, লক্ষ্য ও দায়িত্ববোধ একীভূত থাকবে।’</p>
<p>অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বোয়াও ফোরাম ও অন্যান্য অনুরূপ উদ্যোগগুলোকে যুবসমাজ ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করতে হবে, যেন আগামী প্রজন্মের জন্য এশিয়াকে আরও উন্নত করা যায়। প্রত্যেক যুবককে তিন-শূন্য নীতিতে গড়ে উঠতে হবে। শূন্য কার্বন নির্গমন, শূন্য সম্পদের কেন্দ্রীকরণ এবং সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে শূন্য বেকারত্ব।’</p>
<p>রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম বাসস সূত্রে জানা গেছে,  সময়ে ইউনূস সবার জন্য সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে এশিয়ার দেশগুলোকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্টারলিংকের ঢাকার গতি কত?</title>
<link>https://digibanglatech.news/152271</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152271</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67e19e32bb525.jpg" length="74475" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 24 Mar 2025 23:49:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p> দেশের ইন্টারনেট জুড়ে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে কৃত্রিম উপগ্রহ ভিক্তিক ইন্টারনেট স্টারলিংক। আগামী ৯ এপ্রিল এই এর ডেমু টেস্ট হবে ঢাকায়। এই নেটেই আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে <span>‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট–২০২৫’ এর। এর আগেই ঢকার একটি হোটেলে স্টারলিংক ইন্টারনেটের গতি পরীক্ষা করা হয়েছে সোমবার। </span></p>
<p><span>২৪ মার্চ ২১টা ৩৩ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড সোশ্যাল হ্যান্ডেলে এই পরীক্ষার ফলাফল শেয়ার করেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম। যেখানে দেখা মিলেছে ইন্টারনেটের চমকপ্রদ গতির।</span>  তবে এ বিষয়ে শফিকুল আলম সহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সাড়া পাওয়া যায়নি। </p>
<p><strong>শফিকুল আলমের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে শেয়ার করা স্টারলিংক ইন্টারনেটের পরীক্ষামূলক গতি পরীক্ষার ছবিটি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গতি ২৩০ হলেও এর আপলোড ও ডাউনলোড গতি ভিন্ন। এটি অ্যাসিমেট্রিক কানেকশন; ফুল ডুপ্লেক্স নয়। সেখানে ডাউনলোড গতি ২৩০ এমবিপিএস এবং আপলোড গতি ২০ এমবিপিএস। এই পরীক্ষায় ইন্টারনেটের ল্যাটেন্সি ছিল ৫০-৫৩এমএস (মিলিসেকেন্ড)৷ গতি পরীক্ষার সময় স্টারলিংকের সার্ভার ছিল সিঙ্গাপুর ও হংকংয়ে এবং ক্লায়েন্ট লোকেশন দেখানো হয়েছে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর। </strong></p>
<p>এই ফটোকার্ডটি শেয়ার করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারি ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। পোস্টে তিনি লিখেছেন, “আজকের ঘটনা! সবাই অসম্ভব দ্রুততার সাথে কাজ করছে।  টিম প্রফেসর ইউনূস!”</p>
<p>স্পেসএক্সের মালিকানাধীন স্টারলিংক মূলত লো-আর্থ অরবিট (এলইও) স্যাটেলাইট ব্যবহার করে ইন্টারনেট সেবা দিয়ে থাকে। এটি বিশেষ করে দুর্গম ও গ্রামীণ অঞ্চলে উচ্চগতির ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে সক্ষম। </p>
<p>অবশ্য এই পোস্ট নিয়ে ফটোকার্ড করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রলও হচ্ছে।  পোস্টের নিচে লাইক-লাভের পাশাপাশি হা হা রিঅ্যাক্টও দেখাগেছে। সমালোচকদের প্রশ্ন- লোকেশন কোয়ালালামপুর নিয়ে। </p>
<p>প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি ইলন মাস্কেরসঙ্গে একটি ভার্চুয়াল বৈঠকে বাংলাদেশে ইন্টারনেট পরিষেবা স্টারলিংক চালু করার জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। পরে তিনি একটি চিঠিতে ইলন মাস্ককে বাংলাদেশ সফরের জন্যও আমন্ত্রণ জানান। এরপর মধ্য মার্চে ৯০ দিনের মধ্যে স্টারলিংককে দেশে নিয়ে আসার চেষ্টা করার কথা জানান প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্ব প্রাপ্ত উপদেষ্টা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। সবশেষ <span>আগামী ৭ থেকে ১০ এপ্রিল রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিতব্য বিনিয়োগ সম্মেলনের ৯ এপ্রিল কৃত্রিম উপগ্রহ ভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংকের ‘টেস্ট রান’ করার আগাম খবর দেন  বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।</span></p>
<p><span>বিস্তারিত আগের খবরে <a href="https://digibanglatech.news/152242">https://digibanglatech.news/152242</a></span></p>
<p><span></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ওটিটি ছিল সোনার ডিমের মতো</title>
<link>https://digibanglatech.news/151285</link>
<guid>https://digibanglatech.news/151285</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202502/image_870x580_67b2bdb800f60.jpg" length="81847" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 17 Feb 2025 07:41:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>গ্লোবাল টেক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>স্ক্রিন রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ার আয়োজিত ইন্ডিয়ান স্ক্রিন রাইটার্স কনফারেন্সে<strong> </strong>ওটিটি-তে মুক্তি পাওয়া সিনেমা, সিরিজ প্রসঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছেন ‘লাপাতা লেডিজ’ খ্যাত বলিউড পরিচালক কিরণ রাও। </span></p>
<p><span>তিনি বলেছেন,  ‘এক দশকেরও কিছুটা সময় আগে যখন ভারতে ওটিটি শুরু হয়েছিল, তখন মানুষ খুবই স্বাধীন এবং সৃজনশীল ছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অন্যান্য দিকগুলোও এতে প্রাধান্য পেয়েছে। ওটিটি ছিল সোনার ডিমের মতো। প্রত্যেকেই যা স্বপ্ন দেখেছিল তা হয়ত করতে পারত। কিন্তু ভারতের ওটিটি প্ল্যাটফর্মে আমরা যা দেখি আর বড় পর্দায় মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমায় যা দেখি, তার মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই খুব একটা। এই মাধ্যমে অনেক প্রতিশ্রুতি আছে। অনেক গল্প বলার আছে। আমি জানি না কতজন সেটা করতে পেরেছে। সব কিছুর মতো ওটিটিরও একটা স্বর্ণযুগ ছিল। কিন্তু আমি নিশ্চিত নই যে এরপর কী? ভারতে ওটিটি নিয়ে আরও অনেক কিছু করার প্রয়োজন আছে।’ </span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইউরোপ&#45;আমেরিকার মতো দেশেও এমভিএনও চালুর প্রস্তাব</title>
<link>https://digibanglatech.news/151280</link>
<guid>https://digibanglatech.news/151280</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202502/image_870x580_67b2301c601d0.jpg" length="62504" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 16 Feb 2025 23:10:30 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p></p>
<p>টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবা খাতে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন ও টিপ্যাপ এর যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সভায় বিগত সরকারে সময়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি’র যথাযথ ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আইআইজিএবি’র জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি এবং আইএসপিএবি’র সাবেক জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক। তিনি বলেছেন, ওই সময়ে প্রায় সবাই রাজনৈতিক আশীর্বাদপুষ্ট ছিলো। তখন রাজনৈতিক আশীর্বাদপুষ্ট কোম্পানিগুলোকে তারা বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা করে দিয়েছে। ফলশ্রুতিতে একটি কোম্পানি মাল্টিপল লাইসেন্স নিয়েছে। এতে ক্যারিয়ার নিউট্রালিটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিভিন্ন লেয়ারে এতো লাইসেন্স দেয়া হলেও তারা ব্যবসায় পরিচালনায় আরোপিত বাধ্যকাতা (রোলআউট অবলিগেশন) কতটুকু প্রতিপালন করেছে তা দেখা হয়নি।  </p>
<p>এর ফলে মাঝারি ও ছোট উদ্যোক্তারা স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবসা করতে পারেননি বলে অভিমত ব্যক্ত করেন এই ইন্টারনেট ব্যবসায়ী। তিনি বলেন, বাংলাদেশে <span>তিন হাজার আইএসপি লাইসেন্স আছে। এই ব্যবসার মাধ্যমে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এই খাতে আমাদের হাজার হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ আছে। লাস্টমাইল ওভারহেড দিয়ে আমরা খুব চ্যালেঞ্জিং বিজনেস করছি। কস্ট অ্যানালাইসিস করে দেখা গেছে, আমাদের কিছুই থাকে না। শতভাগই খরচ করতে হয়। এভাবেই আমরা এই ব্যবসায়টিকে একটি সোশ্যাল বিজনেস পর্যায়ে নিয়ে গেছি। কর্মসংস্থান তৈরি করছি। বেকারত্ব দূর করছি। পৃথিবীর সবেচেয়ে কম মূল্যে, ৫০০ টাকায় ৩০-৪০ এমবিপিএস গতিতে আনলিমিটেড ব্রডব্যান্ড দিচ্ছি। </span></p>
<p><span>নতুন আইআইজি লাইসেন্সে পলিসিতে মাইগ্রেশন ও ট্রান্সফরমেশনের সুযোগ সৃষ্টি করার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে ব্যাবসায়ে আসন্ন বাধা নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেন সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক।</span></p>
<p><span>তিনি বলেন, ‘আমরা শুনতে পাচ্ছি, </span>মোবাইল অপারেটররা ফিক্সড ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবসা করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এটি কোনোমতেই উচিত হবে না। কেননা, সরকার তাদের মোবাইল  ব্যবসায়ের জন্য লাইসেন্স দিয়েছে। ফিক্সব্রডব্যান্ড সার্ভিসের এখতিয়ার আইএসপি’দের। আমরা কখনোই এমএনওরা সরাসরি এই খাতে ব্যবসায় করুক তা চাইবো না। কেননা, তাদের কাছে মোবাইল সেবা থাকায় তারা যদি বান্ডেল সার্ভিস অফার করে তাহলে তো আমাদের কোনো ব্যবসাই থাকবে না। কিন্তু আপনারা যদি ইউরোপ ও আমেরিকার দিতে তাকান, সেখানে আইএসপি’রা এমভিএনও হয়ে যায়। তারা এমভিএনও হয়ে মোবাইল সার্ভিসটা দেয়। সরকার এই সুযোগ উন্মোচন করতে পারে। তখন আইএসপি’রা ট্রিপল প্লে’র সঙ্গে মোবাইল সার্ভিসও অফার করতে পারবে। </p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অনলাইনে সেবা বাড়ানোর তাগিদ প্রধান উপদেষ্টার</title>
<link>https://digibanglatech.news/151278</link>
<guid>https://digibanglatech.news/151278</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202502/image_870x580_67b223b86c81e.jpg" length="67427" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 16 Feb 2025 21:49:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>রবিবার বিকেলে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিকেলে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সম্মিলনে যোগ দেন </span><span>প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ৬৪ জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের এই সম্মিলনে সরকারের উপদেষ্টা, নীতি নির্ধারকসহ শিক্ষার্থী প্রতিনিধির সাথে যোগ দেন তিনি। </span></p>
<p><span> প্রথম দিনের সমাপনীতে উপদেষ্টা উপস্থিত জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, এখন থেকে প্রতি মাসে জেলা প্রশাসকদের কাজের উপর র‌্যাংকিং পদ্ধতি চালু করা হবে এবং তা নিয়মিত ওয়েবসাইটে প্রকাশ হবে। </span></p>
<p class="mb-3 text-justify"><span>উপদেষ্টাদের বক্তব্য শেষে প্রধান উপদেষ্টার হাতে অনুষ্ঠানের স্মারক উপহার তুলে দেয়া হয়। পরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল। তবে সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে যে কোনো মূল্যে দুর্নীতি থেকে বেরিয়ে আসার তাগিদ দেন তিনি।</span></p>
<p class="mb-3 text-justify"><span>ড. ইউনূস বলেন, ‘চেষ্টা করবো, তবে পরিষ্কারভাবে ধরতে পারবে না কোথায় কী হচ্ছে। কিন্তু এটাতে আমরা পারবো। এটা শুধু অনলাইন সার্ভিস প্রভাইড করা। এটাতে সফল হলে আরো উৎসাহ আসবে। বহু রকমের বুদ্ধি আছে।’</span></p>
<p class="mb-3 text-justify"><span>এসময় সরকারি সেবাতে অনলাইনে সেবা প্রদানের সুযোগ বাড়ানোর আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইনফো সরকার প্রকল্পে লুটপাট হয়েছে</title>
<link>https://digibanglatech.news/151299</link>
<guid>https://digibanglatech.news/151299</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202502/image_870x580_67b333e3deb44.jpg" length="83520" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 16 Feb 2025 19:09:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ইনফো সরকার- ১, ২ ও ৩ জনগণের ট্যাক্সের টাকায় বানানো। এগুলোতে বিশেষ ব্যক্তি অথবা ব্যক্তি কোম্পানিকে টোটাল অথরিটি দেওয়া হয়েছে। তারা তাদের ব্যক্তিগত সম্পদের মতো সেগুলোকে ব্যবহার করেছে। অথচ এটা ব্যবহার করার কথা ছিল জেলা-উপজেলা পর্যায়ে। কিন্তু, বিগত সরকার গভর্নেন্স সিস্টেমের কথা বলে লুটপাট চালিয়েছে। কিছু কোম্পানিকে সুবিধা দেওয়া হয়েছে। <span> সবকিছু এক ব্যক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। সবকিছু দলীয়করণ করা হয়েছে, বিটিআরসি এখনো আগের মতোই আছে। তবে অতীতে যারা লাইসেন্স পেয়েছে, তারা যেন মার্কেট আউট না হয় সে ব্যবস্থা করতে হবে। তারাও তো কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে আমি সেটা মনে করি।</span><span></span></p>
<p><span>বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে রবিবার ‌জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত ‘টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবা খাতে সংস্কার এর প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। </span></p>]]> </content:encoded>
</item>

</channel>
</rss>